• ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩, শনিবার ১৫ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IR

রাজ্য

আরও এক তৃণমূল নেতা গ্রেফতার, এবার বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র রাখার অপরাধে

হাতির দাঁত পাচারের ঘটনায় কলকাতা পুর এলাকার এক তৃণমূল নেতা গ্রেফতারের পর এবার বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র সহ মালদার সংখ্যালঘু সেলের এক তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করলো পুলিশ। জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত ওই তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকেই উদ্ধার হয়েছে দুটি অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র এবং ৬ রাউন্ড কার্তুজ। বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে মোথাবাড়ি থানার পুরাতন পটলডাঙ্গা এলাকায়।বাড়িতে বেআইনি অস্ত্র মজুত, এই অভিযোগে ওই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে পুলিশ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, ধৃতের নাম আব্দুস সালাম। তার বাড়ি মোথাবাড়ি থানার পুরাতন পটলডাঙা এলাকায়। তিনি তৃণমুলের সংখ্যালঘু সেলের স্থানীয় অঞ্চল সভাপতি। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মঙ্গলবার রাতে মোথাবাড়ি থানার পুলিশ ধৃতের বাড়িতে অভিযান চালায়। তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে উদ্ধার করেছে দুটি আগ্নেয়য়াস্ত্র ও ছয় রাউন্ড গুলি উদ্ধার হয়। কি কারণে আগ্নেয়াস্ত্রগুলি বাড়িতে মজুত করেছিল ওই তৃণমূল নেতা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদব বলেন, একজনকে আগ্নেয়াস্ত্র সহ গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। রাজ্য তৃণমূলের সহ-সভাপতি কৃষ্ণেন্দু নারায়ন চৌধুরী বলেছেন, বিরোধীরা কি বলল তা নিয়ে আমার মাথাব্যথা নেই। তবে দলের নেতা বা কর্মী যেই হোক অপরাধ করলে আইন অনুযায়ী শাস্তি পাবে।

অক্টোবর ২৩, ২০২৪
রাজ্য

বাঁধ পরিদর্শনে গিয়ে তাড়া খেলেন রাজ্যের মন্ত্রী

বাঁধ পরিদর্শনের কাজ খতিয়ে দেখতে গিয়ে মহিলাদের তাড়া খেয়ে পালালেন রাজ্যের সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী তথা গঙ্গাসাগরের বিধায়ক বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা।বৃহস্পতিবার সকালে নামখানা পঞ্চায়েতের অন্তর্গত নারায়ণগঞ্জের হাতানিয়া-দোয়ানিয়া নদীর বাঁধ পরিদর্শনে গিয়েছিলেন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতি কোটালে ধসে যাচ্ছে নদীর পাড়। যার জেরে বেহাল অবস্থা নদী বাঁধের। বাড়ি ঘর তলিয়ে যাচ্ছে নদীর জলে। কিন্তু পরিস্থিতি বেগতিক বুঝেও কোনও হেলদোল নেই প্রশাসনের।স্থানীয়দের অভিযোগ, সেচ দফতর ইতিমধ্যে ৭ কোটি টাকা ব্যায়ে বাঁধ মেরামতির কাজ শুরুর কথা জানালেও কোনও ইতিবাচক পদক্ষেপ চোখে পড়েনি।পরিস্থিতি যেদিকে গড়াচ্ছে তাতে আরও বড় বিপদ ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেই কারণেই এদিন সকালে মন্ত্রী পৌঁছতেই তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন স্থানীয় গ্রামবাসীরা। তাঁকে এলাকায় দেখেই ক্ষেপে ওঠেন স্থানীয়রা। কংক্রিটের ঢালাই বাঁধের বদলে মাটি ও বালির বস্তা দিয়ে বাঁধ তৈরী করা হয়েছে এবং বাঁধের টাকা লুঠের অভিযোগ গ্রামবাসীদের। এক দুই কোথায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। মহিলারা তেরে যান মন্ত্রীর দিকে তখনই কোনমতে মন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মীরা তাঁকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নিয়ে যান।গ্রাম পঞ্চায়েতের অভিযোগ বাঁধ নির্মাণ করার ক্ষেত্রে বিস্তর অসামঞ্জস্য আছে। মন্ত্রীকে সব জানানো হয়েছে। এবার আমরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলের তরফ থেকে লিখিত ভাবে জানাবো।

অক্টোবর ১৭, ২০২৪
রাজ্য

কুইন্টাল কুইন্টাল জল! আবার মাস্টার প্ল্যন! শেষমেশ বিজেপি মন্ডল সভাপতির সঙ্গে ছবি, রচনার বন্যা-পরিদর্শন

বলাগড় প্লাবিত এলাকা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন হুগলির তৃণমূল সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিনেত্রী সাংসদ বললেন, কুইন্টাল কুইন্টাল জল ছাড়ায় মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে। বাড়ি ঘর কিছু নেই। মানুষ রাস্তায় বেরিয়ে এসেছেন। তৃণমূল সাংসদদের এমন মন্তব্য়ে চারিদিকে বিতর্কের ঝড় শুরু করেছে। কটাক্ষ করতে ছাড়ছেন না বিরোধীরা। কুইন্টাল কুইন্টাল জল! এমন মন্তব্য় জনপ্রতিনিধিরে মুখ থেকে বেরিয়ে আসায় সমালোচনা সর্বত্র। এদিন বাজার থেকে ওল কেনেন সাংসদ। ওল কিনে রচনা জিজ্ঞেস করেন, গলা ধরবে না তো।এদিন দুপুরে হঠাতই হুগলির তৃণমূল সাংসদ রচনা ব্যানার্জি তাঁর সঙ্গীসাথী দের নিয়ে চলে যান বাঁশবেড়িয়ার বিজেপি মন্ডল সভাপতি সুমিত অধিকারী বিরিয়ানির দোকানে। তখনও বিরিয়ানি রান্না সম্পূর্ণ হয়নি। তাই লাঞ্চ হল না। বিজেপি সভাপতিকে সঙ্গে নিয়ে ছবিও তুললেন তৃণমূল সাংসদ রচনা। আর এই ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় রাজনৈতিক মহলে। এদিন হুগলির শ্রীপুর বলাগড় গ্রাম পঞ্চায়েতের চাঁদরা কলোনী, মিলনগর গ্রামে ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে যান তৃণমূল সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। সব দেখে তিনি বলেন, মাত্র তিনমাস এসেছি সাংসদ হয়ে। চেষ্টা করছি। বলাগড় থেকে চন্দননগর পর্যন্ত নদী বরাবর পাড় ভাঙছে দ্রুত। এই বিশাল জায়গা সামাল দিতে মাস্টার প্ল্যান দরকার এবং একা রাজ্যের দ্বারা সম্ভব নয়। কেন্দ্রের সাহায্য দরকার। আমি দিল্লি গিয়ে এবিষয়ে দরবার করবো সংশ্লিষ্ট জায়গায়। তাঁর অভিযোগ,আগের বিজেপি সাংসদ এলাকার জন্য কিছুই করেনি। এলাকাবাসীদের ক্ষোভের মুখেও পড়েছেন তৃণমূল সাংসদ।রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তিনমাস আগে যেখানে দাঁড়িয়ে প্রচার করে গিয়েছি সেই জায়গা তলিয়ে গিয়েছে। কয়েকটি বাড়ি, রাস্তাও গঙ্গায় মিশে গিয়েছে। খুবই খারাপ অবস্থা। এলাকার মানুষকে ত্রান দিয়েছি। গঙ্গা ভাঙন রোধ একটা বড় ব্যাপার। আমি লোকসভায় বলেছি। আবারও বলব। কেন্দ্রের সাহায্য ছাড়া হবে না। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের আদলে বলাগড় মাস্টার প্ল্যান করতে হবে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৪
রাজ্য

অনুব্রতর বাড়ির দরজায় আটকে গেলেন মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়ক, কান্নায় ভাসলেন সকন্যা "বীরভূমের বাঘ"

গরু পাচার কাণ্ডে অভিযুক্ত অনুব্রত মণ্ডল জামিন পাওয়ার পর আজ সকালে কলকাতা বিমানবন্দরে নেমে সোজা রওয়ানা দেন বোলপুরের নীচুপট্টির বাড়ির দিকে। বীরভূমের জেলা তৃণমূল সভাপতিকে স্বাগত জানাতে হাজির ছিলেন অসংখ্য অনুগামী।এরই মধ্যে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে যায়, রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা ও বিধায়ক বিকাশ রায়চৌধুরীকে অনুব্রত তাঁর বাড়িতে ঢোকার অনুমতি না দেওয়ায়। তাঁদের দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। সাংসদ অসিত মালকেও দরজার বাইরে থেকে ফিরে আসতে হচ্ছে। অনুব্রত মন্ডল ও তাঁর কন্যা সুকন্যাকে দেখা গেল হাত দিয়ে চোখের জল মুছতে। আবেগি অনুব্রত দু হাত দিয়ে চোখ চেপে ছিলেন। আজ বোলপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠক করবেন। অনুব্রতর সঙ্গে দেখা হয়নি দলনেত্রীর। বাড়িতে ঢোকার সময় অনুব্রত এদিন বলেন, তিনি দিদির সঙ্গেই আছেন। পায়ে ব্যথা রয়েছে। শরীর ভালো থাকলে তিনি দেখা করবেন দিদির সঙ্গে। কাজল এখন বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি। অনুব্রত তিহাড় জেলে থাকলেও তিনিই দলের সভাপতি পদে বহাল রয়েছেন। ফলে তাঁর প্রত্যাবর্তনে ফের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মাথাচাড়া দেবে কিনা তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। মমতা বরাবরই অনুব্রতর পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। জেলবন্দি পার্থ চট্টোপাধ্যায়, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে মন্ত্রিসভা থেকে সরানো হয়েছে, কেড়ে নেওয়া হয়েছে দলের সাংগঠনিক পদ। তবে তাঁরা বিধায়ক রয়েছেন। অনুব্রত জেলে থাকলেও দলের সভাপতিই থেকে গিয়েছেন।অনুব্রত বাড়ি ফেরার পর তাঁরা দেখা করতে গিয়েছিলেন দলের জেলা সভাপতির সঙ্গে। যদিও কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের মাধ্যমে তাঁদের জানিয়ে দেওয়া হয়, বাড়িতে প্রবেশাধিকার নেই। স্বাভাবিকভাবেই অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়ে সেখান থেকে ফিরে যান চন্দ্রনাথ, বিকাশ, অসিত মাল। তার সঙ্গে সাক্ষাৎ পেয়েছেন জেলা নেতা সুদীপ্ত ঘোষ, নলহাটির বিধায়ক, বোলপুরের পুর প্রধান। অনুব্রতর সঙ্গে জেলা কোর কমিটির সদস্য সুদীপ্ত ঘোষ দীর্ঘক্ষণ কথা বলেছিলেন। সেখানে ছিলেন অনুব্রত-কন্যা সুকন্যা। ছিলেন আরও কয়েকজন।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৪
রাজ্য

তৃণমূলের বিধায়ককে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআইয়ের, সেদিন কি হয়েছিল শ্মশানে?

আরজি কর মেডিকেল কলেজে ধর্ষণ এবং খুনের মামলায় পানিহাটির বিধায়ক নির্মল ঘোষকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে সিবিআই। আর জি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে যখন নির্যাতিতার মৃতদেহ সোদপুরের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তখন মৃতদেহ শ্মশানে পোড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল নির্মল ঘোষ। এমনই বেশ কিছু ছবি আগেই সিবিআই এর হাতে এসে পৌঁছেছিল তখন থেকেই সিবিআইয়ের নজরে ছিল নির্মল ঘোষ। যার জন্য বারবার ঘোলা থানার আইসিকে তলব করা হয়েছিল। তিনি গড়হাজির ছিলেন। এরপরই একাধিক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সেদিনের ভিডিও ফুটেজ দেখে সিবিআই। তারপরেই তলব।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৪
কলকাতা

চক্র রেলের যাত্রী পরিষেবার গৌরবময় ৪০ বছর

রেলওয়ে হল কলকাতায় পরিবহণের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য যোগাযোগ মাধ্যম। শহরের উত্তর ও দক্ষিণ শহরতলির জন্য লাইফলাইন। শিয়ালদহ ডিভিশনের চক্র রেল (বৃত্তাকার রেল) যাত্রী পরিচালনের প্রশংসিত ৪০ বছর পূর্ণ করেছে। এটি কলকাতা মেট্রোপলিটন রেলওয়ে ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। যার ১৭০ বছরেরও বেশি সময়ের একটি সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে। কলকাতায় সার্কুলার রেলওয়ে লাইনের ধারণাটি প্রথম ১৯ শতকের শেষের দিকে কল্পনা করা হয়েছিল। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা এবং ক্রমবর্ধমান শহুরে বিস্তৃতির সাথে, এটি পরিবর্তিত হয়েছিল। শহরের কেন্দ্রস্থলের সঙ্গে শহরতলির সংযোগ স্থাপনের জন্য আরও কিছু পরিবহন ব্যবস্থা প্রয়োজনের কথা মাথায় ছিল রেলের। এই রেলে চড়লে গঙ্গার মনোরম পরিবেশ উপলব্ধি করা যায়।সার্কুলার রেলওয়ে নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়েছিল ১৯৫০এর দশকে। কলকাতার আশেপাশের শিল্পাঞ্চলে পরিবেশন করার জন্য সার্কুলার রেলওয়ে লাইন প্রস্তুত করতে এবং শহরের প্রধান রেলওয়ে ব্যবস্থাকে কমানোর জন্য পূর্ব রেলওয়ে দ্বারা প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়েছিল। ১৯৮৪ সালে সার্কুলার রেলওয়ে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হয়। সার্কুলার রেলওয়ের সিগন্যালিং সিস্টেমটিও ধীরে ধীরে ট্রেন স্টাফ এবং টিকিট সিস্টেম থেকে রঙিন আলোর সংকেত সহ আধুনিক ইন্টারলকিং-এ বিবর্তিত হয়েছে। সার্কুলার রেলওয়ে ট্র্যাক ডাউন যুগের পুরো নেটওয়ার্কের বিদ্যুতায়নের সাথে উন্নত করা হয়েছে। এখন সার্কুলার রেলওয়ে লুপের উপর ইএমইউ লোকালগুলি নির্বিঘ্ন চলাচলের ফলে যাত্রীদের সংখ্যা যথেষ্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে ৬৫,০০০ জনেরও বেশি যাত্রী প্রতিদিন সার্কুলার রেলওয়ে যাত্রার সুবিধা পাচ্ছেন। যার মধ্যে মোট ২৭টি লোকাল ট্রেন দমদম জং., টালা, মাঝেরহাট, বালিগঞ্জ রুটে এবং ১৩টি দম দম জং., বিধাননগর রোড, স্যার গুরুদাস ব্যানার্জি হল্ট, পার্কে চলছে। সার্কাস, বালিগঞ্জ রুটটি কলকাতা শহরের কেন্দ্রীয় ব্যবসায়িক এলাকাকে ঘিরে সমগ্র সার্কুলার রেলওয়ে লুপ সম্পূর্ণ করে।গত এক দশকে সার্কুলার রেলওয়েতে যাত্রী সংখ্যা ২০০% বৃদ্ধির সাথে সার্কুলার রেলওয়ে যাত্রী সেবা ৪০টি গৌরবময় বছর পূর্ণ করেছে। পূর্ব রেলওয়ে আজ সকালে কলকাতা স্টেশন থেকে EMU স্পেশাল ট্রেনের একটি স্মারক চালানোর সাথে প্রিন্সেপ ঘাট স্টেশনে একটি স্বচ্ছ ভারত সাংস্কৃতিক উৎসব এবং ফটো প্রদর্শনীর মাধ্যমে কলকাতা সার্কুলার রেলওয়েতে যাত্রী পরিচালনের ৪০ গৌরবময় বছর স্মরণ করতে প্রস্তুত।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৪
রাজ্য

বীরভূমে নদীতে উল্টে গেল স্পিড বোট, কোনওমতে প্রাণরক্ষা সাংসদ, বিধায়কসহ প্রশাসনিক কর্তাদের

বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেলেন সাংসদ, বিধায়ক ও প্রশাসনের কর্তারা। দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের লাভপুরে।স্থানীয়দের তৎপরতায় তাঁদের উদ্ধার করা হয়। জেলা শাসক, জেলা পুলিশ সুপার, দুই সাংসদ, বিধায়ক সহ মোটব১৩ জন চেপেছিলেন স্পিড বোটে। প্রশ্ন উঠছে সেফটি জ্যাকেট না নিয়ে কেন স্পিড বোডে চড়লেন প্রশাসনের শীর্ষকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা।জানা গিয়েছে, তিনদিনের অতি বৃষ্টিতে বীরভূমের লাভপুরে কুয়ে নদীর বাঁধ ভেঙে যায়। ফলে নদী সংলগ্ন বলরামপুর গ্রাম সম্পূর্ণ ভেসে যায়। পাশেপাশের আরও কয়েকটি গ্রাম এখনও জলমগ্ন। ওই গ্রামগুলির সঙ্গে যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন। সেই সমস্ত গ্রামের মানুষদের পাশে দাঁড়াতে বুধবার এলাকা পরিদর্শনে যান জেলা শাসক বিধান রায়, জেলা পুলিশ সুপার রাজনারায়ণ মুখোপাধ্যায়, বোলপুরের সাংসদ অসিত মাল, রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলাম, লাভপুরের বিধায়ক অভিজিৎ সিনহাসহ সহ মোট ১৩ জন। সেফটি জ্যাকেট ছাড়াই একটি স্পিড বোর্ডে তাঁরা দুর্গত এলাকায় যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আচমকা বোর্ডটি কুয়ে নদীতে উল্টে যায়। জেলা পুলিশ সুপার ছাড়া সকলেই নদীতে পরে যান। উদ্ধারকারী দল এবং স্থানীয়দের প্রচেষ্টায় সকলকে উদ্ধার করা হয়।নদী থেকে উঠে সাংসদ অসিত মাল বলেন, হঠাৎ নদীর স্রোতে স্পিড বোর্ড উল্টে যায়। আমি সাঁতার জানতাম। কিন্তু জলের স্রোতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সাঁতার কাটতে পারছিলাম না। এরপর একটা গাছের ডাল ধরে ঝুলতে থাকি। কিছুক্ষনের মধ্যেই উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা আমাকে উদ্ধার করে। মৃত্যুর মুখ থেকে বেঁচে এলাম।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৪
নিবন্ধ

মাতৃবিয়োগ উড়ান সংস্থার উচ্চপদস্থ আধিকারিক বিপ্লব চট্টোপাধ্যায়ের, এক মহিয়সী নারীর কাহিনী

এআই এয়ারপোর্ট সার্ভিসেস লিমিটেডের উচ্চপদস্থ আধিকারিক বিপ্লব চট্টোপাধ্যায়ের মা গীতা চট্টোপাধ্যায়ের জীবনাবসান হয় গত ৩১ অগাস্ট। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। গীতাদেবী ছিলেন স্কুল শিক্ষিকা। অত্যন্ত সাফল্যের সঙ্গে তিনি শিক্ষিকতা করেছেন। গীতা চট্টোপাধ্যায়ের আরেক পুত্র বিভাস চট্টোপাধ্যায় বেসরকারি সংস্থার উচ্চপদে আসীন। গীতাদেবী শিক্ষকতা করতেন বাগবাজারের আদর্শ মহিলা বিদ্যালয়ে। মৃত্যুর সময় সংসারে রেখে গিয়েছেন পুত্রদ্বয় বিপ্লব চট্টোপাধ্যায় ও বিভাস চট্টোপাধ্যায়, পুত্রবধূদ্বয় গার্গী লাহিড়ী চট্টোপাধ্যায় ও ঋতুপর্ণা চট্টোপাধ্যায়। নাতি, নাতনি মৈত্রেয়ী চট্টোপাধ্যায়, বিহান চট্টোপাধ্যায় ও রিয়ান চট্টোপাধ্যায়।১৯৪২ সালের ২৮ ডিসেম্বর এক সম্ভ্রান্ত বনেদি পরিবারে জন্ম হয় গীতা চট্টোপাধ্যায়ের। তখন তাঁরা থাকতেন তৎকালীন মধ্যপ্রদেশের(এখন ছত্তিসগড়) অম্বিকাপুরে। এক মাসের মধ্যেই মাতৃহারা হন ছোট্ট গীতা। জন্মদাত্রী মায়ের অনুভতির স্বাদ পাননি। সাত ভাইবোনের মধ্যে সব থেকে ছোট ছিলেন তিনি। বাবা ছিলেন প্রথিতযশা চিকিৎসক অনাথ বন্ধু বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ থেকে পড়াশুনা করেছেন। ট্রান্সফারেবল জব ছিল অনাথবন্ধু বন্দ্যোপাধ্যায়ের। মধ্যপ্রদেশের অম্বিকাপুরে পরিবার নিয়ে বসতি স্থাপন করেছিলেন তিনি। সেই সময় নারী শিক্ষার খুব বেশি প্রচলন ছিল না। তবে চেষ্টার কোনও ত্রুটি ছিল না গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। একনিষ্ঠ অধ্যাবসায় থাকায় তাঁকে কখনও থামতে হয়নি। পড়াশুনা করেছেন অম্বিকাপুরে এডওয়ার্ড সেকেন্ডারি স্কুল, তারপর গভঃ ডিগ্রি কলেজ অম্বিকাপুর। এমএ, বিএড-ও করেছেন তিনি। অনাথ বন্ধু বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদি বাড়ি ছিল বর্ধমান জেলার নাড়ুগ্রামে।গীতাদেবী বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন ২জুন, সাল ১৯৬৬। তাঁর বিয়ে হয়েছিল মুর্শিদাবাদের গোপালপুর গ্রামে। স্বামী বিশ্বনাথ চট্টোপাধ্যায় চাকরিসূত্রে দমদমে আসেন। তিনি ছিলেন শিক্ষক। দমদমেই স্থায়ী বসবাস শুরু করেন তাঁরা। বিয়ের পর প্রথম পর্যায়ে ছেলেদের পড়াশুনা নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন গীতাদেবী। ছেলেরা একটু বড় হওয়ার পর ১৯৭৬ সালে বাগবাজারের আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা শুরু করেন গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একদিকে চাকরি সামলেছেন, আরেক দিকে সাংসারিক লড়াই করে গিয়েছেন গীতাদেবী। ছেলেদের সুশিক্ষায় বড় করে তুলেছেন।নারী শিক্ষা প্রসারে অত্যন্ত অগ্রগন্য ভূমিকা নিয়েছিলেন তিনি। বিশেষত নারী শিক্ষার প্রসার না ঘটলে কোনও জাতির উন্নতি হতে পারে না। ছাত্রীদের মনের মনিকোঠায় থাকতেন তাঁদের পছন্দের শিক্ষিকা। সহকারি শিক্ষিকাদের সঙ্গেও খুবই সদ্ভাব ছিল তাঁর। শিক্ষা অন্ত প্রাণ ছিলেন গীতাদেবী।এদিকে স্বামীর অকাল মৃত্যুতে ভেঙে না পড়ে ছেলেদের পড়াশুনা থেকে খাওয়া-দাওয়া, পোষাক-পরিচ্ছদ সবেতেই নজর ছিল তাঁর। সকালে স্কুল করে এসেই সাংসারিক যুদ্ধে নেমে পড়তেন। কখনও ছেলেদের বুঝতে দেননি তাঁদের বাবার অভাব। একাধারে মা ও বাবা দুই ভূমিকাই সাফল্যের সঙ্গে পালন করেছেন গীতা দেবী। তিন ছেলের মধ্যে মেজ ছেলের কঠিন অসুখে ১৯৮১ সালে অকাল প্রয়াণ ঘটে। জীবনে দুটি বড় ধাক্কা সামলে নিয়ে বজ্রহাতে সংসার ধরে রেখেছেন। আশির কোঠাতেও সবসময় খবর নিতেন ছেলেরা কী করছে? কেমন আছে? তাঁরা কি খেয়েছে? অফিস গিয়েছে কিনা? নাতি-নাতনিদের শুদ্ধ বাতাস ছিলেন তিনি। দীর্ঘ দিন শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভুগছিলেন গীতা চট্টোপাধ্যায়।গীতা চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে শুধু পারিবারিক ক্ষেত্র নয়, তাঁর অগুনতি ছাত্রী ও সহকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। আগামী ১০ সেপ্টেম্বর দুপুর ১টায় গীতা চট্টোপাধ্যায়ের স্মরণে বাগবাজার গঙ্গাতীরে ভাগবত সভা অনুষ্ঠিত হবে। পরের দিন ১১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৫ টায় দমদম রোড, হনুমান মন্দিরের কাছে পুরাঙ্গনে স্মরণসভা হবে অবসর প্রাপ্ত এই মহিয়সী শিক্ষিকার।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৪
রাজ্য

প্রকাশ্যে রাস্তায় কিশোরীকে ছুরির কোপ, যুবককে ধরে গণপ্রহার

আরজি কর কাণ্ডের আনহে এবার দিনের বেলায় রাস্তায় কিশোরীকে পর পর ছুরির কোপ। প্রাণভয়ে ছুটে পালাতে গিয়েও মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ওই কিশোরী। না যেন কোন অ্যাকশন সিনেমার সিন। বেলঘরিয়ায় ভরদুপুরে এমনই হাড়হিম ঘটনায় শিউরে উঠলেন আশেপাশের মানুষজন। কিছুটা সামলে নিয়েও তারা ধাওয়া করে ওই কিশোরকে ধরে ফেলেন। এরপর চলে গণপ্রহার। পরে পুলিশ এসে ওই কিশোরকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। কিশোরীকে আহত অবস্থায় স্থানীয় এক নার্সিং হোমে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনার জেরে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বেলঘরিয়ার প্রফুল্ল নগরে প্রকাশ্য দিবালোকে স্কুল ফেরত ছাত্রীকে ছুরির কোপ। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, কোন কিছু নিয়ে ওই কিশোর ও কিশোরীর মধ্যে শুরু হয় বচসা। এর জেরে ওই কিশোরের গালে সপাটে চড় কষান কিশোরী। এতেই মেজাজ হারিয়ে ধারালো অস্ত্র নিয়ে পরপর কোপ মারে অভিযুক্ত কিশোর। গুরুতর জখম অবস্থায় ওই কিশোরী মাটিতে লুটিয়ে পড়লে কিশোর পালানোর চেষ্টা করে। তাকে ধাওয়া করে ধরে ফেলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এরপরই শুরু হয় মারধর। অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়ে। মহিলা নিরাপত্তার দাবিতে পুলিশের সঙ্গে বচসাও বেধে যায় স্থানীয়দের। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। স্থানীয় সূত্রে খবর, বেশ কয়েকদিন আগে ওই কিশোরীকে প্রেমের প্রস্তাব দিলে কিশোরী তা নাকচ করে দেয়। এরপরই প্রতিশোধ নিতেই ঘটনার দিন দুপুরে ওই কিশোরীর পথ আটকায় অভিযুক্ত কিশোর। বচসা থেকে হাতাহাতি এরপর পকেট থেকে ছুরি বের করে এলোপাথাড়ি কোপ মারতে শুরু করে ওই কিশোরীকে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। আপাতত আটক করা হয়েছে কিশোরকে। জানা গিয়েছে কিশোরীর অবস্থা আশঙ্কাজনক।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২৪
রাজ্য

প্রেসক্রিপশনে স্ট্যাম্প! আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদ চিকিৎসকের

রোগীর প্রেসক্রিপশনে বিচার চেয়ে, অপরাধীদের বিনাশ চেয়ে আরজি কর নিয়ে নয়া লড়াই শুরু করেছেন বীরভূমের এক চিকিৎসক। আরজি করের বিচার চাই, অরপরাধ চক্রের বিনাশ চাই। এমন লেখা রাবার স্ট্যাম্প বানিয়ে নিয়েছেন ওই চিকিৎসক। এমন ভাবে অন্যরাও লড়াই ছড়িয়ে দিক, বলেন চিকিৎসক দেবব্রত দাস। আরজি কর হাসপাতালের ছাত্র ছিলেন দেবব্রত দাস। চেনে হাসপাতালের সব তল্লাট। আরজি করের প্রাক্তনী প্রতিটি রোগীর প্রেসক্রিপশনে স্ট্যাম্প ব্যবহার করছেন।বীরভূমের রামপুরহাট গভঃ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রাক্তন কনসালট্যান্ট ল্যাপরোস্কোপিক সার্জেন দেবব্রত দাস। বর্তমানে তিনি হাসপাতাল সংলগ্ন ওষুধের দোকানে প্রাইভেট প্র্যাক্টিস করেন। আরজি কর কাণ্ডের পর দেবব্রতবাবু জুনিয়ার- সিনিয়র চিকিৎসকদের আন্দোলনে পা মিলিয়েছিলেন। একাধিক আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন। এবার নিজের চেম্বার থেকেই আন্দোলনকে নানা দিকে ছড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তাই লালকালির স্ট্যাম্পে আরজি করের বিচার চাই, অরপরাধ চক্রের বিনাশ চাই লেখা প্রতিবাদ ছড়িয়ে দিচ্ছেন রোগী ও তাদের পরিবারের মধ্যে। শুধু বাংলাতে নয়, ইংরেজিতেও লেখা রয়েছে উই ওয়ান্ট জাস্টিস।দেবব্রত দাস বলেন, আমি আরজি করের প্রাক্তন ছাত্র। ওই কলেজের প্রতিটি গলি আমি চিনি, জানি। সেখানে এই ঘটনা আমাকে ভীষণভাবে নাড়া দিয়েছে। আমি কল্পনাও করতে পারছি না যে স্বাধীন ভারতে পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে আমার প্রাক্তন কলেজে এমন নৃশংস ঘটনা ঘটতে পারে। সেই জন্য চিকিৎসক সমাজ সহ বিভিন্ন পেশার মানুষ রাস্তায় নেমেছে। বার বার বলা হচ্ছে ঘটনার প্রমান মুছে ফেলা হয়েছে। এর জন্য দায়ী করা হয়েছে রাজ্য সরকারকে। তাই সাধারণ মানুষের মতো আমি চিকিৎসক হিসাবে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যেতে আমার প্রেসক্রিপশনকে ব্যবহার করেছি। সেই প্রেসক্রিপশন প্রতিটি মানুষের পাশাপাশি ওষুধের দোকানেও পৌঁছে যাচ্ছে। এছাড়া আমাদের সারা ভারতে যে সংগঠন রয়েছে সেখানেও আমার প্রেসক্রিপশন পাঠিয়ে দিয়ে প্রতিবাদের ভাষা পৌঁছে দিয়েছি। পশ্চিমবঙ্গের বাইরে প্রতিবাদের ভাষা পৌঁছে দিতে ইংরেজিতেও লেখা রয়েছে।

আগস্ট ৩১, ২০২৪
রাজ্য

আদালতের নির্দেশে মুক্ত সায়ন লাহিড়ী, জানিয়ে দিলেন বিচার না পাওয়া পর্যন্ত লড়াই চলবে

কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে আজ বেলা ১.৪১ মিনিট নাগাদ মুক্তি দেওয়া হল পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজের অন্যতম আহ্বায়ক সায়ন লাহিড়ীকে। জেল থেকে মুক্তি পেয়েই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন সায়ন। আরজি করে নির্যাতিতা তরুণীর নৃশংস পরিণতির বিচার না হওয়া অবধি তাঁদের লড়াই চলবে বলে এদিন জানিয়েছেন সায়ন। তবে এই নির্দেশের বিরুদ্ধে এবার সুপ্রিম কোর্ট যাচ্ছে রাজ্য সরকার।আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ। নবান্ন অভিযানের দিন তুমুল অশান্তি ছড়ায় কলকাতা ও হাওড়ার দিকে দিকে। আন্দোলনকারী-পুলিশ সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন এলাকায়। পরবর্তী সময়ে একটি টিভি চ্যানেলের টক শো থেকে বাড়ি ফেরার পথে রাস্তায় গাড়ি আরকে গ্রেফতার করা হয় সায়ন লাহিড়ীকে। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চ সায়নকে মুক্তির নির্দেশ দেন। রাজ্যকে আজ বেলা ২টোর মধ্যে সায়নকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা।উচ্চ আদালতের নির্দেশ মতো এদিন বেলা ১.৪১ মিনিট নাগাদ সায়নকে মুক্তি দেওয়া হয়। জেল থেকে বেরিয়ে সায়ন এদিন বলেন, পাশে থাকার জন্য শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-বৃষ্টির ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক। যতদিন পর্যন্ত নির্যাতিতা দিদি বিচার না পাবেন ততদিন আন্দোলন চলবে। হাইকোর্টের রায়ে খুশি। এদিন জেল থেকে বেরিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধেও সোচ্চার হয়েছেন সায়ন লাহিড়ী। পুলিশ দমন-পীড়নের ধারা তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োগ করেছিল বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। একই সঙ্গে নবান্ন অভিযানে ধৃত বাকিদের মুক্তির জন্যও তাঁদের লড়াই জারি থাকবে বলে এদিন সায়ন জানিয়েছেন।সায়নের গ্রেফতারি নিয়ে গতকালই বিচারপতি হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা রাজ্যকে তুলোধনা করেছিলেন। প্রভাবশালী যুক্তি দেখিয়ে সায়নের মুক্তি ঠেকাতে রাজ্য নানা যুক্তি খাড়া করেছিল। তবে কোনও যুক্তিই ধোপে টেকেনি। সায়নকে মুক্তির নির্দেশ দেয় উচ্চ আদালত। জানা গিয়েছে, এই নির্দেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যাচ্ছে রাজ্য সরকার।

আগস্ট ৩১, ২০২৪
বিবিধ

দার্জিলিং চিড়িয়াখানায় নয়া অতিথি, জন্ম দুটি তুষার চিতা, চারটে রেড পান্ডার

ক্যাপটিভ ব্রিডিংয়ে এশিয়ায় যে সেরা তা ফের একবার প্রমান করল দার্জিলিংয়ের পদ্মজা নাইডু চিড়িয়াখানা। এই চিড়িয়াখানার অধীনে তোপকেদ্বারা ব্রিডিং সেন্টারে চারটি রেড পান্ডা এবং দুটি তুষার চিতা শাবকের জন্ম হয়েছে। মাস খানেক আগে জন্ম হলেও ছয়টি শাবকই সুস্থ সবল রয়েছে বলে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। গত জুলাই মাসের শেষের দিকে রেডপান্ডা নিক্কি এবং প্রন্নের চার শাবকের জন্ম হয়েছে।অন্যদিকে, প্রায় একই সময়ে তুষার চিতা রাহানার দুই শাবকের জন্ম হয়েছে দার্জিলিং চিড়িয়াখানা সূত্রে জানা গিয়েছে। আপাতত মায়েদের সঙ্গেই রাখা হয়েছে ওই শাবকদের। ২৪ ঘণ্টাই খুদে অতিথিদের নজরদারি চালাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। নতুন চারটি শাবকের জন্মের পর বর্তমানে চিড়িয়াখানায় রেড পান্ডার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯। অন্যদিকে, তুষার চিতার সংখ্যা বেড়ে ১১ হল। আগে ৯টি তুষার চিতা ছিল দার্জিলিংয়ের পদ্মজা নাইডু হিমালয়ান জুলজিকাল পার্কে। দার্জিলিং চিড়িয়াখানার ডিরেক্টর বাসবরাজ হোলেইচির বক্তব্য,ক্যাপটিভ ব্রিডিংয়ে সফল ভাবে আরও চারটি রেড পান্ডা এবং দুটি তুষার চিতা শাবক জন্ম নিয়েছে এবং প্রত্যেকেই সুস্থ রয়েছে।গোটা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় দার্জিলিং চিড়িয়াখানাতেই একমাত্র গত ৩০ বছর ধরে সাফল্যের সঙ্গে রেড পান্ডা এবং তুষার চিতার ক্যাপটিভ ব্রিডিং প্রক্রিয়া চলছে। এর বাইরে আরও আটটি বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী রয়েছে, যেগুলি আইউসিএন-এর লাল তালিকভুক্ত রয়েছে। সেই প্রানীগুলিরও ক্যাপটিভ ব্রিডিং হচ্ছে। ওই তালিকায় রয়েছে হিমালয়ান থার, ব্লু শিপ, হিমালয়ান উলফের মতো প্রাণী। তোপকেদ্বারা ব্রিডিং সেন্টারে চলছে এই প্রজনন প্রকল্প। প্রকল্প শুরু হওয়ার পর থেকে এখনও পর্যন্ত এই ব্রিডিং সেন্টারে ৭৯টি রেডপান্ডার জন্ম হয়েছে। তার মধ্যে ২০২৩ সালে সর্বোচ্চ ৬টি রেড পান্ডার একসঙ্গে জন্ম হয়েছিল। ওই সময়ের সবগুলিই শাবকই সুস্থ রয়েছে। যা এই ব্রিডিং প্রক্রিয়ার ইতিহাসে প্রথম বলেই পার্ক সূত্রে জানা গিয়েছে। নতুন চারটি রেড পান্ডা শাবকের জন্ম হওয়ায় আরও কয়েকটি রেড পান্ডাকে সিঙ্গালিলার জঙ্গলে ছাড়া হতে পারে বলে পার্ক সূত্রে জানা গিয়েছে।দার্জিলিং চিড়িয়াখানার এই প্রকল্পের উদ্দেশ্যেই ছিল দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় রেড পান্ডার সংখ্যা বাড়ানো। সেইমতো প্রতিবছরই নিয়ম করে দুটি থেকে তিনটি রেড পান্ডাকে কলার পরিয়ে সিঙ্গালিলা ন্যাশনাল পার্কের জঙ্গলে ছাড়া হয়। এরপর সেগুলির গতিবিধির ওপর বিশেষ নজর রাখা হয়। কোথায় যাচ্ছে, কতটা যাচ্ছে সেইসমস্ত বিষয় ট্র্যাক করা হয়। পাশাপাশি নতুন করে জঙ্গলে রেড পান্ডার জন্ম হচ্ছে কিনা সেই বিষয়টিও নজরে রাখা হয়।

আগস্ট ৩১, ২০২৪
রাজ্য

আরজি করে অডিও ক্লিপ ভাইরাল, তিন বার ফোনে তিনরকম কথা

আরজি করে মেডিক্য়াল কলেজ হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ-খুনে চাঞ্চল্যকর অডিও ক্লিপ ভাইরাল। ফোনে তিনবার তিন রকম কথা বলা হয় মেয়েটির বাবা-মাকে, এমনই দাবি তাঁদের। তিনবার ফোন করে একবারও সে তাঁর নাম প্রকাশ করেনি। একবার বলেছেন তিনি অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল অডিও ক্লিপ ঘিরেই নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। যদিও সেই অডিও ক্লিপের সত্যতা যাচাই করে দেখেনি জনতার কথা।আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসকের নৃশংস খুনের পর কেটে গিয়েছে বেশ কিছুদিন। এখনও মেয়ের ভয়ানক পরিণতির বিচারের অপেক্ষায় দিন কাটাচ্ছে বাবা-মা। গোটা রাজ্য উত্তাল আরজি কর কাণ্ডের বিচারের দাবিতে। এরই মধ্যে একটি অডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়েছে। আরজি করের তরুণী চিকিৎসকের নৃশংস মৃত্যুর পর পরই তাঁর পরিবারের কাছে তিনবার ফোন যায়, অন্তত ভাইরাল হওয়া অডিও ক্লিপে এমনই দাবি জোরালো হচ্ছে। তিনবার ফোনে তিন রকম কথা বলা হয় হাসপাতালের তরফে, এমনটাই দাবি করছেন পরিবারের সদস্যরা।প্রথমে ফোন করে বলা হয়, মেয়ের শরীর খারাপ। দ্বিতীয়বার অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারের পরিচয় দিয়ে করে ফোন করা হয় নিহতের পরিবারে। সেই ফোনে হাসপাতালে যেতে বলা হয় নিহত নির্যাতিতার মা-বাবাকে। তৃতীয়বার ফোন করে বলা হয়, তাঁদের মেয়ে হয়তো আত্মহত্যা করেছে। হয়তো মারা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে সেই অডিও ক্লিপ। সেই অডিও ক্লিপের সত্যতা যাচাই করে দেখা হয়নি। তবে তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে এভাবেই তিনবার ফোন করা হয়েছিল। ওদিকে ছিল মহিলার কন্ঠস্বর। সে তাঁর নাম বলেনি। শুধু একবার অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার বলেছেন। তিনি যে চিকিৎসক নন তাও বলেছেন। তবে বিষয়টি নিয়ে জলঘোলা যে তুমুল হচ্ছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এদিকে আরজি কর কাণ্ডের তদন্তে জোরদার তৎপরতা চালাচ্ছে সিবিআই। তরুণীকে নৃশংস খুনের প্রতিবাদে গর্জে উঠেছে গোটা বাংলা। এদিন হাসপাতালে মর্গে গিয়েছে সিবিআইয়ের একটি দল। যত দিন গড়াচ্ছে প্রতিবাদের সুর আরও চড়া হচ্ছে। তবে নির্যাতিতার মা-বাবা এখনও বিচারের অপেক্ষায় দিন গুণছেন।

আগস্ট ২৯, ২০২৪
রাজনীতি

নজিরবিহীন ঘটনা, শেষমেশ নির্দেশ মেনে মন্ত্রিত্ব ছাড়ার ঘোষণা অখিল গিরির

জেলে গিয়েও তৃণমূল মন্ত্রীদের চাকরি যায়নি। বরং সরাতে সময় লেগেছে। দলের পদ যায়নি। মন্ত্রীকে এভাবে ২৪ ঘন্টার মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রীর পদত্যাগ করার নির্দেশ তা একেবারে নজিরবিহীন। ২০১১-এ ক্ষমতায় আসার পর এমন ঘটনা কখনও ঘটেনি। কারমন্ত্রী অখিল গিরি জানিয়েছেন, তিনি পদত্যাগ করবেন। কিন্তু বিরোধীরা চাইছেন, কারামন্ত্রীকে মহিলা সরকারি আধিকারিকের সঙ্গে অসভ্য ব্যবহার করার জন্য় গ্রেফতার করা হোক। এদিকে এদিনই অখিল গিরি বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিবেকবান হতে বলেছেন। ফরেস্ট ডিপার্টমেন্টের বিবেক কোথায়? রাতের অন্ধকারে ২২টি দোকান ভেঙে দিয়েছে বনবিভাগ। এদিনও বিনবিভাগের বিরুদ্ধে অভিযোগে সোচ্চার হয়েছেন অখিল গিরি। রবিবার দুপুর কাঁথিতে বসে সাংবাদিক সম্মেলন করে অখিল জানান, মুখ্য়মন্ত্রী গতকাল সারাদিন এই ঘটনাটি দেখেছেন। তিনি পর্যবেক্ষণ করেছেন। মন্ত্রিত্ব ছাড়ার বিষয়ে আমি অনুতপ্ত নই। আমি মন্ত্রী হয়েছি ২০২১ সালে। মন্ত্রিত্ব আমার কাছে কোনও বড় কথা নয়। আমার কাছে বড় কথা, আমার এলাকার মানুষকে নিয়ে যতটুকু লড়াই করা দরকার, আগামীদিনে আমার লড়াই চলবে। আমি সবসময় দলের অনুগত সৈনিক। দল যখন যা নির্দেশ দিয়েছে, তখন সেইমতোই কাজ করেছি দলে থেকে। এখনও করব। আমি নিজে জনপ্রতিনিধি হিসাবে লড়াই করব। আমার কাছে যদি কোনও পদ না থাকে, আমার রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে লড়াই করে যাব। সরকারি অফিসারের কাছে ক্ষমা চাওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই। বলেছেন, অখিল গিরি।অখিল গিরি বনবিভাগের রেঞ্জ অফিসারকে বলেছেন, বেশি দিন থাকতে পারবেন না। আপনার আয়ু সাত দিন, দশ দিন। বিধানসভায় ফাঁস করে দেব বনবিভাগের কর্মকান্ড। এর ভেতরে যদি আপনি আসেন তাহলে আপনি ফিরে যেতে পারবেন না, আমি দায়িত্ব নিলাম। বেশি কথা বলবেন না। সরকারি কর্মচারি মাথা নীচু করে কথা বলুন। বেয়াদপ, জানোয়ার রেঞ্জার অফিসার। ভদ্র ভাবে হবে না। যে ঠাকুর যে ফুলে সন্তুষ্ট হয়। ডাঙ দিয়ে পেটাব না তখন বুঝবেন। এই ভিডিও রীতিমতো ভাইরাল হয়ে যায়।

আগস্ট ০৪, ২০২৪
রাজ্য

"বেয়াদপ, জানোয়ার রেঞ্জার", রাজ্যের কারমন্ত্রীর বেনজির হুমকি, সর্বত্র ছি ছি

রাজ্যের কারামন্ত্রী অখিল গিরি প্রকাশ্যে ভয়ঙ্কর হুমকি দিলেন বনদফতরের রেঞ্জার মহিলা অফিসারকে। বেয়াদপ, জানায়োর বলতেও ছাড়লেন না। মন্ত্রীর হুমকি প্রয়োজনে ডান্ডা দিয়ে পেটাবেন। এমনকী অফিসারের আয়ু কতদিনের তাও বলে দিলেন রাজ্যের কারামন্ত্রী। অখির গিরির এই হুমকির ভিডিও ভাইরাল হতেই সমালোচনার ঝড় বইতে শুরু করেছে। রাজ্যের এক মন্ত্রী এই ভাষায় কথা বলতে পারে কারও সঙ্গে? বঙ্গ বিজেপি মমতার মন্ত্রীকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে। ভিডিওতে মন্ত্রীর সঙ্গে রেঞ্জারের কথপোকথন শোনা যাচ্ছে। মন্ত্রী মশাইকে রাগে গজরাতে দেখা যাচ্ছে। অখিল গিরির টানা হুমকি, বেশি দিন থাকতে পারবেন না। আপনার আয়ু সাত দিন। বিধানসভায় ফাঁস করে দেব। এর ভেতরে যদি আপনি আসেন তাহলে আপনি ফিরে যেতে পারবেন না, আমি দায়িত্ব নিলাম। বেশি কথা বলবেন না। সরকারি কর্মচারি মাথা নীচু করে কথা বলুন। বেয়াদপ, জানোয়ার রেঞ্জার অফিসার। ভদ্র ভাবে হবে না। যে ঠাকুর যে ফুলে সন্তুষ্ট হয়। ডাল নিয়ে পেটাব না তখন বুঝবেন। রাজ্যের কারামন্ত্রীর এই হুমকিতে তোলপাড়া রাজ্য রাজনীতি। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকেও মন্ত্রীর বক্তব্যকে সমালোচনা করা হয়েছে। বিজেপি সহ বিরোধীরা কারামন্ত্রীর গ্রেফতার দাবি করেছে। মন্ত্রীর এই বক্তব্যে সর্বত্র ছি ছি রব উঠেছে। এর আগে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু সম্পর্কেও কুমন্তব্য করেছিলেন অখিল গিরি।

আগস্ট ০৩, ২০২৪
রাজ্য

বাংলায় বিপুল বিনিয়োগের সম্ভাবনা! মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ বিড়লা গোষ্ঠাীর কর্ণধারের

বাংলায় নয়া বিনিয়োগের সম্ভাবনা। এবার এখানে বিনিয়োগ করতে পারেন আদিত্য় বিড়লা গ্রুপ। এরাজ্যে তাঁরা বিশ্ব মানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার উদ্যেগ নিতে পারে। মঙ্গলবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমাত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করে বিনিয়োগের প্রস্তাব দেন আদিত্য বিড়লা গ্রুপের চেয়ারম্যান কুমার মঙ্গলম বিড়লার। মুখ্যমন্ত্রী ছবি পোস্ট করে এক্স হ্যান্ডেলে এই কথা জানিয়েছেন। এক্স হ্যান্ডেলের মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, আদিত্য বিড়লা গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান মিঃ কুমার মঙ্গলম বিড়লা আজ(মঙ্গলবার বিকেলে নবান্নে আমার সাথে দেখা করলেন। এটি একটি সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ। তিনি আমার সঙ্গে বাংলায় ব্যবসার সুযোগ এবং এখানে তাদের বিনিয়োগের উদ্দেশ্য নিয়ে আলোচনা করেছেন। সিমেন্ট এবং রং উৎপাদনের মতো বিভিন্ন খাতে তাদের ৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প রয়েছে। তাঁরা শহরে একটি বিশ্বমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পরিকল্পনা করছে এবং নতুন বিনিয়োগের জন্য তাদের অন্যান্য পরিকল্পনাও রয়েছে। আমরা সব আলোচনা করেছি এবং আমি তাকে আমাদের সমর্থনের আশ্বাস দিয়েছি।অভিজ্ঞ মহলের মতে, বিড়লা গোষ্ঠীর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর এই আলোচনায় রাজ্যে বিনিয়োগ হতে পারে। তার ফলে কর্ম সংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

জুলাই ৩০, ২০২৪
রাজ্য

জঙ্গির গুলিতে ঝাঝরা দার্জিলিংয়ের ক্যাপ্টেন ব্রিজেশ থাপা, "দেশের জন্য শহিদ"- গর্বিত বাবা

জঙ্গীদের গুলিতে শহিদ হলেন রাজ্যের এক বীর সেনা জওয়ান। সোমবার সন্ধ্যায় জম্মু-কাশ্মীরের ডোডায় সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াইয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহিদ হয়েছেন দার্জিলিংয়ের লেবংয়ের বড়াগিঙ্গের বাসিন্দা ক্যাপ্টেন ব্রিজেশ থাপা। ক্যাপ্টেনের বয়স হয়েছিল মাত্র ২৭ বছর। ব্রিজেশ থাপার মৃত্যুতে শোকের ছায়া গোটা শৈলশহরে।ভারতীয় সেনা সূত্রে খবর, সোমবার সন্ধেয় ডোডা থেকে প্রায় ৫৫ কিলোমিটার দূরে দেশা বনাঞ্চলের উরারবাগীতে রাষ্ট্রীয় রাইফেলস এবং জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপের যৌথ অভিযান শুরু হয়। এনকাউন্টার শুরু হলে সন্ত্রাসবাদীরা পালানোর চেষ্টা করে। ঘন জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে তাদের তাড়া করেন সেনার একটি দল৷ রাত ৯টা নাগাদ ফের এনকাউন্টার শুরু হয়। গুরুতর আহত হন এক গ্রুপ ক্যাপ্টেন-সহ চার সেনা জওয়ান। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চারজনের মৃত্যু হয়৷ আরেক সেনা জওয়ানের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। শহিদের মধ্যে একজন দার্জিলিং এর ব্রিজেশ থাপা। সেনাবাহিনীর আধিকারিকরা জানিয়েছেন, সন্ত্রাসীদের সঙ্গে গুলিবিনিময়ে অফিসার-সহ চার সেনা সদস্য এবং জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের সদস্য আহত হয়েছেন৷ প্রাথমিকভাবে ২০ মিনিটেরও বেশি সময় ধরে এনকাউন্টার চলে। ব্রিজেশ থাপার শহিদ হওয়ার খবর ইতিমধ্যে সেনা আধিকারিকদের তরফে তাঁর পরিবারকে জানানো হয়েছে।পরিবার সূত্রে খবর, ১৭ জুলাই অর্থাৎ বুধবার ব্রিজেশের দেহ বিশেষ বিমানে শিলিগুড়ির বাগডোগরা বিমানবন্দরে আনা হবে। এরপর তাঁকে বাগডোগরা সেনা ছাউনিতে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় অভিবাদন জানানো হবে। সেখান থেকে তাঁর দেহ সড়কপথে দার্জিলিংয়ের লেবংয়ে তাঁর জন্মভূমিতে নিয়ে যাওয়া হবে। ব্রিজেশের বাবা কর্নেল ভুবনেশ থাপা বলেন, ছোট থেকেই ব্রিজেশের সেনার প্রতি খুব টান ছিল। নিজেকে সেইভাবেই তৈরি করেছিল। কষ্ট হচ্ছে, কিন্তু আক্ষেপ নেই। আমার সন্তান দেশকে রক্ষা করতে গিয়ে শহিদ হয়েছেন।জানা গিয়েছে, ব্রিজেশের বাবা কর্নেল ভুবনেশ থাপা ২০১৪ সালে সেনা থেকে অবসর নেন। বর্তমানে তিনি দার্জিলিংয়ের লেবংয়েই এক্স সার্ভিসম্যান হেলথ সার্ভিস স্কিমে কর্মরত রয়েছেন। ব্রিজেশের বাড়িতে সদস্য বলতে বাবা ছাড়াও রয়েছেন মা নীলিমা থাপা ও দিদি নিকিতা থাপা। নিকিতা থাপা বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় সঙ্গীত নিয়ে পড়াশুনো করছেন। ভাইয়ের শহিদ হওয়ার খবর পেতেই তিনিও বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।ব্রিজেশ থাপার জন্ম লেবংয়ে ৷ তিনি প্রাথমিক পড়াশুনো করেন দার্জিলিংয়ে৷ তবে বাবার সেনায় অন্যত্র পোস্টিংয়ের কারণে ব্রিজেশ বাকি পড়াশুনো রাজ্যের বাইরে থেকেই সারেন। শেষে মুম্বই থেকে নিজের উচ্চশিক্ষা শেষ করেন তিনি। সেখানকার কলেজ থেকে বিটেক শেষ করে কম্বাইন্ড ডিফেন্স সার্ভিস পরীক্ষায় বসেন। ২০১৮ সালে তিনি ওই ডিফেন্স সার্ভিসের শর্ট সার্ভিস কমিশন পরীক্ষায় পাশ করেন ও ২০১৯ সালে সেনাতে যোগ দেন।ব্রিজেশ দুবছর ১০ রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের মোতায়েন ছিলেন। এরপর তাঁকে এক্সট্রা রেজিমেন্টাল ডিউটির জন্য ভারতীয় সেনার বিশেষ বিভাগ ১৪৫ আর্মি এয়ার ডিফেন্সের অধীন জম্মু ও কাশ্মীরের ডোডা সেনা ছাউনিতে বদলি করা হয়। সেখানে ব্রিজেশ থাপা এ-কোম্পানি কমান্ডার ছিলেন। নিজের ট্রুপ নিয়ে ডোডা থেকে প্রায় চার ঘণ্টা দুরত্বে একটি অভিযানে যাওয়ার সময় আচমকা তাঁদের উপর হামলা হয়। আর সেই হামলাতেই প্রাণ হারান ব্রিজেশ।

জুলাই ১৬, ২০২৪
রাজ্য

গুজরাট থেকে কাদের কান ধরে বাংলায় আনতে চাইছেন ফিরহাদ? কেন এই ঘোষণা?

নাম না করে বিজেপির গুজরাটের নেতাদের প্রথমে মাথা মোটা বলে কটাক্ষ ও তারপরই কান ধরে টেনে নিয়ে এসে বাংলা সংস্কৃতি দেখানোর কথা বললেন পুরো ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। মঙ্গলবার সল্টলেকের উন্নয়ন ভবনে প্রগ্রেসিভ ইউনাইটেড ইঞ্জিনিয়ারস অ্যাসোসিয়েশনের তরফ থেকে একটি রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিল পুরমন্ত্রী ও কলকাতার মেযর ফিরহাদ হাকিম।ফিরহাদ হাকিম বক্তব্যে বলেন, গুজরাট থেকে মাথা মোটাগুলোকে কান ধরে টেনে নিয়ে এসে দেখাতে হয় যারা মানুষে মানুষে লড়াই করে তাদের দেখাতে হয় যে দেখ রক্তের রং লাল। কে রক্ত দিচ্ছে, কোথায় যাচ্ছে, কার রক্ত কার দেহে যাচ্ছে কেউ জানে না। এখান থেকে বোঝা যায় ভগবান শুধু মানুষ সৃষ্টি করেছে, এইযে ভেদাভেদ, ঝগড়াঝাঁটি, নোংরামি এইসব আমাদের। ভগবানকে ধন্যবাদ জানাই পশ্চিমবঙ্গে আমরা অন্তত এটার থেকে অনেক বাইরে আছি। এই মাথা মোটার দল কিছুটা গ্রাস করেছে কিন্তু পুরোটা আমাদের পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতিকে গ্রাস করতে পারেনি। তাই এখনও আমরা গর্বের সাথে বলি আমরা মানুষ। মানুষ বলেই মানবিকতার সেবা করছি কাজ করছি সংসার চালাচ্ছি তার সাথে সাথে রক্ত দিচ্ছি।

জুলাই ০২, ২০২৪
খেলার দুনিয়া

দেশের হয়ে শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলে ফেললাম, বিশ্বকাপ জিতে সমর্থকদের কাঁদালেন বিরাট কোহলি

বিশের বিশ্বযুদ্ধে আর পাওয়া যাবেনা তাঁকে। ক্রিকেট মহাকাব্যের রূপকথার নায়ক পরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আর খেল্বেন না। বিশ্বকাপ জিতেই এই ফরম্যাট থেকে তাঁর এই অবসরের কথা ঘোষনা করলেন বিরাট কোহলি। সারা টুর্নামেন্ট নিস্প্রভ থেকেও ফাইনালে জ্বলে ওঠেন বিরাট। ম্যাচের সেরার খেলোয়ারের পুরস্কার নিতে এসে নিজের মুখেই অবসরের কথা ঘোষণা করে দিলেন তিনি। হর্ষ ভোগলের প্রশ্নের উত্তরে জানালেন, টি=২০ বিশ্বকাপ ফাইনালই তাঁর শেষ টি-২০ বিশ্বকাপ ম্যাচ হয়ে থাকল। তিনি আরো জানান, পরের প্রজন্মকে জায়গা ছেড়ে দিতেই তাঁর এই সিদ্ধান্ত।শনিবারের ক্রিকেটের মহারনে প্রচণ্ড ধৈর্যশীল এক ইনিংস খেলে ৭৬ রান করেন। গোটা টুর্নামেন্টে চুড়ান্ত সফল ব্যাটার রোহিত শর্মা ফাইনালে প্রথমেই ফিরে যাওয়ায় বিরাটের ওপর বিশাল চাপ এসে পরে। ক্রিকেট দেবতার বরপুত্র চাপ কাটিয়ে ধীরে ধীরে এল আসাধরণ ইনিংস খেললেন কোহলি। শেষ পর্যন্ত তাঁর ওই ইনিংস-ই ভারতকে বড় স্কোরে দাঁড় করিয়ে দেয়। বিরাট কোহলি ম্যাচের সেরার পুরস্কার নিতে এসে বলেন, এটাই আমার শেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ছিল। ঠিক যেটা অর্জন করতে চেয়েছিলাম সেটাই করেছি। মাঝে মাঝে এটা মনে হয় যে আপনি হয়তো রান পাচ্ছেন না। তার পরেই একটা বড় রান চলে আসে। আসলে আমার কাছে ব্যাপারটা ছিল, হয় এখন, না হলে কখনও নয়।তাঁর আগে অবধি কেউ আন্দাজ করতে পারেননি যে এর পর তিনি সেই সাঙ্ঘাতিক সিদ্ধান্তের কথা জানাবেন! হর্ষের পরবর্তী প্রশ্নের উত্তরে কোহলি বলেন, এটাই ভারতীয় দলের হয়ে আমার শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ ছিল। আমরা বিশ্বকাপ জিততে চেয়েছিলাম। জোর করে কোনও পরিস্থিতি তৈরি করার থেকে পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া উচিত। সবাই জানত এর পরে কী হতে চলেছে। এটাই সময় নতুন প্রজন্মের হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়ার। অসাধারণ সব ক্রিকেটার রয়েছে আমাদের ভারতীয় দলে। ওরাই দলকে পরবর্তী সময়ে সঠিক পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে এবং দলকে আরও উঁচুতে তুলবে।

জুন ৩০, ২০২৪
রাজ্য

পরিবেশ রক্ষায় দেশ জুড়ে ১ লক্ষ বৃক্ষ রোপণের বিশেষ উদ্যোগ

নিজেদের অচল অবস্থার মধ্যেও কর্তব্যে অবিচল বিএসএন কন্ট্রাক্টরস ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন ও কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া, বিএসএনএল এবং এসএলএ ওয়ার্কার্স-এর কর্মীরা। বেশ কয়েক বছর ধরে নিয়মিত বেতন পাচ্ছেন না তাঁরা। অথচ পরিবেশ রক্ষা করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন এই সংস্থার কর্মীরা। সারা দেশ জুড়ে আগামী এক বছরের মধ্যে এক লক্ষ গাছ লাগানোর লক্ষমাত্রা ঘোষণা করেছেন তাঁরা। তার মধ্যে শুধু পশ্চিমবঙ্গেই বৃক্ষ রোপণ করা হবে ৪০ হাজার।শুক্রবার ডালহৌসি টেলিফোন ভবনে গাছ পুঁতে এই বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির সূচনা করেন সংগঠনের সভাপতি বিধায়ক মদন মিত্র ও সাধারণ সম্পাদক সুভাষ কুমার কর। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্য্য, অলোক নন্দী ও শ্রমিক নেতা মানা চক্রবর্তী। নিজেদের আর্থিক প্রতিবন্ধকতা সত্বেও এই সংগঠনের সামাজিক প্রকল্পের এই বিশেষ উদ্যোগ সর্বত্র প্রশংসা কুড়িয়েছে। গাছ কেটে যে ভাবে পরিবেশের ক্ষতি করা হচ্ছে তাতে এই সংগঠনের কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন পরিবেশবিদরা।

জুন ২৮, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 28
  • 29
  • 30
  • 31
  • 32
  • 33
  • 34
  • ...
  • 92
  • 93
  • ›

ট্রেন্ডিং

শিক্ষা

সাহিত্য, বিজ্ঞানচিন্তা ও সৃজনশীলতার আলোকবর্তিকা ‘INSPIRE 2026’

সাহিত্য, বিজ্ঞান, বিজ্ঞানচিন্তা, প্রযুক্তি এবং সৃজনশীলতার এক অনন্য মেলবন্ধনের বার্তা নিয়ে বর্ধমান শহরে সূচনা হল বহুল প্রতীক্ষিত বার্ষিক প্রদর্শনী INSPIRE - 2026। নতুনকে জানার কৌতূহল, অজানাকে আবিষ্কারের আকাঙ্ক্ষা এবং ভবিষ্যৎকে নিজের মতো করে গড়ে তোলার স্বপ্নসব মিলিয়ে প্রথম দিনেই বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ যেন হয়ে উঠল এক টুকরো জীবন্ত বিজ্ঞানভুবন।বর্ধমান মডেল স্কুলের উদ্যোগে এবং Oriental Association for Education and Research (OAER)-এর সহযোগিতায় আয়োজিত এই প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয় যথেষ্ট উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিল্প, বাণিজ্য ও উদ্যোগ এবং বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও জৈবপ্রযুক্তি দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র ১৪ আগস্ট ২০২৬ ফিতে কেটে ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে তিনদিনব্যাপী এই প্রদর্শনীর শুভ সূচনা করেন। প্রদর্শনী চলবে আগামী ১৬ ই আগস্ট পর্যন্ত।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র ও OAER এবং বর্ধমান মডেল স্কুলের পরিচালক ও আধিকারিকবৃন্দ। তবে অনুষ্ঠানের প্রকৃত প্রাণ হয়ে উঠেছিল বিদ্যালয়ের খুদে ও তরুণ শিক্ষার্থীরা। তাদের কল্পনা, অনুসন্ধিৎসা এবং উদ্ভাবনী চিন্তার প্রতিফলন ছড়িয়ে ছিল প্রদর্শনীর প্রতিটি প্রান্তে। কোথাও বিজ্ঞানের জটিল সূত্র পেয়েছে সহজবোধ্য মডেলের রূপ, কোথাও প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মিলেমিশে তৈরি করেছে ভবিষ্যতের সম্ভাবনার ছবি। আবার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির পাশাপাশি সাহিত্য, ইতিহাস, ভাষা, নৃত্য, সঙ্গীত এবং নাট্যচর্চার নানা আয়োজন প্রদর্শনীকে দিয়েছে আরও বহুমাত্রিক রূপ।উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র INSPIRE - 2026 -এর উদ্দেশ্য এবং আগামী প্রজন্মের মধ্যে বিজ্ঞানমনস্কতা ও সৃজনশীল চিন্তার বিকাশের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। তাঁর কথায়, তিনদিনের এই প্রদর্শনীর নামকরণই যেন তার অন্তর্নিহিত দর্শনকে প্রকাশ করেINSPIRE - 2026। তিনি বলেন, এই প্রদর্শনীতে এসে বোঝা যায়, আগামী প্রজন্মের প্রতিভা কতটা বিস্ময়কর। শিক্ষকদের সহযোগিতা থাকলেও ভাবনার মূল উৎস যে শিক্ষার্থীরাই, তাঁদের তৈরি মডেল, তাঁদের ব্যাখ্যা এবং দর্শনার্থীদের নানা প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আত্মবিশ্বাসই তার প্রমাণ।শিক্ষার্থীদের এই উদ্যোগ দেখে মন্ত্রী নিজের অভিজ্ঞতার কথাও জানান। তাঁর উপলব্ধিআজকের প্রজন্মের কাছ থেকে শেখার মতো এখনও অনেক কিছুই বাকি। তাঁর কথায়, একসময় ছিল আমাদের প্রজন্ম, তারপর এল কম্পিউটারের যুগ, আর এখন আমরা প্রবেশ করেছি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে। ফলে সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে শুধু নতুন প্রজন্মকে শেখানো নয়, তাদের কাছ থেকেও শেখার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। কারণ, সমাজ ও দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথ তৈরি করবে এই নতুন প্রজন্মই।সাংবাদিকদের রিয়েল জেন জি প্রসঙ্গেও মন্ত্রীর বক্তব্য ছিল যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। তাঁর মতে, ছাত্রছাত্রীরাই ভবিষ্যৎতারা সতেজ, সৃষ্টিশীল এবং সম্ভাবনাময়। বাংলা তথা ভারতবর্ষকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার শক্তি নিহিত রয়েছে তাদের মধ্যেই। তাই তাদের সঙ্গে দূরত্ব নয়, বন্ধুত্বের সম্পর্ক তৈরি করাই প্রয়োজন। বয়সের ব্যবধান থাকলেও নতুন প্রজন্মের সঙ্গে বন্ধুর মতো মিশে তাদের কথা শোনা এবং তারা ভবিষ্যৎ সম্পর্কে কী ভাবছে, কী চায়তা জানা জরুরি। সেই ভাবনা থেকেই তিনি ঘোষণা করেন তাঁর পরবর্তী উদ্যোগআড্ডা উইথ জেন জি।মন্ত্রী বর্ধমান মডেল স্কুলের সকলকে শুভেচ্ছা জানান এবং INSPIRE - 2026 -এর সাফল্য কামনা করেন। শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে আবারও তাঁদের সঙ্গে সময় কাটানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেন তিনি।বিদ্যালয়ের কর্ণধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল-এর বক্তব্যেও উঠে আসে সময়ের সঙ্গে পথ চলার অপরিহার্যতার কথা। তাঁর স্পষ্ট উপলব্ধি, সময়ের সঙ্গে তাল না মেলাতে পারলে পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকেই যায়। তাই বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে সঙ্গে নিয়েই আগামী দিনের শিক্ষাব্যবস্থাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেও শিক্ষার্থীদের আধুনিকতম শিক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে বর্ধমান মডেল স্কুল কখনও পিছিয়ে থাকেনি, ভবিষ্যতেও সেই ধারাই অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি অভিভাবক ও বিজ্ঞানপ্রেমী সকলকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এসে নতুন প্রজন্মের এই প্রযুক্তি ও সৃজনশীলতার উন্মেষ প্রত্যক্ষ করার আহ্বান জানান তিনি।OAER-এর অন্যতম সদস্য সত্যরাজ আদিত্যাংশু মেদ্দা-ও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ বিপিন বিহারী সিং ১৪ থেকে ১৬ আগস্ট আয়োজিত INSPIRE-এ অংশগ্রহণকারী সকল ছাত্রছাত্রীকে শুভেচ্ছা জানান। তাঁর কথায়, শিক্ষার্থীদের অক্লান্ত পরিশ্রম, অধ্যবসায় এবং নিষ্ঠা ছাড়া এই আয়োজন কখনও সার্থক হয়ে উঠত না।তবে INSPIRE 2026 কেবল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রদর্শনী নয়; বরং এটি যেন শিক্ষার্থীদের বহুমুখী প্রতিভার এক বর্ণময় ক্যানভাস। সাহিত্য, ইতিহাস, ভাষা, নৃত্য, সঙ্গীতের পাশাপাশি নাট্য ও আবৃত্তির আয়োজনও রয়েছে এই অনুষ্ঠানে।নাট্য ও আবৃত্তি বিভাগের শিক্ষিকা এবং বিশিষ্ট বাচিক শিল্পী সুদেষ্ণা আচার্য জানান, এবারের পরিবেশনায় থাকছে প্রবাদপ্রতিম নাট্যকার মনোজ মিত্রের কালজয়ী নাটক নরক গুলজার। ব্যঙ্গ, হাস্যরস এবং গভীর সামাজিক বাস্তবতার অনন্য সংমিশ্রণে নির্মিত এই নাটক বাংলা নাট্যসাহিত্যে এক বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় সেই নাটক নতুন প্রজন্মের কাছে নতুন করে পৌঁছে দেওয়ার প্রয়াসও INSPIRE - 2026 -এর সাংস্কৃতিক পরিসরকে করেছে আরও অর্থবহ।সব মিলিয়ে প্রথম দিনেই Inspiring Thoughts, Creating Futureএই মূলমন্ত্র যেন বাস্তব রূপ পেল INSPIRE - 2026-এর প্রাঙ্গণে। এখানে বিজ্ঞান কেবল পাঠ্যবইয়ের পাতায় আবদ্ধ নয়, প্রযুক্তি কেবল যন্ত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, আর সৃজনশীলতা কেবল কল্পনার জগতে বন্দি নয়। বরং তিনটির সম্মিলিত শক্তিতে শিক্ষার্থীরা আঁকছে আগামী দিনের ছবি।নতুন ভাবনার অঙ্কুর, উদ্ভাবনের সাহস এবং ভবিষ্যৎ নির্মাণের স্বপ্নকে সামনে রেখে বর্ধমান মডেল স্কুলের এই আয়োজন তাই নিছক একটি বার্ষিক প্রদর্শনী নয়এ যেন আগামী দিনের সম্ভাবনাময় প্রজন্মের আত্মপ্রকাশের এক উজ্জ্বল মঞ্চ।

আগস্ট ১৪, ২০২৬
কলকাতা

নির্মলকে ঘিরে থানা চত্বরে তুমুল উত্তেজনা, ডিম-জুতোর মালা! অভয়ার বাবার গোপন জবানবন্দিতে কী উঠে এল?

ওড়িশা থেকে ট্রানজিট রিমান্ডে প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষকে খড়দহ থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তাঁকে ঘিরে শুক্রবার সকাল থেকেই থানার বাইরে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। নির্মলকে গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই বহু মানুষ থানার সামনে জড়ো হন। তাঁদের মধ্যে অনেককে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে এবং গান বাজিয়ে নাচতেও দেখা যায়।বারাকপুর মহকুমা আদালতে নির্মল ঘোষকে পেশ করার সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে পারে বলে আগেই আশঙ্কা করেছিল পুলিশ। সেই কারণে তাঁকে হেলমেট পরিয়ে থানা থেকে বের করা হয়। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়নি। থানার বাইরে জড়ো হওয়া কয়েক জন নির্মলকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়েন। তাঁর দিকে জুতোর মালাও ছোড়া হয়। এমনকি তাঁকে চড় এবং লাথি মারার অভিযোগও উঠেছে।অন্যদিকে, শ্মশানঘাটে ঠিক কী ঘটেছিল, তা জানতে অভয়ার বাবার গোপন জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতেই নির্মল ঘোষ, সঞ্জীব মুখোপাধ্যায় এবং সোমনাথ দে-র বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। তদন্তকারীরা এখন ওই রাতের ঘটনাক্রম খতিয়ে দেখছেন।গত ৯ অগস্ট অভয়ার দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে পানিহাটিতে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই তিনি অভয়ার মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি, মৃত্যুর পর শ্মশানঘাটে কী ঘটেছিল, তা খতিয়ে দেখার জন্য বারাকপুরের পুলিশ কমিশনারকে নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই নির্দেশের পরই অভয়ার বাবা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযোগ দায়েরের মাত্র দুদিনের মধ্যেই ওড়িশা থেকে গ্রেফতার হন নির্মল ঘোষ। পুলিশ সূত্রে খবর, বালেশ্বরের সিমুলিয়া থানার একটি হোটেলে আত্মগোপন করেছিলেন তিনি। পুলিশের নজর এড়াতে পুরনো মোবাইল নম্বর বন্ধ করে দিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। পরে মোবাইলের টাওয়ারের অবস্থান খতিয়ে দেখে তাঁর সন্ধান পায় রাজ্য পুলিশ। সিমুলিয়া পুলিশের সাহায্যে ওই হোটেলে পৌঁছে নির্মলকে গ্রেফতার করা হয়।এরপর তাঁকে ওড়িশার আদালতে পেশ করা হয়। সেখান থেকে ট্রানজিট রিমান্ডে নির্মল ঘোষকে খড়দহে নিয়ে আসা হয়। শ্মশানঘাটের ঘটনার সঙ্গে তাঁর ভূমিকা কী ছিল, তা জানতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে অভয়ার প্রতিবেশী সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে খড়দহ থানার পুলিশ। শুক্রবার নির্মল ঘোষ এবং সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কে বারাকপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়।দুই অভিযুক্তের গ্রেফতারে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন অভয়ার মা। সমাজমাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন তিনি। এদিকে নির্মল ঘোষের গ্রেফতারের পর অভয়ার বাবা ও মায়ের নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে। শ্মশানঘাটে সেই রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, নির্মল ঘোষ এবং সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকা কী ছিল, তদন্তের পরেই তা স্পষ্ট হবে।

আগস্ট ১৪, ২০২৬
দেশ

বেরনোর সুযোগও পেলেন না! চামোলির সুড়ঙ্গে আচমকা জলস্রোত, মৃত্যু ৭ শ্রমিকের, আটকে আরও ২

উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলায় জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আচমকা তীব্র জলস্রোত ঢুকে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৭ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১৪ জন। সুড়ঙ্গের ভিতরে এখনও দুই শ্রমিক আটকে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের উদ্ধারে জোরদার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিট নাগাদ চামোলির পিপলকোটির মায়াপুরে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে শিফট বদলের কাজ চলছিল। সেই সময় আচমকাই সুড়ঙ্গের ভিতরে প্রবল জলস্রোত ঢুকে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে জল ও ধ্বংসাবশেষে ভরে যায় সুড়ঙ্গের একটি অংশ।ঘটনার সময় সুড়ঙ্গের ভিতরে প্রায় ২২ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন বলে জানা গিয়েছে। দুর্ঘটনার পর দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু হয়। রাতেই বেশ কয়েক জন শ্রমিককে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে সাত হয়েছে।খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, সীমান্তরক্ষী বাহিনী এবং সেনার উদ্ধারকারী দল। সুড়ঙ্গের ভিতরে জমে থাকা জল বের করতে পাম্প ব্যবহার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে আটকে থাকা শ্রমিকদের কাছে পৌঁছনোর চেষ্টা চলছে।আহত শ্রমিকদের স্থানীয় গোপেশ্বর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে যাঁদের অবস্থা গুরুতর, তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে।উদ্ধারকারী দল আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে সুড়ঙ্গের ভিতরে তল্লাশি চালাচ্ছে। জলস্তর কমিয়ে আটকে থাকা দুই শ্রমিককে দ্রুত বাইরে নিয়ে আসাই এখন প্রধান লক্ষ্য। উদ্ধারকাজ যত এগোচ্ছে, ততই তাঁদের পরিবারের উৎকণ্ঠা বাড়ছে।ঘটনার পর উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি জানিয়েছেন, সুড়ঙ্গের ভিতরে আটকে থাকা প্রত্যেক শ্রমিককে নিরাপদে বের করে আনার জন্য সমস্ত রকম চেষ্টা চালানো হচ্ছে। দুর্ঘটনার কারণ এবং ঠিক কী ভাবে এত বিপুল জল সুড়ঙ্গের ভিতরে ঢুকল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আগস্ট ১৪, ২০২৬
দেশ

সুপ্রিম কোর্টে বড় স্বস্তি সুমিত রায়ের, বুধবার পর্যন্ত গ্রেফতার নয়! পরের শুনানিতে কী হবে?

সুপ্রিম কোর্টে বড় স্বস্তি পেলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়। আপাতত তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে শীর্ষ আদালত। তাঁর অন্তর্বর্তীকালীন রক্ষাকবচের মেয়াদ বুধবার পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। আগামী ১৯ অগস্ট মামলাটির পরবর্তী শুনানি হবে।শুক্রবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চে সুমিত রায়ের অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের আবেদনের শুনানি হয়। আদালতে সুমিতের আইনজীবী গোপাল শঙ্করনারায়ণ জানান, তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করছেন তাঁর মক্কেল। গত আট দিনে তাঁকে ছয় বার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে। প্রতিবারই তিনি তদন্তকারীদের কাছে হাজির হয়েছেন এবং সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হয়েছেন।সুমিতের আইনজীবীর বক্তব্য শোনার পর তাঁর রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়িয়ে দেয় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। একই সঙ্গে তদন্ত কতটা এগিয়েছে, সে বিষয়েও জানতে চায় আদালত।তদন্তের অগ্রগতি এবং জিজ্ঞাসাবাদে কী কী তথ্য উঠে এসেছে, সেই সংক্রান্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য সময় চান সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। সোমবার পর্যন্ত সময় চাওয়া হলে আদালত তা মঞ্জুর করে। এরপরই জানানো হয়, বুধবার মামলাটির পরবর্তী শুনানি হবে। সেই পর্যন্ত সুমিত রায়ের গ্রেফতারির উপরও রক্ষাকবচ বহাল থাকবে।নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন পেয়েছিলেন সুমিত রায়। তবে শালবনির জমি সংক্রান্ত মামলায় আগাম জামিন না মেলায় তিনি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। ওই মামলায় তাঁর গ্রেফতারির উপর স্থগিতাদেশ দিয়েছিল শীর্ষ আদালত।এ ছাড়াও জমি ও চাকরি সংক্রান্ত মামলার বাইরে সুমিতের বিরুদ্ধে আরও চারটি এফআইআর রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই কারণে গ্রেফতারির আশঙ্কা প্রকাশ করে ফের কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। দ্রুত শুনানির আবেদনও করা হয়েছিল। তবে সেই আবেদন গ্রহণ করেননি বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্য ছিল, মামলাটি জরুরি ভিত্তিতে শোনার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। নিয়ম মেনেই পরে মামলাটি শুনানি হতে পারে।এই পরিস্থিতিতে সুমিত রায়ের জন্য আপাতত স্বস্তি এনে দিল সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ। বুধবারের শুনানিতে তদন্তের অগ্রগতি এবং সুমিতকে জিজ্ঞাসাবাদ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ১৪, ২০২৬
কলকাতা

বঙ্গবিভূষণ গেল, কয়েক ঘণ্টাতেই সুরবদল! নেতাজি মন্তব্যে প্রকাশ্যে দুঃখপ্রকাশ অনন্ত মহারাজের

বঙ্গবিভূষণ সম্মান হারানোর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে করা মন্তব্যের জন্য প্রকাশ্যে দুঃখপ্রকাশ করলেন রাজ্যসভার বিজেপি সাংসদ অনন্ত মহারাজ। সমাজমাধ্যমে ভিডিওবার্তায় তিনি জানান, নেতাজি সম্পর্কে তাঁর কোনও অনিচ্ছাকৃত বক্তব্যে কেউ মানসিক ভাবে আঘাত পেয়ে থাকলে তিনি আন্তরিক ভাবে দুঃখিত।নেতাজিকে নিয়ে অনন্ত মহারাজের মন্তব্য ঘিরে গত কয়েক দিন ধরেই রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র বিতর্ক চলছিল। তাঁর বক্তব্যের পর বিভিন্ন মহল থেকে প্রতিবাদ শুরু হয়। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, নেতাজিকে অপমান করলে তা কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না এবং প্রয়োজনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এর পর বৃহস্পতিবার রাজ্য সরকার অনন্ত মহারাজের বঙ্গবিভূষণ সম্মান ফিরিয়ে নেয়। মমতা সরকারের আমলে গত ২১ ফেব্রুয়ারি তাঁকে এই সম্মান দেওয়া হয়েছিল। সম্মান প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।তবে সম্মান প্রত্যাহারের পরেও প্রথমে নিজের বক্তব্যের পক্ষেই সাফাই দিয়েছিলেন অনন্ত মহারাজ। তাঁর দাবি ছিল, তিনি নেতাজিকে অপমান করেননি। ইতিহাসে থাকা কিছু তথ্যই তিনি মানুষের সামনে তুলে ধরেছেন। তাঁর কথায়, নিজের বক্তব্যে কোনও মনগড়া তথ্য বা মিথ্যা যোগ করেননি তিনি।অনন্ত মহারাজ আরও দাবি করেছিলেন, তিনি যে সময়ের কথা বলেছেন, সেই সময়ে তাঁর জন্মই হয়নি। তাই সেই ইতিহাস নিয়ে নিজের বক্তব্য রাখাকে তিনি অপরাধ বলে মনে করেন না। তবে ভুল হয়ে থাকলে আইনি পথে শাস্তি দেওয়ার কথাও বলেছিলেন তিনি।এর কয়েক ঘণ্টা পরেই অবশ্য তাঁর সুর বদলে যায়। সমাজমাধ্যমে প্রকাশ করা ভিডিওবার্তায় অনন্ত মহারাজ বলেন, নেতাজির প্রতি সম্মান রেখেই তিনি দুঃখপ্রকাশ করছেন। তাঁর বক্তব্যের কোনও অংশে কেউ মানসিক ভাবে আঘাত পেয়ে থাকলে তার জন্য তিনি আন্তরিক ভাবে দুঃখিত বলেও জানান।ফলে বঙ্গবিভূষণ প্রত্যাহারের পর অনন্ত মহারাজের এই দুঃখপ্রকাশকে ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। এক দিকে তাঁর আগের বক্তব্য, অন্য দিকে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে প্রকাশ্যে ক্ষমাপ্রার্থনাদুই অবস্থান নিয়েই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। এখন এই ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে পরবর্তী কোনও আইনি বা প্রশাসনিক পদক্ষেপ হয় কি না, সেদিকেই নজর।

আগস্ট ১৪, ২০২৬
দেশ

গুরুদ্বারের সামনেই সুখবীর বাদলকে কোপ! পেটে হামলার চেষ্টা, রক্তাক্ত প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী

মহারাষ্ট্রের নন্দেদে অকালি দল প্রধান তথা পঞ্জাবের প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী সুখবীর সিং বাদলের উপর আচমকা হামলার অভিযোগ উঠল। বৃহস্পতিবার একটি গুরুদ্বারে যাওয়ার সময় তাঁর উপর ছুরি নিয়ে হামলা করা হয় বলে জানা গিয়েছে। হামলায় হাতে চোট পেয়েছেন সুখবীর বাদল। তাঁকে রক্ষা করতে গিয়ে এক পুলিশকর্মীও আহত হয়েছেন।জানা গিয়েছে, নন্দেদের একটি গুরুদ্বারে যাওয়ার সময় ঘটনাটি ঘটে। গুরুদ্বারের সামনেই আচমকা এক ব্যক্তি সুখবীর বাদলের দিকে এগিয়ে এসে হামলা করার চেষ্টা করেন। অভিযোগ, হামলাকারী তাঁর পেটে আঘাত করার চেষ্টা করেছিলেন। তবে নিরাপত্তারক্ষী এবং পুলিশকর্মীদের তৎপরতায় বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব হয়। হামলার সময় সুখবীর বাদলের হাতে চোট লাগে এবং তিনি রক্তাক্ত হন।ঘটনার পর দ্রুত তাঁকে নন্দেদের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে বলে জানা গিয়েছে। হামলার সময় তাঁর স্ত্রী তথা অকালি দলের সাংসদ হরসিমরত কৌর বাদলও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। ঘটনার পর সুখবীর বাদলকে ধরে নিয়ে যাওয়ার একটি ভিডিয়োও প্রকাশ্যে এসেছে। তাতে তাঁর ডান হাতে কাপড় বাঁধা দেখা যায়।হামলার ঘটনায় এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। তাঁর নাম যশপাল সিং বলে জানা গিয়েছে। তিনি নিহাঙ্গ শিখ বলে সূত্রের দাবি। হামলায় কৃপাণ ব্যবহার করা হয়েছিল বলেও জানা গিয়েছে। যশপাল সিং গত দুই বছর ধরে তখত শ্রী হাজুর সাহিব গুরুদ্বারে কাজ করছিলেন বলে সূত্রের খবর। তবে হামলার প্রকৃত কারণ কী, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।সুখবীর বাদলের উপর এই প্রথম হামলার চেষ্টা নয়। এর আগে ২০২৪ সালের ৪ ডিসেম্বর অমৃতসরের স্বর্ণমন্দিরের বাইরে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর চেষ্টা হয়েছিল। সেই ঘটনায়ও অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান তিনি। ঘটনাস্থল থেকেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।ফলে নন্দেদের এই হামলার পর নতুন করে তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ঠিক কী কারণে সুখবীর বাদলকে লক্ষ্য করে হামলা করা হল এবং এর পিছনে অন্য কোনও পরিকল্পনা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
দেশ

ঝাড়খণ্ডে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে আগুন! ছ’শো বিক্ষোভকারীর বিরুদ্ধে মামলা, আরও পাঁচশো আটক

সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে ঝাড়খণ্ডে আন্দোলনের আঁচ আরও বাড়ল। গত সোমবার বিধানসভা অভিযানের পর বৃহস্পতিবার ৬০০ বিক্ষোভকারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে ১০০ জনের নাম এফআইআরে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আরও প্রায় ৫০০ বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে বলেও খবর।গত প্রায় ২০ দিন ধরে নিয়োগ পরীক্ষায় স্বচ্ছতার দাবিতে আন্দোলন করছেন ঝাড়খণ্ডের তরুণ প্রজন্ম। রাঁচির জয়পাল সিং মুন্ডা স্টেডিয়ামে জেপিএসসি-জেএসএসসি সংস্কার মঞ্চ-এর ব্যানারে চলছে লাগাতার বিক্ষোভ। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, সরকারি চাকরির একাধিক নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম হয়েছে। তাঁদের দাবি, অভিযোগ ওঠা পরীক্ষাগুলি বাতিল করতে হবে এবং পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে হবে।আন্দোলনকারীরা নিরপেক্ষ তদন্তেরও দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের প্রস্তাব, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা অথবা ঝাড়খণ্ডের বাইরের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নিয়ে একটি বিশেষ প্যানেল তৈরি করে অভিযোগের তদন্ত করা হোক। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার বার্তাও দিয়েছেন তাঁরা।সোমবার বিধানসভা অভিযানের সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিক্ষোভকারীদের মিছিল আটকাতে পুলিশ লাঠিচার্জ, জলকামান এবং কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে বলে অভিযোগ। এর পরেই রাজ্য রাজনীতিতে বিষয়টি নিয়ে চাপানউতোর শুরু হয়। পুলিশের পদক্ষেপের প্রতিবাদে বিজেপি রাজ্যজুড়ে বন্ধের ডাক দেয়।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাসও আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়িয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। দাবি পূরণ না হলে অনশনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি ২০২৪ সালে আবগারি কনস্টেবল পদের শারীরিক পরীক্ষায় মৃত্যু হওয়া ১৯ জন চাকরিপ্রার্থীর পরিবারকে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার দাবিও তুলেছেন।এই ইস্যুতে বিজেপির ছাত্র সংগঠনও আন্দোলনে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ এখন শুধু ঝাড়খণ্ডের রাজনীতিতেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, জাতীয় স্তরেও বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক চাপ তৈরি হচ্ছে।অন্যদিকে আন্দোলনকারীদের উপর পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে জোট সরকারের শরিক কংগ্রেসের মধ্যেও অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। পুলিশের লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহারের সমালোচনা করেছেন রাহুল গান্ধী। একই সঙ্গে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বিজেপির ছাত্র সংগঠন আন্দোলনকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে সরকারি চাকরির নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে ঝাড়খণ্ডে আন্দোলন ক্রমেই বড় আকার নিচ্ছে। এক দিকে পড়ুয়া ও চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলন, অন্য দিকে পুলিশের মামলা এবং বিরোধীদের চাপসব মিলিয়ে হেমন্ত সোরেন সরকারের উপর রাজনৈতিক চাপও বাড়ছে।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
দেশ

‘আপনারা না পারলে আমরা করে দেখাব’, প্যাকেটজাত খাবার নিয়ে কেন্দ্রকে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের

প্যাকেটজাত খাবারে চিনি, নুন এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ বেশি হলে তার গায়ে স্পষ্ট স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা থাকা উচিতএই বিষয়টি ফের মনে করিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। এ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের গড়িমসি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে শীর্ষ আদালত। এমনকি কর্পোরেট সংস্থাগুলির চাপের কারণে বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্র বা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা নরম মনোভাব দেখাচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নও উঠেছে।একটি জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে কড়া মন্তব্য করেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জে পি পার্দিওয়ালা এবং বিচারপতি কে বিনোদ চন্দ্রনের বেঞ্চ। আদালতের বক্তব্য, বিষয়টির সঙ্গে সরাসরি সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য জড়িত। তাই কোনও শিল্পগোষ্ঠীর চাপের কারণে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত প্রভাবিত হওয়া উচিত নয়।মামলাকারীর পক্ষ থেকে আদালতে অভিযোগ করা হয়, প্যাকেটজাত খাদ্যপণ্যের গায়ে স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা দেওয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিল্পমহলের আপত্তি রয়েছে। সেই কারণেই খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করছে না বলে অভিযোগ করা হয়। মামলাকারীর আইনজীবী আরও জানান, গত ৭ মার্চ খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার বৈঠকে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, তা সুপ্রিম কোর্টের আগের নির্দেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকে অবশ্য শিল্পমহলের আপত্তির কথা আদালতে জানানো হয়। তাদের প্রস্তাব ছিল, প্যাকেটের গায়ে সরাসরি সতর্কবার্তা না দিয়ে প্রতিদিন কতটা অতিরিক্ত চিনি, নুন বা স্যাচুরেটেড ফ্যাট খাওয়া উচিত, সেই পরিমাণ উল্লেখ করা যেতে পারে।কেন্দ্রের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ব্রিজেন্দর চাহার বিষয়টি আদালতে ব্যাখ্যা করেন। কেন্দ্রের যুক্তি ছিল, সতর্কবার্তা বাধ্যতামূলক করলে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। কারণ, দেশের বহু প্রচলিত খাবারেই ঐতিহ্যগত ভাবে চিনি ও নুনের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি থাকে।কেন্দ্রের এই যুক্তি শুনে আরও কড়া প্রশ্ন করেন বিচারপতিরা। তাঁদের বক্তব্য, সাধারণ মানুষকে সুস্থ রাখার বিষয়টি কি সরকারের অগ্রাধিকার নয়? বিশেষ করে শিশুদের স্বাস্থ্যের সঙ্গে যখন বিষয়টি জড়িত, তখন আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন বলেই মত শীর্ষ আদালতের।আদালত স্পষ্ট করে জানায়, প্যাকেটজাত খাবারে অতিরিক্ত চিনি, নুন এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাটের বিষয়টি জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকার এবং খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন। ফলে প্যাকেটজাত খাবারের গায়ে স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা দেওয়ার বিষয়ে আগামী দিনে বড় সিদ্ধান্তের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal