• ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩, সোমবার ০৩ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

KIFF

রাজনীতি

'দ্য বেঙ্গল ফাইলস' দেখাতে বাম্পার কৌশল বঙ্গ BJP-র! রাজ্যে আরও এক ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল

শুরু থেকেই নানা বিতর্কে জর্জরিত বিবেক অগ্নিহোত্রীর ছবি দ্য বেঙ্গল ফাইলস। এবার সেই সিনেমাকেই কেন্দ্র করে নতুন পদক্ষেপ নিতে চলেছে বঙ্গ বিজেপি। জানা গিয়েছে, কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সমান্তরালে নিজেদের উদ্যোগে আলাদা এক চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন করছে তারা।সূত্রের খবর অনুযায়ী, ওই উৎসবে দেশি-বিদেশি, আঞ্চলিক এবং বাংলা ছবির প্রদর্শনী হবে। এর জন্য শহরের কয়েকটি কেন্দ্রীয় সরকারি অডিটোরিয়াম ভাড়া নেওয়ার পরিকল্পনা চলছে। উৎসবে থাকবেন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের অভিনেতা-পরিচালকরা। পুরো দায়িত্ব সামলাচ্ছেন বিজেপি নেতা-অভিনেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায় ও রুদ্রনীল ঘোষ। সিদ্ধান্তে সায় দিয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও।এদিকে, ৫ সেপ্টেম্বর গোটা দেশে মুক্তি পেলেও দ্য বেঙ্গল ফাইলস এখনও পর্যন্ত বাংলার প্রেক্ষাগৃহে দেখা যায়নি। ফলে এই সমান্তরাল উৎসবেই ছবিটি দেখানো হবে কি না, সেই প্রশ্ন উঠেছে। রুদ্রনীল ঘোষ অবশ্য জানাচ্ছেন, আমাদের ভুল কিংবা অন্যায় মেনে নেওয়ার জায়গা তৈরি হয় না। অথচ সেই যুক্তিতে অর্ধেক বাংলাবাসীকেই বাদ দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাই একটা বিকল্প মঞ্চ দরকার। এই উৎসব সেই নিরপেক্ষ জায়গা তৈরির চেষ্টা।রুদ্রনীলের দাবি, উৎসবে এমন সব ছবি দেখানো হবে যেগুলি মানবিকতা আর গণতান্ত্রিক অধিকারের কথা বলবে। সেখানেই থাকছে দ্য বেঙ্গল ফাইলস। তাঁর বক্তব্য, দেশজুড়ে ছবি মুক্তি পেলেও বাংলায় ব্যবসায়ীদের নানা চাপের মুখে পিছিয়ে যেতে হয়। হল মালিকরা অশান্তির ভয়ে ঝুঁকি নেন না। সবাই আসলে ২০২৬-এর রাজনৈতিক ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করছে। তাই দর্শকদের সামনে সেই জানলা খুলে দেওয়ার লক্ষ্যেই আমাদের এই আয়োজন।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৫
রাজ্য

দিদির বাড়ি দেখে হিংসে করেন সলমন খান, বললেন চলচ্চিত্র উৎসবের মঞ্চে

কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রথমবার হাজির মুম্বাইয়ের সুপারস্টার সলমন খান। ছিলেন না অমিতাভ বচ্চন, শাহরুখ খানরা। এর আগে তাঁরা প্রতিবারই হাজির থাকবেন বলে ঘোষণা করেছিলেন। এর আগে কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়েছিলেন সলমন। এবার বললেন সেই অভিজ্ঞতা।এবার চলচ্চিত্র উৎসবে হাজির হয়েছেন অনিল কাপুর, শত্রুঘ্ন সিনহা। তাঁরা বক্তব্য রেখে ফেলেছেন। এদিন সলমন বলেন, কালীঘাটে দেখতে গিয়েছিলাম দিদির বাড়ি।এর আগে সাল্লু ভাই তথা ভাইজান এসেছিলেন কলকাতায়। সেদিন আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর কালীঘাটের বাসভবনে। পুরনো কথা তুলেই তিনি বললেন, আমি যখন এর আগে আমন্ত্রণ পেলাম তখন একটাই বিষয় মাথায় ঘুরছিল, যে গিয়ে এটাই দেখব দিদির বাড়ি আসলেই এত ছোট কিনা? আমার বাড়ির থেকে ছোট কিনা দেখতে গিয়েছিলাম। আমি আপনার সঙ্গে হিংসা করি দিদি। আমি সত্যিই ভাবিনি যে আপনার বাড়ি আমার থেকে ছোট হবে। এপ্রসঙ্গে অনিল কাপুরের বাংলোর কথাও বললেন।কিন্তু, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার বাড়ি এত ছোট যেন ভাবতেই পারেননি তিনি। বেশ অবাক হয়েছিলেন। বললেন, আমি খুব খুশি, যে সত্যি দিদির বাড়ি এত ছোট। এত ক্ষমতায় থেকেও তাঁর বাড়ি যে এত ছোট হবে, অবিশ্বাস্য! আমার হিংসা হয় দিদি। আমার আর বড় বাড়ির ইচ্ছে নেই।উল্লেখ্য, সলমন এই প্রথমবার এই অনুষ্ঠানে এসেছেন। আর বাংলার মানুষের উন্মাদনা দেখে তিনি আপ্লুত। সলমন খান বললেন, আমরা বাংলার কাছে বাঙালির কাছে ঋণী। এখানের মানুষরা অনেক কিছু দিয়েছেন। আমরা হিন্দি ছবির মানুষ হলেও বাংলার ট্যালেন্টকে কদর করি।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

কলকাতায় আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে যোগ দিতে শহরে সুপারস্টার অমিতাভ

২৮ তম কলকাতা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের উদ্বোধনে শহরে এলেন বলিউড সুপার স্টার অমিতাভ বচ্চন। তাকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে আসেন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা। বৃহস্পতিবার বিকেলে নেতাজী ইনডোর স্টেডিয়ামে এই প্রোগ্রামের উদ্বোধন করবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই অনুষ্ঠানে বলিউডের সুপারস্টার শাহরুখ খান, জয়া বচ্চন, রানী মুখার্জি, শত্রুঘ্ন সিনহা, সহ এক ঝাঁক তারকার উপস্থিত থাকার কথা।কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের যাত্রা শুরু ১৯৯৫-এ। সত্যজিৎ রায়, ঋত্বিক ঘটক, মৃণাল সেন এবং বাংলার চলচ্চিত্রের মহীরুহদের পদচিহ্নে এই উৎসব আজ ভারত ছাড়িয়ে আন্তঃর্জাতীক সমাদর পেয়েছে। বিশ্ববরেণ্য বাংলা চলচিত্রকার-দের অনুপ্রেরণা ও অবদানে আজ কলকাতা চলচিত্র উৎসব আক্ষরিক অর্থেই আন্তঃর্জাতীক।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে কেন আমন্ত্রণ জেটেনি? কী জানালেন শ্রীলেখা

সোমবার সন্ধ্যায় নজরুল মঞ্চে জমকালো ভাবে শুরু হল কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচিত্র উৎসব। কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ২৭তম বছরে পদার্পণ করল। গতবছর করোনা বিধিনিষধের কারণে এই উৎসব বাতিল করা হয়েছিল। তারকা-খচিত ২৭তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতার তথাকথিত বিশিষ্ট শিল্পীরা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। স্বনামধন্য চিত্র পরিচালক সন্দীপ রায়, গৌতম ঘোষ এছাড়াও অভিনেতা রঞ্জিৎ মল্লিক, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, সাংসদ ও অভিনেত্রী নুসরত জাহান, শতাব্দী রায়, অভিনেত্রী ইন্দ্রাণী হালদার, অভিনেত্রী ও যুব তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি সায়নী ঘোষ, সদ্য নির্বাচিত তৃণমূল বিধায়ক বাবুল সুপ্রিয়-সহ অন্যান্যরা।এবছর বিশেষ অতিথি হিসাবে আমন্ত্রিত ছিলেন সদ্য আসানসোল উপ-নির্বাচনে জয়ী তৃণমূল সাংসদ সস্ত্রীক শত্রুঘ্ন সিনহা। বিগত কয়েকবছর ধরেই কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সুরটা একটা অন্য মাত্রায় বেঁধে দিয়ে গিয়েছিলেন বাংলার জামাই ভারতীয় চলচিত্রের শাহেনশা অমিতাভ বচ্চন। তাঁর উদ্বোধনী ভাষণ ছিল এক সুত্রে বাঁধা চলচিত্র ইতিহাসের মালা। চলচিত্র সম্বন্ধে সম্যক জ্ঞ্যান না থাকা ব্যাক্তিও ভারতীয় চলচিত্রের ইতিহাস অবলীলায় গলধকরণ করে ফেলতে পারতেন। এবছরের অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত ছিলেন না, ছিলেন না বাংলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বেসাডার শাহরুখ খান।মে মাসের প্রথম দিন পর্যন্ত চলবে চলচ্চিত্র উৎসব। চল্লিশটি দেশের মোট ১৬৩টি চলচিত্র দেখানো হবে শহরের ১০টি প্রেক্ষাগৃহে। ২৭তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ফোকাস কান্ট্রি ফিনল্যান্ড। ফিনল্যান্ডের সাতটি ছবি এবারের উৎসবে দেখানো হবে। এছাড়াও ভারতবর্ষের স্বাধীনতার হীরকজয়ন্তী পূর্তির জন্য কয়েকটি বিশেষ ছবি রাখা হয়েছে।  চিত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে শতবর্ষ উপলক্ষে সম্মান জানানো হচ্ছে দুই কিংবদন্তী সত্যজিৎ রায় ও চিদানন্দ দাশগুপ্তকে।ভেনিস চলচিত্র উৎসবউদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কলকাতার খ্যাত / অখ্যাত চিত্র ও টেলিভিশন দুনিয়ার নামী বা উঠতি অভিনেতা অভিনেত্রীদের উপস্থিতি দেখা গেলেও, উল্লেখযোগ্য অনুপস্থিতি শ্রীলেখা মিত্র। নব্বইয়ের দশকে যাঁর অভিনয় যাত্রা শুরু, প্রচুর জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ও টিভি সিরিয়ালে তিনি সাফল্য ও যোগ্যতার সঙ্গে অভিনয় করেছেন। একাধিক পুরস্কারের বিজয়িনী শ্রীলেখা ভারতীয় চলচ্চিত্রকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিয়ে গেছেন। কিন্তু তাঁর প্রাণের শহর মনের শহরে অনুষ্ঠিত কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে আমন্ত্রণ-ই পেলেন না শ্রীলেখা! সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন অভিনেত্রী- লিখেছেন এটা কি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা? প্রশ্ন অভিনেত্রীর।শ্রীলেখা সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচিত্র উৎসব থেকে কোনও ইনভাইট আসেনি। এমনকি একটা ফোন পর্যন্ত না। এটা কি আমার পলিটিক্যাল ওপিনিয়ান-এর কারণে না অন্য কোনও অজ্ঞাত কারণ আছে? টিএমসি সরকার কি ভিন্ডিক্টটিভ মাইরি! অভিনেত্রী জনতার কথা কে জানিয়েছেন তাঁর বামপন্থী মনোভাবাপন্নতার জন্যই সংগঠকরা প্রতিহিংশাপরায়ণ হয়ে তাঁকে ব্রাত্য করেছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, তিনি সেই ভাবে তোষামোদ করতে পারেন না বলেই তাঁকে কাজ দেওয়া হয় না। শ্রীলেখা জনতার কথা কে আরও বলেন, সমগ্র বিশ্বের যেকোনও প্রান্তে শিল্পীর কোনও রাজনৈতিক সত্ত্বা দেখা হয় না। সেটা তাঁর একান্ত ব্যক্তিগত। কিন্তু এই চলচ্চিত্র উৎসবের মঞ্চের মানুষজনকে দেখে বোঝাই যাচ্ছে এটা তৃণমূল সরকারের প্রোগ্রাম।সামাজিক মাধ্যমে তাঁর কোনও এক গুনাগ্রাহীর প্রশ্নের প্রত্যুত্তরে তিনি লেখেন যে আন্তর্যাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের মঞ্চে উঠেছে তাঁর কাছে এই মঞ্চ...। তাঁর এই শ্লেষ থেকে এটুকু বুঝতে অসুবিধা হয় না, তিনি আমন্ত্রণ পেয়ে উপস্থিত হওয়ার থেকে তাঁর কাছে অনেক মূল্যবান তাঁর শিল্পী সত্তার সন্মান। কিছুদিন আগেই শ্রীলেখা মিত্র ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের রেড কার্পেটে হেঁটে এসেছেন। যে চলচিত্র উৎসবকে বিশ্বের সেরা তিন চলচ্চিত্র উৎসবের মধ্যে একটি ধরা হয়। তিনি নিউইয়র্ক চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা অভিনেত্রীর মনোনয়ন পেয়েছেন পরিচালক আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্তর ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ক্যালকাটা সিনেমার জন্য। আর কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সেই স্বনামধন্য অভিনেত্রীকেই তাঁর নিজের রাজ্যের চলচ্চিত্র উৎসবে নিমন্ত্রণ করা হল না!নজরুল মঞ্চে অনুষ্ঠিত কলকাতা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে টলিপাড়ার ছোট বড় মাঝারি বহু তারকার দেখা মিললেও, শ্রীলেখার দেখা মেলেনি। শ্রীলেখা বরাবরই বামপন্থী রাজনীতির সমর্থক। এমনকী গত বিধানসভা নির্বাচনে চিত্র জগতের যখন ফুলমেলা চলছিল, কে কোন ফুল হাতে নেবে তাঁর প্রতিযোগিতা চলছিল, তখনও তিনি তাঁর মতাদর্শ আঁকড়ে কাস্তেকেই বেছে নিয়েছিলেন। শ্রীলেখা মিত্র ওই নির্বাচনে সারা বাংলা জুড়ে বাম শিবিরের হয়ে প্রচার চালিয়ে গিয়েছেন। তিনি বরাবরই প্রতিবাদী, শ্রীলেখা টলি-ইন্ড্রাস্ট্রির স্বজনপোষণ ও নানা রাজনৈতিক ইস্যু নিয়েও সরব হয়েছেন একাধিকবার। অভিজ্ঞ মহলের মতে, হয় তো তারই মাশুল গুণতে হল অভিনেত্রীকে!

এপ্রিল ২৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

KIFF : করোনার জেরে পিছলো কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব

করোনার প্রকোপ দিন দিন বেড়েই চলেছে। কোভিডে আক্রান্ত হচ্ছেন টলিউডের এক এক তারকা। কাল রাতে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন চলচ্চিত্র উৎসবের চেয়ারপার্সন রাজ চক্রবর্তী। আজ আক্রান্ত হলেন আয়োজক কমিটির সদস্য পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়।রাজ চলচ্চিত্র উৎসব কমিটির প্রধান কর্মকর্তা। রাজ সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন। দুজনের আলোচনার পরে মুখ্যমন্ত্রীর সম্মতিতে ঠিক হয় আপাতত চলচ্চিত্র উৎসব স্থগিত রাখা হবে। এই সিদ্ধান্তে সমর্থন জানিয়েছেন অরিন্দম শীল, নন্দনের তরফে মিত্র চট্টোপাধ্যায়, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, ইন্দ্রনীল সেন-সহ অনেকেই। চলচ্চিত্র কমিটির তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, বর্তমান করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে সবরকম সম্ভাবনার কথা বিচার করা হয়েছে। সিনে প্রেমী, সাধারণ নাগরিক, ছবি উত্সবের সঙ্গে যুক্ত বেশ কিছু সদস্যও এই মুহূর্তে করোনা আক্রান্ত। সবার সুরক্ষার কথা বিচার করে এই মুহূর্তে রাজ্য সরকার সাময়িকভাবে ২৭তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উত্সব স্থগিত রাখবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী ৭ থেকে ১৫ই জানুয়ারি এই ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। খুব শীঘ্রই ছবি উত্সবের নতুন দিনক্ষণ জানানো হবে। করোনার কারণে চলতি বছরে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামের বদলে নবান্ন সভাঘর থেকে ভার্চুয়ালি উদ্বোধন হবে উৎসবের। মঙ্গলবার শিশির মঞ্চে সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রীর সেই নির্দেশই জারি ছিল।উক্ত সাংবাদিক স্মমেলনে থাকতে পারেননি বিধায়ক-পরিচালক রাজ। উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন, প্রচার কমিটির তরফে অনন্যা চট্টোপাধ্যায়, নন্দনের পক্ষ থেকে মিত্র চট্টোপাধ্যায়, পরিচালন কমিটির নৈরাঞ্জন চট্টোপাধ্যায়। ছিলেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, হরনাথ চক্রবর্তীও।উল্লেখ্য প্রতি বছর কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের কয়েকটা সিনেপ্রেমীদে্র জন্য আদর্শ সময়। কোভিডের জন্য গত বছরের ২৬ তম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব এই বছর জানুয়ারির ৮-১৫ তারিখ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়। কোভিডের জন্য ২৭ তম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের তারিখ পিছিয়ে যায়। এবার রাজ চক্রবর্তী ও পরমব্রত করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় আরও বেশ কিছুদিন পিছিয়ে গেল।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

শেষ মুহূর্তে বড় সিদ্ধান্ত! ইরানে হামলা স্থগিত, আচমকা কী ঘোষণা করলেন ট্রাম্প?

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হলেও শেষ মুহূর্তে পরিস্থিতিতে বড় মোড় এল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যে সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তা আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। তাঁর এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।এর আগে মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশে থাকা মার্কিন নাগরিকদের জন্য সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছিল। বাহরিন, ইরাক, ইজরায়েল, জর্ডন, কুয়েত, লেবানন, ওমান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে থাকা মার্কিন নাগরিকদের প্রয়োজন হলে দ্রুত দেশ ছাড়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়। এই সতর্কবার্তার পরই সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের জল্পনা তীব্র হয়ে ওঠে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই ট্রাম্প জানান, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। তাঁর দাবি, সম্ভাব্য চুক্তির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দুই পক্ষ নীতিগতভাবে একমত হয়েছে। সেই কারণেই আপাতত সামরিক অভিযান থেকে সরে এসেছে আমেরিকা।ট্রাম্প তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেন, ইরান এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ আমেরিকাকে হামলা না করার অনুরোধ জানিয়েছে। তাঁর বক্তব্য, সম্ভাব্য চুক্তির অংশ হিসেবে হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণভাবে খুলে দেওয়া এবং ইরানের পরমাণু কর্মসূচি থেকে তৈরি হওয়া নিরাপত্তা উদ্বেগের সমাধান নিয়ে আলোচনা এগোচ্ছে। তবে এই দাবিগুলির স্বাধীনভাবে সরকারি বা আন্তর্জাতিক সূত্রে পূর্ণ নিশ্চিতকরণ তখনও পাওয়া যায়নি।মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, বিশ্বের বৃহত্তর স্বার্থ এবং মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার লক্ষ্যেই তিনি সামরিক অভিযান স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর আশা, দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে একটি সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হবে।এর আগে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহলে জল্পনা ছড়িয়েছিল, আমেরিকা ও ইজরায়েল যৌথভাবে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও পরমাণু পরিকাঠামোর বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান চালাতে পারে। সেই আশঙ্কার মধ্যেই ট্রাম্পের নতুন ঘোষণা সাময়িক স্বস্তি এনে দিয়েছে। তবে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি কোন দিকে এগোবে, তা নির্ভর করবে চলমান কূটনৈতিক আলোচনার ফলাফলের উপর।

আগস্ট ০২, ২০২৬
কলকাতা

জঙ্গি দমনে বড় পদক্ষেপ! রাজ্যে আসছে নতুন সন্ত্রাসদমন বাহিনী, নজরে একাধিক জেলা

রাজ্যে জঙ্গি দমনে আরও শক্তিশালী ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা শুরু হয়েছে। নবান্ন সূত্রে খবর, মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ, গুজরাট এবং দিল্লির ধাঁচে একটি নতুন সন্ত্রাসদমন বাহিনী গঠনের বিষয়ে প্রাথমিকভাবে ভাবনা-চিন্তা চলছে। এই নিয়ে একাধিক দফায় বৈঠকও হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত সরকারিভাবে কোনও চূড়ান্ত ঘোষণা করা হয়নি।বর্তমানে রাজ্য পুলিশ এবং কলকাতা পুলিশের আলাদা স্পেশাল টাস্ক ফোর্স রয়েছে। নতুন পরিকল্পনায় এই দুই বাহিনীকে একত্রিত করে আরও শক্তিশালী কাঠামো তৈরির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। লক্ষ্য, জঙ্গি কার্যকলাপ, স্লিপার সেল এবং নাশকতার সম্ভাবনা আরও দ্রুত চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া।সম্প্রতি হামিম মণ্ডল এবং তার সহযোগী অর্পিতা সরকারকে গ্রেপ্তারের পর গোয়েন্দাদের নজর আরও তীক্ষ্ণ হয়েছে। তদন্তে উঠে আসা বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে গোয়েন্দারা মনে করছেন, জঙ্গি সংগঠনগুলির নেটওয়ার্ক, নিয়োগ প্রক্রিয়া এবং অনলাইন যোগাযোগের উপর আরও কড়া নজরদারির প্রয়োজন রয়েছে। সীমান্ত এলাকা ও সংবেদনশীল জেলাগুলিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।সূত্রের খবর, নতুন বাহিনীর নেতৃত্বে একজন আইজি পদমর্যাদার পুলিশ আধিকারিক থাকতে পারেন। তাঁর অধীনে ডিআইজি, এসপি-সহ বিভিন্ন স্তরের অফিসাররা কাজ করবেন। মূল দপ্তর কলকাতা বা তার আশপাশে তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জেলায় শাখা দপ্তর খোলার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।গোয়েন্দাদের প্রাথমিক মূল্যায়ন অনুযায়ী, সীমান্তবর্তী এবং অতীতে জঙ্গি কার্যকলাপের তদন্তে উঠে আসা কয়েকটি জেলা বিশেষ নজরদারির আওতায় থাকতে পারে। সেখানে নতুন বাহিনীর শাখা তৈরি হলে স্থানীয় স্তরে তথ্য সংগ্রহ, সন্দেহজনক গতিবিধি পর্যবেক্ষণ এবং কেন্দ্রীয় সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় আরও দ্রুত করা সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে।রাজ্যের নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করা এবং সম্ভাব্য জঙ্গি নেটওয়ার্ক দ্রুত চিহ্নিত করাই এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য। তবে নতুন সন্ত্রাসদমন বাহিনী গঠন নিয়ে এখনও সরকারিভাবে কোনও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়নি। প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা হতে পারে।

আগস্ট ০২, ২০২৬
রাজ্য

ইনস্টাগ্রামের প্রেম থেকে জঙ্গি জাল! হামিম-অর্পিতার সম্পর্ক ঘিরে বিস্ফোরক তথ্য তদন্তে

জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যোগের অভিযোগে ধৃত হামিম মণ্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার দাবি করেছে তদন্তকারীরা। সেই তদন্তেই উঠে এসেছে ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা অর্পিতা সরকারের নাম। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, সোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে তাঁদের পরিচয় হয় এবং পরে দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে বড় নেটওয়ার্ক তৈরির চেষ্টা হয়েছিল কি না, তা এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে।জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যোগের অভিযোগে ধৃত হামিম মণ্ডল ও ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা অর্পিতা সরকারের সম্পর্ক ঘিরে তদন্তে একের পর এক নতুন তথ্য সামনে আসছে। তদন্তকারীদের দাবি, সোশাল মিডিয়ায় পরিচয়ের পর তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে সেই সম্পর্ককে ব্যবহার করে হানিট্র্যাপ, ব্ল্যাকমেল এবং অপহরণের পরিকল্পনা করা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারী সংস্থার দাবি, হাওড়ার এক মন্ত্রীর ছেলেকে দীর্ঘ সময় ধরে সোশাল মিডিয়ায় যোগাযোগের মাধ্যমে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করা হয়। অভিযোগ, সেই সূত্রে টাকা আদায় এবং পরে অপহরণের পরিকল্পনাও করা হয়েছিল। যদিও এই অভিযোগের সব দিক এখনও তদন্তাধীন।এসটিএফের প্রাথমিক অনুমান, শুধু একজন নয়, আরও কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তিকেও একইভাবে টার্গেট করার পরিকল্পনা ছিল। হামিম ও অর্পিতার মাধ্যমে একটি বড় নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার চেষ্টা হচ্ছিল বলে তদন্তকারীদের সন্দেহ। সম্ভাব্য টার্গেটদের গতিবিধির উপর নজর রাখার কাজও চলছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তে জানা গিয়েছে, ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জ জেলার বাসিন্দা অর্পিতা সরকার সোশাল মিডিয়ায় অত্যন্ত সক্রিয় ছিলেন। বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ভিডিও তৈরি করতেন। প্রায় চার বছর আগে ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে হামিমের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। হামিম নিজেকে ব্যবসায়ী বলে পরিচয় দিয়েছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে। পরে তাঁদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ শুরু হয় এবং সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়।তদন্তকারীদের দাবি, হামিমের মাধ্যমে অর্পিতার পরিচয় পাকিস্তানভিত্তিক কয়েকজন হ্যান্ডলারের সঙ্গে হয়। এরপর তাঁকে বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তদন্তকারী সংস্থা এখন খতিয়ে দেখছে, এই নেটওয়ার্কে আরও কেউ জড়িত ছিল কি না এবং একই ধরনের হানিট্র্যাপের ঘটনায় অন্য কোনও ব্যক্তি জড়িয়ে পড়েছিলেন কি না।

আগস্ট ০২, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপুরের একাধিক বহুতলে সতর্কতা! সেখানেই লুকিয়ে থাকতে পারে হামিমরা

জঙ্গি কার্যকলাপে ভাড়া বাড়ির ব্যবহার নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে রাজ্যে। পূর্ব বর্ধমান থেকে জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যোগের অভিযোগে হামিম মণ্ডল গ্রেপ্তার হওয়ার পর বিভিন্ন আবাসনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে সতর্কতা বাড়ানো হয়েছে। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, ভাড়া ফ্ল্যাটকে ব্যবহার করে কোনও নেটওয়ার্ক পরিচালিত হচ্ছিল কি না।হামিম মণ্ডলকে পূর্ব বর্ধমানের একটি আবাসনের ভাড়া ফ্ল্যাট থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেই ঘটনার পর দুর্গাপুর ও কাঁকসা এলাকার বড় বড় আবাসনগুলিতেও সতর্কতা জারি হয়েছে। প্রশাসনের মতে, ভাড়াটিয়াদের পরিচয় যাচাই করা এবং প্রয়োজনীয় নথি জমা রাখা এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।দুর্গাপুরের অন্যতম বড় আবাসন তপোবন সিটিতে বহু পরিবার বসবাস করেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কর্মসূত্রে বহু মানুষ এখানে ভাড়া থাকেন। সেই কারণে আবাসনের নিরাপত্তা আরও জোরদার করার উপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।স্থানীয় বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় আবাসনের বাসিন্দাদের উদ্দেশে আবেদন জানিয়েছেন, কেউ ফ্ল্যাট ভাড়া দিলে ভাড়াটিয়ার আধার, ভোটার পরিচয়পত্র-সহ প্রয়োজনীয় নথির অনুলিপি স্থানীয় থানায় জমা দিতে হবে। পাশাপাশি কোনও সন্দেহজনক ব্যক্তি বা অস্বাভাবিক কার্যকলাপ নজরে এলে দ্রুত প্রশাসনকে জানাতে হবে।উল্লেখ্য, এর আগেও কাঁকসা এলাকা থেকে বাংলাদেশভিত্তিক একটি জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগ থাকার অভিযোগে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছিল এসটিএফ। সেই ঘটনার পর থেকেই এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছিল। এবার হামিম মণ্ডল গ্রেপ্তার হওয়ার পর আবারও ভাড়া আবাসনগুলির নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশাসন বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, ভাড়া বাড়িকে ব্যবহার করে কোনও সংগঠিত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার চেষ্টা হয়েছিল কি না।

আগস্ট ০২, ২০২৬
কলকাতা

রবীন্দ্রসদনে নজিরবিহীন ঘটনা! জয় গোস্বামীকে ঘিরে দর্শকদের আপত্তি, পরে মুখ খুললেন তসলিমা

রবীন্দ্রসদনে তসলিমা নাসরিনকে সংবর্ধনা এবং তাঁর বই প্রকাশের অনুষ্ঠানে এমন একটি ঘটনা ঘটল, যা নিয়ে সাহিত্য ও সংস্কৃতি মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। বক্তব্য রাখতে উঠে তসলিমা দর্শকাসনে বসে থাকা কবি জয় গোস্বামীকে মঞ্চে আসার আমন্ত্রণ জানান। কিন্তু জয় গোস্বামী আসন ছেড়ে মঞ্চের দিকে এগোতেই দর্শকদের একাংশ আপত্তি জানাতে শুরু করেন। পরিস্থিতি বুঝে তিনি আর মঞ্চে না উঠে নিজের আসনে ফিরে যান।ঘটনার পরে নিজের বক্তব্যে তসলিমা নাসরিন বাকস্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং মুক্ত চিন্তার গুরুত্বের কথা বলেন। যদিও মঞ্চে দাঁড়িয়ে জয় গোস্বামীর ফিরে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে আলাদা করে কোনও মন্তব্য করেননি। পরে সংবাদমাধ্যমের কাছে তিনি জানান, তিনি আন্তরিকভাবেই জয় গোস্বামীকে মঞ্চে ডাকেন। তাঁর কথায়, একজন বড় কবি হিসেবে জয় গোস্বামীর প্রতি তাঁর শ্রদ্ধা রয়েছে। রাজনৈতিক মতের মিল না থাকলেও সাহিত্যিককে সম্মান জানানো উচিত বলেই তিনি মনে করেন।তসলিমা আরও বলেন, তিনি এমন পরিবেশের পক্ষপাতী নন যেখানে মতের অমিল থাকলেই কাউকে বর্জন করা হবে। তাঁর মতে, ভিন্ন রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত মত থাকলেও একই মঞ্চে উপস্থিত থাকা এবং পরস্পরকে সম্মান করা গণতান্ত্রিক সমাজের লক্ষণ।রবীন্দ্রসদনের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন মহলে বিতর্ক শুরু হয়েছে। একাংশের মতে, একজন প্রখ্যাত কবিকে এভাবে মঞ্চে উঠতে না দেওয়া দুর্ভাগ্যজনক। আবার অন্য একটি অংশের দাবি, জয় গোস্বামীর অতীত অবস্থানের কারণেই দর্শকদের একাংশ এমন প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। তবে এই ঘটনার পর তসলিমার মন্তব্য নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।এই ঘটনার রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক তাৎপর্যও এখন আলোচনায়। দীর্ঘদিন পর কলকাতায় প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তসলিমা নাসরিন বাকস্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকারের পক্ষে জোরালো বার্তা দেন। সেই অনুষ্ঠানেই জয় গোস্বামীকে ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি সাহিত্য ও সংস্কৃতি জগতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

আগস্ট ০২, ২০২৬
দেশ

যুব সমাজকে ঘিরে বড় সতর্কবার্তা মোদীর! কেন বললেন, শত্রুরা নেশার ফাঁদে ফেলতে চাইছে ভারতকে?

দেশের ভবিষ্যৎ যুব সমাজের হাতেই। তাই তরুণ প্রজন্মকে নেশার কবল থেকে দূরে রাখতে দেশজুড়ে বড় উদ্যোগ নিল কেন্দ্র সরকার। রবিবার নেশা মুক্ত যুব কর্মসূচিতে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যুব সমাজকে মাদক থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান। তাঁর বক্তব্য, নেশা শুধু একজন মানুষের জীবন নষ্ট করে না, ভেঙে দেয় একটি পরিবারের স্বপ্ন এবং দুর্বল করে দেশের ভবিষ্যৎ।বিকশিত ভারত সংকল্প অভিযান-এর অংশ হিসেবে দেশজুড়ে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। সকাল থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একযোগে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নেশা একজন মায়ের মুখের হাসি কেড়ে নেয়, বাবার আশা ভেঙে দেয় এবং পরিবারের প্রত্যেক সদস্যকে কষ্ট দেয়। তাই যুব সমাজকে এই বিপদ থেকে রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শত্রুরা শুধু সীমান্তে নয়, সমাজের ভিতরেও আঘাত হানার চেষ্টা করছে। তাঁর দাবি, মাদক ছড়িয়ে দিয়ে যুব সমাজকে দুর্বল করার ষড়যন্ত্রও চলছে। মাদকের অবৈধ ব্যবসা থেকে বিপুল অর্থ উপার্জনের পাশাপাশি দেশের শক্তিকে দুর্বল করাও তাদের উদ্দেশ্য হতে পারে। তাই প্রত্যেক যুবক-যুবতীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।দেশজুড়ে এই কর্মসূচি উপলক্ষে প্রায় আটাশ হাজারের বেশি স্থানে অনুষ্ঠান হচ্ছে। আয়োজকদের দাবি, এক কোটিরও বেশি যুবক-যুবতী এতে অংশ নিচ্ছেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত রয়েছেন। তরুণদের নেশামুক্ত জীবন গড়ে তোলার বার্তা দিতে একাধিক আধ্যাত্মিক নেতা, সমাজসেবী এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব বক্তব্য রাখছেন।এই কর্মসূচিতে বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যপাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিল্প সংস্থা এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনও অংশ নিয়েছে। ব্রহ্ম কুমারী, ইসকন, চিন্ময় মিশন, অরোভিল-সহ একাধিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা যুব সমাজকে সচেতন করার উদ্যোগে শামিল হয়েছেন। অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া বহু তরুণ নেশামুক্ত সমাজ গড়ার শপথও নেন।ভারতে মাদকবিরোধী সচেতনতা বাড়াতে কেন্দ্র সরকার গত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন কর্মসূচি চালিয়ে আসছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে নিয়মিত প্রচার, সচেতনতা অভিযান ও পুনর্বাসন কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবেই নেশা মুক্ত যুব কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। সরকারের দাবি, যুব সমাজকে সচেতন করে তুলতে পারলেই সুস্থ, শক্তিশালী এবং উন্নত ভারত গড়ার লক্ষ্য আরও সহজ হবে।

আগস্ট ০২, ২০২৬
রাজ্য

হাওড়ায় মিলল হামিমের গোপন ঘাঁটি! জামার ট্যাগের দোকানের আড়ালে চলত কী ভয়ঙ্কর খেলা?

জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যোগের অভিযোগে গ্রেপ্তার হামিম মণ্ডলকে ঘিরে তদন্তে ফের বড় তথ্য সামনে এসেছে। এবার হাওড়ার পিলখানায় তার ব্যবহৃত একটি ঠিকানার খোঁজ পেয়েছেন তদন্তকারীরা। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, সেখানে জামাকাপড়ের ট্যাগ তৈরির কাজ হত। তবে এই ব্যবসার আড়ালে অন্য কোনও কার্যকলাপ চলত কি না, তা এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই ঠিকানা থেকেই বিভিন্ন পরিকল্পনা পরিচালিত হত কি না, সেই দিকও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।কয়েক দিন আগে পূর্ব বর্ধমান থেকে হামিম মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করে তদন্তকারী সংস্থা। তদন্তে উঠে এসেছে, পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি চক্রের সঙ্গে তার যোগাযোগের অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের গতিবিধি নজরদারির অভিযোগও সামনে এসেছে। সেই সূত্র ধরেই হামিমের অতীত এবং তার ব্যবহৃত বিভিন্ন ঠিকানা নিয়ে তদন্ত আরও জোরদার হয়েছে।প্রথমে জানা গিয়েছিল, হামিমের বাড়ি হাওড়ার পিলখানায়। কিন্তু সুনির্দিষ্ট ঠিকানা পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে তদন্তে আলম মিস্ত্রি লেনের একটি বহুতলের খোঁজ মেলে। ওই বহুতলের একতলায় ভাড়া নেওয়া দুটি ঘরেই থাকত হামিম বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, সেখানে একটি ছোট ব্যবসা পরিচালিত হত।স্থানীয় সূত্রের দাবি, একটি ঘরে জামাকাপড়ের ট্যাগ তৈরির মেশিন বসানো ছিল। অন্য ঘরে কম্পিউটারের মাধ্যমে অফিসের কাজ করা হত। হামিমের বাবা মনিরউদ্দিন মণ্ডলও সেখানে থাকতেন বলে জানা গিয়েছে। তবে হামিমের বিরুদ্ধে জঙ্গি কার্যকলাপের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয়দের অনেকেই জানিয়েছেন, তাঁরা কোনওদিনও এমন সন্দেহ করেননি।বহুতলের মালিক জানিয়েছেন, প্রায় দুই বছর আগে ঘর দুটি ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। একটি ঘরের মাসিক ভাড়া ছিল সাত হাজার টাকা এবং অন্যটির চার হাজার টাকা। তাঁর দাবি, গত প্রায় দুই মাস ধরে হামিমকে এলাকায় দেখা যায়নি। গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে তার বাবাকেও আর এলাকায় দেখা যাচ্ছে না।স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর দাবি, হামিমের বাবার সঙ্গে মাঝে মধ্যে দেখা হলেও হামিমের সঙ্গে তেমন কোনও যোগাযোগ ছিল না। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, ওই ব্যবসা শুধুই ব্যবসা ছিল, নাকি তার আড়ালে অন্য কোনও কার্যকলাপ চলত। পাশাপাশি হামিমের সঙ্গে যিনি বাবা পরিচয়ে থাকতেন, তিনি সত্যিই তার বাবা ছিলেন কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় এসেছে।

আগস্ট ০২, ২০২৬
টুকিটাকি

বর্ষাকালে চুল পড়া নিয়ে দুশ্চিন্তা? শ্যাম্পু থেকে চালের জল, জানুন সমাধানের ঘরোয়া টোটকা

বর্ষাকালে অনেকেরই চুল পড়া বেড়ে যায়। এর প্রধান কারণ হলো বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় মাথার ত্বকে ঘাম ও তেল জমে, খুশকি বাড়ে, চুলের গোড়া দুর্বল হতে পারে। এছাড়া ভেজা চুল দীর্ঘক্ষণ রাখা, সঠিক খাবারের অভাব, মানসিক চাপ ও ঘুমের সমস্যাও চুল পড়ার কারণ হতে পারে।বর্ষায় চুল পড়া কমানোর ঘরোয়া যত্ন১) নিয়মিত মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখুনসপ্তাহে ২৩ দিন মৃদু শ্যাম্পু দিয়ে চুল পরিষ্কার করুন। ঘাম বা বৃষ্টিতে ভিজে গেলে চুল শুকিয়ে নিন। ভেজা চুল আঁচড়াবেন না, এতে চুল সহজে ভেঙে যায়।২) তেলের হালকা মালিশনারকেল তেল বা বাদাম তেল হালকা গরম করে সপ্তাহে ১২ দিন মাথায় মালিশ করতে পারেন। ১২ ঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেলুন। অতিরিক্ত তেল দিয়ে সারারাত রেখে দিলে বর্ষায় কারও কারও খুশকি বাড়তে পারে।৩) মেথি ও দইয়ের প্যাক১২ চামচ ভেজানো মেথি বেটে তার সঙ্গে সামান্য দই মিশিয়ে চুলে লাগানো যায়। ২০৩০ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন। এটি মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করতে পারে।৪) অ্যালোভেরাখাঁটি অ্যালোভেরা জেল মাথার ত্বকে ২০ মিনিট লাগিয়ে ধুয়ে ফেলতে পারেন। শুষ্কতা ও চুলকানি কমাতে সাহায্য করতে পারে।চালের জল (Rice Water) চুলের যত্নে কিছুটা উপকারী হতে পারে, তবে এটি চুল পড়া পুরোপুরি বন্ধ করার প্রমাণিত ওষুধ নয়। অনেকেই ঘরোয়া উপায় হিসেবে ব্যবহার করেন, কারণ এতে কিছু অ্যামাইনো অ্যাসিড, ভিটামিন বি, মিনারেল ও স্টার্চ থাকে, যা চুলকে সাময়িকভাবে মসৃণ ও শক্ত মনে করতে সাহায্য করতে পারে।চালের জল চুলে কীভাবে উপকার করতে পারে?✅ চুলের রুক্ষতা কমাতে সাহায্য করতে পারে✅ চুলে চকচকে ভাব আনতে পারে✅ চুলের গোড়া ও স্ক্যাল্প পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করতে পারে✅ চুল ভাঙা কিছুটা কম মনে হতে পারেকীভাবে ব্যবহার করবেন?১ কাপ চাল ভালো করে ধুয়ে ২৩ কাপ জলে ৩০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন।সেই জল ছেঁকে নিন।শ্যাম্পুর পরে চুলে ও মাথার ত্বকে লাগিয়ে ১০১৫ মিনিট রাখুন।তারপর পরিষ্কার জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।সপ্তাহে ১ বার ব্যবহার করলেই যথেষ্ট।গবেষকদের মতে চুল ভালো রাখতে যা জরুরি✅ প্রোটিনযুক্ত খাবার খানডিম, মাছ, ডাল, দুধ, বাদাম।✅ ভিটামিন ও খনিজ পেতে শাকসবজি ও ফল খান।✅ পর্যাপ্ত জল পান করুন।✅ প্রতিদিন ৭৮ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন।✅ খুব টাইট করে চুল বাঁধা, অতিরিক্ত হেয়ার ড্রায়ার বা কেমিক্যাল ট্রিটমেন্ট এড়িয়ে চলুন।বর্ষায় পুরোপুরি চুল পড়া বন্ধ করা সম্ভব নয়, কারণ প্রতিদিন কিছু চুল পড়া স্বাভাবিক। তবে নিয়মিত পরিচর্যা, পুষ্টিকর খাবার ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা রাখলে চুল পড়া অনেকটাই কমানো যায়।

আগস্ট ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal