• ১ ভাদ্র ১৪৩৩, বুধবার ১৯ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IS

রাজ্য

দোকানপাট বন্ধ, থমথমে, বৃহস্পতিবারও গুমোট পরিবেশ কাটেনি রিষড়ায়

রিষড়া পরিদর্শন করে এসেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। গন্ডগোলের জেরে ট্রেন বন্ধও রাখতে হয়েছিল। বুধবারও রিষড়া ছিল থমথমে। অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ। পুলিশি পিকেট। রয়েছে ১৪৪ ধারা। তারই মধ্যে চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটে মিছিল করে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। জমা দিয়েছেনন স্মারকলিপিও।রামনবমীর শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়েছিল রিষড়া। দেওয়ালির মত বোমা বাজি চলেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। ক্ষুব্ধ জনতা পুড়িয়ে দিয়েছে পুলিশের গাড়ি। কিন্তু এখনও স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে পারেনি হুগলির এই শিল্পাঞ্চল। যেখানে সাইরেনের শব্দে মানুষ হাজিরা দেবে কারখানায় সেখানে ধর্মীয় উন্মাদনাকে কেন্দ্র করে রক্তাক্ত হচ্ছে। গতকাল মঙ্গলবার লোকাল ট্রেনে রিষড়া গিয়েছেন লকেট। যদিও সেখান থেকেই তাঁকে ফেরত পাঠিয়েছে পুলিশ। ঘটনাস্থলে যেতে দেওয়া হয়নি বিজেপি সাংসদকে। হাওড়ার শিবপুরের পরিস্থিতি ক্রমশ ফিরেছে।

এপ্রিল ০৫, ২০২৩
রাজ্য

সিট খোঁজা নিয়ে দুই স্কুলের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষে উত্তাল হরিশ্চন্দ্রপুর

পরীক্ষা কেন্দ্রের সিট খোঁজা নিয়েও সংঘর্ষ শনিবার দুই স্কুলের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের মধ্যে সিট নিয়ে তুমুল সংঘর্ষে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ালো হরিশ্চন্দ্রপুর থানার ভিঙ্গল গ্রামের ভিঙ্গল হাইস্কুলে। শনিবার সকালে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার শুরুর কিছুক্ষণ আগেই এই সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে। তাতে তিনজন উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী গুরুতর জখম হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। এই সংঘর্ষের খবর পেয়েই ভিঙ্গল হাইস্কুলে পৌঁছায় হরিশ্চন্দ্রপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশ হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। যদিও দুই স্কুলের পরীক্ষার্থীদের পক্ষ থেকেই সংশ্লিষ্ট থানায় মারধরের ঘটনার লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।উল্লেখ্য, শনিবার ছিল উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার তৃতীয় দিন। এই স্কুলে সিট পড়েছে কনুয়া হাই মাদ্রাসা এবং চন্ডিপুর হাই স্কুলের ছাত্রদের। পরীক্ষা শুরুর আগে সিট খোঁজা নিয়ে দুই স্কুলের কয়েকজন ছাত্রের মধ্যেে ঝামেলা শুরু হয়। কনুয়া হাই মাদ্রাসার এক পরীক্ষার্থীর অভিযোগ চন্ডিপুর হাই স্কুলের ছাত্ররা তাদের এক ছাত্রকে প্রথমে মারধর করে। তারপরেই শুরু হয় ঝামেলা। এতে মাথা ফেটে যায় এক ছাত্রের। আরো দুইজন ছাত্র চোট আঘাত পেয়েছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সাথে সাথে পরিস্থিতির সামাল দেয়। পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ।হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি দেওদূত গজমেরের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে এসে পৌঁছায় পরীক্ষা কেন্দ্রে। পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে শুরু হয় পরীক্ষা। ভিঙ্গল হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক রাজেন্দ্র প্রসাদ সাহা জানিয়েছেন, সঠিক সময়ে পরীক্ষা শুরু হয়েছে। পরীক্ষা চলাকালীন আর কোনরকম অশান্তি হয় নি। তবে স্কুলের বাইরে গোলমাল হয়েছে তাই এই ব্যাপারে পরিষ্কার করে কিছু বলতে পারব না।এদিকে পুলিশে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে দুটি স্কুলেরই সিট পড়েছে ভিঙ্গল হাইস্কুলে। এদিন ক্লাসে পরীক্ষার সিট খোঁজা নিয়েই প্রথমে কয়েকজন পরীক্ষার্থীদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। আর সেই থেকে ঝামেলার সূত্রপাত। হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি দেওদূত গজমের জানিয়েছেন, পুলিশি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এবং সঠিক সময় পরীক্ষা শুরু হয়। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে

মার্চ ১৮, ২০২৩
রাজ্য

কালিঘাটের কাকু সিবিআইতে, কুন্তলের স্ত্রী ইডিতে, দিল্লির হাজিরা এড়ালেন অনুব্রত কন্যা

শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতির তদন্তে এবার সিবিআইয়ের তলবে নিজাম প্যালেসে হাজির হয়েছেন কালিঘাটের কাকু তথা সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। একইদিনে ইডির তলবে সল্টলেকে সিজিও কমপ্লেক্সে তদন্তকারীদের মুখোমুখি হন নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত কুন্তলের স্ত্রী জয়শ্রী ঘোষ। অন্যদিকে মনীশ কোঠারিকে ৬ দিনের ইডি হেফাজত দিয়েছে দিল্লির আদালত। তাঁকে গতকাল হাসতে দেখা গেলেও এদিন চোখে জল দেখা যায় মনীশের। তবে ইডি তলব করলেও এদিন দিল্লি যাননি অনুব্রত কন্য়া সুকন্যা মন্ডল। তা তিনি মেইল করে জানিয়ে দেন ইডিকে। এদিন নিজাম প্যালেসে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে তিন ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই। গোপাল দলপতি ও তাপস মন্ডল সুজয়কৃষ্ণ ঘোষের নাম করে। তাঁরা তাঁকে কালীঘাটের কাকু বলে সম্বোধন করেছিল। এদিন দুজন আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে সিবিআই দফতরে আসেন কালিঘাটের কাকু সুজয়কৃষ্ণ। তিনি বলেন, কেন সিবিআই ডাকল জানি না। একটা ছোট্ট কাগজে নোটিস দিয়েছে চলে এসেছি। স্ত্রী অসুস্থ তাও এসেছি। তা সত্বেও তো বলবে সহযোগিতা করছি না।

মার্চ ১৫, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

এবার একসঙ্গে কি পরিকল্পনা অরিজিৎ ও রূপমের? সুরের মূর্চ্ছনায় মাতবে কলকাতা!

নিউটাউনের কনসার্টে অরিজিত সিং ও রূপম ইসলামের যুগলবন্দি দেখেছিল দর্শকরা। তাঁদের গান মোহিত করেছিল স্রোতাদের। সোশাল মিডিয়ায় অরিজিৎ সিং ও রূপম ইসলাম তাঁদের ফেস বুক পেজে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। অরিজিতের গলা বসে গিয়েছে। রূপমই কথা বলেছেন। কার্যত অরিজিৎ তাতে সায় দিয়েছেন। রূপম বলেছেন, এর আগে অরিজিতের কনসার্টে অতর্কিতে গান করাটা প্লানিং ছিল না। আজ যে দাঁড়িয়ে আছি অনেক দিন ধরে কথা ছিল একসঙ্গে পাশাপাশি দাঁড়াব। একসঙ্গে কাজ করব। অনেকেই জিজ্ঞাসা করেছে আমরা কি একসঙ্গে কাজ করব? কি বলছ অরিজিত? অরিজিত বলেন, একসঙ্গে কাজ করব বলেই তো এখানে। তারপরই গিটারে রূপমের গানের ধুন তোলেন অরিজিত। এই এক মিনিট আটান্ন সেকেন্ডের ভিডিওটি রীতিমতো সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। রূপম ইসলামের কথায়, অনেক দিন ধরেই দেখা হওয়ার কথা ছিল। কখনও ও স্টেজে আমি অডিটোরিমে, আবার কখনও আমি স্টেজে ও অডিটোরিমে। শেষমেষ আমরা একসঙ্গে।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৩
রাজ্য

মালদার গঙ্গায় দৈত্যকৃতি মাছ, হইহই কাণ্ড

ভয়ঙ্কর কান্ড মালদার গঙ্গায়। এই নদিতে মিলেছে প্রায় ৯১ কেজির বাঘার মাছ। এ যেন মাছ নয়, একটা আস্ত একটা দৈত্য। মালদার নেতাজি পুর মার্কেটের মাছ বাজারে ওই মাছ আসতেই হইচই বেধে যায়। মাছ দেখতে মানুষজন হামলে পড়ে। বুধবার সকাল থেকে ওই বাঘার মাছকে ঘিরে ব্যাপক কৌতুহল তৈরি হয়।জানা গিয়েছে, ফাঁসজালে আটকে গিয়েই ফরাক্কায় গঙ্গা থেকে এই বাঘার মাছটি জেলেরা ধরতে পেরেছেন। এদিন সকাল থেকেই এই বাঘারমাছকে ঘিরেই হইহই কাণ্ড ছড়িয়ে পড়ে। আড়তে মাছটির দর ওঠে প্রায় ৩০ হাজার টাকা। ওই দামেই বিক্রি হয় মাছটি।নেতাজি পুর মার্কেটের একাংশ মৎস্য ব্যবসায়ীরা জানান, এই মাছ বিক্রি করা হবে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা কেজি দরে। বুধবার সকাল থেকে মাছ দেখতে ভিড় জমান বহু মানুষ। এত বড় মাছ নড়াতেও হিমশিম খেতে হয় পাঁচজনকে। বুধবার বিক্রি করা হবে মাছটি।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৩
রাজ্য

সাগরদিঘি উপনির্বাচনে তৃণমূলের জয়ের ব্যবধান বেঁধে দিলেন অভিষেক

মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি উপনির্বাচনের প্রচার একেবারে জমজমাট। ইতিমধ্যেই সেখানে প্রচার সেরেছেন রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রবিবাসরীয় প্রচারে গিয়ে জয়ের ব্যবধানের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করে দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেকের স্পষ্ট বার্তা, উপনির্বাচনে একটা বুথেও হারলে সেটা হবে মীরজাফরের বুথ। কোনও বুথেই হারা চলবে না বলেই জনসভায় জানিয়ে দিলেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ।সাগরদিঘি উপনির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থীর সঙ্গে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ছবি দেখান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, কংগ্রেস প্রার্থীর সঙ্গে বিজেপির যোগসাজশ চলছে। ভোটে জিতলেই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিজেপিতে চলে যাবে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কি করে শুভেন্দু বলছেন সংখ্যালঘু বুথগুলিতে আর যেই হোক জোড়াফুল জিতবে না। সেই ব্যবস্থা করে দিয়েছি।আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি কেন্দ্রে উপনির্বাচন। ২ মার্চ ভোটগণনা। এখানে বিজেপি, তৃণমূল ও কংগ্রেসের প্রার্থীর মধ্যে লড়াই হচ্ছে। বামেরা এই কেন্দ্রে কংগ্রেস প্রার্থীকে সমর্থন করছে। লড়াই ত্রিমুখি হতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ২০১৬-তে কোনওরকমে জয় পেয়েছিল তৃণমূল প্রার্থী সুব্রত সাহা। রাজ্যর এই মন্ত্রীর অকাল প্রয়াণের কারণেই এই উপনির্বাচন। সামনেই রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন। স্বভাবতই তার আগে এই উপনির্বাচন সব দলের কাছেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৩
রাজ্য

রং তুলির মেলবন্ধনে মেতে উঠলো রাঢ়-বঙ্গের শিল্প কর্মশালা

রাঢ় কৃষ্টি ওয়েলফেয়ার সংস্থার আয়োজিত দুদিনের আর্ট ওয়ার্কশপ শুক্রবার শুরু হল। বর্ধমান শহরে বইমেলা প্রাঙ্গণে এই আর্ট ওয়ার্কশপ-র শুভ উদ্বোধন করেন বর্ধমান সদর দক্ষিণের মহকুমা শাসক কৃষ্ণেন্দু মণ্ডল। এবছর রাঢ় কৃষ্টি ওয়েলফেয়ার সংস্থার আর্ট ওয়ার্কশপ৬ষ্ট বর্ষে পদার্পন করলো। মোট ৪২ জন স্বনামধন্য শিল্পী এই শিল্প কর্মশালার অংশগ্রহন করছেন।শিল্প পদর্শনীবাইমেলা শুরুর দিন থেকেই মেলা প্রাঙ্গণে তাঁদের শিল্প পদর্শনী চলছে। বিভিন্ন নামী শিল্পীরা সশরীরে উপস্থিত হয়ে ক্যানভাস তুলি রং নিয়ে কর্মশালা আলো করে তুলেছেন। কেউ জল মাধ্যমে তো কেউ অ্যাক্রেলিক তো কেউ ডোকরা করতে ব্যাস্ত। প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করে মহকুমাশাসক বলেন, তাঁকে ছোট বেলায় ওড়িয়া ভাষা শিখতে হয়েছিলো। কিন্তু তাঁর ইচ্ছা ছিলো আদিবাসী (অলচিকি) ভাষা শেখা এবং তিনি তা শিখেও ছিলেন। তিনি আরও বলেন শুক্রবারের এই কর্মশালায় এসে বিভিন্ন শিল্পীদের সহচর্য পেয়ে মনে এই শিল্প কর্ম শেখার ইচ্ছা জাগছে। আজকের অনুষ্ঠানের উপরি পাওনা মহকুমা শাসক কৃষ্ণেন্দু মণ্ডলের গলায় লোকগীতি আমায় ডুবাইলি রে-আমায় ভাসাইলি রে...।শিল্পী শ্যমল মুখোপাধ্যায়মহকুমা শাসক কৃষ্ণেন্দু মণ্ডল তাঁর বক্তব্যে এই সংস্থার শ্রীবৃদ্ধি কামনা করেন, আগামীদিনে আরও বড় কর্মশালার আয়োজনের শুভেচ্ছা জানান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজকর্মী ও শিল্পপতি সন্তোষ সাহাশিকদার, প্রথিতযশা চিত্রকর শ্যমল মুখোপাধ্যায়। শিল্পী শ্যমল মুখোপাধ্যায় জানান, তিনি তিন তিন বার অকৃতকার্য হয়ে শান্তিনিকেতন থেকে শিল্প শিক্ষা গ্রহণ করে চিত্রশিল্পী হয়েছেন। তিনি জানান, তাঁর শিল্পকর্ম নিয়ে তিনি ৪২টি দেশে চিত্র পদর্শনী করেছেন।শ্যমল মুখোপাধ্যায়, প্রদ্যুত পাল ও সহশিল্পীরাঢ় কৃষ্টি ওয়েলফেয়ার সংস্থার অন্যতম সদস্য শিল্পী প্রদ্যুত পাল বলেন, এবছর আমরা বইমেলায় এই প্রদর্শনী ও কর্মশালার আয়োজন করলাম, খুবই ভালো সাড়া পাচ্ছি। সামনের বছর এই অনুষ্ঠান আরও বড়ো করে করার চেষ্টা করবো। এবছর বর্ধমান সহ সারা বাংলার মোট ৪২ জন শিল্পী অংশগ্রহণ করেছেন। ঝাড়খণ্ড থেকেও একজন শিল্পী এই কর্মশালার এসেছেন।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৩
রাজ্য

আলকায়দা ঢুকছে, বিদেশী জঙ্গিরা আশ্রয় পাচ্ছে বাংলায়, দিলীপ ঘোষের দাবি

বন্দে ভারতে পাথর ছোড়া নিয়ে বিতর্ক বেড়েই চলেছে। মঙ্গলবার বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, আগেও বলেছি, কাশ্মীর শুধরে গেছে। বাংলা কাশ্মীর হয়ে যাচ্ছে। দেশ বিরোধী শক্তি এরাজ্যে এতো সক্রিয়, এখানকার সরকার সেই শক্তিকে মদত দিচ্ছে। পার্লামেন্টে যখন সি এ এ পাস হল, তখন বিরোধিতা অনেক রাজ্যে হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে তিনদিন ধরে উৎপাত হয়েছে। আড়াইশো কোটি টাকার সম্পত্তি ধংস করা হয়েছে। যার সিংহভাগ রেলের সম্পত্তি। দেশের সম্পত্তিকে এই রাজ্যের একাংশ শত্রু সম্পত্তি মনে করতে শুরু করেছে। দেশের সংবিধানকে তারা শত্রুপক্ষের সংবিধান বলে মনে করছে। তারা হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের লোক। এবং তৃণমূল কংগ্রেস তাদের পাশে আছে। একাধিকবার এই ঘটনা ঘটেছে। দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, নুপুর শর্মার সময়ে দেখেছি। মন্দিরে সে সময় ঢিল মারা হয়েছে। দেশ বিরোধি শক্তির হাতে বাংলা চলে যাচ্ছে। ১৯৪৭ এর আগে যেরকম হয়েছিল, আবার সেই দিকে যাচ্ছে। এর সম্পূর্ণ কৃতিত্ব তৃণমূলের। মমতা তাদের সহযোগিতা করছেন। পুলিস এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না।বিজেপি নেতার দাবি, বর্ডার দিয়ে সিমি, জামাত আল কায়দা ঢুকছে। বিদেশী জঙ্গিরা এখানে আশ্রয় পাচ্ছে। সমস্ত গ্যাং স্টার বা সমাজবিরোধী এখানে শেল্টার পাচ্ছে, ধরা পড়ছে। এখানে দেশ বিরোধি শক্তি সহযোগিতা পায়। এখানে তাদের আধার কার্ড হয়। রেশন কার্ড হয়। দেশের অন্যত্র গিয়ে এরা বিস্ফোরণ করে। দেশ বিরোধি কাজের অনুপ্রেরণা এই রাজ্য থেকেই পাওয়া যায়।দিদির সুরক্ষা কবচ নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, দিদি বক ধার্মিক। মমতা ব্যানার্জির মুখ থেকে সত্যের বাণী শুনতে হবে, এটা তো একপ্রকার বিড়ম্বনা। সারাজীবন যিনি মিথ্যা বলায় রেকর্ড করেছেন, মিথ্যা ছাড়া কিছু বলেন নি, দেশের একতা ও অখণ্ডতার বিরুদ্ধে কাজ করেছেন, তিনি সত্যের কথা বলছেন, এটা সত্যিই বিড়ম্বনা।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৩
রাজ্য

দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ছোট্ট দেবস্মিতার পাশে দাঁড়াতে রাজনৈতিক নেতাদের কাছে আবেদন শ্রীলেখা মিত্রের

দূর্গা পুজোয় অনুদান আছে। ক্লাবের পরিকাঠামো উন্নয়নে যথেচ্ছ অনুদান আছে,আছে স্বাস্থসাথীর মত মানবিক প্রকল্প, নেই বিরল রোগের আক্রান্ত রোগীদের পাশে দাঁড়ানো। চিকিৎসার অধিকার থেকে কেন বঞ্চিত তাঁরা? তার কোনও সদুত্তর নেই সরকারের কাছে এমনিই অভিযোগ বিরলতম রোগে আক্রান্ত পরিবারগুলির। বিরলতম রোগের তালিকায় প্রথেমেই যে নাম মনে আসে তা স্পাইনাল মাস্কুলার অ্যাট্রফি (এসএমএ)। রোগটির ভয়াবহতা স্মরণ করতে আগস্ট মাসটিকে এই রোগের সচেতনতা মাস হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সরকার কতটা এই বিষয়ে সচেতন সেই বিষয়ে প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহল থেকে।গত কয়েক মাসে রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে চার এসএমএ আক্রান্তের! অসহায় পিতা-মাতা-পরিবার আঙ্গুল তুলছেন সরকারি উদাসীনতার দিকে। চিকিৎসা করিয়েও তার ফলাফল নিশ্চিত হার জেনেও অদম্য মনোভাবের পরিচয় দিয়ে হার না মানা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন এই বিরলতম রোগের পরিবারের সদস্যরা।এসএমএ আক্রান্তের পাশে দাঁড়ানস্পাইনাল মাস্কুলার অ্যাট্রফি এক কথায় এসএমএ (SMA)। মানব দেহের পেশির সঞ্চালনকে নিয়ন্ত্রণ করে মোটর নিউরোন, সেই মোটর নিউরোনের কার্যকারিতা আসতে আসতে অকেজো হয়ে যাওয়াই জিনঘটিত এই বিরল রোগের মূল কারণ বলে বিশেষজ্ঞ মহলের ধারনা। এসএমএ রোগের তীব্রতা অনুযায়ী, এটিকে টাইপ ওয়ান থেকে শুরু করে টাইপ ফাইভ পর্যন্ত ভাগ করা হয়ে থাকে। এই রোগ প্রতিকারের ওষুধ বাজারে পাওয়া গেলেও সাধারন মানুষের পক্ষে তা ক্রয় করা এক প্রকার অসাধ্য। এই কারণে সময়মত ওষুধ না পেয়ে ক্রমশ লম্বা হচ্ছে মৃতের তালিকা। অগস্ট মাস অবধি বঙ্গে চার এসএমএ (SMA)আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে।এ-পর্যন্ত রাজ্যে ১০০ র ওপর এসএমএ (SMA) আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে। আক্রান্ত পরিবার সুত্রে জানা গেছে,অন্য তাঁরা এই বিরলতম রোগের ওষধের জন্য স্বাস্থ্য ভবনে যোগাযোগ করলে তাঁদের জানানো হয়, যে ওষুধের জন্য তাঁরা আবেদন করেছেন, তা অনৈতিক ধরনের চড়া মূল্যের! (আনএথিকালি হাই) এবং তার সাফল্যের হারও উল্লেখযোগ্য নয়। সেই কারণে স্বাস্থ্য দফতরের বিশেষজ্ঞ কমিটি এই আবেদন গ্রাহ্য করতে পারছে না। যাঁরা এই রোগের চিকিৎসার সাথে জড়িত সেই সমস্ত চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, ওষুধের দাম বেশী বলা যাতেই পারে কিন্তু কোনও ভাবেই অনৈতিক বলা যেতে পারে না, আবার সেই ওষুধ যদি জীবনদায়ী হয় তাহলে তো কোনভাবেই বলা যায় না। এই ব্যাপারে কোনও ব্যাখ্যা স্বাস্থ দপ্তর থেকে পাওয়া যায়নি।ফুটফুটে দেবস্মিতাএসএমএ (SMA) আক্রান্ত পরিবারগুলির তরফে জানা গেছে, যেহেতু এসএমএ (SMA) ওষুধের দীর্ঘমেয়াদি পরীক্ষা হয়নি সেই কারণে তাঁদের এই উদাসীনতা। আক্রান্ত পরিবারের এক সদস্যের আক্ষেপ, তাঁদের বাচ্চারা কি এতটা সময় পাবে! এই ওষুধ রশে(Roche) নামক এক সংস্থা তৈরি করে। চিকিৎসক সুত্র জানা যায়, এই ওষুধ খেলে এসএমএ (SMA) সেরে যায় না, নিয়ন্ত্রন করা যায়।স্পাইনাল মাস্কুলার অ্যাট্রফি-তে আক্রান্ত বাঁশদ্রোনী-র ১২ বছরের মেয়ে দেবস্মিতা ঘোষ। ছোট্ট দেবস্মিতা ভালোবাসে গান গাইতে, পড়াশোনা করতে, আবৃত্তি করতে, খেলতে। তাঁর বাবা দেবাশিষ ঘোষ রাস্ট্রায়ত্ত দূরভাষ সংস্থায় কর্মরত ও মা মৌমিতা চক্ষু বিশেষজ্ঞ। ছোট বেলায় দেবস্মিতা আর পাঁচটা বাচ্চদের মতই খেলত দৌড়াত গান করত। বয়স বাড়তেই শারীরিক অসুবিধা ধরা পরে। প্রথম দিকে আর পাঁচটা অবিভাবকের মতই তার বাবা-মাও ভেবেছিলেন এটা সাময়িক কোনও সমস্যা। চিকিৎসার দীর্ঘসুত্রিতা তে ধরা পড়ল এটা একটা বিরলতম রোগ। যার চিকিৎসা সরকারি সাহায্য ছাড়া কোনও সাধারণ মানুষের পক্ষে করা সম্ভব নয়। দেবস্মিতার বাবা মা তাদের শেষ সম্বল দিয়ে চিকিৎসা করিয়ে আজ কপর্দক শূন্য। নিঃস্ব পিতা মাতা সরকারি সাহায্যের চেষ্টা করেও কোনও কিনারা করতে পারেননি। বহু আবেদন নিবদনের নিটফল শূন্য। এখন তাদের একমাত্র ভরসা, কোনও সহৃদয় মানুষ বা এনজিও যদি এগিয়ে আসেন। ইতিমধ্যেই অনেকে এগিয়ে এসেছেন যদিও প্রয়োজনের তুলনাই তা অপ্রতুল।গান দেবস্মিতার খুব প্রিয়দেবাশিষ দূর্গাপুর এনআইটি প্রাক্তনি। সেই প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনিরা তাঁদের সামর্থ অনুযায়ী পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন। এই সাহায্যের আবেদন দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও আছড়ে পড়েছে। আমেরিকাতে দেবস্মিতার জন্য তহবিল সংগ্রহের দ্বায়ীত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন এনআইটি আর এক প্রাক্তনী বহুজাতিক সংস্থায় কর্মরত দুর্গাপুরের সুরজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। সুরজিৎ জনতার কথাকে জানিয়েছেন, তিনি তাঁর পরিচিত জন ছাড়াও সামাজিক মাধ্যমে দুরারোগ্য এসএমএ (SMA) আক্রান্ত দেবস্মিতার চিকিৎসার জন্য তহবিল সংগ্রহের আবেদন রাখছেন। আবেদনে কিছু কিছু সাড়াও পাচ্ছেন।এগিয়ে এসেছেন দূর্গাপুরের বামপন্থী মনভাবাপন্ন সৌরভ দত্ত। সৌরভ দূর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্টের বাম শ্রমীক সংগঠন সিআইটিইউ-র জয়েন্ট সেক্রেটারি। তাঁর স্ত্রী মৌ সেন দেবস্মিতা-র বাবা দেবাশিষ ঘোষের সাথে এনআইটি প্রাক্তনি সুত্রে পরিচিত। সমাজসেবী সৌরভ নিজের উদ্যোগে বিশিষ্ট মানুষজনদের দিয়ে আবেদন করাচ্ছেন যাতে এই আবেদনটা সমাজের সর্বস্তরে পৌঁছানো যায়। তিনি নিজেও বিভিন্ন ভাবে তাঁদের পাশে থাকার চেষ্টা করছেন।নিষ্পাপ শিশু দেবস্মিতাদেবস্মিতার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে টলিউডের স্বনামধন্য অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র, মানসী সিনহা, দেবদুত ঘোষ সহ বিশিষ্ট গীতীকার কাজী কামাল নাসের। শ্রীলেখা মিত্র খুব তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে রাজনৈতিক নেতাদের দেবস্মিতার পাশে দাঁড়ানোর আবেদন জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন অনেক নেতা মন্ত্রীদের ঘর থেকে অনেক অনেক টাকা বেড়োলো, নানা জায়গায় অনেক মেলা উৎসব চলছে। তাঁর মধ্যে থেকে কোনও নেতা যদি দেবস্মিতার পাশে এসে দাঁড়ালে, ভিন্ন রাজনৈতিক সত্তার হলেও তাঁদের হয়ে সামাজিক মাধ্যমে ভালো ভালো কথা পোস্ট করবেন। তিনি আরও জানান প্রত্যেক বাবা ময়ের কাছে তাঁদের সন্তান নয়নের মণি। সন্তান ভালো থাকুক সব বাবা মাই চায়। সেই সমস্ত রাজনৈতিক ব্যক্তিরাও কেউ বাবা কেউ মা।ছোট্ট দেবস্মিতার সুস্থ থাকার জন্য এই মুহুর্তে আনুমানিক ১০ কোটি টাকা প্রয়োজন শুধুমাত্র ওষুধ কেনার জন্য। এক এক বছরে তাঁর ৭০ লক্ষ টাকার ওষুধ লাগছে। বিগত তিন বছরের ওষুধ দেবাশিষ রোচে সংস্থা থেকে বিনামুল্যে যোগার করেছেন। যা দিয়ে ২০২২ অবধি দেবস্মিতা কে সুস্থ রাখা যাবে। আগামী বছর তাঁকে সুস্থ থাকার জন্য এই পাহাড় প্রমান টাকা যোগার করতে হবে। কোনও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা বা ব্যক্তিগত ভাবে যদি কেউ দেবস্মিতা কে অর্থ সাহায্য করতে চান, তাঁর বাবা দেবাশিষ ঘোষের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন, তাঁর মোবাইল নম্বর +91 94330 00417

ডিসেম্বর ২৭, ২০২২
রাজ্য

ইকোপার্ক, সিটি সেন্টার ওয়ান ও সিটি সেন্টার টু, নিকোপার্কে ভিড় উপচে পড়ছে, কড়া নিরাপত্তা পুলিশের

বড়দিন উপলক্ষ্যে বিধাননগর সিটি এলাকা কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে দিয়েছে। যাতে কোনোরকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে তার জন্য সক্রিয় সিটি পুলুশ। বড়দিনে সাধা মানুষ সুষ্ঠ ভাবে আনন্দ উপভোগ করতে পারে তারই জন্য বিধাননগর পুলিশের এই উদ্যোগ।বড়দিন উপলক্ষে বিধাননগর পুলিশের পক্ষ থেকে বিধাননগর সিটি এলাকায় ডিসি ও এডিসিপি পদ মর্যাদার ৯ জন অফিসার, এসিপি পদ মর্যাদার ১২ জনঅফিসার, ইন্সপেক্টর পদ মর্যাদার ২৯ জন অফিসার রয়েছেন। অফিসার ও ফোর্স নিয়ে ২ হাজার এবং প্রতিটি থানায় একটি করে স্পেশাল টিম তৈরি করা হয়েছে অফিসারদের। যারা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় টহলদারি চালাচ্ছে। বড়দিন উপলক্ষে বিভিন্ন জায়গা থেকে ভিড় জমিয়েছে বিধাননগর সিটি এলাকায়। এর মধ্যে ইকোপার্ক, সিটি সেন্টার ওয়ান ও সিটি সেন্টার টু, নিকোপার্ক, লেক টাউন পৌষ উৎসব সহ সল্টলেক ও নিউটাউনের বিভিন্ন এলাকায়।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২২
দেশ

রাতের উত্তর আকাশে হটাৎ আলোর ছটা! কি সেই আলোর উৎস? জানুন

বৃহস্পতিবার সব্ধায় উত্তর আকাশে টর্চের আলোর মত আলোর ফোকাস দেখে পথ চলতি মানুষের মনে কৌতুহল জন্মায়। তাঁদের নানা জনের মুখে নানা মত শোনা গেছে, কেউ বলছেন উল্কা তো আরেকজন বলছেন ভিন গ্রহের যান। ডিআরডিও-র নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র অগ্নি-৫ যা পারমাণবিক আস্ত্র বহনে সক্ষম ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে। অগ্নি ৫,৪০০ কিলোমিটারের বেশি দূরে গিয়ে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সূত্রে বৃহস্পতিবার জানা গিয়েছে।শহর থেকে গ্রাম, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আকাশে অদ্ভুত আলো দেখে কৌতূহলী হয়ে পরে। সেই আলো নিয়েই ঘনায় রহস্য। ওই আলো ঘিরে সাধারণ মানুষের মনে আতঙ্কের-ও সৃষ্টি হয়। জল্পনার মধ্যেই সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে জানা যায়,ক্ষেপণাস্ত্রের নতুন প্রযুক্তি এবং সরঞ্জাম যাচাই করার জন্য এই পরীক্ষাটি করা হয়েছিল এবং এটি প্রমাণ করেছে যে ক্ষেপণাস্ত্রটি এখন আগের চেয়ে আরও দূরে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে পারে।ওড়িশার উপকূলের আব্দুল কালাম দ্বীপ থেকে পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রটি নিক্ষেপ করা হয়েছে। এটি অগ্নি V- সিরিজের নবম ফ্লাইট। ২০১২ সালে অগ্নি-র প্রথম উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবারের নিক্ষেপণটি একটি সাধারণ পরীক্ষা বলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সুত্রে জানা গিয়েছে।চীন সীমান্তে ভারত ও চীন সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষের কয়েকদিন পর পরীক্ষাটি করা হয়েছে বলে অনেকের-ই মনে কৌতূহল জন্মায়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে এটি আগে থেকেই পরিকল্পনা করা হয়েছিল। ভারত একটি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করার দিন ঘোষণা করেছিল। এবং অরুণাচলের তাওয়াং-এ ঘটনার আগে এয়ারম্যানদের জন্য একটি নোটাম বা নোটিশ জারি করেছিল।অরুণাচলে অনুপ্রবেশের সাথে সাথে, চীন গত সপ্তাহে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা নামে পরিচিত ডি ফ্যাক্টো সীমান্তে একতরফাভাবে স্থিতাবস্থা পরিবর্তন করার চেষ্টা করেছিল, সংঘর্ষের সূত্রপাত করেছিল যা উভয় পক্ষের সেনাবাহিনী আহত হয়েছিল। সাময়িকভাবে সেই চেষ্টা সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২২
রাজ্য

আবাস যোজনার তালিকা থেকে নিজের নাম বাতিলের আবেদন পঞ্চায়েত সদস্যের

পূর্ব-বর্ধমানের রায়নার পর রায়ান। সদ্য প্রকাশিত আবাস যোজনার তালিকায় নাম থাকায় এক পঞ্চায়েত সদস্যা তা বাতিল করতে আবেদন করলেন প্রধানের কাছে। রায়ান ১ নম্বর পঞ্চায়েতেরবিজয়রাম সংসদের সদস্যা ফাতেমা বিবি, তার নিজের পাকা বাড়ি থাকা সত্ত্বেও আবাস যোজনায় তার ও তার পরিবারের ছসদস্যের নাম আসে। এরপরই তিনি সেই তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার জন্য আবেদন পত্র জমা দেন পঞ্চায়েত প্রধানের কাছে ।তবে এতে বির্তক শেষ হয় নি।বরং শাসক বিরোধী রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। বিজেপির অভিযোগ আবাস যোজনা নিয়ে আমরা যে অভিযোগ করেছিলাম স্বজনপোষণের সেটা আরো একবার পরিষ্কার হলো এবং আবাস যোজনার নিয়ে আমাদের যে আন্দোলন সে আন্দোলনের ফল স্বরূপই তৃণমূলের এক একজন নেতা নেত্রীরা যাদের নাম আবাস যোজনা এসেছিল তারা একপ্রকার বাধ্য হয়েই তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে বলে দাবী করেন বিজেপির জেলার সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র। তৃণমূলের পাল্টা জবাব কেউ যদি অন্যায় করে থাকে তার শাস্তি হবে আর এই আবাস যোজনার তালিকা ২০১৫ - ১৬ সালের সেই সময় হয়তো কারো কাঁচা বাড়ি থাকতেই পারে সেই কারণে তার নাম তালিকাভুক্ত হয়েছে। এখন ২০২২ সাল। এই সময়ের মধ্যে কেউ পাকা বাড়ি করেছেন। তাই তারা নিজেদের নাম বাদ দিচ্ছেন তালিকা থেকে বলে জানান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস। এখানে উল্লেখ্য সোমবার রায়না ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রত্না মহন্ত তার আবাস যোজনা তালিকায় নাম থাকায় নিজেই নাম কেটে দেন। আর মঙ্গলবার তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যা ফতেমা বিবি রত্না মহন্তের দেখানো রাস্তায় হাঁটলেন।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২২
রাজ্য

জন্মের পর ছেলের দু'টি হাত নেই দেখে জ্ঞান হারিয়ে ছিলেন মা! সেই ছেলে এখন পা দিয়ে ট্রাক্টর চালান

দুটি হাত নেই, তাই দুপা দিয়ে ট্র্যাক্টর চালিয়ে বেঁচে থাকার রসদ জোগাড় করছেন আইটিআই পাস করা বিশেষ ভাবে সক্ষম যুবক। জন্ম দেবার পর ছেলের দুটি হাত নেই দেখে জ্ঞান হারিয়ে ছিলেন মা। তখন কেউ কেউ যুক্তি দিয়েছিল দুহাত না থাকা ছেলেকে শৈশবেই প্রাণে মেরে দিতে। কিন্তু না ,মা বাবা সহ পরিবারের কেউ সেই যুক্তি মেনে নেন নি। উল্টে তাঁরা সবাই দুহাত না থাকা ছেলে সুজিতকে পরম স্নেহে লালন পালন করেন ও বড় করে তোলেন। আজ ৩৭ বছর বয়সে পৌঁছে যাওয়া আইটিআই পাশ করা যুবক সুজিত দাঁ এখন তাঁর দুই পা দিয়ে ট্র্যাক্টর চালিয়ে নিজের অন্নের সংস্থান করছেন। অন্য সব প্রতিবন্ধীদের কাছেও সুজিত প্রেরণা হয়ে উঠেছেন।সুজিত কোন শহর বা মফস্বল এলাকার বাসিন্দা নন। পূর্ব বর্ধমানের রায়নার প্রত্যন্ত উচালন গ্রামে সুজিত দাঁয়ের বাড়ি। তাঁদের যৌথ পরিবার। ছোট বয়সেই সুজিত তাঁর বাবা স্বপন দাঁকে হারান। বাড়িতে বিধবা মা পুতুলদেবী সহ পরিবারের অন্য সদস্যরাও রয়েছেন। সুজিত জানিয়েছে, হার না মেনে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকার প্রেরণাটা ছোট বয়সে তাঁকে যে ব্যক্তি যুগিয়েছেন তিনি হলেন গ্রামের মাষ্টার মশাই শক্তিপদ ভট্টাচার্য্য। পায়ে পেনসিল গুঁজে দিয়ে হাতে করে পা ধরে ওই মাষ্টার মশাই তাঁকে লেখা পড়া শিখিয়েছেন। তার পর থেকে পায়ে করে লিখেই মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করার পাশাপাশি আইটিআই (ITI) সার্ভে ডিপ্লোমা কোর্সও সম্পূর্ণ করেছেন। সুজিত দাঁ এও জানান, তিনি আইটিআই পাশ করার পর ডিভিসির চাকরির পরীক্ষায় বসে পাশও করেন। প্যানেলে তাঁর নামও উঠেছিল। কিন্তু ২০১১ সালে রাজ্য রাজনীতিতে পালাবদলের পর সব কোথায় কি হয়ে যায় তার কিছুই তিনি জানতে পারেন নি।এর পর আর বসে না থেকে এক পরিচিত চালকের সাহায্য নিয়ে তিন দুই পা দিয়েই ট্র্যাক্টর চালানো শেখেন। সুজিত জানান,ট্র্যাক্টর চালিয়েই তিনি প্রথম উপার্জন করা শুরু করেন।এখন ট্র্যাক্টর চালানোর পাশাপাশি ধানের ব্যবসাও করেন। সম্প্রতি খুড়তুতো ভাইয়ের সঙ্গে পার্টনারশিপে স্পেয়ার পার্টসের ব্যবসাও শুরু করেছেন বলে সুজিত জানান।কিন্তু দোকানে ব্যবসার খাতা সারা,খরিদ্দারকে মালপত্র দেওয়া এসব কাজ করেন কিভাবে? উত্তরে সুজিত জানান, এই সবকিছু তিনি পায়ে করেই করেন। আর অ্যানন্ড্রয়েড ফোন পায়ে ধরে নিয়েই তিনি অন্যের সঙ্গে কথা বলেন। এমনকি হোয়াটসঅ্যাপ ও ফেসবুক এইসবও তিনি পায়ে করেই করেন। খাওয়া দাওয়া করতে সমস্যা হয় না? এর উত্তরে সুজিত জানান, বাড়িতে থাকলে মা খাইয়ে দেন। বাইরে থাকলে চামচ পায়ের আঙুল দিয়ে ধরে নিয়ে খাবার তুলে খান।প্রতিবন্ধী সুজিত দাবি করেন,পা দিয়ে তাঁকে সবকিছু করতে হয় বলে তাঁর কোন আক্ষেপ নেই। বরং নিজেকে নিয়ে তিনি গর্ববোধ করেন। কারণ হাত না থাকলেও শুধমাত্র দুপা দিয়েও যে জগৎতের সবকিছুকে জয় করা যায়, সেটা তিনি করে দেখাতে পরেছেন। এত কিছুর পরেও সুজিত দাঁয়ের আক্ষেপ,সরকার বা প্রশাসন কেউ তাঁর পাশে দাঁড়ালো না। কোথাও একটা স্থায়ী চাকরি পেলে তাঁর অনেক উপকার হত বলে সুজিত জানিয়েছেন।মা পুতুলদেবী বলেন,ছেলেকে জন্ম দেবার পর যখন দেখি আমার ছেলের দুটি হাতই নেই তখন আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। জ্ঞান ফেরার পর শুধুই দেখেছি। অনেক ব্যঙ্গ বিদ্রুপ আমায় সহ্য করতে হয়েছে। পরিবারের সবাই পাশে ছিল বলে ছেলে সুজিত সমস্ত প্রতিকূলতা কাটিয়ে জীবনে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে। পায়ে করে লেখাপড়া শিখে ছেলে স্কুল ফাইনাল পরীক্ষা যখন দেয় ওই মাসেই আমার স্বামী মারা যান। পুতুলদেবী গর্বের সঙ্গে বলেন, নিজের প্রচেষ্টায় ও ঈশ্বরের কৃপায় আজ আমার ছেলে সুজিত শুধু নিজেই সাবলম্বী হয়নি, অন্য প্রতিবন্ধীদেরও জীবন সংগ্রামের দিশা দেখাচ্ছে।সুজিতের ছোট কাকু তুলসি দাঁ বলেন,দুহাত না থাকা অবস্থায় ভাইপো সুজিত জন্মানোর পর অনেকেই ওকে প্রাণে মেরে দেবার যুক্তি দিয়েছিল। কিন্তু বাড়ির প্রথম সন্তানের জীবন কেড়ে নেওয়ার যুক্তি তাঁরা কেউ মানেন নি। আজ ভাইপো তাঁর দুটি পাকে সম্বল করেই সাবলম্বী হয়েছে। সাধারণ মানুষ দুহাতে করে যা যা করে তার ৯০ শতাংশ সুজিত পায়ে করেই করে। তুলসি বাবু জানান,সরকার বা প্রশাসন কোথাও একটা স্থায়ী কাজের ব্যবস্থা করে দিলে ভাইপো সুজিতের খুবই উপাকার হত।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২২
রাজ্য

আবাস যোজনা’র স্বচ্ছতা বাড়াতে এবার অভিযোগ জমা নেওয়ার উদ্যোগ জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা'র

প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা নিয়ে যেকোনো ধরনের অভাব, অভিযোগ এবার জেলার প্রতিটি প্রশাসনিক দপ্তরেরই জানানো যাবে। সেই উদ্দেশ্যেই পূর্ব-বর্ধমানের জেলাশাসক সহ জেলার প্রতিটি প্রশাসনিক দপ্তরের সামনেই বসানো হল অভিযোগ বক্স।জেলাশাসক প্রিয়াংকা সিংলা জানিয়েছেন,ইতিমধ্যেই জেলায় প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা সংক্রান্ত প্রায় ৭৩৭ টি অভিযোগ জমা পড়েছে। যার বেশীরভাগটাই যোজনায় অন্তর্ভুক্তকরণের। এছাড়া অন্যান্য অভিযোগ গুলোও গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। জেলায় প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় প্রায় ২ লক্ষ ৩০ হাজার নাম নথিভুক্ত আছে। যে তালিকা আবার নতুন করে প্রশাসনিকভাবে যাচাই করার কাজ চলছে। মূলত বিডিও ও এসডিও স্তরে দুবার যাচাইয়ের পর ফের তৃতীয়স্তর হিসাবে এডিএম স্তরে সেই তালিকা যাচাইয়ের পরই ফের নতুন তালিকা তৈরী করা হবে।রাজ্যজুড়ে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা নিয়ে দুর্নীতির ও স্বজনপোষণের অভিযোগের শেষ নেই। এবং তা নিয়ে শাসক-বিরোধী তরজাও কম হচ্ছে না। এরই মাঝে জেলাপ্রশাসনের তরফে অভিযোগ বক্স বসানোকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে ফের রাজনৈতিক চাপানউতর।জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি সৌম্যরাজ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এরপর এত অভিযোগ প্রতিদিন জমা পড়বে, প্রশাসনের আধিকারিকরা নাজেহাল হবেন। কারণ গরিব মানুষজনের নাম আবাস যোজনার তালিকায় নেই। যারা প্রকৃত দাবীদার তাদের নাম শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা বাদ দিয়ে নিজেদের নাম তালিকায় নথিভুক্ত করেছেন। এই দাবী আমরা প্রথম থেকেই করে আসছি। দুর্নীতি ও স্বজনপোষণ নিয়ে আমরা অভিযোগ করেছি বারে বারে। তখন তৃণমূল কান দেই নি। এখন দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে তাই বক্স করছে প্রশাসনিক দপ্তরে। কেন্দ্র টাকা দিচ্ছে না বলে এতদিন মিথ্যে অভিযোগ করছিল রাজ্য সরকার ও তৃণমূল। এখন তা প্রমাণিত হল। আইসিডিএস কর্মী সার্ভে করতে যেতে ভয় পাচ্ছেন। গেলে হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে। তৃণমূল নেতারা তাদের আক্রমণ করছে। হুমকি দিচ্ছে।অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেন জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস। তিনি বলেন,যখন সার্ভে হয়েছিল তখন তার পাকা বাড়ি ছিল না। এখন ২০২২ সালে আবাস যোজনার তালিকায় তার নাম আছে। এতে বেনিয়মের কি আছে। প্রশাসন তদন্ত করে দেখে তবেই তো নাম থাকবে। অনেকেই প্রশাসনের কাছে গিয়ে নাম কাটাচ্ছেন।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২২
রাজ্য

পড়ুয়াদের সঙ্গে নাচছেন অধ্যক্ষ, ভাইরাল ভিডিও, বিরোধীদের নিন্দা

কলেজের বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গানের তালে পড়ুয়াদের সঙ্গে নাচছেন অধ্যক্ষ। সেই ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার পূর্ব বর্ধমানের মেমারি কলেজের নবীন বরণ ও বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন, স্থানীয় বিধায়ক ও জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের চেয়ারম্যান মধুসূধন ভট্টাচার্য।অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রথম বর্ষের ছাত্রছাত্রীদের বরণ করার পাশাপাশি নাচ ও গান হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ দেবাশীষ চক্রবর্তী, মেমারি পুরসভার উপ পৌরপ্রধান সুপ্রিয় সামন্ত। ছবিতে দেখা যায় অধ্যক্ষ দেবাশীষ চক্রবর্তী মঞ্চের নীচে মাঠে কলেজের পড়ুয়াদের সঙ্গে কমলায় নৃত্য করে গানের সাথে দুহাত তুলে নাচছেন। এই বিষয়ে তাঁর সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আদিবাসী নৃত্যে অংশ নিয়েছিলেন। সাঁওতালি বিভাগের ছাত্রছাত্রীরা ও অধ্যাপকদের অনুরোধে অংশ নিয়েছিলেন নাচের অনুষ্ঠানে। ছবিতে দেখা যায়, মঞ্চে যখন গান বাজছে তখন মাঠে পড়ুয়ারা নাচতে শুরু করে। সেই সময় অধ্যক্ষকেও দেখা গিয়েছে পড়ুয়াদের মাঝে গিয়ে দুহাত তুলে নৃত্য করতে।এই বিষয়ে বিজেপির পূর্ব বর্ধমান জেলা সহ-সভাপতি সৌম্যরাজ ব্যানার্জী বলেন, গোটা রাজ্যেই অপসংস্কৃতি চলছে। এটা তার নমুনা। কলেজের অধ্যক্ষ যদি এই ভাবে নাচেন তাহলে রাজ্যের সংস্কৃতি কোথায় গেছে বোঝা যাচ্ছে। আগে শিক্ষকদের সঙ্গে পড়ুয়াদের গুরু শিষ্যের ভালোবাসা ছিল।কংগ্রেস নেতা গৌরব সমাদ্দার বলেন, রাজ্যের গোটা শিক্ষা ব্যবস্থাটাই এখন জেলে। সুতরাং এটাই তো স্বাভাবিক। রাজ্যে সার্কাস চলছে। তার রিং মাষ্টার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য মুখপাত্র দেবু টুডু বলেন, কি হয়েছে জানি না। তবে সামাজিক মাধ্যমে এই ছবি প্রকাশ হয়েছে। খোঁজ নিয়ে দেখছি।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২২
রাজ্য

পঞ্চায়েত ভোটের প্রাক্কালে উল্টো পুরান বর্ধমানে! দলীয় কর্মিদেরই প্রকাশ্যে হুমকি বিধায়কের

পঞ্চায়েত নির্বাচনের ঢাকে কাঠি পড়ে গেছে। রাজ্যে নেতৃত্বের নির্দেশে ইতিমধ্যেই রাজ্যে জুড়ে গুটি সাজাতে শুরু করেছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। বিরোধী রাজনৈতিক দল বিশেষ করে বিজেপিকে কোনঠাসা করতে ছোট-বড় বিভিন্ন জনসভা থেকে আক্রমণ শুরু করেছে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব। কিন্তু পূর্ব বর্ধমানে বর্ধমান ১ নম্বর ব্লকে চিত্রটা ঠিক উল্টো। বিরোধীদের পরিবর্তে প্রকাশ্যে নিজের দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্য হুমকি দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ধমান-উত্তরের বিধায়ক নিশীথ কুমার মালিক।রবিবার বর্ধমান ১ নম্বর ব্লক তৃণমূল পক্ষ থেকে আয়োজিত শীতবস্ত্র প্রদান অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে বিধায়ক তার দলের বেশ কয়েকজন নেতার নাম না করেই পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর কুত্তার দশা হবে বলে হুঁশিয়ারী করেন। সেই সঙ্গে পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর তাদের দেখে নেওয়ার হুমকিও দেন তিনি। বিধায়ক নিশীথ কুমার মালিক বলেন, আমি প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে বলছি, খেলা শুরু হয়ে গেছে। জামালের (সেখ জামাল রায়ান ১ নম্বর অঞ্চলের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি) টিম রেডি আছে। তুমি তোমার দম নিয়ে রেডি হও। যেদিন বলবে, যে জায়গায় বলবে সেখানে দেখা হবে। কার কত প্লেয়ার আছে।বিধায়ক নিশীথ মালিকের এই মন্তব্যর পরেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পরে। তৃণমূলের অন্দরমহলেও শুরু হয় চাপান উতর। উল্টোদিকে এই মন্তব্যর পরিপেক্ষিতে ব্লকের জেলাপরিষদ সদস্য নরুল হাসান জানান, বিধায়ক অনেক পরে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। আমরা দলের পুরাতন কর্মী, দলের জন্মলগ্ন থেকে আছি। বিধায়ক ১১ সালের পর তৃণমূলে এসেছেন। উচ্চ নেতৃত্বের নির্দেশ সত্ত্বেও বিধায়ক পুরানো দিনের নেতা-কর্মীদের নিয়ে কাজ করছেন না, তাদের প্রাপ্য সম্মান টুকুও দেন না। বিধায়ক নিশীথ মালিক নিজেই একজন অশিক্ষিত, তাই তিনি বিরোধী রাজনৈতিক দলকে ছেড়ে নিজের দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছেন বলে দাবী নরুল হাসানের।বিজেপি অবশ্য গোটা বিষয়টি তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করছে। বিজেপি নেতা সুধীররঞ্জন সাউ বলেন, পঞ্চায়েত ভোটে এলাকায় রক্তগঙ্গা বয়ে যাবে। কারণ তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের মধ্যেই লড়াই করবে। গোটা ব্লক দুর্নীতিতে ভরে গেছে। এলাকার সাধারণ মানুষ পঞ্চায়েতে গেলে পরিষেবা পাচ্ছেন না।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২২
রাজনীতি

শুভেন্দু খেলাও করবেন আবার ডায়মন্ড হারবারে লাড্ডুও খাওয়াবেন, অভিষেক গড়ে বিরোধী দলনেতা

এত দিন বাংলাদেশের খেলা হবে স্লোগান আয়ত্বে ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের। এবার ডায়মন্ডহারবারের জনসভায় সেই স্লোগান দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। একইসঙ্গে ইঙ্গিত রেখে নানা বক্তব্য রাখলেন তিনি। হুঁশিয়ারি দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আগামী গ্রামপঞ্চায়েত নির্বাচনে গ্রামে-গ্রামে দলের নেতা-কর্মীদের প্রার্থী ঠিক করার নির্দেশ দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। কর্মীদের পাশে থাকার বার্তাও দিলেন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু বলেন, গ্রামে প্রার্থী ঠিক করতে পারবেন তো? মঞ্চের সামনে থেকে নেতা-কর্মীরা হ্যাঁ বলতেই শাসক তৃণমূলকে দুষে শুভেন্দুর হুংকার, এবারে খেলাটা দেখাব!শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, ২০১৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ডায়মন্ড হারবারে নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে হলেও তারপর থেকে এখানে ভোট কার্যত লুঠ হয়েছে। যদিও ২০১৬ সালের পর ২০২১-র বিধানসভা ভোটের কয়েক মাস আগে পর্যন্তও শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলেই ছিলেন। অভিষেককে নিশানা করে শুভেন্দু বলেন, ২০১৮-এর পঞ্চায়েতে এই এলাকাতেও বিরোধী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দিতে দেওয়া হয়নি। তবে এবার আসন্ন পঞ্চায়তে ভোট লুঠ আটকাতে সবরকম চেষ্টা করা হবে বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন শুভেন্দু।বিরোধী দলনেতা বলেন, ২০১৪- ১৬ সাল পর্যন্ত এখানে ভোট হতো। ২০১৬ সালের পর এখানে ভাইপো বাহিনী ভোট করতে দেয়নি। ২০১৮ সালের পঞ্চায়েতে মনোনয়ন জমা দিতে দেয়নি। এবার খেলাটা দেখাব। গ্রামে প্রার্থী ঠিক করতে পারবেন তো? আমরা মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার ব্যবস্থা করব। এবারে আমরা খেলা দেখাব।খাস অভিষেকের গড়ে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু বলে গেলেন এমাসেই ডায়মন্ড হারবারের বাসিন্দাদের লাড্ডু খাওয়াব। কেন এই লাড্ডু বিলি? তা অবশ্য তাঁর বক্তব্য়ে স্পষ্ট করেননি। তবে লাড্ডু তিনি আনবেন বলেই ধনুকভাঙা পন করেছেন। গতকাল রাতেই ডায়মন্ড হারবারের লাইট হাইস ময়দানে বিজেপির সভামঞ্চ খুলে দেয় ডেকরেটার। মাঠ থেকে চেয়ার ফিরিয়ে নিয়ে যায়। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল ডেকরেটর মালিককে ভয় দেখিয়ে এই কাজ করিয়েছেন। শেষমেশ শুভেন্দুর উদ্য়োগে হাওড়া থেকে ডেকরেটর নিয়ে আনিয়ে সভামঞ্চ বাধা হয়।শুভেন্দু অধিকারী এদিন বলেছন, এই মাসেই এখানে ফের আসব। এবার সঙ্গে করে এক গাড়ি লাড্ডু নিয়ে আসব। জগন্নাথ বলেছেন কারণ বলা যাবে না। তাই কেন লাড্ডু আনব তা বলছি না। লাড্ডু নিয়ে আসব। এই মাসেই আসব। গুজরাটে নির্বাচন চলছে, তবে শুভেন্দুর ইঙ্গিত রয়েছে বাংলার ঘটনার দিকে।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২২
রাজনীতি

কাঁথিতে অধিকারী পরিবারের বাড়ির কাছের সভা থেকে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে অভিযোগের বন্যা অভিষেকের

বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ির ঢিলছোড়া দূরত্বে কাঁথির জনসভা থেকে দীর্ঘ বক্তব্য রাখলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক প্রায় সারাক্ষণই নিশানা করে গেলেন শুভেন্দু অধিকারীকে। নন্দীগ্রামের বিধায়কের বিরুদ্ধে আনলেন একের পর এক ভয়ঙ্কর অভিযোগ। তৃণমূল ছাড়া থেকে নির্বাচনে জয়, তোলাবাজি থেকে কয়লাপাচারকারীর সঙ্গে যোগাযোগ সমস্ত অভিযোগ করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।শুভেন্দুর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে অভিষেক বলেন, আগে সরকারি পরিষেবা থেকে টাকা মারত। আমি ১০টা ক্যামেরা ও মোবাইলের সামনে বলে যাচ্ছি ইডি, সিবিআই ও এনআইয়ের নাম করে টাকা তুলছে। যদি বুকের পাটা থাকে আমার বিরুদ্ধে মামলা কর। আমার কাছে কাগজ-পত্র আছে। আদালতে গিয়ে জমা দিয়ে দেব। এর পাশাপাশি এদিন কয়লাপাচারে প্রধান অভিযুক্ত বিনয় মিশ্রের সঙ্গে শুভেন্দুর কথোপকথনের অডিও ক্লিপ তাঁর কাছে আছে বলেও দাবি করেছেন অভিষেক। তিনি বলেন, বিনয় মিশ্র ও শুভেন্দু অধিকারীর কথোকথন, অডিও ক্লিপ আছে। সেটা ছাড়িনি। কথায় কথায় বলত না কয়লা চোর, গরু চোর। কে কার সঙ্গে কথা বলেছে বোঝাপড়ার কি চুরি সংক্রান্ত, কে কত বড় তোলাবাজ, কে কত বড় মিরজাফর, কে কত বড় গদ্দার। সব বার করব।এসবের পাশাপাশি সারদা-নারদায় টাকা নেওয়া ও স্থানীয় স্তরে নানা দুর্নীতি নিয়ে অভিষেক শুভেন্দুর বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন।শুভেন্দু অধিকারীর দলবদল ইস্যুকে সামনে রেখে বিশ্বাসঘাতক, মিরজাফর তকমা থেকে সেরে আসতে পারছে না তৃণমূল কংগ্রেস। এত দিন এভাবে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে এসেছে তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। শনিবার কাঁথির এই জনসভায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মিরজাফরকে যেমন বিশ্বাসঘাতক হিসেবে বাংলার মানুষ মনে রেখেছেন। তেমনই শুভেন্দু অধিকারীকেও আগামী ৫০০ বছর বিশ্বাসঘাতকতার জন্য বাংলার মানুষ মনে রাখবেন। আগামীকাল থেকেই প্রতিটি বুথে আগামী একমাসের জন্য বেইমান মুক্ত কর্মসূচি চালাবে তৃণমূল।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২২
দেশ

মাছে ভাতে বাঙ্গালিকে হিন্দি ভাষী অভিনেতার অসন্মান করার তীব্র প্রতিবাদ জানালো 'বাংলা পক্ষ'

হিন্দি সিনেমা অভিনেতা তথা বিজেপি নেতা পরেশ রাওয়াল বাঙালিকে বাংলাদেশী ও রোহিঙ্গা বলেছে এবং বাঙালিদের নিয়ে গুজরাটিদের মধ্যে ব্যাপক বাঙালি বিদ্বেষ ছড়িয়েছে বলে অভিযোগ বাংলা পক্ষর। বাঙালির মাছ খাওয়া নিয়েও পরেশ রাওয়াল বাঙ্গালিদের অপমান করেছে বলে অভিযোগ । এর বিরুদ্ধেই আজ কলকাতার রানুছায়া মঞ্চে বিক্ষোভ কর্মসূচী করল ভারতে বাঙালির জাতীয় সংগঠন বাংলা পক্ষ। সংগঠনের তরফে বাংলার মাটিতে অভিনেতা পরেশ রাওয়ালকে বয়কটের ঘোষণা করল বাংলা পক্ষ। বাংলা পক্ষের শীর্ষ পারিষদ কৌশিক মাইতি জনতার কথাকে জানান, বাংলা তথা ভারতে তীব্র বাঙালি-বিদ্বেষ ছড়ানোর বিরুদ্ধে প্রতিরোধে নামছে তাঁরা। প্রতিবাদের অংশ হিসাবে মাছ খেয়ে বাংলায় সর্বত্র মাছ খাওয়া এবং মাছ খাওয়া বাঙালি জাতির অধিকার দ্বিগুণ ভাবে প্রতিষ্ঠিত করার শপথ নেওয়া হয় এই সভায়। প্রতিকি প্রতিবাদ জানিয়ে মাছ খাইয়ে দেওয়া হয় পরেশ রাওয়ালের ছবিতেও।শুক্রবারের কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, সাংগঠনিক সম্পাদক ও শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, শীর্ষ পরিষদ সদস্য অমিত সেন, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার জেলা সম্পাদক প্রবাল চক্রবর্তী, উত্তর চব্বিশ পরগনা শিল্পাঞ্চলের জেলা সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ প্রমুখ।বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন, বাংলায় বাঙালি বিদ্বেষী পরেশ রাওয়ালের সিনেমা নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দিল বাংলা পক্ষ। আমরা বাংলার সব ডিস্ট্রিবিউটরকে বলতে চাই পরেশ রাওয়াল কে বয়কট করুন। বাংলা থেকে এক পয়সাও কামাতে না পারে পরেশ রাওয়াল। গত কয়েকবছর ধরে বিজেপির কারণে ভারতের নানা জায়গায় বাঙালিকে বাংলাদেশি দাগানো হচ্ছে। জেলে পুরে দেওয়া হচ্ছে৷ আমাদের রাজ্যে শিল্প, কাজ থাকলেও তা বিহার-ইউপি-ঝাড়খন্ডের লোকজন এসে দখল করছে। বাংলায় কাজ না পেয়ে বাঙালি বাইরে যাচ্ছে এবং বাংলাদেশি বলে আক্রমণের শিকার হচ্ছে। আমরা এর সমাধান চাই। বাংলার সব বেসরকারি চাকরি ও কাজে ৯০% ভূমিপুত্র সংরক্ষণ চাই।কৌশিক মাইতি বলেন, পরেশ রাওয়াল বলেছেন মূল্যবৃদ্ধি, বেকারত্ব বড় সমস্যা না, বড় সমস্যা হল গুজরাটে বাঙালি বেড়ে যাওয়া৷ বাঙালি মানেই বাংলাদেশি, রোহিঙ্গা। বাঙালি বাড়লে, চারপাশে মাছ রান্না করলে সেটা অনেক বড় সমস্যা। বাঙালি বোঝো। NRC র কারণে কতটা বাঙালি বিদ্বেষ তৈরি হয়েছে ভারতে। বাংলায় কথা বললেই বাংলাদেশি, মাছ খেলে বাংলাদেশি? আগে কৈলাশ বিজয়বর্গী বলেছিলন চিঁড়ে খেলেও বাংলাদেশি৷ বাঙালি বিদ্বেষ বাড়ছে, আক্রমণ বাড়ছে। কিন্তু বাঙালি আর আগের বাঙালি নেই। বাংলা পক্ষর নেতৃত্বে বাঙালি প্রতিরোধ গড়ে তুলছে। আজ আমরা মাছ ভাজা খেয়ে প্রতিবাদ করলাম। আগামীতে বাংলার নানা জায়গায় ঘরের দুয়ারে মাছের কাঁটা ফেলা হবে৷ বাংলা পক্ষর তরফে জানা গেছে তাঁরা, পরেশ রাওয়ালের বিরুদ্ধে আইন ব্যবস্থা নেওয়ার কথা খতিয়ে দেখছে।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২২
রাজ্য

আগ্নেয়াস্ত্র সহ এক ভিনরাজ্যের ব্যক্তি সহ আট দুস্কৃতী বর্ধমান জেলা পুলিসের হাতে আটক

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে গোপনসূত্রে খবর পেয়ে ৮ জন দুস্কৃতিকে গ্রেফতার করেছে বর্ধমান জেলা পুলিশ। পূর্ব বর্ধমানের এনএইচ ২ বি র উপরে সাই স্পোর্টস কমপ্লেক্সের কাছে পুলিশী অভিযানে ধরা পড়ে ওই দুস্কৃতীরা।পূর্ব বর্ধমানের জেলা পুলিসের ডিএসপি (ট্রাফিক) রাকেশ কুমার চৌধুরী জানিয়েছেন, এদের কাছে একটি ওয়ান শর্টার পাইপগান ও একটি গুলি পাওয়া গেছে। এছাড়াও এদের কাছে একটি পুরনো কয়েন পাওয়া গেছে। এরা কয়েনগুলিকে পুরাতন দুস্প্রাপ্য কয়েন বলে লোককে প্রতারণা করত বলে জানা গেছে। এছাড়াও এদের কোনও ডাকাতির উদ্দেশ্য ছিল বলেই পুলিশের অনুমান।দুস্কৃতীদের একজনের বাড়ি মুম্বাই, একজন বর্ধমানের, তিন জন মঙ্গলকোটের বাসিন্দা। বাকিদের বাড়ি বীরভুম জেলায় বলে সুত্রে জানা গেছে। এদের আজ আদালতে জেলা পুলিশ পাঠিয়েছে। এদের সাথে পুরনো কোনওঁ ঘটনার যোগ রয়েছে কিনা তাও বিশদে খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

ডিসেম্বর ০২, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 48
  • 49
  • 50
  • 51
  • 52
  • 53
  • 54
  • ...
  • 153
  • 154
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

ভারতের ভোটের মডেল টেনে আমেরিকায় নতুন দাবি ট্রাম্পের, কী বদলাতে চান?

ভারতের নির্বাচনী ব্যবস্থার উদাহরণ টেনে আমেরিকায় ভোটার পরিচয়পত্রের নিয়ম আরও কঠোর করার পক্ষে ফের সরব হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (১৮ আগস্ট) ট্রুথ সোশ্যাল-এ একটি পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার তাঁর প্রশাসনের কাছে জানতে চেয়েছিলেন, বৈধ ফোটো আইডি ছাড়া আমেরিকায় কী ভাবে নির্বাচন হয়।ট্রাম্পের দাবি, ভারতের শেষ লোকসভা নির্বাচনে ৬৪ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষ ভোট দিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১ শতাংশেরও কম ডাকযোগে ভোট দেন। তাঁর বক্তব্য, প্রত্যেক ভারতীয় ভোটারের কাছেই বৈধ ফোটো পরিচয়পত্র ছিল। আমেরিকার নির্বাচন ব্যবস্থায়ও এমন বাধ্যতামূলক ব্যবস্থা চালুর যুক্তি দেখিয়ে সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট পাশ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।তবে আমেরিকায় ভোট দেওয়ার জন্য পরিচয়পত্রের নিয়ম সব রাজ্যে এক নয়। বর্তমানে ৩৬টি রাজ্যে ভোটকেন্দ্রে কোনও না কোনও ধরনের পরিচয়পত্র দেখানোর বিধান রয়েছে। পরিচয়পত্র হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্স, রাজ্য সরকারের দেওয়া আইডি বা পাসপোর্ট গ্রহণ করা হতে পারে। অন্যদিকে ১৪টি রাজ্য এবং ওয়াশিংটন ডিসিতে ভোটারের স্বাক্ষর কিংবা ভোটার তালিকায় থাকা অন্যান্য তথ্য মিলিয়ে পরিচয় যাচাই করা হয়। কিছু রাজ্যে পরিচয়পত্র না থাকলেও নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া মেনে ভোট দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।আমেরিকায় ভোটার আইডি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক বিভাজন রয়েছে। রিপাবলিকানদের যুক্তি, ভোটার পরিচয় বাধ্যতামূলক হলে ভুয়ো ভোট বা অন্যের পরিচয়ে ভোট দেওয়ার সম্ভাবনা কমবে এবং নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রতি আস্থা বাড়বে। ডেমোক্র্যাটদের পাল্টা বক্তব্য, অতিরিক্ত কড়াকড়ি সাধারণ ভোটারদের জন্য সমস্যা তৈরি করতে পারে এবং ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা হতে পারে।২০০০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর আমেরিকার ভোটপ্রক্রিয়া নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০০২ সালে হেল্প আমেরিকা ভোট অ্যাক্ট বা HAVA পাশ হয়। পরবর্তী সময়ে একাধিক রাজ্য ভোটার পরিচয় যাচাইয়ের নিয়ম আরও কঠোর করে।ট্রাম্পের সমর্থন করা সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট-এ ফেডারেল নির্বাচনে ভোটার হিসেবে নথিভুক্ত হওয়ার সময় মার্কিন নাগরিকত্বের প্রমাণ এবং ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে ফোটো আইডির মতো শর্ত জোরদার করার প্রস্তাব রয়েছে। ডাকযোগে ভোটের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ আনার কথা বলা হয়েছে। বিলটির লক্ষ্য আমেরিকার নির্বাচনী ব্যবস্থায় ভোটারের যোগ্যতা ও পরিচয় আরও কঠোরভাবে যাচাই করা।এই বিল নিয়ে রাজনৈতিক টানাপড়েনও রয়েছে। ২০২৬ সালের সংশোধিত SAVE America Act হাউসে পাশ হলেও সেনেটে তা নিয়ে বড় বাধা রয়েছে। কারণ, সেনেটে কোনও বিল পাশ করাতে সাধারণত ৬০টি ভোট প্রয়োজন। ফলে ট্রাম্প ভারতের ভোটব্যবস্থার উদাহরণ সামনে এনে চাপ বাড়ালেও প্রস্তাবটি আইনে পরিণত করা এখনও সহজ নয়।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজ্য

নয় পুণ্যার্থীর মৃত্যুর পরই নড়েচড়ে বসল প্রশাসন, তারাপীঠে ১৫টি হোটেল-লজ বন্ধের সিদ্ধান্ত

তারাপীঠে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নয় জন পুণ্যার্থীর মৃত্যুর পর নড়েচড়ে বসল বীরভূম জেলা প্রশাসন। বৈধ কাগজপত্র না থাকায় তারাপীঠের ১৫টি হোটেল ও লজকে বন্ধের নোটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের সময় কয়েক জন পুণ্যার্থী লজ সংলগ্ন পুকুরে ঝাঁপ দিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে কেউ পুকুরে ডুবে রয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখতে মঙ্গলবার পুকুরে স্পিডবোট নামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। যদিও শেষ পর্যন্ত আর কোনও দেহ উদ্ধার হয়নি।প্রসঙ্গত, সোমবার ভোরে তারাপীঠ থানার পাশের একটি বেসরকারি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনায় মৃত্যু হয় নয় জন পুণ্যার্থীর। মৃতদের মধ্যে মেঘালয়ের পাঁচ জন একই পরিবারের সদস্য। বাকি চার জন আলিপুরদুয়ারের বাসিন্দা। সোমবার রাতে মেঘালয়ের পাঁচ মৃতের দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার আলিপুরদুয়ারের চার মৃতের দেহও পরিবারের লোকজন নিয়ে যান। দুদিন ধরে মৃতদের পরিবারের পাশে ছিলেন রামপুরহাটের বিধায়ক ধ্রুব সাহা। তাঁদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করার পাশাপাশি বাড়ি ফেরার ব্যবস্থাও করেন তিনি।অগ্নিকাণ্ডের পর তারাপীঠের হোটেল ও লজগুলির পরিকাঠামো সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে নয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে প্রশাসন। সোমবার রাত থেকেই কমিটির সদস্যরা কাজ শুরু করেন। তার পরেই মঙ্গলবার ১৫টি হোটেল ও লজ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন।রামপুরহাটের মহকুমাশাসক অশ্বিনী বি রাঠোর বলেন, এর আগেও বেশ কয়েকটি হোটেল ও লজকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তারা প্রশাসনকে সহযোগিতা করছেন না। তাই জেলা শাসকের নির্দেশে সেগুলিকে বন্ধের নোটিশ দেওয়া হবে।তবে প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন হোটেল মালিকেরা। হোটেল মালিক সমিতির পক্ষে জয়ন্ত রায় জানান, মহকুমাশাসকের সঙ্গে তাঁরা কথা বলেছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে সময় চাওয়া হবে। তাঁর কথায়, তারাপীঠে বহু হোটেল রয়েছে, যেগুলির উপর বহু মানুষের সংসার নির্ভরশীল। আচমকা হোটেল বন্ধ হয়ে গেলে তাঁরা অসহায় হয়ে পড়বেন। তাই প্রশাসনের পরামর্শ নিয়ে ধীরে ধীরে নিয়ম মেনে সমস্ত হোটেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হবে।হোটেল মালিক নিতাই মালও জানান, তাঁদের হোটেল বহু পুরনো। ফলে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা পর্যাপ্ত নয়। প্রশাসনের নির্দেশ পাওয়ার পরই অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা উন্নত করার কাজ শুরু হয়েছে। তাঁর দাবি, এই কাজ শেষ করতে কিছুটা সময় প্রয়োজন। আচমকা হোটেল বন্ধ করে দিলে অধিকাংশ মালিকই সমস্যায় পড়বেন।এদিকে, অগ্নিকাণ্ডের পর পুকুরে নিখোঁজ কারও দেহ রয়েছে কি না, তা দেখতে মঙ্গলবার স্পিডবোট নামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। তবে তল্লাশিতে নতুন করে কোনও মৃতদেহের সন্ধান মেলেনি।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ঋতব্রত না শোভনদেব? বিরোধী দলনেতা বিতর্কে হাইকোর্টের বড় নির্দেশ

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় না শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, রাজ্য বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা কে, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই জোর রাজনৈতিক ও আইনি টানাপোড়েন চলছে। এখনও এই বিতর্কের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি। তবে আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে অস্থায়ী বিরোধী দলনেতার মর্যাদা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। পাশাপাশি মামলাটি সিঙ্গল বেঞ্চে ফেরত পাঠানো হয়েছে। দুই মাসের মধ্যে মামলাটির নিষ্পত্তি করার জন্যও নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ।মঙ্গলবার এই মামলার শুনানিতে ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে অস্থায়ী বিরোধী দলনেতা হিসেবেই দেখতে হবে। বিধানসভার অধ্যক্ষ ইতিমধ্যেই তাঁকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করেছেন। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।ঘটনার সূত্রপাত বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার পদ নিয়ে তৃণমূলের অন্দরের টানাপোড়েনকে কেন্দ্র করে। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতার মর্যাদা দেওয়ার জন্য বিধানসভার অধ্যক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছিল। অন্যদিকে, দলের বিধায়কদের একাংশ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেন।পরবর্তীতে বিধানসভার অঙ্কে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠ তৃণমূল বিধায়কের সমর্থন রয়েছে বলে দাবি ওঠে। প্রায় ৮০ জন তৃণমূল বিধায়কের মধ্যে অধিকাংশই ঋতব্রতর দিকে রয়েছেন বলে তাঁর শিবিরের তরফে দাবি করা হয়। এরপর বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম অধ্যক্ষের কাছে পাঠানো হয়।অধ্যক্ষের তরফে ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করার পরেই রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়। তৃণমূলের একাংশ এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের তরফে আদালতের দ্বারস্থ হয়ে ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঘোষণার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করা হয়।মামলাটি প্রথমে সিঙ্গল বেঞ্চে ওঠে। পরবর্তী সময়ে বিষয়টি ডিভিশন বেঞ্চ পর্যন্ত গড়ায়। মঙ্গলবার সেই মামলাতেই গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করেছে ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের নির্দেশে আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের অস্থায়ী বিরোধী দলনেতার মর্যাদা বজায় থাকছে। তবে এই অবস্থানই যে চূড়ান্ত, তা বলা যাচ্ছে না।ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটি ফের সিঙ্গল বেঞ্চে পাঠিয়ে দিয়েছে। পাশাপাশি দুই মাসের মধ্যে মামলাটির নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে আগামী দিনে সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ের দিকেই নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।একদিকে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে বিধায়কদের সমর্থন, দুইয়ের টানাপোড়েনেই বিরোধী দলনেতার পদ ঘিরে জটিলতা তৈরি হয়েছে। হাইকোর্টের মঙ্গলবারের নির্দেশে আপাতত ঋতব্রতর অবস্থান কিছুটা শক্তিশালী হলেও, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য আরও অপেক্ষা করতে হবে।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজনীতি

‘ককরোচ’ মন্তব্যে বিতর্কে দিলীপ, পাল্টা আক্রমণে শতরূপ, ইন্দাসকাণ্ডে বাড়ল উত্তাপ

ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র এক কর্মীর বাবাকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার ইন্দাসে। সিজেপির আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকার জেরেই দলীয় কর্মী আব্দুল হাফিজ এবং তাঁর বাবা শেখ মোহাম্মদ মাফিকের উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর মৃত্যু হয় শেখ মোহাম্মদ মাফিকের। ওই বাড়িতে মৃতের ছেলের সঙ্গে দেখা করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির নেতা। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, এই খুনের শেষ দেখে ছাড়বেন। পাশাপাষি তিনি ঘোষণা করেছেন এই ইস্যুতে বাঁকুড়ার জেলা বিজেপির কার্যলয়ে বিক্ষোভ দেখানো হবে। এদিকে ককরোচ জনতা পার্টিকে তীব্র কটাক্ষ করে মন্তব্য় করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ইন্দাসে সিজেপি কর্মী আব্দুল হাফিজের বাড়িতে আচমকাই একদল দুষ্কৃতী হামলা চালায়। বাড়িতে ঢুকে আব্দুল হাফিজ এবং তাঁর বাবা শেখ মোহাম্মদ মাফিককে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় দুজনেই গুরুতর জখম হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় মাফিকের। এই ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দিকে।ঘটনার খবর প্রকাশ্যে আসার পর নিহতের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দেয় সিজেপি। দলের প্রধান অভিজিৎ দীপকে টেলিফোনে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের পূর্ণাঙ্গ আইনি ও রাজনৈতিক সহায়তার আশ্বাস দেন। তাঁর নির্দেশে সিজেপির একটি প্রতিনিধি দল ইন্দাসে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে। অন্যদিকে, ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তৎপরতা শুরু করে বিরোধী শিবিরও। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা এবং নিহত পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দিতে সোমবার ইন্দাসে পৌঁছায় বামেদের একটি প্রতিনিধি দল। এই সফরকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও তীব্র হয়।বামেদের ইন্দাস সফর এবং সিজেপির আত্মপ্রকাশ নিয়ে সরব হন রাজ্যের বিজেপি নেতা তথা মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। বামেদের কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ওরা যেকোনো জায়গাতে যেতে পারেন। তবে ককরোচ রাতারাতি কোথা থেকে বেরিয়ে আসে? এইসব কমিউনিস্টদের মাথাতেই আসে, তারাই আরশোলা-ছারপোকা তৈরি করে। আর পরে তারাই সারা দুনিয়ায় উৎপাত করে।দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দেন সিপিএমের যুব নেতা শতরূপ ঘোষ। বিজেপিকে নিশানা করে তিনি বলেন, বাংলায় শুভেন্দু অধিকারী সরকার শক্তিশালী আর দিল্লির রেখা গুপ্ত সরকার দুর্বল? মোদী-অমিত শাহ সরকার এই সিজেপির আন্দোলনেই ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ইস্তফা দিতে বাধ্য করেছে। সঙ্গে পুলিশ আছে বলেই এমন ভাষণ দিতে পারছে অনেকে।ইন্দাসের এই ঘটনাকে ঘিরে একদিকে যেমন সিজেপি ও বামেদের রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়ছে, তেমনই বিজেপি ও বাম নেতৃত্বের পাল্টাপাল্টি মন্তব্যে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তেজনাও নতুন মাত্রা পেয়েছে।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজনীতি

বিমান বন্দর চত্বরে সৌগত রায়ের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ, উঠল ‘চোর-চোর’ ও গো ব্যাক স্লোগান

নিজের সংসদীয় এলাকাতেই বিক্ষোভের মুখে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। কলকাতা এয়ারপোর্ট ঢোকার মুখে তার গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ চলে। বিক্ষোভকারীদের তরফে চোর-চোর স্লোগানও দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। গাড়িতে চাপরও দেওয়া হয়। দেখানো হয় কালো পতাকা। বেশ কিছক্ষণ আটকে ছিলেন সৌগত রায়। গো ব্যাক স্লোগানও চলতে থাকে গাড়ি ঘিরে। ভাইরাল ভিডিওতে পুরো বিষয়টি স্পষ্ট দেখা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, তিনি বিমান বন্দরে একটি বৈঠকে অংশ নিতে গিয়েছিলেন।কিছু দিন আগে নিমতা থানা থেকে বেরিয়ে গাড়িতে ওঠার সময়ই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, একদল মানুষ তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। ওঠে চোর-চোর স্লোগান। এরপর ভিড়ের মধ্য থেকে তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ডিম সাংসদের গায়ে না লাগলেও গাড়িতে গিয়ে লাগে। এবার দমদমের তৃণমূল সাংসদের গাড়ি ঘিরে ফের বিক্ষোভ চলল। সৌগত রায়ের গাড়ি ঘিরে এই বিক্ষোভের ঘটনা নতুন করে তাঁর নিজের সংসদীয় এলাকায় রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষ করে দুবার এই তৃণমূল সাংসদের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ এবং কালো পতাকা দেখানো, গো ব্যাক অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বিজেপি বিধায়কের দাবি, প্রতিবার নির্বাচনের আগে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিতেন সৌগত রায়। প্রতিবারই বলতেন জেশপ খুলবেন। উল্টে তাঁর সাঙ্গপাঙ্গরা জেসপ থেকে চুরি করে শেষ করে দিয়েছেন।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
দেশ

নীতিন নবীনের ‘নয়া টিম’-এ বাংলার দুই মুখ! জাতীয় সংগঠনে বড় দায়িত্ব এই দুই জনের

ভারতীয় জনতা পার্টির সর্বভারতীয় সংগঠনে বড়সড় রদবদল। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো জাতীয় স্তরের সংগঠনকে ঢেলে সাজালেন নীতিন নবীন। নতুন কমিটিতে যেমন একাধিক নতুন মুখকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তেমনই অভিজ্ঞ বেশ কয়েকজন নেতাকেও ফেরানো হয়েছে কেন্দ্রীয় সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে। আর এই রদবদলে বিশেষ নজর কেড়েছে পশ্চিমবঙ্গ।রাজ্য বিজেপির দুই গুরুত্বপূর্ণ মুখকে এবার জাতীয় সংগঠনে জায়গা দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ডাঃ মধুছন্দা করকে সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি এবং আলিপুরদুয়ারের সাংসদ মনোজ টিগ্গাকে সর্বভারতীয় সম্পাদক করা হয়েছে। ফলে রাজ্য রাজনীতিতে সক্রিয় দুই নেতার দায়িত্ব এবার ছড়িয়ে পড়ল জাতীয় স্তরে।জাতীয় সংগঠনে বড় দায়িত্ব বাংলার দুই নেতারবিজেপির নতুন কেন্দ্রীয় সংগঠনে ডাঃ মধুছন্দা করের অন্তর্ভুক্তি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। রাজ্য বিজেপির চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে তিনি দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। এবার তাঁকে সরাসরি সর্বভারতীয় সহ-সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একজন চিকিৎসক নেত্রীকে দলের জাতীয় স্তরের শীর্ষ সাংগঠনিক পদে নিয়ে আসার মধ্য দিয়ে বিজেপি নেতৃত্ব নতুন ধরনের সাংগঠনিক সমীকরণের বার্তা দিল বলেই মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের পরিচিত আদিবাসী মুখ মনোজ টিগ্গার দায়িত্বও বেড়েছে। আলিপুরদুয়ারের সাংসদ হিসেবে ইতিমধ্যেই উত্তরবঙ্গে তাঁর রাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে। এবার তাঁকে সর্বভারতীয় সম্পাদক করা হল। উত্তরবঙ্গের আদিবাসী সমাজের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ এবং রাজ্য সংগঠনে কাজের অভিজ্ঞতাকে জাতীয় স্তরে কাজে লাগাতেই এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে।শুধু নতুন মুখ নয়, অভিজ্ঞদেরও প্রত্যাবর্তননীতিন নবীনের নতুন টিমে শুধুমাত্র সাংগঠনিক পরিবর্তন নয়, অভিজ্ঞ নেতৃত্বকে ফেরানোর দিকটিও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন জাতীয় রাজনীতির আলোচনায় থাকা কয়েকজন নেতাকে ফের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির ক্ষেত্রেও বড় পরিবর্তন দেখা গেল। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে অমেঠি থেকে পরাজয়ের পর জাতীয় রাজনীতিতে তাঁর সক্রিয়তা আগের তুলনায় কমেছিল। এবার তাঁকে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। ফলে দলের কেন্দ্রীয় সংগঠনে তাঁর রাজনৈতিক ভূমিকা ফের বাড়তে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবও পেলেন জাতীয় স্তরে আরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তাঁকেও সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। পূর্বোত্তর ভারতের রাজনীতিতে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতার পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতেও তাঁর সাংগঠনিক ভূমিকা ছিল। ফলে জাতীয় সংগঠনে তাঁর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চাইছে বিজেপি নেতৃত্ব।ফিরলেন রাম মাধবওবিজেপির সাংগঠনিক রাজনীতির অন্যতম পরিচিত মুখ রাম মাধবের প্রত্যাবর্তনও এই রদবদলের অন্যতম বড় দিক। দলীয় সংগঠন এবং ভোটকৌশল নিয়ে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন রাম মাধবকে ফের কেন্দ্রীয় সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পরিসরে আনা হয়েছে।সব মিলিয়ে নীতিন নবীনের নতুন কেন্দ্রীয় টিমে একদিকে যেমন নতুন প্রজন্ম ও রাজ্যস্তরের নেতৃত্বকে জাতীয় মঞ্চে তুলে আনা হয়েছে, অন্যদিকে তেমনই অভিজ্ঞ এবং পরীক্ষিত নেতাদেরও ফের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।বাংলার জন্য কী বার্তা?বিজেপির নতুন কেন্দ্রীয় সংগঠনে পশ্চিমবঙ্গের দুই নেতাকে গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়ার বিষয়টি নিঃসন্দেহে রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। রাজ্যে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করা, উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক সমীকরণে নজর দেওয়া এবং বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠীর মধ্যে দলের সাংগঠনিক বিস্তার বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত কি না, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।তবে একটি বিষয় স্পষ্টনীতিন নবীনের নতুন টিমে বাংলা এবার যথেষ্ট গুরুত্ব পেয়েছে। মধুছন্দা কর ও মনোজ টিগ্গার জাতীয় সংগঠনে উত্থান শুধু তাঁদের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক গুরুত্বই বাড়াল না, একইসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক কৌশল নিয়েও তৈরি করল নতুন জল্পনা।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ডিমের জবাবে পিস্তল! ‘ভয় পাই না’ বলে কীর্তির হুঁশিয়ারি, পাল্টা ‘বিহার পার করে দেওয়ার’ বার্তা বিজেপির

ডিম ছোড়ার রাজনীতি ঘিরে এবার বর্ধমান-দুর্গাপুরের তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজ়াদের মন্তব্যে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক। বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা-কর্মীর উপর ডিম হামলার প্রসঙ্গ তুলে কীর্তি আজ়াদ সরাসরি জানালেন, তাঁর উপর এমন কোনও হামলা হলে তিনি চুপ করে থাকবেন না। আত্মরক্ষার জন্য আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স নেওয়ার কথাও প্রকাশ্যে জানিয়েছেন তিনি।সোমবার নিজের সংসদীয় এলাকায় কর্মসূচিতে গিয়ে একাধিক বিষয়ে কথা বলার সময় বিজেপিকে আক্রমণ করেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার তথা বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য কীর্তি। রাজনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের উন্নয়ন নিয়ে তাঁর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।ডিম হামলার প্রসঙ্গ টেনে কীর্তির বক্তব্য, স্কুলে ডিম দেওয়া বন্ধ করে দিল। এখন লোককে ডিম মারছে! আমরাও নিজের সুরক্ষার জন্য পিস্তলের লাইসেন্স নিচ্ছি। তাঁর দাবি, আত্মরক্ষার অধিকার জনপ্রতিনিধিদেরও রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দেন, ভয় দেখিয়ে তাঁকে পিছিয়ে দেওয়া যাবে না।কীর্তির কথায়, আমরা ভয় পাওয়ার মতো লোক নই। আমরা ভারতের জন্য ক্রিকেট খেলেছি। ভারতমাতার মর্যাদার জন্য ক্রিকেট খেলেছি। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বিশেষ করে একজন সাংসদ প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স নেওয়ার কথা বলায় বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে।এদিন রাজনৈতিক আক্রমণের ঝাঁঝও ছিল যথেষ্ট। ঋতব্রতকে নিশানা করে কীর্তি দাবি করেন, তিনি কী করেছেন, ফোনে কী কথা বলেছেন এবং কার চাপের মুখে কী সিদ্ধান্ত নিয়েছেনসেসব তাঁরা জানেন। বিজেপিকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, এটা রাক্ষসরাজ।বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে সাংসদ জানান, সন্ধ্যায় দলের সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করবেন তিনি। মঙ্গলবারও তাঁর একাধিক কর্মসূচি রয়েছে। দুর্গাপুজোর পর তৃণমূল আরও বড় পরিসরে কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামবে বলেও জানান তিনি।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও সরব হন কীর্তি। বিজেপিশাসিত পশ্চিমবঙ্গের প্রসঙ্গ তুলে তাঁর অভিযোগ, বাংলার খুব খারাপ অবস্থা। এমন অবস্থা আফ্রিকাতেও নেই! এরপরই আরও তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে তিনি বলেন, আফ্রিকায় যেমন সমুদ্রে জলদস্যু ঘোরে, তেমনই বাংলার শহর, ঘর ও গলিতে জলদস্যু, ডাকাতেরা ঘুরে বেড়াচ্ছে।তবে কীর্তি আজ়াদের আগ্নেয়াস্ত্র সংক্রান্ত মন্তব্যের পর পাল্টা আক্রমণ করতে দেরি করেনি বিজেপি। বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, কীর্তি যদি আগ্নেয়াস্ত্র রাখার কথা বলেন, তাহলে তাঁকে হাইড্রা করে তুলে বিহার পার করে দিয়ে আসা হবে।ফলে ডিম হামলা থেকে শুরু হওয়া বিতর্ক এখন পৌঁছে গিয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র, আত্মরক্ষা এবং পাল্টা রাজনৈতিক হুঁশিয়ারির জায়গায়। কীর্তি আজ়াদের মন্তব্যের পর আগামী দিনে এই ইস্যুতে তৃণমূল-বিজেপির রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনাই দেখছে রাজনৈতিক মহল।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
কলকাতা

বাংলার আকাশে গভীর নিম্নচাপ, সোমবারই ভয়ঙ্কর বৃষ্টি! ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির সতর্কতা, এরপর কোন পথে যাবে?

গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে সোমবার সকাল থেকেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়েছে। টানা বৃষ্টিতে বহু জায়গায় জল জমেছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও নিত্যযাত্রীরা। রাস্তাঘাট জলমগ্ন হওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় তৈরি হয়েছে দুর্যোগের পরিস্থিতি। এর মধ্যেই ধীরে ধীরে ঝাড়খণ্ডের দিকে এগোচ্ছে গভীর নিম্নচাপ।আবহাওয়া দফতরের সোমবার বিকেলের খবর অনুযায়ী, গভীর নিম্নচাপটি বর্তমানে কলকাতা থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমে অবস্থান করছে। বর্ধমান থেকে সেটি প্রায় ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বে রয়েছে। বাঁকুড়া থেকে দূরত্ব প্রায় ১৪০ কিলোমিটার পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বে। ওড়িশার বালেশ্বর থেকে গভীর নিম্নচাপটি রয়েছে প্রায় ১৯০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গভীর নিম্নচাপটি ক্রমশ ঝাড়খণ্ড ও বিহারের দিকে এগিয়ে যেতে পারে। ফলে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টির প্রভাব আরও কিছুটা সময় থাকার আশঙ্কা রয়েছে।সোমবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং পশ্চিম বর্ধমানে চরম বৃষ্টির লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই তিন জেলায় ২০০ মিলিমিটার বা তারও বেশি বৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা রয়েছে। সেখানে ১১০ থেকে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে।প্রবল বৃষ্টির জেরে ইতিমধ্যেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় জল জমেছে। রাস্তার পাশাপাশি নিচু এলাকাগুলিতেও জল ঢুকেছে। ফলে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সমস্যায় পড়েছেন অফিসযাত্রী এবং অন্যান্য নিত্যযাত্রীরা।মঙ্গলবার পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। তবে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম এবং ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা থাকবে। এই জেলাগুলির কিছু এলাকায় ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে।অর্থাৎ, গভীর নিম্নচাপটি বাংলার পশ্চিমাঞ্চল ছেড়ে ঝাড়খণ্ড ও বিহারের দিকে এগিয়ে গেলেও মঙ্গলবার পর্যন্ত তার প্রভাব পুরোপুরি কাটছে না। ফলে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা থাকা জেলাগুলির বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal