• ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার ০৩ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IED

দেশ

Railway: করোনায় প্রাণ গিয়েছে ২,৯০৩ জন রেলকর্মীর

করোনা মহামারি আঘাত হানার পর থেকে এখনও পর্যন্ত ভারতীয় রেলে মোট ২ হাজার ৯০৩ জন কর্মী প্রাণ হারিয়েছেন। শুক্রবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব সংসদে এমনটাই জানান। রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের উত্তরে লিখিত আকারে এই তথ্য পেশ করা হয়। অশ্বিনী আরও উল্লেখ করেছেন, এখনও পর্যন্ত করোনায় মৃত ২ হাজার ৭৮২ জন রেলকর্মীদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুনঃ পোলিকারপোভাকে উড়িয়ে দারুণভাবে অলিম্পিক অভিযান শুরু করলেন সিন্ধুমন্ত্রী জানান, কর্মরত অবস্থায় কোনও কর্মীর মৃত্যু হলে ভারতীয় রেলের তরফে তাঁদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সংশ্লিষ্ট নীতি রয়েছে। রেলওয়ে কর্মীর ওপর নির্ভরশীল পরিবারের সদস্যদের করোনায় মৃত্যু হলে এই স্কীমের সমস্তরকম সুবিধা রেলের তরপে দেওয়া হয়। তিনি আরও জানান, এখনও পর্যন্ত রেলের প্রায় ৮ লাখ ৬৩ হাজার ৮৬৮ জন কর্মীকে ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে। ২ লাখ ৩৪ হাজার ১৮৪ জনকে দ্বিতীয় ডোজটিও দিয়ে দেওয়া হয়েছে।রেলওয়ে কর্মীদের ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত পরিমান সেন্টার খুলে পর্যাপ্ত পরিমাণ টিকাকর্মীও নিয়োগ করা হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব রেলওয়ের সমস্ত কর্মীকে ভ্যাকসিন দেওয়া সম্পূর্ণ করা হবে বলেও বৈষ্ণব জানিয়েছেন।RAILWAYS LOST 2,903 EMPLOYEES DUE TO COVID-19 : RAIL MINISTER. pic.twitter.com/zMF49PJcbz Eastern Railway (@EasternRailway) July 24, 2021

জুলাই ২৫, ২০২১
দেশ

Mumbai Rain: বৃষ্টি-বন্যা-ধসে বিপর্যস্ত মহারাষ্ট্র, মৃত ১২৯

ভয়াবহ পরিস্থিতি মহারাষ্ট্রের।বৃষ্টি, বন্যা, ধসে পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর হচ্ছে। গত দুদিনের বৃষ্টির জেরে ১২৯ জনের মৃ্ত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মহারাষ্ট্র জুড়ে একাধিক জায়গায় ধস নেমেছে। বন্যার জলের তোড়ে ভেসে গিয়েও অনেকের মৃত্যু হয়েছে। একাধিক জায়গায় চলছে উদ্ধার কাজ। চূড়ান্ত তৎপরতার সঙ্গে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের কর্মীরা। হেলিকপ্টারে চালানো হচ্ছে নজরদারি। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় জারি হয়েছে রেড অ্যালার্ট।আরও পড়ুনঃ কেতুগ্রাম বোমা বিস্ফোরণ কাণ্ডে ধৃত দুই, পলাতকদের খুঁজছে পুলিশরাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন, ৪৮ ঘণ্টায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১২৯। রায়গড় ও সাতারা জেলাতেই মৃতের সংখ্যা সবথেকে বেশি। শুধুমাত্র সাতারায় মৃত্যু হয়েছে ২৭ জনের। গন্ডিয়া, চন্দ্রপুরের মতো এলাকাগুলোতেও পরিস্থিতি মারাত্মক আকার নিয়েছে। ধস নেমেছে আম্বেঘর, মিরগাঁও গ্রামে। রত্নগিরি জেলায় আটকে পড়েছে ১০ জন। বন্যার জলে ভেসে গিয়েছে একটি বাস। বাসের যাত্রীদের কোনওমতে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। শুক্রবার মহারাষ্ট্রে ধসে মৃত্যুর ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেছেন তিনি। বায়ুসেনার এমআই-১৭ভি৫ ও এমআই- ১৭ হেলিকপ্টার মোতায়েন করা হয়েছে মহারাষ্ট্রে। ভারতীয় উপকূল রক্ষী বাহিনীর তরফেও সাতটি টিম কাজ করছে। শনিবারই উদ্ধারকাজে যোগ দেবে ভারতীয় সেনা ও নৌবাহিনীর মোট ৬টি টিম। মহারাষ্ট্রের মোট ৬টি জেলায় রেড অ্যালার্ট জারি করেছে মৌসম ভবন।

জুলাই ২৪, ২০২১
দেশ

Pak Drone: আইইডি ভর্তি পাক ড্রোনের হামলার ছক বানচাল

সীমান্তে ড্রোনের মাধ্যমে অস্ত্র পাচারের ক্রমাগত চেষ্টা চালিয়েই যাচ্ছে পাকিস্তান। বৃহস্পতিবার রাতে ফের একবার ড্রোনের মাধ্যমে হামলার চেষ্টা চালানো হয়েছিল। কিন্তু পুলিশের তৎপরতায় পুরো ছক বানচাল হয়ে যায়। জম্মুতে হামলার আগেই গুলি করে নামানো হয় একটি পাকিস্তানি ড্রোন। উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক। আরও পড়ুনঃ বালি খাদান নিয়ে কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীরজানা গিয়েছে, জম্মুর আখনুর সেক্টরে বৃহস্পতিবার রাতে প্রথম ড্রোনটি চোখে পরে। সঙ্গে সঙ্গে তৎপর হয় পুলিশ। ড্রোনটিকে গুলি করে নামানো হয়। দেখা যায় ড্রোনটি পাকিস্তানের এবং তাতে রয়েছে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক আইইডি। জম্মু বায়ুসেনা ঘাঁটিতে হামলার মতোই কোনও বড়সড় নাশকতার ছকে ড্রোনটিতে বিস্ফোরক ভরে ভারতে পাঠান হয়েছিল বলে একপ্রকার নিশ্চিত সেনা ও পুলিশ। The Hexacopter was shot down around six kilometres inside the border, approximately 5 kilograms of explosives recovered: Jammu and Kashmir Police pic.twitter.com/Nw6mn3X1gv ANI (@ANI) July 23, 2021প্রথমে জম্মুর বায়ুসেনা ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা। এরপর উপত্যকার আকাশে দেখা যাচ্ছে একের পর এক সন্দেহজনক ড্রোন। সেনার বিভিন্ন অতি স্পর্শকাতর এলাকার কাছেও ধরা পড়ছে চালকবিহীন এই সমস্ত উড়ো যান। মাটির পাশাপাশি এবার উপত্যকার আকাশেও কড়া নজরদারি চালাচ্ছে সেনা। ফলে গত কয়েকদিনে বেশ কয়েকটি ড্রোনকে নষ্ট করা হয়েছে। এমনকী, দিল্লিতেও জারি হয়েছে ড্রোন হামলার সকতর্কতা।

জুলাই ২৩, ২০২১
রাজ্য

জামালপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট চাষির মৃতদেহ উদ্ধার

চাষের জমি থেকে উদ্ধার হল এক প্রৌঢ় চাষির মৃতদেহ। মৃতর নাম উমাপদ পাত্র (৬৭)। তার বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার জামালপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েত অধীন শুড়েকালনা গ্রামের পাত্রপাড়ায়। বৃহস্পতিবার সকালে শুড়েকালনা এলাকার শ্মশানের কাছের জমিতেই পড়ে থাকতে দেখা যায়, উমাপদ পাত্রর মৃতদেহ। ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে জামালপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। প্রৌঢ় চাষির এমন মর্মান্তিক মৃত্যুর জন্য বিদ্যুৎ দপ্তর ও পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের গাফিলতিকেই দায়ী করেছেন মৃতর পরিজন ও এলাকাবাসী। পুলিশ মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।আরও পড়ুনঃ জন্মদিন কেমন কাটল বং গাই এর?মৃতর নাতি সৌরভ বড়াল জানিয়েছেন, শুড়েকালনার পাত্রপাড়ার অদূরে দামোদরের গা ঘেঁষে রয়েছে তাঁর দাদু উমাপদ পাত্রর চাষের জমি। সেই জমির খানিকটা দূরেই রয়েছে শ্মশান। সেখানকার ইলেকট্রিক পোস্ট থেকে শ্মশানে তার টেনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ইলেকট্রিক পোলটি কিছুদিন ধরেই কারেন্ট হয়ে আছে।এলাকার পঞ্চায়েত সদস্য ও পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষকে সেই বিষয়ে এলাকার লোকজন জানিয়ে আসলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। সৌরভ জানান, অন্যান্য দিনের মতো এদিনও তাঁর দাদু নিজের চাষের জমির কাজে যাচ্ছিলেন। সেই সময়ে জমিতে জমে থাকা জল কারেন্ট হয়ে ছিল। ওই জলে পা পড়তেই উমাপদ পাত্র বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান বলে সৌরভ বড়াল দাবি করেছেন। শুড়েকালনা নিবাসী জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য প্রদীপ পাল বলেন, যে পোল থেকে ইলেকট্রিক তার শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে সেই পোলটি তড়িদাহত হয়ে থাকার বিষয়টি পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছিল। কিন্তু কেন সেটি মেরামত হয়নি তা পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ ও বিদ্যুৎ দপ্তর জানাতে পারবে বলে প্রদীপ পাল মন্তব্য করেন। পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে দায় এড়ালেও জামালপুর বিদ্যুৎ দপ্তরের স্টেশন ম্যানেজার বিদ্যুৎ সাহা জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ দপ্তরকে অন্ধকারে রেখে শ্মশানে বিদ্যুৎ লাইন টেনে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।যে ব্যক্তি মারা গিয়েছেন তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েই মারা গিয়েছেন কি না তা এখনও পরিষ্কার নয় । এই বিষয়ে সবিস্তার খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জুলাই ১৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Y‌ashpal Sharma : মারা গেলেন ১৯৮৩ বিশ্বকাপের নায়ক, শোকস্তব্ধ গোটা দেশ

ভারতীয় ক্রিকেটে ইন্দ্রপতন। মারা গেলেন ১৯৮৩ বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় দলের সদস্য যশপাল শর্মা। বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর। মঙ্গলবার সকালে নিজের বাসভবনেই মারা যান দেশের এই প্রাক্তন ক্রিকেটার। মৃত্যুকালে যশপাল রেখে গেলেন স্ত্রী রেণু শর্মা, দুই মেয়ে পুজা ওপ প্রীতি এবং ছেলে চিরাগকে। তাঁর মৃত্যুতে দেশের ক্রীড়ামহলে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।আরও পড়ুনঃ পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির অভিনব প্রতিবাদ, ডোঙার সাহায্যে জল সেচ তৃণমূল বিধায়কের১৯৮৩ বিশ্বকাপে দলকে ফাইনালে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা নিয়েছিলেন যশপাল শর্মা। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৬১ রানের দুর্দান্ত ইনিস খেলেছিলেন। ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের মধ্যে ওটাই ছিল সর্বোচ্চ স্কোর। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচেও ৮৯ রানের অসাধারণ ইনিংস উপহার দিয়েছিলেন যশপাল। দেশের হয়ে ৩৭ টি টেস্ট খেলেছিলেন। রান করেন ১৬০৬। সেঞ্চুরি ২টি। ৪২টি একদিনের ম্যাচে রান করেছেন ৮৮৩। যশপাল শর্মার রানিং বিটুইন দ্য উইকেট ছিল চোখে পড়ার মতো। ১৯৮৩ বিশ্বকাপে এই ব্যাপারে দারুণ নজর কেড়েছিলেন। খারাপ ফর্মের জন্য ১৯৮৩৮৪ মরশুমে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সিরিজে দল থেকে বাদ পড়েছিলেন। পরে আর সেই জায়গা ফিরে পাননি।আরও পড়ুনঃ ইংল্যান্ডের স্বপ্ন চুরমার করে ইউরো চ্যাম্পিয়ন ইতালিখেলা থেকে অবসর নেওয়ার পর একসময় ম্যাচ রেফারির দায়িত্বও পালন করেছিলেন যশপাল। ২০০৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন যশপাল। তাঁর সময় কালেই কোচ গ্রেগ চ্যাপেলের সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলি। প্রকাশ্যে সৌরভের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন যশপাল। সৌরভের হয়ে বিবৃতিও দিয়েছিলেন। পাশাপাশি কোচ গ্রেগ চ্যাপেলের নানা কর্মকান্ডের সমালোচনায় মুখর হন। তিনি প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন, গ্রেগ চ্যাপেল যাদের পছন্দ করেন না, তাদের দলে না রাখার জন্য নির্বাচকদের চাপ দিতেন। শারদ পাওয়ার বোর্ড সভাপতি হওয়ার পর নির্বাচকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় যশপাল শর্মাকে। পরে আবার নির্বাচকের দায়িত্ব পেয়েছিলেন। একসময় আম্পায়ারের ভুমিকাতেও দেখা গেছে যশপালকে।আরও পড়ুনঃ প্রয়াত বলিউড অভিনেতা ও মিমিক্রি শিল্পী মাধব মোঘেযশপাল শর্মার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা দেশে। দেশের রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে ক্রীড়ামন্ত্রী, বিভিন্ন ক্রীড়াবিদ শোকজ্ঞাপন করেছেন। রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ টুইটারে লিখেছেন, যশপাল শর্মার মৃত্যু খুবই দুঃখজনক। দেশকে ১৯৮৩ বিশ্বকাপ জেতাতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা নিয়েছিল। ওর পরিবারকে আমার সমবেদনা জানাচ্ছি। কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী তথা প্রাক্তন ক্রিকেট বোর্ড প্রেসিডেন্ট অনুরাগ ঠাকুর টুইটারে শোকপ্রকাশ করে লিখেছেন, ভারতীয় ক্রিকেটে যশপাল শর্মার অবদান কখনও ভোলা যাবে না। শচীন টুইট করেছেন, যশপাল শর্মার মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত। ১৯৮৩ বিশ্বকাপ জয়ে শর্মাজীর অবদান কখনও ভোলার নয়।

জুলাই ১৩, ২০২১
রাজ্য

Tragic Accident: রথের চাকায় পিষ্ট হয়ে মৃত্যু বালকের

রথের চাকায় পিষ্ট হয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হলো প্রথম শ্রেণির এক ছাত্রের। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ছটা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে পুরাতন মালদা থানার মাধাইপুর এলাকায় রূপ সনাতন মন্দির সংলগ্ন মাঠে। করোনা সংক্রমণের মধ্যে মালদায় রথযাত্রায় সাধারণ মানুষের জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও, কিভাবে পুরাতন মালদার মাধাইপুর এলাকায় রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হলো তা নিয়েও বিস্তর অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে । আর ওই এলাকাতেই রথের চাকায় পিষ্ট হয়ে সাত বছর বয়সী এক বালকের মৃত্যুর ঘটনার পর ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।আরও পড়ুনঃ ভামিকার ৬ মাসের ছবি শেয়ার বিরুষ্কারএদিন রথযাত্রা উপলক্ষে মাধাইপুর এলাকার মাঠেই রূপ সনাতন কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে রথযাত্রার আয়োজন করা হয়। আর সেই রথেই নাকি চেপে বসেছিল প্রথম শ্রেণির ওই বালক। এরপর বেসামাল হয়ে রথ থেকে পড়ে চাকার তলে ঢুকে যায় সে। সেই মুহূর্তেই শরীরের ওপর দিয়ে কাঠের চাকা চলে যাওয়ায় পিষ্ট হয়ে যায় ওই ছাত্রটি। ঘটনাস্থলে যায় পুরাতন মালদা থানার পুলিশ । করোনা পরিস্থিতির মধ্যে রথ পরিচালনা করা নিয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। তবে এব্যাপারে রূপ সনাতন মন্দির কর্তৃপক্ষ কোনও মন্তব্য করতে চায়নি।আরও পড়ুনঃ পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির অভিনব প্রতিবাদ, ডোঙার সাহায্যে জল সেচ তৃণমূল বিধায়কেরপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত বালকের নাম সঞ্জয় সাহা, বয়স সাত বছর । তার বাড়ি পুরাতন মালদা পুরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কোর্ট স্টেশন সংলগ্ন বাচ্চাকলোনি এলাকায়। মৃত ছাত্রের বাবা সুমন সাহা, পেশায় রাজমিস্ত্রি। মা শিখা সাহা, গৃহবধূ । এদিন বিকেলে মাধাইপুর এলাকার রথযাত্রা দেখার জেদ ধরেছিল ওই বালক। এরপর মায়ের সঙ্গে সেই এলাকায় রথযাত্রা দেখতে যায়। আর সন্ধ্যায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।আরও পড়ুনঃ ইংল্যান্ডের স্বপ্ন চুরমার করে ইউরো চ্যাম্পিয়ন ইতালিপ্রায় ১২ ফুট উচ্চতার রথের মাথা থেকে নিচে পড়ে চাকার তলে পিষ্ট হয় ওই বালক। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার। এই দুর্ঘটনার পর মুহূর্তের মধ্যেই রথ চালানো বন্ধ হয়ে যায়। মাধাইপুর এলাকার মাঠের মাঝখানে রথ দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। আতঙ্কের জেরে নিমেষের মধ্যে ফাঁকা হয়ে যায় গোটা এলাকা। পরে ঘটনার খবর পেয়ে তদন্তে যায় পুলিশ।আরও পড়ুনঃ আতঙ্ক ছড়াচ্ছে করোনার দোসর জিকা ভাইরাসএদিকে রূপ সনাতন মন্দির কর্তৃপক্ষের এক সদস্য দিবাকর ঘোষ জানিয়েছেন, সরকারি নির্দেশ মেনে রথে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার বিগ্রহকে পূজা দেওয়া হয়েছিল। সেরকমভাবে রথ টানার কোনও ব্যবস্থা এদিন রাখা হয়নি । এরমধ্যে কোথায় কী ঘটে গেল কিছুই বুঝতে পারছি না ।আরও পড়ুনঃ প্রয়াত বলিউড অভিনেতা ও মিমিক্রি শিল্পী মাধব মোঘেঅন্যদিকে, পুরাতন মালদা থানার আইসি হীরক বিশ্বাস জানিয়েছেন, সরকারি নির্দেশ উপেক্ষা করে রথযাত্রা জমায়েত এবং রথ টানা হচ্ছিল কি না সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কিভাবে দুর্ঘটনা ঘটলো সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মৃতদেহ উদ্ধার করে মালদা মেডিক্যাল কলেজের মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি রথযাত্রার যারা উদ্যোক্তা, তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

জুলাই ১২, ২০২১
কলকাতা

রবিনসনকাণ্ডের ছায়া এবার ট্যাংরায়

রবিনসন কাণ্ডের ছায়া এবার ট্যাংরায়। তিনদিন ধরে মায়ের মৃতদেহ আগলে বসে রইলেন মানসিক ভারসাম্যহীন তরুণী। শেষমেশ রবিবার পুলিশ এসে মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার করে। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতার নাম কৃষ্ণা দাস। তাঁরা তিন মেয়ে। দুই মেয়ের বিয়ে হয়ে গিয়েছে। তবে আরেক মেয়ে সোমা দাস থাকতেন মায়ের সঙ্গেই। কৃষ্ণা দাসের স্বামী রেলকর্মী ধীরেন দাসও বাড়ি প্রায় আসেন না বললেই চলে। স্থানীয়দের দাবি, ট্যাংরার শীল লেনের ওই বাড়িতে মায়ের সঙ্গে শুধু সোমাকেই দেখা যেত। মানসিক ভারসাম্যহীন সোমা কাউকেই বাড়িতে ঢুকতে দিতেন না। বাইরের কোনও ব্যক্তিকে দেখলেই চিৎকার করতেন। জিনিসপত্র, বাসন ইত্যাদি ছুঁড়ে মারতেন। তাই তাঁদের বাড়িতে খুব একটা যাতায়াত ছিল না কারওরই। ফলে কৃ্ষ্ণা দাসের মারা যাওয়ার বিষয়টি অজানাই ছিল এলাকার বাসিন্দাদের কাছে। মেয়েও এনিয়ে কোনও উচ্চবাচ্য করেননি।কিন্তু এদিন সকালে শীল লেনের ওই বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ বেরতে শুরু করে। আর তাতেই সন্দেহ হয় প্রতিবেশীদের। তাঁরাই পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে ঘরের ভিতর থেকে কৃষ্ণা দাসের মৃতদেহ উদ্ধার করে। সেই সময় মায়ের পচন ধরা দেহের পাশেই বসেছিলেন সোমা দাস। জানা যায়, তিনদিন আগেই মায়ের মৃত্যু হয়েছিল। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হল, ময়নাতদন্তের পরই তা পরিষ্কার হবে। কৃষ্ণা দাসের পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গেও যোগাযোগ করার চেষ্টা করছে পুলিশ।

জুন ২৭, ২০২১
রাজ্য

বর্ধমানে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু ২ শিশুর

রায়নায় দুই শিশুর (Child) রহস্যজনক মৃত্যু। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই বোনের মৃত্যু হয়েছে। তবে দুই মেয়ে রহস্যমৃত্যুর জন্য বাবাকে কাঠগড়ায় তুলছে স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁকে ধরে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। পরে স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশ।আরও পড়ুনঃ মঙ্গলবার পর্যন্ত বন্ধ হাওড়ার একাধিক বাজারশনিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের (Burdawan) রায়নার খালেরপুল এলাকায়। মৃতরা হল সুমি খাতুন (৮) ও তার বোন রুমি খাতুন (৬)। প্রাথমিকভাবে অনুমান, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে। নিছক দুর্ঘটনা না কি ঘটনার পিছনে অন্য কারণ রয়েছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এদিকে ঘটনার পর ওই দুই শিশুর বাবা পেশায় টোটোচালক হাসিবুল লায়েক এলে তাকে স্থানীয়রা বেধড়ক মারধর করে। অভিযোগ, হাসিবুলের সঙ্গে তার স্ত্রীর কয়েকদিন আগে অশান্তি হয়। তার জেরে স্ত্রী বাপের বাড়ি চলে যান। শিশু দুটি বাবার কাছেই ছিল। শিশু মৃত্যুর ঘটনায় বাবাকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন স্থানীয়রা।জানা গিয়েছে, এদিন বিকেলে ওই দুই শিশু বাড়ির কাছেই একটি তারের তৈরি দোলনায় দোল খেতে যায়। সন্ধ্যা গড়িয়ে গেলেও বাড়ি না ফেরায় তার ঠাকুমা খুঁজতে বেরয়। পরে শিশুদুটিকে পড়ে থাকতে দেখেন। তিনি দাবি করেন, নাতনিদের গায়ে হাত দিতেই শক লাগে। খবর পেয়ে রতে রায়না থানার পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। সেখানেই চিকিৎসকরা জানান শিশু দুটির মৃত্যু হয়েছে।

জুন ২৭, ২০২১
কলকাতা

Wall Collapse: হনুমানের লাফে পাঁচিল ভেঙে পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু

এক বাড়ির ছাদ থেকে আরেক বাড়ির ছাদে হনুমান লাফ দিতেই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল পাঁচিল। আর সেই পাঁচিল চাপা পড়ে মারা গেলেন ষাটোর্ধ্ব এক বৃদ্ধা। মর্মান্তিক ওই ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার বিকেলে হাওড়ার বালির হাজরাপাড়া এলাকায়। গত দুদিনের অতিভারী বৃষ্টিতে এমনিতেই জীর্ণ বাড়িটি দুর্বল হয়ে পড়েছিল। আর তার উপর হনুমান এসে ছাদে লাফ দিতেই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে ছাদের একাংশ। আর তাতেই পাঁচিলের একাংশ ভেঙে চাপা পড়ে মৃত্যু হয় ষাটোর্ধ্ব ওই মহিলার। এই ঘটনায় কার্যত শোকস্তব্ধ বালির হাওড়ার হাজরাপাড়া। এইভাবে কারও মৃত্যু হতে পারে তা বিশ্বাস করতে পারছেন না কেউই। বেলুড় স্টেট জেনারেল হাসপাতালে মহিলাকে আনা হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। জানা গিয়েছে, জীর্ণ বাড়ির নীচে দাঁড়িয়ে ছিলেন আরতি দাস নামের ওই মহিলা। শুক্রবার বিকেলে ওই ঘটনা ঘটে। পরিবারের সদস্যদের চোখের সামনেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে যায়। ঘটনায় শোকস্তব্ধ হয়ে পড়েছে বালির হাজরাপাড়া এলাকা।এদিকে, এই ঘটনা প্রসঙ্গে মৃতার আত্মীয় সোমা দে জানান, যখন তিনি এবং তাঁর স্বামী দুজনে মিলে বিকেলে বাড়িতে গাছ লাগাচ্ছিলেন, তখন মেজদিদি আরতি দাস সেখানে দাঁড়িয়েছিলেন। সেই সময় হঠাৎ একটা আওয়াজ হয়। দেখেন মেজদিদি মাটিতে পড়ে আছেন। একটা হনুমান এক ছাদ থেকে আমাদের ছাদে লাভ দেওয়ার সময় একাংশ হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ে ওনার মাথায়। আকস্মিক এই ঘটনা চোখের সামনে ঘটে যায়। মৃতার ছেলে অর্ণব দাস জানান, একটা হনুমান এক অ্যাসবেস্টস থেকে অন্য অ্যাসবেস্টসে লাফ দিতে গিয়ে ছাদের একাংশ মায়ের মাথায় এসে পড়ে। সেই সময় বাড়িতে তিনি ছিলেন না। এরপর খবর পেয়েই হাসপাতালে দ্রুত ছুটে আসেন। দেখেন এই ঘটনা।মৃতার ভাই আশীষ দে জানান, শুক্রবার বিকেলে তাঁরা বাড়ির বাগানে গাছ লাগাচ্ছিলেন। তখন একটা হনুমান ছাদের ওপর লাফিয়ে যাওয়ার সময় উপরের সিঁড়ির কাছে প্রায় ৬টি ইঁটের চাঁই ভেঙে মেজদির মাথায় পড়ে। এই ঘটনার উনি মারাত্মকভাবে মাথায় আঘাত পান। ঘটনাটা বালি হাজরাপাড়া লেনে ঘটে। বর্ষায় ইঁটের চাঁই আলগা অবস্থায় ছিল। এই অবস্থায় দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।

জুন ১৯, ২০২১
কলকাতা

Gyaneswari Incident: 'মৃত' ব্যক্তিকে আটক করল সিবিআই

জ্ঞানেশ্বরী এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় মৃত ব্যক্তি আচমকাই জীবিত হয়ে উঠলেন। শুধুই বেঁচে ওঠেননি। একই সঙ্গে সরকারি ক্ষতিপূরণ এবং সরকারি চাকরিও ভোগ করছিলেন এতদিনে। কিন্তু জালিয়াতি বেশিদিন চালানো গেল না। শনিবার কলকাতার জোড়াবাগান এলাকা থেকে ভুয়ো নথি, ডিএনএ রিপোর্ট ও ডেথ সার্টিফিকেট জমা দেওয়া ওই ব্যক্তিকে আটক করেছে সিবিআই। সূত্রের খবর, অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম অমিতাভ চৌধুরী। আটক করা হয়েছে অভিযুক্তের বাবাকেও।২০১০ সালের ২৮ মে জ্ঞানেশ্বরী এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় প্রায় ১৫০ জনের। মৃতদের পরিবারে জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ এবং সরকারি চাকরির ঘোষণা করে রেল। তবে নিয়ম বেঁধে দেওয়া হয়, ক্ষতিপূরণের জন্য মৃত ব্যক্তির মৃত্যুর শংসাপত্র জমা করতে হবে। একই সঙ্গে মৃত ব্যক্তির ডিএনএ-র নমুনা মিলবে এমন কোনও পরিবারের ব্যক্তিকে চাকরি দেওয়া হবে। সূত্রের খবর, এই ডেথ সার্টিফিকেট এবং এবং ডিএনএ রিপোর্ট তৈরির ক্ষেত্রেই কারচুপি করেছিলেন অভিযুক্ত অমিতাভ।জীবিত মানুষকেই কাগজপত্রের মাধ্যমে মৃত ঘোষণা করে ৪ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ এবং সরকারি চাকরি বাগিয়ে নেওয়া হয়। নথিতে মৃত অমিতাভ চৌধুরীর বোন রেলের একটি উর্ধ্বতন পদে সেই চাকরি পান। সেই ঘটনার প্রায় ১০ বছর পর রেলের অভ্যন্তরীণ অডিটে এই বেআইনি কার্যকলাপ ধরা পড়ে। অভিযোগ দায়ের করা হয় সিবিআই-এর দুর্নীতিদমন শাখায়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শুক্রবার রাতে জোড়াবাগান থাকা এলাকায় অভিতাভ চৌধুরীর বাড়িতে হানা দেয় সিবিআই। এরপর গতকাল রাতেই অমিতাভ চক্রবর্তী এবং তাঁর বাবাকে আটক করে সিবিআই। বর্তমানে তাঁদের নিজামে প্যালেসে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অনুমান, এর পিছনে একটি বড় চক্র কাজ করতে পারে। এই ধরনের ভুয়ো নথি জমা পড়লে সাধারণত গোড়াতেই তদন্তের সময় ধরা পড়ে। তাহলে কেন আগে এদের ধরা গেল না? তবে কি রেলের কোনও আধিকারিকও গোটা ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে? আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছে না সিবিআই।

জুন ১৯, ২০২১
রাজ্য

CoronaVirus: প্রয়াত গোসাবার তৃণমূল বিধায়ক জয়ন্ত নস্কর

কোভিড পরবর্তী প্রয়াত গোসাবার তৃণমূল বিধায়ক জয়ন্ত নস্কর। শনিবার রাত ৮.৪০ মিনিট নাগাদ তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৩। তার মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।Heartfelt condolences to the family supporters of Jayanta Naskar. Deeply pained at this colossal loss.As a 3-time MLA from Gosaba, he had dedicated his life towards serving people was always with us through our many struggles. He will be remembered dearly. Mamata Banerjee (@MamataOfficial) June 19, 2021মাসখানেক আগেই কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন জয়ন্ত নস্কর। প্রথমে তাঁকে এমআর বাঙুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখান থেকে পরে নিয়ে যাওয়ায় হয় মধ্য কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে। এক মাসের বেশি সময় ধরে তাঁর চিকিৎসা চলছিল সেখানে। কোভিড মুক্ত হলেও শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়নি। কোভিড পরবর্তী চিকিৎসা চলছিল জয়ন্ত নস্করের। সুন্দরবনের গোসাবা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তিন বার বিধায়ক পদে জিতেছেন অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক জয়ন্ত নস্কর। রাজনৈতিক জীবনের শুরুতে কংগ্রেসে ছিলেন তিনি। পরে তৃণমূলের জন্মলগ্নেই ওই দলে যোগদান করেন তিনি। বাসন্তির চুনাখালি গ্রামে তাঁর জন্ম। পরিবারে রয়েছেন স্ত্রী-সহ দুই ছেলে এবং তিন মেয়ে।

জুন ১৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Milkha Singh: থেমে গেলেন মিলখা! জীবন যুদ্ধে ফটোফিনিশে হার মানলেন প্রতিদ্বন্দ্বী করোনার কাছে

শরীরে কোভিড থাবা বসানোর ৩০ দিনের মাথায় প্রয়াত হলেন পদ্মশ্রী মিলখা।মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯১। একমাস লড়াই করার পরে শুক্রবার তার ৯১ বছর বয়সী মিলখা কোভিড -১৯ এর কাছে হেরে যাওয়ার আগে, মিলখা কতরকমের লড়াইয়ে জিতেছিল সেগুলি অনেকের কাছে দঃস্বপ্ন, এক অদম্য লড়াইয়ের কাহিনি ইতি পড়ল।উড়ন্ত শিখ নামেই তিনি পরিচিত ছিলেন। রোম অলিম্পিকে মাত্র ০.১ সেকেন্ডের জন্য ব্রোঞ্জ পদক জিততে পারেননি। সেই মিলখা সিং (Milkha Singh) আর নেই। বাবার চলে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন ছেলে গলফার জীব মিলখা সিং। কিংবদন্তি অ্যাথলিটের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ ক্রীড়াজগত। শোকজ্ঞাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। In the passing away of Shri Milkha Singh Ji, we have lost a colossal sportsperson, who captured the nations imagination and had a special place in the hearts of countless Indians. His inspiring personality endeared himself to millions. Anguished by his passing away. pic.twitter.com/h99RNbXI28 Narendra Modi (@narendramodi) June 18, 2021গত ২০ মে কোভিড (CoronaVirus) আক্রান্ত হয়েছিলেন মিলখা। তাঁর বাড়ির দুই পরিচারক করোনা সংক্রমিত হয়েছিলেন। বাড়ির অন্যান্যদের করোনা পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এলেও, মিলখার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়িও ফিরে এসেছিলেন।করোনা থেকে সুস্থ হওয়ার পরও বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন মিলখা। এর মধ্যেই দিন পাঁচেক আগে স্ত্রী নির্মল কৌর প্রয়াত হন।তিনিও কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার রাত থেকে ফের অসুস্থ হয়ে পড়েন মিলখা। রক্তে কমে যায় অক্সিজেনের মাত্রা। গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। সঙ্গে ছিল জ্বর। চণ্ডীগড়ের একটি হাসপাতালের আইসিইউ-তে রাখা হয় তাঁকে। শুক্রবার সন্ধে থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়। শেষপর্যন্ত আর যুঝতে পারেনি তাঁর শরীর। চিন্তা করবেন না, আমার মনের প্রচুর জোর, আমি ভাল আছি ... আমি অবাক হচ্ছি, আমি কীভাবে এই করোনা তে সংক্রমিত হলাম? ... আমি আশা করি খুব তাড়াতাড়ি এটাকে হারিয়ে দেবো। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগে পিটিআইয়ের সাথে শেষ কথাবার্তায় মিলখা বলেছিলেন।তাঁর উত্থানের আগে ভারতে অ্যাথলিটক্স স্বমন্ধে সাধরন মানুষের মধ্যে সেভাবে উৎসাহ চোখে পরত না। তিনি স্বাধীন ভারতের এক অন্যতম জনপ্রিয় ক্রীড়া আইকন, জীবনের প্রতি পদক্ষপে তাঁকে লড়াই করে যেতে হয়েছে, কিন্তু তিনি কোনও দিনই সেগুলিকে সেইভাবে গুরুত্ব দিতে চাননি। তাঁর জীবনের বানী ছিল যন্ত্রণা আড়ালেই সাফল্য লুকিয়ে থাকে পাঞ্জাবের গোবিন্দপুর গ্রামে হতদরিদ্র এক পরিবারে মিলখার জন্ম। দারিদ্র্য এতটাই যে অন্য কিছু ভাবার অবকাশ কারও ছিল না। কোনওভাবে বেঁচে থাকাটাই ছিল বড় ব্যাপার। তিনি দেখেছিলেন যে দেশভাগের সময় তার বাবা-মা খুন হয়েছেন, দিল্লির শরণার্থী শিবিরে থাকার সময় ছট্টো অপরাধে জড়িয়ে পড়েছিলেন, তাঁকে সেটার জন্য হাজতবাস করতে হয়েছিলো। হাজতবাসের জন্য তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ ইচ্ছা সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়া পূরন হয়নি। কে ভেবে ছিল সেই মিলখাকে নিয়ে তাঁর আত্মজীবনী দ্য ফ্লাইং শিখ লেখা হবে? মিলখা দিনের পর দিন রক্ত ঘাম ঝড়িয়ে এটি অর্জন করেছেন এবং নিজেকে ওই কঠিন পরিস্থিতি থেকে কীভাবে আরও বড় এবং আরও উন্নত করে মাস্টার-ক্লাস নিয়ে যাওয়াজায় সেটাতেই মগ্ন ছিলেন।এই কিংবদন্তি অ্যাথলিট চারবারের এশিয়ান গেমসের স্বর্ণপদক (১৯৫৮ টোকিও, ১৯৬২ জাকার্তা), এবং ১৯৫৮ সালের কমনওয়েলথ গেমস চ্যাম্পিয়ন ছিলেন, মিলখা সিং কে বলতে যে দৌড়ের কথা এক পলকে মনে সেই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সটি ছিল ১৯৬০ এর রোম অলিম্পিকের ৪০০ মিটার ফাইনাল, পদক না জিতলেও তা সারা পৃথবীর মানুষের মন জয় করে নিতে পেরে ছিলেন। তিনি চতুর্থ স্থান অর্জনকারী।মিলখা তাঁর ১৬০ পৃষ্ঠার আত্মজীবনীতে লিখেছিলেন আমার ক্যারিয়ারের জন্য আমি যে পদকটি জিততে চেয়েছিলাম সেটা হাত ফসকে গেছিলো বিচারকদের এক ছোট্টো ভুলের কারণে। তাঁর সে আত্মজীবনী আধারিত বলিউডের সিনেমা ভাগ মিলখা ভাগ চূড়ান্ত সাফল্য লাভ করে।৪০০ মিটার দৌড়ে তাঁর ইতালীর রাজধানীতে করা সময় ৩৮ বছর ধরে জাতীয় রেকর্ড থেকে যায়। ভারত সরকার তাঁকে পদ্মসন্মানে ভূষিত করেন ১৯৫৯এ, তাঁকে পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।১৯৫৮ র কমনওয়েলথ গেমসে ৪৪০গজ দৌড়ে তাঁর স্বর্ন পদক প্রাপ্তি বিশ্বে অ্যাথলেটিক্স মানচিত্রে ভারতকে এক আলাদা জায়গা করে দেয়। তবে অন্য কোনও কিছুর চেয়ে বড় কথা, মিলখা তিনিই ছিলেন যিনি ১৯৫৮ সালের ব্রিটিশ ও কমনওয়েলথ গেমসের তৎকালীন ৪৪০ গজ দৌড়ে সোনা জয়ের মাধ্যমে বিশ্ব মানচিত্রে ভারতীয় ক্রীড়াবিদকে রেখেছিলেন। এখানে বিশেষ ভাবে উল্লেখ্য, মিলখার কমনওয়েলথ গেমসে ব্যাক্তিগত সাফল্যকে সন্মান ঞ্জাপন করতে তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু জাতীয় ছুটি ঘোষণা করেছিলেন।মিলখা তার দীর্ঘ অ্যাথলেটিক্স ক্যারিয়ারে ৮০ টি প্রতিযোগিতার অংশগ্রহণ করে তাঁর মধ্যে ৭৭ টিতে জয়লাভ করেন। মিলখার জীবন নিয়ে পরবর্তীকালে তৈরি হয় বায়োপিক ভাগ মিলখা ভাগ (Bhaag Milkha Bhaag)। মিলখার ভূমিকায় অভিনয় করেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ফারহান আখতার। মিলখা সত্যিই দ্রুত গতিতে সব কিছুকে পিছনে ফেলে অস্পুট স্বরে ভাগ মিলখা ভাগ বলতে বলতে চলে গেলেন এক অজানার দেশে।

জুন ১৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

প্রয়াত স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত

প্রয়াত অভিনেত্রী স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত (Swatilekha Sengupta)। দীর্ঘদিন ধরে কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শহরের এক বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। ছোট পর্দার পাশাপাশি থিয়েটারের মঞ্চে দাপিয়ে অভিনয় করে গিয়েছেন স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত। বিখ্যাত থিয়েটার শিল্পী রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্তর স্ত্রী ছিলেন তিনি। অভিনেত্রীর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।১৯৮৪ সালে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় এবং ভিক্টর বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে পর্দায় অভিনয়ের যাত্রা শুরু স্বাতীলেখার। সত্যজিৎ রায়ের বিখ্যাত ছবি ঘরে বাইরে-র বিমলা অভিনয় নিয়ে আজও প্রশংসায় পঞ্চমুখ বাংলা ছবির দর্শক। সেই থেকে সৌমিত্র ও স্বাতীলেখার জুটিকে পছন্দ করেছিলেন অনুরাগীরা। কিন্তু তার পরে মঞ্চের বাইরে দেখা যায়নি তাঁকে। দীর্ঘ ৩১ বছর পরে সৌমিত্রর সঙ্গেই পর্দায় ফিরলেন তিনি। প্রযোজক-পরিচালক নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের হাত ধরে বড় পর্দায় দেখা যায় তাঁকে। বেলা শেষে ছবিতে সৌমিত্র-স্বাতীলেখার রসায়ন দেখে আপ্লুত দর্শকদের জন্য ফের বেলাশুরু-তে অভিনয় করেন তাঁরা। কিন্তু ছবি মু্ক্তি পাওয়ার আগেই চলে গেলেন নায়ক-নায়িকা। গত বছর নভেম্বর মাসে মৃত্যু হয় সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের। বুধবার চলে গেলেন স্বাতীলেখাও।১৯৭০ সালে ইলাহাবাদে মঞ্চজীবন শুরু তাঁর। মঞ্চজীবনে পেয়েছেন বিভি করন্থ, তাপস সেন এবং খালেদ চৌধুরীর মতো ব্যক্তিত্বের সান্নিধ্য। ১৯৭৮ সালে নান্দীকার নাট্যদলের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন তিনি। সেখানেই আলাপ ও প্রেম হয় নাট্যব্যক্তিত্ব রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্তের সঙ্গে। তার পরে বিয়ে এবং সংসার। ভারতীয় নাট্যজগতে তাঁর অবদানের জন্য সঙ্গীত নাটক অ্যাকাডেমি পুরস্কারও পেয়েছিলেন প্রয়াত অভিনেত্রী। তাঁর কন্যা সোহিনী সেনগুপ্তও একই ভাবে নাট্য ও পর্দার জগতে নিজের পরিচয় তৈরি করেছেন। মঞ্চে শঙ্খপুরের সুকন্যা, মাধবী, পাতা ঝরে যায় ইত্যাদিতে তাঁর প্রতিভার স্বাক্ষর রেখাছিলেন স্বাতীলেখা। নান্দীকার-এর বেশ কিছু নাটকের সঙ্গীত পরিচালকের দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি।

জুন ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Olympic Medal Winner: মাত্র ৩৬-এই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত ব্যাডমিন্টন তারকা কিডো

ইউরো কাপে ডেনমার্কের তারকার আচমকা হৃদরোগে আক্রান্তু হওয়ার ঘটনায় আঁতকে উঠেছিল বিশ্ববাসী। সেই রেশ কাটতে না কাটতে খেলার দুনিয়ায় ফের নামল শোকের ছায়া। মাত্র ৩৬ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই প্রাণ হারালেন অলিম্পিক পদকজয়ী ব্যাডমিন্টন তারকা মার্কিস কিডো। তাঁর আকস্মিক প্রয়াণে স্তম্ভিত সকলেই। স্বাভাবিকভাবেই শোকাহত ব্যাডমিন্টন জগতের রথী-মহারথীরা। অনেকেই টুইটারে শোক প্রকাশ করেছেন। কিডোর পার্টনার হিসেবে খেলার সুযোগ হয়েছিল ভারতীয় শাটলার জোয়ালা গুট্টারও। সেই অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে কিডোর আত্মার শান্তি কামনা করেছেন তিনি। টুইটারে শোকপ্রকাশ করেছেন ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা প্রণয়, সত্বিক সাইরাজ, অজয় জয়রাম-সহ আরও অনেকে।It was an absolute honour ❤️🙏🏻#RIP MARKIS KIDO pic.twitter.com/k7aOIw5i7n Gutta Jwala (@Guttajwala) June 14, 2021সোমবার সন্ধেয় সাড়ে ৭টা নাগাদ টুইট করে ইন্দোনেশিয়ার তারকা মৃত্যু সংবাদ দেয় বিশ্ব ব্যাডমিন্টন ফেডারেশন (BWF)। যদিও তাঁর আগে থেকেও কোনও শারীরিক সমস্যা ছিল কিনা, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি ফেডারেশন।অত্যন্ত অল্প বয়সেই ব্যাডমিন্টনের ব়্যাকেট হাতে নজর কেড়েছিলেন কিডো। ২০০৮ বেজিং অলিম্পিকে হেন্ড্রার সঙ্গে জুটি বেঁধে ডাবলসে সোনা জেতেন তিনি। ঠিক তার আগের বছরই কুয়ালালামপুরে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে পুরুষ ডাবলসে সেরার শিরোপা পান কিডো। সেখানেও সঙ্গী ছিলেন হেন্ড্রা। এর পাশাপাশি ২০০৬ ব্যাডমিন্টন বিশ্বকাপেও পেয়েছিলেন চূড়ান্ত সাফল্য। সোনায় মোড়ানো ছিল তাঁর সাফল্যের ইতিহাস। এশিয়ান গেমসেও ডাবলসে সোনা জয়ের নজির রয়েছে ইন্দোনেশিয়ান তারকার। এমন একজন প্রতিভাবান শাটলারকে যে এত অল্প বয়সে হারাবে ব্যাডমিন্টনের দুনিয়া, তা কল্পনাও করা যায়নি।

জুন ১৫, ২০২১
কলকাতা

Covid: প্রয়াত ভাঙড় আন্দোলনের নেত্রী শর্মিষ্ঠা চৌধুরী

লড়াকু জীবন যে কোনও প্রতিকূল পরিস্থিতিকে চ্যালেঞ্জ করে জয়ী হয়ে ফেরাই অভ্যাসে পরিণত হয়েছিল। কিন্তু শেষমেশ কোভিডের কাছে হার মানতে হল ভাঙড়ের কৃষক আন্দোলেন নেত্রী শর্মিষ্ঠা চৌধুরীকে। করোনা পরবর্তী শারীরিক জটিলতায় ভুগে মাত্র ৩৯ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন সিপিআইএমএল (রেড স্টার) নেত্রী। অপূরণীয় ক্ষতি, বলছেন সহযোদ্ধারা। অনেকের মতে, শর্মিষ্ঠার প্রয়াণে গণআন্দোলনের একটা পর্যায় ধাক্কা খেল।জানা গিয়েছে, গত ১ মে করোনা ভাইরাসে (Coronavirus) আক্রান্ত হন শর্মিষ্ঠা চৌধুরী। ২১ দিন পর কোভিড নেগেটিভও হয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু তারপর থেকে শরীর ক্রমশ খারাপ হতে থাকে তাঁর। শর্মিষ্ঠার সহযোদ্ধা, গণআন্দোলনের এক নেতা অসীম গিরি জানিয়েছে, শর্মিষ্ঠার বরাবরই পেটের একটা গুরুতর সমস্যা ছিল। তা প্রায়ই ভোগাত তাঁকে। করোনার ধাক্কায় শরীরের সেই সংক্রমণও ছড়িয়ে পড়ছিল। ফলে স্বাস্থ্যের অবনতি হচ্ছিল শর্মিষ্ঠার। দিন চারেক আগে এসএসকেএমে ভর্তি করানো হয় তাঁকে। সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন। রবিবার দুপুরে সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ৩৯ বছরের নেত্রী।শর্মিষ্ঠার কথা বললেই স্বাভাবিকভাবেই চলে আসে ভাঙড়ের (Bhangar) পাওয়ার গ্রিড-বিরোধী আন্দোলন প্রসঙ্গ। এই আন্দোলনেরই অন্যতম নেত্রী ছিলেন শর্মিষ্ঠা। সিপিআইএমএলের (রেড স্টারে) আরেক নেতা, শর্মিষ্ঠার স্বামী অলীক চক্রবর্তীর নেতৃত্বে সংগঠিত হয়েছিল এই আন্দোলন। কৃষিজমিতে পাওয়ার-গ্রিড তৈরি হলে তা ব্যাপক ক্ষতিকারক, ভাঙড়বাসীর মধ্যে এই সচেতনতা প্রচারের দায়িত্ব নিয়েছিলেন তাঁরা। একসময়ে ভাঙড় থেকে অলীক-শর্মিষ্ঠাকে গ্রেপ্তারও করা হয়। তাঁর মুক্তির দাবিতে সরব হয়েছিলেন সব পক্ষ। শেষপর্যন্ত অবশ্য পাওয়ার-গ্রিড বিরোধী আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে বাধ্য হয়েছিল রাজ্য সরকার। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে নো ভোট টু বিজেপি প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন শর্মিষ্ঠা।

জুন ১৩, ২০২১
কলকাতা

Film Director passes away: প্রয়াত পরিচালক বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত

প্রয়াত চিত্র পরিচালক বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত। বৃহস্পতিবার সকালে দক্ষিণ কলকাতার নিজের বাসভবনে মৃত্যু হয় তাঁর। অনেকদিন ধরেই তিনি কিডনির অসুখে ভুগছিলেন। চলছিল ডায়ালিসিস। কিডনির সমস্যার সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল ছিল বার্ধক্যজনিত সমস্যা। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর। তাহাদের কথা, উত্তরা ছবির জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পেয়েছিলেন তিনি।বিশিষ্ট পরিচালকের মৃত্যুতে বিনোদুনিয়ায় শোকের ছায়া। পরিচালকের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।Anguished by the demise of Shri Buddhadeb Dasgupta. His diverse works struck a chord with all sections of society. He was also an eminent thinker and poet. My thoughts are with his family and several admirers in this time of grief. Om Shanti. Narendra Modi (@narendramodi) June 10, 2021Saddened at the passing away of eminent filmmaker Buddhadeb Dasgupta. Through his works, he infused lyricism into the language of cinema. His death comes as a great loss for the film fraternity. Condolences to his family, colleagues and admirers Mamata Banerjee (@MamataOfficial) June 10, 2021বৃহস্পতিবারও তাঁর ডায়ালিসিস হওয়ার কথা ছিল। তবে তার আগে বুধবার রাতে কবি-পরিচালকের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। বৃহস্পতিবার সকালে নিজের ঘরে ঘুমোচ্ছিলেন তিনি। তাঁর স্ত্রী ঘুম থেকে ডাকতে যান। তবে কোনও সাড়াশব্দ না পেয়ে আঁতকে ওঠেন। সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসককে ডেকে পাঠান। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মৃত্যু সংবাদ জানা। ১৯৪৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি পুরুলিয়ার আনাড়ায় জন্ম বুদ্ধদেব দাশগুপ্তর। নজন ভাইবোনের পরিবারে তৃতীয় সন্তান ছিলেন তিনি। তাঁর বাবা তারাকান্ত দাশগুপ্ত পেশায় চিকিৎসক ছিলেন। রেলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। তাই একাধিক জায়গায় ঘুরে ফিরে বড় হয়েছেন কবি-পরিচালক। মাত্র ১২ বছর বয়সে কলকাতায় চলে আসেন। হাওড়ার দীনবন্ধু স্কুলে পঠনপাঠন শুরু হয় তাঁর। স্বাধীনতার পর তাঁর বাবার খড়গপুর এবং ঝাড়খণ্ডে বদলি হয়ে যায়। অর্থনীতি নিয়ে স্কটিশ চার্চ কলেজেও পড়াশোনা করেছেন বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ শ্যামসুন্দর কলেজে অধ্যাপনা করেছেন তিনি।ন।এরপর সিনেমা তৈরির ভাবনাচিন্তা শুরু করেন। কলকাতা ফিল্ম সোসাইটির সদস্যপদ গ্রহণ করেন তিনি। ১৯৬৮ সালে ১০ মিনিটের একটি তথ্যচিত্র তৈরির মধ্য দিয়ে পরিচালনায় হাতেখড়ি তাঁর। তারপর একে একে দূরত্ব, নিম অন্নপূর্ণা, গৃহযুদ্ধ, মন্দ মেয়ের উপাখ্যান, স্বপ্নের দিন, উড়োজাহাজ-এর মতো ছবি করেছেন তিনি। তাঁর বহু ছবি জাতীয় পুরস্কার পেয়েছে। বাঘ বাহাদুর, চরাচর, লাল দরজা, কালপুরুষ-সহ একাধিক ছবির জন্য জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। তাহাদের কথা বাংলায় সেরা ফিচার ফিল্মের সম্মান পেয়েছিল। এই ছবির জন্য জাতীয় পুরস্কারও পেয়েছিলেন তিনি। বিনোদুনিয়ার পাশাপাশি সাহিত্য জগতেও অবদান রয়েছে তাঁর। চলচ্চিত্র সির্মাতার মৃত্যুতে শোকে পরিজনেরা। বিনোদুনিয়াতেও নেমেছে শোকের ছায়া।

জুন ১০, ২০২১
রাজ্য

ভুল চিকিৎসায় মৃত্যু, রণক্ষেত্র পাণ্ডুয়া হাসপাতাল

ভুল চিকিৎসায় রোগী মৃত্যুর অভিযোগকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল হুগলির পাণ্ডুয়া গ্রামীণ হাসপাতাল। ব্যাপক ভাঙচুরের পাশাপাশি মারধর করা হয় এক চিকিৎসককে। পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে ঘটনাস্থলে গিয়ে জখম হয়েছেন এক পুলিশ কর্মীও।খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। তাঁদের সামনেও চলে ভাঙচুর, অবরোধ। জখম হন এক পুলিশ কর্মী। দীর্ঘক্ষণ পর পুলিশের হস্তক্ষেপে আয়ত্তে আসে পরিস্থিতি। ওই হাসপাতালেই চিকিৎসা চলছে আহত চিকিৎসকের। রোগী মৃত্যু প্রসঙ্গে হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে, শেখ ইসলামের অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। প্রাথমিকভাবে একটা ওষুধ দেওয়া হয়েছিল। এরপর প্রয়োজনীয় টেস্ট করে চিকিৎসা শুরু করা হত। কিন্তু তার আগেই এহেন ঘটনা। ঘটনায় হাসপাতাল বা চিকিৎসকের কোনও গাফিলতি ছিল না। ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন পুলিশ আধিকারিকরা।ঘটনার সূত্রপাত সোমবার সকালে। হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েন হুগলির পাণ্ডুয়ার কোটালপুকুরের বাসিন্দা শেখ ইসলাম। বুকে ব্যথা শুরু হয়। তড়িঘড়ি তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় পাণ্ডুয়া গ্রামীণ হাসপাতালে। সেই সময় দায়িত্বে যে চিকিৎসক ছিলেন তিনি প্রাথমিক পর্যবেক্ষণের পর রোগীকে একটি ওষুধ দেন। এর মিনিট পাঁচেক পরেই মৃত্যু হয় অসুস্থ যুবকের। এরপরই ক্ষোভে ফেটে পড়েন রোগীর পরিবারের সদস্যরা। ভুল চিকিৎসার কারণেই মৃত্যু হয়েছে শেখ ইসলামের, এই অভিযোগ তুলে চড়াও হয় হাসপাতালে। ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। মারধর করা হয় ওই চিকিৎসককে। তুমুল উত্তেজনা তৈরি হয় হাসপাতালে। রাস্তা আটকে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে রোগীর পরিবার।

জুন ০৭, ২০২১
দেশ

বায়ুসেনার মিগ-২১ যুদ্ধবিমান ভেঙে মৃত্যু পাইলটের

ফের ভেঙে পড়ল ভারতীয় বায়ুসেনার একটি মিগ-২১ বাইসন যুদ্ধবিমান। শুক্রবার ভোরে নিয়মমাফিক ট্রেনিং চলাকালীন আকাশে ওড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই ভেঙে পড়ে সেটি। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে বিমানটির চালক স্কোয়াড্রন লিডার অভিনব চৌধুরীর। এক বিবৃতিতে এমনটাই জানিয়েছে বায়ুসেনা।বায়ুসেনা সূত্রে খবর, এদিন বায়ুসেনা ঘাঁটি থেকে ওড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই পঞ্জাবের মোগা জেলার লাঙ্গিয়ানা খুর্দ গ্রামের কাছে মিগ বিমানটি ভেঙে পড়ে। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে বায়ুসেনা। প্রসঙ্গত, চলতি বছরে এনিয়ে তিনটি মিগ-২১ বিমান দুর্ঘটনাগ্রস্ত হয়েছে। গত মার্চ মাসে ভেঙে পড়ে একটি মিগ-২১ বাইসন যুদ্ধবিমান। নিয়মমাফিক ট্রেনিংয়ের সময় আকাশে ওড়ার কিছু মুহূর্তের মধ্যে দুর্ঘটনাগ্রস্ত হয় সেটি। ওই ঘটনায় মৃত্যু হয় বায়ুসেনার গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ গুপ্তার। এর আগে জানুয়ারি মাসে রাজস্থানের সুরতগড়ে একটি মিগ-২১ ফাইটার জেট ভেঙে পড়েছিল। কিন্তু সৌভাগ্যক্রমে চালক প্রাণে বেঁচে যান। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে সংসদে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী শ্রীপদ নায়েক জানিয়েছিলেন, ২০১৬ সাল থেকে ভারতীয় বায়ুসেনার মোট ২৭টি এয়ারক্রাফ্ট দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৫টি ফাইটার জেট।

মে ২১, ২০২১
দেশ

করোনায় প্রয়াত প্রাক্তন এনএসজি প্রধান

২৬/১১ মুম্বই জঙ্গি হামলার সময় দেশকে রক্ষা করতে সামনে থেকে লড়াই করেছিলেন তিনি। ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড (এনএসজি)-এর প্রাক্তন প্রধান, সেনা অফিসার জেকে দত্ত হৃদরোগে প্রয়াত হয়েছেন। তাঁর করোনা সংক্রান্ত জটিলতাও ছিল বলে পরিবার সূত্রে খবর। তিনি এনএসজি-র শীর্ষ পদে ছিলেন ২০০৬-০৯ সাল পর্যন্ত। এ ছাড়াও তিনি সিবিআই-এর যুগ্ম অধিকর্তার ভার সামলেছেন।বুধবার দিল্লির একটি বেসরকারি হাসপাতালে দুপুর সাড়ে ৩টে নাগাদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। মুম্বইয়ে হামলার সময় সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি। উদ্ধার কাজেও দিনরাত পরিশ্রম করেন। তাঁর সহকর্মী বেঙ্গল ক্যাডারের অপর এক অফিসার জুলফিকার হাসান, এডেজি (সিআরপিএফ) জানিয়েছেন, জেকে দত্ত এমন একজন সেনা আধিকারিক ছিলেন, যিনি সর্বদা সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতেন। ১৯৭১ সালের আইপিএস জেকে দত্ত ছিলেন বেঙ্গল ব্যাচের ক্যাডেট। সিবিআই-এর বিভিন্ন পদে থাকা ছাড়াও তিনি ছিলেন সিআইএসএফ-এর বিভিন্ন পদেও। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্তের দায়িত্বভার সামলেছেন তিনি। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে স্নাতকোত্তর করেছিলেন তিনি। পুলিশ মেডেল গ্যালান্ট্রি পুরষ্কার, রাষ্ট্রপতির পুলিশ মেডেল পেয়েছিলেন।

মে ২০, ২০২১
রাজ্য

মহামারিতে মানুষের পাশে মানবিক বিধায়ক

চারিদিকে মহামারির হাহাকার। রোজ হাজার হাজার মানুষ করোনার বলি হচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে লাগু হয়েছে কড়া বিধিনিষেছ। যখন মানুষ ঘর থেকে বেরোতে ভয় পাচ্ছেন, নিজের প্রতিবেশী, আত্মীয়দের পর্যন্ত সাহায্য করতে কুণ্ঠা বোধ করছেন, এমনই এক দুঃসময়, দুর্দিনে মানবিকতার অন্যতম নজির গড়লেন মুর্শিদাবাদের বহরমপুরের বিজেপি বিধায়ক শ্রী সুব্রত মৈত্র।বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার কারণে মৃত্যু হয় ঐতিহ্যবাহী বহরমপুর কৃষ্ণনাথ কলেজের পদার্থবিদ্যার প্রাক্তন অধ্যাপক ডঃ পূর্ণেন্দু সেনের। করোনার ভয়ে তাঁর পরিবার বা প্রতিবেশী এগিয়ে আসেননি। এমত অবস্থায় নিজে উদ্যোগ নিয়ে শেষকৃত্য সম্পন্ন করেন শ্রী সুব্রত মৈত্র। মুখাগ্নিও করেন তিনি। বিধায়কের এমন পদক্ষেপে এলাকার মানুষের প্রশংসা বন্যা বইয়ে দিয়েছেন। যেখানে জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হয় প্রায়ই, সেখানে একজন জনপ্রতিনিধির এমন মানবিক আচরণে সকলেই মুগ্ধ।

মে ১৯, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ধর্নামঞ্চে নিঃসঙ্গ মমতা, বিদ্রোহীদের শক্তি বাড়ছে? তৃণমূলে ভাঙনের জল্পনায় তপ্ত বাংলা রাজনীতি

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মঞ্চে এখন সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্নতৃণমূল কংগ্রেস কি বড় ধরনের ভাঙনের মুখে? বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের এক মাসও পূর্ণ হয়নি, তার আগেই দলের অন্দরে অসন্তোষ, সই-জালিয়াতি বিতর্ক, বিধায়কদের অনুপস্থিতি এবং বহিষ্কৃত নেতাদের সক্রিয়তা নতুন করে রাজনৈতিক সমীকরণকে জটিল করে তুলেছে।মঙ্গলবার ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্না কর্মসূচি সেই জল্পনাকে আরও উসকে দিয়েছে। কারণ, রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর পাশে দেখা গেল মাত্র আটজন বিধায়ক এবং ছয়জন সাংসদকে। একসময় যে দল রাজ্যের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু ছিল, সেই দলের শীর্ষ নেত্রীর কর্মসূচিতে জনপ্রতিনিধিদের এই সীমিত উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।তৃণমূল সূত্রে দাবি, ভোট-পরবর্তী রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং বিরোধী কণ্ঠরোধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই এই ধর্নার আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু কর্মসূচির রাজনৈতিক গুরুত্বকে ছাপিয়ে যায় উপস্থিতির হিসাব। বিশেষ করে এমন এক সময়ে, যখন বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে কেন্দ্র করে পরিষদীয় দলে ভাঙনের জল্পনা তুঙ্গে।ধর্নামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি বিজেপি সরকার এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। তিনি অভিযোগ করেন, বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদের ভয় দেখানো হচ্ছে, তৃণমূল ছাড়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে এবং গণতান্ত্রিক অধিকারের উপর আঘাত হানা হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বিরোধী দলনেতা নির্বাচন নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।সই জালিয়াতির অভিযোগ প্রসঙ্গে মমতা স্পষ্ট বার্তা দেন। তাঁর দাবি, যাঁরা এখন নিজেদের সই অস্বীকার করছেন, তাঁদের স্বাক্ষরের ভিডিও প্রমাণ দলের কাছে রয়েছে। প্রয়োজনে ফরেনসিক পরীক্ষারও দাবি জানান তিনি। তবে তাঁর বক্তব্য, এই বিতর্ককে সামনে এনে বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া আটকে রাখা উচিত নয়।অন্যদিকে, বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের অবস্থানে অনড়। তিনি জানিয়েছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাঁর ব্যক্তিগত শ্রদ্ধা অটুট থাকলেও বর্তমান তৃণমূল তার পুরনো চরিত্র হারিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, দল কর্পোরেট সংস্কৃতিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং সাধারণ কর্মীদের মতামত গুরুত্ব পাচ্ছে না। একই সঙ্গে তিনি দলের একাধিক নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও সাংগঠনিক ব্যর্থতার অভিযোগও তোলেন।রাজনৈতিক মহলের নজর এখন সংখ্যার অঙ্কে। বিজেপি নেতা ও মন্ত্রী তাপস রায়ের দাবি, প্রায় ৫০ জন তৃণমূল বিধায়ক বিদ্রোহী শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। যদিও ঋতব্রত প্রকাশ্যে সেই দাবি মানতে চাননি। তবুও বারবার উঠে আসছে একটি প্রশ্নযদি সত্যিই এত বড় একটি গোষ্ঠী সক্রিয় হয়ে থাকে, তবে কি তৃণমূলের পরিষদীয় দলে বড়সড় ভাঙন আসন্ন?এদিকে তৃণমূলের তরফে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ আনা হয়েছে। কুণাল ঘোষ স্পষ্ট ভাষায় বলেন, যাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ও প্রতীক ব্যবহার করে নির্বাচিত হয়েছেন, তাঁদের এই অবস্থান জনগণের রায়ের প্রতি অসম্মান।পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করেছে বিধানসভার স্পিকারকে ঘিরে নতুন বিতর্ক। তৃণমূলের অভিযোগ, স্পিকারের অনুমতি ছাড়া বিরোধী সদস্যদের কোনও চিঠি গ্রহণ করা হচ্ছে না। বিধানসভার কার্যপ্রণালী নিয়ে এই অভিযোগও রাজনৈতিক সংঘাতকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলের বর্তমান পরিস্থিতিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। তিনি দাবি করেন, ধর্মতলার কর্মসূচিতে মানুষের উপস্থিতি অত্যন্ত কম ছিল এবং তৃণমূল এখন কার্যত সংগঠনগত সংকটে ভুগছে। পাশাপাশি সই-জালিয়াতি ইস্যুতে তিনি কড়া ভাষায় প্রাক্তন শাসকদলকে আক্রমণ করেন।সব মিলিয়ে বাংলার রাজনীতিতে এখন এক অস্থির সময় চলছে। একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখার চেষ্টা করছেন, অন্যদিকে বিদ্রোহী শিবির ক্রমশ নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করছে। সংখ্যার অঙ্ক এখনও প্রকাশ্যে না এলেও, রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে আগামী কয়েকদিনই নির্ধারণ করবে তৃণমূলের ভবিষ্যৎ পথচলা এবং পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী রাজনীতির নতুন রূপরেখা।

জুন ০২, ২০২৬
দেশ

দেশজুড়ে নম্বর বিতর্কের ঝড়! পদ থেকে সরানো হল সিবিএসই চেয়ারম্যান ও সচিবকে

সিবিএসইর অনস্ক্রিন মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্কের মধ্যেই বড় পদক্ষেপ করল কেন্দ্র। দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সিবিএসই চেয়ারম্যান রাহুল সিং এবং সচিব হিমাংশু গুপ্তাকে। পাশাপাশি অনস্ক্রিন মূল্যায়ন পরিষেবা সংক্রান্ত টেন্ডার ও ক্রয় প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখতে একটি বিশেষ তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।সিবিএসই চেয়ারম্যান হিসেবে রাহুল সিং বোর্ডের পরীক্ষা, শিক্ষানীতি, পাঠক্রম, সংস্কার এবং সামগ্রিক প্রশাসনিক কাজের তদারকি করতেন। একইসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রকের সঙ্গে সমন্বয়ের দায়িত্বও তাঁর উপর ছিল। অন্যদিকে সচিব হিমাংশু গুপ্তা বোর্ডের প্রশাসনিক ও আর্থিক বিষয় দেখাশোনা করতেন। দেশজুড়ে পরীক্ষার দৈনন্দিন পরিচালনা এবং বিভিন্ন নীতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।অনস্ক্রিন মূল্যায়ন পদ্ধতি চালুর পর থেকেই ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ বাড়তে থাকে। বহু পরীক্ষার্থী অভিযোগ করেন, তাঁরা প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম নম্বর পেয়েছেন। কেউ কেউ দাবি করেন, তাঁদের উত্তরপত্রের কিছু অংশ মূল্যায়নই করা হয়নি। আবার অনেকের অভিযোগ, স্ক্যান করা উত্তরপত্র ঝাপসা ছিল। কোথাও নম্বর গণনায় ভুল ধরা পড়ে, কোথাও উত্তরপত্রের পৃষ্ঠা অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ ওঠে।রিভিউ এবং পুনর্মূল্যায়ন প্রক্রিয়াতেও একাধিক সমস্যা সামনে আসে। সার্ভার বিভ্রাট, অর্থপ্রদান সংক্রান্ত জটিলতা এবং পোর্টালে প্রবেশ করতে না পারার অভিযোগ করেন বহু পরীক্ষার্থী। গত পয়লা জুন পোর্টালে প্রবেশের চেষ্টা করলে অনেকেই দেখেন, সেটি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে।মঙ্গলবার নতুন করে পোর্টাল চালু হলেও সমস্যার অভিযোগ পুরোপুরি থামেনি। বহু পড়ুয়া লগইন সমস্যা, অর্থপ্রদান ব্যর্থ হওয়া এবং ওয়েবসাইট বারবার বন্ধ হয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন। জানা গিয়েছে, মাত্র দুই মিনিটের মধ্যে পোর্টালে পনেরো লক্ষেরও বেশি প্রবেশের চেষ্টা হয়। পাশাপাশি অনুমোদনহীন প্রবেশের চেষ্টাও ধরা পড়ে বিপুল সংখ্যায়।যদিও সিবিএসইর দাবি, সমস্ত চাপ এবং প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জের মধ্যেও পোর্টাল নিরাপদ ও সচল রয়েছে। আরও উন্নত পরিষেবা দেওয়ার জন্য প্রযুক্তিগত পরিকাঠামো শক্তিশালী করা হচ্ছে। পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের সুবিধার জন্য সেশনের সময়সীমাও বাড়ানো হয়েছে। বোর্ডের দাবি, এর ফলে ছাত্রছাত্রীরা আরও সহজে প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

মমতার চোখের সামনে অসুস্থ কুণাল, তারপর যা করলেন নেত্রী!

রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই ওয়াই চ্যানেলে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা ধর্না কর্মসূচিতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। ঘটনাকে ঘিরে ধর্নামঞ্চে সাময়িক উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। কুণাল অসুস্থ হয়ে পড়তেই তাঁর পাশে গিয়ে দাঁড়ান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে এবং সুস্থ করে তোলার চেষ্টা করতে দেখা যায় নেত্রীকে।সূত্রের খবর, মঙ্গলবার সকাল থেকেই ব্যস্ত কর্মসূচির মধ্যে ছিলেন কুণাল ঘোষ। প্রথমে তিনি কালীঘাটে গিয়ে দলীয় বৈঠকে যোগ দেন। এরপর রানি রাসমণি রোডে যান এবং পরে গুরুত্বপূর্ণ কিছু নথি নিয়ে বিধানসভাতেও উপস্থিত হন। সেখান থেকে সরাসরি পৌঁছে যান ওয়াই চ্যানেলের ধর্নামঞ্চে।ধর্নাস্থলে পৌঁছনোর কিছুক্ষণ পরই হঠাৎ শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করেন তিনি। পরিস্থিতি বুঝে সহকর্মীরা দ্রুত তাঁকে বসার এবং বিশ্রামের ব্যবস্থা করে দেন। সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তাঁর পাশে গিয়ে দাঁড়ান। হাতে যা ছিল, তা দিয়েই তাঁকে বাতাস করতে দেখা যায়। পাশাপাশি স্নেহভরে তাঁর মাথায় হাত বুলিয়েও দেন নেত্রী।কিছুক্ষণ বিশ্রামের পর কুণাল ঘোষের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, প্রচণ্ড গরম এবং সারাদিনের ব্যস্ততার কারণেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তবে বর্তমানে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তৃণমূলের আন্দোলন কর্মসূচির মধ্যে এই ঘটনা নতুন করে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। ধর্নামঞ্চে কুণাল ঘোষের অসুস্থ হয়ে পড়া এবং তাঁর পাশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলেও বিশেষ তাৎপর্য তৈরি করেছে।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

সই জাল কাণ্ডে নতুন মোড়! ফের স্পিকারকে চিঠি অভিষেকের, বাড়ল জল্পনা

সই জালিয়াতি বিতর্কের মধ্যেই বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসুকে ফের চিঠি পাঠালেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। চিঠিতে তিনি শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার আবেদন জানিয়েছেন। স্পিকারকে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার চিঠি দিলেন অভিষেক।এর আগে প্রথম চিঠি পাওয়ার পর স্পিকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, কোনও রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে সরাসরি চিঠি দিয়ে বিরোধী দলনেতা মনোনয়ন করা যায় না। বিধানসভার নিয়ম অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট দলের পরিষদীয় বৈঠকে বিধায়কদের উপস্থিতিতে বিরোধী দলনেতা নির্বাচন করতে হয়। সেই বৈঠকের কার্যবিবরণী এবং উপস্থিত বিধায়কদের স্বাক্ষর-সহ নথি বিধানসভায় জমা দিতে হয়।মঙ্গলবার পাঠানো দ্বিতীয় চিঠিতেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার আবেদন জানিয়েছেন। পাশাপাশি নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অসীমা পাত্রকে উপ-বিরোধী দলনেতা করার দাবিও তুলেছেন।এদিকে সই জালিয়াতি বিতর্ক ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে। এই ঘটনায় সরব হওয়ার পর ইতিমধ্যেই দল থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহা। রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তৃণমূলের একাংশ বিধায়ক অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। সূত্রের দাবি, প্রায় পঞ্চাশ জন বিধায়ককে ঘিরে দলীয় অন্দরে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তদন্তও এগোচ্ছে দ্রুত। সই জালিয়াতি মামলায় তিন তৃণমূল বিধায়কের হাতের লেখার নমুনা সংগ্রহ করতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে সিআইডি। বাহারুল ইসলাম, সুব্রত রায় এবং অরূপ রায়ের হাতের লেখার নমুনা পরীক্ষা করতে চান তদন্তকারীরা। আদালতের নির্দেশে তাঁদের বিচারকের সামনে উপস্থিত হয়ে নমুনা স্বাক্ষর ও হাতের লেখা জমা দিতে হতে পারে। পরে সিআইডির হ্যান্ডরাইটিং বিশেষজ্ঞরা সেই নমুনার সঙ্গে বিতর্কিত স্বাক্ষরের মিল খতিয়ে দেখবেন। ফলে সই জালিয়াতি মামলার তদন্ত এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

কলেজের আলমারিতে লুকিয়ে ছিল লক্ষ লক্ষ টাকা! খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ সবার

কলকাতার সুরেন্দ্রনাথ কলেজে রহস্যজনকভাবে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কলেজের ইউনিয়ন রুমের একটি পুরনো আলমারি থেকে উঁই ধরা অবস্থায় টাকা ভর্তি একাধিক বাক্স উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।মঙ্গলবার কলেজ চত্বরে এই ঘটনা সামনে আসতেই ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মুচিপাড়া থানার পুলিশ। এরপর ইউনিয়ন রুম থেকে টাকা ভর্তি ব্যাগ ও বাক্সগুলি উদ্ধার করে পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নেয়।প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, উদ্ধার হওয়া টাকার পরিমাণ কয়েক লক্ষ টাকা হতে পারে। তবে ঠিক কত টাকা পাওয়া গিয়েছে, তা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। নোটগুলির একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরে আলমারিতে পড়ে থাকার কারণে উঁইয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।ঘটনার পরই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এত বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা কলেজের ইউনিয়ন রুমে কীভাবে এল, কে বা কারা সেখানে টাকা রেখে গিয়েছিল এবং কী উদ্দেশ্যে তা জমা রাখা হয়েছিল, সেই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা।উদ্ধার হওয়া টাকার উৎস, এর সঙ্গে কোনও ব্যক্তি বা সংগঠনের যোগ রয়েছে কি না এবং কতদিন ধরে ওই টাকা সেখানে ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনার নেপথ্যে কোনও আর্থিক অনিয়ম রয়েছে কি না, তাও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।কলকাতার অন্যতম প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। রহস্যময় এই টাকার উৎস খুঁজতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

ধর্নায় মমতা, কিন্তু কোথায় দলের বিধায়করা? জল্পনা তুঙ্গে রাজ্য রাজনীতিতে

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হচ্ছে। এই আবহেই ফের আন্দোলনের পথে নামলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অতীতে বিরোধী নেত্রী থেকে মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন সময়ে নানা ইস্যুতে তাঁকে ধর্না ও আন্দোলনের মঞ্চে দেখা গিয়েছে। তবে এবারের ছবিটা অনেকটাই আলাদা।মঙ্গলবার দুপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের বাড়ি থেকে বেরিয়ে ওয়াই চ্যানেলের ধর্নামঞ্চে পৌঁছন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সাংসদ দোলা সেন এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। মঞ্চে পৌঁছতেই কিছু সমর্থকের ভিড় দেখা গেলেও অতীতের বিশাল জনসমাগমের সঙ্গে তার কোনও তুলনা নেই বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ।বর্তমানে তৃণমূলের হাতে ৭৮ জন বিধায়ক এবং লোকসভা ও রাজ্যসভা মিলিয়ে ৪১ জন সাংসদ রয়েছেন। কিন্তু ধর্নামঞ্চে দেখা গেল মাত্র কয়েকজন জনপ্রতিনিধিকে। এই উপস্থিতি নিয়েই শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক আলোচনা।মমতার পাশে এদিন উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, মদন মিত্র, ফিরহাদ হাকিম, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, অশোক দেব এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। সাংসদদের মধ্যে ছিলেন ডেরেক ওব্রায়েন, সামিরুল ইসলাম, দোলা সেন, মালা রায় এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।এছাড়া সাম্প্রতিক নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থীদের মধ্যে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং তন্ময় ঘোষকে মমতার পাশে দেখা যায়। উপস্থিত ছিলেন পুর প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈশ্বনর চট্টোপাধ্যায়, কৃষ্ণা চক্রবর্তী, স্বপন সমাদ্দার-সহ আরও কয়েকজন।ধর্নামঞ্চে অধিকাংশ বিধায়ক ও সাংসদের অনুপস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও দলীয় নেতৃত্বের তরফে এ বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জুন ০২, ২০২৬
রাজ্য

পঞ্চায়েত চত্বরে আধপোড়া আবাসের নথি! পালাবদলের পর বাঁকুড়ায় তীব্র চাঞ্চল্য

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর বাঁকুড়ার একটি গ্রাম পঞ্চায়েতকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পঞ্চায়েত ভবনের শৌচালয়ের পাশে বিপুল পরিমাণ আধপোড়া সরকারি নথি পড়ে থাকতে দেখা যাওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। উদ্ধার হওয়া একাধিক নথিতে আবাস প্রকল্পের উল্লেখ থাকায় স্থানীয়দের একাংশের দাবি, অতীতের অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য গোপন করতেই এই নথিগুলি পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার দুপুরে এলাকার কয়েকজন বিজেপি কর্মী উন্নয়নমূলক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে দ্বারিকা গোঁসাইপুর গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ে যান। সেই সময় পঞ্চায়েত ভবনের শৌচালয়ের পাশেই পোড়া কাগজের স্তূপ দেখতে পান তাঁরা। পরে ছাই সরিয়ে বেশ কিছু আধপোড়া নথি উদ্ধার করা হয়। সেগুলির মধ্যে আবাস প্রকল্প সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায় বলে দাবি করা হয়েছে।এরপরই রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়। বিজেপির অভিযোগ, রাজ্যে পালাবদলের পর অতীতের আবাস প্রকল্প সংক্রান্ত দুর্নীতির তথ্য ও প্রমাণ নষ্ট করতেই এই নথিগুলি পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। স্থানীয় বিজেপি নেত্রী বৈশাখী বাগদী বলেন, আবাস যোজনার নথি কেন পোড়ানো হল, তার সঠিক তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনা হবে বলেও জানান তিনি।যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ। পঞ্চায়েত প্রধান কার্তিক লোহার বলেন, রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পরও তাঁরা নিয়ম মেনে কাজ করছেন। তাঁর দাবি, পুরনো ব্যানার, ফেস্টুন এবং অপ্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্র পরিষ্কার করার সময় সেগুলি পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। আবাস প্রকল্পের যে তালিকার কপি সেখানে ছিল, সেগুলি পুরনো কাগজ মাত্র। মূল তথ্য এখনও অনলাইনে সংরক্ষিত রয়েছে এবং যে কেউ চাইলে তা দেখতে পারবেন।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। আধপোড়া নথি ঘিরে ওঠা অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

স্পিকারের দপ্তরে গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে হাজির ঋতব্রত, শুরু নতুন জল্পনা

রাজ্য রাজনীতিতে তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে নতুন করে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে দলের ভাঙন নিয়ে নানা আলোচনা চলছিল। মঙ্গলবার সেই জল্পনা আরও উসকে দিলেন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। গুরুত্বপূর্ণ কিছু নথি নিয়ে তিনি বিধানসভায় পৌঁছনোর পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।সূত্রের খবর, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় প্রায় ৫০ জন বিধায়কের সমর্থনপত্র নিয়ে বিধানসভার কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন। যদিও এদিন স্পিকার দিল্লিতে থাকায় তাঁর সঙ্গে দেখা সম্ভব হয়নি। সেই কারণে বিধানসভার সচিবের কাছেই নথি জমা দেওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, ওই চিঠিতে নতুন নেতৃত্বের অধীনে তৃণমূলের একটি পৃথক গোষ্ঠী গঠনের কথা উল্লেখ থাকতে পারে। এমনকি দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে ভবিষ্যতে দাবি তোলার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যদিও এই বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি।এই জল্পনার মধ্যেই রাজ্যের মন্ত্রী তাপস রায়ের একটি সমাজমাধ্যম পোস্ট ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তিনি লেখেন, তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে চুরমার। প্রায় ৫০ জন বিধায়ককে নিয়ে স্পিকারের কাছে পৌঁছে গিয়েছেন ঋতব্রত। খেলা হবে। এই পোস্টের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা আরও তীব্র হয়েছে।দুই দিন আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা বিধায়ক বৈঠকে দলের অধিকাংশ বিধায়ক অনুপস্থিত ছিলেন। ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে মাত্র কুড়িজনের উপস্থিতি নতুন প্রশ্ন তুলেছিল। এরপর থেকেই দলের অন্দরে অসন্তোষ ও ভাঙনের জল্পনা আরও জোরালো হয়।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, মহারাষ্ট্রে শিবসেনা ও এনসিপির মতো পরিস্থিতি বাংলাতেও তৈরি হতে পারে কি না, সেই প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে দল ভাঙার কথা স্বীকার করেনি। তবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ রাজ্য রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছেন অনেকে।

জুন ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal