• ২ কার্তিক ১৪৩৩, বুধবার ২১ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Kanthi

রাজ্য

কাঁথির ভূপতিনগরে খুন বিজেপি কর্মীর বাবা, উত্তপ্ত এলাকা

কিছুতেই কমছে না ভোট পরবর্তী অশান্তি। কাঁথি সাংগঠনিক জেলার ভূপতি নগর থানার অন্তর্গত অর্জুননগরে বিজেপি কার্যকর্তার বাবাকে পিটিয়ে মেরে ফেলল তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। যদিও বিজেপির অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।অর্জুননগর অঞ্চলের ধাঁইপুকুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা BJP র সক্রিয় কর্যকর্তা শশাঙ্ক মাইতি লোকসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পর থেকে ঘরছাড়া। তৃণমলের পক্ষ থেকে শশাঙ্ক মাইতির নামে মিথ্যে মামলা করা হয়।তারপর থেকেই তিনি ঘরছাড়া। মঙ্গলবার রাত এগারোটায় কুড়ি থেকে ত্রিশজন সশস্ত্র তৃণমূল আশ্রিত হার্মাদ বাহিনী শশাঙ্ক মাইতির বাড়িতে চড়াও হয়, এবং তার মা, স্ত্রী ও বৌদির উপর আক্রমণ ও টানাহেঁচড়া করে। এমতাবস্থায় শশাঙ্ক মাইতির বাবা গৌরহরি মাইতি বেরিয়ে আসেন এবং এই দুষ্কৃতিদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে সেই দুষ্কৃতীরা তাকে সজোরে ধাক্কা দেয় এবং তিনি গড়িয়ে পড়েন। গড়িয়ে পড়ার পর সেখানেই যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকেন। পাড়ার লোক বেরিয়ে এলে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। পাড়ার লোকজন গৌরহরিবাবুকে উদ্ধার করে নিকটবর্তী মুগবেড়িয়া হাসপাতালে নিয়ে যায়, কিন্তু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে গৌরহরিবাবুকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।

জুন ১৯, ২০২৪
দেশ

বেঙ্গালুরু বিস্ফোরণে বাংলা থেকে ধৃত দুই, মুখ খুললেন মমতা

বেঙ্গালুরুর রামেশ্বরম ক্যাফেতে বিস্ফোরণে জড়িত সন্দেহে দুই অভিযুক্তকে নিউ দিঘার পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি থেকে এনআইএ গ্রেফতার করেছে। বাংলা থেকে জঙ্গি সন্দেহে দুজন গ্রেফতার হওয়া নিয়ে রাজ্য সরকারকে তুলোধনা করে ময়দানে বিরোধীরা। শাসকদল তৃণমূলকে নিশানা করে সোচ্চার শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার, বিকাশ ভট্টাচার্যেরা। এবার এই ইস্যুতেই মুখ খুললেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বেঙ্গালুরু বিস্ফোরণে জড়িত সন্দেহে দুই সন্দেহভাজনকে কাঁথি থেকে গ্রেফতার করেছে এনআইএ। যদিও কেন্দ্রীয় সংস্থার সঙ্গেই এদিন যৌথ অপারেশন ছিল রাজ্য পুলিশও। এবিষয়ে শুক্রবার দিনহাটার নির্বাচনী সভা থেকে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বেঙ্গালুরুতে একটা বোমা ফেটেছিল। তারা কর্নাটকের বাসিন্দা। বাংলায় লুকিয়েছিল। ২ ঘণ্টার মধ্যে ধরে দিয়েছে রাজ্য পুলিশ। আবার বলছে বাংলা সেফ নয়। দিল্লি-উত্তর প্রদেশ সেফ? রাজস্থান, গুজরাত সেফ? বাংলার মানুষ শান্তিতে থাকুক বিজেপি এটা চায় না।উল্লেখ্য, বেঙ্গালুরুর রামেশ্বরম ক্যাফেতে বিস্ফোরণ কাণ্ডে দুই সন্দেহভাজনকে কাঁথি থেকে গ্রেফতার করেছে NIA। বিভিন্ন সূত্র মারফত গত কয়েকদিন ধরে খবর পৌঁছেছিল তদন্তকারীদের কাছে। শেষমেশ অতর্কিতে অভিযান চালিয়ে পূর্ব মেদিনীপুরের সৈকতনগরী থেকে দুই সন্দেহভাজনকে NIA গ্রেফতার করেছে।দুজনকে ধরে দিতে পারলে ১০ লক্ষ টাকা করে পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছিল NIA-এর তরফে। এদিনের এই অভিযানে NIA-এর সঙ্গেই ছিল রাজ্য পুলিশও। যৌথভাবে এই অপারেশন চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে রাজ্য পুলিশের তরফে।

এপ্রিল ১২, ২০২৪
দেশ

বেঙ্গালুরু বিস্ফোরণের ঘটনায় কাঁথি থেকে দুজনকে গ্রেফতার এনআইএ-র

বেঙ্গালুরু রামেশ্বরম ক্যাফেতে বিস্ফোরণের ঘটনায় বড়সড় সাফল্য পেল এনআইএ। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহের দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করল এনআইএ। পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে আব্দুল মতিন এবং মুসাভির হোসেনকে। গত ১ মার্চ বেঙ্গালুরুর একটি ক্যাফেতে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। কর্ণাটকের ১৮ টি স্থানে তল্লাশি অভিযান চালায় এনআইএ। এই ঘটনার সঙ্গে বড় কোনও জঙ্গি দলের সম্পর্ক রয়েছে বলেই মনে করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।মূল অভিযুক্ত মুজ়াম্মিল শরিফকে ঘটনার ২৭ দিন পর পুলিশ গ্রেফতার করলেও, আরও দুই অভিযুক্তের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না।

এপ্রিল ১২, ২০২৪
রাজনীতি

পূর্ব মেদিনীপুর নিয়ে বিরাট প্ল্যান শুভেন্দুর, দুই আসনেই কি অধিকারী পরিবারের প্রার্থী?

লোকসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা আর কয়েক দিনের মধ্যে প্রকাশ করবে বিজেপি। এই আবহে শুভেন্দু অধিকারীর জেলার দিকে সকলের নজর।২০০৯ থেকে ২০১৯- টানা তিনবার তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে জিতে সাংসদ হয়েছেন শিশির অধিকারী। তমলুক লোকসভা কেন্দ্র থেকে শুভেন্দু অধিকারী সাংসদ হয়েছিলেন, ২০১৬ সাল থেকে সেখানকার সাংসদ শুভেন্দুর ভাই দিব্যেন্দু।রাজনৈতিক মহলের খবর, এবার লোকসভা নির্বাচনে এই দুটি আসনের অন্তত একটি থেকে অধিকারী পরিবারের কাউকে প্রার্থী করতে চাইছে বিজেপি। সূত্রের খবর, শুভেন্দু অধিকারীকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী করার লক্ষ্যে কোনও একটি আসন থেকে দাঁড় করানোর প্রস্তাব এলেও শুভেন্দু তা নাকচ করেছেন। শুভেন্দু বারবারই বলে চলেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী করে ছাড়বেন। ফলে দিল্লির রাজনীতিতে তিনি চলে গেলে বাংলায় যাতে তৃণমূল খোলা ময়দান না পায় সে বিষয়ে সতর্ক শুভেন্দু। তাঁর বর্তমানে একটাই লক্ষ্য, রাজ্যে সরকারের পালাবদল ঘটানো।তবে কাঁথি ও তমলুক লোকসভা আসন দুটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাতে তুলে দেওয়ার প্রত্যয় নিয়েই এগিয়ে চলেছেন আত্মবিশ্বাসী শুভেন্দু। স্ট্র্যাটেজিও তৈরি করছেন। সূত্রের খবর, পরিবারতন্ত্রের তির যাতে তাঁর দিকে ধেয়ে না আসে, সে কারণে অধিকারী পরিবারের কেউ প্রার্থী হোন, তা চাননি শুভেন্দু। কিন্তু অনড় বিজেপি নেতৃত্ব।শিশির অধিকারী ও দিব্যেন্দু অধিকারীকে যে তৃণমূল প্রার্থী করবে না তা স্পষ্ট। শিশির অধিকারী বয়সের কারণে আর ভোটে দাঁড়াবেন না বলেই খবর। তবে তিনি ঘনিষ্ঠ মহলে দাবি করেছেন, পূর্ব মেদিনীপুরে ভালো ফল করবে না তৃণমূল। তাঁর সমর্থন থাকবে শুভেন্দু-সহ ছেলেদের দিকেই।শিশির অধিকারীর চার পুত্র। সৌমেন্দু অধিকারী কাঁথি পুরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন। পরে বিজেপিতে যোগ দেন। তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে তৃণমূল রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে চেয়েছে বলেও অভিযোগ। শুভেন্দুর ছোট ভাই জেলার নানা প্রান্তে বিজেপির রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সক্রিয়।দিব্যেন্দু অধিকারীর বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা রয়েছে। তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দেখা করবেন বলেও জানিয়েছেন। রাজ্যে মোদীর কোনও সভাতেই দিব্যেন্দু দল বদল করতে পারেন বলে জল্পনা রয়েছে। তবে তাঁকে বিজেপি প্রার্থী করবে না বলেই জানা যাচ্ছে। দিল্লিতে কোনও উচ্চপদ দেওয়া হতে পারে তাঁকে।সেক্ষেত্রে দিব্যেন্দুর তমলুক লোকসভা কেন্দ্রে বড় চমক থাকবে বলেই খবর। তা এখনই প্রকাশ্যে আনা হচ্ছে না। শিশির অধিকারীর কাঁথি লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হতে চলেছেন সৌমেন্দু অধিকারী। জেলায় বিজেপির প্রচারে সক্রিয়ভাবে দেখা যেতে পারে বর্ষীয়ান সাংসদ শিশির অধিকারীকে। যেভাবে অধিকারী পরিবারকে নিশানা করে নানা কু-কথা বলেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব তাতে বীতশ্রদ্ধ শিশির, দিব্যেন্দুরা। তাঁদের নিষ্ক্রিয় করে রেখে আক্রমণ করা হয়েছে লাগাতার। বিশেষ করে দলের প্রতিষ্ঠার সময় থেকে প্রভূত অবদান রেখেও যে অভিজ্ঞতার সাক্ষী থাকতে হয়েছে বিগত কয়েক বছরে, তাতে বিরক্ত শিশির অধিকারী। এই আবহে অধিকারী পরিবার যে কত বড় ফ্যাক্টর, আসন্ন লোকসভা ভোটে ফের সেই শিক্ষা তৃণমূল পাবে বলেই উপলব্ধি জেলার রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৪
রাজ্য

সবুজ ঝড়ে উড়ে গেল অধিকারীগড়

ফের সবুজঝড়ে বিপর্যস্ত বিরোধিরা। আর সেই ঝড়েই অধিকারীগড় বলে পরিচিত কাঁথি পুরসভার নিয়ন্ত্রণ হারালেন কার্যত হারালেন শিশির অধিকারী এবং তাঁর পরিবার। ফলাফল যে দিকে চলেছে, তাতে কাঁথিতে বোর্ড গড়ছে শাসক তৃণমূল। সম্ভাব্য পুরপ্রধান সুপ্রকাশ গিরি। যিনি ঘটনাচক্রে, জেলার রাজনীতিতে অধিকারী পরিবারের বিরোধী শিবিরের নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী অখিল গিরির পুত্র। কাঁথির ফলাফল নিয়ে অবশ্য এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি শুভেন্দু বা বিজেপি-র তরফে।কাঁথি পুরসভায় মোট আসন ২১টি। তার মধ্যে ১৭টিই জিতেছে তৃণমূল। তিনটি গিয়েছে বিজেপি-র ঝুলিতে। কাঁথি উত্তরের দলীয় বিধায়ক সুমিতা সিংহকে পুরভোটে প্রার্থী করেছিল বিজেপি। তিনি তৃণমূলের কাছে হেরেছেন ৭৭ ভোটে। অবশ্য কাঁথি দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক অরূপ দাস ১৭৮ ভোটে জিতেছেন। জিতেছেন তাঁর আরও দুই সতীর্থও। একটি আসন পেয়েছেন নির্দল প্রার্থী। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দল বদলানোর সঙ্গে সঙ্গে কাঁথির মানুষের আনুগত্য-ও বদলে যাবে, এমন একটা ধারণা করেছিল অধিকারী পরিবার। কিন্তু ভোটের ফলাফল তো তেমন বলছেই না, উল্টে দেখা যাচ্ছে, পুরভোটে হেরেছেন কাঁথি উত্তরের বিজেপি বিধায়কও! বিষয়টি শুভেন্দুর পক্ষে আদৌ সুবিধার নয়। যেমন বিষয়টি বিড়ম্বনা বাড়াতে চলেছে প্রবীণ রাজনীতিক শিশিরের পক্ষেও।

মার্চ ০২, ২০২২
রাজ্য

নিজের গড়েই আক্রান্ত সৌমেন্দু অধিকারী, ভাঙা হল গাড়ি, আহত চালক

নিজেদের গড়ে আক্রান্ত অধিকারী পরিবারের ছোট ছেলে সৌমেন্দু। অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত প্রায় ৩০ জন দুষ্কৃতী ব্যাপক ভাঙচুর চালায় তাঁর গাড়িতে। মারধর করা হয় সৌমেন্দু অধিকারীর গাড়ির চালককেও। অভিযুক্তদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন বিজেপি নেতা সৌমেন্দু। প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শুরুর কিছুক্ষণ পর থেকেই রাজ্যের একাধিক বুথ থেকে অশান্তির খবর প্রকাশ্যে আসে। হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। শালবনিতে আক্রান্ত হন বামপ্রার্থী। এসবের মাঝে পূর্ব মেদিনীপুরের সাবাজপুট এলাকায় আক্রান্ত হন সৌমেন্দু অধিকারী। প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্ট হওয়ায় এদিন সকালে একাধিক বুথে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছিলেন তিনি। জানা গিয়েছে, একটি বুথে ঢোকার সময় সাবাজপুট এলাকায় তাঁর পথ আটকায় একদল দুষ্কৃতী। ব্যাপক ভাঙচুর করা হয় তাঁর গাড়িতে। মারধর করা হয় তাঁর গাড়ির চালক গোপাল সিংকে। চোখের পাশে চোট লাগে তাঁর।সৌমেন্দু জানিয়েছেন, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি রামগোবিন্দ দাসের নেতৃত্বে বুথ জ্যাম করার খবর পেয়ে সাবাজপুট গিয়েছিলেন তিনি। সেই সময়ই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা পরিকল্পনামাফিক হামলা চালিয়েছে তাঁর গাড়িতে। কাঁথি থানার আইসিকে দালাল বলে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, কাঁথি থানার আইসি সকাল থেকে বুথে বুথে গিয়ে ভোট করানোর চেষ্টা করছেন। আসলে তৃণমূল বুঝে গিয়েছে ওদের হার নিশ্চিত। তাই এসব করছে। তিনি জানিয়েছেন, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা না পর্যন্ত তিনি ঘটনাস্থল ছেড়ে যাবেন না।

মার্চ ২৭, ২০২১
রাজ্য

'এই পবিত্র বঙ্গভূমিতে কেউ বহিরাগত নয়’, মমতাকে আক্রমণ মোদির

এই পবিত্র বঙ্গভূমিতে কেউ বহিরাগত নয়। কাঁথির সভায় দাঁড়িয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জোর গলায় জবাব প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। প্রধানমন্ত্রীর সাফ কথা, যে মাটিতে রাজা রামমোহন রায়, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ, মাতঙ্গিনী হাজরা, নেতাজি, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় জন্মেছেন, সেই মাটিতে কেউ বহিরাগত হতে পারে না। উল্লেখযোগ্যভাবে প্রধানমন্ত্রীর এদিনের বক্তব্যের সুর ছিল রুক্ষ। তাঁর কথার মধ্যেও ছিল বিরক্তির ভাব।উল্লেখ্য, রাজ্যের ভোটের প্রচারাভিযানের একেবারে শুরু থেকে বহিরাগত ইস্যুকে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল। বাংলার ভোটের লড়াইকে বাঙালি বনাম গুজরাতি, বাংলা বনাম দিল্লির লড়াই হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে তৃণমূল। মমতাকে বাংলার মেয়ে এবং বিজেপি শীর্ষনেতাদের বহিরাগত হিসেবে তুলে ধরার এই কৌশলেরই বহিঃপ্রকাশ শাসক দলের বাংলা নিজের মেয়েকেই চায় স্লোগান।কাঁথির সভা থেকে তৃণমূলের সেই অস্ত্র ভোঁতা করতে ঝাঁপিয়ে পড়লেন মোদি। বলে দিলেন, কবিগুরুর এই বাংলা কাউকে বহিরাগত মনে করে না।সভামঞ্চ থেকে নরেন্দ্র মোদির দৃপ্ত ঘোষণা, যে মাটিতে দাঁড়িয়ে বন্দেমাতরম লিখে গোটা দেশকে একসুরে বেঁধেছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, সেই মাটিতে কেউ বহিরাগত হতে পারে না। রাজা রামমোহন রায়, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ, মাতঙ্গিনী হাজরা, নেতাজি, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ভূমিতে কেউ বহিরাগত হতে পারে না। এরা সবাই এই বঙ্গভুমির সন্তান, ভারতভূমির সন্তান। এই ভূমিতে কেউ বহিরাগত নই। এখানে কোনও ভারতবাসী বহিরাগত নন। মোদি বলছেন, যে বাংলায় দাঁড়িয়ে কবিগুরু জাতীয় সংগীত রচনা করেছেন। দ্রাবিড় উৎকল বঙ্গ, বিন্ধ্য হিমাচল যমুনা গঙ্গাকে একত্রিত করার কথা বলেছেন। সেখানে কেউ বহিরাগত হতে পারে না। গুরুদেবের এই মাটি কাউকে বহিরাগত মনে করে না। প্রধানমন্ত্রী বোঝানোর চেষ্টা করলেন, নিজের ১০ বছরের কাজের খতিয়ান দিতে না পেরে এখন অজুহাত দিচ্ছেন মমতা। আর এই বহিরাগত ইস্যুও আসলে অজুহাত। মোদির প্রশ্ন, গত দশ বছরে কী কাজ করেছেন? তার হিসেব দিচ্ছেন না। কেউ হিসেব চাইলে তাঁকে গালি দিচ্ছেন কেন? এদিন প্রধানমন্ত্রী আরও একবার ঘোষণা করেছেন, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হবেন কোনও ভূমিপুত্রই।

মার্চ ২৪, ২০২১
রাজনীতি

"বাড়ির পাঁচ কিলোমিটার দূরে দাঁড়িয়ে আছি", কাঁথির জনসভায় হুঙ্কার অভিষেকের

সভা পাল্টা সভায় সরগরম বাংলা। তোপ পাল্টা তোপ চলছেই। এবার শুভেন্দুগড়ে হানা দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের যুবরাজ। রীতিমতো হুঁশিয়ারি দিলেন। সভায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মূলত কাঁথি লোকসভা কেন্দ্র থেকে মানুষ এখানে এসেছেন। আপনারা যদি ভোট দেন তাহলেই তো মীরজাফর এন্ড কোম্পানির জামানত বাজেয়াপ্ত হয়ে যাবে। এই মাঠে যা লোক এই মাটিকে প্রণাম জানাই। এই মেদিনীপুরে মাটি লড়াই সংগ্রামের মাটি। যারা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মাটি, মাতঙ্গিনী হাজরার মাটি, সতীশ সামন্তের মাটিকে কলুষিত করেছে তাদের কিন্তু এই মেদিনীপুরের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করবেন।তোর বাপকে গিয়ে বল বাড়ির পাঁচ কিলোমিটার দূরে দাঁড়িয়ে আছি। যা করার কর। আয়, আয়, আয়। হিম্মত আছে। হিম্মত আছে। অভিষেকের এই ভিডিও পোস্ট করে শুভেন্দু লিখেছেন, কাঁথির জনসভা থেকে বাংলা সংস্কৃতি !!!এদিনও অভিষেক দাবি করেন, তৃণমূল কংগ্রেস ২৫০ এর বেশি আসন পেয়ে এই বাংলায় তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় আসবে। মানুষ বিজেপিকে ছুঁড়ে ফেলে দেবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবার মুখ্যমন্ত্রী হবেন। আমি এদের রাজনৈতিক ভাবে দেউলিয়া করে ছাড়ব। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাকে ভরসা করেছিলেন তিনি বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। পাঁচ বছরে কতবার মোদী অমিত শাহ মেদিনীপুর এসছেন। হলদিয়া আসছেন মোদী। কিন্তু তাও আমরা ৫০,০০০ এর বেশি ভোটে জিতব। এই মেদিনীপুরের মাটি থেকে দাঁড়ালে মেদিনীপুরের মানুষ ৫০,০০০ ভোটে হারাবে।কাঁথিতে দাঁড়িয়ে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের হুঙ্কার, কীসের অধিকারী গড়? এই জেলা মানুষের, কোনও পরিবারের নয়। এই গড় ক্ষুদিরাম বসু সুশীল ধাড়ার গড়। আমাকে ভয় দেখাবেন বলেছিলেন। চার আনার নকুলদানা তার আবার ক্যাশমেমো। জামানত বাজেয়াপ্ত করব। কথা দিলাম এদের ছুঁড়ে ফেলে দেবে এই মেদিনীপুরের মানুষ।বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী নতুন দলে যোগ দেওয়ার পর টানা ভাইপো সম্বোধন করে আক্রমণ শানিয়ে যাচ্ছেন। এমনকী অভিষেকপত্নীকে নিয়েও অভিযোগ করেছেন শুভেন্দু। অভিষেক বলেন, ভাইপো আর ভাইপো। ওরা আতঙ্কিত। এখন আমার স্ত্রীর কথা বলছে। আমি চ্যালেঞ্জ করছি সোনা পাচারের ঘটনায় ওদের সিআইএসএফ কী করছিল? সিসিটিভি ফুটেজ দাও। আমার তোলাবাজির প্রমাণ দেখাতে পারলে নিজে ফাঁসি যাব। সুদীপ্ত সেন নিজের হাতে কোর্টকে লিখেছেন শুভেন্দু অধিকারী ৬ কোটি টাকা নিয়েছেন। শুভেন্দু রাখাল বলে একজনের সাথে আলাপ করিয়েছেন। কে এই রাখাল? এই রাখালের সাথে এনামুলের কী সম্পর্ক সব জানি আমরা, সব তথ্য আছে? রাখালের সাথে এই গরু পাচারকারীদের কী সম্পর্ক? যারা স্বর্বস্বান্ত হয়েছেন তারা এই গদ্দারদের বাড়ি ঘিরে দিন।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২১
দেশ

নন্দীগ্রামে কেন হারবেন মমতা, কী ব্যাখ্যা শুভেন্দুর?

নন্দীগ্রামে ভোটে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর থেকে সরাসরি মমতাকেই আক্রমণের নিশানা করেছেন শুভেন্দু। এই প্রথম অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামের সঙ্গে ভাইপো জুড়ে একনাগাড়ে আক্রমণ করে গেলেন তিনি। নন্দীগ্রামে কেন মমতা হারবেন দিলেন সেই ব্যাখ্যাও।রাজনৈতিক মহলের মতে, নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে তৃণমূল কর্মীদের মনোবল বাড়াতে যে টোটকার আশ্রয় নিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো সেখানেই আঘাত করতে চাইছেন শুভেন্দু। এ ব্যাপারে সময় নষ্ট করতে রাজ নন তিনি। সোমবার বলেছিলেন ৫০ হাজার ভোটে হারবেন মাননীয়া। এদিনও নন্দীগ্রাম আন্দোলন স্মরণ করতে গিয়ে শুভেন্দু বলেছেন, মমতা অনেক কিছুই জানেন না। মিথ্যা বলছেন বলেও দাবি করেন শুভেন্দু। মোদ্দা কথা, তৃণমূল কর্মীদের মনোবলে আঘাত করে বিজেপি কর্মীদের চাঙ্গা করাই ছিল শুভেন্দুর উদ্দেশ্য। তবে তৃণমূল নেত্রীর পরাজয় নিয়ে ধর্মীয় মেরুকরণের ওপর জোর দিয়েছেন শুভেন্দু।আরও পড়ুনঃ নন্দীগ্রামে ভোটে দাঁড়াবেন না মমতা, দাবি মুকুলেরনন্দীগ্রামে বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হবেন বলে সোমবার ঘোষণা করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। তারপর থেকে লাগাতার আক্রমণ শানিয়ে যাচ্ছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। কখনও বলছেন ৫০ হাজার ভোটের ব্যবধানে হারবেন মাননীয়া তা নাহলে রাজনীতি ছেড়ে দেব। মঙ্গলবার নন্দীগ্রামের পাশের খেজুরিতে স্বল্প সময়ের বক্তব্যে টানা নিশানা করে গেলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়কে।এদিন একদিকে যেমন শুভেন্দু বলেছেন ভোটের পর প্রাক্তন বিধায়ক, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হয়ে যাবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তার পাশাপাশি নন্দীগ্রামকে কীভাবে অবহেলা করেছেন তাঁর ব্যাখ্যাও দিয়েছেন। রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য, তৃণমূলে থেকে এক ধরনের চাপের রাজনীতি করে গিয়েছেন নন্দীগ্রামের প্রাক্তন বিধায়ক, এবার বিরোধী দলে থেকে সেই চাপে রাখার কৌশল নিয়েছেন শুভেন্দু। যে কারণে এখন আক্রমণ চলছে একেবারে সরাসরি। মিথ্যাবাদী বলতেও ছাড়ছেন না।আরও পড়ুনঃ বিজেপি বিরোধী লড়াইয়ে মমতার পাশে থাকার বার্তা এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পাওয়ারেরএদিন শুভেন্দু সরাসরি ভোটের ধর্মীয় মেরুকরণ করেছেন। সেই মেরুকরণ করে শুভেন্দু দাবি করেছেন, যাঁরা জয়শ্রীরাম বলেন সেই ২ লক্ষ ১৩ হাজার ভোটারের ওপর তাঁর ভরসা রয়েছে। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৬২ হাজার ভোটারের ওপর ভরসা করে স্বপ্ন দেখছেন। সেখানেও সিঁদ কাটবেন বলে দাবি করেছেন শুভেন্দু।স্কুল পাঠ্যে স্থান পেয়েছে সিঙ্গুরের আন্দোলন। শুভেন্দু বলেন, অষ্টম শ্রেণির বইতে সিঙ্গুরের ইতিহাস স্থান পেয়েছে। সিঙ্গুর আন্দোলনকে ছোট করছি না। ওই বইতে নন্দীগ্রামের একটা লাইনও নেই। অন্যদিকে নন্দীগ্রামে যে সব পুলিশ আধিকারিক গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন বা অত্যাচার করেছেন তাঁদের ভাল পোষ্টিং দেওয়া হচ্ছে।

জানুয়ারি ১৯, ২০২১
রাজনীতি

"নন্দীগ্রামে হাফ লাখ ভোটে হারবেন মাননীয়া"

সকালে নন্দীগ্রামে চ্যালেঞ্জ। বিকেলে কলকাতায় পাল্টা চ্যালেঞ্জ।তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পাল্টা জবাব দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামের ঘোষিত তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এবার পরাজিত করবেন বলে কলকাতার সভা থেকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন নন্দীগ্রামের প্রাক্তন বিধায়ক তথা বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু বলেন, আমি বা বিজেপির যে কেউ নন্দীগ্রামে প্রার্থী হোক না কেন হাফ লাখ(৫০ হাজার) ভোটে মাননীয়াকে হারবই। তা নাহলে আমি রাজনীতি ছেড়ে দেব।ফের কলকাতায় মিছিল করবেন বলে জানিয়ে দেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, গড়িয়া মোড় থেকে হাজরা মোড় অবধি র্যালি করব। একটা চিঠি থানায় ফেলে আসবেন। পুলিশের অনুমতি নেব না। দক্ষিণ কলকাতার সাংগঠনিক জেলায় ১০ আসনে জয়ী করার আবেদন জানান শুভেন্দু।এদিন বিজেপির মিছিলে ইঁট-পাটকেল ছোড়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এর আগে ডায়মন্ডহারবারে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার কনভয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছিল। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের হুঁশিয়ারি, আমাদেরও দুটো করে হাত পা আছে। আমাদের হাত-পা চললে ভাল হবে না। স্বভাব না পাল্টালে চেহারার ভৌগোলিক অবস্থা পাল্টে দেব। যদিও তৃণমূল কংগ্রেস বিজেপির অভিযোগ অস্বীকার করেছে। নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রার্থী হওয়া প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, সেফ সিট খুঁজে বেড়াচ্ছেন। উনি নন্দীগ্রামে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, আমরা ভবানীপুরটা দেখে নেব।

জানুয়ারি ১৮, ২০২১
রাজনীতি

নতুন দলে গিয়ে বদহজম হচ্ছে শুভেন্দুর, কটাক্ষ পার্থর

শুভেন্দু অধিকারী আগেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। শুক্রবার কাঁথিতে দাদার হাত ধরে দলে যোগ দিলেন কাঁথি পুরসভার প্রাক্তন পুরপ্রধান সৌমেন্দু অধিকারী। এদিন একই সঙ্গে আরও ১৪ জন কাউন্সিলর বিজেপিতে সামিল হন। এক প্রশ্নের জবাবে তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, নতুন দলের নতুন নেতা হয়ে নতুন ভাবে ভাবছেন। রামের টিকিটে জিতব করবো বিজেপি, এমন কথা যাঁরা বলতে চান সংসদীয় রাজনীতিতে তাঁদের নিশ্চয় অভিজ্ঞতা আছে! তবে এসব চটুল কথায় রাজনীতিতে স্থান পাওয়া যায় না। এদিন শুভেন্দু অধিকারী বলেন হরিশচন্দ্র চ্যাটার্জী এবং হরিশ মুখার্জি রোড থেকে দেড় জন লোক বাংলা চালাচ্ছে। এই প্রশ্নের জবাবে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ২১ বছর পর মনে হল। সূর্য উদয় হল। আমার মাঝে মধ্যে মনে হয় এঁদের মাথা ঠিক আছে তো! অতীত ভুলে গেলে হয় না। মেদিনীপুরের মানুষ মমতার সঙ্গে আছে। মেদিনীপুরের মানুষ সংগ্রাম বোঝে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সংগ্রাম করেছে। নতুন দলে গেছেন তাই বদহজম হচ্ছে বলে মন্তব্য় করেন পার্থবাবু।

জানুয়ারি ০১, ২০২১
রাজ্য

বিজেপির সঙ্গে কী 'ডিল' হয়েছে শুভেন্দুর? নিজেই জানালেন বিস্তারিত

পুরপ্রশাসক পদ থেকে সরানোর তিন দিনের মাথায় দাদার হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দিলেন সৌমেন্দু অধিকারীসহ কাঁথি পৌরসভার ১৫ জন কাউন্সিলর। শুক্রবার কাঁথির ডরমেটরি ময়দানে বিজেপির সাংগঠনিক সভায় যোগদান পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। যোগদান পর্বে শুভেন্দু অধিকারী বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, সিপিএমের অশোক ভট্টাচার্য প্রশাসক থাকতে পারেন, তাহেরপুরে সিপিএমের প্রশাসক থাকতে পারে কাঁথিতে শুভেন্দু ভাই আছে অর্থাৎ তাঁকে সরিয়ে দাও। রামনগরের লোককে এনে কাঁথিতে পুরপ্রশাসক করা হয়েছে। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই বিজেপির সঙ্গে শুভেন্দুর ডিল নিয়ে সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এদিন সেই ডিল-এর জবাব দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে ডেপুটি চিফ মিনিস্টার, বাবাকে রাজ্যপাল, ভাইকে মন্ত্রী এমন নানা বিষয় বিরোধী রাজনৈতিক দল দাবি করে আসছে। শুভেন্দুর দাবি, তাঁর সঙ্গে ডিল হয়েছে, প্রথমত প্রতি বছর এসএসসি পরীক্ষা হবে। নিয়োগ করতে হবে। টেট পরীক্ষা হবে প্রত্যেক বছর। ২-৪ হাজার টাকা মাইনের চাকরি থাকবে না। এখানে আয়ুস্মান ভারত চালু করা হবে। কৃষকরা ৬০০ টাকা পাবে। রাজ্যে সুশাসন আসবে। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, সব ডিল কি বাইরে প্রকাশ পায়। এদিনও হরিশ চ্যাটার্জি ও হরিশ মুখার্জি রোড থেকে বাংলা চলতে পারে না বলে তিনি জানিয়ে দেন। তাঁর মতে, উত্তর কলকাতার বাটখাড়া মন্ত্রী, হাওড়া অবহেলিত।

জানুয়ারি ০১, ২০২১
রাজ্য

কাঁথির বিদায়ী ১৬ কাউন্সিলর গেরুয়া শিবিরে!

বিজেপিতে শুভেন্দু অধিকারী যোগ দেওয়ার পরে কাঁথিতে জনসভার ডাক দিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। কাঁথির ডরমেটরি ময়দানের জনসভায় বক্তব্য রেখেছিলেন ফিরহাদ হাকিম, সৌগত রায়, অখিল গিরিরা। সেদিনের সভায় আক্রমণ করা হয়েছিল শুভেন্দু অধিকারীকে। এরপর বুধবার সৌমেন্দু অধিকারীকে সরিয়ে দেওয়া হয় কাঁথি পুরসভার প্রশাসক পদ থেকে। এবার পাল্টা ওই ময়দানেই শুক্রবার, বছর শুরুর দিন সাংগঠনিক সভা করতে চলেছে বিজেপি। জানা গিয়েছে, শুক্রবারের সাংগঠনিক সভায় কাঁথি পুরসভার বিদায়ী ১৬ জন কাউন্সিলর যোগ দিতে চলেছেন গেরুয়া শিবিরে। তাছাড়া কাঁথি পুরসভা এলাকার অন্য দলের নেতৃত্বও বিজেপিতে যোগ দেবেন বলে বিজেপি নেতৃত্ব জানিয়েছে। বিজেপির সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অনুপ চক্রবর্তী বলেন, ডরমেটরি ময়দানে আমাদের সাংগঠনিক সভা হবে। সেখানে বিভিন্ন দল থেকে বিজেপিতে যোগদান করবেন। কাঁথি শহরেই বাড়ি শুভেন্দু অধিকারীর। এখনও পর্যন্ত অধিকারী পরিবারের শুভেন্দু ছাড়া কেউই আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগদান করেনি। কিন্তু শুভেন্দুর যোগদান করার পর তৃণমূল কংগ্রেস অধিকারীর সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে আগ্রহী নয়। তা দলের কিছু সিদ্ধান্তে স্পষ্ট। একদিকে যেমন সৌমেন্দু অধিকারীকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে প্রশাসনিক পদ থেকে। পাশাপাশি কাঁথির তৃণমূলের জনসভায় হাজির ছিলেন না জেলা সভাপতি সাংসদ শিশির অধিকারী ও সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। অর্থাৎ অধিকারী পরিবারের সঙ্গে সামগ্রিকভাবে তৃণমূলের রাজনৈতিক সম্পর্ক একেবারে টালমাটাল। আগামীকাল বিজেপির সভা তৃণমূলের পাল্টা জবাবী সভা বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। দেখার বিষয় কাঁথির এই সভায় কারা বিজেপির পতাকাতলে শামিল হয়। এদিকে এদিন কাঁথি পুরসভার দায়িত্ব নিতে গিয়ে হেনস্থা হতে হয়েছে নবনিযুক্ত পুরপ্রশাসক সিদ্ধার্থ মাইতিকে। তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন পুরকর্মীরা। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। আবার সরকারি নির্দেশের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছেন সৌমেন্দু অধিকারী।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২০
রাজ্য

কাঁথি পুরসভার সঙ্গে ৫০ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন অধিকারী পরিবারের

কাঁথি পুরসভায় নতুন পুরপ্রশাসক নিয়োগ করল রাজ্য সরকার। তার আগে ওই পদ থেকে সরিয়ে দওয়া হয় বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ভাই সৌমেন্দু অধিকারীকে। শুভেন্দু বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর সৌমেন্দুকে ওই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার জোরালো দাবি করে তৃণমূলের একাংশ। নতুন পুরপ্রশাসক হিসাবে নিয়োগ করা হয়েছে সিদ্ধার্থ মাইতিকে। শুভেন্দু অধিকারীর ভাই সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী বলেন, কাঁথি পুরসভার সঙ্গে অধিকারী অধিকারী পরিবারের ৫০ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে গেল। কাঁথির পুরপ্রশাসক সৌমেন্দু অধিকারীকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা করেছেন দিব্যেন্দু। এই ঘটনাকে তিনি দুর্ভাগ্যজনক বলেও আখ্যা দিয়েছেন। যে ভাবে তাঁর ভাইকে পুরপ্রশাসক পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে তার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংসদ। শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেস অধিকারী পরিবারের সঙ্গে আরও বেশি করে দূরত্ব তৈরি করে। কাঁথিতে শুভেন্দু বিরোধী যে জনসভা তৃণমূল কংগ্রেস আয়োজন করেছিল সেই জনসভায় ছিলেন না অধিকারী পরিবারের দুই সাংসদ শিশির অধিকারী ও দিব্যেন্দু অধিকারি। তৃণমূল জানিয়েছিল, যে ওই দুই সাংসদের কাছ থেকে কনসেন্ট চাওয়া হয়েছে কিন্তু তাঁরা কনসেন্ট দেননি। অথচ সাংসদদ্বয় স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, কাঁথির তৃণমূলের জনসভার ব্যাপারে তাঁদেরকে কিছুই জানানো হয়নি। তারপর সৌমেন্দুকে সরিয়ে দেওয়ায় সেই দূরত্ব আরও বাড়ল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। সেখানে কাঁথির পুরপ্রশাসক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে সিদ্ধার্থ মাইতিকে। তিনি কাঁথি পুরএলাকার বাসিন্দা নয় বলেই দাবি দিব্যেন্দু অধিকারীর।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২০
রাজ্য

পাল্টা রোড শোতে শুভেন্দুর দাবি বিজেপি ২০০ আসনে জিতবে

তৃণমূলের পাল্টা জবাব দিতে পথে শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার কাঁথিতে শক্তি প্রদর্শন করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানা করে আক্রমণ শানায় ফিরহাদ হাকিম ও সৌগত রায়। বৃহস্পতিবার মেচেদা বাইপাশ থেকে মিছিল শুরু হয়। বিজেপির এই মিছিলে শুভেন্দুর সঙ্গে ছিলেন দলের রাজ্য সহসভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার, যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি সৌমিত্র খাঁ, সহসভাপতি শঙ্কুদেব পন্ডা। কাঁথি শহরের মধ্য দিয়ে মিছিল চলতে থাকে। বাড়ির বারান্দা থেকে ফুল ছুড়ে স্বাগত জানানো হয় শুভেন্দুকে। মিছিল থেকেই শুভেন্দু জানিযে দেন,আমার কোনও ভাইপোকে নিয়ে আপত্তি নেই। তোলাবাজ ভাইপোকে নিয়ে আপত্তি আছে। মিনি পাকিস্তান বলা কলকাতার মন্ত্রী টিভি দেখুন। অধ্যাপক সৌগত রায় টিভি দেখুন। কাঁথি সেন্ট্রাল বাস স্ট্যান্ডে সভা। এরাজ্যে সফরের সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ২০০ আসনের টার্গেট বেধে দিয়েছেন। এদিন রোড শো চলাকালীন শুভেন্দু সংবাদ মাধ্যমে দাবি জানিয়েছেন,এবার দুশো আসন পার করবে বিজেপি। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে তৃণমূল নেতৃত্বের কোপে পড়েছেন শুভেন্দু। তৃণমূলের শীর্ষ স্থানীয় নেতৃত্ব তাঁকে বিশ্বাসঘাতক, মীরজাফর বলতে ছাড়েননি। কাঁথির সভায় আগাগোড়া শুভেন্দুকে আক্রমণ করে গিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম, সৌগত রায়রা। কাঁথি যে কারও গড় নয় সেকথাই বারে বারে বক্তব্যের মাধ্যমে বোঝাতে চেয়েছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। তারই জবাবী মিছিল ও সভা শুভেন্দুর।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২০

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
উৎসব

দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের উন্মাদনা! ফুটবলের টানে মাঠে ফিরুক কচিকাঁচারা, অভিনব থিম পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির

পূর্ব বর্ধমান: দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এ বার ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও বিশ্বজয়ী স্পেনের উল্লাস, কোথাও ভারতীয় ফুটবলের ছবি, আবার কোথাও লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে পুজোর মণ্ডপেই যেন তৈরি হচ্ছে এক টুকরো বিশ্বকাপের আসর। বাঙালির চিরন্তন ফুটবলপ্রেমকে উদ্যাপন এবং নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের পর্দা থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।পুজোর থিম মানেই এখন শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ সচেতনতা কিংবা নানা অভিনব ভাবনার মেলবন্ধন। সেই ধারাতেই এ বার ফুটবলকে সঙ্গী করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। ক্লাবের ২৯তম বর্ষের পুজোয় তাদের থিম ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড। অর্থাৎ, ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবল যে গোটা বিশ্বকে একই সুতোয় বেঁধে রাখতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে।মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকেই দর্শকদের নজর কাড়ার আয়োজন। সামনে রাখা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের সরকারি বল ট্রিয়োন্ডা। বলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আবহ। মণ্ডপের এক দিকে রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবি, অন্য দিকে স্থান পেয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের গৌরবের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। তাঁদের ফুটবলজীবনের স্মৃতি ও জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ। পাশাপাশি থাকছে আরও কয়েক জন তারকা ফুটবলারের প্রতিকৃতি। বিশ্বকাপের নানা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মাঠের উত্তেজনা, গোলের উল্লাস এবং সমর্থকদের আবেগে ভরা সেই সব মুহূর্তে।মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেও থাকছে চমক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ৭০টি উল্লেখযোগ্য মুহূর্তের ছবি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সেখানে। ভারতীয় ফুটবলের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ জায়গা। দেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। ফলে এই মণ্ডপ শুধু পুজো দেখার জায়গা নয়, ফুটবলের ইতিহাস ও স্মৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনাকেও বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। মণ্ডপের এক পাশে গ্যালারির আদলে তৈরি অংশে থাকবে ফাইনালের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। দুর্গাপ্রতিমার পাশেও স্থান পাচ্ছে ফাইনালের স্মরণীয় দৃশ্য এবং ফুটবল তারকাদের ছবি। মণ্ডপের একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পতাকা। আলোর কারুকার্যে সেই সব পতাকার রং ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপের একটি দৃশ্যমান আবহ তৈরি করাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।এখানেই শেষ নয়। মণ্ডপে থাকবে একটি বড় পর্দা, যেখানে দেখানো হবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের হাইলাইটস। ফলে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে দেখতে পারবেন মাঠের সেরা মুহূর্তগুলি। গোল, সেভ, দুরন্ত পাস কিংবা ট্রফি জয়ের উল্লাসবিশ্বকাপের নানা স্মৃতি মণ্ডপের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।তবে এই আয়োজনের পিছনে শুধুই দর্শকদের আকর্ষণ করার ভাবনা নেই। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, ছোটদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের মাঠমুখী করে তোলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে খেলাধুলার আনন্দ, দলগত প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ফুটবলকে মাধ্যম করেছে ক্লাব।ফুটবল এমন একটি খেলা, যেখানে জয়ের আনন্দের পাশাপাশি থাকে পরাজয় মেনে নেওয়া, সতীর্থের পাশে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা। ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড থিমের মাধ্যমে সেই সামাজিক ও মানবিক বার্তাও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি।দুর্গাপুজোর উৎসবের সঙ্গে ফুটবলের আবেগকে মিলিয়ে এই উদ্যোগ কতটা দর্শকপ্রিয় হয়, তা অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মণ্ডপের সাজসজ্জা থেকে বিশ্বকাপের স্মৃতি, আন্তর্জাতিক তারকা থেকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসসব কিছুকে এক ছাতার তলায় এনে পুজোর আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করেছে ক্লাব। উদ্যোক্তাদের আশা, মণ্ডপে এসে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠার পাশাপাশি ছোটদের মনে জাগবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের টানেই হয়তো এক দিন তারা মোবাইল সরিয়ে রেখে আবার ছুটবে গ্রামের মাঠে, পায়ে বল নিয়ে।দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের আবহ, আর সেই আবহ থেকেই মাঠে ফেরার ডাকপূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির এ বারের পুজোর ভাবনায় ফুটবল তাই শুধু খেলা নয়, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলারও এক বার্তা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal