• ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩, বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Movie

দেশ

স্বাধীনতা শুধু একটি দিন নয়, বারবার ফিরে আসে—জয়ের পতাকায়, গৌরবের মুহূর্তে

স্বাধীনতাশব্দটি উচ্চারণ করলেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে ১৫ই আগস্ট ১৯৪৭-এর সেই ঐতিহাসিক সকাল। দীর্ঘ পরাধীনতার অন্ধকার পেরিয়ে ভারতবর্ষ সেদিন পেয়েছিল নিজের আকাশ, নিজের পতাকা, নিজের পরিচয়। কিন্তু স্বাধীনতা কি কেবল একটি তারিখ? কেবল একটি দিনের উদ্যাপন? কেবল লালকেল্লার প্রাচীর থেকে ভেসে আসা ভাষণ, জাতীয় পতাকার উত্তোলন আর জাতীয় সঙ্গীতের গর্বিত সুর?না।স্বাধীনতা আসলে ফিরে ফিরে আসে।কখনও তা আসে একটি ক্রিকেট মাঠে, কখনও অলিম্পিকের ট্র্যাকের ওপর, কখনও হকির সবুজ ঘাসে, কখনও কোনও বিজ্ঞানীর গবেষণাগারে, কোনও শিল্পীর সৃষ্টিতে, কোনও সুরকারের সুরে। কখনও আবার আসে এমন এক ভারতীয়ের চোখের জলে, যে নিজের দেশের পতাকাকে বিশ্বের মঞ্চে উঠতে দেখে বুকের ভিতর অদৃশ্য এক ঢেউ অনুভব করে।১৯৮৩ সাল। লর্ডসের ঐতিহাসিক মাঠে ভারতীয় ক্রিকেটের সামনে তখন দাঁড়িয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কপিল দেবের নেতৃত্বে একদল তরুণ ভারতীয় ক্রিকেটার অসম্ভবকে সম্ভব করে তুলেছিলেন। বিশ্বকাপের ট্রফি হাতে তোলা সেই মুহূর্তটি শুধু একটি ক্রিকেট ম্যাচের জয় ছিল না। তা ছিল আত্মবিশ্বাসের বিস্ফোরণ। সেদিন যেন ভারত বুঝেছিলআমরাও পারি। বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে আমরাও নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের গল্প লিখতে পারি। ১৯৪৭-এ যে জাতি রাজনৈতিক স্বাধীনতা পেয়েছিল, ১৯৮৩-তে তার আত্মবিশ্বাস যেন আরও একবার স্বাধীনতার স্বাদ পেল।তারও বহু আগে, ১৯২৮ সালে অলিম্পিকের হকিতে ভারত প্রথম সোনা জিতেছিল। ধ্যানচাঁদের জাদুকাঠিতে ভারতীয় হকি তখন বিশ্বকে দেখিয়েছিল এক অন্যরকম শিল্প। পরপর বহু অলিম্পিকের মঞ্চে ভারতীয় হকি দলের সাফল্য দেশের ক্রীড়া-পরিচয়ের এক উজ্জ্বল অধ্যায় হয়ে উঠেছিল। তেরঙ্গা যখন বিদেশের মাটিতে উঠত, তখন মনে হতোএই তো স্বাধীনতা! বন্দুকের গর্জন নয়, স্টিক আর বলের নিখুঁত নিয়ন্ত্রণেও একটি জাতি তার অস্তিত্বের ঘোষণা করতে পারে।তারপর আসে অ্যাথলেটিক্সের দীর্ঘ প্রতীক্ষা। ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে ভারতের অলিম্পিক সাফল্যের ইতিহাসে নীরজ চোপড়ার সোনার পদক এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে। টোকিও অলিম্পিকের সেই রাতএকজন ভারতীয় যখন জ্যাভলিন ছুড়ে ইতিহাসের পাতায় নিজের নাম লিখলেন, তখন কোটি কোটি ভারতীয়ের ঘরে ঘরে যেন আবার স্বাধীনতার পতাকা উড়ল। মাঠে একজন, কিন্তু গর্বে ছিল ১৪০ কোটিরও বেশি হৃদয়।ভারতীয় অ্যাথলেটিক্সের আর এক অমর নাম পি. টি. উষা। আশির দশকে এশিয়ান গেমসের ট্র্যাকে তাঁর দৌড় ভারতীয় মেয়েদের স্বপ্ন দেখার সাহস দিয়েছিল। ১৯৮৬ সালের সিওল এশিয়ান গেমসে ১০০ মিটার ও ২০০ মিটার-সহ একাধিক পদক জিতে তিনি প্রমাণ করেছিলেনভারতের মেয়েরাও বিশ্বের দ্রুততম ট্র্যাকের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারে। তাঁর পায়ের শব্দ শুধু একটি দৌড়ের শব্দ ছিল না; তা ছিল সামাজিক বাধা, সংশয় আর প্রচলিত ধারণার বিরুদ্ধে এক তরুণীর স্বাধীনতার ঘোষণা।এরপর এল ক্রিকেটের আর একটি নতুন অধ্যায়। ২০০৭ এ প্রথম টি-২০ বিশ্বকাপ। মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে তরুণ ভারতীয় দল যখন ট্রফি হাতে তুলল, তখন ক্রিকেটের নতুন প্রজন্মের কাছে স্বাধীনতার স্বাদ যেন আরও একবার নতুন করে ধরা দিল। আর ২০১১ সালে ঘরের মাঠে একদিনের ক্রিকেট বিশ্বকাপ জয়মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়েতে ধোনির সেই ছক্কাআজও ভারতীয় ক্রীড়া-স্মৃতির অন্যতম আবেগঘন ছবি। একজন অধিনায়ক ট্রফি তুলেছিলেন, কিন্তু আসলে যেন কোটি কোটি মানুষ নিজেদের স্বপ্নকে তুলে ধরেছিল।স্বাধীনতার এই গল্প শুধু খেলাধুলায় থেমে নেই।ভারতীয় সংস্কৃতির বিশ্বজয়ের কথাও তো একইভাবে বলতে হয়। সত্যজিৎ রায়ের Pather Panchali কান চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কৃত হয়ে ভারতীয় চলচ্চিত্রকে বিশ্বদরবারে পরিচিত করেছিল। ১৯৯২ এ বিশ্ব চলচ্চিত্রে তাঁর অসামান্য অবদান ও অনন্য সৃজনশীল প্রতিভার স্বীকৃতিস্বরূপ সত্যজিৎ রায়কে সম্মানসূচক অনারারি অস্কার প্রদান করে অ্যাকাডেমি। এই পুরস্কার কোনো একটি নির্দিষ্ট ছবির জন্য নয়, বরং তাঁর সমগ্র চলচ্চিত্র জীবন, শিল্পসত্তা এবং বিশ্বসিনেমায় তাঁর গভীর ও স্থায়ী প্রভাবের প্রতি শ্রদ্ধার নিদর্শন। অসুস্থ সত্যজিতের বিছানায় শুয়ে অস্কার হাতে নিয়ে যে বক্তব্য দেন তা আজও আপামোর চলচিত্রপ্রেমীর কানে বাজে। পরে ২০০৯ সালে এ. আর. রহমান Slumdog Millionaire চলচ্চিত্রের জন্য দুটি অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড জিতে বিশ্বমঞ্চে ভারতীয় সুরের এক অনন্য পরিচয় তৈরি করেন। অস্কারের মঞ্চে তাঁর সুরের প্রতিধ্বনি যখন বিশ্ব শুনেছিল, তখন সেটিও ছিল এক ধরনের স্বাধীনতানিজের মাটির সুরকে পৃথিবীর কান পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার স্বাধীনতা।বিজ্ঞানেও এমন অসংখ্য মুহূর্ত এসেছে। মহাকাশে ভারতের সাফল্য, চন্দ্রযান-৩-এর চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে সফল অবতরণ, মঙ্গলযানের অসাধারণ অভিযানপ্রতিটি সাফল্যের মধ্যেই যেন লুকিয়ে থাকে সেই একই অনুভূতি। একসময় যে দেশ নিজের মানুষের খাদ্য ও অর্থনীতির চিন্তায় সংগ্রাম করছিল, সেই দেশই একদিন মহাকাশের অজানা প্রান্তে নিজের পতাকা পৌঁছে দেয়। এই অগ্রযাত্রাও স্বাধীনতারই আর এক ভাষা।কারণ স্বাধীনতা মানে শুধু পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে ফেলা নয়। স্বাধীনতা মানে নিজের সম্ভাবনাকে চিনতে শেখা।স্বাধীনতা মানেআমি পারব বলার সাহস।স্বাধীনতা মানেব্যর্থতার পরেও আবার উঠে দাঁড়ানো।স্বাধীনতা মানেবিশ্বের চোখে চোখ রেখে নিজের পরিচয় ঘোষণা করা।তাই ১৫ই আগস্ট এলেই আমরা শুধু ১৯৪৭-এর কথা স্মরণ করব কেন? আমরা মনে করব সেই সব দিনকে, যেদিন ভারত নতুন করে জিতেছিল। কোনও খেলোয়াড়ের হাতে যখন পদক উঠেছে, কোনও বিজ্ঞানীর অভিযানে যখন ভারতীয় পতাকা মহাকাশ ছুঁয়েছে, কোনও শিল্পীর সৃষ্টিতে যখন ভারত বিশ্বকে মুগ্ধ করেছে, কোনও তরুণ-তরুণী যখন অসম্ভবকে সম্ভব করেছেসেই প্রতিটি মুহূর্তে স্বাধীনতা নতুন করে জন্ম নিয়েছে।স্বাধীনতার বয়স আজ ৭৯ বছর। কিন্তু স্বাধীনতা বৃদ্ধ হয়নি। বরং প্রতিটি নতুন প্রজন্মের স্বপ্নে তার বয়স কমে আসে। কোনও শিশুর হাতে ক্রিকেট ব্যাটে, কোনও কিশোরীর দৌড়ের জুতোয়, কোনও তরুণ বিজ্ঞানীর গবেষণাগারে, কোনও শিল্পীর তুলিতে, কোনও সুরকারের যন্ত্রেস্বাধীনতা প্রতিদিন নতুন হয়ে ওঠে।১৫ই আগস্ট তাই শুধু অতীতের স্মৃতির দিন নয়। এটি ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখার দিনও।যে তেরঙ্গা ১৯৪৭ সালে পরাধীনতার আকাশে স্বাধীনতার বার্তা নিয়ে উঠেছিল, সেই তেরঙ্গাই আজও ওঠেলর্ডসের মাঠে, অলিম্পিকের মঞ্চে, বিশ্বকাপের আসরে, অস্কারের মঞ্চে, মহাকাশযানের অভিযানে, কিংবা কোনও অচেনা ভারতীয়ের ছোট্ট সাফল্যের মুহূর্তে।সেখানেই স্বাধীনতার আসল সৌন্দর্য।স্বাধীনতা একবার অর্জন করা কোনও স্মারক নয়স্বাধীনতা এমন এক অনুভূতি, যা প্রতিটি প্রজন্ম নিজের সাফল্য দিয়ে নতুন করে অর্জন করে।তাই ১৫ই আগস্ট শুধু একটি দিন নয়।স্বাধীনতা বারবার ফিরে আসে।জয়ের পতাকায়, অশ্রুসিক্ত চোখে, করতালির শব্দে, স্বপ্নপূরণের হাসিতেআর কোটি কোটি ভারতীয়ের বুকের ভিতর নিঃশব্দে উচ্চারিত একটি শব্দেভারত।

আগস্ট ১৫, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

WBFJA-র মঞ্চে সেরার শিরোপা ‘মায়ানগর’-এর, শ্রীলেখা'র শক্তিশালী অভিনয়ে উজ্জ্বল সমকালীন বাংলা ছবি

সমকালীন বাংলা সিনেমার জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি। ওয়েস্ট বেঙ্গল ফিল্ম জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন (WBFJA)-র ২০২৫ সালের পুরস্কার মঞ্চে সেরা চলচ্চিত্রের সম্মান জিতে নিল মায়ানগর (Once Upon a Time in Calcutta)। ২০২৬ সালের শুরুতে অনুষ্ঠিত এই পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে ছবিটি বর্ষসেরা ছবি, সেরা পরিচালক ও শ্রেষ্ট স্ক্রিনপ্লে সহ একাধিক বিভাগে সাফল্য অর্জন করে কার্যত নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে।২০২১ সালে নির্মিত আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্ত পরিচালিত এই বাংলা ভাষার ভারতীয়-ফরাসি-নরওয়েজিয়ান চলচ্চিত্রটি উইশবেরি ফিল্মস প্রযোজিত, ফর ফিল্মস, ক্যাথেরিন ডুসার্ট প্রোডাকশনস ও ডিইউওফিল্ম এএস-এর সহযোগিতায় তৈরি। এটি সেনগুপ্তের তৃতীয় পূর্ণদৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র, যা প্রথমেই আন্তর্জাতিক মঞ্চে নজর কাড়ে। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে ৭৮তম ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ছবিটির বিশ্ব প্রিমিয়ার হয়, যা বাংলা ছবির ইতিহাসে এক উল্লেখযোগ্য সংযোজন।মায়ানগর আসলে শুধুই একটি গল্প নয়এটি কলকাতার পরিবর্তনশীল শহুরে বাস্তবতার এক গভীর, সংবেদনশীল দলিল। ২০১৫ সাল থেকে নির্মাণাধীন এই ছবিটি কান চলচ্চিত্র উৎসবের লআতেলিয়ে সিনেফন্ডেশন, সিএনসি, সরফন্ড এবং এনএফডিসি ফিল্ম বাজারের সমর্থন পেয়েছিল। পরিচালক আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্তের মতে, কলকাতার সায়েন্স সিটির বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ডাইনোসরের মূর্তি ও পাশেই দ্রুতগতিতে তৈরি হতে থাকা ফ্লাইওভারের দৃশ্য থেকেই ছবিটির ভাবনার জন্ম। অতীতের নিদর্শন ও বর্তমানের উন্নয়নের মধ্যকার এই বৈসাদৃশ্যই মায়ানগর-এর আত্মা।এই ছবির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন শ্রীলেখা মিত্র। তাঁর অভিনীত প্রধান চরিত্রটি মায়ানগর-কে শুধু গল্পের স্তরে নয়, আবেগের স্তরেও এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। জীবনের চাপে ক্ষতবিক্ষত এক নারীর লড়াই, আত্মসম্মান রক্ষা ও টিকে থাকার সংগ্রামসবকিছু শ্রীলেখা মিত্র তুলে ধরেছেন অসামান্য সংযম ও গভীরতায়। তাঁর অভিনয়ে নেই অতিনাটকীয়তা; বরং নীরবতা, দৃষ্টিভঙ্গি ও শরীরী ভাষাই হয়ে উঠেছে সবচেয়ে বড় শক্তি।ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ক্যালকাটা নিউইয়র্ক-এ ভারতীয় আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন, আলিয়া ভাটদের সাথে নমিনেট হয়ে তিনিই একমাত্র বাঙালি অভিনেত্রী হিসেবে সেরা অভিনেত্রী পুরস্কার পেয়েছেন। দীর্ঘ অভিনয় জীবনে নানা ধরনের চরিত্রে দর্শককে মুগ্ধ করা শ্রীলেখা মিত্রের কেরিয়ারে মায়ানগর নিঃসন্দেহে এক উল্লেখযোগ্য সংযোজন বলে মনে করছেন সমালোচকরা।ছবিতে তাঁর সঙ্গে অভিনয় করেছেন অরিন্দম ঘোষ, ব্রাত্য বসু, সত্রাজিৎ সরকার, অনির্বাণ চক্রবর্তী, রিকিতা নন্দিনী শিমু ও নবাগত শায়ক রায়। ব্রাত্য বসু তাঁর অভিনয়ের জন্য সেরা পার্শ্ব অভিনেতা (পুরুষ) বিভাগে পুরস্কৃত হন। পাশাপাশি ছবিটি সেরা চিত্রনাট্য ও সেরা সম্পাদনা বিভাগেও পুরস্কার জেতে এবং আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্ত সেরা পরিচালকের জন্য মনোনীত হন।সব মিলিয়ে, WBFJA-র সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার জিতে মায়ানগর প্রমাণ করলআন্তর্জাতিক ভাষায় কথা বলা সংবেদনশীল গল্প ও শক্তিশালী অভিনয় আজও বাংলা সিনেমার অন্যতম বড় শক্তি। আর সেই শক্তির অন্যতম মুখ হয়ে উঠেছেন শ্রীলেখা মিত্র, যাঁর অভিনয় মায়ানগর-কে সময়ের ঊর্ধ্বে এক শিল্পমূল্য দিয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
রাজনীতি

একদল কার্যকর্তা নিয়ে ওড়িশা গেলেন দিলীপ ঘোষ, কি জন্য ছুটলেন সেখানে.......

এখনও বঙ্গ বিজেপির কাছে ব্রাত্য দিলীপ ঘোষ। অন্য দলে যোগ না দিলেও বিজেপির কোনও কার্যক্রমেই দেখা মিলছে না বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতির। দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে দূরত্ব কমার কোনও লক্ষণ এখনও পর্যন্ত দেখা যায়নি। এরইমধ্যে একদল দলীয় কার্যকর্তা নিয়ে ওড়িশা গেলেন দিলীপ ঘোষ। কিন্তু কেন ছুটলেন ওড়িশা?The Bengal Files এরাজ্যে কোনও প্রেক্ষাগৃহেই রিলিজ হয়নি। দেশের অন্যত্র এই বিতর্কিত সিনেমা মুক্তি পেয়েছে। এবার পাশের বিজেপি শাসিত রাজ্য ওড়িশায় বেঙ্গল ফাইলস দেখতে গিয়েছেন প্রাক্তন বঙ্গ বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি একা নন, তাঁর সঙ্গে গিয়েছেন বিজেপির ৫৫ জন কার্যকর্তা। বৃহস্পতিবার এরা দলবল মিলে খড়গপুর থেকে ট্রেনে চেপেছেন। উদ্দেশ্য ওড়িশায় গিয়ে বেঙ্গল ফাইলস সিনেমা দেখা। বেঙ্গল ফাইল সিনেমার সার্বিক বিরোধিতা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এমনকী সিনেমার মুখ্য চরিত্র গোপাল মুখোপাধ্যায়ের পরিবারও সিনেমাটির বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন। ঘটনা বিকৃত করার অভিযোগে পরিচালকের বিরুদ্ধে এফআইআর পর্যন্ত করেছেন তাঁর নাতি শান্তনু মুখোপাধ্যায়। ১৯৪৬ সালের আগস্ট মাসে কলকাতার হিংসাত্মক পরিস্থিতি ও সেই সঙ্গে গোপাল মুখার্জি (গোপাল পাঠা)-র ভূমিকা রয়েছে এই হিন্দি ছবিতে। ছবিটির পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী। এরাজ্যে ব্যান করা না হলেও তৃণমূল কংগ্রেসের বিরোধিতার জন্য় বাংলার কোথাও এই সিনেমা মুক্তি পায়নি। এমনকী The Bengal Files ট্রেলার লঞ্চেও কলকাতায় তুমুল গন্ডগোল হয়েছিল। এরাজ্যে মুক্তি না পাওয়ায় বেঙ্গল ফাইলস দেখতে ওড়িশায় গেলেন প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ।ওড়িশা যাওয়ার পথে দিলীপ ঘোষ বলেছেন, সারা ভারতে রিলিজ হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ সরকার এখানে The Bengal Files রিলিজ হতে দেয়নি। রাজ্য সরকারের যে স্বৈরাচারী নীতি নিয়েছে তার প্রতিবাদে আমরা বালেশ্বর যাচ্ছি বেঙ্গল ফাইলস সিনেমাটি দেখার জন্য। তাঁর দাবি, রাজ্য সরকার সত্যকে ভয় পায়। বাঙালির সঙ্গে স্বাধীনতার আগে ও পরে কী হয়েছে, এখনও কী চলছে মানুষ যাতে সেটা জানতে না পারে তাই বেঙ্গল ফাইলস রিলিজ করতে দেওয়া হচ্ছে না।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

'সূর্য-র' তেজ কি 'সিন্ডিকেট' রাজ-এ কোনও ছায়া ফেলতে পারবে?

বর্তমানে সিন্ডিকেট নাম টার সাথে সবাই কম বেশি পরিচিত। দিনে দিনে এই সিন্ডিকেটের দাদাগিরি বেড়েই চলেছে। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষেরা একটু একটু করে অর্থ সঞ্চয় করে অথবা ধার-দেনা করে নিজের আশ্রয়ের জন্য বাড়ি হোক বা ব্যাবসার জন্য কোনো নির্মান কার্য শুরু গেলেই হাজির হয়ে যায় সিন্ডিকেটের দাদাগিরি । এই ধরনের ঘটনার অভিযোগ বহুবার বহু জায়গায় লক্ষ্য করা গেছে। এদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার সাহস সাধারণ মানুষের হয় ওঠেনা, তার একটাই কারণ বলে তাঁদের ধারণা এরা ক্ষমতাশালী। তবে সেই সাহসিকতার পরিচয় দেখিয়েছেন পরিচালক সূর্য। বর্তমান সমাজের এরকমই একটা বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে সিন্ডিকেট শর্টফিল্ম এর মাধ্যমে। ছবিটি পরিচালনার পাশাপাশি চিত্রনাট্য ও সংলাপও লিখেছেন সূর্য। এই ছবির টাইটেল গানের প্লেব্যাক করেছেন শপ্তর্ষি গাঙ্গুলী (সিআর) আর গানটির মিউজিক কম্পোজিশনের দায়িত্বে ছিলেন সুমিত মজুমদার (হায়ঘাত)। ছবিটি আগামী ২৩ শে আগস্ট তাঁদের ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পাচ্ছে। এই ছবির মুখ্য চরিত্র দেখা যাবে সৌনক দাস কে যিনি আদতেই একজন সিনেমাটোগ্রাফার। তবে এই ছবির পরিচালক সূর্য জনতার কথা কে জানায় আমি কখনো নাম দেখে অভিনেতা নির্বাচন করি না। যাকে আমার গল্পের জন্য একবারে উপযুক্ত মনে হয় তাকে দিয়েই অভিনয় করাই আর সে একেবারে নতুন হলেও তার জন্য সব রকম চ্যালেঞ্জ নিতে আমি সর্বদা প্রস্তুত। তবে সৌনক নিজেও এই ছবির জন্য নিজেকে যথেষ্ট সময় দিয়ে বহুদিন ধরে সিন্ডিকেট গল্পের শিবু চরিত্র হয়ে ওঠার জন্য সব রকম প্রস্তুতি নিয়েছেন। এই ছবিতে অভিনয় করেছেন অশান্ত ব্যানার্জীর মতো অভিজ্ঞ অভিনেতার পাশাপাশি অঞ্জন মাঝি, অভ্রজিৎ নাথ, নিবেদিতা মাঝি, দিপ চ্যাটার্জী, ইন্দ্রজিৎ মন্ডল, স্বরূপ দাস, মধুমঙ্গল বৈদ্যর মতো এক ঝাঁক নতুন অভিনেতা। ছবিতে চিত্রগ্রাহকের দায়িত্ব ছিলেন আকাশ মুখার্জী।ছবির পরিচালক সূর্য জনতার কথা কে জানায়, তাঁদের আগের শর্টফিল্ম ফুডব্লগএখনো পর্যন্ত ছবিটি ১৩ টা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল এ অংশগ্রহণ করে ১২ টা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল থেকেই সেরা বাংলা ছবি, সেরা গল্প, সেরা পরিচালক ইত্যাদি বিভাগে পুরস্কৃত হয়েছে। তিনি বলেন, তবে সব থেকে বড়ো ব্যাপার হলো এই ছবিটা দুর্গাপুর ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল থেকে সিলেক্ট হয়ে নন্দন সিনেমা হলে প্রদর্শন হয়েছে। যা সিন্ডিকেট কলাকুশলীদের কাছে শ্রেষ্ঠ সন্মান। সিন্ডিকেট ছবি প্রসঙ্গে পরিচালক সূর্য জানান আমার পরিচিতদের সাথেই বাড়ি বানানো কে কেন্দ্র করে এমন ঘটনা ঘটেছে সেটাই আমি সামাজিক মাধ্যমে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। আমি সর্বদা এমন ছবি তৈরি করতে পছন্দ করি যা এক সামাজিক বার্তা প্রদান করে। সমাজকে শিক্ষা দেয়। আমি ছবির মাধ্যমে সমাজের অন্ধকার দিক গুলো তুলে ধরার চেষ্টা করি। আশা করি এই ছবিটির মাধ্যমেও আমরা সমাজকে এক সচেতনমূলক বার্তা দিতে পারবো।

আগস্ট ১৬, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

'ফুড ব্লগ'! সস্তা জনপ্রিয়তার আড়ালে ভাইরাল 'অন্ধকার'

মুঠোফোন ধরে সামাজিক মাধ্যমে খানিক নাড়াচাড়া করতেই একের পর এক খাবারের দোকানের ভিডিও আসতে থাকে। প্লাস্টিকের চালা, একেবারেই অস্বাস্থকর পরিবেশ কিন্তু মানুষ লাইন দিয়ে খাবার খাচ্ছে। আবার সেই খাবার খেয়ে ক্যামেরার সামনে প্রস্বস্থি সূচক মন্তব্যও করে যাচ্ছেন। বর্তমানে সামাজিক মাধ্যমের দাপট এতটায় যে, কেউ নতুন উদ্যোগ নিলে উদ্বোধনের দিন প্রথমেই যাঁদের কথা তাঁদের মনে করেন তাঁরা হলেন ফুড ব্লগার। সামাজিক মাধ্যম খুললেই আমরা বিভিন্ন ধরনের ফুড ব্লগারদের কে দেখতে পাই। তাঁদের মধ্যে বেশকিছু ফুড ব্লগার আছেন যাঁদের ফুড ব্লগিংয়ের মাধ্যমে বহু সাধারণমানের খাবার স্টল রাতারাতি সেলিব্রিটি হয়ে গেছেন। আমরা কলকাতার নন্দিনীর ভাতের হোটেল দেখেছি, শিয়ালদার রাজুর পরটা, মোবাইল পরটা, বর্ধমানে মুনমুন দির পোলাও চিলি চিকেন ছাড়াও অনেক ভাইরাল ফুড ব্লগ দেখেছি, এরা প্রত্যেকেই সাধারণ থেকে খুব কম সময়ে অতি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। আবার অন্যদিকে বেশকিছু ফুড ব্লগার আছেন যাঁরা রীতিমত ফুড ব্লগিংয়ের নামে এক কথায় নোংরামি চালায় বলে অভিযোগ। আর এদের কারণেই প্রায় সময়েই বিক্রেতাদের নানা সমালোচনার মুখে পড়তে হয়।চিত্র পরিচালক সূর্য বলেন, এই সমস্ত ফুড ব্লগারদের অযৌক্তিক সব প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে কোন বিক্রেতা হয়ে ওঠে খুব জনপ্রিয় আবার কেও হয় সমালোচনার শিকার। তাঁদের জীবন ও জীবিকা দুটোই দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। আর এই সমস্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে একটি স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবি - ফুড ব্লগ। ছবিটির পরিচালনা করেছেন সূর্য। যেটি মুক্তি পাচ্ছে আগামী ২৮ শে জুন SD Entertainment youtube চ্যানেলে। এই ছবির মুখ্য চরিত্র দেখা যাবে অভিনেতা অনুপম মুখার্জিকে। যিনি থিয়েটারের পাশাপাশি বিভিন্ন মেগা সিরিয়ালে নিয়মিত অভিনয় করে চলেছেন।এ ছাড়াও এই ছবিতে অভিনয় করেছেন পুষ্পিতা বক্সী, রাজা মুখার্জি, সুদিপ চক্রবর্তী, অনিরুদ্ধ দাসগুপ্ত, আকাশ ব্যানার্জি সহ আরো এক ঝাঁক নতুন অভিনেতা। ছবিতে চিত্রগ্রাহকের দায়িত্ব ছিলেন সৌনক দাস ও অভ্রজিৎ নাথ।এখনো পর্যন্ত ফুডব্লগ ছবিটি ৯ টা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল এ অংশগ্রহণ করে ৬ টা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল থেকে সেরা বাংলা ছবি, সেরা গল্প, সেরা পরিচালক বিভাগে পুরস্কৃত হয়েছে। যার মধ্যে বাংলাদেশ ও নেপাল আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অন্যতম।ফুড ব্লগ ছবিটি প্রসঙ্গে পরিচালক সূর্য জানান আমি সর্বদা এমন ছবি তৈরি করতে পছন্দ করি যা এক সামাজিক বার্তা প্রদান করে। আশা করি এই ছবিটির মাধ্যমেও আমরা সমাজকে এক শিক্ষামূলক বার্তা দিতে পারবো।

জুন ২৮, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

প্রয়াত কিংবদন্তি চিত্র পরিচালক ! টানা ডায়ালাইসিস করিয়েও বাচানো গেলনা

প্রয়াত কিংবদন্তি পরিচালক শ্যাম বেনেগাল (Shyam Benegal) প্রয়াত। ৯০ বছরেই থামল পরিচালকের জীবন। অনেকদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন তিনি। বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ৩৯ মিনিটে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। গত ১৪ ডিসেম্বর ৯০ বছরের জন্মদিন পালন করেন পরিচালক। ৭০ ও ৮০-র দশকে ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতকে তিনি উপহার দিয়েছেন একের পর এক সিনেমা। মন্থন, অংকুর, ভূমিকা, জুনুন, মান্ডি, নিশান্ত-সহ বহু সিনেমা পরিচালনা করেছেন তিনি।সদা ব্যস্ত এই কিংবদন্তি পরিচালক (Shyam Benegal) গত বছর মুজিব: দ্য মেকিং অফ নেশন নামক একটি সিনেমা পরিচালনা করে ছিলেন। যেখানে ভারত এবং বাংলাদেশের একাধিক অভিনেতারা অভিনয় করেছিলেন। সপ্তাহে তিনবার ডায়ালাইসিস করার জন্য হাসপাতালে যেতে হত পরিচালককে। একাধিক শারীরিক সমস্যা থাকলেও কাজই ছিল তাঁর ধ্যানজ্ঞান।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২৪
বিনোদুনিয়া

পায়েল চৌধুরীর ইংরাজি স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবির ট্রেলার মুক্তি পেল

পায়েল চৌধুরীর চিত্রনাট্য ও পরিচালনায় জয়দীপ চক্রবর্তী ও সাবিত্রী প্রোডাকশন প্রযোজিত ইংরাজি স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি দ্য ফোনেক্স। জয়দীপ চক্রবর্তীর লেখা এই ছবিতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন জয়দীপ চক্রবর্তী, বোধিসত্ত্ব মজুমদার ও ত্রিপর্ণা বর্ধন। অন্যান্য চরিত্রে রয়েছেন রোশনি, পায়েল, ইন্দ্রজিৎ, সরোজ, সৌমিত ও সুকন্যা। কলকাতা প্রেস ক্লাবে ছবিটির ট্রেলার ও গান মুক্তি পেল। উপস্থিত ছিলেন পায়েল চৌধুরী, জয়দীপ চক্রবর্তী, বোধিসত্ত্ব মজুমদার সহ অন্যান্যরা। কলাকুশলীদের এদিন খোশমেজাজেই দেখা গেল।কলকাতা, তার পাশ্ববর্তী এলাকা ও মন্দারমনিতে শুটিং হয়েছে ছবিটির। সাবিত্রী প্রোডাকশনের ইউটিউব চ্যানেলে ছবিটির টিজার প্রকাশের পর এই ছবির ট্রেলার প্রকাশিত হল।ছবির প্রয়োজক ও অভিনেতা জয়দীপ চক্রবর্তী বর্তমানে আবুধাবির বাসিন্দা। তাই দুবাইতেও এই ছবি মুক্তির পরিকল্পনা নিয়েছেন তিনি।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২৪
রাজ্য

শতাব্দীকে বিজেপি পতাকা দেখিয়ে বিক্ষোভ ক্ষুব্ধ তৃণমূল কর্মীদের

আগে বলেছিলেন ফালতু খবর পরিবেশন করা হচ্ছে। এবার গ্রামবাসীদের ক্ষোভের মুখে পড়ে সাংবাদিকদের অসভ্যতা দেখতে পেলেন বিদায়ী সাংসদ, বীরভূম লোকসভার তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায়। ক্ষোভের মুখে বার বার মেজাজ হারাচ্ছেন তৃণমূলের তারকা প্রার্থী। অনুব্রতহীন এই নির্বাচনে চড়া রোদে প্রচারে বেরিয়ে ক্ষুব্ধ হচ্ছেন বিদায়ী সাংসদ।এর আগে অধিকাংশ নির্বাচনে ভোট বৈতরণী পার করেছেন দলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। অনুব্রত মণ্ডলের কৌশল এবং হুঙ্কারে চওড়া হাসি হেসেছেন তৃণমূল প্রার্থীরা। কিন্তু এবার অনুব্রতহীন ভোটে একাই পরিশ্রম করতে হচ্ছে প্রার্থীদের। ফলে ক্ষোভের মুখে পড়ে বার বার মেজাজ হারাচ্ছেন শতাব্দী রায়। সোমবার সাঁইথিয়ার বাতাসপুর গ্রামে ক্ষোভের মুখে পড়ে সাংবাদিকদের আঙুল উঁচিয়ে বলেছিলেন ফালতু খবর করছেন। এবার রামপুরহাট বিধানসভার রামপুর পঞ্চায়েতের বাটের বাঁধ গ্রামে। এদিন দুপুরে গ্রামে ঢুকলে বিজেপির পতাকা নিয়ে শতাব্দীকে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা পরিস্কার জানিয়ে দেন অনুন্নয়নের কারণেই বিজেপির পতাকা ধরেছেন। গ্রামের বাসিন্দা শেখ মইনুল বলেন, আমরা সবাই তৃণমূল করতাম। কিন্তু ১৫ বছরে আমাদের গ্রামের জন্য শতাব্দী রায় কোন উন্নয়ন করেনি। পানীয় জল, বিদ্যুৎ, রাস্তাঘাটের কোন উন্নয়ন হয়নি। তাই আমরা উনাকে বিজেপির পতাকা দেখিয়ে গ্রামে সম্বর্ধনা জানালাম। আর এখানকার যিনি বিজেপি নেতা রয়েছেন সেই রাজেশ মণ্ডল শুধু ঝামেলা লাগানোর চেষ্টা করে চলেছেন।শেখ সাবের আলি বলেন, আমরা তৃণমূল করে কোন উন্নয়ন পায়নি। শুধু লাথি খেয়েছি। আর একাধিক মামলায় জর্জরিত হয়েছি। সেই মামলা আজ আমাদের চালাতে হচ্ছে। গুনতে হচ্ছে মোটা টাকা। আমরা মসজিদের সামনে একটা বাতিস্তম্ভ এবং জলের ব্যবস্থা করার আবেদন করেছিলাম। কিন্তু কোন লাভ হয়নি।শতাব্দী রায় বলেন, মজার বিষয় হল যারা বিজেপির পতাকা ধরেছিল তাদের অধিকাংশ বাচ্চা। যারা বিজেপি, তৃণমূল বানানটাও লিখতে পারবে না। আলোর যে অভিযোগ করছে সেটা আমার কাছে জানায়নি। জানালে অবশই আলোর ব্যবস্থা করে দিতাম। আর তৃণমূল ছেড়ে বিজেপির পতাকা ধরাটা অনেকটা প্রেমিকের সঙ্গে রাগ করে অন্য মেয়ের সঙ্গে ঘুরে জেলাসি ফিল করানোর মতো। তবে তাতে খুব একটা কাজ করবে না। স্থানীয় নেতারা কর্মীদের গুরুত্ব দেন না, এপ্রসঙ্গে শতাব্দী বলেন, সবাই সম্মান আশা করে। আমার আসার আগে নেতারা কেন গ্রামবাসীদের সঙ্গে বসেনি সেটা বলতে পারব না। যদি না বসে সেটা নেতাদেরভুল হয়েছে।বিজেপি প্রার্থী দেবাশিস ধর বলেন, উন্নয়নের কারণেই মানুষ বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। গ্রামবাসীরা ব্যাঙ্গ করে উন্নয়নের কথা বলেছেন। গ্রামে গ্রামে শুধুই অনুন্নয়নের ছবি। এক কথায় রাজনীতিটা সিনেমা নয়। এখানে পার্ট টাইম জব করলে মানুষের উন্নয়ন করা যায় না। তাই আমি চাকরি ছেড়ে রাজনীতিতে এসেছে। আমরাও অনুন্নয়নের তালিকা তৈরি করছি। জিতলে ওই সমস্ত এলাকা ধরে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উন্নয়ন করব।

এপ্রিল ১৭, ২০২৪
রাজ্য

শতাব্দী রায়ের সভাতে তৃণমূল কর্মী-রাই সরব পরিশ্রুত পানীয় জলের দাবীতে, মিডিয়াকে তোপ বিদায়ী সাংসদের

এবার পরিশ্রুত পানীয় জলের দাবীতে শতাব্দী রায়ের সভাতেই সরব হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের কয়েকজন কর্মী। ঘটনাটি বীরভূমের রামপুরহাট ১ নম্বর ব্লকের খড়বোনা গ্রামে। বৃহস্পতিবার ওই এলাকায় শতাব্দী রায়ের নির্বাচনী কর্মীসভা ছিল। মঞ্চ থেকে শতাব্দী রায় যখন কর্মীদের কাছ থেকে বুথের ভোটের হিসেব নিচ্ছিলেন সেই সময় রদিপুর গ্রামের গোপাল মণ্ডল কর্মী শতাব্দী রায়কে বলেন, কলে যে জল পাওয়া যাচ্ছে, সেই জল খাওয়া যাচ্ছে না। প্রায় এক কিলোমিটার দূর থেকে পানীয় জল নিয়ে আসতে হচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীর এই অভিযোগ ঢাকা দেওয়ায় জন্য ওই এলাকার জহরুল সেখ নামে এক তৃণমূল নেতা বলতে শুরু করেন পরিশ্রুত পানীয় জলের জন্য টাকা বরাদ্দ হয়েছে। ট্রেন্ডার ও হয়েছে কিন্তু ওয়ার্কঅর্ডার না পাওয়ায় কাজ শুরু হচ্ছে না। কর্মীদের এই সরব হওয়ার বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমের ওপরেই তোপ দাগলেন শতাব্দী রায়। তিনি বলেন, এটাই মিডিয়া দেখাবে। দশটা কাজের মধ্যে নটা ভালো বললে মিডিয়া সেটা দেখাবে না। একটা খারাপ বললেই সেটাই দেখাবে।

এপ্রিল ১২, ২০২৪
রাজ্য

"টাকা দাও, ভোট নাও", প্রচারে বেরিয়ে শুনতে হল শতাব্দী রায়কে

টাকার বিনিময়ে ভোট। নেতারা টাকা পাচ্ছে তাই তাঁরাও টাকা চাইছে। বলছেন বীরভূমের মহম্মদ বাজারের মহিলা ভোটাররা।টাকা না দিলে ভোট দেব না। প্রচারে বেরিয়ে গ্রামের প্রবীণ মহিলাদের কাছে এমনই কথা শুনতে হল বীরভূম লোকসভার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শতাব্দী রায়কে। সেই সঙ্গে গ্রামের বাসিন্দারা না পাওয়ার ক্ষোভ উগরে দেন প্রাক্তন সাংসদকে কাছে পেয়ে। শনিবার বীরভূমের মহম্মদবাজার ব্লকের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রচার চালান তৃণমূলের শতাব্দী রায়।এদিন বিক্ষোভের ঘটনা ঘটে লাউতোর গ্রামে। সেখানে তিনবারের প্রাক্তন সাংসদকে কাছে পেয়ে না পাওয়ার ক্ষোভ উগড়ে দেন গ্রামবাসীরা। এরই মধ্যে কয়েকজন মহিলা শতাব্দীকে বলেন টাকা না পেলে ভোট দেব না। কনেজা বিবি বলেন, ভোট দিতে হলে টাকা দিতে হবে। নেতারা ভোটে জিতে নিজেদের পকেট ভরছে। আমরা কিছু পাচ্ছি না। ঘর পায়নি। কোন সাহায্য পায়নি। গ্রামের তেমন কোন উন্নয়ন হয়নি। তাই এবার ভোট নিতে গেলে টাকা দিতে হবে।এই প্রসঙ্গে শতাব্দী রায় বলেন, উনি কত বড় ভোটার জানি না। উনি ভারতের কত গণতন্ত্র বোঝেন, জানি না। এপ্রশ্নের উত্তর আমি দেব না। তবে যারা না পাওয়ার অভিযোগ করছেন সেটা পঞ্চায়েতের কাছে জানতে চাইব।

এপ্রিল ০৬, ২০২৪
বিনোদুনিয়া

বৃষ্টি স্নাত সান্ধ্য বর্ধমানে ক্ষণিকের উষ্ণতা মদনের 'ওহ লাভলি'

বঙ্গ রাজনীতির রঙ্গমঞ্চে এক বর্ণময় চরিত্র মদন মিত্র। শিক্ষা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য হয়ে পুলিস নানা বিষয়ে তাঁর মন্তব্য বিভিন্ন সময় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বর্তমান ট্রেন্ড মিলিয়ে বলতে গেলে মদন মানেই ভাইরাল। এহেন প্রবীণ রঙ্গীন মানুষটি এবার সকলকে চমকে দিয়ে রুপালি পর্দায় হাজির। টালিগঞ্জের খ্যাতানামা পরিচালক হরনাথ চক্রবর্তী পরিচালিত ওহ লাভলি ফিল্মে দেখা যাবে এই পোড়খাওয়া রাজনীতিবিদকে। ২৫ অগাস্ট বাংলার বিভিন্ন হল ও মাল্টিপ্লেক্সে মুক্তি পেতে চলেছে হরনাথ চক্রবর্তীর পরিচালিত ওহ লাভলি।এই ছবির মুখ্য ভূমিকায় দেখা যাবে ঋক চট্টোপাধ্যায়কে। ঋক হলেন যমুনা ঢাকির অনুরাধা অর্থাৎ অভিনেত্রী দেবযানী চট্টোপাধ্যায়ের ছেলে। এই ছবির হাত ধরেই ঋক বড়পর্দায় পা রাখছেন। এছাড়াও এই ছবিতে অভিনয় করতে দেখা যাবে খরাজ মুখোপাধ্যায়, লাবণী সরকার, রাজনন্দিনী পাল, দ্রোণ মুখোপাধ্যায়, কৌশিক ভট্টাচার্য, তপতী মুন্সী, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, মৃন্ময় দাস সহ আরও কয়েকজন নবাগতকে। ওহ লাভলির সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন শুভঙ্কর-শুভম জুটি এবং আবহ সঙ্গীত নির্মাণ করেছেন এসপি ভেঙ্কটেশ।সিনেমাটির অন্যতম প্রধান আকর্ষণ বর্ষীয়াণ তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র। সপ্তাহের প্রথম দিন সোমবার ছবির কলাকুশলীদের নিয়ে তিনি বর্ধমান শহরের প্রাণকেন্দ্র কার্জন গেট (বিজয় তোরণ) প্রাঙ্গণে ছবির প্রচারে উপস্থিত হন। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে নিম্নচাপের কারণে সারাদিন-ই ঝিরঝিরে বৃষ্টির চলছে, বৃষ্টি মাথায় নিয়েই সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ কলাকুশলীদের নিয়ে হাজির হন প্রাক্তন মন্ত্রী-বিধায়ক-প্রবীন রাজনিতীক-গায়ক-অধুনা অভিনেতা মদন মিত্র। বঙ্গ রাজনীতির এই অন্যতম জনপ্রিয় নেতা কালো ধুতি-পাঞ্জাবী পরিহিত হয়ে মঞ্চে উঠতেই বৃষ্টি মাথায় নিয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে উপভোগ করলেন তাঁর সান্নিধ্য। বরাবরই তিনি খুবই সাবলীল ও রসিক বক্তা।মদন মিত্র তাঁর ছোট্ট বক্তব্যের প্রথমেই তাঁর রাজনৈতিক জীবনে এই শহরের কিছু সুন্দর মুহুর্তের কথা তুলে ধরেন। সেই সময়কার কিছু উল্লেখযোগ্য সহকর্মীর নামও বিশেষ করে উল্লেখ করেন তৃণমূল কর্মী শিবশঙ্কর ঘোষ, অরূপ দাস (আইনজীবী, কাউন্সিলার) ও খোকন দাসের (বিধায়ক) নাম। তিনি বলেন, আমি তখন তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ধমান জেলার অবজার্ভার ছিলাম, এমন একটা দিন যায়নি যে সেদিন কার্জন গেট চত্তরে কোনও জমায়েত করিনি, সেই বর্ধমান শহরেই তাঁর জীবনের এক নতুন অধ্যায়ের সুচনাতে অভিনেতা মদন মিত্রকে বেশ পুলকিত মনে হল।ওহ লাভলি সিনেমাটি কেমন? সেই প্রশ্নের উত্তরে তৃণমূল কংগ্রেসের কামারহাটির বিধায়ক বলেন, একেবারে নতুন ছেলেমেয়েরা এই সিনেমায় অভিনয় করছে। টালিগঞ্জের নামজাদা চিত্র পরিচালক হরনাথ চক্রবর্তী এই সিনেমাটির নির্দেশক। তিনি আরও বলেন, পৃথিবীর ইতিহাসে অনেক সিনেমা হয়েছে যেমন ব্যোমকেশ, শার্লক হোমস, চোখের বালি, কিন্তু একটি গানের একটি শব্দ দিয়ে সিনেমা পৃথিবীর ইতিহাসে এই প্রথম। ও লাভলি এই সিনেমাতে হাসি, কান্না, গল্প, গান সব রয়েছে।এই ছবি নিয়ে পরিচালক হরনাথ চক্রবর্তী বলেন, এই ছবিটি সপরিবারে দেখার মতো একটা ছবি। প্রথমবার এই ছবিতে মদন মিত্রকে অভিনয় করতে দেখবেন আপনারা। লাবণী সরকার, খরাজ মুখোপাধ্যায়ের মতো জনপ্রিয় অভিনেতাদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে অভিনয় করেছেন মদন মিত্র। পরিচালক বলেন, আমরা সাদা চোখে যে মদন মিত্রকে দেখতে অভস্ত তাঁর যে ব্যক্তিত্ব, সেই আমেজ বজায় রেখেই এই ছবিতে এক নতুন অবতারে দেখা যাবে তাঁকে। অন্যদিকে, এই ছবি দিয়ে বাংলা ছবির জগতে প্রথমবার পা রাখছেন ঋক। অন্যদিকে রাজনন্দিনীকেও এমন গ্ল্যামারাস অবতারে প্রথমবার পাবেন বাঙালি দর্শক। আশা করি দর্শকের এই ছবি ভাল লাগবে। আগামী ২৫ শে অগাস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলেছে এই ছবি।

আগস্ট ০৮, ২০২৩
নিবন্ধ

কেন‌ সমাজতন্ত্র: অ্যালবার্ট আইনস্টাইন

বিশ্ব জুড়ে এখন আলোচনায় ক্রিস্টোফার নোলান (Christopher Nolan) পরিচালিত সিনেমা ওপেনহাইমার (Oppenheimer)। ভারত ও তার ব্যাতিক্রম নয়। এদেশে মুক্তির প্রথম সাতদিনে ওপেনহাইমারের বক্স অফিস হিসেব ৭৩.১৫ কোটি টাকা। দেশ জুড়ে ১৯২৩ টি স্ক্রিনে মুক্তি পেয়েছে ওপেনহাইমার। শুধু ইংরেজি ভাষায় নয়, হিন্দিতে ও ডাব করে ভারতে দেখানো হচ্ছে এই সিনেমা। পরমাণু বোমার জনক ওপেনহাইমারের সাফল্য ব্যার্থতার পাশাপাশি তাঁর জীবনে নানা ঘাত প্রতিঘাত দক্ষতার সঙ্গে ফুটিয়ে তুলেছেন পরিচালক। সিনেমায় বিভিন্ন দৃশ্যে পরিচালক অ্যালবার্ট আইনস্টাইন কে এনেছেন। আইনস্টাইন এবং ওপেনহাইমার দুজনেই ইহুদী। দুজনে ই পদার্থ বিজ্ঞানী। এছাড়াও নানা ভাবে ওপেনহাইমারের জীবনে এই শ্রেষ্ঠ পদার্থ বিজ্ঞানীর প্রভাব রয়েছে। ১৯৩৩ এ জার্মানিতে হিটলার ক্ষমতায় আসেন। আইনস্টাইন সেই সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ছিলেন। তিনি আর দেশে ফেরেন নি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আবহে হিটলারের জার্মানি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন আইনস্টাইন। তিনি সেই সময়ের মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট (Franklin D Roosevelt) কে সতর্ক করে চিঠি লেখেন। চিঠিতে আইনস্টাইন মার্কিন প্রেসিডেন্ট কে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পরীক্ষা শুরু করা উচিত বলে পরামর্শ দেন। তাঁর এই চিঠি থেকেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পরীক্ষাগার ম্যানহাটন প্রজেক্ট (Manhattan Project) তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়। এই প্রোজেক্টের ডাইরেক্টর (Director) হন ওপেনহাইমার। এছাড়াও আমেরিকার প্রিন্সটনে ইনস্টিটিউট ফর অ্যাডভান্সড স্টাডিজ এ (Institute for Advanced Studies in Princeton) দীর্ঘ দিন কাজ করেন ওপেনহাইমার। সেই সুত্রেও আইনস্টাইনের সঙ্গে তাঁর নিকট সম্পর্ক হয়। আমি অত্যন্ত মুর্খ। তবে বিজ্ঞানী আইনস্টাইন সম্পর্কে লিখতে বসার মতো মুর্খ নই। তাই আমার এই লেখার বিষয় বিজ্ঞানী নয়, সমাজতন্ত্রে বিশ্বাসী আইনস্টাইন।প্রখ্যাত বিজ্ঞানীরা সাধারণত নিজেদের গবেষণা ও আবিষ্কারের বাইরে পা রাখেন না। আইনস্টাইন এই দিক থেকেও উজ্জ্বল ব্যাতিক্রম। অবসর সময়ে শুধু ভায়োলিনের ছড়েই নয় তাঁর সমান মনোযোগ ছিল দেশ দুনিয়ার রাজনীতি, সমাজনীতি, অর্থনীতির দিকেও। তিনি মনে প্রানে ইহুদীদের জন্য পৃথক দেশ চেয়েছিলেন। কিন্তু সেই দেশ আরব বা প্যালেস্তিনীয়দের ধ্বংস করে গড়ে উঠুক তা চান নি। তাই ইসরায়েলের আগ্রাসী পদক্ষেপের তীব্র প্রতিবাদ করে Zionist movement এর নেতাদের তিনি চিঠি লিখেছিলেন। পুঁজির মৃগয়াক্ষেত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাস করেও তাঁর বিশ্ব ভ্রাতৃত্ব ও মানবতা এবং নীতিবোধ যে পুঁজি বাদ নয় সমাজতন্ত্র ই চায় তা প্রকাশ করতে দ্বিধা করেননি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিভৎস ক্ষত তখনও পৃথিবীর বুকে জেগে রয়েছে। সেই অন্ধকার দিনে ১৯৪৯ সালের মে (May) মাসে নিউ ইয়র্কের (New York) Monthly Review পত্রিকায় আইনস্টাইন লিখলেন Why Socialism। নিখাদ পন্ডিত আর পান্ডিত্য কে চেনাতে রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন পাথরের আছে ভার, আলোর আছে দীপ্তি। মহান দ্রষ্টার এই আলোক সংকেত আমাদের শেখায় পান্ডিত্যের সঙ্গে যে বিনয় থাকে তার দীপ্তি হীরের মতো দ্যুতি ছড়ায়। আর পন্ডিতের অহংকার পাথরের মতো ভারী হয়ে সমাজের বুকে চেপে বসে। বিশ্ব কবির এই উচ্চারনই অক্ষর হয়ে ফুটে উঠেছে Why Socialism প্রবন্ধের শুরুতে। আইনস্টাইন লিখেছেন আর্থিক ও সামাজিক বিষয়ে বিশারদ নন, এমন কোনো ব্যক্তির কি সমাজতন্ত্র নিয়ে মত প্রকাশ করা ঠিক? নানা কারণে আমি বিশ্বাস করি হ্যাঁ ঠিক। বিশ্ব শ্রেষ্ঠ এই বিজ্ঞানী যে মানবজাতির সংকট নিয়ে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন ছিলেন তা তাঁর এই প্রবন্ধ পড়লে বোঝা যায়। এই সংকট থেকে পরিত্রাণে তিনি কিন্তু বিজ্ঞানকে বেদিতে বসাননি। প্রবন্ধে তিনি লিখেছেন সমাজতন্ত্রের অভিমুখ সমাজনৈতিকতার দিকে। বিজ্ঞান কোনো লক্ষ্যর জন্ম দিতে পারে না। কোনো লক্ষ্য মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিতেও পারে না। বিজ্ঞান পারে কোন লক্ষ্যে পৌঁছানোর পথ নির্দেশ করতে।সভ্যতার সংকট যে মানুষ কে কতটা হতাশার দিকে নিয়ে গিয়েছিল তা বোঝাতে তিনি লিখেছেন সম্প্রতি এক বুদ্ধিমান বন্ধুর সঙ্গে যুদ্ধের আতঙ্ক নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল। আমি বলেছিলাম আর একটি যুদ্ধ মানুষের অস্তিকেই বিপন্ন করবে। একটি Supranational institution ই এই বিপদ থেকে মানুষ কে উদ্ধার করতে পারে। আমার এই বক্তব্য শুনে বন্ধু শান্ত স্বরে বলেছিলেন, মানবজাতির বিনাশে আপনি বিরোধিতা করছেন কেন? বন্ধুর এই উত্তর এক ব্যাথাদীর্ণ বিচ্ছিন্নতারই প্রকাশ। এর থেকে মানুষের পরিত্রাণের পথ কী?। তবে সমাজ সম্পর্কে শিক্ষিত বুদ্ধিমান মানুষের এই উদাসীনতা তাঁকে ব্যাথিত করেছিল। প্রবন্ধে তিনি লিখেছেন সমাজ ই মানুষকে খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান ও কাজ করার যন্ত্রপাতি যোগায়। তাকে ভাবপ্রকাশের রূপ - ভাষা দেয়। মানুষের ভাবনার বিষয় বস্তুর বেশিরভাগটাই দেয় সমাজ। সমাজ, এই ছোট শব্দটির ভিতরে থাকে অতীত ও বর্তমানের লক্ষ লক্ষ মানুষের শ্রম ও কাজ। তার ফলে মানুষের জীবন যাপন সম্ভব হয়। প্রবন্ধে আইনস্টাইন দ্বিধাহীন ভাবে পুঁজিবাদকে ই কাঠগড়ায় তুলেছেন। তিনি লিখেছেন, আমার মতে পুঁজিবাদী সমাজের অর্থনৈতিক নৈরাজ্যই যত নষ্টের গোড়া। পুঁজিবাদ চালিত পদ্ধতিতে ব্যাক্তিগত সম্পত্তি অল্প কিছু মানুষের হাতে জড়ো হয়। তাই হতাশা নয় সামাজিক শক্তির উপরেই আস্থা রেখে লিখেছেন, যতই বিপদ আসুক না কেন সমাজের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেই মানুষ জীবনের অর্থ খুঁজে পেতে পারে।প্রবন্ধের শেষ দিকে আইনস্টাইন লিখেছেন, আমি স্থির নিশ্চিত এই অনাসৃষ্টি দূর করার একটিই মাত্র পথ আছে, সেই পথ হল সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতির প্রতিষ্ঠা। তার সঙ্গে প্রয়োজন সামাজিক লক্ষ্যের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে চলার মত শিক্ষা ব্যবস্থা। তবে সমাজ তন্ত্রের প্রয়োজনীয়তা বোঝানোর পাশাপাশি সেই ব্যবস্থার বিপদের দিকগুলি ও তিনি চিহ্নিত করেছিলেন। তাই প্রবন্ধে লিখেছেন, একটি পরিকল্পিত অর্থনীতি মানেই সমাজতন্ত্র নয়। পরিকল্পিত অর্থনীতি মানুষ কে গোলাম বানাতেও পারে। সমাজতন্ত্রে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতার কেন্দ্রীভবনের ফলে সর্ব শক্তিমান আমলাতান্ত্রিক ও হয়ে উঠতে পারে। ব্যাক্তির অধিকার কি ভাবে সংরক্ষিত হবে? আমলাতান্ত্রিকতার বিপরীতে গণতান্ত্রিক ক্ষমতা কিভাবে নিশ্চিত করা যাবে? আইনস্টাইনের এই দূরদৃষ্টি আমাদের পরবর্তী কালের সোভিয়েত পতন এবং বর্তমান চীনের সামাজিক পরিস্থিতি মনে করায়।ওপেনহাইমার সিনেমায় আইনস্টাইন বিভিন্ন দৃশ্যে এলেও হলিউড তার ধর্মমতে এই মহা বিজ্ঞানীর সমাজতন্ত্রে আস্থাকে এড়িয়ে গিয়েছেন। এইসময় পৃথিবীর বিভিন্ন গোলার্ধে সমাজতন্ত্রের পতন হলেও তা যে সমাজতন্ত্রের মৃত্যু গাথা নয় সেই বিশ্বাস জাগিয়ে রাখে, আমাদের সামনে দিকচিহ্ন হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে Why Socialism।

আগস্ট ০৪, ২০২৩
রাজ্য

'সিনেমার জন্য দেব হয়েছি, রাজনীতির জন্য নয়,' মিঠুনদার সঙ্গে ফের সিনেমা করবঃ সাংসদ অভিনেতা

নন্দনে জায়গা হয়নি মিঠুন ও দেব অভিনীত সিনেমা প্রজাপতি। তা নিয়ে চরম বিতর্ক শুরু হয়েছে বঙ্গ রাজনীতিতে। মিঠুন বিজেপি নেতা ও দেব তথা দীপক অধিকারী তৃণমূল কংগ্রেসের সাসংদ। বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষের দাবি, মিঠুন চক্রবর্তী বিজেপি করেন বলেই নন্দনে জায়গা পায়নি প্রজাপতি। এদিকে এদিন এক সংবাদ মাধ্যমে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন দেব। এই প্রসঙ্গে দেব বলেছেন, আমার কাছে সিনেমা আগে। রাজনীতির জন্য নয়, আমি সিনেমার জন্য দেব হয়েছি। প্রয়োজনে হলে আবার মিঠুনকে নিয়ে সিনেমা করব।এদিন ছিল দেবের জন্ম দিন। টলিউডের অভিনেতা বলেন, প্রজাপতি মানুষ শুধু দেখছে না অন্যদের দেখতে বলছে। নন্দনে শো পাওয়া না পাওয়া নিয়ে আমার কোনও দুঃখ নেই। তবে কম পয়সায় নন্দনে সিনেমা দেখতে পারতেন মানুষজন। মিঠুন আছেন বলে নন্দনে স্থান পায়নি প্রজাপতি। এই প্রসঙ্গে দেব বলেন, এরপরেও যদি স্ক্রিপ্ট আসে তাহলে ফের তাঁকে নিয়ে সিনেমা করব। আমি কোনও দিন সিনেমার মধ্যে রাজনীতি করিনি, রাজনীতিতে সিনেমা আনিনি। সিনেমা করতে গিয়ে রাজনীতির ক্ষমতা দেখায়নি। আমি ব্যালেন্স করেছি। ছবি ও সিনেমা আমার প্রথম থেকে ভাললাগা, ভালবাসা। সিনেমার জন্য আজ দেব হয়েছি। রাজনীতির জন্য নয়।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ইজেডসিসি-তে অনুষ্ঠিত হবে শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল

রোসট্রাম-এর উদ্যোগে ১,২ এবং ৩রা জুলাই ঐক্যতান ইজেডসিসি-তে অনুষ্ঠিত হবে বেঙ্গল শর্টস ইন্টারন্যাশনাল কম্পিটেটিভ শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল। এই ছোট ছবি উৎসবের মূল দুই কান্ডারি হলেন পরিচালক সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়, চিত্র সম্পাদক অনির্বাণ মাইতি এবং ক্যালিফোর্নিয়া নিবাসী সাহিত্যিক মণিদীপা দাস ভট্টাচার্য।এই ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের উদ্ধোধনে থাকছেন অভিনেতা জয় সেনগুপ্ত, সুদীপ মুখার্জি, সুরকার জয় সরকার এবং কবি শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়।এছাড়াও থাকছেন স্বরূপ বিশ্বাস ও অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।দেশ বিদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু নবীন এবং প্রবীণ পরিচালকেরা এই চলচ্চিত্র উৎসবের জন্য ছবি পাঠিয়েছেন। এখনও পর্যন্ত মোট ২৫০ টির উপর ছবি জমা পড়েছে। তার মধ্যে ৪০টি ছবি বেঙ্গল শর্টস ইন্টারন্যাশনাল কম্পিটেটিভ শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল-এ নির্বাচিত হয়েছে।এই ৪০টি ছবির মধ্যে থেকেই বেছে নেওয়া হবে প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থান। নাইজেরিয়া, স্পেন, আমেরিকা, বাংলাদেশ, ইরান এবং আরও অন্যান্য অনেক দেশের ছবি দেখানো হবে।ছবি পাঠানো এবং স্কিনিংয়ের জন্য কোনো টাকা নেওয়া হয়নি।ছোট ছবির ক্ষেত্রে ক্যামেরা হাতে সবাই বিদ্রোহী হয়ে উঠতে পারে এবং সেটাই তুলে ধরেছেন বহু পরিচালক। ছোট ছবি হলেও ছবির মেকিং অনেকটা পূর্ণদৈর্ঘ্যের ছবির মতো।মৎস্যজীবীদের পেশা সংকট থেকে মানুষের অস্তিত্ব সবরকমের ছবিই এই ফেস্টিভ্যালে নির্বাচিত হয়েছে এবং দেখানো হবে।একটি ই-পাশের বিনিময়ে ছবি দেখার সুযোগ পাবেন দর্শকরা।

জুন ২৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

‘গেম অফ থ্রোনস’ এ ফিরছেন জন স্নো

গত এক দশকে ছোটপর্দার সবচেয়ে জনপ্রিয় শো যে গেম অব থ্রোনস সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। শেষ হওয়ার পরেও এই শো নিয়ে চর্চা থামেনি। চর্চা না থামার একটি বড় কারণ হল চলতি বছরের আগস্টে মুক্তি পাচ্ছে এই জনপ্রিয় সিরিজেরই প্রিকুয়েল। যার নাম হাউজ অব দ্য ড্রাগন। এই সিরিজের নির্মাতাদের পক্ষ থেকে জানা গেছে ফিরে আসছে জন স্নো। গেম অব থ্রোনস-এর সবচেয়ে জনপ্রিয় চরিত্রগুলির একটি জন স্নো। এই চরিত্রে অভিনয় করে কিট হ্যারিংটনও পৌঁছে গিয়েছেন জনপ্রিয়তার শীর্ষে। এহেন একটি চরিত্র যে আবার ফিরে আসছে সে ঘোষণার পর থেকেই জন স্নো এবং গেম অব থ্রোনস-এর ভক্তদের মধ্যে বিপুল উৎসাহ এবং উদ্দীপনা দেখা গিয়ছে।গেম অব থ্রোনস-এর নির্মাতা এইচবিউও-র তরফে জানানো হয়েছে জন স্নো-কে নিয়ে গেম অব থ্রোনস-এ একটি স্পিন অফ বানাতে চলেছে তারা। গেম অব থ্রোনস-এর গল্প যেখানে শেষ হল, সেখানে জন স্নো আবার ফিরে গিয়েছে উত্তরে, উত্তর থেকে আসা বিপদ থেকে দেশ রক্ষা করতে, পাঁচিল রক্ষা করতে। তার পরে কী হল? তাই নিয়েই এই গল্প ভাবা হচ্ছে। এই গল্পেও কিট হ্যারিংটনকেই দেখা যাবে জন স্নো-এ ভূমিকায়। তবে এই কাহিনি নিয়ে কতগুলি সিজন হতে চলেছে, প্রত্যেকটিতে কতগুলো পর্ব থাকবে সেই বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি।

জুন ১৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ওয়ান শট মুভি ‘গোপনে মদ ছাড়ান’ এর শুটিং চলছে

শেষ হল বাংলার প্রথম সিঙ্গল শট ফিল্ম গোপনে মদ ছাড়ান-এর শ্যুটিং। বাংলা ভাষায় প্রথম সিঙ্গেল শট ছবি গোপনে মদ ছাড়ান। এক রাতে তিনটি ছেলে মদ খুঁজতে বেরোয়৷ এই জার্নিকে কেন্দ্র করেই গল্পটা এগোয়। ছবিটার পরিচালনা করেছেন তথাগত মুখোপাধ্যায়। প্রযোজক অভিনব ঘোষ। ছবিতে অভিনয় করেছেন সোহম মজুমদার, সৌম্য মুখোপাধ্যায়, ঋষভ বসু, রুকমা রায়, মেঘা চৌধুরী, ঐশ্বর্যা সেন, সম্রাট মুখোপাধ্যায়, লোকনাথ দে, পুষাণ দাশগুপ্ত, প্রদীপ ধর ও অনিমেষ ভাদুড়ি।টলিগঞ্জের রিজেন্ট পার্কের কাছে এই ছবিরই শুটিং চলছিল। এই ছবিতে অভিনয় প্রসঙ্গে অভিনেত্রী রুকমা রায় জানালেন, আমার চরিত্রটা অসাধারণ। ছবিটা না দেখলে সেটা বোঝাটা খুব মুশকিল।নর্থে আমরা শুটিং করেছি। রাত্রিবেলা অনেক সমস্যা হয়েছে, কিন্তু প্রচণ্ড মজা করে শুটিং করেছি। অভিনেতা ঐশ্বর্য সেন জানালেন, আমি এখন আর ঐশ্বর্য নই। আমি এখন সায়নী। আর আমি সায়নী কেন তার জন্য সবাইকে দেখতে হবে গোপনে মদ ছাড়ান। আমি খুব লাকি মনে করছি যে তথাগত দা আমাকে এই প্রোজেক্টের একটা অংশ হিসাবে আমাকে ভেবেছে বলে।

জুন ১১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

প্রথমবার বড়পর্দায় শন, বলিউড তারকা রিতেশ দেশমুখ এবার বাংলা ছবিতে

বলিউডের জনপ্রিয় নাম, ১১৪টির বেশি ছবিতে সফলভাবে ক্যামেরার দায়িত্ব সামলানো কবীর লাল সিং প্রথম ছবি পরিচালনা করলেন। মোট ৪টি ভাষায় ছবিটি দর্শকদের কাছে পৌঁছবে। বাংলাতে ছবিটির নাম অন্তদৃষ্টি। এখানে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। তার স্বামীর চরিত্রে দেখা যাবে ইন্দ্রজিৎ চক্রবর্তী কে। এই ছবির মাধ্যমে প্রথমবার বড়পর্দায় দর্শকরা দেখতে পাবেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা শন ব্যানার্জিকে। ভিলেনের চরিত্রে দেখা যাবে শন কে। এর পাশাপাশি বলিউড তারকা রিতেশ দেশমুখ কে প্রথমবার কোনো বাংলা ছবিতে পেতে চলেছেন দর্শকরা।কলকাতার একটি বড় হোটেলে ছবির প্রথম লুক প্রকাশ্যে এল। উপস্থিত ছিলেন ছবির মুখ্য চরিত্র ছাড়াও অন্যান্য কলাকুশলীরাও। অন্তদৃষ্টি তে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর দুটি চরিত্র রয়েছে। কঙ্গনা ও রঙ্গনা দুই চরিত্রে রয়েছেন টলিউডের গ্ল্যামারাস এই অভিনেত্রী। ইন্দ্রজিৎ চক্রবর্তীর চরিত্রের নাম জন। সুজয়ের চরিত্রে অভিনয় করছেন শন ব্যানার্জি। রিতেশ দেশমুখের চরিত্রের নাম কার্তিক যোশী

মে ২৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কলকাতায় হিন্দি ছবির প্রচারে এসেছে মিষ্টি দইয়ে মন ভরালেন আয়ুষ্মান খুরানা

কলকাতায় আয়ুষ্মান খুরানা। অনুভব সিনহা পরিচালিত আসন্ন ছবি আনেক এর প্রচারে সিটি অফ জয় তে নিউটাউনের মিরাজ সিনেমাজে এলেন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত এই অভিনেতা। মিরাজের প্লাস মাল্টিপ্লেক্সে ছবির অ্যাকশন প্রোমোও দেখানো হল। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আয়ুষ্মান জানান, আনেক-এ আমার চরিত্র জোশুয়া আমাকে এমন কিছু করতে বাধ্য করেছে যা শারীরিক এবং মানসিক উভয়ভাবেই আমি আগে কখনও করিনি। পরিচালকের সঠিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে, আমি এই চরিত্রতে আমার সেরা আমার সেরা অভিনয় দেওয়ার চেষ্টা করেছি। বাকিটা দর্শক বলবেন। অভিনেতা আরও জানান কলকাতায় এসে মিষ্টি দই ও সন্দেশ খেয়েছেন তিনি। এছাড়া এদিন ভক্তদের অনুরোধে ১০ বছর আগে রেকর্ড করা জনপ্রিয় গান পানি দ্য রক গাইলেন তিনি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এই ছবিতে আয়ুষ্মানের বিপরীতে রয়েছেন নাগাল্যান্ডের মডেল Andrea Kevichusa। আয়ুষ্মানকে নিজের আইডল মনে করেন তিনি।

মে ২১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

প্যাচপ্যাচে গরমে রগরগে সিনেমা নিয়ে আসছেন তথাগত মুখার্জি

চলচ্চিত্র পরিচালক তথাগত মুখার্জি তার পরবর্তী ফিচার ফিল্মের কথা ঘোষণা করলেন। তাঁর নতুন ছবির নাম গোপনে মদ ছাড়ান। অভিনব ঘোষ প্রযোজিত, গোপনে মদ ছাড়ান বাংলার প্রথম ওয়ান শট ফিচার ফিল্ম। এই ছবিতে অভিনয় করেছেন সোহম মজুমদার, সৌম্য মুখার্জি, ঋষভ বসু, সম্রাট মুখার্জি সহ আরও অন্যান্যরা।এই বছরের জুনে শুটিং ফ্লোরে গোপনে মদ ছাড়ান-এর শুটিং শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এই ছবির হাত ধরে অভিনেত্রী রুকমা রায় এবং মেঘা চৌধুরীকে প্রথম কোনও বাংলা ফিচার ফিল্মে অভিনয় করতে দেখা যাবে। ছবির গল্পের শুরুতে দেখা যায় তিন বন্ধু মধ্যরাতে মদের সন্ধানে বেরোয়। সেখান থেকেই গল্পে নাটকীয় মোড় নেয়।সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবির প্রথম পোস্টার শেয়ার করে তথাগত লিখেছেন, সিনেমার ভাষায় নতুন অভিঘাত তৈরীর উদ্দেশ্যে আমদের সিনেমা গোপনে মদ ছাড়ান। বাংলা ভাষায় প্রথম সিঙ্গেল শট সিনেমার অভিজ্ঞতা হতে চলেছে গোপনে মদ ছাড়ান। এগারো জন দক্ষ অভিনেতা আর তাদের আলাদা আলাদা গল্পের জটিল গতিতে এই অসংবেদনশীল সময়ের এক রোলার কোস্টার রাইড গোপনে মদ ছাড়ান। যেখানে নিছক ক্যামেরাও অভিনেতাদের মতই এক চরিত্র হয়ে উঠেছে। অ্য ড্রিমস অন সেলের প্রোডাকশন, আর পোস্টার সাঁটিয়েছে স্বর্ণাভ বেরা। শুরু হচ্চে প্যাচপ্যাচে গরমে রগরগে সিনেমা....।

মে ০৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মুক্তি পেল মিমি অভিনীত 'মিনি', বন্ধুত্বের স্বাদ দেবে এই ছবি

৬ মে মুক্তি পেল মৈনাক ভৌমিকের পরিচালনায় মিমি চক্রবর্তী অভিনীত ছবি মিনি। এই ছবিরই প্রিমিয়ার হয়ে গেল। প্রিমিয়ারে মিমি চক্রবর্তীর ছাড়াও ছিল খুদে অভিনেত্রী অয়ন্না চট্টোপাধ্যায়, রুদ্রজিৎ মুখার্জী, বিশ্বজিৎ ঘোষ, প্রযোজক সম্পূর্ণা লাহিড়ী, রাহুল ভঞ্জ, পরিচালক মৈনাক ভৌমিক সহ ছবির অন্যান্য কলাকুশলীরা। এছাড়া টলিউডের আরও অনেক তারকারা।এদিন মিমি জানালেন, অনেকদিন পর আমরা এইভাবে প্রিমিয়ার করছি। আমি চাই এই ছবিটা সবার ঘরে পৌঁছে যাক। অয়ন্না জানাল, খুব ভালো লাগছে। প্রথমে আমি টেনশনে ছিলাম। তবে এখন খুব এনজয় করছি।এই ছবির মাধ্যমে বড়পর্দায় অভিষেক হল অভিনেতা রুদ্রজিৎ মুখার্জীর। রুদ্রজিৎ জানালেন, যেমন একসাইটেড তেমন হ্যাপি। আমি মানুষকে একটা নতুন কিছু উপহার দিতে চলেছি। এটা আমার একটা স্বপ্ন ছিল। আমার ফ্যামিলির স্বপ্ন ছিল, আমার ওয়াইফের স্বপ্ন ছিল। সেখান থেকে সাকসেসফুল হতে পেরেছি। আশা করছি দর্শকদের খুবই ভালো লাগবে।গত সপ্তাহে মুক্তি পেয়েছে দেবের কিশমিশ ও জিতের রাবণ। মুক্তির পরেই ছবিটি একাধিক সিনেমাহলে হাউসফুল চলছে। কিশমিশ খেতে খেতে রাবণ দেখার পর মিনি-কে কতটা আপন করে নিতে পারেন দর্শকরা সেটাই দেখার।

মে ০৬, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ইডেনে মোদীর জন্য ‘হোম’ ড্রেসিংরুম, শুভেন্দু'র ‘অ্যাওয়ে’! ১০ হাজার শিল্পীর অনুষ্ঠান, সাজছে ক্রিকেটের নন্দনকানন

কলকাতা: ইডেনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অনুষ্ঠানের প্রস্তুতিতে তুঙ্গে তৎপরতা। সূত্র মারফত জানা যায়, প্রধানমন্ত্রীর জন্য বরাদ্দ হচ্ছে ইডেন গার্ডেন্সের হোম ড্রেসিংরুমযে ড্রেসিংরুম ব্যবহার করে ভারতীয় ক্রিকেট দল এবং কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর)। অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জন্য রাখা হবে অ্যাওয়ে ড্রেসিংরুম। দুই ড্রেসিংরুমের মাঝখানের মাঠে যাওয়ার কমন পথটিও থাকবে ব্যবহারের উপযোগী।দায়িত্বপ্রাপ্ত বেসরকারি সংস্থার হাতেই থাকছে ড্রেসিংরুম দুটির সাজসজ্জা ও প্রয়োজনীয় বন্দোবস্ত। ড্রেসিংরুমে আহার-সহ আপ্যায়নের যাবতীয় ব্যবস্থা থাকবে। অনুষ্ঠানের মূল মঞ্চ তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে ড্রেসিংরুমের সামনের লনেই।মাঠের যাতে কোনও ক্ষতি না হয়, সে দিকেও বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। মঞ্চ ও অন্যান্য পরিকাঠামোর জন্য মাঠের ভিতরে প্রায় ১২ ফুট জায়গা প্রয়োজন হতে পারে। তবে ঘাসের ক্ষতি না করেই যাবতীয় কাজ করার পরিকল্পনা। সামান্য বদল আসতে পারে শুধু ঘাসের রঙে।অনুষ্ঠান চলাকালীন গল্ফ কার্টে করে মাঠ প্রদক্ষিণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। মঞ্চের উপর থাকবে ছাউনি। ইডেনের বিভিন্ন ব্লকে চেয়ার সরিয়ে জায়ান্ট স্ক্রিন বসানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। পাশাপাশি ইডেন উদ্যান থেকে আতশবাজির প্রদর্শনীর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ হতে চলেছেন প্রায় ১০ হাজার সাংস্কৃতিক শিল্পী। তাঁদের পারফরম্যান্সের জন্য ইডেনের উল্টো দিকে থাকা মাঠ এবং নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামকে ব্যবহার করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও থাকছে কড়া ব্যবস্থা। ৯ অক্টোবর অফিসের সময় শেষ হওয়ার পর থেকেই এসপিজি নিরাপত্তার আওতায় ইডেনের ক্লাব হাউস কার্যত সিল করে দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী যতক্ষণ সেখানে থাকবেন, প্রায় তিন ঘণ্টা ক্লাব হাউসের গতিবিধিতে থাকবে কড়া নিয়ন্ত্রণ। গোটা অনুষ্ঠান চলবে বিকেল ৪টে থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।এদিকে, ক্লাব হাউসে সিএবির আধিকারিকদের উপস্থিতি নিয়ে বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে। সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়-সহ পাঁচ অফিস বেয়ারার, সিইও এবং সিএও যাতে ক্লাব হাউসে থাকতে পারেন, তার জন্য এসপিজির অনুমতি চাওয়া হয়েছে। অন্তত সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের উপস্থিতির অনুমতি দেওয়ার জন্যও অনুরোধ রাখা হয়েছে।সিএবির অ্যাফিলিয়েট সদস্যদের জন্যও বিশেষ বন্দোবস্তের আবেদন করা হয়েছে। অন্তত প্রতিটি ক্লাব থেকে দুজন করে যাতে অনুষ্ঠানটি দেখতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানস্থল তৈরির কাজ থেকে শুরু করে নৈশালোকের বন্দোবস্তসব ক্ষেত্রেই সিএবির তরফে সম্পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আগামী ২৫ বা ২৬ সেপ্টেম্বর ইডেনের ১৪ নম্বর গেটের কাছে কনফারেন্স রুমে অস্থায়ী অফিস তৈরি করবে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা। অনুষ্ঠানে পারফর্ম করতে আসা তারকা শিল্পীদের সেখানে অথবা কর্পোরেট বক্সে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।ইডেনের সাজসজ্জা ও পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে শীঘ্রই পরিদর্শনে আসবে পূর্ত দফতর (PWD)। মাঠ, মঞ্চ, নিরাপত্তা এবং দর্শক ব্যবস্থাপনাসব দিক খতিয়ে দেখেই চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেওয়া হবে।সব মিলিয়ে ক্রিকেটের বাইরের এক অন্য ভূমিকায় এবার সেজে উঠতে চলেছে ইডেন গার্ডেন্স। ক্রিকেটের নন্দনকাননেই প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে হতে চলেছে এক বর্ণময়, বিশাল আয়োজন।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
দেশ

নেপালের বিপর্যয়ে চারপেয়ে ত্রাতা! ভারতের সাম্বার নাকেই মিলল ২০টি দেহের সন্ধান

নেপালে ভয়াবহ বিপর্যয়ের পর কেটে গিয়েছে বেশ কিছু দিন। ধ্বংসস্তূপের নীচে নিখোঁজদের জীবিত অবস্থায় পাওয়ার আশা অনেকটাই ছেড়ে দিয়েছেন তাঁদের পরিজনেরা। কিন্তু উদ্ধারকাজ এখনও থামেনি। কাদামাটি, ভেঙে পড়া বাড়ির অংশ এবং ধ্বংসস্তূপের মধ্যে নিখোঁজদের খুঁজে চলেছেন নেপালের সেনা, পুলিশ এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা। তাঁদের সঙ্গে এই কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে প্রশিক্ষিত সারমেয় বাহিনীও।তাদের মধ্যেই অন্যতম সাম্বা। ল্যাব্রাডর প্রজাতির এই সারমেয় নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর প্রশিক্ষিত সারমেয় দলের সদস্য। তবে সাম্বার সঙ্গে ভারতেরও যোগ রয়েছে। নেপালের প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকেই তাকে আনা হয়েছিল। পরে নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়ে তাকে উদ্ধারকাজের উপযোগী করে তোলা হয়।মানুষের দেহের গন্ধ শনাক্ত করে ধ্বংসস্তূপের নীচে কোথায় দেহ থাকতে পারে, তা খুঁজে বার করাই সাম্বার মূল দায়িত্ব। সেই দায়িত্বই অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে পালন করেছে সে। রাসুয়া এবং ত্রিশূলী এলাকায় উদ্ধারকাজ চালানোর সময় সাম্বার দেওয়া সংকেতের ভিত্তিতে ২০টি দেহের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু কী ভাবে এত নিখুঁত ভাবে কাজ করে সাম্বা? তার প্রশিক্ষণের দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের বক্তব্য, সাম্বা ধ্বংসস্তূপের উপর দিয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে যেত এবং মাটি শুঁকত। কোথাও মানুষের দেহের গন্ধ পেলে আচমকাই থেমে যেত সে। এরপর জোরে ডাকতে শুরু করত। সেটিই ছিল তার হ্যান্ডলারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংকেত।সাম্বার সংকেত পাওয়ার পর নিরাপত্তারক্ষীরা সেই জায়গায় পৌঁছে মাটি খুঁড়ে দেখতেন। অনেক সময় সেখান থেকেই উদ্ধার হয়েছে দেহ। সাম্বার কাজের সময় সবসময় তার সঙ্গে থাকেন এক জন প্রধান হ্যান্ডলার এবং এক জন সহযোগী। দুজনই নিরাপত্তারক্ষী। সাম্বার আচরণের অর্থ বুঝে সঠিক জায়গায় উদ্ধারকাজ শুরু করাই তাঁদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।সাম্বা সবসময় একই ভাবে সংকেত দেয় না। কখনও হাঁটতে হাঁটতে আচমকা থেমে যায়। কখনও কোনও নির্দিষ্ট জায়গার চারপাশে বার বার ঘুরতে থাকে। আবার কখনও মাটিতে বসে পড়ে পায়ের নখ দিয়ে মাটি খুঁড়তে শুরু করে। তার প্রতিটি আচরণই আসলে একটি সংকেত। সেই সংকেতের অর্থ বুঝতে পারেন শুধু তার সঙ্গে কাজ করা হ্যান্ডলার এবং সহযোগী।এই ভাবেই কাদামাটি এবং ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দিনের পর দিন কাজ করে চলেছে সাম্বা। নিখোঁজদের সন্ধানে তার ভূমিকা এখন নেপালের উদ্ধারকারী দলের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী সাম্বার মতো আরও পাঁচটি প্রশিক্ষিত সারমেয়কে উদ্ধারকাজে নামিয়েছিল। পাশাপাশি নেপাল সেনার তরফেও আরও ছটি সারমেয়কে কাজে লাগানো হয়েছে। বিপর্যয়ের পর উদ্ধারকাজ যত দীর্ঘ হচ্ছে, প্রশিক্ষিত এই সারমেয়দের ভূমিকা ততই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

প্রাদার পর এবার রালফ লরেন! ভারতীয় নকশা ‘চুরি’র অভিযোগে তোলপাড়

কিছুদিন আগেই নকশা চুরির অভিযোগ উঠেছিল প্রাদার বিরুদ্ধে। এ বার একই ধরনের অভিযোগের মুখে আন্তর্জাতিক ফ্যাশন ব্র্যান্ড রালফ লরেন। ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের নকশা ব্যবহার করে যথাযথ স্বীকৃতি না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সংস্থাটির বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে সমাজমাধ্যমে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।সম্প্রতি রালফ লরেনের একটি গোলাপি পোশাক প্রকাশ্যে এসেছে। সেই পোশাকে ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের ছোঁয়া স্পষ্ট বলে দাবি করেছেন ফ্যাশন জগতের অনেকে। কিন্তু পোশাকটির বর্ণনায় ভারত বা ভারতীয় কারিগরদের কোনও উল্লেখ নেই। সেখানে শুধু হাতের কাজ করা সজ্জা হিসাবে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। আর তা নিয়েই ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।১২ সেপ্টেম্বর রালফ লরেনের সমাজমাধ্যম পাতায় পোশাকটির ছবি প্রকাশ করা হয়। পোশাক তৈরির কাপড় এবং সুতো নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হলেও হাতের কাজের বিষয়ে মাত্র একটি শব্দে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, পোশাকটির নকশায় যদি কোনও দেশের ঐতিহ্যবাহী শিল্পের প্রভাব থাকে, তা হলে সেই শিল্প এবং কারিগরদের যথাযথ পরিচয় দেওয়া হল না কেন?এই বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন ফ্যাশন ডিজাইনার প্রখর রাও সিং চান্ডেল। তাঁর বক্তব্য, পোশাকের কাপড় নিয়ে দীর্ঘ বিবরণ দেওয়া হলেও যে কারিগররা সূক্ষ্ম হাতের কাজ করেছেন, তাঁদের শিল্পকে একটি অস্পষ্ট শব্দের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।রালফ লরেনের প্রচারে বলা হয়েছিল, প্রতিটি পোশাকের যেন নিজস্ব ইতিহাস ও চরিত্র থাকে। সেই কথাকেই সামনে রেখে প্রখর প্রশ্ন তুলেছেন, সেই পোশাকে আসলে কার ইতিহাস এবং কার চরিত্র তুলে ধরা হচ্ছে?প্রখরের দাবি, বিতর্কিত পোশাকটিতে ভারতের ঐতিহ্যবাহী সূচিশিল্প জরদৌসির ব্যবহার রয়েছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, লখনউ এবং আশপাশের কয়েকটি জেলায় দীর্ঘদিন ধরে এই শিল্পের চর্চা চলছে। বহু কারিগর এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত। তাই এটিকে শুধুমাত্র পোশাকের অলঙ্করণ হিসেবে দেখলে সেই শিল্পের সঙ্গে জড়িত মানুষের ইতিহাস ও পরিশ্রমকে আড়াল করা হয়।এই প্রসঙ্গে প্রখর গত বছর প্রাদাকে ঘিরে ওঠা বিতর্কের কথাও তুলে ধরেছেন। তাঁর অভিযোগ, ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কোলাপুরি চটির নকশা ব্যবহার করা হলেও সেটিকে শুধুমাত্র চামড়ার স্যান্ডেল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। পরে মহারাষ্ট্রের একটি বাণিজ্য সংগঠনের তরফে চিঠি দেওয়ার পর ভারতের নাম যুক্ত করা হয় বলে দাবি তাঁর।নিজের দলের সঙ্গে কাজ করা জরদৌসি শিল্পী বাবলু ভাইয়ের কথাও উল্লেখ করেছেন প্রখর। তাঁর বক্তব্য, এই ধরনের শিল্পের পিছনে বহু কারিগরের বছরের পর বছর পরিশ্রম রয়েছে। তাঁদের পরিচয় বাদ দিয়ে শুধু নকশাকে ব্যবহার করলে সেই শ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন হয় না।রালফ লরেনের এই পোশাক নিয়ে শুধু জরদৌসি নয়, আরও একটি ভারতীয় সূচিশিল্প আরির ব্যবহার নিয়েও সমাজমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে। বহু নেটিজেনের দাবি, ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের ঐতিহ্যবাহী শিল্প বিদেশি ফ্যাশন সংস্থাগুলি ব্যবহার করলেও অনেক সময় সেই শিল্প বা কারিগরদের যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়া হয় না।কোলাপুরি চটি ছাড়াও বাঁধনি ছাপ, তামবুরা, কুমকোর মতো বিভিন্ন ভারতীয় নকশা নিয়েও বিদেশি ফ্যাশন সংস্থার বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ তুলেছেন সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারীদের একাংশ। তাঁদের বক্তব্য, ভারতের প্রত্যন্ত অঞ্চলের বহু কারিগর নিজেদের পরিশ্রমে এই শিল্পগুলিকে টিকিয়ে রেখেছেন। তাঁদের পরিচয় এবং প্রাপ্য সম্মান না পেলে ধীরে ধীরে এই ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে পারে।ফলে রালফ লরেনের নতুন পোশাক ঘিরে বিতর্কটি শুধু একটি নকশা বা পোশাকের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না। ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের ব্যবহার, কারিগরদের স্বীকৃতি এবং আন্তর্জাতিক ফ্যাশন সংস্থাগুলির দায়িত্ব নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
দেশ

মেটার উপর কেন্দ্রের চাপ, অবশেষে বড় সিদ্ধান্ত! নজরে শিশুদের ক্ষতিকারক কনটেন্ট

প্রায় দুমাস ধরে আলোচনা ও বৈঠকের পর কেন্দ্রের দাবি মেনে কাজ করতে রাজি হয়েছে মেটা। সরকারি সূত্রের খবর, শিশুদের জন্য ক্ষতিকারক এবং আপত্তিকর কনটেন্টের বিষয়ে প্রশাসনকে তথ্য জানাতে রাজি হয়েছে মার্ক জুকারবার্গের সংস্থা। শিশুদের জন্য সমাজমাধ্যমকে আরও নিরাপদ করে তোলার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে প্রায় দুমাস আগে মেটার উপর চাপ বাড়ানো হয়েছিল। ডিপফেক, বিকৃত তথ্য এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের মতো কনটেন্ট রুখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সংস্থাকে। পাশাপাশি মেটার অ্যালগরিদমে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা এবং ক্ষতিকারক কনটেন্ট মোকাবিলায় কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তার বিস্তারিত পরিকল্পনাও জমা দিতে বলা হয়েছিল।তবে শুরু থেকেই শিশুদের নিয়ে তৈরি আপত্তিকর এবং ক্ষতিকারক কনটেন্ট বন্ধ করার উপর বিশেষ জোর দিয়েছিল কেন্দ্র। দীর্ঘ আলোচনা ও একাধিক বৈঠকের পর সেই দাবিতে মেটা সম্মত হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, শিশুদের জন্য ক্ষতিকারক কনটেন্ট চিহ্নিত হওয়ার পর সেই বিষয়ে প্রশাসনকে জানাবে মেটা। এরপর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে প্রশাসন। শুধু মেটা নয়, আগামী দিনে অন্যান্য সমাজমাধ্যম সংস্থাকেও একই ধরনের ক্ষতিকারক কনটেন্ট দ্রুত শনাক্ত এবং আটকানোর আওতায় আনার চেষ্টা করছে কেন্দ্র।শিশু নির্যাতনের কনটেন্টের পাশাপাশি ডিপফেক, ভুয়ো খবর এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচার দ্রুত শনাক্ত করার বিষয়েও মেটাকে সতর্ক করেছিল কেন্দ্র। সমাজমাধ্যমে এই ধরনের কনটেন্টের ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে প্রযুক্তিগত ব্যবস্থার উপরও জোর দেওয়া হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে খবর।এর আগে প্রধানমন্ত্রীর একটি সমাজমাধ্যম পোস্ট ঘিরে কেন্দ্র ও মেটার মধ্যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। নিটের প্রশ্নফাঁস নিয়ে আন্দোলনের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশের তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছিলেন। সেখানে প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল।কিন্তু পরে প্রধানমন্ত্রীর সেই ভিডিও সমাজমাধ্যম থেকে সরিয়ে দেয় মেটা। বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের তরফে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়। পরে মেটার পক্ষ থেকে জানানো হয়, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই ভিডিওটি সরানো হয়েছিল। ক্ষমা চেয়ে পরে পোস্টটি ফের প্রকাশ করা হয়।ঘটনার পর মেটার শীর্ষ কর্তাদের তলব করেছিল কেন্দ্র। সমাজমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন ধরনের কনটেন্টের উপর আরও কড়া নজরদারির বার্তাও দেওয়া হয়েছিল। সেই ঘটনার পর থেকেই কেন্দ্র এবং মেটার মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে চাপানউতোর চলছিল।এখন শিশুদের জন্য ক্ষতিকারক কনটেন্ট প্রশাসনের নজরে আনার বিষয়ে মেটার সম্মতির খবর সামনে আসায় সেই টানাপোড়েন অনেকটাই কমেছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবে কী ভাবে কার্যকর হবে এবং অন্যান্য সমাজমাধ্যম সংস্থার ক্ষেত্রেও কেন্দ্র একই ব্যবস্থা নিতে পারে কি না, তা নিয়ে নজর থাকবে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
বিদেশ

ভ্রমণের ভিডিও করতেই কি বিপদ? আফগানিস্তানে কেরলের মহিলা ভ্লগারের ‘গ্রেপ্তার’ ঘিরে চাঞ্চল্য

কেরলের জনপ্রিয় মহিলা ভ্লগার অরুণিমা আফগানিস্তান সফরে গিয়ে বিপদে পড়েছেন বলে দাবি করেছেন। সোমবার সোশাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে তিনি জানান, বামিয়ান শহরে তাঁকে মুজাহিদিনরা গ্রেপ্তার করেছে। একই সঙ্গে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য সাহায্য চেয়েছেন তিনি। তাঁর এই পোস্ট প্রকাশ্যে আসতেই উদ্বেগ ছড়িয়েছে।ব্যাকপ্যাকার অরুণিমা নামে সোশাল মিডিয়ায় পরিচিত ওই তরুণী কিছুদিন আগে ভারত থেকে আফগানিস্তানে যান। সেখানে বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখার পাশাপাশি নিয়মিত ভিডিও এবং ছবি প্রকাশ করছিলেন। সোমবার একটি পোস্টে অরুণিমার দাবি, আফগানিস্তানে গিয়ে তিনি বিপদে পড়েছেন এবং বামিয়ান শহরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সাহায্য করার জন্যও আবেদন জানিয়েছেন তিনি। নিজের সোশাল মিডিয়া পাতায় স্থানীয় প্রশাসনের কাছ থেকে পাওয়া বলে দাবি করা গ্রেপ্তারি সংক্রান্ত কিছু নথিও প্রকাশ করেছেন অরুণিমা। ফলে তাঁর দাবি ঘিরে স্বাভাবিক ভাবেই চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।তবে ঠিক কী কারণে অরুণিমাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। গ্রেপ্তারের পরিস্থিতি নিয়েও বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। স্থানীয় প্রশাসন বা আফগানিস্তানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তরফে কী বলা হয়েছে, সেটিও এখনও পরিষ্কার নয়।এই ঘটনায় ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে তাৎক্ষণিক কোনও প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি। অরুণিমার প্রকাশ করা পোস্ট এবং নথির সত্যতাও স্বাধীন ভাবে যাচাই করা হয়নি। ফলে তাঁর দাবি কতটা সত্য, তা নিয়েও আপাতত ধোঁয়াশা রয়েছে।গত কয়েকদিন ধরে আফগানিস্তানের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরছিলেন অরুণিমা। সেখান থেকে প্রকাশিত একাধিক ভিডিওতে আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে দেখা যায় তাঁকে। বিশেষ করে তালিবান শাসনে মহিলাদের জীবন, তাঁদের উপর থাকা বিভিন্ন বিধিনিষেধ এবং ভয়-আতঙ্কের কথা তুলে ধরেছিলেন তিনি।আফগানিস্তানের সাধারণ মানুষের সঙ্গেও সময় কাটানোর ছবি এবং ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন অরুণিমা। সেই সফরের মধ্যেই হঠাৎ তাঁর গ্রেপ্তারের দাবি সামনে আসায় বিষয়টি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তিনি কী কারণে আটক হয়েছেন, কোথায় রয়েছেন এবং ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ হয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।সব মিলিয়ে কেরলের এই জনপ্রিয় ভ্লগারের আফগানিস্তান সফর ঘিরে তৈরি হয়েছে ব্যাপক রহস্য। অরুণিমার দাবি এবং প্রকাশ করা নথি যাচাই হওয়ার পরই গোটা ঘটনার প্রকৃত ছবি স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
কলকাতা

বামেদের নবান্নে ডেকে পুষ্পাঞ্জলির আমন্ত্রণ! গণেশ পুজোর মঞ্চে শুভেন্দুর বিস্ফোরক বার্তা

গণেশ পুজোর সূচনা করে বামেদের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ধর্মকে আফিং বলা এবং নিজেদের নাস্তিক বলে পরিচয় দেওয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে কোনও উপদেশ নেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে বাগেশ্বর বাবা বিতর্ক, পুজোকে শারদোৎসব বলা নিয়ে বিতর্ক এবং গণেশ পুজোর বিস্তারসবকিছু নিয়েই নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন শুভেন্দু।সোমবার গণেশ পুজোর সূচনা করে শুভেন্দু বলেন, সনাতন ধর্মের রীতিনীতি নিয়ে বাইরের কারও কাছ থেকে উপদেশ নেওয়ার প্রয়োজন নেই। তাঁর বক্তব্য, কোনও দিন নিরামিষ খাবার দিয়ে পুজো হয়, আবার কোনও দিন মাছ দিয়ে দেবতাকে ভোগ দেওয়া হয়। সনাতন ধর্মের মানুষ কোন পুজোয় কী নিয়ম মানবেন, তা তাঁরা নিজেরাই জানেন।বাগেশ্বর বাবা বিতর্কের প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু বলেন, পুজোর পদ্ধতি, পুজোর পাঠ এবং পঞ্জিকার নিয়ম বদলে একসময় ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের রূপ দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, প্রাদেশিকতার নামে মানুষের মধ্যে বিভাজন তৈরির চেষ্টা হয়েছিল।এর আগে বালিগঞ্জে ভারত সেবাশ্রম সংঘের পুজোর সূচনা করেন শুভেন্দু। সেখানেও পুজো এবং শারদোৎসব নিয়ে চলা বিতর্কের প্রসঙ্গ ওঠে। কমিউনিস্ট নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যাঁদের পুজো নিয়ে আপত্তি রয়েছে, তাঁরা নবান্নে এসে তাঁর সঙ্গে বিশ্বকর্মা পুজোয় পুষ্পাঞ্জলি দিতে পারেন।শুভেন্দুর বক্তব্য, তিনি বিশ্বকর্মা পুজোর দিন নবান্নে পুষ্পাঞ্জলি দেবেন। কমিউনিস্ট নেতাদেরও সেখানে এসে একসঙ্গে পুষ্পাঞ্জলি দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তাঁর কটাক্ষ, তাতে তাঁরাও পরিবর্তনের স্বাদ পাবেন।পুজোর নাম নিয়ে যে বিতর্ক চলছে, তার মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যকে রাজনৈতিক ভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে পুজোকে ধর্মীয় অনুষ্ঠান না কি বৃহত্তর সাংস্কৃতিক উৎসব হিসাবে দেখা হবে, তা নিয়ে যে রাজনৈতিক তরজা চলছে, সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে তাঁর বক্তব্য।এ দিন বামেদের আক্রমণ করার পাশাপাশি আগের সরকারের আমলে পিতৃপক্ষে দুর্গাপুজোর সূচনা নিয়েও কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। তাঁর মন্তব্য, পিতৃপক্ষে কাঁচি নিয়ে বের হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই।দেশবিরোধী শক্তি নিয়েও এ দিন সতর্ক করেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, অসুরদের থেকে সাবধানে থাকতে হবে এবং তাঁদের থেকে দূরে থাকতে হবে। একই সঙ্গে দেশবিরোধী শক্তি এবং টুকরে টুকরে গ্যাং থেকেও দূরে থাকার বার্তা দেন তিনি।গণেশ পুজো কেন বাড়ছে, তা নিয়ে যাঁরা প্রশ্ন তুলছেন, তাঁদেরও এ দিন পাল্টা জবাব দেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, গণপতি পুজো শুধু মহারাষ্ট্রের বিষয় নয়। সনাতন ধর্মের ঐক্যের মধ্যেই এর বিস্তার রয়েছে।শুভেন্দুর দাবি, একসময় মারাঠি, গুজরাতি, বিহারি-সহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি প্রাচীর তুলে রাখা হয়েছিল। তাঁর কথায়, সেই প্রাচীর ভেঙে দেওয়া হয়েছে। গণেশ পুজোর বিস্তারকে তিনি সনাতনীদের ঐক্যের প্রতীক হিসাবেই তুলে ধরেন।গণেশ পুজোর সূচনা থেকে বাগেশ্বর বাবা বিতর্ক, পুজোর নাম নিয়ে রাজনৈতিক তরজা থেকে বামেদের নবান্নে পুষ্পাঞ্জলির আমন্ত্রণসব মিলিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর সোমবারের বক্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
রাজ্য

পুজোর পরই কি বাড়ছে বাসভাড়া? মন্ত্রীর কথায় বড় ইঙ্গিত, কত হতে পারে ন্যূনতম ভাড়া?

পুজোর পর রাজ্যে বাসভাড়া বাড়তে পারে। সরকারি ও বেসরকারি বাসের পাশাপাশি দূরপাল্লার বাসের ভাড়াতেও পরিবর্তন হতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। তবে পুজোর আগে ভাড়া বাড়ানোর কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে না। সোমবার বেসরকারি বাস মালিকদের সঙ্গে বৈঠকের পর এমনটাই জানিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিং।বৈঠক শেষে পরিবহণমন্ত্রী বলেন, পুজোর আগে বাসভাড়া নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত হবে না। তবে পুজোর পরে বেসরকারি বাসের ভাড়া বাড়ানো নিয়ে আলোচনা হতে পারে। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে একই ভাড়া চলছে। ২০১৮ সাল থেকে বাসভাড়ার তালিকায় কোনও পরিবর্তন হয়নি। তাই অনির্দিষ্টকাল ভাড়া না বাড়িয়ে রাখা সম্ভব নয়।বাসভাড়া বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা বলতে গিয়ে বাম আমলেরও সমালোচনা করেন পরিবহণমন্ত্রী। তাঁর দাবি, সেই সময় নেতারা নিজেদের গাড়িতে যাতায়াত করলেও বাসের ভাড়া বাড়ানো হত না। এর ফলে ধীরে ধীরে বাসের সংখ্যা কমে গিয়েছিল। বর্তমান সরকার সেই পথে হাঁটতে চায় না বলেও জানান তিনি। সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য আরও বেশি বাস রাস্তায় নামানোর পাশাপাশি পরিষেবার মান উন্নত করার কথাও বলেন মন্ত্রী।২০১৮ সালে শেষ বার সরকারি ভাবে বাসভাড়ার তালিকা পরিবর্তন হয়েছিল। তখন ন্যূনতম ভাড়া ছিল ৭ টাকা। যদিও কোভিডের সময় থেকে অনেক ক্ষেত্রে ন্যূনতম ভাড়া ১০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। সেই পরিবর্তনের কোনও সরকারি বিজ্ঞপ্তি হয়নি বলে জানা গিয়েছে। ফলে আগামী দিনে বাসভাড়া বাড়লে ন্যূনতম ভাড়া কত হবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।বাস মালিকদের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি ছিল টোল নিয়ে। তাঁদের অভিযোগ, একই জেলার মধ্যেও বিভিন্ন জায়গায় আলাদা হারে টোল নেওয়া হচ্ছে। এই সমস্যা মেটাতে সব টোল প্লাজায় নির্দিষ্ট হারে টোল চালুর বিষয়ে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে ছদিনের সময় দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ওড়িশার মতো নিয়ম চালুর কথাও জানিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী।বড় রাস্তায় টোটো চলাচল নিয়েও কড়া অবস্থানের কথা জানিয়েছেন তিনি। মূল রাস্তায় টোটো চলাচল বন্ধ করা হবে বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন মন্ত্রী। টোটো চলাচল নিয়ে যে সমস্যা তৈরি হয়েছে, তার সমাধানে একটি নির্দিষ্ট নিয়ম চালু করার প্রয়োজন রয়েছে বলেও জানান তিনি।বাস মালিকদের দীর্ঘদিনের আরও একটি সমস্যা ছিল রাতের বাস রাখার জায়গা নিয়ে। বৈঠকের পর সেই সমস্যা মিটেছে বলে জানিয়েছেন বাস মালিকদের প্রতিনিধিরা। একই সঙ্গে যেসব বাস মালিকের দীর্ঘদিনের কর বকেয়া রয়েছে, তাঁদের জরিমানা কিছুটা কমানোর বিষয়েও আশ্বাস দিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী। তবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি।এর মধ্যেই সামনে দুর্গাপুজো। পুজোর সময় রাস্তায় মানুষের ভিড় এবং যাতায়াতের চাপ অনেকটাই বেড়ে যায়। সেই পরিস্থিতি সামাল দিতে পুজোর আগেই আরও প্রায় ৩০০ সরকারি বাস রাস্তায় নামানো হবে বলে জানিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী। ফলে শহর ও শহরতলির গণপরিবহণ ব্যবস্থায় কিছুটা স্বস্তি মিলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।বৈঠক নিয়ে খুশি বাস মালিকদের সংগঠনগুলিও। সারা বাংলা বাস-মিনিবাস সমন্বয় সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাহুল চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, পরিবহণমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে এবং তাঁরা খুশি। টোলের সমস্যা প্রায় এক সপ্তাহের মধ্যে মিটিয়ে দেওয়ার আশ্বাসও মন্ত্রী দিয়েছেন বলে জানান তিনি।বাসভাড়া বাড়ানো নিয়েও পরিবহণমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাহুল। তাঁর আশা, পুজোর পর এবার বাসভাড়া বাড়ানো হবে। একই সুর শোনা গিয়েছে সিটি সাবার্বান বাস সার্ভিসেসের সাধারণ সম্পাদক টিটু সাহার বক্তব্যেও। জয়েন্ট কাউন্সিল অফ বাস সিন্ডিকেটের সাধারণ সম্পাদক তপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, দীর্ঘদিনের নাইট পার্কিংয়ের সমস্যা মিটিয়ে দেওয়ায় তাঁরা সন্তুষ্ট। বৈঠকে খুশি ওয়েস্টবেঙ্গল বাস-মিনিবাস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ নারায়ণ বসুও।সব মিলিয়ে পুজোর আগে যাত্রীদের জন্য বাড়তি সরকারি বাস নামানোর সিদ্ধান্ত কিছুটা স্বস্তি দিলেও পুজোর পর বাসভাড়া বাড়তে পারেপরিবহণমন্ত্রীর বক্তব্যে সেই সম্ভাবনাই জোরালো হয়েছে। তবে ভাড়া কত বাড়বে বা নতুন ন্যূনতম ভাড়া কত হবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। ফলে পুজোর পর রাজ্যের বাসযাত্রীদের পকেটে কতটা অতিরিক্ত চাপ পড়বে, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
রাজ্য

প্রার্থী ঘোষণার পরেও কংগ্রেসের দরজায় মমতা! নন্দীগ্রাম নিয়ে কেন এত মরিয়া তৃণমূল?

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনের মনোনয়ন পর্ব শুরু হতেই বঙ্গ রাজনীতিতে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, বিজেপিকে আটকাতে দুই কেন্দ্রে একসঙ্গে লড়াই করার জন্য কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে জোটের প্রস্তাব দিয়েছেন কালীঘাট তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ বিষয়ে তিনি এআইসিসির অন্যতম সাধারণ সম্পাদক কেসি বেনুগোপালকে ফোন করেছিলেন বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, ফোনে মমতা নন্দীগ্রাম আসনটি কংগ্রেসকে ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেন। পাশাপাশি রেজিনগরে কালীঘাট তৃণমূলের প্রার্থীকে কংগ্রেস সমর্থন করুক, সেই আবেদনও জানান তিনি। এমনকি নন্দীগ্রামে কালীঘাট তৃণমূলের ঘোষিত প্রার্থীকে সরিয়ে নেওয়ার কথাও তিনি জানিয়েছিলেন বলে খবর।এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই প্রশ্ন উঠেছে, তা হলে কি নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে কংগ্রেস ও কালীঘাট তৃণমূলের মধ্যে জোট হতে চলেছে? তবে সূত্রের খবর, মমতার প্রস্তাব গ্রহণ করেনি কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। বরং প্রদেশ কংগ্রেসের তরফে পাল্টা বার্তা দেওয়া হয়েছে, জোট চাইলে দুই আসনেই কালীঘাট তৃণমূলকে কংগ্রেসকে সমর্থন করতে হবে।প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার জানিয়েছেন, কালীঘাট তৃণমূল যদি সত্যিই জোট চায়, তা হলে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরদুই আসনেই কংগ্রেসকে সমর্থন করা উচিত। তাঁর বক্তব্য, এমনটা হলে ভবিষ্যতে জোটের রাস্তা আরও খোলা থাকতে পারে।আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন। ১৬ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। ইতিমধ্যেই দুই কেন্দ্রেই কংগ্রেস এবং কালীঘাট তৃণমূল প্রার্থী ঘোষণা করেছে। একই সঙ্গে ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলও দুই আসনে প্রার্থী দিয়েছে। ফলে তৃণমূলের দুই শিবিরের মধ্যে প্রতীক ও রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াইয়ের পাশাপাশি কংগ্রেস ও বিজেপির লড়াইও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের নন্দীগ্রামের প্রার্থী এহতেশামুল হক। রেজিনগরে তাঁদের প্রার্থী সফিউজ্জামান শেখ। অন্য দিকে, কালীঘাট তৃণমূল নন্দীগ্রামে সঞ্চিতা প্রধান দে এবং রেজিনগরে রবিউল আলম চৌধুরীকে প্রার্থী করেছে।নন্দীগ্রামে সঞ্চিতা প্রধান দে-কে প্রার্থী করা নিয়েও স্থানীয় স্তরে কিছুটা অস্বস্তি রয়েছে বলে সূত্রের দাবি। তাঁর নাম ২০১৪ সালের শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতির মামলায় জড়িয়েছিল বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। সেই কারণেই প্রার্থীর ভাবমূর্তি নিয়ে দলের স্থানীয় স্তরে প্রশ্ন উঠেছে বলে খবর। যদিও প্রকাশ্যে এখনও কোনও বড় ধরনের ক্ষোভ দেখা যায়নি।এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, প্রার্থী বাছাই নিয়ে অস্বস্তির কারণেই কি মমতা কংগ্রেসের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করলেন? নাকি মূল লক্ষ্য ছিল নন্দীগ্রামে বিজেপিকে আটকাতে বিরোধী ভোটকে এক জায়গায় আনা? রাজনৈতিক মহলে এই দুই সম্ভাবনা নিয়েই জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।সোমবার সন্ধ্যায় কেসি বেনুগোপালকে ফোন করে মমতা বিজেপির বিরুদ্ধে একজোট হয়ে লড়াই করার প্রস্তাব দেন বলে সূত্রের খবর। নন্দীগ্রাম কংগ্রেসকে ছেড়ে দেওয়ার পাশাপাশি রেজিনগরে কালীঘাট তৃণমূলকে সমর্থনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কংগ্রেসের তরফে সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।রেজিনগরে কংগ্রেসের প্রার্থী মহম্মদ আব্দুল্লাহিল কাফি। নন্দীগ্রামে কংগ্রেসের প্রার্থী মিলন প্রধান। রেজিনগরে ইতিমধ্যেই কংগ্রেসের প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সেই সময় উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার।মমতার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পিছনে পুরনো রাজনৈতিক সম্পর্কের কথাও সামনে আনছে কংগ্রেস। কংগ্রেস নেতৃত্বের বক্তব্য, ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বামেদের সরাতে তৎকালীন সময়ে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করেছিল তৃণমূল। সেই জোটের সুবিধা নিয়ে ক্ষমতায় আসার পর ২০১২ সালে কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন মমতা। এরপর রাজ্যে তৃণমূলের শাসনকালে কংগ্রেসের নেতা-কর্মীদের উপর হামলা, মিথ্যা মামলা এবং খুনের মতো একাধিক অভিযোগ উঠেছে বলে দাবি কংগ্রেসের।মমতার এবারের জোটের প্রস্তাব সামনে আসার পর কংগ্রেসের নিচুতলার নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে বলে সূত্রের খবর। সেই ক্ষোভকে গুরুত্ব দিয়েই কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব প্রস্তাবটি ফিরিয়ে দিয়েছে বলে দলীয় সূত্রে দাবি করা হয়েছে।ফলে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচনে আপাতত আলাদা পথেই লড়াই করতে চলেছে কংগ্রেস ও কালীঘাট তৃণমূল। তার উপর দুই কেন্দ্রেই তৃণমূলের দুই শিবিরের প্রার্থী থাকায় লড়াই আরও জটিল হয়েছে। মনোনয়ন পর্ব শেষ হওয়ার পর রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে যায়, নন্দীগ্রামে বিজেপি, কংগ্রেস এবং তৃণমূলের দুই শিবিরের লড়াই কোন নতুন মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal