• ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার ০৬ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Mamata Banerjee,

রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীকে খোলা চিঠি অনুপমের, জুতো ছুঁড়ে ভাইরাল শুভ্রাদেবীকে ইতিহাসে জায়গা দেওয়ার অনুরোধ

বেআইনি ভাবে স্কুল শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগে ইডি পার্থ চট্টোপাধায়কে গ্রেপ্তার করেন। এবং তাঁর বিশেষ বন্ধু মডেল ও অভিনেত্রী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কেও গ্রেপ্তার করা হয়। উল্লেখ্য, ইডির হানাতে প্রায় ৫০ কোটি নগদ টাকা ও স্বর্নালঙ্কার ও বহু স্থাবর সম্পত্তির দলিল উদ্ধারে রাজ্য জুড়ে চাঞ্চল্য শুরু হয়ে যায়। এই ঘটনার পরপরই বিজেপি, কংগ্রেস ও সিপিএম পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মন্ত্রিত্বের অপসারণের দাবিতে সরব হয়। প্রথম দিকে তৃণমূল ব্যাপারটা সেভাবে আমল না দিলেও, অর্পিতার বেলঘরিয়া আবাসন থেকে বিপুল পরিমাণে টাকা উদ্ধারের পর নড়েচড়ে বসে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে সরকারি সমস্ত পদ থেকে সরিয়ে দেন এবং ওইদিন বিকেলে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দল থেকেও বহিস্কার করেন।এই ঘটনার পর থেকেই নানা মহল থেকে রাজ্য সরকারি স্কুলের পাঠ্য পুস্তক থেকে সিঙ্গুর আন্দোলন চ্যাপ্টারে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাম বাদ দেওয়ার দাবি উঠতে শুরু করেছিল। বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ ও কেন্দ্রীয় সম্পাদক অনুপম হাজরার গলায় আবার উল্টো সুর। তিনি তাঁর সামাজিক মাধ্যমে মুখমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি লেখেন, কয়েকদিন আগে আমি অনুরোধ করেছিলাম পার্থ চট্টোপাধায়ের নাম ইতিহাস বইয়ের পাতা থেকে মুছে দিতে আর আজ আমিই আপনাকে অনুরোধ করছি ইতিহাসের পাতায় ওনাকে স্থান দেওয়ার জন্য - কারণ পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসে এখনো পর্যন্ত উনিই প্রথম এবং একমাত্র রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সর্বোপরি প্রাক্তন মন্ত্রী - যিনি প্রকাশ্য দিবালোকে জনগণের কাছ থেকে জনসমক্ষে জুতো খেয়েছেন; এ এক অনন্য নজির !!!প্রতিমাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীশ্রীমতি @MamataOfficial pic.twitter.com/8AhyBIBCk7 Dr. Anupam Hazra 🇮🇳 (@tweetanupam) August 3, 2022তিনি আরও লেখেন, সঙ্গে শুভ্রা (ঘোড়ুই) দেবীকেও ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে দেওয়ার অনুরোধ জানাই। কারণ তিনি যে অতুলনীয় ভঙ্গিমায় আপনার সরকারের প্রতি জনগণের রোষ প্রতিফলিত করেছেন - তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে !!! আশা করি আমার এই অনুরোধ রাখিয়া পশ্চিমবঙ্গের আপামর জনগণকে বাধিত করিবেন !!! ইতি, অনুপম !!!প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার শারীরিক পরীক্ষা করার জন্য পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জোকা ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে, পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে জুতো ছুড়ে মারেন এক মহিলা। প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জুতো ছুঁড়ে গোটা বাংলায় ভাইরাল শুভ্রা ঘড়ুই নামক ওই মহিলা। জানা যায় তিনি আমতলায় থাকেন। মঙ্গলবার ইএসআই হাসপাতালে পার্থকে দেখেই তিনি খেপে যান। তার পর তাঁকে লক্ষ্য করে নিজের জুতো ছুড়ে মারেন। এর পর অপর পাটিটি খুলে ফেলে দিয়ে গটগট করে খালি পায়ে বাড়ি ফিরে আসেন।অনুপম হাজরার ওই পোস্টে এক নেটিজেন সাম্প্রতিক কালে দলবদল (ফুল বদল) নিয়ে কটাক্ষ করে লেখেন, একজন নিয়মিত ফলোয়ার হয়ে আমি আপনার মতামতকে প্রশংসা করি, কিন্তু আমি সন্দেহ, কোনও এক সুন্দর সকালে বাবুল সুপ্রিয়র মতো আপনিও আপনার মন পরিবর্তন করে চোরের মণ্ডপে ফিরে যাবেন, আপনি কি করবেন? প্রত্যুত্তরে অনুপম লেখেন প্রাথমিকভাবে একজন শিক্ষাবিদ হওয়ার কারণে, রাজনীতিতে থাকা সত্ত্বেও কিছু নৈতিকতা বজায় রাখার জন্য সর্বদা আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করি, তাই নিশ্চিন্ত থাকুন!!!মঙ্গলবার শুভ্রা ঘড়ুই বলেন, তিনি আত্মীয়ের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে এসেছিলেন জোকা ইএসআই হাসপাতালে। সেখানে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ঠান্ডা গাড়িতে আসতে দেখে তাঁর নাকি মাথায় রাগ চেপে যায়। তিনি বলেন, ওঁরা লোকের টাকা মেরে কোটি কোটি অর্থ করেছে। কলকাতার একাধিক জায়গায় ফ্ল্যাট বাড়ি কিনেছে। বড় গাড়ি করে হাসপাতালে আসছে। এতে আমাদের খুব সমস্যা হচ্ছে। ওঁকে গলায় দড়ি লাগিয়ে টানতে টানতে নিয়ে আসা উচিত ছিল। সাধারণ মানুষ ঠিক মতো চিকিৎসা করাতে পারছি না ওদের জন্য। সেই জন্যই জুতো ছুড়েছি। জুতোটা ওঁর নাকে লাগলে খুশি হতাম। এটা আমাদের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। হাজার মানুষ চাকরি পায়নি ওঁদের জন্য। তাঁদের সবার ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।

আগস্ট ০৩, ২০২২
রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে সরিয়ে দেওয়া হল মন্ত্রিত্ব থেকে, আপাতত দায়িত্বে মুখ্যমন্ত্রী

শেষমেশ মন্ত্রিত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হল পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। শিল্প, তথ্য প্রযুক্তি ও পরিষদীয় দফতরের দায়িত্বে ছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ৬ দিন আগে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে এসএসসি নিয়োগে দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এদিন মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়।পার্থ চট্টোপাধ্যায় ১০ মে ২০১১ তে মন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন। টানা ১১ বছর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নানা গুরুত্বপূর্ণ দফতর সামলেছেন। পার্থ ২০০১-এ বেহালা পশ্চিম থেকে বিধানসভা ভোটে জিতে বিধায়ক হন। তিনি ২০১১-তে বিধানসভার দলনেতা মনোনীত হন। ২০১৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে জয়লাভের পর পার্থ চট্টোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উচ্চ শিক্ষা ও স্কুল শিক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী হন। এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে আনেক আগেই কলকাতা হাইকোর্ট পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে মন্ত্রিসভা থেকে সরিয়ে দেওয়ার কথা বলেছিল। সেই সময় আদালতের কথার গুরুত্ব দেয়নি রাজ্য সরকার। এরপর সিবিআই তাঁকে নিজাম প্যালেসে তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। গত সপ্তাহে ইডি তাঁর বাড়িসহ একাধিক জায়গায় হানা দেয়। পার্থ-ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে প্রায় ২২ কোটি টাকাসহ মূল্যবান গযনা, দলিল, নথি উদ্ধার করে ইডি। টানা জিজ্ঞাসাবাদের পর পার্থকে গ্রেফতার করে ইডি। বুধবার অর্পিতার বেলঘরিয়ার ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালায় ইডি আধিকারিকরা। প্রায় ৩০ কোটি টাকা নগদ সহ, ৬ কেজি সোনা, শয়ে শয়ে রুপোর কয়েন উদ্ধার করা হয়। ইডি সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার সকালে অর্পিতা স্বীকার করে নেয় তাঁর বাড়িতে উদ্ধার হওয়া টাকা সবই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। এরপর তড়ঘড়ি তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক মুখপাত্র পার্থকে বরখাস্ত ও মন্ত্রিত্ব থেকে সরানোর দাবি তোলে। এরপর মন্ত্রিসভার বৈঠকে সরানো হয় পার্থকে। এবার দলীয় পদ থেকে অপসারণের পালা।

জুলাই ২৮, ২০২২
রাজ্য

'গায়ে কালি ছেটানোর চেষ্টা করলে আলকাতরা আমার কাছেও আছে'-মমতা

নজরুল মঞ্চে বঙ্গবিভূষণ, বঙ্গভূষণ, মহানায়ক সহ সমাজের নানা স্তরে বাংলার সর্বোচ্চ পুরস্কার প্রদানের মঞ্চেই রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গ্রেফতারের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বক্তব্যের প্রথমেই মমতা বলেন, আমি কোনও অন্যায়কে সাপোর্ট করি না। তারপরই নিজের আয়ের কথা ঘোষণা করতে থাকেন। তবে তাঁর নামে কালি ছেটালে পাল্টা ব্যবস্থা হবে বলে হুঁশিয়ার করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সবাই সাধু একথা বলতে পারি না। সাধুর মধ্যেও ভুত আছে। সবাই ১০০ শতাংশ কারেক্ট কাজ করবে এটাও বলব না। জেনেশুনে আমি আজ পর্যন্ত আমি অন্যায় করতে দিইনি। সত্যির বিচার হোক। সত্যি দোষী প্রমানিত হলে যাবজ্জীবন কারা দন্ড দিলে আমি কিছু মনে করব না।সিপিএম ও বিজেপি মুখ্য়মন্ত্রীর ছবি নিয়ে প্রচার করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মমতা। যদি কেউ চোর হয়, ডাকাত হয় তৃণমূল কংগ্রেস রেয়াত করে না। অযথা আমার গায়ে কালি ছেটানোর চেষ্টা করলে আলকাতরা আমার কাছেও আছে। হোয়াইটওয়াশ করতে চাই। আলকাতরা কখনও পরিস্কার হয় না। কোনও চাকরির ক্ষেত্রে ১০০ টার মধ্যে ১টা নিজের লোককে দেয় না! আমরা আইন মেনে চলি। এতদিন জানতে পারলাম না। আগে টাকা নেওয়া জানালেই অ্যাকশন হত। একলক্ষ ছেলেমেয়ের চাকরি হল ২০০ জনের কমপ্লেন হল। বিচার ব্যবস্থার ওপর ভরসা করি। বিচার ব্যবস্থার ওপর বিজেপির প্রভাব কতটা আছি তা জানি।এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি পার্থ চট্টোপাধ্য়ায় ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে ২১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা, মূল্যবান গয়না, বিভিন্ন নথি উদ্ধার করে। অর্পিতাকে নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন এমন একটা ভিডিও বিরোধীরা প্রচার করতে শুরু করেন। মমতা বলেন, আমি একটা প্যান্ডেলে গিয়েছি, সে নাকি পার্থর বন্ধু আমি কী করে জানব? এক মহিলাকে নিয়ে সব মহিলাকে টানছে। বিচারে আমরা কোনও নাক গলাবো না। অন্য়ায় সাপোর্ট করব না। তবে আমার সম্মানহানি করলে আহত সিংহ কিন্তু ভয়ঙ্কর। জীবনে মাথানত করি না। মাথানত করলে মানুষের কাছে করব। মা-মাটি-মানুষের কাছে করব। যে অন্যায় করেছে তাঁর বিরুদ্ধে যা পারুন করুন। কিন্তু আমার গায়ে ছোঁয়ার চেষ্টা করবেন না। আমি জানি কী করে লড়াই করতে হবে। আমি দুঃখিত, মর্মাহত। চোর ডাকাতকে প্রশ্রয় দিই না। আমি যদি না বলতাম সংবাদ মাধ্যম বলত আমি ভয় পেয়ে গিয়েছি।

জুলাই ২৫, ২০২২
দেশ

দ্রৌপদী মুর্মু ভোটপ্রচারে শিলিগুড়িতে, কাল কলকাতায়

এনডিএ-র রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মু শিলিগুড়ি পৌঁছেছেন। সোমবার তিনি বাগডোগরা বিমান বন্দরে অবতরণ করেন। বিধায়ক-সাংসদদের কাছে ভোট চাইতে তিনি বাংলায় এসেছেন। শিলিগুড়িতে দ্রৌপদী মুর্মু সিকিম ও আশেপাশের রাজ্যের বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। আগমিকাল তিনি কলকাতায় যাবেন। সেখানে এরাজ্যের দলীয় বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন উত্তরবঙ্গে আছেন। তৃণমূল নেত্রী এর আগে রাষ্ট্রপতি পদে বিরোধীদের বিজেপির বিরুদ্ধে একজোট করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। অবিজেপি দলের রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন যশবন্ত সিনহা। যদিও পরবর্তীতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, বিজেপি প্রার্থী নিয়ে আলোচনা করেনি। দ্রোপদী মুর্মুর জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানিয়ে দেন তিনি।

জুলাই ১১, ২০২২
দেশ

রাষ্ট্রপতি পদে বিজেপি প্রার্থীর জয়ের সম্ভাবনা দেখছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

বিজেপির রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীকে ইঙ্গিতে সমর্থন দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল সুপ্রিমো শুক্রবার বলেন, বিজেপি প্রার্থীর নাম আগে জানালে বিবেচনা করে দেখতাম। বৃহত্তর স্বার্থে বিরোধী দলগুলি একসঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে পারত। সর্বসম্মত প্রার্থী হলে ভালই হত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মন্তব্যে শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বিরোধীরা রেরে করে উঠেছেন। বিজেপির দাবি, বিরোধীদের প্রার্থী হেরে যাবেন বলেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এমন মন্তব্য করেছেন।রাষ্ট্রপতি ভোটে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ প্রার্থী হয়েছেন আদিবাসী সম্প্রদায়ের দ্রৌপদী মুর্মু। বিরোধীদের যৌথ প্রার্থী তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন সর্বভারতীয় সহসভাপতি যশবন্ত সিনহা। তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগেই বিরোধী দলগুলি রাষ্ট্রপতি প্রার্থী বাছাই করতে দিল্লিতে বৈঠকে বসেছিল। পরে দ্বিতীয় দফার বৈঠকে বিরোধীরা যশবন্ত সিনহাকেই লড়াইতে মনোনীত করে।আদিবাসী মহিলাকে প্রার্থী করে জঙ্গলমহলে প্রচারও শুরু করে দেয় বিজেপি। গেরুয়া শিবির যে আদিবাসীদের জন্য চিন্তাভাবনা করে সেকথা প্রচার হতে থাকে। কিছুটা চাপে পড়ে যায় তৃণমূল কংগ্রেসসহ বিরোধী শিবিরের নেতারা। হুল দিবসে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জঙ্গলমহলে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, আদিবাসীদের পাশে সবসময় রয়েছে বিজেপি। জয়ী হওয়ার পর দ্রৌপদী মুর্মু জঙ্গলমহলে আসবেন বলেও তিনি ঘোষণা করেন।এদিকে এদিন রথযাত্রার দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিজেপি আগে প্রার্থীর নাম জানালে বিবেচনা করে দেখতাম। বৃহত্তর স্বার্থে বিরোধী দলগুলি আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে পারত। সর্বসম্মত প্রার্থী হলেই ভাল হত। এখন বিরোধীরা যা সিদ্ধান্ত নেবেন আমি সেটাই মানব। মাঝখান থেকে বেরিয়ে আসতে পারি না। আদিবাসী, দলিত সকলেই আমাদের সঙ্গে রয়েছেন। দ্রৌপদী মুর্মুর জয়ের সম্ভাবনা বেশি বলেই মনে করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

জুলাই ০২, ২০২২
রাজ্য

২১ জুলাই সফল করতে শিক্ষকদের নিয়ে প্রস্তুতি বৈঠকে কাকলি

কোভিড পরিস্থিতির কারণে পর পর দুবছর ধর্মতলায় ২১ জুলাই শহিদ দিবসে আনুষ্ঠানিক সমাবেশ করেনি তৃণমূল কংগ্রেস। অন্য বছরের মতো ২০২০ ও ২০২১-এ ধর্মতলায় শহিদ বেদিতে মাল্যদান করা হয়েছে। একইসঙ্গে ভার্চুয়াল বক্তব্য রেখেছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার ফের ধর্মতলায় জনসভা করবে তৃণমূল কংগ্রেস। তারই প্রস্তুতি সভা চলছে রাজ্যজুড়ে। বর্ধমান জেলাতেও চলছে মিছিল, মিটিং।শুক্রবার দেওয়ানদিঘীতে বর্ধমান এক নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ে শিক্ষকরা মিলিত হয়েছিলেন শহিদ দিবস সফল করার শপথ নিয়ে। এদিনের সভায় বক্তব্য রাখেন স্থানীয় ব্লক তৃণমূলের সভাপতি কাকলি তা গুপ্ত, তৃণমূলের প্রাথমিক শিক্ষক সংগঠনের জেলা সভাপতি আবু বক্কর। হাজির ছিলেন শিক্ষক সংগঠনের সদস্যরা। ছিলেন বর্ধমান এক নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষরাও। জেলা জুড়ে দেওয়াল লিখন, পাড়ায় পাড়ায় বৈঠক, মিছিল, মিটিং চলছে ২১ জুলাই সফল করার জন্য।

জুন ২৪, ২০২২
রাজনীতি

তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন খগেন মুর্মু! বিষ্ফোরক দাবি বিজেপি সাংসদের

কিছু দিন আগেও ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। তৃণমূল নেতৃত্ব দাবি করে এসেছে, দরজা খুললেই দলে দলে বিজেপির লোকজন ঢুকে যাবে। এবার তৃণমূলের প্রস্তাব নিয়ে বিষ্ফোরক মন্তব্য করলেন মালদার বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। যদিও তৃণমূল কংগ্রেস গেরুয়া শিবিরের সাংসদের প্রস্তাব উড়িয়ে দিয়েছেন। বিজেপির উত্তর মালদার সাংসদ খগেন মুর্মুর দাবি করেছেন, ২০১৯-এর ১০ মার্চ মুর্শিদাবাদের এক মহিলা তৃণমূল বিধায়ক তাঁকে দলবদলের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। দলবদল করলে কী ফায়দা পাবেন তা-ও জানিয়েছিলেন ওই বিধায়ক। খগেনের দাবি, তখন প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল তৃণমূল যোগ দিলে পূর্ণ মন্ত্রী হবেন। সঙ্গে অনুগামী ১০ জনের সরকারি চাকরি মিলবে। এর পাশাপাশি আর্থিক সাহায্য পাবেন। তৃণমূলের জেলা সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সি খগেনের বক্তব্যকে উড়িয়ে দিয়েছেন। খগেন মুর্মুর দাবি, তৃণমূল ২০১১ সাল থেকে আমার পেছনে লেগেছে। আমি বারে বারে একই কথা বলেছি তৃণমূলে যাওয়ার আমার মনের কোনও ইচ্ছা নেই। তৃণমূল কংগ্রেসকে আমি পার্টি মনে করি না। তৃণমূল কংগ্রেস মানে একটা ক্লাব বলা যায়। তবে ক্লাবের মধ্যে যে শৃঙ্খলা আছে, তা তৃণমূলে নেই। সুতরাং তৃণমূলে কংগ্রেসে যাওয়ার কথা কোনও দিনই আমি বলিনি। ভাবিওনি। তৃণমূলে যাওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই আমার। আমি এক সময় বামফ্রন্টে ছিলাম, সিপিএম করতাম। নীতিগত কারণে অমিল হওয়ায় আমি দল পরিবর্তন করে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলাম। ব্যক্তিগত কিছু মতামতের কারণে আমি বিজেপিতে যোগ দিয়েছি। তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বারে বারে প্রস্তাব এসেছে দলবদল করার জন্য। আমি প্রতিটি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছি। ২০১৯-এর ১০মার্চ কলকাতায় এমএলএ হস্টেলে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেছেন।আব্দুর রহিম বক্সি বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের এত দুর্দিন আসেনি যে বিজেপির মত একটি সাম্প্রদায়িক দল, মানুষ-মারা দলের সাংসদ বা কর্মীকে প্রস্তাব দিয়ে দলে নিতে হবে। এমনিতে ওরা সারিবদ্ধ ও দলবদ্ধ ভাবে লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে দিদির অনুমোদনের অপেক্ষায়। দিদি যদি আজ অনুমোদন দেন তাহলে বিজেপি পার্টিটা আর এখানে থাকবে না। তাদের কোনও জনপ্রতিনিধিও থাকবে না।

জুন ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

লালহলুদের আবার মুশকিল আসান মুখ্যমন্ত্রী, মমতা ব্যানার্জির উদ্যোগেই ইস্টবেঙ্গলে ইমামি

আইএসএলে ইস্টবেঙ্গলের খেলা নিয়ে যখন ঘোর অনিশ্চয়তা চলছিল, এগিয়ে এসেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। শ্রী সিমেন্টকে ইনভেস্টর হিসেবে এনে দিয়েছিলেন। শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর আবার লালহলুদের মুশকিল আসান হয়ে দাঁড়ালেন সেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীই। তাঁর উদ্যোগেই লগ্নিকারী সংস্থা হিসেবে ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে যুক্ত হল ইমামি গ্রুপ। আজ নবান্নে মমতা ব্যানার্জি সাংবাদিক সম্মেলনে ঘোষণা করেন, ইমামি গ্রুপের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেই ইস্টবেঙ্গল এবার আইএসএলে খেলবে। এদিন ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের পাশাপাশি নবান্নে হাজির ছিলেন ইমামির প্রতিনিধিরাও।বেশ কয়েকমাস ধরেই বিভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের গাটঁছাড়া বাঁধার জল্পনা চলছিল। কিন্তু চূড়ান্ত কিছু হচ্ছিল না। শোনা যাচ্ছিল বাংলাদেশের বসুন্ধরা গ্রুপ লালহলুদে লগ্নি করতে পারে। তাঁদের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বেশ কয়েক দফা কথা হয় লালহলুদ কর্তাদের। ইস্টবেঙ্গলের প্রতিনিধিরাও বাংলাদেশে গিয়েছিলেন। কথাবার্তা অনেকদূর এগিয়ে গিয়ে পুরো বিষয়টা জটে আটকে যায়। এরপর শোনা যাচ্ছিল ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার কথা। তার আগেই ইমামি গ্রুপের সঙ্গে চূক্তি চূড়ান্ত হল। বুধবার নবান্নে ইস্টবেঙ্গল এবং ইমামি গ্রুপের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। তিনি ইমামি গ্রুপকে ইস্টবেঙ্গলে বিনিয়োগ করার প্রস্তাব দেন। মুখ্যমন্ত্রীর কথাতেই ইস্টবেঙ্গলে বিনিয়োগ করতে রাজি হয়ে যায় ইমামি গ্রুপ। বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বলেন, আজ দুই পক্ষের কর্তারা আমার এখানে চা খেতে এসেছিল। সেখানেই বিনিয়োগের ব্যাপারে দুই পক্ষের কর্তাদের সঙ্গে কথা হয়। দুপক্ষই রাজি হয়েছে। ইমামি বিনিয়োগ করায় ইস্টবেঙ্গলের আইএসএলে খেলার যে সমস্যা হচ্ছিল, সেই সমস্যা মিটে যাবে। ইমামি গ্রুপকে ক্লাবে স্বাগত জানিয়েছেন ইস্টবেঙ্গল কর্তা দেবব্রত সরকার। আবার ক্লাবের পাশে দাঁড়ানোর জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। দেবব্রত সরকার বলেন, মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করব না। শুধু ইনভেস্টর এনে দেওয়ায়ই নয়, যেভাবে ক্লাবের সব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তিনি যুক্ত থাকেন, সেটা বাংলার আর কোনও মুখমন্ত্রী আগে ভাবেননি। আমি ইমামি গ্রুপকেও ধন্যবাদ জানাব। আশা করব আগামী দিনে আমাদের ক্লাব ইমামির সাহায্যে সাফল্য পাবে। শোনা যাচ্ছে শুধু আইএসএলের জন্যই ইমামি ইস্টবেঙ্গলকে স্পনসর করবে। অন্য স্পনসরের অধীনে কলকাতা লিগ আর আইএফএ শিল্ড খেলবে ইস্টবেঙ্গল।

মে ২৫, ২০২২
রাজ্য

'গ্যাচাং ফু, এক সেকেন্ডে কেটে দেব,' কড়া হুঁশিয়ারি মমতার

তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলের নতুন স্লোগান ঘোষণা করলেন মেদিনীপুরের কর্মীসভায়। এই কর্মীসভার মাধ্যমেই জেলায় জেলায় রাজনৈতিক কর্মসূচি শুরু করলেন তৃণমূল নেত্রী। এদিন তিনি বলেন, আমি নই আমরা। এই স্লোগানটা চলবে তৃণমূল কংগ্রেসে। সবাইকে নিয়ে চলতে হবে। আমরা একত্রিত হয়ে কাজ করলে দিল্লি পার পাবে না। দিল্লি বাংলার মুঠোয় আসবে। জেলা পরিষদের সদস্য যদি মনে করেন আমি আমার মতো করে নিলাম। গ্যাচাং ফু হবে। এক সেকেন্ডে কেটে দেব।সংগঠন ধরে রাখতে যে মানুষের পাশে থাকতে হবে মমতা সেই বার্তাই দেন এদিনের সভায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যাঁরা মানুষের জন্য কাজ করবে দরকারে তাঁদের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করব। যাঁরা মানুষের কাজ না করে নিজের কাজ করবে তাদের আমি বলব দয়া করে ঘরে বসে যান। অনেক করেছেন। এর থেকে বেশি আমরা চাই না।এদিনের সভায় তৃণমূলনেত্রী জানিয়ে দেন, এবার থেকে তিনি যে যে জেলায় প্রশাসনিক বৈঠক করবেন সেখানে বুথ কর্মীদের নিয়ে সভাও করবেন। মমতা বলেন, আমি এবার থেকে ঠিক করেছি যে যে জেলায় প্রশাসনিক বৈঠকে যাব। সেই সেই জেলায় আমি আমার বুথ কর্মীদের সঙ্গে মিলিত হব। তার কারণ, তাঁরাই আমাদের দলের সম্পদ। মঞ্চে বসে থাকে কজন। হাতে গোনা কজন। নীচে বসে থাকে কতজন, লক্ষ লক্ষ লক্ষ কোটি। যাঁরা মঞ্চে বসে থাকে তাঁরা বড় কর্মী না যাঁরা নীচে বসে থাকে তাঁরা বড় কর্মী! এবং এটা মেনে চলতে পারলে তৃণমূল কংগ্রেস একদিন সারা বিশ্ব জয় করবে ভারতবর্ষ জয় করবে।দলের নেতাদেরও এদিন কড়া বার্তা দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। মমতা বলেন, আমি নেতা তৈরি হলাম কোথা থেকে? নেতা কী গাছ থেকে পড়ে? না। নেতা কাজের মধ্যে থেকে তৈরি হয়। মনে রাখবেন যাঁরা কুকর্ম করে মানুষ তাঁদের চিহ্নত করে মানুষ। মানুষ তাঁদের ঘৃনা করে, মানুষ তাদের ভালবাসে না। মানুষ যদি ভাল না বাসে আমি কেন ভালবাসব? আমি খুব রাফ এন্ড টাফ।

মে ১৮, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যের বকেয়া দাবি করে ফের প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি মমতার

ফের রাজ্যের বকেয়া পাওনা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১০০ দিনের কাজে কেন্দ্র গত ডিসেম্বর মাস থেকে অর্থ দিচ্ছে না বলে এদিন দুপুরেই টাউনহলে এক সভায় অভিযোগ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ১০০ দিনের টাকা না মেলায় অগ্নিমূল্য বাজারদরে তাঁদের কী হাল হচ্ছে তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।১০০ দিনের কাজে রাজ্যের ভাল ফল সত্বেও কেন টাকা পাচ্ছেন না তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। প্রধানমন্ত্রীকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, গত চার মাস ধরে মনরেগা প্রকল্পের ৬৫০০ কোটি টাকা এখনও পায়নি রাজ্য। এর ফলে নিদারুন সমস্যায় পড়েছেন শ্রমিকরা। এই অর্থ দ্রুত রাজ্যের কোষাগারে পাঠানোর জন্য কেন্দ্রের কাছে আবেদন করা হয়েছে।পাশাপাশি চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পে বাংলা বঞ্চিত বলেও অভিযোগ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, সারা দেশে আবাস যোজনা প্রকল্পের আওতায় ২০১৬-১৭ অর্থবর্ষ থেকে ৩২ লক্ষ বাড়ি বানানো হয়েছে। সেখানে প্রথমেই রয়েছে বাংলা। তা সত্বেও এই প্রকল্পে বাংলার জন্য কোনও অর্থ বরাদ্দ করা হয়নি। মমতার দাবি, কেন্দ্রীয় বরাদ্দ না মেলায় বাংলার উন্নয়ন বাধা পাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী মোদীর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন মমতা।কেন্দ্রের কাছে ৯৭হাজার কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে বলে কয়েকদিন আগেই দাবি করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে তাঁর দাবি ছিল, ওই টাকা কেন্দ্র দিয়ে দিলে আপাতত পেট্রপন্যের ওপর কর নেবে না রাজ্য সরকার। তারপর এবার ১০০দিনের বকেয়া মেটাতে কেন্দ্রকে চিঠি দিলেন মমতা।

মে ১২, ২০২২
রাজ্য

কখন ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি যাবে বহরমপুরে? কটাক্ষ শুভেন্দুর

রাজনীতি ও ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি এখন সমার্থক শব্দ। বাংলায় ঘটনা ঘটলে বিজেপি কেন্দ্রীয় ভাবে ঘটনার বিস্তারিত জানতে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি পাঠাচ্ছে। বিজেপি শাসিত রাজ্য বা কেন্দ্রীয় পুলিশের তত্বাবধানে কোনও ঘটনা ঘটলে সেখানে এই কমিটি গঠন করছে তৃণমূল কংগ্রেস। নাম একই ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি। এবার বহরমপুরের ছাত্রী খুনের ঘটনায় ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি পাঠানো নিয়ে কটাক্ষ করলেন বিরোধী দলনেতা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী।শুভেন্দু সোশাল মিডিয়ায় লিখেছেন, জানতে চাই মাননীয়া কখন ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম পাঠাচ্ছেন বহরমপুরে? @MamataOfficial আপনার শাসনকালে অপরাধীদের মনোবল বৃদ্ধি পেয়েছে। আপনি আইন শৃঙ্খলার অবনতির দায় নিয়ে পদত্যাগ করুন এবং যোগ্য কাউকে দায়িত্ব দিন।জানতে চাই মাননীয়া কখন ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম পাঠাচ্ছেন বহরমপুরে?@MamataOfficial আপনার শাসনকালে অপরাধীদের মনোবল বৃদ্ধি পেয়েছে। আপনি আইন শৃঙ্খলার অবনতির দায় নিয়ে পদত্যাগ করুন এবং যোগ্য কাউকে দায়িত্ব দিন। Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) May 3, 2022রামপুরহাটের বগটুই গ্রামে তৃণমূলের পঞ্চায়েত উপপ্রধান খুন হওয়ার পর গণহত্যায় ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। পরে আরও ২জন অগ্নিদগ্ধের মৃত্যু হয়েছে হাসপাতালে। এই ঘটনার বিস্তারিত জানতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করেছিলেন। তাঁরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নাড্ডাকে রিপোর্ট দিয়েছিল। পরে হাঁসখালিতে গণধর্ষণের ঘটনাতেও দলের মহিলা সদস্যের নিয়ে ফ্য়াক্ট ফাইন্ডিং কমিটি ঘটনা স্থলে গিয়ে মৃতার পরিবারের সঙ্গে কথা বলে।এরইমধ্যে উত্তরপ্রদেশে একই পরিবারের ৫ সদস্যকে গলার নালি কেটে কেটে নৃশংস ভাবে খুন করা হয়। সেখানে পৌঁছায় তৃণমূলের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি। তারপর দিল্লির ঘটনায় ফের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি পাঠায় তৃণমূল। উত্তরপ্রদেশে ক্ষমতায় রয়েছে যোগীর সরকার। আর দিল্লি পুলিশ কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে। বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির পাল্টা তৃণমূলও গঠন করে।গতকাল সোমবার সন্ধ্য়ায় বহরমপুরে চাকু দিয়ে নৃশংসভাবে কুপিয়ে অনেকের সামনে এক কলেজছাত্রীকে খুন করে যুবক। অভিযুক্ত সুশান্ত চৌধুরীকে কয়েক ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার করে পুলিশ। এই ঘটনার ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠন নিয়ে তৃণমূলকে কটাক্ষ করেছেন শুভেন্দু।

মে ০৩, ২০২২
রাজ্য

মানুষের পকেট কেটে কেন্দ্রের আয় ১৭ লক্ষ কোটি', ৩০০ টাকা কমনো হোক রান্নার গ্যাসেরঃ মমতা

রান্নার গ্যাসের দাম বেড়েই চলেছে। এখনই রান্নার গ্যাসের দাম কমানোর দাবি জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি মমতার দাবি, যখন বিশ্ব বাজারে তেলের দাম কম ছিল তখন ক্রমাগত দাম বাড়িয়ে গিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।বৃহস্পতিবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রান্নার গ্যাসের দাম ৩০০ টাকা কমানো উচিত। পেট্রল, ডিজেলের দামও কমানো উচিত। যখন সারা বিশ্বে দাম কমিয়েছিল তখনও দাম কমায়নি কেন্দ্র। ওদের একটা ফান্ড থাকবে। নিজের ইচ্ছামত খরচ করবে পার্টির স্বার্থে। দেখাবে সরকার খরচ করছে। মানুষের পকেট কেটে সব দোষ চাপায় রাজ্যের। সাধু সেজেছে সব নন্দ ঘোষ। এটা তো হতে পারে না।এবার মোদি-মমতা পৃথক বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা নেই। একথা বললেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, কাল রাতে পৌছাবে পরশু চলে আসব। এবার তাড়াতাড়ি চলে আসব। এবার আর আলাদা করে দেখা হবে না।গতকাল, বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীদের এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পেট্রল, ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির জন্য রাজ্যগুলির ওপর দোষ চাপিয়েছেন। তার মধ্যে বাংলার নামও করেছেন তিনি। তবে গতকালের বৈঠক নিয়ে যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষুব্ধ তা এদিন তাঁর মন্তব্যে স্পষ্ট।মমতা বলেন, গতকাল কোভিড এজেন্ডা ছিল না। আগামি দিন আরও বাড়াবে তাই দোষটা নিজেরে ঘাড় থেকে ঝাড়বার চেষ্টা করছে। নিজেরা ১৭ লক্ষ ৩ কোটি টাকা আদায় করেছে মানুষের পরকেট কেটে। এই টাকাটা না কাটলেই হত না? ১৪ বার দাম বাড়িয়েছে। রাজ্যকে পাওনা দেবে না। দোষ হলে রাজ্যের দোষ। কোভিড লড়াইতে ক্রেডিট তোমার। মানুষ বিপদে পড়লেও দোষ রাজ্যের।

এপ্রিল ২৮, ২০২২
রাজ্য

'শিল্পপতিদের কেন্দ্রীয় এজেন্সি দিয়ে যেন বিরক্ত না করা হয়', রাজ্য়পালকে কড়জোড়ে মমতা

Bengal Global Business Summit 2022-এ রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় যেমন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন, পাল্টা তাঁকে ধন্যবাদ জানান মুখ্যমন্ত্রী। সম্মেলনে রাজ্যপালের উপস্থিতি ও বক্তব্যে আনন্দ প্রকাশ করেছেন মমতা। তাছাড়া এভাবেই রাজ্যের পাশে থাকার আবেদনও রেখেছেন রাজ্যপালের কাছে। দুজনের বক্তব্য শুনলে মনে হবে তাহলে কী রাজ্যপাল-মুখ্যমন্ত্রী সংঘাত বলে কিছু ছিল না। কিন্তু এই বানিজ্য সম্মলনেই শিল্পপতিদের সাক্ষী রেখে রাজ্যপালের কাছে কড়জোড়ে আবেদন করে মমতা রীতমতো অস্বস্তিতে ফেলে দিলেন। যা নিয়ে হইচই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।রাজ্যপালের বক্তব্যের প্রশংসা করেই ধনখড়ের দিকে হাতজোড় করেন মমতা। তখন অনেকটাই হতবাক দেখাচ্ছিল রাজ্যপালকে। মমতা বলেন, রাজ্যপাল স্যার, কিছু মনে করবেন না, আপনার মাধ্যমে একটা কথা বলতে চাই। মহামান্য রাজ্যপালকে সমস্ত শিল্পসংস্থার তরফে একটা কথা বলছি। আমরা কেন্দ্রীয় সকারের কাছ থেকে সমস্ত রকম সহযোগিতা চাই। একইসঙ্গে রাজ্যপালদের বৈঠকে একটা কথা অবশ্যই বলবেন প্লিজ। শিল্পপতিদের কেন্দ্রীয় এজেন্সি দিয়ে যেন বিরক্ত না করা হয়। মমতার এই বক্তব্যের পর রাজ্য-রাজনীতিতে হইচই শুরু হয়ে যায়। পুরোটাই নাটক বলে মন্তব্য করেন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী। এমন সময় মুখ্যমন্ত্রী একথা বলেন তখন আর মঞ্চে জবাব দেওয়ার পরিস্থিতি ছিল না রাজ্যপালের। তবে এদিন মঞ্চে নানা দফায় রাজ্যপালের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

এপ্রিল ২০, ২০২২
রাজনীতি

আসানসোলে সবুজ ঝড়ে উড়ল গেরুয়া শিবির, বালিগঞ্জে জয়েও আতঙ্কে তৃণমূল

রাজ্য়ের দুই কেন্দ্রের উপনির্বাচনেই জয় পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। আসানসোলে কার্যত উড়িয়ে দিয়েছে পরপর দুবারে জয় পাওয়া বিজেপিকে। প্রায় ২ লক্ষের ওপর ভোটের ব্যবধানে বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পালকে পরাজিত করেছেন তৃণমূল প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিনহা। অন্যদিকে বালিগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয় জয় পেয়েছেন ২০ হাজারের ওপর ভোটের ব্যবধানে। এখানে এবার দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন সিপিএম প্রার্থী সায়রা শাহ হালিম। কিন্তু এই কেন্দ্রে যে ভাবে তৃণমূলের ভোট কমেছে তাতে ঘাসফুল নেতৃত্বের যথেষ্ট আতঙ্কের কারণ রয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রে ২০১৪ ও ২০১৯-এ জয় পেয়েছিল বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয় প্রায় ১,৯৭,৬৩৭ ভোটের ব্যবধানে তৃণমূল প্রার্থী মুনমুন সেনকে পরাজিত করেছিলেন। তৃণমূল কংগ্রেস গঠন হওয়ার পর আসানসোল কেন্দ্রে জয় পায়নি। এই প্রথম সেখানে জয় পেয়েছে তৃণমূল। শত্রুঘ্ন সিনহা ভোট পেয়েছেন ৬,৪৬,৬৬১ ভোট পেয়েছেন শত্রুঘ্ন। প্রায় ৫৬ শতাংশ ভোট। অগ্নিমিত্রা পাল ভোট পেয়েছেন ৩,৫০,০১৫। শতাংশের হিসাবে ৩০%। বিজেপির প্রায় ২২ শতাংশ ভোট কমেছে গতবাবের তুলনায়।এদিকে বালিগঞ্জ কেন্দ্রে বিজেপিকে সরিয়ে দ্বিতীয়স্থানে উঠে এসেছে সিপিএম। এই কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয় ২০হাজারের বেশি ভোটে পরাজিত করেছেন সিপিএম প্রার্থী সায়রা শাহ হালিমকে। বাবুল পেয়েছেন ৫০,৯৯৬ ভোট। সায়রার প্রাপ্ত ভোট ৩০,৯৪০ ভোট। বিজেপি গতবারে তুলনায় ৭ শতাংশ কম ভোট পেয়েছে। বিজেপি প্রার্থী কেয়া ঘোষ পেয়েছেন ১৩,১৭৪ ভোট। তবে এই কেন্দ্রে সংখ্যালঘু ভোট প্রাপ্তি কমেছে তৃণমূলের। রাজনৈতিক মহলের মতে, গতবারের থেকে প্রায় ২০ শতাংশ ভোট কমায় কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে ঘাসফুল শিবিরের।

এপ্রিল ১৬, ২০২২
রাজ্য

হাঁসখালির ঘটনা নিয়ে তৃণমূল সাংসদের বিষ্ফোরক মন্তব্যে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি

হাঁসখালি ধর্ষণকাণ্ডে বিষ্ফোরক মন্তব্য করেছেন তৃণমূলের প্রবীণ সাংসদ সৌগত রায়। হাঁসখালির ঘটনা নিয়ে ইতিমধ্যে হাইকোর্ট সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। বিরোধীরা এই বিষয় নিয়ে রাজ্য সরকারের তুলোধোনা করছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, সরকারকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করছে। পুলিশ যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছে। বৃহস্পতিবার দক্ষিণেশ্বরে এক অনুষ্ঠানে পুলিশ আধিকারিকদের মঞ্চে বসিয়ে দমদমের সাংসদ সৌগত রায় বলেন, যে রাজ্যে মহিলা মুখ্যমন্ত্রী, সেখানে একটা ঘটনাও সকলের কাছে লজ্জার। সৌগতর এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। তবে তৃণমূল সাংসদের এমন মন্তব্যকে বিতর্ক সৃষ্টির প্রচেষ্টা বলে মনে করেন বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য। তিনি জানান, ঘটনার দৃষ্টি ঘুরিয়ে দিতেও এমন মন্তব্য করতে পারেন।তৃণমূল সাংসদ এদিন বলেন, রাজ্যে মহিলাদের ওপর অত্যাচার নিয়ে সকলেই চিন্তিত। এক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স করতে হবে। কোনও ঘটনা ঘটলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। এসব বরদাস্ত করা যাবে না। যে রাজ্যে মহিলা মুখ্যমন্ত্রী, সেখানে একটা ঘটনাও লজ্জার। পুলিশ প্রশাসন এই বিষয়ে নজর রাখবেন। বিরোধীদের দাবি, একথা বলে রাজ্যে নারী নির্যাতনের ঘটনা স্বীকার করে নিলেন তৃণমূল সাংসদ। একইসঙ্গে সাংসদের এমন মন্তব্য তৃণমূল কংগ্রেসের কৌশলও হতে পারে।দেগঙ্গা, মাটিয়া, ইংরেজবাজার ও বাঁশদ্রোণীর ঘটনার তদন্ত ভার আদালত দিয়েছে আইপিএস দময়ন্তী সেনকে। আদালতের তদারকিতে হাঁসখালির ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। এই পরিস্থিতিতে সৌগত রায়ের এই মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির কাছে গিয়ে কী বলে এলেন মোহনবাগান সচিব দেবাশিস দত্ত?‌

লালহলুদের আইএসএলে খেলা যখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল, মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি নিজে উদ্যোগ নিয়ে লগ্নিকারী সংস্থাকে এনে দিয়েছিলেন। মোহনবাগান ক্লাবেরও পাশে দাঁড়িয়েছেন। ক্লাবের তাঁবুর সংস্কারের জন্য ৫০ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য করেছিলেন। এবার সংস্কার হওয়া সেই তাঁবুর উদ্বোধন করবেন মমতা ব্যানার্জি। ক্লাবের নতুন কমিটি গঠিত হওয়ার পর সোমবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গিয়েছিলেন মোহনবাগানের নতুন সচিব দেবাশিস দত্ত। সঙ্গে ছিলেন সদ্য মনোনীত হওয়া নতুন সহ সভাপতি কুণাল ঘোষ। দুপুরে নবান্নে দুজনে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। সৌজন্য সাক্ষাতে নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনার সময় মোহনবাগান সচিব দেবাশিস দত্ত মুখ্যমন্ত্রীকে সংস্কার হওয়া তাঁবুর উদ্বোধন করার জন্য আমন্ত্রণ জানান। মোহনবাগান ক্লাবের পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর হাতে মোহনবাগানের অমর একাদশের স্মারক তুলে দেন সচিব দেবাশিস দত্ত। মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে দেবাশিস দত্ত ও কুণাল ঘোষকে সুন্দর উতরীয় তুলে দেওয়া হয়। পরে দেবাশিস দত্ত বলেন, ক্লাব তাঁবু সংস্কার করার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ৫০ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন। আমরা মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাতে এসেছিলাম। মুখ্যমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছি, যাতে সংস্কার হওয়া ক্লাব তাঁবু উদ্বোধন করেন। উনি রাজি হয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর সময় দিলেই উদ্বোধনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করা হবে। এদিকে, মোহনবাগান ক্লাবের নামেরর আগে এটিকে রয়েছে। এটিকের সঙ্গে সংযুক্তির পর থেকেই এটিকে মোহনবাগান নামে আইএসএলে খেলছে সবুজমেরুণ। সদস্যসমর্থকরা দীর্ঘদিন ধরেই দাবি জানিয়ে আসছেন, মোহনবাগান নামের আগে থেকে এটিকে তুলে নেওয়া হোক। পরিবর্তে লগ্নিকারী সংস্থা আরপি গ্রুপের কোনও নাম বসানো হোক। এই নিয়ে সমর্থকরা অতীতে বিক্ষোভেও সামিল হয়েছিলেন। এই নিয়ে নাকি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেবাশিস দত্ত ও কুণাল ঘোষের কথা হয়েছে। সূত্র থেকে এমনই জানা গেছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২২
রাজনীতি

বগটুই কাণ্ডঃ 'অনুব্রত মন্ডলের কল রেকর্ড আগে ধরা উচিত,' দাবি শুভেন্দুর

সিবিআই তদন্তের নির্দেশের পরও রামপুরহাট কাণ্ডে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে বিজেপি। শনিবার রামপুরহাটে এসডিও অফিসের সামনে অবস্থান-বিক্ষোভ করে বিজেপি। চলবে রবিবারও। এদিন অবস্থানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অনুব্রত মন্ডল ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তুলোধোনা করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বীরভূমের অশান্তির জন্য দুজনকে দায়ী করেছেন তিনি।শুভেন্দু বলেন, প্রশাসনিক সভাতে একজন অশিক্ষিত তোলাবাজ, একজন গুন্ডা সর্দার জেলা সভাপতি হাজির থাকেন। প্রশাসনিক সভাতে তাঁকে বসিয়ে আইসি, ওসি, বিডিও, এসডিও, ডিএম, এসপিকে তিনি নির্দেশ দেন। তাঁর নির্দেশ, এই লোকটার কথা আপনাদের শুনে চলতে হবে। এভাবে গোটা জেলাতে প্রশাসনিক নিরপেক্ষতাকে ধংস করে দেওয়া হচ্ছে। গণতান্ত্রিক পরিবেশকে নষ্ট করে দিচ্ছে। তার ফল এই বগটুইয়ের মর্মান্তিক ঘটনা। শুভেন্দু বলেন, সিবিআই তদন্ত শুরু হয়েছে। এখন আমাদের দুটি দাবি আছে। পুলিশমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। গোটা বীরভূম জুড়ে বছরের পর বছর ধরে যে খুন-সন্ত্রাস-লুটের রাজনীতি করছে তাঁদেরকে কঠিনতম শাস্তি দিতে হবে। মূলত এই দুই দাবিতে আমাদের অবস্থান। গত সোমবার বাড়শালের উপপ্রধান ভাদু শেখকে খুন করে দুষ্কৃতীরা। তারপর বগটুই গ্রামে ৮ জনকে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। শুভেন্দুর দাবি, উপপ্রধানকে খুন করেছে তৃণমূল কংগ্রেসের লোকেরা। বখড়ার গন্ডগোল নিয়ে বিবাদ। পরবর্তী সময়ে দেড় ঘণ্টার মধ্যে পুরো বাইকবাহিনী ব্যবহার করে। ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিরোধী শূন্য করা হয়েছিল এই বাহিনী দিয়ে। এদের দিয়ে এবার পুরভোট লুঠ হয়েছে। পাথর ও বালু নিয়ে গোটা জেলা জুড়ে লুটের ব্যবসা চলছে। ভাদু শেখ ও আনারুলের মতো অজস্র বাড়ি আজ সর্বত্র তৈরি হয়েছে। তারা আগে ফাটা জামা পড়ত, সাইকেলে চড়ত, বিড়ি নিভিয়ে নিভিয়ে খেত, রাস্তার পাশে বসে তাস খেলত। মুখ্যমন্ত্রী হেলিকপ্টারে করে এসেছেন। তাঁর নাম এখন আকাশরাণী। বাম জমানায় সূচপুরে ১১ জন তৃণমূল কর্মী-সমর্থককে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠেছিল সিপিএমের বিরুদ্ধে। শুভেন্দু বলেন, সুচপুরের ঘটনায় সিপিএম শেষ হয়ে গিয়েছে, রামপুরহাটের ঘটনায় বীরভূম শুধু নয় বাংলা থেকে শেষ হয়ে যাবে তৃণমূল। শুধু খুনীদের ধরলে হবে না, শুধু বাইকবাহিনীকে ধরলে হবে না, যাঁরা ফোন করেছেন তাঁদের কল রেকর্ড ধরতে হবে। অনুব্রত মন্ডলের কল রেকর্ড আগে ধরা উচিত। তারপর পশ্চিমবঙ্গের পুলিশমন্ত্রীর কতবার কথা হয়েছে সেটা প্রকাশ্যে আসা উচিত। তিনি কী নির্দেশ দিয়েছিলেন সেটাও আসা উচিত। আমরা দাবি করব, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের ধরতে হবে।

মার্চ ২৬, ২০২২
রাজ্য

ব্লক তৃণমূল সভাপতি গ্রেফতারে ক্ষুব্ধ অনুগামীরা, সাসপেন্ড আইসি

রামপুরহাটে বগটুই গ্রামে মুখ্য়মন্ত্রীর ঘোষণার পরই পুলিশ গ্রেফতার করেছে রামপুরহাট ১ নম্বর ব্লক তৃণমূল সভাপতি আনারুল হোসেনকে। একইসঙ্গে রামপুরহাট থানার আইসিকে সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। বগটুই-কাণ্ডে তারাপীঠের একটি লজ থেকে থেকে আনারুলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। জানা গিয়েছে, জেলাপুলিশ সুপার তারাপীঠ থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করছেন আনারুলকে। তবে আনারুলের গ্রেফতারের খবরে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন তাঁর অনুগামীরা।বৃহস্পতিবার বগটুই গ্রামে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে পুলিশ-প্রশাসনের কর্তারা হাজির করেন নিহতদের পরিবারের সদস্যদের। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রামপুরহাট ১ নম্বর ব্লক তৃণমূলের সভাপতি আনারুল হকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তার আগে নিহতদের পরিবার মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ করে আনারুলকে জানানো সত্বেও সে কোনও পদক্ষেপ করেনি। মুখ্যমন্ত্রী মনে করেন, অশান্তির আঁচ পেয়েও আনারুল পুলিশকে খবর দেননি। পুলিশকে প্রথমেই খবরটা জানালে এত বড় ঘটনা হয়তো আটকানো যেত বলে মনে করছেন মুখ্যমন্ত্রী। বগটুই গ্রাম থেকেই আনারুলকে গ্রেফতার করার নির্দেশ দেন ডিজিকে। মমতা বলেন, আনারুল আত্মসমর্পণ করুক, নতুবা গ্রেফতার করবে পুলিশ। তবে আনারুলের অনুগামীদের বক্তব্য, তিনি ভাল মানুষ। সাধারণ মানুষের পাশে থাকেন আনারুল। তাঁকে ফাঁসিয়ে দেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরই আনারুলের বাড়িতে ছোটে পুলিশ। বাড়িতে ছিলেন না ব্লক তৃণমূল সভাপতি। সূত্রের খবর, আনারুল হোসেনকে তারপীঠের লজ থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারের খবরে আনারুলের অনুগামীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁকে ফাঁসানোর অভিযোগ তুলেছেন তাঁর অনুগামীরা।

মার্চ ২৪, ২০২২
শিক্ষা

BIG BREAKING: অবশেষে রাজ্যে খুলছে স্কুল, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

অবশেষে রাজ্যে স্কুল খুলছে। ৩ ফেব্রুয়ারি অষ্টম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পঠন-পাঠন শুরু হবে। পঞ্চম থেকে সপ্তম শ্রেণি পাড়ায় শিক্ষালয়ে ক্লাস হবে। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে একথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার নবান্নে স্কুল খোলার কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ৩রা ফেব্রুয়ারি থেকে রাজ্যে স্কুল ,কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় খুলবে। আপাতত অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত স্কুল পড়াশুনা চলবে। পঞ্চম থেকে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত পাড়ায় পাড়ায় শিক্ষালয়ে পঠন-পাঠন শুরু হবে। তবে এখনও পর্যন্ত প্রাথমিক স্কুল খোলার বিষয়টি রাজ্য সরকারের বিবেচনায় নেই বলেই জানিয়ে দিয়েছেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। এবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে যাওয়ায় সরস্বতী পুজোয় পড়ুয়ারা হাজার থাকতে পারবেন।করোনা পরিস্থিতিতে প্রায় ২ বছর ধরে রাজ্যের সমস্ত বন্ধ স্কুল, কলেজসহ অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। অনেক ক্ষেত্রে পঠনপাঠন চলছে অনলাইনে। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই পড়াশুনা বন্ধ রয়েছে। লাটে উঠেছে পড়াশুনা। গত নভেম্বর মাসে নবম, দশম, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির জন্য স্কুল খুললেও করোনার বাড়বাড়ন্তের জন্য ফের বন্ধ করতে হয়। করোনা সংক্রমিতের সংখ্যাও কমছে রাজ্যে। শিথিল হয়েছে করোনা বিধি। এই ঘোষণায় বামপন্থী ছাত্র সংগঠন তাঁদের আন্দোলনের জয় বলে দেখছে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২২
রাজনীতি

কল্যানের মন্তব্যকে জোরালো সমর্থন অভিষেকের, এবার কমতে পারে বিতর্ক

তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদকের ব্যক্তিগত মন্তব্য ও ডায়মন্ডহারবার মডেল নিয়ে দলের বাইরে ঝড় উঠেছিল। শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় অভিষেকের মন্তব্যের কড়া সমলোচনা করেছিলেন। তবে একই সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নেত্রী হিসাবে মানেন বলেও জানিয়ে দিয়েছিলেন ওই সাংসদ। শেষমেশ তা নিয়ে দলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটিকে হস্তক্ষেপ করতে হয়। তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় দলের বাইরে মুখ খুলতে নিষেধ করে দেন। তা নাহলে কড়া পদক্ষের করা হবে বলেও সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়ে দেওয়া হয়। তারপরও হুগলির নানা জায়গায় কল্যান-অকল্যান নিয়ে পোস্টার পড়ে। বিক্ষোভ চলে হাইকোর্ট চত্বরেও। মদন মিত্রও মাঝে মুখ খোলেন দলীয় ইস্যুতে। এবার গোয়ায় গিয়ে কল্যানইস্যুতে মুখে খুললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিজ্ঞ রাজনীতিকের মতো মন্তব্য করলেন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ।কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য নিয়ে অভিষেককে প্রশ্ন করা হয়। অভিষেক জবাবে বলেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন ওনার নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে ছাড়া উনি কাউকে মানেন না। আমিও তো তাই বলছি। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় যা বলছেন ঠিক বলছেন। এতে অসুবিধার কী আছে? তবে এখানেই থামেননি তিনি। কল্যান ইস্যুতে কটাক্ষ করেছেন কংগ্রেসকে। তাঁর বক্তব্য, কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় আমার বিরুদ্ধে বলায় প্রমাণিত যে দলে হাইকমান্ড সংস্কৃতি নেই। এটা আমাদের জন্য তো ভালোই। পার্থ চট্টোপাধ্যায় সতর্ক করার পরও পোস্টার পাল্টা পোস্টার চলেছে, হাইকোর্টে চত্বরে বিক্ষোভ হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, এবার হয় তো ডায়মন্ডহারবার বা কল্যান ইস্যুতে বিতর্ক কমতে পারে।

জানুয়ারি ২০, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ইস্তফা কি সত্যিই দিচ্ছেন ফিরহাদ? দু’দিন পরেও মিলল না উত্তর

কলকাতা পুরনিগমের মেয়র পদ থেকে ফিরহাদ হাকিম ইস্তফা দিতে চলেছেন কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা চলছে। তবে দুদিন ধরে নানা জল্পনা চললেও এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনও স্পষ্ট পদক্ষেপ দেখা যায়নি। ফলে প্রশ্ন উঠছে, আদৌ কি মেয়রের পদ ছাড়তে চলেছেন ফিরহাদ হাকিম?সম্প্রতি তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ দাবি করেছিলেন, ফিরহাদ হাকিম দলনেত্রীর কাছে মেয়র পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনি ঠিকমতো কাজ করতে পারছেন না এবং সেই কারণেই ইস্তফা দিতে চান। কুণালের দাবি অনুযায়ী, এই বিষয়টি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছেও জানানো হয়েছিল।কিন্তু সেই মন্তব্যের পর কয়েক দিন কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত ইস্তফা সংক্রান্ত কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি। বরং এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ফিরহাদ হাকিম মন্তব্য করতে চাননি। তিনি শুধু জানিয়েছেন, এই বিষয়ে তিনি কোনও কথা বলবেন না।এদিকে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ অন্য ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ। গত কয়েক দিনে একাধিক সরকারি ও প্রশাসনিক কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে দেখা গিয়েছে ফিরহাদ হাকিমকে। পরিবেশ দিবসের কর্মসূচিতেও তাঁকে কলকাতা পুরনিগমের কমিশনারের সঙ্গে দেখা যায়।শুধু তাই নয়, প্রশাসনিক বিভিন্ন বিষয় নিয়েও নিয়মিত বৈঠক করতে দেখা যাচ্ছে মেয়রকে। পুর প্রশাসনের কাজকর্ম নিয়েও তিনি সক্রিয় রয়েছেন বলে সূত্রের দাবি। ফলে ইস্তফার জল্পনার সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতির বেশ কিছু অসঙ্গতি সামনে আসছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, যদি সত্যিই ইস্তফার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে সাধারণত প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড থেকে কিছুটা দূরত্ব বজায় রাখার প্রবণতা দেখা যায়। কিন্তু বর্তমানে ফিরহাদ হাকিমের ভূমিকা সে ধরনের কোনও ইঙ্গিত দিচ্ছে না।ফলে মেয়র পদ নিয়ে জল্পনা আরও বেড়েছে। ফিরহাদ হাকিম শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত নেন, তা নিয়ে এখন কৌতূহল রাজনৈতিক মহলে। তবে সরকারি ভাবে কিছু ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত এই বিতর্ক ও জল্পনা যে চলতেই থাকবে, তা বলাই যায়।

জুন ০৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

টাকা না দিয়েই বিশ্বকাপের টিকিট! ফিফার বড় ভুলে তোলপাড় ফুটবল দুনিয়া

ফুটবল বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। তার আগেই টিকিট বিক্রি নিয়ে বড় বিতর্কে জড়াল ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা। প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে কয়েকজন সমর্থক বিনামূল্যে বিশ্বকাপের টিকিট পেয়ে গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।সূত্রের খবর, অন্তত ষাট জন ফুটবলপ্রেমী বিশ্বকাপের টিকিট কাটার সময় কোনও টাকা না দিয়েই টিকিট সংগ্রহ করতে সক্ষম হন। অভিযোগ, টিকিট বুকিংয়ের শেষ ধাপে গিয়ে তাঁদের কাছ থেকে কোনও অর্থ নেওয়া হয়নি। ফলে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে টিকিট তাঁদের হাতে চলে যায়।বিশ্বকাপের টিকিটের দাম নিয়ে গত কয়েক মাস ধরেই বিতর্ক চলছে। অনেকের অভিযোগ, সাধারণ সমর্থকদের নাগালের বাইরে চলে গিয়েছে টিকিটের মূল্য। এই পরিস্থিতিতে কিছু দর্শক বিনামূল্যে টিকিট পাওয়ার খবর সামনে আসতেই ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে যাঁরা মোটা অঙ্কের টাকা খরচ করে টিকিট কিনেছেন, তাঁদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়তে শুরু করে।জানা গিয়েছে, কানাডার টরন্টো শহরে আয়োজিত কয়েকটি ম্যাচের টিকিট বিক্রির ক্ষেত্রেই এই সমস্যা দেখা দেয়। প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে অর্থ পরিশোধ ছাড়াই টিকিট ইস্যু হয়ে যায় বলে অভিযোগ।বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছে ফিফা। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ওয়েবসাইটে সাময়িক প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে। যাঁরা বিনামূল্যে টিকিট পেয়েছেন, তাঁদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টিকিটের মূল্য পরিশোধ করতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টাকা জমা না দিলে তাঁদের টিকিট বাতিল করে দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।এদিকে টিকিট বিক্রির পদ্ধতি নিয়েও নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। অতিরিক্ত মূল্য নেওয়ার অভিযোগে ইতিমধ্যেই আইনি জটিলতার মুখে পড়েছে ফিফা। টিকিট বিক্রির পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক আগে এই ঘটনা ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

জুন ০৫, ২০২৬
দেশ

ইন্ডিয়া জোটে বড় বিস্ফোরণ! ডিএমকে সরে যেতেই বিজয়ের দিকে কংগ্রেসের ঝোঁক?

পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর দেশের রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতার পালাবদল হয়েছে। অন্যদিকে তামিলনাড়ুতেও বদলেছে রাজনৈতিক চিত্র। এই পরিস্থিতিতে এবার প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, ইন্ডিয়া জোটের অন্দরেও কি বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে?তামিলনাড়ুতে নির্বাচনে কংগ্রেস ডিএমকের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে লড়াই করলেও ফল প্রকাশের পর পরিস্থিতি বদলে যায়। সরকার গঠনের সময় কংগ্রেস সমর্থন জানায় অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া বিজয়ের দলের প্রতি। সেই সমর্থনের ফলস্বরূপ কংগ্রেস একটি গুরুত্বপূর্ণ আসনও পেয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।সূত্রের খবর, কংগ্রেস এখন বিজয়ের দলের সঙ্গে সম্পর্ক আরও মজবুত করতে আগ্রহী। আগামী আট জুন দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার কথা। সেই বৈঠকে বিজয়ের দলকে আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়ে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব ভাবনাচিন্তা করছে বলে জল্পনা ছড়িয়েছে।এদিকে ডিএমকে ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে যে তারা ওই বৈঠকে অংশ নেবে না। দলের নেতাদের বক্তব্য, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনায় তারা অত্যন্ত হতাশ। কংগ্রেসের ভূমিকা নিয়ে দলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। সেই কারণেই আপাতত ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক থেকে দূরে থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।শুধু ডিএমকে নয়, ইন্ডিয়া জোটের ভেতরে আরও কয়েকটি দলের অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই একাধিক শরিক দলের সঙ্গে কংগ্রেসের দূরত্ব বেড়েছে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মত। বিভিন্ন রাজ্যে আঞ্চলিক দলগুলির সঙ্গে কংগ্রেসের সম্পর্কের টানাপোড়েন এবার জাতীয় রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।আসন্ন বৈঠকে কোন দল উপস্থিত থাকে এবং কোন দল দূরত্ব বজায় রাখে, সেদিকেই এখন নজর দেশের রাজনৈতিক মহলের। কারণ সেই বৈঠকের ফলাফলই ইন্ডিয়া জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেক প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে।

জুন ০৫, ২০২৬
দেশ

ঋণগ্রহীতাদের জন্য বড় সুখবর! রেপো রেট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আরবিআইয়ের

বিশ্বজুড়ে অস্থির অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই সাধারণ মানুষের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর দিল ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। শুক্রবার মুদ্রানীতি কমিটির বৈঠকের পর জানানো হয়েছে, আপাতত রেপো রেটের কোনও পরিবর্তন করা হচ্ছে না। ফলে বাড়ি, গাড়ি বা অন্যান্য ঋণের মাসিক কিস্তি এখনই বাড়ার আশঙ্কা নেই।রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর সঞ্জয় মালহোত্রার নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মুদ্রানীতি কমিটির সব সদস্যই রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখার পক্ষে মত দেন। বর্তমানে রেপো রেট রয়েছে পাঁচ দশমিক দুই পাঁচ শতাংশে। আগামী দুমাস এই হারই বহাল থাকবে বলে জানানো হয়েছে।কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের মতে, বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি এবং বিশ্ব অর্থনীতির অনিশ্চয়তার কারণে আপাতত সতর্ক অবস্থান নেওয়াই সবচেয়ে উপযুক্ত। ভবিষ্যতে পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে তখন প্রয়োজন অনুযায়ী নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।গত বছর একাধিকবার রেপো রেট কমিয়েছিল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। প্রথমে ধারাবাহিকভাবে হার কমানোর পর জুন মাসে আরও পঞ্চাশ বেসিস পয়েন্ট কমানো হয়। পরে ডিসেম্বর মাসে আবার পঁচিশ বেসিস পয়েন্ট কমিয়ে রেপো রেট পাঁচ দশমিক দুই পাঁচ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়। সেই হারই এখনও বজায় রয়েছে।তবে অর্থনীতিবিদদের একাংশের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামের ওঠানামা, পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতা এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপের কারণে ভবিষ্যতে রেপো রেট নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে। সেই কারণেই আগামী কয়েক মাসের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির দিকে বিশেষ নজর রাখছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক।এদিকে দেশের অর্থনীতি নিয়েও নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডার রক্ষার জন্য দেশের সঞ্চিত সোনার একটি বড় অংশ বিক্রি করা হয়েছে। যদিও রিজার্ভ ব্যাঙ্ক সেই দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে খারিজ করে দিয়েছে। তবুও বিষয়টি নিয়ে অর্থনৈতিক মহলে আলোচনা থামেনি।

জুন ০৫, ২০২৬
কলকাতা

মমতার ঘনিষ্ঠ নেতা এবার বিদ্রোহী শিবিরে! জাভেদ খানের পদক্ষেপে তোলপাড় রাজনীতি

দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধা হিসেবে পরিচিত ছিলেন জাভেদ খান। রাজনৈতিক জীবনের বড় অংশই তিনি কাটিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে। কিন্তু সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সেই সমীকরণে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। সম্প্রতি তাঁকে দেখা গিয়েছে তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের বৈঠকে।গত সোমবার বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নেতাদের সঙ্গে প্রকাশ্যে দেখা যায় জাভেদ খানকে। শুক্রবারও বিদ্রোহী তৃণমূল বিধায়কদের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তিনি। এরপর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিজের সম্পত্তি নিয়ে ওঠা অভিযোগের জবাব দেন জাভেদ খান। তিনি দাবি করেন, তাঁর বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তার অনেকটাই ভিত্তিহীন। তাঁর বক্তব্য, পরিবারের পৈতৃক সম্পত্তিকে ঘিরে নানা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। সব সম্পত্তি তাঁর ব্যক্তিগত মালিকানাধীন নয় বলেও স্পষ্ট করেন তিনি।সবচেয়ে বেশি চর্চার বিষয় হয়ে ওঠে তৃণমূল ভবনের জমি নিয়ে তাঁর মন্তব্য। জাভেদ খানের দাবি, ওই জমি তাঁদের পরিবারের ছিল এবং পরে তা দান করা হয়েছিল। তবে সেই জমি ফেরত নেওয়ার কোনও ইচ্ছা তাঁদের নেই বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিহিংসার রাজনীতিতে তিনি বিশ্বাস করেন না।রাজনৈতিক জীবনে জাভেদ খানের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সক্রিয় নেতা হিসেবে কাজ শুরু করেন। কলকাতা পুরসভায় একাধিকবার কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। পরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও সামলেছেন। কলকাতা পুর প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকার পাশাপাশি দীর্ঘদিন বিধায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।রাজ্যের মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবেও কাজ করেছেন জাভেদ খান। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দপ্তরের দায়িত্বে থেকে তিনি দীর্ঘ সময় প্রশাসনিক কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সেই কারণেই তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব তৈরি হওয়ার ঘটনা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।বিদ্রোহী শিবিরে তাঁর উপস্থিতি এবং সাম্প্রতিক মন্তব্য ঘিরে এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর রয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের।

জুন ০৫, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

থানায় স্বরূপ, নেটদুনিয়ায় অনির্বাণ! রাতারাতি বদলে গেল সমীকরণ

টালিগঞ্জের স্টুডিওপাড়ায় তোলাবাজি এবং শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ বিশ্বাস। বৃহস্পতিবার তাঁকে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে নিউ আলিপুর থানার পুলিশ। এক মেকআপ শিল্পীর অভিযোগের ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে টেকনিশিয়ান স্টুডিয়োর কর্মীদের কাছ থেকে জোর করে টাকা আদায় করা হত। পাশাপাশি স্বরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগও ওঠে। গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই রাতে থানার সামনে ভিড় জমায় এলাকার বহু মানুষ। তাঁদের একাংশ প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন। থানার সামনে বিক্ষোভ ও স্লোগানও শোনা যায়।টালিগঞ্জের একাংশের শিল্পী ও কলাকুশলীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই অসন্তোষ ছিল বলে দাবি করা হচ্ছে। অভিযোগ, ফেডারেশনের ক্ষমতা ব্যবহার করে বহু শিল্পীর কাজের সুযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। সেই তালিকায় অভিনেতা অনির্বাণ ভট্টাচার্যের নামও বারবার উঠে এসেছে।স্বরূপ বিশ্বাস গ্রেপ্তার হওয়ার পর সামাজিক মাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে অনির্বাণের একটি পুরনো ভিডিও। সেখানে তাঁকে এক জনপ্রিয় লোকগান গাইতে দেখা যায়। ভিডিওটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে নেটমাধ্যমে। পাশাপাশি অভিনেতার বিভিন্ন ছবি ও সংলাপ ব্যবহার করে একাধিক ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট এবং মিমও ভাইরাল হয়েছে।টলিপাড়ার অনেকের দাবি, অতীতে নানা বাধার মুখে পড়লেও নিজের অভিনয় দক্ষতার জোরে দর্শকদের মন জয় করেছেন অনির্বাণ। পরবর্তীকালে বড় বড় প্রযোজনায় তাঁর অভিনয় বিশেষ প্রশংসাও পেয়েছে। বর্তমানে তাঁর একাধিক নতুন কাজ নিয়েও দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ রয়েছে।এদিকে ফেডারেশন এবং তথাকথিত ব্যান সংস্কৃতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে ইন্ডাস্ট্রিতে। কিছু শিল্পী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের দাবি, ভবিষ্যতে কাজের ক্ষেত্রে কোনও শিল্পীকে ব্যক্তিগত মতামতের কারণে বাধার মুখে পড়তে হবে না। মত প্রকাশের স্বাধীনতা বজায় রেখেই কাজের পরিবেশ গড়ে তোলার পক্ষে সওয়াল করেছেন তাঁরা।স্বরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তদন্তে নতুন কোনও তথ্য সামনে আসে কি না, এখন সেদিকেই নজর টলিপাড়ার।

জুন ০৫, ২০২৬
কলকাতা

কুড়ি সাংসদ নিয়ে গোপন বৈঠক! লোকসভায় বড় চমক দিতে চলেছেন কাকলি?

লোকসভায় তৃণমূলের নেতৃত্বে বড় পরিবর্তনের জল্পনা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, দলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছে এবং সেই পরিস্থিতিতে লোকসভায় নতুন দলনেতা হিসেবে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নাম সামনে আসতে পারে। যদিও এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করতে চাননি কাকলি নিজে। তাঁর দাবি, এ নিয়ে তিনি কিছুই জানেন না।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধা কাকলি ঘোষ দস্তিদার। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি তৃণমূল নেত্রীর সঙ্গে রাজনৈতিক লড়াইয়ের অংশ ছিলেন। লোকসভায় দলের মুখ্য সচেতক হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। তবে কয়েক সপ্তাহ আগে সেই পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর থেকেই দলের অন্দরে তাঁর অসন্তোষ প্রকাশ্যে আসতে শুরু করে।বিশেষ করে ভোটকৌশল সংস্থা আইপ্যাককে নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন কাকলি। তাঁর অভিযোগ ছিল, আইপ্যাকের ভূমিকার কারণেই দলের ক্ষতি হয়েছে। পরে তিনি দলের বিভিন্ন সাংগঠনিক পদ থেকেও সরে দাঁড়ান। এর কিছুদিনের মধ্যেই কেন্দ্রের তরফে তাঁর নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। সেই ঘটনার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়। অনেকের দাবি, বিরোধী শিবিরের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ বেড়েছে। যদিও এ বিষয়ে কোনও সরকারি তথ্য সামনে আসেনি।এদিকে সূত্রের খবর, আগামী রবিবার প্রায় কুড়ি জন তৃণমূল সাংসদের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হতে পারে। সেই বৈঠকে ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সব কিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে সোমবার লোকসভার অধ্যক্ষের কাছে একটি স্বাক্ষরিত চিঠি জমা পড়তে পারে বলেও জল্পনা ছড়িয়েছে। ওই চিঠিতে লোকসভায় নতুন দলনেতা হিসেবে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নাম প্রস্তাব করা হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা।এই জল্পনার মধ্যেই শুক্রবার সমাজমাধ্যমে একটি তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা পোস্ট করেন কাকলি। সেখানে তিনি লেখেন, একজন রাজনৈতিক কর্মী যদি চারবারের সাংসদ হন এবং চার দশক ধরে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করেন, তবে তিনি শুধুমাত্র নিজের স্বার্থের কথা ভাবতে পারেন না। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান পরিস্থিতি আসলে নীতির বিরুদ্ধে জনরায় এবং শাসনের ব্যর্থতার প্রতিফলন।কাকলির এই বার্তার পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তাঁর মন্তব্য কি শুধুই রাজনৈতিক মূল্যায়ন, নাকি এর পিছনে রয়েছে আরও বড় কোনও ইঙ্গিত? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এখন নজর রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের।

জুন ০৫, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে বাঙালি অধ্যাপিকার রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার, মাথা থেঁতলে খুনের অভিযোগে চাঞ্চল্য

রাজধানী দিল্লিতে এক বাঙালি অধ্যাপিকার খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পূর্ব দিল্লির বসুন্ধরা এনক্লেভের সত্যম অ্যাপার্টমেন্ট থেকে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিবাজী কলেজের ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দেবস্মিতা পালের (৪২) রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে। তিনি ফ্ল্যাটে একাই থাকতেন। তাঁর স্বামী বেঙ্গালুরুতে কর্মসূত্রে থাকেন।পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার থেকে দেবস্মিতার সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না। ফোনেও কোনও সাড়া মিলছিল না। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁর দিদি দেবারতী পাল নিউ অশোক নগর থানায় ফোন করে জানান, বন্ধ ফ্ল্যাটের ভিতরে তাঁর বোনের দেহ পড়ে রয়েছে।দেবারতীর বক্তব্য, সকাল থেকেই ফ্ল্যাটের দরজায় বাইরে থেকে তালা লাগানো ছিল। দীর্ঘ সময় ফোনে যোগাযোগ না হওয়ায় তিনি আশঙ্কা করেন কিছু অঘটন ঘটেছে। পরে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকতেই রক্তাক্ত অবস্থায় দেবস্মিতাকে পড়ে থাকতে দেখা যায়।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, এই ঘটনায় কোনও পরিচিত ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারেন। খুনের পর দরজায় তালা দিয়ে তিনি সেখান থেকে পালিয়ে যান বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। মৃতদেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মাথায় ভারী কোনও বস্তু দিয়ে আঘাত করা হয়েছে এবং হাতের শিরাও কাটা ছিল।মৃত্যুর সময় ও প্রকৃত কারণ জানতে দেহ ময়নাতদন্তের জন্য দিল্লির লাল বাহাদুর শাস্ত্রী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, ফ্ল্যাটে চুরির কোনও চিহ্ন মেলেনি। সোনার গয়না ও নগদ টাকা অক্ষত ছিল।খুনের মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে দিল্লি পুলিশ। কে বা কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা জানতে পরিচিতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

জুন ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal