• ১ ভাদ্র ১৪৩৩, বুধবার ১৯ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IS

বিনোদুনিয়া

ফসিলসের মেগা কনসার্টে উপচে পড়া অনুরাগী

স্টাফ রিপোর্টারঃ তিন ঘন্টার ফসিলস ঝড় উঠল কলকাতার নিকো পার্কে। অনুষ্ঠানের আয়োজক থিজম ইভেন্টস। ২০১৯ এর ১ বৈশাখ নজরুল মঞ্চে প্রথম ফসিলস ঝড় অনুষ্ঠিত হয়। মাঝে করোনার কারণে এই অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্যায়ের অয়োজন করা সম্ভব হয়নি। এই অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ অবশ্যই ছিল তিন ঘন্টার ফসিলস এর গানের ঝড়। থিজম ইভেন্টস এর পক্ষ থেকে সংস্থার প্রধান রীতম সাহা জানান, অনেকদিন আগেই এই অনুষ্ঠান করা সম্ভব হতো যদি মাঝে এই দুবছর করোনার জন্য আমাদের সময় নষ্ট না হতো। এবারে আরো বড় জায়গায় আয়োজন ছিল। অভাবনীয় সাড়া পেয়ে আমরা খুব খুশি। অন্যদিকে ফসিলস এর পক্ষে জানানো হয়েছে, ফসিলস ঝড় সিজন টু একটা মহা কনসার্ট। এই শো এর প্রথম অধ্যায় ২০১৯ এর পয়লা বৈশাখের দিনে নজরুল মঞ্চে আয়োজিত হয়েছিল। এবার নিক্কো পার্ক বিগ লনে আয়োজিত হল। প্রচুর ফ্যান শো দেখেছেন। আমরা মানে ফসিলস খুব এক্সাইটেড ছিলাম এই শো নিয়ে এবং তিন ঘন্টার এই স্পেশাল শো আমরা উপহার দিলাম সকল শ্রোতাকে, যারা ফসিলসকে ভালোবাসে, তাদের গান শোনে। দুবছর পর কলকাতায় এরকম এক মহা কনসার্টে দেখা হোলো সবার সাথে। থিজম ইভেন্টস নিবেদন করল ফসিলস ঝড়-দুই। অনেক বছর পরে এরকম একটা গ্রাউন্ড ইভেন্ট দেখে উচ্ছ্বসিত ব্যান্ডের ভক্তরা। ফসিলসের বিপুল জনপ্রিয় গানের মধ্যে আরো একবার, একলা ঘর, নীল রঙ ছিল ভীষণ প্রিয় উল্লেখযোগ্য।

মার্চ ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ভয় ওগবেচেকে, প্যারিস সাঁ জাঁ–র এই প্রাক্তন স্ট্রাইকারকে নিয়ে কী পরিকল্পনা জুয়ান ফেরান্দোর?‌

স্বপ্ন ছিল আইএসএলের লিগ শিল্ড জিতে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার ছাড়পত্র জোগাড় করা। লিগের শেষ ম্যাচে জামশেদপুর এফসির কাছে হেরে সে স্বপ্নের জলাঞ্জলি। সামনে আইএলএল খেতাব। আপাতত এটাই পাখির চোখ করছে এটিকে মোহনবাগান শিবির। সেই লক্ষ্য নিয়ে শনিবার হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে প্রথম পর্বের সেমিফাইনালে নামছে সবুজমেরুণ ব্রিগেড। ফাইনালে ওঠার জন্য দ্বিতীয় পর্বের ম্যাচের ওপর নির্ভর করতে চান না এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। তাঁর লক্ষ্য প্রথম পর্বের সেমিফাইনালেই ফাইনালের রাস্তা পরিস্কার করে নেওয়া।হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে প্রথম পর্বের সেমিফাইনালে নামার আগে লিগ পর্যায়ের শেষ ম্যাচে জামশেদপুর এফসির কাছে হার মাথায় রাখছেন না জুয়ান ফেরান্দো। তাঁর কাছে ওই ম্যাচ এখন অতীত। অতীত ভুলে সামনের দিকে তাকাতে চান এটিকে মোহনবাগান কোচ। লিগ পর্যায়ে হায়দরবাদ এফসি একটা ম্যাচেও হারাতে পারেনি এটিকে মোহনবাগানকে। এমনকি সেই দুটি ম্যাচের কথাও মাথায় রাখছেন না জুয়ান ফেরান্দো। হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে প্রথম পর্বের সেমিফাইনালে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, ওরা লিগে দুটো ম্যাচে আমাদের হারাতে পারেনি বলে আমরা বাড়তি সুবিধা নিয়ে মাঠে নামব, এটা ভাবার কোনও কারণ নেই। আমার মনে হয় না আগের ম্যাচগুলিতে কেমন খেলেছি তার প্রভাব সেমিফাইনালে পড়বে। হায়দরাবাদ আমাদের হারাতে পারেনি বলে তার কোনও সুবিধা আমরা পাব না। একটা ভাল দলের বিরুদ্ধে খেলতে নামছি। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে।আইএসএলে লিগ টেবিলের শীর্ষে না পৌঁছতে পারলেও ফুটবলারদের মোটিভেশনের অভাব হবে না বলে মনে করছেন জুয়ান ফেরান্দো। তিনি বলেন, লিগশিল্ড এখন আমাদের কাছে অতীত। এখন সেমিফাইনাল ও পরে ফাইনাল আমাদের কাছে চ্যালেঞ্জ। পরে এএফসি কাপ আছে। ফলে ফুটবলারদের মোটিভশনের অভাব নেই। ফাইনালে ওঠার জন্য দুই পর্বের সেমিফাইনালে লড়তে হবে। এই প্রসঙ্গে জুয়ান ফেরান্দো বলেন, আমাদের সামনে এখন দুটো ম্যাচ। প্রতি ম্যাচই জিততে হবে, এমনই মানসিকতা রয়েছে আমাদের দলে। দুটো ম্যাচে আলাদা পরিকল্পনা নেই। দুটো ম্যাচই আমাদের জিততে হবে, এমনই ভাবনা আছে। এমন নয় যে সামনে কুড়িটা ম্যাচ আছে সামলে নেওয়া যাবে। তাই প্রতিটি মুহূর্তে মনংযোগ নিখুঁত থাকতে হবে এবং সারা ম্যাচে ফোকাসড থাকাটা খুবই জরুরি। দুরন্ত ফর্মে রয়েছেন বিপক্ষ শিবিরের একসময় প্যারিস সাঁ জাঁয় খেলা বার্থোলোমিউ ওগবেচে। এই মুরুত্তে ১৭ ম্যাচে ১৭ গোল করে আইএসএলে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন। তাঁকে আটকাতে আলাদা পরিকল্পনা করেছেন এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। তিনি বলেন, ওকে নিয়ে অবশ্যই পরিকল্পনা রয়েছে। কিন্তু সেটা এখন বলা যাবে না। তবে সত্যি বলতে, আমরা শুধু নিজেদের খেলা নিয়েই ভাবছি। কী ভাবে নিজেদের পায়ে বল রাখতে হবে, জায়গা বের করতে হবে, আক্রমণে উঠতে হবে। কালকের ম্যাচে আমাদের পরিকল্পনা এ রকমই। তবে নিজের দলের স্ট্রাইকারদের ব্যর্থতা ভাবাচ্ছে জুয়ান ফেরান্দোকে। একটাই স্বস্তি, সেমিফাইনালে হায়দররাবাদের বিরুদ্ধে হুগো বোমাসকে তিনি পাবেন।

মার্চ ১১, ২০২২
দেশ

আগামী ৫ বছর গোয়ার মাটি কামরে পড়ে থাকব: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

গোয়ায় তৃণমূল একটিও আসন না পেলেও দল যে লড়াইয়ের ময়দান ছেড়ে দেবে না তা জানিয়ে দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে গোয়া থেকে ফিরে দমদম বিমানবন্দরে এমনই জানিয়েছে তিনি।বৃহস্পতিবার পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হয়। এই নির্বাচনে কেবলমাত্র গোয়ার ভোটে অংশ নিয়েছিল বাংলার শাসকদল। বিধানসভা নির্বাচনে গোমন্তক পার্টির সঙ্গে জোট গড়েও খাতা খুলতে পারেনি জোড়াফুল শিবির। তবে তাতে বিন্দুমাত্র বিচলিত হতে নারাজ অভিষেক। তিনি বলেন, মাত্র কিছু দিনের মধ্যেই আমরা গোয়ার মানুষের কাছে পৌঁছতে পেরেছি। সকলের কাছে হয়তো পৌঁছতে পারিনি। তবে ছয় শতাংশ ভোট পেয়েছি। আমাদের প্রতিনিধিরা মানুষের জন্য কাজ করবেন। চারটি আসনে অত্যন্ত কম ব্যবধানে হেরেছি। এমন কয়েকটি বিধানসভা রয়েছে যেখানে তৃণমূল তিন মাসের মধ্যে ৩০ শতাংশ ভোট পেয়েছে।তিনি আরও বলেন, গোয়ার মানুষের কাছে আমরা বদ্ধপরিকর। যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, তা করে দেখাব। আমরা গোয়ায় থাকব এবং ময়দানে লড়াই করব মানুষের স্বার্থে। ফলাফল পর্যালোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে।এই অল্প সময়ের মধ্যে গোয়ার মানুষ আমাদের গ্রহণ করেছেন। এর জন্য তাঁদের আমরা ধন্যবাদ জানাই। যে আশা নিয়ে আমরা লড়াই করেছিলাম সে আশা হয়তো পূরণ হয়নি। কিন্তু চারটি আসনে আমরা খুব কম ব্যবধানে হেরেছি। ১০০০-১২০০ ভোটের ব্যবধানে। নাভেলিম আসনে আমরা মাত্র ২৫০ ভোটে হেরেছি। বেলিম আসনেও আমরা কম ব্যবধানে হেরেছি। তবে এমন কিছু আসন রয়েছে যেখানে আমরা ৩০ শতাংশ ভোট পেয়েছি।গোয়ায় থেকে ময়দানে লড়াই করার বার্তাও দিয়েছেন তিনি। তৃণমূল সাংসদ বলেন, আগামী ৫ বছর মাটি কামড়ে পড়ে থাকব। অত্যন্ত কম সময়ের মধ্যে আমরা হয়তো সবার কাছে সে ভাবে পৌঁছতে পারিনি। পরাজয়ের কারণ নিয়ে আলোচনা হবে দলের অন্দরে। পর্যালোচনা করে নেওয়া হবে নতুন রণকৌশল। তবে, ২২- এর এই ফলাফলের জন্য গোয়া ছেড়ে আসার কথা এখনই ভাবছে না তৃণমূল।

মার্চ ১১, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল: মকরের পরীক্ষায় সাফল্য, ধনুর বদলির সম্ভাবনা

মেষ/ARIES: ষড়যন্ত্রের শিকার হতে পারেন।বৃষ/TAURUS: আশাতীত লাভ করতে পারেন।মিথুন/GEMINI: প্রফুল্লতা পেতে পারেন।কর্কট/CANCER: মানহানির শিকার হতে পারেন।সিংহ/LEO: ক্ষতি হতে পারে।কন্যা/VIRGO: আকস্মিক বাধা পেতে পারেন।তুলা/ LIBRA: সাফল্যের ইঙ্গিত পেতে পারেন।বৃশ্চিক/Scorpio: ব্যুৎপত্তিলাভ করতে পারেন।ধনু/SAGITTARIUS: বদলির সম্ভাবনা রয়েছে।মকর/CAPRICORN: পরীক্ষায় সাফল্য পেতে পারেন।কুম্ভ/AQUARIUS: পরিচারিকা দ্বারা ক্ষতি হতে পারে।মীন/ PISCES: শ্রীবৃদ্ধি হতে পারে।

মার্চ ১১, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল: বৃষর গবেষণায় সাফল্য, কন্যার প্রতিপত্তি বৃদ্ধি

মেষ/ARIES: অনুশোচনা করতে পারেন।বৃষ/TAURUS: গবেষণায় সাফল্য আসতে পারে।মিথুন/GEMINI: বিলাসিতায় ব্যয় করতে পারেন।কর্কট/CANCER: ক্লেশভোগ করতে হতে পারে।সিংহ/LEO: প্রলভনে ক্ষতি হতে পারে।কন্যা/VIRGO: প্রতিপত্তি বৃদ্ধি পেতে পারে।তুলা/ LIBRA: বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়তে পারেন।বৃশ্চিক/Scorpio: হঠাৎ প্রাপ্তি হতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হতে পারেন।মকর/CAPRICORN: অবিবেচক কাজ করতে পারেন।কুম্ভ/AQUARIUS: বিনিয়োগে লাভ করতে পারেন।মীন/ PISCES: কর্মী সমস্যা হতে পারে।

মার্চ ১০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌কেন লালহলুদ ছেড়ে অন্য ক্লাবের পথে হীরা, সৌরভরা?‌

চলতি আইএসএলে চূড়ান্ত ব্যর্থ এসসি ইস্টবেঙ্গল। লিগ টেবিলে একেবারে সবার শেষে। ২০ ম্যাচে মাত্র ১টা জয়। এহেন দলের কোনও ফুটবলারের দিকে অন্যদলগুলি ফিরে তাকাবে, কল্পনার অতীত। ব্যতিক্রমও আছে। লালহলুদের বেশ কয়েকজন ফুটবলারের দিকে হাত বাড়িয়েছে অন্য ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। ইতিমধ্যেই এসসি ইস্টবেঙ্গলের মিডফিল্ডার সৌরভ দাসের সঙ্গে চুক্তি সেরে ফেলেছে চেন্নাইন এফসি। হীরা মণ্ডল, নামতেসহ একাধিক ফুটবলারের কাছে প্রস্তাব আছে বেশ কয়েকটা ফ্রাঞ্চাইজির। গত মরশুমেও লালহলুদ জার্সি গায়ে খেলেছিলেন সৌরভ দাস। ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে মুম্বই সিটি এফসি থেকে লোনে এসসি ইস্টবেঙ্গলে যোগ দেন। রবি ফাউলার তাঁকে নিয়মিত খেলাতেন। কিন্তু চলতি মরশুমে চোটের জন্য অধিকাংশ সময়েই মাঠের বাইরে কাটাতে হয়েছিল সৌরভকে। কয়েকটা ম্যাচে খেললেও নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি। মারিও রিভেরা দায়িত্ব নেওয়ার পর সৌরভকে সেভাবে নামানোর সাহস দেখাতে পারেননি। তা সত্ত্বেও সামনের মরশুমের জন্য নতুন দল পেয়ে গেলেন এসসি ইস্টবেঙ্গলের এই মিডফিল্ডার। ২০২৪ সাল পর্যন্ত সৌরভের সঙ্গে চুক্তি করেছে চেন্নাইন এফসি। আইএসএলের দুটি মরশুম মিলিয়ে লালহলুদ জার্সি গায়ে ১৮টি ম্যাচ খেলেছেন সৌরভ। টাটা ফুটবল অ্যাকাদেমি থেকে উঠে এসেছেন সৌরভ দাস। ২০১৬ সালে যোগ দেন মোহনবাগানে। টানা তিন মরশুম সবুজমেরুণ জার্সিতে কাটান এই তরুণ মিডফিল্ডার। আই লিগে মোহনবাগানের হয়ে খেলেন ১৬টি ম্যাচ। আই লিগে তাঁর দুরন্ত পারফরমেন্স নজর কাড়ে মুম্বই সিটি এফসি কর্তাদের। সৌরভ দাসের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী চুক্তি করে মুম্বই। গত মরশুমে জানুয়ারিতে দলবদলের দ্বিতীয় উইন্ডোতে লোনে লালহলুদে যোগ দেন। কেন ইস্টবেঙ্গল ছেড়ে অন্য দলের দিকে পা বাড়াচ্ছেন ফুটবলাররা? আসলে নিরাপত্তার অভাব। ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছেন শ্রী সিমেন্ট কর্তারা। স্পোর্টিং রাইটসও ফিরিয়ে দিচ্ছে। সামনের মরশুমের স্পনসর নিয়ে এখনও কিছু চূড়ান্ত করতে পারেননি লালহলুদ কর্তারা। বেশ কয়েকটা স্পনসরের সঙ্গে কথা চলছে। তবে বাংলাদেশের বসুন্ধরা গ্রুপ লালহলুদে লগ্নি করতে আগ্রহী। তা সত্ত্বেও ভরসা পাচ্ছেন না ফুটবলাররা। তাই অন্য ক্লাব খুঁজে নিচ্ছেন হীরা মণ্ডল, নামতে, মহেশ সিং, সৌরভ দাসের মতো ফুটবলাররা।

মার্চ ০৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সমুদ্র সৈকতে 'এমনি' মৎস্য শিকারে ব্যস্ত সাংসদ অভিনেতা

দেব মানেই টলিউডের সেনশেসন। তাঁর হাঁটা-চলা এক্সপ্রেশন ফলো করেন কিশোর থেকে যুবারা। কিশোরী থেকে পড়ন্ত যৌবনা তাঁর প্রেমে মসগুল। তাদের অনেকেরই হার্টথ্রব হলেন দেব। এই মুহুর্তে টলিউডের সবচেয়ে আলোচিত অবিবাহিত যুবক। দীর্ঘ অভিনয়ের জীবনে এরকম অনেক প্রেমের প্রস্তাব এসেছে। তাঁর প্রেম ও জীবনসঙ্গী নিয়ে গসিপের শেষ নেই সে মিমি থেকে শুরু করে নবাগতা রক্মনী... মাঝে নদী দিয়ে অনেক জল বয়ে গেছে। সেই দেব কে এবার একটু অন্য ভাবে পাওয়া গেল। কর্ম ব্যস্ত জীবনের বাইরে বিদেশে ফ্রি টাইম কাটাচ্ছেন তিনি।🎣 pic.twitter.com/O5m9m6szL4 Dev (@idevadhikari) March 8, 2022সোশ্যাল মিডিয়ায় দুটো ছবি পোস্ট করেছেন তিনি। সেখানে একটা ছবিতে দেখা যাচ্ছে দেব মাছ ধরছেন। আর একটা ছবিতে দেখা যাচ্ছে মাছ ধরার পর হাসিমুখে সেই মাছ নিয়ে দাঁড়িয়ে তিনি। আর এই হাসিমুখের ছবি অনেক মহিলার মন জিতে নিয়েছে। কমেন্ট বস্কে একাধিক কমেন্ট ও এসেছে।একজন ফ্যান লিখেছেন, এই হাসিটা দেখার পর আর কিছুর প্রয়োজন হয় না। আবার একজনের কমেন্ট, টাকা দিয়েও এই হাসি কেনা যাবে না। একজনের আবার ছবিটা এতটাই ভালো লেগেছে যে তিনি লিখেছেন, যদি দাঁত দেখে ক্রাশ খাওয়ার কোনও প্রতিযোগিতা হয় তাহলে আমিই জয়ী হব। কেউ আবার লিখেছেন মাছটা তাঁর মতোই সুন্দর।আবার অনেক বক্রোক্তি -ও এসেছে, অনেকেই বলেছেন এই ছবিটা কারসাজি করা, পিছনের ভদ্রলোকটি কি করে জলের ওপর দাঁড়িয়ে?, কেউ কেউ আবার মাছটিকে গ্রামবাংলার অতি সাধারণ একটি মাছ তেলাপিয়া র সাথেও তুলনা করে লিখেছেন, তেলাপিয়া ধরতে এত দূর যাবার কি দরকার। ছবিটি যে ভাইরাল হয়েছে তা নিয়ে কারোর সন্দেহ নেই। সামাজিক মাধ্যমে দেব জানিয়েছেন মাছটি ধরে তিনি জলেই ছেড়ে দিয়েছেন। এর থেকে তাঁর নম্র মানসিকতার পরিচয় পাওয়া যায়। সামজিক মাধ্যমে তাঁর ফলোয়াররা একটা জিনিস নিয়ে খুবই কৌতূহলী, সেটা হল তাঁর সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া ক্যাপসান এমনি। অনেকটা সেই বিখ্যাত বিজ্ঞাপন আমি তো এমনি এমনি খায়......।আসলে দেব তো তাই। রাজনীতি ও তাঁর কেরিয়ার কে কোনও ভাবেই তিনি মেলাতে দেননি। কঠিন সময়ের মধ্যে একদিকে তাঁর ছবি টনিক যেমন লটারি জিতে নেয়, তাঁর ছবি হাউসফুল থাকে বেশ কয়েক সপ্তাহ তেমনই প্রফেশনের বাইরে মানুষ দেব পুরো আলাদা।সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর পোস্ট করা ছবিগুলোও ব্যতিক্রমী। এবারও মাছ ধরতে গিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি পোস্ট করে সকলের মন জিতে নিলেন।

মার্চ ০৯, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল : কর্কটের অস্থিরতা, তুলার স্বাস্থ্যের অবনতি

মেষ/ARIES: অম্লরোগে কষ্ট পেতে পারেন।বৃষ/TAURUS: মুর্চ্ছা যেতে পারেন।মিথুন/GEMINI: পরার্থে ক্ষতি হতে পারে।কর্কট/CANCER: অস্থিরতা বৃদ্ধি পেতে পারে।সিংহ/LEO: মাথার ব্যথা হতে পারে।কন্যা/VIRGO: আনন্দ সংবাদ পেতে পারেন।তুলা/ LIBRA: স্বাস্থ্যের অবনতি হতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: শ্লীলতাহানির শিকার হতে পারেন।ধনু/SAGITTARIUS: ব্যবসায় মন্দা দেখা দিতে পারে।মকর/CAPRICORN: চৌর্যভয় হতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: দাম্পত্যসুখ ভোগ করতে পারেন।মীন/ PISCES: বাসনাপূরণ হতে পারে।

মার্চ ০৯, ২০২২
কলকাতা

চন্দ্রিমার হাতে অর্থের স্বাধীন দায়িত্ব, পুর দপ্তরে ফিরলেন ফিরহাদ

রাজ্যের মন্ত্রীদের একাংশের দায়িত্ব বদলালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে দিলেন অর্থ দপ্তরের স্বাধীন দায়িত্ব। যা এত দিন মুখ্যমন্ত্রী নিজের হাতে রেখেছিলেন। অন্যদিকে, রাজ্যের পরিবহণ ও আবাসন মন্ত্রী এবং কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমকে ফিরিয়ে আনলেন পুর এবং নগরোন্নয়ন দপ্তরের দায়িত্বেও।মমতার প্রথম মন্ত্রিসভায় ফিরহাদ পুর নগরোন্নয়ন দপ্তরেরই মন্ত্রী হয়েছিলেন। ১০ বছর সেই দায়িত্ব সামলেছেন ফিরহাদ। নতুন প্রস্তাবে ফিরহাদকে তাঁর পুরনো দায়িত্বে বহাল রেখে পুর এবং নগরোন্নয়ন দপ্তরে আনা হয়েছে তাঁকে। যা এর আগে সামলাচ্ছিলেন চন্দ্রিমা। চন্দ্রিমা এর আগে অর্থ দপ্তরেরও প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। অমিত মিত্র বিধানসভা ভোটে না দাঁড়ানোয় অর্থ দপ্তরের ভার নিজের হাতে রাখলেও চন্দ্রিমাকে প্রতিমন্ত্রী করেছিলেন মমতা। তবে এ বার চন্দ্রিমাকে ওই দপ্তরেরই স্বাধীন দায়িত্ব দেওয়া হল। তৃণমূল সূত্রে খবর, দলে যাঁরা ভাল কাজ করেছেন তাঁদেরই বিশেষ দায়িত্ব পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয়েছে।

মার্চ ০৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

স্বপ্নভঙ্গের যন্ত্রণা নিয়ে জুয়ান ফেরান্দোর চোখ এখন সেমিফাইনালের দিকে

আইএসএলের শেষের দিকে দুরন্ত ছন্দে এগিয়েছে জামশেদপুর এফসি। এইরকম দলের বিরুদ্ধে ২ গোলের ব্যবধানে জেতাটা যে যথেষ্ট কঠিন হবে, সেকথা জানতেন জুয়ান ফেরান্দো। তা সত্ত্বেও স্বপ্ন দেখেছিলেন এটিকে মোহনবাগান কোচ। দলকে লিগ শীর্ষে তোলার, লিগশিল্ড জেতার। একইসঙ্গে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার। জামশেদপুর এফসির কাছে হেরে কোনও স্বপ্নই পূরণ হয়নি জুয়ান ফেরান্দোর। স্বপ্নভঙ্গের যন্ত্রণা নিয়ে সবুজমেরুণ কোচের চোখ এখন আইএসএলের সেমিফাইনালের দিকে।২৪ ঘন্টা কাটতে না কাটতেই জামশেদপুর এফসি ম্যাচ অতীত হয়ে গেছে জুয়ান ফেরান্দোর কাছে। সেমিফাইনালের কথা বলে ফুটবলারদের মোটিভেট করতে শুরু করেছেন সবুজমেরুণ কোচ। লিগ শিল্ড হাতছাড়া হলেও এখনও আইএসএলে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ রয়েছে, ফুটবলারদের এই কথা বলে উদ্বুদ্ধ করতে শুরু করেছেন জুয়ান ফেরান্দো। জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে জেতা কঠিন হবে, সেকথা স্বীকার করে নিয়েছেন। ফেরান্দো বলেন, জামশেদপুর এফসির মতো দলের বিরুদ্ধে ২ গোলের ব্যবধানে জেতাটা সহজ হবে না, জানতাম। ওরা গোল করার পর কাজটা আরও কঠিন হয়ে যায়। ম্যাচে ফেরার জন্য আমরা সবকিছুই করেছিলাম, কিন্তু সফল হতে পারিনি। খুব খারাপ লাগছে। এবার সেমিফাইনাল নিয়ে ভাবতে হবে।চোটের জন্য জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে খেলতে পারেননি দলের সেরা আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার হুগো বোমাস। তাঁর না থাকাটা যে দলকে সমস্যায় ফেলেছে, মানতে নারাজ এটিকে মোহনবাগান কোচ। জুয়ান ফেরান্দো বলেন, কোনও একজন ফুটবলার ছিল না বলে অজুহাত দিতে চাই না। ফুটবলাররা সবরকম চেষ্টা করেছে। ওদের বক্সের সামনে প্রচুর পাস খেলেছি। একাধিক গোলের সুযোগও তৈরি হয়েছিল। কিন্তু ওদের রক্ষণভাগের দৃড়তার জন্য আমরা গোল পাইনি। সেমিফাইনালে সামনে লিগের দ্বিতীয় স্থানে থাকা হায়দরাবাদ এফসি। দারুণ লড়াই হবে, জানিয়েছেন জুয়ান ফেরান্দো। তাঁর কথায়, সেমিফাইনালে যতগুলো দল উঠেছে, সবাই যোগ্য দল হিসেবে উঠে এসেছে। চাপ তো থাকবেই। তবে হায়দরাবাদের মতো ভাল দলের বিরুদ্ধে খেলাটাও ভাল অভিজ্ঞতা। আমার মনে হয় নক আউট পর্বে প্রতিটা ম্যাচই ভাল হবে। প্রত্যেক দলই জেতার চেষ্টা করবে। তবে মনে হয়, ২০টা ম্যাচ হয়ে যাওয়ার পরে এ বার শেষ তিনটি ম্যাচ সবাই উপভোগ করার চেষ্টা করবে।

মার্চ ০৮, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল: কন্যার উদ্বেগবৃদ্ধি, মকরের প্রভাব বিস্তার

মেষ/ARIES: প্রতারিত হতে পারেন।বৃষ/TAURUS: বন্ধুর সহায়তা লাভ করতে পারেন।মিথুন/GEMINI: সমাজসেবায় সুনাম কিনতে পারেন।কর্কট/CANCER: শেয়ার বাজারে শুভ।সিংহ/LEO: অংশীদারী ব্যবসায় লাভ করতে পারেন।কন্যা/VIRGO: উদ্বেগবৃদ্ধি হতে পারে।তুলা/ LIBRA: পারিবারিকভাবে শুভ।বৃশ্চিক/Scorpio: কর্মক্ষেত্রে অশান্তি হতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: বঞ্চনার শিকার হতে পারেন।মকর/CAPRICORN: প্রভাব বিস্তার করতে পারেন।কুম্ভ/AQUARIUS: পথে বিপদ হতে পারে।মীন/ PISCES: ঋণমুক্তি হতে পারে।

মার্চ ০৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

জামশেদপুরের কাছে হেরে লিগ–শিল্ড জেতার স্বপ্ন অপূর্নই থেকে গেল এটিকে মোহনবাগানের

লিগশিল্ড কাপ জেতার জন্য ২ গোলের ব্যবধানে জিততে হত এটিকে মোহনবাগানকে। স্বপ্ন দেখেছিলেন বাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। দলের ফরোয়ার্ডদের ব্যর্থতায় স্বপ্নপূরণ হল না। জামশেদপুর এফসির কাছে আইএসএলের লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে ১০ ব্যবধানে হেরে গত মরশুমের মতো এবছরও লিগশিল্ড জেতার স্বপ্ন অপূর্নই থেকে গেল সবুজমেরুণ ব্রিগেডের। ২০ ম্যাচে ৩৭ পয়েন্টে লিগ টেবিলে তৃতীয় স্থানে শেষ করল এটিকে মোহনবাগান। ৪৩ পয়েন্টে শীর্ষে জামশেদপুর এফসি। ৩৮ পয়েন্টে দ্বিতীয় স্থানে হায়দরাবাদ এফসি। সেমিফাইনালে এটিকে মোহনবাগান খেলবে হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে। অন্য সেমিফাইনালে জামশেদপুর এফসি খেলবে চতুর্থ স্থানে থাকা কেরালা ব্লাস্টার্সের (৩৪ পয়েন্ট) বিরুদ্ধে।জেতার কথা মাথায় রেখে প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলতে শুরু করে সবুজমেরুণ ব্রিগেড। ম্যাচের প্রথমার্ধে দারুণ দাপট ছিল রয় কৃষ্ণা, লিস্টন কোলাসোদের। কিন্তু গোল তুলে নিতে পারেনি। একের পর এক সুযোগ নষ্ট করেন জনি কাউকো, লিস্টন কোলাসোরা। ১৪ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত এটিকে মোহনবাগান। জনি কাউকোর দুরন্ত ব্যাকহিল থেকে সুবিধাজনক জায়গায় বল পান শুভাশিস বসু। কিন্তু তিনি তিনকাঠির মধ্যে শট রাখতে পারেননি। ২ মিনিট পর আবার সুযোগ এসে গিয়েছিল এটিকে মোহনবাগানের সামনে। লিস্টন কোলাসোর কাছ থেকে বল পেয়ে গোল লক্ষ্য করে শট নেন জনি কাউকো। এল সাবিয়ার মাথায় লেগে বল বাইরে যায়। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুর মিনিট আটেকের মধ্যেই কার্ল ম্যাকহিউকে তুলে ডেভিড উইলিয়ামসকে মাঠে নামান এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। এই পরিবর্তনটাই ব্যাকফুটে ঠেলে দেয় সবুজমেরুণ শিবিরকে। মাঝমাঠের রাশ আলগা হয়ে যায় এটিকে মোহনবাগানের। দখল নিয়ে নেয় জামশেদপুর এফসি। ধীরে ধীরে তারা খেলায় ফেরে।৫৬ মিনিটে এগিয়ে যায় জামশেদপুর এফসি। স্টুয়ার্ট বল ধরে গোল লক্ষ্য করে শট নিতে গেলে লেনি রডরিগেজের পায়ে লেগে ঋত্ত্বিক দাসের কাছে যায়। ঠান্ডা মাথায় জোরালো শটে দলকে এগিয়ে দেন ঋত্ত্বিক দাস। ৬৫ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিল এটিকে মোহনবাগান। জনি কাউকোর কাছ থেকে বল পেয়ে ডেভিড উইলিয়ামস দুরন্ত শট নিয়েছিলেন। ততোধিক তৎপরতার সঙ্গে বাঁচান জামশেদপুর এফসি গোলকিপার টিপি রেহেনেশ।ম্যাচের শেষলগ্নে একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিলেন রয় কৃষ্ণা, ডেভিড উইলিয়ামসরা। কিন্তু তিন কাঠি ভেদ করতে পারেননি। ৯০ মিনিটে সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করেন ডেভিড উইলিয়ামস। ম্যাচের ইনজুরি সময়ে লিস্টন কোলাসো বল সাজিয়ে দেন জনি কাউকোকে। ৬ গজ বক্সের মধ্যে থেকে বারের ওপর দিয়ে উড়িয়ে দেন। অসংখ্য সুযোগ নষ্ট করে জয় অধরা থেকে গেল এটিকে মোহনবাগানের। আসলে দিনটা সবুজমেরুণের ছিল না।

মার্চ ০৭, ২০২২
দেশ

টিভি-তে বাচ্চাদের অনুষ্ঠান থেকে জাঙ্ক ফুডের বিজ্ঞাপন ও স্টান্ট বন্ধ করার পরামর্শ

কেন্দ্রীয় মহিলা ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রক পরামর্শ দিয়েছে যে শিশুদের অনুষ্ঠানের সময় কোনও জাঙ্ক ফুডের বিজ্ঞাপন প্রচার করা উচিত নয়। এ বিষয় একটি বৈঠকে কেন্দ্রীয় সরকারের উচ্চপদস্থ অফিসারদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়। আর সেই সভায় ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের সচিব রহিত কুমার সিং সভাপতিত্ব করেন।রহিত কুমার সিং ছাড়াও সেই সভায় উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র , স্বাস্থ্য এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের সচিবরা। আর সেখানেই শিশুদের অনুষ্ঠানের মাঝে জাঙ্ক ফুডের বিজ্ঞাপন নিষেধ করার প্রস্তাব দেন কেন্দ্রীয় নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রক। পাশাপাশি শিশুদের জন্য সম্প্রচারিত নানা অনুষ্ঠানে ডিএইচএ ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড-এর বিজ্ঞাপন দেখানো বন্ধ করার প্রস্তাব দেন ওই অফিসার। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, জাতীয় পারিবারিক স্বাস্থ্য সমীক্ষার পরিসংখ্যান উদ্ধৃত করে জানান সম্প্রতি শিশুদের মধ্যে মোটা হওয়ার প্রবণতা বাড়ছে।১৭ ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিত বৈঠকে, ডব্লিউসিডি মন্ত্রকের এক আধিকারিক পরামর্শ দিয়েছিলেন যে শিশুদের অনুষ্ঠানের সময় জাঙ্ক ফুডের বিজ্ঞাপনগুলিকে অনুমতি দেওয়া একেবারেই উচিত নয়। আধিকারিকরা আরও পর্যবেক্ষণ করেছেন যে কার্বনেটেড পানীয়ের বিজ্ঞাপনগুলি একেবারেই দেখানো উচিত নয়, এই ধরনের বেশীরভাগ বিজ্ঞাপণেই সেলিব্রিটিদের বিপজ্জনক স্টান্ট করতে দেখা যায়। ডব্লিউসিডি মন্ত্রকের আধিকারিকরা আরও জানিয়েছেন যে, কিছু সংস্থা আছেন যারা তাঁদের পণ্যের বিজ্ঞাপনে ডিএইচএ ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের মতো স্বাস্থ্য পরিপূরক এর প্রচার করেন এবং তারা দাবি করেন এতে মস্তিষ্কের বিকাশ হবে। মন্ত্রক এই ধরনের প্রচার একেবারেই সমর্থন করে না। পাশাপাশি ওই বৈঠকে ২০২১ সালের কেন্দ্ৰীয় ক্রেতা সুরক্ষা কর্তৃপক্ষের নির্দেশিকা নিয়েও আলোচনা করা হয়। মূলত শিশুদের উদ্দেশ্যে যে বিজ্ঞাপনগুলি তৈরি করা হয়, তাদের বিষয়ে বিস্তারিতভাবে ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে। ২০১৯ সালের ক্রেতা সুরক্ষা আইন অনুযায়ী ওই নির্দেশিকা তৈরি করা হয়।শিশুদের অনুষ্ঠানে স্টান্ট এ নিশেধাজ্ঞাএই নির্দেশিকাগুলির প্রথম খসড়াটি ২০২০ তে ক্রেতা সুরক্ষা বিভাগ থেকে প্রকাশিত হয়েছিল এবং এতে জাঙ্ক ফুডের বিজ্ঞাপন সম্পর্কিত নির্দিষ্ট বিধান ছিল না। এই খসড়ায়, সরকারের উদ্দেশ্য ছিল বিজ্ঞাপনগুলিতে সেই সমস্ত আচরণ নিষিদ্ধ করা যেগুলি শিশুদের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে বা তাদের মানসিক স্বাস্থ্যকে বিশেষ ভাবে প্রভাবিত করতে পারে।খসড়া-র নির্দেশিকাতে আরও স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে বাচ্চাদের ব্যবহারযোগ্য পণ্য গুলিতে কোনও ভাবেই উল্লেখ করা যাবে না যে সেই পণ্য ব্যবহার না করলে তার বিশেষ ক্ষতি হয়ে যাবে। এবং তাঁদের অনভিজ্ঞতা, বিশ্বাসযোগ্যতা বা বিশ্বস্ততার সুযোগ নিয়ে ভুল ভাবে কোনও পরিষেবার বৈশিষ্ট্যগুলিকে অতিরঞ্জিত করবে না যা শিশুদের অবাস্তব প্রত্যাশার দিকে পরিচালিত করতে পারে।খসড়া নির্দেশিকাতে আরও বলা হয়েছে যে, বিজ্ঞাপনগুলি কোনভাবেই শিশুদের উদ্দেশ্য করে ইঙ্গিত করবে না যে তারা নির্দিষ্ট পণ্য ব্যাবহার না করলে অন্য শিশুরা তাঁকে দেখে উপহাস করবে, অন্যদের থেকে তারা নিকৃষ্ট হয়ে যাবে বা কম জনপ্রিয় হবে। এবং শিশুদের একটি পণ্য বা পরিষেবা কেনার জন্য বা তাদের পিতামাতা, অভিভাবক বা অন্যান্য ব্যক্তিদের প্ররোচিত করার জন্য সরাসরি পরামর্শ যাতে সেই বিজ্ঞাপনে না থাকে। তামাক বা অ্যালকোহল-ভিত্তিক কোনও পণ্য-র প্রচারকারী বিজ্ঞাপনগুলিতে শিশুদের দেখানোর উপর নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাবও করা হয়েছে।ক্রেতা সুরক্ষা আইনের ১০ নং ধারায়, কেন্দ্রীয় ক্রেতা সুরক্ষা কর্তৃপক্ষকে উপভোক্তাদের অধিকার লঙ্ঘন, অন্যায্য ব্যবসায়িক অভ্যাস, এবং জনসাধারণ এবং উপভোক্তাদের স্বার্থের কথা মাথায় রেখে ক্ষতিকর মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন সম্পর্কিত বিষয়গুলি নিয়ন্ত্রিত করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপনের এই আইনে জন্য জরিমানাও ধার্য করা হয়েছে, যা ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নেওয়া যেতে পারে। এবং বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপনের সমর্থনকারীদেরকে তিন বছর পর্যন্ত হাজত বাস হতে পারে।

মার্চ ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সম্প্রীতির অন্য ছবি, ছোট্ট ফাতিমা মিলিয়ে দিল ভারত–পাকিস্তানকে

ভারতের বিরুদ্ধে মহিলাদের বিশ্বকাপে ম্যাচ খেলার জন্য মাউন্ট মাউঙ্গানুইতে পাকিস্তান টিম বাস এসে দাঁড়াতেই একেএকে নেমে আসছিলেন পাক ক্রিকেটাররা। অধিনায়ক বিসমা মারুফের কোলে মাস ছয়েকের এক ফুটফুটে কন্যাসন্তান। অনেকেই অবাক চোখে দেখছিলেন। এইটুকু বাচ্চা নিয়ে বিশ্বকাপের আসরে! অবাক হওয়ারই কথা। ওই ফুটফুটে শিশুই ম্যাচের পর মিলিয়ে দিয়েছিল ভারতপাকিস্তানকে। ধরা পড়ে সম্প্রীতির এক অন্য ছবি। মন ভাল করে দেওয়ার এক অনন্য মুহূর্ত।পাকিস্তান টিম হোটেলেই বলুন কিংবা ড্রেসিংরুমে, অন্য আবহ এনে দিয়েছে অধিনায়ক বিসমা মারুফের ৬ মাসের ফুটফুটে কন্যাসন্তান ফাতিমা। গোটা দলের অনুপ্রেরণা। তাকে দেখেই ক্রিকেটাররা উজ্জীবিত। ছোট্ট ফাতিমাই এখন পাকিস্তান শিবিরের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। তাকে দেখার জন্য, খুনসুটি করার জন্য বিসমার ঘরে ছুটে আসেন অন্য ক্রিকেটাররা। পাক অধিনায়ক বলেন, দলের সতীর্থরা ওর সঙ্গে খেলা করার জন্য, আদর করার জন্য আমার ঘরে ছুটে আছে। দলের মধ্যে অন্যরকম এনার্জি এনে দিয়েছে আমার ছোট্ট মেয়ে। প্র্যাকটিসের পর অনেকেই আমার ঘরে ছুটে আসে। কয়েক ঘন্টা ওকে কাছে না পেলে খুব মিস করে। কেউ যদি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে তাহলে আমার ঘরে ফাতিমার সঙ্গে খেলা করে। ওকে কাছে পেলে সবাই রিল্যাক্স থাকে। কোনও বিষয়ের ওপর যেখন বেশি ফোকাস, চাপ তৈরি হয়। একজন শিশু কাছে থাকলে, সব চিন্তা দূর হয়ে যায়।Bismah Maroofs legacy will go far beyond her achievements on the field. In a society that often tells women to make choices between career and family, shes showing that you can have both! Such an inspiring person.pic.twitter.com/Vp7EB2iwKd Aatif Nawaz (@AatifNawaz) March 6, 2022ছোট্ট মেয়েকে সামলাতে কোনও সমস্যা হয়না বিসমার। মেয়ে ঘুম থেকে ওঠার আগেই প্র্যাকটিসে চলে যান। যদি কোনও দিন বিসমার প্র্যাকটিসে যাওয়ার আগেই বিসমা উঠে পড়ে, সামলানোর দায়িত্ব বিসমার মায়ের। অধিকাংশ দিনই প্র্যাকটিস থেকে ফেরার পর মেয়ের সঙ্গে দেখা হয় বিসমার। মাকে কাছে না পেলেও অস্বাভাবিক আচরণ করে না ছোট্ট ফাতিমা। তবে মা ফিরে এলে ছাড়তেই চায় না।চলতি বিশ্বকাপে বিসমা ছাড়াও আরও ৭ জন ক্রিকেটার খেলছেন, যাদের সন্তান রয়েছে। তবে পাকিস্তানী ক্রিকেটার হিসেবে তিনিই প্রথম, যিনি সন্তান জন্ম দেওয়ার পরও ক্রিকেট থেকে সরে যাননি। এই ব্যাপারে তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন পাকিস্তান কোচ ডেভিড হেম্প ও পাকিস্তান মহিলা ক্রিকেটের চেয়ারম্যান উরুজ মুমতাজ। ২০২১ সালের আগস্টে তিনি মা হন। তার আগেই কোচ ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে কথা বলেছিলেন মিসবা। তাঁদের কাছ থেকে দলে ফেরার আশ্বাস পেয়েছিলেন। মিসবা বলেন, বোর্ড এ ভাবে পাশে না দাঁড়ালে হয়তো ক্রিকেট ছাড়তে হত আমায়। এখন আমি মা-কে সব সময় সঙ্গে রাখি। জানি মেয়ে নিরাপদে রয়েছে। মা হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরে আসা এক অসাধারণ অনুপ্রেরণা। গোটা বিশ্বের সমস্ত মহিলা ক্রীড়াবিদদের জন্যেই বিসমা মারুফ এক অনুপ্রেরণা।চলতি বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জেতার পর বিসমা মারুফ যখন ম্যাচ শেষে সাক্ষাৎকার দিচ্ছিলেন তখন দেখা যায় ড্রেসিংরুমের বাইরে বিসমার মেয়ের সঙ্গে খেলছেন ভারতীয় দলের সদস্যরা। কেউ গাল টিপছেন, কেউ আদর করছেন। বিসমা মারুফ এসে তাকে কোলে তুলে নেওয়ার পরও হরমনপ্রীত কউর, স্মৃতি মন্ধনা, একতা বিস্তদের দিকে হাসি হাসি মুখে চেয়ে ছিল খুদেটি। দেখেই বোঝা যাচ্ছিল তাঁকে ঘিরে ভারতীয় ক্রিকেটারদের মাতামাতি বেশ উপভোগ করছেন পাক অধিনায়কের কন্যা।

মার্চ ০৭, ২০২২
রাজ্য

'বর্জ্য ই সম্পদ', একবিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে বড় হুমকি 'বর্জ্য' নিয়ে জোড় প্রচারাভিযান গুসকরা তে

মানব সভ্যতা উন্নয়নের সাথে সাথে মানবজাতির যত উপকার সাধন হয়েছে বিভিন্ন ধরনের সমস্যাও ততটাই প্রকট হয়ে উঠেছে। আজকের পৃথিবীতে অন্যতম চ্যালেঞ্জ হচ্ছে যথাযথ বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে প্রকৃতিকে জীবের বসবাস যোগ্য রাখা। বিশ্বে জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে বর্জ্যের পরিমাণও মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে চলেছে।বর্জ্য, বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বড়ো হুমকি (Threats)। বর্জ্য অপসারণ একটি বিশ্বব্যাপী ভয়ানক সমস্যা। উন্নত দেশগুলি এব্যাপারে অধিক সচেতন হলেও, অনুন্নত বা উন্নয়নশীল দেশ গুলি এখনও সেভাবে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ। ভারতবর্ষে কিছু কিছু রাজ্য সফলভাবে এই কাজটি মোকাবিলা করলেও, অনেক রাজ্য এর পরিণতি অনুধাবন করতে পারেনি।বিভিন্ন ধরণের বর্জ্য বা আবর্জনা আছে, এবং সেগুলি ধ্বংশ করার প্রক্রিয়াও বৈচিত্র্যময়ঃ জ্বলন, দাফন, সঞ্চয় এবং আরও নানারকম ভাবে এটি ধ্বংস করা হয়। বর্জ্য নিষ্পত্তি করার পদ্ধতিটি নির্বাচন করতে গেলে অবশ্যই বর্জ্যটিকে সঠিকভাবে শ্রেণিবদ্ধ করতে হবে।এই কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গুসকরা পৌরসভার সাথে কাজ শুরু করেছে রাজ্য নগর উন্নয়ন দপ্তরের নিয়োগ করা সংস্থা দিগম্বরপুর অঙ্গিকার। আধুনিক উপায়ে বর্জ্য অপসারণের সুবিধার জন্য প্রতিটি বাড়িতে নীল-সবুজ বালতি বিলি করেছে গুসকরা পৌরসভা। যাতে পচনশীল (সবুজ বালতি তে) এবং অপচনশীল আবর্জনা (নীল বালতি তে) আলাদা করে রাখেন নাগরিকরা। প্রতিটি পৌরসভার দুটি ওয়ার্ড কে মডেল করে এই কাজের নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্য সরকার। গুসকরা পৌরসভা তে ১০ ও ১১ নম্বর ওয়ার্ড মডেল ওয়ার্ড হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কিন্তু নাগরিকদের বড় অংশের মধ্যে সচেতনতার অভাব রয়েছে যথেষ্ট।গুসকরা পৌরসভার প্রোজেক্ট কোয়ার্ডিনেটার অভিষেক দলুই,জনতার কথা কে জানান, আমারা পৌরসভার জনস্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীদের সাথে বাড়ি বাড়ি ঘুরে প্রচার চালাছি। কোভিড ভ্যাকসিন সেন্টার ও দুয়ারে সরকার প্রকল্প যেখানে একসাথে অনেক মানুষের সমাগম হয় সেখানে ও আমার ক্যাম্প করে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির চেষ্টা করছি।পৌরসভার সাধারণ মানুষ যখন কোনো প্রকল্পের সুবিধার জন্য দুয়ারে সরকার -এ আসছেন আমার বর্জ্য পৃথকীকরণের সুফল তাদের কে বোঝাচ্ছি। বর্জ্য ই সম্পদ (Waste is Wealth) এবং কোন বর্জ্য কিভাবে কাজে লাগিয়ে শহর-কে পরিস্কার রাখা যায় তা ও জানানো হচ্ছে। একটি করে প্রচার পুস্তিকা তাদেরকে দেওয়া হচ্ছে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করার জন্য। স্টেট আরবান ডেভলপমেন্ট এজেন্সি ১২৭টি পুরসভার দ্বায়িত্ব কয়েকটি সংস্থা কে দিয়েছেন। পুর্ব-বর্ধমান জেলায় গুসকরা তে দিগম্বরপুর অঙ্গিকার এই সচেতনতা অভিযান চালাচ্ছে। এছাড়াও কালনা, দাঁইহাট, কাটোয়া তেও একই সংস্থা প্রচারাভিযান চালাচ্ছে।

মার্চ ০৭, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল: বৃশ্চিকের ব্যবসার প্রসার, কর্কটের সহায়তা লাভ

মেষ/ARIES: উৎসাহান্বিত হতে পারেন।বৃষ/TAURUS: প্রতিবেশী বিবাদ হতে পারে।মিথুন/GEMINI: উৎপাদন বৃদ্ধি হতে পারে।কর্কট/CANCER: সহায়তা লাভ করতে পারেন।সিংহ/LEO: ঈর্ষাকাতর হতে পারেন।কন্যা/VIRGO: অযথা চিন্তা করতে পারেন।তুলা/ LIBRA: অনুশোচনা করতে পারেন।বৃশ্চিক/Scorpio: ব্যবসার প্রসার ঘটতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: শক্রুর সঙ্গে সন্ধি করতে পারেন।মকর/CAPRICORN: বেহিসাবি খরচ করতে পারেন।কুম্ভ/AQUARIUS: ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।মীন/ PISCES: রপ্তানি ব্যবসায় লাভ করতে পারেন।

মার্চ ০৭, ২০২২
রাজ্য

মাধ্যমিকের আগের দিন আত্মঘাতী কাটোয়ার পরীক্ষার্থী, ইতিহাস পরীক্ষার দুশ্চিন্তাই কী কাল হল?

ইতিহাস পরীক্ষা দিতে গিয়ে হয়তো সব ভুলে যাবে। এমন দুঃশ্চিন্তার জেরে মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরুর আগের দিনেই গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হল এক পরীক্ষার্থী। মৃতর নাম বিশাল চৌধুরী(১৬)। রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া থানার আউড়িয়া গ্রামে। আউড়িয়া গ্রামে মামার বাড়িতে থেকে পড়াশুনা করতো আউড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র বিশাল। এদিন বেলায় মামার বাড়ির একটি ঘর থেকে উদ্ধার হয় ছাত্রের ঝুলন্ত মৃতদেহ। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মৃতের মামা রাহুলদেব দাঁ বলেন, ছোট থেকেই বিশাল অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিল। মাধ্যমিকের টেষ্ট পরীক্ষাতেও ৬৮৫ নম্বর পায়। টেষ্টে ইতিহাস বিষয়ে ৮৫ নম্বর পেয়েছিল। কিন্তু ভুলে যাওয়া স্বভাবের কারনে বিশালের মনে আশঙ্কা তৈরি হয় ষে হয়তো ইতিহাস পরীক্ষা দিতে গিয়ে সব ভুলে যাবে। আর তার কারণেই পরীক্ষার ফল খারাপ হয়ে যাবে ধরে নিয়ে কিছুদিন যাবৎ বিশাল খুব টেনশন করতে শুরু করে। রাহুলবাবু বলেন, অহেতুক টেনশন না করার জন্য বিশালকে আমরা বোঝাতাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ও যে এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটিয়ে ফেলবে তা আমরা কেউ স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারিনি। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, স্বামী তন্ময় চৌধুরীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় চন্দ্রিকাদেবী তাঁর একমাত্র সন্তান বিশালকে নিয়ে অউড়িয়া গ্রামে বাপের বাড়িতে থাকা শুরু করেন। চন্দ্রিকাদেবী অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী। তন্ময় বাবু কাটোয়াতে থাকলেও স্ত্রী ও একমাত্র ছেলের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক রাখতেন না। সেই সব বিষয়ে মাথা না ঘামিয়ে বিশাল পড়াশুনাতেই বেশী মনোনিবেশ করে থাকতো। বন্ধু বান্ধবদের সঙ্গে বেশী মেলামেশায় না মেতে থেকে সে পড়াশোনা নিয়েই সারাটা দিন নিজেকে ব্যস্ত রাখতো। ইতিহাস পরীক্ষা দিতে গিয়ে সব ভুলে যাবে এমন আশঙ্কা সে কিছু দিন যাবৎ প্রকাশ করতে শুরু করে। মাধ্যমিক পরীক্ষার দিন যত ঘনিয়ে আসতে থাকে ততই বিশালের উদ্বেগ বাড়তে থাকে। এদিন সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর চা বিস্কুট খেয়ে সে দোতলায় নিজের ঘরে পড়তে চলে যায়। তখন একতলার গৃহস্থালীর কাজকর্ম করছিলেন চন্দ্রিকাদেবী। হঠাৎ দুতলা থেকে একটা আওয়াজ পেয়ে তিনি উপরে ছুটে যান। দেখেন ছেলের ঘরের দরজা বন্ধ। তারপর তিনি দোতলার ঘরের জানালার ফাঁক দিয়ে দেখেন ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ছেলের দেহ ঝুলছে। চন্দ্রিকাদেবী চিৎকার শুরু করলে পরিবারের লোকজন ও প্রতিবেশীরা ছুটে যায়। তারা দরজা ভেঙে বিশালকে উদ্ধার করে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

মার্চ ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুটি লক্ষ্য নিয়ে জামশেদপুরের বিরুদ্ধে মাঠে নামছে এটিকে মোহনবাগান। সেই দুটি লক্ষ্য কী?‌

দুটি লক্ষ্য নিয়ে সোমবার আইএসএলে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলতে নামছে এটিকে মোহনবাগান। এক, লিগ টেবিলের শীর্ষে থেকে লিগ উইনার্স শিল্ড জেতা। দুই, এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ছাড়পত্র জোগাড় করা। আইএসএলে লিগ পর্যায়ে নিজেদের শেষ ম্যাচে জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে ২ গোলের ব্যবধানে জিতলেই দুটি লক্ষ্য পূরণ হবে এটিকে মোহনবাগানের। সবুজমেরুণ কোচ জুয়ান ফেরান্দো মনে করেন তাংর দলের ২৩ গোলের ব্যবধানে জেতার ক্ষমতা আছে।গত মরশুমে অল্পের জন্য লিগ টেবিলের শীর্ষে পৌঁছতে পারেনি এটিকে মোহনবাগান। এমনকি গোটা আইএসএলে দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দিয়েও রানার্স হয়েই সন্তুষ্ট হয়েছিল আন্তোনীও হাবাসের দলকে। এই মরশুমে হাবাসের কোচিংয়ে প্রথম দিকে ছন্দে ছিল না সবুজমেরুণ ব্রিগেড। তাঁকে সরিয়ে জুয়ান ফেরান্দোকে দায়িত্ব দিতেই ঘুরে দাঁড়ায় এটিকে মোহনবাগান। ফেরান্দোর সামনে এবার চ্যালেঞ্জ দলকে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার সুযোগ করে দেওয়া। সামনে মাত্র আর একটা ধাপ। জামশেদপুর এফসিকে ২ গোলের ব্যবধানে হারালেই অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছে যাবে এটিকে মোহনবাগান। সবুজমেরুণ ব্রিগেডের সামনে লক্ষ্যটা যথেষ্ট কঠিন। কারণ এই মুহূর্তে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে জামশেদপুর এফসি। আগের ম্যাচে ওডিশা এফসিকে ৫১ ব্যবধানে উড়িয়েছে দিয়েছে, গোলের মধ্যে রয়েছেন এসসি ইস্টবেঙ্গলের বাতিল ঘোড়া ড্যানিয়েল চিমা। ৮ ম্যাচে ৭ গোল করে রীতিমতো নজর কেড়েছেন জামশেদপুর এফসির জার্সিতে। লিগ শীর্ষে পৌঁছতে গেলে এইরকম শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে ২ গোলের ব্যবধানে জিততে হবে এটিকে মোহনবাগানকে। যা যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং। প্রথম পর্বে এই জামশেদপুর এফসির কাছে ২১ ব্যবধানে হেরেছিল এটিকে মোহনবাগান। সেই ম্যাচের কথা মাথায় রাখছেন না বাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। জামশেদপুরকে ২ গোলের ব্যবধানে হারানোর চ্যালেঞ্জ নিচ্ছেন। তাঁর বিশ্বাস, ফুটবলাররা পরিকল্পনামাফিক খেলতে পারলে জামশেদপুরকে ২ গোলের ব্যবধানে হারানো সম্ভব। তিনি বলেন, এটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। চ্যাম্পিয়নশিপ জিততে গেলে প্রতি ম্যাচে তিন পয়েন্ট জেতার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামতে হয়। আমাদের ২০ বা ৩০ গোলে জিততে হবে, এটা একটা ভাল চ্যালেঞ্জ। এর আগে প্রায় সব ম্যাচেই আমরা এরকম লক্ষ্য নিয়েই নেমেছি। তাই অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। এখন প্রতি মিনিট ধরে ধরে খেলতে হবে। শেষ ম্যাচে লিগশিল্ড জেতার এটা একটা বড় সুযোগ। এর জন্য আমি কোনও চাপ অনুভব করছি না। বরং আমি খুশি যে এ রকম একটা সুযোগ আমি আবার পেয়েছি। আমার দল চ্যালেঞ্জ নেওয়ার জন্য তৈরি। চোটের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে খেলতে পারবেন না হুগো বোমাস। শুরু থেকেই আক্রমণভাগ সামলানোর দায়িত্ব রয় কৃষ্ণা, লিস্টন কোলাসো ও মনবীর সিংয়ের ওপর। পরিবর্ত হিসেবে নিয়ে আসবেন ডেভিড উইলিয়ামসকে। মাঝমাঠে বড় ভরসা জনি কাউকো। তাঁকে সাহায্য করবেন কার্ল ম্যাকহিউ ও দীপক টাংরি। রক্ষণ সামলাবেন প্রীতম, সন্দেশ, তিরি, শুভাশিস।

মার্চ ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে রেকর্ড বাংলার মেয়ে রিচা ও মিতালি'র, পাকিস্তানকে বিধ্বস্ত করল ভারত

ক্রিকেটে ভারতপাকিস্তান মানেই টানটান উত্তেজনা। গতবছর পুরুষদের টি২০ বিশ্বকাপে এই ছবিটা দেখা যায়নি। একপেশে ম্যাচে ভারতকে বিধ্বস্ত করেছিলেন বাবর আজমরা। বিরাট কোহলিদের সেই পরাজয়ের মধুর প্রতিশোধ নিলেন মিতালি রাজরা। মহিলাদের বিশ্বকাপের একপেশে ম্যাচে পাকিস্তানকে ১০৭ রানে উড়িয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল ভারত। একদিনের বিশ্বকাপে অভিষেক ম্যাচেই উইকেটের পেছনে পাঁচটি শিকার করে রেকর্ড গড়লেন বাংলার রিচা ঘোষ। একমাত্র মহিলা ক্রিকেটার হিসেবে ৬টি বিশ্বকাপ খেলার অনন্য নজির গড়লেন ভারতের অধিনায়ক মিতালি রাজও। নিউজিল্যান্ডের মাউন্ট মাউঙ্গানুইতে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক মিতালি রাজ। শুরুটা ভাল হয়নি ভারতের। ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই আউট হন শেফালি ভার্মা (০)। এরপর স্মৃতি মান্ধানা ও দীপ্তি শর্মা জুটি দলকে টেনে নিয়ে যান। দ্বিতীয় উইকেটের জুটিতে ৯২ রান তুলে চাপ কাটান। ৪০ রান করে বাইশতম ওভারের শেষ বলে আউট হন দীপ্তি। এরপরই ধস নামে ভারতের ইনিংসে। ২ ওভার পরেই আউট হন ওপর ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা। ৭৫ বলে তিনি করেন ৫২। স্মৃতি আউট হওয়ার পরপরই ফিরে যান হরমনপ্রীত কাউর (৫), রিচা ঘোষ (১), মিতালি রাজরা (৯)। একসময় ১১৪ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে যথেষ্ট চাপে পড়ে যায় ভারত। এরপর রুখে দাঁড়ান স্নেহ রানা ও পূজা বস্ত্রকার। পাল্টা আক্রমণ শানিয়ে পাকিস্তান বোলারদের ছন্দ নষ্ট করে দেন। দুজনে মিলে জুটি বেঁধে তোলেন ১২৪। ৫৯ বলে ৬৭ রান করে আউট হন পূজা বস্ত্রকার। ৪৮ বলে ৫৩ রান করে অপরাজিত থাকেন স্নেহ রানা। ৩ বলে ৬ রান করে অপরাজিত থাকেন ঝুলন গোস্বামী। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ভারত তোলে ২৪৪/৭। ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তানের দুই ওপেনার সিদ্রা আমিন ও জাভেরিয়া খান ভারতের দুই প্রারম্ভিক বোলার ঝুলন গোস্বামী ও মেঘনা সিংয়ের আঁটোসাটো বোলিংয়ের সামনে একেবারেই সুবিধা করতে পারেননি। পাওয়ার প্লেতে পাকিস্তানের রান তোলার গতি খুবই মন্থর ছিল। পরের দিকে রানের গতি বাড়াতে গিয়ে রাজেশ্বরীকে উইকেট উপহার দেন জাভেরিয়া (১১)। আর পাকিস্তান অধিনায়ক বিসমা মারুফকে (১৫) তুলে নেন দীপ্তি শর্মা। ওমাইমা সোহেলকে (৫) ফেরান স্নেহ রানা। দ্বিতীয় স্পেলে বোলিং করতে এসে সিদ্রা আমিন (৩০) ও নিদা দারকে (৪) তুলে নেন ঝুলন গোস্বামী। এরপরই রাজেশ্বরীর দাপটে ভেঙে পড়ে পাকিস্তানের ব্যাটিং। ৪৩ ওভারে ১৩৭ রানে গুটিয়ে পাকিস্তান। ৩১ রানে ৪ উইকেট নেন রাজেশ্বরী। ২৬ রানে ২ উইকেট নেন ঝুলন গোস্বামী। ২৭ রানে ২ উইকেট স্নেহ রানার। এদিকে, প্রথম উইকেটকিপার হিসেবে বিশ্বকাপের অভিষেক ম্যাচেই পাঁচটি শিকার করে রেকর্ড গড়লেন রিচা শর্মা। উইকেটের পেছনে সিদ্রা আমিন, বিসমা মারুফ, নিদা দার ও নাশরা সান্ধুর ক্যাচ ধরেন। আলিয়া রিয়াজকে দুর্দান্ত স্টাম্পড করেন। অন্য কোনও ক্রিকেটারের এই নজির নেই। ৬টি বিশ্বকাপ খেলে নজির গড়েছেন মিতালি রাজও। ৫টি করে বিশ্বকাপ খেলার নজির রয়েছে নিউজিল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার ডেবি হকলে ও ইংল্যান্ডের শার্লট এডওয়ার্ডসের। তাঁদের রেকর্ড ভেঙে দিলেন মিতালি। মহিলা ও পুরুষ মিলিয়ে তৃতীয় ক্রিকেটার হিসেবে ৬টি বিশ্বকাপ খেলার নজির স্পর্শ করলেন। এই কৃতিত্ব রয়েছে জাভেদ মিয়াঁদাদ ও শচীন তেন্ডুলকারের।

মার্চ ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

অসংখ্য গোলের সুযোগ নষ্ট করে হার দিয়েই আইএসএল অভিযান শেষ করল এসসি ইস্টবেঙ্গল

আইএসএলের শেষ ম্যাচ জিতে মান বাঁচাতে চেয়েছিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মারিও রিভেরা। চেয়েছিলেন সমর্থকদের মুখে একটু হাসি ফোটাতে। তাঁর সেই স্বপ্নপূরণ হল না। বলা যায় স্বপ্নপূরণ হতে দিলেন না তাঁর দলের স্ট্রাইকাররা। অসংখ্য গোলের সুযোগ নষ্ট করে আইএসএলে নিজেদের শেষ ম্যাচে বেঙ্গালুরু এফসি-র কাছে ১-০ ব্যবধানে হারল এসসি ইস্টবেঙ্গল। এদিন প্রথম একাদশে একগুচ্ছ পরিবর্তন করে দল সাজিয়েছিলেন লালহলুদ কোচ মারিও রিভেরা। তা সত্ত্বেও বেঙ্গালুরু এফসি-র বিরুদ্ধে এদিন দুরন্ত ফুটবল উপহার দিল লালহলুদ ব্রিগেড। শুরু থেকেই বিপক্ষ রক্ষণকে চাপে রেখেছিলেন লালহলুদ জার্সি গায়ে প্রথম খেলতে নামা শুভ ঘোষ ও পেরোসেভিচ। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে এলেও গোল পাচ্ছিলেন না। এর মধ্যে ম্যাচের ২১ মিনিটে দিনের সহজ সুযোগ নষ্ট করেন পেরোসেভিচ। বিপক্ষের এক ডিফেন্ডারকে ট্যাকেল করলে লুজ বল পেয়ে যান পেরোসেভিচ। বেঙ্গালুরু এফসি গোলকিপারকে একা পেয়েও তিনকাঠির মধ্যে বল রাখতে পারেননি তিনি।২ মিনিট পরেই এগিয়ে যায় বেঙ্গালুরু এফসি। বক্সের ভেতর ভেসে আসা বল পান সুনীল ছেত্রি। ডান পায়ের জোরালো শটে গোল করেন। এই গোলের ক্ষেত্রে নতুন বিদেশি অনন্ত তামাংকে দায়ী করা যেতেই পারে। একটা নিরীহ সেন্টারের ফ্লাইট মিস করায় বল পেয়ে যান সুনীল ছেত্রী। ৩০ মিনিটে ব্যবধান বাড়াতে পারত বেঙ্গালুরু। উদান্ত সিংয়ের শট বারে লেগে ফিরে আসে। ৪১ মিনিটে আবার গোলের সহজ সুযোগ নষ্ট করেন পেরোসেভিচ। এরপরই তাঁকে তুলে নিয়ে মার্সেলো রিবেইরাকে নামান মারিও রিভেরা। রিবেইরাকে নামিয়েও কাজের কাজ কিছু হয়নি। ৭০ মিনিটে বক্সের মধ্যে দুর্দান্ত থ্রু পাস পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন। দ্বিতীয়ার্ধে তিন কাঠির নিচে অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠেন বেঙ্গালুরুর গোলকিপার লারা শর্মা। বেশ কয়েকটি নিশ্চিত গোল বাঁচিয়ে তিনিই ম্যাচের সেরা। ২০ ম্যাচে ১১ পয়েন্টে সবার নিচে লিগ শেষ করল এসসি ইস্টবেঙ্গল। মাত্র ১টি জয়। গোল করেছে ১১টি, হজম করেছে ৩৬টি।

মার্চ ০৬, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 63
  • 64
  • 65
  • 66
  • 67
  • 68
  • 69
  • ...
  • 153
  • 154
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

ভারতের ভোটের মডেল টেনে আমেরিকায় নতুন দাবি ট্রাম্পের, কী বদলাতে চান?

ভারতের নির্বাচনী ব্যবস্থার উদাহরণ টেনে আমেরিকায় ভোটার পরিচয়পত্রের নিয়ম আরও কঠোর করার পক্ষে ফের সরব হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (১৮ আগস্ট) ট্রুথ সোশ্যাল-এ একটি পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার তাঁর প্রশাসনের কাছে জানতে চেয়েছিলেন, বৈধ ফোটো আইডি ছাড়া আমেরিকায় কী ভাবে নির্বাচন হয়।ট্রাম্পের দাবি, ভারতের শেষ লোকসভা নির্বাচনে ৬৪ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষ ভোট দিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১ শতাংশেরও কম ডাকযোগে ভোট দেন। তাঁর বক্তব্য, প্রত্যেক ভারতীয় ভোটারের কাছেই বৈধ ফোটো পরিচয়পত্র ছিল। আমেরিকার নির্বাচন ব্যবস্থায়ও এমন বাধ্যতামূলক ব্যবস্থা চালুর যুক্তি দেখিয়ে সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট পাশ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।তবে আমেরিকায় ভোট দেওয়ার জন্য পরিচয়পত্রের নিয়ম সব রাজ্যে এক নয়। বর্তমানে ৩৬টি রাজ্যে ভোটকেন্দ্রে কোনও না কোনও ধরনের পরিচয়পত্র দেখানোর বিধান রয়েছে। পরিচয়পত্র হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্স, রাজ্য সরকারের দেওয়া আইডি বা পাসপোর্ট গ্রহণ করা হতে পারে। অন্যদিকে ১৪টি রাজ্য এবং ওয়াশিংটন ডিসিতে ভোটারের স্বাক্ষর কিংবা ভোটার তালিকায় থাকা অন্যান্য তথ্য মিলিয়ে পরিচয় যাচাই করা হয়। কিছু রাজ্যে পরিচয়পত্র না থাকলেও নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া মেনে ভোট দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।আমেরিকায় ভোটার আইডি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক বিভাজন রয়েছে। রিপাবলিকানদের যুক্তি, ভোটার পরিচয় বাধ্যতামূলক হলে ভুয়ো ভোট বা অন্যের পরিচয়ে ভোট দেওয়ার সম্ভাবনা কমবে এবং নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রতি আস্থা বাড়বে। ডেমোক্র্যাটদের পাল্টা বক্তব্য, অতিরিক্ত কড়াকড়ি সাধারণ ভোটারদের জন্য সমস্যা তৈরি করতে পারে এবং ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা হতে পারে।২০০০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর আমেরিকার ভোটপ্রক্রিয়া নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০০২ সালে হেল্প আমেরিকা ভোট অ্যাক্ট বা HAVA পাশ হয়। পরবর্তী সময়ে একাধিক রাজ্য ভোটার পরিচয় যাচাইয়ের নিয়ম আরও কঠোর করে।ট্রাম্পের সমর্থন করা সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট-এ ফেডারেল নির্বাচনে ভোটার হিসেবে নথিভুক্ত হওয়ার সময় মার্কিন নাগরিকত্বের প্রমাণ এবং ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে ফোটো আইডির মতো শর্ত জোরদার করার প্রস্তাব রয়েছে। ডাকযোগে ভোটের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ আনার কথা বলা হয়েছে। বিলটির লক্ষ্য আমেরিকার নির্বাচনী ব্যবস্থায় ভোটারের যোগ্যতা ও পরিচয় আরও কঠোরভাবে যাচাই করা।এই বিল নিয়ে রাজনৈতিক টানাপড়েনও রয়েছে। ২০২৬ সালের সংশোধিত SAVE America Act হাউসে পাশ হলেও সেনেটে তা নিয়ে বড় বাধা রয়েছে। কারণ, সেনেটে কোনও বিল পাশ করাতে সাধারণত ৬০টি ভোট প্রয়োজন। ফলে ট্রাম্প ভারতের ভোটব্যবস্থার উদাহরণ সামনে এনে চাপ বাড়ালেও প্রস্তাবটি আইনে পরিণত করা এখনও সহজ নয়।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজ্য

নয় পুণ্যার্থীর মৃত্যুর পরই নড়েচড়ে বসল প্রশাসন, তারাপীঠে ১৫টি হোটেল-লজ বন্ধের সিদ্ধান্ত

তারাপীঠে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নয় জন পুণ্যার্থীর মৃত্যুর পর নড়েচড়ে বসল বীরভূম জেলা প্রশাসন। বৈধ কাগজপত্র না থাকায় তারাপীঠের ১৫টি হোটেল ও লজকে বন্ধের নোটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের সময় কয়েক জন পুণ্যার্থী লজ সংলগ্ন পুকুরে ঝাঁপ দিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে কেউ পুকুরে ডুবে রয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখতে মঙ্গলবার পুকুরে স্পিডবোট নামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। যদিও শেষ পর্যন্ত আর কোনও দেহ উদ্ধার হয়নি।প্রসঙ্গত, সোমবার ভোরে তারাপীঠ থানার পাশের একটি বেসরকারি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনায় মৃত্যু হয় নয় জন পুণ্যার্থীর। মৃতদের মধ্যে মেঘালয়ের পাঁচ জন একই পরিবারের সদস্য। বাকি চার জন আলিপুরদুয়ারের বাসিন্দা। সোমবার রাতে মেঘালয়ের পাঁচ মৃতের দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার আলিপুরদুয়ারের চার মৃতের দেহও পরিবারের লোকজন নিয়ে যান। দুদিন ধরে মৃতদের পরিবারের পাশে ছিলেন রামপুরহাটের বিধায়ক ধ্রুব সাহা। তাঁদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করার পাশাপাশি বাড়ি ফেরার ব্যবস্থাও করেন তিনি।অগ্নিকাণ্ডের পর তারাপীঠের হোটেল ও লজগুলির পরিকাঠামো সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে নয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে প্রশাসন। সোমবার রাত থেকেই কমিটির সদস্যরা কাজ শুরু করেন। তার পরেই মঙ্গলবার ১৫টি হোটেল ও লজ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন।রামপুরহাটের মহকুমাশাসক অশ্বিনী বি রাঠোর বলেন, এর আগেও বেশ কয়েকটি হোটেল ও লজকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তারা প্রশাসনকে সহযোগিতা করছেন না। তাই জেলা শাসকের নির্দেশে সেগুলিকে বন্ধের নোটিশ দেওয়া হবে।তবে প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন হোটেল মালিকেরা। হোটেল মালিক সমিতির পক্ষে জয়ন্ত রায় জানান, মহকুমাশাসকের সঙ্গে তাঁরা কথা বলেছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে সময় চাওয়া হবে। তাঁর কথায়, তারাপীঠে বহু হোটেল রয়েছে, যেগুলির উপর বহু মানুষের সংসার নির্ভরশীল। আচমকা হোটেল বন্ধ হয়ে গেলে তাঁরা অসহায় হয়ে পড়বেন। তাই প্রশাসনের পরামর্শ নিয়ে ধীরে ধীরে নিয়ম মেনে সমস্ত হোটেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হবে।হোটেল মালিক নিতাই মালও জানান, তাঁদের হোটেল বহু পুরনো। ফলে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা পর্যাপ্ত নয়। প্রশাসনের নির্দেশ পাওয়ার পরই অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা উন্নত করার কাজ শুরু হয়েছে। তাঁর দাবি, এই কাজ শেষ করতে কিছুটা সময় প্রয়োজন। আচমকা হোটেল বন্ধ করে দিলে অধিকাংশ মালিকই সমস্যায় পড়বেন।এদিকে, অগ্নিকাণ্ডের পর পুকুরে নিখোঁজ কারও দেহ রয়েছে কি না, তা দেখতে মঙ্গলবার স্পিডবোট নামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। তবে তল্লাশিতে নতুন করে কোনও মৃতদেহের সন্ধান মেলেনি।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ঋতব্রত না শোভনদেব? বিরোধী দলনেতা বিতর্কে হাইকোর্টের বড় নির্দেশ

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় না শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, রাজ্য বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা কে, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই জোর রাজনৈতিক ও আইনি টানাপোড়েন চলছে। এখনও এই বিতর্কের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি। তবে আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে অস্থায়ী বিরোধী দলনেতার মর্যাদা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। পাশাপাশি মামলাটি সিঙ্গল বেঞ্চে ফেরত পাঠানো হয়েছে। দুই মাসের মধ্যে মামলাটির নিষ্পত্তি করার জন্যও নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ।মঙ্গলবার এই মামলার শুনানিতে ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে অস্থায়ী বিরোধী দলনেতা হিসেবেই দেখতে হবে। বিধানসভার অধ্যক্ষ ইতিমধ্যেই তাঁকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করেছেন। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।ঘটনার সূত্রপাত বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার পদ নিয়ে তৃণমূলের অন্দরের টানাপোড়েনকে কেন্দ্র করে। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতার মর্যাদা দেওয়ার জন্য বিধানসভার অধ্যক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছিল। অন্যদিকে, দলের বিধায়কদের একাংশ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেন।পরবর্তীতে বিধানসভার অঙ্কে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠ তৃণমূল বিধায়কের সমর্থন রয়েছে বলে দাবি ওঠে। প্রায় ৮০ জন তৃণমূল বিধায়কের মধ্যে অধিকাংশই ঋতব্রতর দিকে রয়েছেন বলে তাঁর শিবিরের তরফে দাবি করা হয়। এরপর বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম অধ্যক্ষের কাছে পাঠানো হয়।অধ্যক্ষের তরফে ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করার পরেই রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়। তৃণমূলের একাংশ এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের তরফে আদালতের দ্বারস্থ হয়ে ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঘোষণার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করা হয়।মামলাটি প্রথমে সিঙ্গল বেঞ্চে ওঠে। পরবর্তী সময়ে বিষয়টি ডিভিশন বেঞ্চ পর্যন্ত গড়ায়। মঙ্গলবার সেই মামলাতেই গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করেছে ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের নির্দেশে আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের অস্থায়ী বিরোধী দলনেতার মর্যাদা বজায় থাকছে। তবে এই অবস্থানই যে চূড়ান্ত, তা বলা যাচ্ছে না।ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটি ফের সিঙ্গল বেঞ্চে পাঠিয়ে দিয়েছে। পাশাপাশি দুই মাসের মধ্যে মামলাটির নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে আগামী দিনে সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ের দিকেই নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।একদিকে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে বিধায়কদের সমর্থন, দুইয়ের টানাপোড়েনেই বিরোধী দলনেতার পদ ঘিরে জটিলতা তৈরি হয়েছে। হাইকোর্টের মঙ্গলবারের নির্দেশে আপাতত ঋতব্রতর অবস্থান কিছুটা শক্তিশালী হলেও, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য আরও অপেক্ষা করতে হবে।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজনীতি

‘ককরোচ’ মন্তব্যে বিতর্কে দিলীপ, পাল্টা আক্রমণে শতরূপ, ইন্দাসকাণ্ডে বাড়ল উত্তাপ

ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র এক কর্মীর বাবাকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার ইন্দাসে। সিজেপির আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকার জেরেই দলীয় কর্মী আব্দুল হাফিজ এবং তাঁর বাবা শেখ মোহাম্মদ মাফিকের উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর মৃত্যু হয় শেখ মোহাম্মদ মাফিকের। ওই বাড়িতে মৃতের ছেলের সঙ্গে দেখা করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির নেতা। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, এই খুনের শেষ দেখে ছাড়বেন। পাশাপাষি তিনি ঘোষণা করেছেন এই ইস্যুতে বাঁকুড়ার জেলা বিজেপির কার্যলয়ে বিক্ষোভ দেখানো হবে। এদিকে ককরোচ জনতা পার্টিকে তীব্র কটাক্ষ করে মন্তব্য় করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ইন্দাসে সিজেপি কর্মী আব্দুল হাফিজের বাড়িতে আচমকাই একদল দুষ্কৃতী হামলা চালায়। বাড়িতে ঢুকে আব্দুল হাফিজ এবং তাঁর বাবা শেখ মোহাম্মদ মাফিককে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় দুজনেই গুরুতর জখম হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় মাফিকের। এই ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দিকে।ঘটনার খবর প্রকাশ্যে আসার পর নিহতের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দেয় সিজেপি। দলের প্রধান অভিজিৎ দীপকে টেলিফোনে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের পূর্ণাঙ্গ আইনি ও রাজনৈতিক সহায়তার আশ্বাস দেন। তাঁর নির্দেশে সিজেপির একটি প্রতিনিধি দল ইন্দাসে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে। অন্যদিকে, ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তৎপরতা শুরু করে বিরোধী শিবিরও। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা এবং নিহত পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দিতে সোমবার ইন্দাসে পৌঁছায় বামেদের একটি প্রতিনিধি দল। এই সফরকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও তীব্র হয়।বামেদের ইন্দাস সফর এবং সিজেপির আত্মপ্রকাশ নিয়ে সরব হন রাজ্যের বিজেপি নেতা তথা মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। বামেদের কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ওরা যেকোনো জায়গাতে যেতে পারেন। তবে ককরোচ রাতারাতি কোথা থেকে বেরিয়ে আসে? এইসব কমিউনিস্টদের মাথাতেই আসে, তারাই আরশোলা-ছারপোকা তৈরি করে। আর পরে তারাই সারা দুনিয়ায় উৎপাত করে।দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দেন সিপিএমের যুব নেতা শতরূপ ঘোষ। বিজেপিকে নিশানা করে তিনি বলেন, বাংলায় শুভেন্দু অধিকারী সরকার শক্তিশালী আর দিল্লির রেখা গুপ্ত সরকার দুর্বল? মোদী-অমিত শাহ সরকার এই সিজেপির আন্দোলনেই ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ইস্তফা দিতে বাধ্য করেছে। সঙ্গে পুলিশ আছে বলেই এমন ভাষণ দিতে পারছে অনেকে।ইন্দাসের এই ঘটনাকে ঘিরে একদিকে যেমন সিজেপি ও বামেদের রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়ছে, তেমনই বিজেপি ও বাম নেতৃত্বের পাল্টাপাল্টি মন্তব্যে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তেজনাও নতুন মাত্রা পেয়েছে।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজনীতি

বিমান বন্দর চত্বরে সৌগত রায়ের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ, উঠল ‘চোর-চোর’ ও গো ব্যাক স্লোগান

নিজের সংসদীয় এলাকাতেই বিক্ষোভের মুখে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। কলকাতা এয়ারপোর্ট ঢোকার মুখে তার গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ চলে। বিক্ষোভকারীদের তরফে চোর-চোর স্লোগানও দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। গাড়িতে চাপরও দেওয়া হয়। দেখানো হয় কালো পতাকা। বেশ কিছক্ষণ আটকে ছিলেন সৌগত রায়। গো ব্যাক স্লোগানও চলতে থাকে গাড়ি ঘিরে। ভাইরাল ভিডিওতে পুরো বিষয়টি স্পষ্ট দেখা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, তিনি বিমান বন্দরে একটি বৈঠকে অংশ নিতে গিয়েছিলেন।কিছু দিন আগে নিমতা থানা থেকে বেরিয়ে গাড়িতে ওঠার সময়ই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, একদল মানুষ তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। ওঠে চোর-চোর স্লোগান। এরপর ভিড়ের মধ্য থেকে তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ডিম সাংসদের গায়ে না লাগলেও গাড়িতে গিয়ে লাগে। এবার দমদমের তৃণমূল সাংসদের গাড়ি ঘিরে ফের বিক্ষোভ চলল। সৌগত রায়ের গাড়ি ঘিরে এই বিক্ষোভের ঘটনা নতুন করে তাঁর নিজের সংসদীয় এলাকায় রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষ করে দুবার এই তৃণমূল সাংসদের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ এবং কালো পতাকা দেখানো, গো ব্যাক অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বিজেপি বিধায়কের দাবি, প্রতিবার নির্বাচনের আগে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিতেন সৌগত রায়। প্রতিবারই বলতেন জেশপ খুলবেন। উল্টে তাঁর সাঙ্গপাঙ্গরা জেসপ থেকে চুরি করে শেষ করে দিয়েছেন।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
দেশ

নীতিন নবীনের ‘নয়া টিম’-এ বাংলার দুই মুখ! জাতীয় সংগঠনে বড় দায়িত্ব এই দুই জনের

ভারতীয় জনতা পার্টির সর্বভারতীয় সংগঠনে বড়সড় রদবদল। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো জাতীয় স্তরের সংগঠনকে ঢেলে সাজালেন নীতিন নবীন। নতুন কমিটিতে যেমন একাধিক নতুন মুখকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তেমনই অভিজ্ঞ বেশ কয়েকজন নেতাকেও ফেরানো হয়েছে কেন্দ্রীয় সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে। আর এই রদবদলে বিশেষ নজর কেড়েছে পশ্চিমবঙ্গ।রাজ্য বিজেপির দুই গুরুত্বপূর্ণ মুখকে এবার জাতীয় সংগঠনে জায়গা দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ডাঃ মধুছন্দা করকে সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি এবং আলিপুরদুয়ারের সাংসদ মনোজ টিগ্গাকে সর্বভারতীয় সম্পাদক করা হয়েছে। ফলে রাজ্য রাজনীতিতে সক্রিয় দুই নেতার দায়িত্ব এবার ছড়িয়ে পড়ল জাতীয় স্তরে।জাতীয় সংগঠনে বড় দায়িত্ব বাংলার দুই নেতারবিজেপির নতুন কেন্দ্রীয় সংগঠনে ডাঃ মধুছন্দা করের অন্তর্ভুক্তি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। রাজ্য বিজেপির চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে তিনি দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। এবার তাঁকে সরাসরি সর্বভারতীয় সহ-সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একজন চিকিৎসক নেত্রীকে দলের জাতীয় স্তরের শীর্ষ সাংগঠনিক পদে নিয়ে আসার মধ্য দিয়ে বিজেপি নেতৃত্ব নতুন ধরনের সাংগঠনিক সমীকরণের বার্তা দিল বলেই মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের পরিচিত আদিবাসী মুখ মনোজ টিগ্গার দায়িত্বও বেড়েছে। আলিপুরদুয়ারের সাংসদ হিসেবে ইতিমধ্যেই উত্তরবঙ্গে তাঁর রাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে। এবার তাঁকে সর্বভারতীয় সম্পাদক করা হল। উত্তরবঙ্গের আদিবাসী সমাজের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ এবং রাজ্য সংগঠনে কাজের অভিজ্ঞতাকে জাতীয় স্তরে কাজে লাগাতেই এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে।শুধু নতুন মুখ নয়, অভিজ্ঞদেরও প্রত্যাবর্তননীতিন নবীনের নতুন টিমে শুধুমাত্র সাংগঠনিক পরিবর্তন নয়, অভিজ্ঞ নেতৃত্বকে ফেরানোর দিকটিও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন জাতীয় রাজনীতির আলোচনায় থাকা কয়েকজন নেতাকে ফের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির ক্ষেত্রেও বড় পরিবর্তন দেখা গেল। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে অমেঠি থেকে পরাজয়ের পর জাতীয় রাজনীতিতে তাঁর সক্রিয়তা আগের তুলনায় কমেছিল। এবার তাঁকে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। ফলে দলের কেন্দ্রীয় সংগঠনে তাঁর রাজনৈতিক ভূমিকা ফের বাড়তে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবও পেলেন জাতীয় স্তরে আরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তাঁকেও সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। পূর্বোত্তর ভারতের রাজনীতিতে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতার পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতেও তাঁর সাংগঠনিক ভূমিকা ছিল। ফলে জাতীয় সংগঠনে তাঁর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চাইছে বিজেপি নেতৃত্ব।ফিরলেন রাম মাধবওবিজেপির সাংগঠনিক রাজনীতির অন্যতম পরিচিত মুখ রাম মাধবের প্রত্যাবর্তনও এই রদবদলের অন্যতম বড় দিক। দলীয় সংগঠন এবং ভোটকৌশল নিয়ে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন রাম মাধবকে ফের কেন্দ্রীয় সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পরিসরে আনা হয়েছে।সব মিলিয়ে নীতিন নবীনের নতুন কেন্দ্রীয় টিমে একদিকে যেমন নতুন প্রজন্ম ও রাজ্যস্তরের নেতৃত্বকে জাতীয় মঞ্চে তুলে আনা হয়েছে, অন্যদিকে তেমনই অভিজ্ঞ এবং পরীক্ষিত নেতাদেরও ফের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।বাংলার জন্য কী বার্তা?বিজেপির নতুন কেন্দ্রীয় সংগঠনে পশ্চিমবঙ্গের দুই নেতাকে গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়ার বিষয়টি নিঃসন্দেহে রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। রাজ্যে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করা, উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক সমীকরণে নজর দেওয়া এবং বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠীর মধ্যে দলের সাংগঠনিক বিস্তার বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত কি না, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।তবে একটি বিষয় স্পষ্টনীতিন নবীনের নতুন টিমে বাংলা এবার যথেষ্ট গুরুত্ব পেয়েছে। মধুছন্দা কর ও মনোজ টিগ্গার জাতীয় সংগঠনে উত্থান শুধু তাঁদের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক গুরুত্বই বাড়াল না, একইসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক কৌশল নিয়েও তৈরি করল নতুন জল্পনা।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ডিমের জবাবে পিস্তল! ‘ভয় পাই না’ বলে কীর্তির হুঁশিয়ারি, পাল্টা ‘বিহার পার করে দেওয়ার’ বার্তা বিজেপির

ডিম ছোড়ার রাজনীতি ঘিরে এবার বর্ধমান-দুর্গাপুরের তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজ়াদের মন্তব্যে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক। বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা-কর্মীর উপর ডিম হামলার প্রসঙ্গ তুলে কীর্তি আজ়াদ সরাসরি জানালেন, তাঁর উপর এমন কোনও হামলা হলে তিনি চুপ করে থাকবেন না। আত্মরক্ষার জন্য আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স নেওয়ার কথাও প্রকাশ্যে জানিয়েছেন তিনি।সোমবার নিজের সংসদীয় এলাকায় কর্মসূচিতে গিয়ে একাধিক বিষয়ে কথা বলার সময় বিজেপিকে আক্রমণ করেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার তথা বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য কীর্তি। রাজনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের উন্নয়ন নিয়ে তাঁর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।ডিম হামলার প্রসঙ্গ টেনে কীর্তির বক্তব্য, স্কুলে ডিম দেওয়া বন্ধ করে দিল। এখন লোককে ডিম মারছে! আমরাও নিজের সুরক্ষার জন্য পিস্তলের লাইসেন্স নিচ্ছি। তাঁর দাবি, আত্মরক্ষার অধিকার জনপ্রতিনিধিদেরও রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দেন, ভয় দেখিয়ে তাঁকে পিছিয়ে দেওয়া যাবে না।কীর্তির কথায়, আমরা ভয় পাওয়ার মতো লোক নই। আমরা ভারতের জন্য ক্রিকেট খেলেছি। ভারতমাতার মর্যাদার জন্য ক্রিকেট খেলেছি। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বিশেষ করে একজন সাংসদ প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স নেওয়ার কথা বলায় বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে।এদিন রাজনৈতিক আক্রমণের ঝাঁঝও ছিল যথেষ্ট। ঋতব্রতকে নিশানা করে কীর্তি দাবি করেন, তিনি কী করেছেন, ফোনে কী কথা বলেছেন এবং কার চাপের মুখে কী সিদ্ধান্ত নিয়েছেনসেসব তাঁরা জানেন। বিজেপিকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, এটা রাক্ষসরাজ।বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে সাংসদ জানান, সন্ধ্যায় দলের সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করবেন তিনি। মঙ্গলবারও তাঁর একাধিক কর্মসূচি রয়েছে। দুর্গাপুজোর পর তৃণমূল আরও বড় পরিসরে কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামবে বলেও জানান তিনি।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও সরব হন কীর্তি। বিজেপিশাসিত পশ্চিমবঙ্গের প্রসঙ্গ তুলে তাঁর অভিযোগ, বাংলার খুব খারাপ অবস্থা। এমন অবস্থা আফ্রিকাতেও নেই! এরপরই আরও তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে তিনি বলেন, আফ্রিকায় যেমন সমুদ্রে জলদস্যু ঘোরে, তেমনই বাংলার শহর, ঘর ও গলিতে জলদস্যু, ডাকাতেরা ঘুরে বেড়াচ্ছে।তবে কীর্তি আজ়াদের আগ্নেয়াস্ত্র সংক্রান্ত মন্তব্যের পর পাল্টা আক্রমণ করতে দেরি করেনি বিজেপি। বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, কীর্তি যদি আগ্নেয়াস্ত্র রাখার কথা বলেন, তাহলে তাঁকে হাইড্রা করে তুলে বিহার পার করে দিয়ে আসা হবে।ফলে ডিম হামলা থেকে শুরু হওয়া বিতর্ক এখন পৌঁছে গিয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র, আত্মরক্ষা এবং পাল্টা রাজনৈতিক হুঁশিয়ারির জায়গায়। কীর্তি আজ়াদের মন্তব্যের পর আগামী দিনে এই ইস্যুতে তৃণমূল-বিজেপির রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনাই দেখছে রাজনৈতিক মহল।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
কলকাতা

বাংলার আকাশে গভীর নিম্নচাপ, সোমবারই ভয়ঙ্কর বৃষ্টি! ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির সতর্কতা, এরপর কোন পথে যাবে?

গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে সোমবার সকাল থেকেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়েছে। টানা বৃষ্টিতে বহু জায়গায় জল জমেছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও নিত্যযাত্রীরা। রাস্তাঘাট জলমগ্ন হওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় তৈরি হয়েছে দুর্যোগের পরিস্থিতি। এর মধ্যেই ধীরে ধীরে ঝাড়খণ্ডের দিকে এগোচ্ছে গভীর নিম্নচাপ।আবহাওয়া দফতরের সোমবার বিকেলের খবর অনুযায়ী, গভীর নিম্নচাপটি বর্তমানে কলকাতা থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমে অবস্থান করছে। বর্ধমান থেকে সেটি প্রায় ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বে রয়েছে। বাঁকুড়া থেকে দূরত্ব প্রায় ১৪০ কিলোমিটার পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বে। ওড়িশার বালেশ্বর থেকে গভীর নিম্নচাপটি রয়েছে প্রায় ১৯০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গভীর নিম্নচাপটি ক্রমশ ঝাড়খণ্ড ও বিহারের দিকে এগিয়ে যেতে পারে। ফলে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টির প্রভাব আরও কিছুটা সময় থাকার আশঙ্কা রয়েছে।সোমবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং পশ্চিম বর্ধমানে চরম বৃষ্টির লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই তিন জেলায় ২০০ মিলিমিটার বা তারও বেশি বৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা রয়েছে। সেখানে ১১০ থেকে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে।প্রবল বৃষ্টির জেরে ইতিমধ্যেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় জল জমেছে। রাস্তার পাশাপাশি নিচু এলাকাগুলিতেও জল ঢুকেছে। ফলে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সমস্যায় পড়েছেন অফিসযাত্রী এবং অন্যান্য নিত্যযাত্রীরা।মঙ্গলবার পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। তবে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম এবং ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা থাকবে। এই জেলাগুলির কিছু এলাকায় ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে।অর্থাৎ, গভীর নিম্নচাপটি বাংলার পশ্চিমাঞ্চল ছেড়ে ঝাড়খণ্ড ও বিহারের দিকে এগিয়ে গেলেও মঙ্গলবার পর্যন্ত তার প্রভাব পুরোপুরি কাটছে না। ফলে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা থাকা জেলাগুলির বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal