• ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩, বুধবার ১২ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Narad

কলকাতা

Narad Case: নারদ মামলায় ফের তলব সুব্রত-ফিরহাদ-মদন-শোভনকে

নারদ মামলায় ফের সক্রিয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টোরেট। চার্জশিটের তোড়জোড়ের মধ্যেই ফের তলব করা হল রাজ্যের দুই মন্ত্রী এবং এক তৃণমূল বিধায়ককে। জানা গিয়েছে, শুধু তাই নয়, বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী ও অধুনা তৃণমূল নেতা মুকুল রায়ের বিরুদ্ধেও তদন্তের আর্জি জানিয়েছে ইডি।সূত্রের খবর, ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায় এবং মদন মিত্রকে সমন জারি করা হয়েছে। একইসঙ্গে ডেকে পাঠানো হচ্ছে শোভন চট্টোপাধ্যায়কে।উল্লেখ্য, নারদ মামলায় ইতিমধ্যেই সিবিআই চার্জশিট পেশ করেছে। তবে এখনও ইডির চার্জশিট জমা পড়েনি। এই প্রেক্ষিতে ফাইনাল চার্জশিট জমা দেওয়ার আগে সিবিআই-র স্পেশ্যাল কোর্টে ইডি জানিয়েছে, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র এবং ফিরহাদ হাকিমকে আগামী ১৬ নভেম্বর তারা জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায়। এই আবেদনের প্রেক্ষিতে সিবিআই-র বিশেষ আদালতের নির্দেশ, বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাধ্যমে তিন বিধায়ককে সমন পাঠানো হবে।আরও পড়ুনঃ দেশে ফের ৮০ হাজারের গণ্ডি পেরোল করোনা সংক্রমণএকইসঙ্গে, শোভন চট্টোপাধ্যায় ও প্রাক্তন পুলিশ কর্তা মির্জাকেও একই দিনে সমনও পাঠানো হচ্ছে। তাছাড়া নারদ মামলার এফআইআর-এ থাকা বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী এবং তৃণমূল নেতা মুকুল রায়কেও একই দিনে সমন পাঠানো হয়েছে। একই দিনে তাঁদেরও হাজির হতে হবে। তদন্তের স্বার্থে শুভেন্দু ও মুকুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এর আগে গত ১৭ মে সুব্রত-মদন-ফিরহাদকে গ্রেপ্তার করে সিবিআই। রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড় শুরু হয়।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২১
দেশ

Narad-Supreme Court: মমতার আবেদনে সাড়া সুপ্রিম কোর্টের, হাইকোর্টকে হলফনামা জমা নেওয়ার নির্দেশ

নারদ মামলায় (Narada case) কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ জারি করল শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। এই মামলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আইনমন্ত্রী মলয় ঘটকের দায়ের করা হলফনামা গ্রহণ করতে হবে হাইকোর্টকে (Calcutta HC)। এই মর্মে নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। আগামী ২৯ জুন, মামলার পরবর্তী শুনানির দিনই তা গ্রহণ করতে হবে বলে শুক্রবার জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মলয় ঘটককে নতুন করে হলফনামা জমা দিতে হবে। তা রেকর্ডও করতে হবে। এমনই জানিয়েছে শীর্ষ আদালত। ফলে নারদ মামলায় আপাতত স্বস্তিতে রাজ্য সরকার।আরও পড়ুনঃ ইজরায়েলি দূতাবাসের সামনে বিস্ফোরণ-কাণ্ডে কারগিল থেকে ধৃত ৪ পড়ুয়ামুখ্যমন্ত্রীদের জবাবি হলফনামা গ্রহণ করে উচ্চ আদালত। সময়ের মধ্যে হলফনামা পেশ করা হয়নি, এই যুক্তিতে তাঁদের হলফনামা উচ্চ আদালত তা খারিজ করে। তাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ২১ তারিখ নারদ মামলায় সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ নিয়ে মঙ্গলবারের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হেমন্ত গুপ্তা ও বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসুর বেঞ্চে শুনানির কথা থাকলেও, শুরুতেই নিজেকে সরিয়ে নেন বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসু। তৈরি হয় নতুন বেঞ্চ। বিচারপতি বিনীত শরণ ও বিচারপতি দীনেশ মাহেশ্বরীর নতুন বেঞ্চ তৈরি করে শুনানি হয়। এরপর শুক্রবার নারদ মামলার শুনানিতে বিচারপতিরা জানান, কলকাতা হাইকোর্টকে এই হলফনামা গ্রহণ করতে হবে। নতুন করে হলফনামা পেশ করতে হবে এবং তার রেকর্ড রাখতে হবে।

জুন ২৫, ২০২১
দেশ

Narad Case: শুনানি থেকে সরলেন সুপ্রিম কোর্টের বাঙালি বিচারপতি

বিচারপতি ইন্দিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর এবার বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসু। সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) নারদ মামলার শুনানি থেকে নিজেক সরিয়ে নিলেন এই বিচারপতি। মঙ্গলবারই নারদ সংক্রান্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (CM Mamata Banerjee) দায়ের করা মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল শীর্ষ আদালতের দুই বিচারপতি হেমন্ত গুপ্তা ও অনিরুদ্ধ বসুর এজলাসে। কিন্তু দিনের শুরুতেই মামলা শুনানি হওয়ার ঠিক আগেই তা শুনতে গররাজি হন বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসু। এর আগে রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানি থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন বিচারপতি ইন্দিরা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসুও সেই পথেই হাঁটলেন।আরও পড়ুনঃ ফের আলাপনকে চিঠি কেন্দ্রর, এবার অভিযোগ শৃঙ্খলাভঙ্গেরনারদ মামলায় (Narada scam) কলকাতা হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চের রায়ের বিরুদ্ধে সোমবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই মামলায় রাজ্যের তরফে পেশ করা হলফনামা গ্রহণ করেনি উচ্চ আদালত। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদলতে মামলা করেন মুখ্যমন্ত্রী। মামলাটি গৃহীত হওয়ার পর মঙ্গলবার দিনের শুরুতেই শুনানি হওয়ার কথা ছিল দুই বিচারপতি হেমন্ত গুপ্তা ও বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসুর বেঞ্চে। কিন্তু নারদ মামলা শোনা থেকে অব্যাহতি চান দ্বিতীয়জন।ফলে শুনানি নিয়ে আপাতত তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।

জুন ২২, ২০২১
রাজনীতি

Narad-Case: এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ মুখ্যমন্ত্রী

নারদ মামলায় এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চ তাঁর হলফনামা গ্রহণ না করার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদলতে মামলা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামিকাল, অর্থাৎ মঙ্গলবার হবে শুনানি।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে ৩২হাজার শিক্ষক নিয়োগের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীরমে মাসের ১৭ তারিখ নারদ মামলায় তৃণমূল কংগ্রেসের তিন বিধায়ক ফিরহাদ হাকিম, মদন মিত্র, সুব্রত মুখোপাধ্যায় ও কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেপ্তার করে সিবিআই। তারপরই নিজাম প্যালেসে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক। সেখানে প্রায় ৬ ঘণ্টা ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।দপ্তরের বাইরে ভিড় এত বেড়ে যায় যে বাড়তি বাহিনী মোতায়েন করে সেই ভিড় সামলাতে হয়। এই ঘটনাকে খুব একটা ভাল চোখে দেখেনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাদের অভিযোগ, জনপ্রিয় নেতাদের গ্রেপ্তারির প্রতিবাদে চাপ তৈরি করছে দল। সিবিআই আধিকারিকদের হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।সেই ঘটনাকে ঘিরে তুঙ্গে পৌঁছয় কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাত। কলকাতা হাইকোর্টে নারদ মামলায় মুখ্যমন্ত্রীকে পার্টি করে মামলা করে সিবিআই। তারপরই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চে হলফনামা দায়ের করার আবেদন জানান মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু সেই হলফনামা গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নেয় আদালত। তারপরই এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।

জুন ২১, ২০২১
কলকাতা

নারদ কাণ্ডে ৪ হেভিওয়েট নেতা-মন্ত্রীর শর্তসাপেক্ষে অন্তর্বর্তী জামিন

নারদ কাণ্ডে ধৃত ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র এবং শোভন চট্টোপাধ্যায়ের অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করল কলকাতা হাইকোর্টের পাঁচ বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চ। ২ লক্ষ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে তাঁদের অন্তর্বর্তী জামিনের নির্দেশ দিল আদালত। আরও পড়ুন: ১৫ জুন পর্যন্ত বাড়ল কার্যত লকডাউনের মেয়াদশুক্রবার সকাল ১১টা নাগাদ কলকাতা হাইকোর্টে শুরু হয় শুনানি। শুরুতেই সলিসিটার জেনারেল তুষার মেহতা দাবি করেন, পুরো মামলাটাই শোনা হোক। তবে অভিযুক্তদের আইনজীবীদের তরফে বলা হয়, মূল আবেদনের সঙ্গে যদি কোনও সংযুক্ত আবেদন থাকে তবে তা ১৪ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হয়। শুনানির শুরুতে সেই একই দাবিতে অনড় থাকেন অভিযুক্তপক্ষের আইনজীবীরা। সেই অনুযায়ী শুনানির শুরুতেই অন্তর্বর্তী জামিনের মামলা আগে শোনা হয়। তারপরই ২ লক্ষ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে ওই চার হেভিওয়েটের জামিন মঞ্জুর করে কলকাতা হাইকোর্টের পাঁচ বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চ। তবে বেশ কয়েকটি শর্ত আরোপ করা হয়েছে। হাইকোর্টের তরফে জানানো হয়েছে, ওই চার হেভিওয়েটকে মামলার তদন্তকারী আধিকারিকদের সহযোগিতা করতে হবে। বর্তমানে করোনা মোকাবিলায় রাজ্যে যেহেতু নানা বিধিনিষেধ জারি রয়েছে তাই আপাতত ভার্চুয়ালি সহযোগিতা করতে হবে তাঁদের। তবে বিধিনিষেধ প্রত্যাহার হওয়ার পর সশরীরে উপস্থিত থেকেও তদন্তে সহযোগিতা করতে হতে পারে। বর্তমানে আর গৃহবন্দি থাকতে হবে না তাঁদের। বাইরে বেরিয়ে স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে পারবেন তাঁরা। যে কোনও সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখিও হতে পারবেন ওই চার হেভিওয়েট। তবে মামলার বিষয়ে কোনও মুখ খুলতে পারবেন না মন্ত্রী-বিধায়করা।

মে ২৮, ২০২১
কলকাতা

‘যশ’ আতঙ্কে ২ দিন বন্ধ হাইকোর্ট, আরও পিছল নারদ-জামিনের শুনানি

যশ আতঙ্কে কাঁটা রাজ্যবাসী। অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবের জেরে দুর্যোগ থাকতে পারে প্রায় ৭২ ঘণ্টা। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীই এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন। যেদিন রাজ্যের উপকূল অঞ্চলে আছড়ে পড়বে যশ, সেদিন তো বটেই, তারপরেও শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া বন্ধ থাকতে পারে অন্য সব পরিষেবা। এর মধ্যে ২৬ ও ২৭ তারিখ অর্থাৎ বুধ এবং বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্ট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উচ্চ আদালতের তরফে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে এ কথা। যার জেরে নারদ মামলায় ৪ হেভিওয়েট নেতার জামিনের শুনানি আরও পিছিয়ে গেল। আপাতত আরও বেশ কয়েকদিন তাঁদের গৃহবন্দিই থাকতে হবে।হাইকোর্টের জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২৬ ও ২৭ মে, যান চলাচলের সমস্যা, ঘূর্ণিঝড় যশের কারণে মামলার শুনানি সম্ভব নয়। এই বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ ২৭ মে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়ে দেওয়া হবে। এতেই স্পষ্ট, অন্তত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ফিরহাদ হাকিম ও শোভন চট্টোপাধ্যায় গৃহবন্দি থাকবেন। মদন মিত্র ও সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থার কারণে তাঁদের হাসপাতালেই থাকতে হবে। তারপর হাইকোর্টে এই নারদ মামলার শুনানি হলে বোঝা যাবে, তাঁদের জামিনের ভবিষ্যৎ কী হতে চলেছে।সোমবার এই মামলার শুনানি পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন সিবিআই আইনজীবী তথা সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। কারণ, তার আগেই হাইকোর্টে শুনানির জন্য ৫ বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চ তৈরির বিরোধিতা করে তাঁরা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। কিন্তু সিবিআইয়ের এই আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায়ের বক্তব্য ছিল, ঘূর্ণিঝড় আসছে, তাতে নেটওয়ার্ক পরিষেবা বিপর্যস্ত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা। শুনানি সোমবার না হলে তা পিছিয়েই যাবে। কেন সোমবার শুনানিতে আপত্তি জানাচ্ছে সিবিআই? এই প্রশ্নও তোলেন তিনি। তাঁর আশঙ্কা সত্যি করেই যশ-এর কারণে ২ দিন উচ্চ আদালত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল।

মে ২৫, ২০২১
দেশ

সিবিআই-এর ‘ত্রুটিপূর্ণ আবেদন’ খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

সুপ্রিম কোর্টে গৃহীত হল না সিবিআইয়ের নারদ-আবেদন। আবেদনে এক ডজন ভুল থাকায় শীর্ষ আদালতের এই সিদ্ধান্ত। সিবিআই সূত্রের খবর, ত্রুটি শুধরে ফের শীর্ষ আদালতে আবেদন করা হবে।নারদ মামলায় ধৃত রাজ্যের দুই মন্ত্রী-সহ ৪ অভিযুক্তের ভবিষ্যৎ নিয়ে শুনানির জন্য শুক্রবার বৃহত্তর বেঞ্চ গঠন করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই বেঞ্চ গঠনের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে রবিবার মধ্যরাতে অনলাইনে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানিয়েছিল সিবিআই। সেই আবেদনই সোমবার খারিজ করেছে শীর্ষ আদালত।১৭ মে ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র এবং শোভন চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেপ্তার করে সিবিআই। কলকাতার বিচার ভবনের বিশেষ সিবিআই আদালতের বিচারক অনুপম মুখোপাধ্যায় সে দিন ৪ জনকেই জামিন দেন। কিন্তু সিবিআই সেই রাতেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় এবং ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দাল এবং বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ জামিনের উপরে স্থগিতাদেশ দেয়। ফলে চার জনকেই জেল হেপাজতে পাঠানো হয়।এরপর শুক্রবার হাইকোর্টের ওই ডিভিশন বেঞ্চ ৪ নেতা-মন্ত্রীকে গৃহবন্দি রাখার সিদ্ধান্ত জানিয়ে মামলাটি ৫ বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। সোমবার বৃহত্তর বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। পরবর্তী শুনানি হবে আগামী বুধবার।

মে ২৪, ২০২১
দেশ

নারদ মামলায় নয়া মোড়, শীর্ষ আদালতে সিবিআই

নারদ মামলায় ফের নাটকীয় মোড়। এবার হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চ গঠনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হল সিবিআই। রবিবার গভীর রাতে অনলাইনে মামলা করা হয়েছে বলে খবর। আজই সুপ্রিম কোর্টে শুনানির আবেদন জানানো হবে। সোমবার ১১ টায় বৃহত্তর বেঞ্চে জামিন মামলার যে শুনানি হওয়ার কথা, সিবিআই তা স্থগিত রাখার আবেদন জানিয়েছে। ১৭ মে বিনা নোটিসে বাড়ি থেকে প্রথমে আটক করা হয় ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র ও শোভন চট্টোপাধ্যায়কে। নিয়ে যাওয়া হয় নিজাম প্যালেজে। পরে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। ওই দিনই আদালতে তোলা হলে প্রথমে জামিন মঞ্জুর হলেও নাটকীয়ভাবে সেই সিদ্ধান্তে স্থগিতাদেশ দেয় হাই কোর্ট। ফলে প্রেসিডেন্সি জেলে নিয়ে যাওয়া হয় চার হেভিওয়েটকে। ধৃতদের জামিনের আবেদন করেন করেন তাঁদের আইনজীবীরা। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দাল ও বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় জামিন নিয়ে দ্বিমত পোষণ করেন। অরিজিৎ বন্দ্য়োপাধ্যায় জামিনের পক্ষে থাকলেও বিরোধিতা করেন রাজেশ বিন্দল। এরপরই ধৃতদের জেল হেপাজত থেকে রেহাই দিয়ে তাঁদের গৃহবন্দি থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। এদিকে জামিন মামলার নিষ্পত্তির গঠন করা হয় বৃহত্তর বেঞ্চ।বৃহত্তর বেঞ্চে রয়েছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দাল, বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায়, বিচারপতি হরিশ টন্ডন, বিচারপতি সৌমেন সেন এবং বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার বেলা ১১ টায় এই বৃহত্তর বেঞ্চে জামিন মামলার শুনানি হওয়ার কথা। তবে তার আগেই শীর্ষ আদালতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ফলে হাইকোর্টের শুনানি অনিশ্চয়তার মুখে।

মে ২৪, ২০২১
কলকাতা

নারদে গৃহবন্দি থাকার নির্দেশ ববি-শোভনদের, বৃহত্তর বেঞ্চ গঠনের নির্দেশ

তিন দিনের রুদ্ধশ্বাস প্রতীক্ষার পর নারদ মামলায় চার নেতা মন্ত্রী কিছুটা স্বস্তি পেলেন। শুক্রবার শর্তসাপেক্ষে তাদের জেল থেকে বেরনোর অনুমতি দিয়েছে আদালত।তবে বন্দিদশা পুরোপুরি ঘোচেনি ওই চারজনের। তাদের আপাতত গৃহবন্দি থাকার নির্দেশ দিয়েছে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।জামিন দেওয়ার ব্যপারে ডিভিশন বেঞ্চের দুই বিচারপতির পুরোপুরি ঐক্যমত্য না হওয়ায় পরবর্তি প্রক্রিয়া না সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত বাড়িতে নজরবন্দি হয়ে থাকতে হবে চার অভিযুক্তকে। অন্যদিকে ভিন রাজ্যে নারদ মামলা সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার আর্জিও এদিন নাকচ করে দিয়েছে হাইকোর্ট। যাকে নৈতিক জয় হিসাবে দেখছে রাজ্যের শাসক দল। শুক্রবার ছিল নারদ মামলার বহু প্রতিক্ষিত শুনানি। একদিনের বিরতির পর এদিন সকাল এগারোটায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দাল ও অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানি শুরু হয়। শুনানির শুরু হওয়ার পরই বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, ৪ জন নেতা-মন্ত্রীর অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করেন। কিন্তু, তার বিরোধিতা করেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দাল। তারপরই ঠিক হয়, সিঙ্গল বেঞ্চ অথবা বৃহত্তর বেঞ্চ গঠন করে এই মামলার শুনানি ফের শুরু হবে। সেই মতো এদিনই বৃহত্তর বেঞ্চ গঠন করলেন বিচারপতিরা। প্রধান বিচারপতির নির্দেশে বিষয়টির নিষ্পত্তি করার জন্য ৫ বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে। সেই বেঞ্চে আগামী সোমবার নারদ মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দাল ছাড়াও এই বেঞ্চে রয়েছেন, বিচারতপতি সৌমেন সেন, বিচারপতি আই.পি মুখোপাধ্যায়, বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন ও বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, সোমবার সকাল ১১টা নাগাদ কলকাতা হাইকোর্টে নারদ মামলা ফের উঠবে। সিবিআই ও চারজন হেভিওয়েট যে মামলা করেছিলেন, তার সবগুলিই ওই ৫ বিচারপতির বেঞ্চে শুনানি হবে। সেই বেঞ্চে কোনও ফয়সলা না হওয়া পর্যন্ত ওই ৪ হেভিওয়েটের উপর গৃহবন্দি থাকার নির্দেশ কার্যকর থাকবে। তবে গৃহবন্দি থেকেও ওই ৪ জনকে হাইকোর্টের কতগুলি নির্দেশ মেনে চলতে হবে। বিচারপতিদের নির্দেশ, যে নেতা-মন্ত্রীরা সরাসরি প্রশাসনিক কাজে যুক্ত, তাঁরা গৃহবন্দি থাকলেও, ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সমস্ত প্রশাসনিক কাজকর্ম ও মিটিং করতে পারবেন। সমস্ত ধরনের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে। কিন্তু, চারজনের কেউই বাড়ির বাইরে বেরিয়ে, কোনও মিটিং বা প্রশাসনিক কাজ করতে পারবেন না।আদালতের নির্দেশ পাওয়ার পরই এদিন চেতলায় নিজের বাড়িতে পৌঁছে যান ফিরহাদ হাকিম। বাকি ৩ জন যদিও শারীরিক অবস্থার কারণে এদিনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।

মে ২১, ২০২১
কলকাতা

হাইকোর্টে আজ স্থগিত নারদ মামলার শুনানি

বিশেষ কারণে আজ নারদ মামলার শুনানি হচ্ছে না। তবে শুক্রবার মামলার শুনানি হতে পারে। কলকাতা হাইকোর্টের ওয়েবসাইটে নোটিস দিয়ে জানানো হয়েছে, বিশেষ কারণে আজ ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ বসছে না। তাই নারদ মামলার শুনানি বৃহস্পতিবারের মতো স্থগিত। ফলে ধৃত চার নেতা ফিরহাদ হাকিম, মদন মিত্র, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, শোভন চট্টোপাধ্যায়দের আরও একদিন হেপাজতে থাকতে হবে।কলকাতা হাইকোর্ট সূত্রে খবর, অন্য কোনও বেঞ্চে নারদ মামলার শুনানি হোক আজই, এই আবেদন জানাবেন অভিযুক্তদের তরফে আইনজীবীরা। সেক্ষেত্রে সেই আবেদন গৃহীত হয়ে দুপুর ২টোর পর শুনানি হয় কি না, সেদিকে নজর সবপক্ষের। তবে এমন ঘটনা খানিকটা অনভিপ্রেত বলেই মত আইনজ্ঞ মহলের। এত স্পর্শকাতর একটা মামলার শুনানি মাঝপথে থাকাকালীন একদিনের জন্য় স্থগিত হয়ে যাওয়ায় অনেকেই নানা রহস্য খুঁজে পাচ্ছেন। বিশেষত হাইকোর্টের ওয়েবসাইটে দেওয়া অতি সংক্ষিপ্ত বিজ্ঞপ্তি। যাতে লেখা শুধুমাত্র অনিবার্য কারণবশত ফার্স্ট ডিভিশন বেঞ্চ আজ বসছে না। মামলার গুরুত্ব এবং নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে তা অন্যত্র সরানো নিয়েও সিবিআইয়ের আবেদনটিও শোনার কথা ছিল বিচারপতিদের। তবে বুধবার দ্বিতীয় ইস্যু নিয়েই প্রায় আড়াই ঘণ্টা সওয়াল-জবাব চলে। ফলে জামিন মামলার শুনানি কার্যত হয়নি। বৃহস্পতিবার দুপুরের পর তা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে তা বাতিল হল। যার জেরে মামলার ভবিষ্যৎ এই মুহূর্তে বেশ অনিশ্চয়তার মুখে। বন্দিদশাও বেড়ে চলেছে ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্য়ায়, মদন মিত্র, শোভন চট্টোপাধ্যায়ের। এঁদের মধ্যে একমাত্র ফিরহাদ হাকিম প্রেসিডেন্সি জেলে রয়েছেন। বাকি তিনজন অসুস্থ হওয়ায় ভর্তি এসএসকেএমে।

মে ২০, ২০২১
কলকাতা

হাইকোর্টে আজ স্থগিত নারদ মামলার শুনানি

বিশেষ কারণে আজ নারদ মামলার শুনানি হচ্ছে না। তবে শুক্রবার মামলার শুনানি হতে পারে। কলকাতা হাইকোর্টের ওয়েবসাইটে নোটিস দিয়ে জানানো হয়েছে, বিশেষ কারণে আজ ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ বসছে না। তাই নারদ মামলার শুনানি বৃহস্পতিবারের মতো স্থগিত। ফলে ধৃত চার নেতা ফিরহাদ হাকিম, মদন মিত্র, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, শোভন চট্টোপাধ্যায়দের আরও একদিন হেপাজতে থাকতে হবে।কলকাতা হাইকোর্ট সূত্রে খবর, অন্য কোনও বেঞ্চে নারদ মামলার শুনানি হোক আজই, এই আবেদন জানাবেন অভিযুক্তদের তরফে আইনজীবীরা। সেক্ষেত্রে সেই আবেদন গৃহীত হয়ে দুপুর ২টোর পর শুনানি হয় কি না, সেদিকে নজর সবপক্ষের। তবে এমন ঘটনা খানিকটা অনভিপ্রেত বলেই মত আইনজ্ঞ মহলের। এত স্পর্শকাতর একটা মামলার শুনানি মাঝপথে থাকাকালীন একদিনের জন্য় স্থগিত হয়ে যাওয়ায় অনেকেই নানা রহস্য খুঁজে পাচ্ছেন। বিশেষত হাইকোর্টের ওয়েবসাইটে দেওয়া অতি সংক্ষিপ্ত বিজ্ঞপ্তি। যাতে লেখা শুধুমাত্র অনিবার্য কারণবশত ফার্স্ট ডিভিশন বেঞ্চ আজ বসছে না। মামলার গুরুত্ব এবং নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে তা অন্যত্র সরানো নিয়েও সিবিআইয়ের আবেদনটিও শোনার কথা ছিল বিচারপতিদের। তবে বুধবার দ্বিতীয় ইস্যু নিয়েই প্রায় আড়াই ঘণ্টা সওয়াল-জবাব চলে। ফলে জামিন মামলার শুনানি কার্যত হয়নি। বৃহস্পতিবার দুপুরের পর তা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে তা বাতিল হল। যার জেরে মামলার ভবিষ্যৎ এই মুহূর্তে বেশ অনিশ্চয়তার মুখে। বন্দিদশাও বেড়ে চলেছে ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্য়ায়, মদন মিত্র, শোভন চট্টোপাধ্যায়ের। এঁদের মধ্যে একমাত্র ফিরহাদ হাকিম প্রেসিডেন্সি জেলে রয়েছেন। বাকি তিনজন অসুস্থ হওয়ায় ভর্তি এসএসকেএমে।

মে ২০, ২০২১
কলকাতা

মিলল না জামিন, কাল ফের আদালতে ভাগ্যপরীক্ষা ববি-মদনদের

বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে নারদ কাণ্ডে ধৃত মন্ত্রীদের জামিন সংক্রান্ত মামলার কোনও নিষ্পত্তি হল না।টানা আড়াই ঘণ্টা সওয়াল-জবাবের পরে বিকেলে এদিনের মত নারদ মামলায় শুনানি শেষ করে কলকাতা হাইকোর্টে। বৃহস্পতিবার দুপুর ২ টোয় পরবর্তী শুনানির সময় ধার্য করা হয়েছে। ফলে আরও ২৪ ঘণ্টাও জেলেই কাটাতে হচ্ছে অভিযুক্ত ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র ও শোভন চ্যাটার্জীকে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দাল ও বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বেঞ্চে চলবে শুনানি । বুধবার দুপুর ২ টো থেকে সওয়াল জবাব শুরু হ। যেখানে নানা ইস্যু ও উদাহরণ তুলে আনেন সিবিআই-এর আইনজীবি সলিসিটার জেনারেল তুষার মেহতা ও চার নেতার তরফে থাকা আইনজীবি কল্যাণ ব্যানার্জী ও অভিষেক মনু সিংভি। এদিন প্রথমেই সিবিআই-এর আইনজীবি প্রধান বিচারপতিকে জানান, এমন ঘটনা দেশে আগে ঘটেনি। চার নেতার গ্রেপ্তারিতে নিজাম প্যালেসে বিক্ষোভ হয়। চারজনকে জামিন দেওয়া ঠিক হবে না। সেই আর্জির প্রেক্ষিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, জামিন হবে কি হবে না আমরা কেন সিদ্ধান্ত নেব? শুধুমাত্র মানুষের চাপের অভিযোগ ছিল বলে স্থগিতাদেশ দিয়েছি। তারপরেই তুষার মেহতার উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, চার্জশিট পেশ করা হয়ে গিয়েছে, এই ৪ জনকে আগে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাহলে এই করোনাকালে এঁদের শুধুশুধু জেলে রাখার প্রয়োজন আছে কি? ধৃতেরা অসহযোগিতা করেছেন এমন কোনও উদাহরণ আছে কী সিবিআই-এর কাছে? জানতে চান বিচারপতি। পাল্টা তুষার মেহতা যুক্তি দেন, অভিযুক্তরা জেলে নেই, তাঁরা হাসপাতালে আছেন। এই আদালতই সিবিআইকে নিয়োগ করেছিল। তাদেরকেই কাজ করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। যাতে ন্যায্য বিচার না হয় তার চেষ্টা করা হচ্ছে। নিজাম প্যালেস ঘেরাও হয়েছে, জোর করে ভেতরে ঢুকতে চেয়েছে কিছু দুষ্কৃতী। মুখ্যমন্ত্রী নিজে ঢুকে তাঁকে গ্রেপ্তারের কথা বলেছেন। তিনি নিঃশর্তভাবে অভিযুক্তদের ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেছেন। সিবিআই অফিসারদের হুমকি দেওয়া হয়েছে। এটা পরিকল্পনামাফিক করা হয়েছে। ইচ্ছাকৃতভাবে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটানো হয়েছে। ৪ জনের মেডিক্যাল করানো যায়নি। শারীরিকভাবে বিচারকের সামনে পেশ করা যায়নি। আইনমন্ত্রী নিজে সারাদিন নিম্ন আদালতে উপস্থিত ছিলেন বহু মানুষকে নিয়ে। এতে বিচারকের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে। কেস ডায়েরি পেশ করতে সিবিআইয়ের আইনজীবীদের বাধা দেওয়া হয়েছে। তদন্তকারীদের ওপর চাপ তৈরির কৌশল নেওয়া হয়েছে। তাই ভিন রাজ্যে মামলা যাওয়া উচিত। আদালতকে আর্জি জানিয়েছেন তুষার মেহতা। পাল্টা হাল ছাড়েননি অভিষেক মনু সিংভি, তিনিও আদালতকে জানিয়েছেন, অভিযুক্তদের না জানিয়ে আদালতে মামলা হচ্ছে। তখন তাদের ন্যায় বিচারের কথা মনে ছিল না? ছলে-বলে-কৌশলে সিবিআই এই চারজনকে জেলে ঢোকাতে চাইছে। সলিসিটার জেনারেল তখন পাল্টা বলেন, পুনর্বিবেচনার আবেদনপত্রের কপি আমরা আজ সকালে পেয়েছি। আমাকে উত্তর দেওয়ার সময় দেওয়া হোক, এরপর মুখ্যমন্ত্রীর নিজাম প্যালেস যাত্রা ও বাইরে বিক্ষোভ নিয়ে জাস্টিস বিন্দাল প্রশ্ন করেন আইনজীবি অভিষেক মনু সিংভিকে। তিনি তাঁর উত্তরে জানান, মুখ্যমন্ত্রী এবং বাকি বিধায়করা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার প্রতিবাদ করেছেন। তাঁরা কোনও অশান্তি করেননি, ২০১১ থেকে এনারা মন্ত্রী-বিধায়ক, মাটির সঙ্গে সম্পর্ক। এত পুরনো মামলায় হঠাৎ করে গ্রেফতার করা হচ্ছে। মানুষ সুবিচার পাচ্ছে না বলে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। এটা মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার। সিবিআই পুরো সত্যি না বলেই মামলা করছে। পুরোটাই গণতান্ত্রিক প্রতিবাদ। কাউকে কাজ করতে বাধা দেওয়া হয়নি। বিচারব্যবস্থাকে বিঘ্নিত করা হয়নি। বলেই জানিয়েছেন সিংভি। আইনমন্ত্রীর নিম্ন আদালতে অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন করায় প্রধান বিচারপতিকে উত্তরে আইনজীবি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, মন্ত্রী আদালত কক্ষে ছিলেন না। প্রধান বিচারপতিদের কাছে সিবিআই-এর প্রভাবশালী তকমার জেরে অভিষেক মনু সিংভি জানিয়েছেন, সলমন খান, সঞ্জয় দত্তের মামলাও আদালতে হয়েছে। তাঁরা হেভিওয়েট বলে তো আদালত প্রভাবিত হয়নি। এই মহামারীর সময় আদালত পর্যন্ত বলেছে গুরুতর অপরাধ ছাড়া কাউকে গ্রেপ্তার না করতে। আর সিবিআই এভাবে গ্রেপ্তার করছে। সিবিআই পুরো কথা বলছে না। ফিরহাদ হাকিম নিজে গ্রেপ্তার হওয়ার সময় কর্মীদের শান্ত থাকার কথা বলেছেন। আমার কাছে ভিডিও আছে। এরপরেই শুনানি শেষ হয়। ভারপ্রাপ্ত দুই বিচারপতি জানিয়ে দেন বৃহস্পতিবার দুপুর ২ টোয় পরবর্তী শুনানি রয়েছে। ততক্ষণ অবধি জেলেই থাকতে হবে চার নেতাকে।

মে ১৯, ২০২১
কলকাতা

নারদ মামলায় নয়া মোড়, জামিনে স্থগিতাদেশ কলকাতা হাইকোর্টের

ব্যাঙ্কশাল আদালতের জামিনের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। নারদা মামলায় ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র, শোভন চট্টোপাধ্যায়ের জামিনের নির্দেশের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে গিয়েছিল সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আবেদন গ্রহণ করে আদালত জানায়, এই চার নেতাকে বুধবার পর্যন্ত জেল হেপাজতে থাকতে হবে। বুধবারই এই মামলার পরবর্তী শুনানি।সোমবার সকালেই রাজ্যের দুই মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, বিধায়ক মদন মিত্র এবং রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী শোভন চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেপ্তার করে সিবিআই। তাঁদের নিজাম প্যালেসে আনার পরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হাজির হন সেখানে। শুনানি চলাকালীন তিনি নিজাম প্যালেসেই ছিলেন। সিবিআই দপ্তর, রাজভবনের বাইরে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। ছোঁড়া হয় ইট।এর পরই হাইকোর্টে আবেদন জানায় সিবিআই। তাঁদের আর্জি, বিভিন্নক্ষেত্রে চাপ তৈরি করা হচ্ছে। এভাবে মামলার শুনানি এ রাজ্যে করা যাবে না। ওদিকে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালত চার হেভিওয়েট নেতার জামিন মঞ্জুর করে। জামিনের নির্দেশ আসার পর সেই কপি হাইকোর্টে জমা করে সিবিআই। সিবিআইয়ের আইনজীবীরা আদালতে জানান, শুনানির সময় আদালতে ৪ মন্ত্রী বসেছিলেন। বাইরে থেকে আসা লোকজনও ছিলেন আদালত। এমন অবস্থায় এ রাজ্যে এই মামলা চালানো সম্ভব নয় বলে দাবি করেছিলেন তাঁরা। সূত্রের খবর, বিকেল ৬.৫৫ মিনিটে জামিন অর্ডার পেয়ে গেলেও ফিরহাদ হাকিম-সহ বাকি চারজনকে নিজাম প্যালেস থেকে ছাড়া হয়নি। তাঁদের জানানো হয়েছে, হাইকোর্টে মামলার শুনানি চলছে। সেই রায় না আসা পর্যন্ত তাঁদের মুক্তি দেওয়া যাবে না। সিবিআইয়ের আবেদন গ্রহণ করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। এমনকী, ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দালের এজলাসে ভার্চুয়াল শুনানিও হয়। রাত সাড়ে দশটা নাগাদ আদালত নির্দেশ দেয়, নিম্ন আদালতের রায়ের উপর স্থগিতাদেশ জারি করা হল। ফলে বুধবার পর্যন্ত চার জনকে জেল হেপাজতে থাকতে হবে। ইতিমধ্যে প্রেসিডেন্সি জেলের একটি ওয়ার্ডে তাঁদের রাখার বন্দোবস্ত করা হয়েছে।

মে ১৮, ২০২১
বিদেশ

গ্রেপ্তারি দিয়ে শুরু চিত্রনাট্যের যবনিকাপাত জামিনে

দিনভরের টানটান চিত্রনাট্যের যবনিকাপাত হল সন্ধ্যায়। সোমবার সকালে নারদ মামলায় সিবিআইয়ের হাতে রাজ্যের তিন মন্ত্রী বিধায়কের গ্রেপ্তারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল টানাপড়েন তৈরি হয় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে। সন্ধ্যায় চার অভিযুক্তই জামিন পাওয়ায় কিছুটা আচমকাই তার সমাপ্তি ঘটল। সিবিআইয়ের তরফে অভিযুক্তদের হেপাজতের চেয়ে আর্জি জানানো হলেও আদালত তা খারিজ করে তাদের অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করেছে। এর ফলে করোনা রুখতে রাজ্য সরকারের জারি করা কঠোর বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে দিনভর সারা রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী সমর্থকদের যে বিক্ষোভের ছবি দেখা গিয়েছিল তাও সন্ধ্যার পরে অনেকটাই প্রশমিত হয়। কিন্তু এই ঘটনার রাজনৈতিক ও আইনি প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে।অন্যদিকে, এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সিবিআই হাইকোর্টে যেতে পারে বলেও আজ ইঙ্গিত মিলেছে।ফলে আগামী দিনেও এই ঘটনার রেশ যে রয়ে যাবে তা সম্পর্কে একপ্রকার নিশ্চিত রাজনৈতিক মহল।সোমবার সাত সকালে ফিল্মি কায়দায় নারদ মামলায় অভিযুক্ত তৃণমূল কংগ্রেসের দুই মন্ত্রী ও দুই প্রাক্তন মন্ত্রীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় সিবিআই। কলকাতার নিজাম প্যালেসে সংস্থার দপ্তরে নিয়ে গিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।এর পরবর্তী ঘটনা আরও চমকরপ্রদ। গ্রেপ্তারির ঘটনা জানতে পেরে সিবিআই দপ্তরে পৌঁছে যান সপার্ষদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। লকডাউন উপেক্ষা করে গেটের বাইরে তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের ভিড় ঘনীভূত হতে শুরু করে ছড়ায় বিক্ষোভের আগুন। দফায় দফায় বিক্ষোভ ইটবৃষ্টি- কেন্দ্রীয় বাহিনীর লাঠিচার্জে ওই এলাকা রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। যা দেখে ওই নেতাদের আদালতে সশরীরে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা বদল করে সিবিআই। বিকেল চারটে নাগাদ অভিয়ুক্ত চার নেতাকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ব্যাঙ্কশাল কোর্টে বিশেষ সিবিআই আদালতে বিচারকের সামনে পেশ করা হয়। যদিও সিবিআইএর তরফে দাবি করা হয়েছে করোনা পরিস্থিতির কারণেই এই সিদ্ধান্ত।এদিন আদালতে ধৃতদের ১৪ দিনের জেল হেপাজতের আবেদন জানায় সিবিআই। তাদের সওয়াল ছিল, ধৃতরা প্রত্যেকেই প্রভাবশালী। চার্জশিট পেশ হলেও তারা তথ্যপ্রমাণ লোপাট করতে পারেন। সাক্ষীদের শাসাতে পারেন। পালটা ধৃতদের পক্ষে দাবি করা হয়, তারা প্রত্যেকেই তদন্তে সাহায্য করেছেন। ধৃতদের পক্ষে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে বলেন, এই গ্রেপ্তারি বেআইনি। রাজ্যপাল কীভাবে মঞ্জুর করেন চার্জশিট মেমো? পাশাপাশি রাজ্যের করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ফিরহাদ হাকিম। তিনি জেলে থাকলে সেই উদ্যোগ বড়সড় ধাক্কা খাবে। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, প্রতিহিংসার বশে এদেরকে বাড়ি থেকে তুলে আনা হয়েছে। রাজ্যপালের এক্তিয়ার নেই গ্রেপ্তারিতে সই করার। ধৃতেরা তদন্তে সহযোগিতা করেনি এমনটা নয়। যখনই ডেকেছে হাজিরা দিয়েছে। তাঁর দাবি, এঁরা প্রত্যেকেই রাজ্যে ছিলেন। কোথাও পালিয়ে যায়নি। জামিন মামলায় সিবিআই কোনও নথিএ পেশ করতে পারেনি। বিকেল ৪.৩০ মিনিট পর্যন্ত চলে সওয়াল জবাব। সন্ধ্যা ৭টায় রায়দান করেন ব্যাঙ্কশাল আদালতের সিবিআই বিশেষ আদালতের বিচারক। রায়ে চার অভিযুক্তকেই অন্তর্বর্তী জামিন দেন তিনি। ব্যক্তিগত ৫০,০০০ টাকার বন্ডে তাঁদের অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করা হয়। এদিন জামিনের খবর আসতেই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন নিজাম প্যালেসের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা তৃণমূল কর্মীরা।যদিও সিবিআই সূত্রের খবর, রায়ে মোটেও সন্তুষ্ট নয় তারা। নিম্ন আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হতে পারে তদন্তকারী সংস্থা।

মে ১৭, ২০২১
রাজনীতি

নারদ কাণ্ডে গ্রেপ্তার ফিরহাদ-সুব্রত-মদন-শোভন, নিজাম প্যালেসে মমতা

নিজাম প্যালেসে পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার সকালে মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, বিধায়ক মদন মিত্রকে তুলে আনা হয় সিবিআই দপ্তর নিজাম প্যালেসে। নিয়ে আসা হয় শোভন চট্টোপাধ্যায়কেও। কোনও নোটিস ছাড়া মাত্র ঘণ্টা দেড়েকের ব্যবধানে চার জনকে তুলে আনা হয়। পরে গ্রেপ্তার করা হয় তাঁদের।সোমবার সকালে ফিরহাদকে চেতলার বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর মমতা যান ফিরহাদের বাড়িতে। সেখান থেকে তার পর সোজা চলে আসেন নিজাম প্যালেসে। সেখানে সাংবাদিকরা মমতাকে জিজ্ঞেস করেন তাঁর আসার কারণের বিষয়ে। তিনি বলেন, ওদের সঙ্গে দেখা করতে এসেছি। সোমবার সকালে কলকাতার প্রাক্তন মেয়র, তৃণমূলের বিধায়ক এবং মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের চেতলার বাড়ি ঘিরে ফেলে কেন্দ্রীয় বাহিনী। সকাল নটা নাগাদ তাঁকে বাড়ি থেকে নিয়ে যায় সিবিআই। বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় ফিরহাদ বলেন, নারদ মামলায় আমাকে গ্রেপ্তার করেছে সিবিআই। বিনা নোটিসে আমাকে গ্রেপ্তার করা হল। ফিরহাদ আরও বলেন, স্পিকারের অনুমতি ছাড়াই আমায় গ্রেপ্তার করা হল। আদালতে দেখে নেব। সোমবার সকালেই মদন মিত্র এবং শোভন চট্টোপাধ্যায়কে নিজাম প্যালেসে নিয়ে যাওয়া হয়। নিজাম প্যালেসে আনা হয় রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়কেও। সেখানে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে সিবিআই সূত্রের খবর। সিবিআই সূত্রে খবর, সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ নিজাম প্যালেসে অ্যারেস্ট মেমোয় সই করানো হয় এই চার জনকে।বর্ষীয়ান তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়ের প্রতিক্রিয়া, একজন বিধায়ককে স্পিকারের অনুমতি ছাড়া এভাবে গ্রেপ্তার করা অনৈতিক। আদালতে সব বোঝাপড়া হবে। ফিরহাদ আত্মবিশ্বাসী, তাই আদালতের কথা বলেছেন। এই গ্রেপ্তারি প্রতিহিংসামূলক, তৃণমূলের এই দাবি উড়িয়ে বিজেপি নেতা রাহুল সিনহার বক্তব্য,ফিরহাদ বা মদনের গ্রেপ্তারির সঙ্গে বিজেপির কোনও যোগই নেই।

মে ১৭, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

মেসি-কাণ্ডে অরূপের রক্ষাকবচ বাড়ল, ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বড় পদক্ষেপে নিষেধ! আদালতে কী হল?

মেসি-কাণ্ডে আপাতত স্বস্তিতে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। তাঁর রক্ষাকবচের মেয়াদ আরও বাড়িয়ে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠিন পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১৭ নভেম্বর।অরূপ বিশ্বাসকে আগেই রক্ষাকবচ দিয়েছিল হাই কোর্টের একক বেঞ্চ। সেই নির্দেশই আপাতত বহাল রাখল বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চ। অরূপের রক্ষাকবচ বাতিলের দাবিতে শতদ্রু দত্ত যে মামলা করেছিলেন, তাতেও এখনই কোনও হস্তক্ষেপ করেনি আদালত।মঙ্গলবার শুনানিতে মেসি-কাণ্ডের তদন্ত সংক্রান্ত দুটি রিপোর্ট আদালতে জমা দেন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সুরজিৎ নাথ মিত্র। তিনি জানান, তদন্তে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী সবরকম সহযোগিতা করছেন। আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে, পুলিশ অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে তদন্ত চালিয়ে যেতে পারবে। তদন্ত শেষ হলে চার্জশিটও জমা দেওয়া যাবে। তবে আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠিন পদক্ষেপ করা যাবে না।গত ডিসেম্বর মাসে ভারতে এসেছিলেন লিওনেল মেসি। তাঁকে সামনে থেকে দেখার জন্য বিপুল সংখ্যক ফুটবলপ্রেমী যুবভারতীতে জড়ো হয়েছিলেন। অনেকেই মোটা টাকা খরচ করে টিকিট কিনেছিলেন। কিন্তু অনুষ্ঠান ঘিরে চরম বিশৃঙ্খলার অভিযোগ ওঠে। নির্ধারিত সময়ের আগেই যুবভারতী ছেড়ে বেরিয়ে যান মেসি। এরপর ক্ষুব্ধ দর্শকদের একাংশ ব্যাপক ভাঙচুর চালান বলে অভিযোগ।সেই ঘটনার পরই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে প্রশ্ন ওঠে। ঘটনার দিন মেসির সঙ্গে একাধিক বার তাঁকে দেখা গিয়েছিল। সমাজমাধ্যমে মেসির সঙ্গে অরূপের ছবি ও ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর পরিবারের সদস্য এবং ঘনিষ্ঠদের সঙ্গেও মেসির ছবি প্রকাশ্যে আসে।অব্যবস্থার অভিযোগে ঘটনার দিনই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল মেসির ভারত সফরের অন্যতম উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্তকে। পরে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর দাবি ছিল, প্রভাব খাটিয়ে অরূপ মেসির কাছাকাছি চলে গিয়েছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়।এই মামলায় অরূপ বিশ্বাস ইতিমধ্যেই একাধিক বার বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজিরা দিয়েছেন। পুলিশের তলবে সাড়া দিয়ে তদন্তে সহযোগিতা করার বিষয়টিও আদালতে উল্লেখ করা হয়েছে। আপাতত সেই কারণেই তাঁর রক্ষাকবচ বহাল থাকল বলে মনে করা হচ্ছে।এখন প্রশ্ন, আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত অরূপের বিরুদ্ধে কোনও কঠিন পদক্ষেপ না করার নির্দেশের পর মেসি-কাণ্ডের তদন্ত কোন দিকে এগোয়। আগামী ১৭ নভেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানিতে আদালত কী নির্দেশ দেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ১১, ২০২৬
কলকাতা

আর জি কর কাণ্ডে ফের তৎপরতা, অভয়ার সঙ্গে ডিনার করা বন্ধুদের তলব! জেরার তালিকায় আর কারা?

খুলল কি ফের অভয়া ফাইলস? আর জি কর-কাণ্ডের তদন্তে নতুন করে তৎপরতা শুরু হয়েছে। নতুন করে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দল ঘটনাস্থল এবং তার আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখেছে। এবার ঘটনার রাতের সঙ্গে যুক্ত একাধিক ব্যক্তিকে ফের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। সেই তালিকায় রয়েছেন অভয়ার সঙ্গে রাতে ডিনার করা বন্ধুরাও।শুধু অভয়ার বন্ধুদেরই নয়, ঘটনার সময় হাসপাতালে উপস্থিত থাকা নার্স, চিকিৎসক, নিরাপত্তারক্ষী এবং আদালতে সাক্ষ্য দেওয়া হাসপাতালের কর্মীদেরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। তদন্তের প্রয়োজনে জেলবন্দি আর জি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকেও ফের জেরা করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।আর জি কর-কাণ্ডে অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়, প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ-সহ মোট সাতজন এবং কয়েকজন নিরাপত্তারক্ষীর পলিগ্রাফ পরীক্ষা করা হয়েছিল। তবে সেই পরীক্ষা এবং তদন্তের বিভিন্ন দিক নিয়ে নতুন তদন্তকারীরা সন্তুষ্ট নন বলে সূত্রের দাবি। সেই কারণেই মামলার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ফের মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।ঘটনার রাতে অভয়ার সঙ্গে কারা ডিনারে ছিলেন, সেই বিষয়টিও নতুন করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ওই সময় হাসপাতালে উপস্থিত থাকা চিকিৎসক, নার্স এবং নিরাপত্তারক্ষীদেরও জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা হতে পারে। একই সঙ্গে ফের পরীক্ষা করা হবে সিসিটিভি ফুটেজও। প্রয়োজন হলে আদালতের অনুমতি নিয়ে জেলবন্দি সন্দীপ ঘোষকে জেরা করতে পারেন তদন্তকারীরা।অভয়ার মা দীর্ঘদিন ধরেই দাবি করে আসছেন, ঘটনার রাতে তাঁর মেয়ের সঙ্গে যাঁরা ডিনার করেছিলেন, তাঁদের ভূমিকা যথাযথ ভাবে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং তদন্তের আওতায় আনার দাবিও তিনি একাধিক বার জানিয়েছেন। আদালতের তরফেও ঘটনার রাতে ডিনারে কারা উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁদের ভূমিকা কী ছিল, তা নিয়ে তদন্তের গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে প্রশ্ন উঠেছিল বলে জানা যায়।এর মধ্যেই তদন্তকারী আধিকারিক বদল করা হয়েছে। তদন্তের দায়িত্ব থেকে সীমা পাহুজাকে সরিয়ে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সন্দীপনী গর্গকে। কয়েক দিন আগে দিল্লি থেকে চার সদস্যের একটি বিশেষ দলও আর জি কর হাসপাতালে পৌঁছয়। জয়েন্ট ডিরেক্টরের নেতৃত্বে ওই দলের আধিকারিকরা ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন।তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, যে জায়গায় তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ উঠেছিল, সেই জায়গা ফের খুঁটিয়ে দেখা হয়েছে। নির্যাতিতার মায়ের আবেদনের ভিত্তিতেই আদালতের নির্দেশে তদন্তকারীদের ঘটনাস্থল পরিদর্শনের অনুমতি দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে।এবার ঘটনার সঙ্গে যুক্ত একাধিক ব্যক্তিকে ফের তলব করার খবর সামনে আসায় আর জি কর-কাণ্ডের তদন্তে নতুন করে কী তথ্য উঠে আসে, সেদিকেই নজর রয়েছে। বিশেষ করে ঘটনার রাতে অভয়ার সঙ্গে থাকা বন্ধু, হাসপাতালে উপস্থিত চিকিৎসক ও নার্স এবং প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে ঘিরে তদন্ত কোন দিকে এগোয়, তা নিয়ে নতুন করে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ১১, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ, কর্মীদের বেতনও আটকে! সুপ্রিম কোর্টে কপিল সিব্বলের বিস্ফোরক সওয়াল

তৃণমূল কংগ্রেসের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ সংক্রান্ত মামলায় মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হয়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সব তথ্য আদালতের সামনে তুলে ধরছে না বলে অভিযোগ করেন তৃণমূলের আইনজীবী কপিল সিব্বল। বিচারপতি এম এম সুন্দরেশ এবং বিচারপতি প্রসন্ন বি ভারালের ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হয়।শুনানিতে তৃণমূলের হয়ে সওয়াল করতে গিয়ে দলের নিয়মিত খরচের হিসাব আদালতের সামনে তুলে ধরেন কপিল সিব্বল। তিনি জানান, তৃণমূলের একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে রাখা হয়েছে। এর ফলে দলের দৈনন্দিন কাজ চালানো এবং কর্মীদের বেতন দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে বলে দাবি করেন তিনি।ইডির তরফে আদালতে বলা হয়, যে অ্যাকাউন্টগুলি ফ্রিজ করা হয়নি, সেগুলি থেকে টাকা নিয়ে দল কাজ চালাতে পারে। তার জবাবে কপিল সিব্বল জানান, ওই অ্যাকাউন্টগুলির মধ্যে বেশ কয়েকটি স্থায়ী আমানত। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, মোট ৩৬টি অ্যাকাউন্টের মধ্যে ৩১টি স্থায়ী আমানত এবং বাকি পাঁচটি সাধারণ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট।সিব্বলের দাবি, স্থায়ী আমানত ভাঙলে সেই টাকা ফের ফ্রিজ করে রাখা অ্যাকাউন্টে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি আরও জানান, পাঁচটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মধ্যে চারটি বন্ধ করে রাখা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, এই বিষয়ে তদন্তকারী সংস্থা আদালতকে সম্পূর্ণ তথ্য দিচ্ছে না।তৃণমূলের আইনজীবী আরও দাবি করেন, তদন্তকারী সংস্থার মামলায় অপরাধলব্ধ অর্থের পরিমাণ প্রায় ৬০ কোটি টাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অথচ প্রায় ৪০০ কোটি টাকা ফ্রিজ করে রাখা হয়েছে বলে তাঁর দাবি। কেন এত বেশি অর্থ আটকে রাখা হয়েছে, সেই প্রশ্নও আদালতে তোলেন তিনি।দলের কর্মীদের বেতন নিয়েও আদালতে বিস্তারিত তথ্য দেন সিব্বল। তাঁর দাবি, তৃণমূলের প্রায় ২৫০ জন কর্মী রয়েছেন। চলতি মাসে তাঁদের বেতন দেওয়া সম্ভব হয়নি। বেতন-সহ অন্যান্য খরচ মেটাতে প্রায় ৫৩ লক্ষ ২৩ হাজার টাকা প্রয়োজন বলে আদালতে জানান তিনি।এর পাশাপাশি দলের বিভিন্ন অফিসের খরচের কথাও আদালতে তুলে ধরেন সিব্বল। তাঁর বক্তব্য, তৃণমূলের ১৭টি অফিস চালাতে প্রতি মাসে প্রায় এক কোটি টাকা খরচ হয়। নিরাপত্তা সংস্থা এবং চুক্তিভিত্তিক কর্মীদেরও টাকা দিতে হয়। নির্বাচনের সময়ে যাঁরা কাজ করেছিলেন, তাঁদেরও কিছু টাকা এখনও বাকি রয়েছে বলে জানান তিনি।সিব্বল আরও জানান, দৈনন্দিন কাজ চালানোর জন্য কলকাতা হাই কোর্টের একক বেঞ্চের তরফে প্রাক্তন বিচারপতিকে বিশেষ আধিকারিক হিসেবে নিয়োগ করে নির্দিষ্ট অর্থ ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, যখনই অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের বিষয়ে অন্তর্বর্তী নির্দেশের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, তখনই আরও কয়েকটি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে।তৃণমূলের হয়ে নেওয়া পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত একটি সংস্থার অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার বিষয়টিও আদালতে তোলেন সিব্বল। তাঁর দাবি, ওই সংস্থা থেকে তৃণমূল একটি বিমান নিয়েছিল। সেই সংস্থার অ্যাকাউন্টও ফ্রিজ করা হয়েছে বলে আদালতে জানান তিনি। তবে কী কারণে ওই অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে, তা তদন্তকারী সংস্থা স্পষ্ট করেনি বলে অভিযোগ করেন সিব্বল।মামলায় তদন্তকারী সংস্থা এবং তৃণমূলের আইনজীবীর বক্তব্যের মধ্যে যে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে, মঙ্গলবারের শুনানিতে তা স্পষ্ট হয়েছে। অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ রাখার যৌক্তিকতা, দলের দৈনন্দিন খরচ এবং কর্মীদের বেতন দেওয়ার বিষয়টি এখন আদালতের বিবেচনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

আগস্ট ১১, ২০২৬
কলকাতা

২৬ হাজার চাকরির ভবিষ্যৎ কি ফের অন্ধকারে? ডেডলাইনের আগেই বড় সিদ্ধান্ত স্কুল সার্ভিস কমিশনের

২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিলের পর নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। কিন্তু সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই সেই প্রক্রিয়ায় ফের বড় জট তৈরি হয়েছে। স্কুল সার্ভিস কমিশন জানিয়েছে, আগামী ৩১ অগস্টের মধ্যে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে চাকরিপ্রার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।দুর্নীতি ও বেনিয়মের অভিযোগের জেরে আদালতের নির্দেশে ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল হয়েছিল। এরপর শূন্যপদগুলিতে নতুন করে নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়। সুপ্রিম কোর্ট সেই প্রক্রিয়া ৩১ অগস্টের মধ্যে শেষ করার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল। সেই সময় পর্যন্ত চাকরিহারাদের বেতন দেওয়ার নির্দেশও ছিল।এর মধ্যেই নিয়োগের ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া থমকে গিয়েছে। চাকরিহারা শিক্ষক চিন্ময় মণ্ডলের দাবি, নবম-দশম শ্রেণির নিয়োগের ভেরিফিকেশন চলছিল। পাশাপাশি একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগের কাউন্সেলিংও চলছিল। কিন্তু সম্প্রতি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ওই প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।কেন ভেরিফিকেশন বন্ধ করা হল, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে প্রশ্ন। জানা গিয়েছে, অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির সংরক্ষণ সংক্রান্ত নতুন নিয়ম কার্যকর করার বিষয়টি নিয়েই এই মুহূর্তে জটিলতা তৈরি হয়েছে। রাজ্য সরকারের নতুন সংরক্ষণ বিধি কী ভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কার্যকর করা হবে, তা নিয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করছে কমিশন।মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক করে স্কুল সার্ভিস কমিশন স্পষ্ট করে দিয়েছে, ৩১ অগস্টের মধ্যে ২৬ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের পুরো প্রক্রিয়া শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না। অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টের বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যেই নিয়োগ সম্পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে না।কমিশনের চেয়ারম্যান দুষ্যন্ত নারিয়ালা জানিয়েছেন, এই পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের কাছে আরও সময় চাওয়া হবে। কতদিন সময় চাওয়া হবে, তা নিয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। সংরক্ষণ নীতি কী ভাবে কার্যকর করা হবে, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।নতুন করে নিয়োগের জন্য যাঁরা সুপারিশপত্র পেয়েছেন, তাঁদের নিয়োগ নিয়েও এখন সংশয় তৈরি হয়েছে। ভেরিফিকেশন এবং কাউন্সেলিং থেমে যাওয়ায় পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা স্পষ্ট নয়।ফলে একদিকে আদালতের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা, অন্যদিকে সংরক্ষণ নীতি নিয়ে প্রশাসনিক ও আইনি জটদুইয়ের মাঝে আটকে রয়েছে ২৬ হাজার নিয়োগের ভবিষ্যৎ। এখন সুপ্রিম কোর্ট কমিশনকে অতিরিক্ত সময় দেয় কি না, সেই সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে চাকরিপ্রার্থীরা।

আগস্ট ১১, ২০২৬
কলকাতা

হালিশহরের পর কলকাতাতেও মমতাকে ঘিরে বিক্ষোভ, ভিড়ের মধ্যে থেকে উঠল সেই স্লোগান

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে ফের বিক্ষোভের অভিযোগ। হালিশহরের ঘটনার পর এবার খাস কলকাতায় একই ধরনের স্লোগান শুনতে হল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে। মঙ্গলবার শ্যামবাজারে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে চোর, চোর স্লোগানের মুখে পড়েন তিনি।নেতাজির মূর্তির পাদদেশে ক্ষুদিরাম বসুর ছবি হাতে নিয়ে পৌঁছন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ক্ষুদিরাম বসুকে শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, মহাত্মা গান্ধী এবং মাতঙ্গিনী হাজরার কথাও স্মরণ করেন তিনি। মমতা বলেন, এই সংগ্রামীদের কোনও দিন ভোলা যাবে না। তাঁর দাবি, শুধু দেখানোর জন্য নয়, হৃদয় থেকেই এই সমস্ত মহান ব্যক্তিত্বকে স্মরণ করা হয়।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতাজির মূর্তিতে মালা দেওয়ার পরই পরিস্থিতি বদলে যায়। আচমকা ভিড়ের মধ্যে থেকে চোর, চোর স্লোগান উঠতে শুরু করে বলে অভিযোগ। কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের দাবি, বিজেপির কর্মীরাই মমতাকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। যদিও ঘটনাস্থলে থাকা এক ব্যক্তির বক্তব্য, মমতা মালা দেওয়ার সময় তাঁরা কোনও স্লোগান দেননি। পরে তাঁরা স্লোগান দেন বলে জানান তিনি।বিক্ষোভের মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গাড়িতে উঠে ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যান। তবে তাঁর গাড়ি চলে যাওয়ার পরেও কিছুক্ষণ স্লোগান ও বিক্ষোভ চলতে দেখা যায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়।এই ঘটনার আগে রবিবার হালিশহরেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়িকে ঘিরে বিক্ষোভের অভিযোগ উঠেছিল। সেই সময় তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে কাদা ও জুতো ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। তাঁকে লক্ষ্য করে চোর স্লোগানও দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। ওই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য ছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ যথাযথ ব্যবস্থা করেছিল, তবে তিনি জনরোষের মুখে পড়েছিলেন।হালিশহরের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার কলকাতার শ্যামবাজারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কর্মসূচিতে একই স্লোগান ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতর শুরু হল। ঘটনাটি ঘিরে তৃণমূল ও বিরোধীদের মধ্যে নতুন করে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ১১, ২০২৬
রাজ্য

জঙ্গলমহল নিয়ে বড় ঘোষণা শুভেন্দুর! ধর্ম পরিবর্তন ও জমি কেনাবেচায় নতুন আইন, আর কী করতে চলেছে সরকার?

বাঁকুড়ায় সাত জেলার প্রশাসনিক বৈঠকের পর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জঙ্গলমহলের উন্নয়ন থেকে সীমান্তবর্তী এলাকার সমস্যা, আগামী দিনের পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্য রাখেন তিনি।মঙ্গলবার বাঁকুড়ায় সাতটি জেলাকে নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে গত তিন মাসে তাঁর সরকার কী কী কাজ করেছে এবং আগামী দিনে কোন কোন বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে, তার একটি হিসাব তুলে ধরেন তিনি।জঙ্গলমহল এবং প্রান্তিক ও সীমান্তবর্তী এলাকার উন্নয়নের উপর বিশেষ জোর দেওয়ার কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে জঙ্গলমহলের আর্থিক ভাবে পিছিয়ে থাকা মানুষের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে বিদেশি অর্থের সাহায্যে ধর্মান্তকরণের প্রক্রিয়া চলছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, প্রশাসন বিষয়টি সম্পর্কে সম্পূর্ণ সচেতন এবং এ নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ করা হবে।সাংবাদিক বৈঠকে সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কথাও তুলে ধরেন শুভেন্দু। সীমান্ত এলাকায় জমি হস্তান্তর, অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির তালিকা সংশোধন, ইমাম-মোয়াজ্জেম ভাতা বাতিল এবং গো-সুরক্ষার মতো একাধিক পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন তিনি। মহরমের সময় তলোয়ার নিয়ে মিছিল বা প্রদর্শনের উপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখার কথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী।এরপরই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে বড় মন্তব্য করেন শুভেন্দু। তিনি জানান, কিছুদিনের মধ্যেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু হবে। একইসঙ্গে এক দেশ, এক প্রধান, এক রাজ্য, এক মুখ্যমন্ত্রী, এক আইন-এর কথাও বলেন তিনি।ধর্ম পরিবর্তন এবং জমি কেনাবেচা নিয়েও নতুন আইনের ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে আরও দুটি কাজ তাঁর বাকি রয়েছে। তার মধ্যে ধর্ম পরিবর্তন এবং জমি কেনাবেচা সংক্রান্ত আইন আনার বিষয়টি রয়েছে।তবে শুধু আইন বা প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়, জঙ্গলমহলের উন্নয়নকেও আগামী দিনের অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরেছেন শুভেন্দু। আগামী তিন মাসের জন্য এই এলাকার উন্নয়ন নিয়ে একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা তৈরির কথাও জানিয়েছেন তিনি।বাঁকুড়ার বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রীর একাধিক ঘোষণাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ধর্ম পরিবর্তন ও জমি কেনাবেচা নিয়ে প্রস্তাবিত আইন কেমন হবে এবং কবে তা কার্যকর হবে, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ১১, ২০২৬
কলকাতা

দেবরাজের ‘১০০ কোটির’ সম্পত্তির হদিশ! তোলাবাজির অভিযোগের তদন্তে এবার নজরে ৩০টি সম্পত্তি

দেবরাজ চক্রবর্তীকে ঘিরে তদন্তে আরও তথ্য সামনে আসছে। সিন্ডিকেট চক্র চালানো এবং তোলাবাজির মতো একাধিক অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া এই তৃণমূল নেতার প্রায় ১০০ কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তির হদিশ মিলেছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। প্রাথমিক তদন্তে প্রায় ৩০টি সম্পত্তির তথ্য পাওয়া গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। সেই তথ্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে জানানো হয়েছে বলেও পুলিশ সূত্রে দাবি।বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই দেবরাজ চক্রবর্তী এবং তাঁর স্ত্রী অদিতি মুন্সিকে ঘিরে গ্রেপ্তারের জল্পনা তৈরি হয়েছিল। অদিতিকে আপাতত গ্রেপ্তার না করার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। তবে দেবরাজ কোনও রক্ষাকবচ পাননি বলে জানা যায়। এরপর বেশ কিছুদিন গা-ঢাকা দিয়ে থাকার পর পুরুলিয়া থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।তদন্তকারীদের অভিযোগ, রাজারহাট এবং আশপাশের এলাকায় সিন্ডিকেট চক্রের মাধ্যমে বিপুল টাকা তোলা হয়েছিল। গত কয়েক বছরে সেই টাকা ব্যবহার করে দেবরাজ বিপুল সম্পত্তি তৈরি করেছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে প্রায় ৩০টি সম্পত্তির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। এর মধ্যে দমদম, নিউটাউন এবং বাগুইআটির মতো এলাকায় সম্পত্তি রয়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। উত্তরবঙ্গেও তাঁর সম্পত্তির হদিশ মিলেছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে এই সম্পত্তিগুলির সবকটি সরাসরি দেবরাজের নামে রয়েছে কি না, তা এখনও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারীদের অনুমান, পরিচিত এবং ঘনিষ্ঠদের নাম ব্যবহার করে বেশ কিছু সম্পত্তি কেনা হয়ে থাকতে পারে। গত পাঁচ বছরে, অদিতি মুন্সি বিধায়ক থাকার সময়ে এই সম্পত্তিগুলির বেশিরভাগ তৈরি হয়েছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।পুলিশের দাবি, ওই প্রায় ৩০টি সম্পত্তির বর্তমান বাজারমূল্য আনুমানিক ১০০ কোটি টাকা হতে পারে। সম্পত্তিগুলির মালিকানা, কেনার সময়, অর্থের উৎস এবং লেনদেনের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এই সংক্রান্ত তথ্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছেও পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।দেবরাজের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগও রয়েছে। সেই অভিযোগের সঙ্গে তাঁর সম্পত্তি বৃদ্ধির কোনও যোগ রয়েছে কি না, সেটিই এখন তদন্তকারীদের কাছে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। একই সঙ্গে কার নামে সম্পত্তি কেনা হয়েছিল এবং সেই সম্পত্তি কেনার টাকা কোথা থেকে এসেছিল, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এর মধ্যেই বারাসত আদালতে দেবরাজ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা বলে জানা গিয়েছে। এবার সম্পত্তির নতুন তথ্য সামনে আসায় তদন্ত কোন দিকে এগোয়, সেদিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ১১, ২০২৬
বিদেশ

শেখ হাসিনাকে ঘিরে ফের জটিলতা! ভারতে আসছেন না তারেক রহমান? দিল্লির বার্তায় বাড়ছে জল্পনা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেখ হাসিনাকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকেই ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কে নানা টানাপড়েন দেখা দিয়েছে। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে থাকার পর সেই সম্পর্কের সমীকরণ আরও জটিল হয়েছে।গত ৫ অগস্ট নয়াদিল্লি থেকে শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনের পর পরিস্থিতি আরও আলোচনায় আসে। দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করে হাসিনা যে বার্তা দিয়েছেন, তা বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু করেছে। বিশেষ করে তাঁর প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাকে ঘিরে বর্তমান সরকারের উপর রাজনৈতিক চাপ বাড়তে পারে কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে।এরই মধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা সামনে এসেছে। আগামী মাসে ভারতে অনুষ্ঠিত হতে চলা ব্রিকস সম্মেলনে তাঁর যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই সফর আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে।এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর একটি মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। তিনি বলেছেন, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী মুখোমুখি বসে কথা বললেই অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেতে পারে। তাঁর এই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি ভারত ও বাংলাদেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে সরাসরি বৈঠককে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে দিল্লি?তবে তারেক রহমানের ভারত সফর এখনই বাতিল হয়ে গিয়েছে, এমনটা নিশ্চিত করে বলা হয়নি। কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ব্রিকস সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সম্ভাবনা এখনও রয়েছে। সম্মেলনের পাশাপাশি আলাদা করে বৈঠক হলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের বেশ কিছু জটিল বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যের পরও নয়াদিল্লি স্পষ্ট করেছে, তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে ভারতের কোনও যোগ নেই। ফলে হাসিনাকে ঘিরে তৈরি রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভারত-বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কদুই বিষয়কেই আলাদা করে দেখছে দিল্লি বলে মনে করছেন কূটনীতিকদের একাংশ।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, তারেক রহমান শেষ পর্যন্ত ভারতে আসবেন কি না। তিনি এলে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মুখোমুখি বৈঠক হয় কি না, আর সেই বৈঠকে দীর্ঘদিনের জটিল সম্পর্কের কোনও বরফ গলে কি না, সেদিকেই নজর রয়েছে কূটনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal