• ১ ভাদ্র ১৪৩৩, বুধবার ১৯ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IS

রাজনীতি

এবার ভোট পরবর্তী হিংসা খতিয়ে দেখতে নন্দীগ্রাম যাচ্ছেন রাজ্যপাল

শাসকদলের সমালোচনায় দমছেন না রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। কোচবিহারের পর ভোটপরবর্তী হিংসার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে তিনি যাচ্ছেন রাজ্যের সবচেয়ে হেভিওয়েট কেন্দ্র নন্দীগ্রামে। এই কেন্দ্র থেকেই এবারের নির্বাচনে লড়াই করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর কাছে সামান্য ভোটের ব্যবধানে হারতে হয়েছে মমতাকে।রাজ্যে রাজনৈতিক হিংসায় আক্রান্তদের পাশে দাঁড়াতে গতকাল থেকেই জেলা সফর শুরু করেছেন রাজ্যপাল। বৃহস্পতিবার দিনভর অশান্ত কোচবিহারের বিভিন্ন জায়গা ঘুরেছেন জগদীপ ধনখড় । তাঁর সাংবিধানিক অধিকারের কথা মনে করিয়ে রাজ্যবাসীর সুরক্ষা কতটা, তা সরেজমিনে দেখেছেন। আজ আবার তিনি গিয়েছিলেন অসমে। অসমের ধুবুড়ি জেলার আগমনিতে যান তিনি। রাঙ্গাপালি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শরণার্থী শিবিরে আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বলেন ৷ অভিযোগ, এই রাঙ্গাপালি প্রাথমিক বিদ্যালয়েই আশ্রয় নিয়েছেন কোচবিহারের বক্সিরহাট, তুফানগঞ্জ, ঝাউকুঠি এলাকার আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা৷ ধনখড় তাঁদের দ্রুত ঘরে ফেরানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। কোচবিহার, অসমের পর শনিবারই তিনি যাবেন নন্দীগ্রাম। সকালেই বিএসএফের কপ্টারে নন্দীগ্রামে যাচ্ছেন তিনি। নন্দীগ্রাম বাজারে, বঙ্কিম মোড়, কেন্দামারিতে যাবেন রাজ্যপাল। এলাকা পরিদর্শনের পর জানকীনাথ মন্দির যাবেন রাজ্যপাল। সেখানে পুজো দিয়ে শনিবারই কলকাতা ফিরবেন তিনি। তাৎপর্যপূর্ণভাবে রাজ্যপালের সফরের একদিন আগে নন্দীগ্রামের বিরুলিয়া বাজারে কর্মীকে খুনের অভিযোগে মৌন মিছিল করেছে বিজেপি।এদিকে, রাজ্যপালের জেলা সফরের মধ্যেই ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা রাজ্যে বহু মহিলার শ্লীলতাহানি করেছে। আধার কার্ড, ভোটার কার্ড সব নিয়ে নেওয়া হয়েছে। তৃণমূল নেতারা বিজেপি কর্মীদের রেশন নিতে দিচ্ছে না। পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, দুই বর্ধমানের অবস্থা মারাত্মক। ওডিশা, অসমে বহু মানুষ চলে গিয়েছেন প্রাণ বাঁচাতে। দিল্লি থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের দল এসেও আক্রান্ত হচ্ছে। তপসিলি কমিশন এসেও আক্রান্ত হচ্ছেন। দিলীপের দাবি, রাজ্যের গণতান্ত্রিক পরিবেশ মোটেই সুখকর নয়।

মে ১৪, ২০২১
দেশ

কিষাণ সম্মান নিধির প্রথম কিস্তির টাকা পেলেন রাজ্যের ৭ লক্ষের বেশি কৃষক

রাজ্যের কৃষকদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।দীর্ঘ প্রতিক্ষার ও টালবাহানার শেষে রাজ্যের কৃষকরা বুধবার প্রধানমন্ত্রী কৃষক সম্মান নিধি যোজনার প্রথম কিস্তির টাকা পেয়েছেন। রাজ্যের বিধানসবা নির্বাচনের প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন ভোটের পরেই রাজ্যের কৃষকেরা ওই প্রকল্পের সুযোগ পাবেন। ভোটে বিজেপির জয় হয়নি। কিন্তু প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসেননি মোদি।তাই এদিন এরাজ্যের সাত লক্ষের বেশি কৃষকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি প্রকল্পের টাকা পাঠিয়ে দিয়েছে কেন্দ্র।রাজ্য সরকার প্রকল্পে সামিল না হওয়ায় যারা এতদিন ওই প্রকল্পের সুযোগ থেকে বঞ্চিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এদিন ডিজিটাল পদ্ধতিতে সারাদেশে প্রায় ৯ কোটি কৃষকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে এই অর্থ সাহায্য প্রদান করেন। যার মধ্যে এরাজ্যে সাত লক্ষর বেশি কৃষক সুবিধা পেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর ফলে ছোট ও মাঝারি কৃষকরা সবচেয়ে বেশি লাভবান হবেন। রাজ্য সরকারের পাঠানো তালিকা অনুযায়ী আগামী দিনে আরো বেশি সংখ্যক কৃষককে এই যোজনার আওতায় আনা হবে বলে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন।অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্যই এই প্রকল্পের সুযোগ বাংলার কৃষকদের কাছে পৌঁছল বলে দাবি করেছে রাজ্য সরকার। তাঁর প্রচেষ্টা এবং হস্তক্ষেপেই রাজ্যের সাত লক্ষের বেশি কৃষক কিষান সম্মান নিধি প্রকল্প প্রথম কিস্তির টাকা পেয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র দপ্তরের তরফে এদিন এবিষয়ে টুইট করা হয়। যেখানে দাবি করা হয়েছে, রাজ্য সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ওই টাকা পাঠানো হয়েছে। রাজ্য সরকার আগামী দিনেও কৃষকদের স্বার্থে লড়াই করে যাবে । যদিও প্রধানমন্ত্রীর কিষান সম্মান নিধি প্রকল্পের সুবিধা প্রদান অনুষ্ঠানে রাজ্যকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বলেও অভিযোগ করা হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফে।২০১৮ সালে প্রথম চালু হয়েছিল পিএম-কিষাণ প্রকল্পটি। দেশের কৃষকদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যেই এই প্রকল্প চালু করেছিল মোদি সরকার। এই প্রকল্পের আওতায় সুবিধাভোগীরা প্রতি বছর ৬০০০ টাকা করে নগদ সহায়তা পান। ৪ মাস বাদে বাদে ২০০০ টাকা করে করে তিনটি কিস্তিতে এই অর্থ প্রদান করা হয়। এই প্রকল্পটি মূলত গরিব কৃষকদের জন্যই করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার, সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, এই প্রকল্পের আওতায় এখনও পর্যন্ত ১.১৫ লক্ষ কোটি টাকা কৃষক পরিবারগুলির ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়েছে।

মে ১৪, ২০২১
কলকাতা

করোনায় আক্রান্ত সস্ত্রীক মুকুল রায়

করোনায় এবার আক্রান্ত হলেন বিধায়ক তথা বিজেপি-র সর্বভারতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায়। তবে মুকুল একা নন, কোভিড-১৯ ভাইরাস বাসা বেঁধেছে তাঁর স্ত্রী কৃষ্ণা রায়ের শরীরেও। ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর, পজিটিভ হলেও তেমন কোনও শারীরিক সমস্যার সম্মুখীন হননি মুকুল। সল্টলেকের বাড়িতেই আপাতত নিভৃতবাসে রয়েছেন তিনি। তবে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ায় সল্টলেকের একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়েছে তাঁর স্ত্রীকে।জানা গিয়েছে, গত কয়েকদিন ধরেই অসুস্থ বোধ করছিলেন মুকুল রায়। এর মধ্যে করোনার উপসর্গও নাকি দেখা দেয় তাঁর শরীরে। এরপরই স্ত্রী এবং নিজের করোনা পরীক্ষা করান মুকুল। শেষপর্যন্ত রিপোর্ট পজিটিভ আসায় বাড়িতেই সেলফ আইসোলেশনে যান তিনি। অন্যদিকে, অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাঁর স্ত্রীকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে দীর্ঘদিন পর ভোটে লড়েছেন মুকুল রায়। তৃণমূল কংগ্রেসের তারকা প্রার্থী কৌশানি মুখোপাধ্যায়কে হারিয়ে কৃষ্ণনগর উত্তর থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন। নবান্ন দখলের লড়াইয়ে দল হেরে গেলেও, নিজের আসনে জয় লাভ করেছেন। নির্ধারিত দিনে বিধানসভায় শপথবাক্যও পাঠ করেন। যদিও সেদিন সংবাদমাধ্যমের সামনে তেমনভাবে মুখ না খোলায়, তাঁর বিজেপিতে থাকা নিয়ে কিছুটা জল্পনাও তৈরি হয়েছিলপরবর্তীতে অবশ্য নিজেই টুইট করে সেই জল্পনার অবসান ঘটান। যোগ দেন বিজেপি-র দলীয় বৈঠকেও। যেখানে বিরোধী দলনেতা হিসেবে আবার ঘোষণা করা হয় শুভেন্দু অধিকারীর নাম। আর ওই বৈঠকের কয়েকদিন পরেই এবার করোনায় সংক্রমিত হলেন মুকুল রায়। দলের অন্যতম নেতা কোভিডে আক্রান্ত হয় চিন্তিত বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বও। কারণ সম্প্রতি মুকুলের শারীরিক পরিস্থিতি খুব একটা ভাল নেই। এর মধ্যে গতবছরই পিত্তথলিতে অস্ত্রোপচারও হয়। তবে মুকুলের ঘনিষ্ঠমহল সূত্রে খবর, আপাতত চিন্তার কোনও কারণ নেই। তবে চিকিৎসকদের পরামর্শও নিয়েছেন বর্ষীয়ান এই নেতা।

মে ১৪, ২০২১
দেশ

কোভিশিল্ডের দুই টিকার ব্যবধান বেড়ে হল ৩ থেকে ৪ মাস

কোভিশিল্ডের দুটি টিকার ব্যবধান বাড়িয়ে ১২ থেকে ১৬ সপ্তাহ করার প্রস্তাব গ্রহণ করল কেন্দ্রীয় সরকার। এর আগে ব্যবধান ছিল ৬ থেকে ৮ সপ্তাহ, এ বার সেটিই বেড়ে হবে ১২ থেকে ১৬ সপ্তাহ। বৃহস্পতিবার দুপুরেই সরকারের বিশেষজ্ঞ প্যানেল কেন্দ্রকে প্রস্তাব দেয়, দুটি টিকার ব্যবধান বাড়িয়ে ১২ থেকে ১৬ সপ্তাহ করার। বিকেলের দিকে সেই সিদ্ধান্তেই সিলমোহর দিল কেন্দ্র।এই নিয়ে তিন মাসে দ্বিতীয়বার কোভিশিল্ডের দুটি টিকা নেওয়ার ব্যবধান বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়। প্রাথমিক ভাবে টিকাকণের একেবারে শুরুতে কোভিশিল্ডের দুটি টিকার ব্যবধান ছিল ২৮ দিনের। তারপর বিশেষজ্ঞ কমিটি মার্চ মাসে কেন্দ্র ও রাজ্যগুলিকে জানায়, ভাল ফলের জন্য টিকা ব্যবধান ৬ থেকে ৮ সপ্তাহ করতে। সেটিই এখন বাড়িয়ে করা হল ১২ থেকে ১৬ সপ্তাহ।টিকা নিয়ে এর পাশাপাশি বেশ কয়েকটি নতুন প্রস্তাব বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় সরকারকে দিয়েছে বিশেষজ্ঞ কমিটি। তাতে বলা হয়েছে, কোভিডে আক্রান্তরা সুস্থ হয়ে ওঠার অন্তত ৬ মাস পর টিকা নিতে পারবেন। কারণ, এতে সুস্থ হয়ে ওঠা ব্যাক্তির শরীরে অ্যান্টিবডির প্রতিক্রিয়া বৃদ্ধি পাবে। বর্তমানে সুস্থ হওয়ার ১৪ দিন পর টিকা নেওয়া যায়, সেটাই বাড়িয়ে ছমাস করার কথা বলা হয়েছে।

মে ১৩, ২০২১
রাজ্য

দেশের মানবাধিকার সংস্থাগুলো কি দেখতে পাচ্ছে না? কোচবিহারে তোপ রাজ্যপালের

ভোট চলাকালীন রক্তাক্ত হয়েছিল শীতলকুচি । সিআরপিএফের গুলিতে প্রাণ গিয়েছিল চারজনের। সেই ক্ষত এখনও টাটকা। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার শীতলকুচি যাওয়ার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তাকে লক্ষ্য করে উঠল গো ব্যাক স্লোগান। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। কার্যত সঙ্গে সঙ্গেই পরিস্থিতি আয়ত্তে আনে পুলিশ। পূর্বসূচি অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সকালে কোচবিহার যান রাজ্যপাল। কোচবিহার বিমানবন্দরে নেমে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে ফের উদ্বেগ প্রকাশ করেন। রাজ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করার কথা বলেন। বলেন, রাজ্যের এই পরিস্থিতি দেখে আমি চুপচাপ রাজভবনে বসে থাকতে পারব না। আমি কোচবিহারের বিভিন্ন জায়গায় যাব। যাঁরা আতঙ্কে অসমে পালিয়ে গিয়েছেন, তাঁদের ফিরিয়ে আনব। পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হয়ে এই জায়গাকে কলঙ্কিত হতে দেখতে পারব না। এরপরই সড়কপথে মাথাভাঙা, শীতলকুচি, সিতাই ও দিনহাটার হিংসা কবলিত এলাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন তিনি। শীতলকুচি-সহ বিভিন্ন জায়গায় তাঁকে লক্ষ্য করে গো ব্যাক স্লোগান ওঠে। কিছুক্ষণের মধ্যে স্বাভাবিক হয় পরিস্থিতি। কোচবিহারের বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক সন্ত্রাসের শিকার পরিবারগুলির সঙ্গে কথা বলেন রাজ্যপাল। তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। ধনকড়কে কাছে পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই কান্নায় ভেঙে পড়ে নির্যাতিত পরিবারগুলি। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ধনখড় আরও বলেন, এখানে একটাই কথা শোনা যাচ্ছে, আমরা ঝান্ডা লাগিয়েছি তাও বাঁচতে পারছি না কেন? আমাদের খুব ভুল হয়ে গিয়েছে। আমরা গণতন্ত্রে শ্বাস নিতে চাই। ওরা বলছে, প্রশাসনের কেউ আসেনি। পুলিশে গেলে বরবাদ হয়ে যাব। আমার মনে হচ্ছে, এখানে পুলিশ ও প্রশাসনের হৃদয় নেই। আইনের শাসন নেই। ঘরে-বাইরে আতঙ্ক, সন্ত্রাসের বাতাবরণ। আমার নিজের লজ্জা হচ্ছে। দেশের মানবাধিকার সংস্থাগুলো কী করছে! ওরা কি দেখতে পায়না? উল্লেখ্য, এই জেলা সফর নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্যের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়েছেন রাজ্যপাল। ধনকড় প্রথা ভেঙে এই সফর করছেন, এমনটা দাবি করে বুধবার তাঁকে একটি চিঠি লিখেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি ছিল, প্রথা অনুযায়ী, রাজ্যপাল যদি রাজ্যের কোনও জেলায় যান, সেক্ষেত্রে তা সরকারকে জানাতে হয়। তিনি যেখানে যাচ্ছেন সেখানকার প্রশাসনকেও তা জানানো আবশ্যক। কিন্তু রাজ্যপাল তা করেননি। এদিন ওই চিঠির শুরু থেকেই রাজ্যপালের কোচবিহার সফর ঘিরে বিতর্ক দানা বেঁধেছিল। বৃহস্পতিবার নিশীথ প্রামাণিককে সঙ্গে নিয়ে কোচবিহারের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি। মাথাভাঙার বেশ কিছু জায়গা পরিদর্শন করেন রাজ্যপাল। উল্লেখ্য, যে রাস্তা দিয়ে রাজ্যপালের কনভয় যায়, তারই দুপাশে বেশ কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুর, হামলার নিদর্শন স্পষ্ট ছিল। একটি এলাকায় পৌঁছতেই দেখা যায়, রীতিমতো রাজ্যপালের পায়ের কাছে পড়ে যান আক্রান্ত পরিবারের এক মহিলা। বিচার চেয়ে কাঁদতে থাকেন তিনি। আরও এক মহিলাকে রাজ্যপালের পায়ে পড়তে দেখা যায়। সেখানে উপস্থিত অন্যান্য মহিলা আধিকারিকরা দুজনকে সরিয়ে নেন। এলাকায় বিপর্যস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন রাজ্যপাল। তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। অন্যদিকে, শীতলকুচি যাওয়ার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়েন রাজ্যপাল। দিনহাটা শহরে বিজেপি নেতার ভাঙা বাড়ি দেখে রাস্তায় ওঠার মুখেই কিছু যুবক রাজ্যপালকে কালো পতাকা দেখান। এরপর গাড়ি থেকে নেমে পড়েন রাজ্যপাল। পুলিশকে ডেকে জানতে চান, এসব কী হচ্ছে। দিনহাটার এসডিপিওকে ধমক দেন। রাজ্যপালের রোষের মুখে পরে দিনহাটা থানার আইসি স্বয়ং। তাঁকেও ডেকেও রাজ্যপাল জানতে চান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এমন কেন দিনহাটা জুড়ে? এরপরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর জেলা সফরে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তোলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। তাঁর কথায়, অপমানিত, আহত বোধ করছেন তিনি। কোনও চাপের কাছে মাথা নত নয় বলে সাংবাদিকদের সামনে স্পষ্ট করে রাজ্য সরকারকে বার্তা দেন রাজ্যপাল।

মে ১৩, ২০২১
রাজ্য

দেশের মানবাধিকার সংস্থাগুলো কি দেখতে পাচ্ছে না? কোচবিহারে তোপ রাজ্যপালের

ভোট চলাকালীন রক্তাক্ত হয়েছিল শীতলকুচি । সিআরপিএফের গুলিতে প্রাণ গিয়েছিল চারজনের। সেই ক্ষত এখনও টাটকা। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার শীতলকুচি যাওয়ার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তাকে লক্ষ্য করে উঠল গো ব্যাক স্লোগান। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। কার্যত সঙ্গে সঙ্গেই পরিস্থিতি আয়ত্তে আনে পুলিশ। পূর্বসূচি অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সকালে কোচবিহার যান রাজ্যপাল। কোচবিহার বিমানবন্দরে নেমে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে ফের উদ্বেগ প্রকাশ করেন। রাজ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করার কথা বলেন। বলেন, রাজ্যের এই পরিস্থিতি দেখে আমি চুপচাপ রাজভবনে বসে থাকতে পারব না। আমি কোচবিহারের বিভিন্ন জায়গায় যাব। যাঁরা আতঙ্কে অসমে পালিয়ে গিয়েছেন, তাঁদের ফিরিয়ে আনব। পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হয়ে এই জায়গাকে কলঙ্কিত হতে দেখতে পারব না। এরপরই সড়কপথে মাথাভাঙা, শীতলকুচি, সিতাই ও দিনহাটার হিংসা কবলিত এলাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন তিনি। শীতলকুচি-সহ বিভিন্ন জায়গায় তাঁকে লক্ষ্য করে গো ব্যাক স্লোগান ওঠে। কিছুক্ষণের মধ্যে স্বাভাবিক হয় পরিস্থিতি। কোচবিহারের বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক সন্ত্রাসের শিকার পরিবারগুলির সঙ্গে কথা বলেন রাজ্যপাল। তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। ধনকড়কে কাছে পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই কান্নায় ভেঙে পড়ে নির্যাতিত পরিবারগুলি। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ধনখড় আরও বলেন, এখানে একটাই কথা শোনা যাচ্ছে, আমরা ঝান্ডা লাগিয়েছি তাও বাঁচতে পারছি না কেন? আমাদের খুব ভুল হয়ে গিয়েছে। আমরা গণতন্ত্রে শ্বাস নিতে চাই। ওরা বলছে, প্রশাসনের কেউ আসেনি। পুলিশে গেলে বরবাদ হয়ে যাব। আমার মনে হচ্ছে, এখানে পুলিশ ও প্রশাসনের হৃদয় নেই। আইনের শাসন নেই। ঘরে-বাইরে আতঙ্ক, সন্ত্রাসের বাতাবরণ। আমার নিজের লজ্জা হচ্ছে। দেশের মানবাধিকার সংস্থাগুলো কী করছে! ওরা কি দেখতে পায়না? উল্লেখ্য, এই জেলা সফর নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্যের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়েছেন রাজ্যপাল। ধনকড় প্রথা ভেঙে এই সফর করছেন, এমনটা দাবি করে বুধবার তাঁকে একটি চিঠি লিখেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি ছিল, প্রথা অনুযায়ী, রাজ্যপাল যদি রাজ্যের কোনও জেলায় যান, সেক্ষেত্রে তা সরকারকে জানাতে হয়। তিনি যেখানে যাচ্ছেন সেখানকার প্রশাসনকেও তা জানানো আবশ্যক। কিন্তু রাজ্যপাল তা করেননি। এদিন ওই চিঠির শুরু থেকেই রাজ্যপালের কোচবিহার সফর ঘিরে বিতর্ক দানা বেঁধেছিল। বৃহস্পতিবার নিশীথ প্রামাণিককে সঙ্গে বিয়ে কোচবিহারের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি। মাথাভাঙার বেশ কিছু জায়গা পরিদর্শন করেন রাজ্যপাল। উল্লেখ্য, যে রাস্তা দিয়ে রাজ্যপালের কনভয় যায়, তারই দুপাশে বেশ কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুর, হামলার নিদর্শন স্পষ্ট ছিল। একটি এলাকায় পৌঁছতেই দেখা যায়, রীতিমতো রাজ্যপালের পায়ের কাছে পড়ে যান আক্রান্ত পরিবারের এক মহিলা। বিচার চেয়ে কাঁদতে থাকেন তিনি। আরও এক মহিলাকে রাজ্যপালের পায়ে পড়তে দেখা যায়। সেখানে উপস্থিত অন্যান্য মহিলা আধিকারিকরা দুজনকে সরিয়ে নেন। এলাকায় বিপর্যস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন রাজ্যপাল। তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। অন্যদিকে, শীতলকুচি যাওয়ার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়েন রাজ্যপাল। দিনহাটা শহরে বিজেপি নেতার ভাঙা বাড়ি দেখে রাস্তায় ওঠার মুখেই কিছু যুবক রাজ্যপালকে কালো পতাকা দেখান। এরপর গাড়ি থেকে নেমে পড়েন রাজ্যপাল। পুলিশকে ডেকে জানতে চান, এসব কী হচ্ছে। দিনহাটার এসডিপিওকে ধমক দেন। রাজ্যপালের রোষের মুখে পরে দিনহাটা থানার আইসি স্বয়ং। তাঁকেও ডেকেও রাজ্যপাল জানতে চান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এমন কেন দিনহাটা জুড়ে? এরপরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর জেলা সফরে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তোলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। তাঁর কথায়, অপমানিত, আহত বোধ করছেন তিনি। কোনও চাপের কাছে মাথা নত নয় বলে সাংবাদিকদের সামনে স্পষ্ট করে রাজ্য সরকারকে বার্তা দেন রাজ্যপাল।

মে ১৩, ২০২১
রাজ্য

ফের রাজ্যে প্রশাসনিক ও পুলিশে রদবদল

রাজ্যে জেলাশাসক স্তরে এদিস ফের রদবদল হলো। বীরভূম জেলার নতুন জেলাশাসক হলেন বিধানচন্দ্র রায়। তিনি খাদ্য দপ্তরের যুগ্ম সচিব ছিলেন। এখনকার জেলাশাসক ডিপি কারানাম ক্ষুদ্র ও কুটীর শিল্প দপ্তরের অধিকর্তা হলেন। এই দায়িত্বে ছিলেন নিখিল নির্মল। তাঁকে বস্ত্র অধিকর্তা করা হলো। হাওড়া পুরসভার কমিশনার অভিষেক তিওয়ারিকে স্বাস্থ্য দপ্তরের যুগ্ম সচিব করা হলো। তাঁর জায়গায় এলেন দাভাল জৈন। তাঁকে হাওড়া জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসকের দায়িত্বও দেওয়া হলো। বুধবার এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে কর্মীবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার দপ্তর।এদিন আইপিএস স্তরেও বেশ কিছু রদবদল হয়েছে। শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার দেবেন্দ্র প্রকাশ সিং আইজি, উত্তরবঙ্গ হলেন। এই পদে ছিলেন আইপিএস বিশাল গর্গ। তাঁকে কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত নগরপাল করা হলো। কম্পালসারি ওয়েটিংএ থাকা আইপিএস শ্রীহরি পাণ্ডেকে ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের নর্থ জোনের ডিসি করা হলো। রায়গঞ্জের ফোর্থ ব্যাটেলিয়ান স্যাপের সিও আইপিএস প্রদীপ কুমার যাদবকে রাজ্য পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্সের পুলিশ সুপার করা হলো।

মে ১২, ২০২১
রাজনীতি

বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিলেন নিশীথ-জগন্নাথ

যাবতীয় জল্পনার অবসান ঘটিয়ে রাজ্য বিধানসভায় বিধায়ক পদে ইস্তফা দিলেন বিজেপির দুই সাংসদ জগন্নাথ সরকার ও নিশীথ প্রামাণিক। বুধবার দুপুরে একসঙ্গে বিধানসভায় গিয়ে ইস্তফা দিয়ে আসেন বিজেপির দুই সাংসদ তথা বিধায়ক। দলের নির্দেশেই বিধায়ক পদ ছেড়ে সাংসদ পদে বহাল থাকার সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা।নিয়ম অনুযায়ী এক ব্যক্তি একই সঙ্গে সাংসদ এবং বিধায়ক পদে থাকলে ৬ মাসের মধ্যে কোনও একটি পদ তাঁকে ছাড়তে হয়। সেই নিয়ম মেনেই বিধায়ক পদ ছাড়লেন তাঁরা। যদিও এই সিদ্ধান্তের জন্য বিরোধীদের সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে গেরুয়া শিবিরের দুই সাংসদকে। বিরোধীরা বলছেন, এভাবে ইস্তফা দিয়ে মানুষের বিশ্বাস ভেঙেছেন দুই বিজেপি সাংসদ। দুই বিধায়কের ইস্তফার অর্থ, ওই দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচন। ভোটের এই ব্যাপক খরচ কে দেবে? প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই। সাংসদ হওয়া সত্ত্বেও বিধানসভা ভোটে দাঁড়ানোর যৌক্তিকতা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। এ বিষয়ে অবশ্য এদিন সাফাই দিয়ে বিজেপির দুই নেতা বলছেন, এটা পুরোপুরি দলের সিদ্ধান্ত। আগের বিধানসভায় বিজেপির বিধায়ক ছিল মাত্র ৩ জন। পরিষদীয় রাজনীতিতে সেভাবে কারও অভিজ্ঞতা ছিল না। সাংসদদের অনেকের সেই অভিজ্ঞতা থাকায় দল তাঁদের প্রার্থী করেছিল। বিজেপির দুই নেতা স্বীকার করে নিয়েছেন, দলের ফলাফল আশানুরূপ হয়নি। তাই দলের সিদ্ধান্ত মেনেই ইস্তফা দিয়েছেন তাঁরা। তবে, বিজেপির দুই সাংসদের দাবি, উপনির্বাচনে আরও বড় ব্যবধানে জিতবে গেরুয়া শিবির। ভোটের পর তৃণমূল যেভাবে বেলাগাম হিংসা চালাচ্ছে, মানুষ তারই জবাব দেবে।

মে ১২, ২০২১
স্বাস্থ্য

নিঃস্বাস এ নেই বিশ্বাস

আজ পৃথিবীর বায়ু কলুষিত হয়েছে করোনা ভাইরাস এর জেরে। নিজের ঘর ছাড়া আজ কোথাও গিয়ে শান্তি নেই। আর যে সমস্ত মানুষরা ঘরে বসে আছে তারা দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছে। আমরা সারাক্ষন টিভির পর্দায় কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ায় চোখ রাখছি করোনার খবর নিতে। তাই করোনা যেরকম শরীরকে আক্রমণ করছে তেমনি আমাদের মনকেও অসুস্থ করে তুলছে. আমরা সোশ্যাল মিডিয়া বা টিভিতে চোখ রাখলেই দেখতে পাচ্ছি এ সব থেকে কিভাবে নিজেকে ঠিক রাখা যায়, মানে শরীর আর মন কে সুস্থ রাখা যায়। আমরা সেইসব অনুসরণ করার চেষ্টা করছি আর তার সুফল পাচ্ছি, কিন্তু বেশিভাগ সময় আমরা নানারকম কৌশল ব্যবহার করেও শারীরিক ও মানসিক ভাবে সুস্থ থাকতে পারছি না। কেন?প্রত্যেক মানুষের জন্য এক্সারসাইজ প্রেসক্রিপশন আলাদা, তাই বেশি এক্সারসাইজ দিয়ে শুরু করার চেষ্টা করবেন না। প্রথমে শুরু করুন ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ সমস্ত জয়েন্টের।তারপরে ধাপে ধাপে আইসোটোনিক ও আইসোমেট্রিক এক্সারসাইজ এর দিকে ঝুঁকবেন। যেকোনো ধরণের ব্যায়াম করলে ব্রেইনে ডোপামিন লেভেল বৃদ্ধি পায়, ফলে স্ট্রেস আর ডিপ্রেশন কমে যায়। তাই মাথায় রাখবেন যেকোনো ধরণের এক্সারসাইজ শুরু করলেই কিন্তু আপনি আপনার ডিপ্রেশন আর টেনশন কাটাচ্ছেন।এবার যেটা করতে হবে সেটা হলো ব্রিথিং এক্সারসাইজ ও মেডিটেশন করুন। মেডিটেশন করার সময় আমাদের শ্বাস প্রস্বাস এর ওপর নজর রাখতে হয়, তাই চেষ্টা করুন ব্রিথিং এক্সারসাইজ আর মেডিটেশন একসাথে করতে। এতে আপনার মন শান্ত হবে এবং আপনার ফুসফুস এর ক্ষমতা বাড়বে। কয়েকটি সহজ ব্রিথিং এক্সারসাইজঃ১. সহজ প্রানায়ামঃ সোজা হয়ে বসে নাক দিয়ে নিঃস্বাস নিন জোরে আর ছাড়ুন মুখ দিয়ে। এখানে সময় ধরে করতে হবেনা। শুধু চেষ্টা করবেন অনেকটা নিঃস্বাস নেয়া আর সেটাকে ছেড়ে দেয়া।২. বক্স ব্রিথিংঃ ৪ সেকেন্ড ধরে নিঃস্বাস নিন, ৪ সেকেন্ড ধরে থাকুন, ৪ সেকেন্ড ধরে ছাড়ুন, আবার নিঃস্বাস নেয়ার আগে ৪ সেকেন্ড বিরত থাকুন। তারপর এই জিনিসটাই বার বার রিপিট করুন।৩. ভ্রমণ প্রানায়ামঃ অনেকধরণের ভ্রমণ প্রাণায়াম আছে তার মধ্যে দুটি সহজ প্রাণায়ামের কথা বলছি এখানে।চার পদক্ষেপে নিঃস্বাস নিন আর চার পদক্ষেপে নিঃস্বাস ছাড়ুন। যখন এতে অভস্থ হয়ে যাবেন তখন চার পদক্ষেপে নিঃস্বাস নিন আর ছয় পদক্ষেপে ছাড়ুন. প্রথমে এটি ১০ মিনিট পরে ৩০ মিনিট ধরে করার চেষ্টা করুন। ৪. Pursed লিপ ব্রিথিংঃ নাক দিয়ে নিঃস্বাস নিন আর মুখ ছোট করে জোরে (মোমবাতি নেভাতে গেলে আমরা যেভাবে ফুঁ দিই) নিঃস্বাস ছাড়ুন।৫. অনুলোম বিলোমঃ একটি নাক বন্ধ করে অন্য নাক দিয়ে নিঃস্বাস নিন, এবার যে নাক দিয়ে নিঃস্বাস নিলেন সেটি বন্ধ করে অপর নাক দিয়ে নিঃস্বাস ছাড়ুন, এবার যে নাক দিয়ে নিঃস্বাস ছাড়লেন সেই নাক দিয়ে নিঃস্বাস নিন, এরপর সেই নাকটি বন্ধ করে অপর নাক দিয়ে ছাড়ুন। এই প্রক্রিয়া টি সোজা হয়ে পদ্মাসনে বসে বেশ কয়েকবার ধরে করুন।৬. ডায়াফ্রাগমেটিক ব্রিথিংঃ ডায়াফ্রাম ফুসফুস থেকে পেটের অর্গানদের আলাদা করে রাখে. পেটের ঠিক মাঝখানে একটু ওপরের দিকে হাত রাখুন এবং একটু চাপ দিয়ে রাখুন, এই অবস্থায় নিঃস্বাস প্রস্বাস নিন। এই এক্সারসাইজ এর দ্বিতীয় ধাপ হলো যখন নিঃস্বাস ছাড়বেন হাতদিয়ে চাপ পেটের দিকে এবং ওপরের দিকে বাড়ান আবার নিঃস্বাস নেয়ার সময় চাপ একটু হালকা করুন, কিন্তু চাপ বজায় থাকবে।এই এক্সারসাইজ গুলো ছাড়াও আপনারা নিজেদের মতো এক্সারসাইজ করতে পারেন।এক্সারসাইজ করলে আমাদের নিঃস্বাস প্রশ্বাসের কি তফাৎ হয়?১. পালমোনারি ভেন্টিলেশনঃ পালমোনারি ভেন্টিলেশন হলো বায়ুর পরিমান যা ১ মিনিটে লাংস এ ঢোকে আর বেরোয়। সাধারণত এর পরিমান নরমাল এডাল্টদের 6liter / মিনিট (টাইডাল ভলিউম ৫০০ ml x রেসপিরেটরি রেট ১২/মিনিট)। মডারেট এক্সারসাইজ এ এটি 60liter / মিনিট এবং সিভিয়ার মাস্কুলার এক্সারসাইজ এ 100liter / মিনিট পর্যন্ত হতে পারে। ২. অক্সিজেন ডিফিউসিং ক্যাপাসিটিঃ এটি হলো অক্সিজেনের শরীরের (রক্তর সাথে) সাথে মেশার ক্ষমতা। সাধারণ এটি 21ml / মিনিট হয়, কিন্তু এক্সারসাইজ এ এটি বেড়ে 45ml থেকে 50ml পর্যন্ত হতে পারে।৩. অক্সিজেন গ্রহণযোগ্যতাঃ এক্সারসাইজ করলে টিসু, মাসল এ অক্সিজেন গ্রহণযোগ্যতা বেড়ে যায়।৪. অক্সিজেন ডেবিটঃ এক্সারসাইজ করার পর মাসল এ অক্সিজেন এর দরকার ৬ গুন্ বেড়ে যায়। তখন মাসল এ অক্সিজেন ঘাটতি দেখা যায়, যা সাধারণত দেখা যায় না। শরীর আস্তে আস্তে এই ঘাটতি পূর্ণ করে।৫. রেসপিরেটরি কোশেন্টঃ শরীরে নির্দিষ্ট পরিমান অক্সিজেন গ্রহণে যে পরিমান কার্বন ডাই অক্সাইড তৈরী হয় তার রেশিও কে রেসপিরেটরি কোশেন্ট বলে। নরমাল অবস্থায় এটি ১.০। এক্সারসাইজ করলে এটি বেড়ে ১.৫ বা ২.০ অবধি হয়, এবং এক্সারসাইজ শেষ হয়ে গেলে এটি কমে ০.৫ হয়ে যায়. অর্থাৎ সমপরিমাণ অক্সিজেনের জন্য শরীর তার অর্ধেক কার্বন ডাই অক্সাইড তৈরী করে।যেকোনোরকমের এক্সারসাইজ করতে হবে ঘরের মধ্যেই। করোনার সময় বাইরে না গিয়েও আপনি এক্সারসাইজ, ব্রিথিং এক্সারসাইজ এবং মেডিটেশন এর মাধ্যমে নিজের শরীর ও মনকে ঠিক রাখতে পারবেন।নিঃস্বাস নিন প্রাণ ভরে, বুক ভরে বিশ্বাসের সাথে, যে আমার একদিন এই সংকট কাল থেকে উদ্ধার পাবোই।Dr. Satyen Bhattacharyya (PT)MPT, COMT, CMT, CDNP, DOMPT (Pursuing), PhD Scholar.Associate Professor : Burdwan Institute of Medical and Life SciencesEx-Physiotherapist : Sports Authority of India, Bardhamanhttps://www.fitofine.in/post/breathing-exercise

মে ১১, ২০২১
বিদেশ

ইজরায়েলের বিমান হানায় নিহত ২০ প্যালেস্তিনীয় নাগরিক

গাজায় ইজরায়েলের বিমান হানায় নিহত অন্তত ২০ প্যালেস্তিনীয় নাগরিক। আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। এমনটাই জানিয়েছেন গাজার স্বাস্থ্য আধিকারিকরা। গত শুক্রবার থেকে জেরুজালেমের আল আকসা মসজিদে ইহুদি ও মুসলিম সম্প্রদায়ের অনুগামীদের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়েছে। এবার তা ক্রমে ভয়াবহ আকার নিচ্ছে।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, জেরুজালেমে সংঘর্ষে অন্তত ১৬৩ জন প্যালেস্তিনীয় নাগরিক ও ছয় ইজরায়েলি পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন। এই পরিসংখ্যান দিয়েছে প্যালেস্তিনীয় রেড ক্রিসেন্ট ইমারজেন্সি সার্ভিস এবং ইজরায়েলি পুলিশ। ঘটনার সূত্রপাত হয় গত শুক্রবার।রমজানের নমাজ পড়তে জেরুজালেমের আল আকসা মসজিদে জড়ো হন হাজার হাজার মুসলমান। বলে রাখা ভাল, আল আকসা মসজিদ ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের কাছে অন্যতম শ্রদ্ধার স্থান। পাশাপাশি, এটি ইহুদিদের কাছেও একটি পবিত্র স্থান। যাকে তারা টেম্পল মাউন্ট হিসাবে জানেন। এই জায়গায় এর আগেও বেশ কয়েকবার দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে অন্তর্ঘাত হয়েছে। ইজরায়েলের পুলিশ দাবি করেছে, ওই দিন সন্ধ্যার নমাজের পর হাজার হাজার মুসলিম ধর্মাবলম্বী দাঙ্গা শুরু করলে তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য শক্তি প্রয়োগ করতে বাধ্য হয়েছে। এদিকে, বসতি স্থাপনের জন্য পূর্ব জেরুজালেমের বাড়িঘর থেকে প্যালেস্তিনীয়দের উচ্ছেদ করার সম্ভাবনায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠেছে।এদিকে, আল আকসায় সংঘর্ষের পর গাজা থেকে ইজরায়েলের উদ্দেশে বেশ কয়েকটি রকেট হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হামাস। পালটা জঙ্গি সংগঠনটির ঘাঁটি লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে ইজরায়েল। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে ইজরায়েলে রকেট হামলার ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে আমেরিকা। পাশাপাশি, যে কোনও ধরনের উচ্ছেদ বন্ধ করার জন্য ইজরায়েলের কাছে আহবান জানিয়েছে রাষ্ট্রসঙ্ঘ।

মে ১১, ২০২১
রাজনীতি

৪৩ জনকে নিয়ে শুরু মমতার মন্ত্রিসভার পথ চলা

করোনা পরিস্থিতিতে অনাড়ম্বরভাবেই মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । রাজ্য মন্ত্রিসভার শপথেও দেখা গেল না কোনও আড়ম্বর। কোভিড বিধি মেনে সোমবার রাজভবনে অনুষ্ঠিত হল মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান। মোট ৪৩ জনকে শপথ বাক্য পাঠ করালেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। এদিন খোশমেজাজে দেখা গেল মমতা ও ধনখড়কে। এদিন রাজভবনে উপস্থিত ছিলেন ৪০ জন মন্ত্রী। দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ অমিত মিত্র। সেই কারণে রাজভবনে হাজির হতে পারেননি তিনি। অন্যদিকে করোনা আক্রান্ত রথীন ঘোষ ও ব্রাত্য বসু। ফলে উপস্থিত হতে পারেননি তাঁরাও। তবে বাকি ২১ জন পূর্ণমন্ত্রীদের সঙ্গে একই সময়ে এদিন ভারচুয়ালি শপথ গ্রহণ করলেন এই তিন মন্ত্রী। পূর্ণমন্ত্রীদের তালিকায় রয়েছেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, সাধন পাণ্ডে, অরূপ রায়, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, শশী পাঁজা-সহ অন্যান্যরা। তারপরে শপথ নেন স্বাধীন দায়িত্ব প্রাপ্ত ১০ মন্ত্রী। শেষে শপথ নেন ৯ জন প্রতিমন্ত্রী। মাত্র ৭ মিনিটে শেষ হয় শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। মমতার তৃতীয় মন্ত্রিসভায় একাধিক নতুন মুখের ভিড়। মমতার তৃতীয় মন্ত্রিসভায় রয়েছে একাধিক নতুন মুখ। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বীরবাহা হাঁসদা, রয়েছেন জঙ্গলমহলের বিধায়ক জ্যোৎস্না মাণ্ডি, শ্রীকান্ত মাহাতো। শপথ নিলেন মনোজ তিওয়ারি, রত্না দে নাগ, আখরুজ্জামান, দিলীপ মণ্ডল, অখিল গিরি সহ-বেশ কয়েকজন। দীর্ঘদিন ধরেই দিদির সৈনিক অখিল গিরি। কিন্তু আগে কোনওদিনই মন্ত্রিসভায় ঠাঁই হয়নি তাঁর। শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তৃণমূলের সম্পর্কচ্ছিন্ন হওয়ার পর দলে গুরুত্ব বাড়ে অখিল গিরির। তাঁর হাতেই পূর্ব মেদিনীপুরের ভার দিয়েছিল তৃণমূল। নন্দীগ্রাম হাতছাড়া হলেও বিধানসভা ভোটে পূর্ব মেদিনীপুরে মোটের উপর ভাল ফলই করেছে দল। পুরস্কারস্বরূপ এবার মন্ত্রিসভায় অখিল গিরি।

মে ১০, ২০২১
কলকাতা

কোভিড আবহে ৭ মিনিটেই শেষ ৪৩ মন্ত্রীর শপথ

তৃতীয়বার পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় তৃণমূল সরকার। নন্দীগ্রাম থেকে কয়েকশো ভোটের ব্যবধানে হেরেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার নিজের মন্ত্রিসভা সাজিয়ে নেওয়ার পালা। রবিবারই সম্ভাব্য মন্ত্রীদের তালিকা প্রকাশ করেছেন তিনি। ১৬ নতুন মুখ-সহ মোট ৪৩ জন মন্ত্রীর শপথগ্রহণ হল আজ রাজভবনে। নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ে তৈরি নয়া মন্ত্রিসভার সঙ্গে বৈঠকে বসবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।করোনা আক্রান্ত ব্রাত্য বসু রয়েছেন আইসোলেশনে। রাজভবনে নয়, ভার্চুয়াল মাধ্যমে তিনি শপথ নেন। একইভাবে শপথ নেস আরও দুই মন্ত্রী অমিত মিত্র, রথীন ঘোষ। অসুস্থতার কারণে এই সিদ্ধান্ত। রাজ্যপাল জগদীর ধনকড় সবাইকে শপথবাক্য পাঠ করান থ্রোন রুমে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজভবনে পৌঁছলে শপথের আগে তাঁকে প্রণাম করে আশীর্বাদ নিলেন বেশ কয়েকজন। কোভিড সকলে মেনে চলো, শপথ নিয়ে কেউ প্রণাম করতে এসো না, বললেন মুখ্যমন্ত্রী।এরপর শপথ অনুষ্ঠান শুরুর আগে শেষ মুহূর্তে আলোচনা সেরে নেন মুখ্যমন্ত্রী, মুখ্যসচিব ও বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর পূর্ণমন্ত্রী, স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পদে কে কে শপথ নেবেন, তার তালিকা পড়েন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং প্রতিমন্ত্রীদের একইসঙ্গে শপথ পড়ান রাজ্যপাল। নিজের জায়গায় দাঁড়িয়ে শপথ নিলেন তাঁরা। কোভিড আবহে অতি সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠান হয় এদিন। এতদিনের রীতি মেনেরাজ্যপালের পাশে দাঁড়িয়ে শপথ গ্রহণ করা হলনা এবার। ৭ মিনিটে ৪৩ জনের শপথ পর্ব শেষ হয়। অনুষ্ঠান শেষে একান্তে কথা বলেন রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রী।

মে ১০, ২০২১
কলকাতা

রাজ্যে এল কোভ্যাক্সিনের ১ লক্ষ ডোজ, সোমবার আসছে সাড়ে ৩ লক্ষ কোভিশিল্ড

মারাত্মক করোনা সংক্রমণের মধ্যেই সুখবর। সম্প্রতি রাজ্য সরকার টিকাকরণের জন্য কোভ্যাক্সিন ও কোভিশিল্ড মিলিয়ে কয়েক লক্ষ টিকার বরাত দিয়েছিল। তার মধ্যে রবিবার রাজ্যে এসেছে ১ লক্ষ কোভিডের টিকা কোভ্যাক্সিনের ডোজ। রবিবার সকাল ৮টা নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছয় টিকা। এর পর তা নিয়ে যাওয়া হয় বাগবাজারের সেন্ট্রাল মেডিক্যাল স্টোরে। এ ছাড়াও সোমবার আরও সাড়ে ৩ লাখ কোভিশিল্ড টিকার ডোজ রাজ্যে আসবে। সোমবার বিকেল ৩টে ৪০ নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছবে টিকা। মোট ১৪ লাখ কোভিশিল্ডের অর্ডার দিয়েছে রাজ্য সরকার।গত মাস থেকেই দেশজুড়ে করোনা টিকার জোগান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পর্যান্ত টিকা না থাকার কারণে বিভিন্ন রাজ্যে টিকাকরণ থমকে যাচ্ছে মাঝে মাঝে। প্রথম ডোজ নিলেও দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার জন্য ডাকের অপেক্ষায় বহু মানুষ। গতকাল, কোভ্যাক্সিন না পেয়ে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে বিক্ষোভ হয়। তবে আজ রবিবার ও কাল সোমবার মিলিয়ে মোট সাড়ে ৪ লাখ টিকা এলে সমস্যা একটু কমবে।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাউথ-ইস্ট এশিয়া রিজিয়ন অফিস-এর কমিউনিকেবল ডিজিজ়েস-এর প্রাক্তন ডিরেক্টর রাজেশ ভাটিয়া জানাচ্ছেন, দেশে প্রতিষেধকের বর্তমান দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ২৫ লক্ষ। কিন্তু চাহিদা তার চেয়ে অনেক বেশি। তাঁর কথায়, যতক্ষণ না প্রতিষেধকের বর্তমান উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানো হবে অথবা দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি অন্য প্রতিষেধক বাজারে আসবে কিংবা প্রতিষেধক আমদানি করা হবে, ততক্ষণ এই ঘাটতি চলতেই থাকবে।

মে ০৯, ২০২১
রাজনীতি

পুরনো ও নতুন মুখের মিশেলে তৈরি মমতার নতুন মন্ত্রিসভা

করোনা অতিমারির আবহেই তৃতীয়বারের জন্য রাজ্যে গঠিত হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস সরকার। মুখ্যমন্ত্রী এবং অধ্যক্ষ-সহ বিধানসভার সদস্যদের শপথগ্রহণ পর্ব একে একে শেষ হয়েছে। এবার মন্ত্রিসভা গঠনের পালা। সোমবার রাজভবনে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে রাজ্য মন্ত্রিসভার ৪৩ জন সদস্য শপথ গ্রহণ করবেন বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। এরমধ্যে ২৪জন পূর্ণমন্ত্রী, দশজন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী এবং ৯জন প্রতিমন্ত্রী থাকছেন। তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে রবিবার দুপুরে কালীঘাটে দলের কোর কমিটির বৈঠক বসে সেখানেই মন্ত্রিসভার সদস্যদের নাম চূড়ান্ত করা হয়।তৃতীয় তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের মন্ত্রিসভায় প্রবীণ এবং অভিজ্ঞদের পাশাপাশি নতুন কিছু মুখ স্থান পেয়েছে। পূর্ণ মন্ত্রীদের তালিকা নতুন উল্লেখযোগ্য নাম সাগরের দীর্ঘদিনের বিধায়ক বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা, মধ্যমগ্রামের বিধায়ক রথীন ঘোষ, উলুবেরিয়া দক্ষিণের বিধায়ক পুলক রায়, সবং এর বিধায়ক মানস ভুঁইয়া, উত্তরবঙ্গ থেকে হরিরামপুরের বিধায়ক বিপ্লব মিত্র এবং গোয়ালপখোরের বিধায়ক মোঃ গোলাম রব্বানীর। স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী তালিকায় নতুনদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রাক্তন আইপিএস আধিকারিক হুমায়ুন কবীর, রামনগরের বিধায়ক অখিল গিরি, প্রাক্তন সাংসদ রত্না দে নাগ প্রমুখ। রাজ্য মন্ত্রিসভার নতুন প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন ঝাড়গ্রাম থেকে বিধায়ক হওয়া ঝাড়খণ্ড পার্টি নরেনের প্রতিষ্ঠাতা নরেন হাঁসদার মেয়ে বীরবাহা হাঁসদা।টলিউডের তারকা মুখেরা ঠাঁই না পেলেও সাঁওতালি ছবির নায়িকা বীরবাহা সামিল হয়েছেন মন্ত্রিসভায়।এছাড়া দিলীপ মণ্ডল, আখোরুজ্জামান, জ্যোৎস্না মান্ডি, সাবানা ইয়াসমিন, ফরওয়ার্ড ব্লক থেকে তৃণমূল কংগ্রেসে আসা প্রাক্তন মন্ত্রী পরেশ অধিকারী প্রাক্তন ক্রিকেটার মনোজ তিওয়ারি রয়েছেন প্রতিমন্ত্রীদের তালিকায়।পুরনো ওজনদার সব মুখেরাই প্রায় এসরকারের পূর্ণ মন্ত্রী পদে থাকছেন।ক্যাবিনেট মন্ত্রী হিসাবে সোমবার শপথ নিতে চলেছেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অমিত মিত্র, অরূপ বিশ্বাস, ফিরহাদ হাকিম, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, অরূপ রায়, সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী, সৌমেন মহাপাত্র, উজ্জ্বল বিশ্বাস, সাধন পাণ্ডে, চন্দ্রনাথ সিনহা, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, ব্রাত্য বসু, শশী পাঁজা, জাভেদ আহমেদ খান, গুলাম রব্বানী, মলয় ঘটক এবং স্বপন দেবনাথ।তবে এবার বাদ বিভিন্ন কারণে বেশ কিছু পুরনো হেভিওয়েট বাদ পড়েছেন। যার মধ্যে প্রাক্তন পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব এবং উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্র নাথ ঘোষ রয়েছেন। এদের দু-জনের একজনও এবার ভোটে জিততে পারেননি।উত্তরবঙ্গ লবি থেকে তাদের স্থান নিয়েছেন একদা তৃণমূল থেকে বিজেপিতে গিয়ে ফের দলে ফিরে আসা বালুরঘাটের হেভিওয়েট তৃণমূল নেতা বিপ্লব মিত্র ও গোয়ালপোখরের গোলাম রব্বানী। আবার দলে স্বমিমায় প্রত্যাবর্তন এবং ভোটে বিপুল জনাদেশ লাভের পর মদন মিত্রর ফের একবার মন্ত্রী হওয়া নিয়ে জল্পনা ছড়িয়েছিল। কিন্তু রবিবার হবু মন্ত্রীদের যে তালিকা নবান্ন থেকে প্রকাশ হয়েছে, তাতে দেখা গেল মদন মিত্রর নাম নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম জমানায় পরিবহণ মন্ত্রী ছিলেন মদন। অর্থাৎ পূর্ণমন্ত্রী। একবার কাউকে পূর্ণমন্ত্রী করা হলে পরে আর তাঁকে প্রতিমন্ত্রী বা স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতি মন্ত্রী করলে দেখতে ভাল দেখায় না। কিন্তু মদনকে কোনও মন্ত্রীই করলেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।চিটফান্ড কাণ্ডে অতীতে সাড়ে তিন বছর জেলে ছিলেন মদন মিত্র। তাঁর সেই সব মামলার নিষ্পত্তি এখনও হয়নি। অনেকের মতে, সম্ভবত সেই কারণেই মদন মিত্রকে আর মন্ত্রিসভায় ফেরালেন না মুখ্যমন্ত্রী।কামারহাটির পাশের আসন বরাহনগরের বিধায়ক তথা প্রবীণ নেতা তাপস রায়কেও এ বার মন্ত্রিসভায় নেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাপস রায় বিধানসভা উপ মুখ্য সচেতক ছিলেন। সেই সঙ্গে মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। তাঁর ভাবমূর্তিও পরিচ্ছন্ন। তাঁকে কেন মন্ত্রিসভা থেকে বাদ দেওয়া হল তা অবশ্য অনেকের কাছে বিষ্ময়ের।উল্লেখযোগ্য ভাবে মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়েছেন নির্মল মাঝিও। গত মেয়াদের তাঁর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল। সেই ঘটনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খুবই অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন বলেই খবর।মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়েছেন অসীমা পাত্র, মন্টুরাম পাখিরা, গিয়াসউদ্দিন মোল্লা ও তপন দাশগুপ্ত। জঙ্গিপুর বিধানসভায় এখনও ভোট না হওয়ায় মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়েছেন জাকির হোসেনও।সোমবার রাজভবনে শপথ শেষে নবান্নে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

মে ০৯, ২০২১
রাজ্য

রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তীতে শুনশান বিশ্বভারতী, ফাঁকা জোড়াসাঁকোও

আজ পঁচিশে বৈশাখ। তবে কোভিড আবহে ফিকে কবি প্রণাম অনুষ্ঠান। প্রতি বছরই রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তীতে জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে বিশাল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কিন্তু এবারের পরিস্থিতি একেবারেই আলাদা। বিশ্বভারতীতে বন্ধ রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপন।জোড়সাঁকোতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান করেন কলকাতার প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম। বাইরে থেকে যাঁরা কবিগুরুকে শ্রদ্ধা জানাতে আসছেন, তাঁরা জোড়াসাঁকোর বাইরের মূর্তিতে মাল্যদান করতে পারবেন। কবিগুরুর মূর্তিতে মাল্যদানের পর ফিরহাদ হাকিম বলেন, আমরা বাঙালি। যবে থেকে জ্ঞান এসেছে, তবে থেকেই রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপন করে এসেছি। যখন খুব ছোটো ছিলাম, তখন বাড়ির ছাদে চার-পাঁচটা ইট দিয়ে বেদি বানিয়ে, পাড়ার দোকান থেকে ছোট্ট ফোটো কিনে রবি পুজো করতাম। তখন বুঝতামও না রবীন্দ্রজয়ন্তী কী! কিন্তু বাঙালি পরিবারে জন্মেছি, ছোট থেকেই এই কাজটা করেছি। তারপর বড় হয়ে রবীন্দ্রজয়ন্তীতে মনে হত উৎসবের দিন। এখন একটা এমন পরিস্থিতি, যেন মানুষ মানুষকে দেখলে ছিটকে যাচ্ছে। রবীন্দ্রনাথ নিয়ে যে উল্লাস, তা এবার নেই।একই ছবি ধরা পড়েছে বিশ্বভারতীতেও। গত বছর থেকেই রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন বিশ্বভারতীর ছবিটা বদলে গিয়েছে, যা মিল খায় না চিরাচরিত ছবির সঙ্গে। রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী পালন করতে পারছেন না বিশ্বভারতীর ছাত্রছাত্রীরা। মন খারাপ তাঁদের। বন্ধ রবীন্দ্রজয়ন্তীর চেনা উদযাপন। শুনশান ক্যাম্পাস, গেটে কড়া পাহারা।বিশ্বভারতীতে কেবল প্রবেশে ছাড় উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী-ছাড়া হাতে গোনা কয়েক জনের। এবারে বন্ধ রয়েছে কবি কন্ঠ শোনানোর সেই রীতিও। করোনার কোপ পঁচিশে বৈশাখের রীতিতেও।

মে ০৯, ২০২১
বিদেশ

ওম নমঃ শিবায় ধ্বনিতে মুখরিত ইজরায়েল

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের বিরুদ্ধে গোটা দেশ লড়ছে। আর সেই লড়াইয়ে বিশ্বের প্রথম সারির প্রায় সব দেশই কোনও না কোনও ভাবে ভারতকে সাহায্য করছে। সাহায্য এসে পৌঁছেছে ইজরায়েল থেকেও। তবে এবার ইজরায়েল যে ভাবে ভারতের পাশে থাকার বার্তা দিল তা মনে হয় অন্য কোনও দেশ ভেবেও দেখেনি।ইহুদিদের এই দেশ ভগবান শিবের কাছে প্রার্থনা করল ভারতের সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য। ইজরায়েলের তেল আভিভে শহরে এক প্রার্থনা সভার আয়োজন করা হয়। সেখানে কয়েকশো ইজরায়েলি জড়ো হয়ে ওম নমঃ শিবায় ধ্বনিতে প্রার্থনা করেন। প্রার্থনা করেন যাতে দ্রুত ভারত করোনা মুক্ত হয়ে ওঠে। ইজারায়েলিদের এই প্রার্থনা সভার ভিডিও তেল আভিভে ভারতীয় দূতাবাসের এক আধিকারিক পবন কে পাল তাঁর ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডলে পোস্ট করেছেন। আর এমন একটা ভিডিও পোস্ট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভাইরাল হয়ে যায়। প্রচুর নেটিজেন ভিডিওর কমেন্ট সেকশনে ইজারয়েলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এ ভাবে ভারতের পাশে থাকার জন্য। পবন ভিডিওর সঙ্গে পোস্টে লিখেছেন, যখন গোটা ইজরায়েল একত্রিত হয়ে আশার আলো দেখাচ্ছে।করোনার দ্বিতীয় ঢেউটের সঙ্গে ভারত এখনও রীতিমতো যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ লক্ষ ১৪ হাজারের বেশি মানুষ নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। মহারাষ্ট্র এবং কর্নাটকের অবস্থা সব থেকে খারাপ। তার পরেই রয়েছে কেরল এবং উত্তরপ্রদেশ। অন্যদিকে ইজরায়েল ইতিমধ্যেই করোনা পরিস্থিতি সামলে নিয়েছে। গত মাসেই সেখানে মাস্ক পরার বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়া হয়েছে।

মে ০৮, ২০২১
কলকাতা

রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের

রাজ্যে ভোট-পরবর্তী হিংসার ছবি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে এলাকা পরিদর্শন করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রতিনিধি দল। শুক্রবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাধিক এলাকায় যান প্রতিনিধি দলের সদস্যেরা। তার আগে শুক্রবার সকালে রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে তারা বৈঠক করেন। সূত্রের খবর, ওই বৈঠকে রাজ্যপালের কাছে হিংসার তথ্য চেয়েছে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল।রাজ্যে ভোট-পরবর্তী হিংসার তদন্ত করতে বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের মন্ত্রক থেকে চার সদস্যের প্রতিনিধি দল আসে বাংলায়। ওই দিন তারা নবান্নে গিয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিবের কাছ থেকে হিংসার রিপোর্ট তলব করে। যা নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দোষীদের গ্রেপ্তারের পাশাপাশি তিনি শান্তির বার্তাও দিয়েছেন। তবে রাজ্যপাল হিংসা প্রসঙ্গে প্রথম থেকেই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে সরব হয়েছেন। অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন পুলিশের ভূমিকা নিয়েও। এই আবহে শুক্রবার হিংসার তথ্য পেতে রাজভবনে যান প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। সেখানে রাজ্যপালের সঙ্গে তাঁরা প্রায় ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট ধরে বৈঠক করেন। সূত্রের খবর, রাজ্যের কোথায় কোথায় হিংসার ঘটনা ঘটেছে তার তথ্য রাজ্যপালের কাছে চেয়েছেন তাঁরা।রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করার পরই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অতিরিক্ত সচিব গোবিন্দ মোহনের নেতৃত্বে চার সদস্যের দল দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো পরিদর্শনে যান। সেখানে তারা হিংসায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে দেখা করেন। ওই জেলার বাওয়ালি এলাকায় গত বুধবার কয়েকটি দোকান ও বাড়ি ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। শুক্রবার সেখানে গিয়ে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা ক্ষয়ক্ষতির হিসেব করেন। এবং এই হিংসার কাজে কারা যুক্ত সে খবরও নেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, শুক্রবার প্রতিনিধি দল ওই জেলার আরও বেশ কয়েকটি এলাকা পরিদর্শন করেন।বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সঙ্গে দেখা করেন রাজ্য বিজেপি-র নেতারা। প্রতিনিধি দলকে তাঁরা দলীয় কর্মীদের উপর হামলার ঘটনার রিপোর্ট দেন। একইসঙ্গে বিজেপি নেতারা ওই দলকে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলি পরিদর্শনের জন্য আর্জি জানান। তারপরেই শুক্রবার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনে যায় প্রতিনিধি দল।

মে ০৭, ২০২১
রাজ্য

লোকাল ট্রেন বন্ধে দাম বাড়ার আশঙ্কা মাছ-সবজির

লোকাল ট্রেন বন্ধ। ফলে ফের চড়তে পারে শাকসবজি, আনাজের দাম। বাড়ার আশঙ্কা মাছের দামও। সব মিলিয়ে লোকাল বন্ধে গতবারের মতো ফের জিনিসপত্রের মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কায় আম গেরস্ত। একদিন ট্রেন বন্ধ হতেই কিছু জায়গায় আলু-পিঁয়াজেরও দাম বেড়েছে বৃহস্পতিবার। তবে ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, এখনই দাম বাড়ার কথা নয়। যাঁরা নিচ্ছেন তাঁরা অন্যায় করছেন। কারণ, প্রত্যেকেরই স্টকে আলু, পিঁয়াজ আছে। কিন্তু দু-তিন দিন পর থেকে সবজি বাজারে ট্রেন বন্ধের প্রভাব পড়বে। ব্যবসায়ীদের দাবি, ট্রেন বন্ধ থাকলে সবজি এবং মাছ আনার খরচ অনেকটাই বেড়ে যায়। ট্রেনের ভেন্ডর কামরায় যতটা কম খরচে জিনিস আনা-নেওয়া করা যায় গাড়ি করে আনতে সেই খরচ অনেকটাই বাড়ে। ফলে দাম বাড়ে জিনিসের।লকডাউন শুরু হলে দিন আনা দিন খাওয়া মানুষের তো রুজি-রোজগারই বন্ধ হওয়ার জোগাড় হয়। এই অবস্থায় কাঁচা আনাজের বাজারে দামের ছেঁকায় আলুসেদ্ধ ভাত জোগানোটাও সমস্যার হয়ে দাঁড়াবে বহু মানুষের। বৃহস্পতিবারই পিঁয়াজ মুকুন্দপুর বাজারে ৪০ টাকা আর চন্দ্রমুখী আলু ২৩ টাকা প্রতি কেজি বিকিয়েছে। যার দাম বুধবারও ছিল ৩০ টাকা, ২১ টাকা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, জিনিসের যে জোগান কমবে তেমনটা নয়। তবু সব কিছুরই দাম বাড়বে। কারণ মাছ ও সবজি সবকিছু আনার খরচ আগের থেকে অনেক বাড়বে। কাঁচালঙ্কা থেমে টম্যাটো, ঢেঁড়শ, পটল বেগুন সব কিছুরই দাম চড়তে পারে। আর গাড়ির চাহিদা বাড়লে তার ভাড়াও বাড়বে। ফলে মাছ যে গাড়িতে করে আসে তার ভাড়াও বাড়বে। যার প্রভাব পড়বে মাছ বাজারে। তাছাড়া ফড়েদের উৎপাত তো আছেই। ক্রেতাদের কথায়, কাঁচা আনাজের দামও যদি এত বাড়ে, তবে খাওয়া দাওয়া তো ছাড়তে হবে।ব্যবসায়ীদের দাবি, আগে লোকাল ট্রেনে ভেন্ডার কামরায় সবজি, মাছ আনা নেওয়া চলত। এখন তো সেই উপায় নেই। ছোট হাতি বা ছোট ট্রাকে করে সবজি আনতে হবে। ফলে সবজি আনার খরচ বেড়ে যাবে অনেকটাই। ডিজেলের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গাড়ি ভাড়াও বেড়েছে। সেই খরচটা তো কোনও ব্যবসায়ী আর পকেট থেকে দেবেন না। বাধ্য হয়েই তাই জিনিসপত্রের দাম বাড়াতে হবে। ওয়েস্ট বেঙ্গল ভেন্ডার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও রাজ্যের কৃষি বিষয়ক টাস্কফোর্সের সদস্য কমল দে বলেন, বাইরে থেকে সবজি আনার খরচ বাড়বে ট্রেন বন্ধ হওয়ায়। বাধ্য হয়ে খোলা বাজার থেকে খুচরো বাজার সর্বত্রই দাম বাড়ার আশঙ্কা আছে।

মে ০৭, ২০২১
রাজ্য

দিনভর অশান্ত এলাকায় ঘুরল কেন্দ্রের প্রতিনিধি দল

তৃতীয়বার বাংলার শাসনক্ষমতায় তৃণমূল আসার পরই নজিরবিহীন রাজনৈতিক হিংসার অভিযোগে বারবার সরব হয়েছে বিজেপি। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে এই মর্মে অভিযোগও জমা পড়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি এ সংক্রান্ত খবর নিতে রাজ্যপালকে ফোনও করেছিলেন। এসবের ভিত্তিতে রাজ্যের পরিস্থিতি দেখতে বৃহস্পতিবার ৪ সদস্যের এক প্রতিনিধিদলকে বাংলায় পাঠিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক । এ নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেও কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলটি এদিন অশান্ত জায়গাগুলি পরিদর্শন করেছেন। তার আগে অবশ্য কয়েক দফা বৈঠক করেন নবান্নে। শুক্রবার সকালে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসতে চলেছেন অমিত শাহর মন্ত্রকের প্রতিনিধিরা। বুধবারই মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শপথ নিয়েই তিনি রাজ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার বার্তা দিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিজে দেখভাল করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন। তবে তার ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই রাজ্যের পরিস্থিতি দেখতে প্রতিনিধি দলকে পাঠাল কেন্দ্র। রয়েছেন সচিব পর্যায়ের অফিসাররা। তাঁরা এদিন রাজ্যে এসে নবান্নে মুখ্যসচিব, ডিজির সঙ্গে বৈঠক করেন। অশান্ত এলাকাগুলি নিয়ে খোঁজখবর নেন। দুই ২৪ পরগনা, বর্ধমান, কোচবিহার থেকে কলকাতার কাঁকুড়গাছিতে রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা ঘটেছে ভোটের ফলপ্রকাশের পর। তৃণমূল, বিজেপি কর্মীদের মৃত্যু হয়েছে তাতে। তবে বিজেপির দাবি, নিহতদের বেশিরভাগই তাঁদের সমর্থক। এই পরিপ্রেক্ষিতেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় দলকে পাঠানো হয়েছে। যদিও কেন্দ্রের এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। বৃহস্পতিবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে এ নিয়ে বেশ উষ্মা প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, বিজেপি হার মেনে নিতে না পেরে এ ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে।এদিন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল নবান্নে বৈঠক সেরে চলে যান দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরে। সেখানে নিহত বিজেপি কর্মী হারান অধিকারীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন, কথা বলেন, ঘুরে দেখেন আশেপাশের পরিস্থিতি। এরপর সন্ধেবেলা তাঁরা যান উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ায়। সেখানেও সকলের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করেন। জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকাল ১০টায় এই প্রতিনিধি দলটি রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে বৈঠকে বসে যাবতীয় রিপোর্ট নেবেন। যদিও এদিন দুপুরেই রাজ্যের অশান্ত পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যপালের কাছে রিপোর্ট তলব করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তবে নতুন সরকার গঠনের ২৪ ঘণ্টা না কাটতেই এভাবে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদের রাজ্যে আসা মোটেই ভালভাবে নিচ্ছে না শাসকদল।

মে ০৬, ২০২১
রাজ্য

দিনভর অশান্ত এলাকায় ঘুরল কেন্দ্রের প্রতিনিধি দল

তৃতীয়বার বাংলার শাসনক্ষমতায় তৃণমূল আসার পরই নজিরবিহীন রাজনৈতিক হিংসার অভিযোগে বারবার সরব হয়েছে বিজেপি। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে এই মর্মে অভিযোগও জমা পড়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি এ সংক্রান্ত খবর নিতে রাজ্যপালকে ফোনও করেছিলেন। এসবের ভিত্তিতে রাজ্যের পরিস্থিতি দেখতে বৃহস্পতিবার ৪ সদস্যের এক প্রতিনিধিদলকে বাংলায় পাঠিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক । এ নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেও কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলটি এদিন অশান্ত জায়গাগুলি পরিদর্শন করেছেন। তার আগে অবশ্য কয়েক দফা বৈঠক করেন নবান্নে। শুক্রবার সকালে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসতে চলেছেন অমিত শাহর মন্ত্রকের প্রতিনিধিরা। বুধবারই মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শপথ নিয়েই তিনি রাজ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার বার্তা দিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিজে দেখভাল করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন। তবে তার ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই রাজ্যের পরিস্থিতি দেখতে প্রতিনিধি দলকে পাঠাল কেন্দ্র। রয়েছেন সচিব পর্যায়ের অফিসাররা। তাঁরা এদিন রাজ্যে এসে নবান্নে মুখ্যসচিব, ডিজির সঙ্গে বৈঠক করেন। অশান্ত এলাকাগুলি নিয়ে খোঁজখবর নেন। দুই ২৪ পরগনা, বর্ধমান, কোচবিহার থেকে কলকাতার কাঁকুড়গাছিতে রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা ঘটেছে ভোটের ফলপ্রকাশের পর। তৃণমূল, বিজেপি কর্মীদের মৃত্যু হয়েছে তাতে। তবে বিজেপির দাবি, নিহতদের বেশিরভাগই তাঁদের সমর্থক। এই পরিপ্রেক্ষিতেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় দলকে পাঠানো হয়েছে। যদিও কেন্দ্রের এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। বৃহস্পতিবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে এ নিয়ে বেশ উষ্মা প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, বিজেপি হার মেনে নিতে না পেরে এ ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে।এদিন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল নবান্নে বৈঠক সেরে চলে যান দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরে। সেখানে নিহত বিজেপি কর্মী হারান অধিকারীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন, কথা বলেন, ঘুরে দেখেন আশেপাশের পরিস্থিতি। এরপর সন্ধেবেলা তাঁরা যান উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ায়। সেখানেও সকলের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করেন। জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকাল ১০টায় এই প্রতিনিধি দলটি রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে বৈঠকে বসে যাবতীয় রিপোর্ট নেবেন। যদিও এদিন দুপুরেই রাজ্যের অশান্ত পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যপালের কাছে রিপোর্ট তলব করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তবে নতুন সরকার গঠনের ২৪ ঘণ্টা না কাটতেই এভাবে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদের রাজ্যে আসা মোটেই ভালভাবে নিচ্ছে না শাসকদল।

মে ০৬, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 124
  • 125
  • 126
  • 127
  • 128
  • 129
  • 130
  • ...
  • 153
  • 154
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

ভারতের ভোটের মডেল টেনে আমেরিকায় নতুন দাবি ট্রাম্পের, কী বদলাতে চান?

ভারতের নির্বাচনী ব্যবস্থার উদাহরণ টেনে আমেরিকায় ভোটার পরিচয়পত্রের নিয়ম আরও কঠোর করার পক্ষে ফের সরব হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (১৮ আগস্ট) ট্রুথ সোশ্যাল-এ একটি পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার তাঁর প্রশাসনের কাছে জানতে চেয়েছিলেন, বৈধ ফোটো আইডি ছাড়া আমেরিকায় কী ভাবে নির্বাচন হয়।ট্রাম্পের দাবি, ভারতের শেষ লোকসভা নির্বাচনে ৬৪ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষ ভোট দিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১ শতাংশেরও কম ডাকযোগে ভোট দেন। তাঁর বক্তব্য, প্রত্যেক ভারতীয় ভোটারের কাছেই বৈধ ফোটো পরিচয়পত্র ছিল। আমেরিকার নির্বাচন ব্যবস্থায়ও এমন বাধ্যতামূলক ব্যবস্থা চালুর যুক্তি দেখিয়ে সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট পাশ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।তবে আমেরিকায় ভোট দেওয়ার জন্য পরিচয়পত্রের নিয়ম সব রাজ্যে এক নয়। বর্তমানে ৩৬টি রাজ্যে ভোটকেন্দ্রে কোনও না কোনও ধরনের পরিচয়পত্র দেখানোর বিধান রয়েছে। পরিচয়পত্র হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্স, রাজ্য সরকারের দেওয়া আইডি বা পাসপোর্ট গ্রহণ করা হতে পারে। অন্যদিকে ১৪টি রাজ্য এবং ওয়াশিংটন ডিসিতে ভোটারের স্বাক্ষর কিংবা ভোটার তালিকায় থাকা অন্যান্য তথ্য মিলিয়ে পরিচয় যাচাই করা হয়। কিছু রাজ্যে পরিচয়পত্র না থাকলেও নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া মেনে ভোট দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।আমেরিকায় ভোটার আইডি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক বিভাজন রয়েছে। রিপাবলিকানদের যুক্তি, ভোটার পরিচয় বাধ্যতামূলক হলে ভুয়ো ভোট বা অন্যের পরিচয়ে ভোট দেওয়ার সম্ভাবনা কমবে এবং নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রতি আস্থা বাড়বে। ডেমোক্র্যাটদের পাল্টা বক্তব্য, অতিরিক্ত কড়াকড়ি সাধারণ ভোটারদের জন্য সমস্যা তৈরি করতে পারে এবং ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা হতে পারে।২০০০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর আমেরিকার ভোটপ্রক্রিয়া নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০০২ সালে হেল্প আমেরিকা ভোট অ্যাক্ট বা HAVA পাশ হয়। পরবর্তী সময়ে একাধিক রাজ্য ভোটার পরিচয় যাচাইয়ের নিয়ম আরও কঠোর করে।ট্রাম্পের সমর্থন করা সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট-এ ফেডারেল নির্বাচনে ভোটার হিসেবে নথিভুক্ত হওয়ার সময় মার্কিন নাগরিকত্বের প্রমাণ এবং ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে ফোটো আইডির মতো শর্ত জোরদার করার প্রস্তাব রয়েছে। ডাকযোগে ভোটের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ আনার কথা বলা হয়েছে। বিলটির লক্ষ্য আমেরিকার নির্বাচনী ব্যবস্থায় ভোটারের যোগ্যতা ও পরিচয় আরও কঠোরভাবে যাচাই করা।এই বিল নিয়ে রাজনৈতিক টানাপড়েনও রয়েছে। ২০২৬ সালের সংশোধিত SAVE America Act হাউসে পাশ হলেও সেনেটে তা নিয়ে বড় বাধা রয়েছে। কারণ, সেনেটে কোনও বিল পাশ করাতে সাধারণত ৬০টি ভোট প্রয়োজন। ফলে ট্রাম্প ভারতের ভোটব্যবস্থার উদাহরণ সামনে এনে চাপ বাড়ালেও প্রস্তাবটি আইনে পরিণত করা এখনও সহজ নয়।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজ্য

নয় পুণ্যার্থীর মৃত্যুর পরই নড়েচড়ে বসল প্রশাসন, তারাপীঠে ১৫টি হোটেল-লজ বন্ধের সিদ্ধান্ত

তারাপীঠে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নয় জন পুণ্যার্থীর মৃত্যুর পর নড়েচড়ে বসল বীরভূম জেলা প্রশাসন। বৈধ কাগজপত্র না থাকায় তারাপীঠের ১৫টি হোটেল ও লজকে বন্ধের নোটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের সময় কয়েক জন পুণ্যার্থী লজ সংলগ্ন পুকুরে ঝাঁপ দিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে কেউ পুকুরে ডুবে রয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখতে মঙ্গলবার পুকুরে স্পিডবোট নামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। যদিও শেষ পর্যন্ত আর কোনও দেহ উদ্ধার হয়নি।প্রসঙ্গত, সোমবার ভোরে তারাপীঠ থানার পাশের একটি বেসরকারি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনায় মৃত্যু হয় নয় জন পুণ্যার্থীর। মৃতদের মধ্যে মেঘালয়ের পাঁচ জন একই পরিবারের সদস্য। বাকি চার জন আলিপুরদুয়ারের বাসিন্দা। সোমবার রাতে মেঘালয়ের পাঁচ মৃতের দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার আলিপুরদুয়ারের চার মৃতের দেহও পরিবারের লোকজন নিয়ে যান। দুদিন ধরে মৃতদের পরিবারের পাশে ছিলেন রামপুরহাটের বিধায়ক ধ্রুব সাহা। তাঁদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করার পাশাপাশি বাড়ি ফেরার ব্যবস্থাও করেন তিনি।অগ্নিকাণ্ডের পর তারাপীঠের হোটেল ও লজগুলির পরিকাঠামো সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে নয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে প্রশাসন। সোমবার রাত থেকেই কমিটির সদস্যরা কাজ শুরু করেন। তার পরেই মঙ্গলবার ১৫টি হোটেল ও লজ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন।রামপুরহাটের মহকুমাশাসক অশ্বিনী বি রাঠোর বলেন, এর আগেও বেশ কয়েকটি হোটেল ও লজকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তারা প্রশাসনকে সহযোগিতা করছেন না। তাই জেলা শাসকের নির্দেশে সেগুলিকে বন্ধের নোটিশ দেওয়া হবে।তবে প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন হোটেল মালিকেরা। হোটেল মালিক সমিতির পক্ষে জয়ন্ত রায় জানান, মহকুমাশাসকের সঙ্গে তাঁরা কথা বলেছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে সময় চাওয়া হবে। তাঁর কথায়, তারাপীঠে বহু হোটেল রয়েছে, যেগুলির উপর বহু মানুষের সংসার নির্ভরশীল। আচমকা হোটেল বন্ধ হয়ে গেলে তাঁরা অসহায় হয়ে পড়বেন। তাই প্রশাসনের পরামর্শ নিয়ে ধীরে ধীরে নিয়ম মেনে সমস্ত হোটেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হবে।হোটেল মালিক নিতাই মালও জানান, তাঁদের হোটেল বহু পুরনো। ফলে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা পর্যাপ্ত নয়। প্রশাসনের নির্দেশ পাওয়ার পরই অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা উন্নত করার কাজ শুরু হয়েছে। তাঁর দাবি, এই কাজ শেষ করতে কিছুটা সময় প্রয়োজন। আচমকা হোটেল বন্ধ করে দিলে অধিকাংশ মালিকই সমস্যায় পড়বেন।এদিকে, অগ্নিকাণ্ডের পর পুকুরে নিখোঁজ কারও দেহ রয়েছে কি না, তা দেখতে মঙ্গলবার স্পিডবোট নামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। তবে তল্লাশিতে নতুন করে কোনও মৃতদেহের সন্ধান মেলেনি।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ঋতব্রত না শোভনদেব? বিরোধী দলনেতা বিতর্কে হাইকোর্টের বড় নির্দেশ

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় না শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, রাজ্য বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা কে, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই জোর রাজনৈতিক ও আইনি টানাপোড়েন চলছে। এখনও এই বিতর্কের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি। তবে আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে অস্থায়ী বিরোধী দলনেতার মর্যাদা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। পাশাপাশি মামলাটি সিঙ্গল বেঞ্চে ফেরত পাঠানো হয়েছে। দুই মাসের মধ্যে মামলাটির নিষ্পত্তি করার জন্যও নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ।মঙ্গলবার এই মামলার শুনানিতে ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে অস্থায়ী বিরোধী দলনেতা হিসেবেই দেখতে হবে। বিধানসভার অধ্যক্ষ ইতিমধ্যেই তাঁকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করেছেন। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।ঘটনার সূত্রপাত বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার পদ নিয়ে তৃণমূলের অন্দরের টানাপোড়েনকে কেন্দ্র করে। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতার মর্যাদা দেওয়ার জন্য বিধানসভার অধ্যক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছিল। অন্যদিকে, দলের বিধায়কদের একাংশ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেন।পরবর্তীতে বিধানসভার অঙ্কে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠ তৃণমূল বিধায়কের সমর্থন রয়েছে বলে দাবি ওঠে। প্রায় ৮০ জন তৃণমূল বিধায়কের মধ্যে অধিকাংশই ঋতব্রতর দিকে রয়েছেন বলে তাঁর শিবিরের তরফে দাবি করা হয়। এরপর বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম অধ্যক্ষের কাছে পাঠানো হয়।অধ্যক্ষের তরফে ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করার পরেই রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়। তৃণমূলের একাংশ এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের তরফে আদালতের দ্বারস্থ হয়ে ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঘোষণার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করা হয়।মামলাটি প্রথমে সিঙ্গল বেঞ্চে ওঠে। পরবর্তী সময়ে বিষয়টি ডিভিশন বেঞ্চ পর্যন্ত গড়ায়। মঙ্গলবার সেই মামলাতেই গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করেছে ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের নির্দেশে আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের অস্থায়ী বিরোধী দলনেতার মর্যাদা বজায় থাকছে। তবে এই অবস্থানই যে চূড়ান্ত, তা বলা যাচ্ছে না।ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটি ফের সিঙ্গল বেঞ্চে পাঠিয়ে দিয়েছে। পাশাপাশি দুই মাসের মধ্যে মামলাটির নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে আগামী দিনে সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ের দিকেই নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।একদিকে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে বিধায়কদের সমর্থন, দুইয়ের টানাপোড়েনেই বিরোধী দলনেতার পদ ঘিরে জটিলতা তৈরি হয়েছে। হাইকোর্টের মঙ্গলবারের নির্দেশে আপাতত ঋতব্রতর অবস্থান কিছুটা শক্তিশালী হলেও, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য আরও অপেক্ষা করতে হবে।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজনীতি

‘ককরোচ’ মন্তব্যে বিতর্কে দিলীপ, পাল্টা আক্রমণে শতরূপ, ইন্দাসকাণ্ডে বাড়ল উত্তাপ

ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র এক কর্মীর বাবাকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার ইন্দাসে। সিজেপির আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকার জেরেই দলীয় কর্মী আব্দুল হাফিজ এবং তাঁর বাবা শেখ মোহাম্মদ মাফিকের উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর মৃত্যু হয় শেখ মোহাম্মদ মাফিকের। ওই বাড়িতে মৃতের ছেলের সঙ্গে দেখা করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির নেতা। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, এই খুনের শেষ দেখে ছাড়বেন। পাশাপাষি তিনি ঘোষণা করেছেন এই ইস্যুতে বাঁকুড়ার জেলা বিজেপির কার্যলয়ে বিক্ষোভ দেখানো হবে। এদিকে ককরোচ জনতা পার্টিকে তীব্র কটাক্ষ করে মন্তব্য় করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ইন্দাসে সিজেপি কর্মী আব্দুল হাফিজের বাড়িতে আচমকাই একদল দুষ্কৃতী হামলা চালায়। বাড়িতে ঢুকে আব্দুল হাফিজ এবং তাঁর বাবা শেখ মোহাম্মদ মাফিককে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় দুজনেই গুরুতর জখম হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় মাফিকের। এই ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দিকে।ঘটনার খবর প্রকাশ্যে আসার পর নিহতের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দেয় সিজেপি। দলের প্রধান অভিজিৎ দীপকে টেলিফোনে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের পূর্ণাঙ্গ আইনি ও রাজনৈতিক সহায়তার আশ্বাস দেন। তাঁর নির্দেশে সিজেপির একটি প্রতিনিধি দল ইন্দাসে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে। অন্যদিকে, ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তৎপরতা শুরু করে বিরোধী শিবিরও। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা এবং নিহত পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দিতে সোমবার ইন্দাসে পৌঁছায় বামেদের একটি প্রতিনিধি দল। এই সফরকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও তীব্র হয়।বামেদের ইন্দাস সফর এবং সিজেপির আত্মপ্রকাশ নিয়ে সরব হন রাজ্যের বিজেপি নেতা তথা মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। বামেদের কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ওরা যেকোনো জায়গাতে যেতে পারেন। তবে ককরোচ রাতারাতি কোথা থেকে বেরিয়ে আসে? এইসব কমিউনিস্টদের মাথাতেই আসে, তারাই আরশোলা-ছারপোকা তৈরি করে। আর পরে তারাই সারা দুনিয়ায় উৎপাত করে।দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দেন সিপিএমের যুব নেতা শতরূপ ঘোষ। বিজেপিকে নিশানা করে তিনি বলেন, বাংলায় শুভেন্দু অধিকারী সরকার শক্তিশালী আর দিল্লির রেখা গুপ্ত সরকার দুর্বল? মোদী-অমিত শাহ সরকার এই সিজেপির আন্দোলনেই ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ইস্তফা দিতে বাধ্য করেছে। সঙ্গে পুলিশ আছে বলেই এমন ভাষণ দিতে পারছে অনেকে।ইন্দাসের এই ঘটনাকে ঘিরে একদিকে যেমন সিজেপি ও বামেদের রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়ছে, তেমনই বিজেপি ও বাম নেতৃত্বের পাল্টাপাল্টি মন্তব্যে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তেজনাও নতুন মাত্রা পেয়েছে।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজনীতি

বিমান বন্দর চত্বরে সৌগত রায়ের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ, উঠল ‘চোর-চোর’ ও গো ব্যাক স্লোগান

নিজের সংসদীয় এলাকাতেই বিক্ষোভের মুখে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। কলকাতা এয়ারপোর্ট ঢোকার মুখে তার গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ চলে। বিক্ষোভকারীদের তরফে চোর-চোর স্লোগানও দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। গাড়িতে চাপরও দেওয়া হয়। দেখানো হয় কালো পতাকা। বেশ কিছক্ষণ আটকে ছিলেন সৌগত রায়। গো ব্যাক স্লোগানও চলতে থাকে গাড়ি ঘিরে। ভাইরাল ভিডিওতে পুরো বিষয়টি স্পষ্ট দেখা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, তিনি বিমান বন্দরে একটি বৈঠকে অংশ নিতে গিয়েছিলেন।কিছু দিন আগে নিমতা থানা থেকে বেরিয়ে গাড়িতে ওঠার সময়ই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, একদল মানুষ তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। ওঠে চোর-চোর স্লোগান। এরপর ভিড়ের মধ্য থেকে তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ডিম সাংসদের গায়ে না লাগলেও গাড়িতে গিয়ে লাগে। এবার দমদমের তৃণমূল সাংসদের গাড়ি ঘিরে ফের বিক্ষোভ চলল। সৌগত রায়ের গাড়ি ঘিরে এই বিক্ষোভের ঘটনা নতুন করে তাঁর নিজের সংসদীয় এলাকায় রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষ করে দুবার এই তৃণমূল সাংসদের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ এবং কালো পতাকা দেখানো, গো ব্যাক অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বিজেপি বিধায়কের দাবি, প্রতিবার নির্বাচনের আগে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিতেন সৌগত রায়। প্রতিবারই বলতেন জেশপ খুলবেন। উল্টে তাঁর সাঙ্গপাঙ্গরা জেসপ থেকে চুরি করে শেষ করে দিয়েছেন।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
দেশ

নীতিন নবীনের ‘নয়া টিম’-এ বাংলার দুই মুখ! জাতীয় সংগঠনে বড় দায়িত্ব এই দুই জনের

ভারতীয় জনতা পার্টির সর্বভারতীয় সংগঠনে বড়সড় রদবদল। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো জাতীয় স্তরের সংগঠনকে ঢেলে সাজালেন নীতিন নবীন। নতুন কমিটিতে যেমন একাধিক নতুন মুখকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তেমনই অভিজ্ঞ বেশ কয়েকজন নেতাকেও ফেরানো হয়েছে কেন্দ্রীয় সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে। আর এই রদবদলে বিশেষ নজর কেড়েছে পশ্চিমবঙ্গ।রাজ্য বিজেপির দুই গুরুত্বপূর্ণ মুখকে এবার জাতীয় সংগঠনে জায়গা দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ডাঃ মধুছন্দা করকে সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি এবং আলিপুরদুয়ারের সাংসদ মনোজ টিগ্গাকে সর্বভারতীয় সম্পাদক করা হয়েছে। ফলে রাজ্য রাজনীতিতে সক্রিয় দুই নেতার দায়িত্ব এবার ছড়িয়ে পড়ল জাতীয় স্তরে।জাতীয় সংগঠনে বড় দায়িত্ব বাংলার দুই নেতারবিজেপির নতুন কেন্দ্রীয় সংগঠনে ডাঃ মধুছন্দা করের অন্তর্ভুক্তি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। রাজ্য বিজেপির চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে তিনি দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। এবার তাঁকে সরাসরি সর্বভারতীয় সহ-সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একজন চিকিৎসক নেত্রীকে দলের জাতীয় স্তরের শীর্ষ সাংগঠনিক পদে নিয়ে আসার মধ্য দিয়ে বিজেপি নেতৃত্ব নতুন ধরনের সাংগঠনিক সমীকরণের বার্তা দিল বলেই মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের পরিচিত আদিবাসী মুখ মনোজ টিগ্গার দায়িত্বও বেড়েছে। আলিপুরদুয়ারের সাংসদ হিসেবে ইতিমধ্যেই উত্তরবঙ্গে তাঁর রাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে। এবার তাঁকে সর্বভারতীয় সম্পাদক করা হল। উত্তরবঙ্গের আদিবাসী সমাজের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ এবং রাজ্য সংগঠনে কাজের অভিজ্ঞতাকে জাতীয় স্তরে কাজে লাগাতেই এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে।শুধু নতুন মুখ নয়, অভিজ্ঞদেরও প্রত্যাবর্তননীতিন নবীনের নতুন টিমে শুধুমাত্র সাংগঠনিক পরিবর্তন নয়, অভিজ্ঞ নেতৃত্বকে ফেরানোর দিকটিও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন জাতীয় রাজনীতির আলোচনায় থাকা কয়েকজন নেতাকে ফের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির ক্ষেত্রেও বড় পরিবর্তন দেখা গেল। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে অমেঠি থেকে পরাজয়ের পর জাতীয় রাজনীতিতে তাঁর সক্রিয়তা আগের তুলনায় কমেছিল। এবার তাঁকে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। ফলে দলের কেন্দ্রীয় সংগঠনে তাঁর রাজনৈতিক ভূমিকা ফের বাড়তে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবও পেলেন জাতীয় স্তরে আরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তাঁকেও সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। পূর্বোত্তর ভারতের রাজনীতিতে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতার পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতেও তাঁর সাংগঠনিক ভূমিকা ছিল। ফলে জাতীয় সংগঠনে তাঁর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চাইছে বিজেপি নেতৃত্ব।ফিরলেন রাম মাধবওবিজেপির সাংগঠনিক রাজনীতির অন্যতম পরিচিত মুখ রাম মাধবের প্রত্যাবর্তনও এই রদবদলের অন্যতম বড় দিক। দলীয় সংগঠন এবং ভোটকৌশল নিয়ে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন রাম মাধবকে ফের কেন্দ্রীয় সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পরিসরে আনা হয়েছে।সব মিলিয়ে নীতিন নবীনের নতুন কেন্দ্রীয় টিমে একদিকে যেমন নতুন প্রজন্ম ও রাজ্যস্তরের নেতৃত্বকে জাতীয় মঞ্চে তুলে আনা হয়েছে, অন্যদিকে তেমনই অভিজ্ঞ এবং পরীক্ষিত নেতাদেরও ফের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।বাংলার জন্য কী বার্তা?বিজেপির নতুন কেন্দ্রীয় সংগঠনে পশ্চিমবঙ্গের দুই নেতাকে গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়ার বিষয়টি নিঃসন্দেহে রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। রাজ্যে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করা, উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক সমীকরণে নজর দেওয়া এবং বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠীর মধ্যে দলের সাংগঠনিক বিস্তার বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত কি না, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।তবে একটি বিষয় স্পষ্টনীতিন নবীনের নতুন টিমে বাংলা এবার যথেষ্ট গুরুত্ব পেয়েছে। মধুছন্দা কর ও মনোজ টিগ্গার জাতীয় সংগঠনে উত্থান শুধু তাঁদের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক গুরুত্বই বাড়াল না, একইসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক কৌশল নিয়েও তৈরি করল নতুন জল্পনা।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ডিমের জবাবে পিস্তল! ‘ভয় পাই না’ বলে কীর্তির হুঁশিয়ারি, পাল্টা ‘বিহার পার করে দেওয়ার’ বার্তা বিজেপির

ডিম ছোড়ার রাজনীতি ঘিরে এবার বর্ধমান-দুর্গাপুরের তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজ়াদের মন্তব্যে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক। বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা-কর্মীর উপর ডিম হামলার প্রসঙ্গ তুলে কীর্তি আজ়াদ সরাসরি জানালেন, তাঁর উপর এমন কোনও হামলা হলে তিনি চুপ করে থাকবেন না। আত্মরক্ষার জন্য আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স নেওয়ার কথাও প্রকাশ্যে জানিয়েছেন তিনি।সোমবার নিজের সংসদীয় এলাকায় কর্মসূচিতে গিয়ে একাধিক বিষয়ে কথা বলার সময় বিজেপিকে আক্রমণ করেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার তথা বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য কীর্তি। রাজনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের উন্নয়ন নিয়ে তাঁর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।ডিম হামলার প্রসঙ্গ টেনে কীর্তির বক্তব্য, স্কুলে ডিম দেওয়া বন্ধ করে দিল। এখন লোককে ডিম মারছে! আমরাও নিজের সুরক্ষার জন্য পিস্তলের লাইসেন্স নিচ্ছি। তাঁর দাবি, আত্মরক্ষার অধিকার জনপ্রতিনিধিদেরও রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দেন, ভয় দেখিয়ে তাঁকে পিছিয়ে দেওয়া যাবে না।কীর্তির কথায়, আমরা ভয় পাওয়ার মতো লোক নই। আমরা ভারতের জন্য ক্রিকেট খেলেছি। ভারতমাতার মর্যাদার জন্য ক্রিকেট খেলেছি। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বিশেষ করে একজন সাংসদ প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স নেওয়ার কথা বলায় বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে।এদিন রাজনৈতিক আক্রমণের ঝাঁঝও ছিল যথেষ্ট। ঋতব্রতকে নিশানা করে কীর্তি দাবি করেন, তিনি কী করেছেন, ফোনে কী কথা বলেছেন এবং কার চাপের মুখে কী সিদ্ধান্ত নিয়েছেনসেসব তাঁরা জানেন। বিজেপিকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, এটা রাক্ষসরাজ।বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে সাংসদ জানান, সন্ধ্যায় দলের সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করবেন তিনি। মঙ্গলবারও তাঁর একাধিক কর্মসূচি রয়েছে। দুর্গাপুজোর পর তৃণমূল আরও বড় পরিসরে কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামবে বলেও জানান তিনি।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও সরব হন কীর্তি। বিজেপিশাসিত পশ্চিমবঙ্গের প্রসঙ্গ তুলে তাঁর অভিযোগ, বাংলার খুব খারাপ অবস্থা। এমন অবস্থা আফ্রিকাতেও নেই! এরপরই আরও তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে তিনি বলেন, আফ্রিকায় যেমন সমুদ্রে জলদস্যু ঘোরে, তেমনই বাংলার শহর, ঘর ও গলিতে জলদস্যু, ডাকাতেরা ঘুরে বেড়াচ্ছে।তবে কীর্তি আজ়াদের আগ্নেয়াস্ত্র সংক্রান্ত মন্তব্যের পর পাল্টা আক্রমণ করতে দেরি করেনি বিজেপি। বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, কীর্তি যদি আগ্নেয়াস্ত্র রাখার কথা বলেন, তাহলে তাঁকে হাইড্রা করে তুলে বিহার পার করে দিয়ে আসা হবে।ফলে ডিম হামলা থেকে শুরু হওয়া বিতর্ক এখন পৌঁছে গিয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র, আত্মরক্ষা এবং পাল্টা রাজনৈতিক হুঁশিয়ারির জায়গায়। কীর্তি আজ়াদের মন্তব্যের পর আগামী দিনে এই ইস্যুতে তৃণমূল-বিজেপির রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনাই দেখছে রাজনৈতিক মহল।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
কলকাতা

বাংলার আকাশে গভীর নিম্নচাপ, সোমবারই ভয়ঙ্কর বৃষ্টি! ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির সতর্কতা, এরপর কোন পথে যাবে?

গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে সোমবার সকাল থেকেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়েছে। টানা বৃষ্টিতে বহু জায়গায় জল জমেছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও নিত্যযাত্রীরা। রাস্তাঘাট জলমগ্ন হওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় তৈরি হয়েছে দুর্যোগের পরিস্থিতি। এর মধ্যেই ধীরে ধীরে ঝাড়খণ্ডের দিকে এগোচ্ছে গভীর নিম্নচাপ।আবহাওয়া দফতরের সোমবার বিকেলের খবর অনুযায়ী, গভীর নিম্নচাপটি বর্তমানে কলকাতা থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমে অবস্থান করছে। বর্ধমান থেকে সেটি প্রায় ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বে রয়েছে। বাঁকুড়া থেকে দূরত্ব প্রায় ১৪০ কিলোমিটার পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বে। ওড়িশার বালেশ্বর থেকে গভীর নিম্নচাপটি রয়েছে প্রায় ১৯০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গভীর নিম্নচাপটি ক্রমশ ঝাড়খণ্ড ও বিহারের দিকে এগিয়ে যেতে পারে। ফলে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টির প্রভাব আরও কিছুটা সময় থাকার আশঙ্কা রয়েছে।সোমবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং পশ্চিম বর্ধমানে চরম বৃষ্টির লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই তিন জেলায় ২০০ মিলিমিটার বা তারও বেশি বৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা রয়েছে। সেখানে ১১০ থেকে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে।প্রবল বৃষ্টির জেরে ইতিমধ্যেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় জল জমেছে। রাস্তার পাশাপাশি নিচু এলাকাগুলিতেও জল ঢুকেছে। ফলে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সমস্যায় পড়েছেন অফিসযাত্রী এবং অন্যান্য নিত্যযাত্রীরা।মঙ্গলবার পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। তবে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম এবং ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা থাকবে। এই জেলাগুলির কিছু এলাকায় ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে।অর্থাৎ, গভীর নিম্নচাপটি বাংলার পশ্চিমাঞ্চল ছেড়ে ঝাড়খণ্ড ও বিহারের দিকে এগিয়ে গেলেও মঙ্গলবার পর্যন্ত তার প্রভাব পুরোপুরি কাটছে না। ফলে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা থাকা জেলাগুলির বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal