• ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০৭ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

MInister

বিবিধ

'Burj Khalifa: দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর 'বুর্জ খলিফা' নিয়ে বিষ্ফোরক তণমূল সাংসদ

শ্রীভূমির বুর্জ খলিফা নিয়ে দুর্গাপুজোর শুরু থেকেই হইচই চলছে কলকাতা জুড়ে। রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর এই পুজোর আয়োজন নিয়ে সর্বত্র সমালোচনার ঝড় বইছে। মন্ডপে উপচে পড়ছে দর্শনার্থী। এবার সুজিত বসুর উদ্যোগ নিয়ে তোপ দাগলেন দলীয় সাংসদ কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায়।বিশ্বের বৃহত্তম ভবন দুবাইয়ের বুর্জ খলিফা। এবার লেজার লাইট সহযোগে এই বুর্জ খলিফার আদলে মন্ডপ গড়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছে দমকলমন্ত্রীর ক্লাব শ্রীভূমি। প্রতিবছর কোনও না কোনও বিশেষ আকর্ষণ থাকে শ্রীভূমির। এবার বুর্জ খলিফা দেখতে লোকে-লোকারন্য। কলকাতা যেন ওই পুজো দেখতে ভেঙে পড়েছে। যদিও বুর্জ খলিফার লেসার লাইট নিয়ে বিমানবন্দর কতৃপক্ষ আপত্তি তোলায় তা বন্ধ রাখতে হয়েছে। বৃহস্পতিবার সুজিত বসুর দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুললেন কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সুজিত এমনি খুব ভাল ছেলে। কিন্তু বিমানবন্দর এলাকা হওয়ায় আরও বেশি দায়িত্বশীল হওয়া উচিত ছিল। আইন অনুযায়ী লক্ষ্য রাখা হয়নি। কেন এত ক্রাউড ডাকব। ভিড় যাতে বেশি না হয় সেদিকে নজর রাখতে হতো। এমন একটা কাজ করা উচিত নয় যেখানে লক্ষ লক্ষ মানুষ হাজির হয়ে গেল।কোভিড পরিস্থিতি এর ফলে বিগড়ে যেতে পারে বলেও ওই তৃণমূল সাংসদ মনে করছেন। তিনি বলেন, সরকারের উদ্দেশ্যটা এর ফলে ব্যহত হচ্ছে। খোলামেলা জায়গা চাই। যাতে ভাইরাসটা বেরিয়ে যেতে পারে। তুমি বদ্ধ জায়গায় বিপুল লোক জড় করে দিলে। এটা কোভিড নিয়ন্ত্রণের বিরোধী হয়ে যাচ্ছে। যদিও এবিষয়ে সুজিত বসুর কোনও মন্তব্য মেলেনি।

অক্টোবর ১৪, ২০২১
রাজ্য

By-Election: রাজ্যের উপনির্বাচনের প্রচারে অসমের মুখ্যমন্ত্রী, ৭ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসহ একাধিক সাংসদ

বঙ্গ বিজেপিও চার বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে স্টার ক্যামপেইনারের তালিকা প্রকাশ করেছে। ২০ জনের এই তালিকায় বিশেষ উল্লেখের দাবি রাখে সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। রয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মা, ত্রিপুরার সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক। এছাড়া একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রয়েছেন তালিকায়, রয়েছেন সাংসদ, বিধায়ক ও সংগঠনের কর্তারা।ভবানীপুরের উপনির্বাচনের প্রচারে স্টার ক্যামপেইনার হিসাবে নাম ছিল লকেট চট্টোপাধ্যায়ের। কিন্তু সেই প্রচারে একদিনও ভবানীপুরে হাজির হননি লকেট। তা নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টিও হয়েছিল। কুণাল ঘোষের টুইট দেখে রাজনৈতিক মহলের মনে হয়েছিল তাহলে লকেটও কি তৃণমূলের দিকে পা বাড়িয়েছেন? যে ভাবে বিজেপি থেকে তৃণমূলের দিকে যোগ দেওয়ার ঢল নামছে তা ভাবা খুব স্বাভাবিক। পরে জানা গিয়েছিল দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জগতপ্রকাশ নাড্ডার সঙ্গে বৈঠক হয়েছিল লকেট চট্টোপাধ্যায়ের। তারপর যথারীতি দলের কাজ শুরু করেছেন লকেট।আরও পড়ুনঃ উপনির্বাচনের চার কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রচারে মুখ্যমন্ত্রী সহ একাঝাঁক মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়ক৩০ অক্টোবর উপনির্বাচন হবে গোসাবা, দিনহাটা, খড়দহ ও শান্তিপুরে। বিজেপির তালিকায় রয়েছেন ১৩ জন সাংসদের নাম, যার মধ্যে ৭ জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। অসমের মুখ্যমন্ত্রীর নাম বিশেষ ভাবে উল্লেযোগ্য। হেমন্ত বিশ্বশর্মা উপনির্বাচনের প্রচারে আসবেন বাংলায়। উত্তরবঙ্গের দিনহাটায় তিনি প্রচারে আসতে পারেন বলে খবর। ত্রিপুরায় তৃণমূল কংগ্রেস সংগঠন বৃদ্ধির কাজ করে চলেছে। সেদিক থেকে ত্রিপুরার সাংসদ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিকের এরাজ্যে প্রচারে আসাটা গুরুত্বের দাবি রাখে।একনজরে দেখে নেওয়া যাক কারা রয়েছেন বিজেপির স্টার ক্যামপেইনারের তালিকায়- স্মৃতি ইরানী, ডাঃ সুভাষ সরকার, জন বার্লা, হিমন্ত বিশ্বশর্মা, শান্তনু ঠাকুর, নিশীথ প্রামাণিক, গিরিরাজ সিং, প্রতিমা ভৌমিক, লকেট চট্টোপাধ্যায়, ডঃ সুকান্ত মজুমদার, দিলীপ ঘোষ, শুভেন্দু অধিকারী, রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, শমীক ভট্টাচার্য, অগ্নিমিত্রা পাল, অমিতাভ চক্রবর্তী, রাহুল সিনহা, দেবশ্রী চৌধুরী, অর্জুন সিং ও মাফুজা খাতুন।

অক্টোবর ০৮, ২০২১
রাজ্য

Flood : পূর্ব বর্ধমানে বন্যা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সুরেই ডিভিসিকে কাঠগড়ায় তুললেন অরুপ বিশ্বাস

রাজ্যে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার জন্য শনিবার আরামবাগে গিয়েও কেন্দ্রকে দুষেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এদিনই পূর্ব বর্ধমানের বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এসে মুখ্যমন্ত্রীর সুরেই ডিভিসিকে কাঠগড়ায় তুললেন রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস। তিনি বলেন, রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধানের কথা ডিভিসি কর্তৃপক্ষকেই ভাবতে হবে। মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাসও পূর্ব বর্ধমান জেলায় তৈরি হওয়া বন্যা পরিস্থিতিকে ম্যানমেড বন্যা বলেই অবিহিত করেন। জেলার বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে এদিন প্রশাসনিক কর্তাদের কাছে খোঁজ খবর নেন মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস।পরে তিনি জেলার মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, জেলাপরিষদ সভাধিপতি শম্পা ধারা, সহ-সভাধিপতি দেবু টুডু সহ জেলার অন্যান্য নেতাদের কাছেও বন্যা পরিস্থিতির সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে খোঁজ খবর নেন। এরপর দুপুরে তিনি যান বর্ধমান টাউনস্কুলে। সেখানে জেলার জল প্লাবিত এলাকার মানুষদের জন্য ত্রাণ সামগ্রী রাখা হয়েছে। ত্রাণ সামগ্রী বোঝাই দুটি গাড়ি নিয়ে এরপর মন্ত্রীরা কাটোয়া মহকুমার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। এখানে মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে দলের কর্মীরা সর্বত্র বানভাসি মানুষজনের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। রাজ্যে কোথায় কোথায় সাধারণ মানুষের কী কী ক্ষতি হয়েছে সেইসব প্রশাসনিক বিষয়গুলি প্রশাসনিক স্তরে দেখা হবে। আপাতত দলনেত্রীর নির্দেশে তাঁরা মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাইছেন।এরপরেই কেন্দ্রকে নিশানা করে অরুপ বিশ্বাস বলেন, রাতের অন্ধকারে একতরফা ভাবে জল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। কাটোয়ার বন্যা পরিস্থিতি ঘুরে দেখার পর মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস কাটোয়ার ভারতীভবন উচ্চ বিদ্যালয়ের ত্রাণ শিবিরে যান। সেখানে বন্যা দুর্গত মানুষের পরিস্থিতি দেখার পর মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস ত্রাণ শিবিরে থাকা মানুষজনকে আশ্বস্ত করে বলেন, কোন অসুবিধা হবে না। উপরে ভগবান। আর নিচে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রয়েছেন । ত্রাণশিবিরে গিয়ে বন্যাদুর্গত মানুষদের পরিস্থিতি দেখেন। ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নেওয়া পরিবারের শিশুদের হাতে দুধ ও বিস্কুটের প্যাকেট তিনি তুলে দেন। ভারতী ভবন বিদ্যালয়ের পাশাপাশি কাটোয়া পৌরসভা এলাকায় অন্যান্য ফ্লাড সেন্টারেও বন্যা কবলিত পরিবারগুলিকে রাখা হয়েছে। মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস কাটোয়ার অন্যান্য ত্রাণ শিবিরগুলি ঘুরে দেখেন ও ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নেওয়া মানুষদের সঙ্গেও কথা বলেন। এদিনই বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা নিয়ে জেলার বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। বন্যা দুর্গতদের যাতে কোন অসুবিধা না হয় সেই নির্দেশও তিনি বিধায়কদের দেন।এদিকে জলাধারগুলি থেকে জল ছাড়া কমতেই শনিবার থেকে জেলায় বন্যার পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হচ্ছে। ডিভিসি জল ছাড়ার পরিমাণ কমিয়ে দেওয়ায় জলস্তর কমেছে দামোদরে। একই ভাবে অজয় নদে জল কমায় ধীরে ধীরে জেলার মঙ্গলকোট, কেতুগ্রাম ও আউশগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে। শুক্রবার দুই দফায় ডিভিসি জলাধার থেকে ৪ লক্ষেল কিউসেকের বেশি জল ছাড়া হয়েছিল। এদিন ডিভিসি জল ছাড়ার পরিমাণ কমিয়ে ১লক্ষ ৫৫ হাজার ৩০০ কিউসেকে নামে। তেনু ঘাট থেকে ১৩ হাজার কিউসেক, মাইথন থেকে ৫০ হাজার কিউসেক ও পাঞ্চেত ড্যাম থেকে ৬০ হাজার কিউসেক জল ছাড়ার হয়। জলাধার থেকে জল ছাড়া কমার সঙ্গে সঙ্গেই অজয় নদের তীরবর্তী মঙ্গলকোটের পালিগ্রাম, লাখুড়িয়া, ঝিলু ১, মাঝিগ্রাম, ভাল্যগ্রাম পঞ্চায়েতের বেশ কিছু গ্রাম ও কেতুগ্রামের পাণ্ডুগ্রাম, পালিটা, নবগ্রাম, বিল্লেশ্বর, তেওরা, চরখি প্রভৃতি গ্রামে বন্যার জল নামতে শুরু করেছে। তবে কাটোয়া ও মঙ্গলকোটের কয়েক হাজার হেক্টর ধান জমি এখনও জলের তলায় রয়ে আছে। কাটোয়া-সিউড়ি রাজ্য সড়কের উপর দিয়ে এদিন সকালেও জল বয়ে যেতে দেখা যায়। অন্যদিকে জল কমলেও আউসগ্রামের ভেদিয়া অঞ্চলের মানুষজনের দুর্দশা কমেনি। অজয় নদের বাঁধ ভেঙে গিয়ে আউসগ্রামের সাঁতলা, ধুকুর বাগবাটি, বঙ্গপল্লী সহ আশপাশের কয়েকটি গ্রাম জলপ্লাবিত হয়ে পড়ে। জল ঢুকে পড়ায় বাসিন্দারা ঘরবাড়ি ছেড়ে কেউ ভয়ে বাঁধে অস্থায়ী তাঁবুতে আশ্রয় নেন। শিশু সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে সেখানে এখন তাঁরা বিষধর সাপের সঙ্গেই সহাবস্থান করছেন। চিড়ে, গুড় ও জল খেয়েই সেখানে তাঁদের দিন কাটছে। বাঁধে আশ্রয় নেওয়া বাসিন্দাদের অনেকেরই ঘরবাড়ি নষ্ট হয়ে গিয়েছে। নষ্ট হয়েছে জমির ফসলও। এলাকার গ্রাম পঞ্চায়েত উপপ্রধান অজিত কুমার মণ্ডল এদিন যদিও জানিয়েছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই ভেঙে যাওয়া বাড়ির বাসিন্দাদের জন্য কিছু একটা ব্যবস্থা করা হবে ।

অক্টোবর ০২, ২০২১
রাজ্য

Bye Election: ভবানীপুরের উপনির্বাচনের অভিঘাত ভিন্ন, তবে মনে করাচ্ছে ৬৫ বছর আগের বাংলার রাজনীতির কথা

তিরিশে সেপ্টেম্বর ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন। ছাপা সংবাদ মধ্যম থেকে বৈদ্যুতিন সংবাদ মাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে এই উপনির্বাচন নিয়ে নানা গালগল্প ও বিশ্লেষন চলছে। সংসদীয় গনতন্ত্রে নির্বাচন অত্যন্ত জরুরি বিষয় হলেও সাধারণত উপনির্বাচন নিয়ে তেমন আগ্ৰহ ভোঠদাতাদের থাকে না। তাই উপনির্বাচনে ভোটদানের হার কম থাকে। কিন্তু, বঙ্গ রাজনীতিতে ভবানীপুরের উপনির্বাচন এবার অন্য মাত্রা পেয়েছে। তার কারন এই উপনির্বাচনের ফল বলে দেবে রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই পদে থাকবেন কি না।বাংলায় এই নজির অতীতে নেই। তবে ইতিহাস বলছে এমনই এক উপনির্বাচনে বাংলার ভূ-রাজনৈতিক গতিপথ নির্ধারিত হয়েছিল। পাঁচের দশকে নেহেরু সরকার ভাষা ভিত্তিক রাজ্যগঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। সেই সময় বাংলা, বিহার সংযুক্ত করে পূর্বপ্রদেশ গঠনের সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্র। তখন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী কৃষ্ণ, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বিধান চন্দ্র রায় কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে, পূর্বপ্রদেশ গঠনে প্রস্তুতি শুরু করেন। অখন্ড কমিউনিষ্ট পার্টি এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতায় পথে নামে।কমিউনিষ্ট পার্টির নেতৃত্বে তীব্র প্রতিবাদ আন্দোলন শুরু হয়। প্রতিবাদী মিছিল ও সমাবেশে উত্তাল হয় বাংলা।আরও পড়ুনঃ পূজার ছলে ভুলে থাকিসেই সময় কলকাতা উত্তর-পূর্ব কেন্দ্রের সাংসদ বিজ্ঞানী মেঘনাদ সাহা-র মৃত্যু হয়। বাম সমর্থিত সাংসদের মৃত্যুতে ওই কেন্দ্রে উপনির্বাচন ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। তখন বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা ও কমিউনিষ্ট পার্টির রাজ্য সম্পাদক ছিলেন জ্যোতি বসু। উপনির্বাচন ঘোষণা হতে বিধানচন্দ্র রায় বিধানসভায় জ্যোতিবসুকে বলেন, তোমরা পূর্বপ্রদেশ গঠনের বিরোধিতা করছ। কলকাতা উত্তর-পূর্ব কেন্দ্রে উপনির্বাচনকে আমি গনভোট হিসেবে নিচ্ছি। এই উপনির্বাচনে যদি তোমরা জেতো তাহলে আমি তোমাদের মত মেনে নেব। জ্যোতি বসু সেই চ্যালেঞ্জ গ্ৰহন করেছিলেন। ১৯৫৬ সালে সেই নির্বাচনে বাম প্রার্থী ছিলেন মোহিত মিত্র। কংগ্রেস রার্থী ছিলেন বিখ্যাত আইনজীবী অশোক সেন।সেই সময় দক্ষিণ ভারতে ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টির পার্টি কংগ্রেস ছিল। কিন্তু উপনির্বাচন পরিচালনার দ্বায়িত্ব থাকায় জ্যোতি বসু পার্টি কংগ্রেসে যাননি। উপনির্বাচনের ফলে অশোক সেন বিপুল ভোটে পরাজিত হন। একই দিনে মেদিনীপুরে খেজুরি কেন্দ্রেও উপনির্বাচন হয়েছিল। সেই সময় কংগ্রেসী গড় খেজুরিতেও কংগ্ৰেস হেরে গিয়েছিল। উপনির্বাচনের ফল মেনে নিয়ে পূর্বপ্রদেশ গঠনের সিদ্ধান্ত বাতিল করেছিলেন বিধানচন্দ্র রায়। সেদিন কংগ্রেস জিতলে বাংলার ভূ-রাজনীতির চালচিত্র হয়ত অন্য রকম হতো। প্রায় ৬৫ বছর পরে পশ্চিমবঙ্গে আবার একটি উপনির্বাচন নিয়ে রাজনীতির আঙিনায় আলোড়ন পড়েছে। তবে দুটি উপনির্বাচনে রাজনৈতিক অভিঘাত সম্পূর্ণ আলাদা। ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যাযের বিরুদ্ধে বাম ও বিজেপি দুইদল-ই নবীন প্রার্থী দিয়েছে। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার বিচারে দুই বিরোধী প্রার্থীর সঙ্গে মমতার আসমান-জমিন পার্থক্য থাকলেও একটি সাধারণ অবস্থান রয়েছে। তিনজনেই আইনজীবী। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আইনকে পেশা হিসেবে নেননি। বাকি দুই প্রার্থী পেশাগতভাবে আইনজীবী।বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য্য(রাজনৈতিক বিশ্লেষক)

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১
রাজ্য

দেবদাস উপন্যাসকে আঁকড়েই শরৎচন্দ্রের জন্মদিবস পালন হাতিপোতা গ্রামে

কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অনবদ্য সাহিত্য সৃষ্টি দেবদাস উপন্যাস। যে উপন্যাসের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে পূর্ব বর্ধমানের কালনার হাতিপোতা গ্রামের নাম। সেই হাতিপোতা গ্রামের মানুষজন শুক্রবার ঘটা করে পালন করলেন শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম দিবস। কথা সাহিত্যিকের মূর্তিতে মাল্যদান করার পাশাপাশি তাঁর ছবি হাতে নিয়ে এদিন পদযাত্রায় আংশ নিলেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথসহ হাতিপোতা গ্রামের পড়ুয়া ও বাসিন্দারা। উপন্যাসে উল্লিখিত হাতিপোতা গ্রামে দেবদাসের মৃত্যুর স্থানে দেবদাস স্মৃতি বৃক্ষ হিসাবে এদিন একটি অশ্বত্থ গাছও রোপন করেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। এমন নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এদিন কার্যত দেবদাসময় হয়ে থাকলো কথা সাহিত্যিকের স্মৃতি বিজরিত গোটা হাতিপোতা গ্রাম।কালনার নান্দাই পঞ্চায়েতের হাতিপোতা গ্রামে ২০০৭ সালে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি আবক্ষ মূর্তি স্থাপন করা হয়েছিল। সেই থেকে প্রত্যেক বছর ৩১ ভাদ্র হাতিপোতা গ্রামে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মদিন পালন করা হয়। দেবদাস স্মৃতি মেলাও অনুষ্ঠিত হয়।মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ এদিন বলেন, কথা সাসিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অনন্য সৃষ্টি দেবদাস উপন্যাস। সেই উপন্যাসের নায়ক দেবদাস। উপন্যাসেই কথা সাহিত্যিক উল্লেখ করেছেন হাতিপোতা গ্রামের নাম। হাতিপোতার জমিদার ভুবনমোহন চৌধুরীর সঙ্গে উপন্যাসের নায়িকা পার্বতী অর্থাৎ পারু-র বিয়ে হওয়ার কথাও দেবদাস উপন্যাসে উল্লেখ রয়েছে। এছাড়াও ওই জমিদার বাড়ির কাছে থাকা একটি অশ্বত্থ গাছের উল্লেখও দেবদাস উপন্যাসে পাওয়া যায়। সেখানেই উপন্যাসের নায়ক দেবদাস জীবনের অন্তিম লগ্নে আসেন এবং সেখানেই দেহ রাখেন। স্বপন বাবু আরও জানান, দেবদাস উপন্যাসের কাহিনী নিয়ে চলচ্চিত্রও তৈরি হয়েছে। দেবদাস উপন্যাসের দৌলতে হাতিপোতা গ্রামের পরিচিতি আজ বিশ্বজুড়ে।কথা সাহিত্যিক তাঁর দেবদাস উপন্যাস লেখার সময়কালের অবস্থা আজ আর হাতিপোতা গ্রাম নেই। গ্রামের অনেক উন্নয়ন হয়েছে। তবুও দেবদাস উপন্যাসের হাতিপোতা গ্রামকে আজও ভুলতে চাননা এই গ্রামের বাসিন্দারা। কথা সাহিত্যিক এই গ্রামের বাসিন্দাদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
রাজ্য

Ration: দেশের মধ্যে একমাত্র পশ্চিমবঙ্গ সরকার বিনামূল্যে রেশন দেয়, দাবি খাদ্যমন্ত্রীর

কেন্দ্রের সরকার রেশন দেয় অর্থের বিনিময়ে। কিন্তু দেশের মধ্যে একমাত্র পশ্চিমবঙ্গ সরকার সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে রেশন দেয় বলে শনিবার বর্ধমানে এসে দাবি করলেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ। একই সঙ্গে তিনি জানান, কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে এখন যে রেশন দেওয়া হচ্ছে তা আগামি নভেম্বর মাস পর্যন্ত দেওয়া হবে। কিন্তু রাজ্যের রেশনিং ব্যবস্থা আগামিদিনেও একই রকম ভাবে বহাল থাকবে। দুয়ারে সরকার কর্মসূচীর অগ্রগতি, রেশনিং ব্যবস্থা এবং রাইসমিল সংক্রান্ত নানা বিষয় নিয়ে এদিন বর্ধমানে জেলাশাসকের দপ্তরে আলোচনায় বসেন খাদ্যমন্ত্রী। বৈঠকে রাজ্যের অপর মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা, জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধাড়া, সহ-সভাধিপতি দেবু টুডু সহ জেলা প্রশাসনের অন্য আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ বলেন, রাজ্যের রেশন ব্যবস্থা নিয়ে যাঁরা অযথা রাজনীতি করতে চাইছে করুক।কিন্তু তাতে কিছু লাভ হবে না। কেন্দ্রের রেশনিং ব্যবস্থা এবং রাজ্যের রেশনিং ব্যবস্থা সম্পূর্ণ পৃথক। রাজ্যের বেশি সংখ্যক মানুষকে কিভাবে খাদ্য সুরক্ষা দেওয়া যায় সে বিষয়ে রাজ্য সরকার যথেষ্ট যত্নবান বলে এদিন জানান খাদ্যমন্ত্রী। তিনি এও বলেন, এই রাজ্যে রেশন কার্ডের সংখ্যা ১০ কোটি ৩৩ লক্ষ। তার মধ্যে ৬ কোটি ১ লক্ষ মানুষ অর্থের বিনিনয়ে ন্যাশানাল ফুড সিকিউরিটি এ্যাক্টের (এনএফএসএ) কার্ডে রেশন পায়। বাকি ৪ কোটি ৩২ লক্ষ মানুষকে রাজ্য সরকার সম্পূর্ণ বিনামূল্যে নিজস্ব রেশন দেয়।কেন্দ্র খাদ্য সুরক্ষার কার্ড থাকা মানুষদের আগামি নভেম্বর অবধি রেশন দেবে। কিন্তু এই রাজ্যের সরকারের সকলকে বিনামূল্যেই রেশন দেওয়া বহাল রাখবে। খাদ্যামন্ত্রী দাবি করেন, গোটা ভারতে আর কোথাও গ্রাহকরা বিনামূল্যে রেশন পান না। এই দৃষ্টান্ত রাজ্য তৈরি করেছে। দুয়ারে রেশন প্রকল্প বাস্তবায়িত করা নিয়ে এদিন জেলার রেশন ডিলারদের বক্তব্যও শোনেন খাদ্যমন্ত্রী। রেশন ডিলারদের বক্তব্য বৈঠকে লিপিবদ্ধ করা হয়। দুয়ারে সরকার শিবিরে রেশন কার্ডের জন্য আবেদন করা হচ্ছে। যাদের কার্ড নেই তারা শিবিরে আবেদন করতে পারবেন বলে মন্ত্রী জানান। জেলার বেশ কয়েকটি রাইসমিলের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে খদ্যমন্ত্রী বলেন, যেসব রাইসমিলের বর্জ্যে ধানের জমির ক্ষতি হচ্ছে কেবল সেইসব রাইস মিলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রাইসমিল চালানোর জন্য কিছু শর্ত পালনের অঙ্গীকার করেই মিল কর্তৃপক্ষ লাইসেন্স পেয়েছেন।ওই জল শোধনের ব্যবস্থা থাকার কথা বলেই তারা লাইসেন্স পেয়েছেন বলে খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১
বিদেশ

Afghanistan: আফগানিস্তানে ঘোষিত হল তালিবান সরকার

দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে ঘোষিত হল আফগানিস্তানের তালিবান সরকার। মঙ্গলবার রাতে প্রথম দফার মন্ত্রিসভা ঘোষণা করেন সংগঠনের মুখপাত্র জাবিউল্লা মুজাহিদ। মহম্মদ হাসান আখুন্দ হলেন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী। আব্দুল গনি বরাদর হলেন তাঁর ডেপুটি।আফগানিস্তানের বিদেশ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার সামলাবে আমির খান মুত্তাকি আর তাঁর ডেপুটি আব্বাস স্তানিকজাই।। সরাজউদ্দিন হাক্কানি সে দেশের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী। উল্লেখ্য, হাক্কানি নেটওয়ার্কের প্রতিষ্ঠাতার ছেলে সরাজউদ্দিন হাক্কানি। আর সে দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে কাজ সামলাবেন মোল্লা ইয়াকুব। রীতিমতো সাংবাদিক বৈঠক করে এই নাম ঘোষণা করেছে তালিবান।আরও পড়ুনঃ পুজোয় ঠাকুর দেখতে পারবেন? কী জানালেন মুখ্যমন্ত্রীদায়িত্বপ্রাপ্ত বিদেশ মন্ত্রী হলেন আমির খান মুত্তাকি। দায়িত্বপ্রাপ্ত অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মোল্লা হেদিয়াততুল্লা বাদরিকে। দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষা মন্ত্রী করা হয়েছে শেখ মওলায়ি নুরুল্লাকে। সংস্কৃতি মন্ত্রী করা হয়েছে মোল্লা খাইরুল্লা খেরখানকে। সূত্রের খবর অনুসারে,মঙ্গলবার রাতে কাবুলে সাংবাদিক বৈঠক করেন মুখপাত্র জাবিউল্লা মুজাহিদ। তিনি ঘোষণা করেন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হল মোল্লা ওমর। তিনি আরও বলেন, ইসলামিক এমিরেট সিদ্ধান্ত নিয়েছে আপাতত অন্তর্বর্তীকালীন মন্ত্রিসভা দিয়ে সরকারের কাজ করবে। মুজাহিদ মোট ৩৩ সদস্যের মন্ত্রিসভার নাম ঘোষণা করেন সাংবাদিক বৈঠকে। বাকি মন্ত্রীদের নাম আগামী বৈঠকের পরই ঘোষণা করা হবে বলে জানান তিনি।অন্য তালিব নেতাদের তুলনায় কম পরিচিত মুখ হলেও আখুন্দের নাম রয়েছে রাষ্ট্রসঙ্ঘের জঙ্গি-তালিকায়। বিশেষ সূত্র উদ্ধৃত করে একটি পাক দৈনিকের দাবি, নয়া সরকারের প্রধান হিসেবে আখুন্দের নাম প্রস্তাব করেন তালিবানের সর্বোচ্চ নেতা হিবাতুল্লা আখুন্দজ়াদা স্বয়ং। হিবাতুল্লাকে ইরানের কায়দায় দেশের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার পদে বসিয়ে তাঁর অধীনে প্রেসিডেন্ট বা প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে তালিবান সরকার গড়বে বলে শোনা যাচ্ছিল। তাঁর ভূমিকা নিয়ে আজ কোনও ঘোষণা করেনি তালিবান। তবে হিবাতুল্লা এক বিবৃতিতে বলেছেন, দেশবাসীকে আশ্বস্ত করছি, এঁরা দেশে শরিয়া আইন এবং ইসলামি শাসন প্রতিষ্ঠা করতে কঠোর পরিশ্রম করবেন। দীর্ঘমেয়াদি শান্তি, শ্রীবৃদ্ধি এবং উন্নয়ন নিশ্চিত করবেন তাঁরা। কেউ যেন দেশ ছাড়ার চেষ্টা না করেন। ইসলামি আমিরশাহিতে কাউকে নিয়েই কোনও সমস্যা নেই।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২১
রাজ্য

Ex-Minister: প্রাক্তন মন্ত্রীর থরে থরে সাজানো সম্পত্তি যেন জখের ধন!

ঠিক যেন সকলের চোখের আড়ালে জখের ধন সামলে রেখেছিলেন বিষ্ণুপুর পুরসভার প্রাক্তন সভাপতি ও মন্ত্রী শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। প্রাক্তন মন্ত্রীর রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের লকারগুলি আগেই বাজেয়াপ্ত করেছিলেন তদন্তকারীরা। সেই লকার থেকে এ বার বেরল ভরি ভরি সোনার অলঙ্কার, সোনার বাঁট ও বিস্কুট! শ্যামাপ্রসাদের ওই লকার থেকে প্রায় ৩কিলোগ্রামের বেশি সোনা পাওয়া গিয়েছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ৪ কোটি। ব্যাংকের সেই লকারের মালিকানা রয়েছে অবশ্য শ্যাম- ঘনিষ্ঠ রামশঙ্কর মহন্তের নামে।তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, রামশঙ্কর জেরায় স্বীকার করেছেন প্রাক্তন মন্ত্রীর বাড়ি থেকে ব্যাগে করে সমস্ত সোনার গয়না এনে ওই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে নিজের লকারে জমা করতেন। এছাড়াও, একাধিক জমি-জায়গার মালিকানাও ছিল শ্যামাপ্রসাদের। শুক্রবার দুপুরে রামশঙ্করকে সঙ্গে নিয়ে বিষ্ণুপুর শহরের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে হানা দেন তদন্তকারীরা। লকার খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ তদন্তকারীদের। থরে থরে সাজানো সোনার বাঁট, সোনার বিস্কুট-সহ সোনার অলঙ্কার দেখতে পান তদন্তকারীরা। ঠিক কত পরিমাণ সেই সম্পত্তি তা বুঝতে স্বর্ণ বিশেষজ্ঞদের শরণাপন্ন হন গোয়েন্দারা। গোটা ঘটনা ভিডিওগ্রাফি করে রাখা হয়। বিশেজ্ঞরাই জানান, প্রাপ্ত সোনার পরিমাণ প্রায় ৩ কিলোগ্রাম। সোনার পরিমাণ যাচাইয়ের পর ওই লকার সিল করে দেওয়া হয়। প্রায় ৪ ঘণ্টা ধরে অভিযান চালান তাঁরা।আরও পড়ুনঃ পিকনিক করতে গিয়ে রহস্য মৃত্যু যুবকের, আটক তিন বন্ধুশুধু সোনা নয়, ইতিমধ্যেই প্রায় ৫০ কোটি টাকা মূল্যের জমি-জায়গার খোঁজ পেয়েছেন। জানা গিয়েছে, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বিপুল পরিমাণ টাকা জমি কেনার কাজে বিনিয়োগ করেছিলেন। বিষ্ণুপুর শহরে ও আশেপাশে বিভিন্ন জায়গায় তাঁর নামে-বেনামে প্রচুর জমির খোঁজ মিলেছে। এমনকী, নিজের ছেলেমেয়ের নামেও বেশ কিছু জমি কিনেছিলেন তিনি। তদন্তে নেমে সেগুলির অনেকগুলির দলিলও হাতে এসেছে তদন্তকারীদের। সেই সব দলিল মিলিয়ে জমি চিহ্নিতকরণের কাজ শুরু হয়েছে।শহর ও শহর সংলগ্ন মরার গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় খড়িকাশুলিতে প্রায় ৪ বিঘার জমির ওপর নির্মীয়মান পেট্রোল-পাম্পে যান তদন্তকারী অফিসাররা। মরার গ্রাম পঞ্চায়েত ছাড়াও খড়িকাশুলিতে প্রায় ১২ বিঘা জমির খোঁজ মিলেছে। পেট্রোলপাম্প তৈরির কাজে নিযুক্ত ঠিকাদার জানিয়েছেন, প্রাক্তন মন্ত্রী শ্য়ামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মেয়ে রূপা মুখোপাধ্য়ায়ের নামে কেনা হয়েছে ওই জমি। প্রায় ৯ মাস যাবত্ চলছে পাম্প তৈরির কাজ। এছাড়াও, শহরের তুর্কিডাঙায় রয়েছে ৬ কাঠা জমি। জমি কেনার ক্ষেত্রে ঠিক কত পরিমাণ টাকা ব্যয় করা হয়েছে, আর কারা এর সঙ্গে যুক্ত ছিল তাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এছাড়াও আরও একাধিক সম্পত্তির খোঁজ পাওয়া গিয়েছে, যা শ্যামাপ্রসাদের ছেলে-মেয়ের নামে রয়েছে। সবটাই তদন্ত করে দেখছেন তদন্তকারীরা। প্রশ্ন উঠছে প্রাক্তন মন্ত্রীর এত জমানো টাকার উৎস কী? সূত্রের খবর, টেণ্ডার দুর্নীতির ঘটনায় আরও এক প্রাক্তন মন্ত্রী ঘনিষ্ঠকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তদন্তকারীরা।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২১
শিক্ষা

College Open: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অমান্য করেই খুলে গেল বর্ধমানের কলেজ

রাজ্যে এখনও জারি রয়েছে কোভিড বিধি। ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কোভিড বিধি জারি থাকায় বন্ধ রয়েছে সমস্ত স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়।পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তবেই পুজোর পর রাজ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু করা হবে বলে মুখ্যমন্ত্রী ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছেন।মুখ্যমন্ত্রী এমনটা ঘোষনা করলেও বূহস্পতিবার থেকে খুলে গেল বর্ধমানের এম বি সি ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং এণ্ড টেকনলোজি। অফলাইনে ক্লাস চালু করার কথা ১ সেপ্টেম্বর ছাত্রছাত্রীদের Whatsapp গ্রুপের মাধ্যমে কলেজ চালুর কথা জানিয়ে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ছাত্রছাত্রীদের ক্লাস করার জন্য এদিন কলেজে আসতেও বলা হয়। সেই নির্দেশ পেয়ে এদিন সকাল থেকেই বেশ কয়েকজন ছাত্রছাত্রী ক্লাস করতে কলেজে উপস্থিত হয়। যেসব পড়ুয়া দূরবর্তী এলাকার বাসিন্দা তাঁরাও কলেজ কর্তৃপক্ষের নির্দেশ পেয়ে এদিনই কলেজ হোস্টেলে পৌঁছে যায়। পরে তাঁরা জানতে পারে কলেজ কর্তৃপক্ষ হস্টেল ও ক্যান্টিন খোলার কোন অনুমতি দেয়নি।পড়ুয়া রামকৃষ্ণ কর্মকার, বিকাশ মাণ্ডি এদিন বলেন, সমস্ত পরিষেবা স্বাভাবিক করার সিদ্ধান্ত নিয়ে কলেজ খুললে ভাল হত। তাহলে সকল ছাত্রছাত্রী একসঙ্গে কলেজে আসতে পারতো।বিধিনিষেধের কারণে সব পরিষেবা স্বাভাবিক না হওয়ায় এদিন তাঁদের কলেজ খুললেও অল্পসংখ্যক ছাত্র নিয়েই পঠন-পাঠন শুরু করতে হল কলেজ কতৃপক্ষকে।রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পুজোর পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু হতে পারে বলে জানিয়ে দিলেও এম বি সি ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং এণ্ড টেকনলোজি একদিনের নোটিসে কীভাবে এদিন থেকে তাঁদের প্রতিষ্ঠান চালু করলো তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই বিষয়ে কলেজের ইনচার্জ উৎপল সামুইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি কোনও কথা বলতে অস্বীকার করেন। জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা জানান, বিষয়টি তাঁর জানা নেই। তিনি খোঁজ নিয়ে দেখবেন বলে জানান।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
রাজ্য

Malay Ghatak : কয়লা পাচার-কাণ্ডে ইডির তলব আইনমন্ত্রী মলয় ঘটককে

এবার কয়লা পাচার কাণ্ডে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট তলব করল রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটককে। সূত্রের খবর, আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর দিল্লির ইডি দফতরে তলব করা হয়েছে মলয় ঘটককে। তিনি কয়লা শিল্পাঞ্চল আসানসোলের তৃণমূলের বিধায়ক। এই তলবকেও রাজনৈতিক প্রতিহংসা বলে মনে করছে তৃণমূল নেতৃত্ব।এর আগে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সস্ত্রীক তলব করেছে ইডি। যদিও অভিষেকের স্ত্রী রুজিরা ইডির কাছে আবেদন জানিয়েছেন করোনা পরিস্থিতিতে তিনি দুই সন্তান নিয়ে দিল্লি যেতে পারছেন না। ইডি আধিকারিকদের তাঁর বাড়িতে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। অভিষেক নিজে এখনও কোনও মন্তব্য করেননি।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে শিল্প বিনিয়োগের লক্ষ্যে পানাগড়ে একাধিক বড় ঘোষণা মমতারএদিকে কয়লা পাচার কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত বিনয় মিশ্র এখনও অধরা। তিনি রাজ্য যুব তৃণমূল কংগ্রেসের পদেও ছিলেন। সূত্রের খবর, তিনি এখন দ্বীপ রাষ্ট্র ভানুয়াতিতে রয়েছেন। আদালতে তাঁর আইনজীবী লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।কয়লা পাচার নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে তদন্ত করছে সিবিআই। পাশাপাশি তদন্ত করছে ইডি। কয়লাখনি অঞ্চলে দীর্ঘ দিন ধরে রাজনীতি করছেন মলয় ঘটক। তৃণমূল কংগ্রেসের টানা তিনবারের বিধায়ক ও রাজ্যের মন্ত্রী। আসানসোল শিল্পাঞ্চলে মলয় ঘটকের যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। সেক্ষেত্রে সেখানকার আর্থ সামাজিক পরিস্থিতি সম্পর্কে মলয়বাবু অবগত বলে মনে করে ইডির আধিকারিকরা। সেকারণেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় ইডি।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
কলকাতা

Narad Case: নারদ মামলায় ফের তলব সুব্রত-ফিরহাদ-মদন-শোভনকে

নারদ মামলায় ফের সক্রিয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টোরেট। চার্জশিটের তোড়জোড়ের মধ্যেই ফের তলব করা হল রাজ্যের দুই মন্ত্রী এবং এক তৃণমূল বিধায়ককে। জানা গিয়েছে, শুধু তাই নয়, বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী ও অধুনা তৃণমূল নেতা মুকুল রায়ের বিরুদ্ধেও তদন্তের আর্জি জানিয়েছে ইডি।সূত্রের খবর, ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায় এবং মদন মিত্রকে সমন জারি করা হয়েছে। একইসঙ্গে ডেকে পাঠানো হচ্ছে শোভন চট্টোপাধ্যায়কে।উল্লেখ্য, নারদ মামলায় ইতিমধ্যেই সিবিআই চার্জশিট পেশ করেছে। তবে এখনও ইডির চার্জশিট জমা পড়েনি। এই প্রেক্ষিতে ফাইনাল চার্জশিট জমা দেওয়ার আগে সিবিআই-র স্পেশ্যাল কোর্টে ইডি জানিয়েছে, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র এবং ফিরহাদ হাকিমকে আগামী ১৬ নভেম্বর তারা জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায়। এই আবেদনের প্রেক্ষিতে সিবিআই-র বিশেষ আদালতের নির্দেশ, বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাধ্যমে তিন বিধায়ককে সমন পাঠানো হবে।আরও পড়ুনঃ দেশে ফের ৮০ হাজারের গণ্ডি পেরোল করোনা সংক্রমণএকইসঙ্গে, শোভন চট্টোপাধ্যায় ও প্রাক্তন পুলিশ কর্তা মির্জাকেও একই দিনে সমনও পাঠানো হচ্ছে। তাছাড়া নারদ মামলার এফআইআর-এ থাকা বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী এবং তৃণমূল নেতা মুকুল রায়কেও একই দিনে সমন পাঠানো হয়েছে। একই দিনে তাঁদেরও হাজির হতে হবে। তদন্তের স্বার্থে শুভেন্দু ও মুকুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এর আগে গত ১৭ মে সুব্রত-মদন-ফিরহাদকে গ্রেপ্তার করে সিবিআই। রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড় শুরু হয়।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২১
রাজ্য

Students Credit Card: স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডে ঋণের জন্য ব্যাঙ্ক বাড়ির দলিল বন্ধক রাখতে বলায় মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ ছাত্র

আর্থিক প্রতিবন্ধকতার কারণে ছাত্রছাত্রীদের উচ্চশিক্ষা যাতে থমকে না যায় তার জন্য রাজ্য সরকার চালু করেছে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড।তার মাধ্যমে পড়ুয়ারা ব্যাঙ্ক লোন নিয়ে পড়াশুনা চালিয়ে যেতে পারবে। পড়ুয়াদের স্বার্থে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেওয়া এমন উদ্যোগ গোটা দেশের পড়ুয়া মহলে সাড়া ফেলে দেয়। কিন্তু এত কিছুর পরেও স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে লোন নেওয়ার জন্য ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ পড়ুয়ার কাছ থেকে সিকিউরিটি বাবদ বাড়ির দলিল ব্যাঙ্কে জমা রাখার কথা বলায় পণ্ড হতে বসেছে স্টুটেন্ড ক্রেডিট কার্ড চালু করার মূল উদ্দেশ্য। ব্যাঙ্কের জারি করা এমন ফরমানে চরম বিপাকে পড়ে গিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের কালনার বি-টেক পড়ুয়া আবির মিত্র। ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ যাতে এমন ফরমান প্রত্যাহার করে নেয় তার জন্য ছাত্র আবির চিঠি লিখে মুখ্যমন্ত্রী, জেলাশাসক ও কালনার মহকুমা শাসকের কাছে আর্জি জানিয়েছে। পড়ুয়ার আর্জির কথা জানতে পেরে নড়ে চড়ে বসেছেন জেলা প্রশাসনের কর্তারা।কালনা শহরের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের ছোটমিত্র পাড়ায় বাড়ি বি-টেক এর দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবির মিত্রর।তাঁর বাবা ওষুধের দোকানে কাজ করে সামান্য যেটুকে অর্থ রোজগার করেন তা দিয়েই কোনরকমে তাঁদের সংসার চলে। তবুও নিম্নবিত্ত পরিবারের মেধাবি ছাত্র আবিরের স্বপ্ন উচ্চ শিক্ষিত হওয়া। এখন তাঁর লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে অর্থই বড় সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ষ্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড চালু করায় লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে আশার আলো দেখেছিল আবির।পড়াশোনার খরচ চালানোর জন্য আবির ষ্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের রেজিষ্ট্রেশন করে। এরপর সে পড়াশোনার জন্য দেড় লক্ষ টাকা লোন নিতে চেয়ে বর্ধমান সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের কালনা শাখায় আবেদন করে। আবিরের অভিযোগ, ওই ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডে দেড় লক্ষ টাকা লোন পাওয়ার জন্য তাঁকে তাঁর বাড়ির দলিল ব্যাঙ্কে জমা (বন্ধক )রাখতে বালায় সে বিপাকে পড়ে যায়। আবির এদিন জানিয়েছে, ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ এমন ফরমান যাতে প্রত্যাহার করে তার আর্জি জানিয়ে সে মুখ্যমন্ত্রী, জেলাশাসক ও মহকুমাশাসকের কাছে চিঠি লিখেছে।যদিও ওই ব্যাঙ্কের দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যানেজার প্রদীপ অধিকারী এদিন বলেন, লোন নিয়ে প্রাথমিক একটা আলোচনা হয়। ওই লোন সেন্ট্রাল বর্ধমান থেকে দেওয়া হচ্ছে। জমি, বাড়ি বন্ধক রাখার কথা কাউকে বলা হয়নি বলে প্রদীপ বাবু জানান। কালনা মহকুমাশাসক সুরেশ কুমার জগৎ জানিয়েছেন, ব্যাঙ্কের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। ওই ছাত্রের লোন পেতে কোনও অসুবিধা হবে না।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২১
রাজ্য

Take Oath: দিল্লি ও ত্রিপুরা জয়ের শপথ নিলেন পূর্ব বর্ধমানের সকল নেতা, মন্ত্রী ও বিধায়করা

মোদি ও অমিত শাহ একাধিকবার প্রচারে এসেও পদ্ম ফোটাতে পারেননি পূর্ব বর্ধমানে। এই জেলার ১৬টি বিধানসভা আসনেই বিজেপি প্রার্থীদের পরাজিত করে জয়ী হয় তৃণমূল প্রার্থীরা। ঘাসফুল দুর্গ অটুট রাখতে পারা সকল বিধায়ককে রবিবার সম্বর্ধনা দিল জেলার জামালপুর ব্লক তৃণমূল নেতৃত্ব।এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠান থেকেই শ্লোগান উঠলো আর নয় মোদি- ২৪ শে দিল্লির মসনদে চাই দিদি।আরও পড়ুনঃ নিহত বিজেপি সমর্থকের বাড়িতে গেলেও সিবিআই গরহাজির হত দুই তৃণমূল কর্মীর বাড়ি, বিতর্ক চরমেএদিন জামালপুর থানা সংলগ্ন মাঠে অনুষ্ঠিত হয় তৃণমূলের নেতা, মন্ত্রী ও বিধায়কদের সম্বর্ধনা অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানের আয়োজক ব্লক তৃণমূলের সভাপতি মেহেমুদ খাঁন, যুব সভাপতি ভূতনাথ মালিক ও জামালপুর বিধানসভার বিধায়ক তথা পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি আলোক মাঝি। এদিনের সভায় জেলার বিধায়করা ছাড়াও জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, রাজ্যের মন্ত্রী স্বপনদেবনাথ, মুখ্যমন্ত্রীর কৃষি উপদেষ্টা তথা দুর্গাপুরের বিধায়ক প্রদীপ মজুমদার, জেলাপরিষদ সভাধিপতি শম্পা ধারা, সহ সভাধিপতি দেবু টুডু উপস্থিত ছিলেন। সংবর্ধনা সভায় তৃণমূলের কর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল নজরকাড়া।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় রাজ্যে প্রথম, নদিয়া থেকে গ্রেপ্তার ২তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় এদিন বলেন, এই সংবর্ধনা সভা আসলে ২০২৪-এ বিজেপিকে কেন্দ্র থেকে উৎখাত করার শপথ নেওয়ার সভা। বিধানসভা ভোটে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক পায়ে খেলে বিজেপিকে পর্যুদস্ত করেছে। মোদি, অমিত শাহর বংলা জয়ের স্বপ্ন এক পায়ে খেলেই ভঙ্গ করে দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। ২০২৪-এ দলনেত্রী দুপায়ে খেলবেন। দলের সবাইকে এই সভা থেকেই শপথ নিতে হবে কেন্দ্র থেকে বিজেপিকে উৎখাতের জন্য। এখন থেকেই শ্লোগান তুলতে হবে আর নয় মোদি, ২৪ শে দিল্লির মসনদে চাই দিদি। অন্যদিকে মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ বলেন, ভোটে ভরাডুবির পর বিজেপির এখন ভরসা সিবিআই আর ইডি। তবে বিজেপি যতই সিবিআই ও ইডি এই রাজ্যে পাঠাক না কেন লাভ কিছু হবে না। এবার ত্রিপুরাতে ঘাসফুল ফুটবে। কেন্দ্র থেকে বিজেপি সরকারকে উৎখাত করার জন্য তৃণমূল কংগ্রেস লড়াই চালাবে। সেই লড়াই আন্দোলনেও দিশা দেখাবেন এই বাংলার মানুষ।

আগস্ট ৩০, ২০২১
কলকাতা

Bratya Basu: আন্দোলনকারী শিক্ষিকাদের বিজেপির ক্যাডার বলে তোপ শিক্ষামন্ত্রীর

বদলির প্রতিবাদে বিকাশ ভবনের সামনে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করা পাঁচ শিক্ষিকাকে বিজেপি ক্যাডার বলে তোপ দাগলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। এই ঘটনা অনভিপ্রেত বলে ফেসবুকে একটি দীর্ঘ ফেসবুক পোস্ট করেছেন তিনি। প্রসঙ্গত, ওই পাঁচ শিক্ষিকার বিরুদ্ধে পুলিশ জামিন অযোগ্য ধারায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করেছে। তাঁরা সকলেই আপাতত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।অন্যায়ভাবে বদলির প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিকাশ ভবনের সামনে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন এসএসকে এবং এমএসকে শিক্ষিকারা। বদলির অস্বচ্ছতার দাবি তুলে রাস্তায় নামে শিক্ষক ঐক্য মঞ্চ। বিকাশ ভবনের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চেয়েই সেই বিক্ষোভ। তারপর তাঁরা মুখে কিছু ঢেলে দেন। এরপর মুখ দিয়ে গ্যাজলা বেরোতে থাকেন। যে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চেয়ে তাঁদের বিক্ষোভ, সেই ব্রাত্য বসুই তাঁদের বিজেপির ক্যাডার বলে তোপ দাগলেন।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা রাজ্যেরশিক্ষামন্ত্রী ফেসবুকে দাবি করেন, বাম সরকারের আমলে পঞ্চায়েত এবং গ্রামোন্নয়ন বিভাগের অধীনে এসএসকে এবং এমএসকে-র সহায়ক-সহায়িকা, সম্প্রসারক-সম্প্রসারিকরা নামমাত্র সাম্মানিকের বিনিময়ে কাজ করতেন। কাজের নিশ্চয়তা, আর্থিক নিরাপত্তা এবং অবসরকালীন সুযোগ সুবিধা বলে কিছু ছিল না। কিন্তু মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল সরকার শিক্ষা বিভাগের অধীনে এনে তাঁদের একটি সুসংবদ্ধ রূপ দেয়। সহায়ক-সহায়িকাদের সাম্মানিক বাড়িয়ে মাসিক ১০,৩৪০ টাকা এবং সম্প্রসারক সম্প্রসারিকাদের সাম্মানিক বাড়িয়ে ১৩,৩৯০ টাকা করা হয়েছে। এছাড়াও বাৎসরিক ৩ শতাংশ বৃদ্ধি বা ইনক্রিমেন্ট চালু করা হয়েছে। তাঁদের প্রত্যেককে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের অধীনে নিয়ে আসা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। শিক্ষামন্ত্রী দাবি করেন, যাঁরা ৬০ বছর বয়সে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন, তাঁদের অবসরের সময়ে প্রত্যেকের জন্য ৩ লক্ষ টাকা এককালীন অবসর-ভাতা চালু করা হয়েছে। এত কিছুর পরও যাঁরা আন্দোলন করছেন, তাঁরা শিক্ষক শিক্ষিকা নন, বিজেপি ক্যাডার।

আগস্ট ২৫, ২০২১
দেশ

Provident Fund: বড় ঘোষণা নির্মলা সীতারামনের

প্রভিডেন্ট ফান্ডের পুরো টাকাই দেবে কেন্দ্র। কোভিডে যারা কাজ হারিয়েছেন, তাঁদের জন্য এ বার বড় ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন শনিবার জানিয়েছেন, কর্ম-হারা কর্মীদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা এ বার কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হবে। সাধারণত দুভাগে এই টাকা দেওয়া হয়। একটি অংশ দেয় সেই সংস্থা যেখানে কোনও কর্মী কর্মরত অবস্থায় রয়েছেন। দ্বিতীয় অংশটি ওই কর্মীর বেতন থেকে কেটে নেওয়া হয়। উভয় ভাগের টাকাই কেন্দ্রের পক্ষ থেকেই দেওয়া হবে বলে এ দিন ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। আগামী ২০২২ সাল পর্যন্ত কেন্দ্রের পক্ষ থেকে কর্মচারী, এবং সংস্থা; উভয় পক্ষের পিএফ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।If in a district, more than 25,000 migrant workers working in the informal sector return to their native place will get benefits from 16 Central schemes for employment. In 2020, we increased the MGNREGA budget from Rs 60,000 cr to around Rs 1 lakh cr due to COVID:Finance Minister pic.twitter.com/9azlNN24D4 ANI (@ANI) August 21, 2021অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের জন্যও এ দিন বড় ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। তিনি জানান, করোনার কারণে যদি কোনও জেলায় কমপক্ষে ২৫ হাজার শ্রমিক অসংগঠিত ক্ষেত্রে কাজ করেন, তবে তাঁদের সুবিধার জন্য এবং রোজগার বৃদ্ধির কথা মাথায় রেখে মোট ১৬ টি জনকল্যাণমূলক প্রকল্প কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষণা করেছে। যার লাভ তাঁরা নিতে পারেন। অতিমারির কারণে যেহেতু প্রচুর পরিমাণ দিনমজুর এবং পরিযায়ী শ্রমিক নিজেদের বাড়ি ফিরে গিয়েছেন, তাই সেই মানুষগুলির কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে মনরেগার বাজেট ৬০ হাজার কোটি থেকে বাড়িয়ে ১ লক্ষ কোটি টাকা করেছে কেন্দ্র। এমনটাও জানান অর্থমন্ত্রী।

আগস্ট ২১, ২০২১
কলকাতা

Arrest: গ্রেপ্তার শান্তনু ঠাকুর

গ্রেপ্তার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। রাজ্যে আজ শহিদ সম্মান যাত্রার প্রথম দিন। সকালেই উত্তরবঙ্গে বিধায়ক-সহ ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গের পর এ বার দক্ষিণে। এবার বিরাটিতেও বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে বচসা পুলিশের। পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়ানোর পর গ্রেপ্তার করা হয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরকে। বিজেপির বিশেষ কর্মসূচি শহিদ সম্মান যাত্রায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে। শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার ও বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এয়ারপোর্ট থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাঁদের।আরও পড়ুনঃ শিকেয় উঠল সামাজিক দূরত্ব, রণক্ষেত্র দুয়ারে সরকারগতকালই কলকাতায় বিজেপির কর্মসূচি থেকে আটক করা হয় দিলীপ ঘোষ, শুভেন্দু অধিকারীদের। আর আজ রাজ্যে রয়েছে বিজেপির আরও এক কর্মসূচি। সকালে শহিদ সম্মান যাত্রার সেই কর্মসূচি শুরু হওয়ার আগেই তৎপর হল পুলিশ। শিলিগুড়িতে বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ-সহ ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ দিন সকালে জেলা বিজেপির কার্যালয় থেকে শহিদ সম্মান যাত্রা শুরু হওয়ার কথা ছিল। দলীয় কার্যালয়ের দিকে যাওয়ার সময় বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে শিলিগুড়ির হাসমি চক।বিস্তারিত আসছে...

আগস্ট ১৭, ২০২১
রাজ্য

Tripura: ত্রিপুরায় অভিষেকের ওপর হামলা, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযোগ মমতার

সুদীপ রাহা, জয়া দত্তকে এসএসকেএম হাসপাতালে সোমবার দেখতে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গতকাল রাতে তৃণমূল কংগ্রেসের ওই দুই যুব নেতাকে সেখানে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতালের উডবার্ন ওয়ার্ডে ভর্তি আছেন সুদীপ ও জয়া। ত্রিপুরায় আক্রান্ত হলেও ওই যুব নেতাদের ওই রাজ্যে কোন চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়নি বলে তৃণমূল সুপ্রিমোর অভিযোগ। এদিন তাঁদের চিকিৎসকদের সঙ্গেও কথা বলেন মমতা।আরও পড়ুনঃ মহামারী আইনে গ্রেফতার দেবাংশু-জয়া-সুদীপরা, ত্রিপুরা যাচ্ছেন অভিষেকহাসপাতালে মমতা বলেন, ত্রিপুরায় পাথর মারা হয়েছে, গুলি চালিয়েছে। যুব নেতাদের মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে। পুলিশের সামনে মেরেছে। ওরা মারল ওরাই আবার আমাদের কর্মীদের গ্রেফতার করল। সেখানে একটা দানবীয় দল সরকার চালাচ্ছে। ত্রিপুরায় আমাদের জখম কর্মীদের ৩৬ ঘন্টা চিকিৎসা হয়নি, তাঁদের জল পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্ররোচনায় এসব হয়েছে। না হলে এত সাহস কোথা থেকে পায় ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী। ওরা বাংলায় এসে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ত্রিপুরা তো পাশের রাজ্য। বিজেপি নিজের রাজ্যে সেবা দিতে পারে না।আরও পড়ুনঃ রাজ্যকে বন্যা খোঁচা দিলীপেরত্রিপুরায় দলীয় কর্মী ও অভিষেকের ওপর হামলা নিয়ে ভয়ঙ্কর অভিযোগ করেন মমতা। তিনি বলেন, অভিষেকের গাড়িতে হামলা হয়েছে। সবটাই পুলিশের সামনে হয়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর নির্দেশ ছাড়া এত সাহস হয় না। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলার চক্রান্ত করা হচ্ছে বলে তৃণমূল নেত্রী অভিযোগ করেছেন। মমতার দাবি, ত্রিপুরা যাওয়ার উড়ানে পাশের সিট রিজার্ভ করে গুন্ডাদের দিয়ে অভিষেকের ওপর নজর রাখা হচ্ছে।

আগস্ট ০৯, ২০২১
রাজ্য

Flood: রায়নার বানভাসী এলাকা ঘুরে দেখলেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী

কয়েকদিনের ভারি বৃষ্টিপাত ও ডিভিসির ছাড়া জলে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গার পাশাপাশি পূর্ব বর্ধমানের বেশকিছু এলাকা বানভাসী হয়েছে। তার জেরে ক্ষয়ক্ষতিও নেহাত কম হয়নি। এখনও কোথাও বসতবাড়ি তো কোথাও চাষ জমি ডুবেছে জলের তলায়। ক্ষয়ক্ষতির সার্বিক পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে বৃহস্পতিবার জেলার রায়না ২ ব্লকের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ ও সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি তথা রায়নার বিধায়ক শম্পা ধাড়া, ব্লকের বিডিও অনিশা যশ, জেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মাধ্যক্ষ ও সদস্যরা। মন্ত্রীরা ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।আরও পড়ুনঃ এবার দলের কর্মীদের দিয়ে পায়ে জুতো গলিয়ে বিতর্কে বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়কবিডিও অনিশা যশ জানিয়েছেন, অতিবৃষ্টির কারণে রায়না ২ ব্লকের ৫ হাজার কৃষকের চাষ জমির ক্ষতি হয়েছে। ২ হাজার হেক্টর কৃষি জমিতে এখনও জল দাঁড়িয়ে আছে। মৎস্যচাষীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ৭০ টনের কাছাকাছি পুকুরের মাছ ভেসে চলে গিয়েছে। ৩৫ হেক্টর পুকুরের জল ওভার ফ্লো হয়েছে। অতিবৃষ্টিতে ব্লকের তিনটি গ্রামপঞ্চায়েত এলাকায় বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আরুই গ্রামপঞ্চায়েত ও উচালন গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিডিও তথ্য উল্লেখ করে বলেন, এখনো পর্যন্ত গোটা রায়না ২ ব্লকে ১১টি বসত বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বড়বৈনান গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত বাতাসপুর এলাকায় একটি রাস্তার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়াও আরও কয়েকটি রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উচালন গ্রামপঞ্চায়েতর অন্তর্গত একলক্ষী বাজার সন্নিকটের দেব খাল দিয়ে প্রচুর পরিমাণে জল নিকাশি হওয়ায় বাঁধে ধস নেমেছে। ফলস্বরূপ একটি শ্মশান চুল্লি পুরোপুরিভাবে দেব খালে ভেসে গিয়েছে। একটি কাঠের ব্রিজও সম্পূর্ণ ভাবে ভেঙে গিয়ে দেব খালে তলিয়ে গিয়েছে। বর্ধমান এবং বাঁকুড়ার সঙ্গে সংযোগকারী একটি পাকা সেতুরও আংশিক ক্ষতি হয়েছে। মন্ত্রীরা এদিন উচালন গ্রামপঞ্চায়েতের একলক্ষ্মী বাজার সংলগ্ন অলি বাজার এলাকার দেব খাল পরিদর্শন করেন।আরও পড়ুনঃ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে এসএফআই-এর কনভেনশনমন্ত্রী স্বপন দেবনাথ জানান, এলাকা পরিদর্শন করা হল। রায়না বিধানসভার বিধায়ককে তাঁর বিধায়ক তহবিল থেকে ওই শ্মশানের চুল্লি করে দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিতে বলা হয়েছে।

আগস্ট ০৬, ২০২১
দেশ

Modi-Mamata: দুটি দাবি নিয়ে ২৫ মিনিটের বৈঠক মোদি-মমতার

ভ্যাপসা গরমের পর বৃষ্টিভেজা রাজধানীতে মঙ্গলবার ৪ টে বাজার মিনিট পাঁচেক আগেই প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ৭ লোককল্যাণ মার্গে হাজির হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মিনিট ২৫-এর বৈঠক করেন। তারপর বেরিয়ে এসে মুখোমুখি হন সংবাদ মাধ্যমের। সেখানে মমতা জানান, সংক্ষিপ্ত এই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে মূলত দুটি দাবি জানিয়েছেন তিনি। প্রথমত, রাজ্যে করোনা টিকার সরবরাহ বৃদ্ধির আবেদন জানিয়েছেন। দ্বিতীয়ত, রাজ্যের নাম পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলায় পরিবর্তন করার বিষয়টি দেখতে বলেছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ দিনভর হেভিওয়েটদের সঙ্গে বৈঠক মমতারনানা জল্পনা এবং রাজনৈতিক সম্ভবনার আবহেই প্রায় দেড় বছর পর মুখোমুখি বৈঠকে বসেছিলেন মোদি ও মমতা। সকাল থেকে এই হাইভোল্টেজ বৈঠকের দিকেই নজর ছিল রাজনৈতিক মহলের। সেই বৈঠক এ দিন ২৫ মিনিট স্থায়ী হয়। বৈঠক শেষে মমতা বলেন, তৃতীয়বার আমাদের সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার সময় চেয়েছিলাম। এটা সম্পূর্ণভাবে সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল। নির্বাচনের পর দেখা করাটা সাংবিধানিক বাধ্যকতা। কী নিয়ে আলোচনা হল বৈঠকে? মমতা বলেন, আমি কোভিড নিয়ে আলোচনা করেছি। যা ভ্যাকসিন পাওয়া গিয়েছে তার থেকে আমাদের চাহিদা আরেকটু বেশি। প্রত্যেক রাজ্যই পাক, তাতে আমাদের কোনও অসুবিধা নেই। কিন্তু আমাদের রাজ্যের জনসংখ্যার অনুপাতে কম ভ্যাকসিন এসেছে।আরও পড়ুনঃ স্পেনের বিরুদ্ধে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল ভারতএই ছিল মমতার প্রথম দাবি। মুখ্যমন্ত্রীর দ্বিতীয় দাবিটি ছিল, পশ্চিমবঙ্গের নাম বদলের বিষয়টি যেন কেন্দ্রীয় সরকার বিচার করে। তাঁর কথায়, অনেকদিন হয়ে গেল। দয়া করে এ বার আপনি আমাদের রাজ্যের নামটা বদলের ব্যবস্থা করুন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর সমস্ত আবেদন শুনেছেন বলেই এ দিন দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী।

জুলাই ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Laxmiratan Shukla : ‘‌লম্বা চুল রাখা যাবে না’‌, লক্ষ্মীর ফতোয়া

যখন খেলতেন, কখনও শৃঙ্খলাভঙ্গ করেননি। সময়মতো অনুশীলনে আসা, শালীনতা বজায় রাখা, সবকিছুই মেনে চলতেন। তরুণ ক্রিকেটারদের কাছে তিনি ছিলেন আদর্শ। নিজের সেই মানসিকতা ছাত্রদের মধ্যে ঢুকিয়ে দিতে চান লক্ষ্মীরতন শুক্লা। অনূর্ধ্ব ২৩ দলের অনুশীলনের প্রথম দিনই ক্রিকেটারদের উদ্দেশ্যে হেড স্যারের মতো কড়া বার্তা দিলেন বাংলার এই কোচ। নায়কোচিত মানসিকতা বাদ দিয়ে মাঠে বেশি ফোকাসের আহ্বান। দায়িত্ব নিয়ে প্রথম দিনেই লক্ষ্মীরতন শুক্লা বুঝিয়ে দিলেন, শৃঙ্খলাই তাঁর কাছে শেষ কথা।আরও পড়ুনঃ টি২০ সিরিজের প্রথম ম্যাচেই জিতল ভারতএ বছরই তাঁকে বাংলার অনূর্ধ্ব২৩ দলের দায়িত্ব দিয়েছে সিএবি। সোমবার ৬০ জন ক্রিকেটারকে নিয়ে ফিটনেস শিবির শুরু করে দিলেন লক্ষ্মীরতন শুক্লা। ছিলেন বোলিং কোচ শিবশঙ্কর পাল এবং স্ট্রেংথ ও কন্ডিশনিং কোচ সাবির আলি। প্রথম দিনের অনুশীলনে ক্রিকেটারদের বুঝিয়ে দিলেন তিনি ঠিক কী চান।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিক টিটির তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছে গেলেন শরথ কমলপ্রথম দিন ক্রিকেটারদের পরামর্শ দেওয়ার প্রসঙ্গে লক্ষ্মী বলেন, ক্রিকেটারদের বলেছি সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকতে। শালীনতা বজায় রাখতে হবে, শৃঙ্খলাপরায়ণ হতে হবে। লম্বা চুল রাখা যাবে না। যাদের বড় বড় চুল আছে, অবিলম্বে সেলুনে যেতে হবে। সৌরভ, শচীন, ফেডেরারের মতো তারকাদের দেখুন। কখনও লম্বা চুল রেখেছে? প্রত্যেকে দারুণ শৃঙ্খলাপরায়ণ ছিলেন বলেই সর্বোচ্চ পর্যায়ে সাফল্য পেয়েছেন। আর একটা জিনিসের ওপর জোর দিতে বলেছি, বাংলা ভাষা ভালভাবে শিখতে। না হলে দলের মধ্যে একাত্মবোধ বাড়বে না।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিক টিটির তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছে গেলেন শরথ কমলসিএবি তাঁকে সিনিয়র দলের সঙ্গে যুক্ত করতে চেয়েছিল। কিন্তু লক্ষ্মী সিএবি কর্তাদের জানিয়েছিলেন, জুনিয়র ক্রিকেটারদের নিয়েই কাজ করতে চান। তাঁর লক্ষ্য বাংলা থেকে জাতীয় দলের জন্য ক্রিকেটার তৈরি করা। লক্ষ্মী বলেন, আমি কোচ নই, পথপ্রদর্শক। ক্রিকেটারদের সাহায্যকারী। ওদের গড়ে উঠতে সাহায্য করতে চাই। আমি চাই বাংলা থেকে এমন ক্রিকেটার তৈরি করতে, যারা দেশের হয়ে খেলতে পারে। কোনও নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে বিশ্বাসী নন লক্ষ্মী। তাঁর কথায়, সৌরভ গাঙ্গুলিকে দেখেছি। কোনও নির্দিষ্ট পদ্ধতি নিয়ে খেলত না। পরিকল্পনা অবশ্যই করতে হবে। তবে পরিকল্পনা করে সেঞ্চুরি আসে না কিংবা ৫ উইকেট পাওয়া যায় না। সবথেকে বড় কথা, নিজেকে ১০০ শতাংশ উজাড় করে দিতে হবে।

জুলাই ২৬, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ...
  • 16
  • 17
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ক্ষমতায় এসেও বিশ্বাস হচ্ছে না! ঘুম ভেঙে বাস্তব বুঝছেন শমীক

প্রথমবারের মতো রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। দীর্ঘদিনের লড়াই, আন্দোলন এবং নানা বাধা পেরিয়ে অবশেষে এই সাফল্য পেয়েছে দল। প্রায় পনেরো বছর পর রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল ঘটেছে। তৃণমূলকে সরিয়ে এবার ক্ষমতায় বিজেপি।এই সাফল্যের পিছনে দলের যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তবে এত বড় জয়ের পরেও তিনি যেন পুরো বিষয়টি এখনও বিশ্বাস করতে পারছেন না।তিনি বলেন, রাত অনেকটা দেরিতে ঘুমোতে গিয়েছিলেন। সকালে সাংবাদিকরা এসে তাঁকে ঘুম থেকে তোলেন। ঠিকমতো বিশ্রামও হয়নি। এখনও পুরো বিষয়টি তিনি মেনে নিতে পারছেন না যে দল সত্যিই ক্ষমতায় এসেছে।শমীক জানান, এখন তাঁর জীবনে হঠাৎ অনেক পরিবর্তন এসেছে। আগে যেভাবে সাধারণভাবে চলাফেরা করতেন, এখন তা আর নেই। তিনি বলেন, হঠাৎ করে বাড়ির সামনে নিরাপত্তার গাড়ি দেখে তিনি নিজেই অবাক হয়ে গিয়েছিলেন। কেউ তাঁকে স্যালুট করায় তিনি বুঝতেই পারেননি কী হচ্ছে। একসময় তিনি স্কুটিতে ঘুরতেন, কোনও নিরাপত্তা নিতেন না। এখন হঠাৎ এই পরিবর্তন তাঁকে বিস্মিত করছে।তিনি আরও বলেন, আগে অনেক সময় নিজেকে পরিচয় দিতে হত। এখন পরিস্থিতি পুরো বদলে গেছে। এই পরিবর্তন তাঁর কাছে অবাক করার মতোই মনে হচ্ছে।এদিকে, রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের আগে মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য নামের তালিকায় একাধিক নেতার নাম উঠে আসছে। আগামী দিনে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে।

মে ০৬, ২০২৬
কলকাতা

স্লোগান বদলেই নতুন বার্তা! জয়ের পরেই নতুন গান নিয়ে চমক

ভোট প্রচারের সময় শোনা গিয়েছিল পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার স্লোগান। নির্বাচনে জয়ের পর এবার সেই স্লোগান বদলে নতুন বার্তা দিল দল। নতুন স্লোগান হয়েছে, পাল্টেছে এবার, এল বিজেপি সরকার। এর পাশাপাশি প্রকাশ করা হয়েছে একটি নতুন গানও।ভোট ঘোষণার অনেক আগেই এক জনসভা থেকে এই স্লোগান প্রথম শোনা গিয়েছিল। পরে একাধিক সভায় সেই একই স্লোগান তুলে ধরেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। সেই স্লোগানকে কেন্দ্র করেই তৈরি হয়েছিল একটি গান, যা প্রচারের সময় বেশ জনপ্রিয় হয়। বিভিন্ন এলাকায় সেই গান ছড়িয়ে পড়ে।নির্বাচনে জয়ের পর সেই স্লোগান এবং গানকে ঘিরে উদ্যাপনের ভাবনা থেকেই নতুন স্লোগান ও গান প্রকাশ করা হয়েছে। প্রায় দুই মিনিটের এই গানে নির্বাচনের সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলির কথা আবার তুলে ধরা হয়েছে। শিক্ষার উন্নয়ন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং বেকারত্ব কমানোর মতো বিষয়গুলিতে জোর দেওয়া হয়েছে।গানে আরও বলা হয়েছে, রাজ্যে উন্নয়নের নতুন পথ তৈরি হবে এবং পুরনো সমস্যাগুলির সমাধান করা হবে। পাশাপাশি রাজনৈতিক দাদাগিরি বন্ধ করার বার্তাও দেওয়া হয়েছে।এবারের নির্বাচনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নিজেদের স্লোগান ও গান প্রকাশ করেছিল। এই ধরনের প্রচার এখন খুবই পরিচিত হয়ে উঠেছে। তবে এই নির্বাচনে যে স্লোগানটি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় হয়েছে, তা নিয়েই নতুন করে উদ্যাপনের পথে হাঁটল দল।নতুন গানের ভিডিওতে প্রচারের নানা মুহূর্ত দেখানো হয়েছে। বিভিন্ন নেতার সভা, জনসমাগম এবং নানা দৃশ্য সেখানে তুলে ধরা হয়েছে। গানের মাধ্যমে আগামী দিনে প্রতিশ্রুতি পূরণের কথাই আরও একবার জানানো হয়েছে।

মে ০৬, ২০২৬
কলকাতা

রাতের অন্ধকারে হামলা! প্রবীণ নেতার বাড়ি ঘিরে চাঞ্চল্য, আতঙ্কে পরিবার

ভোট মিটতেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় অশান্তির খবর সামনে আসছে। সেই তালিকায় এবার যোগ হল ভবানীপুরের একটি ঘটনা। প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর বাড়ির সামনে হুজ্জুতি হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে।জানা গিয়েছে, ভবানীপুরের রূপনারায়ণ নন্দন লেনে শোভনদেবের বাড়ির সামনে মঙ্গলবার রাতে এই ঘটনা ঘটে। এই বিষয়ে তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনার পর পরিবার নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন এই বর্ষীয়ান নেতা। পরিস্থিতির কারণে তিনি নাতনিকে স্কুলেও পাঠাতে পারেননি বলে জানা গিয়েছে।এদিকে, ভোট শেষ হওয়ার পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হিংসার অভিযোগ সামনে আসছে। তার মধ্যেই এই ঘটনা নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।সম্প্রতি হওয়া নির্বাচনে দীর্ঘদিন পর রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল ঘটেছে। বিপুল আসনে জয় পেয়ে সরকার গঠনের পথে রয়েছে বিজেপি। এই নির্বাচনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ নেতা পরাজিত হলেও বালিগঞ্জ কেন্দ্রে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।তিনি তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে এই কেন্দ্রে লড়াই করেছিলেন। প্রতিদ্বন্দ্বীদের থেকে অনেক বেশি ভোট পেয়ে তিনি জয়ী হন। তাঁর প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা এক লক্ষেরও বেশি। প্রতিপক্ষ প্রার্থীদের তুলনায় তিনি অনেক ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন।এই জয়ের পরই তাঁর বাড়িতে হামলার অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

মে ০৬, ২০২৬
রাজ্য

ফল ঘোষণার পরই উত্তপ্ত বাংলা! জিয়াগঞ্জে ভাঙা লেনিনের মূর্তি ঘিরে তীব্র বিতর্ক

বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর রাজ্যে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়তেই মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জে একটি মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনা সামনে এসেছে। মঙ্গলবার রাতের এই ঘটনার একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, মূর্তিটি ভাঙা অবস্থায় পড়ে রয়েছে।সম্প্রতি হওয়া নির্বাচনে বিজেপি বিপুল আসন জিতে সরকার গঠন করার পর রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় অশান্তির অভিযোগ উঠছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই এই ভাঙচুরের ঘটনা নতুন করে উত্তেজনা বাড়িয়েছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস বিজেপির বিরুদ্ধে সংগঠিতভাবে সন্ত্রাস চালানোর অভিযোগ তুলেছে। যদিও বিজেপি এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, দলের ভাবমূর্তি খারাপ করার জন্যই এই ধরনের অভিযোগ আনা হচ্ছে।নির্বাচনের ফলাফলে দেখা গিয়েছে, মোট আসনের মধ্যে বিজেপি বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস অনেক কম আসনে সীমাবদ্ধ রয়েছে, যা আগের তুলনায় অনেকটাই কম।এদিকে, নির্বাচনে পরাজয়ের পরও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পদ ছাড়তে রাজি নন। তিনি দাবি করেছেন, প্রকৃত জনসমর্থন তাদের পক্ষেই ছিল এবং ভোটের ফল সঠিকভাবে প্রতিফলিত হয়নি।এই ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে এবং পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে প্রশাসন।

মে ০৬, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রামে জনস্রোত! বড় প্রতিশ্রুতি দিয়ে নজর কাড়লেন শুভেন্দু

নন্দীগ্রামে জনসমাগমে ভেসে গেল সভাস্থল। শুভেন্দু অধিকারীকে ঘিরে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়লেন কর্মী-সমর্থকেরা। তাঁর নামে জয়ধ্বনি উঠল চারদিকে। এলাকার মানুষও নতুন আশায় বুক বাঁধছেন।এই সভা থেকেই ক্ষমতায় এলে কী কী কাজ করা হবে, তা স্পষ্ট করে জানালেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, দলের ঘোষিত সংকল্পপত্র সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। রাজ্যের সীমান্ত আরও সুরক্ষিত করা হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।নারীদের নিরাপত্তা নিয়েও বিশেষ জোর দেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়, মহিলারা যখন খুশি বাড়ির বাইরে বেরোতে পারবেন, রাতেও বেরোতে ভয় পাবেন না। আগের মতো কোনও বাধা বা ভয় থাকবে না বলেও দাবি করেন তিনি।শুভেন্দু আরও জানান, সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বাড়ানো হবে। চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষা নিশ্চিত করার কথা বলেন তিনি। যতদিন না স্থায়ী কর্মসংস্থান হচ্ছে, ততদিন উপযুক্ত ভাতা দেওয়ার আশ্বাসও দেন।তিনি বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যেই রাজ্যের মানুষ প্রকৃত পরিবর্তন দেখতে পাবেন। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রতিশ্রুতি সময়মতো পূরণ করা হবে বলেও জানান।দল আগেই জানিয়েছে, অনুপ্রবেশমুক্ত বাংলা গড়া, সরকারি নিয়োগে স্বচ্ছতা আনা এবং তোলাবাজি বন্ধ করা তাদের প্রধান লক্ষ্য। পাশাপাশি শুভেন্দু কর্মী-সমর্থকদেরও সতর্ক করে দেন, কেউ যেন কোনও প্ররোচনায় পা না দেন এবং আইন নিজের হাতে তুলে না নেন।

মে ০৬, ২০২৬
কলকাতা

ফল বেরোতেই কড়া হুঁশিয়ারি! হিংসা করলেই গ্রেফতার, স্পষ্ট বার্তা নির্বাচন কমিশনের

ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার সময় থেকেই জানানো হয়েছিল, ভোটপর্ব শেষ হলেও বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে। লক্ষ্য একটাই, ভোট-পরবর্তী হিংসা রোখা। এবার এই বিষয়ে আরও কড়া অবস্থান নিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, হিংসায় উস্কানি দেওয়া বা ভাঙচুরের সঙ্গে যুক্ত কাউকেই ছাড়া হবে না।ভোটের ফল প্রকাশের পর রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে ভাঙচুরের খবর সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজ্যের মুখ্যসচিব, ডিজিপি, কলকাতার পুলিশ কমিশনার এবং কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনীর উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের কড়া নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি সমস্ত জেলাশাসক, পুলিশ সুপার ও পুলিশ আধিকারিকদের হিংসা রুখতে সক্রিয় ভূমিকা নিতে বলা হয়েছে। এলাকায় নিয়মিত টহল দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।জ্ঞানেশ কুমার জানিয়েছেন, ভাঙচুরে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে। শুধু তাই নয়, যারা হিংসায় উস্কানি দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ভোট শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং ফল ঘোষণার পরেও সেই শান্তি বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।এদিকে, নির্বাচনের ফলে রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর বিভিন্ন জায়গায় অশান্তির অভিযোগ উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও কড়া বার্তা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, কোনওভাবেই হিংসা বরদাস্ত করা হবে না। যদি কেউ বিরোধী দলের দফতর দখল বা ভাঙচুরে জড়িত থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধে দলীয় স্তরেও কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি পুলিশকে অনুরোধ করেছেন, রাজনৈতিক পরিচয় না দেখে হিংসায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে।

মে ০৬, ২০২৬
রাজ্য

ফল ঘোষণার পরই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ! সন্দেশখালিতে গুলিবিদ্ধ ওসি-সহ একাধিক জওয়ান

রক্তপাত ছাড়াই ভোটপর্ব শেষ হলেও ফল ঘোষণার পর থেকেই বিভিন্ন জায়গায় অশান্তির খবর সামনে আসছে। এবার উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালিতে দুই পক্ষের সংঘর্ষে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে ন্যাজাট থানার ওসি-সহ একাধিক পুলিশকর্মী ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে সন্দেশখালির ন্যাজাট থানার রাজবাড়ি এলাকায় দুই দলের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। একটি বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হচ্ছিল বলে খবর পেয়ে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। সেই সময় দুষ্কৃতীরা একটি বাড়ির ভিতর থেকে গুলি চালায়।এই ঘটনায় ন্যাজাট থানার ওসি ভরত প্রসূন পুরকায়েতের পায়ে গুলি লাগে। এছাড়া এক মহিলা কনস্টেবল-সহ আরও দুই পুলিশকর্মী আহত হন। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দুই জওয়ানও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।আহতদের দ্রুত কলকাতার চিত্তরঞ্জন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁদের বাইপাস সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত রয়েছে।বুধবার সকালে ঘটনাস্থল থেকে আগ্নেয়াস্ত্র, কয়েক রাউন্ড গুলি এবং তাজা বোমা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এলাকায় কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে।নির্বাচন কমিশন আগেই জানিয়েছিল, ভোটের ফল ঘোষণার পরও হিংসা রুখতে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে। সেই মতো বাহিনী মোতায়েন থাকলেও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তির খবর আসছে। বিজেপি নেতৃত্ব জানিয়েছে, কোনও ধরনের ভাঙচুর বা অন্য দলের দফতর দখল করা মেনে নেওয়া হবে না। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারও উস্কানি ও ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

মে ০৬, ২০২৬
কলকাতা

বুলডোজার চালালেই বিপদ! কড়া হুঁশিয়ারি কমিশনারের, দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

ভোটের পর কোনও রকম হিংসা ঠেকাতে কড়া অবস্থান নিল পুলিশ ও বাহিনী। শূন্য সহনশীলতা নীতি গ্রহণ করে শান্তি বজায় রাখার আশ্বাস দিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দা। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, বুলডোজার ব্যবহার করার উপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে এবং এই নিয়ম ভাঙলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।পুলিশ কমিশনার আরও জানান, কোনও পুলিশকর্মী বা আধিকারিক দায়িত্বে গাফিলতি করলে তাঁকে শাস্তির মুখে পড়তে হবে। নিউমার্কেট এলাকায় বুলডোজার ব্যবহারের ঘটনায় এক পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি, যারা জেসিবি ভাড়া দিচ্ছেন, তাঁদের বিরুদ্ধেও আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর পক্ষ থেকেও সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করা হয়। এক আধিকারিক বলেন, নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য যা যা প্রয়োজন, সব করা হবে। কেউ যেন ভয় না পান, সেই বার্তাই দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, বর্তমানে এলাকায় পঁয়ষট্টি কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন রয়েছে এবং তারা সর্বদা সতর্ক রয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই আশি জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। পুলিশ কমিশনার বলেন, ভোট শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং এখন সেই শান্তি বজায় রাখা জরুরি। তিনি সাধারণ মানুষকে গুজবে কান না দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন এবং কোনও সমস্যা হলে সরাসরি পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেছেন। পাশাপাশি তিনি জানান, কোথাও হিংসা বা ভয়ের পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা হলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মে ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal