• ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার ২০ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Indian

রাজ্য

ইণ্ডিয়ান অয়েলের পাইপলাইন বসানোর কাজ বন্ধ করে দিল পূর্ব বর্ধমানের চাষিরা

ন্যায্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে ইন্ডিয়ান অয়েলের পাইপ লাইন বসানোর কাজ বন্ধ করে দিল চাষিরা।আন্দোলনকারী ওই চাষিরা সকলেই পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষ ব্লকের কৈয়র পঞ্চায়েতের গোপালপুর এলাকার বাসিন্দা। তাঁদের আন্দোলনের জেরে এখন থমকে রয়েছে বাঁকুড়া-মসাগ্রাম রেল পথের কৈয়র স্টেশন লাগোয়া লেবেল ক্রশিং এলাকায় মাটির নিচ দিয়ে তেলের পাইপ লাইন নিয়ে যাওয়ার কাজ। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের কর্তারা চাষিদের সঙ্গে বৈঠক করার পরেও উদ্ভুত সমস্যার সমাধানের রাস্তা বের না হওয়ায় বিপাকে পড়ে গিয়েছেন ইন্ডিয়াল অয়েল কর্তৃপক্ষ।প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ইণ্ডিয়ান অয়েল কর্তৃপক্ষ কয়েক বছর আগে মাটির তলা দিয়ে তেলের পাইপলাইন নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু করে। সেই পাইপ মারফত অপরিশোধিত জ্বালানি তেল বারাবনি থেকে পৌছাবে হলদিয়ায়। সেই কাজের জন্য ২০২০ সালে খণ্ডঘোষ ব্লকের কৈয়ড় ও গোপালপুর মৌজায় জমি চিহ্নিত করে ইণ্ডিয়াল অয়েল কর্তৃপক্ষ। তার পর চাষের জমি দিয়ে তেলের পাইপ লাইন বসানোর কাজও শুরু হয়। তখনকার মত সব কিছু ঠিকঠাক চললেও পরবর্তী সময়ে ক্ষতিপূরণ নিয়ে চাষিদের সঙ্গে ইণ্ডিয়ান অয়েল কর্তৃপক্ষের বিরোধ বাধে। যে বিরোধ এখন চরমে পৌছেছে। চাষ জমির মালিকদের আন্দোলনের জেরে এখন বাঁকুড়া-মসাগ্রাম রেল পথের কৈয়র স্টেশন লাগোয়া লেবেল ক্রশিং এলাকায় মাটির নিচ দিয়ে তেলের পাইপ লাইন নিয়ে যাওয়ার কাজ থমকে রয়েছে।আন্দোলনকারী গোপলপুর এলাকার চাষি এমদাদুল হক মণ্ডল জানান, তেলের পাইপ লাইন চাষের জমির মাটি খুঁড়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ কৈয়ড় ও গোপালপুর মৌজায় শুরু হয়। কিন্তু ওই কাজের জন্য সঠিক কি ক্ষতিপূরণ চাষিদের প্রাপ্য সে সন্মন্ধে চাষিদের পরিস্কার কিছু জানায়নি ইণ্ডিয়াল অয়েল কর্তৃপক্ষ বা তাঁদের অধীনস্ত লোকজন। কোনও ক্ষতিপূরণ বা নগদ টাকা প্রদান কোন কিছু না করেই কাজ শুরু হয় যায়। গভীর ভাবে মাটি খুঁড়ে গোটা চাষ জমি লণ্ডভণ্ড করে দিয়ে তেলের পাইপ লাইন নিয়ে যাওয়ার কাজ হলেও জমি চাষের উপযুক্ত করে দেওয়ার কোন ব্যবস্থাও তেল সংস্থার লোকজন করে দেয়নি। এর কারণে ওইসব জমিতে চাষও মার খায়। এলাকার অপর চাষি লাল্টু শেখ জানান, এর পর ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে ইণ্ডিয়ান অয়েল কর্তৃপক্ষ দিতীয় পর্যায়ে পাইপ লাইন বসানোর কাজ শুরু করলে শুধুমাত্র একটি ফসলের জন্য যৎসামান্য ক্ষতিপূণের ব্যবস্থা করে। একই ভাবে এই কাজের পরেও ইণ্ডায়ান অয়েল কর্তৃপক্ষ কোন চাষির চাষ জমি-ই পুনরায় চাষের উপযুক্ত করে দেয়নি। তার জন্য আবারও চাষিরা তাঁদের জমিতে চাষ করতে না পারায় চাষ মার খায়। লাল্টু শেখ বলেন, চাষের উপর নির্ভর করেই কৈয়র, গোপালপুর সহ আশপাশ এলাকার মানুষজনের জীবন-জীবিকা নির্বাহ হয়। ইণ্ডায়ান অয়েল কর্তৃপক্ষের এমন কাজ কারবারের জন্য এলাকার বহু চাষি এখন মহাসংকটে পড়ে গিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে সঠিক ও ন্যায্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে চাষিরা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ না দেওয়া পর্যন্ত এলাকায় তেলের পাইপ লাইন বসানোর কাজ করতে দিতেও নারাজ চাষিরা।প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে চাষিরা এমন অনড় মনোভাব দেখিয়ে চলায় সম্প্রতি ইণ্ডিয়ান অয়েল কর্তৃপক্ষ ও চাষিদের নিয়ে একটি বৈঠকের ব্যবস্থা করা হয়। সেই বৈঠকে ইণ্ডিয়ান অয়েলের(আই ও সি এল) ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার সুব্রত দুবে ,খণ্ডঘোষ ব্লক প্রশাসনের আধিকারিক ও পুলিশ কর্তারাও উপস্থিত থাকেন। কিন্তু সঠিক ক্ষতিপূরণ মূল্য বিষয়ে সুস্পষ্ট কোন সিদ্ধান্তে পৌছানো না যাওযায় অচলাবস্থা কাটে না। এই বিষয়ে সুব্রত দুবে যদিও সংবাদ মাধ্যমের কাছে কিছু বলতে চাননি। তিনি শুধু বলেন, বিষয়টি অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ লেবেল দেখছে। তবে ব্লক প্রশাসনের এক আধিকারিক ও খণ্ডঘোষের জেলাপরিষদ সদস্য অপার্থিব ইসলাম উদ্ভুত সমস্যার জন্য ইণ্ডিয়ান অয়েল কর্তৃপক্ষকেই দায়ী করেছেন। এনারা বলেন, চাষিরা নেজ্যক্ষতিপূরণের যে দাবি তুলেছেন সেটা যুক্তি সঙ্গত। ক্ষতিপূরণ মূল্য নির্ধারণ নিয়ে ইণ্ডিয়ান অয়েল কর্তৃপক্ষ ভুলভাল কাজ করেছে । তার জন্যই সঠিক ক্ষতিপূরণ মূল্য আশলে তা নিয়ে গ্রামবাসিদের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে। এই দ্বন্দ্ব দ্রুত মেটানো না গেলে জুলাই ২০২২ সালের মধ্যে তেলের পাইপ লাইন আদৌ হলদিয়া পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া যাবে কিনা সেটাই এখন বড় প্রশ্ন বলে অপার্থিব ইসলাম মন্তব্য করেছে।এরপর ইণ্ডিয়ান অয়েল কর্তৃপক্ষ জানুয়ারি মাস নাগাদ খণ্ডঘোষ ব্লকের বিভিন্ন পঞ্চায়েত এলাকাতেও শুরু করে। পাইপলাইন বাসানোর জন্য চাষের যে ক্ষতি হবে তার ক্ষতিপূরণ মিলবে বলে চাষিরা ইণ্ডিয়াল অয়েল কর্তৃপক্ষর কাছ থেকে আশ্বাস পায়। সেই কারণে চাষিরা তাঁদের জমির মাটি খুঁড়ে তেলের পাইপ লাইন নিয়ে যাওয়ার কাজ নিয়ে কোন ওজর আপত্তি তোলেনি।

মার্চ ১০, ২০২২
বিদেশ

মানবিক করিডর খুলতেই সুমি থেকে উদ্ধার প্রায় ৭০০ ভারতীয়

১৪ দিনে পড়েছে রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ। ইউক্রেনের একের পর এক শহর দখল হওয়ার পরই উদ্বেগ বেড়েছিল সে দেশে আটকে পড়া ভারতীয়-দের নিয়ে। কেন্দ্র ও বিদেশ মন্ত্রকের উদ্যোগে শুরু করা হয়েছিল অপারেশন গঙ্গা। ইতিমধ্যেই উদ্ধারকার্য শেষ দফায় পৌঁছে গিয়েছে, বাকি ছিল কেবল যুদ্ধবিধ্বস্ত সুমি-তে আটকে থাকা ভারতীয় পড়ুয়াদের উদ্ধার।মঙ্গলবার কেন্দ্রের তরফে জানানো হল, মানবিক করিডরের মধ্যে দিয়ে রাশিয়া-বেলারুশ সীমান্ত ধরে সুমিতে আটকে থাকা সমস্ত ভারতীয়দের উদ্ধার করে বের করে আনা হয়েছে। চলতি সপ্তাহেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ফোনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে কথা বলেছিলেন ভারতীয়দের সুরক্ষিতভাবে উদ্ধার নিয়ে। এরপরই সুমি থেকে ভারতীয়দের উদ্ধারের কথা জানানো হল।Happy to inform that we have been able to move out all Indian students from Sumy.They are currently en route to Poltava, from where they will board trains to western Ukraine.Flights under #OperationGanga are being prepared to bring them home. pic.twitter.com/s60dyYt9U6 Arindam Bagchi (@MEAIndia) March 8, 2022সপ্তাহের শুরুতেই জানা গিয়েছিল, সুমিতে প্রায় ৬০০-রও বেশি পড়ুয়া আটকে ছিল। রাশিয়ার সীমান্ত থেকে ৫০ কিমি দূরে থাকায়, গোলাবর্ষণের মাঝে তাঁদের পায়ে হেঁটে ফেরাও সম্ভব হচ্ছিল না। কেন্দ্রের কাছে পড়ুয়ারা সাহায্যের আর্জি জানালে, তাদের ধৈর্য্য ধরতে ও নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নিতে বলা হয়েছিল। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী সাংবাদিকদের জানান, যে ৬৯৪ জন ভারতীয় পড়ুয়া ইউক্রেনের সুমিতে আটকে ছিল, তাদের উদ্ধার করে আনা হয়েছে। সুমি থেকে তারা পোলটোভার উদ্দেশে বাসে করে রওনা দিয়েছে।সুমি ছাড়াও ইরপিনে আটকে থাকা ভারতীয়দের গ্রিন করিডরের মাধ্যমে উদ্ধারের কথাও জানিয়েছে বিদেশ মন্ত্রক। টুইটে ভারতীয় পড়ুয়াদের বাসযাত্রীর ভিডিয়ো পোস্ট করে বলা হয়েছে, রাশিয়া ইউক্রেনে মানবিক করিডর তৈরির যে প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছিল, তার অধীনেই ভারতীয়দের উদ্ধার করে আনা হচ্ছে।

মার্চ ০৯, ২০২২
বিদেশ

ইউক্রেনে আবার সাময়িক যুদ্ধবিরতি ঘোষণা রাশিয়ার

১৩ দিনে পড়ল রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। ভারতীয় সময় দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ (মস্কোর সময় অনুযায়ী সকাল ১০টা) ফের যুদ্ধবিরতি ঘোযণা করল রাশিয়া। সুমিতে আটকে থাকা ভারতীয় পড়ুয়াদের সুরক্ষিতভাবে দেশে ফেরানোর জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিল ক্রেমলিন। রাশিয়ার বিদেশ মন্ত্রক সুমি-সহ মোট পাঁচ শহরের ছাত্রদের সুরক্ষিতভাবে দেশে ফেরানোর সুবিধা করে দিতে রাজি হয়েছে। সুমি ছাড়া কিভ, খারকিভ, মারিউপোল এবং চারনিগিভ শহরের পড়ুয়াদেরও যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেন ছাড়ার জন্য এই যুদ্ধবিরতি ঘোযণা করা হয়েছে বলেও রাশিয়ার বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে।এর আগেও মানবিক করিডর তৈরি করে দিতে ইউক্রেনের একধিক শহরে সাময়িক যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে রাশিয়া। যদিও ইউক্রেনের দাবি, এ সবই রাশিয়ার নাটক। কারণ এর আগে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেও রুশ সেনা আক্রমণ চালিয়েছে কিভ-সহ বহু শহরে। প্রাণ গিয়েছে সাধারণ মানুষের।এই পরিস্থিতিতে রাশিয়া সাময়িক যুদ্ধবিরতির ডাক দিলেও তা সদর্থকভাবে গ্রহণ করতে পারছে না কিভ।সোমবারও ভারতীয় সময় বেলা সাড়ে ১২টা থেকে খারকিভ, মারিউপুল এবং সুমি শহরে এই যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়। সংবাদ সংস্থার খবর অনুযায়ী, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাকরঁ-র অনুরোধেই এই সিদ্ধান্ত নেন রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন। দিন দুয়েক আগে মাকরেঁর সঙ্গে ফোনে কথা হয় পুতিনের। মনে করা হয়, তার জেরেই এই সিদ্ধান্ত।

মার্চ ০৮, ২০২২
বিদেশ

পোলান্ড সীমান্তের কাছে গুলিবিদ্ধ ভারতীয় পড়ুয়া, ভর্তি হাসপাতালে

কিভ থেকে ফেরার পথে গুলিবিদ্ধ হলেন ভারতীয় পড়ুয়া। কিভ থেকে পোলান্ড সীমান্তের দিকে আসার পথে এই পড়ুয়া গুলিবিদ্ধ হন। তাঁকে মাঝ পথ থেকে ফিরিয়ে নিয়ে গিয়ে কিভের একটা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। অসামরিক বিমান চলাচল প্রতিমন্ত্রী ভিকে সিং বিষয়টি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, কিভের একজন ছাত্র গুলিবিদ্ধ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে এবং তাকে অবিলম্বে কিভের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে ওই ছাত্রের পরিচয় এখনও প্রকাশ্যে আনা হয়নি।এর আগেও রুশ হামলার মুখে পড়ে প্রাণ হারান কর্নাটকের বাসিন্দা এক মেডিক্যাল পড়ুয়া। মঙ্গলবার খারকিভে বোমা বিস্ফোরণের ফলে এই ভারতীয় পড়ুয়ার মৃত্যু হয়। এই পড়ুয়া উত্তর কর্নাটকের বাসিন্দা। মৃত পড়ুয়ার নাম নবীন শেখারাপ্পা জ্ঞানগউধর। নবীন মেডিক্যাল কলেজের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র ছিলেন। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে দোকানের লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন নবীন। সেই মুহূর্তেই ওই জায়গায় আছড়ে পড়ে রুশ বোমা। এর ফলেই তাঁর মৃত্যু হয়। ইউক্রেনে আটকে পড়া ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনতে ১৯টি বিমান চালাচ্ছে বায়ুসেনা এবং দেশের বিমান সংস্থাগুলি। বৃহস্পতিবার থেকেই উদ্ধারকাজে নেমেছে এই বিমানগুলি। এদিকে যুদ্ধ কবলিত ভিন্ দেশ থেকে ঘরে ফেরার চেষ্টা। কিন্তু সীমান্ত পেরোনোর আগেই সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন। সেই সুযোগে সর্বস্ব লুট। কনকনে শীতে গরম জামা-জুতো লুট করতেও কার্পণ্য করেনি লুটেরা। এমন অবস্থায় এক ইউক্রেনীয় পরিবারে তিন রাতের আশ্রয় মেলে। অবশেষে প্রবাসী বাঙালির সাহায্যে পোল্যান্ডের অ্যাম্বুল্যান্সে চড়ে সীমান্ত পার। জীবনের এমনই ঘটনাবহুল কয়েকটি দিন কাটিয়ে আজ, শুক্রবার পোল্যান্ড থেকে উড়ানে ফিরছেন অসমের গুয়াহাটির বাসিন্দা এক যুবক। ঘটনার আকস্মিকতায় বিধ্বস্ত যুবক পিছনের কটা দিন মনে করতেই বার বার আতঙ্কিত এবং উত্তেজিত হয়ে যাচ্ছেন।

মার্চ ০৪, ২০২২
দেশ

পণবন্দি হয়নি কোনও পড়ুয়াই, রাশিয়ার দাবি ওড়াল বিদেশ মন্ত্রক

যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেই ইউক্রেন থেকে জোরকদমে উদ্ধারকার্য চালাচ্ছে ভারত সরকার । আগামী ৮ মার্চের মধ্যে ইউক্রেনের প্রতিবেশী দেশগুলি থেকে মোট ৪৬টি বিশেষ বিমানে ভারতীয়দের ফেরত আনা হবে। তবে এরইমাঝে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছিল রুশ প্রশাসনের দাবিতে। বুধবারই রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে দাবি করা হয়েছিল যে, খারকিভে একদল ভারতীয় পড়ুয়াকে বন্দি করে রেখেছে ইউক্রেনীয় সেনা। তবে এদিন সকালে ভারত সরকারের তরফে জানিয়ে দেওয়া হল যে, ভারতীয় পড়ুয়াদের পণবন্দি করে রাখার কোনও খবর মেলেনি। যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউক্রেনে এখনও আটকে থাকা ভারতীয়দের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে।Our response to media queries regarding reports of Indian students being held hostage in Ukraine ⬇️https://t.co/RaOFcV849D pic.twitter.com/fOlz5XsQsc Arindam Bagchi (@MEAIndia) March 3, 2022এদিন সকালেই বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী টুইট করে বলেন, আমাদের কাছে ইউক্রেনে ভারতীয় পড়ুয়াদের পণবন্দি হয়ে থাকার কোনও খবর নেই। খারকিভ ও পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে আটকে পড়া ভারতীয়দের উদ্ধার করে দেশের পশ্চিম অংশে পাঠানোর জন্য বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করার কথাও বলা হয়েছে ইউক্রেনীয় প্রশাসনকে।গতকালই রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র বলেন, আমাদের তথ্য অনুযায়ী, ইউক্রেনীয় প্রশাসন জোর করে একদল ভারতীয় পড়ুয়াকে খারকিভে আটকে রেখেছে। ওই পড়ুয়ারা ইউক্রেনের সীমান্ত পার করে বেলগার্ডে যাওয়ার চেষ্টা করছিল, কিন্তু তাদের জোর করে বন্দি বানিয়ে রাখা হয়েছে। রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী ভারতীয় নাগরিকদের সুরক্ষিতভাবে উদ্ধারকার্যে সবরকমের সাহায্যের জন্য প্রস্তুত এবং তাদের উদ্ধার করে রাশিয়ার সীমান্ত দিয়ে ভারতের সামরিক বা উদ্ধারকারী বিশেষ বিমানে করে দেশে পাঠাতেও আগ্রহী।

মার্চ ০৩, ২০২২
বিদেশ

ইউক্রেনীয় সেনার হাতে পণবন্দি ভারতীয় পড়ুয়ারা! চাঞ্চল্য

ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার পরই সেই দেশ থেকে উদ্ধার করে আনা হচ্ছে আটকে থাকা ভারতীয়দের। ইউক্রেনের এয়ারবেস বন্ধ থাকায়, প্রতিবেশী পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি, রোমানিয়া ও স্লোভাকিয়ার পথ ধরে বিশেষ বিমানের মাধ্যমে ভারতীয়দের উদ্ধার করে আনা হচ্ছে। তবে সীমান্ত অবধি পৌঁছতেও অনেক কাঠখড় পোড়াতে হচ্ছে ভারতীয় পড়ুয়াদের। সম্প্রতিই পড়ুয়ারা অভিযোগ জানিয়েছিলেন, সীমান্তে ইউক্রেনীয় সেনা মারধর করছে। এবার ভারতীয়দের পণবন্দি করে রাখার অভিযোগ উঠল। বুধবারই রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে দাবি করে হয়, খারকিভে একদল ভারতীয় পড়ুয়াকে বন্দি করে রেখেছে ইউক্রেনীয় বাহিনী। তাদের মানব ঢাল হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ।রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র গতকালই একটি সাংবাদিক বিবৃতিতে বলেন, গোপনসূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইউক্রেনীয় প্রশাসন জোর করে একদল ভারতীয় পড়ুয়াকে খারকিভে আটকে রেখেছে। ওই পড়ুয়ারা ইউক্রেনের সীমান্ত পার করে বেলগার্ডে যাওয়ার চেষ্টা করছিল, কিন্তু তাদের জোর করে বন্দি বানিয়ে রাখা হয়েছে। রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী ভারতীয় নাগরিকদের সুরক্ষিতভাবে উদ্ধারকার্যে সবরকমের সাহায্যের জন্য প্রস্তুত এবং তাদের উদ্ধার করে রাশিয়ার সীমান্ত দিয়ে ভারতের সামরিক বা উদ্ধারকারী বিশেষ বিমানে করে দেশে পাঠাতে আগ্রহী।উল্লেখ্য, গতকালই খারকিভে আটকে পড়া ভারতীয়দের উদ্ধারের জন্য রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁদের এই বার্তালাপের কিছুক্ষণের মধ্যেই রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে এই বিবৃতি পেশ করা হয়।

মার্চ ০৩, ২০২২
বিদেশ

ভারতীয়দের রাতেই খারকিভ ছাড়ার সতর্কবার্তা দিল্লির

যে কোনও মুহূর্তে শুরু হতে পারে রুশ বাহিনীর ফাইনাল অ্যাসল্ট। এই পরিস্থিতিতে ইউক্রেনের খারকিভে থেকে যাওয়া ভারতীয় নাগরিকদের বুধবার সন্ধ্যার (স্থানীয় সময়) মধ্যে এলাকা ছাড়ার জন্য নির্দেশিকা পাঠাল কিভের ভারতীয় দূতাবাস। রাশিয়ার আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর থেকে আজ অবধি প্রায় ২ হাজারেরও বেশি নাগরিক মারা গিয়েছেন বলে জানানো হয়েছে ইউক্রেনের কর্তৃপক্ষের তরফে।URGENT ADVISORY TO ALL INDIAN NATIONALS IN KHARKIV.FOR THEIR SAFETY AND SECURITY THEY MUST LEAVE KHARKIV IMMEDIATELY.PROCEED TO PESOCHIN, BABAYE AND BEZLYUDOVKA AS SOON AS POSSIBLE.UNDER ALL CIRCUMSTANCES THEY MUST REACH THESE SETTLEMENTS *BY 1800 HRS (UKRAINIAN TIME) TODAY*. India in Ukraine (@IndiainUkraine) March 2, 2022টুইটারে জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, নিরাপত্তার কারণে দ্রুত খারকিভ ছাড়ুন। চূড়ান্ত সময়সীমা সন্ধ্যা ৬টা (আন্তর্জাতিক সময় রাত ৯টা)-র মধ্যে পিসোচিন, ববই বা বেজলিউদিভকা শহরে পৌঁছানো উচিত। প্রয়োজন হলে পায়ে হেঁটে। ইউক্রেনের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভের নিকটতম শহর পিসোচিনের দূরত্ব ১১ কিলোমিটার।যদিও খারকিভে আটক ভারতীয় পড়ুয়ারা জানাচ্ছেন, লাগাতার রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমানহানার মধ্যে পায়ে হেঁটে ১১ কিলোমিটার কার্যত অসম্ভব। প্রসঙ্গত, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ইতিমধ্যেই কিভের ভারতীয় দূতাবাসও সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। রুশ বোমা এবং ক্ষেপণাস্ত্র হানা এড়াতে সোমবারই খারকিভে আটক ভারতীয়দের ট্রেনে করে ইউক্রেনের পড়শি দেশগুলিতে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। কারণ, গাড়িতে গেলে যুদ্ধবিমানের নিশানা হওয়ার সম্ভাবনা। কিন্তু খারকিভ স্টেশনে আটক বহু ভারতীয় এখনও ট্রেনে উঠতে পারেননি বলে অভিযোগ। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার খারকিভ শহরেই রুশ বাহিনীর বোমাবর্ষণে ভারতীয় ডাক্তারি পড়ুয়া নবীন শেখারাপ্পা জ্ঞানগউধরের মৃত্যু হয়েছিল।

মার্চ ০২, ২০২২
দেশ

রুশ বোমায় খারকিভে মৃত্যু ভারতীয় ছাত্রের, রুশ ও ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূতকে তলব নয়াদিল্লির

ইউক্রেনে রুশ হামলার মুখে পড়ে নিহত ভারতীয় পড়ুয়া। মঙ্গলবার খারকিভে বোমা বিস্ফোরণের ফলে এই ভারতীয় পড়ুয়ার মৃত্যু হয়েছে। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ইতিমধ্যেই এই কথা জানিয়েছেন। এই পড়ুয়া উত্তর কর্নাটকের বাসিন্দা। মৃত ছাত্রের নাম নবীন শেখারাপ্পা জ্ঞানগউধর। নবীন মেডিক্যাল কলেজের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র ছিলেন। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে দোকানের লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন নবীন। সেই মুহূর্তেই ওই জায়গায় আছড়ে পড়ে রুশ বোমা। এর ফলেই তাঁর মৃত্যু হয়।বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি একটি টুইট বার্তায় জানান, গভীর দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আজ সকালে খারকিভে বিস্ফোরণের ফলে একজন ভারতীয় পড়ুয়া প্রাণ হারিয়েছে। মন্ত্রণালয় তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। আমরা পরিবারের প্রতি আমাদের গভীর সমবেদনা জানাই। টুইট করে শোকপ্রকাশ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।With profound sorrow we confirm that an Indian student lost his life in shelling in Kharkiv this morning. The Ministry is in touch with his family.We convey our deepest condolences to the family. Arindam Bagchi (@MEAIndia) March 1, 2022 রুশ বাহিনীর বোমাবর্ষণে ভারতীয় ডাক্তারি পড়ুয়া নবীন শেখারাপ্পা জ্ঞানগউধরের মৃত্যুর পরই কূটনৈতিক সক্রিয়তা শুরু করল নরেন্দ্র মোদি সরকার। মঙ্গলবার বিকেলে নয়াদিল্লির রুশ এবং ইউক্রেনীয় রাষ্ট্রদূতকে তলব করে এ বিষয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে বলে বিদেশ মন্ত্রক সূত্রের খবর। ঘটনায় শোকপ্রকাশ করে টুইট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।Deeply anguished that an Indian student, Naveen Gyanagoudar, has lost his life today in shelling in Kharkiv, Ukraine.My heartfelt condolences to his family and friends. Such tragedies numb us. Mamata Banerjee (@MamataOfficial) March 1, 2022বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, অবিলম্বে খারকিভ-সহ বিভিন্ন শহরে আটকে পড়া ভারতীয়দের ইউক্রেনের বাইরে যাওয়ার জন্য নিরাপদ পথ (সেফ প্যাসেজ) দেওয়ার বার্তা দেওয়া হয়েছে যুধুধান দুই পক্ষকে। বিদেশ সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিঙলা পৃথক ভাবে রুশ এবং ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক করে এই বার্তা দেন।বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি টুইটারে লিখেছেন, খারকিভ-সহ যুদ্ধবিধ্বস্ত শহরগুলিতে যে ভারতীয় নাগরিকেরা আটকে পড়েছেন, তাঁদের অবিলম্বে নিরাপদ নিষ্কাশনের পথ দিতে বিদেশ সচিব ফের রাশিয়া এবং ইউক্রনের রাষ্ট্রদূতের কাছে দাবি জানিয়েছেন।মঙ্গলবার, যুদ্ধের ষষ্ঠ দিনে ইউক্রেনের বিভিন্ন শহর লক্ষ্য করে আক্রমণের অভিঘাত বাড়িয়েছে রুশ সেনা। মরণপণ প্রতিরোধ করছে ইউক্রেন ফৌজও। এই পরিস্থিতিতে সেখানে আটক ভারতীয়, বিশেষত পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত নরেন্দ্র মোদী সরকার। নিহত নবীনের এক বন্ধু জানাচ্ছেন, খাবার আনতে বেরিয়ে ছিল তাঁর বন্ধু। বাকিরা হস্টেলে থাকলেও নবীন ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে থাকতেন। তাঁর ওই ফ্ল্যাটটি ঠিক গভর্নর হাউসের পিছনে। সেখানেই হামলা করেছে রুশ সেনা।

মার্চ ০১, ২০২২
দেশ

ইউক্রেন সীমান্ত পার করতে গিয়ে চরম হেনস্থার মুখে ভারতীয় পড়ুয়ারা

প্রাণের ঝুঁকি নিয়েই কোনও মতে ইউক্রেন থেকে দেশে ফিরেছেন ভারতীয় পড়ুয়ারা। তবে পড়াশোনার জন্য যে দেশে গিয়েছিলেন, কঠিন পরিস্থিতিতে সেই দেশ ছেড়ে আসার সময় অভিজ্ঞতা খুব একটা সুখদায়ক হল না অনেক ভারতীয় পড়ুয়ারই। দেশের মাটিতে পা রাখার পর অধিকাংশ পড়ুয়ার অভিযোগ, পোল্যান্ড সীমান্তে পৌঁছতেই বাধা দেয় ইউক্রেনীয় সীমান্তরক্ষীরা। উদ্ধারকারী বিমান ধরার জন্যই তারা সীমান্ত পার করছেন, এই কথা জানানোর পরও অনেককে সীমান্ত পার করতে দেননি। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যেখানে ইউক্রেন-পোল্যান্ড সীমান্তে আটকে থাকা পড়ুয়াদের হেনস্থার শিকার হতে দেখা যাচ্ছে।সম্প্রতিই সামনে এসেছে এমনই একটি ভিডিও, যেখানে দেখা যাচ্ছে এক পড়ুয়া সুটকেস টেনে আনছেন। আচমকাই পিছন থেকে এক ইউক্রেনীয় সেনা এসে সুটকেসে লাথি মারেন। ওই পড়ুয়া ভারতীয়ই ছিলেন কিনা, সে সম্পর্কে জানা না গেলেও, ওই সীমান্তে আটকে থাকা বহু পড়ুয়াই অভিযোগ করেছেন যে ভারতীয়দের নিত্যদিন হেনস্থার শিকার হতে হচ্ছে।Whatever at this point seeing the harrasment of unkrainian soldiers against Indian students (basically until yesterday they contributed to their GDP immensely).I cannot morally support such pedestrian people. Who harass ordinary citizens to create political pressure on govt.✌🏼 pic.twitter.com/ND62gGSoAY Prakash (@IamPrakashNaidu) February 27, 2022এনডিটিভিকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে মানসী চৌধুরী নামক ইউক্রেনে আটকে থাকা এক পড়ুয়া বলেন, প্রতিদিন পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে। এরা আমাদের উপর অত্যাচার করছে। ভারতীয় পড়ুয়াদের উপর অত্যাচার করা হচ্ছে। ইউক্রেনের সেনারা আমাদের সীমান্ত পার করে পোল্যান্ডে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না। প্রত্যেকটি মহিলা পড়ুয়াকে হেনস্থা করা হচ্ছে, আমাদের চুল ধরে টানা হচ্ছে, রড দিয়ে আঘাত করা হচ্ছে। বেশকিছু মহিলার গুরুতর আঘাত, এমনকি হাত বা পা ভেঙেও গিয়েছে।ওই ছাত্রী আরও যোগ করে বলেন, ভারতীয় দূতাবাসের প্রতিনিধিরা আমাদের খাবার ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করছেন। কিন্তু ইউক্রেনের সীমান্তরক্ষীরা আমাদের পোল্যান্ডে যেতে দিচ্ছে না। গেলেই রড নিয়ে আক্রমণ করতে আসছে। গতকাল তো গুলিও চালিয়েছে।দীক্ষা পাণ্ডে নামক অপর এক পড়ুয়াও বিগত কয়েকদিনের অভিজ্ঞতাকে বিভীষিকাময় বলে অ্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, সীমান্তে সাধারণ মানুষ সমস্যায় পড়ছেন, তাদের হেনস্থা করা হচ্ছে। বিশেষ করে মেয়েদের চুলের মুঠি ধরে মারধর করা হচ্ছে। জানি না কেন এই ধরনের হিংসাত্নক রূপ ধরেছে সেনারা।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
দেশ

ভারতীয়দের উদ্ধারের পর বাকি সব কাজ, সাফ বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

যুদ্ধ শুরু হয়েছে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে। প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্য়ে এই যুদ্ধ ঘিরে গোটা বিশ্ব দুই দলে ভাগ হয়ে যাওয়ায়, তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে। এই টানাপোড়েনের পরিস্থিতিতে ভারত কোনও দেশের পক্ষই না নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানসূত্র খোঁজার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে যুদ্ধের মাঝে ইউক্রেনে আটকে পড়েছেন প্রায় ১৮ হাজার ভারতীয় নাগরিক। কীভাবে তাদের সুরক্ষিতভাবে দেশে ফিরিয়ে আনা যায়, তা নিয়েই বৈঠকে বসলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রবিবারই তিনি উত্তরপ্রদেশ থেকে নির্বাচনী প্রচার সেরে দিল্লিতে ফেরেন, এরপরই তিনি বিদেশ মন্ত্রক-সহ একাধিক মন্ত্রকের শীর্ষ আধিকারিকদের নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেন। কেন্দ্রীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে সেই বৈঠক চলে। মূলত ভারতীয়দের উদ্ধার করে আনা নিয়েই কথা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার রাতেই উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী। দুই ঘণ্টা ধরে চলা সেই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছেন, যুদ্ধের মাঝে ইউক্রেনে যে সমস্ত ভারতীয়রা আটকে রয়েছেন, তাদের সুরক্ষিতভাবে দেশে ফিরিয়ে আনাই আপাতত কেন্দ্রের কাছে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ইউক্রেনে ভারতীয় পডুয়াদের সুরক্ষার ব্যবস্থা এবং তাদের সুরক্ষিতভাবে ওই দেশ থেকে কীভাবে উদ্ধার করে আনা যায়, তার উপরই বিশেষ জোর দিতে হবে।কেন্দ্রীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ইউক্রেনের এয়ারস্পেস বন্ধ থাকায় আপাতত হাঙ্গেরি, রেমানিয়ার মতো প্রতিবেশী দেশগুলিতেই ভারতীয় উদ্ধারকারী বিমান পাঠানো হচ্ছে। দ্রুত ও আরও সুষ্ঠভাবে যাতে উদ্ধারকার্য পরিচালন করা যায়, তার জন্য ইউক্রেনের প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে আলোচনা করার কথাও বলেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।সূত্রের খবর, বিদেশ সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলা একটি উপস্থাপনা পেশ করেন প্রধানমন্ত্রীর সামনে। ইউক্রেনে যে প্রায় ১৮ হাজার ভারতীয় আটকে রয়েছে, যাদের মধ্যে ১৬ হাজারই পড়ুয়া, তাদের বর্তমান অবস্থা, ইউক্রেনে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসের কার্যপদ্ধতি এবং উদ্ধারকার্য সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীকে। ভারতীয়দের উদ্ধারের জন্য যে অপারেশন গঙ্গা শুরু করা হয়েছে এবং তার অধীনে ইতিমধ্যেই চারটি বিশেষ বিমানে কয়েক হাজার ভারতীয়কে ফিরিয়ে আনা হয়েছে, সেই বিষয়েও অবগত করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে। বাকি যারা এখনও আটকে রয়েছেন, তাদের দ্রুত ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হয় এবং যারা এই মুহূর্তে ফিরতে চান না, তাদের জন্যও যাতে নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়, তার নির্দেশ দিয়েছেন নমো।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
দেশ

উৎকণ্ঠার অবসান, ২১৯ ভারতীয়কে নিয়ে রোমানিয়া থেকে উড়ল প্রথম বিমান

অবশেষে স্বস্তি পেলেন যুদ্ধ-বিধ্বস্ত ইউক্রেনে আটকে পড়া ২১৯ জন ভারতীয় নাগরিক। ২১৯ জন ভারতীয় নাগরিককে নিয়ে রোমানিয়া থেকে ভারতের উদ্দেশ্যে উড়েছে প্রথম বিমান, এই বিমান এসে পৌঁছবে আজ রাত ৯টায় মুম্বইয়ে। শনিবার টুইট করে এই সুখবর দিয়েছেন কেন্দ্রীয় বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। একইসঙ্গে বিদেশমন্ত্রী জানিয়েছেন, তিনি সর্বদা ব্যক্তিগত সামগ্রিক পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছেন।My heartfelt thanks to FM @BogdanAurescu for his Governments cooperation. https://t.co/L0EknlIrHT Dr. S. Jaishankar (@DrSJaishankar) February 26, 2022বিমানে বসে থাকা ও বিমানে ওঠার আগে ২১৯ জন ভারতীয় নাগরিকদের চারটি ছবি নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে আপলোড করে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানিয়েছেন, ইউক্রেন থেকে ভারতীয় নাগরিকদের উদ্ধারের বিষয়ে আমরা অগ্রগতি করছি। আমাদের টিম গ্রাউন্ডে ২৪ ঘণ্টা কাজ করছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনিটরিং করছি। রোমানিয়া থেকে ২১৯ জনকে নিয়ে মুম্বইয়ের উদ্দেশে যাত্রা করেছে প্রথম বিমান।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ঋদ্ধিমানকে শোকজ করতে করতে চলেছে বোর্ড?

ঋদ্ধিমান সাহা কি শাস্তির কবলে পড়তে চলেছেন? তেমনই সম্ভাবনা তৈরি হতে চলেছে। দলের অন্দরের আলোচনা এবং ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কর্তাদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনার কথা সংবাদমাধ্যমের সামনে প্রকাশ করায় জেরার মুখে পড়তে পারেন ঋদ্ধিমান।বোর্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তিতে রয়েছেন ঋদ্ধিমান। গ্রুপ বি-তে রয়েছেন তিনি। বোর্ডের সঙ্গে চুক্তির ভিত্তিতে তিনি এই মরসুমের জন্য ৩ কোটি টাকা পাবেন। কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকার জন্য ক্রিকেটারদের একাধিক নিয়ম মেনে চলতে হয়। ৬.৩ ধরায় বলা হয়েছে, কোনও প্লেয়ার খেলা, অফিসিয়াল, ম্যাচের মধ্যে ঘটা কোনও ঘটনা, টেকনোলজির ব্যবহার, নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও বিষয় বা খেলার সঙ্গে জড়িত কোনও বিষয়ে মিডিয়ার সামনে মুখ খুলতে পারবেন না। বোর্ডের এই নিয়ম ভঙ্গ করেছেন ঋদ্ধিমান।শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে বাদ পড়ার পর, দলে জায়গা না পাওয়া নিয়ে মিডিয়ায় বিভিন্ন রকম মন্তব্য করেছেন ঋদ্ধিমান। জাতীয় দলের হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড়, নির্বাচক প্রধান চেতন শর্মা এবং বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলির সঙ্গে ব্যক্তিগত আলোচনার কথাও তিনি মিডিয়ার সামনে তুলে ধরেছেন। পাশাপাশি এক সাংবাদিকের তাঁকে হুমকি দেওয়ার কথা জানিয়ে একটি টুইটও করেন ঋদ্ধিমান। যদিও সেই সাংবাদিকের নাম তিনি সামনে নিয়ে আসেননি। এই ব্যাপারে বোর্ড তদন্ত করার কথা জানিয়েছে। সাংবাদিকের হুমকির ব্যাপারে বোর্ড ঋদ্ধির পাশে দাঁড়ালেও দ্রাবিড়ের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত কথোপকথন সামনে নিয়ে আসার জন্য এবং বোর্ড প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথপোকথন মিডিয়ার সামনে তুলে ধরার জন্য বোর্ড ঋদ্ধির ওপর ক্ষুব্ধ।সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বোর্ডের কোষাধ্যক্ষ অরুণ ধুমল বলেছেন, বিসিসিআই ঋদ্ধিকে জিজ্ঞাসা করতেই পারে একজন সেন্ট্রল কন্ট্র্যাক্টে থাকা ক্রিকেটার হয়ে তিনি কী ভাবে দল নির্বাচন নিয়ে মুখ খুললেন। প্রেসিডেন্ট ওকে মোটিভেট করার চেষ্টা করেছিল। বোর্ডে জানতে চাইতে পারে তাঁকে কোনটা বাধ্য করল বিভিন্ন বিষয় সহ রাহুল দ্রাবিড়ের সঙ্গে কথপোকথন সমস্ত কিছু জন সমক্ষে তুলে ধরতে। ঋদ্ধিমানকে শো কজের ব্যাপারে ধুমল বলেছেন, কিছু দিনের মধ্যে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ঋদ্ধিমানের পাশে এবার ‘ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন’

ঋদ্ধিমানের টুইট করা একটি হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের স্ক্রিনশট-এ সোরগোল পড়ে গেছে ভারতীয় ক্রীড়া জগতে। শনিবার ভারতীয় ক্রিকেটারদের শ্রীলঙ্কার সফরের টেস্ট দল ঘোষণা হতেই দেখা যায় ঋদ্ধিমান সাহা দলে সুযোগ পাননি। ঠিক তাঁর কিছুক্ষণ পরেই সেই টুইট! ওই চ্যাটে দেখা যায় জনৈক ক্রীড়া সাংবাদিক ঋদ্ধির সাক্ষাৎকার নিতে চাইছিলেন। ঋদ্ধিমান তাতে পাত্তা না দেওয়াতেই তিনি রেগে গিয়ে হুমকি দিতে থাকেন। সাহার সেই পোস্টের পর সারাদেশ জুড়ে সমলোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে।মঙ্গলবার এক প্রেস বিজ্ঞপতি দিয়ে ঋদ্ধিমানের পাশে দাঁড়াল ক্রিকেটারদের সংগঠন ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন। তাঁরা তাঁদের বিজ্ঞপ্তিতে ঋদ্ধিমানকে অনুরোধ করা হয় যে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে তাঁর অভিযোগ তাঁর নাম যেন ঋদ্ধি তাঁর নাম প্রকাশ করুক। এবং ঋদ্ধিমানের অভিযোগের ভিত্তিতে বিসিসিআই তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিক।ICA strongly condemns threat to #WriddhimanSaha!#BCCI #IndianCricketTeam pic.twitter.com/TbgUVPZlt6 Indian Cricketers Association (@IndCricketAssoc) February 22, 2022ঋদ্ধিমান অভিযোগ করেন তাঁকে এক প্রভাবশালী সাংবাদিক হুমকি দিয়েছেন। কিন্তু একবারও সেই সাংবাদিকের নাম উচ্চারণ করেননি। তাঁর অভিযোগের পর থেকে উত্তাল ভারতীয় ক্রীড়া মহল। ক্রিকেটারদের সংগঠনের সভাপতি অশোক মলহোত্রা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, ক্রিকেট ও ক্রিকেটারদের উন্নতির পিছনে সংবাদমাধ্যমের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু সেই ভুমিকার-ও একটা সীমারেখা আছে। সেটা অতিক্রান্ত করা সমুচিন নয়। আর ঋদ্ধিমান সাহা ক্ষেত্রে যেটা হয়েছে তা কোনও ভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমরা সংশ্লিষ্ট সংবাদ সংস্থাকে আহ্বান জানাই যাতে তাঁরা সেই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয় এবং নিশ্চিত করে যাতে এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়। আমরা সব সময় ক্রিকেটারদের স্বার্থের কথা মাথায় রেখেছি। ঋদ্ধিকে অনুরোধ করছি, তিনি সেই সাংবাদিকের নাম সবাইকে বলুন। তার পরে বিসিসিআই তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিক।ঋদ্ধিমানের প্রতি আমাদের সম্পূর্ণ সমর্থন আছে, এই ধরনের হুমকি ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন কখনওই বরদাস্ত করবে না। আমরা সকল সংবাদমাধ্যমকেও ঋদ্ধিমান সাহার সমর্থনে এগিয়ে আসার অনুরোধ করছি। এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করা হোক। জানান ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশনের সচিব হীতেশ মজুমদার।After all of my contributions to Indian cricket..this is what I face from a so called Respected journalist! This is where the journalism has gone. pic.twitter.com/woVyq1sOZX Wriddhiman Saha (@Wriddhipops) February 19, 2022প্রভাবশালী ওই সাংবাদিককে ঋদ্ধিমান পাত্তা না দেওয়াতেই রেগে গিয়ে তিনি হুমকি দিতে থাকেন তাঁকে। ঋদ্ধিমান সেই হোয়াটসঅ্যাপ কথোপকথন সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করার পরেই গোটা সারা দেশ জুড়ে সমালোচনার ঝড় ওঠতে থাকে। একে পর একে প্রাক্তন ক্রিকেটার, ধারাভাষ্যকার, প্রাক্তন ক্রীড়া প্রশাসক ও বিশেষজ্ঞ তাঁর পাশে এসে দাঁড়ান। ঋদ্ধির পাশে রয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডও। এই সমস্যা সমাধানের দিকে কড়া নজর দিয়েছে ভারতীয় বোর্ড। ভারতীয় ক্রিকেটারদের সংগঠন ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন পাশে এসে দাঁড়ানোই এই বিতর্ক এক অন্য মাত্রা পেলো।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আইএসএলে অন্য দলগুলির তুলনায় এটিকে মোহনবাগানের ভারতীয় স্ট্রাইকারদের কেন এত দাপট?‌

গত মরশুমে আইএসএলে এটিকে মোহনবাগানের হয়ে সর্বোচ্চ গোল করেছিলেন রয় কৃষ্ণা। এবছর সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে একেবারেই নিস্প্রভ ফিজির এই তারকা স্ট্রাইকার। রয় কৃষ্ণা সেভাবে জ্বলে উঠতে না পারলেও এবছর ফুল ফোটাচ্ছেন লিস্টন কোলাসো। ধারাবাহিকভাবে গোল করে চলেছেন এটিকে মোহনবাগানের এই ফরোয়ার্ড। এখনও পর্যন্ত আইএসএলে সব দল মিলিয়ে এটিকে মোহনবাগানের ভারতীয় স্ট্রাইকাররাই সবথেকে বেশি গোল করেছেন।এই বছর আইএসএলে হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় পর্বের ম্যাচ পর্যন্ত এটিকে মোহনবাগান ১৩ ম্যাচে গোল করেছে ২৬টি। সবথেকে বেশি গোল হুগো বোমাসের। ১১ ম্যাচ খেলে তিনি করেছেন ৫ গোল। সবথেকে বেশি ম্যাচ খেলেছেন লিস্টন কোলাসো। ১২ ম্যাচে তাঁর গোল সংখ্যা ৫। এরপরই রয়েছেন রয় কৃষ্ণা। ১০ ম্যাচে তিনি করেছেন ৪ গোল। আর পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নেমে ৩ ম্যাচে কিয়ান নাসিরির গোল সংখ্যা ৩টি। ডেভিড উইলিয়ামস ১২ ম্যাচে করেছেন ৩ গোল।২০২০২১ আইএসএলে ২৩ ম্যাচে ৩২ গোল করেছিল এটিকে ২৬ গোল করেছিলেন বিদেশি স্ট্রাইকাররা। এরমধ্যে রয় কৃষ্ণাই একা করেছিলেন ১৪ গোল। আর ভারতীয় স্ট্রাইকারদের মধ্যে সবথেকে বেশি গোল করেছিলেন মনবীর সিং। ২১ ম্যাচে তাঁর গোল ছিল ৫টি। এবছর মনবীর তেমন জ্বলে উঠেতে না পারলেও তাঁর জায়গা নিয়েছেন লিস্টন কোলাসো। গত মরশুমে ১৯ ম্যাচে ২ গোল করেছিলেন লিস্টন কোলাসো। আর তাঁর পাস থেকে এসেছিল ৩ গোল।অন্য দলগুলিতে যেখানে বিদেশি স্ট্রাইকারদের দাপট, সেখানে এটিকে মোহনবাগানে স্বদেশি স্ট্রাইকারদের জয়জয়কার। হুগো বোমাস, রয় কৃষ্ণা, ডেভিড উইলিয়ামসদের মতো তারকা বিদেশি স্ট্রাইকারদের ভিড়ে নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরেছেন লিস্টন কোলাসো। পরিবর্ত হিসেবে ৩ ম্যাচে মাঠে নেমে একটা হ্যাটট্রিকও করে ফেলেছেন কিয়ান নাসিরি। ১৫ ম্যাচে হায়দরাবাদ এফসি করেছে ৩৪ গোল। ১৩ ম্যাচ খেলে ১৪ গোল করেছেন আইএসএলের সেরা স্ট্রাইকার বার্থোসলোমেউ ওগবেচে। আপাতত তিনিই চলতি আইএসএলের সর্বোচ্চ গোলদাতা। ৪টি গোল করেছেন টোরো। ৩টি গোল করেছেন জোয়াও ব্রুনো। ২টি করে গোল করেছেন এডুয়ার্ডো গার্সিয়া ও জোয়েল যোশেফ।অন্যদিকে বেঙ্গালুরু এফসি ১৫ ম্যাচে করেছে ২৭ গোল। এর মধ্যে স্বদেশি ফুটবলারদের গোল সংখ্যা ২০। ওডিশা এফসি, মুম্বই সিটি এফসি, জামশেদপুর এফসি, কেরালা ব্লাস্টার্স, এফসি গোয়া, এসসি ইস্টবেঙ্গল, চেন্নাইন এফসির দলগুলির অধিকাংশ গোলই এসেছে বিদেশি ফুটবলারদের পা থেকে। ব্যতিক্রম নর্থইস্ট ইউনাইটেডের। এটিকে মোহনবাগানের মতো তাদেরও অধিকাংশ গোলের মালিক স্বদেশি ফুটবলাররা।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ওগবেচেকে আটকাতে পারবেন? কী বলছেন সবুজমেরুন কোচ জুয়ান ফেরান্দো

শেষ ৪ ম্যাচে ৩টিতে ড্র। ডার্বি জয়ের পরপর দুম্যাচে আটকে গিয়েছে এটিকে মোহনবাগান। ১২ ম্যাচে ২০ পয়েন্ট পেয়ে এই মুহূর্তে লিগ টেবিলে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে সবুজমেরুন শিবির। মঙ্গলবার সামনে লিগ টেবিলের শীর্ষে থাকা হায়দরাবাদ এফসি। জিতলেই প্লে অফের দিকে অনেকটাই এগিয়ে যাবে এটিকে মোহনবাগান। কাজটা কিন্তু সহজ হবে না জুয়ান ফেরান্দোর দলের কাছে। কারণ সবুজমেরুন ডিফেন্সকে সামলাতে হবে এই আইএসএলের সবথেকে ভয়ঙ্কর স্ট্রাইকার বার্থেলেমিউ ওগবেচেকে। হায়দরাবাদ এফসি-র বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে এটিকে মোহনবাগানের কাছে স্বস্তির খবর ছোট সরিয়ে রয় কৃষ্ণার পুরো সুস্থ হয়ে ওঠা। তবে এই ম্যাচেও তাঁকে শুরু থেকে খেলানো হবে কিনা, তা নিশ্চিত নয়। আইএসএলের শুরু থেকেই রক্ষণ সমস্যায় ভুগছে এটিকে মোহনবাগান। সমস্যা মেটাতে সন্দেশ ঝিঙ্গানকে সই করিয়েছে। হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে সবুজমেরুন জার্সি গায়ে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু হতে চলেছে সন্দেশের। বার্থেলেমিউ ওগবেচেকে আটকানোই সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ এই অভিজ্ঞ ডিফেন্ডারের কাছে। এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো অবশ্য শুধু বার্থেলেমিউ ওগবেচেকে নিয়ে ভাবছেন না। তাঁর চিন্তা গোটা হায়দরাবাদ টিম। হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে জুয়ান ফেরান্দো বলেন, শুধু ওগবেচেকে আটকানোর পরিকল্পনা করলেই হবে না। ওদের দলে আরও ভাল ভাল ফুটবলার আছে। তাঁদের নিয়েও পরিকল্পনা করতে হবে। ওগবেচে দুর্দান্ত স্ট্রাইকার। সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। ওর পেছনে গোটা দল আছে। তাদের আটকাতে হবে। গোটা হায়দরাবাদ দলকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন জুয়ান ফেরান্দো। প্রথম পর্বের লড়াইয়ে শেষ মুহূর্তের গোলে জয় হাত ছাড়া হয়েছিল এটিকে মোহনবাগানের। এবার ৩ পয়েন্ট তুলতে মরিয়া।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২২
দেশ

প্রজাতন্ত্র দিবস ও ভারতের সংবিধান, জানা ইতিহাসের আজানা দিক গুলি জেনে নিন এক ঝলকে

১৯৫০ থেকে প্রত্যেক বছর ২৬ জানুয়ারি দিনটি ভারতে প্রজাতন্ত্র দিবস হিসেবে মহাসমারোহে পালিত হয়। ১৯৪৭ সালের ১৫ অগস্ট ইংরেজ শাসনের অবসানের পর ভারতবর্ষ স্বাধীনতা লাভ করে। দীর্ঘকাল বৈদেশিক অনুশাসনে থাকার জন্য ভারতের কোনও নিজস্ব স্থায়ী সংবিধান ছিল না। সে কারণে ব্রিটিশ সরকারের ১৯৩৫ সালের গভর্নমেন্ট অব ইন্ডিয়া অ্যাক্ট-এর সংশোধিত সংস্করণ অনুযায়ী স্বাধীন ভারত শাসিত হত।১৯৫০-এ গণপরিষদের সদস্যদের দ্বারা স্বাক্ষরিত হচ্ছে ভারতের সংবিধানদেশ চালাতে গিয়ে নানা জায়গায় ঠোক্কর খেতে হচ্ছিল তৎকালীন নেহেরু সরকারকে, ভীষণভাবে ভারতের নিজস্ব সংবিধানের প্রয়োজন দেখা দিতে শুরু করে। ভারত স্বাধীন হওয়ার পরে সংবিধান সভার ঘোষণা করা হয়, সেই সভায় সংবিধান সভার সদস্যদের নির্বাচন করে নেওয়া হয়। ডঃ বি আর আম্বেদকর, জওহরলাল নেহরু, ডঃ রাজেন্দ্র প্রসাদ, সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেল, মৌলানা আবুল কালাম আজাদের মতো গুরুত্বপূর্ণ এবং সর্বজনগ্রাহ্য জ্ঞানী গুনী ব্যক্তিত্বদের নিয়ে সংবিধান সভা তৈরি করা হয়। বাবাসাহেব আম্বেদকরের নেতৃত্বে ভারতে স্থায়ী সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে একটি খসড়া কমিটি গড়ে তোলা হয় ১৯৪৭-র ২৯ অগস্ট। সে বছরেই ৪ নভেম্বর খসড়া কমিটি সদস্যরা সংবিধান সভায় ভারতীয় সংবিধানের একটি খসড়া জমা দেয়।নন্দলাল বসুর স্কেচ ও প্রেম বিহারী নারায়ণ-র হাতের লেখাপ্রজাতন্ত্র দিবস নিয়ে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ# ১৯৫০ র ২৬ জানুয়ারি সকাল ১০টা ১৮ মিনিটে ভারতের সংবিধান কার্যকরী হয়। # এই সংবিধান পৃথিবীর দীর্ঘতম হাতে লিপিবদ্ধ করা সংবিধান।# ২৫১ পাতার এই গ্রন্থটির ওজন প্রায় তিন কেজি ৭৫০ গ্রাম।# সর্বমোট ৩০৮ জন সদস্য বিশিষ্ট এক প্যানেল ১৯৫০এ ২৪শে জানুয়ারি সংবিধানে স্বাক্ষর করে তাঁর বৈধতা দেন।# মোট ২২টি ভাষায় সংবিধান লিপিবদ্ধ আছে। # প্রখ্যাত ক্যালিগ্রাফিস্ট প্রেম বিহারী নারায়ণ রায়জাদা পন্ডিত জহরলাল নেহরুর অনুরোধে বিনা পারিশ্রমিকে টানা ছয় মাসের অক্লান্ত পরিশ্রমে এই বিশাল কাজটি সম্পন্ন করেন। # আইন কানুন লিপিবদ্ধ করা ছাড়াও এই বইয়ে অনেক নকশা আঁকা আছে, সেই নকশার বেশীরভাগ-টাই এঁকেছেন প্রবাদপ্রতিম শিল্পী নন্দলাল বসু ও তৎকালীন শান্তিনিকেতনের ছাত্রছাত্রীরা।# প্রজাতন্ত্র দিবসের আট কিলোমিটারের কুচকাওয়াজ শুরু হয় রাইসিনা হিল থেকে। প্রত্যেক বছর একজন রাষ্ট্র নায়ক এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির আমন্ত্রণ জানানো হয়। ১৯৫০ সালে প্রথমবারের অনুষ্ঠানেএসেছিলেন ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট সুকর্ণ। উল্লেখ্যঃ এই বারে কোভিড-১৯ বারবাড়ন্তের জন্য কোনও বিদেশী রাষ্টনায়ককে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।# প্রজাতন্ত্র দিবসের যে কুচকাওয়াজের ট্যাবলোগুলি আমরা দেখি, তার সর্বোচ্চ গতিবেগ থাকে ঘণ্টায় প্রায় পাঁচ কিলোমিটার।# যে রাস্তায় কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়, সেই রাস্তার আদি নাম কিংসওয়ে। পরে সেই রাস্তার নাম পরিবর্তন করে হয় রাজপথ।# ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি তৎকালীন ইর্ভিন স্টেডিয়াম (বর্তমানে নাম পরিবর্তন করে ন্যাশনাল স্টেডিয়াম)-এ আয়োজিত হয়েছিল। সে সময়ে ইর্ভিন স্টেডিয়ামের চারদিকে কোনও প্রাচীর ছিল না ফলে সেখান থেকে লালকেল্লা পরিষ্কার দেখা যেত।# জাতীয় সংগীতের সময়ে ২১টি তোপধ্বনি করা হয়। জাতীয় সংগীতের শুরু থেকেই এই তোপধ্বনি দেওয়া শুরু হয় ও ৫২ সেকেন্ডের জাতীয় সঙ্গীত সমাপ্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এরও সমাপ্তি ঘটে।# প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে বিভিন্ন রাজ্যের বিভিন্ন থিমের ট্যাবলো অংশগ্রহণ করে। প্যারেডে অংশগ্রহণ করে ভারতীয় সেনাবাহিনী, নৌ-সেনা ও বায়ুসেনা।

জানুয়ারি ২৬, ২০২২
রাজ্য

ভারতীয় সেনায় বাঙালি রেজিমেন্টের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি বাংলা পক্ষর

ভারতীয় সেনায় বাঙালি রেজিমেন্টের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রীকে চিঠি দিল বাংলা পক্ষ। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে যাতে এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দেওয়া হয় সেই আবেদন জানিয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিবকেও চিঠি দিয়েছে বাংলা পক্ষ। নেতাজি সুভাষ চন্দ্রের জন্মজয়ন্তীতে ফের এই দাবি তুলেছে বাংলা পক্ষ। দীর্ঘ দিন ধরেই এই দাবি করে আসছে বাঙালির জন্য লড়াই করা এই সংগঠন।গতকাল ট্যুইটার ক্যাম্পেনও করেছিল বাংলা পক্ষ।হ্যাসট্যাগ ছিলঃ#Bengali_Regiment_in_Indian_Armyবাংলা পক্ষর দাবি, ভারতীয় সেনায় বাঙালি রেজিমেন্ট চাই। ভারতীয় সেনাবাহিনীতে চাকরির পরীক্ষা বাংলা ভাষায় দেওয়ার সুযোগ চাই। বাংলার সরকার দিল্লির যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের কাছে এই দাবি জানাক।সংগঠনের দাবি, এই ঘোষণা হলে তবেই বীর সুভাষ চন্দ্র বসু ও অসংখ্য বাঙালি বিপ্লবীদের প্রকৃত শ্রদ্ধা জ্ঞাপন হবে। এদিন রাজ্য জুড়ে মহাসমারোহে বীর সুভাষের ১২৫ তম জন্মজয়ন্তী পালন করে বাংলা পক্ষ। নানা জেলায় ট্যাবলো বেরিয়েছে এবং শোভাযাত্রা হয়েছে।

জানুয়ারি ২৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ভারতীয় ফুটবলে ইন্দ্রপতন, চলে গেলেন সুভাষ ভৌমিক

ভারতীয় ফুটবলে ইন্দ্রপতন। মারা গেলেন প্রাক্তন ফুটবলার ও ময়দানের কিংবদন্তী কোচ সুভাষ ভৌমিক। বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। শনিবার ভোরে কলকাতার একটি বেসরকারী হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন আশিয়ানজয়ী ইস্টবেঙ্গলের এই কোচ। সুভাষ ভৌমিকের মৃত্যুতে ভারতীয় ক্রীড়াজগতে নেমে এসেছে শোকের ছাড়া। দীর্ঘদিন ধরেই গুরুতর অসুস্থ ছিলেন সুভাষ ভৌমিক। সুগার ও কিডনির অসুখে ভুগছিলেন। নিয়মিত ডায়ালিসিস করাতে হত। প্রতিদিন বাড়ি থেকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ডায়ালিসিস করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। তার ওপর ফুসফুসে সংক্রমণ ধরা পড়ায় সমস্যা আরও বেড়ে যায়। শারিরীক অবস্থা এমন অবনতি হয়েছিল যে কিছুদিন আগে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। আরও ভাল চিকিৎসার জন্য শুক্রবার নব মহাকরণে ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের দপ্তরে একটি জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছিল। বৈঠকে ঠিক হয়েছিল উন্নত চিকিৎসার জন্য মেডিকা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হবে সুভাষ ভৌমিককে। কিডনি প্রতিস্থাপনের বিষয়টিও খতিতে দেখা হচ্ছিল। কিন্তু সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে শনিবার ভোরে মারা যান তিনি।ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানের জার্সি গায়ে কলকাতা ময়দানে একসময় দাপিয়ে খেলেছেন সকলের প্রিয় ভোম্বলদা। সবুজমেরুণের তুলনায় লালহলুদ জার্সিতেই বেশি সময় কাটিয়েছিলেন। রাজস্থান থেকে ১৯৬৯ সালে প্রথম লালহলুদ জার্সি গায়ে তুলে নিয়েছিলেন। পরের বছরই লালহলুদ জার্সি ছেড়ে যোগ দেন মোহনবাগানে। ৩ বছর মোহনবাগানে কাটিয়ে ১৯৭৩ সালে আবার ইস্টবেঙ্গলে ফিরে আসেন। ১৯৭৬ সালে আবার মোহনবাগানে যোগ দেন। ১৯৭৯ সালে লালহলুদে ফিরে আসেন। ইস্টবেঙ্গল থেকেই ফুটবলকে বিদায় জানান। ভারতীয় দলের হয়েও দীর্ঘদিন দাপিয়ে খেলেছেন সুভাষ ভৌমিক। ১৯৭০ সালে এশিয়ান গেমসে ব্রোঞ্জজয়ী ভারতীয় দলের সদস্য ছিলেন, মারডেকা, পেস্তা সুকানের মতো আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাতেও দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। দেশের জার্সি গায়ে দুদুটি হ্যাটট্রিকও করেছিলেন সুভাষ ভৌমিক। তার মধ্যে মারডেকা কাপে ফিলিপাইন্সের বিরুদ্ধে একটা। ওই ম্যাচে ৫১ ব্যবধানে জিতেছিল ভারত। ১৯৬৯ সালে বাংলার সন্তোষ ট্রফি জয়ী দলের সদস্যও ছিলেন সুভাষ ভৌমিক। দীর্ঘ ৬ বছর পর সেবার সন্তোষ ট্রফিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলা। বাংলার জার্সি গায়ে মোট ৪ বার সন্তোষ ট্রফি চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন সুভাষ ভৌমিক। ২ বার বাংলাকে নেতৃত্ব দিলেও রেলওয়েজের কাছে সেমিফাইনালে হারতে হয়েছিল। কোচ হিসেবেও দারুণ সাফল্য পেয়েছিলেন সুভাষ ভৌমিক। তবে লালহলুদকেই বেশি সাফল্য এনে দিয়েছিলেন। ১৯৯৯ থেকে ২০০০ এবং ২০০০ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত ইস্টবেঙ্গলের কোচ ছিলেন। ২০০২০৩ এবং ২০০৩০৪ মরশুমে তাঁর কোচিংয়েই জাতীয় লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। ২০০৩ সালে লালহলুদকে আশিয়ান কাপে চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন সুভাষ ভৌমিক। ২০০৬ সালে মহমেডান স্পোর্টিংয়ের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। পরের বছর সালগাঁওকারে যোগ দেন। ২০০৮০৯ মরশুমে আবার ইস্টবেঙ্গলে ফিরে আসেন। ২ মরশুম লালহলুদে কাটিয়ে মোহনবাগানের দায়িত্ব নেন। চার্চিল ব্রাদার্সের টেকনিক্যাল ডিরেক্টরের দায়িত্ব পালন করেছিলেন সুভাষ ভৌমিক। তাঁর কোচিংয়েই ২০১২১৩ মরশুমে আই লিগ জেতে চার্চিল।

জানুয়ারি ২২, ২০২২
দেশ

ময়নাগুড়িতে দুর্ঘটনার জেরে বাতিল বেশ কিছু ট্রেন, জেনে নিন সেই সব ট্রেনের তালিকা

ময়নাগুড়িতে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনার জেরে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু ট্রেন বাতিল হওয়ার পাশাপাশি প্রচুর ট্রেনের রুট বদল হয়েছে। একনজরে দেখে নেওয়া যাক বাতিল ও রুট বদল ট্রেনের তালিকা।বাতিল করা হয়েছে১. 13147 শিয়ালদহ-বামন হাট উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেস। বামন হাট অবধি যাওয়ার কথা থাকলেও এই ট্রেন নিউ জলপাইগুড়ি অবধি যাবে২. 13148 বামন হাট-শিয়ালদহ উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেস। এই ট্রেন বামন হাটের পরিবর্তে নিউ জলপাইগুড়ি রেলওয়ে স্টেশন থেকে ছাড়বে।রুট বদল করা হয়েছে১. 12346 গুয়াহাটি-হাওড়া সরাইঘাট এক্সপ্রেস নিউ কোচবিহার- মাথাভাঙ্গা- রানীনগর- জলপাইগুড়ি হয়ে চলবে।২. 13171 শিয়ালদহ আগরতলা কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস নিউ জলপাইগুড়ি- শিলিগুড়ি জংশন- নিউ মাল জংশন- আলিপুরদুয়ার জংশন- শামুকতলা হয়ে চলবে।৩. 12507 ত্রিবান্দ্রাম সেন্ট্রাল শিলচর এক্সপ্রেস রানীনগর- জলপাইগুড়ি- মাথাভাঙা- নিউ কোচবিহার হয়ে চলবে।৪. 12505 কামাখ্যা- আনন্দ বিহার স্পেশ্যাল ট্রেন নিউ কোচবিহার- মাথাভাঙা- রানীনগর জংশন হয়ে চলবে।৫. 15632 গুয়াহাটি- বার্মার স্পেশ্যাল ট্রেন নিউ কোচবিহার- মাথাভাঙা- রানীনগর জংশন হয়ে চলবে।৬. 20502 তেজস রাজধানী এক্সপ্রেস নিউ জলপাইগুড়ি- শিলিগুড়ি- নিউ মাল জংশন- আলিপুরদুয়ার জংশন হয়ে চলবে।৭. 15910 অবদ অসম এক্সপ্রেস নিউ জলপাইগুড়ি- শিলিগুড়ি জংশন- নিউ মাল জংশন- আলিপুরদুয়ার জংশন হয়ে চলবে।৮. 22450 নয়াদিল্লি- গুয়াহাটি এক্সপ্রেস ঘুর পথে চলবে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : সীমাবদ্ধতা নিয়েও দুর্দান্ত লড়াই এসসি ইস্টবেঙ্গলের

যদি একজন ভাল মানের স্ট্রাইকার থাকতেন। কিংবা আন্তোনীয় পেরোসেভিচকে নির্বাসনের যদি নির্বাসনের কবলে পড়তে না হত। নিশ্চিতভাবেই মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে ৩ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ত এসসি ইস্টবেঙ্গল। সীমাবদ্ধতা নিয়েও দুর্দান্ত লড়াই রেনেডি সিংয়ের দলের। গতবারের চ্যাম্পিয়ন শক্তিশালী মুম্বই সিটি এফসিকে আটকে দিল লালহলুদ ব্রিগেড। ম্যাচের ফল গোলশূন্য।আরও পড়ুনঃ ম্যাকহিউ, বোমাস কেন চিন্তা বাড়িয়েছে জুয়ান ফেরান্দোর?মানোলো দিয়াজ চলে যাওয়ার পর ফুটবলারদের শরীরী ভাষাই বদলে গেছে। নিজেদের দক্ষতার শীর্ষে উঠে লড়াই আদিল, হাওকিপ, অঙ্কিত মুখার্জিদের। গতবারের চ্যাম্পিয়ন মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে এদিন এক বিদেশিকে প্রথম একাদশে রেখে দল সাজিয়েছিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ রেনেডি সিং। ইগর অ্যাঙ্গুলো, মোর্তাদা ফল, আহমেদ জাহুদের বিরুদ্ধে দারুণ লড়াই করলেন হাওকিপ, আদিল খান, হীরা মণ্ডলরা।আরও পড়ুনঃ অড-ইভেন পদ্ধতিতে বর্ধমান শহরের বাজার বন্ধ থাকবে, ঘোষনা মাইক্রো কনটেইনমেন্টজোন জোনেরএদিন ম্যাচের শুরু থেকেই এসসি ইস্টবেঙ্গল প্রেসিং ফুটবলের ওপর জোর দিয়েছিল। প্রতিটা বলের জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ছিলেন হাওকিপ, আদিল খান, সৌরভ দাসরা। শুরুর দিকে এসসি ইস্টবেঙ্গলের আধিপত্য বেশি ছিল। তার মাঝেই ৯ মিনিটে ডানদিক থেকে ভেসে আসা বল ইগর অ্যাঙ্গুলোর হেড সরাসরি অরিন্দম ভট্টাচার্যর হাতে চলে যায়। পরের মিনিটেই হীরা মণ্ডলের থ্রো চিমার ব্যাকহেড গোলে ঢোকার মুখে বাঁচান মুম্বই সিটি এফসি গোলকিপার। ১৩ মিনিটে আবার সেই হীরা মণ্ডলের থ্রো ইন বক্সে জটলার মধ্যে সুবিধা জায়গায় পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন চিমা। ১৯ মিনিটে চোটের জন্য বেরিয়ে যেতে হয় জয়নার লরেন্সোকে। তাঁর পরিবর্তে নামেন অঙ্কিত মুখার্জি। রক্ষণকে দারুণ নির্ভরতা দিলেন অঙ্কিত। প্রথমার্ধে ইগর অ্যাঙ্গুলোদের বিন্দুমাত্র জ্বলে উঠতে দেননি।আরও পড়ুনঃ সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে আজই ভার্চুয়াল বৈঠকে করতে পারেন মোদিদ্বিতীয়ার্ধেও ছবিটা বদলায়নি। শক্তিশালী মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে সমানে সমানে লড়ে গেলেন হাওকিপরা। ইস্টবেঙ্গল মাঝমাঠকে দুর্দান্ত নেতৃত্ব দিলেন সৌরভ দাস। ম্যাচের সেরাও তিনি। বিদেশিদের ভিড়ে একজন বাঙালী ফুটবলার ম্যাচের সেরা হচ্ছেন, এটাই এসসি ইস্টবেঙ্গলের কাছে বড় প্রাপ্তি। দ্বিতীয়ার্ধে গোল করার মতো সুযোগ পেয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। ড্যানিয়েল চিমা সহজ সুযোগ নষ্ট না করলে এবারের আইএসএলে প্রথম জয় তুলে ননিতে পারত লালহলুদ শিবির।

জানুয়ারি ০৭, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

আরজি কর মামলায় বড় মোড়! ঘটনাস্থল ফের সিল করার নির্দেশ আদালতের

আরজি কর মামলায় ফের নতুন মোড়। নির্যাতিতার পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল ফের পরিদর্শনের আবেদন জানানো হয়েছিল। সেই মামলার শুনানিতে কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ ঘটনাস্থল পুনরায় সিল করার নির্দেশ দিয়েছে।মঙ্গলবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ এবং বিচারপতি শম্পা সরকারের বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। শুনানির সময় সিবিআই-এর আইনজীবী রাজদীপ মজুমদার জানান, যেখানে ঘটনা ঘটেছিল বলে দাবি করা হচ্ছে, সেই সেমিনার হল এখনও সিল করা রয়েছে।তবে নির্যাতিতার পরিবারের আইনজীবী জয়ন্ত নারায়ণ আদালতে দাবি করেন, ঘটনাটি সেমিনার হলে ঘটেনি। তাঁর বক্তব্য, হাসপাতালের সপ্তম তলায় সন্দীপ ঘোষের ব্যক্তিগত ঘর এখনও সিল করা হয়নি। সেই কারণেই পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল আবার পরিদর্শনের অনুমতি চাওয়া হয়েছে।শুনানিতে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন সিবিআই-এর তদন্তকারী অফিসার সীমা পাহুজা। বিচারপতিরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, কোন কোন জায়গা সিল করা হয়েছে। উত্তরে তিনি জানান, যেখানে দেহ উদ্ধার হয়েছিল, সেই সেমিনার রুম সিল করা হয়েছে।এরপর বিচারপতি শম্পা সরকার জানতে চান, তদন্তের সময় অন্য কোনও জায়গা সিল করার প্রয়োজন মনে হয়নি কি না। তখন সিবিআই-এর আইনজীবী জানান, নিম্ন আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী সেমিনার হলকেই ঘটনাস্থল ধরা হয়েছিল। পাল্টা বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ বলেন, নিম্ন আদালত তো সিবিআই-এর দেওয়া তথ্য ও প্রমাণের উপর নির্ভর করেই নির্দেশ দেয়।মামলাকারীর আইনজীবী আরও দাবি করেন, সিবিআই-এর রিপোর্টে নতুন কোনও তথ্য নেই। সেখানে শুধু তদন্তে কী কী করা হয়েছে, সেটাই উল্লেখ করা হয়েছে। সেই কারণেই পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল সরাসরি ঘুরে দেখার অনুমতি চাওয়া হয়েছে।এই মামলার শুনানির পর আবারও আরজি কর কাণ্ড নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তদন্তের বিভিন্ন দিক নিয়ে এখন রাজনৈতিক ও আইনি মহলে জোর চর্চা চলছে।

মে ১৯, ২০২৬
দেশ

“গত ১০ বছরের অভিজ্ঞতা ভয়ঙ্কর” — পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের

রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগের মধ্যেই এবার মাদ্রাসা নিয়োগ মামলায় কড়া মন্তব্য করল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি অগাস্টিন জর্জ মসিহের ডিভিশন বেঞ্চ পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে।আদালত জানায়, গত ১০ বছরে পশ্চিমবঙ্গে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলাগুলিতে তাদের অভিজ্ঞতা অত্যন্ত খারাপ। একইসঙ্গে আদালতের পর্যবেক্ষণ, মাদ্রাসার নিয়ম মেনে পরিচালন কমিটি গঠন করা হয়নি। সেই পরিস্থিতিতে কীভাবে ওই কমিটিগুলি শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগের দায়িত্ব নিল, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলে শীর্ষ আদালত।তৃণমূল সরকারের আমলে মূলত ২০১৬ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন মাদ্রাসায় বিপুল সংখ্যক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগ করা হয়েছিল। অভিযোগ, বহু ক্ষেত্রে নিয়ম না মেনে ওয়াক ইন ইন্টারভিউ-এর মাধ্যমে নিয়োগ করা হয়। সেই নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করেই মামলা গড়ায় আদালতে।মঙ্গলবার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট প্রশ্ন তোলে, মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন কার্যকর না থাকলে কেন স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে নিয়োগ করা হল না। আদালত জানতে চায়, এই নিয়োগের জন্য সরকারের অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কি না। বিচারপতিরা বলেন, রাজ্যে হাজার হাজার মাদ্রাসা রয়েছে। প্রত্যেক পরিচালন কমিটি যদি নিজেদের মতো নিয়োগ করে, তাহলে সরকার কেন সেই দায়িত্ব নেবে?নিয়োগকারীদের যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলে আদালত। বিচারপতিরা জানতে চান, কারা এই নিয়োগ করেছে এবং তাঁদের যোগ্যতা কী ছিল। একইসঙ্গে আদালতের মন্তব্য, আপনারা নিজেদের পছন্দের লোকদের চাকরি দিয়েছেন। কেন দিয়েছেন, সেটাও আমরা জানি।শুনানিতে আরও জানতে চাওয়া হয়, পরিচালন কমিটিতে সরকারের কোনও মনোনীত প্রতিনিধি ছিলেন কি না। মামলার বিস্তারিত শুনানি আগামীকাল আবার হবে বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

মে ১৯, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের সম্পত্তিতে পুরনিগমের নোটিস! এবার মুখ খুললেন ফিরহাদ, বাড়ল রহস্য

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। কলকাতা পুরনিগমের তরফে তাঁর সঙ্গে যুক্ত একাধিক সম্পত্তির নথি চেয়ে নোটিস পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনা সামনে আসতেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মহলে। তবে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম দাবি করেছেন, এই বিষয়ে তাঁকে কিছু জানানো হয়নি।ফিরহাদ হাকিম বলেন, কোন বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সেই সিদ্ধান্ত মেয়র নেন না। পুরসভার বিল্ডিং বিভাগ এবং কমিশনার প্রশাসনিক ক্ষমতা অনুযায়ী এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলেও জানান তিনি।পুরনিগম সূত্রে খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত মোট ২১টি সম্পত্তির নথি চাওয়া হয়েছে। অনুমোদন অনুযায়ী নির্মাণ হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। বিশেষ করে অভিষেকের সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর সঙ্গে যুক্ত সম্পত্তিগুলির তথ্য চাওয়া হয়েছে।এই তালিকায় রয়েছে হরিশ মুখার্জি রোডের একটি বাড়ি এবং কালীঘাট মোড়ের একটি বহুতল। জানা গিয়েছে, পুরনিগমের ৯ নম্বর বোরো অফিস থেকে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিগুলিতে নোটিস পাঠানো হয়েছে। বিল্ডিং বিভাগের ৪০০(১) ধারায় এই নোটিস জারি করা হয়েছে বলে খবর।কয়েকদিন আগেই ফলতার নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, কলকাতায় লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর একাধিক সম্পত্তি রয়েছে। সেই মন্তব্যের পরই পুরনিগমের নোটিস ঘিরে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে, কেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে নয়, তাঁর সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর নামে নোটিস পাঠানো হল? রাজনৈতিক মহলের মতে, এর পিছনে রয়েছে সম্পত্তির মালিকানার বিষয়টি। গত লোকসভা নির্বাচনের হলফনামায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, তাঁর ঠিকানা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি, অর্থাৎ ৩০বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট। অন্যদিকে, যে বাড়িগুলিতে তিনি থাকেন বা অফিস করেন, সেগুলি তাঁর সংস্থার অধীনে। সেই কারণেই পুরনিগম সরাসরি ব্যক্তিগত নামে নয়, কোম্পানির নামেই নোটিস পাঠিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

মে ১৯, ২০২৬
কলকাতা

“এসব করে মাথা নত করানো যাবে না” — নোটিস ইস্যুতে ফুঁসছেন অভিষেক, বৈঠকে বড় বার্তা মমতার

ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হারের পর রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। তবে এই ফলাফলেও দমে যেতে নারাজ তৃণমূল কংগ্রেস। নির্বাচিত বিধায়কদের নিয়ে ফের বৈঠকে বসেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। বিজেপির উত্থানের আবহে দল কী বার্তা দেয়, সেদিকেই নজর ছিল রাজনৈতিক মহলের।বৈঠকে উঠে আসে কলকাতা পুরনিগমের পাঠানো নোটিসের প্রসঙ্গ। সূত্রের খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠকে বলেন, তাঁর বাড়িতে নোটিস পাঠানো হয়েছে। কিন্তু এসব করে তাঁকে ভয় দেখানো যাবে না। বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই তিনি চালিয়ে যাবেন বলেও স্পষ্ট বার্তা দেন অভিষেক। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বৈঠকে বলেন, আগামী দিনে কেন্দ্রে বিজেপি ক্ষমতায় থাকবে না।কয়েকদিন আগেই কলকাতা পুরনিগমের আধিকারিকেরা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। সেই সময় হরিশ মুখার্জি রোডের শান্তিনিকেতন এবং কালীঘাটের বাড়িতে কিছু বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ সামনে আসে বলে জানা গিয়েছে। এরপরই পুরনিগমের তরফে নোটিস পাঠানো হয়। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেই নির্মাণ ভাঙতে হবে। তা না হলে পুরনিগম নিজেই ব্যবস্থা নেবে।যদিও এই বিষয়ে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে কী সিদ্ধান্ত হয়েছে, তা তাঁর জানা নেই। তিনি বলেন, কোন বেআইনি নির্মাণ ভাঙা হবে, সেই সিদ্ধান্ত মেয়র নেন না। পুর কমিশনার প্রশাসনিক ক্ষমতা অনুযায়ী এই পদক্ষেপ করতে পারেন।এদিনের বৈঠকে আরও একটি বড় বিষয় ছিল স্বঘোষিত পুষ্পা জাহাঙ্গিরকে ঘিরে বিতর্ক। ফলতায় লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে দলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছে। বৈঠকে একাধিক বিধায়ক প্রশ্ন তোলেন, দলের সঙ্গে আলোচনা না করেই কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। এতে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে। এমনকি জাহাঙ্গিরকে দল থেকে বহিষ্কারের দাবিও ওঠে বৈঠকে। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত তৃণমূলের তরফে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

মে ১৯, ২০২৬
রাজ্য

জাহাঙ্গির ভোটে লড়ছেন না, এবার মুখ খুলল তৃণমূল! সামনে এল বড় সত্য

ফলতার পুনর্নির্বাচনের আগে আচমকা ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করেছেন তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গির খান। মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি জানান, আগামী ২১ মে-র পুনর্নির্বাচনে তিনি আর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না। এরপর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় জোর জল্পনা। প্রশ্ন ওঠে, এই সিদ্ধান্ত কি সম্পূর্ণ তাঁর ব্যক্তিগত, নাকি দলের তরফে তাঁকে ভোটে না লড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল?অবশেষে এই বিতর্কে মুখ খুলল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো জাহাঙ্গির খানের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। এর সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। সমাজমাধ্যমে তৃণমূলের তরফে জানানো হয়, এই সিদ্ধান্ত দলের নয়।সাংবাদিক বৈঠকে জাহাঙ্গির বলেন, ফলতার উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের স্বার্থের কথা ভেবেই তিনি ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। তবে এই সিদ্ধান্ত কেন নিলেন বা এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, সেই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেননি তিনি।ভোটের সময় ইভিএমে টেপ লাগানো এবং আতর ছড়ানোর অভিযোগও উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও সেই সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন জাহাঙ্গির। তবে কারা এই কাজ করেছে, তা নিয়েও কোনও মন্তব্য করতে চাননি তিনি।এই ঘটনার পর তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষও মুখ খোলেন। তিনি বলেন, পুষ্পা তো ঝুকেগা নেহি। তাহলে ভয় পেল কেন? যদি ভয় পেয়ে থাকে, তাহলে প্রশ্ন উঠবে কেন এমন পরিস্থিতি তৈরি হল। কুণাল আরও বলেন, ডায়মন্ড হারবার এলাকায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিপুল ভোটে জয় পেয়েছিলেন। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে জাহাঙ্গিরের এই সিদ্ধান্ত দলের জন্য খুব ভাল বার্তা নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।জাহাঙ্গিরকে ঘিরে এই নতুন বিতর্কে এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি। ভোটের আগে তাঁর এই সিদ্ধান্ত আগামী দিনে ফলতার রাজনৈতিক সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

মে ১৯, ২০২৬
রাজ্য

“পুষ্পা ঝুকেগা নেহি” বলেই কি শেষমেশ ঝুকে গেলেন জাহাঙ্গির? ভোটের আগে বড় চমক ফলতায়

একসময় পুষ্পা ঝুকেগা নেহি বলে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। কিন্তু ফলতার পুনর্নির্বাচনের আগেই আচমকা ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করে রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা তৈরি করলেন তিনি। আগামী ২১ মে ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ফলতায় পুনর্নির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগেই সাংবাদিক বৈঠক করে জাহাঙ্গির জানিয়ে দিলেন, তিনি আর নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না।জাহাঙ্গির দাবি করেছেন, ফলতার মানুষের শান্তি এবং এলাকার উন্নয়নের স্বার্থেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর কথায়, ফলতার সাধারণ মানুষের ভালোর জন্য তিনি নিজেকে ভোটের লড়াই থেকে সরিয়ে নিচ্ছেন। তবে এই সিদ্ধান্ত তিনি নিজে নিয়েছেন, নাকি দলের নির্দেশে নিয়েছেন, সেই প্রশ্নের কোনও স্পষ্ট উত্তর দেননি।ভোটের সময় ইভিএমে টেপ লাগানো বা আতর ছড়ানোর মতো অভিযোগও উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও সেই সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জাহাঙ্গির। তবে কে বা কারা এই কাজ করেছে, তা নিয়েও মুখ খোলেননি তিনি।হঠাৎ কেন ভোটের ময়দান ছাড়লেন জাহাঙ্গির, তা নিয়েই এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। অনেকের মতে, ফলতায় নিজের অবস্থান দুর্বল বুঝেই হয়তো তিনি সরে দাঁড়ালেন। কারণ, এর আগে ভোটের সময় উত্তরপ্রদেশ থেকে আসা এক আইপিএস অফিসারকে হুঁশিয়ারির সুরে তিনি বলেছিলেন, পুষ্পা ঝুকেগা নেহি। সেই জাহাঙ্গিরই পুনর্নির্বাচনের আগে লড়াই ছেড়ে দেওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, তবে কি তিনি আগেই বুঝে গিয়েছিলেন তাঁর হার প্রায় নিশ্চিত?আবার রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দলের উপর অভিমান থেকেও এই সিদ্ধান্ত হতে পারে। গত লোকসভা নির্বাচনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিপুল ভোটে লিড দিয়েছিলেন জাহাঙ্গির। অথচ পুনর্নির্বাচনের প্রচারে অভিষেককে তাঁর পাশে দেখা যায়নি। অন্যদিকে বিজেপির হয়ে প্রচারে নেমেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এমনকি বামফ্রন্টও মাঠে নেমেছিল। কিন্তু তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল বারবার।এখন আরও একটি প্রশ্ন ঘুরছে রাজনৈতিক মহলে। তৃণমূল কি ইচ্ছাকৃতভাবেই জাহাঙ্গিরকে সরিয়ে দিল? ভোটের পর সরকার গঠনের পর পুনর্নির্বাচনের ঘটনা এমনিতেই রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার মধ্যে জাহাঙ্গিরের সরে দাঁড়ানো নতুন করে বিতর্ক বাড়িয়েছে। এর আগে তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন, কয়েকটি বুথে অভিযোগ উঠলে পুরো বিধানসভা কেন্দ্রে কেন পুনর্নির্বাচন হবে। সেই পরিস্থিতিতে তাঁর এই সিদ্ধান্তের পিছনে রাজনৈতিক কৌশল রয়েছে কি না, তা নিয়েও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

মে ১৯, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ ইডি দফতরে হাজির, রাতেই গ্রেফতার সোনা পাপ্পু

দীর্ঘ সাড়ে তিন মাস লুকিয়ে থাকার পর অবশেষে ইডির হাতে গ্রেফতার হলেন সোনা পাপ্পু ওরফে বিশ্বজিৎ পোদ্দার। সোমবার হঠাৎই কলকাতার ইডি দফতরে হাজিরা দেন তিনি। প্রায় সাড়ে দশ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।এর আগে একাধিকবার তলব করা হলেও হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছিলেন সোনা পাপ্পু। জানা গিয়েছে, অন্তত ছবার ইডির নোটিস উপেক্ষা করেছিলেন তিনি। তবে সোমবার সকালে ইডি দফতরে পৌঁছে তিনি দাবি করেন, কোনও অন্যায় করেননি। এমনকি তাঁর বিরুদ্ধে থানায় তোলাবাজির কোনও অভিযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন।গত ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকুরিয়ার কাঁকুলিয়া রোডে এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। স্থানীয়দের দাবি, সেই সময় গুলিও চলেছিল। ওই ঘটনার পর থেকেই আলোচনায় আসে সোনা পাপ্পুর নাম। কিন্তু ঘটনার পর থেকেই কার্যত উধাও হয়ে যান তিনি। পুলিশ দীর্ঘদিন খোঁজ চালিয়েও তাঁর হদিশ পায়নি। যদিও মাঝেমধ্যেই নিজের সমাজমাধ্যমে ভিডিও বার্তা দিতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে।তদন্তে উঠে আসে জমি দখল, বেআইনি নির্মাণ এবং প্রতারণার অভিযোগ। এই মামলার তদন্তে নামে ইডি। তদন্ত চলাকালীন সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী জল কামদারকে গ্রেফতার করা হয়। পরে গ্রেফতার হন কলকাতা পুলিশের আধিকারিক শান্তনু সিনহা বিশ্বাসও। তদন্তকারীদের দাবি, এই দুই অভিযুক্তের সঙ্গে সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল।এদিকে তদন্তের সময় একাধিক তৃণমূল নেতার সঙ্গে সোনা পাপ্পুর ছবি প্রকাশ্যে আসে। প্রাক্তন বিধায়ক দেবাশিস কুমারের সঙ্গেও তাঁর ছবি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়।সোমবার আচমকাই ইডি দফতরে হাজির হয়ে যান সোনা পাপ্পু। দীর্ঘ জেরার পর রাতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এখন তাঁকে আদালতে তুলে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাতে পারে ইডি।

মে ১৮, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুর থেকেই মমতার রাজনীতির শেষের বার্তা? বিস্ফোরক শুভেন্দু

ভোটের পর ভবানীপুরে ধন্যবাদ জ্ঞাপন সভা করতে গিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার ভবানীপুরের ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডে সভা করেন তিনি। সেখান থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে শুভেন্দু বলেন, গত ১৫ বছরে ভবানীপুরের মানুষ জানতেন না একজন বিধায়কের কাজ কী।শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, এতদিন ভবানীপুরে ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। এবার মানুষ বুঝতে পারবেন একজন বিধায়ক কীভাবে কাজ করেন। তিনি বলেন, এখন ভবানীপুরের মানুষের ভাই বিধায়ক হয়েছেন। আগামী এক মাসের মধ্যে ভবানীপুরের ৮টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৭টিতে বিধায়ক অফিস খোলা হবে বলেও ঘোষণা করেন তিনি।একইসঙ্গে এলাকার মানুষকে আশ্বস্ত করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা সরাসরি জানানোর জন্য বিশেষ মোবাইল নম্বর এবং ইমেল ব্যবস্থা চালু করা হবে। কেউ কোনও সমস্যা বা অভিযোগের মুখে পড়লে সরাসরি তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন বলেও জানান শুভেন্দু।সভা থেকে সিন্ডিকেট রাজ, তোলাবাজি এবং গুন্ডাবাজির বিরুদ্ধেও কড়া বার্তা দেন তিনি। শুভেন্দুর দাবি, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে এই ধরনের ঘটনা হয় না এবং ভবানীপুরেও তা হতে দেওয়া হবে না।এদিন শুভেন্দু আরও দাবি করেন, ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে মিত্র ইনস্টিটিউশন বুথে ভোট দেন, সেই চারটি বুথেই তিনি লিড পেয়েছেন। এখানেই থামেননি তিনি। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে বলেন, যিনি নিজের বুথেই জিততে পারেন না, বাংলার মানুষ তাঁকে পথ দেখিয়ে দিয়েছে। টাটা বাই বাই, আপনার রাজনীতির দিন শেষ, সভা থেকে এমন মন্তব্যও করেন শুভেন্দু অধিকারী।কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমকেও নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, চেতলা গার্লস স্কুলের পাঁচটি বুথেও বিজেপি লিড পেয়েছে।শেষে ভবানীপুরের মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, মানুষের এই সমর্থনের ঋণ তিনি শোধ করবেন। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এলাকার উন্নয়ন এবং মানুষের প্রতিশ্রুতি পূরণের কাজ শুরু হবে বলেও জানান তিনি।

মে ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal