• ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১৪ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Kanchannagar

রাজনীতি

বর্ধমানে বিজেপি নেতা কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে, অভিযোগ অস্বীকার বিধায়কের

বিজেপি নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠলো বর্ধমানে। অভিযোগ, হামলাকারীরা বিজেপির মণ্ডল সভাপতির বাড়িতে চড়াও হয়ে বিজেপি কর্মীদের মারধর করার পাশাপাশি বাড়িতে ভাঙচুর ও লুঠপাট চালায়। তখন বিজেপির কার্য্যকারিনী কমিটির বৈঠকও চলছিল। বর্ধমান শহরের ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের রথতলা এলাকায় হওয়া এই ঘটনায় এলাকার বিধায়ক খোকন দাসের নাম জড়িয়েছে। বর্ধমান শহরের ৫ নম্বর মণ্ডল সভাপতি শুভঙ্কর রায়, মণ্ডলের সাধারণ সম্পাদক অসিত হালদার সহ আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাদের চিকিৎসা হয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বিজেপি নেতা তথা বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের নেতৃত্বে বিশাল লামা, মনোজ ওরাও,পুনা ভাংরা ও পবন সিং সোমবার বর্ধমান জেলা বিজেপি দফতরে এসে পৌঁছান। এরপর আহত বিজেপি কর্মীদের দেখতে তারা সেখান থেকে চলে যান স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে । আহতদের কাছ থেকে হামলার ঘটনার সবিস্তার শুনে বিজেপি প্রতিনিধিরা ক্ষোভ ব্যক্ত করেন। শঙ্কর ঘোষ বলেন, শাসকদলের দুস্কৃতীরা চরম অন্যায় করছে। বিজেপির সংগঠন বিস্তারে ভয় পেয়ে তারা এসব করছে।ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপি জেলা যুবমোর্চার সম্পাদক দেবজ্যোতি সিনহার অভিযোগ, বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক খোকন দাসের বাড়ির শহরের রথতলা এলাকায়। বিধায়কের বাড়ির কাছেই বাড়ি রথতলা এলাকায় ৫ নম্বর মণ্ডলের মণ্ডল বিজেপি সভাপতি শুভঙ্কর রায়ের। রবিবার সন্ধ্যায় সেখানেই বুথ স্বশক্তিকরণ ও অপারেশন সিঁদুরের সফলতার কথা বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়া নিয়ে বিজেপি কর্মীরা বৈঠক করছিলেন।বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, বৈঠকের শেষদিকে হঠাৎ করেই বিধায়ক খোকন দাসের ঘনিষ্ঠ কয়েকজনের নেতৃত্বে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বিজেপি মণ্ডল সভাপতি শুভঙ্কর রায়ের বাড়িতে চড়াও হয়। তারা বিজেপি কর্মীদের মারধর করে। এমনকি মণ্ডল সভাপতির বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটতরাজও চালায় বলে অভিযোগ। ঘটনায় মণ্ডল সভাপতি সহ আরও বেশ কয়েকজন বিজেপিকর্মী আহত হন। চিকিৎসার জন্য তাদের বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। খবর পেয়ে রাতেই বর্ধমান থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি সামাল দেয় । তৃণমূলের জেলা মুখপাত্র প্রসেনজিত দাসের দাবি, এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। বিজেপি নেতৃত্ব আইনের দ্বারস্থ হলে প্রশাসন উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে। বিজেপি বাজার গরম করার জন্যই তৃণমূলের নামে এসব মিথ্যা অভিযোগ করছে বলে প্রসেনজিত দাস মন্তব্য করেছেন। আর বিধায়ক খোকন দাস অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি রাতে ঝামেলার কথা শুনেছি। ওদের নিজেদের মধ্যে ঝামেলা। আমরা ওর মধ্যে নেই। মিথ্যা কথা বলা হচ্ছে। আমাদের কেউ হামলা করেনি। আর শুভঙ্কর রায় তো বাংলাদেশী। ওই একমাত্র এখানে থাকে। ওর গোটা পরিবার থাকে বাংলাদেশে। কি করে নাম তোলালো তা বুঝতে পারছি না। বিধায়কের এই বক্তব্যের পাল্টা জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন, নিজে বাংলাদেশি বলেই হয়তো বিধায়ক খোকন দাস সবাইকে বাংলাদেশি বানিয়ে দিতে চাইছে।

জুন ০৯, ২০২৫
উৎসব

বর্ধমানে স্কুল ছাত্র তৃপ্তিময়ের তৈরি মূর্তির বোধন ষষ্টিতে

বর্ধমানের প্রাচীনতম ওয়ার্ড দামোদরের পাশে কাঞ্চন নগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয় এর দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র শ্রী তৃপ্তিময় ঘোষ বিগত আট বছর ধরে নিজের হাতে পারিবারিক দুর্গা ঠাকুর বানিয়ে নিজেই পুজো করে বর্ধমানবাসীকে স্তম্ভিত করেছে । এলাকার মানুষজন অত্যন্ত গর্বিত ও আনন্দিত। তার এই প্রতিভা আরো বিকশিত হোক এবং তার সৌরভ পৃথিবীব্যাপী ছড়িয়ে পড়ুক যাতে, দেবী দুর্গা আমাদের শুধু লৌকিক দেবতাই নয় সমগ্র জাতির মা, যিনি এক ধারে নিজের সংসারকে রক্ষা করছেন অন্যদিকে সমগ্র পৃথিবীকে বিপদের হাত থেকে বাঁচাচ্ছেন।মানুষ ও প্রাণীকুল অর্থাৎ জীব বৈচিত্রের ইকোলজি প্রতিষ্ঠিত করতে সাহায্য করছেন। ড. সুভাষ চন্দ্র দত্ত, শিক্ষা রত্ন ও জাতীয় শিক্ষক, প্রধান শিক্ষক, কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়, মনে করেন মাতৃরূপী নারী শক্তি যে পৃথিবীকে বাঁচাতে পারে তার আইকন হচ্ছেন আমাদের আরধ্যা দেবী দুর্গা দশভূজা। ১৯০৩ সালে কাঞ্চননগরে আশিটির বেশি দুর্গাপুজো হতো, এবং স্কুলেও দুর্গা পুজোর জন্য এক মাস ছুটি থাকত। এই আশিটি দুর্গা পুজোয় এলাকার অর্থনৈতিক সামাজিক অবস্থা ও এলাকার কৃষ্টি সংস্কৃতি আভিজাত্য ঐতিহ্য এর ধারক বাহক হিসাবে যুগ যুগ ধরে চলে আসছে বারবার দামোদরের ভয়াল বন্যাকে উপেক্ষা করে।তাই কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয় এর কীর্তিমান ছাত্র তৃপ্তিময় ঘোষ এর নিদর্শন যা বিদ্যালয়ের ঐতিহ্য ও এলাকার আভিজাত্যকে তুলে ধরেছে । তাদেরই পূর্বপুরুষ শ্রীযুক্ত নলিণাক্ষ ঘোষ মহাশয়, বিদ্যালয়ের প্রথম ট্রাস্টির নয় জন সদস্যের মধ্যে শুধু একজনই ছিলেন তাই নয়, তিনি সেই সময় ব্রিটিশ আমলে দীননাথ দাস মিডিল ইংলিশ স্কুলে প্রধান শিক্ষক হিসাবে কার্যভার গ্রহণ করেন, এবং সেই সময়ের বিদ্যালয়ের দুর্গাপুজোর সমস্ত দায়-দায়িত্ব প্রথম ডাক্তার ভূতনাথ দাস এর সঙ্গে ভাগ করে পরিচালনা করতেন। আমরা বিদ্যালয়ের তরফ থেকে তৃপ্তিময় ঘোষ ও তার পরিবারকে অসংখ্য শুভেচ্ছা বুক ভরা ভালবাসা জানাচ্ছি ও তার উদ্ভাবন শক্তি আরও বিকশিত ও প্রসারিত হোক এই কামনা করছি। তৃপ্তিময় জনতার কথাকে জানায়, আমি এই পূজা প্রথম শুরু করি শুধু দুর্গা মূর্তি দিয়ে। তারপর বিগত আট বছর ধরে, আমি এই প্রতিমা তৈরি করি। আমি কোনো মিস্ত্রির কাছে প্রতিমা তৈরি শিখিনি। আমার এই প্রতিমা তৈরিতে সাহায্য করেন আমার মা। এই পূজা তে সেইরকম কোনো উপকরণ লাগে না। আমি মনে করি যে মা কে পূজা করতে কোনো কিছু লাগে না শুধু যেটা লাগে সেটা হল ভক্তি ও ভালোবাসা। আমার এই পূজার মূল আকর্ষণ হল নবমীর দিন আমি আমার মা কে পূজা করি। আমি প্রথম পূজা শুরু করি ২ বছর ৫ মাস বয়স থেকে। আমি আমার বাড়ি তে দুর্গা পূজা করি, ও এক বার আমি কালী পুজো করে ছিলাম। আমার পড়াশোনার কোনো ক্ষতি হয় না । আমার বাবা এক জন ব্যবসায়ী আর আমার দাদু স্কুলের ট্রাস্ট বডির সদস্য ছিলেন ও দাদু র বাবা এই মিডিল ইংলিশ স্কুলের হেড মাস্টার ছিলেন। আমরা থাকি তেলি পাড়া, কাঞ্চন নগর এ। আমি দুর্গা, কালী, সরস্বতী মূর্তিও বানাতে পারি। এখানে উল্লেখ্য, ব্রিটিশ আমলে স্কুলের পূর্ব দিকে কঙ্কালেশ্বরী কালী মন্দির এলাকা ও তেলিপাড়া-টি লাট সাহেব পাড়া বলে খ্যাত ছিল। বিদ্যালয়ে দুর্গা পুজোর বা লক্ষ্মী পূজো বা ষষ্ঠীতে পুজোর পূজারী ছিলেন অভয়পদ ভট্টাচার্যের পরিবার যাদের আদি বাড়ি ছিল বনতীর সুপুর, চিন্ময়পদ ভট্টাচার্য ছিলেন শেষ পূজারী। তাই ব্রিটিশ আমলের স্কুল ও ডিসপেন্সারি শুধুমাত্র গরিবদের জন্য লেখাপড়া ও স্বাস্থ্যের ধারক বাহক ছিল তাই নয়, পূজার মধ্য দিয়ে বিদ্যালয় যে সামাজিক প্রতিষ্ঠান এবং জীব বৈচিত্র্য কে বাঁচিয়ে রাখার উত্তম পথপ্রদর্শক তা বারবার প্রমাণ করে। হয়তো সেই জন্যই এই ইকো ইস্কুলে কৃত্রিম পাখির বাসা বিদ্যালয় এর আভিজাত্য ঐতিহ্য ও সামাজিকতাকে তুলে ধরেছে, এবং লক্ষীর বাহন পেঁচা কোভিড পরিস্থিতিতে সমগ্র কাঞ্চন নগর তথা বর্ধমানবাসীকে সোশ্যাল ভ্যাকসিন হিসাবে কাজ করে প্যান্ডেমিকের হাত থেকে বাঁচিয়েছে। তথ্যসূত্র বিভিন্ন ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল যেখানে বলা হয়েছে বার্ণ আউল অ্যাক্ট এজ এ সোশ্যাল ভ্যাকসিন অথবা পেঁচা বায়ো ইন্ডিকেটার হিসাবে কাজ করে পরিবেশে এবং মহামারী থেকে রক্ষা করে।

অক্টোবর ২০, ২০২৩
রাজ্য

CBI Burdwan: আলাদা ভাবে খুনের মামলা রুজু করে বর্ধমানের বিজেপি কর্মীর মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করলো সিবিআই

খুনের মামলা রুজু করেই বর্ধমানের কাঞ্চননগরের বিজেপি কর্মী নারায়ণ দের মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেদিল সিবিআই।খুনের মামলা রুজু করার বিষয়টি মঙ্গলবার বর্ধমান সিজেএম আদালতে জানান সিবিআইয়ের স্পেশাল ক্রাইম ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সঞ্জয়কুমার সিনহা। তার পর এদিনই সিবিআইয়ের ৪ সদস্যের তদন্তকারী দল শুরু করে দিলেন বিজেপি কর্মী নারায়ন দে কে খুনের ঘটনার তদন্ত।নারায়ন দে-র মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে গত ২৪ জুন খুনের মামলা রুজু করে বর্ধমান থানার পুলিশ তদন্তে নামে। কিন্তু কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। সিবিআই আলাদা ভাবে খুনের মামলা রুজু করে তদন্তে নামায় খুনিরা ধরা পড়বে বলে আশাবাদী নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবার।আরও পড়ুনঃ ভবানীপুরের উপনির্বাচনের অভিঘাত ভিন্ন, তবে মনে করাচ্ছে ৬৫ বছর আগের বাংলার রাজনীতির কথাসিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, পেশায় টোটো চালক নারায়ণ দে বিজেপি কর্মী ছিলেন। গত ১৮ এপ্রিল বর্ধমানের কাঞ্চননগর এলাকায় বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। সেই সময় নারায়ণ টোটো চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। তৃণমূলের লোকজন নারায়ণ কে ধরে প্রচণ্ড মারধর করে। মারধরে তিনি গুরুতর জখম হন। অথচ সেই সময়ে ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ নারায়ণ সহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার হওয়ার তিনদিন পর আদালত থেকে জামিনে ছাড়া পান নারায়ণ। এরপর পরিবারের লোকজন তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখান থেকে তাঁকে শহরের খোসবাগান এলাকার একটি নার্সিংহোমে স্থানান্তরিত করা হয়। পরে বোরহাট এলাকার একটি নার্সিংহোমেও তাঁর চিকিৎসা হয়। নার্সিংহোম থেকে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ৬ মে নারায়ণ দে মারা যান। তাঁর স্ত্রী পূর্ণিমা দে ২৪ জুন ঘটনার কথা জানিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ভোট পরবর্তী এই রাজনৈতিক হিংসার মামলার তদন্তভারও সিবিআই হাতে নেয়।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১
রাজ্য

CBI: বর্ধমানের কাঞ্চননগরে বিজেপি কর্মীকে খুনের ঘটনায় পৃথক মামলা রুজু সিবিআইয়ের

ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসার ঘটনার তদন্তে নেমে আবারও একটি খুনের মামলা রুজু করল সিবিআই। এবার সিবিআই বর্ধমানের কাঞ্চননগরে বিজেপি কর্মী নারায়ণ দে-কে পিটিয়ে মারার ঘটনা নিয়ে খুনের মামলা রুজু করল। মামলা রুজুর বিষয়টি মঙ্গলবার বর্ধমান সিজেএম আদালতে জানিয়েছেন সিবিআইয়ের স্পেশাল ক্রাইম ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সঞ্জয়কুমার সিনহা। নারায়ন দে-র মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে গত ২৪ জুন খুনের মামলা রুজু বর্ধমান থানার পুলিশ তদন্তে নামে। কিন্তু কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। সিবিআই আলাদা ভাবে খুনের মামলা রুজু করে তদন্তে নামায় খুনিরা ধরা পড়বে বলে আশাবাদী নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবার।আরও পড়ুনঃ বিরলতম ঘটনা, পুরুলিয়া সূচকাণ্ডে মৃত্যুদণ্ডসিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, পেশায় টোটো চালক নারায়ণ দে বিজেপি কর্মী ছিলেন। গত ১৮ এপ্রিল বর্ধমানের কাঞ্চননগর এলাকায় বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। সেই সময় নারায়ণ টোটো চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। তৃণমূলের লোকজন নারায়ণকে ধরে প্রচণ্ড মারধর করে। মারধরে তিনি গুরুতর জখম হন। অথচ সেই সময়ে ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ নারায়ণসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার হওয়ার তিনদিন পর আদালত থেকে জামিনে ছাড়া পান নারায়ণ। এরপর পরিবারের লোকজন তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভির্ত করেন। সেখান থেকে তাঁকে শহরের খোসবাগান এলাকার একটি নার্সিংহোমে স্থানান্তরিত করা হয়। পরে বোরহাট এলাকার একটি নার্সিংহোমেও তাঁর চিকিৎসা হয়। নার্সিংহোম থেকে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ৬ মে নারায়ণ দে মারা যান। তাঁর স্ত্রী পূর্ণিমা দে ২৪ জুন ঘটনার কথা জানিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ভোট পরবর্তী এই রাজনৈতিক হিংসার মামলার তদন্তভারও সিবিআই হাতে নেয়। আরও পড়ুনঃ মুখ থেঁতলানো মহিলার পরিচয় মিলল, খুনির খোঁজে পুলিশএকই ভাবে হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই জেলার জামালপুরের নবগ্রামে বিজেপি নেতার মাকে খুনের ঘটনারও তদন্ত চালাচ্ছে। তবে এই খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত তৃণমূলের তিন জনের আগাম জামিন এদিন মঞ্জুর করে বর্ধমান আদালত। গ্রেপ্তারি এড়াতে নবগ্রামের বাসিন্দা কুমারেশ ঘোষ, সমীর ঘোষ ও অমরেশ বাগ জেলা জজের আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন। মঙ্গলবার সেই আবেদনের শুনানি হয়। অভিযুক্তদের আইনজীবী বিশ্বজিৎ দাস আদালতে সওয়াল পর্বে বলেন, রাজনৈতিক কারণে তিনজনকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। তিনজনের কেউ এই ঘটনায় জড়িত নয়। মামলায় অন্যান্য অভিযুক্তরাও জামিন পেয়ে গিয়েছেন। সিবিআইয়ের আইনজীবী অবশ্য জামিনের জোরালো বিরোধিতা করেন। সিবিআইনের আইনজীবী বলেন, অভিযুক্তরা জামিন পেলে সাক্ষীদের ভয় দেখাতে পারে। মামলা প্রভাবিত হতে পারে। তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে অভিযুক্তদের জামিন দিলে মামলা ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে সিবিআইয়ের আইনজীবী আদলতে দাবি করেন। যদিও সিবিআইয়ের বক্তব্যকে আমল না দিয়ে ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা বিচারক অর্জুন মুখোপাধ্যায় ৩ জনের আগাম জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেন।আরও পড়ুনঃ খড়দায় চার্জ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু বাবা-মা-ছেলেরসিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোটের ফল বের হওয়ার পর দিন অর্থাৎ গত ৩ মে দুপুরে নবগ্রামে বিজেপির শক্তিপ্রমুখ আশিস ক্ষেত্রপালের বাড়িতে তৃণমূলের লোকজন হামলা চালায়। তাঁদের বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। আশিসের বাবা অনিল ক্ষেত্রপালকে টাঙি দিয়ে কোপানো হয়। ওই সময়ে স্বামীকে বাঁচাতে গেলে কাকলি ক্ষেত্রপাল(৪৭)-কে বেধড়ক মারধর করা হয়। তাঁর গলায় ভোজালির কোপ মারা হয়। কাকলিকে জামালপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার কথা জানিয়ে কাকলির প্রতিবেশী মামণি ক্ষেত্রপাল জামালপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নেমে পুলিশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে। হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই এই খুনের মামলারও তদন্ত চালাচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১
রাজ্য

Burn Dead Body: আধপোড়া-নগ্ন মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার বর্ধমানে, তদন্তে পুলিশ

অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার নগ্ন, আধপোড়া মৃতদেহকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল বর্ধমানের কাঞ্চননগরে। বর্ধমান পৌরসভার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাঞ্চননগরের মালিপাড়া কদমতলা এলাকায় মাঠের মধ্যে এই মহিলার মৃতদেহ পরে থাকতে দেখা যায়। বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় মানুষজনের নজরে আসে এই মৃতদেহ। স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে বর্ধমান থানার পুলিশ।আরও পড়ুনঃ দীপার দীপ জ্বালিয়ে রাখলেন বাসচালক কন্যা প্রণতিদামোদরের পাশে মাঠের ধারে পড়েছিল দেহটি। মৃতদেহ মহিলার অনুমান করা গেলেও এমনভাবে পুড়েছে যে শনাক্ত করাই মুশকিল। পুলিশের অনুমান, প্রমান লোপাটের জন্য এমন কাজ করা হতে পারে। এলাকাবাসীদের অনুমান বাইরে থেকে খুন করে নিয়ে এসে এখানে মৃতদেহ ফেলে পালিয়েছে দুস্কৃতিরা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।আরও পড়ুনঃ নির্যাতিতাদের অভিযোগ নথিভুক্ত করল জাতীয় মহিলা কমিশন স্থানীয় বাসিন্দা দেবাশিস ঘোষ বলেন, খবর পেলাম এখানে এক মহিলার মৃতদেহ পড়ে রয়েছে। দেহের ৭৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছে। এসে দেখলাম গলায় একটা ফাঁস রয়েছে। নগ্ন দেহ। স্থানীয় বলে মনে হচ্ছে না। এখানে এমন ঘটনা কখনও ঘটেনি। এই মাঠে রাতে ছেলেমেয়েরা আড্ডা দেয়। সম্ভবত এখানে দেহটি ফেলে দিয়ে গিয়েছে। কারণ, এখানে কেউ কোনও চিৎচার চেঁচামেচি বা আওয়াজ পায়নি।

জুলাই ০১, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

সুপ্রিম কোর্টে আজ আই-প্যাক মামলা: মমতার ভূমিকা নিয়ে কড়া প্রশ্নের সম্মুখীন হওয়ার সম্ভবনা

বহুল চর্চিত আই-প্যাক (I-PAC) মামলার শুনানিতে আজ ফের সরগরম হয়ে সম্ভবনা ওঠার সম্ভাবনা সুপ্রিম কোর্ট। ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বান্দ্যোপাধ্যায়-র ভূমিকা নিয়ে আদালতের কড়া পর্যবেক্ষণ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)-এর অভিযোগ, চলতি বছরের জানুয়ারিতে কলকাতায় আই-প্যাকের দফতর ও কর্ণধারদের বাড়িতে তল্লাশির সময় মুখ্যমন্ত্রী নিজে সেখানে গিয়ে তদন্ত প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করেছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শীর্ষ আদালতে মামলা চলছে।এর আগে শুনানিতে বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র ও বিচারপতি এন.ভি. আঞ্জারিয়ার বেঞ্চ স্পষ্ট ভাষায় জানায়, কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তদন্ত চলাকালীন সরাসরি সেখানে উপস্থিত হয়ে হস্তক্ষেপ করতে পারেন না। এতে গণতন্ত্র বিপন্ন হতে পারে। আদালত আরও পর্যবেক্ষণ করে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই; এটি আইনের শাসন ও তদন্তের স্বাধীনতার প্রশ্ন।ইডির তরফে সলিসিটর জেনারেল আদালতে দাবি করেন, আই-প্যাকের তল্লাশির সময় শুধু তদন্তে বাধা দেওয়া হয়নি, গুরুত্বপূর্ণ নথি ও ইলেকট্রনিক তথ্যও সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। তাঁদের বক্তব্য, এর ফলে তদন্ত প্রক্রিয়া গুরুতরভাবে ব্যাহত হয়েছে। কেন্দ্রীয় সংস্থা চায়, এই ঘটনায় সিবিআই তদন্ত হোক এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রুজু করা হোক।অন্যদিকে, সরকারের বদল হওয়ায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষে আইনজীবীরা আদালতে কি দাবি করেন সেটাই দেখার অপেক্ষায় আম জনতা। এর আগে তদানীন্তন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষে আইনজীবীরা জানান, তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতি ছিল রাজনৈতিকভাবে প্ররোচিত অভিযানের প্রতিবাদ হিসেবে। তদন্তে হস্তক্ষেপের অভিযোগ ভিত্তিহীন। রাজ্যের দাবি ছিল, ইডি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই ইস্যুকে বড় করে দেখাতে চাইছে।শুনানির এক পর্যায়ে আদালত মন্তব্য করে, এ ধরনের পরিস্থিতি সংবিধান প্রণেতারাও কল্পনা করেননি। এই মন্তব্য ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।সূত্রের খবর, আগামী শুনানিতে আদালত মামলার গ্রহণযোগ্যতা এবং তদন্তের পরবর্তী দিকনির্দেশ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত জানাতে পারে। রাজনৈতিক মহলের নজর এখন সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।

মে ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

সবুজ-মেরুনের অভিভাবকের বিদায়: প্রয়াত টুটু বসু, শোকে স্তব্ধ ময়দান

কলকাতার ফুটবল মহলে নেমে এল গভীর শোকের ছায়া। প্রয়াত হলেন স্বপন সাধন বসু (টুটু বসু)। মঙ্গলবার গভীর রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন মোহনবাগানের এই প্রাক্তন সভাপতি ও প্রাক্তন সাংসদ। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর।সোমবার সন্ধ্যায় আচমকাই হৃদ্রোগে আক্রান্ত হন টুটু বসু। দ্রুত তাঁকে দক্ষিণ কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছিল। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। মঙ্গলবার গভীর রাতে চিরবিদায় নিলেন সবুজ-মেরুনের এক স্বর্ণযুগের নির্মাতা।ময়দানের ইতিহাসে টুটু বসুর নাম উচ্চারিত হবে শ্রদ্ধার সঙ্গে। মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট (Mohun Bagan Super Giant)-এর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল আত্মার মতো গভীর। ১৯৯১ সালে ক্লাবের সচিব হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে একাধিক যুগান্তকারী সিদ্ধান্তে বদলে দেন মোহনবাগানের ভবিষ্যৎ। তাঁর হাত ধরেই ক্লাবে প্রথম বিদেশি ফুটবলার হিসেবে এসেছিলেন নাইজিরিয়ান ফুটবলার চিমা ওকেরি কে যা সে সময় ছিল সাহসী এবং ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।পরবর্তীতে সভাপতির আসনে বসে আরও বড় পরিবর্তনের পথ খুলে দেন তিনি। শিল্পপতি সাঞ্জীব গোয়েঙ্কা-র হাতে ক্লাবের মালিকানার দায়িত্ব তুলে দিয়ে ভারতীয় ফুটবলের কর্পোরেট যুগে প্রবেশ করান মোহনবাগানকে। যদিও এটিকে-মোহনবাগান (ATK Mohun Bagan) নামকরণ ঘিরে বিতর্ক হয়েছিল প্রবল, তবু ভবিষ্যতের কথা ভেবেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি।শুধু ক্রীড়া প্রশাসক নন, টুটু বসুর পরিচয় বিস্তৃত ছিল রাজনীতি ও ব্যবসার জগতেও। তিনি সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস (All India Trinamool Congress)-এর হয়ে রাজ্যসভার সাংসদ ছিলেন। সংবাদমাধ্যম ও ব্যবসায়ও ছিল তাঁর উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি।দীর্ঘদিন ধরেই শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন তিনি। হুইলচেয়ার ছাড়া চলাফেরা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। ফলে সক্রিয় প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে কিছুটা দূরে থাকলেও, মোহনবাগান সমর্থকদের কাছে তিনিই ছিলেন ক্লাবের অভিভাবক।মাত্র গত বছরই মোহনবাগান দিবসে তাঁকে দেওয়া হয়েছিল ক্লাবের সর্বোচ্চ সম্মান মোহনবাগান রত্ন। উপস্থিত ছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি, বাইচুং ভুটিয়া, আই.এম. বিজয়ন, হোসে রামিরেজ ব্যারেটো-সহ বহু তারকা। সেই মঞ্চেই যেন শেষবারের মতো সবুজ-মেরুন পরিবার তাঁকে জানিয়েছিল শ্রদ্ধা।বর্ষীয়ান সবুজ-মেরুন সমর্থকদের কথায়, টুটু বসুর প্রয়াণে শুধু একজন প্রশাসকের মৃত্যু নয়, শেষ হল মোহনবাগানের এক গৌরবময় অধ্যায়। তাঁর বিদায়ে আজ শোকে স্তব্ধ গোটা ময়দান।

মে ১৩, ২০২৬
রাজ্য

ভোটে হারের পর ডিগবাজি? ভাইরাল অডিওতে ‘বিজেপি নেতা’ খোকন দাস, বর্ধমানে তোলপাড়

বর্ধমান দক্ষিণের সদ্য প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাসকে ঘিরে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে একটি ভাইরাল অডিওকে কেন্দ্র করে। সেই অডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, আমিও এখন বিজেপি নেতা। এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই জেলা রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বিরোধী বিজেপি এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছে।বিজেপির দাবি, কাঞ্চননগরের একটি দুর্গামন্দির নির্মাণের কাজ করেও এক রাজমিস্ত্রি প্রাপ্য টাকা পাননি। সেই টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করেই ফোনে তাঁকে ধমক দেন খোকন দাস। ভাইরাল হওয়া অডিওতে শোনা যায়, মন্দিরের হিসেব, ট্রাস্টের টাকা এবং ভোটে হারের প্রসঙ্গ তুলে কথা বলছেন তিনি। কথোপকথনের এক পর্যায়ে খোকন দাসকে বলতে শোনা যায়, তুই এখন সুযোগ নিয়ে লোককে ভয় দেখাচ্ছিস। আমরাও এখানে আছি। আর শুনে রাখ, আমিও এখন বিজেপি নেতা।যদিও এই অডিওর সত্যতা যাচাই করেনি জনতার কথা। তবে বিজেপি নেতাদের দাবি, ওই কথোপকথনে স্পষ্টভাবে প্রাক্তন বিধায়কের হুমকির সুর ধরা পড়েছে। জেলা বিজেপির মুখপাত্র কল্যাণ মাজি অভিযোগ করেন, ক্ষমতা হারিয়েও খোকন দাস এখনও প্রশাসনিক প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছেন। তাই কখনও এফআইআরের ভয় দেখাচ্ছেন, আবার কখনও নিজেকে বিজেপি নেতা বলছেন।অন্যদিকে খোকন দাস সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর বক্তব্য, অডিও নিয়ে বিজেপি ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছে। তিনি দাবি করেন, কোনও ব্যক্তিকে ভয় দেখানো তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না। বরং মন্দির ও ট্রাস্টের নামে অপপ্রচার রোখার জন্যই পুলিশে জানানোর কথা বলেছিলেন। তাঁর আরও দাবি, সংশ্লিষ্ট রাজমিস্ত্রি হিসেব না দেওয়ায় ট্রাস্টের পক্ষ থেকে টাকা আটকে রাখা হয়েছে।তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের প্রশ্ন, যদি অডিওর প্রথম অংশে নিজের কণ্ঠস্বর স্বীকার করে নেওয়া হয়, তাহলে একই অডিওতে থাকা আমিও বিজেপি নেতা মন্তব্যকে অস্বীকার করা হচ্ছে কেন? এই নিয়েই নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে জেলা রাজনীতিতে।

মে ১২, ২০২৬
কলকাতা

সীমান্তে কাঁটাতারের সিদ্ধান্তেই চাঞ্চল্য, হাই এলার্টে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গের নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই সীমান্তে কাঁটাতার বসানোর জন্য জমি অনুমোদনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পরই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বাংলাদেশে। সে দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে খবর, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে হাই এলার্টে রাখা হয়েছে।বাংলাদেশ সরকারের আশঙ্কা, সীমান্তে কাঁটাতারের কাজ শেষ হলে অনুপ্রবেশ রুখতে আরও কড়া পদক্ষেপ নিতে পারে ভারত। বিশেষ করে পুশব্যাক বা অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া আরও জোরদার হতে পারে বলেই মনে করছে ঢাকা। সেই কারণেই সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে।বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রকের উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকারের পদক্ষেপের দিকে নজর রাখা হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, নির্বাচনী প্রচারে পুশব্যাক নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী যে কড়া মন্তব্য করেছিলেন, সরকার পরিচালনায় সেই অবস্থান হয়তো এতটা কঠোর হবে না।অনুপ্রবেশ ইস্যুতে বিজেপি শুরু থেকেই সরব ছিল। বাংলায় অবৈধভাবে থাকা বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার বার্তা আগেই দেওয়া হয়েছিল। ক্ষমতায় আসার পর প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকেই সীমান্ত নিরাপত্তার বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।জানা গিয়েছে, সীমান্তে কাঁটাতার বসানোর জন্য জমি নিয়ে আগের সরকারের আপত্তির কারণে বহু এলাকা দীর্ঘদিন খোলা অবস্থায় ছিল। নতুন সরকার জানিয়েছে, সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। আগামী পঁয়তাল্লিশ দিনের মধ্যেই সেই কাজ শেষ হতে পারে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।এর মধ্যেই কয়েক দিন আগে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মার কিছু মন্তব্য নিয়ে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনারকে তলব করেছিল বাংলাদেশ সরকার। সব মিলিয়ে সীমান্ত পরিস্থিতি ঘিরে দুই দেশের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে।

মে ১২, ২০২৬
কলকাতা

আরজি কর মামলায় বড় মোড়, হঠাৎ সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা

আরজি কর কাণ্ড সংক্রান্ত মামলার শুনানি থেকে সরে দাঁড়াল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ। মঙ্গলবার শুনানি চলাকালীন নিজেই এই সিদ্ধান্তের কথা জানান বিচারপতি। এর ফলে মামলাটি ফের প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হয়েছে। এখন প্রধান বিচারপতি ঠিক করবেন, এই মামলার শুনানি কোন বেঞ্চে হবে।শুনানির সময় বিচারপতি মান্থা জানান, রাজ্য সরকার এই ঘটনার তদন্তে আলাদা বিচারবিভাগীয় কমিশন গঠনের পথে এগোচ্ছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। সেই পরিস্থিতিতে এই মুহূর্তে তাঁর ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটি শোনার প্রয়োজন রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে বলেই তিনি মনে করছেন।মামলার গুরুত্ব নিয়েও মন্তব্য করেন বিচারপতি। তিনি বলেন, এই মামলা শুধু আবেদনকারীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়, গোটা রাজ্য এবং দেশের বহু মানুষের নজর রয়েছে এই মামলার দিকে।এদিকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগেই জানিয়েছিলেন, আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকেই আরজি কর কাণ্ডের তদন্ত কোন পথে এগোবে, তা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। রাজ্য সরকারের তরফে তদন্ত কমিশন গঠনের ইঙ্গিত মিলতেই মামলাকে ঘিরে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা নিজে থেকেই মামলার শুনানি থেকে সরে দাঁড়ান। মামলার সমস্ত নথি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হয়েছে। এখন নজর রয়েছে, এই মামলার জন্য নতুন বেঞ্চ গঠন করা হবে নাকি আরও বড় কোনও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মে ১২, ২০২৬
দেশ

প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে বড় সিদ্ধান্ত, বাতিল নিট ইউজি পরীক্ষা

প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ উঠতেই বাতিল করে দেওয়া হল নিট ইউজি পরীক্ষা। গত ৩ মে দেশজুড়ে ডাক্তারি পড়ার এই প্রবেশিকা পরীক্ষা হয়েছিল। প্রায় তেইশ লক্ষ পড়ুয়া পরীক্ষায় বসেছিলেন। কিন্তু পরীক্ষার পর থেকেই প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। সোমবার বিষয়টি আরও বড় আকার নেয়। বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীও প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ তোলেন। এর পরেই নড়েচড়ে বসে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি।সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, নিট ইউজি পরীক্ষা বাতিল করা হচ্ছে। নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া হবে। পাশাপাশি গোটা ঘটনার তদন্ত করবে সিবিআই।তদন্তে উঠে এসেছে, রাজস্থানে পরীক্ষার অন্তত এক মাস আগে কিছু পড়ুয়ার হাতে একটি সম্ভাব্য প্রশ্নপত্র পৌঁছে গিয়েছিল। অতিরিক্ত ডিরেক্টর জেনারেল বিশাল বনশন জানিয়েছেন, ওই সম্ভাব্য প্রশ্নপত্রে মোট চারশো দশটি প্রশ্ন ছিল। পরীক্ষার পরে দেখা যায়, তার মধ্যে একশো কুড়িটি রসায়নের প্রশ্ন আসল প্রশ্নপত্রের সঙ্গে হুবহু মিলে গিয়েছে। শুধু প্রশ্ন নয়, উত্তরের বিকল্পও একই ছিল বলে দাবি তদন্তকারীদের।অন্য একটি সূত্রের দাবি, সম্ভাব্য প্রশ্নপত্রের মোট দুশো একাশি প্রশ্নের মধ্যে একশো পঁয়ত্রিশটি প্রশ্ন আসল পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের সঙ্গে একেবারে মিলে গিয়েছে। এই তথ্য সামনে আসতেই দেশজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়ায়।লক্ষ লক্ষ পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। নতুন পরীক্ষার দিন কবে ঘোষণা করা হবে, এখন সেই দিকেই তাকিয়ে ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকেরা।

মে ১২, ২০২৬
রাজ্য

শিবপুরে তৃণমূল নেতার বাড়িতে পুলিশের হানা, ভিতরে যা মিলল তাতে হতবাক সবাই

শিবপুরে তৃণমূল নেতা মহম্মদ শামিম ওরফে বরের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে চমকে উঠল পুলিশ। বাইরে থেকে সাধারণ বাড়ি মনে হলেও ভিতরে ঢুকতেই সামনে আসে একের পর এক গোপন ব্যবস্থা। বাড়ির ভিতরে রয়েছে একাধিক সুড়ঙ্গ। সেই সুড়ঙ্গ দিয়ে সিঁড়ি বেয়ে পৌঁছে যাওয়া যায় নীচের ফ্লোরে। সেখানে তৈরি করা হয়েছে বিলাসবহুল ঘর। দামী কাঠের আসবাব, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থা, ফ্রিজ-সহ নানা আধুনিক সুবিধায় সাজানো এই বাড়ি দেখে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে এলাকায়।জানা গিয়েছে, হাওড়া পুরসভার ছত্রিশ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর সামিমা বানোর স্বামী মহম্মদ শামিম। তিনি তৃণমূলের ওয়ার্ড সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন। বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর গত বৃহস্পতিবার শিবপুরে বিজেপির জেলা সংখ্যালঘু মোর্চার আহ্বায়কের বাড়িতে হামলা, গুলি ও বোমাবাজির অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার তদন্তে শামিমের নাম সামনে আসে।বোমাবাজির ঘটনায় ইতিমধ্যেই পাঁচ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে পলাতক ছিলেন শামিম। শুক্রবার তাঁর খোঁজে শিবপুরে বাড়িতে যায় পুলিশ। সেখানেই এই বিলাসবহুল বাড়ির ভিতরের ছবি সামনে আসে। স্থানীয় এক রাজনৈতিক নেতার এমন জীবনযাপন দেখে বিস্মিত তদন্তকারীরাও।যদিও বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েও শামিমের খোঁজ মেলেনি। তিনি এখনও পলাতক বলে জানিয়েছে পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, এর আগেও একাধিক অসামাজিক কাজের সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়েছে। শিবপুরে রামনবমীর মিছিল ঘিরে অশান্তির ঘটনাতেও তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল। এমনকি জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার মামলাতেও তাঁর নাম রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনার পর বিজেপি তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে। বিজেপির অভিযোগ, সমাজবিরোধীদের আশ্রয় দিচ্ছে শাসক দল। যদিও এই অভিযোগ নিয়ে এখনও তৃণমূলের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

মে ১২, ২০২৬
রাজ্য

চন্দ্রনাথ রথ হত্যা তদন্তে নতুন মোড়, রাজ্য পুলিশের হাত থেকে তদন্তভার নিল সিবিআই

শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী চন্দ্রনাথ রথ খুনের ঘটনায় তদন্তে বড়সড় মোড় এল। বহু আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তভার আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের হাতে তুলে নিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়ার সুপারিশের পর মঙ্গলবার থেকেই কেন্দ্রীয় সংস্থা এই মামলার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।সিবিআইয়ের তরফে জানানো হয়েছে, এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হচ্ছে। কলকাতা অঞ্চলের যুগ্ম নির্দেশকের নেতৃত্বে এই সিট কাজ করবে। তদন্তের অগ্রগতি ও প্রয়োজন অনুযায়ী দক্ষ আধিকারিকদের এই দলে অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে সূত্রের খবর। ইতিমধ্যেই মামলার যাবতীয় নথিপত্র, প্রাথমিক তদন্তের রিপোর্ট এবং গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তদের সংক্রান্ত তথ্য সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।এই হত্যাকাণ্ড ঘিরে ইতিমধ্যেই আন্তঃরাজ্য চক্রের ইঙ্গিত মিলেছে। তদন্তে নেমে রাজ্য পুলিশ উত্তরপ্রদেশ ও বিহার থেকে তিন জন সন্দেহভাজন শার্পশুটারকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে বলে তদন্তকারী সূত্রে দাবি। তাঁদের সঙ্গে এই হত্যার মূলচক্রীদের যোগাযোগ ছিল কি না, কার নির্দেশে তারা কলকাতায় এসেছিল এবং খুনের পেছনে রাজনৈতিক না কি অন্য কোনও ব্যক্তিগত বা আর্থিক কারণ রয়েছে সেই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এবার সরাসরি মাঠে নামছে সিবিআই।সিবিআই সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, তদন্তের স্বার্থে একাধিক রাজ্যে অভিযান চালানো হতে পারে। ধৃতদের কল রেকর্ড, আর্থিক লেনদেন, যাতায়াতের রুট এবং স্থানীয় যোগাযোগ খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজনে ফরেনসিক ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের সাহায্যও নেওয়া হবে।চন্দ্রনাথ রথের হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছিল। বিরোধী শিবির থেকে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠেছিল। সেই আবহেই তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে যাওয়ায় মামলার রহস্যভেদে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। এখন নজর সিবিআইয়ের তদন্তে এই খুনের নেপথ্যে থাকা আসল ষড়যন্ত্রকারীদের মুখোশ কবে খুলে যায়, সেটাই দেখার।

মে ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal