• ১৬ চৈত্র ১৪৩২, সোমবার ৩০ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Mod

কলকাতা

আজ হলদি নদীর তিরে মোদি

রাজ্যের ভোট ঘোষণা যে কোনও মুহূর্তে। তার ঠিক আগেই, বঙ্গ দখলের লক্ষ্যে বিজেপির প্রচার কোন সুরে বাঁধা থাকবে তা ঠিক করে দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁকে দিয়েই কার্যত শুরু হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ভোট প্রচার। কারণ, হোক না রাজ্যের কুর্সি দখলের লড়াই, দলের কাছে তিনিই মুখ। তাই আজ, রবিবার হলদিয়ার হেলিপ্যাড গ্রাউন্ডে তিনি কী বার্তা দেন সে দিকে যেমন তাকিয়ে রয়েছে রাজ্য বিজেপি, তেমনই শাসকদল তৃণমূলও। হেলিপ্যাড গ্রাউন্ডে রাজনৈতিক সভার পর মোদির সরকারি অনুষ্ঠান রয়েছে। সেই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ আছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও। তবে নবান্ন সূত্রে শনিবার পর্যন্ত তাঁর এই অনুষ্ঠানে আসার কোনও খবর নেই।যে জেলা থেকে মোদির তথা বঙ্গ বিজেপির প্রচার সফর শুরু হচ্ছে, তার এবার বাড়তি গুরুত্ব নন্দীগ্রামের জন্য। এবং এই সভার উপর প্রচারের একটু হলেও বেশি লাইট অবশ্যই যার জন্য, তিনি হলেন শুভেন্দু অধিকারী, যিনি শাসক শিবির ছেড়ে বিজেপিতে নাম লেখানোর পর বিভিন্ন জেলায় সভা করলেও হলদিয়ায় নতুন ভূমিকায় প্রথম পা রাখবেন মোদির সভামঞ্চেই। এই সভামঞ্চের লাগোয়া যে অনুষ্ঠানস্থল সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন তিনটি বড় প্রকল্পের, যা কিছুটা বদলে দেবে হলদিয়ার আর্থিক পরিস্থিতি এবং শিলান্যাস করবেন আরও একটি বড় প্রকল্পের। সেই সরকারি মঞ্চে আবার থাকতে পারেন সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। যা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে জল্পনা তুঙ্গে। থাকবেন বিজেপির অন্যতম কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়, রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ-সহ একগুচ্ছ নেতা-নেত্রী।তবে কারা থাকবেন মোদির মঞ্চে অথবা কাদের জায়গা হবে লাগোয়া ভিআইপির চেয়ারগুলিতে, তার চেয়েও বড় কথা হল প্রধানমন্ত্রী আজ কী বার্তা দেন এবং কতখানি আক্রমণ শানান রাজ্যের শাসকদলকে লক্ষ্য করে। তুলে ধরেন কোন কোন ইস্যু।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২১
রাজ্য

মোদি সরকারকে তোপ অমিত মিত্রর

সেস বৃদ্ধি নিয়ে ফের কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে সরব হলেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। একইসঙ্গে অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, রাজ্য বাজেটে যা যা প্রকল্প প্রস্তাব করেছেন মুখ্যমন্ত্রী, তার জন্য কেন্দ্রের অনুদানও নিজের দক্ষতায় জোগাড় করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যার ফল পাবে রাজ্যবাসী।কোনও জিনিসের বিক্রয়মূল্যের উপর কর নেয় রাজ্য ও কেন্দ্র উভয় সরকার। কিন্তু সেই একই জিনিসের বিক্রয়মূল্যের উপর সেস বসানো থাকলে সেই অংশটুকু সম্পূর্ণরূপে যায় কেন্দ্রের ঘরে। এই ইস্যু তুলেই আক্ষেপের কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্র সরকার বারবার বিভিন্ন ক্ষেত্রে সেস ও সারচার্জ বাড়াচ্ছে। মোদি সরকার যখন ক্ষমতায় এসেছিল তখন রাজ্য থেকে কেন্দ্রের মোট রাজস্বের ৮ শতাংশ সেস হিসাবে যেত। এখন সেটা বেড়ে ১৬ শতাংশ হয়ে গিয়েছে। রাজ্যগুলোকে এই বঞ্চনা আমাদের মেনে নিতে হচ্ছে। তাঁর প্রশ্ন, কেন্দ্র কেন সেস বৃদ্ধি করবে। এতে তো রাজ্যের করে ঘাটতি।কেন্দ্র রাজ্য থেকে করের যে টাকা কেটে নিয়ে যায়, তার ৪১ শতাংশ ফেরত দেয় রাজ্যকে। অর্থমন্ত্রীর অভিযোগ, সেই টাকাও তারা দিচ্ছে না। তাঁর কথায়, গত বছর রাজ্যের যা পাওনা ছিল তার মধ্যে ১৭ হাজার কোটি টাকা কম দিয়েছে। এ বছরও ১০ হাজার কোটি টাকা কম দেবে বলে আশঙ্কা করছি। তাঁর কথায়, সব বিরোধী দল প্রশ্ন করছে টাকা আসবে কোথা থেকে? বাজেট দেখলে বুঝতে পারবেন অর্থ দপ্তরের হাতে ১২ হাজার কোটি টাকা আছে খরচ করার জন্য। এ ছাড়া মুখ্যমন্ত্রী নিজে পরিকল্পনা খাতে ব্যয়ের জন্য পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের কাছে প্রেজেন্টেশন দিয়েছিলেন। তা অত্যন্ত বিশ্বাসযোগ্য হয়েছিল। ফলে রাজ্যের দাবিদাওয়া কেন্দ্রের বাজেটে অনুমোদন করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২১
দেশ

চৌরী-চৌরার ঘটনা নিয়ে আক্ষেপ মোদির

১৯২২ সালে ব্রিটিশ শাসিত ভারতকে নাড়িয়ে দিয়েছিল চৌরী-চৌরার ঘটনা। সাধারণ নাগরিকদের সঙ্গে পুলিশের সেই লড়াইয়ের ১০০ বছর অতিক্রান্ত। আর সেই কারণেই এবার এই ঘটনাকে বিশেষভাবে স্মরণ করা হচ্ছে উত্তরপ্রদেশে। বৃহস্পতিবার যার ভার্চুয়াল উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই ঘটনা ভারতীয় ইতিহাসের পাতায় সেভাবে গুরুত্ব পায়নি বলে আক্ষেপ মোদির।এদিন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উপস্থিত থেকে একটি পোস্টাল স্ট্যাম্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। তারপরই মোদির ভাষণে উঠে আসে ১৯২২ সালের সেই লড়াই মর্মস্পর্শী ঘটনার কথা। স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম সেই অধ্যায়ের কথা উল্লেখ করে মোদি বলেন, তাঁদের সেই রক্তক্ষয়ী বিপ্লব ইতিহাসের পাতায় সেভাবে গুরুত্ব না পেলেও দেশবাসীর মননে রয়ে গিয়েছে। এবং তা আজও আমাদের অনুপ্রেরণা দেয়।একইসঙ্গে মোদির ভাষণে উঠে আসে কৃষকদের কথা। দেশে কৃষকদের গুরুত্ব বোঝাতে বিপ্লবীদের সঙ্গেও তাঁদের তুলনা টানেন প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে এও স্পষ্ট করেন, গত কয়েক বছরে দেশ কৃষিতে উল্লেখ্যযোগ্য উন্নতি করেছে। আর পুরোটাই সম্ভব হয়েছে কৃষকদের জন্য।Centenary celebrations of Chauri Chaura incident. https://t.co/X9yixxmrIX Narendra Modi (@narendramodi) February 4, 2021

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২১
রাজনীতি

৬ দিনের ব্যবধানে মোদি, নাড্ডা, শাহ, রাজ্যে গেরুয়া ঝড়ের মরিয়া প্রয়াস

৬ দিনের ব্যবধানে বিজেপির ৩জন শীর্ষ নেতৃত্ত্ব এরাজ্যে আসছেন। প্রথমে আসবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডা, তার পরের দিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আসছেন তার পরে। রাজ্যে পরিবর্তন যাত্রা ও বিজেপির সার্বিক কর্মসূচি নিয়ে মঙ্গলবার দিল্লিতে দলের কোর কমিটি বৈঠকে বসে। বৈঠক শেষে দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ৬ ফেব্রুয়ারি নদিয়া থেকে পরিবর্তন যাত্রার সূচনা করবেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। তিনি ফের একই কর্মসূচিতে ৯ ফেব্রুয়ারি আসবেন এই রাজ্যে। সেদিন দুটো জোন থেকে কর্মসূচি শুরু হবে। ১১ ফেব্রুয়ারি কোচবিহারে পরিবর্তন যাত্রার সূত্রপাত করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পাঁচটা জোনে পাঁচটা পরিবর্তন যাত্রা কর্মসূচি আয়োজন করেছে বঙ্গ বিজেপি। সরকারি অনুমতির জন্য আবেদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। অনুমতি না পেলে আদালতে যাবেন বা বিকল্প ব্যবস্থা নেবেন বলেও তিনি জানিয়েছেন। তিনি জানান, শেষ পর্যায়ে পরিবর্তন যাত্রা হবে কলকাতা জোনে। সেই কর্মসূচি এখনও চূড়ান্ত হয়নি।এদিকে ৭ ফেব্রুয়ারি হলদিয়ায় সরকারী অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ওই দিন হলদিয়ায় বিজেপির সমাবেশেও থাকবেন মোদি। জানিয়েছেন দিলীপ। জনসভায় থাকার জন্য নরেন্দ্র মোদিকে আবেদন জানিয়েছিল রাজ্য বিজেপি।উল্লেখ্য, লোকসভা নির্বাচনের আগে এই রাজ্যে রথযাত্রা ঘোষণা করেছিল বিজেপি। জোন ভিত্তিক প্রস্তুতি ছিল চূড়ান্ত। কোচবিহার থেকে রথ যাত্রার সূচনা হওয়ার কথা ছিল। অন্য রাজ্য থেকে রথও চলে এসেছিল। কিন্তু আইনের গেরোয় সেদিন রথযাত্রার উদ্বোধন করতে রাজ্যেই আসতে পারেননি অমিত শাহ। এবারও তাঁর সেই কোচবিহারেই পরিবর্তন যাত্রা সূচনা করার কথা।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২১
দেশ

দেশের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে এই বাজেট: মোদি

বাজেট পেশের পর দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে স্বচ্ছ বাজেট পেশের জন্য কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পাশাপাশি তিনি বলেন, এদিনের বাজেটের প্রাণকেন্দ্র হল কৃষক এবং গ্রামবাসীরা। তাঁদের জন্য একাধিক বড় ঘোষণা করা হয়েছে এবারে বাজেটে।কোভিড পরিস্থিতিতে অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা ছিল মূল লক্ষ্য। নির্মলা সীতারমণ সুদক্ষভাবে সেই কাজ সম্পন্ন করেছে বলে জানালেন প্রধানমন্ত্রী। মোদির বেঁধে দেওয়া আত্মনির্ভরতার সুর মেনেই পেশ হয়েছে এদিনের বাজেট। এনিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এদিনের বাজেট ভারতের আত্মবিশ্বাসকে প্রতিফলিত করল। বিশ্বের কাছে ভারতকে আরও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলল। সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষকে নিজের পায়ে দাঁড়াতে সাহায্য করবে এই বাজেট। শুধু তাই নয়, এদিনের বাজেট কৃষকদের আয় বাড়াবে বলেও উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কৃষকদের আয় বাড়াতে একাধিক পদক্ষেপ করা হল। এবার ব্যাংক থেকে সহজেই ঋণ পাবেন। কিষানমান্ডিকে সংগঠিত করতে পদক্ষেপ করা হচ্ছে। অনেকে মনে করেছিলেন আমরা আমজনতার উপর কর চাপাব। কিন্তু সেই পথে আমরা হাঁটিনি। বরং আমরা স্বচ্ছ বাজেট পেশ করেছি। কেন্দ্রীয় সরকার উন্নয়নের পথ খুলে দিচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২১
রাজ্য

ফের রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী!

১৫ দিনের মধ্যে ফের রাজ্যে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। বিজেপি সূত্রের খবর, আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি হলদিয়ায় এক সরকারি কর্মসূচিতে যোগ দিতে পারেন তিনি। তবে, মোদির এবারের সফরে কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচি এখনও নেই।বিজেপি সূত্রের খবর, আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি ভারত পেট্রোলিয়ামের এক সরকারি কর্মসূচিতে ঝটিকা সফরে রাজ্যে পা রাখতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। কলকাতা হয়ে সরাসরি তিনি চলে যাবেন শুভেন্দুর গড় হলদিয়ায়। সেখানেই সরকারি ওই অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। সেখান থেকেই দিল্লি ফিরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। তবে বিজেপি সূত্রের খবর, রাজ্য নেতৃত্ব চেষ্টা করছে, সম্ভব হলে প্রধানমন্ত্রীর রাজ্য সফর দীর্ঘায়িত করে কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচি তাতে অন্তর্ভুক্ত করার। প্রসঙ্গত, শুক্রবারই দুদিনের রাজ্য সফরে আসার কথা ছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর। কিন্তু শুক্রবার দিল্লিতে ইজরায়েলি দূতাবাসের সামনে বিস্ফোরণ হওয়ায় সেই সফর বাতিল হয়েছে। তাঁর পরিবর্তে হাওড়ার যোগদান মেলায় কেন্দ্রস্তরের বড় কোনও নেতাকে আনার চেষ্টা করছে গেরুয়া শিবির। তাছাড়া আগামী ৫-৬ ফেব্রুয়ারি এমনিও রাজ্যে আসতে চলেছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা।

জানুয়ারি ৩০, ২০২১
রাজ্য

কাটআউটে মোদির পায়ের তলায় মনীষীরা! উত্তেজনা বালুরঘাটে

কাটআউটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পায়ের তলায় মনীষীদের ছবি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর থেকে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, ক্ষুদিরাম বসু, ঋষি অরবিন্দ রয়েছে সেই কাটআউটে। বালুরঘাটের বিভিন্ন প্রান্তে এমন কাটআউট ঘিরে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে বিতর্ক। ঘটনার প্রতিবাদে পথ অবরোধ এবং থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। যদিও ছবির নীচে সৌজন্যে সুকান্ত মজুমদার উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রীকে অপমান করতে তৃণমূল ষড়যন্ত্র করে এমন কাজ করেছে। যদিও তৃণমূল সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে।বিষয়টি জানতে পেরেই ঘটনাস্থলে যান সাংসদ-সহ বিজেপি নেতা-কর্মীরা। চরম উত্তেজনা তৈরি হয়। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল নেতৃত্ব এই ঘটনা ঘটিয়েছে। প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকালে বোল্লা এলাকায় জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা।বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেন, কাটআউটগুলোতে আমার নাম দিয়ে তৃণমূলের পক্ষ থেকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। যেখানে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর কাটআউটে পায়ের নিচে মনীষীদের ছবি রয়েছে। এটা দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং মনীষীদের অপমান করা হয়েছে। পাশাপাশি আমাকে এবং বিজেপিকে কালিমালিপ্ত করার চক্রান্ত। আগামী নির্বাচনে তৃণমূল এখানে জয়লাভ করতে পারবে না দেখে এই ধরনের কুৎসা করছে। আমরা বালুরঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। অন্যদিকে, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক রাজেন শীল বলেন, তৃণমূলের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। সাধারণতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা বার্তার কাটআউট বিজেপির তরফে লাগানো হয়েছে। কিন্ত মানুষের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখেই তারা তৃণমূলের উপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে।বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, যে দলই এই কাজ করে থাকুক না কেন, অত্যন্ত নিন্দনীয় কাজ হয়েছে এটি। রাজনীতিতে সম্প্রতি যেভাবে মনীষীদের ব্যহার পরে ফায়দা লোটার চেষ্টা হচ্ছে, তা কখনই গ্রহণযোগ্য নয়।

জানুয়ারি ২৬, ২০২১
রাজনীতি

"মমতাকে অপমানের প্রশ্রয়দাতা প্রধানমন্ত্রী"

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অপমান করার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা করলেন বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরী। লোকসভার কংগ্রেস দলনেতার দাবি, বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে এভাবে অপমান করার জন্য প্রশ্রয় দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি নিজের পদেরও অমর্যাদা করেছেন।শনিবার নেতাজির ১২৫ তম জন্মদিনে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বক্তব্য রাখতে আমন্ত্রণ জানানো হয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তখন অনুষ্ঠানে হাজির একাংশ জয় শ্রীরাম ধ্বনি দিতে থাকে। প্রতিবাদে বক্তব্য রাখেননি মমতা। এই ঘটনায় তোলপাড় বাংলার রাজনীতি। এই ঘটনায় বিজেপি বিরোধীরা এক সুরে প্রতিবাদে সরব হয়েছেন। সিপিএম, কংগ্রেসের মতো তৃণমূল বিরোধীরাও ভিক্টোরিয়ার ঘটনায় বিজেপির সমালোচনা করেছেন। সরকারি অনুষ্ঠানে স্লোগানের ফলে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য বন্ধ হয়েছে, এই ঘটনার নিন্দা করেছেন সিপিএম পলিটব্যিরো সদস্য মহম্মদ সেলিম। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন সরকারি কর্মসূচিকে দলীয় কর্মসূচি করা উচিত নয়। সমস্ত কর্মসূচিকে দলীয় কর্মসূচিতে রূপান্তরিত করেন। আশা করি আজ থেকে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্য সরকারের অনুষ্ঠানকে দলীয় কর্মসূচিতে রূপান্তরিত করবেন না।অধীর চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও মু্খ্যমন্ত্রী দুজনেরই মর্যাদা আছে। মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে রাজনৈতিক লড়াই থাকলেও তিনি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী, সরকারি অনুষ্ঠানে তাঁকে অপমান করা হয়েছে, তার তীব্র নিন্দা করছি। প্রতিবাদ করছি। তাঁকে অপমান করার অধিকার বিজেপির নেই। মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে জয় শ্রীরাম বলে মুখ্যমন্ত্রীকে অপমান করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নিজের পদের অমর্যাদা করলেন এই ঘটনার প্রশ্রয় দিয়ে। মনে করেন অধীর।

জানুয়ারি ২৪, ২০২১
কলকাতা

'তুম আচ্ছা কাম কর রহে হো শুভেন্দু...'

সামনাসামনি দেখা হতেই সস্নেহে ডাক, আরে শুভেন্দু-উ-উ-উ! প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বুঝিয়ে দিলেন, বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর এই প্রথম সাক্ষাৎ হলেও শুভেন্দু অধিকারী সম্পর্কে তিনি সব খবর রাখেন। ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী যখন পৌঁছন, তখন তাঁকে স্বাগত জানাতে সার দিয়ে দাঁড়িয়ে কৈলাস বিজয়বর্গীয়, দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়ের সঙ্গে শুভেন্দুও। সকলকে নমস্কার করে এগোতে এগোতে মোদি আচমকাই শুভেন্দুর সামনে এসে থমকে দাঁড়িয়ে পড়েন। সস্নেহে তরুণ নেতার কাঁধে হাত রাখেন। শুভেন্দুও হাতজোড় করে নমস্কার করেই সামনে ঝুঁকে অবাঙালি কায়দায় মোদির হাঁটু ছুঁয়ে প্রণাম করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, স্মিত হেসে প্রধানমন্ত্রী শুভেন্দুকে বলেন, শুভেন্দু-উ-উ-উ। তুম আচ্ছা কাম কর রহে হো। হমে সব খবর হ্যায়। শুভেন্দুর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয়বার সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানের শেষে চা চক্রে। বিভিন্ন টেবিলে বসেছিলেন অভ্যাগতরা। প্রধানমন্ত্রী সব টেবিলের সামনে গিয়ে হাতজোড় করে নমস্কার করেন। কিন্তু মুখ খোলেন একটিমাত্র টেবিলের সামনে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে সস্নেহ সম্ভাষণ পেলেও তাঁর প্রাক্তন দলনেত্রী কিন্তু এড়িয়েই গিয়েছেন শুভেন্দুকে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, রাজ্য মন্ত্রিসভার প্রাক্তন সহকর্মীকে দেখে মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে মুকুলের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত কুশল বিনিময় করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। মমতা উপেক্ষা করলেও শুভেন্দু অবশ্য গদগদ। তবে শনিবার প্রধানমন্ত্রী যে ভাবে শুভেন্দুকে সস্নেহ সম্ভাষণ করেছেন, তাতে এটা স্পষ্ট যে, তিনি শুভেন্দুর কর্মপদ্ধতি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল।

জানুয়ারি ২৩, ২০২১
কলকাতা

'জয় শ্রীরাম' স্লোগানে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী, রাখলেন না বক্তব্য

তারকাখচিত অনুষ্ঠানের সূচনার পরই তাল কাটল। নেতাজির জন্মজয়ন্তীতে ভিক্টোরিয়ার মঞ্চে অপমানিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কোনও মন্তব্য না রেখেই মঞ্চ ছাড়লেন মুখ্যমন্ত্রী ।নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৫ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সংগীতানুষ্ঠানের পরই মঞ্চে বক্তব্য রাখতে আমন্ত্রণ জানানো হয় মুখ্যমন্ত্রীকে। কিন্তু মমতা মঞ্চে উঠতেই দর্শকাসন থেকে উড়ে আসে জয় শ্রীরাম ধ্বনি। আর তাতেই মেজাজ হারান মমতা। তিনি বলেন, এটা কোনও রাজনৈতিক মঞ্চ নয়। আমার মনে হয়, সরকারি অনুষ্ঠানের একটা শালীনতা থাকা উচিত। এটা কোনও রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি নয়। এটা সমস্ত দলেরই কর্মসূচি। জনতার কর্মসূচি।এভাবে আমন্ত্রণ জানিয়ে বেইজ্জত করা উচিত নয়। সেই জন্যই আমি আর একটি কথাও এখানে বলব না। তবে কলকাতায় এই অনুষ্ঠান আয়োজন করায় আমি প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ধন্যবাদ জানাই। একথা বলেই মঞ্চ থেকে নেমে যান তিনি। যদিও মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য না করা নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি তিনি। যখন এই ঘটনা ঘটছে, তখন সেখানে নীরবে বসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। মমতার পরেই বলতে উঠে মোদি তাঁর ভাষণ শুরু করেন বহেন মমতাজি বলে। কিন্তু তাতেও গোটা অনুষ্ঠানের সুর ফিরে আসেনি।

জানুয়ারি ২৩, ২০২১
বিদেশ

ভ্যাকসিন পেয়ে কৃতজ্ঞ বলসোনারো

দেশে টিকাকরণের সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বের বহু দেশকেই করোনা ভ্যাকসিনের ডোজও পাঠাতে শুরু করেছে ভারত। এবার ভারতে তৈরি কোভ্যাক্সিনের ডোজ পৌঁছে গেল ব্রাজিলেও । সারা পৃথিবীতে আমেরিকার পরে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুমিছিল দেখা গিয়েছে ব্রাজিলেই। এবার সেদেশেই করোনার ভ্যাকসিন পৌঁছে দিল ভারত। মুম্বই থেকে ভ্যাকসিন নিয়ে বিমান রওয়ানা হওয়ার পরেই ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারো টুইট করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানান অভিনব কায়দায়। রামায়ণ থেকে তুলে আনেন হনুমান ও সঞ্জীবনীর প্রসঙ্গ। বলসোনারো তাঁর টুইটে একটি ছবি পোস্ট করেছেন। তাতে দেখা যাচ্ছে কাঁধে গন্ধমাদন পর্বত নিয়ে উড়ন্ত হনুমানের ছবি। ভারত থেকে ব্রাজিলের উড়ে যাচ্ছেন তিনি। সেই ছবির সঙ্গেই বলসোনারো লিখেছেন, নমস্কার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই মহামারির সময় আপনার মতো সহযোগীকে সঙ্গে পেয়ে সম্মানিত অনুভব করছে। করোনা ভ্যাকসিনকে ভারত থেকে ব্রাজিলে পৌঁছে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।- Namaskar, Primeiro Ministro @narendramodi- O Brasil sente-se honrado em ter um grande parceiro para superar um obstculo global. Obrigado por nos auxiliar com as exportaes de vacinas da ndia para o Brasil.- Dhanyavaad! धनयवाद pic.twitter.com/OalUTnB5p8 Jair M. Bolsonaro (@jairbolsonaro) January 22, 2021

জানুয়ারি ২৩, ২০২১
দেশ

বঙ্গবন্ধুর সম্মানে ডাকটিকিট উন্মোচন করল কেন্দ্রীয় সরকার

বঙ্গবন্ধুর সম্মানে একটি ডাকটিকিট উন্মোচন করল কেন্দ্রীয় সরকার। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী টুইট করে জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আজকের ভার্চুয়াল শীর্ষ সম্মেলন চলাকা্লীন বাংলাদেশের সাথে আমাদের বৈচিত্র্যপূর্ণ সম্পর্ক পর্যালোচনা করতে পেরে আমি সম্মানিত। বঙ্গবন্ধু-বাপু জাদুঘর ও চিলাহাটি-হলদিবাড়ি রেল সংযোগ উদ্বোধন করেছি। আরও পড়ুন ঃ আগামী বছর চার দফায় জয়েন্ট এন্ট্রান্স মেইন পরীক্ষাঃ রমেশ পোখরিয়াল নিশাঙ্ক পরের বছর, ভারত ও বাংলাদেশ যৌথভাবে মুজিববর্ষ এবং আমাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের ৫০ বছর উদযাপন করবে। আমি বঙ্গবন্ধুর জীবন ও আদর্শকে শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকা সফরের প্রত্যাশায় রয়েছি।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২০
দেশ

কৃষি আইন চাষিদের উন্নয়ন করবে , সওয়াল মোদির

বিতর্কিত আইন নিয়ে নিজের অবস্থানে অনড় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবারও এফআইসিসিআইয়ের ৯৩ তম সাধারণ সভার উদ্বোধনে তিনি বলেন, দেশকে আত্মনির্ভর করতে প্রতিটি ক্ষেত্রে সংস্কার প্রয়োজন। কৃষকদের উন্নতি করতে তাঁদের কাছে নতুন প্রযুক্তির সুবিধা পৌঁছে দিতে হবে। আর সেই কাজ করতে নতুন আইন প্রয়োজন। চাষবাস ও ওই ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন ক্ষেত্র-কোল্ড চেন, কৃষি প্রযুক্তির অগ্রগতির ক্ষেত্রে একাধিক বাধা ছিল। সেগুলি এখন সরে গিয়েছে। পুরনো আইন সংস্কার ফলে কৃষকরা দেশে নতুন বাজার, নতুন সুযোগ-সুবিধা পাবে। বিরোধীদের দুষে তিনি বলেন, সদিচ্ছার অভাবে দেশে এত বছর কোনও সংস্কার হয়নি। তাই ভারত আত্মনির্ভর হতে পারেনি। আরও পড়ুন ঃ কৃষক আন্দোলনে যোগ দিয়ে প্রাণ হারাচ্ছেন কৃষকরা, মোদিকে কটাক্ষ রাহুলের প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, চলতি বছরের শুরুতে যখন করোনা মহামারীর মুখে পড়লাম তখন জানতাম না কীভাবে এর মোকাবিলা করব। উন্নয়ন থমকে গিয়েছিল। কিন্তু এখন সেই পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠেছিল। প্রযুক্তির উপর নির্ভর করে দেশ ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। দেশের অন্যান্য ক্ষেত্রেও সংস্কারে র প্রয়োজন রয়েছে বলে সওয়াল করেন তিনি।

ডিসেম্বর ১২, ২০২০
দেশ

কৃষক আন্দোলনে যোগ দিয়ে প্রাণ হারাচ্ছেন কৃষকরা, মোদিকে কটাক্ষ রাহুলের

কোনও কোনও সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী সংখ্যাটা ১১, আবার আন্দোলনকারীদের দাবি সংখ্যাটা ১৫। কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকারের নয়া কৃষি বিলের প্রতিবাদে পথে নেমেছেন কৃষকরা। আইন প্রত্যাহারের দাবিতে, পঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশের কৃষকরা গত ১৭ দিন ধরে প্রবল ঠাণ্ডার মধ্যেও দিন-রাত বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন দিল্লি সীমান্তে। প্রবল ঠাণ্ডায় এই বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে ইতিমধ্যেই প্রাণ হারিয়েছেন বেশ কয়েকজন কৃষক। তাঁদের সংখ্যা নিয়ে মতভেদ থাকলেও তা যে কোনও মতেই ১১ জনের কম নয় তা স্পষ্ট। আরও পড়ুন ঃ দিল্লিতে অভিষেকের বাড়িতে হামলা চালাল একদল দুষ্কৃতী এই কৃষক মৃত্যু নিয়ে এবার কেন্দ্রকে বিঁধলেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। শনিবার এক টুইট বার্তায় তিনি এনিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন। এদিন একটি সংবাদপত্রের প্রতিবেদনকে হাতিয়ার করে রাহুল লেখেন, কৃষি আইন রদ করতে আমাদের কৃষক ভাইদের আর কত বলিদান দিতে হবে?। উল্লেখ্য, কেন্দ্রের সঙ্গে কৃষকদের ছয় দফা আলোচনাতেও কোনও ফল মেলেনি। আইন প্রত্যাহারের দাবিতে অনড় কৃষকরা। লাগাতার আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন তাঁরা।

ডিসেম্বর ১২, ২০২০
কলকাতা

মোদী সরকারের সমালোচনা করলে দেশদ্রোহী হিসেবে চিহ্নিত হয়ে যাবেনঃ অপর্ণা সেন

নাম না করে কেন্দ্রের মোদী সরকারের ফের সমালোচনা করলেন অভিনেত্রী তথা চিত্র পরিচালক অপর্ণা সেন। টুইটারে অভিনেত্রী লেখেন, দয়া করে দেশের কোনও ঘটনার প্রতিবাদ করবেন না। যদি করেন তাহলেই আপনি হয় দেশদ্রোহী আর নয়তো আর্বান-নকশাল হিসেবে চিহ্নিত হয়ে যাবেন। কিন্তু পাকিস্তানের সমর্থক হিসেবেও প্রতিপন্ন হতে পারেন। নয়তো বলা হতে পারে, আপনি টুকরে টুকরে গ্যাংয়ের প্রতিনিধি আর নাহলে একজন সন্ত্রাসবাদী বা খালিস্তানি। যে কোনও মুহূর্তে আপনা জেলে পাঠিয়ে দেওয়া হতে পারে। তাই সাবধান। আরও পড়ুন ঃ ভেন্টিলেশন থেকে বের করা হল বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে নিজের টুইটের মধ্যে দিয়েই অপর্ণা সেন বোঝাতে চেয়েছেন, দেশে গণতন্ত্র ভুলুণ্ঠিত। কারণ এখানে সরকারের বিরুদ্ধে মুখ খুললেই শাস্তি পেতে হবে। ঘটনার প্রতিবাদ করলে বিপদে পড়তে হবে। সম্প্রতি এক আলোচনা সভায় বিজেপির তীব্র বিরোধী অভিনেত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর জরুরি অবস্থাটা ছিল গণতন্ত্রের এক কলঙ্কিত অধ্যায়। কিন্তু গত কয়েক বছরের পরিস্থিতি যেন আরও ভয়াবহ।

ডিসেম্বর ১২, ২০২০
কলকাতা

৬ প্রভাবশালীর নাম উল্লেখ করে মোদী-মমতাকে চিঠি সুদীপ্তর

জেল থেকে প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে চিঠি দিলেন সারদাকর্তা সুদীপ্ত সেন। চিঠিতে রাজনৈতিক দলের ৬ প্রভাবশালী ব্যক্তিকে টাকা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন সুদীপ্ত। বর্তমানে তিনি প্রেসিডেন্সি জেলে রয়েছেন। দিন কয়েক আগে সারদা চিটফান্ডকাণ্ডের তদন্তে সিবিআইয়ের হাতে এসেছিল একটি অডিও ক্লিপ। সুদীপ্তর অভিযোগ, তাঁর কাছ থেকে নানা সময়ে টাকা নিয়েছেন ওই ৬ জন। আরও পড়ুন ঃ ছাত্র পরিষদের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত ধর্মতলা এই প্রথম জেল থেকে সুবিধাভোগীদের নাম দিয়ে চিঠি দিলেন সুদীপ্ত। প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে পত্রটি পাঠানোর ব্যবস্থা করেছে সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষ। জানা গিয়েছে, চিঠিতে স্বাক্ষর রয়েছে সুদীপ্ত সেনের। ভোটের আগে এই চিঠি দেওয়ার ফলে রাজ্য রাজনীতিতে ফের ভেসে উঠল সারদা কাণ্ড।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২০
দেশ

টিকাকরণ নিয়ে ভোলবদলের অভিযোগে কেন্দ্রকে তোপ রাহুলের

এবার করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে কেন্দ্রকে আক্রমণ শানালেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী। বৃহস্পতিবার সকালে টুইটারে একটি পোস্ট করেন রাহুল। সেখানে তিনি করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে মোদি সরকারের অবস্থান জানতে চান। টুইটারে কেন্দ্র সরকারের তিনটি মন্তব্য তুলে ধরেছেন রাহুল। প্রথমে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য- সকলে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন পাবেন। দ্বিতীয়, বিহারে বিজেপির দাবি- ক্ষমতায় এলে বিহারে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন বিতরণ করা হবে। তৃতীয়, সরকারের বর্তমান দাবি- কখনই বলিনি সবাই ভ্যাকসিন পাবে। শেষে কংগ্রেস নেতার খোঁচা, প্রধানমন্ত্রীর কথার গুরুত্ব কোথায়? আরও পড়ুন ঃ কৃষকদের সম্মান ও মর্যাদা দেওয়ার জন্য কেন্দ্রকে অনুরোধ অধীরের সম্প্রতি, স্বাস্থ্যমন্ত্রক বলেছে ৩০ কোটি মানুষ করোনার টিকা দেওয়া হবে। সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙতেই এই পদক্ষেপ করা হবে। সকল দেশবাসীর টিকার প্রয়োজন নেই। এরপরই ফের কেন্দ্রীয় সরকারকে নিশানা করেছে বিরোধীরা। সবমিলিয়ে ভ্যাকসিন ভারতে বাজারে আসার আগেই চরমে উঠেছে রাজনৈতিক বিতর্ক।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২০
রাজনীতি

আমিও বাংলা হরফে লিখে গুজরাতি ভাষা বলতে পারি, নাম না করে প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ মমতার

আমফানের টাকা নিয়ে এত কথা হচ্ছে। কিন্তু পিএম কেয়ার্সের লক্ষ ্লক্ষ কোটি কোটি টাকা কোথায় গেল? মঙ্গলবার এভাবেই কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এজেন্সি দিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছে। তাঁর সরকারের বিরুদ্ধে যে দুর্নীতির অভিযোগে বারবার সরব হন বিজেপি নেতারা, তার জবাবে মমতার সাফ কথা দুর্নীতি তো দূরঅস্ত, সরকারের টাকায় চা-ও খান না তিনি। এও জানালেন যে তাঁর লেখা বই বিক্রির টাকাই আয়ের উৎস। নির্বাচনী লড়াইয়ের সুর চড়িয়ে ফের বলেন, বিনা যুদ্ধে এক ইঞ্চি জমি বাংলার মানুষ ছাড়বে না। তাঁর আক্রমণ, সিপিএম বিজেপির সর্দার। পরিকল্পনা করে তৃণমূলের বদনাম করা হচ্ছে। ভাত দেওয়ার ক্ষমতা নেই, কিল মারার গোঁসাই। কৃষক আন্দোলনকে সমর্থন করে আগেই তিনি বলেছিলেন, ডাক পেলে তিনি দিল্লি যেতে প্রস্তুত। আর আজ কেন্দ্রের নয়া কৃষিনীতি নিয়ে তাঁর আত্মবিশ্বাসী মন্তব্য, অটলজি থাকলে এই আইন সমর্থন করতেন না। আরও পড়ুন ঃ নাম করে অভিষেককে আক্রমণ বিজেপি সাংসদের তিনি আরও বলেন, টেলিপ্রম্পটারের দৌলতে এখন এ সবই সম্ভব। গুজরাটি হরফে বাংলা লিখে উচ্চারণ করা কোনও ব্যাপারই নয়। বাংলা বললেই বাঙালি হয় না। আমিও গুজরাটি ভাষা বাংলা হরফে লিখে বাংলা বলতে পারি। টেলিপ্রম্পটারে সম্ভব সব। তাই কেউ বাংলা বললেই তা নিয়ে মাতামাতি করার কিছু নেই। এছাড়াও দুয়ারে দুয়ারে কর্মসূচি নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, মোট চার দফায় ক্যাম্পগুলি বসবে। প্রকল্প বা সরকারি পরিষেবার বিষয়ে কোনও অভিযোগ থাকলে ওই ক্যাম্পেই যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
দেশ

মোদি সরকারের আমলে সর্বোচ্চ সীমায় দেশে বেকারত্বের হার

নরেন্দ্র মোদি সরকারের আমলে দেশে বেকারত্বের হার সর্বোচ্চ সীমায় পৌছল। জুন থেকে নভেম্বর পর্যন্ত অর্থাৎ গত ৬ মাসে দেশে বেকারত্বের হার সর্বোচ্চ সীমায় পৌছে গিয়েছে। সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমি জানিয়েছে, এই মুহূর্তে ভারতের বেকারত্বের হার ৭.৮ শতাংশ। চলতি মাসের ২২ তারিখ পর্যন্ত এই সমীক্ষা করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, জুন মাসে লকডাউন ধীরে ধীরে তুলে নেওয়ার পর থেকে কিছুটা হলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছিল। তবে ২৫ অক্টোবরের পর থেকে সেই পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে শুরু করে। আরও পড়ুন ঃ ক্রমশ দুর্বল হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় নিভার ২২ নভেম্বর পর্যন্ত দেশে নিয়োগের হার ছিল ৩৬ দশমিক ৪ শতাংশ। সিএমআইই-র রিপোর্টে জানা গিয়েছে, দেশে ১.৮ কোটি মানুষকে চাকরি থেকে ছাঁটাই করা হয়েছে। শুধুমাত্র জুলাই মাসেই কাজ হারিয়েছেন ৫০ লাখ চাকুরিজীবী। মহামারী জনিত কারণ দেখিয়ে এঁদের ছাঁটাই করা হয়েছে। সমীক্ষায় বলা হয়েছে, ২০১৯-২০ সালে নিয়োগের হার ছিল ৩৯.৪ শতাংশ। ২০১৬-১৭ ছিল ৪২.৮ শতাংশ। কিন্তু চলতি বছরের এপ্রিলে নিয়োগের হার কমে আসে মাত্র ২৭ শতাংশে। অক্টোবরে অবশ্য এই হার বেড়ে ৩৭.৮ শতাংশ হয়েছে। তবে নভেম্বরে ফের ওই হার এক শতাংশের বেশি কমেছে। যা অর্থনীতির পক্ষে মোটেই সুখকর নয়।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
দেশ

প্রয়াত কংগ্রেস নেতা আহমেদ প্যাটেল

প্রয়াত বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা তথা রাজ্যসভার সাংসদ আহমেদ প্যাটেল। সম্প্রতি করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। তারপর থেকেই তাঁর একাধিক শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। মাল্টিঅর্গ্যান ফেলিওর হওয়ার পর স্বাস্থ্যের অবনতি হওয়ায় মৃত্যু হয়েছে তাঁর বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। গুরুগ্রামের মেদান্ত হাসপাতালে বুধবার ভোরে মারা যান তিনি। গত ১৫ নভেম্বর তাঁকে হাসপাতালে্র আইসিইউতে ভরতি করা হয়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। কংগ্রেসের কার্যকরী সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসাবে পরিচিত প্যাটেল গুজরাট কংগ্রেসের একজন উল্লেখযোগ্য নেতা ছিলেন। তিনি ছিলেন কংগ্রেসের কোষাধ্যক্ষও। আহমেদ প্যাটেলের ছেলে ফয়জল প্যাটেল জানান, মাসখানেক আগে কোভিড আক্রান্ত হন আহমেদ প্যাটেল। তারপর থেকে তাঁর শারীরিক নানা সমস্যা দেখা দিয়েছিল। ক্রমশ শরীর খারাপ হয়ে যাচ্ছিল তাঁর। একাধিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হয়ে যাওয়ার ফলে সাড়ে তিনটে নাগাদ মৃত্যু হয় বর্ষীয়ান নেতার। আপনাদের সকলের কাছে অনুরোধ কোভিড বিধি মেনে জমায়েত করবেন না। টুইটে শোকজ্ঞাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে তিনি লিখেছেন, আহমেদ প্যাটেলজির প্রয়াণে শোকাহত। উনি বছরের পর বছর জনসেবা করেছেন। কংগ্রেসকে শক্তিশালী করে তোলার নেপথ্যে তাঁর অবদান আজীবন স্মরণীয়। ওনার ছেলে ফৈজলের সঙ্গে কথা হয়েছে। সমবেদনা জানিয়েছি। ওনার আত্মার শান্তি কামনা করি। আরও পড়ুন ঃ প্রয়াত অসমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈ কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী টুইট করেছেন, আজ একটা দুঃখের দিন। আহমেদ প্যাটেল কংগ্রেসের একজন স্তম্ভ ছিলেন। তিনি কংগ্রেসের জন্য নিজের জীবন দিয়ে দিয়েছিলেন। দলের কঠিন সময়ে সবসময় পাশে ছিলেন। আমরা তাঁকে সর্বদা মনে রাখব। আমার ভালবাসা ও সমবেদনা রইল ফয়জল, মুমতাজ ও তাঁর পরিবারের জন্য। টুইটে শোকজ্ঞাপন করেছেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী লিখেছেন, নির্ভর করার মতো একজন মানুষ চলে গেলেন।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

টলিপাড়ায় গভীর শোকের ছায়া! শুটিঙের মধ্যেই দীঘার সমুদ্রে তলিয়ে গেলেন অভিনেতা!

টলিপাড়ায় নেমে এল গভীর শোকের ছায়া। অকালপ্রয়াণ হল অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়-এর। মাত্র ৪৩ বছর বয়সেই এই মর্মান্তিক ঘটনায় স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে বাংলা বিনোদন জগৎ।দিঘার শুটিংয়ে কী ঘটেছিল?জানা গিয়েছে, রবিবার দিঘা-র তালসারি এলাকায় একটি ধারাবাহিকের শুটিং চলছিল। ভোলে বাবা পার করেগা নামের ওই ধারাবাহিকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছিলেন রাহুল। শুটিংয়ের মাঝেই তিনি সমুদ্রের জলে নামেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, আচমকাই তিনি জলে তলিয়ে যান।সঙ্গে থাকা টেকনিশিয়ানরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসেন। এরপর তাঁকে তড়িঘড়ি স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু হাসপাতাল সূত্রে খবর, সেখানে পৌঁছানোর আগেই তাঁর মৃত্যু হয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, জলে ডুবে যাওয়ার ফলেই এই মর্মান্তিক পরিণতি।সহ-অভিনেতার বক্তব্যধারাবাহিকে রাহুলের জেঠুর চরিত্রে অভিনয় করছিলেন ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, শুটিং প্রায় শেষের দিকেই ছিল এবং প্যাক-আপের পর এই দুর্ঘটনা ঘটে।ভাস্করের কথায়,আমরা সবাই শুটিং সেরে মধ্যাহ্নভোজ করতে গিয়েছিলাম। রাহুল বলেছিল, আরও কয়েকটা শট দিয়ে আসবে। তারপর হঠাৎই এই খবর পাই। বিশ্বাসই করতে পারছি নাএকজন সুস্থ, প্রাণবন্ত মানুষ এভাবে চলে যেতে পারেন!কী নিয়ে ধোঁয়াশা?ঘটনার সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। সমুদ্রের স্রোত, অসতর্কতা, নাকি অন্য কোনও কারণসবটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শুটিং ইউনিট এবং স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে।শোকস্তব্ধ টলিপাড়ারাহুল অরুণোদয়ের অকাল মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে টলিউডে। সহকর্মী থেকে অনুরাগীসকলেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শোকপ্রকাশ করছেন। একজন প্রতিভাবান অভিনেতার এই আকস্মিক বিদায়ে বাংলা ধারাবাহিক জগতে এক অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি হল।এই মর্মান্তিক ঘটনাটি আবারও প্রশ্ন তুলে দিলসমুদ্রতীরবর্তী এলাকায় শুটিংয়ের সময় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা জরুরি। তদন্তের রিপোর্ট সামনে এলেই হয়তো স্পষ্ট হবে, ঠিক কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটার তালিকা সংশোধন: ১৮ লক্ষ বাদ! ৪০ লক্ষ-র নিষ্পত্তি, এখনও অনিশ্চয়তায় ২০ লক্ষ নাম

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া জোরকদমে চলছে। প্রায় ৬০ লক্ষ বিবেচনাধীন ভোটারের মধ্যে রবিবার পর্যন্ত প্রায় ৪০ লক্ষের তথ্য যাচাই ও নিষ্পত্তি সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ইতিমধ্যেই প্রায় ১৮ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। এখনও প্রায় ২০ লক্ষ ভোটারের নাম বিবেচনাধীন রয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রথম দফার ভোটের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ৬ এপ্রিলের আগেই এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হবে।এখন পর্যন্ত খসড়া ও চূড়ান্ত তালিকা মিলিয়ে রাজ্যে মোট ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২ জনের নাম বাদ গিয়েছে। প্রথম অতিরিক্ত তালিকা থেকেই বাদ পড়েছে প্রায় ১২ লক্ষ নাম। Supreme Court of India-এর নির্দেশে এই বিবেচনাধীন ভোটারদের তথ্য যাচাইয়ের কাজ করছেন বিচারকেরা। এই কাজে ভিন্রাজ্য থেকেও বিচারক আনা হয়েছে।২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করে Election Commission of India। তখন বিবেচনাধীন ভোটারের সংখ্যা ছিল ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫। এই বিশাল সংখ্যক আবেদন নিষ্পত্তির দায়িত্বে রয়েছেন মোট ৭০৫ জন বিচারক। কমিশন জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে ধাপে ধাপে সংশোধিত তালিকা প্রকাশ করা হচ্ছে। সেই অনুযায়ী ২৩ মার্চ রাতে প্রকাশিত হয় প্রথম অতিরিক্ত তালিকা। যদিও ওই তালিকায় কতজনের নাম যুক্ত বা বাদ পড়েছে, তার বিস্তারিত তথ্য এখনও জানানো হয়নি।এসআইআর শুরুর আগে রাজ্যে মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯। খসড়া তালিকা প্রকাশের সময় ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৯ নাম বাদ পড়ে এবং মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ কোটি ৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৬৩০। পরে ২৮ ফেব্রুয়ারির চূড়ান্ত তালিকায় আরও ৫ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৩ জনের নাম বাদ যায়। ফলে ওই সময় পর্যন্ত মোট বাদ পড়া নামের সংখ্যা দাঁড়ায় ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২।খসড়া তালিকায় থাকা ৭ কোটি ৮ লক্ষের বেশি ভোটারের মধ্যে প্রায় ১ কোটি ৫২ লক্ষকে শুনানির জন্য চিহ্নিত করা হয়। এর মধ্যে নো-ম্যাপিং ভোটারের সংখ্যা ছিল ৩১ লক্ষ ৬৮ হাজার ৪২৬যাঁরা ২০০২ সালের শেষ এসআইআরের সঙ্গে নিজেদের তথ্যের মিল দেখাতে পারেননি। বাকি প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ ভোটারকে তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে চিহ্নিত করা হয়।সব মিলিয়ে প্রায় ১ কোটি ৪২ লক্ষ ভোটারের শুনানি সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ৮২ লক্ষ ভোটারের নথি গ্রহণযোগ্য বলে মনে করেছে কমিশন। অন্যদিকে, শুনানির ভিত্তিতে বাছাই করে ৫ লক্ষের বেশি নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এরপরই প্রকাশিত হয় প্রথম দফার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা, যেখানে রাজ্যের মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ কোটি ৪ লক্ষ ৫৯ হাজার ২৮৪। তবে সেই তালিকাতেও ৬০ লক্ষের বেশি ভোটারের নাম বিবেচনাধীন হিসেবে রেখে দেওয়া হয়।নির্বাচনের মুখে এই বৃহৎ পরিসরের যাচাই প্রক্রিয়া প্রশাসনের কাছে যেমন বড় চ্যালেঞ্জ, তেমনই রাজনৈতিক দিক থেকেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এখন নজর, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাকি থাকা ভোটারদের ভাগ্য কীভাবে নির্ধারণ করে কমিশন।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

পুনর্নির্বাচন ঘিরে তীব্র অভিযোগ, “আমাদের এলাকাতেই টার্গেট”— মমতার দাবি

পুরুলিয়ার সভা থেকে আবারও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, যেখানে তৃণমূল শক্তিশালী, সেখানেই পরিকল্পিতভাবে পুনর্নির্বাচনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।সভামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মা-বোনেরা নির্বাচনের দিন ভাল করে বুথ পাহারা দেবেন। ওদের পরিকল্পনা আমাদের এলাকাগুলোতে পুনর্নির্বাচন করানো। অনেক চক্রান্ত হচ্ছে, এটা দিল্লির চক্রান্ত। এই চক্রান্ত আমরা ব্যর্থ করে দেব। তিনি আরও বলেন, মনে রাখবেন, সুস্থ বাঘের থেকে আহত বাঘ আরও ভয়ঙ্কর।মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, তাঁর কাছ থেকে প্রশাসনিক অনেক ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তবে তিনি মানুষের শক্তির ওপরই ভরসা রাখছেন। তাঁর কথায়, আমি মানুষের ক্ষমতা চাই। মানুষই এর জবাব দেবে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন এ বার অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে কড়া অবস্থান নিয়েছে। কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, কোথাও ভয় দেখানো হলে বা ভোট দিতে বাধা দেওয়া হলে তা গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রয়োজন হলে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।কমিশনের এক পর্যবেক্ষক জানান, যদি কোনও ভোটার নিজের বুথে গিয়ে ভোট দিতে না পারেন বা বাধার মুখে পড়েন, তবে সেটিকে গুরুতর সমস্যা হিসেবে ধরা হবে। সেই ক্ষেত্রে পরিস্থিতি বিবেচনা করে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকও জানিয়েছেন, আগে পুনর্নির্বাচন ছিল ব্যতিক্রমী ঘটনা। কিন্তু এখন কোনও সন্দেহ বা অভিযোগ উঠলেই তা খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরাও পুনর্নির্বাচনের সুপারিশ করতে পারবেন।এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য এবং কমিশনের কড়া অবস্থান দুই মিলিয়ে রাজ্যের নির্বাচনী আবহ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

টিকিট না পেয়ে বিস্ফোরক অসিত! রচনার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগে তোলপাড় চুঁচুড়া

সাংবাদিক বৈঠকে অসিত মজুমদার বলেন, রচনা চান না দেবাংশু জিতুক। সবাইকে নিয়ে চলার মানসিকতা তাঁর নেই। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার বলেছেন সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলতে, কিন্তু তিনি তা মানছেন না। এখানেই থেমে থাকেননি তিনি। তাঁর অভিযোগ, রচনার জন্যই তিনি টিকিট পাননি। তাঁর কথায়, আমি এখনও বিধায়ক, অথচ মিছিলে আমার নাম নেই। রচনা দেবাংশুকে নিয়ে মিছিল করবে আর নির্দেশ দেবে, এটা মেনে নেওয়া যায় না।তিনি আরও বলেন, যাঁরা টিকিট পাননি সেই ৭৪ জন বিধায়ককে অপমান করা হয়েছে। রচনাকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ও নতুন এসে দল শেখাবে? ও চান না দেবাংশু জিতুক। দীর্ঘদিনের সংগঠক হিসেবে নিজের ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন অসিত।সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমরা দীর্ঘদিন লড়াই করে দলকে এগিয়ে এনেছি। এখন যারা নতুন, তারা এসে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে। তাঁর অভিযোগ, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে ভুল তথ্য পৌঁছে দেওয়া হয়েছে, যার ফলে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।ক্ষোভের সুরে তিনি আরও বলেন, দল যা বলেছে তাই করেছি। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে পুরনোদের আর বিশ্বাস করা হচ্ছে না। রচনাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, দম থাকলে চুঁচুড়ায় নির্দলে দাঁড়ান। আমিও দাঁড়াব। যদি ওর থেকে বেশি ভোট না পাই, তবে মাথা ন্যাড়া করে জেলায় ঘুরব।অন্যদিকে, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় এই অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন, নতুন প্রার্থী নির্ধারণ করেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। পুরনো প্রার্থীদের ক্ষেত্রে মানুষের বিশ্বাস এবং সমর্থনের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই প্রক্রিয়ার ভিত্তিতেই প্রার্থী নির্বাচন করা হয়েছে বলে তিনি জানান।এই ঘটনার পর চুঁচুড়া সহ গোটা রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের অন্দরমহলের এই দ্বন্দ্ব আগামী নির্বাচনে কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেক আসার আগেই সভায় হাঙ্গামা, তৃণমূলের অন্দরেই সংঘাত প্রকাশ্যে

নওদায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাকে ঘিরে আচমকা চরম বিশৃঙ্খলার পরিস্থিতি তৈরি হল। সভামঞ্চের সামনেই তৃণমূল কর্মীদের একাংশ বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। একে অপরের দিকে চেয়ার ছুড়ে মারার ঘটনাও দেখা যায়। ফলে সভাস্থলের একটি বড় অংশ লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়।চোখে পড়ে, এক যুবক মঞ্চের সামনে এসে বসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। তাঁর পরনে ছিল সাদা রঙের টি-শার্ট। মূলত বিধানসভা নির্বাচনে পছন্দের নেতাকে টিকিট না দেওয়ার অভিযোগেই এই বিক্ষোভ শুরু হয়।জানা গিয়েছে, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি শফিউজ্জামান শেখ টিকিট না পাওয়ায় তাঁর অনুগামীরাই এই বিক্ষোভে সামিল হন। তাঁরা মিছিল করে সভামঞ্চের সামনে চলে আসেন। প্রথমে তাঁরা দর্শক আসনের বাইরে ছিলেন। পরে ব্লক সভাপতি ভিতরে ঢোকার পর হঠাৎ করেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য মঞ্চ থেকে দলের নেতারা বারবার কর্মীদের শান্ত থাকার আবেদন জানান। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কিছুক্ষণের মধ্যেই সভায় উপস্থিত হওয়ার কথা ছিল। তার আগেই ভাঙা চেয়ার গুছিয়ে নেওয়ার কথাও বলা হয়। কিন্তু সেই কথা অনেকেই উপেক্ষা করে বিক্ষোভ চালিয়ে যান। আগে থেকে বসে থাকা অনেককে সেখান থেকে উঠে যেতে বাধ্য করা হয়।এই ঘটনার জেরে সভাস্থলে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। সূত্রের খবর, নওদা কেন্দ্রে এ বার টিকিট পেয়েছেন শাহিনা মমতাজ। সেই কারণেই ব্লক সভাপতির অনুগামীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।এই ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
কলকাতা

এক ধাক্কায় ৮৩ অফিসার বদলি, ভোটের আগে বড় পদক্ষেপ কমিশনের!

নির্বাচনের আগে প্রশাসনিক মহলে বড়সড় রদবদলের সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। এক ধাক্কায় ৮৩ জন বিডিও এবং সহকারী রিটার্নিং আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, রাজ্যের একাধিক জেলায় এই বদলি করা হয়েছে। এর মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যক আধিকারিককে সরানো হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে ১৪ জন এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১১ জন আধিকারিকের বদলি হয়েছে।উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের একাধিক ব্লকের বিডিও বদল করা হয়েছে। মালদহ ও মুর্শিদাবাদের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্লকেও এই রদবদল হয়েছে। পাশাপাশি নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনার একাধিক জায়গাতেও বদলি হয়েছে আধিকারিকদের।দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন হয়েছে। মগরাহাট, বাসন্তী, কাকদ্বীপ, ফলতা, বিষ্ণুপুর, মিনাখা, পাথরপ্রতিমা, ডায়মন্ড হারবার, মথুরাপুর, ক্যানিং ও ভাঙড়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্লকে নতুন বিডিও নিয়োগ করা হয়েছে। হাওড়া এবং হুগলির বেশ কয়েকটি এলাকাতেও এই বদল কার্যকর করা হয়েছে।পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরি, চণ্ডীপুর, পটাশপুর, তমলুক, রামনগর, মহিষাদল, নন্দীগ্রাম, কাঁথি, এগরা, ভগবানপুর ও সুতাহাটার মতো জায়গাতেও একাধিক বিডিও বদলি হয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরেও একই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এছাড়াও পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান এবং বীরভূম জেলার একাধিক ব্লকের বিডিও বদল করা হয়েছে। এই হঠাৎ রদবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, এর আগে একাধিকবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, ইচ্ছাকৃতভাবে প্রশাসনের আধিকারিকদের সরানো হচ্ছে। সেই অভিযোগের আবহেই কমিশনের এই বড় সিদ্ধান্তকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

“আমাকে মারার ছক কষছে?” পুরুলিয়া থেকে বিস্ফোরক মমতা, তীব্র আক্রমণ শাহকে

শনিবার রাজ্যে এসে তৃণমূলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কলকাতার একটি হোটেলে বসে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে বলেন, তিনি নাকি বারবার ভিক্টিম কার্ড খেলেন। এই মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে পুরুলিয়ার জনসভা থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এবার কি আমাকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করছে?শাহর অভিযোগ ছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কখনও পায়ে চোট পান, কখনও কপালে ব্যান্ডেজ বাঁধেন, আবার কখনও অসুস্থ হয়ে নিজেকে অসহায় হিসেবে তুলে ধরেন। তাঁর মতে, বাংলার মানুষ এই ধরনের রাজনীতি ভালোভাবেই বুঝে গিয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনকে অপমান করা বাংলার সংস্কৃতির বিরোধী।এই বক্তব্যের পাল্টা দিতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ওরা বলছে আমি নাকি ব্যান্ডেজ নিয়ে ঘুরি। আমি বহুবার মৃত্যুর মুখ থেকে লড়াই করে ফিরেছি। হাসপাতালে গিয়ে আমার রিপোর্ট দেখে আসুন। আমার ওপর কী অত্যাচার হয়েছে, তা আপনারা জানেন না। তিনি আরও দাবি করেন, আগের নির্বাচনের সময় ইচ্ছা করে তাঁর পায়ে আঘাত করা হয়েছিল। তখনও তিনি প্লাস্টার নিয়ে হুইলচেয়ারে করে মানুষের কাছে পৌঁছেছিলেন।নন্দীগ্রামে বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাঁর পায়ে চোট লাগার ঘটনাও তিনি তুলে ধরেন। সেই সময় তিনি অভিযোগ করেছিলেন, কিছু অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি তাঁকে ধাক্কা দেয়, যার ফলে গাড়ির দরজা তাঁর পায়ে লাগে। যদিও তদন্তে জানানো হয়েছিল, সেটি পরিকল্পিত হামলা নয়, বরং দুর্ঘটনা।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এভাবে কথা বলার মানে কী? কেউ কাউকে আক্রমণ করার আগে পরিকল্পনা করে। যে ভুল করে, সে কিছু প্রমাণ রেখে যায়। তাঁর কথাতেই বোঝা যাচ্ছে, কিছু একটা পরিকল্পনা চলছে।২০২৪ সালেও তাঁর মাথায় গুরুতর চোট লাগে। তখন জানা গিয়েছিল, নিজের বাড়িতে পড়ে গিয়ে তিনি আঘাত পান এবং কয়েকদিন তাঁর মাথায় ব্যান্ডেজ ছিল।মমতার এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার বলেন, মুখ্যমন্ত্রী আসলে ভয় পেয়েছেন। তাঁর দাবি, এই অভিযোগপত্র বাংলার মানুষের কথা বলছে এবং মুখ্যমন্ত্রীর উচিত রাজ্যের উন্নয়ন নিয়ে কথা বলা।

মার্চ ২৯, ২০২৬
কলকাতা

টিকিট না পেয়ে বিস্ফোরণ! তৃণমূল ছাড়ার ইঙ্গিত সুনীল সিংয়ের, নোয়াপাড়ায় বাড়ছে ক্ষোভ

প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হতেই রাজ্যের শাসকদলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছে। অনেক বিধায়ক টিকিট না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। সেই ক্ষোভ এবার প্রকাশ্যে আনলেন নোয়াপাড়ার প্রাক্তন বিধায়ক সুনীল সিং। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আর তৃণমূলে থাকতে চান না তিনি।নোয়াপাড়ায় তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যকে বেছে নেওয়ায় ক্ষুব্ধ সুনীল। তাঁর অভিযোগ, এলাকার বাইরে থেকে প্রার্থী এনে দলের ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, নোয়াপাড়ার মানুষ এই সিদ্ধান্তে খুশি নন। দলের কর্মীরাও ক্ষুব্ধ। তাঁর কথায়, এলাকায় অনেক যোগ্য নেতা থাকলেও তাঁদের কাউকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।একইসঙ্গে তিনি বলেন, চারবারের বিধায়ক মঞ্জু বসুকে প্রার্থী না করায় নোয়াপাড়ার মানুষ অপমানিত বোধ করছেন। এই সিদ্ধান্ত মানুষ মেনে নেবে না বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর মতে, রাজ্যে যেমন পরিবর্তন এসেছিল, তেমনই নোয়াপাড়াতেও পরিবর্তন আসতে পারে।উল্লেখ্য, মঞ্জু বসুও আগে টিকিট না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, টাকা না দেওয়ার কারণেই তাঁকে প্রার্থী করা হয়নি।সুনীল আরও প্রশ্ন তুলেছেন, কেন এলাকার বাইরে থেকে প্রার্থী আনা হল। তাঁর বক্তব্য, স্থানীয় অনেকেই প্রার্থী হওয়ার যোগ্য ছিলেন, কিন্তু তাঁদের কাউকেই বেছে নেওয়া হয়নি। তিনি দাবি করেন, নোয়াপাড়ার মানুষ বাইরের প্রার্থীকে ভোট দিতে রাজি নন।এর আগেও সুনীল সিংয়ের দলবদল নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। তিনি বিরোধী শিবিরের এক নেতার সঙ্গে দেখা করেছিলেন, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়। সেই সময় তাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ নিয়েও অনেক জল্পনা তৈরি হয়েছিল।এখন সুনীল সিংয়ের গলায় স্পষ্ট অভিমান। তিনি বলেন, দলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তাঁকে বিশ্বাস করা হয়নি। তাঁর মতে, যে দলে বিশ্বাস নেই, সেখানে থাকার কোনও মানে হয় না। তাই ভবিষ্যতে তিনি কী সিদ্ধান্ত নেবেন, তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal