• ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Injured

কলকাতা

Accident: নবান্নের কাছে ছাইবোঝাই লরি উল্টাল, দেড় ঘণ্টা চাপা পড়ে থাকল পথচারী

নবান্নের কাছে কলকাতামুখী লেনে বড়সড় দুর্ঘটনা। বিকেলে উল্টে যায় একটি ছাইয়ের কন্টেনার বোঝাই লরি। তার তলায় চাপা পড়ে যান এক ব্যক্তি। টানা দেড় ঘণ্টা চাপা পড়ে থাকার পর কোনওরকমে ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে এসএসকেএমে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে খবর। জানা গিয়েছে, সেই ব্যক্তিকে অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়।স্থানীয় সূত্রের খবর, বিকেল ৫টা নাগাদ নবান্নের কাছে কোলাঘাট থেকে কলকাতামুখী ছাইয়ের কন্টেনার বোঝাই লরিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। তার তলায় চাপা পড়ে যান ওই ব্যক্তি। উল্টানো লরির পাশেই অ্যাম্বুল্যান্স এনে, সেখান থেকে অক্সিজেনের নল ঢোকানো হয় চাপা পড়া ব্যক্তির নাকে। এ ভাবেই তাঁকে অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে। উদ্ধারকারী দল চেষ্টা করছে, যাতে উল্টে যাওয়া লরির তলা থেকে ওই ব্যক্তিকে বের করে আনা যায়।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২১
রাজ্য

SFI vs TMCP: টিএমসিপি-এসএফআই-এর সংঘর্ষে উত্তপ্ত উত্তরপাড়ার কলেজ, জখম দু’পক্ষের বেশ কয়েকজন

টিএমসিপি এবং এসএফআই সমর্থকদের সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল হুগলির উত্তরপাড়ার প্যারীমোহন কলেজ। বৃহস্পতিবার কলেজ চত্বরে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে ওই দুই ছাত্র সংগঠনের সদস্যেরা। মারপিটে জখম হয়েছেন দুপক্ষেরই বেশ কয়েক জন। এই ঘটনার প্রতিবাদে আগামী ১৬ ও ১৭ ডিসেম্বর রাজ্যজুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে এসএফআইয়ের তরফে।সিপিএমের ছাত্র সংগঠন এসএফআই-এর অভিযোগ, কলেজের সামনে দিয়ে তাদের মিছিল যাওয়ার সময় মারধর করে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ (টিএমসিপি)। বৃহস্পতিবার ছাত্র সংসদ নির্বাচন এবং হুগলিতে মেডিক্যাল কলেজ তৈরি-সহ বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে উত্তরপাড়া স্টেশন থেকে উত্তরপাড়া কলেজ স্ট্যান্ড অবধি মিছিল করে এসএফআই। মিছিল শেষে ছিল সভাও। সংগঠনের অভিযোগ, সভার পিছনে থাকা কয়েক জন সমর্থককে তুলে নিয়ে এসে তাদের বেধড়ক মারধর করা হয়। যদিও টিএমসিপি সমর্থকদের পাল্টা অভিযোগ, এসএফআই সমর্থকরাই কলেজে ঢুকে অশান্তি পাকিয়েছে। দুপক্ষের সংঘর্ষের জেরে সাত-আট জন জখম হয়েছেন। তাঁদের উত্তরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।অভিযোগ, সভায় পিছনের দিকে থাকা বেশ কিছু এসএফআই সমর্থককে তুলে নিয়ে গিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। এই ঘটনায় টিএমসিপির বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলেছে এসএফআই। যদিও টিএমসিপি সমর্থকদের দাবি, এসএফআই সমর্থকরা কলেজে এসে ঝামেলা করে। কলেজে সেই সময় পরীক্ষা চলছিল। এর জেরেই বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। সেখান থেকেই দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতির অভিযোগ।দুপক্ষেরই অভিযোগ, ক্রিকেটের ব্যাট, লাঠি দিয়ে মারধর করা হয় তাদের। এমনকী পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও তাদের ভূমিকা নিষ্ক্রিয় ছিল বলেই অভিযোগ। এসএফআইয়ের সভার অস্থায়ী মঞ্চ ভেঙে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাস্থলে হাজির হয় উত্তরপাড়া থানার পুলিশের বিশাল বাহিনী।এ প্রসঙ্গে উত্তরপাড়ার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, পুরসভার প্রশাসকমণ্ডলী বোর্ডের সদস্য তাপস মুখোপাধ্যায় বলেন, এসএফআইয়ের সমস্ত অভিযোগ মিথ্যা। পায়ের নীচে মাটি তো নেই, তাই এসব গল্প তৈরি করছে। এই কলেজের একজন অধ্যাপক ছিলেন। এখন আছেন কি না জানি না। উনিই বাচ্চা বাচ্চা ছেলেগুলোকে উষ্কে নিয়ে এসেছেন। শান্তিপূর্ণ এলাকায় অশান্তি পাকাতে এসব ছল।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২১
দেশ

Delhi Court Blast: ফের রোহিণীর আদালতে বিস্ফোরণ! মাঝপথে বন্ধ শুনানি, জখম এক

ফের দিল্লির আদালতে বিস্ফোরণ। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের ঘটনা। রোহিণী আদালতের দৈনন্দিন কাজ তখন সবে শুরু হয়েছে। আদালত চত্বরে আইনজীবী, পুলিশকর্মী এবং মামলাকারীদের ভিড় জমতে শুরু করেছে। শুরু হয়েছে মামলার শুনানিও। আচমকা বিস্ফোরণে দ্রুত আতঙ্ক ছড়ায়। বন্ধ হয়ে যায় শুনানি। পরে জানা যায় বিস্ফোরণে এক পুলিশকর্মী জখম হয়েছেন। আপাতত হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে তাঁর।আদালত চত্বরে একটি পরিত্যক্ত ব্যাগে আইইডি বিস্ফোরক রেখে গিয়েছিল কেউ। সকালে আদালতের কাজ শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই ব্যাগ থেকে তীব্র বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণের পরই আদালত চত্বরে এসে পৌঁছয় দমকলের সাতটি ইঞ্জিন। প্রথমে ভাবা হয়েছিল, আদালতে কোনও ল্যাপটপ ফেটে ওই বিস্ফোরণ হয়েছে। পরে অবশ্য সেই ভুল ভাঙে।কিছুদিন আগে দুই গ্যাংস্টার দলের লড়াই হয়েছিল দিল্লির রোহিণী আদালতে। সেই ঘটনায় এক গ্যাংস্টার এবং তার দুই সঙ্গী আদালত চত্বরেই নিহত হয়। তারপরেই এই বিস্ফোরণ।তবে আদালত চত্বরে নিরাপত্তারক্ষী এবং সিসিটিভি ক্যামেরার নজর এড়িয়ে কে বা কারা ওই বিস্ফোরকের ব্যাগ এনে রেখেছিল, আদালতে তাদের কোনও নাশকতা ঘটানোর ছক ছিল কি না তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২১
দেশ

BIG BREAKING: কুন্নুরে সেনার কপ্টার ভেঙে মৃত ১৩, আশঙ্কাজনক সিডিএস বিপিন রাওয়াত

তামিলনাড়ুর কুন্নুরে দুর্ঘটনায় সেনার হেলিকপ্টার। জঙ্গলের মধ্যে কপ্টার ভেঙে পড়ে বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে। হেলিকপ্টারে ছিলেন সেনার কর্তারা। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় দুর্ঘটনা ঘটার পর আহত সেনাকর্তাদের উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। জানা যাচ্ছে, ওই হেলিকপ্টারেই ছিলেন চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ বিপিন রাওয়াত। তাঁর স্ত্রীও ওই কপ্টারেই ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। নীলগিরির কালেক্টর জানিয়েছেন, কপ্টার দুর্ঘটনায় ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।সেনার ওই কপ্টারে বিপিন রাওয়াত-সহ ১৪ জন ছিলেন। দুপুর ১২টা ৪০ মিনিট নাগাদ কুন্নুরে গভীর জঙ্গলের উপর ভেঙে পড়ে সেনার এমআই- ১৭ কপ্টারটি। ভেঙে পড়ার পরেই হেলিকপ্টারে আগুন ধরে যায়। নীলগিরির কালেক্টর জানিয়েছেন, কপ্টার দুর্ঘটনায় ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।An IAF Mi-17V5 helicopter, with CDS Gen Bipin Rawat on board, met with an accident today near Coonoor, Tamil Nadu.An Inquiry has been ordered to ascertain the cause of the accident. Indian Air Force (@IAF_MCC) December 8, 2021তামিলনাড়ুর কুন্নুরে দুর্ঘটনায় সেনার এমআই-১৭ হেলিকপ্টার। জঙ্গলের মধ্যে কপ্টার ভেঙে পড়ে বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে। হেলিকপ্টারে ছিলেন সেনার কর্তারা। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় দুর্ঘটনা ঘটার পর আহত সেনাকর্তাদের উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। জানা যাচ্ছে, ওই হেলিকপ্টারেই ছিলেন চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ বিপিন রাওয়াত। তাঁর স্ত্রীও ওই কপ্টারেই ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের পরিবারের কয়েকজন সদস্য এবং ব্রিগেডিয়ার পদমর্যাদার একজন আধিকারিক-সহ কয়েকজন ছিলেন বলে সূত্রের খবর।প্রতিরক্ষা প্রধান বিপিন রাওয়াতের হেলিকপ্টারের দুর্ঘটনার খবর পেতেই ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি একটি বৈঠকে ছিলেন, সেখান থেকেই তিনি সরাসরি তামিলনাড়ুর ওই দুর্ঘটনাস্থলে যাবেন বলে জানা গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও গোটা বিষয়টি নিয়ে অবগত করা হয়েছে।সেনার ওই কপ্টারে বিপিন রাওয়াত-সহ ৯ জন ছিলেন। এখনও পর্যন্ত ৩ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। অনেকেই এখনও নিখোঁজ। জোরকদমে চলছে উদ্ধারকাজ। দুপুর ১২টা ৪০ মিনিট নাগাদ কুন্নুরে গভীর জঙ্গলের উপর ভেঙে পড়ে সেনার এমআই- ১৭ কপ্টারটি। ভেঙে পড়ার পরেই হেলিকপ্টারে আগুন ধরে যায়। নীলগিরির কালেক্টর জানিয়েছেন, কপ্টার দুর্ঘটনায় ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২১
রাজ্য

Wall Collapsed: ঘরের দেওয়াল ভেঙে আহত পরিবারের অন্তঃসত্ত্বা মহিলা সহ পাঁচ

ঘরে ঘুমিয়ে থাকার সময় দেওয়াল ভেঙে পড়ায় আহত হলেন অন্তঃসত্ত্বা মহিলা সহ একই পরিবারের পাঁচ জন। শনিবার ভোরে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী ১ ব্লকের মাগনপুর গ্রামে। প্রতিবেশীরা আহতদের সবাইকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। এই ঘটনার খবর পেয়ে সকালেই এলাকার বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায়, ব্লকের বিডিও দেবব্রত জানাসহ জনপ্রতিনিধিরা হাসপাপালে গিয়ে আহতদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্বস্থলীর জাহান্নগর পঞ্চায়েতের মাগনপুরে বাড়ি দে পরিবারের। ইট ও মাটির গাঁথনির দেওয়াল ও টিনের চালার ঘরে দে পরিবারের সদস্যরা বসবাস করেন। ওই ঘরেতেই এদিন ভোরে পরিবারের সদস্যরা ঘুমাচ্ছিলেন। সেইসময় আচমকাই বাড়ির দেওয়ালসহ টিনের চালা হুড়মুডিয়ে ঘেঙে পড়ে।ভেঙে পড়া সেই দেওয়ালের নিচে চাপা পড়ে যান পরিবারের এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলাসহ পাঁচ জন।প্রতিবেশীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে গিয়ে ভেঙে পড়া দেওয়াল সরিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করেন। পরিবারের সদস্যরা মনে করছেন নিম্নচাপের জেরে বিগত কয়েকদিন ধরে হওয়া বৃষ্টিপাতের জেরে ইট মাটির গাঁথনির দেওয়ল দুর্বল হয়ে পড়ায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

অক্টোবর ২৩, ২০২১
রাজ্য

Brutal Torture: প্রেমিকের নৃশংস নির্যাতনে গুরুতর জখম প্রেমিকা-মন্তেশ্বরে গ্রেপ্তার প্রেমিক

প্রেমিকের প্রতিশোধের আগুনে কখনও মুখ পুড়েছে প্রেমিকার। আবার কখনও ব্যর্থ প্রেমিকের হাতে খুন হতে হয়েছে প্রেমিকাকে। কিন্তু পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বরে আদিবাসী মহিলার উপর হওয়া নৃশংস অত্যাচারের কাহিনী এইসব কিছুকেই হার মানিয়ে দিয়েছে। বছর ৩৫ বয়সী আদিবাসী মহিলার সঙ্গে বিরোধ তৈরি হওয়ায় তাঁর উপর হাড়হিম করা নির্যাচন চালয় প্রেমিক সুনীল টুডু। নির্যাতন চালিয়ে প্রেমিকার গোটা শরীর ক্ষত বিক্ষত করে দিয়েই খান্ত হয়নি প্রেমিক সুনীল।মুগুর জাতীয় কিছু দিয়ে যৌনাঙ্গে আঘাত করেও প্রেমিকাকে চুড়ান্ত ভাবে তিনি ঘায়েল করে দিয়েছে। এমনকি জলে মুখ ডুবিয়ে তিনি তাঁর প্রেমিকাকে প্রাণে মেরে দেওয়ারও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ।বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নির্যাতিতা আদিবাসী মহিলার মুখ থেকে এমন অত্যাচারের কাহিনী শোনার পর মঙ্গলবার পুলিশ সুনীল টুডুকে গ্রেপ্তার করে। এই ঘটনা জানার পর শিউরে উঠেছেন মন্তেশ্বরের বাসিন্দারা। তারা সুনীল টুডুর কঠোরতম শাস্তির শাস্তির দাবি করেছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সুনীল টুডুর বাড়ি মন্তেশ্বরের মামুদপুর ১ পঞ্চায়েতের পুরুনিয়া গ্রামে। তাঁর প্রেমিকার বাড়ি জেলার নাদনঘাট থানা এলাকায়। তাঁর সন্তান রয়েছে। বছর দেড়েক আগে মারা গিয়েছেন তাঁর স্বামী। মহিলা খেত মজুরির কাজ করেন। মাস ছয় আগে মহিলার সঙ্গে সুনীলের প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। তার পর থেকে আদিবাসী ওই মহিলা সুনীলের সঙ্গেই থাকা শুরু করেন। কিন্তু সম্পর্কে চিড় ধরায় দু জনের মধ্যে অশান্তি শুরু হয়। মহিলা রাগারাগি করে নাদনঘাট চলে যান। সুনীল রবিবার তাঁর প্রেমিকাকে নিজের কাছে ফিরিয়ে আনতে নাদনঘাটে যান। মহিলা সুনীলের সঙ্গে আসতে প্রথমে রাজি হয়নি।পরে নানারকম বুফিয়ে রবিবার সুনীল তাঁর প্রেমিকাকে নাদনঘাট থেকে মন্তেশ্বরে নিয়ে আসেন।ওইদিন সন্ধ্যায় পুরুনিয়া গ্রামে ঢোকার মুখে দুজনের মধ্যে ফের ঝামেলা বাঁধে। তখনই সুনীল তাঁর প্রেমিকার উপর চড়াও হয়ে হাড়হিম করা নির্যাতন চালায়। নিজের এই কুকীর্তি আড়াল করতে পরদিন সকালে সুনীল স্থানীয়দের কাছে দুস্কৃতী হামলার গল্প বলে পার পাওয়ার চেষ্টা করে । কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি।জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ধ্রুব দাস জানিয়েছেন, মঙ্গলবার ওই মহিলার সঙ্গে পুলিশ কথা বলে। জিজ্ঞাসাবাদে মহিলা পুলিশকে জানায় তাঁর ওপর এমন অমানুষিক নির্যাতন চালিয়েছে সুনীল টুডু। এরপরেই পুলিশ সুনীল টুডুকে গ্রেপ্তার করে। কেন সুনীল মহিলার উপর এমন নৃশংস নির্যাতন চালালো তা জানতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২১
রাজ্য

Dilip Ghosh: 'আমায় খুনের চেষ্টা করা হয়েছে, স্থগিত করা দরকার ভবানীপুরের উপনির্বাচন'

সোমবার নির্বাচনী প্রচারের শেষ দিনে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি ভবানীপুরে। এদিন যদুবাবুর বাজারে দিলীপ ঘোষকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা। বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালের সমর্থনে প্রচারে এসে কেন্দ্রীয় বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ বিক্ষোভের মধ্যে পড়েন। প্রবল বিক্ষোভ আর ধাক্কাধাক্কিতে বাধ্য হয়ে বন্দুক বের করে দিলীপকে সরিয়ে নিয়ে যান তাঁর নিজস্ব নিরাপত্তারক্ষীরা। দিলীপ বলেন, আজ প্রচারের শেষ দিনে যেভাবে গুন্ডা দিয়ে, প্রচার বন্ধ করা হল, বিজেপিকে আটকাবার চেষ্টা করা হয়েছে, এর দ্বারা প্রমাণিত ভবানীপুরের মানুষ ভয়ের পরিস্থিতির মধ্যে আছেন। এখন এই গুন্ডাদের সামনে সাধারণ মানুষ কীভাবে বেরিয়ে গিয়ে ভোটটা দেবেন? তাঁরা তো নিরপেক্ষ ভাবে ভোটটা দিতেই পারবে না! তাঁরা যদি বিজেপিকে ভোট দেবে বলে তাহলে তো সম্ভবই নয়, বাড়ি থেকে বেরনো! সে জন্য যে পরিস্থিতির মধ্যে মমতাকে মুখ্যমন্ত্রী করার জন্য ভোট করছে সরকার, তাতে সুরক্ষা দেওয়া উচিত। কিন্তু আজকের পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার ইলেকশন সম্ভব নয়। স্থগিত করা দরকার। বলেন, আমি নিজে ভুক্তভোগী। তাই আমার অধিকার আছে বলার। দাবি করছি নির্বাচন বন্ধ হওয়া উচিত।আরও পড়ুনঃ ভবানীপুরে দিলীপের প্রচারে ধুন্ধুমার, মাথা ফাটল বিজেপি কর্মীরকয়েক দিন আগেই বিজেপির রাজ্য সভাপতির পদ থেকে সরেছেন দিলীপ। কিন্তু ভবানীপুরে ভোটের প্রচারে বিরোধী পক্ষের মূল টার্গেট হলেন তিনিই। দিলীপ ঘোষের সঙ্গে থাকা বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে এদিন হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়তে দেখা যায় তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের। আহত হন বেশ কয়েকজন। এদিকে খবর পেয়েই যদুবাবুর বাজারে পৌঁছন প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল এবং দীনেশ ত্রিবেদী, অর্জুন সিংরা।দিলীপ ঘোষ অভিযোগ করেন, তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা তাঁদের প্রচারে বাধা দেন। তৃণমূল কর্মীদের আক্রমণে এক কর্মীর মাথা ফাটে। তাঁকেও ধাক্কা দেওয়া হয়। যদিও তার পরেও তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। তার পর সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, স্থগিত করা দরকার এই ভোট। আইন পরিস্থিতি ঠিক হলে তার পর ভোট হোক। নিজের ফেসবুক প্রোফাইল থেকে এদিনের বিক্ষোভের ভিডিও পোস্ট করে দিলীপ লেখেন, মাননীয়ার খাস তালুক ভবানীপুরে একজন জনপ্রতিনিধির উপর যেভাবে হামলা হল এই রাজ্যে তাতে সাধারণ মানুষের জীবন কতটা সুরক্ষিত? আজ তৃণমূলের গুন্ডা দিয়ে ভবানীপুরের যদুবাবুর বাজার এলাকায় যে ভাবে পরিকল্পিতভাবে আক্রমণ করা হল, আমাকে মেরে ফেলার চক্রান্ত করা হয়েছিল সেটি শাসকদলের জঘন্য, ভয়াবহ রূপটিকে তুলে ধরে। এর পরও কি সুস্থ নির্বাচন আশা করা যায়??এদিকে এদিনের ঘটনার পর নির্বাচন কমিশন রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে। অন্যদিকে বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং সরাসরি অভিযোগ করেন মমতার নির্দেশেই দিলীপ ঘোষের ওপর এই হামলা হয়েছে। তাঁর কথায়, মমতা খোদ এই আক্রমণ করাচ্ছেন, ভোট এখানে হতেই দেবে না। কমিশন পদক্ষেপ না করলে ভোট বন্ধ হোক। একই সুর শোনা গিয়েছে রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের গলায়। বলেন, আমরা স্তম্ভিত! একশোজন তৃণমূল কর্মীকে ট্রেনড করে পাঠানো হয়েছে দিলীপ ঘোষকে আক্রমণের জন্য। আর পুলিশ কী করছিল?

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১
দেশ

Assam: অনুপ্রবেশকারী রুখতে পুলিশি অভিযানে রণক্ষেত্র অসম, ১২ ঘণ্টা বনধের ডাক

সম্প্রতিই অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানিয়েছিলেন, চর অঞ্চলগুলিকে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের হাত থেকে মুক্ত করার এই অভিযান চলবে। আর সেই অনুপ্রবেশকারীদের উচ্ছেদ করতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধে দুই ব্যক্তির মৃত্যু হতেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল গোটা অসম । সরকারের এই পদক্ষেপের প্রতিবাদে অসমের সংখ্যালঘু ছাত্র সংগঠন, জামিয়াত-সহ আরও কয়েকটি সংগঠন মিলিতভাবে ১২ ঘণ্টার বনধের ডাক দিয়েছে। ঘটনায় ইতিমধ্যেই বিচারবিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে হিমন্ত বিশ্ব শর্মার সরকার। আরও পড়ুনঃ অত্যাচার, নির্যাতন না হলে বিজেপি ৩০টা আসনও পেত না, দাবি মমতারগতকাল এমনই এক বসতি উচ্ছেদে বৃহস্পতিবার অভিযান চালায় পুলিশ। হঠাৎই এলাকার মানুষ উচ্ছেদ অভিযানে আসা পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ে। ১১ জন পুলিশ কর্মী পাথরের আঘাতে আহত হন বলে খবর। পরিস্থিতি সামাল দিতে এরপর পুলিশের তরফেও গুলি ছোড়া হয়।সেই গুলির আঘাতে ২ জন আন্দোলনকারীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, রাজ্যের দরং জেলার ঢলপুরের গরুখুঁটিতে উচ্ছেদ অভিযান চালাচ্ছিল পুলিশ। তখনই এই সংঘর্ষ বাঁধে। জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয় দুই আন্দোলনকারীর। অন্যদিকে, আন্দোলনকারীদের ছোড়া ইট-পাটকেলে জখম হন ১১ জন পুলিশ কর্মী। ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়াতেও ভাইরাল হয়েছে একটি ভিডিও, যেখানে দেখা যাচ্ছে, সরকারের নিয়োগ করা একজন ফোটোগ্রাফার সহ বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মীরা মিলে এক ব্যক্তিকে নির্মমভাবে মারধর করছে।সোশ্যাল মিডিয়ায় অসম পুলিশের মারধরের যে ভিডিওটি জাতীয়স্তর অবধি চর্চিত হচ্ছে, সেটি গত ২০ সেপ্টেম্বরের বলে জানা গিয়েছে। ওই ব্যক্তি, যাকে পুলিশ অনুপ্রবেশকারী বলে আখ্যা দিয়েছে, তিনি পুলিশকে উচ্ছেদের কাজে বাধা দিতেই তাঁর বুকে গুলি করা হয় এবং নির্মমভাবে লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়। সরকারের তরফে যে ফোটোগ্রাফারকে নিয়োগ করা হয়েছিল, তাঁকেও ওই ব্যক্তির বুকে লাথি মারতে দেখা যাচ্ছে ওই ভিডিওয়।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১
কলকাতা

Blast: কড়েয়ায় বিস্ফোরণ, জখম ৪

ফের শহরের বাড়িতে বিস্ফোরণ। কড়েয়া থানার অন্তর্গত আহিরিপুকুর এলাকার একটি বাড়িতে এই বিস্ফোরণ হয়। বৃহস্পতিবার সকাল ৬.৩০ নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে বলে খবর।ঘটনায় ৪ জনের জখম হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। ভয়ঙ্কর শব্দে কেঁপে ওঠে এলাকা। স্বাভাবিকভাবেই এলাকায় বিস্ফোরণের ফলে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। জানা গিয়েছে, বাড়িটিতে চারজন বাসিন্দা থাকতেন। বিকট শব্দ পেয়ে ভোরে বাইরে বেরিয়ে আসেন স্থানীয়রা। দেখতে পান ৮/৩ আহিরিপুকুর ফার্স্ট লেন ঠিকানার বাড়ির দেওয়ার ভেঙে পড়েছে। অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় একজন মাটিতে পড়ে রয়েছেন। বাকিরা দেওয়াল চাপা পড়ে রয়েছেন। সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছে পুলিশ এবং গোয়েন্দারা। খবর দেওয়া হয়েছে ফরেনসিক বিভাগে। বিস্ফোরণের কারণ জানতে শুরু হয়েছে তদন্ত। আরও পড়ুনঃ এখনই নিস্তার নেই, শক্তি আরও বাড়াচ্ছে জোড়া ঘূর্ণাবর্তযে ঘরে বিস্ফোরণ হয়েছে সেই ঘরটি ইতিমধ্যেই ঘিরে ফেলেছে পুলিশ। পাশের ঘরটির অবস্থাও খুবই খারাপ। ঘরের চেয়ার টেবিল, যাবতীয় আসবাবপত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে। দেওয়ালের একাংশ ফেটে বেরিয়ে পড়েছে। ভেঙে পড়েছে ছাদের চাঙড়ও। যেহেতু এই এলাকা অত্যন্ত ঘিঞ্জি। এই বাড়ির যে পিছনের একটি বাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কী বিস্ফোরণ হল তা নিয়ে এখনও কোনও সূত্র মেলেনি। ঘরের মধ্যে বিস্ফোরক ছিল বলে প্রাথমিক ভাবে কিছু পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে ঘরের ভিতর দুটি রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার ছিল। সেগুলিও একেবারেই অপরিবর্তিত অবস্থায় রয়েছে।তবে মনে করা হচ্ছে, অনেক সময় এমনও হয়, গ্যাসের সিলিন্ডারে কোথাও ছিদ্র থাকার কারণে গ্যাস বেরিয়ে বিস্ফোরণ ঘটে যায়। তেমন কিছু ঘটল কি না তাও দেখা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১
রাজ্য

Tragic Accident: মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা, কাঁদাজল থেকে উঠে আসছে পরিযায়ী শ্রমিকদের দেহ

বুধবার গভীর রাতে রায়গঞ্জে মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নয়ানজুলিতে পড়ে গেল যাত্রীবোঝাই বাস। বাসটিতে ছিলেন পরিযায়ী শ্রমিকরা। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৬ জন শ্রমিকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে।। আশঙ্কাজনক ৩ জন। আহতরা রায়গঞ্জ রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মৃত এবং আহতদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছে পুলিশ। আরও পড়ুনঃ সানরাইজার্সকে উড়িয়ে শীর্ষে উঠে এল দিল্লি ক্যাপিটালসজানা গিয়েছে, রাতে বাসটি ঝাড়খণ্ড থেকে লখনউ যাচ্ছিল। রায়গঞ্জের রূপাহারের কাছে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। বাসের চাকা পিছলে গিয়ে পাশের নয়ানজুলিতে গিয়ে পড়ে। রাতে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার খবর পেয়ে প্রথমে উদ্ধার কার্যে হাত লাগান স্থানীয়রা। নয়ানজুলিতে নেমে যাত্রীদের উদ্ধারের চেষ্টা করেন বাসিন্দা। খবর দেওয়া হয় পুলিশে। ঘটনাস্থলে আসে রায়গঞ্জ থানার বিশাল পুলিশবাহিনী, দমকল বাহিনী এবং বিপর্যয় মোকাবিলা দল। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয় উদ্ধারকার্য। গভীর রাত থেকে ভোর পর্যন্ত চলে উদ্ধার কাজ। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জল-কাদায় ভর্তি নয়ানজুলিতে বাস পড়তেই দম বন্ধ হয়ে আসে বাসে থাকা যাত্রীদের। সেখানে একাধিক শিশু ও মহিলা ছিল বলেও জানা গিয়েছে। প্রায় ১০০ জনের কাছাকাছি যাত্রী ছিলেন বাসে। বাসটিকে জল থেকে তোলা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের অনুমান, সম্ভবত বাসের চালক মদ্যপ ছিলেন। সেজন্যই বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারায়। একাংশের অভিযোগ, জাতীয় সড়কে প্রচুর গর্ত রয়েছে। সেটাও দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। ঘটনার পর থেকে পলাতক চালক। তাঁর খোঁজ শুরু হয়েছে। মৃত এবং আহতদের পরিবারের সঙ্গেও যোগাযোগের চেষ্টা শুরু করেছে পুলিশ।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১
রাজ্য

Nandigram Blast: বল ভেবে খেলতে গিয়েই কেঁপে উঠল পরিত্যক্ত বাড়ি, ছিটকে পড়ল রক্ত

শুক্রবার রাতে বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল নন্দীগ্রাম। জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে এক নাবালিকার। জখম হয়েছে আরও দুই শিশু। একজনের আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাকে নন্দীগ্রাম সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নন্দীগ্রামের কালীচরণপুর-১ অঞ্চলের একটি পরিত্যক্ত বাড়িতেই এই বিস্ফোরণ হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। বল ভেবে খেলতে গিয়েই বিস্ফোরণ হয় বলে স্থানীয়দের তরফে জানানো হয়েছে। আরও পড়ুনঃ দাম কমছে না পেট্রোপণ্যের, রাজ্যের আপত্তিতে পেট্রোল-ডিজেলে বসছে না জিএসটিকালীচরণপুর-১ পঞ্চায়েত সমিতির জাদুবাড়ি চক। সেখানে জাকির শা নামে এক ব্যক্তির একটি পরিত্যক্ত বাড়ি রয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা আটটা নাগাদ এলাকার তিন শিশু খেলার সময় ওই বাড়িতে ঢোকে। সেখানেই বল ভেবে একটি গোলাকার বস্তুকে হাতে তুলতেই ভয়ঙ্কর শব্দে সেটি ফেটে যায়। বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে এলাকা। ওদিকে তিন শিশুর চিল চিৎকার শুনে ছুটে আসেন বাড়ির লোকজন। দেখা যায়, বাড়ির সামনে রক্তে ভেসে যাচ্ছে। ন থেকে দশ বছরের মধ্যে এক নাবালিকা মাটিতে পড়ে ছটফট করছে। স্থানীয়রা কোনও মতে তাঁকে তুলে নিয়ে হাসপাতালে পৌঁছয়। কিন্তু শেষ রক্ষা করা যায়নি। সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর। বাকি দুজনের মধ্যে একজনের মাথায় চোট লেগেছে। অপরজনের আঘাত গুরুতর। পায়ে গভীর ক্ষত তৈরি হয়েছে। তাঁকে নন্দীগ্রাম সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পায়ে ব্যান্ডেজের পাশাপাশি অক্সিজেনও দিতে হয়েছে তাকে। এই বাড়িতে কে বা কারা বোমা রেখে গিয়েছিল, তা খুঁজতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সঙ্গে রয়েছে চাপা আতঙ্কও।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
বিদেশ

Earthquake: সকালের আলো ফুটতেই কেঁপে উঠল সিচুয়ান প্রদেশ

সূর্যের আলো তখনও ঠিক করে ফোটেনি, এমন সময়ই কেঁপে উঠল বাড়িঘর। একের পর এক বাড়ি ভেঙে পড়তে শুরু করল তাসের ঘরের মতো। দক্ষিণ পশ্চিম চিন-র সিচুয়ান প্রদেশে ভয়াবহ ভূমিকম্পর জেরে জারি করা হয়েছে সতর্কতা। বৃহস্পতিবার ভোর পাঁচটা নাগাদ এই ভূমিকম্প হয়, বিপর্যয়ের জেরে কমপক্ষে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৫০ জন।আরও পড়ুনঃ শিশুদের অজানা জ্বরে কাঁপছে উত্তরবঙ্গ, আক্রান্ত ৫০০-র বেশিমার্কিন ভূতত্ত্ব বিভাগের তরফে জানানো হয়েছে, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল ৫.৪। যদিও চিনের ভূমিকম্প নেটওয়ার্ক সেন্টারের দাবি, ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল ৬.০। মাটি থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার নীচেই ছিল ভূমিকম্পের উৎসস্থল, সেই কারণে খুব বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। সিচুয়ান প্রদেশের ভূমিকম্প দপ্তরের ডেপুটি চিফ দু বিন বলেন, এই অঞ্চলে ফের ভূমিকম্প হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। তবে আফটার শকের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। মনে করা হচ্ছে, আগামী কিছু সময় ধরেই এই অঞ্চলে আফটার শক অনুভব হতে পারে। এরজন্য বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। যেসমস্ত বাড়ি অনেক পুরনো ও কাঠামোও ওত শক্তিশালী নয়, সেই বাড়িগুলির বাসিন্দাদের আপাতত অনত্র থাকতেই বলা হয়েছে। সিচুয়ান সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, একাধিক বিদ্যুতের লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় প্রায় ৬২ হাজার বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। আফটার শকের আশঙ্কা থাকায় কর্মীদের সুরক্ষার কথা ভেবে আপাতত লাইন সারাইয়ের কাজও শুরু করা যাবে না।ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে ভূমিকম্পের একাধিক ভিডিও, যেখানে দেখা যাচ্ছে ঘরের ভিতরে টিভি, ফ্রিজ কাঁপছে, ছাদে লাগানো নানা অন্দরসজ্জা মাটিতে ভেঙে পড়ছে।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২১
কলকাতা

Dilip Ghosh: 'অ্যান্টি সোশ্যালরা তৃণমূলের ঝান্ডা নিয়ে ঘোরে'

ফের খাস কলকাতায় রাতে চলল গুলি। রাত সাড়ে ১০ টায় রাস্তায় গাড়ি চালিয়ে ব্যবসায়ীকে গুলি করেছে একদল দুষ্কৃতী। শহরে এমন ঘটনা প্রথমবার নয়। গত কয়েক মাসে একাধিকবার এমন গুলি চালনো ঘটনা ঘটেছে কলকাতায়। সেই প্রসঙ্গেই এবার শাসক দলের দিকে আঙুল তুললেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, তৃণমূলের মদতেই এ ভাবে শহর তথা গোটা রাজ্যজুড়ে দুষ্কৃতী তাণ্ডব বেড়ে চলেছে। তৃণমূলের আশ্রয়েই এত বাড়বাড়ন্ত বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। সোমবার সকালে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপ ঘোষ দাবি করেন, রাজ্যজুড়ে যে সব সমাজ বিরোধীরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে তারা সবাই তৃণমূল আশ্রিত।আরও পড়ুনঃ বাতিল টেস্ট ম্যাচ নিয়ে আইসিসিকে চিঠি ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডেরপ্রসঙ্গত, রবিবার রাতে মিন্টো পার্কের কাছে গোর্কি সদনের সামনে হাওড়ার ব্যবসায়ী পঙ্কজ সিং-কে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। একেবারে বলিউডি কায়দায় প্রথমে ঘিরে ফেলা হয় ব্যবসায়ীর গাড়ি। বেশ কিছুক্ষণ ধরে চলে বচসাও। এরই মধ্যে সুযোগ বুঝে পঙ্কজকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। তবে কাঁধে গুলি লাগায় প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন ওই ব্যবসায়ী। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁকে সিএমআরআই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরিকল্পনামাফিক গুলি চালানো হয়েছে বলে দাবি আত্মীয় ও বন্ধুদের। এই প্রসঙ্গে আজ দিলীপ ঘোষ বলেন, শুধু কলকাতা নয় গোটা রাজ্যে একই অবস্থা। আর কাউকে গ্রেপ্তার করা হয় না, কারণ তারা দলের লোক। দিলীপের কথায়, যত সমাজ বিরোধী রয়েছে সবাই তৃণমূলের আশ্রয়ে রয়েছে। সবাই তৃণমূলের ঝাণ্ডা নিয়ে ঘোরে। কেউ কেউ তৃণমূলে পদ পেয়ে গিয়েছে, নেতাও হয়ে গিয়েছে। এরাই পুরো সমাজকে ব্যস্ত করে রেখেছে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১
বিদেশ

Kabul Blast: কাবুল বিমানবন্দরে ছিন্নভিন্ন মৃতদেহের সারি, বিস্ফোরণের দায় নিল আইএস

বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই কাবুল বিমানবন্দরে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ হওয়ার খবর ঘুরছিল। কিন্তু তা যে এভাবে সত্যি হয়ে যাবে, তা স্বপ্নেও ভাবতে পারেনি বিমানবন্দরে পৌঁছে যাওয়া মানুষগুলো। নিজেদের আপাতত নিরাপদ আশ্রয়ই ভেবে নিয়েছিলেন কাবুল বিমানবন্দর চত্বরকে। কিন্তু, এই নিরাপদ আশ্রয়েই ঘাপটি মেরে রয়েছে নির্মম পরিণতি তা কেউই ভাবেননি। বিভিন্ন দেশের গোয়েন্দাদের আশঙ্কা সত্যি প্রমাণ করে আত্মঘাতী বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল কাবুল। গভীর রাতে বিস্ফোরণের দায় নিয়েছে ইসলামিক স্টেট (আইএস)। এর আগে তালিবানও এক বিবৃতি দিয়ে দাবি করে, এই হামলা আইএসেরই কাজ। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সন্ধে সাড়ে ছটা নাগাদ বিমানবন্দরের কাছে পর পর দুটি আত্মঘাতী বিস্ফোরণে শিশু-সহ অন্তত ৬০ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ১২ জন আমেরিকান সেনা। জখম হয়েছেন দেড়শোরও বেশি। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আরও পড়ুনঃ জোড়া বিস্ফোরণ, গুলিতে কাঁপল কাবুল বিমানবন্দর চত্বর, মৃত কমপক্ষে শিশু-সহ ১৩ বিস্ফোরণের পরে বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের ভিডিও ফুটেজে দেখা গিয়েছে, রাস্তায় মৃতদেহের স্তূপ, বিমানবন্দরের বাইরের পরিখায় অসংখ্য দেহ ভাসছে। পরে বিমানবন্দরের কাছে ফের একটি বিস্ফোরণ হয়। রাতে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়, বিস্ফোরণ হয়েছে অন্তত ৬টি। গুলির লড়াইও চলে বলে খবর। প্রথম বিস্ফোরণটি হয় হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অ্যাবি গেটের সামনে। এই ফটক দিয়েই এখন বিমানবন্দরের ভিতরে ঢুকছেন দেশ ছাড়ার অনুমতি পাওয়া মানুষেরা। দ্বিতীয় বিস্ফোরণটি হয় বিমানবন্দরের খুব কাছেই ব্যারন হোটেলের সামনে। এই হোটেলে এখন ব্রিটিশ নাগরিকেরা রয়েছেন। বিমানবন্দরের সামনে বিস্ফোরণের পরে একাধিক দুষ্কৃতী সেখানে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। তাতেও অনেকে জখম হন। এক আফগান স্বাস্থ্য আধিকারিককে উদ্ধৃত করে এক ব্রিটিশ চ্যানেল জানিয়েছে, নিহতের সংখ্যা অন্তত ৬০। হাসপাতালগুলিতে উপচে পড়া ভিড়। আক্রান্তদের মধ্যে বিমানবন্দরের দায়িত্বে থাকা আমেরিকান মেরিন কোরের ১১ জন-সহ মোট ১২ জন এবং বিমানবন্দরের বাইরে থাকা কয়েক জন তালিবান রক্ষীও রয়েছেন।প্রথম বিস্ফোরণের পরই সন্দেহের তির তালিবানের দিকে গেলেও তারা সাফ জানিয়ে দেয়, এই হামলার পিছনে তাদের হাত নেই। তালিবান মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদের দাবি, আইসিস-কে এই হামলা চালিয়েছে। আগামিদিনে জঙ্গিরা যাতে কোনওভাবেই সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের জন্য আফগানিস্তানের মাটিকে না ব্যবহার করতে পারে, সেটা নিশ্চিত করতে তালিবান গোটা আন্তর্জাতিক মহলের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আগস্ট ২৭, ২০২১
রাজনীতি

Tripua: ত্রিপুরায় রক্তাক্ত তৃণমূলের প্রতিনিধিরা

ত্রিপুরায় ফের আক্রান্ত তৃণমূলের প্রতিনিধিরা। গাড়ির কাচ ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনায় আক্রান্ত হয়েছেন তৃণমূল নেতা সুদীপ রাহা, জয়া দত্ত ও দেবাংশু ভট্টাচার্য। ঘটনায় সুদীপ রাহার মাথা ফেটে গিয়েছে। তৃণমূল নেতাদের অভিযোগ, বিজেপির লোকজনই তাঁদের লক্ষ্য করে ইঁট ছোড়ে। আর তাতেই আক্রান্ত হয়েছেন তরুণ নেতারা। এই ঘটনার পরই তড়িঘড়ি ত্রিপুরা যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। আগামিকালই ত্রিপুরা যাচ্ছেন ব্রাত্য বসু ও কুণাল ঘোষ। অভিযোগ অস্বীকার করে বিজেপির দাবি, তৃণমূলই অশান্তি ছড়াচ্ছে ত্রিপুরায়।আরও পড়ুনঃ মুকুলের অসলগ্ন কথার পিছনে আসলে কী কারণ, জানালেন শুভ্রাংশুজানা গিয়েছে, আজ শনিবার আমবাসার ওপর দিয়ে গড়িতে যাচ্ছিলেন ওই তৃণমূল নেতারা। সংগঠনের কাজেই যাচ্ছিলেন তাঁরা। সেই সময় কেউ বা কারা তাঁদের গাড়ি লক্ষ্য করে ইঁট ছুড়তে থাকে। গাড়ির কাঁচ ভেঙে আহত হন তাঁরা। মাথা ফেটে যায় সুদীপ রাহার। জয়া দত্তও আহত হন। যুব নেতা দেবাংশু তাঁর ফেসবুক পেজে লাইভ ভিডিওতে দেখান, কী ভাবে ভেঙেছে গাড়ির কাচ। তিনি জানান, এমনভাবে গাড়ির কাচ ভাঙা হয়েছে যে, প্রত্যেকের গায়ে কাচের টুকরো ভর্তি হয়ে গিয়েছে। এই ঘটনার পরই টুইট করে নিন্দা জানান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। টুইটে তিনি দাবি করেছেন, বিজেপি তাদের আসল রঙ দেখিয়ে দিয়েছে। তৃণমূলের ওপর বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় বিজেপির গুণ্ডা রাজ সামনে এসেছে। বিজেপির এই হামলা আর হুমকি অমানবিকতার পরিচয়। এক ইঞ্চিও ছাড়বে না তৃণমূল।এই ঘটনার পর তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জানান, তিনি যখন ত্রিপুরায় গিয়েছিলেন, তখন তাঁর গাড়িও ফলো করছিল কেউ।The GOONS of @BJP4Tripura have shown their TRUE COLOURS!This barbaric attack on Trinamool workers reveals the GOONDA RAJ in #Tripura under @BjpBiplabs Govt.!Your threats and attacks only prove your inhumanity.DO WHAT YOU CAN.. Trinamool will not budge an INCH! pic.twitter.com/9K6ZPECrNq Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) August 7, 2021অন্যদিকে, এই ধরনের অশান্তির জন্য আসলে তৃণমূলই দায়ি বলে উল্লেখ করেছেন রাজ্য বিজেপির নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার। তিনি বলেন, ত্রিপুরায় গত পাঁচ বছরে কোনও অশান্তি হয়নি। ত্রিপুরাকে অশান্ত করার চেষ্টা করছে তৃণমূলই।

আগস্ট ০৭, ২০২১
রাজ্য

Accident: একই দিনে পৃথক ৪টি পথ দুর্ঘটনায় মৃত ২, জখম ১২

একই দিনে পৃথক চারটি পথ দূর্ঘটনায় মৃত্যু হল ১ বাইক আরোহীর সহ ২ জনের। জখম হয়েছেন ১২ জন। সোমবার দুর্ঘটনাগুলি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের ভাতার, মঙ্গলকোট ও মন্তেশ্বরে. যা নিয়ে সারাদিন হিমসিম খেতে হয় পুলিশ কর্মীদের। দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়ি গুলি আটক করে পুলিশ দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।আরও পড়ুনঃ ৪১ বছরের শাপমোচনের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেলেন মনপ্রীতরাপুলিশ জানিয়েছে, মৃত বাইক আরোহীর নাম প্রণব সাধু(৪৫) । তাঁর বাড়ি মঙ্গলকোট থানার নতুনহাট গ্রামে। এদিন বেলা ১১টা নাগাদ প্রণব সাধু বাইক চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। তাঁর পিছনে বসেছিলেন বাবু থান্ডার নামে এক ব্যক্তি। বাদশাহী রোড ধরে তিনি বাইক চালিয় যাওয়ার সময়ে দাসগর গ্রামের কাছে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি লরির সঙ্গে বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় বাইক চালক প্রণব সাধুর। গুরুতর জখম হন বাইকের পিছনে বসে থাকা বাবু থান্ডার। দুর্ঘটনার পরেই লরি ছেড়ে পালায় চালক। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে তাঁকে উদ্ধার করে মঙ্গলকোট ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করে। সেখানে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। এই ঘটনার পর এলাকার ক্ষিপ্ত বাসিন্দারা বাদশাহী রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায়। পুলিশ বাসিন্দাদের বুঝিয়ে সড়কপথ অবরোধ মুক্ত করে।আরও পড়ুনঃ একনজরে টোকিও অলিম্পিক ভিলেজের অন্দরমহলএকই দিনে ভাতার ও মঙ্গলকোটের দুটি যাত্রীবাহী বাস দূর্ঘটনার কবলে পড়ে। প্রথম দুর্ঘটনাটি ঘটে ভাতার থানার আলিনগর চৌমাথার কাছে। বাসটি বাদশাহী রোড ধরে নতুনহাট থেকে বর্ধমানের দিকে যাচ্ছিল। আলিনগর মসজিদতলার কাছে আসতেই বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নয়ানজুলিতে নেমে যায়। তার জেরে ২ মহিলা সহ মোট ৫ জন বাসযাত্রী আহত হন।খবর পেয়ে ভাতার থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে আহত বাস যাত্রীদের উদ্ধার করে ভাতার স্টেট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?অপর দিকে এদিন সকাল ৮ টা নাগাদ দ্বিতীয় বাস দূর্ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলকোটের মাহার্তুবা বাস স্ট্যান্ডের কাছে। জঙ্গিপুর-কলকাতা রুটের একটি যাত্রিবাহী বাস বাদশাহী রোড ধরে দ্রুতগতীতে যাওয়ার সময়ে সামনে থাকা ডাম্পারের পেছনে সজোরে ধাক্কা মারে। এই দূর্ঘটনায় বাসের চালক সহ কেবিনে বসে থাকা ৫ যাত্রী আহত হন। মঙ্গলকোট থানার পুলিশ গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে মঙ্গলকোট ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। এই দুর্ঘটনা গুলি ছাড়াও এদিন দুপুরে মন্তেশ্বরের কুসুমগ্রামের ডাঙ্গাপাড়া এলাকায় আরও একটি দুর্ঘটনা ঘটে। রড় বোঝাই একটি লরি বর্ধমানের দিক থেকে কুসুমগ্রামের দিকে যাচ্ছিল। ওই সময়ে সড়ক পথে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্র্যাক্টরে ধাক্কা মেরে লরিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে নয়ানজুলিতে গিয়ে পড়ে। এই দুর্ঘটনায় লরির ভিতরে থাকা একজনের মৃত্যু হয় এবং একজন আহত হন। দুর্ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ ট্র্যাক্টর সহ তার চালককে আটক করেছে।

আগস্ট ০২, ২০২১
কলকাতা

Accident: বেপরোয়া গতি প্রাণ কাড়ল ৬ শ্রমিকের

বারুইপুরে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন ৬ শ্রমিক। কর্মস্থলে যাওয়ার জন্য হাওড়ার স্টেশনের দিকে রওনা হয়েছিলেন ২৭ জন শ্রমিক। একই গাড়িতে ছিলেন তাঁরা। গাড়িটি সজোরে একটি ইলেকট্রিক পোস্টে ধাক্কা মারে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ৬ জনের। আহত অবস্থায় ১৭ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রবিবার রাত পৌনে ১২ টা নাগাদ এই ঘটনা ঘটে। রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ।আরও পড়ুনঃ দিল্লি দরবারে যেতে চান রাজ্য বিজেপি নেতারাবারু্ইপুরের কুলতলি এলাকার রাধা বল্লভপুর মল্লিকপুরের ঘটনা।জানা গিয়েছে, হাওড়া স্টেশন থেকে ট্রেন ধরার কথা ছিল ওই ২৭ জন শ্রমিকের। একটি বোলেরো পিকআপ ভ্যানে সে দিকেই যাচ্ছিলেন তাঁরা। সজোরে একটি পোস্টে ধাক্কা মারে গাড়িটি। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ছজনের। খবর পেয়েই তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বকুলতলা থানার পুলিশ। আহতদের নিমপীঠ গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বেশ কয়েকজনকে কলকাতায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে চিকিৎসার জন্য। ঘটনাস্থলে বারুইপুর পুলিশ জেলার এসডিপিও-র নেতৃত্ব বিশাল পুলিশবাহিনী যায়। দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িটি উদ্ধার করে আনে বকুলতলা থানার পুলিশ। কী ভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তার তদন্ত শুরু করেছে বকুলতলা থানার পুলিশ। প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, গাড়িটি বেপরোয়া গতিতে চলছিল, আর তার জেরেই এই দুর্ঘটনা।

আগস্ট ০২, ২০২১
দেশ

Tragic Accident: ফের দুর্ঘটনার বলি ১৮ পরিযায়ী শ্রমিক

মঙ্গলবার গভীর রাতে ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনার মর্মান্তিক পরিণতি দেখল উত্তরপ্রদেশ। বারাবাঙ্কি এলাকায় প্রবল গতিতে ধেয়ে আসা ট্রাকের সঙ্গে বাসের সংঘর্ষে মৃত্যু হল ১৮ জনের। জখম হয়েছে আরও ২৪ জন। অযোধ্যা-লখনউ জাতীয় সড়কে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। রাম সানেহি পুলিশ স্টেশনের কাছে এই ঘটনায়। পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, ওই বাসে প্রায় ১৪০ জন যাত্রী ছিলেন। এরা সকলেই ছিলেন শ্রমিক। উত্তরপ্রদেশের এই জাতীয় সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময়ই দুর্ঘটনার মুখে পড়ে বাসটি। পুলিশ জানিয়েছে, ওই বাস হরিয়ানার পালওয়াল থেকে বিহার আসছিল।লখনউ ঢোকার ২৮ কিলোমিটার আগে জাতীয় সড়কে খারাপ হয়ে যায় বাসের যন্ত্রাংশ। তা ঠিক করার জন্য রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে ছিল বাসটি। বাসে আসা কিছু শ্রমিক বাসের সামনে রাস্তার ধারে ঘুমোচ্ছিলেন। সে সময়ই ঘটে এই ভয়ানক দুর্ঘটনা।আরও পড়ুনঃ বাবার মৃত্যুর কয়েক ঘন্টার মধ্যেই বহুতল হাসপাতাল থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী ছেলেখবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। মৃতদের দেহ উদ্ধারের পাশাপাশি আহত শ্রমিকদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁদের চিকিৎসা চলছে। ঘটনা নিয়ে অতিরিক্ত ডিরেক্টর জেনারাল এসএন সাবাত বলেছেন, মঙ্গলবার রাতে বারাবঁকীতে এক পথ দুর্ঘটনায় বিহারের ১৮ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। তাঁরা দ্বারভাঙা, সীতামারি-সহ বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। ঘটনায় আহত হয়েছে দুডজনেরও বেশি। তাঁদের চিকিৎসা চলছে।

জুলাই ২৮, ২০২১
দেশ

Temple Stamped: মহাকালেশ্বর মন্দিরে পদপিষ্ট বহু মহিলা ও শিশু

মহাকাল মন্দিরে অত্যধিক ভিড়ে পদপিষ্ট হয়ে জখম বহু মহিলা ও শিশু।জানা গিয়েছে, উজ্জয়িনীর মহাকালেশ্বর শিব মন্দিরে গিয়েছিলেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহান, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী উমা ভারতী-সহ কয়েক জন ভিআইপি ব্যক্তি। তাঁরা যাওয়ার পরেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ভক্তদের মধ্যে হুড়োহুড়ি শুরু হয়। ভিড় সামলাতে পারেনি পুলিশ। পদপিষ্ট হয়ে আহত হয়েছেন বহু ভক্ত। তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েক জন মহিলা, শিশুও রয়েছে। শুধু তাই নয়, মন্দিরে করোনাবিধিও ভাঙা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিকের তৃতীয় রাউন্ড থেকেই বিদায় শরথ কমলেরসোমবার মহাকাল মন্দিরের চার নম্বর প্রবেশ দ্বারের বাইরে এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, বেশ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পরে ভক্তরা অধৈর্য হয়ে যান। ফলে তাঁদের ভিতরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়ার পরেই সবাই একসঙ্গে ঢুকতে যান। তখনই পড়ে যান অনেকে। পদপিষ্ট হয়ে আহত হন তাঁরা। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসার পরে কয়েক জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। উল্লেখ্য, করোনার কারণে অনেক দিন বন্ধ থাকার পরে গত মাসেই খুলেছে মহাকাল মন্দির। যদিও মন্দিরে যাওয়ার জন্য ভক্তদের কোভিড পরীক্ষার নেগেটিভ রিপোর্ট বা একটি টিকা নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সকাল ৬টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে সাড়ে তিন হাজার ভক্তকে মন্দিরে ঢোকার অনুমতি দিয়েছে প্রশাসন।

জুলাই ২৭, ২০২১
রাজ্য

Group Clashes: বিজয় মিছিলের নামে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে জখম অন্তত ১০, গ্রেফতার ৯

বিজয় মিছিলকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে জখম হলেন অন্তত দশ জন। জখমদের একজনকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রবিবার দুপুরে এই গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মেমারি ২ ব্লকের পলাশন গ্রামে। খবর পেয়ে এসডিপিও আমিনুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ ও র্যাফ বাহিনী ঘটনা পৌঁছায়। গোষ্ঠী সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে যাওয়া পুলিশকে হেনস্থা ও পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পরেই পুলিশ ধরপাকড় অভিযান চালিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে। উত্তেজনা থাকায় এলাকায় পুলিশ বাহিনী মোতায়েন রাখা হয়েছে। চলছে পুলিশের টহলদারি। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মেমারি ২ পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ আব্দুল কাসেদ শেখের সঙ্গে ব্লকের সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি আবু আওয়াল গোষ্ঠীর বিরোধ দীর্ঘ দিনের। মেমারির বড়পলাশন ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান রুবি খাতুন ও তাঁর স্বামী আবু আওয়ালের নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার এলাকায় বিজয় মিছিল হয়। তারই পাল্টা হিসেবে এদিন দুপুরে মেমারি ২ পঞ্চায়েত সমিতির বিদ্যুতের কর্মাধ্যক্ষ আবুল কাসেদের নেতৃত্বে একটি বিজয় মিছিল বের করা হয়। পলাশন গ্রাম ঘুরে মিছিলটি মির্জাপুরের দিকে যাওয়ার সময়েই তৃণমূলের ওই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে মারপিট শুরু হয়ে যায় বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মারপিট আটকাতে গেলে পুলিশও হেনস্থার শিকার হয়। এমনকি পুলিশের গাড়িও ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ।আরও পড়ুনঃ পেয়ারা বিক্রেতা উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তা, প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন নেটনাগরিকরাবিদ্যুৎ কর্মাধ্যক্ষের অনুগামী বলে পরিচিত গোলাম আকবর চৌধুরির অভিযোগ, তাঁদের বিজয় মিছিল পলাশন গ্রাম ঘুরে মির্জাপুরের দিকে এগোচ্ছিল। ওই সময় পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী আবু আওয়াল সহ ১২-১৩ জন লাঠি, বাঁশ নিয়ে পিছন দিক দিয়ে পরিকল্পিতভাবে বিজয় মিছিলে আক্রমণ চালায় । তাতে বিদ্যুৎ কর্মাধ্যক্ষ আবুল কাসেদ সহ ৬-৭ জন জখম হয়েছেন। আবু আওয়ালের লোকজন বিজয় মিছিলে থাকা বেশ কয়েকটি টোটোও ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ উঠেছে ।আরও পড়ুনঃ শাহের দরবারে শুভেন্দু-সৌমিত্র, জল্পনাযদিও আবু আওয়ালের অনুগামিদের অভিযোগ, বিজয় মিছিলের নামে পলাশন গ্রামে ঢুকে দলীয় কার্যালয় থেকে বের করে প্রধানের স্বামী আবু আওয়ালকে মারধর করা হয়। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে আরও কয়েকজন জখম হয়েছে। আবু আওয়ালের শারীরিক অবস্থা খারাপ থাকায় তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। পঞ্চায়েত প্রধান রুবি খাতুনের অভিযোগ,পরিকল্পনা করে বিজয় মিছিল থেকে লাঠি-টাঙি নিয়ে আক্রমণ চালানো হয়েছে।বিদ্যুৎ কর্মাধ্যক্ষ জখম থাকায় তাঁর কোনও প্রতিক্রিয়া পওয়া যায়নি।আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনএসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিণ) আমিনুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, এলাকা থেকে ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

জুলাই ২৬, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
উৎসব

দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের উন্মাদনা! ফুটবলের টানে মাঠে ফিরুক কচিকাঁচারা, অভিনব থিম পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির

পূর্ব বর্ধমান: দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এ বার ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও বিশ্বজয়ী স্পেনের উল্লাস, কোথাও ভারতীয় ফুটবলের ছবি, আবার কোথাও লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে পুজোর মণ্ডপেই যেন তৈরি হচ্ছে এক টুকরো বিশ্বকাপের আসর। বাঙালির চিরন্তন ফুটবলপ্রেমকে উদ্যাপন এবং নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের পর্দা থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।পুজোর থিম মানেই এখন শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ সচেতনতা কিংবা নানা অভিনব ভাবনার মেলবন্ধন। সেই ধারাতেই এ বার ফুটবলকে সঙ্গী করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। ক্লাবের ২৯তম বর্ষের পুজোয় তাদের থিম ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড। অর্থাৎ, ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবল যে গোটা বিশ্বকে একই সুতোয় বেঁধে রাখতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে।মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকেই দর্শকদের নজর কাড়ার আয়োজন। সামনে রাখা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের সরকারি বল ট্রিয়োন্ডা। বলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আবহ। মণ্ডপের এক দিকে রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবি, অন্য দিকে স্থান পেয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের গৌরবের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। তাঁদের ফুটবলজীবনের স্মৃতি ও জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ। পাশাপাশি থাকছে আরও কয়েক জন তারকা ফুটবলারের প্রতিকৃতি। বিশ্বকাপের নানা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মাঠের উত্তেজনা, গোলের উল্লাস এবং সমর্থকদের আবেগে ভরা সেই সব মুহূর্তে।মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেও থাকছে চমক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ৭০টি উল্লেখযোগ্য মুহূর্তের ছবি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সেখানে। ভারতীয় ফুটবলের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ জায়গা। দেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। ফলে এই মণ্ডপ শুধু পুজো দেখার জায়গা নয়, ফুটবলের ইতিহাস ও স্মৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনাকেও বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। মণ্ডপের এক পাশে গ্যালারির আদলে তৈরি অংশে থাকবে ফাইনালের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। দুর্গাপ্রতিমার পাশেও স্থান পাচ্ছে ফাইনালের স্মরণীয় দৃশ্য এবং ফুটবল তারকাদের ছবি। মণ্ডপের একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পতাকা। আলোর কারুকার্যে সেই সব পতাকার রং ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপের একটি দৃশ্যমান আবহ তৈরি করাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।এখানেই শেষ নয়। মণ্ডপে থাকবে একটি বড় পর্দা, যেখানে দেখানো হবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের হাইলাইটস। ফলে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে দেখতে পারবেন মাঠের সেরা মুহূর্তগুলি। গোল, সেভ, দুরন্ত পাস কিংবা ট্রফি জয়ের উল্লাসবিশ্বকাপের নানা স্মৃতি মণ্ডপের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।তবে এই আয়োজনের পিছনে শুধুই দর্শকদের আকর্ষণ করার ভাবনা নেই। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, ছোটদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের মাঠমুখী করে তোলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে খেলাধুলার আনন্দ, দলগত প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ফুটবলকে মাধ্যম করেছে ক্লাব।ফুটবল এমন একটি খেলা, যেখানে জয়ের আনন্দের পাশাপাশি থাকে পরাজয় মেনে নেওয়া, সতীর্থের পাশে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা। ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড থিমের মাধ্যমে সেই সামাজিক ও মানবিক বার্তাও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি।দুর্গাপুজোর উৎসবের সঙ্গে ফুটবলের আবেগকে মিলিয়ে এই উদ্যোগ কতটা দর্শকপ্রিয় হয়, তা অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মণ্ডপের সাজসজ্জা থেকে বিশ্বকাপের স্মৃতি, আন্তর্জাতিক তারকা থেকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসসব কিছুকে এক ছাতার তলায় এনে পুজোর আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করেছে ক্লাব। উদ্যোক্তাদের আশা, মণ্ডপে এসে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠার পাশাপাশি ছোটদের মনে জাগবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের টানেই হয়তো এক দিন তারা মোবাইল সরিয়ে রেখে আবার ছুটবে গ্রামের মাঠে, পায়ে বল নিয়ে।দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের আবহ, আর সেই আবহ থেকেই মাঠে ফেরার ডাকপূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির এ বারের পুজোর ভাবনায় ফুটবল তাই শুধু খেলা নয়, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলারও এক বার্তা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal