মেষ/ARIES: মনোরথ সিদ্ধি হতে পারে।বৃষ/TAURUS: উৎপাদন হ্রাস পেতে পারে।মিথুন/GEMINI: সন্তান পীড়া দিতে পারে।কর্কট/CANCER: ছলচাতুরীর দ্বারা প্রতারিত হতে পারেন।সিংহ/LEO: মানহানি হতে পারে।কন্যা/VIRGO: মাতৃবিরোধ করতে পারেন।তুলা/ LIBRA: রাজনৈতিক সংঘর্ষ হতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: বিবাদে মনকষ্ট হতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: বন্ধুর সহায়তা লাভ করতে পারেন।মকর/CAPRICORN: ভ্রমণকালীন বিপদ হতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: মনোবাসনা পূরণ হতে পারে।মীন/ PISCES: গুহ্যরোগে কষ্ট পেতে পারেন।
শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টেও জয়ের পথে ভারত। ভারতের ২৫২ রানের জবাবে শ্রীলঙ্কার প্রথম ইনিংস শেষ হয় মাত্র ১০৯ রানে। প্রথম ইনিংসে ১৪৩ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ৯ উইকেটে ৩০৩ রান তুলে দ্বিতীয় ইনিংসের সমাপ্তি ঘোষণা করে ভারত। জয়ের জন্য ৪৪৭ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় দিনের শেষে শ্রীলঙ্কা তুলেছে ২৮/১।আগের দিনের ৬ উইকেটে ৮৬ রান হাতে নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে শ্রীলঙ্কা। তাদের ইনিংস যে দীর্ঘস্থায়ী হবে না, প্রথম দিনেই বোঝা গিয়েছিল। দিনের তৃতীয় ওভারে বুমরার বলে ঋষভ পন্থের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন লসিথ এম্বুলডেনিয়া। ৯৫ রানের মাথায় শ্রীলঙ্কার সপ্তম উইকেটের পতন হয়। অষ্টম ও নবম উইকেট পড়ে ১০০ রানে। ৩৪তম ওভারে অশ্বিনের বলে সুরঙ্গা লাকমল (৯) বোল্ড হন। পরের ওভারেই ডিকওয়েলাকে (২১) তুলে নেন যশপ্রীত বুমরা। ৮ রান করে অশ্বিনের বলে স্টাম্পড হন বিশ্ব ফার্নান্দো। মাত্র ৩৫.৫ ওভারে ১০৯ রানে গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কার প্রথম ইনিংস। যশপ্রীত বুমরা ২৪ রানে ৫ উইকেট নেন। দেশের মাটিতে এক ইনিংসে এই প্রথম ৫ উইকেট পেলেন বুমরা। অশ্বিন ও সামি ২টি করে উইকেট নেন।১৪৩ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করেছিল ভারত। ওপেনিং জুটিতে ১০ ওভারে ওঠে ৪২। এরপরই ধাক্কা খায় ভারত। এম্বুলডেনিয়ার বলে আউট হন মায়াঙ্ক আগরওয়াল (২২)। অর্ধশতরানের আগে ফেরেন রোহিত শর্মা (৪৬)। ধনঞ্জয় ডিসিলভার বলে তিনি অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজের হাতে ক্যাচ দেন। ১১৬ রানের মাথায় আউট হন হনুমা বিহারী (৩৫)। জয়বিক্রমাকে সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড হন তিনি। বিরাট কোহলি আবার ব্যর্থ। ১৬ বলে মাত্র ১৩ রান করে তিনি জয়বিক্রমার নীচু হয়ে যাওয়া বলে এলবিডব্লু হন।কোহলি ফিরে যাওয়ার পর ভারতের ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন ঋষভ পন্থ ও শ্রেয়স আয়ার। এই জুটিই ভারতকে ৩০০ রানের লিড এনে দেন। ৩১ বলে ৫০ রান করে আউট হন ঋষভ। ৮৭ বলে ৬৭ রান করেন শ্রেয়স। জাদেজা করেন ২২। অশ্বিন ১৩। ৯ উইকেটে ৩০৩ রান তুলে দ্বিতীয় ইনিংসের সমাপ্তি ঘোষণা করে ভারত। শ্রীলঙ্কার হয়ে জয়বিক্রমা ৭৮ রানে ৪টি ও এম্বুলডেনিয়া ৮৭ রানে ৩ উইকেট নেন।জয়ের জন্য ৪৪৭ রানে লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় শ্রীলঙ্কা। প্রথম ওভারের তৃতীয় বলেই লাহিরু থিরিমানেকে (০) তুলে নেন যশপ্রীত বুমরা। দ্বিতীয় দিনের শেষে শ্রীলঙ্কা তুলেছে ১ উইকেটে ২৮। হার বাঁচাতে শ্রীলঙ্কার এখনও চাই ৪১৯। যা অসম্ভব এই শ্রীলঙ্কা দলের পক্ষে।
অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসের ৭১ ওভারে নৌমান আলির বল স্টিভ স্মিথের প্যাডে লাগতেই আউটের আবেদন জানান পাকিস্তান ক্রিকেটাররা। আম্পায়ার সেই আবেদনে সাড়া দেননি। পাকিস্তান উইকেটকিপার মহম্মদ রিজওয়ান এগিয়ে যান স্মিথের কাছে। তাঁকেই জিজ্ঞেস করেন ডিআরএস নেওয়া উচিত হবে কিনা। রিজওয়ানের কথা শুনে হাসিতে ফেটে পড়েন পাক অধিনায়ক বাবর আজম। হাসছিলেন স্মিথও। দারুণ মজার ঘটনার সাক্ষী থাকল পাকিস্তানঅস্ট্রেলিয়া প্রথম টেস্ট। লড়াইয়ের মাঝেও হালকা মেজাজে পাওয়া গেল দুই দেশের ক্রিকেটারদের। শেষ পর্যন্ত স্মিথ ৭২ রান করে হাসান আলির বলে ফাহিম আশরাফের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন।রাওয়ালপিন্ডিতে অনুষ্ঠিত প্রথম টেস্টে দেখা গিয়েছিল রানের বন্যা। একই ছবি করাচিতে দ্বিতীয় টেস্টেও। এখানেও সেই রানের বন্যা অব্যাহত। রানের পাহাড়ে এবার অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় দিনের শেষে ৮ উইকেটে অস্ট্রেলিয়া তুলেছে ৫০৫। আগের দিনের ২৫১/৩ রান হাতে নিয়ে এদিন খেলা শুরু করে অস্ট্রেলিয়া। উসমান খোয়াজা ১২৭ রানে অপরাজিত ছিলেন। নৈশপ্রহরী নাথান লায়ন কোনও রান না করেই অপরাজিত ছিলেন। দ্বিতীয় দিন প্রথম ঘন্টাতে কোনও উইকেট তুলতে পারেননি পাকিস্তান বোলাররা।To DRS or not to DRS 🤔 #BoysReadyHain l #PAKvAUS pic.twitter.com/X3b9mp8uaF Pakistan Cricket (@TheRealPCB) March 12, 2022প্রথম জলপানের বিরতির সাফল্য পায় পাকিস্তান। নাথান লায়নকে (৩৮) তুলে নেন ফাহিম আশরাফ। এরপর ট্রেভিস হেডকে সঙ্গে নিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান উসমান খোয়াজা। ২৩ রান করে সাজিদ খানের বলে এলবিডব্লু হন হেড। উসমান খোয়াজাকেও তুলে নেন সাজিদ খান। ১৬০ রান করে তিনি বোল্ড হন। ২৮ রান করে নৌমান আলির বলে বোল্ড হন ক্যামেরন গ্রিন। এরপর অস্ট্রেলিয়াকে টানেন অ্যালেক্স ক্যারে ও মিচেল স্টার্ক। জুটিতে ওঠে ৯৮। জুটি ভাঙতে নিজেই বল হাতে তুলে নেন অধিনায়ক বাবর আজম। অ্যালেক্স ক্যারেকে তুলে নিয়ে তিনি দলকে ব্রেক থ্রু এনে দেন। ৯৩ রান করে আউট হন ক্যারে। মিচেল স্টার্ক ২৮ রান করে ক্রিজে রয়েছেন। পাকিস্তানের হয়ে ফাহিম আশরাফ ও সাজিদ খান ২টি করে এবং হাসান আলি, নৌমান আলি ও বাবর আজম ১টি উইকেট নিয়েছেন।
মেষ/ARIES: অর্থদণ্ড হতে পারে।বৃষ/TAURUS: শত্রুবশীভূত হতে পারে।মিথুন/GEMINI: মোকদ্দমায় জয় হতে পারে।কর্কট/CANCER: রমণীপ্রীতি জন্মাতে পারে।সিংহ/LEO: কর্মে অগ্রগতি হতে পারে।কন্যা/VIRGO: ধনবৃদ্ধি পেতে পারে।তুলা/ LIBRA: জুয়ায় ক্ষতি হতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: উচ্চশিক্ষায় সাফল্য লাভ করতে পারেন।ধনু/SAGITTARIUS: সহকর্মী বিরোধ করতে পারে।মকর/CAPRICORN: হতাশা হতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: অসৎপথে উপার্জন করতে পারেন।মীন/ PISCES: অবৈধ প্রণয় করতে পারেন।
রাজ্যে দুই আসনে উপনির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। শনিবার,আসানসোল লোকসভা এবং বালিগঞ্জ বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের তরফে। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ১২ এপ্রিল, মঙ্গলবার ভোট হবে এই দুই আসনে। গণনা হবে ১৬ এপ্রিল, শনিবার। একই দিনে ছত্রিশগড় বিহার এবং মহারাষ্ট্রের একটি করে বিধানসভা আসনেও ভোট নেওয়া হবে। ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি হয়ে যাওয়ায় ওই সব এলাকায় এদিন থেকে জারি হয়ে গেল নির্বাচনী আদর্শ আচরণবিধি।২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে আসানসোল থেকে জিতেছিলেন বিজেপির বাবুল সুপ্রিয়। পরে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর বাবুল সাংসদ পদ থেকেও ইস্তফা দেন। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা তা গ্রহণ করেন। ফলে আসানসোল লোকসভা শূন্য হয়। সেই কেন্দ্রের উপনির্বাচন বকেয়া ছিল।বালিগঞ্জের বিধায়ক ছিলেন প্রবীণ নেতা তথা মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। গত বছর নভেম্বরে কালীপুজোর দিন সন্ধেবেলা তিনি প্রয়াত হন। সুব্রতবাবুর প্রয়াণের কারণে বালিগঞ্জ আসনেও ভোট করতে হত। এদিন বাংলার একটি লোকসভা ও একটি বিধানসভার উপনির্বাচন ঘোষণা করে দিল কমিশন।কমিশন সূত্রে খবর আসানসোলের ১০০% বুথকেই উত্তেজনা প্রবন বুথ বলেই চিহ্নিত করা হয়েছে।
লিগ টেবিলের শীর্ষস্থান হাতছাড়া করে এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো পাখির চোখ করেছিলেন আইএসএল জেতা। তাঁর সেই স্বপ্নে কাঁটা বিছিয়ে দিল হায়দরাবাদ এফসি। আইএসএল দ্বিতীয় সেমিফাইনালে প্রথম পর্বের ম্যাচে নিজামের শহরের এই দলের কাছে ৩১ ব্যবধানে হেরে ফাইনালের রাস্তা কঠিন হয়ে গেল এটিকে মোহনবাগানের কাছে। কোচ জুয়ান ফেরান্দোর একটা ভুলই ম্যাচ থেকে ছিটকে দিল সবুজমেরুণ শিবিরকে।জুয়ান ফেরান্দো চেয়েছিলেন প্রথম পর্বের ম্যাচেই ফাইনালের রাস্তা পরিস্কার করতে। সেই লক্ষ্যেই শুরু করেছিল সবুজমেরুণ ব্রিগেড। ম্যাচের শুরু থেকেই এটিকে মোহনবাগানের প্রাধান্য ছিল। সুযোগও তৈরি হয়েছিল। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেননি জনি কাউকো, রয় কৃষ্ণারা। তবে গোলের জন্য সবুজমেরুণকে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। ম্যাচের ১৭ মিনিটে এগিয়ে যায় এটিকে মোহনবাগান। মাঝমাঠ থেকে বাঁদিকে লম্বা বল বাড়ান জনি কাউকো। বল ধরে বাঁদিক ধরে এগিয়ে গিয়ে নীচু সেন্টার করেন লিস্টন কোলাসো। বাঁপায়ের ফ্লিকে বল জালে পাঠান রয় কৃষ্ণা। চলতি মরশুমে তেমন ছন্দে না থাকলেও আসল সময়ে গোল করে দলকে এগিয়ে দিয়েছেন ফিজির এই স্ট্রাইকার। প্রথমার্ধের বাকি সময়ে আধিপত্য থাকলেও গোলসংখ্যা বাড়াতে পারেনি এটিকে মোহনবাগান। অন্যদিকে হায়দরাবাদ এফসি সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। কিন্তু সবুজমেরুণের আঁটোসাঁটো রক্ষণের জন্য সফল হতে পারছিল না। অবশেষে প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ের একেবারে শেষ মুহূর্তে সবুজমেরুণ ডিফেন্সের ক্ষনিকের মনোসংযোগের অভাবে সমতা ফেরায় হায়দরাবাদ এফসি। কর্ণার থেকে জটলার মধ্যে বল পেয়ে চার ডিফেন্ডারের মাঝখান থেকে গোল করে সমতা ফেরান সেই বার্থোলোমিউ ওগবেচে। বিরতিতে যাওয়ার আগে এই গোলটাই মনোবল বাড়িয়ে দেয় হায়দরাবাদ এফসির। দ্বিতীয়ার্ধে এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দোর একটা ভুল সিদ্ধান্তই ম্যাচে ফেরায় হায়দরাবাদ এফসিকে। লেনি রডরিগেজকে তুলে নেওয়ায় মাঝমাঠে অনেকটা ফাঁকা জায়গা তৈরি হয়। সেই সুযোগটা দারুণ ভাবে কাজে লাগায় হায়দরাবাদ। ৫৮ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে বল পেয়ে সিভেরিওর উদ্দেশ্যে বাড়ান ওগবেচে। তিরি ও সন্দেশের যৌথ ট্যাকেলে বল ছিটকে যায় মহম্মদ ইয়াসিরের কাছে। বাঁপায়ের দুরন্ত শটে দলকে এগিয়ে দেন ইয়াসির। মিনিটে ব্যবধান বাড়ায় হায়দরাবাদ এফসি। বাঁদিক থেকে ইয়াসিরের কর্ণারে হেডে ৩১ করেন সিভেরিও। ৭৫ মিনিটে হুগো বোমাসের মাইনাস থেকে গোল করার সুযোগ এসেছিল জনি কাউকোর সামনে। কিন্তু তিনি কাজে লাগাতে পারেননি। শেষদিকে ব্যবধান কমানোর মরিয়া চেষ্টা করেও সফল হতে পারেনি এটিকে মোহনবাগান।
মেষ/ARIES: পরোপকারে ব্যয়।বৃষ/TAURUS: মানসিক অশান্তি হতে পারে।মিথুন/GEMINI: বাক্যের অপব্যয় করতে পারেন।কর্কট/CANCER: পরিশ্রম বৃদ্ধি পেতে পারে।সিংহ/LEO: মানসিক কষ্ট পেতে পারেন।কন্যা/VIRGO: সৎ বন্ধুলাভ করতে পারেন।তুলা/ LIBRA: বিলাসিতা করতে পারেন।বৃশ্চিক/Scorpio: খ্যাতিলাভ করতে পারেন।ধনু/SAGITTARIUS: জনসেবায় শ্রমদান করতে পারেন।মকর/CAPRICORN: সৌজন্য প্রদর্শন করতে পারেন।কুম্ভ/AQUARIUS: হঠাৎপ্রাপ্তি হতে পারে।মীন/ PISCES: মজুতদারদের লাভ হতে পারে।
এটিকে মোহনবাগানকে হারিয়ে সবুজমেরুণ শিবিরের লিগ উইনার্স শিল্ড জয়ের স্বপ্ন ভেঙে চুরমার করে দিয়েছিল জামশেদপুর এফসি। এবার তাদের স্বপ্নের পথেও কাঁটা বিছিয়ে দিল কেরালা ব্লাস্টার্স। আইএসএলের প্রথম পর্বের সেমিফাইনালে ১০ ব্যবধানে জিতে জামশেদপুর এফসির ফাইনালে ওঠার রাস্তা কিছুটা হলেও কঠিন করে তুলল কেরালা। এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে জয়ে আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বাড়িয়ে কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিল জামশেদপুর এফসি। ম্যাচের শুরুর দিকে তারই প্রতিফলন ছিল। পরের দিকে কেরালা ব্লাস্টার্স আস্তে আস্তে খেলায় ফিরে কঠিন লড়াইয়ের সামনে ফেলে দেয় জামশেদপুর এফসিকে। এদিন ৪২৩১ ছকে খেলা শুরু করেছিল জামশেদপুর এফসি। অন্যদিকে কেরালা ব্লাস্টার্স শুরু করেছিল ৪৪২ ছকে। শুরু থেকেই কেরালা ব্লাস্টার্সের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে জামশেদপুর এফসি। ম্যাচের ১০ মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারত জামশেদপুর। গোলকিপার টিপি রেহেনেশের লম্বা ফ্রিকিক হেডে বক্সের মধ্যে নামিয়ে দেন সেইমিনলেন ডঙ্গেল। সুবিধাজনক জায়গায় বল পেয়ে যান লালহলুদের বাতিল ঘোড়া ড্যানিয়েল চিমা। কিন্তু তিনি বল জালে রাখতে পারেননি। মিনিট দশেক পর আরও একটা সহজ সুযোগ নষ্ট করেন ড্যানিয়েল চিমা। প্রণয় হালদারের কাছ থেকে বল পেয়ে তিনি তিনকাঠি ভেদ করতে পারেননি। ম্যাচের ২৫ মিনিটে ধাক্কা খায় জামশেদপুর এফসি। চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন লেন। এরপরই আস্তে আস্তে মাঝমাঠে খেলা ধরে নেয় কেরালা ব্লাস্টার্স। আক্রমণে ঝাঁঝ বাড়ায়। ৩৮ মিনিটে সুফলও পায়। থ্রো ইন পেয়েছিল কেরালা ব্লাস্টার্স। আলভারো ভাজকোয়েজ যখন থ্রো করতে যান, তখন দৌড় শুরু করেন সাহাল সামাদ। তাঁকে দৌড় শুরু করতে দেখেই সাহালের মাথার ওপর দিয়ে থ্রো করেন আলভারো। লালমাওয়ামা বল বিপদমুক্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু বল চলে যায় সাহালের পায়ে। তিনি এগিয়ে আসা রেহেনেশের মাথার ওপর দিয়ে চিপ করে বল জালে পাঠান। প্রথমার্ধে ১০ ব্যবধানেই এগিয়ে থাকে কেরালা ব্লাস্টার্স। গোল ধরে রাখার জন্য দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই মরিয়া ছিল কেরালা ব্লাস্টার্স। অন্যদিকে, সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে জামশেদপুর এফসি। কিন্তু কেরালার আঁটোসাঁটো রক্ষণ ভেদ করতে পারছিলেন না ড্যানিয়েল চিমারা। ৬৫ মিনিটে চিমাকে তুলে জর্ডন মারেকে নামান জামশেদপুর কোচ। ৮১ মিনিটে জিতেন্দ্র সিংকে তুলে ইশান পান্ডিতাকে নামিয়ে আক্রমণ লোক বাড়ান। তাতেও কাজের কাজ কিছু হয়নি। প্রথম পর্বের সেমিফাইনালে হার স্বীকার করতে হল জামশেদপুর এফসিকে।
স্টাফ রিপোর্টারঃ তিন ঘন্টার ফসিলস ঝড় উঠল কলকাতার নিকো পার্কে। অনুষ্ঠানের আয়োজক থিজম ইভেন্টস। ২০১৯ এর ১ বৈশাখ নজরুল মঞ্চে প্রথম ফসিলস ঝড় অনুষ্ঠিত হয়। মাঝে করোনার কারণে এই অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্যায়ের অয়োজন করা সম্ভব হয়নি। এই অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ অবশ্যই ছিল তিন ঘন্টার ফসিলস এর গানের ঝড়। থিজম ইভেন্টস এর পক্ষ থেকে সংস্থার প্রধান রীতম সাহা জানান, অনেকদিন আগেই এই অনুষ্ঠান করা সম্ভব হতো যদি মাঝে এই দুবছর করোনার জন্য আমাদের সময় নষ্ট না হতো। এবারে আরো বড় জায়গায় আয়োজন ছিল। অভাবনীয় সাড়া পেয়ে আমরা খুব খুশি। অন্যদিকে ফসিলস এর পক্ষে জানানো হয়েছে, ফসিলস ঝড় সিজন টু একটা মহা কনসার্ট। এই শো এর প্রথম অধ্যায় ২০১৯ এর পয়লা বৈশাখের দিনে নজরুল মঞ্চে আয়োজিত হয়েছিল। এবার নিক্কো পার্ক বিগ লনে আয়োজিত হল। প্রচুর ফ্যান শো দেখেছেন। আমরা মানে ফসিলস খুব এক্সাইটেড ছিলাম এই শো নিয়ে এবং তিন ঘন্টার এই স্পেশাল শো আমরা উপহার দিলাম সকল শ্রোতাকে, যারা ফসিলসকে ভালোবাসে, তাদের গান শোনে। দুবছর পর কলকাতায় এরকম এক মহা কনসার্টে দেখা হোলো সবার সাথে। থিজম ইভেন্টস নিবেদন করল ফসিলস ঝড়-দুই। অনেক বছর পরে এরকম একটা গ্রাউন্ড ইভেন্ট দেখে উচ্ছ্বসিত ব্যান্ডের ভক্তরা। ফসিলসের বিপুল জনপ্রিয় গানের মধ্যে আরো একবার, একলা ঘর, নীল রঙ ছিল ভীষণ প্রিয় উল্লেখযোগ্য।
স্বপ্ন ছিল আইএসএলের লিগ শিল্ড জিতে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার ছাড়পত্র জোগাড় করা। লিগের শেষ ম্যাচে জামশেদপুর এফসির কাছে হেরে সে স্বপ্নের জলাঞ্জলি। সামনে আইএলএল খেতাব। আপাতত এটাই পাখির চোখ করছে এটিকে মোহনবাগান শিবির। সেই লক্ষ্য নিয়ে শনিবার হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে প্রথম পর্বের সেমিফাইনালে নামছে সবুজমেরুণ ব্রিগেড। ফাইনালে ওঠার জন্য দ্বিতীয় পর্বের ম্যাচের ওপর নির্ভর করতে চান না এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। তাঁর লক্ষ্য প্রথম পর্বের সেমিফাইনালেই ফাইনালের রাস্তা পরিস্কার করে নেওয়া।হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে প্রথম পর্বের সেমিফাইনালে নামার আগে লিগ পর্যায়ের শেষ ম্যাচে জামশেদপুর এফসির কাছে হার মাথায় রাখছেন না জুয়ান ফেরান্দো। তাঁর কাছে ওই ম্যাচ এখন অতীত। অতীত ভুলে সামনের দিকে তাকাতে চান এটিকে মোহনবাগান কোচ। লিগ পর্যায়ে হায়দরবাদ এফসি একটা ম্যাচেও হারাতে পারেনি এটিকে মোহনবাগানকে। এমনকি সেই দুটি ম্যাচের কথাও মাথায় রাখছেন না জুয়ান ফেরান্দো। হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে প্রথম পর্বের সেমিফাইনালে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, ওরা লিগে দুটো ম্যাচে আমাদের হারাতে পারেনি বলে আমরা বাড়তি সুবিধা নিয়ে মাঠে নামব, এটা ভাবার কোনও কারণ নেই। আমার মনে হয় না আগের ম্যাচগুলিতে কেমন খেলেছি তার প্রভাব সেমিফাইনালে পড়বে। হায়দরাবাদ আমাদের হারাতে পারেনি বলে তার কোনও সুবিধা আমরা পাব না। একটা ভাল দলের বিরুদ্ধে খেলতে নামছি। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে।আইএসএলে লিগ টেবিলের শীর্ষে না পৌঁছতে পারলেও ফুটবলারদের মোটিভেশনের অভাব হবে না বলে মনে করছেন জুয়ান ফেরান্দো। তিনি বলেন, লিগশিল্ড এখন আমাদের কাছে অতীত। এখন সেমিফাইনাল ও পরে ফাইনাল আমাদের কাছে চ্যালেঞ্জ। পরে এএফসি কাপ আছে। ফলে ফুটবলারদের মোটিভশনের অভাব নেই। ফাইনালে ওঠার জন্য দুই পর্বের সেমিফাইনালে লড়তে হবে। এই প্রসঙ্গে জুয়ান ফেরান্দো বলেন, আমাদের সামনে এখন দুটো ম্যাচ। প্রতি ম্যাচই জিততে হবে, এমনই মানসিকতা রয়েছে আমাদের দলে। দুটো ম্যাচে আলাদা পরিকল্পনা নেই। দুটো ম্যাচই আমাদের জিততে হবে, এমনই ভাবনা আছে। এমন নয় যে সামনে কুড়িটা ম্যাচ আছে সামলে নেওয়া যাবে। তাই প্রতিটি মুহূর্তে মনংযোগ নিখুঁত থাকতে হবে এবং সারা ম্যাচে ফোকাসড থাকাটা খুবই জরুরি। দুরন্ত ফর্মে রয়েছেন বিপক্ষ শিবিরের একসময় প্যারিস সাঁ জাঁয় খেলা বার্থোলোমিউ ওগবেচে। এই মুরুত্তে ১৭ ম্যাচে ১৭ গোল করে আইএসএলে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন। তাঁকে আটকাতে আলাদা পরিকল্পনা করেছেন এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। তিনি বলেন, ওকে নিয়ে অবশ্যই পরিকল্পনা রয়েছে। কিন্তু সেটা এখন বলা যাবে না। তবে সত্যি বলতে, আমরা শুধু নিজেদের খেলা নিয়েই ভাবছি। কী ভাবে নিজেদের পায়ে বল রাখতে হবে, জায়গা বের করতে হবে, আক্রমণে উঠতে হবে। কালকের ম্যাচে আমাদের পরিকল্পনা এ রকমই। তবে নিজের দলের স্ট্রাইকারদের ব্যর্থতা ভাবাচ্ছে জুয়ান ফেরান্দোকে। একটাই স্বস্তি, সেমিফাইনালে হায়দররাবাদের বিরুদ্ধে হুগো বোমাসকে তিনি পাবেন।
গোয়ায় তৃণমূল একটিও আসন না পেলেও দল যে লড়াইয়ের ময়দান ছেড়ে দেবে না তা জানিয়ে দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে গোয়া থেকে ফিরে দমদম বিমানবন্দরে এমনই জানিয়েছে তিনি।বৃহস্পতিবার পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হয়। এই নির্বাচনে কেবলমাত্র গোয়ার ভোটে অংশ নিয়েছিল বাংলার শাসকদল। বিধানসভা নির্বাচনে গোমন্তক পার্টির সঙ্গে জোট গড়েও খাতা খুলতে পারেনি জোড়াফুল শিবির। তবে তাতে বিন্দুমাত্র বিচলিত হতে নারাজ অভিষেক। তিনি বলেন, মাত্র কিছু দিনের মধ্যেই আমরা গোয়ার মানুষের কাছে পৌঁছতে পেরেছি। সকলের কাছে হয়তো পৌঁছতে পারিনি। তবে ছয় শতাংশ ভোট পেয়েছি। আমাদের প্রতিনিধিরা মানুষের জন্য কাজ করবেন। চারটি আসনে অত্যন্ত কম ব্যবধানে হেরেছি। এমন কয়েকটি বিধানসভা রয়েছে যেখানে তৃণমূল তিন মাসের মধ্যে ৩০ শতাংশ ভোট পেয়েছে।তিনি আরও বলেন, গোয়ার মানুষের কাছে আমরা বদ্ধপরিকর। যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, তা করে দেখাব। আমরা গোয়ায় থাকব এবং ময়দানে লড়াই করব মানুষের স্বার্থে। ফলাফল পর্যালোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে।এই অল্প সময়ের মধ্যে গোয়ার মানুষ আমাদের গ্রহণ করেছেন। এর জন্য তাঁদের আমরা ধন্যবাদ জানাই। যে আশা নিয়ে আমরা লড়াই করেছিলাম সে আশা হয়তো পূরণ হয়নি। কিন্তু চারটি আসনে আমরা খুব কম ব্যবধানে হেরেছি। ১০০০-১২০০ ভোটের ব্যবধানে। নাভেলিম আসনে আমরা মাত্র ২৫০ ভোটে হেরেছি। বেলিম আসনেও আমরা কম ব্যবধানে হেরেছি। তবে এমন কিছু আসন রয়েছে যেখানে আমরা ৩০ শতাংশ ভোট পেয়েছি।গোয়ায় থেকে ময়দানে লড়াই করার বার্তাও দিয়েছেন তিনি। তৃণমূল সাংসদ বলেন, আগামী ৫ বছর মাটি কামড়ে পড়ে থাকব। অত্যন্ত কম সময়ের মধ্যে আমরা হয়তো সবার কাছে সে ভাবে পৌঁছতে পারিনি। পরাজয়ের কারণ নিয়ে আলোচনা হবে দলের অন্দরে। পর্যালোচনা করে নেওয়া হবে নতুন রণকৌশল। তবে, ২২- এর এই ফলাফলের জন্য গোয়া ছেড়ে আসার কথা এখনই ভাবছে না তৃণমূল।
মেষ/ARIES: ষড়যন্ত্রের শিকার হতে পারেন।বৃষ/TAURUS: আশাতীত লাভ করতে পারেন।মিথুন/GEMINI: প্রফুল্লতা পেতে পারেন।কর্কট/CANCER: মানহানির শিকার হতে পারেন।সিংহ/LEO: ক্ষতি হতে পারে।কন্যা/VIRGO: আকস্মিক বাধা পেতে পারেন।তুলা/ LIBRA: সাফল্যের ইঙ্গিত পেতে পারেন।বৃশ্চিক/Scorpio: ব্যুৎপত্তিলাভ করতে পারেন।ধনু/SAGITTARIUS: বদলির সম্ভাবনা রয়েছে।মকর/CAPRICORN: পরীক্ষায় সাফল্য পেতে পারেন।কুম্ভ/AQUARIUS: পরিচারিকা দ্বারা ক্ষতি হতে পারে।মীন/ PISCES: শ্রীবৃদ্ধি হতে পারে।
মেষ/ARIES: অনুশোচনা করতে পারেন।বৃষ/TAURUS: গবেষণায় সাফল্য আসতে পারে।মিথুন/GEMINI: বিলাসিতায় ব্যয় করতে পারেন।কর্কট/CANCER: ক্লেশভোগ করতে হতে পারে।সিংহ/LEO: প্রলভনে ক্ষতি হতে পারে।কন্যা/VIRGO: প্রতিপত্তি বৃদ্ধি পেতে পারে।তুলা/ LIBRA: বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়তে পারেন।বৃশ্চিক/Scorpio: হঠাৎ প্রাপ্তি হতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হতে পারেন।মকর/CAPRICORN: অবিবেচক কাজ করতে পারেন।কুম্ভ/AQUARIUS: বিনিয়োগে লাভ করতে পারেন।মীন/ PISCES: কর্মী সমস্যা হতে পারে।
চলতি আইএসএলে চূড়ান্ত ব্যর্থ এসসি ইস্টবেঙ্গল। লিগ টেবিলে একেবারে সবার শেষে। ২০ ম্যাচে মাত্র ১টা জয়। এহেন দলের কোনও ফুটবলারের দিকে অন্যদলগুলি ফিরে তাকাবে, কল্পনার অতীত। ব্যতিক্রমও আছে। লালহলুদের বেশ কয়েকজন ফুটবলারের দিকে হাত বাড়িয়েছে অন্য ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। ইতিমধ্যেই এসসি ইস্টবেঙ্গলের মিডফিল্ডার সৌরভ দাসের সঙ্গে চুক্তি সেরে ফেলেছে চেন্নাইন এফসি। হীরা মণ্ডল, নামতেসহ একাধিক ফুটবলারের কাছে প্রস্তাব আছে বেশ কয়েকটা ফ্রাঞ্চাইজির। গত মরশুমেও লালহলুদ জার্সি গায়ে খেলেছিলেন সৌরভ দাস। ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে মুম্বই সিটি এফসি থেকে লোনে এসসি ইস্টবেঙ্গলে যোগ দেন। রবি ফাউলার তাঁকে নিয়মিত খেলাতেন। কিন্তু চলতি মরশুমে চোটের জন্য অধিকাংশ সময়েই মাঠের বাইরে কাটাতে হয়েছিল সৌরভকে। কয়েকটা ম্যাচে খেললেও নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি। মারিও রিভেরা দায়িত্ব নেওয়ার পর সৌরভকে সেভাবে নামানোর সাহস দেখাতে পারেননি। তা সত্ত্বেও সামনের মরশুমের জন্য নতুন দল পেয়ে গেলেন এসসি ইস্টবেঙ্গলের এই মিডফিল্ডার। ২০২৪ সাল পর্যন্ত সৌরভের সঙ্গে চুক্তি করেছে চেন্নাইন এফসি। আইএসএলের দুটি মরশুম মিলিয়ে লালহলুদ জার্সি গায়ে ১৮টি ম্যাচ খেলেছেন সৌরভ। টাটা ফুটবল অ্যাকাদেমি থেকে উঠে এসেছেন সৌরভ দাস। ২০১৬ সালে যোগ দেন মোহনবাগানে। টানা তিন মরশুম সবুজমেরুণ জার্সিতে কাটান এই তরুণ মিডফিল্ডার। আই লিগে মোহনবাগানের হয়ে খেলেন ১৬টি ম্যাচ। আই লিগে তাঁর দুরন্ত পারফরমেন্স নজর কাড়ে মুম্বই সিটি এফসি কর্তাদের। সৌরভ দাসের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী চুক্তি করে মুম্বই। গত মরশুমে জানুয়ারিতে দলবদলের দ্বিতীয় উইন্ডোতে লোনে লালহলুদে যোগ দেন। কেন ইস্টবেঙ্গল ছেড়ে অন্য দলের দিকে পা বাড়াচ্ছেন ফুটবলাররা? আসলে নিরাপত্তার অভাব। ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছেন শ্রী সিমেন্ট কর্তারা। স্পোর্টিং রাইটসও ফিরিয়ে দিচ্ছে। সামনের মরশুমের স্পনসর নিয়ে এখনও কিছু চূড়ান্ত করতে পারেননি লালহলুদ কর্তারা। বেশ কয়েকটা স্পনসরের সঙ্গে কথা চলছে। তবে বাংলাদেশের বসুন্ধরা গ্রুপ লালহলুদে লগ্নি করতে আগ্রহী। তা সত্ত্বেও ভরসা পাচ্ছেন না ফুটবলাররা। তাই অন্য ক্লাব খুঁজে নিচ্ছেন হীরা মণ্ডল, নামতে, মহেশ সিং, সৌরভ দাসের মতো ফুটবলাররা।
দেব মানেই টলিউডের সেনশেসন। তাঁর হাঁটা-চলা এক্সপ্রেশন ফলো করেন কিশোর থেকে যুবারা। কিশোরী থেকে পড়ন্ত যৌবনা তাঁর প্রেমে মসগুল। তাদের অনেকেরই হার্টথ্রব হলেন দেব। এই মুহুর্তে টলিউডের সবচেয়ে আলোচিত অবিবাহিত যুবক। দীর্ঘ অভিনয়ের জীবনে এরকম অনেক প্রেমের প্রস্তাব এসেছে। তাঁর প্রেম ও জীবনসঙ্গী নিয়ে গসিপের শেষ নেই সে মিমি থেকে শুরু করে নবাগতা রক্মনী... মাঝে নদী দিয়ে অনেক জল বয়ে গেছে। সেই দেব কে এবার একটু অন্য ভাবে পাওয়া গেল। কর্ম ব্যস্ত জীবনের বাইরে বিদেশে ফ্রি টাইম কাটাচ্ছেন তিনি।🎣 pic.twitter.com/O5m9m6szL4 Dev (@idevadhikari) March 8, 2022সোশ্যাল মিডিয়ায় দুটো ছবি পোস্ট করেছেন তিনি। সেখানে একটা ছবিতে দেখা যাচ্ছে দেব মাছ ধরছেন। আর একটা ছবিতে দেখা যাচ্ছে মাছ ধরার পর হাসিমুখে সেই মাছ নিয়ে দাঁড়িয়ে তিনি। আর এই হাসিমুখের ছবি অনেক মহিলার মন জিতে নিয়েছে। কমেন্ট বস্কে একাধিক কমেন্ট ও এসেছে।একজন ফ্যান লিখেছেন, এই হাসিটা দেখার পর আর কিছুর প্রয়োজন হয় না। আবার একজনের কমেন্ট, টাকা দিয়েও এই হাসি কেনা যাবে না। একজনের আবার ছবিটা এতটাই ভালো লেগেছে যে তিনি লিখেছেন, যদি দাঁত দেখে ক্রাশ খাওয়ার কোনও প্রতিযোগিতা হয় তাহলে আমিই জয়ী হব। কেউ আবার লিখেছেন মাছটা তাঁর মতোই সুন্দর।আবার অনেক বক্রোক্তি -ও এসেছে, অনেকেই বলেছেন এই ছবিটা কারসাজি করা, পিছনের ভদ্রলোকটি কি করে জলের ওপর দাঁড়িয়ে?, কেউ কেউ আবার মাছটিকে গ্রামবাংলার অতি সাধারণ একটি মাছ তেলাপিয়া র সাথেও তুলনা করে লিখেছেন, তেলাপিয়া ধরতে এত দূর যাবার কি দরকার। ছবিটি যে ভাইরাল হয়েছে তা নিয়ে কারোর সন্দেহ নেই। সামাজিক মাধ্যমে দেব জানিয়েছেন মাছটি ধরে তিনি জলেই ছেড়ে দিয়েছেন। এর থেকে তাঁর নম্র মানসিকতার পরিচয় পাওয়া যায়। সামজিক মাধ্যমে তাঁর ফলোয়াররা একটা জিনিস নিয়ে খুবই কৌতূহলী, সেটা হল তাঁর সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া ক্যাপসান এমনি। অনেকটা সেই বিখ্যাত বিজ্ঞাপন আমি তো এমনি এমনি খায়......।আসলে দেব তো তাই। রাজনীতি ও তাঁর কেরিয়ার কে কোনও ভাবেই তিনি মেলাতে দেননি। কঠিন সময়ের মধ্যে একদিকে তাঁর ছবি টনিক যেমন লটারি জিতে নেয়, তাঁর ছবি হাউসফুল থাকে বেশ কয়েক সপ্তাহ তেমনই প্রফেশনের বাইরে মানুষ দেব পুরো আলাদা।সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর পোস্ট করা ছবিগুলোও ব্যতিক্রমী। এবারও মাছ ধরতে গিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি পোস্ট করে সকলের মন জিতে নিলেন।
মেষ/ARIES: অম্লরোগে কষ্ট পেতে পারেন।বৃষ/TAURUS: মুর্চ্ছা যেতে পারেন।মিথুন/GEMINI: পরার্থে ক্ষতি হতে পারে।কর্কট/CANCER: অস্থিরতা বৃদ্ধি পেতে পারে।সিংহ/LEO: মাথার ব্যথা হতে পারে।কন্যা/VIRGO: আনন্দ সংবাদ পেতে পারেন।তুলা/ LIBRA: স্বাস্থ্যের অবনতি হতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: শ্লীলতাহানির শিকার হতে পারেন।ধনু/SAGITTARIUS: ব্যবসায় মন্দা দেখা দিতে পারে।মকর/CAPRICORN: চৌর্যভয় হতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: দাম্পত্যসুখ ভোগ করতে পারেন।মীন/ PISCES: বাসনাপূরণ হতে পারে।
রাজ্যের মন্ত্রীদের একাংশের দায়িত্ব বদলালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে দিলেন অর্থ দপ্তরের স্বাধীন দায়িত্ব। যা এত দিন মুখ্যমন্ত্রী নিজের হাতে রেখেছিলেন। অন্যদিকে, রাজ্যের পরিবহণ ও আবাসন মন্ত্রী এবং কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমকে ফিরিয়ে আনলেন পুর এবং নগরোন্নয়ন দপ্তরের দায়িত্বেও।মমতার প্রথম মন্ত্রিসভায় ফিরহাদ পুর নগরোন্নয়ন দপ্তরেরই মন্ত্রী হয়েছিলেন। ১০ বছর সেই দায়িত্ব সামলেছেন ফিরহাদ। নতুন প্রস্তাবে ফিরহাদকে তাঁর পুরনো দায়িত্বে বহাল রেখে পুর এবং নগরোন্নয়ন দপ্তরে আনা হয়েছে তাঁকে। যা এর আগে সামলাচ্ছিলেন চন্দ্রিমা। চন্দ্রিমা এর আগে অর্থ দপ্তরেরও প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। অমিত মিত্র বিধানসভা ভোটে না দাঁড়ানোয় অর্থ দপ্তরের ভার নিজের হাতে রাখলেও চন্দ্রিমাকে প্রতিমন্ত্রী করেছিলেন মমতা। তবে এ বার চন্দ্রিমাকে ওই দপ্তরেরই স্বাধীন দায়িত্ব দেওয়া হল। তৃণমূল সূত্রে খবর, দলে যাঁরা ভাল কাজ করেছেন তাঁদেরই বিশেষ দায়িত্ব পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয়েছে।
আইএসএলের শেষের দিকে দুরন্ত ছন্দে এগিয়েছে জামশেদপুর এফসি। এইরকম দলের বিরুদ্ধে ২ গোলের ব্যবধানে জেতাটা যে যথেষ্ট কঠিন হবে, সেকথা জানতেন জুয়ান ফেরান্দো। তা সত্ত্বেও স্বপ্ন দেখেছিলেন এটিকে মোহনবাগান কোচ। দলকে লিগ শীর্ষে তোলার, লিগশিল্ড জেতার। একইসঙ্গে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার। জামশেদপুর এফসির কাছে হেরে কোনও স্বপ্নই পূরণ হয়নি জুয়ান ফেরান্দোর। স্বপ্নভঙ্গের যন্ত্রণা নিয়ে সবুজমেরুণ কোচের চোখ এখন আইএসএলের সেমিফাইনালের দিকে।২৪ ঘন্টা কাটতে না কাটতেই জামশেদপুর এফসি ম্যাচ অতীত হয়ে গেছে জুয়ান ফেরান্দোর কাছে। সেমিফাইনালের কথা বলে ফুটবলারদের মোটিভেট করতে শুরু করেছেন সবুজমেরুণ কোচ। লিগ শিল্ড হাতছাড়া হলেও এখনও আইএসএলে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ রয়েছে, ফুটবলারদের এই কথা বলে উদ্বুদ্ধ করতে শুরু করেছেন জুয়ান ফেরান্দো। জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে জেতা কঠিন হবে, সেকথা স্বীকার করে নিয়েছেন। ফেরান্দো বলেন, জামশেদপুর এফসির মতো দলের বিরুদ্ধে ২ গোলের ব্যবধানে জেতাটা সহজ হবে না, জানতাম। ওরা গোল করার পর কাজটা আরও কঠিন হয়ে যায়। ম্যাচে ফেরার জন্য আমরা সবকিছুই করেছিলাম, কিন্তু সফল হতে পারিনি। খুব খারাপ লাগছে। এবার সেমিফাইনাল নিয়ে ভাবতে হবে।চোটের জন্য জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে খেলতে পারেননি দলের সেরা আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার হুগো বোমাস। তাঁর না থাকাটা যে দলকে সমস্যায় ফেলেছে, মানতে নারাজ এটিকে মোহনবাগান কোচ। জুয়ান ফেরান্দো বলেন, কোনও একজন ফুটবলার ছিল না বলে অজুহাত দিতে চাই না। ফুটবলাররা সবরকম চেষ্টা করেছে। ওদের বক্সের সামনে প্রচুর পাস খেলেছি। একাধিক গোলের সুযোগও তৈরি হয়েছিল। কিন্তু ওদের রক্ষণভাগের দৃড়তার জন্য আমরা গোল পাইনি। সেমিফাইনালে সামনে লিগের দ্বিতীয় স্থানে থাকা হায়দরাবাদ এফসি। দারুণ লড়াই হবে, জানিয়েছেন জুয়ান ফেরান্দো। তাঁর কথায়, সেমিফাইনালে যতগুলো দল উঠেছে, সবাই যোগ্য দল হিসেবে উঠে এসেছে। চাপ তো থাকবেই। তবে হায়দরাবাদের মতো ভাল দলের বিরুদ্ধে খেলাটাও ভাল অভিজ্ঞতা। আমার মনে হয় নক আউট পর্বে প্রতিটা ম্যাচই ভাল হবে। প্রত্যেক দলই জেতার চেষ্টা করবে। তবে মনে হয়, ২০টা ম্যাচ হয়ে যাওয়ার পরে এ বার শেষ তিনটি ম্যাচ সবাই উপভোগ করার চেষ্টা করবে।
মেষ/ARIES: প্রতারিত হতে পারেন।বৃষ/TAURUS: বন্ধুর সহায়তা লাভ করতে পারেন।মিথুন/GEMINI: সমাজসেবায় সুনাম কিনতে পারেন।কর্কট/CANCER: শেয়ার বাজারে শুভ।সিংহ/LEO: অংশীদারী ব্যবসায় লাভ করতে পারেন।কন্যা/VIRGO: উদ্বেগবৃদ্ধি হতে পারে।তুলা/ LIBRA: পারিবারিকভাবে শুভ।বৃশ্চিক/Scorpio: কর্মক্ষেত্রে অশান্তি হতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: বঞ্চনার শিকার হতে পারেন।মকর/CAPRICORN: প্রভাব বিস্তার করতে পারেন।কুম্ভ/AQUARIUS: পথে বিপদ হতে পারে।মীন/ PISCES: ঋণমুক্তি হতে পারে।
লিগশিল্ড কাপ জেতার জন্য ২ গোলের ব্যবধানে জিততে হত এটিকে মোহনবাগানকে। স্বপ্ন দেখেছিলেন বাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। দলের ফরোয়ার্ডদের ব্যর্থতায় স্বপ্নপূরণ হল না। জামশেদপুর এফসির কাছে আইএসএলের লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে ১০ ব্যবধানে হেরে গত মরশুমের মতো এবছরও লিগশিল্ড জেতার স্বপ্ন অপূর্নই থেকে গেল সবুজমেরুণ ব্রিগেডের। ২০ ম্যাচে ৩৭ পয়েন্টে লিগ টেবিলে তৃতীয় স্থানে শেষ করল এটিকে মোহনবাগান। ৪৩ পয়েন্টে শীর্ষে জামশেদপুর এফসি। ৩৮ পয়েন্টে দ্বিতীয় স্থানে হায়দরাবাদ এফসি। সেমিফাইনালে এটিকে মোহনবাগান খেলবে হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে। অন্য সেমিফাইনালে জামশেদপুর এফসি খেলবে চতুর্থ স্থানে থাকা কেরালা ব্লাস্টার্সের (৩৪ পয়েন্ট) বিরুদ্ধে।জেতার কথা মাথায় রেখে প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলতে শুরু করে সবুজমেরুণ ব্রিগেড। ম্যাচের প্রথমার্ধে দারুণ দাপট ছিল রয় কৃষ্ণা, লিস্টন কোলাসোদের। কিন্তু গোল তুলে নিতে পারেনি। একের পর এক সুযোগ নষ্ট করেন জনি কাউকো, লিস্টন কোলাসোরা। ১৪ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত এটিকে মোহনবাগান। জনি কাউকোর দুরন্ত ব্যাকহিল থেকে সুবিধাজনক জায়গায় বল পান শুভাশিস বসু। কিন্তু তিনি তিনকাঠির মধ্যে শট রাখতে পারেননি। ২ মিনিট পর আবার সুযোগ এসে গিয়েছিল এটিকে মোহনবাগানের সামনে। লিস্টন কোলাসোর কাছ থেকে বল পেয়ে গোল লক্ষ্য করে শট নেন জনি কাউকো। এল সাবিয়ার মাথায় লেগে বল বাইরে যায়। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুর মিনিট আটেকের মধ্যেই কার্ল ম্যাকহিউকে তুলে ডেভিড উইলিয়ামসকে মাঠে নামান এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। এই পরিবর্তনটাই ব্যাকফুটে ঠেলে দেয় সবুজমেরুণ শিবিরকে। মাঝমাঠের রাশ আলগা হয়ে যায় এটিকে মোহনবাগানের। দখল নিয়ে নেয় জামশেদপুর এফসি। ধীরে ধীরে তারা খেলায় ফেরে।৫৬ মিনিটে এগিয়ে যায় জামশেদপুর এফসি। স্টুয়ার্ট বল ধরে গোল লক্ষ্য করে শট নিতে গেলে লেনি রডরিগেজের পায়ে লেগে ঋত্ত্বিক দাসের কাছে যায়। ঠান্ডা মাথায় জোরালো শটে দলকে এগিয়ে দেন ঋত্ত্বিক দাস। ৬৫ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিল এটিকে মোহনবাগান। জনি কাউকোর কাছ থেকে বল পেয়ে ডেভিড উইলিয়ামস দুরন্ত শট নিয়েছিলেন। ততোধিক তৎপরতার সঙ্গে বাঁচান জামশেদপুর এফসি গোলকিপার টিপি রেহেনেশ।ম্যাচের শেষলগ্নে একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিলেন রয় কৃষ্ণা, ডেভিড উইলিয়ামসরা। কিন্তু তিন কাঠি ভেদ করতে পারেননি। ৯০ মিনিটে সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করেন ডেভিড উইলিয়ামস। ম্যাচের ইনজুরি সময়ে লিস্টন কোলাসো বল সাজিয়ে দেন জনি কাউকোকে। ৬ গজ বক্সের মধ্যে থেকে বারের ওপর দিয়ে উড়িয়ে দেন। অসংখ্য সুযোগ নষ্ট করে জয় অধরা থেকে গেল এটিকে মোহনবাগানের। আসলে দিনটা সবুজমেরুণের ছিল না।