• ১২ আষাঢ় ১৪৩৩, রবিবার ২৮ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

NDA

রাজনীতি

দিদিমণিকে দেখে মায়া হয়ঃ দিলীপ

মোদিজি কৃষকদের কষ্ট বোঝেন। সেই কারণেই আলুর সহায়ক মূল্য বাড়িয়েছেন। রবিবার দুপুরে পূর্ব মেদিনীপুরের মুকুন্দপুরে কিষাণ মোর্চার সভায় যোগ দিয়ে এই মন্তব্য করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে এদিন ফের তিনি বলেন, আলুর কাটমানির টাকা যাচ্ছে কালীঘাটের টালির ছাদের নিচে। সব ওখানে জমছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তোপ দেগে বলেন, দিদিমণি সব কিছুরই বিরোধিতা করেন। কারণ উনি মানুষের কথা ভাবেন না। তিনি বলেন, যেখানে যা হচ্ছে উনি চিংড়ি মাছের মতো লাফাচ্ছেন। চিন্তায় দিদিমণি শুকিয়ে যাচ্ছেন। দেখে মায়া হয়। উনি ক্ষমতায় থেকেও এই অবস্থা। আর আমরা ক্ষমতায় না থেকেও দিব্যি আছি। সব পাচার বন্ধ। কেন্দ্রীয় সংস্থা তদন্তে নেমেছে। সব সত্য এবার প্রকাশ্যে আসবেই। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দু অধিকারী চলে গেলে দলে বিশাল শূন্যতা তৈরি হবেঃ রাজীব এদিন পূর্ব মেদিনীপুরের শঙ্করপুরে চা চক্রের আসরে শুভেন্দু অধিকারী প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, অনেক আম পেকেছে তৃণমূলে। শুধু পাড়ার অপেক্ষা। গাছ পাকা আমই ভাল। কার্বাইডে পাকানো আম ভাল নয়। এদিন সকালে চা চক্রে সুদীপ্ত সেনের চিঠি নিয়ে তিনি বলেন, যে চিঠি দিয়েছেন, সিবিআই তার সত্যতা যাচাই করবে দিল্লিতে। সবটাই সিবিআইএর হাতে। তাতে যদি কেউ দোষী হয়ে থাকেন তবে তার বিচার হবে। মুখ্যমন্ত্রীর সভা প্রসঙ্গে বলেন, লোকজন হবে না মুখ্যমন্ত্রীর সভায়। সেরকম হলে আমরা লোক পাঠিয়ে সহযোগিতা করতে পারি। বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ প্রসঙ্গে তৃণমূলকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি তিনি। বলেন , তৃণমূল হারছে। বিদায় হয়ে যাচ্ছে। তাই শেষ কামড় দেওয়ার চেষ্টা করছে। সুশান্ত ঘোষ কোর্টের নির্দেশে ঘরে ফিরছেন। আগে যা হয়েছে, সেটা ভুলে লোকের কাছে প্রায়শ্চিত্ত করুক। ক্ষমা চান, নতুন করে রাজনীতি শুরু করুন।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২০
রাজনীতি

অনুব্রতর গড়ে চ্যালেঞ্জ দিলীপের

বাংলাকে কাশ্মীরের সঙ্গে তুলনা করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বুধবার সকালে বীরভূমের সিউড়িতে এক চা চক্রে যোগ দিয়ে দিলীপবাবু বলেন, পশ্চিমবঙ্গে এসে সব জঙ্গি আশ্রয় নিচ্ছে। মুর্শিদাবাদে ২৩ বার জঙ্গি ধরা পড়ল। সারা রাজ্যে জাল বিস্তার করেছে এই জঙ্গিরা। বীরভূমেও বোমা বিস্ফোরণ হয়েছে। এখানেও জঙ্গি ধরা পড়েছে। কাশ্মীরেও এত জঙ্গি ধরা পড়ে না। পশ্চিমবঙ্গ হয়ে গিয়েছে দ্বিতীয় কাশ্মীর। এ জন্যই বাংলার মানুষ আগামী বিধানসভা ভোটে পরিবর্তন চাইছেন। তিনি আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে উপদ্রুত জেলা হচ্ছে বীরভূম। পার্টি অফিসে ঝুড়ি ঝুড়ি বোমা পাওয়া যাচ্ছে। এখানে পার্টির নেতার বাথরুমের মধ্যে বস্তায় বোমা পাওয়া যায়। একটাই কারখানা চলে, বোমার কারখানা। জেলাজুড়ে বোমা, আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হচ্ছে। বীরভূমে দাঁড়িয়েই তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে চ্যালেঞ্জও ছুঁড়েছেন দিলীপ ঘোষ। বলেছেন, লোকসভা ভোটে সিউড়ি পুরসভার ২১টার মধ্যে ১৮টা আসনেই লিড নিয়েছে বিজেপি। দম থাকলে আগামি ইলেকশন জিতে দেখান। ওদের খাতা খোলাই সমস্যা করে দেব।আমি বীরভূমে দাঁড়িয়ে চ্যালেঞ্জ করে যাচ্ছি, ওদের খাতা খোলারও সমস্যা করে দেব। কে ঢাক বাজাবে, কে ধামসা বাজাবে সময় এলে দেখতে পাবেন। পাশাপাশি তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেন, পুলিশ প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে ক্ষমতা ধরে রাখার চেষ্টা করছে ৷ যদি হিম্মত থাকত ১১৮টি পুরসভার নির্বাচন বাকি রয়েছে, সেগুলি করিয়ে দিত। আরও পড়ুন ঃ জনসভায় ধর্ষণ নিয়ে অশালীন মন্তব্য অগ্নিমিত্রার তিনি এদিন আরও বলেন, বিজেপির কর্মসূচি অনুসরণ করছে তৃণমূল। অমিত শাহ আদিবাসী পরিবারের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারার পর তাঁকে অনুসরণ করে মুখ্যমন্ত্রী গেলেন। রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম দিলীপ ঘোষের মন্তব্যের পালটা প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বলেছেন, যেখানে ক্ষমতায় নেই সেখানে কাশ্মীর দেখছে বিজেপি। আর যে রাজ্যে ক্ষমতায় আছে সেখানে কাশ্মীর করার চেষ্টা করছে বিজেপি। উত্তরপ্রদেশে এনকাউন্টার করে খুন করা হচ্ছে।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
রাজনীতি

মঙ্গলকোটে অনুব্রত মণ্ডলের অনুগত হয়ে কাজ করতে প্রস্তুত নইঃ সিদ্দিকুল্লা

বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের অধীনে মঙ্গলকোটে কাজ করতে পারবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিলেন স্থানীয় বিধায়ক তথা মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। মঙ্গলবার বর্ধমানে পুলিশ সুপার এবং জেলাশাসকের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। তিনি বলেন, দল বললে কাজ করতেই হবে। তাহলে আমাকে মঙ্গলকোটে কাজ করার পূর্ণ স্বাধীনতা দিতে হবে। আমি অনুব্রত মণ্ডলের অনুগত হয়ে কাজ করতে প্রস্তুত নই। এটা আমি পরিষ্কার বলে দিলাম। আমি ওর মেজাজ চিনি। জানি। আরও পড়ুন ঃ অগ্নিমিত্রা পলের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় কড়া জবাব বৈশাখীর গত নির্বাচনেও তারা কী করেছে সকলে জানে। সংবাদমাধ্যম জানে। আমি মঙ্গলকোটে গেলে স্বাধীনভাবে কাজ করব। উনি বড় খেলোয়াড়। ওনার কথা আমি কী বলব? আমি ওই পর্যায়ের খেলোয়াড় নই। মারামারি করতে চাই না। কেউ করুক তাও চাই না। এভাবে আমি মঙ্গলকোটে হাত পোড়াতে যেতে পারব না। মঙ্গলকোটের বিধায়ক আরও বলেন, বিজেপির লোকেরা আমাকে খবর দিচ্ছে সাহেব নিরুপায় হয়ে বিজেপিতে গিয়েছি। আমরা আসলে বিজেপি না। তিনি আরও বলেন, মঙ্গলকোটের অজয় নদে ২২ টি বালি ঘাট আছে।এগুলি বৈধ ঘাট।কিন্তু সেখানে একই স্লিপ দিয়ে এক গাড়ির জায়গায় বেশী সংখ্যক বালি বোঝাই গাড়ি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এতে সরকারের রিভিনিউ মার খাচ্ছে। একের পর এক তার অনুগামীদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে। তাদের গাঁজা কেস দেওয়া হচ্ছে। এদিন তিনি পুলিশ সুপার ভাস্কর মুখার্জির কাছে ৯ জনের তালিকা দেন। যাঁরা জেলে আছে।তারা সবাই তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সমর্থক। অথচ অনুব্রত মণ্ডলের প্রতিনিধিরা তাদের মামলা দিচ্ছে। মিথ্যা মামলায় তারা জেল খাটছে। অনেকেই এখনো ঘরছাড়া। তারা ভয়ে ঘর ঢুকতে পারছে না। এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন। দলকে জানিয়েছেন। এখন তিনি ঘরছাড়া তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকদের ঘর ঢোকাতে পারেন।কিন্তু তাতে অশান্তি হতে পারে।সেই জন্য তিনি যাচ্ছেন না। এলাকার ৯০ শতাংশ লোক তাঁর সঙ্গে আছেন। শুধুমাত্র দশ শতাংশ লোক যাঁরা ক্ষমতায় আছেন তাঁরা ছাড়া।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
রাজ্য

বিরসা মুন্ডার জন্মদিনে ছুটি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

বাঁকুড়া সফরে এসে আদিবাসী পরিবারে ভাত খেয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সোমবার বাঁকুড়ার খাতড়ার জনসভা থেকে অমিত শাহের বিরুদ্ধে এনিয়ে তোপ দাগলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাঁওতাবাজি মানুষ বুঝেছেন। নামী হোটেল থেকে ভাত আনিয়ে আদিবাসী বাড়িতে খান। বাইরে থেকে ব্রাহ্মণ এনে আগে থেকে ঘর রং করা হয়, স্যানিটাইজ করা হয়। লোক দেখানো তরকারি কাটা হয়। যা রান্না হয়েছে তা খাননি। খেয়েছেন বাসমতি চালের ভাত, পোস্তর বড়া। গরীব পরিবার বাইরে ধনে পাতা ছাড়াচ্ছে, কিন্তু কোনও তরকারিতে ধনে পাতা নেই। আর উনি ভিতরে বসে হোটেল থেকে আনা বাসমতী চালের ভাত খাচ্ছেন। এসে খেয়ে চলে গিয়েছেন। এরা গরীবের সমস্যা কী বুঝবে! আরও পড়ুন ঃ সপ্তাহের শুরুতেই রাজ্যে জাঁকিয়ে শীত , সক্রিয় উত্তুরে হাওয়া অমিত শাহকে কটাক্ষ করে তৃণমূল সুপ্রিমো এদিন আরও বলেন, যে মূর্তিতে মালা দেওয়া হয়েছিল, তা তো বিরসা মুন্ডারই নয়। এক আদিবাসী শিকারির। আমি শিকারি বলে তাঁকে ছোট করছি না, সেও আমার ভাই। কিন্তু এই মিথ্যাচারটা হল কেন? এরপরই তাঁর ঘোষণা, আদিবাসী ভাইবোনেদের আবেগের কথা মাথায় রেখে এরপর থেকে সংগ্রামী বিরসা মুন্ডার জন্মদিনে ছুটি দেওয়া হবে। সেটাই হবে প্রকৃত সম্মান জ্ঞাপন। এই ঘোষণার পরই উচ্ছ্বাসে ভাসেন উপস্থিত জনতা। এছাড়াও এদিন তিনি জানান, জুন পর্যন্ত বিনামূল্যে রেশন বিলির কথা আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল। জুনের পরও তা মিলবে। অর্থাৎ বাড়ানো হবে বিনামূল্যে রেশন বিলির সময়সীমা। আগামীতেও আমাদের সরকারই থাকবে। তাই কোনও চিন্তা করবেন না। জুনের পরও সকলে বিনামূল্যে ডাল-ভাত খেয়ে বাঁচবেন।

নভেম্বর ২৩, ২০২০
রাজ্য

এনামূলের ল্যাবরেটরিতে অনুব্রত মণ্ডল সহ অনেকেরই ভ্যাকসিন তৈরি হচ্ছেঃ সায়ন্তন

অনুব্রতকে দিয়ে শুরু করে এরপর যে যে তৃণমূল নেতার ভাইরাস রয়েছে তাঁদের টিকাদান কর্মসূচী নেবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি। রবিবার দুর্গাপুরের মায়াবাজারে চায়ে পে চর্চায় যোগ দিয়ে এই মন্তব্য করেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু। তিনি তৃণমূলকে আক্রমণ করে আরও বলেন, ইডি, সিবিআই, আইটি , এনামূলের ল্যাবরেটরিতে অনুব্রত মণ্ডল সহ অনেকেরই ভ্যাকসিন তৈরি হচ্ছে। অনুব্রত মণ্ডলের মতো কয়েকশো ভাইরাস আছে তাঁদের উপর প্রয়োগ করা হবে। আর ছয় মাস অপেক্ষা করুন। আরও পড়ুন ঃ পারদ অনেকটাই নেমে ফিরল শীতের আমেজ বহিরাগত ইস্যুতে এদিন সায়ন্তনবাবু পালটা প্রশ্ন করেন, পিকে কোন রাজ্যের বাসিন্দা? এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, আমাদের সর্বভারতীয় দল। কেন্দ্রীয় নেতারা আসবেন। আমাদের রাজ্য নেতারাও ভিন রাজ্যে যান। তৃণমূলের ভোটের প্রচারে বাংলাদেশ থেকে চিত্র তারকা আসতে পারেন কিংবা জামাত, রোহিঙ্গারা তারা বহিরাগত নয় প্রধানমন্ত্রী এখানে বহিরাগত? তৃ্ণমূল সাংসদদের বিজেপিতে যোগদানের প্রসঙ্গে সায়ন্তনবাবু বলেন, এই বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই।

নভেম্বর ২২, ২০২০
দেশ

বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন নীতিশ কুমার

বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন নীতীশ কুমার। সোমবার বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ বিহারের রাজভবনে শপথ নেন তিনি। এদিনের শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা। এবার উপমুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন না সুশীল মোদি। তার বদলে এবার বিহার পাচ্ছে দুজন উপমুখ্যমন্ত্রী। তাঁরা হলেন রবিবার বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচিত হওয়া তারিকিশোর প্রসাদ ও অত্যন্ত অনগ্রসর শ্রেণির প্রতিনিধি ও বিজেপির উপপরিষদীয় দলনেত্রী হিসেবে নির্বাচিত রেনুদেবী। সুশীল মোদিকে এবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় পাঠানো হবে বলে জানা গিয়েছে। জেডিউই ও বিজেপির তরফ থেকে চার জন করে আটজন মন্ত্রী শপথ নিয়েছেন। এদিনের অনুষ্ঠান বয়কট করে মহাজোটের প্রধান দল তথা বিহারের সংখ্যাগরিষ্ঠ দল আরজেডি। তেজস্বীর দলের তরফে টুইটারে বলা হয়, পরিবর্তনের পক্ষে এনডিএ-র বিপক্ষে জনাদেশ ছিল। মানুষের রায় ছিল সরকার বদলের। যে কারচুপি এনডিএ করেছে তাতে রাজ্যবাসী হতাশ। তাই নীতীশ কুমারের শপথ অনুষ্ঠান বয়কট করছে আরজেডি। আরও পড়ুন ঃ আমরা মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারিনিঃ কপিল সিব্বল প্রসঙ্গত , নীতীশকে সামনে রেখেই এবার বিহারে প্রচার চালিয়েছিল এনডিএ। সেখানে ৭৩ টি আসন দখল করেছে বিজেপি। আরজেডি পেয়েছে ৭৫ টি আসন। নীতিশের দল মাত্র ৪৩ টি আসন নিজেদের দখলে রাখতে পেরেছে। তবুও ভোটের আগে প্রতিশ্রুতি মতো নীতিশকে মুখ্যমন্ত্রী করা হল। এনডিএ-র বৈঠকে রবিবারই নীতীশ কুমারকে বিহারের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে নির্বাচন করা হয়।

নভেম্বর ১৬, ২০২০
দেশ

বিহার বিধানসভা নির্বাচনে সরকার গড়তে না পারায় রাহুল গান্ধীর কড়া সমালোচনা আরজেডি নেতার

বিহার বিধানসভা নির্বাচনে মাত্র কয়েকটি আসনের জন্য সরকার গড়তে পারেনি বিজেপি বিরোধী মহাগটবন্ধন। জিতে গিয়ে সরকার গড়তে চলেছে এনডিএ। এবার এই খারাপ ফলের জন্য সরাসরি কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন আরজেডি নেতা শিবানন্দ তিওয়ারি। সংবাদসংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই আরজেডি নেতা বলেছেন, বর্তমানে মহাজোটের পায়ের শিকলে পরিণত হয়েছে কংগ্রেস। ৭০টি আসনে প্রার্থী দিয়ে ওরা ৭০টি জনসভাও করেনি। রাহুল মাত্র তিন দিন প্রচারে এসেছিলেন। এটা ঠিক নয়। যখন নির্বাচন চলছিল তখন রাহুল গান্ধী সিমলায় পিকনিক করছিলেন। এভাবে একটা দল চলতে পারে? আরও পড়ুন ঃ রাহুল গান্ধীকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য , ওবামার কড়া সমালোচনা অধীরের তিনি আরও বলেন, কংগ্রেস শুধু বেশি প্রার্থী দেওয়ার দিকে জোর দেয়, কীভাবে তাঁদের জেতাতে হবে সে বিষয়ে কংগ্রেসের কোনও পরিকল্পনা নেই। যেভাবে কংগ্রেস চলছে তাতে বিজেপিরই সুবিধা হয়ে যাচ্ছে। উল্লেখ্য, বিহারে ৭০ টি আসনে প্রার্থী দিয়ে কংগ্রেস মাত্র ১৯টি আসনে জয়লাভ করেছে। অন্যদিকে আরজেডি পেয়েছে ৭৫টি আসন। সব মিলিয়ে বিরোধী মহাজোট পেয়েছে ১১০টি আসন। ম্যাজিক ফিগার ১২২। মাত্র ১২ টি আসন না পাওয়ায় জয় হাতছাড়া হয়েছে মহাগটবন্ধনের।

নভেম্বর ১৬, ২০২০
দেশ

বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে ফের বসতে চলেছেন নীতিশ কুমার

প্রত্যাশামতোই বিহারের মসনদে বসেছিলেন নীতিশ কুমার। সব মিলিয়ে সাতবার বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিতে চলেছেন তিনি। এখনও পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী পদে নিজের মেয়াদ শেষ করেছেন মাত্র দুবার। উপমুখ্যমন্ত্রী পদে সুশীল মোদিকে চূড়ান্ত করা হয়েছে। রবিবার পাটনায় এনডিএর বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এদিন জোটের বৈঠকে নেতা হিসেবে নীতিশকে বেছে নেন জেডিইউ, বিজেপি, বিকাশশীল ইনসান পার্টি এবং হিন্দুস্তান আওয়াম মোর্চার বিধায়করা। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজনাথ সিংও। আজই রাজ্যপালের কাছে গিয়ে সরকার গঠনের দাবি জানাবেন নীতিশ। আগামিকালই রাজভবনে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হবে। আরও পড়ুন ঃ প্রতিরক্ষা শক্তিতে আত্মনির্ভর হয়ে উঠেছে ভারতঃ মোদি প্রসঙ্গত , বিহার বিধানসভায় এনডিএ ১২৫ টি আসনে জয়লাভ করেছে। ম্যাজিক ফিগারের থেকে মাত্র ৩ আসন বেশি পেয়েছে। নীতিশ কুমারই যে ফের বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন, তা অবশ্য আগেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। বিজেপি শীর্ষনেতারা ভোটের আগে থেকেই বলে আসছেন, যে দলই বেশি আসন পাক না কেন নীতিশকেই ফের মুখ্যমন্ত্রী করা হবে।

নভেম্বর ১৫, ২০২০
দেশ

বিহারের মসনদে কে , সিদ্ধা্ন্ত রবিবারের এনডিএ বৈঠকে

বিহারের মসনদে কে বসছেন , তা রবিবারই জানা যাবে। সেদিনই ঠিক হবে সরকার গঠনের প্রক্রিয়া। নীতীশ কুমার জানিয়েছে, রবিবার বেলা সাড়ে বারোটা থেকে বৈঠক শুরু হবে। সেখানেই যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সংবাদসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, নীতীশকেই পরিষদীয় নেতা বেছে নিতে পারে এনডিএ। শুক্রবারই নীতীশের বাসভবনে সেই সংক্রান্ত বৈঠকে তার আভাস পাওয়া গিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ কর্মসংস্থানের জন্য আত্মনির্ভর ভারত রোজগার যোজনা ঘোষণা নির্মলা সীতারমনের জনতা দল, হাম, ভিআইপি এবং বিজেপির যৌথ বৈঠকে তাতে সিলমোহর পড়বে। তবে তিনি মুখ্যমন্ত্রী হবেন কিনা , তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। ২৪৩ আসন বিশিষ্ট বিহার বিধানসভায় এনডিএ জোটের মধ্যে ৭৪ টি আসন রয়েছে বিজেপির দখলে। সংযুক্ত জনতা দল ৪৩টি পেয়েছে। হাম এবং ভিআইপি ৪টি করে আসনে জিতেছে। ১২৫ জন বিধায়ক নিয়ে সরকার গড়তে চলেছে এনডিএ।

নভেম্বর ১৩, ২০২০
দেশ

বিহারে মহাগটবন্ধনকে হারিয়ে ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন এনডিএ'র

সমস্ত এক্সিট পোলের হিসেবকে উলটে দিয়ে বিহারে ক্ষমতা ধরে রাখল বিজেপি - জেডিইউ জোট। এনডিএ জোট পেল ১২৫ টি আসন , মহাগটবন্ধন পেল ১১০ টি আসন। এছাড়াও মিম জিতেছে পাঁচটি আসন। অন্যান্যরা তিনটে আসনে জয়লাভ করেছে। বিজেপি জেডিইউয়ের থেকে বেশি আসনে জয়লাভ করেছে। বিজেপি পেয়েছে ৭২ টি আসন। জেডিইউ ৪২ টি আসনে জয়লাভ করেছে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী হবেন নীতিশ কুমারই। এমনই জানানো হয়েছে বিজেপির পক্ষ থেকে। বুধবার ভোর তিনটে নাগাদ বিহার নির্বাচনের পুরো ফল প্রকাশিত হয়। তারপর থেকে বিজেপি ও জেডিইউ কর্মীরা উৎসবে মেতে ওঠেন। এনডিএ সূত্রে জানা গিয়েছে , এই সপ্তাহেই শপথ অনুষ্ঠান হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টুইটে লেখেন , বিহারের প্রতিটি ভোটার স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, তাঁদের কাছে সবার আগে উন্নয়ন। বিহারে ১৫ বছর পরে আবারও এনডিএ-র সুশাসনের আশীর্বাদ মিলছে। স্পষ্ট হচ্ছে বিহারের স্বপ্ন আর প্রত্যাশাগুলি ৷ বিহার গোটা বিশ্বকে গণতন্ত্রের প্রথম পাঠ শিখিয়েছে । আজ বিহার বিশ্বকে আবার বলেছে কীভাবে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা যায় । বিহারের রেকর্ড সংখ্যক দরিদ্র, বঞ্চিত এবং মহিলারা ভোটও দিয়েছেন এবং উন্নয়নের জন্য তাঁদের মত দিয়েছেন। অন্যদিকে , কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এদিন টুইটে লেখেন, বিহারের প্রতিটি প্রান্ত জাতপাতের রাজনীতিকে প্রত্যাখ্যান করেছে ৷ গ্রহণ করেছে এনডিএ-র উন্নয়নের রাজনীতিকে। এটি বিহারের প্রত্যেক মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার জয়। এটি প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং নীতীশ কুমারের নেতৃত্বে জোড়া উন্নয়নের জয় । আমি এই জয়ের জন্য প্রত্যেক বিজেপি কর্মীকে অভিনন্দন জানাতে চাই। আরও পড়ুন ঃ বিহার বিধানসভা নির্বাচনে মহাগটবন্ধনকে হারিয়ে জয়ের পথে এনডিএ অন্যদিকে , বিহার বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস ৭০ টি আসনে মাত্র ২০ টি আসনে জয়লাভ করেছে। ৭৫ টি আসনে জয় ছিনিয়ে নিয়ে একক বৃহত্তম দল হয়েছে আরজেডি। বামেরআ ২৯ টি আসনে প্রার্থী দিয়ে ১৬ টি আসনে জয়লাভ করেছে। কিন্তু কংগ্রেসের খারাপ ফলের জেরে বিজেপিকে হারিয়ে মহাজোটের জয় অধরাই থেকে গেল। অনেক আশা জাগিয়েও ট্র্যাজিক হিরো হিসেবে রয়ে গেলেন তেজস্বী যাদব। অন্যদিকে এলজেপি নেতা চিরাগ পাসোয়ান লেখেন , বিহারের মানুষ প্রধানমন্ত্রীর উপর ফের ভরসা রেখেছে। প্রত্যেক প্রার্থী নিজেদের মতো করে নির্বাচনে দারুণ লড়াই করেছেন । দলের ভোট বেড়েছে । প্রত্যেক জেলায় দল শক্তি বাড়িয়েছে যা ভবিষ্যতে কাজে আসবে।

নভেম্বর ১১, ২০২০
দেশ

বিহার বিধানসভা নির্বাচনে মহাগটবন্ধনকে হারিয়ে জয়ের পথে এনডিএ

বিহার বিধানসভা নির্বাচনে বিরোধীদের পিছনে ফেলে ক্রমশ জয়ের দিকে এগিয়ে চলেছে এনডিএ। মঙ্গলবার সকালে ভোট গণনা শুরু হতেই বিজেপিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে থাকে আরজেডি , কংগ্রেস ও বামেদের মহাগটবন্ধন। কিন্তু এদিন বেলা বাড়তেই উলটে যায় পাশা। বিরোধী জোটকে পিছনে ফেলে ক্রমশ এগিয়ে যেতে থাকে এনডিএ। বলা ভাল বিজেপি। নীতীশ কুমারকে এদিন বিজেপি টেনে তুলল। বিহারে বড় শরিকের চেয়ে বেশি আসন পেল তারা। বিরোধী শিবিরে ঠিক উলটো দশা। কংগ্রেসের সঙ্গে থেকে ডুবতে হচ্ছে তেজস্বীর আরজেডি-কে। জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত এনডিএ এগিয়ে রয়েছে ১২২টি আসনে। তার মধ্যে ৭০ টি আসনে জয়লাভ করেছে। বিরোধীদের মহাগটবন্ধন এগিয়ে রয়েছে ১১৪ টি আসনে। অন্যান্যরা এগিয়ে রয়েছে ৭ টি আসনে। জানা গিয়েছে , এখনও পর্যন্ত ৫০ শতাংশ ভোট গণনা হয়েছে। যে আসনগুলিতে এখন গণনা চলছে , তার মধ্যে ২৫ টি এমন আছে , যার ব্যবধান মাত্র ১০০০ ভোট। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে , করোনা পরিস্থিতিগত কারণে ভোট গণনা শেষ হতে রাত গড়িয়ে যাবে। আরও পড়ুন ঃ মধ্যপ্রদেশ বিধানসভা উপনির্বাচনে কংগ্রেসকে পিছনে ফেলে এগিয়ে বিজেপি এদিকে বিজেপির স্বপক্ষে ফল আসতেই বিজেপি কর্মী- সমর্থকরা বাজি , পটকা ফাটাতে শুরু করে দেন। অন্যদিকে সকাল থেকে বিরোধী শিবিরে উচ্ছাস দেখা গেলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা ম্রিয়মান হয়ে যায়। অন্যদিকে , বিহার নির্বাচনে এনডিএ জিততে চলেছে , সেই আভাস পেয়ে বিকেলে দিল্লিতে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃ্ত্ব জরুরি বৈঠকে বসেন।

নভেম্বর ১০, ২০২০
রাজ্য

দলের মহিলা কর্মীকে কুপ্রস্তাব, তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে এফআইআর

ফের বিতর্কে হলদিয়ায় শাসক দলের নেতা তথা প্রাক্তন চেয়ারম্যান দেবপ্রসাদ মণ্ডল। হলদিয়া শহরে শুভেন্দু অধিকারীর বিরোধী গোষ্ঠীর এই নেতাকে শহর তৃণমূলের সহ সভাপতি পদে বসানো হয়েছে। খারাপ ইমেজের এমন একজনকে রাজ্য নেতৃত্ব পদ দেওয়ায় অসন্তোষ বাড়ছিল তৃণমূলের অন্দরে। পদে বসেই নিজের জাত চেনালেন দেবু মণ্ডল। হলদিয়ার এই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে অশালীন ইঙ্গিত এবং কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ তুললেন দলেরই এক মহিলা কর্মী! সদ্য হলদিয়া টাউন ব্লক তৃণমূলের সহ সভাপতি, হলদিয়া পুরসভার বর্তমান ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও প্রাক্তন চেয়ারম্যান দেবপ্রসাদ মণ্ডলের বিরুদ্ধে অশালীন ইঙ্গিত ও কুপ্রস্তাব দেওয়ার প্রমাণ-সহ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তৃণমূলের মহিলা কর্মী চান্দ্রেয়ী বিশ্বাস। চান্দ্রেয়ী বিশ্বাস গত ২০১২ সালে হলদিয়া পুরসভা নির্বাচনে তৃণমুলের টিকিটে প্রার্থীও হয়েছিলেন। সেই চান্দ্রেয়ীদেবী দলেরই নেতা দেবপ্রসাদ মণ্ডলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলায় অস্বস্তিতে পড়েছে তৃণমূল। তাঁকে লাগাতার হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ ও ভিডিও কল যে দেবপ্রসাদ মণ্ডল করতেন তার স্ক্রিনশট-সহ হলদিয়া থানার পুলিশের কাছে অভিযোগ জানান চান্দ্রেয়ীদেবী। শুভেন্দু-বিরোধী এই নেতার বিরুদ্ধে পুলিশ পদক্ষেপ করে কিনা সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল। অভিযুক্ত নেতা অভিযোগ অস্বীকার করলেও তার সপক্ষে কিছু জানাতে পারেননি। তৃণমূল নেতা, কর্মীরা পদাধিকারীর এমন কাণ্ড শীর্ষ নেতাদের নজরে আনতে চাইছে। যদিও রাজ্যজুড়ে পিকের টিমের রিপোর্টের ভিত্তিতে গঠিত কমিটি নিয়ে যা চলছে তাতে আদৌ কিছু হবে কিনা তা নিয়ে সন্দিহান। বিজেপি গোটা বিষয়টি গ্যালারিতে বসে আপাতত উপভোগ করছে।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
রাজনীতি

দার্জিলিং পুরসভার ১৭ কাউন্সিলর বিজেপি ছেড়ে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চায়

২০২১-এ তৃণমূলকে ফের ক্ষমতায় আনতে তাঁরাও যে মন-প্রাণ দিয়ে লড়াই করবেন, তা স্পষ্ট করে দিলেন বিমল গুরুং । বৃহস্পতিবার কলকাতায় তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন , বিজেপি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা পূরণ করেনি। ১৭ বছর ধরে ওদের সঙ্গে রয়েছি আমরা। গোর্খাল্যান্ড ইস্যুতে স্থায়ী সমাধানের জন্য কিছুই করেনি বিজেপি। তাই আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সমর্থন করব। ওঁনাকে আমাদের দাবি-দাওয়া জানিয়েছি। আমি নিশ্চিত উনি আমাদের দাবি পূরণ করবে। আমি চেয়ারে বসার জন্য রাজনীতি করি না। আমি আগামীকে আরও সুন্দর করে সাজিয়ে তোলার জন্য রাজনীতি করি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেতাতে যা করতে হবে আমরা তাই করব। বিজেপিকে চরম শিক্ষা দেব। আরও পড়ুন ঃ রাজ্য নেতৃত্বকে বিধানসভা নির্বাচনে ২০০ টি আসন জয়ের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিলেন অমিত শাহ এদিন দার্জিলিং পুরসভার ১৭ জন কাউন্সিলর বিজেপি ছেড়ে ফিরলেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চায়। তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন বিমল গুরুং। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে ছিলেন দলের সাধারণ সম্পাদক রোশন গিরিও। এদিন দার্জিলিং পুরসভার কাউন্সিলররা জানান, বিজেপি তাদের কথা রাখেনি। যে আশায় তাঁরা বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন, তার কিছুই হয়নি। তাই এদিন তাঁরা বিজেপি ছেড়ে আবার গোর্খা জনমুক্তি মোর্চায় ফিরলেন। এদিন বিনয় তামাংকে নিয়ে প্রশ্ন বিব্রত হন গুরুং। সাফ জানিয়ে দেন, বিনয় তামাংকে নিয়ে তিনি এখানে কিছু বলতে আসেননি। বিনয় তামাং কী বলছেন সেটা তাঁর ব্যাপার। উনি কী বললেন সেটা নিয়ে ভাবছি না।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
কলকাতা

কালীপুজোর মণ্ডপেও নো-এন্ট্রিঃ হাইকোর্ট

কালীপুজোর মণ্ডপেও দুর্গাপুজোর মতো নো-এন্ট্রি থাকবে বলে জানিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। পাশাপাশি গোটা নভেম্বর মাসজুড়ে বাজি কেনাবেচার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বিচারপতি সঞ্জীব বন্দোপাধায় ডিভিশন বেঞ্চ। ফলে কালীপুজোর পাশাপাশি ছট, জগদ্ধাত্রী পুজোতেও ফাটানো যাবে না বাজি। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ, ৩০০ বর্গমিটারের মণ্ডপে ৫ মিটার দূরে নো এন্ট্রি বোর্ড থাকবে। আরও পড়ুন ঃ আলু-পেঁয়াজের দামের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের হাতেঃ মমতা একসঙ্গে ১০ জন ঢুকতে পারবে এই আয়তনের মণ্ডপে ৷ মণ্ডপ থেকে ৫ মিটার দূরত্বে থাকবেন ঢাকি ৷ অন্যদিকে ৩০০ বর্গমিটারের থেকে বড় মণ্ডপে একসঙ্গে ৪৫ জন ঢুকতে পারবে । জগদ্ধাত্রী ও কার্তিক পুজোর ক্ষেত্রেও একই নির্দেশ বহাল থাকবে। এইসঙ্গে অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধিকে মান্যতা দিতে হবে। পাশাপাশি বিচারপতিরা জানিয়েছেন , কালীঘাট, দক্ষিণেশ্বর , তারাপীঠ, কল্যাণেশ্বরী মন্দিরের ভিড় নিয়ন্ত্রণ করবে পুলিশ। কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করবে, তা ঠিক করবে পুলিশই।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
রাজ্য

মমতা সরকারের মৃত্যুঘণ্টা বেজে গিয়েছেঃ অমিত শাহ

মমতা সরকারের মৃত্যুঘণ্টা বেজে গিয়েছে। দুই তৃতীয়াংশ আসনে ক্ষমতায় আসবে বিজেপি। এভাবেই বৃহস্পতিবার তৃণমূ্লের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ । এদিন তিনি সাড়ে এগারোটা নাগাদ আকাশপথে বাঁকুড়ায় পৌঁছন । সেখানে তিনি মালদ্যান করেন বিরসা মুণ্ডার মূর্তিতে। এরপর তিনি সাংবাদিকদের বলেন , বিরসা মুণ্ডাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলা সফর শুরু করলাম। গতকাল রাত থেকে বাংলার যে প্রান্তেই ছিলাম সব জায়গায় মানুষের উৎসাহ দেখেছি। বিপুল অভ্যর্থনা পেয়েছি। এটা থেকেই স্পষ্ট, মমতা সরকারের প্রতি ভয়ংকর জন আক্রোশ তৈরি হয়েছে। আর মোদির প্রতি তৈরি হয়েছে আশা আর শ্রদ্ধা। আরও পড়ুন ঃ বর্ধমান থেকে হারিয়ে যাওয়া বালক হাওড়া থেকে উদ্ধার এরপর পুয়াবাগান এলাকা থেকেও রাজ্যের বিরুদ্ধে হুঙ্কার দেন শাহ। বলেন, মমতা সরকারের মৃত্যু ঘণ্টা বেজে গিয়েছে। এদিন রাজ্যবাসীকে উদ্দেশ্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিজেপি সরকার এলে কর্মসংস্থান হবে। বেকার যুবক-যুবতীরা চাকরি পাবে। তাই কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে রাজ্য সরকারকে ছুঁড়ে ফেলুন। বিজেপি ক্ষমতায় এলে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে সোনার বাংলা তৈরি হবে। বাংলায় পরিবর্তন আসন্ন। এদিন অমিত শাহ আরও বলেন , মমতা সরকারের কারণেই কেন্দ্রের একাধিক প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন না প্রান্তিক মানুষেরা। এছাড়াও তিনি বলেন , বাংলার সুরক্ষার সঙ্গে দেশের সুরক্ষা জড়িয়ে রয়েছে। আপনাদের সকলের কাছে আর্জি, বিজেপিকে একটা সুযোগ দিন। আগামী দিনে সোনার বাংলা গড়ব আমরা।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
রাজ্য

বর্ধমান থেকে হারিয়ে যাওয়া বালক হাওড়া থেকে উদ্ধার

কয়েকদিন আগে ঠাকুমার সঙ্গে রাস্তায় বেরিয়েছিল ৯ বছর বয়সী এক বালক। বর্ধমান থেকে হারিয়ে যায় বালকটি। নাম সোমনাথ বিশ্বাস। সে বর্ধমানের গোপালপুরের বাসিন্দা। দমদমের একটি আবাসিক স্কুলে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। মঙ্গলবার রাতে তাকে হাওড়ার বালি এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করে নিশ্চিন্দা থানার হাতে তুলে দেওয়া হয়। জানা গিয়েছে , এদিন ২ নং জাতীয় সড়কের বামুনডাঙা থেকে তাকে উদ্ধার করে ট্রাফিক পুলিশ কর্মীরা। আরও পড়ুন ঃ চম্পাহাটির বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ , এলাকায় আতঙ্ক জানা গিয়েছে , লকডাউনের সময় থেকে সোমনাথ বর্ধমানে ঠাকুমার কাছে রয়েছে। এক ব্যক্তি সাইকেলে তাকে বর্ধমান থেকে হাওড়ায় নিয়ে এসেছে বলে সে পুলিশকে জানিয়েছে। রাস্তায় পুলিশ দেখে ওই ব্যক্তি সোমনাথকে জাতীয় সড়কের উপর নামিয়ে চম্পট দেয়। এরপর ওই বালককে উদ্ধার করেন কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশের কর্মীরা। জানা গেছে, ওই বালকের বাবা-মা নেই। তাই সে ঠাকুমার কাছেই থাকে। লকডাউনে স্কুল থেকে বর্ধমানে ঠাকুমার কাছে চলে এসেছে। কয়েকদিন আগে ঠাকুমার সঙ্গে রাস্তায় বেরিয়ে হারিয়ে যায় সোমনাথ। তার দাবি, এরপরে এক কাকু তাকে বাড়ি পৌঁছনোর নাম করে এক সাইকেল আরোহীর হাতে তুলে দিয়েছেন। তার মাধ্যমেই এদিন সে বালিতে পৌঁছায়। কিন্তু বামুনডাঙাতে পুলিশ দেখে চম্পট দেয় ওই ব্যক্তি। এরপর তাকে উদ্ধার করে ট্রাফিক পুলিশ কর্মীরা। এরপরে নিশ্চিন্দা থানার পুলিশের হাতে সোমনাথকে তুলে দেওয়া হয়।

নভেম্বর ০৪, ২০২০
কলকাতা

৬ নভেম্বর কলকাতায় অমিত শাহঃ দিলীপ

আগামী ৫ ও ৬ নভেম্বর কলকাতায় আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আমাদের হিসেব অনুযায়ী ৫ টা জোনের মধ্যে একটা জোনের বৈঠক হয়ে গেছে। রাঢ়বঙ্গ ও মেদিনীপুর জোনের বৈঠক ৫ তারিখ বাঁকুড়া জেলায় হবে। বাঁকুড়াতে রবীন্দ্র ভবনে অথবা সপ্তর্ষি হোটেলে এই সভা হবে। ৬ তারিখ নবদ্বীপ ও কলকাতা জোনের বৈঠক কলকাতায় হবে। কলকাতার ইজেডসিসিতে এই বৈঠক হবে। আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে এই বৈঠক হবে। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংস্থাগুলির সঙ্গে বৈঠক করবেন। শনিবার ছিল বিজেপির সাংগঠনিক সভা। সেই সভা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দলের আগামীদিনের কর্মসূচি বিস্তারিত জানান বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ( সংগঠন) শিবপ্রকাশ , জাতীয় সম্পাদক অরবিন্দ মেনন সহ আরও অনেকে। আরও পড়ুন ঃ নিম্নচাপের জের , বিকেলে কলকাতায় হালকা বৃষ্টিপাত এদিন তিনি আরও বলেন , মল্লারপুরের ওই নাবালক যদি তৃণমূলেরই হয় , তাহলে তাকে মারার অধিকার পুলিশের আছে নাকি ? ওখানে তো মরে গেলে সব টিএমসি হয়ে যায়। কার দলের মারা গেছে তা গৌণ। সে তো নাবালক ছিল , কোনও দলের সদস্যই সে ছিল না। তাকে তুলে নিয়ে এসে পুলিশ লক আপে মেরে ফেলা হল। সেটা নিয়ে আবার রাজনীতি খোঁজা হচ্ছে। তার মৃত্যুটা নিঃসন্দেহে খুব মর্মান্তিক। এটা আইনশৃঙ্খলাহীনতা।পুলিশ যে কি নির্মম হয়ে গেছে , কেবল রাজনৈ্তিক দলের কথা বলছে।তারপর তার পরিবারকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে বলানো হচ্ছে, আমরা টিএমসি করি। তাতে কি সাতখুন মাফ হয়ে গেল ? প্রশাসনের উদ্দেশে এমনই প্রশ্ন তোলে্ন তিনি। বিমল গুরুং প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক নেই , উনি ঘোষণা করেছেন। আমরা কাউকে তাড়াইনি। এবার তাদের ওখানে জমি দখলের লড়াই হচ্ছে। সেটা ওনারা বুঝে নেবেন।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
উৎসব

কবিগুরুর "দুঃসময়" কবিতাকে আশ্রয় করেই সেজে উঠেছে চেতলা অগ্রণীর মণ্ডপ

কলকাতার মেগাপুজোগুলোর অন্যতম চেতলা অগ্রণী। এই পুজো মন্ত্রী ববি হাকিমের পুজো হিসেবে বেশি পরিচিত। প্রত্যেক বছরই লক্ষ লক্ষ মানুষের পদার্পণ হয় এই মণ্ডপে। এবার পরিস্থিতিটা একটু অন্যরকম। হাইকোর্টের নির্দেশে মণ্ডপের ভিতরে দর্শকদের প্রবেশাধিকার নেই। তাই এখানকার পুজো কমিটির সঙ্গে যু্ক্ত সকলেরই মন খারাপ। প্রসঙ্গত, গত ১২ অক্টোবর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখানকার দুর্গাপ্রতিমার চক্ষুদান করেছেন। চক্ষুদান করার পর, ১৯ তারিখ থেকেই খুলে দেওয়া হয় এই মণ্ডপ। আরও পড়ুনঃ ভারতচক্রের পুজোয় এবার মহামারীর অন্ধকার কাটিয়ে আলোয় জেগে ওঠার কাহিনি গত বছর তাদের থিম ছিল কলিকাতা চলিয়াছে নড়িতে নড়িতে। আঠাশতম বর্ষেও তাঁদের মণ্ডপভাবনায় রবীন্দ্রনাথের কবিতা। কবিগুরুর দুঃসময় কবিতাকে আশ্রয় করেই সেজে উঠেছে এবারের মণ্ডপ। অতিমারী ও ঘূর্ণিঝড় বিধ্বস্ত বঙ্গে এই কবিতাটি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক বলেই মনে করছেন শিল্পী। বাঁশ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে বিরাট একটা পাখি। মহাশূন্যে ডানা মেলে উড়ছে সে। প্রদীপ হাতে অভয় দিচ্ছেন ভয়ঙ্করী চামুণ্ডারূপিণী মা দুর্গা। কঠিন সময় কাটিয়ে আশার প্রতীক ওই বিরাট ডানামেলা পাখিটি, যাকে উদ্দেশ্য করে ধ্বনিত হয় লক্ষ মানুষের মানুষের বেঁচে থাকার আর্তি ---এখনই অন্ধ, বন্ধ কোরো না পাখা।

অক্টোবর ২২, ২০২০
কলকাতা

ছাড়লেন এনডিএ , একুশে তৃণমূলের সঙ্গে জোট বেঁধে ভোট ময়দানে বিমল গুরুং

এনডিএ ছাড়ছেন তিনি। একুশের ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তথা তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বেঁধে লড়বে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। হঠাৎ বুধবার কলকাতায় এক অভিজাত হোটেলে বসে সাংবাদিক বৈঠক করে এই মন্তব্য করেন গোর্খা নেতা বিমল গুরুং। তিনি বলেন, ১২ বছর ধরে লোকসভা ভোটে বিজেপি প্রার্থীকে সমর্থন করছি। কিন্তু আমরা কী পেয়েছি? প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ সকলেই আশ্বাস দিয়েছিলেন গোর্খাল্যান্ডের দাবির স্থায়ী সমাধানের ব্যাপারে। ভোট ইস্তেহারেও সে কথা লিখেছিলেন। কিন্তু গত ৬ বছরে কিছুই তো হয়নি। প্রধানমন্ত্রী বা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করলে শুধু বলেন, দেখছি, হবে। তুলনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো বরং ভাল। উনি আমাদের কথা শুনেছিলেন। তার পর কেন্দ্রের কাছে সুপারিশ পাঠিয়েছিলেন। সাংবাদিক বৈঠকে এর পরেই গুরুং বলেন, আমি কেন্দ্রে জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট তথা এনডিএ-র শরিক। কিন্তু আজ এই মুহূর্ত থেকে এনডিএ ছাড়ছি। সেই সঙ্গে এই অঙ্গীকার করছি যে একুশের বিধানসভা ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তথা তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে জোট গড়ে ভোট লড়ব। সেই সঙ্গে গোর্খাল্যাণ্ডের স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধানের চেষ্টা করব। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে গুরুং বলেন , এখনও তৃণমূলের কারও সঙ্গে আমার আলোচনা হয়নি। গুরুংয়ের সঙ্গে এদিন সাংবাদিক বৈঠকে রোশন গিরি উপস্থিত ছিলেন। গুরুং আরও বলেন, আমি রাজনৈতিক কর্মী। কোনও অন্যায় করিনি। এর পরেও যদিব পুলিশ আমাকে গ্রেফতার করে তা হলে জেলে যেতে রাজি। সেখানে বসেই কাজ করব। আরও পড়ুনঃ পুলিশের প্রশংসা করে টুইট রাজ্যপালের প্রসঙ্গত , এদিন বিকেল পৌনে পাঁচটা নাগাদ সল্টলেকের গোর্খা ভবনের সামনে হাজির হয় গো্র্খা জনমুক্তি মোর্চার পলাতক এই নেতার গাড়ি। তবে এদিন গোর্খা ভবনের গেট বিমলের জন্য খোলেনি। এক পুলিশকর্মী গোর্খা ভবনের গেট খোলার চেষ্টা করলেও সফল হননি। এসময় বিমলের কাছে জানতে চাওয়া হয়, তাঁকে তো পুলিশ খুঁজছে। তাহলে তিনি কিভাবে কলকাতায় এলেন? জবাবে এই গোর্খা নেতা বলেন, যা বলার তিনি গোর্খা ভবনের ভিতরে বলবেন। তবে শেষ পর্যন্ত গোর্খা ভবনের ভিতরে যেতে পারেননি তিনি। গেট না খোলায় শেষ পর্যন্ত গাড়ি ঘুরিয়ে অন্যদিকে চলে যান তিনি। দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকার পর এদিন তিনি প্রকাশ্যে এলেন। শো্না যাচ্ছিল , পুজো্র সময় তিনি কলকাতায় আসতে পারেন। সেই জল্পনাকে সত্যি করে এদিন তিনি কলকাতায় এলেন। প্রসঙ্গত , পাহাড়ে অশান্তি ছড়ানো, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট, সাব-ইনস্পেক্টর অমিতাভ মালিক খুনে অভিযুক্ত বিমল গুরুংয়ের বিরুদ্ধে পুলিশের খাতায় একাধিক অভিযোগ রয়েছে। ইউএপিএ আইনের ধারাও রুজু রয়েছে তাঁর নামে। এবছরের মার্চে দিল্লিতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডার ছেলের বিয়ের আসরে দেখা গিয়েছিল গুরুং এবং গিরিকে। তখনই বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে গুরুংয়ের যোগসাজশের জল্পনা বাড়ে। কিছুদিন আগে গোর্খাল্যান্ড নিয়ে আলোচনার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক মোর্চা, রাজ্য সরকারকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। কয়েকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল, নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে পারেন বিমল গুরুং ও রোশন গিরি। অবশেষে এদিন তিনি সামনে এলেন।

অক্টোবর ২১, ২০২০
কলকাতা

বাংলায় সব পুজো মণ্ডপ দর্শকশূন্য রাখতে হবে , রায় হাইকোর্টের

বাংলায় সব পুজো মণ্ডপ দর্শকশূন্য রাখতে হবে। প্রতিটি পুজো মণ্ডপ কন্টেইনমেন্ট জোন বলে গণ্য হবে। করোনা আবহে ঐতিহাসিক রায় দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ছোট মণ্ডপ হলে তার ৫ মিটারের মধ্যে এবং বড় মণ্ডপ হলে তার ১০ মিটারের মধ্যে কোনও দর্শনার্থী প্রবেশ করতে পারবে না। রাজ্যের সব পুজো মণ্ডপকে কনটেইনমেন্ট জোন হিসাবে ঘোষণা করতে হবে। হাইকোর্টের বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ সোমবার এই রায় দিয়েছেন। নির্দেশ কতটা মানা হল পুজোর পর সেই রিপোর্ট রাজ্য পুলিশের ডিজিকে জমা দেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের। উল্লেখ্য , এদিন সকালেই মামলার প্রথম পর্যায়ের শুনানির পর্যবেক্ষণে হাই কোর্ট জানিয়েছিল, পুজোর সঙ্গে বাঙালির আবেগ জড়িত। তাই মণ্ডপে দর্শনার্থীদের প্রবেশাধিকার থাকলে সেখানে জড়ো হবেনই উৎসবপ্রেমীরা। এছাড়া ইতিমধ্যে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এবং প্রচারিত ছবি দেখেই ভিড় কতটা হতে পারে, সে সম্পর্কে সম্যক ধারণা করা যাচ্ছে। রাজ্য সরকারের তরফে পুজোয় ভিড় সামাল দেওয়ার জন্য ৩০ হাজার পুলিশের কথা বলা হয়েছে। তবে তা ভিড় সামাল দেওয়ার জন্য যথেষ্ট নয়। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে আদালত আরও জানিয়েছিল, সেক্ষেত্রে পুজো মণ্ডপগুলিকে কনটেনমেন্ট জোন করে দেওয়া হোক। এছাড়াও মণ্ডপে দর্শনার্থীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হোক। মণ্ডপগুলিতে শুধুমাত্র পুজো উদ্যোক্তাদের ঢোকার বন্দোবস্ত থাক। তবে সেক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের কাছে সংশ্লিষ্ট ক্লাব কর্তৃপক্ষকে তাঁদের সদস্যদের তালিকা জমা দিতে হবে। আরও পড়ুনঃ অমিত শাহ সম্পর্কে এ কি বললেন অভিষেক ! তারা পরিস্কারভাবে বলে দিয়েছেন, মণ্ডপের শেষ প্রান্ত থেকে ফিতে মেপে ওই বলয় তৈরি করতে হবে। কোনও বড় মণ্ডপের বাইরে কোনও গেট তৈরি হলে সেটাকেই মণ্ডপের শেষ প্রান্ত বলে বিবেচনা করতে হবে। হাইকোর্টের বিচারপতিরা আরও বলেছেন, আদালত যে রায় দিল তা বড় বড় করে লিখে প্রতিটি পুজো মণ্ডপের বাইরে ঝোলাতে হবে। এছাড়াও প্রতিটি মণ্ডপের বাইরে নো এন্ট্রি বোর্ড ঝুলিয়ে রাখতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। প্যান্ডেলের মধ্যে ২৫ জনের বেশি পুজো কমিটির লোক ঢুকতে পারবে না। সেই তালিকা রোজ বদল করা যাবে না। এই তালিকাও মণ্ডপের বাইরে ঝুলিয়ে রাখতে হবে। দর্শকশূন্য রেখে পুজো পরিচালনার ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করবে পুলিশপ্রশাসনকে। প্রসঙ্গত, করোনা পরিস্থিতিতে পুজো হোক , কিন্তু উৎসব নয়। এই দাবি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা করেন বিদ্যুৎ দপ্তরের প্রাক্তন কর্মী অজয়কুমার দে। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব এবং মুখ্যসচিবকে ভিড় নিয়ন্ত্রণের ব্লু প্রিন্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট। তবে সোমবার রাজ্যের তরফে কোনও ব্লু প্রিন্ট জমা দেওয়া হয়নি। এই মামলার অন্যতম আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য রায় ঘোষণার পরে বলেছেন, যে হেতু বহু মানুষ কোথাও একসঙ্গে জড়ো হলে ভাইরাসের সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি, তাই আদালত এই রায় দিয়েছে। কারণ, যত কম সংখ্যক মানুষ পুজো দেখতে বেরোবে ততই সবার জন্য মঙ্গল। সন্দেহ নেই এই রায় ঐতিহাসিক।

অক্টোবর ১৯, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে বড় বিস্ফোরণ! ক্ষোভে ফেটে পড়ে সরাসরি ফিফাকে কাঠগড়ায় তুলল ইরান

বিশ্বকাপে টানা তিনটি ম্যাচ ড্র করার পর অনিশ্চয়তার মুখে দাঁড়িয়ে ইরান। মাঠের ফলাফলের পাশাপাশি এবার ফিফার বিরুদ্ধেও একাধিক অভিযোগ তুলেছে দলটি। অধিনায়ক মেহদি তারেমি এবং কোচ আমির ঘালেনোইর দাবি, আয়োজনের বিভিন্ন সমস্যার কারণে শুরু থেকেই ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে তাঁদের। সেই পরিস্থিতির প্রভাব দলের পারফরম্যান্সেও পড়েছে বলে অভিযোগ।গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে মিশরের বিরুদ্ধে এক-এক গোলে ড্র করার পর ড্রেসিংরুমে একটি আবেগঘন বার্তা লিখে রেখে যায় ইরান দল। সেই বার্তায় তারা জানায়, তাদের কাছে ফুটবল শুধু জয়-পরাজয়ের খেলা নয়, সম্মান এবং চরিত্রেরও পরীক্ষা। বার্তায় আরও বলা হয়, পয়েন্ট জেতা সম্ভব, কিন্তু সম্মান অর্জন করা যায় না। স্বচ্ছতা ও মর্যাদা নিয়েই ইতিহাসের সামনে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে চায় তারা। পাশাপাশি সিয়াটলের আতিথেয়তা এবং সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতাও জানানো হয়।এটি বিশ্বকাপে দ্বিতীয়বার ড্রেসিংরুমে বার্তা রেখে যাওয়ার ঘটনা। এর আগেও নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচের পর একই ধরনের বার্তা লিখেছিল ইরান দল।ম্যাচ শেষে অধিনায়ক মেহদি তারেমি বলেন, এই বিশ্বকাপ তাঁদের কাছে অত্যন্ত হতাশাজনক অভিজ্ঞতা। তাঁর অভিযোগ, শুরু থেকেই বিভিন্ন সমস্যার কথা জানানো হলেও ফিফার পক্ষ থেকে কোনও কার্যকর সমাধান করা হয়নি। এমনকি ফিফার সভাপতি প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে পরিস্থিতির কোনও পরিবর্তন হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।ইরানের অভিযোগ, দলের বেশ কয়েক জন গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক কর্মী ভিসা না পাওয়ায় প্রতিযোগিতার সময় দলের সঙ্গে থাকতে পারেননি। এর ফলে ফুটবলারদের যাতায়াত, অনুশীলন এবং শারীরিক পুনরুদ্ধারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিতে সমস্যা তৈরি হয়। তারেমির দাবি, একটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় এমন পরিস্থিতি কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বলেন, যদি কোনও দলকে বিদায় দিতেই হয়, তা মাঠের খেলায় হোক, আয়োজনের সমস্যার কারণে নয়।একই সুরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কোচ আমির ঘালেনোইও। তাঁর অভিযোগ, প্রস্তুতির জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হয়নি। যদি দলকে আরও আগে আয়োজক দেশে পৌঁছতে দেওয়া হত, তাহলে ফুটবলাররা শারীরিক ও মানসিকভাবে অনেক ভালো অবস্থায় থাকতেন। ভবিষ্যতে কোনও দলের সঙ্গে এমন পরিস্থিতি যেন না হয়, সেই আবেদনও জানিয়েছেন তিনি।গ্রুপ পর্ব শেষে ইরানের পরের পর্বে ওঠা এখন অন্য ম্যাচের ফলাফলের উপর নির্ভর করছে। তবে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি ফিফার বিরুদ্ধে তাদের অভিযোগও বিশ্ব ফুটবলে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

জুন ২৭, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ হাসপাতালে ভর্তি বিজেপি বিধায়ক! অস্ত্রোপচারের পর কী জানালেন পাপিয়া অধিকারী?

হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন টালিগঞ্জের বিজেপি বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী। শনিবার তাঁকে বাঙুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী একই দিন তাঁর ডান হাতের একটি আঙুলে অস্ত্রোপচার করা হয়। বিধায়কের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পাতায় হাসপাতালের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে তাঁর শারীরিক অবস্থার খবর জানানো হয়েছে।পাপিয়া অধিকারী জানান, তাঁর ডান হাতের মধ্যমা আঙুলে সংক্রমণ হয়েছিল। সংক্রমণ দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় আঙুল ফুলে যায় এবং তীব্র যন্ত্রণার কারণে হাত নাড়াতেও অসুবিধা হচ্ছিল। চিকিৎসকেরা তাঁকে জানান, দ্রুত অস্ত্রোপচার না করলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারত। সেই কারণেই আর দেরি না করে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রায় চল্লিশ মিনিট ধরে অস্ত্রোপচার চলে।অস্ত্রোপচারের পর নিজের শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়ে পাপিয়া অধিকারী বলেন, তিনি এখন অনেকটাই ভালো আছেন। একই সঙ্গে বাঙুর হাসপাতালের চিকিৎসা পরিষেবারও প্রশংসা করেন তিনি। বিধায়কের কথায়, টালিগঞ্জের বাসিন্দা হওয়ায় এই সরকারি হাসপাতাল তাঁর বাড়ির সবচেয়ে কাছের। এখানকার চিকিৎসক, নার্স এবং হাসপাতালের কর্মীরা অত্যন্ত যত্ন নিয়ে তাঁর চিকিৎসা করেছেন। অস্ত্রোপচার কক্ষের পরিষেবা এবং চিকিৎসা ব্যবস্থাও তাঁর ভালো লেগেছে বলে জানান তিনি।পাপিয়া অধিকারীর অসুস্থতার খবর প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন দলের সহকর্মী এবং অনুগামীরা। আপাতত চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণেই রয়েছেন তিনি। তবে তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলেই জানা গিয়েছে।

জুন ২৭, ২০২৬
দেশ

হঠাৎ কেঁপে উঠল দিল্লি-সহ উত্তর ভারত! আতঙ্কে রাস্তায় মানুষ, কী জানাল ভূকম্প বিশেষজ্ঞরা?

শনিবার সন্ধ্যায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল আফগানিস্তান। সেই কম্পনের প্রভাব অনুভূত হয়েছে দিল্লি, জম্মু-কাশ্মীর-সহ উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকায়। পাশাপাশি পাকিস্তান, চিন, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান, কিরগিজস্তান এবং তুর্কমেনিস্তানেও মাটি কেঁপে ওঠে। হঠাৎ কম্পন অনুভূত হওয়ায় বহু মানুষ আতঙ্কে ঘর ও অফিস ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কোথাও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর মেলেনি।জাতীয় ভূকম্পন কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সন্ধ্যা প্রায় সাতটা চার মিনিটে আফগানিস্তানের হিন্দুকুশ পর্বতাঞ্চলে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ছয় দশমিক দুই। ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল উত্তর-পূর্ব আফগানিস্তানের কালাফগান এলাকার কাছাকাছি, ভূপৃষ্ঠের প্রায় দুইশো পনেরো কিলোমিটার গভীরে। গভীরতা বেশি হওয়ায় কম্পন বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে অনুভূত হয়েছে।দিল্লি, জম্মু-কাশ্মীর এবং উত্তর ভারতের বিভিন্ন এলাকায় কয়েক সেকেন্ড ধরে কম্পন টের পান বাসিন্দারা। অনেকেই নিরাপত্তার জন্য বাড়ি ও অফিস থেকে দ্রুত বাইরে বেরিয়ে আসেন। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও বড় ক্ষয়ক্ষতির খবর জানানো হয়নি।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, একই দিনে পাকিস্তানেও সকালে পাঁচ দশমিক পাঁচ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়েছিল। পরে সন্ধ্যায় আবারও সেখানে কম্পন অনুভূত হয়। এ ছাড়া শনিবার সকালে হিমাচল প্রদেশের চাম্বা এলাকায় তিন দশমিক দুই মাত্রার একটি মৃদু ভূমিকম্প হয়। তবে সেই ঘটনাতেও কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।এক দিনের মধ্যে পরপর একাধিক ভূমিকম্পের ঘটনায় দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার বিভিন্ন দেশে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন এবং পরবর্তী আপডেটের অপেক্ষায় রয়েছেন।

জুন ২৭, ২০২৬
কলকাতা

রিষড়ায় স্ত্রীর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই স্বামীর মর্মান্তিক পরিণতি! সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

হুগলির রিষড়ায় এক গৃহবধূর রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কলকাতার বেলগাছিয়া মেট্রো স্টেশনে এক ব্যক্তির মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, মৃত ব্যক্তি ওই মহিলার স্বামী। এই দুই ঘটনার মধ্যে কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।শনিবার সকালে রিষড়ার তিন নম্বর গভর্নমেন্ট কলোনির একটি ভাড়া বাড়ি থেকে বত্রিশ বছরের মণিকা ওঝার মৃতদেহ উদ্ধার হয়। তাঁর গলায় গভীর আঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনার সময় পাশের বিছানায় ঘুমিয়ে ছিল দম্পতির ছয় বছরের মেয়ে। দীর্ঘ সময় দরজা না খোলায় প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। পরে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকতেই তাঁরা মহিলার নিথর দেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।প্রতিবেশীদের দাবি, শুক্রবার রাতে ওই বাড়ি থেকে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বচসার শব্দ শোনা গিয়েছিল। জানা গিয়েছে, কর্মসূত্রে দিল্লিতে থাকা দীপঙ্কর সরকার কয়েক দিন আগে বাড়ি ফিরেছিলেন। ঘটনার পর থেকে তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। ফলে তদন্তকারীরা তাঁর সন্ধান শুরু করেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান করা হচ্ছে, মহিলার মৃত্যু স্বাভাবিক নয়। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছেন তদন্তকারীরা।এরই মধ্যে শনিবার দুপুরে বেলগাছিয়া মেট্রো স্টেশনে এক ব্যক্তি মেট্রো লাইনে ঝাঁপ দিয়ে মারা যান। পরে তাঁর পরিচয় জানতে গিয়ে পুলিশ নিশ্চিত হয়, তিনি রিষড়ার ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দীপঙ্কর সরকার। এরপর থেকেই দুই ঘটনার যোগসূত্র খতিয়ে দেখা শুরু হয়েছে।তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, পারিবারিক অশান্তি এই ঘটনার নেপথ্যে থাকতে পারে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্ত্রীর সম্পর্ক নিয়ে দীপঙ্করের মনে সন্দেহ ছিল বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে এই তথ্যের স্বাধীনভাবে সত্যতা এখনও নিশ্চিত হয়নি। পুলিশ সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিশেষ করে দম্পতির ছয় বছরের শিশুকন্যার ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রতিবেশীরা। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই ঘটনাকে ঘিরে একাধিক প্রশ্নের উত্তর এখনও অধরাই রয়ে গিয়েছে।

জুন ২৭, ২০২৬
রাজ্য

২০২১ ভোট-পরবর্তী হিংসা মামলায় গ্রেফতার আউশগ্রাম-২ তৃণমূল সভাপতি ও ছেলে, আদালতে মিলল শর্তসাপেক্ষ জামিন

পাঁচ বছর আগে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর সংঘটিত বলে অভিযোগ ওঠা ভোট-পরবর্তী হিংসার মামলায় নতুন মোড়। বিজেপি কর্মীর বাড়ি, দোকানে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট এবং পরিবারের সদস্যদের উপর নির্যাতনের অভিযোগে পূর্ব বর্ধমান জেলার আউশগ্রাম-২ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি শেখ আব্দুল লালন এবং তাঁর পুত্র শেখ আফজল রহমান ওরফে সঞ্জুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে গ্রেফতারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আদালত তাঁদের শর্তসাপেক্ষ জামিন মঞ্জুর করায় আইনি মহলে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার ভোর রাতে কলকাতার গড়ফা থানা এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত বাবা-ছেলেকে গ্রেফতার করে আউশগ্রাম থানার অধীন ছোড়া অনুসন্ধান কেন্দ্রের পুলিশ। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই তাঁরা এলাকা ছেড়ে কলকাতায় আত্মগোপন করে ছিলেন। তাঁদের বাড়ি আউশগ্রাম থানার গেঁড়াই গ্রামে।এই মামলার সূত্রপাত হয় চলতি বছরের ১৯ মে, যখন আউশগ্রাম থানার ভুঁয়েড়া গ্রামের এক বিজেপি কর্মী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়েছে, ২০২১ সালের ৩ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর সকাল প্রায় ১১টা নাগাদ শেখ আব্দুল লালনের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি লাঠি, রডসহ বিভিন্ন অস্ত্র নিয়ে তাঁর বাড়িতে হামলা চালায়। বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়, আসবাবপত্র ও অন্যান্য সামগ্রী নষ্ট করা হয়। পরিবারের মহিলারা বাধা দিতে গেলে তাঁদের সঙ্গে অশালীন আচরণ ও শ্লীলতাহানির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।শুধু বাড়িই নয়, অভিযোগকারীর বাড়ির পাশেই থাকা কাপড়ের দোকানেও হামলা চালানো হয় বলে দাবি করা হয়েছে। দোকান ভাঙচুরের পাশাপাশি প্রায় সাত লক্ষ টাকার মালপত্র লুট করে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার পর প্রাণভয়ে দীর্ঘদিন এলাকা ছেড়ে থাকতে বাধ্য হন অভিযোগকারী। তাঁর আরও দাবি, পরবর্তী সময়েও অভিযুক্তরা এলাকায় সন্ত্রাসের পরিবেশ বজায় রেখেছিল এবং তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।তদন্তে নেমে পুলিশ ইতিমধ্যেই গত ২৫ মে একই মামলায় ভুঁয়েড়া গ্রামের বাসিন্দা গৌতম আঁকুড়ে নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছিল। তদন্তে উঠে আসা তথ্যের ভিত্তিতে শেখ আব্দুল লালন ও তাঁর ছেলেকে গ্রেফতার করা হয়।পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, শেখ আব্দুল লালনের বিরুদ্ধে ২০২৫ ও ২০২৬ সালে আউশগ্রাম থানায় মোট পাঁচটি পৃথক মামলা নথিভুক্ত রয়েছে। গ্রেফতারের আশঙ্কায় তিনি ও তাঁর ছেলে পূর্ব বর্ধমান জেলা ও দায়রা আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন। তবে বিচারক অভিযোগের গুরুত্ব, ভোট-পরবর্তী হিংসা, বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি লুট এবং এলাকায় সন্ত্রাসের অভিযোগের কথা উল্লেখ করে সেই আবেদন খারিজ করে দেন।শুক্রবার ধৃতদের বর্ধমানের মুখ্য বিচারবিভাগীয় বিচারকের (সিজেএম) আদালতে পেশ করা হয়। তদন্তের স্বার্থে ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানায় তদন্তকারী সংস্থা। অন্যদিকে, ধৃতদের আইনজীবী দাবি করেন, গ্রেফতারের ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের নির্ধারিত নির্দেশিকা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি এবং পূর্বে কোনও নোটিসও দেওয়া হয়নি। সেই যুক্তিতে জামিনের আবেদন করা হয়।উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত পুলিশি হেফাজতের আবেদন খারিজ করে দেয়। একই সঙ্গে সপ্তাহে একদিন তদন্তকারী অফিসারের কাছে হাজিরা, সাক্ষীদের প্রভাবিত না করা এবং মামলার প্রমাণ নষ্ট না করার শর্তে শেখ আব্দুল লালন ও তাঁর পুত্রকে জামিন মঞ্জুর করা হয়।এদিকে, একই দিনে আউশগ্রামের আরও একটি মামলায় শেখ আব্দুল লালনকে গ্রেফতার দেখানোর জন্য আদালতের কাছে আবেদন করেন তদন্তকারী অফিসার। কিন্তু সংশ্লিষ্ট মামলার সম্পূর্ণ নথিপত্র আদালতে উপস্থিত না থাকায় ভারপ্রাপ্ত সিজেএম আবেদনটি গ্রহণ না করে নিয়মিত আদালতে উপস্থাপনের নির্দেশ দেন। ফলে ওই মামলায় তাঁকে গ্রেফতার দেখানো সম্ভব হয়নি এবং জামিনে মুক্তি পান তিনি।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আইনজীবীদের একাংশের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। তাঁদের বক্তব্য, সাম্প্রতিক সময়ে একই ধরনের গুরুতর অপরাধের অভিযোগে বহু ক্ষেত্রে সিজেএম আদালত পুলিশি হেফাজত মঞ্জুর করেছে। তাছাড়া জেলা আদালত ইতিমধ্যেই অভিযুক্তদের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করেছিল। সেই পরিস্থিতিতে পুলিশি হেফাজতের আবেদন নাকচ করে জামিন মঞ্জুর হওয়ায় বিচারিক সিদ্ধান্ত নিয়ে নানা মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।যদিও আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, মামলার তদন্ত অব্যাহত থাকবে এবং অভিযুক্তদের নির্ধারিত সমস্ত শর্ত মেনে চলতে হবে। তদন্তের অগ্রগতির উপর নির্ভর করেই পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

জুন ২৭, ২০২৬
কলকাতা

তারাতলা কাণ্ডে ফিরহাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, এবার সরাসরি গ্রেফতারির দাবি কুণালের! বেঁধে দিলেন সময়সীমাও

তারাতলায় ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ষোলো। এখনও জোরকদমে উদ্ধারকাজ চলছে। কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল এবং এর জন্য কার গাফিলতি দায়ী, তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি। এই ঘটনার জেরে কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। ইতিমধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। আর সেই আবহেই ফিরহাদ হাকিমকে নিয়ে সরব হলেন বিধায়ক কুণাল ঘোষ।এর আগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছিলেন, তারাতলার সংশ্লিষ্ট বহনের নির্মাণ পরিকল্পনার অনুমোদনের নথিতে ফিরহাদ হাকিমের স্বাক্ষর রয়েছে। সেই প্রসঙ্গ টেনে কুণাল ঘোষ প্রশ্ন তোলেন, যদি তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তি থাকে, তাহলে এখনও কেন তাঁকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না।কুণাল ঘোষ বলেন, মুখ্যমন্ত্রী নিজেই নথি দেখিয়ে ফিরহাদ হাকিমের স্বাক্ষরের কথা বলেছিলেন। তাই যদি তিনি সত্যিই দোষী হন, তাহলে আইন অনুযায়ী তাঁকে গ্রেফতার করা উচিত। তিনি দাবি করেন, শনিবার বিকেল পাঁচটার মধ্যেই এই পদক্ষেপ করা হোক। পাশাপাশি তিনি বলেন, ওই দিন বিকেলে একটি রাজনৈতিক বৈঠক রয়েছে। সেখানে যদি ফিরহাদ হাকিম কাউন্সিলরদের নিয়ে উপস্থিত হন, তাহলে ধরে নিতে হবে তাঁকে গ্রেফতার করার কোনও সদিচ্ছা নেই।তিনি আরও দাবি করেন, যদি ফিরহাদ হাকিমকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হয়, তাহলে তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। অন্যদিকে, যদি তাঁর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তাহলে বোঝা যাবে সরকার সত্যিই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছে।এদিকে বিজেপির পক্ষ থেকে কুণাল ঘোষের এই মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করা হয়েছে। দলের দাবি, কোনও রাজনৈতিক নেতার পক্ষে গ্রেফতারের সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার অধিকার নেই।শনিবার সকালে তারাতলা বিপর্যয়ের ঘটনায় প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম, কাউন্সিলর আনোয়ার খান এবং কাউন্সিলর সামস ইকবালের বিরুদ্ধে তারাতলা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ভারতীয় জনতা মজদুর সেলের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ২৭, ২০২৬
রাজ্য

‘স্যাটা ভাঙা মার’ মন্তব্যেই বিপদ! হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ, নতুন বিতর্কে তোলপাড়

আম জনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের বিতর্কিত মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। স্যাটা ভাঙা মার মন্তব্যের জেরে শনিবার সন্ধ্যায় বহরমপুর থানায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বিজেপি যুব মোর্চা এবং সামাজিক সংগঠন রাম সীতা সেবা মন্দিরের যৌথ উদ্যোগে এই অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, একজন জনপ্রতিনিধির মুখে এমন মন্তব্য সমাজে উত্তেজনা ছড়াতে পারে এবং আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতির উপর প্রভাব ফেলতে পারে।শুক্রবার রেজিনগরে একটি জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, বিজেপি সরকার গঠন করেছে, তাতে তাঁর কোনও আপত্তি নেই। তবে তাঁর অভিযোগ, মুর্শিদাবাদে পরাজিত হওয়ার পরেও কয়েক জন বিজেপি নেতা অযথা দাপট দেখাচ্ছেন। এরপরই তিনি বলেন, যদি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যায়, তাহলে তিনি মুসলিমদের একজোট করে স্যাটা ভাঙা মার দেবেন। এমনকি তিনি আরও দাবি করেন, সেদিন তিনি মুখ্যমন্ত্রী বা পুলিশ সুপারের কথাও ভাববেন না। এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়।হুমায়ুন কবির অতীতেও একাধিক বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য শিরোনামে উঠে এসেছেন। তৃণমূল কংগ্রেসে থাকার সময় তাঁর একাধিক মন্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে সমালোচনা হয়েছিল। পরে বিতর্কের জেরে তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। এরপর তিনি আম জনতা উন্নয়ন পার্টি গঠন করে বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নওদা এবং রেজিনগর দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হন তিনি। পরে রেজিনগর আসনটি ছেড়ে দেন তাঁর ছেলের জন্য।এবারের বিতর্কিত মন্তব্যের পর বিজেপি যুব মোর্চা এবং অভিযোগকারী সংগঠনগুলির দাবি, একজন বিধায়কের এমন বক্তব্য কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাই তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়ে বহরমপুর থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে ফের রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। এখন এই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ কী পদক্ষেপ করে, সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

জুন ২৭, ২০২৬
রাজ্য

যাঁর নামে কাঁপত বারাবনি, আজ কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরাল পুলিশ! সামনে যা হল, তাতে চাঞ্চল্য

একসময় বারাবনির প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন অসিত সিং। সেই অসিত সিংকে শনিবার খালি পায়ে, হাফপ্যান্ট পরা এবং কোমরে দড়ি বাঁধা অবস্থায় পুলিশের পাহারায় দেখে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে গৌরান্ডি এলাকায়। ধৃত নেতাকে সামনে পেতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় মানুষ। শুরু হয় বিক্ষোভ, ওঠে কঠোর শাস্তির দাবি। পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা হয়।শুভেন্দু অধিকারীর নির্বাচনী সভায় হামলার মামলার তদন্তে ধৃত অসিত সিং, তাঁর ভাই বিশ্বজিৎ সিং এবং সহযোগী আকবর আলমকে ঘটনাস্থলে নিয়ে যায় পুলিশ। তদন্তের স্বার্থে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করা হচ্ছিল বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। সেই সময়ই বহু মানুষ সেখানে জড়ো হন। ধৃতদের দেখে বিক্ষোভ শুরু হয়। অনেকে চোর চোর স্লোগান দিতে থাকেন। অভিযোগ, ধৃতদের লক্ষ্য করে চটি ছোড়া হয়। উত্তেজিত কয়েক জন পুলিশের নিরাপত্তা বলয় ভেঙে ধৃতদের মারার চেষ্টাও করেন। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই তদন্তের কাজ শেষ করে।এই মামলার সূত্রপাত দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময়। অভিযোগ, গৌরান্ডিতে শুভেন্দু অধিকারীর নির্বাচনী সভা ভণ্ডুল করতে হামলা চালানো হয়েছিল। সেই ঘটনায় তাঁর গাড়ি ভাঙচুর, বিজেপি কর্মীদের মারধর এবং মোটরবাইকে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। ঘটনার পর গোটা এলাকা রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল। সেই মামলার তদন্তেই এদিন ধৃতদের ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ঝাড়খণ্ড সীমান্তের ডুবুরডিহি চেকপোস্ট থেকে অসিত সিং এবং তাঁর ভাই বিশ্বজিৎ সিংকে গ্রেফতার করা হয়। একই সময় ঝাড়খণ্ডের জামশেদপুর থেকে ধরা হয় আকবর আলমকে। এর আগে অসিত সিংয়ের আর এক ভাই পিন্টু সিংও গ্রেফতার হয়েছিলেন। ফলে এই মামলায় অভিযুক্ত মূল চক্রের প্রায় সকলেই এখন পুলিশের হেফাজতে।স্থানীয়দের একাংশের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বারাবনি এলাকায় অসিত সিং এবং তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে দাদাগিরি, অত্যাচার ও নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ছিল। অতীতেও বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে হামলার ঘটনায় তাঁর নাম উঠে এসেছে। এক সময় তাঁর প্রভাব এতটাই ছিল যে, বারাবনি থানার মধ্যেই জন্মদিন পালন নিয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সেই ঘটনার জেরে তৎকালীন থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিককেও শাস্তির মুখে পড়তে হয়।এবার একসময়ের সেই প্রভাবশালী নেতাকে পুলিশের হেফাজতে দেখে অনেকেই স্বস্তির কথা জানিয়েছেন। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে মামলার আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আনার চেষ্টা চলছে।

জুন ২৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal