• ১৫ মাঘ ১৪৩২, সোমবার ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Kabul

বিদেশ

আফগানিস্তানে ভয়াবহ ভূমিকম্প, বহু মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি! ভূকম্পন ভারতেও

আফগানিস্তানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে পাকিস্তান সীমান্তের কাছে রবিবার গভীর রাতে ৬.০ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। আমেরিকার ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (USGS) এ তথ্য জানিয়েছে।ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল আফগানিস্তানের বাসাউল (Bāsawul) শহরের প্রায় ২২ মাইল উত্তর দিকে এবং এর গভীরতা ছিল ৬.২ মাইল। স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৪৭ মিনিটে এটি অনুভূত হয়।নানগারহার জনস্বাস্থ্য বিভাগের মুখপাত্র নাকিবুল্লাহ রহিমি জানান, ভূমিকম্পে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। তাদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়েছে।প্রায় ২০ মিনিট পর একই প্রদেশে আরও একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর মাত্রা ছিল ৪.৫ এবং গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার।আমেরিকার ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার প্রকাশিত মানচিত্রে ভূমিকম্পের অবস্থান দেখানো হয়েছে।আফগানিস্তান ইউরেশীয় ও ভারতীয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ায় দেশটি প্রায়ই ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর আফগানিস্তানে ৬.৩ মাত্রার আরেকটি ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে তালেবান সরকারের হিসাব অনুযায়ী অন্তত ৪,০০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। তবে রাষ্ট্রসঙ্ঘের হিসাবে মৃত্যু হয়েছিল প্রায় ১,৫০০ জনের। এটি সাম্প্রতিক ইতিহাসে আফগানিস্তানের অন্যতম ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ ছিল।ইউনিসেফ জানিয়েছিল, নিহতদের মধ্যে ৯০ শতাংশের বেশি নারী ও শিশু।এর আগে ২০২২ সালের জুন মাসে আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলে ৫.৯ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল, যাতে এক হাজারের বেশি মানুষ নিহত এবং দেড় হাজারের বেশি আহত হয়।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৫
বিদেশ

Kabul Rocket attack: ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই রকেট হানা, ভয়ে কাঁপছে কাবুলবাসী

মার্কিন প্রেসিডেন্টের সতর্কবার্তা, আশঙ্কা সত্যি করে রবিবার বিকেলে কাবুল বিমানমন্দরের বাইরে মার্কিনিদের লক্ষ্য করে রকেটহানা চালায় তালিবানরা। জানা গিয়েছে শিশু-সহ ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। জখম হয়েছে আরও বেশ কয়েকজন। এদিকে ভোরের আলো ফোটার আগেই কান ফাটানো আওয়াজে একের পর এক রকেট ভেসে আসতে শুরু করেছে কাবুলের আকাশে। আরও পড়ুনঃ দিল্লি ও ত্রিপুরা জয়ের শপথ নিলেন পূর্ব বর্ধমানের সকল নেতা, মন্ত্রী ও বিধায়করাসোমবার সকাল থেকে এমনটাই পরিস্থিতি আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে। স্থানীয় সূত্রে খবর,কাবুল বিমানবন্দর লক্ষ্য করেই রকেটগুলি ছোড়া হচ্ছে, তবে বিমানবন্দরে যে এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম বসানো রয়েছে, তা ভেদ করে প্রবেশ করতে পারেনি রকেটগুলি। রবিবারই বিকেল নাগাদ কাবুল বিমানবন্দর লক্ষ্য করে রকেট হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। আফগানিস্তানের স্থানীয় সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা যায়, কাবুলের খাওজা বুঘরা জেলার গুলাই অঞ্চলে ওই বিস্ফোরণ হয়। জন বসতিপূর্ণ এলাকায় একটি বাড়িতে রকেট হামলা চালানোয় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ল্যাব জার খইরখানার কাছে অবস্থিত খোরশিদ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনেই দাঁড়িয়ে থাকা একটি গাড়ি থেকে রকেট হামলাগুলি চালানো হয় বলে জানা যায়। প্রতিটি রকেটই কাবুলের হামিদ কারজ়াই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে চালানো হচ্ছিল।আফগানিস্তানের এক সাংবাদিক টুইটে লেখেন, কমপক্ষে দুটি রকেট হামলা চালানো হয়েছে। ভোর ৬টা ৪০ থেকে কাবুলের লাব-ই-জার অঞ্চল থেকে হামিদ কারজাই বিমানবন্দরের দিকে লক্ষ্য করে রকেটগুলি পাঠানো হচ্ছিল। আর্য শহরাঞ্চলের বাসিন্দারা জানিয়েছেন বাড়ির ছাদে রকেটগুলি পড়েছে। মাঝ আকাশেই রকেটগুলি ফেটে যায়, ভাঙা অংশগুলি আছড়ে পড়ে বাড়ির ছাদে।আরও পড়ুনঃ সোনার স্বপ্ন অধরা, ভাবনাবেনকে ৩ কোটি টাকা আর্থিক পুরস্কার দেবে গুজরাট সরকারগতকালের রকেট হামলার পরই পাল্টা হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন যেমন সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন, সেই অনুযায়ীই ফের একবার বিমানবন্দরের বাইরে আত্মঘাতী হামলা চালানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছিল। যেই অংশে হামলা চালানো হবে, সেখানে হামলাকারীদের গাড়িও পৌঁছে যায়। ভিতরে উপস্থিত ছিলেন এক আত্মঘাতী বোমারু। কিন্তু গোপন সূত্রে আগেই খবর পেয়ে গিয়ে ওই গাড়ির উপরই এয়ারস্ট্রাইক চালায় মার্কিন বাহিনী। বিস্তারিত তথ্য এখনও জানা না গেলেও ওই এয়ারস্ট্রাইক সফল হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে।মার্কিন আধিকারিকরা জানান, আগামিকাল অর্থাৎ ৩১ অগস্ট উদ্ধারকার্য শেষ করার শেষদিন। একাধিক দেশের উদ্ধারকার্য শেষ হলে গেলেও মার্কিন বাহিনী এখনও কাজ জারি রেখেছে। সেই কাজে বাধা দিতেই পরিকল্পনা করে এই হামলাগুলি চালানো হচ্ছে। তবে হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না মার্কিন বাহিনীও। পাল্টা আক্রমণ চালাবে তারাও।

আগস্ট ৩০, ২০২১
বিদেশ

Kabul Airport: কাবুল বিমানবন্দরে আবারও হতে পারে সন্ত্রাসবাদী হামলা!

বৃহস্পতিবারের বিস্ফোরণের ক্ষত এখনও টাটকা। কাবুল বিমানবন্দরের বাইরে সন্ত্রাসবাদী হামলায় মৃতের সংখ্যা ১৭০ পেরিয়েছে। এরই মধ্যে শনিবার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জানালেন, আগামী ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে কাবুল বিমানবন্দর চত্বরে ফের হামলা হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।আরও পড়ুনঃ অসহায় আত্মসমর্পন কোহলিদের, সিরিজে সমতা ফেরাল ইংল্যান্ড এখনও আফগানিস্তানে রয়ে গিয়েছেন প্রায় ৩৫০ জন আমেরিকার নাগরিক, যাঁরা দেশে ফিরতে চান। তাঁদের সতর্ক করে বাইডেন বলেছেন, পরিস্থিতি এখনও বেশ বিপজ্জনক। আগামী ২৪-৩৬ ঘণ্টার মধ্যে আবার হামলা হতে পারে। অত্যন্ত সতর্ক থাকুন। দরকারে সেনাবাহিনীর সাহায্য নিন। বাইডেনের এই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পরে কাবুলে আমেরিকার দূতাবাসও জানিয়েছে বিমানবন্দর সংলগ্ন বিস্তৃত এলাকায় যেন লাল সতর্কতা জারি করা হয়। হামিদ কারজাই বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকার পাশাপাশি বিমানবন্দরের দক্ষিণ প্রান্তের এয়ারপোর্ট সার্কেল গেট এবং উত্তর-পূর্ব দিকের পঞ্জশির পেট্রল স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় অবিলম্বে নজরদারি বাড়াতে বলা হয়েছে বিবৃতিতে।বাইডেন এই ঘোষণা করেন আমেরিকার সময়ে শনিবার দুপুরে। তার ঘণ্টা খানেক আগেই আমেরিকার সেনাবাহিনীর এক কর্তা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবারের বিস্ফোরণের নেপথ্যে থাকা দুজন শীর্ষস্তরের আইসিস-কে জঙ্গিকে খতম করেছে আমেরিকা। দুই জঙ্গির মৃত্যু সংবাদ দিয়ে পেন্টাগনের ওই শীর্ষ পদাধিকারী বলেন, আমেরিকার ড্রোন হামলাতে দুই জঙ্গি নেতার মৃত্যু হয়েছে। হামলায় এক আইসিস-কে জঙ্গি আহতও হয়েছে। এমনকী, ওই জঙ্গি সংগঠনের আর এক শীর্ষনেতার উপরও নিয়ত নজর রাখা হচ্ছে বলেও জানান পেন্টাগনের ওই কর্তা। উক্ত জঙ্গি নেতা, আপাতত জালালাবাদেরই একটি বাড়ির ভিতর লুকিয়ে আছে বলেও জানান তিনি।

আগস্ট ২৯, ২০২১
বিদেশ

Drone Attack: আফগানিস্তানে মার্কিন ড্রোন হামলা খতম কাবুল হামলার মূলচক্রী?

কাবুল বিমানবন্দরে হামলার সমালোচনা করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বৃহস্পতিবার রাতেই বলেছিলেন, কিছু ভোলা হবে না, কাউকে মাফও করা হবে না। জড়িতদের খুঁজে বের করে উচিত শাস্তি দেওয়া হবে। একদিনের মধ্যেই বদলা নিল আমেরিকা। শুক্রবারই ইসলামিক স্টেট-খোরাসান-র উপর হামলা চালায় মার্কিন ড্রোন।মার্কিন সেন্ট্রাল কম্যান্ডের ক্যাপ্টেন বিল আরবান বলেন, আফগানিস্তানের নানগরহর প্রদেশে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। মানবহীন এই অভিযানের প্রাথমিক ইঙ্গিতে মনে হচ্ছে মূল চক্রীর মৃত্যু হয়েছে। তবে সাধারণ মানুষের কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তালিবানরা আফগানিস্তান দখলের পর এই প্রথম মার্কিন বাহিনী হামলা চালাল।আরও পড়ুনঃ চেতেশ্বর পুজারার ব্যাটে সমালোচকদের জবাবতালিবানরা আগামী ৩১ অগস্টের মধ্যে উদ্ধারকার্য শেষ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। না হলে ফল ভাল হবে না বলেও জানিয়েছে। বৃহস্পতিবারের হামলার পরই উদ্ধারকার্যে ইতি টেনেছে ফ্রান্স, জার্মানির মতো দেশ। ব্রিটেনও জানিয়েছে, খুব অল্প সংখ্যক নাগরিকই আটকে রয়েছেন। একদিনের মধ্যেই উদ্ধারকার্য শেষ করে নেওয়া হবে। এদিকে,আমেরিকার তরফে জানানো হয়েছে বর্তমানে প্রায় এক হাজার মতো মার্কিনবাসী আফগানিস্তানে আটকে রয়েছেন। ৩১ অগস্টের আগেই তাদের উদ্ধার করে আনার সম্পূর্ণ চেষ্টা করা হবে। আগে সময় বাড়ানের কথা বলা হলেও বৃহস্পতিবার বাইডেনও ৩১ অগস্টের মধ্যে যে কোনও প্রকারে উদ্ধারকার্য শেষ করার নির্দেশ দেন। মার্কিন গোয়েন্দদাদের আশঙ্কা, ফের হামলা হতে পারে বিমানবন্দরে। শুক্রবারই পেন্টাগনের মুখপাত্র জন কিরবি জানান, তাদের বিশ্বাস উদ্ধারকার্য়ে বাধা দিতে ফের হামলা হতে পারে।

আগস্ট ২৮, ২০২১
বিদেশ

Kabul Blast: কাবুল বিমানবন্দরে ছিন্নভিন্ন মৃতদেহের সারি, বিস্ফোরণের দায় নিল আইএস

বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই কাবুল বিমানবন্দরে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ হওয়ার খবর ঘুরছিল। কিন্তু তা যে এভাবে সত্যি হয়ে যাবে, তা স্বপ্নেও ভাবতে পারেনি বিমানবন্দরে পৌঁছে যাওয়া মানুষগুলো। নিজেদের আপাতত নিরাপদ আশ্রয়ই ভেবে নিয়েছিলেন কাবুল বিমানবন্দর চত্বরকে। কিন্তু, এই নিরাপদ আশ্রয়েই ঘাপটি মেরে রয়েছে নির্মম পরিণতি তা কেউই ভাবেননি। বিভিন্ন দেশের গোয়েন্দাদের আশঙ্কা সত্যি প্রমাণ করে আত্মঘাতী বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল কাবুল। গভীর রাতে বিস্ফোরণের দায় নিয়েছে ইসলামিক স্টেট (আইএস)। এর আগে তালিবানও এক বিবৃতি দিয়ে দাবি করে, এই হামলা আইএসেরই কাজ। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সন্ধে সাড়ে ছটা নাগাদ বিমানবন্দরের কাছে পর পর দুটি আত্মঘাতী বিস্ফোরণে শিশু-সহ অন্তত ৬০ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ১২ জন আমেরিকান সেনা। জখম হয়েছেন দেড়শোরও বেশি। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আরও পড়ুনঃ জোড়া বিস্ফোরণ, গুলিতে কাঁপল কাবুল বিমানবন্দর চত্বর, মৃত কমপক্ষে শিশু-সহ ১৩ বিস্ফোরণের পরে বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের ভিডিও ফুটেজে দেখা গিয়েছে, রাস্তায় মৃতদেহের স্তূপ, বিমানবন্দরের বাইরের পরিখায় অসংখ্য দেহ ভাসছে। পরে বিমানবন্দরের কাছে ফের একটি বিস্ফোরণ হয়। রাতে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়, বিস্ফোরণ হয়েছে অন্তত ৬টি। গুলির লড়াইও চলে বলে খবর। প্রথম বিস্ফোরণটি হয় হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অ্যাবি গেটের সামনে। এই ফটক দিয়েই এখন বিমানবন্দরের ভিতরে ঢুকছেন দেশ ছাড়ার অনুমতি পাওয়া মানুষেরা। দ্বিতীয় বিস্ফোরণটি হয় বিমানবন্দরের খুব কাছেই ব্যারন হোটেলের সামনে। এই হোটেলে এখন ব্রিটিশ নাগরিকেরা রয়েছেন। বিমানবন্দরের সামনে বিস্ফোরণের পরে একাধিক দুষ্কৃতী সেখানে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। তাতেও অনেকে জখম হন। এক আফগান স্বাস্থ্য আধিকারিককে উদ্ধৃত করে এক ব্রিটিশ চ্যানেল জানিয়েছে, নিহতের সংখ্যা অন্তত ৬০। হাসপাতালগুলিতে উপচে পড়া ভিড়। আক্রান্তদের মধ্যে বিমানবন্দরের দায়িত্বে থাকা আমেরিকান মেরিন কোরের ১১ জন-সহ মোট ১২ জন এবং বিমানবন্দরের বাইরে থাকা কয়েক জন তালিবান রক্ষীও রয়েছেন।প্রথম বিস্ফোরণের পরই সন্দেহের তির তালিবানের দিকে গেলেও তারা সাফ জানিয়ে দেয়, এই হামলার পিছনে তাদের হাত নেই। তালিবান মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদের দাবি, আইসিস-কে এই হামলা চালিয়েছে। আগামিদিনে জঙ্গিরা যাতে কোনওভাবেই সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের জন্য আফগানিস্তানের মাটিকে না ব্যবহার করতে পারে, সেটা নিশ্চিত করতে তালিবান গোটা আন্তর্জাতিক মহলের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আগস্ট ২৭, ২০২১
বিদেশ

Kabul Blast: জোড়া বিস্ফোরণ, গুলিতে কাঁপল কাবুল বিমানবন্দর চত্বর, মৃত কমপক্ষে শিশু-সহ ১৩

তালিবান তাণ্ডবে কাঁপছে আফগানিস্তান। এই পরিস্থিতির মধ্যেই বৃহস্পতিবার জোড়া বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল কাবুল বিমানবন্দরের বাইরের চত্বর। বিস্ফোরণের পর পাগলের মতো ছুটতে থাকা জনতাকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি। যার জেরে গোটা ঘটনায় এখনও পর্যন্ত শিশু-সহ কমপক্ষে ১৩ জনের প্রাণ গিয়েছে বলে শেষ পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে। সামরিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের দাবি, সাধারণত এই কৌশলে হামলা চালিয়ে থাকে আইএস (ইসলামিক স্টেট)।Video: Aftermath of attack close to Kabul airport. US Pentagon confirms at least two blasts. Taliban spokesperson Zabiullah Mujahid told TOLOnews at least 52 people are wounded. #Afghanistan pic.twitter.com/pBztAtS7oB TOLOnews (@TOLOnews) August 26, 2021গোটা এলাকাজুড়ে অসহায়দের চিৎকার আর হাহাকার। অ্যাবি গেটের সামনে পড়ে রয়েছে সার সার রক্তাক্ত দেহ। রক্তজলে ভাসছে কিছু। হাত, পা টেনে শুকনো জায়গায় নিয়ে আসার চেষ্টা করছেন পরিবার-পরিজনেরা। বৃহস্পতিবার কাবুল বিমানবন্দরে জোড়া বিস্ফোরণের পর এমনই সব ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ল নেটমাধ্যমে। আমেরিকার সেনা-ঘেরা অ্যাবি গেটের সামনে প্রথমে একটি আত্মঘাতী বিস্ফোরণ হয়। ওই বিস্ফোরণের ঠিক পরেই শুরু হয় এলোপাথাড়ি গুলি-বর্ষণ। গোটা ঘটনায় এখনও পর্যন্ত শিশু-সহ ১৩ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। অন্তত ৫২ আহত হয়েছে দুই বিস্ফোরণের জেরে, এমনটাই জানিয়েছেন এক তালিবান মুখপাত্র। কিন্তু মৃত্যু ও আহতের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারেই বলেই দাবি করা হচ্ছে বিভিন্ন সূত্রে।আরও পড়ুনঃ বড় ঘোষণা: চিকিৎসক-নার্সদের জন্য কল্পতরু মমতাসম্প্রতি আমেরিকা দাবি করেছিল, নাগরিকদের দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলাকালীন কাবুল বিমানবন্দরে হামলা চালাতে পারে আইএস জঙ্গি সংগঠন। তেমন হুমকি-বার্তাও দিয়েছে বলে জানা গিয়েছিল পেন্টাগন সূত্রে। তার পরই এই ঘটনায় স্বাভাবিক ভাবেই অভিযোগের আঙুল আইএসের বিরুদ্ধে। আমেরিকার দাবি, আফগানিস্তানে আইএসের খোরাসান শাখা সংগঠন এই হামলা চালিয়ে থাকতে পারে।সামরিক বিশেষজ্ঞদের দাবি, প্রথমে বিস্ফোরণ, তার পর এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে এই হামলা পদ্ধতিকে কমপ্লেক্স অ্যাটাক বলা হয়। সাধারণত বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে তাঁদের উপর গুলি চালানো হয় এই পদ্ধতিতে। কাবুল বিমানবন্দরেও ঠিক তাই ঘটেছে। আফগানিস্তান ছাড়তে চেয়ে বিমানবন্দরের অ্যাবি গেটের বাইরে জড়ো হয়েছিলেন প্রচুর মানুষ। ওই এলাকা তখনও আমেরিকার সেনার দখলেই ছিল। সেখানেই হয় প্রথম আত্মঘাতী বিস্ফোরণ। গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা জনতা পালাতে আরম্ভ করতেই তাঁদের উপর নির্বিচারে গুলি চালানো শুরু হয়েছিল, এমনটাই দাবি করেন এক প্রত্যক্ষদর্শী।৩১ অগস্টের আগে বিমানবন্দরে চলছে বিভিন্ন দলের উদ্ধারকারী দলের তৎপরতা। সূত্রের খবর, ইতালির উদ্ধারকারী বিমান লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আহত হয়েছে বহু মানুষ। পেন্টাগনের প্রেস সচিব জন কিরবি টুইটে জানিয়েছেন বিস্ফোরণের কথা।

আগস্ট ২৬, ২০২১
বিদেশ

Afghanistan: কাবুল বিমাবন্দরে প্রাণ বাঁচানোর লড়াইয়ে ম্লান একরত্তির অকাতর কান্না

তালিবানের দাপটে ত্রস্ত আফগানিস্তানের মানুষ। তীব্র আতঙ্কে ঘর ছেড়েছে হাজার হাজার মানুষ, বাকিরাও প্রাণ নিয়ে পালাতে পারলে বাঁচে। ক্রমেই ভয়াবহ হয়ে উঠছে আফগানিস্তানের ছবিটা। দেশ দখলে নিয়ে যা খুশি তাই করছে তালিবান। উঠে পড়ছে শিশুদের নাগরদোলায়। খেলার মাঠ থেকে জিম, চলছে দাপাদাপি। শিশুদের মেরি-গো-রাউন্ডে যখন আমোদে মেতেছে জঙ্গির দল, তখন কাবুলের এক বিমানবন্দরে দেখা গেল হৃদয়বিদারক ছবি। একটি সবজি রাখার বাক্সে শোয়ানো এক শিশু। অকাতরে কেঁদে চলেছে সে। আরও পড়ুনঃ সময় চেয়ে শিশিরের পথেই হাঁটলেন মুকুল রবিবার থেকেই তালিবানি শক্তির কাছে পরাজিত মানবতা। অন্তত বিমানবন্দরে একা পড়ে থাকা সাত মাসের শিশুর ছবিটি দেখে তেমনটাই বলতে হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবিটি ভাইরাল হয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, প্লাস্টিকের ঝুড়িতে আধ শোওয়া অবস্থায় কেঁদে চলেছে একরত্তি। চার পাশ ফাঁকা। বোঝাই যাচ্ছে এই কান্না থামানোর জন্য কোনও আপনজনের হাত নেই ধারে কাছে। জানা গিয়েছে, সে এক শিশুকন্যা। বয়স সাত মাসের কাছাকাছি।সোমবার কাবুলের বিমানবন্দরে হাজার হাজার মানুষের ভিড়ের মাঝেই এই শিশুটি হারিয়ে যায় বলে মনে করা হচ্ছে। এদিন হাজার হাজার মানুষের ভিড় ছিল কাবুলের বিমান বন্দরে। বিমানে উঠে দেশ ছাড়ার জন্য পাগলের মতো করেছে মানুষগুলো। কাবুলের হামিদ করজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এই শিশুটিকে পাওয়া গিয়েছে বলে খবর। বিমানবন্দরে একটা ছোট্ট বাক্সের মধ্যে পড়ে রয়েছে ফুটফুটে এক নিঃসঙ্গ শিশু। কার সন্তান, কী ভাবেই বা এখানে এল, কেনই বা এভাবে পড়ে রয়েছে কোনও প্রশ্নেরই উত্তর নেই। সবটাই বলা হচ্ছে অনুমানের ভিত্তিতে।আর এই দৃশ্য এখেই কেঁদে উঠছে নেটাগরিকদের মন।

আগস্ট ১৭, ২০২১
বিদেশ

Afghanistan: কাবুল দখল নিতেই দেশ ছেড়ে পালালেন প্রেসিডেন্ট ঘানি

অবশেষে কাবুল দখলে নিয়ে নিয়েছে তালিবান। চারিদিক থেকে কাবুলে প্রবেশ করছে তালিবানরা । কথা চলছিল শান্তিপূর্ণভাবেই আফগান প্রশাসন তালিবানের হাতে ক্ষমতা তুলে দেবে। এরইমধ্যে আত্মসমর্পণ এড়াতে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন সপরিবার প্রেসিডেন্ট আসরাফ ঘানি। একটি সংবাদ মাধ্যমের তরফে জানানো হয়েছে, আফগানিস্তান প্রশাসন ও তালিবানদের মধ্যে ক্ষমতা হস্তান্তরের কথা চললেও সরকার পতনের পরই পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে চলে গিয়েছেন আসরাফ ঘানি।সূত্রের দাবি, প্রেসিডেন্ট আসরাফ ঘানি প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলি আহমেদ জালালির হাতে ক্ষমতা তুলে দিয়েছেন, যদিও সরকারি সূত্রে এই খবরে সিলমোহর দেওয়া হয়নি। এ দিকে, পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ রশিদ স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন যে আফগান প্রশাসনের দখলে থাকা শেষ পোস্ট তোরখাম সীমান্তও দখল করে নিয়েছে তালিবানিরা।আরও পড়ুনঃ দেশবাসীর জন্য স্বাধীনতার গান লিখলেন মুখ্যমন্ত্রীএ দিন দুপুরেই তালিবানদের তরফে জানানো হয়েছে, তারা শান্তিপূর্ণভাবেই ক্ষমতার হস্তান্তর চায়। কাউকে শহর ছেড়ে যেতে হবে না। তালিবান বাহিনীকেও শহরের বাইরে অপেক্ষা করতে বলা হয়েছে। যদিও তাদের এই আশ্বাসের উপর বিশ্বাস কেউ রাখতে পারছে না। তবে দেশের সমস্ত সীমান্তই তালিবানের দখলে চলে যাওয়ায় একমাত্র কাবুল বিমানবন্দরই পালাবার শেষ রাস্তা।স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, আফগানিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন কাবুলজুড়েই বিভিন্ন অংশে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে কেউ উত্তপ্ত পরিস্থিতির অসৎ ব্যবহার না করে। পুলিশকে প্রয়োজনে গুলি চালানোর অনুমতিও দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, ন্যাটোর তরফেও জানানো হয়েছে আফগানিস্তানের সঙ্গে গোটা বিশ্বের সংযোগ বজায় রাখতে কাবুল বিমানবন্দরকে সচল রাখার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আপাতত কাবুলে কিছু মার্কিন কূটনীতিবিদও থাকবেন বলে একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।আরও পড়ুনঃ খেলা হবে দিবসে গোল দিলীপেরতবে আফগান প্রশাসনের পতনের ঘটনাটিকে নিশ্চিত করেই ভারপ্রাপ্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল সাত্তার মিরজাকাওয়াল টুইটে বলেছেন, কাবুলে কোনও আক্রমণ হবে না। শান্তিপূর্ণভাবেই ক্ষমতা হস্তান্তরের আলেচনা চলছে। এ দিকে, তালিবান প্রধান মোল্লাহ আবদুল ঘানি বারাদার ইতিমধ্যেই দোহা থেকে কাবুলের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন বলে তালিবান সূত্রে খবর।

আগস্ট ১৬, ২০২১
বিদেশ

Taliban: তালিবান-ত্রাসে কাঁপছে আফগানিস্তান, হুঁশিয়ারি ভারতকেও

তালিবানের কবলে প্রায় চলেই এসেছে কাবুল। শুক্রবার আফগানিস্তানের কান্দাহার, হেরাত-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ শহর দখল করার পর কাবুলের দিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল তালিবানরা। আফগানিস্তানের পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। দেশের প্রায় ৯০ শতাংশই দখল করে নিয়েছে তালিবানিরা। শুরু হয়েছে নিরাপরাধদের উপর অত্যাচারও। বাড়ি বাড়ি গিয়ে মেয়েদের প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে জঙ্গিদের সঙ্গে বিয়ে করতে বা তাদের যৌনদাসী হয়ে থাকতে। এই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন দেশের তরফে তাদের প্রতিনিধিদেরও ফেরানোর কাজ শুরু হয়েছে।এদিকে, আফগানিস্তানকে সাহায্য করলে ভারতকেও ফল ভুগতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে তালিবানে তরফে। কাতারের রাজধানী দোহা থেকে সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তালিবানের মুখপাত্র সুহেল শাহিন বলেন, যদি আফগানিস্তানে সেনা নিয়ে আসে ভারত, তাহলে আমার মনে হয় এটা তাদের জন্য ভাল হবে না। আফগানিস্তানে অন্য দেশগুলির সেনাবাহিনীর কী অবস্থা হয়েছে তা তারা দেখেছে। তাই এই পরিস্থিতি তাদের জন্য খোলা বইয়ের মতো।আরও পড়ুনঃ শুরুতে ধাক্কা সিরাজের, লর্ডসে অ্যাডভান্টেজ ভারতআমেরিকার তরফে জানানো হয়েছে, তাদের প্রায় কয়েক হাজার নাগরিককে বিমানে করে উদ্ধার করে আনার পরিকল্পনা চলছে। আমেরিকার তরফে তিন হাজার সেনা পাঠানো হচ্ছে কাবুলে মার্কিন দূতাবাসে আটকে থাকা আধিকারিকদের উদ্ধারের জন্য। অন্যদিকে, ব্রিটেনের তরফেও ৬০০ সৈন্য পাঠানো হচ্ছে ব্রিটিশ নাগরিকদের উদ্ধারের জন্য। গতকালই কাবুলের বিমানবন্দরে এসে পৌঁছয় মার্কিন বিমান। আজই উদ্ধারকার্য শেষ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনও জানিয়েছেন, আফগানিস্তানকে সবরকমভাবে সমর্থন জানানো হলেও বাইরে থেকে দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি শোধরানো নিয়ে বিশেষ কিছু করা সম্ভব নয়। শুক্রবার লোগহার প্রদেশের রাজধানী পুল-ই-আলম শহরও দখল করে নেয় তালিবানরা, যা কাবুল থেকে মাত্র ৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। খইরদ্দিন লোগারি শহরের বাসিন্দারাও বুঝতে পারছেন না যে তারা তালিবানদের দখলে চলে গিয়েছেন কিনা। গতকালই কান্দাহারের বাসিন্দারা জানিয়েছিলেন আফগান সেনাদের শহর ছেড়ে বেরিয়ে যেতে দেখা গিয়েছে। তালিবানের তরফেও জানানো হয়, কান্দাহার সম্পূর্ণরূপে দখল করা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ ৩১ অগস্ট পর্যন্ত নয়া নির্দেশিকা জারি করল নবান্নএদিকে, গতকালই খবর মেলে কান্দাহার, হেরাতের মতো আফগানিস্তানের বড় বড় শহর দখল নিয়েছে তালিবানিরা। একটি সাক্ষাৎকারে তালিবান মুখপাত্র মুহাম্মদ সোহেল শাহিন বলেন, তালিবানরা আফগানিস্তানের ৯০ শতাংশই দখল করে নিয়েছে। দানিশের মৃত্যু প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমাদের সেনার হাতে ওনার মৃত্যু হয়েছে, এ কথা বলতে পারেন না। উনি আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি কেন? আমরা বহুবারই ঘোষণা করেছিলাম যে সাংবাদিকরা আমাদের এলাকায় এলে তারা যেন সেই বিষয়ে আমাদের অবগত করেন। আমরা তাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করব। কিন্তু দানিশ কাবুলের নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে ছিল। কে পুলিশ, কে সেনা আর কে সাংবাদিক, কোনও ফারাকই বোঝা যাচ্ছিল না। দুই পক্ষের গুলির লড়াইয়ের মাঝে তাঁর মৃত্যু হয়, সুতরাং কার গুলি লেগে মৃত্যু হয়েছে, এ কথা বলা সম্ভব নয়।

আগস্ট ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Rashid Khan : ‌অশান্ত আফগানিস্তানের জন্য শান্তির আবেদন ক্রিকেটার রশিদ খানের

আবার অশান্ত আফগানিস্তান। অশান্তির দাবানলে জ্বলছে বিভিন্ন শহর। কিছুদিন আগে থেকেই গ্রাম ছেড়ে শহর দখলের দিকে এগিয়ে যায় তালিবানরা। বাহিনীর হাত থেকে বেশ কয়েকটি প্রাদেশিক শবর দখল করে নিয়েছে। আফগানিস্তানের বিশাল অংশের ওপর তালিবানদের নিয়ন্ত্রণের ফলে মানুষ আতঙ্কিত। অনেকেই দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন। দেশে ক্রমবর্ধমান হিংসার মাঝে শান্তির আবেদন জানালেন আফগানিস্তানের তারকা লেগ স্পিনার রশিদ খান। টুইটারে তিনি শান্তির আবেদন জানিয়েছেন। পাশাপাশি বিশ্ব নেতৃবৃন্দকে অনুরোধ করেছেন, যেন তাঁর দেশবাসীকে বিশৃঙ্খল অবস্থায় ফেলে না দেয়।আরও পড়ুনঃ দেশে বেড়ে গিয়েছে ভিখারির সংখ্যা, প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর রিপোর্টতিনি টুইটারে শান্তির আবেদন জানিয়ে লিখেছেন, প্রিয় বিশ্ব নেতৃবৃন্দ। আমার দেশ চরম বিশৃঙ্খলার মধ্যে রয়েছে। শিশু ও মহিলাসহ হাজার হাজার নিরীহ মানুষ প্রতিদিন শহীদ হচ্ছে। ঘরবাড়ি এবং সম্পত্তি ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। হাজার হাজার পরিবার বাস্তুচ্যুত। আমাদের বিশৃঙ্খল অবস্থার মধ্যে ফেলে রাখবেন না। আফগানদের হত্যা করা এবং আফগানিস্তান ধ্বংস করা বন্ধ করুন। আমরা শান্তি চাই।Dear World Leaders! My country is in chaos,thousand of innocent people, including children women, get martyred everyday, houses properties being destructed.Thousand families displaced..Dont leave us in chaos. Stop killing Afghans destroying Afghaniatan🇦🇫.We want peace.🙏 Rashid Khan (@rashidkhan_19) August 10, 2021ক্রমশ গ্রাম ছেড়ে শহরের দিকে এগিয়ে চলেছে তালিবানরা। নিমরোজ প্রদেশের রাজধানী জারাঞ্জ দখলের পর জাবজান প্রদেশের রাজধানী শবেরগানও কব্জা করেছে। রবিবার সরকারি বাহিনীর সঙ্গে তুমুল সংঘর্ষের পর উত্তর আফগানিস্তানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রাদেশিক রাজধানী কুন্দুজও দখল করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের এক কর্মকর্তা স্বীকার করে নিয়েছেন, উত্তর, দক্ষিণ ও পশ্চিম আফগানিস্তানের ৬টি প্রাদেশিক রাজধানী তালিবান জঙ্গীদের নিয়ন্ত্রণে। দেশের প্রায় ৬৫ শতাংশ এলাকায় বিদেশি সেনা পিছু হঠতে বাধ্য হয়েছে।আরও পড়ুনঃ ত্রিপুরা-কাণ্ডের জের, অভিষেক-সহ ৫ নেতার বিরুদ্ধে এফআইআরতালিবান জঙ্গীরা আফগানিস্তানের দখলকৃত ভূখণ্ডে তাদের দৃঢ়তা জোরদার করছে কারণ বেসামরিকরা তাদের বাড়িতে লুকিয়ে আছে। হাজার হাজার বাস্তুচ্যুত আফগান নাগরিক রাজধানীতে আশ্রয় নেওয়ার পর ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এই বাস্তুচ্যুত লোকেরা কাবুলের রাস্তায় এবং পার্কে বসবাস করছে। তাদের মধ্যে অনেকেই অপ্রাপ্তবয়স্ক, বয়স্ক। পরিবারের আহত সদস্য এবং তাদের বাবা, স্বামী, ভাই, ছেলেদের সম্পর্কে কিছুই জানে তাঁরা জানে না। এই অবস্থায় দেশের মানুষের স্বার্থে বিশ্ব নেতৃত্বর কাছে হস্তক্ষেপ করার আবেদন জানিয়ে মানবিকতার পরিচয় দিয়েছেন রশিদ খান।The ongoing war in Afghanistan has led to humanitarian crisis. Please support @RashidKhanFund @Afghan_cricketA emergency online fundraiser to provide basic essentials to those affected by the conflict. Link below ⬇️ https://t.co/6AoUdDABty Rashid Khan (@rashidkhan_19) August 10, 2021

আগস্ট ১১, ২০২১

ট্রেন্ডিং

দেশ

শেষ কি আমেরিকার দাপট? আইএমএফ রিপোর্টে চমক, মুখ খুললেন এলন মাস্ক

বিশ্ব অর্থনীতিতে আমেরিকার একছত্র আধিপত্য কি শেষের পথে? সদ্য প্রকাশিত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের রিপোর্ট সামনে আসার পর তেমনই ইঙ্গিত মিলছে। আর সেই রিপোর্ট দেখেই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন ধনকুবের এলন মাস্ক। তাঁর মতে, বিশ্ব অর্থনীতিতে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাতে শুরু করেছে।আইএমএফ তাদের সাম্প্রতিক রিপোর্টে ২০২৬ সালে গোটা বিশ্বের সম্ভাব্য আর্থিক প্রবৃদ্ধির হিসাব তুলে ধরেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, বিশ্বের মোট আর্থিক বৃদ্ধিতে আমেরিকাকে ছাপিয়ে গিয়েছে ভারত। বিশ্ব জিডিপিতে ভারতের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে প্রায় ১৭ শতাংশ। সেই তুলনায় আমেরিকার অবদান মাত্র ৯.৯ শতাংশ। ফলে তালিকায় তৃতীয় স্থানে নেমে গিয়েছে ডলারের দেশ।এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে চিন। বিশ্ব জিডিপিতে চিনের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে ২৬.৬ শতাংশ। অর্থাৎ প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এশিয়ার দুই দেশ চিন এবং ভারত। একসঙ্গে এই দুই দেশের আর্থিক যোগদান দাঁড়াচ্ছে ৪৩.৬ শতাংশ। অর্থাৎ গোটা বিশ্বের প্রায় অর্ধেক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র এখন এশিয়ায়।আইএমএফের রিপোর্টে আরও দেখা গিয়েছে, এই তালিকায় রয়েছে ইন্দোনেশিয়া, সৌদি আরব, তুরস্ক, ভিয়েতনাম, ব্রাজিল, নাইজেরিয়া, জার্মানির মতো দেশগুলিও। তবে ইউরোপ এবং আমেরিকার তুলনায় এশিয়ার দেশগুলির প্রভাব যে দ্রুত বাড়ছে, তা স্পষ্ট।এই রিপোর্ট সোশাল মিডিয়ায় তুলে ধরেই এলন মাস্ক লেখেন, অবশেষে বিশ্বে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাচ্ছে। তাঁর এই মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ব অর্থনীতির কেন্দ্র ছিল আমেরিকা ও ইউরোপ। কিন্তু এখন সেই জায়গা দখল করছে চিন ও ভারত।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এলন মাস্কের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন আমেরিকার কড়া শুল্কনীতি এবং কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের জেরে বিশ্ব অর্থনীতি অস্থির। চিন ও ভারতের উপর সবচেয়ে বেশি শুল্ক আরোপ করেছে আমেরিকা। অথচ আইএমএফের রিপোর্ট বলছে, আগামী দিনে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হতে চলেছে এই দুই দেশই।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

মেঝেতে কিশোরী, উপর ঝুঁকে প্রিন্স অ্যান্ড্রু! এপস্টেইন ফাইলসে ফাঁস চাঞ্চল্যকর ছবি

মেঝেতে শুয়ে রয়েছে এক কিশোরী। তাঁর উপর ঝুঁকে পড়ে আছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ প্রিন্স অ্যান্ড্রু। এপস্টেইন ফাইলসের সদ্য প্রকাশিত নথিতে এই ছবি সামনে আসতেই নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। বহুদিন ধরেই যৌন কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে অ্যান্ড্রুর সম্পর্ক নিয়ে বিতর্ক চলছিল। এ বার সেই বিতর্ক আরও তীব্র হল নতুন ছবি ও তথ্য প্রকাশ্যে আসায়।এপস্টেইন ফাইলস ঘিরে সামনে এসেছে ব্রিটেনের রাজপরিবারের নামও। গত বছরই জানা যায়, যৌন অপরাধে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল প্রিন্স অ্যান্ড্রুর। সেই ঘটনার পর ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস নিজের ছোট ভাই অ্যান্ড্রুর সমস্ত রাজকীয় উপাধি, সম্মান এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা কেড়ে নেন। রাজপরিবার থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় তাঁকে।এই পরিস্থিতিতেই গত শুক্রবার এপস্টেইন সংক্রান্ত নথির নতুন একটি অংশ প্রকাশ্যে আসে। সেখানে একাধিক ছবিতে দেখা যাচ্ছে, এক অজ্ঞাত পরিচয়ের কিশোরী মাটিতে শুয়ে রয়েছেন। তাঁর পাশে এবং উপর ঝুঁকে আছেন প্রিন্স অ্যান্ড্রু। একটি ছবিতে দেখা যায়, কিশোরীর পেটের উপর হাত রেখেছেন তিনি। তবে ওই কিশোরী কে, ছবিগুলি কোথায় এবং কবে তোলা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।শুধু ছবি নয়, এই নথিতে উঠে এসেছে আরও কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, ২০১০ সালে জেফ্রি এপস্টেইন ও প্রিন্স অ্যান্ড্রুর মধ্যে ইমেলে যোগাযোগ হয়েছিল। সেই ইমেলে এপস্টেইন অ্যান্ড্রুকে লেখেন, তাঁর এক রুশ বান্ধবী রয়েছে, যিনি ২০ থেকে ২৪ তারিখের মধ্যে লন্ডনে থাকবেন। এপস্টেইনের দাবি ছিল, ওই মহিলার সঙ্গে নৈশভোজ অ্যান্ড্রু উপভোগ করবেন। তবে এই রহস্যময়ী রুশ মহিলার সঙ্গে প্রিন্স অ্যান্ড্রুর আদৌ কখনও দেখা হয়েছিল কি না, তা এখনও জানা যায়নি।নতুন করে সামনে আসা এই নথি ও ছবিকে ঘিরে ফের প্রশ্নের মুখে পড়েছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ। এপস্টেইন কাণ্ডে তাঁর ভূমিকা নিয়ে তদন্ত এবং বিতর্ক যে এখনও শেষ হয়নি, তা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে উঠল।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
রাজ্য

তৃণমূলের মিছিলে ভাতারে বিধায়কের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগান, মুচকি হাসি বিরোধীদের

বিধানসভা ভোটের আগে প্রার্থী হওয়ার দাবিদারের লড়াই চরমে উঠেছে। ভাতারের তৃণমূল কংগ্রেসের মিছিলে চোর চোর স্লোগান উঠলো। তবে এই চোর চোর স্লোগান বিজেপির বিরুদ্ধে ছিল না। ভাতারের তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশের বিরুদ্ধেই এই চোর চোর স্লোগান উঠেছে মুহূর্মুহু। এই মিছিলে নেতৃত্ব দেন ভাতারের প্রবীণ তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক বনমালী হাজরা। ভাতারের এই মিছিলে স্লোগান ওঠে, মানু চোর, শান্তনু চোর। কেন তাঁদের চোর বলা হচ্ছে? মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, পঞ্চায়েত সমিতি থেকে গ্রামপঞ্চায়েত, সর্বত্র লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতি হচ্ছে। লুঠপাট চলছে। পকেট ভরছে নেতারা। তাদের দাবি, মানগোবিন্দ অধিকারীকে আর যেন বিধায়কপদের টিকিট না দেওয়া হয়। প্রার্থী করতে হবে বনমালী হাজরাকে।সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বিধায়ক পদের টিকিট পাওয়া নিয়ে তৃণমূলের মধ্যে দড়ি টানাটানি চলছে। কে হবেন বিধানসভার প্রার্থী, এখন সেই প্রতিযোগিতা চলছে। বর্ধমান জেলার প্রায় প্রতিটি জায়গায় দলের তরফে দুই পক্ষের মিছিল হয়। বর্ধমানে কখনও বিধায়ক খোকন দাসের নেতৃত্বের মিছিল হয়, আবার কখনও কাউন্সিলর রাসবিহারী হালদারের নেতৃত্বে পৃথক মিছিল হয়। ভাতারেও সেই অবস্থা চলছে। সেখানে একাংশ চাইছে মানু অধিকারী নয়, বনমালী হাজরাকে তৃণমূল প্রার্থী করুক। তবে তৃণমূলের মিছিলেই নেতৃত্বের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগানে মুচকি হাসছে বিরোধী শিবির।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

রক্তে ভাসল পাকিস্তান! একযোগে জঙ্গি হামলায় মৃত ১২০ ছাড়াল

পরপর গুলির শব্দ, তার পর একের পর এক বিস্ফোরণ। শনিবার ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় কেঁপে উঠল পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১২০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।হামলা শুধু গুলি ও বোমাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। সন্ত্রাসীরা কারাগারেও হামলা চালায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের মাস্তুং জেলার একটি জেল ভেঙে প্রায় ৩০ জনেরও বেশি বন্দিকে পালাতে সাহায্য করেছে তারা। একই সঙ্গে নুস্কি জেলার আধাসামরিক বাহিনীর দফতরেও হামলা চালানো হয়। এই হামলায় একাধিক নিরাপত্তারক্ষী আহত হয়েছেন। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৪ জন নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ভয়াবহ হামলার ঘটনাগুলি ঘটেছে বালোচিস্তানে। গত কয়েক মাস ধরেই এই এলাকায় পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছে। দফায় দফায় সশস্ত্র হামলা চালাচ্ছে বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন। শনিবারও একযোগে একাধিক জায়গায় হামলা চালানো হয়। এখনও পর্যন্ত কোনও সংগঠন প্রকাশ্যে এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, কোয়েটা, গোদার, মাস্তুং, নুস্কি, দালবানদিন এবং পাঞ্জগুর-সহ বালোচিস্তানের একাধিক জেলায় একসঙ্গে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। হামলার পরই পাল্টা অভিযানে নামে পাকিস্তানের সেনা। সংবাদপত্র দ্য গার্ডিয়ান-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, টানা ৪৮ ঘণ্টা ধরে সন্ত্রাসদমন অভিযান চালিয়ে এখনও পর্যন্ত ১৩৩ জনের বেশি জঙ্গিকে খতম করেছে পাক সেনা। শুধু শনিবারেই নিহত হয়েছে অন্তত ৯২ জন সন্ত্রাসী।যদিও এই হামলার দায় বালোচ লিবারেশন আর্মি এখনও স্বীকার করেনি, তবে হামলার দিনেই একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে ওই সংগঠন। সেই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, পাকিস্তান সরকার ও সেনার বিরুদ্ধে সংঘর্ষে বন্দুক হাতে অংশ নিচ্ছেন মহিলারাও। এই ছবি নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

ভুল নাকি অপরাধ? গোমাংস কাণ্ডে অলি পাবের ক্ষমা চাওয়ায় প্রশ্ন

সায়ক চক্রবর্তীর গোমাংস বিতর্কে অবশেষে মুখ খুলল পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। পাঁঠার মাংসের বদলে গোমাংস পরিবেশনের অভিযোগে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার দায়ে গত চব্বিশ ঘণ্টায় তীব্র বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে এই ঐতিহ্যবাহী পাব। রবিবার সোশাল মিডিয়ায় একটি বিবৃতি জারি করে রেস্তরাঁর তরফে জানানো হয়েছে, এটি একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। এই ঘটনার জন্য তারা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।অলি পাবের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ৩০ জানুয়ারি রাতে রেস্তরাঁর এক কর্মী ভুলবশত একটি গুরুতর ভুল করে ফেলেন। কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। ওই কর্মীর ভুলের জন্য রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ ক্ষমা চেয়েছে এবং জানিয়েছে, অনিচ্ছাকৃতভাবে ক্রেতার ভাবাবেগে আঘাত লাগায় তারা গভীরভাবে দুঃখিত।এদিকে সায়ক চক্রবর্তীর করা অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার পুলিশ অলি পাবের বেয়ারা শেখ নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। এই গ্রেপ্তারি ঘিরে শহরজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। একাংশ ওই কর্মীর পাশে দাঁড়ান, আবার অনেকে সেলেব ইনফ্লুয়েন্সারের বিরুদ্ধে রেস্তরাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার অভিযোগ তোলেন। সোশাল মিডিয়ায় প্রশ্ন উঠতে থাকে, ভুল খাবার পরিবেশন করা কি অপরাধ, না কি কর্মীর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে বিষয়টিকে অন্য খাতে বইয়ে দেওয়া হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে অলি পাবের তরফে জানানো হয়, জাতি, ধর্ম বা বর্ণ নির্বিশেষে সকলের প্রতি সম্মানের ভিত্তিতেই রেস্তরাঁটি পরিচালিত হয়। আট দশকের ঐতিহ্য নিয়ে তারা গর্বিত বলেও জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে রেস্তরাঁর সমস্ত কর্মী ও সহযোগীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার বার্তাও দেওয়া হয়।এর মাঝেই গুজব ছড়ায় যে এই ঘটনার জেরে অলি পাব বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সেই খবরে বহু নিয়মিত অতিথির মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। তবে রবিবারের বিবৃতিতে রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়, অলি পাব বন্ধ হচ্ছে না। বরং এই কঠিন সময়ে যাঁরা পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আগের মতোই পরিষেবা চালিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।এদিকে শুক্রবার রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে পরপর ফেসবুক লাইভে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছিলেন সায়ক চক্রবর্তী। যদিও বর্তমানে সেই পোস্টগুলি আর পাওয়া যাচ্ছে না। জানা গিয়েছে, সেদিন রাতে সায়ক তাঁর দুই বন্ধু অনন্যা গুহ ও সুকান্ত কুণ্ডুর সঙ্গে অলি পাব যান। তাঁরা মাটন স্টেক অর্ডার করেছিলেন। খাবার পরিবেশনের পর প্রথমে খিদের চোটে বিষয়টি বুঝতে পারেননি তাঁরা। পরে টেবিলে আরও একটি স্টেক আসতেই সন্দেহ হয়।সায়কের দাবি, তাঁরা একটি মাত্র স্টেক অর্ডার করেছিলেন। কিন্তু বেয়ারা জানান, দুটি স্টেক অর্ডার করা হয়েছেএকটি মাটন এবং একটি বিফ। তখনই সায়ক প্রতিবাদ করেন। তাঁর কথায়, অজান্তে গরুর মাংস খাওয়ায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। বচসার মধ্যেই বেয়ারা স্বীকার করেন যে তিনি ভুল করেছেন। বিষয়টি নিয়ে রেস্তরাঁর মধ্যেই উত্তেজনা ছড়ায়। পরে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন সায়ক। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার ওই বেয়ারাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

গোমাংস বিতর্কে ইউটার্ন! বেয়ারার বিরুদ্ধে এফআইআর প্রত্যাহার সায়কের

রবিবার সোশাল মিডিয়ায় বিবৃতি জারি করে অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েছে পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। তাদের বক্তব্যে জানানো হয়েছে, কোনও ক্রেতার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্য তাদের ছিল না। এই ক্ষমা প্রার্থনার কিছুক্ষণের মধ্যেই রেস্তরাঁ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিলেন অভিনেতা ও ইনফ্লুয়েন্সার সায়ক চক্রবর্তী।অলি পাবের বিবৃতি প্রকাশের পরই সায়ক সোশাল মিডিয়ায় জানান, তিনি জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেন। তাঁর কথায়, তিনি জনগণের উপর নির্ভরশীল এবং মানুষ যা বলবেন, সেটাই তিনি মেনে নেবেন। সেই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি চাপের মুখেই নিজের অবস্থান বদল করলেন অভিনেতা।গত ২৪ ঘণ্টায় গোমাংস বিতর্ক ঘিরে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয় সোশাল মিডিয়ায়। ঘটনার সূত্রপাত একটি ভ্লগকে কেন্দ্র করে। সেই ভ্লগে রেস্তরাঁর এক বেয়ারার ধর্মীয় পরিচয় উল্লেখ করে মন্তব্য করায় সমালোচনার মুখে পড়েন সায়ক। পরে অলি পাব এবং ওই কর্মীর বিরুদ্ধে পার্ক স্ট্রিট থানায় এফআইআর দায়ের করেন তিনি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার সকালে গ্রেপ্তার হন রেস্তরাঁর কর্মী শেখ নাসির উদ্দিন। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৯৯ ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়। আদালতে তোলা হলেও শনিবার তিনি জামিন পাননি বলে খবর।এদিকে শনিবার রাতেই সায়কের বিরুদ্ধেও পার্ক স্ট্রিট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নাট্যব্যক্তিত্ব জয়রাজ ভট্টাচার্য। তাঁর অভিযোগ ছিল, সায়কের বক্তব্য থেকে দাঙ্গায় উসকানি দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠার মধ্যেই রবিবার অলি পাব প্রকাশ্যে ক্ষমা চায়। তার পরই সায়ক নিজে থেকে অভিযোগ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন।সায়ক চক্রবর্তী তাঁর পোস্টে লেখেন, অলি পাব শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চেয়েছে, তাই নতুন করে কোনও গল্প বানানোর প্রয়োজন নেই। তিনি স্বীকার করেন, রাগের মাথায় থানায় গিয়েছিলেন এবং সেই সময় তাঁর মাথা ঠিক ছিল না। তিনি জানান, তিনি কোনওদিন গোমাংস খাননি এবং ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকবেন। অলি পাব ও সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে করা অভিযোগ তিনি প্রত্যাহার করছেন বলেও স্পষ্ট করে দেন।অভিনেতা আরও লেখেন, রেস্তরাঁর ভুল নিয়ে তাঁর সমস্যা ছিল, কিন্তু তাঁর প্রতিক্রিয়াও হয়তো ভুল ছিল। সে জন্য তিনি দুঃখিত। ভবিষ্যতে ভ্লগ বা ইনস্টাগ্রাম কনটেন্ট বানাতে গিয়ে এই ধরনের বিতর্কে জড়াতে চান না বলেও জানান তিনি। তাঁর বক্তব্যে তিনি বলেন, তাঁর হিন্দু-মুসলিম কোনও সমস্যা নেই। তিনি কেবল নিজের কিছু ব্যক্তিগত আচার মেনে চলতে চান। তাঁর কনটেন্ট আগেও মানুষের মধ্যে ঐক্যের কথা বলেছে, ভবিষ্যতেও বলবে। পুরো ঘটনায় অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য আবারও দুঃখপ্রকাশ করেন সায়ক।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

বাজেট ২০২৬–এ পশ্চিমবঙ্গের প্রাপ্তি: মেট্রোতে জোরালো বিনিয়োগ, গতি পাচ্ছে ফ্রেট করিডর

কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ পশ্চিমবঙ্গের পরিকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিল কেন্দ্র সরকার। বিশেষ করে কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলের মেট্রো রেল প্রকল্পে অতিরিক্ত বিনিয়োগ এবং রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্য সম্ভাবনাকে চাঙ্গা করতে ফ্রেট করিডর সম্প্রসারণে বরাদ্দএই দুই ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য প্রাপ্তি হয়েছে রাজ্যের।মেট্রো রেলে গতি, শহুরে যাত্রায় স্বস্তির আশ্বাসবাজেটে কলকাতা মেট্রোর একাধিক চলমান ও প্রস্তাবিত প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। নিউ গড়িয়াএয়ারপোর্ট মেট্রো, জোকাএসপ্ল্যানেড লাইন এবং ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো করিডরের কাজ দ্রুত শেষ করার লক্ষ্যে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।কেন্দ্রের দাবি, এই বিনিয়োগের ফলে শহরের যানজট কমবে, যাত্রার সময় বাঁচবে এবং পরিবেশবান্ধব গণপরিবহণ আরও জনপ্রিয় হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মেট্রো নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত হলে কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও উত্তর ২৪ পরগনার যাত্রীদেরও সরাসরি উপকার হবে।কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ কলকাতা মেট্রো সম্প্রসারণে ফের বড়সড় বিনিয়োগের ঘোষণা করল কেন্দ্র সরকার। শহর ও শহরতলির গণপরিবহণকে আরও গতিশীল করতে অরেঞ্জ লাইন, পার্পল লাইন ও গ্রিন লাইনের জন্য মোট ২,১৪১.১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই বরাদ্দকে পূর্ব ভারতের অন্যতম বৃহৎ শহুরে পরিবহণ বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।অরেঞ্জ লাইন: বিমানবন্দরের সঙ্গে সরাসরি সংযোগে জোরনিউ গড়িয়ানেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংযোগকারী অরেঞ্জ লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৭০৫.৫০ কোটি টাকা। এই অর্থ মূলত ভায়াডাক্ট নির্মাণ, স্টেশন অবকাঠামো, সিগন্যালিং ও বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার কাজে ব্যবহার করা হবে। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে দক্ষিণ কলকাতা ও সল্টলেক-নিউ টাউনের সঙ্গে বিমানবন্দরের যাত্রা অনেকটাই সহজ হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।পার্পল লাইন: জোকাএসপ্ল্যানেডে শহর-উপশহর সেতুবন্ধনজোকাএসপ্ল্যানেড পার্পল লাইনের জন্য সর্বাধিক বরাদ্দ৯০৬.৬০ কোটি টাকা। এই লাইনের মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিম কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্রথমবারের মতো মেট্রো নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হবে। বাজেট বরাদ্দের বড় অংশ যাবে এলিভেটেড স্টেশন নির্মাণ, রোলিং স্টক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে। কেন্দ্রের দাবি, এই লাইনের কাজ দ্রুত শেষ হলে শহরের দক্ষিণ প্রান্তের যাত্রীদের দৈনন্দিন যাতায়াতে বড় স্বস্তি মিলবে।গ্রিন লাইন: পূর্ব-পশ্চিম মেট্রোতে গতি ফেরানোর চেষ্টাপূর্ব-পশ্চিম মেট্রো করিডর বা গ্রিন লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৫২৯.০০ কোটি টাকা। হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেক সেক্টর-৫ পর্যন্ত এই লাইন কলকাতার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইস্ট-ওয়েস্ট করিডর হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বরাদ্দের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ অংশের প্রযুক্তিগত কাজ, স্টেশন ফিনিশিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।শহুরে পরিবহণে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবপরিবহণ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তিনটি লাইনে বিনিয়োগ শুধু যাত্রী সুবিধা বাড়াবে না, বরং যানজট ও দূষণ কমাতেও বড় ভূমিকা নেবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শহরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনবে এই মেট্রো প্রকল্পগুলি।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬২৭-এ অরেঞ্জ, পার্পল ও গ্রিন লাইনের জন্য ঘোষিত বরাদ্দ কলকাতা মেট্রোকে নতুন মাত্রা দিতে চলেছে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।ফ্রেট করিডর: শিল্প ও বাণিজ্যের নতুন দিগন্তবাজেট ২০২৬-এ পূর্ব ভারতের শিল্প সম্ভাবনাকে সামনে রেখে ইস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর (EDFC)-এর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সংযোগ আরও শক্ত করার ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্যের শিল্পাঞ্চল, বন্দর ও লজিস্টিক হাবগুলিকে এই করিডরের সঙ্গে যুক্ত করতে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।বিশেষ করে হলদিয়া বন্দর, দুর্গাপুরআসানসোল শিল্পাঞ্চল এবং কলকাতা বন্দরের সঙ্গে দ্রুত মাল পরিবহণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এর ফলে পরিবহণ খরচ কমবে, শিল্পে বিনিয়োগ বাড়বে এবং রাজ্যে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক তাৎপর্যবিশ্লেষকদের মতে, এই বাজেট বরাদ্দ শুধু পরিকাঠামো উন্নয়ন নয়, বরং পূর্ব ভারতের প্রবৃদ্ধিতে পশ্চিমবঙ্গকে কেন্দ্রীয় ভূমিকায় আনার ইঙ্গিতও দিচ্ছে। যদিও রাজ্য সরকার আরও বেশি বরাদ্দের দাবি তুলতে পারে, তবু মেট্রো ও ফ্রেট করিডরএই দুই ক্ষেত্রে ঘোষণাকে রাজ্যের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক বলেই মনে করছে বিভিন্ন মহল।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬এ পশ্চিমবঙ্গের জন্য মেট্রো রেল ও ফ্রেট করিডর সংক্রান্ত বিনিয়োগ রাজ্যের শহুরে জীবনযাত্রা ও শিল্প-বাণিজ্যে নতুন গতি আনতে পারে বলেই আশা।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির ফাঁকে কেন্দ্রের বাজেট: স্বস্তি সীমিত, হতাশা বিস্তৃত

রবিবার সংসদে ২০২৬২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। টানা নবমবার বাজেট বক্তৃতা করলেন তিনি। নরেন্দ্র মোদী তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটি তাঁর সরকারের তৃতীয় পূর্ণাঙ্গ বাজেট। তবে বাজেট বক্তৃতা শেষ হতেই স্পষ্টপ্রত্যাশার পাহাড়ের তুলনায় প্রাপ্তি অনেকটাই খর্ব।বাজেট পেশের আগেই ব্যয় বরাদ্দ ও করছাড় ঘিরে সাধারণ মানুষ থেকে শিল্পমহলসর্বত্র উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। রবিবার সকাল ১১টা নাগাদ সংসদে ভাষণ শুরু করেন অর্থমন্ত্রী। তার আগে প্রথামাফিক রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। কিন্তু বাজেট ঘোষণার পর ক্রমশ স্পষ্ট হয়, বড় কোনও চমক নেই।বিশেষ করে রাজ্যভিত্তিক বরাদ্দের ক্ষেত্রে বাংলা কার্যত ব্রাত্য। পরিকাঠামো, শিল্প বা বিশেষ প্রকল্পকোনও ক্ষেত্রেই রাজ্যের জন্য উল্লেখযোগ্য ঘোষণা শোনা যায়নি। করদাতাদের ক্ষেত্রেও হতাশা চোখে পড়ার মতো। আয়কর কাঠামোয় তেমন কোনও বড় পরিবর্তন বা অতিরিক্ত ছাড় ঘোষণা হয়নি।তবে সম্পূর্ণ হতাশার ছবি নয়। কিছু পণ্যে শুল্ক কমানোর ফলে দৈনন্দিন জীবনে সীমিত হলেও স্বস্তি মিলতে পারে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, বিমানের যন্ত্রাংশে শুল্ক কমানো হবে। এর ফলে বিমান সংক্রান্ত খরচ কমার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে মাইক্রোওভেনের যন্ত্রাংশ-সহ বেশ কিছু বৈদ্যুতিন পণ্যের উপর শুল্ক হ্রাস করা হয়েছে, যা বাজারদরে প্রভাব ফেলতে পারে।স্বাস্থ্যক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ঘোষণা হিসেবে ১৭টি ক্যানসারের ওষুধে আমদানি শুল্ক কমানো হয়েছে। পাশাপাশি ডায়াবেটিসের কিছু ওষুধও সস্তা হতে চলেছে। এতে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা খরচ কিছুটা কমবে বলেই আশা।পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও শুল্কছাড়ের ঘোষণা করা হয়েছে। বৈদ্যুতিন গাড়ির ব্যাটারি এবং সৌরশক্তিচালিত প্যানেলের দাম কমতে পারে। মোবাইল ফোন তৈরির কাঁচামালের উপর শুল্ক কমানোয় দেশীয় স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট সস্তা হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।চামড়াশিল্পকে উৎসাহ দিতে নির্দিষ্ট কিছু পণ্যে শুল্কমুক্ত আমদানির প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকার উচ্চ শুল্কের চাপে থাকা চামড়া রফতানিকারকদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তির খবর। পাশাপাশি বিদেশে পড়াশোনা ও ভ্রমণের খরচ কমার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।অন্যদিকে, স্বস্তির পাশাপাশি চাপও বাড়ছে কিছু ক্ষেত্রে। বিলাসবহুল ঘড়ি এবং বিদেশি মদের উপর কর বাড়ানো হয়েছে। ফলে এই সব পণ্যের দাম আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে। কফি রোস্টিং ও ব্রিউইং মেশিনে ছাড় তুলে নেওয়ায় সেগুলিও আরও ব্যয়বহুল হতে পারে। পাশাপাশি কিছু সার, আমদানিকৃত টেলিভিশন সরঞ্জাম, ক্যামেরা এবং চিত্রগ্রহণ সংক্রান্ত যন্ত্রাংশের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।বাজেট বক্তৃতাজুড়ে আত্মনির্ভর ভারত ও বিকশিত ভারত-এর কথা বারবার উঠে এসেছে। অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার এবং ভোক্তাদের স্বস্তি দেওয়ার দাবি করেছে কেন্দ্র। কিন্তু অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বাস্তবে এই বাজেটে এমন কোনও যুগান্তকারী ঘোষণা নেই, যা সাধারণ মানুষের জীবনে বড় পরিবর্তন আনবে।সব মিলিয়ে, ২০২৬২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট সীমিত স্বস্তি দিলেও বৃহত্তর প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থএই মূল্যায়নই এখন ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal