• ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩, বুধবার ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Om

কলকাতা

Mamata Bannerjee: 'সুব্রত দা'কে মিস করছেন শোকবিহ্বল মমতা

সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত হন মমতা। আজ বিশ্ববাংলা শারদসম্মান পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে কথা বলতে গিয়ে বারবার তাই সুব্রত দার কথাই মনে পড়ল মমতার। শুধু নেতা কিংবা মন্ত্রীই নন, শহরের অন্যতম বড় পুজো একডালিয়া এভারগ্রিনের উদ্যোক্তাও ছিলেন তিনি। তাই এ দিনের অনুষ্ঠানে শহরের পুজো উদ্যোক্তাদের মাঝে দাঁড়িয়ে মমতা বললেন, আজ সুব্রত দা-কে সবথেকে বেশি মিস করছি।এ দিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এই অনুষ্ঠানে আর কেউ আসুক না আসুক সুব্রত দা সবসময় আসতেন। সুব্রত দার মৃত্যুর খবর শুনে আমার প্রথমেই মনে হয়েছে, এবার এভারগ্রিন কার হাতে। চিরকাল যিনি এভারগ্রিন, তিনি আমাদের সবাইকে ছেড়ে চলে গেলেন।এদিন স্মৃতি হাতড়ে মমতা বলেন, আমার সঙ্গে পুজোর ১৫ দিন আগে থেকে ঝগড়া হত। বলতেন, কবে সময় দিবি, আর বলতেন স্তোত্রটা একবার বলে দিস। আমি জিজ্ঞেস করতাম সুব্রত দা থিম করেন না কেন? বলতেন, আমি সাবেকি পুজো করি। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা সবাই জানি জন্মালে মৃত্যু হবেই। কিন্তু সুব্রত দার যাওয়ার বয়স হয়নি, সময়ও হয়নি। ভাল থাকতে থাকতে হঠাৎ করেই চলে গেলেন। আমরা তাই মেনে নিতে পারছি না।আজ বিধানসভায় তাঁর স্মৃতিচারণাতেও যোগ দিতে পারেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

নভেম্বর ০৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Hero-Ranu : একসঙ্গে কাজ করছেন হিরো আলম-রানু মণ্ডল

গান গেয়ে ভাইরাল হয়ে রাতারাতি খ্যাতি পাওয়া তারকা রানু মন্ডল ও সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে পরিচিতি পাওয়া হিরো আলম এবার একসঙ্গে কাজ করতে যাচ্ছেন। মূলত হিরো আলমের ছবিতে এবার গান করবেন রানু। এই নিয়ে বৃহস্পতিবার তাদের দুজনের ভিডিও কলে কথা হয়।এই বিষয়ে গেছে, হিরো আলমের প্রোডাকশনের তৃতীয় এবং চতুর্থ সিনেমা দুটি পরিচালনা করবেন রাজু চৌধুরী এবং বাবু রেজা। আগামী ২০ নভেম্বর থেকে এর শুটিং শুরু হবে। আর এখানে ব্যবহৃত হবে রানুর গাওয়া গান। দুটি সিনেমাতেই হিরো হিসেবে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করবেন হিরো আলম।রানুর সঙ্গে কাজের বিষয়ে হিরো আলম জানিয়েছেন, রানু মণ্ডলের সঙ্গে ভিডিও কলে আমার কথা হয়েছে। তিনি আমার সিনেমায় দুটি গান গাওয়ার জনন্য সম্মতি দিয়েছেন। আশা করি, তার গানগুলো সবাই গ্রহণ করবেন। রানু মণ্ডলের সঙ্গে হিরো আলমের ভিডিও কল সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্টও করেছেন হিরো আলম।

নভেম্বর ০৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Dronacharya Award : দ্রোণাচার্য পুরস্কার পেলেন বাঙালী সাঁতার কোচ তপন পানিগ্রাহী

বাংলার খেলাধূলার এখন করুণ অবস্থা। অর্জুন পুরস্কার কিংবা মেজর ধ্যানচাঁদ খেলরত্ন পুরস্কার পেতে গেলে যে যোগ্যতা থাকা দরকার, কোনও বাঙালী ক্রীড়াবিদের নেই। দ্রোণাচার্য তো দূর অস্ত। তা সত্ত্বেও এবছর দ্রোণাচার্য পুরস্কার প্রাপকের তালিকায় এক বাঙালীর নাম। সাঁতাররের কোচ তপনকুমার পানিগ্রাহী।শেষ কোন বাঙালী কোচ দ্রোণাচার্য পুরস্কার পেয়েছেন, তা খুঁজতে গেলে অনেক কসরৎ করতে হবে। এখনও পর্যন্ত বাংলা থেকে মাত্র দুজন কোচ দ্রোণাচার্য সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। ১৯৯১ সালে ফুটবল কোচ সৈয়দ নঈমুদ্দিন। তাঁর ঠিক ২০ বছর পর অ্যাথলেটিক্স কোচ ডঃ কুন্তল রায়। আর এবছর পেলেন তপনকুমার পানিগ্রাহী। তাঁকে নিয়ে অবশ্য বাংলার মানুষের গর্বিত হওয়ার কিছু নেই। তপন পানিগ্রাহী মেদিনীপুরের মহিষাদলের মানুষ। এটা ঠিককথা। কিন্তু দীর্ঘদিন বাংলার বাইরে। বাংলার সাঁতার বা খেলাধূলার সঙ্গে তাঁর কোনও যোগাযোগ ছিল বলে কেউ জানেন না।পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদলের গড়কমলপুর গ্রামের ছেলে তপন পানিগ্রাহী। গ্রামের পুকুরে সাঁতার শেখানো দিয়েই শুরু হয়েছিল তাঁর পথচলা। পরে বাংলা ছেড়ে পাড়ি দেন মহারাষ্ট্রে পুণেতে। সেখানে পেশাদার সাঁতার শেখানো শুরু করেন। পরে জাতীয় সাঁতার কোচ হিসেবে কাজ করার সুযোগ পান। দীর্ঘ ৩০ বছর প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করার পর অবসর নেন। তাঁর হাত ধরেই উঠে এসেছেন বহু জাতীয় ও আন্তর্জাতিকস্তরের সাঁতারু। ৩০ জন আন্তর্জাতিক এবং ১৩০ জন জাতীয় চ্যাম্পিয়ন তপন পানিগ্রাহীর হাত ধরে উঠে এসেছে। তাঁর হাতেই তৈরি সজ্জন প্রকাশ। সাঁতারে অসামান্য অবদানের জন্য আগেও একাধিক পুরস্কার পেয়েছেন তপন পানিগ্রাহী। এবার তাঁকে দ্রোণাচার্য পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেছিল জাতীয় সাঁতার ফেডারেশন।দ্রোনাচার্য পুরস্কার পাওয়ার খবরে দারুণ উচ্ছ্বসিত তপন পানিরাহী। তিনি বলেন, দ্রোনাচার্য সম্মানে ভূষিত হয়ে আমি গর্বিত। এই পুরস্কার দেশের সমস্ত সাঁতারের সঙ্গে জড়িত থাকা মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে। মহিষাদলের মানুষের শুভেচ্ছা ছাড়া এই পথচলা সম্ভব ছিল না।এবছর অলিম্পিকে কিছুটা অপ্রত্যাশিত সাফল্যে জাতীয় ক্রীড়াক্ষেত্রে পুরস্কার প্রাপকের তালিকাটা দীর্ঘ হয়েছে। মেজর ধ্যানচাঁদ খেলরত্ন পাচ্ছেন ১২ জন ক্রীড়াবিদ। যা সর্বকালীন রেকর্ড। আর অর্জুন পুরস্কার পাচ্ছেন ৩৫ জন। এছাড়াও রয়েছে ধ্যানচাঁদ লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড। কোচদের দ্রোণাচার্য পুরস্কারের আবার দুটো ক্যাটাগরি। লাইফটাইম এবং রেগুলার। সব মিলিয়ে তালিকা দীর্ঘ। একমাত্র বাঙালি হিসেবে লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট বিভাগে দ্রোণাচার্য পুরস্কার পাচ্ছেন জাতীয় সাঁতারু কোচ তপন পানিগ্রাহী। আগামী ১৩ নভেম্বর রাষ্ট্রপতির হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করবেন তিনি। দীপাবলির ঠিক আগের মুহূর্তে তপনবাবুর এই পুরস্কার প্রাপ্তির খবরে খুশির হাওয়া পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদলে।

নভেম্বর ০৩, ২০২১
দেশ

LPG: একধাক্কায় গ্যাসের দাম বাড়ল ২৬৬ টাকা

আরও মহার্ঘ হল গ্যাস। কমার্শিয়াল অর্থাৎ বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম একধাক্কায় বাড়ল অনেকটাই। সিলিন্ডার প্রতি দাম বেড়েছে ২৬৬ টাকা।সোমবার সবার থেকে কার্যকর হচ্ছে সেই দাম। তবে বাড়িতে ব্যবহৃত রান্নার গ্যাসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ১৯ কেজির কমার্শিয়াল অর্থাৎ বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম এত দিন পর্যন্ত ছিল ১৭৩৪ টাকা। আজ থেকে সেটাই সিলিন্ডার প্রতি ২৬৬ টাকা করে বেড়ে হল ২০০০.৫০ টাকা।দাম বাড়ার পর মুম্বইতে ১৯ কেজির বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম বেড়ে হল ১৯৫০ টাকা, কলকাতায় নতুন দাম হল ২০৭৩ টাকা, চেন্নাইতে দাম হল ২১৩৩ টাকা। স্বভাবিকভাবেই এই গ্যাসের দাম বাড়ায় প্রভাব পড়বে হোটেল ও রেস্তোরাঁর ক্ষেত্রে। প্রভাবিত হবেন ব্যবসায়ীরা।এর আগে গত ৬ অক্টোবর বেড়েছিল রান্নার গ্যাসের দাম। মহালয়ার দিনেই দাম বেড়েছিল। গত তিন মাসে এই নিয়ে চতুর্থবার দাম বেড়েছিল গ্যাসের। সিলিন্ডার প্রতি ১৫ টাকা করে দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। ভর্তুকিযুক্ত এবং ভর্তুকিবিহীন উভয় ক্ষেত্রেই দাম বাড়ানো হয়।

নভেম্বর ০১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Hotat bristi elo : ৬টি রোম্যান্টিক গান নিয়ে মুক্তি পেল 'হঠাৎ বৃষ্টি এলো'

বর্ষা যেমন সুখের স্মৃতি বয়ে আনে তেমনই অনেক মনখারাপের সুর হৃদয়ে ঢেউ তোলে। প্রেম বিরহ বেদনা আনন্দের অনুভুতিরা মিলেমিশে যায়। হঠাৎ মেঘ করে আসে মনে৷ বৃষ্টি আসে বাইরে ও ভেতরে ৷ মনের কথারা তখন গান হয়ে ওঠে। তারপর হঠাৎ বৃষ্টি এলো। মোট ৬ টি রোম্যান্টিক গানের সমন্বয় হঠাৎ বৃষ্টি এলো। ক্ষন ভঙ্গুর জীবনে কোন কিছুই স্থায়ী নয়, ক্ষণে ক্ষণে সবকিছুই বদলে যাচ্ছে৷ বদল হবেই বারে বারে৷ এই নিয়েই গান আমার যে ছবি৷ দিল না কেউ দিল না গানটিতে চিঠি, না পাওয়ার বেদনার প্রতীক৷ হঠাৎ বৃষ্টি এলো গানে বারিধারার সঙ্গে মিলেমিশে গেছে মানব মনের এক গভীর আকুতি। কাল বিকেলে পেলাম খুঁজে গানটিতে রয়েছে হারিয়ে ফিরে পাওয়ার আনন্দ৷ ও বৃষ্টি তুমি একটু থাম না গানেও সেই অদর্শনের আকুতি এবং বর্ষার জল তার দোসর৷ অনেক দিনের না দেখার যে আকুতি তার মধ্যে বৃষ্টি হলো যে দোসর। বহমান নদীর মতই জীবন। প্রতিমুহূর্তে ভাঙা গড়ায় বদলে যাচ্ছে জীবন সময়ের ছন্দে ও তালে।গানগুলি লিখেছেন অশোক চক্রবর্তী। কলেজ জীবন থেকে লেখালেখি শুরু। গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ নাটক লেখার পাশাপাশি আধুনিক বাংলা গান, লোকগান, ভক্তিগীতি রচনা করেছেন। গানগুলি গেয়েছেন এবং সুর করেছেন সেঁজুতি ভৌমিক। মায়ের কাছে মাত্র ৪ বছর বয়সে সেঁজুতির গান শেখার শুরু৷ পরে শ্রীমতি মায়া সেনের ছাত্রী শ্রীমতি শিপ্রা ঘোষ এর কাছে ও সেই সঙ্গে শ্রীবিষ্ণু দত্তের কাছে তালিম চলে। হিমাংশু চক্রবর্তীর কাছে উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত এর শিক্ষাগ্রহণ করেছেন৷ ডিজায়ার মেলোডি স্টুডিওতে রেকর্ড করা হয়েছে৷ অধিকর্তা সুনীল মাইতি, তবলায় শেখর পাল, বাঁশিতে মি. অপূর্ব মুনি, গীটারে পুণ্যশ্লোক মাইতি, সুনীল মাইতি।স্যাক্সোফোনে অভিজিৎ,বেহালায় প্রভু দয়াল। মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করেছেন কুশল, রায়ানী, প্রতীক,শ্রেয়সী, সৌম্যশেখর, সুমন, সুস্মিতা,সায়ন্তন, জয়শ্রী। দক্ষিণ কলকাতার একটি ক্যাফেতে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ হল সেঁজুতি ভৌমিকের বাংলা রোম্যান্টিক গানের অ্যালবাম হঠাৎ বৃষ্টি এলো। গানগুলি শোনা যাবে Senjuti Pranojyoti ইউটিউব চ্যানেলে।

নভেম্বর ০১, ২০২১
রাজ্য

Commit Suicide: ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া ছাত্রকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে প্রেমিকা সহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু

ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ছাত্রকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ উঠলো প্রেমিকা সহ ৭ জনের বিরুদ্ধে। মৃত ছাত্রের নাম সৈকত মাঝি(১৯)।তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার কাঁশড়া গ্রামে। সৈকত দুর্গাপুরের বেসরকারী ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের পড়তো। গত ১৫ অক্টোবর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ছাত্রের ঝুলন্ত মৃতদেহ। ছাত্রের এই মৃত্যুর ঘটনার জন্য দোষীদের শাস্তিদানের ব্যাপারে পুলিশ ব্যবস্থা না নেওয়ায় শুক্রবার বর্ধমান সিজেএম আদালতের দ্বারস্থ হন ছাত্রের দাদা সৌমেন মাঝি। মামলাকারীর আইনজীবীর বক্তব্য শুনে সিজেএম আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করা জন্য জামালপুর থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতে সৌমেন মাঝি জানিয়েছেন, তাঁদের বাড়ি জামালপুর থানার কাঁশড়া গ্রামে। তাঁর ভাই সৈকত মাঝি দুর্গাপুরের বেসরকারী ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে মেকানিক্যাল বিভাগের ছাত্র ছিল। কাঁশড়া এলাকার এক যুবতীর সঙ্গে তাঁর ভাইয়ের ভালবাসার সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। এই সম্পর্কের বিষয়টি যুবতীর পরিবার মেনে নেয়নি। ঘটনার মাস দুই আগে সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য যুবতীর পরিবার সৈকতকে নানা ভাবে হুমকি দেয়। এইসবের কারণে তাঁর ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া ভাই মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিল। ঠিক মতো খাওয়া দাওয়া করতো না।উদাস থাকতো। সেই কারণে সব ভুলে গিয়ে ভাল করে পড়াশুনা করার জন্য তিনি তাঁর ভাইকে বলেন।সৈকত তখন তাঁদের জানায় ,যুবতী অন্য একজনের সঙ্গে প্রণয়ের সম্পের্ক লিপ্ত হয়েছে। তাই নানা কটুক্তি করে তাকে ভুলে যাওয়ার কথা যুবতী তাঁর ভাই সৈকতকে বলছে। এমনকি চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে যুবতী সৈকতকে তার সঙ্গে দেখা করার জন্য ডেকে পাঠায়। সৈকত দেখা করতে গেলে যুবতী ও তার নব্য প্রেমিক তাকে অপমানজনক কথাবার্তা বলে। তাতে সৈকত মানসিকভাবে আরও বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। এমন অবস্থার মধ্যেই গত ১৫ অক্টোবর রাত দেড়টা নাগাদ মদ্যপ অবস্থায় কয়েকজন তাঁদের বাড়িতে এসে দরজায় ধাক্কাধাক্কি করে। তারা তাঁর ভাইকে ডাকাডাকি করে। তা শুনে সৈকত বাইরে বেরিয়ে এলে তাকে তাঁরা পুনরায় কটূক্তি করে। এমনকি গুলি করে মেরে দেওয়ারও হুমকি দিয়ে তারা চলে যায়। এরপর সৈকত ঘরে শুতে যায়। সৌমেন জানিয়েছেন, পরের দিন সকালে ঘরের সিলিং ফ্যানের হুকে লেপের কভার দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় সৈকতকে ঝুলতে দেখা যায়। জামালপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক সৈকতকে মৃত ঘোষণা করেন।মামলাকারী মৃতের দাদার আইনজীবী শর্মিষ্ঠা সামন্ত জানিয়েছেন, ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনার কথা থানায় জানানো হয়েছিল। থানা কোনও ব্যবস্থা না নিয়ে ছাত্রের পরিবারকে আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দেয়। বিষয়টি জেলার পুলিশ সুপারকেও জানানো হয়। তারপরও পুলিশ ব্যবস্থা না নেওয়ায় বাধ্য হয়ে সিজেএম আদালতে মামলা করা হয়েছে। সিজেএম তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। জামালপুর থানার এক অফিসার বলেন, সম্ভবত কেউ এই ধরণের অভিযোগ জানাতে থানায় আসেন নি। তবে আদালত নির্দেশ দিলে তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Aryan Khan: অবশেষে জামিন পেলেন আরিয়ান খান

অবশেষে জামিন পেলেন আরিয়ান খান। বম্বে হাইকোর্ট শাহরুখ-পুত্রের জামিনের আবেদন মঞ্জুর করল বৃহস্পতিবার। দীপাবলির আগেই সম্ভবত বাড়ি ফিরবেন শাহরুখ-গৌরীর ছেলে। মঙ্গলবার এবং বুধবার আরিয়ানের জামিনের শুনানি অসমাপ্ত ছিল। তৃতীয় দিনে রায় শোনাল হাইকোর্ট। শুক্র বা শনিবার ঘরের ছেলে ঘরে ফিরতে পারেন। মুনমুন ধমেচা এবং আরবাজ মার্চেন্টকেও জামিন দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার এই তিন জনকে জামিন দেওয়ার কারণ সবিস্তার জানাবে হাইকোর্ট।দীর্ঘ ২২ দিন মুম্বইয়ের আর্থার রোডের জেলই ছিল সুপারস্টার শাহরুখ পুত্র আরিয়ান খানের ঠিকানা। অবশেষে নিজের বাড়ি মন্নতে ফিরছেন তিনি।গত ২ অক্টোবর মুম্বই থেকে গোয়াগামী প্রমোদতরী থেকে আটক করা হয়েছিল আরিয়ানকে। তার পর ৩ তারিখ তাঁকে গ্রেপ্তার করে নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি)। মোট দুবার তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। যুক্তি হিসেবে বলা হয়, জামিনে ছাড়া পেলে, আরিয়ান তাঁর বিরুদ্ধে যাবতীয় তথ্য ও প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করতে পারেন।ছেলে জেল থেকে না ফেরা পর্যন্ত মন্নতে মিষ্টি খাওয়া বন্ধ রেখেছিলেন গৌরী। অন্যদিকে সলমনের বাবা-মা সেলিম খান ও হেলেন রোজ আরিয়ানের জন্য প্রাথর্না করতেন। বৃহস্পতিবার সকালেই সোশ্যাল মিডিয়া স্টোরিতে বিচার ব্যবস্থার দিকে আঙুল তুলে আরিয়ানের সমর্থনে মুখ খুলেছিলেন হৃত্বিক। দাদা জেলে, তাই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন বোন সুহানা। দুশ্চিন্তা ও ক্লান্তির ছাপ ছিল তাঁর চেহারাতেও শাহরুখের। ২ নভেম্বর শাহরুখের জন্মদিন। ৫৬ বছর বয়সে পা দেবেন তারকা। জন্মদিনের আগে ছেলেকে কাছে পাচ্ছেন, দীপাবলি কাটাবেন একসঙ্গে এতেই বা কম কীসের!

অক্টোবর ২৮, ২০২১
কলকাতা

Trekkers: ফিরল ৫ বাঙালি পর্বতারোহীর দেহ

আজ বাড়ি ফিরল উত্তরাখণ্ডের বিপর্যয়ে মৃত ৫ পর্বতারোহীর কফিনবন্দি নিথর দেহ। শোকে স্তব্ধ পাঁচ পাহাড়িয়ার পরিবার। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা ২০ এবং ৭টা ২০ নাগাদ দিল্লি থেকে দেহ নিয়ে রওনা দেয় বিমানে। এদিকে, কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু, মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস। সুজিত বসু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে এসেছি। আজ ৫ জনের মৃতদেহ এখান থেকে পৌঁছে দেওয়া হবে তাঁদের পরিবারের কাছে। খুবই দুঃখজনক ঘটনা।গত ১০ অক্টোবর উত্তরাখণ্ডের খারকিয়া থেকে বাগেশ্বর ,জাটুলি, দেবীকুণ্ড, নাগকুণ্ড হয়েকানাকাটা পাসে ট্রেকিংয়ে গিয়েছিলেন সাগর দাসেরা। কিন্তু প্রবল বৃষ্টি ও তুষার ঝড়ের কবলে পড়ে আটকে যান সুন্দরডুঙ্গা হিমবাহের কাছে। এতদিন আবহাওয়া খারাপ থাকার বারবার ব্যাহত হচ্ছিল তাদের উদ্ধারকাজ। পরে সেই সুন্দরডুঙ্গা হিমবাহের কাছেই পাওয়া যায় পাঁচ ট্রেকার নিথর দেহ। মৃত ট্রেকারদের তালিকায় রয়েছেন,সাধন বসাক, তিনি ঠাকুরপুকুর জায়গীর রোডের বাসিন্দা। এছাড়াও বিকাশ মাকাল, সৌরভ দাস, সাবিয়ান দাসের দেহ উদ্ধার হয়েছে।

অক্টোবর ২৮, ২০২১
দেশ

Pegasus Row: পেগাসাস ইস্যুতে কেন্দ্রকে ভর্ৎসনা, নিরপেক্ষ কমিটি দিয়ে তদন্তের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

পেগাসাস কাণ্ডে তদন্তের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের। শীর্ষ আদালতের নজরদারিতে নিরপেক্ষ কমিটি দিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। কমিটির মাথায় থাকবেন সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি আরভি রবীন্দ্রণ । এছাড়া থাকবেন অলোক যোশী এবং সাইবার সিকিওরিটি ও ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ। আট সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালত সূত্রে খবর, বুধবারের শুনানিতে কেন্দ্রকে তীব্র ভর্ৎসনা করেন বিচারপতি। কেন্দ্রের জবাব সন্তোষজনক নয় বলে জানান।আগের শুনানিতেই প্রধান বিচারপতি এন ভি রামানা ইঙ্গিত দিয়েছিলেন আদালতের তরফে একটি কমিটি তৈরি করা হতে পারে। বুধবার সেই পদক্ষেপই নেওয়া হয়েছে। আদালত সূত্রে খবর, এদিন পর্যবেক্ষণ পেশ করার সময় প্রায় প্রতিটি ছত্রে ছত্রে কেন্দ্রের সমালোচনা করেন প্রধান বিচারপতি। তিনি জানান, সাংবিধানিক রক্ষাকবজের কথা বলে কখনই ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা যায় না। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাও খর্ব করা যায় না। তেমনটা হলে, তা গণতন্ত্রের ক্ষেত্রে খারাপ নজির তৈরি করবে। আদালত আরও জানায়, পেগাসাস কাণ্ডে কেন্দ্রকে যথেষ্ট সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। অবস্থান ব্যাখ্যা করতে বলা হয়েছিল। কিন্তু জাতীয় নিরাপত্তার যে অজুহাত কেন্দ্র দিচ্ছে, সুপ্রিম কোর্ট সমর্থন করে না। এদিন গোয়ায় তৃণমূল কংগ্রেসের সাংবাদিক বৈঠক থেকে চড়া সুরে বিজেপিকে বিঁধলেন ডেরেক ওব্রায়েন। তিনি বলেন, বর্ষাকালীন অধিবেশনে পেগাসাস কাণ্ডের কথা সংসদে তুলতেই দেয়নি বিজেপি। কিন্তু আজ কী হল! সত্যিটা আজ সবার কাছে প্রমাণিত হয়ে গেল। সুপ্রিম কোর্টের কথায় বিজেপি ধরা পড়ে গিয়েছে।BOOM. There you go👇So BJP (and not the Opposition) were solely responsible for DISRUPTING THE ENTIRE MONSOON SESSION of #Parliament https://t.co/jtVV3i3nVU Derek OBrien | ডেরেক ওব্রায়েন (@derekobrienmp) October 27, 2021সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে স্বাগত জানিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। তিনি বলেন, মোদি-অমিত শাহের বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতের এই রায়। গণতন্ত্রের জয় হয়েছে। এটাই সকলে চাইছিল। এতে বের হয়ে যাবে কে পেগাসাসকে দিয়ে হ্যাকিং করিয়েছিল।

অক্টোবর ২৭, ২০২১
কলকাতা

Uttrakhand: ৬ বন্ধুকে আজীবনের মত বিদায় দিয়ে বাড়ি ফিরলেন মিঠুন

ফেরা হল না বাকি বন্ধুদের। দুঃস্বপ্ন কাটিয়ে অবশেষে বাড়ি ফিরলেন বিষ্ণুপুরের মিঠুন দারি । গতকাল উত্তরাখণ্ড থেকে দিল্লি হয়ে কলকাতায় ফেরেন তিনি। উত্তরকাশিতে যাওয়া সাত বাঙালির মধ্যে একমাত্র জীবিত তিনি। আহত অবস্থায় উত্তরাখণ্ডের জেলা হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন মিঠুন। গত ১১ই অক্টোবর কলকাতা থেকে উত্তর কাশিতে ট্রেকিং করতে যান সাতজন বাঙালি। এরপর সোমবার সকালে চার অভিযাত্রীর দেহ ফেরে কলকাতায়। ঘটনার বিষয়ে যদিও মিঠুন বেশি কিছু সংবাদমাধ্যমকে জানাতে পারেননি। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, এখন অনেকটাই সুস্থ রয়েছেন। তবে ভুলতে পারছেন না সেখানকার ভয়াবহ স্মৃতি।গত ২২ অক্টোবর প্রথম পাঁচ জনের মৃত্যুর খবর সামনে আসে। উত্তরাখণ্ডের বাগেশ্বর কন্ট্রোল রুম থেকে বাংলার পাঁচ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন,সাধন বসাক, তিনি ঠাকুরপুকুর জায়গীর রোডের বাসিন্দা। এছাড়াও বিকাশ মাকাল, সৌরভ দাস, সাবিয়ান দাসের দেহ উদ্ধার হয়েছে। তাঁদের পরিচয় জানা গিয়েছে।১১ জন পর্বতারোহীর মধ্যে দুজনকে জীবিত অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হয়েছিল আগেই। অর্থাৎ বাকি ৯ জনের মধ্যে ৫ জনের দেহ উদ্ধার হয়। জানা গিয়েছে, এই দলটি ট্রেকিং-এ গিয়েছিল। সেখানে গিয়েই বিপত্তি ঘটে। ওই দলের মধ্যে ছিলেন ৭ জন বাঙালি। সেই ৭ জনের মধ্যে স্বশরীরে বাড়ি ফিরলেন মিঠুন।

অক্টোবর ২৫, ২০২১
রাজ্য

Wall Collapsed: ঘরের দেওয়াল ভেঙে আহত পরিবারের অন্তঃসত্ত্বা মহিলা সহ পাঁচ

ঘরে ঘুমিয়ে থাকার সময় দেওয়াল ভেঙে পড়ায় আহত হলেন অন্তঃসত্ত্বা মহিলা সহ একই পরিবারের পাঁচ জন। শনিবার ভোরে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী ১ ব্লকের মাগনপুর গ্রামে। প্রতিবেশীরা আহতদের সবাইকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। এই ঘটনার খবর পেয়ে সকালেই এলাকার বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায়, ব্লকের বিডিও দেবব্রত জানাসহ জনপ্রতিনিধিরা হাসপাপালে গিয়ে আহতদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্বস্থলীর জাহান্নগর পঞ্চায়েতের মাগনপুরে বাড়ি দে পরিবারের। ইট ও মাটির গাঁথনির দেওয়াল ও টিনের চালার ঘরে দে পরিবারের সদস্যরা বসবাস করেন। ওই ঘরেতেই এদিন ভোরে পরিবারের সদস্যরা ঘুমাচ্ছিলেন। সেইসময় আচমকাই বাড়ির দেওয়ালসহ টিনের চালা হুড়মুডিয়ে ঘেঙে পড়ে।ভেঙে পড়া সেই দেওয়ালের নিচে চাপা পড়ে যান পরিবারের এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলাসহ পাঁচ জন।প্রতিবেশীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে গিয়ে ভেঙে পড়া দেওয়াল সরিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করেন। পরিবারের সদস্যরা মনে করছেন নিম্নচাপের জেরে বিগত কয়েকদিন ধরে হওয়া বৃষ্টিপাতের জেরে ইট মাটির গাঁথনির দেওয়ল দুর্বল হয়ে পড়ায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

অক্টোবর ২৩, ২০২১
রাজ্য

Rape: মঙ্গলকোটে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন তরুনীকে হুমকি দেখিয়ে সহবাসের অভিযোগ বিজেপি নেতার ভাইয়ের বিরুদ্ধে

হুমকি দিয়ে দিনের পরদিন সহবাস করে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন তরুনীকে অন্তঃসত্ত্বা করে দেওয়ার অভিযোগ উঠলো বিজেপি নেতার ভাইয়ের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটে। ঘটনা সবিস্তার উল্লেখ কবে তরুণীর পরিবার বৃহস্পতিবার রাতে অভিযুক্ত চুনী আনসারির বিরুদ্ধে মঙ্গলকোট থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। এই ঘটনা জানার পর থেকেই এলাকা ছেড়ে গা ঢাকা দিয়েছে বিজেপি নেতা ডাবলু আনসারি ও তাঁর ভাই চুনী আনসারি। মামলা রুজু করে পুলিশ হন্যে হয়ে অভিযুক্তের সন্ধান চালাচ্ছে। এলাকার বাসিন্দাদের কথায় জানা গিয়েছে, বাম আমলে মঙ্গলকোটে সিপিএমের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা ছিলেন ডাবলু আনসারী। ২০১১ সালে রাজ্য রাজনীতিতে পালাবদলের পর তিনি এলাকা ছাড়া হয়ে যান। কয়েক বছর আগে ডাবলু আনসারী বিজেপিতে যোগদান করেন। মঙ্গলকোটের টালিপাড়ার তরুণীর পরিবারের অভিযোগ, বিজেপি নেতা ডাবলু আনসারির ভাই চুনী আনসারি হুমকি দিয়ে দিনের পর দিন তাঁদের পরিবারের বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন যুবতী মেয়ের সঙ্গে সহবাস করে।তরুনী তাঁর দরিদ্র দাদার কাছে থাকে। দাদা মুটিয়ার কাজ করেন। আর পরিবারের অন্যান্যরা জনমজুরির কাজ করেন। সকাল হতেই পরিবারের সবাই কাজে বেড়িয়ে যান। দিনের বেলায় তরুণী বাড়িতে একাই থাকতো। অভিযোগ তারই সূযোগ নিয়ে চুনী আনসারি হুমকি দিয়ে দিনের পর দিন বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ওই তরুণীর সঙ্গে সহবাস করতো। সম্প্রতি তরুনীর শারীরিক পরিবর্তন হতে শুরু করলে পরিবারের লোকজনের সন্দেহ হয়। বৃহস্পতিবার বাড়ির সকলে মিলে তরুনীকে চেপে ধরলে সে কান্নায় ভেঙে পড়ে। তরুণী চুনী আনসারির কুকীর্তির কথা পরিবারের লোকজনকে জানায়। তরুণীর মখ থেকে থেকে চুনীর কুকীর্তি জানার পর ওই দিনই পরিবারের লোকজন মঙ্গলকোট থানার দ্বারস্থ হন। এই ঘটনা সামনে আসার পর মঙ্গলকোট পঞ্চায়েতের উপপ্রধান চন্দন সরকার ও বিজেপির বর্ধমান পূ্র্ব (গ্রামীণ) জেলা কমিটির সহ-সভাপতি রানাপ্রতাপ গোস্বামী উভয়েই চুনী আনসারির দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবি করেছেন।

অক্টোবর ২২, ২০২১
কলকাতা

Protest: বাংলাদেশের ঘটনার প্রতিবাদে বাংলা পক্ষের প্রতিবাদ কর্মসূচি

বাংলা পক্ষ ভারতের বাঙালির অধিকার আদায়ের জাতীয় সংগঠন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশে সদ্য ঘটা সাম্প্রদায়িক বিশৃঙ্খলার প্রতিবাদে উত্তর ২৪ পরগনা শহরাঞ্চল সাংগঠনিক জেলার উদ্যোগে বরানগর বিধানসভার অন্তর্ভুক্ত টবিনরোড অঞ্চলে এক বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করে। সংগঠনের প্রধান বক্তা গর্গ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বাংলাদেশে কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, ফেনী-সহ নানা জেলায় সংখ্যালঘু হিন্দু বাঙালিদের দুর্গাপুজোয় সাম্প্রদায়িক গুন্ডা আক্রমণকে ধিক্কার! বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নিরাপত্তা নিশ্চিত না করতে পারা বাংলাদেশ সরকারকে ধিক্কার! জামাত-এ-ইসলামি ও পাকিস্তান চেতনার বাহক সকল বাঙালি-বিরোধী শক্তিকে নিশ্চিহ্ন করো!আরও পড়ুনঃ ছেলেকে দেখতে জেলে ছুটলেন শাহরুখঅন্যদিকে, বাংলা পক্ষের শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি বলেন, ভারতের হিন্দি বলয়জুড়ে উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়ে দুর্গাপুজোয় আক্রমণ ও খুনকে ধিক্কার! পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুর এলাকায় বহিরাগত বিএসএফ জওয়ান দ্বারা দুর্গাপুজোয় গুলি চালানোকে ধিক্কার ! সংগঠনের ওপর শীর্ষ পরিষদ সদস্য অমিত সেন বলেন, আব্বাস সিদ্দিকী, তরুণজ্যোতি তিওয়ারি-সহ ধর্মীয় হিংসার সকল উস্কানীদাতাকে গ্রেপ্তার করতে হবে !বাংলাদেশকে তিস্তার জল দিতে চাওয়া পশ্চিমবঙ্গ-বিরোধীদের ধিক্কার! তিস্তা চুক্তি ধ্বংস করো! পশ্চিমবঙ্গের ১০০০০ একর জমি বাংলাদেশকে দিয়ে দেওয়া কেন্দ্রীয় সরকার ধিক্কার! ওই জমি ফেরত চাই! বাংলাদেশে ২০১৪-র পর ধর্মীয় নির্যাতনের বলি হয়ে ভারতে আসা বাঙালিকে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী বানানো সিএএ আইন বাতিল করো!বাংলাদেশ থেকে নিপীড়িত হয়ে ভারতে আসা বাঙালিদের ডিটেনশন ক্যাম্পে ঢোকানো বন্ধ করো! কার স্বার্থে ভারত-বাংলাদেশ বর্ডার সম্পূর্ণ সিল করছেনা বিএসএফ, অমিত শা জবাব দাও! বার বার সংখ্যালঘুর উপর আক্রমণ সত্ত্বেও বাংলাদেশকে কোটি কোটি ডলার দেওয়া কেন্দ্রীয় সরকারকে ধিক্কার!

অক্টোবর ২১, ২০২১
বিদেশ

Bangladesh: কুমিল্লার ঘটনায় শনাক্ত মূল অভিযুক্ত!

বাংলাদেশের ঘটনায় উত্তাল ওপাড় থেকে এপাড় বাংলা। ইতিমধ্যেই ঘটনায় মূল অভিযুক্তকে শনাক্ত করা গিয়েছে বলে দাবি করছে সেদেশের পুলিশ। কুমিল্লার একটি পুজোমণ্ডপে রাতের অন্ধকারে অন্য ধর্মের পবিত্র গ্রন্থ রেখে যাওয়া লোকটিকে চিহ্নিত করা গিয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলার পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ। বুধবার তিনি বলেন, সিসিটিভি-র ফুটেজ দেখে তাকে চিহ্নিত করার পরে পরিচয়ও মিলেছে। লোকটির নাম ইকবাল হোসেন (৩৫)। বাবার নাম নুর আহমেদ আলম। বাড়ি কুমিল্লা শহরের সুজানগরে।আরও পড়ুনঃ ১০০ কোটি টিকাকরণের পথে দেশ, ভ্যাকসিন নেই বলে চিৎকার করছে রাজ্যবাংলাদেশের সংবাদপত্র কালের কণ্ঠ-এ প্রকাশিত খবর অনুসারে,পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, সিসিটিভি-তে দুষ্কৃতীর ছবি ওঠার পরে পুলিশের বিভিন্ন সংস্থা তদন্তে নামে। তার পরেই এই অগ্রগতি। ইকবাল হোসেনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।সেখানকার পুলিশ ও সরকার প্রথম থেকেই বলে আসছিলেন, পরিকল্পিত চক্রান্ত রয়েছে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অশান্তির পিছনে। গোয়েন্দারা দেখেছেন, আফগানিস্তানে তালিবান দখলদারি কায়েম হওয়ার পরে মাস দুয়েক ধরে ঢাকার পাকিস্তানি দূতাবাস এবং তাদের সহযোগীরা খুবই তৎপর। বুধবার একটি সাংবাদিক বৈঠকে শাসক দল আওয়ামি লিগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্ব নষ্ট করতেই এই হামলা ও হিংসার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এ কাজে বিরোধী দল বিএনপি-র হাত রয়েছে।আরও পড়ুনঃ কালনা রোডে টোটো ও বালি বোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত ৪, কেন এই দুর্ঘটনা?এদিকে, পুলিশের কাছে ইকবালের পরিবার দাবি করেছে, তিনি কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন। তবে পরিবারের বাইরে অন্য কোনও নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারেননি তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। এখনও পর্যন্ত সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে পুলিশের মত, কুমিল্লার সুজানগরের এ যুবকই পবিত্র কোরান শরিফ নিয়ে কুমিল্লা শহরের প্রাণকেন্দ্র নানুয়া দীঘিরপাড়ের পূজামণ্ডপে রাখেন। এরপর তা নিয়ে দেশব্যাপী তুলকালাম ঘটে।এ ঘটনার তদন্তের সঙ্গে যুক্ত উচ্চ পর্যায়ের একজন পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ইকবাল হোসেন স্থানীয় একটি মাজার সংলগ্ন মসজিদ থেকে কোরান শরিফ সংগ্রহ করে মণ্ডপে গিয়ে ঢোকেন। মূলত সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখেই তাকে শনাক্ত করা হয়। তবে ঘটনার সঙ্গে আরো কয়েকজন জড়িত বলে ধারণা করছে পুলিশ। এরই মধ্যে তাদের কয়েকজনকে আটকও করা হয়েছে।

অক্টোবর ২১, ২০২১
রাজ্য

Central Force: উপনির্বাচনের বাংলায় ৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

রাজ্যের চার বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনে ৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। আগেই বলা হয়েছিল ২৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে। তবে এবার তা এক লাফে ৫৩ কোম্পানি বাড়িয়ে ৮০ কোম্পানি করা হল।আরও পড়ুনঃ শিষ্য খুনে যাবজ্জীবন সাজা রাম রহিমকেএই ৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে দিনহাটা, শান্তিপুর, খড়দহ, ও গোসবা কেন্দ্রের জন্য। এই বাহিনী মোতায়েনের মূল লক্ষ্যই হল নির্বাচনের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা। তবে কোন কেন্দ্রের জন্য কত বাহিনী থাকবে সেটা স্থানীয় জেলা নির্বাচন আধিকারিকের সঙ্গে আলোচনা করেই ঠিক হবে। নির্বাচন কমিশনের তরফে যে বিজ্ঞপ্তি এসেছে, সেখানে বলা হয়েছে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য ৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। আগেই ২৭ কোম্পানি বাহিনীর কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। এবার তা আরও ৫৩ কোম্পানি বাড়ানো হল। সিআরপিএফের পাশাপাশি বিএসএফ, এসএসবি, আইটিবিপির জওয়ানরাও থাকবেন।খড়দহে তৃণমূলের শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপির জয় সাহা। এই কেন্দ্রে সিপিএম প্রার্থী দেবজ্যোতি দাসও লড়াই করছেন। দিনহাটায় তৃণমূলের প্রার্থী উদয়ন গুহ। বিজেপির হয়ে লড়বেন অশোক মণ্ডল, বামেদের মুখ ফরওয়ার্ড ব্লকের আব্দুর রউফ। শান্তিপুরে তৃণমূলের প্রার্থী ব্রজকিশোর গোস্বামী, বিজেপির প্রার্থী নিরঞ্জন বিশ্বাস, সিপিএমের প্রার্থী সৌমেন মাহাতো। গোসাবায় সুব্রত মণ্ডল তৃণমূলের মুখ। বিজেপির প্রতীকে লড়বেন পলাশ রানা, আরএসপির প্রার্থী অনিল চন্দ্র মণ্ডল।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Iman Chakraborty : মা কে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালেন ইমন

মায়ের জন্মদিন। সোশ্যাল মিডিয়ায় থ্রোব্যাক ছবি পোস্ট করে শুভেচ্ছা জানালেন গায়িকা ইমন চক্রবর্তী। বেশ কিছুদিন হল মা-কে হারিয়েছেন ইমন। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পোস্টে মায়ের কথা লিখেছেন তিনি, মাকে মনে করেছেন।ছবিতে ছোট করে কাটা চুল, চোখে চশমা পরে ইমন চক্রবর্তীকে দেখে স্কুলছাত্রী মনে হচ্ছে। মায়ের সঙ্গে হেসে পোজ দিয়েছেন তিনি। ছবিটি পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখেন, শুভ জন্মদিন মা। অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁর পোস্টে অনেকেই কমেন্ট করেছেন। অনেকেই ইমনের মা কে এই বিশেষ দিনে শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন। কমেন্ট বক্সে কেউ লিখেছেন হ্যাপি বার্থডে কাকিমা। কেউ লিখেছেন হ্যাপি বার্থডে জেঠিমা।সম্প্রতি ইমন চক্রবর্তীর মিউজিক ভিডিও ইচ্ছেডানা মুক্তি পেয়েছে। গানটি লিখেছেন মানিক বেরা। সুর দিয়েছেন ইমনের স্বামী নীলাঞ্জন ঘোষ। দর্শকমহলে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে এই গানটি

অক্টোবর ১৮, ২০২১
রাজনীতি

Babul Supriyo: মঙ্গলেই ইস্তফা বাবুলের

প্রায় এক মাস পর স্পিকার ওম বিড়লার কাছ থেকে সময় পেলেন বাবুল সুপ্রিয়। মঙ্গলবারই স্পিকারের কাছে ইস্তফাপত্র জমা দেবেন তিনি।তৃণমূলে যোগ দিয়েই সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেবেন বলে জানিয়েছিলেন বাবুল সুপ্রিয়। কিন্তু প্রায় এক মাস কেটে গিয়েছে। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছ থেকে সময় পাচ্ছিলেন না। সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিতে পারছিলেন না তিনি। এই নিয়ে অভিযোগ করে টুইটও করেন বাবুল সুপ্রিয়। যদিও লোকসভার সূত্র উদ্ধৃত করে এএনআই জানিয়েছিল, সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে যোগাযোগ করেননি বাবুল।বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদানের পরই সংসদ পদ থেকে তিনি ইস্তফা দেবেন বলে জানিয়ে ছিলেন বাবুল সুপ্রিয়। এ জন্য গত মাসের শেষের দিকে দিল্লি উড়ে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা ব্যস্ত থাকায় তাঁর সময় পাননি বাবুল। তিনি দুবার চেষ্টা করেও স্পিকারের সঙ্গে দেখা করতে পারেননি বলে দাবি বাবুলের। এই প্রেক্ষিতে নিজের টুইটার হ্যান্ডেল থেকে একটি টুইটে স্পিকারকে দেওয়া তাঁর চিঠি তুলে ধরেন বাবুল।এ নিয়ে বাবুল বলেন, আমরা বলতে পারি না কেন স্ট্যাম্পটি নেই। তবে আমি আপনাকে বলতে চাই যে মাননীয় স্পিকারের উচ্চ পদে থাকা কাউকে স্ট্যাম্প লাগানোর জন্য অনুরোধ করাও সৌজন্যপূর্ণ নয়। যখন কেউ সেখানে স্বাক্ষর তারিখ, সময়, স্থান এবং পিএল নম্বর উল্লেখ করে চিঠিটি পাচ্ছেন।লোকসভার স্পিকারকে পাঠানো চিঠিটি টুইটারে তুলে দিয়ে বাবুল জানিয়েছিলেন, স্পিকারের তরফে সময় মেলেনি বলেই এখনও সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিতে পারেননি।

অক্টোবর ১৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই চমক ওমানের, হেরে চাপে বাংলাদেশ

বেজে গেল টি২০ বিশ্বকাপের ঘন্টা। রবিবারই ওমানের আল আমেরাতে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হল। প্রথম রাউন্ডে গ্রুপ বির উদ্বোধনী ম্যাচে পাপুয়া নিউ গিনিকে ১০ উইকেটে উড়িয়ে দিল ওমান। বিশ্বকাপের আত্মপ্রকাশেই চমক মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশ। অন্যদিকে স্কটল্যান্ডের কাছে ৬ রানে হেরে চাপে বাংলাদেশ। প্রথম রাউন্ডে দুটি গ্রুপ থেকে দুটি করে দল সুপার ১২তে খেলার সুযোগ পাবে। সেইদিক দিয়ে প্রথম ম্যাচ জিতে কিছুটা হলেও এগিয়ে গেল ওমান।টস জিতে এদিন পাপুয়া নিউ গিনিকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিল ওমান। স্কোর বোর্ডে কোনও রান যোগ হওয়ার আগেই দুটি উইকেট হারায় পাপুয়া নিউ গিনি। তা সত্ত্বেও তারা ৯ উইকেটে ১২৯ রানে পৌঁছয় অধিনায়ক আসাদ ভালা ও চার্লস আমিনির সৌজন্যে। ৪৩ বলে ৫৬ রান করেন আসাদ। আমিনি ২৬ বলে করেন ৩৭। ওমানের হয়ে অধিনায়ক জিশান মাকসুদ ২০ রানে ৪ উইকেট নেন। ব্যাট করতে নেমে দারুণ আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করতে থাকেন ওমানের দুই ওপেনার আকিব ইলিয়াস ও যতীন্দার সিং। মাত্র ১৩.৪ ওভারেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন ওমানকে (১৩১/০)। আকিব ইলিয়াস ৪৩ বলে ৫০ রান করে অপরাজিত থাকেন। আকিবের থেকেও বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন যতীন্দার সিং। তিনি ৪২ বলে ৭৩ রান করে অপরাজিত থাকেন। যতীন্দারের ইনিংসে রয়েছে ৭টি ৪ এবং ৪টি ৬। গ্রুপের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ ও স্কটল্যান্ড। টস জিতে স্কটল্যান্ডকে ব্যাট করতে পাঠান বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহমুদ্দুলা। বাংলাদেশ স্পিনারদের বিরুদ্ধে একেবারেই দাঁড়াতে পারেননি স্কটল্যান্ডের টপ অর্ডারের ব্যাটাররা। ওপেনার জর্জ মুনসে ২৩ বলে ২৯ রান করেন। একসময় ৫৩ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল স্কটল্যান্ড। সেখান থেকে দলকে ১৪০/৯ রানে পৌঁছে দেন ক্রিস গ্রেভস (২৮ বলে ৪৫) ও মার্ক ওয়াট (১৭ বলে ২২)। মেহদি হাসান ১৯ রানে ৩ উইকেট নেন। সাকিব ১৭ রান ২ উইকেট। ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের শুরুটাও ভাল হয়নি। ১৮ রানের মধ্যে সৌম্য সরকার (৫) ও লিটন দাসকে (৫) হারিয়ে চাপে পড়ে যায়। সাকিব (২০), মুশফিকুর রহিম (৩৮), মাহমুদুল্লা (২৩), আফিফ হোসেনরা (১৮) কিছুটা লড়াই করলেও দলকে জেতানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না। ২০ ওভারে ১৩৪/৭ রানে থেমে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। প্রথম ম্যাচেই হেরে চাপে পড়ে গেল বাংলাদেশ।

অক্টোবর ১৭, ২০২১
কলকাতা

Protest: আব্বাস সিদ্দিকির মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক চাঞ্চল্য

দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশী রাষ্ট্রে যে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ তা থেকে সুরক্ষিত আছে। এখানকার বাঙালি নিজেদের অসাম্প্রদায়িক চরিত্র বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে ধর্ম নির্বিশেষে। বিগত বিধানসভা নির্বাচনে তার প্রমাণ আমরা পেয়েছি। মৌলবাদী রাজনীতিবিদ আব্বাস সিদ্দিকির মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনায় অবিলম্বে পদক্ষেপ করার আবেদন করে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছে বাংলা পক্ষ। অপরাধীদের কোনও ধর্ম হয় না এই বলে নিন্দা করে লিখিত বিবৃতি জারি করেছেন তিনি। আর তাঁর এমন বিবৃতিতেই রাজনৈতিক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশে ইসকন মন্দিরে হামলার ঘটনায় রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিতঘটনার নিন্দা করে অধীর চৌধুরী জানিয়েছেন,গতকাল আব্বাস সিদ্দিকির উক্তি অত্যন্ত নিন্দনীয়। সাম্প্রদায়িক রাজনীতি কংগ্রেস কোনোদিন বরদাস্ত করেনি, তার বিরুদ্ধে শতাব্দীব্যাপী লড়াই করে যাচ্ছে আগামী দিনেও করবে, শেষ রক্তবিন্দু অবধি লড়ে যাবে কংগ্রেস, ভোটের অঙ্ক-এর চেয়ে বাংলা তথা দেশের সম্প্রীতি রক্ষা কংগ্রেসের কাছে অনেক অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।অন্যদিকে রাজ্য বিজেপির তরফে রাজ্যজুড়ে আজ ও আগামীকাল (১৭.১০.২০২১- ১৮.১০.২০২১) পার্শ্ববর্তী দেশের বাঙ্গালী হিন্দু ভাই বোনদের ওপর নাটকীয় অত্যাচারের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ পদ্ধতিতে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছে ও করবে।

অক্টোবর ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌ndia Coach : ভারতীয় কোচের দায়িত্ব আবার এক অস্ট্রেলিয়ানের হাতে?‌

ভারতীয় হেড কোচের দায়িত্ব কি আবার এক অস্ট্রেলিয়ানের হাতে যাবে? তেমন সম্ভাবনাই তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ভারতের কোচের পদে ঘোরাফেরা করা টম মুডির নাম আবার ভেসে উঠেছে। গ্রেগ চ্যাপেলের পর আবার এক অস্ট্রেলিয়ানের হাতে ভারতীয় ক্রিকেটারদের দায়িত্ব অর্পিত হলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। টি২০ বিশ্বকাপের পরই দায়িত্ব শেষ হচ্ছে হেড কোচ রবি শাস্ত্রীর। তাঁর পাশাপাশি অন্য কোচিং স্টাফদেরও মেয়াদ শেষ হবে। পুরো কোচিং স্টাফ খোলনলচে বদলে ফেলতে চায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। এর মধ্যে কে ভারতীয় দলের কোচ হবেন তা নিয়ে জোর কল্পনা। বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি চেয়েছিলেন অনিল কুম্বলেকে হেড কোচ করতে। কিন্তু বোর্ডের অনেক কর্তারই আপত্তি কুম্বলেকে নিয়ে। কারণ এর আগে তিনি যখন কোচের দায়িত্বে ছিলেন, অধিনায়ক বিরাট কোহলির সঙ্গে সম্পর্ক বেশ খারাপ হয়েছিল কুম্বলের। সেই দলের অনেক ক্রিকেটারই এখন দলে রয়েছেন। তাই কুম্বলেকে আবার কোচ হিসেবে চাইছেন না বাকি বোর্ড কর্তারা। তাছাড়া কুম্বলের বিরুদ্ধে যাচ্ছে আইপিএলে পাঞ্জাব কিংসের ব্যর্থতা। ভারতীয় দলের পাশাপাশি পাঞ্জাব কিংসের কোচ হিসেবেও তেমন কোনও ভাল রেকর্ড নেই কুম্বলের। তিনিও নাকি এখন আর কোচ হতে চাইছেন না। ভিভিএস লক্ষ্মণকেও হেড কোচের পদে বসানোয় সায় নেই অনেক বোর্ড কর্তার। রাহুল দ্রাবিড় এই মুহূর্তে জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমির দায়িত্ব ছেড়ে বিরাট কোহলিদের দায়িত্ব নিতে রাজি নন। ফলে হেড কোচের জন্য বিদেশিদের দিকেই ঝুঁকছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। বীরেন্দ্র শেহবাগ অবশ্য ভারতীয় দলের কোচ হতে আগ্রহী। কিন্তু তাঁর হেড কোচ হওয়ার সম্ভাবনা নেই। সহকারীর দায়িত্ব পেতে পারেন। মহম্মদ কাইফকে ফিল্ডিং কোচ হিসেবে নিয়োগ করা হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে হে়ড কোচের দৌড়ে ভেসে বেড়াচ্ছে টম মুডির। ২০০৫ সালে যখন গ্রেগ চ্যাপেলকে কোচ করা হ্য তখনও টম মুডির নাম উঠেছিল। ২০১৭ ও ২০১৯ সালে তিনি কোচ হতে আগ্রহী ছিলেন। মুডি এখনও চাইছেন ভারতীয় দলের কোচ হতে। তাঁর কোচিংয়ে ২০০৭ সালে শ্রীলঙ্কা ৫০ ওভারের বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছিল।

অক্টোবর ০৯, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 28
  • 29
  • 30
  • 31
  • 32
  • 33
  • 34
  • ...
  • 52
  • 53
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

শিক্ষক নিয়োগ মামলায় চাকরি গিয়েছিল, কয়েক মাস পরেই মমতার ভাইঝির রহস্যমৃত্যু

মঙ্গলবার সকালে রামপুরহাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামাতো ভাই নিহার মুখোপাধ্যায়ের মেয়ের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতার নাম বৃষ্টি মুখোপাধ্যায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিক ভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রামপুরহাটের কুশম্বা গ্রামে নিহার মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে কয়েক মাস ধরে থাকছিলেন বৃষ্টি। মঙ্গলবার সকালে বাড়ির দোতলার একটি ঘরে তাঁকে দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকি করা হয়। কিন্তু কোনও সাড়া না পাওয়ায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে থানায় খবর দেওয়া হয়।পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে বৃষ্টির দেহ উদ্ধার করে। পরে দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।বৃষ্টির নাম এর আগে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলাতেও উঠে এসেছিল। ২০২৩ সালের মার্চে বোলপুর হাইস্কুলে তৃতীয় শ্রেণির কর্মী হিসাবে তাঁর নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। অভিযোগ ছিল, অবৈধ ভাবে নিযুক্তদের তালিকায় তাঁর নাম ছিল। পরে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার জেরে চাকরিও হারান তিনি।পরিবার সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, গত কয়েক মাস ধরে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে বৃষ্টির সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল। তাঁর বিবাহবিচ্ছেদের মামলাও চলছিল। একটি সন্তানকে নিয়ে তিনি বাবার বাড়িতেই থাকছিলেন।পরিবারের দাবি, চাকরি হারানো এবং ব্যক্তিগত জীবনের নানা সমস্যার কারণে বৃষ্টি মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। তবে তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে এই কারণগুলির সরাসরি কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কী পরিস্থিতিতে বৃষ্টির মৃত্যু হল, ঘটনাটি আত্মহত্যা কি না এবং এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, সব দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
সম্পাদকীয়

আগুনপাখির জন্মদিনে—ফিরে দেখা সেই বিকেলের সোনারোদ

কিছু কিছু মানুষের জন্মদিন আসে ক্যালেন্ডারের পাতায়। আর কিছু মানুষের জন্মদিন ফিরে আসে আমাদের স্মৃতির ভিতর দিয়ে। ১ সেপ্টেম্বর তেমনই একটি দিন।বাংলা গানের অমূল্য রতন নচিকেতা চক্রবর্তীর জন্মদিন।এই দিনটিকে শুধু একজন শিল্পীর জন্মদিন বললে বোধহয় তাঁর প্রতি অবিচার করা হয়। কারণ নচিকেতা শুধু গান করেননিতিনি এক সময়কে কণ্ঠ দিয়েছেন। এক প্রজন্মের রাগ, অভিমান, প্রেম, হতাশা, স্বপ্নভঙ্গ, নিঃসঙ্গতা আর বেঁচে থাকার জেদকে শব্দ দিয়েছেন। তাঁর গান শুনতে শুনতে বড় হয়ে ওঠা মানুষগুলির কাছে নচিকেতা কোনও দূরের তারকা নন; তিনি বরং সেই পুরনো বন্ধুর মতো, যার সঙ্গে বহু বছর দেখা না হলেও হঠাৎ কোনও সন্ধ্যায় তাঁর গলা শুনলেই মনে হয়এই তো, মানুষটা এখনও ঠিক আগের মতোই আছে।নব্বইয়ের দশকের শেষভাগ।বাংলা গানের আকাশটা তখন কেমন যেন ক্লান্ত। একদিকে পুরনো দিনের সুরের নস্টালজিয়া, অন্যদিকে নতুন সময়ের হাওয়ার টান। বাংলা আধুনিক গান যেন কোথাও দাঁড়িয়ে নতুন ভাষার অপেক্ষা করছে। সেই অপেক্ষার মাঝেই একদিন ঝড়ের মতো এসে দাঁড়ালেন এক যুবক।চেহারায় প্রচলিত নায়কোচিত চাকচিক্য নেই। রংবাহারী পোশাক, পায়ে স্নিকার, মুখে অগোছালো দাড়ি। হাতে গিটার। আর কণ্ঠে এমন এক স্বর, যার মধ্যে মিশে আছে শহরের ধুলো, মধ্যবিত্তের ক্লান্তি, প্রেমের দীর্ঘশ্বাস আর অদ্ভুত এক বিদ্রোহ।তিনি নচিকেতা।মঞ্চে উঠে তিনি শুধু গান গাইতেন না। গান থামিয়ে শ্রোতার সঙ্গে কথা বলতেন। আবার কথার মাঝেই গান ঢুকে যেত। কখনও হাসাতেন, কখনও অস্বস্তিতে ফেলতেন, কখনও এমন কোনও কথা বলে বসতেন, যা বাড়ি ফেরার পরও মাথার মধ্যে ঘুরত।সেই সময় বাংলা গানের মঞ্চে যেন একটি গান-এর বদলে একজন মানুষ এসে দাঁড়িয়েছিলেন।আর মানুষটি খুব দ্রুত আপন হয়ে গিয়েছিলেন।তারপর একদিন গান আর গান রইল নানচিকেতার গান প্রথমবার শুনে হয়তো কেউ চমকে উঠেছিল। দ্বিতীয়বার শুনে মুগ্ধ হয়েছিল। আর তৃতীয়বারের পর বুঝেছিলএই গান তো আসলে তার নিজের কথা!এই ছিল নচিকেতার জাদু।তিনি কোনও দূরদেশের প্রেমের গল্প বলেননি। তিনি আমাদের পাশের বাড়ির মানুষের গল্প বলেছেন। যে বাবা অবসরের পর সংসারে অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়েন, যে মার সব থেকেও বৃদ্ধাশ্রমে বাস, যে ছেলে চাকরি না পেয়ে রাত জাগে, যে মেয়ে প্রেম হারিয়ে জানালার ধারে দাঁড়িয়ে থাকে, যে মানুষটি ভিড়ের শহরে থেকেও ভীষণ একানচিকেতা তাঁদেরই গল্প গেয়েছেন।তাই তাঁর গান শুনতে শুনতে মনে হত, তিনি আমাদের চেনেন। খুব কাছ থেকে চেনেন।নীলাঞ্জনা যখন বাজত, কোনও এক পুরনো প্রেমের মুখ মনে পড়ত। বৃদ্ধাশ্রম শুনলে নিজের বাবা-মায়ের মুখের দিকে তাকাতে ইচ্ছে করত। আর যখন তাঁর কণ্ঠে উঠে আসতভিড় করে ইমারত আকাশটা ঢেকে দিয়ে,চুরি করে নিয়ে যায় বিকেলের সোনারোদতখন মনে হত, এই তো আমাদের শহর!এই তো আমাদের হারিয়ে যাওয়া বিকেল!কংক্রিটের জঙ্গলে দাঁড়িয়ে যে আকাশটুকু প্রতিদিন একটু একটু করে ছোট হয়ে যাচ্ছে, নচিকেতা সেই আকাশের জন্যও গান লিখেছেন।নচিকেতা ছিলেন এক প্রজন্মের ডায়েরিএকটি প্রজন্মের ব্যক্তিগত ডায়েরিতে অনেক কিছু লেখা থাকে। প্রথম প্রেম, প্রথম চিঠি, প্রথম প্রত্যাখ্যান, পরীক্ষায় ব্যর্থতা, প্রথম চাকরি, বন্ধুত্ব ভেঙে যাওয়া, বাড়িতে অশান্তি, মধ্যরাতে একা ছাদে দাঁড়িয়ে থাকা।নচিকেতার গান যেন সেই ডায়েরির পাতাগুলির পাশে লেখা ছিল।ক্যাসেটের যুগ ছিল তখন।একটি গান পছন্দ হলে বারবার রিওয়াইন্ড করতে হত। ফিতে কেঁপে কেঁপে গান ফিরত। কোনও কোনও ক্যাসেট এতবার বাজত যে তার শব্দেও যেন স্মৃতির গন্ধ লেগে যেত।বন্ধুর বাড়িতে বসে নচিকেতার গান শোনা।কলেজের ক্যান্টিনে তাঁর গান নিয়ে তর্ক।রাতের অন্ধকারে হেডফোন কানে দিয়ে নীলাঞ্জনা শোনা।কারও প্রেম ভেঙে গেলে তাকে নচিকেতার গান শোনানো।কেউ চাকরি না পেলে বেকারে যন্ত্রনায় মলম লাগাতে তার পাশে বসে সারে জাঁহা সে আচ্ছা গুনগুন করা।শিক্ষিত হয়েও চাকরি না পাওয়া, সামাজিক অবক্ষয় ও চারপাশের অসঙ্গতি। গানটি শুরুই হয় বেকার যুবকের আত্মপরিচয় দিয়ে।এসবই ছিল এক সময়ের জীবন।আজকের প্রজন্ম হয়তো বুঝবে না, একটি গান তখন কীভাবে মানুষের জীবনের অংশ হয়ে উঠত। কোনও অ্যালগরিদম ছিল না, রেকমেন্ডেড ফর ইউ ছিল না। ছিল শুধু বন্ধুর হাতে হাতে ঘুরে বেড়ানো ক্যাসেট, মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়া গান আর মানুষের নিজস্ব পছন্দ।সেইভাবেই নচিকেতা ঘরে ঘরে পৌঁছে গিয়েছিলেন।জীবনমুখীশুধু একটি শব্দ নয়নচিকেতার সঙ্গে জীবনমুখী শব্দটি এমনভাবে জড়িয়ে আছে যে দুটি শব্দকে আলাদা করা কঠিন।কিন্তু তাঁর গানকে শুধু একটি ঘরানার মধ্যে আটকে রাখাও ভুল।তিনি জীবনকে দেখেছেন বহু দিক থেকে।কখনও তাঁর চোখে জীবন তীব্র ব্যঙ্গের। কখনও বিষণ্ণ। কখনও প্রেমময়। কখনও ক্ষুব্ধ। কখনও নিঃসঙ্গ। আবার কখনও আশাবাদী।তাঁর গান আমাদের শিখিয়েছেজীবন সুন্দর, কিন্তু সবসময় সুন্দর নয়।ভালোবাসা আছে, কিন্তু সব প্রেম পূর্ণতা পায় না।পরিবার আছে, কিন্তু পরিবারের মধ্যেও মানুষ একা হতে পারে।শহর আছে, কিন্তু শহরের হাজার মানুষের ভিড়েও নিজের জন্য একটা জানালা খুঁজে পাওয়া কঠিন।এই সত্যগুলিকে তিনি কোনও বক্তৃতার ভাষায় বলেননি। বলেছেন গানের ভাষায়।আর তাই তাঁর কথা সরাসরি গিয়ে বসেছে মানুষের বুকের মধ্যে।বৃদ্ধাশ্রমএকটি গান, একটি আয়নানচিকেতার অসংখ্য সৃষ্টির মধ্যে বৃদ্ধাশ্রম যেন আলাদা করে দাঁড়িয়ে থাকে।এটি কেবল বাবা-মাকে নিয়ে লেখা আবেগের গান নয়। এটি আমাদের সামাজিক বিবেকের সামনে রাখা একটি আয়না।বয়স হয়ে যাওয়া মানুষটির প্রয়োজন ফুরিয়ে যায় নাএই সহজ অথচ গভীর সত্যটি নচিকেতা গানের মাধ্যমে মনে করিয়ে দিয়েছেন।গানটি শুনতে শুনতে কত মানুষ হয়তো নিজের বৃদ্ধ বাবা-মায়ের কথা ভেবেছেন। কত মানুষ হয়তো ফোন তুলে বাড়িতে কথা বলেছেন। কত মানুষ হয়তো নিজের অজান্তেই চোখ মুছেছেন।একজন শিল্পীর কাছে এর চেয়ে বড় সাফল্য আর কী হতে পারে?যে গান শ্রোতার জীবনকে এক মুহূর্তের জন্য হলেও বদলে দেয়, সেই গানই তো বেঁচে থাকে।আর নীলাঞ্জনাস্মৃতির নীল আলোঅন্যদিকে নীলাঞ্জনা আমাদের নিয়ে যায় একেবারে অন্য জগতে।প্রেমের গান বাংলা গানে নতুন কিছু ছিল না। কিন্তু নচিকেতার প্রেমের ভাষা ছিল অন্যরকম। সেখানে প্রেমের সঙ্গে ছিল সময়, স্মৃতি, হারিয়ে যাওয়ার ব্যথা।নীলাঞ্জনা শুনলে শুধু একটি মেয়ের কথা মনে পড়ে না। মনে পড়ে একটা সময়ের কথা।মনে পড়ে সেই বয়স, যখন সন্ধ্যা নামলেই কারও জন্য অপেক্ষা করা যেত। ফোনের রিং বাজলে বুক কেঁপে উঠত। একটি চিঠি কয়েকদিন ধরে বালিশের নিচে রেখে দেওয়া যেত।আজ সেই সময় নেই।মানুষের হাতে স্মার্টফোন আছে, মুহূর্তে বার্তা পৌঁছে যায়। কিন্তু অপেক্ষার সেই দীর্ঘ সৌন্দর্য কোথায় যেন হারিয়ে গেছে।তাই নচিকেতার গান শুনলে শুধু গান শোনা হয় নাএকটি হারিয়ে যাওয়া সময়কে ছুঁয়ে দেখা হয়।আগুনপাখি কেন?নচিকেতা থেকে আগুনপাখি হয়ে ওঠার গল্প আসলে তাঁর শ্রোতাদের গল্পও।তিনি আগুনের মতো এসেছিলেন। প্রচলিত গানের অনেক ধারণাকে প্রশ্ন করেছিলেন। গানের বিষয়কে বদলেছিলেন। গায়ক-শ্রোতার দূরত্ব কমিয়েছিলেন।তাঁর গান বলেছিলগান শুধু সাজানো শব্দ নয়।গান প্রশ্ন করতে পারে।গান প্রতিবাদ করতে পারে।গান হাসাতে পারে।গান কাঁদাতে পারে।গান নিজের ঘরের দরজা খুলে দিতে পারে।আর গান কখনও কখনও আয়নার মতো সামনে দাঁড়িয়ে বলতে পারেদেখো, এটাই তোমার জীবন।এই কারণেই তিনি আগুনপাখি।সময়ের সঙ্গে বয়স বেড়েছে, গান বুড়িয়ে যায়নিনচিকেতার জীবনে বহু বছর পেরিয়ে গেছে। বাংলা গানের জগতেও এসেছে অসংখ্য পরিবর্তন। নতুন শিল্পী এসেছেন, নতুন সুর এসেছে, নতুন প্রযুক্তি এসেছে।কিন্তু নচিকেতার গান এখনও শোনা হয়।কারণ তাঁর গান কোনও নির্দিষ্ট দশকের সম্পত্তি নয়।যে বাবা-মায়ের কথা তিনি গেয়েছিলেন, তাঁরা আজও আছেন।যে প্রেমের কথা তিনি গেয়েছিলেন, সেই প্রেম আজও মানুষকে কাঁদায়।যে একাকিত্বের কথা তিনি বলেছিলেন, তা আজ আরও গভীর।যে শহরের কথা তিনি গেয়েছিলেন, সেই শহর আজ আরও কংক্রিটে ঢাকা।আর যে মানুষটির কথা তিনি গেয়েছিলেনসেই সাধারণ মানুষটি আজও ঠিক তেমনই বেঁচে আছে।তাই তাঁর গান পুরনো হয় না।বরং বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছু গান যেন আরও গভীর হয়ে ওঠে।আজ জন্মদিনে তাঁকে মনে পড়ছে অন্যভাবেআজ যখন নচিকেতার জন্মদিন, তখন মনে হয়আমরা কি তাঁকে শুধুই তাঁর জনপ্রিয় গান দিয়ে মনে রাখব?না।তাঁকে মনে রাখা উচিত সেই সাহসটির জন্য, যা বাংলা গানে একসময় প্রয়োজন ছিল।তাঁকে মনে রাখা উচিত সেই ভাষার জন্য, যা সাধারণ মানুষের মুখের ভাষাকে গানের ভাষা করে তুলেছিল।তাঁকে মনে রাখা উচিত সেই কণ্ঠের জন্য, যার মধ্যে কোনও কৃত্রিম মাধুর্য ছিল নাছিল জীবনের খসখসে বাস্তবতা।আর সবচেয়ে বেশি মনে রাখা উচিত সেই মানুষটিকে, যিনি আমাদের শিখিয়েছিলেনগান শুনে শুধু আনন্দ পেতে নেই, কখনও কখনও নিজের দিকে তাকাতেও হয়।আজও হয়তো কোনও পুরনো ক্যাসেটের বাক্সে তাঁর গান পড়ে আছে।কোনও পুরনো অ্যালবামের মলাটে সময়ের ধুলো জমেছে।কোনও এক মধ্যবয়সী মানুষ অফিস থেকে ফিরে হঠাৎ ইউটিউবে নচিকেতার গান চালিয়ে দিয়েছেন।গান শুরু হয়েছে।আর মুহূর্তের মধ্যে তিরিশ বছর পেছনে চলে গেছেন তিনি।সেই পুরনো ঘর।সেই জানালা।সেই বিকেল।সেই অসমাপ্ত প্রেম।সেই বন্ধুটি।সেই বয়স।সেই স্বপ্ন।আর কোথাও খুব দূরে, কিংবা খুব কাছে, নচিকেতার কণ্ঠ ভেসে আসছে।ভিড় করে ইমারত আকাশটা ঢেকে দিয়ে,চুরি করে নিয়ে যায় বিকেলের সোনারোদহয়তো সত্যিই আমাদের জীবনের অনেক সোনারোদ হারিয়ে গেছে।কিন্তু আশ্চর্য ব্যাপারনচিকেতার গান সেই হারিয়ে যাওয়া রোদটুকু এখনও ফিরিয়ে দিতে পারে।এই তো একজন সত্যিকারের শিল্পীর সাফল্য।তিনি চলে যান না।সময় তাঁকে সরিয়ে দিতে পারে না।প্রজন্ম বদলে যায়, গান শোনার মাধ্যম বদলে যায়, শহরের চেহারা বদলে যায়তবু তাঁর কোনও একটি গান হঠাৎ কোথাও বাজে, আর আমরা থমকে দাঁড়াই।মনে হয়এই গানটা তো আমারই কথা।এই অনুভূতিটুকুই নচিকেতার সবচেয়ে বড় অর্জন।তাই আজ তাঁর জন্মদিনে শুধু শুভেচ্ছা নয়।একটি প্রজন্মের হয়ে কৃতজ্ঞতা।সেইসব বিকেলের জন্য, যেগুলিকে তিনি গানে বাঁচিয়ে রেখেছেন।সেইসব কান্নার জন্য, যেগুলির ভাষা তিনি দিয়েছেন।সেইসব প্রেমের জন্য, যেগুলি পূর্ণতা পায়নি।সেইসব বাবা-মায়ের জন্য, যাঁদের নিঃসঙ্গতার কথা তিনি আমাদের শুনিয়েছেন।সেইসব মধ্যবিত্ত স্বপ্নের জন্য, যেগুলি ভেঙেও মানুষকে বাঁচতে হয়।আর সেইসব মানুষের জন্য, যারা এখনও কোনও এক নির্জন রাতে নচিকেতার গান শুনে মনে মনে বলেএ গানটা যেন আমারই জন্য লেখাজন্মদিনে তাই প্রিয় নচিকেতা, আপনাকে প্রণাম।বাংলা গানের আকাশে আপনার সেই আগুনপাখি আজও উড়ে বেড়াক।আর আমাদের হারিয়ে যাওয়া বিকেলগুলির আকাশেএকটু সোনারোদ হয়ে থাকুক আপনার গান।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মিসবার ইস্তফায় পাকিস্তান ক্রিকেটে বিস্ফোরণ! ৭ ক্রিকেটার ছাঁটাইয়ের পর এবার বোর্ডে বড় ধাক্কা

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে একের পর এক ধাক্কায় বিপর্যস্ত পাকিস্তান ক্রিকেট। টানা দুই ম্যাচে হারের পর দলের ভিতরে বড়সড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। সাত জন ক্রিকেটারকে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। বদল করা হয়েছে কোচিং স্টাফেও। এর মধ্যেই জাতীয় নির্বাচক কমিটি থেকে ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক মিসবা উল হক। তাঁর পদত্যাগপত্র ইতিমধ্যেই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের কাছে পৌঁছেছে বলে খবর।তবে বোর্ড এখনও তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেনি। জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে মিসবা তাঁর নোটিশের সময়সীমা পালন করছেন। তাঁর ইস্তফাকে ঘিরেই পাকিস্তান ক্রিকেটের অন্দরে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।একটি ক্রিকেট ওয়েবসাইটের সূত্রের দাবি, দল থেকে সাত জন ক্রিকেটারকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিষয়ে মিসবার সঙ্গে কোনও আলোচনা করা হয়নি। জাতীয় নির্বাচক কমিটির সদস্য হয়েও এই সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তিনি আগে থেকে কিছু জানতেন না বলে সূত্রটির দাবি। এই ঘটনাই তাঁর পদত্যাগের অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।যে সাত জন ক্রিকেটারকে বাদ দেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সলমন আলি আঘা, মহম্মদ রিজওয়ান, আলি উসমান, ইমাম উল হক, খুররম শাহজাদ, আমির জামাল এবং মহম্মদ ওয়াইস জাফর। পাশাপাশি প্রধান কোচের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সরফরাজ আহমেদকে। বোলিং কোচ উমর গুলকেও দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছে।বাকি টেস্ট ম্যাচগুলির জন্য নতুন কোচিং ব্যবস্থাও করা হয়েছে। সাদা বলের কোচ মাইক হেসনকে দায়িত্বে আনা হয়েছে। বোলিং কোচ হিসেবে কাজ করবেন অ্যাশলি নফ। সূত্রের খবর, লাহোরের জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে ব্যাটিং পরামর্শদাতার দায়িত্ব থেকেও সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মিসবা।অন্য দিকে, বাদ পড়া সাত ক্রিকেটারের জায়গায় বেশ কয়েক জন নতুন মুখকে দলে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সাইম আয়ুব বাট, আবদুল্লা ফজল এবং আরাফত মিনহাস। তাঁদের মধ্যে সাইম আয়ুব এবং আবদুল্লা ফজলকে টেস্ট দলেও রাখা হয়েছে। নতুনদের সম্মিলিত টেস্ট অভিজ্ঞতা এখনও খুবই কম।ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে এক ইনিংস ও ১০৩ রানে এবং দ্বিতীয় টেস্টে ১৯৪ রানে হেরেছে পাকিস্তান। ফলে তিন ম্যাচের সিরিজে ইতিমধ্যেই দুই শূন্য ব্যবধানে পিছিয়ে বাবরদের দল। সিরিজে এখনও একটি ম্যাচ বাকি।আগামী ৯ সেপ্টেম্বর বার্মিংহ্যামে শুরু হওয়ার কথা সেই শেষ টেস্ট। সিরিজে হোয়াইটওয়াশ এড়াতে পাকিস্তানের সামনে এখন একমাত্র পথ জয়। তার আগেই নির্বাচক কমিটি এবং কোচিং ব্যবস্থায় এত বড় পরিবর্তন পাকিস্তান ক্রিকেটে নতুন করে আলোড়ন তৈরি করেছে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
দেশ

‘নাচতে রাজি না হওয়ায় চাকরি গেল’, মহিলা বিচারককে নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ বর্ষীয়ান আইনজীবীর

দেশের বিচারব্যবস্থায় মহিলা বিচারকদের যৌন হেনস্থার অভিযোগ নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করলেন বর্ষীয়ান আইনজীবী ইন্দিরা জয়সিং। তাঁর দাবি, পুরুষ সহকর্মীদের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ নিয়ে বহু মহিলা বিচারক তাঁর কাছে এসেছেন। এই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই তিনি নিজের বইয়ে যৌন হেনস্থাকে ভারতীয় বিচারব্যবস্থার ডার্টি সিক্রেট বলে উল্লেখ করেছেন।সম্প্রতি এক স্মারক বক্তৃতায় মাই ভিশন অব ইন্ডিয়া: ২০৪৭ বিষয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন ইন্দিরা জয়সিং। তাঁর দাবি, পেশাগত জীবনে বহু মহিলা বিচারকের সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি। তাঁদের মধ্যে কয়েক জন পুরুষ বিচারকদের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ জানিয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।এক মহিলা বিচারকের হয়ে মামলা লড়ার অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন জয়সিং। তাঁর দাবি, ওই বিচারক তাঁকে জানিয়েছিলেন, হাইকোর্টের কোনও বিচারপতি অবসর নেওয়ার সময় মহিলা জেলা বিচারকদের সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করানো হত। একই রঙের শাড়ি পরতে বলা হত এবং পুরুষ বিচারকরা খাবারের ঘরে ঢোকার সময় তাঁদের উপর ফুল ছড়ানোর মতো আচরণও করা হত।এই ধরনের প্রথার তীব্র সমালোচনা করেন জয়সিং। তাঁর মতে, উচ্চতর বিচারব্যবস্থার কিছু পদমর্যাদাভিত্তিক আচরণ মহিলা বিচারকদের উপর চাপ তৈরি করতে পারে। এর ফলে তাঁদের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে বলেও তিনি দাবি করেন।ওই মহিলা বিচারকের সঙ্গে ঘটে যাওয়া আরও একটি ঘটনার কথাও বক্তৃতায় জানান জয়সিং। তাঁর দাবি, এক বিচারক ওই মহিলা বিচারককে নিজের বিবাহবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে গিয়ে নাচতে বলেছিলেন। মহিলা বিচারক সেই প্রস্তাবে রাজি হননি। এর পর তাঁকে চাকরি হারাতে হয়েছিল বলে দাবি করেন জয়সিং। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।বিচারব্যবস্থায় মহিলা বিচারকদের সঙ্গে যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য এবং যৌন হেনস্থার ঘটনা বাড়ছে বলেও বক্তব্য রাখেন প্রাক্তন বিচারপতি ডি এস মুরলীধর। তাঁর মতে, সিনিয়র পুরুষ সহকর্মীদের আচরণের কারণে অনেক মহিলা বিচারক মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছেন।বিচারব্যবস্থার পদমর্যাদাভিত্তিক সংস্কৃতিরও সমালোচনা করেন মুরলীধর। একই অনুষ্ঠানে বিচারব্যবস্থার বিভিন্ন সমস্যা, মামলা নিষ্পত্তিতে দেরি এবং তরুণ প্রজন্মের আন্দোলন নিয়েও বক্তব্য রাখেন তিনি।অন্য দিকে, আদালতের সময় কী ভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ইন্দিরা জয়সিং। তাঁর বক্তব্য, সাধারণ মামলাকারীদের জন্য বরাদ্দ থাকার কথা যে সামান্য সময়, তার বড় অংশ ধনী ব্যক্তি এবং কর্পোরেট সংস্থাগুলি ব্যবহার করে নেয়।বক্তৃতার শেষে ভবিষ্যৎ ভারত নিয়ে আশাবাদী থাকার কারণও জানান জয়সিং। নতুন প্রজন্মের তরুণ-তরুণীরা তাঁকে প্রায়ই প্রশ্ন করেন, ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি আরও ভাল হবে বলে তিনি কেন মনে করেন। তাঁর উত্তর, ভারতের সংবিধানই তাঁর আশার জায়গা।জয়সিংয়ের বক্তব্য, যতদিন নাগরিকরা সংবিধানের মৌলিক কাঠামো রক্ষা করতে পারবেন এবং শাসককে সংবিধান পরিবর্তনের বিষয়ে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন, ততদিন আশার জায়গা থাকবে। তাঁর মতে, সংবিধান বর্তমান রূপে থাকলে সরকারের কোনও সংবিধান-বহির্ভূত পদক্ষেপকে আইনি ভাবে চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ থাকবে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
কলকাতা

‘মিথ্যা মামলা দিয়ে দমিয়ে রাখবেন?’ সাড়ে ৫ ঘণ্টা জেরার পর পুলিশকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

ক্যামাক স্ট্রিটের ঘটনায় তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করল পুলিশ। একাধিক ধারায় দায়ের হওয়া এই মামলায় শ্লীলতাহানির ধারাও রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে থানার বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক দাবি করেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।গত বৃহস্পতিবার ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের দফতরের বেআইনি বিলবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। পুরসভার কর্মী ও পুলিশকর্মীদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের ধস্তাধস্তি হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলে মহিলা পুলিশকর্মীরাও ছিলেন। ধাক্কাধাক্কির মধ্যে কয়েক জন পড়ে যান বলেও জানা যায়।এই ঘটনার পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ওব্রায়েন এবং প্রাক্তন বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলাতেই মঙ্গলবার থানায় হাজিরা দেন অভিষেক। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তিনি সাংবাদিকদের সামনে নিজের অবস্থান জানান।অভিষেকের দাবি, মামলাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। তিনি বলেন, মিথ্যা মামলা করে তাঁকে বা তাঁর দলকে দমিয়ে রাখা যাবে না। একই সঙ্গে কোনও নোটিস ছাড়াই দলের ১৩ জন কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।ক্যামাক স্ট্রিটের ঘটনার পর তাঁর দফতরের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ ও দমকলের তরফে সেই ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা হয়েছে। এই প্রসঙ্গেও প্রশ্ন তোলেন অভিষেক। তাঁর দাবি, অন্য কয়েকটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় একই ধরনের তৎপরতা দেখা যায়নি।অভিষেক বলেন, তারাপীঠে আগুনে মানুষের মৃত্যুর সময় কিংবা আলিপুরে আগুনে ইভিএম নষ্ট হওয়ার সময় কেন একই ভাবে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা পরীক্ষা করা হয়নি, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তাঁর বক্তব্য, তাঁর দফতরের ক্ষেত্রে যে তৎপরতা দেখা যাচ্ছে, তা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা শ্লীলতাহানির অভিযোগও সরাসরি খারিজ করেছেন অভিষেক। তাঁর দাবি, কারও শ্লীলতাহানি করা হয়নি। ঘটনার ভিডিয়ো তাঁদের কাছে রয়েছে বলেও জানান তিনি।অভিষেকের আরও অভিযোগ, ঘটনার দিন পুলিশকর্মী ও আধিকারিকরা তাঁদের কর্মী-সমর্থকদের সিঁড়ি থেকে টেনে নামিয়েছিলেন। তাঁর প্রশ্ন, মানুষের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পরও যদি এমন মামলা ও পুলিশি পদক্ষেপের প্রয়োজন হয়, তা হলে এত ভয় কেন?জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পুলিশ ও রাজ্য সরকারের উদ্দেশে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন অভিষেক। তাঁর বক্তব্য, মিথ্যা মামলা করে গ্রেফতার করে তাঁকে দমিয়ে রাখা যাবে না। প্রশাসনের হাতে যে ক্ষমতা রয়েছে, তা প্রয়োগ করলেও তিনি পিছিয়ে যাবেন না বলেই বার্তা দেন তৃণমূল সাংসদ।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
রাজ্য

ম্যাঙ্গানিজ মিশন: খনিজ সম্পদের ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী বড় সাফল্য!

অশোকনগর তেলক্ষেত্রের ঐতিহাসিক সাফল্যের পর, পশ্চিমবঙ্গ তার মাটির নিচে লুকিয়ে থাকা আরও এক সম্পদ উন্মোচনের পথেঝাড়গ্রাম জেলায় ম্যাঙ্গানিজের বিশাল ভাণ্ডার! এই ভান্ডারের খোঁজ করতে উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে কাজ শুরু হবে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের খনি ও খনিজ সম্পদ অধিদপ্তর (Directorate of Mines Minerals) শিমুলপাল, লবনী, ভাণ্ডারচুয়া, চৌগা পাহাড়, হাসা ডুংরি, কার্কা, বেগুনডিহা, বীরমণ্ডল, বাঁশপাহাড়ি এবং সংলগ্ন ম্যাঙ্গানিজ-সমৃদ্ধ এলাকায় যৌথ প্রাথমিক জরিপ (reconnaissance survey) চালানোর আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিয়েছে।এই অঞ্চলের খনিজ সম্পদের প্রকৃত সম্ভাবনা যাচাইয়ের লক্ষ্যে MOIL Limited এখন জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (GSI), ইন্ডিয়ান ব্যুরো অফ মাইন্স (IBM) এবং WBMDTCL-এর সাথে সমন্বয় করে কাজ করবে। এর জন্য ২০২৬ সালের ১৫ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর সময়কালে মাঠপর্যায়ের জরিপ বা ফিল্ডওয়ার্ক নির্ধারিত হয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের উদাসীনতা ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে বছরের পর বছর ধরে এই প্রাকৃতিক সম্পদ অব্যবহৃত ও অবহেলিত অবস্থায় পড়ে ছিল বলে মনে করছে রাজ্য সরকার। প্রকৃত উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বিজেপি সরকারের আমলে ঝাড়গ্রামের খনিজ সম্পদ অবশেষে তার যথাযথ গুরুত্ব ও স্বীকৃতি পেতে চলেছে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে বিতর্কিত মিছিল ঘিরে সুপ্রিম কোর্টে মামলা, কেন্দ্র ও পুলিশকে নোটিস, কিন্তু কেন তড়িঘড়ি শুনানি নয়?

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে প্রস্তাবিত একটি প্রতিবাদ মিছিল নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হওয়া মামলায় কেন্দ্রীয় সরকার এবং দিল্লি পুলিশকে নোটিস পাঠিয়েছে শীর্ষ আদালত। তবে মিছিলের আগেই মামলাটির জরুরি শুনানি করার আবেদন মানেনি আদালত।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ মামলাটির পরবর্তী শুনানি ১০ সেপ্টেম্বর ধার্য করেছে। ছাত্র আন্দোলন সংক্রান্ত অন্য মামলাগুলির সঙ্গে এই মামলাটিও শোনা হবে বলে জানিয়েছে আদালত।প্রস্তাবিত মিছিলের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত দিল্লি পুলিশ আধিকারিক রাজেন্দ্র সিং। তাঁর দাবি, দেশের রাজধানীর স্পর্শকাতর এলাকায় বড় জমায়েত বা প্রতিবাদ মিছিলের আগে প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা উচিত।আবেদনকারীর আইনজীবী রিজান আহমেদ আদালতে জানান, আয়োজকদের পক্ষ থেকে এখনও মিছিলের অনুমতির জন্য কোনও আবেদন করা হয়নি বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন। তিনি মিছিলের আগে মামলাটির শুনানি করার জন্য বার বার আবেদন জানান। কিন্তু বেঞ্চ ৩ সেপ্টেম্বরের আগে মামলাটি শুনতে রাজি হয়নি।আইনজীবী আদালতে আরও জানান, আগামী সপ্তাহে দিল্লিতে আন্তর্জাতিক সম্মেলন রয়েছে। সেই সময় রাজধানীতে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা উপস্থিত থাকবেন। সেই পরিস্থিতিতে বড় জমায়েত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। মিছিলটি কয়েক দিন পিছিয়ে দেওয়ার আবেদনও জানান।তবে প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করে দেন, আগে থেকেই কোনও অঘটন ঘটবে বলে ধরে নেওয়ার কারণ নেই। তাঁর বক্তব্য, আদালত এই মুহূর্তে ধরে নেবে যে প্রত্যেকে শান্তিপূর্ণ আচরণ করবেন। কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবেই, এমন জোরালো পরিস্থিতিও আদালতের সামনে নেই বলে জানান তিনি।এর পর আইনজীবী দাবি করেন, আগের একটি আন্দোলনে হিংসার ঘটনা ঘটেছিল। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কোনও দুষ্কৃতী বা উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তির কারণে পরিস্থিতি খারাপ হয়ে যেতে পারে বলেও তিনি আদালতে জানান।আবেদনকারীর আইনজীবী আরও অভিযোগ করেন, পুলিশ মিছিলে বাধা দিলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের সামনে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে। তিনি দাবি করেন, সংগঠনটি আইনি বিধি মানছে না এবং প্রয়োজনীয় অনুমতিও নিচ্ছে না।এই বক্তব্যের পর প্রধান বিচারপতি জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার বিষয়টি মূলত সরকার ও পুলিশের দায়িত্ব। আবেদনকারীকে তাঁর উদ্বেগ কেন্দ্রীয় সরকার অথবা দিল্লি সরকারের কাছে জানাতে বলেন তিনি। আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বলেও স্পষ্ট করেন প্রধান বিচারপতি।মিছিলের আয়োজক সংগঠনকে মামলায় পক্ষভুক্ত করা নিয়েও সমস্যা রয়েছে বলে আদালতে জানানো হয়। আইনজীবীর দাবি, সংগঠনটির কোনও নথিভুক্ত অফিস বা লেটারহেড নেই। ফলে তাদের সরাসরি মামলার পক্ষ করা সম্ভব হচ্ছে না।শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকার এবং দিল্লি পুলিশকে নোটিস পাঠিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে ৫ সেপ্টেম্বরের প্রস্তাবিত মিছিলের আগেই মামলাটির শুনানি করার আবেদন গ্রহণ করেনি বেঞ্চ। ফলে মিছিলের আগে প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।

আগস্ট ৩১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

২০ বছরের মহাকাব্যের শেষ! হঠাৎই জাতীয় দলকে বিদায় মেসির, স্তব্ধ ফুটবল বিশ্ব

কয়েক দিন ধরেই জল্পনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত সেই আশঙ্কাই সত্যি হল। আর্জেন্টিনার জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিলেন ফুটবলের মহাতারকা লিওনেল মেসি। দেশের জার্সিতে প্রায় দুই দশকের দীর্ঘ যাত্রার পর এবার আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন তিনি।মেসির অবসর নিয়ে কয়েক দিন ধরেই জল্পনা চলছিল। বাবার মৃত্যুর পর তিনি মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। ফুটবল থেকেও তাঁর মন কিছুটা সরে গিয়েছিল বলে আলোচনা শুরু হয়। যদিও তাঁর সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে অবসরের কোনও স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। ইন্টার মায়ামির হয়ে মাত্র কয়েক দিন আগেই চারটি গোল করেছিলেন মেসি। সেই ম্যাচে তাঁর দল সাত-শূন্য ব্যবধানে জয় পায়।তার পরেও আচমকাই এল বড় ঘোষণা। মেসি জানিয়েছেন, বিশ্বকাপের ফাইনালের পর নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে দীর্ঘ সময় চিন্তাভাবনা করেছেন। শেষ পর্যন্ত জাতীয় দল থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। নিজের সবটুকু দিয়ে আর্জেন্টিনার হয়ে খেলেছেন বলেও জানিয়েছেন এই তারকা।মেসির এই সিদ্ধান্ত মানে আর্জেন্টিনার ফুটবলের একটি দীর্ঘ অধ্যায়ের অবসান। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের জার্সিতে একের পর এক স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দিয়েছেন তিনি। কখনও সাফল্য এসেছে, কখনও এসেছে হতাশা। একাধিকবার বিশ্বকাপের স্বপ্নভঙ্গ হলেও শেষ পর্যন্ত ২০২২ সালে সেই অধরা ট্রফি নিজের হাতে তুলেছিলেন মেসি।আর্জেন্টিনার হয়ে তাঁর আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়েছিল ২০০৫ সালের ১৭ অগস্ট হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে। দীর্ঘ কেরিয়ারে দেশের হয়ে শতাধিক গোল করেছেন তিনি। বিশ্বকাপে ছবার অংশ নিয়েছেন। ২০২২ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পাশাপাশি দুবার বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও পেয়েছেন।বিশ্বকাপের মঞ্চেও মেসির একাধিক নজির রয়েছে। সবচেয়ে বেশি বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলার রেকর্ড তাঁর দখলে। বিশ্বকাপে একাধিক ম্যাচে গোল ও সহায়তার মাধ্যমে দলকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন তিনি। টানা নয়টি বিশ্বকাপের ম্যাচে গোল করার নজিরও রয়েছে তাঁর নামে।মেসির আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে শুধু সাফল্য নয়, রয়েছে দীর্ঘ লড়াইয়ের ইতিহাসও। একসময় কোপা আমেরিকার ফাইনালে পরপর ব্যর্থতা তাঁকে ভেঙে দিয়েছিল। কিন্তু সেই হতাশা কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনাকে কোপা আমেরিকা এবং বিশ্বকাপ জিতিয়েছেন তিনি।এবার সেই জাতীয় দলকেই বিদায় জানালেন মেসি। তাঁর সিদ্ধান্তে আর্জেন্টিনার ফুটবলে যে বিশাল শূন্যতা তৈরি হবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে দেশের জার্সিতে তাঁর অধ্যায় শেষ হলেও ক্লাব ফুটবলে এখনও তাঁকে মাঠে দেখা যেতে পারে। ফলে মেসির ফুটবলযাত্রা পুরোপুরি শেষ হচ্ছে না, শেষ হচ্ছে শুধু আর্জেন্টিনার জার্সিতে তাঁর মহাকাব্যিক অধ্যায়।

আগস্ট ৩১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal