• ১ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার ১৭ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IPL

খেলার দুনিয়া

K‌KR-Russell : ফাইনালে প্রথম একাদশে ফিরবেন আন্দ্রে রাসেল?‌ দ্বিধায় নাইট টিম ম্যানেজমেন্ট

দীর্ঘদিন ঘরে ট্রফি আসেনি। চেন্নাই সুপার কিংসকে হারিয়ে কি এবারের আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন হতে পারবে কলকাতা নাইট রাইডার্স? নাইট রাইডার্স শিবির যেমন চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দিকে তাকিয়ে রয়েছে, তেমনই ২০১২র আইপিএলের ফাইনালের প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য মুখিয়ে রয়েছে চেন্নাই সুপার কিংস। সেবার নাইটদের কাছে হেরে খেতাব জয়ের স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল মহেন্দ্র সিং ধোনিদের। হাইভোল্টেজ ফাইনালের আগে আত্মবিশ্বাসে ভরপুর নাইট রাইডার্স শিবির। মর্গ্যান ব্রিগেডের মনোবল বাড়িয়েছে সম্প্রতিক পারফরমেন্স। প্রথম পর্বে ৭ ম্যাচে ৫টিতে হেরে প্লে অফের লড়াই থেকে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছিল নাইট শিবির। দ্বিতীয় পর্বে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন। এলিমিনেটরে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর, দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে দিল্লি ক্যাপিটালসকে হারিয়ে অবশেষে ফাইনালের ছাড়পত্র। এটাই আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে নাইট শিবিরের।চেন্নাই সুপার কিংসকেও পিছিয়ে রাখা যাবে না। আইপিএলের শুরু থেকেই দারুণ ছন্দে ছিল ধোনি ব্রিগেড। বিপক্ষের যাবতীয় চ্যালেঞ্জ হেলায় উড়িয়ে একের পর এক ম্যাচ জিতে লিগ টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করেছিল। লিগ পর্যায়ে শেষদিকে কয়েকটা ম্যাচে হোঁচট খেতে হলেও প্লে অফের প্রথম কোয়ালিফায়ারে ৪ উইকেটে দিল্লি ক্যাপিটালসকে হারিয়ে ফাইনালের ছাড়পত্র জোগাড় করে নেয় চেন্নাই সুপার কিংস। আবার ফিনিশারের ভুমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। দলকে জিতিয়ে ধোনির যেমন আত্মবিশ্বাস বেড়ে গেছে, চেন্নাই শিবিরেরও মনোবল তুঙ্গে। দুই দলের ফাইনালের লড়াই যে জমে উঠবে সেকথা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়। চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ফাইনালে মাঠে নামার আগে নাইট শিবিরকে স্বস্তি দিচ্ছে আন্দ্রে রাসেলের সুস্থ হয়ে ওঠা। খেলার জায়গায় চলে এসেছেন নাইটদের এই অলরাউন্ডার। হ্যামস্ট্রিংয়ে চোটের জন্য বেশ কয়েকটা ম্যাচে খেলতে পারেননি রাসেল। আপাতত তিনি ফিট। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে নেটে বোলিংও করেছিলেন। তিনি যে প্রথম একাদশে ফিরতে পারেন, তেমন ইঙ্গিতও দিয়েছেন দলে মেন্টর ডেভিড হাসি। রাসেল ফিরলে দল আরও শক্তিশালী হবে, সেকথা নিশ্চিতভাবে বলা যায়। তবে কার জায়গায় তাঁকে খেলানো হবে, তা নিয়ে দ্বিধায় নাইট টিম ম্যানেজমেন্ট। রাসেলের পরিবর্তে এতদিন সাকিব আল হাসানকে প্রথম একাদশে সুযোগ দিয়েছিল। সুযোগ পেয়েই প্রতিটা ম্যাচে নিজেকে মেলে ধরেছেন সাকিব। দুবাইয়ের মন্থর উইকেটে তাঁর স্পিন বোলিং কার্যকরী হতে পারে। সবদিক মিলিয়ে প্রথম একাদশ নিয়ে দ্বিধায় নাইট টিম ম্যানেজেমন্ট।

অক্টোবর ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL : সহজ ম্যাচ কঠিন করে জিতে ফাইনালে নাইট রাইডার্স

সহজ ম্যাচও যে কঠিন করে জেতা যায়, কলকাতা নাইট রাইডার্সকে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে জয়ের জন্য নাইটদের ২৪ বলে দরকার ছিল ১৩ রান। ৭ রানের মধ্যে ৬ উইকেট হারিয়ে পরিস্থিতি কঠিন করে ফেলেছিল নাইটরা। শেষ ওভারে জয়ের জন্য দরকার ছিল ৭ রান। পরপর ২ বলে সাকিব আল হাসান ও সুনীল নারাইনকে তুলে নিয়ে ম্যাচ জমিয়ে দিয়েছিলেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। শেষ পর্যন্ত ওভারের পঞ্চম বলে ৬ মেরে নাইটদের জেতালেন রাহুল ত্রিপাঠী। দিল্লি ক্যাপিটালসকে ৩ উইকেটে হারিয়ে আইপিএলের ফাইনালে কলকাতা নাইট রাইডার্স। নাইট রাইডার্স অধিনায়ক ইওয়িন মর্গ্যান টস জিতে দিল্লি ক্যাপিটালসকে ব্যাট করতে পাঠান। তাঁর মাথায় ছিল অতীত পরিসংখ্যান। সাতটি ম্যাচে পাঁচটি দলই রান তাড়া করে জিতেছে। তাছাড়া আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে নাইট রাইডার্স পাঁচটি ম্যাচে রান তাড়া করেছে, পাঁচটিতেই জিতেছে। শারজার বাইশ গজে খেলার অভিজ্ঞতা থেকেই টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নাইট রাইডার্স অধিনায়কের।দিল্লি ক্যাপিটালসের দুই ওপেনার পৃথ্বীশ এবং শিখর ধাওয়ান যেভাবে শুরু করেছিলেন, মনে হচ্ছিল নাইট অধিনায়কের সিদ্ধান্ত বুমেরাং হয়ে যেতে পারে। ৪ ওভারেই দুজনে তুলে ফেলেন ৩২। এরপরই ধাক্কা খায় দিল্লি। বল করতে এসে ব্রেক থ্রু দেন বরুণ চক্রবর্তী। পৃথ্বীকে (১২ বলে ১৮)। পৃথ্বী আউট হতেই রান তোলার গতি কমে যায় দিল্লি ক্যাপিটালসের। বরুণ চক্রবর্তী, সুনীল নারাইন, লকি ফার্গুসনদের আঁটোসাটো বোলিংয়ের সামনে আক্রমণাত্মক হয়ে উঠতে পারেননি শিখর ধাওয়ান, মার্কাস স্টয়নিসরা। দিল্লির দ্বিতীয় উইকেট তুলে নেন শিবম মাভি। তাঁর বলে বোল্ড হন মার্কাস স্টয়নিস (২৩ বলে ১৮)।এরপর বরুণ চক্রবর্তীর বলে সাকিবের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন শিখর ধাওয়ান (৩৯ বলে ৩৬)। পরের ওভারেই লকি ফার্গুসনের বলে রাহুল ত্রিপাঠীর হাতে ক্যাচ দেন ঋষভ পন্থ (৬ বলে ৬)। ঋষভ আউট হতেই বড় রানের স্বপ্ন শেষ দিল্লির। হেটমায়ের ১০ বলে ১৭ করে রান আউট হন। শেষ পর্যন্ত শ্রেয়স আয়ারের (২৭ বলে অপরাজিত ৩০) সৌজন্যে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৩৫ রান তোলে দিল্লি ক্যাপিটালস।ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করেন নাইট রাইডার্সের দুই ওপেনর শুভমান গিল ও বেঙ্কটেশ আয়ার। নাইটদের ওপেনিং জুটিই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেয়। দিল্লি ক্যাপিটালসের বোলারদের কোনও রকম সুযোগই দেননি শুভমান ও বেঙ্কটেশ। আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে এই দুই ওপেনারই নাইট রাইডার্সকে বদলে দিয়েছেন। এদিন দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ওপেনিং জুটিতে দুজনে তোলেন ৯৬। ৪১ বলে ৫৫ রান করে কাগিসো রাবাডার বলে আউট হন বেঙ্কটেশ আয়ার। নীতীশ রানা ১২ বলে ১৩ রান করে আউট হন। এরপর শুভমান গিলকে (৪৬ বলে ৪৬) ফেরান আবেশ খান। শুভমান আউট হতেই নাইট রাইডার্স ইনিংসে ধস। দ্রুত ফেরেন দীনেশ কার্তিক (০) ও মর্গ্যান (০)। তারপর শেষ ওভারে অশ্বিনের বলে নাটক। ১ বল বাকি থাকতে রাহুল ত্রিপাঠী (১১ বলে অপরাজিত ১২) নাইটকে (১৩৬/৭) জেতান।

অক্টোবর ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL 2021: নারাইনের ম্যাজিকে ফাইনালের আশা নাইট রাইডার্সের

একসময় প্লে অফে ওঠাই কঠিন ছিল কলকাতা নাই রাইডার্সের কাছে। এলিমিনেটরের ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে ৪ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন জিইয়ে রাখল নাই রাইডার্স। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে এবার খেলবে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে। নাইটদের জয়ের নায়ক সুনীল নারাইন।শারজার বাইশ গজে রান তাড়া করা কঠিন হবে এটা মনে করে টস জিLতে ব্যাটিং নেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর অধিনায়ক বিরাট কোহলি। দারুণ শুরু করেন দুই ওপেনার দেবদত্ত পাড়িক্কল ও বিরাট কোহলি। ষষ্ঠ ওভারের প্রথম বলে দলের ৪৯ রানের মাথায় আউট হন দেবদত্ত পাড়িক্কল। তিনি ২টি চারের সাহায্যে ১৮ বলে ২১ রান করেন। দশম ওভারের চতুর্থ বলে ৬৯ রানের মাথায় দ্বিতীয় উইকেট পড়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের। নিজের প্রথম ওভারেই কেএস ভরতের উইকেট তুলে নেন সুনীল নারাইন। নাইট রাইডার্সের স্পিনারদের দাপটে রান তোলা কঠিন হয়ে পড়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের। ১২.২ ওভারে ৮৮ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় ব্যাঙ্গালোরে। ৩০ বলে ৩৯ রান করে নারাইনের বলে বোল্ড হন কোহলি। এরপর রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স তাকিয়ে ছিল ডিভিলিয়ার্সের দিকে। ১৫তম ওভারে নারাইনের দ্বিতীয় বলে ভিলিয়ার্সও বোল্ড হন। তিনি ৯ বলে ১১ রান করেন। নিজের শেষ ওভারে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকেও ফেরান নারাইন। ১৮ বলে ১৫ রান করেন ম্যাক্সওয়েল। ১৯তম ওভারে লকি ফার্গুসনের বলে আউট হন শাহবাজ আহমেদ। তিনি করেন ১৪ বলে ১৩। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৩৮ তোলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স। ৪ ওভারে ২১ রানের বিনিময়ে ৪ উইকেট নেন সুনীল নারাইন। লকি ফার্গুসন ৪ ওভারে ৩০ রানের বিনিময়ে ২টি উইকেট দখল করেন।গোটা ইনিংসে একটাও ছয় মারতে পারেননি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের ব্যাটাররা। জয়ের জন্য ১৩৯ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন ছিল না নাইট রাইডার্সের কাছে। ভাল শুরু করেন নাইটদের দুই ওপেনার শুভমান গিল ও ভেঙ্কটেশ আয়ার। ব্যাট শুরুতেই ঝড় তোলেন শুভমান। ৫ ওভারে ওঠে ৪১। এরপরই হর্ষল প্যাটেলের বলে আউট হন শুভমান। ১৮ বলে তিনি করেন ২৯। ভেঙ্কটেশ আয়ারকেও (৩০ বলে ২৬) তুলে নেন হর্ষল। রাহুল ত্রিপাঠী (৫ বলে ৬) ব্যর্থ হলেও দলকে কিছুটা টেনে নিয়ে যান নীতীশ রানা (২৫ বলে ২৩)। নীতীশ যখন আইট হন নাইট রাইডার্সের রান তখন ১১০/৪।এরপর মহম্মদ সিরাজের দাপটে চাপে পড়ে যায় নাইট রাইডার্স। দ্রুত ২ উইকেট তুলে নেন তিনি। একই ওভারে ফেরান সুনীল নারাইন (২৬) ও দীনেশ কার্তিককে (১০)। শেষ ওভারে জয়ের জন্য নাইটদের দরকার ছিল ৭ রান। ২ বল বাকি থাকতে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন মর্গ্যান (অপরাজিত৫ ৫) ও সাকিব (অপরাজিত ৯)।

অক্টোবর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌PL : আবার পুরনো মেজাজে ধোনি, ফাইনালে চেন্নাই সুপার কিংস

কিং ইজ ব্যাক। আবার ফিনিশারের ভুমিকায় মহেন্দ্র সিং ধোনি। গত বছর আইপিএলের প্লে অফে পৌঁছাতে না পারার যন্ত্রণা মিটিয়ে নিলেন ক্যাপ্টেন কুল। স্নায়ুযুদ্ধে বাজিমাত করলেন। সাত নম্বরে নেমে তিনটি চার ও একটি ছয়ের সাহায্যে দলকে জেতালেন মাহি। দিল্লি ক্যাপিটালসকে ৪ উইকেটে হারিয়ে আইপিএলের ফাইনালে চেন্নাই সুপার কিংস।টস জিতে দিল্লি ক্যাপিটালসকে ব্যাট করতে পাঠান চেন্নাই সুপার কিংস অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। তাঁর ধারণা ছিল শুরুর দিকে ব্যাট করা কঠিন হবে। জোরে বোলাররা বাইশ গজ থেকে সাহায্য পাবেন। ধোনির সেই ধারণাকে ভুল প্রমাণ করে দেন দিল্লি ক্যাপিটালসের ব্যাটসম্যানরা। ৩ ওভারে ৩২ রানে পৌঁছে যায় দিল্লি ক্যাপিটালস। এর পরেই ধাক্কা খায় দিল্লি। চতুর্থ ওভারের দ্বিতীয় বলে জস হ্যাজেলউডের বলে আউট হন শিখর ধাওয়ান। ৭ রান করে তিনি উইকেটের পেছনে ধোনির হাতে ক্যাচ দেন। পঞ্চম ওভারে শার্দুল ঠাকুরকে আক্রমণে নিয়ে আসেন ধোনি। শার্দূলের প্রথম ওভারেই পৃথ্বী শ দুটি ছক্কা মারেন। এই ওভারে ওঠে ১৪। ৫ ওভারে দিল্লি ক্যাপিটালসের রান দাঁড়ায় ১ উইকেটে ৫০। শার্দুল ঠাকুর ২ ওভারে দিয়েছিলেন ২৮ রান। ষষ্ঠ ওভারে দ্বিতীয় উইকেট হারায় দিল্লি ক্যাপিটালস। হ্যাজেলউডের বলে আউট হন শ্রেয়স আয়ার (১)। চার নম্বরে ব্যাট করতে নেমে সুবিধা করতে পারেননি অক্ষর প্যাটেল। ১১ বলে ১০ রান করে তিনি মঈন আলির বলে আউট হন। অন্যপ্রান্তে একের পর এক উইকেট পড়লেও ঝড় অব্যাহত ছিল পৃথ্বী শর ব্যাটে। একাদশ ওভারের দ্বিতীয় বলে তিনি আউট হন। ৩৪ বলে ৬০ রান করেন পৃথ্বী। এরপর দিল্লিকে ২০ ওভারে ১৭২/৫ রানে পৌঁছে দেন ঋষভ পন্থ ও শিমরণ হেটমায়ের। ২৪ বলে ৩৭ রান করে আউট হন হেটমায়ের। ঋষভ ৩৫ বলে ৫১ রান করে অপরাজিত থাকেন। জস হ্যাজলউড ৪ ওভারে ২৯ রানের বিনিময়ে ২ উইকেট নেন। মঈন আলি চার ওভার হাত ঘুরিয়ে ২৭ রান খরচ করে একটি উইকেট পান। শার্দুল ঠাকুর ৩ ওভারে দেন ৩৬ রান, দীপক চাহার ৩ ওভারে ২৬, কেউই উইকেট পাননি। ব্র্যাভো এক উইকেট পেলেও ৩ ওভারে ৩১ রান খরচ করেন।জয়ের জন্য ১৭৩ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় চেন্নাই সুপার কিংস। ডুপ্লেসি প্রথম ওভারের চতুর্থ বলে ১ রান করে এনরিখ নরকিয়ার বলে বোল্ড হন। এরপরই দলকে শক্ত ভিতে দাঁড় করিয়ে দেয় ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও রবিন উথাপ্পার জুটি। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে এদিন ১০০ রান যোগ করেন ঋতুরাজ ও উথাপ্পা। ১৩.৩ ওভারে ৪৪ বলে ৬৩ রান করে টম কারানের বলে প্যাভিলিয়নে ফেরেন উথাপ্পা। উথাপ্পা ফেরার পর ৮ বলের ব্যবধানে ৬ রানের মধ্যে আরও দুটি উইকেট হারায় চেন্নাই। ১৪তম ওভারের তৃতীয় বলে উথাপ্পাকে আউট করার পর ষষ্ঠ বলে শার্দুল ঠাকুরকে শূন্য রানে আউট করেন কারান। ১৪.৪ ওভারে শ্রেয়স ও কাগিসো রাবাডার যুগলবন্দিতে রান আউট হন অম্বাতি রায়ুডু। তিনি ১ রান করেন। এই সময় ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করেছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। যদিও পাল্টা লড়াই চালাতে থাকেন ঋতুরাজ ও মঈন আলি। ১৮.১ ওভারে ঋতুরাজ গায়কোয়াড় আবেশ খানের বলে আউট হন। পাঁচটি চার ও দুটি ছয়ের সাহায্যে ৫০ বলে ৭০ রান করেন ঋতুরাজ। এরপর মঈনের সঙ্গে যোগ দেন ধোনি। ফিনিশারের ভুমিকায় চেনা ঝলক দেখা গেল ক্যাপ্টেন কুলের ব্যাটে। শেষ ওভারে জেতার জন্য দরকার ছিল ১৩। টম কারানের প্রথম বলে মঈন আলি (১২ বলে ১৬) আউট হন। শার্দুলকে শেষ বলে আউট করায় কারানের সামনে ছিল হ্যাটট্রিকের হাতছানি। হ্যাটট্রিক বাঁচান ধোনি। অবশেষে দুই বল বাকি থাকতে চার মেরে দলকে ফাইনালে তুলে দিলেন ধোনি (৬ বলে অপরাজিত ১৮)। ১৯.৪ ওভারে ১৭৩/৬ তুলে ফাইনালে পৌঁছে যায় চেন্নাই।

অক্টোবর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sakib-Knight Riders : এলিমিনেটর ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা নাইটদের, পাবে না সাকিবকে

আইপিএলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা কলকাতা নাইট রাইডার্স শিবিরে। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে এলিমিনেটর ম্যাচে নাইট রাইডার্স পাবে না দলের গুরুত্বপূর্ণ অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে। নাইটদের মতো রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সও পাবে না ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ও দুষ্মন্ত চামিরাকে। তবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের থেকেও নাইটদের কাছে ধাক্কাটা জোরালো। কারণ হাসারাঙ্গা ও চামিরা প্রথম একাদশের পরিকল্পনায় নেই। অন্যদিকে, দুরম্ত ছন্দে থাকা সাকিব আল হাসান অন্যতম বড় ভরসা ছিলেন নাইটদের কাছে। দুই দলের মধ্যে যদি কোনও দল দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে কিংবা ফাইনালে ওঠে তাহলেও এই তিন জনের মধ্যে কেউ খেলতে পারবেন না। আর সপ্তাহখানেক পরেই শুরু হতে চলেছে টি২০ বিশ্বকাপ। সাকিব আল হাসান যেমন বাংলাদেশের বিশ্বকাপ দলে রয়েছেন, তেমনই শ্রীলঙ্কা দলে রয়েছেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ও দুষ্মন্ত চামিরা। বিশ্বকাপ শুরুর আগে দুই দেশই প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে। এই তিন ক্রিকেটারকে জাতীয় শিবিরে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট দেশের ক্রিকেট বোর্ড। ফলে আইপিএলে আর খেলতে পারবেন না এই তিন ক্রিকেটার। শ্রীলঙ্কার দুই ক্রিকেটারকে না পেলেও খুব একটা ক্ষতি হবে না রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরের। তবে সাকিবের না থাকাটা অবশ্যই বড় ধাক্কা কলকাতা নাইট রাইডার্সের কাছে। আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে সাকিব নাইট রাইডার্সের হয়ে দুটি ম্যাচ খেলেছেন। দুটি ম্যাচেই দুর্দান্ত বোলিং করেছেন। আন্দ্রে রাসেল খেলতে না পারলে তিনি অলরাউন্ডার হিসেবে দলের অন্যতম ভরসা। টি২০ বিশ্বকাপ শুরুর আগে রাসেল হয়তো ঝুঁকি নেবেন না। সাকিব ও মুস্তাফিজুর রহমানকে রবিবারই বাংলাদেশ দলের সঙ্গে যোগ দিতে বলা হয়েছে। ১২ ও ১৪ অক্টোবর শ্রীলঙ্কা ও আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। সাকিবদের মতোই হাসারাঙ্গা ও চামিরা দুষ্মন্তকে জাতীয় শিবিরে যোগ দিতে বলা হয়েছে। বাংলাদেশ ছাড়াও পাপুয়া নিউ গিনির বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে শ্রীলঙ্কা। ১৮ অক্টোবর নামিবিয়ার বিরুদ্ধে শ্রীলঙ্কার প্রথম রাউন্ডের প্রথম ম্যাচ।

অক্টোবর ১০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL : এলিমিনেটরে নাইট রাইডার্সের সামনে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর

প্লে অফের ছাড়পত্র আগেই এসে গিয়েছিল। গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে জিতলেও দ্বিতীয় স্থানে শেষ করা কার্যত অসম্ভব ছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরের কাছে। কারণ নেট রান রেটে চেন্নাই সুপার কিংস এতটাই এগিয়ে, তাঁদের টপকে যাওয়া কঠিন ছিল। শীর্ষে থাকা দিল্লি ক্যাপিটালসকে ৭ উইকেটে হারিয়ে ১৮ পয়েন্টে শেষ করলেও ৩ নম্বরেই সন্তুষ্ট থাকতে হল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরকে। এলিমিনেটরে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে খেলবে বিরাট কোহলির দল। এদিন দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে দিল্লি ক্যাপিটালসকে ব্যাট করতে পাঠান রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর অধিনায়ক বিরাট কোহলি। দারুণ শুরু করেন দিল্লির দুই ওপেনার শিখর ধাওয়ান এবং পৃথ্বী শ। জুটিতে ওঠে ৮৮ রান। ৩১ বলে ৪৩ রান করে আউট হন শিখর ধাওয়ান। এরপর পৃথ্বী শ ৩৫ বলে ৪৮ রান করে ফিরে যান। দিল্লির দুই ওপেনার আউট হওয়ার পর ম্যাচে ফিরে আসে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। মিডল অর্ডারে ঋষভ পন্থ (৮ বলে ১০) ও শ্রেয়স আয়ার (১৮ বলে ১৮) বড় রান তুলতে ব্যর্থ হন। শেষ পর্যন্ত হেটমায়েরের ২২ বলে ২৯ রানের সৌজন্যে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৬৪ রান তোলে দিল্লি ক্যাপিটালস।জয়ের জন্য ১৬৫ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের। ইনিংসের পঞ্চম বলেই আউট হন দেবদত্ত পাড়িক্কল (০)। তৃতীয় ওভারে ফিরে যান অধিনায়ক বিরাট কোহলি (৪)। এবি ডিভিলিয়ার্সও (২৬ বলে ২৬) বড় রান করতে ব্যর্থ হন। এরপর দলকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে থাকেন শিকর ভরত ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। শেষ বলে জয়ের জন্য রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের দরকার ছিল ৫ রান। ৬ মেরে দলকে জেতান ভরত। ৫২ বলে ৭৮ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ৩৩ বলে ৫১ রান করে অপরাজিত থাকেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ১৬৬ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। ২০ পয়েন্ট নিয়ে প্রথম স্থানে শেষ করল দিল্লি ক্যাপিটালস। চেন্নাই সুপার কিংস ১৮ পয়েন্ট নিয়ে রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। একই পয়েন্ট নিয়ে নেট রান রেটে পিছিয়ে থেকে বিরাট কোহলির ব্যাঙ্গালোর তৃতীয় স্থানে শেষ করল। ১৪ পয়েন্ট নিয়ে কলকাতা নাইট রাইডার্স রয়েছে করল চতুর্থ স্থানে।

অক্টোবর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌IPL Match : শেষ ম্যাচে সূর্য–ঈশানের তাগিদেও লাভ হল না মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের

ভারতীয় টি২০ বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পাওয়ার পর থেকেই নাকি আইপিএলে সেভাবে তাগিদ দেখা যায়নি ঈশান কিশান ও সূর্যকুমার যাদবের। এই নিয়ে মুখ খুলেছিলেন সুনীল গাভাসকার। এই দুই ব্যাটসম্যান যখন তাগিদ দেখালেন, প্লে অফের লড়াই থেকে বহুদুরে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। লিগের শেষ ম্যাচে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠলেন সূর্যকুমার ও ঈশান। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ৪২ রানে জিতল ঠিকই, তবুও প্লে অফের টিকিট জোগাড় করতে পারল না। সানরাইর্সের বিরুদ্ধে টস জিতে ব্যাট করতে নেমেছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। লক্ষ্য ছিল বড় ব্যবধানে সানরাইজার্সকে হারিয়ে প্লে অফের টিকিট যদি জোগাড় করা যায়। শুরু থেকেই ঝড় তোলেন দুই ওপেনার ঈশান কিষান ও রোহিত শর্মা। ওপেনিং জুটিতে ৫.২ ওভারে ওঠে ৮০। এরপরই রশিদ খানের বলে আউট হন রোহিত (১৩ বলে ১৮)। ৩ নম্বরে নেমে হার্দিক পান্ডিয়াও (৮ বলে ১০) সুবিধা করতে পারেননি। তাঁকে ফেরান জেসন হোল্ডার। অন্যদিকে ঝড় অব্যাহত থাকে ঈশান কিষানের ব্যাটে। শেষ পর্যন্ত ৩২ বলে ৮৪ রান করে তিনিই উমরান মালিকের বলে আউট হন। ঈশানের ইনিংসে রয়েছে ১১টি ৪ ও ৪টি ৬। পোলার্ড (১২ বলে ১৩), নিশাম (০), ক্রূণাল পান্ডিয়া ৯৯), কুল্টারনাইলরা (৩) ব্যর্থ হলেও নিজেকে মেলে ধরেন সূর্যকুমার যাদব। শেষ পর্যন্ত ৪০ বলে ৮২ রান করে আউট হন তিনি। ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ২৩৫ রান তোলে মুম্বই। জয়ের জনন্য ২৩৬ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের দুই ওপেনার জেসন রয় (২১ বলে ৩৪) ও অভিষেক শর্মা (১৬ বলে ৩৩)। চোটের জন্য কেন উইলিয়ামসন খেলতে পারেননি। তাঁর পরিবর্তে হায়দরাবাদকে নেতৃত্ব দেন মণীশ পাণ্ডে। সাতটি চার ও দুটি ছক্কার সাহায্যে তিনি ৪১ বলে ৬৯ রানে অপরাজিত থাকেন। তবু দলকে জেতাতে পারেননি মিডল অর্ডারের বাকি ব্যাটারদের ব্যর্থতায়। প্রিয়ম গর্গ করেন ২১ বলে ২৯। ঋদ্ধিমান সাহাকে এদিন নয় নম্বরে ব্যাট করতে পাঠানো হয়। ঋদ্ধি করেন ২। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৯৩ তোলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। যশপ্রীত বুমরা, নাথান কুল্টারনাইল ও জিমি নিশাম দুটি করে উইকেট দখল করেন।

অক্টোবর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌IPL : রাজস্থানকে উড়িয়ে কার্যত প্লে অফে নাইট রাইডার্স

কলকাতা নাইট রাইডার্সের প্লে অফের ভাগ্য অনেক আশাআশঙ্কায় ভুগছিল। রাজস্থান রয়্যালসের কাছে হারলেই অনিশ্চিত ভবিষ্যতে ডুবে যেত নাইটরা। তাকিয়ে থাকতে হত মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ম্যাচের দিকে। আশঙ্কা ছিল রাজস্থান হয়তো নাইটদের প্লে অফের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। কিন্তু মর্গ্যান ব্রিগেডের সামনে কোনও প্রতিরোধই গড়ে তুলতে পারল না সঞ্জু স্যামসনের দল। একেবারে অসহায় আত্মসমর্পন। রাজস্থান রয়্যালসকে ৮৬ রানে উড়িয়ে কার্যত প্লে অফের টিকিট জোগাড় করে নিল নাইট রাইডার্স। নেট রান রেট এমন জায়গায় নিয়ে গেল, শেষ ম্যাচে মুম্বইয়ের পক্ষে টপকে যাওয়া অসম্ভব। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে নাইট টিম ম্যানেজমেন্টের চিন্তা ছিল আন্দ্রে রাসেলকে নিয়ে। অনেক চেষ্টা করেও মাঠে নামার মতো অবস্থায় নিয়ে আসা যায়নি এই অলরাউন্ডারকে। তবে রাসেলের অভাব বুঝতে দিল না নাইট রাইডার্সের ব্যাটসম্যানদের সম্মিলিত প্রয়াস। আলাদা করে অবশ্য শুভমান গিল ও বেঙ্কটেশ আয়ারের কথা বলতেই হবে। এই দুই ওপেনারের দাপটেই বড় রানের প্ল্যাটফর্ম তৈরি হয়ে যায় নাইটদের।টস জিতে নাইট রাইডার্সকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন রাজস্থান অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। ১০.৪ ওভারে ওপেনিং জুটিতে ৭৯ রান তোলেন শুভমান ও বেঙ্কটেশ। ৩৫ বলে ৩৮ রান করে রাহুল তেওয়াটিয়ার বলে আউট হন বেঙ্কটেশ। পরের ওভারেই ফিরে যান নীতীশ রানা (৫ বলে ১২)। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান শুভমান ও রাহুল ত্রিপাঠী। ৪৪ বলে ৫৬ রান করে ক্রিস মরিসের বলে আউট হন শুভমান। ত্রিপাঠীকে (১৪ বলে ২১) ফেরান চেতন সাকারিয়া। এরপর নাইটদের ১৭১/৪ রানে পৌঁছে দেন দীনেশ কার্তিক (১১ বলে অপরাজিত ১৪) ও অধিনায়ক ইওয়িন মর্গ্যান (১১ বলে অপরাজিত ১৩)। শারজার এই উইকেটে ১৭২ রানের লক্ষ্য যথেষ্ট কঠিন। তার ওপর প্রথম ওভারে উইকেট হারালে অসম্ভব হয়ে পড়ে। ৪ বলের ব্যবধানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় রাজস্থান। রাজস্থানকে প্রথম ধাক্কা দেন সাকিব। ইনিংসের তৃতীয় বলে তিনি তুলে নেন যশস্বী জয়সোয়ালকে (০)। পরের ওভারের প্রথম বলেই সঞ্জু স্যামসনকে (১) ফেরান শিবম মাভি। এরপর নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়তে থাকে রাজস্থানের। একসময় ৩৫ রানে ৭ উইকেট পড়ে যায়। সেখান থেকে আর ম্যাচে ফেরা সম্ভব হয়নি রাজস্থানের। শেষ পর্যন্ত ১৬.১ ওভারে ৮৫ ওভারে গুটিয়ে যায় রাজস্থানের ইনিংস। সর্বোচ্চ রান করেন রাহুল তেওয়াটিয়া (৩৬ বলে ৪৪)। নাইট রাইডার্সের হয়ে শিবম মাভি ২১ রানে ৪টি, ফার্গুসন ১৮ রানে ৩ উইকেট নেন।

অক্টোবর ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL: হাঁটুর চোটে কাবু বরুণ চক্রবর্তী, তাহলে কি টি২০ বিশ্বকাপ দলে চাহাল?‌

প্রায় একমাস হতে চলল টি২০ বিশ্বকাপের দল ঘোষণা হয়েছে। বিশ্বকাপ দলে রয়েছে একাধিক চমক। কিন্তু দল নিয়ে একেবারেই স্বস্তিতে নেই ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। বিশ্বকাপে হার্দিক পান্ডিয়া আদৌও বোলিং করতে পারবেন কিনা তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। তার মাঝেই চিন্তা বাড়িয়েছে বরুণ চক্রবর্তী। তামিলনাড়ুর এই রহস্যময় স্পিনার কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে ভাল ফর্মে থাকলেও হঠাৎ তাঁকে ঘিরে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ভারতীয় বোর্ড সুত্রে জানা গেছে হাঁটুর চোট নিয়েই আইপিএলে খেলে যাচ্ছেন বরুণ চক্রবর্তী। চোটের ব্যাথা আরও বেড়েছে। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও অনিশ্চিত এই রহস্যময় স্পিনার। এই অবস্থায় টি২০ বিশ্বকাপের আগে তিনি কতটা ফিট হয়ে উঠতে পারবেন তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বরুণ চক্রবর্তীর হাঁটুতে ভালই যন্ত্রণা হচ্ছে। এই আবস্থায় তাঁকে বিশ্বকাপের দলে রাখাটা বেশ ঝুঁকি হয়ে যেতে পারে বলে মনে করছেন ভারতীয় বোর্ডের কর্তারা। আপাতত বরুণ চক্রবর্তীর হাঁটুর ব্যাথা কমানোর দিকে নজর দেওয়া হচ্ছে। তাঁর এই হাঁটুর চোট সারাতে বেশ কয়েকদিনের রিহ্যাবের প্রয়োজন বলে মনে করছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের মেডিকেল টিম। ১০ অক্টোবরের পর টি২০ বিশ্বকাপের দলে আর বদল করা যাবে না। তার আগেই বরুণকে নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে নির্বাচকদের। এই রহস্যময় স্পিনার যাতে ২৪ অক্টোবর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচ খেলতে পারেন তা নিশ্চিত করতে বরুণের চোটের ব্যাপারে নজর রাখছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের মেডিক্যাল টিম। বোর্ডের মেডিকেল টিম সবসময় সর্বক্ষণ যোগাযোগ রেখে চলেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স মেডিকেল টিমের সঙ্গে।বরুণ চক্রবর্তীর জন্য আলাদা স্ট্রেংথ ও কন্ডিশনিং চার্ট তৈরি করে দিয়েছে ভারতীয় দলের মেডিকেল টিম ও ফিজিও। সেই মতোই আপাতত কন্ডিশনিং করছেন বরুণ। বরুণকে ফিল্ডিংয়ের সময় ডাইভ দিতেও নিষেধ করা হয়েছে। তিনি কোথায় ফিল্ডিং করবেন তাও ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, আইপিএলের ম্যাচে কোটার পুরো ওভার বল করার জন্য বরুণকে ব্যাথা নিরোধক ইঞ্জেকশন নিয়ে মাঠে নামতে হচ্ছে। তাসত্ত্বেও মাঠে তাঁর চলাফেরার অস্বস্তি নজর এড়াচ্ছে না। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের মেডিকেল টিম যদি মনে করে বরুণকে বিশ্বকাপের দলে রাখা ঠিক হবে না, তাহলে বিশ্বকাপের দরজা খুলে যেতে পারে যুজবেন্দ্র চাহালের।শুধু বরুণ চক্রবর্তীকে নিয়েই নয়, হার্দিক পান্ডিয়াকে নিয়েও চিন্তা ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের। আইপিএলে এখনও বোলিং করেননি মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের এই অলরাউন্ডার। টি২০ বিশ্বকাপে আদৌও তিনি বোলিং করতে পারবেন কিনা নিশ্চিত নয়। হার্দিকের মতোই সূর্যকুমার যাদবও ব্যাট হাতে চেনা ছন্দে নেই। এই অবস্থায় চিন্তা বাড়াচ্ছে বরুণ চক্রবর্তীর চোট।

অক্টোবর ০৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL Match : রাজস্থান রয়্যালসকে হারিয়ে প্লে অফের লড়াইয়ে থাকল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স

প্লে অফের ছাড়পত্রের জন্য দুই দলের কাছেই ছিল ডু অর ডাই লড়াই। রাজস্থান রয়্যালসকে ৮ উইকেটে হারিয়ে প্লে অফের লাইফ লাইন পেল গতবারের চ্যাম্পিয়ন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। অন্যদিকে, প্লে অফের স্বপ্ন শেষ রাজস্থান রয়্যালস। মুম্বইয়ের জয়ে অবদান রখলেন দলের বোলাররা। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জ্বলে উঠতে ব্যর্থ রাজস্থানে ব্যাটসম্যানরা। এদিন কুইন্টন ডিককের জায়গায় ইশান কিশান, ক্রূনাল পান্ডিয়ার পরিবর্তে জিমি নিশামকে প্রথম একাদশে সুযোগ দিয়েছিল মুম্বই টিম ম্যানেজমেন্ট। এবছর আইপিএলে প্রথম সুযোগ পেয়েই দুর্দান্ত বোলিং করেন জিমি নিশাম। নিজের প্রথম বলেই উইকেট নেন। পাশাপাশি রাজস্থান রয়্যালসকে বেঁধে রাখার দায়িত্বও কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন। ব্যাট করতে নেমে অবশ্য ভাল শুরু করেছিল রাজস্থান। ৩.৩ ওভারে ওঠে ২৭। রাজস্থানকে প্রথম ধাক্কা দেন কুল্টারনাইল। তুলে নেন যশস্বী জয়সোয়ালকে (১২)। এরপরই যশপ্রীত বুমরা তুলে নেন এভিন লুইসকে (১৯ বলে ২৪)। বুমরার বলে এলবিডব্লু হন তিনি। ডিআরএস নিয়েও বাঁচতে পারেননি। আগের ম্যাচে এভিন লুইস, যশস্বী জয়সোয়াল, শিবম দুবে, সঞ্জু স্যামসনদের দুরন্ত ব্যাটিং। আর মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জ্বলে উঠতে ব্যর্থ। রাজস্থানের মিডল অর্ডারে ধস নামান কুল্টারনাইল (৪/১৪০ ও জিমি নিশাম (৩/১২)। সঞ্জু স্যামসন (৩) ও শিবম দুবেকে (৩) তুলে নেন নিশাম। কুল্টারনাইল ফেরান গ্লেন ফিলিপকে (৪)। ৯.৪ ওভারে ৫০ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারিয়ে বড় রানের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায় রাজস্থান রয়্যালসের। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ৯০ রান তুলতে সমর্থ হয় সঞ্জু স্যামসনের দল। যশপ্রীত বুমরা নেন ২ উইকেট। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সামনে লক্ষ্যটা একেবারেই কঠিন ছিল না। রোহিত শর্মাদের কাছে একটাই চ্যালেঞ্জ ছিল যতটা সম্ভব কম ওভারের মধ্যে লক্ষ্যে পৌঁছে নেট রান রেট বাড়িয়ে নেওয়া। শুরুটা অবশ্য ততটা ভাল হয়নি মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের। ৩.২ ওভারে ২৩ রান তোলার ফাঁকেই হারাতে হয় অধিনায়ক রোহিত শর্মার (১৩ বলে ২২)। সূর্যকুমার যাদব (৮ বলে ১৩) এদিনও ব্যর্থ। তবে ২ ম্যাচ পর প্রথম একাদশে ফিরে দুর্দান্ত ব্যাট করেন ইশান কিশান। ৩টি ৬ এবং ৫টি ৪এর সাহায্যে ২৫ বলে ৫০ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। ৮.২ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ৯৪ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স।

অক্টোবর ০৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sunil G‌‌avaskar : বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পাওয়ায় তাগিদের অভাব সূর্য–ইশানের?‌

শেষ পর্যন্ত এবছর আইপিএলে প্লে অফের টিকিট জোগাড় করতে পারবে তো রোহিত শর্মার মুম্বই ইন্ডিয়ান্স? অনিশ্চয়তায় ভরা রোহিতদের ভাগ্য। গ্রুপ লিগের শেষ দুটি ম্যাচ শুধু জিতলেই হবে না, বাকি দলগুলির দিকেও তাকিয়ে থাকতে হবে। এইরকম কঠিন পরিস্থিতিতে কেন পড়তে হয়েছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে? বেশ কয়েকটি কারণ সামনে এসে পড়েছে। এর মধ্যে অন্যতম কারণ হল অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়ার বল করতে না পারা। পাশাপাশি সূর্যকুমার যাদব, ইশান কিশানের মতো ব্যাটারদের ব্যর্থতাও রয়েছে। এই কারণগুলির দিকে আলোকপাত করেছেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক সুনীল গাভাসকার। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ব্যর্থতা প্রসঙ্গে গাভাসকার বলেন, মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাছে সবথেকে বড় ধাক্কা হল হার্দিক পান্ডিয়ার বোলিং করতে না পারা। ওকে দলে নেওয়া হয়েছে অলরাউন্ডার হিসেবে। দলে থেকে যদি বোলিং না করে কেবলমাত্র ছয় কিংবা সাত নম্বরে ব্যাট করে তাহলে অধিনায়কের কাছে সমস্যার ব্যাপার। ছয় কিংবা সাত নম্বরে একজন অলরাউন্ডারের কথাই ভাবা হয়। হার্দিক বোলিং না করায় অধিনায়কের কাছে বিকল্প কমে যাচ্ছে। শুধু মুম্বইয়ের কাছে নয় ভারতীয় দলের কাছেও ওর বোলিং না করাটা বড় ধাক্কা। টি২০ বিশ্বকাপে ভারতীয় দলে সুযোগ পাওয়া দুই ক্রিকেটার সূর্যকুমার যাদব ও ইশান কিশানের পারফরমেন্সেও সন্তুষ্ট নন গাভাসকার। তাঁর মতে টি২০ বিশ্বকাপে জাতীয় দলে সুযোগ পেয়ে যাওয়ায় এই দুই ক্রিকেটারের মধ্যে তাগিদের অভাব দেখা দিচ্ছে। গাভাসকার বলেন, সুর্যকুমার ও ইশানকে আইপিএলে অনেকটাই রিল্যাক্স মনে হচ্ছে। এই দুই ক্রিকেটার কিছু অপ্রয়োজনীয় শট খেলছে। ওরা যে ভারতীয় দলের ক্রিকেটার সেটা বোঝাতে গিয়েই এই ধরণের বড় শট খেলার চেষ্টা করছে। শট নির্বাচনের ব্যাপারে সূর্যকুমার ও ইশানকে আরও সতর্ক হতে হবে। পাশাপাশি গাভাসকার আরও মনে করছেন, শট বাছাইয়ে ভুল হচ্ছে বলেই সূর্যকুমার ও ইশান রান পাচ্ছেন না। সূর্য এবারের আইপিএলের ১২ ম্যাচে ২২২ রান করেছেন। গড় ১৮.৫০, সর্বাধিক ৫৬। ইশান কিশান ৮ ম্যাচে মাত্র ১০৭ রান করেছেন। কিশান তো মুম্বই ইন্ডিয়ান্স দলের প্রথম একাদশেই ঠাঁই পাচ্ছেন না। সূর্যকুমার একটা ম্যাচে কিছুটা সফল হয়েছেন।

অক্টোবর ০৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌PL : চেন্নাই সুপার কিংসকে হারিয়ে শীর্ষে উঠে এল দিল্লি ক্যাপিটালস

প্লে অফের ছাড়পত্র আগেই এসে গেছে। সোমবার দুবাইয়ে শীর্ষ স্থান দখলের লড়াইয়ে নেমেছিল দিল্লি ক্যাপিটালস ও চেন্নাই সুপার কিংস। দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে ম্যাচটা আরও গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ হারলেই রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের সামনে দ্বিতীয় স্থানে ওঠার সুযোগ এসে যেত। বিরাট কোহলিদের সেই সুযোগ দিলেন না ঋষভ পন্থরা। চেন্নাই সুপার কিংসকে ৩ উইকেটে হারিয়ে শীর্ষ স্থানে উঠে এল দিল্লি ক্যাপিটালস। দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে রবিবার যে উইকেটে খেলা হয়েছিল, সেই উইকেটেই এদিন ম্যাচ ছিল দিল্লি ও চেন্নাইয়ের। আগের দিন মন্থর উইকেটে বড় ইনিংস গড়তে পারেনি সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। হায়দরাবাদের ১১৫ রান টপকাতে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্সকে। সেই উইকেটে চেন্নাই সুপার কিংসও বড় রান তুলতে ব্যর্থ। টস জিতে ধোনির দলকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান ঋষভ পন্থ। আনরিখ নর্টিয়ের প্রথম ওভারে ১৬ রান তোলেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ফাফ ডুপ্লেসি। আবেশ খানের পরের ওভারে ওঠে ১০। ২ ওভারে চেন্নাই তোলে ২৬। এরপরই থমকে যায় রান তোলার গতি। তৃতীয় ওভারে আউট হন ডুপ্লেসি (১০)। এক ওভার পরেই ফিরে যান ঋতুরাজ গায়কোয়াড় (১৩)। উথাপ্পা (১৯), মঈনরা (৫) ব্যর্থ হলেও দলকে টেনে নিয়ে যান অম্বাতি রায়ুডু। ৪৩ বলে ৫৫ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ধোনি ২৭ বলে করেন ১৮। ২০ ওভারে ১৩৬/৫ তোলে চেন্নাই সুপার কিংস। অক্ষর প্যাটেল ১৮ রানে ২ উইকেট নেন। নর্টিয়ে, আবেশ খান ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন ১টি করে উইকেট পান। ব্যাট করতে নেমে দিল্লিও শুরুতেই ধাক্কা খায়। ১২ বলে ১৮ রান করে ফিরে যান পৃথ্বী শ। শ্রেয়স আয়ারও (২) রান পাননি। ঋষভ পন্থ (১৫) ও রিপল প্যাটেল (১৮) কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। একের পর এক উইকেট পড়লেও শিখর ধাওয়ান একদিক ধরে রেখে লড়াই চালিয়ে যান। ৩৫ বলে ৩৯ রান করে তিনি শার্দূল ঠাকুরের বলে আউট হন। ১৩৭ রান তুলতেও একসময় চাপে পড়ে যায় দিল্লি ক্যাপিটালস। শেষ পর্যন্ত দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন শিমরণ হেটমায়ের। ১৮ বলে ২৮ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ২ বল বাকি থাকতে বাউন্ডারি মেরে দলকে জয় এনে দেন কাগিসো রাবাডা। এই জয়ের ফলে দিল্লি ক্যাপিটালসের পয়েন্ট ১৩ ম্যাচে ২০। চেন্নাই সুপার কিংসের ১৩ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট। ধোনিরা যদি শেষ ম্যাচে হেরে যান এবং বিরাট কোহলির রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর যদি দুটি ম্যাচেই জয়লাভ করে তাহলেই তিনে নেমে যেতে হবে চেন্নাই সুপার কিংসকে।

অক্টোবর ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Hardik Pandya : বিশ্বকাপে আদৌও বল করতে পারবেন?‌ হার্দিককে নিয়ে প্রশ্ন

আসন্ন টি২০ বিশ্বকাপে অলরাউন্ডার হিসেবে হার্দিক পান্ডিয়ার ওপর ভরসা করেছেন নির্বাচকরা। অথচ তাঁকে নিয়ে ইতিমধ্যেই উঠে গেছে প্রশ্ন। টি২০ বিশ্বকাপে আদৌও কি বল করতে পারবেন এই ভারতীয় অলরাউন্ডার?পিঠে চোটের জন্য আইপিএলে পরপর দুটি মরশুমে বোলিং করতে দেখা যায়নি হার্দিক পান্ডিয়াকে। দেশের হয়ে সাম্প্রতিককালে যে কটা ম্যাচ খেলেছেন, হাতো গোনা কয়েক ওভার বোলিং করেছেন। আইপিএলে নামার আগে শ্রীলঙ্কা সফরে গিয়েও উল্লেখযোগ্য পারফরম্যান্স করতে পারেননি হার্দিক। ব্যাটে রান ছিল না। বল হাতেও হতাশই করেছেন তিনটি একদিনের আন্তর্জাতিক ও একটি টি২০-তে। কোনওটিতেই কোটার পুরো ওভার তিনি বল করেননি। ব্যাট হাতেও ফর্ম বলার মতো নয়। তবুও তাঁকে অলরাউন্ডার হিসেবে পুরো ফিট বলে দাবি করে বিশ্বকাপের দলে রেখেছেন নির্বাচকরা। চলতি আইপিএলে তাঁকে বল হাতে না দেখে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন।মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হেড কোচ মাহেলা জয়বর্ধনে কিছুদিন আগে জানিয়েছিলেন, বোলার হার্দিককে এখনই ব্যবহার করা যাবে না। হার্দিকের ওয়ার্কলোডের কথা ভেবেই নাকি এই সিদ্ধান্ত। ভারতীয় দলের এই অলরাউন্ডার আইপিএলের ম্যাচে বোলিং করতে না পারলেও অবশ্য নেটে বোলিং করছেন। হার্দিক নিজেও বলেছেন, খুব শীঘ্রই ম্যাচে বোলিং করবেন। এই পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপে তিনি ব্যাটসম্যান না অলরাউন্ডার কোন ভূমিকায় থাকবেন তা স্পষ্ট নয়। ইতিমধ্যেই অলরাউন্ডার হিসেবে হার্দিককে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন শার্দুল ঠাকুর ও দীপক চাহার। কলকাতা নাইট রাইডার্সের ভেঙ্কটেশ আয়ারও সুযোগ পেয়ে নিজেকে মেলে ধরেছেন। রাজস্থান রয়্যালসের শিবম দুবেও অলরাউন্ডার হিসেবে বিশেষজ্ঞদের প্রশংসা আদায় করে নিয়েছেন। টি২০ বিশ্বকাপের দলে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত পরিবর্তন করা যাবে। কিন্তু ভারতীয় বোর্ড সূত্রের খবর, হার্দিককে টি২০ বিশ্বকাপের দল থেকে বাদ দেওয়া হবে না। কারণ এখনই দীপক চাহার, শার্দুল ঠাকুর, ভেঙ্কটেশ আয়ারদের ওপর ভরসা করতে পারছেন না নির্বাচকরা। নির্বাচকরা চাইছেন, ব্যাটসম্যান হিসেবেই দলে থাকুন হার্দিক। প্রয়োজন হলে তাঁকে দিয়ে ২৩ ওভার বল করানো যেতে পারে। আগামী বছর টি২০ বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে নতুন অধিনায়কের সঙ্গে অনেক নতুন মুখ দেখা যেতে পারে।

অক্টোবর ০৪, ২০২১
টুকিটাকি

Garlic: বহু সংকটের সহজ সমাধান রসুন

বহুগুণা রসুন। মাছ, মাংস, তরিতরকারি যা-ই রাঁধুন না কেন, রসুন লাগবে! হেঁশেলের নিত্য প্রয়োজনীয় এই উপাদান সাধারণত রান্নার স্বাদ বাড়াতে মশলা হিসাবেই ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এর বাইরেও রসুন যে নানা কাজে লাগতে পারে, তা জানেন কি? রসুনের এই রকমই অজানা কয়েকটি ভূমিকার কথাই রইল এখানে।১) হজমের সমস্যা:হজমের সমস্যায় ভোগেন? ওষুধ না খেয়ে ভরসা রাখুন রসুনে। ১ কোয়া রসুন থেঁতো করে নিন। এ বার সেটি একটি চামচে রেখে উপরে আধ চা চামচ মধু ছড়িয়ে রোজ সকালে খালি পেটে খান। উপকার পাবেনই।২) ব্রণর সমস্যা: মুখে ব্রণর সমস্যায় জেরবার? তাতেও মুশকিল আসান হতে পারে এক টুকরো রসুন। রসুনের প্রদাহ নিরোধক উপাদান ব্রণর ব্যথা সারায়। এমনকী, ত্বকের ছিদ্রে থাকা ব্যাক্টিরিয়াও তাড়ায়। তাই ব্রণ সারাতে এক কোয়া রসুন কেটে নিয়ে ব্রণর জায়গায় ঘষুন।৩) খুশকি তাড়াতে:মাথার ত্বকে খুশকি হয়েছে? খুশকি তাড়িয়ে চুলের চিটচিটে ভাব দূর করবে রসুনই। কয়েক কোয়া রসুন থেঁতো করে তার সঙ্গে একটু মধু ভাল করে মিশিয়ে নিন। এ বার মিশ্রণটি মাথার ত্বকে লাগিয়ে হাল্কা মালিশ করে ১৫ মিনিট রাখুন। তার পর শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে নিন।৪) মশা তাড়াতে:মশা মারতে কামান দাগতে হবে না। ঘরে চাই সামান্য রসুন। রসুনের ৬-৮টি কোয়া ভাল করে থেঁতো করে সামান্য জল দিয়ে সিদ্ধ করতে দিন। হাল্কা আঁচে মিশ্রণটি রাখুন। ঠান্ডা করে ছেঁকে স্প্রে বোতলে ভরে নিন। ঘরের যে যে জায়গায় মশার উৎপাত বেশি, সেখানে স্প্রে করুন এই মিশ্রণ।৫) ব্যথা নিরাময়ে:হাতে কাঠ বা কাচের কুচি ঢুকে গিয়েছে? খুব ছোট এই জিনিসেও কিন্তু প্রবল ব্যথা হয়। এটি বার করা বেশ শক্ত। তবে ঘরোয়া উপায়েই রয়েছে সমাধান। কাচ বা কাঠের কুচি ঢুকে যাওয়া জায়গাটির উপর আধখানা রসুন দিয়ে ভাল করে ব্যান্ডেজ করে নিন। কিছুক্ষণ পর নিজে থেকেই বেরিয়ে আসবে কাচের কুচি।

অক্টোবর ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌PL : শুভমানের ব্যাটে প্লে অফের অক্সিজেন পেল কলকাতা নাইট রাইডার্স

আইপিএলের প্রথম পর্বে তেমন ছন্দে ছিলেন না শুভমান গিল। তাঁকে নিয়ে চারিদিকে সমালোচনা শোনা যাচ্ছিল। ডু অর ডাই ম্যাচে জ্বলে উঠল শুভমানের ব্যাট। আর তাতেই সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে জয় কলকাতা নাইট রাইডার্সের। কেন উইলিয়ামসনের দলকে ৬ উইকেটে হারিয়ে প্লে অফের লাইফ লাইন পেল ইওয়িন মর্গ্যানের দল। অন্য দলগুলির তুলনায় কিছুটা হলেও সুবিধাজনক জায়গায় কলকাতা নাইট রাইডার্স। দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। শুরুতেই ধাক্কা খায়। ম্যাচের দ্বিতীয় বলেই টিম সাউদির ওভারে এলবিডব্লুউ হয়ে ফিরে যান ঋদ্ধিমান সাহা (০)। চতুর্থ ওভারে আউট জেসন রয় (১০)। দলকে টানার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। তিনি ২৬ রান করে আউট হন। প্রিয়ম গর্গ করেন ২১। মন্থর উইকেট ও কলকাতা নাইট রাইডার্সের বোলারদের আঁটোসাটো বোলিংয়ের জন্য সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ব্যাটারদের কাছে রান তোলার কাজ কঠিন হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১১৫ রান তোলে হায়দরাবাদ। দীর্ঘদিন পর প্রথম একাদশে সুযোগ পেয়ে দুরন্ত বল করেন নাইট রাইডার্সের অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। সুনীল নারাইন, বরুণ চক্রবর্তীরাও ধারাবাহিকতা বজায় রাখেন। জয়ের জন্য ১১৬ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন হওয়ার কথা ছিল না। তবে নাইট রাইডার্সের কাছে কঠিন হয়ে যায় মন্থর উইকেট ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদ বোলারদের দুরন্ত প্রত্যাবর্তনে। ম্যাচের ফয়সালা শেষ ওভারে হল উইকেটের কারণেই। ৪.৪ ওভারে দলের ২৩ রানের মাথায় জেসন হোল্ডারের বলে আউট হন ভেঙ্কটেশ আয়ারকে। ১৪ বলে ৮ রান করেন তিনি। সপ্তম ওভারের চতুর্থ বলে রশিদ খান ফেরান রাহুল ত্রিপাঠিকে। তিনি ৬ বলে ৭ রান করেন। এরপর নীতীশ রানা ও শুভমান গিল দলকে লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন। ১৬.৩ ওভারে গিল যখন আউট হন তখন নাইট রাইডার্সের জিততে প্রয়োজন ছিল ২২ রান। শুভমান গিলের উইকেটটি পান সিদ্ধার্থ কৌল। ১০টি চারের সাহায্যে ৫১ বলে ৫৭ রান করেন শুভমান। ১৮তম ওভারের শেষ বলে নীতীশ রানা ৩৩ বলে ২৫ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন। এরপর দলকে জয়ের দিকে টেনে নিয়ে যান দীনেশ কার্তিক ও ইওয়িন মর্গ্যান। কার্তিকের বাউন্ডারিতেই নাইটদের জয় নিশ্চিত হয়। ১২ বলে ১৮ রানে অপরাজিত থাকেন দীনেশ কার্তিক। ৪ ওভারে ৩২ রানের বিনিময়ে ২ উইকেট নেন জেসন হোল্ডার। উইকেট না পেলেও অভিষেক ম্যাচে গতিতে নজর কাড়েন জম্মু ও কাশ্মীরের পেসার উমরান মালিক। নাইট রাইডার্সের যে নেট রান রেট রয়েছে তাতে শেষ ম্যাচে রাজস্থান রয়্যালসকে হারালেই শেষ চারে জায়গা নিশ্চিত করে।

অক্টোবর ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL Match : পাঞ্জাব কিংসকে হারিয়ে প্লে অফ নিশ্চিত করল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স

প্লে অফের লড়াইয়ে দুই দলের কাছেই ম্যাচটা ছিল খুবই গুরুত্বপূ্র্ণ। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের তুলনায় পাঞ্জাব কিংসের কাছে গুরুত্ব অনেক বেশি। হারলেই প্লে অফের লড়াই থেকে অনেকটাই পিছিয়ে পড়বে লোকেশ রাহুলের দল। অন্যদিকে, জিতলেই আরও একবার প্লে অফ নিশ্চিত। শেষ পর্যন্ত বাজিমাত বিরাট কোহলিদের। পাঞ্জাব কিংসকে ৬ রানে হারিয়ে প্লে অফের টিকিট জোগাড় করে ফেলল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স অধিনায়ক বিরাট কোহলি। পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে শুরুটা খারাপ করেননি বিরাট কোহলি ও দেবদত্ত পাড়িক্কল। ওপেনিং জুটিতে ৯.৩ ওভারে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স তোলে ৬৮। হেনরিকসের বলে কোহলি (২৪ বলে ২৫) আউট হন। পরের বলেই হেনরিকস তুলে নেন ক্রিশ্চিয়ানকে (০)। এক ওভার পরেই হেনরিকসের বলেই আউট হন দেবদত্ত পাড়িক্কল (৩৮ বলে ৪০)। পরপর ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স। রান তোলার গতি কমে যায়। এরপরই শুরু হয় ম্যাক্সওয়েলের ঝড়। এবি ডিভিলিয়ার্সের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান ম্যাক্সওয়েল। জুটিতে ওঠে ৭৩ রান। ১৮ বলে ২৩ রান করে রান আউট হন ডিভিলিয়ার্স। ১৮.২ ওভারে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের রান তখন ১৪৬। শেষ ওভারে ৩ উইকেট হারায় বিরাট কোহলির দল। ৩৩ বলে ৫৭ রান করে আউট হন ম্যাক্সওয়েল। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৬৪ তোলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরজয়ের জন্য ১৬৫ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করেন পাঞ্জাব কিংসের দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও মায়াঙ্ক আগরওয়াল। ওপেনিং জুটিতে ১০.৪ ওভারে ওঠে ৯১। তখন মনে হচ্ছিল পাঞ্জাবের জয় শুধু সময়ের অপেক্ষা। লোকেশ রাহুল (৩৫ বলে ৩৯) ফিরতেই ধস পাঞ্জাব কিংসের ইনিংসে। নিকোলাস পুরান (৩), মায়াঙ্ক আগরওয়াল (৪২ বলে ৫৭), এইডেন মার্করাম (১৪ বলে ২০), সরফরাজ খানরা (০) দ্রুত আউট হয়ে যাওয়ায় চাপে পড়ে যায় পাঞ্জাব। সেই চাপ থেকে আর বেরিয়ে আসতে পারেনি। শাহরুখ খান (১১ বলে ১৬), মোজেস হেনরিকসরা (৯ বলে ১২) চেষ্টা করেও দলকে জয়ের সরণিতে পৌঁছে দিতে পারেননি। ২০ ওভারে ১৫৮/৬ রানে থেকে যায় পাঞ্জাব কিংসের ইনিংস। একই সঙ্গে প্লে অফের স্বপ্নও ক্রমশ ফিকে হয়ে গেল। ১৩ ম্যাচে ১০ পয়েন্টেই আটকে রইল পাঞ্জাব কিংস। প্লে অফে যেতে গেলে শুধু শেষ ম্যাচ জিতলেই হবে না, অন্য ম্যাচের দিকেও তাকিয়ে থাকতে হবে পাঞ্জাবকে। অন্যদিকে, ১২ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে প্লে অফ নিশ্চিত করল বিরাট কোহলির দল।

অক্টোবর ০৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌টি২০ ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরি করেও দলকে জেতাতে পারলেন না ঋতুরাজ

শেষ হয়েও হইল না শেষ। খাদের কিনারা থেকে উঠে এসে প্লে অফের লড়াইয়ে দারুণভাবে টিকে রইল রাজস্থান রয়্যালস। লিগ টেবিলেনর শীর্ষে থাকা চেন্নাই সুপার কিংসকে ৭ উইকেটে হারিয়ে জমিয়ে দিল আইপিএলের প্লে অফের লড়াই। যদিও সঞ্জু স্যামসনের দলের কাছে কাজটা যথেষ্ট কঠিন। কারণ নেট রান রেটে রাজস্থান রয়্যালস অনেকটাই পিছিয়ে। প্লে অফের ছাড়পত্র পেতে গেলে বাকি ম্যাচগুলোতে শুধু জিতলেই হবে না, অন্যদলগুলির দিকেও তাকিয়ে থাকতে হবে। ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের টি২০ কেরিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি জেতাতে পারল না চেন্নাইকে।রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে চেন্নাই সুপার কিংস যে হারতে পারে, কল্পনারও অতীত ছিল। কিন্তু ক্রিকেট যে মহান অনিশ্চয়তার খেলা। ২০ ওভারে ১৮৯/৩ রান তুলে রাজস্থানের সামনে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিল চেন্নাই। ১৫ বল বাকি থাকতে অবলীলায় সেই রান তুলে সঞ্জু স্যামসনরা বুঝিয়ে দিলেন তাঁদেরও ক্ষমতা আছে চেন্নাইকে হারানোর। টস জিতে চেন্নাইকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন সঞ্জু স্যামসন। ভাল শুরু করেছিলেন চেন্নাইয়ের দুই ওপেনার ডুপ্লেসি ও ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। ১৯ বলে ২৫ রান করে আউট হন ডুপ্লেসি। সুরেশ রায়না (৩), মঈন আলি (২১), অম্বাতি রায়ডুরা (২) ব্যর্থ হলেও দুর্দান্ত ব্যাট করেন ঋতুরাজ। আইপিএলের প্রথম পর্বে একের পর এক ম্যাচে ব্যর্থ হলেও তাঁর ওপর ভরসা হারাননি ধোনি। অধিনায়করে আস্থার মর্যাদা দিয়েই চলেছেন ঋতুরাজ। ৯টি বাউন্ডারি ও ৫টি ছয়ের সাহায্যে ৬০ বলে ১০১ রানে তিনি অপরাজিত থাকেন। ইনিংসের শেষ বলে বিশাল ছক্কা হাঁকিয়ে আইপিএল তথা টি২০ কেরিয়ারে প্রথম শতরানটি পান ঋতুরাজ। এই ইনিংস খেলার ফাঁকে চলতি আইপিএলে সর্বাধিক রানের মালিক হয়ে কমলা টুপি নিজের দখলে নিলেন। রবীন্দ্র জাদেজা অপরাজিত থাকেন ১৫ বলে ৩২ রান করে। জাদেজা ৪টি চার ও ১টি ছয় মারেন।জয়ের জন্য ১৯০ রানের লক্ষ্য একেবারেই সহজ ছিল না রাজস্থানের সামনে। কিন্তু শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করে দলকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান রাজস্থানের দুই ওপেনার এভিন লুইস (১২ বলে ২৭) ও যশস্বী জয়সোয়াল (২১ বলে ৫০)। ওপেনিং জুটিতে ৫.১ ওভারে ওঠে ৭৭। পরপর দুই ওপেনার ফিরে গেলেও চাপে পড়েনি রাজস্থান। দুরন্ত ব্যাট করে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন তরুণ ক্রিকেটার শিবম দুবে। তিনি ৪২ বলে ৬২ রান করে অপরাজিত থাকেন। গ্লেন ফিলিপ ৮ বলে ১৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন ২৪ বলে করেন ২৮। ১৭.৩ ওভারে ১৯০/৩ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় রাজস্থান। ১২ ম্যাচে রাজস্থানের পয়েন্ট ১০।

অক্টোবর ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL: নেতা হিসেবে চূড়ান্ত ব্যর্থ, মর্গ্যানকে সরানোর জোরালো দাবি উঠল

আইপিএলের প্রথম পর্বে একের পর এক ব্যর্থতায় নেতৃত্ব ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন দীনেশ কার্তিক। অধিনায়কের ব্যাটন তুলে দেওয়া হয়েছিল ইওয়িন মর্গানের হাতে। তাঁর নেতৃত্বেও যে কলকাতা নাইট রাইডার্স একটুও বদলায়নি, ইতিমধ্যেই প্রমানিত। দ্বিতীয় পর্বের শুরুতে পরপর দুটি ম্যাচ জিতলেও নাইটদের প্লে অফের ভাগ্য এখন অন্য দলের ওপর নির্ভর করছে। আর সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে ব্যর্থ অধিনায়ক ইওয়িন মর্গান। একে তো ব্যাটে রান নেই, তার ওপর নেতা হিসেবেও দলকে উজ্জীবিত করতে চূড়ান্ত ব্যর্থ। আইপিএলে ৮ দলের অধিনায়কদের মধ্যে সবথেকে খারাপ হাল মর্গ্যানের। ১১ ইনিংসে তাঁর রান ২,০, ৮, ৭, ০, ০, ৪৭, ০, ৭, ২৯, ৭, ০। মোট ১০৯। গড় ১০.৯০, স্ট্রাইক রেট ১০০.৯২। আইপিএলে ইওয়িন মর্গ্যানের চেয়ে খারাপ গড় কোনও অধিনায়কের নেই। আইপিএলের অধিনায়ক হিসেবে খারাপ গড়ের পরিসংখ্যান বলছে, ২০১২ সালের আইপিএলে হরভজন সিংয়ের ব্যাটিং গড় ছিল ১২। ২০০৯ সালে শেন ওয়ার্নের ১৩.৫। পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ব্যর্থতার পর মর্গ্যানের দশা সেগুলির চেয়েও খারাপ। তার উপর রবিচন্দ্রন অশ্বিনের সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়ে অনেকের কাছেই চক্ষুশূল হয়েছেন। নাইট রাইডার্স অধিনায়কের একের পর এক ব্যর্থতায় তাঁকে সরানোর দাবিও ইতিমধ্যে উঠতে শুরু করেছে। অধিনায়ক মর্গ্যানের একর পর এক ব্যর্থতায় অস্বস্তি বাড়ছে নাইট শিবিরেও। মর্গ্যান কার্যত দলের বোঝা হিসেবেই প্রতিপন্ন হয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে তাঁকে দল থেকে বাদ দেওয়ার দাবিও উঠেছে।সোশ্যাল মিডিয়ায় মর্গ্যানকে উদ্দেশ্য করে নানা কটাক্ষ ভেসে উঠেছে। কেউ কেউ টুইট করে বলেছেন যে, মর্গ্যান আসন্ন টি২০ বিশ্বকাপে ভারতের মহেন্দ্র সিং ধোনির মতোই ইংল্যান্ডের মেন্টরের ভুমিকা পালন করুন। কেউ কেই আবার লিখেছেন, পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে মর্গ্যানের ব্যর্থতা দেখে নিশ্চিতভাবেই খুশি হবেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। হাইভোল্টেজ ম্যাচে স্টাম্প লক্ষ্য করে বল করে সামি ক্রিকেটীয় স্পিরিট ভেঙেছেন কিনা প্রশ্নও নাইট অধিনায়কের সামনে রেখেছেন নেটাগরিকরা। কেউ কেউ আবার মর্গ্যানের নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা আছে কিনা তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। এরপরেও কি অধিনায়ক সরানোর পথে হাঁটবে নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট?

অক্টোবর ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL: পাঞ্জাব কিংসের কাছে হেরে প্লে অফের জটিল সমীকরণের সামনে নাইট রাইডার্স

শেষ পর্যন্ত প্লে অফের ছাড়পত্র পাবে তো কলকাতা নাইট রাইডার্স? ইওয়িন মর্গানের দলের ওপর অনিশ্চয়তার মেঘ ঘনিয়ে এসেছে। আর এই মেঘের ঘনঘটা তৈরি করে দিয়েছে লোকেশ রাহুলের পাঞ্জাব কিংস। শুক্রবার পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে জিতলেই প্লে অফের দিকে অনেকটাই এগিয়ে যেত নাইটরা। কিন্তু ৫ উইকেটে হেরে দিল্লি ক্যাপিটালসের প্লে অফের রাস্তা পরিস্কার করে দেওয়ার পাশাপাশি পাঞ্জাব কিংসের সম্ভাবনাও তৈরি করেছে। আর নিজেদের ভবিষ্যত ঠেলে দিয়েছে অনিশ্চয়তার দিকে।পাঞ্জাব কিংসের কাছে হেরে প্লে অফের জটিল সমীকরণের সামনে দাঁড়িয়ে কলকাতা নাইট রাইডার্স। এই মুহূর্তে ১২ ম্যাচে ১০ পয়েন্টে দাঁড়িয়ে নাইটরা। পাঞ্জাব কিংসেরও ১২ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ১১ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট। কিন্তু নেট রান রেটে পাঞ্জাব ও মুম্বইয়ের থেকে এগিযে নাইটরা। চেন্নাই সুপার কিংস ও দিল্লি ক্যাপিটালস ইতিমধ্যেই পৌঁছে গেছে প্লে অফে। চেন্নাইয়ের ১১ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট। দিল্লির ১১ ম্যাচে ১৬। এই দুটি দলকে বাকি দলগুলি ধরতেই পারবে না। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের ১১ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট। প্লে অফের ছাড়পত্র পেতে গেলে লিগের বাকি দুটি ম্যাচ জিততেই হবে নাইটদের। পাশাপাশি তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য দলগুলির দিকে। নাইটদের এত জটিল সমীকরণের সামনে পড়তে হত না, যদি পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ম্যাচ জিততে পারত। শুক্রবার লোকেস রাহুলের অধিনায়কোচিত অর্ধশতরানের পর শাহরুখ খানের ছক্কায় নাটকীয় শেষ ওভারে জয় পাঞ্জাবের। তিন বল বাকি থাকতে নাইটদের ৫ উইকেটে হারিয়ে আইপিএলের পয়েন্ট তালিকায় পাঁচে উঠে এসে প্লে অফের লড়াই জমিয়ে দিয়েছে পাঞ্জাব কিংস। ভেঙ্কটেশ আয়ারের শেষ ওভারে দরকার ছিল ৫ রান। প্রথম বলে এক রান নেন শাহরুখ খান। দ্বিতীয় বলে আউট হন লোকেশ রাহুল। চারটি চার ও দুটি ছয়ের সাহায্যে ৫৫ বলে ৬৭ রান করে আউট হন তিনি। তৃতীয় বলে ছক্কা হাঁকিয়ে দলকে জেতান শাহরুখ। একটি চার ও দুটি ছয় মেরে ৯ বলে ২২ রানে অপরাজিত থাকেন।জয়ের জন্য ১৬৬ রানের লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে দারুণ ছন্দে শুরু করেন পাঞ্জাব কিংসের দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও মায়াঙ্ক আগরওয়াল। তিনটি চার ও তিনটি ছক্কার সাহায্যে ২৭ বলে ৪০ রান করেন ময়াঙ্ক আগরওয়াল। ৭০ রানের মাথায় প্রথম উইকেট পড়ে পাঞ্জাবের। নিকোলাস পুরাণ ৭ বলে ১২ রান করে বরুণ চক্রবর্তীর দ্বিতীয় শিকার। ১৫.৩ ওভারে আউট হন এইডেন মার্করাম, তিনি করেন ১৬ বলে ১৮। দীপক হুডা চার বলে ৩ রান করে আউট হন। ১৬.৩ ওভারে হুডা আউট হওয়ার পর পাঞ্জাবের স্কোর দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ১৩৪।শেষ দুই ওভারে জেতার জন্য পাঞ্জাবের প্রয়োজন ছিল ১২ বলে ১৫ রান। ১৯তম ওভারে বল করতে আসেন শিবম মাভি। প্রথম বলে চার মারেন লোকেশ রাহুল। পরের বলে কোনও রান হয়নি। তৃতীয় বলে লোকেশ রাহুলের শট ঝাঁপিয়ে পড়ে তালুবন্দি করেন রাহুল ত্রিপাঠি। তিনি পরিষ্কারভাবে ক্যাচ নেওয়ার কথা বললেও আম্পায়াররা তৃতীয় আম্পায়ারের দ্বারস্থ হন। যদিও রিপ্লেতে দেখা যায় বল ত্রিপাঠির হাতে জমা পড়ার আগে মাটি স্পর্শ করেছিল। ফলে জীবন পান রাহুল। যদিও এই আউট নিয়ে আম্পায়ারিংয়ের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ১৯তম ওভারের শেষ বলে রাহুল চার মারায় শেষ ওভারে জয়ের জন্য পাঞ্জাবের প্রয়োজন ছিল ৫ রান। তিন বল বাকি থাকতেই ম্যাচ জিতে নেয় পাঞ্জাব কিংস। বরুণ চক্রবর্তী দুটি উইকেট নেন ৪ ওভারে ২৪ রানের বিনিময়ে। একটি করে উইকেট নেন শিবম মাভি, সুনীল নারিন ও আয়ার।টস হেরে ব্যাট করতে নেমে কলকাতা নাইট রাইডার্স করেছিল ৭ উইকেটে ১৬৫। সর্বাধিক ৬৭ রান করেন ভেঙ্কটেশ আয়ার। রাহুল ত্রিপাঠি ৩৪ ও নীতীশ রানা ৩১ রান করেন। অর্শদীপ সিং ৩২ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট দখল করেন। রবি বিষ্ণোই দুটি এবং মহম্মদ শামি একটি উইকেট দখল করেন। পাঞ্জাব কিংস কলকাতা নাইট রাইডার্সকে হারিয়ে দেওয়ায় চলতি আইপিএলের দ্বিতীয় দল হিসেবে প্লে অফে জায়গা পাকা হয়ে গেল দিল্লি ক্যাপিটালসের।

অক্টোবর ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে গেলে গভীর সঙ্কটে গতবারের চ্যাম্পিয়ন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স

এবারের আইপিএলে প্লে অফের ছাড়পত্র পাবে না গতবারের চ্যাম্পিয়ন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স? আশঙ্কার কালো মেঘ ঘনিয়ে এসেছে রোহিত শর্মার দলের ওপর। শনিবার দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে ৪ উইকেটে হেরে গভীর সঙ্কটে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ব্যাটারদের ব্যর্থতাই ডুবিয়েছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে।টস জিতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন দিল্লি অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে ব্যাট হাতে নিজেকে একেবারেই মেলে ধরতে পারেননি রোহিত শর্মা। এদিনও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। দ্বিতীয় ওভারেই আবেশ খানের বলে রাবাডার হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন রোহিত (৭)। কুইন্টন ডিকক (১৯) ও সূর্যকুমার যাদব (৩৩) সাময়িক প্রতিরোধ গড়ে তুললেও যথেষ্ট ছিল না। দুজনকেই তুলে নেন অক্ষর প্যাটেল। সৌরভ তেওয়ারি করেন ১৫। তিনিও অক্ষর প্যাটেলের শিকার। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মিডল অর্ডারে ভাঙন ধরান অক্ষর। ৪ ওভারে ২১ রানে ৩ উইকেট তুলে নেন তিনি। আবেশ খানও দুর্দান্ত বোলিং করেন। ১৫ রানে তিনি নেন ৩ উইকেট। এই দুই বোলারের দাপটে ২০ ওভারে ১২৯/৯ রানের বেশি তুলতে পারেনি মুম্বই ইন্ডিয়ান্স।দিল্লির জয় অবশ্য সহজে আসেনি। জয়ের জন্য ১৩০ রানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়। ১৫ রান ওঠার ফাঁকেই ফিরে যান দুই ওপেনার শিখর ধাওয়ান (৮) ও পৃথ্বী শ (৬)। ৯ রান করে কুল্টারনাইলের বলে বোল্ড হন স্টিভ স্মিথ। এরপর দলকে কিছুটা টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক ঋষভ পন্থ (২২ বলে ২৬) ও শ্রেয়স আয়ার। অক্ষর প্যাটেল (৯), শিমরণ হেটমায়েররা (১৫) দ্রুত ফিরে গেলে চাপে পড়ে যায় দিল্লি। এরপর অবিচ্ছেদ্য জুটিতে দলের জয় নিশ্চিত করেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও শ্রেয়স আয়ার। শ্রেয়স আয়ার ৩৩ বলে ৩৩ এবং রবিচন্দ্রন অশ্বিন ২১ বলে ২০ রানে অপরাজিত থাকেন। ক্রুণাল পাণ্ডিয়ার শেষ ওভারের প্রথম বলে ছয় মেরে ম্যাচ জেতান অশ্বিন।শনিবার মুম্বইয়র বিরুদ্ধে খেলতে নামার আগেই প্লে অফ নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল দিল্লি ক্যাপিটালসের। ১১ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে আপাতত পয়েন্ট তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রইল দিল্লি। নেট রান রেটে চেন্নাই সুপার কিংসের থেকে পিছিয়ে ঋষভরা পন্থরা। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ১২ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে রইল ষষ্ঠ স্থানে। প্লে অফে ওঠা কঠিন হয়ে পড়ল রোহিতদের সামনে।

অক্টোবর ০২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

১৬ মাস পর মুখোমুখি মোদী-ট্রাম্প! করমর্দনের সেই মুহূর্ত ঘিরে তুমুল জল্পনা

জি-৭ সম্মেলনের মঞ্চে দীর্ঘ ১৬ মাস পর মুখোমুখি হলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার ফ্রান্সের এভিয়ানে সম্মেলনের ঐতিহ্যবাহী ফটো পর্বের সময় দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতা হয়। করমর্দনের সেই মুহূর্ত ঘিরে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।সম্মেলনে অংশ নিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতারা যখন অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছচ্ছিলেন, তখনই মোদী ও ট্রাম্পকে কথা বলতে দেখা যায়। কিছুক্ষণ কথোপকথনের পর তাঁরা একসঙ্গে ফটো পর্বেও অংশ নেন। দীর্ঘদিন পর দুই নেতার এই মুখোমুখি সাক্ষাৎ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক মহলের একাংশ।জানা গিয়েছে, বুধবার জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে মোদী ও ট্রাম্পের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। তার আগেই এই সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতা দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।উল্লেখ্য, এর আগে দুই নেতার শেষ মুখোমুখি বৈঠক হয়েছিল গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়েছিলেন। এরপর বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হলেও দুই নেতা একাধিকবার টেলিফোনে কথা বলেছেন।গত কয়েক মাসে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নানা কারণে আলোচনায় ছিল। বাণিজ্য শুল্ক, কৌশলগত সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত কয়েকটি বিষয়ে দুই দেশের অবস্থান নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে একই সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার বিষয়েও দুই দেশ আগ্রহ দেখিয়েছে।কূটনৈতিক সূত্রের মতে, বুধবারের বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, প্রযুক্তি এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে। বিশেষ করে দুই দেশের মধ্যে চলমান বাণিজ্য কাঠামো এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার রূপরেখা বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে পারে।প্রসঙ্গত, ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর আমন্ত্রণে এবারের জি-৭ সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। সঙ্গী দেশ হিসেবে ভারত একাধিকবার এই সম্মেলনে আমন্ত্রিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক কূটনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে বিবেচিত এই সম্মেলনে ভারতের উপস্থিতি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।এখন সকলের নজর বুধবারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের দিকে। দীর্ঘ ১৬ মাস পর মুখোমুখি সাক্ষাতের পর দুই দেশের সম্পর্ক কোন নতুন পথে এগোয়, তা জানতেই আগ্রহী আন্তর্জাতিক মহল।

জুন ১৬, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে বড়সড় জঙ্গি চক্র ফাঁস! একসঙ্গে গ্রেপ্তার ৭, তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য

রাজধানী দিল্লিতে একটি সন্দেহভাজন জঙ্গি নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযান চালিয়ে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে দিল্লি পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতরা দেশের বিভিন্ন জায়গায় নাশকতার পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসমূলক কার্যকলাপ, অস্ত্র ও মাদক পাচার এবং সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহের অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারীদের দাবি, একটি আন্তর্জাতিক চক্রের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ ছিল এবং সেই সূত্রে বিভিন্ন বেআইনি কার্যকলাপ চালানো হত।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে বলে পুলিশের দাবি, সীমান্তবর্তী এলাকা ব্যবহার করে অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং মাদক পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছিল। পরে সেগুলি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দেওয়া হত। সম্প্রতি গোয়েন্দা সূত্রে তথ্য পাওয়ার পরই শুরু হয় নজরদারি এবং তল্লাশি অভিযান।অবশেষে দিল্লি পুলিশের বিশেষ শাখার অভিযানে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপরই রাজধানী এবং আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল স্থানে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি।তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোন এবং অন্যান্য বৈদ্যুতিন যন্ত্রে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। কিছু সংবেদনশীল স্থানের ছবি এবং তথ্যও উদ্ধার হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। সেগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।উল্লেখ্য, এর আগেও রাজধানীতে নাশকতার সম্ভাবনা ঘিরে কয়েকজন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সেই ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে। তার মধ্যেই নতুন করে এই গ্রেপ্তারি নিরাপত্তা সংস্থাগুলির উদ্বেগ বাড়িয়েছে।পুলিশের দাবি, গোটা ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, এই চক্রের সঙ্গে আর কারা যুক্ত এবং তাদের সম্ভাব্য পরিকল্পনা কতদূর এগিয়েছিল।এই ঘটনার পর রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করা হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রাখছে প্রশাসন এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলি।

জুন ১৬, ২০২৬
কলকাতা

একুশের আগে বড় ধাক্কার ছক? তৃণমূলের প্রতীক নিয়েই কি আদালতে যাচ্ছেন সুদীপরা!

একুশে জুলাই তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। দীর্ঘদিন ধরে এই দিনটিকে দলের শক্তি প্রদর্শনের অন্যতম বড় মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। তবে এবার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। ক্ষমতা হারানোর পর দলীয় অন্দরে বিভাজন, বিদ্রোহ এবং নেতৃত্ব নিয়ে জটিলতার আবহে একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি নিয়েই তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।এই আবহের মধ্যেই নতুন রাজনৈতিক জল্পনার জন্ম দিলেন তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের অন্যতম প্রবীণ সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। বিদ্রোহী সাংসদদের একটি বড় অংশ সম্প্রতি নতুন রাজনৈতিক দল এনসিপিআই-তে যোগ দিয়েছেন। ফলে অনেকেই মনে করেছিলেন, তাঁরা তৃণমূলের নাম, প্রতীক বা সম্পত্তির দাবি থেকে সরে এসেছেন। কিন্তু সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক মন্তব্য সেই ধারণায় নতুন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।দিল্লি থেকে ফেরার পর তিনি বলেন, দলের প্রতীক, সম্পত্তি এবং ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক অবস্থান নিয়ে কী পদক্ষেপ করা হবে, তা এখনও আলোচনার বিষয়। তাঁর অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, এই ধরনের বিষয় শেষ পর্যন্ত আদালতেই নিষ্পত্তি হয়। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই মন্তব্যের মধ্যেই ভবিষ্যতের আইনি লড়াইয়ের ইঙ্গিত রয়েছে।সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, অন্য রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার পরও কীভাবে তৃণমূলের প্রতীক বা সম্পত্তির দাবি তোলা সম্ভব? রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, লোকসভা ও বিধানসভার বিক্ষুব্ধ শিবিরকে একত্র করার চেষ্টা চলছে। যদি বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলির মধ্যে সমঝোতা তৈরি হয়, তাহলে ভবিষ্যতে দলীয় প্রতীক ও সাংগঠনিক অধিকার নিয়ে নতুন দাবি উঠতে পারে।সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ও জানিয়েছেন, বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছে। কীভাবে সবাই একসঙ্গে বসবে, কীভাবে ভবিষ্যতের রূপরেখা তৈরি হবে এবং নতুন দলের রাজনৈতিক কর্মসূচি কী হবে, তা নিয়ে একাধিক বৈঠক হয়েছে। তাঁর দাবি, বিষয়টি ইতিমধ্যেই অনেক দূর এগিয়েছে এবং বিধানসভা স্তরেও একই ধরনের প্রস্তুতি চলছে।আগামী কুড়ি জুলাই সংসদের অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা। তার আগেই বিদ্রোহী শিবির নিজেদের অবস্থান আরও স্পষ্ট করতে চাইছে বলে রাজনৈতিক সূত্রের খবর। সুদীপ জানিয়েছেন, প্রথম ধাপের কাজ শেষ হয়েছে। এখন পরবর্তী পর্যায়ের প্রস্তুতি চলছে এবং অধিবেশন শুরুর আগেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।তবে এই জল্পনায় জল ঢেলেছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, বিদ্রোহী সাংসদরা ইতিমধ্যেই নতুন দলে যোগ দিয়েছেন এবং তাঁদের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে আলাদা করে কোনও তথ্য তাঁর কাছে নেই। ফলে দুই পক্ষ একসঙ্গে আসবে কি না, তা নিয়ে এখনও স্পষ্ট ছবি সামনে আসেনি।একুশে জুলাইয়ের আগে এই রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়েই এখন তীব্র আগ্রহ তৈরি হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। বিশেষ করে দলীয় প্রতীক, সম্পত্তি এবং সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন কোনও আইনি লড়াই শুরু হয় কি না, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১৬, ২০২৬
কলকাতা

সুমিত কোথায়? গ্রেফতারি পরোয়ানার পর এবার লুক আউট নোটিস, চাপে অভিষেকের ঘনিষ্ঠ সহকারী

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহকারী সুমিত রায়কে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হল। তাঁর বিরুদ্ধে আগে থেকেই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল। এবার তাঁকে খুঁজে না পাওয়ায় লুক আউট নোটিস জারি করল রাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থা। এর ফলে দেশের কোনও বন্দর, বিমানবন্দর বা সীমান্ত দিয়ে দেশ ছাড়ার চেষ্টা করলে তাঁকে আটক করা হতে পারে।গত কয়েক দিন ধরে সুমিত রায়ের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। তদন্তকারীরা কলকাতার একাধিক জায়গায় খোঁজ চালানোর পাশাপাশি কালীঘাটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও পৌঁছেছিলেন। সেখানে তল্লাশি চালানো হলেও সুমিতের কোনও হদিস মেলেনি। হুগলির শ্রীরামপুরে তাঁর শ্বশুরবাড়িতেও খোঁজ করা হয়, কিন্তু সেখানেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।এরপর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, সুমিত রায় কোথায় রয়েছেন। তদন্তের অগ্রগতি থমকে যাওয়ায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ আদালতের দ্বারস্থ হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার আবেদন জানায়। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে।অন্যদিকে, গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পরই সুমিত রায় কলকাতা হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে তিনি ব্যক্তিগতভাবে আদালতে উপস্থিত হননি। তাঁর আবেদন নিয়ে চলতি সপ্তাহেই শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।তদন্ত সূত্রে খবর, এই পরিস্থিতিতে সুমিত রায়ের বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। সেই কারণেই গোয়েন্দা সংস্থা অভিবাসন কর্তৃপক্ষের কাছে লুক আউট নোটিস জারির আবেদন করে। সেই আবেদন অনুমোদিত হওয়ায় এখন থেকে দেশের যে কোনও আন্তর্জাতিক প্রবেশ বা প্রস্থান কেন্দ্রে তাঁর নাম সতর্কতামূলক তালিকায় থাকবে।উল্লেখ্য, প্রতারণা এবং জমি সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে সুমিত রায়ের নাম উঠে এসেছে তদন্তে। এই মামলায় এক প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ককে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাঁর নাম সামনে আসে বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি। তারপর থেকেই তাঁকে খুঁজছে পুলিশ।এখন সবার নজর, সুমিত রায় কোথায় এবং তদন্তকারীরা কবে তাঁর নাগাল পান। একই সঙ্গে আদালতে তাঁর আগাম জামিনের আবেদনের শুনানিও বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

জুন ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে জিতেই বিপাকে ইরান! ম্যাচ শেষ হতেই দেশ ছাড়ার নির্দেশ, ক্ষোভ ফুটবলারদের

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ভালো পারফরম্যান্সের পরই নতুন বিতর্কে জড়াল ইরান ফুটবল দল। দলের অভিযোগ, ম্যাচ শেষ হওয়ার পর পর্যাপ্ত বিশ্রাম বা পুনরুদ্ধারের সময় না দিয়েই তাদের দ্রুত যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে বলা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ফুটবলার এবং কোচিং স্টাফের সদস্যরা।সূত্রের খবর, বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের জন্য ইরান দলকে সীমিত সময়ের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। সেই কারণে ম্যাচ ছাড়া বাকি সময় তারা অন্য দেশে অবস্থান করছে এবং সেখানেই অনুশীলন চালাচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ম্যাচের পর যুক্তরাষ্ট্রেই একটি রাত কাটানোর কথা ছিল দলের। কিন্তু ম্যাচ শেষ হওয়ার পর পরিস্থিতি বদলে যায় বলে দাবি ইরান শিবিরের।দলের অভিযোগ, ম্যাচ শেষ হতেই তাদের দ্রুত রওনা হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপরই ইরান দলকে মেক্সিকোর তিজুয়ানায় ফিরে যেতে হয়। সেখানেই বর্তমানে তাদের বেস ক্যাম্প রয়েছে।ইরানের প্রধান কোচ আমির ঘালেনোই এই ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, খেলোয়াড়দের জন্য ম্যাচের পর বিশ্রাম ও পুনরুদ্ধারের সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সেই সুযোগ দেওয়া হয়নি। তিনি দাবি করেন, এই সিদ্ধান্তে দলের প্রস্তুতি এবং শারীরিক অবস্থার উপর প্রভাব পড়তে পারে।কোচ আরও বলেন, শুরুতে যে পরিকল্পনা ছিল, তাতে ম্যাচের আগে এবং পরে নির্দিষ্ট সময় যুক্তরাষ্ট্রে থাকার কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা বাস্তবায়িত হয়নি। কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।বিশ্বকাপ শুরুর আগে ইরান শিবির জানিয়েছিল, তারা মাঠের বাইরের বিতর্কে জড়াতে চায় না। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আলোচনা শুরু হয়েছে। দলের একাংশের মতে, তাদের প্রতি আলাদা ধরনের আচরণ করা হচ্ছে।অন্যদিকে, অধিনায়ক মেহদি তারেমি নাকি এই বিষয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি।বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। ইরানের অভিযোগের পর পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর ফুটবলপ্রেমীদের।

জুন ১৬, ২০২৬
কলকাতা

স্পিকারের ভূমিকায় প্রশ্নচিহ্ন! আদালতের পর্যবেক্ষণে বাড়ল রাজনৈতিক চাপ

বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম নিয়ে চলা আইনি লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করল কলকাতা হাই কোর্ট। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে স্পিকারের সিদ্ধান্ত এবং তাঁর ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তোলে আদালত। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও জানতে চান, বিধানসভার অধিবেশন না ডেকে কীভাবে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল এবং স্পিকার কীভাবে নিশ্চিত হলেন যে বিরোধী শিবিরের কোন পক্ষের সমর্থন বেশি।শুনানির সময় বিচারপতি বলেন, বিরোধী দলনেতার নাম প্রস্তাব আকারে স্পিকারের কাছে জমা পড়ার পর তাঁর সাংবিধানিক দায়িত্ব কী ছিল, তা স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। আদালতের প্রশ্ন, প্রধান বিরোধী দলের পক্ষ থেকে কোনও নাম পাঠানো হলে স্পিকার কি তা গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন?রাজ্যের পক্ষে অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য আদালতে জানান, বিরোধী শিবিরের ভিতরে মতবিরোধ থাকায় স্পিকারকে সবদিক বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। তিনি উদাহরণ হিসেবে অন্য একটি রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথাও তুলে ধরেন, যেখানে বিরোধী দলের নেতৃত্ব নিয়ে দীর্ঘদিন অনিশ্চয়তা ছিল।তবে আদালত এই যুক্তিতে পুরোপুরি সন্তুষ্ট হয়নি। বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, যদি একই দলের দুই পক্ষ আলাদা দাবি জানায়, তাহলে সেই ক্ষেত্রে স্পিকারের ক্ষমতার সীমা কোথায়? তিনি কি নিজে থেকেই কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, নাকি বিধানসভার নিয়ম মেনেই তা নির্ধারণ করতে হবে?শুনানিতে আরও উঠে আসে সই জালিয়াতির অভিযোগের প্রসঙ্গ। রাজ্যের আইনজীবী জানান, বিরোধী শিবিরের দুই বিধায়ক সই জাল করার অভিযোগ তুলেছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তও শুরু হয়। তবে বিচারপতি জানতে চান, তদন্ত শুরু হওয়ার আগে বিরোধী দলনেতার নাম নিয়ে স্পিকার কেন কোনও সিদ্ধান্ত নিলেন না।আদালতের পর্যবেক্ষণে স্পষ্ট, এই মামলায় স্পিকারের ভূমিকা এবং তাঁর সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রয়োজন। বিচারপতি বলেন, মূল প্রশ্ন হল, বিরোধী দলনেতার নাম প্রস্তাব হওয়ার পরও স্পিকার দীর্ঘ সময় কোনও সিদ্ধান্ত না নিয়ে অপেক্ষা করলেন কেন।এদিনের শুনানিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। মামলার পরবর্তী শুনানি বুধবার নির্ধারিত হয়েছে। ফলে এখন রাজনৈতিক মহলের নজর আগামী দিনের শুনানির দিকে। আদালত কী পর্যবেক্ষণ দেয় এবং এই মামলার ভবিষ্যৎ কোন দিকে এগোয়, তা নিয়েই জল্পনা তুঙ্গে।

জুন ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মাঠে বাঁশি বাজিয়ে কোটি টাকা! বিশ্বকাপের রেফারিদের আয় শুনলে চোখ কপালে উঠবে

বিশ্বকাপের মঞ্চে ফুটবলারদের পারফরম্যান্স যেমন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে, তেমনই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন রেফারিরা। একটি সিদ্ধান্ত কখনও ম্যাচের ফল বদলে দিতে পারে। সেই কারণেই তাঁদের কাজ সবসময় কঠোর নজরদারির মধ্যে থাকে। তবে অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে, বিশ্বকাপে ম্যাচ পরিচালনা করে একজন রেফারি কত টাকা আয় করেন?তথ্য অনুযায়ী, আগের বিশ্বকাপে রেফারিরা নির্দিষ্ট পারিশ্রমিক হিসেবে প্রায় সত্তর হাজার মার্কিন ডলার পেয়েছিলেন। এর পাশাপাশি প্রতি ম্যাচ পরিচালনার জন্য আলাদা অর্থ দেওয়া হত। ম্যাচের গুরুত্ব এবং রেফারির অভিজ্ঞতার উপর সেই অঙ্ক নির্ভর করত। সহকারী রেফারি এবং ভিডিও সহায়ক রেফারিরাও উল্লেখযোগ্য পারিশ্রমিক পেতেন।এবার সেই অঙ্ক আরও বেড়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, বিশ্বকাপে দায়িত্ব পাওয়া রেফারিরা এককালীন প্রায় এক লক্ষ মার্কিন ডলার পর্যন্ত পেতে পারেন। এর পাশাপাশি প্রতিটি ম্যাচ পরিচালনার জন্যও আলাদা পারিশ্রমিক থাকবে। প্রতিযোগিতার শেষ দিকে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ পরিচালনা করলে সেই আয় আরও বাড়বে। হিসাব অনুযায়ী, ফাইনাল-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ পরিচালনা করা কোনও রেফারির মোট আয় কয়েক কোটি টাকায় পৌঁছতে পারে।বিশ্বকাপে এবার শুধু পারিশ্রমিকই নয়, প্রযুক্তিতেও এসেছে বড় পরিবর্তন। রেফারিদের চোখের কাছে একটি বিশেষ ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে। এই অত্যাধুনিক যন্ত্রের সাহায্যে দর্শকেরা সরাসরি দেখতে পারবেন, ম্যাচ চলাকালীন রেফারি ঠিক কী দেখছেন এবং কোন পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রযুক্তি রেফারির কাজকে আরও স্বচ্ছ করে তুলবে। দ্রুতগতির খেলায় সিদ্ধান্ত নেওয়া কতটা কঠিন, তা বোঝার সুযোগও পাবেন দর্শকেরা। এই বিশেষ ক্যামেরা উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সাহায্যে পরিচালিত হয় এবং রেফারির দৌড় বা নড়াচড়ার সময়ও স্থির চিত্র ধারণ করতে সক্ষম।এছাড়া রেফারিদের কানে থাকে বিশেষ যোগাযোগ ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে তাঁরা সহকারী রেফারি এবং ভিডিও সহায়ক রেফারিদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখতে পারেন। মাঠে কোনও বিতর্কিত পরিস্থিতি তৈরি হলে দ্রুত মতামত বিনিময় করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।সব মিলিয়ে, এবারের বিশ্বকাপে রেফারিদের দায়িত্ব যেমন বেড়েছে, তেমনই বেড়েছে তাঁদের আয় এবং প্রযুক্তিগত সুবিধাও। ফলে ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরে এবার নতুনভাবে আলোচনায় উঠে এসেছেন ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা এই গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা।

জুন ১৬, ২০২৬
কলকাতা

সাড়ে ছয় ঘণ্টার জেরা শেষে সরাসরি কালীঘাটে! ভবানী ভবন থেকে বেরিয়েই কোথায় গেলেন অভিষেক?

ডিজে মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া মামলায় মঙ্গলবার দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দুপুর থেকে শুরু হওয়া জেরা চলে টানা প্রায় সাড়ে ছয় ঘণ্টা। সন্ধ্যা ছটা পঁচিশ মিনিট নাগাদ ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে তিনি সরাসরি কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান।সূত্রের খবর, সেখানে দলের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক চলছিল। ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে সেই বৈঠকেই যোগ দেন অভিষেক। যদিও জিজ্ঞাসাবাদ নিয়ে সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নের উত্তর দেননি তিনি।উল্লেখ্য, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় বিজেপিকে উদ্দেশ করে করা একটি মন্তব্য ঘিরেই বিতর্কের সূত্রপাত। একটি জনসভায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ফল ঘোষণার দিন রবীন্দ্রসঙ্গীতের সঙ্গে ডিজেও বাজবে। সেই মন্তব্যের ভাষা ও প্রেক্ষাপট নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। অভিযোগ ওঠে, ওই বক্তব্যের মধ্যে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে পরোক্ষ হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল।এর পরেই অভিষেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়। প্রথমে বিষয়টি বিধাননগর সাইবার থানায় নথিভুক্ত হলেও পরে তদন্তভার যায় সিআইডির হাতে। গত সপ্তাহে তদন্তকারীরা তাঁর বাড়িতে গিয়ে হাজিরার নোটিস দেন। সেই নোটিসের ভিত্তিতেই মঙ্গলবার ভবানী ভবনে উপস্থিত হন তিনি।দুপুর বারোটা নাগাদ জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। তদন্তকারীরা বক্তব্যের প্রেক্ষাপট, উদ্দেশ্য এবং বিভিন্ন সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করেন বলে সূত্রের খবর। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই জেরার পর সন্ধ্যায় ভবানী ভবন ছাড়েন অভিষেক।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর একাধিক মামলায় তদন্তকারী সংস্থার মুখোমুখি হতে হয়েছে তাঁকে। বিভিন্ন মামলায় সিআইডি ও অন্যান্য সংস্থা ইতিমধ্যেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। রাজনৈতিক মহলের নজর এখন এই মামলার পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। ভবিষ্যতে তাঁকে আবারও ডাকা হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

জুন ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal