• ১১ আশ্বিন ১৪৩৩, বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Increase

রাজ্য

বেতন বাড়লো ভোটার তালিকা সংশোধন ও বিশেষ ড্রাইভারের কাজে নিয়ুক্তদের

আগামী বছর বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। কয়েক মাস বাদে বিহার বিধানসভা ভোট। চলছে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ। এরই মধ্যে বেতন বাড়লো ভোটার তালিকা সংশোধন ও বিশেষ ড্রাইভের কাজে যুক্ত বিএলও এবং সুপারভাইজারদের। তাঁদের ন্যূনতম বাৎসরিক বেতন একধাক্কায় প্রায় দ্বিগুণ করল নির্বাচন কমিশন। নতুন নির্দেশ অনুযায়ী, বুথ লেভেল অফিসাররা বছরে ১২ হাজার টাকা এবং বিএলও সুপারভাইজাররা ১৮ হাজার টাকা করে পাবেন।এর পাশাপাশি, বিশেষ ড্রাইভের জন্য বিএলওদের অতিরিক্ত ২ হাজার টাকা ইনসেনটিভও দেবে কমিশন। ২৪ জুলাই প্রকাশিত নির্দেশে কমিশন জানিয়েছে, ২০১৫ সালের পুরনো নির্দেশ বাতিল করে এই নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করা হচ্ছে। সমস্ত রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের জানানো হয়েছে, এই নির্দেশ দ্রুত বাস্তবায়ন করে সংশ্লিষ্টদের জানিয়ে দিতে হবে।

জুলাই ২৫, ২০২৫
রাজ্য

যাত্রীদের কষ্টের দিন শেষ, শীঘ্রই শিয়ালদহ মেইন সেকশনে সমস্ত ১২ কোচের লোকাল ট্রেন

শিয়ালদহ মেইন ও নর্থ সেকশনে সমস্ত EMU লোকালগুলিকে ১২ কোচের করার জন্য শিয়ালদহ মেইনের সাবার্বান প্লাটফর্মগুলি অর্থাৎ ১ থেকে ৫ নং প্লাটফর্মের দৈর্ঘবৃদ্ধির কাজ জোরকদমে এগিয়ে চলেছে। শিয়ালদহ স্টেশনের ইয়ার্ডের জটিলতা সত্ত্বেও চ্যালেঞ্জগুলি কাটিয়ে, ডেডিকেটেড প্রজেক্ট টিম 24X7 অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছে নির্দিষ্ট যাতে সময়সীমার মধ্যে কাজ সম্পন্ন করা যায়। নতুন ট্র্যাক, বৈদ্যুতিক লাইন ইত্যাদি স্থাপনের কাজ সহ এমন একটি বিশাল প্রকল্প সম্পন্ন করার জন্য সুবিন্যস্ত পরিকল্পনা এবং সুস্পষ্ট সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ। এই নতুন লে আউটে ইলেকট্রিক ট্রাকশনের বন্দোবস্ত এবং সিগন্যালিং মডিফিকেশনের কাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ধৈর্যসাপেক্ষ ব্যাপার। ট্রেন চলাচল চালু রেখে এসমস্ত কাজ করা যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং এবং দক্ষ রেলকর্মীরা এই বাধা অতিক্রম করে এগিয়ে চলেছেন। গ্রীষ্মের ভয়ঙ্কর তাপপ্রবাহ সত্ত্বেও, নিবেদিত প্রজেক্ট টিম বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে উঠছে এবং ওভারহেড বৈদ্যুতিক তার এবং সিগন্যালিং সরঞ্জামগুলির জন্য নতুন খুঁটি স্থাপন করা হচ্ছে। নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং নতুন পরিকাঠামোর নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করার জন্য এই কাজটি নির্ভুলতার সাথে করা হচ্ছে। দিনের যাত্রী চলাচলে ব্যাঘাত কমাতে এবং ধুলা দূষণ কমাতে রাতে নির্মাণ কাজ চালানো হচ্ছে।যাত্রীদের অসুবিধা কমানোর জন্য, দিনের বেলায় যাত্রীদের চলাচলের সুবিধার্থে প্ল্যাটফর্ম ১,২,৩ এবং ৪ এর কাছে অতিরিক্ত অস্থায়ী এক্সেস রুট খোলা হয়েছে।প্রতি রাতেই রেলসেবা নিবৃত্তির পরেই পূর্বরেলের কর্মীরা কোমর বেঁধে কাজে নেমে পড়ছেন কারণ ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে প্রথম ট্রেন চলার আগেই কাজ শেষ করতে হবে যাতে যাত্রীসাধারণ কোনওরকম অসুবিধার সম্মুখীন না হন। শিয়ালদহের সমস্ত সংশ্লিষ্ট বিভাগই প্রত্যেকে প্রত্যেকের বিভাগীয় কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে নিয়ে চলতে বদ্ধপরিকর যাতে খুব শীঘ্রই শিয়ালদহ মেইন এবং নর্থ এর সমস্ত লোকাল ট্রেনই ১২ বগির করে তোলা যায়। প্রকল্পটি শিয়ালদহে সামগ্রিক পরিচালন নমনীয়তা এবং যাত্রীদের সুবিধা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৪
রাজ্য

সরকারি কর্মীদের ডিএ নিয়ে বড় ঘোষণা মুখমন্ত্রীর, তবে আন্দোলন থামছে না

জানুয়ারি মাস থেকে ৪ শতাংশ ডিএ বাড়ছে রাজ্য সরকারি কর্মীদের। এর ফলে ১৪ লক্ষ সরকারি কর্মী সুবিধা পাবে। বৃহস্পতিবার পার্কস্ট্রিটের এলেন পার্কে বড় দিনের অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করতে একথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বড় দিন ও নতুন বছরের এটা খুশির খবর। এর জন্য ২,৪০০ কোটি টাকা বাড়তি খরচ হবে। সরকারি কর্মী, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, অশিক্ষক, পেনশন প্রাপকরা এই ডিএ পাবেন। তাঁর বক্তব্য, কেন্দ্রীয় সরকারের ডিএ বাধ্যতামূলক, রাজ্যপর ডিএ তা ঐচ্ছিক।এদিকে আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, সরকারি নোটিফিকেশন না করে এমন ঘোষণা ঠিক নয়। সরকারি কর্মীরা ভিক্ষা চায় না। ৪০ শতাংশ বকেয়া রয়েছে ডিএ। ঘোষনা হল ৪ শতাংশের। আমাদের অবস্থান, বিক্ষোভ চলবে। পুরো ডিএ আদায় করে ছাড়বো। এই ঘোষণার পর এখনও কেন্দ্রের সঙ্গে ৩৬ শতাংশ ফারাক রয়েছে।

ডিসেম্বর ২১, ২০২৩
রাজ্য

এক ধাক্কায় কত বেতন বাড়ল বাংলার মন্ত্রী-বিধায়কদের বেতন?

শহিদ মিনারের নীচে এখন অবস্থানে বসে আছে ডিএ আন্দোলনকারীরা। মামলা গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। এদিকে বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং বিধায়কদের বেতন বৃদ্ধি করার কথা ঘোষণা করেন। এই ঘোষণায় এক ধাক্কায় অনেকটাই বাড়ল বিধায়ক মন্ত্রীদের বেতন। বাংলা দিবস নিয়ে বিধানসভায় আলোচনার শেষে এই বেতন বৃদ্ধির ঘোষণা করেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী।রাজ্য সরকারী কর্মীদের ডিএ বৃদ্ধি নিয়ে দীর্ঘদিন আন্দোলন চলছে। টানা শহিদ মিনারে বসে রয়েছেন সরকারী কর্মীরা। নতুন নিয়োগ বা উন্নয়ন প্রকল্পও থমকাচ্ছে অর্থের অভাবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, আমাদের রাজ্যের বিধায়কদের বেতন দেশের মধ্যে সবচেয়ে কম। চলাফেরা, দুটো খাওয়া, সবই ওই টাকায় করতে হয়। সেটা পর্যবেক্ষণ করেই আমাদের সরকার তাই বিধায়কদের বেতন বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।কত বাড়ছে বেতন?মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা মোতাবেক- বিধায়ক, রাজ্যের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, বিধায়কদের বেতন একধাক্কায় ৪০ হাজার টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে।এতদিন বিধায়কদের বেতন ছিল প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা করে। তা বেড়ে হল ৫০ হাজার টাকা।রাজ্যের প্রতিমন্ত্রীরা এত দিন মাসে ১০ হাজার ৯০০ টাকা করে বেতন পেতেন। এখন তা বেড়ে হল ৫০ হাজার ৯০০ টাকা।পূর্ণমন্ত্রীদের বেতন ছিল ১১ হাজার টাকা। তাঁরা বেতন বাবদ এবার থেকে পাবেন ৫১ হাজার টাকা করে।বিভিন্ন ভাতা মিলিয়ে পূর্ণমন্ত্রীরা মন্ত্রীরা এখন থেকে প্রতি মাসে পাবেন দেড় লক্ষ টাকার বেশি। প্রতিমন্ত্রীরা পাবেন প্রায় ১ লক্ষ ৪৯ হাজার ৯০০ টাকা। বিধায়করা পেতে চলছেন মাসিক ১ লাখ ২১ হাজার টাকা বেতন। মুখ্যমন্ত্রী নিজে বেতন নেন না বলে জানিয়েছেন।মন্ত্রী, বিধায়কদের বেতন বৃদ্ধি নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, আমরা মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণাকে সমর্থন করছি না। আমরা চাই আশাকর্মী, ভিলেজ পুলিশ, সিভিক পুলিশ, চুক্তিভিত্তিক সব শিক্ষক, ভোকেশনাল টিচাররা সম কাজে সম বেতন পাক। আর আমরা যখন হাউজে ছিলাম না তখন উনি একতরফাভাবে মন্ত্রী, বিধায়কদের বেতন বৃদ্ধির ঘোষণা করেছেন।সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, কর্মীরা ডিএ বাড়াতে বললেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন টাকা নেই। কর্মীও বহু জায়গায় নিয়োগ হচ্ছে না। অথচ মন্ত্রী, বিধায়কদের বেতন বাড়ালেন উনি। এটাকেই বলে তেলা মাথায় তেল দেওয়া। বাংলার মানুষকে পুরোটায় নজর রাখতে অনুরোধ করছি। আদালতেও এটা আমরা জানাবো। আমরা আন্দোলন আরও জোরদার করবো।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৩
রাজ্য

রাজ্যে জেলার সংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে নতুন ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্যে জেলার সংখ্যা বেড়ে দ্বিগুন হতে পারে। এদিন কলকাতার টাউনহলে এক সভায় এই ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। পাশাপাশি, আমলারাই যে সরকারের আসল মুখ সেকথাও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন মমতা বলেন, ২৩টা থেকে ৪৬টা জেলা হতে পারে। বিহারে প্রায় ৫০-৬০টা জেলা রয়েছে। তার জন্য অফিসার দরকার। পরিকাঠামো দরকার। একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, রাজ্যে আরও ডব্লুবিসিএস ও আইএএস প্রয়োজন রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, আমাদের সরকার এসেই আইএএস ও বিসিএস অফিসারদের সংখ্যা বৃদ্ধি করেছে। আরও বাড়ানো দরকার রয়েছে।২০১১-তে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, আলিপুরদুয়ার, কালিম্পং নতুন জেলা হয়েছে। একইসঙ্গে রাজ্যে একাধিক পুলিশ কমিশনারেট ও পুলিশ জেলা রয়েছে। জেলার সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে প্রশাসনিক কাজে আরও সুবিধা হবে বলে মনে করছেন মুখ্যমন্ত্রী।রাজ্যের আমলাদের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। কোভিডে তাঁদের লড়াই ভুলবার নয় বলে তিনি জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, কোভিডে আমরা চার জন দক্ষ অল্পবয়সী বিসিএস অফিসারকে হারিয়েছি। সরকারি প্রকল্প রূপায়নে আমলাদের বড় ভূমিকা রয়েছে। আমলাদের তিনি বলেছেন, আপনারাই সরকারের আসল মুখ।

মে ১২, ২০২২
রাজ্য

বাড়ল জাতীয় সড়কে যাতায়াতের খরচ, খরচ বৃদ্ধির ধাক্কায় মাথায় হাত নিত্যযাত্রীদের

রান্নার গ্যাস পার করেছে ১০০০ র কোটা, পেট্রোল ১১৫ পার করে দৌড়চ্ছে, ডিজল আর মাত্র এক কদম দূরে শতরান থেকে। জ্বালানি দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে বছর ভর দড়ি টানাটানি চলছে কেন্দ্র এবং রাজ্যের মধ্যে। রাজ্য বলছে ভরতুকি বারাতে, কেন্দ্রের পাল্টা প্রস্তাব রাজ্য জিএসটি ছেড়ে দিক, তাহলেই রাজ্যের মানুষের কিছুটা হলেও লাঘভ হবে।এরই মধ্যে জাতীয় সড়ক কর্তিপক্ষ নোটিস দিয়ে জাতীয় সড়কের টোল বৃদ্ধির কথা জানালো। আগামীকাল বৃহস্পতিবার ১২ মে থেকে ৬ নম্বর জাতীয় সড়কে টোল ট্যাক্স বাড়ানোর বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে বালিভাষা টোল প্লাজায়। সেই বিজ্ঞপ্তিতে খড়গপুর থেকে ঝাড়গ্রামের চিচরা যাওয়ার ৬ নম্বর জাতীয় সড়কের টোল ট্যাক্স বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। ছোট চারচাকার গাড়ির (প্রাইভেট) জন্য আগে নেওয়া হত ৮০ টাকা, সেটা বৃদ্ধি পেয়ে আগামীকাল থেকে টোল ট্যাক্স ১২৫ টাকা দিতে হবে। ছোট চারচাকার বাণিজ্যিক যানবাহনের জন্য টোল ট্যাক্সে ১৩৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০০ টাকা করা হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই এই খরচ বৃদ্ধির ধাক্কায় মাথায় হাত নিত্যযাত্রীদের। এখন আশঙ্কা এটাই যে, ৬ নম্বর জাতীয় সড়কের টোল বৃদ্ধির সাথে সাথে রাজ্যের অন্যান্য জাতীয় সড়কেরও কি টোল ট্যাক্স বাড়ানো হবে? এই নিয়ে নিত্যযাত্রী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মনে তৈরি হয়েছে জল্পনা।ছোট গাড়ি ভাড়া খেটে সংসার চালান বাপি খান, জনতার কথাকে বাপি জানান, লকডাউনের পর থেকে এমনিতেই গাড়ি ভাড়া কমে গেছে। বহু মানুষের কাজ চলে গেছে, তারপর পেট্রোল ডিজেলের দাম বাড়ার সাথে সাথে আমাদেরও গাড়ি ভাড়া বাড়াতে হয়েছে। তাও ভাড়া সেভাবে বাড়াতে পারিনি সাধারণ মানুষের কথা ভেবে। এরপর যদি টোল বেড়ে যায়, তাহলে তো আরও সর্বনাশ। মানুষ গাড়ি না চাপলে আমরা যারা এই ব্যবসার সাথে যুক্ত তাদের সংসার চলবে কি করে?

মে ১১, ২০২২
রাজ্য

Covid 19: রাজ্যে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা পেরিয়ে গেল ৬ হাজার, বাড়ছে উদ্বেগ

রাজ্যে আংশিক কোভিড বিধি ঘোষণার দিন লাফিয়ে বাড়ল করোনা সংক্রমণ। বাংলায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় সংক্রমিত ৬১৫৩, মৃত্যু হয়েছে ৮জনের। সংক্রমণের হার (১৫.৯৩%)। প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এদিনই রাজ্যে একাধিক কোভিড বিধি ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার।কলকাতায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩হাজার পেরিয়ে গিয়েছে। ৩১৯৪ জন করোনায় আক্রান্ত। সাত দিন আগে কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্যা ছিল মাত্র ২০৪ জন। ৭ দিনে ১৫ গুণের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে সংক্রমণ। রাজধানী শহরে এমন সংক্রমণ বৃদ্ধিতে উদ্বিগ্ন অভিজ্ঞ মহল। বড় দিনে পার্কস্ট্রিটের ভিড়, কলকাতায় মেয়রের শপথের ভিড় নিয়ে সরকারের কড়া সমালোচনা করেছেন বিরোধীরা। তাছাড়া মেলা, পর্যটন কেন্দ্রগুলিতেও এই মরসুমে মানুষের ঢল নেমেছিল। অভিজ্ঞ মহলের মতে, একদিকে সরকারি উদাসীনতা অন্যদিকে সাধারণ মানুষের একাংশ করোনা বিধিকে কোনও তোয়াক্কা করছিল না। বরং কোভিড টিকা নিয়ে অনেকেই মাস্ক পরা ভুলে গিয়েছিলেন।এদিকে উত্তর ২৪ পরগনায় এক হাজার ছুঁই ছুঁই কোভিড সংক্রমিত, ৯৯৪ জন। কলকাতার পাশের জেলা হাওড়ায় আক্রান্ত ৫৯৫। দক্ষিণ ২৪ পরগনা ২৮০ এবং হুগলি ২১৫। রাজ্যের বাকি জেলাগুলিতেও দ্রুত বাড়ছে কোভিড সংক্রমণ। ক্রমশ আতঙ্ক বাড়ছে।

জানুয়ারি ০২, ২০২২
রাজ্য

Weather: বড়দিনে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কাঁটা! কমবে শহরের তাপমাত্রা

বড়দিনে জোড়া পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কাঁটা। আরও ২-৩ দিন জমজমাট শীত রাজ্যে। ঠান্ডা কমবে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস, কলকাতার তাপমাত্রা পৌঁছতে পারে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।মঙ্গলবারের থেকে বুধবার তাপমাত্রার পারদ বাড়ল ২ ডিগ্রি। আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩.২ সেলসিয়াস, যেটা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোর ক্ষেত্রেও তাপমাত্রার পারদ একটু বাড়বে। সকালে কলকাতায় কুয়াশা বেলা বাড়লে পরিষ্কার হবে আকাশ। আগামী দুদিন তাপমাত্রার পারদ এরকমই থাকবে বড়দিনে বা পঁচিশে ডিসেম্বরে তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির কাছাকাছি থাকবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।তাপমাত্রা বাড়ার কারণ হল পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। শ্রীলঙ্কা এবং ভারত মহাসাগরের কাছাকাছি একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে, যেটি আজ দুপুরে নিম্নচাপ অক্ষরেখায় পরিণত হবে। এই নিম্নচাপ অক্ষরেখা টি দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের উপরে রয়েছে যে কারণে তাপমাত্রার এই উত্থান।একধাক্কায় ৩ ডিগ্রি নেমেছিল পারদ। ডিসেম্বরের এই সময় পনেরোর কোটাতেই থাকে তাপমাত্রা। দিনভর পরিস্কার আকাশ, কমবে রাতের তাপমাত্রা। কলকাতার সঙ্গে জেলার পারদও নিম্নমুখী। দুই থেকে তিন ডিগ্র তিন ডিগ্রি কমবে। খোলা ময়দান পেয়েই শক্তিশালী হতে শুরু করেছে উত্তুরে-পশ্চিমী বাতাস। তাতেই নামছে পারদ। তাই শুধু আগমনী নয়, দিনকয়েক থিতুও হবে শীত। পশ্চিমাঞ্চলে একাধিক জায়গায় তাপমাত্রা দশের নীচে। আরও ২-৩ দিন জমজমাট শীত রাজ্যে। বড়দিনে জোড়া পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কাঁটা। ঠান্ডা কমবে। কলকাতার তাপমাত্রা পৌঁছতে পারে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

ডিসেম্বর ২২, ২০২১
দেশ

Corona: করোনায় মৃত্যু বাড়ছে দেশে, ঊর্ধ্বমুখী রাজ্যের সংক্রমণও

সামনেই দীপাবলি।কিন্তু শিয়রে করোনার ভয়। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রিত খানিকটা থাকলেও মৃত্যু নিয়ে কিন্তু ক্রমশ বাড়ছে চিন্তা। কয়েকদিন আগেই সরকারের তরফে উৎসব গুলিতে লাগাম টানতে বলা হয়েছিল। এরপর ফের একদিনে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে। যার কারণে দীপাবলির আগে কড়া বিধি-নিষেধের পথে এগোবে দেশের বিভিন্ন রাজ্য।এদিকে, দেশে উত্তোরোত্তর বাড়ছে দেশে মৃত্যুর সংখ্যা। গতকালের তুলনায় ফের বাড়ল মৃত্যুর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার জেরে প্রাণ হরিয়েছেন ৮০৫ জন। গতকাল সেই সংখ্যাটা ছিল ৭৩৩ জন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৪ হাজার ৩৪৮ জন। গতকাল সেই সংখ্যাটা ছিল ১৬ হাজার ১৫৬ জন। এদিকে, করোনাকে হারিয়ে দেশে সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যা অনেকটাই কমেছে গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৩ হাজার ১৯৮ জন। মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩ কোটি ৩৬ লাখ ২৭ হাজার ৬৩২ জন।এদিকে, পর পর তিনদিন ঊর্ধ্বমুখী এ রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণের পারদ। মঙ্গলবার যা ছিল ৮০৬, বুধবার তা বেড়ে ৯৭৬ হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সেই দৈনিক সংক্রমণ দাঁড়ায় ৯৯০-এ। অর্থাৎ আবারও বাংলায় একদিনে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা হাজার ছুঁই ছুঁই। পর পর সংক্রমণ বেড়েছে কলকাতাতেও। বৃহস্পতিবার শুধুমাত্র কলকাতাতেই করোনা আক্রান্তের সংখ্যাটা ২৭৫। মঙ্গলবার ও বুধবার মহানগরে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন যথাক্রমে ২৭২ ও ২৪৮।বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য দপ্তর প্রকাশিত বুলেটিন অনুযায়ী, গত একদিনে করোনার বলি হয়েছেন ৯ জন। গত একদিনে সুস্থতার হার ৯৮.২৯ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন ৮৪৫ জন।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Corona Update: কলকাতায় বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, নবান্নে জরুরি বৈঠকে একগুচ্ছ নির্দেশিকা

পুজোর পর সংক্রমণ বাড়বে, এমন আশঙ্কা চিকিৎসকেরা আগেই করেছিলেন। তবে লক্ষ্মী পুজো কাটতে না কাটতেই যে এ ভাবে তরতর করে বাড়তে থাকবে দৈনিক সংক্রমণ, তেমনটা প্রত্যাশা ছিল না প্রশাসনের। শহরে করোনার রেখচিত্র দেখে চোখ কপালে উঠছে প্রশাসনিক কর্তাদের। কলকাতায় কার্যত লাফ দিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ। গতকাল শহরে দৈনিক সংক্রমণ ৩০০ ছাড়িয়েছিল। আর আজ সেই সংখ্যাটা ছাড়াল ৪০০। আরও পড়ুনঃ ভয় ধরিয়ে ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় মৃত্যু ৬৬৬ জনেরশনিবার কলকাতা পুরসভার দেওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় আক্রান্ত হয়েছে ৪৪৯ জন। এর মধ্যে ১৯৪ জনের টিকার দুটি ডোজ় নেওয়া হয়ে গিয়েছে। এদিকে, করোনার সম্ভাব্য তৃতীয় ঢেউ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সবরকমের ব্যবস্থা নিতে রাজ্য সরকার নির্দেশ দিয়েছে। নবান্নে শনিবার রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে মুখ্য সচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী সমস্ত জেলা প্রশাসনকে করোনা রুখতে সর্বোচ্চ স্তরে প্রস্তুতি রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বলে নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে।প্রশাসনিক সূত্রে খবর বেশ কয়েকটি জেলায় করোনা সংক্রমণ ফের বেড়ে যাওয়ায় মুখ্যসচিব উদ্বেগ প্রকাশ করেন। সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি আটকাতে সুনির্দিষ্ট কয়েকটি পদক্ষেপ করতে বলা হয়েছে। এলাকাভিত্তিক কনটেনমেন্ট জোন তৈরি করার ব্যবস্থা প্রয়োজনে ফের ফিরিয়ে আনতে বলা হয়েছে। নৈশ বিধি-নিষেধ যাতে রাজ্যের সর্বত্র কঠোরভাবে পালিত হয় তা দেখতে মুখ্যসচিব জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে সার্বিক টিকাকরণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি করোনা হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা পরিষেবার মান নতুন করে মূল্যায়ন করারও তিনি নির্দেশ দেন।

অক্টোবর ২৩, ২০২১
দেশ

Corona Update: দেশে ফের ৮০ হাজারের গণ্ডি পেরোল করোনা সংক্রমণ

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ফের বৃদ্ধি পেল করোনা দাপট। একদিনে দেশে আক্রান্ত হয়েছেন ৪১ হাজার ৯৬৫ জন। অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বুধবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৪৬০ জনের। দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ২৮ লক্ষ ১০ হাজার ৮৪৫। এর মধ্যে শুধু কেরলেই একদিনে ১৯ হাজার ৬২২ জন আক্রান্ত হয়েছেন। ওই রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ১৩২ জনের। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৪ লক্ষ ৩৯ হাজার ২০ জনের। মঙ্গলবার অনেকটাই কমেছিল করোনার প্রকোপ। করোনা আক্রান্ত হয়েছিল ৩০ হাজার ৯৪১ জন। মৃত্যু হয়েছিল ৩৫০ জনের। করোনা খানিকটা নিয়ন্ত্রণে এলেও সংক্রমণ পরিস্থিতি উদ্বেগজনক আকার নিয়েছে দক্ষিণের রাজ্য কেরলে। করোনা বিপদ বাড়াচ্ছে মহারাষ্ট্রেও। আরও পড়ুনঃ স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডে ঋণের জন্য ব্যাঙ্ক বাড়ির দলিল বন্ধক রাখতে বলায় মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ ছাত্রমহারাষ্ট্র এবং কেরল কেবল এই দুটি রাজ্যেই দৈনিক মৃতের সংখ্যা শতাধিক। কেরলে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ২ লক্ষ ১৯ হাজারের বেশি মহারাষ্ট্রে ৫৪ হাজার ৭৬৩টি। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা পরীক্ষা বেশি হওয়ায় আক্রান্তের সংখ্যাও বেড়েছে। প্রায় ৩৫.৬ শতাংশ সংক্রমণ বৃদ্ধি হয়েছে বুধবার।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২১
দেশ

Corona Update: ফের বাড়ছে দৈনিক সংক্রমণ, চিন্তা বাড়াচ্ছে কেরল

ফের দেশে সংক্রমণের হার কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। এরাজ্যেও সংক্রমণের সংখ্যাটা উপরের দিকেই। এরইমধ্যে দেশের দৈনিক সংক্রমণ বুধবারের তুলনায় একটু বাড়লেও বৃহস্পতিবার তা ৪০ হাজারের নীচেই রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৬ হাজার ৪০১ জন। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা হল ৩ কোটি ২৩ লক্ষ ২২ হাজার ২৫৮।পাঁচ দিন পর দেশের দৈনিক মৃত্যু ফের ৫০০ ছাড়াল। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ৫৩০ জনের। গোটা অতিমারি পর্বে করোনা প্রাণ কেড়েছে ৪ লক্ষ ৩৩ হাজার ৪৯ জনের। এর মধ্যে মহারাষ্ট্র (১৫৮) এবং কেরলে (১৭৯) দৈনিক মৃত্যু হচ্ছে সবথেকে বেশি।আরও পড়ুনঃ লোকাল ট্রেন কবে চালু হবে, জানালেন মমতাএখনও দেশের মধ্যে সংক্রমণ বেশি হচ্ছে কেরলে। দৈনিক সংক্রমণের অর্ধেকেরও বেশি হচ্ছে দক্ষিণ ভারতের এই রাজ্যে। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ২১ হাজার ৪২৭ জন। দ্বিতীয় স্থানে থাকা মহারাষ্ট্রের দৈনিক সংক্রমণ কেরলের চারভাগের এক ভাগ। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজার ১৩২ জন। এর পর রয়েছে তামিলনাড়ু (১,৭৯৭), অন্ধ্রপ্রদেশ (১,৪৩৩), কর্নাটক (১,৩৬৫), ওডিশা (৯৯৩), পশ্চিমবঙ্গে (৬৪৬) এবং অসম (৬৩৯)। সংক্রমণ কম হওয়ায় দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা কমছে। দেশে এখন সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৩ লক্ষ ৬৪ হাজার ১২৯ জন। ভারতে করোনা পরীক্ষার মোট সংখ্যা ৫০ কোটি ছাড়িয়েছে। অতিমারির শুরু থেকে এখন অবধি দেশে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৫০ কোটি ৩ লক্ষ ৮৪০।এদিকে, সংক্রমণে রাশ না পড়লে এবং গ্রামাঞ্চলে ৫০ শতাংশ টিকাকরণ না হলে লোকাল ট্রেনে চালানো হবে না বলে বুধবারই নবান্নে এক সাংবাদিক সম্মেলনে জানান মুখ্যমন্ত্রী। লোকা ট্রেন চালানোর দাবিতে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভও দেখাচ্ছেন যাত্রীরা। যে ট্রেন চালানো হচ্ছে, তাতে ভিড় বাড়ছে, ফলে সংক্রমণের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কাও দেখা দিচ্ছে।

আগস্ট ১৯, ২০২১
কলকাতা

Metro: সোম থেকে বাড়ছে মেট্রো, দেখে নিন নতুন সময়সূচি

আগামী সোমবার থেকে রাতের দিকে আরও এক ঘণ্টা বাড়ানো হল মেট্রো পরিষেবা। বৃহস্পতিবারই ৩১ অগস্ট পর্যন্ত কোভিডবিধি বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। সেই সঙ্গে বিধিনিষেধও আরও কিছুটা শিথিল করা হয়েছে। আর তার পরই এই সিদ্ধান্ত নিল মেট্রো কর্তৃপক্ষ।আরও পড়ুনঃ ফিল্মি কায়দায় দরজা ভেঙে বিজেপি নেতাকে গ্রেপ্তার করল পুলিশমেট্রো কর্তৃপক্ষের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে, আগামী সোমবার থেকে রাত আটটার পরিবর্তে শেষ মেট্রো ছাড়়বে রাত নটায়। এছাড়াও জানানো হয়েছে, সোমবার থেকে বাড়ছে মেট্রো রেলের সংখ্যা। সোম থেকে শুক্র সকাল এবং সন্ধের ব্যস্ত সময়ে ৫ মিনিট অন্তর চলবে মেট্রো। ওই পাঁচ দিন আপ ও ডাউন মিলিয়ে ২৪০টি করে ট্রেন চলবে দিনে। এতদিন চলছিল ২২৮টি ট্রেন। এর মধ্যে ১৬১টি ট্রেন চলবে কবি সুভাষ এবং দক্ষিণেশ্বরের মধ্যে। শনিবার সকাল ৮টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা এবং বিকেল সাড়ে ৩টে থেকে সন্ধে সওয়া ৭টা পর্যন্ত বিশেষ মেট্রো পরিষেবা চালু থাকবে কবি সুভাষ এবং দক্ষিণেশ্বরের মধ্যে। রবিবার কোনও মেট্রো চলবে না।

আগস্ট ১৩, ২০২১
দেশ

Sensex: বাজার খুলতেই রেকর্ড শেয়ারবাজারে

বাজার খুলতেই ফের রেকর্ড গড়ল সেনসেক্স। সকাল থেকেই মুনাফা লুটছে এইচডিএফসি, আইসিআইসিআই-র মতো ব্যাংকগুলি। বুধবার সকালেই সেনসেক্স প্রায় ৪০০ পয়েন্ট বেড়ে ৫৪ হাজারের গণ্ডি পার করে। নিফটিও ১২৪.২৫ পয়েন্ট বেড়ে ১৬ হাজার ২৫৫-এ পৌঁছল, যা আরেক রেকর্ড।আরও পড়ুনঃ ফের উদ্ধার ২ বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহবিগত কয়েক মাসের ভাঁটা কাটিয়ে বিগত কয়েকদিন ধরেই শেয়ার বাজার উর্ধ্বমুখী ছিল।এ দিন সকালে বাজার খুলতেই বিএসই সেনসেক্স সূচক একলাফে ৪৭৮.৮৪ বেড়ে যায়। সেনসেক্স পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ৫৪,২৯৮.২০-এ। বাজারের প্রাথমিক ট্রেন্ডের তুলনায় বর্তমানে সেনসেক্স ৪১৫.৩৩ পয়েন্ট বেশি। এ দিনের বাজার খুলতেই সবথেকে বেশি লাভ করেছে এইচডিএফসি ব্যাংক, আইসিআইসিআই ব্যাংক, ডঃ রেড্ডিজ ল্যাব, ইনফোসিস, রিলায়েন্স। অন্যদিকে, ভারতী এয়ারটেল, নেসলে ইন্ডিয়া, এসবিআই, এইচইউএল ও আল্ট্রাটেক সিমেন্টের শেয়ার কিছুটা ক্ষতির মুখে পড়েছে।গতকাল বাজার বন্ধের সময়ই সেনসেক্স ৮৭২.৭৩ পয়েন্ট বেড়ে ৫৩ হাজারে দাঁড়িয়েছিল। নিফটিও ২৪৫.৬০ পয়েন্ট বেড়ে সর্বকালের সর্বোচ্চ রেকর্ড ১৬,১৩০.৭৫ সূচকে পৌঁছেছিল। আচমকা শেয়ার বাজারের দর ওঠার পিছনে জিএসটি সংগ্রহ, ধাতু ও ব্যাংকের শেয়ারের দর বৃদ্ধিই দায়ী বলে মনে করছেন বাজার বিশেষজ্ঞরা। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক বাজারেও সূচক উর্ধ্বমুখীই। ফলে খু্শির হাওয়া দালালস্ট্রিটে।

আগস্ট ০৪, ২০২১
স্বাস্থ্য

Corona Update: উদ্বেগ বাড়িয়ে ডেল্টার প্রভাবে ফের বাড়ছে সংক্রমণ

রাজ্যে ফের বাড়ল করোনার দৈনিক সংক্রমণ। স্বাস্থ্য দপ্তর প্রকাশিত শনিবারের বুলেটিনে নতুন করে রাজ্যে ৭৬৯ জন করোনা আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। উদ্বেগ বাড়িয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা ও উত্তরবঙ্গের সংক্রমণের হারও। কলকাতাতেও গত দুদিনের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে সংক্রমণ। জেলায় করোনা সংক্রমণের দিকে নজর করলে বোঝা যাবে, রাজ্যের কয়েকটি অংশে সিংহ ভাগ আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে। উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলা আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, দার্জিলিং, কালিম্পঙ ও জলপাইগুড়ি মিলিয়ে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ২০৬। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দৈনিক আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে দার্জিলিঙে (৬৫), তার পরেই রয়েছে জলপাইগুড়ি (৬১)। আরও পড়ুনঃ অনুমতি ছাড়াই ম্যারাথনে দৌঁড়লেন দিলীপ-সৌমিত্ররাদক্ষিণবঙ্গে এখনও উদ্বেগের কারণ হয়ে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। শেষ ২৪ ঘণ্টায় এই জেলায় দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ৮৯, যা রাজ্যেও সর্বোচ্চ। জেলা প্রশাসন ইতিমধ্যে ব্যারাকপুর কমিশনারেট ও বারাসত পুর এলাকায় একাধিক কন্টেনমেন্ট জোন ঘোষণা করেছে। অন্যদিকে, ভারতে করোনায় দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা কমলেও ফের বাড়ল সংক্রমণ। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রবিবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। একদিনে আক্রান্তের সংখ্যা ৪১ হাজার ৮৩১। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৩৯ হাজার ২৫৮ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৪ লক্ষ ২৪ হাজার ৩৫১ জনের। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ১৬ লক্ষ ৫৫ হাজার ৮২৪। অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৪ লক্ষ ১০ হাজার ৯৫২। করোনাকে জয় করে সুস্থ হয়েছেন ৩ কোটি ৮ লক্ষ ২০ হাজার ৫২১ জন।এই মুহূর্তে ভারতে সংক্রমণ বৃদ্ধিতে প্রধান ভূমিকা নিচ্ছে ডেল্টা রূপ। ডেল্টার হাত ধরেই ভারতে তৃতীয় ঢেউ আসতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই প্রসঙ্গে গুলেরিয়া বলেন, হাম বা চিকেন পক্সের ক্ষেত্রে আর ভ্যালু প্রায় ৮। অর্থাৎ এক জনের থেকে আট জনের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আমরা দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় দেখেছি এক জনের থেকে পুরো পরিবারকে আক্রান্ত হতে। চিকেন পক্সের ক্ষেত্রেও এটাই হয়। ডেল্টা রূপে আক্রান্ত এক জনের পক্ষে গোটা পরিবারকে আক্রান্ত করার ক্ষমতা রয়েছে।ভারতের বেশ কিছু রাজ্যে সেরো সার্ভেতে দেখা গিয়েছে অ্যান্টিবডির পরিমাণ অনেকটাই। তবে এই বিষয় নিয়ে বেশি খুশি হওয়ার কারণ নেই বলেই জানিয়েছেন গুলেরিয়া। তিনি বলেন, আমরা দেখেছি আগে কেরলে অ্যান্টিবডি অনেক বেশি ছিল। কিন্তু সম্প্রতি সেখানে সংক্রমণ বাড়ছে। কারণ একটা সময়ের পরে শরীরে অ্যান্টিবডির পরিমাণ ও ক্ষমতা দুইই কমতে থাকে। ফলে একমাত্র টিকাই ভরসা। যত দ্রুত সম্ভব সবাইকে টিকা দেওয়া দরকার। তবেই দেশে সংক্রমণ কমানো যাবে বলে মনে করেন এইমস প্রধান।

আগস্ট ০১, ২০২১
দেশ

Corona Update: চিন্তা বাড়াচ্ছে দেশের ৫ রাজ্যের করোনা সংক্রমণ

করোনা সংক্রমণে দেশে স্বস্তি যেন কিছুতেই মিলছে না। সংক্রমণের হার কিছুটা কম থাকলে, ফের বেড়ে যাচ্ছে করোনা সংক্রমণের হার। চিন্তা বাড়াচ্ছে মহারাষ্ট্র-কেরলের পাশাপাশি উত্তর-পূর্বের কয়েকটি রাজ্যও। দেশে সামান্য কমল দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৯ হাজার ৩৬১ জন। কমেছে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যাও। গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিডে মৃত্যু হয়েছে ৪১৬ জনের। বেশিরভাগ রাজ্যে সংক্রমণ কমলেও কেরল ও মহারাষ্ট্রে এখনও দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা অনেক বেশি। কেরলে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা ১৭ হাজার ৪৬৬। অন্যদিকে মহারাষ্ট্রে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৮৪৩ জন। সংক্রমণ বাড়ছে উত্তর-পূর্বের তিন রাজ্যেও। গত ২৪ ঘণ্টায় মিজোরামে ২ হাজার ৩০৭, মণিপুরে ১ হাজার ২০৭ ও অসমে ১ হাজার ৫৪ জন আক্রান্ত হয়েছেন। অর্থাৎ এই পাঁচ রাজ্যে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ২৮ হাজার ৮৭৭, যা দেশের দৈনিক সংক্রমণের প্রায় ৭৩ শতাংশ।আরও পড়ুনঃ নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার প্রতিবেশীকেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২৬ জুলাই, সোমবার পর্যন্ত ভারতে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ১৪ লক্ষ ১১ হাজার ২৬২। এখনও পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ৪ লক্ষ ২০ হাজার ৯৬৭ জনের। দেশে মোট কোভিড সংক্রমণের হার কমে হয়েছে ৬.৮৭ শতাংশ। যদিও গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণের হারও বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে কোভিড সংক্রমণের হার ৩.৪১ শতাংশ। আক্রান্তের তুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সুস্থতার সংখ্যা কম। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩৫ হাজার ৯৬৮ জন। এখনও পর্যন্ত মোট ৩ কোটি ৫ লক্ষ ৭৯ হাজার ১০৬ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। অর্থাৎ দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় সক্রিয় রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। এই মুহূর্তে দেশে মোট সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৪ লক্ষ ১১ হাজার ১৮৯। টিকাকরণ শুরু হওয়ার পর থেকে এখনও পর্যন্ত ৪৩ কোটি ৫১ লক্ষ ৯৬ হাজার ১ জন টিকা পেয়েছেন দেশে।

জুলাই ২৬, ২০২১
দেশ

Corona Update: ফের লাগামহীন সংক্রমণ, একদিনে আক্রান্ত ৪১ হাজার

দেশে করোনা সংক্রমণের সূচকে ওঠাপড়া লেগেই রয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪১ হাজার ৩৮৩ জন। একদিনে সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ৫০৭ জনের। অন্যদিকে, একদিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩৮ হাজার ৬৫২ জন। এই নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ কোটি ১২ লক্ষ ৫৭ হাজার ৭২০-তে। এরমধ্যে করোনা জয়ীর সংখ্যা ৩ কোটি ৪ লক্ষ ২৯ হাজার ৩৩৯। সংক্রমণে দেশে মোট মৃত্যু হয়েছে ৪ লক্ষ ১৮ হাজার ৯৮৭ জনের। বর্তমানে দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৪ লক্ষ ৯ হাজার ৩৯৪। আরও পড়ুনঃ বেশ কয়েকটা ওয়েব সিরিজের জন্য কথা হয়েছে : ঋতিষাদেশের এই দৈনিক আক্রান্তের অর্ধেকের বেশি কেবলমাত্র দুটি রাজ্য থেকে। কেরলে দিন দিন লাগামছাড়া হচ্ছে সংক্রমণ পরিস্থিতি। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ১৭ হাজার জন। মহারাষ্ট্রেও তা ৮ হাজারের বেশি। অবশ্য তামিলনাড়ু এবং কর্নাটকে দুহাজারের নীচে নেমেছে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা। তবে অন্ধ্রপ্রদেশে তা এখনও আড়াই হাজারের বেশি। কেরলের মতো মণিপুরের পরিস্থিতিও গত কয়েকদিনে খারাপ হয়েছে। সেখানে বৃহস্পতিবার দৈনিক আক্রান্ত ১ হাজার ৩২৭ জন। এর আগে কোনও দিন এত মানুষ একদিনে আক্রান্ত হননি ভারতের উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে। অসমেও রোজ আক্রান্ত হচ্ছেন দেড় হাজারের বেশি। সেই সঙ্গে মিজোরাম, অরুণাচলপ্রদেশ এবং মেঘালয়েও বাড়ছে সংক্রমণ।বুধবার হঠাৎই ৪ হাজারের কাছে পৌঁছলেও, বৃহস্পতিবার দেশের দৈনিক মৃত্যু ৫০০-র কাছে নেমে এসেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ৫০৭ জনের। মহারাষ্ট্রে দৈনিক মৃত্যু ১৫০-র বেশি। কেরলে ১০০-র বেশি। বাকি সব রাজ্যে দৈনিক মৃত্যু ৫০-এর কম। গত দুদিন ধরে সংক্রমণ বেশি হওয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা। দেশে এখন সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৪ লক্ষ ৯ হাজার ৩৯৪ জন।

জুলাই ২২, ২০২১
দেশ

Corona: আতঙ্ক জাগিয়ে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ৩ হাজারের বেশি!

প্রায় আতঙ্ক জাগিয়ে ফের লাফিয়ে বাড়ল দৈনিক করোনা সংক্রমণ। দেশের দৈনিক সংক্রমণ দুদিন পর ফের ৪০ হাজারের গণ্ডি ছাড়াল। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৪২ হাজার ১৫ জন। অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সংক্রমণ বেড়েছে ৪০ শতাংশ। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা হল ৩ কোটি ১২ লক্ষ ১৬ হাজার ৩৩৭ জন।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে সামান্য বাড়লেও দেশে করোনা সংক্রমণে স্বস্তিমনে করা হচ্ছে, মহারাষ্ট্রের মৃতের সংখ্যার বৃদ্ধির জেরেই দেশের দৈনিক মৃত্যু এক লাফে এতটা বাড়ল। এর আগেও বিভিন্ন রাজ্য তাদের পুরনো মৃত্যু যোগ করায় দেশের দৈনিক মৃত্যু বেড়ে গিয়েছিল। তবে মহারাষ্ট্র ছাড়া শুধুমাত্র কেরলে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ১০০-র বেশি। বাকি সব রাজ্যে দৈনিক মৃত্যু ৫০-এর কম রয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বুধবারের বুলেটিনে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা চোখ কপালে তুলে দিতে পারে। সেখানে দেখা যাচ্ছে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ৯৯৮ জনের। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরেই দৈনিক মৃত্যু ছিল ৫০০-র আশপাশে। গত দুদিন তা ৫০০-র নীচে নেমেছিল। যে মহারাষ্ট্রে গত এক সপ্তাহে দৈনিক মৃত্যু হচ্ছিল ১৫০-র কাছাকাছি, সেখানেই গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু দেখানো হয়েছে ৩ হাজার ৬৫৬। হঠাৎ করে সে রাজ্যে একদিনে এত মৃত্যু হল, না পুরনো মৃত্যু, যা কোভিড-মৃত্যুর তালিকায় রাখা ছিল না, তা যোগ করায় দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা এত বেশি হল, এই নিয়ে প্রশ্ন ঘোরাফেরা করছে।

জুলাই ২১, ২০২১
দেশ

Corona: ফের বাড়ল দৈনিক সংক্রমণ

কিছুটা স্বস্তি দিয়ে ফের দেশে বাড়ল করোনার দৈনিক সংক্রমণ। মৃত্যুহার সামান্য কমলেও গত ২৪ ঘণ্টায় ৮০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। পরিসংখ্যা অনুসারে, বুধবারের তুলনায় বৃহস্পতিবার দেশের দৈনিক সংক্রমণ বাড়ল ৫ শতাংশ। সেই সঙ্গে বেড়েছে দৈনিক সংক্রমণের হার। মৃত্যু এক ধাক্কায় অনেকটা কমলেও ৮০০-র উপরে। টিকাকরণও বুধবারের তুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় কম হয়েছে। বুধবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রকাশিত বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৫ হাজার ৮৯২ জন। ওই সময়ের মধ্যে দৈনিক সংক্রমণ ফের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার পাশাপাশি সক্রিয় রোগীর সংখ্যাও বেড়ে হয়েছে ৪ লক্ষ ৬০ হাজার ৭০৪। উল্টো দিকে কমেছে দৈনিক সুস্থতা। গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিড থেকে সুস্থ হয়েছেন ৪৪ হাজার ২৯১ জন।

জুলাই ০৮, ২০২১
দেশ

Corona Death: দেশে কোভিডে দৈনিক মৃত্যু ছাড়াল ১ হাজার, বাড়ল দৈনিক সংক্রমণও

ফের বাড়ল দেশের দৈনিক কোভিড সংক্রমণ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুসারে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৮ হাজার ৭৮৬ জন। বুধবার এই আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৪৫ হাজার ৯৫১ জন। অর্থাৎ বুধবারের তুলনায় বৃহস্পতিবার আক্রান্ত বেড়েছে প্রায় ৬ শতাংশ। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা হল ৩ কোটি ৪ লক্ষ ১১ হাজার ৬৩৪ জন।গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৫ জন কোভিড রোগীর। ৩ দিন পর ফের ১ হাজার ছাড়াল দৈনিক মৃত্যু। মহারাষ্ট্র, কর্নাটক, কেরল এবং তামিলনাড়ু ছাড়া দেশের সব রাজ্যেই দৈনিক মৃত্যু ১০০-র নীচে রয়েছে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুসারে, উত্তরাখণ্ডে দৈনিক মৃত্যু হয়েছে ২২১ জনের। এর জেরেই দেশের দৈনিক মৃত্যু হাজার ছাড়াল। অতিমারি পর্বে করোনা ভাইরাস দেশে প্রাণ কেড়েছে ৩ লক্ষ ৯৯ হাজার ৪৫৯ জনের।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে ২টি নতুন ক্যানসার হাসপাতালের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীরএদিকে, চিকিৎসক দিবসে দেশে করোনার মৃত্যুর হার ফের বৃদ্ধি পাওয়ায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সরকারের তরফে টিকাকরণে জোর দেওয়া হলেও বহু জায়গায় এখনএ পর্যাপ্ত টিকা অমিল। টিকা কম থাকার কারণে দ্বিতীয় ডোজের উপরই আপাতত জোর দেওয়া হচ্ছে। এখনও টিকা দিতে দগিয়ে ফিরে আসতে হচ্ছে অনেক মানুষকেই। যা নিয়ে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যেই মডার্নার টিকাও বা্জারে আসার জন্য ডিসিজিএ-র অনুমোদন পেয়েছে। সব মিলিয়ে করোনায় মৃত্যুর হার বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সংক্রমণও বৃদ্ধি পেয়েছে সমানভাবে। যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক।

জুলাই ০১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

পুজোর পাসে ৬০ কোটির অভিযোগ! রাত ১১টা পর্যন্ত ইন্দ্রনীলের বাড়িতে ইডি, এরপর কী?

প্রাক্তন মন্ত্রী তথা গায়ক ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) কসবার বাড়িতে মঙ্গলবার দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশি চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। প্রায় সাড়ে ১৫ ঘণ্টা পর রাত ১১টা নাগাদ তদন্তকারীরা বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। এরপর বুধবার সকাল ১০টায় ইডির দপ্তরে ইন্দ্রনীল সেনকে তলব করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইন্দ্রনীল (Indranil Sen) । অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।ইডি সূত্রে অভিযোগ, কলকাতার দুর্গাপুজোর পুজো পরিক্রমা বা প্রিভিউ শো-এর নামে ইউনেস্কোর নাম ও প্রতীক ব্যবহার করে প্রবেশপত্র বিক্রি করা হয়েছিল। সেই প্রবেশপত্রের মাধ্যমে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম হয়ে থাকতে পারে বলে তদন্তকারীদের দাবি। এই ঘটনায় ইন্দ্রনীল সেন এবং তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেনের নামও উঠে এসেছে বলে ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে (Indranil Sen) ।চলতি বছরের জুন মাসে এই সংক্রান্ত অভিযোগ বউবাজার থানায় দায়ের হয়েছিল। অভিযোগকারীর বক্তব্যের ভিত্তিতে পরে আর্থিক তছরূপের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা শুরু হয়। সেই মামলার সূত্র ধরেই মঙ্গলবার ইডি কলকাতার একাধিক জায়গায় একসঙ্গে তল্লাশি চালায়।ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) কসবার বাড়ি ছাড়াও কলকাতার আরও কয়েকটি ঠিকানায় তদন্তকারীরা পৌঁছন। হিন্দুস্তান পার্ক এবং হাইল্যান্ড পার্কের ঠিকানাতেও তল্লাশি চালানো হয়। ইভেন্ট পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত কয়েক জনের বাড়িতেও অভিযান চলে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে। সিঙ্গুরে ইন্দ্রনীল সেনের বাগানবাড়িতেও তদন্তকারীরা গিয়েছিলেন বলে খবর।প্রতিটি ঠিকানায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা ছিল। একাধিক দলে ভাগ হয়ে ইডির আধিকারিকেরা এই অভিযান চালান। তদন্তকারীদের মূল লক্ষ্য ছিল অভিযোগে উঠে আসা আর্থিক লেনদেন এবং পুজোর প্রবেশপত্র বিক্রির সঙ্গে যুক্ত নথি ও তথ্য খতিয়ে দেখা।এই অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে মাস আর্ট নামে একটি সংগঠন। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২১ সালে কলকাতার দুর্গাপুজো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ার পর ওই সংগঠনটি তৈরি হয়। সংগঠনটির তরফে নিজেদের ইউনেস্কোর সঙ্গে যুক্ত বা অনুমোদিত উদ্যোগ হিসেবে প্রচার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই পরিচয় ব্যবহার করে পুজো পরিক্রমার জন্য চড়া দামে প্রবেশপত্র বিক্রি করা হত বলেও তদন্তকারীদের দাবি।ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) স্ত্রী মধুছন্দা সেন ওই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, পাস বিক্রি এবং ওই সংস্থার আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তবে এই অভিযোগগুলি এখনও তদন্তাধীন এবং আদালতে প্রমাণিত নয়।প্রাথমিক অভিযোগ অনুযায়ী, পুজোর প্রিভিউ শো বা পুজো পরিক্রমার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছিল। ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে এই পাস বিক্রির অনুমতি আদৌ ছিল কি না, সেটিও তদন্তের অন্যতম বিষয়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে পাসের মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের টাকা সংগ্রহের অভিযোগের কথা উঠে এসেছে।ইন্দ্রনীল সেন অবশ্য শুরু থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। মঙ্গলবার দীর্ঘ তল্লাশির পরও তিনি অভিযোগ মানেননি বলে জানা গিয়েছে। বরং প্রয়োজন হলে আইনি পথে যাওয়ার বার্তা দিয়েছেন তিনি।এখন বুধবার সকাল ১০টায় ইডির দপ্তরে হাজির হওয়ার পর ইন্দ্রনীল সেনকে কী কী বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে। পুজোর প্রবেশপত্র বিক্রি, সংশ্লিষ্ট সংস্থার আর্থিক লেনদেন এবং অভিযোগে উঠে আসা টাকার অঙ্কসবই তদন্তের পরবর্তী পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।ইডির মঙ্গলবারের তল্লাশিতে কী কী নথি বা তথ্য পাওয়া গেল, তা এখনও প্রকাশ্যে বিস্তারিত ভাবে জানানো হয়নি। তদন্ত এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে অভিযোগের প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর মুখে চাকরি নিয়ে বড় আশ্বাস! বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থান তুলে নিলেন ৩৭১৯ কম্পিউটার শিক্ষক

পুজোর মুখে চাকরি হারানোর আশঙ্কায় বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থান শুরু করেছিলেন রাজ্যের সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলের চুক্তিভিত্তিক কম্পিউটার শিক্ষকরা। সোমবার থেকে শুরু হওয়া সেই অবস্থান ও বিক্ষোভ মঙ্গলবার পর্যন্ত চলে। পরে শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মনের সঙ্গে দুই দফায় বৈঠকের পর আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেন শিক্ষকদের সংগঠন আইসিটি ঐক্য মঞ্চ।বৈঠকে শিক্ষকদের একাধিক দাবি বিবেচনা করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে। আপাতত যাতে চাকরিতে কোনও ছেদ না পড়ে, সেই ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে। টেন্ডারে নির্বাচিত সংস্থার অধীনেই ৩৭১৯ জন শিক্ষক কাজ চালিয়ে যাবেন বলে জানা গিয়েছে।শিক্ষকদের দাবি পূরণের জন্য শিক্ষামন্ত্রী ছমাস সময় চেয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সরকারের সঙ্গে সরাসরি চুক্তির মাধ্যমে শিক্ষকদের বেতন এবং অন্যান্য বিষয় শ্রম আইন মেনে কী ভাবে করা যায়, তা নিয়ে চেষ্টা করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।সোমবার থেকেই একাধিক দাবি নিয়ে বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থানে বসেছিলেন চুক্তিভিত্তিক কম্পিউটার শিক্ষকরা। রাতভর সেখানে বিক্ষোভ চলে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকার পর শিক্ষকদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রী। সেই বৈঠকের পরেই আপাতত আন্দোলন তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।শিক্ষক রাহুল দাসের দাবি, প্রথম থেকে পঞ্চম পর্যায়ে নিযুক্ত প্রায় পাঁচ হাজার কম্পিউটার প্রশিক্ষকের সঙ্গে সরকারের যে ভাবে সরাসরি চুক্তি রয়েছে, একই ধরনের ব্যবস্থা তাঁদের ক্ষেত্রেও করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে শিক্ষামন্ত্রীর তরফে এই বক্তব্যের বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।এই সমস্যার নেপথ্যে রয়েছে চুক্তি নিয়ে জটিলতা। ২০২২ সাল বা তার আশপাশের সময়ে বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে ৩৭১৯ জন কম্পিউটার শিক্ষককে পাঁচ বছরের চুক্তিতে নিয়োগ করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী অনেকের চুক্তির মেয়াদ আরও কিছুদিন থাকার কথা থাকলেও, হঠাৎ ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে চুক্তি শেষ করার নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে শিক্ষকদের অভিযোগ।শিক্ষকদের আরও অভিযোগ, আগের কয়েকটি পর্যায়ে নিযুক্ত কম্পিউটার প্রশিক্ষকদের দীর্ঘমেয়াদি কাজের সুযোগ দেওয়া হলেও ষষ্ঠ ও সপ্তম পর্যায়ের শিক্ষকদের ক্ষেত্রে সেই সুবিধা দেওয়া হয়নি। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে তাঁদের বেতন কমানোর অভিযোগও উঠেছে।চুক্তি শেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় শুধু শিক্ষক ও তাঁদের পরিবার নয়, স্কুল কর্তৃপক্ষও সমস্যায় পড়তে পারেন বলে শিক্ষক সংগঠনের দাবি। কারণ সরকারি বিভিন্ন ডিজিটাল শিক্ষা প্রকল্পে এই কম্পিউটার শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চ-এর সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী বলেন, কম্পিউটার শিক্ষকদের নিয়মিতকরণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তার মধ্যে কাজ করা কঠিন এবং স্কুলের কাজে এই শিক্ষকেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।আপাতত শিক্ষকদের আন্দোলন প্রত্যাহার হলেও তাঁদের মূল দাবি পূরণ কতটা দ্রুত হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে। বিশেষ করে সরাসরি সরকারি চুক্তি, বেতন কাঠামো এবং চাকরির নিশ্চয়তা নিয়ে আগামী ছমাসে কী সিদ্ধান্ত হয়, তা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
দেশ

যশোভূমিতে ফিজিওথেরাপির মহামিলন: ১০ হাজারের মঞ্চে বাংলার গর্ব, সম্মানে IAP Bengal

২,০০০ কিলোমিটারের Physio Baton যাত্রা থেকে দিল্লির বর্ণাঢ্য মহাযাত্রাআন্তর্জাতিক সম্মেলনে উজ্জ্বল বাংলার উপস্থিতিনয়াদিল্লি: ফিজিওথেরাপির জগতে এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সাক্ষী থাকল নয়াদিল্লির যশোভূমি কনভেনশন সেন্টার। ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত World Physiotherapy Asia Western Pacific (AWP) Regional Conference 2026-এ দেশ-বিদেশের ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক, গবেষক, ছাত্রছাত্রী ও পেশাজীবীদের মিলন ঘটল এক বিশাল আন্তর্জাতিক মঞ্চে। Fitness for Allএই বার্তাকে সামনে রেখে আয়োজিত সম্মেলনে ফিজিওথেরাপির ভবিষ্যৎ, আধুনিক চিকিৎসা-পদ্ধতি, গবেষণা, জনস্বাস্থ্য এবং পেশাগত বিকাশ নিয়ে হয় একাধিক আলোচনা।সম্মেলনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক ছিল ১০ হাজারেরও বেশি ফিজিওথেরাপিস্টের একসঙ্গে উপস্থিতি। এই বিপুল অংশগ্রহণকে World Record হিসেবে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়। ফলে সম্মেলনটি শুধু একটি পেশাগত অনুষ্ঠানেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং আন্তর্জাতিক ফিজিওথেরাপি জগতের একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে পরিণত হয়।বিশেষ সম্মান IAP Bengal Branch-এরএই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে পশ্চিমবঙ্গের জন্য আসে আরও একটি উল্লেখযোগ্য স্বীকৃতি। IAP Bengal Branch-কে দেশের সেরা শাখা হিসেবে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড, পেশাগত উন্নয়ন এবং ফিজিওথেরাপি সংক্রান্ত বিভিন্ন উদ্যোগের স্বীকৃতি হিসেবেই এই সম্মানকে দেখা হচ্ছে।দিল্লির আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলার প্রতিনিধিদের হাতে এই সম্মান তুলে দেওয়ার মুহূর্তটি ছিল আবেগঘন। পশ্চিমবঙ্গের ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের কাছে এটি নিঃসন্দেহে এক গর্বের মুহূর্ত হয়ে ওঠে।বর্ধমান থেকে শুরু Physio Baton-এর ঐতিহাসিক যাত্রাসম্মেলনের আগে বাংলার সঙ্গে এই আন্তর্জাতিক আয়োজনের যোগসূত্র আরও দৃঢ় করে Physio Baton বা মশাল যাত্রা। ২২ সেপ্টেম্বর বর্ধমানের ঐতিহাসিক কার্জন গেট হয়ে সেই মশাল যাত্রার সূচনা হয়।কার্জন গেটে Physio Baton-কে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন প্রায় ৭০ জন ফিজিওথেরাপিস্ট। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ডাঃ সত্যেন ভট্টাচার্য, ডাঃ শুভেন্দু দ্বিবেদী (PT), ডাঃ আদিত্য পাল ডাঃ অতনু রায়, ডাঃ অনিন্দ দে (PT), ডাঃ শুকদেব মুখার্জী (PT)-সহ আরও অনেকে। উপস্থিত ছিলেন গোলাপবাগ ফিজিওথেরাপি কলেজের অধ্যক্ষ ডাঃ এম. এস. আনোয়ার (PT)।ঐতিহাসিক বর্ধমানের মাটি থেকে শুরু হয়ে প্রায় ২,০০০ কিলোমিটার সড়কপথ পেরিয়ে Physio Baton পৌঁছে যায় দিল্লিতে। এই দীর্ঘ যাত্রাপথে বিভিন্ন জেলা ও রাজ্যের ফিজিওথেরাপিস্টদের সঙ্গে যোগাযোগ, মতবিনিময় এবং পেশাগত সম্পর্ক গড়ে তোলার উদ্যোগও নেওয়া হয়।বাংলার ঐতিহ্য ধরা পড়ল দিল্লির মহাযাত্রায়দিল্লিতে পৌঁছনোর পর Physio Baton-কে কেন্দ্র করে আয়োজিত হয় বর্ণাঢ্য মহাযাত্রা। সেখানে বাংলার প্রতিনিধিরা নিজেদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সামনে তুলে ধরেন।পুরুষ প্রতিনিধিদের অনেকেই ধুতি-পাঞ্জাবি এবং মহিলা প্রতিনিধিরা শাড়ি পরে শোভাযাত্রায় অংশ নেন। পেশাগত পরিচয়ের পাশাপাশি বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এই উপস্থাপনা আন্তর্জাতিক মঞ্চে আলাদা মাত্রা যোগ করে।বর্ধমান থেকে শুরু হওয়া মশাল যাত্রার সেই ধারাবাহিকতা শেষ পর্যন্ত পৌঁছয় World Physiotherapy-এর সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক নেতৃত্বের মঞ্চে।ডাঃ রুচি ভার্শনে (PT) (Dr. Ruchi Varshney) এবং ডাঃ সঞ্জীব ঝা (PT) (Dr. Sanjeev Jha)-এর হাত ধরে Physio Baton তুলে দেওয়া হয় World Physiotherapy-এর President-এর হাতে। মুহূর্তটি উপস্থিত প্রতিনিধিদের মধ্যে বিশেষ আবেগ ও গর্বের সৃষ্টি করে।যাত্রার নেতৃত্বে ডাঃ কৌশিক মল্লিক (PT)এই দীর্ঘ ও তাৎপর্যপূর্ণ যাত্রার পরিকল্পনা, নেতৃত্ব এবং সমন্বয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন ডাঃ কৌশিক মল্লিক (PT), Vice President, IAP West Bengal Branch।প্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের এই সড়কযাত্রা শুধুমাত্র একটি মশাল বহনের কর্মসূচি ছিল না। পথে বিভিন্ন জেলা ও রাজ্যের ফিজিওথেরাপিস্টদের সঙ্গে যোগাযোগ, তাঁদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং পেশাগত নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগও এই যাত্রার অন্যতম লক্ষ্য হয়ে ওঠে।ফলে Physio Baton-এর যাত্রা কার্যত বাংলার সঙ্গে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের মধ্যে একটি সংযোগের সেতু তৈরি করে।১৩টি হলে একসঙ্গে বৈজ্ঞানিক কর্মসূচি২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর যশোভূমি কনভেনশন সেন্টারের বিশাল পরিসরে সম্মেলনের বিভিন্ন পর্ব পরিচালিত হয় ১৩টি হলে। একই সঙ্গে চলে একাধিক বৈজ্ঞানিক ও পেশাগত অধিবেশন।পেপার ও পোস্টার প্রেজেন্টেশন, বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, প্যানেল আলোচনা, কর্মশালা, ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন কার্যক্রম এবং দেশ-বিদেশের বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্টদের অংশগ্রহণে সম্মেলন কার্যত পরিণত হয় জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের এক বিশাল প্ল্যাটফর্মে।এই আন্তর্জাতিক মঞ্চে বর্ধমানের ফিজিওথেরাপিস্ট ডাঃ সত্যেন ভট্টাচার্য (PT) ও বক্তা হিসেবে অংশ নেন। বাংলার একটি জেলা শহর থেকে উঠে এসে আন্তর্জাতিক সম্মেলনের বৈজ্ঞানিক অধিবেশনে বক্তব্য রাখার বিষয়টিও স্থানীয় পেশাজীবীদের কাছে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।শুধু চিকিৎসা ও গবেষণার ক্ষেত্রেই নয়, আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার গুরুত্ব উপলব্ধি করে কনটেন্ট ক্রিয়েটর, পডকাস্টার এবং ডিজিটাল মিডিয়ার জন্যও বিশেষ পরিসর রাখা হয় সম্মেলনে।ফিজিওথেরাপির গুরুত্ব তুলে ধরলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীসম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। তাঁর বক্তব্যে আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থায় ফিজিওথেরাপির গুরুত্বের বিষয়টি উঠে আসে।এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ভিডিও বার্তা এবং কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকেও ভিডিও বার্তা সম্মেলনে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এর ফলে ফিজিওথেরাপি যে শুধুমাত্র পুনর্বাসনমূলক চিকিৎসার একটি অংশ নয়, বরং বৃহত্তর জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গএই বার্তাটিও আন্তর্জাতিক মঞ্চে আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।বাংলার জন্য একাধিক গর্বের মুহূর্তএকদিকে ১০ হাজারেরও বেশি ফিজিওথেরাপিস্টের ঐতিহাসিক উপস্থিতি, অন্যদিকে IAP Bengal Branch-এর বিশেষ সম্মাননা। তার সঙ্গে বর্ধমানের কার্জন গেট থেকে শুরু হওয়া Physio Baton-এর প্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের যাত্রা এবং দিল্লির মহাযাত্রায় বাংলার ঐতিহ্যবাহী পোশাকে প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণসব মিলিয়ে সম্মেলনে বাংলার উপস্থিতি হয়ে ওঠে বিশেষভাবে স্মরণীয়।এই যাত্রা দেখিয়ে দিল, ফিজিওথেরাপি এখন আর শুধুমাত্র চিকিৎসাক্ষেত্রের একটি নির্দিষ্ট শাখার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। গবেষণা, জনস্বাস্থ্য, ফিটনেস, পুনর্বাসন, প্রযুক্তি এবং সামাজিক সচেতনতার বৃহত্তর পরিসরে ফিজিওথেরাপির ভূমিকা ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে।যশোভূমির আন্তর্জাতিক মঞ্চে সেই পরিবর্তনেরই প্রতিফলন দেখা গেল। আর সেই মঞ্চে বাংলার প্রতিনিধিত্ব, IAP Bengal Branch-এর স্বীকৃতি এবং বর্ধমান থেকে শুরু হওয়া Physio Baton-এর ঐতিহাসিক যাত্রা পশ্চিমবঙ্গের ফিজিওথেরাপি মহলের জন্য তৈরি করল এক স্মরণীয় অধ্যায়।বর্ধমানের কার্জন গেট থেকে দিল্লির যশোভূমিপ্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের সেই যাত্রা তাই কেবল একটি মশাল বহনের গল্প নয়; এটি বাংলার ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের ঐক্য, উদ্যোগ, পেশাগত সংযোগ এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেওয়ার এক অনন্য কাহিনি।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
কলকাতা

রোজভ্যালির আমানতকারীদের টাকা কবে ফিরবে? হাই কোর্টের নির্দেশে সামনে এল নির্দিষ্ট সময়

রোজভ্যালি চিটফান্ড মামলায় আমানতকারীদের টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়া নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করল কলকাতা হাই কোর্ট। দীর্ঘদিন ধরে টাকা ফেরানোর কাজ চললেও তার গতি যথেষ্ট নয় বলে আদালতের পর্যবেক্ষণ। এবার নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে আমানতকারীদের টাকা ফেরানোর নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। একই সঙ্গে প্রতি মাসে কাজের অগ্রগতির হিসাব আদালতে জমা দিতে হবে।বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ এবং বিচারপতি সুদীপ দেবের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, রোজভ্যালির সম্পত্তি বিক্রি করে সেই অর্থ আমানতকারীদের মধ্যে বণ্টন করাই সম্পদ নিষ্পত্তি কমিটির মূল দায়িত্ব। এর বাইরে কমিটির কোনও অতিরিক্ত আইনি ক্ষমতা নেই। আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, কমিটির তত্ত্বাবধানে থাকা সহযোগী সংস্থা তৃতীয় পক্ষের সঙ্গে হোটেল পরিচালনার যে চুক্তি করেছিল, তার অনুমোদনের ক্ষমতা কমিটির ছিল না। ফলে ওই ধরনের অনুমোদনহীন চুক্তিগুলিকে শুরু থেকেই বাতিল বলে ঘোষণা করেছে আদালত।আমানতকারীদের পক্ষের আইনজীবীর দাবি, দীর্ঘ সময় ধরে কমিটির হাতে বিপুল সম্পত্তি থাকলেও সেই তুলনায় টাকা ফেরানোর কাজ খুব ধীর গতিতে হয়েছে। আদালতে যে তথ্য তুলে ধরা হয়েছে, তাতে প্রায় ৬০০ কোটি টাকার সম্পত্তির কথা বলা হয়েছে। তার মধ্যে মাত্র ৫৫ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা আমানতকারীদের মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে বলে দাবি। গত ১১ বছরে মাত্র ১০টি সম্পত্তির নিলাম এবং ৮০টি সম্পত্তির মূল্যায়ন সম্পূর্ণ হয়েছে বলেও আদালতে জানানো হয়।অন্যদিকে, রোজভ্যালি সম্পদ নিষ্পত্তি কমিটির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের শেষ দিক থেকে আমানতকারীদের টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত একাধিক দফায় এক লক্ষেরও বেশি দাবিদারকে টাকা দেওয়া হয়েছে এবং প্রায় ৩২ লক্ষ দাবি নথিভুক্ত হয়েছিল। ফলে আগের বছরগুলিতে কাজের গতি নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তার পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে শুরু হওয়া টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়াটিও আদালতের নজরে রয়েছে।হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১৫ নভেম্বরের মধ্যে অ্যাকাউন্টে থাকা প্রায় ৫৫০ কোটি টাকা মুলতুবি থাকা দাবিগুলির ভিত্তিতে যোগ্য আমানতকারীদের মধ্যে বণ্টনের ব্যবস্থা করতে হবে। আদালতের নির্দেশে ৩২ লক্ষ ৪৩ হাজার ২২০টি মুলতুবি দাবির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর ২০২৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বাকি সম্পত্তি বিক্রি এবং সেই অর্থ আমানতকারীদের মধ্যে বণ্টনের কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।শুধু সময়সীমা বেঁধে দিয়েই থামেনি আদালত। প্রতি মাসে সম্পদ নিষ্পত্তি কমিটিকে আদালতে কাজের অগ্রগতির রিপোর্ট জমা দিতে হবে। অর্থাৎ কতগুলি সম্পত্তি বিক্রি হল, কত টাকা বণ্টন করা হল এবং কতগুলি দাবি এখনও বাকি রয়েছে, সেই সংক্রান্ত অগ্রগতির হিসাব আদালতের নজরে থাকবে।আদালত আরও জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়সীমার পরেও যদি কাজ বাকি থাকে, তা হলে অবশিষ্ট সম্পত্তি, অর্থ এবং অন্যান্য অসম্পূর্ণ বিষয় বিচারপতি এস পি তালুকদারের নেতৃত্বাধীন এক সদস্যের কমিটির হাতে তুলে দেওয়া হবে। অর্থাৎ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ না হলে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ায় নতুন ব্যবস্থা কার্যকর হতে পারে।রোজভ্যালি মামলায় জালিয়াতির অভিযোগের তদন্ত এবং সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়ায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটও যুক্ত রয়েছে। এবার বাজেয়াপ্ত না হওয়া বাকি সম্পত্তি চিহ্নিত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ইডিকে নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, তদন্তে চিহ্নিত নতুন সম্পত্তির বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।এ ছাড়া সিরিয়াস ফ্রড ইনভেস্টিগেশন অফিসকে ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ফরেনসিক অডিট শেষ করে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। এর ফলে রোজভ্যালির সম্পত্তি, আর্থিক লেনদেন এবং টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়ায় আরও নজরদারি বাড়তে চলেছে।রোজভ্যালি মামলায় দীর্ঘদিন ধরে টাকা ফেরানোর অপেক্ষায় রয়েছেন বহু আমানতকারী। আদালতের এই নির্দেশে এবার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়া শেষ করার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। আগামী কয়েক মাসে সম্পত্তি বিক্রি, দাবির যাচাই এবং টাকা বণ্টনের কাজ কতটা দ্রুত এগোয়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হাসপাতাল থেকে সরাসরি এশিয়ান গেমস! বৃষ্টির মধ্যেই সোনা জিতে ইতিহাস নীরুর

এই কাহিনী শুনলে যে কারও মন ভালো হতে বাধ্য। লক্ষ্য যদি অবিচল থাকে তাহলে যে কোনও কঠিন পরিস্থিতি আসুক না কেন, কেউ তাঁকে হারাতে পারবে না। এশিয়ান গেমসে সোনা জেতার মাত্র ১০ দিন আগেও তাঁর কেরিয়ার নিয়ে তৈরি হয়েছিল বড় অনিশ্চয়তা। হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ভারতীয় ট্র্যাপ শুটার নীরু ধান্ডা। সংক্রমণের কারণে শারীরিক অবস্থা এতটাই খারাপ হয়েছিল যে, জাপানের নাগোয়ায় এশিয়ান গেমসে আদৌ অংশ নিতে পারবেন কি না, তা নিয়েই সংশয় তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সেই অসুস্থতাকেই পিছনে ফেলে মঙ্গলবার ইতিহাস গড়লেন ২৬ বছরের এই ভারতীয় শুটার।জাপানের গ্রামীণ টয়োটার উরেনোচো শুটিং রেঞ্জে প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই ট্র্যাপ শুটিংয়ের ফাইনালে ৩০টির মধ্যে ২৮টি লক্ষ্যভেদ করেন নীরু। এর ফলে এশিয়ান গেমসের নতুন রেকর্ড গড়ে সোনা জেতেন তিনি। চিনের সুন ইউনং ২৬টি লক্ষ্যভেদ করে রুপো পান। এশিয়ান গেমসে এটিই ভারতের পঞ্চম সোনা। তবে নীরুর সাফল্যের গুরুত্ব শুধু পদকের হিসাবেই নয়। এশিয়ান গেমসের ইতিহাসে এই প্রথম কোনও ভারতীয় মহিলা ট্র্যাপ শুটিংয়ে ব্যক্তিগত সোনা জিতলেন। একইসঙ্গে ১৯৭৮ সালের পর এই ইভেন্টে কোনও ভারতীয় শুটারের ব্যক্তিগত সোনার অপেক্ষাও শেষ হল। ১৯৭৮ সালে রণধীর সিং ট্র্যাপ শুটিংয়ে সোনা জিতেছিলেন।এই সাফল্যের নেপথ্যে ছিল কঠিন এক প্রত্যাবর্তনের গল্প। নয়াদিল্লিতে জাতীয় শিবিরে প্রায় সাড়ে তিন সপ্তাহ অনুশীলন করতে পারেননি নীরু। অসুস্থতার সময় টানা পাঁচ দিন খাবারও খাননি, শুধু জল খেয়ে ছিলেন। হাসপাতালেও তিন দিন কাটাতে হয় তাঁকে। এই কঠিন সময়ে পাশে ছিলেন তাঁর কোচ অর্জুন পুরস্কারপ্রাপ্ত মনশের সিং। প্রতিদিন ফোন করে নীরুকে মানসিকভাবে চাঙ্গা রাখতেন তিনি। নীরুর কথায়, কোচ তাঁকে বলতেন কয়েক দিন অনুশীলন না করলেও কিছু যায় আসে না, তিনি প্রতিভাবান এবং তারকা হয়েই থাকবেন। প্রাক্তন সাংসদ তথা ক্রীড়ামন্ত্রী যশোধরা রাজের কাছ থেকেও সমর্থনের বার্তা পেয়েছিলেন নীরু।ভারতের ট্র্যাপ শুটিং কোচ পিটার উইলসন জানান, হাসপাতালে থাকার মাত্র ১০ দিনের মধ্যেই নীরু প্রতিযোগিতায় নেমেছেন। সাড়ে তিন সপ্তাহ অনুশীলন না করেও জাপানে মাত্র দুদিন শুটিং করে ফাইনালে সাফল্য পেয়েছেন তিনি। নীরুর শুটিংয়ে আসার গল্পও বেশ চমকপ্রদ। ২০১৮ সালের এশিয়ান গেমসে তাঁর খুড়তুতো ভাই লক্ষ্য শেওরান ট্র্যাপ শুটিংয়ে রুপো জেতার পর এই খেলায় আগ্রহী হন তিনি। পরে ভোপালের মধ্যপ্রদেশ স্টেট শুটিং অ্যাকাডেমিতে প্রশিক্ষণ শুরু করেন।গত বছর এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা এবং চলতি বছরের জুলাইয়ে ISSF বিশ্বকাপে ব্যক্তিগত ট্র্যাপ সোনা জেতার পর এবার এশিয়ান গেমসেও সাফল্য পেলেন নীরু। তার উপর মঙ্গলবার ছিল প্রবল বৃষ্টি। বৃষ্টির জল শুটারদের হাতে পড়ছিল, মনোযোগও নষ্ট হচ্ছিল। কিন্তু নিজেকে বারবার প্রক্রিয়ায় ফিরিয়ে এনে লক্ষ্যভেদ করেন নীরু। হাসপাতালের বিছানা থেকে এশিয়ান গেমসের মঞ্চ, এই অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের শেষে তাঁর হাতেই উঠল ঐতিহাসিক সোনা।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
রাজ্য

জেএমবি-যোগের সন্দেহে মঙ্গলকোটের মসজিদের ইমামকে গ্রেপ্তার এনআইএ-র, বাজেয়াপ্ত ডায়েরি ও মোবাইল

পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটে মসজিদের ইমামকে গ্রেপ্তার করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। বাংলাদেশের নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (JMB)-এর সঙ্গে যোগাযোগ রাখার সন্দেহেই পালিশ গ্রামের পূর্বপাড়ার মসজিদের ইমাম পিয়ার মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার ভোরে মঙ্গলকোট থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে মসজিদে অভিযান চালায় এনআইএ। সেখান থেকেই তাঁকে হেফাজতে নেওয়া হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পিয়ার মোহাম্মদের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর থানার কুলুট গ্রামে। গত প্রায় তিন-চার বছর ধরে তিনি মঙ্গলকোটের পালিশ গ্রামের পূর্বপাড়ার মসজিদে ইমামের দায়িত্ব পালন করছিলেন। তদন্তকারীরা তাঁর পাসপোর্ট পরীক্ষা করে জানতে পেরেছেন, একাধিকবার বাংলাদেশে গিয়েছেন তিনি।এনআইএ সূত্রে খবর, মসজিদে ইমাম থাকার জন্য যে ঘরটি পিয়ার মোহামদ ব্যবহার করতেন, সেখান থেকে একটি ডায়েরি এবং মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ওই ডায়েরিতে বাংলাদেশের কয়েকজনের ফোন নম্বর পাওয়া গিয়েছে বলেও তদন্তকারী সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এই যোগাযোগগুলির সঙ্গে জঙ্গি সংগঠনের কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।চলতি বছরের জুন মাসে পশ্চিমবঙ্গ এবং উত্তর-পূর্ব ভারতকেন্দ্রিক কথিত সন্ত্রাসবাদী ষড়যন্ত্রের মামলায় ১১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করেছিল এনআইএ। সেই মামলার তদন্তের সূত্র ধরেই পিয়ার মোহাম্মদের নাম তদন্তকারীদের নজরে আসে বলে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার তাঁকে প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে গ্রেপ্তার করা হয়।তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, তাবলিগ জামাতের কাজে বৈধভাবে প্রায় ৪০ দিন বাংলাদেশে ছিলেন পিয়ার মোহাম্মদ। তবে সেই সফরের সময়ে তিনি জেএমবির কোনও সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন কি না, কোনও বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন কি না, কিংবা বাংলাদেশের কোনও জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে তাঁর আদৌ কোনও সম্পর্ক রয়েছে কি না, এই সব বিষয় খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।পিয়ার মোহাম্মদের সঙ্গে আরও কারও যোগাযোগ ছিল কি না, তাঁর মাধ্যমে কোনও বৃহত্তর জঙ্গি নেটওয়ার্কের সন্ধান পাওয়া যায় কি না, সেই বিষয়েও তদন্ত চালাচ্ছে এনআইএ ও স্থানীয় পুলিশ।ইমামকে জঙ্গি-যোগের সন্দেহে গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই পালিশ গ্রামে চাঞ্চল্য দেখা দেয়। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, পিয়ার মোহাম্মদকে তাঁরা বরাবরই শান্ত এবং সাধারণ স্বভাবের মানুষ হিসেবেই জানতেন। ফলে তাঁর গ্রেপ্তারের খবর তাঁদের বিস্মিত করেছে।এদিকে মঙ্গলবার দুপুরে ধৃত ইমামকে নিয়ে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেয় এনআইএ। তাঁকে কলকাতার ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।পিয়ার মোহাম্মদের আইনজীবী কাজি সাহাবাব জামান জানিয়েছেন, টেলিগ্রাম অ্যাপের মাধ্যমে নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে বার্তালাপের অভিযোগে তাঁর মক্কেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে তাঁর মক্কেল নির্দোষ বলে দাবি করেছেন আইনজীবী।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
দেশ

২৭০০ থেকে ২৭ হাজার! ক্যানসারের ওষুধে দশ গুণ দাম দেখে সুপ্রিম কোর্টে তোলপাড়

ক্যানসারের মতো গুরুতর রোগের চিকিৎসায় ওষুধের খরচ নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলেছে সুপ্রিম কোর্ট। একটি ক্যানসারের ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা খুচরো বিক্রেতাকে যে দামে ওষুধ দিচ্ছে, তার তুলনায় সর্বোচ্চ খুচরো দামের ব্যবধান দশ গুণ পর্যন্ত হতে পারেএমন তথ্য শুনানিতে উঠে আসে। উদাহরণ হিসেবে আদালত জানতে পারে, ২৭০০ টাকায় খুচরো বিক্রেতার কাছে পৌঁছনো একটি ওষুধের সর্বোচ্চ খুচরো দাম ২৭ হাজার টাকা। এই বিপুল ব্যবধান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে জবাব চেয়েছে শীর্ষ আদালত।বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চ ওষুধের মূল্যনিয়ন্ত্রণ, জেনেরিক ওষুধের ব্যবহার এবং চিকিৎসা সরঞ্জামের দাম সংক্রান্ত মামলার শুনানি করছিল। সেখানেই ক্যানসারের ওষুধের দামে খুচরো বিক্রেতার জন্য নির্ধারিত দাম এবং রোগীর জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ খুচরো দামের মধ্যে এত বড় ফারাক নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। আদালত জানতে চায়, ২৭০০ টাকায় যে ওষুধ বিক্রেতার কাছে যাচ্ছে, সেটির সর্বোচ্চ খুচরো দাম কেন ২৭ হাজার টাকা হবে।আদালতের প্রশ্ন ছিল, এই অতিরিক্ত টাকার বড় অংশ কোথায় যাচ্ছে এবং এর ফলে কারা লাভবান হচ্ছে। বিচারপতিরা এমন দামের ব্যবধানকে রোগীদের উপর গুরুতর আর্থিক চাপ হিসেবে দেখেছেন। বিশেষ করে ক্যানসারের মতো রোগে চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় ওষুধের দাম বেড়ে গেলে তার সরাসরি প্রভাব পড়ে রোগী এবং পরিবারের উপর।শীর্ষ আদালত বেসরকারি হাসপাতালের ওষুধ বিক্রির ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখেছে। শুনানিতে এমন অভিযোগের প্রসঙ্গ ওঠে যে, কিছু কর্পোরেট হাসপাতাল রোগীদের নিজেদের ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনতে বাধ্য করে। বাইরে থেকে একই ওষুধ কিনে আনলে চিকিৎসা নিয়ে সমস্যার আশঙ্কাও রোগীদের সামনে থাকে বলে আদালতে বিষয়টি উঠে আসে।সরকারি স্বাস্থ্য প্রকল্পের আওতায় চিকিৎসার ক্ষেত্রেও ওষুধের বাড়তি দাম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আদালত। কারণ কোনও সরকারি প্রকল্পে চিকিৎসা বা ওষুধের খরচ বেশি হলে শেষ পর্যন্ত সেই ব্যয়ের একটা অংশ সরকারি অর্থ থেকে মেটানো হয়। ফলে এর আর্থিক প্রভাব সাধারণ মানুষের উপরও পড়তে পারে বলে আদালত পর্যবেক্ষণ করেছে।শুনানিতে ওষুধকে অত্যাবশ্যকীয় এবং অনত্যাবশ্যকীয়এই ভাগ করে আলাদা নিয়ম রাখার যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। বিচারপতিরা জানতে চান, সব ধরনের ওষুধের ক্ষেত্রেই কি নির্দিষ্ট হারে লভ্যাংশের সীমা বেঁধে দেওয়া যায় না। আদালতের তরফে ১৬ শতাংশ লভ্যাংশের সীমার কথাও আলোচনায় আসে।কেন্দ্রের পক্ষে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করে সরকারের অবস্থান আদালতকে জানানো হবে। কেন্দ্র আরও সময় চেয়েছে বলেও সাম্প্রতিক শুনানির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। মামলাটির পরবর্তী শুনানি ১২ অক্টোবর হওয়ার কথা।তবে ১৬ শতাংশ লভ্যাংশের সীমা এখনই কার্যকর কোনও নতুন নিয়ম নয়। এটি শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্টের উত্থাপিত একটি প্রস্তাব বা প্রশ্ন। কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনার পর এ বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।ক্যানসারের ওষুধের দাম নিয়ে এই শুনানি তাই রোগীদের চিকিৎসার খরচ, ওষুধের মূল্যনিয়ন্ত্রণ এবং হাসপাতালের ওষুধ বিক্রির পদ্ধতিতিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কেই সামনে এনেছে। এখন কেন্দ্রের বক্তব্য এবং পরবর্তী শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের অবস্থানের দিকে নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
দেশ

সহকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি! কাঠুয়ায় সিআইএসএফ শিবিরে ভয়াবহ ঘটনায় মৃত্যু ৪ জওয়ানের

জম্মু ও কাশ্মীরের কাঠুয়ায় সিআইএসএফের একটি শিবিরে ভয়াবহ গুলিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার ডিউটি পরিবর্তনের সময় বচসার পর এক সহকর্মী কয়েকজন জওয়ানকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছেন বলে অভিযোগ। ঘটনায় চার সিআইএসএফ জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে। অভিযুক্ত জওয়ানকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সিআইএসএফ সূত্রে খবর, বিকেলে ডিউটি পরিবর্তনের সময় হেড কনস্টেবল অবধেশ সিংয়ের সঙ্গে কয়েকজন জওয়ানের বচসা হয়। প্রথমে বিষয়টি কথা কাটাকাটির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল বলে জানা গিয়েছে। পরে সেই বচসা বড় আকার নেয়।অভিযোগ, এক পর্যায়ে অবধেশ সিং নিজের রাইফেল তুলে সহকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি চালান। গুলিতে চার জওয়ান গুরুতর আহত হন। তাঁদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চারজনেরই মৃত্যু হয়।নিহত জওয়ানদের মধ্যে রয়েছেন সহকারী কমান্ড্যান্ট অঙ্কিত কুমার পাণ্ডে, সাব-ইন্সপেক্টর লক্ষ্মণ সিং, কনস্টেবল সঞ্জীব কুমার এবং কনস্টেবল মহম্মদ রফিক।ঘটনার পর কাঠুয়া সিআইএসএফ শিবিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। কী কারণে ডিউটি পরিবর্তনের সময় বচসা শুরু হয়েছিল এবং কী পরিস্থিতিতে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। সিআইএসএফ সদর দপ্তরের তরফে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি সিআইএসএফের মহাপরিচালক গোটা পরিস্থিতি এবং তদন্তের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করছেন।অভিযুক্ত জওয়ানকে গ্রেফতার করার পর তাঁর বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হবে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ কী, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে। চার সহকর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় কাঠুয়া সিআইএসএফ শিবিরে এখন তদন্তের পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal