• ১ কার্তিক ১৪৩৩, বুধবার ২১ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Mohun Bagan

খেলার দুনিয়া

তাচ্ছিলের জবাব, ‘‌লিস্টন সাইক্লোনে’‌ উড়ে গেল বসুন্ধরা কিংস

ম্যাচের আগের দিন বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংসের কোচ অস্কার ব্রুজোর মুখে এটিকে মোহনবাগানকে নিয়ে শোনা গিয়েছিল তাচ্ছিল্যের সুর। জয়ের ব্যাপারে এতটাই আত্মবিশ্বাসী ছিলেন যে, ভাবছিলেন কত ব্যবধানে জিতবেন, সেই কথাই। তাঁর সেই কথা যে ফাঁকা আওয়াজ ছাড়া কিছুই ছিল না, এদিন প্রমাণ হয়ে গেল। কলকাতায় সাইক্লোনের মতো বসুন্ধরার ওপর বয়ে গেল সাইক্লোন। এই সাইক্লোনের নাম লিস্টন সাইক্লোন। যার দাপটে এটিকে মোহনবাগানের কাছে খড়কুটোর মতো উড়ে বসুন্ধরা কিংস। ৪০ ব্যবধানে জিতে এএফসি কাপে আঞ্চলিক পর্বের সেমিফাইনালে ওঠার আশা জিইয়ে রাখল সবুজমেরুণ ব্রিগেড। দুরন্ত হ্যাটট্রিক লিস্টন কোলাসোর।এদিন যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে বিকেল সাড়ে ৪টে থেকে ম্যাচ ছিল। ম্যাচ শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হয় ঝড়ের তান্ডব। উড়ে যায় যুবভারতীর ছাউনির বেশ কিছুটা জায়গা। রেফারি খেলা বন্ধ রাখতে বাধ্য হন। ম্যাচ আদৌও হবে কিনা, তা নিয়ে একসময় অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিল। ঝড় থামার পরও আকাশে মেঘের ঘনঘটা। তার মাঝেই দীর্ঘক্ষণ বন্ধ থাকার পর আবার খেলা শুরু হয়। আর তারপরই বসুন্ধরার ওপর সবুজমেরুণ ঝড়।Weather Update:Its raining goals at VYBK tonight 🌧#ATKMohunBagan #JoyMohunBagan #AmraSobujMaroon #AFCCup2022 #MarinersInAsia pic.twitter.com/8eVdxJDTPx ATK Mohun Bagan FC (@atkmohunbaganfc) May 21, 2022প্রথম ম্যাচে গোকুলাম এফসির কাছে হার এবং বসুন্ধরা কিংসের কোচ অস্কার ব্রুজোর তাচ্ছিল্য হয়তো তাতিয়ে দিয়েছিল সবুজমেরুণ ব্রিগেডকে। পরের পর্বে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না এটিকে মোহনবাগানের সামনে। মরণবাঁচন ম্যাচে দারুণভাবে জ্বলে উঠলেন জুয়ান ফেরান্দোর দলের ফুটবলাররা। বৃষ্টিস্নাত যুবভারতীতে বসুন্ধরা কিংসকে নাস্তানাবুদ করে ছাড়লেন লিস্টন কোলাসোরা।শুরু থেকেই এদিন আক্রমণে ঝড় তুলেছিল এটিকে মোহনবাগান। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিল বসুন্ধরা বক্সে। ম্যাচের ২৪ মিনিটে গোল করে এটিকে মোহনবাগানকে এগিয়ে দেন লিস্টন। ৩৪ মিনিটে তিনিই ব্যবধান বাড়ান। দ্বিতীয়ার্ধেও সবুজমেরুণের দাপট অব্যাহত ছিল। প্রথমার্ধের মতো সেই একই ছবি। ম্যাচের ৫৩ মিনিটে দলকে ৩০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন লিস্টন। একই সঙ্গে হ্যাটট্রিকও পূর্ণ করেন। তিন গোল হজম করার পরও ম্যাচ থেকে হারিয়ে যায়নি বসুন্ধরা কিংস। বরং দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে আসার চেষ্টা করে। কিন্তু সবুজমেরুণ ফুটবলাররা সেই সুযোগ দেননি। ম্যাচের ৭৭ মিনিটে ডেভিড উইলিয়ামস বাগানের হয়ে চতুর্থ গোলটি করেন।

মে ২১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বসুন্ধরার কোচ অস্কারেরও তাচ্ছিল্য!‌ জবাব দিতে পারবে মোহনবাগান?‌

আইএসএলে ব্যর্থতার পর এএফসি কাপকেই পাখির চোখ করেছিলেন এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। আঞ্চলিক পর্বের নক আউটে ওঠার তাঁর সেই স্বপ্ন এখন বিশ বাঁও জলে। নক আউট পর্বে যাওয়ার স্বপ্নে জোরালো ধাক্কা দিয়ে গেছে গোকুলাম এফসি। গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচে কেরালার এই দলের কাছে ৪২ ব্যবধানে হেরে গভীর সঙ্কটে পড়ে গেছে এটিকে মোহনবাগান। শনিবার গ্রুপ লিগের দ্বিতীয় ম্যাচে সামনে বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংস। পরের পর্বে যাওয়ার আশা জিইয়ে রাখতে গেলে জেতা ছাড়া সামনে রাস্তা নেই সবুজমেরুণের সামনে। গ্রুপ লিগে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মালদ্বীপের মাজিয়া স্পোর্টসকে হারিয়ে ভাল জায়গায় রয়েছে বসুন্ধরা কিংস। বাংলাদেশের এই দলের বিরুদ্ধে জেতাটা কিন্তু সহজ হবে না এটিকে মোহনবাগানের কাছে। দুদলের মধ্যে এএফসি কাপের আগের সাক্ষাৎকার ড্র হয়েছিল। এবার অনেকটাই শক্তি বাড়িয়ে এসেছে বসুন্ধরা কিংস। বেশ কয়েকজন নতুন বিদেশি সই করিয়েছে। দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার। বসুন্ধরা সিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে গোকুলাম ম্যাচ মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলতে চাইছে সবুজমেরুণ শিবির। বসুন্ধরা কিংস ম্যাচে নতুন করে শুরু করতে চায়। বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে জুয়ান ফেরান্দো বলেন, গোকুলাম ম্যাচে হারের জন্য কোনও অজুহাত দিতে চাই না। প্রথমার্ধে যদি গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে পারতাম, তাহলে ফল অন্যরকম হত। বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে নতুন লড়াই। আমাদের এখনও ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ আছে। ফুটবলারদের ওপর ভরসা রাখছি। আশা করছি আগের ম্যাচের মতো ভুল করবে না। ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য ওরা তৈরি। তবে আগের ম্যাচে তিরির চোট পেয়ে উঠে যাওয়াটা প্রভাব ফেলেছিল বলে জানিয়েছেন ফেরান্দো। তিনি বলেন, দলের গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার চোট পেয়ে উঠে গেলে তার প্রভাব পড়ে। আমাদের খেলাতেও পড়েছিল। বসুন্ধরার বিরুদ্ধে তিরি না থাকায় কার্ল ম্যাকহিউকে রক্ষণে খেলানোর কথা ভাবছেন জুয়ান ফেরান্দো। আশুতোষ মেহতার মতো ফুটবলারকে নামানোর মতো ভুল আর করতে চান না সবুজমেরুণ কোচ। দীপক টাংরিকে শুরু থেকে নামাতে পারেন। হুগো বোমাসের খেলার সম্ভাবনা প্রবল। আসলে বসুন্ধরার বিরুদ্ধে ডু অর ডাই ম্যাচে কোনও রকম ত্রুটি রাখতে চাইছেন না জুয়ান ফেরান্দো। এদিকে গোকুলাম এফসি কোচ আলবার্তোর পর বসুন্ধরা কিংস কোচ অস্কার ব্রুজোঁর মুখেও এটিকে মোহনবাগানকে নিয়ে তাচ্ছিল্য। জুয়ান ফেরান্দোর দলের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, এটিকে মোহনবাগানকে নিয়ে চিন্তিত নই। কত গোল জিতব, সেটা নিয়েই ভাবছি। জুয়ান ফেরান্দোর দলের তুলনায় হাবাসের দল অনেক বেশি ভাল ফুটবল খেলেছিল। এই দলটার মধ্যে কোনও ছন্দ নেই। আমার কাছে বেশি গুরুত্ব গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচ গোকুলাম। এখন দেখার, সবুজমেরুণ ব্রিগেড এই তাচ্ছিল্যের জবাব দিতে পারে কিনা।

মে ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ রিয়েল কাশ্মীরের থেকেও খারাপ দল এটিকে মোহনবাগান!‌ এতটাই অবজ্ঞা আলবার্তোর!‌

এটিকে মোহনবাগান নাকি রিয়েল কাশ্মীরের থেকেও খারাপ দল! এ কী বললেন গোকুলাম এফসি কোচ ভিনসেঞ্জো আলবার্তো! সবুজমেরুণ শিবিরকে অবজ্ঞা? নাকি, দম্ভ? আলবার্তো দাম্ভিক হতেই পারেন। তাঁর দাম্ভিক হওয়াটা মানায়। কারণ সদ্য আই লিগ জিতেছেন। তারপরই আবার দেশের সেরা প্রতিযোগিতা আইএসএলের সেমিফাইনালে খেলা দলকে হারিয়েছেন। শুধু হারানো নয়, ৪ গোল মেরেছেন। সুতরাং একথা তিনি বলতেই পারেন। সবুজমেরুণ সমর্থকরা আলবার্তোর এই মন্তব্য নিশ্চিতভাবেই সহজভাবে নেবেন না। এএফসি কাপের গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচে এটিকে মোহনবাগানকে হারানোর পর গোকুলাম এফসি কোচ ভিনসেঞ্জো আলবার্তো বলেন, এটিকে মোহনবাগানের খেলা দেখলাম। এবছর আই লিগে অবনমন বাঁচানোর জন্য লড়াই করেছিল রিয়েল কাশ্মীর। সেই রিয়েলল কাশ্মীর কিন্তু এটিকে মোহনবাগানের থেকে আমাদের বেশি সমস্যায় ফেলেছিল। আইএসএলে খেলা দল, অথচ আমাদের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি। আমাদের ইতালিয়ান লিগে প্রথম ও দ্বিতীয় ডিভিশনে প্রথম স্থানে থাকা দলের স্কোর লাইন কখনও এইরকম হয় না। এখানে আইএসএল ও আই লিগের খেলার মানের মধ্যে কোনও পার্থক্যই নেই। আই লিগের দলগুলি আইএসএলের দলকে যে কোনও সময় হারাতে পারে।এদিকে, গোকুলাম এফসির কাছে হারার পাশাপাশি আরও বড় ধাক্কা খেয়েছে এটিকে মোহনবাগান। লুকা মাজসেনকে ট্যাকেল করতে গিয়ে হাঁটুর লিগামেন্ট ছিঁড়েছে তিরির। কয়েকমাস মাঠের বাইরে থাকতে হবে তাঁকে। একদিকে সন্দেশ ঝিঙ্ঘানের চোট। তার ওপর চোট পেয়ে ছিটকে গেলেন তিনি। এএফসি কাপে কঠিন সমস্যায় পড়তে হবে এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দোকে। পরের ম্যাচেই সবুজমেরুণের সামনে গ্রুপের সব থেকে শক্তিশালী দল বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংস। এই ম্যাচে কাকে ডিফেন্সে খেলাবেন, জানেন না ফেরান্দো। হুগো বুমোস বা সন্দেশ ফিরবেন কিনা তাও নিশ্চিত নয়। তবে ফেরান্দো এখনই দমে যাচ্ছেন না। তাঁর আশা, হাতে দুদিন সময় আছে। তার মধ্যে নিশ্চয়ই রক্ষণ গুছিয়ে নিতে পারবেন। তবে তিনি স্বীকার করে নিয়েছেন, ম্যাচের পর স্বীকার করে নিলেন, তিরির চোট পাওয়াটা দলের খুব ক্ষতি হয়ে গেল।

মে ১৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

লুকা দাপটে তছনছ ডিফেন্স, লজ্জার হার এটিকে মোহনবাগানের

এটিকে মোহনাবাগানের একি হাল! আই লিগ দলের কাছে ৪২ গোলে হার! লুকা মাজসেনরা সহজ সুযোগ নষ্ট না করলে আরও বড় লজ্জার মুখে পড়তে হত জুয়ান ফেরান্দোর দলকে। সবুজমেরুণ ডিফেন্সকে তছনছ করে দিলেন লুকা মাজসেন। দুটি গোল করলেন, করালেন একটি। এএফসি কাপে গ্রুপ লিগে দুর্দান্ত জয় দিয়ে শুরু করল সদ্য আই লিগ জেতা গোকুলাম এফসি।ম্যাচের শুরুটা দেখে মনে হয়নি এটিকে মোহনবাগানকে এইরকম বিপর্যয়ের মুখে পড়তে হবে। প্রথম থেকেই গোকুলাম এফসির বক্সে একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসে এটিকে মোহনবাগান। ২ মিনিটের মাথায় ডানদিক থেকে প্রবীর দাসের ভাসানো সেন্টারে মাথা ছোঁয়াতে পারেননি রয় কৃষ্ণা। ৫ মিনিটে প্রবীর দাসের পাস থেকে আরও একটা গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন রয় কৃষ্ণা। ১১ মিনিটে লিস্টন কোলাসোর পাস থেকে ফাঁকায় বল পয়ে গিয়েছিলেন রয় কৃষ্ণা। কিন্ত বল জালে রাখতে পারেননি। সবথেকে সহজ সুযোগ এসে গিয়েছিল ১৮ মিনিটের মাথায়। জনি কাউকোর পাস থেকে বল ধরে বাঁ পায়ের কোনাকুনি শট নিয়েছিলেন রয় কৃষ্ণা। বল দ্বিতীয় পোস্টের ভেতরে লেগে বেরিয়ে আসে। ২৯ মিনিটে জনি কাউকোর শট দারুণভাবে বাঁচান গোকুলাম গোলকিপার রক্ষিত দাগার।৩৫ মিনিটে ধাক্কা খায় এটিকে মোহনবাগান। গোকুলামের লুকা মাজসেনকে ট্যাকেল করতে গিয়ে হাঁটুতে চোট পান তিরি। তাঁকে তুলে নিতে বাধ্য হন জুয়ান ফেরান্দো। পরিবর্তে মাঠে নামান আশুতোষকে। ৩৬ মিনিটে আবার গোলের সুযোগ এসেছিল এটিকে মোহনবাগানের সামনে। বাঁদিক থেকে ডেভিড উইলিয়ামস গোল লক্ষ্য করে লম্বা শট নিয়েছিলেন। বল অল্পের জন্য বারের ওপর দিয়ে বেরিয়ে যায়। প্রথমার্ধে গোকুলাম এফসি দুএকবার প্রতিআক্রমণে উঠে এসে এটিকে মোহনবাগান গোলমুখে হানা দিয়েছিল। কিন্তু বাগান গোলকিপার অমরিন্দারকে কঠিন পরীক্ষার মুখে ফেলতে পারেনি। প্রথমার্ধে ম্যাচের ফল থাকে গোলশূন্য।দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই এটিকে মোহনবাগানের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে গোকুলাম এফসি। ৪৭ মিনিটে গোল করার মতো সুযোগও পেয়ে গিয়েছিল। বাঁদিক থেকে এমিল বেনির সেন্টারে ৬ গজ বক্সের মধ্যে থেকে বল গোলে রাখতে পারেননি লুকা মাজসেন। ৩ মিনিট পরেই তাহির জামানের মাইনাস থেকে গোল করে তিনি দলকে এগিয়ে দেন। এই অগ্রগমন বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি গোকুলাম এফসি। ৫৩ মিনিটে লিস্টন কোলাসোর কর্ণার থেকে বক্সের মধ্যে ফাঁকায় বল পেয়ে সমতা ফেরান প্রীতম কোটাল। ৫৭ মিনিটে আবার এগিয়ে যায় গোকুলাম এফসি। বাঁদিক থেকে বল ধরে গতি বাড়িয়ে এগিয়ে গিয়ে বক্সের মধ্যে মাইনাস করেন ফ্লেচার। ডানপায়ের জোরালো শটে ২১ করেন রিশাদ।এটিকে মোহনবাগান প্রথমার্ধে যেরকম শুরু করেছিল, গোকুলাম এফসি দ্বিতীয়ার্ধে সেইরকম গতিতেই শুরু করে। লুকা, জামান, ফ্লেচাররা গতি দিয়ে ছাড়খার করে দেয় সবুজমেরুণ ডিফেন্সকে। তিরির অভাব বারবার চোখে পড়ছিল। এটিকে মোহনবাগানের রক্ষণের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ৬৫ মিনিটে ফ্লেচারের কাছ থেকে বল পেয়ে ৩১ করেন লুকা মাজসেন। ৮০ মিনিটে দুরন্ত ফ্রিকিক থেকে ব্যবধান কমান লিস্টন কোলাসো। ম্যাচের একেবারে শেষলগ্নে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল গোকুলাম। কাজে লাগাতে পারেনি। তাহলে লজ্জা আরও বাড়ত জুয়ান ফেরান্দোর দলের।

মে ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সামনে গোকুলাম, রয় কৃষ্ণাদের নিয়ে কেন স্ট্র‌্যাটেজি গোপন রাখলেন বাগান কোচ ফেরান্দো?‌

আইএসএলের লিগ পর্যায়ে দুরন্ত পারফরমেন্স করেও শেষরক্ষা হয়নি। সেমিফাইনাল থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল এটিকে মোহনবাগানকে। আইএসএল থেকে বিদায় নেওয়ার পর বাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো পাখির চোখ করেছিলেন এএফসি কাপকে। বুধবার গ্রুপ লিগে এটিকে মোহনবাগানের সামনে আই লিগ চ্যাম্পিয়ন গোকুলাম এফসি। জয় দিয়ে এবারের এএফসি কাপ অভিযান শুরু করতে মরিয়া সবুজমেরুণ শিবির। এটিকে মোহনবাগানের গ্রুপে গোকুলাম এফসি ছাড়াও রয়েছে বাংলাদেশের লিগ চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস ও মালদ্বীপের ধিবোহী লিগ চ্যাম্পিয়ন মাজিয়া স্পোর্টস ক্লাব। দুটি দলই যথেষ্ট শক্তিশালী। তাই গোকুলাম এফসির বিরুদ্ধে গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে নিতে চায় এটিকে মোহনবাগান। গতবছর এএফসি কাপে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে পরের পর্বে উঠেছিল সবুজমেরুণ ব্রিগেড। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। এবছরও ডি গ্রুপে এটিকে মোহনবাগান ফেবারিট। তবে বিপক্ষ শিবিরকে হালকাভাবে নিতে মোটেই রাজি নন সবুজমেরুণ কোচ।গোকুলাম এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে জুয়ান ফেরান্দো বলেন, গ্রুপের তিনটি দলই নিজেদের দেশের লিগে চ্যাম্পিয়ন। সুতরাং হালকাভাবে নেওয়ার প্রশ্নই নেই। প্রত্যেকে চ্যালেঞ্জ জানাতে তৈরি। গ্রুপের তিনটি দলকেই সমান গুরুত্ব দিতে হবে। গোকুলাম এফসি খেলার মধ্যে রয়েছে। মাত্র কদিন আগেই আই লিগ জিতেছে। ফলে ওদের মনোবল তুঙ্গে রয়েছে। গোকুলামের আক্রমণ ও রক্ষণে দারুণ ভারসাম্য রয়েছে। ফলে লড়াই সহজ হবে না। আই লিগে একমাত্র শ্রীনিধি এফসির কাছে হেরেছিল গোকুলাম। ফলে বিপক্ষকে যথেষ্ট সমীহ করছেন জুয়ান। যদিও রয় কৃষ্ণারা নিজেরদের সেরা খেলা তুলে ধরলে জয় পেতে সমস্যা হবে না এটিকে মোহনবাগানের। কিছুদিন আগেই এএফসি কাপের প্রাথমিক পর্বে রয় কৃষ্ণাকে ছাড়াই শ্রীলঙ্কার ফাইভ স্টার ও বাংলাদেশের বসুন্ধরার বিরুদ্ধে দারুণ জয় তুলে নিয়েছিল এটিকে মোহনবাগান। এবার রয় কৃষ্ণাকে পাচ্ছেন জুয়ান ফেরান্দো। তাঁর সঙ্গে যোগ হয়েছেন কার্ল ম্যাকহিউ। ফলে অনেকটাই শক্তি বাড়িয়ে এবার মাঠে নামছে এটিকে মোহনবাগান। এছাড়া তিরি, জনি কাউকো, ডেভিড উইলিময়ামস, হুগো বোমাসরাও রয়েছেন। ৪ বিদেশিকে মাঠে নামানো যাবে। ৬ বিদেশির মধ্যে কোন ৪ বিদেশিকে প্রথম একাদশে রাখবেন, তা খোলসা করেননি জুয়ান ফেরান্দো। তিনটি ম্যাচে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে সব বিদেশিকেই মাঠে নামাতে চান।

মে ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

প্রস্তুতি ম্যাচে ভারতীয় দলকে হারিয়ে দিল এটিকে মোহনবাগান!‌

দিন ১৫ কর্ণাটকের বেলারিতে চলেছে নিবিড় প্রস্তুতি। তাসত্ত্বেও তৈরি ভারতীয় দল! প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচেই তার প্রমাণ পাওয়া গেল। বুধবার যুবভারতীর প্র্যাকটিস গ্রাউন্ডে এটিকে মোহনবাগানের কাছে প্রস্তুতি ম্যাচে হারল ইগর স্টিম্যাকের ভারতীয় ফুটবল দল। সবুজমেরুণ ব্রিগেড জিতল ২১ ব্যবধানে। এটিকে মোহনবাগানের হয়ে গোল দুটি করেন লিস্টন কোলাসো ও কিয়ান নাসিরি। ভারতীয় দল প্রস্তুতি নিচ্ছে এশিয়ান কাপে কোয়ালিফায়ারের প্রস্তুতির জন্য। অন্যদিকে, এটিকে মোহনবাগান তৈরি হচ্ছে এএফসি কাপের মূলপর্বের গ্রুপ লিগের ম্যাচের জন্য। জুয়ান ফেরান্দোর দল যে ভালোই তৈরি, এদিনের প্রস্তুতি ম্যাচে বোঝা গেল। সুনীল ছেত্রীদের বিরুদ্ধে এদিন দারুণ ফুটবল উপহার দেয় সবুজমেরুণ ফুটবলাররা। ভারতীয় দলে থাকা এটিকে মোহনবাগান ফুটবলাররা অবশ্য সবুজমেরুণ জার্সি গায়েই মাঠে নেমেছিলেন। তাঁদের সঙ্গে শুরুতে তিন বিদেশিকে মাঠে নামিয়েছিলেন জুয়ান ফেরান্দো। প্রথমার্ধে দারুণ ফুটবল উপহার দেন লিস্টন কোলাসোরা। দ্বিতীয়ার্ধে পুরো দলকে বদলে দেন এটিকে মোহনবাগান কোচ। রয় কৃষ্ণা, ডেভিড উইলিয়ামসদের খেলান। তাতেও ছন্দ নষ্ট হয়নি এটিকে মোহনবাগানের। বরং ইগর স্টিম্যাকের ফুটবলাররা নিজেদের মেলে ধরতে পারেননি। ভারতীয় দলের রক্ষণে যে দুর্বলতা আছে, এদিন চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেন লিস্টন কোলাসো, কিয়ান নাসিরিরা। কলকাতায় অনুশীলনের পাশাপাশি আরও দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে ভারতীয় দল। দুটি ম্যাচই আই লিগের বাছাই করা ফুটবলারদের নিয়ে গড়া দলের বিরুদ্ধে।

মে ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মোহনবাগানে শেষ হল না ‘‌বসু পরিবার’‌ অধ্যায়, আবার সভাপতি টুটু

হতে হতেও শেষ হল না মোহনবাগানে বসু পরিবার অধ্যায়। যাবতীয় জল্পনার অবসান ঘটিয়ে আবার শতাব্দীপ্রাচীন এই ক্লাবে সভাপতি পদে থেকে গেলেন স্বপনসাধন বসু। যিনি ময়দানে টুটু বসু নামে পরিচিত। ক্লাবের বেশকিছু কার্যকরী সদস্যর চাপেই বুধবার কার্যকরী কমিটির বৈঠকে টুটু বসুকে আবার সভাপতি হিসেবে বেছে নেওয়া হল। টুটু বসুর শারিরীক অবস্থা তেমন ভাল নয়। তাই নিজেকে স্বেচ্ছায় ময়দান থেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন। কিন্তু মোহনবাগানের সদস্যসমর্থকরা তাঁকে ছাড়লেন না। সদস্যসমর্থকদের দাবিকেই শেষপর্যন্ত মান্যতা দিতে বাধ্য হল কার্যকরী কমিটি। এবছর নির্বাচন নিয়ে তুমুল হৈ চৈ হয়েচিল। বসু পরিবারকে কোনও সুযোগই দেননি দেবাশিস দত্তরা। সৃঞ্জয় বসুর ইচ্ছে ছিল সচিব পদে দাঁড়ানোর। কিন্তু দেবাশিস দত্তরা সেই সুযোগ দেননি। দেবাশিস দত্ত নিজেই সচিব পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তখনই মনে হচ্ছিল বাগানে বসু পরিবার অধ্যায় হয়তো শেষ হতে চলেছে। নির্বাচনের পর সাধারণত কার্যকরী কমিটির প্রথম বৈঠকেই সভাপতি বেছে নেওয়া হয়। এবছর দুদুটি কার্যকরী কমিটির বৈঠক হয়ে গেলেও সভাপতি বেছে নিতে পারেনি মোহনবাগান। আসলে সভপতি নিয়ে কার্যকরী কমিটির সদস্যদের মধ্যে মতানৈক্য ছিল। মাঝে বেশ কয়েকটি নাম উঠে এসেছিল। শেষ পর্যন্ত বুধবার তৃতীয় কার্যকরী কমিটির বৈঠকের পর সভাপতি হিসেবে টুটু বসুর নাম ঘোষণা করা হয়। বুধবার বৈঠক শেষে মোহনবাগান সচিব দেবাশিস দত্ত বলেন, সভাপতি হিসেবে বেশ কয়েকজনের নাম উঠে এসেছিল। কিন্তু কার্যকরী কমিটির সদস্যরা একমত হয়ে টুটু বসুকেই সভাপতি হিসেবে বেছে নিয়েছে। শতাব্দীপ্রাচীন ক্লাবে ওনার অবদানের জন্যই আবার সভাপতি করা হল। টুটু বসুর সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। উনি দায়িত্ব নিতে রাজি। এদিকে, মোহনবাগান ক্লাবে সভাপতি হওয়ার ব্যাপারে নিয়মের বদল নিয়ে আসা হয়েছে। আগে নিয়ম ছিল সভাপতি হতে গেলে ২০ বছরের পুরনো সদস্য হতে হবে। এবার সেই নিয়ম বদলে ঠিক হয়েছে ১৫ বছরের পুরনো সদস্য হলেই সভাপতি হওয়া যাবে।

মে ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

প্রস্তুতি ম্যাচের জন্য এটিকে মোহনবাগানকে কেন বেছে নিলেন ইগর স্টিম্যাক?‌

লক্ষ্য ২০২৩ এএফসি কাপের যোগ্যতা অর্জন। ২৩ এপ্রিল থেকে কর্ণাটকের বেলারিতে জাতীয় দলকে নিয়ে প্রস্তুতি শুরু করেছিলেন ভারতীয় ফুটবল দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। বেলারি পর্ব শেষ করে এবার দলবল নিয়ে হাজির কলকাতায়। মঙ্গলবার থেকে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের প্র্যাকটিস গ্রাউন্ডে শুরু করলেন দ্বিতীয় পর্বের প্রস্তুতি। সুনীল ছেত্রীরা কতটা তৈরি, তা দেখে নিতে বুধবার এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে দলকে প্রস্তুতি ম্যাচে মাঠে নামাবেন ইগর স্টিম্যাক।শুধু এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধেই নয়, দোহা রওনা হওয়ার আগে আরও দুটি প্রস্তুতি ম্যাচে মাঠে নামবে ভারতীয় দল। ১৭ ও ২০ মে আই লিগে খেলা সেরা ফুটবলারদের নিয়ে গঠিত অলস্টার দলের বিরুদ্ধে খেলবেন সুনীল ছেত্রীরা। এবছর দোহাতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ২০২৩ এএফসি যোগ্যতা অর্জনের ম্যাচ। ভারতের প্রথম ম্যাচ ২৫ মে জাম্বিয়ার বিরুদ্ধে। দ্বিতীয় ম্যাচ জর্ডনের বিরুদ্ধে ২৮ মে। ২০ মে আই লিগ অলস্টার দলের বিরুদ্ধে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে দল নিয়ে দোহা রওনা হবেন ইগর স্টিম্যাক।প্রস্তুতি ম্যাচে এটিকে মোহনবাগানের জাতীয় দলে থাকা ফুটবলাররা সবুজমেরুণ জার্সি গায়েই খেলবেন। প্রস্তুতি ম্যাচে ফুটবলারদের পারফরমেন্স দেখে নেওয়াই লক্ষ্য ইগর স্টিম্যাকের। তার ভিত্তিতেই চূড়ান্ত দল বেছে নেবেন। চোট সারিয়ে প্রস্তুতি শিবিরে যোগ দিয়েছেন সুনীল ছেত্রী। দলের সেরা স্ট্রাইকার অনুশীলনে যোগ দেওয়ায় স্বস্তি ভারতীয় দলের কোচের। স্টপার সন্দেশ ঝিংঘানকে পাওয়ার সম্ভাবনা অবশ্য কম। চোট সারিয়ে এখনও তিনি পুরো ফিট হতে পারেননি। রহিম আলিকেও চোটের জন্য পাবেন না স্টিম্যাক। এছাড়া নরেন্দ্র ও চিঙ্গলেনসানাও চোটের কবলে। তাই নতুন করে ডিফেন্স সাজাতে হচ্ছে ভারতীয় দলের কোচকে।জুন মাসে যুবভারতীতে এএফসি এশিয়ান কাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বে খেলবে ভারত। ভারতের সঙ্গে গ্রুপ ডিতে রয়েছে হংকং, আফগানিস্তান ও কম্বোডিয়া। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে তিনটি দলই ভারতের পরে রয়েছে। ফলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে পরের পর্বে যাওয়াটা ইগর স্টিম্যাকের দলের কাছে খুব একটা কঠিন হবে না। ভারতীয় দলের কোচও আশাবাদী। স্টিম্যাক বলেন, গ্রুপে আমরা ফেবারিট। আশা করছি এশিয়ান কাপের মূল পর্বে উঠতে সমস্যা হবে না। তবে সহজ প্রতিপক্ষ হলেও তিনটি দলকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন স্টিমাক।

মে ১০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

এএফসি কাপে এটিকে মোহনবাগানকে চরম সমস্যায় ফেলতে পারে এই ক্লাবটি

এবছর এএফসি কাপের মূলপর্বে এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে গ্রুপ ডিতে রয়েছে বাংলাদেশের প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস, ধিবেহী প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন মালদ্বীপের মাজিয়া স্পোর্টস রিক্রিয়েশন ক্লাব এবং গতবছর আই লিগ চ্যাম্পিয়ন দল মাজিয়া। ১৮ মে থেকে কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে শুরু হবে গ্রুপ ডির ম্যাচ। এই গ্রুপে এটিকে মোহনবাগানকে চরম সমস্যায় ফেলতে পারে বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংস। ২১ মে এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে খেলবে বসুন্ধরা।গত মাসেই এএফসি কাপের প্লে অফে বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিল এটিকে মোহনবাগান। সেই ম্যাচে দারুণ জয় তুলে নিয়েছিল জুয়ান ফেরান্দোর ছেলেরা। কিন্তু এএফসি কাপের মূলপর্বে গ্রুপ ডির ম্যাচে বসুন্ধরার বিরুদ্ধে এবার লড়াইটা সহজ হবে না। এবছর বাংলাদেশের প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষে রয়েছে বসুন্ধরা কিংস। লিগে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করছে অস্কার ব্রুজোনের ফুটবলাররা। এএফসি কাপের মূলপর্ব আপাতত তাদের পাখির চোখ। সেই লক্ষ্যে আবাসিক শিবির করে আধুনিক পরিকাঠামোর সুবিধা নিয়ে বিশেষ প্রস্তুতি সারছে বসুন্ধরা কিংস।এএফসি কাপের মূলপর্বে এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে বসুন্ধরা কিংসের যে দল খেলেছিল, সেই দলে বেশ কয়েকটা পরিবর্তন করেছে। এএফসি কাপের জন্য গতমাসে বসুন্ধরাতে যোগ দিয়েছেন ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার মিগুয়েল ফেরেইরা ও জাম্বিয়ার স্ট্রাইকার নুহা মারোং। এছাড়া কদিন আগেই বসুন্ধরা কিংস সই করিয়েছে ম্যাথু চিনোডোকে। বাংলাদেশ লিগে প্রথম পর্বে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের হয়ে হ্যাটট্রিকসহ ৭ গোল করেছিলেন এই নাইজেরিয়ান স্ট্রাইকার। হাঁটুর চোটের জন্য মাঝে তিনি মাঠে নামতে পারেননি। চোট সারিয়ে ফিরলেও ধানমন্ডি তাঁকে আর দলে রাখেনি। এই নাইজেরিয়ান স্ট্রাইকার বসুন্ধরাতে যোগ দিয়েছেন।ইতিমধ্যেই বসুন্ধরার হয়ে দারুণ পারফর্ম করছেন ব্রাজিলীয় উইঙ্গার রবসন রবিনহো ও ইরানীয় ডিফেন্ডার খালেদ শাফিয়েই। চলতি বাংলাদেশ লিগে ১১টি গোল করেছেন বসুন্ধরা কিংস অধিনায়ক রবিনহো। এছাড়া গোলের মধ্যে রয়েছে নয়া মারোং ও মিগুয়েলও। মাত্র তিনটি ম্যাচ খেলে তিনটি গোল করেছেন ব্রাজিলিয়ান মিগুয়েল। তবে বসুন্ধরার কাছে স্বস্তির খবর হল এলিটা কিংসলেকে পাওয়া। তিনি বাংলাদেশী হয়েই মাঠে নামতে পারবেন। নাইজেরীয় বংশোদ্ভূত এলিটা গত বছর বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পেয়েছেন। গতবছরের মার্চে নাগরিকত্ব পেলেও বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার জন্য ফিফা ও এএফসি থেকে ছাড়পত্র মিলছিল না কিংসলের। অবশেষে মিলেছে ছাড়পত্র। এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন্স (এএফসি) থেকে জানানো হয়েছে, বসুন্ধরা কিংসের হয়ে এএফসি কাপে খেলতে পারবেন তিনি। এরইমধ্যে এএফসি কাপের জন্য এলিটা কিংসলের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেছে বসুন্ধরা কিংস।

মে ১০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ঘর ভাঙছে এটিকে মোহনবাগানের, লালহলুদের পথে রয় কৃষ্ণা?‌

এবছর আইএসএলের সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল এটিকে মোহনবাগানকে। ফাইনালে উঠতে না পারলেও গোটা প্রতিযোগিতাতেই নজরকাড়া ফুটবল খেলেছিলেন সবুজমেরুণের ফুটবলাররা। এটিকে মোহনবাগানের ফুটবলারদের সামনের মরশুমে পাওয়ার জন্য অন্য ক্লাবগুলি যে ঝাঁপাবে, আইএসএল শেষ হওয়ার পরপরই বোঝা গিয়েছিল। সেটাই ঘটতে চলেছে। এটিকে মোহনবাগানের বেশ কয়েকজন ফুটবলারের কাছে ইতিমধ্যেই অন্য ক্লাবের প্রস্তাব এসে গিয়েছে। দল ছাড়ার পথে ফিজির তারকা রয় কৃষ্ণাও।কদিন আগেই ইস্টবেঙ্গলের মাঝমাঠের ফুটবলার নামতেকে তুলে নিয়েছে এটিকে মোহনবাগান। এবার সবুজমেরুণের ঘর ভাঙার পথে লালহলুদ কর্তারা। স্পনসরের ব্যাপারে এখনও চূড়ান্ত কিছু না হলেও সামনের মরশুমে দল গঠনের ব্যাপারে দারুণভাবে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। ইতিমধ্যেই এটিকে মোহনবাগানের প্রীতম কোটাল ও রয় কৃষ্ণাকে বড় অঙ্কের প্রস্তাব দিয়েছেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে সামনের মরশুমে সবুজমেরুণের এই দুই ফুটবলারকে ইস্টবেঙ্গলে দেখা যেতে পারে।এটিকে মোহনবাগানে গত মরশুমে নিয়মিত খেলার সুযোগ পাননি প্রবীর দাস। তিনি আর সবুজমেরুণে থাকতে চাইছেন না। গত মরশুমেই তিনি এটিকে মোহনবাগান ছাড়তে চেয়েছিলেন। কিন্তু সবুজমেরুণ কর্তারা চুক্তির শর্ত দেখিয়ে তাঁকে ছাড়েননি। প্রবীর দাসের সঙ্গে সামনের মরশুমেরও চুক্তি রয়েছে এটিকে মোহনবাগানের। এই মুহূর্তে তাঁকে দলে পেতে আগ্রহী কেরালা ব্লাস্টার্স বেঙ্গালুরু এফসির মতো ক্লাবগুলি। কেরালা ব্লাস্টার্সের থেকে বেঙ্গালুরুর প্রস্তাব অনেকবেশি আকর্ষণীয়। তাদের প্রস্তাব বেশ মনে ধরেছে প্রবীর দাসের। তিনি এটিকে মোহনবাগান ছাড়তে চান। সবুজমেরুণ কর্তাদের কাছে রিলিজের জন্য আবেদনও করেছেন। এখন দেখার এটিকে মোহনবাগান প্রবীরকে রিলিজ দেয় কিনা। গত মরশুমে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করা লিস্টন কোলাসো, অস্ট্রেলিয়ার তারকা ডেভিড উইলিয়ামসের দিকেও নজর রয়েছে বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজির।

মে ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ডেভিড উইলিয়ামসের দুরন্ত হ্যাটট্রিকে এএফসি কাপের মূলপর্বে সবুজমেরুন

আগের ম্যাচে শ্রীলঙ্কার ব্লু স্টারকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়ে গিয়েছিল। সেই আত্মবিশ্বাসকে সঙ্গী করেই এএফসি কাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিল এটিকে মোহনবাগান। ডেভিড উইলিয়ামসের দুরন্ত হ্যাটট্রিকে বাংলাদেশের ঢাকা আবহনীকে ৩-১ গোলে হারাল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। এদিন ম্যাচের প্রথমার্ধে পুরোটাই নিয়ন্ত্রণ করে এটিকে মোহনবাগান। ম্যাচের ৬ মিনিটে বাদিক থেকে জনি কাউকোর বাড়ানো ক্রস থেকে এটিকে মোহনবাগানকে ১-০ গোলে এগিয়ে দেন ডেভিড উইলিয়ামস। ৭ মিনিট পর সমতা ফিরিয়ে আনার সুযোগ এসেছিল আবহনীর সামনে। কিন্তু জালে বল রাখতে পারেননি ড্যানিয়েল কলিন্ড্রেস।প্রথম গোল খাওয়ার পর চাপে পড়ে যায় ঢাকা আবাহনী। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বেশ কয়েকবার আক্রমণ তুলে নিয়ে আসেন এটিকে মোহনবাগানের কাউকো-লিস্টনরা। তবে আবাহনীর রক্ষণের তৎপরতায় গোল মুখ খুলতে পারেনি সবুজমেরুন। ম্যাচের ২০ মিনিটের মাথায় প্রবীর দাসের সেন্টার থেকে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ নষ্ট করেন জনি কাউকো। তাঁর শট বারের উপর দিয়ে বেরিয়ে যায়। একাধিক সুযোগ নষ্টের খেসারত দেওয়া সবুজমেরুন ২৯ মিনিটে ডেভিড উইলিয়ামসের গোলে ব্যবধান বাড়ায়। প্রবীর দাসের সাজিয়ে দেওয়া বল থেকে গোল তুলে আনতে কোনও ভুল করেননি ডেভিড উইলিয়ামস। প্রথমার্ধেই হ্যাটট্রিক পুর্ণ করতে পারতেন এই অস্ট্রেলীয় স্ট্রাইকার। প্রথমার্ধের শেষ দিকে একের বিরুদ্ধে এক পরিস্থিতিতে তিনি আবহনী গোলরক্ষকের গায়ে মারেন।দ্বিতীয়ার্ধে এটিকে মোহনবাগান হঠাৎই খেলা থেকে হারিয়ে যায়। মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ তুলে নেয় আবহনী। ঢাকা আবহনী একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসে। পর পর সুযোগ তৈরি করেও সবুজমেরুনের বক্সের মধ্যে গিয়েই খেই হারিয়ে ফেলছিল ঢাকার দল। প্রায় দুটি ক্ষেত্রে নিশ্চিত গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি আবহনী। একের পর এক আক্রমণ তুলে আনার সুফল পায় ৬১ মিনিটে। রাকিব হোসেনের ডান পায়ের ফ্লিক ধরে বিশ্বমানের গোল করে যান কোস্টা রিকার বিশ্বকাপার ড্যানিয়েল কলিনড্রেস। ম্যাচের ৭০ মিনিটের পর আবার ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরে এটিকে মোহনবাগান। আবহনীর মরিয়া লড়াই রুখে ফের আক্রমণাত্মক মেজাজে ফিরে আসে সবুজমেরুন। এই সময়ে দুটি সহজ সুযোগ মিসও করে বাগান জনতার প্রিয় ক্লাবটি। গোল নষ্টের মহরার মধ্যে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করে ঢাকা আবহনীর কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দেন ডেভিড উইলিয়ামস।

এপ্রিল ১৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

অভিমান, না ক্ষোভ?‌ ‌মোহনবাগান ক্লাবের বারপুজোয় কেন এলেন না সৃঞ্জয় বসু?‌

ভবানীপুর ক্লাব থেকে মোহনবাগান ক্লাবের দূরত্ব কত হবে? বড়জোর ৫০০ মিটার। গাড়িতে কতটুকু সময় লাগতে পারে? ১ মিনিটের বেশি লাগার কথা নয়। জ্যাম থাকলে অন্য কথা। ওই রাস্তাটুকুতে জ্যাম থাকার কথা নয়। তাও আবার পয়লা বৈশাখের সকালে। ময়দানের বারপুজোর দিন এই রাস্তাটুকুও অতিক্রম করার সময় পেলেন না মোহনবাগানের প্রাক্তন সচিব সৃঞ্জয় বসু! এবার তাহলে মেনে নিতেই হবে, মোহনবাগান ক্লাবে সত্যি সত্যিই বসু পরিবারের অধ্যায় শেষ। বরাবরই যিনি শত ব্যস্ততার মাঝেও মোহনবাগান ক্লাবের বারপুজোয় হাজির থেকেছেন, তিনিই কিনা এবার অনুপস্থিত! সত্যিই নববর্ষের প্রথম দিন ব্যতিক্রমী হয়ে থাকল মোহনবাগান। দুবছর পর ময়দানে আবার বারপুজো। ক্লাবের বারপুজো উপলক্ষ্যে হাজির হয়েছিলেন সদস্যসমর্থকরা। ক্লাব কর্তাদের উপস্থিতিও চোখে পড়ার মতো। হাজির ছিলেন ক্লাবের সহসভাপতি তথা রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ রায়, আর এক সহসভাপতি কুণাল ঘোষ। সচিব দেবাশিস দত্ত তো ছিলেনই, এছাড়াও হাজির ছিলেন সহসচিব সত্যজিৎ চ্যাটার্জি, ফুটবল সচিব স্বপন ব্যানার্জি প্রমুখ। তবে সবথেকে চমক ছিল রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস ও সাংসদ তথা প্রাক্তন ফুটবলার প্রসূন ব্যানার্জির উপস্থিতি। এছাড়াও হাজির ছিলেন দেবজিৎ ঘোষ, শঙ্করলাল চক্রবর্তী, প্রশান্ত ব্যানার্জির মতো প্রাক্তন ফুটবলাররা। তবে অবাক হওয়ার বিষয়, বসু পরিবারের কোনও সদস্য হাজির না থাকা। প্রাতকন সভাপতি স্বপনসাধন বসু (টুটু বসু) বরাবরই বারপুজোতে হাজির থাকতেন। এছাড়াও আসতেন প্রাক্তন সচিব সৃঞ্জয় বসু। এবার বসু পরিবারের কেউই আসেননি। টুটু বসু অসুস্থ। কিন্তু সৃঞ্জয় বসু? তিনি তো দিব্যি সুস্থ। সারাদিন ভবানীপুর ক্লাবের বারপুজোয় কাটালেন। অথচ ৫০০ মিটার দূরত্বে মোহনবাগান ক্লাবে পা মারালেন না। ক্লাবে না এলেও নতুন সচিব ও ক্লাবকে শুভেচ্ছা জানাতে ভোলেননি সৃঞ্জয় বসু। এদিন, দলের ফুটবলারদের নিয়ে মোহনবাগান ক্লাবের বারপুজোয় হাজির ছিলেন সবুজমেরুণ কোচ জুয়ান ফেরান্দো।

এপ্রিল ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌দুর্দান্ত জয়ের পরেও জরিমানা এটিকে মোহনবাগানের!‌ সমর্থকদের জন্য কী দশা

দীর্ঘদিন পর ঘরের মাঠে প্রিয় দলের খেলা দেখার সুযোগ পেয়ে আবেগে ভাসছিলেন এটিকে মোহনবাগানের সমর্থকরা। কিন্তু তাঁদের এই আবেগর মূল্য ক্লাবকে যে দিতে হবে, হয়তো স্বপ্নেও ভাবেননি সমর্থকরা। মঙ্গলবার এএফসি কাপে শ্রীলঙ্কার ব্লু স্টারকে হারিয়েও স্বস্তিতে নেই এটিকে মোহনবাগান। মোটা অঙ্কের জরিমানার মুখে পড়তে হচ্ছে সবুজমেরুণ শিবিরকে। এএফসির নিয়ম অনুযায়ী এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন আয়োজিত কোনও প্রতিযোগিতায় ব্যানার, ফেস্টুন, টিফো নিয়ে মাঠে প্রবেশ করতে পারবেন না সমর্থকরা। যদি নিরাপত্তারক্ষীদের দৃষ্টি এড়িয়ে কোনও সমর্থক গ্যালারিতে ব্যানারফেস্টুন নিয়ে যায়, তাহলে হোম টিমকে শাস্তির কবলে পড়তে হবে। মাঠে কোনও দর্শক ঢুকে পড়লেও শাস্তির কবলে পড়তে হবে সংশ্লিষ্ট দলকে। কারণ মাঠে দর্শক ঢুকে পড়লে ফুটবলারদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। মঙ্গলবার ব্লু স্টারের বিরুদ্ধে দলের দুর্দান্ত জয়ের পর নিজেদের ধরে রাখতে পারেননি দুই সমর্থক। তাঁরা মাঠে ঢুকে পড়ে ফুটবলারদের জড়িয়ে ধরেন। করোনা আবহে এমনিতেই ফুটবলারদের নিরাপদ দূরত্বে রাখা হচ্ছে। এইভাবে মাঠে দর্শক ঢুকে পড়ার বিষয়টি ভালভাবে নেয়নি এএফসি। ব্যাপারটাকে নিরাপত্তার গাফিলতি হিসেবেই দেখা হচ্ছে। এখানেই শেষ নয়, আরও নিয়ম ভেঙেছেন সবুজমেরুণ সমর্থকরা। বেশ কয়েকজন দর্শক হাতে নানারকম ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে গ্যালারিতে হাজির হয়েছিলেন। যুবভারতীর গ্যালারিকে তাঁরা বেছে নিয়েছিলেন প্রতিবাদের মঞ্চ হিসেবে, যা এএফসির নিয়ম বিরুদ্ধ। সমর্থকরা যেসব ব্যানার নিয়ে মাঠে হাজির ছিলেন, তার কোনওটাতে লেখা ছিল, আমাদের মোহনবাগান ক্লাব ফিরিয়ে দাও। মূলত এটিকের সঙ্গে সংযুক্তির প্রতিবাদেই এই ব্যানার। হোম টিম হিসেবে নিয়ম ভাঙার জন্য এটিকে মোহনবাগানের ১০ হাজার ডলার জরিমানা করছে এএফসি। ভারতীয় মুদ্রায় এই অর্থের পরিমান ৭ লক্ষ ৬১ হাজার টাকা।এটিকে মোহনবাগানের পক্ষ থেকে অবশ্য পুরো ঘটনার দায় চাপানো হয়েছে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের ওপর। কর্তাদের দাবি, স্টেডিয়ামের নিরাপত্তার দায়িত্ব ছিল পুলিশের ওপর। কোন দর্শক, কী নিয়ে ঢুকছে, তাদের দেখা কর্তব্য, ক্লাবের নয়। পুরো স্টেডিয়ামে দর্শক প্রবেশের অনুমতি থাকলেও ৩৩ হাজার টিকিট বিক্রির জন্য ছাপা হয়েছিল। মাঠে এসেছিলেন ২৩৭২৭ জন দর্শক।

এপ্রিল ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ঠিক হয়ে গেল এএফসি কাপে এটিকে মোহনবাগানের প্রতিপক্ষ, কারা?‌ জানতে পড়ুন

এএফসি কাপের প্রাথমিক পর্বের গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচে ঠিক হয়ে গেছে এটিকে মোহনবাগানের প্রতিপক্ষ। ১২ এপ্রিল যুবভারতীতে শ্রীলঙ্কার ব্লু স্টারের বিরুদ্ধে খেলতে হবে সবুজমেরুণ ব্রিগেডকে। প্লে অফ ম্যাচে নেপালের মাচিন্দ্রা এফসিকে হারিয়ে প্রাথমিক পর্বে উঠে এসেছে শ্রীলঙ্কার ব্লু স্টার। গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচের প্রতিপক্ষকে মেপে নিতে ব্লু স্টার ও মাচিন্দ্রা এফসি ম্যাচ দেখেছিলেন এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। খেলা দেখে শ্রীলঙ্কার ব্লু স্টারকে যথেষ্ট শক্তিশালী প্রতিপক্ষ মনে হয়েছে তাঁর। বিপক্ষকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। ব্লু স্টারের খেলা দেখে সবুজমেরুণ কোচের বিশ্লেষণ, শ্রীলঙ্কার এই দলের পাসিং ফুটবল যথেষ্ট ভাল। মাঝমাঠে পাস খেলতে খেলতে হঠাৎ আক্রমণে উঠে আসে গতি বাড়িয়ে। ম্যাচের কোনও সময়েই হালকাভাব দেখানো চলবে না। ওদের ছোট করে দেখলে ডুবতে হবে। তাই আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।এটিকে মোহনবাগানের ভিডিও অ্যানালিস্ট ব্লু স্টার ও মাচিন্দা এফসির গোটা ম্যাচ ভিডিও রেকর্ডিং করেছেন। দলের ফুটবলারদের ওই ম্যাচের ভিডিও দেখাবেন জুয়ান ফেরান্দো। বিপক্ষ দলের কোথায় দুর্বলতা, কোন জায়গায় শক্তিশালী সেগুলো ফুটবলারদের সামনে তুলে ধরবেন। বিপক্ষের শক্তি ও দুর্বলতা অনুযায়ী ম্যাচের পরিকল্পনা করবেন। এএফসির ম্যাচে এই প্রথম দল নিয়ে মাঠে নামবেন না জুয়ান ফেরান্দো। তাঁর কোচিংয়ে এফসি গোয়া একবার এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলেছিল। যদিও তেমন আশানূরূপ ফল করতে পারেনি। এটিকে মোহনবাগানকে সাফল্য এনে দিতে চান। তবে এখনই পরের পর্ব নিয়ে ভাবছেন না সবুজমেরুণ কোচ। তাঁর লক্ষ্য একেকটা ম্যাচ ধরে এগোনো। এদিকে, যুবভারতীর প্র্যাকটিস গ্রাউন্ডে পুরোদমে প্রস্তুতি চলছে এটিকে মোহনবাগানের। রয় কৃষ্ণাসহ সব বিদেশি যোগ দিয়েছেন। লিস্টন কোলাসো ছাড়া সব ভারতীয় ফুটবলারও অনুশীলন করছেন। লিস্টনের নাকে অপারেশন হয়েছে। কয়েকদিন পরেই তিনি অনুশীলনে যোগ দেবেন। পরে যোগ দিলেও তাঁর খেলতে কোনও অসুবিধা হবে না বলে জানিয়েছেন জুয়ান ফেরান্দো।

এপ্রিল ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির কাছে গিয়ে কী বলে এলেন মোহনবাগান সচিব দেবাশিস দত্ত?‌

লালহলুদের আইএসএলে খেলা যখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল, মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি নিজে উদ্যোগ নিয়ে লগ্নিকারী সংস্থাকে এনে দিয়েছিলেন। মোহনবাগান ক্লাবেরও পাশে দাঁড়িয়েছেন। ক্লাবের তাঁবুর সংস্কারের জন্য ৫০ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য করেছিলেন। এবার সংস্কার হওয়া সেই তাঁবুর উদ্বোধন করবেন মমতা ব্যানার্জি। ক্লাবের নতুন কমিটি গঠিত হওয়ার পর সোমবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গিয়েছিলেন মোহনবাগানের নতুন সচিব দেবাশিস দত্ত। সঙ্গে ছিলেন সদ্য মনোনীত হওয়া নতুন সহ সভাপতি কুণাল ঘোষ। দুপুরে নবান্নে দুজনে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। সৌজন্য সাক্ষাতে নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনার সময় মোহনবাগান সচিব দেবাশিস দত্ত মুখ্যমন্ত্রীকে সংস্কার হওয়া তাঁবুর উদ্বোধন করার জন্য আমন্ত্রণ জানান। মোহনবাগান ক্লাবের পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর হাতে মোহনবাগানের অমর একাদশের স্মারক তুলে দেন সচিব দেবাশিস দত্ত। মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে দেবাশিস দত্ত ও কুণাল ঘোষকে সুন্দর উতরীয় তুলে দেওয়া হয়। পরে দেবাশিস দত্ত বলেন, ক্লাব তাঁবু সংস্কার করার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ৫০ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন। আমরা মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাতে এসেছিলাম। মুখ্যমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছি, যাতে সংস্কার হওয়া ক্লাব তাঁবু উদ্বোধন করেন। উনি রাজি হয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর সময় দিলেই উদ্বোধনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করা হবে। এদিকে, মোহনবাগান ক্লাবের নামেরর আগে এটিকে রয়েছে। এটিকের সঙ্গে সংযুক্তির পর থেকেই এটিকে মোহনবাগান নামে আইএসএলে খেলছে সবুজমেরুণ। সদস্যসমর্থকরা দীর্ঘদিন ধরেই দাবি জানিয়ে আসছেন, মোহনবাগান নামের আগে থেকে এটিকে তুলে নেওয়া হোক। পরিবর্তে লগ্নিকারী সংস্থা আরপি গ্রুপের কোনও নাম বসানো হোক। এই নিয়ে সমর্থকরা অতীতে বিক্ষোভেও সামিল হয়েছিলেন। এই নিয়ে নাকি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেবাশিস দত্ত ও কুণাল ঘোষের কথা হয়েছে। সূত্র থেকে এমনই জানা গেছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ডার্বির নায়কের সঙ্গে আরও ২ বছর চুক্তি, কিয়ানকে নিয়ে কী পরিকল্পনা ফেরান্দোর?‌

আইএসএলের ডার্বিতে পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নেমে বাজিমাত করেছিলেন কিয়ান নাসিরি। সেদিন থেকেই দেশের অন্যান্য ক্লাবগুলির নজর ছিল এই তরুণ স্ট্রাইকারের দিকে। আইএসএলের বেশ কয়েকটা ফ্র্যাঞ্চাইজি তাঁর প্রতি আগ্রহও দেখিয়েছিল। কিন্তু সেইসব ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে কোনও রকম সুযোগ দিলেন না এটিকে মোহনবাগান কর্তারা। কিয়ান নাসিরির সঙ্গে আরও দুই মরশুমের জন্য চুক্তি সেরে ফেলেছেন তাঁরা। সঙ্গে কার্ল ম্যাকহিউয়েরও চুক্তি বাড়ানো হল। তবে কিয়ানের মতো দু বছর নয়, সলামনের মরশুম পর্যন্ত চুক্তি করা হল ম্যাকহিউয়ের সঙ্গে। এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে আরও দুবছর থাকার সুযোগ পেয়ে খুশি কিয়ান নাসিরি। তিনি বলেন, এটিকে মোহনবাগান দেশের অন্যতম সেরা দল। সেই দলের কোচ ও কর্তারা আমার ওপর আস্থা রেখেছেন, এটা আমার কাছে দারুণ ব্যাপার। আশা করছি আগামী বছরগুলিতেও সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে নিজের সেরাটা দিতে পারব। এখন এএফসি কাপে খেলার জন্য মুখিয়ে আছি। এখনও আন্তর্জাতিক ম্যাচে খেলার সুযোগ হয়নি কিয়ান নাসিরির। সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে ঘরের মাঠে দর্শকদের সামনেও খেলার সুযোগ মেলেনি। এএফসি কাপে সেই সুযোগ আসতে চলেছে। কারণ তাঁকে ধরেই পরিকল্পনা করছেন এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। এই ব্যাপারে কিয়ান নাসিরি বলেন, যুবভারতীতে ঘরের মাঠে সবুজমেরুণ সমর্থকদের সামনে খেলার জন্য মুখিয়ে আছি। আইএসএলের ডার্বিতে হ্যাটট্রিক আমার কাছে এখন অতীত। আইএসএলে গোল পেলেও আন্তর্জাতিক ম্যাচে এখনও গোল করতে পারিনি। যুবভারতীতে প্রিয় দর্শকদের সামনে ভাল খেলে গোল করাই লক্ষ্য থাকবে। এএফসি কাপে এশিয়া কোটার বিদেশি নিয়ে মোট ৪ বিদেশিকে নিয়ে মাঠে নামা যাবে। জুয়ান ফেরান্দোর হাতে রয়েছে ৬ বিদেশি রয় কৃষ্ণা, ডেভিড উইলিয়ামস, হুগো বুমোস, তিরি, কার্ল ম্যাকহিউ, জনি কাউকো। এদের মধ্যে কোন ৪ জনকে বেছে নেবেন তা নিয়ে চিন্তার ভাঁজ ফেরান্দোর কপালে। হয়তো আক্রমণভাগে বিদেশি কম রাখবেন। তাই কিয়ান নাসিরিকে নিয়েই পরিকল্পনায় ব্যস্ত। জুয়ান ফেরান্দো বলেন, আমি সবসময় তরুণ ফুটবলারদের গুরুত্ব দিই। দলের ভারসাম্য রাখতে কিয়ানের মতো তরুণ প্রতিভা এইমুহূর্তে দলে দরকার। আক্রমণভাগে ওকে ধরেই পরিকল্পনা করছি।

এপ্রিল ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আবার মোহনবাগানে আসছেন 'সবুজ তোতা'

শতাব্দী প্রাচীন মোহনবাগান ক্লাবে বসু পরিবার অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি। এবার রাজনীতিকদের বারবাড়ন্ত। দীর্ঘদিন মোহনবাগান ক্লাবের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব সামলে এসেছিলেন স্বপনসাধন বসু। যাকে ময়দান চেনে টুটু বসু নামে। এখনও নতুন প্রেসিডেন্টের নাম ঘোষিত না হলেও বৃহস্পতিবার চারজন নতুন সহসভাপতি বেছে নেওয়া হয়েছে। জায়গা পেয়েছেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী অরূপ রায় ও মলয় ঘটক। এছাড়া সহসভাপতি করা হয়েছে রাজ্য তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ ও অসিত চ্যাটার্জিকে।বৃহস্পতিবার মোহনবাগান ক্লাবের নতুন কার্যকরী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হল। সেই বৈঠকে নতুন চার সহসভাপতির নাম ঘোষণা করা হল। অরূপ রায়, মলয় ঘটক, কুণাল ঘোষ, অসিত চ্যাটার্জির মতো রাজনীতিবিদরা অবশ্য ক্লাবের প্রশাসনে নতুন নয়। এর আগেও ক্লাব প্রশাসনে দেখা গেছে রাজনীতিবিদদের। দীর্ঘদিন সবুজমেরুণ ক্লাবের সহসভাপতির দায়িত্ব সামলেছিলেন প্রয়াত মন্ত্রী সুব্রত মুখার্জি। এদিনের সভায় ৪ জন সহসভাপতির নাম ঠিক হলেও বাকি দুজনের নাম এখনও চূড়ান্ত হয়নি। কমিটিতে কোঅপ্ট করা হয়েছে পিন্টু বিশ্বাসকে। এছাড়া উত্তরবঙ্গের প্রতিনিধি অরূপ মজুমদারকে কার্যকরী কমিটিতে স্থায়ী আমন্ত্রিত সদস্য করা হয়েছে।এদিকে, আমার মোহনবাগান ক্লাবে হোসে র্যামিরেজ ব্যারেটোকে ফেরানোর চিন্তা ভাবনা করা হচ্ছে। যুব ফুটবলকে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা নতুন কমিটির। অনূর্ধ্ব ১৫, ১৮, ২১ স্তরের দলগুলির কোচদের মাথায় ব্যারেটোকে বসানোর কথা ভাবা হয়েছে। এদিন, মোহনবাগান তাঁবুতেও হাজির ছিলেন ব্যারেটো। তাঁর সঙ্গে এব্যাপারে প্রাথমিক কথাও বলেছেন নতুন সচিব দেবাশিস দত্ত।এদিনের বৈঠক শেষে দেবাশিস দত্ত বলেন, মোহনবাগানের সঙ্গে ব্যারেটোর আত্মার সম্পর্ক। ইয়ুথ ডেভেলপমেন্টের জন্য আমরা একটা বিদেশি কোচের কথা ভাবছি। ব্যারেটোর কথা মাথায় রয়েছে। কার্যকরী কমিটির বাকি সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে এই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ব্যারোটোও দায়িত্ব নেওয়ার জন্য তৈরি। তিনি বলেন, মোহনবাগান আমার সেকেন্ড হোম। এই ক্লাবের যে কোনও দায়িত্ব নেওয়ার জন্য আমি তৈরি। আমার সঙ্গে রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের এখনও চুক্তি রয়েছে। ওদের কাছ থেকে রিলিজ নিতে হবে।

মার্চ ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌কেন আইএসএলে সেরার পুরস্কার থেকে বঞ্চিত হলেন এটিকে মোহনবাগান ফুটবলাররা?‌

এবছর আইএসএলের শুরুর দিকে তেমন ছন্দে দেখা যায়নি এটিকে মোহনবাগানকে। ব্যর্থতার জন্য কর্তারা সরিয়ে দিয়েছিলেন কোচ আন্তোনীয় লোপেজ হাবাসকে। জুয়ান ফেরান্দো দায়িত্ব নিয়েই দলকে সাফল্যের রাস্তায় নিয়ে এসেছিলেন। টানা ১৫ ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ডও গড়েছিল এটিকে মোহনবাগান। লিগে টেবিলেন দ্বিতীয় স্থানে শেষ করে আইএসএলের সেমিফাইনালের ছাড়পত্র পেয়েছিল। কিন্তু ফাইনালে ওঠার স্বপ্নপূরণ হয়নি। দুই পর্বের সেমিফাইনাল মিলিয়ে হায়দরাবাদ এফসির কাছে ৩২ ব্যবধানে হেরে ফাইনালের স্বপ্ন অপূর্ণ থেকে গিয়েছিল। শুধু দলের ব্যর্থতা নয়, এবারের আইএসএল থেকে কোনও পুরস্কার জিততে পারেননি ফুটবলাররাও। কেন আইএসএলের পুরস্কার থেকে বঞ্চিত হলেন এটিকে মোহনবাগান ফুটবলাররা? কোন ফুটবলার কী পুরস্কার পেলেন, একঝলকে দেখে নেওয়া যায়।এবছর ১৮টি গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার ছিনিয়ে নিয়েছেন হায়দরাবাদ এফসির তারকা স্ট্রাইকার বার্থোলেমিউ ওগবেছে। দলকে চ্যাম্পিয়ন করতে তিনি অগ্রণী ভুমিকা নিয়েছিলেন। তিনি পেয়েছেন গোল্ডেন বুট। গতবছর ১৪ গোল করে গোল্টেন বুট পেয়েছিলেন এফসি গোয়ার স্ট্রাইকার ইগর অ্যাঙ্গুলো। রয় কৃষ্ণাও করেছিলেন ১৪ গোল। তবে তিনি ২৩ ম্যাচ খেলেছিলেন। অ্যাঙ্গুলো খেলেছিলেন ২১ ম্যাচ। প্রতিযোগিতার সেরা ফুটলারের স্বীকৃতি পেয়েছেন জামশেদপুর এফসির গ্রেগ স্টুয়ার্ট। এবছর আইএসএলে দুরন্ত ফুটবল উপহার দিয়েছেন স্টুয়ার্ট। ২১ ম্যাচে তিনি করেছেন ১০। গোল করার দিক দিয়ে পিছিয়ে থাকলেও দলের বেশিরভাগ গোলের পেছনে তিনি অবদান রেখেছিলেন। দুরন্ত ফুটবল খেলে জামশেদপুর এফসিকে লিগে চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন। তাঁর সঙ্গে সেরা ফুটবলার হওয়ার লড়াইয়ে ছিলেন এটিকে মোহনবাগানের লিস্টন কোলাসো। কিন্তু দলকে ফাইনালে তুলতে না পারায় তাঁর ভাগ্যে শিকে ছিঁড়ল না।ফাইনালে তিনতিনটি টাইব্রেকার বাঁচিয়ে এবছর হায়দরাবাদ এফসিকে আইএসএলে চ্যাম্পিয়ন করেছেন লক্ষ্মীকান্ত কাট্টিমনি। সেমিফাইনালেও এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে দুরন্ত খেলেছিলেন। তবু গোল্ডেন বুটের পুরস্কার ছিনিয়ে নিলেন কেরালা ব্লাস্টার্সের গোলকিপার প্রভসুখন গিল। গোটা আইপিএল জুড়ে তিনি তিন কাঠির নীচে অপ্রতিরোধ্য ছিলেন।

মার্চ ২১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

হতাশা কাটিয়ে এখন এএফসি কাপকেই পাখির চোখ করছেন বাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো

বুধবার হায়দরাবাদ এফসি-র বিরুদ্ধে ১-০ ব্যবধানে জিতেও আইএসের ফাইনালের দরজা না খোলায় হতাশ এটিকে মোহনবাগান কোচ, ফুটবলার, সমর্থকরা। ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হলেও গোটা মরশুমের দিকে যদি তাকানো যায়, তা হলে একটা কথা মানতেই হবে, হতাশ হওয়ার মতো ফুটবল খেলেনি সবুজমেরুন ব্রিগেড। দু-একটা ছোটখাট ভুল এবং সমস্যার মাশুল দিতে হয়েছে তাদের। আইএসএলের ব্যর্থতা ঝেড়ে ফেলে হতাশা কাটিয়ে এখন এএফসি কাপকেই পাখির চোখ করছেন এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। হায়দরাবাদ এফসি-র বিরুদ্ধে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় পর্বের ম্যাচ জিতেও আইএসএল অভিযান শেষ হলেও কোচ জুয়ান ফেরান্দো খুশি দলের খেলায়। এএফসি কাপের ভাবনা শুরু হয়ে গিয়েছে তাঁর মাথায়। ফেরান্দো বলেন, দলের খেলায় আমি খুবই খুশি। খুব কঠিন সময়ে আমাদের দলের ছেলেরা প্রচুর পরিশ্রম করেছে। নিভৃতবাস, কোচ ও খেলার ধরন বদল, সব কিছুর সঙ্গে ওরা মানিয়ে নিয়ে সেরাটা দিয়েছে। তবে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় পর্বের ফলাফলে খুশি নন এটিকে মোহনবাগান কোচ। তিনি বলেন, জামশেদপুর এফসি-র কাছে লিগের শেষ ম্যাচ হেরে শীর্ষ স্থানটা হারিয়েছিলাম। এ বার সেমিফাইনালেও হারলাম। এই ফলাফলে আমি একেবারেই খুশি নই। ব্যক্তিগত ভাবে আমি খুব হতাশ। সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটাতে পারলাম না। আমার কাছে এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল।এই মরশুমে যতটা ভাল খেলেছে এটিকে মোহনবাগান তত ভাল ফল তারা পায়নি। তবে চোট-আঘাত, শিবিরে কোভিড-হানা, মরশুমের মাঝখানে কোচ-বদল, নতুন কোচের স্টাইল-বদল, এমন নানা পরিস্থিতির শিকার হওয়া সত্ত্বেও যে সবুজমেরুন ব্রিগেড এত দূর পৌঁছতে পেরেছে, এটা কম কৃতিত্বের নয়। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে এই দলই ফাইনালে উঠতে পারত এবং হয়তো চ্যাম্পিয়নও হতে পারত। কিন্তু দুর্ভাগ্য ও পরিস্থিতি তাদের সেই জায়গায় পৌঁছতে দেয়নি।একমাসও বাকি নেই এএফসি কাপ শুরু হতে। আইএসএলে ব্যর্থতার পর এটাই পাখির চোখ ফেরান্দোর। তিনি বলেন, প্রতিযোগিতা শুরুর আগে ভাল প্রস্তুতি প্রয়োজন। এই ব্যাপারে ক্লাব কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলব। তার আগে অবশ্যই খেলোয়াড়দের যথেষ্ট বিশ্রাম দিতে হবে। ৫-৬ দিন পর থেকে প্র্যাক্টিস শুরু করব। সামনে আরও কঠিন পরীক্ষা।

মার্চ ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুরন্ত ফুটবল উপহার দিয়েও ফাইনালের স্বপ্ন পূরণ হল না এটিকে মোহনবাগানের

৩ গোলের ব্যবধান মুছে দিয়ে জয়ের স্বপ্ন দেখেছিলেন এটিকে কোচ জুয়ান ফেরান্দো। স্বপ্ন দেখেছিলেন ৯০ মিনিটের মধ্যে ৩ গোল করে দলকে আইএসএলের ফাইনালে তোলার। দুরন্ত ফুটবল উপহার দিয়েও স্বপ্নপূরণ হল না সবুজমেরুণ ব্রিগেডের। দ্বিতীয় পর্বের ম্যাচে ১০ ব্যবধানে জিতেও ফাইনালে ওঠা হল না এটিকে মোহনবাগানে। স্বপ্ন আটকে গেল হায়দরাবাদ এফসি গোলকিপার কাট্টিমনির হাতে। দুই পর্ব মিলিয়ে ৩২ ব্যবধানে জিতে ফাইনালে চলে গেল হায়দরাবাদ এফসি।জয়ের জন্য মরিয়া এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো এদিন ৩৫২ ছকে দল সাজিয়েছিলেন। একেবারে সামনে রেখেছিলেন রয় কৃষ্ণা ও কিয়ান নাসিরিকে। কিয়ানকে নামিয়ে চমক দিতে চেয়েছিলেন সবুজমেরুণ কোচ। কিয়ান ও কৃষ্ণার পেছনে হুগো বোমাস, লিস্টন কোলাসো, জনি কাউকো, শুভাশিস বসু ও কার্ল ম্যাকহিউ। ৩ ডিফেন্ডার সন্দেশ ঝিঙ্ঘান, প্রবীর দাস ও প্রীতম কোটাল।ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণে ঝড় তুলেছিল এটিকে মোহনবাগান। ৭ মিনিটে একটা হাফ চান্স এসে গিয়েছিল সবুজমেরুণের সামনে। প্রবীর দাস একক প্রয়াসে ঢুকে গিয়েও গোল করতে পারেননি। ১৪ মিনিটে প্রবীর দাসের সেন্টারে ঠিকঠাক মাথা ছোঁয়াতে পারেননি রয় কৃষ্ণা। একের পর এক আক্রমণ তুলেনিয়ে এলেও গোলমুখ খুলতে পারছিলেন না এটিকো মোহনবাগান স্ট্রাইকাররা। খেলার গতির বিরুদ্ধে ৩৪ মিনিটে দারুণ সুযোগ এসেছিল হায়দরাবাদ এফসির সামনে। ইয়াসির মহম্মদের কর্ণারে ৬ গজ বক্সের মধ্যে সুবিধাজনক জায়গায় পেয়েও গোল করতে পারেননি অনিকেত যাদব। মিনিট তিনেক পরেই এটিকে মোহনবাগানের সামনে গোলের সুযোগ এসে গিয়েছিল। প্রবীর দাসের সেন্টার নিজের আয়ত্বে নিয়ে এসেই তিন কাঠে ভেদ করতে পারেননি হুগো বোমাস। প্রথমার্ধের একেবারে শেষ মুহূর্তে জনি কাউকোর একটা শট বারের ওপর দিয়ে উড়ে যায়।দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেও আক্রমণের ধারা অব্যাহত ছিল এটিকে মোহনবাগানের। ৫০ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ এসেছিল। ডানদিক থেকে উঠে গিয়ে দুর্দান্ত নীচু সেন্টার করেছিলেন প্রবীর দাস। সামনে শুধু হায়দরাবাদ এফসি গোলকিপার কাট্টিমনিকে পেয়েও গোল করতে পারেননি রয় কৃষ্ণা। তাঁর পুশ দারুণ দক্ষতায় বাঁচান কাট্টিমনি। ৬০ মিনিটে বক্সের ঠিক বাইরে সুবিধাজনক জায়গায় ফ্রিকিক পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি লিস্টন কোলাসো। ৬৪ মিনিটে হুগো বোমাসের সেন্টারে কিয়ান নাসিরির হেড সরাসরি কাট্টিমনির হাতে চলে যায়।৬৯ মিনিটে সন্দেশকে তুলে মনবীর সিংকে নামিয়ে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন জুয়ান ফেরান্দো। ফলও পান হাতে নাতে। ৭৯ মিনিটে গোল করে এটিকে মোহনবাগানকে এগিয়ে দেন রয় কৃষ্ণা। শেষ দিকে আক্রমণের চাপ বাড়িয়েও আর গোল তুলে নিতে পারেনি এটিকে মোহনবাগান। সেই কাট্টিমনির হাতেই আটকে গেল সবুজমেরুণের ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন।

মার্চ ১৬, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
উৎসব

দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের উন্মাদনা! ফুটবলের টানে মাঠে ফিরুক কচিকাঁচারা, অভিনব থিম পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির

পূর্ব বর্ধমান: দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এ বার ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও বিশ্বজয়ী স্পেনের উল্লাস, কোথাও ভারতীয় ফুটবলের ছবি, আবার কোথাও লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে পুজোর মণ্ডপেই যেন তৈরি হচ্ছে এক টুকরো বিশ্বকাপের আসর। বাঙালির চিরন্তন ফুটবলপ্রেমকে উদ্যাপন এবং নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের পর্দা থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।পুজোর থিম মানেই এখন শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ সচেতনতা কিংবা নানা অভিনব ভাবনার মেলবন্ধন। সেই ধারাতেই এ বার ফুটবলকে সঙ্গী করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। ক্লাবের ২৯তম বর্ষের পুজোয় তাদের থিম ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড। অর্থাৎ, ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবল যে গোটা বিশ্বকে একই সুতোয় বেঁধে রাখতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে।মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকেই দর্শকদের নজর কাড়ার আয়োজন। সামনে রাখা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের সরকারি বল ট্রিয়োন্ডা। বলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আবহ। মণ্ডপের এক দিকে রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবি, অন্য দিকে স্থান পেয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের গৌরবের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। তাঁদের ফুটবলজীবনের স্মৃতি ও জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ। পাশাপাশি থাকছে আরও কয়েক জন তারকা ফুটবলারের প্রতিকৃতি। বিশ্বকাপের নানা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মাঠের উত্তেজনা, গোলের উল্লাস এবং সমর্থকদের আবেগে ভরা সেই সব মুহূর্তে।মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেও থাকছে চমক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ৭০টি উল্লেখযোগ্য মুহূর্তের ছবি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সেখানে। ভারতীয় ফুটবলের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ জায়গা। দেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। ফলে এই মণ্ডপ শুধু পুজো দেখার জায়গা নয়, ফুটবলের ইতিহাস ও স্মৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনাকেও বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। মণ্ডপের এক পাশে গ্যালারির আদলে তৈরি অংশে থাকবে ফাইনালের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। দুর্গাপ্রতিমার পাশেও স্থান পাচ্ছে ফাইনালের স্মরণীয় দৃশ্য এবং ফুটবল তারকাদের ছবি। মণ্ডপের একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পতাকা। আলোর কারুকার্যে সেই সব পতাকার রং ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপের একটি দৃশ্যমান আবহ তৈরি করাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।এখানেই শেষ নয়। মণ্ডপে থাকবে একটি বড় পর্দা, যেখানে দেখানো হবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের হাইলাইটস। ফলে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে দেখতে পারবেন মাঠের সেরা মুহূর্তগুলি। গোল, সেভ, দুরন্ত পাস কিংবা ট্রফি জয়ের উল্লাসবিশ্বকাপের নানা স্মৃতি মণ্ডপের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।তবে এই আয়োজনের পিছনে শুধুই দর্শকদের আকর্ষণ করার ভাবনা নেই। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, ছোটদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের মাঠমুখী করে তোলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে খেলাধুলার আনন্দ, দলগত প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ফুটবলকে মাধ্যম করেছে ক্লাব।ফুটবল এমন একটি খেলা, যেখানে জয়ের আনন্দের পাশাপাশি থাকে পরাজয় মেনে নেওয়া, সতীর্থের পাশে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা। ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড থিমের মাধ্যমে সেই সামাজিক ও মানবিক বার্তাও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি।দুর্গাপুজোর উৎসবের সঙ্গে ফুটবলের আবেগকে মিলিয়ে এই উদ্যোগ কতটা দর্শকপ্রিয় হয়, তা অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মণ্ডপের সাজসজ্জা থেকে বিশ্বকাপের স্মৃতি, আন্তর্জাতিক তারকা থেকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসসব কিছুকে এক ছাতার তলায় এনে পুজোর আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করেছে ক্লাব। উদ্যোক্তাদের আশা, মণ্ডপে এসে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠার পাশাপাশি ছোটদের মনে জাগবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের টানেই হয়তো এক দিন তারা মোবাইল সরিয়ে রেখে আবার ছুটবে গ্রামের মাঠে, পায়ে বল নিয়ে।দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের আবহ, আর সেই আবহ থেকেই মাঠে ফেরার ডাকপূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির এ বারের পুজোর ভাবনায় ফুটবল তাই শুধু খেলা নয়, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলারও এক বার্তা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal