• ৩ মাঘ ১৪৩২, রবিবার ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

INDIA

রাজ্য

পুর ভোটের জন্য ১৫ হাজার ইভিএম দেবে নির্বাচন কমিশন

রাজ্যে পর্যাপ্ত ইভিএম নেই। তাই ১০৮ টি পুরসভায় এক দফায় ভোট করা সম্ভব নয়। আদালতে এমনটাই জানিয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। ইভিএম চেয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে চিঠিও লেখা হয়েছিল। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই এবার ইভিএম দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল কমিশন। রাজ্যে পুরভোটের জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে ১৫ হাজার ইভিএম পাঠানো হবে বলে জানা গিয়েছে।তবে সেই সব ইভিএমের সঙ্গে ভিভিপ্যাট থাকছে না। কলকাতা পুরভোটের সময় ভিভিপ্যাট ছাড়াই ভোট হয়েছিল। বাকি পুরসভার ভোটেও থাকছে না ভিভিপ্যাট। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি চার পুরনিগমের ভোট রয়েছে। সেখানে লাগছে ৩ হাজার ৪০০ ইভিএম। কিন্তু তারপরই রয়েছে বাকি ১০৮ পুরসভার ভোট।সেই ভোটের জন্য পর্যাপ্ত ইভিএম ছিল না। তাই জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেয় রাজ্য নির্বাচন কমিশন। কয়েকদিন আগে কেন্দ্রীয় কমিশন জানিয়ে দিয়েছে যে তারা ইভিএম দেবে। সূত্রের খবর সেই ইভিএম আর কয়েকদিনের মধ্যেই রাজ্যে আসছে।

জানুয়ারি ২১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌কার ওপর নির্ভর করছে সিরিজে ভারতের সমতা ফেরানোর ভাগ্য?‌

টেস্ট সিরিজের পর একদিনের সিরিজেও কি হারতে হবে ভারতকে? পার্লের বোল্যান্ড পার্কে প্রথম ম্যাচে হারে সেই আশঙ্কাই তৈরি হয়েছে ভারতীয় দলের সামনে। সিরিজ বাঁচাতে গেলে ঘুরে দাঁড়ানো ছাড়া রাস্তা নেই লোকেশ রাহুলদের। সমতা ফরানোর জন্য ব্যাটারদের দিকেই তাকিয়ে ভারতীয় দলের অন্তর্বর্তীকালীন অধিনায়ক। সিরিজের প্রথম ম্যাচে পরাজয় ভারতীয় দলকে নিয়ে একগুচ্ছ প্রশ্ন তুলে দিয়ে গেছে। অধিনায়ক লোকেশ রাহুল পর্যন্ত প্রথম ম্যাচের পর মেনে নিয়েছেন ব্যাটারদের ব্যর্থতার জন্যই ডুবতে হয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার তেম্বা বাভুমা ও রাসি ভ্যান ডার ডুসেন মিডল অর্ডারে যেরকম বড় পার্টনারশিপ গড়ে তুলেছিলেন, ভারতীয় দলের মিডল ও লোয়ার মিডল অর্ডারে সেরকম বড় কোনও পার্টনারশিপ গড়ে ওঠেনি। শিখর ধাওয়ান ও বিরাট কোহলি আউট হওয়ার পর ধস নামে ভারতীয় শিবিরে। সব থেকে বড় কথা, ২০১৯ বিশ্বকাপের পর ২ বছরেও বেশি সময় অতিক্রান্ত, এখনও চার নম্বর জায়গায় উপযুক্ত ব্যাটার খুঁজে পেল না ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে ঋষভ পন্থকে খেলানো হয়েছিল। তিনিও ব্যর্থ।প্রশ্ন উঠেছে প্রথম ম্যাচে লোকেশ রাহুলের নেতৃত্ব নিয়েও। হার্দিক পান্ডিয়ার পরিবর্তে অলরাউন্ডার হিসেবে ভেঙ্কটেশ আয়ারকে দলে নেওয়া হয়েছে। অথচ প্রথম ম্যাচে তাঁকে ১ ওভারও বল দেওয়া হয়নি। বুমরা, অশ্বিনরা যখন বাভুমাডুসেনের জুটি ভাঙতে পারছিলেন না, তখন ভেঙ্কটেশকে দেখে নিতেই পারতেন লোকেশ রাহুল। মাঠের মধ্যে ভারতীয় ক্রিকেটারদের বডি ল্যাঙ্গুয়েজও ইতিবাচক ছিল না। তার ওপর পরের দিকে উইকেট মন্থর হয়ে যাওয়ায় ভারতীয় ব্যাটারদের শট খেলতেও অসুবিধা হয়েছে। সিরিজে সমতা ফেরাতে গেলে ব্যাটারদের যেমন দায়িত্ব নিতে হবে, জ্বলে উঠতে হবে বোলারদেরও। বিশেষ করে দুই স্পিনারকে বাড়তি দায়িত্ব নিতে হবে। বোলিং বিভাগে কোনও পরিবর্তনের সম্ভাবনা না থাকলেও ব্যাটিং অর্ডারে বদল আসার সম্ভাবনা রয়েছে। সূর্যকুমার যাদবকে প্রথম একাদশে খেলানোর ভাবনা টিম ম্যানেজমেন্টের। একটা ম্যাচে ব্যর্থ বলে ভেঙ্কটেশ আয়ারকেও আবার বসানোর পক্ষপাতি নয় টিম ম্যানেজমেন্ট। সব মিলিয়ে প্রথম একাদশ নির্বাচন নিয়ে দ্বিধা রয়েছে। তবে ঘুরে দাঁড়াতে গেলে ভারতীয় ব্যাটারদের বাড়তি দায়িত্ব নিতেই হবে। পাশাপাশি সঠিক পরিকল্পনা করতে হবে লোকেশ রাহুলকেও।

জানুয়ারি ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

নেতৃত্ব ছেড়েও রানে কোহলি, তবু হার ভারতের

অধিনায়ক হিসেবে প্রথম ম্যাচে কতটা নম্বর পাবেন লোকেশ রাহুল? ৭ বছর পর সাধারণ ক্রিকেটার হিসেবে মাঠে নেমে কতটা জ্বলে উঠতে পারবেন বিরাট কোহলি? নেতার আর্মব্যান্ড পরে মাঠে নেমে প্রথম ম্যাচে দলকে জয় এনে দিতে পারলেন না লোকেশ রাহুল। তবে ব্যাট হাতে জ্বলে উঠলেন বিরাট কোহলি। মরণবাঁচন ম্যাচে রান শিখর ধাওয়ানেরও। তবু জয় অধরা থেকে গেল ভারতের। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজের প্রথম ম্যাচেই হারতে হল ৩১ রানে।জাতীয় দলের অধিনায়ক হিসেবে টস ভাগ্য এদিন সহায় ছিল না লোকেশ রাহুলের। পার্লের বোল্যান্ড পার্কের মন্থর উইকেটের কথা মাথায় রেখে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা। পঞ্চম ওভারেই ধাক্কা খায় প্রোটিয়ারা। যশপ্রীত বুমরার বলে ঋষভ পন্থের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন জ্যানম্যান মালান। ১০ বলে তিনি করেন ৬। এরপর দলকে ধীরে ধীরে টেনে নিয়ে যান কুইন্টন ডিকক ও অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা। ১৬তম ওভারে রবিচন্দ্রন অশ্বিনের প্রথম বলেই বোল্ড হন ডিকক। ৪১ বলে ২৭ রান করে তিনি আউট হন। ২ ওভার পরেই ভেঙ্কটেশ আয়ারের দুর্দান্ত থ্রোতে রান আউট হন এইডেন মার্করাম (৪)।৬৮ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। সেখান থেকে দলকে টেনে নিয়ে যান তেম্বা বাভুমা ও ভ্যান ডার ডুসেন। দুজনে দারুণ পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন। অশ্বিন, চাহাল, বুমরারা এই দুই প্রোটিয়া ব্যাটারকে টলাতে পারছিলেন না। অশ্বিন, চাহালদের একের পর এক সুইপ করে নির্বিষ করে দেন বাভুমা ও ডুসেন। এই দুই প্রোটিয়া ব্যাটার যখন উইকেটে জমে গিয়েছেন তখন জুটি ভাঙতে কেন ভেঙ্কটেশ আয়ারকে লোকেশ রাহুল ব্যবহার করলেন না, বোধগম্য নয়। চতুর্থ উইকেটের জুটিতে বাভুমা ও ডুসেন তোলেন ২০৪। ১৩৩ বলে একদিনের ক্রিকেটে জীবনের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন বাভুমা। ৮৩ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ডুসেন। অবশেষে জুটি ভাঙেন যশপ্রীত বুমরা। তুলে নেন বাভুমাকে। ১৪৩ বলে ১১০ রান করে আউট হন প্রোটিয়া অধিনায়ক। ভ্যান ডার ডুসেনও জীবনের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি পেলেন। ৯৬ বলে ১২৯ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ৫০ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকা ৪ উইকেটে তোলে ২৯৬। ৪৮ রানে ২ উইকেট নেন বুমরা। ৫৩ রানে ১ উইকেট নেন অশ্বিন।ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করেছিলেন ভারতের দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও শিখর ধাওয়ান। এদিন পার্টটাইম অফস্পিনার এইডেন মার্করামের হাতে নতুন বল তুলে দিয়ে চমক দিয়েছিলেন প্রোটিয়া অধিনায়ক বাভুমা। তাঁর হাত ধরেই প্রথম সাফল্য পায় দক্ষিণ আফ্রিকা। নবম ওভারে তুলে নেন লোকেশ রাহুলকে (১২)। এরপর বাইশ গজে আগমন বিরাট কোহলির। শিখর ধাওয়ানের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ ধাওয়ানের কাছে অগ্নিপরীক্ষা। ব্যর্থ হলেই দল থেকে বাদ পড়ার সম্ভাবনা জোরালো হয়ে উঠবে। মরণবাঁচন ম্যাচে রীতিমতো জ্বলে উঠলেন ধাওয়ান। ৮৪ বলে ৭৯ রান করে তিনি কেশব মহারাজের বলে বোল্ড হন। ধাওয়ান আউট হওয়ার ৩ ওভারে পরেই ফেরেন বিরাট কোহলি। ৬৩ বলে ৫১ রান করে তিনি তাবরেজ শামসির বলে বাভুমার হাতে ক্যাচ দেন। কোহলি আউট হওয়ার পরপরই ধস নামে ভারতীয় ইনিংসে। শ্রেয়স আয়ার (১৭), ঋষভ পন্থরা (১৬) ব্যর্থ। জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক ম্যাচে রান পেলেন না ভেঙ্কটেশ আয়ারও (২)। শেষ দিকে শার্দূল ঠাকুর (অপরাজিত ৫০) জ্বলে উঠলেও জয় অধরা থেকে যায় ভারতের। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ২৬৫/৮ রান তোলে ভারত। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে এনগিডি, শামসি ও ফেলুকায়ো ২টি করে উইকেট নেন।

জানুয়ারি ১৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

একদিনের সিরিজে নামছে ভারত, ৭ বছর পর শুধুই ব্যাটার‌ কোহলি

কদিন আগেই লাল বলের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বিরাট কোহলি। তার আগেই অবশ্য একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে তাঁকে সরিয়ে দিয়েছিলেন নির্বাচকরা। দীর্ঘ ৭ বছর পর আবার নেতৃত্বের আর্ম ব্যান্ড ছাড়াই মাঠে নামবেন কোহলি, সাধারণ ব্যাটার হিসেবে। নেতৃত্বের চাপমুক্ত হয়ে কোহলি কতটা জ্বলে উঠতে পারেন, সেদিকেই তাকিয়ে আপামর ক্রিকেটপ্রেমী। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে শুধু কোহলির দিকেই নয়, ক্রিকেট প্রেমীদের নজর লোকেশ রাহুলের দিকেও। চোটের জন্য রোহিত শর্মা ছিটকে যাওয়ায় নেতৃত্বের দায়িত্ব লোকেশ রাহুলের কাঁধে। অনেকেই ভবিষ্যতের নেতা হিসেবে তাঁকেই দেখতে শুরু করেছেন। এই অবস্থায় দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজ রাহুলের কাছে অগ্নিপরীক্ষা। তাঁর নেতৃত্বের দিকে নজর থাকবে সকলেরই। কোহলির কাছ থেকে কতটা সাহায্য পান সেটাও দেখার। লোকেশ রাহুলেন কাছে যেমন নেতৃত্বের অগ্লিপরীক্ষা, তেমনি ব্যাটার হিসেবে পরীক্ষায় বসতে হচ্ছে শিখর ধাওয়ানকেও। দীর্ঘিদন ব্যাটে রান নেই ভারতীয় দলের এই ওপেনারের। ঋতুরাজ গায়কোয়াড় জায়গা নেওয়ার জন্য তৈরি। এই অবস্থায় দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে রান না পেলে দলে জায়গা ধরে রাখাই কঠিন হয়ে যাবে শিখর ধাওয়ানের কাছে। ২০২৩ বিশ্বকাপের লক্ষ্যে এখন থেকেই দল তৈরি করে নেওয়াই লক্ষ্য ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের। শক্তির বিচারে এগিয়ে থেকেই মাঠে নামবে ভারত। রোহিত শর্মা না থাকায় লোকেশ রাহুল ওপেন করবেন। ম্যাচের আগের দিন সাংবাদিক সম্মেলনে সেই ইঙ্গিতও দিয়ে গেছেন ভারতীয় দলের অন্তর্বর্তীকালীন কোচ। তিনি বলেন, দলের প্রয়োজনে ৪৫ নম্বরেও ব্যাটিং করেছি। কিন্তু এই সিরিজে রোহিত নেই। তাই ওপেন করব। পুরো সিরিজের কথা না ভেবে আপাতত এক একটা ম্যাচ ধরে এগোতে চান লোকেশ রাহুল। মহেন্দ্র সিং ধোনি, বিরাট কোহলির মতো অধিনায়কদের অধীনে খেলেছেন। তাঁদের কাছে যা শিখেছেন, সেটাই কাজে লাগাতে চান। পার্লের বোল্যান্ড পার্কের উইকেটে স্পিনাররা সাহায্য পেতে পারেন। তাই দুই স্পিনার নিয়ে মাঠে নামার পরিকল্পনা ভারতীয় শিবিরের। রবিচন্দ্রন অশ্বিনের সঙ্গে যুজবেন্দ্র চাহাল। দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে দলে সুযোগ পাননি হার্দিক পান্ডিয়া। অলরাউন্ডার হিসেবে অভিষেক হতে চলেছে ভেঙ্কটেশ আয়ারের। লোকেশ রাহুলের সঙ্গে ওপেন করবেন শিখর ধাওয়ান। তিনে বিরাট কোহলি, চারে সূর্যকুমার যাদব, পাঁচে ঋষভ পন্থ। তিন জোরে বোলার দীপক চাহার, শার্দূল ঠাকুর কিংবা ভুমনেশ্বর কুমার ও যশপ্রীত বুমরা।

জানুয়ারি ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে খেলতে পারবেন রোহিত?‌

বুধবার থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে মাঠে নামছে ভারত। এই সিরিজেই একদিনের ক্রিকেটে নেতা হিসেবে অভিষেক হওয়ার কথা ছিল রোহিত শর্মার। একদিনের সিরিজে পার্লের বোল্যান্ড পার্কে ভারতীয় দল যখন অনুশীলনে ব্যস্ত, মাঠে ফেরার লক্ষ্যে জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে লড়াই চালাচ্ছেন রোহিত। আপাতত চোট থেকে অনেকটাই সেরে উঠেছেন। ফেব্রুয়ারিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে আর্ম ব্যান্ড হাতে তাঁকে বাইশ গজে দেখার সম্ভাবনা প্রবল। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে উড়ে যাওয়ার আগে মুম্বইয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন রোহিত। অনুশীলনের সময় বাঁ পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পান। চোটের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকা সফর থেকে ছিটকে যান। তাঁর পরিবর্তে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব তুলে দেওয়া হয় লোকেশ রাহুলের হাতে। আর সহঅধিনায়ক করা হয় যশপ্রীত বুমরাকে। ভারতীয় দল দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে রওনা হওয়ার পর রোহিত শর্মার ঠাঁই হয় জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে। সেখানেই তাঁর রিহ্যাব চলছে। অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠেছেন ভারতীয় দলের এই ওপেনার।৬ ফেব্রুয়ারি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজ শুরু। তার আগেই রোহিত পুরো ফিট হয়ে যাবেন বলে মনে করছেন ভারতীয় বোর্ডের কর্তারা। বোর্ডের একটি সূত্র জানিয়েছে, জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে রোহিতের রিহ্যাব প্রক্রিয়া দারুণভাবে হচ্ছে। ৬ ফেব্রুয়ারি আমেদাবাদে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজ শুরু। হাতে এখনও প্রায় ৩ সপ্তাহ সময় আছে। আশা করছি তার আগেই রোহিত সম্পূর্ণ ফিট হয়ে যাবে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ শুরুর আগে রোহিতকে ফিটনেস টেস্ট দিতে হবে। যদি বোর্ডের ফিজিও মনে করেন রোহিত পুরো ফিট রয়েছেন, তবেই তিনি সিরিজে খেলতে পারবেন।

জানুয়ারি ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

টেস্ট দলের অধিনায়ক হতে চান?‌ কী বললেন বুমরা

ভারতীয় টেস্ট দলের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বিরাট কোহলি। তার জায়গায় লাল বলের ক্রিকেটের নেতৃত্ব কার হাতে তুলে দেওয়া হবে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে তুমুল জল্পনা। লড়াইয়ে যেমন রয়েছেন রোহিত শর্মা, তেমনই রয়েছেন লোকেশ রাহুলও। ভেসে উঠছে যশপ্রীত বুমরার নামও। তাঁর সামনে যদি সুযোগ আসে, দেশকে নেতৃত্ব দিতে তৈরি বুমরা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ শেষ। বুধবার থেকে শুরু একদিনের সিরিজ। তার আগে সোমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন যশপ্রীত বুমরা। আপাতত তিনি এই সিরিজের জন্য সহ অধিনায়কের দায়িত্বে রয়েছেন। সোমবার ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে বুমরা বলেন, আমার সামনে যদি ভারতীয় দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ আসে, দায়িত্ব নেওয়ার জন্য তৈরি। আমার মনে হয় কোনও ক্রিকেটারই প্রত্যাখান করবে না। আমি যে কোনও লিডারশিপ গ্রুপে অবদান রাখার জন্য মুখিয়ে রয়েছি।দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে কেপ টাউন টেস্টের পরই যে কোহলি নেতৃত্ব ছাড়বেন স্বপ্নেও ভাবেনি ভারতীয় শিবির। সেই কথা জানা গেছে বুমরার মুখে। তিনি বলেন, কোহলি নেতৃত্ব ছাড়ায় আমরা সকলেই অবাক হয়েছিলাম। কেপ টাউন টেস্টে হারের পর ড্রেসিংরুমে টিম মিটিংয়েই জানায় যে, ও আর টেস্টে অধিনায়ক থাকবে না। তবে এটা সিদ্ধান্ত একান্তই ওর ব্যক্তিগত। কোহলির এই নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্তকে গোটা দল শ্রদ্ধা করে। তবে একটা কথা বলতে পারি, কোহলির নেতৃত্বে খেলতে পেরে আমি গর্বিত। ওর নেতৃত্বেই আমার টেস্ট অভিষেক হয়েছিল। দলের মধ্যে কোহলি অন্যরকম এনার্জি নিয়ে এসেছে। খাতায়কলমে নেতৃত্বে না থাকলেও কোহলি আমাদের দলে নেতা হয়েই থাকবে। কোহলি নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেও দলে এর কোনও প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছেন যশপ্রীত বুমরা। তিনি বলেন, আমার মনে হয় না কোহলি নেতৃত্ব ছাড়ায় দলে এর কোনও প্রভাব পড়বে। নিজেরা একে অপরকে সাহায্য করার জন্য সবসময় তৈরি থাকি। কেউ না কেউ দায়িত্ব নেওয়ার জন্য তৈরি। যদি আমার সামনে সুযোগ আসে অবশ্যই ভাবব। তবে কখনও নেতৃত্বের পেছনে ছুটব না।

জানুয়ারি ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

টেস্ট ক্রিকেটেও শেষ বিরাট অধ্যায়, নেতৃত্ব ছাড়লেন কোহলি

ভারতীয় ক্রিকেট দলের হয়ে আর কোনও ধরণের ফরম্যাটে নেতৃত্বে দেখা যাবে না বিরাট কোহলিকে। লাল বলের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকেও এবার সরে দাঁড়ালেন তিনি। টুইট করে তিনি টেস্ট ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেছেন। এবার ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে টেস্ট ক্রিকেটের জন্য নতুন নেতা বেছে নিতে হবে।গতবছর টি২০ বিশ্বকাপের আগে টি২০ ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেছিলেন বিরাট কোহলি। তাঁর এই সিদ্ধান্তে চমকে গিয়েছিল গোটা ক্রিকেট বিশ্ব। গত বছর ডিসেম্বরে কোহলিকে একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেন নির্বাচকরা। এই নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। টি২০ ক্রিকেটের নেতৃত্ব ছাড়া নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলিকে মিথ্যেবাদী প্রতিপন্ন করতে চেয়েছিলেন কোহলি। তিনি বলেছিলেন, তাঁর নেতৃত্ব ছাড়ার বিষয়ে বোর্ড প্রেসিডেন্ট সব জানতেন। কিন্তু সৌরভ গাঙ্গুলি পরে বিবৃতি দেন, কোহলির নেতৃত্ব ছাড়ার বিষয়ে তিনি একেবারেই অন্ধকারে ছিলেন। এই নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়।🇮🇳 pic.twitter.com/huBL6zZ7fZ Virat Kohli (@imVkohli) January 15, 2022বোর্ড সচিব জয় শাহ থেকে শুরু করে নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান চেতন শর্মা পর্যন্ত সৌরভের পক্ষে দাঁড়িয়ে বিবৃতি দেন। কোহলি টি২০ ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোয় নির্বাচকরা চাননি সাদা বলের ক্রিকেটে দুজন নেতা রাখতে। তাই একদিনের নেতৃত্ব থেকে কোহলিকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ভারতীয় ক্রিকেটে ক্রমশ কোনঠাসা হয়ে পড়েন কিং কোহলি। তাছাড়া রাহুল দ্রাবিড়কে কোচ করে কোহলিকে অন্য বার্তাও দিতে চেয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। টেস্ট ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে কোহলির সরে দাঁড়ানোটা যে শুধু সময়ের অপেক্ষা, সেটা পরিস্কার হয়ে গিয়েছিল। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে সিরিজ হারার পরপরই টেস্ট ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেন কোহলি।টুইটারে নেতৃত্ব ছাড়ার কথা ঘোষণা করে কোহলি লিখেছেন, কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও উদ্যমের সাথে দলকে সঠিকভাবে চালনা করার চেষ্টা করেছি। সততা বজায় রেখেই নিজের কর্তব্য পালন করেছি। সব কিছুরই পরিসমাপ্তি থাকে। আমার ক্ষেত্রেও ছিল। আমার এই যাত্রাপথে নিশ্চিতভাবেই ওঠানামা ছিল। কিন্তু প্রয়াসে কোনও কমতি ছিল না। সবসময় লক্ষ্য থাকে ১২০ শতাংশ দেওয়া। সবসময় স্বচ্ছতা বজায় রেখে চলেছি। সততার প্রশ্নে কখনও আপোষ করিনি।গত ৭ বছর ধরে তাঁর ওপর আস্থা রাখায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন কোহলি। টুইটারে তিনি লিখেছেন, দীর্ঘদিন দেশকে নেতৃত্বের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। সতীর্থ, সাপোর্ট স্টাফদের জন্যই আমার এই সফর স্মরণীয় ও সুন্দর হয়েছে। দেশের টেস্ট ক্রিকেট যে জায়গায় পৌঁছেছে তার জন্য প্রাক্তন কোচ রবি শাস্ত্রী ও অন্যান্য সাপোর্ট স্টাফদের বড় ভুমিকা রয়েছে। অধিনায়ক হিসেবে আমার প্রতি আস্থা রাখার জন্য মহেন্দ্র সিং ধোনিকে ধন্যবাদ।

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ইতিহাস তৈরি করতে ব্যর্থ কোহলিরা, ভারত নেমে গেল পাঁচে

পটভূমি তৈরি হয়েও ইতিহাস সৃষ্টি হল না। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে সিরিজ জয় অধরাই থেকে গেল ভারতের কাছে। কেপ টাউনে তৃতীয় টেস্টে ৭ উইকেটে দুরন্ত জয় ছিনিয়ে নিল দক্ষিণ আফ্রিকা। সেঞ্চুরিয়নে প্রথম টেস্ট হেরে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন জোহানেসবার্গে। আর কেপ টাউনে এসে সিরিজ জয়। ২০১৮ সালের পুনরাবৃত্তি ৪ বছর পরেও।আরও পড়ুনঃ এবার পাড়ায় সমাধান-এর প্রতিশ্রুতি তৃণমূলেরতৃতীয় দিন ঋষভ পন্থের দুরন্ত সেঞ্চুরি আশা জাগিয়েছিল ভারতীয় শিবিরে। কিন্তু দিনের শেষ বেলায় এলগার, পিটারসেনদের ব্যাটিংয়ে অ্যাডভান্টেজ পজিশনে চলে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। বিশেষজ্ঞরা পর্যন্ত মনে করছিলেন কেপ টাউনে চতুর্থ ইনিংসে ২১২ রান তাড়া করা যথেষ্ট কঠিন হবে। পরিসংখ্যানও সেই ইঙ্গিত দিচ্ছিল। বিশেষজ্ঞদের ভবিষ্যতবানীকে বুড়ো আঙুল দেখালেন প্রোটিয়া ব্যাটাররা। এর আগে ওয়ান্ডারার্সে যত টেস্ট হয়েছে, ২০০ রান তাড়া করে মাত্র তিনটি টেস্টে জয় এসেছে। ৬টি ড্র। আর ১৪ বার পরাজয় স্বীকার করতে হয়েছে রান তাড়া করা দলকে।আরও পড়ুনঃ কোভিড পরীক্ষা নিয়ে নয়া নির্দেশিকা জারি রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরেরজয়ের জন্য ২১২ রান তাড়া করতে নেমে তৃতীয় দিনের শেষে দক্ষিণ আফ্রিকার রান ছিল ১০১/২। শেষ দিনে জয়ের জন্য দরকার ছিল ১১১ রান। চতুর্থ দিন শুরু থেকেই দুরন্ত ছন্দে ব্যাট করতে থাকেন কিগান পিটারসেন ও ভ্যান ডার ডুসেন। তৃতীয় উইকেটের জুটিতে ৫৪ রান তুলে ভারতকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেন দুজনে। ৫৯ রানের মাথায় বুমরার বলে স্লিপে পিটারসেনের ক্যাচ ফেলেন চেতেশ্বর পুজারা। শেষ পর্যন্ত ৮২ রান করে শার্দূল ঠাকুরের বল ব্যাটের কানায় লাগিয়ে বোল্ড হন পিটারসেন। দক্ষিণ আফ্রিকার রান তখন ১৫৫। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির সময় প্রোটিয়াদের রান ছিল ১৭১/৩। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির কিছুক্ষণ পরই ৬৩.৩ ওভারে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা (২১২/৩)। ৯৫ বলে ৪১ রান করে অপরাজিত থাকেন ভ্যান ডার ডুসেন। তেম্বা বাভুমা ৫৮ বলে ৩২ রান করে অপরাজিত থাকেন। ভারতের হয়ে বুমরা, সামি ও শার্দূল ১টি করে উইকেট নেন।আরও পড়ুনঃ কুঁড়ে ঘরের খুদে শিল্পীর মায়াবী গানের সুরের জাদুতে মুগ্ধ সংগীতপ্রেমীরাভারতের এই পরাজয়ের ফলে ফিরে এল ২০০৭ সালের স্মৃতি। সেই বছর রাহুল দ্রাবিড়ের নেতৃত্বে ভারত সিরিজে এগিয়ে গিয়েও ২১ ব্যবধানে সিরিজ হেরেছিল। কেপ টাউন টেস্টে ভারতকে ৪ দিনে হারিয়ে আইসিসির বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে পয়েন্ট তালিকায় ৪ নম্বরে উঠে এল দক্ষিণ আফ্রিকা। ভারত নেমে গেল পাঁচ নম্বরে।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
দেশ

ময়নাগুড়িতে দুর্ঘটনার জেরে বাতিল বেশ কিছু ট্রেন, জেনে নিন সেই সব ট্রেনের তালিকা

ময়নাগুড়িতে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনার জেরে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু ট্রেন বাতিল হওয়ার পাশাপাশি প্রচুর ট্রেনের রুট বদল হয়েছে। একনজরে দেখে নেওয়া যাক বাতিল ও রুট বদল ট্রেনের তালিকা।বাতিল করা হয়েছে১. 13147 শিয়ালদহ-বামন হাট উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেস। বামন হাট অবধি যাওয়ার কথা থাকলেও এই ট্রেন নিউ জলপাইগুড়ি অবধি যাবে২. 13148 বামন হাট-শিয়ালদহ উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেস। এই ট্রেন বামন হাটের পরিবর্তে নিউ জলপাইগুড়ি রেলওয়ে স্টেশন থেকে ছাড়বে।রুট বদল করা হয়েছে১. 12346 গুয়াহাটি-হাওড়া সরাইঘাট এক্সপ্রেস নিউ কোচবিহার- মাথাভাঙ্গা- রানীনগর- জলপাইগুড়ি হয়ে চলবে।২. 13171 শিয়ালদহ আগরতলা কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস নিউ জলপাইগুড়ি- শিলিগুড়ি জংশন- নিউ মাল জংশন- আলিপুরদুয়ার জংশন- শামুকতলা হয়ে চলবে।৩. 12507 ত্রিবান্দ্রাম সেন্ট্রাল শিলচর এক্সপ্রেস রানীনগর- জলপাইগুড়ি- মাথাভাঙা- নিউ কোচবিহার হয়ে চলবে।৪. 12505 কামাখ্যা- আনন্দ বিহার স্পেশ্যাল ট্রেন নিউ কোচবিহার- মাথাভাঙা- রানীনগর জংশন হয়ে চলবে।৫. 15632 গুয়াহাটি- বার্মার স্পেশ্যাল ট্রেন নিউ কোচবিহার- মাথাভাঙা- রানীনগর জংশন হয়ে চলবে।৬. 20502 তেজস রাজধানী এক্সপ্রেস নিউ জলপাইগুড়ি- শিলিগুড়ি- নিউ মাল জংশন- আলিপুরদুয়ার জংশন হয়ে চলবে।৭. 15910 অবদ অসম এক্সপ্রেস নিউ জলপাইগুড়ি- শিলিগুড়ি জংশন- নিউ মাল জংশন- আলিপুরদুয়ার জংশন হয়ে চলবে।৮. 22450 নয়াদিল্লি- গুয়াহাটি এক্সপ্রেস ঘুর পথে চলবে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মান বাঁচালেন ঋষভ, উত্তেজক পরিসমাপ্তির দিকে তৃতীয় টেস্ট

দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে কেপ টাউনে কি আদৌও ইতিহাস তৈরি করতে পারবে ভারত? তবে দুই দেশের তৃতীয় টেস্ট যে উত্তেজক পরিসমাপ্তির দিকে এগোচ্ছে, সেকথা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়। জয়ের জন্য ২১২ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় দিনের শেষে দক্ষিণ আফ্রিকা তুলেছে ১০১/২। জয়ের জন্য প্রয়োজন আরও ১১১ রান। আর ইতিহাস তৈরি করতে গেলে ভারতকে তুলতে হবে ৮ উইকেট। পেন্ডুলামের মতো দুলছে ম্যাচের ভাগ্য। তৃতীয় টেস্টে ভারতকে লড়াইয়ে ফেরানোর কৃতিত্ব দাবি করতেই পারেন ঋষভ পন্থ। জোহানেসবার্গে তাঁর আউট হওয়ার ধরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। অনেক সমালোচনা হজম করতে হয়েছিল ঋষভকে। এদিন দায়িত্বশীল ব্যাটিং। ১৩৯ বলে অপরাজিত ১০০ রানের ইনিংস খেলে দলকে লড়াইয়ের প্ল্যাটফর্ম এনে দেন ভারতের এই উইকেটকিপারব্যাটার। দ্বিতীয় ইনিংসে ভারতের সংগ্রহ ১৯৮। তার মধ্যে ঋষভের একারই ১০০। বাকি ৯ ব্যাটার মিলে তোলেন ৭০। শ্রীযুক্ত অতিরিক্তর দৌলতে আসে ২৮। তিনিই ভারতীয় ইনিংসের তৃতীয় সর্বোচ্চ স্কোরার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোরার অধিনায়ক বিরাট কোহলি। ১৪৩ বল খেলে তিনি করেন ২৯। আগের দিনের ৫৭/২ রান হাতে নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে ভারত। দিনের দ্বিতীয় ওভারেই জানসেনের বলে ফিরে যান পুজারা (৯)। পরের ওভারেই রাবাডা তুলে নেন রাহানেকে (১)। এরপর ভারতকে টেনে নিয়ে যান বিরাট কোহলি ও ঋষভ পন্থ। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির সময় ভারতের রান ছিল ১৩০/৪। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির কিছুক্ষণ পর কোহলি (২৯) আউট হতেই ধস নামে ভারতীয় শিবিরে। একের পর এক উইকেট পড়তে থাকলেও দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান ঋষভ। টেল এন্ডারদের সঙ্গে নিয়ে তিনি সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। শেষ পর্যন্ত ১৯৮ রানে গুটিয়ে যায় ভারতের ইনিংস। মার্কো জানসেন ৩৬ রানে ৪টি, রাবাডা ৫৩ রানে ও এনগিডি ৩৩ রানে ৩ টি করে উইকেট নেন। দুই ইনিংস মিলিয়ে ভারত এগিয়ে যায় ২১১ রানে। জয়ের জন্য ২১২ রানে লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে অষ্টম ওভারেই ধাক্কা খায় দক্ষিণ আফ্রিকা। এইডেন মার্করামকে (১৬) তুলে নেন মহম্মদ সামি। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকাকে টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক ডিন এলগার ও কিগান পিটারসেন। দুজনে মিলে ৭৮ রানের পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন। এলগারকে (৩০) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন বুমরা। এলগার আউট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দিনের খেলার পরিসমাপ্তি ঘটে। কিগান পিটারসেন ৪৮ রান করে ক্রিজে রয়েছেন।

জানুয়ারি ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বুমরার হাতে রচিত হল ইতিহাস তৈরির পটভূমি

দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আগে কখনও সিরিজ জিতে ফেরেনি ভারত। এবার ইতিহাস তৈরির সুযোগ। ভারতের সিরিজ জয়ের পটভূমি রচনা করলেন যশপ্রীত বুমরা। তাঁর দুরন্ত বোলিংয়ের সুবাদে ভারতের ২২৩ রানে জবাবে প্রথম ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকা শেষ ২১০ রানে। ৪২ রানে ৫ উইকেট নিলেন বুমরা। ১৩ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় দিনের শেষে ভারত দ্বিতীয় ইনিংসে তুলেছে ২ উইকেটে ৫৭।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে টানা দুদিন করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি, কমেছে পজিটিভিটি রেটআগের দিনের ১৭/১ হাতে নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রথম সেশনেই আগের দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটারকে হারায়। দিনের প্রথম ওভারেই বুমরার অসাধারণ ডেলিভারিতে বোল্ড হন এইডেন মার্করাম (৮)। কেশব মহারাজ ও কিগান পিটারসেন দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। ২৫ রান করে উমেশ যাদবের বলে বোল্ড হন কেশব মহারাজ। মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে দক্ষিণ আফ্রিকার রান ছিল ১০০/৩।আরও পড়ুনঃ আদালতের নির্দেশ মেনে গঙ্গাসাগর মেলা করার বার্তা মমতারমধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর পিটারসেন ও ভ্যান ডার ডুসেনের জুটি ভাঙেন উমেশ যাদব। ২১ রান করে স্লিপে কোহলির হাতে ক্যাচ দেন ডুসেন। এরপর পিটারসেনের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন বাভুমা। ২৮ রান করে কোহলির হাতে ক্যাচ দিয়ে বাভুমা আউট হন। পরের বলেই কট বিহাইন্ড হন ভেরেইন (০)। ১৫৯ রানেই পঞ্চম ও ষষ্ঠ উইকেট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। চা বিরতির আগে শেষ ওভারে যশপ্রীত বুমরা বোল্ড করেন মার্কো জানসেনকে (৭)। একের পর এক উইকেট পড়লেও দলকে টেনে নিয়ে যান কিগান পিটারসেন। শেষ পর্যন্ত ৭২ রান করে তিনি বুমরার বলে পুজারার হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। শেষদিকে রাবাডা (১৫) ও অলিভিয়ের (অপরাজিত ১০) দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২০০ রানের গন্ডি পার করে দেন।আরও পড়ুনঃ অমার্জনীয় সাংবিধানিক অপরাধ করেছেন ডিজি ও মুখ্যসচিব, ক্ষুব্ধ রাজ্যপাল১৩ রানে এগিয়ে থেকে ব্যাট করতে নেমে পঞ্চম ওভারেই ধাক্কা খায় ভারত। দ্বিতীয় ইনিংসেও রান পেলেন না মায়াঙ্ক আগরওয়াল (৭)। রাবাডার বলে তিনি স্লিপে এলগারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। লোকেশ রাহুলও (১০) ব্যর্থ। তিনি মার্কো জানসেনের শিকার। ক্রিজে রয়েছেন চেতেশ্বর পুজারা (৯) ও বিরাট কোহলি (১৪)।

জানুয়ারি ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : ‌ভামিকার জন্মদিনে সেঞ্চুরি হাতছাড়া, রান পেলেও ‘‌ব্যর্থ বাবা’‌ কোহলি

স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন অনুরাগীদের। স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন পরিবারকে। সেঞ্চুরি করে মেয়ে ভামিকার জন্মদিনে উপহার দেওয়া। একই সঙ্গে ৯৯ তম টেস্ট স্মরণীয় করে রাখা। ব্যর্থ বাবা বিরাট কোহলি। সেঞ্চুরি না পেলেও তাঁর ব্যাটই কেপ টাউনে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে ঢাল হয়ে দাঁড়াল অধিনায়ক কোহলির ব্যাট। তাঁর ৭৯ রানের সুবাদে প্রথম ইনিংসে ভারত তুলল ২২৩। কাগিসো রাবাডামার্কো জানসেনদের সুইংয়ে বেসামাল ভারতীয় ব্যাটাররা।আরও পড়ুনঃ লিটন যেন রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার, তবু লড়াই জমাতে পারল না বাংলাদেশকেপ টাউনের নিউল্যান্ডসের উইকেট বরাবরই বোলারদের সহয়তা করে এসেছে। এই মাঠে ভারতের পরিসংখ্যানও ভাল নয়। তার ওপর সকাল থেকেই আকাশ মেঘাচ্ছন্ন। জোরে বোলারদের আদর্শ এইরকম পরিবেশেও টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কোহলি। তাঁর সিদ্ধান্ত যে সঠিক ছিল না, ভারতের ২২৩ রানে গুটিয়ে যাওয়াতেই প্রমাণ।আরও পড়ুনঃ চীনা নয়, আইপিএলের স্পনসর এবার ভারতীয় গোষ্ঠীটস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা খুব একটা খারাপ করেনি ভারত। দুই ওপেনার সতর্কভাবে ব্যাট করছিলেন। মনে হচ্ছিল ওপেনিং জুটি বড় রান আসবে ভারতের। কিন্তু দ্বাদশ ওভারে ধাক্কা খায় ভারত। ডোয়েন অলিভিয়েরের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে আউট হন লোকেশ রাহুল। ৩৫ বলে তিনি করেন ১২। পরের ওভারেই মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে তুলে নেন কাগিসো রাবাডা। শূন্যরানে একবার জীবন পেয়েও ১৫ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব তুলে নেন অধিনায়ক বিরাট কোহলি ও চেতেশ্বর পুজারা। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির সময় ভারতের রান ছিল ৭৫/২।আরও পড়ুনঃ ইতিহাস গড়ে জয় এল না এসসি ইস্টবেঙ্গলেরমধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর আউট হন পুজারা। ৭৭ বলে ৪৩ রান করে তিনি মার্কো জানসেনের বলে উইকেটের পেছনে ভেরেইনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। কোহলি ও পুজারার জুটিতে ওঠে ৬২। দলকে নির্ভরতা দিতে ব্যর্থ অজিঙ্কা রাহানেও। ১২ বলে মাত্র ৯ রান করে তিনি রাবাডার বলে ভেরেইনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। সতর্কভাবে ব্যাট করলেও ঋষভ পন্থও (২৭) বড় রান পেলেন না। রবিচন্দ্রন অশ্বিন (২), শার্দূল ঠাকুরের (১২) মতো টেল এন্ডাররাও ব্যর্থ। বিপর্যয়ের মধ্যে একা কুম্ভর মতো লড়াই করে গেলেন কোহলি। যদিও সেঞ্চুরি থেকে বঞ্চিত হলেন। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে কাগিসো রাবাডা ৭৩ রানে ৪টি, মার্কো জানসেন ৫৫ রানে ৩ উইকেট নেন।

জানুয়ারি ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Kohli-Rishabh : কেপ টাউন টেস্টের আগে ঋষভকে কেন সতর্ক করলেন কোহলি?‌

দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও ভারতীয় দল সিরিজ জিতে ফিরে আসতে পারেনি। বিরাট কোহলির দলের সামনে সেই সুযোগ। প্রথম টেস্ট জিতে সিরিজে এগিয়ে গিয়েছিল ভারত। জোহানেসবার্গে জিতে সিরিজে সমতা ফিরিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। মঙ্গলবার থেকে কেপ টাউনে শুরু হচ্ছে তৃতীয় টেস্ট। দুই দলের মধ্যে যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে, সেকথা নিশ্চিতভাবে বলা যায়।আরও পড়ুনঃ এসটিএফের অভিযানে ৬৫ কোটি টাকার হেরোইনসহ গ্রেফতার বাবা ও ছেলে, ব্যাপক চাঞ্চল্য বর্ধমানেতৃতীয় টেস্টে মাঠে নামার আগে প্রথম একাদশ নিয়ে দ্বিধায় ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। সিরিজে প্রথমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রথম একাদশ খোলসা করেননি ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। জোহানেসবার্গে হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পেয়ে তৃতীয় টেস্ট থেকে ছিটকে গেছেন মহম্মদ সিরাজ। তাঁর জায়গায় উমেশ যাদব, না ইশান্ত শর্মাকে খেলানো হবে তা এখনও ঠিক করে উঠতে পারেনি ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। তবে ইশান্তের পাল্লাই ভারি। চোটের জন্য আগের টেস্টে খেলতে পারেননি বিরাট কোহলি। এই টেস্টে তিনি ফিরছেন। কোন ব্যাটার বাদ যাবেন, এখন সেটাই দেখার। তবে হনুমা বিহারীর প্রথম একাদশ থেকে বাদ যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ঋষভ পন্থকে নিয়েও জল্পনা রয়েছে। দ্বিতীয় টেস্টে তিনি যেভাবে আউট হয়েছেন, স্বয়ং ভারতীয় দলের হেডস্যার খুশি নন। বিরাট অবশ্য মহেন্দ্র সিং ধোনির পরামর্শর কথা উত্থাপন করে ঋষভকে সতর্ক করে দিয়েছেন। ধোনি একবার কোহলিকে বলেছিলেন, একই ভুল যেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৬৭ মাসের মধ্যে দ্বিতীয়বার না ঘটে।আরও পড়ুনঃ আইএসএলে ইতিহাস গড়তে চলেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। কীভাবে দেখে নিনমঙ্গলবার কন্যা ভামিকার জন্মদিন। মেয়ের জন্মদিনেই ৯৯ তম টেস্ট স্মরণীয় করে রাখতে চান কোহলি। দীর্ঘদিন ব্যাটে বড় রান নেই। মেয়ের জন্মদিনে সুযোগ পেলে সেঞ্চুরি করে স্মরণীয় করে রাখতে চান। তবে তাঁর সাম্প্রতিক ফর্ম নিয়ে যেভাবে চারিদিকে চর্চা হচ্ছে তা নিয়ে একেবারে চিন্তিত নন কোহলি। তিনি জানিয়েছেন, কারও কাছে তাঁর নিজেকে নতুন করে প্রমাণ করার কিছু নেই।আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অনন্য কৃতিত্ব ট্রেন্ট বোল্টেরকেপ টাউনে ভারতের পরিসংখান একেবারেই ভাল নয়। এর আগে নিউল্যান্ডসে ৫টি টেস্ট খেলেছে ভারত। ৩টিতে হার, দুটি ড্র। এবার ইতিহাস বদলানোর সুযোগ ভারতীয় দলের সামনে। কিন্তু ভারতের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে নিউল্যান্ডসের বাইশ গজ ও কেপ টাউনের আবহাওয়া। জোহানেসবার্গের মতো এখানেও বৃষ্টির হানা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

জানুয়ারি ১০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : সীমাবদ্ধতা নিয়েও দুর্দান্ত লড়াই এসসি ইস্টবেঙ্গলের

যদি একজন ভাল মানের স্ট্রাইকার থাকতেন। কিংবা আন্তোনীয় পেরোসেভিচকে নির্বাসনের যদি নির্বাসনের কবলে পড়তে না হত। নিশ্চিতভাবেই মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে ৩ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ত এসসি ইস্টবেঙ্গল। সীমাবদ্ধতা নিয়েও দুর্দান্ত লড়াই রেনেডি সিংয়ের দলের। গতবারের চ্যাম্পিয়ন শক্তিশালী মুম্বই সিটি এফসিকে আটকে দিল লালহলুদ ব্রিগেড। ম্যাচের ফল গোলশূন্য।আরও পড়ুনঃ ম্যাকহিউ, বোমাস কেন চিন্তা বাড়িয়েছে জুয়ান ফেরান্দোর?মানোলো দিয়াজ চলে যাওয়ার পর ফুটবলারদের শরীরী ভাষাই বদলে গেছে। নিজেদের দক্ষতার শীর্ষে উঠে লড়াই আদিল, হাওকিপ, অঙ্কিত মুখার্জিদের। গতবারের চ্যাম্পিয়ন মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে এদিন এক বিদেশিকে প্রথম একাদশে রেখে দল সাজিয়েছিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ রেনেডি সিং। ইগর অ্যাঙ্গুলো, মোর্তাদা ফল, আহমেদ জাহুদের বিরুদ্ধে দারুণ লড়াই করলেন হাওকিপ, আদিল খান, হীরা মণ্ডলরা।আরও পড়ুনঃ অড-ইভেন পদ্ধতিতে বর্ধমান শহরের বাজার বন্ধ থাকবে, ঘোষনা মাইক্রো কনটেইনমেন্টজোন জোনেরএদিন ম্যাচের শুরু থেকেই এসসি ইস্টবেঙ্গল প্রেসিং ফুটবলের ওপর জোর দিয়েছিল। প্রতিটা বলের জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ছিলেন হাওকিপ, আদিল খান, সৌরভ দাসরা। শুরুর দিকে এসসি ইস্টবেঙ্গলের আধিপত্য বেশি ছিল। তার মাঝেই ৯ মিনিটে ডানদিক থেকে ভেসে আসা বল ইগর অ্যাঙ্গুলোর হেড সরাসরি অরিন্দম ভট্টাচার্যর হাতে চলে যায়। পরের মিনিটেই হীরা মণ্ডলের থ্রো চিমার ব্যাকহেড গোলে ঢোকার মুখে বাঁচান মুম্বই সিটি এফসি গোলকিপার। ১৩ মিনিটে আবার সেই হীরা মণ্ডলের থ্রো ইন বক্সে জটলার মধ্যে সুবিধা জায়গায় পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন চিমা। ১৯ মিনিটে চোটের জন্য বেরিয়ে যেতে হয় জয়নার লরেন্সোকে। তাঁর পরিবর্তে নামেন অঙ্কিত মুখার্জি। রক্ষণকে দারুণ নির্ভরতা দিলেন অঙ্কিত। প্রথমার্ধে ইগর অ্যাঙ্গুলোদের বিন্দুমাত্র জ্বলে উঠতে দেননি।আরও পড়ুনঃ সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে আজই ভার্চুয়াল বৈঠকে করতে পারেন মোদিদ্বিতীয়ার্ধেও ছবিটা বদলায়নি। শক্তিশালী মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে সমানে সমানে লড়ে গেলেন হাওকিপরা। ইস্টবেঙ্গল মাঝমাঠকে দুর্দান্ত নেতৃত্ব দিলেন সৌরভ দাস। ম্যাচের সেরাও তিনি। বিদেশিদের ভিড়ে একজন বাঙালী ফুটবলার ম্যাচের সেরা হচ্ছেন, এটাই এসসি ইস্টবেঙ্গলের কাছে বড় প্রাপ্তি। দ্বিতীয়ার্ধে গোল করার মতো সুযোগ পেয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। ড্যানিয়েল চিমা সহজ সুযোগ নষ্ট না করলে এবারের আইএসএলে প্রথম জয় তুলে ননিতে পারত লালহলুদ শিবির।

জানুয়ারি ০৭, ২০২২
দেশ

Covid: দেশে এক লক্ষের গণ্ডি পেরলো দৈনিক করোনা সংক্রমণ

কেবল রাজ্যে নয়, দেশেও হু হু করে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। একলাফে দেশে বাড়ল করোনা গ্রাফ। দেশে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ১৭ হাজার ১০০ জন। একলাফে দেশে দৈনিক সংক্রমণ বেড়েছে ২৮.০২ শতাংশ। পিছিয়ে নেই রাজ্যও। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ হাজার ৪২১, বুধবার যে সংখ্যাটা ছিল ১৪ হাজার ২২। করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৯ জনের। বুধবারের তুলনায় পজিটিভিটি রেট বেড়েছে কিছুটা। বুধবার যে হার ছিল ২৩.১৭ শতাংশ, বৃহস্পতিবার সেটাই বেড়ে হয়েছে ২৪.৭১ শতাংশ। পাশাপাশি বাড়ছে ওমিক্রন আতঙ্কও। একদিনে দেশে ওমিক্রন আক্রান্ত ৩ হাজার ৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে মোট ৩০২ জনের।শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের করোনা পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে ১,১৭,১০০ জন নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা বৃহস্পতিবারের তুলনায় ২৮.৮ শতাংশ বেশি। এর আগে গত বছরের জুন মাসে দৈনিক এক লক্ষ আক্রান্ত হওয়ার গন্ডি পার করেছিল ভারত। শুক্রবারের নতুন করোনা আক্রান্তের হিসেব বলছে, দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩,৫২,২৬,৩৮৬।সব থেকে বেশি আক্রান্ত পাঁচটি রাজ্যের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে মহারাষ্ট্র। মহারাষ্ট্রে গত একদিনে মোট ৩৬,২৬৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। পশ্চিমবঙ্গে একদিনে আক্রান্তের সংখ্যা ১৫,৪২১ জন। পশ্চিমবঙ্গের পরে আক্রান্ত হওয়ার নিরিখে রয়েছে যথাক্রমে দিল্লি (১৫,০৯৭), তামিলনাড়ু (৬,৯৮৩) এবং কর্ণাটক (৫,০৩১)।একই সঙ্গে দেশে হু-হু করে বাড়ছে করোনার নতুন রূপ ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা। দেশে বর্তমানে মোট ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ৩,০০৭ জন। তবে তাঁদের মধ্যে ১,১৯৯ জন ইতিমধ্যেই সুস্থ হয়ে উঠেছেন। ওমিক্রন আক্রান্তের দিক থেকেও শীর্ষে মহারাষ্ট্র। মহারাষ্ট্রে মোট ৮৭৬ জন করোনার নতুন রূপ ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন। এর পরেই রয়েছে দিল্লি। দিল্লিতে মোট ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ৪৬৫।

জানুয়ারি ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

India vs South Africa : ওয়ান্ডারার্সে ‘‌ওয়ান্ডারফুল’‌ ব্যাটিং এলগারের, দূর্গে ফাটল ভারতের

জোহানেসবার্গ নাকি ভারতের দূর্গ বলে পরিচিত। এই টেস্টের আগে ওয়ান্ডারার্স স্টেডিয়ামে ৫টি ম্যাচ খেলেছে ভারত। দুটি জয়, তিনটি ড্র। গত ৩০ বছরে ভারতকে এই মাঠে হারাতে পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা। ভারতের সেই প্রিয় মাঠেই এবার জয় ছিনিয়ে নিল দক্ষিণ আফ্রিকা। ওয়ান্ডারার্সে টেস্টে অপরাজিত থাকার রেকর্ড ভেঙে গেল ভারতের। দুর্দান্ত ব্যাটিং করে দলকে ঐতিহাসিক জয় এনে দিলেন প্রোটিয়া অধিনায়ক ডিন এলগার।আরও পড়ুনঃ সুরাতে গ্যাস লিক করে মর্মান্তিক মৃত্যু ৬ কারখানা শ্রমিকের২০১৮ সালে এই মাঠেই টেস্ট জিতে সিরিজে সমতা ফিরিয়েছিল বিরাট কোহলির ভারত। সেবার ২৪১ রান তাড়া করতে নেমে ১৭৭ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস। ২৪০ বলে ৮৬ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেও দলের হার বাঁচাতে পারেননি এলগার। ৪ বছরের পুরনো স্মৃতি এবার আর ওয়ান্ডারার্সে ফিরতে দিলেন না প্রোটিয়া অধিনায়ক। এবার ৯৬ রানে অবিস্মরণীয় ইনিংস খেলে দলকে দুর্দান্ত জয় এনে দিলেন।আরও পড়ুনঃ রাজ্যজুড়ে শীতের আমেজ কমিয়ে বাড়ছে তাপমাত্রাজোয়ানেসবার্গে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। প্রথম ইনিংসে ভারত তুলেছিল ২০২। জবাবে দক্ষিণ আফ্রিকা তোলে ২২৯। ২৭ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ভারত তোলে ২৬৬। জয়ের জন্য ২৪০ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় দিনের শেষে দক্ষিণ আফ্রিকা তুলেছিল ২ উইকেটে ১১৮। দরকার ছিল ১২২ রান। হাতে ছিল ৮ উইকেট। চতুর্থ দিন বৃষ্টির জন্য প্রথম দুই সেশন নষ্ট হলেও দক্ষিণ আফ্রিকার জয় আটকায়নি।আরও পড়ুনঃ রক্ষণ সামলাতে পুরনো ডিফেন্ডারকে ফেরাল এটিকে মোহনবাগানআবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস ছিল, চতুর্থ দিন বৃষ্টি ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। এদিন সকাল থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়। এদিন খেলা আদৌও হবে কিনা, তা নিয়ে একসময় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। বৃষ্টি থামায় অবশেষে চা পানের বিরতির পর খেলা শুরু হয়। শুরু থেকেই রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে আক্রমণে নিয়ে এসেছিলেন লোকেশ রাহুল। কাজের কাজ কিছু হয়নি। মহম্মদ সামি, যশপ্রীত বুমরা, শার্দূল ঠাকুররাও দক্ষিণ আফ্রিকার দুই ব্যাটার ডিন এলগার ও ভ্যান ডার ডুসেনকে বিব্রত করতে পারেননি। অবশেষে মহম্মদ সামি জুটি ভাঙেন। ৫৪ তম ওভারের শেষ বলে ডুসেনকে (৪০) যখন তুলে নেন দক্ষিণ আফ্রিকা পৌঁছে গিয়েছিল ১৭৫ রানে। এলগার ও ডুসেনের ৮২ রানের জুটি ভারতকে কার্যত ম্যাচ থেকে ছিটকে দিয়েছিল। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকাকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন অধিনায়ক ডিন এলগার ও তেম্বা বাভুমা। ২৪৩/৩ তুলতে দক্ষিণ আফ্রিকার লাগে ৬৭.৪ ওভার। দুর্দান্ত ব্যাটিং করে এলগার ৯৬ রানে ও বাভুমা ২৩ রানে অপরাজিত থাকেন।

জানুয়ারি ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : ‌মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে কেন রেনেডির ভরসা স্বদেশি ব্রিগেড?‌

ভাল খেলেও জয় অধরা। এসসি ইস্টবেঙ্গল সম্পর্কে এই কথাটা বলা যেতেই পারে। হায়দরাবাদ এফসি ও বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে আগের দুটি ম্যাচে তুলনামূলকভাবে ভাল ফুটবল উপহার দিয়েছিল। তবুও জয় আসেনি। শুক্রবার সামনে আইএসএলের অন্যতম সেরা দল গতবারের চ্যাম্পিয়ন মুম্বই সিটি এফসি। তাদের বিরুদ্ধে মরশুমের প্রথম জয় কি তুলে নিতে পারবে এসসি ইস্টবেঙ্গল? লালহলুদের অন্তর্বর্তীকালীন কোচ রেনেডি সিংকে আত্মবিশ্বাসী মনে হলেও কাজটা যথেষ্ট কঠিন।আরও পড়ুনঃ রাজ্যজুড়ে শীতের আমেজ কমিয়ে বাড়ছে তাপমাত্রাচোটআঘাত, নির্বাসন সমস্যায় এই মুহূর্তে জর্জরিত লালহলুদ শিবির। নির্বাসিত থাকায় মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধেও আন্তোনীয় পেরোসেভিচকে পাবেন না রেনেডি। আগের ম্যাচে দুই বিদেশিকে নিয়ে প্রথম একাদশ সাজিয়েছিলেন। চোটের জন্য টমিস্লাভ মার্সেলোকে পরের দিকে বেরিয়ে যেতে হয়। মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে তাঁকেও পাবেন না। হাতে রইল এক বিদেশি ড্যানিয়েল চিমা। অর্থাৎ শক্তিশালী মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে এক বিদেশি নিয়ে মাঠে নামতে হবে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে। স্বদেশি ব্রিগেডের ওপরই ভরসা করতে হবে রেনেডি সিংকে।আরও পড়ুনঃ সুরাতে গ্যাস লিক করে মর্মান্তিক মৃত্যু ৬ কারখানা শ্রমিকেরআগের দুটি ম্যাচের পারফরমেন্স আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে লালহলুদ কোচকে। মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে রেনেডি সিং বলেন, আগের ম্যাচে গোটা দল যেভাবে খেলেছে তাতে আমি খুশি। তবে আমাদের আরও আত্মবিশ্বাসী হতে হবে। মুম্বই সিটি এফসিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিলেও লড়াই করার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী রেনেডি। তিনি বলেন, মুম্বইয়ের আক্রমণভাগ এই আইএসএলে অন্যতম সেরা। গত কয়েকটা মরশুম ধরে দুর্দান্ত খেলছে। এই ম্যাচে ওদের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে হবে। আমরা যদি দল হিসেবে খেলতে পারি, তাহলে মুম্বই সমস্যায় পড়বে। আশা করছি ভাল ম্যাচ হবে। দুএকজন ছাড়া বিদেশি ফুটবলারকে এই ম্যাচে পাব না। স্বদেশি ফুটবলারদের ওপরই ভরসা করছি। তবে একটা কথা মানতেই হবে, দুএকজন বিদেশি নিয়ে বিপক্ষ দলের চার সেরা বিদেশি খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে লড়াই করা কঠিন।আরও পড়ুনঃ রক্ষণ সামলাতে পুরনো ডিফেন্ডারকে ফেরাল এটিকে মোহনবাগানমুম্বই সিটি এফসিতে রয়েছেন ইগর অ্যাঙ্গুলো, মোর্তাদা ফল, জাহুর মতো বিদেশি। স্বদেশি ফুটবলাররাও যথেষ্ট ভাল। বিপক্ষ ফুটবলারদের নিয়ে বেশি না ভেবে নিজেদের খেলার ওপর বেশি ফোকাস করছে লালহলুদ শিবির। কোচ রেনেডি সিংয়ের বিশ্বাস, তাঁর দলের ফুটবলাররা নিজেদের খেলা খেলতে পারলে মুম্বইয়ের কাজ কঠিন হয়ে যাবে।

জানুয়ারি ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

India vs South Africa Test : জ্বলে উঠলেন পুজারা–রাহানে, তবু জোহানেসবার্গে ব্যাকফুটে ভারত

টেস্ট কেরিয়ার বাঁচানোর জন্য এটাই ছিল চেতেশ্বর পুজারা ও অজিঙ্কা রাহানের কাছে শেষ সুযোগ। ব্যর্থ হলেই অন্ধকার ঘনিয়ে আসত এই দুই ভারতীয় মিডল অর্ডার ব্যাটারের টেস্ট জীবনে। প্রবল চাপের মুখে জ্বলে উঠলেন পুজারা ও রাহানে। তাঁদের ১১১ রানের জুটি শুধু নিজেদের টেস্ট কেরিয়ারে লাইফলাইন এনে দিল না, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টে ভারতের জয়ের পথও প্রশস্ত করে দিয়েছিল। শেষ বেলায় ভারতকে ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দিলেন এলগার ও ডুসেন। জয়ের জন্য ২৪০ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে দিনের শেষে দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ ১১৮/২। বাকি দায়িত্ব এখন ভারতীয় বোলারদের হাতে।আরও পড়ুনঃ বাংলা পক্ষের চাপে পড়ে বড় সিদ্ধান্ত পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ বিভাগেরআগের দিনের ৮৫/২ রান হাতে নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে ভারত। এদিন শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করতে থাকেন চেতেশ্বর পুজারা ও অজিঙ্কা রাহানে। টেস্ট কেরিয়ার বাঁচানোর ইনিংসে অনেক ইতিবাচক ছিলেন পুজারা। দিনের প্রথম ঘন্টাতেই হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করে ফেলেন ভারতের দুই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। ১০টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৬২ বলে ৫০ রানে পৌঁছে যান পুজারা। বিদেশের মাটিতে এটাই তাঁর দ্রুততম অর্ধশতরান। রাবাডা, এনগিডিদের বিরুদ্ধে একেবারে চরিত্রবিরোধী ব্যাটিং করে গেলেন পুজারা। আসলে টেস্ট কেরিয়ার বাঁচানোর চাপেই তিনি মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন। অবশেষে ৮৬ বলে ৫৩ রান করে রাবাডার বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরে যান পুজারা। তাঁর এই লড়াকু ইনিংস আপাতত বাঁচিয়ে দিল টেস্ট কেরিয়ার।আরও পড়ুনঃ কামড় দিলেই তেতুল জলের বদলে বাটারস্কচ আইসস্ক্রিম, ভিন্ন স্বাদের ফুচকায় মেতেছে বর্ধমানপুজারার পাশাপাশি অজিঙ্কা রাহানের কথাও বলতে হবে। তিনিও প্রবল চাপের মুখে ছিলেন। জোহানেসবার্গে দ্বিতীয় ইনিংসে রান না পেলে পুজারার মতো তাঁরও টেস্ট কেরিয়ার শেষ হয়ে যেত। জ্বলে উঠলেন রাহানে। ৭৮ বলে ৫৮ রান করে শুধু টেস্ট কেরিয়ার বাঁচানোর লাইফলাইন পেলেন না, ভারতকে লড়াই করার জায়গায় পৌঁছে দিল। পুজারা ও রাহানের ১১১ রানের জুটি ভারতে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করিয়ে দেয়। তবে হনুমা বিহারী (অপরাজিত ৪০), রবিচন্দ্রন অশ্বিন (১৬), শার্দূল ঠাকুরদের (২৮) লড়াই ভারতকে ২৬৬ রানে পৌঁছে দেয়। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে কাগিসো রাবাডা ৭৭ রানে, লুঙ্গি এনগিডি ৪৩ রানে ও মার্কো জানসেন ৬৭ রানে ৩টি করে উইকেট পান।আরও পড়ুনঃ দ্বিতীয়বার কোভিডে আক্রান্ত রাজ-শুভশ্রীপ্রথম ইনিংসে ২৭ রানে এগিয়ে থাকায় দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৪০। দ্বিতীয় ইনিংসে ভাল শুরু করেছিলেন দুই প্রোটিয়া ওপেনার এইডেন মার্করাম ও ডিন এলগার। চা পানের বিরতির আগেই ৭ ওভারে দুজনে তোলেন ৩৪। তৃতীয় সেশনের শুরুতেই ধাক্কা দক্ষিণ আফ্রিকা শিবিরে। মার্করামকে (৩১) তুলে নিয়ে দলকে ব্রেক থ্রু দেন শার্দূল ঠাকুর। এরপর এলগারের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন কিগান পিটারসেন। পিটারসেনকে (২৮) ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। দলকে জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন অধিনায়ক ডিন এলগার (অপরাজিত ৪৬) ও ভ্যান ডার ডুসেন (অপরাজিত ১১)। জিততে গেলে প্রোটিয়াদের এখনও তুলতে হবে ১২২। হাতে ৮ উইকেট।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

India vs South Africa : জীবনের সেরা বোলিং, শার্দূলের দুর্দান্ত প্রত্যাঘাতে ম্যাচে ফিরল ভারত

জোহানেসবার্গে সিরিজ জিতে কি ইতিহাস তৈরি করতে পারবে ভারত? প্রথম ইনিংসে লোকেশ রাহুলরা ২০২ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পর প্রশ্নটা উঠতে শুরু করেছে। দ্বিতীয় দিনে শার্দূল ঠাকুরের হাত ধরে দুর্দান্ত প্রত্যাঘাত। জীবনের সেরা বোলিং করে ভারতকে ম্যাচে ফেরালেন শার্দূল। তুলে নিলেন ৬১ রানে ৭ উইকেট। ভারতের ২০২ রানে জবাবে ২২৯ রানে শেষ হয়ে গেল দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস। ২৭ রানের বেশি লিড পেল না প্রোটিয়ারা।আরও পড়ুনঃ টেস্টের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে ইতিহাস তৈরি করতে পারবে বাংলাদেশ? সামনে সুবর্ণ সুযোগআগের দিনের ১ উইকেটে ৩৫ রানে হাতে নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রথম বল থেকেই দারুণ সতর্ক ছিলেন ডিন এলগার ও কিগান পিটারসেন। যশপ্রীত বুমরার বলে এলগারকে একবার আউট দিয়েছিলেন আম্পায়ার। এলগার রিভিউ নিয়ে যে যাত্রায় বেঁচে যান। তার পরেও বড় রান করতে ব্যর্থ হন প্রোটিয়া অধিনায়ক। মহম্মদ সামি, যশপ্রীত বুমরারা সুবিধা করতে না পারায় শার্দূল ঠাকুরকে আক্রমণে নিয়ে আসেন লোকেশ রাহুল। এলগারকে (২৮) তুলে নিয়ে দলকে ব্রেক থ্রু দেন শার্দূল।আরও পড়ুনঃ করোনায় আক্রান্ত লক্ষ্মীরতন শুক্লা এখন কেমন আছেন? জানতে পড়ুনপ্রথম দিন মধ্যাহ্নভোজের বিরতির ঠিক আগেই ব্যাটিং বিপর্যয় ঘটেছিল ভারতের। দক্ষিণ আফ্রিকারও সেই একই অবস্থা। শার্দূল ঠাকুরের ধাক্কায় মধ্যাহ্নভোজের বিরতির ঠিক আগে ব্যাটিং বিপর্যয় প্রোটিয়াদের। উইকেটে জমে যাওয়া কিগান পিটারসেন (৬২) ও ভ্যান ডার ডুসেনকে (১) তুলে নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দেন শার্দুল। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন তেম্বা বাভুমা ও কাইল ভেরেইন। জুটিতে ওঠে ৬০। জুটি ভাঙতে সেই শার্দূলের দ্বারস্থ হন লোকেশ রাহুল। অধিনায়ককে হতাশ করেননি শার্দূল। ভেরেইনকে (২১) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন। এক ওভার পরেই তুলে নেন বাভুমাকে (৫১)। এই দুই ব্যাটার আউট হওয়ার পরই বড় ইনিংসের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার। শেষদিকে মার্কো জানসেন (২১) ও কেশব মহারাজের (২১) সৌজন্যে ২২৯ রানে পৌঁছয় দক্ষিণ আফ্রিকা। ৬১ রানে ৭ উইকেট নেন শার্দূল।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণে রেকর্ড, উদ্বেগ বাড়িয়ে আক্রান্তের সংখ্যা পার করল ৯০০০জীবনের সেরা বোলিং করে ভারতকে এদিন একাই ম্যাচে ফেরালেন শার্দূল ঠাকুর। এর আগে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ব্রিসবেনে ৬১ রানে ৪ উইকেট নেওয়াটা ছিল টেস্ট জীবনের সেরা বোলিং। ওই টেস্টে দুইনিংস মিলিয়ে ৭ উইকেট নিয়েছিলেন শার্দূল। ব্রিসবেনে ভারত টেস্ট জিতেছিল। শুধু বোলিংয়েই নয়, ব্যাটিংয়েও দারুণ অবদান রেখেছিলেন। জোহানেসবার্গ টেস্টে তাঁর খেলা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। টিম ম্যানেজমেন্ট তাঁর পরিবর্তে উমেশ যাদবকে খেলানোর কথা ভেবেছিল। যদিও শেষ পর্যন্ত শার্দূলেই আস্থা রাখে।আরও পড়ুনঃ কালনার দুই যুবকের মহতী উদ্যোগ, করোনা সচেতনায় সাইকেল নিয়ে লাদাখ পাড়ি২৭ রানে পিছিয়ে থেকে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় দিনের শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে ভারত তুলেছে ২ উইকেটে ৮৫। লোকেশ রাহুল ৮ রান করে মার্কো জানসেনের বলে আউট হন। মায়াঙ্ক আগরওয়াল ২৩ রান করে আউট হন। চেতেশ্বর পুজারা ৩৫ ও অজিঙ্কা রাহানে ১১ রান করে ক্রিজে রয়েছেন।

জানুয়ারি ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

India vs South Africa Test : কোহলির না থাকার ধাক্কা সামলাতে ব্যর্থ ভারত, দ্বিতীয় টেস্টে কেন ব্যাটিং বিপর্যয়?‌

ওয়ান্ডারার্সে ইতিহাসের হাতছানি ভারতীয় দলের সামনে। দ্বিতীয় টেস্ট জিতলেই দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে প্রথম টেস্ট জয়ের স্বাদ পাবে। অথচ এইরকম গুরুত্বপূর্ণ টেস্টে চোটের জন্য ছিটকে গেলেন বিরাট কোহলি? যতই ফর্মে না থাকুন, কোহলির খেলা আর না খেলার মধ্যে আকাশপাতাল পার্থক্য রয়েছে। যেটা প্রমাণ হয়ে গেল জোহানেসবার্গে। ওয়ান্ডারার্সে চূড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্যয় ভারতের। ৬৩.১ ওভারে গুটিয়ে গেল মাত্র ২০২ রানে। সর্বোচ্চ রান ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক লোকেশ রাহুলের।জোহানেসবার্গের উইকেট বরাবরই জোরে বোলারদের সহায়ক। যার ফায়দা তুলে নিলেন ডোয়েন অলিভিয়ের, মার্কো জানসেন, কাগিসো রাবাডারা। যদিও উইকেট দেখে শুরুর দিকে কিছুটা ফ্ল্যাট মনে হয়েছিল। টসে জিতে লোকেশ রাহুল ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ভাল শুরু করেছিলেন ভারতীয় দলের দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও মায়াঙ্ক আগরওয়াল। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৩৬। পঞ্চদশ ওভারের প্রথম বলেই মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে (২৬) তুলে নেন মার্কো জানসেন। ক্রিজে নেমে সতর্কভাবে ব্যাট করছিলেন চেতেশ্বর পুজারা। মাথার ওপর বাদ যাওয়ার খাঁড়া ঝুলছে। চাপ নিতে পারলেন না। ডোয়েন অলিভিয়েরের বলে বাভুমার হাতে সহজ ক্যাচ দিয়ে আউট হন পুজারা (৩)। পরের বলেই খোঁচা দিয়ে ড্রেসিংরুমের পথে অজিঙ্ক রাহানে (০)। নিজেদের টেস্ট কেরিয়ার বাঁচাতে আর মাত্র একটা ইনিংস সুযোগ পাবেন ভারতীয় দলের এই দুই মিডল অর্ডার ব্যাটার।বিরাট কোহলি চোটের জন্য ছিটকে যাওয়ায় সুযোগ পেয়েছেন হনুমা বিহারী। কারণ শ্রেয়স আয়ারও অসুস্থ। কিন্তু সুযোগ কাজে লাগাতে পারলেন না বিহারী। ব্যক্তিগত ২ রানের মাথায় একবার জীবন পেয়ে ৫৩ বলে ২০ রান করে রাবাডার বলে আউট হন। ঋষভ পন্থ ১৭ রান করে মার্কো জানসেনের ভেতরে ঢুকে আসা বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে আউট হন।নেতৃত্বের ব্যাটন দায়িত্ববোধ বাড়িয়ে দিয়েছিল লোকেশ রাহুলের। শুরু থেকেই সতর্কভাবে ব্যাট করে দলকে টানছিলেন। অর্ধশতরান পূরণ করার পর মনসংযোগ হারান। মার্কো জানসেনের অফ স্টাম্পের বাইরের বল পুল করতে গিয়ে ফাইন লেগে কাগিসো রাবাডার হাতে ধরা পড়েন। ১৩৩ বলে ৫০ রান করেন লোকেশ রাহুল। লোকেশ রাহুল আউট হওয়ার পরই ভারতের বড় রানের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়। পরের দিকে সঙ্গী পাবেন না ভাবেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শুরু করেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন (৫০ বলে ৪৬)। তাঁর ও যশপ্রীত বুমরার (অপরাজিত ১৪) সৌজন্যে ২০০ রানের গন্ডি পার হয় ভারত। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে মার্কো জানসেন ৩১ রানে ৪টি, কাগিসো রাবাডা ও ডোয়েন অলিভিয়ের ৬৪ রানে ৪টি করে উইকেট পান।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • ...
  • 35
  • 36
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

বাংলাদেশে কী চলছে? হিন্দু হত্যা ও মন্দির ভাঙচুরের অভিযোগে উত্তাল ব্রিটিশ পার্লামেন্ট

বাংলাদেশে ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার। প্রকাশ্যে হিন্দুদের খুন করা হচ্ছে, জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে ঘরবাড়ি ও মন্দিরএই অভিযোগ তুলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হল ব্রিটেনের পার্লামেন্টে। আসন্ন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এই পরিস্থিতি নিয়ে সরব হয়েছেন ব্রিটেনের সাংসদ বব ব্ল্যাকম্যান।ব্রিটিশ পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে ব্ল্যাকম্যান বলেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই ব্রিটেনের বিদেশ সচিবের কাছে উদ্বেগ জানানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, রাস্তায় হিন্দুদের হত্যা করা হচ্ছে, বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে, মন্দিরে হামলা চালানো হচ্ছে। শুধু হিন্দুরাই নন, অন্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুরাও একই ভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন বলে দাবি করেন তিনি।আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন। তার আগে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ করার বিষয়টিও গভীর উদ্বেগের বলে মন্তব্য করেন ব্ল্যাকম্যান। তিনি বলেন, জনমত সমীক্ষায় আওয়ামি লিগের প্রায় ৩০ শতাংশ সমর্থন থাকা সত্ত্বেও দলটিকে নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হচ্ছে না। পাশাপাশি, বাংলাদেশের কট্টরপন্থী শক্তিগুলি দেশের সংবিধান বদলে দেওয়ার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি।বাংলাদেশে নির্বাচন আদৌ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ব্রিটিশ সাংসদ। এই পরিস্থিতিতে ব্রিটেনের সরকার কী পদক্ষেপ করবে, সে বিষয়ে বিদেশ সচিবের কাছে স্পষ্ট জবাব চান ব্ল্যাকম্যান। উল্লেখ্য, এর আগেও বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ করা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছিলেন ব্রিটেনের চার জন সাংসদ। তাঁদের বক্তব্য ছিল, একটি বড় রাজনৈতিক দলকে বাদ দিয়ে নির্বাচন হলে তা কখনওই প্রকৃত গণতান্ত্রিক নির্বাচন হতে পারে না।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

দু’দিন ধরে জ্বলছে বেলডাঙা, অবশেষে লাঠিচার্জ—পুলিশ এতক্ষণ কোথায় ছিল?

টানা দুদিন ধরে অশান্ত মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ, জাতীয় সম্পত্তি ভাঙচুর, রেল অবরোধসব মিলিয়ে পরিস্থিতি কার্যত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছিল, পুলিশ কোথায়? সাংবাদিকদের মারধর করা হয়েছে, রেলগেট ভেঙে দেওয়া হয়েছে, দোকানপাট বন্ধ হয়ে গিয়েছে, ট্রেন চলাচল স্তব্ধতবু পুলিশের কোনও দৃশ্যমান তৎপরতা দেখা যায়নি বলে অভিযোগ উঠছিল বারবার।অবশেষে প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর সেই নীরবতা ভাঙল। জেলা পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী নামল রাস্তায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে করা হল লাঠিচার্জ। বিক্ষোভকারীদের হঠাতে পুলিশ কড়া পদক্ষেপ নেয়। এই ঘটনায় নতুন করে প্রশ্ন উঠছে, এত দেরিতে কেন পুলিশের অ্যাকশন?এই প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার বলেন, পুলিশ আগেও এলাকায় ছিল। তবে হঠাৎ করে লাঠিচার্জ করা যায় না। প্রথমে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু পরিস্থিতি যখন আর নিয়ন্ত্রণে আসছিল না, তখন বাধ্য হয়ে লাঠিচার্জ করতে হয়েছে। তাঁর দাবি, বিক্ষোভকারীরা পাথর ছোড়া শুরু করায় পুলিশ কড়া ব্যবস্থা নেয়। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। যাঁরা লুকিয়ে রয়েছেন, তাঁদেরও শনাক্ত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।বেলা বাড়লেও এখনও রেল চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। বহু দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। স্টেশন চত্বরে টহল দিচ্ছে আরপিএফ। কয়েকজন দোকানদারের অভিযোগ, আন্দোলনকারীরা দোকানে লুটপাটের চেষ্টা করেছে। যদিও পুলিশ সুপার আশ্বাস দিয়েছেন, পরিস্থিতি এখন অনেকটাই স্বাভাবিক এবং পুলিশ পুরোপুরি নজরদারিতে রয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

মালদহ থেকে বন্দে ভারত স্লিপার চালু, অনুপ্রবেশ নিয়ে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ মোদীর

বাংলা সফরের প্রথম দিনেই মালদহে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মালদা টাউন স্টেশন থেকে এ দিন দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করেন তিনি। নতুন এই ট্রেন অসমের উদ্দেশে রওনা দেয়। ট্রেন চালু হতেই খুশির হাওয়া মালদহ জুড়ে। উদ্বোধনের পরে ট্রেনের ভিতরে গিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী। এর পাশাপাশি মালদহে একটি জনসভাও করেন তিনি।সভা থেকে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে সরব হন নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, বিশ্বের সব উন্নয়নশীল দেশেই অনুপ্রবেশকারীদের বাইরে বের করে দেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ থেকেও অনুপ্রবেশকারীদের এক এক করে বের করে দেওয়া জরুরি। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকলে সেটা সম্ভব নয়। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল নেতারাই বছরের পর বছর অনুপ্রবেশকারীদের বাংলায় বসবাস করতে দিচ্ছেন। এতে সাধারণ মানুষের জমি সুরক্ষিত নয়, কাজ ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে, টাকা লুট হচ্ছে এবং মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে।মালদহের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিজেপি সরকার এলে মালদহের আম নির্ভর অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া হবে। রাজ্যে আরও বেশি কোল্ড স্টোরেজ তৈরি করা হবে। রেশম চাষিদের জন্য কোটি টাকার প্রকল্প চালু করা হয়েছে। পাট শিল্পকে বাঁচাতে কেন্দ্র সরকার সব রকম চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, ২০১৪ সালের আগে যখন তৃণমূল কেন্দ্রের অংশ ছিল, তখন এমএসপি ছিল ২৪০০ টাকা, আর এখন তা বেড়ে সাড়ে ৫ হাজার টাকারও বেশি হয়েছে।বন্যাত্রাণ নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ করে মোদী বলেন, বহুবার ত্রাণের টাকা দেওয়া হলেও সেই টাকা সঠিক মানুষের হাতে পৌঁছয়নি। যারা ক্ষতিগ্রস্ত, তারা টাকা পায়নি। তাঁর দাবি, বাংলায় বিজেপি সরকার গঠন হলে এই সব দুর্নীতি বন্ধ হবে।আম প্রক্রিয়াকরণ শিল্প গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকারের কোনও উদ্যোগ নেই বলে অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি নদীভাঙন নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বৃষ্টি হলেই সব ভেসে যায়, আর বন্যাত্রাণ নিয়ে কী হয়েছে, তা মানুষ নিজেরাই ভালো জানেন।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতা থেকে পাঠানো হচ্ছে RPF-RPSF, বেলডাঙায় হাজির হলেন হুমায়ুন কবীর

শুক্রবারের উত্তপ্ত পরিস্থিতির পর শনিবারও মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা এলাকায় উত্তেজনা অব্যাহত। স্থানীয় বিধায়ক ও জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন, পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। ইতিমধ্যেই কৃষ্ণনগর-লালগোলা রুটের ট্রেন বন্ধ হয়ে গেছে, রেলগেট ভেঙে ফেলা হয়েছে। হুমায়ুন কবীর ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়ে বচসা করেন।তিনি বলেন, স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ যথেষ্ট সক্রিয় নয়। সক্রিয়তা না বাড়ালে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষগুলো আক্রান্ত হচ্ছে। জনরোষ এসে জাতীয় সড়ক (NH)-এর উপর পড়ছে। গতকাল সাত ঘণ্টা রাস্তা বন্ধ ছিল। বিহারে আরও একজন আহত হয়েছে, হাসপাতালে ভর্তি। কিছু মানুষ প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছে। কার নির্দেশে তারা NH অবরোধ করছে তা জানা নেই।আজও সাংবাদিকদের টার্গেট করে মারধর করা হয়েছে। জাতীয় সড়ক পুরোপুরি ধ্বংসের পথে। ক্ষিপ্ত জনতা রাস্তায় নেমে বাঁশ হাতে ও ফ্লেক্স-ব্যানার উপরে ফেলে লাথি মারা সহ নানা ধরণের ভাঙচুর চালাচ্ছে। এলাকায় একজনও পুলিশ দেখা যায়নি। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কেউ গ্রেফতার হয়নি। পরে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জানা গেছে, কলকাতা থেকে RPF ও RPSF পাঠানো হচ্ছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের আগে বড় সিকিউরিটি অ্যালার্ট, বন্দে ভারত স্লিপারকে লক্ষ্য করে ষড়যন্ত্র!

আর হাতে গোনা কয়েক ঘণ্টা, তারপরই মালদহ থেকে ছুটবে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন। তবে এই আনন্দের মাঝে নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আরপিএফ। গোপন সূত্রে খবর পাওয়া গেছে, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া ও কালো পতাকা দেখানোর ষড়যন্ত্র চলছে।আজ দুপুরে মালদা টাউন রেলস্টেশন থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী উদ্বোধন করবেন ট্রেনের। তার আগে আরপিএফের পক্ষ থেকে কালিয়াচক থানার আইসিকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সুবোধ কুমার সাউ নামের একজন ব্যক্তি ইমেইলের মাধ্যমে জানিয়েছেন যে কিছু দুষ্কৃতীরা ট্রেন ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন স্টেশনে হামলার চেষ্টা করতে পারে।আরপিএফের আশঙ্কা অনুযায়ী, জামিরঘাটা, খালতিপুর, চমগ্রাম, শঙ্খপাড়া, নিউ ফরাক্কা, বল্লালপুর, ধুলিয়ান, বাসুদেবপুর ও তিলডাঙা এলাকায় ট্রেন লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হতে পারে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে কালো পতাকা দেখানোর সম্ভাবনাও রয়েছে। তাই কালিয়াচক থানাকে স্টেশনগুলিতে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।এর আগে হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস লক্ষ্য করে একাধিকবার পাথর ছোড়ার ঘটনা ঘটেছিল। তখন রেল কর্তৃপক্ষ কড়া পদক্ষেপ নিয়েছিল। এবার যাতে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে এমন কোনও ঘটনা না ঘটে, তার জন্য আগেভাগেই সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

বেলডাঙা উত্তাল! রেল অবরোধ, ট্রেন আটক, ভাঙচুর ও সাংবাদিকের ওপর হামলা

ভীন রাজ্যে এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু ঘিরে উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। শুক্রবারের পর শনিবারও রাস্তায় শত শত মানুষ বিক্ষোভে নেমে আসে। গতকাল সাংবাদিকদের ওপরও হামলা হয়েছে। ট্রেন ও সড়ক অবরোধের ঘটনা লাগাতার চলেছে। শনিবার ফের জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন স্থানীয় জনতা। সড়কে চলমান সব কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। রেল গেট ভাঙচুর করা হয়েছে, ফলে লালগোলাকৃষ্ণনগর রুটের ট্রেন চলাচলও বন্ধ রয়েছে। এই পরিস্থিতি দেখে প্রশ্ন উঠেছে, এভাবেই কি প্রতিবাদ করা উচিত?শুধু শুক্রবার নয়, শনিবারও সাংবাদিকদের টার্গেট করা হয়েছে। ছবিতে দেখা গেছে ক্ষিপ্ত জনতা রাস্তায় নেমে বাঁশ হাতে হুড়োহুড়ি করছেন। রাস্তার ধারে থাকা ফ্লেক্স ও ব্যানার উপরে ফেলে লাথি মারা হচ্ছে। এলাকায় কোনও পুলিশকর্মীও দেখা যায়নি। কোথায় গেল পুলিশ, সেটাই এখন প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।গতকাল পরিস্থিতি যখন তপ্ত হয়েছিল, প্রশাসনের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক হয়। কিছু আবেদন মেনে নেওয়া হয় এবং কন্ট্রোল রুম খোলা হয়। তবে তাতে কার্যত পরিস্থিতির কোনও উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। শনিবার সকাল থেকেই বেলডাঙায় পরিস্থিতি ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ বিষয়ে কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী বলেন, রাজ্যে প্রশাসন নেই, তাই এমন হচ্ছে। তার মধ্যে আজ আবার অভিষেক আসছেন। তাই বহরমপুর বাসস্ট্যান্ড বেলা ১১টা থেকে ৪টা অবধি বন্ধ থাকবে। এই সময়ে সাধারণ মানুষের জন্য সব বন্ধ। নেতারাই তো সমাজ-বিরোধী কাজ করছেন। তাহলে বাংলায় আর কী হবে? কোথাও রোড শো, কোথাও ভাঙচুরএর জন্য যাতায়াত বন্ধ। জনপ্রতিনিধি ভাষণ দেবেন বলে সব বন্ধ।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
কলকাতা

ছাব্বিশ হাজার চাকরি বাতিলের জটিল মামলা আবার আলোচনায়, দাগি প্রার্থীদের তালিকায় উঠে এল নাম!

কলকাতা হাইকোর্টের একটি উল্লেখযোগ্য রায়ের আলো আবার সমালোচনার কেন্দ্রে এসেছে। ২০১৬ সালের এসএসসি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যারা চাকরি পাননি, তাদের মধ্যে কয়েকজন দাগি প্রার্থী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিলেন। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ২৬ হাজার চাকরি বাতিল হয়। এখন ২০২৫ সালের নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এসএসসি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত করেছে ২০১৬ সালের ওয়েটিং লিস্টের দাগি প্রার্থীদের নাম।এই তালিকায় নাম থাকা মাত্রই বিতর্ক শুরু হয়েছে। নন্দীগ্রামের লক্ষ্মী তুঙ্গারের নামও তালিকায় রয়েছে, যিনি ২০১৬ সালে নিয়োগ বৈধতা নিয়ে মামলা করেছিলেন। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেছেন, বঞ্চিত প্রার্থীর নামে মামলা হয়েছে, যারা লড়েছেন তাঁদের নাম এখন দাগি তালিকায়। এটা একটি পরিকল্পিত প্রক্রিয়ার অংশ। অনেক চূড়া এখনও প্রকাশ পায়নি। তিনি আরও বলেন, নিয়োগ আটকানোর চেষ্টা অনেকবার হয়েছে। তবে যোগ্য শিক্ষকের নিয়োগ বাধ্যতামূলক। তবে এই প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের ষড়যন্ত্র ছিল কি না, তা কিছুটা প্রকাশ পেয়েছে।চাকরিহারা রাকেশ আলম বলেন, যখন তালিকা প্রকাশিত হলো, তখন স্পষ্ট হলো এই প্যানেল রাজনৈতিক প্রভাবের ফলে তৈরি। আমরা যোগ্য শিক্ষকদের পক্ষে, কোনও রাজনৈতিক পক্ষ নই। ওএমআর মিসম্যাচের অভিযোগে দাগিদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে অযোগ্য প্রার্থীরাও উঠে এসেছে।এসএসসি সূত্রে জানা যায়, নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় একজনও দাগি প্রার্থী থাকবেন না, সেই নির্দেশনা মেনে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু প্রকাশিত তালিকা ভোটের আগে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
কলকাতা

বিএলও-র ইস্তফা ঝড়! এসআইআর প্রক্রিয়া বিপর্যয়ের পথে? নির্বাচনী কমিশনের পদক্ষেপ প্রশ্নের মুখে

শেষ পর্যায়ে এসআইআর প্রক্রিয়া। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। কিন্তু তার আগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিএলও-দের অসন্তোষ ক্রমশ বেড়েছে। অতিরিক্ত কাজের চাপের অভিযোগ আগেই তুলেছিলেন বিএলও-রা। এবার অনেকেই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে ইস্তফা দিতে শুরু করেছেন।রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিএলও-রা গণইস্তফা দিচ্ছেন। শনিবারই উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গা ব্লকে প্রায় ২০০ জন বিএলও অনির্দিষ্টকালের জন্য কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, একের পর এক নির্দেশিকা ও ম Thomson-এ কাজ করতে গিয়ে তাঁরা হয়রানি ও হেনস্থার মুখে পড়ছেন। বিডিও দফতরের সামনে গেট আটকে বিক্ষোভও দেখানো হয়েছে।বিএলও-দের অসন্তোষ জেলায় জেলায় বাড়ছে। স্বরূপনগরে গতকাল ৫৩ জন বিএলও একসঙ্গে ইস্তফা দিয়েছেন। সূত্রের খবর, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে এখন পর্যন্ত পাঁচ হাজারের বেশি বিএলও ইস্তফার আবেদন জমা দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশন কি পদক্ষেপ নেবে, তা এখনই প্রশ্নের মুখে। রাজনৈতিক কারণে কি এই ইস্তফার ঘটনা ঘটছে, তা নিয়েও জোর আলোচনা চলছে।এসআইআর প্রক্রিয়ায় বিএলও-দের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গত ৪ নভেম্বর থেকে তারা এনুমারেশন ফর্ম বিলি শুরু করেছিলেন। কাজের চাপ এবং দীর্ঘ দায়িত্বের কারণে একাধিক বিএলও মৃত্যু বা আত্মহত্যার অভিযোগও উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে কমিশনের পদক্ষেপই এখন সবার নজর কেড়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal