• ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার ১৫ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IS

রাজনীতি

হাথরসকাণ্ডের প্রতিবাদে আজ বিকেলে প্রতিবাদ মিছিল মুখ্যমন্ত্রীর

করোনা আবহে আজ উত্তরপ্রদেশের হাথরস ইস্যুতে কলকাতার রাজপথে প্রতিবাদ মিছিল করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। করোনা পরিস্থিতিতে এই প্রথম প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কর্মসূচি নিচ্ছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। শনিবার বিকেল ৪টায় মিছিল বিড়লা প্লানেটোরিয়াম থেকে শুরু হয়ে শেষ হবে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে। শুক্রবার হাথরসে ঢুকতে গিয়ে বাধা পায় তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। অভিযোগ, মাটিতে ফেলে দেওয়া হয় সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েনকে। উত্তরপ্রদেশের হাথরসে দলিত তরুণীর গণধর্ষণে মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষুব্ধ আপামর জনতা। তারওপর যোগী সরকারের কর্মকাণ্ডে ক্ষোভ আরও বাড়ছে। স্থানীয় জেলাশাসক হুমকি দিয়েছেন ওই পরিবারকে। এমনটাই অভিযোগ। কংগ্রেসে নেতা রাহুল গান্ধীকে মেরে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। এর আগে টুইটে উত্তরপ্রদেশের ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার পথে নেমে প্রতিবাদ করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

অক্টোবর ০২, ২০২০
দেশ

রাজঘাটে মহাত্মা গান্ধীর প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর

শুক্রবার গোটা দেশে জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর ১৫১ তম জন্মদিন পালন করা হয়। এদিন রাজঘাটে গিয়ে জাতির জনকের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দও। মহাত্মা গান্ধীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে টুইটারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লেখেন, আমরা গান্ধী জয়ন্তীতে শ্রদ্ধেয় বাপুকে প্রণাম জানাই । তাঁর জীবন এবং মহৎ চিন্তা থেকে অনেক কিছু শেখার আছে । সমৃদ্ধ ভারত গঠনে বাপুর আদর্শ আমাদের পথ দেখায় ।মহাত্মা গান্ধীকে শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ লেখেন, আসুন আমরা সবাই আবার গান্ধীজয়ন্তীর শুভ উপলক্ষে সংকল্প করি যে, আমরা সত্য ও অহিংসার পথ অনুসরণ করে সর্বদা জাতির কল্যাণ ও অগ্রগতির বিষয়ে নিজেদের এগিয়ে নিয়ে যাই৷ পরিচ্ছন্ন, সমৃদ্ধ, শক্তিশালী এবং অন্তর্ভুক্ত ভারত তৈরির মাধ্যমে গান্ধীজীর স্বপ্নগুলি উপলব্ধি করার কথা বলেন রাষ্ট্রপতি।রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ ট্যুইট করেন, গান্ধীজয়ন্তীর দিন আমি জাতির পিতা মহাত্মা গান্ধীর প্রতি কৃতজ্ঞ ও সবার পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানাই। তাঁর সত্য, অহিংসা এবং ভালবাসার বার্তা সমাজে সম্প্রীতি ও সম্প্রীতির যোগাযোগ করে সমগ্র বিশ্বের কল্যাণের পথ সুগম করে।মহাত্মা গান্ধীকে প্রণাম জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও৷ এই বিশেষ অনুষ্ঠানে তিনি ট্যুইট করেছেন, গান্ধীজির অসাধারণ ব্যক্তিত্ব এবং আধ্যাত্মিক জীবন বিশ্বকে শান্তি, অহিংসা এবং সম্প্রীতির পথ দেখিয়েছিল। স্বদেশীর ব্যবহার বাড়ানোর তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আজ মোদি জি-র স্বনির্ভর ভারতের সংকল্প নিয়ে পুরো দেশ স্বদেশী ভাবধারা গ্রহণ করছে।

অক্টোবর ০২, ২০২০
স্বাস্থ্য

করোনায় মৃত্যু হাওড়া জেলা হাসপাতালের নার্সিং সুপারের

করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল হাওড়া জেলা হাসপাতালের নার্সিং সুপার প্রণীত দাসের(৫৮)। গত ২৯ সেপ্টেম্বর তাঁর করোনা পরীক্ষা হয়। পরীক্ষায় রিপোর্ট পজিটিভ আসায় পরের দিনই তাঁকে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা। সেদিনই তিনি মারা যান। কয়েক মাস আগে হাওড়া জেলা হাসপাতালের সুপার করোনায় আক্রান্ত হন। চিকিৎসার পরে সুস্থ হয়ে আবার কাজে যোগ দেন তিনি। এছাড়াও হাওড়া জেলা হাসপাতালের অনেক চিকিৎসক ও কর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। আবার সুস্থ হয়ে কাজেও যোগ দিয়েছেন। হাসপাতাল সূত্রে খবর, শারীরিক অসুস্থতা তোয়াক্কা না করে তিনি কাজ করছিলেন হাসপাতালে।

অক্টোবর ০১, ২০২০
কলকাতা

কমিশনের দারস্থ বিজেপি নেতারা

কলকাতাঃ রাজ্যে ১০৭ পুরসভার ভোট স্থগিত হয়ে রয়েছে গত এক বছর ধরে। সেই ভোট দ্রুত করানোর দাবিতে রাজ্য বিজেপির প্রতিনিধিদল রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দারস্থ হল বৃহস্পতিবার। তারা দ্রুত ভোট করানোর দাবি জানায়। এখন প্রশাসকরা পুরসভার কাজ পরিচালনা করছেন। গত ২২ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোট মত দেয়, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব , এই পুরসভাগুলির ভোট সম্পন্ন করতে হবে। কলকাতা হাইকোটও তাতে সহমত পোষণ করে। এছাড়াও ২০২১ সালের বিধানসভা নিরবাচন যাতে অবাধ ও শান্তিপূণ হয়,সে দাবি জানিয়েছেন তারা।

অক্টোবর ০১, ২০২০
দেশ

সীমান্তে সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন পাক সেনার, শহীদ এক জওয়ান

শ্রীনগর: জম্মু ও কাশ্মীরের কৃষ্ণঘাটি সেক্টরে পাকিস্তানি সেনা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ফলে ভারতীয় সেনার এক জওয়ান শহীদ হয়েছেন বলে বৃহস্পতিবার জানানো হয়েছে। বিনা প্ররোচনায় পাক সেনারা এলোপাথারি গুলি চালায় সীমান্তে এমনটাই জানিয়েছেন সেনাকর্তারা।পাক সেনার যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের পাল্টা জবাব দিয়েছে ভারতীয় সেনা। জম্মুর প্রতিরক্ষা পিআরও, লেঃ কর্নেল দেবেনদার আনন্দ এক বিবৃতিতে বলেছেন, গতকাল রাতে কৃষ্ণঘাটি সেক্টরে পাকিস্তানের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনায় ল্যান্স নায়েক কর্ণাইল সিং প্রাণ হারিয়েছেন। সেনা সূত্রে আরও জানানো হয়েছে আরও এক জওয়ান রাইফেলম্যান বীরেন্দ্র সিং আহত হয়েছেন। তাঁর চোখে আঘাত লেগেছে এবং গুরুতর অবস্থায় তাঁকে রাজৌরির সেনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হোয়াইট নাইট কর্পসের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং এবং সমস্ত পর্যায়ের মৃত সৈনিকের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।এর আগে বুধবার সন্ধ্যায় মানকোট সেক্টরের পুঞ্চে পাকিস্তানি সেনারা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন শুরু করেছিল। ১৯৯৯ সালে ভারত ও পাকিস্তানের স্বাক্ষরিত দ্বিপাক্ষিক যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরের পরেও চলতি বছরের শুরু থেকেই পাকিস্তান যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে আসছে। চলতি বছরে এলওসি-তে পাকিস্তানের যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের ঘটনায় মোট ২৪ জন মানুষ মারা গিয়েছেন এবং শতাধিক আহত হয়েছেন।মর্টার শেল ছোঁড়ার ফলে কাশ্মীর সীমান্তের মানুষদের জীবন, জীবিকা ও কৃষি কার্যক্রম বিপন্ন। প্রতি মুহূর্তে তাঁরা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত বিনা প্ররোচনায় পাক সেনারা সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেছে ১৫০০ বারের বেশী।

অক্টোবর ০১, ২০২০
রাজ্য

অসমাপ্ত কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ মমতার

২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বেজে গিয়েছে। কোভিড পরিস্থিতিতেও উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উন্নয়নের কাজ খতিয়ে দেখতেই এই সফর মমতার। উচ্চপদস্থ প্রশাসনিক কর্তাদের মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন ১০০ শতাংশ কাজ চাই। চা শ্রমিকদের জন্য করলেন বিশেষ ঘোষণা। আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতে মানুষের উন্নয়নের কাজে কেনও গাফিলতি না হয় এবং দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রী বললেন, ইনস্পেক্টর রাজ বেশি চলছে। জনস্বার্থে কাজ বেশি চাই। খোলনলচে সব বদলে দেব। ১০০ পার্সেন্ট কাজ চাই, ১০০ পার্সেন্ট অভিযোগের সমাধান করতে হবে। আগামী তিন মাসের মধ্যে দুই জেলার সব কাজ শেষ করার জন্য ডিএম-এসডিও-বিডিওদের নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের অর্থদপ্তর টাকা দেওয়া সত্ত্বেও অনেক জায়গায় কাজ হচ্ছে না বলে রিপোর্ট পেয়েছেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রী জেলা সভাধিপতিদের নির্দেশ দেন ডিএম-বিডিওদের সঙ্গে কথা বলে অসমাপ্ত কাজগুলি শেষ করুন। বুধবার দার্জিলিং, কোচবিহার ও কালিম্পংয়ের রিভিউ বৈঠক করবেন মমতা। এদিন চা বাগানের গৃহহীন শ্রমিকদের জন্য চা সুন্দরী প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, চা বাগানের গৃহহীন শ্রমিকদের বাড়ি বানিয়ে দেবে সরকার। চা সুন্দরী প্রকল্পে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই প্রকল্পের কাজ আগামী ২ মাসের মধ্যে শুরু হবে। তিন বছরের মধ্যে প্রকল্প সম্পূর্ণ করা হবে। উত্তরবঙ্গে ৩৭০টি চা বাগানে প্রায় ৩ লক্ষ শ্রমিক রয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, প্রথম পর্যায়ে জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারের মোট ৭টি চা বাগানের ৩,৬৯৪টি পরিবার এই প্রকল্পের বাড়ি পাবেন। আলিপুরদুয়ারে ৫টি চা বাগানের ২,৬৪১ টি পরিবার রয়েছে। আর জলপাইগুড়িতে ২টি চা বাগানে ১,০৫৩টি পরিবার থাকছে। তিনশো কামতাপুরি আন্দোলনকারী রাজ্যের উদ্যোগে মূল স্রোতে ফিরছে। এদিন ১৩০ জন কেএলও অ্যাক্টিভিস্ট ও লিংকম্যান মূল স্রোতে ফিরে এসেছেন। রাজ্য সরকারের উদ্যোগে বাকি ১৬১ জন আগামীকাল, বুধবার ফিরবেন। এদিন জল্পেশ মন্দিরের পুরোহিত বিজয় চক্রবর্তীর হাতে পুরোহিত ভাতা তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২০
দেশ

প্রয়াত যশবন্ত

প্রয়াত বিজেপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য তথা বাজপেয়ী মন্ত্রিসভার সদস্য যশবন্ত সিং। রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর দিল্লির সেনা হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৮২। বেশ কিছুদিন ধরে বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। গত ২৫ জুন থেকে এই হাসপাতালে ছিলেন। এদিন সকালে প্রয়াত হন। যশবন্তের প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। টুইট বার্তায় প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, "প্রথমে একজন সেনা ও পরে একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে দেশসেবা করেছেন। অটলবিহারী বাজপেয়ী মন্ত্রিসভায় সামলেছেন অর্থ, বিদেশ ও প্রতিরক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রিত্ব।" যশবন্তের প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করে পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ১৯৩৮ সালের ৩ জানুয়ারি রাজস্থানের জসোল গ্রামে জন্ম যশবন্ত সিংয়ের। পঞ্চাশ দশকের শেষ দিকে যোগ দেন সেনাবাহিনীতে। মেজর পদেও কর্মরত ছিলেন। আশির দশকে যোগ দেন রাজনীতিতে। ১৯৯৬ সালে অটলবিহারী বাজপেয়ীর সংক্ষিপ্ত রাজত্বকালে অর্থ মন্ত্রকের দায়িত্ব সামলেছিলেন। ২০০২ সালে ফের বাজপেয়ী মন্ত্রিসভায় অর্থ মন্ত্রকের দায়িত্ব পান। ১৯৯৮ সাল থেকে দীর্ঘ ৪ বছর দায়িত্ব সামলান বিদেশ মন্ত্রকেরও। ২০০০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০০১-এর অক্টোবর অবধি প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দায়িত্বও সামলেছেন। পরিকল্পনা কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যানও হয়েছিলেন। প্রাক্তন সতীর্থর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন বর্তমান প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। রাজ্যসভা ছাড়াও চারবারের লোকসভা সাংসদ ছিলেন যশবন্ত। ২০০৯ সালে দার্জিলিং কেন্দ্র থেকে লোকসভায় যান তিনি। তবে ২০১৪ সালে দল টিকিট না দেওয়ায় বিজেপি থেকে পদত্যাগ করেন। রাজস্থানের বারমেড় থেকে নির্দল সদস্য হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে যান। ওই বছরেই বাথরুমে পড়ে যান যশবন্ত। মাথায় গুরুতর চোট পান। ভর্তি করা হয় দিল্লির সেনা হাসপাতালে। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর প্রয়াণে রাজনৈতিক মহলে নেমেছে শোকের ছায়া। তাঁর প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করে টুইটে পরিবার ও অনুরাগীদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২০
খেলার দুনিয়া

ইস্টবেঙ্গল আইএসএলে কী নামে? ঘোষণা নীতার

এই দিনটার প্রতীক্ষাতেই ছিলেন বিশ্বের তামাম ইস্টবেঙ্গল ভক্ত। রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর এবারের আইএসএলের একাদশ দল হিসেবে ইস্টবেঙ্গল এফসি-কে স্বাগত জানিয়েছেন ফুটবল স্পোর্টস ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারপার্সন নীতা আম্বানি। এক প্রেস বিবৃতিতে তিনি জানিয়েছেন, ইস্টবেঙ্গল ও দলের লক্ষ লক্ষ সমর্থকদের আইএসএলে স্বাগত জানাই, এটা খুব আনন্দের ও গর্বের মুহূর্ত। ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানের (বর্তমানে এটিকে মোহনবাগান) মতো ক্লাব আইএসএলে আসায় বাংলায় ফুটবল প্রতিভার বিকাশ-সহ দেশের ফুটবলে সীমাহীন সম্ভাবনার পথ প্রশস্ত হলো। ভারতীয় ফুটবলে বাংলার প্রভূত অবদান রয়েছে। এর সঙ্গে রাজ্য তথা দেশে প্রতিযোগিতামূলক ও বলিষ্ঠ ফুটবল ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার লক্ষ্যে আইএসএলের ক্রমবর্ধমান পদাঙ্ক আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তবে নীতার ঘোষণায় একটি বিষয় পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে, ইনভেস্টরের নাম ইস্টবেঙ্গলের আগে বসছে না। আইএসএলে লাল হলুদ খেলবে ইস্টবেঙ্গল নামেই।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২০
দেশ

কাশ্মীরে জঙ্গি মদতে চিনের হাত

লাদাখের পর এবার জম্মু-কাশ্মীরের দিকে হাত বাড়াল চিন। নয়াদিল্লিকে বিপাকে ফেলতে উপত্যকায় বহুল পরিমাণে অস্ত্রশস্ত্র ঢোকানোর চেষ্টা করছে পাকিস্তান। আর এ ব্যাপারে ইসলামাবাদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে চিন, গোয়েন্দা সূত্রে এমনই খবর। সম্প্রতি ভূস্বর্গে তল্লাশি চালিয়ে প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র মজুত করেছে সেনা। আর সেই অস্ত্রভাণ্ডারেই মিলেছে চিনের তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র ও যুদ্ধের সরঞ্জাম। আর এক্ষেত্রে পাক-চিন যোগসূত্র নিয়ে সন্দেহ আরও জোরদার হয়েছে নয়াদিল্লির। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, জম্মু ও কাশ্মীরে বারুদের স্তূপ বানাতে ইসলামাবাদকে তোল্লাই দিচ্ছে বেজিং। ভারতের সেনা সূত্রে খবর, সম্প্রতি উপত্যকায় নিরস্ত্র জঙ্গি অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেছে‌। জঙ্গিদের অস্ত্র পাঠানো হয়েছে ড্রোন মারফত। গত কয়েক মাসে ভূস্বর্গের নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর বেশ কয়েকটি জায়গায় অস্ত্রশস্ত্র ছাড়াও ড্রোন উদ্ধার হয়েছে। সেগুলি যে চিনের সেই প্রমাণও মিলেছে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০
রাজ্য

দুঃস্থ পড়ুয়াদের পাশে গ্রন্থাগার কর্মীরা

পশ্চিমবঙ্গ গ্রন্থাগার কর্মী সমিতির উদ্দোগে মোট ৫০জন মাধ্যমিক থেকে স্নাতক স্তরের ছাত্র-ছাত্রীর হাতে পাঠ্যবই তুলে দেওয়া হল। হাওড়া জেলা গ্রন্থাগারের সেমিনার হলে বই তুলে দেওয়া হয়। লকডাউনের জেরে কাজ হারিয়েছেন অনেকেই। ফলে আর্থিক কারণে সন্তানদের পড়াশুনোয় সমস্যা হচ্ছে। এবারে গ্রন্থাগারের কর্মীরা নিজেরা চাঁদা তুলে এবং সমমনস্ক কিছু মানুষের সহযোগিতায় এই কাজ করেছেন। ডুমুরজলার চারাবাগান এলাকার সুমন একাদশ শ্রেনীতে ভর্তি হলেও আর্থিক সমস্যার কারণে বই কিনতে পারেনি এখনও। বাবা সনৎ গাঙ্গুলী ক্যাটারিং এর কাজ করেন। লকডাউনের ফলে গত ৬মাস ধরে কর্মহীন। দুবেলা খাবারের জোগাড় করতেই হিমশিম খাচ্ছেন, ছেলের বই কিনবেন কি করে। শুক্রবার হাতে নতুন ক্লাসের বই পেয়েছে সুমন। জানিয়েছে এবারে পড়া শুরু করতে পারবে সে। নিয়মিত স্যানিটাইজ করা হচ্ছে গ্রন্থাগার। কিন্তু তারপরেও চালু করা হয়নি এখনো। ফলে গ্রন্থাগার থেকে বই নিয়ে পড়াশুনা করার সুযোগও পাচ্ছেনা পড়ুয়ারা। এমন অবস্থায় এইভাবেই যতটা সম্ভব পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়ালেন গ্রন্থাগার কর্মীরা।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০
দেশ

বিহার ভোটের দামামা

ভোট বড় বালাই। দিন দিন করোনা সংক্রমণ যেভাবে হাইজাম্প দিচ্ছে, তাতে নো পড়োয়া ভোেটর ক্ষেত্রে। করোনা আবহেই শুক্রবার বিহার বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করলেন মুখ‍্যনির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরা। দিনক্ষণের পাশাপাশি ঘোষিত হল ভোটের আচরণবিধিও। তিন দফায় নির্বাচন হবে বলে ২৪৩ আসন বিশিষ্ট বিহার বিধানসভার। প্রথম দফার ভোট হবে আগামী ২৮ অক্টোবর। দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফার ভোট হবে ৩ ও ৭ নভেম্বর। প্রথম দফায় ৭১ কেন্দ্রে এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হবে ৯৪ ও ৭৮টি কেন্দ্রে। ভোটগ্রহণ নিয়ে একগুচ্ছ পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে কমিশন। ভোটগ্রহণের জন‍্য নির্ধারিত সময়ের চেয়ে আরও ১ ঘণ্টা বেশি সময় বরাদ্দ করা হয়েছে বলে জানান অরোরা। শেষ এক ঘণ্টায় ভোটদান করতে পারবেন কেবলমাত্র কোভিড আক্রান্তরাই। ৮০ বছরের বেশি ভোটারদের জন‍্য থাকছে পোস্টাল ব‍্যালটের ব‍্যবস্থা। ভোটপ্রচার জন‍্য রাজনৈতিক দলগুলি কেবলমাত্র ভার্চুয়াল সমাবেশ করতে পারবে। বাড়ি বাড়ি ভোটপ্রচারে প্রার্থী সহ পাঁচ জনের বেশি কর্মী থাকতে পারবে না। অনলাইনে প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন। টাকাও জমা দিতে পারবেন অনলাইনে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় সর্বাধিক ২ জন কর্মী প্রার্থীর সঙ্গে থাকতে পারবেন। ভোটকেন্দ্রে সর্বাধিক এক হাজার ঢুকতে পারবে বলে জানিয়েছে কমিশন। ভোট দিতে এসে কেউ যাতে সংক্রমিত না হন তার জন‍্য থাকছে ৪৬ লক্ষ মাস্ক, ৬ লক্ষ পিপিই কিট, ২৩ লক্ষ গ্লাভস ও ৭ লক্ষ স‍্যানিটাইজারের বোতল। ইভিএসে বোতাম প্রেসের আগে ভোটারদের দেওয়া হবে গ্লাভস। ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক দলগুলির মধ‍্যে তৎপরতা। বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধে চতুর্থবার রাজ‍্যে শাসন ক্ষমতার দখলের দৌঁড়ে আছেন নীতীশ কুমার। লোকজনশক্তি পার্টি ছাড়াও, নতুন বন্ধু হিেসবে নীতীশ পেয়েছেন জিতন রাম মাজির হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চাকেও। সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃতু‍্যকে হাতিয়ার করে ইতিমধ‍্যে এনডিএ নেমে পড়েছে প্রচারেও। চ‍্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে তৈরি আরজেডি ও কংগ্রেস জোটও। জেলে থেকেই লাল্লুপ্রসাদ রণকৌশল তৈরি করে দিচ্ছেন বলে খবর। আরজেডি ও কংগ্রেসের হাতে নতুন অস্ত্র নয়া কৃষি বিল। লড়াইটা শেয়ানে শেয়ানে হতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। তবে শেষ হাসি কে হাস‍বে, তারজন‍্য অপেক্ষা করতে হবে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত। কারণ ওই দিনই তো ফল ঘোষণা বিহার বিধানসভা নির্বাচনের।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০
রাজনীতি

শুভেন্দু অধিকারী করোনা আক্রান্ত

করোনা আক্রান্ত হলেন রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কিছু দিন আগে তাঁর এক দাদা ও ভাইপো করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। জানা গেছে বৃহস্পতিবার রাতে তাঁর করোনা রিপোর্ট পজেটিভ এসেছে। ঘনিষ্ঠ মহলে শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, তার গতকাল সামান্য জ্বর থাকলেও শুক্রবার তার জ্বর নেই। মৃদু উপসর্গ রয়েছে। বাড়িতে বয়স্ক বাবা থাকায় তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন হাসপাতলে ভর্তি হবেন। একইসঙ্গে জানা গেছে, তার মায়েরও রিপোর্ট কোভিড পজেটিভ এসেছে। তিনি ভর্তি রয়েছেন একটি বেসরকারি হাসপাতালে। এর আগে রাজ্যের একাধিক মন্ত্রী, তৃণমূল বিধায়ক, সাংসদ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় শিশির অধিকারীকে ফোন করেন। তিনি খোঁজ নেন শুভেন্দু অধিকারীর স্বাস্থ্য়ের। তাঁর পরিবারের সকলের খোঁজ-খবর নেন।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২০
রাজ্য

এটিএমে টাকা ভরার সময় দুষ্কৃতী হামলা

এটিএমে টাকা ভরার সময় দুষ্কৃতী হামলা। বোলেরো গাড়ির চাবি ছিনিয়ে কয়েক লক্ষ টাকা নিয়ে চম্পট দিল দুষ্কৃতীরা। বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর আসানসোলে ঘটনাটি ঘটে। আসানসোলের ইসলামপুরের বাসিন্দা বছর ৪০-এর মাকসুদ আলম মল্লিক এটিএম-এ টাকা লোড করার এজেন্সিতে কাজ করেন। বুধবার সন্ধ্যায় রিভারসাইডের একটি ব্যাঙ্কের এটিএম-এ একটি গাড়িতে চেপে টাকা লোডিং করতে যান ওই এজেন্সির তিনজন কর্মী। সেই সময় কিছু দুষ্কৃতী তাঁদের উপর আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। ওই এজেন্সির কর্মীদের উপর গুলি চালিয়ে কয়েক লক্ষ টাকা ও বোলেরো গাড়ির চাবি নিয়ে দুষ্কৃতীরা চম্পট দেয়। গুলি লাগে মাকসুদের বাম হাতের কনুইতে। হীরাপুর থানার পুলিশ আহত গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিকে উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেছে। আহত ব্যক্তির অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০
বিবিধ

কেন্দ্রের জনবিরোধী পদক্ষেপের প্রতিবাদে রিষড়ায় তৃণমূলের বিক্ষোভ

অত্যাবশ্যকীয় পণ্য সংশোধনী বিল রাজ্যসভায় পাস হওয়ার প্রতিবাদে এবং অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের তালিকা থেকে চাল, ডাল, তেল, আলু, পেঁয়াজ প্রভৃতিকে বাদ দেওয়ার বিরুদ্ধে বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ব্যাপক বিক্ষোভ দেখাল রিষড়া শহর তৃণমূল কংগ্রেস। এদিন সকালে শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি বিজয়সাগর মিশ্রর নেতৃত্বে গলায় মশলা, তেল, ডালের প্যাকেট এবং আলু, পেঁয়াজের মালা ঝুলিয়ে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু হয়। বিজয়সাগর মিশ্র বলেন, নরেন্দ্র মোদীর সরকার একের পর এক দেশের আমজনতা, বিশেষ করে গরিব কৃষকদের উপর দমন-পীড়ন চালিয়ে যাচ্ছে। কৃষি বিল, অত্যাবশ্যকীয় পণ্য বিলগুলি যেভাবে জোর করে পাস করিয়ে নিল তাতে কিন্তু দেশের গরিব মানুষ গরিব থেকে আরও বেশি গরিব হবে। লাভবান হবে আদানি, আম্বানিদের মতো বড়ো বড়ো শিল্পপতিরা। কৃষকদের উৎপাদিত ফসল সমস্ত বড়ো বড়ো পুঁজিপতিরা কিনে নিয়ে নিয়ে মজুত করবে। ফলে খুচরো বাজারে যে সমস্ত গরিব বিক্রেতা এবং চাষিরা তাঁদের জিনিসপত্র বিক্রি করেন তাঁরা পড়বেন মহা সমস্যায়। বারবার এই সমস্ত বিষয় নিয়ে আমাদের বিরোধী সাংসদরা যখন রাজ্যসভায় সোচ্চার হয়েছেন তখনই তাঁদের ঘাড়ে নেমে আসছে সাসপেনশনের খাঁড়া। মানুষের বক্তব্য মানুষের অভাব অভিযোগের কথা যদি জনপ্রতিনিধিদের বলতে না দেওয়া হয় তাহলে কীসের গণতন্ত্র? আজকের এই বিক্ষোভ সমাবেশে বিজয়বাবু ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জাহিদ হাসান খান, শুভজিৎ সরকার, মনোজ সাউ, সন্ধ্যা দাস, পৌলোমী রায়-সহ তৃণমূলের কর্মী এবং সমর্থকরা। বহু সাধারণ মানুষও তাঁদের এই বিক্ষোভ সমাবেশকে সমর্থন করে সভায় যোগদান করেন। ছবি ও সংবাদ: তরুণ মুখোপাধ্যায়

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০
দেশ

সাংসদ সাসপেন্ড, সরব তৃণমূল

রাজ্য সরকারের কৃষি বিলের প্রতিবাদ করার ফল হাতেনাতে পেয়েছেন দুই তৃণমূল সাংসদ-সহ আপ, কংগ্রেস ও সিপিআইএমের মোট আটজন সাংসদ। শাস্তি হিসেবে আগামী সাত দিনের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছে তাঁদের। যার অর্থ সংসদের বাদল অধিবেশনের বাকি দিনগুলি আর তাঁরা উপস্থিত থাকতে পারবেন না। এরপরই সাসপেনশনের প্রতিবাদে সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলনেত্রী তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টুইটে লেখেন, কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা করতে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে ৮ সাংসদ সাসপেন্ড হওয়ার ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক। এতে সরকারের স্বৈরাচারী মনোভাবের প্রকাশ দেখা গেল, যারা গণতান্ত্রিক নীতি, আদর্শের প্রতি বিন্দুমাত্র শ্রদ্ধাশীল নয়। তবে আমরা নত হবো না। সংসদ থেকে রাস্তায় নেমে সর্বত্র এই ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাব। সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস টুইটে লিখেছে, আন্তর্জাতিক শান্তি দিবসের আগেই বিজেপি গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। রাজ্যসভায় যে ঘটনা ঘটেছে তা অবিশ্বাস্য। নিষ্ঠুরভাবে বিরোধী দলের নেতাদের কণ্ঠরোধ করা হয়েছে। নরেন্দ্র মোদীর একনায়কতন্ত্র আর বিজেপির গণতন্ত্র হত্যার বিরুদ্ধে দেশের মানুষকে প্রতিবাদে মুখর হতে হবে। তৃণমূল যুব কংগ্রেস সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আট সাংসদকে সাসপেনশনের প্রতিবাদে টুইটে লিখেছেন, রাজ্যসভায় যা হয়েছে তা সাংবিধানিক রীতিবিরুদ্ধ। কেন্দ্রীয় সরকারের নয়া কৃষি নীতি কৃষকদের স্বার্থের পরিপন্থী। তারই প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিরোধীরা। কিন্তু বিরোধী সাংসদদের ভোটাধিকার কেড়ে নিল কেন্দ্র। এভাবে বিজেপি গণতন্ত্রকে হত্যাই করল। তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্র টুইটে লেখেন, সংসদীয় রীতি-নীতির তোয়াক্কা না করে বুলডোজ করিয়ে কৃষি বিল রাজ্যসভায় পাশ করাল কেন্দ্র। রাজ্যসভায় প্রয়োজনীয় সংখ্যা নেই বলেই কি ভোটাভুটিতে না গিয়ে জোর করে ধ্বনি ভোটে বিলগুলি পাশ করানো হলো? সকলকে জাগ্রত হতে হবে, সংসদে জঙ্গলের রাজত্ব চলতে পারে না। গণতন্ত্র ও আইনি বিধানকে সাসপেন্ড করে বিজেপি সংসদে বিরোধী কণ্ঠস্বরকেই সাসপেন্ড করতে চাইছে। সাংসদদের সাসপেনশনের প্রতিবাদে সংসদের ভিতরে চলা তুমুল বিক্ষোভে দফায় দফায় রাজ্যসভার অধিবেশন মুলতুবি হয়ে যায়। গান্ধী মূর্তির সামনে অবস্থান বিক্ষোভ করেন বিরোধী দলের সাংসদরা। সবমিলিয়ে কৃষি বিল নিয়ে সংসদ যে আগামী দিনগুলিতেও উত্তপ্ত হবে তা সহজেই অনুমেয়।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০
রাজ্য

রাতের  মঙ্গলাহাটে দেখা মিলল না ক্রেতার

একদমই জমল না গভীর রাতের হাট। বিক্রেতারা সারা রাত দোকান খুলে পশরা সাজিয়ে রাখলেও দেখা মিলল না ক্রেতার। ৬ মাস বন্ধ থাকার পরে শনিবার রাতে মঙ্গলাহাটের এমনই হাল ছিলো বলে জানান হাটের দোকানদাররা। প্রসঙ্গত, করোনা পরিস্থিতির জেরে গত ২৪মার্চ থেকে শুরু হয় দেশ ব্যাপী লকডাউন। সেই সময় থেকেই বন্ধ হয়ে যায় মঙ্গলাহাট। হাট বন্ধ থাকায় সমস্যায় পড়েন প্রায় ৬০-৭০ হাজার ব্যবসায়ী। আনলক পর্ব শুরু হয় ১লা জুন। সেই সময় থেকেই বারেবারে হাট চালু করার জন্য ব্যবসায়ীরা জেলা প্রশাসনের কাছে চিঠি দিয়ে আর্জি জানিয়ে আসছিলেন। তারপরে হাট খোলার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। আগের মত সপ্তাহে সোম ও মঙ্গলবার দুদিনের বদলে শনিবার একদিন এবং দিনের বদলে সারারাত হাট খোলার সিদ্ধান্ত নেয় হাওড়া জেলা প্রশাসন। মূলত করোনা সংক্রমণ রূখতেই এমন সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। যদিও গভীর রাতে কিভাবে ক্রেতারা হাটে আসবেন সেই প্রশ্ন ওঠে। শুধু তাই নয় রাত্রিবেলায় ক্রেতা-বিক্রেতা উভয় পক্ষের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন হাটের ব্যাবসায়ীদের একাংশ। শনিবার রাতে হাটের ১১টি ভবনের ভেতরে থাকা দোকান মালিকরা করোনা বিধি মেনে দোকান খুললেও দেখা মেলেনি ক্রেতাদের। পশ্চিমবঙ্গ বস্ত্র ব্যাবসায়ী সমিতির সভাপতি কামাক্ষা সাহার কথায়, প্রথম দিনের হাট একদম ফ্লপ। গভীর রাতের এই হাটে সব দোকানদাররা যেমন আসতে পারেননি, তেমনই দেখা মেলেনি ক্রেতাদেরও। তাঁরা আগামী দুই সপ্তাহ দেখার পরে বিষয়টি নিয়ে আবার প্রশাসনের কাছে যাবেন। এর আগেও একদিন গভীর রাতের বদলে শনিবার ও রবিবার সকালে হাট বসতে দেওয়ার আর্জি জানান মঙ্গলাহাটের ব্যবসায়ীরা।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০
রাজ্য

রাতের  মঙ্গলাহাটে দেখা মিলল না ক্রেতার

একদমই জমল না গভীর রাতের হাট। বিক্রেতারা সারা রাত দোকান খুলে পশরা সাজিয়ে রাখলেও দেখা মিলল না ক্রেতার। ৬ মাস বন্ধ থাকার পরে শনিবার রাতে মঙ্গলাহাটের এমনই হাল ছিলো বলে জানান হাটের দোকানদাররা। প্রসঙ্গত, করোনা পরিস্থিতির জেরে গত ২৪মার্চ থেকে শুরু হয় দেশ ব্যাপী লকডাউন। সেই সময় থেকেই বন্ধ হয়ে যায় মঙ্গলাহাট।  হাট বন্ধ থাকায় সমস্যায় পড়েন প্রায় ৬০-৭০ হাজার ব্যবসায়ী। আনলক পর্ব শুরু হয় ১লা জুন। সেই সময় থেকেই বারেবারে হাট চালু করার জন্য ব্যবসায়ীরা জেলা প্রশাসনের কাছে চিঠি দিয়ে আর্জি জানিয়ে আসছিলেন। তারপরে হাট খোলার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। আগের মত সপ্তাহে সোম ও মঙ্গলবার দুদিনের বদলে শনিবার একদিন এবং দিনের বদলে সারারাত হাট খোলার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। মূলত করোনা সংক্রমণ রূখতেই এমন সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। যদিও গভীর রাতে কিভাবে ক্রেতারা হাটে আসবেন সেই প্রশ্ন ওঠে। শুধু তাই নয় রাত্রিবেলায় ক্রেতা-বিক্রেতা উভয় পক্ষের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন হাটের ব্যাবসায়ীদের একাংশ। শনিবার রাতে হাটের ১১টি ভবনের ভেতরে থাকা দোকান মালিকরা করোনা বিধি মেনে  দোকান খুললেও দেখা মেলেনি ক্রেতাদের।  পশ্চিমবঙ্গ বস্ত্র ব্যাবসায়ী সমিতির সভাপতি কামাক্ষা সাহার  কথায়,  প্রথম দিনের হাট একদম ফ্লপ। গভীর রাতের এই হাটে সব দোকানদাররা যেমন আসতে পারেননি,  তেমনই দেখা মেলেনি ক্রেতাদেরও। তাঁরা আগামী দুই সপ্তাহ দেখার পরে বিষয়টি নিয়ে আবার প্রশাসনের কাছে যাবেন। এর আগেও একদিন গভীর রাতের বদলে শনিবার ও রবিবার সকালে হাট বসতে দেওয়ার আর্জি জানান মঙ্গলাহাটের ব্যবসায়ীরা।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০
রাজনীতি

চার্জশিটে নাম তৃণমূলের ষড়যন্ত্রেই, দাবি বিজেপি সাংসদের

লোকসভা নির্বাচনে জেতার পর থেকে উন্নয়নমুখী কর্মধারাকে স্তব্ধ করে দিতেই আমার বিরুদ্ধে একের পর এক জঘন্য ষড়যন্ত্রের জাল বুনছে তৃণমূল। তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস খুনের সিআইডি চার্জশিটে নাম থাকার প্রসঙ্গে এমন দাবি করলেন নদিয়ার রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার। রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর তিনি বলেন, আমি এতে ভীত নই, আজীবন আমি মানুষের পাশে থেকে মানুষের জন্য কাজ করে যাব, এটাই আমার শপথ। এদিন বগুলাতে বিজেপি নদীয়া জেলা দক্ষিণ, ৩৮ নং জেড. পি-র উদ্যোগে রক্তদান শিবিরে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ। তৃণমূল থেকে অনেকেই এদিন সাংসদের হাত থেকে বিজেপির পতাকা নেন। বগুলা বেনফিস মার্কেটে আয়োজিত এই সভায় অন্য বক্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক আশিসকুমার বিশ্বাস-সহ দলীয় নেতৃবৃন্দ। জগন্নাথবাবু আরও বলেন, সীমাহীন দুর্নীতিতে ছেয়ে গেছে আজ তৃণমূল দলটি। আর রাজ্যের পুলিশ প্রশাসন আত্মসম্মান বিসর্জন দিয়ে এদের দলদাসে পরিণত হয়েছে বলেই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। মানুষ সুবিচার পাচ্ছেন না। সম্প্রতি কৃষ্ণগজ্ঞ বিধায়ক সভা কেন্দ্রের প্রয়াত বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাসের খুনের মামলায় আদালতে পুলিসের চার্জশিট দাখিল সংক্রান্ত বিষয়ে মন্তব্য প্রসঙ্গে কথা গুলি বলেন, সাংসদ জগন্নাথ সরকার। সেবা সপ্তাহ উদযাপনের অঙ্গ হিসেবে আয়োজিত রক্তদান শিবিরে রক্তদাতা ছিলেন ৮৬ জন। এদিন মুড়াগাছা কলোনির দাপুটে সিপিআইএম নেতা অমরেশ ঢালির নেতৃত্বে এলাকার ১৬টি পরিবার বিজেপিতে যোগদান করে। মামজোয়ান গ্ৰামের ৩০টি পরিবার তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেয়। সবমিলিয়ে এলাকার তৃণমূল, সিপিআইএম এবং কংগ্রেস দল ছেড়ে প্রায় চার শতাধিক কর্মী-সমর্থক এদিন বিজেপি শিবিরে যোগদান করেন বলে দাবি করেছেন বিজেপি নেতা ডা. দুলালচন্দ্র বিশ্বাস।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০
ভ্রমণ

'মানা' যেন এক টুকরো  স্বর্গ

ছোটবেলা থেকেই সুন্দর জায়গা বা অপার শান্তির পরিবেশ এর উপমা আমরা সাধারণত টানি স্বর্গের সঙ্গে। ওখানে তো স্বর্গ সুখ বা কি সুন্দর জায়গা, ঠিক যেন স্বর্গ। কথাগুলো শুনে অনেক সময়েই ভাবতাম, যদি দেখতে বা অনুভব করতে পারতাম, কি ভালই হত। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বুঝলাম, পৃথিবীর সকল কাজ সমাধা করার পরই সেখানে যাওয়ার ছাড়পত্র দেওয়া হয়, অবশ্যই সেটা ভালো কাজের পুরস্কার। অপকর্মের ফলে নরকের দরজা খোলা হয়। মহাভারত এর যুগের কথা অবশ্য আলাদা। কথিত আছে তখনকার সময়ে অনেক যোগী, ঋষিগণ তাঁদের তপস্যার বলে স্বশরীরে স্বর্গে যেতে আসতে পারতেন, দেবদেবীদের সাথে কথাবার্তাও সম্ভব হত। কঠোর তপস্যার পর অর্জুন স্বর্গে গিয়াছিলেন দেবতাদের কাছ থেকে অস্ত্র আনতে যা কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে তিনি ব্যবহার করতে পারেন। এরপর যুধিষ্ঠির স্বশরীরে স্বর্গে গিয়াছিলেন স্বর্গরোহিণীর পথ ধরে, জীবন সায়াহ্নে, পরীক্ষিতকে সাম্রাজ্যভার অর্পণ করে, পথে চার পাণ্ডব সহ দ্রৌপদীর মৃত্যু হয়েছিলো। এই গৌরচন্দ্রিকা র উদ্দেশ্য হলো এই ঘোর কলিতে তো স্বশরীরে স্বর্গে যাওয়া যাবে না, তবে স্বর্গীয় অনুভুতি এবং সেসব মহামানবদের কীর্তিকাহিনী, পুরাণের গল্প সবকিছুর স্বাদ নিতে বদ্রীনাথ থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে মানা গ্রামে চলে যাওয়া যাবে।মানা-র প্রবেশপথমানা একটি ছোট্ট পাহাড়ি জনবসতি, প্রাচীনকালে যার নাম ছিল মনিবভদ্রপুরম। কমবেশি ছয় মাস এখানে মানুষ বসবাস করে, প্রবল শীতে সাধারন মানুষ এই জনবসতি ত্যাগ করে নিচের দিকে নেমে আসেন। চারিদিকে সুউচ্চ পর্বত শৃঙ্গ, নীলকন্ঠ, আলোকাপুরী (এটাই নাকি সবচেয়ে ধনী দেবতা কুবেরের রাজধানী), নর এবং নারায়ণ পর্বত (শ্রীকৃষ্ণ এবং অর্জুন এর বন্ধুত্বের সাক্ষ্য বহন করে, এই নারায়ণ পর্বতেই বর্তমানে বদ্রি দ্রীবিশালজীর অপূর্ব সুন্দর মন্দির অবস্থিত), একটু দূরে তাকালে দেখা যায় স্বর্গরোহিনীর সুবিশাল উপস্থিতি। ধাপে ধাপে উঠে গেছে অসীমের দিকে, বুঝি স্বর্গের দিকে।সরস্বতী মন্দিরপঞ্চ পাণ্ডব সহ দ্রৌপদী কোন পথে স্বর্গে গিয়াছিলেন তা নিয়ে অনেক বিতর্ক রয়েছে। একটি মত অনুযায়ী এই মানা - বসুধারার পথ ধরেই নাকি তাঁরা যাত্রা করেছিলেন। মতের বিভিন্নতা যাই থাক, গ্রামটির অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অতুলনীয়, যা কল্পনার স্বর্গের মতই। জনশ্রুতি অনুযায়ী কৃষ্ণ দ্বৈপায়ন ব্যাস এখানেই মহাভারত রচনা করেছিলেন। ব্যাস গুম্ফা নামে একটি গুহা বর্তমান, ভিতরে কৃষ্ণ বর্ণের ব্যাস দেবের মূর্তি। অদূরে গণেশ গুম্ফা, ভিতরে পার্বতী পুত্রের মূর্তি, তিনিই মহাভারতের লেখক। ব্যাসদেব বলেছিলেন আর গণেশ শুনে লিখেছিলেন। বেশ হাইটেক ব্যাপার সেযুগেও ছিল যা বুঝলাম, কি ছিল তা অবশ্য তাঁরাই জানতেন, কারণ গুহা দুটি নিকটবর্তী হলেও কথা শুনতে পাওয়ার মতো নয়। ব্যাস গুম্ফার উপরে প্রস্তরীভুত পুঁথির আকারে তাঁর রচনা বর্তমান, কারণ কলিকালের মানুষের কাছে সত্যি কারের সেই পুঁথি দর্শন সম্ভব নয়। প্রস্তরীভুত পুঁথিএই রচনার সঙ্গে আর একটি ঘটনাও ঘটেছিল, ব্যাসদেব যখন বলছিলেন এবং গণেশজী লিখছিলেন, বিদ্যাচর্চার সেই স্থানে দেবী সরস্বতীর আবির্ভাব ঘটে, নদী রূপে। প্রচন্ড গর্জনের সাথে, প্রবল বেগে ছুটে চলা নদীর শব্দে মনঃসংযোগে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তাতে কুপিত ব্যাসদেব অভিশাপ দেন অদূরেই এই নদী বিলীন হবে। সৃষ্টি হয় কেশবপ্রয়াগের, যেখানে সরস্বতী লীন হয়েছে অলকানন্দাজলে। এই সরস্বতীর উপরেই বিদ্যমান ভীমপুল, একটি মাত্র বিশাল পাথরের দ্বারা দুই পাড়ের সংযোগ রক্ষা করছে। মহাপ্রস্থানের পথে সরস্বতী নদীর প্রাবল্যে ভীত দ্রৌপদী নদী পার হতে অসমর্থ হলে, মহাবলী ভীম একটি মাত্র শিলা দ্বারা এই পুল তৈরী করেন। দেবী সরস্বতীর একটি মন্দির এখানে আছে। আছে ছোট্ট একটি চায়ের দোকান। এখানকার সব গল্প, কাহিনী আমাদের গাইড ভাই এর কাছে শোনা। চায়ের কাপ হাতে, প্রচন্ড বেগে ধাবমান সরস্বতীর ভয়ঙ্কর সুন্দর রূপ দর্শনের সাথে এইসব কাহিনীর বর্ণনা শুনতে শুনতে টাইম মেশিনে চলে গিয়েছিলাম সেই সুদূর অতীতে।এই পথ চলে গেছে বসুধারা, লক্ষ্মীবন, চক্র তীর্থ, সতপন্থ হয়ে সেই অসীমের দিকে। এখান থেকেই সৃষ্টি হোয়েছে স্বর্গের গঙ্গা অলকানন্দা, আলোকপুরী হিমবাহ থেকে। বিপুল জলরাশির জোগান দিয়ে প্রানসুধা সঞ্চার করেছে ভাগীরথীর বুকে। সবকিছু নিয়ে মানা গ্রামটি ভ্রমণ পিপাসু মানুষের কাছে একটুকরো স্বর্গ, অপার শান্তির ঠিকানা।ব্যাস গুম্ফাডঃ ইন্দ্রাণী মুখোপাধ্যায়সহকারী অধ্যাপকচন্দ্রপুর কলেজ (বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়) কিভাবে যাবেনহাওড়া থেকে হরিদ্বার যাবার দৈনিক ট্রেন ১৩০০৯ দুন এক্সপ্রেস। এছাড়া ১২৩৬৯ কুম্ভ এক্সপ্রেস (মঙ্গলবার ও শুক্রবার বাদে), উপাসনা এক্সপ্রেস ১২৩২৭ (মঙ্গলবার ও শুক্রবার থাকে) ট্রেন দুটি হরিদ্বার যায়। হরিদ্বার পৌঁছে সেদিন বিশ্রাম নেওয়া যেতে পারে। পরের দিন সকালে বেরিয়ে চলে আসুন যোশী মঠ, হরিদ্বার থেকে দূরত্ব ২৭৭ কিমি, গাড়িতে যেতে সময় লাগবে ১০ঘণ্টা। যোশী মঠ এ দেখে নিতে পারেন আদি শঙ্করাচার্য নিসৃংহ বদ্রী মন্দির, এটিই বদ্রীবিশাল জীর শীতকালীন আবাস।খুব সকালে পরের দিন রওনা দিন বদ্রীনাথের উদ্দেশ্যে। যোশী মঠ থেকে দূরত্ব ৪৫ কিমি। সেখান থেকে মানা গ্রামটি আরো ৪কিমি। গাড়ী থেকে নেমে পায়ে হেঁটে দেখেনিন দ্রষ্টব্য স্থানগুলি। হাতে একদিন অতিরিক্ত থাকলে ৬ কিমি দূরে বসুধারা জলপ্রপাত দেখতে পারেন। পুরোটাই হাঁটা পথ।হরিদ্বারে থাকার জন্যGMVN এর রাহী মোটেল (০১৩৩৪-২২৬৪৩০)যোশী থাকার জন্যGMVN এর জ্যোতি টুরিস্ট কমপ্লেক্স (৯৫৬৮০০৬৬৬৭)বদ্রীনাথে থাকার জন্যGMVN এর দেবলোক (৯৫৬৮০০৬৬৫১)গাড়ী বা হোটেল বুকিং এর জন্য যোগাযোগ করতে পারেনকিশোর ট্রাভেলস (৯১-৯৯২৭৭১২০৯০)

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে কলকাতা, বিধাননগর-সহ রাজ্যজুড়ে ডেঙ্গু বিজয় অভিযান

করোনা মোকাবিলার মধ্যেও যাতে ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া-সহ মশাবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব না ঘটে সে বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর বিভিন্ন কর্পোরেশন ও পুরসভাগুলিকে নিয়ে বৈঠক করেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। সেই বৈঠকে স্থির হয়, ২০ সেপ্টেম্বর রাজ্যের বিভিন্ন পৌর এলাকার প্রতিটি ওয়ার্ডে ডেঙ্গু বিজয় অভিযান পালিত হবে। সেইমতো রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর কলকাতা কর্পোরেশনের ৮২ নং ওয়ার্ডে চেতলায় প্রশাসক ফিরহাদ হাকিমের নেতৃত্বে ডেঙ্গু বিজয় অভিযান শুরু হয়। মুখ্যমন্ত্রী উদ্বিগ্ন ছিলেন উত্তর ২৪ পরগনা নিয়েও। যদিও চলতি বছরের পরিসংখ্যান স্বস্তিতেই রাখছে। এদিন বিধাননগর কর্পোরেশনের প্রশাসক কৃষ্ণা চক্রবর্তীর নেতৃত্বে বিধাননগরের প্রতিটি ওয়ার্ডে ডেঙ্গু বিজয় অভিযান পালিত হয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিকল্পনামতো স্বাস্থ্যকর্মী, সাফাইকর্মীদের পাশাপাশি এই কর্মসূচিতে সামিল হন এলাকাবাসীরাও। মশা নিধনে ওষুধ স্প্রে করা হয়, ব্লিচিং ছড়ানো হয়, জঙ্গল কেটে পরিষ্কার করা হয়। কৃষ্ণা চক্রবর্তী জানান, ডেঙ্গু-সহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় কাজ সব সময় চলে। তবু বিশেষ ড্রাইভ দিতে বলেছেন আমাদের মুখ্যমন্ত্রী। সে কারণে এই দিনটিকে বেছে নিয়ে এই কর্মসূচি চলছে। গত বছর এই সময়ে বিধাননগরে দুই শতাধিক মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিলেন, এবার সেই সংখ্যা মাত্র ১৬। আসলে করোনা মোকাবিলায় যেভাবে কাজ হয়েছে তাতে বিভিন্ন রোগ ছড়ানো মশা নিধন ভালোভাবেই হয়েছে। তার সুফল মিলছে বলেই অন্যান্য মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। যদিও আত্মতুষ্টির জায়গা নেই। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে বছরভর মানুষকে সুস্থ রাখা, ভালো রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করতে সতর্ক থেকে আমাদের কাজ চালিয়ে যেতে হবে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 138
  • 139
  • 140
  • 141
  • 142
  • 143
  • 144
  • 145
  • 146
  • 147
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

কমনওয়েলথ গেমসের দলে নীরজ, তবে কি এখনও পুরোপুরি ফিট নন অলিম্পিক সোনাজয়ী তারকা?

চোট কাটিয়ে মাঠে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ভারতের তারকা জ্যাভলিন নিক্ষেপক নীরজ চোপড়া। তাঁকে শর্তসাপেক্ষে কমনওয়েলথ গেমসের জন্য ঘোষিত ৩২ সদস্যের ভারতীয় অ্যাথলেটিক্স দলে রাখা হয়েছে। রবিবার দল ঘোষণা করেছে ভারতীয় অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন। তবে নীরজকে শর্তসাপেক্ষে দলে রাখার সিদ্ধান্ত ঘিরে ক্রীড়ামহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অনেকেরই কৌতূহল, অলিম্পিক সোনাজয়ী এই তারকা কি এখনও পুরোপুরি ফিট হয়ে উঠতে পারেননি?এবারের দলে রয়েছেন দেশের একাধিক তারকা অ্যাথলিট। সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় রেকর্ড নিয়ে আলোচনায় থাকা স্প্রিন্টার গুরিন্দরবীর সিং এবং অনিমেষ কুজুরের পাশাপাশি সুযোগ পেয়েছেন তেজস্বিন শঙ্কর, তাজিন্দরপাল সিং তুর এবং সর্বেশ কুশারের মতো অভিজ্ঞ ক্রীড়াবিদরাও।গত মে মাসে রাঁচিতে আয়োজিত ফেডারেশন কাপে বেশ কয়েকজন ভারতীয় অ্যাথলিট দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে কমনওয়েলথ গেমসের যোগ্যতা অর্জন করেন। তবে পুরুষদের চার গুণ একশো মিটার রিলে দলটি সুযোগ হাতছাড়া করে। বিশ্ব রিলে প্রতিযোগিতায় ব্যাটন বদলের সময় দুর্ঘটনার জেরে ভারতীয় দল অযোগ্য ঘোষিত হয়েছিল। যদিও পরে তারা ঘুরে দাঁড়িয়ে ভালো সময় করলেও শেষ পর্যন্ত যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি।জ্যাভলিন বিভাগে নির্ধারিত মান পূরণ করতে না পারা অ্যাথলিটদের জন্য গত ১৩ জুন জলন্ধরে অতিরিক্ত বাছাইপর্বের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে রোহিত যাদব এবং যশবীর সিং নিজেদের সেরা পারফরম্যান্স করে যোগ্যতা অর্জন করেন। দুজনেই নির্ধারিত দূরত্বের বেশি জ্যাভলিন ছুড়ে নজর কাড়েন।ফেডারেশন সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে সুইজারল্যান্ডে চিকিৎসা ও পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন নীরজ। গত বছর দোহা ডায়মন্ড লিগে প্রথমবার নব্বই মিটারের গণ্ডি পেরনোর পর থেকেই তিনি পিঠের চোটে ভুগছিলেন। তবে ফেডারেশনের দাবি, নীরজ অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠেছেন এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই প্রতিযোগিতায় ফিরতে পারেন।ফেডারেশনের আশা, কমনওয়েলথ গেমস শুরুর আগে নীরজ প্রয়োজনীয় প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে যোগ্যতার সব শর্ত পূরণ করতে পারবেন। তাই তাঁকে দলে রাখা হয়েছে শর্তসাপেক্ষে।এদিকে ট্রিপল জাম্পার সেলভা প্রভুকেও বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। সম্প্রতি তিনি একটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সোনা জিতে নির্ধারিত যোগ্যতা মান অতিক্রম করেছেন। ফলে তাঁকেও নিয়ে আশাবাদী ভারতীয় অ্যাথলেটিক্স মহল।এখন সকলের নজর কমনওয়েলথ গেমসের দিকে। নীরজ চোপড়া কত দ্রুত প্রতিযোগিতায় ফিরতে পারেন এবং ভারতীয় অ্যাথলিটরা কতটা সফল হন, সেটাই দেখার।

জুন ১৪, ২০২৬
কলকাতা

‘ওনার কাছ থেকে কোনও উপহার চাই না’, মমতার দেওয়া গয়না ফিরিয়ে দেওয়ার ঘোষণা সাংসদপুত্রের

তৃণমূলের অন্দরের রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই নতুন বিতর্ক সামনে এল। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেওয়া সোনার গয়না ও পুজোর উপহার ফেরানোর সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ্যে জানালেন সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ছেলে বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার। সামাজিক মাধ্যমে করা এক পোস্টে তিনি জানান, বিয়ের সময় তাঁর স্ত্রীকে দেওয়া সোনার হার এবং তাঁকে দেওয়া পুজোর পোশাক ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা।বৈদ্যনাথ তাঁর পোস্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি, ব্যক্তিগত কিছু কারণেই এই উপহারগুলি ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি লেখেন, এই সৌজন্যের জন্য তিনি কৃতজ্ঞ হলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে উপহারগুলি আর নিজেদের কাছে রাখতে চান না।ছেলের এই সিদ্ধান্তকে প্রকাশ্যে সমর্থন করেছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদারও। সামাজিক মাধ্যমে তিনি লিখেছেন, ছেলে ও পুত্রবধূর সিদ্ধান্তে তিনি গর্বিত।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব। কাকলি ঘোষ দস্তিদার দীর্ঘদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে তাঁদের সম্পর্কের অবনতি প্রকাশ্যে এসেছে। রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তনের পর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে দূরত্ব বাড়তে থাকে বলে মনে করা হচ্ছে।কিছু দিন আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাম না করে এক সাংসদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিলেন যে, তিনি নিজের ছেলের জন্য দলের টিকিট চেয়েছিলেন। সেই দাবি পূরণ না হওয়ায় তিনি অন্য রাজনৈতিক শিবিরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়েছেন বলেও ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। পরে দলের আরও কয়েকজন নেতার মুখেও একই ধরনের বক্তব্য শোনা যায়। এই মন্তব্যেই ক্ষুব্ধ হয়েছেন বৈদ্যনাথ, এমনটাই মনে করা হচ্ছে।সামাজিক মাধ্যমে তিনি আরও জানান, খুব শীঘ্রই কালীঘাটে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে ওই উপহারগুলি ফেরত দিয়ে আসবেন। এমনকি সোনার হার দীর্ঘদিন তাঁদের কাছে থাকার কারণে যদি কোনও অতিরিক্ত অর্থ বা সুদ দেওয়ার প্রয়োজন হয়, তাতেও তিনি প্রস্তুত বলে দাবি করেছেন।এখানেই থামেননি বৈদ্যনাথ। তাঁর অভিযোগ, পরিবারকে নিয়ে কটূক্তি করা হয়েছে। সেই কারণে সোমবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের দুই সাংসদের বিরুদ্ধে আইনি নোটিস পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মন্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা না চাইলে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথাও জানিয়েছেন।এই ঘটনার পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের অন্দরের বিরোধ এবং সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর সকলের।

জুন ১৪, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতা পুরসভায় শুভেন্দুর বড় কর্মসূচি, আমন্ত্রণ পেলেন তৃণমূল-বাম-কংগ্রেসের প্রাক্তন কাউন্সিলররাও

সোমবার কলকাতা পুরসভায় বিশেষ কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর হাত ধরেই মহানগর জুড়ে শুরু হতে চলেছে স্বচ্ছতাকে স্বাগত শীর্ষক বিশেষ সাফাই অভিযান। এই কর্মসূচিকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই অনুষ্ঠানে শুধু শাসক দলের প্রতিনিধিরাই নন, আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে তৃণমূল, বামফ্রন্ট, কংগ্রেস এবং বিজেপি-সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সদ্য প্রাক্তন কাউন্সিলরদেরও। পাশাপাশি কলকাতার সমস্ত বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়কদেরও অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।রাজ্যের প্রশাসনিক বৈঠকে বিরোধী দলের বিধায়ক ও সাংসদদের আমন্ত্রণ জানানোর রীতি আগেও দেখা গিয়েছে। তবে কলকাতা পুরসভার সদ্য প্রাক্তন কাউন্সিলরদের এভাবে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানোর ঘটনা এই প্রথম বলে মনে করা হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এর মাধ্যমে সৌজন্য ও সহযোগিতার বার্তা দিতে চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।সূত্রের খবর, প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম, দেবাশিস কুমার, অসীম বসু-সহ পুরসভার একাধিক প্রাক্তন মেয়র পারিষদ এই কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকতে পারেন। যদিও ফিরহাদ হাকিমের পদত্যাগের পর বিকল্প মেয়র নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় যাঁরা সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন, তাঁদের অনেকেই এই অনুষ্ঠানে যোগ নাও দিতে পারেন বলে জানা গিয়েছে।উল্লেখ্য, আগামী ২১ জুন রাজ্যে বিশ্ব যোগ দিবস উপলক্ষে একটি বড় কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। রেড রোডের মূল অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। তার আগে কলকাতাকে আরও পরিচ্ছন্ন করে তুলতে শহর জুড়ে ছয় দিনের বিশেষ সাফাই অভিযান শুরু করছে প্রশাসন।এই অভিযানের উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অনুষ্ঠানকে ঘিরে গত কয়েক দিন ধরেই কলকাতা পুরসভায় ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। রবিবার ছুটির দিন হলেও পুরসভার কমিশনার ও প্রশাসক স্মিতা পাণ্ডে-সহ প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ আধিকারিক পুরভবনে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি তদারকি করেছেন বলে সূত্রের খবর।

জুন ১৪, ২০২৬
রাজ্য

অন্নপূর্ণার টাকা মিলেছে, এবার কবে যুবশক্তি? মালদহ থেকে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই সাধারণ মানুষের মধ্যে একাধিক সরকারি প্রকল্প নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার, যুবশক্তি এবং বার্ধক্য ভাতা প্রকল্প আদৌ চালু হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল বিভিন্ন মহলে। এর মধ্যেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা ইতিমধ্যেই বহু উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে গিয়েছে। তবে যুবশক্তি ও বার্ধক্য ভাতা প্রকল্প এখনও চালু না হওয়ায় অপেক্ষায় রয়েছেন অনেকেই।এই পরিস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার মালদহের এক সভা থেকে তিনি জানান, অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা ইতিমধ্যেই উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে জমা পড়তে শুরু করেছে। তাঁর দাবি, প্রায় ৫০ লক্ষ মানুষ ইতিমধ্যেই এই প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন।এরপর যুবশক্তি ও বার্ধক্য ভাতা প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই দুই প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে। খুব শীঘ্রই বেকার ভাতা চালু করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন। তাঁর এই বক্তব্যের পর প্রকল্প দুটির সুবিধাপ্রার্থীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের বাজেটে বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য যুবসাথী প্রকল্প চালু করা হয়েছিল। সেই প্রকল্পের আওতায় প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা করে দেওয়া হত। পরে নির্বাচনের আগে বিজেপি প্রতিশ্রুতি দেয়, ক্ষমতায় এলে যুবশক্তি প্রকল্পের মাধ্যমে বেকারদের মাসে তিন হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। পাশাপাশি যাঁরা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাঁদের এককালীন ১৫ হাজার টাকা দেওয়ার কথাও ঘোষণা করা হয়েছিল।সরকারি সূত্রে ইঙ্গিত, প্রকল্প চালুর আগে উপভোক্তাদের তালিকা খতিয়ে দেখা হবে। যোগ্য ব্যক্তিরাই যাতে সুবিধা পান, তা নিশ্চিত করতেই যাচাই প্রক্রিয়ার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ফলে যুবশক্তি প্রকল্প চালু হওয়ার আগে আবেদন ও যাচাই সংক্রান্ত নিয়মাবলি নিয়েও শীঘ্রই বিস্তারিত ঘোষণা আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুন ১৪, ২০২৬
দেশ

স্পিকারের দরজায় অভিষেকের চিঠি! বিদ্রোহী সাংসদদের বড় পরিকল্পনার আগেই দিল্লিতে তৃণমূলের পাল্টা চাল

দিল্লিতে তৃণমূলের অন্দরের রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও তীব্র হল। সূত্রের খবর, আজই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে আলাদা ব্লক গঠনের আবেদন জানাতে পারেন তৃণমূলের একাংশ সাংসদ। তার আগেই দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি চিঠি নিয়ে স্পিকারের দিল্লির বাসভবনে পৌঁছলেন তৃণমূল সাংসদ সাগরিকা ঘোষ ও কীর্তি আজাদ।জানা গিয়েছে, তিন পাতার ওই চিঠি আগেই ই-মেলের মাধ্যমে স্পিকারের কাছে পাঠানো হয়েছিল। রবিবার সাগরিকা ও কীর্তি সরাসরি স্পিকারের হাতে সেই চিঠি তুলে দেন। চিঠিতে অভিষেকের আবেদন, তৃণমূলের কোনও বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে যেন আলাদা স্বীকৃতি না দেওয়া হয়। তাঁর দাবি, এমন পদক্ষেপের কোনও সাংবিধানিক বা আইনি ভিত্তি নেই।স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাতের পর কীর্তি আজাদ বলেন, সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চের রায়ে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, কোনও রাজনৈতিক দলের মধ্যে বিভাজনকে স্বীকৃতি দেওয়া যায় না। মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়া প্রয়োজন। তাঁর আশা, আইন ও সংবিধান মেনেই সিদ্ধান্ত নেবেন স্পিকার।অন্যদিকে, সাগরিকা ঘোষের বক্তব্য, লোকসভার মধ্যে তৃণমূলের সাংসদদের নিয়ে আলাদা ব্লক তৈরির উদ্যোগ সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক। এর কোনও আইনি বৈধতা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।এ দিন দিল্লিতে একজোট হন বিদ্রোহী শিবিরের সাংসদরা। সূত্রের দাবি, প্রায় কুড়ি জন সাংসদ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে বৈঠক করেন। এরপর তাঁদের স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করার কথা রয়েছে। রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, তাঁরা আলাদা ব্লক গঠন করে এনডিএকে সমর্থনের আবেদন জানাতে পারেন।এই পরিস্থিতিতেই স্পিকারের কাছে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, তৃণমূলের কোনও বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে স্বীকৃতি দেওয়া হলে তা আইন ও সংবিধানের পরিপন্থী হবে। ফলে স্পিকার কী সিদ্ধান্ত নেন, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মাঠে নামেননি নেইমার, তবু ব্রাজিলের গোলের নেপথ্যে তিনিই! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তুমুল চর্চা

চোটের কারণে মরক্কোর বিরুদ্ধে ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচে খেলতে পারেননি নেইমার। শুধু তাই নয়, তিনি রিজার্ভ বেঞ্চেও ছিলেন না। তবু ম্যাচের অন্যতম আলোচিত চরিত্র হয়ে উঠেছেন ব্রাজিলের এই তারকা ফুটবলার। একটি ভাইরাল ভিডিও ঘিরে এখন ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের দাবি, মাঠে না নেমেও ব্রাজিলের গুরুত্বপূর্ণ গোলের নেপথ্যে ছিলেন নেইমারই।বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ব্রাজিলকে খুব একটা ছন্দে দেখা যায়নি। ম্যাচের ২১ মিনিটে ইসমাইল সাইবারির গোলে এগিয়ে যায় মরক্কো। পিছিয়ে পড়ার পর ব্রাজিল চাপে পড়ে গেলেও ৩২ মিনিটে সমতা ফেরান ভিনিসিয়াস জুনিয়র। বাঁদিক থেকে ব্রুনো গিমারেসের পাস পেয়ে বক্সে ঢুকে দুর্দান্ত শটে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি। গোলরক্ষক ইয়াসির বোনোর কিছুই করার ছিল না।তবে গোলের পর থেকেই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসে একটি ভিডিও। সেখানে দেখা যায়, প্রথমার্ধে জলপান বিরতির সময় মাঠের ধারে এসে ভিনিসিয়াসের সঙ্গে কথা বলছেন নেইমার। কিছুক্ষণ পরে ব্রুনো গিমারেসকেও ডেকে পরামর্শ দিতে দেখা যায় তাঁকে। ভিডিও দেখে অনেকের ধারণা, ভিনিসিয়াসকে আরও বেশি করে বক্সের ভিতরে ঢুকে খেলার পরামর্শ দিয়েছিলেন নেইমার। কারণ ম্যাচের শুরুতে ব্রাজিলের এই ফরোয়ার্ডকে তুলনামূলকভাবে অনেকটাই বাইরে খেলতে দেখা গিয়েছিল।মজার বিষয় হল, সেই কথোপকথনের কিছুক্ষণ পরেই গিমারেসের পাস থেকে গোল করেন ভিনিসিয়াস। আর সেই কারণেই সামাজিক মাধ্যমে অনেক সমর্থক দাবি করছেন, মাঠের বাইরে থেকেও ব্রাজিলের আক্রমণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন নেইমার।যদিও এই ম্যাচে খেলেননি তিনি, তবে পরের ম্যাচে নেইমারকে দেখা যেতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। যদিও তিনি প্রথম একাদশে থাকবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।মরক্কোর বিরুদ্ধে ব্রাজিলের পারফরম্যান্স নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অনেক সমর্থকের মতে, দলটিকে একেবারেই চেনা ব্রাজিলের মতো লাগেনি। রাফিনহাদের খেলায় ধার ও গতি দুটোরই অভাব ছিল। অন্যদিকে মরক্কো আবারও প্রমাণ করেছে, সাম্প্রতিক সময়ে কেন তারা বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ফুটবল দল হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে।

জুন ১৪, ২০২৬
কলকাতা

ভবানী ভবনে মুখোমুখি অভিষেক-কুণাল! সাড়ে তিন ঘণ্টার জেরা ঘিরে বাড়ছে রহস্য

সই জাল কাণ্ডের তদন্তে নতুন মোড়। রবিবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের নেতা কুণাল ঘোষকে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করল সিআইডি। প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা জেরার পর ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে আসেন কুণাল ঘোষ। বেরিয়ে তিনি জানান, তদন্তে তিনি সব ধরনের সহযোগিতা করেছেন। তবে জিজ্ঞাসাবাদ নিয়ে এর বেশি কিছু বলতে চাননি।অন্যদিকে, রাত পর্যন্ত ভবানী ভবনেই ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, টানা প্রায় আট ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারীরা। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, এই মামলায় গত বৃহস্পতিবারও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দীর্ঘ সময় ধরে জেরা করেছিল সিআইডি। তদন্তকারী সূত্রে খবর, সেই জিজ্ঞাসাবাদে একাধিক প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর মেলেনি বলেই রবিবার তাঁকে ফের তলব করা হয়। দুপুর বারোটার মধ্যে হাজিরার নির্দেশ থাকলেও নির্ধারিত সময়ের আগেই ভবানী ভবনে পৌঁছে যান অভিষেক। এরপর বিভিন্ন নথি সামনে রেখে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন তদন্তকারীরা।দুপুর সাড়ে তিনটার কিছু পরে ভবানী ভবনে পৌঁছন কুণাল ঘোষ। সূত্রের দাবি, প্রথমে দুজনকে আলাদা করে জেরা করা হয়। পরে অভিষেক ও কুণালকে মুখোমুখি বসিয়ে একাধিক বিষয়ে প্রশ্ন করেন সিআইডি আধিকারিকরা। সেই জেরাই চলে দীর্ঘ সময় ধরে।জিজ্ঞাসাবাদ শেষ করে ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে কুণাল ঘোষ সরাসরি কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান। যদিও সেখানে যাওয়ার কারণ নিয়ে তিনি প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি।সই জাল কাণ্ডকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে অন্তর্বর্তী সুরক্ষা দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। এর আগে তদন্তের সূত্রে সিআইডি আধিকারিকরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনের পাশের দফতরেও তল্লাশি চালিয়েছিলেন। ফলে এই মামলার তদন্ত কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১৪, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে বড় শক্তিপ্রদর্শন! ওম বিড়লার বাড়িতে ১৭ সাংসদ, তৃণমূলের অন্দরে বাড়ছে জল্পনা

দিল্লির রাজনৈতিক পরিস্থিতি রবিবার আরও নাটকীয় হয়ে উঠল। বিকেলে তৃণমূলের দুই সাংসদ সাগরিকা ঘোষ ও কীর্তি আজাদ লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বাসভবন থেকে বেরিয়ে আসার কিছুক্ষণ পরই সেখানে পৌঁছন বিক্ষুব্ধ সাংসদরা। পরে সামনে আসে একটি ছবি, যেখানে তৃণমূলের ১৭ জন বিক্ষুব্ধ সাংসদকে একসঙ্গে দেখা যায়। তাঁদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবেও।সূত্রের খবর, সোমবার লোকসভার স্পিকারের কাছে নতুন ব্লক গঠনের দাবি জানাতে পারেন বিক্ষুব্ধ সাংসদরা। তাঁদের দাবি, তৃণমূলের দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি সাংসদ তাঁদের পাশে রয়েছেন। সেই দাবিকে সামনে রেখেই তাঁরা নতুন রাজনৈতিক পদক্ষেপের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জল্পনা রাজনৈতিক মহলে।রবিবার সকাল থেকেই একের পর এক সাংসদ দিল্লিতে পৌঁছতে শুরু করেন। তৃণমূলের প্রবীণ সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, বিক্ষুব্ধ সাংসদরা এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজেদের উপদেষ্টা হিসেবে দেখতে চান। সেই কারণেই তিনি তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন বলে জানান।অন্যদিকে, বিদ্রোহী শিবির স্পিকারের বাসভবনে পৌঁছনোর আগেই সেখানে যান তৃণমূলের লোকসভার সাংসদ কীর্তি আজাদ এবং রাজ্যসভার সাংসদ সাগরিকা ঘোষ। যদিও স্পিকারের সঙ্গে তাঁদের সরাসরি সাক্ষাৎ হয়নি। তাঁরা স্পিকারের দফতরে তৃণমূলের লোকসভার নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি চিঠি জমা দেন। সেই চিঠিতে দাবি করা হয়, লোকসভায় একটি রাজনৈতিক দলের দুটি পৃথক ব্লক থাকতে পারে না।এর কিছুক্ষণ পরই বিক্ষুব্ধ সাংসদরা স্পিকারের বাসভবনে পৌঁছন। যে ছবি সামনে এসেছে, সেখানে কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, সায়নী ঘোষ, মালা রায়, অরূপ চক্রবর্তী, দীপক অধিকারী, ইউসুফ পাঠান, জুন মালিয়া, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, শর্মিলা সরকার এবং মিতালি বাগ-সহ মোট ১৭ জন সাংসদকে দেখা গিয়েছে। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে।এই ছবি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরের সমীকরণ নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। এখন সকলের নজর সোমবারের দিকে। স্পিকারের কাছে বিক্ষুব্ধ সাংসদরা কী দাবি জানান এবং তার পরবর্তী রাজনৈতিক প্রভাব কী হয়, তা নিয়েই তুঙ্গে আলোচনা।

জুন ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal