• ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Indian

দেশ

সাধারণতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে সেনাবাহিনীতে বাঙালি রেজিমেন্টের দাবিতে সোচ্চার বাংলা পক্ষ

ভারতীয় সেনাবাহিনীকে ভাষা, সংস্কৃতি ও জাতি সহ নানাবিধ বৈশিষ্টের ওপর ভর করে নানা রেজিমেন্টে ভাগ করা হয়েছে। সেখানে যেমন মাদ্রাজ রেজিমেন্ট আছে তেমনই বিহার রেজিমেন্ট, রেজপুতানা রেজিমেন্ট, গোর্খা রেজিমেন্ট (রাইফেলস), রাজপুত রেজিমেন্ট সহ একাধিক রেজিমেন্ট আছে। বাংলা ভাষা ও বাঙালীর অধিকার রক্ষাকারি একমাত্র সংস্থা বাংলা পক্ষের দাবী বাংলা রেজিমেন্ট। বাংলা পক্ষ জানায়, বাঙালির রক্তে স্বাধীন হয় ভারতবর্ষ, আন্দামানের সেলুলার জেলের প্রত্যেকটা ইঁটে বাঙালি বিপ্লবীদের রক্ত লেগে আছে। পরাধীন ভারতবর্ষকে স্বাধীন করতে বাঙালি বীর সুভাষচন্দ্র বসু ও রাসবিহারী বসু তৈরি করেছিলেন আজাদ হিন্দ ফৌজ। কিন্তু দুঃখের কথা ভারতীয় সেনায় কোনো বাঙালি রেজিমেন্ট নেই। সুভাষ চন্দ্র বসুর মাতৃভাষা বাংলা ভাষায় সেনাবাহিনীর চাকরির পরীক্ষা দেওয়া যায় না।রাত পোহালেই ভারতবর্ষের ৭৫তম সাধারনতন্ত্র দিবস। তার প্রাক্কলে ভারতীয় সেনায় বাঙালি রেজিমেন্ট ও সেনায় চাকরি পাওয়ার পরীক্ষা বাংলা ভাষায় দেওয়ার দাবিতে সোচ্চার হল বাংলা পক্ষ। ভারতের বাঙালির জাতীয় সংগঠন বাংলা পক্ষ এই দাবিতে দীর্ঘদিন ধরেই সরব। বুধবার সংগঠনের ডাকে এক্স হ্যাণ্ডেল (সাবেক টুইটারে) তারা এর প্রচার করে। তার হ্যাশট্যাগ #BengaliRegimentInIndianArmy বাংলা পক্ষের আবেদন, বাংলা থেকে নির্বাচিত ৪২ জন সাংসদ যাতে সংসদে বাঙালি রেজিমেন্টের দাবিতে সরব হয় তা জানিয়ে সাংসদদের চিঠি দিয়েছে বাংলা পক্ষ। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ও একটি চিঠি তাঁরা দিয়েছে।বাংলা পক্ষ সংগঠনের পক্ষে তাঁদের অন্যতম শীর্ষ পরিষদ সদস্য তথা সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি জনতার কথাকে জানান, ভারতীয় সেনায় বাঙালি রেজিমেন্টের দাবি লোকসভায় উত্থাপন করার অনুরোধ জানিয়ে বাংলার সকল সাংসদকেই চিঠি দিয়েছে বাংলা পক্ষ। মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীকেও চিঠি দেওয়া হয়েছে। বাংলা পক্ষর সাধারন সম্পাদক ডঃ গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ভারতের স্বাধীনতার জন্য সবথেকে বেশী রক্ত দিয়েছে বাঙালি, ইন্ডিয়ান ন্যাশানাল আর্মি (Indian National Army) বা আজাদ হিন্দ ফৌজ তৈরী করেছিলেন এক বাঙালি অথচ আজ স্বাধীন ভারতের সেনা বাঙালির কোন রেজিমেন্ট নেই, যেখানে বিহার, পাঞ্জাব, গাড়োয়াল, মারাঠা, গোর্খা রেজিমেন্ট আছে। এটা অত্যন্ত লজ্জাজনক। সুভাষ চন্দ্র বসুকে নিয়ে রাজনীতি করা হয় কিন্তু তাঁর মাতৃভাষায় সেনায় ভর্তি পরীক্ষা হয় না। বাংলা পক্ষ চায় নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুর প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা জানাতে বাংলা ভাষায় সেনার পরীক্ষা ও বাঙালি রেজিমেন্ট গঠন করুক যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার। আগামীদিনে সেনার চাকরির স্বপ্ন দেখা বাঙালি যুবকদের স্বার্থে এই দুই দাবিতে আন্দোলন তীব্রতর করা হবে বলে জানানো হয় সংগঠনটির পক্ষ থেকে।

জানুয়ারি ২৪, ২০২৪
রাজ্য

বর্ধমান স্টেশনে জলের ট্যাঙ্কের দুর্ঘটনা থেকে শিক্ষা, পূর্ব রেল নিল নজরকাড়া সিদ্ধান্ত

স্টেশন চত্বরে কিংবা প্ল্যাটফর্মে থাকা পুরনো লৌহ নির্মিত জলাধারগুলিকে ভেঙ্গে ফেলা কিংবা অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পূর্ব রেল। ইতিমধ্যে পূর্ব রেলের বিভিন্ন ডিভিশনে থাকা জলাধারগুলিকে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সেই অনুযায়ী কাজও শুরু হয়েছে। যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই পূর্ব রেলের এই সিদ্ধান্ত।প্রথম ধাপে, পূর্ব রেলের অন্তর্গত বিভিন্ন স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে থাকা পুরনো জলাধারগুলিকে সম্পূর্নরূপে ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে এবং যাত্রীদের পানীয় জলের সরবরাহ অব্যাহত রাখতে নতুন করে স্টেশন চত্বরের বাইরে অন্যত্র জলাধার নির্মান করা হবে।পরবর্তী ধাপে বিভিন্ন স্টেশন চত্বরে থাকা পুরনো জলাধারগুলি চিহ্নিত করে সেগুলি ভেঙে ফেলা হবে । এছাড়াও সিমেন্ট-কংক্রিট নির্মিত জলাধারগুলির মধ্যে যেগুলির পরিস্থিতি খারাপ বা সংস্কারের দরকার রয়েছে সেগুলি প্রয়োজনানুযায়ী সংস্কার করা হবে এবং ৬০ বছরের পুরনো জলাধারগুলি সম্পূর্ণরূপে ভেঙে ফেলে নতুন রুপে নির্মান করা হবেবিভিন্ন স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে থাকা পূর্ব রেলের ৪ টি ডিভিশনের মোট ১২ টি পুরনো জলাধারকে চিহ্নিত করা হয়েছে যা প্রাথমিকতার সঙ্গে ভেঙে ফেলা হবে এবং এই কাজ ইতিমধ্যে শুরুও হয়েছে। যার মধ্যে হাওড়া ডিভিশনে রয়েছে ৩ টি, আসানসোল ডিভিশনে রয়েছে ৮ টি এবং মালদা ডিভিশনে রয়েছে ১ টি জলাধার।পরবর্তীতে পূর্ব রেলের অধীনে বিভিন্ন স্টেশন চত্বরে থাকা পুরনো জলাধারগুলি ভেঙে ফেলার কাজ শুরু হবে। ইতিমধ্যেই এমন ৪৮ টি জলধার চিহ্নিত করা হয়েছে। যার মধ্যে শিয়ালদহ ডিভিশনে রয়েছে ৭ টি, আসানসোল ডিভিশনে রয়েছে ২৩ টি, হাওড়া ডিভিশনে রয়েছে ১৪ টি এবং মালদা ডিভিশনে রয়েছে ৪ টি। এই কাজগুলি আগামী ১ বছরের মধ্যে সম্পন্ন করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শ্রী কৌশিক মিত্র জানিয়েছেন, পূর্ব রেলের অধীনে বিভিন্ন স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে থাকা পুরনো জলাধারগুলি ভেঙে ফেলার কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। আশা করা হচ্ছে আগামী ১ বছরের মধ্যে স্টেশন চত্বরে থাকা জলাধারগুলিও ভেঙে ফেলার কাজ সম্পন্ন করা যাবে । এই কাজ চলাকালীন যাত্রী পরিষেবা যাতে বিঘ্নিত না হয় তার জন্য সদা সচেষ্ট থাকবে পূর্বরেল।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২৩
রাজ্য

রাজ্যর ৪র্থ বন্দেভারত ট্রেন পাটনা-হাওড়ার সময়সূচি জেনে নিন, একদিনেই যাতায়াত

পশ্চিমবঙ্গবাসীর জন্য অত্যন্ত সুখবর চতুর্থ (৪র্থ) বন্দেভারত এক্সপ্রেস পেতে চলেছে রাজ্যবাসীরা। ২২৩৪৮ /২২৩৪৭ পাটনা-হাওড়া বন্দেভারত এক্সপ্রেস প্রতি সপ্তাহে ৬ দিন চলবে ( বুধবার ব্যতীত )। ট্রেনটি সকাল ৮টার সময় পাটনা থেকে ছেড়ে একইদিনে হাওড়ায় পৌঁছাবে দুপুর ২ টা ৩৫ মিনিটে (14:35 Hrs.)। পুনরায় ট্রেনটি দুপুর ৩ টা ৫০ মিনিটে (15 : 50 Hrs.) ছেড়ে একইদিনে পাটনায় পৌঁছাবে রাত ১০ টা ৪০ মিনিটে (22:40 Hrs.)। এই ট্রেনটিতে ৮ টি এসি চেয়ার কার থাকছে।পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র জানিয়েছেন, পাটনা-হাওড়া বন্দেভারত ট্রেন আগামী ২৬শে সেপ্টেম্বর থেকে উভয়পথে যাত্রা শুরু করবে। ট্রেনটি যাত্রাকালে পাটনাসাহিব, মোকামা, লক্ষীসরাই, জসিডি, জামতারা, আসানসোল ও দূর্গাপুর স্টেশনে দাঁড়াবে। উল্লেখযোগ্যভাবে এই ট্রেনটিতে সফররত যাত্রীরা পাটনা থেকে হাওড়া মাত্র ৬ ঘন্টা ৩৫ মিনিটে পৌঁছবেন যা অন্যান্য গণ পরিবহন মাধ্যমের তুলনায় অনেকটা কম সময় নেবে। এতে বহু যাত্রীরা উপকৃত হবেন ।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৩
দেশ

এবার হাওড়া-পাটনা বন্দে ভারত যাত্রা শুরু শীঘ্রই, এই ট্রেনগুলিতে যুক্ত একাধিক সুবিধা

আগামী ২৪সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নয়টি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনের উদ্বোধন করবেন। যার মধ্যে রয়েছে পাটনা-হাওড়া বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। দেশীয়ভাবে তৈরি আধা-হাই-স্পিড বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনগুলি ইতিমধ্যেই স্থল পরিবহনের দ্রুততম মাধ্যম হিসাবে যাত্রী এবং ভ্রমণকারীদের মধ্যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। পশ্চিমবঙ্গ ইতিমধ্যেই হাওড়ানিউ জলপাইগুড়ি, নিউ জলপাইগুড়িগুয়াহাটি এবং হাওড়াপুরী রুটে তিনটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেন পেয়েছে।নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন সরকার ভারতের নাগরিকদের সেবায় সমস্ত প্রযুক্তিগত অগ্রগতি আনার জন্য সর্বদা বদ্ধপরিকর। যাত্রীদের আরও সুবিধার জন্য বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনের রেকগুলিতে আরও বৈশিষ্ট্য যুক্ত করা হয়েছে।নতুন বন্দে ভারত এক্সপ্রেস রেকগুলিতে আরও যাযা সুবিধা যুক্ত হল: আসন হেলান কোণ 17.31 ডিগ্রী থেকে 19.37 ডিগ্রী পর্যন্ত বৃদ্ধি করা, আসনের নীচে মোবাইল চার্জিং পয়েন্টের উন্নত ব্যবস্থাপনা, ECC আসনে নানাবিধ সুবিধা, বাথরুমে নানা সুবিধা যুক্ত করা সহ প্রায় ২৫ ধরনের বাড়তি ফিচার যুক্ত হচ্ছে বন্দে ভারতে। নতুন বৈশিষ্ট্যগুলি কেবল যাত্রীদের জন্য আরামদায়ক উপাদানই নয়, যাত্রীদের নিরবচ্ছিন্ন নিরাপত্তা এবং সুরক্ষা নিশ্চিত করবে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৩
দেশ

কর্মক্ষেত্রে বার্ধক্যের আধিক্য উদ্বেগজনক

দশ বছর ব্যবধানে ভারতে জনগণনা হয়। দেশে শেষ জনগণনা হয় ২০১১ সালে। এই হিসেবে দশ বছর পরে অর্থাৎ ২০২১ সালে জনগণনা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগে বিশ্ব জুড়ে অতিমারির প্রকোপ ছড়িয়েছিল। তার অভিঘাত ভারতেও এসে পড়ে। ফলে নির্দিষ্ট সময় জনগণনার কাজ করা যায় নি। ২০২৩ সাল শেষ হতে আর মাত্র চার মাস বাকি। এই পরিস্থিতিতে জনগণনা কাজ কবে শুরু হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। বিশেষজ্ঞদের অনুমান জনগণনার ফল বেরোলে দেখা যাবে ভারতের জনসংখ্যা ১৪০কোটির কাছাকাছি পৌঁছবে। সাম্প্রতিক কালে এমন কিছু সমীক্ষা হয়েছে যাতে দেখা গিয়েছে দেশে মোট জনসংখ্যায় বয়স্কদের তুলনায় অল্পবয়সী দের সংখ্যা অনেক বেশি। এই সংখ্যার অনুপাত ধরে ভারতকে বলা হচ্ছে তারু ন্যের দেশ। আমরা জানি তারুণ্যের বিকাশের জন্য যে মৌলিক উপাদানগুলি তার মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হল শিক্ষা শেষে কাজের সুযোগ।Center for Monitoring Indian Economy র সাম্প্রতিক সমীক্ষায় এক অতি উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। সমীক্ষা বলছে গত সাত বছরে দেশের কর্মশক্তিতে ( work force) বয়স্কদের সংখ্যা বেড়ে চলেছে। সমীক্ষার তথ্য বলছে ২০১৬/১৭ সালে দেশের কর্মশক্তিতে ১৫ থেকে ২৯ বছর বয়সীদের হার ছিল পঁচিশ শতাংশ। ২০২২/২৩ সালে তার কমে এসে দাঁড়িয়েছে সতেরো শতাংশে। ওই একই সময়কালে ৩০ থেকে ৪৪ বছর বয়সীদের হার ছিল ৩৮ শতাংশ। ২০২২/২৩ সালে সেই হার নেমে এসেছে ৩৩ শতাংশে। কর্মশক্তিতে কম বয়সীদের উপস্থিতি এই নিম্নগামী হারের পাশাপাশি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে বয়স্কদের উপস্থিতির সংখ্যা অনেকটাই ঊর্ধগামী। উপরে উল্লেখিত সময়কালের মধ্যে কর্মশক্তিতে ৪৫বছর অথবা তার বেশি উপস্থিতির হার ৩৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ৪৯ শতাংশ হয়েছে। আরেকটু সরল করে বললে বলতে হয় বর্তমান ভারতে কর্মশক্তির প্রায় অর্ধেকটাই দখল করে রয়েছেন ৪৫ থেকে ৫৫ বছর বয়সী কর্মীরা। দেশের কর্মশক্তিতে তারুণ্যের অনুপাত কমে যাওয়ার অর্থ, কাজের বাজারেও তারুণ্যের উপস্থিতির হার নিম্নগামী। বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগের!অতিমারি পরিস্থিতির আগে থেকেই দেশে বেকারের সংখ্যা বাড়ছিলো। করোনা ভাইরাসের দাপটে অসংখ্য মানুষ কাজ হারানোয় বেকারের সংখ্যা বহুগুন বেড়ে যায়। করোনা কালে দেশের অর্থনীতিতে যে বিশাল ধাক্কা লেগে ছিল তার রেশ এখনো রয়ে গিয়েছে। এখনও বহু মানুষ দারিদ্র্যের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে বেকার তরুনরা কাজের বাজারে প্রবেশ করতে চাইলেও তাদের জন্য যথেষ্ট কাজের সুযোগ নেই। এর-ই মাঝে সাম্প্রতিক কয়েকটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে দেশে কর্মশক্তিতে মেয়েদের সংখ্যা উদ্বেগজনক ভাবে কম। বিশ্বের যে কয়টি দেশে মেয়েদের উপস্থিতির হার অত্যন্ত কম তার মধ্যে ভারত অন্যতম।দেশের কর্মশক্তিতে বয়স্কদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি নীতি নির্ধারকদের অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। কী ভাবে এই পরিস্থিতি তৈরি হল তা জানতে গভীর অনুসন্ধানের প্রয়োজন। কিছু বিশেষজ্ঞের অনুমান এই পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার অন্যতম কারণ হলো কম বয়সীদের মধ্যে কাজ পাওয়ার জন্য যে দক্ষতার প্রয়োজন তার অভাব রয়েছে। বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন দেশের জনসংখ্যায় তারুণ্যের হার বাড়লেই যে তাদের কাজের সুযোগ বাড়বে তা নয়। বর্তমানে শিল্পক্ষেত্রে উৎপাদন ও বিপণনে যে পরিবর্তন এসেছে তাতে কাজের বাজারে দক্ষতায় ও অভিজ্ঞতায় বয়স্কদের সঙ্গে কমবয়সীরা প্রতিযোগিতায় পেরে উঠছেনা না। তাই কর্মশক্তিতে তরুনদের তুলনায় বয়স্কদের সংখ্যা বাড়ছে। এই রেখচিত্র বদলানোর জন্য অতি দ্রুত পদক্ষেপ না করলে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে। দেরি হয়ে গেলে বিশ্বে ভারত এমন এক দেশ হয়ে উঠবে মোট জনসংখ্যায় তারুণ্যের আধিক্য থাকলেও কর্মশক্তিতে বয়স্কদের সংখ্যা আরও বাড়বে।

আগস্ট ৩০, ২০২৩
কলকাতা

সেক্টর ফাইভ-এ রোড ডাইভারসন, মেট্রোরেলের কাজের জন্য নয়া ঘোষণা

সম্ভবত শনিবার রাত থেকেই সেক্টর ফাইভ এর রোড ডাইভারশন হতে চলেছে। মেট্রোরেলের কাজের জন্যই এই সিদ্ধান্ত বলে জানান বিধান নগর ডিসি ট্রাফিক ইন্দিরা মুখার্জি। টেকনোপলিস মোড়ের আগেই কাজ হচ্ছে মেট্রোর। সেই কাজের জন্যই কলকাতা যাওয়ার রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হবে আগামী ছয় মাসের জন্য। কলকাতা যাওয়ার জন্য আলাদা রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করার আবেদন জানায় বিধান নগর পুলিশ কমিশনারেট।বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের ডিসি ট্রাফিক ইন্দিরা মুখার্জি বলেন, টেকনোপলিস স্টেশনে মেট্রোর কাজ চলছে। এক সপ্তাহ হয়ে গিয়েছে এখানে কাজ শুরু হয়েছে। এখনও রাস্তা বন্ধ করা হয়নি মেট্রো কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে। কিন্তু আগামীকাল থেকে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষর পক্ষ থেকে টেকনোপলিশের সামনের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হবে। এই রাস্তাটা এয়ারপোর্ট-এর দিক থেকে সল্টলেকের দিকে আসে তাদের জন্য প্রযোজ্য। রাস্তা দিয়ে যারা যাবেন তাদের জন্য ড্রাইভারসশন করা হচ্ছে। নিউটাউন নারকেল বাগান মোড় থেকে এমআর ধরে চিংড়িঘাটার দিকে যেতে পারে। আবার সল্টলেকের দিকে যেতে গেলে যেতে পারবে। আর একটা বিকল্প রাস্তা তৈরী হয়েছে নারকেল বাগান মোড় থেকে নতুন ব্রিজ ধরে গোদরেজ ওয়াটার সাইট রিং রোড ধরে এসডিএফ হয়ে চিংড়িঘাটা যাওয়া যায়।মেট্রো স্টেশন এর কাজের জন্য টেকনোপলিশ-এর সামনে লাল বক্স করে দেওয়া হয়েছে যেটা কলকাতা লেন পুরো বন্ধ থাকবে। নিউটাউন বক্স ব্রিজ থেকে নেমে কেয়া মোটর্স হয়ে ফিলিপস মোড়, আরএ সফটওয়্যার মোড় হয়ে কলকাতার দিকে যেতে পারেন। যদি কেউ মনে করে এলবি রোড বা সল্টলেকের দিকে যাওয়া প্রয়োজন তাহলে কেয়া মোটর্স এর সামনে হয়ে টেকনোপলিস বিল্ডিংয়ের ব্যাক সাইড দিয়ে নিজের গন্তব্যে পৌঁছে যেতে পারেন। ট্রায়াল রান শুরু হয়েছিল। প্রথম প্রথম একটু ডিলে হয়েছিল একটু কনফিউশন হয়েছিল। রোড ড্রাইভারসেশন দেওয়া আছে তাতেও যদি কারও অসুবিধা হয়ে থাকে ট্রাফিক কন্ট্রোল রুমের রুটিন নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন। শুধুমাত্র কলকাতা বাউন্ডের জন্য। এয়ারপোর্ট বাউন্ডে কোনও চেঞ্জ হচ্ছে না। এয়ারপোর্ট বাউন্ডে যখন কাজ শুরু হবে তখন আমরা জানিয়ে দেব। আমাদের এক্সট্রা পুলিশি ব্যবস্থা রাখা আছে। শনিবার রাতে ডার্বি ম্যাচের পর থেকে রাস্তাটা বন্ধ করে দেওয়া হবে এখনও পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হয়ে রয়েছে।

আগস্ট ১২, ২০২৩
দেশ

ইতিহাসের বারান্দায় অনাস্থা প্রস্তাব

মঙ্গলবার থেকে লোকসভায় শুরু হল বিরোধীদের অনাস্থা প্রস্তাবের উপর বিতর্ক। দুদিন ধরে চলবে বিতর্ক। তার পরে সরকার পক্ষের শীর্ষ ব্যাক্তি তাঁর জবাবই বক্তব্য বলবেন। লোকসভায় বিরোধীদের মিলিত শক্তির চেয়ে সাংসদ সংখ্যার বিচারে সরকার পক্ষের শক্তি অনেক বেশি। তাই বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাবের নরেন্দ্র মোদী সরকারের দুশ্চিন্তার কিছু নেই। ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদী ক্ষমতায় আসার পর এই প্রথম অনাস্থা প্রস্তাব আনলো বিরোধীরা। আর এই প্রথম লোকসভায় বিরোধীদের পারস্পরিক ঐক্য অনেক জমাট দেখাচ্ছে। বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাবের পিছনে সংসদীয় রাজনীতির যে কৌশল রয়েছে তা হল মনিপুর প্রসঙ্গে বিরোধীদের সমালোচনার জবাব দিতে প্রধানমন্ত্রী বাধ্য হবেন। কারণ, সময়, পরিস্থিতি ও বিষয় বিচার করে প্রধানমন্ত্রী কখনো মুখ খোলেন কখনো নীরব থাকেন। যেমন মনিপুরে হিংসা ছড়ানোর ৭৯ দিন পরে প্রধানমন্ত্রী বিবৃতি দেন। মনিপুরে এখনো হিংসা থামেনি, লাগাতার হিংসা চললেও প্রধানমন্ত্রীর এই বিষয়ে আর মুখ খোলেননি।লোকসভার নিয়ম অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনতে গেলে নুন্যতম পঞ্চাশ জন সাংসদের সমর্থন প্রয়োজন। কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি ও সাংসদ মল্লিকার্জুন খারগের পেশ করা অনাস্থা প্রস্তাবের ৭৯জন সাংসদ সাক্ষর করেছেন। বিজেডি এবং ওয়াইএসআর কংগ্রেস ছাড়া সংসদে অস্তিত্ব রয়েছে এমন সব বিরোধী দলই প্রস্তাবের পক্ষে দাঁড়িয়েছে। অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে বিতর্ক শুরুর আগের দিন রাহুল গান্ধী সাংসদ পদ ফিরে পাওয়ায় বিরোধী শিবির, বিশেষত কংগ্রেস অনেকটাই উজ্জীবিত। ১৩৪ দিন সংসদের বাইরে থাকার পরে সাংসদ পদ ফিরে পেলেন রাহুল।আরও পড়ুনঃ কেন সমাজতন্ত্র: অ্যালবার্ট আইনস্টাইনইতিহাসের হুবহু পুনরাবৃত্তি না হলেও ইতিহাসের অনেক ঘটনা কিছু কিছু লক্ষণ পরবর্তী কালে দেখা যায়। যেমন ১৯৬৩ সালে অগাষ্ট মাসে সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনে নেহেরু সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাবের সঙ্গে চলতি বর্ষাকালীন অধিবেশনে বিরোধীদের অনাস্থা প্রস্তাবের অনেক ক্ষেত্রে মিল রয়েছে। আবার অনেক ক্ষেত্রে পার্থক্যও রয়েছে। ১৯৬৩ সালে বিরোধীদের অনাস্থা প্রস্তাব ছিল স্বাধীন ভারতের লোকসভার ইতিহাসে প্রথম। সেই সময় দেশের অধিকাংশ মানুষ মনে করতেন স্বাধীনতা এনেছে কংগ্রেস। তাই ১৯৬২ সালে তৃতীয় লোকসভা নির্বাচনেও বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফেরে কংগ্রেস। তখন লোকসভায় আসন সংখ্যা ছিল ৪৯৪। ৩৬১টি আসন পেয়ে তৃতীয় বার প্রধানমন্ত্রী হন নেহেরু। তিনি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দেড় বছরের মাথায় দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুত বদলাতে থাকে। ১৯৬২সালের চিন-ভারত যুদ্ধের ফলে নেহেরু সরকার তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন। কংগ্রেস কোনঠাসা হয়ে পড়ায় ক্রমাগত হারতে থাকা বিরোধীরা উজ্জীবিত হয়ে ওঠে। এই আবহে বেশ কয়েকটি বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে পরাজিত হয় কংগ্রেস। কংগ্রেসকে সংসদে আরও চাপে ফেলতে বিরোধীরা কক্ষ সমন্বয় ঐক্যে পৌঁছয়। ফলে লোকসভায় প্রথমবার অনাস্থা প্রস্তাবের মুখোমুখি হয় নেহেরু সরকার।সেই সময় লোকসভার অধ্যক্ষ ছিলেন হুকোম সিং। লোকসভার বর্ষাকালীন অধিবেশনের শুরুতে একাধিক রাজনৈতিক দল অধ্যক্ষের কাছে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেয়। প্রথম অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেন প্রজাশক্তি পার্টির শীর্ষ নেতা ও সাংসদ আচার্য জে বি কৃপালনী। ভারতীয় জনসংঘ ও সিপিআই, পৃথকভাবে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেয়। এছাড়াও আরো কয়েকটি রাজনৈতিক দল অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেয়। সিপিআইয়ের আনা অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষে প্রয়োজনীয় নুন্যতম পঞ্চাশ জন সাংসদের সাক্ষর না থাকায় তা বাতিল হয়ে যায়। অন্যান্য রাজনৈতিক দল আচার্য কৃপালনীর আনা প্রস্তাবকে সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়ায়। অধ্যক্ষ হুকোম সিং আচার্যর আনা প্রস্তাবে আলোচনার অনুমোদন দেন। ১৯ অগাষ্ট লোকসভায় অনাস্থা প্রস্তাবের উপর বিতর্ক শুরু হয়।বিরোধীদের পক্ষে আলোচনা শুরু করেন আচার্য কৃপালনী । তিনি তাঁর বক্তব্যে শুধু চিন-ভারত যুদ্ধ নয়, সরকারের বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ ও আনেন। লোকসভায় সরকার ও বিরোধী পক্ষের শক্তির ফারাকের কথা মাথায় রেখে আচার্য কৃপালনী বলেন, শুধু সাংসদ সংক্ষ্যা হিসেব করলে চলবে না। প্রাপ্ত ভোটের হিসেব করলে দেখা যাবে বিরোধীদের শক্তি সরকার পক্ষের থেকে বেশি। সাম্প্রতিক লোকসভা নির্বাচনে সরকার পক্ষ ৪৬ শতাংশের কাছাকাছি ভোট পেয়েছে। বাকি ৫৪ শতাংশ ভোট পেয়েছে বিরোধীরা । এর থেকে প্রমানিত হয় বিরোধীরাই সংসদে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মতামতকেই পেশ করছে। প্রস্তাবের পক্ষে বিরোধী নেতারা বক্তব্য বলার পাশাপাশি সরকার পক্ষের হয়ে বক্তব্য বলেন মোরারজি দেশাই ও ভগবৎ ঝা আজাদ প্রমুখ। সবশেষে জবাবী ভাষনের প্রধানমন্ত্রী নেহেরু বিরোধীদের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন,বিরোধীদের মধ্যে এই বিচিত্র সমঝোতার মূল কারণ হলো আমার বিরোধিতা করা। তাই বিরোধীদের বক্তব্যের পুরোটাই নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া। সরকারের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে তা আসলে সরকারের বিরুদ্ধে নয়। তা হল প্রধানমন্ত্রী নেহেরু ও ব্যক্তি নেহেরুর বিরুদ্ধে মিলিত ব্যক্তিগত আক্রমণ।আরও পড়ুনঃ বাংলায় ক্ষমতায় থাকার কৌশল বদলেছে সময়ের তালে, রাজনৈতিক সংঘর্ষের বীজ লুকিয়ে অতীতের ছায়ায়প্রত্যাশিত ভাবেই বিরোধীদের অনাস্থা প্রস্তাব সংসদ কক্ষে ভোটে পরাজিত হয়। তবে চিন-ভারত যুদ্ধের ফলাফলে নেহেরুর জনপ্রিয়তায় ফাটল ধরে। সেই সুযোগে দলের মধ্যেও তাঁর বিরোধীরা সক্রিয় হয়ে ওঠে। এরই সঙ্গে বেশ কয়েকটি উপনির্বাচনে ক্ংগ্ৰেসের পরাজয় এবং বিরোধীদের জমাট এক্য - সব মিলিয়ে ঘরে বাইরে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন নেহেরু। তার আঁচ গিয়ে পড়ে তাঁর শরীরে। ধীরে ধীরে অসুস্থতা বাড়তে থাকে। ১৯৬৪ সালের ২৭ শে মে দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যু হয়।

আগস্ট ০৮, ২০২৩
দেশ

ভারতীয় রেলের নয়া উদ্যোগ, স্টেশনের নামের সাথে যুক্ত হচ্ছে জনপ্রিয় জায়গার নাম, বিশেষ সুবিধা যাত্রীদের

যাত্রীদের সুবিধার্থে ছোট ছোট স্টেশনের নাম জনপ্রিয় স্থান ও শহরের নামের সাথে যুক্ত করার উদ্যোগ নিল ভারতীয় রেল। নতুন এই উদ্যোগ যাত্রীদের আরও সুন্দর ভ্রমণের পরিকল্পনা করা তথা ওয়েবসাইট বা মোবাইল আ্যপের মাধ্যমে টিকিট সংরক্ষণে সহায়ক হবে। পর্যটকরা সহজে স্টেশনের নামও খুঁজে বের করতে পারবেন। তাঁদের কাছে যোগাযোগ আরও সহজ ও উন্নত হবে। নতুন এই ব্যবস্থা আগামীকাল, শুক্রবার থেকে কার্যকর হবে।এই ব্যবস্থায় স্যাটেলাইট শহরগুলিকেও রেল স্টেশনগুলির সাথে যুক্ত করা হয়েছে। যেমন নয়ডাকে যুক্ত করা হয়েছে নতুনদিল্লির সঙ্গে। অনেক সময় রেলওয়ে স্টেশনের নাম স্থানীয় অথবা এলাকার জনপ্রিয় নামের থেকে আলাদা হয়। নতুন এই উদ্যোগে পর্যটকদেট এই বিভ্রান্তি দূর করবে।এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করতে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত পরিবর্তন করা হয়েছে। ৭২৫ টি স্টেশনের সঙ্গে ১৭৫ টি জনপ্রিয় স্থান বা এলাকার নামকে যুক্ত করা হয়েছে। ই-টিকিট বুকিং ওয়েবসাইটেও প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করা হয়েছে।যাত্রীদের সুবিধা: ট্রেন যাত্রার পরিকল্পনা করার ক্ষেত্রে আরও সহজ ও পছন্দসই পরিকল্পনা করা যাবে। এই ব্যবস্থা যাত্রীদের পক্ষে সুবিধাজনক হবে। যাত্রীদের পক্ষে স্টেশন খুঁজে নেওয়া সহজ হবে। কাশী, খাটুশ্যাম, বদ্রীনাথ, কেদারনাথ, বৈষ্ণদেবীর মতো পর্যটনস্থলগুলিকে নিকটবর্তী স্টেশনগুলির সাথে ম্যাপিং করা হয়েছে। উন্নত যোগাযোগ। এই ব্যবস্থায় স্যাটেলাইট শহরগুলিকেও রেল স্টেশনগুলির সাথে যুক্ত করা হয়েছে। যেমন নয়ডাকে যুক্ত করা হয়েছে নতুন দিল্লির সাথে। স্থানীয় অধিবাসীদের গুরুত্বপ্রদান ও গর্বিত করা : জনপ্রিয় শহরের নাম কোনও স্টেশনের সাথে যুক্ত হলে স্থানীয় অধিবাসীরা গর্বিত হবার পাশাপাশি একাত্মবোধ করেন। পরিচালনার সুবিধার্থে বা রক্ষণাবেক্ষনের কাজে কোনও স্টেশন বন্ধ থাকলে পরিবর্তিত স্টেশনের নাম জার্নি প্লানারে দেখা যাবে। যেমন ট্রেন নম্বর ১৯০৩১-এ (আমেদাবাদ থেকে জয়পুর) ভ্রমণের পরিকল্পনা আমেদাবাদের পরিবর্তে আসারভা থেকেও করা যাবে।জার্নি প্লানারে আমেদাবাদ ইনপুট দিলে সিস্টেম আসারভাও দেখাবে। বর্তমানে যা পর্যটকদের নিজেদের ইনপুট দিতে হয়।

জুলাই ২০, ২০২৩
রাজ্য

জোকা-তারাতলা মেট্রো সপ্তাহে কদিন, কখন চলবে, কদিন বন্ধ থাকবে, রইল বিস্তারিত সূচি

জোকা-বিবাদী বাগ মেট্রো প্রকল্পের জোকা-তারাতলা রুটের ভার্চুয়াল উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগামী সোমবার, ২ জানুয়ারি যাত্রী নিয়ে এই রুটে ছুটবে মেট্রো। জোকা থেকে তারাতলার দূরত্ব ৬.৫ কিলোমিটার। এই যাত্রাপথে মোট ছটি স্টেশন থাকছে জোকা, ঠাকুরপুকুর, সখেরবাজার, বেহালা চৌরাস্তা, বেহালা বাজার এবং তারাতলা। মেট্রো কর্তৃপক্ষ জোকা-তারাতলা রুটে ট্রেন চলাচলের সংখ্যা, সময়সূচীও ঘোষণা করেছে। আপাতত একটি মেট্রো যাতায়াত করবে। জোকা-তারাতলা রুটে প্রতিদিন ১২টা করে মেট্রো চলাচল করবে। ৬টি আপে ও ৬টি ডাউনে মেট্রো চলবে। সোমবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত পরিষেবা মিলবে। তবে শনিও রবিবার পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ থাকবে। ওয়ান ট্রেন সিস্টেম অর্থাৎ একটি ট্রেনই জোকা থেকে ছাড়বে। তা আবার তারাতলা থেকে ফিরবে। সর্বনিম্ন ভাড়া ৫ টাকা। সর্বোচ্চ ভাড়া ২০ টাকা।জোকা-তারাতলা রুটের সময়সূচি-সোমবার থেকে শুক্রবার অর্থাৎ সপ্তাহে ৫ দিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫.৩০টা পর্যন্ত মেট্রো চলবে।জোকা থেকে মেট্রো ছাড়বে সকাল ১০ টা, সকাল ১১ টা, বেলা ১২ টা, দুপুর ৩ টে, বিকেল ৪ টে এবং বিকেল ৫ টায়।তারাতলা থেকে মেট্রো ছাড়বে সকাল ১০.৩০টা, সকাল ১১.৩০টা, বেলা ১২.৩০টা, দুপুর ৩.৩০টে, বিকেল ৪.৩০ টে এবং বিকেল ৫.৩০ টায়।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২২
রাজ্য

বন্দে ভারতের চালক গর্বিত করল বর্ধমানকে, স্টেশনে ভিড়ের মাঝে স্বামীকে হাত নাড়িয়ে শুভেচ্ছা স্ত্রীর

বন্দে ভারতে মেতেছে বাংলা। ইতিমধ্যে ট্রেনের টিকিট পেতেই হিমশিম অবস্থা। হাওড়া থেকে ছাড়ার পর একে একে নানা স্টেশনেই দাঁড়িয়েছে বন্দে ভারত। জনতার উল্লাসে ভেসেছে মশাগ্রাম, বর্ধমান, বোলপুর স্টেশন। প্রথমবার বন্দে ভারতকে চোখের দেখা দেখতে জাতীয় পতাকা নিয়ে অনেকেই হাজির হয়েছেন। এই সুপার স্পিড ট্রেনের চালককে মালা পড়িয়ে অভিনন্দন জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ। বাংলার প্রথম বন্দে ভারতের চালকের বাড়ি বর্ধমানে লোকো সারদা পল্লীতে। বর্ধমান স্টেশনে যখন চালককে নিয়ে মাতামাতি চলছে তখন ভিড়ের মধ্যেই দূর থেকে স্বামীকে হাত নাড়িয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সুনিতা কুমারী। ওই ভিড়ের মধ্যেও পাল্টা হাত নাড়িয়েছেন চালক অনিল কুমার। অনেকে তো ভাবতেই পারেনি চালকের স্ত্রী সেখানে দাঁড়িয়ে। চালক পাল্টা হাত নাড়ানোয় উপস্থিত জনতার টনক নড়ে। বর্ধমান স্টেশনে ট্রেন দাঁড়াতেই উৎসাহী মানুষজন অনিল কুমারের গলায় মালা পরিয়ে দিয়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছে দেখে আবেগঘন হয়ে পড়েন সুনীতা কুমারী। গর্বিত চালকের স্ত্রী বলেন, এই দিনটা আমার কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাজ্যে উপস্থিত থাকতে পারলে আরও ভালো লাগতো। আদতে বিহারের বিহারের বাসিন্দা অনিল কুমার। এখন পরিবার নিয়ে তিনি থাকেন বর্ধমানের লোকো সারদাপল্লীতে থাকেন। বন্দেভারত এক্সপ্রেস চালানোর উদ্দেশ্যে বৃহস্পতিবার রাতেই অনিল কুমার বর্ধমানের বাড়ি থেকে হাওড়া স্টেশনের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন।এদিন সকালে টেলিভিশনের পর্দায় বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেন নিয়ে উচ্ছ্বাস-উন্মাদনা দেখে বাড়িতে আর মন টেকেনি। সোজা বর্ধমান স্টেশনে চলে আসেন সুনীতা দেবী। তিনি জানিয়েছেন, ট্রেনের অ্যাসিন্ট্যান্ট ড্রাইভার হিসাবে ১৯৯০ সালে কাজে যোগ দেন তাঁর স্বামী। কর্মের প্রতি অবিচল অনিল কুমারের বরাবরই লক্ষ্য ছিল সবথেকে গুরত্বপূর্ণ ট্রেনগুলো চালানো। পূর্বা, কালকা, শতাব্দী, রাজধানী ও দুরন্ত এক্সপ্রেস ট্রেনও তাঁর স্বামী চালিয়েছেন। বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেন চালানোর স্পেশাল ট্রেনিং নিতে চলতি মাসের ৭ তারিখ অনিল বাবু উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদে যান। ট্রেনিং শেষে ১৯ ডিসেম্বর তিনি বর্ধমানের বাড়িতে ফিরে আসেন। বন্দেভারত এক্সপ্রেসের মতো দুরন্ত গতির ট্রেন চালানোটা তার স্বামীর কাছে আলাদা মাইলস্টোন ছোঁয়ার মতো। এদিন সেই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের সাক্ষী থাকার জন্যই বর্ধমান স্টেশনে উপস্থিত হয়েছিলেন বলে সুনীতাদেবী জানান। এদিন বর্ধমান স্টেশনে হাত নেড়ে, ইশারায় শুভেচ্ছা বিনিময় হলেও গর্বিত স্বামীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ হয়নি সুনীতা দেবীর। কথা না হলেও আপশোষ নেই সুনীতা দেবীর। তিনি বলেন, স্বামী কাজের প্রতি দায়বদ্ধ।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২২
রাজ্য

রেল এলাকা থেকে চুরি যাওয়া একাধিক মোবাইল উদ্ধার করে আসল মালিকের হাতে তুলে দিল রেল পুলিশ

অনন্য নজির রেল পুলিসের। শুক্রবার বর্ধমান জিআরপি থানায় এক ছোট্ট অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ২৩ জন প্রাপকের হাতে তাদের মোবাইল ফিরিয়ে দেওয়া হল। এই অনুষ্ঠানের নাম দেওয়া হয়েছিল ফিরে পাওয়া।অনুষ্ঠানে জি আর পি; ও.সি চিন্তাহরণ সিনহা সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। হারিয়ে পাওয়া মোবাইল পেয়ে প্রাপকেরা জানান; তারা খুব খুশি। বারবার রেল পুলিশকে ধন্যবাদ জানান তারা।

নভেম্বর ২৫, ২০২২
রাজ্য

রেলের উচ্ছেদ নোটিশে অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্রের ভাঙ্গা পড়ার খবরে এলাকায় উত্তেজনা

পাল্লা রোড স্টেশনের পর এবার বর্ধমান হাওড়া কর্ড শাখার জৌগ্রাম স্টেশনে উচ্ছেদের নোটিশ পড়লো। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে জৌগ্রাম এলাকায়। দিন তিনেক আগে রেলের পক্ষ থেকে উচ্ছেদের নোটিশ এলাকায় টাঙানো হয়। ২৮ নভেম্বরের মধ্যে তাদের জায়গা খালি করার সময় সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে রেলের তরফে।এই জায়গার মধ্যেই আছে একটি আইসিডিএস সেন্টার। সেটিও ভাঙা ফেলা হবে রেলের পক্ষ থেকে। স্থানীয় বাসিন্দা বাসন্তী তুরী জানান, তারা ৪০ বছর ধরে এখানে বাস করছেন। এখন হঠাৎ করে উচ্ছেদের নোটিশ দিলে তারা বাচ্চা কাচ্চা নিয়ে কোথায় যাবে। এখানে ৪০ টি পরিবার বাস করে। তারা রেলের উচ্ছেদ নোটিশে কার্যত অথৈজলে পড়েছে।আইসিডিএস সেন্টারে ৬২ টি ছেলে পড়াশোনা করে ও পাঁচজন অন্তঃসত্ত্বা মহিলা এখানে খাবার নেন। এখন রেলের পক্ষ থেকে আইসিডিএস সেন্টারটি ভেঙে দেওয়া হলে বাচ্চাদের পড়াশোনা ও খাওয়া সবই বন্ধ হয়ে যাবে বলে জানান এলাকার পঞ্চায়েত সদস্য মৃদুলকান্তি মণ্ডল।স্থানীয় বাসিন্দা সুষমা রায় বলেন, মাস দুয়েক আগে একবার এলাকায় মাইকিং করে বলা হয়, জায়গা ছাড়ার জন্য।তারপর হঠাৎই নোটিশ দেওয়া হয় নভেম্বর মাসের ১৯ তারিখে। স্থানীয় বাসিন্দারা চাইছেন তাদের সময় দেওয়া হোক। মাস চারেক সময় দিলে তাদের সুবিধা হয়।এই বিষয়ে পূর্ব রেলের জনসংযোগ আধিকারিক একলব্য চক্রবর্তীর যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, কি করে রেলের জায়গায় আইসিডিএস সেন্টার তৈরী হল বুঝতে পারছি না।তবে যদি বাসিন্দারা রেলের কাছে লিখিত ভাবে জানান যে তারা দুমাসের মধ্যে উঠে যাবেন তাহলে রেল সেটা ভেবে দেখবে।

নভেম্বর ২৩, ২০২২
রাজ্য

আবার ব্যহত হতে চলেছে রেল পরিষেবা! হাওড়া-বর্ধমান শাখার যাত্রী দুর্ভোগের আশঙ্কা

আবার রেল যন্ত্রণা! পূর্ব রেলের মঙ্গলবারের বিজ্ঞপ্তি সেই বার্তাই দিচ্ছে। হাওড়া-বর্ধমান শাখার যাত্রীদের কপালে আবার দূর্ভোগের আশঙ্কা। রেল ট্রাক ও বেশ কিছু রেলসেতুতে মেরামতি-র জন্য হাওড়া-বর্ধমান শাখায় বেশ কিছু লোকাল ট্রেন ১০ দিন বাতিল থাকবে।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী ১৮ই নভেম্বর শুক্রবার থেকে ২৭ নভেম্বর রবিবার অবধি হাওড়া-বর্ধমান শাখার লোকাল ট্রেনের সাথে কিছু মেল এক্সপ্রেস ট্রেনের রুট-ও বদলে দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে ওই সময় ট্রাফিক এবং পাওয়ার ব্লকের সাথে সাথে বারুইপাড়া-চন্দনপুর শাখায় চতুর্থ লাইনের কাজও চলবে।১৮ই নভেম্বর শুক্রবার থেকে ২৭ নভেম্বর রবিবার অবধি হাওড়া থেকে ছেড়ে আসা ১৭টি লোকাল ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। শিয়ালদহ থেকে বাতিল ২টি, বর্ধমান থেকে ৭টি, মশাগ্রাম ও চন্দনপুর থেকে বাতিল করা হয়েছে মোট ৪টি করে লোকাল ট্রেন। এর সাথে সাথে বাতিল করা হয়েছে গুড়াপ থেকে ১টি ট্রেন ও বারুইপুর থেকে ৩টি ট্রেন।এর আগেও দীর্ঘ এক মাস ধরে পাওয়ার ব্লকের কাজের জন্য বর্ধমান-হাওড়া মেন শাখায় কয়েকটি লোকাল ট্রেনের পরিষেবা ব্যাহত হয়েছিল।

নভেম্বর ১৬, ২০২২
দেশ

রেল যাত্রীদের জন্য বড় ধাক্কা, ট্রেনের খাবারও অগ্নিমূল্য, বর্ধিত খাবারের নতুন দাম দেখে নিন এক ঝলকে

মুদ্রাস্ফীতিতে নাজেহাল দেশবাসী, ভোজ্য তেল,জ্বালানি তেল, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যসহ সব কিছুরই দাম আকাশছোঁয়া। তার মধ্যেই এবার ভারতীয় রেল তাদের ট্রেনের পরিবেশিত খাদ্য দ্রব্যের মুল্য বৃদ্ধি করলো। যাঁরা রাজধানী, শতাব্দী, তেজস, বন্দেভারত এবং দুরন্তের এক্সপ্রেসের মতো ট্রেনে ভ্রমণ করেন তাঁদের যেনে রাখা দরকার কিসের কিসের দাম বাড়লো। সম্প্রতি ট্রেন যাত্রাকালীন চায়ের দামের চেয়ে বেশি সার্ভিস চার্জ নেওয়ার ঘটনা সামনে এসেছে। সেই চায়ের বিলের ছবি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায় এবং সেখানে অনেকেই ভারতীয় রেলের কড়া সমালোচনা করেন। এরকম অনভিপ্রেত ঘটনা এড়াতে ভারতীয় রেলের খাদ্য সরবরাহকারী সংস্থা আইআরসিটিসি খাদ্যদ্রব্যের মুল্য তালিকা প্রকাশ করেছে। আইআরসিটিসি জানিয়েছে এখন থেকে ট্রেনে ভ্রমনকালীন সময়ে কোনও খাবারের অর্ডার করলে অন-বোর্ডিং চার্জ দিতে হবে।ইন্ডিয়ান রেলওয়ে ক্যাটারিং অ্যান্ড ট্যুরিজম কর্পোরেশন (IRCTC) দ্বারা চালিত ট্রেনের ভিতরে খাবারের অর্ডারের সংশোধিত মুল্য তালিকা সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রক। নতুন সংশোধিত মুল্য তালিকা অনুযায়ী, রেলওয়ে প্রিমিয়াম ট্রেনে প্রি-অর্ডার করা নয় এমন সমস্ত খাবার এবং পানীয়ের অন-বোর্ড পরিষেবা চার্জ সরিয়ে দিয়েছে। অন্যদিকে স্ন্যাকস, লাঞ্চ এবং ডিনারের দামের সাথে অতিরিক্ত ৫০ টাকা যোগ করা হয়েছে।খাবার-পানীয় আরও মহার্ঘ হয়ে গেল!চায়ের দাম এর মত ঘটনা যাতে আবার না ঘটে তার জন্য আইআরসিটিসি (IRCTC) রাজধানী, শতাব্দী, তেজস, বন্দে ভারত এবং দুরন্তর মতো ট্রেনগুলিতে অনবোর্ড ক্যাটারিং পরিষেবাগুলির জন্য একটি নতুন মুল্য তালিকা প্রকাশ করেছে। রেলওয়ের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে, যে সমস্ত যাত্রীরা টিকিট বুকিংয়ের সময় ক্যাটারিং পরিষেবার বিষয়টি নির্বাচন করেন না এবং ট্রেনে ওঠার পর খাবার ও পানীয় অর্ডার করেন, তাদের অনবোর্ড চার্জ দিতে হবে। এ কারণে খাদ্য সামগ্রীর দাম বেড়েছে।রাজধানী সহ ওই পাঁচটি ট্রেনে, যে সমস্ত যাত্রী টিকিট কাটার সময় সকালের প্রাতরাশ, মধ্যাহ্নভোজন বা রাতের খাবারের জন্য টাকা পেমেন্ট করে রাখেন তাঁদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে না। কিন্তু তাঁরা যদি টিকিটের কাটবার সময় সেই অর্থ প্রদান না করেন সেক্ষেত্রে তাঁরা যদি বোর্ডে অর্থাৎ ট্রেনের মধ্যেই অর্ডার করেন তাঁদের এই অতিরিক্ত গাঁটের কড়ি খরচ করতে হবে।খাদ্য ও পানীয় তালিকা এবং চার্জ ইনরাজধানী, দুরন্ত এবং শতাব্দী এক্সপ্রেসের প্রথম শ্রেণি এবং ইকনমি ক্লাসে প্রিপেইড এবং অন-বোর্ড দুই ক্ষেত্রেই সকালের চায়ের দাম ৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। দ্বিতীয় শ্রেনী এবং তৃতীয় শ্রেনী এসি এবং চেয়ার কারে চায়ের দাম ২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।একইভাবে, রাজধানী, দুরন্ত এবং শতাব্দী এক্সপ্রেসের প্রথম শ্রেনী এসি-তে প্রিপেইড-এ সকালের প্রাতরাশ (ব্রেকফাস্ট) খেতে ১৪০ টাকা দিতে হবে। অন-বোর্ড যাত্রীদের ক্ষেত্রে ব্রেকফাস্টের দাম ১৯০ টাকা। প্রিপেড ব্রেকফাস্ট দ্বিতীয় শ্রেনী এবং তৃতীয় শ্রেনী এসি-তে অন-বোর্ড ১৫৫ টাকায় পাওয়া যাবে।ওই ট্রেনগুলির প্রথমশ্রেনী এসি এবং ইকোনমি ক্লাসে প্রিপেইড লাঞ্চ-ডিনারের মুল্য ২৪৫ টাকা। আপনি যদি অন বোর্ডে অর্ডার করেন, আপনাকে এর জন্য ২৯৫ টাকা দিতে হবে। দ্বিতীয় শ্রেনী এসি, থার্ড এসি এবং চেয়ার কারে আপনাকে প্রিপেইডের জন্য ১৮৫ টাকা এবং অন বোর্ডে ২৩৫ টাকা দিতে হবে।প্রথমশ্রেনী এসি এবং ইকোনমি ক্লাসে সন্ধ্যার চা এবং স্ন্যাকসের জন্য মুল্য ১৪০ টাকা। যারা অন বোর্ডে অর্ডার করবেন তাদের ১৯০ টাকা দিতে হবে। দ্বিতীয়শ্রেনী এসি, তৃতীয় শ্রেনী এসি এবং চেয়ার কারের জন্য প্রিপেইড হিসাবে ৯০ টাকা এবং অন বোর্ডে ১৪০ টাকা গুনতে হবে।দুরন্ত এক্সপ্রেসের স্লিপার কোচে সকালের চায়ের প্রিপেইড এবং অন-বোর্ড মূল্য হল ১৫ টাকা। প্রাতঃরাশের জন্য প্রিপেইডে ৬৫ টাকা এবং অন-বোর্ড যাত্রীদের জন্য ১১৫ টাকা খরচ হবে। লাঞ্চ এবং ডিনারের জন্য, আপনাকে প্রিপেইডে ১২০ টাকা এবং অন বোর্ডে ১৭০ টাকা দিতে হবে।আপনি যদি তেজস ট্রেনের প্রথম শ্রেনী এসি এবং ইকোনমি ক্লাসে ভ্রমণ করেন, তাহলে আপনাকে সকালের প্রাতঃরাশের জন্য ১৫৫ টাকা (প্রিপেইড) দিতে হবে। একই সময়ে, অন বোর্ডে অর্ডার করলে, এর দাম পড়বে ২০৫ টাকা। সে রকম, দ্বিতীয় শ্রেনীএসি, তৃতীয় শ্রেনী এসি এবং চেয়ার কারের জন্য আপনাকে ১২২ টাকা (প্রিপেইডের জন্য) এবং অন-বোর্ড অর্ডারের জন্য ১৭২ টাকা দিতে হবে।বন্দেভারত ট্রেনের যাত্রীদের জন্য খাবার ও পানীয়ের মুল্য তালিকাঃবন্দেভারতএ সকালের চায়ের জন্য ১৫ টাকা দিতে হবে। প্রাতঃরাশের জন্য আপনাকে প্রিপেইডে ১৫৫ টাকা এবং অন বোর্ডে ২০৫ টাকা দিতে হবে। লাঞ্চ এবং ডিনারের জন্য আপনাকে প্রিপেইডে ২৪৪ টাকা এবং অন বোর্ড অর্ডার করলে ২৭২ টাকা দিতে হবে। সন্ধ্যার চা এবং জলখাবারের জন্য, প্রথমশ্রেনী এসি এবং ইকোনমি ক্লাসের যাত্রীদের প্রিপেইড হিসাবে ১০৫ টাকা দিতে হবে। আর যদি অন বোর্ডে অর্ডার করেন, তাহলে এই দাম বেড়ে ১৫৫ টাকা হবে।ট্রেন নির্ধারিত সময়ের না চললেঃরাজধানী, দুরন্ত, শতাব্দী, তেজস এবং বন্দেভারত এক্সপ্রেসের মতো ট্রেনগুলি যদি নির্ধারিত সময়ে না চলে দেরিতে চলে, সেই পরিস্থিতিতে চা ও কফির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ টাকা এবং সকালের নাস্তা ও সন্ধ্যার চা পাওয়া যাবে ৩০ টাকায়।

জুলাই ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

কৃষ্ণার পরিবর্ত হিসেবে রাশিয়া বিশ্বকাপ খেলা ফুটবলারকে নিল এটিকে মোহনবাগান

রবিবারই রয় কৃষ্ণার বেঙ্গালুরু এফসির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার কথা প্রকাশ্যে এসেছে। তার ২৮ ঘন্টার মধ্যেই রয় কৃষ্ণার বিকল্প খঁুজে নিল এটিকে মোহনবাগান। রাশিয়া বিশ্বকাপে খেলা ফুটবলারকে সই করিয়ে চমক বাগান কর্তাদের। সামনের মরশুমে সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে খেলতে দেখা যাবে ২০১৮ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলা স্ট্রাইকার দিমিত্রি পেত্রাতোসকে সই করাল এটিকে মোহনবাগান।রয় কৃষ্ণ ও ডেভিড উইলিয়ামস এই মরসুমে দল ছেড়েছেন। এই দুজন দল ছাড়ায় একজন ভালমানের স্ট্রাইকারের খোঁজে ছিলেন বাগান কর্তারা। যিনি আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার হিসেবেও খেলতে পারেন। দিমিত্রি পেত্রাতোসকে দিয়ে কাজ সিদ্ধ করতে পারবেন এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। এই অস্ট্রেলিয়ার আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার ছাড়া ফরোয়ার্ডেও খেলতে পারদর্শী। সৌদি আরবের ক্লাব আল ওয়েদা থেকে দিমিত্রি পেত্রাতোসকে সই করাল এটিকে মোহনবাগান। যদিও গত মরসুমে তিনি আল ওয়েদার জার্সিতে খেলেননি। আল ওয়েদা থেকে তিনি লোনে এ লিগের ক্লাব ওয়েস্টার্ন সিডনি ওয়ান্ডারার্সে খেলেছিলেন।২০১০-১১ মরসুমে সিডনি ফুটবল ক্লাবের হয়ে পেশাদার ফুটবলজীবন শুরু করেন দিমিত্রি। এরপর যোগ দেন মালয়েশিয়ার ক্লাব কেলান্তানে। ২০১২১৩ মরশুম কেলান্তানের হয়ে খেলার পর এ লিগের দল ব্রিসবেন রোয়ার তাঁকে সই করায়। ২০১৩ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত ব্রিসবেনের হয়েই খেলেন দিমিত্রি। ২০১৭ সালে কোরিয়া লিগের দল উলসান হুন্ডাই সই করায় তাঁকে। ৬ মাস খেলে ওই বছরই দিমিত্রি যোগ দেন নিউক্যাসেল জেটসে। ২০১৭ থেকে ২০২০ পর্যন্ত নিউক্যাসেল জেটসে খেলার পর তিনি সৌদি আরবের ক্লাব আল ওয়েদায় সই করেন। সেখান থেকেই গত বছর লোনে খেলেন ওয়েস্টার্ন সিডনি ওয়ান্ডারার্সে। সিডনি থেকে এবার তিনি এটিকে মোহনবাগানে।He comes from Australia, hes played in Korea and Saudi Arabia! 🤩Mariners, give a warm welcome to Dimitrios Petratos, our new number 9! 💚️#ATKMohunBagan #JoyMohunBagan #AmraSobujMaroon pic.twitter.com/WBuLoc00Rh ATK Mohun Bagan FC (@atkmohunbaganfc) July 18, 2022অস্ট্রেলিয়ার জার্সিতে সিনিয়র দলে তাঁর অভিষেক হয় ২০১৮ সালে। এখনও পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার হয়ে তিনটি ম্যাচ তিনি খেলেছেন। রাশিয়া বিশ্বকাপে ২৩ জনের দলে থাকলেও প্রথম একাদশে সুযোগ পাননি। তাঁর বাবা অ্যাঞ্জেলো খেলেছেন সিডনি অলিম্পিক্স এফসির হয়ে। ইতিমধ্যেই নতুন মরসুমের জন্য পাঁচ বিদেশি নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে এটিকে মোহনবাগানে। ষষ্ঠ বিদেশি হিসেবে এলেন দিমিত্রি। নিজের দীর্ঘ ফুটবল কেরিয়ারে ক্লাবের জার্সিতে হোক কিংবা দেশের হয়ে স্ট্রাইকার, অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার বা উইঙ্গার বিভিন্ন পজিশনে খেলেছেন তিনি।

জুলাই ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ইন্দোনেশিয়াকে ১৬ গোল!‌ এশিয়া কাপে এ কী করল ভারত?‌

কঠিন সময়ে জ্বলে ওঠার নজির আগেও রয়েছে ভারতীয় দলের। সেই কাজটা আবার করে দেখাল এশিয়া কাপে। অসম্ভবকে সম্ভব করে সুপার ফোরে পৌঁছে গেল ভারতীয় হকি দল।আগের ম্যাচে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ড্র করে নিজেদের ভবিষ্যত অনিশ্চিত করে তুলেছিলেন বীরেন্দ্র লাকড়ারা। সেমিফাইনালে যেতে গেলে এবারের এশিয়া কাপের আয়োজক ইন্দোনেশিয়ার বিরুদ্ধে ১৫০ গোলের ব্যবধানে জিততে হত ভারতীয় দলকে। ডু অর ডাই ম্যাচে জ্বলে উঠলেন বীরেন্দ্ররা। ১৬০ ব্যবধানে জিতে পুল এ থেকে সুপার ফোরে পৌঁছে গেল ভারত। ভারতের হয়ে পাঁচটি গোল করেন দীপসন তিরকে, হ্যাটট্রিক করেন বেলিমগ্গা। দুটি করে গোল করেন সেলভম কারথি, সোমওয়ারপত, সুনীল এবং রাজভর।এশিয়া কাপের নকআউট পর্বে যাওয়ার জন্য গতবারের চ্যাম্পিয়ন ভারতকে ইন্দোনেশিয়াকে বিশাল ব্যবধানে হারাতে হত। শুরু থেকেই ইন্দোনেশিয়ার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন বীরেন্দ্র লাখড়ারা। ভারতীয় দলের একের পর এক আক্রমণের সামনে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে ইন্দোনেশিয়ার রক্ষণ। ম্যাচের ১০ মিনিটে রাজভর প্রথম গোল করে ভারতকে এগিয়ে দেন। ১ মিনিট পরেই পেনাল্টি কর্ণার থেকে ২০ করেন তিনিই। প্রথম কোয়ার্টার শেষ হওয়ার আগেই ৩০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ভারত। ১৯ মিনিটে ৪০ করেন সুনীল। প্রথমার্ধেও ৬০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ভারত। দ্বিতীয়ার্ধে আরও ৯ গোল চাপিয়ে দেয় ইন্দোনেশিয়ার ওপর।𝗗𝗶𝗽𝘀𝗮𝗻 𝘀𝘁𝗮𝗿𝘀 𝗶𝗻 𝗜𝗻𝗱𝗶𝗮𝘀 𝘄𝗶𝗻!India beat hosts #Indonesia by a massive 16-0 margin to qualify for the semi-finals of the #HeroAsiaCup2022.Dipsan Tirkey netted 4️⃣ goals while Olympian Birendra Lakra Odia boy Nilam Sanjeep Xess scored a goal each. pic.twitter.com/IIQdkaE8xn Odisha Sports (@sports_odisha) May 26, 2022গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচেই পাকিস্তানের সঙ্গে ১১ ড্র করে ভারত। এর পর জাপানের বিরুদ্ধে ৫২ ব্যবধানে হেরে যায়। বৃহস্পতিবার জাপান ৩২ ব্যবধানে হারায় পাকিস্তানকে। ২-৩ গোলের ব্যবধানে হেরে যায়। এর পরে সুপার ফোরে ওঠার জন্য ভারতের কাছে একটাই পথ খোলা ছিল ইন্দোনেশিয়ার বিরুদ্ধে ১৫ গোলের ব্যবধানে জিততে হবে। ভারত ১৬টি গোল করে।এদিন শেষ ১৫ মিনিটে তিন গোল দরকার ছিল ভারতের। ভারত দেয় ৪ গোল। শেষ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার পায় ভারত এবং তা থেকে তিরকে গোল করে যান। এটি ছিল তাঁর ম্যাচের চতুর্থ গোল। আর এই গোলের সঙ্গে পুল এ-তে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করে ভারত। ফলে গ্রুপে তৃতীয় স্থানে শেষ করে প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে যায় পাকিস্তান। ভারত ২০১৭ সালে এই টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।

মে ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মরণবাঁচন ম্যাচে এ কী হাল ঋষভদের!‌ বুমরার দাপটে ধসে গেল দিল্লি

আইপিএলের প্লে অফে তিনটি জায়গা নিশ্চিত হয়ে গেছে। বাকি একটা জায়গা। লড়াই রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর ও দিল্লি ক্যাপিটালসের মধ্যে। প্লে অফের টিকিটের জন্য এই মুহূর্তে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের হাতে কিছু নেই। দিল্লি ক্যাপিটালস ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ম্যাচের ফলাফলের ওপরই নির্ভর করছিল তাদের ভাগ্য।১৪ ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের পয়েন্ট ১৬। আর ১৩ ম্যাচে দিল্লির পয়েন্ট ১৪। নেট রানরেটে দিল্লি (+০.২৫৫) এগিয়ে রয়েছে বেঙ্গালুরুর (-০.২৫৩) থেকে। সুতরাং মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে দিল্লি ক্যাপিটালস জিতলেই পেয়ে যাবে প্লে অফের টিকিট। আর ঋষভ পন্থরা হারলে প্লে অফে খেলার সুযোগ এসে যাবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের সামনে। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে এই রকম মরণবাঁচন ম্যাচেও ব্যাটিং বিপর্যয় দিল্লি ক্যাপিটালসের। দলকে লজ্জার হাত থেকে বাঁচালেন রভম্যান পাওয়েল ও অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। এই দুই ব্যাটারের সৌজন্যেই লড়াই করার মতো জায়গায় পৌঁছল দিল্লি। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে তুলল ১৫৯/৭। টস জিতে দিল্লিকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। সুস্থ হয়ে ওঠায় দিল্লি এদিন ললিত যাদবের জায়গায় প্রথম একাদশে ফেরায় পৃথ্বী শকে। মরণবাঁচন ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সামনে বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেওয়ার জন্য ডেভিড ওয়ার্নারের ফর্মে ফেরার দিকে তাকিয়ে ছিল দিল্লি টিম ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু এদিনও ব্যর্থতা কাটিয়ে উঠতে পারলেন ওয়ার্নার। ৬ বলে মাত্র ৫ রান করে তিনি তৃতীয় ওভারে ড্যানিয়েল স্যামসের বলে বুমরার হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। পরের ওভারেই মিচেল মার্শকে (০) তুলে নেন যশপ্রীত বুমরা। এক ওভার পরেই তিনি ফেরান পৃথ্বী শকে। প্রথম একাদশে ফিরে এদিন ভাল শুরু করেছিলেন পৃথ্বী। কিন্তু বড় রান করতে পারলেন না। ২৩ বলে ২৪ রান করে তিনি আউট হন। সরফরাজ খানও (৭ বলে ১০) নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। ৫০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ের মধ্যে পড়ে দিল্লি। এরপরই প্রতিরোধ গড়ে তোলেন অধিনায়ক ঋষভ পন্থ ও রভম্যান পাওয়েল। দুজনের জুটিতে ওঠে ৭৫। এই জুটিই মান বাঁচায় দিল্লির। ঋষভকে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন রমনদীপ সিং। ৩৩ বলে তিনি করেন ৩৯। তারপরই আউট হল রভম্যান পাওয়েল। ৩৪ বলে তিনি করেন ৪৩। পাওয়েলের স্টাম্প ছিটকে দেন বুমরা। শেষ পর্যন্ত অক্ষর প্যাটেলের (১০ বলে ১৯) সৌজন্যে ১৫৯/৭ রানে পৌঁছয় দিল্লি। দুরন্ত বোলিং করে ২৫ রানে ৩ উইকেট নেন যশপ্রীত বুমরা।

মে ২১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কলকাতা চলচিত্র উৎসবে 'ব্রাত্য' অভিনেত্রীর আন্তর্জাতিক পুরস্কার বিজয়

বেশ কয়েকদিন আগেই শ্রীলেখা মিত্র সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছিলেন আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্তর ছবি ওয়ান্স আপন অ্যা টাইম ইন ক্যালকাটা তে অভিনয় করে নিউইয়র্ক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা অভিনেত্রী হিসাবে মনোনীত হয়েছেন শ্রীলেখা মিত্র। এবার তিনি আরও একটি সুখবর দিলেন।আদিত্যর এই ছবিতে অভিনয়ের সুবাদে নিউইয়র্ক ইন্ডিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে জিতলেন সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার। সকাল সকাল এই খুশির খবরটা তাঁর সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করলেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় শ্রীলেখা একটি ছবি এবং ভিডিও পোস্ট করেন। ওই পোস্টে সকলকে ধন্যবাদ জানান তিনি। যাঁরা ভালবাসে কিংবা ঘৃণা করে তাঁদের সকলকেই ধন্যবাদ জানান। স্বর্গীয় মা, বাবার কথাও সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টে উল্লেখ করেন অভিনেত্রী।কয়েকদিন আগেই কলকাতা আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো। শহর জুড়ে নানান চলচিত্রের ভিড়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মঞ্চে ছোটো বড় মাঝারীদের ভিড়ের কোথাও দেখা মেলেনি এই আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রাপ্ত অভিনেত্রীর। শ্রীলেখার অক্ষেপ, হয়ত বা তিনি বাম মনোভাবাপন্ন বলেই তাঁকে আমন্ত্রণ করা হয়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিনেতা জনতার কথা কে জানান, শিল্পীর পরিচয় তাঁর কাজে, তাঁর রাজনৈতিক মতাদর্শের বিচার রাজনিতীর ময়দানেই হওয়া উচিত।উল্লেখ্য গত বছর ভেনিস ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ওয়ান্স আপন অ্যা টাইম ইন ক্যালকাটা ছবিটি দেখানো হয়েছিল। তখন থেকেই ছবিটি নিয়ে আলোচনা চলছে। শ্রীলেখা সেরা অভিনেত্রী হলেন, সেরা পরিচালকের শিরোপা পেলেন আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্ত।

মে ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

লিগ টেবিলে সম্মানজনক জায়গায় শেষ করাই এখন লক্ষ্য রোহিত শর্মার মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের

টানা ৮ ম্যাচ হেরে প্লে অফের স্বপ্ন আগেই শেষ করে ফেলেছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। বাকি ম্যাচ জিতলেও প্লে অফে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। লিগ টেবিলে সম্মানজনক জায়গায় শেষ করাই এখন লক্ষ্য রোহিত শর্মার দলের। সেই লক্ষ্যে গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে বড় রান তুলে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে তুলল ১৭৭।টস জিতে এদিন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন গুজরাট টাইটান্সের অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। আগের ম্যাচে প্রথম জয় পাওয়া মুম্বই ইন্ডিয়ান্স একটা পরিবর্তন করে মাঠে নামে। ঋত্ত্বিক সোকেনের জায়গায় মুরুগান অশ্বিন প্রথম একাদশে ঢোকেন। ব্যাট করতে নেমে এদিন দারুণ শুরু করেছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। দুই ওপেনার ঈশান কিষান ও অধিনায়ক রোহিত শর্মাকে দেখে মনে হচ্ছিল ভাল ছন্দে রয়েছেন। ওপেনিং জুটিতে দুজনে তোলেন ৭৪। সেই সময় মুম্বইয়ের রান তোলার গড় ছিল ওভার প্রতি ১০এর ওপরে। অষ্টম ওভারের তৃতীয় বলে প্রথম ধাক্কা খায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। রশিদ খানের বলে এলবিডব্লু হন রোহিত। প্রথমে অন ফিল্ড আম্পায়ার রোহিতকে আউট দেননি। রশিদ ডিআরএসের আশ্রয় নেন। টিভি আম্পায়র রিপ্লে দেখে রোহিতকে আউট দেওয়ার কথা বলেন অন ফিল্ড আম্পায়ারকে। ৫টি চার ও ২টি ছয়ের সাহায্যে ২৮ বলে ৪৩ রান করেন রোহিত। তিনি আউট হওয়ার ২ ওভার পরেই সূর্যকুমার যাদবকে তুলে নেন প্রদীপ সাঙ্গোয়ান। ১১ বলে ১৩ রান করেন সূর্যকুমার। দ্বাদশ ওভারের শেষ বলে ঈশান কিষানকে তুলে নেন আলজেরি জোশেফ। ২৯ বলে ৪৫ রান করেন ঈশান। ঈশান আউট হওয়ার পর রান তোলার গতি কমে যায় মুম্বইয়ের। কায়রন পোলার্ড চলতি আইপিএলে একেবারেই ছন্দে নেই। এদিন ১৪ বলে মাত্র ৪ রান করে রশিদ খানের গুগলিতে পরাস্ত হয়। তিলক ভার্মা ১৬ বলে করেন ২১ রান। শেষদিকে টিম ডেভিড ঝড় তুলে মুম্বইকে ১৭৭/৬ রানে পৌঁছে দেন। ২১ বলে ৪৪ রান করে অপরাজিত থাকেন টিম ডেভিড। এদিন দারুণ বোলিং করে ৪ ওভারে ২৪ রান দিয়ে ২টি উইকেট তুলে নেন রশিদ খান।

মে ০৬, ২০২২
রাজ্য

বাংলার ছেলেমেয়েদের রেলের চাকরির পরীক্ষা কেন্দ্র বাংলার বাইরে দেওয়ার প্রতিবাদে পথে নামল বাংলা পক্ষ

বাংলার ছেলেমেয়েদের রেলের চাকরির পরীক্ষা কেন্দ্র বাংলার বাইরে দেওয়া যাবে না। এতে ছেলেমেয়েদের খুব সমস্যা হয়। তাই যাতে পরীক্ষা কেন্দ্র বাংলার মধ্যেই পড়ে, এর প্রতিবাদে রেলমন্ত্রীকে চিঠি দিল বাংলা পক্ষ।বাংলার কর্ম প্রার্থীদের রেলের চাকরির পরীক্ষাকেন্দ্র বাংলার বাইরে নির্ধারণ করার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং এই সমস্যা দূর করার দাবি করে ইউনিয়ন রেল মন্ত্রীকে বাংলা পক্ষ-এর তরফে একটি প্রতিবাদ পত্র পাঠানো হলো। এই প্রতিবাদ পত্রে রেলের পরীক্ষায় বাংলার কর্ম প্রার্থীদের রাজ্যের বাইরে পরীক্ষা কেন্দ্র জনিত সমস্যাগুলিকে তুলে ধরে রাজ্যের মধ্যে পরীক্ষা কেন্দ্র নির্ধারণ করার দাবি জানানো হয়েছে।রাজ্যের বাইরে পরীক্ষা কেন্দ্র হওয়ার ফলে বাংলার কর্ম প্রার্থীদের উক্ত রাজ্যে পরীক্ষায় অবতীর্ণ হওয়ার জন্য নির্ধারিত দিনের আগেই সেখানে হোটেল বা মেস ব্যবস্থা করে চলে যেতে হত। সেক্ষেত্রে তাদের থাকা খাওয়ার জন্য অনেক টাকা খরচ হয়ে যায়। কর্ম পার্থীদের বেশীর ভাগই নিম্নবিত্ত বা নিম্ন মধ্যবিত্ত আর্থিক পরিকাঠামোই বসবাস করেন। কেউ কেউ টিউশন করে দিন গুজরান করেন, দূর দূরান্তে যাতায়াতের ফলে তাঁদের সময় ও মুল্য দুটোয় অতিরিক্ত ব্যয় করতে হয়।এছাড়া অনেক ক্ষেত্রেই কর্ম প্রার্থীদের তাদের পরিবারের কোন অভিভাবককে সঙ্গে নিয়ে অন্য রাজ্যের পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে যেতে হয়। মহিলা কর্ম প্রার্থীদের ক্ষেত্রে প্রায় সকলেই তাদের অভিভাবককে সঙ্গে নিয়ে তবেই ভিন রাজ্যের পরীক্ষা কেন্দ্র যেতে বাধ্য হন। এর ফলে যেমন পরিবারের উপর আর্থিক বোঝা চাপে তেমন ভাবেই অনেক ক্ষেত্রে এই সমস্যার জন্য যোগ্য প্রার্থীরা পরীক্ষা দিতে পারেন না।বাংলার ছেলেমেয়েদের রেলের চাকরির পরীক্ষা কেন্দ্র বাংলার বাইরে দেওয়া যাবে না। এতে ছেলেমেয়েদের খুব সমস্যা হয়। তাই যাতে পরীক্ষা কেন্দ্র বাংলার মধ্যেই পড়ে, তাই রেলমন্ত্রীকে চিঠি দিল বাংলা পক্ষ।জয় বাংলা pic.twitter.com/tSkGULWvMG বাংলা পক্ষ Bangla Pokkho (@BanglaPokkho) May 6, 2022তাছাড়া দূর পাল্লার রেলযাত্রার জন্য কমপক্ষে তৃতীয় শ্রেনী-র শয়ন যানের (স্লিপার ক্লাস) রিজার্ভেশন না করতে পারলে যাতায়াত অসম্ভব হয়ে ওঠে। এত কম সময়ের মধ্যে রেলের টিকিট রিজার্ভেশন এককথায় অবাস্তব। তাই অনেকেই পরীক্ষা দিতে যেতে পারেন না। যদিও তৎকালে ব্যবস্থায় টিকিট কাটার চেষ্টা করা হয় তাঁর মূল্যও সেই বেকার ছেলে-মেয়েদের কাছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। শুধু মাত্র তপশীলি ও উপ-জাতিদের জন্য রেলের তরফ থেকে টিকিটের মুল্য পাওয়া যায়। সাধরণ ক্যাটাগরি প্রাথীরা রেল কর্ত্তিপক্ষর কাছ থেকে যাতায়াত বাবদ কোনওরকম সাহায্য পান না। বর্ধমান শহরের এক চাকরি পার্থীর পরীক্ষা কেন্দ্র পড়েছে দেশের একদম দক্ষিণের রাজ্যের তিরুচেরাপল্লী তে। হাওড়া থেকে রেল যাত্রা শুরু করলে যেখানে পৌঁছতে কমপক্ষে ৪২ ঘণ্টা সময় লাগে। যাত্রাপথ ও টিকিটের মুল্যের কথা ভেবে তিনি পরীক্ষা দেওয়া থেকে বিরত থাকেন। এছাড়াও উত্তরাখন্ড, বারানসি, গোরক্ষপুর সহ দূরদূরান্তের বিভিন্ন যায়গায় বাংলার ছেলে মেয়েদের পরীক্ষা কেন্দ্র পড়েছে।মুর্শিদাবাদ জেলার ছেলে রাধাবল্লব পাল, চাকরীর পড়াশোনার প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য থাকেন বর্ধমান শহরে। তিন বছর আগের আবেদন করা রেলের গ্রুপ-বি (অ্যাসিস্ট্যান্ট স্টেশন মাস্টার) চাকরির পরীক্ষার সেন্টার পড়েছে ওড়িশা রাজ্যের ভুবনেশ্বর শহরে। টিউশনের পয়সায় রেলের টিকিট কেটে আগের দিন থেকে পরীক্ষাকেন্দ্রের আসে পাশের হোটলে রাত কাটাতে হবে। কানপাতলে বাংলার ঘরে ঘরে এরকম বহু উদাহরণ পাওয়া যাবে।এছাড়াও বিগত দিনের বিভিন্ন ঘটনা পরম্পরায় দেখা গেছে বাংলার কর্ম প্রার্থীদের ভিন রাজ্যে পরীক্ষা দিতে গিয়ে নানা ভাবে শারীরিক হেনস্থা এবং আক্রমণের স্বীকার হয়েছেন।ইতিমধ্যেই কর্ম প্রার্থীদের তরফে রেল দপ্তরের কাছে এই বিষয়ে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। এই দাবি মানা না হলে আগামী দিনে বাংলা পক্ষ সংগঠনের তরফে আন্দোলন আরও জোরদার হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

মে ০৬, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

আমেরিকা-ইউরোপের সমালোচনার মাঝেই রাশিয়া নিয়ে বড় বার্তা জয়শংকরের, মনে করালেন সেই পুরনো ‘বন্ধুত্ব’

রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক নিয়ে ফের নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল নয়াদিল্লি। রুশ তেল কেনা নিয়ে আমেরিকা ও ইউরোপের একাংশের সমালোচনার মধ্যেই বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর মনে করিয়ে দিলেন, ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক শুধুমাত্র বর্তমান পরিস্থিতির উপর নির্ভরশীল নয়। এর পিছনে রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস এবং কঠিন সময়ে মস্কোর পাশে থাকার অভিজ্ঞতা। জয়শংকরের কথায়, দেশের নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা যখনই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে, তখনই সোভিয়েত ইউনিয়ন ও পরে রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।রবিবার নয়াদিল্লিতে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের আলোচনায় রাশিয়া প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখেন জয়শংকর। তিনি বলেন, মানুষ যেমন ভাল ইতিহাস ভুলে যায় না, তেমনই খারাপ ইতিহাসও ভুলে যায় না। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে স্বাধীনতার পর থেকে ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়নের দীর্ঘ সম্পর্কের প্রসঙ্গ। বিদেশমন্ত্রীর মতে, প্রতিটি দেশ নিজের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে অন্য দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বিচার করে। তাই ইউরোপ যে ভাবে রাশিয়াকে দেখবে, ভারত একই ভাবে রাশিয়াকে দেখবে, এমনটা হওয়ার নয়।জয়শংকর বিশেষ করে সেই সময়ের কথা মনে করিয়ে দেন, যখন আন্তর্জাতিক মহলের বড় অংশ পাকিস্তানের সামরিক শাসনের পাশে ছিল। তাঁর বক্তব্যে ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের প্রসঙ্গও উঠে আসে। সেই সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠতার কথা উল্লেখ করে বিদেশমন্ত্রী বলেন, ভারতের নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা যখন চাপের মুখে পড়েছিল, তখন মস্কো নয়াদিল্লির পাশে ছিল। ১৯৭১ সালের যুদ্ধের সময় বঙ্গোপসাগরে আমেরিকার নৌবহর পাঠানোর ঘটনাকেও তাঁর বক্তব্যের প্রেক্ষাপট হিসেবে দেখা হচ্ছে।বিদেশমন্ত্রীর বক্তব্য, রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক সময়ের সঙ্গে বদলেছে ঠিকই, কিন্তু তার ভিত্তি এখনও শক্তিশালী। সামরিক সহযোগিতার পাশাপাশি পরমাণু শক্তি, বাণিজ্য, জ্বালানি ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদের ক্ষেত্রেও দুই দেশের সম্পর্ক বিস্তৃত হয়েছে। তাঁর কথায়, রাশিয়া সম্পর্কে ভারতের অভিজ্ঞতা দীর্ঘদিন ধরেই ইতিবাচক এবং সেই অভিজ্ঞতা বর্তমান নীতিতেও প্রভাব ফেলছে।এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন রাশিয়া থেকে ভারতের অপরিশোধিত তেল কেনা নিয়ে পশ্চিমী দেশগুলির চাপ ও সমালোচনা অব্যাহত। জয়শংকর এর আগেও স্পষ্ট করেছেন যে জ্বালানি কেনার ক্ষেত্রে ভারতের সিদ্ধান্ত নির্ভর করে জ্বালানির প্রাপ্যতা, দাম এবং ঝুঁকির মতো বিষয়গুলির উপর। ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং জাতীয় স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়েই সরবরাহের উৎস ঠিক করা হয়।রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়েও ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করেন জয়শংকর। তাঁর বক্তব্য, যুদ্ধের অবসান হওয়া প্রয়োজন এবং আলোচনার মাধ্যমেই তার পথ খুঁজতে হবে। তিনি জানান, ভারত রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয় পক্ষের সঙ্গেই যোগাযোগ রেখে সংঘাতের অবসানে সহায়ক ভূমিকা নেওয়ার চেষ্টা করছে। কৃষ্ণসাগরে জাহাজ চলাচল, খাদ্য ও জ্বালানি রফতানি এবং সংঘাত কমানোর মতো বিষয়েও ভারতের আলোচনা চলছে বলে জানান তিনি।সব মিলিয়ে রুশ তেল নিয়ে পশ্চিমী চাপের মধ্যেও জয়শংকরের বক্তব্যে ভারতের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের অবস্থানই ফের সামনে এসেছে। ইতিহাস, নিরাপত্তা এবং জ্বালানি প্রয়োজনএই তিনটি বিষয়কে সামনে রেখেই মস্কোর সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার বার্তা দিয়েছে নয়াদিল্লি।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
কলকাতা

এসআরএফটিআই-এর গেট ভেঙে ঢোকার চেষ্টা! মিছিল ঘিরে তুমুল উত্তেজনা, ছোড়া হল ইট-পাথর

বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের মিছিল ঘিরে ফের উত্তেজনা ছড়াল এসআরএফটিআই-এর সামনে। অজয়নগর থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গেট পর্যন্ত মিছিল করে সংগঠনটি। অভিযোগ, গেটের সামনে পৌঁছনোর পর কয়েক জন মিছিলকারী ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।এ দিকে, মিছিলকারীরা গেটের বাইরে জড়ো হওয়ার সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভিতরে পড়ুয়া এবং অধ্যাপকদের হেলমেট পরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় বলে দাবি করা হয়েছে। বাইরে থেকে ভিতরে ইট ও জলের বোতল ছোড়ার অভিযোগও উঠেছে। পাল্টা বিক্ষোভকারীদের কয়েক জনও আহত হয়েছেন বলে দাবি বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের।এই ঘটনার সূত্রপাত গত রবিবারের একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে। এসআরএফটিআই-এর অডিটোরিয়ামে অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত সমিতির একটি অনুষ্ঠান ছিল। অভিযোগ, সেখানে এসএফআইয়ের কয়েক জন পড়ুয়া গিয়ে উত্তেজনা তৈরি করেন। ভারতমাতা এবং স্বামী বিবেকানন্দের ছবি ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগও ওঠে। সেই ঘটনার প্রতিবাদেই অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত সমিতির তরফে প্রতিবাদ জানানো হয়।এর পর দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ইট-পাথর ছোড়াছুড়ির অভিযোগে পরিস্থিতি অশান্ত হয়ে ওঠে। ঘটনায় কয়েক জন আহত হন বলে দাবি। প্রায় ছয় থেকে সাত ঘণ্টা পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এই ঘটনায় চারটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ সরকার জানিয়েছিলেন, ভারতমাতা বা স্বামী বিবেকানন্দকে অসম্মান করার অভিযোগে কাউকে রেয়াত করা হবে না। সেই ঘটনার প্রতিবাদেই এ দিন বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের মিছিল হয়।অজয়নগর থেকে মিছিলটি এসআরএফটিআই-এর গেটের সামনে পৌঁছতেই নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়। অভিযোগ, কয়েক জন বিক্ষোভকারী গেট ধরে ধাক্কাধাক্কি শুরু করেন এবং ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়। এর মধ্যেই ভিতরে থাকা পড়ুয়া এবং অধ্যাপকদের দিকে জলের বোতল ও পাথর ছোড়ার অভিযোগ ওঠে।এই ঘটনায় অধ্যাপক দেবাশিস সেনশর্মা আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। বিক্ষোভকারীদের ছোড়া ইটের আঘাতেই তিনি আহত হন বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বেশ কয়েক জন বিক্ষোভকারীকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়।অন্য দিকে, বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের দাবি, তাঁদের কয়েক জন সদস্যও আহত হয়েছেন। সংগঠনের অভিযোগ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভিতর থেকে পড়ুয়া এবং অধ্যাপকদের ছোড়া জলের বোতলের আঘাতেই তাঁদের কয়েক জন জখম হয়েছেন। তবে এই অভিযোগের স্বাধীন ভাবে নিশ্চিত হওয়ার মতো তথ্য মেলেনি।বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যদের বক্তব্য, ভারতমাতা এবং স্বামী বিবেকানন্দের ছবিকে অসম্মান করার অভিযোগের প্রতিবাদেই তাঁদের এই কর্মসূচি। সংগঠনের তরফে দাবি করা হয়েছে, এই মিছিলের মাধ্যমে তাঁরা নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের উত্তেজনা তৈরি হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে পুলিশ। এসআরএফটিআই-এর তরফে এই দিনের ঘটনার বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে গেটের সামনে ঠিক কী ভাবে ইট-পাথর ও জলের বোতল ছোড়াছুড়ি শুরু হয়েছিল, তা নিয়ে দুই পক্ষের অভিযোগই এখন সামনে রয়েছে।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
বিদেশ

‘বিমানটাকে ধ্বংস করাই ছিল লক্ষ্য’, জেরায় কী বললেন ফ্লাইদুবাইয়ের সহকারী পাইলট? সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

মাঝ আকাশে ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানে ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছরের উপর হামলার ঘটনায় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে নতুন তথ্য। তদন্তকারীদের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ওমানের নাগরিক সহকারী পাইলট হামাম আল-হামামি জেরায় জানিয়েছেন, যাত্রী-সহ বিমানটি ধ্বংস করাই ছিল তাঁর উদ্দেশ্য। একই জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নাকি বলেছেন, আমি মৃত্যুকে ভয় পাই না।এই তথ্য প্রকাশ করেছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। তদন্তকারীদের বক্তব্য উদ্ধৃত করে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনের দাবি অনুযায়ী, সৌদি আরবে জিজ্ঞাসাবাদের সময় হামাম নিজের উদ্দেশ্য সম্পর্কে এমন কথা জানিয়েছেন। তবে তদন্ত এখনও চলছে এবং তাঁর বক্তব্যের পাশাপাশি অন্য তথ্য-প্রমাণও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।ঘটনাটি ঘটে গত বুধবার। দুবাই থেকে তেল আভিভ যাচ্ছিল ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানটি। মাঝ আকাশে আচমকাই ককপিটে ভারতীয় অধিনায়ক স্মিত মচ্ছরের উপর হামলা করেন সহকারী পাইলট হামাম। বিমানের ককপিটে থাকা জরুরি কুঠার ব্যবহার করে হামলা করা হয়েছিল বলে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এরপর বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দ্রুত নীচের দিকে নামতে শুরু করে।আক্রমণের পরেও স্মিত মচ্ছর ককপিটের দরজা খোলার চেষ্টা করেন। শেষ পর্যন্ত যাত্রী এবং বিমানে থাকা অন্যদের সাহায্যে হামামকে কাবু করা সম্ভব হয়। পরে অন্য পাইলটরা বিমানের নিয়ন্ত্রণ সামলে নেন। বিমানটি সৌদি আরবের তাবুকে জরুরি অবতরণ করে।এই ঘটনার পর থেকেই প্রশ্ন উঠেছিল, ককপিটে এমন ভয়াবহ হামলার আসল উদ্দেশ্য কী ছিল। প্রথম দিকে ব্যক্তিগত বিরোধের সম্ভাবনা নিয়েও নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সংযুক্ত আরব আমিরশাহির অ্যাটর্নি জেনারেল জানিয়েছেন, তদন্তে সহকারী পাইলটের সন্ত্রাসী হামলা চালানোর চেষ্টা ধরা পড়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগও তদন্তে উঠে এসেছে।এখন তদন্তকারীরা হামামের অতীত, তাঁর মতাদর্শ এবং অন্য কোনও ব্যক্তি বা সংগঠনের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন। ওমানের কর্তৃপক্ষ আগে তাঁর বিমান চালানোর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল বলে তদন্ত-সূত্র উদ্ধৃত করে একাধিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে। তাঁর কথিত উগ্রপন্থী ভাবধারার বিষয়টিও তদন্তের আওতায় রয়েছে।হামামকে সৌদি আরব থেকে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানেও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং ইজরায়েলের তদন্তকারী সংস্থাগুলি ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে। তাঁর সঙ্গে কোনও বহিরাগত শক্তির যোগাযোগ ছিল কি না, সেই প্রশ্নও তদন্তের অংশ।বিমানটির আকস্মিক পতনের ভয়াবহতাও তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে। উড়ান-তথ্য অনুযায়ী, ঘটনাটির সময় বিমানটি মাত্র কিছুক্ষণের মধ্যে প্রায় ১৬ হাজার ফুট নীচে নেমে গিয়েছিল। যাত্রী ও বিমানের অন্য কর্মীদের দ্রুত পদক্ষেপ এবং পরে অতিরিক্ত পাইলটদের সহায়তায় বড় বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়।ফলে ফ্লাইদুবাইয়ের এই ঘটনা এখন শুধু ককপিটে পাইলটের উপর হামলার তদন্তে সীমাবদ্ধ নেই। বিমানটি কেন নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছিল, হামামের প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল, তাঁর অতীত সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ কতটা তথ্য জানত এবং তাঁর সঙ্গে অন্য কারও যোগাযোগ ছিল কি নাএই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত হামামের জেরায় উঠে আসা দাবিগুলির পাশাপাশি অন্যান্য প্রমাণও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেসির ম্যাচে টিকিট কেটেও ঢুকতে পারেননি? এ বার উরুগুয়ে ম্যাচে বড় উপহার, ২২ হাজার পাস বিনামূল্যে!

মেসির ম্যাচে টিকিট কেটেও যাঁরা বঞ্চিত হয়েছিলেন, তাঁদের জন্য বড় ঘোষণা। আগামী ৬ অক্টোবর যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচে ২২ হাজার বিনামূল্যের পাস দেওয়া হবে। গত বছর মেসির কলকাতা সফরের অনুষ্ঠানের জন্য অনলাইনে টিকিট কেনা দর্শকদের মধ্য থেকেই এই সুবিধা দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।তবে প্রশ্ন ছিল, সেই পাস পাওয়া যাবে কোথা থেকে এবং কী ভাবে? এ বার সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। তাঁর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত ১৩ ডিসেম্বর কলকাতায় মেসির অনুষ্ঠানের জন্য যাঁরা টিকিট কিনেছিলেন, তাঁরাই ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচের বিনামূল্যের পাস সংগ্রহ করতে পারবেন।পাস সংগ্রহের সময়ও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ৫ অক্টোবর সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে পাস সংগ্রহ করতে হবে। তবে শুধু আগের টিকিট থাকলেই হবে না। পাস নিতে গেলে সঙ্গে রাখতে হবে বৈধ সরকারি ছবি-সহ পরিচয়পত্র। ভোটার কার্ড, আধার কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স অথবা পাসপোর্টের মতো পরিচয়পত্র দেখাতে হবে। একই সঙ্গে গত ডিসেম্বরে মেসির অনুষ্ঠানের জন্য কেনা আসল টিকিটও সঙ্গে রাখতে হবে।অর্থাৎ মেসির অনুষ্ঠানের পুরনো টিকিটটি এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সেই টিকিট এবং বৈধ পরিচয়পত্র যাচাই করার পরেই বিনামূল্যের পাস দেওয়া হবে। নতুন করে ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচের টিকিট কেনার প্রয়োজন হবে না এই নির্দিষ্ট দর্শকদের।গত বছরের ডিসেম্বরে মেসিকে দেখতে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে বিপুল ভিড় হয়েছিল। বহু দর্শক টাকা দিয়ে টিকিট কেনার পরেও প্রত্যাশিত ভাবে অনুষ্ঠান দেখতে পারেননি। ভিড় ও বিশৃঙ্খলা নিয়ে সেই সময় ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সেই ঘটনার পর বঞ্চিত দর্শকদের ক্ষতিপূরণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রশ্ন ছিল। এ বার তাঁদের মধ্য থেকে ২২ হাজার দর্শককে ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচ দেখার সুযোগ করে দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে।ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই এই ঘোষণা সামনে আসে। তার পর থেকেই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল, বঞ্চিত দর্শকরা কোথা থেকে পাস সংগ্রহ করবেন। ক্রীড়ামন্ত্রীর ঘোষণায় এ বার সেই অপেক্ষার অবসান হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পুরনো টিকিট এবং বৈধ পরিচয়পত্র নিয়ে পাস সংগ্রহ করতে হবে।ফলে যাঁরা গত ডিসেম্বরে মেসির অনুষ্ঠান ঘিরে টিকিট কেটেও বঞ্চিত হয়েছিলেন, তাঁদের জন্য এ বার যুবভারতীতেই ফের আন্তর্জাতিক ম্যাচ দেখার সুযোগ তৈরি হল। ৬ অক্টোবর ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচে সেই দর্শকদের একাংশ গ্যালারিতে থাকবেন কি না, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

সৃজলার কাছে বারবার ক্ষমা, এবার প্রকাশ্যেই কাঁদতে কাঁদতে কী বললেন নন্দিনীর মা?

বিগ বসের দুর্গে সৃজলা গুহর সঙ্গে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনা নিয়ে এখনও অনুশোচনায় রয়েছেন নন্দিনী দত্ত। ঘটনার পর একাধিক বার সৃজলার কাছে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি। এবার প্রকাশ্যেই সৃজলার পরিবারের কাছে ক্ষমা চাইলেন নন্দিনীর মা। একটি সাক্ষাৎকারে মেয়ের হয়ে ক্ষমা চেয়ে তিনি আবেদন করেন, সৃজলার পরিবার যেন নন্দিনীকে ক্ষমা করে দেয়।নন্দিনীর মা বলেন, পারলে প্লিজ ওকে ক্ষমা করে দিন। দুসপ্তাহ ধরে তো দেখছি, ঘটনার পর থেকে নন্দিনী ভালো নেই।কী ঘটেছিল বিগ বসের দুর্গে? কয়েক সপ্তাহ আগে ক্যাপ্টেন হওয়ার টাস্কে প্রথমে সঙ্গীতের চেয়ার খেলা হয়। সেই পর্বের পর পরবর্তী খেলায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পান সৃজলা, মনামী, জীতু, তনুশ্রী এবং রাজবীর। তাঁদের সামনে ছিল কাঠের ঘোড়ায় বসে থাকার টাস্ক। যিনি শেষ পর্যন্ত ঘোড়ায় বসে থাকতে পারবেন, তিনিই ক্যাপ্টেন হবেন।খেলার নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিযোগীরা অন্যদের ঘোড়া থেকে নামানোর চেষ্টা করতে পারতেন। তবে সেই সময় কারও শরীরে আঘাত না করার নিয়ম ছিল। সেই টাস্ক চলাকালীন নন্দিনী সৃজলাকে ঘোড়া থেকে নামানোর চেষ্টা করেন। সেই সময় সৃজলা পড়ে গিয়ে গুরুতর চোট পান। সঙ্গে সঙ্গে তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।চোটের কারণে সৃজলাকে পাঁচ দিন হাসপাতালে থাকতে হয়েছিল। চিকিৎসার পর তিনি আবার বিগ বসের দুর্গে ফিরে আসেন। সৃজলা ফিরে আসার পর থেকেই নন্দিনীকে একাধিক বার তাঁর কাছে ক্ষমা চাইতে দেখা যায়। নিজের ভুল স্বীকার করে ফের বন্ধুত্বের সম্পর্ক তৈরি করার চেষ্টাও করতে দেখা যায় তাঁকে।তবে সৃজলার পক্ষ থেকে এই ঘটনায় কষ্ট বা রাগ থাকা স্বাভাবিক বলেই মনে করছেন অনেকেই। সেই আবহেই কয়েক দিন আগে প্রতিযোগীদের পরিবারের উদ্দেশে চিঠি লেখার সুযোগ দেওয়া হয়। সেই চিঠিতে নন্দিনী তাঁর মা-বাবাকে সৃজলার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে ক্ষমা চাওয়ার অনুরোধ করেছিলেন।এবার সেই অনুরোধের কথাই প্রকাশ্যে জানালেন নন্দিনীর মা। মেয়ের হয়ে সৃজলার পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়ে তিনি জানিয়েছেন, ঘটনার পর থেকে নন্দিনী মানসিক ভাবে ভালো নেই। তাই সৃজলার পরিবার যদি তাঁকে ক্ষমা করে, সেটাই তাঁদের কাছে বড় বিষয় হবে।অন্য দিকে, সাক্ষাৎকারে রাজবীরের প্রসঙ্গও ওঠে। সেই প্রসঙ্গে নন্দিনীর মা স্পষ্ট করে জানান, মেয়ের পছন্দই তাঁদের পছন্দ। ফলে বিগ বসের দুর্গে সৃজলা-নন্দিনীকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের মধ্যেই নন্দিনীর পরিবারের তরফে এল নতুন বার্তা।সৃজলার চোটের পর থেকে এই ঘটনা নিয়ে বিগ বসের দর্শকদের মধ্যেও আলোচনা চলছে। এক দিকে নন্দিনীর অনুশোচনা ও ক্ষমা চাওয়া, অন্য দিকে সৃজলার পরিবারের প্রতি তাঁর মায়ের প্রকাশ্য আবেদনসব মিলিয়ে ঘটনাটি ফের নতুন করে চর্চায় এসেছে।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
কলকাতা

‘পা ভাঙেনি’ শুভেন্দুর দাবির পরেই নতুন বিস্ফোরণ, মমতার পুরনো ছবি দেখিয়ে কী প্রশ্ন শান্তনুর?

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে ঠিক কী হয়েছিল, পাঁচ বছর পর সেই পুরনো ঘটনা ঘিরে ফের তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে কোনও হাড় ভাঙার প্রমাণ ছিল না। একটি চিকিৎসা-সংক্রান্ত নথি দেখিয়ে তিনি এই দাবি করেন এবং বিষয়টি নিয়ে তদন্তের কথাও জানান।শুভেন্দুর ওই দাবির পরেই এ বার সরব হলেন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ তথা চিকিৎসক শান্তনু সেন। সমাজমাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে চোট লাগার সময়ের চারটি ছবি প্রকাশ করে তিনি একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন। একটি ছবিতে গোড়ালির কাছে কালশিটের দাগ দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি। অন্য একটি ছবিতে গোড়ালির কাছে রক্তপাতের মতো দাগ রয়েছে। বাকি ছবিগুলিতে পায়ে প্লাস্টার দেখা যাচ্ছে।এই ছবিগুলি প্রকাশ করে শান্তনু সেন দাবি করেছেন, ১০ মার্চ চোট পাওয়ার পর এসএসকেএম হাসপাতালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ের যে ছবি দেখা গিয়েছিল, সেখানে গোড়ালির উপরে কালশিটে ছিল, কিন্তু রক্তপাতের চিহ্ন ছিল না। তাঁর প্রশ্ন, পরে প্রকাশিত ছবিতে রক্তের দাগ দেখা গেল কী ভাবে?শান্তনুর আরও প্রশ্ন, যদি চোট পাওয়ার সময় রক্তপাত না হয়ে থাকে, তা হলে পরবর্তী সময়ে ছবিতে রক্তের মতো দাগ কেন দেখা গেল? একই সঙ্গে পায়ে দীর্ঘদিন প্লাস্টার থাকার বিষয়টিও প্রশ্নের মুখে তুলেছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, চিকিৎসক হিসেবে তিনি অভিযোগ করছেন না, কিছু বিষয় নিয়ে পর্যবেক্ষণ জানাচ্ছেন।শান্তনু সেনের দাবি, কোনও আঘাতের কারণে রক্তপাত হলে সাধারণত সেই সময়েই তার প্রকাশ ঘটে। পরে সেই রক্তপাতের ছবি সামনে এলে সেটিকে পুরনো আঘাতের সঙ্গে যুক্ত করা কঠিন। পায়ে প্লাস্টার করার প্রয়োজন হলে সাধারণত নির্দিষ্ট সময়ের পর তা খুলে ফেলার কথাও বলেন তিনি। তবে এই মন্তব্য তাঁর চিকিৎসক হিসেবে ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ, ২০২১ সালের চিকিৎসা-ঘটনা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়।এত দিন কেন তিনি এই প্রশ্ন তোলেননি, সেই প্রশ্নেরও জবাব দিয়েছেন শান্তনু। তাঁর বক্তব্য, এত দিন বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল না বলেই তিনি কিছু বলেননি। এখন নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে বলেই তিনি নিজের পর্যবেক্ষণ জানিয়েছেন।একই সঙ্গে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং চিকিৎসকদের নিয়ে পুরনো অভিযোগের প্রসঙ্গও টেনে এনেছেন শান্তনু। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পারিবারিক চিকিৎসক এসপি দাসকে ঘিরেও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর দাবি, আগে তিনি স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় কথিত ভয় দেখানোর সংস্কৃতি নিয়ে অভিযোগ করেছিলেন এবং তার জেরেই তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল।তবে শান্তনুর এই বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছেন তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলে থাকাকালীন শান্তনু সেন দলের কাছ থেকে একাধিক রাজনৈতিক সুযোগ পেয়েছেন। এত বছর পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো চোট নিয়ে প্রশ্ন তোলারও সমালোচনা করেন তিনি।এর মধ্যেই ২০২১ সালের নন্দীগ্রাম-চোটের ঘটনা নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী যে চিকিৎসা-নথি প্রকাশ্যে এনেছেন, তাতে ১১ মার্চের পরীক্ষার রিপোর্টে পায়ে হাড় ভাঙার প্রমাণ না থাকার কথা বলা হয়েছে বলে তাঁর দাবি। অন্য দিকে, সেই সময়ের চিকিৎসা-পর্বে মমতার পায়ে গুরুতর আঘাতের কথা হাসপাতালের চিকিৎসা-সংক্রান্ত বিবৃতিতে বলা হয়েছিল। ফলে পুরনো নথি, নতুন দাবি এবং পাল্টা প্রশ্ন ঘিরে বিতর্ক আরও জটিল হয়েছে।এই আবহে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষও পুরনো ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে মমতার চোট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ফলে নন্দীগ্রামে ২০২১ সালের সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাঁচ বছর পর আবারও রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আসলে সেদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে কী ধরনের চোট হয়েছিল, প্রকাশ্যে আসা চিকিৎসা-নথি ও ছবির মধ্যে কী সম্পর্ক রয়েছে, সেই প্রশ্নের উত্তর নিয়েই এখন শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

সিপিএম অফিসের সামনেই হনুমান চালিশা পাঠ! স্বপনের মন্তব্যে তেতে উঠল বাঁকুড়া, ‘ওষুধ’-এর হুঁশিয়ারি

হনুমান চালিশা নিয়ে সিপিআই-এর রাজ্য সম্পাদক স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক আরও বাড়ল। তাঁর মন্তব্যের প্রতিবাদে বাঁকুড়া জেলা সিপিএম কার্যালয়ের সামনে হনুমান চালিশা পাঠের আয়োজন করল বজরং দল। শনিবার সন্ধ্যার এই কর্মসূচিকে ঘিরে বাঁকুড়া সদর এলাকায় রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে। সংগঠনের তরফে স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।সম্প্রতি পশ্চিম মেদিনীপুরের একটি সভায় হনুমান চালিশা পাঠ নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, হনুমান চালিশা হনুমানেরাই পড়ে। তাঁরা হনুমান নন এবং হনুমানের দলও করেন না। তাঁদের রাজনৈতিক আদর্শ মার্কসবাদ, লেনিনবাদ এবং গান্ধীবাদএমনই বক্তব্য রেখেছিলেন তিনি। সেই মন্তব্যের পরেই রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক তৈরি হয়।এর পর শনিবার সন্ধ্যায় বাঁকুড়া জেলা সিপিএম কার্যালয়ের সামনে হাজির হন বজরং দলের কর্মীরা। সেখানে হনুমান চালিশা পাঠ করা হয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়ে মতপার্থক্য থাকতেই পারে। কিন্তু কোনও ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে কটাক্ষ করা হলে তার প্রতিবাদ করা হবে।বজরং দলের নেতা বাপ্পা দাস বলেন, স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইতে হবে। ক্ষমা না চাইলে তাঁরা তাঁদের মতো করে ওষুধ ঠিক করে রেখেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ওষুধ বলতে ঠিক কী বোঝানো হয়েছে, তা স্পষ্ট করেননি বাপ্পা। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরেই নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।বজরং দলের দাবি, তাঁদের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ছিল। কোনও হিংসাত্মক কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়নি বলেও সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, রাজনৈতিক মতাদর্শের সমালোচনা করা যেতে পারে, কিন্তু ধর্মীয় বিশ্বাসকে আঘাত করে মন্তব্য করা উচিত নয়। সেই কারণেই স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে প্রকাশ্যে মন্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।অন্য দিকে, ওষুধ শব্দটি ব্যবহার করে দেওয়া বার্তাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে। বিরোধীদের একাংশের বক্তব্য, ধর্মীয় আবেগকে সামনে রেখে এমন ভাষা ব্যবহার করলে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেনি এবং বজরং দলের পক্ষ থেকেও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের কথাই জানানো হয়েছে।ফলে হনুমান চালিশা নিয়ে স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বাঁকুড়ায় নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ তৈরি হয়েছে। সিপিএম কার্যালয়ের সামনে হনুমান চালিশা পাঠ এবং তার পরেই ক্ষমা না চাইলে ওষুধ-এর মন্তব্যকে ঘিরে বিতর্ক কোন দিকে গড়ায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

বাইরনের বাড়িতে আগুনের নেপথ্যে কী? দুর্ঘটনা, না কি ইচ্ছাকৃত অগ্নিকাণ্ড—তদন্তে পুলিশ

মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ানে নিজের বাড়িতে অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন সাগরদিঘির বিধায়ক বাইরন বিশ্বাস। শনিবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ তাঁর বাড়ি থেকে আগুনের শিখা ও ঘন কালো ধোঁয়া বের হতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর দেওয়া হয় দমকলে। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে বাড়ির ভিতর থেকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় বাইরনকে উদ্ধার করা হয়। এই অগ্নিকাণ্ড কী ভাবে ঘটল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।স্থানীয়দের দাবি, বাড়ির দোতলা থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখে তাঁরা প্রথমে বিষয়টি বুঝতে পারেন। খবর পেয়ে দমকল ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়দের তৎপরতায় বাইরনকে উদ্ধার করে দ্রুত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রায় এক ঘণ্টার মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয় বলে পুলিশ ও দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে।অগ্নিকাণ্ডে বাইরনের হাত ও পায়ের বেশ কিছু অংশ পুড়ে গিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁর শারীরিক অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল। একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে শরীরের কতটা অংশ পুড়েছে, তা নিয়ে ভিন্ন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। তবে তাঁর আঘাতের মূল জায়গা হাত ও পা বলেই জানা গিয়েছে।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, কী ভাবে বাইরনের বাড়িতে আগুন লাগল? প্রাথমিক ভাবে অগ্নিকাণ্ডের কারণ নিশ্চিত হয়নি। পুলিশ ও দমকল বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। একটি প্রতিবেদনে বৈদ্যুতিক গোলযোগ বা বাড়ির সঙ্গে যুক্ত বিড়ি তৈরির কারখানা থেকে আগুন ছড়ানোর সম্ভাবনার কথাও উঠে এসেছে। ফলে এখনই ঘটনাটিকে পরিকল্পিত হামলা বা পুড়িয়ে মারার চেষ্টা বলে নিশ্চিত করার মতো তথ্য সামনে আসেনি।তবে ঘটনাটি ঘিরে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। বাইরন সেই সময় বাড়ির ভিতরে কেন ছিলেন, আগুনের সূত্রপাত ঠিক কোথায় এবং কী ভাবে আগুন এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ল, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। অগ্নিকাণ্ডের পিছনে দুর্ঘটনা নাকি অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তা স্পষ্ট হবে না।বাইরন বিশ্বাসের শারীরিক অবস্থা নিয়ে আপাতত স্বস্তির খবর দিয়েছে পুলিশ। জঙ্গিপুরের পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, তাঁর আঘাত খুব গভীর নয় এবং তিনি স্থিতিশীল রয়েছেন। অন্য দিকে, অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ ও দমকল। ফলে সাগরদিঘির বিধায়কের বাড়িতে এই আগুন নিছক দুর্ঘটনা, না কি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, সেই প্রশ্নের উত্তরই এখন খুঁজছে তদন্তকারীরা।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal