• ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩, শনিবার ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

OC

খেলার দুনিয়া

দ্বিতীয় সেমিফাইনাল গ্রিজম্যান-ময় হয়ে উঠলো। কাতার বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনার সামনে ফ্রান্স

কাতার বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনাল ভবিষ্যতবানী করতে গিয়ে সবাই যখন এমবাপে-কে নিয়ে আলোচনায় ব্যস্ত, সে ধারণা ভুল প্রমান করেদিলেন অ্যান্টোইন গ্রিজম্যান। বুধবার মাঠে ফ্রান্সের হয়ে তিনি কি করলেন না? নিজেকে উজার করে দিয়ে দলকে ফাইনালে নিয়ে গেলেন। চোরা দৌড়, নিখুত ট্যাকল। সময়মত বাধা, ডিফেন্স চেরা পাস।আল বায়েত স্টেডিয়ামে সেমিফাইনালে ফ্রান্সের হয়ে একটি চিত্তাকর্ষক ম্যচ খেললেন গ্রিজম্যান। মরক্কোকে ২-০ গোলে পরাজিত করে তাঁরা ফাইনালে আর্জেন্টিনা-র মুখোমুখি। গ্রিজম্যান বুধবারের খেলায় উভয় পেনাল্টি এলাকায় - এবং মাঠের সমস্ত অংশে তার উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে।আজকের ম্যাচ যেন একটি প্রবল প্রতিভাধর খেলোয়াড়ের প্রদর্শনী ছিল, যিনি এই বছরের বিশ্বকাপে নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কার করেছেন। এখন গ্রিজম্যান-র বড় দায়িত্ব বার্সেলোনায় তাঁর প্রাক্তন সতীর্থ লিওনেল মেসিকে রবিবারের মহারণে প্রথম বিশ্বকাপ শিরোপা থেকে আটকানোর।গ্রিজম্যান ২০১৪ বিশ্বকাপে একজন উইঙ্গার হিসাবে খেলেছিলেন, তারপরে ২০১৮ তে ফ্রান্সের বিশ্বজয়ের মূল কারিগর ছিলেন, ২০১৮ তে তিনি ৪টি গোল করেন। ২০২২ বিশ্বকাপে গ্রিজম্যানের মূল দায়িত্ব মাঝমাঠে। যেখানে বিপক্ষের আক্রমণ প্রতিহত করার সাথে সাথে দলের হয়ে আক্রমণ শুরু করার দায়িত্বও তাঁকে নিতে হচ্ছে।Griezmannkante, চূড়ান্ত বাঁশি বাজানোর পর পল পগবা তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে প্রশংসা করে লিখেছেন। পোগবা এবং এনগোলো কান্তে (NGolo Kante), এরা প্রধানত মাঝমাঠে বিপক্ষের পা থেকে বল উদ্ধারের জন্য ফ্রান্সের প্রধান খেলোয়াড় ছিলেন। ফ্রান্সের সর্বশেষ বিশ্বকাপ জয়ী দলের মাঝমাঠের হৃদয় ছিলেন এবং চোট আঘাতের কারণে কাতারে তাদের অনুপস্থিতিতে ৩১ বছর বয়সী গ্রিজম্যানের উপর আরও দায়িত্ব চেপে যায়।বয়স বাড়ার সাথ সাথে গ্রিজম্যান এখন অনেক বেশী পরিণত। তিনি ম্যাচের সেরা নির্বাচিত হওয়ার পরে বলেন, এই সেমিফাইনাল জয়টি চার বছর আগে, যখন বেলজিয়ামের কাছে ১-০ ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিল তার চেয়ে কী আলাদা ছিল। বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে ম্যাচ হেরে, আমি কেঁদেছিলাম। আমি মনে করি এখন আমি আরও মনোযোগী। এইমুহুর্তে আমি রবিবারের ফাইনালের দিকে মনোনিবেশ করছি। মাটিতে পা রাখার চেষ্টা করি। এখন আমি আরও সুরক্ষিত।মরক্কো ডিফেন্সের বাইরে তাঁর নিখুঁত সময়মতো দৌড় বল নিয়ে পেনাল্টি এলাকা ঢুকে ব্যাক পাস গোল মুখ খুলে দেয়। সেই আক্রম্নের ফসল বুধবারের প্রথম গোল। খেলার পঞ্চম মিনিটে থিও হার্নান্দেজ বাঁ দিক থেকে উঠে এসে বাঁ পায়ের নিখুত কিক বল জালে জড়িয়ে দেন।দ্বিতীয়ার্ধে মরক্কো ফ্রান্সকে প্রচণ্ড চাপে ফেললে পরিত্রাতা হয়ে ওঠেন গ্রিজম্যান। ট্যাকল, হেডার ও ব্লক দিয়ে প্রতিহত করতে থাকেন মরক্কো-র আক্রমণ। খেলার ৭৯ তম ম্যাচে বদলি রান্ডাল কোলো মুয়ানির গোল ফ্রান্সকে স্বস্তি দেয়।এই ফ্রান্স দলের মেরুদণ্ড গোলরক্ষক হুগো লরিস, সেন্টার ব্যাক রাফায়েল ভারানে, গ্রিজম্যান এবং স্ট্রাইকার অলিভিয়ের গিরৌড, এর সাথে এমবাঁপের বিস্ফোরক গতি এবং গোল। এখন সারা বিশ্ব তাকিয়ে রবিবারের মহারণের দিকে।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২২
রাজ্য

ফ্লাইওভারের দাবিতে জাতীয় সড়কে অবরোধ গ্রামবাসীদের

মঙ্গলবার বর্ধমানের ২ নম্বর জাতীয় সড়কের নলা বাসস্ট্যাণ্ডের কাছে প্রায় ৪০ মিনিট ধরে অবরোধ করেন এলাকাবাসিন্দারা। অবরোধের জেরে বেশ কিছুক্ষণ জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে বর্ধমান থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।তারপর পুলিশি আশ্বাসে অবরোধ ওঠে। স্থানীয় মানুষদের অভিযোগ এখানে প্রায় ছ থেকে সাতটি গ্রাম আছে। বেশ কয়েকটি বাস চলাচল করে, তার জন্য জাতীয় সড়কের নলা বাসস্ট্যাণ্ডের কাছে কাটাউট ছিল।কিন্তু রাস্তা সম্প্রসারণের করতে গিয়ে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ সেই কাটাউটটি বন্ধ করে দেয়। যার কারণে এলাকার বাসিন্দাদের প্রায় ২ কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে আসতে হবে। এর ফলেই তারা চরম সমস্যার মধ্যে পড়বে। এই নিয়ে তারা জেলা পরিষদ, জেলাশাসক, পঞ্চায়েত অফিস সহ সমস্ত জায়গাতে লিখিত ভাবে তারা জানান যদি এই কাটআউট বন্ধ করে দেওয়া হয় তাহলে তার বদলে যেন এখানে ফ্লাইওভার তৈরি করা হয়। কিন্তু এই বিষয়ে কোন সদুত্তর না মেলায় অবরোধে সামিল হন গ্রামবাসীরা।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২২
রাজ্য

হুগলী শিল্পাঞ্চলের বেদখল জমি পুনরুদ্ধারের ডাক দিয়ে শ্রীরামপুরে মিছিল বাংলা পক্ষর

বাংলা পক্ষ হুগলীর শ্রীরামপুরে এক ঐতিহাসিক মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। শ্রীরামপুরের বান্ধবসমিতির মোড় থেকে আরএমএস (RMS) ময়দান হয়ে বটতলা, জিটি রোড হয়ে মাহেশে এসে এই মিছিল শেষ হয়। হুগলী নদীর পাড়ের দখল হয়ে যাওয়া শিল্পাঞ্চলের প্রচুর সহযোদ্ধা এই মিছিলে যোগদান করে। স্থানীয় বাঙালির স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে এই মিছিলের সমর্থনে পা মেলায়।রবিবাসরীয় এই মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষের সাধারন সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, অরিন্দম বিশ্বাস, মনন মণ্ডল, কালাচাঁদ চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ। এছাড়াও হুগলী জেলার সম্পাদক দর্পণ ঘোষ, কলকাতা জেলা সম্পাদক অরিন্দম চ্যাটার্জী, উত্তর ২৪ পরগণা (শিল্পাঞ্চল) এর সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ ও উত্তর ২৪ পরগণা (শহরাঞ্চল) এর সম্পাদক পিন্টু রায়।মিছিল শেষে সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বাংলা পক্ষের সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন দখল হয়ে যাওয়া হুগলী নদীর দুই পাড় পুনরুদ্ধার করতে হবে। ডানকুনির লজিস্টিক হাব সহ হুগলী শিল্পাঞ্চলে যে কাজের সুযোগ তৈরী হচ্ছে, সেখানে বাঙালির কাজ চাই। বাংলা পক্ষ আজ ঐতিহাসিক মিছিল করল। এই মিছিল দেখে হুগলীর বাঙালি তথা বাংলার বাঙালি বুকে বল পাবে। বাঙালির জনজোয়ার বুঝিয়ে দিচ্ছে গঙ্গার দুপারে বহিরাগতদের রাজত্ব শেষ হওয়া সময়ের অপেক্ষা।সংগঠনের শীর্ষ পরিষদ সদস্য তথা সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি বলেন রিষড়া, ভদ্রেশ্বর, চাঁপদানী বিহার না বাংলা বোঝা যায় না, বেশীর ভাগ কাউন্সিলার বহিরাগত, চারদিকে সিং গজিয়ে উঠছে। যে সিং বাঙালিকে গোঁতাতে আসবে আমরা তা ভোঁতা করে দেব। বাংলার চাকরি, কাজ, বাজার, পুঁজি সবকিছুর দখল আমরা চাই।শীর্ষ পরিষদ সদস্য তথা হুগলী জেলার ভূমি সন্তান মনন মণ্ডল বলেন, ব্যান্ডেল থেকে উত্তরপাড়া হুগলীর দুপাড়ে বাঙালি কোনঠাসা হয়ে গেছিল। বাংলা পক্ষর নেতৃত্বে বাঙালি আবার ঘুরে দাঁড়াচ্ছে৷ ৩০ বছরের কম বয়সী ছেলেমেয়েরা মিছিলে হাঁটছে৷ এটা আগামীর স্বপ্ন দেখায়।হুগলী জেলা সংগঠনের সম্পাদক দর্পণ ঘোষ বলেন এই মিছিলে বাঙালির মনে যে আলোড়ন তৈরী হল, তা ঘরে ঘরে বাঙালিকে জাগিয়ে তুলবে। বাঙালি নিজের অধিকার বুঝে নেবে। কারখানায় কাজ থেকে অটো, টোটো লাইন থেকে ফুটপাথ- সর্বত্রই আমরা বাঙালির অধিকার প্রতিষ্ঠা করবো। যে স্বপ্ন আমরা ৫ বছর আগে দেখেছিলাম, জিটি রোডের উপর বাঙালির গর্জন বুঝিয়ে দিচ্ছে বাঙালি দ্রুত জাগছে।

ডিসেম্বর ১২, ২০২২
রাজ্য

নির্বাচন করতেই হবে, মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রদের অনশন অব্যাহত, অসুস্থ দুই

দুদিন পেরিয়ে গেলেও অনশন জারি রেখেছেন কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়ারা। নির্বাচনের দাবিতে দিয়ে চলেছেন লাগাতার স্লোগান। শনিবার সন্ধ্যায় মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে হাজির হন স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম। তিনি হাসপাতালের অধ্যক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেন। ২২ ডিসেম্বর নির্বাচনের দাবিতে অবিচল ছাত্ররা। এদিন অনশনরত দুই ছাত্র অসুস্থ হয়ে পড়েন। বিশাল পুলিশবাহিনী রয়েছে আশেপাশে।ছাত্রদের দাবি, ঘোষণা করার পরও নির্বাচন বাতিল করা হয়েছে মেডিক্যাল কলেজে। ৩০ নভেম্বর ঘোষণা হয়েছিল ২২ ডিসেম্বর নির্বাচন হবে। কেন সেই নির্বাচন হবে হবে না প্রশ্ন তুলেছেন ছাত্ররা। এর আগে অবরোধ আন্দোলন করেছিল মেডিক্যাল পড়ুয়ারা। এবার চলছে লাগাতার অনশন। চিকিৎসক সংগঠনগুলির নেতৃত্বও দাবি করেছে, সমস্ত মেডিক্যাল কলেজে ছাত্র সংসদ নির্বাচন করতে হবে। অনশনরত ছাত্রদের মধ্যে ২ জন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা প্রয়োজন বলে চিকিতসকরা পরামর্শ দিয়েছেন। অসুস্থরা চিকিৎসা করাতে চাইছেন না। এই নিয়ে চলছে চাপান-উতোর। ছাত্রদের একটাই দাবি, অবিলম্বে নির্বাচন করতেই হবে।

ডিসেম্বর ১১, ২০২২
রাজ্য

বিদ্যুৎ বিভ্রাটে শুক্রবার সকালে বর্ধমান স্টেশনে আটকে বহু ট্রেন

সাত সকালে গণ্ডগোল। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় বর্ধমান স্টেশনে বহু ট্রেন আটকে পড়ে। বর্ধমান হাওড়া কর্ড ও মেন শাখায় ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বর্ধমান থেকে কোন ট্রেন ছাড়তে পারে নি।একই অবস্থা হয় বর্ধমান রামপুরহাট ও বর্ধমান আসানসোল শাখায়।বিভিন্ন স্টেশনে দূরপাল্লার ও লোকাল ট্রেন থেমে যায়। আটকে পড়ে ডাউন বিশ্বভারতী ফাস্ট প্যাসেঞ্জার,ডাউন বিভূতি এক্সপ্রেস। পূর্ব রেলের সংযোগ আধিকারিক একলব্য চক্রবর্তী বলেন, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তবে সকাল ৭-৪০ মিনিট থেকে ট্রেন চলাচল চালু হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২২
রাজ্য

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু মেমারিতে

মেমারি দুনম্বর ব্লকের বিজুর এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত বিজুর গ্রামের বাসিন্দা, বর্তমানে কন্দপপুর গ্রামে ভাড়া থাকতেন সেখানে নিজ কাজে ইলেকট্রিক তার মেরামত করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় এবং মাটিতে পড়ে যান।তড়িঘড়ি বাড়ির লোকেরা এবং স্থানীয় ব্যক্তিরা পাড়ারহাটি ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসেন, কর্তব্যরত চিকিৎসক দেখে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃত ব্যক্তির নাম নীলরতন মুখার্জী, বয়স আনুমানিক 40 বছর।আজ আনুমানিক সকাল(৯) নটা নাগাদ এই ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা গেছে পরিবার সূত্রে। মৃত ব্যক্তি নীলরতন মুখার্জি পারহাটি ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন বলে জানা গেছে। মেমারি থানার সাতগেছিয়া পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ বডি উদ্ধার করে নিয়ে পোস্টমর্টেমের জন্য বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে পাঠান।

ডিসেম্বর ০২, ২০২২
রাজনীতি

তৃণমূল দলটা নিজেদের মধ্যে লড়াই করতে গিয়ে শেষ হয়ে যাবেঃ লকেট

এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস মেদিনীপুরে দাঁত ফোটাতে পারবে না। মঙ্গলবার বর্ধমানে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্তব্য করলেন বিজেপির সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। তিনি আরও বলেন, পঞ্চায়েতে নিজেদের সিণ্ডিকেট বাজির জন্য, টাকা তোলার জন্য ক্ষমতার লড়াই চলছে। আগে এটা তৃণমূল - বিজেপি ছিল। বহু বিজেপি কার্যকর্তা শহীদ হয়েছে। এখন নিজেদের মধ্যে লড়াই চলছে। তৃণমূল দলটা নিজেদের মধ্যে লড়াই করতে করতে শেষ হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।ভুপতি নগর থানায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিক্ষোভ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তৃণমূল বিভিন্ন ভাবে বিজেপিকে আক্রমণ করার চেষ্টা করছে। এই পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল মেদিনীপুরে দাঁত ফোটাতে পারবে না। প্রশ্নপত্র ফাঁস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা এখন পশ্চিমবঙ্গে ফ্যাশান হয়ে গেছে। সর্ষের মধ্যেই ভূত আছে। গোটা শিক্ষা মন্ত্রালয় জেলে চলে গেছে কিন্তু এখনো এই ভূতগুলো বসে আছে।বাংলার যে শিক্ষা নিয়ে আমরা গর্ববোধ করতাম কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীকে বলবো বাংলার শিক্ষা কোন জায়গায় চলে গেছে উনি যেন ধ্যান দেন। মঙ্গলবার বর্ধমান জেলা বিজেপি কার্যালয়ে কার্যাকারিনী বৈঠকে যোগ দিতে আসেন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। এছাড়াও ছিলেন সাংসদ সৌমিত্র খাঁ, বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি সহ একাধিক বিজেপি নেতৃত্ব।

নভেম্বর ২৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ঐন্দ্রিলাকে নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় কি লিখেলেন সব্যসাচী?

কয়েক হাজার মানুষের নিঃস্বার্থ ভালোবাসার জন্য এতখানি লেখা প্রয়োজন ছিল। একটু কষ্ট করে পড়ে নিও। পরশুদিন সকালে ঐন্দ্রিলার কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়, চোখের সামনে দেখলাম ওর হার্টরেট ড্রপ করে চল্লিশের নিচে নেমে তলিয়ে গেলো, মনিটরে ব্ল্যাঙ্ক লাইন, কান্নার আওয়াজ, তার মাঝে ডাক্তাররা দৌড়াদৌড়ি করছেন। কয়েক মিনিটের মধ্যে হৃদস্পন্দন ফের ফিরে এলো বিভিন্ন সাপোর্টে, হার্টবিট ১২০। তারপরই কে যেন একটা অদৃশ্য বালিঘড়ি উল্টো করে ঝুলিয়ে দিলো, ঝুরো বালির মতন সময় ঝরে পড়ছে, সাথে স্থিরভাবে একটা একটা করে হার্টবিট কমছে, কমছে রক্তচাপ, কমছে ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বাস। ডাক্তাররা জবাব দিয়েছেন, হসপিটালের নিচে পুলিশ পোস্টিং, বিভিন্ন বিশিষ্ট মানুষ এসে সমবেদনা জানাচ্ছেন, কিছু উত্তেজিত ইউটিউবার এবং মিডিয়ার লোকজন নিচে ঘোরাঘুরি করছেন। শেষ চেষ্টার জন্য অন্য হাসপাতালের এক নামকরা নিউরোসার্জনকে ডেকে আনা হলো, তিনি খানিক নাড়াচাড়া করে জানালেন যে ও চলে গেছে অনেক আগেই, শুধুশুধু এইভাবে আটকে রাখছেন কেন? এমনিতেও কালকের মধ্যে সব থেমেই যাবে। লেট্ হার গো পিসফুলিরাত বাড়লো, দাঁতে দাঁত চিপে একটা ছোট্ট অসাড় হাত ধরে বসে আছি, চোখদুটো অনেক আগেই ডাইলেটেড হয়ে গেছে, একটা করে বিট কমছে আর অসহায়তা বাড়ছে, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব আগেই দেখা করে গেছে। লোকজন মাঝেমধ্যেই ফোন করে জিজ্ঞাসা করছে যে আজ রাতেই হবে? নাকি সকালে আসবো? ইতিমধ্যে ফেসবুকের কল্যাণে কারা যেন মাঝরাতে ছড়িয়ে দিয়েছে যে ঐন্দ্রিলা আর নেই। বানের জলের মতন হুহু করে ফোন ঢুকতে শুরু করলো, সৌরভ শুটিংয়ে বাইরে গেছে, দিব্য একা সামলাতে পারছে না। অগত্যা ঠেকা দেওয়ার জন্য আমি পোস্ট করতে বাধ্য হলাম, মিনিট কুড়ির মধ্যে আবার সব শান্ত। সকাল থেকে রক্তচাপ কমতে শুরু করলো, ওর বাবা-মা কে ডাকলাম, বাকিদের খবর দিলাম। গতকাল আর বাধা দিইনি কাউকে, সারাদিন ধরে কাছের মানুষরা এসেছে, ওকে ছুঁয়েছে, ডুকরে কেঁদেছে। কত স্মৃতিচারণ, কত গল্প। বিকেলের পর দেখলাম হাত, পা, মুখ ফুলছে ঐন্দ্রিলার, শরীর ঠান্ডা। হার্ট রেট কমতে কমতে ৪৬, বিপি ৬০/৩০। আগের দিনের ডাক্তারের কথাটা কেবলই আমার মাথায় ঘুরছিলো, ওর শরীরটাকে এভাবে আটকে রাখার জন্য নিজেকেই অপরাধী মনে হচ্ছে, থাকতে না পেরে ওর মাকে বললামও যে এত কষ্ট আর দেখতে পারছি না, কি দরকার ছিল এত কিছু করার, শান্তিতে যেত। মুখে বলছি বটে, কিন্তু ছাড়তে কি আর পারি, মায়ার টান বড় কঠিন। ঠিক রাত আটটায় যখন আমি বিমর্ষমুখে নিচে দাঁড়িয়ে, হঠাৎ হাত নড়ে ওঠে ঐন্দ্রিলার। খবর পেয়ে দৌড়ে গিয়ে দেখি হার্টরেট এক লাফে ৯১, রক্তচাপ বেড়ে ১৩০/৮০, শরীর ক্রমশ গরম হচ্ছে। কে বলে মিরাকেল হয় না? কে বলে ও চলে গেছে? এক প্রকার অনন্ত শূন্য থেকে এক ধাক্কায় ছিটকে ফিরে এলো মেয়েটা। গেছে বললেই ও যাবে না কি, যেতে দিলে তো যাবে। এই মুহূর্তে ঐন্দ্রিলা একপ্রকার সাপোর্ট ছাড়াই আছে, এমন কি ভেন্টিলেশন থেকেও বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছে। আগে ক্লিনিক্যালি সুস্থ হোক, নিউরোর কথা পরে ভাববো।ঈশ্বর ফেসবুক করেন না আমি জানি, তাই লিখেছিলাম মন থেকে প্রার্থনা করুন, ফোন থেকে করুন লিখিনি। চিকিৎসাশাস্ত্রে যে বিজ্ঞানই শেষ কথা, আমি সে কথাও জানি। তবে পর পর তিনজন নিউরোসার্জন যদি বলেন ঈশ্বরকে ডাকুন, তাহলে আর না ডেকে উপায় কি? ওনাদের তুলনায় আমি নিতান্তই অশিক্ষিত। তবে কেবল আমি একা নই, মুর্শিদাবাদের প্রতিটা মন্দির, প্রতিটা মসজিদে মানুষ ওর জন্য প্রার্থনা করেছে। বিভিন্ন ধর্মের বিভিন্ন প্রসাদ এবং অজস্র আশীর্বাদী হাসপাতালে এসেছে নিয়মিত। তোমাদের সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে আমি ছোট করতে পারবো না। অনেকে অবশ্য হেসেছে বা অপমান করেছে, তাতেও আমি বিন্দুমাত্র কিছু মনে করিনি। এই ক্ষুদ্র জীবনে বহুবার কাদায় পড়েছি তো, তাই গায়ের চামড়া বেশ মোটা হয়ে গেছে। তবে হ্যাঁ, কিছু কথা বলা প্রয়োজন।প্রথমত, এ কথা ঠিক যে ঐন্দ্রিলার প্রথম থেকে যা যা হয়েছে তা যথেষ্টই অপ্রাকৃত। কিন্তু তা বলে সেটা নিয়ে এত মাতামাতি করলে তা বাকি পেশেন্টদের একপ্রকার অপমান করা হয় বলে আমি মনে করি। দ্বিতীয়ত, চিকিৎসার খরচ নিয়ে লেখালিখি বন্ধ করা উচিত, পরিবারের সামর্থ্য অনুযায়ীই চিকিৎসা হবে, এখনো অবধি কারোর কাছে এক পয়সাও অর্থসাহায্য চাওয়া হয়নি অথবা কারোর থেকে এক পয়সাও গ্রহণ করা হয়নি। তাই এটা নিয়ে লেখা মানে ঐন্দ্রিলাকে অপমান করা এবং তার পরিবারকে ছোট করা। নিজের অপমান গায়ে মাখি না ঠিকই কিন্তু ওর অপমানে আমার গায়ে ফোস্কা পড়ে।তৃতীয়ত, একটা সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ চেষ্টা করে তার কাছের মানুষের পাশে থাকতে, বিপদে পড়লে খড়কুটো অবধি আঁকড়ে ধরতে। সেটাই তো এতদিন স্বাভাবিক বলে জেনে এসেছি। আমার মা অসুস্থ হলে, বাবা যেমন দৌড়াদৌড়ি করেন, গত দুই বছর ধরে আমিও সেটাই করেছি। তাই কিছু পুরোনো ছবি আর ভিডিও সাজিয়ে, গান বাজিয়ে সেটাকে গ্লোরিফাই করা বন্ধ করা উচিত। এমন কি একটা লকডাউনের সময়কার তারাপীঠের ভিডিও পর্যন্ত ঐন্দ্রিলার নাম করে ঘুরপাক খাচ্ছে দেখলাম। আমি ঠিক জানি না, এগুলো করে বোধহয় তোমাদের চ্যানেল বা পেজ পয়সা পায় কিন্তু বিষয়টা আমার চোখে খুবই দৃষ্টিকটু লাগে। ইহ জীবনে কয়েক শত জুটিকে দেখেছি এসএসকেএমএর বাইরের ফুটপাথে রাত কাটাতে, ভালোবাসে বলেই তারা থাকে। তবু পরিচিত মুখ বলে আমরা চর্চিত হই, তারা নয়। আসলে কি জানো, সে খবর বিক্রি হয় না। সর্বশেষে বলি, মানুষের গায়ে আজকাল বড়ই শকুন শকুন গন্ধ পাই। গত দুইদিন ধরে হাসপাতালের নিচে বেশ ভিড় জমেছিলো, ওর অবস্থার উন্নতি ঘটাতে কাল রাত থেকে একেবারে খাঁ খাঁ করছে। তবে গত দুদিনের এত নেগেটিভিটির মাঝে একটামাত্র মানুষ আমায় কিছু তথ্য দিয়ে প্রথম আলোর দিশা দেখায়, যার সাথে সারাদিন নির্দ্বিধায় চিকিৎসা নিয়ে আলোচনা করি, তিনি অরিজিৎ সিং। ঐন্দ্রিলা আছে। ঐন্দ্রিলা থাকবে। রাখে বড়মা, তো মারে কোন..

নভেম্বর ১৯, ২০২২
রাজ্য

সরকারি অনুদানে ঘর তৈরি হয়েও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র চালু হলনা

বছর ১২ আগে আদিবাসী অধ্যুষিত পাড়ায় সরকারি অনুদানে ঘর তৈরি হয়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের জন্যই এই ঘর তখন নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু তখন থেকেই ঘরটি বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। পূর্ববর্ধমানের আউশগ্রামের বিল্বগ্রাম অঞ্চলের লাফারপাড়ায় ঘর তৈরি হলেও চালু হয়নি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র। পাড়ার বাচ্ছাদের প্রায় এক দেড় কিলোমিটার দূরে ভাতার ব্লকের মোহনপুর গ্রামের কাছে কোঁড়াপাড়ায় অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র থেকে খাবার খেতে যেতে হয়। স্থানীয় বাসিন্দা রবি মুর্মু ও মোহন হাঁসদাদের অভিযোগ পাড়ার বাচ্চাদের জন্য অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র চালু হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও এখনও পর্যন্ত চালু হল না। ফলে বাচ্চাদের খাবার খেতে যেতে রোজ নাকাল হতে হচ্ছে।বিল্বগ্রাম অঞ্চলের লাফারপাড়া সম্পূর্ণ আদিবাসী অধ্যুষিত ছোট একটি পাড়া। জানা যায় ১২-১৩ ঘর আদিবাসী সম্প্রদায়ের বসবাস রয়েছে। সকলেই জনমজুর পরিবার। এই পাড়ার মধ্যে রয়েছে একটি পাকা ঘর।সামনে বারান্দা। কিন্তু ঘরটি নির্মাণের পর থেকেই তালাবন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। স্থানীয়রা জানান অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের জন্যই এই ঘর নির্মাণ করা হয়েছিল প্রায় ১১ বছর আগে। কিন্তু অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র চালু হয়নি। পাড়ার পরিবারগুলি মিলে ১২ - ১৩ জন শিশু রয়েছে। এই শিশুদের খাবার নিতে অনেক দূরে যেতে হয়।স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন আমাদের পাড়ায় ঘর তৈরি হলেও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র চালু হল না। আমরা আউশগ্রাম ব্লক এলাকার মধ্যে বসবাস করছি। আমাদের বাচ্চাদের খাবার নিতে কোঁড়াপাড়ায় যেতে হয়।ওই এলাকা ভাতার ব্লক এলাকার মধ্যে পড়ছে। অনেকটা দূরে। ছেলেমেয়েদের যেতে কষ্ট হয়। জেলা পরিষদের সহসভাধিপতি দেবু টুডু বলেন,ক িজন্য বন্ধ আছে জানি না। তবে বিডিওকে বলছি দ্রুত অঙ্গনওয়াড়িটি চালু করার জন্য।

নভেম্বর ১৮, ২০২২
রাজ্য

আবার ব্যহত হতে চলেছে রেল পরিষেবা! হাওড়া-বর্ধমান শাখার যাত্রী দুর্ভোগের আশঙ্কা

আবার রেল যন্ত্রণা! পূর্ব রেলের মঙ্গলবারের বিজ্ঞপ্তি সেই বার্তাই দিচ্ছে। হাওড়া-বর্ধমান শাখার যাত্রীদের কপালে আবার দূর্ভোগের আশঙ্কা। রেল ট্রাক ও বেশ কিছু রেলসেতুতে মেরামতি-র জন্য হাওড়া-বর্ধমান শাখায় বেশ কিছু লোকাল ট্রেন ১০ দিন বাতিল থাকবে।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী ১৮ই নভেম্বর শুক্রবার থেকে ২৭ নভেম্বর রবিবার অবধি হাওড়া-বর্ধমান শাখার লোকাল ট্রেনের সাথে কিছু মেল এক্সপ্রেস ট্রেনের রুট-ও বদলে দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে ওই সময় ট্রাফিক এবং পাওয়ার ব্লকের সাথে সাথে বারুইপাড়া-চন্দনপুর শাখায় চতুর্থ লাইনের কাজও চলবে।১৮ই নভেম্বর শুক্রবার থেকে ২৭ নভেম্বর রবিবার অবধি হাওড়া থেকে ছেড়ে আসা ১৭টি লোকাল ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। শিয়ালদহ থেকে বাতিল ২টি, বর্ধমান থেকে ৭টি, মশাগ্রাম ও চন্দনপুর থেকে বাতিল করা হয়েছে মোট ৪টি করে লোকাল ট্রেন। এর সাথে সাথে বাতিল করা হয়েছে গুড়াপ থেকে ১টি ট্রেন ও বারুইপুর থেকে ৩টি ট্রেন।এর আগেও দীর্ঘ এক মাস ধরে পাওয়ার ব্লকের কাজের জন্য বর্ধমান-হাওড়া মেন শাখায় কয়েকটি লোকাল ট্রেনের পরিষেবা ব্যাহত হয়েছিল।

নভেম্বর ১৬, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে পার্টি অফিসে তালা, শিকেয় নাগরিক পরিষেবা

শাসকদলের গোষ্ঠী কোন্দলের শিকেয় নাগরিক পরিষেবা। তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর অথচ তাকেই বাধা। তাকেই দলীয় কার্যালয়ে বসতে না দেওয়ার অভিযোগ পুরমাতার। তিনি যাতে কার্যালয়ের ভিতরে বসতে না পারেন তারজন্য কার্যালয়ের মেন গেটে পড়লো তালা। অগত্যা বাধ্য হয়েই কার্যালয়ের সামনেই রাস্তার আলোতে চেয়ার টেবিল পেতে ওয়ার্ডের নাগরিকদের পরিষেবা দিলেন কাউন্সিলর। রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় বর্ধমান পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কালনাগেট ভদ্রপল্লীর এই ঘটনায় শহরে চাঞ্চল্য ছড়ায়।৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সিমরন বাল্মিকীর অভিযোগ,প্রতিদিনই অফিস খোলা থাকে, তাস খেলা হয়। তাদের কে আমি তাস খেলা বন্ধ করতে বলেছিলাম, এসব নিয়ে প্রতিবাদ করেছিলাম, তাই দলীয় কার্যালয় বন্ধ করে রেখেছে। নাম না করে দলীয় কর্মীদের একাংশের বিরুদ্ধেই তিনি ক্ষোভ উগড়ে দেন।এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী বাবলু ঘোষ বলেন, প্রতিদিনই সন্ধ্যায় পার্টি অফিস খোলা হয়। শনিবারও খোলা হয়েছিল। আমি সকালে চাবি চাইলে বলা হয় চাবি নেই। বিজেপি বর্ধমান জেলা কমিটির মুখপাত্র সৌম্যরাজ ব্যানার্জী বলেন, পুরোটাই টাকার খেলা। মূলত তোলাবাজি নিয়ে ওয়ার্ডের স্বঘোষিত তৃণমূল নেতা শিবশংকর ঘোষের সঙ্গে কাউন্সিলরের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই এসব হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।

নভেম্বর ১৪, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমান হাওড়া মেন লাইনে ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন, যাত্রী বিক্ষোভ বর্ধমান ষ্টেশনে

শুক্রবার সন্ধ্যায় বর্ধমান হাওড়া মেন লাইন লোকাল ট্রেন বিলম্ব হওয়াতে যাত্রী বিক্ষোভে কার্যত রণক্ষেত্র চেহারা নেয় বর্ধমান রেল ষ্টেশন। নিত্যাযাত্রী-রা জানান, প্রায় প্রতিদিন-ই ৭ঃ৫৫ (৩৭৮৫২ ডাউন) মেন লাইন হাওড়া লোকাল ট্রেনটি ৮নং প্লাটফর্ম থেকেই ছাড়ে। সেই মতাবেক তাঁরা ৮নং প্লাটফর্মে অপেক্ষা করতে থাকেন এবং ৭ঃ২২ এ ঘোষণা করা হয় ৭ঃ৫৫-র (৩৭৮৫২ ডাউন) মেন লাইন লোকাল ৮নং প্লাটফর্ম থেকে ছাড়বে। ঘোষণা শুনে তাঁরা সেই খালি ট্রেনে উঠে বসে ছিলেন। কিন্তু ৮টা বেজে যাওয়ার পরও ট্রেনটি না ছাড়ায় তাঁরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন, এবং হটাৎ ৮ঃ২০ মিনিটে ঘোষণা করা হয় ৮নং প্লাটফর্মের ট্রেনটি ৮ঃ৩০-র (৩৫০২১ আপ) কাটোয়া লোকাল করা হয়েছে। সেই ঘোষণা শুনে তাঁরা ১নং প্লাটফর্মের অনুসন্ধান কাউন্টারে গেলে সেখানকার কর্মীদের কাছে এই বিলম্বের কোনও সদুত্তর পাননি। ওই ট্রেনের এক নিত্যযাত্রী সিদ্ধান্ত দত্ত জনতার কথা কে জানান,৭ঃ৫৫ (৩৭৮৫২ ডাউন) মেন লাইন হাওড়া লোকাল ট্রেনটি প্রায় প্রতিদিন-ই দেরীতে ছাড়ে। আজও আস্বাভাবিক দেরী হওয়ার জন্য ষ্টেশনে কোনও রকম ঘোষণা করা হয়নি। তাই ওই ট্রেনের নিত্যযাত্রীরা ১নং প্লাটফর্মের অনুসন্ধান কাউন্টারে গেলেও সেখানকার কর্তব্যরত কর্মী তাঁদের সঠিক তথ্য দিতে সাথে পারে না। নিত্যযাত্রীদের অভিযোগ সেখানকার কর্মীরা নিত্যযাত্রীদের সাথে অভব্য আচরণ করেন এবং নিত্যযাত্রীদের সাথে বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন।তাঁরা জানান, তাঁদের বিক্ষোভের কিছুক্ষণের মধ্যেই ৮:৩৬ মিনিটে ৮ নং প্লাটফর্ম থেকে নির্ধারিত সময়ের ৪১ মিনিট পর ট্রেনটি ছাড়ে। এই বিষয়ে জনতার কথা থেকে স্টেশন ম্যানেজার স্বপন অধিকারী কে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ইলেকট্রিক্যাল ফল্ট থাকায় ট্রেন ছাড়তে বিলম্ব হয়। ৭ঃ৫৫ র (৩৭৮৫২ ডাউন) মেন লাইন লোকাল ৮ঃ৩২ এ বর্ধমান ষ্টেশন ছাড়ে। এখন ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক। তিনি যাত্রী বিক্ষোভের কথা অস্বীকার করেন।

নভেম্বর ১১, ২০২২
রাজ্য

দূর্ঘটনা এড়াতে উড়ালপুলের দাবীতে ২নং জাতীয় সড়ক অবরোধ

ফ্লাইওভারের দাবীতে ফের জাতীয় সড়ক অবরোধ। সোমবার অবরোধে সামিল হলেন পূর্ব-বর্ধমানের গলিগ্রাম গুসকরা রোড সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা। এদিন বেলা দশটা নাগাদ আচমকা ২নং জাতীয় সড়কের উপরে বসে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা । গ্রামবাসীদের দাবি, ২ নম্বর জাতীয় সড়কের গলিগ্রাম গুসকরা মোড়ে ফ্লাইওভার করতে হবে। কমবেশি আধ ঘন্টা ধরে চলে ওই অবরোধ। তবে পুলিশী আশ্বাসে অবরোধ তুলেনেন গ্রামবাসীরা।গ্রামবাসীদের সঙ্গে অবরোধে সামিল হয়েছিলেন আশপাশের চার পাঁচটি স্কুলের বেশকয়েক শিক্ষকও। আন্দোলনের জেরে অবরুদ্ধ হয়ে পরে জাতীয় সড়ক। আটকে যায় হাজার হাজার গাড়ি। এলাকার সাধারণ মানুষ, চাষি ও শিক্ষকদের দাবী, আশপাশের চারপাঁচটি স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী ও কলেজ পড়ুয়ারা নিত্যদিন ওই কাটিং দিয়ে পেরিয়ে স্কুল কলেজ যায়। তাছাড়াও কৃষিকাজের জন্য গলিগ্রাম মথুরাপুর ও অনুরাগপুর এই তিনটি গ্রামের মানুষকে নিত্য সড়ক পারাপার করতে হয়। ফ্লাইওভার না থাকায় নিত্যদিন দুর্ঘনার কবলে পড়ছে সাধারণ মানুষ। বিষয়টি নিয়ে তারা প্রশাসন ও সড়ক কর্তৃপক্ষকে লিখিত ভাবে জানিয়েছেন। তাছাড়া, আগেও জাতীয় সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করেছেন। তবুও কোন সুরাহা মেলেনি। তবে এরপরও ব্যবস্থা না নিলে এলাকার সমস্ত স্কুলের ছাত্রছাত্রী ও গ্রামের মহিলাদের নিয়ে দীর্ঘস্থায়ী ভাবে জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এলাকার মানুষজন।

নভেম্বর ০৭, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে সমবায় সমিতির ১০ জন সদস্যের ৮ জন গন-পদত্যাগ! পিছনে কি তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল?

পঞ্চায়েত নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ততই জেলার বিভিন্ন প্রান্তে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠী কোন্দল ও সংঘর্ষ। পূর্ব বর্ধমানের জামার সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতিতে এই মূহুর্তে পরিচালন সমিতির সদস্য সংখ্যা দশ। এর মধ্যে একসাথে আটজনের পদত্যাগের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বর্ধমান ১ নম্বর ব্লকে। পদত্যাগকারীদের অভিযোগ, যুব তৃণমূল কংগ্রেসের একটা গোষ্ঠী তাদের নানান ভাবে অপমান ও হেনস্থা করছে। যার কারণে সমবায়ে সম্মানের সাথে কাজ করা যাচ্ছে না।তাঁরা জানান, এবিষয়ে একাধিকবার উচ্চ নেতৃত্বকে জানিয়েও কোন লাভ হয়নি। সেকারণেই পদত্যাগ বলে জানাচ্ছেন পদত্যাগীরা। এই সমবায় সমিতির সভাপতি সঞ্জয় কোনার বর্তমানে রায়ান ২ নম্বর পঞ্চায়েতের সদস্য। তিনি এর আগে তৃণমূলের ব্লক সহ সভাপতি ও পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ ও ছিলেন। এরকম একজন উচ্চনেতৃত্ব সহ আট জন একসাথে পদত্যাগ করায় যথেষ্ট বিড়ম্বনায় পড়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। সঞ্জয় বাবু জানান, আমরা যে কজন সমিতির পরিচালনার দায়িত্বে আছি তারা সকলেই প্রবীণ, সম্মানের সাথে দল করে এসেছি। সঞ্জয় বাবু আরও বলেন, যুব তৃণমূলের কিছু দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা পদে পদে অপমানজনক কথাবার্তা বলে। এমনকি পঞ্চায়েতে গেলেও সেখানে অপদস্থ হতে হয়, তাই এই পদত্যাগ বলে জানান সঞ্জয় কোনার।অপর এক পদত্যাগী এই সমিতির সহ সভাপতি সেখ আপসিয়া জানান, আমরা সবাই তৃণমূল কংগ্রেস করি। কিন্তু তৃণমূলের যুব গোষ্ঠীর অত্যাচারে আমরা বাধ্য হই পদত্যাগ করতে। অপরদিকে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সেই যুব নেতা অরূপ গুপ্ত ও শেখর গাঙ্গুলিরা জানান, অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। কোনো হিসাব দিতেন না। আমরা হিসাব চাইতে গেলে আমাদের সাথে দুর্ব্যবহার করতেন। কেন সারের দাম বাড়লো গ্রামের মানুষ সেটা জানতে গিয়েছিল মাত্র। উল্টে এই যুব নেতারা অভিযোগ করেন, তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের পঞ্চায়েত সদস্য হলেও গ্রামের উন্নয়নের জন্য কিছু করেন নি।বিষয়টি নিয়ে বর্ধমান ১ নম্বর ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি কাকলি গুপ্ত তা জানান, কিছুদিন আগেই ব্লকের সিআই এর কাছে এলাকার চাষীরা অভিযোগ জানিয়েছেন। তিনি জানান, জামার সমবায় সমিতির সবচেয়ে বড় সমস্যা এদের বোর্ড চাষিদের কাছে হিসাব দিতে অনীহা। তিনি বলেন, যদি সব কিছু পরিষ্কার থাকে তাহলে হিসাব দিতে আপ্ততি কেন? কাকলি তা জানান, যখন পরিচালন সমিতি গঠন হয় তখন সঞ্জয় কোনার ও তার পেটুয়া লোকেদের নিয়ে কমিটি গঠন করেছিলেন। চাষীরা হিসাব চেয়ে পাচ্ছিলেন না, যারা গ্রাম চালাচ্ছে তাদের কাছে চাষীরা অভিযোগ করেছে।জামার সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতি লিমিটেডের ম্যানেজার পাপাই কোনার জানালেন, একসাথে আটজনের পদত্যাগে সমবায়ে লেনদেনের ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিয়েছে। আমরা উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছি। আশাকরি খুব দ্রুত সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

নভেম্বর ০৫, ২০২২
রাজ্য

বিদ্যুতের ছেঁড়া তারে তরিদাহত হয়ে মৃত্যু হল এক কৃষকের

বিদ্যুতের ছেঁড়া তারে তড়িদাহত হয়ে মৃত্যু হল এক কৃষকের। শুক্রবার ঘটনাটি ঘটে বর্ধমানের জামালপুরে। জামালপুর থানার কানঘোষা গ্রামে শুক্রবার এক সরোজ মালিক (৩৩) নামে এক ব্যক্তি চাষের জমিতে যাওয়ার পথে বিদ্যুতের ছেঁড়া তাঁরে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মারা যান বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। মৃতদেহ বাড়ির সামনে রেখে ক্ষতিপূরণের দাবিতে বিক্ষোভ দেখায় এলাকার মানুষজন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় জামালপুর থানার পুলিশ। তাঁরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।স্থানীয়দের অভিযোগ একাধিকবার বিদ্যুৎ বিভাগকে জানানো স্বত্বেও কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। এলাকাবাসী জানায়, এর আগে তড়িদাহত হয়ে গবাদি পশু মারা গেছে বেশ কিছু দিন আগে। তারপরেও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলে।

অক্টোবর ২৮, ২০২২
রাজ্য

তৃণমূল দলটা এখন পিসির দল এবং ভাইপোর দলে আড়াআড়ি ভাগ হয়ে গেছেঃ লকেট

শুক্রবার বর্ধমান সদর জেলা বিজেপি কার্যালয়ে দলীয় বৈঠক করতে আসেন বিজেপি নেতৃ তথা সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি জানানঃপ্রশ্নঃ তৃণমূলে এই মুহূর্তে পাল্লা ভারী অভিষেক শিবিরের, তারই মাঝে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে বারে বারে হাজির মুকুল রায়, ভাইফোঁটার দিন সঙ্গে হাজির শোভন, দল ভারী করতেই কি নিজের পুরোনো লোকেদের হাতে রাখতে চাইছেন মুকুল রায়। লকেটঃ তৃণমূল দলটা এখন পিসির দল এবং ভাইপোর দলে আড়াআড়ি ভাগ হয়ে গেছে। কিছুদিন ধরে দেখতে পাচ্ছি পিসির আসেপাশের লোকজন বিভিন্ন স্ক্যামে জড়িয়ে যাচ্ছে। মন্ত্রীদের বাড়িতে সিবিআই, ইডি হানা দিচ্ছে। তৃণমূল দলটা ভেঙে যাচ্ছে। নিজের নিজের অস্তিত্ব খোঁজার জন্য কখনো পিসির দিকে আবার কখনো ভাইপোর দিকে যাচ্ছে। আগামীদিনে তৃণমূলের মন্ত্রীসভা জেলে থাকবে এবং জেল থেকেই সরকার চালাবে।প্রশ্নঃ মুকুল রায় বলছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পাশে থাকবেনলকেটঃ পরিস্কার বোঝা যাচ্ছে চোর, ডাকাত, লুঠেরাদের সাথে তৃণমূল সরকার থাকে। যাদের টাকা লুঠ হয়েছে তাদের সাথে তৃণমূল থাকে না। তাদের সাথে বিজেপি থাকে। কিন্তু ভোট নেওয়ার সময় মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট নেয়। প্রশ্নঃ জোড়াসাকোর বিধায়কের স্ত্রীর লটারিতে এক কোটি টাকা পাওয়া প্রসঙ্গ।লকেটঃ টাকা তৈরি করার কৌশল। তৃণমূলের কালো টাকা সাদা করা আর গরীব মানুষের টাকা লুঠ করা হচ্ছে। তৃণমূল চোর ডাকাতের দল। গরীবের টাকা ডিয়ার লটারির মাধ্যমে লুঠ করে তৃণমূলের নেতা মন্ত্রীদের কাছে পৌঁছাচ্ছে। এই লটারি অবিলম্বে বন্ধ করে তদন্ত হওয়া উচিৎ।প্রশ্নঃ বিনয় মিশ্রর সাথে অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের বিদেশে দেখা করা প্রসঙ্গ।লকেটঃ কয়লা, গরু পাচারে পুরোপুরি ভাবে কালিঘাট জড়িত আছে। বাংলায় দেখা করলে মানুষের নজরে এসে যাবে তাই বিদেশে দেখা করে নিজেদের সেটেলমেন্ট করছে। প্রশ্নঃ ২০২৪ সালের মধ্যেই সব রাজ্যে শাখা খুলবে এনআইএ প্রসঙ্গে লকেটঃ খুব ভাল প্রস্তাব। বিভিন্ন রাজ্যে যে আন্তর্জাতিক সীমান্ত আছে তার দায় শুধুমাত্র কেন্দ্রের নয়, তার দায়ভার রাজ্যসরকারকেও দেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকার যদি ঠিকঠাক কাজ করে তাহলে গরুপাচার থেকে বিভিন্ন দুর্নীতির কাজ হয় সেগুলো বন্ধ করা যাবে। একসঙ্গে কাজ করলে সেগুলো বন্ধ করা যাবে। সিদ্ধান্তকে স্বাগত, তবে রাজ্য সরকার এই সিদ্ধান্ত কতটা মানবে তানিয়ে প্রশ্নচিহ্ন থাকছে। বিভিন্ন সময় গরু পাচারের মত ঘটনা ঘটার সময় রাজ্য সরকারের কোন সাহায্য পাওয়া যায় না।প্রশ্নঃ সায়ন্তন বসুর প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি প্রসঙ্গে লকেটঃ আমি এবিষয়ে কিছু জানিনা। তবে যে যার মতপ্রকাশ করতেই পারে। বিষয়টি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নিশ্চয় দেখবে।

অক্টোবর ২৮, ২০২২
রাজনীতি

'বিহারী বাবু' বলে মা বোনেদের কাছ থেকে ভোট নিয়েছেন এখন দেখুন গিয়ে কোনো ফাইভ স্টার হোটেলে বসে আছে

শুক্রবার বর্ধমান বিজেপি জেলা অফিসে (রাসবিহারী বসু ভবন) সাংসদ এবং রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক লকেট চ্যাটার্জী সাক্ষাৎকারঃজনতার কথাঃসামনেই ছটপুজো। কিন্তু এই সময় বিহারীবাবু কোথায়? এই মর্মেই পোস্টার পড়ল আসানসোলের তৃণমূর সাংসদ শত্রুঘ্ন সিন্হার নামে। নিখোঁজ পোস্টারে ছয়লাপ কুলটি এলাকা।লকেট চ্যাটার্জীঃ দেখুন গিয়ে কোনো ফাইভ স্টার হোটেলে বসে আছে। ভোটের সময় বিহারী বাবু বলে মা বোনেদের কাছ থেকে ভোট নিয়েছেন। যেভাবে মমতা ব্যানার্জি বাংলার মেয়ে সেজে ভোট নিয়েছেন সেভাবেই উনিও বিহারীবাবু সেজেছেন। আর আসানসোলের মানুষ এই সময় তাকে পাচ্ছেন না।জনতার কথাঃ বেসরকারি হাসপাতালের স্বাস্থ্যসাথী খাতে বকেয়া মিটিয়েছে রাজ্য।লকেট চ্যাটার্জীঃ এটা পুরো লোকদেখানো। পঞ্চায়েত ভোট আসছে বলে টাকা মেটানো হয়েছে। অথচ মানুষ হয়রাণ হচ্ছেন। বেসরকারি হাসপাতালে ডাক্তাররা তাদের ফিরিয়ে দিচ্ছেন। মানুষ পরিষেবা পাচ্ছেন না। তৃণমূল নেতা মন্ত্রীরা বাইরে গিয়ে চিকিৎসা করাচ্ছেন।জনতার কথাঃ 1 লা নভেম্বর থেকে গ্রাম থেকে শহর ঘেরো কর্মসূচি সিপিএমের। পঞ্চায়েত ভোটকে সামনে রেখে।লকেট চ্যাটার্জীঃ এটা পুরোপুরি তৃণমূল আর সিপিএমের প্ল্যান। ওরা পঞ্চায়েতের আগে শীতঘুম থেকে জেগে উঠেছে। হটাৎ করে গ্রামে যাবার কথা বলছে।বিজেপি কর্মীরা গ্রামেই আছেন; মানুষের সঙ্গে আছেন।জনতার কথাঃ কাটমানি মন্তব্যর জের শোকজ বড়ঞা থানার ওসি সন্দীপ সেনলকেট চ্যাটার্জীঃ উনি সত্যি কথা বলে ফেলেছেন। তৃণমূল কংগ্রেস দলটাই তো চোর। চোরের নামে সঠিক কথা বলে ফেলেছেন বলে ওনাকে বরখাস্ত করা হল।জনতার কথাঃ অফলাইনে ভর্তি করে তিন বছরে কুড়ি কোটি টাকা পান মানিক ভট্টাচার্য। ইডি র তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য।লকেট চ্যাটার্জীঃ অনেক কিছু বেরিয়ে আসছে। কেঁচো খুড়তে কেউটে বেরোচ্ছে। ৫৭ হাজার চাকরিত্ব দুর্নীতি হয়েছে। তবে উনি তো একা খান নি। কালীঘাট বা নবান্ন থেকে লিস্ট গেছে। আমরা চাই সেগুলো সামনে আসুক। কাদের হাত ওনার মাথায় ছিল।চাকুরীপ্রার্থীরা বিচার পান।

অক্টোবর ২৮, ২০২২
দেশ

বাংলাদেশি অনুপ্রেবেশকারি সন্দেহে ব্যাঙ্গালোরে গ্রেপ্তার বর্ধমানের দম্পতি ও শিশুর মুক্তি দাবিতে ভাইফোঁটার দিন অভিনব কর্মসূচী বাংলাপক্ষর

পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের দম্পতি পলাশ অধিকারী, তার স্ত্রী শুক্লা অধিকারী ও তাদের দেড় বছরের পুত্র আদিকে গত ২৭ শে জুলাই, ২০২২ সালে বাংলাদেশী তকমা লাগিয়ে গ্রেপ্তার করেছে ব্যাঙ্গালোর পুলিস। FOREIGNERS ORDER ACT, 1948 (U/s-7(2)); FOREIGNERS ACT, 1946 (U/s-14 (B)) ধারায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে সুত্রে জানা গেছে। পলাশ ও শুক্লা পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর বিধানসভা অন্তর্গত জৌগ্রামের বাসিন্দা। বাংলা পক্ষের শীর্ষ পারিষদ কৌশিক মাইতি জানান, বিজেপি শাসনাধীন কর্ণাটক সরকার বাঙালির উপর আক্রমণ করেই চলেছে ক্রমাগত। এর আগে বাঙালির বস্তি ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। নানা সময় নানা বাঙালিকে বিনা অপরাধে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। বাংলা পক্ষ পলাশ, শুক্লা অধিকারী ও তাঁদের শিশু পুত্রের মুক্তির দাবিতে ভাইফোঁটার দিন কলকাতার রানুছায়া মঞ্চে অভিনব প্রতিবাদ কর্মসূচী করল। এইদিন তাঁরা প্রতীকি ভাইফোঁটার আয়োজন করে। ভাইফোঁটার বিশেষ আয়োজনে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বসত এক প্লেট মিষ্টি। কিন্তু আজকের এই আয়োজনে প্লেটে কোনও মিষ্টি ছিলো না, কপালে ভাইফোঁটা ছিলো না, কারণ হিসেবে তাঁরা জানাচ্ছেন, বর্ধমানের বাঙালি বোন বাঙালি হওয়ার জন্য ব্যাঙ্গালোরের জেলে বন্দী, সেই বোন শুক্লা অধিকারী আজকের দিন জেলে থাকায় তাঁর ভাইয়েদের ফোঁটা দিতে পারেননি। এই অভিনব প্রতিবাদ কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, কলকাতা জেলার সম্পাদক অরিন্দম চট্টোপাধ্যায় সহ অন্যান্যরা।বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমরা বাঙালি ভাইবোনদের ব্যাঙ্গালোরের জেল থেকে মুক্ত করে আনবোই। বাঙালি হওয়া কি অপরাধ? বাঙালিকে প্রতিনিয়ত আক্রমণ করা হচ্ছে নানা বিজেপি শাসিত রাজ্যে। আজকের এই পুণ্য ভাইফোঁটার দিনে আমাদের বোন শুক্লা ব্যাঙ্গালোরের জেলে বন্দি৷ আমরা ওদের জন্য শেষ পর্যন্ত লড়বো। বাংলার সমস্ত চাকরি-কাজ- ব্যবসা দখল করছে বহিরাগতরা, বঞ্চিত হচ্ছে বাঙালিরা। বাধ্য হয়ে তারা অন্য রাজ্যে কাজে যাচ্ছে। তাই যাতে আর বাঙালিকে বাইরে কাজে যেতে না, বেসরকারি চাকরি- ঠিকা কাজ- টেন্ডারে ভূমিপুত্র সংরক্ষণ সময়ের দাবি। আমরা সেই জন্যও লড়ছি।তিনি আরও জানান, বাংলা পক্ষ ঐ পরিবারের পাশে আছে, আমরা তাদের বাড়িও গেছিলাম, তাদের পরিবারের সাথে কথা বলেছি। স্থানীয় বিধায়ক অলোক মাঝি ও বাংলার প্রশাসনের সাথেও কথা বলেছে বাংলা পক্ষ। বাংলা পক্ষ ব্যাঙ্গালোরের পুলিস কমিশনারকে ইমেল করেছে, তাদের যাতে জেল থেকে দ্রুত ছেড়ে দেওয়া হয়।গর্গ চট্টোপাধ্যায় জানান, পরিবারের থেকে আমরা একটা ভয়ংকর কথা জানতে পারি, ওনাদের আইনজীবী আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ভোটার কার্ড জমা দিলেও জমির দলিলের ইংরেজি ভার্সান জমা দিতে বলা হয়েছে। বাংলা পক্ষ এই তিন বাঙালির মুক্তির জন্য ব্যাঙ্গালোরে নানা বাঙালি সংগঠন ও আইনজীবীদের সাথে যোগাযোগ রেখে চলেছে। বাংলার বাইরে মূলত বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোয় হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে বাঙালিকে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী তকমা লাগিয়ে হেনস্থা করা হচ্ছে। বাংলা পক্ষ এই সভা থেকে দাবী তোলে, ভারতে বাঙালি হিসাবে জন্মানো কি অপরাধ? তিনি আরও জানান, এর একটা বড় সমাধান, বাংলায় সমস্ত বেসরকারি চাকরি, ঠিকা কাজে ভূমিপুত্র সংরক্ষণ চাই। তাহলে বাংলার বাঙালিকে কাজের জন্য আর বাইরে যেতে হবে না।

অক্টোবর ২৭, ২০২২
রাজ্য

রাস্তা ও সেতু সংস্কারের দাবিতে সড়কপথ অবরোধ, ব্যাপক উত্তেজনা এলাকায়

দীর্ঘদিন ধরেই রাস্তার অবস্থা বেহাল। আর রাস্তা ও সেতু সংস্কারের দাবিতে বুধবার পূর্ববর্ধমানের আউশগ্রামে পথ অবরোধ করলেন স্থানীয় গ্রামবাসীরা। এই ঘটনা ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। শেষে পুলিশের আশ্বাসে প্রায় আধঘণ্টা পর অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।আউশগ্রাম কালীদহ রোডের সংস্কারের দাবিতে আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষ একজোট হয়ে গুসকরা ইলামবাজার সড়কপথ অবরোধ করেন। কালীদহ থেকে আউশগ্রাম আসার এই রাস্তাটি জেলাপরিষদের অধীনে । প্রায় ১০ কিলোমিটার রাস্তায় রয়েছে একাধিক সেতুও। স্থানীয়রা জানান আউশগ্রামের কালীদহ, সিলুট, বসন্তপুর, বেরেণ্ডা, কুড়ুম্বা, সোমাইপুর প্রভৃতি গ্রামের মানুষ যাতায়াত করেন এই রাস্তা দিয়ে। এলাকাবাসীর অভিযোগ এই রাস্তাটি বহুকাল ধরেই সংস্কার হয়নি। রাস্তার ওপর বড়বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। সেতুগুলির অবস্থাও বেহাল। ফলে যাতায়াত করতে হিমসিম খেতে হচ্ছে।স্থানীয় গ্রামবাসীরা জানান, কালীদহ আউশগ্রাম রাস্তায় কুনুর নদীর কাঁদরের ওপর সেতুরও বেহাল অবস্থা। সম্প্রতি বেশ কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। সেতুর ওপর থেকে যানবাহন নদীতে পড়ে গিয়েছে কিছুদিন আগে। এমন বিপজ্জনক অবস্থার মধ্যে স্থানীয় গ্রামবাসীদের প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে।অথচ বারবার প্রশাসনের কাছে আবেদন নিবেদন করেও কোনও সুরাহা মেলেনি। তারই প্রতিবাদে এদিন শুরু হয় অবরোধ। দাড়িয়ে পড়ে বেশকিছু যানবাহন। আউশগ্রাম ১ নম্বর বিডিও অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায় টেলিফোনে জানান জেলাপরিষদের অধীনে রয়েছে ওই রাস্তা। সংস্কারের আবেদন জানিয়ে আগেই জেলাপরিষদের কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

অক্টোবর ১৯, ২০২২
রাজ্য

কুড়মি সম্প্রদায়কে এসটি তালিকাভুক্ত করা হলে রাজ্যে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়ার হুমকি

কুড়মি সম্প্রদায়কে এসটি করার চেষ্টার প্রতিবাদর জানিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে বর্ধমান শহরের কার্জনগেট চত্ত্বরে বিক্ষোভ দেখাল আদিবাসী কল্যাণ সমিতি । সমিতির অভিযোগ, এসটি হওয়ার নির্ধারিত বৈশিষ্ট্য না থাকা সত্ত্বেও অবৈধভাবে, অনৈতিকভাবে কুড়মী সম্প্রদায়কে এসটি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়াস চালানো হচ্ছে। তার বিরুদ্ধেই এই প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ। কুড়মি সম্প্রদায়কে এসটি করা হলে রাজ্যে আগুন জ্বলবে বলে হুঁশিয়ারি দেন আন্দোলনকারীরা। প্রয়োজনে রেল রোখা থেকে শুরু করে বৃহত্তর আন্দোলন করা হবে বলে জানালেন তারা, এবং আগামী লোকসভা ভোটে ভোটবাক্সের মধ্যে দিয়েও এর প্রতিবাদ হবে বলে জানান তারা। এদিন বিক্ষোভ শেষে জেলাশাসকের কাছে ডেপুটেশন দেয় আন্দোলনকারীরা।

অক্টোবর ১৮, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ...
  • 23
  • 24
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের বাজারেও ভারতের বিরাট সাফল্য! বৃদ্ধির পূর্বাভাস এক ধাক্কায় বাড়াল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার

বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের পরিস্থিতি। বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এর মধ্যেই ভারতের অর্থনীতি নিয়ে বড় সুখবর দিল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। চলতি অর্থবর্ষে দেশের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করল এই আন্তর্জাতিক সংস্থা। আগে এই হার ৬.৪ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল। অর্থাৎ, বিশ্ব অর্থনীতির একাধিক ক্ষেত্রে চাপ থাকলেও ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার।সংস্থার সাম্প্রতিক বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সংক্রান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ভারতের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ হতে পারে। এর আগে গত জুলাইয়ে ৬.৪ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। নতুন অনুমান অনুযায়ী, বৃদ্ধির সম্ভাবনা ০.৬ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে।শুধু চলতি অর্থবর্ষ নয়, আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবর্ষেও ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ থাকতে পারে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। আগে ওই অর্থবর্ষে ৬.৭ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ, আগামী দুবছরেও দেশের অর্থনীতির গতি বজায় থাকার আশা করছে সংস্থাটি।এর আগে ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্কও চলতি অর্থবর্ষে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.১ শতাংশ করেছিল। এ বার আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের রিপোর্টেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলল।ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানোর পিছনে কয়েকটি কারণের কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। সংস্থার মতে, দেশের বাজারে পণ্য ও পরিষেবার চাহিদা যথেষ্ট শক্তিশালী। সাধারণ মানুষের কেনাকাটা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের ভাল ফল অর্থনীতির বৃদ্ধিতে সাহায্য করছে। পাশাপাশি, ভারতের বড় অভ্যন্তরীণ বাজার, বিপুল জনসংখ্যা এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক সংস্কারও বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। বিশেষ করে পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।তবে বিশ্ব অর্থনীতির সামনে ঝুঁকিও রয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পাশাপাশি আমেরিকা ও ইরানের সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা বেড়েছে। এর মধ্যে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি ভারতের মতো তেল আমদানিনির্ভর দেশের জন্য বড় চিন্তার কারণ। তেলের দাম বাড়লে দেশের আমদানি খরচ বাড়তে পারে। তার প্রভাব পড়তে পারে মূল্যবৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে।আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের অনুমান, ২০২৬ সালে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের গড় দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৫.৭৪ ডলারে পৌঁছতে পারে। ২০২৫ সালের তুলনায় তা প্রায় ৪১ শতাংশ বেশি। তবে ২০২৭ সালে তেলের দাম প্রায় ৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৭.৩৯ ডলারে নেমে আসতে পারে বলে অনুমান করা হয়েছে। তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা থাকলেও দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি বজায় থাকতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।অন্য দিকে, চিন, রাশিয়া, ব্রাজিল এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের অর্থনীতি নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এই দেশগুলির সম্মিলিত আর্থিক বৃদ্ধির হার ৩.৭ শতাংশ হতে পারে। আগে এই হার ৩.৮ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল।তবে ইউরোপের কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানো হয়েছে। জার্মানির অর্থনৈতিক বৃদ্ধির অনুমান ০.৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে। ব্রিটেনের ক্ষেত্রেও বৃদ্ধির পূর্বাভাস ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে, যুদ্ধ এবং তেলের দাম বৃদ্ধির মতো ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান আগামী দিনেও আর্থিক বৃদ্ধিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

সূর্যকান্তকে নিয়ে বিস্ফোরক পোস্ট, বিজেপির আক্রমণের মুখে পিছু হটল কেরল কংগ্রেস?

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের পদত্যাগ দাবি করে কেরল কংগ্রেসের একটি পোস্ট ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে বিতর্ক শুরু হয়েছে। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়ে বিতর্কের পর এ বার প্রধান বিচারপতিকে নিশানা করে পোস্ট করার অভিযোগ উঠেছে কেরল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। বিষয়টি সামনে আসতেই কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছে বিজেপি। সমালোচনার মুখে শেষ পর্যন্ত পোস্টটি মুছে দিয়েছে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস। সূত্রের খবর, ওই পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকেও পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে বিক্ষোভ এবং রাজধানীতে জারি করা বিধিনিষেধ নিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকেরা। একটি অনুষ্ঠানের ফাঁকে তাঁদের প্রশ্নের উত্তরে প্রধান বিচারপতি জানান, বিষয়টি আইনশৃঙ্খলার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই তা তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না।প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্যের পরেই কেরল কংগ্রেসের সরকারি সমাজমাধ্যমের পাতায় একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে তাঁকে উদ্দেশ করে লেখা হয়েছিল, আইনশৃঙ্খলা যদি তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে না পড়ে, তা হলে যেন তিনি পদত্যাগ করেন। পাশাপাশি, তাঁর পরিবর্তে এই বিষয় সামলাতে পারবেন, এমন কাউকে খুঁজে নেওয়ার কথাও লেখা হয় ওই পোস্টে। বার্তাটি সামনে আসতেই কংগ্রেসের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরব হয় বিজেপি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু নিজের সমাজমাধ্যমের পাতায় ওই পোস্টের ছবি ভাগ করে নেন। তাঁর অভিযোগ, তিনি আগেই বলেছিলেন, কংগ্রেসের পরবর্তী নিশানা হবে বিচারব্যবস্থা। কংগ্রেস দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধ্বংস করতে চায় বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর আরও বক্তব্য, দেশবিরোধী শক্তিগুলি একজোট হচ্ছে। এর মোকাবিলায় দেশপ্রেমিক ভারতীয়দেরও একজোট হওয়ার আহ্বান জানান রিজিজু।বিতর্ক বাড়তে থাকায় নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি। রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি সানি জোসেফ জানান, প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রদেশ কংগ্রেসের নেতৃত্বের অজান্তে এবং তাঁদের অনুমতি বা পরামর্শ ছাড়াই ওই পোস্ট করা হয়েছিল।কী পরিস্থিতিতে ওই পোস্ট করা হয়েছিল, তা দল খতিয়ে দেখবে বলেও জানিয়েছেন সানি। তাঁর বক্তব্য, বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে কংগ্রেসের কোনও আপত্তি নেই। সমাজমাধ্যমে এমন কোনও পোস্ট করা হলে, যা দলের এই অবস্থানের সঙ্গে মেলে না, তা কেরল প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের মতামত বলে গণ্য করা যাবে না।প্রধান বিচারপতির মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই বিতর্কে এক দিকে বিজেপির আক্রমণ, অন্য দিকে কেরল কংগ্রেসের ব্যাখ্যাসব মিলিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতর বেড়েছে। বিতর্কিত পোস্ট প্রত্যাহার এবং দায়ী ব্যক্তিকে সরানোর সিদ্ধান্তের পরেও এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal