• ২০ ফাল্গুন ১৪৩২, বৃহস্পতি ০৫ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Mam

রাজ্য

দুর্নীতি নিয়ে সরকারি আধিকারিকদের হুঁশিয়ারি দিলেন মমতা

ভরা মঞ্চ থেকে এবার রাজ্যের প্রশাসনিক আধিকারিকদের একাংশকে কড়া ভাষায় হুঙ্কার ছাড়লেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়দের। তাঁর হুঁশিয়ারি কোনও অফিসার দুর্নীতিতে জড়ালে আমি ছেড়ে কথা বলব না। মঙ্গলবার শিলিগুড়ির কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে সরকারি পরিষেবা প্রদান অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে এভাবেই রাজ্য সরকারি আধিকারিকদের একাংশকে সতর্কতার পাঠ দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।সাম্প্রতিক সময়ে গরু, কয়লা, নিয়োগ, রেশন-সহ একাধিক দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছে রাজ্যের শাসকদলের তাবড় নেতা-মন্ত্রী-বিধায়কদের। ইতিমধ্যেই দুর্নীতিতে অভিযুক্ত হয়ে জেল খাটছেন তাঁদের অনেকেই। পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অনুব্রত মণ্ডল, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, মানিক ভট্টাচার্য, জীবনকৃষ্ণ সাহারা দিনের পর দিন ধরে জেলে রয়েছেন।কয়লা কেলেঙ্কারিতে ইতিমধ্যেই একাধিকবার ইডির সমন পেয়েছেন রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বারবার ডেকে পাঠিয়ে চোখা চোখা প্রশ্ন করেছে ইডি। শাসকদলের হেভিওয়েট একাধিক নেতা-মন্ত্রী কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার স্ক্যানারে থাকায় ফি দিন তৃণমূলকে তুলোধনা করে সোচ্চার বিরোধীরা।তবে এবার খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নতুন আশঙ্কা নয়া বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। দলের নেতা-মন্ত্রী কিংবা বিধায়ক নন, এবার প্রশাসনের অন্দরেই বিরাট অনিময়ের আঁচ পেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার ভরা সভায় সেই আশঙ্কার কথাই নিজে মুখে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। শুধু জানানোই নয়, অনিয়ম রুখতে কড়া বার্তাও দিয়েছেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান।একটা রাজনৈতিক লোক ৫ টাকা চুরি করলেও ১০ বার টিভিতে দেখানো হয়। কিন্তু কোনও অফিসারও যদি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন আমি কিন্তু ছেড়ে কথা বলব না। দুএকজন বিএলআরও দুষ্টু লোকেদের সাথে মিলে জমি কেনা-বেচায় জড়িয়ে গিয়েছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।কেন্দ্রীয় বঞ্চনা নিয়ে সোচ্চার হতেই ফের একবার দিল্লি যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁকে বৈঠকের সময় দিয়েছেন। জানা গিয়েছে, আগামী ২০ ডিসেম্বর বেলা ১১টায় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকেই রাজ্যের পাওনাগণ্ডা নিয়ে দরবার করবেন তিনি।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২৩
রাজ্য

পাহাড়ের সঙ্গে তাঁর ‘রক্তের সম্পর্ক’, কল্পতরু মমতা

কার্শিয়াঙের বাসিন্দা দিক্ষা ছেত্রীর সঙ্গে বিয়ে হয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো আবেশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আর শুক্রবার সেই কার্শিয়াংয়েই সরকারি সভায় অংশ নিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। পাহাড় ও সমতলের এই বন্ধনে তিনি খুব খশি বলেও জানিয়েছেন। এ দিনের সভা থেকে পাহাড়বাসীকে ঢালাও সুবিধাদানের কথা তুলে ধরেছেন মুখ্যমন্ত্রী। রীতিমত কল্পতরু মমতা। একই সঙ্গে পাহাড়বাসীদের উদ্দেশ্যে তাঁর আবেদন, আপনারা পাহাড়কে শান্ত রাখার দায়িত্ব নিন। আমি কথা দিচ্ছি, পাহাড়ের উন্নয়নের দায়ি।ভাইপো আবেশের বিয়ের কথা এ দিন মুখ্যমন্ত্রীর মুখে শোনা গেল সরকারি মঞ্চে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, দীক্ষা ছেত্রির সঙ্গে আমার ঘরের ছেলের বিয়ে হল। ওরা দুজনেই ডাক্তার। এখন পাহাড়ের সঙ্গে সমতলের একটা রক্তের সম্পর্ক তৈরি হয়ে গেল। এটা ইতিহাস হয়ে গেল। আমি বলতাম পাহাড়ে আমার একটা ঘর চাই, দেখুন ভগবান কীভাবে আমাকে ঘর তৈরি করে দিল। এখানকার সব মানুষই নিজের, প্রত্যেকটা বাড়িই আমার ঘর। আমি চাই আপনারা সকলে শান্ত থাকন, সুস্থ থাকুন।গত কয়েক বছর ধরে পাহাড়ে গেরুয়া বাহিনী দাপট দেখাচ্ছে। যা নিয়ে এ দিন সতর্ক করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেছেন, কিছু লোক পাঁচ বছর অন্তর একবার করে জেগে ওঠে, পাহাড়কে অশান্ত করার চেষ্টা করে। অশান্তি হলে শিল্পপতিরা বিনিয়োগ করবে কেন? তাই আমি আপনাদের বলে যাচ্ছি, পাহাড়কে শান্ত রাখার দায়িত্ব আপনারা নিন, উন্নয়নের দায়িত্ব আমার। ভোটের সময় অনেকে আসে, অনেক লোভ দেখিয়ে যায়। অ্যাকাউন্টে লাখ লাখ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। কিন্তু কিচ্ছু করে না। মনে রাখবেন, কথা দিয়ে কথা রাখতে জানি আমরা।এ দিন সরকারি অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে পাহাড়বাসীর উদ্দেশ্যে ঢালাও সুযোগ সুবিধা দানের কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। একনজরে সেইসব ঘোষণা-কার্শিয়াঙে ১ হাজার ২০০ জনকে পাট্টা বিলি।পাহাড়ে ২৪ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগের প্রস্তাব।দার্জিলিং কালিম্পঙে IT সেক্টর হবে।জিটিএ-কে ৭৫ কোটি টাকা দেওয়ার হবে।জিটিএ-র কর্মরা অবসরের পর গ্র্যাচুইটি বাবদ ২০ লাখ টাকা দিতে হবে।জিটিএর রেগুলার এমপ্লয়িদের ২০০৯ সালের পে-রুল, ২০১৯ সালের পে-রুল মোতাবেক বেতন সংশোধন।২০০৩ সাল থেকে রিজিওনাল স্কিল সার্ভিস কমিশন ফর হিলস বন্ধ। তা আবার চালু হবে।দার্জিলিং জেলায় সেকেন্ডারি স্কুলে ৫৯০ শূন্যপদে নিয়োগ।দার্জিলিং এবং কালিম্পং জেলা স্কুল বোর্ডের জন্য অ্যাডহক কমিটি তৈরি করা হবে।জেলা বোর্ডে ১০০০ পদে নিয়োগ।চা সুন্দরী প্রকল্পে তিন লাখ শ্রমিককে পাকা বাড়ি তৈরি করে দেওয়ার ঘোষণা।পাহাড়ে তিন লাখ ৩২ হাজার বাড়িতে জল পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ।তিস্তায় বন্যাদের ক্ষতিগ্রস্ত আর্থিক সাহায্য।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২৩
রাজ্য

চা বাগানে বিশেষ ভূমিকায় মমতা, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল

চা বাগানে ভিন্ন মেজাজে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরের পাহাড়-পর্বত হোক বা সমতলের জঙ্গলমহল কলকাতা ছেড়ে অন্য কোথাও গেলেই একেবারে অন্য মেজাজে ধরা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তৃণমূলস্তরে নেমে তৃণমূল নেত্রীর জনসংযোগ তাক লাগায়। এর আগে দীঘার সমুদ্রসৈকতের দোকানে দাঁড়িয়ে তাঁকে চা বানাতে দেখা গিয়েছে। এর আগে ঝাড়গ্রামে গিয়ে চপ ভেজেছিলেন। বোলপুর সংলগ্ন এলাকায় ভাতের হোটেলে তরকারি রান্না করতেও দেখা গিয়েছিল মমতাকে। তিনি দার্জিলিং সফরে গিয়ে মোমো তৈরি করেছেন। আর এবার পাহাড় সফরে ভিন্ন দৃশ্য! দেখা গেল চা কর্মীদের মত পোশাক পড়ে তাঁদের মত করেই গাছ থেকে চা-পাতা তুলছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।বৃহস্পতিবার মকাইবাড়ি চা বাগানে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিছুক্ষণেই সেখানকার কর্মীদের সঙ্গে একাত্ম হয়ে পড়েন দিদি। দেখা যায়, চা-বাগান কর্মীদের মতই পোশাক মুখ্যমন্ত্রীর পরণে। চা বাগানের শ্রমিকরা ঠিক যেভাবে মাথা দিয়ে পিঠের দিকে ঝুড়ি ঝুলিয়ে চা তোলেন, সেইভাবে চা পাতা তুলছেন মমতা। এরপর স্থানীয় চায়ের দোকানে চা শ্রমিকদের পাশে বসেই চা-ও খান মুখ্যমন্ত্রী৷ চা চুমুক দিতে দিতেই শ্রমিকদের কাছ থেকে জানতে চান, জমির পাট্টা পেয়েছেন? বলেন, আমাদের পাহাড় ভালো থাকুক,চা বাগান ভাল থাকুক। আপনারা জানেন আমাদের বাড়ির বিয়ে হচ্ছে পাহাড়ের মেয়ের সঙ্গে৷মমতাকে সামনে পেয়ে চা বাগানের শ্রমিকরা তাঁদের নিজস্ব ভাষায় গান শুরু করেন। এক ফাঁকে দেখা যায়, পাহাড়ী শিল্পীদের সঙ্গে নাচের তালে পা মিলিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এসবে আপ্লুত মুখ্যমন্ত্রী। তাঁকে বলতে শোনা যায়, পাহাড় এবং সমতলের মধ্যে ঐক্যের বাঁধন তৈরি হয়েছে। আমি মনে করি সকলে একসঙ্গে আমরা কাজ করব। আমি কিন্তু মুখে বলি না। আমি রক্তের সম্পর্ক দিয়ে করে দেখাই। আমি খুব খুশি আজ।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২৩
রাজ্য

দিদির বাড়ি দেখে হিংসে করেন সলমন খান, বললেন চলচ্চিত্র উৎসবের মঞ্চে

কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রথমবার হাজির মুম্বাইয়ের সুপারস্টার সলমন খান। ছিলেন না অমিতাভ বচ্চন, শাহরুখ খানরা। এর আগে তাঁরা প্রতিবারই হাজির থাকবেন বলে ঘোষণা করেছিলেন। এর আগে কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়েছিলেন সলমন। এবার বললেন সেই অভিজ্ঞতা।এবার চলচ্চিত্র উৎসবে হাজির হয়েছেন অনিল কাপুর, শত্রুঘ্ন সিনহা। তাঁরা বক্তব্য রেখে ফেলেছেন। এদিন সলমন বলেন, কালীঘাটে দেখতে গিয়েছিলাম দিদির বাড়ি।এর আগে সাল্লু ভাই তথা ভাইজান এসেছিলেন কলকাতায়। সেদিন আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর কালীঘাটের বাসভবনে। পুরনো কথা তুলেই তিনি বললেন, আমি যখন এর আগে আমন্ত্রণ পেলাম তখন একটাই বিষয় মাথায় ঘুরছিল, যে গিয়ে এটাই দেখব দিদির বাড়ি আসলেই এত ছোট কিনা? আমার বাড়ির থেকে ছোট কিনা দেখতে গিয়েছিলাম। আমি আপনার সঙ্গে হিংসা করি দিদি। আমি সত্যিই ভাবিনি যে আপনার বাড়ি আমার থেকে ছোট হবে। এপ্রসঙ্গে অনিল কাপুরের বাংলোর কথাও বললেন।কিন্তু, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার বাড়ি এত ছোট যেন ভাবতেই পারেননি তিনি। বেশ অবাক হয়েছিলেন। বললেন, আমি খুব খুশি, যে সত্যি দিদির বাড়ি এত ছোট। এত ক্ষমতায় থেকেও তাঁর বাড়ি যে এত ছোট হবে, অবিশ্বাস্য! আমার হিংসা হয় দিদি। আমার আর বড় বাড়ির ইচ্ছে নেই।উল্লেখ্য, সলমন এই প্রথমবার এই অনুষ্ঠানে এসেছেন। আর বাংলার মানুষের উন্মাদনা দেখে তিনি আপ্লুত। সলমন খান বললেন, আমরা বাংলার কাছে বাঙালির কাছে ঋণী। এখানের মানুষরা অনেক কিছু দিয়েছেন। আমরা হিন্দি ছবির মানুষ হলেও বাংলার ট্যালেন্টকে কদর করি।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২৩
রাজনীতি

ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে অংশ নেবে না তৃণমূল! 'আমাকে জানানো হয়নি,' স্পষ্ট জানালেন মমতা

আগামী ৬ ডিসেম্বর দিল্লিতে মল্লিকার্জুন খাড়গের বাড়িতে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে হচ্ছে। সেই বৈঠকে যোগ দিচ্ছে না তৃণমূল কংগ্রেস। দলের পক্ষ থেকে সোমবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠকের কথা শুনে যেন আকাশ থেকে পড়লেন। তাঁর অভিযোগ, তাঁকে কেউ এই বৈঠকের ব্যাপারে জানায়নি। সেই কারণে তিনি বৈঠকের ব্যাপারে আর কী ভাবে জানাবেন। রাজভবন থেকে বেরিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, আমাকে বৈঠকের ব্যাপারে কিছু জানানো হয়নি। আমি যখন বৈঠকের ব্যাপারে জানিই না, তখন আর এই ব্যাপারে কী বলব? এমনিতেও আমি ৬ ডিসেম্বর উত্তরবঙ্গে থাকব। ওখানে আমার চার দিনের কর্মসূচি আছে। বৈঠকের ব্যাপারে আগে থেকে জানা থাকলে আমি ওই দিন কর্মসূচি রাখতাম না!মুখ্যমন্ত্রীকে এই ব্যাপারে হিন্দি ভাষায় সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষুব্ধ হন। তিনি বলেন, বারবার একই প্রশ্ন। এরপর তিনি যেতে গিয়েও ফিরে এসে বলেন, ভাই আমি জানি না। এখনও পর্যন্ত কোনও ইনফর্মেশন আমার কাছে নেই। কেউ আমাকে ফোনেও বলেনি। কেউ আমাকে জানায়নি। আর, আমার তো প্রোগ্রাম ঠিক আছে না! নর্থ বেঙ্গলে আমি ৬ তারিখ থেকে ১২ তারিখ পর্যন্ত থাকব। ৬ তারিখ সন্ধ্যাবেলায় গিয়ে হয়তো পৌঁছব। স্বাভাবিকভাবেই প্রোগ্রাম আছে ৭ থেকে ১২ তারিখ পর্যন্ত। সেই প্রোগ্রাম করে আমি ফিরে আসব। কিন্তু, আমি যদি জানতাম তাহলে আমি এই সময় প্রোগ্রাম করতাম না। কাজেই আমার কাছে কোনও ইনফর্মেশন এখনও এসে পৌঁছয়নি। আর, এখন বললে তো এই মুহূর্তে আমি কীভাবে যাব? এখন তো ইতিমধ্যে প্রোগ্রাম ঠিক হয়ে আছে।সূত্রের খবর, আগামী ৬ ডিসেম্বর মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপো আবেশ বন্দ্যোপাধ্যায় বিয়ে করতে চলেছেন। তিনি মুখ্যমন্ত্রীর ভাই কার্তিক ব্যানার্জির ছেলে, পেশায় চিকিৎসক। সোমবারই এই বিয়ের ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, পাহাড়ে যাচ্ছি আমি। আমার ভাইপো ডাক্তার। সে বিয়ে করছে কার্শিয়াঙে। পাহাড়ের সঙ্গে রক্তের সম্পর্ক গড়তে যাচ্ছি। তারপরও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ইন্ডিয়া জোট তথা কংগ্রেসের দূরত্ব তৈরি হয়েছে কি না, সেই জল্পনা উসকে ওঠে। কারণ, সোমবার তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, বিধানসভা নির্বাচনে এই পরাজয় কংগ্রেসের। এটা মানুষের পরাজয় না। আমি বারবার আসন ভাগ করতে বলেছিলাম। সেটা করলে এই অবস্থা হত না।সাংবাদিকদের কাছে রাজভবনের বৈঠকের ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে। আমরা ঐকমত্য হয়েছি। কোনও বিতর্ক হওয়ার কথা নয়। সন্দেহ তৈরি হওয়ারও কথা নয়। সাংবাদিকদের ওপর রাজ্য সরকার এবং রাজ্যপালের মধ্যে দূরত্ব তৈরির দায় চাপিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমি মনে করি, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী নিজেদের মধ্যে কথা বলে সমস্যা মিটিয়ে নেওয়ার চেয়ে ভালো আর কিছু নেই। একটা বিষয় হল, অস্থায়ী উপাচার্য! আর একটা বিষয় হল, পাঁচ সদস্যের কমিটি। যে বিলটা বিধানসভায় পাস হয়েছিল। অর্ডিন্যান্স হয়েছিল আগে। উনি সই করেছিলেন। তার মানে আমাদের মধ্যে কোনও পার্থক্য নেই। আর, উনি যখন অর্ডিন্যান্সে সই করেছেন, তার মানে তো ওঁনার অবশ্যই সম্মতি ছিল। কাজেই বৈঠক খুব ভালো হয়েছে। আর, আমার মনে হয় যে বৈঠক সফল হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২৩
রাজ্য

বিধানসভা চত্বর চোর চোর স্লোগানে হুলুস্থুল, মুখোমুখি মমতা-শুভেন্দু দ্বৈরথ

একদিকে মমতার নেতৃত্বে তৃণমূল বিধায়করা, কিছুটা দূরে শুভেন্দুর নেতৃত্বে বিজেপি বিধায়করা। দুপক্ষের চোর চোর স্লােগানে বিধানসভা চত্বরে কান পাতাই যেন দায়। বুধবার বিকেলে বিধানসভা চত্বরে নজিরবিহীন সংঘাতের আবহ তৈরি হয়। মাত্র ৩০ ফুট দূর থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে চোর চোর বলে স্লোগান দেন শুভেন্দু অধিকারী। তার আগেই শুভেন্দু ধর্মতলায় অমিত শাহর সভায় হাজির ছিলেন। শুভেন্দুর সঙ্গে গলা মেলান অন্য পদ্ম বিধায়করাও। সেই সময়, বিধানসভার আম্বেদকর মূর্তির পাদদেশে ধর্নায় বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ছিলেন প্রায় সব তৃণমূল বিধায়ক। ওই ধর্না থেকেও পাল্টা বিজেপিকে চোর বলে স্লোগান দেওয়া হয়। এই পরিস্থিতিতে উত্তপ্ত হয় বিধানসভার পরিবেশ। পরে বিরোধী দলনেতা সহ বিজেপি বিধায়কদের তোলা ধ্বনি নিয়ে মুখ খোলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী।অমিত শাহর সভা শেষ হতেই বুধবার বিকেলে বিধানসভায় প্রবেশ করেন শুভেন্দু অধিকারী সহ বিজেপি বিধায়করা। সেই সময় বিধানসভার আম্বেদকর মূর্তির পাদদেশে ধর্নায় বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তৃণমূল বিধায়করা। বিজেপির সবাই চোর বলে স্লোগান দিচ্ছিলেন জোড়াফুল বিধায়করা। যা শুনেই উল্টোদিকে বিধানসভা ভবনের সিঁড়ি ও লবিতে উত্তেজিত হয়ে পড়েন বিরোধী দলনেতা। সরাসরি তৃণমূলের ধর্নার দিকে তাকিয়ে বলতে থাকেন, ডিএ চোর মমতা, চাকরি চোর মমতা। গলা মেলান শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ সহ অন্য বেশ কয়েকজন গেরুয়া বিধায়ক। পরে লবিতেই বসে পড়েন তাঁরা।এরপরই ধর্না অবস্থানে ইতি টানার কথা ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির আচরণ নিয়ে মুখ খোলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এটা নোংরামি, গুণ্ডামি। বিধানসভায় অসভ্যতা করছে, স্পিকারকে বলবো সব ফুটেজ দেখে ব্যবস্থা নিতে। আমাকে নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ দেখিয়ে লাভ নেই। সারা জীবন লুঠ করেছে, গদ্দারদের আমাদের কেউ ভয় পায় না। আমাদের এই ধর্না স্পিকারের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে করা হচ্ছে। কেউ কোনও কর্মসূচি নিলে আমরা কেউ বাধা দিই না। ভোটে পাত্তা পায়নি, গোহারা হেরেছে, তাই এসব করছে।

নভেম্বর ২৯, ২০২৩
রাজনীতি

মমতার মুখে কেষ্ট, পার্থ, বালু, মানিকের নাম, নেত্রীর হুঙ্কার গ্রেফতারের বদলা দ্বিগুন হবে

নেতাজি ইন্ডোরে তৃণমূলের বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে কেষ্ট, বালু, পার্থ, মানিকের নাম। একদা ঘনিষ্ঠ এই চারজনের জেলবন্দি দশায় এখনও বেজায় ক্ষিপ্ত তৃণমূল সুপ্রিমো। একইসঙ্গে বেশ কিছুদিন পর এবার বদলার কথা তৃণমূল সুপ্রিমোর মুখে। বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে তৃণমূলের এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় দলের মন্ত্রী, বিধায়ক, সাংসদদের পাশাপাশি দলের সভাপতি, ব্লক সসভাপতি-সহ অন্য নেতা-কর্মীরাও হাজির ছিলেন।লোকসভা ভোটের কয়েক মাস আগে বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোরের সভা থেকে ২০২৪-এর লক্ষ্য স্থির করে দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। কোন কোন ইস্যু তুলে ধরে লোকসভার লড়াইয়ে ঝাঁপাতে হবে, দলনেত্রীর তরফে স্পষ্ট নির্দেশ এল মন্ত্রী-বিধায়ক-সাংসদ ও অন্য নেতাদের কাছে। এদিন দুর্নীতি ইস্যুতে সাম্প্রতিক সময়ে তৃণমূলের দিকে ধেয়ে আসা তিরের পাল্টা হামলার রূপরেখাও ঠিক করে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পার্থ চট্টোপাধ্যায়, মানিক ভট্টাচার্য, অনুব্রত মণ্ডল ও সব শেষে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের গ্রেফতারি যে এখনও তাঁকে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে, এদিন তাঁর কথায় তা আবারও স্পষ্ট হয়েছে।আমাদের লোকেরা সবাই চোর? দুর্নীতি দেখাচ্ছে। টাকা দিয়ে বলা হচ্ছে চোর বলতে। তৃণমূলকে চোর না বললে ইডি-সিবিআই রেড করবে। খুব হাসছেন! পার্থ জেলে, কেষ্ট জেলে, মানিক জেলে, বালু জেলে। আরও অনেকেই জেলে আছেন। গদ্দার বলছে, অমুক দিন ওর বাড়িতে যাবে। লুঠ করে নিয়ে চলে এল। সিজার লিস্টও দিল না। দিল্লির সরকার সবাইকে আন্ডার গান রেখে দিয়েছে।গরুপাচার কাণ্ডে গ্রেফতার অনুব্রত মন্ডল এখনও বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এখনও রাজ্যের বনমন্ত্রী। মানিক ভট্টাচার্য দলীয় বিধায়ক। পার্থ চট্টোপাধ্যায় দল থেকে বহিষ্কৃত। তবুও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাম মুখে এনেছেন মমতা। রাজনৈতিক মহলের মতে, এঁদের নাম নিয়ে মমতা বোজাতে চেয়েছেন কেউ বিপদে পড়লে দল ভুলে যায় না।

নভেম্বর ২৩, ২০২৩
রাজ্য

সৌরভকে বড় সম্মান মমতা সরকারের, ঘোষণা বিশ্ব বঙ্গ বানিজ্য সম্মেলনে

এবার বাংলার ব্রান্ড অ্যাম্বাসাডার হলেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। বিশ্ব বঙ্গ বানিজ্য সম্মেলনে বক্তব্যের একবারে শেষ পর্যায়ে সৌরভের নাম ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি মঞ্চে ডেকে নিন বাংলার আইকনকে। সৌরভের হাতে নিয়োগ পত্র তুলে দেন বাংলার প্রশাসনিক প্রধান। নিজের লেখাও তুলে দিয়েছেন সৌরভের হাতে।এর আগে বাংলার ব্রান্ড অ্যাম্বাসাডার ছিলেন মুম্বাইয়ের স্টার শাহরুখ খান। দীর্ঘ দিন ধরে বিভিন্ন মহল থেকে দাবি উঠছিল সৌরভকে ব্রান্ড অ্যাম্বাসাডার করার জন্য। এর আগে স্পেনে মুখ্যমন্ত্রীর নানা অনুষ্ঠানে হাজির থেকেছেন সৌরভ। সুদূর স্পেন থেকে শালবনিতে ইস্পাত কারখানার কথা ঘোষণা করেছেন। তা নিয়ে রাজ্যের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল। আজ বিশ্ব বঙ্গ বানিজ্য সম্মেলনে শিল্পপতি হিসাবেও হাজির ছিলেন সৌরভ।

নভেম্বর ২১, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

ভারতীয় জার্সির রং গেরুয়া! বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে বড় প্রশ্ন মমতার

আগামী রবিবারব বিশ্বকাপ ক্রিকেটের মহাজজ্ঞ। চ্যাম্পিয়ন হতে আর একটি ম্যাচ দূরে ভারতীয় ক্রিকেট দল। বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ খেলতে রবিবার অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে আমদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে নামবে রোহিতের নেতৃত্বে ভারতীয় দল। এই অবস্থায় শুক্রবার ভারতীয় দলের জার্সি নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।পোস্তায় শুক্রবার ব্যবসায়ী সমিতির জগদ্ধাত্রী পুজোর উদ্বোধনে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই স্বৈরাচারী মনভাব নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে নিশানা করেন তিনি। সেই প্রসঙ্গেই রং নিয়ে রাজনীতির বিষয়টি তোলেন তিনি। বলেন, এখন তো সব গেরুয়া বানিয়ে দিচ্ছে।এই প্রসঙ্গেই বিশ্বকাপে ভারতীয় ক্রিকেট দলের জার্সির রঙের বিষয়টি টেনে আনেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, আমরা আমাদের ভারতীয় ক্রিকেটারদের জন্য গর্বিত। আমি বিশ্বাস করি ভারতীয় ক্রিকেট দল চ্যাম্পিয়ন হবে। ওদেরও গেরুয়া বানিয়ে দিয়েছে। ওরা যে ড্রেস করে প্র্যাকটিস করে, সেটা গেরুয়া করে দিয়েছে। ওরা তো নীল রংয়ের জার্সি পরে ম্যাচ খেলে।মুখ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন নিয়ে বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা বলেন, উনি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী, গেরুয়া রং নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। রাজ্যবাসীর মাথা হেঁট করে দিচ্ছেন। এবার তো মুখ্যমন্ত্রী জাতীয় পতাকায় কেন গেরুয়া রং ব্যবহার হয়েছে তা নিয়েও প্রশ্ন তুলবেন।বিশ্বকাপের ম্যাচে এবার ভারতীয় দল চিরাচরিত নীল রঙের জার্সি পড়ে খেলছে। তবে, তাদের প্র্যাকটিস জার্সি ও কিটের রঙ গেরুয়া। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই বিতর্ক হয়েছে। কেন হঠাৎ প্র্যাকটিস জার্সি ও কিটের রঙ পাল্টানো হল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে। অনেকেই দাবি করেছেন, কেন্দ্রের শাসক দলের প্রভাব ও বিসিসিআই সচিব তথা অমিত শাহর পুত্র জয় শাহর অঙ্গুলি হেলনেই ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্র্যাকটিস জার্সি ও কিটের রঙ গেরুয়া হয়েছে।

নভেম্বর ১৭, ২০২৩
রাজ্য

প্রয়াত নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদের মা নির্মলা বন্দ্যোপাধ্যায়, শোকপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর

প্রয়াত নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মা নির্মলা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার দুপুর ১২.৩৫ নাগাদ শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। অর্থনীতির অধ্যাপক নির্মলাদেবীর প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অসুস্থতার খবর পেয়েই বৃহস্পতিবার নির্মলাদেবীকে হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এদিন এক্সবার্তায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ প্রফেসর নির্মলা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং নোবেলজয়ী প্রফেসর অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মার মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত। আজ কলকাতায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি। আমি গতকাল তাকে হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলাম। অধ্যাপক নির্মলা বন্দ্যোপাধ্যায় লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক্সে প্রশিক্ষিত ছিলেন এবং কলকাতার সেন্টার ফর স্টাডিজ ইন সোশ্যাল সায়েন্সে অর্থনীতির প্রাক্তন অধ্যাপক ছিলেন। তিনি প্রেসিডেন্সি কলেজের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ প্রয়াত অধ্যাপক দীপক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। আমি নির্মলাদিকে ভালো করে চিনতাম এবং ওনার সঙ্গে আমার অনেক মধুর স্মৃতি আছে। তাঁর মৃত্যু আমাদের জনজীবনের এক বিরাট ক্ষতি। অভিজিৎ, অনিরুদ্ধ, এসথার ডুফলো সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের পাশাপাশি নির্মলাদির বন্ধু ও ছাত্রদের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা।শুক্রবার সকালে কলকাতায় এসে পৌঁছন নোবেলজয়ী অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। তার পরেই তাঁর মায়ের মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসে। শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হাসপাতাল সূত্রে খবর, শুরু থেকেই ভেন্টিলেশন সাপোর্টে রাখা হয়েছিল নির্মলা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তাঁর শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনক ছিল বলে গতকালই জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। গতকাল, শুক্রবারই তাঁকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

নভেম্বর ০৩, ২০২৩
রাজ্য

'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক সব জানে,' কি জানার কথা বললেন ইতি হেফাজতে থাকা জ্যোতিপ্রিয়

রীতিমতো বোমা ফাটালেন রেশন দুর্নীতিতে ধৃত রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। সিজিও কমপ্লেক্স থেকে কমান্ড হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল তাঁকে। বেরনোর সময় সাংবাদিকদের দেখেই বালুর সাফ কথা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সব জানেন। দলের সুপ্রিমো এবং সেকেন্ড ইন কম্যান্ড আসলে কোন কথা জানেন? কীসের ইঙ্গিত জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের? তা নিয়েই চর্চা তুঙ্গে রাজনৈতিক মহলে।আমি নির্দোষ। আমাকে ফাঁসিয়েছে বিজেপি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সব জানেন। দলের সঙ্গে ছিলাম আছি ও থাকব। আমি নির্দোষ। মমতাদি সব জানেন। দুদিনের মধ্যে সত্য প্রকাশ হয়ে যাবে। বারে বারে এক কথা বলছিলেন মন্ত্রী।এদিকে, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের এই মন্তব্যের পাল্টা সমালোচনায় সোচ্চার বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা। সংবাদমাধ্যমে এদিন তিনি বলেন, এত বড় খাদ্য দুর্নীতির হওয়ার পর ওদের পার্টির নাম হয়েছে চাল চোর। যাঁর এত বেআইনি সম্পত্তি উদ্ধার হচ্ছে, মেয়ের-স্ত্রীর নামে বেআইনি টাকা বেরোচ্ছে। এত কিছুর পরেও বড় বড় কথা বলছে। চোরের মায়ের বড় গলা। এটা ঠিক মমতা-অভিষেক সব জানেন। অর্থাৎ, ভাগ উনি ওখানে পাঠিয়েছেন। বিজেপির এতে কী করার আছে? আদালতের নির্দেশে তদন্ত হচ্ছে। তদন্তে বিপুল পরিমাণ বেআইনি সম্পত্তি পাওয়া যাচ্ছে।অন্যদিকে সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী সংবাদমাধ্যমে বলেন, উনি ঠিকই বলেছেন। সব মুখ্যমন্ত্রী জানেন। মুখ্যমন্ত্রীর জানার বাইরে তো কিছু ঘটেনি। ধান কেনা থেকে শুরু করে প্রতিটা ক্ষেত্রে লোপাট হয়েছে। সমস্ত লোপাটের অর্থের অংশ যদি কালীঘাট পায়, মুখ্যমন্ত্রী এতে খুশিই হন। দুর্নীতিগ্রস্ত অপরাধী যারা, তারা কেউ একা একা দুর্নীতি করেননি। মুখ্যমন্ত্রীর আনুকূল্যেই করেছেন। তাই একথা ঠিক, মুখ্যমন্ত্রী সবই জানেন।উল্লেখ্য, রেশন দুর্নীতি মামলায় ইডি গ্রেফতার করেছে রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরের হেফাজতেই রয়েছেন তিনি। আদালতের নির্দেশে তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হচ্ছে আলিপুরের কমান্ড হাসপাতালে। শুক্রবার ইডির সিজিও কমপ্লেক্সের দফতর থেকে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর জন্য কমান্ড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। সেই সময়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই মন্তব্য করেছেন বনমন্ত্রী।তৃণমূল সাসদ কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দোষটা কী আছে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চিফ মিনিস্টার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দোষ কী আছে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিশ্বাস করে একজন একটা দায়িত্ব দিয়েছে। তার যদি পদস্খলন হয়ে থাকে, সে যদি বেইমানি কোথাও করে থাকে, তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দোষটা কোথায়? অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দোষটা কোথায়? অন্যায় করেছেন জ্যোতিপ্রিয়। অভিষেকের নামটা আসছে কেন এসবের মধ্যে?

নভেম্বর ০৩, ২০২৩
রাজ্য

নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মা হাসপাতালে, দেখে এলেন মুখ্যমন্ত্রী

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মা নির্মলা বন্দ্যোপাধ্যায়। নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মা অসুস্থ জানতে পেরেই তাঁকে দেখতে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে যান মুখ্যমন্ত্রী। নির্মলাদেবীর অবস্থা সঙ্কটজনক বলে জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এদিন এক্সবার্তায় নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মায়ের অসুস্থতার খবর জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি লেখেন, প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ অধ্যাপিকা নির্মলা বন্দ্যোপাধ্যায় তথা নোবেলজয়ী অধ্যাপক অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মায়ের অবস্থা আশঙ্কাজনক জেনে আমি দুঃখিত। আমি এখন তাঁকে হাসপাতালে দেখতে যাচ্ছি। আসুন আমরা তার জন্য প্রার্থনা করি।জানা গিয়েছে, সন্ধ্যার মুখে হাসপাতালে পৌঁছে রোগীর ঘরে চলে যান মুখ্যমন্ত্রী। কেমন আছেন নির্মলা বন্দ্যোপাধ্যায় সেবিষয়ে খোঁজখবর নেন তিনি। সূত্রের খবর, হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে রাজভবনে চলে যান মুখ্যমন্ত্রী।

নভেম্বর ০৩, ২০২৩
দেশ

ধূপগুড়িতে জয় তৃণমূলের, উচ্ছ্বসিত মমতা গেলেন জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে

জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে দিল্লি যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিতে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী ধূপগুড়ি উপ নির্বাচনে তৃণমূলের জয় প্রসঙ্গে বলেন, আমি ধুপগুড়ির মানুষকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। চা বাগান থেকে রাজবংশী সবাই যেভাবে তৃণমূলকে সমর্থন করেছেন। বিজেপির একটা শক্ত ঘাঁটি। বিজেপির মন্ত্রীরা সবাই ওখানে পড়েছিলেন। উত্তরবঙ্গের বড় জয়। সারা ভারতে নির্বাচন হয়েছে। সেখানে চারটিতে বিরোধী ইন্ডিয়া জোট জয়লাভ করেছে। উত্তর প্রদেশের মত জায়গাতে বিজেপি হেরেছে। ত্রিপুরায় দুটো আসনে জিতেছে বিজেপি। সেখানে কাউকে লড়তেই দেয়নি। ৯০ শতাংশ ভোটে জয়লাভ করেছে। ইন্ডিয়া জোটের বড় জয় এটা।ধূপগুড়ির তৃণমূল প্রার্থী নির্মলচন্দ্র রায়ের প্রাপ্ত ভোট- ৯৬,৯৬১। বিজেপির তাপসী রায় পেয়েছেন ৯২,৬৪৮। বাং-কংগ্রেসের জোট প্রার্থী পেয়েছেন১৩,৬৬৬ ভোট। তৃণমূল প্রার্থী ভোট জিতেছেন ৪,৩১৩টি ভোটে। শতাংশের বিচারে তৃণমূল পেয়েছে ৪৬ শতাংশের সামান্য বেশি ভোট।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৩
রাজ্য

এক ধাক্কায় কত বেতন বাড়ল বাংলার মন্ত্রী-বিধায়কদের বেতন?

শহিদ মিনারের নীচে এখন অবস্থানে বসে আছে ডিএ আন্দোলনকারীরা। মামলা গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। এদিকে বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং বিধায়কদের বেতন বৃদ্ধি করার কথা ঘোষণা করেন। এই ঘোষণায় এক ধাক্কায় অনেকটাই বাড়ল বিধায়ক মন্ত্রীদের বেতন। বাংলা দিবস নিয়ে বিধানসভায় আলোচনার শেষে এই বেতন বৃদ্ধির ঘোষণা করেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী।রাজ্য সরকারী কর্মীদের ডিএ বৃদ্ধি নিয়ে দীর্ঘদিন আন্দোলন চলছে। টানা শহিদ মিনারে বসে রয়েছেন সরকারী কর্মীরা। নতুন নিয়োগ বা উন্নয়ন প্রকল্পও থমকাচ্ছে অর্থের অভাবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, আমাদের রাজ্যের বিধায়কদের বেতন দেশের মধ্যে সবচেয়ে কম। চলাফেরা, দুটো খাওয়া, সবই ওই টাকায় করতে হয়। সেটা পর্যবেক্ষণ করেই আমাদের সরকার তাই বিধায়কদের বেতন বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।কত বাড়ছে বেতন?মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা মোতাবেক- বিধায়ক, রাজ্যের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, বিধায়কদের বেতন একধাক্কায় ৪০ হাজার টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে।এতদিন বিধায়কদের বেতন ছিল প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা করে। তা বেড়ে হল ৫০ হাজার টাকা।রাজ্যের প্রতিমন্ত্রীরা এত দিন মাসে ১০ হাজার ৯০০ টাকা করে বেতন পেতেন। এখন তা বেড়ে হল ৫০ হাজার ৯০০ টাকা।পূর্ণমন্ত্রীদের বেতন ছিল ১১ হাজার টাকা। তাঁরা বেতন বাবদ এবার থেকে পাবেন ৫১ হাজার টাকা করে।বিভিন্ন ভাতা মিলিয়ে পূর্ণমন্ত্রীরা মন্ত্রীরা এখন থেকে প্রতি মাসে পাবেন দেড় লক্ষ টাকার বেশি। প্রতিমন্ত্রীরা পাবেন প্রায় ১ লক্ষ ৪৯ হাজার ৯০০ টাকা। বিধায়করা পেতে চলছেন মাসিক ১ লাখ ২১ হাজার টাকা বেতন। মুখ্যমন্ত্রী নিজে বেতন নেন না বলে জানিয়েছেন।মন্ত্রী, বিধায়কদের বেতন বৃদ্ধি নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, আমরা মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণাকে সমর্থন করছি না। আমরা চাই আশাকর্মী, ভিলেজ পুলিশ, সিভিক পুলিশ, চুক্তিভিত্তিক সব শিক্ষক, ভোকেশনাল টিচাররা সম কাজে সম বেতন পাক। আর আমরা যখন হাউজে ছিলাম না তখন উনি একতরফাভাবে মন্ত্রী, বিধায়কদের বেতন বৃদ্ধির ঘোষণা করেছেন।সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, কর্মীরা ডিএ বাড়াতে বললেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন টাকা নেই। কর্মীও বহু জায়গায় নিয়োগ হচ্ছে না। অথচ মন্ত্রী, বিধায়কদের বেতন বাড়ালেন উনি। এটাকেই বলে তেলা মাথায় তেল দেওয়া। বাংলার মানুষকে পুরোটায় নজর রাখতে অনুরোধ করছি। আদালতেও এটা আমরা জানাবো। আমরা আন্দোলন আরও জোরদার করবো।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৩
কলকাতা

র‍্যাগিংয়ে মৃত ছাত্রের মায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ মমতার, একগুচ্ছ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

ছেলের অকাল মৃত্যুর শোক এখনও কাটেনি। দোষীদের সাজার দাবিতে সোচ্চার ছাত্রের বাবা মা। এরইমধ্যেই সোমবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ব়্যাগিংয়ে নিহত পড়ুয়ার মা, বাবা নবান্নে দেখা করলেন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে। কথা বলতে বলতে এদিন কান্নায় ভেঙে পড়েন মৃতের মা। শান্তনা দেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। এরই মাঝে মৃতের মাকে তাঁর বাড়ির কাছে চাকরি এবং ভাইয়ের পড়াশোনার দায়িত্ব নেওয়ার আশ্বাস দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রীর তরফে মৃত ছাত্রের পরিবারকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে, নিহতের স্মৃতিতে বগুলা গ্রামীণ হাসপাতালের নামকরণ করা হবে। ওই হাসপাতালেই বসানো হবে তার মূর্তি।গত ৯ আগস্ট রাতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেন হস্টেলের বারান্দা থেকে পড়ে দিয়ে স্নাতকস্তরের প্রথম বর্ষের ছাত্রের মৃত্যু হয়। যা ঘিরে শোরগোল পড়ে য়ায়। ব়্যাগিংয়েই মৃত্যু হয়েছে ওই নাবালক পড়ুয়ার। এই ঘটনায় পুলিশ তদন্তে নেমে বর্তমান ও প্রাক্তনী মিলিয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়েরই ১৩ জনকে গ্রেফতার করে। অভিযুক্তদের জেরায় এখনও পর্যন্ত পুলিশের অনুমান, ব়্যায়গিংয়ের জেরেই ওই পড়ুয়ার মৃত্যু হয়েছে।ইউজিসি গাইডলাইন মেনে কেন যাদবপুরে সিসি ক্যামেরা নেই তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। আতসকাচে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভমিকাও। স্টুডেন্টস অফ ডিন ও রেজিস্ট্রারকে ইতিমধ্যেই জিজ্ঞাসাবাদ করেছে লালবাজার।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২৩
রাজ্য

বাড়ল দুর্গা পুজোর আর্থিক সহযোগিতা, বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

১০ দিয়ে শুরু, ২৫, ৫০ থেকে ৬০ ছুঁয়ে এবছর ৭০ হাজার। ২০২২ এর দুর্গাপুজোর সরকারি অনুদান ছিল ৬০ হাজার টাকা। সেই পড়িমান বেড়ে ক্লাব পিছু ৭০ হাজার টাকা করল রাজ্য সরকার। আজ নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে দুর্গা পুজো নিয়ে একাধিক ছাড়ের কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আরও জানান যে, সরকারি বিভিন্ন দফতরের বিজ্ঞাপনও পুজো কমিটিগুলিকে দেওয়া হবে। বিজ্ঞাপন বাবদও কিছু টাকা ক্লাবগুলি পাবে।২০২৩ র এই বছর দুর্গাপুজোর বিসর্জন করারও দিন ধার্য করে দেন মুখ্যমন্ত্রী। পুজো কমিটিগুলিকে ২৬ অক্টোবরের মধ্যে প্রতিমা নিরঞ্জন শেষ করে ফেলতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী সেরা পুজোগুলিকে নিয়ে পূজা কার্নিভ্যাল রেড রোডে অনুষ্টিত হবে লক্ষ্মীপুজোর আগের দিন, অর্থাৎ ২৭ অক্টোবর।মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষনার সাথে সাথেই যেনো পুজো কমিটিগুলিতে বেজে উঠলো বাজলো তোমার আলোর বেণু...। তিনি এই অনুদানের ঘোষনার সাথে সাথেই সকলকে অনুরোধ করেন, সকলেই যেন সব সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রেখে, নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে শারদীয় উৎসব পালন করেন।আজ মঙ্গলবার, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে রাজ্যের পুলিশ, প্রশাসন ও বাংলার পুজো কমিটিগুলো নিয়ে বৈঠকে বসেন। সারা রাজ্যের সমস্ত সরকারি অফিসে এই বৈঠক সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। সেখানেও স্থানীয় জেলাশাসক সহ এলাকার সাংসদ, মহকুমাশাসক, বিধায়ক সহ বিশিষ্ট সরকারি আধিকারিক ও জনপ্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন দফতরকে সতর্কতামূলক বিষয়ে নানা পরামর্শ প্রদান করে বলেন, স্কুল ছাত্রদের স্বেচ্ছাসেবক হিসাবে যেন পুলিশের সঙ্গে ব্যবহার করা হয়। প্রত্যেক পূজা মণ্ডপের প্রবেশ ও বাহিরের পথ যেন আলাদা হয়। প্রাথমিক অগ্নি নির্বাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থাও মণ্ডপে রাখতে হবে। এছাড়াও প্রতিমা নিরঞ্জনের জায়গায় জলাশয়ের পাশে যেন আলো ও ব্যারিকেডের ব্যবস্থা করা হয়। যে সমস্ত জায়গায় দর্শক সমাগম বেশি হয় সেখানে জরুরি পরিস্থিতিতে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য চিকিৎসক, নার্স, অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা রাখতে হবে। সরকারি জরুরি বিভাগগুলির হেল্পলাইন নম্বরগুলো যেন পুজোর সময় কার্যকারি থাকে। পুজো কমিটিগুলিকে তাঁদের ভিড় নিয়ন্ত্রনের জন্য প্রতিনিয়ত মাইকে ঘোষণা করতে হবে। সরকার প্রদত্ত জনকল্যাণমূলক হোর্ডিং সকলের দৃষ্টির সামনে লাগাতে হবে। এছাড়াও সরকারের বিভিন্ন দফতর বিজ্ঞাপন হিসাবে যে হোর্ডিং দেবে সেগুলিও সঠিক জায়গায় লাগাতে হবে। বাংলার আড়ম্বরপুর্ণ দুর্গাপুজো যে বহু মানুষের এক বিরাট রোজগারের দিশা সেই কথাও তিনি স্মরণ করিয়ে দেন। মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই পুজোকে কেন্দ্র করে বঙ্গে ৬০ হাজার কোটি টাকার বাজার তৈরি হয়। তিনি প্রত্যেক পুজো কমিটিগুলির উদ্দশ্যে বলেন, রাজ্যের বিভিন্ন লোকশিল্পের সঙ্গে যুক্ত মানুষদের তাঁরা যেন তাঁদের পুজোয় জায়গা করে দেন। তাঁদেরও যাতে পুজোর সময় কিছু বাড়তি রোজগার হয় সেটাও আমাদের দেখতে হবে।মুখ্যমন্ত্রী জানান, পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৪০ হাজার বারোয়ারিতে দুর্গা পুজো হয়। শহর কলকাতার তিন হাজার বাদ দিলে বাকি ৩৭০০০ পূজা হয় জেলায়। তিনি বিভিন্ন আবাসনের পুজোরও ভুয়াসী প্রশংসা করেন। তিনি পরিবহণ দপ্তর ও রাজ্য পুলিশকে পুজোর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নিতে বলেছেন।২০১৮ তে প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রী দুর্গাপুজোয় সরকারের তরফ পুজো কমিটিগুলির পাশে দাড়ানোর জন্য ১০হাজার টাকা অনুদান দেন। বছর গড়াতে গড়াতে সেই অনুদান ৭০ হাজারে পৌঁছে গেল। উল্লেখ্য ২০২২ এ পুজো কমিটি পিছু ৬০ হাজার অনুদান ছিল। গতবছর ২০২২ এ সারা রাজ্যে মোট ৪২ হাজার ২৮টি পুজো কমিটিকে ৬০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়েছিল রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে। এ ছাড়াও এবছরে বিদ্যুতের বিলে ছাড়ের পরিমানও বাড়িয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, গতবছর বিদ্যুতের বিলে ছাড় ছিল ২/৩ এবছরে তে বেড়ে হল ১/৪। তিনি এবিষয়ে সিইএসসি এবং রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন পর্ষদকে নির্দেশ দিয়ে দেন এই বৈঠকে।তিনি জানান, ২০২২ থেকেই অগ্নিনির্বাপক সংস্থার অনুমতি বাবদ কোনও টাকা দিতে হয় না। এবছরেও কোনও টাকা দিয়ে হবে না সেই সংক্রান্ত বিষয়ে। তাছাড়া তিনি রাজ্যের বিভিন্ন জায়গার মহিলা পরিচালিত পুজোগুলির প্রতি বিশেষ নজর দেওয়ার নির্দেশ দেন সংশ্লিষ্ট দফতর গুলিকে।

আগস্ট ২২, ২০২৩
রাজ্য

ইমাম, মোয়াজ্জেমদের জন্য বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, ভাতা বাড়ল পুরোহিতদেরও

নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ইমাম-মোয়াজ্জেমদের সভায় ভাতা বাড়ানোর কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ইমাম ও মোয়াজ্জেমদের ভাতা ৫০০ টাকা করে বাড়ানো হচ্ছে। তার ফলে ইমামদের ভাতা বেড়ে হল ৩,০০০ টাকা। মোয়াজ্জেমদের ভাতা বেড়ে হল ১,৫০০ টাকা। তাঁরা কোনওকিছু করতে চাইলে ঋণও পেতে পারেন। ইমাম ও মোয়াজ্জেমদের সঙ্গেই সভায় পুরোহিতদের ভাতাও ৫০০ টাকা করে বাড়ানোর কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তার ফলে পুরোহিতদের ভাতা বেড়ে হল ১,৫০০ টাকা। তিনি বলেন, রাজ্যে তিনটি অর্থনৈতিক করিডর হচ্ছে। তাই রাজ্য ছেড়ে বাইরে যাওয়ার কথা কাউকে ভাবতে হবে না। এদিকে মুখ্যমন্ত্রীর ভাতা বাড়ানোর ঘোষণায় খুশি নন ইমাম-মোয়াজ্জেমরা। এই ব্যাপারে রাজ্য ইমামস অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মহম্মদ ইয়াহিয়া বলেন, আমরা চাই ইমামদের ভাতা ২,৫০০ টাকা আর মোয়াজ্জেমদের ১,০০০ টাকা বাড়ানো হোক। দরকার হলে আগামী মাসে ফের ইমাম-মোয়াজ্জেমদের নিয়ে সভা ডাকুন। এটাই আমাদের অনুরোধ।

আগস্ট ২১, ২০২৩
কলকাতা

যাদবপুরে ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় সরাসরি সিপিএমের ছাত্র ইউনিয়নকে নিশানা মমতার

যাদবপুরের ছাত্রমৃত্যু ইস্যুতে সিপিএমকে নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার নেতাজি ইন্ডোরে ইমাম-মোয়াজ্জেমদের সভায় যাদবপুরের সিপিএম অনুমোদিত ইউনিয়নকে আক্রমণ করেন। সমালোচনা করেন সিপিএম এবং তাদের ছাত্র সংগঠনের রাজনীতির। সম্প্রতি যাদবপুরে এক ছাত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যু নিয়ে রাজ্য তোলপাড়। যাদবপুর ইস্যুতে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ। বিভিন্ন সংগঠন ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে। ঘটছে হাতাহাতি, সংঘর্ষের ঘটনা।সোমবার নেতাজি ইন্ডোরের সভায় যাদবপুরের ছাত্রমৃত্যুর ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যাদবপুর নিয়ে আগে আমরা গর্ববোধ করতাম। যাদবপুরে কীভাবে একটা ছাত্রকে সিপিএমের ইউনিয়ন মেরে ফেলল। এরা জীবনে বদলাবে না। এত রক্ত নিয়েও এরা বদলায়নি। বছরের পর বছর রক্ত নিয়ে খেলেও এদের শান্তি নেই।সভায় সিপিএমের পাশাপাশি বিজেপিকেও একহাত নেন। ডাক দেন, বিজেপি হঠাও ইন্ডিয়া বাঁচাও। কংগ্রেস বা সিপিএম তাঁকে যতই বিজেপিপন্থী বলুক না-কেন, গেরুয়া শিবিরকে তোপ দেগে সোমবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বাংলাকে ভাতে মারতে চায় মোদী সরকার। একদলের সরকারের নীতি চলবে না। আমরা সকলের উন্নতির পক্ষে। মোদী সরকার আর ৬ মাস থাকবে। আর একটু ৬ মাস কষ্ট করতে হবে আপনাদের, তারপর সব ম্যানেজ করে নেব।২৬টি বিরোধী রাজনৈতিক দলের ইন্ডিয়া জোটে রয়েছে জোটে তৃণমূল, সিপিএম, কংগ্রেসও। কিন্তু, তারপরও জোটসঙ্গী বামফ্রন্ট এবং কংগ্রেসকে সোমবারের বক্তব্যে রেয়াত করেননি তৃণমূল সুপ্রিমো। বিজেপির সঙ্গে তিনি এই দুই সর্বভারতীয় জোটসঙ্গী দলকেও এক আসনে নিশানায় রেখে বুঝিয়ে দেন, জোট শুধু সর্বভারতীয় রাজনীতিতে। রাজ্যে তৃণমূল আছে তাদের একলা চলো নীতিতেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, একসঙ্গে বোর্ড গঠন করছে বাম-কংগ্রেস-বিজেপি। হিংসা লাগানোর জন্য টাকা দেওয়া হচ্ছে। বাংলায় সিপিএম-কংগ্রেসকে আমাদের বিরুদ্ধে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে বিজেপি।

আগস্ট ২১, ২০২৩
কলকাতা

র‍্যাগিং কাণ্ড নিয়ে তোলপাড় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, মমতা বড় দায়িত্ব দিলেন টিএমসিপি নেত্রী রাজন্যাকে

দুদিন আগেই যাদবপুরে মিছিল করতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছিলেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেত্রী রাজন্যা হালদার। আহত রাজন্যকে ভর্তি করা হয়েছিল কেপিসি হাসপাতালে। এর আগে ২১ জুলাই ধর্মতলায় তৃণমূল কংগ্রেসের শহিদ দিবসের মঞ্চে বক্তব্য রেখে সবার নজর কেড়েছেন তিনি। এবার রাজন্যা হালদারকে বড় দায়িত্ব দিল তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। তাঁকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃণমূল ছাত্র পরিষদ ইউনিটের সভানেত্রী করা হল। চেয়ারম্যান করা হয়েছে সঞ্জীব প্রামানিককে আপাতত দুজনের এই কমিটি যাদবপুরে দলের ছাত্র সংগঠন দেখবে। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে। দুই মন্ত্রী অরূপ ও বিশ্বাস ফিরহাদ হাকিমকে নিয়ে গতকালই বৈঠক করেন দলনেত্রী। সেই সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হয়েছে নেতৃত্বকে। দুজনের এই কমিটি যাদবপুর নিয়ে সরাসরি রিপোর্ট করবে দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে।

আগস্ট ১৮, ২০২৩
রাজ্য

রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে ‘দালাল’, সম্বোধন করে নিশানা মমতার

ফের নবান্ন রাজভবন সংঘাত চরমে। একদিকে বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত বিষয়ে রাজযপালের একের পর এক সিদ্ধান্ত। অন্যদিকে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা-মন্ত্রীদের লাগাতার আক্রমণ। আজ, বুধবার ঝাড়গ্রাম থেকে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে বেনজির আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যা। দালাল বলতেও ছাড়লেন না সিভি আনন্দ বোসকে।বুধবার ঝাড়গ্রামে বিশ্ব আদিবাসী দিবস উদ্যাপন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছলেন মুখ্যমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় সরকারের কড়া সমালোচনা করতে থাকেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রের বকেয়া অর্থ না পাওয়া, ১০০ দিনের কাজ প্রকল্পে বাংলাকে টাকা না দেওয়া, আবাস যোজনা নিয়ে এদিন আগাগোড়া মোদী সরকারকে তোপ দাগতে থাকেন তিনি। পাশাপাশি রাজ্যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে রাজ্যপালকে নিশানা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ঝাড়গ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে কোনও উপাচার্য নেই। নেই রেজিস্ট্রারও। কৃতী পড়ুয়ারা সার্টিফিকেট পাচ্ছেন না। এ জন্য আচার্য তথা রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে দায়ী করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, আমি জানি ঝাড়গ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় যেটা তরি হয়েছে আমাদের গভর্নর মহাশয়, তিনি এখন কালো চশমা পড়ে- সেটা অবশ্য তিনি পড়তেই পারেন একটার জায়গায় দশটা, জ্ঞান দিয়ে বেরাচ্ছেন। আমরা পাঠালেও করেনা। নিজের ইচ্ছামত কেরালা থেকে লোক এনে ঢুকি দিচ্ছে (উপাচার্য)। কেরালার অনেক বন্ধু আমার এখানে থাকে, তাতে আমার কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু মনে রাখতে হবে ভিসি হতে গেলে ১০ বছর তাঁর প্রফেসর হিসাবে অভিজ্ঞতা থাকা উচিত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে একজনকে ভিসি করেছেন যিনি কেরালায় আইপিএস ছিলেন, যাঁর এডুকেশনের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ নেই। এখানে ঝাড়গ্রাম ইউনিভার্সিটি করে দিয়েছি। কিন্ত না আছে কোনও উপাচার্য, না আছে কোনও রেজিস্ট্রার। তার কারণ পাঠালেই উনি উনি ওনার মত বিজেপির একটা লোককে বসিয়ে দেবেন। এরপরই মুখ্যসচিবকে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ যে, ঝাড়গ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নির্বাচনের জন্য উচ্চ শিক্ষা দফতর থেকে যেন অবিলম্বে তিনটি সুপারিশ করে দেওয়া হয়।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, আমি সব করে দিচ্ছি, আর উনি (রাজ্যপাল) দালালি করে সব আটকে দিচ্ছেন। আমরা এটা মানবো না। স্ট্রেট মানবো না।এদিন রাজ্যপাল আনন্দ বোসকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যদি আপনার সৎ সাহস থাকে যেটা বিধানসভায় পাস হয়েছে যে মুখ্যমন্ত্রী সব রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হবে তবে সেটা পাস করিয়ে দিন।

আগস্ট ০৯, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • ...
  • 37
  • 38
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

উপসাগর সংকটে তেল সরবরাহ বন্ধ? ভারতের পাশে দাঁড়াতে প্রস্তুত রাশিয়া!

উপসাগরীয় অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান সংঘাতের জেরে বিশ্বজুড়ে তেলের সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাশিয়া ভারতের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে। একটি রুশ সূত্রের দাবি, উপসাগরীয় সংকটের কারণে যদি বিশ্ববাজারে তেলের প্রবাহ ব্যাহত হয়, তবে রাশিয়া ভারতকে জ্বালানি সরবরাহে সহায়তা করতে প্রস্তুত।পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা বাড়ার ফলে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশ্বের বড় অংশের অপরিশোধিত তেল ও গ্যাস এই পথ দিয়েই পরিবাহিত হয়। সাম্প্রতিক হামলা ও পাল্টা হুমকির জেরে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে বলে জানা গিয়েছে। বিমা সংস্থাগুলিও কিছু ক্ষেত্রে কভার প্রত্যাহার করায় ট্যাঙ্কার চলাচল প্রভাবিত হচ্ছে।এদিকে ভারত সরকার জানিয়েছে, দেশের কাছে আপাতত পর্যাপ্ত তেল ও জ্বালানির মজুত রয়েছে। সরকারি সূত্রের বক্তব্য, পেট্রল, ডিজেল-সহ প্রয়োজনীয় জ্বালানির চাহিদা মেটাতে ছয় থেকে আট সপ্তাহের মতো মজুত রয়েছে। মোট হিসাবে প্রায় পঞ্চাশ দিনের জ্বালানি মজুত আছে বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে প্রায় পঁচিশ দিনের অপরিশোধিত তেল এবং আরও পঁচিশ দিনের পরিশোধিত পেট্রোলিয়াম পণ্য রয়েছে।ভারতের প্রায় অর্ধেক অপরিশোধিত তেল ও তরল গ্যাস আমদানি হরমুজ প্রণালী হয়ে আসে। ফলে ওই অঞ্চলে অশান্তি দীর্ঘস্থায়ী হলে প্রভাব পড়তে পারে। তবে সরকার বিকল্প দেশ থেকে তেল, তরল গ্যাস ও প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানির পথও খতিয়ে দেখছে। পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি জানিয়েছেন, স্বল্পমেয়াদি কোনও সরবরাহ ব্যাঘাত সামলাতে ভারত প্রস্তুত।বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অপরিশোধিত তেল আমদানিকারক দেশ ভারত। একই সঙ্গে পরিশোধন ক্ষমতায় চতুর্থ এবং পেট্রোলিয়াম পণ্য রফতানিতে পঞ্চম স্থানে রয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ভারত তেল কেনার উৎস বাড়িয়েছে, যাতে একক অঞ্চলের উপর নির্ভরশীলতা কমে।পরিস্থিতি নজরে রাখতে কেন্দ্রীয় সরকার চব্বিশ ঘণ্টার নিয়ন্ত্রণকক্ষও চালু করেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে জ্বালানির মজুত ও সরবরাহ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সরকার বর্তমান পরিস্থিতিকে যথেষ্ট স্বস্তিদায়ক বলেই বর্ণনা করেছে।এই আবহে রাশিয়ার প্রস্তাব বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। প্রয়োজনে রাশিয়া থেকে অতিরিক্ত অপরিশোধিত তেল আমদানি করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর। যদিও আগে আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যিক সমঝোতার ভিত্তিতে রুশ তেল কেনা ধীরে ধীরে কমানোর কথা হয়েছিল, বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই অবস্থান অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, সরবরাহে তৎক্ষণাৎ ঘাটতির সম্ভাবনা কম হলেও বড় প্রভাব পড়তে পারে দামের উপর। আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি আশি ডলারের উপরে উঠে গিয়েছে, যা ইরান সংকটের পর প্রায় দশ শতাংশ বৃদ্ধি। এতে ভারতের আমদানি ব্যয় ও মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা বাড়ছে। গত অর্থবর্ষে অপরিশোধিত তেল আমদানিতে বিপুল অর্থ ব্যয় করেছে ভারত।এদিকে বেসামরিক বিমান চলাচল ক্ষেত্রেও সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলিকে আগামী সাত দিনের জ্বালানি মজুত ও প্রয়োজনের হিসাব দিতে বলা হয়েছে। বর্তমানে দেশে তেত্রিশটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রয়েছে। পরিস্থিতি অস্থির থাকায় আগাম প্রস্তুতি হিসেবেই এই পদক্ষেপ বলে জানা গিয়েছে।বিশ্বের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ সমুদ্রপথে পরিবাহিত অপরিশোধিত তেল এবং প্রায় কুড়ি শতাংশ তরল প্রাকৃতিক গ্যাস হরমুজ প্রণালী দিয়ে যায়। সেখানে দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা তৈরি হলে তার প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতে পড়তে পারে। তবে আপাতত ভারত পরিস্থিতির উপর নজর রেখে বিকল্প পরিকল্পনা প্রস্তুত রেখেই এগোচ্ছে।

মার্চ ০৪, ২০২৬
বিদেশ

ভারতকে সুবিধা করে দিতেই ইজরায়েল হামলা চালায় ইরানের ওপর! আজব দাবি পাকিস্তানের

ইরানের উপর আমেরিকা ও ইজরায়েলের হামলার জেরে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে পাকিস্তানে। ইরানের সঙ্গে প্রায় নয়শো কিলোমিটারেরও বেশি সীমান্ত রয়েছে পাকিস্তানের। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে বলেন, ইরানে চলা সশস্ত্র সংঘর্ষের নেপথ্যে রয়েছে জায়নিস্ট চক্রান্ত। তাঁর দাবি, এই যুদ্ধের লক্ষ্য পাকিস্তানকে শেষ পর্যন্ত একটি দাস রাষ্ট্রে পরিণত করা।সামাজিক মাধ্যমে এক বার্তায় তিনি বলেন, উনিশশো আটচল্লিশ সালে ইজরায়েল রাষ্ট্র গঠনের পর থেকে মুসলিম বিশ্বে যত বড় সংঘাত হয়েছে, তার পিছনে সরাসরি বা পরোক্ষে জায়নিস্ট মতাদর্শের ভূমিকা রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, জায়নিস্ট শক্তিই দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের অর্থনীতির দিশা ঠিক করছে এবং বড় শক্তিগুলিকেও প্রভাবিত করছে।ইরান, ইজরায়েল ও আমেরিকার চলতি সংঘর্ষ প্রসঙ্গে আসিফের দাবি, তেহরান আলোচনায় রাজি থাকা সত্ত্বেও তাদের উপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, এই যুদ্ধ পরিকল্পিতভাবে শুরু করা হয়েছে, যাতে ইজরায়েলের প্রভাব পাকিস্তানের সীমান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও সতর্ক করে বলেন, যদি ইজরায়েল এই যুদ্ধে জয়ী হয়, তা হলে ভারত, আফগানিস্তান ও ইরান একযোগে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে পারে। এতে দেশের সীমান্ত চারদিক থেকে শত্রু দ্বারা ঘেরা হয়ে পড়বে এবং পাকিস্তান কার্যত দাস রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে বলে দাবি তাঁর।তিনি পাকিস্তানের প্রায় পঁচিশ কোটি নাগরিককে রাজনৈতিক বা ধর্মীয় বিভেদ ভুলে এই চক্রান্ত বোঝার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে মুসলিম প্রধান দেশগুলিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক দেন তিনি। পাকিস্তান যে একটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশ, তা স্মরণ করিয়ে দিয়ে আসিফ বলেন, দেশের সশস্ত্র বাহিনীর ক্ষমতা বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। তিনি উনিশশো আটানব্বই সালে পারমাণবিক পরীক্ষার প্রসঙ্গ টেনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের ভূমিকাও উল্লেখ করেন।এই মন্তব্য এমন সময়ে এল, যখন আমেরিকা ও ইজরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘর্ষ তীব্র আকার নিয়েছে। হামলায় ইরানের সামরিক ও ধর্মীয় নেতৃত্বের বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর জেরে গোটা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ইরান একাধিক দেশে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলেও খবর।রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই নিজেদের চারদিক থেকে ঘেরা অবস্থায় দেখানোর চেষ্টা করে। কখনও বালোচ বিদ্রোহীদের সঙ্গে ভারতের যোগের অভিযোগ, কখনও আফগান তালিবানকে ভারতের মদতপুষ্ট বলা এই অবস্থান নতুন নয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে খোয়াজা আসিফের মন্তব্য সেই পুরনো অবস্থানকেই আরও জোরালো করল বলে মত পর্যবেক্ষকদের।

মার্চ ০৪, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে মাস্টারস্ট্রোক! বুথে নজরদারিতে নজিরবিহীন কড়াকড়ি

নির্বাচনকে ঘিরে এবার কার্যত কড়া ব্যবস্থা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। প্রতিটি বুথে সিসিটিভি ওয়েবকাস্টিং-এর ব্যবস্থা থাকলেও এবার বুথের ভিতরে ও বাইরে আলাদা করে ক্যামেরা বসানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতী জেলা শাসক ও কমিশন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেন। কমিশনের ব্যাখ্যা, এবার বুথের ভিতরে বা বাইরে গন্ডগোল হলে তা সরাসরি ক্যামেরায় ধরা পড়বে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ জোরপূর্বক বুথে ঢোকার চেষ্টা করলে সেখানেও পদক্ষেপ নেওয়া হবে।এছাড়া বুথের বাইরে পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবেন মাইক্রোঅবজারভাররা। বৈঠকে কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় বাহিনী যেন কোনও ধরনের আতিথেয়তা গ্রহণ না করে। ঝাড়গ্রাম ও ওড়িশা থেকে একশো জন করে মোট দুশো জন জুডিশিয়াল অফিসার আগামী ৬ মার্চ ভোট পর্যবেক্ষণে থাকবেন। যেখানে বিবেচনাধীন কেস বেশি, সেখানে আরও বেশি অফিসার দায়িত্ব পালন করবেন।কমিশন সূত্রে খবর, কিছু বুথে এখনও জল বা বিদ্যুৎ সমস্যা রয়েছে। সবকিছু ঠিক আছে কিনা খতিয়ে দেখতে হবে এবং রিপোর্ট জমা দিতে হবে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই প্রাক-প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে কমিশন কোমর বেঁধে নেমেছে।

মার্চ ০৪, ২০২৬
রাজ্য

মধ্যমগ্রাম স্টেশনের পাশে ভয়াবহ আগুন! একের পর এক সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, দাউ দাউ করে জ্বলছে দোকান

উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রাম স্টেশনের পাশে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। দাউ দাউ করে জ্বলছে একাধিক দোকান। আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি যে দূর থেকে দেখা যাচ্ছে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে দমকলের বেশ কয়েকটি ইঞ্জিন। তবে ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে দমকলকর্মীদের।প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, একটি কাঠগোলায় প্রথম আগুন লাগে। সেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পাশের দোকানগুলিতে। স্টেশনের সংলগ্ন এলাকায় বহু খাবারের দোকান রয়েছে। সেখানে মজুত ছিল গ্যাস সিলিন্ডার। আগুন ছড়িয়ে পড়তেই একের পর এক সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ভয়ংকর আকার নেয় এবং কাঠগোলা সংলগ্ন বহু দোকানে লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল বাহিনী। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নেভানোর কাজ শুরু হয়েছে। তবে শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি আগুন। আগুনের জেরে এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা নিরাপদ দূরত্বে সরে গিয়েছেন।স্টেশন লাগোয়া এলাকায় এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে রেল চলাচলেও প্রভাব পড়েছে। ট্রেন চলাচল সাময়িক ভাবে ব্যাহত হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দমকলের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে না এলে কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত ভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।এই অগ্নিকাণ্ডে বহু দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রচুর টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও ক্ষতির সঠিক পরিমাণ এখনই জানা যায়নি। পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে প্রশাসন।

মার্চ ০৪, ২০২৬
রাজ্য

মোদির রাজ্যে স্কুল-আদালতে বোমাতঙ্ক! বাংলার যুবক গ্রেপ্তার, ফাঁস হতে পারে বড় চক্রান্ত

মোদির রাজ্য গুজরাট-এর একাধিক স্কুল ও আদালতে বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ইমেল পাঠানোর অভিযোগে বাংলার এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার আহমেদাবাদ-এর অপরাধদমন শাখা ও সাইবার অপরাধ দমন শাখার যৌথ অভিযানে তাকে ধরা হয়। জানা গিয়েছে, ট্রানজিট রিমান্ডে তাকে এ রাজ্যে আনা হচ্ছে। এখানে আনার পর আদালতে পেশ করা হবে।ধৃত যুবকের নাম সৌরভ বিশ্বাস। অভিযোগ, গুজরাটের একাধিক স্কুল ও আদালতে বোমাতঙ্ক ছড়াতে তিনিই হুমকি মেল পাঠিয়েছিলেন। গত ২৩ জানুয়ারি গুজরাটের অন্তত ১৭টি স্কুলে বোমা হামলার হুমকি দিয়ে ইমেল পাঠানো হয়। সেই ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়ায়। স্কুলগুলিতে নিরাপত্তা কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়। এরপর ফেব্রুয়ারিতে পরপর কয়েক দিন গুজরাটের বিভিন্ন আদালতেও একই ধরনের হুমকি মেল আসে।তদন্তে নামে আহমেদাবাদের অপরাধদমন শাখা ও সাইবার অপরাধ শাখা। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর মঙ্গলবার আহমেদাবাদ থেকেই গ্রেপ্তার করা হয় সৌরভকে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এই কাজের পেছনে তার উদ্দেশ্য কী ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, বিভিন্ন নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রযুক্তিগত ফাঁকফোকর খুঁজে তা কাজে লাগাতেই এই হুমকি মেল পাঠানো হয়ে থাকতে পারে।শুধু গুজরাট নয়, দিল্লি এবং সম্প্রতি এ রাজ্যের বিভিন্ন জেলা আদালত ও পোস্ট অফিসেও একইভাবে বোমাতঙ্ক ছড়িয়েছিল হুমকি মেল। পরে সেগুলি ভুয়ো বলে প্রমাণিত হয়। এখন প্রশ্ন উঠছে, সেই ঘটনাগুলির সঙ্গেও কি ধৃত যুবকের যোগ রয়েছে?তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, কেন বারবার স্কুল ও আদালতকেই নিশানা করা হচ্ছিল। এর পেছনে বড় কোনও চক্রান্ত আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সৌরভকে এ রাজ্যে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

মার্চ ০৪, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজ প্রণালী বন্ধ! মাঝসমুদ্রে আটকে ৩৮ ভারতীয় জাহাজ, হাজারো নাবিকের প্রাণ সংশয়, তেল-চাল বাণিজ্যে মহাধাক্কা

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে কার্যত বন্ধ হয়ে গিয়েছে হরমুজ প্রণালী। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে জাহাজ চলাচল প্রায় স্তব্ধ। ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বড় ধাক্কা লেগেছে। আমদানি-রফতানিতে গভীর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ভারতের উপরেও। বিশেষ করে চাল-সহ একাধিক শস্য রপ্তানিতে বড়সড় ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ১০ হাজার কোটি টাকারও বেশি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, হরমুজ প্রণালী ও সংলগ্ন এলাকায় অন্তত ৩৮টি ভারতীয় জাহাজ আটকে রয়েছে। সেই সব জাহাজে প্রায় ১১০০ নাবিক কর্মরত। তাঁদের ভবিষ্যৎ ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ইতিমধ্যেই মিসাইল হামলায় এক জাহাজে কর্মরত তিনজন ভারতীয়র মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন আরও এক ভারতীয় নাবিক।পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে কেন্দ্রীয় জাহাজ মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোওয়াল জরুরি বৈঠক করেছেন জাহাজ মন্ত্রকের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ডিজি শিপিং। গোটা পরিস্থিতির বিশদ রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর দফতরেও পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এদিকে শুধু বিদেশের জলপথ নয়, দেশের বন্দরগুলিতেও চাপ বাড়ছে। পণ্যবাহী জাহাজের ভিড়ে উপচে পড়ছে একাধিক বন্দর। জাহাজ মন্ত্রকের হিসেব অনুযায়ী, প্রায় হাজারের বেশি কনটেনারবাহী জাহাজ বিভিন্ন বন্দরে দাঁড়িয়ে রয়েছে। পণ্য খালাস ও রফতানিতে দেরি হওয়ায় ব্যবসায়ীদের উদ্বেগ বাড়ছে।ওমান ও ইরানের মধ্যবর্তী এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে বিশ্বে রপ্তানিকৃত তেল ও গ্যাসের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হয়। ভারতের ক্ষেত্রেও এই পথ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভারত প্রায় ৪০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল এবং ৫০ শতাংশের বেশি তরল প্রাকৃতিক গ্যাস এই পথ দিয়েই আমদানি করে। ফলে এই জলপথে অচলাবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হলে জ্বালানি সরবরাহ ও দামের উপর সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে।ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল শিপওনার্স অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, বহু ভারতীয় জাহাজ বর্তমানে সংঘাতপূর্ণ এলাকায় আটকে রয়েছে। এর জেরে বিপুল আর্থিক ক্ষতির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি যুদ্ধবিধ্বস্ত মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন জলসীমায় প্রায় ২৩ হাজার ভারতীয় নাবিক ও কর্মী আটকে রয়েছেন বলে খবর। তাঁদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন কেন্দ্র।পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভারত সরকারের তরফে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এই কন্ট্রোল রুম চালু থাকবে। নাগরিকদের জন্য টোল-ফ্রি নম্বরও প্রকাশ করা হয়েছে। পাশাপাশি বাহরাইন, ইরান, ইরাক, ইজরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসগুলিকেও সতর্ক রাখা হয়েছে।একই সঙ্গে দেশে কত পরিমাণ তেল মজুত রয়েছে, তা নজরে রাখতে নয়া দিল্লিতে ২৪ ঘণ্টার বিশেষ পর্যবেক্ষণ কক্ষ চালু হয়েছে। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে গোটা দেশ।

মার্চ ০৪, ২০২৬
বিদেশ

খামেনেইয়ের পর যেই হোক নেতা, তাকেই খতম! সরাসরি হত্যার হুমকি ইজরায়েলের

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হওয়ার পরেই নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল পশ্চিম এশিয়ায়। খামেনেইয়ের উত্তরসূরি যিনিই হোন না কেন, তাঁকে হত্যা করা হবেএই ভাষাতেই প্রকাশ্য হুমকি দিল ইজরায়েল।বুধবার ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইজরায়েল কাট্জ সমাজমাধ্যমে লেখেন, ইরান যাঁকেই সর্বোচ্চ নেতা করবে, তাঁকেই ইজরায়েল শেষ করে দেবে। তাঁর দাবি, ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা ইজরায়েল এবং আমেরিকার জন্য বিপজ্জনক হবেন। পাশাপাশি, তাঁর নেতৃত্বে ইরানের সাধারণ মানুষের উপর দমনপীড়ন চলবে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।কাট্জ জানান, প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং তিনি ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীকে প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন। প্রয়োজন হলে পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতাকে টার্গেট করে পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমেরিকার সহযোগিতায় ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ ভেঙে ফেলার অভিযান চালানো হবে।ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা হিসাবে খামেনেইয়ের দ্বিতীয় পুত্র মোজতবা খামেনেই-এর নাম জোরালো ভাবে শোনা যাচ্ছে। যদিও তেহরান সরকার এ বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেনি।গত শনিবার সকালে তেহরানে খামেনেইয়ের দপ্তরে হামলার ঘটনা ঘটে। সেই হামলায় খামেনেই-সহ অন্তত ৪০ জন উচ্চপদস্থ ইরানি আধিকারিক নিহত হন বলে খবর। নিহতদের মধ্যে তাঁর পরিবারের সদস্যরাও ছিলেন। এর পর ইরানের প্রেসিডেন্ট একটি অন্তর্বর্তী কাউন্সিল গঠন করেন এবং তাদের হাতে শাসনভার তুলে দেন। একই সঙ্গে নতুন সর্বোচ্চ নেতা বাছাইয়ের দায়িত্বও দেওয়া হয় সেই কাউন্সিলকে।এই পরিস্থিতিতেই মোজতবা খামেনেইকে পরবর্তী নেতা করা হতে পারে বলে জল্পনা ছড়ায়। আর সেই জল্পনার মাঝেই নতুন নেতাকে হত্যার প্রকাশ্য হুমকি দিয়ে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতিকে আরও বিস্ফোরক করে তুলল ইজরায়েল। ফলে ইরান-ইজরায়েল সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।

মার্চ ০৪, ২০২৬
দেশ

টাকার বড় পতন! ডলারের তুলনায় ৯২ ছুঁইছুঁই, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের সরাসরি প্রভাব

মধ্যপ্রাচ্যে বাড়তে থাকা সামরিক উত্তেজনার জেরে বুধবার বড় ধাক্কা খেল ভারতীয় মুদ্রা। মার্কিন ডলারের তুলনায় টাকার দর ৯২ টাকার গণ্ডি পেরিয়ে যায়। সকালে লেনদেনের সময় এক ডলারের দাম দাঁড়ায় ৯২ টাকা ১৭ পয়সা। আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা বাড়তেই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ঝুঁকি এড়ানোর প্রবণতা দেখা দিয়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে টাকার উপর।আমেরিকা, ইজরায়েল ও ইরানকে ঘিরে সংঘাত তীব্র হওয়ায় বিশ্ব জুড়ে আর্থিক বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে অপরিশোধিত তেলের দাম দ্রুত বাড়ছে। মধ্যপ্রাচ্য বিশ্ব জ্বালানি রপ্তানির একটি বড় অংশ জোগান দেয়। সেখানে সংঘাত বাড়ায় তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তার জেরেই তেলের বাজারে দামের উর্ধ্বগতি।ভারত তার মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় পঁচাশি শতাংশ আমদানি করে। ফলে তেলের দাম বাড়লে আমদানির খরচ বেড়ে যায়। এতে দেশের বাণিজ্য ঘাটতি বাড়ে এবং মূল্যবৃদ্ধির চাপ তৈরি হয়। এই সব কারণেই টাকার উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।একই সময়ে মার্কিন ডলার আরও শক্তিশালী হয়েছে। আন্তর্জাতিক অস্থিরতার সময়ে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ সম্পদ হিসেবে ডলারের দিকে ঝুঁকছেন। ফলে উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলি থেকে মূলধন বেরিয়ে গিয়ে ডলার ও মার্কিন সরকারি বন্ডে বিনিয়োগ বাড়ছে। এর ফলেও ভারতীয় টাকার দর দুর্বল হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি তেলের দাম দীর্ঘদিন উচ্চ স্তরে থাকে, তা হলে ভারতের চলতি হিসাব ঘাটতি আরও বাড়তে পারে এবং অর্থনৈতিক বৃদ্ধির গতি কমতে পারে। সেই পরিস্থিতিতে টাকার উপর চাপ আরও বাড়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে মুদ্রা বাজারে অস্থিরতা বজায় থাকতে পারে।

মার্চ ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal