• ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩, রবিবার ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

ISL

খেলার দুনিয়া

জামশেদপুরের কাছে হেরে লিগ–শিল্ড জেতার স্বপ্ন অপূর্নই থেকে গেল এটিকে মোহনবাগানের

লিগশিল্ড কাপ জেতার জন্য ২ গোলের ব্যবধানে জিততে হত এটিকে মোহনবাগানকে। স্বপ্ন দেখেছিলেন বাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। দলের ফরোয়ার্ডদের ব্যর্থতায় স্বপ্নপূরণ হল না। জামশেদপুর এফসির কাছে আইএসএলের লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে ১০ ব্যবধানে হেরে গত মরশুমের মতো এবছরও লিগশিল্ড জেতার স্বপ্ন অপূর্নই থেকে গেল সবুজমেরুণ ব্রিগেডের। ২০ ম্যাচে ৩৭ পয়েন্টে লিগ টেবিলে তৃতীয় স্থানে শেষ করল এটিকে মোহনবাগান। ৪৩ পয়েন্টে শীর্ষে জামশেদপুর এফসি। ৩৮ পয়েন্টে দ্বিতীয় স্থানে হায়দরাবাদ এফসি। সেমিফাইনালে এটিকে মোহনবাগান খেলবে হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে। অন্য সেমিফাইনালে জামশেদপুর এফসি খেলবে চতুর্থ স্থানে থাকা কেরালা ব্লাস্টার্সের (৩৪ পয়েন্ট) বিরুদ্ধে।জেতার কথা মাথায় রেখে প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলতে শুরু করে সবুজমেরুণ ব্রিগেড। ম্যাচের প্রথমার্ধে দারুণ দাপট ছিল রয় কৃষ্ণা, লিস্টন কোলাসোদের। কিন্তু গোল তুলে নিতে পারেনি। একের পর এক সুযোগ নষ্ট করেন জনি কাউকো, লিস্টন কোলাসোরা। ১৪ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত এটিকে মোহনবাগান। জনি কাউকোর দুরন্ত ব্যাকহিল থেকে সুবিধাজনক জায়গায় বল পান শুভাশিস বসু। কিন্তু তিনি তিনকাঠির মধ্যে শট রাখতে পারেননি। ২ মিনিট পর আবার সুযোগ এসে গিয়েছিল এটিকে মোহনবাগানের সামনে। লিস্টন কোলাসোর কাছ থেকে বল পেয়ে গোল লক্ষ্য করে শট নেন জনি কাউকো। এল সাবিয়ার মাথায় লেগে বল বাইরে যায়। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুর মিনিট আটেকের মধ্যেই কার্ল ম্যাকহিউকে তুলে ডেভিড উইলিয়ামসকে মাঠে নামান এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। এই পরিবর্তনটাই ব্যাকফুটে ঠেলে দেয় সবুজমেরুণ শিবিরকে। মাঝমাঠের রাশ আলগা হয়ে যায় এটিকে মোহনবাগানের। দখল নিয়ে নেয় জামশেদপুর এফসি। ধীরে ধীরে তারা খেলায় ফেরে।৫৬ মিনিটে এগিয়ে যায় জামশেদপুর এফসি। স্টুয়ার্ট বল ধরে গোল লক্ষ্য করে শট নিতে গেলে লেনি রডরিগেজের পায়ে লেগে ঋত্ত্বিক দাসের কাছে যায়। ঠান্ডা মাথায় জোরালো শটে দলকে এগিয়ে দেন ঋত্ত্বিক দাস। ৬৫ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিল এটিকে মোহনবাগান। জনি কাউকোর কাছ থেকে বল পেয়ে ডেভিড উইলিয়ামস দুরন্ত শট নিয়েছিলেন। ততোধিক তৎপরতার সঙ্গে বাঁচান জামশেদপুর এফসি গোলকিপার টিপি রেহেনেশ।ম্যাচের শেষলগ্নে একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিলেন রয় কৃষ্ণা, ডেভিড উইলিয়ামসরা। কিন্তু তিন কাঠি ভেদ করতে পারেননি। ৯০ মিনিটে সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করেন ডেভিড উইলিয়ামস। ম্যাচের ইনজুরি সময়ে লিস্টন কোলাসো বল সাজিয়ে দেন জনি কাউকোকে। ৬ গজ বক্সের মধ্যে থেকে বারের ওপর দিয়ে উড়িয়ে দেন। অসংখ্য সুযোগ নষ্ট করে জয় অধরা থেকে গেল এটিকে মোহনবাগানের। আসলে দিনটা সবুজমেরুণের ছিল না।

মার্চ ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুটি লক্ষ্য নিয়ে জামশেদপুরের বিরুদ্ধে মাঠে নামছে এটিকে মোহনবাগান। সেই দুটি লক্ষ্য কী?‌

দুটি লক্ষ্য নিয়ে সোমবার আইএসএলে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলতে নামছে এটিকে মোহনবাগান। এক, লিগ টেবিলের শীর্ষে থেকে লিগ উইনার্স শিল্ড জেতা। দুই, এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ছাড়পত্র জোগাড় করা। আইএসএলে লিগ পর্যায়ে নিজেদের শেষ ম্যাচে জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে ২ গোলের ব্যবধানে জিতলেই দুটি লক্ষ্য পূরণ হবে এটিকে মোহনবাগানের। সবুজমেরুণ কোচ জুয়ান ফেরান্দো মনে করেন তাংর দলের ২৩ গোলের ব্যবধানে জেতার ক্ষমতা আছে।গত মরশুমে অল্পের জন্য লিগ টেবিলের শীর্ষে পৌঁছতে পারেনি এটিকে মোহনবাগান। এমনকি গোটা আইএসএলে দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দিয়েও রানার্স হয়েই সন্তুষ্ট হয়েছিল আন্তোনীও হাবাসের দলকে। এই মরশুমে হাবাসের কোচিংয়ে প্রথম দিকে ছন্দে ছিল না সবুজমেরুণ ব্রিগেড। তাঁকে সরিয়ে জুয়ান ফেরান্দোকে দায়িত্ব দিতেই ঘুরে দাঁড়ায় এটিকে মোহনবাগান। ফেরান্দোর সামনে এবার চ্যালেঞ্জ দলকে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার সুযোগ করে দেওয়া। সামনে মাত্র আর একটা ধাপ। জামশেদপুর এফসিকে ২ গোলের ব্যবধানে হারালেই অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছে যাবে এটিকে মোহনবাগান। সবুজমেরুণ ব্রিগেডের সামনে লক্ষ্যটা যথেষ্ট কঠিন। কারণ এই মুহূর্তে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে জামশেদপুর এফসি। আগের ম্যাচে ওডিশা এফসিকে ৫১ ব্যবধানে উড়িয়েছে দিয়েছে, গোলের মধ্যে রয়েছেন এসসি ইস্টবেঙ্গলের বাতিল ঘোড়া ড্যানিয়েল চিমা। ৮ ম্যাচে ৭ গোল করে রীতিমতো নজর কেড়েছেন জামশেদপুর এফসির জার্সিতে। লিগ শীর্ষে পৌঁছতে গেলে এইরকম শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে ২ গোলের ব্যবধানে জিততে হবে এটিকে মোহনবাগানকে। যা যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং। প্রথম পর্বে এই জামশেদপুর এফসির কাছে ২১ ব্যবধানে হেরেছিল এটিকে মোহনবাগান। সেই ম্যাচের কথা মাথায় রাখছেন না বাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। জামশেদপুরকে ২ গোলের ব্যবধানে হারানোর চ্যালেঞ্জ নিচ্ছেন। তাঁর বিশ্বাস, ফুটবলাররা পরিকল্পনামাফিক খেলতে পারলে জামশেদপুরকে ২ গোলের ব্যবধানে হারানো সম্ভব। তিনি বলেন, এটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। চ্যাম্পিয়নশিপ জিততে গেলে প্রতি ম্যাচে তিন পয়েন্ট জেতার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামতে হয়। আমাদের ২০ বা ৩০ গোলে জিততে হবে, এটা একটা ভাল চ্যালেঞ্জ। এর আগে প্রায় সব ম্যাচেই আমরা এরকম লক্ষ্য নিয়েই নেমেছি। তাই অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। এখন প্রতি মিনিট ধরে ধরে খেলতে হবে। শেষ ম্যাচে লিগশিল্ড জেতার এটা একটা বড় সুযোগ। এর জন্য আমি কোনও চাপ অনুভব করছি না। বরং আমি খুশি যে এ রকম একটা সুযোগ আমি আবার পেয়েছি। আমার দল চ্যালেঞ্জ নেওয়ার জন্য তৈরি। চোটের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে খেলতে পারবেন না হুগো বোমাস। শুরু থেকেই আক্রমণভাগ সামলানোর দায়িত্ব রয় কৃষ্ণা, লিস্টন কোলাসো ও মনবীর সিংয়ের ওপর। পরিবর্ত হিসেবে নিয়ে আসবেন ডেভিড উইলিয়ামসকে। মাঝমাঠে বড় ভরসা জনি কাউকো। তাঁকে সাহায্য করবেন কার্ল ম্যাকহিউ ও দীপক টাংরি। রক্ষণ সামলাবেন প্রীতম, সন্দেশ, তিরি, শুভাশিস।

মার্চ ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

অসংখ্য গোলের সুযোগ নষ্ট করে হার দিয়েই আইএসএল অভিযান শেষ করল এসসি ইস্টবেঙ্গল

আইএসএলের শেষ ম্যাচ জিতে মান বাঁচাতে চেয়েছিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মারিও রিভেরা। চেয়েছিলেন সমর্থকদের মুখে একটু হাসি ফোটাতে। তাঁর সেই স্বপ্নপূরণ হল না। বলা যায় স্বপ্নপূরণ হতে দিলেন না তাঁর দলের স্ট্রাইকাররা। অসংখ্য গোলের সুযোগ নষ্ট করে আইএসএলে নিজেদের শেষ ম্যাচে বেঙ্গালুরু এফসি-র কাছে ১-০ ব্যবধানে হারল এসসি ইস্টবেঙ্গল। এদিন প্রথম একাদশে একগুচ্ছ পরিবর্তন করে দল সাজিয়েছিলেন লালহলুদ কোচ মারিও রিভেরা। তা সত্ত্বেও বেঙ্গালুরু এফসি-র বিরুদ্ধে এদিন দুরন্ত ফুটবল উপহার দিল লালহলুদ ব্রিগেড। শুরু থেকেই বিপক্ষ রক্ষণকে চাপে রেখেছিলেন লালহলুদ জার্সি গায়ে প্রথম খেলতে নামা শুভ ঘোষ ও পেরোসেভিচ। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে এলেও গোল পাচ্ছিলেন না। এর মধ্যে ম্যাচের ২১ মিনিটে দিনের সহজ সুযোগ নষ্ট করেন পেরোসেভিচ। বিপক্ষের এক ডিফেন্ডারকে ট্যাকেল করলে লুজ বল পেয়ে যান পেরোসেভিচ। বেঙ্গালুরু এফসি গোলকিপারকে একা পেয়েও তিনকাঠির মধ্যে বল রাখতে পারেননি তিনি।২ মিনিট পরেই এগিয়ে যায় বেঙ্গালুরু এফসি। বক্সের ভেতর ভেসে আসা বল পান সুনীল ছেত্রি। ডান পায়ের জোরালো শটে গোল করেন। এই গোলের ক্ষেত্রে নতুন বিদেশি অনন্ত তামাংকে দায়ী করা যেতেই পারে। একটা নিরীহ সেন্টারের ফ্লাইট মিস করায় বল পেয়ে যান সুনীল ছেত্রী। ৩০ মিনিটে ব্যবধান বাড়াতে পারত বেঙ্গালুরু। উদান্ত সিংয়ের শট বারে লেগে ফিরে আসে। ৪১ মিনিটে আবার গোলের সহজ সুযোগ নষ্ট করেন পেরোসেভিচ। এরপরই তাঁকে তুলে নিয়ে মার্সেলো রিবেইরাকে নামান মারিও রিভেরা। রিবেইরাকে নামিয়েও কাজের কাজ কিছু হয়নি। ৭০ মিনিটে বক্সের মধ্যে দুর্দান্ত থ্রু পাস পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন। দ্বিতীয়ার্ধে তিন কাঠির নিচে অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠেন বেঙ্গালুরুর গোলকিপার লারা শর্মা। বেশ কয়েকটি নিশ্চিত গোল বাঁচিয়ে তিনিই ম্যাচের সেরা। ২০ ম্যাচে ১১ পয়েন্টে সবার নিচে লিগ শেষ করল এসসি ইস্টবেঙ্গল। মাত্র ১টি জয়। গোল করেছে ১১টি, হজম করেছে ৩৬টি।

মার্চ ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

শেষ ম্যাচের আগে সমর্থকদের কাছে কেন ক্ষমা চাইলেন লালহলুদ কোচ মারিও রিভেরা?‌

মানোলো দিয়াজকে সরিয়ে আইএসএলের মাঝপথে মারিও রিভেরার হাতে দায়িত্ব তুলে দিয়েছিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। মাঝে কয়েকটা ম্যাচে দায়িত্ব সামলেছিলেন রেনেডি সিং। রেনেডির কোচিংয়ে কিছুটা হলেও ঘুরে দাঁড়িয়েছিল লালহলুদ শিবির। পরপর হারের ধাক্কা কাটিয়ে উঠেছিল। মারিও রিভেরা দায়িত্ব নেওয়ার পর তাঁকে ঘিরে স্বপ্ন দেখেছিলেন সমর্থকরা। রিভেরা কিন্তু স্বপ্নের সারথি হতে পারেননি। দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে উদ্ধার করতে পারেননি। একটা ম্যাচে দলকে জয় এনে দিয়েছেন ঠিকই, লিগ টেবিলে সেই লাস্ট বয় হয়েই থাকতে হচ্ছে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে। শনিবার আইএসএলে নিজেদের শেষ ম্যাচে বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে খেলতে নামছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। বেঙ্গালুরুকে হারালেও লিগ টেবিলে নিজেদের অবস্থানের কোনও হেরফের হবে না লালহলুদ শিবিরের। সেই লাস্ট বয় হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হবে। তবু নিজেদের সম্মানের কথা ভেবে জিততে মরিয়া লালহলুদ ব্রিগেড। শেষ ম্যাচে মাঠে নামার আগে সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন মারিও রিভেরা। তিনি বলেন, প্রত্যেকটা ম্যাচে আমরা লড়াই করেছি। কিন্তু প্রত্যাশিত ফল পাইনি। সমর্থকদের কাছে আমি ক্ষমা চাইছি দলকে প্রত্যাশিত ফল এনে দিতে না পারার জন্য। তবে ফুটবলাররা সীমিত ক্ষমতা নিয়েও যেভাবে লড়াই করেছে, তাতে সমর্থকরা গর্বিত হবে।মারিও রিভেরা আরও বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ফুটবলাররা যথেষ্ট উন্নতি করেছে। জয় না এলেও দারুণ ফুটবল উপহার দিয়েছে। দলের খেলায় আমি গর্বিত। আশা করছি শেষ ম্যাচে বেঙ্গালুরু এফসিকে হারিয়ে সম্মান নিয়ে লিগ শেষ করতে পারব। এতে সমর্থকরা লজ্জার গ্লানি কাটিয়ে কিছুটা মানসিক শান্তি পাবে। বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে সমস্যায় জর্জরিত লালহলুদ শিবির। চোটের জন্য খেলতে পারবেন না ড্যারেন সিডোয়েল। নাকের চোটের জন্য হীরা মণ্ডল কলকাতা ফিরে এসেছেন। ফ্রান সোতার হাতে চোট। মার্সেলো রিবেইরো পুরো ফিট নন। এই অবস্থায় এশিয়ান কোটার নতুন বিদেশি নেপালের অনন্ত তামাংকে শেষ ম্যাচে খেলানোর পরিকল্পনা রয়েছে মারিও রিভেরার।

মার্চ ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল এটিকে মোহনবাগান, এবার লড়াই শীর্ষস্থানের

লিগশিল্ড শেষ পর্যন্ত কি স্পর্শ করতে পারবে এটিকে মোহনবাগান? যে দল লিগ টেবিলের শীর্ষে থাকে, তারাই লিগশিল্ড পায়। কেরালা ব্লাস্টার্স ও ওডিশা এফসির কাছে আটকে যাওয়ার পর আইএসএলের লিগ টেবিলের শীর্ষে ওঠার লড়াই থেকে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছিল। অঙ্কটা বদলে দিয়েছিল হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে জামশেদপুর এফসির জয়। লিগ টেবিলের শীর্ষে ওঠার লড়াইয়ে টিকে থাকতে গেলে চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে জিততেই হত এটিকে মোহনবাগানকে। চেন্নাইনকে ১০ ব্যবধানে হারিয়ে জামশেদপুর এফসির ওপর চাপ বাড়াল সবুজমেরুণ শিবির। একই সঙ্গে তৃতীয় দল হিসেবে সেমিফাইনালে খেলা নিশ্চিত করল জুয়ান ফেরান্দোর দল। চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে এদিন শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল এটিকে মোহনবাগান। প্রথম একাদশে রেখেছিলেন রয় কৃষ্ণাকে। মনবীরকে সেন্টার ফরোয়ার্ড করে দিয়ে রয় কৃষ্ণাকে উইংয়ে এনেছিলেন জুয়ান ফেরান্দো। অনভ্যস্ত পজিশনে খেলেও প্রথমার্ধে দুদুটি সুযোগ পেয়েছিলেন ফিজির এই স্ট্রাইকার। ২ মিনিটে জনি কাউকোর কাছ থেকে বল পেয়ে বক্সের ডানদিক থেকে শট নিয়েছিলেন রয় কৃষ্ণা। তাঁর সেই শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। মনে হচ্ছিল, দিনটা বুঝি এটিকে মোহনবাগানের নয়। কিন্ত ভুল ভাঙতে দেরি হয়নি। এরপর আধিপত্য বজায় রেখে একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসে সবুজমেরুণ ফুটবলাররা। তবে গোল আসছিল না। শুরুতেই জ্বলে ওঠা ছাড়া রয় কৃষ্ণাও সুবিধা করতে পারছিলেন না। তবে বিরতির ঠিক আগের মুহূর্তে আবার জ্বলে ওঠেন রয় কৃষ্ণা। এবারও সেই জনি কাউকোরয় কৃষ্ণা যুগলবন্দী। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে ডানদিক থেকে বল ধরে এগিয়ে যান জনি কাউকো। বক্সের বাইরে থেকে দুরন্ত পাস বাড়ান রয় কৃষ্ণার উদ্দেশ্যে। ডানপায়ের কোনাকুনি শটে গোল করেন রয় কৃষ্ণা।দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই চাপ বাড়ায় চেন্নাইন এফসি। এইসময় এটিকে মোহনবাগান রক্ষণকে বেশ নড়বড়ে মনে হচ্ছিল। ৬৩ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিল চেন্নাইন এফসি। রেগান সিংয়ের শট পোস্টে লেগে ফেরে। এদিন লিস্টন কোলাসো নিজের সেরা ছন্দে ছিলেন না। ৬৯ মিনিটে তাঁকে তুলে নিয়ে প্রবীর দাসকে নামান জুয়ান ফেরান্দো। একই সঙ্গে তুলে নেন জনি কাউকোকে। দ্বিতীয়ার্ধের বাকি সময় কোনও দলই গোল করার মতো তেমন সহজ সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। ১৯ ম্যাচে ৩৭ পয়েন্ট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে পৌঁছল এটিকে মোহনবাগান। টপকে গেল হায়দরাবাদ এফসিকে। ১৯ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ৩৫। ১৮ ম্যাচে জামশেদপুর এফসির পয়েন্ট ৩৭। তারাই রয়েছে শীর্ষে। পরের ম্যাচে জামশেদপুর খেলবে ওডিশার বিরুদ্ধে। এটিকে মোহনবাগানকে শীর্ষে পৌঁছতে গেলে শেষ ম্যাচে জামশেদপুর এফসিকে শেষ ম্যাচে হারাতেই হবে।

মার্চ ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

শীর্ষে থাকা জামশেদপুরের সঙ্গে পয়েন্টের ব্যবধান কমানোই লক্ষ্য জুয়ান ফেরান্দোর

১৮ ম্যাচে এই মুহূর্তে ৩৪ পয়েন্ট এটিকে মোহনবাগানের। আইএসএলের লিগ টেবিলে তিন নম্বরে রয়েছে সবুজমেরুন শিবির। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার চেন্নাইন এফসি-র বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলতে নামছে জুয়ান ফেরান্দোর দল। জিতলে আরও একবার সেমিফাইনাল নিশ্চিত। একইসঙ্গে শীর্ষে থাকা জামশেদপুর এফসি-র সঙ্গে পয়েন্টের ব্যবধানও কমিয়ে ফেলতে পারবে এটিকে মোহনবাগান। সেই দিকেই তাকিয়ে বাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। মঙ্গলবার হায়দরাবাদ এফসি-র বিরুদ্ধে জামশেদপুর এফসি-র জয়ই চাপ বাড়িয়ে দিয়েছে এটিকে মোহনবাগানের। শীর্ষে ওঠার লড়াই অনেকটাই কঠিন হয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার চেন্নাইন এফসি-র বিরুদ্ধে জিতলে জামশেদপুর এফসি-কে ধরে ফেলবে এটিকে মোহনবাগান। এক ম্যাচ বেশি খেলে পৌঁছবে দ্বিতীয় স্থানে। জামশেদপুর এফসি-র ম্যাচ বাকি ওড়িশা এফসি ও এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে। যদি ওড়িশার কাছে জামশেদপুর হারে, তাহলে এটিকে মোহনবাগান ও জামশেদপুর এফসি ম্যাচ হয়ে দাঁড়াবে লিগ শীর্ষে পৌঁছনোর লড়াই। আপাতত এসব অঙ্ক নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে চেন্নাইন এফসি ম্যাচে ৩ পয়েন্ট তোলার দিকে তাকিয়ে সবুজমেরুন কোচ জুয়ান ফেরান্দো। জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী এটিকে মোহনবাগান কোচ। জুয়ান ফেরান্দোকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে চেন্নাইন এফসি-র সাম্প্রতিক ফর্ম। ১৯ ম্যাচে ২০ পয়েন্ট নিয়ে ৮ নম্বরে রয়েছে চেন্নাইন। দলের আত্মবিশ্বাসও তলানিতে। এই অবস্থায় জুয়ান ফেরান্দোর লক্ষ্য গোল পার্থক্য যথাসম্ভব বাড়িয়ে নেওয়া। যদিও চেন্নাইনকে যথেষ্ঠ গুরুত্ব দিচ্ছেন ফেরান্দো। তিনি বলেন, ওদের হারানোর কিছু নেই। মরিয়া হয়ে ঝাঁপাবে। কিন্তু আমাদের হারানোর অনেক কিছুই রয়েছে। ম্যাচ জেতার জন্য শুরু থেকেই আক্রমনাত্মক ফুটবল খেলতে হবে।গোলের জন্য লিস্টন কোলাসো ও মনবীর সিংয়ের দিকে তাকিয়ে বাগান কোচ। আগের ম্যাচে লালকার্ড দেখায় রয় কৃষ্ণা খেলতে পারবেন না। হুগো বোমাস, ডেভিড উইলিয়ামসরা ভাল ছন্দে নেই। তাই ফর্মে থাকা লিস্টন কোলাসো ও মনবীর সিংই ভরসা বাগান কোচের। সদ্য চোট সরিয়ে উঠেছেন বোমাস ও উইলিয়ামস। তাঁদের শুরু থেকে খেলবেন কিনা, তা নিয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলেননি জুয়ান ফেরান্দো। তিনি বলেন, ওরা কী অবস্থায় রয়েছে, ম্যাচের আগে দেখে সিদ্ধান্ত নেব।

মার্চ ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আইএসলের শেষ ম্যাচ না খেলেই কেন কলকাতায় ফিরলেন লালহলুদের "হীরে"?

আইএসএলে নিজেদের শেষ ম্যাচ খেলতে নামার আগেই বড় ধাক্কা এসসি ইস্টবেঙ্গলের। শেষ ম্যাচ না খেলেই কলকাতা ফিরে আসতে হচ্ছে এই মরশুমে ধারাবাহিকভাবে ভাল খেলা হীরা মন্ডলকে। নর্থ-ইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে ম্যাচে নাকের হার ভেঙেছে লালহলুদের এই সাইড ব্যাকের। চিকিৎসার জন্য তিনি কলকাতা ফিরছেন।৫ মার্চ বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচ খেলবে লাল-হলুদ ব্রিগেড। জিতলেও দশম স্থানে ওঠার সম্ভাবনা নেই। তবু লালহলুদের কাছে এটা সম্মান রক্ষার লড়াই। এইরকম ম্যাচে হীরার খেলতে না পারাটা এসসি ইস্টবেঙ্গলের কাছে বড় ধাক্কা। নর্থ-ইস্ট ইউনাইটেড এফসি-র বিরুদ্ধে ম্যাচের ১৭ মিনিটে ভিপি সুহেরের কনুই সরাসরি গিয়ে লাগে হীরার নাকে। নাক থেকে রক্ত ঝরতে থাকে লালহলুদের এই তরুণ ডিফেন্ডারের। দীর্ঘক্ষণ মাঠের বাইরে চিকিৎসা চলে। এসসি ইস্টবেঙ্গলের মেডিক্যাল টিম নিষেধ অমান্য করে হীরা শেষ পর্যন্ত মাঠে নামেন। ব্যান্ডেজ বেঁধেই ম্যাচেত শেষ মিনিট পর্যন্ত লড়ে যান। ডাক্তারি পরীক্ষার পর জানা গিয়েছে হীরার নাকের হাড় সরেছে। বুধবারই তিনি কলকাতা ফিরেছেন। কলকাতারই এক বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা হবে।লালহলুদ জার্সিতে এই মরশুমে ফুটবল মহলের নজর কেড়েছেন হীরা। দেশি-বিদেশি ডিফেন্ডাররা যখন ভরসা জোগাতে ব্যর্থ, তখন ধারাবাহিকতা দেখিয়েছেন হীরা। ইতিমধ্যেই সামনের মরশুমের জন্য বেশ কয়েকটি ক্লাবের অফার রয়েছে তাঁর কাছে। চলতি আইএসএলে ১৯ ম্যাচের মধ্যে ১টি ম্যাচে জিতেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। ৮ ম্যাচ ড্র করছে। হেরেছে ১০ ম্যাচে। ব্যর্থতার মাঝে এই মরশুমে লালহলুদের প্রাপ্তি একমাত্র হীরা মণ্ডল। এসসি ইস্টবেঙ্গলের জার্সিতে ভারতীয় ফুটবলে এই মরশুমেই নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন হীরা। এই পরিস্থিতিতে শেষ ম্যাচে কোনও ক্রমে যাতে মারিও রিভেরার দল হার বাঁচাতে পারেন, সেটাই একমাত্র প্রার্থনা লক্ষ লক্ষ লালহলুদ জনতার।

মার্চ ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

এসসি ইস্টবেঙ্গলের লাস্ট বয় হওয়ার ভাগ্য ঝুলে রইল শেষ ম্যাচের ওপর

এবারের আইএসএলে লাস্ট বয় হবে কে? লড়াইটা মূলত দাঁড়িয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গল ও নর্থইস্ট ইউনাইটেডের মধ্যে। সোমবার দুই দল মুখোমুখি হওয়ার আগে ১৯ ম্যাচে ১৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছিল নর্থইস্ট ইউনাইটেড। ১৮ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট ছিল এসসি ইস্টবেঙ্গলের। নিজেদের শেষ ম্যাচে ১১ ড্র করে ১৪ পয়েন্টে আটকে থাকল নর্থইস্ট ইউনাইটেড। অন্যদিকে, এসসি ইস্টবেঙ্গলের পয়েন্ট দাঁড়াল ১১। এবারের আইএসএলে লাস্ট বয় কে হবে, তা ঝুলে থাকল এসসি ইস্টবেঙ্গলের শেষ ম্যাচের ওপর। লাস্ট বয় হওয়ার লজ্জা এড়াতে দুই দলই মরিয়া ছিল। ম্যাচের শুরুতে নর্থইস্ট ইউনাইটেড আক্রমণের ঝড় তুললেও মিনিট পাঁচেক যেতে না যেতেই খেলা ধরে নেয় এসসি ইস্টবেঙ্গল। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসতে থাকেন পেরোসেভিচ, লালরিনলিয়ানা নামতে, মহেশ সিংরা। ৮ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত লালহলুদ। নামতের দুরন্ত শট বাঁদিকে ঝাঁপিয়ে বাঁচান নর্থইস্ট গোলকিপার মির্শেদ। ১৭ মিনিটে আবার সুযোগ এসেছিল এসসি ইস্টবেঙ্গলের সামনে। ফ্রান সোতার সেন্টার নর্থইস্টের এক ডিফেন্ডার ক্লিয়ার করলে বল যায় নোরেম মহেশ সিংয়ের কাছে। তাঁর শট ক্রশবারে লেগে বেরিয়ে যায়। প্রথমার্ধে এসসি ইস্টবেঙ্গলের নিরঙ্কুশ আধিপত্য থাকলেও এগিয়ে যায় নর্থইস্ট ইউনাইটেড। ৪৫ মিনিটে ডানদিক থেকে এগিয়ে গিয়ে এগিয়ে গিয়ে সেন্টার করেন সুহের। ডেশর্ন ব্রাউন হেড করতে ব্যর্থ হলে বল লালহলুদ গোলকিপার শঙ্কর দাসকে পরাস্ত করে পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ফিরতি বল ফলো করে জোরালো শটে জালে পাঠান মার্কো সাহনেক। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই নর্থইস্ট ইউনাইটেড আধিপত্য দেখাতে থাকে। এসসি ইস্টবেঙ্গলও প্রতিআক্রমণে উঠে আসার চেষ্টা করতে থাকে। অবশেষে প্রতি আক্রমণে উঠে এসে ৫৪ন মিনিটে পেনাল্টি আদায় করে এসসি ইস্টবেঙ্গল। নর্থইস্ট ইউড়াইটেডের বক্সে ভেসে আসা বল ফ্রান সোতা হেড করতে উঠলে তাংকে পেছন থেকে ধাক্কা দেন প্যাট্রিক ফ্লোটম্যান। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। পেনাল্টি থেকে গোল করে সমতা ফেরান আন্তোনীও পেরোসেভিচ। বাকি সময় দুই দল আক্রমণ তুলে নিয়ে এলেও গোল পায়নি। দুই দলকেই ১ পয়েন্ট করে নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

লিগ টেবিলের শীর্ষে পৌঁছতে পারবে এটিকে মোহনবাগান?‌ কী বলছেন জুয়ান ফেরান্দো

আইএসএলের লিগ টেবিলে শীর্ষস্থানে কি শেষ করতে পারবে এটিকে মোহনবাগান? কাজটা কঠিন হলেও আত্মবিশ্বাসী সবুজমেরুণ কোচ জুয়ান ফেরান্দো। বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে দুরন্ত জয় আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে।কেরালা ব্লাস্টার্স ও ওডিশা এফসির কাছে পরপর দুম্যাচ ড্র করে কিছুটা হলেও চাপে পড়ে গিয়েছিল সবুজমেরুণ শিবির। বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে জয় শুধু চাপই কাটায়নি, লিগ টেবিলের শীর্ষে ওঠার লড়াইয়েও সামিল করেছে এটিকে মোহনবাগানকে। যদি বেঙ্গালুরুর কাছে হারত, তাহলে প্লে অফে ওঠাও কঠিন হয়ে যেত। দলের ফুটবলাররা যেভাবে লড়াই করেছেন, তাতে খুশি জুয়ান ফেরান্দো। সবুজমেরুণ কোচ বলেন, আমাদের কাছে সময়টা সত্যিই খুব কঠিন যাচ্ছে। কোভিড, কোয়ারান্টাইন, যথেষ্ট অনুশীলনের অভাব নিয়ে আগেও অনেকবার বলেছি। সব ক্লাবেরই একই পরিস্থিতি। তবে আমি খুশি। কারণ, কঠিন সময়ে দলের প্রত্যেকেই নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। ছেলেদের মানসিকতা, চারিত্রিক দৃঢ়তার প্রশংসা করতে হবে। আমার ক্ষেত্রে ব্যাপারটা আরও কঠিন। কারণ, আমি দলের সঙ্গে ডিসেম্বরে যোগ দেওয়ায় ক্লাবের প্রাক মরশুম প্রস্তুতিতে ছিলাম না।দুম্যাচ পর দল জয়ে ফিরেছে। সেমিফাইনাল অনেকটাই নিশ্চিত। আপাতত চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে পরের ম্যাচ নিয়েই ভাবছেন জুয়ান ফেরান্দো। তাঁর লক্ষ্য ৩ পয়েন্ট তুলে নিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষস্থানের দিকে এগিয়ে যাওয়া। এটিকে মোহনবাগান কোচ বলেন, মনে হচ্ছে পরীক্ষা দিতে বসেছি। পরের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য মাত্র দুদিন হাতে আছে। চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে পরের ম্যাচ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ৩ পয়েন্ট পেতেই হবে। না হলে শীর্ষস্থানের লড়াই থেকে ছিটকে যাব।লিগ টেবিলের শীর্ষে পৌঁছনোর ব্যাপারে আশাবাদী এটিকে মোহনবাগান কোচ। জুয়ান ফেরান্দো বলেন, আশা করছি লক্ষ্যে পৌঁছতে পারব। তবে ওডিশা ম্যাচের পরে আমাদের হাতে আর কিছু নেই। যেটা আমাদের হাতে আছে, তা হল চেন্নাইন ও জামশেদপুরকে হারানোর চেষ্টা করা। কারণ, এই দুই ম্যাচে আমাদের শক্তিক্ষয় হতে পারে। তার পরে মুম্বই-হায়দরাবাদ, হায়দরাবাদ-জামশেদপুর ম্যাচগুলোর ওপরও নির্ভর করবে আমাদের ভবিষ্যৎ। দেখা যাক কী হয়। আশা করব পরিস্থিতি আমাদের পক্ষেই থাকবে। লিগ টেবলের শীর্ষে ওঠার কথা ভাবার চেয়ে এখন পরের দুই ম্যাচ থেকে ৬ পয়েন্ট অর্জনের কথা বেশি ভাবাই ভাল। তার পরে দেখা যাবে।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বেঙ্গালুরু'কে হারিয়ে লিগের শীর্ষস্থানের লড়াই জমিয়ে দিল এটিকে মোহনবাগান

এটিকে মোহনবাগান ও বেঙ্গালুরু এফসি ম্যাচ দুদলের কাছেই ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। লিগ টেবিলের শীর্ষে ওঠার সম্ভাবনা জিইয়ে রাখতে গেলে এটিকে মোহনবাগানকে জিততেই হত। অন্যদিকে, প্লে অফের লড়াইয়ের জন্য জেতাটা জরুরি ছিল বেঙ্গালুরু এফসির কাছে। আক্রমণাত্মক ফুটবলের স্ট্র্যাটেজি নিয়েও শেষরক্ষা হয়নি বেঙ্গালুরু এফসির। বাজিমাত করে গেল জুয়ান ফেরান্দোর দল। রবিবার বেঙ্গালুরু এফসিকে ২০ ব্যবধানে হারিয়ে শীর্ষে ওঠার লড়াই আরও জমিয়ে দিল এটিকে মোহনবাগান। ১৮ ম্যাচে ৩৪ পয়েন্ট নিয়ে লিগ শীর্ষে যাওয়ার দৌড়ে থাকল সবুজমেরুণ শিবির।আগের ম্যাচে ওডিশা এফসির কাছে আটকে গিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে ওঠার রাস্তায় কাঁটা বিছিয়ে ফেলেছিল এটিকে মোহনবাগান। রবিবার বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল। সবুজমেরুণের জয়ের নায়ক লিস্টন কোলাসো ও মনবীর সিং। আইএসএলে বিদেশিদের ভিড়ে দারুণ উজ্জ্বল এই দুই ভারতীয়। ডিফেন্সে এদিন প্রাচীর হয়ে দাঁড়ালেন সন্দেশ ঝিঙ্ঘান ও তিরি। এটিকে মোহনবাগানের এই দুই ডিফেন্ডার এদিন কোনও সুযোগ দেননি সুনীল ছেত্রি, ক্লেইটন সিলভা ও ইবারাদের।আগের ম্যাচে ওডিশা এফসির বিরুদ্ধে সেভাবে উইং দিয়ে আক্রমণ শানাতে পারেননি লিস্টন কোলাসো, মনবীর সিংরা। বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে লিস্টন কোলাসো ছন্দে ফিরতেই চেনা বাগান। প্রথমার্ধে বারবার বেঙ্গালুরুর বক্সে পৌঁছে গেলেও গোলমুখ খুলতে পারছিলেন না লিস্টন কোলাসো, মনবীর সিংরা। অবশেষে প্রথমার্ধের একেবারে শেষলগ্নে ডেডলক ভাঙেন লিস্টন কোলাসো। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে বক্সের ঠিক বাইরে লিস্টনকে একসঙ্গে মিলে ফাউল করেন ব্রুনো সিলভা ও অজয় ছেত্রি। রেফারি ফ্রিকিকের নির্দেশ দেন। বাঁক খাওয়ানো দুরন্ত ফ্রিকিক থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন লিস্টন কোলাসো। এই নিয়ে আইএসএলে ৮টি গোল করে ফেললেন এই ভারতীয় উইঙ্গার।এটিকে মোহনবাগান ও বেঙ্গালুরু এফসি ম্যাচদ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণের ধারা অব্যাহত থাকে এটিকে মোহনবাগানের। ৫৬ মিনিটে ব্যবধান বাড়তে পারত সবুজমেরুণের। জনি কাউকোর কাছ থেকে বল পেয়ে গোল লক্ষ্য করে শট নেন লিস্টন কোলাসো। তাঁর শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হলেও সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনননি ইবারা, সুনীলরা। ৮৫ মিনিটে বক্সের মাথা থেকে গড়ানো শটে গোল করে এটিকে মোহনবাগানের জয় নিশ্চিত করেন মনবীর সিং। প্লে অফের স্বপ্নের সলিলসমাধি ঘটে বেঙ্গালুরুর।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

লাস্ট বয়ের তকমা ঘোঁচানোই এখন চ্যালেঞ্জ এসসি ইস্টবেঙ্গলের কাছে

আইএসএলে এই মুহূর্তে লিগ টেবিলে সবার শেষে রয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। ১৮ ম্যাচে মাত্র ১০ পয়েন্ট। ১৯ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট পেয়ে লিগ টেবিলে দশম স্থানে রয়েছে নর্থইস্ট ইউনাইটেড। সোমবার আইএসএলের দুই লাস্ট বয়ের লড়াই। বাকি দুম্যাচ জিতলে বড়জোর দশম স্থানে শেষ করতে পারবে এসসি ইস্টবেঙ্গল। এর বেশি এগোনোর সুযোগ নেই। কারণ, ১৯ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট পেয়ে নবম স্থানে রয়েছে এফসি গোয়া। বাকি দুটো ম্যাচ জিতলেও গোয়াকে টপকাতে পারবে না। শুধু লাস্ট বয় হওয়ার তকমা মুছবে। আপাতত এটাই লক্ষ্য এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মারিও রিভেরার। নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে লালহলুদ কোচ বলেন, এই ম্যাচটা আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ জিতলে আমরা লিগ টেবিলে নর্থইস্ট ইউনাইটেডকে টপকে যাব। আপাতত সেই চেষ্টাই করব। আমরা ভাল খেলছি ঠিকই। কিন্তু জয় চাই। এই মুহূর্তে আমাদের হারানোর কিছু নেই। লিগের একেবারে শেষ পর্যায়ে এসে ফুটবলারদের নতুন করে মোটিভেট করার কিছু দেখছেন না এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মারিও রিভেরা। তাঁর কথায়, আমরা যদি শেষ ৪৫ দেখি, তাহলে দেখা যাবে ফুটবলারদের মুড খুবই ভাল জায়গায় আছে। দল আগের থেকে অনেক ভাল খেলছে। আরও বেশি আক্রমণাত্মক। ফুটবলারদের আলাদা করে মোটিভেট করার কিছু নেই। শেষ দুই ম্যাচের জন্য অনন্ত তামাংকে দলে নেওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে। কেন নেপালের এই ডিফেন্ডারকে দলে নেওয়া হয়েছে, তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মারিও রিভেরা। তাঁর কথায়, টমিস্লাভ মার্সেলা অস্ট্রেলিয়ার একটা ক্লাবে গোটা মরশুমের জন্য ভাল প্রস্তাব পেয়েছে। আমাকে জিজ্ঞেস করেছিল যাবে কিনা। আমি ওকে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছি। মার্সেলার জায়গায় একজন এশিয়ান কোটার বিদেশি ডিফেন্ডার দরকার ছিল। তাই অনন্ত তামাংকে নেওয়া হয়েছে। নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে অনন্তকে খেলাবেন কিনা, সে ব্যাপারে নিশ্চিত করে কিছু বলেননি মারিও রিভেরা।এসসি ইস্টবেঙ্গেলের দায়িত্ব নেওয়ার পর শেষ কয়েকটা ম্যাচে আলাদা আলাদা ফর্মেশনে দলকে খেলাচ্ছেন মারিও রিভেরা। শেষ দুই ম্যাচে ১৮ জন ফুটবলারকে খেলিয়েছেন। নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধেও স্ট্র্যাটেজি বদল করছেন লালহলুদ কোচ। প্রথম একাদশেও বেশ কয়েকটি পরিবর্তন করতে চলেছেন। তার ইঙ্গিতও দিয়েছেন। তবে মারিও রিভেরার চোখ ৩ পয়েন্টে। তাহলেই যে লাস্ট বয়ের তকমা ঘুঁচবে। আপাতত এটাই সম্মানের হয়ে দাঁড়িয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গলের কাছে।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার স্বপ্ন ফিকে হয়ে আসছে এটিকে মোহনবাগানের, কেন?

এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দোর স্বপ্ন দেখেছিলেন সরাসরি এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার। তাঁর সেই স্বপ্নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াল ওডিশা এফসি। বৃহস্পতিবার গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে এটিকে মোহনবাগানকে আটকে দিয়ে জুয়ান ফেরান্দোর দলের সামনে আইএসএলের লিগ টেবিলের শীর্ষে ওঠার পথে কাঁটা ছড়িয়ে দিল।আইএসএলের লিগ টেবিলের শীর্ষে থাকা দল সরাসরি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার সুযোগ পায়। দ্বিতীয় স্থানে থাকা দল খেলে এএফসি কাপের প্লে অফ। আর আই লিগের চ্যাম্পিয়ন দল সরাসরি এএফসি কাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। এবছর আইএসএলে লিগের শীর্ষস্থান না পেলে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার সুযোগ পাবে না এটিকে মোহনবাগান। ওডিশা এফসি-র বিরুদ্ধে ড্র অনেকটাই পিছিয়ে দিয়েছে সবুজমেরুন শিবিরকে। বৃহস্পতিবার জিতলে লিগের শীর্ষে থাকার ব্যাপারে অনেকটাই এগিয়ে যেত জুয়ান ফেরান্দোর দল। ওডিশা ম্যাচের পর ১৭ ম্যাচে এটিকে মোহনবাগানের ঝুলিতে ৩১ পয়েন্ট। লিগ টেবিলের শীর্ষে থাকা হায়দরাবাদ এফসি-র ১৮ ম্যাচে ২৫ পয়েন্ট। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে জামশেদপুর এফসি। তাদের ঝুলিতে ১৬ ম্যাচে ৩১ পয়েন্ট। এটিকে মোহনবাগান রয়েছে তৃতীয় স্থানে। ১৭ ম্যাচে ২৮ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছে মুম্বই সিটি এফসি। সমসংখ্যক ম্যাচে ২৭ পয়েন্ট কেরালা ব্লাস্টার্সের। মুম্বই ও কেরালা এখনও প্লে অফের লড়াইয়ে দারুনভাবেই রয়েছে। বেঙ্গালুরুর আশাও এখনও শেষ হয়নি। ফলে এটিকে মোহনবাগানের কাজ সহজ হবে না। ২৭ ফেব্রুয়ারি বেঙ্গালুরু এফসি, ৩ মার্চ চেন্নাইয়িন এফসি ও ৭ মার্চ জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে খেলা রয়েছে এটিকে মোহনবাগানের।একেই ওডিশা এফ সি-র কাছে হার, তার ওপর লালকার্ড দেখেছেন রয় কৃষ্ণা। বেঙ্গালুরু এফসি-র বিরুদ্ধে পরের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তিনি খেলতে পারবেন না। ধারাবাহিকভাবে ভাল খেলা লিস্টন কোলাসো ওডিশা এফ সি ম্যাচে ছন্দ হারিয়েছেন। ফলে এটিকে মোহনবাগানকেও চেনা ছন্দে দেখা যায়নি। ফলে চিন্তা মাথায় নিয়ে বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে মাঠে নামতে হবে জুয়ান ফেরান্দোকে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

২ ম্যাচের জন্য বিদেশি ডিফেন্ডার!‌ শেষ পর্বে ঘুম ভাঙল এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের‌

সারা বছর ঘুমিয়ে থাকার পর আইএসএলের শেষ পর্বে এসে ঘুম ভেঙেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের! না হলে লিগের একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে বিদেশি ডিফেন্ডার দলে নেবেন কেন? কোন যুক্তিতে ২ ম্যাচ আগে নতুন ফুটবলার সই করালেন কর্তারা, বোধগম্য নয়।শুরু থেকেই নানা বিতর্কে জেরবার এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। দল গড়া থেকে শুরু করে, মাঝপথে কোচ বিতরণ, ফুটবলার ছাঁটাই। মাঝে টিম ম্যানেজমেন্টের বিরুদ্ধেও ফুটবলাররা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছিলেন। আইএসএলে আর মাত্র দুটি ম্যাচ বাকি এসসি ইস্টবেঙ্গলের। একটা নর্থইস্ট ইউনাইটেড, আর একটা বেঙ্গালুরু এফ সির বিরুদ্ধে। দুম্যাচের জন্য নেপালের তরুণ ডিফেন্ডার অনন্ত তামাংকে সই করালেন লালহলুদ কর্তারা।নেপালের থ্রি স্টার ক্লাবে খেলতেন ২৪ বছর বয়সী অনন্ত তামাং। নেপালের অনূর্ধ্ব ১৯ দলের হয়ে দারুণ নজর কেড়েছিলেন। সেই সুবাদে জায়গা পান জাতীয় দলে। ২০১৫ সালে ভারতের বিরুদ্ধে সাফ কাপে ভারতের বিরুদ্ধে নেপালের জার্সি গায়ে অভিষেক হয়। ২০২০ সালে নেপালের প্রথম ডিভিশন ফুটবল লিগে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিতও হয়েছিলেন। এখন দেখার বাকি দুটি ম্যাচে তিনি কতটা রক্ষা করতে পারেন লালহলুদ রক্ষণকে। এসসি ইস্টবেঙ্গলের মতো ক্লাবের জার্সি গায়ে তোলার সুযোগ পেয়ে খুশি অনন্ত তামাং। লালহলুদ মিডিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এসসি ইস্টবেঙ্গলে খেলার সুযোগ পেয়ে আমি দারুণ খুশি। আমার কাছে গর্বের মুহূর্ত। চেষ্টা করব দলকে সবরকম ভাবে সাহায্য করতে।🚨𝐀𝐍𝐍𝐎𝐔𝐍𝐂𝐄𝐌𝐄𝐍𝐓🚨We are happy to announce the signing of Nepal🇳🇵defender Ananta Tamang for the remainder of the season.🗣️I am happy to join SC East Bengal. I look forward to helping the club in every way I can. It is a proud moment for me.#WeAreSCEB pic.twitter.com/aRKzGGwMM6 SC East Bengal (@sc_eastbengal) February 23, 2022আইএসএলে ১৮ ম্যাচ খেলা হয়ে গেছে এসসি ইস্টবেঙ্গলের। মাত্র ১টা ম্যাচে জয় এসেছে। ৭টি ড্র। ১০টিতে হার। ১০ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের শেষে রয়েছে। বাকি ২ ম্যাচ জিতলেও খুব বেশি হেরফের হবে না। এই অবস্থায় নতুন বিদেশি ফুটবলার সই করানো নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। অনেকেই বলতে শুরু করেছেন, এতদিন কি কর্তারা ঘুমিয়ে ছিলেন?এদিকে, বুধবার মুম্বই সিটি এফসির কাছে হার একেবারেই মেনে নিতে পারছেন না এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মারিও রিভেরা। তিনি মনে করছেন, মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে তাঁর দল হারার মতো খেলেননি। রিভেরা বলেন, ফুটবলাররা দারুণ খেলেছে। ১ গোলে হারতে হয়েছে। অনেক সুযোগ পেয়েছিলাম। কাজে লাগাতে পারিনি। পেনাল্টিও পাইনি। এই বার আমাদের প্রাপ্য ছিল না।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ওডিশাকে হারালেই প্লে অফ নিশ্চিত, কিন্তু জুয়ান ফেরান্দোর লক্ষ্য অন্য

আইএসএলের লিগ টেবিলে চলছে সাপলুডোর খেলা। আজ একটা দল শীর্ষে তো পরের দিন অন্যদল তাকে টপকে যাচ্ছে। একসময় সব দলকে টপকে লিগ টেবিলের শীর্ষে পৌঁছে গিয়েছিল এটিকে মোহনবাগান। এই মুহূর্তে সবুজমেরুণ শিবির আবার নেমে এসেছে তৃতীয় স্থানে। এই অবস্থায় বৃহস্পতিবার ওডিশা এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামছে এটিকে মোহনবাগান। জিতলেই প্লে অফ নিশ্চিত হয়ে যাবে। তবে সবুজমেরুণ কোচ জুয়ান ফেরান্দোর লক্ষ্য বাকি ৪ ম্যাচ জিতে লিগ শেষ করা। টানা ১২ ম্যাচ অপরাজিত এটিকে মোহনবাগান। যা আইএসএলে রেকর্ড। এই রেকর্ড ধরে রাখতে মরিয়া সবুজমেরুণ শিবির। কোচ জুয়ান ফেরান্দোর মাথায় ঘুরছে আবার অন্য অঙ্ক। লক্ষ্য ৩ পয়েন্ট। তাহলেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয়ে যাবে। আগের ম্যাচে জনি কাউকোর শেষ মুহূর্তের গোলে হার বাঁচিয়েছিল এটিকে মোহনবাগান। শেষ মিনিট পর্যন্ত ফুটবলারদের হার না মানা মানসিকতায় খুশি বাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। এই মনোবল ধরে রাখলে ওডিশা ম্যাচ জিততে কোনও অসুবিধা হবে না বলে মনে করছেন তিনি।ওডিশা এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে এটিকে মোহনবাগান কোচকে স্বস্তি দিচ্ছে বিদেশি ফুটবলারদের সুস্থ হয়ে ওঠা। কার্ল ম্যাকহিউ, হুগো বোমাস, ডেভিড উইলিয়ামস, রয় কৃষ্ণারা খেলার মতো জায়গায় চলে এসেছেন। বিদেশি ফুটবলারদের ব্যাপারে জুয়ান ফেরান্দো বলেন, দলের বিদেশিরা সবাই এখনও ৯০ মিনিট খেলার মতো জায়গায় আসেনি। তবে মাঠে নামানো যেতেই পারে। ধাপে ধাপে সবাই সুস্থ হয়ে উঠছে। পরিস্থিতি অনুযায়ী এদের ব্যবহার করব। রয় কৃষ্ণাকে ওডিশার বিরুদ্ধে খেলাবেন কিনা, খোলসা করে কিছু বলেননি এটিকে মোহনবাগান কোচ। কৃষ্ণার ব্যাপারে জুয়ান ফেরান্দো বলেন, ওর চোট খুবি গুরুতর ছিল ওকে অল্প সময় করে খেলিয়ে ৯০ মিনিট খেলার মতো জায়গায় নিয়ে আসতে হবে।প্রথম পর্বে ওডিশা এফসির কাছে আটকে গিয়েছিল এটিকে মোহনবাগান। ওই ম্যাচের ফলাফল মাথায় রাখছেন না জুয়ান ফেরান্দো। ওডিশাকে হারালে প্লে অফ নিশ্চিত হলেও তাঁর লক্ষ্য বাকি ৪ ম্যাচে জয় তুলে নেওয়া। আগের ম্যাচে বেঙ্গালুরু এফসির কাছে হারের পর প্লে অফের সম্ভাবনা শেষ হয়ে গেছে ওডিশা এফসির। তা সত্ত্বেও বিপক্ষকে হালকাভাবে নিতে রাজি নন এটিকে মোহনবাগান কোচ।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

অন্যতম সেরা ম্যাচ খেলেও জয় অধরা এসসি ইস্টবেঙ্গলের

মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মারিও রিভেরা বলেছিলেন, একমাত্র ভাগ্যই তাঁদের ড্র করাতে পারে কিংবা জেতাতে পারে। ভাগ্য সহায় হল না লালহলুদ শিবিরের। আইএসএলে নিজেদের অন্যতম সেরা ম্যাচ খেলেও মুম্বই সিটি এফসির কাছে হারতে হল মারিও রিভেরার দলকে। ম্যাচের ফল মুম্বই এফসির পক্ষে ১০। প্রথমার্ধে একাধিক সুযোগ নষ্টের খেসারত দিতে হল এসসি ইস্টবেঙ্গলতে। জিতে সেমিফাইনালের লড়াই জমিয়ে দিল মুম্বই সিটি এফসি।সেমিফাইনালের যাওয়ার জন্য এসসি ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না মুম্বই সিটি এফসির সামনে। অথচ ম্যাচের প্রথমার্ধ দেখলে মনে হবে, এসসি ইস্টবেঙ্গলের কাছেই যেন মরণবাঁচন। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণে ঝাঁপিয়েছিলেন মারিও রিভেরার ফুটবলাররা। ৮ মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারত লালহলুদ। নওরেম মহেশ সিংয়ের শট আটকে দেন এক ডিফেন্ডার। ২৬ মিনিটে পেনাল্টি পেতে পারত এসসি ইস্টবেঙ্গল। নওরেম মহেশ সিংকে বক্সের মধ্যে হাত দিয়ে টেনে ফেলে দেন মোর্তাদা ফল। রেফারি এড়িয়ে যান। ৪২ মিনিটে আবার মহেশ সিংয়ের সামনে গোল করার সুযোগ এসে গিয়েছিল, কাজে লাগাতে পারেননি। যা সুযোগ পেয়েছিল, প্রথমার্ধেই ২ গোলে এগিয়ে যাওয়ার কথা এসসি ইস্টবেঙ্গলের।ক্লাবের প্রাক্তন ফুটবলার সুরজিৎ সেনগুপ্তকে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য হাতে কালো ব্যাজ পড়ে এদিন মাঠে নেমেছিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল ফুটবলাররা। প্রথমার্ধে লালহলুদের খেলা দেখে মনে হচ্ছিল, ফুটবলাররা হয়তো ভাল শ্রদ্ধার্ঘই দেবেন ক্লাবের প্রাক্তন ফুটবলারকে। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে ছবিটা বদলে গেল। শুরু থেকেই মরিয়া হয়ে ওঠে মুম্বই সিটি এফসি। ৫১ মিনিটে এগিয়েও যায়। ব্র্যাডেন ইনম্যানের কাছ থেকে বল পেয়ে বিপিন সিং ডানদিক দিয়ে এগিয়ে যান। কাট করে ভেতরে ঢুকে বাঁপায়ের মাটিঘেঁষা জোরালো শটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন।পিছিয়ে পড়ে সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। মুম্বই সিটিও আক্রমণাত্মক খেলার স্ট্র্যাটেজি নেয়। ৭০ মিনিটে ফ্রান সোতার শট আটকে দেন মুম্বই গোলকিপার। ৭৪ মিনিটে মুম্বই সিটি এফসির হয়ে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি বিনিত রাই। ৮০ মিনিটে ফ্রান সোতার শট দারুণভাবে বাঁচান মহম্মদ নওয়াজ। শেষদিকে মরিয়া হয়েও সমতা ফেরাতে পারেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ফুটবলারদের ওপর ভরসা নেই রিভেরার?‌ জয়ের জন্য ভাগ্যের দিকে তাকিয়ে লালহলুদ কোচ‌

আইএসএলের প্রথম পর্বের ম্যাচে গতবছরের চ্যাম্পিয়ন মুম্বই সিটি এফসিকে আটকে দিয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। প্রথম পর্বে দুর্দান্ত ছন্দে থাকলেও ধারাবাহিকতা হারিয়েছে মুম্বই সিটি এফসি। ছন্দ হারানো মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে কি অঘটন ঘটাতে পারবে এসসি ইস্টবেঙ্গল? খুব একটা আশাবাদী নন লালহলুদ কোচ মারিও রিভেরা। তবে তিনি মনে করছেন, ভাগ্যের সহায়তা থাকলে তাঁর দল ড্র করতে পারে কিংবা জিততেও পারে। মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে মারিও রিভেরা বলেন, প্রথম পর্বে মুম্বই সিটি এফসি দারুণ ছন্দে ছিল। তা সত্ত্বেও ওদের সঙ্গে আমরা ড্র করেছিলাম। সেবার আমরা ভাগ্যের সহয়তা পেয়েছিলাম। এবারও যদি আমরা ভাগ্যের সহায়তা পাই, তাহলে ড্র করতে পারি কিংবা জিততেও পারি। অর্থাৎ ফুটবলারদের ওপর বিন্দুমাত্র ভরসা নেই লালহলুদ কোচের। রিভেরা আরও বলেন, আমরা যদি ড্রয়ের জন্য খেলি, তাহলে ড্র করা সম্ভব হবে না। ড্রয়ের জন্য খেলাটা যথেষ্ট কঠিন। তাই আমরা জেতার জন্যই মাঠে নামব। তার জন্য আমাদের ঝুঁকি নিতেই হবে। ভাগ্য যদি সহায় হয় তাহলে এই ম্যাচে সফল হতে পারি। সেমিফাইনালের জায়গা নিশ্চিত করতে মুম্বই সিটি এফসিকে জিততেই হবে। চাপ নিয়ে মাঠে নামতে হবে ডেস বাকিংহামের দলকে। সেই সুযোগটাই নিতে চায় এসসি ইস্টবেঙ্গল। মারিও রিভেরা বলেন, প্লে অফে যাওয়ার জন্য মুম্বই সিটি এফসির কাছে ম্যাচটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ওদের সামনে জেতা ছাড়া রাস্তা নেই। তাই চাপ নিয়ে মাঠে নামবে। কিন্তু আমরা যে অলআউট খেলব, সে সুযোগ নেই। ম্যাচটা আমাদের কাছে মোটেই সহজ হবে না। মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে একেবারেই স্বস্তিতে নেই এসসি ইস্টবেঙ্গল। চোটের জন্য মার্সেলো রিবেরা ও অমরজিৎ সিং খেলতে পারবেন না। কার্ড সমস্যায় নেই হীরা মণ্ডলও। ধারাবাহিকতার দিক দিয়ে তিনিই লালহলুদের প্রাণ ভোমরা। নওচা সিংকেও পাবেন না লালহলুদ কোচ। কারণ তিনি মুম্বই সিটি এফসি থেকে লোনে এসসি ইস্টবেঙ্গলে এসেছে। চুক্তির সময় শর্ত ছিল তিনি মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে খেলতে পারবেন না। আদিল খানও খেলতে পারবেন না। ফলে মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে সমস্যায় জর্জরিত এসসি ইস্টবেঙ্গল।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

শেষ মুহূর্তে চূড়ান্ত নাটক, জনি কাউকোর গোলে হার বাঁচাল এটিকে মোহনবাগান

টানা ১১ ম্যাচ অপরাজিত থাকার পর শেষ পর্যন্ত হারতে হবে? আশঙ্কার কালো মেঘ ঘনিয়ে এসেছিলে এটিকে মোহনবাগানের আকাশে। কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে জ্বলে উঠলেন জনি কাউকো। গোল করে দলের টানা ১২ ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ড অক্ষুন্ন রাখলেন না, দলকে তুলে নিয়ে গেলেন আইএসএলের লিগ টেবিলের শীর্ষে। দুদুবার পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন। শেষ পর্যন্ত ২২ গোলে ড্র করল এটিকে মোহনবাগান।দ্বিতীয়ার্ধে তখন ইনজুরি সময়ের খেলা চলছে। প্রায় ৭ মিনিট হয়ে গেছে। ইতিমধ্যেই লালকার্ড দেখে ফেলেছেন প্রবীর দাস। রেফারি শেষ বাঁশি বাজানোর অপেক্ষায়। এটিকে মোহনবাগান রিজার্ভ বেঞ্চে ক্রমশ হতাশা গ্রাস করছে। এমন সময়ই ঝলসে উঠল জনি কাউকোর পা। হুগো বোমাসের পাস থেকে দুর্দান্ত দক্ষতায় বল গোলে পাঠান জনি কাউকো। স্বস্তির নিঃশ্বাস এটিকে মোহনবাগান শিবিরে। অন্তত হার তো বাঁচল। এদিন ম্যাচের শুরু খেকেই পরতে পরতে উত্তেজনা। ম্যাচের ৭ মিনিটেই ফ্রিকিক থেকে দুর্দান্ত গোল করে কেরালা ব্লাস্টার্সকে এগিয়ে দেন আদ্রিয়ান লুনা। পরের মিনিটেই সমতা ফেরায় এটিকে মোহনবাগান। প্রীতম কোটালের মাইনাস থেকে ছোট্ট টোকায় কেরালা ব্লাস্টার্সের জালে পাঠান ডেভিড উইলিয়ামস। এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই এই বিদেশি স্ট্রাইকারকে নামিয়েছিলেন বাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। এরপরই আক্রমণ প্রতিআক্রমণে খেলাটা জমে ওঠে। দুই দলই গোল করার মতো সুযোগ পায়। কিন্তু তিন কাঠি খুঁজে পেতে ব্যর্থ হয়। প্রথমার্ধে খেলার ফল ছিল ১১। দ্বিতীয়ার্ধে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে দুদলই। ডেভিড উইলিয়ামসের জায়গায় হুগো বোমাসকে মাঠে নিয়ে আসেন জুয়ান ফেরান্দো। কিন্তু খুব বেশি লাভ হয়নি। এটিকে মোহনবাগানের আক্রমণের ঝাঁঝ তেমন বাড়েনি। ৬৪ মিনিটে আবার এগিয়ে যায় কেরালা ব্লাস্টার্স। পুটিয়ার ক্রস থেকে বল এটিকে মোহনবাগানের জালে পাঠান সেই আদ্রিয়ান লুনা। ৮৩ মিনিটে কিয়ান নাসিরিকে নামান জুয়ান ফেরান্দো। তার আগে মাঠে নিয়ে এসেছিলেন রয় কৃষ্ণাকে। ৮৭ মিনিটে নামার প্রবীর দাসকে। ইনজুরি সময়ে মাথা গরম করে লাল কার্ড দেখেন প্রবীর দাস। হার যে বাঁচবে না, একপ্রকার সবাই ধরে নিয়েছিলেন। একেবারে অন্তিমলগ্নে জনি কাউকোর সেই গোল।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‘‌‌‌কেরালা ব্লাস্টার্স ম্যাচ ফাইনাল’‌, কেন একথা বললেন সবুজমেরুণ কোচ?‌

টানা ১১ ম্যাচ অপরাজিত এটিকে মোহনবাগান। ভেঙে দিয়েছে এফসি গোয়ার রেকর্ড। এই রেকর্ড গড়ার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হয়েছিল কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে। প্রথম পর্বে এই কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে জয় দিয়ে আইএসএল অভিযান শুরু করেছিল এটিকে মোহনবাগান। তখন দলের দায়িত্বে ছিলেন আন্তোনীয় লোপেজ হাবাস। এখন কোচের দায়িত্বে জুয়ান ফেরান্দো। তাঁর সামনে দলকে লিগ টেবিলের শীর্ষে তোলার চ্যালেঞ্জ।এই মুহূর্তে ১৫ ম্যাচে ২৯ পয়েন্ট পেয়ে লিগ টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এটিকে মোহনবাগান। ১ ম্যাচ বেশি খেলে ২৯ পয়েন্ট হায়দরাবাদ এফসির। গোলপার্থক্যে হায়দরাবাদ শীর্ষে রয়েছে। কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে ড্র করলেই শীর্ষে পৌঁছে যাবে এটিকে মোহনবাগান। ড্র নয়, কেরালা ব্লাস্টার্সকে হারিয়েই লিগ টেবিলের শীর্ষে পৌঁছতে চান এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। তাঁকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে প্রথম পর্বের ফল। প্রথম ম্যাচেই কেরালা ব্লাস্টার্সকে ৪২ ব্যবধানে হারিয়েছিল এটিকে মোহনবাগান। প্রথম পর্বের পারফরমেন্স ধরে রাখতে মরিয়া সবুজমেরুণ শিবির।তবে জুয়ান ফেরান্দোর দলের কাছে লড়াইটা সহজ হবে না। ১৫ ম্যাচে ২৬ পয়েন্ট পেয়ে লিগ টেবিলে চতুর্থ স্থানে রয়েছে কেরালা ব্লাস্টার্স। সেমিফাইনালের লড়াইয়ে তারাও রয়েছে প্রবলভাবে। ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলছে বেঙ্গালুরু এফসি। ১৬ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ২৫। ফলে কেরালা ব্লাস্টার যে সহজে ছাড়বে না, সেকথা বিলক্ষণ জানেন এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। তাই কেরালার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি দারুণ সতর্ক।কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে টানা ১১ ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ড নিয়ে ভাবতে রাজি নন এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। তিনি বলেন, রেকর্ড নিয়ে ভাবছি না। প্রতিটা ম্যাচ নিয়েই আলাদা করে ভাবছি। আমাদের লক্ষ্য চ্যাম্পিয়ন হওয়া। সেজন্য প্রতিটা ম্যাচেই জিততে হবে। তবে কেরালা ব্লাস্টার্স ম্যাচ জিততেই হবে। এই ম্যাচ আমাদের কাছে ফাইনালের মতো। কেরালার বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে পরিবর্তন করার সম্ভাবনা আছে। ডেভিড উইলিয়ামস হয়তো প্রথম একাদশে ঢুকবেন। রয় কৃষ্ণাকেও খেলাতে পারেন জুয়ান ফেরান্দো।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মনদীপের জোড়া গোল, দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দিয়ে হায়দরাবাদকে ধরে ফেলল এটিকে মোহনবাগান

করোনায় আক্রান্ত এফসি গোয়ার বেশ কয়েকজন ফুটবলার। আদৌও এটিকে মোহনবাগানএফসি গোয়া ম্যাচ হবে তো? বুধবার সকাল থেকেই আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। জল্পনা উড়িয়ে অবশেষে মাঠে নামল দুই দল। দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দিয়ে এফসি গোয়াকে ২০ ব্যবধানে হারিয়ে শীর্ষে থাকা হায়দরাবাদ এফসিকে ছুঁয়ে ফেলল। ১৬ ম্যাচে হায়দবাদের পয়েন্ট ২৯। ১ ম্যাচ কম খেলে এটিকে মোহনবাগানের পয়েন্টও ২৯। গোলপার্থক্যে এটিকে মোহনবাগান রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। জোড়া গোল করে সবুজমেরুণের জয়ের নায়ক মনবীর সিং। তবে লিস্টন কোলাসোর কৃতিত্বও কোনও অংশে কম নয়। মনবীরের দুটি গোলের কারিগর তিনি। তাছাড়া গোটা ম্যাচে দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দেন লিস্টন কোলাসো। এদিন ম্যাচের ৩ মিনিটেই এটিকে মোহনবাগানকে এগিয়ে দেয় লিস্টন কোলাসোমনবীর সিং যুগলবন্দী। লিস্টনের কর্ণার থেকে দুরন্ত হেডে গোল করেন মনবীর। শুরুতে গোল হজম করেও হতদ্যোম হয়ে পড়েনি এফসি গোয়া। দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে আসে। আক্রমণ প্রতিআক্রমণে খেলাটা দারুণ জমে উঠেছিল। ২৫ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ এসেছিল এটিকে মোহনবাগানের সামনে। জনি কাউকোর শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ৩৪ মিনিটে সমতা ফেরাতে পারত এফসি গোয়া। আনোয়ার আলির শট এটিকো মোহনবাগান গোলকিপার অমরিন্দার সিংয়ের হাত স্পর্শ করে ক্রশবারে লেগে বেরিয়ে যায়।প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে নিজেদের মাঝমাঠ থেকে বল ধরে অনেকটা দৌড়ে এফসি গোয়ার বক্সে ঢুকে পড়ে বাঁ পায়ে দুরন্ত শট নিয়েছিলেন লিস্টন কোলাসো। তাঁর শট ততোধিক তৎপরতায় বাঁচান এফসি গোয়া গোলকিপার ধীরাজ সিং। না হলে প্রথমার্ধেই ২০ ব্যবধানে এগিয়ে যেতে পারত এটিকে মোহনবাগান। দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক এটিকে মোহনবাগান। দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু হতেই আবার গোল। এবারও সেই লিস্টন কোলাসো মনবীর সিং যুগলবন্দী। নিজেদের বক্সের সামনে থেকে বল ছিনিয়ে নিয়ে মনবীরের উদ্দেশ্যে থ্রু বল বাড়ান লিস্টন কোলাসো। সেই বল ধরে এগিয়ে আসা ধীরাজের পাশ দিয়ে ঠান্ডা মাথায় বল জালে পাঠান মনবীর। ৪ মিনিট পরেই হ্যাটট্রিক করার সুযোগ এসেছিল মনবীরের সামনে। ধীরাজকে সামনে একা পেয়েও সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। ৫৩ মিনিটে জনি কাউকোও একটি সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। ৭৬ মিনিটে আবার গোল করার সুযোগ এসেছিল মনবীরের সামনে। শট নিতে দেরি করায় বল বিপদমুক্ত করে দেন এফসি গোয়ার ডিফেন্ডাররা। ৮০ মিনিটে লিস্টন কোলাসোর বাঁক খাওয়ানো কর্ণার পোস্টে লেগে ফিরে আসে।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আবার হার, লজ্জা আরও বাড়ছে এসসি ইস্টবেঙ্গলের

এসসি ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পর ফিটনেস সমস্যার জন্য দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে বসেই ছিলেন। কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে ফ্রান সোতাকে প্রথম একাদশে জায়গা দিয়েছিলেন মারিও রিভেরা। দিনেন সহজতম সুযোগ নষ্ট করে দলকে পরাজয়ের দিকে ঠেলে দিলেন ফ্রান সোতা। কেরালা ব্লাস্টার্সের কাছে ১০ গোলে হারল এসসি ইস্টবেঙ্গল। আবার টানা দ্বিতীয় হার লালহলুদের। ম্যাচের আগের দিন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মারিও রিভেরা বলেছিলেন, তাঁর দলের বিরুদ্ধে যে কোনও দল খেলতে ভয় পাবে। কথাটা খুব একটা ভুল বলেননি। লিগ টেবিলে চার নম্বরে থাকা কেরালা ব্লাস্টার্সকে জয় পেতে রীতিমতো ঘাম ঝড়াতে হল। আর ফ্রান সোতা যদি দিনের সহজতম সুযোগ নষ্ট না করতেন, তাহলে তো জয়ই পেত না কেরালা ব্লাস্টার্স। চোট সমস্যার জন্য কেরালা ব্লাস্টার্সের প্রথম একাদশের কয়েকজন ফুটবলার ছিলেন না। ড্যারেন সিডোয়েল ও গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্য জ্বরে আক্রান্ত হওয়ায় এসসি ইস্টবেঙ্গলও সমস্যায় পড়ে। প্রথম একাদশে এদিন বেশ কয়েকটা পরিবর্তন করে দল সাজিয়েছিলেন লালহলুদ কোচ মারিও রিভেরা। ফ্রান সোতা, জয়নার লরেন্সো, মহম্মদ রফিক, শঙ্কর দাস, রাহুল পাসোয়ানদের নিয়ে প্রথম একাদশ সাজিয়েছিলেন। প্রথমার্ধে কেরালা ব্লাস্টার্সের সঙ্গে সমানে সমানে লড়াই করেন লালহলুদ ফুটবলাররা। প্রথমার্ধের ২৫ মিনিট পর্যন্ত এসসি ইস্টবেঙ্গল সেভাবে ছন্দে ছিল না। এরপর আস্তে আস্তে খেলাটা ধরে নেয়। দারুণ ফুটবল উপহার দেন আন্তোনীয় পেরোসেভিচ। বেশ কয়েকবার গোল করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছিলেন। তাঁর সেন্টার থেকে লালহলুদ জার্সি গায়ে অভিষেককারী রাহুল পাসোয়ান গোল করতে পারলে ছবিটা বদলে যেত। প্রথমার্ধে ম্যাচের ফল ছিল গোলশূন্য। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে কেরালা ব্লাস্টার্স। ৪৯ মিনিটে কর্ণার থেকে হেডে ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেন এনেস সিপোভিচ। পিছিয়ে পড়েও হতদ্যোম হয়ে পড়েনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। পেরোসেভিচের নেতৃত্বে আবার ম্যাচে ফিরে আসে। ৮২ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল ফ্রান সাতো। সামনে শুধু গোলকিপারকে পেয়েও বাইরে মারেন। গোল করতে পারলে অন্তত ড্র করে মাঠ ছাড়তে পারত এসসি ইস্টবেঙ্গল।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
উৎসব

দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের উন্মাদনা! ফুটবলের টানে মাঠে ফিরুক কচিকাঁচারা, অভিনব থিম পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির

পূর্ব বর্ধমান: দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এ বার ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও বিশ্বজয়ী স্পেনের উল্লাস, কোথাও ভারতীয় ফুটবলের ছবি, আবার কোথাও লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে পুজোর মণ্ডপেই যেন তৈরি হচ্ছে এক টুকরো বিশ্বকাপের আসর। বাঙালির চিরন্তন ফুটবলপ্রেমকে উদ্যাপন এবং নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের পর্দা থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।পুজোর থিম মানেই এখন শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ সচেতনতা কিংবা নানা অভিনব ভাবনার মেলবন্ধন। সেই ধারাতেই এ বার ফুটবলকে সঙ্গী করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। ক্লাবের ২৯তম বর্ষের পুজোয় তাদের থিম ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড। অর্থাৎ, ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবল যে গোটা বিশ্বকে একই সুতোয় বেঁধে রাখতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে।মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকেই দর্শকদের নজর কাড়ার আয়োজন। সামনে রাখা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের সরকারি বল ট্রিয়োন্ডা। বলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আবহ। মণ্ডপের এক দিকে রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবি, অন্য দিকে স্থান পেয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের গৌরবের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। তাঁদের ফুটবলজীবনের স্মৃতি ও জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ। পাশাপাশি থাকছে আরও কয়েক জন তারকা ফুটবলারের প্রতিকৃতি। বিশ্বকাপের নানা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মাঠের উত্তেজনা, গোলের উল্লাস এবং সমর্থকদের আবেগে ভরা সেই সব মুহূর্তে।মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেও থাকছে চমক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ৭০টি উল্লেখযোগ্য মুহূর্তের ছবি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সেখানে। ভারতীয় ফুটবলের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ জায়গা। দেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। ফলে এই মণ্ডপ শুধু পুজো দেখার জায়গা নয়, ফুটবলের ইতিহাস ও স্মৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনাকেও বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। মণ্ডপের এক পাশে গ্যালারির আদলে তৈরি অংশে থাকবে ফাইনালের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। দুর্গাপ্রতিমার পাশেও স্থান পাচ্ছে ফাইনালের স্মরণীয় দৃশ্য এবং ফুটবল তারকাদের ছবি। মণ্ডপের একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পতাকা। আলোর কারুকার্যে সেই সব পতাকার রং ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপের একটি দৃশ্যমান আবহ তৈরি করাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।এখানেই শেষ নয়। মণ্ডপে থাকবে একটি বড় পর্দা, যেখানে দেখানো হবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের হাইলাইটস। ফলে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে দেখতে পারবেন মাঠের সেরা মুহূর্তগুলি। গোল, সেভ, দুরন্ত পাস কিংবা ট্রফি জয়ের উল্লাসবিশ্বকাপের নানা স্মৃতি মণ্ডপের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।তবে এই আয়োজনের পিছনে শুধুই দর্শকদের আকর্ষণ করার ভাবনা নেই। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, ছোটদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের মাঠমুখী করে তোলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে খেলাধুলার আনন্দ, দলগত প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ফুটবলকে মাধ্যম করেছে ক্লাব।ফুটবল এমন একটি খেলা, যেখানে জয়ের আনন্দের পাশাপাশি থাকে পরাজয় মেনে নেওয়া, সতীর্থের পাশে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা। ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড থিমের মাধ্যমে সেই সামাজিক ও মানবিক বার্তাও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি।দুর্গাপুজোর উৎসবের সঙ্গে ফুটবলের আবেগকে মিলিয়ে এই উদ্যোগ কতটা দর্শকপ্রিয় হয়, তা অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মণ্ডপের সাজসজ্জা থেকে বিশ্বকাপের স্মৃতি, আন্তর্জাতিক তারকা থেকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসসব কিছুকে এক ছাতার তলায় এনে পুজোর আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করেছে ক্লাব। উদ্যোক্তাদের আশা, মণ্ডপে এসে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠার পাশাপাশি ছোটদের মনে জাগবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের টানেই হয়তো এক দিন তারা মোবাইল সরিয়ে রেখে আবার ছুটবে গ্রামের মাঠে, পায়ে বল নিয়ে।দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের আবহ, আর সেই আবহ থেকেই মাঠে ফেরার ডাকপূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির এ বারের পুজোর ভাবনায় ফুটবল তাই শুধু খেলা নয়, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলারও এক বার্তা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal