• ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার ০৫ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

LSG

খেলার দুনিয়া

ব্যর্থ লোকেশের লড়াই, ফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স

বিরাট কোহলির ব্যর্থতা ঢেকে দিলেন রজত পতিদার। তাঁর দুরন্ত ব্যাটিংয়ে ভর করে লখনউ সুপার জায়ান্টসকে ১৪ রানে হারিয়ে ফাইনালের আশা জিইয়ে রাখল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। লখনউ সুপার জায়ান্টস অধিনায়ক লোকেশ রাহুলের দুরন্ত লড়াই ব্যর্থ হয়ে গেল। দ্বিতীয় এলিমিনেটরে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের সামনে এবার রাজস্থান রয়্যালস।রজত পতিদারের অপরাজিত দুরন্ত সেঞ্চুরির সুবাদে ২০৭/৪ রানের বড় স্কোর খাড়া করেছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। সামনে বিশাল রানের টার্গেট দেখে চাপে পড়ে গিয়েছিল লখনউ সুপার জায়ান্টস। চাপ আরও বেড়ে যায় প্রথম ওভারেই কুইন্টন ডিককের উইকেট হারানোয়। প্রথম ওভারের শেষ বলে তাঁকে তুলে নেন মহম্মদ সিরাজ। ৫ বলে ৬ রান করে আউট হন ডিকক। মনন ভোরাও দলকে বেশিদূর টেনে নিয়ে যেতে পারেননি। ১১ বলে ১৯ রান করে তিনি হ্যাজেলউডের বলে শাহবাজ আমেদের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন।৪১ রানে ২ উইকেট হারানোর পর লখনউকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন অধিনায়ক লোকেশ রাহুল ও দীপক হুডা। তাঁদের ৯৬ রানের জুটি লখনউকে ক্রমশ জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। দীপক হুডাকে বোল্ড করে জুটি ভাঙেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। ২৬ বলে ৪৫ রান করে আউট হন দীপক হুডা। হুডা আউট হওয়ার আগেই হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন লোকেশ রাহুল। চলতি আইপিএলে এটি তাঁর চতুর্থ হাফ সেঞ্চুরি।দীপক হুডা আউট হওয়ার পর মার্কাস স্টয়নিস জুটি বাঁধেন লোকেশ রাহুলের সঙ্গে। হর্শল প্যাটেলকে ৬ মারতে গিয়ে ডিপ কভারে রজত পতিদারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন স্টয়নিস (৯ বলে ৯)। লোকেশ রাহুল আউট হতেই জয়ের আশা শেষ হয়ে যায় লখনউর। ৫৮ বলে ৭৯ রান করে হ্যাজেলউডের বলে আউট হন রাহুল। পরের বলেই হ্যাজেলউড তুলে নেন ক্রূণাল পান্ডিয়েকে (০)। নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৯৩/৬ তোলে লখনউ। ৪৩ রানে ৩ উইকেট নেন হ্যাজেলউড।এদিন কোহলির টানেই এদিন ইডেন ভরিয়েছিলেন দর্শকরা। ভাল শুরু করেও বড় রান করতে ব্যর্থ কোহলি। মাত্র ২৫ রান করে আউট হন। কোহলির ব্যর্থতা ঢেকে দলকে বড় রানে পৌঁছে দিয়েছিলেন রজত পতিদার। ৫৪ বলে ১১২ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে তিনি অপরাজিত থাকেন। তাঁর সৌজন্যেই ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২০৭ রানে পৌঁছেছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর।যদিও শুরুটা ভাল হয়নি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের। প্রথম ওভারেই আউট হন ফাফ ডুপ্লেসি। তিনি গোল্ডেন ডাকের শিকার। এরপর দলকে টানেন কোহলি ও রজত পতিদার। গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (৯) নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। মহীপাল লোমরোর করেন ১৪। শেষদিকে ঝড় তুলে ২৩ বলে ৩৭ রান করে অপরাজিত থাকেন দীনেশ কার্তিক।

মে ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুর্দান্ত লড়াই করেও স্বপ্ন শেষ নাইটদের, প্লে অফে লখনউ

নাটকীয় ম্যাচে ফয়সালা হল শেষ ওভারে। দুর্দান্ত লড়াই করেও শেষরক্ষা করতে পারল না নাইট রাইডার্স। শ্রেয়স আয়ারের দলকে ২ রানে হারিয়ে প্লে অফে পৌঁছে গেল লখনউ সুপার জাযান্টস। কুইন্টন ডিকক ও লোকেশ রাহুলের দাপটে প্রথমে ব্যাট করে ২১০ রানের বিশাল স্কোর খাড়া করে লখনউ সুপার জায়ান্টস। সামনে বড় রানের টার্গেট দেখে চাপে পড়ে যান নাইট রাইডার্সের ব্যাটাররা। তার প্রতিফলন শুরুতেই দেখা যায়। প্রথম ওভারেই ধাক্কা। স্কোর বোর্ডে কোনও রান ওঠার আগেই চতুর্থ বলেই ভেঙ্কটেশ আয়ারকে (০) তুলে নেন মহসীন খান। তৃতীয় ওভারে আবার ধাক্কা। এবার মহসীন ফেরান আইপিএলে অভিষেককারী নাইটদের ওপর ওপেনার অভিজিৎ টোমারকে। ৮ বলে মাত্র ৪ রান করে আউট হন অভিজিৎ। ৯ রানে ২ উইকেট হারানোর পর ঝড় তোলেন নীতীশ রানা ও শ্রেয়স আয়ার। দুজনে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। অষ্টম ওভারে আবার ধাক্কা। এবার নীতীশকে তুলে নেন কৃষ্ণাপ্পা গৌতম। ২২ বলে ৪২ রান করে আউট হন নীতীশ। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান শ্রেয়স ও স্যাম বিলিংস। শ্রেয়সকে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন মার্কাস স্টইনিস। ২৯ বলে ৫০ রান করেন শ্রেয়স। ২৪ বলে ৩৬ রান করে বিলিংস আউট হন। রাসেল করেন ৫।এরপর ম্যাচ জমিয়ে দেন রিঙ্কু সিং। ঝড় তুলে ১৫ বলে ৪০ রান করে তিনি দলকে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে দেন। স্টইনিসের বলে তিনি যখন আউট হন জয় থেকে ৩ রান দূরে নাইটরা। শেষ বলে দরকার ছিল ৩। কিন্তু উমেশ যাদাবকে (০) বোল্ড করে লখনউকে নাটকীয় জয় এনে দেন স্টইনিস। ২৩ রানে ৩ উইকেট নেন স্টইনিস।টস জিতে এদিন প্রথমে ব্যাট করতে নেমে সতর্কভাবে শুরু করেছিলেন লখনউর দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও কুইন্টন ডিকক। প্রথম দিকে খুব বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠার চেষ্টা করেননি। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ওঠে ৪৪। এরপর ক্রমশ নাইট বোলারদের ওপর জাঁকিয়ে বসেন ডিকক ও লোকেশ রাহুল। ৩৬ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ডিকক। অন্যদিকে, ৪১ বলে ৫০ রান পূর্ণ করেন লোকেশ রাহুল।লখনউ সুপার জায়ান্টসের এই দুই ওপেনারের ওপর কোনও প্রভাব ফেলতে পারেননি নাইট উমেশ যাদবরা। আন্দ্রে রাসেলকে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে আইপিএলে জীবনের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন ডিকক। এদিন ৫৯ বলে তিনি সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন।৬ বছর আগে ২০১৬ সালে দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে করেছিলেন ১০৮। এদিন ডিককের ব্যাটে রেকর্ডের ছড়াছড়ি। চলতি আইপিএলে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেললেন ডিকক। ৭০ বলে ১৪০ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। মারেন ১০টি চার ও ১০টি ছয়। চলতি আইপিএলে এক ম্যাচে সবথেকে বেশি ৬ মারার রেকর্ডেরও অধিকারী হলেন। ৫১ বলে ৬৮ রান করে অপরাজিত থাকেন লোকেশ রাহুল।

মে ১৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুরন্ত ডিককের ব্যাটে রেকর্ড, বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল লখনউ

কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে লখনউ সুপার জায়ান্টসের ম্যাচটা একদিকে যেমন ছিল প্লে অফের ছাড়পত্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, অন্যদিকে প্রথম দুইয়ে থাকারও লড়াই। এইরকম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দারুণভাবে জ্বলে উঠল লখনউ। ২০ ওভারে তুলল ২১০/০। দুরন্ত সেঞ্চুরি করে দলকে বড় রানে পৌঁছে দেন কুইন্টন ডিকক। তাঁর ব্যাটে এদিন রেকর্ডের ছড়াছড়ি। চলতি আইপিএলে সর্বোচ্চ রান।নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নামার আগে প্রথম একাদশে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন করে মাঠে নামে লখনউ সুপার জায়ান্ট। চোটের জন্য প্রথম একাদশের বাইরে ছন্দে থাকা অলরাউন্ডার ক্রূণাল পান্ডিয়া। পরিবর্তে দলে কৃষ্ণাপ্পা গৌতম। এছাড়া প্রথম একাদশ থেকে বাদ পড়েন আয়ূষ বাদোনি ও দুষ্মন্ত চামিরা। এই দুজনের জায়গায় প্রথম একাদশে সুযোগ পান মনন ভোরা এবং এভিন লুইস।এদিন সতর্কভাবে শুরু করেছিলেন লখনউর দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও কুইন্টন ডিকক। প্রথম দিকে খুব বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠার চেষ্টা করেননি। তার মাঝেই একবার জীবন পান ডিকক। তৃতীয় ওভারে উমেশ যাদবের বলে ব্যক্তিগত ১২ রানের মাথায় তাঁর ক্যাচ ফেলেন নাইটদের হয়ে আইপিএলে অভিষেককারী অভিজিৎ টোমার। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে লখনউ তোলে ৪৪।শুরুতে জীবন পেয়ে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি ডিকককে। ক্রমশ নাইট বোলারদের ওপর জাঁকিয়ে বসেন। লোকেশ রাহুলও শুরুর জড়তা কাটিয়ে নিজেকে মেলে ধরেন। ৩৬ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ডিকক। নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে জ্বলে ওঠা অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছেন এই প্রোটিয়া ওপেনার। শেষ ৫ ম্যাচে চারটি হাফ সেঞ্চুরির ইনিংস। অন্যদিকে, ৪১ বলে ৫০ রান পূর্ণ করেন লোকেশ রাহুল।লখনউ সুপার জায়ান্টসের এই দুই ওপেনারের ওপর কোনও প্রভাব ফেলতে পারেননি নাইট উমেশ যাদবরা। ১৭.১ ওভারে ১৫০ রানে পৌঁছে যায় লখনউ সুপার জায়ান্টস। আন্দ্রে রাসেলকে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে আইপিএলে জীবনের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন ডিকক। এদিন ৫৯ বলে তিনি সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন।৬ বছর আগে ২০১৬ সালে দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে করেছিলেন ১০৮। এদিন ডিককের ব্যাটে রেকর্ডের ছড়াছড়ি। চলতি আইপিএলে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেললেন ডিকক। ৭০ বলে ১৪০ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। মারেন ১০টি চার ও ১০টি ছয়। চলতি আইপিএলে এক ম্যাচে সবথেকে বেশি ৬ মারার রেকর্ডেরও অধিকারী হলেন। ৫১ বলে ৬৮ রান করে অপরাজিত থাকেন লোকেশ রাহুল।

মে ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

লখনউকে হারিয়ে প্লে অফের দিকে আরও এগিয়ে গেল রাজস্থান রয়্যালস

প্লে অফের স্বপ্ন এখনও পূরণ হল না লোকেশ রাহুলদের। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে রাজস্থান রয়্যালসের কাছে হেরে অপেক্ষার প্রহর এখনও বেড়ে গেল লখনউ সুপার জায়ান্টসের। এদিন লখনউকে ২৪ রানে হারিয়ে লিগ টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসার পাশাপাশি প্লে অফের দিকে আরও এগিয়ে গেল রাজস্থান রয়্যাল। রাজস্থানের জয়ের নায়ক ট্রেন্ট বোল্ট। দুরন্ত বোলিং করে দলের জয়ের পথ প্রশস্ত করেন। প্রথমে ব্যাট করে লখনউর সামনে জয়ের জন্য ১৭৯ রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিল রাজস্থান। শুরুতে ধাক্কা খেলেও দীপক হুডা ও ক্রূণাল পান্ডিয়া জুটির হাত ধরে জয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল লখনউ সুপার জায়ান্টস। তখনই ধাক্কা রবিচন্দ্রন অশ্বিনের। অশ্বিনের বল তুলে মেরেছিলেন ক্রূণাল। লং অফ বাউন্ডারি থেকে অনেকটা দৌড়ে বল তালুবন্দী করেন জস বাটলার। শরীরের ভারসাম্য রাখতে না পেরে যখন বাউন্ডারি লাইন অতিক্রম করছিলেন, বল ছুঁড়ে দেন রিয়ান পরাগের উদ্দেশ্যে। সেই বল তালুবন্দী করেন রিয়ান। সাজঘরের পথে ক্রূণাল। এই উইকেটটাই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। জয়ের রাস্তা থেকে দুরে সরে যায় লখনউ সুপার জায়ান্টস।লখনউর শুরুটাও ভাল হয়নি। তৃতীয় ওভারের প্রথম ও দ্বিতীয় বলে কুইন্টন ডিকক (৭) ও আয়ুষ বাদোনিকে (০) তুলে নিয়ে লখনউকে চাপে ফেলে দেন ট্রেন্ট বোল্ট। ষষ্ঠ ওভারে অধিনায়ক লোকেশ রাহুলকে (১৯ বলে ১০) ফেরান প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। এরপর বিপর্যয় সামলে দলকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন দীপক হুডা ও ক্রূণাল পান্ডিয়া। তখনই ধাক্কা অশ্বিনের। ২৫ রান করে আউট হন ক্রূণাল। ২ ওভার পরেই দীপক হুডাকে তুলে নিয়ে লখনউর আশা একেবারে শেষ করে দেন যুজবেন্দ্র চাহাল। ৩৯ বলে ৫৯ রান করেন হুডা। ১৭ তম ওভারে ২ বলের ব্যবধানে জেসন হোল্ডার (১) ও দুষ্মন্ত চামিরাকে (০) ফেরান ওবেদ ম্যাককয়। ১৭ বলে ২৭ রান করেন মার্কাস স্টয়নিস। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৫৪ তোলে লখনউ। দুরন্ত বোলিং করে ৪ ওভারে ১৮ রানে ২ উইকেট নেন ট্রেন্ট বোল্ট। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ ও ওবেদ ম্যাককয়ও নেন ২টি করে উইকেট।জস বাটলারের ব্যর্থতা সত্ত্বেও এদিন লখনউর সামনে বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিল রাজস্থান। তৃতীয় ওভারে আবেশ খানের বলে বোল্ড হন বাটলার (২)। ধাক্কা সামলে দলকে টেনে নিয়ে যান যশস্বী জয়সোয়াল ও অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। ২৪ বলে ৩২ রান করে আউট হন সঞ্জু। তাঁকে তুলে নেন জেসন হোল্ডার। ২ ওভার পরেই ফেরেন যশস্বী জয়সোয়াল। ২৯ বলে তিনি করেন ৪১। ১৮ বলে ৩৯ রান করে তিনি রবি বিষ্ণোইয়ের বলে আউট হন দেবদত্ত পাড়িক্কল। প্রথম একাদশে সুযোগ পেয়ে জিমি নিশামও (১২ বলে ১৪) দলকে ভরসা দিতে পারেননি। রিয়ান পরাগ ১৬ বলে করেন ১৭। ৭ বলে ১০ রান করে অপরাজিত থাকেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। ট্রেন্ট বোল্ট ৯ বলে ১৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। লখনউর হয়ে ২টি উইকেট নেন রবি বিষ্ণোই।

মে ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আবার ব্যর্থ বাটলার, তবু লখনউ–র সামনে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল রাজস্থান

একদলের পয়েন্ট ১২ ম্যাচে ১৬, অন্য দলের ১৪। দুই দলের সামনেই প্লে অফে যাওয়ার সুযোগ। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে জিতলেই এদিনই প্লে অফ নিশ্চিত লখনউ সুপার জায়ান্টসের, যারা ১৬ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে। অন্যদিকে, লখনউর বিরুদ্ধে জিতলে রাজস্থানের সামনেও প্লে অফের টিকিট নিশ্চিত হওয়ার হাতছানি। এইরকম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বড় রান তুলে লখনউর সামনে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল রাজস্থান রয়্যালস। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে তুলল ১৭৮। এদিনও রান পেলেন না জস বাটলার। তাসত্ত্বেও বড় রান রাজস্থান রয়্যালসের। এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন রাজস্থান রয়্যালস অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। আগের ম্যাচে শিমরন হেটমায়ারের পরিবর্তে রাসি ভ্যান ডার ডুসেনকে প্রথম একাদশে সুযোগ দিয়েছিল রাজস্থান। নিজেকে একেবারেই মেলে ধরতে পারেননি ডুসেন। এদিন তাঁর পরিবর্তে জিমি নিশামকে প্রথম একাদশে সুযোগ দেয় রাজস্থান টিম ম্যানেজমেন্ট। ডুসেনের ব্যর্থতা ছাড়াও বাইশ গজে ঘাসের কথা মাথায় রেখেছিল। এছাড়া কুলদীপ সেনের জায়গায় ওবেদ ম্যাককয়কে প্রথম একাদশে নেওয়া হয়।ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় রাজস্থান। যার ওপর বেশি ভরসা, সেই জস বাটলার লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধেও রান পেলেন না। তৃতীয় ওভারে আবেশ খানের বলে বোল্ড হন বাটলার। ৬ বলে করেন মাত্র ২ রান। প্রাথমিক ধাক্কা সামলে দলকে টেনে নিয়ে যান যশস্বী জয়সোয়াল ও অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। জুটিতে ওঠে ৬৪। ২৪ বলে ৩২ রান করে আউট হন সঞ্জু। তাঁকে তুলে নেন জেসন হোল্ডার। ২ ওভার পরেই ফেরেন যশস্বী জয়সোয়াল। ২৯ বলে তিনি করেন ৪১। ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন দেবদত্ত পাড়িক্কল। শেষ পর্যন্ত ১৮ বলে ৩৯ রান করে তিনি রবি বিষ্ণোইয়ের বল ক্রূণাল পান্ডিয়ার হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। শিমরন হেটমায়ারের অভাব আবার ফুটে উঠল। ভ্যান ডার ডুসেনের পরিবর্তে এদিন সুযোগ পেয়ে জিমি নিশামও ব্যাট হাতে দলকে ভরসা দিতে পারেননি। ১২ বলে মাত্র ১৪ রান করে তিনি রান আউট হন। নিশাম আউট হওয়ার ৩ বল আগেই ফিরে যান রিয়ান পরাগ (১৬ বলে ১৭)। ৭ বলে ১০ রান করে অপরাজিত থাকেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। ট্রেন্ট বোল্ট ৯ বলে ১৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। লখনউর হয়ে ২টি উইকেট নেন রবি বিষ্ণোই।

মে ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মরণবাঁচন ম্যাচে জ্বলে উঠতে ব্যর্থ কলকাতা নাইট রাইডার্স

জায়ান্টসকে কম রানে বেঁধে রাখতে পারল না কলকাতা নাইট রাইডার্স।প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে লখনউ সুপার তোলে ৭ উইকেটে ১৭৬। প্লে অফের লড়াইয়ে টিকে থাকতে গেলে লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না কলকাতা নাইট রাইডার্সের সামনে। অথচ এইরকম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে কাফ মাসলসে চোটের জন্য ছিটকে যান নাইট রাইডার্সের বোলিংয়ের অন্যতম ভরসা স্তম্ভ উমেশ যাদব। চলতি আইপিএলে ১০ ম্যাচে ১৫ উইকেট নিয়ে বোলারদের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারীর তালিকায় ৬ নম্বরে রয়েছেন উমেশ যাদব। শুরুর দিকে তাঁর অভাব বুঝতে দেননি টিম সাউদি, সুনীল নারাইনরা। পরে অবশ্য ছন্দ ধরে রাখতে পারেননি।ব্যাট করতে নেমে এদিন শুরুতেই ধাক্কা খায় লখনউ সুপার জায়ান্টস। প্রথম ওভারেই কোনও বল না খেলেই রান আউট হয়ে ফিরে যান লখনউ সুপার জায়ান্টস অধিনায়ক লোকেশ রাহুল (০)। শুরুর ধাক্কা চমৎকারভাবে সামাল দেন কুইন্টন ডিকক ও দীপক হুডা। দুজনের জুটিতে ওঠে ৭১। অষ্টম ওভারে জুটি ভাঙেন সুনীল নারাইন। তুলে নেন কুইন্টন ডিকককে। ২৯ বলে ৫০ রান করে আউট হন ডিকক। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৪টি চার ও ৩টি ছয়। ১৩ তম ওভারে দীপক হুডাকে তুলে নেন আন্দ্রে রাসেল। ২৭ বলে ৪১ রান করে শ্রেয়স আয়ারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন দীপক হুডা।২ ওভার পরেই ক্রূণাল পান্ডিয়াকে তুলে নেন সেই রাসেলই। ২৭ বলে ২৫ রান করেন ক্রূণাল। ১৫ ওভারে লখনউ সুপার জায়ান্টসের রান ছিল ১২২/৪। এই সময় মনে হচ্ছিল বড় রানে পৌঁছতে পারবে না লখনউ সুপার জায়ানন্টস। মার্কাস স্টয়নিসের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের সুবাদে শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৭৬/৭ রানে পৌঁছয় লখনউ সুপার জায়ান্টস। ১৪ বলে ২৮ রান করেন স্টয়নিস। শিবম মাভির এক ওভারে ৩টি ৬ মারেন তিনি। ১৮ বলে ১৫ রান করে অপরাজিত থাকেন আয়ূষ বাদোনি। ৪ বলে ১৩ রান করে অপরাজিত থাকেন জেসন হোল্ডার। ২২ রানে ২ উইকেট নেন আন্দ্রে রাসেল। ১টি করে উইকেট নেন টিম সাউদি, শিবম মাভি ও সুনীল নারাইন।

মে ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মহসীনের দাপটে আবার জয় লখনউ–র, এগিয়ে গেল প্লে অফের দিকে

আবার জ্বলে উঠলেন মহসীন খান। ১৬ রানে ৪ উইকেট তুলে নিলেন এই বাঁহাতি জোরে বোলার। তাঁর দুরন্ত বোলিংয়ের ওপর ভর করে দিল্লি ক্যাপিটালসকে ৬ রানে হারাল লখনউ সুপার জায়ান্টস। একই সঙ্গে ১০ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট সংগ্রহ করে প্লে অফের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেল লোকেশ রাহুলের দল। এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন লখনউ সুপার জায়ান্টস অধিনায়ক লোকেশ রাহুল। দারুণ শুরু করেছিলেন কুইন্টন ডিকক ও রাহুল। ওপেনিং জুটিতে ৪.১ ওভারে ওঠে ৪২। এরপরই ধাক্কা। শার্দূল ঠাকুর এসে ডিকককে তুলে নেন। ১৩ বলে ২৩ রান করে আউট হন ডিকক। এরপর দিল্লি ক্যাপিটালসের বোলারদের আর কোনও সুযোগ দেনন লোকেশ রাহুল ও দীপক হুডা। লখনউর এই দুই ব্যাটারই দারুণ ছন্দে রয়েছেন। বিশেষ করে লোকেশ রাহুলের কথা বলতেই হবে। রাহুল ও দীপক দুজনে মিলে জুটিতে তোলেন ৯৫। জুটি ভাঙার জন্য সেই শার্দূল ঠাকুরকেই দায়িত্ব নিতে হয়। নিজের বলেই ক্যাচ ধরে দীপক হুডাকে ফেরান শার্দূল। ৩৪ বলে ৫২ রান করেন হুডা। হুডা আউট হলেও দলকে টেনে নিয়ে যান লোকেশ রাহুল। অধিনায়কোচিত ইনিংস খেলে ৫১ বলে ৭৭ রান করে তিনি শেষ পর্যন্ত আউট হন। ১৬ বলে ১৭ রান করে অপরাজিত থাকেন মার্কাস স্টয়নিস। ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ১৯৫ রান তোলে লখনউ। দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে তিনটি উইকেটই নেন শার্দূল ঠাকুর। জয়ের জন্য সামনে ১৯৬ রানের লক্ষ্য। এই ধরণের লক্ষ্যে পৌঁছতে গেলে শুরুটা ভাল হওয়া জরুরি। সেটাই করতে পারেনি দিল্লি ক্যাপিটালস। পৃথ্বী শর ব্যাটে ধারাবাহিকতার অভাব। এজিন মাত্র ৫ রান করে আউট হন। তাঁকে তুলে নেন দুষ্মন্ত চামিরা। ডেভিড ওয়ার্নারও এদিন নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। ৪ বলে ৩ রান করে মহসীন খানের বলে আয়ূশ বাদোনির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ৩ ওভারের মধ্যে ১৩ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় দিল্লি ক্যাপিটালস। মিচেল মার্শ পাল্টা আক্রমণ শানিয়ে চাপ কাটানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তিনিও বেশিক্ষণ ক্রিজে স্থায়ী হননি। ২০ বলে ৩৭ রান করে তিনি কৃষ্ণাপ্পা গৌতমের বলে তিনি আউট হন। ঋষভ পন্থকে (৩০ বলে ৪৪) তুলে নেন মহসীন খান। ললিত যাদব (৩) রান পাননি। রভম্যান পাওয়েল ২১ বলে করেন ৩৫। তিনি মহসীন খানের শিকার। শার্দূল ঠাকুরকেও (১) তুলে নেন মহসীন। শেষ দিকে জয়ের আশা জাগিয়েছিলেন অক্ষর প্যাটেল (২৪ বলে অপরাজিত ৪২) ও কুলদীপ যাদব (৮ বলে অপরাজিত ১৬)। কিন্তু দলকে জয় এনে দিতে পারেননি। ২০ ওভারে ১৮৯/৭ তোলে দিল্লি। দুরন্ত বোলিং করে ৪ ওভারে ১৬ রান দিয়ে ৪ উইকেট তুলে নেন মহসীন খান।

মে ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মহসীন–ক্রূণালদের দুরন্ত বোলিং জয় এনে দিল লখনউ সুপার জায়ান্টসকে

দুর্দান্ত বোলিং করে লখনউ সুপার জায়ান্টসকে কম রানে বেঁধে রেখেছিলেন কাগিসো রাবাডারা। কিন্তু দলের বোলারদের প্রয়াস কাজে লাগল না ব্যাটারদের ব্যর্থতায়। কম রানের পুঁজি নিয়েও পাঞ্জাব কিংসকে ২০ রানে হারিয়ে লিগ টেবিলে তিন নম্বরে উঠে এল লখনউ সুপার জায়ান্টস। একই সঙ্গে প্লে অফের সম্ভাবনা জোরালো করল লোকেশ রাহুলের দল। মহসীন খান, দুষ্মন্ত চামিরা, ক্রূণাল পান্ডিয়াদের দুরন্ত বোলিং জয় এনে দিল লখনউকে। লখনউর ১৫৩/৮ রানের জবাবে ১৩৩/৮ রানে থেমে গেল পাঞ্জাব।জয়ের জন্য ১৫৪ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে ভালোই শুরু করেছিল পাঞ্জাব কিংস। ৪.৩ ওভারে তুলে ফেলে ৩৫। পঞ্চম ওভারের চতুর্থ বলে পাঞ্জাব কিংসকে প্রথম ধাক্কা দেন দুষ্মন্ত চামিরা। তুলে নেন অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে। ১৭ বলে ২৫ রান করে লোকেশ রাহুলের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন মায়াঙ্ক। পরের ওভারেই ফর্মে থাকা শিখর ধাওয়ানকে (১৫ বলে ৫) তুলে নেন রবি বিষ্ণোই। চার নম্বরে নামা ভানুকা রাজাপক্ষে এদিন সুবিধা করতে পারেননি। ৭ বলে মাত্র ৯ রান করে তিনি ক্রূণাল পান্ডিয়ার বলে লোকেশ রাহুলের হাতে ক্যাচ দেন। ৮ ওভারের মধ্যেই ৫৮ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় পাঞ্জাব কিংস। জনি বেয়ারস্টো ও লিয়াম লিভিংস্টোন জুটি বেঁধে দলকে টানার চেষ্টা করছিলেন। যদিও জুটিটা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ত্রয়োদশ ওভারের প্রথম বলেই লিভিংস্টোনকে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন মহসীন খান। পরের ওভারেই জিতেশ শর্মাকে (২ ) ফেরান ক্রূণাল পান্ডিয়া। জনি বেয়ারস্টো (২৮ বলে ৩২) ফিরতেই পাঞ্জাব কিংসের দেওয়াল লিখন পরিস্কার হয়ে যায়। ঋষি ধাওয়ানের লড়াই কাজে লাগেনি। ২২ বলে ২১ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। শেষ পর্যম্ত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৩৩ রানে থেমে যায় পাঞ্জাব কিংসের ইনিংস। দুরন্ত বোলিং করে ৪ ওভারে ১টি মেডেনসহ ২৪ রানে ৩ উইকেট নেন মহসীন খান। দুষ্মন্ত চামিরা (২/১৭), ক্রূণাল পান্ডিয়াও (২/১১) দুরন্ত বোলিং করে দলের জয়ে অবদান রাখেন। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে লখনউ সেভাবে সুবিধা করতে পারেনি। দুরন্ত ফর্মে থাকা অধিনায়ক লোকেশ রাহুল এদিন ব্যর্থ। তৃতীয় ওভারে কাগিসো রাবাডার পঞ্চম বলে দলের ১৩ রানের মাথায় লোকেশ রাহুল। ১১ বল খেলে ১টি চারের সাহায্যে মাত্র ৬ রান করেন তিনি। এরপর দলেকে টেনে নিয়ে যান কুইন্টন ডিকক (৩৭ বলে ৪৬) ও দীপক হুডা (২৮ বলে ৩৪)। জুটিতে দুজনে মিলে তোলেন ৮৫ রান। মার্কাস স্টইনিস (১), জেসন হোল্ডাররা (৮ বলে ১১) রান পাননি। ১০ বলে ১৭ রান করেন দুষ্মন্ত চামিরা। লখনউ ১৫০ রানের গন্ডি পার হয় মহসীন খানের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে। ১ করে চার ও ছয় মেরে ৬ বলে ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন মহসীন। ৩৮ রানে ৪ উইকেট নেন রাবাডা।

এপ্রিল ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ব্যর্থ লোকেশ রাহুল, বড় রানে পৌঁছতে পারল না লখনউ সুপার জায়ান্টসও

প্লে অফের লড়াইয়ের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠতে পারলেন না লখনউ সুপার জায়ান্টসের ব্যাটাররা। বলতে গেলে জ্বলে উঠতে দিলেন না কাগিসো রাবাডা। তাঁর দুরন্ত বোলিংয়ের জন্যই প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৫৩ রানের বেশি তুলতে পারল না লখনউ সুপার জায়ান্টস। সর্বোচ্চ রান ওপেনার কুইন্টন ডিককের। তিনি করেন ৪৬। দুরন্ত ছন্দে থাকা লোকেশ রাহুল এদিন ব্যর্থ। টস জিতে লখনউ সুপার জায়ান্টসকে ব্যাট করতে পাঠান পাঞ্জাব কিংস অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল। শুরুটা ভাল হয়নি লখনউর। দুরন্ত ফর্মে থাকা অধিনায়ক লোকেশ রাহুল এদিন ব্যর্থ। তৃতীয় ওভারে কাগিসো রাবাডার পঞ্চম বলে দলের ১৩ রানের মাথায় লোকেশ রাহুল। ১১ বল খেলে ১টি চারের সাহায্যে মাত্র ৬ রান করেন তিনি। এরপর দলেকে টেনে নিয়ে যান কুইন্টন ডিকক ও দীপক হুডা। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে লখনউ তোলে ৩৯/১। ৭.৪ ওভারে ৫০ রান পূর্ণ হয় লখনউর। দলকে ভালোই টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন কুইন্টন ডিকক ও দীপক হুডা। জুটিতে দুজনে মিলে তোলেন ৮৫ রান। ১২.৪ ওভারে জুটি ভাঙেন সন্দীপ শর্মা। তাঁর বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন ডিকক। ৩৭ বলে ৪৬ রান করেন তিনি। দলের ১০৪ রানের মাথায় আউট হন দীপক হুডা। ১টি চার ও ২টি ছয়ের সাহায্যে তিনি ২৮ বলে ৩৪ রান করেন। এরপরই ধস নামে লখনউ সুপার জায়ান্টস ইনিংসে। ১৫ তম ওভারের প্রথম ও পঞ্চম বলে ক্রুণাল পাণ্ডিয়া (৭) ও আয়ুষ বাদোনিকে (৪) ফেরান রাবাডা। পরের ওভারেই মার্কাস স্টইনিসকে (১) তুলে নেন রাহুল চাহার। নিজের বলেই তিনি ক্যাচ ধরেন। ১৮তম ওভারের চতুর্থ বলে জেসন হোল্ডারকে (৮ বলে ১১) তুলে নেন চাহার। ১৯ তম ওভারে রাবাডার প্রথম দু বলে পরপর ছয় মেরে পরের বলেই আউট দুষ্মন্ত চামিরা। তিনি ১০ বলে করেন ১৭। এরপর লখনউ ১৫০ রানের গন্ডি পার হয় মহসীন খানের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে। ১ করে চার ও ছয় মেরে ৬ বলে ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন মহসীন। ৪ ওভারে ৩৮ রানে ৪ উইকেট তুলে নেন রাবাডা।

এপ্রিল ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

লখনউকে হারিয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স

লখনউ সুপার জায়ান্টসকে ১৮ রানে হারিয়ে পয়েন্ট তালিকার দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। জয়ের জন্য ১৮২ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৬৩ রান তোলে লোকেশ রাহুলের দল।টস জিতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরকে ব্যাট করতে পাঠান লখনউ অধিনায়ক লোকেশ রাহুল। প্রথম ওভারেই ধাক্কা। দীর্ঘদিন ব্যাটে বড় রান নেই। বিরাট কোহলির দিকে তাকিয়ে ছিলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স সমর্থকরা। ভেবেছিলেন লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে বড় রান আসবে প্রাক্তন অধিনায়কের ব্যাট থেকে। সমর্থকদের হতাশ করলেন কোহলি (০)। ক্রিজে নেমেই দুষ্মন্ত চামিরার বলে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে দীপক হুডার হাতে যেন ক্যাচ প্র্যাকটিস দিলেন। গোল্ডেন ডাক বিরাট কোহলির। ৭ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স।অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসির সঙ্গে চাপ কাটানোর চেষ্টা করছিলেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ক্রিজে নেমেই আক্রমণ শানিয়ে লখনউ সুপার জায়ান্টসের বোলারদের ওপর পাল্টা চাপ শানানোর চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু তাঁর ঝড় বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ষষ্ঠ ওভারের দ্বিতীয় বলে ক্রূণাল পান্ডিয়ার বলে দুরন্ত ক্যাচ ধরে ম্যাক্সওয়েলকে (১১ বলে ২৩) ডাগ আউটে পাঠান জেসন হোল্ডার। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ৩ উইকেটে ৪৭ তোলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর।এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসি। তাঁকে সাহায্য করেন শাহবাজ আমেদ। ২২ বলে ২৬ রান করে রান আউট হন শাহবাজ। সুয়াশ প্রভুদেশাই ৯ বলে ১০ রান করে আউট হন। নিশ্চিত সেঞ্চুরির দিকে এগোচ্ছিলেন ডুপ্লেসি। ইনিংসের শেষ ওভারে জেসন হোল্ডারের পঞ্চম বলে ৬ মারতে গিয়ে মার্কাস স্টয়নিসের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ডুপ্লেসি। ৬৪ বলে ৯৬ রান করেন তিনি। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮১ রান তোলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর। দীনেশ কার্তিক ৮ বলে ১৩ রান করে অপরাজিত থাকেন। লখনউর হয়ে ২৫ রানে ২ উইকেট নেন জেসন হোল্ডার। ৩১ রানে ২ উইকেট নেন দুষ্মন্ত চামিরা। জয়ের জন্য ১৮২ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে লখনউ সুপার জায়ান্টসেরও শূরুটা ভাল হয়নি। ৮ ওভারের মধ্যেই ৬৪ রানে ৩ উইকেট হারায়। তৃতীয় ওভারে জস হ্যাজেলউডের বলে ফিরে যান কুইন্টন ডিকক। মাত্র ৩ রান করেন তিনি। এক ওভার পরেই মনীশ পাণ্ডেকেও (৬) তুলে নেন হ্যাজেলউড। এরপর দলকে টানছিলেন অধিনায়ক লোকেশ রাহুল। কিন্তু অষ্টম ওভারের শেষ বলে তাঁকে তুলে নিয়ে লখনউ সুপার জায়ান্টসকে বড় ধাক্কা দেন হর্ষল প্যাটেল। ২৪ বলে ৩০ রান করেন লখনউ সুপার জায়ান্টস অধিনায়ক। ১২.৩ ওভারের মাথায় চতুর্থ উইকেট পড়ে লখনউ সুপার জায়ান্টসের। দীপক হুডাকে ফেরান মহম্মদ সিরাজ। ১৪ বলে ১৩ রান করে প্রভুদেশাইয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন হুডা। পরের ওভারেই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে থাকে ক্রুনাল পান্ডিয়াকে (২৮ বলে ৪২) তুলে নিয়ে লখনউ সুপার জায়ান্টসকে চাপে ফেলে দেন ম্যাক্সওয়েল। আয়ুশ বাদনি (১৩), মার্কস স্টয়নিস (২৪), জেসন হোল্ডাররা (১৬) সেই চাপ থেকে দলকে বার করে নিয়ে আসতে পারেননি। ১৬৩/৮ রানে থেমে যায় লখনউ সুপার জায়ান্টস। দুরন্ত বল করে ২৫ রানে ৪ উইকেট নেন হ্যাজেলউড।

এপ্রিল ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

শততম ম্যাচে সেঞ্চুরি লোকেশের, টানা হাফডজন হারে নজির মুম্বইয়ের

রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে ট্রেন্ট বোল্টের প্রথম বলেই শূন্য রানে বোল্ড হয়েছিলেন লোকেশ রাহুল। সেদিন মাঠে হাজির ছিলেন বান্ধবী আথিয়া শেট্টি ও হবু শ্বশুর সুনীল শেট্টি। হবু শ্বশুরের সামনে বেইজ্জত হতে হয়েছিল। তা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় নানারকম মিম ছড়িয়ে পড়েছিল। ব্যাপারটা হয়তো ভালভাবে নিতে পারেননি লোকেশ রাহুল। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে দারুণভাবেই জ্বলে উঠলেন। তাঁর দুরন্ত শতরানের দাপটেই উড়ে গেল মুম্বই। ১৮ রানে জিতল লখনউ সুপার জায়ান্টস। টানা ৬ ম্যাচে হার মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের। চলতি আইপিএলে প্লে অফের সম্ভাবনা আরও ক্ষীণ হয়ে গেল ৫ বারের চ্যাম্পিয়নদের। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে আইপিএলে এদিন শততম ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন লোকেশ রাহুল। মাইলস্টোনের ম্যাচে রীতিমতো নজির গড়ে জেতালেন লোকেশ রাহুল। ৬০ বলে করলেন ১০৩। তাঁর আগে কোনও ক্রিকেটার আইপিএলের শততম ম্যাচে সেঞ্চুরি করতে পারেননি। আইপিএলের ইতিহাসে রেকর্ড গড়লেন লোকেশ রাহুল। এদিন আরও একটা নজির গড়েছেন তিনি। চলতি আইপিএলে প্রথম অধিনায়ক হিসেবে সেঞ্চুরি করার নজির গড়লেন। লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে রীতিমতো মরণবাঁচন ম্যাচ ছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাছে। হারা মানেই প্লে অফের স্বপ্ন থেকে রীতিমতো দুরে সরে যাওয়া। ডু অর ডাই ম্যাচেও জ্বলে উঠতে পারলেন না রোহিতরা। রোহিত শর্মার দলকে ডোবাল দলের বোলিং। টাইমল মিলস, ফাবিয়ান অ্যালেন, জয়দেব উনাদকাত, মুরুগান অশ্বিনদের ছন্নছাড়া বোলিং কাজ সহজ করে দিয়েছিল লোকেশৃ্ রাহুলদের।টস জিতে এদিন লখনউ সুপার জায়ান্টকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন রোহিত শর্মা। ওপেনিং জুটিতে ৫২ তোলেন লোকেশ ও কুইন্টন ডিকক। ফাবিয়ান অ্যালেনের বলে ডিকক (১৩ বলে ২৪) ফিরে যাওয়ার পর লোকেশের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে টেনে নিয়ে যান মণীশ পাণ্ডে। ২৯ বলে ৩৮ রান করে মুরুগান অশ্বিনের বলে বোল্ড হন মণীশ। লোকেশ রাহুলকে অবশ্য আটকানো যায়নি। ৩৩ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ৫৬ বলে। শেষ পর্যন্ত ৬০ বলে ১০৩ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। লোকেশ রাহুলের ইনিংসে রয়েছে ৯টি চার ও ৫টি ছয়। নির্ধারিত ২০ ওভারে লখনউ তোলে ১৯৯। দলকে চলতি আইপিএলে প্রথম জয় এনে দেওয়ার জন্য রোহিত শর্মাকে জ্বলে উঠতে হত। তাঁকে সে সুযোগ দেননি আবেশ খান। তৃতীয় ওভারে আবেশের বল ব্যাটেরল কানায় লাগিয়ে ডিককের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন রোহিত (৬)। ক্রিজে নেমে ঝড় তুলেছিলেন বেবি এবি ডিওয়ালড ব্রেভিস। কিন্তু তাঁর ঝড় বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। আবেশের বলে দীপক হুডার হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন তিনি। ৬টি চার ও ১টি ছয়ের সাহায্যে ১৩ বলে ৩১ রান করেন ব্রেভিস। পরের ওভারেই ঈশান কিশানকে (১৩) তুলে নিয়ে মুম্বইকে চাপে ফেলে দেন স্টয়নিস। এরপর মুম্বইকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন সূর্যকুমার যাদব ও তিলক ভার্মা। জুটি ওঠে ৬৪। পঞ্চদশ ওভারে তিলককে (২৬ বলে ২৬) তুলে নেন হোল্ডার। পরের ওভারেই সূর্যকুমারকে (২৭ বলে ৩৭) ফেরান রবি বিষ্ণোই। কায়রন পোলার্ড (১৪ বলে ২৫) চেষ্টা করেও মুম্বইকে জয় এনে দিতে পারেননি। ২০ ওভারে ১৮১/৯ রানে থেমে যায় মুম্বইয়ের ইনিংস।

এপ্রিল ১৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আবেশ খানের দাপটে টানা দুই ম্যাচে জয় তুলে নিল লখনউ সুপার জায়ান্টস

কাছাকাছি এসেও দ্বিতীয় ম্যাচেও জয় অধরা থেকে গেল সানরাইজার্স হায়দরাবাদের। ডোবাল সেই ব্যাটারদের ব্যর্থতা। লখনউ সুপার জায়ান্টসের ১৬৯/৭ রানের জবাবে ১৫৭/৯ রানে থেমে গেল সানরাইজার্স। লোকেশ রাহুলের দল জিতল ১২ রানে। টানা দ্বিতীয় ম্যাচে জয় তুলে নিল লখনউ সুপার জায়ান্টস। জয়ের নায়ক আবেশ খান। মু্ম্বইয়ের ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে এদিন টস জিতে লখনউ সুপার জায়ান্টসকে ব্যাট করতে পাঠান সানরাইজার্স হায়করাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। পাওয়ার প্লের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে শুরুতে বিপর্যয়ে পড়লেও লখনউকে বড় রানে পৌঁছে দেয় অধিনায়ক লোকেশ রাহুল ও দীপক হুডার দায়িত্বশীল ব্যাটিং। এদিন দ্বিতীয় ওভারেই কুইন্টন ডিকককে (১) হারায় লখনউ। সানরাইজার্স অধিনায়ক উইলিয়ামস ভুবনেশ্বরের সঙ্গে নতুন বল তুলে দিয়েছিলেন ওয়াশিংটন সুন্দরের হাতে। দ্বিতীয় ওভারেই তিনি তুলে নেন ডিকককে। এক ওভার পরেই ফেরান এভিন লুইসকে (১)। পঞ্চম ওভারে মণীশ পাণ্ডেকে (১১) তুলে নিয়ে লখনউকে আরও ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দেন রোমারিও শেফার্ড। এরপরই দীপক হুডাকে সঙ্গে নিয়ে রুখে দাঁড়ান অধিনায়ক লোকেশ রাহুল। দুজনে জুটি বেঁধে তোলেন ৮৭। ষষ্ঠদশ ওভারের প্রথম বলে দীপক হুডাকে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন রোমারিও শেফার্ড। ৩৩ বলে ৫১ রান করে আউট হন হুডা। উনিশতম ওভারের প্রথম বলে লোকেশ রাহুলকে তুলে নেন টি নটরাজন। ৫০ বলে ৬৮ রান করেন লোকেশ। একই ওভারে ক্রূণাল পান্ডিয়াকে (৬) ফেরান। ইনিংসের শেষ বলে রান আউট হন আয়ুষ বাদোনি (১৯)। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৬৯ তোলে লখনউ সুপার জায়ান্টস। ওয়াশিংটন সুন্দর, রোমারিও শেফার্ড এবং টি নটরাজন ২টি করে উইকেট নেন।ব্যাট করতে নেমে চতুর্থ ওভারে প্রথম উইকেট হারায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। আউট হন অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন (১৬)। দ্বিতীয় ম্যাচেও রান পেলেন না তিনি। আর এক ওপেনার অভিষেক অভিষেক শর্মাও (১৩) ব্যর্থ। তিন নম্বরে নামা রাহুল ত্রিপাঠি ৩০ বলে ৪৪ রান করে আউট হন। রাহুল আউট হওয়ার আগেই ফেরেন এইডেন মার্করাম (১২)। দুটি উইকেটই নেন ক্রূণাল পান্ডিয়া। সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে জয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন নিকোলাস পুরান ও ওয়াশিংটন সুন্দর। পরপর দুবলে পুরানকে (২৪ বলে ৩৪) ও আব্দুল সামাদকে (০) তুলে নিয়ে হায়দরাবাদকে চাপে ফেলে দেন আবেশ খান। শেষ ওভারে জয়ের জন্য হায়দরাবাদের দরকার ছিল ১৬। ২০ তম ওভারের প্রথম বলেই ওয়াশিংটন সুন্দরকে (১৮) তুলে নেন জেসন হোল্ডার। চতুর্থ বলে ফেরান ভুবনেশ্বর কুমারকে (১)। শেষ বলে তুলে নেন শেফার্ডকে (৮)। ২৪ রানে ৪ উইকেট নেন আবেশ খান। ৩৪ রানে ৩ উইকেট হোল্ডারের।

এপ্রিল ০৪, ২০২২

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

উইপোকা ধরা টাকার পর বড় পদক্ষেপ! সুরেন্দ্রনাথ কলেজ কাণ্ডে গ্রেপ্তার পরিতোষ দত্ত

সুরেন্দ্রনাথ কলেজে উদ্ধার হওয়া টাকার বান্ডিল এবং বিতর্কিত কক্ষকে ঘিরে তদন্তে বড় পদক্ষেপ করল পুলিশ। এই ঘটনায় দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত পরিতোষ দত্তকে গ্রেপ্তার করেছে কলকাতা পুলিশের গুন্ডা দমন শাখা। বর্ধমান থেকে তাঁকে আটক করে কলকাতায় আনা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।ঘটনার জেরে নড়েচড়ে বসেছে উচ্চশিক্ষা দফতরও। কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। কীভাবে কলেজের ইউনিয়ন কক্ষের আলমারি থেকে ব্যাগভর্তি টাকা উদ্ধার হল, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে তদন্তকারীরা।গত মঙ্গলবার কলেজের ইউনিয়ন কক্ষ থেকে উইপোকা ধরা টাকার বান্ডিল উদ্ধার হওয়ার পর ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। এরপর তদন্তে উঠে আসে আরও একাধিক তথ্য। কলেজের পাঁচতলায় তথাকথিত অতিথি কক্ষ হিসেবে ব্যবহার করা কয়েকটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘর নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সেখানে বিছানা, গদি, বালিশ, আলমারি এবং আরও কিছু সামগ্রী পাওয়া গিয়েছে বলে অভিযোগ।দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ওই ঘরগুলি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা হত। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে তাঁর পক্ষ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। কলেজের একটি কক্ষে কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সংশ্লিষ্টদের ছবিও দেখা গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এদিকে উচ্চশিক্ষা দফতর জানতে চেয়েছে, ছাত্র সংগঠনের মাধ্যমে সংগ্রহ করা অর্থ কোন খাতে ব্যয় হয়েছে। কলেজের ভিতরে ওই কক্ষগুলি তৈরির অনুমতি ছিল কি না, কারা সেগুলি ব্যবহার করতেন এবং কীভাবে এত টাকা কলেজে এল, তারও বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন এমন ব্যক্তিদের নাম-সহ একটি তালিকাও জমা দিতে বলা হয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষকে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং শিক্ষা দফতর বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে।প্রায় একশো চল্লিশ বছরের পুরনো এই ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম জড়িয়ে এমন ঘটনা সামনে আসায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে। দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদ থেকে সাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এবং বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এই কলেজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সেই কলেজে এমন ঘটনা কীভাবে ঘটল, তা নিয়েই এখন জোর আলোচনা চলছে।কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সমস্ত অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করা হবে।

জুন ০৪, ২০২৬
দেশ

ভোরের ঘুম ভাঙল আগুনে! হাসপাতালের আইসিইউতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, মৃত অন্তত ৪

দিল্লির একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার বিহারের একটি হাসপাতালে আগুন লেগে মৃত্যু হল অন্তত চার জনের। ভয়াবহ এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। তাঁদের মধ্যে অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার ভোর প্রায় চারটে নাগাদ মুজফ্ফরপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে আচমকা আগুন লাগে। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন এবং ঘন কালো ধোঁয়া পুরো এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। হাসপাতালের ভিতরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে রোগী, চিকিৎসক এবং কর্মীদের মধ্যে।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ এবং দমকলের একাধিক ইঞ্জিন। শুরু হয় উদ্ধার অভিযান। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, হাসপাতালের ছতলায় থাকা নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র থেকেই আগুনের সূত্রপাত। ধোঁয়ায় ভরে যায় পুরো তলা। দমকলকর্মীরা দ্রুত অভিযান চালিয়ে প্রায় পনেরো থেকে কুড়ি জন রোগীকে নিরাপদে উদ্ধার করেন।তবে সব রোগীকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, অন্তত চার জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতদের অনেকেই গুরুতর অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় অন্য হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাঁদের কয়েকজনের অবস্থা সংকটজনক হওয়ায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, শর্ট সার্কিট থেকেই এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে সঠিক কারণ জানতে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হবে।মুজফ্ফরপুর দমকল বিভাগের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, আগুন লাগার পর দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করা হয়। বহু রোগীকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র থেকে বের করে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে ধোঁয়া এবং আগুনের তীব্রতার কারণে কয়েকজনকে আর বাঁচানো যায়নি।এই মর্মান্তিক ঘটনার পর হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কীভাবে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে আগুন লাগল এবং সেখানে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা কতটা কার্যকর ছিল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।

জুন ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর সঙ্গে গোপন বৈঠক কর্ণ আদানির! বাংলায় আসছে কি হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ?

রাজ্যের শিল্প ও পরিকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং শিল্পপতি গৌতম আদানির পুত্র কর্ণ আদানি। বুধবার নবান্নে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে দুজনের মধ্যে আলোচনা হয়। এই বৈঠক ঘিরে রাজ্যের শিল্পমহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।সূত্রের খবর, সৌজন্য সাক্ষাতের আড়ালেই শিল্প, কর্মসংস্থান এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। আদানি গোষ্ঠী রাজ্যে নতুন বিদ্যুৎ প্রকল্প, বন্দর, লজিস্টিক কেন্দ্র, রাস্তা নির্মাণ এবং তথ্যভাণ্ডার কেন্দ্র গড়ে তোলার বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।রাজ্য সরকার শুরু থেকেই শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়েছে। সেই লক্ষ্যেই বড় শিল্পগোষ্ঠীগুলিকে রাজ্যে বিনিয়োগের জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। বৈঠকে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের দাবি।জানা গিয়েছে, রাজ্যে বৃহৎ লজিস্টিক কেন্দ্র তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে আদানি গোষ্ঠীর। পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদন, বন্দর উন্নয়ন এবং আধুনিক পরিকাঠামো নির্মাণের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদিও এদিন কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, তবে ভবিষ্যতে আরও একাধিক দফায় বৈঠক হতে পারে বলে খবর।আদানি গোষ্ঠীর সঙ্গে বাংলার সম্পর্ক নতুন নয়। অতীতেও রাজ্যের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে আদানি গোষ্ঠীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তবে নতুন সরকারের আমলে এই বৈঠককে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন শিল্পমহলের একাংশ। তাঁদের মতে, এই আলোচনা সফল হলে রাজ্যে বড় বিনিয়োগের পথ খুলতে পারে এবং কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।এখন নজর পরবর্তী বৈঠকের দিকে। শিল্প ও পরিকাঠামো ক্ষেত্রে আদানি গোষ্ঠী শেষ পর্যন্ত কী ধরনের বিনিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করে, সেটাই দেখার।

জুন ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মমতার মন্তব্য ঘিরে বড় বিতর্ক! সাইবার থানায় নতুন অভিযোগ, চাঞ্চল্য রাজ্যজুড়ে

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ফের সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের হওয়ায় নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। অভিযোগ দায়ের করেছেন আইনজীবী রিঙ্কি সিং চট্টোপাধ্যায়। গত দুই জুন ধর্মতলায় ধর্না কর্মসূচির মঞ্চ থেকে বাংলাদেশের নাগরিক ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই এই অভিযোগ করা হয়েছে। এর আগেও গত সপ্তাহে একই বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন ওই আইনজীবী।অভিযোগকারীর দাবি, প্রকাশ্য সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী এমন কিছু মন্তব্য করেছেন যা দেশের নিরাপত্তা এবং প্রশাসনিক গোপনীয়তা সংক্রান্ত প্রশ্ন তুলে দিতে পারে। বিশেষ করে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে ঘিরে করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই আপত্তি জানানো হয়েছে।আইনজীবী রিঙ্কি সিং চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশে ওসমান হাদি নামে এক ব্যক্তির খুনের ঘটনা ঘটে। পরে অভিযুক্তদের মধ্যে কয়েকজন মেঘালয় সীমান্ত পেরিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ঢুকেছিল বলে অভিযোগ। রাজ্যের বিশেষ টাস্ক ফোর্স তাদের গ্রেপ্তার করে। দুই জুন ধর্মতলার সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী ওই ঘটনার প্রসঙ্গ তোলেন এবং ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ। সেই কারণেই তাঁর বিরুদ্ধে সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।ধর্নামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, বাংলাদেশ থেকে আসা এক অভিযুক্তকে রাজ্যের বিশেষ টাস্ক ফোর্স গ্রেপ্তার করেছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে প্রতিবাদও হয়েছিল। তিনি আরও দাবি করেন, অভিযুক্তরা মেঘালয় হয়ে পশ্চিমবঙ্গে এসেছিল এবং পরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর বক্তব্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের প্রসঙ্গও উঠে আসে।অভিযোগপত্রে একাধিক ধারার উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে বিদ্বেষ ছড়ানো, উত্তেজনা সৃষ্টি, জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার সম্ভাবনা এবং ভয় প্রদর্শনের মতো বিষয় উঠে এসেছে। যদিও অভিযোগের সত্যতা বা আইনি ভিত্তি নিয়ে এখনও প্রশাসনের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি।ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে তদন্তকারী সংস্থা কী পদক্ষেপ করে, সেদিকেই নজর রয়েছে সকলের।

জুন ০৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

পাপিয়ার ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই টালিগঞ্জে বিস্ফোরণ! ইট-ডিমের লড়াইয়ে রণক্ষেত্র স্টুডিওপাড়া

টলিপাড়ার সাংগঠনিক কাঠামোয় বড় পরিবর্তনের ঘোষণার মাত্র একদিনের মধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল টেকনিশিয়ান্স স্টুডিও চত্বর। বৃহস্পতিবার সকালে বৈঠককে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে ইট, পাটকেল এবং ডিম ছোড়াছুড়ি শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ।বুধবার বিজেপি বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী টেকনিশিয়ান্স স্টুডিও প্রাঙ্গণ থেকে দীর্ঘদিনের ফেডারেশন ভেঙে নতুন সংগঠন গঠনের ঘোষণা করেন। তিনি জানান, পুরনো কাঠামোর পরিবর্তে নতুন কনফেডারেশন তৈরি করা হবে এবং সংগঠনের কাঠামোয় বড়সড় পরিবর্তন আনা হবে। একই সঙ্গে টলিউডে যোগ্য ও বৈধ কর্মীদের কাজের সুযোগ নিশ্চিত করার কথাও বলেন তিনি। অবৈধভাবে বা নিয়ম না মেনে কাজ পাওয়া ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া শুরু হবে বলেও জানান।এই ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার সকালে স্টুডিও প্রাঙ্গণে একটি বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। অভিযোগ, বৈঠক শুরু হওয়ার আগেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠায় স্টুডিওর ভিতরে বৈঠক করা সম্ভব হয়নি। পরে কাছাকাছি একটি মাঠে জটলা তৈরি হয় এবং সেখানেই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বচসা শুরু হয়।এক পক্ষের অভিযোগ, সংগঠনের পদ এবং প্রভাব ধরে রাখার জন্য কিছু নেতা বহিরাগতদের নিয়ে এসে অশান্তি তৈরির চেষ্টা করছেন। অন্যদিকে পাল্টা স্লোগান তুলে প্রতিবাদ জানায় অপর পক্ষ। অল্প সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। দুই পক্ষ একে অপরকে লক্ষ্য করে ইট, পাটকেল এবং ডিম ছুড়তে শুরু করে।ঘটনায় স্টুডিওপাড়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে রিজেন্ট পার্ক থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষের জেরে কিছুক্ষণ কাজকর্মও ব্যাহত হয় বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর টেকনিশিয়ানদের একাংশ বিদায়ী নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁদের দাবি, সংগঠনের আর্থিক বিষয় এবং সম্পত্তি সংক্রান্ত নানা প্রশ্নের উত্তর দেওয়া উচিত। পাশাপাশি টলিপাড়ার চলমান অস্থিরতা দূর করতে রাজ্য সরকারের হস্তক্ষেপের দাবিও তুলেছেন অনেকেই।নতুন সংগঠন গঠনের ঘোষণার পরই যে ভাবে টালিগঞ্জে উত্তেজনা ছড়িয়েছে, তাতে আগামী দিনে টলিপাড়ার সাংগঠনিক লড়াই আরও তীব্র হতে পারে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

জুন ০৪, ২০২৬
রাজ্য

এনআইএ হানার আগেই উধাও শওকত! ভাঙড় বিস্ফোরণ মামলায় তোলপাড় দক্ষিণ ২৪ পরগনা

কোথায় শওকত মোল্লা? এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে ভাঙড় ও ক্যানিংয়ের রাজনৈতিক মহলে। ভাঙড়ের বামুনিয়া বিস্ফোরণ মামলার তদন্তে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লার বাড়ি, দলীয় কার্যালয় এবং একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। তবে দীর্ঘ সময় ধরে অভিযান চললেও শওকতের খোঁজ মেলেনি।তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে এনআইএ-র একাধিক দল ভাঙড় ও সংলগ্ন এলাকায় অভিযান শুরু করে। শওকত মোল্লার বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে না পাওয়ায় তদন্তকারীদের বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, অভিযানের খবর পাওয়ার আগেই তিনি এলাকা ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন।এদিকে, তল্লাশি চলাকালীন শওকত মোল্লার ছেলে ইমরান মোল্লাকে আটক করা হয়েছে বলে খবর। তদন্তকারীরা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। শুধু বাড়িতেই নয়, ইমরানের মালিকানাধীন ক্যাফে অরণ্যের কূলে-তেও তল্লাশি চালানো হয়েছে। ওই ক্যাফে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই নানা বিতর্ক রয়েছে। অভিযোগ, নদীর জমি ভরাট করে সেখানে নির্মাণ করা হয়েছে এই ক্যাফে।ভাঙড়ের বামুনিয়া এলাকায় বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছিল। আহত হয়েছিলেন আরও কয়েকজন। সেই মামলার তদন্তেই সম্প্রতি গতি এনেছে এনআইএ। কয়েকদিন আগে এই মামলায় তৃণমূল নেতা আহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপরই তদন্তের পরিধি আরও বাড়ানো হয়েছে।বৃহস্পতিবার বামুনিয়া এলাকার একাধিক বাড়িতেও তল্লাশি চালিয়েছে এনআইএ। পাশাপাশি ধৃত আহিদুল ইসলামের বাড়িতেও অভিযান চালানো হয়েছে। তদন্তকারীরা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি ও তথ্য সংগ্রহ করেছেন বলে সূত্রের দাবি।অন্যদিকে, শওকত মোল্লার খোঁজে তাঁর ভাই আবু জাফরের বাড়িতেও এনআইএ-র একটি দল পৌঁছেছে বলে জানা গিয়েছে। প্রাক্তন বিধায়কের অনুপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে। তিনি কি তদন্ত এড়াতেই আড়ালে রয়েছেন, নাকি অন্য কোনও কারণে এলাকায় নেইসেই প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি।

জুন ০৪, ২০২৬
কলকাতা

গ্রেপ্তারের আশঙ্কা? থানায় ডাকার পরই আচমকা অসুস্থ প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস

মেসি ইভেন্ট বিতর্কে নতুন মোড়। বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজিরা দেওয়ার কথা থাকলেও অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে সময় চাইলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। পুলিশ সূত্রে খবর, তিনি আগামী দুসপ্তাহ সময় চেয়েছেন। এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মেসি ইভেন্টের অন্যতম উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত।গত সতেরো মে অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন শতদ্রু দত্ত। অভিযোগে টিকিট কালোবাজারি, প্রতারণা, ভয় দেখানো এবং অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গাফিলতির মতো একাধিক বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, মেসির অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে প্রায় বাইশ হাজার টিকিট কালোবাজারি করা হয়েছিল। পাশাপাশি প্রভাব খাটিয়ে অরূপ বিশ্বাস মেসির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।এই অভিযোগের ভিত্তিতে অরূপ বিশ্বাসকে চার জুন থানায় হাজিরার নির্দেশ দেয় পুলিশ। তবে তার আগের রাতেই তিনি থানার সঙ্গে যোগাযোগ করে জানান, তিনি অসুস্থ এবং এই মুহূর্তে হাজিরা দিতে পারবেন না। সূত্রের খবর, অন্তত দুসপ্তাহ সময় চেয়েছেন তিনি। পরে নিজের অবস্থান জানাবেন বলেও জানিয়েছেন।উল্লেখ্য, এই মামলায় গ্রেপ্তারি এড়াতে বারাসত আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন অরূপ বিশ্বাস। তবে আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। ফলে বর্তমানে তাঁর হাতে কোনও আইনি সুরক্ষা নেই বলে মনে করছেন আইনজীবীদের একাংশ। তদন্তের প্রয়োজন হলে পুলিশ যে কোনও সময় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে পারে।অন্যদিকে অরূপের অসুস্থতার খবর সামনে আসতেই তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন শতদ্রু দত্ত। সমাজমাধ্যমে তিনি লেখেন, সমন পাওয়ার পর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়া অনেক প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। তাঁর দাবি, চিকিৎসার নথি দেখিয়ে সময় পাওয়া যেতে পারে, কিন্তু আইনি প্রক্রিয়া এড়ানো যায় না। এতদিন সব স্বাভাবিক ছিল, অথচ সমন আসার পরই অসুস্থতার খবর সামনে এল বলে কটাক্ষ করেন তিনি।মেসি ইভেন্ট ঘিরে এই বিতর্কে রাজনৈতিক মহলও নজর রাখছে। এখন দেখার, অরূপ বিশ্বাস কবে তদন্তকারীদের সামনে হাজির হন এবং তদন্ত কোন দিকে এগোয়।

জুন ০৪, ২০২৬
রাজ্য

পুলিশ যেতেই খাটের তলায় লুকিয়ে তৃণমূল নেতা! কাটমানি মামলায় গ্রেপ্তার হতেই বিক্ষোভ

আবাস যোজনার উপভোক্তাদের কাছ থেকে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগে অবশেষে গ্রেপ্তার হলেন মাথাভাঙার জোরপাটকি এলাকার প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা শহিদুল মিঞা। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি পলাতক ছিলেন। বুধবার বিকেলে তাঁর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে খাটের তলা থেকে তাঁকে উদ্ধার করে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অভিযুক্তকে বাড়ি থেকে বের করার সময় ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখেও পড়তে হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শহিদুল মিঞার স্ত্রী জোরপাটকি গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য। অন্যদিকে শহিদুল নিজেও মাথাভাঙা থানার সিভিক ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজ করতেন। এলাকায় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রভাব থাকায় তিনি নিজেকে তৃণমূল নেতা হিসেবেই পরিচয় দিতেন বলে অভিযোগ।গ্রামবাসীদের অভিযোগ, আবাস যোজনার সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে উপভোক্তাদের কাছ থেকে পাঁচ হাজার, দশ হাজার থেকে শুরু করে কুড়ি হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগ সামনে আসার পর গত পঁচিশ মে এলাকাবাসীরা তাঁর গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ দেখান। তারপর থেকেই তিনি আত্মগোপন করে ছিলেন বলে দাবি স্থানীয়দের।কাটমানির অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই তাঁকে সিভিক ভলান্টিয়ারের দায়িত্ব থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এরপর তাঁর খোঁজে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। কিন্তু এতদিন তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।পুলিশ সূত্রে খবর, বুধবার গোপনে নিজের বাড়িতে ফিরেছিলেন শহিদুল। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ পৌঁছনোর খবর পেয়েই তিনি বাড়ির খাটের তলায় লুকিয়ে পড়েন। পরে পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে বের করে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।অভিযুক্তকে নিয়ে যাওয়ার সময় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। গ্রামবাসীরা বিক্ষোভ দেখিয়ে দাবি করেন, যাঁদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে, তাঁদের সমস্ত টাকা দ্রুত ফেরত দিতে হবে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

জুন ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal