১৪ই নভেম্বর ২০২৫ শুক্রবার, আপনার রাশিচক্র অনুযায়ী দিনটি কেমন কাটবে তা জানতে নিচে প্রতিটি রাশির জন্য সংক্ষিপ্ত রাশিফল দেওয়া হলো:🐏 মেষ (Aries): শুভ কাজের পরিকল্পনা।🐂 বৃষ (Taurus): পরিবারের কারণে খুশি।👥 মিথুন (Gemini): বেতন/ইনসেন্টিভ বাড়তে পারে।🦀 কর্কট (Cancer): প্রেমে মনোমালিন্য।🦁 সিংহ (Leo): পরিচিতদের মাধ্যমে সুযোগ।🌾 কন্যা (Virgo): ব্যবসায় চুক্তি বা ডিল।⚖️ তুলা (Libra): ভ্রমণের সম্ভাবনা।🦂 বৃশ্চিক (Scorpio): পুরস্কার/সাফল্য।🏹 ধনু (Sagittarius): স্বাস্থ্য ভালো।🐐 মকর (Capricorn): অর্থ আসতে দেরি।🌊 কুম্ভ (Aquarius): নতুন বন্ধু, নতুন সুযোগ।🐟 মীন (Pisces): অফিসে প্রশংসা।যে কোনও সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য যোগাযোগ করুনঃ শ্রী সূপর্ণ (জ্যোতিষী)যোগাযোগঃ ৯৮৩০০৬৫২৪০, ওয়েবসাইটঃ www.srisuparna.com
দিল্লির বুক কাঁপিয়ে গেল এক ভয়াবহ বিস্ফোরণ! লালকেল্লার সামনে সোমবারের (১০ নভেম্বর) সেই বিস্ফোরণ যে নিছক কোনও দুর্ঘটনা নয়, বরং পরিকল্পিত সন্ত্রাসবাদী হামলাই ছিল, তা এখন আর কারও অজানা নয়। বুধবার কেন্দ্রীয় সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করলএটি ছিল এক ঘৃণ্য টেরর অ্যাটাক।বুধবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে বৈঠকে বসে নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্যাবিনেট কমিটি। উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। বৈঠকের শুরুতেই দুই মিনিটের নীরবতা পালন করা হয় লালকেল্লা বিস্ফোরণে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে। এরপর কেন্দ্র স্পষ্ট জানিয়ে দেয়এটি দেশবিরোধী শক্তির পরিকল্পিত হামলা, যার উদ্দেশ্য ছিল ভারতের নিরাপত্তা ও ঐক্যকে চ্যালেঞ্জ করা।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশে ফেরার পরই সরাসরি ছুটে যান দিল্লির লোক নায়ক জয়প্রকাশ নারায়ণ হাসপাতালে। সেখানে আহতদের সঙ্গে কথা বলেন, চিকিৎসকদের পাশে দাঁড়িয়ে আশ্বাস দেন যে এই জঘন্য ঘটনার দায়ে জড়িতদের একটিকেও ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, ভারত সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে। যারা এই হামলার পিছনে, তাদের শাস্তি হবেই।এই ঘটনার পর দেশজুড়ে নিরাপত্তা আরও কড়া করা হয়েছে। গোয়েন্দারা খতিয়ে দেখছেন, কোথা থেকে এবং কারা এই হামলার পরিকল্পনা করেছিল। ইতিমধ্যেই দিল্লি পুলিশের পাশাপাশি এনআইএ-র একটি বিশেষ দল ঘটনাস্থল ঘিরে তদন্ত শুরু করেছে।১০ নভেম্বর বিকেলে লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের কাছে একটি হুন্ডাই আই-২০ গাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়। মুহূর্তে আগুন ছড়িয়ে পড়ে, একের পর এক গাড়ি উড়ে যায়। বিস্ফোরণের তীব্রতায় আশপাশের দোকান ও বাড়ির জানলার কাচ পর্যন্ত ভেঙে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের কথায়, একটা বোমার আওয়াজে যেন কেঁপে উঠেছিল গোটা এলাকা!এখন প্রশ্ন একটাইকাদের হাত এই হামলার পিছনে? গোটা দেশ তাকিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার দিকে। প্রধানমন্ত্রী থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরাসবার এক সুর, ভারতকে ভয় দেখানো যাবে না।দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই হামলার নিন্দা জানানো হয়েছে। বিদেশ থেকেও একাধিক দেশ ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সমর্থনের বার্তা দিয়েছে। এদিকে কেন্দ্র জানিয়েছে, অভিযুক্তদের দ্রুত শনাক্ত করে কঠোরতম সাজা দেওয়া হবে।
রাজ্যে মৃত ভোটারের সংখ্যা নাকি ছুঁইছুঁই ৪৩ লক্ষ! চমকে দিয়েছে এই পরিসংখ্যান। রাজ্যের ভোটার তালিকায় এত বিপুল সংখ্যক মৃত মানুষের নাম কীভাবে থেকে গেল, তা নিয়েই এখন তোলপাড় নির্বাচন কমিশনে। মৃত ভোটারের সঠিক সংখ্যা জানতেই এবার সরাসরি উদ্যোগী হয়েছে কমিশন।সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই আধার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছে নির্বাচন কমিশন। সেই বৈঠকে প্রকাশ পেয়েছে অবাক করা তথ্যআধারের রেকর্ড অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে অন্তত ৪৩ লক্ষ ভোটার আর জীবিত নন। ব্যাঙ্কে যাদের KYC আপডেট বন্ধ হয়ে গিয়েছে, আধার তথ্য বিশ্লেষণ করে সেই হিসেবই সামনে এসেছে। আরও জানা গিয়েছে, প্রায় ১৩ লক্ষ নাগরিকের আধার নম্বরই ছিল নাতাঁরা ইতিমধ্যেই প্রয়াত হয়েছেন।এই বিশাল গরমিল মেটাতে কমিশনের তরফে জেলাশাসকদের বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এবার থেকে জেলার প্রশাসকদের খতিয়ে দেখতে হবে, বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পযেমন বিধবা ভাতা, সমব্যাথী প্রকল্পএ কারা এখনও সুবিধাভোগী হিসেবে তালিকাভুক্ত আছেন। মৃত ব্যক্তিদের নাম থাকলে দ্রুত তা বাতিল করতে হবে বলে নির্দেশ।ইতিমধ্যেই রাজ্যে এনুমারেশন ফর্ম বিলির কাজ প্রায় শেষের পথে। বুধবার পর্যন্ত ৬ কোটি ৮৭ লক্ষ ফর্ম বিলি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে কমিশন সূত্রে খবর, শিলিগুড়ি, কালিয়াগঞ্জ, রাণাঘাট উত্তর-পূর্ব, খড়দহ, পানিহাটি, বিধাননগর, সোনারপুর, টালিগঞ্জ, বেহালা, মহেশতলা, মেটিয়াব্রুজ, হাওড়া উত্তর ও দক্ষিণ, সিউড়ি, আলিপুরদুয়ার, কুলটি, কসবা সহ একাধিক কেন্দ্রে এখনও ৭৫ শতাংশের কম ফর্ম বিতরণ হয়েছে।কমিশনের অভ্যন্তরীণ মহল বলছে, মৃত ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার এই বিশাল কাজটাই এবার ভোট প্রস্তুতির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ ৪৩ লক্ষ নাম যদি সত্যিই মৃত ভোটারদের হয়, তাহলে রাজ্যের ভোটার তালিকা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে বাধ্য।
১৩ই নভেম্বর ২০২৫ বৃহস্পতিবার, আপনার রাশিচক্র অনুযায়ী দিনটি কেমন কাটবে তা জানতে নিচে প্রতিটি রাশির জন্য সংক্ষিপ্ত রাশিফল দেওয়া হলো:🐏 মেষ (Aries): বাধা দূর হবে।🐂 বৃষ (Taurus): অর্থ আসবে, খরচও বাড়বে।👥 মিথুন (Gemini): কাজে গতি।🦀 কর্কট (Cancer): নতুন পরিকল্পনা সফল।🦁 সিংহ (Leo): চাকরি পরিবর্তনের চিন্তা।🌾 কন্যা (Virgo): প্রেমে অগ্রগতি।⚖️ তুলা (Libra): আইনি/কাগজপত্রে সুবিধা।🦂 বৃশ্চিক (Scorpio):হঠাৎ লাভ।🏹 ধনু (Sagittarius):বন্ধুর উপকার।🐐 মকর (Capricorn): মাথায় চাপ, ফল ভালো।🌊 কুম্ভ (Aquarius): বিদেশ যোগাযোগ থেকে খবর।🐟 মীন (Pisces): সম্পত্তি সংক্রান্ত সুবিধা।যে কোনও সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য যোগাযোগ করুনঃ শ্রী সূপর্ণ (জ্যোতিষী)যোগাযোগঃ ৯৮৩০০৬৫২৪০
১২ই নভেম্বর ২০২৫ মঙ্গলবার, আপনার রাশিচক্র অনুযায়ী দিনটি কেমন কাটবে তা জানতে নিচে প্রতিটি রাশির জন্য সংক্ষিপ্ত রাশিফল দেওয়া হলো:🐏 মেষ (Aries): নিজ সিদ্ধান্তেই সাফল্য।🐂 বৃষ (Taurus): স্বাস্থ্য দেখুন।👥 মিথুন (Gemini): ইন্টারভিউ/প্রমোশনের সম্ভাবনা।🦀 কর্কট (Cancer): বকেয়া টাকা আসতে পারে।🦁 সিংহ (Leo): সম্পর্ক ভালো থাকবে।🌾 কন্যা (Virgo): অফিসে চাপ কমবে।⚖️ তুলা (Libra): হঠাৎ ভ্রমণ বা সুযোগ।🦂 বৃশ্চিক (Scorpio):পরিবারে আনন্দ।🏹 ধনু (Sagittarius):ব্যবসায় বড় লাভ।🐐 মকর (Capricorn): নতুন কোর্স/শিক্ষার যোগ।🌊 কুম্ভ (Aquarius): পুরনো বন্ধুর যোগাযোগ।🐟 মীন (Pisces): বাড়িতে সম্মান ও প্রশংসা।
১১ই নভেম্বর ২০২৫ মঙ্গলবার, আপনার রাশিচক্র অনুযায়ী দিনটি কেমন কাটবে তা জানতে নিচে প্রতিটি রাশির জন্য সংক্ষিপ্ত রাশিফল দেওয়া হলো:🐏 মেষ (Aries): কাজের চাপ কমে আরাম।🐂 বৃষ (Taurus): অর্থ বিনিয়োগে লাভ।👥 মিথুন (Gemini): নতুন পরিচয় উপকারে আসবে।🦀 কর্কট (Cancer): মন খারাপ বা অস্থিরতা। বিশ্রাম নিন।🦁 সিংহ (Leo): নেতৃত্বের সুযোগ।🌾 কন্যা (Virgo): ভুল বোঝাবুঝি মিটবে।⚖️ তুলা (Libra): আনন্দের খবর।🦂 বৃশ্চিক (Scorpio): চাকরিতে অগ্রগতি।🏹 ধনু (Sagittarius): প্রেমে সুখবর।🐐 মকর (Capricorn): খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।🌊 কুম্ভ (Aquarius): ব্যবসা থেকে লাভ।🐟 মীন (Pisces):নতুন কাজ/বিদেশ যোগাযোগ।
১০ নভেম্বর ২০২৫ সোমবার, আপনার রাশিচক্র অনুযায়ী দিনটি কেমন কাটবে তা জানতে নিচে প্রতিটি রাশির জন্য সংক্ষিপ্ত রাশিফল দেওয়া হলো:🐏 মেষ (Aries): নতুন কাজের যোগ। অর্থ লাভ। 🐂 বৃষ (Taurus): পরিবারে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ধৈর্য দরকার।👥 মিথুন (Gemini): ভ্রমণ বা নতুন যোগাযোগ।🦀 কর্কট (Cancer): খরচ বাড়বে, স্বাস্থ্য সতর্ক।🦁 সিংহ (Leo): সম্মান ও প্রশংসা।🌾 কন্যা (Virgo): অফিসের চাপ, ফল ইতিবাচক। ⚖️ তুলা (Libra): বন্ধুর সহায়তায় কাজ এগোবে।🦂 বৃশ্চিক (Scorpio): ব্যবসায় লাভ, টাকা ফেরত মিলতে পারে।🏹 ধনু (Sagittarius): পারিবারিক খুশি। 🐐 মকর (Capricorn): নতুন দায়িত্ব।🌊 কুম্ভ (Aquarius): প্রেমে শুভ সময়।🐟 মীন (Pisces): কাগজপত্রে সতর্কতা দরকার।
দিল্লির ভয়াবহ বিস্ফোরণের ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই একই কায়দায় বিস্ফোরণ এবার ইসলামাবাদে। মঙ্গলবার দুপুরে পাকিস্তানের রাজধানীর একটি আদালতের বাইরে ঘটে ভয়াবহ বিস্ফোরণ। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১২ জনের। আহতের সংখ্যা বহু। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, এটি আত্মঘাতী হামলাও হতে পারে।মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ ইসলামাবাদের আদালত চত্বরের পার্কিং এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা একটি গাড়িতে আচমকা বিস্ফোরণ হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে চারপাশে। ভয়াবহ আওয়াজে কেঁপে ওঠে আশপাশের এলাকা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের শব্দ ছয় কিলোমিটার দূর পর্যন্ত শোনা যায়। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বেশ কয়েকটি গাড়ি। ঘটনার সময় আদালত চত্বরে উপস্থিত ছিলেন বহু আইনজীবী, বিচারপ্রার্থী ও সাধারণ মানুষ।বিস্ফোরণের পরই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় পুলিশ, দমকল এবং উদ্ধারকারী দল। আহতদের দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ইতিমধ্যেই ইসলামাবাদ, রাওয়ালপিন্ডি এবং করাচি-সহ পাকিস্তানের প্রধান শহরগুলিতে জারি করা হয়েছে উচ্চ সতর্কতা। গোটা এলাকা ঘিরে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।প্রাথমিক অনুমান, গাড়ির মধ্যে রাখা গ্যাস সিলিন্ডার থেকেই বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। তবে নাশকতার দিকটিও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। পুলিশের এক শীর্ষকর্তা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের ধরণ দেখে মনে হচ্ছে, এর মধ্যে মানবসৃষ্ট উপাদানও থাকতে পারে। ঘটনাস্থলে ফরেনসিক টিম কাজ শুরু করেছে।উল্লেখযোগ্যভাবে, এর ঠিক একদিন আগে সোমবার সন্ধ্যায় দিল্লির লালকেল্লার কাছে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। সেই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল অন্তত ১৩ জনের। তদন্তে উঠে এসেছে, বিস্ফোরণটি ঘটানো হয়েছিল গাড়ির ভিতর থেকে। একই ধাঁচে মঙ্গলবার ইসলামাবাদেও বিস্ফোরণ হওয়ায় জঙ্গি নেটওয়ার্ক জুড়ে আশঙ্কা ছড়িয়েছে।দিল্লি ও ইসলামাবাদে টানা দুই দিনে ঘটে যাওয়া এই দুই বিস্ফোরণ এখন আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মহলে চাঞ্চল্য তৈরি করেছে। ভারতীয় গোয়েন্দা মহলও ঘটনাটির দিকে নজর রাখছে বলে সূত্রের খবর।
অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি ১৯৯৫ সাল থেকে বিধাননগর পুরসভার কাউন্সিলর, ২০১৫ সালে বিধাননগরের মেয়র, ২০১৬ সালে নিউটাউনের বিধায়ক এমন একজন তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্ত (Sabyasachi Dutta) নিজেই খুঁজে পাচ্ছেন না নিজের নাম ভোটার তালিকায়! শুধু তিনি নন, নেই তাঁর স্ত্রী ইন্দ্রাণী দত্তের নামও। বিষয়টি জানাজানি হতেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য।বিধাননগর কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান সব্যসাচীর অভিযোগ, ২০০২ সালের ভোটার তালিকা থেকে উধাও তাঁর নাম। অথচ, এক সময় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু, প্রাক্তন সাংসদ সরলা মাহেশ্বরী, অ্যাডভোকেট জেনারেল নরনারায়ণ গুপ্ত প্রমুখ ছিলেন তাঁরই ভোটার! নিজেকে প্রমাণে তিনি সামনে আনেন ২০০০ সালের কাউন্সিলর পদে জেতার সার্টিফিকেটও।ক্ষুব্ধ সব্যসাচীর কথায়, আমার নাম যদি ২০০২ সালের তালিকায় না থেকে থাকে, তবে সেই সময় জ্যোতি বসুর মতো ব্যক্তিত্বরা আমার ভোটার হলেন কী করে? আমি টানা কাউন্সিলর ছিলাম, মেয়রও হয়েছি। আজ আমার নামটাই উধাও! তিনি আরও বলেন, এই এনুমারেশন ফর্ম কীভাবে পূরণ করব জানি না। অনেকবার জেলাশাসক এবং নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেছি, কিন্তু কোনও সুরাহা নেই। ফর্ম ফাঁকাই জমা দেব বলে ভাবছি।প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, সব্যসাচীর সল্টলেকের বাড়ি ডিএল ২৩৯ নম্বরে, থানা বিধাননগর পূর্ব। ওই পাড়ার মোট আটটি বাড়ি ডিএল ২৩২ থেকে ২৪০ সবগুলিই উধাও ২০০২ সালের ভোটার তালিকা থেকে। অনুমান করা হচ্ছে, ডিলিমিটেশনের পর হয়তো ওই সব ঠিকানা ভুলবশত অন্য কোনও বিধানসভার সাপ্লিমেন্টারি পার্টে চলে গিয়েছে।একসময় এই অঞ্চল ছিল রাজ্যের অন্যতম বড় বিধানসভা বেলগাছিয়া পূর্বের অন্তর্ভুক্ত। এখন সেটি বিধাননগর বিধানসভা। প্রশাসনের দাবি, তালিকার ডেটা মার্জিং ত্রুটি-র কারণেই এমন বিপত্তি ঘটেছে।রাজনৈতিক মহল বলছে, নির্বাচন কমিশনের এই গাফিলতি শুধু প্রশাসনিক নয়, বড়সড় লজ্জার বিষয়। টানা জননেতা হিসেবে জনপ্রিয় সব্যসাচীর নিজের নামই ভোটার তালিকা থেকে উধাও হওয়ায় প্রশ্ন উঠছে তাহলে সাধারণ ভোটারদের অবস্থা কী!
দিল্লির বুক কাঁপিয়ে দিয়েছে ভয়াবহ বিস্ফোরণ। লালকেল্লার কাছেই বিস্ফোরণে ইতিমধ্যেই প্রাণ গিয়েছে নয় জনের। ঘটনার পরই উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-র সূত্রে জানা গিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে সীমান্ত পেরনোর সময় সন্দেহভাজন গাড়িটির ভিতরে এক ব্যক্তির হাত ও অস্পষ্ট মুখ। তদন্তকারীদের মতে, সেই ব্যক্তিই সম্ভবত পুলওয়ামার চিকিৎসক মহম্মদ উমর যিনি ফরিদাবাদের বিস্ফোরণ চক্রের মূল হোতা হিসেবে পরিচিত।তদন্তে প্রকাশ, ফরিদাবাদের ঘটনায় সহযোগী চিকিৎসক মুজাম্মিল শাকিলের গ্রেফতারির পর থেকেই উমর ছিলেন আতঙ্কে। সেই থেকেই নাকি আত্মঘাতী হামলার ছক কষতে শুরু করেন তিনি। উমরই বিস্ফোরক বোঝাই হুন্ডাই আই২০ গাড়িটি চালাচ্ছিলেন বলে আশঙ্কা পুলিশের। ওই গাড়ির মালিক মহম্মদ সলমনকে ইতিমধ্যেই আটক করা হয়েছে। তাঁর দাবি, দেড় বছর আগেই গাড়িটি বিক্রি করে দেন তিনি। তারপর আরও দুইবার হাতবদল হয়ে গাড়িটি পৌঁছয় পুলওয়ামার তারিক নামে এক ব্যক্তির কাছে। তাকেও হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।তদন্তকারীদের বক্তব্য, দিল্লির বিস্ফোরণ ও ফরিদাবাদের বিস্ফোরক উদ্ধারের মধ্যে অদ্ভুত মিল রয়েছে। দুটি ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা হয়েছে একই মডেলের আইইডি ডিভাইস। সুতরাং এই দুটি ঘটনার মধ্যে যোগসূত্র থাকা একেবারেই উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এখন কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা উমরের ফোন রেকর্ড, ব্যাংক ট্রানজ্যাকশন ও পেশেন্ট ডেটা খতিয়ে দেখছে।সূত্রের দাবি, উমরের মোবাইল থেকে পাকিস্তানের বালাকোটে এক সন্দেহভাজন নম্বরে বারবার যোগাযোগের চিহ্ন মিলেছে। এই মুহূর্তে দিল্লি, কাশ্মীর ও ফরিদাবাদ পুলিশ যৌথভাবে তদন্ত চালাচ্ছে। বিস্ফোরণ পরবর্তী এই গোটা রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে প্রতি ঘণ্টা।
সুন্দরবনের অন্তঃস্থল থেকে উঠে এসেছে এক অনন্য ভালোবাসার গল্প। সমাজের বাঁধা, কুসংস্কার, এবং অগণিত বাধা পেরিয়ে একে অপরকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন রিয়া সর্দার ও রাখি নস্কর। তাঁদের সাহসিকতা, আত্মবিশ্বাস, এবং সত্যিকারের ভালোবাসা গোটা বাংলাকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল আবেগে। এবার সেই দুই তরুণীর সঙ্গেই দেখা করতে যাচ্ছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ ও তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এর আগেও রিয়া ও রাখির সম্পর্কের খবর প্রকাশ্যে আসতেই তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা ও সমর্থন জানিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রকাশ্যে বলেছিলেন, এই দুই কন্যা বাংলা ও বাঙালির গর্ব। তাঁদের জন্য তৃণমূলের পক্ষ থেকে আয়োজিত সংবর্ধনা সভায় ফোন মারফত বার্তা পাঠিয়ে অভিষেক জানিয়েছিলেন, আমার খুবই ভাল লেগেছে সুন্দরবনের মাটিতে এমন ইতিহাস তৈরি হয়েছে। রিয়া ও রাখি দেখিয়ে দিয়েছে, ভালোবাসা কোনও সীমারেখায় আটকে থাকে না না ধর্মে, না বর্ণে, না লিঙ্গে।অভিষেকের বার্তায় আরও বলা হয়, দুজনেই জানত, সমাজের চোখ রাঙানি আসবেই, বাধা আসবেই। তবুও তাঁরা পিছিয়ে যায়নি। একসঙ্গে থাকার জন্য লড়াই চালিয়ে গেছে। তাঁদের এই সাহসিকতার জন্য আমি তাঁদের কুর্নিশ জানাই। সেই সঙ্গে গ্রামবাসীকেও ধন্যবাদ জানাই তাঁরা রিয়া ও রাখির পাশে দাঁড়িয়ে ভালোবাসার জয়ে নিজেদের মানুষত্ব প্রমাণ করেছেন।অভিষেক আরও যোগ করেন, রিয়া ও রাখি শুধু একে অপরের ভালোবাসার প্রতীক নয়, তাঁরা মানবতার প্রতীক। এটা কেবল দুটি মানুষের বিয়ে নয় এটা বাংলার গর্ব, ভারতের গর্ব। আমি তাঁদের শুভেচ্ছা জানাই এবং তাঁদের গ্রামের মানুষদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই, যারা এই ভালোবাসাকে হৃদয় দিয়ে গ্রহণ করেছেন।রাজনৈতিক নেতা হয়েও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এমন বার্তা এখন ভাইরাল হয়ে উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে এমন মানবিক ও সাহসিকতার পাশে দাঁড়ানোর পদক্ষেপকে অনেকে বাংলার প্রগতিশীলতার প্রতীক বলে আখ্যা দিয়েছেন।এখন সকলের নজর অভিষেকের আসন্ন সফরের দিকে কবে তিনি পৌঁছবেন সুন্দরবনের সেই গ্রামে, যেখানে দুই তরুণী তাঁদের ভালোবাসা দিয়ে সমাজের গোঁড়ামিকে হার মানিয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে খবর, খুব শীঘ্রই অভিষেক তাঁদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন এবং সরাসরি শুভেচ্ছা জানাবেন।
অপারেশন সিঁদুরের ধাক্কা সামলাতে না সামলাতেই ফের আন্তর্জাতিক মঞ্চে চাপের মুখে পাকিস্তান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিস্ফোরক দাবি ইসলামাবাদ গোপনে পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষা চালাচ্ছে! ট্রাম্পের মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে ভূ-রাজনৈতিক তোলপাড়। আর সেই দাবিকে ঘিরে রবিবার পাকিস্তানকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।রবিবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে রাজনাথ সিং বলেন, ওরা যদি সত্যিই পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষা করে, তাহলে করুক। ওদের থামানো যাবে না। তবে ভারতও যে কোনও পরিস্থিতির মোকাবিলার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। প্রশ্ন ওঠে, পাকিস্তান যদি সত্যিই পরমাণু বিস্ফোরণ চালায়, ভারতও কি পাল্টা পরীক্ষা করবে? রাজনাথের জবাব, আগে ওরা করুক, তারপর দেখা যাবে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তান, রাশিয়া, চিন এবং উত্তর কোরিয়া এই চার দেশ গোপনে পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে। তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে একাধিক ভূমিকম্প আসলে গোপন পারমাণবিক বিস্ফোরণের ফল। বিশেষ করে এপ্রিল-মে মাসে আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্তে যে ৪.০ থেকে ৪.৭ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল, তা ১৯৯৮ সালে পাকিস্তানের চাগাই-১ ও চাগাই-২ বিস্ফোরণের তীব্রতার সঙ্গে মিলে যায়।এই দাবির পরই আন্তর্জাতিক পরমাণু নিরাপত্তা সংস্থাগুলির তরফে তদন্তের দাবি উঠেছে। ইসলামাবাদ যদিও এখনও পর্যন্ত এ নিয়ে মুখ খোলেনি। তবে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের প্রতিক্রিয়া এসেছে বেশ কড়া ভাষায়। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, পাকিস্তানের গোপন ও বেআইনি পারমাণবিক কর্মকাণ্ড কোনও নতুন বিষয় নয়। দশকের পর দশক ধরে ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক রপ্তানি আইন ভেঙে, চোরাপথে চুক্তি করেছে। ভারত বরাবরই সেই তথ্য আন্তর্জাতিক মহলে তুলে ধরেছে।ট্রাম্পের দাবি ও রাজনাথ সিংয়ের মন্তব্যের পর আন্তর্জাতিক মহলে তৈরি হয়েছে নতুন উত্তেজনা। দক্ষিণ এশিয়ায় ফের বাড়ছে পারমাণবিক তাপমাত্রা। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, পাকিস্তানের গোপন পরীক্ষা নিয়ে ট্রাম্পের বক্তব্য কেবল রাজনৈতিক বার্তা নয়, বরং ভবিষ্যতের একটি বড় সংঘাতের ইঙ্গিতও বটে।ভারতীয় কূটনীতিক মহলের দাবি, ইসলামাবাদকে ঘিরে এখন আন্তর্জাতিক নজরদারি বাড়বে। আর নয়াদিল্লি জানিয়ে দিয়েছে পাকিস্তান যতই গোপনে ষড়যন্ত্র পাকাক, ভারত প্রস্তুত আছে প্রত্যেক পরিস্থিতির জন্য।
পশ্চিম আফ্রিকার অশান্ত দেশ মালিতে ফের ভয়ঙ্কর ঘটনা। জঙ্গি-প্রবণ কোবরি অঞ্চলে সশস্ত্র আততায়ীদের হাতে অপহৃত হয়েছেন পাঁচজন ভারতীয় প্রকৌশলী। বৃহস্পতিবারই তাঁদের তুলে নিয়ে যায় একদল বন্দুকধারী। এখনও পর্যন্ত কোনও জঙ্গি সংগঠন অপহরণের দায় স্বীকার করেনি। তবে প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, অপহরণের খবর সত্যি।সূত্রের খবর, ওই পাঁচ ভারতীয় একটি বেসরকারি সংস্থার হয়ে মালির পশ্চিমাঞ্চলে বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজে নিযুক্ত ছিলেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে হঠাৎ একদল সশস্ত্র জঙ্গি তাঁদের গাড়ি ঘিরে ধরে এবং জোর করে তুলে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তাঁদের কোনও খোঁজ মেলেনি। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, বাকি ভারতীয় কর্মীদের আপাতত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।মালির সেনাশাসিত সরকার জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে এই অপহরণের পেছনে কারা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। প্রশাসনের আশঙ্কা আল কায়দা-ঘনিষ্ঠ Jamaat Nusrat al-Islam wal-Muslimin (JNIM) বা ইসলামিক স্টেটের কোনও গোষ্ঠী এর সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে।উল্লেখ্য, ২০১২ সাল থেকে পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশটি ক্রমাগত জেহাদিদের কবলে। আল কায়দা ও ইসলামিক স্টেট-ঘনিষ্ঠ গোষ্ঠীগুলি প্রায়শই বিদেশি নাগরিকদের অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করে। সম্প্রতি সেপ্টেম্বরে দুজন আরব ও একজন ইরানি নাগরিককে অপহরণ করেছিল জেএনআইএম জঙ্গিরা। পরে ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মুক্তিপণের বিনিময়ে তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয়। ফলে প্রশাসনের ধারণা, এই অপহরণও মুক্তিপণ-লক্ষ্যেই হতে পারে।বিদেশমন্ত্রকের তরফে এখনও কোনও সরকারি বিবৃতি জারি হয়নি। তবে নয়াদিল্লির সূত্রে জানা গিয়েছে, স্থানীয় দূতাবাসের মাধ্যমে পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে। ভারতীয় দফতরগুলিতে উদ্বেগ ছড়িয়েছে।মালিতে বিদেশিদের অপহরণের ঘটনা নতুন নয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ফরাসি, কানাডীয় এবং ইতালীয় নাগরিকদেরও জঙ্গিদের হাতে অপহৃত হতে দেখা গেছে। বর্তমানে সেনা জুন্টা ক্ষমতায় থাকলেও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ কার্যত অচল। গ্রামের পর গ্রাম জেহাদিদের দখলে।যদিও পাঁচ ভারতীয় প্রকৌশলীর নাম-পরিচয় এখনো প্রকাশ্যে আনা হয়নি, তবে প্রশাসন বলছে, তাঁরা সম্ভবত বিহার ও উত্তর প্রদেশের বাসিন্দা। ঘটনাটি জানাজানি হতেই তাঁদের পরিবারগুলিতে শুরু হয়েছে চরম উৎকণ্ঠা।এখন প্রশ্ন একটাই এই পাঁচ ভারতীয় কি মুক্তিপণের দাবিতে বন্দি, না আরও ভয়ঙ্কর কিছু ঘটেছে? মালির মরুভূমিতে নিখোঁজ এই প্রকৌশলীদের খোঁজে মরিয়া প্রশাসন।
বিহারে প্রথম দফার ভোট শেষ। রাজ্যজুড়ে রেকর্ড ভোটিং ৬৪.৬ শতাংশ। রাজনৈতিক দলগুলো যখন অঙ্ক কষতে ব্যস্ত, ঠিক তখনই ফের আলোচনায় এলেন প্রাক্তন ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর। তাঁর বিস্ফোরক দাবি, লালু প্রসাদ যাদবের ভয় দেখিয়ে ভোট জিততে চাইছেন নরেন্দ্র মোদি!বিহারের রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ প্রশান্ত কিশোরের কথায়, বিজেপি এবং এনডিএর একমাত্র অস্ত্র এখন লালুর ভয়। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদি বিহারের ভোটারদের মনে লালু প্রসাদ যাদবের ভয় ঢুকিয়ে দিতে চাইছেন। কারণ, তাঁর আর বলার মতো নতুন কিছু নেই। গত কয়েক দশক ধরে এনডিএ-র মূল স্ট্র্যাটেজিই হচ্ছে এই ভয় দেখিয়ে ভোট তোলা যাতে মানুষ ভাবে, কাজ হোক বা না হোক, অন্তত জঙ্গলরাজ ফিরে আসেনি।কিশোর আরও বলেন, কিন্তু সময় বদলে গেছে। আজকের বিহারের মানুষ বিকল্প খুঁজছে। সেই বিকল্প জন সুরজ। মোদি যদি বলেন জঙ্গলরাজ ফিরবে না, তাহলে প্রশ্ন ওঠে, এত বছর পরেও আপনি (এনডিএ) কেন?রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে প্রশান্ত কিশোরের এই মন্তব্য নিঃসন্দেহে বিজেপিকে চাপে ফেলবে। তাঁর দল জন সুরজ-এর বার্তা ইতিমধ্যেই তরুণ ভোটারদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে।উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী মোদি নিজের প্রচারে জঙ্গলরাজ প্রসঙ্গ তুলে আরজেডি ও তেজস্বী যাদবকে আক্রমণ করেছিলেন। মোদি বলেন, বিহারের তরুণরা যেন পুরোনো প্রজন্মের মুখে শোনে, লালুর আমলে কেমন ছিল অপরাধের দৌরাত্ম্য। এনডিএ বিহারকে সেই জঙ্গলরাজ থেকে মুক্ত করেছে।বিহারের রাজনীতিতে জঙ্গলরাজ শব্দটি বহু বছর ধরে বিজেপির অন্যতম প্রধান প্রচার অস্ত্র। লালু প্রসাদ যাদবের শাসনকাল যেখানে আইনশৃঙ্খলা প্রশ্নে রাজ্য প্রায় অচল হয়ে পড়েছিল আজও রাজনৈতিক প্রচারে ঘুরে ফিরে আসে। কিন্তু প্রশান্ত কিশোরের বক্তব্যে এবার সেই প্রচারই প্রশ্নের মুখে।প্রথম দফার ভোটে ৬৪.৬ শতাংশ ভোট পড়েছে যা বিহারের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। ২০০০ সালে ভোট পড়েছিল ৬২ শতাংশ। অর্থাৎ, বিহারের মানুষ এবার আগের চেয়ে বেশি আগ্রহী, বেশি সক্রিয়। ফলে, দ্বিতীয় দফার আগে প্রশান্ত কিশোরের এই মন্তব্য রাজনৈতিক তাপমাত্রা আরও বাড়াবে বলেই মনে করা হচ্ছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, প্রশান্ত কিশোরের এই মন্তব্য নিছক কৌশল নয়, বরং দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে জন সুরজ-এর পক্ষে পরিবেশ তৈরির প্রচেষ্টা।
কলকাতা পুরসভায় ফের দুর্নীতির গন্ধ! রাজ্য পুলিশের দুর্নীতি দমন শাখার হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন পুরসভার প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার পার্থ চোঙদার। অভিযোগ, সরকারি চাকরি করেও আয় বহির্ভূত বিপুল সম্পত্তির মালিক তিনি। তদন্তে উঠে এসেছে এমন সব চমকপ্রদ তথ্য, যা শুনে হতবাক তদন্তকারীরাও।পুলিশ সূত্রে খবর, ২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত সময়কালে পার্থ চোঙদার বেতন পেয়েছেন মোটে ৫৬ লক্ষ টাকা, অথচ তাঁর নামে ও বেনামে পাওয়া গিয়েছে ৬ কোটিরও বেশি সম্পত্তি! এই বিপুল পার্থক্যই তাঁকে এনে দিয়েছে দুর্নীতি দমন শাখার জালে।তদন্তে জানা গিয়েছে, পার্থর একাধিক ফিক্সড ডিপোজিট, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ও রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগ রয়েছে। নিউটাউনের এক রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে ২৮ লক্ষ টাকার এফডি। এছাড়াও বিভিন্ন বেসরকারি ব্যাঙ্কে ১০ লক্ষ, ২০ লক্ষ ও ২৫ লক্ষ টাকার একাধিক ফিক্সড ডিপোজিট। এমনকি শ্বশুরবাড়ির নথি ব্যবহার করেও খুলেছেন ৫-৬টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, যেখানে রাখা রয়েছে কোটি টাকার লেনদেন।কলকাতা ও আশপাশের এলাকায় রয়েছে ৬টি ফ্ল্যাট, বোলপুরে ৩৬ লক্ষ টাকার বাংলো, স্ত্রীর নামে একটি রিয়েল এস্টেট কোম্পানি, আর ব্যাঙ্ক লকারে ৭৩৪.৮৫ গ্রাম সোনা। শুধু তাই নয়, জীবনবিমা, বিদেশযাত্রা এবং বিলাসবহুল জীবনযাপন সবই মিলে তাঁর আয়-সম্পত্তির হিসাবে ফাঁকফোকর চোখে পড়ার মতো।দুর্নীতি দমন শাখা সূত্রে খবর, এই বিপুল সম্পত্তির উৎস নিয়ে প্রথম থেকেই সন্দেহ ছিল। সেই সূত্রে ২০২৩ সালে পার্থর বাড়িতে হানা দেয় তদন্তকারীরা। প্রায় দুই বছর ধরে চলা তদন্তের পর অবশেষে শুক্রবার তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এখন প্রশ্ন একটাই এই বিপুল টাকা এল কোথা থেকে? কোনও বেআইনি কার্যকলাপ, কমিশন বা দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন কি তিনি? এই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে তদন্তকারীরা।কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম আগেই জানিয়েছিলেন, পুরসভার কোনও কর্মী দুর্নীতিতে যুক্ত হলে রেয়াত করা হবে না। তাই পার্থ চোঙদারের বিরুদ্ধে এবার স্পষ্ট জিরো টলারেন্স নীতি-তেই এগোচ্ছে প্রশাসন। শনিবার আদালতে তোলা হয়েছে ধৃত ইঞ্জিনিয়ারকে।পুরসভা মহলে এখন গুঞ্জন এক পার্থ ধরা পড়েছে, কিন্তু আরও কতজন এখনো রয়ে গিয়েছেন অন্ধকারে? তদন্তের জালে আরও বড় নাম জড়াতে পারে বলেই অনুমান করছে ওয়াকিবহাল মহল।
আজ তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন। আর এই দিনটিকে ঘিরে রাজ্যজুড়ে যেন উৎসবের আবহ। কিন্তু এবারের জন্মদিনে যুব তৃণমূলের আয়োজন এমন এক অনন্য নজির গড়েছে, যা সরাসরি বিশ্বরেকর্ডের দৌড়ে।জানা গেছে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষে তৈরি করা হয়েছে ২০ হাজার স্কোয়ার ফিটের এক বিশাল থ্রিডি রঙ্গোলি। রঙে-তুলিতে তৈরি এই রঙ্গোলিটি যেন এক শিল্পমহাকাব্য যেখানে ফুটে উঠেছে অভিষেকের হাসিমুখ, দলের প্রতীক এবং তৃণমূলের অগ্রযাত্রার বার্তা। এই রঙ্গোলি এতটাই বিশাল যে, আকাশ থেকে তাকালেও পুরোটা একসঙ্গে দেখা যায় না।এখন পর্যন্ত দেশের সবচেয়ে বড় রঙ্গোলি তৈরি হয়েছিল মধ্যপ্রদেশে যার আয়তন ছিল ১৮ হাজার স্কোয়ার ফিট। সেই রেকর্ড এবার ভেঙে দিয়েছে যুব তৃণমূলের এই ২০ হাজার স্কোয়ার ফিটের সৃষ্টিকর্ম। ইতিমধ্যেই এই রঙ্গোলির সমস্ত তথ্য পাঠানো হয়েছে লিমকা বুক অব রেকর্ডস এবং গোল্ডেন বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-এর কাছে। স্বীকৃতির অপেক্ষায় এখন পুরো যুব তৃণমূল।প্রতি বছরই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন ঘিরে তৃণমূল কর্মীদের উন্মাদনা চোখে পড়ার মতো হয়। শহর-শহরতলি থেকে জেলা, প্রত্যেক জায়গায় দিনভর চলে নানা সামাজিক কর্মসূচি কোথাও কেক কাটা, কোথাও বিশেষ পুজো, কোথাও রক্তদান শিবির। এবারও তার অন্যথা হয়নি। হাজার হাজার অনুরাগী ও কর্মী কলকাতায় এসে জড়ো হয়েছেন প্রিয় অভিষেকদা-কে শুভেচ্ছা জানাতে।দলের এক নেতা বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের প্রেরণা। তাঁর জন্মদিন মানে আমাদের কাছে উদযাপনের দিন, আশার দিন।রঙ্গোলির ছবি ইতিমধ্যেই ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়। নেটিজেনদের দাবি, এই সৃষ্টিই এবার বিশ্বমঞ্চে জায়গা করে নেবে। কেউ লিখেছেন এই রঙেই মিশে আছে তৃণমূলের লড়াই, অভিষেকের হাসি।
ফের রক্তে ভেসে গেল ফ্রান্সের রাস্তা। বুধবার সকালে আটলান্টিক উপকূলে ওলেরন (Olron) শহরের শান্ত সকাল মুহূর্তে পরিণত হয় রণক্ষেত্রে। পথচারীদের ভিড়ের মধ্যে হঠাৎই বেপরোয়া গতিতে ঢুকে পড়ে একটি গাড়ি। মুহূর্তের মধ্যেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন বহু মানুষ। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, গাড়িচালককে থামানোর চেষ্টা করা হলেও, তিনি ক্রমাগত চিৎকার করছিলেন আল্লাহু আকবর!এই ভয়ঙ্কর ঘটনায় এখন পর্যন্ত অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। রক্তাক্ত অবস্থায় আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, ৩৫ বছরের ওই চালক ওলেরনেরই বাসিন্দা। তাঁর নাম এখনো প্রকাশ করা হয়নি, তবে প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে তিনি লা কোটিনিয়ে (La Cotinire) নামের এক ছোট মৎস্যগ্রামের বাসিন্দা। ঘটনাস্থলেই তাঁকে গ্রেপ্তার করে স্থানীয় পুলিশ। তাঁকে গ্রেপ্তারের সময়ও তিনি ধর্মীয় স্লোগান দিচ্ছিলেন বলে জানিয়েছে প্রত্যক্ষদর্শীরা।ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছায় বিপুল পুলিশবাহিনী। উলটে যাওয়া গাড়ির ভেতর থেকে ধৃতকে উদ্ধার করার সময়ও তাঁকে ক্রমাগত চিৎকার করতে শোনা যায়। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে এটি ইচ্ছাকৃত হামলা বলেই মনে হচ্ছে। তবে তাঁর সঙ্গে কোনও জঙ্গি সংগঠনের যোগ রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।ফরাসি প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, অভিযুক্তের অতীতে অপরাধমূলক রেকর্ড রয়েছে। মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো এবং মাদক সংক্রান্ত একাধিক অপরাধের জন্য আগে দুবার গ্রেপ্তার করা হয়েছিল তাকে। ফলে এটি নিছক দুর্ঘটনা, নাকি ধর্মীয় উন্মাদনায় প্ররোচিত পরিকল্পিত হামলা সেই প্রশ্নে এখন ফুঁসছে ফ্রান্স।ওলেরন ফ্রান্সের পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত একটি ছোট দ্বীপ, যা সাধারণত পর্যটকদের প্রিয় গন্তব্য। সেই শান্ত শহরে সকালবেলায় এমন নৃশংস হামলায় চমকে গিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনাস্থল ঘিরে কড়া নিরাপত্তা জারি করেছে পুলিশ। ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইতিমধ্যেই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
জম্মু-কাশ্মীরে ফের পাক মদতে জঙ্গি হামলার ছক! ভারতীয় গোয়েন্দা সূত্রে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, লস্কর-ই-তৈবা এবং জৈশ-ই-মহম্মদ একসঙ্গে কাশ্মীরের মাটিতে হামলার পরিকল্পনা করছে। অপারেশন সিঁদুরের ছমাস পরই আবারও এমন নাশকতার গন্ধে উদ্বেগ বেড়েছে দিল্লি থেকে শ্রীনগর পর্যন্ত। গোয়েন্দারা আশঙ্কা করছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই হতে পারে ফিদায়েঁ হামলা।রিপোর্ট অনুযায়ী, গত কয়েক মাস ধরেই সীমান্তে নজরদারি চালাচ্ছে পাক জঙ্গি সংগঠনগুলি। ড্রোন ব্যবহার করে নিয়ন্ত্রণরেখার দুর্বল জায়গাগুলি চিহ্নিত করা হচ্ছে। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, পাকিস্তানের স্পেশাল সার্ভিসেস গ্রুপ (SSG) ও গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর প্রত্যক্ষ মদতেই সীমান্ত পেরিয়ে অনুপ্রবেশ ঘটেছে। অর্থাৎ, শুধু জঙ্গিরাই নয়, পাক সেনার একাংশও এই ষড়যন্ত্রে যুক্ত।সূত্রের খবর, পাক অধিকৃত কাশ্মীরে নতুন করে মোতায়েন করা হয়েছে বর্ডার অ্যাকশন টিম (BAT)। এই ব্যাট বাহিনী সাধারণত জঙ্গিদের সীমান্তে গাইড করার কাজ করে এবং ভারতের সেনাদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। গোয়েন্দারা মনে করছেন, এই বাহিনীর উপস্থিতিই প্রমাণ করে যে কাশ্মীরে ফের বড় আকারের হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে পাকিস্তান।রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বর মাসে ইসলামাবাদে একটি গোপন বৈঠক হয়, যেখানে আইএসআই এবং পাক সেনার উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। সেখানেই নেওয়া হয় অপারেশন সিঁদুরের প্রতিশোধ নেওয়ার সিদ্ধান্ত। সেই বৈঠকেই নির্ধারিত হয় নতুন করে সীমান্তে জঙ্গি অনুপ্রবেশের রূপরেখা।প্রসঙ্গত, গত ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলায় প্রাণ হারান ২৬ জন পর্যটক। সেই ঘটনার পরই ভারতীয় সেনা চালায় অপারেশন সিঁদুর, যেখানে একাধিক পাক জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করা হয়। পাকিস্তান সেই সময় আন্তর্জাতিক মঞ্চে মুখ পুড়িয়ে ফেললেও, এখন আবার প্রতিশোধের নেশায় নাশকতার নতুন ছক কষছে বলে মনে করছে ভারতের গোয়েন্দারা।ইতিমধ্যে জম্মু-কাশ্মীর জুড়ে কড়া নিরাপত্তা জারি করা হয়েছে। সেনাবাহিনী সীমান্তবর্তী সব এলাকা ও দুর্গম উপত্যকায় টহল বাড়িয়েছে। নিয়ন্ত্রণরেখায় মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত ব্যাটালিয়ন, বাড়ানো হয়েছে ড্রোন নজরদারি ও থার্মাল সেন্সর সিস্টেম। সেনা সূত্রে খবর, প্রতিটি ঘাঁটি ও বাঙ্কারে দেওয়া হয়েছে উচ্চ সতর্কতার নির্দেশ।ভারতের প্রতিরক্ষা মহল মনে করছে, পাকিস্তান অপারেশন সিঁদুরের পর কূটনৈতিকভাবে চাপে পড়েছিল, তাই এখন তারা জঙ্গি সংগঠনগুলিকে ব্যবহার করে প্রক্সি যুদ্ধ চালাতে চাইছে। এই হামলার মূল লক্ষ্য হবে সেনা কনভয়, পর্যটক বাস, অথবা সীমান্তের কোনও ফরওয়ার্ড পোস্ট।এক প্রবীণ প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ বলেছেন, লস্কর ও জৈশ এখন একত্রে কাজ করছে। তাদের হাতে নতুন ড্রোন, আমেরিকান রাইফেল এবং পাকিস্তানের সেনা প্রশিক্ষিত জঙ্গিরা রয়েছে। এটি শুধু সীমান্ত নিরাপত্তার প্রশ্ন নয়, ভারতের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নও।সব মিলিয়ে জম্মু-কাশ্মীর আবারও রণক্ষেত্রের মুখে দাঁড়িয়ে। অপারেশন সিঁদুরের পর শান্তি ফিরছিল উপত্যকায়, কিন্তু পাক মদতে এই নতুন ষড়যন্ত্র ফের অশান্তির ইঙ্গিত দিচ্ছে। সেনা ও গোয়েন্দারা এখন সময়ের বিরুদ্ধে লড়ছেন, যাতে কাশ্মীরের আকাশে আর কোনও কালো ছায়া না নামে।
নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ BLO মানে ফুল-টাইম কাজই করতে হবে। কোনও দ্বিধা, সন্দেহ, অস্পষ্টতা আর নেই। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তবু অনেকেই ভাবছিলেন, দিনের এক ভাগ ভোটার তালিকার কাজ করে পরে আগের দপ্তরে ফিরতে হবে কিনা। নতুন বিজ্ঞপ্তিতে কমিশন ফের জানিয়ে দিয়েছে BLO-দের দায়িত্ব সম্পূর্ণ সময়ের জন্যই।জেলা প্রশাসন ইতিমধ্যেই এই নির্দেশিকা মাঠপর্যায়ে পাঠিয়ে দিয়েছে। ফলে আপাতত শিক্ষক-বিএলওরা ধরেই নিচ্ছেন, স্কুলে তাদের এখন যাওয়া লাগবে না। কারণ কমিশন খুব পরিষ্কার করে দিচ্ছে, ভোটার তালিকা সংশোধনের এই সময়ে BLO-দের একটাই কাজ SIR-এর দায়িত্ব পূর্ণ সময় পালন করা। অন্য কোনও কাজ নয়।যদিও বিহার প্রশাসন তাদের BLO-দের ক্ষেত্রে ছাড় দিয়েছিল। কিন্তু বাংলা এখনও মুখ্যসচিবের কোনও আলাদা নির্দেশ পায়নি। তাই শিক্ষক সমাজের এক বড় অংশ বলছে, কমিশনের নির্দেশই যথেষ্ট আপাতত ক্লাসে ফিরতে হবে না। কিন্তু তাতে নতুন সমস্যা SIR কালে প্রায় সাড়ে তিন থেকে চার হাজার স্কুলে শিক্ষক ফাঁকা হয়ে পড়ার আশঙ্কা। শিক্ষা দফতরেরই মাথাব্যথা বেড়েছে।রাজ্যের যুগ্ম সিইও অরিন্দম নিয়োগী জানিয়েছেন, ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত SIR পুরোপুরি ফুলটাইম কাজ হিসেবেই ধরা হবে। সেইমতো সব জেলা নির্বাচন আধিকারিক ও EROদেরকে ইতিমধ্যেই জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে SIR। আর প্রথম দিনেই বিভ্রান্তি চরমে ওঠে BLO-দের মধ্যে। অনেকেই ফর্ম পাননি, কারও হাতে দেওয়া হয়েছে একটির বদলে মাত্র এক কপি, কারও আই-কার্ডই নেই এমন অভিযোগও ওঠে।সবে শুরু হল কাজ, কিন্তু তার আগেই বিতর্ক, বিভ্রান্তি, আর নির্দেশাবলীর ঢল। মাঠে নামা BLO-রা বলছেন বুঝে উঠতেই দিন শেষ! তবে কমিশন চূড়ান্ত করে দিল দুই নৌকোয় পা নয়, আপাতত শুধু ভোটার তালিকাই।
দীর্ঘ সাত বছর পর আবার নিজের পুরনো দলে ফিরলেন কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ও তৃণমূলের একসময়ের গুরুত্বপূর্ণ মুখ শোভন চট্টোপাধ্যায়। সঙ্গে ফিরলেন তাঁর ঘনিষ্ঠ সঙ্গী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০১৯ সালের ১৮ অগস্টসেই দিন বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নিয়েছিলেন শোভন। আজ, ৭ বছর পর, ঠিক উল্টোপথে হাঁটলেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশীর্বাদ নিয়েই তৃণমূল ভবনে ঢুকলেন শোভন-বৈশাখী জুটি।ভবনে ঢোকার মুখে শোভনের গলায় শোনা গেল আবেগ, মমতাদির আশীর্বাদ নিয়ে আজ ফিরে এলাম। এটা আমার নিজের ঘর। যোগদানের পর সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট বলেন, এটা আমার নিজের সংসার। ঘরের ছেলে হিসেবে ফিরলাম। তৃণমূল কংগ্রেসকে আবার শক্তিশালী করব। বক্সীদা আমার ভাই, অপরূপ আমার বন্ধুওদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। যা দায়িত্ব দেবেন, নিষ্ঠা নিয়ে পালন করব।আজকের এই অনুষ্ঠান একেবারে আবেগে ভরপুর। উপস্থিত ছিলেন দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী ও মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। অরূপ বলেন, ঘরের ছেলে ঘরে ফিরছে। আজ থেকে আবার মাঠে নেমে কাজ শুরু করবেন। সুব্রতবাবুও জানিয়ে দিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে শোভন ফিরছেন। বৈশাখীকেও বিশেষভাবে স্বাগত জানানো হয়।রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছেনির্বাচনের মাত্র কয়েক মাস আগে শোভনের প্রত্যাবর্তন নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ। তৃণমূল সরকারের প্রথম দুদশকে কলকাতার উন্নয়নের অন্যতম মুখ ছিলেন তিনি। দীর্ঘদিন মেয়রের দায়িত্ব সামলেছেন, মন্ত্রিসভায় থেকেছেন। কিন্তু ২০১৮ সালে আচমকা সব পদ ছেড়ে দেন। এর পর বিজেপিতে যোগ দেন মুকুল রায়ের হাত ধরে। কিন্তু খুব বেশি দিন গেরুয়া শিবিরে সক্রিয় ছিলেন না তিনি।মজার বিষয়, তৃণমূল ছাড়লেও মমতার বাড়িতে ভাইফোঁটা নিতে প্রায় প্রতি বছরই গিয়েছেন শোভন। সেই সম্পর্কের সূত্রই যেন এবার তাঁকে ফিরিয়ে আনল ঘরের উঠোনে। সম্প্রতি এনকেডিএ-র চেয়ারম্যান পদ পাওয়ার পরই তাঁর ফেরার ইঙ্গিত মিলছিল। আজ সেটাই আনুষ্ঠানিক হল।রাজনীতির অন্দরে এখন চাপা গুঞ্জনশোভন কি আবার কলকাতা পুরসভা কিংবা শহর রাজনীতিতে বড় ভূমিকা নিতে চলেছেন? ভোটের আগে তাঁর এই প্রত্যাবর্তন কি তৃণমূলের বড় চমক? সময়ই বলবে। তবে আজ তৃণমূল ভবনে তাঁর হাসিমুখে যেন স্পষ্ট লেখাঘরের ছেলেকে ঘর ডেকেছে, আর সে ফিরেছে।