• ৯ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

North 24 Pargana

রাজ্য

মহিলার ব্যাগ খুলতেই চোখ ছানাবড়া! এ যেন অস্ত্রের ভাণ্ডার, আন্তঃরাজ্য চক্রের খোঁজে সিআইডি

গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বড় সাফল্য পেল সিআইডি। উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগর থেকে এক মহিলাকে আটক করে তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৬টি আগ্নেয়াস্ত্র, প্রায় ২০০ রাউন্ড কার্তুজ এবং নগদ টাকা। রবিবার সকালে অশোকনগর থানার ৮ নম্বর মোড় এলাকায় এই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত মহিলার নাম পূজা বিশ্বাস। তিনি হাবরা পুরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তদন্তকারীদের দাবি, নৈহাটি-অশোকনগর রোড দিয়ে একটি ম্যাটাডোরে সাধারণ যাত্রীদের সঙ্গে যাত্রা করছিলেন তিনি। আগেই তাঁর গতিবিধির উপর নজর রাখছিল সিআইডি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোটা পথ তাঁকে অনুসরণ করা হয়।অশোকনগর থানার ৮ নম্বর মোড়ে ম্যাটাডোর থেকে নামার পরই সাদা পোশাকের সিআইডি আধিকারিকরা তাঁকে ঘিরে ফেলেন। এরপর তাঁর সঙ্গে থাকা ব্যাগে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয় ৬টি আগ্নেয়াস্ত্র, প্রায় ২০০ রাউন্ড কার্তুজ এবং নগদ টাকা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় অশোকনগর থানার পুলিশ। পরে পূজা বিশ্বাসকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় ভিড় জমাতে থাকেন স্থানীয় বাসিন্দারা।প্রত্যক্ষদর্শী সুখেন সরকার বলেন, সকালে এসে দেখি এক মহিলাকে ঘিরে পুলিশ ও সিআইডি তল্লাশি চালাচ্ছে। পরে জানতে পারি তাঁর ব্যাগ থেকে প্রচুর গুলি ও বন্দুক উদ্ধার হয়েছে। এই এলাকায় এমন ঘটনা আগে দেখিনি। মহিলাকেও কখনও এখানে দেখিনি। পুলিশ ও সিআইডি খুব ভালো কাজ করেছে।প্রাথমিক তদন্তে সিআইডির অনুমান, উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও কার্তুজ বিহার থেকে পশ্চিমবঙ্গে আনা হয়েছে। তবে এগুলি কোথায় পৌঁছানোর কথা ছিল, কী উদ্দেশ্যে আনা হচ্ছিল এবং এই অস্ত্র পাচার চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার নেপথ্যে বৃহত্তর কোনও আন্তঃরাজ্য চক্র রয়েছে কি না, সেই দিকেও তদন্তকারীরা নজর দিচ্ছেন।

জুলাই ১৯, ২০২৬
কলকাতা

বেআইনি দখল মামলায় বড় মোড়! উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলাশাসকের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান হাইকোর্টের

ভিআইপি থেকে উল্টোডাঙা পর্যন্ত বেআইনি নির্মাণ এবং রাস্তা দখল সংক্রান্ত মামলায় উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলাশাসকের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিল কলকাতা হাইকোর্ট । আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী সন্তোষজনক রিপোর্ট জমা না দেওয়ায় জেলাশাসককে সশরীরে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী তেইশে জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানিতে তাঁকে হলফনামা এবং পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা দিতে হবে।শুক্রবার মামলার শুনানিতে হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ জেলাশাসকের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, একাধিকবার রিপোর্ট চাওয়া হলেও স্পষ্ট এবং পূর্ণাঙ্গ তথ্য জমা দেওয়া হয়নি। এমনকি আদালতের নির্দেশের পরও দায়সারা রিপোর্ট জমা পড়েছে বলে মন্তব্য করা হয়।শুনানির সময় বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, একজন নিম্নপদস্থ কর্মীর মাধ্যমে কেন এই রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, জেলাশাসক কি নিজেকে ডিভিশন বেঞ্চের চেয়েও বড় মনে করছেন। আদালতের মতে, এই ধরনের আচরণ আদালতের নির্দেশকে গুরুত্ব না দেওয়ারই ইঙ্গিত বহন করছে।আদালত জানায়, এর আগেই সতর্ক করে বলা হয়েছিল, পরবর্তী রিপোর্ট সন্তোষজনক না হলে জেলাশাসককে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হতে হবে। সেই নির্দেশও মানা হয়নি। তাই এবার তাঁকে আদালতে উপস্থিত থেকে রিপোর্টের ব্যাখ্যা দিতে হবে।বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী আরও বলেন, আদালতের ধৈর্যের পরীক্ষা নেওয়া উচিত নয়। পাশাপাশি বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ও প্রশ্ন তোলেন, জেলাশাসক কি এতটাই ব্যস্ত যে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী রিপোর্ট জমা দেওয়ার সময় পাচ্ছেন না।মামলাকারীর অভিযোগ, ভিআইপি থেকে উল্টোডাঙা পর্যন্ত রাস্তার ধারে বেআইনিভাবে দখল করে পার্কিং এলাকা এবং বিয়েবাড়ি তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি নয়ানজুলি ভরাট করে একাধিক বেআইনি নির্মাণও হয়েছে। এই অভিযোগ নিয়ে দুই হাজার বাইশ সালে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়।মামলার আগের শুনানিতে জেলা প্রশাসন স্বীকার করেছিল যে ওই এলাকায় জবরদখলের ঘটনা ঘটেছে। এরপর আদালত জানতে চেয়েছিল, সেই বেআইনি দখল সরাতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু একাধিকবার জেলাশাসক বদল হলেও এখনও পর্যন্ত আদালতে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা পড়েনি। সেই কারণেই এবার কড়া অবস্থান নিল কলকাতা হাইকোর্ট।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআর নথির নামে ডেকে খুন! বাদুড়িয়ায় দেহাংশ উদ্ধার, গ্রেফতার বিএলও

উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়া-য় চাঞ্চল্যকর খুনের ঘটনা। এসআইআর সংক্রান্ত নথির কথা বলে ডেকে নিয়ে গিয়ে এক যুবককে খুনের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় এক বিএলও-সহ দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।মৃত যুবকের নাম নাসির আলি (৩৬)। তাঁর বাড়ি পাপিলা এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত বিএলও-র নাম রিজওয়ান হাসান মণ্ডল ওরফে মন্টু। তিনি পাপিলা ২২ নম্বর বুথের বিএলও। সাগর গাইন নামে আরও এক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ৯ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় নাসিরের কাছে একটি ফোন আসে। বলা হয়, এসআইআর সংক্রান্ত কারণে আধার কার্ড ও ভোটার কার্ডের জেরক্স নিয়ে দেখা করতে হবে। ফোনকারী নিজেকে এইআরও বলে পরিচয় দেন। সেই ফোন পাওয়ার পর বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান নাসির। তারপর আর ফেরেননি। তাঁর মোবাইল ফোনও বন্ধ ছিল। পরে পরিবার বাদুড়িয়া থানার পুলিশ-এর কাছে নিখোঁজ অভিযোগ দায়ের করে।পরদিন চাতরা এলাকার একটি খাল থেকে নাসিরের মোটরবাইক ও জুতো উদ্ধার হয়। কিন্তু তাঁর কোনও খোঁজ মেলেনি। তদন্তে নেমে পুলিশ রিজওয়ান ও সাগরকে গ্রেফতার করে। ধৃতদের বসিরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হলে পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের পর বাদুড়িয়ার বিভিন্ন খাল ও সেতুর নীচে তল্লাশি চালানো হয়। সেই তল্লাশিতেই তিনটি প্যাকেটের মধ্যে নাসিরের দেহাংশ উদ্ধার হয়। তবে এখনও তাঁর মাথা উদ্ধার হয়নি।কেন এই নৃশংস খুন, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। পরিবারের দাবি, নাসিরের সঙ্গে কারও কোনও শত্রুতা ছিল না। মৃতের স্ত্রী বিউটি খাতুন বিবি বলেন, রিজওয়ান তাঁদের পরিচিত ও বন্ধুই ছিলেন। তাঁর স্বামীর উপর এমন অত্যাচারের কঠোর শাস্তি চান তিনি।ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
রাজ্য

পুলিশের কর্মীকে মারধরের অভিযোগে গ্রেফতার বিজেপি নেতা, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর দাবি ধৃতের

উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁয় পুলিশের এক কর্মীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগে বিজেপি নেতা গোবিন্দ ভট্টাচার্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে গাইঘাটা এলাকা থেকে তাকে আটক করে বনগাঁ থানার পুলিশ। অভিযোগ, বুধবার রাতে হাসপাতাল কালিবাড়ি এলাকায় বাড়ি ফেরার পথে এক যুবককে পূর্ব আক্রোশের জেরে মারধর করেন অভিযুক্ত বিজেপি নেতা। আক্রান্ত যুবক নিজে বনগাঁ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আক্রান্ত ব্যক্তি কলকাতা পুলিশের কর্মী। ধৃত গোবিন্দ ভট্টাচার্যকে শুক্রবার বনগাঁ মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়েছে।এই ঘটনার পর রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে বনগাঁয়। বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস বলেন, গোবিন্দ জমি মাফিয়া। সমাজবিরোধীদের সঙ্গে চলাফেরা করে। যে যুবককে মারধর করা হয়েছে, তিনি একজন পুলিশ কর্মী। বিজেপি একটা উশৃঙ্খল দল। তবে ধৃত বিজেপি নেতা গোবিন্দ ভট্টাচার্যের দাবি, শুধুমাত্র বিজেপি করার কারণে তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, এটা তৃণমূলের ষড়যন্ত্র।এই ঘটনায় বনগাঁ উত্তরের বিজেপি বিধায়ক অশোক কির্তনীয়াও পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, আমাদের কার্যকর্তারা ঘরে বসে থাকলেও পুলিশ কেস দিচ্ছে। এটা তৃণমূলের পূর্বপরিকল্পনা। মামলা হবে, জামিন নেব। তবে ২০২৬ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিসর্জন হবে।অন্যদিকে, আক্রান্ত যুবক এবং তাঁর পরিবার এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৫
রাজ্য

বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের জের, যুবকের মাথা ফাটিয়ে, হাত কেটে দিল গৃহবধূ

বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে চাওয়ায় যুবকের উপরে আক্রমণ ও তার বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ প্রতিবেশী গৃহবধূর বিরুদ্ধে। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বনগাঁয়। প্রতিবেশী গৃহবধূর সঙ্গে যুবকের চার বছরের বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক। সেই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে চাওয়ায় যুবকের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া, ব্লেড দিয়ে হাত কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠল এক গৃহবধূর বিরুদ্ধে। শুধু যুবকের উপর হামলা করেই থামেনি প্রতিবেশী ওই গৃহবধূ। যুবকের পরিবারের অভিযোগ, ওই গৃহবধূ তাদের বাড়ির খাবারে বিষ মিশিয়ে দিয়েছে এবং বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। রবিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগণার বনগাঁ থানার সভাইপুর এলাকায়। সোমবার বনগাঁ থানায় অভিযোগ দায়ের করে যুবক। যুবকের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত গৃহবধূকে গ্রেফতার করেছে বনগাঁ থানার পুলিশ। অভিযুক্ত গৃহবধূকে মঙ্গলবার বনগাঁ মহকুমা আদালতে পেশ করে পুলিশ।

মে ২৮, ২০২৫
রাজ্য

নিমিষের ঝড়ে লন্ডভন্ড গাইঘাটার ৬টি গ্রাম, ভেঙে চুরমার একাধিক বাড়ি

১০ মিনিটের ঝড় ও শিলা বৃষ্টিতে লণ্ডভণ্ড উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটার ৬ টি গ্রাম। আচমকা এই ঝড়ে ভেঙেছে ৩০ -৩৫ বাড়ি। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যান বিডিও ও পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি। ১০ থেকে ১৫ মিনিটের আচমকা ঝড় ও শিলা বৃষ্টিতে উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটার রামনগর গ্রামপঞ্চায়েতের ৬ টি গ্রাম কার্যত লণ্ডভণ্ড হয়ে গেল। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এদিন দুপুরে হঠাৎ ঝড় ও ব্যাপক শিলা বৃষ্টি শুরু হয়। কোনও কিছু বুঝে ওঠার আগে গ্রামের একাধিক বাড়ি ভেঙ্গে পড়ে। কোথাও ভেঙ্গে গিয়েছে পাকা বাড়ির দেওয়াল। শিলার আঘাতে আহত হয়েছেন কয়েকজন। নষ্ট হয়ে গিয়েছে মাঠের ফসল। প্রশাসন সূত্রে খবর, রামনগর গ্রামপঞ্চায়েতের শশাডাঙ্গা, তেঁতুলবেড়িয়ার আগারপাড়া, রঘুনন্দনপুর, চক ঝাউডাঙা ও পিপলি গ্রামে ৩০ থেকে ৩৫ টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। খবর পেয়ে গ্রামগুলি পরিদর্শন করেন গাইঘাটার বিডিও নীলাদ্রি সরকার ও পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ইলা বাগচি, জেলা পরিষদের সদস্য অভিজিৎ বিশ্বাস সহ পুলিশ প্রশাসন ও জন প্রতিনিধিরা। গাইঘাটার বিডিও নীলাদ্রি সরকার বলেন, যাঁদের ঘড় ভেঙ্গেছে তাঁদের জন্য ত্রানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। দেওয়া হচ্ছে ত্রিপল। যারা আহত হয়েছেন তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৫
রাজ্য

উত্তর ২৪ পরগণায় বাংলাদেশ সীমান্তে ফেন্সিংয়ের তৎপরতা, ব্লক প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক বিএসএফের

ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের বিস্তীর্ণ অংশে এখনও কাঁটা তারের বেড়া নেই। সম্প্রতি মালদার বৈষ্ণবনগরের সীমান্ত এলাকায় শুধু বিএসএফের সঙ্গে বিজিবির নয়, দুই দেশের নাগরিকদের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় ফেন্সিং দেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এদিকে উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটা ব্লকের সীমান্ত এলাকায় নানা জায়গায় কাঁটা তারের ফেন্সিং নেই। সেই এলাকায় কাঁটাতার দিতে গাইঘাটা ব্লক অফিসে বিএসএফ এর সঙ্গে বৈঠক করল ব্লক প্রশাসন। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিএসএফ-এর ৫ ও ১৪৩ নম্বর ব্যাটেলিয়নের আধিকারিকরা। তাছাড়াও উপস্থিত ছিলেন গাইঘাটার বিডিও, গাইঘাটা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ও ব্লকের ভূমি রাজস্ব দপ্তরে আধিকারিকরা। গাইঘাটার বিডিও নীলাদ্রি সরকার বলেন, রামনগর এবং ঝাউডাঙা গ্রামপঞ্চায়েতের মধ্যে সীমান্ত পড়ছে। এই এলাকায় কাটাতার দেওয়ার জন্য প্রায় ১০০ একর জমি কেনা হবে। জমি নিয়ে কোন সমস্যা নেই। জমি কেনার কাজ শুরু হয়েছে। গাইঘাটা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ইলা বাগচি বলেন, গাইঘাটা ব্লকে সীমান্তে কাটাতার দেওয়া নিয়ে কোন জমি জট নেই। ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে জমি মাপা হয়ে যাবে।

জানুয়ারি ২১, ২০২৫
রাজ্য

সেনা ও আধা-সেনার চাকরিতে জাল ডোমিসিয়াল সার্টিফিকেটের ছড়াছড়ি! অভিযোগ পেয়ে কাঁকিনাড়া থেকে গ্রেপ্তার দুই

ভারতীয় সেনা ও আধা-সেনার চাকরিতে বাংলার কোটায় জাল ডোমিসিয়াল শংসাপত্র দাখিল করে চাকরি পাওয়ার অভিযোগ বাংলা পক্ষের। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে কাঁকিনাড়া থেকে দুই বহিরাগত দালালকে আজ বৃহস্পতিবার ডায়ামন্ড হারবার জেলা পুলিস গ্রেপ্তার করে।সরকারি সুত্রে জানা গেছে, ডোমিসিয়াল সার্টিফিকেট সাধারণত দুধরনের হয়, ক্যাটাগরি-এ ও ক্যাটাগরি-বি। এ সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য অন্য রাজ্য থেকে আসা ওই ব্যক্তিকে সেই রাজ্যে দশ থেকে পনের বছর স্থায়ী ভাবে বসবাস করতে হবে। আর বি ক্যাটাগরি সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য অন্য রাজ্য থেকে আসা ওই ব্যক্তির কোনও নিকটাত্মীয়কে সেই রাজ্যে দশ বছরের বেশী স্থায়ী ভাবে বসবাসের প্রমান দাখিল করতে হবে।বাংলা ভাষা ও বাঙ্গালি সংগঠন বাংলা পক্ষ দীর্ঘদিন ধরেই এই জাল ডোমিসিয়াল বিষয়ে আওয়াজ তুলেছে। তাঁরা জনতার কথাকে জানায়, দক্ষিণ ২৪ পরগনার মহেশতলা থানার ঠিকানা দিয়ে জাল ডোমিসাইল সার্টিফিকেট বানিয়ে বাংলার রাজ্য কোটায় আধাসেনার চাকরি দখল করেছিল আদিত্য প্রতাপ সিং এবং অমিত সিং নামে দুই ব্যাক্তি৷ বাংলা পক্ষের স্থানীয় সদস্যেরা খোঁজ নিয়ে জানতে পারে, তাঁরা কেউই পশ্চিমবঙ্গে থাকে না, তাঁরা সকলেই অন্য রাজ্যের স্থায়ী বাসিন্দা। বাংলা পক্ষর মহেশতলা বিধানসভার সম্পাদক সুশাস্ত চক্রবর্তী মহেশতলা থানায় অভিযোগ জানিয়ে একটি এফআইআর করেন। সেই এফআইআর নং (FIR) - 535/23, Dated- 07/10/2023.বুধবার গভীর রাতে ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের কাঁকিনাড়া থেকে জাল ডোমিসাইল ও জাল কাস্ট সার্টিফিকেট চক্রের অন্যতম দুই বহিরাগত পাণ্ডা বিক্কি চৌধারী ও রাজু চৌধারীকে গ্রেপ্তার করে ডায়ামন্ড হারবার পুলিস জেলার মহেশতলা থানা। বৃহস্পতিবার আলিপুর আদালত পেশ করলে বিচারক দুই অভিযুক্তের ৪ দিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। অন্যদিকে এই চক্রের আর এক মাথা কাঁকিনাড়ার এক সেনা জওয়ান রাহুল শার বিরুদ্ধে ১৭ মাহার রেজিমেন্টে তথ্য প্রমাণ সহ অভিযোগ জানানোর পর তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করেছে সেনাবাহিনী।বাংলা পক্ষের শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি জনতার কথাকে জানান, আধাসেনায় বাংলার রাজ্য কোটার হাজার হাজার চাকরি দখল হয়ে যাচ্ছে। জাল সার্টিফিকেট বানিয়ে দালাল মারফৎ ভিন রাজ্যের লোকজন বাংলার চাকরি দখল করছে। গত এক বছর বাংলা পক্ষ এর বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন করছে। CRPF ভবনে বিক্ষোভ কর্মসূচীও করেছিল বাংলা পক্ষ। গত কয়েক মাসে ব্যারাকপুর, শ্রীরামপুর, চন্দননগর সহ বিভিন্ন মহকুমা শাসকের অফিসে, পুলিস সুপারের অফিসে বিক্ষোভ কর্মসূচী করেছে বাংলা পক্ষ। বিএসএফ, সিআইএসএফ সহ বিভিন্ন সেনা ক্যাম্পের বাইরেও ঘেরাও কর্মসূচী করেছে বাংলা পক্ষ। কলকাতা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলাও করেছিল বাংলা পক্ষ। কৌশিক মাইতি আরও জানান তাঁরা এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত প্রতিটা দালাল কে গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছে। বাংলা পক্ষ বাংলার বাঙালি সহ ভূমিপুত্রদের বঞ্চিত হতে দেবে না বলে তিনি জানান।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৪
রাজ্য

দত্তপুকুরে বিস্ফোরণঃ সাসপেন্ড ফাঁড়ির ওসি, কিসের গবেষণা চলত ইঁটাভাটায়?

এগরার পর দত্তপুকুরের বাজি বিস্ফোরণের ঘটনায় তোলপাড় রাজ্য। সোমবার দত্তপুকুর থানার মৌজপুলে গিয়ে দেখা গেল ধ্বংসস্তুপের মতো পরে রয়েছে বাজি কারখানার বাড়িটি। দমকল বিভাগ এদিন চকোলেট বাজিতে জল দিয়ে ঠান্ডা রাখছিল। কড়া রোদে যদি ফের কোনও ঘটনা ঘটে! এদিকে এদিন বিস্ফোরণ স্থল থেকে বেশ কিছুটা দূরে একটি পুকুর থেকে আরেকটি মৃতদেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৯। রাজ্য সরকারের সবুজ বাজি প্রকল্প নেওয়ার পর এই বিস্ফোরণে হতবাক রাজ্যের সাধারণ মানুষ। এদিনও বিস্ফোরণ স্থল দেখতে ভিড় জমায় মানুষজন। ঘটনার পর থেকে ক্ষোভে ফুঁসছে স্থানীয়রা। তাঁদের বক্তব্য বারে বারে অভিযোগ জানানো সত্বেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এমনকী মাস-পিটিশন লেখাও হয়েছিল। গ্রামবাসীরা স্বাক্ষরও করেছিল। কিন্তু তা কোনও অজ্ঞাত কারণে প্রশাসনকে দেওয়া হয়নি। তার পরিনতি ঘটল সোমবার।সামনের বাড়িতে বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত ছাদ ও দেওয়াল ছিটকে পড়ছে। তাছাড়া বিস্ফোরণের তীব্রতা ছিল। ঘরের বক্সখাটও ভেঙে গিয়েছে। ঘরে দেওয়ালের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। আলমারি থেকে ড্রেসিংটেবল ভেঙে খান খান। ঘরবাড়ি তছনছ অবস্থা। ঘটনার সময় ৬ বছরের মেয়েকে নিয়ে জানালা দিয়ে ঝাঁপ দেওয়ায় বেঁচে গিয়েছেন তাজমিরা বিবি. তখন বাড়িতে আর কেউ ছিলেন না.এদিকে এদিন ইঁটভাটা থেকে টেষ্ট টিউব ছাড়াও বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেখানে কি ধরনের গবেষণা চলত তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে গ্রামবাসীদের। আদৌ বোমা না আরও ভয়ানক কোনও কান্ড সেখানে ঘটত তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা। এনআইএয়ের দুই প্রতিনিধি এদিন বিস্ফোরণ এলাকা ঘুরে দেখেন৷ এনআইএ ঘটনার ভয়াবহতা দেখে নিজেরাই উদ্যেগ নিয়ে ছুটে গিয়েছেন। তাঁরা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন।এদিন সেখানে পৃথক পৃথক ভাবপ গিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী ও সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিম। দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে বিরোধীরা। এদিন দত্তপুকুর কাণ্ডের জেরে নীলগঞ্জ ফাঁড়ির ওসি হিমাদ্রি ডোগরাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। ওই পদে দায়িত্ব পেয়েছেন সঞ্জয় বিশ্বাস।

আগস্ট ২৮, ২০২৩
রাজ্য

ভয়াবহ বিস্ফোরণে কাঁপলো দত্তপুকুর, এখনও অবধি ৭ জনের মৃত্যু, এনআইএ তদন্তের দাবী বিজেপির

এগরার পর এবার দত্তপুকুর! বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে কাঁপলো এলাকা। উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরে বিস্ফোরণে এখনও অবধি সাত জনের মৃত্যু খবর পাওয়া গেছে। আরও বেশ কয়েক জনের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে, আহতের সংখ্যা ১৫ ছাড়িয়েছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, আহতদের মধ্যে কয়েকটি শিশুও থাকার আশঙ্কা করছে তাঁরা। ভশ্মিভুত বাজি কারখানাটি অবৈধ ভাবে চলছিল বলে জানা যায়।পুলিস সুত্রে জানাযায়, রবিবার সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরে বাজি কারখানাটিতে বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণের তীব্রতা ছিল ভয়ঙ্কর, তার জেরে অকুস্থলের পাশাপাশি বেশ কিছু ঘরবাড়ি ভয়ঙ্কর ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি কিছু বাড়ির টিনের চাল উড়ে গেছে, কারুর বাড়ির জানালার কাচ ভেঙে পড়েছে।স্থানীয়দের অভিযোগ, সম্পূর্ণ বেআইনি ভাবে বাজি কারখানাটি চলছিল। স্থানীদের কাছ থেকে খবর বিস্ফোরণের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে বিশাল পুলিশবাহিনী। পুলিসে কাছে তাঁরা অভিযোগ জানায় সম্পূর্ণ বেআইনি ভাবে বাজি কারখানাটি চলছিল। তাদের আরও অভিযোগ, বার বার তাঁরা প্রশাসনকে জানালেও কোনও রকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বিস্ফোরণ স্থলে পুলিশ আসতেই স্থানীয়রা তাঁদের কাছে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। পুলিসকে ঘিরে ধরে চলতে থাকে নানাবিধ স্লোগান।মে মাসে এগরার কাছে খাদিকুলে বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। ৯ জনের মৃত্যু হয় ঐ ঘটনায়। এগ্রার ঘটনার অব্যবহিত পরেই বজব্জে বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ ঘটে। পরপর দুটি ঘটনায় টঙ্ক নড়ে পুলিস প্রশাসন মহলের। এগরা ও বজবজে বিস্ফোরণের ঘটনার পর থেকেই বেআইনি বাজি উদ্ধারে রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন জায়গায় চিড়ুনি তল্লাশি অভিযান শুরু হয়। সে তল্লাসি চলাকালীন দত্তপুকুরে পুলিশি তল্লাশিতে উদ্ধার হয় প্রায় ২০০ কুইন্টাল বাজি।ঐ দুটি ঘটনার ১০০ দিন কাটতে না কাটতেই আবারও বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল বাংলার মাটি। এ বারও অভিযোগের তীর সেই বেআইনি বাজি কারখানা দিকে। স্বানভিক ভাবেই প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠছে জনমানসে। স্থানীয় মানুষজনের ক্ষোভ, প্রশাসন যদি আরও সচেতন হত তাহলে এতগুলি প্রান হয়ত রক্ষা পেত। এই দুর্ঘটনাও হয়ত এড়ানো যেত। উত্তেজিত জনতা ক্ষিপ্ত হয়ে স্থানীয় এক ব্যক্তি সামসুলের বাড়ি লক্ষ করে ইট-পাটকেল ছুঁড়তে থাকে, পুলিস এসে পৌঁছালে তাঁরা রণে ভঙ্গ দেয়। তাঁকেই মূল অভিযুক্ত বলে দাবী করছে স্থানীয় মানুষজন। স্থানীয়দের অভিযোগ এখনও এলাকার একাধিক জায়গায় বিস্ফোরক মজুত রাখা আছে। ঠিকমত তল্লাসী করলে তা উদ্ধার সম্ভব।স্বাভাবিক ভাবেই এতবড় ঘটনাই রাজনিতীর রং লাগবেই, বিজেপি রাজ্য সম্পাদক বলেন, গোটা রাজ্যই বারুদের স্তূপের উপর দাঁড়িয়ে রয়েছে ,এই অপদার্থ দল যত দিন ক্ষমতায় থাকবে। তত দিন রাজ্যের মানুষ মরতেই থাকবে। স্থানীয়দের থেকে খবরাখবর নিচ্ছি। তার ভিত্তিতে একটা রিপোর্ট তৈরি করে অমিত শাহকে পাঠাব। এনআইএ তদন্ত চাইব।

আগস্ট ২৭, ২০২৩
রাজ্য

কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা বাগদার পঞ্চায়েত সদস্যের, অভিযোগের তির প্রধানের দিকে

মানসিক চাপে কিটনাশক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন পঞ্চায়েত সদস্য। উত্তর ২৪ পরগনার বাগদা ব্লকের বয়রা গ্রামপঞ্চায়েতের ঘটনা। তৃণমূলের প্রধানের কথায় আবাস যোজনার ঘর দেওয়ার জন্য টাকা নিয়েছে তারই দলের পঞ্চায়েত সদস্য। এদিকে সংবাদ মাধ্যমে মুখ খোলায় লাগাতার হুমকির অভিযোগ প্রধানের অনুগামীদের বিরুদ্ধ। অভিযুক্ত প্রধানের নাম অসিত মণ্ডল। অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অসিত।জানা গিয়েছে, বয়রা গ্রাম পঞ্চায়েতের মালিদহ গ্রামের পঞ্চায়েত সদস্য দিলীপ দাসের দাবি, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ঘর দেওয়ার নাম করে ওই গ্রাম থেকে প্রায় ৫০ জন সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ১০ হাজার, ১৫ হাজার করে টাকা নিয়েছে। এসব কাজ করেছেন তিনি প্রধান অসিত মণ্ডলের কথা মতো। সেই টাকা তিনি প্রাধানকে দিয়েছেন। তবে গুরুতর অভিযোগ টাকা দিয়েও গ্রামের কেউ ঘর পায়নি। ফলে তাঁরা এখন টাকা ফেরত চাইছে। কিন্তু টাকা দিচ্ছেন না প্রধান। পরবর্তীতে বিষয়টি তিনি দলেও নেতৃত্বকে জানান এবং সংবাদমাধ্যের সামনে ওই ঘটনা তুলে ধরেন। অভিযোগ, তার পর থেকে দিলীপকে পঞ্চায়েত প্রধান অসিত মণ্ডলের লোকজন হুমকি দিতে থাকে। ভয়ে তারা বাড়ি থেকে বেড়তে পারছেন না। পঞ্চায়ের সদস্যর স্ত্রী মঞ্জু দাসের দাবি, নানা হুমকির ফলে ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছিল আমাদের পরিবার। আর সেই মানসিক চাপে চলতি মাসের ছয় তারিখ শুক্রবার বিকেলে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে দিলীপ। দুই দিন বনগাঁ হাসপাতালে চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে আসে। সোমবার দিলীপ দাসের স্ত্রী মঞ্জু দাস, অভিযুক্তদের শান্তি ও নিজেদের নিরাপত্তা চেয়ে বনগাঁ জেলা পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। টাকা তোলার কাজে দিলীপ দাস নিজেই যুক্ত বলে পাল্টা অভিযোগ করেন প্রধান অসিত মণ্ডল। প্রধানের দাবি, সাংসারিক কারণে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিল দিলীপ। আমার সঙ্গে দিলিপের কোনও যোগাযোগ নেই। গ্রামের একাধিক লোকের কাছ থেকে টাকা তুলেছে দিলীপ। নানা দুষ্কর্মের সঙ্গে যুক্ত আছে পঞ্চায়েত সদস্য। আবাস যোজনার টাকা তুলে প্রধানকে দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, আমি কোন টাকা নেইনি। পুরোপুরি মিথ্যা অভিযোগ।

জানুয়ারি ১২, ২০২৩
রাজ্য

গণ প্রতিরোধ মঞ্চের চার সদস্য দেখা করলেন অসুস্থ মীনাক্ষী দত্তের সঙ্গে

পানিহাটি পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নিহত পৌরপিতা অনুপম দত্তের স্ত্রী মীনাক্ষী দত্তের সাথে দেখা করতে আজ গণ প্রতিরোধ মঞ্চের চার সদস্য টুম্পা কয়াল, প্রতিমা দত্ত, কাঞ্চন শর্মা ও প্রতাপ বসু মীনাক্ষী দত্তের আগরপাড়ার বাড়িতে যান। প্রতিনিধি দলের সদস্যরা দীর্ঘ ৪০ মিনিট আলোচনা করেন মীনাক্ষী দত্তের সাথে। এরপর সেখান থেকে বেরিয়ে প্রতিনিধি দলের পক্ষে প্রতিমা দত্ত জানালেন, শারীরিকভাবে অসুস্থ রয়েছেন মীনাক্ষী দত্ত সে কারণেই দীর্ঘ আলোচনা করা সম্ভব হয়নি। তবে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা আশ্বস্ত করেছেন যে কোন প্রয়োজনে গণ প্রতিরোধ মঞ্চের সদস্যরা সর্বতভাবে সাহায্য করবে মীনাক্ষী দত্তকে।উল্লেখ্য, ২০২২ র মার্চ মাসে মীনাক্ষী দত্তের স্বামী অনুপম দত্ত দুস্কৃতী দ্বারা গুলি বিদ্ধ হয়ে নিজের বাড়ি থেকে ঢিল ছোরা দুরত্ব মারা যান। অনুপম আগরপাড়া স্টেশন রোডে তাঁর আরোহী স্কুটারে পিছনের সিটে ওঠার মুহুর্তে এক দুষ্কৃতী কয়েক হাত দূর থেকে অনুপমকে লক্ষ করে গুলি চালায়। তৎকালীন পানিহাটি পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অনুপমের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় । সেই রাতের মধ্যে গ্রেফতার হয় অমিত পণ্ডিত নামে এক দুস্কৃতী। সেই ঘটনার পর থেকেই অনুপম দত্তের স্ত্রী মীনাক্ষী ও আত্মীয় পরিজনেরা দোষীদের চরম শাস্তির দাবি করে আসছিলেন। যার নেতৃত্বে এই ঘটনাটি ঘটে সে বাপি জামিন পেয়ে গেলে তাঁদের কোনও ক্ষতি হতে পারে সেই আশঙ্কায় মীনাক্ষী ও তাঁর তার দুই সন্তানকে নিয়ে ঘরের মধ্যে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২২
রাজ্য

হালিশহরে আগ্নেয় অস্ত্র দেখিয়ে চায়ের দোকানে লুটের ঘটনায় গ্রেফতার তিন দুষ্কৃতী

গত ১০ আগস্ট উত্তর ২৪ পরগনার হালিশহরে চায়ের দোকানে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে লুট করে এক দল দূস্কৃতী। সেই ঘটনার তদন্তে নেমে হালিশহর থানার তৎপরতায় ভাটপাড়া বিভিন্ন এলাকা থেকে মিঠুন দাস (২৩) সৌরভ সাও(২০) মনু সাউ (১৯) নামে তিন দুষ্কৃতিকে গ্রেফতার করল পুলিশ। আজ অভিযুক্তদের ব্যারাকপুর মহাকুমা আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়।

আগস্ট ৩০, ২০২২
রাজ্য

স্বামীর খুনের আসামী ছাড়া পাওয়ায়, আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন অনুপম দত্তের স্ত্রী

এদিন আদালত থেকে মূল অভিযুক্ত বাপি পণ্ডিতের জামিনের খবর এলাকায় জানাজানি হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার বাসিন্দারা। তারা একজোট হয়ে রাত পৌনে দশটা নাগাদ আগরপাড়া তেঁতুলতলা মোড়ে বিটি রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায়। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখতে থাকে। এদিকে জামিন পাওয়ার ঘটনার খবরে বিক্ষোভ চলাকালীনই অনুপম দত্তের স্ত্রী তথা ওই ওয়ার্ডের পৌরমাতা মীনাক্ষী দত্ত তার দুই সন্তানকে নিয়ে ঘরের মধ্যে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। তার মায়ের চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা তাকে উদ্ধার করে কামারহাটি সাগরদত্ত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। তাকে ভর্তি করা হয় এবং বর্তমানে তিনি হাসপাতালের সিসিইউ ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বিক্ষোভকারী বলেন, যদি বাপিকে ছেড়ে দেওয়া হয় তাহলে আগামী দিনে তারা বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটবেন ।এখানে উল্লেখ্য, ১৩ মার্চ ২০২২ অনুপমের বাড়ি থেকে সামান্য দূরে, আগরপাড়া স্টেশন রোডে স্কুটারে ওঠার মুহুর্তে এক দুষ্কৃতী কয়েক হাত দূর থেকে অনুপমকে লক্ষ করে গুলি চালায়। তৎকালীন পানিহাটি পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অনুপমের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় । সেই রাতের মধ্যে গ্রেফতার হয় অমিত পণ্ডিত। ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের গোয়েন্দাদের তদন্তে উঠে আসে, খুনের সুপারি দিয়েছিল বাপি। জানাযায় এর আগে অন্য এক দুষ্কৃতীকে অনুপমকে মারা জন্য সুপারি দেইয়েছিল বাপি, সে কাজটি না করায় পুর ভোটের ঠিক পরেই অমিতকে কাজে লাগায়। সেই ঘটনার পরেই অনুপম দত্তের স্ত্রী মীনাক্ষী ও আত্মীয় পরিজনেরা দোষীদের চরম শাস্তির দাবি করে আসছিলেন। এমতবস্থায় বাপি জামিন পেয়ে গেলে তাঁদের কোনও ক্ষতি হতে পারে সেই আশঙ্কায় মীনাক্ষী ও তাঁর পরিবার।

আগস্ট ৩০, ২০২২
রাজ্য

নিম্নচাপের জের, সুন্দরবনের ভাঙ্গাবাধ পরিদর্শনে সেচ দপ্তরের আধিকারিকরা

উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের সুন্দরবনের হিঙ্গলগঞ্জ, হাসনাবাদ, হাড়োয়া মিনাখা সহ নদী বাঁধ পরিদর্শন সেচ দপ্তরের আধিকারিকদের। ৪৮ ঘণ্টা আগে ভরা কোটাল ও নদীর জলস্থর বেড়ে গিয়ে হিঙ্গলগঞ্জ ব্লকের গৌড়েশ্বর নদী বসিরহাটের ইছামতি, হাড়োয়ার বিদ্যাধরি বাঁধ ভেঙেছিল। পাশাপাশি সন্দেশখালি ছোট কলা গাছে রায়মঙ্গল কালিন্দী সহ একাধিক নদী বাধে ফাটল দেখা গিয়েছিল। ব্লক প্রশাসনের তরফ থেকে বাঁধের কাজ হলেও। সরকারিভাবে বসিরহাট মহকুমার সেচও পুর্তোর সরকারি আধিকারিক প্রবীর সাধু, রানা চ্যাটার্জি, উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পুর্তের কর্মদক্ষ নারায়ণ গোস্বামী সহ ১০ জনের একটি প্রতিনিধি দল বাধ পরিদর্শনে যান। প্রতিনিধি দল সরজমিনে এলাকা খতিয়ে দেখেন। যেসব দুর্বল বাঁধ রয়েছে সেগুলো দ্রুত মেরামতি নির্দেশ দেন তাঁরা। পাশাপাশি ভাঙা বাধ গুলো পরিদর্শন করেন। এদিন, হিঙ্গলগঞ্জ সন্দেশখালি সহ একাধিক ব্লকে বাধ পরিদর্শন প্রশাসনিক আধিকারিকরা পাশাপাশি তারা জানান, চলতি মাসের ১৮ ই আগস্ট সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিক সঙ্গে প্রশাসনিক বৈঠক রয়েছে, সেখানে সুন্দরবনের নদীবাদের পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তুলে দেবেন।

আগস্ট ১৬, ২০২২
রাজ্য

জগদ্দলের চার নম্বর প্ল্যাটফর্ম সংলগ্ন রেল লাইনে বোমাবাজি করার অভিযোগে ধৃত মদ্যপ যুবক

মদ্যপ অবস্থায় জগদ্দল স্টেশনের চার নম্বর প্ল্যাটফর্মের চার নম্বর লাইনে বোমা মারার অভিযোগ উঠল এক মদ্যপ যুবকের বিরুদ্ধে । শুক্রবার রাতের ঘটনা এক মদ্দপ যুবক জগদ্দল রেল স্টেশন সংলগ্ন অঞ্চলে বমাবাজি করে বলে পুলিস সুত্র খবর। প্রাথমিক আতঙ্ক কেটে গেলে রেলপাড়ের বস্তি এলাকার মানুষজন চারদিক থেকে ওই যুবককে ঘিরে রাখে । খবর পেয়ে নৈহাটি জিআরপি থানা এবং জগদ্দল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। ওই যুবকের পকেট থেকে পুলিশ আরও তিনটি তাজা বোমা উদ্ধার করেছে। প্রাথমিক জেরায় ধৃত যুবক জানিয়েছে, তার নাম পিন্টু নন্দী। সূত্রের খবর, ধৃতের বাড়ি জগদ্দলের গুপ্তার বাগান এলাকায়। কি কারনে ওই যুবক বোমা মারলো, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

আগস্ট ১৩, ২০২২
দেশ

সীমান্তে অনুপ্রবেশ নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনকে নিশানা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বিধানসভা নির্বাচনের পর এই প্রথম বাংলা সফরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ৬টি অত্যাধুনিক ভাসমান আউটপোস্ট এবং ওয়াটার অ্যাম্বুল্যান্সের উদ্বোধন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার কলকাতা থেকে হেলিকল্টারে তিনি উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জে উড়ে যান। এদিনই বনগাঁর হরিদাসপুরে মৈত্রী সংগ্রহালয়ের শিলান্যাস করেন অমিত শাহ। অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয়মন্ত্রী বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তেই সবচেয়ে বেশি অনুপ্রবেশ ঘটে। তবে এবার যে অত্যাধুনিক নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। তার ফলে এই অনুপ্রবেশ এবং পাচার বন্ধ হবে। স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা ছাড়া অনুপ্রবেশ ও পাচার রোখা কঠিন বলেও মন্তব্য করেছেন শাহ। একইসঙ্গে এদিন তিনি সীমান্ত সুরক্ষায় বিএসএফ-এর ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।এদিন সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর প্রশংসায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার দায়িত্ব বিএসএফ-এর। অনুপ্রবেশ ও পাচারকারীদের রুখতে সচেষ্ট বিএসএফ। শুধু ফেন্সিং দিয়েই হবে না, দেশের সুরক্ষা দিতে পারে বিএসএফ। অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্তে টহলদারির ওপর আরও বেশি জোর দিতে হবে।সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের কাজের পরিধি বৃদ্ধি নিয়ে এর আগে রাজ্য সরকারের সঙ্গে বিরোধ বেধেছিল। এবিষয়ে ঘোরতর আপত্তি জানিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন বাংলাদেশের যুদ্ধের প্রসঙ্গও তোলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেই সময় ভারতীয় সেনা ও বিএসএফের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন অমিত শাহ। এদিন বিকেলে শিলিগুড়িতে জনসভা ছাড়াও বেশ কয়েকটি সংগঠনের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে অমিত শাহর।बीएसएफ की इन फ्लोटिंग सीमा चौकियों पर स्वास्थ्य सुविधाओं के लिए बोट एम्बुलेंस का भी शुभारंभ किया।किसी भी आपातकालीन स्थिति में ये बोट एम्बुलेंस बहुत सहायक सिद्ध होगी। pic.twitter.com/wNYjLkU0PD Amit Shah (@AmitShah) May 5, 2022এদিন এক অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অমিত শাহর সফর নিয়ে কটাক্ষ করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যদি কেউ বলে বাংলায় গেল খুন হয়ে যাব। আমার গায়ে লাগে। উল্লেখ্য বাংলার রাজনৈতিক হিংসা প্রসঙ্গে এমন মন্তব্য করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।উল্লেখ্য, দেশের সীমান্ত এলাকাগুলিতে বিএসএফ-এর কাজের পরিধি বাড়াতে চায় কেন্দ্রীয় সরকার। তবে এক্ষেত্রে ঘোরতর অপত্তি রয়েছে বাংলা-সহ একাধিক রাজ্যের। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে তাঁর আপত্তির কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামিকাল, শুক্রবার কলকাতায় ফিরে দলের রাজ্য ও জেলাস্তরের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন অমিত শাহ।

মে ০৫, ২০২২
রাজ্য

কাল বাংলায় সীমান্ত পরিদর্শনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সুন্দরবনে ৬টি ভাসমান বিওপি ও বোট অ্যাম্বুলেন্সের সূচনা

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আগামিকাল এরাজ্যে আসছেন। তিনি বৃহ্পতিবার বিএসএফ দক্ষিণবঙ্গ সীমান্ত পরিদর্শন করবেন। এই সফরে অমিত শাহ বিএসএফ-এর সুন্দরবনের জলে অবস্থিত ০৬ টি আধুনিক ভাসমান বিওপি-সতলজ, নর্মদা, কাবেরী, গঙ্গা, সবরমতি, কৃষ্ণা এবং বোট অ্যাম্বুলেন্স এর বিওপি হিঙ্গলগঞ্জে পৌঁছানোর পর উদ্বোধন করবেন। ভাসমান বিওপি উদ্বোধনের পর শ্রী শাহ বিওপি হরিদাসপুরে অবস্থিত মৈত্রী সংগ্রহালয় (জাদুঘর) এর উদ্বোধন করবেন।বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের আন্তর্জাতিক সীমান্ত পর্যবেক্ষণ ও সুরক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বিএসএফের এবং সরকার তাই সেখানে আধুনিক সরঞ্জাম সরবরাহের ওপর জোর দিচ্ছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সংলগ্ন আমাদের সীমান্তের সব বিওপিকে নজরদারি ও সীমান্ত নিরাপত্তার জন্য আধুনিক সরঞ্জাম সরবরাহ করে শক্তিশালী করার ওপরও জোর দিচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবনের দুর্গম এলাকায় বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের নজরদারি জোরদার ও মজবুত করতে ভাসমান বিওপির সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া সুন্দরবনের এই দুর্গম এলাকায় চিকিৎসা সেবা দিতে বোট অ্যাম্বুলেন্সও চালু করা হচ্ছে যা সাহেব খালি থেকে শামসের নগর পর্যন্ত এলাকায় সেবা দেবে। ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে বিএসএফ-এর বীরত্ব সম্পর্কে সাধারণ জনগণকে সচেতন করতে ফ্রেন্ডশিপ মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফরের সময় বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের মহাপরিচালক পঙ্কজ কুমার সিং, আইপিএস, যোগেশ বাহাদুর খুরানিয়া, আইপিএস, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, ইস্টার্ন কমান্ড এবং ডাঃ অতুল ফুলঝেলে, আইপিএস, ইন্সপেক্টর জেনারেল সাউথ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ার উপস্থিত থাকবেন।

মে ০৪, ২০২২
কলকাতা

তিলোত্তমায় দেখা মিলল কালবৈশাখীর, বজ্রবিদ্যুসহ ঝড়-বৃষ্টি দুই ২৪ পরগনাতেও

অবেশেষ দেখা মিলল কালবৈশাখীর। সাপ্তাহের শেষে শনিবাসরীয় সন্ধ্যাতেই কলকাতায় আচমকা ধুলো উড়তে শুরু করে। কালবৈশাখীতে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছে মহানগরবাসী। বৃষ্টির সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়ায় যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছে কল্লোলিনী কলকাতা। কালবৈশাখীর ঝড়ে গ্রীষ্মের দহণ এদিন যেন নিমিষে উধাও হয়ে যায়।সোমবার কলকাতায় ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। তার আগেই প্রকতি সদয় হল তিলোত্তমা কলকাতার প্রতি। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও বৃষ্টি হয়েছে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমানেও এদিন বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা কিছুটা নামে। দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলাতে স্বস্তি এসেছে। এদিন কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি চলে।হাঁসফাঁস গরমে স্কুলগুলিতে গরমের ছুটি দিতে বাধ্য হয় রাজ্য সরকার। এদিকে গরমের ছুটি ঘোষণার পর দিন থেকেই প্রকৃতি সদয় হতে শুরু করে। এদিন হঠাৎ ঝড়-জলে অফিস ফেরত মানুষজন বিপাকে পড়ে। তবু বৃষ্টিতে খুশিই হয়েছেন তাঁরা। পূবালি হাওয়ার জেরে রাজ্যে মৌসুমি বায়ু প্রবেশ করছে বলে জানিয়ে ছিল হাওয়া অফিস।

এপ্রিল ৩০, ২০২২
রাজ্য

Fraud: চাকরি দেওয়ার নামে আর্থিক প্রতারণার ঘটনায় দু’জন গ্রেফতার বর্ধমানে

চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার হল দুই প্রতারক। ধৃতদের নাম প্রবীর মণ্ডল ও কিষাণ মণ্ডল। এদের মধ্যে প্রবীরের বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাটে। অপর ধৃত কিষাণ একই জেলার শাসন থানা এলাকার বাসিন্দা। তারা বর্তমানে শক্তিগড় থানার গাংপুর দিঘিরপাড় এলাকায় বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকছিল। বর্ধমান সাইবার থানার পুলিশ মঙ্গলবার রাতে সেখান থেকেই তাদের গ্রেপ্তার করে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ বুধবার দুই ধৃতকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। চাকরি দেওয়ার নামে হাতিয়ে নেওয়া টাকা উদ্ধার ও প্রতারণার ঘটনায় জড়িত বাকিদের হদিশ পেতে তদন্তকারী অফিসার ধৃতদের ১০ দিন নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে এদিন আদালতে আবেদন জানায়। সিজেএম ধৃতদের ৬ দিন পুলিশি হেফাজত মঞ্জুর করেছেন।আরও পড়ুনঃ গলসির হোটেলে মধুচক্রের আসরে পুলিশের হানা, গ্রেপ্তার ৪ যুবতী ২ যুবকপুলিশ জানিয়েছে, আউশগ্রাম থানার দারিয়াপুরের বাসিন্দা পূজা চট্টোপাধ্যায়। একটি বেসরকারি সংস্থায় চাকরির জন্য তিনি চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ইন্টারভিউ দেন। সেদিনই সন্ধ্যাবেলায় এক ব্যক্তি তাঁকে ফোন করে ইন্টারভিউয়ে উত্তীর্ণ হওয়ার কথা জানান। ওই ব্যক্তি পরের দিন পূজাকে তাদের অফিসে যোগাযোগ করতে বলে। অফিসে গেলে চাকরি পাওয়ার জন্য পূজাকে কম্পিউটার কোর্স করতে বলা হয়। তার জন্য তাঁর কাছ থেকে দুদফায় নেওয়া হয় ১৮ হাজার টাকা। পাশাপাশি পূজা সহ কয়েকজনের ট্রেনিংও হয়। এর কিছুদিন পর পূজাকে ফের একটি অ্যাকাউন্ট নম্বর দিয়ে তাতে টাকা পাঠাতে বলা হয়। টাকা না দিলে চাকরি হবে না বলেও তাঁকে জানানো হয়। চাকরি না পাওয়া সত্ত্বেও বারবার টাকা চাওয়া দেখে পূজার সন্দেহ হয়। সংস্থাটি চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রতারণা চক্র চালাচ্ছে বুঝতে পেরে ওই সংস্থার কর্তাদের কাছে পূজা টাকা ফেরত চান। তারপর থেকেই সংস্থার কর্তারা তাঁকে টাকা ফেরত না দিয়ে তাঁকে এড়িয়ে চলতে থাকে। এরপরেই পূজা বর্ধমান সাইবার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে মামলা রুজু করে পুলিশ মঙ্গলবার রাতে দুই প্রতারককে গ্রেপ্তার করে।

আগস্ট ১২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

এশিয়ান গেমসে মেয়েদের ক্রিকেটে পরপর ২ সোনা ভারতের, ভিত তৈরির নেপথ্যে সৌরভেরই অবদান

এশিয়ান গেমসে ভারত পরপর ২ বার সোনা জিতল মেয়েদের ক্রিকেটে। এবারের গেমসে দেশকে প্রথম সোনা এনে দিল হরমনপ্রীত কৌরের নেতৃত্বাধীন দল। ফাইনাল-সহ এবারের এশিয়ান গেমসে দলের জয়ে অবদান রেখেছেন বাংলার রিচা ঘোষও। ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের এই সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বড় ভূমিকা। এক সাক্ষাৎকারে এই বিষয়ে আলোকপাত করেছেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক ঝুলন গোস্বামী।ঝুলন বলেন, ২০১৭-র পর থেকেই আমরা বিসিসিআইকে বলেছিলাম ইংল্যান্ডে যেমন সুপার লিগ (এখন দ্য হান্ড্রেড), অস্ট্রেলিয়ায় মেয়েদের বিগ ব্যাশ লিগ হচ্ছে। আমাদের দেশে কেন হবে না? তখন বিসিসিআই চলছিল কমিটি অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটরসের নেতৃত্বে। কীভাবে আমাদের দেশে এমন লিগ হতে পারে তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু হয়। বিসিসিআই ভাবছিল বড় কেউ আসবে কিনা, টিম নেবে না। আইপিএল অনেক বড় মাপের। তার পাশাপাশি এই টুর্নামেন্ট নিয়ে মানুষের আগ্রহ থাকবে কিনা। ফলে তিনটি টিমকে আইপিএলের ফাঁকে নিজেদের মধ্যে খেলানো শুরু হলো। যা ট্রায়াল রান বলা যেতে পারে। বিদেশিদের আনা হলো। আমরা প্রথম খেলেছিলাম জয়পুরে। প্রথম থেকেই রেসপন্স ভালো ছিল।ঝুলনের কথায়, মহারাজদা (সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়) ২০১৯ সালে বিসিসিআই সভাপতি হলেন। কঠিন সময়ে। কেন না, এর পরেই কোভিড শুরু হয়। যা প্রায় ২ বছর ক্রিকেটকে স্তব্ধ করে দেয়। তবে ক্রিকেট এই সময়কালেও অন্য জায়গায় পৌঁছেছিল মহারাজদা, জয় শাহর জন্য। প্লেয়ার, সাপোর্ট স্টাফ, আম্পায়ার, স্কোরার- পুরুষ ও মহিলা নির্বিশেষে কারও স্যালারি আটকায়নি। সবাই জানেন ওই সময় কতটা কঠিন ছিল। তার মধ্যেই ম্যাচ খেলানোর ব্যবস্থা হয়েছে। চার্টার্ড বিমানে পুরুষ ও মহিলা দলকে দুবাই পাঠিয়ে খেলানোর সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। ট্রাভেল করে কোয়ারান্টিনের মধ্যে কাটানোর পর সকলে পারফর্ম করেছেন। মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ যত্ন নেওয়া হয়। মানসিক স্বাস্থ্য যাতে ভেঙে না পড়ে তা নিশ্চিত করতে কেউ না কেউ সব সময় থাকতেন। ঝুলন জানান, দেশের মহিলাদের ক্রিকেটে সৌরভের বড় পদক্ষেপ টেস্ট ক্রিকেট ফেরানো। ঝুলন বলেন, আমি এতদিনে মাত্র ১২টি টেস্ট খেলেছি। কারণ ২০০৬-এর পর ৮ বছর কোনও টেস্ট খেলিনি। ২০১৪-১৫ নাগাদ খেলার পর আবার বন্ধ ছিল দীর্ঘদিন। মহারাজদা টেস্ট ক্রিকেট ফেরান। কোভিডকালে দাদা, জয় শাহরা আমাদের ইংল্যান্ড সফরে টেস্ট খেলার বন্দোবস্ত করেন। অস্ট্রেলিয়ায় গোলাপি বলে টেস্ট ক্রিকেট খেলি, যা দেশের মেয়েদের ক্রিকেটে সবচেয়ে বড় বিপ্লব। টেস্টই আল্টিমেট ক্রিকেট। যেখানে দক্ষতা, মানসিকতার বিকাশ ঘটে। সবরকম চ্যালেঞ্জের জন্য প্লেয়ারকে তৈরি করে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

হোল্ডিং সেন্টারের দেওয়াল টপকে চম্পট, গন্ধ শুঁকে রোহিঙ্গা যুবককে খুঁজে দিল অরল্যান্ডো

হোল্ডিং সেন্টারের কড়া নিরাপত্তা এড়িয়ে দেওয়াল টপকে পালিয়েও শেষরক্ষা হল না এক রোহিঙ্গা যুবকের। বন দপ্তরের প্রশিক্ষিত স্নিফার ডগ অরল্যান্ডোর নিখুঁত ট্র্যাকিংয়ের জেরে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাকে ফের আটক করল পুলিশ। রাজগঞ্জের ফাটাপুকুর হোল্ডিং সেন্টার থেকে পালানোর পর প্রায় এক কিলোমিটার দূরে একটি চা বাগান থেকে ওই যুবককে উদ্ধার করা হয়।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত যুবকের নাম মোহাম্মদ সোলেমান। গত ২০ সেপ্টেম্বর নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন এলাকা থেকে চার জনের একটি সন্দেহভাজন রোহিঙ্গা দলকে আটক করা হয়েছিল। সেই দলের সদস্য সোলেমানকেও রাজগঞ্জের ফাটাপুকুর হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়।রবিবার সকালে শৌচাগারে যাওয়ার কথা বলে সেন্টারের ভিতর থেকে বেরিয়েছিল সোলেমান। সেই সুযোগেই উঁচু দেওয়াল টপকে ঝোপঝাড়ের মধ্যে দিয়ে পালিয়ে যায় সে। কিছুক্ষণ পর বিষয়টি নিরাপত্তারক্ষীদের নজরে আসে। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় রাজগঞ্জ থানায়। শুরু হয় বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি।দীর্ঘক্ষণ খোঁজ চালিয়েও পলাতক যুবকের সন্ধান না মেলায় পুলিশের পক্ষ থেকে বন দপ্তরের সাহায্য চাওয়া হয়। মালবাজার মহকুমা পুলিশের অনুরোধে জলপাইগুড়ি বন্যপ্রাণী বিভাগের পক্ষ থেকে গরুমারা জাতীয় উদ্যানের প্রশিক্ষিত স্নিফার ডগ অরল্যান্ডোকে ঘটনাস্থলে আনা হয়।সোলেমানের পরনে থাকা বা ফেলে যাওয়া পোশাকের গন্ধ শুঁকিয়ে অরল্যান্ডোকে তল্লাশি অভিযানে নামানো হয়। এরপর গন্ধ অনুসরণ করে সে হোল্ডিং সেন্টার থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে পানিকৌড়ি মোড় সংলগ্ন একটি চা বাগানের দিকে এগিয়ে যায়। অরল্যান্ডোর দেখানো পথ অনুসরণ করে তল্লাশি চালাতেই চা বাগানের মধ্যে লুকিয়ে থাকা অবস্থায় সোলেমানের সন্ধান পান পুলিশকর্মীরা। সেখান থেকেই তাকে ফের আটক করা হয়।বন দপ্তরের সহকারী বনাধিকারিক রাজীব দে জানান, পুলিশের সঙ্গে যৌথ অভিযানে তাঁদের প্রশিক্ষিত কুকুর সফলভাবে পলাতক বন্দিকে খুঁজে বের করায় তাঁরা অত্যন্ত আনন্দিত। এর আগে গরুমারা এলাকায় চোরাশিকারীদের দমনে একাধিকবার সাফল্য দেখিয়েছে অরল্যান্ডো। এবার পলাতক বন্দির সন্ধানেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিল সে।তবে এই ঘটনায় রাজগঞ্জের হোল্ডিং সেন্টারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কড়া পাহারা ও নজরদারি থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এক যুবক সেন্টারের উঁচু দেওয়াল টপকে পালিয়ে গেল, তা নিয়ে শুরু হয়েছে তদন্ত। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোথায় গলদ ছিল, তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

দমকা ঝড়ে লন্ডভন্ড পূর্বস্থলীর গ্রাম, উড়ল চাল, উপড়ে পড়ল গাছ, খতিয়ে দেখলেন বিধায়ক

হঠাৎ ঝড়ের তান্ডবে লন্ডভন্ড পূর্বস্থলীর গ্রাম। পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী ২ ব্লকের কালেখাঁতলা ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের চাপাতলা তিনপাড়া এলাকা ঝড়ের দাপটে তছনছ হয়ে গিয়েছে। কারও কারও বাড়ির ওপর গাছ ভেঙে পড়েছে। কারও টিনের চালা উড়ে গিয়েছে। মোদ্দা কথা পুজোর মুখে এই ঘটনায় মাথায় হাত পড়েছে গ্রামবাসীদের। কি করে সামাল দেবেন এই অবস্থা তা নিয়ে কপালে ভাঁজ পড়েছে বাসিন্দাদের। প্রশাসন গ্রামবাসীদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে। গ্রামে গিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায়।গ্রামবাসীরা জানিয়েছে, শুক্রবার রাতে হঠাৎ দমকা ঝড় ওঠে। ঝড় মাত্র কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী ছিল বলে তাঁরা জানিয়েছেন। কিছু সময়ের প্রবল ঝড়ে আঁতকে ওঠেন তাঁরা। গ্রামের প্রায় ২৫-৩০ টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এর মধ্যে অনেকগুলো কাঁচা বাড়িও রয়েছে। অসহায় মানুষগুলো এবার কি করবেন তা ভেবেই পাচ্ছেন না। হঠাৎ মাথার ছাদ চলে যাওয়ায় গ্রামবাসীরা অসহায় বোধ করছেন। ঝড়ে একজন জখম হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। খবর পেয়ে স্থানীয় বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায় শনিবার সাকালে ওই গ্রামে গিয়ে হাজির হন। ঝড়ে ক্ষয়-ক্ষতি খতিয়ে দেখেন তিনি। বিধায়ক গ্রামবাসীদের জানিয়ে দেন, তিনি গ্রামবাসীদের পাশে আছেন। সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দেন। পূর্বস্থলী উত্তরের বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায় জানান, বিধ্বংসী ঝড়ে ওই গ্রামের প্রায় ৩০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বেশ কিছু বাড়ির চালা উড়ে গিয়েছে। কয়েকটা গাছপালাও ঝড়ে পড়ে গিয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে চাষাবাদেরও। প্রশাসনের কর্তাদের নজরদারিতে উদ্ধারের কাজ চলছে। সরকারি ভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করা হবে। বিডিও পারিজাত বোস জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্তদের নামের তালিকা অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
কলকাতা

অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠান, তারপরই বচসা থেকে হাতাহাতি! উত্তপ্ত সত্যজিৎ রায় ফিল্ম ইনস্টিটিউট

কলকাতার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটে একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েতের পশ্চিমবঙ্গ শাখার একটি কর্মসূচি প্রতিষ্ঠানের অডিটোরিয়ামে চলছিল। সেই অনুষ্ঠানকে ঘিরে পড়ুয়াদের একাংশ আপত্তি জানালে প্রথমে বচসা এবং পরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে। দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলেছে। ঘটনায় একাধিক জন আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের তরফে প্রতিষ্ঠানের অডিটোরিয়াম ভাড়া নিয়ে ওই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছিল। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অনুষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠানের অনুমতি নিয়েই আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠান চলাকালীন কয়েক জন পড়ুয়া সেখানে গিয়ে কেন প্রতিষ্ঠানের ভিতরে এই ধরনের কর্মসূচি হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।পড়ুয়াদের অভিযোগ, অনুষ্ঠানে কয়েক জন বক্তার বক্তব্য নিয়ে তাঁদের আপত্তি ছিল। সেই আপত্তি জানাতে গেলে তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার এবং মারধর করা হয়। কয়েক জন পড়ুয়া ও শিক্ষকের উপরেও হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পড়ুয়াদের আরও দাবি, তাঁদের নানা নামে কটাক্ষ করা হয়েছে এবং ক্যাম্পাসের ভিতরে তাঁদেরই আক্রান্ত হতে হয়েছে। এই অভিযোগগুলির স্বাধীনভাবে সত্যতা এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি।অন্য দিকে, অনুষ্ঠান আয়োজকদের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাঁদের দাবি, টাকা দিয়ে অডিটোরিয়াম ভাড়া নেওয়ার পর তাঁরা নিজেদের কর্মসূচি করছিলেন। সেই সময় পড়ুয়ারা অনুষ্ঠানে বাধা দেন এবং তাঁদের পোস্টার ও ব্যানার ছিঁড়ে দেওয়া হয়। সেখান থেকেই বচসা এবং পরে হাতাহাতি শুরু হয় বলে আয়োজকদের দাবি। অর্থাৎ, সংঘর্ষের সূত্রপাত নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্য সম্পূর্ণ আলাদা।ঘটনার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পড়ুয়ারা ক্যাম্পাসের গেট আটকে বিক্ষোভ দেখান বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। অনুষ্ঠান আয়োজকদের একটি বাসও আটকে রাখা হয়েছিল বলে জানা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের বড় বাহিনী ক্যাম্পাসে পৌঁছয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।ক্যাম্পাসের বাইরে থেকেও ইট ও জলের বোতল ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। কয়েক জন পড়ুয়া আহত হয়েছেন বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। পুলিশের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলে। ঘটনার জেরে দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ উত্তপ্ত ছিল।এই ঘটনার সঙ্গে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সাম্প্রতিক অশান্তির প্রসঙ্গও টেনে আনছেন অনেকে। তবে দুই ঘটনার মধ্যে সরাসরি কোনও যোগসূত্র রয়েছে, এমন তথ্য এখনও সামনে আসেনি। ফলে এই তুলনা রাজনৈতিক বা সামাজিক আলোচনার অংশ হলেও, তা প্রতিষ্ঠিত তথ্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে বিভিন্ন স্লোগান এবং পাল্টা স্লোগানও শোনা গিয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমে খবর এসেছে। পরিস্থিতি যাতে আরও না ছড়ায়, সে জন্য পুলিশ ক্যাম্পাসে অবস্থান করছে। সংঘর্ষের ঘটনায় ঠিক কত জন আহত এবং কার বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, সে বিষয়ে তদন্ত ও পুলিশের পরবর্তী বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠেছে। কেন অনুষ্ঠান নিয়ে পড়ুয়াদের আপত্তি তৈরি হয়েছিল, সংঘর্ষ কী ভাবে শুরু হল এবং দুই পক্ষের অভিযোগের মধ্যে কোনগুলি তদন্তে সত্যি প্রমাণিত হয়, এখন সেদিকেই নজর। পুলিশি তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলির বক্তব্যের ভিত্তিতেই ঘটনার পূর্ণ চিত্র স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
বিদেশ

কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পরপর বন্দুকবাজের হামলা! দক্ষিণ আফ্রিকায় মৃত অন্তত ২৭

কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পরপর বন্দুকবাজের হামলায় কেঁপে উঠল দক্ষিণ আফ্রিকা। জোহেনেসবার্গ এবং কেপটাউনে দুটি পৃথক ঘটনায় অন্তত ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। হামলার পর অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। তবে রবিবার সকাল পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।প্রথম হামলাটি ঘটে শনিবার সন্ধ্যায় জোহেনেসবার্গে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি পানশালায় আচমকা ঢুকে পড়ে কয়েক জন বন্দুকধারী। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাঁরা এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করেন। ওই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১৫ জন।পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের মধ্যে ১৩ জন পুরুষ এবং ৪ জন মহিলা। হামলার পর পালিয়ে যাওয়ার আগে বন্দুকধারীরা বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা দুটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় বলেও জানা গিয়েছে। ঠিক কী কারণে এই হামলা চালানো হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।এর কয়েক ঘণ্টা পরেই দ্বিতীয় হামলার ঘটনা ঘটে কেপটাউনের একটি জনবহুল এলাকায়। রবিবার ভোরে একটি বিনোদন কেন্দ্রের বাইরে আচমকা গুলির শব্দ শোনা যায়। সেখানে গুলিবিদ্ধ হয়ে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১১ জন।পুলিশ জানিয়েছে, দ্বিতীয় ঘটনায় পাঁচ জনের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় বাকিদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও পাঁচ জনের মৃত্যু হয়। এই হামলার পিছনে কারা রয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। কোনও সংগঠিত সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীর যোগ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।দুটি হামলার পর দক্ষিণ আফ্রিকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। হামলাকারীদের সন্ধানে বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। তবে রবিবার সকাল পর্যন্ত কোনও সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।সাম্প্রতিক বছরগুলিতে দক্ষিণ আফ্রিকায় অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার এবং গ্যাং-হিংসা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। মাদক পাচার, অবৈধ খনি এবং বিভিন্ন অপরাধচক্রের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনাও দেশটির একাধিক এলাকায় ঘটে থাকে। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি বড় বন্দুক হামলার ঘটনায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।তবে জোহেনেসবার্গ ও কেপটাউনের দুটি হামলার মধ্যে কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। হামলার নেপথ্যে উদ্দেশ্য কী ছিল এবং একই গোষ্ঠী এর সঙ্গে জড়িত কি না, তদন্তের পরই তা স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
কলকাতা

‘মৌসম বদলেছে, জমানাও বদলেছে’, সাধুদের কী বার্তা দিলেন শুভেন্দু?

নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ১১ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সাধু-সন্তদের উদ্দেশে বড় বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, সময় বদলেছে, পরিস্থিতিও বদলেছে। তাই সাধু-সন্তদের ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। তাঁরা মন খুলে গীতাপাঠ, গীতা বিতরণ এবং হনুমান চালিশা পাঠ করতে পারেন।শুভেন্দুর দাবি, সাধু-সন্তদের অপমান করা বা তাঁদের ভয় দেখানোর ঘটনা কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। এমন ঘটনা ঘটলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে জেল পর্যন্ত হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। সম্প্রতি বাগেশ্বর বাবার ছবি পোড়ানোর অভিযোগে কলকাতায় এক কংগ্রেস নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার আগে বিধানসভা থেকে ওই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের নির্দেশ দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন শুভেন্দু।গীতাপাঠের অনুষ্ঠানে নিজের বক্তব্যের শেষে গীতার একটি অধ্যায়ও পাঠ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সাধু-সন্তদের ধর্মীয় কাজকর্ম নিয়ে ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। গীতা পাঠ, গীতা বিতরণ, হনুমান চালিশা পাঠের পাশাপাশি ধর্মীয় বাদ্যযন্ত্র বাজানো বা হরেকৃষ্ণ নাম করার ক্ষেত্রেও কোনও ভয় থাকা উচিত নয়।শুভেন্দুর বক্তব্যে বাগেশ্বর বাবার প্রসঙ্গও উঠে আসে। তিনি বলেন, কোনও সাধু-সন্ত নিজের মতো করে সনাতনী ধর্মের প্রচার করতে পারেন। কেউ তাঁর বক্তব্য গ্রহণ করবেন কি না, সেটা ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু তাঁর ছবি পোড়ানো বা তাঁকে অপমান করার ঘটনা গ্রহণযোগ্য নয়। বাগেশ্বর বাবার ছবি পোড়ানোর অভিযোগে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই পুলিশি পদক্ষেপ হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।শুভেন্দু আরও বলেন, সাধু-সন্তদের অপমান করা বা ভয় দেখানোর চেষ্টা করলে ভবিষ্যতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাঁর বক্তব্যে ধর্মীয় আচার পালনের পাশাপাশি সবাইকে এক থাকার বার্তাও উঠে আসে।এদিনের অনুষ্ঠানে আগামী ২৯ ডিসেম্বর কলকাতায় আরও বড় গীতাপাঠের আয়োজনের কথা জানান শুভেন্দু। তাঁর ঘোষণা অনুযায়ী, ওই দিন ১০ লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে। সেই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের প্রধান মোহন ভাগবত প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে পারেন বলেও জানান তিনি।গীতাপাঠের মঞ্চ থেকেই রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করেন শুভেন্দু। শ্রীরামপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আজাদি সংক্রান্ত মন্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে তিনি তীব্র রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া জানান।শুভেন্দুর বক্তব্য, এই ধরনের মন্তব্য করলে রাষ্ট্রবাদী মানুষের প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়তে হবে। তাঁর বক্তব্যে উপড়ে ফেলে দেওয়ার মতো তীব্র রাজনৈতিক ভাষাও উঠে আসে। এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।এদিনের অনুষ্ঠানে ধর্মীয় আচার, সাধু-সন্তদের নিরাপত্তা ও সম্মানের পাশাপাশি রাজনৈতিক বিষয়ও উঠে আসে। একদিকে বাগেশ্বর বাবাকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক, অন্যদিকে ছবি পোড়ানোর ঘটনায় পুলিশি পদক্ষেপএই দুই ঘটনাপ্রবাহের মধ্যেই শুভেন্দুর নতুন বক্তব্য সামনে এল। বাগেশ্বর বাবার মন্তব্যের সঙ্গে বিজেপির একাংশের মতপার্থক্যের কথাও সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।সব মিলিয়ে ১১ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠের অনুষ্ঠান থেকে সাধু-সন্তদের উদ্দেশে শুভেন্দুর বার্তা এবং আগামী দিনে আরও বড় গীতাপাঠের ঘোষণা রাজনৈতিক ও ধর্মীয়দুই ক্ষেত্রেই নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট, হঠাৎ বিরোধীদের দাবিতে বড় প্রশ্ন তুললেন মুকুল রোহতগি

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের দাবিতে সংসদে নতুন করে প্রস্তাব আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিরোধীরা। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বিরোধী শিবিরের তরফে লোকসভা ও রাজ্যসভাদুই কক্ষেই প্রস্তাব আনার প্রস্তুতির কথা জানানো হয়েছে। সেই আবহেই প্রাক্তন অ্যাটর্নি জেনারেল তথা প্রবীণ আইনজীবী মুকুল রোহতগির মন্তব্য ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রোহতগি দাবি করেছেন, জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে যে ধরনের অভিযোগ সামনে আনা হচ্ছে, সেগুলি ইমপিচমেন্টের সাংবিধানিক ভিত্তি তৈরি করার জন্য যথেষ্ট নয়। তাঁর বক্তব্য, সম্পূর্ণ অস্পষ্ট এবং শক্ত প্রমাণহীন অভিযোগের ভিত্তিতে এমন প্রস্তাব আনা যায় না।রোহতগির যুক্তি, নির্বাচন কমিশনের তিন সদস্যের মধ্যে কোনও বিষয়ে মতপার্থক্য থাকতেই পারে। তাঁর মতে, মতের অমিল নিজে থেকে অসাংবিধানিক বা বেআইনি কাজের প্রমাণ নয়। বরং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আলোচনা ও মতপার্থক্য সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাভাবিক অংশ হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।এই প্রসঙ্গে রোহতগি নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথাও উল্লেখ করেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কমিশনের অন্দরে কোনও পর্যায়ে মতের অমিল থাকলেও শেষ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক ভাবে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সেটিই কমিশনের সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়। নির্বাচন কমিশনও জানিয়েছে, তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ভাবে গৃহীত হয়েছে এবং অভ্যন্তরীণ পর্যায়ের মতামতকে আনুষ্ঠানিক ভিন্নমত হিসেবে দেখা ঠিক নয়।তিন সদস্যের কমিশনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ভোট অন্য দুই নির্বাচন কমিশনারের চেয়ে বেশি নয় বলেও ব্যাখ্যা দিয়েছেন রোহতগি। অর্থাৎ তিন সদস্যের প্রত্যেকের ভোটের মূল্য সমান। কোনও বিষয়ে দুই কমিশনার এক দিকে থাকলে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায় বলে তাঁর বক্তব্য।রোহতগি এই পরিস্থিতির সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের একাধিক বিচারপতির বেঞ্চের তুলনাও করেছেন। তাঁর যুক্তি, বিচারপতিদের মধ্যে কোনও মামলায় মতপার্থক্য থাকলেও সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতির রায়ই শেষ পর্যন্ত আদালতের সিদ্ধান্ত হিসেবে কার্যকর হয়। একই ভাবে নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের মধ্যে মতের অমিলকে শুধুমাত্র সেই কারণেই অসদাচরণ বলা যায় না বলে মত তাঁর।তবে জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিতর্ক শুধু কমিশনের অন্দরের মতপার্থক্যে সীমাবদ্ধ নেই। প্রাক্তন কেরল মুখ্যসচিব জিজি থমসন সম্প্রতি দাবি করেছেন, ২০১৬ সালে একটি বিমানে দিল্লি যাওয়ার সময় তৎকালীন আমলা জ্ঞানেশ কুমার তাঁকে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। থমসনের দাবি, তাঁকে পাঠানমতিট্টা কেন্দ্র থেকে লড়ার কথা বলা হয়েছিল এবং তিনি সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।থমসনের এই দাবি অবশ্য তাঁর নিজের বক্তব্য হিসেবেই সামনে এসেছে। জ্ঞানেশ কুমারের তরফে এই অভিযোগের কোনও জবাব প্রকাশ্যে এসেছে কি না, তা নিয়েও সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে যে তিনি এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাননি। তাই অভিযোগটির সত্যতা নিয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য সামনে আসা প্রয়োজন।জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বর্তমান বিতর্কের আরও একটি বড় কারণ নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন। একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত কয়েক মাসে কমিশনের দুই নির্বাচন কমিশনার একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি নথিভুক্ত করেছিলেন। নির্বাচন কমিশন অবশ্য জানিয়েছে, মতের পার্থক্য স্বাভাবিক এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে এক দিকে জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের দাবিতে বিরোধীদের প্রস্তাব আনার প্রস্তুতি, অন্য দিকে সেই প্রস্তাবের সাংবিধানিক ভিত্তি নিয়ে মুকুল রোহতগির প্রশ্নদুই ঘটনাই জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে চর্চার জন্ম দিয়েছে। পাশাপাশি প্রাক্তন আমলার বিজেপির টিকিটের প্রস্তাব সংক্রান্ত দাবিও বিতর্ককে আরও জটিল করেছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগ, দাবি ও পাল্টা বক্তব্যের মধ্যে কোনগুলি প্রমাণিত এবং কোনগুলি রাজনৈতিক দাবি, তা নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট নথি, প্রক্রিয়া এবং সব পক্ষের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

মায়ের গর্ভগৃহে পুজো, প্রবীণ নেতার পায়ে প্রণাম—বর্ধমানে মুখ্যমন্ত্রীর সফরে আবেগের অন্য ছবি

মন্দির সংস্কার ও সৌন্দর্যায়নে পূর্ণাঙ্গ ডিপিআর চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী, ৫ তারিখের ক্যাবিনেট বৈঠকে জমা দেওয়ার নির্দেশ।বর্ধমান: বর্ধমানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী মা সর্বমঙ্গলার মন্দিরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পুজো ঘিরে শুক্রবার শহরে তৈরি হল এক অন্য আবহ। প্রশাসনিক কর্মসূচি শুরুর আগে সর্বমঙ্গলা মন্দিরে পৌঁছে গর্ভগৃহে গিয়ে প্রায় ১০ মিনিট ধরে পুজো দেন আরতি করেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে তাঁর এই সফরের সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্ত হয়ে রইল মন্দিরে প্রবেশের মুখে এক প্রবীণ বিজেপি নেতার সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ এবং অগ্রজের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর দৃশ্য।মন্দিরে প্রবেশের সময় অবিভক্ত বর্ধমান জেলার প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি দেবীপ্রসাদ মল্লিকের সঙ্গে দেখা হয় মুখ্যমন্ত্রীর। দেবীপ্রসাদ মল্লিক পুষ্পস্তবক দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান। এরপরই কোনও আনুষ্ঠানিকতার তোয়াক্কা না করে তাঁর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন শুভেন্দু অধিকারী। মুহূর্তের সেই দৃশ্য উপস্থিত সকলের নজর কাড়ে।বর্ধমানের বিজেপি সংগঠনের প্রবীণ কর্মীদের মধ্যে দেবীপ্রসাদ মল্লিকের নাম দীর্ঘদিনের। আশির দশক থেকেই তিনি বিজেপির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত বলে দলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি। সেই সময় বর্ধমান - দুর্গাপুর ভাগ হয়নি, গোটা বর্ধমানই ছিল একটি জেলা। বিরোধী রাজনীতির কঠিন সময়ে সংগঠন বিস্তারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন তিনি।আজকের বিজেপি যখন বাংলার রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি, তখন তার অতীতের সাংগঠনিক পথচলার সঙ্গে যুক্ত প্রবীণ কর্মীদের ভূমিকার কথাও সামনে আসে এই ধরনের ঘটনায়। স্থানীয় বিজেপি কর্মীদের একাংশের মতে, বর্ধমান শহরে দলের সংগঠনকে শূন্য থেকে দাঁড় করানোর সময় দেবীপ্রসাদ মল্লিকের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিবেশে সংগঠনের কাজ চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি কর্মীদের একত্রিত করার কাজও করেছেন তিনি।আর সেই প্রবীণ নেতার সামনে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রীর এই শ্রদ্ধাজ্ঞাপনকে তাই শুধুমাত্র সৌজন্য বিনিময় হিসেবে দেখছেন না স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের একাংশ। তাঁদের মতে, এর মধ্যে উঠে এসেছে একটি দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার প্রতি সম্মান জানানোর বার্তা। অবশ্য এই ঘটনার রাজনৈতিক ব্যাখ্যা যার যার নিজস্ব হলেও, মুহূর্তটির আবেগ এবং তাৎপর্য বর্ধমানের মানুষের নজর কেড়েছে।এরপরই মুখ্যমন্ত্রী প্রবেশ করেন বর্ধমানের ঐতিহ্যবাহী সর্বমঙ্গলা মন্দিরে। মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এই প্রথম কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সর্বমঙ্গলা মন্দিরে এসে পুজো দিলেন।পুরোহিতদের উপস্থিতিতে গর্ভগৃহে গিয়ে নিজের হাতে দেবীর পুজো করেন তিনি। পুজোর ডালিতে ছিল পাঁচ রকম ফল ও মিষ্টি, নারকেল, চেলি, পদ্মফুলের মালা, আলতা-সিঁদুর এবং দেবীর জন্য একটি বেনারসি শাড়ি।পুজো শেষে মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে মুখ্যমন্ত্রীকে সম্মান জানানো হয়। বর্ধমান পুরসভার চেয়ারম্যান তথা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান তাঁর হাতে তুলে দেন দেবী সর্বমঙ্গলার প্রতিকৃতি। ট্রাস্টের সম্পাদক আইনজীবী সঞ্জয় ঘোষ বাঁশ দিয়ে তৈরি সর্বমঙ্গলা মন্দিরের একটি রেপ্লিকা এবং দেবীর একটি প্রতিমা মুখ্যমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।তবে শুধু পুজো বা সৌজন্য সাক্ষাতেই শেষ হয়নি মুখ্যমন্ত্রীর মন্দির সফর। মন্দিরের ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং সামগ্রিক উন্নয়ন নিয়েও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি।মন্দির সংস্কার, ঐতিহ্যবাহী হেরিটেজ ভবন সংরক্ষণ, সংলগ্ন এলাকার সৌন্দর্যায়ন এবং পরিকাঠামোগত উন্নয়নের বিষয়গুলি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা হয়। মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, বিষয়গুলি শুনে রাজ্যের শিল্প প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্রকে একটি পূর্ণাঙ্গ ডিপিআর (Detailed Project Report) তৈরি করার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামী ৫ তারিখের ক্যাবিনেট বৈঠকে সেই ডিপিআর জমা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে বলে মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।প্রায় তিনশো বছরের ঐতিহ্য বহন করে চলা সর্বমঙ্গলা মন্দির বর্ধমানের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। মন্দিরের স্থাপত্য, ইতিহাস এবং স্থানীয় জনজীবনের সঙ্গে তার দীর্ঘ সম্পর্ককে সামনে রেখে দীর্ঘদিন ধরেই সংস্কার ও সৌন্দর্যায়নের দাবি উঠেছে।মুখ্যমন্ত্রীর সফরে সেই দাবিই নতুন করে গুরুত্ব পেল বলে মনে করছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ধর্মীয় পর্যটনের পাশাপাশি বর্ধমানের ঐতিহাসিক স্থাপত্য ও সংস্কৃতিকে আরও বৃহত্তর পর্যায়ে তুলে ধরা সম্ভব হবে বলেও তাঁদের আশা।সময়াভাবে মন্দিরে বসে ভোগ গ্রহণ করতে পারেননি মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর জন্য অবশ্য বিশেষভাবে ভোগ পার্সেল করে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। মন্দির কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সেই ভোগের মেনুতে ছিল পোলাও, ফুলকপি-আলুর তরকারি, ছানার ডালনা, মাগুর মাছের ঝোল, ডাল, পায়েস এবং বর্ধমানের বিখ্যাত কেশরভোগ।একদিকে কয়েক শতকের ধর্মীয় ঐতিহ্য, অন্যদিকে বর্ধমানের রাজনৈতিক ইতিহাসের প্রবীণ এক চরিত্রের প্রতি প্রকাশ্য শ্রদ্ধামুখ্যমন্ত্রীর সর্বমঙ্গলা মন্দির সফর তাই একাধিক কারণে আলাদা মাত্রা পেল।সর্বমঙ্গলার গর্ভগৃহে মুখ্যমন্ত্রীর পুজো, মন্দির সংস্কারের জন্য ডিপিআর তৈরির নির্দেশ এবং প্রবীণ বিজেপি নেতা দেবীপ্রসাদ মল্লিকের পায়ে হাত দিয়ে তাঁর প্রণামএকসঙ্গে এই তিনটি মুহূর্ত বর্ধমানের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিসরে তৈরি করেছে আলোচনার নতুন আবহ।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal