• ৬ বৈশাখ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২১ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Mam

রাজ্য

বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বিমল গুরুংয়ের সঙ্গে অশুভ আঁতাত করছেনঃ অধীর

বিমল গুরুংয়ের পার্টির একটাই অ্যাজেন্ডা , গোর্খাল্যান্ড চাই। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীকে একটাই প্রশ্ন , আপনি কি সেই দাবিকে সমর্থন করছেন ? মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে এমনই প্রশ্ন তুললেন রাজ্যের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। তিনি আরও বলেন, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বিমল গুরুংয়ের সঙ্গে সমঝোতার রাস্তায় চলে গেলেন। উত্তরবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ের তলার মাটি দূর্বল হয়েছে। তাই নেপালি ভোট নিজের ঝোলাতে পুড়ে ফেলার জন্য তিনি এই ভয়ংকর খেলাটি খেলছেন। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বিমল গুরুংয়ের সঙ্গে অশুভ আঁতাত করছেন। নির্বাচনে আপনি নিজের ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য আর কত নোংরা খেলা খেলবেন ? যখনই সমর্থন হারিয়ে ফেলছেন, তখনই তার রাজনৈতিক অস্থিরতা , চঞ্চলতা বাড়ছে। ইমাম ভাতা চালু করেছিলেন, পুরোহিত ভাতা চালু করেছেন। এই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী একদিন জঙ্গলমহলে মাওবাদীদের সঙ্গে আঁতাত করেছিলেন। কিষেণজি ও ছত্রধর মাহাতোকে সঙ্গে নিয়েছিলেন। রাজনীতিতে ক্ষমতা দখলের জন্য আপনি আর কত নীচে নামবেন ? মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে এই প্রশ্ন তোলেন তিনি। আরও পড়ুনঃ দুর্ঘটনার কবলে সাংসদ অর্জুন সিংয়ের কনভয় বিজেপির সমালোচনা করে তার আরও বক্তব্য ,বিজেপি আসামে বলছে এনআরসি সেখানে নতুন করে চালু করা হবে। উত্তরবঙ্গে এসে বিজেপি নেতা বলছে এনআরসি আইন চালু হল বলে। একবছর আগে ওরা সংখ্যার জো্রে লো্কসভায় এনআরসি আইন পাশ করিয়ে নিয়েছে। কিন্তু ওরা সেই আইন চালু করতে পারছে না কারণ, ওরা রাজনীতি করতে চায়। আমরা ওই আইনের বিরোধীতা আগেও করেছি , এখনও করছি। ভোট এসে গেছে। নাগরিক আইন নিয়ে বিজেপি আবার আলোচনা শুরু করেছে। এখানে এনআরসির কথা বলে সাম্প্রদায়িক বিভাজনের চেষ্টা হচ্ছে।

অক্টোবর ২২, ২০২০
কলকাতা

পুলিশের প্রশংসা করে টুইট রাজ্যপালের

রাজ্য এবং কলকাতা পুলিশের প্রশংসা করে বুধবার টুইট করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তিনি এদিন তাঁর টুইটে লেখেন , সাহসী পুলিশকর্মীদের কুর্নিশ। তাঁরা যেভাবে পারিবারিক দায়িত্বকে তুচ্ছ প্রমাণ করে করোনার মতো মহামারী এবং আমফানের মতো প্রবল শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের মধ্যে লড়াই চালাচ্ছে, তাঁদের নিঃস্বার্থ ত্যাগকে সম্মান জানাই। তবে টুইটের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফের নিরপেক্ষতার বার্তা দিয়েছেন রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান। প্রসঙ্গত , বিভিন্ন সময় টুইট করে রাজ্যের পুলিশ ও প্রশাসনের সমালোচনা করেছেন তিনি। এহেন রাজ্যপালেরই ফের পুলিশের প্রশংসা দেখে তাজ্জব প্রায় সকলেই।

অক্টোবর ২১, ২০২০
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রী হাইকোর্টের রায় বলবৎ হতে দেবেন কিনা , সন্দেহ আছে : অধীর

হাইকোর্টের রায়কে কতটা বাস্তবায়িত করবেন মুখ্যমন্ত্রী ও তার পুলিশ প্রশাসন , তা নিয়ে আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে। বুধবার রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা করে নিজের ফেসবুক পেজে এমনই মন্তব্য করলেন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী। তিনি আরও লেখেন, এই রায় বাস্তব রূপ তখনই পাবে যখন রাজ্যের আমলা পুলিশ এই আইনকে বলবৎ করার চেষ্টা করবে। মুখ্যমন্ত্রী হাইকোর্টের রায় রাজ্যে বলবৎ হতে দেবেন কিনা , তা নিয়ে সন্দেহ আছে। কারণ মানুষের জীবনের চেয়ে তার কাছে ভোটের অঙ্কটাই বড়। মুখ্যমন্ত্রীর সমালো্চনা করে আরও লেখেন , রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে মানুষের ভোটের অঙ্কটাই বড়। তাই মহামারীর সময়েও যে টাকা মানুষের স্বাস্থ্য পরিষেবায় খরচ হতে পারতো , সেই বিপুল টাকা আগামী বছরের ভোটপুজোর জন্য ক্লাবগুলোকে দিলেন, সরকারি খাত থেকে।চিকিৎসার খরচ চালাতে না পেরে , বেডের অভাবে, চিকিৎসার অভাবে যেখানে প্রতিদিন রাজ্যে মানুষ মরছে। তিনি আরও বলেন , রাজ্য সরকার আসন্ন দুর্গোৎসবে মানুষের ভিড়ে সংক্রমণ কিভাবে আটকাবে তার কোনো পথ বাতলাতে পারেনি। আরও পড়ুনঃ হিঙ্গলগঞ্জের বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনায় তৃণমূল ও রাজ্য প্রশাসনকে তোপ দিলীপ, সায়ন্তনের রাজ্য সরকারের হাইকোর্ট কে বোঝানো উচিত ছিল পুজোয় ভিড়ে সংক্রমণ আটকাতে সরকার এই এই ব্যবস্থা নিয়েছে, কিন্তু সরকার তা বোঝাতে ব্যর্থ হয়েছে। উপরন্তু সরকার নিজেই স্বীকার করেছে করোনা গোষ্ঠী সংক্রমণ স্তরে চলে গেছে, এ অবস্থায় হাইকোর্ট এর কাছে এই বিপুল সংখ্যক মানুষের প্রাণ বাঁচাতে আর কোনো পথ ছিল না। তিনি পশ্চিমবঙ্গবাসীদের অনুরোধ করেন , মনে রাখতে হবে উৎসবের থেকে জীবন আগে। আজকের উৎসবের আনন্দ আগামীকাল করোনার বিভীষিকায় না পরিণত হয়।

অক্টোবর ২১, ২০২০
কলকাতা

পশ্চিমবঙ্গে এমবিবিএস পড়ার আসন বেড়ে ৪০০০

পশ্চিমবঙ্গে ডাক্তারি পড়ার আসন বেড়ে হল ৪ হাজার। মঙ্গলবার টুইটে একথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, পুরুলিয়া সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এই প্রথম এমবিবিএস পড়ুয়াদের ব্যাচ শুরু হচ্ছে। একইসঙ্গে এদিন মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ১০০টি এমবিবিএস আসন নিয়ে এই ব্যাচ শুরু হচ্ছে । আরও পড়ুনঃ আগামীকাল দুর্গাপুজো নিয়ে চূড়ান্ত শুনানি হাইকোর্টে পাশাপাশি দুর্গাপুরের গৌরী দেবী মেডিক্যাল কলেজে আরও ১৫০টি এমবিবিএস আসন বাড়ানো হয়েছে। করোনা আবহে এমবিবিএস পড়ুয়াদের আরও আসন বাড়ার ঘোষণা চিকিৎসা পরিষেবার ক্ষেত্রে অত্যন্ত আশাব্যাঞ্জক।

অক্টোবর ২০, ২০২০
রাজ্য

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলায় কৃষি আইনে বাধা দিচ্ছেন : নাড্ডা

বাংলার বিজেপি কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতে শিলিগুড়িতে সাংগঠনিক সভা করলেন সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা। তিনি এদিন বলেন , বাংলাকে ভাঙতে চায় বর্তমান সরকার। আমাদের লক্ষ্য সবকা সাথ সবকা বিকাশ। সবাইকে নিয়ে চলার ক্ষমতা মোদিজিরই আছে। গত ছয় বছরে ভারতে আত্মনির্ভরতা বেড়েছে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সবকিছুতেই বলেন হবে না। বাংলায় কৃষি আইনে বাধা দিচ্ছেন। গরিব কল্যাণে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্র। কেন্দ্রের প্রকল্প থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বাংলা। আরও পড়ুনঃ পুজোয় বাংলা গান বাজানোর আবেদন জানিয়ে চিঠি বাংলাপক্ষের কৃষকনিধি সম্মান থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বাংলার কৃষকরা। বাংলায় যা হয়নি , তার একটি তালিকা তৈরি করুন , মোদি সরকার সব করে দেবে। বাংলায় আয়ুষ্মান ভারত কার্যকর হয়নি। ক্ষমতায় এলে এক মাসের মধ্যে কার্যকর করে দেব। করোনার প্রভাব কমলেই সিএএ কার্যকর হবে। এদিন তিনি শিলিগুড়ির নৌকাঘাটে রাজবংশী নেতা ঠাকুর পঞ্চানন বর্মার মূর্তিতে শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেন। দুপুরে আনন্দময়ী কালীবাড়িতে পুজো দেন বিজেপি সভাপতি। এদিন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুকুল রায় , কৈলাস বিজয়বর্গীয় , দেবশ্রী চৌধু্রী সহ দলের নেতানেত্রীরা।

অক্টোবর ১৯, ২০২০
কলকাতা

ফের রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করে কড়া চিঠি ধনকড়ের

ফের মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখে শাসকদল ও রাজ্য প্রশাসনের উপর ক্ষোভ উগরে দিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তাঁর মতে, সরাসরি প্রশাসনের সঙ্গে রাজ্যপালের বাক্যবিনিময় অনেক পরিস্থিতিই সহজ করে দেয়। কিন্তু বাংলায় তা হচ্ছে না। উলটে একজন রাজ্যপালকে শাসকদলের নেতা,মন্ত্রীরা একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের এজেন্ট বলে বারবার উল্লেখ করছেন, যা আদতে সাংবিধানিক প্রধানের পদ এবং কার্যালয়ের পক্ষে অবমাননাকর। তাঁর আরও অভিযোগ, প্রশাসনই বরং সাংবিধানিক নিয়মনীতির তোয়াক্কা করছে না। তাঁর পরামর্শ, পুলিশকে রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ হতে হবে। অন্যথায় তা গণতন্ত্রের পক্ষে ক্ষতিকারক হবে। এ প্রসঙ্গে তিনি মণীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ডে ডিজিপিকে তলব এবং বিজেপির নবান্ন অভিযানে বলবিন্দর সিংয়ের আগ্নেয়াস্ত্র কেড়ে তাঁকে গ্রেপ্তারি নিয়ে হাওড়া সিটি পুলিশের ভূমিকার উল্লেখ করেছেন। দুটি বিষয়ই তাঁর কাছে যথেষ্ট অপ্রত্যাশিত বলে মনে হয়েছে। আরও পড়ুনঃ বলবিন্দার সিংএর মুক্তির দাবিতে রাজ্যপালের দ্বারস্থ পরিবারের সদস্যরা চিঠির শেষে তিনি আশ্বাস দিয়ে জানিয়েছেন, একজন রাজ্যপালের যা কর্তব্য, তা তিনি করতে বদ্ধপরিকর। খোলামেলা আলোচনার মাধ্যমে রাজ্য প্রশাসন সেই কাজ অনেক মসৃণভাবে করার রাস্তা তৈরি করে দিতে পারে। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীর নাম করে তিনি লেখেন যে রাজ্যের গণতান্ত্রিক পরিবেশ রক্ষায় তাঁকেই এগিয়ে আসতে হবে। প্রয়োজনীয় সমস্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে আশাবাদী ধনকড়। চিঠিতে আবারও মনে করিয়ে দিয়েছেন, সংঘাতের মধ্যে দিয়ে নয়, রাজভবন-নবান্ন একজোট হয়ে কাজ করলে, তবেই সবচেয়ে সুরক্ষিত এবং শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হবে।

অক্টোবর ১৪, ২০২০
রাজনীতি

দুর্গাপুজো হোক, কিন্ত এবার দুর্গা উৎসব চান না দিলীপ ঘোষ

দুর্গাপুজো করতে বললেও দুর্গা উৎসব বন্ধ করতে সাধারণ মানুষ ও পুজো কমিটিগুলোর কাছে আবেদন জানালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। যদিও তাঁর এই আবেদন নিয়েই বিতর্ক শুরু হয়েছে। গত ২৫ সেপ্টেম্বর নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে কলকাতার পুজো কমিটিগুলোর সঙ্গে বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেদিন তিনি পুজোর নয়া নিয়মও ঘোষণাও করেছিলেন। করোনা আবহে কীভাবে পুজোর আয়োজন করা হবে তাও জানিয়ে দেন তিনি। শুক্রবার ৬ মুরলি ধর লেনে এক প্রশ্নের জবাবে দিলীপ ঘোষ বলেন, আমি পুজো কমিটিগুলো ও সাধারণ নাগরকিদের কাছে আবেদন করব দুর্গাপুজো অবশই করুন, দুর্গা উৎসবটা এবার বন্ধ করুন। আরাধনা করে মায়ের কাছে প্রার্থনা করুন করোনা মহামারি যেন তাড়াতাড়ি মুক্ত হয়। মায়ের আশীর্বাদে সেটা সম্ভব হবে। দিদিমনি উৎসব করতে বললেই চিন্তা হয়। হোলি উৎসব হয়নি, রমনবমী হয়নি ঈদ মোবারক এমন অনেক উৎসব এবার হয়নি।

অক্টোবর ১০, ২০২০
রাজ্য

পথশ্রী প্রকল্পের টেন্ডার নিয়ে যেন গন্ডগোল না হয়ঃ মুখ্যমন্ত্রী

চেন্নাই-মুম্বই থেকে লরি আসে। এই লরির চাকায় জীবাণু ছড়াচ্ছে। যেমন কাপড়জামা, বাজারের থলি থেকে ছড়ায়। তেমন হলে মাঝেমধ্যে চাকার ফরেন্সিক পরীক্ষাও করা যেতে পারে। বুধবার ঝাড়গ্রামে প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তিনি এই বিষয়ে বলতে গিয়ে আরও বলেন, বাইরের রাজ্য থেকে আসা লরি ড্রাইভারদের যদি ধাবায় বসে খেতে হয়, সেক্ষেত্রে কোভিড বিধি মেনে পুরোপুরি স্যানিটাইজ করার ব্যবস্থা করতে হবে। এই পুরো বিষয়টি নজরে রাখার জন্য প্রশাসনকে বলেন তিনি। মমতা বলেন,এখানে অনেককেই দেখছি মাস্ক ব্যবহার করছেন না। তাদের বলছি মাস্ক পরুন। যাঁরা গরীব, টাকার জন্য মাস্ক ব্যবহার করতে পারছেন না, তাঁদের সবাইকে মাস্ক কিনে দেওয়ার জন্য সরকারি আধিকারিকদের নির্দেশ দেন তিনি। এছাড়াও তিনি বলেন, পথশ্রী প্রকল্পের কাজে বাধা দেবেন না। টেন্ডার নিয়ে কোনও গন্ডগোল যেন না হয়। সব পঞ্চায়েত, সব রাজনৈতিক নেতৃত্বকে বলছি। সরকারি প্রকল্পের সুবিধা দেওয়ার বিনিময়ে কেউ টাকা চাইলে সোজা থানায় যান। সরকার জনগণের। কোনও রাজনৈতিক দলের নয়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ঝাড়গ্রামে অনেক কাজ হয়েছে। তা সত্ত্বেও যারা বড় বড় কথা বলছেন তারা আগে নিজেরা একটু কাজ করে দেখান। নির্বাচনের আগে যাতে নতুন করে ঝাড়গ্রামে কোনও অশান্তির পরিবেশ তৈরি না হয় সেদিকে নজর রাখুন। এছাড়াও এদিন মাটির সৃষ্টি প্রকল্প নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। তিনি বলেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রচুর কর্মসংস্থান হবে। কমপক্ষে ৫ লক্ষ মানুষ কাজ পাবেন। এছাড়াও তিনি ঘোষণা করেন, ঝাড়গ্রামে সাংবাদিকদের জন্য ভবন তৈরি হবে। ভবনের জন্য পাঁচ কাটা জমি দেওয়া হয়েছে । খরচ দেবে রাজ্য সরকার।

অক্টোবর ০৭, ২০২০
রাজ্য

হাতির হানায় মৃতের পরিবারের সদস্যকে হোমগার্ড পদে চাকরি দেওয়া হবেঃ মমতা

কেন্দ্রীয় সরকার যদি আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প পশ্চিমবঙ্গে চালু করতে চায় তাহলে করতেই পারে। তবে প্রকল্পের ১০০ শতাংশ টাকা কেন্দ্রকেই দিতে হবে ৷খড়গপুরে প্রশাসনিক সভা থেকে মঙ্গলবার একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আমাদের স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প অনেক আগে থেকেই আছে ৷ রাজ্যে নতুন করে এমন প্রকল্পের দরকার নেই ৷ স্বাস্থ্যসাথীর ১০০ শতাংশ টাকা রাজ্য দিচ্ছে ৷ কিন্তু যদি আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প এখানে চালু করতে চায় তাহলে কেন্দ্রীয় সরকারকে এই প্রকল্পের সম্পূর্ণ টাকা দিতে হবে ৷ এতে রাজ্যের কোনও আপত্তি নেই ৷ রেশনসামগ্রী বিলিতে নজরদারি বাড়ানো্র জন্য জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের নির্দেশ দেন তিনি। আরও পড়ুনঃ মণীশ শুক্লা খুনে ধৃতদের ১৪ দিনের সিআইডি হেফাজত এছাড়াও এদিন তিনি হাতির আক্রমণে মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য প্রদানের কথা ঘোষণা করেন। মৃতের পরিবারের একজনকে হোমগার্ড পদে চাকরি দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। এছাড়াও দাঁতালের হামলায় মৃত ওই জেলার একজনের পরিবারের সদস্যের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এর পাশাপাশি মাওবাদী হামলায় মৃত অথবা ১০ বছর ধরে নিখোঁজের পরিবারের একজনকে চাকরি অথবা ৪ লক্ষ ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।

অক্টোবর ০৬, ২০২০
কলকাতা

দেশ রাষ্ট্রপতি শাসনের দিকে যাচ্ছেঃ মমতা

দেশে আর কোথাও গণতন্ত্রের ছিটেফোঁটা নেই। রাষ্ট্রপতি শাসনের দিকে যাচ্ছে। বিজেপির আমলে ওয়ান নেশন, ওয়ান পলিটিক্যাল পার্টি হয়ে যাচ্ছে।হাথরসে দলিত তরুণীর গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে এভাবেই গর্জে উঠলেন।তিনি সুদূর কলকাতা থেকে সমবদেনার বার্তা জানিয়ে বলেন, মন পড়ে আছে গ্রামে। ছুটে যেতে ইচ্ছে করছে সেই গ্রামে। দলের প্রতিনিধিদলকে পাঠিয়ে কী দেখা গেল? গ্রামে ঢোকার ১ কিলোমিটার আগে পুলিশ আটকে দিল। এমনকী মহিলাদের গায়েও হাত তোলা হল। তিনি আরও বলেন,মিডিয়া যাতে হাতরসের ঘটনা সম্প্রচার না করে, সে জন্য ফোন করে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।দিল্লির দাঙ্গার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ও তো মুসলমানদের তোয়াজ করে।আমি সংখ্যালঘুর পাশে দাঁড়াই। শিখ-খৃষ্ট্রান, আদিবাসীদের পাশে আছি। আমাদের জাতি মানবিকতা। এই বিষয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন,আজ উত্তরপ্রদেশেই নয়, সারা জায়গায় এ জিনিস চলছে। দিল্লিতে কত লোক মারা গিয়েছিল। কত দেহ জলাশয়ে পড়েছিল! কেউ জানে? হিন্দুরা বিপদে পড়লে জিজ্ঞেস করো না, মমতা তোমার টাইটেল কী? তোমরা কে? সবার টাইটেল নিয়ে খেলা করবে!বিজেপি সরকারের সমালোচনা করে মমতার মন্তব্য, উত্তরপ্রদেশের এনকাউন্টারে কত লোক মারা গেল। কত সাংবাদিক মারা গিয়েছে! কত লোককে হরিয়ানা, দিল্লিতে মেরেছে। কেউ বিচার পেয়েছে? বিচারের বাণী নিভৃতে কাঁদছে। সংখ্যালঘুদের উপরে অত্যাচার হচ্ছে।হাথরাসে তরুণীর গণধর্ষণ ও মৃত্যুর প্রতিবাদে শনিবার শহরের রাস্তায় নামেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিড়লা প্ল্যানেটোরিয়াম থেকে গান্ধী মূর্তির পাদদেশ পর্যন্ত মিছিলে হাঁটেন তিনি।দলিত তরুণীর গণধর্ষণ, খুনের প্রতিবাদ আজ মমতার প্রতিবাদী পদক্ষেপে পা মিলিয়েছেন আমজনতাও। সঙ্গে ফেস্টুন, ব্যানার, গান, স্লোগান। বিড়লা তারামণ্ডল থেকে জওহরলাল নেহরু রোড, পার্ক স্ট্রিট ফ্লাইওভার ধরে ধর্মতলার মেয়ো রোডে মিছিল পৌঁছতে লাগল মেরেকেটে ২৩ মিনিট। সেখানে সামান্য বিশ্রাম নিয়ে বক্তব্য রাখতে ওঠেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।শুক্রবার হাথরাসে নির্যাতিতা তরুণীর পরিবারের পাশে দাঁড়াতে গ্রামের পথ ধরেছিলে তৃণমূলের এক প্রতিনিধি দল। পুলিশি বাধায় সেখানে প্রবেশ করতে পারেননি। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে রীতিমত আহত হন ডেরেক ও ব্রায়েন-সহ জনা কয়েক সাংসদ। রেহাই পাননি মহিলা সাংসদরাও। তার বিরোধিতাতেই আজ প্রতিবাদে নামেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তৃণমূলের এই মিছিলে দলের অন্যান্য নেতানেত্রীরা।এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন,বাংলায় গোষ্ঠী সংক্রমণ ভয়ংকর রূপ নিয়েছে।

অক্টোবর ০৩, ২০২০
রাজনীতি

হাথরসকাণ্ডের প্রতিবাদে আজ বিকেলে প্রতিবাদ মিছিল মুখ্যমন্ত্রীর

করোনা আবহে আজ উত্তরপ্রদেশের হাথরস ইস্যুতে কলকাতার রাজপথে প্রতিবাদ মিছিল করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। করোনা পরিস্থিতিতে এই প্রথম প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কর্মসূচি নিচ্ছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। শনিবার বিকেল ৪টায় মিছিল বিড়লা প্লানেটোরিয়াম থেকে শুরু হয়ে শেষ হবে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে। শুক্রবার হাথরসে ঢুকতে গিয়ে বাধা পায় তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। অভিযোগ, মাটিতে ফেলে দেওয়া হয় সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েনকে। উত্তরপ্রদেশের হাথরসে দলিত তরুণীর গণধর্ষণে মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষুব্ধ আপামর জনতা। তারওপর যোগী সরকারের কর্মকাণ্ডে ক্ষোভ আরও বাড়ছে। স্থানীয় জেলাশাসক হুমকি দিয়েছেন ওই পরিবারকে। এমনটাই অভিযোগ। কংগ্রেসে নেতা রাহুল গান্ধীকে মেরে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। এর আগে টুইটে উত্তরপ্রদেশের ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার পথে নেমে প্রতিবাদ করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

অক্টোবর ০২, ২০২০
কলকাতা

লজ্জাজনক ঘটনার নিন্দার কোনও ভাষা নেইঃ মমতা

কলকাতা: হাথরসের ঘটনায় এবার শোকপ্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । তিনি বৃহস্পতিবার একটি টুইট করেন । টুইটারে তিনি লেখেন , বর্বরোচিত ও লজ্জাজনক ঘটনার নিন্দার জন্য মুখে কোনও ভাষা নেই । তার পরিবারের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা রইল । পরিবারের অনুপস্থিতিতে ওই যুবতির শেষকৃত্য আরও লজ্জাজনক । ভোটের জন্য যারা স্লোগান ও মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেয় , তাদের মুখোশ খুলে গেছে । ১৪ সেপ্টেম্বর মা ও ভাইয়ের সঙ্গে ঘাস কাটতে গিয়ে হাথরসে গণধর্ষণের শিকার হয়েছিল ২০ বছর বয়সী এক যুবতি । অভিযোগ, সেই সময় তাঁকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে টানতে টানতে পাশের একটি জমিতে নিয়ে যায় ও গণধর্ষণ করে চারজন ৷ জিভ টেনে ছিঁড়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয় ৷ তাঁর জিভে গভীর ক্ষত ছিল । জেএনএমসি হাসপাতালে চিকিৎসা চলছিল যুবতির । অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় সোমবার দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে ভরতি করা হয় । সেখান অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় তাকে এইমসে নিয়ে আসা হয় । সেখানে মঙ্গলবার মৃত্যু হয় তাঁর ।

অক্টোবর ০১, ২০২০
রাজ্য

অসমাপ্ত কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ মমতার

২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বেজে গিয়েছে। কোভিড পরিস্থিতিতেও উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উন্নয়নের কাজ খতিয়ে দেখতেই এই সফর মমতার। উচ্চপদস্থ প্রশাসনিক কর্তাদের মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন ১০০ শতাংশ কাজ চাই। চা শ্রমিকদের জন্য করলেন বিশেষ ঘোষণা। আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতে মানুষের উন্নয়নের কাজে কেনও গাফিলতি না হয় এবং দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রী বললেন, ইনস্পেক্টর রাজ বেশি চলছে। জনস্বার্থে কাজ বেশি চাই। খোলনলচে সব বদলে দেব। ১০০ পার্সেন্ট কাজ চাই, ১০০ পার্সেন্ট অভিযোগের সমাধান করতে হবে। আগামী তিন মাসের মধ্যে দুই জেলার সব কাজ শেষ করার জন্য ডিএম-এসডিও-বিডিওদের নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের অর্থদপ্তর টাকা দেওয়া সত্ত্বেও অনেক জায়গায় কাজ হচ্ছে না বলে রিপোর্ট পেয়েছেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রী জেলা সভাধিপতিদের নির্দেশ দেন ডিএম-বিডিওদের সঙ্গে কথা বলে অসমাপ্ত কাজগুলি শেষ করুন। বুধবার দার্জিলিং, কোচবিহার ও কালিম্পংয়ের রিভিউ বৈঠক করবেন মমতা। এদিন চা বাগানের গৃহহীন শ্রমিকদের জন্য চা সুন্দরী প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, চা বাগানের গৃহহীন শ্রমিকদের বাড়ি বানিয়ে দেবে সরকার। চা সুন্দরী প্রকল্পে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই প্রকল্পের কাজ আগামী ২ মাসের মধ্যে শুরু হবে। তিন বছরের মধ্যে প্রকল্প সম্পূর্ণ করা হবে। উত্তরবঙ্গে ৩৭০টি চা বাগানে প্রায় ৩ লক্ষ শ্রমিক রয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, প্রথম পর্যায়ে জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারের মোট ৭টি চা বাগানের ৩,৬৯৪টি পরিবার এই প্রকল্পের বাড়ি পাবেন। আলিপুরদুয়ারে ৫টি চা বাগানের ২,৬৪১ টি পরিবার রয়েছে। আর জলপাইগুড়িতে ২টি চা বাগানে ১,০৫৩টি পরিবার থাকছে। তিনশো কামতাপুরি আন্দোলনকারী রাজ্যের উদ্যোগে মূল স্রোতে ফিরছে। এদিন ১৩০ জন কেএলও অ্যাক্টিভিস্ট ও লিংকম্যান মূল স্রোতে ফিরে এসেছেন। রাজ্য সরকারের উদ্যোগে বাকি ১৬১ জন আগামীকাল, বুধবার ফিরবেন। এদিন জল্পেশ মন্দিরের পুরোহিত বিজয় চক্রবর্তীর হাতে পুরোহিত ভাতা তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২০
কলকাতা

নতুন মুখ্য সচিব কে? ঘোষণা মমতার

রাজ্যের মুখ্য সচিব রাজীব সিনহা অবসর গ্রহণ করছেন বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর। তাঁর স্থলাভিষিক্ত কে হচ্ছেন তা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরবঙ্গ সফর শুরুর আগে সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর তিনি টুইটে জানান, ১ অক্টোবর থেকে রাজ্যের পরবর্তী মুখ্য সচিব হবেন আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। বর্তমানে তিনি অতিরিক্ত মুখ্য সচিব (স্বরাষ্ট্র এবং তথ্য ও সংস্কৃতি)-এর দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। আলাপনের জায়গায় স্বরাষ্ট্র সচিব হয়ে আসছেন বর্তমান অর্থ সচিব এইচ কে দ্বিবেদী। অর্থ সচিব হবেন মনোজ পন্থ। রাজীব সিনহাকে ওইদিন থেকেই তিন বছরের জন্য রাজ্য শিল্পোন্নয়ন নিগমের চেয়ারম্যান পদে বসানো হচ্ছে। সকলকে আগাম শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২০
কলকাতা

দুর্গাপুজোয় ক্লাবগুলিকে ৫০হাজার টাকা, বিদ্যুতে ৫০ শতাংশ ছাড়সহ একাধিক ঘোষনা মুখ্যমন্ত্রীর

করোনা আবহে দুর্গাপুজোর উদ্যোক্তাদের নানা সাহায্যের কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পাশাপাশি একাধিক নিয়ম মানার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। করণ কোনওরকম ভাবে উৎসবের আবহে করোনা সংক্রমণ না ছড়ায়। এদিন নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে দুর্গাপুজো সমন্বয় কমিটির সভা বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী পুজো উদ্যোক্তাদের নানাবিধ নির্দেশের কথা জানিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা, এবার রাজ্য সরকার পুজো কমিটিগুলোকে ৫০ হাজার টাকা করে সাহায্য দেবে। তাছাড়া পুজো অনুমতির ক্ষেত্রেও একগুচ্ছ ছাড় ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ফায়ার ব্রিগেডের অনুমতি একেবারেই বিনামূল্যে মিলবে। পুরসভা এবার কোনও কর নেবে না। সিইএসসি, রাজ্য বিদ্যুৎ দফতর ৫০% ছাড় দেবে।এককথায় দুর্গাপুজোয় কল্পতরু মুখ্যমন্ত্রী। এছাড়াও করোনা মেকাবিলায় নানাবিধ নির্দেশ ঘোষণা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রতি প্যান্ডেলে স্যানিটাইজার এবং মাস্ক বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তৃতীয়ার দিন রাত থেকে একাদশীর দিন পর্যন্ত প্রতিমা দর্শণ করা যাবে। এছাড়া করোনা পরিস্থিতি নিয়ে সচেতন করার জন্য ক্লাবগুলিকে মাইকে ঘোষণা করতে হবে। প্যান্ডেল খোলামেলা করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, যদি চালা ঢাকা থাকে সে ক্ষেত্রে চারিপাশটা খুলতে হবে। চারিপাশ ঢাকা থাকলে চালা খোলা রাখতে বলেছেন। এক কথায় কোনভাবেই যাতে উৎসবের দিনগুলো করোনা সংক্রমণ না ছড়ায় সে ব্যাপারে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাছাড়া অঞ্জলি, প্রসাদ বিতরণ এবং সিঁদুরখেলা নিয়েও বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বেশি ভিড় করা যাবে না বলেই জানিয়েছেন তিনি। এবার আর রেড রোড কার্নিভ্যাল অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। তবে এ দিনের বৈঠকে নাম না করে গেরুয়া শিবিরের সমালোচনা করতেও ছাড়েননি তিনি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পুজো না হলে এক কথা বলবে পুজো হলে আর এরকম অপবাদ চাপাবে। অতএব তাঁদের কোনওরকম সুযোগ দেওয়া যাবে না। কারণ পুজো নিয়ে রাজনীতি করা হচ্ছে। শকুনের দৃষ্টিতে তারা তাকিয়ে আছে। এবারে রাজ্যে মোট ৩৭ হাজার দুর্গাপুজো হচ্ছে তার মধ্যে কলকাতায় প্রায় আড়াই হাজার পুজো হবে। রাজ্য পুলিশ এলাকায় পুজোর সংখ্যা ৩৪ হাজার ৪৩৭, এছাড়া ১৭০৬টি মহিলা পরিচালিত পুজো রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০
কলকাতা

রাজ্যপালের চিঠির জবাব মুখ্যমন্ত্রীর জোড়া চিঠিতেই

ফের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের। সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর মুখ্যমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠি মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর টুইটারে পোস্ট করে ফের রাজ্যের সমালোচনায় মুখর রাজ্যপাল। কৃষকদের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর উদ্বেগ কুমিরের কান্না বলেও কটাক্ষ। এদিন টুইটারে রাজ্যপাল লেখেন, পশ্চিমবঙ্গের ৭০ লক্ষ চাষি ৮৪০০ কোটি টাকার সুবিধা পেলেন না কেন? পিএম-কিষাণ সম্মান নিধি প্রকল্পে কেন যোগ দিলেন না? যোগ দিলে আজ প্রত্যেক চাষিভাইয়ের ব্যাঙ্কে ১২ হাজার টাকা জমা পড়ত। মুখ্যমন্ত্রী মহোদয়া আপনার কুমির কান্নায় চাষির দুঃখ ঘুচবে না!! পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া দেশের চাষিরা পিএম-কিষাণ প্রকল্পে প্রভূত সুবিধা পেয়েছেন। এখনও পর্যন্ত ৯২ হাজার কোটি টাকা চাষিদের দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের চাষিদের প্রতি এই অবিচার আপনার সংকীর্ণ রাজনীতি ও দুর্বল অর্থনীতির পরিচায়ক?? এছাড়াও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের অকর্মণ্যতার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের ঘোষিত ৩.৫ লক্ষ কোটির করোনা প্যাকেজের মধ্যে ৩০ হাজার কোটি টাকাও পায়নি পশ্চিমবঙ্গ। আশা করব, মুখ্যমন্ত্রী মহোদয়া পিএম-কিষাণের সুবিধা যাতে বাংলার চাষিরা পান সেজন্য পদক্ষেপ করবেন। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধনকে লেখা মুখ্যমন্ত্রীর দুটি চিঠি প্রকাশ করা হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি ও আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প রাজ্যে চালু না করা নিয়ে বিজেপি ও রাজ্যপালের বক্তব্য খণ্ডন করা হয়েছে চিঠি দুটিতেই। কেন্দ্রের ওই দুই প্রকল্পের প্রয়োগ পদ্ধতি নিয়ে যেমন পরামর্শ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী, তেমনই ওই দুই প্রকল্পের আগে চালু হওয়া রাজ্যের প্রকল্পগুলি কোথায় এগিয়ে তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা রয়েছে। কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, কিষান সম্মান নিধি চালুতে আপত্তি নেই রাজ্যের। তবে কেন্দ্র এই প্রকল্প চালুর অনেক আগেই বাংলায় চালু হয়েছে কৃষকবন্ধু প্রকল্প। এতে কৃষকদের সঙ্গে ভাগচাষিরাও উপকৃত হচ্ছেন। তাঁদের ৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। ১৮ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে কারও মৃত্যু হলে ২ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়। ৭৩ লক্ষ কৃষক ও ভাগচাষি এই প্রকল্পের আওতায় আছেন। শস্যবিমার পুরো প্রিমিয়াম রাজ্য সরকার দেয়, কোনও কৃষককে তা দিতে হয় না। এ ছাড়াও বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে নানা সুবিধা কৃষকদের প্রদান করা হচ্ছে। তা সত্ত্বেও পিএম কিষান নিধি প্রকল্পের সুবিধা উপভোক্তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব যদি রাজ্যের বরাদ্দ অর্থ রাজ্য সরকারকে সরাসরি দেওয়া হয়। তাহলে রাজ্যের ব্যবস্থাপনাতেই ওই প্রকল্পের সুবিধা কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। হর্ষ বর্ধনকে একই দিনে পাঠানো চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, রাজ্যে সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা প্রদান করা হয়। স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের আওতায় এসেছেন সাড়ে ৭ কোটি মানুষ। বেসরকারি হাসপাতালে জটিল অসুখের চিকিৎসায় ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিমার ব্যবস্থা রয়েছে। সারা দেশে স্বাস্থ্যসাথীর মতো আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পেও চিকিৎসার খরচের ১০০ শতাংশ সরকারের বহনের পক্ষে সওয়াল করে বিরোধীদের আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রী ভোঁতা করে দিলেন বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২০
রাজনীতি

রাতভর সংসদে অবস্থান, বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দিয়ে মোদীকে বেনজির আক্রমণ মমতার

কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষি বিল নিয়ে দেশজুড়ে লাগাতার আন্দোলনের ডাক দিলেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবাসরীয় রাজ্যসভাকে ব্ল্যাক সানডে আখ্যা দিয়ে সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর তিনি নরেন্দ্র মোদীকে হিটলার, উলঙ্গ রাজা বলেও বেনজির আক্রমণ করেন। এদিন নবান্ন থেকেই দলের মহিলা শাখার সভানেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, করোনা স্বাস্থ্যবিধি না মেনে বিজেপি মিটিং, মিছিল করে করোনা বাড়িয়ে চলেছে। করোনা আবহে কৃষকদের মরোনা বিল এনেছে। এর প্রতিবাদে আন্দোলন সংগঠিত করতে হবে। আজ রাতভর ডেরেক, দোলা-সহ ৮ সাংসদকে সাসপেনশনের প্রতিবাদে সংসদে গান্ধি মূর্তির পাদদেশে রাতভর অবস্থান চলছে। বিভিন্ন বিরোধী দল রয়েছে। আমি বেশ কয়েকবার তাঁদের সঙ্গে কথা বলে সলিডারিটি জানিয়েছি। কৃষকদের জন্য কথা বলতে গিয়ে সাংসদরা সাসপেন্ড হলেও আমি তাঁদের জন্য গর্বিত। তৃণমূলের মহিলা শাখা মঙ্গলবার মেয়ো রোডে গান্ধীমূর্তির পাদদেশে ধরনায় বসবে। পরশু দলের ছাত্র সংগঠন এবং তারপর ক্ষেতমজুর ও কিষানদের সংগঠনকেও পর্যায়ক্রমে পথে নামার নির্দেশ দিয়ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, হিটলারের কায়দায় দেশ চালানো হচ্ছে। ফ্যাসিজম চলছে। রাজ্যসভায় ওদের সাংসদরা ছিল না, প্রয়োজনীয় সংখ্যাও ছিল না। বিলের বিরোধিতায় ডিভিশন চাওয়া যেতেই পারে। কিন্তু তা না করে জোর করে ধ্বনি ভোটে কৃষি বিল পাশ করানো হলো। করোনা ঠেকাতে পারল না, এবার দেশকে দুর্ভিক্ষের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। দেশে দুর্ভিক্ষ, ফুড প্যানডেমিক ডেকে আনতে চাইছে মোদী সরকার। ১৯৪৩-এর মন্বন্তরকে মনে করাচ্ছে। জিনিসের দাম বাড়বে, কৃষকরা দাম পাবেন না, আত্মহত্যা বাড়বে। কালকের ঘটনা নিন্দার যোগ্য। শুধু সাসপেন্ড নয় সাংসদদের বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাবও নিয়েছে! বিজেপির আবার নিন্দা প্রস্তাব! সারা দেশের মানুষ ছিঃ ছিঃ বলবে। বলবে এই সরকারের থাকার দরকার নেই। কৃষকদের জমি কেড়ে নেওয়ার চক্রান্ত চলছে। আলু, পেঁয়াজ বাইরে পাঠিয়ে দিচ্ছে। রোজকার জনজীবনে যে খাদ্যসামগ্রীগুলি লাগে সেগুলিকে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে। জিনিসের দাম বাড়লে এ সব মনিটরিং করতাম। এখন রাজ্যের সেই সব ক্ষমতা কেড়ে নিয়ে চলে গিয়েছে। করোনার সময় অর্ডিন্যান্স এনেছে এ বিষয়ে। একজনই বসে সব চালাবে। মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না, মজুতদার, ফোঁড়েদের সুবিধা করে দিচ্ছে। কৃষকদের পাশাপাশি শ্রমিকদের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করছে। যখন তখন শ্রমিকরা কাজ হারাবেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন সমস্ত রাজনৈতিক দলকে আন্দোলন গড়ে তোলার ডাক দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, প্রয়োজনে তৃণমূল কংগ্রেস পিছনের সারিতে থাকবে। সামনের সারিতে থাকবেন মানুষ। অন্য দলগুলিকেও এগিয়ে আসতে হবে। প্রতিবাদ করলেই ওরা দেশদ্রোহী বলে দেয়। সীতারাম ইয়েচুরিদের সঙ্গে আমার রাজনৈতিক মতাদর্শগত ফারাক আছে। কিন্তু দিল্লিতে যারা দাঙ্গা করল তাদের নাম বাদ দিয়ে কেন বিরোধী দলের নেতাদের নাম চার্জশিটে রাখা হলো। বাংলা আন্দোলন, নবজাগরণের ভূমি। ছাত্রসমাজকেও এগিয়ে আসতে হবে। তাঁদের নিয়ে জেইই, নিটে কী না করল কেন্দ্র! আবার নাকি দুর্গাপুজোর মধ্যে নেট পরীক্ষা নেবে! আমরাই প্রথম প্রতিবাদ করেছি। কাঁসর-ঘণ্টা বাজিয়ে বলব এই বিজেপি সরকার আর নেই দরকার।সব রাজনৈতিক দলগুলো এক হয়েছে কৃষক ইস্যুতে। আগামী দিন শ্রমিক ইস্যুতেও সব রাজনৈতিক দলগুলি এক হবে। শ্রমিকদের ওপর বজ্রাঘাত ও কৃষকদের ওপর প্রত্যাঘাত চলছে। সর্বস্তরের মানুষকে প্রতিবাদে সামিল হতে আহ্বান জানাচ্ছি। চন্দ্রিমার নেতৃত্বে তৃণমূল মহিলা কংগ্রেস কয়েকজনকে নিয়ে হলেও কাল গান্ধীমূর্তির পাদদেশে বসে ধরনা দেবে। কাল মহিলারা, পরশু ছাত্ররা, তারপর দিন আমাদের ক্ষেত মজুর কিষান সংগঠন পথে নামবে। বিজেপি মজুতদার, কালোবাজারিদের সরকার হয়ে গিয়েছে বলে মন্তব্য করেন মমতা। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর গলায় ছিল সাংসদ মহুয়া মৈত্রর সুরের প্রতিধ্বনি, উলঙ্গ রাজা তোমার কাপড় কোথায়?

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০
দেশ

সাংসদ সাসপেন্ড, সরব তৃণমূল

রাজ্য সরকারের কৃষি বিলের প্রতিবাদ করার ফল হাতেনাতে পেয়েছেন দুই তৃণমূল সাংসদ-সহ আপ, কংগ্রেস ও সিপিআইএমের মোট আটজন সাংসদ। শাস্তি হিসেবে আগামী সাত দিনের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছে তাঁদের। যার অর্থ সংসদের বাদল অধিবেশনের বাকি দিনগুলি আর তাঁরা উপস্থিত থাকতে পারবেন না। এরপরই সাসপেনশনের প্রতিবাদে সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলনেত্রী তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টুইটে লেখেন, কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা করতে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে ৮ সাংসদ সাসপেন্ড হওয়ার ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক। এতে সরকারের স্বৈরাচারী মনোভাবের প্রকাশ দেখা গেল, যারা গণতান্ত্রিক নীতি, আদর্শের প্রতি বিন্দুমাত্র শ্রদ্ধাশীল নয়। তবে আমরা নত হবো না। সংসদ থেকে রাস্তায় নেমে সর্বত্র এই ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাব। সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস টুইটে লিখেছে, আন্তর্জাতিক শান্তি দিবসের আগেই বিজেপি গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। রাজ্যসভায় যে ঘটনা ঘটেছে তা অবিশ্বাস্য। নিষ্ঠুরভাবে বিরোধী দলের নেতাদের কণ্ঠরোধ করা হয়েছে। নরেন্দ্র মোদীর একনায়কতন্ত্র আর বিজেপির গণতন্ত্র হত্যার বিরুদ্ধে দেশের মানুষকে প্রতিবাদে মুখর হতে হবে। তৃণমূল যুব কংগ্রেস সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আট সাংসদকে সাসপেনশনের প্রতিবাদে টুইটে লিখেছেন, রাজ্যসভায় যা হয়েছে তা সাংবিধানিক রীতিবিরুদ্ধ। কেন্দ্রীয় সরকারের নয়া কৃষি নীতি কৃষকদের স্বার্থের পরিপন্থী। তারই প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিরোধীরা। কিন্তু বিরোধী সাংসদদের ভোটাধিকার কেড়ে নিল কেন্দ্র। এভাবে বিজেপি গণতন্ত্রকে হত্যাই করল। তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্র টুইটে লেখেন, সংসদীয় রীতি-নীতির তোয়াক্কা না করে বুলডোজ করিয়ে কৃষি বিল রাজ্যসভায় পাশ করাল কেন্দ্র। রাজ্যসভায় প্রয়োজনীয় সংখ্যা নেই বলেই কি ভোটাভুটিতে না গিয়ে জোর করে ধ্বনি ভোটে বিলগুলি পাশ করানো হলো? সকলকে জাগ্রত হতে হবে, সংসদে জঙ্গলের রাজত্ব চলতে পারে না। গণতন্ত্র ও আইনি বিধানকে সাসপেন্ড করে বিজেপি সংসদে বিরোধী কণ্ঠস্বরকেই সাসপেন্ড করতে চাইছে। সাংসদদের সাসপেনশনের প্রতিবাদে সংসদের ভিতরে চলা তুমুল বিক্ষোভে দফায় দফায় রাজ্যসভার অধিবেশন মুলতুবি হয়ে যায়। গান্ধী মূর্তির সামনে অবস্থান বিক্ষোভ করেন বিরোধী দলের সাংসদরা। সবমিলিয়ে কৃষি বিল নিয়ে সংসদ যে আগামী দিনগুলিতেও উত্তপ্ত হবে তা সহজেই অনুমেয়।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর জবাব চাইলেন মুকুল-পুত্র

আগামী বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টি একক সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়েই বাংলায় ক্ষমতায় আসবে। সেটা বুঝে রাজ্য থেকে জেলাস্তরে অনেকেই তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দিতে যোগাযোগ করছেন। সেবা সপ্তাহ উদযাপনের শেষ দিনে রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর হুগলির শ্রীরামপুরে এক রক্তদান শিবিরে এসে এমন দাবিই করলেন বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়। তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দিয়ে সদ্য রাজ্য কমিটির সদস্য শুভ্রাংশু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জবাবদিহি চেয়ে বলেন, কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগ তোলার আগে তিনি বলুন কেন কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পগুলো রাজ্য সরকার রূপায়িত করছে না? আগে তার জবাব দিন তারপরে তো বঞ্চনার প্রশ্ন। তিনি বলেন, বিলগ্নীকরণ নিয়েও তৃণমূল-সহ বিরোধী দলগুলি মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছে। শিল্প বিলগ্নীকরণ তো নতুন নয়, ২০০৯ সালে কংগ্রেস সরকারের আমলেও বহু শিল্প বিলগ্নীকরণ হয়েছে। আর বিলগ্নীকরণ মানে তো পুরোপুরি বেচে দেওয়া নয়, এটা মানুষকে বুঝতে হবে। এদিনের অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হুগলি জেলা বিজেপি সভাপতি শ্যামল বসু-সহ দলীয় নেতৃবৃন্দ।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০
রাজ্য

পিছোল মুখ্যমন্ত্রীর উত্তরবঙ্গ সফর

প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কায় পিছিয়ে গেল মমতার উত্তরবঙ্গ সফর। এর আগে সিদ্ধান্ত হয়েছিল ২১ সেপ্টেম্বর উত্তরবঙ্গ সফরে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী। এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে ঝড় বৃষ্টির আভাসের কারণে আপাতত পিছিয়ে যাচ্ছে মমতার ওই সফর। জানা গিয়েছে, ২৯ ও ৩০ সেপ্টেম্বর উত্তরবঙ্গ সফরে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী। নবান্ন সূত্রে খবর, উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী। সমস্ত প্রশাসনিক বৈঠক করা হবে শিলিগুড়ির উত্তরকন্যায়। জেলাশাসক, জেলা পুলিশসুপার, স্বাস্থ্য আধিকারিক, মহকুমাশাসকসহ জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকরা বৈঠকে হাজির থাকবেন। উন্নয়নের খতিয়ান দেখবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাছাড়াও উত্তরবঙ্গের করোনা পরিস্থিতির কি হাল তা নিয়েও তিনি খোঁজখবর নেবেন। জানা গিয়েছে, উত্তরবঙ্গ সফরকালে বেশ কিছু প্রকল্পের শিলান্যাস করার কথা রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 32
  • 33
  • 34
  • 35
  • 36
  • 37
  • 38
  • 39
  • 40
  • 41
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

শিশুমৃত্যুর পর জ্বলছে মণিপুর! রাস্তায় হাজার মানুষ, পাঁচ দিনের বন্‌ধে অচল রাজ্য

চলতি মাসের শুরুতে এক বিএসএফ জওয়ানের বাড়িতে রকেট হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবারও অশান্ত হয়ে উঠেছে মণিপুর। ওই হামলায় এক শিশুকন্যা এবং পাঁচ বছরের এক বালকের মৃত্যু হয়। এই ঘটনার প্রতিবাদে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। নাগরিক সমাজ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানাচ্ছে এবং পাঁচ দিনের বন্ধের ডাক দেওয়া হয়েছে।রবিবার মণিপুরের নানা প্রান্তে হাজার হাজার মানুষ পথে নামেন। ইম্ফলে রাতে মশাল হাতে মিছিল করেন বহু মানুষ, বিশেষ করে মহিলাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। অভিযোগ, এই বিক্ষোভ দমাতে পুলিশ শক্তি প্রয়োগ করেছে। আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হয়। কিছু জায়গায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষের ঘটনাও সামনে আসে।প্রতিবাদকারীদের দাবি, এই হামলার সঙ্গে জড়িত দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে। পাশাপাশি পাহাড়ি এলাকায় সক্রিয় কুকি জঙ্গিদের বিরুদ্ধেও কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠেছে। বন্ধের জেরে বাজার, স্কুল-কলেজ এবং সরকারি অফিস বন্ধ ছিল। পরিবহন ব্যবস্থাও ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়। শুধুমাত্র জরুরি পরিষেবা কিছু এলাকায় চালু রাখা হয়।অন্যদিকে মণিপুর পুলিশ জানিয়েছে, প্রতিবাদের নামে কিছু সমাজবিরোধী কাজকর্ম চলছে। যারা হিংসা ছড়াচ্ছে বা অন্যদের উসকানি দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশের দাবি, কিছু মানুষ বিক্ষোভকারীদের হাতে পেট্রোল বোমা, লোহার গোলা লাগানো গুলতি এবং পাথর তুলে দিচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করছে।উল্লেখযোগ্য, গত ছয় এপ্রিল রাতে বিষ্ণুপুর জেলার মোইরাং ট্রোংলাওবি এলাকায় এক বিএসএফ জওয়ানের বাড়িতে হামলা চালানো হয়। অভিযোগ, একাধিক জঙ্গি ওই বাড়ি লক্ষ্য করে রকেট ছোড়ে। তখন বাড়ির সদস্যরা ঘুমিয়ে ছিলেন। এই হামলায় ঘুমের মধ্যেই মৃত্যু হয় পাঁচ মাসের এক শিশুকন্যা এবং পাঁচ বছরের এক বালকের। গুরুতর জখম হন তাদের মা। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। ক্ষুব্ধ মানুষ পরে নিকটবর্তী একটি সুরক্ষা শিবিরেও হামলা চালায়। তারপর থেকেই পরিস্থিতি অস্থির হয়ে রয়েছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

বেলডাঙা কাণ্ডে নতুন মোড়! জামিন নিয়ে হাই কোর্টে ছুটল এনআইএ

বেলডাঙা কাণ্ডে নতুন করে আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ এবার কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। আগে এনআইএ-র বিশেষ আদালত শর্তসাপেক্ষে ১৫ জন অভিযুক্তকে জামিন দিয়েছিল। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই উচ্চ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাদের অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মানা হয়নি এবং সেই কারণেই এই জামিন দেওয়া ঠিক হয়নি।আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে চার্জশিট জমা দেওয়ার কথা থাকলেও, ৯০ দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরেও এনআইএ চূড়ান্ত চার্জশিট জমা দিতে পারেনি। এমনকি তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কেও আদালতের প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেনি তারা। এই পরিস্থিতিতে অভিযুক্তদের আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করেন। এরপর ১০ হাজার টাকার বন্ডে ১৫ জনের জামিন মঞ্জুর করে বিশেষ আদালত। যদিও তাঁদের চলাফেরার উপর বেশ কিছু শর্ত আরোপ করা হয়েছে।হাই কোর্টে এনআইএ-র বক্তব্য, তদন্ত চলাকালীন এইভাবে জামিন দেওয়া উচিত হয়নি। আদালতে প্রশ্ন ওঠে, যখন সুপ্রিম কোর্ট এই মামলাটি হাই কোর্টে ফেরত পাঠিয়েছে, তখন কীভাবে নিম্ন আদালত জামিন মঞ্জুর করল। এই বিষয়টি নিয়ে বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিচারপতি অপূর্ব সিংহ রায়ের বেঞ্চে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আগামী শুনানিতে স্পষ্ট হবে, এই জামিন বহাল থাকবে নাকি হাই কোর্ট হস্তক্ষেপ করে নতুন নির্দেশ দেবে।উল্লেখযোগ্য, গত জানুয়ারি মাসে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল। অভিযোগ ছিল, ঝাড়খণ্ডে ওই শ্রমিককে খুন করা হয়। সেই ঘটনার প্রতিবাদে বেলডাঙায় রেল ও জাতীয় সড়ক অবরোধ করা হয় এবং ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। এমনকি সংবাদমাধ্যমের উপর হামলার অভিযোগও ওঠে। পরে রাজ্য পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে, যদিও এলাকায় উত্তেজনা বজায় ছিল।পরবর্তীতে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে এই ঘটনার তদন্তভার এনআইএ-র হাতে যায়। মোট ৩৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাঁদের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেয় আদালত। এখন জামিনের প্রশ্নে নতুন করে এই মামলায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় বিতর্ক! ভোটার তালিকা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের কড়া নজর

বাংলার প্রথম দফার ভোট একেবারে সামনে। তার মধ্যেই ভোটার তালিকায় নাম তোলা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, এই সংক্রান্ত ট্রাইব্যুনাল কাজের ক্ষেত্রে গড়িমসি করছে। এই অভিযোগ নিয়েই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন আইনজীবী দেবদত্ত কামাত। তাঁর আবেদনের ভিত্তিতে কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে রিপোর্ট তলব করা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।আইনজীবী কামাতের অভিযোগ, এখনও পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালে অফলাইনে আবেদন করার সুযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে। শুধুমাত্র অনলাইনে আবেদন করা যাচ্ছে। এতে অনেক মানুষ সমস্যায় পড়ছেন। যাঁরা অনলাইনে আবেদন করতে পারেন না, তাঁদের পক্ষে এই প্রক্রিয়া অত্যন্ত কঠিন হয়ে উঠছে। দূরদূরান্ত থেকে আসা মানুষও বিপাকে পড়ছেন। তাঁর আরও দাবি, সঠিক শুনানি বা আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে অনেক ক্ষেত্রে যান্ত্রিকভাবে আবেদন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এমনকি আইনজীবীদের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগও দেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।এই নতুন মামলায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ প্রশ্ন তোলে, কেন বারবার এই একই বিষয়ে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হচ্ছে। প্রধান বিচারপতি ক্ষোভের সুরে বলেন, নির্দেশ দেওয়ার পরেও কেন নতুন করে অভিযোগ সামনে আসছে।এর জবাবে আইনজীবী কামাত জানান, ট্রাইব্যুনাল আদালতের নির্দেশ ঠিকভাবে মানছে না বলেই বারবার এই সমস্যা তৈরি হচ্ছে। সেই কারণেই বারবার শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হতে হচ্ছে। এরপর প্রধান বিচারপতি জানান, বাংলার এই ট্রাইব্যুনালের কাজের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত রিপোর্ট কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছ থেকে চাওয়া হবে।ভোটের আগে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় আশঙ্কা! ৮০০ তৃণমূল কর্মী গ্রেপ্তার হতে পারেন, হাই কোর্টে ছুটল দল

ভোটের আগে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল। তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, বাংলার অন্তত আটশো কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে। এই আশঙ্কা নিয়েই কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে দল। সোমবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের বেঞ্চে মামলা দায়েরের অনুমতি মিলেছে। আগামী বুধবার এই মামলার শুনানি হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।গত বারোই এপ্রিল খণ্ডঘোষের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই নিয়ে বড়সড় আশঙ্কার কথা জানিয়েছিলেন। তিনি অভিযোগ করেন, ভোট প্রক্রিয়ায় ধীর গতি আনা, গণনায় দেরি করা এবং প্রথমে ভুল ফল দেখানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তাঁর দাবি, অনেককে গ্রেপ্তার করার চেষ্টা চলছে এবং মধ্যরাত থেকে অভিযান শুরু হতে পারে। তিনি আরও বলেন, যদি কোথাও দেখানো হয় যে অন্য দল জিতছে, তাহলে তা মিথ্যে হতে পারে। মমতার অভিযোগ, বিজেপির প্রভাবেই নির্বাচন কমিশন তৃণমূলের বিরুদ্ধে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে।এরপরই আইনি পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেয় তৃণমূল। সোমবার দলের পক্ষ থেকে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে জানান, জাতীয় নির্বাচন কমিশন পুলিশের মাধ্যমে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রায় আটশো তৃণমূল কর্মীর নাম সংগ্রহ করেছে। তাঁদের গ্রেপ্তারের আশঙ্কা রয়েছে বলেই দাবি করেন তিনি। আদালতের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপের আবেদনও জানানো হয়।আদালত এই আবেদন মেনে মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছে। একই সঙ্গে দ্রুত শুনানির আর্জিও গ্রহণ করা হয়েছে। ফলে আগামী বুধবার এই গুরুত্বপূর্ণ মামলার শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ভোটের আগে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
বিদেশ

ডলার ছেড়ে ইউয়ান! আমেরিকাকে চরম হুঁশিয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরশাহির, বিশ্ব অর্থনীতিতে ঝড়

ইরান ও আমেরিকার সংঘাত কবে থামবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই বড় সঙ্কটে পড়েছে বিশ্ব অর্থনীতি। বিশেষ করে ডলার নির্ভর তেল বাণিজ্য নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এই পরিস্থিতিতে আমেরিকাকে কড়া বার্তা দিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। তারা জানিয়ে দিয়েছে, পরিস্থিতি না বদলালে ডলারের বদলে অন্য মুদ্রায় তেল বিক্রি এবং আন্তর্জাতিক লেনদেন শুরু করতে পারে।খবর অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি ইতিমধ্যেই আমেরিকাকে জানিয়েছে, প্রয়োজনে তারা চিনের মুদ্রা ইউয়ান ব্যবহার করে তেল বিক্রির পথে হাঁটতে পারে। এতদিন আমেরিকার ঘনিষ্ঠ মিত্র হলেও, এবার তারা নিজেদের স্বার্থে আলাদা অবস্থান নিতে চাইছে। তাদের দাবি, জরুরি ভিত্তিতে ডলারের সহায়তা দিতে হবে, না হলে বিকল্প পথ বেছে নিতে বাধ্য হবে তারা।একটি আন্তর্জাতিক সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এই বিষয় নিয়ে আমেরিকার সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে। যদি যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়, তাহলে বিকল্প মুদ্রা ব্যবস্থার দিকে যেতে হবে বলেই মনে করছে তারা। দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের গভর্নর ইতিমধ্যেই মার্কিন অর্থ দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলেছেন। ডলারের জোগান কমে গেলে ইউয়ান ব্যবহার করা ছাড়া অন্য কোনও উপায় থাকবে না বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে।যুদ্ধের জেরে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল আটকে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। একই সঙ্গে তাদের তেল ও গ্যাস পরিকাঠামোরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এই আর্থিক ক্ষতি সামাল দিতে তারা আমেরিকার কাছে ক্ষতিপূরণও চেয়েছে। সম্প্রতি ভারতের একটি বেসরকারি সংস্থা চিনা মুদ্রায় ইরানের তেল কিনেছে বলেও জানা গিয়েছে, যা এই পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ব বাজারে তেল কেনাবেচা মূলত ডলারেই হয়ে থাকে। উনিশশো সত্তরের দশক থেকে এই প্রথা চালু। সেই সময় তেলের সঙ্কটের পর আমেরিকা ও সৌদি আরবের মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছিল, যার ফলে তেল বাণিজ্যে ডলারের ব্যবহার বাধ্যতামূলক হয়ে ওঠে। কিন্তু বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি সেই ব্যবস্থাকেই প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি ডলারের পরিবর্তে অন্য মুদ্রায় তেল লেনদেন শুরু হয়, তাহলে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
কলকাতা

জেলায় একমাস পর কলকাতায় ফিরলেন মমতা! আজ থেকেই শুরু ঝড়ো প্রচার

প্রায় একমাস জেলায় জেলায় ঘোরার পর আজ থেকে কলকাতায় প্রচার শুরু করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ২৩ মার্চ থেকে তিনি লাগাতার জেলা সফরে ছিলেন। সেই পর্ব শেষ করে সোমবার মুরারই এবং উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহে সভা সেরে শহরে ফিরছেন তিনি। বিকেলে বেলেঘাটায় প্রথম সভা করার কথা রয়েছে। সেখানে প্রার্থী কুণাল ঘোষ এবং মানিকতলার প্রার্থী শ্রেয়া পাণ্ডের সমর্থনে জনসভা করবেন তিনি। এরপর সন্ধ্যার দিকে নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে মিছিল ও সভার কর্মসূচি রয়েছে। শেক্সপিয়র সরণি থেকে মিছিল শুরু হয়ে অ্যালেন পার্কে গিয়ে শেষ হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।গত একমাস ধরে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ঘুরে মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেছেন তৃণমূল নেত্রী। দলীয় সূত্রে দাবি, মাঠে নেমে মানুষের সমর্থনের ইতিবাচক বার্তা পেয়েছেন তিনি। সেই অভিজ্ঞতা নিয়েই এবার কলকাতায় জোরদার প্রচারে নামছেন মমতা। আগামী কয়েক দিনে একাধিক সভা ও পদযাত্রার মাধ্যমে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছনোর পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।প্রতিবারের মতো এবারও মমতার মিছিল ও সভায় ব্যাপক ভিড় হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তীব্র গরম সত্ত্বেও তাঁর কর্মসূচিতে মানুষের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো হয়। ফলে শহরে আবারও বড় জনসমাগমের ছবি দেখা যেতে পারে।এর মাঝেই হলদিয়ায় একটি কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। সেখান থেকে ফিরে আবার ২৭ তারিখ পর্যন্ত কলকাতায় টানা সভা করবেন বলে জানা গিয়েছে। এরপর দক্ষিণ কলকাতার একাধিক কেন্দ্রে প্রচার চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।২৩ এপ্রিল যাদবপুর এবং টালিগঞ্জে প্রার্থীদের সমর্থনে সভা করার কথা রয়েছে। শ্রীকলোনি যুব সংঘের মাঠে সেই সভা হবে বলে জানা গিয়েছে। তার পরের দিন সুলেখা মোড় থেকে গড়িয়াহাট হয়ে হাজরা পর্যন্ত একটি বড় মিছিল করার পরিকল্পনা রয়েছে।ভোটের আগে মমতার এই কর্মসূচি ঘিরে কলকাতার রাজনৈতিক পরিবেশ আরও চাঙ্গা হয়ে উঠছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

হরমুজ প্রণালিতে বড়সড় সংঘাত! ইরানের জাহাজে হামলা চালিয়ে দখল নিল আমেরিকা

হরমুজ প্রণালির কাছে উত্তেজনা আরও বেড়ে গেল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী একটি ইরান-চিহ্নিত পণ্যবাহী জাহাজ দখল করেছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, জাহাজটির ইঞ্জিন কক্ষে আঘাত করে সেটিকে অচল করে দেওয়া হয়, তারপর সেটি আমেরিকার নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়।ট্রাম্প জানান, ওমান উপসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ একটি ইরানি জাহাজকে আটকায়, যখন সেটি আমেরিকার আরোপ করা অবরোধ ভাঙার চেষ্টা করছিল। হামলার ফলে জাহাজটির ইঞ্জিন কক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সেটি আর চলতে পারেনি। পরে মার্কিন সেনারা জাহাজটির দখল নেয় এবং সেটির ভেতরে কী আছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।মার্কিন সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে প্রকাশিত একটি ভিডিওতেও দেখা গিয়েছে, হামলার আগে জাহাজের ক্রুদের বারবার সতর্ক করা হচ্ছে। সেখানে বলা হয়, ইঞ্জিন কক্ষ খালি করে দিতে, না হলে গুলি চালানো হবে। কিছুক্ষণের মধ্যেই বিস্ফোরণের দৃশ্যও দেখা যায়।এই ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল, যখন হরমুজ প্রণালিতে ইরানের জাহাজ চলাচলের উপর আমেরিকা কড়া নজরদারি চালাচ্ছে। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে বিশ্বের বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহন হয়, তাই এর উপর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।একই সময়ে ইরানের সঙ্গে একটি বড় চুক্তির চেষ্টা চালাচ্ছেন ট্রাম্প। তবে ইরান জানিয়ে দিয়েছে, তারা পরবর্তী বৈঠকে অংশ নেবে না। তাদের অভিযোগ, আমেরিকা অতিরিক্ত শর্ত চাপিয়ে দিচ্ছে এবং অবরোধ চালিয়ে যাচ্ছে, যা চুক্তির পরিপন্থী।ট্রাম্পের দাবি, ইরানকে তাদের পরমাণু কর্মসূচি বন্ধ করতে হবে, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম জমা দিতে হবে এবং হরমুজ প্রণালিকে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের জন্য পুরোপুরি খুলে দিতে হবে।বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে উত্তেজনা বাড়ায় আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশ্ব অর্থনীতিতেও তার প্রভাব পড়তে পারে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

জলপাইগুড়ি থেকে বিস্ফোরক হুঁশিয়ারি! “একটা গুলি চালালে দুটো চালাব”—বাংলা রাজনীতিতে আগুন ধরালেন হিমন্ত

জলপাইগুড়ির জনসভা থেকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। তাঁর বক্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, একটা গুলি চালালে, দুটো গুলি চালাব। বাংলায় পুলিশ থাকলে, অসমেও পুলিশ আছে। উত্তরবঙ্গের সভা থেকে মূলত তৃণমূল কংগ্রেসকে লক্ষ্য করেই এই আক্রমণাত্মক সুর শোনা যায়।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম করে হিমন্ত দাবি করেন, তিনি সব সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে আক্রমণ করেন। তাঁর কটাক্ষ, মমতার মুখে রাম বা দুর্গার নাম শোনা যায় না, বরং সারাদিন তিনি মোদী-শাহর নামই নেন। একই সঙ্গে হিমন্ত আরও বলেন, গত কয়েক দিন ধরে মমতা তাঁর নামও নিচ্ছেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, তৃণমূলের লোকেরা আমার সামনে দাঁড়াতে পারবে না। টক্কর সমানে সমানে হবে।এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, একজন মুখ্যমন্ত্রী হয়ে এ ধরনের বক্তব্য দেওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। তাঁর অভিযোগ, হিমন্ত কার্যত গৃহযুদ্ধের মতো পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা করছেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এই ধরনের মন্তব্যের পরেও কেন প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নীরব রয়েছেন।জয়প্রকাশ আরও বলেন, একজন সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তির মুখে এমন প্ররোচনামূলক কথা দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর জন্য বিপজ্জনক। এর ফলে রাজনৈতিক পরিবেশ আরও অশান্ত হয়ে উঠতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।নির্বাচনের আগে এই ধরনের মন্তব্যে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তাপ অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উন্নয়ন ও জনস্বার্থের ইস্যু ছেড়ে এখন ব্যক্তিগত আক্রমণ ও পাল্টা হুমকিই রাজনীতির মূল কেন্দ্র হয়ে উঠছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal