• ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩, বুধবার ১৩ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Incident

দেশ

মমতার মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক, আদালতে ভিডিও পেশ, উত্তপ্ত শুনানি সুপ্রিম কোর্টে

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে মোথাবাড়ি ঘটনার তদন্ত রিপোর্ট জমা দিল এনআইএ। রিপোর্ট জমার আগে দিল্লিতে নিজেদের সদর দপ্তরে বিশেষ বৈঠক করেন সংস্থার আধিকারিকরা। এদিন শুনানিতে ভারচুয়ালি হাজির হন রাজ্যের মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালা এবং রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তা। পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন মালদহের জেলাশাসক ও জেলা পুলিশ সুপারও। আদালতে দীর্ঘ সময় ধরে জোর সওয়াল জবাব চলে।শুনানির কয়েক ঘণ্টা আগে নদিয়ার নাকাশিপাড়ায় এক সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, বাইরে থেকে আসা কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে হামলার ষড়যন্ত্র হতে পারে। সেই বক্তব্যও আদালতে ওঠে। নির্বাচন কমিশনের তরফে আইনজীবী ডি এস নায়ডু একটি ভিডিও ক্লিপ জমা দেন এবং এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান।অন্যদিকে, কেন্দ্রের পক্ষের আইনজীবী তুষার মেহতা রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, বিচারকরা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন এবং সাহায্য চাইছেন। রাজ্য প্রশাসন ঠিকমতো কাজ না করলে প্রয়োজন হলে আদালত হস্তক্ষেপ করবে বলেও জানিয়ে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। এদিন এক নজিরবিহীন ঘটনায় প্রধান বিচারপতি নিজে আদালতে মোবাইল ব্যবহার করে একটি গুরুত্বপূর্ণ চিঠি দেখান। শুনানিতে আগের নির্বাচনের হিংসার প্রসঙ্গও উঠে আসে। কেন্দ্র ও নির্বাচন কমিশনের আইনজীবীরা জানান, ভবিষ্যতের নির্বাচনেও এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়া উচিত নয় এবং আদালতের নজরদারি প্রয়োজন।এনআইএ-র রিপোর্টে জানানো হয়েছে, এই ঘটনায় মোট বারোটি এফআইআর দায়ের হয়েছে। প্রাথমিক তদন্ত স্থানীয় থানার পুলিশ করায় তদন্তে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মত সংস্থার। তাই সমস্ত তথ্যপ্রমাণ তাদের হাতে তুলে দেওয়ার আবেদন জানানো হয়। সুপ্রিম কোর্ট জানায়, প্রয়োজন হলে এনআইএ নতুন করে মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করতে পারে এবং সেই অনুযায়ী বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে হবে। একইসঙ্গে আগের মামলাগুলির সমস্ত তথ্যও আদালতে দিতে হবে।রাজ্যের তরফে হলফনামা জমা দিয়ে জানানো হয়েছে, পুলিশ দ্রুত তদন্ত করে এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত মোফাক্কেরুল ইসলাম ও তার সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে। সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, দ্রুত তাদের এনআইএ-র হাতে তুলে দিতে হবে।ঘটনার সূত্রপাত পয়লা এপ্রিল। ভোটার তালিকায় নাম না থাকায় মালদহের কালিয়াচকে ক্ষোভ ছড়ায়। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং বিচারকদের উপর হামলার অভিযোগ ওঠে। বিক্ষোভকারীরা দীর্ঘ সময় ধরে কয়েকজন বিচারককে একটি দফতরে আটকে রাখেন। তাঁদের মধ্যে মহিলা বিচারকও ছিলেন। গভীর রাতে পুলিশ গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক। বিষয়টি পৌঁছে যায় সুপ্রিম কোর্টে এবং তদন্তভার দেওয়া হয় এনআইএ-কে। রাজ্যের মুখ্যসচিব, ডিজি, মালদহের পুলিশ সুপার ও জেলাশাসককে শোকজ নোটিস পাঠানো হয়। সেই অনুযায়ী সোমবার তাঁরা আদালতে ভারচুয়ালি হাজিরা দেন।

এপ্রিল ০৬, ২০২৬
রাজ্য

চাঞ্চল্যকর মোথাবাড়ি কাণ্ড! নাম কাটার ভয় নয়, নেপথ্যে ‘গভীর ষড়যন্ত্র’—তদন্তে বিস্ফোরক ইঙ্গিত

মালদহের মোথাবাড়ি কাণ্ডের তদন্তে নেমে বড়সড় ইঙ্গিত দিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। প্রাথমিক অনুসন্ধানে তাদের মত, এই আন্দোলন শুধুমাত্র নাম বাদ যাওয়ার ভয়ে হয়নি, এর পিছনে ছিল গভীর ষড়যন্ত্র এবং পরিকল্পনা।এনআইএর দাবি, এসআইআর-এর কাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই কালিয়াচক, সুজাপুর এবং মোথাবাড়ির একাধিক গ্রামে গোপনে মানুষকে প্রভাবিত করার কাজ চলছিল। নাম বাদ গেলে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবেএমন ভয় দেখিয়ে প্রথমে মানুষকে একত্রিত করা হয় বলে মনে করা হচ্ছে। এই কাজের পিছনে কারা রয়েছে, সেই চক্রের খোঁজ চালাচ্ছে তদন্তকারী সংস্থা।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, এই আন্দোলন হঠাৎ করে এক-দুদিনে তৈরি হয়নি। যদিও বিচারকদের আটকে রাখার ঘটনা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে, তবে এর পিছনে অন্য উদ্দেশ্য ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা এনআইএর।এখনও পর্যন্ত যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে পুলিশের কাছ থেকে। অতীতে কোনও আন্দোলন বা জমায়েতের সঙ্গে তাঁদের যোগ ছিল কি না, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এনআইএর হাতে আসা কিছু ভিডিও ফুটেজেও দেখা গিয়েছে, কীভাবে উস্কানিমূলক বক্তব্য এবং প্ররোচনা দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করা হয়েছে। তদন্তকারীদের মতে, এই সব তথ্য বৃহত্তর কোনও ষড়যন্ত্রের দিকেই ইঙ্গিত করছে।ঘটনার তদন্তে নেমে এনআইএর একটি দল ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে গিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করেছে। সংগ্রহ করা সমস্ত তথ্য কলকাতার এনআইএ দফতরে পাঠানো হয়েছে। সূত্রের খবর, সেই রিপোর্ট এনআইএর আইজি সোনিয়া সিং-এর কাছেও জমা দেওয়া হয়েছে।তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশের কাছ থেকে একাধিক ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। পাশাপাশি, পুলিশ প্রথম কখন খবর পেয়েছিল, কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়েছিল এবং ঘটনার সময় পুলিশের ভূমিকা কী ছিল, সেই সব দিকও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
রাজ্য

বিজেপি-মিম-কংগ্রেস যোগ! কালিয়াচক ইস্যুতে বড় অভিযোগ মমতার

কালিয়াচকের ঘটনাকে ঘিরে আবারও নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হরিরামপুরের সভা থেকে তিনি বলেন, এখন প্রশাসন তাঁর হাতে নেই। তবে তার পরেও রাজ্য দ্রুত পদক্ষেপ করেছে।মালদহে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা পৌঁছানোর আগেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে রাজ্যের সিআইডি। এই প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, এনআইএ আসার আগেই মূল অভিযুক্তকে ধরা হয়েছে। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাও যথেষ্ট সক্রিয়।মমতা আরও অভিযোগ করেন, মালদহের ঘটনার পিছনে বিজেপি, মিম এবং কংগ্রেসের যোগ রয়েছে। তাঁর দাবি, এই তিন দল মিলেই অশান্তি তৈরির চেষ্টা করেছে।সভামঞ্চ থেকে তিনি কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে বদল করা হয়েছে। নতুন আধিকারিকদের নিয়োগ করা হয়েছে। তিনি আশা করেন, তাঁরা বাংলার মানুষের স্বার্থে কাজ করবেন এবং কোনও চাপের কাছে নতি স্বীকার করবেন না।মমতা জানান, কিছুদিনের জন্য তাঁর হাত থেকে ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তবে পরে আবার সব স্বাভাবিক হবে এবং তখন সব কিছুর বিচার হবে।কালিয়াচক ঘটনার মূল অভিযুক্ত পালানোর চেষ্টা করছিল বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, বাগডোগরা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বাইরে থেকে লোক এনে অশান্তি তৈরির চেষ্টা হয়েছে।এছাড়াও তিনি সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে বলেন, কেউ যেন নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য অপরিচিত কারও হাতে না দেন। তাঁর দাবি, অনেক জায়গায় ভুল পরিচয় দিয়ে মানুষকে প্রতারিত করার চেষ্টা হচ্ছে। সামান্য টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তথ্য নেওয়া হচ্ছে। এই বিষয়ে সবাইকে সাবধান থাকার আহ্বান জানান তিনি।পুরো ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। তদন্ত চলছে এবং আগামী দিনে আরও কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই নজর রয়েছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
রাজ্য

কালিয়াচক কাণ্ডে নতুন বিস্ফোরণ! প্রাক্তন মন্ত্রীর দিকে আঙুল বিজেপির

বুধবার রাত থেকেই কালিয়াচকের ঘটনা নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। সাত জন বিচারককে দীর্ঘ সময় ধরে ঘেরাও করে রাখার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। নির্বাচন কমিশনও এই বিষয়ে কড়া বার্তা দিয়েছে। শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার একটি দল।এই ঘটনার দায় নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর ক্রমশ বাড়ছে। এর মধ্যেই রাজ্যের এক বিদায়ী মন্ত্রীর নাম জড়িয়ে বড় অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। একটি ভিডিয়ো প্রকাশ করে তারা দাবি করেছে, এই ঘটনার সঙ্গে তাঁর যোগ থাকতে পারে।বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করেছেন দলের প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, এই পুরো ঘটনার পিছনে শাসক দলের শীর্ষ নেতৃত্ব রয়েছে এবং সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ভূমিকা নিয়েছেন মোথাবাড়ির বিধায়ক সাবিনা ইয়াসমিন।এরপর বিজেপির তথ্যপ্রযুক্তি শাখার প্রধান অমিত মালব্য সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেন। সেখানে দেখা যায়, কয়েক জন সমর্থককে নিয়ে বসে রয়েছেন সাবিনা ইয়াসমিন। মালব্যর দাবি, কালিয়াচকের ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগেই তাঁকে একটি প্রতিবাদ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিতে দেখা গিয়েছিল। তিনি আরও বলেন, এই ধরনের পোস্ট মুছে ফেললেও লাভ হবে না, কারণ সব তথ্য তাঁদের কাছে রয়েছে। তিনি এই ভিডিয়োর মাধ্যমে দেশের সর্বোচ্চ আদালত ও নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করেছেন।তবে এই সব অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন সাবিনা ইয়াসমিন। তিনি পাল্টা কটাক্ষ করে বলেন, শুভেন্দু অধিকারী তাঁকে সব সময় ভয় পান, বিশেষ করে ভোটের সময়। তাঁর কথায়, এই ভয় তিনি উপভোগ করেন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতিতে সক্রিয় থাকলেও এবার তাঁর কেন্দ্র বদল হয়েছে। আগে তিনি মোথাবাড়ির বিধায়ক ছিলেন, তবে এবারের নির্বাচনে তাঁকে সুজাপুর থেকে প্রার্থী করা হয়েছে। প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই তিনি এলাকায় প্রচারে নেমেছেন।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

যুবভারতী কাণ্ডে স্বস্তির খবর, শুরু হচ্ছে টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া

যুবভারতী স্টেডিয়াম কাণ্ডে দর্শকদের টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করল সিট। টাকা ফেরত দিতে আদালতের অনুমতি চাইছে পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, দর্শকদের কাছ থেকে টিকিট বিক্রি করে আয়োজক সংস্থা প্রায় ১৯ কোটি টাকা তুলেছিল। আয়োজক সংস্থার দায়িত্বে থাকা জোমাটোর আধিকারিকদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই এই তথ্য জানা গিয়েছে।ঘটনার পর রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার সাংবাদিক বৈঠক করে দর্শকদের আশ্বস্ত করেছিলেন যে, যাঁরা টিকিট কেটেও মেসিকে দেখতে পাননি, তাঁদের প্রত্যেকের টাকা ফেরত দেওয়া হবে। সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এবার প্রক্রিয়া শুরু হল।তদন্তে নেমে আয়োজক শতদ্রু দত্তের সংস্থার কাছ থেকে প্রায় ২২ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে সিট। এই বিষয়টি নিম্ন আদালত ও উচ্চ আদালতে সওয়াল-জবাবের সময় জানানো হয়েছে। চলতি সপ্তাহে আলিপুর আদালতে শুনানির সময় আইনজীবী বিভাস চট্টোপাধ্যায় দাবি করেন, যুবভারতীতে মেসিকে আনার নামে প্রায় ২৩ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। তিনি বলেন, তদন্ত এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ টিকিট কেটেছিলেন এবং টিকিট বিক্রি থেকে প্রায় ১৯ কোটি টাকা আয় হয়েছিল।সেদিনের বিশৃঙ্খলা ও ভাঙচুরে প্রায় ২ কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তির ক্ষতি হয় বলেও আদালতে জানানো হয়েছে। মেসি দর্শন ঘিরে যুবভারতী স্টেডিয়াম কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। হাজার হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কেটেও দর্শকরা মেসিকে দেখতে না পেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং স্টেডিয়ামে ব্যাপক ভাঙচুর চালান।ঘটনার দিনই বিকেলে বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয় আয়োজক শতদ্রু দত্তকে। এরপর সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার সাফ জানিয়ে দেন, টিকিট বিক্রির টাকা দর্শকদের ফেরত দিতেই হবে, না হলে আয়োজকদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যদিও এই ঘটনার জেরে ডিজি রাজীব কুমারকেও শোকজ করা হয়েছিল।

জানুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

গীতা হাতে আদালতে হাজির মেসি অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা! ফের জেল হেফাজতের নির্দেশ

হাতে গীতা নিয়ে আদালতে ঢুকলেন শতদ্রু দত্ত। রবিবার তাঁর পুলিশি হেফাজতের মেয়াদ শেষ হওয়ায় তাঁকে বিধাননগর মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়। আদালতে ঢোকার সময় দেখা যায়, ডান হাতে গীতা ধরে রয়েছেন তিনি। মুখ গম্ভীর, ধীর পায়ে আদালতের দিকে এগোতে দেখা যায় মেসির কলকাতা সফরের অন্যতম উদ্যোক্তাকে। তবে রবিবারও জামিন পেলেন না শতদ্রু।গত ১৩ ডিসেম্বর যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে লিওনেল মেসির অনুষ্ঠান ঘিরে চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। সেই দিনই বিমানবন্দর থেকে শতদ্রুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর তাঁকে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানো হয়। পাশাপাশি রিষড়ায় তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালায় বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশ। তল্লাশির পর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ও আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত নথি খতিয়ে দেখেন সিটের আধিকারিকরা। তদন্তের ভিত্তিতে শতদ্রুর প্রায় ২২ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়।পুলিশি হেফাজতের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর রবিবার আদালতে তোলা হলে সরকারি আইনজীবীরা তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলেন। অভিযোগ করা হয়, সরকারি অনুমতি পাওয়ার আগেই খাদ্য ও পানীয় সরবরাহকারী সংস্থার সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছিল। পাশাপাশি প্রায় ২৩ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগও তোলা হয়। সরকারি পক্ষের দাবি, শতদ্রু যথেষ্ট প্রভাবশালী ব্যক্তি, তাই তাঁকে জামিন দেওয়া উচিত নয়।দীর্ঘ সওয়াল-জবাবের পর আদালত জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয়। আগামী ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত তাঁকে জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদিও শতদ্রুর আইনজীবীর দাবি, আইনি লড়াইয়ে তাঁর মক্কেল এগিয়ে রয়েছেন। অন্যান্য শহরের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, কোনও সংস্থার তরফেই নিয়ম ভাঙা হয়নি। উল্লেখ্য, পুলিশি জেরায় শতদ্রু ইতিমধ্যেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এবার তাঁকে পাঠানো হল জেল হেফাজতে।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫
কলকাতা

২৫ কোটি কে দিল? যুবভারতী বিতর্কে মমতা সরকারকে নিশানা বিজেপির

যুবভারতী কাণ্ডে মুখ পুড়েছে কলকাতার। এই ঘটনা নিয়ে শুধু রাজ্য নয়, দেশ-বিদেশেও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। হাইকোর্টের এক অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে তদন্ত চলছে। আলাদা করে সিট গঠন করেছে কলকাতা পুলিশ। ইতিমধ্যেই শোকজ করা হয়েছে রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমারকে। ক্রীড়ামন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছে অরূপ বিশ্বাসকে। এর পাশাপাশি যুবভারতীতে ভাঙচুরের ঘটনায় গত ৪৮ ঘণ্টায় একের পর এক গ্রেপ্তারির খবর সামনে এসেছে।এই পরিস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিক বৈঠকে সুর চড়ালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পুলিশের ভূমিকা ও রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান শমীক। তাঁর বক্তব্য, যাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাঁরা সকলেই টিকিট কেটে খেলা দেখতে গিয়েছিলেন। অনেকেই চাকরিজীবী, কেউ সরকারি কর্মী, কেউ বা বহুজাতিক সংস্থায় কাজ করেন। শিক্ষিত যুবকদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।শমীকের প্রশ্ন, যুবভারতীতে যে প্রাতিষ্ঠানিক লুঠ হয়েছে, তার সঙ্গে যাঁরা যুক্ত, তাঁরা কোথায়। মেসিকে আনার জন্য প্রথম ২৫ কোটি টাকা অগ্রিম কে দিয়েছিল, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, গোটা তৃণমূল দল এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত। শুধু ক্রীড়ামন্ত্রীকে সরিয়ে নাটক করা হচ্ছে বলে কটাক্ষ করেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, রাজ্য পুলিশের ডিজিকে কে পরিচালনা করেন, শেষ পর্যন্ত দায় সরকারেরই।এ দিন সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারীও জানান, ধৃতদের আইনি সহায়তায় বিজেপি সম্পূর্ণ প্রস্তুত। তাঁর বক্তব্য, বিষয়টি দলের তরফে নজরে রাখা হচ্ছে। বিজেপির আইনজীবীরা কলকাতা হাইকোর্টে মামলায় স্থগিতাদেশ চেয়ে আবেদন করবেন। পাশাপাশি ধৃতদের মুক্তির দাবিও জানানো হবে বলে জানান তিনি।যুবভারতী কাণ্ড ঘিরে এ বার রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও তীব্র হচ্ছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫
রাজ্য

মেসি-কাণ্ডে কড়া পদক্ষেপ, তবু ‘আইওয়াশ’ বিতর্ক! অরূপের গ্রেফতারি দাবি শুভেন্দুর

যুবভারতী-কাণ্ডে ছবি বিতর্কের জেরে আগেই মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ক্রীড়ামন্ত্রীর পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে চিঠি দিয়েছিলেন অরূপ বিশ্বাস। এর মধ্যেই মঙ্গলবার সকালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গঠিত অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অসীমকুমার রায়ের নেতৃত্বাধীন তদন্ত কমিটি রিপোর্ট জমা দেয়। রিপোর্ট জমা পড়ার পরই রাজ্য পুলিশের ডিজিপি রাজীব কুমারকে শোকজ করা হয়। সব মিলিয়ে যুবভারতী-কাণ্ডে মুখ্যমন্ত্রীর একের পর এক কড়া পদক্ষেপ সামনে এসেছে।তবে এই সব পদক্ষেপকে আইওয়াশ বলে কটাক্ষ করেছেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, শুধু অব্যাহতি নয়, অরূপ বিশ্বাস ও সুজিত বসুকে গ্রেফতার করতে হবে। শুভেন্দুর বক্তব্য, যুবকদের আবেগে আঘাত করা হয়েছে। যাঁরা টিকিট কেটেছিলেন, তাঁদের টাকা ফেরত দিতে হবে। পুলিশের লাঠিচার্জে যাঁরা গ্রেফতার হয়েছেন, তাঁদের অবিলম্বে জামিন দেওয়া উচিত।অন্যদিকে, তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ আবারও বলেছেন, নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থেই অরূপ বিশ্বাস ক্রীড়ামন্ত্রীর পদ থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন। তাঁর মতে, মুখ্যমন্ত্রী রাজধর্ম পালন করেছেন। তবে যুবভারতীতে যে দিন বিশৃঙ্খলা হয়েছিল, সেই ঘটনার বিতর্ক এখনও থামেনি। কারণ ওই দিন স্টেডিয়ামে প্রবেশ করতে পারেননি মুখ্যমন্ত্রী নিজেই। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত ছিল যে মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি ঘুরিয়ে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে হয়।এই ঘটনার মধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে মেসির সঙ্গে অরূপ বিশ্বাসের একাধিক ছবি। দর্শকদের অভিযোগ, মেসিকে ঘিরে এত অনাকাঙ্ক্ষিত লোকজন রাখা হয়েছিল যে হাজার হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কেটে আসা সাধারণ দর্শকরা তাঁকে দেখতেই পাননি। ক্ষোভ থেকেই পরে ভাঙচুর এবং বিশৃঙ্খলার ছবি সামনে আসে।মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি ঘুরিয়ে ফিরে যাওয়ার ঘটনাকেই বড় ইস্যু করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ১৫ বছরের মধ্যে এই প্রথম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এমন পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেছেন, মেসির অনুষ্ঠান ঘিরে কয়েকশো কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে।ইতিমধ্যেই প্রশাসনের তরফে আয়োজকদের গাফিলতির কথা স্বীকার করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই ডিজিপি রাজীব কুমারকে শোকজ করা হয়েছে। তবে শুভেন্দু অধিকারীর মতে, এই শোকজও শুধুই লোক দেখানো। তাঁর কটাক্ষ, রাজীব কুমার এই রাজ্যের অলিখিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫
কলকাতা

যুবভারতীর বিশৃঙ্খলার দায় নিলেন অরূপ, ইস্তফা গ্রহণ মুখ্যমন্ত্রীর

ক্রীড়ামন্ত্রী পদ থেকে অরূপ বিশ্বাসের ইস্তফা গ্রহণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে লিওনেল মেসির অনুষ্ঠানে তৈরি হওয়া বিশৃঙ্খলার দায় নিয়ে নিজেই পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন অরূপ। সেই চিঠি গ্রহণ করে মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ দপ্তরের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন। আপাতত এই দপ্তরের দায়িত্ব নিজেই সামলাবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে অরূপ বিশ্বাস জানান, ১৩ ডিসেম্বর মেসির আগমনের সময় যুবভারতীতে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সেই তদন্ত যাতে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ভাবে হয়, সেই কারণেই তিনি ক্রীড়ামন্ত্রী পদ থেকে সরে দাঁড়াতে চান। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর সেই আবেদন মেনে নিয়েছেন। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ দপ্তর নবান্ন থেকেই দেখভাল করবেন মুখ্যমন্ত্রী।তবে অরূপ বিশ্বাস তাঁর হাতে থাকা বিদ্যুৎ দপ্তরের দায়িত্বে বহাল থাকছেন। ওই দপ্তরের কাজ আগের মতোই তিনি সামলাবেন বলে জানা গিয়েছে।উল্লেখ্য, ১৩ ডিসেম্বর গোট ট্যুর-এর অংশ হিসেবে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে এসেছিলেন লিওনেল মেসি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন লুইস সুয়ারেজ এবং রড্রিগো ডি পল। কিন্তু হাজার হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কেটেও বহু দর্শক মেসিকে এক ঝলক দেখতে না পাওয়ায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। মেসি মাঠ ছাড়ার পর গ্যালারি থেকে বোতল ছোড়া হয়, ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা হয় এবং ব্যারিকেড ভেঙে মাঠে ঢুকে ভাঙচুর চালায় উত্তেজিত জনতার একাংশ। সেই সময় স্টেডিয়ামেই উপস্থিত ছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। ঘটনার পর অব্যবস্থার অভিযোগে মূল আয়োজক শতদ্রু দত্তকে গ্রেপ্তার করে ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫
বিদেশ

নেপালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধকরণে উত্তাল কাঠমান্ডু

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধকরণের সিদ্ধান্তে উত্তাল নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু। সোমবার হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এদিন ব্যাপক বিক্ষোভ দেখায়। ঘটনায় অন্তত ২০ জন নিহত এবং আড়াইশোরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।সরকারি নির্দেশে ফেসবুক, এক্স (টুইটার) এবং ইউটিউব-সহ একাধিক জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম বন্ধ করে দেওয়া হয়। কারণ এগুলি রাষ্ট্রীয় নিয়মে নিবন্ধিত হয়নি। সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।বিক্ষোভকারীরা নিউ বানেশ্বর এলাকায় ব্যারিকেড ভেঙে সংসদ ভবন ঘেরাও করে। পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। দাঙ্গা পুলিশকে পিছু হটতে বাধ্য করা হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে টিয়ার গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে নিরাপত্তা বাহিনী। এতে একজন নিহত এবং অন্তত ৮০ জন আহত হন, যাদের মধ্যে দুই সাংবাদিকও রয়েছেন। তবে সার্বিকভাবে হতাহতের সংখ্যা আরও বেড়ে ২০ জন নিহত ও প্রায় ২৫০ জন আহত হয়েছেন বলে সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে।সোমবার রাতের পর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেও প্রশাসনের আশঙ্কা, মঙ্গলবার ফের বিক্ষোভ হতে পারে। সেনা ও নিরাপত্তা বাহিনীকে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় মোতায়েন রাখা হয়েছে।এদিকে প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলির নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই ঘটনার তদন্তে একটি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের উপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে না। তার দাবি, সরকারের সিদ্ধান্তে মন্ত্রীদের প্রকাশ্যে সমর্থন জানাতে হবে।এই অবস্থানে ক্ষুব্ধ হয়ে জোটসঙ্গী নেপালি কংগ্রেসের মন্ত্রীরা বৈঠক থেকে ওয়াক আউট করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে জরুরি বৈঠকের ডাক দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই ঘটনার জেরে জোট সরকারের ভেতরকার টানাপোড়েন আরও প্রকট হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৫
রাজ্য

বারুইপুরে রেসিং বাইকের ধাক্কায় মর্মান্তিক মৃত্যু পথচারীর

দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে রেসিং বাইকের ধাক্কায় মৃত্যু হল এক পথচারীর। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতের নাম জয়ন্ত মন্ডল (৫০)। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বারুইপুর থানার অন্তর্গত বিশালক্ষী তলা এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন জয়ন্তবাবু। সেই সময় পিছন দিক থেকে বেপরোয়া গতিতে ছুটে আসে একটি রেসিং বাইক। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধাক্কা মারে ওই পথচারীকে। প্রবল আঘাতে তিনি রাস্তায় ছিটকে পড়ে যান। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে তড়িঘড়ি বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।অভিযোগ, দুর্ঘটনার পর বাইকচালক পালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু স্থানীয়রা সক্রিয় হয়ে তাঁকে ঘাতক বাইকসহ ধরে ফেলে এবং পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পরে বারুইপুর থানার পুলিশ বাইকচালককে আটক করে। বর্তমানে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।অকস্মাৎ মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। প্রতিবেশীরা জানান, জয়ন্তবাবু শান্ত স্বভাবের মানুষ ছিলেন। রোজকার মতো বাজার সেরে ফিরছিলেন, তখনই ঘটে যায় এই দুর্ঘটনা। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই এলাকায় প্রায়ই বেপরোয়া বাইক দৌড় চলে। প্রশাসন এ বিষয়ে কড়া পদক্ষেপ নিলে এ ধরনের ঘটনা রোখা সম্ভব হবে বলে দাবি তাঁদের।এই মর্মান্তিক ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে রাস্তায় রেসিং বাইকের দৌরাত্ম্য নিয়ে। পুলিশের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, দুর্ঘটনার নেপথ্যে কারও গাফিলতি ধরা পড়লে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৫
রাজ্য

মন্দিরবাজারে মাটির দেওয়াল ধসে মা ও দুই মেয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু

দক্ষিণ ২৪ পরগনার মন্দিরবাজার থানার কামারপাড়া এলাকায় এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মাটির দেওয়াল ধসে পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন এক মা ও তাঁর দুই মেয়ে। মৃতরা হলেন বৃহস্পতি কর্মকার (৪৩), তাঁর মেয়ে শিলা কর্মকার (১৫) এবং প্রিয়া কর্মকার (১০)। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার রাতে, যখন তারা তাদের মাটির বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন। এই ঘটনায় গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে খাওয়া-দাওয়া সেরে পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। ভোরবেলা হঠাৎ মাটির দেওয়াল ভেঙে পড়ায় তিনজনই চাপা পড়েন। স্থানীয়রা শব্দ শুনলেও প্রাথমিকভাবে বিষয়টি বুঝতে পারেননি। সকালে দেওয়াল ধসে পড়া অবস্থায় দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা দ্রুত তাঁদের উদ্ধার করে নিকটবর্তী নাইয়ারহাট হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালে পৌঁছনোর পর চিকিৎসকরা তিনজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।ঘটনার পর মন্দিরবাজার থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পুরনো মাটির দেওয়ালের দুর্বল গঠনই এই দুর্ঘটনার কারণ। তবে ঘটনার বিস্তারিত কারণ জানতে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।এই ঘটনায় মন্দিরবাজারের বিধায়ক জয়দেব হালদার কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনাকে দায়ী করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, বাংলা আবাস যোজনার আওতায় ওই পরিবারকে বাড়ি দেওয়ার জন্য দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দেওয়া হয়েছিল এবং বাড়ি নির্মাণের কাজ চলছিল। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার তিন বছর আগে তৃতীয় কিস্তির টাকা আটকে না রাখলে বাড়িটি সম্পূর্ণ হতো এবং এই মর্মান্তিক ঘটনা এড়ানো যেত। বিধায়ক আরও বলেন, আমরা পরিবারের পাশে রয়েছি এবং তাদের সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করছি।এই ঘটনা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মাটির বাড়ির দুর্বল অবকাঠামোর কারণে এ ধরনের ঘটনা আগেও ঘটেছে। এই ঘটনা সরকারি আবাসন প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। স্থানীয়রা দাবি করেছেন, যোজনার টাকা সময়মতো দেওয়া হলে এই পরিবারের জীবন বাঁচানো যেত।মন্দিরবাজার থানার পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের পর ঘটনার বিস্তারিত প্রতিবেদন তৈরি করা হবে। এদিকে, স্থানীয় প্রশাসন মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৫
কলকাতা

লালবাজারে আটক বঙ্গ বিজেপির সভাপতি, অবস্থান থেকে পুলিশ গাড়িতে তোলা হল ৩ কাউন্সিলরকে

কসবা ল কলেজে তৃণমূল ছাত্র নেতা মনোজিৎ মিশ্রকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তার দুই সঙ্গীকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এদিন গড়িয়াহাটে এই ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। সেখান থেকে রাজ্য সভাপতি ডঃ সুকান্ত মজুমদার সহ বিজেপি নেতৃত্বকে গ্রেফতার করা হয়। পশ্চিমবঙ্গের নারী নিরাপত্তার অবনতি এবং কসবা লকলেজে ছাত্রীকে ধর্ষণের প্রতিবাদ করছিল বিজেপি। এরপর দলের অন্যদের সঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে লালবাজারে আটক করে রেখেছে। সুকান্ত মজুমদার স্পষ্ট জানিয়েছে, ব্যক্তিগত বন্ডে এবার আর জামিন নেবেন না। রাত সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত সুকান্ত মজুমদার জামিন নেননি। তিনি দলের অন্যদের সঙ্গে এখন লালবাজারেই আছেন। অন্যদিকে এই সময় লালবাজারের সামনে বিক্ষোভ অবস্থান করছিল বিজেপি। সেই অবস্থান থেকে বিজেপির তিন কাউন্সিলরকে আটক করে পুলিশ। সজল ঘোষ, মীনাদেবী পুরোহিত ও বিজয় ওঝাকে আটক করে পুলিশ।

জুন ২৮, ২০২৫
কলকাতা

কসবা কাণ্ডে মদন মিত্র ও কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যে তোলপাড় বাংলা, তৃণমূলের নিন্দা

তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিধায়ক মদন মিত্রের কসবা গণধর্ষণ কাণ্ডে মন্তব্যে রাজ্য রাজনীতি তোলপাড়। তৃণমূল বলছে, দল দুই নেতার মন্তব্য সমর্থন করে না। কার্যত এই দুই নেতা থেকে তৃণমূল কংগ্রেস দূরত্ব তৈরি করছে। বিজেপি কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছে বিজেপি। কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র বলেন, যদি ওই মেয়েটি না যেত, তাহলে এই ঘটনা এড়ানো যেত, যদি সে কাউকে জানাত অথবা দুজন বন্ধুকে সাথে নিয়ে যেত, তাহলেও সেদিনের এই ঘটনা এড়ানো যেত। প্রশ্ন উঠেছে তাহলে কি অপরাধীদের সমর্থন করতে চাইছে এই তৃণমূল নেতা। অন্য দিকে শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, মানসিকতার পরিবর্তন না হলে হবে না। আইন বা পুলিশ দিয়ে কিছু হবে না। স্টুডেন্টরা যদি তাঁদের সহপাঠিনীকে রেপ করা তা প্যাথিটিক। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কি পুলিশ থাকবে? মূল অভিযুক্ত যে প্রাক্তনী তা এড়িয়ে গিয়েছেন কল্যান। এদিকে এই দুই নেতার সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের বক্তব্য, সাউথ ক্যালকাটা ল কলেজে ঘটে যাওয়া নৃশংস ঘটনা প্রসঙ্গে সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিধায়ক মদন মিত্র যে মন্তব্য করেছেন, তা তাঁদের ব্যক্তিগত মতামত। দল তাঁদের বক্তব্যের সঙ্গে কোনোভাবেই একমত নয় এবং এই মন্তব্যগুলিকে কড়াভাবে নিন্দা করছে। এই ধরনের বক্তব্য কোনওভাবেই দলের অবস্থানকে প্রতিফলিত করে না।তৃণমূল বলছে আমাদের অবস্থান স্পষ্টমহিলাদের ওপর অপরাধের ক্ষেত্রে বরাবরই জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও করা হবে। যারা এই নৃশংস ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে যেন কঠোরতম শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়।

জুন ২৮, ২০২৫
কলকাতা

কলকাতার 'ল কলেজে ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ, গ্রেফতার ৩, তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি

কসবা ল কলেজের ক্যাম্পাসের ভিতরে এক আইনের ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের ছাত্র নেতা মনজিৎ মিশ্র সহ অন্যান্য দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অন্য অভিযুক্ত জাইব আহমেদ ও প্রমিত মুখার্জি। মনজিৎ মিশ্র ওই ল কলেজের প্রাক্তনী এবং তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতা ছিল এবং বাকি দুজন সেখানকার পড়ুয়া। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি ঘটানো হয় ২৫ জুন, বুধবার রাতে কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্যেই। শুধু ধর্ষণই নয়, ধর্ষিতার মুখ বন্ধ রাখতে ভিডিও রেকর্ডিং করে ভয় দেখায় অভিযোগকারীরা। পরবর্তীতে ধর্ষিতা যাতে অভিযোগ না জানান, তার জন্যও নানাভাবে চাপ দেওয়া হয় এবং অভিযোগের এফআইআর কপিতে অভিযুক্তদের নাম দেওয়ার বদলে তাদের নামের আদ্যক্ষর দিয়ে অভিযোগ লেখা হয়। এমন ঘটনা বোধহয় কেবলমাত্র পশ্চিমবঙ্গেই ঘটা সম্ভব। ভারতীয় জনতা পার্টি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানায় এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করে। বিজেপির দাবি, কসবার গণধর্ষণের ঘটনা কোনও বিচ্ছিন্ন অপরাধের ঘটনা নয়, এটি অভয়া ধর্ষণ কান্ডের পর এই রাজ্যের নারী নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলার ব্যর্থতার আবারও এক জলজ্যান্ত উদাহরণ।এই বিষয়ে রাজ্য সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী ড. সুকান্ত মজুমদার জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী ধর্ষণের মতো গুরুতর অপরাধকে ছোটখাটো বলে উপেক্ষা করেন, যা রাজ্যে এই ধরনের অপরাধ বৃদ্ধির জন্য দায়ী। তাঁর এই মনোভাব পুলিশ প্রশাসনকেও প্রভাবিত করে, যার ফলে অপরাধীরা নির্ভয়ে এই ধরনের কাজ করে। রাজ্যে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি বলেন, কলকাতার মতো শহরে, যেখানে মুখ্যমন্ত্রীর নিজের কার্যালয় রয়েছে, সেখানে এই ধরনের ঘটনা ঘটলে সাধারণ মানুষ কীভাবে নিরাপদ বোধ করবে?২০২৪ সালে আরজি কর মেডিকেল কলেজের এক নারী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার পর থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগের দাবি উঠেছিল। রাজ্য সভাপতি সেই ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, আরজি করের ঘটনায়ও মুখ্যমন্ত্রী পুলিশকে নিয়ন্ত্রণ করেছিলেন। এখনও তিনি একই ভুল করছেন।পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ প্রশাসন মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি অতিরিক্ত আনুগত্য দেখায়, যার ফলে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। তিনি বলেন, পুলিশের কাজ অপরাধীদের ধরা, কিন্তু তারা শাসক দলের নেতাদের সুরক্ষা দিতে ব্যস্ত।এই বিষয়ে বিরোধী দলনেতা শ্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এই ঘটনা শুধুমাত্র একটি অপরাধ নয়, এটি তৃণমূল কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠনের নেতাদের দ্বারা শিক্ষাঙ্গনকে কলুষিত করার একটি জ্বলন্ত প্রমাণ। তৃণমূলের ছাত্র নেতারা বারবার তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভয় ও অরাজকতার পরিবেশ তৈরি করছে। তিনি আরও বলেন, ঘটনার জন্য পুলিশ দায়ী । মনোজ ভার্মা থেকে শুরু করে বিনীত গোয়েল এবং বাকি সব পুলিশ দিঘায় রয়েছে । পুরো কলকাতা পুলিশকে নিয়ে চলে গিয়েছে ওখানে। দিঘায় তো লোকই হয়নি৷ তাই জামা খুলিয়ে পুলিশকে দিয়ে হাঁটাবে। এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে থাকার যোগ্যতা নেই। বিজেপি এই বিষয়টা নিয়ে লড়বে। খুব বড় পদক্ষেপ করা হবে। সুপ্রিম কোর্টের এই সরকারকে উচিত শাস্তি দেওয়া উচিত।এদিনের ঘটনার প্রতিবাদে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন বিজেপির বিধায়ক এবং সাধারণ সম্পাদিকা শ্রীমতী অগ্নিমিত্রা পা ৷ তিনি বলেন, শিউরে ওঠার মতো ঘটনা। অভয়ার ঘটনার পরে দশ মাসও কাটেনি আজকে আরেক অভয়া বোনের গণধর্ষণ হয়ে গেল। এই ঘটনা ঘটেছে বুধবার।এদিকে তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠকে দলীয় নেতৃত্ব ল কলেজের ঘটনাকে ঘৃণ্য ঘটনা বলে উল্লেখ করেছে। অপরাধীদের কড়া শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, অভিযুক্তরা কেউ তৃণমূল কংগ্রেস বা টিএমসিপির নেতৃত্বে নেই। দলের সঙ্গে এখন তাদের কোন সম্পর্ক নেই। আর অভিযুক্তদের সঙ্গে নেতাদের ছবি প্রসঙ্গে তৃমূলের দাবি, বিজেপি নেতাদের সঙ্গে বহু অপরাধীদের ছবি দেখা গিয়েছে।

জুন ২৭, ২০২৫
দেশ

হায়দরাবাদের বহুতলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: একাধিক হতাহতের আশঙ্কা

আজ সকালে হায়দরাবাদের চারমিনারের কাছে একটি বাণিজ্যিক এলাকায় গুলজ়ার হাউস নামের একটি বহুতল ভবনে ভয়াবহ আগুন লেগে যায়। স্থানীয় সময় সকাল ১০টা নাগাদ আগুনের সূত্রপাত ঘটে বলে জানিয়েছে দমকল বিভাগ। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় একাধিক দমকল ইঞ্জিন।প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ভবনটির তৃতীয় তলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় এবং দ্রুত উপরের তলাগুলিতে ছড়িয়ে পড়ে। ভবনের ভিতরে তখন বহু মানুষ আটকে পড়েন। এখনও পর্যন্ত অন্তত ৮ জনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।দমকল কর্মীরা জানায়, ভবনে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না, যার ফলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হয়েছে। পাশাপাশি ধোঁয়ার কারণে উদ্ধার কাজেও সমস্যা সৃষ্টি হয়। বহু মানুষ ভবনের ছাদে আশ্রয় নিয়ে ছিলেন, যাদের একে একে নিচে নামিয়ে আনা হচ্ছে।হায়দরাবাদ পুলিশের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, শর্ট সার্কিট থেকেই এই অগ্নিকাণ্ডের সূচনা হয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ঘটনাটির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত উদ্ধার ও চিকিৎসা পরিষেবা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন।এই ঘটনায় গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নিহতদের পরিবার প্রতি ২ (দুই) লক্ষ টাকা এবং আহতদের পরিবার প্রতি ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন তিনি।

মে ১৮, ২০২৫
কলকাতা

হাড়হিম ঘটনা কলকাতার কুমোরটুলি ঘাটে! ট্রলি ব্যাগে মৃতদেহ, পাকড়াও দুই মহিলা

একের পর এক হাড়হিম ঘটনা। মঙ্গলবার এমনই এক ঘটনার সাক্ষী থাকলো কলকাতার কুমোরটুলি। দুই মহিলা একটি ট্রলিব্যাগে মুণ্ডহীন দেহ নিয়ে গঙ্গায় ফেলার চেষ্টা করেন। সেই সময় স্থানীয়দের সন্দেহ হয়, তাঁরা হাতেনাতে পাকড়াও করেন ট্রলি ব্যাগ সমেত দুই মহিলাকে। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। স্থানীয়রা পুলিশের খবর দেয়, দুই মহিলাকে আটক করে পুলিশ। ধৃতরা প্রথমে দাবি করেছিল দেহটি কুকুরের। যদিও এলাকাবাসীদের অভিযোগ, ট্রলিব্যাগে যে দেহ পাওয়া গিয়েছে সেটি একজন মহিলার। কিন্তু প্রশ্ন ওঠে ওই ব্যাগে কার দেহ ছিল? ব্যাগ খুলতেই আঁতকে ওঠেন পুলিশ ও স্থানীয়রা। ঘটনার তদন্ত শুরু করতেই এবার খুন হওয়া মহিলার পরিচয় জানতে পারে পুলিশ। মৃতের নাম সুমিতা ঘোষ। অন্যদিকে যে দুই মহিলাকে আটক করা হয়েছে তাদের নাম ফাল্গুনী ঘোষ এবং আরতি ঘোষ। মৃত সুমিতা ঘোষ অভিযুক্ত ফাল্গুনী ঘোষের সম্প্রকে পিসি শাশুড়ি। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সকাল ৭টা নাগাদ ট্যাক্সি করে গঙ্গার ঘাটে আসেন মাস্ক পরা দুই মহিলা। ভারী ব্যাগ টেনে ঘাটে আনতে দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। মহিলারা দাবি করেন, ব্যাগে পোষ্য কুকুরের মৃতদেহ রয়েছে। খবর যায় উত্তর বন্দর থানায়। পুলিশ এসে ট্রলিব্যাগ খুলতেই ভিতরে মেলে পচাগলা রক্তাক্ত দেহ।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পেরেছে, ফাল্গুনি-সুমিতাদের বাড়ি মধ্যমগ্রামে। গতকাল রাতে মা-মেয়ের সঙ্গে পিসি শাশুড়ির বিবাদ হয়। তার জেরে ভারী কিছু দিয়ে পিসি শাশুড়ির মাথায় আঘাতের জেরেই মৃত্যু বলে মনে করা হচ্ছে। জেরায় মা-মেয়ে জানিয়েছেন, ট্রলিব্যাগে দেহ পুরে তাঁরা মধ্যমগ্রাম স্টেশন থেকে ট্রেনে ওঠেন। এরপর কুমোরটুলি ঘাটে এনে ব্যাগ সমেত দেহ গঙ্গায় ফেলার ছক ছিল। তবে স্থানীয়দের দাবি, ওই মহিলাদের কাছে মিলেছে শিয়ালদা-হাসনাবাদ শাখার কাজিপাড়া স্টেশনের টিকিট। বারাসাতের কাছে কাজিপাড়া থেকেই কি এসেছিলেন মহিলারা?

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৫
রাজ্য

হাওড়ার বাউড়িয়ায় উদ্ধার ৭১০ কেজি গাঁজা, গ্রেফতার এক

হাওড়ার বাউড়িয়ায় উদ্ধার হল গাঁজা। ঘটনায় শেখ মাজেদ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, গতকাল বুধবার বিকেলে বাউড়িয়া থানার অন্তর্গত কাজিরচড়া অশ্বথতলা এলাকায় শেখ মাজেদের বাড়িতে সিআইডি এবং নারকোটিক সেলের আধিকারিকরা যৌথ অভিযান চালায়। তল্লাশিতে ৭১১ কেজি গাঁজা উদ্ধার হয়েছে। যার বাজারি মূল্য এক কোটি টাকা। তার দুটি গাড়ি এবং তিনটি মোবাইল ফোনও বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। অভিযোগ, ওড়িশা থেকে গাঁজা এনে বাড়িতে রেখেছিল। হাওড়া ও তার আশপাশের জেলায় পাচার করার উদ্দেশ্য ছিল মাজেদের। তাঁর বাড়ি থেকে ৩১টি বস্তা উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, শেখ মাজেদকে ২০২১ মাদক পাচারের অভিযোগে উলুবেরিয়া থানা গ্রেফতার করেছিল। ২০২৪ সালে নদিয়ার করিমপুরের একই অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছিল সে। বিভিন্ন জায়গায় গাঁজা পাচার করত মাজেদ। তাঁর বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। আজ তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৫
রাজ্য

মালদার সরকারি হাসপাতাল চত্বরে আগুন, ধোঁয়া, আতঙ্কে ওয়ার্ডের বাইরে বেরিয়ে যায় রোগীও

হরিশ্চন্দ্রপুরে সরকারি গ্রামীণ হাসপাতালে জঞ্জাল থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ালো । এমনকি আগুনের ধোঁয়ায় ওই সরকারি হাসপাতালে বিভিন্ন ওয়ার্ডে চরম অস্বস্তিতে পড়ে রোগী ও তাদের আত্মীয়েরা। পাশাপাশি কর্তব্যরত চিকিৎসক, নার্সদেরও সমস্যায় পড়তে হয়। মঙ্গলবার দুপুরে এই ঘটনার পর দমকলের একটি ইঞ্জিন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ওই হাসপাতালের জৈব বজ্র ব্যবস্থাপনার জায়গা থেকেই এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গিয়েছে।সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, এই হাসপাতালের পাশেই জমে রয়েছে আবর্জনার স্তুপ। সেখানেই কোনও ভাবে আগুন লেগে যায়। তারপরে বিষাক্ত ধোঁয়ায় ঢেকে যায় সমগ্র ওয়ার্ড। ধোঁয়ার বীভৎসতায় প্রসূতি থেকে শুরু করে অন্যান্য রোগীরা ওয়ার্ডের বাইরে বেরিয়ে যেতে শুরু করে। ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য। চিকিৎসক নার্সরা চেষ্টা করেন রোগীদের সুরক্ষিত ভাবে বাইরে বের করার। তারাও শ্বাসকষ্টের কারণে সাময়িক ভাবে অসুস্থ বোধ করেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নজরে আসে আগুন। সেই আগুন নেভানোর চেষ্টা শুরু হয়। খোঁজ দেওয়া হয় দমকল কে। তারপর কিছু ক্ষণের মধ্যে স্বাভাবিক হয়ে পরিস্থিতি। যদিও ব্লক স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এই হাসপাতালে জৈব বজ্র ব্যবস্থাপনা রয়েছে। সেখান থেকে আবর্জনা বের করার সময় বা নিয়ে যাওয়ার সময় বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে। সেই জায়গায় কেউ ধূমপান করে ফেলার ফলে বা অন্য কোনো কারণে আগুন লেগে গিয়েছিল। হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের ভারপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ ছোটনমন্ডল জানিয়েছেন, হাসপাতালের জঞ্জাল মজুত রাখার জায়গাতেই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটেছিল। ক্ষয়ক্ষতি হয়নি, তবে সাময়িক একটা সমস্যা তৈরি হয়েছিল। সেই আগুন নিয়ন্ত্রণ করে দমকল।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৫
কলকাতা

নিউটাউনে বীভৎস কাণ্ড, উদ্ধার তরুণীর অর্ধনগ্ন মৃতদেহ

তরুণীর অর্ধনগ্ন মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে তুমুল চাঞ্চল্য ছড়াল নিউটাউনে। লোহার ব্রিজের কাছে একটি জঙ্গলের মধ্যে থেকে উদ্ধার হয় তরুণীর অর্ধনগ্ন মৃতদেহ। ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তাঁকে এখানেই খুন করা হয়েছে কিনা বা অন্য জায়গায় খুন করে এখানে ফেলে রাখা হয়েছে, তা থকিয়ে করে দেখছে পুলিশ। স্থানীয়রা ওই তরুণীকে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় নিউটাউন থানার পুলিশ। মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য় পাঠিয়েছে পুলিশ। ওই এলাকার আশপাশ নির্জন, শুনশান। পাশে খাল বয়ে যাচ্ছে, রয়েছে ঝোপঝাড়। সেখানকার সিসি টিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। পরিবারের তরফে দেহ সনাক্ত করা হয়েছে। স্থানীয়রা জানিয়েছে, মায়ের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হওয়ার পর রাত ১০টা নাগাদ বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায় ওই নাবালিকা। একটি চিঠি লিখে যায়। তারপরই পরিবারের লোকজন খোঁজ শুরু করে। জানায় নিউটাউন থানায়।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ভোটে হারের পর ডিগবাজি? ভাইরাল অডিওতে ‘বিজেপি নেতা’ খোকন দাস, বর্ধমানে তোলপাড়

বর্ধমান দক্ষিণের সদ্য প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাসকে ঘিরে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে একটি ভাইরাল অডিওকে কেন্দ্র করে। সেই অডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, আমিও এখন বিজেপি নেতা। এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই জেলা রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বিরোধী বিজেপি এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছে।বিজেপির দাবি, কাঞ্চননগরের একটি দুর্গামন্দির নির্মাণের কাজ করেও এক রাজমিস্ত্রি প্রাপ্য টাকা পাননি। সেই টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করেই ফোনে তাঁকে ধমক দেন খোকন দাস। ভাইরাল হওয়া অডিওতে শোনা যায়, মন্দিরের হিসেব, ট্রাস্টের টাকা এবং ভোটে হারের প্রসঙ্গ তুলে কথা বলছেন তিনি। কথোপকথনের এক পর্যায়ে খোকন দাসকে বলতে শোনা যায়, তুই এখন সুযোগ নিয়ে লোককে ভয় দেখাচ্ছিস। আমরাও এখানে আছি। আর শুনে রাখ, আমিও এখন বিজেপি নেতা।যদিও এই অডিওর সত্যতা যাচাই করেনি জনতার কথা। তবে বিজেপি নেতাদের দাবি, ওই কথোপকথনে স্পষ্টভাবে প্রাক্তন বিধায়কের হুমকির সুর ধরা পড়েছে। জেলা বিজেপির মুখপাত্র কল্যাণ মাজি অভিযোগ করেন, ক্ষমতা হারিয়েও খোকন দাস এখনও প্রশাসনিক প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছেন। তাই কখনও এফআইআরের ভয় দেখাচ্ছেন, আবার কখনও নিজেকে বিজেপি নেতা বলছেন।অন্যদিকে খোকন দাস সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর বক্তব্য, অডিও নিয়ে বিজেপি ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছে। তিনি দাবি করেন, কোনও ব্যক্তিকে ভয় দেখানো তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না। বরং মন্দির ও ট্রাস্টের নামে অপপ্রচার রোখার জন্যই পুলিশে জানানোর কথা বলেছিলেন। তাঁর আরও দাবি, সংশ্লিষ্ট রাজমিস্ত্রি হিসেব না দেওয়ায় ট্রাস্টের পক্ষ থেকে টাকা আটকে রাখা হয়েছে।তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের প্রশ্ন, যদি অডিওর প্রথম অংশে নিজের কণ্ঠস্বর স্বীকার করে নেওয়া হয়, তাহলে একই অডিওতে থাকা আমিও বিজেপি নেতা মন্তব্যকে অস্বীকার করা হচ্ছে কেন? এই নিয়েই নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে জেলা রাজনীতিতে।

মে ১২, ২০২৬
কলকাতা

সীমান্তে কাঁটাতারের সিদ্ধান্তেই চাঞ্চল্য, হাই এলার্টে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গের নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই সীমান্তে কাঁটাতার বসানোর জন্য জমি অনুমোদনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পরই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বাংলাদেশে। সে দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে খবর, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে হাই এলার্টে রাখা হয়েছে।বাংলাদেশ সরকারের আশঙ্কা, সীমান্তে কাঁটাতারের কাজ শেষ হলে অনুপ্রবেশ রুখতে আরও কড়া পদক্ষেপ নিতে পারে ভারত। বিশেষ করে পুশব্যাক বা অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া আরও জোরদার হতে পারে বলেই মনে করছে ঢাকা। সেই কারণেই সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে।বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রকের উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকারের পদক্ষেপের দিকে নজর রাখা হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, নির্বাচনী প্রচারে পুশব্যাক নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী যে কড়া মন্তব্য করেছিলেন, সরকার পরিচালনায় সেই অবস্থান হয়তো এতটা কঠোর হবে না।অনুপ্রবেশ ইস্যুতে বিজেপি শুরু থেকেই সরব ছিল। বাংলায় অবৈধভাবে থাকা বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার বার্তা আগেই দেওয়া হয়েছিল। ক্ষমতায় আসার পর প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকেই সীমান্ত নিরাপত্তার বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।জানা গিয়েছে, সীমান্তে কাঁটাতার বসানোর জন্য জমি নিয়ে আগের সরকারের আপত্তির কারণে বহু এলাকা দীর্ঘদিন খোলা অবস্থায় ছিল। নতুন সরকার জানিয়েছে, সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। আগামী পঁয়তাল্লিশ দিনের মধ্যেই সেই কাজ শেষ হতে পারে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।এর মধ্যেই কয়েক দিন আগে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মার কিছু মন্তব্য নিয়ে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনারকে তলব করেছিল বাংলাদেশ সরকার। সব মিলিয়ে সীমান্ত পরিস্থিতি ঘিরে দুই দেশের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে।

মে ১২, ২০২৬
কলকাতা

আরজি কর মামলায় বড় মোড়, হঠাৎ সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা

আরজি কর কাণ্ড সংক্রান্ত মামলার শুনানি থেকে সরে দাঁড়াল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ। মঙ্গলবার শুনানি চলাকালীন নিজেই এই সিদ্ধান্তের কথা জানান বিচারপতি। এর ফলে মামলাটি ফের প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হয়েছে। এখন প্রধান বিচারপতি ঠিক করবেন, এই মামলার শুনানি কোন বেঞ্চে হবে।শুনানির সময় বিচারপতি মান্থা জানান, রাজ্য সরকার এই ঘটনার তদন্তে আলাদা বিচারবিভাগীয় কমিশন গঠনের পথে এগোচ্ছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। সেই পরিস্থিতিতে এই মুহূর্তে তাঁর ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটি শোনার প্রয়োজন রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে বলেই তিনি মনে করছেন।মামলার গুরুত্ব নিয়েও মন্তব্য করেন বিচারপতি। তিনি বলেন, এই মামলা শুধু আবেদনকারীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়, গোটা রাজ্য এবং দেশের বহু মানুষের নজর রয়েছে এই মামলার দিকে।এদিকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগেই জানিয়েছিলেন, আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকেই আরজি কর কাণ্ডের তদন্ত কোন পথে এগোবে, তা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। রাজ্য সরকারের তরফে তদন্ত কমিশন গঠনের ইঙ্গিত মিলতেই মামলাকে ঘিরে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা নিজে থেকেই মামলার শুনানি থেকে সরে দাঁড়ান। মামলার সমস্ত নথি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হয়েছে। এখন নজর রয়েছে, এই মামলার জন্য নতুন বেঞ্চ গঠন করা হবে নাকি আরও বড় কোনও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মে ১২, ২০২৬
দেশ

প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে বড় সিদ্ধান্ত, বাতিল নিট ইউজি পরীক্ষা

প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ উঠতেই বাতিল করে দেওয়া হল নিট ইউজি পরীক্ষা। গত ৩ মে দেশজুড়ে ডাক্তারি পড়ার এই প্রবেশিকা পরীক্ষা হয়েছিল। প্রায় তেইশ লক্ষ পড়ুয়া পরীক্ষায় বসেছিলেন। কিন্তু পরীক্ষার পর থেকেই প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। সোমবার বিষয়টি আরও বড় আকার নেয়। বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীও প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ তোলেন। এর পরেই নড়েচড়ে বসে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি।সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, নিট ইউজি পরীক্ষা বাতিল করা হচ্ছে। নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া হবে। পাশাপাশি গোটা ঘটনার তদন্ত করবে সিবিআই।তদন্তে উঠে এসেছে, রাজস্থানে পরীক্ষার অন্তত এক মাস আগে কিছু পড়ুয়ার হাতে একটি সম্ভাব্য প্রশ্নপত্র পৌঁছে গিয়েছিল। অতিরিক্ত ডিরেক্টর জেনারেল বিশাল বনশন জানিয়েছেন, ওই সম্ভাব্য প্রশ্নপত্রে মোট চারশো দশটি প্রশ্ন ছিল। পরীক্ষার পরে দেখা যায়, তার মধ্যে একশো কুড়িটি রসায়নের প্রশ্ন আসল প্রশ্নপত্রের সঙ্গে হুবহু মিলে গিয়েছে। শুধু প্রশ্ন নয়, উত্তরের বিকল্পও একই ছিল বলে দাবি তদন্তকারীদের।অন্য একটি সূত্রের দাবি, সম্ভাব্য প্রশ্নপত্রের মোট দুশো একাশি প্রশ্নের মধ্যে একশো পঁয়ত্রিশটি প্রশ্ন আসল পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের সঙ্গে একেবারে মিলে গিয়েছে। এই তথ্য সামনে আসতেই দেশজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়ায়।লক্ষ লক্ষ পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। নতুন পরীক্ষার দিন কবে ঘোষণা করা হবে, এখন সেই দিকেই তাকিয়ে ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকেরা।

মে ১২, ২০২৬
রাজ্য

শিবপুরে তৃণমূল নেতার বাড়িতে পুলিশের হানা, ভিতরে যা মিলল তাতে হতবাক সবাই

শিবপুরে তৃণমূল নেতা মহম্মদ শামিম ওরফে বরের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে চমকে উঠল পুলিশ। বাইরে থেকে সাধারণ বাড়ি মনে হলেও ভিতরে ঢুকতেই সামনে আসে একের পর এক গোপন ব্যবস্থা। বাড়ির ভিতরে রয়েছে একাধিক সুড়ঙ্গ। সেই সুড়ঙ্গ দিয়ে সিঁড়ি বেয়ে পৌঁছে যাওয়া যায় নীচের ফ্লোরে। সেখানে তৈরি করা হয়েছে বিলাসবহুল ঘর। দামী কাঠের আসবাব, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থা, ফ্রিজ-সহ নানা আধুনিক সুবিধায় সাজানো এই বাড়ি দেখে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে এলাকায়।জানা গিয়েছে, হাওড়া পুরসভার ছত্রিশ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর সামিমা বানোর স্বামী মহম্মদ শামিম। তিনি তৃণমূলের ওয়ার্ড সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন। বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর গত বৃহস্পতিবার শিবপুরে বিজেপির জেলা সংখ্যালঘু মোর্চার আহ্বায়কের বাড়িতে হামলা, গুলি ও বোমাবাজির অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার তদন্তে শামিমের নাম সামনে আসে।বোমাবাজির ঘটনায় ইতিমধ্যেই পাঁচ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে পলাতক ছিলেন শামিম। শুক্রবার তাঁর খোঁজে শিবপুরে বাড়িতে যায় পুলিশ। সেখানেই এই বিলাসবহুল বাড়ির ভিতরের ছবি সামনে আসে। স্থানীয় এক রাজনৈতিক নেতার এমন জীবনযাপন দেখে বিস্মিত তদন্তকারীরাও।যদিও বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েও শামিমের খোঁজ মেলেনি। তিনি এখনও পলাতক বলে জানিয়েছে পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, এর আগেও একাধিক অসামাজিক কাজের সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়েছে। শিবপুরে রামনবমীর মিছিল ঘিরে অশান্তির ঘটনাতেও তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল। এমনকি জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার মামলাতেও তাঁর নাম রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনার পর বিজেপি তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে। বিজেপির অভিযোগ, সমাজবিরোধীদের আশ্রয় দিচ্ছে শাসক দল। যদিও এই অভিযোগ নিয়ে এখনও তৃণমূলের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

মে ১২, ২০২৬
রাজ্য

চন্দ্রনাথ রথ হত্যা তদন্তে নতুন মোড়, রাজ্য পুলিশের হাত থেকে তদন্তভার নিল সিবিআই

শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী চন্দ্রনাথ রথ খুনের ঘটনায় তদন্তে বড়সড় মোড় এল। বহু আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তভার আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের হাতে তুলে নিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়ার সুপারিশের পর মঙ্গলবার থেকেই কেন্দ্রীয় সংস্থা এই মামলার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।সিবিআইয়ের তরফে জানানো হয়েছে, এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হচ্ছে। কলকাতা অঞ্চলের যুগ্ম নির্দেশকের নেতৃত্বে এই সিট কাজ করবে। তদন্তের অগ্রগতি ও প্রয়োজন অনুযায়ী দক্ষ আধিকারিকদের এই দলে অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে সূত্রের খবর। ইতিমধ্যেই মামলার যাবতীয় নথিপত্র, প্রাথমিক তদন্তের রিপোর্ট এবং গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তদের সংক্রান্ত তথ্য সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।এই হত্যাকাণ্ড ঘিরে ইতিমধ্যেই আন্তঃরাজ্য চক্রের ইঙ্গিত মিলেছে। তদন্তে নেমে রাজ্য পুলিশ উত্তরপ্রদেশ ও বিহার থেকে তিন জন সন্দেহভাজন শার্পশুটারকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে বলে তদন্তকারী সূত্রে দাবি। তাঁদের সঙ্গে এই হত্যার মূলচক্রীদের যোগাযোগ ছিল কি না, কার নির্দেশে তারা কলকাতায় এসেছিল এবং খুনের পেছনে রাজনৈতিক না কি অন্য কোনও ব্যক্তিগত বা আর্থিক কারণ রয়েছে সেই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এবার সরাসরি মাঠে নামছে সিবিআই।সিবিআই সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, তদন্তের স্বার্থে একাধিক রাজ্যে অভিযান চালানো হতে পারে। ধৃতদের কল রেকর্ড, আর্থিক লেনদেন, যাতায়াতের রুট এবং স্থানীয় যোগাযোগ খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজনে ফরেনসিক ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের সাহায্যও নেওয়া হবে।চন্দ্রনাথ রথের হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছিল। বিরোধী শিবির থেকে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠেছিল। সেই আবহেই তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে যাওয়ায় মামলার রহস্যভেদে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। এখন নজর সিবিআইয়ের তদন্তে এই খুনের নেপথ্যে থাকা আসল ষড়যন্ত্রকারীদের মুখোশ কবে খুলে যায়, সেটাই দেখার।

মে ১২, ২০২৬
কলকাতা

রেস্তোরাঁ না কালো টাকা সাদা করার আড্ডা? সুজিতকে ঘিরে ইডির বিস্ফোরক দাবি

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। সোমবার দীর্ঘ সাড়ে দশ ঘণ্টা ধরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর গ্রেফতার করে ইডি। তদন্তকারীদের দাবি, পুরসভায় নিয়োগে একাধিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। বিশেষ করে দক্ষিণ দমদম পুরসভায় অযোগ্য প্রার্থীদের চাকরি পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ ঘিরে তদন্ত আরও গভীরে গিয়েছে।তদন্ত সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন অয়ন শীল। তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েই পুর নিয়োগ দুর্নীতির একাধিক তথ্য হাতে আসে ইডির। সেই সময় তদন্তকারীরা বলেছিলেন, তাঁরা যেন সোনার খনির সন্ধান পেয়েছেন। এরপর থেকেই তদন্তের নজরে আসেন সুজিত বসু।পরে সল্টলেক সেক্টর ফাইভে সুজিত বসুর ছেলে সমুদ্র বসুর রেস্তোরাঁয় তল্লাশি চালায় ইডি। তদন্তকারীদের সন্দেহ হয়, কোনও খাবার টেবিল বা রান্নাঘরের স্পষ্ট ব্যবস্থা ছাড়াই কীভাবে রেস্তোরাঁ চলছিল। ইডির অভিযোগ, ওই রেস্তোরাঁর আড়ালেই কালো টাকা সাদা করার কাজ চলত।শুধু তাই নয়, তারাতলায় সুজিত ঘনিষ্ঠ এক ব্যবসায়ীর অফিসে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় তিন কোটি টাকা উদ্ধার হয় বলেও দাবি তদন্তকারীদের। সেই ঘটনার পর থেকেই তদন্ত আরও জোরদার হয়।সিবিআইয়ের দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে পুর নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে মামলা শুরু করে ইডি। তদন্তে উঠে এসেছে, দক্ষিণ দমদম পুরসভায় প্রায় তিনশো ঊনত্রিশ জন অযোগ্য প্রার্থীকে চাকরি দেওয়া হয়েছিল। গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি কর্মী নিয়োগের পাশাপাশি চালক, ঝাড়ুদার ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগেও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।তদন্তকারীদের দাবি, অয়ন শীলের সংস্থার মাধ্যমে ওএমআর শিটে কারচুপি করা হয়েছিল। নম্বর বদলে দিয়ে অযোগ্য প্রার্থীদের চাকরি পাইয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এই মামলায় দক্ষিণ দমদম পুরসভার তৎকালীন চেয়ারম্যান পাঁচু রায়কে একাধিক বার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই। তাঁর বিরুদ্ধেও চার্জশিট জমা পড়েছে।অভিযোগ, পাঁচু রায় ও সুজিত বসুর প্রভাবেই অয়ন শীলের সংস্থার মাধ্যমে ওএমআর শিটে নম্বর বদল করা হয়েছিল। এমনকি মৌখিক পরীক্ষায় শূন্য নম্বর পাওয়া প্রার্থীদেরও চাকরি নিশ্চিত করা হয়েছিল বলে দাবি তদন্তকারীদের।

মে ১২, ২০২৬
কলকাতা

বাথরুমে পড়ে গুরুতর অসুস্থ সুব্রত বক্সী, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ! কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সোমবার আচমকাই বাড়ির বাথরুমে পড়ে গিয়ে মাথায় গুরুতর চোট পান তিনি। দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে একাধিক শারীরিক পরীক্ষা ও স্ক্যানের পর চিকিৎসকেরা জানতে পারেন, মাথায় আঘাতের জেরে তাঁর মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়েছে এবং সেখানে রক্ত জমাট বেঁধেছে।হাসপাতাল সূত্রে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক মেডিক্যাল বুলেটিন প্রকাশ না হলেও ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, চিকিৎসকদের একটি অংশ মনে করছেন আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হতে পারে। আপাতত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের কড়া পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে বর্ষীয়ান এই নেতাকে।এই খবরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক উদ্বেগ ছড়িয়েছে। তৃণমূলের অন্যতম সংগঠক মুখ হিসেবে দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন সুব্রত বক্সী। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দলের সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত এবং প্রার্থী তালিকা তৈরির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিতে তাঁর প্রভাব আগের তুলনায় অনেকটাই কমে গিয়েছিল বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত।ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, দলীয় অন্দরের এই পরিবর্তিত পরিস্থিতি তাঁকে মানসিকভাবে কিছুটা হতাশ করেছিল। যদিও রাজনৈতিক সমীকরণ যাই থাকুক না কেন, তাঁর অসুস্থতার খবর সামনে আসতেই দলীয় নেতাকর্মী থেকে শুরু করে বিভিন্ন মহল দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। তৃণমূলের একাধিক শীর্ষ নেতা ইতিমধ্যেই তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।এখন চিকিৎসকদের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল। সুব্রত বক্সীর শারীরিক অবস্থার উন্নতি কামনায় প্রার্থনা করছেন তাঁর অনুগামী ও শুভানুধ্যায়ীরা।

মে ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal