• ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার ০৪ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IS

বিদেশ

পাকিস্তানে ভয়াবহ ড্রোন হামলা! অপারেশন সিঁদুরে বিধ্বস্ত রাওয়ালপিণ্ডির নূর খান বিমানঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিল আফগানিস্তান

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেই নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল পাকিস্তান ও আফগানিস্তান সীমান্ত। পাকিস্তানের রাওয়ালপিণ্ডিতে অবস্থিত নূর খান বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে আফগানিস্তানের তালিবান প্রশাসন। রবিবার গভীর রাতে এই হামলার কথা সরকারি ভাবে জানানো হয়।আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের বক্তব্য, গত কয়েকদিন ধরে পাকিস্তান যেভাবে আকাশপথে লাগাতার হামলা চালাচ্ছিল, তারই জবাব দেওয়া হয়েছে। তাঁদের দাবি, রাওয়ালপিণ্ডির নূর খান বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে সফলভাবে আকাশ অভিযান চালিয়েছে আফগান বায়ুসেনা। পাকিস্তানের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সামরিক দপ্তর ও ঘাঁটিকে নিশানা করা হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে। পাশাপাশি হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে, ভবিষ্যতেও পাকিস্তান আগ্রাসী পদক্ষেপ নিলে একইভাবে জবাব দেওয়া হবে।পাকিস্তান আগেই আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিল। তার পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষ চলছিল। দুই পক্ষেই হতাহতের খবর মিলেছে, যদিও সরকারি ভাবে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের আবহে পাক-আফগান উত্তেজনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।নূর খান বিমানঘাঁটি পাকিস্তানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বায়ুসেনা ঘাঁটি। ইসলামাবাদ থেকে মাত্র পঁচিশ কিলোমিটার দূরে এই ঘাঁটির অবস্থান। কৌশলগত ভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় আগেও এই ঘাঁটি আক্রমণের মুখে পড়েছে। অপারেশন সিঁদুরের সময় ভারতীয় বাহিনীর হামলায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল বলে জানা যায়। পরে সেই ঘাঁটি মেরামত করা হয়।সাম্প্রতিক ড্রোন হামলায় কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে তালিবান প্রশাসন সামাজিক মাধ্যমে ড্রোন উড়ানের ভিডিও এবং হামলার ছবি প্রকাশ করেছে বলে দাবি করা হয়েছে। নতুন করে এই হামলায় দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়ল বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক মহল।

মার্চ ০২, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের ধাক্কায় ধস দালাল স্ট্রিটে! একদিনেই সেনসেক্স নামল ২৭০০ বেশি পয়েন্টে, কাঁপছে বাজার

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে কাঁপছে বিশ্ব অর্থনীতি। তার সরাসরি প্রভাব পড়ল ভারতের শেয়ার বাজারে। সপ্তাহের প্রথম দিন বাজার খুলতেই বড় ধাক্কা খেল দালাল স্ট্রিট। সেনসেক্স এক ধাক্কায় পড়ে গেল দুই হাজার সাতশোরও বেশি পয়েন্ট। নিফটিতেও বড়সড় পতন দেখা যায়।শনিবার থেকে ইরান, ইজরায়েল ও আমেরিকার সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে। পরপর কয়েকদিন ধরে পশ্চিম এশিয়ার একাধিক জায়গায় আক্রমণ চলছে। সেই প্রভাব যে শেয়ার বাজারে পড়বে, তা আগেই আন্দাজ করা হয়েছিল। তবে বাজার খুলতেই এত বড় পতন হবে, তা ভাবতে পারেননি অনেক বিনিয়োগকারী।সোমবার সকালে সেনসেক্স খোলে সাতাত্তর হাজার পাঁচশোর কিছু বেশি পয়েন্টে। যা আগের বাজার বন্ধের সূচকের তুলনায় দুই হাজার সাতশোরও বেশি কম। প্রায় সাড়ে তিন শতাংশ পড়ে যায় সূচক। নিফটিও পাঁচশোর বেশি পয়েন্ট হারায়। যদিও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে বাজার, তবুও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা কাটেনি।আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, অন্তত একমাস ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে। এই ঘোষণার পর বিশ্ব জুড়েই আতঙ্ক ছড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে বাজারে স্থিতি ফিরতে সময় লাগবে।ভারতই নয়, বিশ্বজুড়েই শেয়ার বাজারে ধাক্কা লেগেছে। আমেরিকার বাজারে বড় পতন দেখা গিয়েছে। জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারেও দুই থেকে তিন শতাংশ পর্যন্ত সূচক নেমে গিয়েছে। হংকং ও চিনের বাজারেও একই ছবি। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আবু ধাবি ও দুবাইয়ের বাজার সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এদিকে যুদ্ধের আবহে দ্রুত বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ বন্ধ হয়ে গেলে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে। তাতে ভারতের মতো তেল আমদানিনির্ভর দেশের উপর চাপ আরও বাড়বে। বাজার বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, যুদ্ধ যতদিন চলবে, ততদিন শেয়ার বাজারে অস্থিরতা থাকবেই।

মার্চ ০২, ২০২৬
কলকাতা

বোমা বিস্ফোরণের শব্দ, বাইরে বেরোনো নিষেধ! দুবাইয়ে ছেলে ইউভানকে নিয়ে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতে শুভশ্রী

ইরান-ইজরায়েলের সংঘাতের জেরে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে পশ্চিম এশিয়ায়। তারই মাঝে দুবাইয়ে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। সঙ্গে রয়েছে তাঁর ছোট ছেলে ইউভান। পরিস্থিতি ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বিগ্ন পরিবার। মেয়ের সঙ্গে কথা বলে আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন শুভশ্রীর বাবা দেবপ্রসাদবাবু।তিনি জানান, শনিবার যুদ্ধ পরিস্থিতির খবর পাওয়ার পর থেকেই চিন্তা বাড়ে। সঙ্গে সঙ্গে মেয়েকে ফোন করেন তিনি। প্রথমে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করা না গেলেও রবিবার দুপুর সাড়ে বারোটা নাগাদ ফোনে কথা হয়। শুভশ্রী তাঁকে জানিয়েছেন, যেখানে তাঁরা রয়েছেন তার কাছাকাছি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে। ছোট ছেলে ইউভান খুবই চঞ্চল। তাকে হোটেলের ঘরে আটকে রাখা বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে। বর্তমানে তাঁরা হোটেলেই অবস্থান করছেন, বাইরে বেরোনোর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে।জানা গিয়েছে, ইউভানের স্কুলে ছুটি পড়ার পর তার আবদারেই দুবাই বেড়াতে গিয়েছিলেন শুভশ্রী। শনিবারই সেখানে পৌঁছন তাঁরা। কিন্তু পৌঁছনোর পর থেকেই পরিস্থিতি দ্রুত জটিল হতে শুরু করে। এই মুহূর্তে পাম জুমেইরার একটি হোটেলে রয়েছেন তাঁরা। হোটেলের অদূরেই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে।শুভশ্রীর স্বামী, বিধায়ক ও পরিচালক রাজ চক্রবর্তী রবিবার জানিয়েছেন, স্ত্রী ও ছেলে আপাতত নিরাপদেই রয়েছেন। তবে উদ্বেগ যে রয়েছে, তা স্বীকার করেছেন তিনি। রাজ বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে বাইরে বেরোনো নিষেধ করা হয়েছে। দুবাইয়ে তাঁদের পরিচিত বন্ধু ও আত্মীয়রা খোঁজখবর রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় সাহায্য করছেন। পরিবার দুশ্চিন্তায় থাকলেও আতঙ্কিত নন বলে জানান তিনি।শুধু শুভশ্রী নন, দুবাইয়ে আটকে পড়েছেন আরও অনেকে। কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম-এর স্ত্রী, মেয়ে ও নাতনিও সেখানে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি অভিনেত্রী সোনাল চৌহান এবং ব্যাডমিন্টন তারকা পি ভি সিন্ধু-র নামও শোনা যাচ্ছে। ভারতের বাস্কেটবল দলের সদস্যরাও সেখানে আটকে রয়েছেন বলে খবর।পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। আপাতত হোটেলের ঘরেই দিন কাটছে শুভশ্রী ও ইউভানের। পরিবারের একটাই প্রার্থনা, দ্রুত সবকিছু স্বাভাবিক হোক এবং নিরাপদে দেশে ফিরতে পারেন তাঁরা।

মার্চ ০২, ২০২৬
রাজ্য

চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম নেই খোদ বিডিওর, উত্তরে তোলপাড় প্রশাসনিক মহল

দীর্ঘ চার মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া শেষে প্রকাশিত হয়েছে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। কিন্তু তালিকা প্রকাশের পরই সামনে আসছে একের পর এক অসঙ্গতির অভিযোগ। এবার দেখা গেল, জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়ির ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক প্রসেনজিৎ কুণ্ডুর নামই নেই ভোটার তালিকায়। ঘটনায় বিস্মিত প্রশাসনিক মহল এবং চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে স্থানীয় স্তরেও।প্রসেনজিৎ কুণ্ডু আলিপুরদুয়ার পুরসভার সাত নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি আলিপুরদুয়ার বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত ছিলেন। প্রায় দুবছর ধরে ময়নাগুড়িতে ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক হিসেবে কর্মরত। বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার সঙ্গেও তিনি সরাসরি যুক্ত ছিলেন এবং সহকারী রিটার্নিং আধিকারিকের দায়িত্ব পালন করেছেন। অথচ তালিকা প্রকাশের পর দেখা যায়, তাঁর নামই বাদ পড়েছে। যদিও এই বিষয়ে তিনি প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।আলিপুরদুয়ারের সাত নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পার্থপ্রতিম ঘোষ বলেন, এতদিন প্রশাসনিক পদে থাকার পরও যদি এক জন আধিকারিকের নাম বাদ যায়, তা হলে সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে কী হয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক। তাঁর মতে, তাড়াহুড়ো করে কাজ হওয়ার ফলেই এমন অসঙ্গতি সামনে আসছে।উল্লেখযোগ্য, বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল ২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবর। সেই সময় রাজ্যে মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল প্রায় ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯। খসড়া তালিকা প্রকাশের পর দেখা যায় প্রায় ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৯ জনের নাম বাদ পড়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী রাজ্যে এখন মোট ভোটার ৭ কোটি ০৪ লক্ষ ৫৯ হাজার ২৮৪ জন। কমিশনের দেওয়া তথ্য বলছে, নাম বাতিলের আবেদন জমা পড়ার পর প্রায় ৫ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৩ জনের নাম বাদ গিয়েছে। নতুন করে নাম যুক্ত হয়েছে প্রায় ১ লক্ষ ৮২ হাজার ৩৬ জনের। ঠিকানাসহ সংশোধনের মাধ্যমে যুক্ত হয়েছে আরও ৬ হাজার ৬৭১ জন।ভোটার তালিকা নিয়ে এই নতুন বিতর্কে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও প্রক্রিয়ার নির্ভুলতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। আগামী দিনে আরও কত অসঙ্গতি সামনে আসে, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের।

মার্চ ০১, ২০২৬
কলকাতা

আতঙ্ক! দুবাইয়ের অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতিতে আটকে শুভশ্রী, পাশে ছোট্ট ইউভান

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই দুবাইয়ে আটকে পড়েছেন টলিউড অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলি। ছেলে ইউভানের স্কুলে ছুটি পড়ায় তার ইচ্ছেতেই বেড়াতে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেখানে পৌঁছনোর পর থেকেই পরিস্থিতি জটিল হতে শুরু করে। এখন তিনি ও তাঁর ছেলে দুবাইয়েই একটি হোটেলে অবস্থান করছেন।অভিনেত্রীর স্বামী রাজ চক্রবর্তী জানিয়েছেন, শনিবারই তাঁরা দুবাই পৌঁছেছেন। এরপর থেকেই উত্তেজনা বাড়তে থাকে। বর্তমানে তাঁরা পাম জুমেইরার একটি হোটেলে রয়েছেন। হোটেলের কাছেই বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে বলে জানা গেছে। এর জেরে স্থানীয় প্রশাসনের তরফে নির্দেশিকা জারি করে সবাইকে ঘরের বাইরে না বেরোনোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।রাজ জানান, তাঁদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে। ছেলে সঙ্গে থাকায় স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ আরও বেড়েছে। তবে আতঙ্কিত না হয়ে পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছেন তাঁরা। দুবাইয়ে তাঁদের পরিচিত ও আত্মীয়রা রয়েছেন, তাঁরাই প্রয়োজনে সাহায্য করছেন বলে জানা গেছে।মধ্যপ্রাচ্যের অশান্ত পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে পর্যটকদের উপরও। বহু ভারতীয় পর্যটক এখন অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। শুভশ্রী ও তাঁর ছেলে সুস্থ ও নিরাপদে দেশে ফিরবেন, সেই প্রার্থনাই করছেন অনুরাগীরা।

মার্চ ০১, ২০২৬
বিদেশ

কাবুল কাঁপাল বোমা ও গুলির শব্দ! পাক যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের দাবি তালিবানের

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার আবহের মধ্যেই পাক-আফগান সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। চতুর্থ দিনে পড়ল দুই দেশের এই লড়াই। রবিবার ভোরে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। তালিবান সরকারের অভিযোগ, মধ্য কাবুলের একাধিক এলাকায় পাকিস্তানের সেনাবাহিনী গোলাবর্ষণ করেছে। পালটা জবাব দিয়েছে তালিবানও। শুরু হয়েছে গুলির লড়াই।সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, আলো ফোটার আগেই কাবুলের বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণ ও গুলির শব্দ শোনা যায়। এখনও পর্যন্ত হতাহতের নির্দিষ্ট খবর মেলেনি। তালিবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ দাবি করেছেন, পাকিস্তান আবারও রাজধানীতে বিমান হামলার চেষ্টা করেছে। তবে আফগানিস্তানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে বলে তিনি জানান। কাবুলবাসীদের আতঙ্কিত না হওয়ারও আবেদন করেন তিনি।এর আগে গত রবিবার পাকিস্তানের হামলার পালটা দিতে বৃহস্পতিবার রাতে আফগান বাহিনী সীমান্ত পেরিয়ে আক্রমণ চালায় বলে দাবি করা হয়েছে। তালিবান প্রশাসনের বক্তব্য, পাকিস্তানের অন্তত বারোটি সামরিক পোস্ট তাদের নিয়ন্ত্রণে এসেছে এবং পাকিস্তানের বহু সেনা নিহত হয়েছে। যদিও এই দাবির স্বাধীনভাবে নিশ্চিতকরণ মেলেনি। শুক্রবার পাকিস্তানও আফগানিস্তানের একাধিক এলাকায় হামলা চালায়। রবিবারও সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে।তালিবান আরও দাবি করেছে, জালালাবাদ এলাকায় একটি পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করা হয়েছে। এমনকি এক পাক বায়ুসেনা কর্মকর্তাকে বন্দি করার কথাও জানানো হয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। দুই দেশের এই সংঘাত বৃহত্তর অঞ্চলের স্থিতিশীলতায় প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা আন্তর্জাতিক মহলের।

মার্চ ০১, ২০২৬
বিদেশ

বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক! ইরানকে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি, ‘এবার আঘাত এলে নজিরবিহীন জবাব দেবে আমেরিকা’

ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাত ঘিরে উত্তেজনা চরমে উঠেছে। ইরান যদি আরও বড় আঘাত হানে, তা হলে আমেরিকা এমন জবাব দেবে যা আগে কখনও দেখা যায়নি এমনই কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump। নিজের সামাজিক মাধ্যমে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ইরান যদি হুমকি মতো খুব বড় আক্রমণ চালায়, তা হলে আমেরিকার পাল্টা আঘাত হবে নজিরবিহীন।এই হুঁশিয়ারির আগে ইরান জানিয়েছিল, ইজরায়েল ও আমেরিকার বিরুদ্ধে ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর সামরিক অভিযান শুরু করা হবে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হওয়ার পরই এই ঘোষণা করে তেহরান। ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস জানায়, খুব শিগগিরই বড় আকারের অভিযান শুরু হবে।রবিবার ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন জানায়, ইজরায়েল ও আমেরিকার ঘাঁটি লক্ষ্য করে নতুন করে হামলা চালানো হয়েছে। ইসরায়েলের নেগেভ ও ডেড সি অঞ্চলে লাল সতর্কতা জারি করা হয়। তেল আবিবে একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আকাশে আসা ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করার চেষ্টা চালায়।ইরানের দাবি, পশ্চিম এশিয়ায় অবস্থিত ২৭টি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। পরিস্থিতি দ্রুত জটিল হয়ে উঠছে। আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে যে এই সংঘাত আরও বিস্তৃত আকার নিতে পারে।এরই মধ্যে নিশ্চিত হয়েছে, ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন খামেনেই। তাঁর মৃত্যুর পর ইরানে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ জানিয়েছে, এই হত্যাকাণ্ডই বড় গণআন্দোলনের সূচনা করবে। ইসরায়েলের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যমও জানিয়েছে, তেহরানে নিজের বাসভবনের ধ্বংসস্তূপ থেকে খামেনেইয়ের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।হামলায় খামেনেইয়ের পরিবারের একাধিক সদস্যও প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন তাঁর মেয়ে, নাতি, পুত্রবধূ ও জামাই। পাশাপাশি ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ এবং ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পসের কমান্ডার মহম্মদ পাকপৌরও নিহত হয়েছেন বলে খবর।মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত যে বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। এখন সবার নজর, পরবর্তী পদক্ষেপ কী নেয় ইরান ও আমেরিকা।

মার্চ ০১, ২০২৬
কলকাতা

দুবাই-দোহা-আবুধাবি রুট বন্ধ! মাঝআকাশের সংঘাতে নাজেহাল কলকাতার যাত্রীরা

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হতেই তার সরাসরি প্রভাব পড়ল কলকাতায়। নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে শনিবার একের পর এক আন্তর্জাতিক উড়ান বাতিল করা হয়েছে। কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহিগামী একাধিক বিমান বাতিল হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।বিমানবন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতা থেকে দুবাইগামী এমিরেটসের একটি উড়ান, দোহাগামী কাতার এয়ারওয়েজের একটি উড়ান, আবুধাবিগামী এয়ার আরবিয়ার একটি উড়ান এবং আবুধাবিগামী এতিহাদ এয়ারওয়েজের একটি উড়ান বাতিল করা হয়েছে। মোট চারটি উড়ান বাতিল হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।যাত্রীদের একাংশের অভিযোগ, সকাল থেকেই আন্তর্জাতিক সংঘাতের খবর শোনা যাচ্ছিল। কিন্তু উড়ান বাতিল হওয়ার বিষয়ে আগাম কোনও বার্তা বা তথ্য তাঁদের কাছে পৌঁছয়নি। সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থার তরফে কোনও স্পষ্ট বার্তা না পেয়ে তাঁরা বিমানবন্দরে পৌঁছে জানতে পারেন পরিষেবা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা, অনিশ্চয়তা ও চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয়েছে বহু যাত্রীকে।শনিবার সকালে তেহরানের উপর পরপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইজরায়েল। পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump দাবি করেন, ওই অভিযানে আমেরিকারও অংশগ্রহণ ছিল। ইরানের পরমাণু প্রকল্পকে কেন্দ্র করে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়। এর পরেই ইরান পাল্টা হামলা শুরু করে। ইজরায়েল ছাড়াও সৌদি আরব ও কাতারে অবস্থিত মার্কিন সেনা ঘাঁটিগুলিতেও হামলার খবর সামনে আসে। এই সংঘাতের জেরেই পশ্চিম এশিয়ার আকাশসীমা কার্যত অচল হয়ে পড়ে এবং তার প্রভাব এসে পড়ে ভারতের বিমান পরিষেবাতেও।পরিস্থিতি কত দিন স্থায়ী হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক উত্তেজনার আবহে কলকাতা সহ দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরে যাত্রীদের দুর্ভোগ বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মার্চ ০১, ২০২৬
দেশ

বিশ্ব কাঁপানো সিদ্ধান্ত! হরমুজ প্রণালী বন্ধ করল ইরান, তেলের দামে আগুন লাগার আশঙ্কা

ইরান-আমেরিকার সংঘাত নিয়ে যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, তা এবার সত্যি হল। ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ হামলার জেরে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেছে ইরান। আমেরিকার ঘনিষ্ঠ সাতটি দেশজর্ডন, কুয়েত, কাতার, বাহরিন, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে মিসাইল হামলার দাবি করেছে তেহরান। এরই মধ্যে আরও বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে হরমুজ প্রণালী।ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে কোনও জাহাজ যাতায়াত করতে পারবে না। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের লেনদেনে বড় প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মাত্র প্রায় পঞ্চাশ কিলোমিটার চওড়া এই সরু জলপথ দিয়েই বিশ্বের প্রায় বিশ শতাংশ তেল আমদানি ও রফতানি হয়। বিশ্বে প্রতি পাঁচ ব্যারেল তেলের মধ্যে একটি ব্যারেল এই পথ ধরে আসে। সৌদি আরব, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কাতার ও ইরানমধ্যপ্রাচ্যের প্রায় সব বড় তেল উৎপাদনকারী দেশই এই পথ ব্যবহার করে এশিয়ার বাজারে তেল পাঠায়। ভারত, চিন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া এই তেলের বড় ক্রেতা।হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ায় চাপে পড়তে পারে ভারতও। সূত্রের খবর, বর্তমানে ভারতের কৌশলগত তেল ভাণ্ডার দিয়ে প্রায় চুয়াত্তর দিন দেশের চাহিদা মেটানো সম্ভব। তার পর বিকল্প উৎস খুঁজতে হবে। তেল সরবরাহ কমে গেলে স্বাভাবিকভাবেই পেট্রোল, ডিজেল ও রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তার প্রভাব পড়বে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের বাজারেও।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, বিকল্প জ্বালানির ব্যবস্থা নিয়ে ভাবনা শুরু হয়েছে। তবে হরমুজ প্রণালী দিয়ে সম্প্রতি তেল আমদানি বাড়িয়েছিল ভারত। গত বছরে যেখানে প্রায় বিশ লক্ষ ব্যারেল তেল কেনা হয়েছিল, সেখানে এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে দৈনিক প্রায় ছাব্বিশ লক্ষ ব্যারেলে পৌঁছয় আমদানি। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে ভারতের মোট তেল আমদানির প্রায় অর্ধেকই এসেছিল এই পথ ধরে। এর আগে সেই পরিমাণ ছিল প্রায় চল্লিশ শতাংশ।হরমুজ প্রণালীর বিকল্প হিসেবে সৌদি আরবের পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইন এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির আবুধাবি থেকে লোহিত সাগর পর্যন্ত পাইপলাইন ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে সেই ব্যবস্থারও সীমাবদ্ধতা রয়েছে এবং সরবরাহের পরিমাণ কম।এই পরিস্থিতিতে রাশিয়া থেকেও আবার তেল কেনার কথা ভাবতে হতে পারে ভারতকে। কিন্তু তাতেও জটিলতা রয়েছে। রাশিয়া থেকে তেল কেনার কারণে আগে ভারতের উপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছিল আমেরিকা। বর্তমানে দুই দেশের বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার পথে। ফলে নতুন করে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হবে না। আমেরিকা চাইছে ভারত তাদের কাছ থেকে তেল কিনুক। পাশাপাশি পশ্চিম আফ্রিকার নাইজেরিয়া ও আঙ্গোলা, লাতিন আমেরিকার ব্রাজিল, কলম্বিয়া ও ভেনেজুয়েলা থেকেও তেল আমদানির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সেই ক্ষেত্রে খরচ অনেকটাই বেড়ে যেতে পারে। তার সরাসরি প্রভাব পড়বে দেশের সাধারণ মানুষের পকেটে।

মার্চ ০১, ২০২৬
বিদেশ

বিশ্ব কাঁপানো খবর! যৌথ হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা, ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা

ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ হামলায় নিহত হলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেই। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই তাঁর মৃত্যুর দাবি করেছিলেন। রবিবার সকালে ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনও খামেনেইয়ের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে। তাঁর মৃত্যুতে দেশে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।ইরানের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম জানিয়েছে, সুপ্রিম লিডার শহিদ হয়েছেন। ইরানের আর একটি সংবাদ সংস্থা ফারস নিউজ এজেন্সি দাবি করেছে, সুপ্রিম লিডারের বাসভবনে যে হামলা চালানো হয়েছিল, সেখানেই প্রাণ হারান তিনি। শুধু খামেনেই নন, ওই হামলায় তাঁর মেয়ে, জামাই, নাতি এবং পুত্রবধূরও মৃত্যু হয়েছে বলে খবর।১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের শাসনভার সামলাচ্ছিলেন খামেনেই। ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দীর্ঘ দিন তিনি দেশের নীতি ও সামরিক কৌশল নির্ধারণ করেছেন। তবে তিনি কোনও উত্তরসূরীর নাম ঘোষণা করে যাননি। ফলে তাঁর মৃত্যুর পর ইরানের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহলের আশঙ্কা, এর জেরে যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। আমেরিকা ও ইজরায়েলের বিরুদ্ধে ইরান বড় ধরনের পাল্টা হামলা চালাতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরমাণু সংঘাতের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।এর আগেই জানা গিয়েছিল, যৌথ অভিযানে ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আমির নাসিরজাদাহ এবং রেভোলিউশনারি গার্ডের কমান্ডার মহম্মদ পাকপৌরের মৃত্যু হয়েছে। ইজরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, অভিযানে ইরানের আরও পাঁচ শীর্ষ আধিকারিক নিহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে সুপ্রিম লিডারের এক ঘনিষ্ঠ পরামর্শদাতাও রয়েছেন। মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত যে বিশ্ব রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে চলেছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

মার্চ ০১, ২০২৬
বিদেশ

পাক–আফগান রক্তক্ষয়ী সংঘাত, পাকিস্তানের পাশেই আমেরিকা! ট্রাম্পের মন্তব্যে চাঞ্চল্য

ক্রমশ ভয়াবহ আকার নিচ্ছে পাকআফগান সংঘাত। রক্তক্ষয়ী এই লড়াই নিয়ে মুখ খুললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এই যুদ্ধে ইসলামাবাদকেই সমর্থন করছে আমেরিকা। পাশাপাশি তিনি বলেন, পাকিস্তানের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক খুবই ভালো। এই মন্তব্যে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।শুক্রবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেন, তিনি পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছেন এবং প্রয়োজন হলে হস্তক্ষেপ করবেন। তাঁর কথায়, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী একজন মহান নেতা এবং সে দেশের সেনা প্রধানকেও তিনি সম্মান করেন। পাকিস্তান ভালো কাজ করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ট্রাম্পের পাশাপাশি মার্কিন বিদেশ দপ্তরও পাকিস্তানের আত্মরক্ষার অধিকারের পক্ষে সওয়াল করেছে। তাদের বক্তব্য, তালিবানের হামলার বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে পাকিস্তানের। তালিবান সন্ত্রাস দমনের প্রতিশ্রুতি দিলেও তা রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ ওয়াশিংটনের। তাদের দাবি, আফগান ভূখণ্ডকে ব্যবহার করে জঙ্গি গোষ্ঠীগুলি হামলা চালাচ্ছে, যা গোটা অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করে তুলছে।কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এতদিন তালিবানকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি আমেরিকা। তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে পাকিস্তানকে সমর্থন করে নিজেদের কৌশলগত অবস্থান শক্ত করতে চাইছে ওয়াশিংটন।সংঘাতের সূত্রপাত গত রবিবার। পাকিস্তানের হামলার জবাবে বৃহস্পতিবার রাতে পাক সীমান্ত পেরিয়ে আক্রমণ চালায় আফগান বাহিনী। তালিবান প্রশাসনের দাবি, পাকিস্তানের অন্তত ১২টি সীমান্ত পোস্ট এখন তাদের দখলে। সেই হামলায় ৫৫ জন পাকিস্তানি সেনার মৃত্যু হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। এরপর শুক্রবার আফগানিস্তানের একাধিক এলাকায় পাল্টা আক্রমণ চালায় পাকিস্তান। দুই পক্ষই সেনা মৃত্যুর কথা স্বীকার করেছে।পাকিস্তানের দাবি, কান্দাহার আকাশে তাদের যুদ্ধবিমান টহল দিচ্ছে। পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ জানিয়েছেন, এবার সরাসরি যুদ্ধের পথে এগোবে দেশ। অন্যদিকে আফগান সরকারের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ দাবি করেছেন, পাকিস্তান কাবুল, কান্দাহার ও পাকতিয়া প্রদেশে বিমান হামলা চালিয়েছে। পাকিস্তানের বক্তব্য, সীমান্ত পেরিয়ে হামলার জবাব দিতেই এই পদক্ষেপ।এমন পরিস্থিতির মধ্যেই ইসলামাবাদের বিরুদ্ধে তালিবান তাদের আত্মঘাতী বাহিনী সক্রিয় করেছে বলেও খবর মিলেছে। ফলে সংঘাত আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়ার এই অস্থিরতা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬
বিদেশ

ভোরে তেহরানে ভয়াবহ হামলা! যুদ্ধের মুখে ইরান–ইজরায়েল, সারা বিশ্বে চরম উত্তেজনা

যুদ্ধের আশঙ্কা আগেই করা হচ্ছিল। সেই আশঙ্কাই সত্যি হল। আজ ভোরে ইরানের উপর বড়সড় হামলা চালাল ইজরায়েল। রাজধানী তেহরানে পরপর বিস্ফোরণের খবর মিলেছে। বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে শহর। হামলার পরই ইরান জুড়ে চরম সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তেহরানের বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সাধারণ মানুষ রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছেন। একের পর এক অ্যাম্বুল্যান্স ছুটতে দেখা গেছে শহরের রাস্তায়।এই হামলার পর ইরানের পাল্টা জবাব আসবে বলেই মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ইজরায়েলে সাইরেন বাজতে শুরু করেছে। হামলার আশঙ্কায় ইজরায়েল সমস্ত স্কুল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইরান নিজেদের আকাশপথ খালি করে দিয়েছে। পরিস্থিতি যে কোনও সময় আরও ভয়াবহ দিকে মোড় নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই ইরান ও আমেরিকার মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছিল। যুদ্ধের সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে ভারত আগেই তাদের নাগরিকদের ইরান ছাড়ার পরামর্শ দিয়েছিল। আমেরিকা ও চিনও তাদের নাগরিকদের দ্রুত ইরান ছাড়তে বলেছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই অতর্কিতে হামলা চালাল ইজরায়েল। খবর অনুযায়ী, ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই-এর বাসভবনের কাছাকাছি এলাকায় বিস্ফোরণ হয়েছে।আন্তর্জাতিক মহলে জোর জল্পনা, ইজরায়েল একা এই সিদ্ধান্ত নেয়নি। অনেকেরই ধারণা, আমেরিকার সমর্থনেই এই হামলা হয়েছে। ইতিমধ্যেই পারস্য উপসাগরে মার্কিন রণতরী মোতায়েন রয়েছে। এই উপসাগরের মধ্যেই রয়েছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী। বিশ্বের প্রায় ৬০ শতাংশ তেল এই পথ দিয়েই বিভিন্ন দেশে পৌঁছয়। ইরান আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, প্রয়োজন হলে তারা এই প্রণালী বন্ধ করে দেবে। তা হলে বিশ্বজুড়ে তেল সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে। সেই কারণেই হরমুজ প্রণালীর পথ খোলা রাখা আমেরিকার কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।উল্লেখ্য, গত বছরও ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছিল। এবার নতুন করে হামলায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, পাল্টা জবাবে ইরান কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারে। পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনাও একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না বলে আন্তর্জাতিক মহলের একাংশের মত। যদি তা ঘটে, তার প্রভাব ভয়াবহ হতে পারে এবং তার ধাক্কা বিশ্ব অর্থনীতি থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ, জেলায় জেলায় চাঞ্চল্য! কোথায় কত নাম বাদ গেল জানলে চমকে উঠবেন

অবশেষে প্রকাশিত হল এসআইআর-এর চূড়ান্ত তালিকা। আপাতত অফলাইনে তালিকা প্রকাশ হয়েছে। ডিএম ও বিডিও অফিসে পৌঁছে গিয়েছে হার্ড কপি। ব্লকে ব্লকে বিএলও-দের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে সেই তালিকা। তাঁরা তালিকা সংগ্রহ করে বুথের দিকে রওনা দিচ্ছেন। খুব শিগগিরই রাজ্যবাসী বুথে গিয়ে নিজের নাম মিলিয়ে নিতে পারবেন। অনলাইন এবং অফলাইনদুইভাবেই তালিকা দেখার সুযোগ থাকবে, তবে এখনও পর্যন্ত অফলাইনেই তালিকা প্রকাশ্যে এসেছে। জেলায় জেলায় বুথে তালিকা ঝুলিয়ে দেওয়া হচ্ছে। নন্দীগ্রাম থেকে ঠাকুরনগর, সর্বত্র একই ছবি। তালিকা সামনে আসতেই কোথায় কত নাম বাদ গেল, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মনে। কোথাও বিএলও জানাচ্ছেন, নাম বাদ যায়নি। আবার কোথাও অভিযোগ উঠছে, বিএলও-র নিজের নামই অমীমাংসিত তালিকায় চলে গিয়েছে।নন্দীগ্রামের চড়কেন্দ্রমারির এক বুথের বিএলও জানিয়েছেন, তাঁর হাতে যে তালিকা এসেছে তাতে ৯৫৩ জন ভোটারের নাম রয়েছে। খসড়া তালিকার সঙ্গে চূড়ান্ত তালিকার কোনও বড় পার্থক্য নেই বলেই তিনি দাবি করেছেন। তবে ২১৯ নম্বর বুথের বিএলও জানিয়েছেন, কিছু নাম বাদ গিয়েছে। যদিও বিক্ষিপ্ত কয়েকটি ঘটনা ছাড়া অধিকাংশের নাম রয়েছে বলেই তাঁর দাবি। অন্যদিকে নন্দীগ্রামের এক ব্লকের এক বিএলও অভিযোগ করেছেন, তাঁর নিজের নামই মীমাংসিত তালিকায় নেই। অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে তাঁর নাম। তিনি জানিয়েছেন, ২৭ বছর ধরে চাকরি করছেন, সমস্ত নথি রয়েছে, বানানেও ভুল নেই, পাসপোর্টও আছে। তবু কেন তাঁর নাম বিচারাধীন হল, তা তিনি বুঝতে পারছেন না।বাঁকুড়াতেও বুথে বুথে চূড়ান্ত তালিকা টাঙানো হয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, আপাতত ৩ হাজার ৩০০ জনের নাম বাদ পড়েছে। খসড়া তালিকায় ১ লাখ ৩২ হাজার নাম বাদ গিয়েছিল। সব মিলিয়ে প্রায় ১ লাখ ৩৫ হাজার ৩০০ জনের নাম বাদ পড়েছে বলে প্রশাসনের দাবি। ৭০ নম্বর বুথে বাদ গিয়েছে ৩ জনের নাম। অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে প্রায় ৩৯ হাজার নাম।উত্তর ২৪ পরগনার বিধাননগর বিধানসভা কেন্দ্রে মোট ভোটার ছিলেন ২ লাখ ৩১ হাজার ১৬৯ জন। প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী ৯৭১ জনের নাম বাদ পড়েছে। ঠাকুরনগরে সবথেকে বেশি নাম আনম্যাপড হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, প্রায় ৩০ হাজার নাম বাদ গিয়েছে সেখানে। ফলে আতঙ্কে রয়েছেন বহু বাসিন্দা।কলকাতার উত্তর অংশে এখনও পর্যন্ত প্রায় ১৭ হাজার নাম বাদ গিয়েছে বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে। দক্ষিণ কলকাতায় খসড়া তালিকায় ৬ লাখ ৯১ হাজার ৩০৬ জনের নাম ছিল। চূড়ান্ত তালিকায় রয়েছে ৬ লাখ ৮৮ হাজার ৯৯ জনের নাম। অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে ৭৮ হাজার ৬৫৭ জনের নাম।মুর্শিদাবাদে অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে প্রায় ৬ লাখ নাম। চূড়ান্ত তালিকায় কতজনের নাম বাদ গিয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। উত্তর ২৪ পরগনায় অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে প্রায় ৫ লাখ ৯০ হাজার নাম। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে প্রায় ৫ লাখ ২০ হাজার নাম। পশ্চিম মেদিনীপুরে অমীমাংসিত তালিকায় প্রায় ১ লাখ নাম রয়েছে। নদিয়ায় প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী ৬০ হাজার নাম বাদ গিয়েছে এবং অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার নাম।এদিকে এখনও পর্যন্ত অনলাইনে তালিকা প্রকাশ হয়নি। জানা গিয়েছে, দুপুর গড়িয়ে যেতে পারে অনলাইনে তালিকা প্রকাশ পেতে। তালিকা প্রকাশ হলে দুটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে রাজ্যবাসী নিজেদের নাম খুঁজে দেখতে পারবেন। ফলে এখন সবার নজর অনলাইনে প্রকাশের দিকেই।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬
রাজ্য

প্রকাশ এসআইআর চূড়ান্ত তালিকা! ঘরে বসেই দেখুন আপনার নাম আছে কি না

অবশেষে প্রকাশিত হল পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর-এর চূড়ান্ত তালিকা। এই তালিকায় রয়েছে প্রায় ৭ কোটি ৮ লক্ষ ভোটারের নাম। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন বিডিও অফিস থেকে তালিকা বিতরণ শুরু হয়েছে। বিএলও-রা নিজেদের এলাকায় সেই তালিকা পৌঁছে দিচ্ছেন। তবে নাম দেখার জন্য ভিড় করার প্রয়োজন নেই। বাড়িতে বসেই খুব সহজে দেখে নেওয়া যাবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় আপনার এবং আপনার পরিবারের নাম রয়েছে কি না।নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এই তালিকা অনলাইন এবং অফলাইনদুইভাবেই দেখা যাবে। অফলাইনে নির্দিষ্ট সরকারি অফিস, এসডিও, ডিইও, বিডিও অফিস এবং পঞ্চায়েত ভবনে গিয়ে তালিকা দেখা সম্ভব। পাশাপাশি অনলাইনেও নির্বাচন কমিশনের দুটি ওয়েবসাইটে গিয়ে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা দেখা যাবে। তবে দুপুর ২টার পর থেকেই ওয়েবসাইটে তালিকা দেখা যাবে বলে জানানো হয়েছে।অনলাইনে নিজের এপিক নম্বর দিয়ে সরাসরি নাম খোঁজা যাবে। আবার ইলেক্টোরাল রোল ডাউনলোড করেও নিজের নাম খুঁজে দেখা সম্ভব। যদি এপিক নম্বর জানা না থাকে, তবে ভোটার কার্ডের সঙ্গে মোবাইল নম্বর যুক্ত থাকলে সেই নম্বর ব্যবহার করেও সার্চ করা যাবে। এমনকি মা বা বাবার নাম দিয়েও খোঁজ করা সম্ভব। ইলেক্টোরাল রোল ডাউনলোড করে নিজের পোলিং বুথ খুঁজে নিয়ে সেখান থেকে নাম মিলিয়ে নেওয়া যাবে।তবে তালিকায় নাম থাকলেই যে সবাই ভোট দিতে পারবেন, এমন নয়। শোনা যাচ্ছে, ৭ কোটি ৮ লক্ষ নামের মধ্যে বৈধ ভোটারদের পাশাপাশি অমীমাংসিত ভোটারদের নামও রয়েছে। যাঁদের তথ্য যাচাইয়ের জন্য শুনানিতে ডাকা হয়েছিল, তাঁদের নামের পাশে অ্যাডজুডিকেশন লেখা থাকবে। এই ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। আবার যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁদের নামের উপর ডিলিটেড লেখা থাকবে। যাঁদের নাম অ্যাডজুডিকেশন হিসেবে রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত ভোটাধিকার নিশ্চিত নয়। সেই তালিকায় নাম থাকলেই কেবল ভোট দেওয়া সম্ভব হবে।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬
রাজ্য

আজই প্রকাশ এসআইআর চূড়ান্ত তালিকা! আপনার নামের পাশে কী লেখা আছে, তার উপরেই নির্ভর করবে ভোটাধিকার

উত্তেজনাপূর্ণ ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ দিনে আজ, ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ পেতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর-এর চূড়ান্ত তালিকা। কতজনের নাম থাকবে, কতজনের নাম বাদ পড়বে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে তীব্র সংশয়। তবে নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, আজ তালিকা প্রকাশ হলেও তা পুরোপুরি চূড়ান্ত নয়। এই তালিকায় তিনটি আলাদা ক্যাটেগরি থাকবে এবং আপনি কোন ক্যাটেগরিতে রয়েছেন, তার উপরেই নির্ভর করবে আপনার ভোটাধিকার।নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আজকের তালিকায় প্রায় ৭ কোটি ৮ লক্ষ মানুষের নাম থাকতে পারে। কিন্তু এখনও সবার যোগ্যতা যাচাই সম্পূর্ণ হয়নি। তাই আপাতত সকলের নামই থাকবে তালিকায়। তবে প্রত্যেকের নামের পাশে একটি করে স্টেটাস লেখা থাকবে। সেই স্টেটাস দেখেই বোঝা যাবে, কেউ বৈধ ভোটার হিসেবে নিশ্চিত কি না, নাকি তার তথ্য এখনও যাচাইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে।চূড়ান্ত তালিকায় যেমন বৈধ বা যোগ্য ভোটারদের নাম থাকবে, তেমনই যাঁদের শুনানির জন্য ডাকা হয়েছিল এবং যাঁদের জমা দেওয়া নথি এখনও বিচারাধীন, তাঁদের নামও থাকবে। তবে তাঁদের নামের পাশে লেখা থাকবে অমীমাংসিত বা অ্যাডজুডিকেশন। যাঁদের নামের পাশে অমীমাংসিত লেখা থাকবে, তাঁদের ক্ষেত্রেই মূল সমস্যা। কারণ চূড়ান্ত তালিকায় নাম থাকলেও তাঁদের ভোটাধিকার এখনও নিশ্চিত নয়।এই সমস্ত নথি আবার খতিয়ে দেখা হবে। তার পর নির্বাচন কমিশন একটি সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করবে। সেই তালিকায় নাম থাকলেই কেবল ভোট দেওয়া সম্ভব হবে। যদি সেখানে নাম না থাকে, তা হলে ভোটাধিকার থাকবে না। শোনা যাচ্ছে, আপাতত প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটারের নামের পাশে অমীমাংসিত স্টেটাস থাকতে পারে। ফলে আজ তালিকা প্রকাশ হলেও এই বিপুল সংখ্যক মানুষ নিশ্চিত হতে পারবেন না। তাঁদের অপেক্ষা করতে হবে পরবর্তী সাপ্লিমেন্টারি তালিকার জন্য। যদিও সেই তালিকা কবে প্রকাশ হবে, তা এখনও স্পষ্ট করে জানায়নি নির্বাচন কমিশন।এ ছাড়া আজকের চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় যাঁদের নাম বাদ পড়বে, তাঁদের নামও সম্পূর্ণ মুছে দেওয়া হচ্ছে না। নামের পাশে ডিলিটেড লেখা থাকবে। ফলে এক নজরে বোঝা যাবে কার নাম বহাল রয়েছে, কার তথ্য বিচারাধীন, আর কার নাম তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬
দেশ

বড় স্বস্তি কেজরীবালের, আবগারি মামলায় বেকসুর খালাস, আদালতেই আবেগঘন মুহূর্ত

দিল্লির আবগারি দুর্নীতি মামলায় বড় স্বস্তি পেল আম আদমি পার্টি। প্রমাণের অভাবে বেকসুর খালাস ঘোষণা করা হল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবাল এবং প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়াকে। আদালত জানিয়েছে, তদন্তকারী সংস্থা অভিযোগ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে।রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে বিশেষ বিচারক জিতেন্দ্র সিং পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবে দুই নেতাকে খালাস ঘোষণা করেন। রায় শোনার পর আদালত কক্ষে আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়। আদালত চত্বর থেকে বেরিয়ে আবেগ ধরে রাখতে না পেরে কেঁদে ফেলেন কেজরীবাল। তাঁর স্ত্রী সুনীতা কেজরীবাল জানান, সত্যেরই জয় হয়েছে।দিল্লির আবগারি নীতি নিয়ে বিপুল দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। প্রায় একশো কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল কেজরীবাল ও সিসোদিয়াকে। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে তাঁরা নির্বাচনে অংশ নিলেও ভোটে খারাপ ফল করে দল। শেষ পর্যন্ত দিল্লির ক্ষমতায় আসে ভারতীয় জনতা পার্টি। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই দুর্নীতির অভিযোগই নির্বাচনে দলের পরাজয়ের বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।আদালত পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে, এত গুরুতর অভিযোগ প্রমাণ করতে শক্তিশালী তথ্য ও নথির প্রয়োজন হয়। পর্যাপ্ত প্রমাণ ছাড়া কাউকে মূলচক্রী বলা যায় না। ভিত্তিহীন অভিযোগ বিচারব্যবস্থার উপর সাধারণ মানুষের আস্থাকে প্রভাবিত করতে পারে বলেও আদালত মন্তব্য করেছে।মণীশ সিসোদিয়ার ক্ষেত্রেও কোনও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানানো হয়েছে। আদালত জানিয়েছে, নথি ও সাক্ষ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গিয়েছে যে নীতি তৈরির ক্ষেত্রে প্রশাসনিক সিদ্ধান্তই বেশি প্রতিফলিত হয়েছে, অপরাধের ইঙ্গিত নয়। আবগারি নীতি প্রণয়নের আগে একাধিক স্তরে আলোচনা হয়েছিল বলেও আদালত উল্লেখ করেছে। তদন্তকারী সংস্থা দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি বলেই রায়ে স্পষ্ট করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬
বিদেশ

সীমান্তে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, তালিবানের দাবি পঞ্চান্ন পাক সেনা নিহত, জবাবে ভয়ংকর বিমান হামলা

আফগানিস্তানের তালিবান সরকার জানিয়েছে, সম্প্রতি পাকিস্তানের হামলার জবাব দিতেই তারা পাল্টা অভিযান শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার রাত থেকে ডুরান্ড লাইন সংলগ্ন বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় তুমুল লড়াই শুরু হয়। শুক্রবার ভোর পর্যন্ত কাবুলে বিস্ফোরণ ও যুদ্ধবিমানের শব্দ শোনা গিয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রের খবর। তালিবান দাবি করেছে, সীমান্তের কাছে একাধিক সামরিক ঘাঁটি ও উনিশটি পোস্ট দখল করা হয়েছে। চারটি পোস্ট ছেড়ে সরে গিয়েছে পাকিস্তানি সেনা। একটি ট্যাঙ্ক ধ্বংস করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।অন্যদিকে পাকিস্তান জানিয়েছে, তারা আফগানিস্তানের হামলার জবাবে আকাশপথে পাল্টা আঘাত হেনেছে। কাবুল, কান্দাহার ও পাকতিয়া এলাকায় বিমান হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তালিবানের মুখপাত্র জ়াবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেছেন, পাকিস্তানি সেনা কাপুরুষের মতো বিভিন্ন শহরে এয়ারস্ট্রাইক চালিয়েছে। তবে তাঁর দাবি, তাতে বড় ধরনের হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।আফগানিস্তানের জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, ছাব্বিশ ফেব্রুয়ারি রাত আটটা থেকে অভিযান শুরু হয়। সম্প্রতি আফগানিস্তানে পাকিস্তানের হামলায় মহিলা ও শিশুর মৃত্যু হয়েছিল, তারই প্রতিশোধ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। পাকতিকা, খোস্ত, নানঘারহার ও কুনার সহ একাধিক সেক্টরে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। তালিবান সরকারের দাবি, মোট পঞ্চান্ন জন পাকিস্তানি সেনার মৃত্যু হয়েছে এবং প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সংঘর্ষে তালিবানের আট যোদ্ধা নিহত ও এগারো জন আহত হয়েছেন বলেও জানানো হয়েছে। নানঘারহারে পাকিস্তানের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তেরো জন আফগান নাগরিক আহত হয়েছেন বলে দাবি।তবে পাকিস্তানের বক্তব্য সম্পূর্ণ আলাদা। তাদের দাবি, সংঘর্ষে মাত্র দুই জন পাকিস্তানি সেনা নিহত এবং তিন জন আহত হয়েছেন। উল্টে ছত্রিশ জন আফগান সেনার মৃত্যু হয়েছে বলে তারা জানিয়েছে। দুই দেশের এই পাল্টাপাল্টি দাবিতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। সীমান্তে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে এবং আন্তর্জাতিক মহল গভীরভাবে পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় ধাক্কা, ঝুলে রয়েছেন ষাট লক্ষ ভোটার, শেষ মুহূর্তে কী হতে চলেছে

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। রাজ্যে মোট ভোটার সংখ্যা সাত কোটি ছেষট্টি লক্ষ সাতত্রিশ হাজার পাঁচশো উনত্রিশ। তবে চূড়ান্ত তালিকায় নাম থাকতে পারে প্রায় সাত কোটি আট লক্ষ মানুষের। অর্থাৎ প্রায় আটান্ন লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। কয়েক মাস আগে প্রকাশিত খসড়া তালিকাতেও একই সংখ্যক নাম বাদ পড়েছিল। তাই প্রশ্ন উঠছে, চূড়ান্ত তালিকায় আদৌ কোনও বড় পরিবর্তন হচ্ছে কি না।ভোটারদের তিনটি ভাগে দেখা হচ্ছে। প্রথমত যাঁরা অনুমোদিত, দ্বিতীয়ত যাঁদের বিষয় এখনও অমীমাংসিত, এবং তৃতীয়ত যাঁদের নাম বাদ পড়েছে। অনুমোদিত ভোটারদের ক্ষেত্রে সমস্যা নেই। বাদ পড়াদের ক্ষেত্রেও স্পষ্ট কারণ থাকলে বিতর্ক কম। কিন্তু সবচেয়ে বড় জট তৈরি হয়েছে অমীমাংসিত ভোটারদের নিয়ে।ভারতের নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যে প্রায় ষাট লক্ষ ছয় হাজার ভোটার অমীমাংসিত অবস্থায় রয়েছেন। এঁদের ক্ষেত্রে নথিতে যুক্তিগত অসঙ্গতি রয়েছে অথবা যাচাই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়নি। কোথাও যাচাই হলেও পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন রয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, এই ভোটারদের নাম আপাতত চূড়ান্ত তালিকায় থাকবে, তবে অমীমাংসিত হিসেবেই। এতে স্বাভাবিকভাবেই সংশয় বাড়ছে।এই ইস্যুতে রাজনৈতিক চাপানউতোরও তীব্র হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী অভিযোগ করেছেন, কমিশনের পদক্ষেপে সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছেন এবং বৈধ ভোটারের নাম বাদ গেলে দল রাস্তায় আন্দোলন ও আইনি লড়াই দুটিই করবে। অন্যদিকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়র আইনি পদক্ষেপের ফলেই একাধিক তালিকা প্রকাশের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এবং অনুপ্রবেশকারীদের প্রকৃত সংখ্যা প্রকাশ্যে আসা উচিত। তিনি কমিশনকে সব তালিকা প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন। এই বিতর্কে ভারতীয় জনতা পার্টিও কমিশনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।ভোটাধিকার নিয়েই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। সামনে নির্বাচন, তার আগে বিপুল সংখ্যক ভোটার কার্যত অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। তাঁরা ভোট দিতে পারবেন কি না, আর ভোট দেওয়ার পর যদি যাচাইয়ে নাম বাতিল হয় তবে দায় কার হবে, সেই প্রশ্নও উঠছে। যদি অমীমাংসিতদের বড় অংশ বাদ পড়ে, তাহলে মোট বাদ পড়া ভোটারের সংখ্যা এক কোটিরও বেশি হতে পারে।সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, বিশেষ পর্যালোচনা প্রক্রিয়ায় বহু মানুষের নাম বাদ গিয়েছে এবং তিনি হস্তক্ষেপ না করলে আরও প্রায় এক কোটি কুড়ি লক্ষ নাম বাদ পড়তে পারত। ফলে অনেকের মতে, অমীমাংসিত ষাট লক্ষ ভোটারের দিকেই ইঙ্গিত করেছিলেন তিনি।কমিশন অবশ্য জানিয়েছে, আপাতত অমীমাংসিত ভোটাররাও ভোট দিতে পারবেন। ভোটের দফার আগে একটি সম্পূরক তালিকা প্রকাশ করা হবে। সেই তালিকা থেকেই স্পষ্ট হবে কারা বৈধ ভোটার হিসেবে থাকবেন এবং কারা বাদ পড়বেন। বিষয়টি ইতিমধ্যেই আইনি পর্যায়েও পৌঁছেছে এবং প্রয়োজন হলে ভারতের সুপ্রিম কোর্টেও আরও শুনানি হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

প্রাক্তন স্ত্রীকে কোটি টাকা ফেরতের নির্দেশ আদালতের! স্বস্তিতে শিখর ধাওয়ান

প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার শিখর ধাওয়ান-এর সঙ্গে সম্পত্তি বিতর্কে বড় রায় দিল দিল্লির পাটিয়ালা হাউস আদালত। আদালত নির্দেশ দিয়েছে, প্রাক্তন স্ত্রী আয়েশা মুখার্জি-কে অস্ট্রেলিয়ার সম্পত্তি মীমাংসা চুক্তির মাধ্যমে পাওয়া প্রায় পাঁচ কোটি সত্তর লক্ষ টাকা সুদ-সহ ফেরত দিতে হবে। বিচারক দেবেন্দ্র কুমার গর্গ জানান, হুমকি, প্রতারণা এবং জোরজবরদস্তির মাধ্যমে ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করানো হয়েছিল বলে প্রমাণ মিলেছে। ফলে সমস্ত মীমাংসা নথিকে বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।আদালত আরও নির্দেশ দিয়েছে, মামলা দায়েরের দিন থেকে উক্ত টাকার উপর বার্ষিক নয় শতাংশ হারে সুদ দিতে হবে। পাশাপাশি বিচারক স্পষ্ট করেন, দাম্পত্য সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ার আদালতের এখতিয়ার নেই। সেই কারণে বিদেশি আদালতের নির্দেশ কার্যকর করার ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়ার আদালত দুই হাজার চব্বিশ সালের ফেব্রুয়ারিতে দম্পতির বিশ্বজুড়ে থাকা সম্পত্তি ভাগ করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল এবং সেই রায়ে ধাওয়ানের ভারতে থাকা সম্পত্তিও অন্তর্ভুক্ত ছিল।অস্ট্রেলিয়ার আদালতের নির্দেশে আয়েশা মুখার্জি মোট সম্পদের পনেরো শতাংশ পাওয়ার অধিকারী হন। তাঁর কাছে প্রায় সাত কোটি ছেচল্লিশ লক্ষ টাকার সম্পত্তি থেকে যায় এবং অতিরিক্ত অর্থ ও একটি সম্পত্তি হস্তান্তরের নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। দুই হাজার একুশ থেকে দুই হাজার চব্বিশ পর্যন্ত একাধিক নির্দেশে সম্পত্তি বণ্টনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে ধাওয়ান আদালতে দাবি করেন, এই সিদ্ধান্ত ভারতীয় বৈবাহিক আইনের পরিপন্থী এবং তিনি নিজের উপার্জিত অর্থে সম্পত্তি কিনলেও চাপের মুখে সেগুলি যৌথ বা স্ত্রীর নামে নথিভুক্ত করতে বাধ্য হন। একটি ক্ষেত্রে তিনি কেনা সম্পত্তিতে আয়েশাকে নিরানব্বই শতাংশ মালিক দেখানো হয়েছিল বলেও আদালতে জানানো হয়। সমস্ত তথ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখে আদালত ধাওয়ানের বক্তব্যকে গ্রহণযোগ্য বলে মনে করে এবং বিদেশি আদালতের নির্দেশ মানতে তিনি বাধ্য নন বলে জানিয়ে দেয়।এর আগেই দুই হাজার তেইশ সালে দিল্লির আদালত এই দম্পতিকে বিবাহবিচ্ছেদের অনুমতি দেয়। আদালত পর্যবেক্ষণে জানায়, ছেলে জোরাবরের থেকে দীর্ঘদিন দূরে থাকার কারণে ধাওয়ান মানসিক কষ্টের মধ্যে ছিলেন। যদিও স্থায়ী অভিভাবকত্ব তিনি পাননি, তবে সাক্ষাৎ এবং ভিডিও মাধ্যমে যোগাযোগের অধিকার দেওয়া হয়েছিল। ধাওয়ানের অভিযোগ, পরবর্তীতে সেই যোগাযোগের পথও বন্ধ করে দেওয়া হয়, যা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
দেশ

নেতানিয়াহুর ডাকে চমক, ইজরায়েলে পৌঁছেই মোদিকে ঘিরে আন্তর্জাতিক জল্পনা

দুদিনের ইজরায়েল সফরে বুধবার রওনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভারত ও ইজরায়েল-এর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে এই সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কৌশলগত সহযোগিতা, প্রতিরক্ষা, কৃষি এবং প্রযুক্তি ক্ষেত্রে একাধিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সম্ভাবনা রয়েছে বলে কূটনৈতিক সূত্রে খবর। তবে এই সফরকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন কূটনৈতিক জটিলতার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।প্রধানমন্ত্রী ইজরায়েলে পৌঁছনোর আগেই সে দেশের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু একটি নতুন ষড়ভূজ জোট গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন। পশ্চিম এশিয়ায় চরমপন্থী সংগঠনগুলির মোকাবিলাই এই জোটের মূল লক্ষ্য বলে জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকিস্তান, সৌদি আরব এবং তুরস্কের সম্ভাব্য ইসলামিক সামরিক জোটের পালটা হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নেতানিয়াহু এই জোটে ভারতকে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে দেখতে চাইছেন। পাশাপাশি গ্রিস ও সাইপ্রাসকেও যুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে। তবে ভারত এই জোটে যোগ দিলে পশ্চিম এশিয়ার একাংশের অসন্তোষ বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে এই সফর ভারত ও ইরান-এর সম্পর্কেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন কূটনৈতিক মহলের একাংশ। ইজরায়েল ও ইরানের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই তীব্র বৈরিতার মধ্যে রয়েছে। একই সময়ে ইরান ও আমেরিকা-র মধ্যে চলমান উত্তেজনাও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। ইজরায়েল ও আমেরিকার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে এই সফর তেহরানের সঙ্গে নয়াদিল্লির কূটনৈতিক ভারসাম্যে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে প্রতিরক্ষা ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক কূটনীতির সূক্ষ্ম ভারসাম্য বজায় রাখাই এই সফরে ভারতের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • ...
  • 148
  • 149
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, দক্ষিণবঙ্গে টানা বৃষ্টি! কোন জেলায় অতিভারী বর্ষণের সতর্কতা?

বর্ষার মরশুমে প্রথম বড় আবহাওয়াগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলল। উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ অঞ্চল তৈরি হয়েছে, যা আগামী কয়েকদিন একই এলাকায় অবস্থান করে আরও শক্তিশালী হতে পারে বলে জানিয়েছে ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (IMD)। এর প্রভাবেই শুক্রবার থেকে সোমবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। একাধিক জেলায় জারি হয়েছে হলুদ (Yellow Alert) এবং কমলা (Orange Alert) সতর্কতা।নিম্নচাপের জেরে বাড়বে বৃষ্টির দাপটআবহাওয়া দফতরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা হবিবুর রহমান বিশ্বাস জানিয়েছেন, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি ধীরে ধীরে শক্তি বৃদ্ধি করবে। এর প্রত্যক্ষ প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গের উপকূলবর্তী এবং পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ ও দমকা হাওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।শুক্রবার কোন কোন জেলায় বৃষ্টি?শুক্রবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দিনের বিভিন্ন সময়ে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের পাশাপাশি বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।শনিবার দুই জেলায় কমলা সতর্কতাশনিবার পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় জারি হয়েছে কমলা সতর্কতা।অন্যদিকে ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং হাওড়া জেলায় ভারী বৃষ্টির জন্য হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। নিচু এলাকায় জল জমা, যান চলাচলে বিঘ্ন এবং স্থানীয়ভাবে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা রয়েছে।রবিবার সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে এই জেলাগুলিতেরবিবার নিম্নচাপের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে।অতিভারী বৃষ্টির (৭০২০০ মিমি) সম্ভাবনা রয়েছেপশ্চিম মেদিনীপুরঝাড়গ্রামবাঁকুড়াপুরুলিয়াএই চার জেলার জন্য জারি হয়েছে কমলা সতর্কতা।এছাড়াও কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনায় হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে।সোমবারও মিলবে না স্বস্তিসোমবারও দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, নিম্নলিখিত জেলাগুলিতে বৃষ্টির দাপট অব্যাহত থাকতে পারেপূর্ব মেদিনীপুরপশ্চিম মেদিনীপুরদক্ষিণ ২৪ পরগনাপশ্চিম বর্ধমানবাঁকুড়াপুরুলিয়াবীরভূমকবে থেকে কমবে বৃষ্টি?আবহাওয়া দফতরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা হবিবুর রহমান বিশ্বাস জানিয়েছেন, মঙ্গলবার থেকে বৃষ্টির তীব্রতা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করবে। তবে বুধবারও দক্ষিণ ২৪ পরগনার কয়েকটি এলাকায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অর্থাৎ নিম্নচাপের প্রভাব পুরোপুরি কাটতে সপ্তাহের মাঝামাঝি পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।মৎস্যজীবীদের জন্য জরুরি সতর্কতাবঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকার আশঙ্কায় সোমবার পর্যন্ত উপকূলবর্তী এলাকার মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সমুদ্রে প্রবল বাতাস এবং উঁচু ঢেউয়ের কারণে মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে নিরাপদ স্থানে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।প্রশাসনের পরামর্শপ্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে অপ্রয়োজনে জলাবদ্ধ এলাকায় যাতায়াত না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি আবহাওয়ার সর্বশেষ আপডেটের দিকে নজর রাখারও আবেদন করা হয়েছে।বর্ষার শুরুতেই তৈরি হওয়া এই নিম্নচাপ দক্ষিণবঙ্গে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেদিকে নজর রয়েছে আবহাওয়াবিদদের। আগামী চার দিন রাজ্যের আবহাওয়া যে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন এবং যান চলাচলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে, তা একপ্রকার নিশ্চিত বলেই মনে করা হচ্ছে।

জুলাই ০৩, ২০২৬
রাজ্য

এবার আর রক্ষা নেই! নিম্নচাপের দাপটে বাংলায় প্রবল বৃষ্টির সতর্কতা, কোন কোন জেলা সবচেয়ে ঝুঁকিতে?

জুন মাসে বৃষ্টির ঘাটতি থাকলেও জুলাইয়ের শুরুতেই বদলে গেল আবহাওয়ার ছবি। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের প্রভাবে শুক্রবার থেকেই দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় প্রবল বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী সোমবার পর্যন্ত ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। এর সঙ্গে ঘণ্টায় পঞ্চাশ থেকে ষাট কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া এবং বজ্রবিদ্যুতেরও আশঙ্কা রয়েছে।শুক্রবার সকাল থেকেই কলকাতা ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে আকাশ মেঘে ঢেকে যায়। ভোর থেকেই বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে। উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে নিম্নচাপের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, হুগলি, পূর্ব মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও একদিনে প্রায় দুইশো মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে বলেও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। রবিবার কলকাতার জন্যও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।এই বৃষ্টি একদিকে কৃষকদের জন্য স্বস্তির খবর নিয়ে এলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়তে পারে। নিচু এলাকায় জল জমার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি বজ্রবিদ্যুৎসহ ঝড়ো হাওয়ার কারণে দৈনন্দিন জীবনও ব্যাহত হতে পারে।নিম্নচাপের প্রভাবে সমুদ্রও উত্তাল হয়ে উঠতে পারে। সেই কারণে শুক্রবার থেকে মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। সুন্দরবন উপকূল এলাকায় পুলিশ ইতিমধ্যেই মাইকিং করে সতর্কবার্তা দিতে শুরু করেছে। যাঁরা আগে থেকেই মাছ ধরতে গিয়েছিলেন, তাঁদের দ্রুত নিরাপদে ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, ভারী বৃষ্টির জেরে নদীভাঙনের আশঙ্কাও বাড়ছে। বালুরঘাটের আত্রেয়ী নদীর জলস্তর বেড়ে যাওয়ায় ডাঙ্গি এলাকার নদীতীরে নতুন করে ভাঙন শুরু হয়েছে। নদীগর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে বনাঞ্চলের একের পর এক গাছ। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না নেওয়া হলে আগামী দিনে বাড়িঘর, চাষের জমি এবং বনাঞ্চলের বড় অংশ নদীতে বিলীন হয়ে যেতে পারে।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী মঙ্গলবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির দাপট কিছুটা কমতে পারে। তবে একই সময়ে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

জুলাই ০৩, ২০২৬
বিদেশ

পাঁচ দিন ধ্বংসস্তূপের নিচে! শেষমেশ যা করল ছোট্ট কুকুরটি, চোখে জল নেটদুনিয়ার

ভয়াবহ ভূমিকম্পে লণ্ডভণ্ড ভেনেজুয়েলা। হাজার হাজার মানুষের মৃত্যুর মাঝেই সামনে এল এক আশ্চর্য ঘটনা। ধ্বংসস্তূপের নিচে টানা প্রায় পাঁচ দিন আটকে থাকার পর জীবিত উদ্ধার হল জিসেল নামে একটি পোষ্য কুকুর। সেই উদ্ধারের ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই আবেগে ভাসছে সমাজমাধ্যম।স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার ভেনেজুয়েলার সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত লা গুয়াইরা রাজ্যের কারাবাল্লেদা এলাকা থেকে জিসেলকে উদ্ধার করেন বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা। গত বুধবার অল্প সময়ের ব্যবধানে দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। সেই বিপর্যয়ে বহু বাড়ি ভেঙে পড়ে এবং প্রাণ হারান এক হাজার নয়শোরও বেশি মানুষ।উদ্ধারের পর প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, ধ্বংসস্তূপ থেকে বের করে আনতেই উদ্ধারকারী দলের এক সদস্যের মুখ চেটে দেয় জিসেল। আনন্দে লেজ নাড়াতে থাকে সে। এরপর তাকে জল খাওয়ানো হয় এবং তার শরীরে কোনও গুরুতর আঘাত রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করেন চিকিৎসকেরা।উদ্ধারের এই ভিডিও ভাগ করে নিয়ে একটি আবেগঘন বার্তা দেন এল সালভাদরের রাষ্ট্রপতি নায়িব বুকেলে। তিনি জানান, দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টার চেষ্টার পর জিসেলকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি আবেদন করেন, যদি কেউ কুকুরটির মালিক হন, তবে প্রয়োজনীয় প্রমাণ দেখিয়ে উদ্ধারকারী দলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে।ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর মুহূর্তের মধ্যেই তা ছড়িয়ে পড়ে সমাজমাধ্যমে। অসংখ্য মানুষ জিসেলের বেঁচে ফেরাকে অলৌকিক বলে উল্লেখ করেছেন। অনেকেই লিখেছেন, উদ্ধারকারীদের প্রতি ছোট্ট প্রাণীটির কৃতজ্ঞতার প্রকাশ সত্যিই হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়ার মতো।একজন লিখেছেন, একটি অবলা প্রাণীর ভালোবাসা এবং কৃতজ্ঞতার মতো নির্মল অনুভূতি খুব কমই দেখা যায়। আবার আরেকজনের মন্তব্য, মানুষের উচিত প্রাণীদের কাছ থেকে কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসার শিক্ষা নেওয়া। আরও একজন লেখেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও কত নিরীহ প্রাণী আটকে রয়েছে, সেই কথা ভাবলেই মন ভারী হয়ে যাচ্ছে। জিসেলের এই অলৌকিক প্রত্যাবর্তন তাই শুধু একটি উদ্ধার নয়, ভয়াবহ বিপর্যয়ের মধ্যেও নতুন আশার আলো হয়ে উঠেছে।

জুলাই ০২, ২০২৬
রাজ্য

ভোর হতেই বড় অভিযান! শওকত মোল্লার ছেলের ক্যাফেতে বুলডোজার, মুহূর্তে গুঁড়িয়ে গেল সব

মাতলা নদীর চর দখল করে বেআইনিভাবে ক্যাফে তৈরির অভিযোগে শওকত মোল্লার ছেলে ইমরানের ক্যাফে ভাঙার কাজ শুরু করল জেলা প্রশাসন। আগেই সমস্ত নথি খতিয়ে দেখে ক্যাফেটি ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যেও সেই নির্দেশ মানা না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত প্রশাসন নিজেই বুলডোজার নামিয়ে অভিযান চালায়।ভোর থেকেই ক্যাফের সামনে মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। নিরাপত্তার জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যদেরও রাখা হয় ঘটনাস্থলে। প্রশাসনিক আধিকারিকদের উপস্থিতিতে শুরু হয় ভাঙার কাজ। প্রথমে বুলডোজার দিয়ে ক্যাফের প্রধান প্রবেশদ্বার ভেঙে ফেলা হয়। এরপর একে একে ভেঙে দেওয়া হয় ক্যাফের ভিতরের বিভিন্ন নির্মাণ এবং সাজানো বাগানের অংশ।এর কয়েক দিন আগেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে নোটিস দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ক্যাফে ভেঙে ফেলতে হবে। অন্যথায় প্রশাসন নিজেই ব্যবস্থা নেবে। নোটিসের পর ক্যাফে থেকে আসবাবপত্র ও অন্যান্য সামগ্রী সরিয়ে নেওয়া হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্মাণ ভাঙা হয়নি। এরপরই প্রশাসন আইন অনুযায়ী অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়।এই ভাঙার কাজ ক্যানিং পূর্বের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরকারি জমির উপর বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে শুনানি করা হয়। সংশ্লিষ্ট পক্ষকে নিজ উদ্যোগে নির্মাণ সরিয়ে নেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময়ও দেওয়া হয়েছিল। সেই সময়সীমা শেষ হয়ে যাওয়ার পর সরকারি নিয়ম মেনেই ভাঙার কাজ শুরু করা হয়েছে।উল্লেখ্য, এই ক্যাফে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক চলছিল। মাতলা নদীর চর দখল করে বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ সামনে আসার পর প্রশাসন তদন্ত শুরু করে। সেই তদন্তের ভিত্তিতেই শেষ পর্যন্ত ভাঙার নির্দেশ কার্যকর করা হল।

জুলাই ০২, ২০২৬
কলকাতা

মহুয়াকে ঘিরে হামলার অভিযোগ, এবার পাশে সিপিএমের বিকাশ! এক মন্তব্যেই শুরু নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক

কালীগঞ্জে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে ঘিরে হেনস্থার অভিযোগের ঘটনায় এবার তাঁর পাশে দাঁড়ালেন সিপিএম নেতা ও প্রবীণ আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য। রাজনৈতিক মতভেদ থাকা সত্ত্বেও একজন নির্বাচিত সাংসদের সঙ্গে এমন আচরণ কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।বুধবার কালীগঞ্জে একটি বৈঠকে যোগ দিতে গিয়েছিলেন মহুয়া মৈত্র। অভিযোগ, সেই সময় বৈঠক চলাকালীন বাইরে জড়ো হওয়া একদল বিক্ষোভকারী ঘরের জানালা লক্ষ্য করে ডিম, কাদা এবং গোবর ছুড়তে শুরু করেন। পাশাপাশি চোর বলে স্লোগানও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার সময় মহুয়া সমাজমাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করে পরিস্থিতির কথা তুলে ধরেন। ভিডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, জানালা দিয়ে একের পর এক ডিম ছোড়া হচ্ছে এবং তা ঘরের ভিতরেও এসে পড়ছে। এই ঘটনার জন্য দলের একাংশের প্রতিও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।ঘটনার পর সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য লেখেন, মহুয়া মৈত্র তাঁর রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হতে পারেন, কিন্তু তিনি একজন সাংসদ। তাঁর বিরুদ্ধে জুলুমবাজির কোনও অভিযোগ তাঁর জানা নেই। তাই যেভাবে তাঁকে হেনস্থা করা হয়েছে, তা একটি সভ্য ও গণতান্ত্রিক সমাজের পক্ষে অত্যন্ত লজ্জাজনক। এই ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে সকল সচেতন মানুষের প্রতিবাদ করা উচিত বলেও তিনি মন্তব্য করেন।উল্লেখ্য, এর আগেও বিভিন্ন রাজনৈতিক মামলায় নিজের অবস্থান নিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য। তৃণমূল নেতা দেবরাজ চক্রবর্তীর পক্ষে আদালতে সওয়াল করায় তিনি সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন। এছাড়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে প্রয়োজনে আদালতে দাঁড়াতেও আপত্তি নেই বলে তাঁর মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছিল।এদিকে কালীগঞ্জের ঘটনায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি এই ঘটনার জন্য বিজেপিকে দায়ী করেছেন। তবে রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য সেই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কোনও সম্পর্ক নেই। তাঁর দাবি, তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ থেকেই এই ঘটনা ঘটেছে।ঘটনার প্রকৃত দায় কার, তা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর অব্যাহত থাকলেও কালীগঞ্জের এই ঘটনাকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।

জুলাই ০২, ২০২৬
কলকাতা

তিলোত্তমা মামলায় বিস্ফোরণ! ভিসেরা নমুনা নষ্টের অভিযোগে সামনে চাঞ্চল্যকর চিঠি, আদালতে বড় পদক্ষেপ পরিবারের

তিলোত্তমা ধর্ষণ ও খুনের মামলায় ফের সামনে এল নতুন বিতর্ক। এবার রাজ্য ফরেনসিক পরীক্ষাগারে ভিসেরা পরীক্ষার জন্য রাখা নমুনা নষ্ট ও বদলে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ তুলেছে তিলোত্তমার পরিবার। এই অভিযোগের ভিত্তি একটি চিঠি, যা সম্প্রতি তিলোত্তমার বাবার কাছে পাঠিয়েছেন এক প্রাক্তন ফরেনসিক আধিকারিক।পরিবারের দাবি, ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে রাজ্য ফরেনসিক বিভাগের তিন আধিকারিক তিলোত্তমার ভিসেরা নমুনা নষ্ট করেছেন। আরও অভিযোগ, তিলোত্তমার লিভার, কিডনি ও পাকস্থলীর যে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল, তা পরে বদলে ফেলা হয়। এই নমুনাগুলির মাধ্যমে তদন্তকারীরা জানতে চেয়েছিলেন, তিলোত্তমার শরীরে কোনও বিষক্রিয়া হয়েছিল কি না বা তাঁকে ঘুমের ওষুধ দেওয়া হয়েছিল কি না। কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী, সেই গুরুত্বপূর্ণ নমুনা আর আগের অবস্থায় ছিল না।চিঠিতে আরও দাবি করা হয়েছে, রাজ্য ফরেনসিক পরীক্ষাগার থেকে কেন্দ্রীয় ফরেনসিক পরীক্ষাগারে পাঠানোর সময়ও ভিসেরা নমুনা বদলে দেওয়া হয়। এমনকি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে এই কাজ হয়েছে বলেও ওই চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা এখনও স্বাধীনভাবে প্রমাণিত হয়নি।তিলোত্তমার পরিবারের সিদ্ধান্ত, এই চিঠি শিয়ালদহ আদালতে বিচারকের কাছে জমা দেওয়া হবে। একই সঙ্গে আদালতের কাছে আবেদন জানানো হবে, যাতে অভিযোগগুলির সত্যতা খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়।চিঠিতে আরও দাবি করা হয়েছে, তৃণমূল সরকারের আমলে খুন হওয়া বিজেপি ও সিপিএম কর্মীদের একাধিক মামলায়ও একই তিন আধিকারিক ভিসেরা নমুনা নষ্ট করেছিলেন। এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে। তবে অভিযোগগুলির বিষয়ে এখনও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনও সরকারি প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি।

জুলাই ০২, ২০২৬
দেশ

প্রধানমন্ত্রী থেকে মুখ্যমন্ত্রী, কেউই রেহাই পাবেন না! এক নতুন বিলে বদলে যেতে পারে দেশের রাজনীতি

দেশের প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী বা কোনও মন্ত্রী গুরুতর অপরাধের মামলায় টানা ৩০ দিন বিচারবিভাগীয় হেফাজতে থাকলে তাঁকে পদ ছাড়তে হতে পারে। এমনই গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব থাকা সংবিধান সংশোধনী বিল নিয়ে আবারও জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। সূত্রের খবর, সংসদের আসন্ন বাদল অধিবেশনেই এই বিল নিয়ে আলোচনা এবং পাসের উদ্যোগ নিতে পারে কেন্দ্র।জানা গিয়েছে, আগামী ১৭ জুলাই যৌথ সংসদীয় কমিটি এই বিল নিয়ে তাদের রিপোর্ট জমা দিতে পারে। সেই রিপোর্টে বিতর্কিত ধারাটি বহাল থাকতে পারে বলেই খবর। প্রস্তাব অনুযায়ী, যে সব অপরাধে পাঁচ বছর বা তার বেশি কারাদণ্ডের সম্ভাবনা রয়েছে, সেই ধরনের মামলায় অভিযুক্ত কোনও প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী বা মন্ত্রী যদি টানা ৩০ দিন বিচারবিভাগীয় হেফাজতে থাকেন, তবে তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার বিধান রাখা হতে পারে।তবে আইন যাতে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার না হয়, সে বিষয়েও কিছু সুরক্ষামূলক সুপারিশ রিপোর্টে থাকতে পারে বলে সূত্রের দাবি। আগামী ২০ জুলাই থেকে শুরু হতে চলা বাদল অধিবেশনেই বিলটি সংসদে তোলা হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা তৈরি হয়েছে।দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং তামিলনাড়ুর তৎকালীন মন্ত্রী ভি সেন্থিল বালাজি গ্রেফতার হওয়ার পরও দীর্ঘ সময় মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সেই ঘটনার পরই গত বছর এই সংবিধান সংশোধনী বিল সংসদে পেশ করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।বিরোধীদের প্রবল আপত্তির জেরে বিলটি সরাসরি পাস না করে যৌথ সংসদীয় কমিটির কাছে পাঠানো হয়। বিজেপি সাংসদ অপরাজিতা সারঙ্গীর নেতৃত্বে একত্রিশ সদস্যের একটি কমিটি বিলটি খতিয়ে দেখছে। তবে তৃণমূল, সমাজবাদী পার্টি, কংগ্রেস এবং ডিএমকে এই কমিটিতে যোগ দেয়নি।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বর্তমান সংসদীয় সমীকরণে সরকার এই বিল পাস করানোর জন্য প্রয়োজনীয় সমর্থন আদায় করতে পারে কি না, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। কারণ সংবিধান সংশোধনের জন্য লোকসভায় দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন প্রয়োজন। তাই আসন্ন বাদল অধিবেশনে এই বিল ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়তে পারে।উল্লেখ্য, এই বিল এখনও আইন হয়ে যায়নি। সংসদের উভয় কক্ষে পাস হওয়া এবং প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পরেই এটি কার্যকর হতে পারে।

জুলাই ০২, ২০২৬
কলকাতা

এক সপ্তাহও টিকল না রক্ষাকবচ! পুরুলিয়া-ঝাড়খণ্ড সীমান্ত থেকে গ্রেফতার দেবরাজ, সামনে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

রক্ষাকবচ খারিজ হওয়ার মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই গ্রেফতার হলেন বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তী। পুরুলিয়া-ঝাড়খণ্ড সীমান্ত এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করেছে বেঙ্গল বিশেষ অভিযান বাহিনী। তোলাবাজি ও হিংসার মামলায় এই পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি।দেবরাজ চক্রবর্তী একসময় উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার যুব নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ মুখ ছিলেন। পাশাপাশি রাজারহাট, নিউটাউন ও বাগুইআটি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে তাঁর প্রভাব ছিল বলে অভিযোগ। বহুদিন ধরেই তাঁর বিরুদ্ধে আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বিপুল সম্পত্তি গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছিল। স্থানীয়দের একাংশও এই নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন বলে দাবি করা হয়।রাজনৈতিক জীবনের শুরুতে তিনি পূর্ণেন্দু বসুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। পরে সুজিত বসুর সঙ্গে কাজ করতে শুরু করেন এবং ধীরে ধীরে নিজের সাংগঠনিক প্রভাব বাড়ান। পরবর্তী সময়ে তিনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলেও রাজনৈতিক মহলে পরিচিতি পান।তদন্তকারী সূত্রের দাবি, এলাকার প্রোমোটারদের হুমকি দেওয়া, তোলাবাজি এবং অর্থ আদায়ের মতো একাধিক অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে দেবরাজের বিরুদ্ধে জমা পড়েছিল। ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় সরকারি কর্মীদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও তাঁর ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে উঠেছিল বলে দাবি করা হয়েছে।দেবরাজের স্ত্রী তথা প্রাক্তন বিধায়ক অদিতি মুন্সির নামও এখন আলোচনায়। অভিযোগ, বিধায়ক থাকাকালীন এলাকায় সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণের বড় অংশই সামলাতেন দেবরাজ। তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সম্পর্কে অদিতি মুন্সির কোনও ভূমিকা বা তথ্য ছিল কি না। প্রয়োজনে তাঁদের মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলেও তদন্তকারী সূত্রের দাবি।এদিকে রাজ্যের মন্ত্রী অর্জুন সিং আগেই অভিযোগ করেছিলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মদতেই দেবরাজ উত্তর চব্বিশ পরগনায় দুর্নীতির বিস্তৃত জাল গড়ে তুলেছিলেন। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে কোনও আদালত-স্বীকৃত প্রমাণ সামনে আসেনি।অন্যদিকে, নির্বাচনের আগে মনোনয়নপত্রে ভুল তথ্য দেওয়ার অভিযোগে অদিতি মুন্সির বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন বিজেপি নেতা ও আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি। দেবরাজের গ্রেফতারের পর এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, দেবরাজের সম্পত্তির একটি অংশ অদিতি মুন্সির নামেও ছিল। পাশাপাশি তিনি আরও একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলেন এবং তদন্তে সব দিক খতিয়ে দেখার দাবি জানান।উল্লেখ্য, আগাম জামিনের আবেদন জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন দেবরাজ চক্রবর্তী ও অদিতি মুন্সি। চার মাসের সন্তানের বিষয়টি বিবেচনা করে আদালত অদিতি মুন্সিকে সাময়িক রক্ষাকবচ দিলেও দেবরাজের আবেদন খারিজ করে দেয়। তার এক সপ্তাহের মধ্যেই গ্রেফতার করা হল তাঁকে। এখন তদন্ত কোন দিকে এগোয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের।

জুলাই ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal