• ৩ মাঘ ১৪৩২, রবিবার ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

MI

খেলার দুনিয়া

লালহলুদের আবার মুশকিল আসান মুখ্যমন্ত্রী, মমতা ব্যানার্জির উদ্যোগেই ইস্টবেঙ্গলে ইমামি

আইএসএলে ইস্টবেঙ্গলের খেলা নিয়ে যখন ঘোর অনিশ্চয়তা চলছিল, এগিয়ে এসেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। শ্রী সিমেন্টকে ইনভেস্টর হিসেবে এনে দিয়েছিলেন। শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর আবার লালহলুদের মুশকিল আসান হয়ে দাঁড়ালেন সেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীই। তাঁর উদ্যোগেই লগ্নিকারী সংস্থা হিসেবে ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে যুক্ত হল ইমামি গ্রুপ। আজ নবান্নে মমতা ব্যানার্জি সাংবাদিক সম্মেলনে ঘোষণা করেন, ইমামি গ্রুপের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেই ইস্টবেঙ্গল এবার আইএসএলে খেলবে। এদিন ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের পাশাপাশি নবান্নে হাজির ছিলেন ইমামির প্রতিনিধিরাও।বেশ কয়েকমাস ধরেই বিভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের গাটঁছাড়া বাঁধার জল্পনা চলছিল। কিন্তু চূড়ান্ত কিছু হচ্ছিল না। শোনা যাচ্ছিল বাংলাদেশের বসুন্ধরা গ্রুপ লালহলুদে লগ্নি করতে পারে। তাঁদের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বেশ কয়েক দফা কথা হয় লালহলুদ কর্তাদের। ইস্টবেঙ্গলের প্রতিনিধিরাও বাংলাদেশে গিয়েছিলেন। কথাবার্তা অনেকদূর এগিয়ে গিয়ে পুরো বিষয়টা জটে আটকে যায়। এরপর শোনা যাচ্ছিল ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার কথা। তার আগেই ইমামি গ্রুপের সঙ্গে চূক্তি চূড়ান্ত হল। বুধবার নবান্নে ইস্টবেঙ্গল এবং ইমামি গ্রুপের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। তিনি ইমামি গ্রুপকে ইস্টবেঙ্গলে বিনিয়োগ করার প্রস্তাব দেন। মুখ্যমন্ত্রীর কথাতেই ইস্টবেঙ্গলে বিনিয়োগ করতে রাজি হয়ে যায় ইমামি গ্রুপ। বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বলেন, আজ দুই পক্ষের কর্তারা আমার এখানে চা খেতে এসেছিল। সেখানেই বিনিয়োগের ব্যাপারে দুই পক্ষের কর্তাদের সঙ্গে কথা হয়। দুপক্ষই রাজি হয়েছে। ইমামি বিনিয়োগ করায় ইস্টবেঙ্গলের আইএসএলে খেলার যে সমস্যা হচ্ছিল, সেই সমস্যা মিটে যাবে। ইমামি গ্রুপকে ক্লাবে স্বাগত জানিয়েছেন ইস্টবেঙ্গল কর্তা দেবব্রত সরকার। আবার ক্লাবের পাশে দাঁড়ানোর জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। দেবব্রত সরকার বলেন, মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করব না। শুধু ইনভেস্টর এনে দেওয়ায়ই নয়, যেভাবে ক্লাবের সব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তিনি যুক্ত থাকেন, সেটা বাংলার আর কোনও মুখমন্ত্রী আগে ভাবেননি। আমি ইমামি গ্রুপকেও ধন্যবাদ জানাব। আশা করব আগামী দিনে আমাদের ক্লাব ইমামির সাহায্যে সাফল্য পাবে। শোনা যাচ্ছে শুধু আইএসএলের জন্যই ইমামি ইস্টবেঙ্গলকে স্পনসর করবে। অন্য স্পনসরের অধীনে কলকাতা লিগ আর আইএফএ শিল্ড খেলবে ইস্টবেঙ্গল।

মে ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মিলার হয়ে উঠলেন ‘‌কিলার’, রাজস্থানকে উড়িয়ে ফাইনালে গুজরাট টাইটান্স

জস বাটলারের দুরন্ত ইনিংস ম্লান হয়ে গেল ডেভিড মিলারের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের সৌজন্যে। তাঁর দাপটেই প্রথম কোয়ালিফায়ারে রাজস্থান রয়্যালসকে ৭ উইকেটে হারিয়ে অভিষেক আইপিএলেই ফাইনালে পৌঁছে গেল গুজরাট টাইটান্স। ৩ বল বাকি থাকতে ১৯১/৩ তুলে ম্যাচ জিতে নেয়। ট্র্যাজিক হিরো হয়েই থেকে গেলেন বাটলার।বাটলারের দাপটে ৬ উইকেটে ১৮৮ রান তুলে গুজরাট টাইটান্সের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিল সঞ্জু স্যামসনের দল। বড় রান তাড়া করতে গেলে শুরুটা ভাল হওয়া জরুরি। সেটাই হয়নি গুজরাট টাইটান্সের। আগের বেশ কয়েকটা ম্যাচে ওপেনিং জুটিতে বড় রান তুলে পার্থক্য গড়ে দিয়েছিলেন ঋদ্ধিমান সাহা ও শুভমান গিল। ঘরের মাঠে এদিন প্রত্যাশার চাপ পূরণ করতে পারেননি ঋদ্ধি। ট্রেন্ট বোল্টের ওভারে ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই তিনি উইকেটের পেছনে সঞ্জু স্যামসনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। নিজের আঁতুর ঘরে খালি হাতেই ফিরতে হল ঋদ্ধিকে। বল হাতে ব্যর্থ হয়েছিলেন মহম্মদ সামি। ৪ ওভারে দিয়েছিলেন ৪৩। মাত্র ১ উইকেট পেয়েছিলেন। ব্যাট হাতে আরও এক ঘরের ক্রিকেটার হতাশ করেন।বোর্ডে কোনও রান ওঠার আগেই ঋদ্ধি আউট। মনে হচ্ছিল ট্রেন্ট বোল্টদের সামনে ভেঙে পড়বে গুজরাট টাইটান্স। তা কিন্তু হয়নি। পাল্টা আক্রমণ শানিয়ে রাজস্থান বোলারদের ছন্দ নষ্ট করে দেন শুভমান গিল ও ম্যাথু ওয়েড। ৭ ওভারেই পৌঁছে যায় ৬৮ রানে। ওয়েডের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে শুভমান আউট। ২১ বলে ৩৫ রান করেন শুভমান। এরপরই ছন্দপতন। দশম ওভারের তৃতীয় বলে ওয়েডকে তুলে নেন ওবেদ ম্যাকক। ৩০ বলে ৩৫ রান করেন ওয়েড।ওয়েড আউট হওয়ার পর গুজরাটের হাল ধরেন ডেভিড মিলার ও হার্দিক পান্ডিয়া। এই দুজনই দলকে টেনে নিয়ে যান। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১৬ রান দরকার ছিল গুজরাট টাইটান্সের। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণার প্রথম তিন বলে তিনটি ৬ মেরে দলকে ফাইনালে তোলেন মিলার। শেষ পর্যন্ত ৩৮ বলে ৬৮ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২৭ বলে ৪০ রান করে অপরাজিত থাকেন হার্দিক পান্ডিয়া।প্রথমে ব্যাট করতে নেমে এদিন শুরুটা ভাল হয়নি রাজস্থান রয়্যালসেরও। দ্বিতীয় ওভারেই ধাক্কা খায়। যশ দয়ালের আউট হন যশস্বী জয়সওয়াল (৩)। এরপর ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন সঞ্জু স্যামসন। জস বাটলার এদিন শুরু থেকেই ছিলেন সতর্ক। শুরুর দিকে খুব বেশি আক্রমণের রাস্তায় হাঁটেননি। ৪২ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। তারপরই ঝড় তোলেন। শেষ পর্যন্ত তিনি ৫৬ বলে ৮৯ রান করে রান আউট হন। ২৬ বলে ৪৭ রান করেন সঞ্জু স্যামসন। এই দুজনের দাপটেই গুটরাজ টাইটান্সের সামনে বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে সক্ষম হয়েছিল রাজস্থান রয়্যালস। ২০ বলে ২৮ রান করেন দেবদত্ত পাড়িক্কল।

মে ২৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ইডেনে সামিদের বিরুদ্ধে কেন বাটলারের দিকে তাকিয়ে রাজস্থান?‌

ইডেনে গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে প্রথম কোয়ালিফায়ারে খেলতে নামছে রাজস্থান রয়্যালস। শিমরন হেটমায়ার, সঞ্জু স্যামসনরা থাকতেও জস বাটলারের ব্যাটের দিকে তাকিয়ে রাজস্থান টিম ম্যানেজমেন্ট। শেষ কয়েকটা ম্যাচে নিজের সেরা ছন্দের ধারেকাছে দেখা যায়নি বাটলারকে। ফাইনালে ওঠার জন্য ইংল্যান্ডের এই ওপেনারের জ্বলে ওঠার অপেক্ষায় রাজস্থান। নিজেকে মেলে ধরার জন্য তৈরি বাটলারও। চলতি আইপিএলের লিগের প্রথম পর্বের ফর্মই তাঁকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে।চলতি আইপিএলে লিগ পর্বে ১৪ ম্যাচে ৬২৯ রান করে অরেঞ্জ টুপি নিজের দখলে রেখেছেন। স্ট্রাইক রেট ১৪৭। সেঞ্চুরি করেছেন তিনটি, হাফ সেঞ্চুরিও তিনটি। কিন্তু শেষ তিনটি ম্যাচে জ্বলে উঠতে পারেননি বাটলার। শেষ তিন ইনিংসে দুঅঙ্কের রানে পৌঁছতে পারেননি, তাঁর সংগ্রহ ২, ২ ও ৭। গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে প্রথম কোয়ালিফায়ারে তাঁর দিকে তাকিয়ে দল।ক্রিকেটের নন্দনকাননে কি জ্বলে উঠতে পারবেন জস বাটলার? হার্দিক পান্ডিয়াদের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী মনে হয়েছে তাঁকে। চলতি আইপিএলে নিজের ফর্ম নিয়েও দারুণ খুশি তিনি। এদিন বাটলার বলেন, এবারের আইপিএলে নিজের ফর্ম নিয়ে আমি খুশি। তবে শেষ তিন ম্যাচের পারফরমেন্সে খুবই হতাশ। আইপিএলের প্রথম পর্বে আমার জীবনের অন্যতম সেরা ক্রিকেট খেলেছি। প্লে অফে মাঠে নামার আগে প্রথম পর্বের পারপরমেন্স আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে।জস বাটলারের পাশাপাশি রাজস্থান রয়্যালসকে প্লে অফে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন যুজবেন্দ্র চাহাল। ১৪ ম্যাচে তুলে নিয়েছেন ২৪ উইকেট। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে তাঁর দিকেও তাকিয়ে দল। এবারের আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসের জার্সি গায়ে চাপানোটা চাহালের কাছে দারুণ ব্যাপার। কারণ এই দলকেই আইপিএলের প্রথম মরশুমে শেন ওয়ার্নের মতো কিংবদন্তী স্পিনার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে চাহাল বলেন, রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে এটাই আমার প্রথম বছর। কিন্তু মনে হচ্ছে দীর্ঘদিন ধরেই এই দলে খেলছি। মানসিকভাবে খুব রিল্যাক্স আছি।চাহাল আরও বলেন, রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে খেলাটা আমার কাছে আরও স্পেশাল, কারণ শেন ওয়ার্ন স্যার এই দলে খেলেছিলেন। আমার মনে হচ্ছে ওনার আশীর্বাদ আমার ওপরে রয়েছে। ওপর থেকে তিনি আমার ওপর নজর রাখছেন। শুধু বাটলার কিংবা চাহাল নয়, রবিচন্দ্রন অশ্বিনের দিকেও তাকিয়ে রাজস্থান। বোলিংয়ের পাশাপাশি ব্যাট হাতেও বেশ কয়েকটা ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেছেন অশ্বিন।

মে ২৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মানবিক কাজে মিমি চক্রবর্তী

মিমি চক্রবর্তী অভিনেত্রী হিসাবে সফলভাবে তার কাজ করে গেছেন। তার একাধিক ছবি দর্শকমহলে প্রশংসিত হয়েছে। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে মিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি রাজনীতির ময়দানেও তিনি সফল। প্রয়োজনেই মানুষ তাকে কাছে পেয়েছে। এবার তার উদ্যোগেই এক মানবিক কর্মসূচী আয়োজিত হয়। যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের ১১০ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষ, বিনামূল্যে আয়োজিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং চক্ষু পরীক্ষা শিবিবে ৩৪০ জন মানুষ এই পরিষেবার সুবিধা পেলেন। বহু মানুষ বিনামূল্যে সঙ্গে সঙ্গে চশমাও পান। যাদের চোখে ছানি ধরা পরেছে তাদের কিছুদিনের মধ্যেই অপারেশন করিয়ে দেওয়া হবে।এই অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন যাদবপুর বিধানসভার বিধায়ক মাননীয় দেবব্রত (মলয়) মজুমদার। অনুষ্ঠানটি ১১০ নম্বর ওয়ার্ডের পৌরপিতা স্বরাজ কুমার মন্ডলের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডে পৌরমাতা অনন্যা ব্যানার্জী, ১০২ নম্বর ওয়ার্ডে পৌরমাতা সীমা ঘোষ, ৯৯ নম্বর ওয়ার্ডের পৌরমাতা মিতালী ব্যানার্জী, ১০৬ নম্বর ওয়ার্ডের পৌরপিতা অরিজিৎ দাস ঠাকুর। এছাড়াও ছিলেন ওয়ার্ডে একাধিক রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও সাধারণ মানুষ। অভিনেত্রী ও সাংসদ মিমি চক্রবর্তীর আরোও একটি মানবিক কাজের জন্য সকলে তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

মে ২৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

চূড়ান্ত হয়রানির শিকার, মাঝরাতে বিমানে ৩ ঘন্টা আটকে দিয়া মির্জা

মুম্বই থেকে দিল্লির পথে রওনা হয় ভিস্তারার উড়ান। যাত্রীদের মধ্যে ছিলেন বলিউড অভিনেত্রী দিয়া মির্জাও। মাঝ রাস্তায় আচমকাই বিপদের সম্মুখীন হন বলিউড অভিনেত্রী। দিল্লির বদলে বিমান নামে জয়পুরে। তবে সমস্যার সমাধান তখনও হয়নি। রাত ১১টা থেকে সওয়া ২টো পর্যন্ত বিমানেই আটকে রইলেন অভিনেত্রী-সহ সমস্ত যাত্রী। ভয়াবহ সেই অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে রাত তিনটে নাগাদ টুইট করেন দিয়া। টুইটে অভিনেত্রী লেখেন, আমাদের নেমে যেতে বলেই গায়েব বিমানকর্মীরা। কেউ সাহায্য করেনি। মালপত্রগুলো কোথায়, তা-ও কেউ জানি না। জল, খাবার কিচ্ছুটি পাইনি!দিয়ার সেই পোস্ট দেখে ঘাবড়ে যান ভক্তরা। নিজেও ক্ষোভ উগরে দেন অভিনেত্রী।ভিস্তারা উড়ানসংস্থার তরফেও শুক্রবার রাত ১০:৩৭-এ একটি টুইট করা হয়েছে। সেখানে জানানো হয়েছে দিল্লিতে খারাপ আবহাওয়ার কারণে বিমানটি জয়পুরে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সেই পোস্টের নীচে মন্তব্য করেছেন উড়ানের বেশ কয়েক জন যাত্রী। দিয়ার মতোই অভিযোগ জানিয়ে বলেছেন, তাঁদের সঙ্গে কোনও সহযোগিতা করা হয়নি।

মে ২১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সৌমিত্র-স্বাতীহীন 'বেলাশুরু'-র প্রিমিয়ার

গতকাল ছিল পরিচালক শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিন। আর এই বিশেষ দিনেই মুক্তি পেল শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও নন্দিতা রায়ের ছবি বেলাশুরু। কলকাতার প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী সিনেমাহল বিজলি তে এই ছবির প্রিমিয়ার হয়ে গেল। প্রিমিয়ারে উপস্থিত ছিলেন ছবির কলাকুশলী থেকে শুরু করে অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিরা। প্রিমিয়ারে পরিচালক শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় জানালেন, প্রথমবার উইন্ডোজের কোনো ছবির প্রিমিয়ার মিনার, বিজলি, ছবিঘর-এর বিজলি তে হল। নিজেদের কাছে এটা খুব বড় একটা জায়গা। এখানে অসংখ্য বাংলা সিনেমার প্রিমিয়ার হয়েছে। সেই ঐতিহ্যমণ্ডিত প্রেক্ষাগৃহের সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলতে পারাটা আমাদের কাছে পরম প্রাপ্তি। পরিচালক আরও জানান, এই প্রেক্ষাগৃহে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের অসংখ্য ছবির প্রিমিয়ার হয়েছে। আজ উনার এবং স্বাতী দির অভিনীত শেষ ছবির প্রিমিয়ার এখানে হল। অভিনেতা সুজয় প্রসাদ মুখোপাধ্যায় জানালেন, বেলাশেষের থেকেও বেলাশুরু আমার কাছে অনেক বেশি ইন্টারেস্টিং। বেলাশেষে যেখানে একটা পরিবারের কথা বলে, বেলাশুরু সেখানে একজন প্রবীণ দম্পতির গল্প বলে। প্রেমের ভিত্তিপ্রস্তর যদি বন্ধুত্ব হয়, সেই বন্ধুত্বের আস্বাদন কিভাবে একটা সম্পর্কে আসে এবং সেই সম্পর্কটা সম্পৃক্ত ও সমৃদ্ধ হয় সেটার একটা অপূর্ব চিত্রণ বেলাশুরু তে রয়েছে। অভিনেত্রী মনামী ঘোষ জানালেন, অনেক এক্সপেক্টেশন রয়েছে। আশা করছি দর্শকদের ভালো লাগবে।

মে ২১, ২০২২
রাজ্য

আদালতের নির্দেশে চাকরি থেকে বরখাস্ত মন্ত্রীকন্যা অঙ্কিতা, বেতনও ফেরত

এসএসসি নিয়োগে দুর্নীতি মামলায় নজিরবিহীন রায় দিল কলকাতা হাইকোর্ট। রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর কন্যা অঙ্কিতাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। একইসঙ্গে মন্ত্রী কন্যাকে তিন মাসের মধ্যে দুটি কিস্তিতে বেতনর সমস্ত টাকা ফেরত দিতে হবে। এদিকে এদিন ফের নিজাম প্যালেসে সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হয়েছেন পরশে অধিকারী{।সূত্রের খবর, সিবিআই ফের তলব করেছে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী তথা বর্তমান শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে।এদিন হাইকোর্টে বিচারপতি পরেশ অধিকারীর কন্যা অঙ্কিতাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন। এতদিন যা বেতন পেয়েছেন তা দুই কিস্তিতে হাইকোর্টের রেজিষ্ট্রারের কাছে জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এর জন্য সময় দেওয়া হয়েছে তিন মাস।

মে ২০, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যের 'নিঁখোজ' মন্ত্রীর খোঁজে রাস্তায় এসএফআই, ছাত্র বিক্ষোভে ধুন্ধুমার মিন্টো পার্কে

শিয়ালদায় ট্রেন নেমেছে ১৩ ঘন্টা হয়ে গিয়েছে, এখনও দেখা মেলেনি রাজ্যের শিক্ষাদফতরের প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর। তাঁর খোঁজে মন্ত্রীর ছবি নিয়ে কলকাতার রাস্তায় নেমেছে এসএফআই। একইসঙ্গে এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ দেখায় এসএফআই। মিন্টো পার্ক থেকে নিজাম প্যালেসে মিছিলের ডাক দেয় এসএফআই। কিন্তু মিছিল শুরুর আগেই বাধা দেয় পুলিশ। গ্রেফতার করে আন্দোলনকারীদের।এসএফআইয়ের রাজ্য সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য বলেন, শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতিতে দোষী তৃণমূলী নেতাদের গ্রেপ্তারের দাবিতে চোর ধরো জেলে ভরো বলে মিছিল করতে গিয়েছিলাম আমরা। পুলিশ ভয়ানক মারধোর করে আটক করেছে। আমরা ছাড়ব না এ লড়াই। আগামীকাল রাজ্যজুড়ে ছাত্রযুব থানা ঘেরাও, বিক্ষোভ, মিসিং ডায়রি করা হবে। দুর্নীতিতে যুক্ত মন্ত্রীদের পুলিশ পাহারা দিচ্ছে আর আমাদের মিছিল করতে দিচ্ছে না পুলিশ। তার আগেই গ্রেফতার করছে।নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে তখন জিজ্ঞাসাবাদ চলছিল প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীসহ এসএসসির পাঁচ উপাদেষ্টার। তখন এসএফআইয়ের মিছিল শুরু হতেই আটকে দেয় পুলিশ। সৃজন ভট্টাচার্য-সহ অন্য নেতাদের গ্রেফতার করে প্রিজন ভ্যানে তুলে দেয় পুলিশ। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের শারীরিক নিগ্রহ করেছে বলেএসএফআই নেতৃত্ব অভিযোগ করেছে। কিন্তু রাত অবধি পরেশ অধিকারী কোথায় রয়েছেন তা খোলসা করেননি। সিসিটিভি ফুটেজে বর্ধমানে ভোট ৪টে ৫২ মিনিটে তাঁকে প্লাটফর্মে কন্য়ার সঙ্গে দেখা গিয়েছে।

মে ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

নতুন চমক ইস্টবেঙ্গলের?‌ লালহলুদে আসতে পারেন ‘‌এ’‌ লিগে খেলা বিদেশি

স্পনসর এখনও চূড়ান্ত না হলেও সামনের মরশুমের জন্য ধীরে ধীরে দল গুছিয়ে নিচ্ছে ইস্টবেঙ্গল। গত দুবছর ধারাবাহিকভাবে ভাল খেলা ওয়াহেংবাম আঙ্গুসানা লুয়াংয়ের সঙ্গে চুক্তি নবীকরণ করল লালহলুদ। মনিপুরের এই মিডফিল্ডারের সঙ্গে আরও দুবছরের চুক্তি করল ইস্টবেঙ্গল। তাঁকে প্রাক চুক্তিপত্রে সই করিয়েছেন লালহলুদ কর্তারা।ট্রাই এফসি থেকে যোগ দেওয়ার পর গত দুমরশুম ধরে লালহলুদ জার্সিতে খেলছেন আঙ্গুসানা লুয়াং। প্রথম মরসুমে রবি ফাওলারের কোচিংয়ে এবং এই মরশুমে প্রথমে মানোলো দিয়াজ, পরবর্তীতে মারিও রিভেরার কোচিংয়ে নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরেছিলেন আঙ্গুসানা। তাই তাঁর সঙ্গে চুক্তি বাড়াল ইস্টবেঙ্গল।সাগোসবান্দ এফসির হয়ে ফুটবলজীবন শুরু করেন আঙ্গুসানা। এরপর তিনি আই লিগের দল ট্রাউ এফসিতে সই করেন। সেই সময় ট্রাউ এফসি আই লিগের দ্বিতীয় ডিভিশনে খেলত। দ্বিতীয় ডিভিশন আই লিগে ট্রাউয়ের হয়ে ১২টি ম্যাচ খেলেন। দুরন্ত ফুটবল উপহার দিয়ে দলকে আই লিগের মূলপর্বেও তোলেন। আই লিগের মূলপর্বে ট্রাউয়ের হয়ে ১৭টি ম্যাচ খেলেছিলেন আঙ্গুসানা। আই লিগে ভাল খেলার সুবাদে লালহলুদ কর্তারা তাঁকে সই করান। ইস্টবেঙ্গলের জার্সিতে এখনও পর্যন্ত ২৮টি ম্যাচ খেলেছেন আঙ্গুসানা লুয়াং। এই বছর আই লিগে যে কটা ম্যাচে সুযোগ পেয়েছিলেন, নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরেছিলেন।এদিকে, আরও এক বিদেশি ফুটবলারের লালহলুদে আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার এ লিগে খেলা দিমিত্রি পেত্রতোসকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই মাঝমাঠের এই জীবনপঞ্জী লালহলুদ কর্তাদের হাতে এসে পৌঁছেছে। বর্তমানে তিনি অস্ট্রেলিয়ার এ লিগে ওয়েস্টার্ন সিডনি ওয়ান্ডারার্সের হয়ে খেলছেন। সৌদি আরবের প্রফেশনাল লিগের দল আল ওহেদাতেও খেলেছেন তিনি। সেখান থেকেই লোনে তিনি ওয়েস্টার্ন সিডনি ওয়ান্ডারার্সে যোগ দিয়েছেন।২৯ বছর বয়সী এই ফুটবলার বহু ক্লাবে খেলেছেন।২০১৩ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত ব্রিসবেন রোরে। তারপর যোগ দেন উলসান হুন্ডাইয়ে। ২০১৭ থেকে ২০২০ পর্যন্ত খেলেন নিউক্যাসেল জেটসে। অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন বয়স ভিত্তিক জাতীয় দলে খেলেছেন। অনূর্ধ্ব ১৭, ২০, ২৩ দলের হয়ে কিছু ম্যাচ খেলেছেন। সিনিয়র দলেও সুযোগ পেয়েছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় দলের হয়ে তিনটি ম্যাচও খেলেছেন। এখন দেখার তাঁকে শেষ পর্যন্ত পছন্দ হয় কিনা লালহলুদ কর্তাদের।

মে ১৮, ২০২২
রাজ্য

এসএসসি নিয়োগে দুর্নীতিঃ নিজাম প্যালেসে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, শুরু হচ্ছে জিজ্ঞাসাবাদ

সন্ধ্যে ৬টার আগেই প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় নিজাম প্যালেসে প্রবেশ করলেন। ঠিক বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটে লিফ্টে করে সিবিআই দফতরে উঠে যান প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতি নিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে সিবিআইেয়ের আধিকারিকরা। এর আগে সিঙ্গল বেঞ্চের রায় বহাল রাখে ডিভিশন বেঞ্চ। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে সন্ধ্যে ৬টার মধ্যে নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায়। পাশাপাশি এসএসসির পাঁচ উপাদেষ্টাকে সিবিআই দফতরে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। ডিভিশন বেঞ্চ কোনও স্থগিতাদেশ না দেওয়ায় সন্ধ্যে ৬টার মধ্যে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে হাজির হতে হবে। সেই মত সময়ের আগে পার্থবাবু সিবিআই দফতরে পৌঁছে যান। বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের ডিভিশন এই মামলায় রায় দিতে অস্বীকার করেছে। পার্থবাবুর আইনজীবী মৌখিকভাবে আবেদন করেছিলেন। এভাবে এই ধরনের মামলায় শুনানি সম্ভব নয় বলে জানিয়ে দিনে ডিভিশন বেঞ্চ। বিচারপতি অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায় শুধু পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে হাজির হতেই বলেননি একই সঙ্গে সহযোগিতা না পেলে মন্ত্রীকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে। অর্থাৎ প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী কোনও রক্ষাকবচ পেলেন না আদালত থেকে। জানা গিয়েছে, বিকেল প্যন্ত বাড়িতেই আছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বিকেলের পরই বেরিয়ে পড়েন নিজাম প্যালেসেের দিকে। জানা গিয়েছে, কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হবে।

মে ১৮, ২০২২
রাজ্য

প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে আজ সন্ধ্যে ৬টার মধ্যে নিজাম প্যালেসে হাজিরার নির্দেশ আদালতের

রাজ্য়ের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নিজাম প্যালেসে সিবিআইয়ের অফিসে আজ সন্ধ্যে ৬টার মধ্যে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। একইসঙ্গে শান্তিপ্রসাদ সিনহা সহ শিক্ষাদফতরের পাঁচ উপাচেষ্টাকে বিকেল চারটের মধ্যে সিবিআইয়ের ওই দফতরে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায়। রাজ্যের আরেক মন্ত্রী পরেশ অধিকারীকেও সিবিআইয়ের কাছে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। তবে তিনি ডিভিশন বেঞ্চে আপিল করেছেন। হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ এদিন এসএসসির ৭টা মামলায় সিঙ্গল বেঞ্চের সমস্ত রায় বহাল রেখেছে।

মে ১৮, ২০২২
রাজ্য

কর্মী ঘাটতিতে বন্ধ হয়ে যাওয়া পূর্ব-বর্ধমান সহ রাজ্যের ৪৯০ টি লাইব্রেরির খবরে নড়ে চড়ে বসলো রাজ্য

গ্রন্থাগার অনেক থাকলেও নেই গ্রন্থাগারিক বা গ্রন্থাগার কর্মী। আর তার কারণেই তালা পড়ে গিয়েছে খোদ রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রীর নিজের জেলা পূর্ব বর্ধমানের প্রায় ১২ টি গ্রন্থাগ্রারে। আর সারা রাজ্যে তালা পড়েছে ৪৯০ টি গ্রন্থাগারে। এছাড়াও কর্মী হীনতার কারণে রাজ্যের সর্বত্রই এখন দুরাবস্থায় ধুঁকছে গ্রামীন গ্রন্থাগার গুলি। তা নিয়ে হতাশ বাংলার বই প্রেমিরা। বিষয়টি নিয়ে বিরোধীরা রাজ্য সরকারের সমালোচনায় মুখর হলেও রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী দাবি করেছেন, কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে।যুগযুগ ধরেই বলা হয়ে আসছে অন্তহীন জ্ঞানের উৎস হল বই। আর গ্রন্থাগার অর্থাৎ লাইব্রেরি হল সেই বইয়েরই আবাসস্থল। তাই মূলত বাঙালির বই পড়ার আগ্রহ থেকেই রাজ্যে ১৫০০টির মতোন গ্রামীন গ্রন্থাগারের উৎপত্তি হয়। তার মধ্যে পূর্ব বর্ধমান জেলায় ১৫১ টি গ্রন্থাগার রয়েছে। গ্রন্থাগার দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এই দেড় শতাধীক গ্রন্থাগার গুলি পরিচালনার জন্যে সরকারী ভাবে প্রথম থেকেই ৩৪০ জন স্টাফ অনুমোদিত হয়ে আছে। আগে ছিলেনও তাই। কিন্তু বর্তমান সময় পর্যন্ত গ্রন্থাগারিক ও গ্রন্থাগার কর্মী মিলিয়ে ২৬২ জন কর্মজীবন থেকে অবসর নিয়েছেন। তাঁদের শূণ্য পদে নতুন করে আর কোনও নিয়োগ হয় নি। ফলে এখন পূর্ব বর্ধমান জেলায় কর্মরত গ্রন্থাগারিক ও গ্রন্থাগার কর্মী মিলিয়ে সংখ্যাটা দাঁড়িয়েছে মাত্র ৭৮ জন।একই কারণে গোটা রাজ্যেও তৈরি হয়েছে গ্রন্থাগার কর্মীর ঘটতি। দফতর সূত্রে খবর, রাজ্যে ৪ হাজারের বেশী গ্রন্থাগার কর্মীর পদ এখন শূন্য হয়ে রয়েছে। তারমধ্যে প্রায় হাজারের বেশী গ্রন্থাগারিক (লাইব্রেরিয়ান) শূন্য পদ রয়েছে ।এত বিশাল সংখ্যক গ্রন্থাগার কর্মীর ঘাটতির কারণেই এখন কার্যত ধুঁকছে পূর্ব বর্ধমান সহ গোটা রাজ্যের গ্রামীণ গ্রন্থাগার গুলি।কর্মীদের কথায় জানা গিয়েছে, গ্রন্থাগার গুলির দুরাবস্থা কাটার একটা সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল তৃণমূল সরকার তৃতীয় বার রাজ্যের ক্ষমতায় আসার পর। গত বছরের জুলাই মাসে রাজ্য সরকার শূন্যপদে নিয়োগের সিদ্ধান্তও নেয়। ২০২১ এর আগষ্ট মাস থেকে গ্রন্থাগারিক শূন্য পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে রাজ্যের গ্রন্থাগার পরিষেবা দফতরের তরফে ঘোষণা করা হয়। তাতে বলা হয়, প্রথম দফায় ৭৩৮ টি গ্রন্থাগারিক শূন্য পদে নিয়োগ হবে। রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরিও সেই কথা সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়েছিলেন। কিন্তু ঘোষণার সঙ্গে বাস্তবের কোন মিল আজও যেমন দেখা যায়নি, কাজের কাজও কিছু হয়নি। এমনটাই অভিযোগ, দুর্দশাগ্রস্ত গ্রন্থাগার গুলির পরিচালন কমিটির কর্তা ব্যক্তিদের। তাঁরা এও জানান, সম্প্রতি রাজ্য সরকার রাজ্যের ২৩ জেলা মিলিয়ে মোট ৭৩৭ টি গ্রামীণ লাইব্রেরিতে লাইব্রেরিয়ান শূন্যপদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এবারও যদি ঘোষণা মতো কাজ না হয় তবে আরো বহু পাঠাগারে তালা পড়ে যাবে।জেলা গ্রন্থাগারিক (পূর্ব বর্ধমান) নির্মাল্য অধিকারী জানিয়েছেন, গ্রন্থাগার কর্মীর সীমাহীন ঘাটতির কারণে জেলায় এখন প্রায় ১২ টি গ্রন্থাগার পুরোপুরি বন্ধ রাখতে হয়েছে। বাকি গ্রন্থাগার গুলি কোনরকমে সপ্তাহে একদিন বা দুদিন চালু রাখা হচ্ছে শুধুমাত্র সম্পদ টুকু বাঁচিয়ে রাখার জন্যে। তাও সব জায়গায় গ্রন্থাগারিক দিয়েই যে গ্রন্থাগার চালু রাখা যাচ্ছে, এমনটাও নয়। সম্পদ বাঁচিয়ে রাখার জন্যে এক একজন গ্রন্থাগার কর্মী বা গ্রন্থাগারিককে এখন একাধীক গ্রন্থাগারের দায়িত্ব সামলাতে হচ্ছে। এমনকি বহু গ্রন্থাগারিক পদ শূন্য থাকায় বেশীরভাগ জায়গায় গ্রন্থাগার কর্মীদেরকেই গ্রন্থাগার সামলাতে হচ্ছে ।তালা বন্ধ হয়ে পড়ে থাকা জেলার গ্রন্থাগার গুলির অন্যতম একটি হল জামালপুর সাধারণ পাঠাগার। দেশ স্বাধীন হওয়ার অনেক আগে ১৯৩৬ সালে এই পাঠাগারটির প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তার পর থেকে ঐতিহ্যশালী এই পাঠাগারটি স্বাভাবিক নিয়মেই চলছিল। কিন্তু গত ৭ মাস কাল যাবৎ এই পাঠাগারটির দরজা তালা বন্ধ হয়েই পড়ে রয়েছে। কারণও সেই একটাই। এই পাঠাগারের পাঠাগারিক ও পাঠাগার কর্মী অবসর নেওয়ার পর তাঁদের শূন্য পদ আজও পূরণ হয় নি। পাঠাগারটির পরিচালন কমিটির সভাপতি অরুপ মল্লিক ও যুগ্ম সম্পাদক দিব্যেন্দু চট্টোপাধ্যায় বলেন,স্বাধীনতার আগে তৈরি হয়েছিল জামালপুর সাধারণ পাঠাগার। কর্মী শূণ্যতার কারণে সেই পাঠাগারের দরজায় যে তালা পড়ে যাবে সেটা আমরা কল্পনাও করতে পারিনি। বিষয়টি নিয়ে লিখিত ভাবে সংশ্লিষ্ট দফতরে একাধীকবার জানানো হয়েছে। তবে এখনও অবধি কোন সুরাহার ব্যবস্থা হয় নি। একই রকম পরিণতির অপেক্ষায় দিন গুনছে ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত জামালপুর ব্লকের জাড়গ্রামের মাখনলাল স্মৃতি পাঠাগার। পাঠাগারিক ও পাঠাগার কর্মীরা অবসর নেওয়ার পর এখন একজন মাত্র দপ্তরী কাম বুক বাইন্ডার এই পাঠাগারটির হাল ধরে আছেন। ওই বুক বাইন্ডারই অন্য পাঠাগার সামলে সপ্তাহে ১-২ দিন মাখনলাল স্মৃতি পাঠাগারটি খুল বসছেন। এমন দুরাবস্থায় ধুঁকছে জেলার আরো অনেক পাঠাগার। তাই স্বাভাবতই প্রশ্ন উঠেছে, কবে কাটবে বাংলার গ্রামীন পাঠাগার গুলির এই দুরাবস্থা?এরই উত্তর পাবার জন্যে রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী তথা মন্তেশ্বরের বিধায়ক সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, কাগজে কলমে রাজ্যে লাইব্রেরির সংখ্যা ২৪৮০টি। এর মধ্যে গ্রামে রয়েছে ১৫০০টি লাইব্রেরি। তবে ২৬ টি লাইব্রেরির কোন অস্তিত্বনেই। ২৪৫৪ টি লাইব্রেরির মধ্যে ৪৯০ টি লাইব্রেরি এখন বন্ধ রয়েছে কর্মীর অভাবে। ১৯০০ কিছু বেশী লাইব্রেরি এখন চালু রয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ৬০০ লাইব্রেরি এখন অ্যাডিশনাল চার্জে চলছে। মন্ত্রী জানান, লাইব্রেরিয়ান শূণ্য পদ পূরণে মুখ্যমন্ত্রী উদ্যোগী হওয়ায় রাজ্যে ৭৩৭টি লাইব্রেরিয়ান শূণ্য পদে নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ঠিকঠাক কাজ চললে আগামী চার মাসের মধ্যে ৫০ শতাংশ লাইব্রেরিয়ান শূণ্য পদে ফিলাপ পক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়ে যাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। এটা হয়েগেলে অ্যাডিশনাল চার্জ আর কাউকে নিতে হবে না। পাশাপাশি মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরি এও জানান, আমফানে রাজ্যের লাইব্রেরি গুলির প্রায় ১০ লক্ষ বই নষ্ট হয়েছে। আর কোথায় কিভাবে বই নষ্ট হয়েছে সে বিষয়ে খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে। গ্রন্থাগার মন্ত্রীর কথায় ইঙ্গিত মিলেছে, সপ্তাহে পাঁচ দিন লাইব্রেরী খোলা থাকার দিন এবার এবার শেষ হতে চলেছে। এবার থেকে শুধু মাত্র প্রতি সপ্তাহের রবিবার লাইব্রেরি খোলা রাখার বিষয়টি নিয়ে ভাবনাচিন্তা করছে দপ্তর।

মে ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুরন্ত বোলিং উমরান–ভুবির, প্লে অফের ক্ষীণ আশা বেঁচে রইল হায়দরাবাদের

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাছে হারলেই প্লে অফের ক্ষীণ আশাও শেষ হয়ে যেত। মরণবাঁচন ম্যাচে জ্বলে উঠল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ব্যাট হাতে দাপট রাহুল ত্রিপাঠির। বল হাতে উমরান মালিক ও ভুবনেশ্বর কুমারের। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ৩ রানে হারিয়ে আইপিএলের প্লে অফের দৌড়ে টিকে রইল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। প্রথমে ব্যাট করে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্য রেখেছিল ১৯৪। অধিনায়ক রোহিত শর্মা ও ঈশান কিশানের দাপটে পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে তুলে ফেলে ৫১/০। ১০.৩ ওভারের মধ্যেই ৯৫ রানে পৌঁছে যায় মুম্বই। এরপরই ধাক্কা খায় মুম্বই। ওয়াশিংটন সুন্দরের বল পুল শটে গ্যালারিতে পাঠাতে গিয়ে ডিপ স্কোয়ার লেগ বাউন্ডারির ধারে পরিবর্ত ফিল্ডার সুচিথের হাতে ধরা পড়েন রোহিত। ৩৬ বলে ৪৮ রান করে তিনি আউট হন।পরের ওভারেই ঈশান কিশানকে তুলে নেন উমরান মালিক। ৩৪ বলে ৪৩ রান করে তিনি প্রিয়ম গর্গের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ৫টি চার ও একটি ছয়ের সাহায্যে তিনি ওই রান করেন। দলের ১০১ রানের মাথায় ফেরেন কিশান। ১৫তম ওভারের প্রথম ও শেষ বলে তিলক ভার্মা ও ড্যানিয়েস স্যামসকে আউট করেন উমরাম মালিক। ৮ রান করেন তিলক, অন্যদিকে ১১ বলে ১৫ রান করেন ড্যানিয়েল স্যামস। ১৫ ওভারের শেষে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের স্কোর দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ১২৭। ১৮তম ওভারে ম্যাচ জমিয়ে দেন টিম ডেভিড। টি নটরাজনের প্রথম পাঁচটি বলে চারটি ছক্কা হাঁকিয়ে ২৬ রান তুলে ফেলেন। যদিও শেষ বলে তিনি রান আউট হয়ে যান। এই অবস্থায় মুম্বইয়ের দরকার ছিল ১২ বলে ১৯ রান। ১৯তম ওভারে প্রথম বলে কোনও রান দেননি ভুবনেশ্বর কুমার। দ্বিতীয় বলেই শূন্য রানে আউট হন সঞ্জয় যাদব। ভুবনেশ্বরের একের পর এক বিষাক্ত ইয়র্কারের দাপটে বাকি চার বলে কোনও রান করতে পারেননি যশপ্রীত বুমরা। ভুবনেশ্বরের এই উইকেট মেডেন ওভারই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৯০ রান তোলে মুম্বই।এদিন টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৯৩ রান তুলেছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ৯টি চার ও তিনটি ছের সাহায্যে ৪৪ বলে সর্বাধিক ৭৬ রান করেন রাহুল ত্রিপাঠী। প্রিয়ম গর্গ ওপেন করতে নেমে ২৬ বলে ৪২ রান করেন। ২২ বলে ৩৮ রান করেন নিকোলাস পুরান।

মে ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুরন্ত ত্রিপাঠি, মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে হায়দরাবাদের বড় রানের পেছনে রহস্য কী?‌

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাজে হারলেই আশা শেষ হয়ে যাবে। এইরকম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দারুণভাবেই জ্বলে উঠল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সামনে। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে তুলল ১৯৩। দুরন্ত ব্যাটিং করে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে বড় রানে পৌঁছে দিলেন রাহুল ত্রিপাঠি। ৪৪ বলে ৭৬ রান করেন তিনি। ব্যাটিং অর্ডারে বদল করেই এদিন সাফল্য পেল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। একসময় প্লে অফের লড়াইয়ে দারুণভাবেই ছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। টানা ৫ ম্যাচ হেরে প্লে অফের লড়াই থেকে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে। প্লে অফের স্বপ্ন মরীচিকা হয়ে দাঁড়িয়েছে কেন উইলিয়ামসনদের সামনে। ১২ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে এদিন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিল। বাকি দুটি ম্যাচে জিতলেই যে প্লে অফের টিকিট পাবে, এমন কোনও নিশ্চয়তা নেই। অন্য দলগুলির ফলাফলের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে। যদিও প্লে অফের সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। এইরকম ম্যাচে স্ট্র্যাটেজি বদলই সাফল্য এনে দিল। ব্যাটিং অর্ডারে এদিন দুই দলই দুটি করে পরিবর্তন করে মাঠে নামে। টস জিতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা ব্যাট করতে পাঠান সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে। তৃতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় হায়দরাবাদ। ফর্মে থাকা অভিষেক শর্মাকে (১০ বলে ৯) তুলে নেন ড্যানিয়েল স্যামস। শুরুর ধাক্কা দারুণভাবে সামলে দেন প্রিয়ম গর্গ ও রাহুল ত্রিপাঠি। চলতি আইপিএলে এই প্রথম মাঠে নামার সুযোগ পেলেন প্রিয়ম। অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন সরে গিয়ে প্রিয়মকে ওপেনিংয়ে জায়গা করে দেন। সুযোগ পেয়ে নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরলেন প্রিয়ম। ২৬ বলে ৪২ রান করে দলের বড় রানের ভিত গড়ে দেন। আগের ম্যাচের ব্যর্থতা কাটিয়ে ছন্দে ফেরেন রাহুল ত্রিপাঠিও। এই দুজনের জুটিতে ওঠে ৭৮।প্রিয়ম ফিরে যাওয়ার পরপর নিকোলাস পুরানকে সঙ্গে নিয়ে দলকে টেনে নিয়ে যান রাহুল ত্রিপাঠি। এই জুটিতেও ওঠে ৭৮। সপ্তদশ ওভারে ২২ বলে ৩৮ রান করে রিলে মেরেডিথের বলে আউট হন পুরান। পরের ওভারেই আউট হন রাহুল ত্রিপাঠি। ৪৪ বলে তিনি করেন ৭৬। মার্করাম এদিন রান পাননি। ৪ বলে তিনি করেন ২। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে ২০ রানে ৩ উইকেট নেন রমণদীপ সিং।

মে ১৭, ২০২২
রাজ্য

অনলাইনে পরীক্ষার দাবীতে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভে হাজির হাজার খানেক কলেজ পড়ুয়া

এ যেন একেবারেই উলোট পূরাণ। কোভিড অতিমারির প্রভাব কেটে গেলেও অফলাইনে পরীক্ষা দিতে নারাজ কলেজ পড়ুয়ারা। তাঁরা সরব হয়েছে অনলাইনে পরীক্ষা নেওয়ার দাবীতে। এমনকি দাবি আদায়ের জন্যে হাজার খানেক কলেজ পড়ুয়া মঙ্গলবার বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় চত্ত্বরে জমায়েত করে বিক্ষোভও দেখায়। যদিও পড়ুয়াদের এই দাবির বিষয়টিকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাইছেন তা তাঁদের কথাতেই পরিস্কার হয়ে গিয়েছে।বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে যে সমস্ত কলেজ আছে সেইসব কলেজের ছাত্রছাত্রীরাই এদিন অনলাইনে পরীক্ষার দাবীতে বিক্ষোভ দেখায়। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া কাটোয়া কলেজের ছাত্র কিরণময় ভট্টাচার্য বলেন, কোভিড কাল থেকে এতদিন অনলাইনে ক্লাস হয়েছে। প্র্যাকটিক্যাল ঠিকমতন হয়নি। এই সময় যদি ইউনিভার্সিটি বলে যে সমস্ত পরীক্ষা অফলাইন হবে তাহলে ছাত্র-ছাত্রীদের পক্ষে তা দেওয়া সম্ভব নয়। সেই কারণেই তাঁরা অফলাইনের পরিবর্তে অনলাইন পরীক্ষা নেওয়ার দাবী করছেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যতক্ষণ না পর্যন্ত এই দাবী মেনে নিচ্ছে ততক্ষণ বিক্ষোভ চলবে বলে জানান ছাত্র-ছাত্রীরা। গুসকরা মহাবিদ্যালয়ের পড়ুয়া চৈতালী দত্ত বলেন, এখন অফলাইনে পরীক্ষা নিলে তাঁরা সমস্যায় পড়বেন। তাই তাঁরা চাইছেন ক্লাস যেহেতু অনলাইনে হয়েছে, সেই কারণে পরীক্ষাও হোক অনলাইনে। একই দাবীতে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের পক্ষ থেকেও ইতিপূর্বে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষর কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়।অন লাইন পরীক্ষার দাবীতে বিক্ষোভযদিও বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিমাই চন্দ্র সাহা স্পষ্ট জানিয়েদেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁদের সিদ্ধান্ত আগেই জানিয়ে দিয়েছে। এখনো ওই সিদ্ধান্ত বহাল আছে। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত ৬৩ টি কলেজে ৩৫ হাজার পড়ুয়া আছে বলেও উপাচার্য নিমাই চন্দ্র সাহা জানিয়েছেন।

মে ১৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কলকাতা চলচিত্র উৎসবে 'ব্রাত্য' অভিনেত্রীর আন্তর্জাতিক পুরস্কার বিজয়

বেশ কয়েকদিন আগেই শ্রীলেখা মিত্র সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছিলেন আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্তর ছবি ওয়ান্স আপন অ্যা টাইম ইন ক্যালকাটা তে অভিনয় করে নিউইয়র্ক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা অভিনেত্রী হিসাবে মনোনীত হয়েছেন শ্রীলেখা মিত্র। এবার তিনি আরও একটি সুখবর দিলেন।আদিত্যর এই ছবিতে অভিনয়ের সুবাদে নিউইয়র্ক ইন্ডিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে জিতলেন সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার। সকাল সকাল এই খুশির খবরটা তাঁর সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করলেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় শ্রীলেখা একটি ছবি এবং ভিডিও পোস্ট করেন। ওই পোস্টে সকলকে ধন্যবাদ জানান তিনি। যাঁরা ভালবাসে কিংবা ঘৃণা করে তাঁদের সকলকেই ধন্যবাদ জানান। স্বর্গীয় মা, বাবার কথাও সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টে উল্লেখ করেন অভিনেত্রী।কয়েকদিন আগেই কলকাতা আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো। শহর জুড়ে নানান চলচিত্রের ভিড়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মঞ্চে ছোটো বড় মাঝারীদের ভিড়ের কোথাও দেখা মেলেনি এই আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রাপ্ত অভিনেত্রীর। শ্রীলেখার অক্ষেপ, হয়ত বা তিনি বাম মনোভাবাপন্ন বলেই তাঁকে আমন্ত্রণ করা হয়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিনেতা জনতার কথা কে জানান, শিল্পীর পরিচয় তাঁর কাজে, তাঁর রাজনৈতিক মতাদর্শের বিচার রাজনিতীর ময়দানেই হওয়া উচিত।উল্লেখ্য গত বছর ভেনিস ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ওয়ান্স আপন অ্যা টাইম ইন ক্যালকাটা ছবিটি দেখানো হয়েছিল। তখন থেকেই ছবিটি নিয়ে আলোচনা চলছে। শ্রীলেখা সেরা অভিনেত্রী হলেন, সেরা পরিচালকের শিরোপা পেলেন আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্ত।

মে ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

৭৩ বছরের ইতিহাসে প্রথম, ব্যাডমিন্টনের বিশ্বকাপে সেরা ভারত

ইন্দোনেশিয়াকে হারিয়ে ইতিহাস তৈরি করল ভারত। ৭৩ বছরের ইতিহাসে এই প্রথমবার ব্যাডমিন্টনের বিশ্বকাপে সেরার তকমা ছিনিয়ে নিল। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথে কিদাম্বী শ্রীকান্তরা ৩০ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছেন ১৪ বারের চ্যাম্পিয়ন ইন্দোনেশিয়াকে। ফেবারিটের তকমা নিয়েই এবারের টমাস কাপে খেলতে নেমেছিল ইন্দোনেশিয়া। ফাইনালে ওঠার পথে একটা ম্যাচও হারেনি। প্রচন্ড শক্তিশালী দল। ফাইনালে ওঠার পথে ভারতকে গ্রুপ লিগে চাইনিজ তাইপের বিরুদ্ধে হারতে হয়েছিল। সেই অর্থে কিছুটা পিছিয়ে থেকেই ফাইনালে কোর্টে নেমেছিল ভারতীয় দল। কিন্তু ফাইনালে তার প্রভাব দেখা যায়নি। ফাইনালে ইন্দোনেশিয়ার বিরুদ্ধে এদিন প্রথম সিঙ্গলসে কোর্টে নেমেছিলেন লক্ষ্য সেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিশ্বের ৪ নম্বর তারকা অ্যান্টনি সিনিসুকা জিনটিং। এবছর মার্চে জার্মান ওপেনে ইন্দোনেশিয়ার এই তারকাকে হারিয়েছিলেন লক্ষ্য সেন। সেই জয়ই এদিন লক্ষ্যর কাছে অনুপ্রেরণার কাজ করেছিল। তাই প্রথম গেম হেরে গিয়েও দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে আসেন লক্ষ্য। প্রথম গেমে লক্ষ্যকে দাঁড়াতেই দেননি বিশ্বের ৪ নম্বর তারকা অ্যান্টনি সিনিসুকা জিনটিং। ২১৮ ব্যবধানে প্রথম গেম জিতে নেন জিনটিং। দ্বিতীয় গেমে দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে আসেন লক্ষ্য সেন। ২১১৭ ব্যবধানে দ্বিতীয় গেম জিতে সমতা ফেরান। তৃতীয় গেম ২১১৬ পয়েন্টে জিতে ভারতকে ১০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। বিশ্বের ৪ নম্বর তারকার বিরুদ্ধে লক্ষ্য সেনের জয় চাগিয়ে দিয়েছিল ভারতীয় ব্যাডমিন্টন দলকে। চিরাগ শেট্টি ও সাত্ত্বিকসাইরাজ রানকিরেড্ডির কাছে টনিকের মতো কাজ করেছিল। ডাবলসে এই ভারতীয় জুটি খেলতে নেমেছিল মহম্মদ এহসান ও সুকামুলিয়োর বিরুদ্ধে। প্রথম গেমে ১৮২১ ব্যবধানে হেরে যায় চিরাগ শেট্টি ও সাত্ত্বিকসাইরাজ জুটি। দ্বিতীয় গেমে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ান চিরাগরা। দুর্দান্ত লড়াই করে ২৩২১ ব্যবধানে বিতীয় গেম জিতে সমতা ফেরান। তৃতীয় গেমে চিরাগরা জেতেন ২১১৯ ব্যবধানে। ২০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ভারত।তৃতীয় গেমে প্রতিযোগিতায় দুরন্ত ছন্দে থাকা কিদাম্বি শ্রীকান্ত কোর্টে নামেন বিশ্বের ৮ নম্বর তারকা জোনাথন ক্রিস্টির বিরুদ্ধে। প্রথম গেমে ২১১৫ ব্যবধানে জেতেন শ্রীকান্ত। দ্বিতীয় গেমে জোনাথান ক্রিস্টি প্রতিরোধ গড়ে তুললেও শেষরক্ষা করতে পারেননি। ২৩২১ ব্যবধানে জিতে ভারতকে প্রথমবারের মতো টমাস কাপ জেতার স্বাদ এনে দেন কিদাম্বি শ্রীকান্ত। ভারত ৩০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ায় বাকি দুটি সিঙ্গলস খেলার প্রয়োজন হয়নি।

মে ১৫, ২০২২
দেশ

ত্রিপুরায় শপথ মানিকের, অনুষ্ঠানে গড়হাজির দলের বিক্ষুব্ধ মন্ত্রীরা

ত্রিপুরায় মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন ডা. মানিক সাহা। গতকাল, শনিবার বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশে মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন বিপ্লব দেব। মুখ্যমন্ত্রীর মেয়াদ শেষ হওয়ার দশ মাস আগেই সরতে হল বিপ্লব দেবকে। রবিবার দুপুরের এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন না উপমুখ্যমন্ত্রী জিষ্ণু দেববর্মন। তবে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর রাজভবনে গিয়ে হাজির হন উপমুখ্যমন্ত্রী। এই গড়হাজিরা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। শপথগ্রহণে অনুপস্থিত ছিলেন রাজ্যের আরেক মন্ত্রী রামপ্রসাদ পাল। দলের বিক্ষুব্ধ অংশের লোকজন শপথগ্রহণে গড়হাজির ছিলেন। এই অনুষ্ঠান বয়কট করেছেন বামফ্রন্টের বিধায়করা।Congratulations to Shri @DrManikSaha2 on taking oath as Tripuras CM. Best wishes to him for a fruitful tenure. I am confident he will add vigour to the development journey of Tripura which began in 2018. Narendra Modi (@narendramodi) May 15, 2022আগামী ২০২৩-এ ত্রিপুরায় বিধানসভার ভোট। তার আগে এভাবে মুখ্যমন্ত্রীকে পদত্যাগ করিয়ে অন্য় একজনকে সেই পদে বসিয়ে দিল বিজেপি। এই নয়া ঘোষণা নিয়ে গতকালই বিজেপির দলনেতা নির্বাচনকে ঘিরে দলীয় বৈঠকে ব্যাপক গন্ডগোল হয়। প্রকাশ্য বিদ্রোহ করেন রামপ্রসাদ। বচসা, হৈ-হট্টগোল, ধাক্কাধাক্কি সবই চলতে থাকে। এর আগে বৃহস্পতিবার দিল্লিতে সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বিপ্লব দেব। পরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সঙ্গে দেখা করেন বিপ্লব। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশে তারপর ত্রিপুরায় ফিরে গিয়ে পদত্যাগ করেন বিপ্লব দেব। আগামি ২০২৩ বিধানসভা নির্বাচনে ত্রিপুরা দখলে রাখা বিজেপির কাছে বড় চ্যালেঞ্জ।Extremely grateful to Honble PM Sh. @narendramodi ji,Honble Home Minister Sh @AmitShah ji,Honble National President Sh @JPNadda ji Honble Ex CM Shri @BjpBiplab ji MLAs for nominating me to take the oath as the Chief Minister of Tripura. pic.twitter.com/G1aYGYf1HG Dr Manik Saha (@DrManikSaha2) May 15, 2022

মে ১৫, ২০২২
রাজ্য

দাগী দুস্কৃতির সঙ্গে তৃণমূল বিধায়ক ও তৃণমূল নেতার ছবি, সোচ্চার সিপিএম ও বিজেপি

গুলি ভর্তি পাইপগান সহ পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যাওয়া এক দুস্কৃতি এখন গলার কাঁটা হয়ে উঠেছে তৃণমূলের নেতাদের। ধৃত ওই দুস্কৃতির নাম সম্পদ জুই ওরফে বাবু। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের রায়নার সেহারাবাজারের পাওয়ার হাউস পাড়ায়। গত মঙ্গলবার ভোররাতে বর্ধমান-অরামবাগ রোডের ফকিরপুর ঢাল এলাকায় নাকা চেকিং চলার সময়ে সে পাইপগান ও কার্তুজ সহ পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যায়।বিজেপি ও সিপিএম নেতৃত্বের দাবি ধৃত সম্পদ জুই খণ্ডঘোষের বিধায়ক নবীনচন্দ্র বাগের অত্যন্ত ঘনিষ্ট একজন তৃণমূল কর্মী।যদিও বিরোধীদের এই দাবি মানতে চাননি খণ্ডঘোষের তৃণমূল বিধায়ক।রায়না থানার পুলিশ অবশ্য মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মতো ধৃতের রাজনীতির রং বিচার না করে তাঁকে ওইদিনই বর্ধমান আদালতে পেশ করে।বিচারক ধৃতকে পাঁচ দিন পুলিশি হেপাজতের নির্দেশ দেন। ধৃতকে নিজেদের হেপাজতে নিয়ে পুলিশ খতিয়ে দেখছে সে ওই বেআইনি আগ্নেআস্ত্র কোথা থেকে পেল এবং কি উদ্দেশ্যে সে ওই আগ্নেআস্ত্র নিয়ে স্কুটিচেপে রাতে বাইরে বেরিয়ে ছিল।ধৃতের পুলিশি হেপাজতের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর রবিবার ফের তাঁকে বর্ধমান আদালতে পেশ করা হবে। তবে সম্পদকে এখন শ্রীঘর বাসেই থাকতে হবে বলে পুলিশ কর্তাদের কথায় ইঙ্গিত মিলেছে।বগটুই কাণ্ডের পর মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে বোমা, গুলি ও আগ্নেআস্ত্র উদ্ধারের জন্য রাজ্য জুড়ে পুলিশি তৎপরতা জারি রয়েছে। সেই মতো রায়না থানার পুলিশও তৎপরতা জারি রাখে। আর তাতেই পাইপগান ও কার্তুজ সহ সম্পদ জুই এর গ্রেপ্তার হওয়ার ঘটনায় এখন তোলপাড় চলছে জেলার রাজনৈতিক মহলে।জেলা বিজেপির সহ- সভাপতি সৌম্যরাজ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন,সম্পদ জুই তৃণমূল কংগ্রেস পার্টির সঙ্গে যুক্ত।এমনকি সে নিজেকে খণ্ডঘোষের তৃণমূল বিধায়ক নবীনচন্দ্র বাগের ঘনিষ্ট বলেই এলাকায় জাহির করতো ।এই সম্পদ জুই কেই রায়না থানার পুলিশ ২০১৮ সালে প্রচুর গাঁজা সহ গ্রেপ্তার করেছিল।মাদক সংক্রান্ত সেই মামলায় সম্পদ জুই দীর্ঘদিন জেলও খাটে।তার পর অপকর্ম চালানোর জন্য সে তৃণমূলে ভিড়ে গিয়ে তৃণমূলের নেতাদের সঙ্গে যে ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়েছিল সেটাও সবাই জানে।। সেই সম্পদ জুই গত মঙ্গলবার রায়না থানার পুলিশের নাকা চেকিংয়ে গুলি ভর্তি পাইপগান ধরা পড়ে ।এই ঘটনা তুলে ধরে বিজেপি নেতা সৌম্যরাজ বাবু দাবি করেন , সম্পদ জুই শুধু যে তৃণমূল কংগ্রেস পার্টি করতো এমনটা নয়। সে খণ্ডঘোষের তৃণমূল বিধায়ক নবিনচন্দ্র বাগেরও অত্যন্ত ঘনিষ্ট বলেই সবাই জানেন। তৃণমূলের নানা অনুষ্ঠানে তাঁকে বিধায়ক নবীনচন্দ্র বাগের সঙ্গেই দেখা যেত।সেই সব ছবি এখনও সামাজিক মাধ্যমে ঘোরা ঘুরি করছে।পাশাপাশি সৌম্যরাজবাবু এও দাবি করেন,সম্পদ জুই গ্রেপ্তার হওয়ার পর আরও একবার প্রমান হয়েগেল বগটুই কাণ্ডের পর মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি আদৌ কোন কাজেই লাগেনি। তাই শাসক দলের লোকজন এখনও বেআইনি আগ্নেআস্ত্র নিয়ে ঘুরে বেড়ানোর মত স্পর্ধা দেখাচ্ছেন।অন্যদিকে খণ্ডঘোষ নিবাসী জেলা সিপিএম নেতা বিনোদ ঘোষ বলেন,পাইপগান সহ পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যাওয়া সম্পদ জুই যে খণ্ডঘোষের তৃণমূল বিধায়কের ঘনিষ্ঠ ছিল সেটা সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘোরাঘুরি করা ছবি থেকেই স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে।শুধু বিধায়কই নন,ছবিতে সম্পদ জুই এর গা ঘেঁষে খণ্ডঘোষের আর এক তৃণমূল নেতা সঞ্জীব হাজরা কেও দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। এই প্রসঙ্গে বিনোদ বাবুর দাবি , এটা ব্যতিক্রমী কোন ঘটনা নয়। আসলে এই প্রথম রাজ্যে একটা সরকার চলছে যেটা সমাজ বিরোধী (Anti Social) দ্বারা পরিচালিত । সেই কারণেই শাসক দলের নেতা ও বিধায়কদের কাছাকাছি এখন দুস্কৃতি অথবা সমাজ বিরোধীরাই থাকছে ।এটাই বাংলার সব থেকে বড় লজ্জা বলে বিনোদ ঘোষ মন্তব্য করেন।বিরোধীরা এইসব অভিযোগ করলেও ছবি দেখার খণ্ডঘোষের বিধায়ক নবীনচন্দ্র বাগ বলেন,এটি সেহারাবাজারে হওয়া তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবস অনুষ্ঠানের ছবি। তবে আমার পাশে যে ব্যক্তি দাঁড়িয়ে আছেন তিনি যে সম্পদ জুই তা তিনি জানেন না। সম্পদ জুই কে তিনি চেনেনও না। অনুষ্ঠান চলাকালীন ওই ব্যক্তি কখন আমার পাশে এসে দাঁড়িয়ে গিয়েছিল সেটাও আমার আজানা। ছবিটা কিভাবে ছড়িয়ে গেল সেটাই বুঝতে পারছেন না বলে বিধায়ক নবীনচন্দ্রবাগ জানিয়েছেন। অপর তৃণমূল নেতা সঞ্জীব হাজরাও একই ভাবে জানিয়েদেন, সম্পদ জুই কে তিনি চেনেনই না। ওই ব্যক্তি তৃণমূলেরও কেউ নন। রাস্তার ধারে রাতে তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবস অনুষ্ঠান চলার সময়ে কখন ওই ব্যক্তি তাঁর ও বিধায়কের পাশে এসে দাঁড়িয়ে পড়েছিলেন সেটাও অজানা বলে সঞ্জীব বাবু জানিয়েছেন।

মে ১৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

নন্দনে 'পরাজিত' সত্যজিৎ, যুব তৃণমূলের রাজ্য সভানেত্রী অভিনেত্রীও ব্রাত্য!

যে নন্দনএর নামকরণ যাঁর হাতে, যে নন্দনের প্রতীকচিহ্নটিও যাঁর পেনে আঁকা, সেই সত্যজিৎ রায়ের জীবনের ওপর আধারিত সিনেমা ব্রাত্য নন্দনে। ১৯৮৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গ সরকার কর্তৃক নন্দন প্রতিষ্ঠিত হয়। নন্দনের সুদৃশ্য স্থাপত্যবিশিষ্ট ভবনটির দ্বারোদ্ঘাটন করেছিলেন বিশিষ্ট চলচ্চিত্র পরিচালক অস্কার বিজয়ী সত্যজিৎ রায়। শোনা যায় তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর নির্দেশে নন্দনের স্থাপত্য শিলাতে সত্যজিত রায়ের নাম জ্যোতি বসুর নামের ওপরে রাখা হয়েছিল।মাত্র কয়েকদিন আগেই এই বিশ্ব বরেণ্য চলচিত্র পরিচালকের জন্ম শতবর্ষ ঘটা করে পালন করা হল। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকেও তাঁকে স্মরণ করে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। তাল কাটলো কয়েকদিন গড়াতেই, তাঁর জন্ম শতবর্ষকে স্মরণীয় করে রাখতে চিত্র পরিচালক অনীক দত্ত তাঁর জীবনের ওপর আধারিত এক ডকুফিচার বানিয়ে ছিলেন, সেই সিনেমার জায়গা হল না তাঁর নামাঙ্কিত নন্দনে। সিনেমাটিতে সত্যজিতের চরিত্রে অভিনয় করেছেন জিতু কমল। বিজয়া রায়ের চরিত্রে অভিনয় করেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সভানেত্রী তথা অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ।অপরাজিত-র নন্দনে স্থান না পাওয়ায় জনসাধণের পাশাপাশি ফিল্ম দুনিয়ার-ও অনেকেই প্রতিহিংসার গন্ধ পাচ্ছেন। এর আগে অনীক দত্তের ভবিষ্যতের ভুত নিয়েও বিতর্ক অনেক দূর অবধি গড়িয়েছিল। সে সময় অপরাজিত-র বিজয়া অভিনেত্রী সায়নী অন্য পক্ষে ছিলেন। মেট্রোর সামনে সরকার পক্ষকে বিদ্ধ করে তাঁর জ্বালাময়ী ভাষণ নেট মাধ্যমে একটু ঘাঁটলেই পাওয়া যাবে। সেই সায়নী আজ সরকার পক্ষে।এবার সায়নী কোন পক্ষে থাকবেন প্রশ্ন তুললেন সদা প্রতিবাদী শ্রীলেখা মিত্র, অভিনেতা জয়জিৎ বন্দোপাধ্যায় ও ইন্দ্রাশিস আচার্য সহ একঝাঁক টলি তারকা। তাঁদের প্রশ্ন অনীক দত্তর ভবিষ্যতের ভুত ছবিটি মুক্তির পুর্বে কলকাতা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল-এ বলা একটি বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে রাজ্য সরকারের রোষ-নজরে পড়েছিলেন তিনি। সে সময় একরকম কোমর বেঁধেই অনীকের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ। উল্লেখযোগ্য ভাবে এ বার সায়নী অনীকের অপরাজিত-র বিজয়া। প্রশ্ন, তিনি কি তাঁর রাজনৈতিক খোলস ছেড়ে অনীকের হয়ে গলা ফাটাতে পারবেন? পারবেন জাস্টিস ফর অল বলে গলার স্বর উচ্চগ্রামে তুলতে?শুক্রবার সকালে সিনেমাটির উদ্বোধনের প্রাকলগ্নে অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, অপরাজিত সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ এবং উত্তেজনা নজর কাড়া।। ছবিটি আজকে রিলিজ করছে এবং ইতিমধ্যেই ৪০% প্রি-বুকিং শুরু হয়েছে। মানিক বাবুর পথের পাঁচালী বানাতে যা সময় বা কষ্ট বা ধৈর্য লেগেছিল, সেই তুলনায় কম হলেও অপরাজিত ছবি বানাতে স্পট বয় থেকে শুরু করে প্রোডিউসার সবারই কাল ঘাম ছুটে গিয়েছে।। লজিস্টিকস এর সমস্যা, অনসম্বল কাস্টিং, চ্যালেঞ্জিং ওয়েদার কন্ডিশান, লোকেশন এর সমস্যা এত কিছুর মধ্যেও প্রোডিউসার ফিরদৌসুল হাসান এবং পরিচালক অনিক দত্ত ছবিটাকে নিখুঁত ভাবে তৈরি করেছেন।। অনিক দার সঙ্গে সেই সর্ষে বাটার বিজ্ঞাপন থেকে আলাপ।নন্দন প্রসঙ্গে তাঁর বক্তব্যের দিকে তাকিয়ে চলচ্চিত্রপ্রেমী থেকে শুরু করে তাঁর সিনেমা জগতের সহকর্মীরা। অনীক দত্তর ভবিষ্যতের ভুত-এর মতোই অপরাজিত ডিস্ট্রিবিউশন নিয়েও আবার সমস্যায় পরিচালক অনীক দত্ত। সত্যজিৎ রায়ের জীবনী নিয়ে তৈরি সিনেমার জায়গা হবেনা নন্দনে! এই সিনেমার মুখ্য চরিত্রের অভিনেত্রী তৃণমূল নেত্রীর ভুমিকা নিয়ে ভীষণই কৌতূহল টলিপাড়ায়। বেশ কিছু অভিনেতা, পরিচালক সামাজিক মাধ্যমে তীর্যক মন্তব্য করছেন। কটাক্ষ করেছেন তাঁর ভূমিকা নিয়ে, প্রশ্ন একটাই, সায়নীর কী অবস্থান? সাংবাদ মাধ্যমে সায়নী বিতর্ক এড়িয়ে (অনীককে আড়ালে রেখে) স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছেন, ছবিটা অনীক দত্তর ছবি হিসেবে নয়, সত্যজিৎ রায়ের ছবি হিসেবে দেখছি। সেই পরিচালক যিনি বাংলাকে বিশ্বের দরবারে তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন। তাঁর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে অপরাজিত বানানো। সেই ছবি নন্দনে জায়গা পেল না। এটা আমায় সবচেয়ে বেশি আঘাত দিচ্ছে। নন্দন কর্তৃপক্ষের এই পদক্ষেপ মানতে খুবই কষ্ট হচ্ছে। আমি এবারেও অনীকদার পাশেই।সায়নীর আশঙ্কা যেখানে অনীক দত্তর মত স্বনাম ধন্য পরিচালকের সিনেমা স্থান পাছছে না। তখন তো উঠতি পরিচালকেরা সিনেমা করতে উৎসাহ হারাবেন। তাঁর হতাশ হয়ে পরবেন। অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র, টলিপাড়াই মুখরা হিসাবেই অধিক পরিচিত। অন্যায় দেখলেই তাঁর সামাজিক মাধ্যম গর্জে ওঠে, সেই শ্রীলেখা তাঁর সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন এখন আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করব টলিউড ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সেই সমস্ত গন্য মান্যদের, যাঁরা গলা ফাঠিয়েছিলেন বাংলা ছবির পাশে দাঁড়ান... বলে এবার একটু দাঁড়ান দেখি অনিক দার পাশে, বাংলা ছবির পাশে, এই সিস্টেমের বিরুদ্ধে! তাহলে বুঝবো....! নাহলে জান তো, নিজের সত্যিকারের ভণ্ডামিকে জাহির করবেন না, যান আপনি রিল বানান গিয়ে। সব জানা আছে। দুঃখিত সকাল সকাল এরকম পোস্ট দিয়ে, মাথাটা গরম হয়ে যায় চারিদিকের অন্যায়গুলো দেখে দেখে, আর কিছু বেছে বেছে বিদ্রোহী দেখে। ওফফ...।বিশ্বের সিনেমাপ্রেমীদের কাছে গ্রাম বাংলার চালচিত্র সুনিপুন ভাবে প্রথম তুলে ধরেছিলেন সত্যজিৎ রায়। সারা বিশ্বে তাঁর অনুগামী -র সংখ্যা হাতে গুনে শেষ করা যাবে না। তাঁর সিনেমায় সুরারোপ করেছেন ওস্তাদ বিসমিল্লা খাঁ, বিলায়েত খাঁয়ের মত বিশ্ব বন্দিত শিল্পীরা। উঠতি বহু শিল্পী, পরিচালকের প্রেরণা তিনি। আজ শুক্রবার সেই সত্যজিৎ রায় আবার হলে প্রনেশ করলেন। অনীকের হাত ধরে। তিনিই এ বার কেমারার সামনে, তিনিই ছবির মূল চরিত্র। অনীক দত্ত তাঁর ছবিতে এই মহান চলচিত্র পরিচালককে ফ্রেম বন্দী করে তুলে ধরেছেন এক অজানা সত্যজিৎ কে। সেই অপরাজিত সত্যজিতের ঠাঁই নেই সরকারি প্রেক্ষাগৃহ নন্দন-এ।পরিচালক অনীক জানিয়েছেন, তিনি এর কারণ জানেন না। তবে সরকারই বিবৃতিতে জানা গেছে। ৬ মে নন্দন খুলেছে। বর্তমানে মোট চারটি সিনেমা সেখানে চলছে। বেশ কিছু ছবি সেই হলে দেখানোর অপেক্ষায় রয়েছে। খুব অল্পদিন চলার পর চারটি সিনেমাকে তুলে দেওয়া সম্ভব নয়। আধিকারিকরা আরও জানিয়েছেন, কার ছবি, সে বিচার সরকার করে না। বর্তমানে নন্দনে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের ছবি অভিযান, সাংসদ দেবর কিশমিশ এবং সাংসদ মিমির মিনি চলছে। দুই তৃণমূল সাংসদ ও শাসক ঘনিষ্ট পরমব্রত- দের যাঁতাকলে পরে স্বয়ং যুব সভাপতি নকআউট?

মে ১৩, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 23
  • 24
  • 25
  • 26
  • 27
  • 28
  • 29
  • ...
  • 101
  • 102
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

বাংলাদেশে কী চলছে? হিন্দু হত্যা ও মন্দির ভাঙচুরের অভিযোগে উত্তাল ব্রিটিশ পার্লামেন্ট

বাংলাদেশে ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার। প্রকাশ্যে হিন্দুদের খুন করা হচ্ছে, জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে ঘরবাড়ি ও মন্দিরএই অভিযোগ তুলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হল ব্রিটেনের পার্লামেন্টে। আসন্ন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এই পরিস্থিতি নিয়ে সরব হয়েছেন ব্রিটেনের সাংসদ বব ব্ল্যাকম্যান।ব্রিটিশ পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে ব্ল্যাকম্যান বলেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই ব্রিটেনের বিদেশ সচিবের কাছে উদ্বেগ জানানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, রাস্তায় হিন্দুদের হত্যা করা হচ্ছে, বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে, মন্দিরে হামলা চালানো হচ্ছে। শুধু হিন্দুরাই নন, অন্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুরাও একই ভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন বলে দাবি করেন তিনি।আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন। তার আগে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ করার বিষয়টিও গভীর উদ্বেগের বলে মন্তব্য করেন ব্ল্যাকম্যান। তিনি বলেন, জনমত সমীক্ষায় আওয়ামি লিগের প্রায় ৩০ শতাংশ সমর্থন থাকা সত্ত্বেও দলটিকে নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হচ্ছে না। পাশাপাশি, বাংলাদেশের কট্টরপন্থী শক্তিগুলি দেশের সংবিধান বদলে দেওয়ার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি।বাংলাদেশে নির্বাচন আদৌ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ব্রিটিশ সাংসদ। এই পরিস্থিতিতে ব্রিটেনের সরকার কী পদক্ষেপ করবে, সে বিষয়ে বিদেশ সচিবের কাছে স্পষ্ট জবাব চান ব্ল্যাকম্যান। উল্লেখ্য, এর আগেও বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ করা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছিলেন ব্রিটেনের চার জন সাংসদ। তাঁদের বক্তব্য ছিল, একটি বড় রাজনৈতিক দলকে বাদ দিয়ে নির্বাচন হলে তা কখনওই প্রকৃত গণতান্ত্রিক নির্বাচন হতে পারে না।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

দু’দিন ধরে জ্বলছে বেলডাঙা, অবশেষে লাঠিচার্জ—পুলিশ এতক্ষণ কোথায় ছিল?

টানা দুদিন ধরে অশান্ত মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ, জাতীয় সম্পত্তি ভাঙচুর, রেল অবরোধসব মিলিয়ে পরিস্থিতি কার্যত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছিল, পুলিশ কোথায়? সাংবাদিকদের মারধর করা হয়েছে, রেলগেট ভেঙে দেওয়া হয়েছে, দোকানপাট বন্ধ হয়ে গিয়েছে, ট্রেন চলাচল স্তব্ধতবু পুলিশের কোনও দৃশ্যমান তৎপরতা দেখা যায়নি বলে অভিযোগ উঠছিল বারবার।অবশেষে প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর সেই নীরবতা ভাঙল। জেলা পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী নামল রাস্তায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে করা হল লাঠিচার্জ। বিক্ষোভকারীদের হঠাতে পুলিশ কড়া পদক্ষেপ নেয়। এই ঘটনায় নতুন করে প্রশ্ন উঠছে, এত দেরিতে কেন পুলিশের অ্যাকশন?এই প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার বলেন, পুলিশ আগেও এলাকায় ছিল। তবে হঠাৎ করে লাঠিচার্জ করা যায় না। প্রথমে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু পরিস্থিতি যখন আর নিয়ন্ত্রণে আসছিল না, তখন বাধ্য হয়ে লাঠিচার্জ করতে হয়েছে। তাঁর দাবি, বিক্ষোভকারীরা পাথর ছোড়া শুরু করায় পুলিশ কড়া ব্যবস্থা নেয়। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। যাঁরা লুকিয়ে রয়েছেন, তাঁদেরও শনাক্ত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।বেলা বাড়লেও এখনও রেল চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। বহু দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। স্টেশন চত্বরে টহল দিচ্ছে আরপিএফ। কয়েকজন দোকানদারের অভিযোগ, আন্দোলনকারীরা দোকানে লুটপাটের চেষ্টা করেছে। যদিও পুলিশ সুপার আশ্বাস দিয়েছেন, পরিস্থিতি এখন অনেকটাই স্বাভাবিক এবং পুলিশ পুরোপুরি নজরদারিতে রয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

মালদহ থেকে বন্দে ভারত স্লিপার চালু, অনুপ্রবেশ নিয়ে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ মোদীর

বাংলা সফরের প্রথম দিনেই মালদহে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মালদা টাউন স্টেশন থেকে এ দিন দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করেন তিনি। নতুন এই ট্রেন অসমের উদ্দেশে রওনা দেয়। ট্রেন চালু হতেই খুশির হাওয়া মালদহ জুড়ে। উদ্বোধনের পরে ট্রেনের ভিতরে গিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী। এর পাশাপাশি মালদহে একটি জনসভাও করেন তিনি।সভা থেকে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে সরব হন নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, বিশ্বের সব উন্নয়নশীল দেশেই অনুপ্রবেশকারীদের বাইরে বের করে দেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ থেকেও অনুপ্রবেশকারীদের এক এক করে বের করে দেওয়া জরুরি। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকলে সেটা সম্ভব নয়। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল নেতারাই বছরের পর বছর অনুপ্রবেশকারীদের বাংলায় বসবাস করতে দিচ্ছেন। এতে সাধারণ মানুষের জমি সুরক্ষিত নয়, কাজ ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে, টাকা লুট হচ্ছে এবং মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে।মালদহের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিজেপি সরকার এলে মালদহের আম নির্ভর অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া হবে। রাজ্যে আরও বেশি কোল্ড স্টোরেজ তৈরি করা হবে। রেশম চাষিদের জন্য কোটি টাকার প্রকল্প চালু করা হয়েছে। পাট শিল্পকে বাঁচাতে কেন্দ্র সরকার সব রকম চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, ২০১৪ সালের আগে যখন তৃণমূল কেন্দ্রের অংশ ছিল, তখন এমএসপি ছিল ২৪০০ টাকা, আর এখন তা বেড়ে সাড়ে ৫ হাজার টাকারও বেশি হয়েছে।বন্যাত্রাণ নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ করে মোদী বলেন, বহুবার ত্রাণের টাকা দেওয়া হলেও সেই টাকা সঠিক মানুষের হাতে পৌঁছয়নি। যারা ক্ষতিগ্রস্ত, তারা টাকা পায়নি। তাঁর দাবি, বাংলায় বিজেপি সরকার গঠন হলে এই সব দুর্নীতি বন্ধ হবে।আম প্রক্রিয়াকরণ শিল্প গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকারের কোনও উদ্যোগ নেই বলে অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি নদীভাঙন নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বৃষ্টি হলেই সব ভেসে যায়, আর বন্যাত্রাণ নিয়ে কী হয়েছে, তা মানুষ নিজেরাই ভালো জানেন।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতা থেকে পাঠানো হচ্ছে RPF-RPSF, বেলডাঙায় হাজির হলেন হুমায়ুন কবীর

শুক্রবারের উত্তপ্ত পরিস্থিতির পর শনিবারও মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা এলাকায় উত্তেজনা অব্যাহত। স্থানীয় বিধায়ক ও জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন, পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। ইতিমধ্যেই কৃষ্ণনগর-লালগোলা রুটের ট্রেন বন্ধ হয়ে গেছে, রেলগেট ভেঙে ফেলা হয়েছে। হুমায়ুন কবীর ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়ে বচসা করেন।তিনি বলেন, স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ যথেষ্ট সক্রিয় নয়। সক্রিয়তা না বাড়ালে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষগুলো আক্রান্ত হচ্ছে। জনরোষ এসে জাতীয় সড়ক (NH)-এর উপর পড়ছে। গতকাল সাত ঘণ্টা রাস্তা বন্ধ ছিল। বিহারে আরও একজন আহত হয়েছে, হাসপাতালে ভর্তি। কিছু মানুষ প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছে। কার নির্দেশে তারা NH অবরোধ করছে তা জানা নেই।আজও সাংবাদিকদের টার্গেট করে মারধর করা হয়েছে। জাতীয় সড়ক পুরোপুরি ধ্বংসের পথে। ক্ষিপ্ত জনতা রাস্তায় নেমে বাঁশ হাতে ও ফ্লেক্স-ব্যানার উপরে ফেলে লাথি মারা সহ নানা ধরণের ভাঙচুর চালাচ্ছে। এলাকায় একজনও পুলিশ দেখা যায়নি। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কেউ গ্রেফতার হয়নি। পরে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জানা গেছে, কলকাতা থেকে RPF ও RPSF পাঠানো হচ্ছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের আগে বড় সিকিউরিটি অ্যালার্ট, বন্দে ভারত স্লিপারকে লক্ষ্য করে ষড়যন্ত্র!

আর হাতে গোনা কয়েক ঘণ্টা, তারপরই মালদহ থেকে ছুটবে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন। তবে এই আনন্দের মাঝে নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আরপিএফ। গোপন সূত্রে খবর পাওয়া গেছে, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া ও কালো পতাকা দেখানোর ষড়যন্ত্র চলছে।আজ দুপুরে মালদা টাউন রেলস্টেশন থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী উদ্বোধন করবেন ট্রেনের। তার আগে আরপিএফের পক্ষ থেকে কালিয়াচক থানার আইসিকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সুবোধ কুমার সাউ নামের একজন ব্যক্তি ইমেইলের মাধ্যমে জানিয়েছেন যে কিছু দুষ্কৃতীরা ট্রেন ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন স্টেশনে হামলার চেষ্টা করতে পারে।আরপিএফের আশঙ্কা অনুযায়ী, জামিরঘাটা, খালতিপুর, চমগ্রাম, শঙ্খপাড়া, নিউ ফরাক্কা, বল্লালপুর, ধুলিয়ান, বাসুদেবপুর ও তিলডাঙা এলাকায় ট্রেন লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হতে পারে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে কালো পতাকা দেখানোর সম্ভাবনাও রয়েছে। তাই কালিয়াচক থানাকে স্টেশনগুলিতে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।এর আগে হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস লক্ষ্য করে একাধিকবার পাথর ছোড়ার ঘটনা ঘটেছিল। তখন রেল কর্তৃপক্ষ কড়া পদক্ষেপ নিয়েছিল। এবার যাতে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে এমন কোনও ঘটনা না ঘটে, তার জন্য আগেভাগেই সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

বেলডাঙা উত্তাল! রেল অবরোধ, ট্রেন আটক, ভাঙচুর ও সাংবাদিকের ওপর হামলা

ভীন রাজ্যে এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু ঘিরে উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। শুক্রবারের পর শনিবারও রাস্তায় শত শত মানুষ বিক্ষোভে নেমে আসে। গতকাল সাংবাদিকদের ওপরও হামলা হয়েছে। ট্রেন ও সড়ক অবরোধের ঘটনা লাগাতার চলেছে। শনিবার ফের জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন স্থানীয় জনতা। সড়কে চলমান সব কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। রেল গেট ভাঙচুর করা হয়েছে, ফলে লালগোলাকৃষ্ণনগর রুটের ট্রেন চলাচলও বন্ধ রয়েছে। এই পরিস্থিতি দেখে প্রশ্ন উঠেছে, এভাবেই কি প্রতিবাদ করা উচিত?শুধু শুক্রবার নয়, শনিবারও সাংবাদিকদের টার্গেট করা হয়েছে। ছবিতে দেখা গেছে ক্ষিপ্ত জনতা রাস্তায় নেমে বাঁশ হাতে হুড়োহুড়ি করছেন। রাস্তার ধারে থাকা ফ্লেক্স ও ব্যানার উপরে ফেলে লাথি মারা হচ্ছে। এলাকায় কোনও পুলিশকর্মীও দেখা যায়নি। কোথায় গেল পুলিশ, সেটাই এখন প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।গতকাল পরিস্থিতি যখন তপ্ত হয়েছিল, প্রশাসনের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক হয়। কিছু আবেদন মেনে নেওয়া হয় এবং কন্ট্রোল রুম খোলা হয়। তবে তাতে কার্যত পরিস্থিতির কোনও উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। শনিবার সকাল থেকেই বেলডাঙায় পরিস্থিতি ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ বিষয়ে কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী বলেন, রাজ্যে প্রশাসন নেই, তাই এমন হচ্ছে। তার মধ্যে আজ আবার অভিষেক আসছেন। তাই বহরমপুর বাসস্ট্যান্ড বেলা ১১টা থেকে ৪টা অবধি বন্ধ থাকবে। এই সময়ে সাধারণ মানুষের জন্য সব বন্ধ। নেতারাই তো সমাজ-বিরোধী কাজ করছেন। তাহলে বাংলায় আর কী হবে? কোথাও রোড শো, কোথাও ভাঙচুরএর জন্য যাতায়াত বন্ধ। জনপ্রতিনিধি ভাষণ দেবেন বলে সব বন্ধ।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
কলকাতা

ছাব্বিশ হাজার চাকরি বাতিলের জটিল মামলা আবার আলোচনায়, দাগি প্রার্থীদের তালিকায় উঠে এল নাম!

কলকাতা হাইকোর্টের একটি উল্লেখযোগ্য রায়ের আলো আবার সমালোচনার কেন্দ্রে এসেছে। ২০১৬ সালের এসএসসি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যারা চাকরি পাননি, তাদের মধ্যে কয়েকজন দাগি প্রার্থী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিলেন। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ২৬ হাজার চাকরি বাতিল হয়। এখন ২০২৫ সালের নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এসএসসি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত করেছে ২০১৬ সালের ওয়েটিং লিস্টের দাগি প্রার্থীদের নাম।এই তালিকায় নাম থাকা মাত্রই বিতর্ক শুরু হয়েছে। নন্দীগ্রামের লক্ষ্মী তুঙ্গারের নামও তালিকায় রয়েছে, যিনি ২০১৬ সালে নিয়োগ বৈধতা নিয়ে মামলা করেছিলেন। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেছেন, বঞ্চিত প্রার্থীর নামে মামলা হয়েছে, যারা লড়েছেন তাঁদের নাম এখন দাগি তালিকায়। এটা একটি পরিকল্পিত প্রক্রিয়ার অংশ। অনেক চূড়া এখনও প্রকাশ পায়নি। তিনি আরও বলেন, নিয়োগ আটকানোর চেষ্টা অনেকবার হয়েছে। তবে যোগ্য শিক্ষকের নিয়োগ বাধ্যতামূলক। তবে এই প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের ষড়যন্ত্র ছিল কি না, তা কিছুটা প্রকাশ পেয়েছে।চাকরিহারা রাকেশ আলম বলেন, যখন তালিকা প্রকাশিত হলো, তখন স্পষ্ট হলো এই প্যানেল রাজনৈতিক প্রভাবের ফলে তৈরি। আমরা যোগ্য শিক্ষকদের পক্ষে, কোনও রাজনৈতিক পক্ষ নই। ওএমআর মিসম্যাচের অভিযোগে দাগিদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে অযোগ্য প্রার্থীরাও উঠে এসেছে।এসএসসি সূত্রে জানা যায়, নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় একজনও দাগি প্রার্থী থাকবেন না, সেই নির্দেশনা মেনে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু প্রকাশিত তালিকা ভোটের আগে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
কলকাতা

বিএলও-র ইস্তফা ঝড়! এসআইআর প্রক্রিয়া বিপর্যয়ের পথে? নির্বাচনী কমিশনের পদক্ষেপ প্রশ্নের মুখে

শেষ পর্যায়ে এসআইআর প্রক্রিয়া। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। কিন্তু তার আগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিএলও-দের অসন্তোষ ক্রমশ বেড়েছে। অতিরিক্ত কাজের চাপের অভিযোগ আগেই তুলেছিলেন বিএলও-রা। এবার অনেকেই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে ইস্তফা দিতে শুরু করেছেন।রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিএলও-রা গণইস্তফা দিচ্ছেন। শনিবারই উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গা ব্লকে প্রায় ২০০ জন বিএলও অনির্দিষ্টকালের জন্য কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, একের পর এক নির্দেশিকা ও ম Thomson-এ কাজ করতে গিয়ে তাঁরা হয়রানি ও হেনস্থার মুখে পড়ছেন। বিডিও দফতরের সামনে গেট আটকে বিক্ষোভও দেখানো হয়েছে।বিএলও-দের অসন্তোষ জেলায় জেলায় বাড়ছে। স্বরূপনগরে গতকাল ৫৩ জন বিএলও একসঙ্গে ইস্তফা দিয়েছেন। সূত্রের খবর, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে এখন পর্যন্ত পাঁচ হাজারের বেশি বিএলও ইস্তফার আবেদন জমা দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশন কি পদক্ষেপ নেবে, তা এখনই প্রশ্নের মুখে। রাজনৈতিক কারণে কি এই ইস্তফার ঘটনা ঘটছে, তা নিয়েও জোর আলোচনা চলছে।এসআইআর প্রক্রিয়ায় বিএলও-দের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গত ৪ নভেম্বর থেকে তারা এনুমারেশন ফর্ম বিলি শুরু করেছিলেন। কাজের চাপ এবং দীর্ঘ দায়িত্বের কারণে একাধিক বিএলও মৃত্যু বা আত্মহত্যার অভিযোগও উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে কমিশনের পদক্ষেপই এখন সবার নজর কেড়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal