• ১১ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার ২৭ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

LED

রাজ্য

পাণ্ডুয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত ২, হালিশহর-চুঁচুড়ায় ক্ষতিগ্রস্ত একাধিক বাড়ি

ঘূর্ণিঝড় যশ এখনও এসে পৌঁছয়নি। ল্যান্ডফলে এখনও বাকি ১২ ঘণ্টার বেশি। তবে তার আগেই প্রতিকূল আবহাওয়া এবং ছোটখাটো ঘূর্ণিঝড়ের জেরে দক্ষিণবঙ্গের এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সবরকম প্রস্তুতি নিয়ে রাখা হয়েছে বলে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সাংবাদিক বৈঠক করে জানান মমতা। ইতিমধ্যেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে বলেও জানান মমতা। তবে তাঁকে এও বলতে শোনা যায়, প্রকৃতিকে আমরা গেস করতে পারি, কিন্তু ফেস করতে গেলে প্রকৃতি কখন কোন দুর্যোগ ঘটিয়ে দেবে তা অনেক কিছুর উপর নির্ভর করে।মমতা বলেন, হালিশহরে একটা দেড় মিনিটের টর্নেডো হয়ে গিয়েছে। হালিশহরে ৪০ টা বাড়ি আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বীজপুরেও ক্ষতি হয়েছে। স্থানীয় পঞ্চায়েত বিষয়টি দেখছে। চুঁচুড়াতেও টর্নেডো হওয়ায় ৪০ টির মতো বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাণ্ডুয়াতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুজন মারা গিয়েছে।অন্যদিকে, যশের গতিপথ ক্রমশ ওডিশার দিকে ঘুরে যেতে থাকলেও এ দিন আরেক আশঙ্কার কথা শুনিয়েছেন মমতা। তাঁকে বলতে শোনা যায়, আমরা সবাই নিশ্চই প্রার্থনা করব যাতে বেশি কিছু না হয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও শোনা যাচ্ছে যে সাগর দ্বীপেও এটা ধাক্কা মারতে পারে। যদিও আমরা সবাই তৈরি আছি। প্রায় ১১ লক্ষ মানুষকে আমরা উদ্ধার করে ত্রাণ শিবিরে নিয়ে এসেছি। চিন্তা করার বা আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। রাতটা একটু সামলে থাকতে হবে।কীভাবে রাজ্যবাসী এই পরিস্থিতি সামাল দেবেন তা নিয়ে পরামর্শ দিতে শোনা যায় মুখ্যমন্ত্রীকে। তিনি বলেন, বিদ্যুতের ব্যবহার যতটা কম করা যায় ততটাই ভাল। ঝড়টা চলে যেতে দিন। চেষ্টা করুন যাতে বাড়ির বাইরে না বের হতে হয়। সম্ভব হলে ফোনে কাজ সারুন। আজ গোটা রাতটাই তিনি নবান্নেই কাটাবেন বলে জানান মমতা।

মে ২৫, ২০২১
বিদেশ

ইজরায়েলের বিমান হানায় বিধ্বস্ত গাজা, কমপক্ষে ২৬ জনের মৃত্যু

দেখতে দেখতে প্রায় এক সপ্তাহ হয়ে গেল। কিন্তু ইজরায়েলের সঙ্গে প্যালেস্তাইনের সংঘর্ষ থামার যেন কোনও লক্ষণই নেই। এরই মধ্যে গাজা শহরের উপরে ইজরায়েলের বিমান হানায় অন্তত ২৬ জনের প্রাণ গেল রবিবার। জখম কমপক্ষে ৫০। এই হামলাকে মনে করা হচ্ছে গত কয়েকদিনের সংঘর্ষের মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর।রবিবার ভোর থেকেই শুরু হয় বোমাবর্ষণ। গাজা প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে আজকের হামলায় অন্তত ১০ জন মহিলা ও ৮ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। হামলার পরে গোটা এলাকা কার্যত মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়। উদ্ধারকারী দলের একজনকে ধ্বংসস্তূপের মধ্যে মাথা ঢুকিয়ে চিৎকরা করতে দেখা যায়, কেউ আছেন? আমাকে শুনতে পাচ্ছেন? কিন্তু তিনি কারও সাড়াই পাচ্ছিলেন না। পরে একজন আহত ব্যক্তিকে সেখান থেকে বের করতে দেখা যায় তাঁকে। এই ছবিই বুঝিয়ে দেয় আক্রমণের ভয়াবহতা কতটা ছিল।ইজরায়েলের সেনার অবশ্য দাবি, আজকের আক্রমণে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে কয়েকজন শক্তিশালী হামাস নেতার ঘাঁটি। যার মধ্যে অন্যতম শীর্ষ হামাস নেতা ইয়াহিয়ে সিনওয়ারের বাড়ি। সব মিলিয়ে গত ২ দিনে এটি তৃতীয় হামলা। এখনও পর্যন্ত এই সংঘর্ষে অন্তত ১৮১ জন প্যালেস্তানির মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৩১ জন মহিলা ও ৫২ জন শিশু। আহতের সংখ্যা কমপক্ষে ১২২৫। অন্যদিকে হামাসের হামলায় ইজরায়েলের ৮ জনের প্রাণ গিয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে একটি ৫ বছরের শিশুও।এই মৃত্যুমিছিলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে শামিল বিশ্বের বহু দেশ। আজই মার্কিন কূটনীতিকদের সঙ্গে রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের এই বিষয়ে একটি বৈঠক হওয়ার কথা। যদিও ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ইতিমধ্যেই সব দোষ হামাসের উপরে চাপিয়ে দাবি করেছেন, এখানেই শেষ নয়। অপারেশন চলবে। এর শেষ দেখে ছাড়ব। এদিকে ইজিপ্টের এক কূটনীতিকের দাবি, তাঁদের দেশ আপ্রাণ চেষ্টা করছে যুদ্ধবিরতির জন্য ইজরায়েলকে রাজি করাতে। এনিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয়েছে বলেও দাবি তাঁর।

মে ১৬, ২০২১
দেশ

ঘূর্ণিঝড় তকত-এর দাপটে কর্নাটক-কেরলে মৃত ৬

শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় তকতে এগিয়ে চলেছে গুজরাত উপকূলের দিকে। তকতে-র তাণ্ডবে কর্নাটকে ৪ জনের পর রবিবার কেরলেও মৃত্যু হয়েছে ২ জনের। ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে কেরলে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে ২টি জেলায়। এরনাকুলাম ও কোঝিকোড়ে।মৌসম ভবন রবিবার জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় তকতে প্রবল শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হয়ে সোমবার সকালে গুজরাতের পোরবন্দর ও নালিয়ার মধ্যবর্তী কোনও উপকূলবর্তী এলাকায় আছড়ে পড়তে পারে। গুজরাত ও দিউ উপকূলে ইতিমধ্যেই কড়া নজরদারির ব্যবস্থা হয়েছে। মৌসম ভবনের সিনিয়র ডিরেক্টর (আবহাওয়া) শুভানি ভুতে জানিয়েছেন, তকতে-র দাপটে রবিবার বিকেল থেকেই তুমুল বৃষ্টি হতে পারে মুম্বই ও সংলগ্ন এলাকাগুলিতে। ভারী থেকে খুব ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে গোটা কোঙ্কন ও পশ্চিম মহারাষ্ট্রের পার্বত্য এলাকাগুলিতে। রবি ও সোমবার তুমুল বৃষ্টি হতে পারে মহারাষ্ট্রের কোলহাপুর ও সাতারায়। এ ছাড়াও তুমুল বৃষ্টি হতে পারে গুজরাতের জুনাগড়, গির সোমনাথ, সৌরাষ্ট্র, কচ্ছ, দিউ, পোরবন্দর, দ্বারকা, আমরেলি, রাজকোট ও জামনগরে। ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে কর্নাটকে যে শুধুই ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে, তা নয়, ৭৩টি বাড়িও ভেঙে পড়েছে বলেও জানিয়েছে কর্নাটক প্রশাসন। যে ৬টি জেলায় ঝড়ের দাপট সবচেয়ে বেশি, তার মধ্যে তিনটি উপকূলবর্তী ও তিনটি পশ্চিমঘাট পর্বত সংলগ্ন। রবিবার বেলা বাড়তেই গোয়ায় ঝড়-বৃষ্টির প্রভাব বেড়েছে। উপড়ে গিয়েছে গাছ ও বিদ্যুতের খুঁটি। গোয়ার একটা বড় অংশে ঝড়ের দাপটে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে, বন্ধ হয়ে গিয়েছে বহু রাস্তা। মৌসম ভবনের পূর্বাভাস অনুসারে শনিবার রাত আড়াইটে নাগাদ এই ঝড়টি ছিল গোয়া থেকে মাত্র ১৫০ কিলোমিটার, মুম্বই থেকে ৪৯০ কিলোমিটার ও গুজরাত উপকূল থেকে ৭৩০ কিলোমিটার দূরে। মঙ্গলবার সকালে তকতে গুজরাতের উপকূল, পোরবন্দর ও ভাবনগর জেলার মহুভা এলাকায় আছড়ে পড়তে পারে। ঝড়ের শক্তি অনুমান করার জন্য আগামী ১২ ঘণ্টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছে মৌসম ভবন।ইতিমধ্যেই এই ঘূর্ণিঝড় নিয়ে আলোচনায় বসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি সেই বৈঠকে নির্দেশ দেন যেন এই ঝড়ের কারণে করোনা চিকিৎসায় কোনও সমস্যা না দেখা যায়। হাসপাতালগুলিতে বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবস্থা থেকে শুরু করে বাকি সব পরিষেবা যাতে দেওয়া হয়, সে কথা বলেন তিনি। ঝড়ের সময় দলের কর্মীদের সাধারণ মানুষের পাশে থাকার নির্দেশ দিয়ে টুইট করেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধিও।

মে ১৬, ২০২১
কলকাতা

কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে তুমুল ঝড়বৃষ্টি, রাজভবনের সামনে মর্মান্তিক মৃত ১, বাজ পড়ে মৃত ৫

অফিস থেকে ফেরার সময় রাজভবনের সামনে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেলেন এক ব্যক্তি। মঙ্গলবার দুপুর থেকেই মুষলধারে বৃষ্টিতে ভেসেছে শহর কলকাতা। যার জেরে শহরের বিভিন্ন এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ে। রাজভবনের সামনেও হাঁটু জল জমে যায়। যার জেরে বিপাকে পড়েন অফিস ফেরত যাত্রীরা।বিকেলে সেই জল ঠেলেই ফিরছিলেন এক ব্যক্তি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, রাজভবনের নর্থগেটের কাছে জমা জলে হুমড়ি খেয়ে পড়েন ওই ব্যক্তি। পড়ে যাওয়ার আগে টাল সামলাতে চেয়ে বিদ্যুতের খুঁটিটা আঁকড়ে ধরার চেষ্টা করেছিলেন। রাজভবনের সামনে থাকা ল্যাম্পপোস্ট ছুঁতেই বিপত্তি। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে রাস্তায় পড়ে যান তিনি। দীর্ঘক্ষণ ওই জমা জলেই পড়েছিল তাঁর দেহ। এই ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে। মৃত ব্যক্তির পরিচয় এখনও জানা যায়নি। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে হেয়ার থানার পুলিশ। আসে দমকলের কর্মীরাও। জমা জল থেকে অতিকষ্টে দেহটি উদ্ধার করেন তাঁরা। প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে ওই ব্যক্তির পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। কীভাবে মৃত্যু হল তাও জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। দেহটি মর্গে পাঠানো হয়েছে। এখনও তাঁর পরিচয় জানা যায়নি। তবে খাস কলকাতায় এভাবে রাস্তা এক ব্যক্তির বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু আতঙ্ক ছড়িয়েছে। শহরজুড়ে বিভিন্ন এলাকায় এখনও জল জমে রয়েছে। কোথায় কার জন্য কী বিপদ লুকিয়ে রয়েছে, তা ভেবেই আতঙ্কিত অফিস ফেরত যাত্রীরা। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার দুপুর থেকে প্রবল বৃষ্টি হয় কলকাতা ও বেশকিছু জেলায়। সঙ্গে ছিল ঝোড়ো হাওয়া ও ব্জ্রবিদ্যুতের দাপট। এদিনের ঝড়-বৃষ্টিতে রাজ্যজুড়ে মোট সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বীরভূমে ২কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি। সঙ্গে বইছে ঝোড়ো হাওয়াও। তুমুল বৃষ্টি হচ্ছে কলকাতা ও শহরতলিতে। বৃষ্টি হচ্ছে হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমানে। সকাল থেকেই আকাশের মুখ ছিল ভার। দুপুরেই পরই আকাশ কালো মেঘে ঢাকে। মঙ্গলবার দুপুরের মধ্যেই কলকাতায় ঝড় বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।এদিকে মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ থানার পুঠিমারী মাঠে বাজ পড়ে মৃত্যু হয় এক ব্যক্তির। মৃতের নাম নাজির হোসেন (৩৫)। মৃতের বাড়ি যান সামশেরগঞ্জের বিডিও কৃষ্ণচন্দ্র মুন্ডা এবং বিদায়ী বিধায়ক আমিরুল ইসলাম। এছাড়াও পূর্ব বর্ধমান জেলায় বাজ পড়ে মৃত্যু হয়েছে দুজনের। মৃতদের নাম সঞ্জয় প্রামাণিক ও শরিফ মুন্সি। হাওড়াতেও বাজ পড়ে মৃত্যু হয়েছে দুজনের। মৃতদের মধ্যে একজনের নাম অশোক বিশ্বাস। অন্যজনের পরিচয় জানা যায়নি। ফলনে ব্যাপক ক্ষতি হবে বলে দাবি চাষিদের। এখন বোরো ধান কাটার কাজ চলছে জোর কদমে। বৃষ্টির কারণে ধানকাটা মেশিন নামতে পারবে জমিতে। তাতে ধান ঘরে তুলতে আরও সময় লাগবে। অন্যদিকে যে সমস্ত জমিতে ধান কেটে রাখা ছিল সেই ধান ভিজে গিয়েছে। ফলে মাথায় হাত চাষিদের।

মে ১১, ২০২১
বিদেশ

ইজরায়েলের বিমান হানায় নিহত ২০ প্যালেস্তিনীয় নাগরিক

গাজায় ইজরায়েলের বিমান হানায় নিহত অন্তত ২০ প্যালেস্তিনীয় নাগরিক। আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। এমনটাই জানিয়েছেন গাজার স্বাস্থ্য আধিকারিকরা। গত শুক্রবার থেকে জেরুজালেমের আল আকসা মসজিদে ইহুদি ও মুসলিম সম্প্রদায়ের অনুগামীদের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়েছে। এবার তা ক্রমে ভয়াবহ আকার নিচ্ছে।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, জেরুজালেমে সংঘর্ষে অন্তত ১৬৩ জন প্যালেস্তিনীয় নাগরিক ও ছয় ইজরায়েলি পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন। এই পরিসংখ্যান দিয়েছে প্যালেস্তিনীয় রেড ক্রিসেন্ট ইমারজেন্সি সার্ভিস এবং ইজরায়েলি পুলিশ। ঘটনার সূত্রপাত হয় গত শুক্রবার।রমজানের নমাজ পড়তে জেরুজালেমের আল আকসা মসজিদে জড়ো হন হাজার হাজার মুসলমান। বলে রাখা ভাল, আল আকসা মসজিদ ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের কাছে অন্যতম শ্রদ্ধার স্থান। পাশাপাশি, এটি ইহুদিদের কাছেও একটি পবিত্র স্থান। যাকে তারা টেম্পল মাউন্ট হিসাবে জানেন। এই জায়গায় এর আগেও বেশ কয়েকবার দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে অন্তর্ঘাত হয়েছে। ইজরায়েলের পুলিশ দাবি করেছে, ওই দিন সন্ধ্যার নমাজের পর হাজার হাজার মুসলিম ধর্মাবলম্বী দাঙ্গা শুরু করলে তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য শক্তি প্রয়োগ করতে বাধ্য হয়েছে। এদিকে, বসতি স্থাপনের জন্য পূর্ব জেরুজালেমের বাড়িঘর থেকে প্যালেস্তিনীয়দের উচ্ছেদ করার সম্ভাবনায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠেছে।এদিকে, আল আকসায় সংঘর্ষের পর গাজা থেকে ইজরায়েলের উদ্দেশে বেশ কয়েকটি রকেট হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হামাস। পালটা জঙ্গি সংগঠনটির ঘাঁটি লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে ইজরায়েল। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে ইজরায়েলে রকেট হামলার ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে আমেরিকা। পাশাপাশি, যে কোনও ধরনের উচ্ছেদ বন্ধ করার জন্য ইজরায়েলের কাছে আহবান জানিয়েছে রাষ্ট্রসঙ্ঘ।

মে ১১, ২০২১
বিদেশ

জন্মদিনের পার্টিতে বন্দুকবাজের হামলায় খুন ৬ জনকে, আত্মঘাতী হামলাকারী

ফের মার্কিন মুলুকে বন্দুকবাজের হামলা। জন্মদিনের পার্টিতে ঢুকে গুলি চালিয়ে ছজনকে খুন করল এক বন্দুকবাজ। যাঁদের মধ্যে আবার রয়েছে তার বান্ধবী। এরপর শেষে নিজেও আত্মঘাতী হয় ওই যুবক। আর এই ঘটনা ঘিরেই তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে আমেরিকার কলোরাডোতে। প্রাথমিক সন্দেহে অনুমান প্রেমঘটিত কারণেই এই হামলার ঘটনাটি ঘটেছে।সেদেশের একাধিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ঘটনাটি ঘটে রবিবার গভীর রাতে। কলোরাডো স্প্রিংসে সেসময় চলছিল জন্মদিনের পার্টি। আচমকাই সেখানে ঢুকে পড়ে ওই বন্দুকবাজ। এরপর আচমকাই গুলি চালাতে শুরু করে সে। তাতেই প্রাণ হারান তার বান্ধবী-সহ ছজন। এরপর সে নিজেকেও গুলি করে। কলোরাডো শহরের পুলিশ এই প্রসঙ্গে জানিয়েছে, কলোরাডো স্প্রিংসে ওই বন্দুকবাজের হানা দেওয়ার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশের উদ্ধারকারী দল সেখানে পৌঁছয়। কিন্ত কয়েক মিনিটের মধ্যেই গোটা ঘটনাটি ঘটে গিয়েছিল। এরপর পুলিশ ছজনের মৃতদেহ উদ্ধার করে। গুরুতর আহত অবস্থায় রক্তাক্ত বন্দুকবাজকে উদ্ধার করা হয়। কিন্তু হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকেও মৃত বলে ঘোষণা করেন।প্রাথমিক তদন্তে আধিকারিকদের অনুমান, নিহতদের মধ্যে এক তরুণীর বয়ফ্রেন্ড ওই বন্দুকবাজ। প্রেমঘটিত কারণে বদলা নিতেই এই ঘটনা ঘটিয়েছে ওই যুবক। তবে কলোরাডোর মেয়র জন সাদার্স জানিয়েছেন, এই ঘটনার তদন্ত করার জন্য বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে। জন্মদিনের পার্টিতে উপস্থিত এক মহিলা প্রত্যক্ষদর্শী সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, যে সময়ে এই ঘটনা ঘটে তখন তিনি পার্টি ছেড়ে পার্কিংজোনে দাঁড়িয়ে ফোনে কথা বলছিলেন। হঠাৎই জোরাল শব্দ শুনতে পান। মুহুর্মুহু গুলি চলতে থাকে। ভয়ে তিনি লুকিয়ে পড়েন। পুলিশ আরও জানিয়েছে, জন্মদিনের অনুষ্ঠানে অনেক শিশু উপস্থিত ছিল। কিন্ত তাদের কেউ জখম হয়নি। অর্থাত্ বেশ দেখেশুনেই গুলি চালিয়েছে ওই বন্দুকবাজ। তবে এই প্রথম নয়, মার্কিন মুলুকে বন্দুকবাজের হামলা প্রায়শই ঘটে থাকে। শুধু কলোরাডো শহরে গত ছবছরে চতুর্থবার বন্দুকবাজের হামলার ঘটনা ঘটল।

মে ১০, ২০২১
রাজ্য

রাজ্যজুড়ে ভোটপরবর্তী হিংসার বলি ৬ বিজেপি কর্মী

ভোটের ফলাফল প্রকাশ্যে আসতেই ফের রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ল কোচবিহারের শীতলকুচিতে। ফের রক্ত ঝরল সেখানে। সোমবার সকাল থেকে রাজনৈতিক সংঘর্ষ শুরু হয়। দুপক্ষের সংঘর্ষে চলে গুলি। আর তাতেই পেটে গুলি লেগে মৃত্যু হল এক বিজেপি কর্মীর। এ নিয়ে ফের অশান্ত হয়ে উঠল কোচবিহারের এই স্পর্শকাতর কেন্দ্র। সোমবার নির্বাচন পরবর্তী হিংসায় তপ্ত রইল রাজ্যের অন্যান্য প্রান্তও। পূর্ব বর্ধমানের রায়নায় তৃণমূল সমর্থক এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ ওঠে। প্রসঙ্গত, এই জেলায় তৃণমূল-বিজেপি ১৬-০ ফলাফলের পর এমন অশান্তি বলে দাবি বিজেপির। এছাড়া উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গায় খুন হয়েছেন এক আইএসএফ সমর্থকও।ভোটের দিন থেকে খবরের শিরোনামে কোচবিহারের এই কেন্দ্র। গত ১০ তারিখ ভোটের দিন এখানে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে ৪ ভোটারের মৃত্যু নিয়ে তোলপাড় হয়ে উঠেছিল রাজ্য। এই কেন্দ্রের অন্তর্গত জোড়পাটকির ১২৬ নং বুথের বাইরে এই ঘটনার জেরে ভোটপ্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। ২৯ এপ্রিল ফের সেখানে ভোট নেওয়া হয়। জনরায় অবশ্য গিয়েছে বিজেপির পক্ষে। শীতলকুচি কেন্দ্রে ২১ হাজারের বেশি ভোটে তৃণমূল প্রার্থী পার্থপ্রতিম রায়কে হারিয়ে জিতেছেন বিজেপির বরেনচন্দ্র বর্মন। এবার সেই ফলাফলের পরদিনও ফের উত্তাপ বাড়ল শীতলকুচিতে। বুড়াপঞ্চার হাট এলাকায় তৃণমূল-বিজেপি দুপক্ষের গুলির লড়াইয়ের মাঝে পড়ে প্রাণ হারাতে হল তরতাজা এক যুবককে। তাঁকে নিজেদের সমর্থক বলে দাবি করেছে গেরুয়া শিবির। জানা গিয়েছে, পেটে গুলি লাগার পর তাঁকে দিনহাটার হাসপাতালে নিয়ে আসার পথেই মৃত্যু হয়েছে।এদিকে, পূর্ব বর্ধমানের রায়নার সমসপুর গ্রাম নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পর থেকেই উত্তপ্ত। সোমবার বেলার দিকে এখানে ফলাফল নিয়েই তৃণমূল ও বিজেপি কর্মী, সমর্থকদের মধ্যে বাকবিতন্ডা শুরু হয়। তা চরমে ওঠে, শুরু হয় হাতাহাতি, সংঘর্ষ। সমসপুরের বাসিন্দা বছর ষাটের গণেশ মালিক তা আটকাতে যান। তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর আহত হন তিনি। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। গণেশ মালিকের পরিবারের অভিযোগ, বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা তাঁকে বাঁশ, লাঠি দিয়ে বেদম প্রহারের পরই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। দায়ের হয়েছে খুনের অভিযোগ। তৃণমূলের জেলা মুখপাত্রের বক্তব্য, পূর্ব বর্ধমানের ১৬টি আসনের মধ্যে ১৬টিতেই জিতেছে তৃণমূল। তার বদলা নিতে এই ঘটনা ঘটিয়েছে বিজেপি। এদিকে, পূর্ব মেদিনীপুরের অধিকাংশ আসনে তৃণমূলের জয়ের পর বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চলছে বলে অভিযোগ। খেজুরি, ভগবানপুর, উত্তর কাঁথি এলাকায় বিজেপি সমর্থকদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। সূত্রের খবর, ভয়ে গ্রাম ছেড়ে পালিয়েছেন বহু বিজেপি সমর্থক।গত ২৪ ঘণ্টায় যে ৬ জন বিজেপি কার্যকর্তাকে খুন করা হয়েছে, তারা হলেন, জগদ্দলের শোভারানী মণ্ডল, রানাঘাটের উত্তম ঘোষ, বেলেঘাটার অভিজিৎ সরকার, সোনারপুর দক্ষিণের হরম অধিকারী, শীতলকুচির মোমিক মৈত্র, বোলপুরের গৌরব সরকার।

মে ০৩, ২০২১
বিদেশ

পদ্মায় নৌকোডুবি, মৃত অন্তত ২৫

ফের ভয়াবহ দুর্ঘটনার সাক্ষী থাকল বাংলাদেশ । সোমবার পদ্মা নদীতে দুটি নৌকার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন অন্তত ২৫ জন। দ্রুত অভিযান চালিয়ে ডুবে যাওয়া নৌকার পাঁচজন যাত্রীকে উদ্ধার করা হয়।পুলিশ সূত্রে খবর, এদিন সকাল ৭টা নাগাদ মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় বাংলাবাজার ফেরিঘাটে বালিবোঝাই একটি নৌকার সঙ্গে সংঘর্ষ হয় এক যাত্রীবাহী স্পিডবোটের। এর ফলে মৃত্যু হয় অন্তত ২৫ জনের। ওই নৌকাটিতে সওয়ার ছিলেন কমপক্ষে তিরিশ জন যাত্রী। এই ঘটনায় পাঁচজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। হতাহত ব্যক্তিদের নাম ও পরিচয় এখনও জানা যায়নি। গুরুতর আহতদের দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাংলাবাজার ফেরিঘাটের ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক আশিকুর রহমান স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে জানান, মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া থেকে ৩০ জন যাত্রী নিয়ে একটি স্পিডবোট বাংলাবাজার ফেরিঘাটের দিকে যাচ্ছিল। স্পিডবোটটি বাংলাবাজার ফেরিঘাটের পুরাতন কাঁঠালবাড়ি ঘাটের কাছাকাছি আসার পর বালুবোঝাই একটি নৌকার সঙ্গে সংঘর্ষ হয় যানটির। সংঘর্ষে স্পিডবোটটি উলটে যায়। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ২৫ জনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।উল্লেখ্য, গত এপ্রিল মাসে শীতলক্ষ্যা নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় মৃত্যু হয় ৫ জনের। সেবার মদনগঞ্জ এলাকায় শীতলক্ষ্যা সেতুর কাছাকাছি আসার পর এসকে-৩ নামে একটি পণ্যবাহী জাহাজের সঙ্গে ধাক্কা লাগে একটি লঞ্চের। তাতেই ডুবে যায় লঞ্চটি। দুর্ঘটনার পর অনেক যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠে যেতে সক্ষম হন। উদ্ধারকাজ চালিয়েও বেশ কয়েকজনের প্রাণরক্ষা করা হয়। তবে এর আগেও একাধিক নৌকা দুর্ঘটনার সাক্ষী ঠেকেছে বাংলাদেশ। এর জন্য জলপুলিশের গাফিলতিকে দায়ী করছেন অনেকে। তাছাড়া, অতিরিক্ত মুনাফার লোভে ক্ষমতার বেশি যাত্রী বোঝাই করে বিপদ ডেকে আনছে নৌকাগুলি বলেও অভিযোগ অনেকের।

মে ০৩, ২০২১
দেশ

ফের অগ্নিকাণ্ড মহারাষ্ট্রের হাসপাতালে, মৃত ৪ রোগী

পালঘরের পরে এবার মহারাষ্ট্রের থানে । ফের হাসপাতালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। মঙ্গলবার মাঝরাতে আগুন লেগে যায় ওই বেসরকারি হাসপাতালে। অন্তত ৪ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। ২০-র বেশি রোগীকে বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে থানের পুলিসের তরফে জানানো হয়েছে।সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে জানা যাচ্ছে, রাত ৩টে ৪০ নাগাদ আগুন লাগে থানে জেলার মুম্ব্রা এলাকার প্রাইম ক্রিটিকেয়ার হাসপাতালে। আচমকাই হাসপাতালের এক জায়গা থেকে ধোঁয়া বেরতে দেখা যায়। এরপর দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ে আগুন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় দমকলের দুটি ইঞ্জিন ও একটি উদ্ধারকারী গাড়ি। জানা গিয়েছে, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। রোগীদের অন্য হাসপাতালে সরানোর সময়ই ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৩ জনই আইসিইউয়ে ভর্তি। একজন বর্ষীয়ান নাগরিক। আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন মন্ত্রী ড. জিতেন্দ্র আওয়াদ। তিনি জানিয়েছেন, আগুন লাগার কারণ এখনও জানা যায়নি। পুলিশ ও স্থানীয় পুরসভা দ্রুত এবিষয়ে বিশদে জানাবেন।গত শুক্রবারই মহারাষ্ট্রের পালঘর জেলার এক কোভিড হাসপাতালে আগুন লাগে। অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল সেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায়। তারও আগে ২১ এপ্রিল রাজ্যের নাসিকে অক্সিজেন ট্যাংক লিক করায় ২২ জন রোগীর মৃত্যু হয়।

এপ্রিল ২৮, ২০২১
দেশ

জোশীমঠে ফের হিমবাহ ধসে নিহত ৮

ফের সেই জোশীমঠ। মাস দুয়েক আগের স্মৃতি উস্কে দিয়ে ফের হিমবাহ ভেঙে মৃত্যু হল ৮ জনের। উদ্ধার করা হয়েছে তিন শতাধিক শ্রমিককে। এদের মধ্যে ৬ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সূত্রে খবর, জোশীমঠের কাছে ভারত-চিন সীমান্ত লাগোয়া নিতি উপত্যকায় ওই হিমবাহটি ভেঙে পড়ে শুক্রবার রাতে। আবহাওয়া খারাপ হওয়ায় শনিবার উদ্ধারকার্য ব্যাহত হচ্ছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, এই বিপদে সব রকম সাহায্য করা হচ্ছে। দ্রুত উদ্ধারের জন্য সবরকম নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। গত কয়েক দিন থেকেই এই অঞ্চলে খারাপ আবহাওয়া ছিল। বৃষ্টিপাত হচ্ছিল। কখনও ভারী তুষারপাতও হচ্ছিল।উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী তীর্থ সিংহ রাওয়াত বলেন, নিতি উপত্যকার সুমনায় হিমবাহে ধস নেমে যে বিপর্যয় ঘটেছে, সে বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানানো হয়েছে। তিনি সম্পূর্ণ সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন। আইটিবিপির জওয়ানদেরও প্রস্তুত থাকতে বলেছেন। গত ৭ ফেব্রুয়ারি এই জোশীমঠ লাগোয়া অঞ্চলে হিমবাহ ভেঙে বড় বিপর্যয় হয়েছিল। হড়পা বানে ভেসে যায় চামোলি গ্রাম। নয়না দেবী জাতীয় উদ্যানের কাছে অবস্থিত ঋষিগঙ্গা ও তপোবন বিদ্যুৎ প্রকল্পও ধসে ধ্বংস হয়ে যায়। এক সপ্তাহ উদ্ধারকার্য চালিয়ে মোট ৭৪টি দেহ উদ্ধার করা হয়। নিখোঁজ ১৩৫ জনকেও মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।

এপ্রিল ২৪, ২০২১
দেশ

মহারাষ্ট্রের কোভিড হাসপাতালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃত ১৩

বিপত্তি যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না মহারাষ্ট্রের। একে তো মহামারি মোকাবিলায় নাজেহাল অবস্থা সরকারের। তার উপর একের পর এক দুর্ঘটনা রীতিমতো নাস্তানাবুদ করছে প্রশাসনকে। নাসিকে অক্সিজেন লিক কাণ্ডের পর এবার ভিরারের এক কোভিড হাসপাতালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যাচ্ছে। আরও বেশ কয়েকজন গুরুতর অসুস্থ।স্থানীয় সূত্রের খবর, গতকাল মাঝরাতে মহারাষ্ট্রের পালঘরের ভিরার এলাকার এক কোভিড হাসপাতালে আগুন লেগে যায়। সেসময় ওই হাসপাতালটিতে ৯০ জন করোনা রোগী ভর্তি ছিলেন। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, বিজয়বল্লভ হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগে আগুন লেগেছিল। যার জেরে রোগীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। মৃত্যু হয় ১৩ জন কোভিড রোগীর। আরও বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আজ সকালে তাঁদের পাশের কোভিড হাসপাতালে সরানো হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, গতকাল ভোর ৩টে নাগাদ হাসপাতালটির আইসিইউ বিভাগে আগুন লাগে। সেসময় হাসপাতালে যথেষ্ট সংখ্যক নার্স বা চিকিৎসক ছিলেন না। যার জেরে আরও আতঙ্ক ছড়িতে পড়ে। খবর পাওয়ার পর দমকলের ১০টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এদিকে, এই অগ্নিকাণ্ডের জেরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন রোগীর পরিবারের সদস্যরা। হাসপাতালের অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। কাঠগড়ায় তলা হচ্ছে জেলা প্রশাসনকেও। হাসপাতালের সিইও দিলীপ শাহ এই ঘটনাকে মর্মান্তিক বলে শোক প্রকাশ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টুইটারে লিখেছেন, স্বজনহারানো পরিবারগুলির প্রতি সমবেদনা জানাই। আহতরা যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন। এই ঘটনায় যাদের মৃত্যু হয়েছে তাদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আর আহতদের দেওয়া হবে ৫০ হাজার টাকা করে।ঘটনায় শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। বাকি রোগীদের চিকিৎসায় যাতে কোন অসুবিধা না হয় তার জন্য দ্রুত সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন তিনি। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলেছেন ইতিমধ্যে। আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে এবং বাকি রোগীদের চিকিৎসা যাতে বিনা বাধায় হয়, এই বিষয়টি নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন উদ্ধব ঠাকরে।

এপ্রিল ২৩, ২০২১
দেশ

অক্সিজেনের অভাবে হাহাকার দিল্লির গঙ্গারাম হাসপাতালে, ২৪ ঘণ্টায় মৃত ২৫

চারিদিকে কেবল অক্সিজেনের হাহাকার। গত ২৪ ঘণ্টাতেই দিল্লির গঙ্গারাম হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে ২৫ জন করোনা রোগীর। শুক্রবার সকালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে বিবৃতি জারি করে বলা হয় যে মাত্র দুই ঘণ্টার অক্সিজেন পড়ে রয়েছে, এদিকে ৬০ জনেরও বেশি রোগীর অক্সিজেনের দরকার। দ্রুত অক্সিজেন না পৌঁছলে তাঁদের প্রাণসঙ্কট দেখা দেবে।এ দিন, সকাল আটটা নাগাদ কেন্দ্রের কাছে অক্সিজেন চেয়ে একটি জরুরি বিবৃতি প্রকাশ করে হাসপাতাল। তাতে বলা হয়,গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। আর মাত্র দুই ঘণ্টার অক্সিজেন রয়েছে। ভেন্টিলেটর ও বাইপ্যাপও সঠিকভাবে কাজ করছে না। আইসিইউ ও এমার্জেন্সি বিভাগে ম্যানুয়াল ভেন্টিলেশন চালানো হচ্ছে। যেকোনও সময়ে বড় বিপদ ঘটতে পারে। ৬০ জনেরও বেশি রোগীর প্রাণ সঙ্কটে রয়েছে। দ্রুত হস্তক্ষেপের প্রয়োজন। হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে, অক্সিজেনের ঘাটতি মেটাতে দ্রুত আকাশপথে অক্সিজেন সরবরাহ করা হোক।সূত্র অনুযায়ী, বর্তমানে গঙ্গারাম হাসপাতালে ৫০০-রও বেশি করোনা রোগীর চিকিৎসা চলছে। গত ২৪ ঘণ্টায় যে ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, তাঁরা অক্সিজেনের অভাবেও মারা যেতে পারেন বলে সন্দেহ। তবে একা গঙ্গারাম হাসপাতাল নয়। দিল্লির একাধিক হাসপাতালেই চিত্রটা একই। গতকালই একটি বেসরকারি হাসপাতাল দিল্লি হাইকোর্টের দারস্থ হয় অক্সিজেন ঘাটতি নিয়ে হস্তক্ষেপের দাবিতে। এদিকে কেন্দ্রের তরফে জবাবে বলা হয়, দিল্লি সরকার অখুশি প্রেমিকার মতো ব্যবহার করছে।

এপ্রিল ২৩, ২০২১
কলকাতা

টিটাগড়ে বিস্ফোরণ, মৃত ১

বিধানসভা ভোটের একদিন আগেই বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল টিটাগড়। এই ঘটনায় এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। আহত এক।জানা গিয়েছে, বোমা বাঁধতে গিয়েই ঘটে বিপত্তি। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে ধামাকায় বাড়িটির ছাদ উড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় রাজকুমার যাদব নামের এক ব্যক্তির। নিহত ব্যক্তি পেশায় গাড়িচালক ছিলেন ওই ব্যক্তি। বিস্ফোরণে আরও এক ব্যক্তি আহত বলে খবর। তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। কী কারণে বিস্ফোরণ তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উল্লেখ্য, আগামীকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার টিটাগড়ে ভোট। তার আগেই দিনই বিস্ফোরণের ঘটনায় রীতিমতো চঞ্চল্য চড়িয়েছে এলাকায়। মনে করা হচ্ছে যে নির্বাচনে অশান্তি ছড়াতেই বোমা তৈরি করা হচ্ছিল। তবে এর নেপথ্যে কে বা কারা রয়েছে তা তদন্তের পরও স্পষ্টভাবে জানা যাবে।উল্লেখ্য, নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ততই বাড়ছে রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা। কোথাও দেওয়াল লিখন নিয়ে বিবাদ তো কোথাও আবার সভাস্থল নিয়ে গণ্ডগোল মাথাচারা দিচ্ছে।ব্যারাকপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত টিটাগড়। ষষ্ঠদফায় আগামীকাল সেখানে ভোটগ্রহণ হবে। রাজনৈতিক দিক থেকে ওই শিল্পাঞ্চল স্পর্শকাতর। ফলে নিরাপত্তা বজায় রাখতে ও সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করতে সেখানে যথেষ্ট সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। তার মধ্যেও বিস্ফোরণের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে দেখা দিয়েছে প্রশ্ন।

এপ্রিল ২১, ২০২১
রাজ্য

ভোটের আগে ফের রক্তাক্ত মুর্শিদাবাদ

ভোটের মরশুমে রাজ্যজুড়ে হিংসা অব্যাহত। সোমবার রাতে রাজনৈতিক হিংসায় রক্তাক্ত হল মুর্শিদাবাদ । বোমাবাজি, সংঘর্ষের জেরে প্রাণ গেল এক কংগ্রেস কর্মীর। অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে রাজ্যের শাসকদল। এদিকে এদিন রাতেই বড়ঞ্যা এলাকাতেও বোমাবাজি হয়। বোমার ঘায়ে গুরুতর জখম হন এক তৃণমূল কর্মী। সবমিলিয়ে ভোটের আগেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল মুর্শিদাবাদ।অষ্টম দফায় মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ায় ভোটগ্রহণ। তার আগে রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত হল এই এলাকা। স্থানীয় সূত্রে খবর, গতকাল রাতে হরিহরপাড়া বিধানসভার অন্তর্গত বিলধারীপাড়ার ঘোষালপুর এলাকায় তৃণমূল ও কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। চলে দেদার বোমাবাজি। এমনকী গুলি ছোঁড়ার অভিযোগও রয়েছে। সংঘর্ষের জেরে এক কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যু হয়। নাম কাশেম আলি। জখম হয়েছেন দুপক্ষের অন্তত ১০ জন।সূত্রের খবর, নমাজ পড়ে বাড়ি ফিরছিলেন কাশেম। ঠিক তখনই তাঁকে লক্ষ্য করে বোমা ছোঁড়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। বোমার আঘাতে জখম কাশেম আলিকে প্রায় সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। শারীরিক পরীক্ষার পর তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। যদিও বোমবাজির অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। তাঁদের দাবি, হরিহরপাড়ার এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই।অন্যদিকে প্রচার সেরে বাড়ি ফেরার পথে এক তৃণমূল কর্মীকে লক্ষ্য করে বোমা ছোঁড়ার অভিযোগ উঠল বিজেপির বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বড়ঞ্যা বিধানসভার অন্তর্গত ভবানীপুর গ্রামে। দলীয় সূত্রে খবর, প্রচার সেরে সাইকেল চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন তৃণমূল কর্মী দলু শেখ। তাঁকে লক্ষ্য করে দুষ্কৃতীরা বোমা ছোঁড়ে। গুরুতর জখম হয়ে কান্দি মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি। ঘটনা প্রসঙ্গে বড়ঞ্যা কেন্দ্রে তৃণমূ প্রার্থী জীবনকৃষ্ণ সাহা জানিয়েছেন, দলু শেখ আমাদের কর্মী। তাঁকে লক্ষ্য করে দুষ্কৃতীরা বোমা ছোঁড়ে। অভিযোগের তির স্থানীয় বিজেপি নেতা-কর্মীদের দিকে। তবে সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে গেরুয়া শিবির। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

এপ্রিল ২০, ২০২১
দেশ

নয়ডার বসতিতে ভয়াবহ আগুন, ঝলসে মৃত ২ শিশু

নয়ডার সেক্টর ৬৩-র কাছে একটি বস্তিতে ভয়াবহ আগুন লাগে। ঘটনাস্থলে যায় প্রচুর পুলিশ এবং দমকল কর্মী। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আগুনে ২টি বছর তিনেকের শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আগুনে এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৫০টি ঝুপড়ি পুড়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে।রবিবার দুপুরে হঠাৎই নয়ডার বাহোলপুর এলাকায় আগুন লাগে। নয়ডা পুলিশের গৌতম বুদ্ধ নগর কমিশনারের অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডলে আগুন লাগার কথা জানানো হয়েছে। তবে কী কারণে আগুন লেগেছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। আগুন লাগার পরই পুলিশ এবং দমকল ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। তার আগেই অবশ্য বসতিবাসীরা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। দমকল কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছেন। আগুনে ২ শিশুর মৃত্যুর পাশাপাশি কয়েক জন আহত হয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে।সোশ্যাল মিডিয়ায় এই আগুনের বেশ কয়েকটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, অনেক দূর থেকে কালো ধোঁয়া নজরে পড়েছে। আশপাশের এলাকা কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে। ছড়িয়েছে আতঙ্কও।

এপ্রিল ১১, ২০২১
রাজ্য

ভোট শুরু হতেই রক্তাক্ত শীতলকুচি, কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে হত ৪

প্রাণহানি দিয়ে দিন শুরু হয়েছিল। বেলা বাড়তে সেই শীতলকুচিতেই বাড়ল মৃতের সংখ্যা। এ বার কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে সেখানে আরও ৪ ব্যক্তির প্রাণ গেল। মাথাভাঙা হাসপাতালে তাঁদের ময়নাতদন্ত চলছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে আরও ৪ ব্যক্তি জখম হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। নিহতরা সকলেই তাঁদের সমর্থক বলে দাবি তৃণমূলের। অন্যদিকে, পাঠানটুলির ৮৫ নম্বর বুথ থেকে বলপূর্বক বিজেপির এজেন্ট আনন্দ বর্মনকে বের করে দেয় তৃণমূল। এরপরই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়।হাসপাতালে নিয়ে গেলে তার মৃত্যু হয়। বোমাবাজিও করা হয় ওই বুথের সামনে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়।সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীরা। জখম হন বেশ কয়েকজন।শীতলকুচির জোড়পাটকির ১২৬ নম্বর বুথের বাইরে এই ঘটনা ঘটেছে। গোটা ঘটনায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় বাহিনী বিজেপি-র হয়ে কাজ করছে। রাতভর মদ-মাংস খেয়ে সকালে নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে। সুষ্ঠ নির্বাচন করানোর ভার যাদের কাঁধে, তাঁদের নির্বিচারে গুলি চালানোর অধিকার কে দিয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে জোড়াফুল শিবির।স্থানীয় এক তৃণমূল কর্মী সংবাদমাধ্যমে বলেন, দলে দলে মানুষ ভোট দিতে যাচ্ছিলেন। সেই সময় বিনা প্ররোচনায় গুলি চালায় কেন্দ্রীয় বাহিনী। বুথের ভিতরে যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন ছিল, তারাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করে তৃণমূল।অন্যদিকে, বিজেপি নেতা নিশীথ প্রামাণিক গোটা ঘটনার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই দায়ী করেছেন। তাঁর বক্তব্য, কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে লাগাতার উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছেন মমতা। মাথাভাঙা, শীতলকুচি, কোচবিহারের সভা থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘিরে ধরতে বলেন তিনি, তাতেই একটি বিশেষ শ্রেণির লোক উত্তেজিত এবং তা থেকে আক্রমণাত্মক হয়ে পড়েন। কেন্দ্রীয় বাহিনী যদি গুলি চালিয়ে থাকে, তা আত্মরক্ষার্থেই চালিয়েছে। আসলে তৃণমূল জানে, ওরা হারছে। তাই উশৃঙ্খলতা তৈরি করছে। গোটা ঘটনায় অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কমিশন জানিয়েছে, সিআরপিএফ নয়, গুলি চালিয়েছে সিআইএসএফ (সেন্ট্রাল আর্মড পুলিশ ফোর্স)। রাজ্য নির্বাচন পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে জানিয়েছেন, তৃণমূল এবং বিজেপি-র মধ্যে সংঘর্ষ চলছিল। বাধা দেওয়া হচ্ছিল ভোটদানেও। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘিরে ধরা হয়। রাইফেলও কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তাতেই গুলি চলে।কিন্তু স্থানীয় এক বাসিন্দার যুক্তি, নিহতদের পরিচয় তাঁদের বিশেষ কোনও রাজনৈতিক দলের প্রতি তাঁদের সমর্থন নয়। তাঁরা ভোটার। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বাধ্য হয়ে যদি গুলি চালাতে হয়, তাহলে পায়েও তো গুলি চালাতে পারত। তা না করে সোজাসুজি বুকে গুলি করা হল কেন প্রত্যেককে?কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের অঙ্গুলিহেলনেই কেন্দ্রীয় বাহিনী এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন শীতলকুচির তৃণমূল প্রার্থী পার্থপ্রতিম রায়। তিনি বলেন, কী বলব আমি? শীতলকুচির মানুষ আমার স্বজন। চার-চারটি তরতাজা প্রাণ চলে যেতে দেখে চোখের জল চেপে রাখতে পারছি না। মানুষ এখনও ভোটকেন্দ্রে যাচ্ছেন, ভোট দিচ্ছেন। দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করছেন। সেই মনোবল ভেঙে ফেলার চেষ্টা চলছে। আজকের ঘটনার জন্য নির্বাচন কমিশন দায়ী। দায়ী বিজেপি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অমিত শাহের অঙ্গুলিহেলনে এ সব হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে এ নিয়ে ফোনে কথা হয়েছে, তিনি পুরোটা দেখবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন পার্থপ্রতিম।নির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈন ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে ফোনে প্রাথমিক রিপোর্ট নিয়েছেন। কী কারণে গুলি চালাতে হল, কেন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা গেল না, সব সমেত পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তলব করেছেন তিনি।শনিবার সকালে চতুর্থ দফায় ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পর থেকে দফায় দফায় শীতলকুচিতে সঙ্ঘর্ষ বেধেছে তৃণমূল এবং বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে। সকালে পাঠানটুলি শালবাড়ির ২৮৫ বুথে ভোট দিতে গিয়ে আনন্দ বর্মণ নামের এক ১৮ বছরের কিশোরের মৃত্যু হয়। তাঁর পরিবারের লোকজন নিজেদের বিজেপি সমর্থক বলে দাবি করলেও, আনন্দ কাদের পক্ষে, তা নিয়েও রাজনৈতিক টানাপড়েন শুরু হয়। তার মধ্যেই এই ঘটনা।

এপ্রিল ১০, ২০২১
রাজ্য

দুষ্কৃতীদের ছোড়া গুলিতে মৃত্যু ভিন রাজ্যের পুলিশের

দুষ্কৃতীদের ছোড়া গুলিতে মৃত্যু হল এক পুলিশ কর্মীর। ঘটনার জেরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার বিহার-বাংলা সংলগ্ন পাঞ্জিপাড়ার পানতাপারা গ্রামে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে বিহারের কিশনগঞ্জ থানার পুলিশ দুটি দল গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বাইক চোরের সন্ধানে হানা দেয় এলাকায়। বাংলার পুলিশের সহযোগিতায় পানতাপারা গ্রামে অভিযানে যায় বিহার পুলিশ।সেই সময় দুষ্কৃতীদের ছোড়া গুলিতে গুলিবিদ্ধ হন কিশনগঞ্জ থানার পুলিশ কর্মী অশ্বিনী কুমার। গুলিবিদ্ধ পুলিশ কর্মীকে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার খবর পেয়ে ছুটে আসেন বিহারের পূর্ণিয়ার আইজি সুরেশ প্রসাদ চৌধুরীর নেতৃত্বে পুলিশ আধিকারিকেরা। হাসপাতালে আসেন ইসলামপুর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার শচিন মক্কর-সহ পুলিশ আধিকারিকেরা। মৃত পুলিশ কর্মী অশ্বিনী কুমারের মৃতদেহ ময়না তদন্তে জন্য পাঠানো হয় এবং ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ১০, ২০২১
রাজ্য

ভোট দিতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু যুবকের, রণক্ষেত্র শীতলকুচি

চতুর্থ দফার ভোটের শুরু থেকেই উত্তপ্ত কোচবিহারের শীতলকুচি। গুলিতে প্রাণ গেল এক যুবকের। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রীতিমতো রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় পাঠানটুলি এলাকা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ময়দানে নামে পুলিশ, ব়্যাফ ও কমব্যাট ফোর্স। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই কমিশনের তরফে ফোন করা হয়েছে রিটার্নিং অফিসারকে।বিজেপি কর্মীদের দাবি, শনিবার সকালে ভোট দিতে গিয়ে বাধার মুখে পড়তে হচ্ছিল তাঁদের। এই নিয়ে একাধিক বুথে অশান্তি হয়। বিজেপির অভিযোগ, পাঠানটুলির ৮৫ নম্বর বুথ থেকে বলপূর্বক বিজেপির এজেন্ট আনন্দ বর্মনকে বের করে দেয় তৃণমূল। এরপরই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। বোমাবাজিও করা হয় ওই বুথের সামনে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়।সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীরা। জখম হন বেশ কয়েকজন। পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে ব্যাপক লাঠিচার্জ করে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে ওই ব্যক্তি মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।কর্মীর মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। যদিও পরিবারের দাবি, ওই যুবক বিজেপির পোলিং এজেন্ট নন। তিনি প্রথমবার ভোট দিতে গিয়েছিলেন। সেখানেই গুলিবিদ্ধ হন। এদিন সিতাই এলাকা থেকে উদ্ধার হয়েছে এক ব্যক্তির রক্তাক্ত দেহ। তবে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় এখনও জানা যায়নি। এছাড়াও কোচবিহারের বিভিন্ন জায়গায় সকাল থেকেই বোমাবাজি হচ্ছে বলে অভিযোগ। একাধিক জায়গায় বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে। প্রতিক্ষেত্রেই অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে।যদিও অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের। তাঁদের পালটা দাবি উত্তরবঙ্গের দিনহাটা, শীতলকুচি, নাটাবাড়ি, তুফানগঞ্জের একাধিক বুথে তৃণমূলের এজেন্টদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। ইতিমধ্যেই এবিষয়ে কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছে তৃণমূল।

এপ্রিল ১০, ২০২১
দেশ

ছত্তিশগড়ে মাওবাদীদের গুলির লড়াইয়ে মৃত ৫ জওয়ান

মাওবাদীদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হল অন্তত ৫ নিরাপত্তা কর্মীর। আহত হয়েছেন আরও ২০ জন। শনিবার ছত্তিশগড়ের বিজাপুরে মাওবাদীদের সঙ্গে ব্যাপক গুলির লড়াই হয় যৌথ বাহিনীর। মাওবাদীদেরও কয়েক জনের হতাহতের খবর পাওয়া গিয়েছে। সেই সঙ্গে তাদেরও বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে পুলিশের তরফে। শেষ পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্তও গুলির লড়াই চলেছে।শনিবার বিজাপুরের তারেম এলাকার জঙ্গলে মাওবাদীদের লুকিয়ে থাকার খবর পায় পুলিশ। তার পর নিরাপত্তা কর্মীদের একাধিক বাহিনী যৌথ অভিযানে নামে। তাতে ছিল কোবরা (কমান্ডো ব্যাটালিয়ান ফর রেজলিউট অ্যাকশন), ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড (ডিআরজি) এবং স্পেশ্যা ল টাস্ক ফোর্সের (এসটিএফ) জওয়ানরা। জঙ্গলের মধ্যে সেখানে বিজাপুর এবং সুকমার মাঝে একটি একটি গ্রামে মাওবাদীরা লুকিয়ে রয়েছে বলে জানতে পারেন অভিযানে নামা জওয়ানরা। এলাকায় পৌঁছতেই মাওবাদীরা নিরাপত্তা কর্মীদের দিকে গুলি চালাতে শুরু করেন। তাতেই মৃত্যু হয় ৫ জওয়ানের। আহত হয়েছেন বিভিন্ন বাহিনীর আরও ২০ জওয়ান। গুলির লড়াইয়ের কথা স্বীকার করেছেন ছত্তিশগড়ের ডিরেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ ডিএম অবস্তি। ছত্তিশগড় পুলিশের এক উচ্চপদস্থ অফিসার অশোক জুনেজা জানান, ৫ জওয়ান কর্তব্যরত অবস্থায় মাওবাদীদের গুলিতে মৃত্যুবরণ করেছেন। যৌথ বাহিনীর জওয়ানদের ছোঁড়া পালটা গুলিতে মাওবাদীদেরও কয়েক জন মারা গিয়েছে বলে জানিয়ছে তিনি। পুলিশের তরফে মাওবাদীদের মৃত্যুর সংখ্যা জানানো না হলেও সূত্রের খবরে জানা গিয়েছে, অন্তত ২ জন মাওবাদী মারা গিয়েছে। আহত আরও কয়েকজন।

এপ্রিল ০৩, ২০২১
বিদেশ

একদিনে ১১৪ জনকে গুলি করে মারল মায়ানমারের সেনা

রক্তস্নাত মায়ানমার নিয়ে সারা বিশ্বের উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে। শনিবার একদিনে অন্তত ১১৪ জনের মৃত্যুর পরে একযোগে বারোটি দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর তরফে যৌথ বিবৃতি দিয়ে তীব্র নিন্দা করা হয়েছে জুন্টার নিষ্ঠুরতার। গত দুমাস ধরেই গণতন্ত্রকামীদের থামাতে নির্বিচারে তাদের উপরে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু সংখ্যার বিচারে সবচেয়ে নারকীয় হত্যালীলা চলেছে শনিবার।মায়ানমারের সেনা আগেই পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছিল, যদি গণতন্ত্রকামীরা ফের পথে নামে তাহলে সরাসরি মাথায় গুলি করবে তারা। উল্লেখ্য, এতদিন পর্যন্ত প্রতিবাদীদের মাথা লক্ষ্য করেই গুলি চালাতে দেখা গিয়েছে মায়ানমার সেনাকে। কিন্তু এই প্রথম সরাসরি এমন হুমকি দিয়েছিল তারা। সেদেশের সরকারি টিভি চ্যানেলেই এই হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল। পরে রাজপথে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ শুরু হলে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে থাকে সেনা। দেশের ৪৪টি শহরে সেনার গুলিতে লুটিয়ে পড়তে থাকেন প্রতিবাদীরা। তাদের মধ্যে বহু নাবালক-নাবালিকারাও ছিল। রীতিমতো লোকবসতির মধ্যে ঢুকে গুলি চালানোর কথা জানা গিয়েছে। এক তেরো বছরের কিশোরীকে তার বাড়ির মধ্যেই গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ইতিমধ্যেই সেনার গুলিতে মৃতের সংখ্যা চারশো ছাড়িয়ে গিয়েছে। ঘটনার নিষ্ঠুরতায় বিস্মিত গোটা বিশ্ব। আমেরিকা, জাপান, ব্রিটেন ও অস্ট্রেলিয়া-সহ বারোটি দেশের তরফে পেশ করা বিবৃতিতে জুন্টার এহেন আচরণের তীব্র নিন্দা করে বলা হয়েছে, যে কোনও পেশাদার সেনাবাহিনী সব সময় আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে কাজ করে। মানুষকে রক্ষা করাই তাদের কাজ। ক্ষতি করা নয়। আমরা মায়ানমারের সেনার কাছে আর্জি জানাচ্ছি হিংসা থেকে বিরত হয়ে মায়ানমারের মানুষদের সঙ্গে সম্পর্ক পুনরুদ্ধার করার।

মার্চ ২৮, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

সব আশঙ্কাকে উড়িয়ে বিশ্বকাপে মহারেকর্ড! গ্রুপ পর্ব শেষের আগেই যা ঘটল, তাকিয়ে বিশ্ব

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব এখনও শেষ হয়নি। কিন্তু তার আগেই তৈরি হয়ে গেল নতুন ইতিহাস। দর্শকসংখ্যার নিরিখে এবারই বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি মানুষ মাঠে বসে খেলা দেখেছেন। ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা জানিয়েছে, চলতি বিশ্বকাপে ইতিমধ্যেই ছত্রিশ লক্ষেরও বেশি দর্শক স্টেডিয়ামে উপস্থিত থেকে ম্যাচ উপভোগ করেছেন। ফলে আগের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে নতুন নজির গড়েছে এই আসর।এর আগে সর্বাধিক দর্শকের রেকর্ড গড়েছিল উনিশশো চুরানব্বই সালের বিশ্বকাপ। সেই আসরেও আয়োজক ছিল আমেরিকা। তখন বাহান্নটি ম্যাচে প্রায় পঁয়ত্রিশ লক্ষ সাতাশি হাজার দর্শক মাঠে বসে খেলা দেখেছিলেন। দীর্ঘ সময় সেই রেকর্ড অটুট ছিল। এবার সেই রেকর্ডও ভেঙে গেল। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এখনও প্রতিযোগিতার আটচল্লিশটি ম্যাচ বাকি রয়েছে। তার আগেই সর্বাধিক দর্শকের নতুন ইতিহাস তৈরি হয়েছে।বিশ্বকাপ শুরুর আগে অবশ্য একাধিক প্রশ্ন উঠেছিল। বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের উপর ভিসা সংক্রান্ত বিধিনিষেধ, প্রবেশের জটিলতা এবং অতিরিক্ত খরচ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন অনেকেই। খেলার টিকিট, যাতায়াত এবং থাকার খরচও ছিল বেশ বেশি। তাই অনেকের আশঙ্কা ছিল, দর্শক উপস্থিতি প্রত্যাশার তুলনায় কম হতে পারে।কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল সম্পূর্ণ উল্টো ছবি। বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে ফুটবলপ্রেমীরা মাঠে ভিড় জমিয়েছেন। অধিকাংশ ম্যাচেই প্রায় পুরো স্টেডিয়াম দর্শকে ভরে গিয়েছে। ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থার দাবি, এখনও পর্যন্ত ছত্রিশ লক্ষ পাঁচ হাজারেরও বেশি মানুষ মাঠে বসে খেলা দেখেছেন। অধিকাংশ স্টেডিয়ামেই আসন প্রায় সম্পূর্ণ পূর্ণ ছিল।এখনও নকআউট পর্ব শুরু হয়নি। তাই আগামী দিনে দর্শকের সংখ্যা আরও দ্রুত বাড়বে বলেই আশা করা হচ্ছে। সংস্থার অনুমান, প্রতিযোগিতা শেষ হওয়ার আগেই চল্লিশ লক্ষেরও বেশি দর্শক মাঠে বসে বিশ্বকাপ উপভোগ করতে পারেন। সেই সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় এবারের বিশ্বকাপ ইতিমধ্যেই ফুটবল ইতিহাসে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে।

জুন ২৬, ২০২৬
দেশ

দানবাক্স থেকে কোটি কোটি টাকা উধাও! তদন্তে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য, গ্রেপ্তার আট

মন্দিরের দানবাক্স থেকে বিপুল পরিমাণ অনুদানের অর্থ চুরির অভিযোগে আট জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে দেশজুড়ে তীব্র আলোড়ন তৈরি হয়েছে। বিশেষ তদন্তকারী দলের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য। কীভাবে দীর্ঘদিন ধরে দানবাক্সের টাকা সরানো হচ্ছিল, তা নিয়েও সামনে এসেছে নতুন অভিযোগ।তদন্তকারীদের দাবি, অভিযুক্তরা নজরদারি এড়াতে কৌশলে নজরদারি যন্ত্র ঢেকে রাখত। এরপর দানবাক্স থেকে টাকা বের করে তা প্রথমে শৌচাগারের ভিতরে লুকিয়ে রাখা হত। পরে সুবিধাজনক সময়ে সেই অর্থ গোপনে মন্দির চত্বরের বাইরে নিয়ে যাওয়া হত। তদন্তে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, পরে সেই টাকা বিভিন্ন ভাগে ভাগ করে একাধিক ব্যক্তির মধ্যে বিলি করা হত।বিশেষ তদন্তকারী দলের দাবি, মন্দির উদ্বোধনের পর থেকেই এই চুরির ঘটনা শুরু হয়ে থাকতে পারে। চলতি বছরের সাতাশে এপ্রিল থেকে পাঁচই জুনের মধ্যে অন্তত সত্তরটি চুরির ঘটনা তদন্তে উঠে এসেছে বলে দাবি করা হয়েছে।জিজ্ঞাসাবাদের সময় ধৃতদের মধ্যে দুজন কয়েক জন ব্যাঙ্ক আধিকারিকের নামও উল্লেখ করেছেন বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি। সেই তথ্যের ভিত্তিতে আরও কয়েক জনের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই ঘটনায় আরও কয়েক জন সরকারি কর্মীর যোগ থাকতে পারে। তবে সেই বিষয়ে এখনও তদন্ত চলছে।বিশেষ তদন্তকারী দলের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, মন্দিরে নগদ অনুদান হিসেবে কয়েক হাজার কোটি টাকা জমা পড়েছিল। পাশাপাশি প্রচুর সোনা ও রুপোর অলঙ্কারও দান করা হয়েছিল। তদন্তে অভিযোগ, সেই বিপুল সম্পদের একটি অংশের হিসাব এখনও মেলেনি। নগদের পাশাপাশি দান করা কয়েকটি মূল্যবান রুপোর সামগ্রীও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে তদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে।তদন্তকারীদের দাবি, এখনও পর্যন্ত প্রায় সত্তর লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তদন্ত যত এগোবে, উদ্ধার হওয়া অর্থের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে তাঁদের অনুমান। যদিও মোট কত টাকা বা সম্পদ খোয়া গিয়েছে, সে বিষয়ে এখনও সরকারি ভাবে চূড়ান্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

জুন ২৬, ২০২৬
কলকাতা

বাংলায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত! অনুপ্রবেশ থেকে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, একের পর এক বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

রবীন্দ্র সদনে অনুষ্ঠিত বন্দে মাতরমের সার্ধশতবর্ষ উদ্যাপন অনুষ্ঠানে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অনুপ্রবেশ, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, ধর্মান্তর এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে তাঁর বক্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, শরণার্থীদের কোনও ভয় নেই। তবে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তাঁর দাবি, অনুপ্রবেশমুক্ত পশ্চিমবঙ্গ গড়াই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।অভিন্ন দেওয়ানি বিধির পক্ষেও জোরালো সওয়াল করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করা হবে। পাশাপাশি ভূমি দখল, প্রতারণার মাধ্যমে সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং জোর করে ধর্ম পরিবর্তনের মতো অভিযোগের বিরুদ্ধে কঠোর আইন আনার কথাও ঘোষণা করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গে আর কোনও রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপ বরদাস্ত করা হবে না। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো পদক্ষেপও নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থেই সরকার এই পদক্ষেপগুলি গ্রহণ করবে।বন্দে মাতরম প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই প্রথম রাজ্য সরকারের উদ্যোগে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে ঘিরে কলেজ স্ট্রিট এবং নৈহাটিতে বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, অতীতে একই ধরনের কর্মসূচি করতে গিয়ে নানা বাধার মুখে পড়তে হয়েছিল।নিজের বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, বন্দে মাতরম শুধু একটি গান নয়, এর মধ্যে দেশপ্রেম এবং জাতীয় চেতনার গভীর বার্তা রয়েছে। সেই মূল্যবোধ সমাজে আরও ছড়িয়ে দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।সম্প্রতি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বন্দে মাতরমকে প্রার্থনা সঙ্গীত হিসেবে চালু করার সিদ্ধান্তের প্রসঙ্গও তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, অনেকেই এখন নিয়ম মেনে গান গাইছেন। সময়ের সঙ্গে আরও বেশি মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই গান গাইবেন বলেই তাঁর আশা।

জুন ২৬, ২০২৬
কলকাতা

জাহাঙ্গিরকে দড়ি বেঁধে ঘোরানো নিয়ে বড় প্রশ্ন! মানবাধিকার ইস্যুতে কড়া বার্তা হাই কোর্টের

ফলতার জাহাঙ্গির খানকে গ্রেপ্তারের পর কোমরে দড়ি বেঁধে এবং অস্বাভাবিক পোশাকে প্রকাশ্যে ঘোরানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করল কলকাতা হাই কোর্ট। জাহাঙ্গির খানের স্ত্রী সারিকা বিবির দায়ের করা মামলার শুনানিতে আদালত জানিয়ে দিয়েছে, তদন্ত চললেও কোনও অভিযুক্তের মানবাধিকার লঙ্ঘন করা যাবে না।বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন, জাহাঙ্গির খানের সঙ্গে এমন কোনও আচরণ করা যাবে না, যা তাঁর মানবাধিকার ক্ষুণ্ন করে। পাশাপাশি আদালত পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে, আগামী সাত দিনের মধ্যে জানাতে হবে জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে নতুন কোনও মামলা দায়ের হয়েছে কি না। এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী পয়লা জুলাই।প্রসঙ্গত, ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী ছিলেন জাহাঙ্গির খান। নির্বাচনের আগে তাঁর একাধিক মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছিল। পরে ভোটের আগে তিনি নির্বাচনী প্রচার থেকে সরে দাঁড়ান। এরপর তিনি প্রকাশ্যে আর দেখা না গেলেও পরে বাংলা-নেপাল সীমান্ত এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে রাজ্য পুলিশের বিশেষ বাহিনী।গ্রেপ্তারের পর ফলতার সহরারহাট এলাকায় জাহাঙ্গির খানকে কোমরে দড়ি বেঁধে এবং সাধারণ পোশাকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই সময় নিরাপত্তার দায়িত্বে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত বহু মানুষ প্রথমে তাঁকে চিনতে না পারলেও পরে বিষয়টি জানাজানি হতেই এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। সেই সময় জাহাঙ্গির খানকে হাতজোড় করে হাঁটতে এবং প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতেও দেখা যায়।এই ঘটনাকেই কেন্দ্র করে আদালতের দ্বারস্থ হন তাঁর স্ত্রী। মামলার শুনানিতে হাই কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, আইনের প্রক্রিয়া চলবে ঠিকই, তবে কোনও অবস্থাতেই মানবাধিকার লঙ্ঘন করে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। আদালতের এই পর্যবেক্ষণকে ঘিরে ইতিমধ্যেই নতুন করে শুরু হয়েছে আইনি ও রাজনৈতিক আলোচনা।

জুন ২৬, ২০২৬
কলকাতা

মেয়ের এক আবদারেই বদলে গেল সব! তারাতলার মৃত্যুফাঁদ থেকে অলৌকিকভাবে ফিরলেন শ্রমিক বাবা

তারাতলায় নির্মীয়মাণ গুদাম ধসের ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেন এক শ্রমিক। আর সেই অলৌকিকভাবে বেঁচে ফেরার পিছনে রয়েছে তাঁর ছোট্ট মেয়ের এক আবদার। কাজে যেতে না দেওয়ার জন্য মেয়ের জেদের কাছে হার মেনেছিলেন বাবা। কয়েক ঘণ্টা পরেই ভেঙে পড়ে সেই নির্মীয়মাণ গুদাম। এখন মেয়েকে বুকে জড়িয়ে বারবার ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দিচ্ছেন তিনি।জগদ্দলের মোমিনপুরের বাসিন্দা ধর্মেন্দ্র চৌধুরী প্রতিদিনের মতো বুধবার ভোরেও কাজে বেরোনোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তারাতলার নির্মীয়মাণ গুদামে শ্রমিকের কাজ করতেন তিনি। প্রতিদিন সাতশো টাকা মজুরি পেতেন। সেদিন অতিরিক্ত তিনশো টাকা দেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছিলেন ঠিকাদার। সংসারের আর্থিক টানাপোড়েনের মধ্যে বাড়তি আয়ের সুযোগ হাতছাড়া করতে চাননি ধর্মেন্দ্র।কিন্তু ঠিক সেই সময় ঘুম থেকে উঠে বাবাকে জড়িয়ে ধরে ছোট্ট মেয়ে। তার একটাই আবদার ছিল, সেদিন যেন বাবা আর কাজে না যান। প্রথমে অনেক বোঝানোর চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত মেয়ের জেদ আর ভালোবাসার কাছে হার মানেন ধর্মেন্দ্র। অতিরিক্ত আয়ের লোভ ছেড়ে বাড়িতেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।কয়েক ঘণ্টা পর খবর আসে, দুপুরে আচমকাই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে সেই নির্মীয়মাণ গুদাম। খবর শুনে স্তব্ধ হয়ে যান ধর্মেন্দ্র। বুঝতে পারেন, সেদিন কাজে গেলে হয়তো তিনিও আর বেঁচে ফিরতেন না।শুক্রবার তিনি হাসপাতালে গিয়ে সেই সহকর্মীর সঙ্গে দেখা করেন, যিনি তাঁর পরিবর্তে সেদিন কাজে গিয়েছিলেন এবং দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আবেগঘন কণ্ঠে ধর্মেন্দ্র বলেন, তাঁর মেয়েই আজ তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ। মেয়ের কথা না শুনলে হয়তো তিনিও আজ বেঁচে থাকতেন না।তারাতলার মর্মান্তিক দুর্ঘটনার মধ্যে ধর্মেন্দ্র ও তাঁর ছোট্ট মেয়ের এই ঘটনা এখন অনেকের মন ছুঁয়ে গিয়েছে। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা এই শ্রমিকের কাছে এখন সবচেয়ে বড় সত্য, সন্তানের একটুকরো ভালোবাসাই তাঁর নতুন জীবন ফিরিয়ে দিয়েছে।

জুন ২৬, ২০২৬
দেশ

ভোটার তালিকা থেকে লক্ষ লক্ষ নাম বাদ! এবার সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে অধীর, বড় অভিযোগে চাঞ্চল্য

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষ নিবিড় পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়ার নামে রাজ্যে প্রায় সাতাশ লক্ষ মানুষের নাম খামখেয়ালিভাবে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী। এই ঘটনায় তিনি একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন।আদালতে দাখিল করা আবেদনে অধীর রঞ্জন চৌধুরীর দাবি, কোনওরকম শুনানির সুযোগ না দিয়েই সামান্য ভুলের অজুহাতে বহু মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, শুধুমাত্র মুর্শিদাবাদ জেলাতেই প্রায় পাঁচ লক্ষ ভোটারের নাম কেটে দেওয়া হয়েছে।অধীরের আরও দাবি, কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম ট্রাইব্যুনাল থেকে সরে যাওয়ার পর আপিলের শুনানির গতি আরও কমে গিয়েছে। বর্তমানে মুর্শিদাবাদে মাত্র দুটি ট্রাইব্যুনালে প্রতিদিন অল্প সংখ্যক মামলার শুনানি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে জমে থাকা সব মামলার নিষ্পত্তি হতে আরও চার থেকে পাঁচ বছর সময় লেগে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।আবেদনে আরও বলা হয়েছে, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার ফলে বহু দরিদ্র মানুষ সরকারি প্রকল্প এবং সামাজিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাই ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলিতে দ্রুত অতিরিক্ত আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন করে দ্রুত শুনানির ব্যবস্থা করার আবেদন জানানো হয়েছে।অধীর রঞ্জন চৌধুরী আদালতের কাছে আরও আবেদন করেছেন, মুর্শিদাবাদ ও মালদার মতো জেলায় ব্লকভিত্তিক আপিল ট্রাইব্যুনাল তৈরি করা হোক। পাশাপাশি মামলার চাপ কমাতে পর্যাপ্ত কর্মরত অথবা অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি নিয়োগের দাবি জানানো হয়েছে। এছাড়া মামলার তালিকা এবং রায় সহজে দেখার জন্য একটি স্বচ্ছ ডিজিটাল ব্যবস্থা চালুর আবেদনও করা হয়েছে।একইসঙ্গে আদালতের কাছে আর্জি জানানো হয়েছে, আপিল প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও নাগরিকের সরকারি সুযোগ-সুবিধা যাতে বন্ধ না হয়, সেই বিষয়েও প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হোক।

জুন ২৬, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ বড় সিদ্ধান্ত! এক মাসের জন্য থামছে বহুতল নির্মাণ, বাতিল হতে পারে অনুমোদন!

গার্ডেনরিচ ও তারাতলার মতো একের পর এক দুর্ঘটনার পর আর কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না রাজ্য সরকার। সেই কারণেই বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে নির্মীয়মাণ বেসরকারি বাণিজ্যিক বহুতল নিয়ে। আগামী এক মাস কলকাতা-সহ একাধিক পুর এলাকায় পাঁচ তলার বেশি বাণিজ্যিক বহুতলের নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। এই সময়ে বিশেষ অডিট কমিটি প্রতিটি নির্মাণের নকশা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখবে। গুরুতর ত্রুটি ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট বহুতলের অনুমোদন পর্যন্ত বাতিল করে দেওয়া হতে পারে।শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, মানুষের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, নগরায়ণ থামানো সরকারের উদ্দেশ্য নয়। তবে কোনওভাবেই মানুষের জীবন নিয়ে ঝুঁকি নেওয়া হবে না।সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী এক মাস কলকাতা, বিধাননগর, রাজারহাট, নিউটাউন, পূজালি, বারুইপুর, মহেশতলা, রাজপুর-সোনারপুর, দক্ষিণ দমদম, কামারহাটি, বরানগর এবং বালিতে নির্মীয়মাণ বেসরকারি বাণিজ্যিক বহুতলের কাজ বন্ধ থাকবে। ইতিমধ্যেই এগারো সদস্যের একটি অডিট কমিটি গঠন করা হয়েছে।এই কমিটি প্রথমে বহুতলের নকশা নিয়ম মেনে তৈরি হয়েছে কি না তা পরীক্ষা করবে। এরপর অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ সংযোগ এবং অন্যান্য নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও ত্রুটি রয়েছে কি না, তাও বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখা হবে।সরকার জানিয়েছে, যেখানে সামান্য ত্রুটি থাকবে সেখানে নির্মাণ সংস্থাকে তা সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে। কিন্তু বড় ধরনের অনিয়ম ধরা পড়লে বহুতলের অনুমোদন সম্পূর্ণ বাতিল করে দেওয়া হতে পারে।অডিট কমিটিকে আগামী সাত দিনের মধ্যে প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে হবে। চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার সময়সীমা রাখা হয়েছে নব্বই দিন। তবে যে সব বহুতল নিরাপত্তা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবে, সেগুলির নির্মাণকাজ আগামী এক আগস্ট থেকে আবার শুরু করার অনুমতি দেওয়া হবে।সরকার আরও জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র বেসরকারি বাণিজ্যিক বহুতলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। সাধারণ মানুষের বসতবাড়ি নির্মাণ বা সংস্কারের কাজে কোনও বিধিনিষেধ থাকছে না। ফলে আগামী এক মাস নিজের বাড়ির নির্মাণ বা মেরামতির কাজ স্বাভাবিকভাবেই চালিয়ে যেতে পারবেন সাধারণ মানুষ।

জুন ২৬, ২০২৬
রাজ্য

দীর্ঘদিন পলাতক, অবশেষে গ্রেপ্তার তৃণমূল নেতা! আদালতে নিয়ে যেতেই যা করল জনতা, তোলপাড় ক্যানিং

ভোটের পর থেকেই পলাতক ছিলেন ক্যানিংয়ের এক তৃণমূল নেতা। দীর্ঘদিন খোঁজ চালানোর পর অবশেষে তাঁকে কলকাতা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃতের কাছ থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র এবং এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে গ্রেপ্তারের পর আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় যে ঘটনা ঘটল, তা ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।ধৃত ইটখোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ইন্দ্রজিৎ সর্দারকে থানার বাইরে আনা মাত্রই বিক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। আদালতে নিয়ে যাওয়ার জন্য পুলিশ তাঁকে গাড়িতে তোলার চেষ্টা করছিল। সেই সময় তাঁকে লক্ষ্য করে একের পর এক ডিম ছোড়া হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কয়েকটি ডিম তাঁর মাথাতেও লাগে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ভয় দেখিয়ে তোলাবাজি, কাটমানি আদায় এবং মারধরের মতো নানা অভিযোগ ছিল ওই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। তাঁর বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র রাখার অভিযোগও ওঠে। এছাড়া একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর হিংসার ঘটনাতেও তাঁর নাম জড়িয়েছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়দের একাংশ।স্থানীয়দের দাবি, একাধিক অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও এতদিন তাঁর বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সেই ক্ষোভ থেকেই গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই থানার সামনে বহু মানুষ জড়ো হন। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন বিরোধী দলের কর্মী-সমর্থকদের একাংশও। ধৃতকে থানার বাইরে আনার সময় বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দিতে শুরু করেন এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্রের উৎস, অস্ত্র মামলার তদন্ত এবং তাঁর বিরুদ্ধে আগে থেকে থাকা বিভিন্ন অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

জুন ২৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal