• ১ কার্তিক ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২০ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Office

রাজ্য

তদন্ত এনআইএ-র হাতে, মুর্শিদাবাদে পুলিশ সুপার বদল! নবান্নের বড় সিদ্ধান্ত

বেলডাঙার অশান্তির ঘটনার পর রাজ্য পুলিশের শীর্ষস্তরে বড়সড় রদবদল। শুক্রবার ওই ঘটনার তদন্তভার পায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। তার পরের দিনই বদল করা হয় মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপারকে। এর পর শনিবার নবান্ন থেকে একযোগে ২২ জন আইপিএস পদমর্যাদার আধিকারিকের বদলির নির্দেশ জারি করা হয়। শহর ও জেলার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে এই রদবদল ঘিরে প্রশাসনিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজকে সরিয়ে তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ধৃতিমান সরকারকে। কুমার সানি রাজকে পাঠানো হয়েছে রাজ্য পুলিশের বিশেষ শাখা এসএসআইবি-তে। ধৃতিমান সরকার এর আগে ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরের মতো জেলায় পুলিশ সুপার হিসেবে কাজ করেছেন।শুধু মুর্শিদাবাদ নয়, বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটেও গুরুত্বপূর্ণ বদল হয়েছে। যুবভারতী কাণ্ডের পরে সাসপেন্ড হওয়া তৎকালীন ডিসি অনীশ সরকারের জায়গায় ডিসি পদে দায়িত্ব পেয়েছেন পুষ্পা। বনগাঁর পুলিশ সুপার দীনেশ কুমারকে করা হয়েছে ডিসি (উত্তর)। ডিসি (দক্ষিণ শহরতলি) বিদিশা কলিতাকে পাঠানো হয়েছে বনগাঁর পুলিশ সুপার হিসেবে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব পেয়েছেন চারু শর্মা। ডিসি (পূর্ব) পদে আনা হয়েছে জসপ্রীত সিংকে। ডিসি (পূর্ব শহরতলি) হয়েছেন অমিত বর্মা এবং ডিসি (দক্ষিণ) হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দীপক সরকারকে।এছাড়াও বারাসতের পুলিশ সুপার প্রতীক্ষা ঝারখরিয়াকে দার্জিলিং জেলার পুলিশ সুপার করা হয়েছে। অমিত পি জাভালগিকে পাঠানো হয়েছে আইজি, বারাসত রেঞ্জে। অলোক রাজোরিয়া পেয়েছেন ডিআইজি, বর্ধমান রেঞ্জের দায়িত্ব। মুর্শিদাবাদের প্রাক্তন পুলিশ সুপার আরিশ বিলালকে পাঠানো হয়েছে এসএসআইবি-তে। প্রদীপ কুমার যাদবকে বদলি করে এসএসআইবি, উত্তরবঙ্গ সদর দফতরে পাঠানো হয়েছে।বেলডাঙা অশান্তির পর একের পর এক প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে স্পষ্ট, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না রাজ্য সরকার।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
দেশ

আরজি কর মামলার তদন্তকারী অফিসারই পাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি পুরস্কার, তীব্র বিতর্ক

আরজি কর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসক-পড়ুয়াকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার তদন্ত যাঁর নেতৃত্বে হয়েছিল, সেই সিবিআই অফিসার ভি চন্দ্রশেখর এ বার সাধারণতন্ত্র দিবসে রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পেতে চলেছেন। তিনি বর্তমানে সিবিআইয়ের জয়েন্ট ডিরেক্টর পদে কর্মরত। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।প্রতি বছর ২৬ জানুয়ারি কেন্দ্রের তরফে দেখানো হয় বিশেষ অবদান রাখা পুলিশ ও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের। দুধরনের পদক দেওয়া হয়একটি বিশেষ পরিষেবার জন্য এবং অন্যটি উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য। এ বছর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার মোট ৩১ জন অফিসার রাষ্ট্রপতি পদক পাচ্ছেন। তাঁদের মধ্যেই রয়েছেন ভি চন্দ্রশেখর।তবে আরজি কর মামলার তদন্ত ঘিরে শুরু থেকেই প্রশ্নের মুখে পড়েছে সিবিআই। আদালতেও একাধিকবার তদন্ত নিয়ে ভর্ৎসনা শুনতে হয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থাকে। এমনকি নির্যাতিতা চিকিৎসকের বাবা-মাও সিবিআইয়ের তদন্তে আস্থা রাখতে পারেননি। সম্প্রতি ধর্ষণ ও খুনের মামলায় শিয়ালদহ আদালতে অষ্টম স্টেটাস রিপোর্ট জমা দেয় সিবিআই। সেই রিপোর্ট নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন নির্যাতিতার পরিবার। তাঁদের দাবি, ওই রিপোর্টে কোনও গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি নেই।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৯ অগস্ট আরজি কর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চারতলার সেমিনার হল থেকে ওই মহিলা চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কলকাতা পুলিশ সঞ্জয় রায় নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে। পরে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে যায়। যদিও তদন্তে আর কোনও অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি কেন্দ্রীয় সংস্থা। শেষ পর্যন্ত শিয়ালদহ আদালত সঞ্জয় রায়কেই দোষী সাব্যস্ত করে আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয়।এই বিষয়টি নিয়েই বারবার প্রশ্ন তুলেছে নির্যাতিতার পরিবার। তাঁদের অভিযোগ, সিবিআই তদন্তে গাফিলতি হয়েছে বলেই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত অন্য কেউ ধরা পড়েনি। আদালত সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর শিয়ালদহ আদালত চত্বরে এক সিবিআই তদন্তকারী অফিসারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন নির্যাতিতার বাবা। পরিস্থিতি সামাল দেন পরিবারের সদস্য ও আইনজীবীরা।এ দিকে, সঞ্জয় রায়ের সর্বোচ্চ সাজা বা প্রাণদণ্ড চেয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে সিবিআই। সেই মামলা বর্তমানে ডিভিশন বেঞ্চে বিচারাধীন। পাশাপাশি আরজি কর হাসপাতালের দুর্নীতির অভিযোগেও তদন্ত করছে সিবিআই। তবে সেই মামলাতেও এখনও পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি।

জানুয়ারি ২৫, ২০২৬
কলকাতা

ইডি তল্লাশির আগে গোপন বার্তা? ‘দাদা’কে পাঠানো চ্যাট ফাঁস করে বিস্ফোরক কুণাল

প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং আইপ্যাকের অফিসে ইডি-র তল্লাশি ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর এখনও থামেনি। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের সংঘাত পৌঁছে গিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। একদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই তদন্তকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে রাস্তায় নেমেছেন, অন্যদিকে তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ নতুন করে প্রশ্ন তুললেন ইডি-র ভূমিকা নিয়ে।সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি চ্যাটের স্ক্রিনশট পোস্ট করেছেন কুণাল ঘোষ। ওই কথোপকথনে দেখা যাচ্ছে, দাদা সম্বোধন করে কাউকে জানানো হচ্ছে যে ১৩ জন ইডি অফিসার কলকাতা যাচ্ছেন। সঙ্গে যাচ্ছেন গুলশন রাই নামে এক সাইবার বিশেষজ্ঞ। এছাড়া সিজিও কমপ্লেক্সে একটি জরুরি বৈঠকের কথাও উল্লেখ রয়েছে। মেসেজের শেষ লাইনে লেখা আছে, এই বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সচিব সকেত কুমারের সঙ্গে কথা হয়েছে।এই চ্যাটে কে কাকে এই তথ্য দিচ্ছেন, তা স্পষ্ট নয়। তবে দাদা শব্দটি নিয়েই সন্দেহ প্রকাশ করেছেন কুণাল ঘোষ। তাঁর দাবি, সরকারি আধিকারিকদের সাধারণত এভাবে সম্বোধন করা হয় না। রাজনৈতিক কোনও ব্যক্তিকেই সাধারণত দাদা বলা হয়ে থাকে।সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে কুণাল লেখেন, আইপ্যাক অফিসে তল্লাশির নামে কি কোনও বড় চিত্রনাট্য তৈরি করা হয়েছিল? এই চ্যাট সত্যি হলে পুরো বিষয়টির গভীর তদন্ত হওয়া দরকার। তাঁর প্রশ্ন, ইডি-র তল্লাশি কি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছিল?কুণাল ঘোষ আরও বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর দফতর থেকে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছিল কি না, সেটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। সরকারি কাজের খবর কোন দাদাকে জানানো হল, সেটাও স্পষ্ট হওয়া দরকার। তিনি জানান, পুলিশ পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখবে।এই প্রসঙ্গে বিজেপি কোনও মন্তব্য করতে চায়নি। বিজেপির মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, এই চ্যাট কারা করেছে, তারাই বলতে পারবে। কুণাল ঘোষ দলের হয়ে কথা বলেন, তাই এই বিষয়ে বিজেপির কোনও প্রতিক্রিয়া নেই।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ফের আগুন, নিউটাউনের বহুতলে দাউদাউ করে জ্বলল অফিস

বুধবার সন্ধ্যার পর বৃহস্পতিবার সকাল। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ফের কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা। বৃহস্পতিবার সকালে নিউটাউনের থাকদাঁড়ি এলাকার একটি বহুতলে ভয়াবহ আগুন লাগে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ছয়টি ইঞ্জিন। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন দমকলকর্মীরা।আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে মুহূর্তের মধ্যেই তা বহুতলের একাধিক তলায় ছড়িয়ে পড়ে। উপরের দিকের জানলা ভেঙে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালাতে হয় দমকলকে। বহুতলের ভিতর থেকে কালো ধোঁয়া বেরোতে দেখে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। চারপাশ ঢেকে যায় ধোঁয়ায়।দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই বহুতলে একাধিক বেসরকারি সংস্থার অফিস রয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথমে উপরের তলার জানলা দিয়ে ধোঁয়া বের হতে দেখেন। সঙ্গে সঙ্গে দমকলে খবর দেওয়া হয়। প্রথমে দুটি ইঞ্জিন পৌঁছলেও আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় পরে আরও ইঞ্জিন পাঠানো হয়। বেশ কয়েকটি জায়গা থেকে আগুনের লেলিহান শিখা দেখা যায়।এই অগ্নিকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর নেই। দমকলের প্রাথমিক অনুমান, শর্ট সার্কিট থেকেই আগুন লাগতে পারে। তবে সঠিক কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।উল্লেখযোগ্য ভাবে, এর আগের দিন বুধবার সন্ধ্যায় আনন্দপুরের নোনাডাঙার মাতঙ্গিনী কলোনি বসতিতেও ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। সন্ধ্যা প্রায় সাড়ে ছটা নাগাদ সেখানে আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যে একের পর এক ঝুপড়ি আগুনের গ্রাসে চলে যায়। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। প্রথমে দমকলের দুটি ইঞ্জিন পৌঁছলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পরে আরও পাঁচটি ইঞ্জিন পাঠানো হয়। দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।নোনাডাঙার ওই অগ্নিকাণ্ডে শতাধিক ঝুপড়ি সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে যায়। শীতের রাতে ঘরছাড়া হন বহু মানুষ। একের পর এক অগ্নিকাণ্ডে শহর জুড়ে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

জানুয়ারি ০৮, ২০২৬
রাজ্য

২০০২ সালের তালিকায় নাম থাকলে শুনানির প্রয়োজন নেই, স্বীকার কমিশনের ‘প্রযুক্তিগত ত্রুটি’

এসআইআর (বিশেষ নিবিড় সংশোধন) প্রক্রিয়ায় বড়সড় বিভ্রান্তির কথা স্বীকার করল নির্বাচন কমিশন। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও চলতি এসআইআরের শুনানির নোটিস পেলে সংশ্লিষ্ট ভোটারদের আর শুনানিতে হাজির হতে হবে নাএমনই নির্দেশ জানিয়ে রাজ্যের সমস্ত জেলাশাসকদের চিঠি পাঠিয়েছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) দফতর।কমিশন স্পষ্ট করেছে, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম থাকা ভোটারদের ক্ষেত্রে নো ম্যাপিং দেখালেও সেটি সম্পূর্ণ প্রযুক্তিগত সমস্যার ফল। কম্পিউটার সিস্টেম বা মোবাইল অ্যাপে তথ্য সঠিকভাবে প্রতিফলিত না হওয়াতেই এই গরমিল তৈরি হয়েছে, যার দায় কোনওভাবেই ভোটারের নয়।সম্প্রতি বহু ভোটার অভিযোগ করেন, ২০০২ সালের তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও এবং এবারের এসআইআরে বিএলও-র দেওয়া এনুমারেশন ফর্ম জমা দেওয়ার পরেও তাঁদের শুনানির নোটিস পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে রাজ্যজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও অভিযোগ করেন, ভুল ম্যাপিংয়ের কারণে ভোটারদের নাম বাদ পড়ছে।এই পরিস্থিতিতে কমিশন জানাল, এমন ভোটারদের শুনানিতে ডাকা হবে না, এমনকি নোটিস পাঠানোও উচিত নয়। যদি ভুলবশত নোটিস পৌঁছে যায়, তবে ভোটারদের শুনানিতে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। তাঁদের শুধু পুরনো ভোটার তালিকার তথ্য দিলেই চলবে। জেলা নির্বাচনী আধিকারিক (ডিইও) ২০০২ সালের ভোটার তালিকার কাগজ দেখে সেই তথ্য যাচাই করবেন।শুধু ডিইও নয়, প্রয়োজনে ইআরও বা এইআরও-রাও এই যাচাই প্রক্রিয়ার দায়িত্বে থাকবেন। কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, যাচাইয়ের পর প্রয়োজনীয় নথি অনলাইনে আপলোড করেই বিষয়টির নিষ্পত্তি করা হবে। প্রয়োজনে বিএলও ভোটারের বাড়িতে গিয়ে ছবি তুলতে পারেন, যা পরবর্তীতে প্রমাণ হিসেবে ওয়েবসাইটে আপলোড করা হবে।কমিশন আরও জানিয়েছে, শুধুমাত্র অভিযোগ থাকলে বা প্রকৃত তথ্যগত গরমিল ধরা পড়লেই সংশ্লিষ্ট ভোটারকে শুনানির জন্য ডাকা হবে। খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর এসআইআর-এর দ্বিতীয় ধাপে শুনানির প্রক্রিয়া শুরু হলেও, ২০০২ সালের তালিকাভুক্ত ভোটারদের ক্ষেত্রে এই ত্রুটিকে গুরুত্ব দিয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করা হল।সব মিলিয়ে, এসআইআর নিয়ে চলা বিতর্কের মধ্যেই কমিশনের এই স্বীকারোক্তি রাজ্যের ভোটারদের বড়সড় স্বস্তি দিচ্ছে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫
দেশ

রাতবিরেতে ট্রেন থেকে তুলে নিয়ে গেল পুলিশ! কেন গ্রেপ্তার প্রাক্তন আইপিএস অমিতাভ ঠাকুর

লখনউ পুলিশ বুধবার ভোররাতে প্রাক্তন আইপিএস অফিসার অমিতাভ ঠাকুরকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযোগ, ১৯৯৯ সালে উত্তরপ্রদেশের ডোরিয়া জেলার পুলিশ সুপার থাকা অবস্থায় তিনি নিজের প্রভাব খাটিয়ে ভুয়ো নথি বানিয়ে স্ত্রীর নামে একটি শিল্প প্লট দখল করেছিলেন। সেই মামলাতেই তাঁর বিরুদ্ধে নতুন করে তদন্ত শুরু হয় এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়।মঙ্গলবার গভীর রাতে তিনি ট্রেনে করে লখনউ হয়ে দিল্লি যাচ্ছিলেন। রাত প্রায় ২টোয় শাহজাহানপুর জংশনে তাঁকে আটক করে লখনউ পুলিশ। এরপর কঠোর নিরাপত্তায় তাঁকে ডোরিয়া নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁর চিকিৎসা পরীক্ষা করানো হয় এবং পরে মুখ্য বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট (সিজেএম) আদালতে পেশ করা হয়। আদালত তাঁকে ১৪ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।পুলিশ জানিয়েছে, ডোরিয়া সদর কোতোয়ালি থানায় ১০২১/২৫ নম্বর মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪১৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৩৪ ও ১২০বি ধারায় অভিযোগ রয়েছে। মামলার মূল অভিযোগভুয়ো কাগজ দেখিয়ে অবৈধভাবে শিল্প প্লট দখল করা।আদালতে ঢোকার সময় অমিতাভ ঠাকুর দাবি করেন, তিনি সরকার ও প্রশাসনের দুর্নীতি প্রকাশ করেন বলেই তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে। তাঁর আরও অভিযোগ, আমাকে খুন করার প্ল্যানও করা হতে পারে। ক্ষমতাবানদের বিরুদ্ধে কথা বললে এমনটাই হয়।তাঁর এই মন্তব্যে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে উত্তরপ্রদেশে।

ডিসেম্বর ১১, ২০২৫
বিদেশ

‘ভারত না ভাঙলে শান্তি নেই’— বাংলাদেশের প্রাক্তন সেনা কর্তার মন্তব্যে নতু করে চাঞ্চল্য

ভারত ভেঙে টুকরো টুকরো না হলে বাংলাদেশে কখনও পুরোপুরি শান্তি আসবে নাএমনই উসকানিমূলক মন্তব্য করে তীব্র বিতর্কে জড়ালেন বাংলাদেশের প্রাক্তন সেনাকর্তা আবদুললাহি আমান আজমি। তিনি এক সময় অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ছিলেন। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনা।সম্প্রতি তিনি ঢাকা প্রেস ক্লাবে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, ভারত নাকি বরাবরই Bangladesh-এর ভিতরে অস্থিরতার পরিবেশ তৈরি করেছে। তিনি আরও বলেন, ১৯৭৫ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত পার্বত্য চট্টগ্রামে যে অশান্তি হয়েছিল, তার জন্যও তিনি সরাসরি ভারতকে য়ী করেন।প্রাক্তন এই সেনাকর্তার আরও অভিযোগ, শেখ মুজিবর রহমান সরকারের সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি গঠিত হয়েছিল। তাদের সশস্ত্র শাখা শান্তি বাহিনীকে ভারত আশ্রয়, অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দিয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, সেই কারণেই ওই দীর্ঘ সময় জুড়ে পাহাড়ি এলাকায় রক্তপাত চলেছিল।জানা গিয়েছে, আবদুল্লাহিল আমান আজমি বরাবরই ভারতবিরোধী মন্তব্যের জন্য পরিচিত। সমাজমাধ্যমেও তিনি নিয়মিত ভারতবিরোধী পোস্ট করেন। তাঁর এই বিতর্কিত বক্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক ধীরে ধীরে আবার স্বাভাবিক হওয়ার পথে।উল্লেখ্য, তিনি প্রয়াত জামাত প্রধান গুলাম আজমের ছেলে। গুলাম আজম ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় যুদ্ধাপরাধের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২৫
কলকাতা

CEO দফতরের সামনে নজিরবিহীন ধুন্ধুমার! মুখোমুখি বিএলও আর বিজেপি বিধায়করা

সোমবার সকাল থেকেই কলকাতার মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের দফতরের সামনে তুমুল উত্তেজনার ছবি ধরা পড়ল। একেবারে নজিরবিহীন পরিস্থিতি তৈরি হয়। একদিকে তৃণমূলপন্থী বিএলও-দের একাংশ স্মারকলিপি জমা দিতে দফতরের সামনে জমায়েত করেন। ঠিক সেই সময় পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী বিজেপি বিধায়করা সেখানে পৌঁছন। শুরু হয় স্লোগান আর পাল্টা স্লোগান। মুহূর্তে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।বিএলও-দের দাবি ছিল, এসআইআর-এর কাজে যুক্ত থাকা মৃত কর্মীদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে এবং সাত দিনের সময়সীমা বাড়িয়ে অন্তত দুমাস করতে হবে। তাঁরা স্মারকলিপি দিতে এসেছিলেন। সকাল থেকেই ওই এলাকায় পুলিশের বিশাল বাহিনী মোতায়েন ছিল। বিএলও-রা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করতেই সেখানে পৌঁছে যান বিজেপি বিধায়করা। তাঁদের ঘিরে বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়। পুলিশ ব্যারিকেড দেয়। সেই ব্যারিকেড টপকে অনেকেই সামনে চলে আসেন।এই উত্তপ্ত অবস্থার মধ্য দিয়েই বিজেপি বিধায়করা ভিতরে প্রবেশ করেন। তাঁরা প্রায় দেড় ঘণ্টা ভিতরে ছিলেন এবং মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল-এর সঙ্গে দেখা করে স্মারকলিপি জমা দেন। ভিতরে থেকেই ফেসবুক লাইভও করা হয়। রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ তুলে বলেন, ২৬, ২৭ এবং ২৮ নভেম্বরের ভোটার তালিকার সব এন্ট্রি আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে অডিট করাতে হবে।বিধায়করা বাইরে বেরোতেই পরিস্থিতি আরও তপ্ত হয়ে ওঠে। শুভেন্দুকে ঘিরে বিএলও-রা স্লোগান দিতে থাকেন। সেই সময় গাড়িতে ওঠার আগে শুভেন্দু গাড়ির দরজায় দাঁড়িয়ে হাত তুলে পাল্টা চোর চোর স্লোগান দেন। মুহূর্তে ভিড় আরও উত্তেজিত হয়ে ওঠে। গোটা পরিস্থিতি সামলাতে হিমশিম খায় পুলিশ।রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতার এই ধরনের প্রকাশ্য স্লোগান রাজ্যের রাজনীতিতে বিরল। দিনভর মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের দফতরের সামনে কার্যত রাজনৈতিক যুদ্ধক্ষেত্রের ছবি দেখা গেল।

ডিসেম্বর ০১, ২০২৫
দেশ

আদালত অবমাননায় বিপাকে সিনিয়র আইপিএস, গ্রেফতারির হুঁশিয়ারি হাইকোর্টের

আদালতের নির্দেশ অমান্যের অভিযোগে এবার কার্যত কঠোর অবস্থান নিল Telangana High Court। বৃহস্পতিবার আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিল, আগামী ৫ ডিসেম্বর সশরীরে হাজিরা না দিলে হায়দরাবাদের হাইড্রা কমিশনার তথা সিনিয়র আইপিএস অফিসার AV Ranganath-এর বিরুদ্ধে জারি হতে পারে নন-বেলেবল ওয়ারেন্ট। বাথুকাম্মা কুন্তা লেক সংস্কার সংক্রান্ত একটি আদালত অবমাননার মামলায় এই কড়া সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।এই মামলার সূত্রপাত বাঘ অম্বরপেট এলাকায় বাথুকাম্মা কুন্তা লেকের পাশে থাকা একটি বিতর্কিত জমিকে ঘিরে। জমিটির মালিক আবেদনকারী এ সুধাকর রেড্ডি। তাঁর অভিযোগ, আদালতের নির্দিষ্ট নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট সংস্থা ওই জমিতে বড়সড় নির্মাণকাজ চালিয়ে গিয়েছে। অন্যদিকে, হাইড্রার দাবি, ওই জমি আসলে লেকের ফুল ট্যাঙ্ক লেভেল বা এফটিএল-এর মধ্যেই পড়ে এবং জলাশয় পুনরুদ্ধারের জন্য সেখানেই কাজ করা জরুরি।গত জুন মাসে এই মামলায় আদালত নির্দেশ দিয়েছিল, বর্ষার আগে শুধু সীমিত পরিসরে বন্যা প্রতিরোধমূলক কাজ করা যাবে, কিন্তু বিতর্কিত জমিতে কোনও রকম দখল করা চলবে না। অভিযোগ, সেই নির্দেশ অমান্য করেই লেক সংস্কারের নামে জমিতে বড়সড় পরিবর্তন ও নির্মাণ চালানো হয়েছে। অক্টোবরে তোলা ছবিতে সেই নির্মাণকাজের প্রমাণ মেলায় আদালত প্রাথমিকভাবে এটিকে আদালত অবমাননা বলেই মনে করে।বৃহস্পতিবার শুনানির দিন কমিশনার রঙ্গনাথ সশরীরে হাজির না হয়ে অব্যাহতির আবেদন জানান। সেই আবেদন খারিজ করে দেয় ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের সাফ বক্তব্য, এই মামলায় তাঁর ব্যক্তিগত উপস্থিতি বাধ্যতামূলক, কারণ এখানে ইচ্ছাকৃতভাবে আদালতের নির্দেশ অমান্যের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।উল্লেখ্য, রঙ্গনাথ বর্তমানে Hyderabad Disaster Response and Asset Protection Agency বা হাইড্রার শীর্ষ পদে রয়েছেন। এই সংস্থা শহরের সরকারি সম্পত্তি রক্ষা ও বিপর্যয় মোকাবিলার দায়িত্বে রয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি জমি সংক্রান্ত একাধিক ইস্যুতে হাইড্রার ভূমিকা নিয়ে আদালতের তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয়েছে সংস্থাটিকে।এই মামলায় আদালতের কড়া অবস্থানে প্রশাসনিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। একদিকে যখন শহরের জলাশয় রক্ষার দাবি করা হচ্ছে, তখন অন্যদিকে আদালতের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগ প্রশাসনের ভাবমূর্তিতে বড় ধাক্কা বলে মনে করছেন আইনি বিশেষজ্ঞদের একাংশ। এখন সব নজর ৫ ডিসেম্বরের দিকেসেদিন সত্যিই কমিশনার হাজিরা দেন কি না, তার উপর নির্ভর করছে এই বিতর্কিত মামলার পরবর্তী গতিপথ।

নভেম্বর ২৮, ২০২৫
বিদেশ

ইউক্রেনে বিধ্বংসী হামলা রাশিয়ার! ভয়াবহ আগুনে জ্বলে খাক জেলেনস্কির অফিস, পরপর মৃত্যু

রাশিয়ার নতুন আক্রমণের পর ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের একটি প্রশাসনিক ভবনে ভয়াবহ আগুন লেগেছে বলে জানিয়েছেন কিয়েভ সামরিক প্রশাসনের প্রধান টিমার তাকাচেঙ্কো। আগুন লাগার পর পেচেরস্কি জেলার ওই ভবন থেকে ঘন ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়, যা ইউক্রেনীয় সরকারের কেন্দ্রীয় ভবনের কাছাকাছি অবস্থিত।ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী ইউলিয়া সভিরিডেনকো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন, এই প্রথমবার রুশ হামলায় কোনো সরকারি ভবনের ছাদ ও উপরের তলা ক্ষতিগ্রস্ত হলো। কিয়েভে এই আক্রমণে তিনজন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে একটি শিশু রয়েছে। আহত হয়েছেন অন্তত ১৮ জন, এবং সরকারি ভবন ছাড়াও একাধিক স্থাপনায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে।কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিটসকো জানান, প্রথমে ড্রোন হামলা এবং পরবর্তীতে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের ফলে ভবনে আগুন ধরে যায়। জরুরি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্ত একটি আবাসিক ভবনের চারটির মধ্যে দুটি তলায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। সভিয়াতোশিনস্কি জেলায় নয়তলা একটি ভবনের কয়েকটি অংশ ধসে পড়েছে। এছাড়া, ধ্বংসাবশেষ পড়ে ১৬ তলা ও দুটি নয়তলা ভবনে আগুন লাগে। তাকাচেঙ্কোর মতে, রাশিয়া ইচ্ছাকৃতভাবেই বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করেছে।অন্যদিকে, ইউক্রেনের মধ্যাঞ্চলীয় শহর ক্রেমেনচুকে একাধিক বিস্ফোরণে কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায় বলে জানিয়েছেন মেয়র ভিতালি মালেটস্কি। একই অঞ্চলের ক্রিভি রিহ শহরে রুশ হামলায় পরিবহন ব্যবস্থা ও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হলেও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সামরিক প্রশাসনের প্রধান ওলেকজান্ডার ভিলকুল।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৫
টুকিটাকি

অল্প দিনেই কর্মক্ষেত্রে তাকলাগানো উন্নতি! অফিসের কাজের জায়গায় রাখুন এই গাছ

কর্মক্ষেত্রে আশানুরূপ ফল পাচ্ছেন না? সকাল থেকে সন্ধ্যা অব্দি হাড়ভাঙা পরিশ্রমের পরেও কাজের জায়গায় সাফল্য ধরা দিচ্ছে না? উদয়াস্ত পরিশ্রম করেও বসের মন পাচ্ছেন না? বাস্তুশাস্ত্র বলছে, কর্মক্ষেত্রে অল্প দিনের মধ্যেই নজরকাড়া উন্নতি করতে কয়েকটি গাছ আপনাকে প্রশ্নাতীত সাফল্য এনে দিতে পারে।স্নেক প্ল্যান্টঅত্যন্ত কম জলে এই গাছ বাড়ে। নিজের কর্মক্ষেত্রে কোনও একটি জায়গায় ছোট্ট টবে এই গাছটি বসাতে পারেন। অল্প দিনের মতোই ম্যাজিকের মত ফল পাবেন।জেড প্ল্যান্ট:নিজের ব্যবসা কিংবা অন্যান্য কাজের জায়গায় এই বিশেষ গাছটিও ছোট্ট একটি টবে আপনি বসাতে পারেন। এই গাছের বিরাট কোনও পরিচর্যার দরকার পড়ে না। আপনার কর্মজীবনের উন্নতিতে এটি অন্যতম সহায়ক হিসেবে কাজ করবে।মানি প্ল্যান্ট:কাজের জায়গায় সব সময় একটা পজিটিভিটি তৈরি করবে এই গাছ। আপনার সম্পদ বৃদ্ধি এবং আর্থিকভাবে আপনাকে বলশালী করতে পারে বিশেষ এই গাছটি।উপরোক্ত গোটা বিষয়টি কিন্তু একেবারেই বাস্তুশাস্ত্র থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী বর্ণনা করা হয়েছে। এই গাছ লাগানোর বিষয়টির বৈজ্ঞানিক কোনও ভিত্তি নেই। আপনি যদি বাস্তুশাস্ত্রে বিশ্বাসী হন তবে একবার এই গাছ লাগানোর বিষয়টি পরখ করে দেখতেই পারেন।

আগস্ট ১৫, ২০২৫
রাজ্য

'অরুণিমা'র ছটায় স্কুল ড্রপআউট, বাল্যবিবাহ ও অপ্রাপ্তবয়স্ক মাতৃত্বের সংকট থেকে অন্ধকার দূরীকরণ লড়াই

পশ্চিমবঙ্গের গ্রামীণ এবং বেশ কিছু শহরতলি অঞ্চলে এক নতুন সামাজিক সংকট ক্রমশ ঘনীভূত হচ্ছে - স্কুলছুট মেয়েদের সংখ্যা বাড়ছে, যা পরোক্ষভাবে বাল্যবিবাহ এবং অল্পবয়সে সন্তান ধারণের হারকেও উদ্বুদ্ধ করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই তিনটি বিষয় একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত এবং রাজ্যের নারী-স্বাস্থ্যের পাশাপাশি সামগ্রিক উন্নয়নকেও প্রতিকূলভাবে প্রভাবিত করছে।রাজ্যের কিছু জেলার ৮ম শ্রেণি বা ১০ম শ্রেণির পর মেয়েদের স্কুলছুট হয়ে পড়ার প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। আর্থিক অনটন, পরিবারের পুরাতন সামাজিক ধারণা, এবং বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত পরিকাঠামোর অভাব, এই সবই এর পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেল্থ সার্ভে (NFHS-5) অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের গ্রামীণ অঞ্চলে এখনও প্রতি তিনটি মেয়ের মধ্যে একটি মেয়ে ১৮ বছরের আগেই বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়। অনেক ক্ষেত্রে পরিবার স্কুলছুট মেয়েদের দায় মনে করে, এবং যত দ্রুত সম্ভব তাদের বিবাহ দিয়ে দিতে চায়।এই বাল্যবিবাহের পরিণতি হিসেবে ১৬-১৮ বছরের বহু কিশোরী মা হয়ে উঠছে। শারীরিক ও মানসিকভাবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত না থাকা অবস্থায় মাতৃত্ব গ্রহণের ফলে বাড়ছে মাতৃমৃত্যুর হার, অপুষ্ট শিশু জন্ম এবং দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য জটিলতা। সমাজতাত্ত্বিক ও শিশু অধিকারকর্মীরা বলছেন, স্কুলশিক্ষার অকাল সমাপ্তি মানে শুধু পড়াশোনার শেষ নয়এটা একসময়ে সেই কিশোরীর আত্মবিশ্বাস, স্বাস্থ্য, স্বপ্ন, এমনকি জীবনের নিরাপত্তার পরিণতিও নির্ধারণ করে দেয়।বিশেষজ্ঞরা বলছেন কন্যাশ্রী ও সবলা মতো সামাজিক প্রকল্প পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার চালু করেছে, অনেক ক্ষেত্রেই এই প্রকল্পগুলি তথ্যের অভাবে সর্বস্তরে পৌঁছায় না। বিদ্যালয়স্তরে মনোবিদ ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি চালানো অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। ঠিক সেই সমস্যার গভীরে গিয়ে তার গুরুত্ব বুঝে জেলার সদর শহর থেকে ২৫ কিমি দুরে এক প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের এক শিক্ষিকার লড়াইকে সম্বর্ধিত করল স্থানীয় প্রশাসন।১৭ জুলাই, বৃহস্পতিবার পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারি-২ ব্লকের পাহাড়হাটী বাবুরাম গার্লস হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা অরুণিমা মুখোপাধ্যায়কে মেমারি-২ ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাল্যবিবাহ-রোধ, স্কুলছুট মেয়েদের আবার পড়াশোনার আবহে ফিরিয়ে আনা ও স্কুলের মেয়েদের বিভিন্ন ভাবে প্রশিক্ষিত করা এবং সার্বিক শিক্ষার অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করার জন্য সম্বর্ধিত করা হয়। অরুণিমা নিজে একজন প্রথিতযশা নৃত্য শিল্পী। কত্থক নৃত্যে রাজ্যস্তরে বহু গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে সুনিপুণ নৃত্যকলা পরিবেশন করেছেন। বর্তমানে তাঁর স্কুল বাবুরাম গার্লস হাই স্কুলে-ই তাঁর ধ্যানজ্ঞান শিক্ষিকা অরুণিমা মুখোপাধ্যায় জনতার কথাকে বলেন, আমি পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারি দুই নম্বর ব্লকের অন্তর্গত পাহাড়হাটি বাবুরাম গার্লস হাইস্কুলের একজন শিক্ষিকা। গত আট বছর ধরেই আমি স্কুল ছুট এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে কন্যাশ্রী প্রকল্পের মাধ্যমে কাজ করে চলেছি সক্রিয়ভাবে। তিনি আরও বলেন, পাহাড়হাটি বাবুরাম গার্লস হাইস্কুলে একটি কন্যাশ্রী আনন্দ ক্লাব গঠন করেছি। তার সদস্যরা আমাদেরই ছাত্রী। তাদেরকে নিয়ে নিরলসভাবে এই কাজটি করে চলেছি। অরুণিমা বলেন, প্রান্তিক পরিবার এবং গরিব পরিবারের মেয়েরা যেহেতু বাল্যবিবাহে বেশি জড়িয়ে পড়ছে, তাই তাদেরকে স্কুল শ্রেণীকক্ষে ফিরিয়ে আনা আমার মূল লক্ষ্য এবং পাশাপাশি তাদের অভিভাবকদের সাথে কথা বলে আমি সচেতন করার চেষ্টা করে চলেছি। চাইল্ড ম্যারেজ এবং চাইল্ড প্রেগনেন্সির ক্ষেত্রে তাদের মেয়ের জীবনটা কতখানি বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে পরবর্তীকালে সেটা বোঝানোর চেষ্টা করছি। অনেকজনকেই ফিরিয়ে আনতে পেরেছি ক্লাসরুমে। তিনি জানান, মেমারি-২ ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে যে সম্বর্ধনা পেয়েছি এতে আমি খুবই আনন্দিত এবং আপ্লুত। এই পুরস্কার আমাদের লড়াইকে আরও জোড়ালো করতে সাহায্য করবে। অরুণিমা জানান, এই কাজে আমি সবসময়ই মেমারি-২ নম্বর ব্লক প্রশাসন, এসআই অফিস, বিজুর-২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতকে পাশে পাচ্ছি। সর্বোপরি আমার পাহাড়হাটি বাবুরাম গার্লস হাইস্কুলের সহকর্মী ও বিদ্যালয় পরিচালন সমিতির সকল সদস্যদের পাশে পাচ্ছি। অরুণিমা বলেন, আমাদের এই লড়াই যাঁদের সাহায্য ছাড়া সম্ভব হত না সেই ছাত্রীদের সাহায্য সবচেয়ে বেশী পাচ্ছি। তারা নিজেদের মধ্যেই সচতেনতা প্রসার করছে সেটাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় পাওনা এবং খুবই আনন্দের বিষয়। তিনি জানান, একজন শিক্ষিকা ও বিদ্যালয়ের প্রধান হিসাবে এটা আমার প্রাথমিক দায়িত্ব। তিনি অঙ্গীকার করেন, সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন ও শিক্ষা ও সচতেনতা বাড়ানোর এই প্রয়াস তাঁর অব্যহত থাকবে।

জুলাই ১৯, ২০২৫
রাজ্য

মালদায় বিডিও অফিসের পিছনে আমবাগানে এ কী কান্ড! তদন্ত শুরু করল পুলিশ

আমবাগানের মধ্যে উদ্ধার হল খড় দিয়ে পোড়ানো আধপোড়া মৃতদেহ। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মালদা জেলা জুড়ে। মনে করা হচ্ছে, ঘটনাস্থলে খুন করে প্রমাণ লোপাটের জন্য দুষ্কৃতীরা আগুন ধরিয়ে দেহ পুড়িয়ে দিয়েছে। শুক্রবার সাত সকালে ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়ায় মালদার চাঁচল-২নং ব্লকের মালতীপুর এলাকায় বিডিও অফিসের পেছনে আমবাগান এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন খুব সকালের দিকে স্থানীয়রা আমবাগানের মধ্যে আগুন জ্বলতে দেখেন। এরপর স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে গিয়ে লক্ষ্য করেন খড়ের আগুনে মৃতদেহ জ্বলছে। দেহের বেশির ভাগ অংশ পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। পায়ের অংশটুকু বাকি পড়ে আছে।এই ভয়ানক ঘটনার কথা জানাজানি হতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক তৈরি হয়। বহু মানুষ ঘটনাস্থলে ভিড় জমান। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান চাঁচল থানার থানার আইসি পূর্ণেন্দু কুন্ডু। সঙ্গে ছিল বিশাল পুলিশ বাহিনী। প্রথমে পুলিশ আধপোড়া দেহের অংশটুকু উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। পরে ঘটনার তদন্ত শুরু করে। স্থানীয়দের অনুমান মৃতদেহটি কোন মহিলার। তাকে দুষ্কৃতীরা বাইরে কোথাও কিংবা ঘটনাস্থলেই খুন করে দেহে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। তবে এই প্রসঙ্গে চাঁচল থানার আইসি পূর্ণেন্দু কুন্ডু জানিয়েছেন, দেহটি মহিলার না কোন পুরুষের সেই ব্যাপারে তাঁরা এখনও নিশ্চিত নয়। ময়নাতদন্তের পরেই সঠিক তথ্য সামনে আসবে। তবে কে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা খতিয়ে দেখতে তারা তদন্ত শুরু করেছেন।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৪
কলকাতা

নাকা চেকিংয়ে ভুয়ো কলকাতার পুলিশ আধিকারিক পরিচয়, গ্রেফতার যুবক

লেকটাউন ট্রাফিক গার্ডের অধীনে নাকা চেকিংয়ের সময় এক বাইক আরোহীকে একমুখী রাস্তা লঙ্ঘন এবং হেলমেট না পরার জন্য তার বাইককে দাঁড় করানো হয়। ওই বাইক আরোহী নিজেকে কলকাতা পুলিশের ডিডি ডিপার্টমেন্টের আধিকারিক বলে পরিচয় দেন l সেই সময় কর্তব্যরত আধিকারিক নাসিরউদ্দিন গায়েন এবং সিভিক পুলিশরা ওই বাইক আরোহীকে লেকটাউন থানায় নিয়ে আসেন এবং জিজ্ঞাসাবাদ করেন l দীর্ঘক্ষণ কলকাতা পুলিশ, লাল বাজারে যোগাযোগ করার পর এটা জানতে পারা যায় যে তার পরিচয় পত্রটি পুরোটাই ভুয়া ছিল। এরপর অনির্বাণ মিত্র নামে ওই বাইক আরোহীকে লেক টাউন থানার পুলিশ গ্রেফতার করে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৪
রাজ্য

সিজিও কমপ্লেক্সে ভুয়ো ইডি আধিকারিককে দড়ি বেঁধে হাজির উত্তেজিত জনতা, কেন এমন ঘটলো?

এবার মিলল ভুয়ো এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিক। এদিন দুপুরে হাত বাধা ও গলায় ইডির ভুয়ো আই কার্ড ঝোলানো অবস্থায় এক ব্যক্তিকে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে বেশ কিছু উত্তেজিত মানুষ। তাঁদের অভিযোগ, নিজেকে ইডি অফিসার পরিচয় দিয়ে ওই ব্যক্তি তাঁদের পরিবারের মেয়ের সঙ্গে বিয়ে করার ফন্দি আঁটে। এমনকি অভিযুক্ত ব্যক্তি ওই পরিবারের থেকে টাকা নিয়েছে বলে দাবি অভিযোগকারীদের। ইডি অফিসের সামনেই অভিযুক্তকে বেধারক মারধরও চলে। প্রদীপ সাহা, সোনারপুরের বাসিন্দা। অভিযোগ বিরাটির বাসিন্দা একটি মেয়ের সাথে তাঁর সোশ্যাল মিডিয়াতে যোগাযোগ হয়। এরপর তাঁদের মধ্যে পরিচিতি বাড়ে এবং অভিযুক্ত প্রদীপ সাহা নিজেকে ইডি অফিসার পরিচয় দিয়ে মেয়েটিকে বিয়ে করতে চায়। এমনকি মেয়েটির সাথে বিয়ের কার্ড পর্যন্ত ছাপা হয়ে গেছে। এরপর মেয়েটির পরিবারের লোকেদের সন্দেহ হওয়ায় তারা ইডি দপ্তরে এসে প্রদীপ সাহার সম্বন্ধে খোঁজ নিলে জানতে পার, ওই নামে কেউ ইডি অফিসে কাজ করে না। এরপরই মঙ্গলবার প্রদীপ সাহাকে বেঁধে নিয়ে তারা উপস্থিত হয় ইডির অফিসে। ইডি অফিসের বাইরে অভিযুক্ত প্রদীপ সাহাকে মারধর করতে থাকে তারা। পরিস্থিতি উত্তেজিত হয়ে উঠছে বুঝতে পেরে রক্তাক্ত অবস্থায় অভিযুক্তকে গাড়িতে করে ইডি অফিসের সামনে থেকে নিয়ে যায় অভিযোগকারী পরিবার। ওই যুবক নিজে কিছু বলেনি বলে জানায়। গলায় ঝোলানো ইডির পরিচয় পত্র অভিযোগকারী পরিবারের লোকজন ঝুলিয়ে দিয়েছে বলে অভিযুক্তের দাবি।

জানুয়ারি ৩০, ২০২৪
রাজ্য

দুর্নীতি নিয়ে সরকারি আধিকারিকদের হুঁশিয়ারি দিলেন মমতা

ভরা মঞ্চ থেকে এবার রাজ্যের প্রশাসনিক আধিকারিকদের একাংশকে কড়া ভাষায় হুঙ্কার ছাড়লেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়দের। তাঁর হুঁশিয়ারি কোনও অফিসার দুর্নীতিতে জড়ালে আমি ছেড়ে কথা বলব না। মঙ্গলবার শিলিগুড়ির কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে সরকারি পরিষেবা প্রদান অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে এভাবেই রাজ্য সরকারি আধিকারিকদের একাংশকে সতর্কতার পাঠ দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।সাম্প্রতিক সময়ে গরু, কয়লা, নিয়োগ, রেশন-সহ একাধিক দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছে রাজ্যের শাসকদলের তাবড় নেতা-মন্ত্রী-বিধায়কদের। ইতিমধ্যেই দুর্নীতিতে অভিযুক্ত হয়ে জেল খাটছেন তাঁদের অনেকেই। পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অনুব্রত মণ্ডল, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, মানিক ভট্টাচার্য, জীবনকৃষ্ণ সাহারা দিনের পর দিন ধরে জেলে রয়েছেন।কয়লা কেলেঙ্কারিতে ইতিমধ্যেই একাধিকবার ইডির সমন পেয়েছেন রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বারবার ডেকে পাঠিয়ে চোখা চোখা প্রশ্ন করেছে ইডি। শাসকদলের হেভিওয়েট একাধিক নেতা-মন্ত্রী কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার স্ক্যানারে থাকায় ফি দিন তৃণমূলকে তুলোধনা করে সোচ্চার বিরোধীরা।তবে এবার খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নতুন আশঙ্কা নয়া বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। দলের নেতা-মন্ত্রী কিংবা বিধায়ক নন, এবার প্রশাসনের অন্দরেই বিরাট অনিময়ের আঁচ পেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার ভরা সভায় সেই আশঙ্কার কথাই নিজে মুখে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। শুধু জানানোই নয়, অনিয়ম রুখতে কড়া বার্তাও দিয়েছেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান।একটা রাজনৈতিক লোক ৫ টাকা চুরি করলেও ১০ বার টিভিতে দেখানো হয়। কিন্তু কোনও অফিসারও যদি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন আমি কিন্তু ছেড়ে কথা বলব না। দুএকজন বিএলআরও দুষ্টু লোকেদের সাথে মিলে জমি কেনা-বেচায় জড়িয়ে গিয়েছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।কেন্দ্রীয় বঞ্চনা নিয়ে সোচ্চার হতেই ফের একবার দিল্লি যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁকে বৈঠকের সময় দিয়েছেন। জানা গিয়েছে, আগামী ২০ ডিসেম্বর বেলা ১১টায় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকেই রাজ্যের পাওনাগণ্ডা নিয়ে দরবার করবেন তিনি।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২৩
রাজ্য

বর্ধমানে গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে পার্টি অফিসে তালা, শিকেয় নাগরিক পরিষেবা

শাসকদলের গোষ্ঠী কোন্দলের শিকেয় নাগরিক পরিষেবা। তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর অথচ তাকেই বাধা। তাকেই দলীয় কার্যালয়ে বসতে না দেওয়ার অভিযোগ পুরমাতার। তিনি যাতে কার্যালয়ের ভিতরে বসতে না পারেন তারজন্য কার্যালয়ের মেন গেটে পড়লো তালা। অগত্যা বাধ্য হয়েই কার্যালয়ের সামনেই রাস্তার আলোতে চেয়ার টেবিল পেতে ওয়ার্ডের নাগরিকদের পরিষেবা দিলেন কাউন্সিলর। রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় বর্ধমান পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কালনাগেট ভদ্রপল্লীর এই ঘটনায় শহরে চাঞ্চল্য ছড়ায়।৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সিমরন বাল্মিকীর অভিযোগ,প্রতিদিনই অফিস খোলা থাকে, তাস খেলা হয়। তাদের কে আমি তাস খেলা বন্ধ করতে বলেছিলাম, এসব নিয়ে প্রতিবাদ করেছিলাম, তাই দলীয় কার্যালয় বন্ধ করে রেখেছে। নাম না করে দলীয় কর্মীদের একাংশের বিরুদ্ধেই তিনি ক্ষোভ উগড়ে দেন।এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী বাবলু ঘোষ বলেন, প্রতিদিনই সন্ধ্যায় পার্টি অফিস খোলা হয়। শনিবারও খোলা হয়েছিল। আমি সকালে চাবি চাইলে বলা হয় চাবি নেই। বিজেপি বর্ধমান জেলা কমিটির মুখপাত্র সৌম্যরাজ ব্যানার্জী বলেন, পুরোটাই টাকার খেলা। মূলত তোলাবাজি নিয়ে ওয়ার্ডের স্বঘোষিত তৃণমূল নেতা শিবশংকর ঘোষের সঙ্গে কাউন্সিলরের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই এসব হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।

নভেম্বর ১৪, ২০২২
রাজনীতি

বর্ধমানে সিপিএম পার্টি অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে, অভিযোগ অস্বীকার শাসকদলের

আবারও সিপিএম পার্টি অফিসে হামলার অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বর্ধমান শহরের নীলপুর এলাকায় ২ নম্বর এরিয়া সিপিএমের পার্টি অফিসে হামলা চালানো হয়। পার্টি অফিসের বাইরে শহীদ বেদীতেও ভাঙচুর করার পাশাপাশি অফিসার তালা ভেঙে অন্য তালা লাগিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন স্থানীয় সিপিএম সমর্থকেরা। তাঁরা জানান, দুস্কৃতিরা জানালা, দরজা ভাঙচুরের চেষ্টা চালায়।প্রসঙ্গত, বুধবার বামেদের আইন অমান্য অভিযানের রাতে হাটুদেওয়ান এলাকাতেও একটি সিপিএমের কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। জেলা সিপিএমের অভিযোগ ৩১শে আগষ্ট আইন অমান্য আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গন্ডগোলের সৃষ্টি হয়েছিল, তার পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেস পরিকল্পিতভাবে আমাদের পার্টি অফিসে হামলা চালাচ্ছে।তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ নস্যাৎ করা হয়েছে। জেলা তৃনমুল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস জানান, কোন পার্টি অফিসে হামলার ঘটনাই ঠিক নয়। তবে এর সাথে তৃণমূল কংগ্রেসের কোন যোগ নেই। সিপিএম নিজেরাই এই কাজ করতে পারে। ৩১শে আগষ্ট সিপিএম তান্ডব চালিয়ে বিশ্ববাংলা লোগো থেকে শুরু করে বিধায়কের কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে। দলের নির্দেশে আমরা শান্ত আছি। এর সাথে তৃণমূল কংগ্রেসের কোন যোগ নেই।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২২
রাজ্য

হিলি এক্সপোর্ট অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ ট্রাক মালিকদের

লোকাল গাড়িকে গুরুত্ব কম দিয়ে বাইরের গাড়ি কে আগে এক্সপোর্ট করানোর অভিযোগে গতকাল হিলি থানায় জমায়েত হয়েছিল ট্রাক মালিকরা। আজ আবার তারা হিলি এক্সপ্রোট এসোসিয়েশন অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে।, পাশাপাশি ভাড়াও কম দেওয়া হচ্ছে তাদের, অতি শীঘ্র তাদের দাবি না মেনে নিলে এক্সপোর্ট বন্ধ করার হুমকি দেন তারা, এই প্রসঙ্গে হিলি ট্রাক অনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি সন্দীপ দত্ত আমাদের কি জানিয়েছে তা শুনে নেবো তার কাছ থেকে।

আগস্ট ২৯, ২০২২
রাজ্য

অনুব্রত মণ্ডল ও তার পরিবারের সম্পত্তির হদিশ পেতে বোলপুরে সাব রেজিস্ট্রারের অফিসে হানা দিল সিবিআইয়ের

অনুব্রত মণ্ডলের আরও এক ঘনিষ্ঠর হদিশ পেল সিবিআই। সেই সঙ্গে কিছু সম্পত্তিরও হদিশ পেয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেই সমস্ত সম্পত্তি কোনওটা মেয়ের নামে কোনটা বা তাঁর মৃত স্ত্রীর নামে। আবার কোনও সম্পত্তি অনুব্রত মণ্ডল কন্যা সুকন্যার দুই কোম্পানির নামে রয়েছে বলে জানতে পেড়েছে তদন্তকারী সংস্থা। স্থানীয়দের দাবি ওই সমস্ত সম্পত্তি বছর চারেক আগে কেনা হয়েছে।এবার অনুব্রত মণ্ডল ও তার পরিবারের সম্পত্তির হদিশ পেতে বোলপুরে সাব রেজিস্ট্রারের অফিসে হানা দিল সিবিআই৷ অনুব্রত মণ্ডলের নামে ও বেনামে কত জমি কেনা হয়েছে, তা জানতেই রেজিস্ট্রি অফিসে অভিযান চালায় সিবিআই৷ গরু পাচারের টাকাতেই এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি কেনা হয়েছে কিনা তা জানতে এই অভিযান চালানো হয়েছে৷ সিবিআই-এর আধিকারিকরা রেজিস্ট্রি অফিসের কম্পিউটার এবং বিভিন্ন নথি খতিয়ে দেখছেন৷মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ শান্তিনিকেতন পূর্বপল্লী গেস্ট হাউস থেকে বোলপুরের নেতাজী মার্কেটের বীরভূম ডিস্ট্রিক্ট সাব রেজিস্ট্রি অফিসে যান সিবিআই আধিকারিকরা। প্রথমে দপ্তরে ঢুকে রেজিস্ট্রারের ঘরে যান সিবিআই আধিকারিকরা। সেখানে প্রথমে রুদ্ধদার বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। পরে দফতরের কর্মীদের পাশে রেখেই কম্পিউটারে সব নথি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এদিন ঐ অফিসের বসে তাঁদের নিজস্ব ল্যাপটপে সব তথ্য লিপিবদ্ধ করতে থাকেন গোয়েন্দারা। গোয়েন্দাদের একটি সূত্রে খবর, অনুব্রত এবং তাঁর ঘনিষ্ঠদের নামে কত জমি রয়েছে, সে সমস্ত তথ্য জানতেই এই অভিযান বলে সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে।সিবিআই সূত্রে খবর, জমি দফতরের এই অফিসে তথ্য তলাশ করে অনুব্রত মণ্ডল এবং তাঁর একাধিক আত্মীয়ের নামে বহু সম্পত্তির রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে। তেমনই তথ্য গত কয়েকদিনের তদন্তে সিবিআই আধিকারিকদের হাতে এসেছে বলে খবর। কার নামে, কোথায়, কত জমি, বাড়ি বা সংস্থা রয়েছে, তা জানতে এ দিন রেজিস্ট্রি অফসে হানা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা। রেজিস্ট্রি অফিসের সব কম্পিউটার খতিয়ে দেখছেন আধিকারিকরা। সিবিআই সূত্রে খবর, ইতিমধ্যে একাধিক নথি আধিকারিকরা পেয়েছেন। কাগজপত্র ছাড়াও অনলাইনে নথিভিক্ত জায়গাজমি সম্পর্কেও তথ্যতালাশ করছেন সিবিআই আধিকারিকরা।অনুব্রত মণ্ডলের মেয়ে সুকন্যার নামে একাধিক জমির খোঁজ মিলেছে বলে খবর। বোলপুরের জমি রেজিস্ট্রি অফিসে তল্লাশি চলাকালীন সুকন্যার নামে জমির খোঁজ পাওয়া গিয়েছে বলে সিবিআইয়ের একটি সূত্রে দাবি করা হয়েছে। সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, বোলপুরের বল্লভপুর এলাকায় ০.৬২ একর জমির সন্ধান মিলেছে সুকন্যার নামে। এছাড়াও বোলপুর বাইপাসে ইংরেজিতে সিএম এবং ব্যাকেটে মানা লেখা তিনটি সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। সম্পত্তি গুলি আড়াই থেকে ৫ বিঘার মধ্যে। সিবিআই আধিকারিকরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। পাশাপাশি, অনুব্রত-ঘনিষ্ঠদের নামেও কী পরিমাণে স্থাবর সম্পত্তি রয়েছে তার খোঁজ চলছে বলেও সিবিআইয়ের একটি সূত্রে জানা গিয়েছে।অনুব্রতের দেহরক্ষী সহেগল হোসেনের নামেও কোনও জমি আছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখছে সিবিআই। সহেগল এখন সিবিআই হেফাজতে রয়েছেন। পাশাপাশি বীরভূমের একাধিক চালকলের লিজের কাগজপত্রও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সিবিআই সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, সহেগল হোসেনের ঘনিষ্ঠ মাধব কৈবর্ত্যের নামেও কোনও জমিজমা আছে কি না সে সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। কিছু দিন আগে গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন এই মাধব। এছাড়া অনুব্রত ঘনিষ্ঠ আমোদপুরের তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য এবার সিবিআই নজরে এসেছে। কারণ ২০১৯ সালে অনুব্রত মণ্ডলের স্ত্রী যে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন সেই হাসপাতালে ৬৬ লক্ষ টাকা মিটিয়েছেন রাজীব ভট্টাচার্য। ওই টাকার উৎস কি তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। সিবিআই আমোদপুরে বেশ কয়েকটি রাইসমিল এবং কোম্পানির খোঁজ পেয়েছে। যার কয়েকটির ডিরেক্টর পদে রয়েছেন রাজীব ভট্টাচার্য। মোবাইল বন্ধ থাকায় রাজিব ভট্টাচার্যের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।প্রসঙ্গত, আগামিকাল তৃতীয় দফায় অনুব্রত মণ্ডলকে আদালতে পেশ করা হবে। গরু পাচার মামলায় এই মুহূর্তে সিবিআই হেফাজতে রয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। তারই মাঝে গত কয়েকদিনে বোলপুর এবং তার আশেপাশে একাধিক জায়গায় হানা দিয়েছে সিবিআই। গরু পাচারের টাকায় কোথায়, কত সম্পত্তি রয়েছে অনুব্রত মণ্ডল এবং তাঁর আত্মীয়দের নামে। এ বার সেই তথ্য জানতে বোলপুরে সাব রেজিস্ট্রারের অফিসে হানা দিল সিবিআই। শুরুটা হয়েছিল অনুব্রতর মেয়ের নামে থাকা রাইস মিল দিয়ে। মাঝে অনুব্রত ঘনিষ্ঠ বোলপুর পৌরসভার গাড়ির খালাসি বিদ্যুৎবরণ গায়েনের বিপুল সম্পত্তির উৎস খুঁজতে তদন্ত শুরু করে সিবিআই। এর পর গতকাল বীরভূম জেলা সভাপতির দিদির নামে থাকা রাইস মিলে অভিযান চালিয়ে বেশ কিছু নথি উদ্ধার করেছেন তদন্তকারীরা।বীরভূম ডিস্ট্রিক্ট সাব রেজিস্ট্রি অফিসের হেড ক্লার্ক সামসের আলি বলেন, ২০০৮ সালের পর থেকে বিদ্যুৎবরণ গায়েনের নামে কোনও জমি কেনা হয়েছে কি না, তা খোঁজ নিয়ে দেখেছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। দলিল সংক্রান্ত তথ্য এবং কোনও সম্পত্তি লিজ নেওয়া হয়েছে কি না সে সম্পর্কেও তথ্য নেয় ওরা। অনুব্রতের ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিত বিদ্যুৎবরণ। রবিবার বোলপুরের কালিকাপুরের বাসিন্দা এই বিদ্যুৎবরণের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিলেন সিবিআই আধিকারিকরা। বোলপুর পুরসভার গ্রুপ ডি কর্মী তিনি। সামসের আলি আরও বলেন, রেজিস্ট্রি হওয়া যে দলিল আমাদের সিস্টেমে আছে তা আমরা দিলাম। ওরা যাদের নাম করে জমি সংক্রান্ত তথ্য চেয়েছেন সেই তালিকায় অনুব্রত মণ্ডলের নাম আছে।

আগস্ট ২৩, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
উৎসব

দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের উন্মাদনা! ফুটবলের টানে মাঠে ফিরুক কচিকাঁচারা, অভিনব থিম পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির

পূর্ব বর্ধমান: দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এ বার ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও বিশ্বজয়ী স্পেনের উল্লাস, কোথাও ভারতীয় ফুটবলের ছবি, আবার কোথাও লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে পুজোর মণ্ডপেই যেন তৈরি হচ্ছে এক টুকরো বিশ্বকাপের আসর। বাঙালির চিরন্তন ফুটবলপ্রেমকে উদ্যাপন এবং নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের পর্দা থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।পুজোর থিম মানেই এখন শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ সচেতনতা কিংবা নানা অভিনব ভাবনার মেলবন্ধন। সেই ধারাতেই এ বার ফুটবলকে সঙ্গী করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। ক্লাবের ২৯তম বর্ষের পুজোয় তাদের থিম ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড। অর্থাৎ, ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবল যে গোটা বিশ্বকে একই সুতোয় বেঁধে রাখতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে।মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকেই দর্শকদের নজর কাড়ার আয়োজন। সামনে রাখা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের সরকারি বল ট্রিয়োন্ডা। বলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আবহ। মণ্ডপের এক দিকে রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবি, অন্য দিকে স্থান পেয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের গৌরবের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। তাঁদের ফুটবলজীবনের স্মৃতি ও জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ। পাশাপাশি থাকছে আরও কয়েক জন তারকা ফুটবলারের প্রতিকৃতি। বিশ্বকাপের নানা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মাঠের উত্তেজনা, গোলের উল্লাস এবং সমর্থকদের আবেগে ভরা সেই সব মুহূর্তে।মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেও থাকছে চমক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ৭০টি উল্লেখযোগ্য মুহূর্তের ছবি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সেখানে। ভারতীয় ফুটবলের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ জায়গা। দেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। ফলে এই মণ্ডপ শুধু পুজো দেখার জায়গা নয়, ফুটবলের ইতিহাস ও স্মৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনাকেও বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। মণ্ডপের এক পাশে গ্যালারির আদলে তৈরি অংশে থাকবে ফাইনালের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। দুর্গাপ্রতিমার পাশেও স্থান পাচ্ছে ফাইনালের স্মরণীয় দৃশ্য এবং ফুটবল তারকাদের ছবি। মণ্ডপের একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পতাকা। আলোর কারুকার্যে সেই সব পতাকার রং ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপের একটি দৃশ্যমান আবহ তৈরি করাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।এখানেই শেষ নয়। মণ্ডপে থাকবে একটি বড় পর্দা, যেখানে দেখানো হবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের হাইলাইটস। ফলে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে দেখতে পারবেন মাঠের সেরা মুহূর্তগুলি। গোল, সেভ, দুরন্ত পাস কিংবা ট্রফি জয়ের উল্লাসবিশ্বকাপের নানা স্মৃতি মণ্ডপের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।তবে এই আয়োজনের পিছনে শুধুই দর্শকদের আকর্ষণ করার ভাবনা নেই। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, ছোটদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের মাঠমুখী করে তোলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে খেলাধুলার আনন্দ, দলগত প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ফুটবলকে মাধ্যম করেছে ক্লাব।ফুটবল এমন একটি খেলা, যেখানে জয়ের আনন্দের পাশাপাশি থাকে পরাজয় মেনে নেওয়া, সতীর্থের পাশে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা। ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড থিমের মাধ্যমে সেই সামাজিক ও মানবিক বার্তাও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি।দুর্গাপুজোর উৎসবের সঙ্গে ফুটবলের আবেগকে মিলিয়ে এই উদ্যোগ কতটা দর্শকপ্রিয় হয়, তা অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মণ্ডপের সাজসজ্জা থেকে বিশ্বকাপের স্মৃতি, আন্তর্জাতিক তারকা থেকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসসব কিছুকে এক ছাতার তলায় এনে পুজোর আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করেছে ক্লাব। উদ্যোক্তাদের আশা, মণ্ডপে এসে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠার পাশাপাশি ছোটদের মনে জাগবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের টানেই হয়তো এক দিন তারা মোবাইল সরিয়ে রেখে আবার ছুটবে গ্রামের মাঠে, পায়ে বল নিয়ে।দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের আবহ, আর সেই আবহ থেকেই মাঠে ফেরার ডাকপূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির এ বারের পুজোর ভাবনায় ফুটবল তাই শুধু খেলা নয়, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলারও এক বার্তা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal