• ১ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

ICC

খেলার দুনিয়া

ভারতীয় জার্সির রং গেরুয়া! বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে বড় প্রশ্ন মমতার

আগামী রবিবারব বিশ্বকাপ ক্রিকেটের মহাজজ্ঞ। চ্যাম্পিয়ন হতে আর একটি ম্যাচ দূরে ভারতীয় ক্রিকেট দল। বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ খেলতে রবিবার অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে আমদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে নামবে রোহিতের নেতৃত্বে ভারতীয় দল। এই অবস্থায় শুক্রবার ভারতীয় দলের জার্সি নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।পোস্তায় শুক্রবার ব্যবসায়ী সমিতির জগদ্ধাত্রী পুজোর উদ্বোধনে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই স্বৈরাচারী মনভাব নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে নিশানা করেন তিনি। সেই প্রসঙ্গেই রং নিয়ে রাজনীতির বিষয়টি তোলেন তিনি। বলেন, এখন তো সব গেরুয়া বানিয়ে দিচ্ছে।এই প্রসঙ্গেই বিশ্বকাপে ভারতীয় ক্রিকেট দলের জার্সির রঙের বিষয়টি টেনে আনেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, আমরা আমাদের ভারতীয় ক্রিকেটারদের জন্য গর্বিত। আমি বিশ্বাস করি ভারতীয় ক্রিকেট দল চ্যাম্পিয়ন হবে। ওদেরও গেরুয়া বানিয়ে দিয়েছে। ওরা যে ড্রেস করে প্র্যাকটিস করে, সেটা গেরুয়া করে দিয়েছে। ওরা তো নীল রংয়ের জার্সি পরে ম্যাচ খেলে।মুখ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন নিয়ে বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা বলেন, উনি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী, গেরুয়া রং নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। রাজ্যবাসীর মাথা হেঁট করে দিচ্ছেন। এবার তো মুখ্যমন্ত্রী জাতীয় পতাকায় কেন গেরুয়া রং ব্যবহার হয়েছে তা নিয়েও প্রশ্ন তুলবেন।বিশ্বকাপের ম্যাচে এবার ভারতীয় দল চিরাচরিত নীল রঙের জার্সি পড়ে খেলছে। তবে, তাদের প্র্যাকটিস জার্সি ও কিটের রঙ গেরুয়া। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই বিতর্ক হয়েছে। কেন হঠাৎ প্র্যাকটিস জার্সি ও কিটের রঙ পাল্টানো হল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে। অনেকেই দাবি করেছেন, কেন্দ্রের শাসক দলের প্রভাব ও বিসিসিআই সচিব তথা অমিত শাহর পুত্র জয় শাহর অঙ্গুলি হেলনেই ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্র্যাকটিস জার্সি ও কিটের রঙ গেরুয়া হয়েছে।

নভেম্বর ১৭, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

রোডস-গিবসের দেশের খেলোয়াড়দের ফিল্ডিংয়ের দৈনদশায় "চোকার্স" তকমা এবারেও ঘুচলো না।

১৯৯৯-এর বিশ্বকাপ সুপার সিক্সের লড়াইয়ে, অস্ট্রেলিয়া ২৭২ রান তারা করছিল, তখন ক্যাপ্টেন স্টিভ ওয়াঘ ৫৬ রানে ব্যাট করছিলেন। স্টিভ মিড-উইকেটে হার্শেল গিবসকে একটি সহজ সুযোগ দেন। গিবস ক্যাচটি ধরে সেলিব্রেশন করতে গিয়ে বলটি মাটিতে ফেলে দেন। তার পর স্টিভ ওয়াঘ ১২০ রানে অপরাজিত থেকেম্যাচটি জিতে ফেরেন। জানা যায় স্টিভ ওই ওভার শেষে গিবসে বলেছিলেন তুমি ক্যাচ মাটিতে ফেলনি, বিশ্বকাপ তোমার হাত থেকে পড়ে গেল। স্টিভের এই কথাটি-ই সত্য হয়। অস্ট্রেলিয়া ১৯৯৯ এর বিশ্বকাপ লাভ করে।বড় ম্যাচে চোকার্স তকমা এবারেও গেল না। ২০২৩-র বিশ্বকাপে অনবদ্য শুরু করে সাদামাটা ভাবে বিদায় নেলসন মেন্ডেলার দেশের। ৩ উইকেটে জিতে আমেদাবাদে নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ফাইনালে ভারতের সামনে অস্ট্রেলিয়া। দক্ষিণ আফ্রিকার ২১১ রান দেখে যতটা সহজে অস্ট্রেলিয়া জিতে যাবে মনে হচ্ছিল ততটাই কঠিন ভাবে জিততে হল অস্ট্রেলিয়াকে। হাঁটুর ওপর বল না ওঠা ইডেনের পিচ সেমিফাইনালের যোগ্য নয় বলে বিশেষজ্ঞরা বলতে শুরু করেছেন। এই নিয়ে পাচবার সেমিফাইনালে উঠে পাঁচ বারই হারতে হল দক্ষিণ আফ্রিকাকে।➡️ From 24/4 in the 12th over➡️ To 212 all outDavid Millers 💯 has given the South Africa bowlers something to defend.Read the live match report📝⬇️#CWC23 #SAvAUS https://t.co/qayvEZNW7J ICC (@ICC) November 16, 2023মেঘলা আকাশ, শিরশিরে হাওয়া থা সত্তেও টসে জিতে কেন প্রথম ব্যাটিং নিলেন তার ব্যখা পাওয়া গেল না। তিন তিনটে পেস বোলার থাকা টিম স্বাভাবিক ভাবেই ওই পরিবেশে টসে জিতে প্রথম বোলিং করবে স্টাই প্রত্যাশিত। মাত্র ২১২ রানে শেষ হয়ে গেল দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস। ডেভিড মিলারের অনবদ্য ১০১ রান ও হেনরিক ক্লাসেন ৪৭ রান ইনিংস বাদ দিলে অস্ট্রেলিয়ার বোলিংয়ের সামনে আত্মসমর্পন করল আফ্রিকার সিংহরা।অধিনায়ক বাভুমা শূন্য দিয়ে শুরু, অবসরের ঘোষণা করে বিশ্বকাপ খেলতে এসে কুইন্টন ডিকক সারা প্রতিযোগিতায় দারুণ ফর্মে ব্যার্থ সেমিফাইনালে, করেন মাত্র ৪ রান। ব্যর্থ তিন নম্বরে নামা ভ্যান ডার ডুসেনও, তিনি করেন ৬। অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের দাপটে ১১.৫ ওভারে ২৪ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে শুরু থেকেই ধুঁকতে থাকে দক্ষিণ আফ্রিকা।২৪ রানে ৪ উইকেট পরে যাওয়ার পর দলের হাল ধরেন হেনরিখ ক্লাসেন এবং ডেভিড মিলার। পঞ্চম উইকেটের জুটিতে তাঁরা দুজনে যোগ করেন ৯৫ রান। সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার সফলতম বোলার মিচেল স্টার্ক, তিনি ৩৪ রান দিয়ে ৩ উইকেট তুলে নিলেন। হ্যাজলউড -ও খুব ভালো বল করেন, তিনি ১২ রানে ২ উইকেট নিলেন। অস্ট্রেলিয় অধিনায়ক প্যাট কামিন্স ৫১ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিলেন। ২১ রানে ২ উইকেট নিলেন ট্র্যাভিড হেড।টি২০ ক্রিকেটের আবির্ভাব হওয়ার পর ৫০ ওভারের ম্যাচে ২১৩ রান খুব-ই সামান্য টার্গেট বলেই মনে করা হয়। এই ২১৩ রান তুলতে যঠেষ্ট-ই বেগ পেতে হল অস্ট্রেলিয়াকে। এক সময় ম্যাচ ৫০-৫০ হয়ে গেছিল। দক্ষিণ আফ্রিকা সময় মত ক্যাচ গুলো ধরতে পারলে এই ম্যাচের ফলাফল অন্যরকম হতেই পারতো। হল না তার সবচেয়ে বড় কারণ দক্ষিণ আফ্রিকা আজ কমপক্ষে ৪টি সহজ ক্যাচ ছাড়েন, এই পর্যায়ের খেলায় যা অমার্জনীয় অপরাধ।

নভেম্বর ১৬, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

টানা ১০ ম্যাচ জিতে সেমিফাইনালে পৌঁছালেও, কেন চিন্তার ভাঁজ রোহিতের কপালে?

বুধবার মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে ৭০ রানে ম্যাচ জিতে ফাইনালে পৌঁছালেও বেশ কিছু প্রশ্ন রেখে গেল। ভারতের পাহাড় প্রমান রান তাঁরা করতে গিয়ে প্রথম দিকে দুটো উইকেট হারালেও কনওয়ে-মিচেল জুটি একটা সময় ভারতের শিরদাঁরায় ঠাণ্ডা স্রোত এনে দিয়েছিল। ৩৯৭ রানও সেই সময় সুরক্ষিত দেখাচ্ছিল না। চাপের মুখে একাধিক মিসফিল্ড, ওভারথ্রো, ক্যাচ মিস সেসময় ভারতের দুর্ভেদ্য রক্ষণকে বেশ নড়বড়ে দেখাচ্ছিল।২০২৩ বিশ্বকাপে এই প্রথমবার ভারতের ফিল্ডিং নিয়ে প্রশ্ন উঠল। এটাও ঠিক টানা ৯টি ম্যাচ হেলায় জিতে ভারত তাদের বিশ্বকাপ অভিযানে প্রথমবারের মতো বিপক্ষের কড়া প্রতিরোধের মুখোমুখি হল। ম্যাচের একটা সময় ভারতীয় টিম সহ সাপোর্ট স্টাফ সকলকেই যথেষ্টই আতঙ্কিত লাগছিল।নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিংয়ের ২৩ তম ওভার, ২০১৯ এর ফাইনালিস্টরা তাঁদের দুই প্রারম্ভিক ব্যাটার ডেভন কনওয়ে এবং রাচিন রবীন্দ্রকে হারিয়ে, সবে ড্যারিল মিচেল এবং কেন উইলিয়ামসন বিপক্ষের দিকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে ১০০ রানের পার্টনারশিপ গড়ে তুলেছেন। ইন্ডিয়া টিমের কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমতে শুরু করেছে। বল হাতে রবীন্দ্র জাদেজা, জাদেজার ২৩ তম ওভারের শেষ বল, জোরের ওপর আর্মার করেন কেন উইলিয়ামসন স্টেপ আউট করে মারতে গিয়ে বল সোজা চলে যায় জাদেজার হাতে। জাদেজা বল ধরে সজা ব্যাটিং প্রান্তের উইকেট থ্রো করেন, বল উইকেটরক্ষক রাহুলের নাগাল এড়িয়ে সজা মাঠের বাইরে চলে যায়।যখন এক এক রান অতি গুরুত্বপূর্ণ সে সময় ৪ রান উপহার দেওয়াই অধিনায়ক রোহিত শর্মা তাঁর প্রিয় অলরাউন্ডারের প্রতি যথেষ্টই ঊষ্মা প্রকাশ করেন। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের কেউই ঐ হতচকিত থ্রোয়ের কোন ব্যাখা পাননি। টিভি রিপ্লেতে দেখা গেছে বল উইকেটে লাগলেও কেন উইলিমসন যথেষ্ট সুরক্ষিত ছিলেন। বিশেষজ্ঞদের আরও প্রশ্ন, যখন উইকেটরক্ষকের ব্যাকআপে কোনও ফিল্ডার নেই, তখন এই ভাবে হতচকিত থ্রো করা কোনও বিশ্বমানের ফিল্ডারকে মানায় না।২০২৩ বিশ্বকাপে ভারত পুরো লিগ পর্বে তাঁদের ফিল্ডিংয়ের একটি উচ্চ মান বজায় রেখেছে, তাঁরা ৯টি ম্যাচের মধ্যে ৯টি জিতে সেমিফাইনালে পৌঁছেছে। সেমিফাইনালে তাঁদের ফিল্ডিং খুবই ঢিলেঢালা হয়েছে। তাঁরা তাঁদের নিজেদের তৈরি করা মানদণ্ড কোনও ভাবেই ছুঁতে পারেনি বুধবার। শামি, বুমরা, সুর্যকুমার, জাদেজা, কুলদীপ, সিরাজ এদের প্রত্যেককেই সে সময় খুব দিশেহারা লাগছিল। জাদেজার মিসফিল্ডের কয়েক ওভার পরের মহম্মদ শামি মিড-অনে জসপ্রীত বুমরার বলে কেন উইলিয়ামসনের লোপ্পা ক্যাচ ফেলে দেন। জুটি ভাঙার সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করে দেওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েন বোলার জাসপ্রিত বুমরাহ। এর আগে এই বুমরা-ই পয়েন্ট অঞ্চলে পায়ের ফাঁক দিয়ে একটি সহজ ড্রাইভ গলিয়ে দিয়ে বাউন্ডারি উপহার দেয় ব্ল্যাকক্যাপদের।সেই সময় এক-দুজন ছাড়া বাকি প্রায় সকলকেই ফিন্ডিং করার সময় দিশেহারা লাগছিল। উইলিয়ামসনের সহজ ক্যাচ মিস করা শামি-ই উইলিয়ামসনকে আউট করে প্রায়শ্চিত্ত করে ভারতকে ম্যাচে ফেরান, ডিপ স্কোয়ার লেগে অনবদ্য ক্যাচ নেন সুর্যকুমার যাদব। শামির এক মহাকাব্যিক বোলিং স্পেল ১২ বছর পর ফের টিম ইন্ডিয়াকে ফের ফাইনালে তোলে। ভারতের দুই প্রধান ব্যাটার শুভমান গিল ও বিরাটের পায়ের মাসল ক্র্যাম্প-ও রোহিতের কপালে চিন্তার ভাঁজের অন্যতম কারণ। বিশেষজ্ঞদের ধারণা টিমের ফিজিও ও ফিল্ডিং কোচ দিলিপের সামনের দুদিন খুব কঠিন যাবে। কারণ, এই ছোট খাটো ভুলত্রুটি শুধরেই ফাইনালের মহারণে ভারতকে নামতে হবে।

নভেম্বর ১৬, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

সেমি ফাইনাল নয়- এ যেন 'শামি ফাইনাল'! বিশ্ব ক্রিকেটের মহারণের ময়দানে মহাকাব্যিক বোলিং!

মহঃ শামি - বিরাট কোহলি - শ্রেয়াস আইয়ার এর দৌলতে এই প্রথমবার কোনও পুরুষদের ক্রিকেট বিশ্বকাপের নকঅউট পর্বের ম্যাচে ভারত নিউজিল্যান্ডকে পরাজিত করল। এই জয়ের সাথে সাথে ভারত ২০২৩ বিশ্বকাপের চূড়ান্ত ফাইনালে পৌঁছে গেল। বুধবার মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ভারত নিউজিল্যান্ডকে ৭০ রানে পরাজিত করে। খেলার প্রায় ৪০ ওভার অবধি টান টান উত্তেজনা ছিলএই ম্যাচে।একদিবসীয় বিশ্বকাপের এবার নিয়ে মোট চতুর্থ বার ফাইনালে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে ভারত। শেষবার এই ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামেই ধনি অধিনায়কত্বে বিশ্ব চাম্পিয়ান হয়েছিল টিম ইন্ডিয়া। লিগ পর্বের নটি ম্যাচের মধ্যে নয়টি জিতে লিগ শীর্ষে ছিল রোহিত শর্মার ছেলেরা। সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে জয়লাভের পর এই বিশ্বকাপে ভারত এখন ১০ এ ১০।টসে জিতে প্রথমে ব্যাট কারার সিদ্ধান্ত নেয় ভারতীয় অধিনায়ক রোহিত শর্মা। বিরাট কোহলি ও শ্রেয়াস আইয়ারের সেঞ্চুরিতে প্রথম ইনিংসে ভারত ৪ উইকেটে ৩৯৭ রান করে। বিরাট তাঁর ৫০ তম সেঞ্চুরি করার সাথে সাথে ভেঙ্গে দেন কিংবদন্তি শচীন তেন্ডুলকারের একদিনের ক্রিকেটে ৪৯ টি সেঞ্চুরি করার রেকর্ড।𝗢𝗻𝗲 𝘀𝘁𝗲𝗽 𝗰𝗹𝗼𝘀𝗲𝗿! 🏆#TeamIndia 🇮🇳 march into the FINAL of #CWC23 🥳#MenInBlue | #INDvNZ pic.twitter.com/OV1Omv4JjI BCCI (@BCCI) November 15, 2023রোহিত শর্মা এবং শুভমান গিল শুরুতে দুর্দান্ত এক ওপেনিং পার্টনারশিপ দেয়। ৮.২ ওভারে তাঁরা ৭১ রানের পার্টনারশিপ গড়ে তোলে। টিম সাউদির বলে উইলিয়ামসনের এক অনবদ্য ক্যাচে আউট হওয়ার আগে ভারতীয় অধিনায়ক ২৯ বলে ৪৭ রান করে ভারতকে এক ঝোড়ো সূচনা করে দেন। গিলকে মাসল ক্র্যাম্প-র জন্য খেলার মাঝে মাঠ ছাড়তে না হলে হয়ত আরও একটি শতরানের সাক্ষী থাকত ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম। শেষ পর্বে আইয়ারের আউট হওয়ার পর মাঠে ফিরে এসে ৬৬ বলে ৮০ রান করে অপরাজিত থাকেন।শ্রেয়স আইয়ার-ও ৭০ বলে ১০৫ রানের এক অনবদ্য ইনিংস খেলেন। তিনি মাঝ পর্বে কোহলির সাথে একটি গুরুত্বপূর্ণ ১৬৩ রানের জুটি গড়েছিলেন সেই ভিতের ওপর দাঁড়িয়েই ভারত প্রথম ইনিংসে ৩৯৭ মত পাহাড় প্রমান রান করতে সমর্থ হয়। একদম স্লগ ওভারে ব্যাট করতে এসে ছোট্ট কিন্তু মহামূল্যবান একটি ইনিংস খেলে যান কে এল রাহুল। তাঁর মাত্র ২০ বলে ৩৯ রানের এই ঝোড়ো ইনিংস নিউজিল্যান্ডের সামনে ৩৯৮ রানের লক্ষ্যমাত্রা রাখতে খুব সাহায্য করে।নিউজিল্যান্ড ব্যাট করতে নেমে প্রথমেই বুমরাকে আক্রমন করে তাঁর ছন্দ ভেঙ্গে দেওয়ার পরিকল্পনা করে। সাময়িক সফল-ও হয়। কিন্তু মহম্মদ শামি বল করতে এসেই ৩০ ও ৩৯ রানের মাথায় রাচিন রবীন্দ্র এবং ডেভন কনওয়ের দু দুটি উইকেট নিয়ে লড়ায়টা বিপক্ষের দিকে ছুঁড়ে দেন। দ্রুত দুটি উইকেট পরে গেলেও কিউইদের ড্যারিল মিচেল এবং কেন উইলিয়ামসন যে লড়ায় ফিরিয়ে দেন তা ক্রিকেট প্রেমীদের দীর্ঘ দিন মনে থাকবে। মিচেল এবং উইলিয়ামসন ১৮১ রানে অনবদ্য জুটি কিছুটা হলেও কিউয়িদের মনে আশার আলো সঞ্চার করে।We are #TeamIndia 🇮🇳🫶#CWC23 | #MenInBlue | #INDvNZ pic.twitter.com/HrUuQFzi1K BCCI (@BCCI) November 15, 2023যসপ্রীত বুমরার বলে ৫২ রানের মাথায় মিড অনে দাঁড়িয়ে কেন উইলিয়ামসনের এক সহজ ক্যাচ ফেলে দেন মহম্মদ শামি। সেমিফাইনালের মত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে সেই ভুলের মাসুল ভারত কে দিতে হয়নি শুধুমাত্র মহঃ শামি-র জন্যই। তাঁর অনবদ্য আগুনে ফাস্ট বোলিংয়ের দৌলতেই ছাড়খার হয়ে যায় কিউইরা। এক মাহাকাব্যিক বোলিং স্পেল বুধবার চাক্ষূস করল ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে উপস্থিত লক্ষাধিক দর্শক। ৯.৫ - ০ - ৫৭ - ৭ - এক স্বপ্নের স্পেল, তাও বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের মত মঞ্চে। সামাজিক মাধ্যমে তাঁকে নিয়ে নানা মন্তব্য-র মাঝে একটি খুবই প্রাসঙ্গিক - আজ সেমি ফাইনাল ছিল না - আজ শামি ফাইনাল। সত্যি আজ শামি-র ই দিন ছিল। জুড়িরা তাঁকেই এই ম্যাচের জন্য ম্যান-অব-দা-ম্যাচ বেছে নেন।সমগ্র ভারত এখন তাকিয়ে কলকাতায় অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় সেমিফাইনালে দিকে। সেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে ৫ বারের চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়ার ও দক্ষিণ আফ্রিকা। সেই লড়াইয়ের বিজয়ী কে হয় সেই দিকেই লক্ষ্য আপামর ক্রিকেট ভক্তের। ১৯ নভেম্বর রবিবার আমেদাবাদ শ হরে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে ফাইনালে কে মুখোমুখি হবে ভারতের সেটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন।

নভেম্বর ১৫, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

Exclusive: মিলার সতীর্থদের নিয়ে ডিনার সারলেন বন্ধুর রেস্তোরাঁয়, জাপানি খাবারে মজলেন ডি কক-মার্করামরা

বৃহস্পতিবারই ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলতে কলকাতায় পৌঁছেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা, কাল অনুশীলন সারেনি। আজ দুপুরে ইডেনে প্রোটিয়াদের অনুশীলন রয়েছে।শুক্রবার রাতে দক্ষিণ কলকাতার মিন্টো পার্কে টাকি টাকি নামে এক রেস্তোরাঁয় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গেলেন একঝাঁক প্রোটিয়া ক্রিকেটার। মেন ইন ব্লু দের মুখোমুখি হওয়ার আগে জাপানি খাবারে মজলেন তাঁরা।সান্ধ্য কলকাতায় তখন ঝিরঝিরে বৃষ্টি নেমেছে। ইডেনের সবুজ গালিচা তখন ঢাকা হয়েছে কভার দিয়ে। বৃষ্টি মাথায় নিয়েও ইডেনের গেটের সামনে লাইফ মেম্বাররা টিকিট না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। ক্লাব হাউসের প্রতিটি তলাতেই টিকিট প্রত্যাশীদের ভিড়। সিএবি কর্তাদের ঘরে রাজ্যের মন্ত্রী, বিধায়ক থেকে বিরোধী রাজনৈতিক দলের বিধায়কদের আনাগোনা।এ সব থেকে অনেকটাই দূরে, ফুরফুরে মেজাজে দক্ষিণ আফ্রিকা। বিশ্বকাপের পয়েন্ট তালিকার যা পরিস্থিতি তাতে দক্ষিণ আফ্রিকার সেমিফাইনালে ওঠা প্রায় নিশ্চিতই হয়ে গিয়েছে। ইডেনে ভারতকে গ্রুপ পর্বের সবচেয়ে কঠিন ম্যাচের মোকাবিলা করতে হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে থেকে কারা শেষ চারে যাবে তা ঠিক করে দেবে রবিবাসরীয় ইডেন।মাঠমুখো না হলেও স্ত্রী, বান্ধবী বা সন্তানদের নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার একঝাঁক ক্রিকেটার গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা নাগাদ যান মিন্টো পার্কের রেস্তরাঁটিতে। টাকি টাকি নামক রেস্তোরাঁটি জাপানি খাবারের জন্য বিখ্যাত। এই রেস্তরাঁর কর্ণধার রাজদীপ চক্রবর্তী ৭-৮ বছর ধরে দক্ষিণ আফ্রিকার তারকা ডেভিড মিলারের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। রাজদীপের বাবা প্রাক্তন বিধায়ক সমীর চক্রবর্তী, মা কৃষ্ণা চক্রবর্তী বিধাননগরের মেয়র।রাজদীপ জনতার কথাকে জানালেন, আইপিএলের আসরেই মিলারের সঙ্গে আলাপ। সেই থেকেই আমাদের বন্ধুত্ব, যা এখনও অটুট। আমাদের টাকি টাকি রেস্তরাঁয় সবরকম জাপানি খাবারই পাওয়া যায়। দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটাররা এখানে আড়াই ঘণ্টা কাটিয়ে গিয়েছেন। মিলার ছাড়াও এসেছিলেন কুইন্টন ডি কক, রাসি ভ্যান ডার ডুসেন, এইডেন মার্করাম, হেইনরিখ ক্লাসেন, মার্কো জানসেন ও তাবরেজ শামসি।রবিবার ম্যাচ। ফলে সোমবারের আগে দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটারদের রেস্তরাঁয় সময় কাটানোর ছবি বা ফুটেজ প্রকাশ করা যাবে না বলে শর্ত আরোপ করা হয়েছে। কিন্তু রেস্তরাঁয় হাজির অত্যুৎসাহীদের সৌজন্যে সেই সব ছবি ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। জানা গিয়েছে, সু সি, সাশিমি-সহ প্রতিটি পদই দারুণ পছন্দ হয়েছে মিলারদের।

নভেম্বর ০৪, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে ভারতের দাপট অব্যহত, ফলাফল ৮-০! ভারতের কাছে আত্মসমর্পন বাবরদের

১৯৯২ এ যে দাপট সিডনি বিশ্বকাপে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে হারিয়ে যে শুরু হয়েছিল, ২০২৩-এও তা অব্যহত। ২০২৩-র বিশ্বকাপ ক্রিকেটের তৃতীয় ম্যচে বিশ্বক্রিকেটের ডার্বিতে পাকিস্তান কে হেলায় হারিয়ে ভারত লিগ টেবিলের শীর্ষ স্থানে চলে গেল। টানটান উত্তেজনায় ভরা এই ম্যাচে ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেন।ক্রিকেট বিশ্বকাপে ভারতের কাছে হারের রেকর্ড অব্যহত থাকল আমদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামেও। শনিবারের ম্যাচে ভারতের বোলিং আক্রমণের সামনে কার্যত তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল বাবর-ইমাম-রিজওয়ান দের ব্যাট। এককথায় আত্মসমর্পন করলো পাকিস্তান।১৯৯২-এ মেলবোর্নে বিশ্বকাপ ক্রিকেটে ভারত-পাকিস্তানের প্রথম সাক্ষাতের ভারত অধিনায়ক ছিল মহম্মদ আজহারউদ্দিন। মাঝে সচিন-সৌরভ-ধোনি হয়ে ২০২৩ ব্যটম এখন রোহিতের হাতে। ব্যট্ম পালটালেও ফলের কোনও হেরফের হয়না। ২০২৩-এ ১৪ অক্টোবর দিনটা ক্রিকেট ইতিহাসের পাতায় স্বর্নাঅক্ষরে লেখা থাকবে রোহিত শর্মার ভারতের বিশ্ব-ক্রিকেটে অষ্টম জয়ের অধ্যায়। আবারও একটা বিশ্বকাপ এবং আরও এক বার পাকিস্তান বধ।M. O. O. D! ☺️ 🇮🇳Scorecard ▶️ https://t.co/H8cOEm3quc#CWC23 | #TeamIndia | #INDvPAK | #MeninBlue pic.twitter.com/18bdPJKDnh BCCI (@BCCI) October 14, 2023টসে জিতে শুরুটা খারাপ করেনি পাকিস্তান। পাকিস্তানের দুই প্রারম্ভিক ব্যাটার আবদুল্লাহ শফিক ও ইমাম-উল-হক ৭.৩ ওভারেই ৪১ রান তুলে ভারতকে যথেষ্ট-ই উদ্বিগ্ন করে তুলেছিল। সিরাজের বলে ওপেনিং জুটি ভাঙার পর ভারত প্রবল ভাবে খেলায় ফিরে আসে। ভারতীয় বোলিং-এর দাপটে হুরমুড়িয়ে তাসের ঘরের মত শেষ হয়ে গেলো পাকিস্তানের ইনিংস। ভারতের প্রথম পাঁচ বোলার-ই ২টি করে উইকেট ভাগ করে নেন। পাকিস্তানের ইনিংস শেষ হয় ১৯১ রানে। জবাবে মাত্র ৩০.৩ ওভারে ভারত ৩ উইকেটে ১৯২ রান তুলে ব্যবধান ৮-০ করে নিল। মেন ইন ব্লু ম্যচ জিতল ৭ উইকেটে।গুজরাটের এই আন্তঃর্জাতিক মানের স্টেডিয়াম নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম-এ খেলায় পাকিস্তানের ব্যাটিং-বোলিং-ফিল্ডিং দক্ষতা কোনও বিভাগেই আন্তঃর্জাতিক মাত্রা ছুঁতে পারেনি। তাঁদের ব্যাটাররা ভারতীয় বোলারদের সামনে আত্মসমর্পন করে গেলেন। ইমাম, বাবর ও রিজওয়ান সামান্য ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও বাকিরা আয়ারাম-গয়ারাম। জসপ্রীত বুমরাহ, মহম্মদ সিরাজ, হার্দিক পাণ্ডিয়া ও রবীন্দ্র জাদেজা মিলেমিশে সমান ভাগ করে নিলেন পাকিস্তানের ১০টি উইকেট। ভারতের একমাত্র বোলার শার্দুল ২ ওভার বল করলেও কোন উইকেট জোটেনি তাঁর কপালে। ব্যাটিং সহায়ক পিচে নিখুঁত লাইন ও লেন্থ বজায় রেখে যে বোলিং পারফরম্যান্স ভারতীয় বোলারেরা এদিন তুলে ধরলেন তার জন্য কোনও প্রশংশাই যথেষ্ট নয়।পাকিস্তান দল টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করে ভারতের জয়ের জন্য ১৯২ রানের লক্ষ্যমাত্রা রাখেন। ভারতের ব্যাটাররা জয়ের জন্য সহজ লক্ষ্য পেয়ে শুরু থেকেই আগ্রাসী মেজাজে খেলতে শুরু করেন। ভারতের ইনিংসের শুরুতেই শাহিন শাহ আফ্রিদিকে প্রথম বলেই বাউন্ডারির বাইরে পাঠিয়ে চার মেরে রোহিত বুঝিয়ে দেন দিনটা আজ তাঁদের। সদ্য ডেঙ্গু থেকে সুস্থ হয়ে মাঠে ফেরা বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া শুভমন গিলও উৎসাহিত হয়ে ওঠেন রহিতকে দেখে। খুব বেশী রান না করতে পারলেও গিলের ১১ বলে ১৬ রানের ইনিংস পাকিস্তানের দিকে চ্যলেঞ্জ ছূরে দেওয়ার জন্য যঠেষত ছিল।শাহিন আফ্রিদি-র বলে বলে ফিরে যান গিল। গিলের দ্রুত বিদায়ে সেরকম কিছু সুবিধা করতে পারেনি পাকিস্তান। উইকেটের এক দিকে রোহিত শর্মা লক্ষ্যে অবিচল ছিলেন। আফগানিস্তান ম্যাচে যেখানে শেষ করেছিলেন রোহিত যেন সেখান থেকেই শুরু করলেন আজ। আফগানিস্তানকে হারায়ে রোহিত বলেছিলেন, তাঁর কাছে বিশ্বকাপের আসরে আফগানিস্তান যা, পাকিস্তানও তা। রোহিতের মাত্র ৬৩ বলে ৮৬ রানের অনবদ্য ইনিংস পাকিস্তানের আশায় এক ঘটি জল ঢেলে দিল। পাক বোলারদের হেলায় হারিয়ে মারলেন ৬টি চার এবং ৬টি ছয়। বিরাট ব্যর্থ হলেও তাঁর রোহিতের ৫০রানের জুটি ভারতকে ম্যচে চালকের আসনে বসিয়ে দেয়।Congratulations to Team India on their remarkable performance in the #CWC2023! With three consecutive wins, they have set the tournament on fire, demonstrating their prowess on the field. Our bowlers displayed clinical precision by limiting Pakistan to just 191 runs on what pic.twitter.com/wRloJRorEj Jay Shah (@JayShah) October 14, 2023চার নম্বরে নেমে শ্রেয়স আয়ার বুঝিয়ে দিলেন কেন ভারত অধিনায়ক সূর্য কুমারের থেকে তাঁকে বেশী ভরসা করেন। বুক চিতিয়ে লড়াই করে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়লেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের অধিনায়ক। শ্রেয়সের ৬২ বলে ৫৩ রানের অপরাজিত অনবদ্য ইনিংস অনেক শতরানের থেকেও মূল্যবান ইয়ে থাকল। শ্রেয়স ৫৩ রান করতে ৩টি চার এবং ২টি ছয় মারলেন । লোকেশ রাহুলকে সঙ্গে নিয়ে ম্যচ শেষ করে বীরদর্পে প্যাভিলিয়নে ফিরলেন। রাহুল অপরাজিত থাকলেন ১৮ রান করে।ভারতের হয়ে দূর্দান্ত বল করলেন দ্রুত গতির বোলার যশপ্রীত বুমরা, তিনি ৭ ওভার বল করে ১৯ রানে ২ উইকেট নিলেন। ভাল বল করলেন কুলদীপ যাদব, সিরাজ, হার্দিক পান্ডিয়া, জাদেজা ও। এরা প্রত্যেকে ২ করে উইকেট ভাগ করে নিলেন। রোহিত শর্মার আজকের ম্যচে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্তে অনেকেই অবাক হন। কারন, আজ পর্যন্ত বিশ্বকাপে যে-কটি ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হয়েছে, তাতে যে অধিনায়ক-ই টসে জিতেছেন, তিনি প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কিন্তু রোহিত আজকের ম্যাচে টস জিতে সকলকে অবাক করে দিয়ে প্রথমে ব্যাটিং না নিয়ে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন। এই ধরনের হাইভোল্টেজ ম্যচে কোনও দলই রান চেজ করার ঝুঁকি নিতে চায় না। কিন্তু রোহিত সেই ব্যতিক্রমি রাস্তাতেই হাঁটলেন।আজ আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম খেলার শুরু থেকেই নানা অনুষ্ঠানে জমে উঠেছিল। ২২ গজের খেলা শুরুর আগেই সার্বিকভাবে জমে উঠেছিল ভারত-পাক লড়াই। এই মুহুর্তে ভারতের এক নম্বর কণ্ঠ সঙ্গীত শিল্পী অরিজিৎ সিং-এর বন্দেমাতরম সহ আরও একগুচ্ছ দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করে টিম ইন্ডিয়াকে উদ্বুদ্ধ করলেন। এ ছাড়াও সুনিধি চৌহান, সুখবিন্দর সিং এবং শংকর মহাদেবনের মত মহান সঙ্গীত শিল্পীর দুর্দন্ত জমজমাট পারফরম্যান্সে ১ লাখ ৩০ হাজার আসন বিশিষ্ট স্টেডিয়াম দুলে ওঠে। ক্রীড়া বিশেষজ্ঞ দের ধারণা বিশ্ব ক্রিকেটের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর মারমার কাটকাট লড়াইয়ের আগে এই রকম জমজমাট সঙ্গীতানুষ্ঠান ফলে দুই দলের দর্শকদের মধ্যে প্রতিহিংসা অনেকটা নমনীয় হবে। এবং সঙ্গীতের রেশ রেখে হালকা ফুরফুরে মেজাজেই পাওয়া গেলো দুই দলের দর্শক সহ ক্রিকেটারদের।

অক্টোবর ১৪, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

ইতিহাস গড়ল ভারতের অনুর্দ্ধ ১৯ মহিলা ক্রিকেট দল, ধুলোয় মিশিয়ে দিল ইংল্যান্ডকে

বিশ্ব ক্রিকেটে ইতিহাস তৈরিতে সাক্ষী থাকল বাংলার তিন তরুণী ক্রিকেটার। রবিবার মহিলাদের অনুর্দ্ধ ১৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত। আইসিসি আয়োজিত প্রথমবারের এই প্রতিযোগিতার ফাইনালে ভারতীয় মহিলা দল ৭ উইকেটে হারায় ইংল্যান্ডকে। শেফালী ভার্মার নেতৃত্বে ভারতের এই দল স্মরণ করিয়ে দিল ২০০৭-এ টি ২০ বিশ্বকাপের প্রথম প্রতিযোগিতায় ধোনীর নেতৃত্বের ভারতের জয়কে। তারপর ১৬ বছর ধরে টি ২০ বিশ্বকাপে ভারতের প্রাপ্তির ভাড়ার শূন্য়। প্রথমবারেই বাজিমাত শেফালীদের।প্রথম ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। ভারতের বোলিংয়ের কাছে কচুকাটা হয় ইংল্যান্ডের ব্যাটাররা। ইংল্যান্ড ১৭.১ ওভারে মাত্র ৬৮ রান তুলতে সক্ষম হয়। তুরি দিয়ে জয় পায় ভারত। সহজেই ইংল্যান্ডের রান তাড়া করে ভারত ১৪ ওভারে ৩ উইকেটে ৬৯ রান তোলে। পরাজিত হয় ইংল্যান্ড। ৪ ওভার বল করে ৬ রান দিয়ে ২ উইকে়ট নিয়ে ফাইনালের সেরা হয়েছেন চুঁচুড়ার তিতাস সাধু।মহিলাদের প্রথম অনূর্ধ্ব ১৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পরই আর্থিক পুরস্কার ঘোষণা করেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। পুরো দল এবং কোচিং স্টাফদের জন্য ৫ কোটি টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে বোর্ড। ভারতীয় এই দলে তিতাস ছাড়াও রয়েছে হাওড়ার হৃষিতা বসু ও শিলিগুড়ির রিচা ঘোষ।

জানুয়ারি ২৯, ২০২৩
রাজ্য

ইকোপার্ক, সিটি সেন্টার ওয়ান ও সিটি সেন্টার টু, নিকোপার্কে ভিড় উপচে পড়ছে, কড়া নিরাপত্তা পুলিশের

বড়দিন উপলক্ষ্যে বিধাননগর সিটি এলাকা কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে দিয়েছে। যাতে কোনোরকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে তার জন্য সক্রিয় সিটি পুলুশ। বড়দিনে সাধা মানুষ সুষ্ঠ ভাবে আনন্দ উপভোগ করতে পারে তারই জন্য বিধাননগর পুলিশের এই উদ্যোগ।বড়দিন উপলক্ষে বিধাননগর পুলিশের পক্ষ থেকে বিধাননগর সিটি এলাকায় ডিসি ও এডিসিপি পদ মর্যাদার ৯ জন অফিসার, এসিপি পদ মর্যাদার ১২ জনঅফিসার, ইন্সপেক্টর পদ মর্যাদার ২৯ জন অফিসার রয়েছেন। অফিসার ও ফোর্স নিয়ে ২ হাজার এবং প্রতিটি থানায় একটি করে স্পেশাল টিম তৈরি করা হয়েছে অফিসারদের। যারা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় টহলদারি চালাচ্ছে। বড়দিন উপলক্ষে বিভিন্ন জায়গা থেকে ভিড় জমিয়েছে বিধাননগর সিটি এলাকায়। এর মধ্যে ইকোপার্ক, সিটি সেন্টার ওয়ান ও সিটি সেন্টার টু, নিকোপার্ক, লেক টাউন পৌষ উৎসব সহ সল্টলেক ও নিউটাউনের বিভিন্ন এলাকায়।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আইসিসি–র চেয়ারম্যান পদে সৌরভ গাঙ্গুলি–জয় শাহ লড়াই?

এই বছরের নভেম্বরে নভেম্বরে মেয়াদ শেষ হচ্ছে আইসিসির চেয়ারম্যার গ্রেগ বার্কলের। তাঁর পরিবর্তে নতুন চেয়ারম্যান কে হবেন, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। লড়াইটা শেষ পর্যন্ত দাঁড়াতে পারে তিন ভারতীয়র মধ্যে। এমন সম্ভাবনাই তৈরি হয়েছে। আইসিসির চেয়ারম্যান পদের জন্য সম্মুখসমরে নামতে পারেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি ও সচিব জয় শাহ। লড়াইয়ে সামিল হতে পারেন প্রয়াত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অরুণ জেটলির পুত্র রোহন জেটলিও। ২ বছর পরপর আইসিসির চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়। কোনও চেয়ারম্যান ৬ বছরের বেশি দায়িত্বে থাকতে পারেন না। ২০১৫ সালে শশাঙ্ক মনোহরের পর অন্তর্বর্তীকালীন চেয়ারম্যান হিসেবে ১৪৫ দিন দায়িত্ব সামলেছিলেন সিঙ্গাপুরের ইমরান খোয়াজা। ২০২০র ২৪ নভেম্বর চেয়ারম্যানের দায়িত্বভার গ্রহন করেন গ্রেগ বার্কলে। চলতি বছরের নভেম্বরেই তাঁর ২ বছরের মেয়াদ পূর্ণ হচ্ছে। শোনা যাচ্ছে, বার্কলে আর এই পদে থাকতে রাজি নন। তিনি অকল্যান্ডের খ্যাতনামা আইনজীবী। অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের অনেক সংস্থার বোর্ডে রয়েছেন। কয়েকটি সংস্থার ডিরেক্টরের দায়িত্বও সামলাচ্ছেন। ব্যস্ততার কারণেই তিনি আর আইসিসির চেয়ারম্যান পদে থাকতে চাইছেন না। আইসিসির বার্ষিক সাধারন সভা জুলাই মাসে। তখনও নতুন চেয়ারম্যান নির্বাচন করা হবে। তবে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত টি২০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত বার্কলেই আইসিসি চেয়ারম্যান পদে থাকছেনই। চলতি সপ্তাহে আইসিসি বোর্ড মিটিং রয়েছে। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় আইসিসির পুরুষদের ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যান, তিনি দুবাইয়ে যাচ্ছেন। আইসিসির পরবর্তী চেয়ারম্যান হওয়ার জন্য সৌরভের দিকেই যে বেশিরভাগের সমর্থন থাকবে সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু লড়াইয়ে ডার্ক হর্স বিসিসিআই সচিব জয় শাহ। তিনি এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট পদেও রয়েছেন।২০২৩ সালে একদিনের বিশ্বকাপ হবে ভারতে। এই সময় আইসিসিতে ভারতের কেউ চেয়ারম্যান পদে থাকলে ব্যাপারটা ভাল হবে। সেই কারণেই আইসিসির শীর্ষপদে যেতে আগ্রহী জয় শাহ। আইসিসির অন্য সদস্যদের সঙ্গে সৌরভ গাঙ্গুলির সম্পর্ক ভাল। তাঁরা সৌরভকে চেয়ারম্যান চাইছেন। তবে সৌরভ ও জয় শাহ যদি আইসিসির চেয়ারম্যান পদে লড়াই না করেন, তাহলে দিল্লি অ্যান্ড ডিস্ট্রিক্ট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট রোহন জেটলি আইসিসির চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হতে পারেন।

এপ্রিল ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আইসিসি–র বর্ষসেরা দলে বাংলাদেশের ৩, কেন বাদ কোহলি?‌

বর্ষসেরা দল নির্বাচন নিয়ে নিজেদের ক্রমশ হাস্যকর করে তুলছে আইসিসি। একদিন আগেই ২০২১ সালের বর্ষসেরা টি২০ দল বেছে নিয়েছে। সেই দলে জায়গা হয়নি ভারতের কোনও ক্রিকেটারের। বৃহস্পতিবার ঘোষণা করেছে একদিনের দল। আশ্চর্যজনকভাবে সেই দলেও কোনও ভারতীয় ক্রিকেটার নেই! হ্যাঁ, জায়গা হয়নি বিরাট কোহলি কিংবা যশপ্রীত বুমরার। অথচ শ্রীলঙ্কার দুষ্মন্ত চামিরা, আয়ারল্যান্ডের পল স্টার্লিং, সিমি সিংরা জায়গা পান। আইসিসির বর্ষসেরা একদিনের দলে পাকিস্তানের ২ জন ক্রিকেটার জায়গা পেয়েছেন। এরা হলেন বাবর আজম ও ফকর জামান। টি২০ দলের মতো একদিনের আইসিসির বর্ষসেরা দলের নেতৃত্বেও বাবর আজম। বর্ষসেরা দলে শুধু ভারতীয় ক্রিকেটারদের নয়, নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, ওয়েস্ট ইন্ডিজের কোনও ক্রিকেটারের জায়গা হয়নি। ১১ জনের দলে সুযোগ পেয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার দুজন ক্রিকেটার, জ্যানম্যান মালান ও রাসি ভ্যান ডার ডুসেন। সবথেকে বেশি ক্রিকেটার সুযোগ পেয়েছেন বাংলাদেশ থেকে। এরা হলেন সাকিব আল হাসান, মুস্তাফিজুর রহমান ও মুশফিকুর রহিম। শ্রীলঙ্কা থেকে সুযোগ পেয়েছেন ওয়ানিন্দু হাসারঙ্গা ও দুষ্মন্ত চামিরা। এছাড়া রয়েছেন আয়ারল্যান্ডের পল স্টার্লিং ও সিমি সিং।বিরাট কোহলি, যশপ্রীত বুমরা, রোহিত শর্মাদের আইসিসির বর্ষসেরা দলে সুযোগ না পাওয়ার কারণ রয়েছে। আসলে ২০২১ সালে মাত্র ৬টি একদিনের ম্যাচ খেলেছে ভারত। এই ৬ ম্যাচের মধ্যে বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা, লোকেশ রাহুল মাত্র ৩টি ম্যাচে খেলেছিলেন। বোলারদের মধ্যে সবথেকে বেশি ম্যাচ খেলেছিলেন ভুবনেশ্বর কুমার। ৫ ম্যাচ খেলে তিনি মাত্র ৯ উইকেট পেয়েছিলেন। আর ব্যাটারদের মধ্যে সবথেকে বেশি খেলেছিলেন শিখর ধাওয়ান। ৬ ম্যাচে তিনি করেছিলেন ২৯৭ রান। পারফরমেন্সের বিচারে পল স্টার্লিং, জ্যানম্যান মালান, ফকর জামান, বাবর আজমরা ধাওয়ানের থেকে অনেক এগিয়ে। আইসিসির বর্ষসেরা দল বাছাইয়ের ক্ষেত্রে পারফরমেন্সকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়। নামের দিকে তাকানো হয় না। একদিনের ক্রিকেট বেশি না খেলার জন্য কোনও ভারতীয় ক্রিকেটারের নাম বিবেচিত হয়নি।

জানুয়ারি ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Sourav Ganguly : ভবিষ্যতে আইসিসি–র চেয়ারম্যান সৌরভ?‌ দরজায় কড়া নাড়া শুরু

সিএবির পর ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। একের পর এক ক্রিকেট সংস্থায় উত্তরণ সৌরভ গাঙ্গুলির। এবার কি তাহলে আইসিসির প্রশাসনে দেখা যাবে মহারাজকে? ভবিষ্যতে যদি আইসিসির চেয়ারম্যান পদে সৌরভ গাঙ্গুলিকে দেখা যায়, অবাক হাওয়ার কিছু থাকবে না। তার আগেই আইসিসির গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন সৌরভ। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্টকে পুরুষদের ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে বেছে নিয়েছে আইসিসি। আর এক ভারতীয় অনিল কুম্বলের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন তিনি। বুধবার আইসিসির গভর্নিং বডির বৈঠকে সৌরভ গাঙ্গুলিকে সর্বসম্মতভাবে বেছে নেওয়া হয়েছে।সৌরভ গাঙ্গুলির আগে আইসিসির পুরুষদের ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন অনিল কুম্বলে। ২০১২ সালে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। ৩ টার্মে ৯ বছর ধরে কুম্বলে এই পদে ছিলেন। আইসিসির সংবিধান অনুসারে কোনও ক্রিকেটার ৯ বছরের বেশি ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যান পদে থাকতে পারবেন না। ফলে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করলেও অনিল কুম্বলেকে এই দায়িত্বে রাখতে পারছিল না আইসিসি। তাই সৌরভ গাঙ্গুলিকে নতুন চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।সৌরভকে চেয়ারম্যান করার বিষয়ে আইসিসির চেয়ারম্যান গ্রেগ বার্কলে বলেছেন, সৌরভ গাঙ্গুলিকে আইসিসির পুরুষদের ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দিতে পেরে খুশি। নতুন পদে সৌরভ গাঙ্গুলিকে স্বাগত জানাচ্ছি। বিশ্বের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার সৌরভের অভিজ্ঞতা এবং ক্রিকেট ছাড়ার পর প্রশাসক হিসেবে ওর দক্ষতা আইসিসির ক্রিকেট সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে ও তার রূপায়ন ঘটাতে সাহায্য করবে। অনিল কুম্বলে গতস ৯ বছর ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের মানোন্নয়নে অনিল কুম্বলে যেভাবে কাজ করেছে এবং ডিআরএসের তার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ডিআরএসের নিয়মিত প্রয়োগ এবং সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের ব্যাপারে দারুণ যে পদক্ষেপ গ্রহন করেছে, তা এককথায় অসাধারণ।এদিকে, তালিবানরা ক্ষমতায় আসার পর আফগানিস্তানের ক্রিকেটের বর্তমান পরিস্থিতি যাচাই করে সে দেশের ক্রিকেটের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে আইসিসি। আফগানিস্তানের ক্রিকেট সংক্রান্ত বিষয় দেখাশোনার জন্য একটা ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করেছে আইসিসি। এই কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে ইমরান খোয়াজাকে। গ্রুপের বাকি সদস্যরা হলেন রস ম্যাককলাম, লসন নাইডু ও রামিজ রাজা। আগামী মাসেই আইসিসি বোর্ডকে আফগানিস্তানের ক্রিকেট নিয়ে রিপোর্ট দেবে এই ওয়ার্কিং গ্রুপ। আফগানিস্তানে পুরুষ ও মহিলাদের ক্রিকেটকে এগিয়ে নিয়ে যেতে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে আইসিসি যে সবরকম সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন বার্কলে।

নভেম্বর ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

World Cup : আবার কবে বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্ব পেল ভারত?‌ জানতে পড়ুন

২০২৩ সালে একদিনের ক্রিকেট বিশ্বকাপ আয়োজন করবে ভারত। আগে থেকেই বিষয়টি চূড়ান্ত হয়ে আছে। ৩ বছর পর আবার বিশ্বকাপ আয়োজনের সুযোগ পেল ভারত। তবে একদিনের নয়, ২০২৬ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত হবে টি২০ বিশ্বকাপ। তবে এককভাবে নয়, শ্রীলঙ্কার সঙ্গে যৌথভাবে টি২০ বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছে ভারত। ২০৩১ সালে আবার বিশ্বকাপ আয়োজন করবে বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে। তবে ২০২৯ সালে এককভাবে আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছে ভারত। ২০২৩ সাল পর্যন্ত আইসিসির ইভেন্টের সূচি আগে থেকেই চূড়ান্ত ছিল। পরবর্তী ১০ বছর অর্থাৎ ২০৩১ সাল পর্যন্ত আবার নতুন সূচি ঘোষণা করল আইসিসি। ২০২৪ সালে আবার হবে টি২০ বিশ্বকাপ। যৌথভাবে আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আমেরিকা। জুন মাসে হবে এই প্রতিযোগিতা। আমেরিকায় ক্রিকেট প্রসারের উদ্দেশ্যে আইসিসি ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে আমেরিকাকে জুড়ে দিয়েছে। ২০১৭ সালের পর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। ২০২৫ সাল থেকে এই প্রতিযোগিতা আবার ফেরানো হচ্ছে। ফেব্রুয়ারি মাসে পাকিস্তানে হবে এই প্রতিযোগিতা। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় যৌথভাবে হবে টি২০ বিশ্বকাপ। পরের বছর একদিনের বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবোয়ে ও নামিবিয়া। ২০২৮ সালে টি২০ বিশ্বকাপ আয়োজন করবে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। পরের বছর আবার ভারতে হবে আইসিসির প্রতিযোগিতা। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছে ভারত। অক্টোবর মাসে হবে এই প্রতিযোগিতা। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল বাদে ১১ বছর পর আবার কোনও আইসিসির প্রতিযোগিতা আয়োজন করার সুযোগ পাবে ইংল্যান্ড। ২০৩০ সালে আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ডের সঙ্গে যৌথভাবে টি২০ বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছে। কোন দেশ প্রতিযোগিতার আয়োজনের দায়িত্ব পাবে, তা নিলামের মাধ্যমে ঠিক হয়েছে। সৌরভ গাঙ্গুলি, মার্টিন স্নেইডেন, রিকি স্কেরিটকে নিয়ে আইসিসি একটা সাবকমিটি তৈরি করেছিল। বিভিন্ন দেশ প্রতিযোগিতা আয়োজনের জন্য যে প্রস্তাব পাঠিয়েছিল, সেই প্রস্তাবের যাবতীয় নথিপত্র যাচাই করে এই কমিটি আয়োজকদের নাম সুপারিশ করেছিল। সেই সুপারিশের ভিত্তিতে আইসিসি আয়োজক বেছে নিয়েছে। ৮টি ইভেন্টের জন্য ১৭টি দেশের মোট ২৮টি প্রস্তাব জমা পড়েছিল।

নভেম্বর ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌nd vs Eng Manchester Test : বাতিল টেস্ট ম্যাচ নিয়ে আইসিসি–কে চিঠি ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের

করোনা আতঙ্কে ভারতীয় ক্রিকেটাররা ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজের শেষ টেস্ট খেলতে চাননি। দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ড নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে ওল্ড ট্রাফোডের টেস্ট বাতিল করেছিল। বাতিল হওয়া পঞ্চম টেস্ট ফের কবে অনুষ্ঠিত হবে, তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ও ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড দফায় দফায় আলোচনায় বসেও কোনও সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি। বল ঠেলে দেওয়া হয়েছে আইসিসি-র কোর্টে। বাতিল হওয়া ওল্ড ট্র্যাফোর্ড টেস্ট কবে ফের আয়োজন করা যায়, তার সমাধানসূত্র বের করতে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে বিশ্বের সর্বোচ্চ ক্রিকেট নিয়ামক সংস্থাকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের মুখপাত্র এ খবর জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আমরা আইসিসিকে চিঠি দিয়েছি বাতিল হওয়া টেস্ট ম্যাচের ভবিষ্যত জানতে চেয়ে।আরও পড়ুনঃ ২০০৮ সালের ২৬/১১র প্রসঙ্গ কেন তুললেন গাভাসকার?ইংল্যান্ড সফরের শেষদিকে ভারতীয় শিবিরে থাবা বসিয়েছিল করোনা ভাইরাস। চতুর্থ টেস্ট চলাকালীনই ভারতীয় দলের হেড কোচ রবি শাস্ত্রীর করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। শাস্ত্রীর সংস্পর্ষে আসা আরও তিন সাপোর্ট স্টাফকে লন্ডনের টিম হোটেলে আইসোলেশনে থেকে যেতে হয়। বাকি দল পঞ্চম টেস্ট খেলতে ম্যাঞ্চেস্টার রওয়া হয়। কিন্তু ওল্ড ট্র্যাফোর্ড ভারত ও ইংল্যান্ডের মধ্যে পঞ্চম টেস্ট শুরু হওয়ার আগে সহকারী ফিজিও যোগেশ পারমারের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এরফলে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ক্রিকেটাররা। কোহলিরা খেলতে না চাওয়ায় ম্যাঞ্চেস্টার টেস্ট বাতিল করা হয় বলে শোনা যাচ্ছে। এ ব্যাপারে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ও ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে আলাদা আলাদা বিবৃতি জারি করা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ কী হবে ভারতইংল্যান্ড বাতিল টেস্টের ভবিষ্যত?ওল্ড ট্র্যাফোর্ড টেস্ট বাতিল হয়ে গেলেও সিরিজে ২১ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে ভারত। বাতিল হওয়া ম্যাচ ফের খেলা হলে ভালো, না হলে বিজয়ী ভারতকে ঘোষণা করা হবে, নাকি ইংল্যান্ডের পক্ষে ২২ ফলাফলে সিরিজে ইতি টানা হবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। ২০২২ সালে আবার ইংল্যান্ড সফরে যাবে ভারতীয় ক্রিকেট দল। ১ জুলাই ওল্ড ট্রাফোর্ডে প্রথম টি২০ ম্যাচে মুখোমুখি হবে ভারত ও ইংল্যান্ড। দুই দলের মধ্যে পরের দুটি টি২০ ম্যাচ ট্রেন্টব্রিজ ও সাউদাম্পটনে অনুষ্ঠিত হবে। ৩ ও ৬ জুলাই হবে এই দুটি ম্যাচ। এরপর ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তাদেরই মাটিতে তিন ম্যাচের ওয়ান ডে সিরিজ খেলবে ভারতীয় ক্রিকেট দল। ৯, ১২ এবং ২৪ জুলাই যথাক্রমে এজবাস্টন, কিয়া ওভাল ও লর্ডসে হবে মোকাবিলা। তারই ফাঁকে করোনা ভাইরাসের জেরে বাতিল হয়ে যাওয়া ভারত ও ইংল্যান্ড ওল্ড ট্র্যাফোর্ড টেস্ট আয়োজন করা সম্ভব কিনা, সে ব্যাপারে আই সি সির সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌CC Test Ranking :শীর্ষে উঠে এলেন জো রুট, রোহিতেরও নীচে কোহলি

ছয় বছর পর টেস্ট ক্রিকেটে ফের বিশ্বের এক নম্বর ব্যাটসম্যানের মুকুট উঠল ইংল্যান্ড অধিনায়ক জো রুটের মাথায়। ভারতইংল্যান্ড চলতি টেস্ট সিরিজে দুরন্ত ফর্মে রয়েছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক জো রুট। শুধু এই সিরিজে নয়, একবছর ধরে তাঁর ব্যাটে রানের ধারা অব্যাহত। তার পুরস্কার পেলেন রুট। নিউজিল্যান্ডের কেন উইলিয়ামসনকে সরিয়ে বিশ্বের ১ নম্বর ব্যাটসম্যানের জায়গা দখল করলেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক।আরও পড়ুনঃ দৈনিক টিকাকরণে দেশে ফের রেকর্ডচলতি সিরিজ শুরুর সময় টেস্ট ব্যাটসম্যানদের র্যাঙ্কিংয়ে ৫ নম্বরে ছিলেন রুট। প্রথম দুটি টেস্টে শতরানের সুবাদে উঠে এসেছিলেন ২ নম্বরে। হেডিংলেতে তৃতীয় টেস্টে আবার সেঞ্চুরি। প্রত্যাশিতমতোই চতুর্থ টেস্ট শুরুর আগে বিশ্বের ১ নম্বর টেস্ট ব্যাটসম্যানের জায়গায় উঠে এলেন।নটিংহ্যাম, লর্ডস ও হেডিংলেতে তিনতিনটি সেঞ্চুরি এসেছে ইংল্যান্ড অধিনায়কের ব্যাট থেকে। এখনও পর্যন্ত ৩ টেস্টে জো রুটের রান ৫০৭, গড় ১২৬.৭৫। এই স্বপ্নের ফর্মের জন্যই নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনকে সরিয়ে দীর্ঘ ৬ বছর পর টেস্ট ব্যাটসম্যানদের তালিকায় ১ নম্বের উঠে এলেন রুট। হেডিংলে টেস্টে রান পাওয়ায় জনি বেয়ারস্টো উঠে এসেছেন ২৪ নম্বরে, ৫ ধাপ ওপরে। ডেভিড মালান ব্যাটসম্যানদের তালিকায় উঠে এসেছেন ৮৮ নম্বরে।আরও পড়ুনঃ দলগঠনে চমক এসসি ইস্টবেঙ্গলের, অরিন্দমকে ১ কোটি ৩০ লক্ষ টাকার প্রস্তাব!জো রুট শীর্ষে উঠে এলেও অবনমন হয়েছে বিরাট কোহলির। হেডিংলেতে কোহলি দ্বিতীয় ইনিংসে অর্ধশতরান করলেও ব্যাটসম্যানদের র্যাঙ্কিংয়ে নেমে গিয়েছেন ষষ্ঠ স্থানে। তাঁকে টপকে ৫ নম্বরে উঠে এসেছেন রোহিত শর্মা। হেডিংলিতে রোহিত দুটি ইনিংসে করেন ১৯ ও ৫৯ রান। প্রথম দশ টেস্ট ব্যাটসম্যানের তালিকা থেকে ছিটকে গেছেন ঋষভ পন্থ, তিনি এখন ১২ নম্বরে রয়েছেন। তৃতীয় টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ৯১ রান করায় চেতেশ্বর পুজারা ৩ ধাপ উঠে চলে এসেছেন ১৫ নম্বরে। অজিঙ্ক রাহানে নেমে গিয়েছেন ১৮ নম্বরে। নেমে গিয়েছেন রবীন্দ্র জাদেজা এবং লোকেশ রাহুলও। জাদেজা রয়েছেন ৪৫ নম্বরে, রাহুল ৪৮এ।আরও পড়ুনঃ কেন ক্রিকেটকে চিরতরে বিদায় জানালেন ডেল স্টেন?হেডিংলে টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য র্যাঙ্কিংয়ে ইংল্যান্ডের বোলারদের অনেকটাই উন্নতি হয়েছে। বিশ্বের সেরা ৫ বোলারের মধ্যে চলে এসেছেন জেমস অ্যান্ডারসন। ১ ধাপ উঠে তিনি এখন পঞ্চম স্থানে। ৯ ধাপ উঠে অলি রবিনসন চলে এসেছেন ৩৬ নম্বরে। র্যাঙ্কিংয়ে ফের ঢুকে পড়ে ক্রেগ ওভার্টন রয়েছেন ৭৩ নম্বরে। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে রবিচন্দ্রন অশ্বিন দ্বিতীয় স্থান ধরে রেখেছেন। ১ ধাপ উঠে ১০ নম্বরে রয়েছেন যশপ্রীত বুমরা। মহম্মদ সামি ১৮ নম্বরে উঠে এসেছেন। ১৯ নম্বরে নেমে গিয়েছেন ইশান্ত শর্মা। বোলারদের ক্রমতালিকায় নেমে গিয়ে ৪১ নম্বরে রয়েছেন মহম্মদ সিরাজ, ৫৬ নম্বরে শার্দুল ঠাকুর।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T-20 World Cup: টি২০ বিশ্বকাপে ভারতের প্রথম ম্যাচ কবে? সূচি প্রকাশ করল আইসিসি

টি২০ বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান একই গ্রুপে রয়েছে, আগেই জানা গিয়েছিল। সেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধেই টি২০ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ খেলবেন বিরাট কোহলিরা। সুপার ১২-র গ্রুপ দুইতে খেলবে ভারতীয় ক্রিকেট দল। মঙ্গলবারই টি ২০ বিশ্বকাপের পূর্ণাঙ্গ সূচি প্রকাশ করল আইসিসি।আরও পড়ুনঃ দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ঐতিহাসিক লর্ডসে অবিস্মরনীয় জয় ভারতের২৩ অক্টোবর শুরু হবে সুপার ১২-র খেলা। প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকা। ২৩ অক্টোবরই ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলতে নামবে চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ২৪ অক্টোবর বাবর আজমদের বিরুদ্ধে দুবাইতে খেলতে নামবেন বিরাট কোহলিরা। ৩১ অক্টোবর নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচে খেলবে ভারত। ভারতের পরের ম্যাচ ৩ নভেম্বর আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে। আফগানিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি খুবই খারাপ। এই পরিস্থিতিতে তারা টি২০ বিশ্বকাপে খেলবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ আছে।আরও পড়ুনঃ এএফসি কাপের প্রথম প্রতিপক্ষ নিয়ে কেন সতর্ক হাবাস?৫ নভেম্বর ও ৮ নভেম্বর যোগ্যতা অর্জনকারী দলের বিরুদ্ধে ম্যাচ বিরাট কোহলিদের। সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১০ ও ১১ নভেম্বর। ফাইনাল হবে ১৪ নভেম্বর। তবে ফাইনালের জন্য একটা দিন রিজার্ভ রেখে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইসিসি। বিরাট কোহলিদের গ্রুপ পর্বের সবকটি ম্যাচ দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত হবে। ১৭ অক্টোবর থেকে মূলপর্বের যোগ্যতা অর্জনের খেলা শুরু হবে। দুপুর ২টোয় ঘরের মাঠে পাপুুয়া নিউ গিনির বিরুদ্ধে রাউন্ড ওয়ানের গ্রুপ বি-র প্রথম ম্যাচ খেলবে ওমান। রাউন্ড ওয়ানের গ্রুপ বি-র প্রথম ম্যাচও একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে। সন্ধ্যে ওমানের মাঠে স্কটল্যান্ডের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। একদিন পর সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর আবু ধাবিতে রাউন্ড ওয়ানের গ্রুপ এ-র মোকাবিলা শুরু হবে। এই গ্রুপে আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, শ্রীলঙ্কা, নামিবিয়ার মতো দলগুলি লড়াই করবে। ২২ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে রাউন্ড ওয়ানের মোকাবিলা। দুই গ্রুপের দুটি করে দল সুপার ১২ রাউন্ডে খেলার সুযোগ পাবে।আরও পড়ুনঃ অবশেষে ইস্টবেঙ্গলকে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের সংশোধিত খসড়া পাঠাল শ্রী সিমেন্টপাঁচ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে চলেছে টি২০ বিশ্বকাপ। ১৭ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে প্রতিযোগিতা। ২০১৬ সালে শেষবার টি২০ বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ২০২০ সালে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল প্রতিযোগিতার পরবর্তী সংস্করণ। করোনা ভাইরাসের জেরে দুই বছরের জন্য পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে ওই টুর্নামেন্ট। চলতি বছরের টি২০ বিশ্বকাপ ভারতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও অতিমারীর জেরে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে বাধ্য হয় আইসিসি। সংযুক্ত আরব আমিরশাহী এবং ওমানে আয়োজিত হবে টুর্নামেন্ট। উদ্যোক্তার ভূমিকায় থাকবে বিসিসিআই। কবে থেকে শুরু হচ্ছে টুর্নামেন্ট, তা জানা গিয়েছিল আগেই।

আগস্ট ১৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Icche Movie : ইচ্ছে ছবির ১০ বছর, আবেগে ভাসলেন পরিচালক

শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও নন্দিতা রায় বর্তমানে টলিউডের দুই জনপ্রিয় প্রতিষ্ঠিত পরিচালক। এই দুই পরিচালকদ্বয়ের প্রথম পরিচালিত ছবির নাম ইচ্ছে। ২০১১ সালের ১৫ জুলাই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল ছবিটি। অভিনয় করেছিলেন সোহিনী সেনগুপ্ত, ব্রাত্য বসু, সমদর্শী দত্ত, বিদিতা বাগ। ছবি মুক্তির পর কেটে গিয়েছে একটি দশক। কিন্তু আজও দর্শকের মনে আলাদা একটা জায়গা করে নিয়েছে ছবিটি। নন্দিতা-শিবপ্রসাদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি এই ছবি। ছবিটি নিবেদন করেছিলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।আরও পড়ুনঃ জন্মদিন কেমন কাটল বং গাই এর?এই ছবির দুটি স্টিল ফোটোগ্রাফ সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন পরিচালক শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। সাহিত্যিক সুচিত্রা ভট্টাচার্যর উপন্যাস অবলম্বনে তৈরি হয়েছিল ছবির চিত্রনাট্য। মা ও ছেলের সম্পর্কের কথা বলেছিল ইচ্ছে। মায়ের চরিত্রে সোহিনী সেনগুপ্তর পারফরম্যান্স যেন ভোলার নয়। তেমনই ভাল অভিনয় করেছিলেন সমদর্শী। জোড়ালো স্টারকাস্ট ছাড়া কমবাজেটের একটি বাংলা ছবি দর্শকের মনে দাগ কেটেছিল সেই সময়। প্রথম ছবিতেই প্রমাণ করেছিলেন কন্টেন্টই আসল। প্রথম ছবিতেই পরিচালক হিসেবে নিজেদের জায়গা পাকা করেছিলেন নন্দিতা-শিবপ্রসাদ। ইচ্ছে দিয়ে শুরু। সেই জার্নির পর আরও ভাল ভাল ছবি দর্শকদের উপহার দিয়ে তাদের ইচ্ছেপূরণ করে চলেছেন শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও নন্দিতা রায়।

জুলাই ১৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

World Test Championship : বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় সংস্করণে পয়েন্ট সিস্টেমে বদল

আইসিসির প্রথম বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট সিস্টেম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। বিরাট কোহলি থেকে রবি শাস্ত্রী, প্রত্যেকেই সোচ্চার হয়েছিলেন। নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনও প্রশ্ন তুলেছিলেন। জো রুট, টিম পাইনরাও সমালোচনা করেছিলেন। তাই টেস্টের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় সংস্করণ শুরুর আগে পয়েন্ট সিস্টেমে বদল নিয়ে এসেছে আইসিসি।আরও পড়ুনঃ নিয়মে বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসছে দ্য হান্ড্রেড ক্রিকেটভারতইংল্যান্ড সিরিজ দিয়েই শুরু হচ্ছে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় সংস্করণ। এই সিরিজেই নতুন পয়েস্ট সিস্টেম চালু হবে। এবারের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে কোনও ম্যাচ জিতলে জয়ী দল ১২ পয়েন্ট পাবে। ড্র হলে দুই দল পাবে ৪ পয়েন্ট করে। আর ম্যাচ টাই হলে দুই দলই পাবে ৬ পয়েন্ট করে। নতুন সিস্টেমে সেই সিরিজে কটা টেস্ট হচ্ছে তা আর বিচার করা হবে না। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম সংস্করণে সিরিজ জেতা দল ১২০ পয়েন্ট পেত। কিন্তু সেই সিরিজে কটা টেস্ট ম্যাচ রয়েছে, তা বিচার করা হত না। ১ টেস্টের সিরিজ জিতলেও যে পয়েন্ট পাওয়া যেত, ৫ টেস্টের সিরিজেও একই পয়েন্ট পেত জয়ী দল। ভারত, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ার মতো দলগুলি এই সিস্টেম মানতে চায়নি।আরও পড়ুনঃ এটিকে মোহনবাগানের স্বার্থে নিয়ম বদল! প্রশ্নের মুখে আইএফএবিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম সংস্করণের পয়েন্ট সিস্টেম পরিবর্তন করার জন্য আইসিসির কাছে বেশ কয়েকটা প্রস্তাব এসেছিল। তারই ভিত্তিতে আইসিসির ক্রিকেট কমিটি পয়েন্ট সিস্টেমে রদবদলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে নতুন পয়েন্ট সিস্টেম চালু করার আগে সব দেশের ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে কথা বলে নিয়েছে আইসিসি। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় সংস্করণেও ৯টি দল ৩টি করে হোম ও অ্যাওয়ে সিরিজ খেলবে। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় সংস্করণে সবথেকে বেশি টেস্ট খেলবে ইংল্যান্ড। হোম ও অ্যাওয়ে মিলিয়ে খেলবে ২২ টেস্ট। ভারত খেলবে ১৯টি, অস্ট্রেলিয়া ১৮টি। দক্ষিণ আফ্রিকা ১৫টি, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ খেলবে ১৩টি করে টেস্ট। বাংলাদেশ খেলবে ১৩টি। ভারত হোম সিরিজ খেলবে নিউজিল্যান্ড, শ্রীলঙ্গা ও অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে। অ্যাওয়ে সিরিজ খেলবে ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে। আইসিসির ভারপ্রাপ্ত সিইও জিওফ অ্যালারডাইস বলেছেন, প্রথম সংস্করণের পয়েন্ট সিস্টেম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। তাই এবার বদল নিয়ে আসা হয়েছে। আগেরবার সিরিজ জিতলে পয়েন্ট পাওয়া যেত। এবার প্রতিটা ম্যাচের ভিত্তিতে পয়েন্ট দেওয়া হবে।

জুলাই ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ICC WTC: হেরেও আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন বিরাট

আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে শুরু থেকে প্রাধান্য রেখে ভারতকে হারিয়ে চাম্পিয়ান হল কেন উইলিয়ামসনের নিউজিল্যান্ড। ম্যাচে শেষে তিনি বলেন, এটা একেবারে আলাদা অনুভূতি। ধন্যবাদ বিরাট সহ ভারতীয় দলকে। ভারতও দারুন ক্রিকেট খেলেছে এই ম্যাচে। দারুন একটা টেস্ট ম্যাচ আমরা খেললাম।টেস্ট চম্পিয়ানশিপ ফাইনালের নির্ধারিত অতিরিক্ত দিনের (ষষ্ট) রোদ ঝলমলে আলোকজ্জ্বল আকাশ বলে দিলো ম্যাচটা কতটা আকর্ষনীয় হতে চলেছে। নির্ধারিত সময়েই খেলা শুরু হল।১৯৭৯ তে কানপুরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে ভারত শেষ ছয় দিনের টেস্ট ম্যাচ খেলে। ম্যচটি অমিমাংসিত ভাবে শেষ হয়। যদিও সেই ম্যাচের ব্যাটসম্যানদের মত ধৈর্য দেখাতে আজ ব্যার্থ ভারতীয় দল। সকালেই টুইট করে সচিন সাবধান করে দেন, তিনি টুইটে লেখেন সকালের প্রথম ১০ ওভার খুব কঠিন এবং প্রথম সেশনই বলে দেবে ম্যচ কোন দিকে গড়াবে। First 10 overs today will be critical the 1st session will decide in which direction the match will head.India will have to plan the day backwards with the match run-rate hovering around 2.3 rpo, we will see some different use of tactics by both sides today.#WTC21 #INDvNZ Sachin Tendulkar (@sachin_rt) June 23, 2021জেমিসন এই টেস্টে দুই ইনিংসেই বিরাট কে আউট করলেন। বিরাট ফিরে যেতেই নিউজিল্যান্ড ম্যচে ফিরে আসে। তাঁর ব্যাটিং গড় দেখলে বোঝা যায় দ্বিতীয় ইনিংসে কতটা ভয়ঙ্কর কোহলি, এই ম্যাচে ভারত তাঁর দিকেই তাকিয়ে ছিলো। মাত্র ১৩ রান করে জেমিসনের বলে শরীরের অনেক দূর থেকে খেলতে গিয়ে ওয়াটলিংয়ের হাতে ধরা দিলেন। এটাই ওয়াটলিংয়ের টেস্ট কেরিয়ারের শেষ ম্যাচ। এখানে উল্লেখ্য, খেলার মধ্যে আঙ্গুলে চোট পেয়েও তিনি খেলা চালিয়ে যান। এর থেকে বোঝা যায় ম্যাচটা জেতার জন্য তাঁরা কতটা মরীয়া ছিলেন।এই রকম একটা গুরুত্বপূর্ণ খেলায় বিরাটের দ্বায়িত্বজ্ঞানহীন শর্ট খেলে ফিরে যাওয়া নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে সমলোচনার ঝড় উঠেছে। বিরাটের ফিরে যাওয়ার কিছু পরেই জেমিসনের বলে ১৫ রানে ফিরে গেলেন পূজারা, ৭২ রানে ৪ উইকেট খুইয়ে বেকায়দায় পরে ভারত। ঋষভ পন্থ কিছুটা চেষ্টা করেছিলেন শেষ রক্ষা হয়নি। Kane Williamson and his champion side ✨#WTC21 Final | #INDvNZ pic.twitter.com/5aM6mZNxaj ICC (@ICC) June 23, 2021সাউদি (৪ উইকেট) ও বোল্টের (৩ উইকেট) দাপটে তাসের ঘরের মত ভেঙে পড়ে ভারতের বহুচর্চিত মিডিলঅর্ডার। ১৭০ রানে অলআউট হয়ে যায় তাঁরা, ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন পন্থ। জয়ের জন্য নিউজিল্যান্ডকে নির্ধারিত ৫৩ ওভারে ১৩৯ রান করতে হবে।লাথাম ও কনওয়ের উইকেট হারিয়ে নিউজিল্যান্ড জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয়। অধিনায়কোচিত ইনিংস খেলে ৫২ রানে অপরাজিত থেকে যান নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। তাঁকে যোগ্য সহায়তা করেন বর্ষীয়ান অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান রস টেলর। তিনি ৪৭ রান করেন অপরাজিত থাকেন।গতকালের ভরতের প্রবাদপ্রতিম ক্রিকেটার সুনীল গাভাসকারের আশঙ্কায় সঠিক হল। আজ তিনি বলেন শেষ দিনে পিচে কোনও জুজু ছিল না। রোদ ছিল, সুইংও সেরকম ভাবে লক্ষ করা যাইনি। সব কিছু দেখে প্রচন্ড হতাশ সুনীল সহ প্রাক্তন ক্রিকেটার।ম্যাচ রিপোর্টঃ জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

জুন ২৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ICC WTC: ম্যাচে ফেরালেন শামি

বৃষ্টি বিঘ্নিত টেস্ট ফাইনাল পঞ্চম দিনের খেলা শুরুতেও বিলম্ব। চতুর্থ দিনের শেষে ২ উইকেটে ১০১ রান নিয়ে অপরাজিত ব্যাটসম্যান উইলিয়ামসন ও রস টেলর বেশী দূর টানতে পারলেন না। শুরু থেকেই শামি-বুমরা-ইশান্ত ত্রয়ী আগুনে পেস বোলিং করছিলেন। উইকেট পড়া শুধু সময়ের অপেক্ষা ছিল। অবশেষে শামির ফুল লেংথ বলে শরীর না নিয়ে ড্রাইভ করতে গিয়ে শুভমান গিলের হাতে ধরা দিলেন টেলর। শর্ট কভারে শরীর ছুঁড়ে দিয়ে অসাধারণ ক্যাচ গিলের। কয়েক ওভার পর এবার আঘাত হানেন ইশান্ত। দ্বিতীয় স্লিপে রোহিত শর্মার হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন হেনরি নিকোলস। দলের রান তখন ১৩৪ / ৪ উইকেটে। ভারত দারুন ভাবে ম্যাচে ফিরে আসার চেষ্টায়। শামি আবার আঘাত হানে, ওয়াটলিংয়ের উইকেট নড়িয়ে দিয়ে নিউজিল্যান্ড শিবিরে কাঁপন ধরিয়ে দেয়। ১৩৫/৫ এ মধ্যাহ্নেভোজে যায় নিউজিল্যান্ড।নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক গ্র্যান্ডহোমকে নিয়ে ম্যাচে ফিরে আসার আপ্রান চেষ্টা করছিলেন। জুটি খুব বেশীক্ষণ স্থায়ী হল না। শামির আগুনে পেস বোলিংয়ের বলের লাইন ভুল করে এলবি ডাব্লিউ হলেন গ্র্যান্ডহোম। ষষ্ঠ উইকেটের পতন দলের। আগের বলে ছক্কা মারার পরের বলেই শামি জেমিসনকে স্বাগত জানান বাউন্সার দিয়ে। সোজা বুমরার হাতে বল যেতেই সপ্তম উইকেটের পতন। নিউজিল্যান্ডের রান তখন ১৯২। ভারতের প্রথম ইনিংসের রান অতিক্রম করার পরই ফিরে গেলেন অধিনায়ক উইলিয়ামসন। অর্ধশতরান থেকে মাত্র ১ রান দূরে থেমে যান। ইশান্তের অফ ষ্ট্যাম্পের অনেক বাইরের বল থার্ডম্যান অঞ্চলে পাঠাতে গিয়ে দ্বিতীয় স্লিপে বিরাটের হাতে ধরা পরেন। ২২১ রানে অষ্টম উইকেটের পতন।দীর্ঘ সময় পেস আক্রমণের পর বিরাট অশ্বিনকে আক্রমণে নিয়ে আসেন। নিউজিল্যান্ডের রান যখন ২৩৬, অশ্বিনের হঠাৎ লাফিয়ে ওঠা বল ওয়াগনার সামলাতে না পেরে স্লিপে রাহাণের হাতে ক্যাচ দিয়ে দেন। দক্ষতার সাথে রাহাণে বল তালুবন্দী করেন। নবম উইকেটের পতন।নিজিল্যান্ডের দশম উইকেট দখল করলেন জাদেজা। একটু জোরের ওপর বলটা ছেড়েছিলেন জাদেজা, একটু দেরিতে থার্ডম্যানে খেলতে চেয়েছিলেন সাউদি। ব্যাটের নাগাল এড়িয়ে বল লাগে সোজা উইকেটে। সাথে সাথে নিজিল্যান্ডের প্রথম ইনিংসের সমাপ্তি ঘটে। প্রথম ইনিংসে নিজিল্যান্ড ২৪৯ রান করে, তারা ভারতের থেকে এই মুহুর্তে ৩২ রানে এগিয়ে। সময় যদিও খুব বেশী বাকি নেই। এই সামান্য লিড কতটা কাজে লাগে সেটাই দেখার।আরও পড়ুনঃ জেমিসনের বলের দাপটে দিশেহারা ভারতভারতের দুই প্রারম্ভিক ব্যাটসম্যান রোহিত শর্মা ও শুভমান গিল ভালো শুরু করলেও খুব বেশীক্ষণ এই জুটি টানতে পারলো না। দলের ২৪ রানে অন সাইডে ফ্লিক করতে গিয়ে সাউদির বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে ফিরলেন। সাউদি আবার আঘাত হানেন, এবার রোহিত ১৯ রানে এলবিডাব্লিউ হয়ে ফিরে যান ভারতের রান যখন ৫১। অধিনায়ক বিরাট পুজারাকে নিয়ে অপরাজিত থেকে নির্ধারিত পঞ্চম দিনের খেলা শেষ করলেন। ভারতের রান ৬৪। Stumps in Southampton 🏏India finish the day on 64/2, with a lead of 32! Tim Southee claimed the wickets of the openers.#WTC21 Final | #INDvNZ | https://t.co/nz8WJ8wKfC pic.twitter.com/qlKrCVGAJn ICC (@ICC) June 22, 2021আবহাওয়া ঠিক থাকলে অতিরিক্ত দিন খেলা হলেও ফলাফলের সম্ভবনা খুব কম বলে ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের ধারনা। ষষ্ঠ দিন আলোকজ্জ্বল থাকবে এবং সুর্যের দেখা মিলতে পারে বলে আবহাওয়ার পুর্বাভাসে জানা যাচ্ছে।দুই দলই তাঁদের সর্বস্ব দিয়ে জেতার জন্য ঝাঁপাবেন বলে মনে করা হচ্ছে। ম্যাচ রিপোর্টঃ জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

জুন ২৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ICC WTC: জেমিসনের বলের দাপটে দিশেহারা ভারত

ভারতের প্রথম ইনিংসের ২১৭ রানের জবাবে এখনও অবধি নিউজিল্যান্ড চোখে চোখ রেখে জবাব দিচ্ছে। তৃতীয় দিনের খেলা সমাপ্তিতে তাঁদের রান ১০১/২ উইকেটে। ক্রিজে আছেন অধিনায়ক উইলিয়ামসন ও টেলর।লাথাম ও কনওয়ে প্রথম উইকেটের জুরিতে ৭০ রান জগ করেন। তাঁদের ব্যাটিং এর সামনে ভারতীয় বলারদের দৃশ্যতই দিশেহারা লাগছিল। ভারতীয় জোরে বোলাররা পিচ থেকে সেরকম ফায়দা তুলতে পারছিলেন না, বিরাট অশ্বিনকে বল তুলে দেন। ৭০ রানে অশ্বিনের বলে শর্ট মিড অফে বিরাট কে ক্যাচ দিয়ে লাথামকে ফিরিয়ে দিয়ে প্রথম উইকেট পতন হয়।ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিশতরান করার পরেই কনওয়ে ফাইনালে প্রথম অর্ধশতরান করলেন। ব্যক্তিগত ৫৪ রান করে ইশান্ত শর্মার বলে অন ড্রাইভ করতে গিয়ে শামির হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান। এর আগে বৃষ্টি ভেজা সাদাম্পটনে খেলা নির্ধারিত সময়ের বেশ কিছুক্ষন পর শুরু হল। এই নিয়ে টানা তিনদিন বৃষ্টির জন্য খেলা বিঘ্নিত হল। এইরকম চূড়ান্ত পর্যায়ের খেলায় বৃষ্টি বারবার তাল কেটে দিলে খেলার ছন্দে ফিরতে খেলোয়াড়দের খুব সমস্যা হয়। শুরুতেই বিপর্যয়! জেমিসনের বলে ভারতের ১৪৯ রানের মাথায় এলবিডব্লিউ হলেন বিরাট। জেমিসনের দ্রুতগতির ইনসুইং বল ব্যাটের নাগাল এড়িয়ে উইকেটের সামনে সোজা প্যাডের ওপর আছরে পড়ে। আম্পায়ার আউট দিলেও বিরাট রিভিউ নেয়। যদিও শেষ রক্ষা হয়নি। আগেরদিনের সাথে কোনও রান যোগ না করে ফিরে যান বিরাট। অধিনায়কের উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত।পন্থকে সাথে নিয়ে দলের ১৫০রান পুর্ণ করেন আজিঙ্কা। ভারতীয় যখন একটু সস্তির নিঃশ্বাস ফেলছিল ঠিক তখনই ১৫৬ রানে আবার উইকেট পতন, জেমিসনের বলে ফিরে গেলেন পন্থ। অফস্ট্যাম্পের অনেক বাইরের বল দায়িত্বঞ্জ্যানহীন শট খেলে দ্বিতীয় স্লিপে লাথাম কে ক্যাচ দিয়ে ৪ রানে আউট হয়ে ফিরে যান। আজিঙ্কা রাহানে তাঁর ব্যক্তিগত অর্ধশতরান পূর্ণ করার আগেই ৪৯ রানে ফিরে গেলেন, ওয়াগনার বল শুরু করার আগে কেন উইলিয়ামসন ফিল্ডিংয়ে একটা ছোট্ট পরিবর্তন করলেন, লাথামকে স্কোয়ার লেগে নিয়ে এলেন আর ওয়াগনার শর্ট বল করতে থাকলেন। আজিঙ্কা পুল করতে গিয়ে লাথামের হাতে ক্যাচ দিয়ে দিলেন। ভারতের শেষ প্রতিষ্ঠিত ব্যাটসম্যান প্যাভিলিয়নে গেলেন ১৮২ রানের দলের মাথায়। দলের ষষ্ঠ উইকেটের পতন হল। অশ্বিন ও জাদেজা ভারতকে ২০০ রানের গণ্ডী পার করেন। দুজনে মিলে স্কোর বোর্ড চালু রেখে খেলছিলেন। ভারতের ২০৫ রানে অশ্বিন সাউদির অফস্ট্যাম্পের বাইরের বলে লাইনে পা না নিয়ে গিয়ে ড্রাইভ খেলে আবার লাথামের হাতে দ্বিতীয় স্লিপে ক্যাচ আউট। ভারত মধ্যাহ্নভোজনের বিরতিতে ২১১/৭। মাত্র দু-রান যোগ করেই ইশান্ত শর্মা আউট। জেমিসনের বলে স্লিপে টেলরের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরে যান। যসপ্রীত বুমরাকে ফিরিয়ে দিয়ে জেমিসন ইনংসে পঞ্চম উইকেট দখল করেন।বোল্টের অন সাইডের একটি বল ফ্লিক করতে গিয়ে উইকেটরক্ষক ওয়াটকিং-র তালু বন্দি হয়ে ফিরে যান জাদেজা। এর সঙ্গেই ভারতের ইনংসের পরিস্মাপ্তি ঘটে ২১৭ রানে। গতকাল ম্যাচ শেষে প্রেশ বিঞ্জপ্তিতে বিরাট জানান ২৫০ রান করতে পারলে এই পিচে লড়াই করা যাবে। টিম ইন্ডিয়া কে তাঁর অনেক আগেই থেমে যেতে হল। ম্যাচ রিপোর্টঃ জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়আরও পড়ুনঃ প্রাথমিক ধাক্কা সামলে ক্রিজে বিরাট-আজিঙ্কা, মন্দ আলোয় সমাপ্ত দ্বিতীয় দিনের খেলা

জুন ২০, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

স্কুল আছে, শিক্ষকও আছেন, কিন্তু পড়ুয়া শূন্য! রাজ্যের ৪১৩৩ স্কুল নিয়ে এবার বড় সিদ্ধান্ত

স্কুল রয়েছে, শিক্ষকও রয়েছেন। কিন্তু সেই স্কুলে পড়ুয়া নেই একজনও। রাজ্যে এমন পড়ুয়াশূন্য সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলের সংখ্যা ৪১৩৩। এবার এই স্কুলগুলির ভবিষ্যৎ নিয়ে পর্যালোচনা শুরু করেছে রাজ্য সরকার। ফাঁকা স্কুলবাড়িগুলি যাতে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে না থাকে, তার জন্য বিকল্প ব্যবহারের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, শিক্ষা সচিবের নির্দেশে ইতিমধ্যেই জেলাস্তরে এই কাজ শুরু হয়েছে। প্রতিটি জেলার জেলাশাসককে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে বলা হয়েছে। কলকাতার ক্ষেত্রে কলকাতা পুরসভার কমিশনারকেও চিঠি পাঠানো হয়েছে।পড়ুয়াশূন্য স্কুলগুলির বর্তমান পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে জেলাস্তরে একটি কমিটি কাজ করবে। স্কুলগুলির ভবনের অবস্থা, পরিকাঠামো, অবস্থান এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয় যাচাই করা হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট স্কুলবাড়ি ভবিষ্যতে কী কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে, সেই বিষয়ে প্রস্তাব তৈরি করবে কমিটি।শিক্ষা দফতরের হিসাব অনুযায়ী, রাজ্যে এমন ৪১৩৩টি স্কুল চিহ্নিত হয়েছে যেখানে বর্তমানে একজনও পড়ুয়া নেই। অথচ এই স্কুলগুলির সঙ্গে প্রায় ১৯ হাজার শিক্ষক যুক্ত রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ফলে পড়ুয়া না থাকা স্কুলগুলির পরিকাঠামো এবং শিক্ষক সংক্রান্ত বিষয় নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।এই স্কুলবাড়িগুলিকে কী ভাবে কাজে লাগানো যায়, তা নিয়েও একাধিক সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোনও স্কুলবাড়িতে স্বাস্থ্যকেন্দ্র তৈরি করা যেতে পারে। কোথাও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালু করার প্রস্তাব আসতে পারে। আবার কোনও ক্ষেত্রে বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে পিপিপি মডেলে স্কুল চালানোর সম্ভাবনাও বিবেচনা করা হতে পারে।তবে কোনও স্কুলের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা এখনই চূড়ান্ত হয়নি। জেলাস্তরের কমিটি পরিকাঠামো ও স্থানীয় প্রয়োজন যাচাই করার পর প্রস্তাব পাঠাবে। সেই প্রস্তাবের ভিত্তিতেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।জানা গিয়েছে, আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এই পর্যালোচনা এবং প্রস্তাব তৈরির প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে রাজ্যের ৪১৩৩ পড়ুয়াশূন্য স্কুলের ভবিষ্যৎ নিয়ে আগামী কয়েক সপ্তাহেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত সামনে আসতে পারে।পড়ুয়া না থাকা স্কুলগুলির ভবন যাতে দীর্ঘদিন ফাঁকা পড়ে না থাকে, সেই লক্ষ্যেই বিকল্প ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। তবে কোন স্কুলে কী পরিবর্তন হবে, তা নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রয়োজন, ভবনের পরিকাঠামো এবং জেলাস্তরের কমিটির রিপোর্টের উপর।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

জাপানে পৌঁছনোর পর থেকেই ভোগান্তি, ১০ ঘণ্টা পথেই! এশিয়ান গেমসে কেন এমন পরিণতি বরুণের?

প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের এক সদস্যের পুত্র বরুণ সান্যাল এশিয়ান গেমসে ভারতের হয়ে মিক্সড মার্শাল আর্টে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু প্রতিযোগিতায় নামার আগেই অসুস্থ হয়ে পড়ায় শেষ পর্যন্ত তাঁকে প্রতিযোগিতা থেকে নাম প্রত্যাহার করতে হয়েছে।এবারই এশিয়ান গেমসে মিক্সড মার্শাল আর্ট অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ৭৭ কেজি বিভাগে ভারতের প্রথম পুরুষ প্রতিনিধি হিসেবে নামার কথা ছিল বরুণের। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক স্তরে তাঁর পারফরম্যান্সের ভিত্তিতেই এশিয়ান গেমসে সুযোগ পান তিনি। তবে প্রথমে নির্বাচিত ক্রীড়াবিদদের তালিকায় তাঁর নাম ছিল না। পরে সংশোধিত তালিকায় জায়গা পান বরুণ।রবিবার প্রতিযোগিতায় নামার কথা ছিল তাঁর। তার আগে ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য সনায় যান বরুণ। ওজনভিত্তিক লড়াইয়ে নামার আগে অনেক প্রতিযোগীই সনায় গিয়ে শরীরের অতিরিক্ত জল কমিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখেন। কিন্তু সনায় যাওয়ার পরই অসুস্থ হয়ে পড়েন বরুণ।জানা গিয়েছে, প্রচণ্ড গরমের কারণে অতিরিক্ত ঘাম হচ্ছিল। এর পর তাঁর পেশিতে টান ধরে এবং শরীরে জলের পরিমাণও আশঙ্কাজনক ভাবে কমে যায়। রাত একটা নাগাদ সনাতেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন তিনি। এক নেপালি ক্রীড়াবিদ বিষয়টি দেখতে পেয়ে তাঁকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান।চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করার পর বরুণকে প্রতিযোগিতার জন্য অনুপযুক্ত বলে জানান। ফলে ৭৭ কেজি বিভাগে আর লড়াইয়ে নামার অনুমতি পাননি তিনি। শেষ পর্যন্ত এশিয়ান গেমস থেকেই নাম প্রত্যাহার করতে হয় তাঁকে।তবে বরুণের অসুস্থতার পিছনে শুধু সনার ঘটনাই নয়, জাপানে পৌঁছনোর পর থেকেই একাধিক সমস্যার মুখে পড়ার অভিযোগও উঠেছে। জানা গিয়েছে, এশিয়ান গেমসের ব্যবস্থাপনায় তাঁর নাম নথিভুক্ত করতেই দীর্ঘ সময় লেগেছিল। প্রায় ১০ ঘণ্টা ধরে একের পর এক দফতরে গিয়ে নথিভুক্তির কাজ শেষ করার চেষ্টা করতে হয়েছিল বলে অভিযোগ।এর পর থাকার ঘর নিয়েও সমস্যা তৈরি হয়। বরুণ যে ঘর পেয়েছিলেন, সেখানে আরও দুজন ক্রীড়াবিদকে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। সেই সমস্যা মেটাতেও বেশ কয়েক ঘণ্টা সময় চলে যায়।এই সমস্ত সমস্যার কারণে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগও কমে যায় বলে অভিযোগ। পাশাপাশি ওজন নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাবার খাওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছিল বলে জানা গিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ওজন ঠিক রাখতে সনায় যেতে হয়েছিল বরুণকে।কিন্তু সনায় গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর চিকিৎসকেরা তাঁকে প্রতিযোগিতায় নামার অনুমতি দেননি। ফলে এশিয়ান গেমসে ইতিহাস তৈরির সুযোগ পেয়েও লড়াইয়ে নামতে পারলেন না বরুণ। তাঁর এই পরিস্থিতির জন্য এশিয়ান গেমসের ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে পুরো বিষয়টি নিয়ে আয়োজকদের তরফে কী ব্যাখ্যা দেওয়া হয়, এখন সে দিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
দেশ

সপ্তাহে দু’দিন ছুটির দাবিতে ফের ধর্মঘট, মাসের শেষে টানা পাঁচ দিন বিপাকে গ্রাহক?

দেশজুড়ে ফের ব্যাঙ্ক পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সপ্তাহে পাঁচ দিন ব্যাঙ্ক চালু এবং শনি ও রবিবার ছুটির দাবিতে ব্যাঙ্ক কর্মীদের যৌথ মঞ্চ ফের দেশব্যাপী ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। আগামী ২৮ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর টানা তিন দিন ধর্মঘটের কর্মসূচি রয়েছে। এর আগে ১১ সেপ্টেম্বরও দেশজুড়ে এক দিনের ধর্মঘট পালন করেছিলেন ব্যাঙ্ক কর্মীরা।ধর্মঘটের আগে এবং পরে সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ব্যাঙ্ক পরিষেবা নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ২৬ সেপ্টেম্বর চতুর্থ শনিবার এবং ২৭ সেপ্টেম্বর রবিবার হওয়ায় ২৬ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিন ব্যাঙ্কের স্বাভাবিক কাজকর্মে প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কোন পরিষেবা কতটা ব্যাহত হবে, তা ব্যাঙ্কভেদে আলাদা হতে পারে।ব্যাঙ্ক কর্মী সংগঠনগুলির দীর্ঘদিনের অন্যতম দাবি হল সপ্তাহে পাঁচ দিন ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা চালু করা। অর্থাৎ শনি ও রবিবার নিয়মিত ছুটি দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছেন কর্মীরা। সেই দাবির পাশাপাশি আরও কিছু বিষয় নিয়ে আন্দোলন চলছে। দাবি পূরণ না হওয়ায় ফের ধর্মঘটের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলে সংগঠনগুলির তরফে জানানো হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ধর্মঘটের প্রভাব কমাতে আগেভাগেই তৎপর হয়েছে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক। আর্থিক পরিষেবা দফতরের সচিবের নেতৃত্বে ২১ সেপ্টেম্বর একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেখানে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক, আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্ক, ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কস অ্যাসোসিয়েশন এবং নাবার্ডের শীর্ষ কর্তাদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।ধর্মঘটের সময়ে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা এবং গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় পরিষেবা কী ভাবে যতটা সম্ভব সচল রাখা যায়, সেই বিষয়েই বৈঠকে আলোচনা হওয়ার কথা। ধর্মঘটের জেরে যাতে আর্থিক লেনদেন ও জরুরি পরিষেবায় বড় ধরনের সমস্যা না হয়, তার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ধর্মঘটের সঙ্গে সপ্তাহান্তের ছুটি এবং ব্যাঙ্কের অর্ধবার্ষিক হিসাব বন্ধের সময়ও মিলে যাচ্ছে। ফলে ওই সময়ে গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত জরুরি কাজকর্মে সমস্যা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।অন্য দিকে, কর্মী সংগঠনগুলির কর্মসূচি এখানেই শেষ নয়। তাঁদের দাবি পূরণ না হলে পরবর্তী সময়ে আরও বড় আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে। ফলে সপ্তাহে পাঁচ দিন ব্যাঙ্ক চালুর দাবি ঘিরে কর্মী সংগঠন, ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ এবং সরকারের মধ্যে আলোচনা কোন দিকে যায়, এখন সে দিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
কলকাতা

শতাব্দীপ্রাচীন গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে বড় ধাক্কা! আদালতের নির্দেশে বন্ধ পোষ্য বিক্রি

উত্তর কলকাতার শতাব্দীপ্রাচীন গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে বেআইনি পাখি, মাছ, কুকুরছানা-সহ বিভিন্ন পোষ্য বিক্রি বন্ধে নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। বুধবার আদালতের তরফে এই নির্দেশ দেওয়া হয়। রবিবার থেকেই সেই নির্দেশ কার্যকর করার কথা ছিল। কলকাতা পুলিশ এবং শুল্ক দফতরকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, রবিবার সকাল থেকেই গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে নজরদারি শুরু হয়। কলকাতা পুলিশ এবং শুল্ক দফতরের আধিকারিকেরা বাজারে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। বাজারের ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।বাজারের সংগঠনের তরফেও মাইকিং করা হয়। বিভিন্ন জায়গায় ব্যানার টাঙিয়ে ব্যবসায়ীদের আদালতের নির্দেশ সম্পর্কে জানানো হচ্ছে। একই সঙ্গে বাজারের সদস্যদের কলকাতা পুরসভার ট্রেড লাইসেন্স থাকা বাধ্যতামূলক বলেও জানানো হয়েছে।গ্যালিফ স্ট্রিটের এই সখের হাট দীর্ঘদিনের পুরনো। বাজারের ব্যবসায়ীদের দাবি, কয়েক দশক ধরে তাঁরা এখানে ব্যবসা করছেন। তাঁদের বক্তব্য, এক সময় সরকারই তাঁদের এখানে বসার অনুমতি দিয়েছিল। এখন ট্রেড লাইসেন্স সংক্রান্ত নিয়ম সামনে আসায় বহু ব্যবসায়ী সমস্যায় পড়েছেন।সখের হাটের সদস্য অমর চক্রবর্তী জানিয়েছেন, বাজারে সাতশোরও বেশি সদস্য রয়েছেন। তাঁর দাবি, এটি শতাব্দীপ্রাচীন বাজার এবং বহু মানুষ দীর্ঘদিন ধরে এখানে ব্যবসা করছেন। কিন্তু কলকাতা পুরসভার ট্রেড লাইসেন্স না থাকলে ব্যবসা চালানো নিয়ে নতুন করে সমস্যা তৈরি হয়েছে।অমর বলেন, যত দিন এই রাস্তার উপর ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্সের বিষয়টি মীমাংসা না হচ্ছে, তত দিন ব্যবসা চালানো যাবে না বলে জানানো হয়েছে। অনেক ব্যবসায়ীর কাছেই সেই লাইসেন্স নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে আদালতের নির্দেশ তাঁরা মেনে নিয়েছেন বলে স্পষ্ট করেছেন সখের হাটের ওই সদস্য।গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে পাখি ও বিভিন্ন পোষ্য বিক্রি নিয়ে এর আগেও প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে দেশীয় পাখি কেনাবেচা আইনত নিষিদ্ধ হওয়ায় এই বাজারে নজরদারি চালিয়েছে বন দফতর। অতীতে এই বাজারে বেআইনি পাখি বিক্রির অভিযোগে অভিযান এবং পাখি উদ্ধারের ঘটনাও ঘটেছে।এ বার কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশের পর বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেয়েছে। রবিবার থেকেই বাজারে পুলিশ ও শুল্ক দফতরের আধিকারিকদের উপস্থিতি দেখা যায়। ফলে আদালতের নির্দেশ কতটা কার্যকর করা যায় এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে কত জন প্রয়োজনীয় নথি ও লাইসেন্স দেখাতে পারেন, সে দিকেই এখন নজর।তবে এই নির্দেশের ফলে বাজারের দীর্ঘদিনের ব্যবসায়ীদের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সাতশোর বেশি সদস্যের এই পুরনো বাজারে কত জন বৈধ ভাবে ব্যবসা চালাতে পারবেন, কত জনকে নতুন নিয়ম মেনে চলতে হবে, তা আগামী দিনে আরও স্পষ্ট হবে।গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটের ক্ষেত্রে এখন মূল বিষয় দুটিআদালতের নির্দেশ মেনে বেআইনি পোষ্য বিক্রি বন্ধ করা এবং বৈধ ব্যবসার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অনুমতি ও ট্রেড লাইসেন্স নিশ্চিত করা। আদালতের নির্দেশ কার্যকর হওয়ার পর বাজারের চেহারা কতটা বদলায়, সেটিই এখন দেখার।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
রাজ্য

কিষানজির ছায়াসঙ্গী মঙ্গল, সঙ্গে স্ত্রী মালতী! জঙ্গলমহলে বড় সাফল্যের দাবি এসটিএফের

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে থাকা মাওবাদী দম্পতি মঙ্গল মাহাতো ও তাঁর স্ত্রী মালতী মুর্মুকে পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনি এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে বলে খবর। শনিবার দুপুরে শালবনি থানার সরবেড়িয়া গ্রামের একটি বাড়ি থেকে তাঁদের এসটিএফের হাতে আসার খবর ছড়ায়। তবে তাঁরা গ্রেফতার হয়েছেন, নাকি আত্মসমর্পণ করেছেন, তা নিয়ে রাত পর্যন্ত সরকারি ভাবে স্পষ্ট কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।মঙ্গল মাহাতো পুলিশের খাতায় পতিত মাহাতো, পাপ্পু, সমীর এবং পান্ডে নামেও পরিচিত। পুলিশ সূত্রের দাবি, তিনি সিপিআই মাওবাদীর সাব জোনাল কমিটির সদস্য ছিলেন। ঝাড়খণ্ড পুলিশের তরফে তাঁর মাথার দাম পাঁচ লাখ টাকা ঘোষণা করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। তাঁর স্ত্রী মালতী মুর্মু সংগঠনের এরিয়া কমিটির সদস্য ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। তাঁর বিরুদ্ধেও দুই লাখ টাকার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল।পুলিশের দাবি, মঙ্গলের হাতে একে-৪৭ এবং মালতীর হাতে ইনসাস রাইফেল থাকত। তবে তাঁদের কাছ থেকে অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে কি না, সে বিষয়ে সরকারি ভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।মঙ্গল মাহাতো দীর্ঘদিন ধরে মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে, ২০০৮ সালে তিনি মাওবাদী কার্যকলাপে যুক্ত হন। প্রথমে বার্তাবাহক হিসেবে কাজ করার পর স্কোয়াডের সদস্য হন। ২০০৯ সালে নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় সশস্ত্র সংগঠনে যোগ দেন বলে তাঁর পরিবারের দাবি।লালগড় আন্দোলনের সময় মঙ্গলের সক্রিয় ভূমিকা ছিল বলেও পুলিশ সূত্রে দাবি। পরে তিনি মাওবাদী নেতা কিষানজির দেহরক্ষী হিসেবে কাজ করেছিলেন বলে জানা যায়। কিষানজির মৃত্যুর সময় সুচিত্রা মাহাতো ছাড়া মঙ্গলই সেখানে উপস্থিত ছিলেন বলে পুলিশের নথিতে উল্লেখ রয়েছে। ওই সময় বাহিনীর ঘেরাটোপ পেরিয়ে তিনি পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিলেন বলেও জানা গিয়েছে।মালতী মুর্মুর জীবনও অল্প বয়সেই মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িয়ে যায় বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। ঝাড়গ্রামের বেলপাহাড়ি এলাকার বাসিন্দা মালতী ছোটবেলাতেই মাকে হারান। পরে জ্যাঠার বাড়িতে বড় হন। প্রায় ১৫ বছর বয়সে তিনি মাওবাদী স্কোয়াডে যোগ দেন বলে পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে। পরবর্তী সময়ে মঙ্গল ও মালতীর মধ্যে সহকর্মী হিসেবে সম্পর্ক তৈরি হয় এবং তাঁরা বিয়ে করেন।২০১১ সালের পর দুজনেই ঝাড়খণ্ডে মাওবাদী নেতা আকাশের স্কোয়াডে যোগ দেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। প্রথমে বাংলা লাগোয়া পূর্ব সিংভূমের জঙ্গলে, পরে দলমা ও সারান্ডার জঙ্গলে তাঁদের ঘোরাফেরা ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। দীর্ঘ সময় ধরে তাঁরা সংগঠনের পূর্বাঞ্চলীয় ঘাঁটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলেও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।এর মধ্যে যৌথ বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানের জেরে আকাশ-সহ কয়েক জন মাওবাদী বাংলার দিকে ফিরেছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। আগস্ট মাসে মদন মাহাতো, বীরেন সিং এবং মীরা পাহাড়িয়াকে ঝাড়খণ্ড পুলিশ গ্রেফতার করে। পরে অনিতা কায়েম আত্মসমর্পণ করেন বলে জানা যায়।সংগঠনের সদস্য সংখ্যা কমে যাওয়ার পর আকাশও জঙ্গল ছেড়ে শহরের দিকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বলে তদন্তকারীদের দাবি। তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েক জনের বিরুদ্ধেও পরে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে আত্মসমর্পণের উদ্যোগ নেওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসে।এই পরিস্থিতিতেও মঙ্গল ও মালতী জঙ্গলেই ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। তাঁদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল বলেও তদন্তকারীরা জানতে পারেন বলে খবর। এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরের লালাট গ্রামে শ্বশুরবাড়ি থেকে আকাশকে এসটিএফ গ্রেফতার করে।আকাশকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর মঙ্গল মাহাতোর সম্ভাব্য অবস্থান সম্পর্কে তদন্তকারীরা তথ্য পান বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। আকাশের গ্রেফতারের খবর প্রকাশ্যে আসার পর মঙ্গল জঙ্গলে আগ্নেয়াস্ত্র লুকিয়ে স্ত্রীকে নিয়ে গাড়িতে করে পশ্চিম মেদিনীপুরের দিকে চলে আসেন বলেও তদন্তকারীদের দাবি।এর পরেই শালবনির সরবেড়িয়া গ্রামে মদন মাহাতোর এক আত্মীয়ের বাড়িতে তাঁদের অবস্থানের খবর পাওয়া যায়। সেখান থেকেই শনিবার দুজনকে এসটিএফ নিজেদের হেফাজতে নেয় বলে সূত্রের খবর।তবে এই ঘটনায় এখনও কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর স্পষ্ট নয়। মঙ্গল ও মালতীকে গ্রেফতার করা হয়েছে, নাকি তাঁরা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন, তা সরকারি ভাবে জানানো হয়নি। তাঁদের কাছ থেকে কোনও অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে কি না, সেটিও এখনও স্পষ্ট নয়। এসটিএফের তরফে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি সামনে এলে গোটা ঘটনা আরও পরিষ্কার হবে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
কলকাতা

মমতাকে হারানোর ছক নাকি ক্যামাক স্ট্রিটে! ঋতব্রতর বিস্ফোরক দাবিতে তোলপাড়

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে তৃণমূলের অন্দরের দ্বন্দ্ব নিয়ে নতুন করে বিস্ফোরক দাবি করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। একটি সাক্ষাৎকারে তাঁর দাবি, ক্যামাক স্ট্রিট থেকে তৃণমূলের ১৪ জন প্রার্থীকে হারানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। সেই তালিকায় প্রথম নাম ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এই দাবির স্বপক্ষে তাঁর কাছে নাকি প্রমাণও রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।ঋতব্রতর বক্তব্য অনুযায়ী, ভোটের অনেক আগে থেকেই তৃণমূলের ভিতরে নবীন ও প্রবীণ নেতৃত্বের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছিল। এক দিকে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামীরা, অন্য দিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত তরুণ নেতাদের একটি অংশ। ভোটের আগে প্রকাশ্যে সেই দ্বন্দ্ব খুব বেশি দেখা না গেলেও দলের ভিতরে টানাপোড়েন চলছিল বলে দাবি ঋতব্রতর।তাঁর অভিযোগ, এই পরিস্থিতির মধ্যেই তৃণমূলের ১৪ জন প্রার্থীকে হারানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তাঁর দাবি, ওই তালিকার প্রথম নাম ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তালিকায় আরও কয়েক জন গুরুত্বপূর্ণ তৃণমূল নেতার নাম ছিল বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। তবে ওই ১৪ জনের সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশ্যে আসেনি।ঋতব্রত আরও দাবি করেছেন, যাঁদের হারানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তাঁদের নির্বাচনী এলাকায় দলের গুরুত্বপূর্ণ কর্মীদের নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া এবং নির্বাচনী এজেন্টদের সমস্যায় ফেলার মতো পদক্ষেপ করা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, এই ধরনের নির্দেশ দলের ভিতর থেকেই দেওয়া হয়েছিল।এই দাবির সঙ্গে ভবানীপুরের নির্বাচনী ঘটনাকেও জুড়ে দেখার চেষ্টা করছেন ঋতব্রত। তাঁর বক্তব্য, ভবানীপুরে ভোটগণনার সময় তৃণমূলের এক এজেন্টকে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও গণনাকেন্দ্রে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন বলে সেই সময় খবর প্রকাশিত হয়েছিল। তবে ওই ঘটনার সঙ্গে ঋতব্রতর বর্তমানে করা অভিযোগের সরাসরি যোগ রয়েছে কি না, তা প্রমাণিত নয়।ঋতব্রতর দাবি, তাঁর কাছে এই অভিযোগের সমর্থনে যথেষ্ট সাক্ষ্যপ্রমাণ রয়েছে। প্রয়োজন হলে আদালতেও সেই প্রমাণ পেশ করতে পারেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে এখনও পর্যন্ত তাঁর এই অভিযোগের স্বাধীন কোনও প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বা তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই নির্দিষ্ট অভিযোগের কোনও জবাব এই প্রতিবেদনে যুক্ত করা যাচ্ছে না। ফলে ১৪ জন প্রার্থীকে হারানোর পরিকল্পনা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম তালিকার প্রথমে থাকা এবং ক্যামাক স্ট্রিট থেকে নির্দেশ যাওয়ার অভিযোগসবই আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য হিসাবেই থাকছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন নিয়ে গত কয়েক মাসে একাধিক নেতা প্রকাশ্যে মন্তব্য করেছেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে দলের ভিতরে-বাইরে বিতর্কও হয়েছে। ফলে ঋতব্রতর এই নতুন দাবি সেই রাজনৈতিক বিতর্ককে আরও সামনে নিয়ে এসেছে।এখন প্রশ্ন, ঋতব্রত যে ১৪ জনের তালিকার কথা বলছেন, সেখানে আর কারা ছিলেন এবং তিনি যে সাক্ষ্যপ্রমাণের কথা বলেছেন, সেগুলি কী। সেই তথ্য প্রকাশ্যে এলে তাঁর অভিযোগের সত্যতা নিয়ে আরও স্পষ্ট ছবি পাওয়া যেতে পারে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
কলকাতা

যাদবপুরে তাণ্ডব! প্রাক্তন বিধায়কের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুরের অভিযোগ, নিশানায় একাধিক তৃণমূল কার্যালয়

শনিবার সন্ধ্যায় যাদবপুরের বিজয়গড়-সহ একাধিক এলাকায় হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। প্রাক্তন বিধায়ক তথা মেয়র পারিষদ দেবব্রত মজুমদার, যিনি মলয় মজুমদার নামেও পরিচিত, তাঁর বাড়িতে একদল দুষ্কৃতী হামলা চালায় বলে অভিযোগ। বাড়ির পাশাপাশি তাঁর কার্যালয়েও ভাঙচুর করা হয়েছে বলে দাবি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে যাদবপুর থানায় লিখিত অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে।মলয় মজুমদারের অভিযোগ, হামলাকারীদের একটি দল তাঁর বিজয়গড়ের বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর চালায়। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয় এবং তাঁর দাদা ও বউদিকে মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। হামলার সময় বাড়ির নিরাপত্তা ব্যবস্থারও ক্ষতি করা হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।প্রাক্তন বিধায়কের অভিযোগ, এই হামলার নেপথ্যে বিজেপির দুই নেতা অনুপম তালুকদার ও সজল বসুর নেতৃত্ব রয়েছে। তাঁদের দলবলই হামলা চালিয়েছে বলে দাবি মলয়ের। তবে এই অভিযোগের সঙ্গে বিজেপির যোগের বিষয়টি এখনও পুলিশের তদন্তে প্রমাণিত হয়নি।মলয় আরও অভিযোগ করেছেন, পুরভোট না হওয়া পর্যন্ত এলাকায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় খোলা যাবে না বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে। এমনকি দলের কর্মীদেরও নানা ভাবে ভয় দেখানো হয়েছে বলে তাঁর দাবি।শুধু মলয় মজুমদারের বাড়ি নয়, ১০২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সীমা ঘোষের বাড়িতেও হামলার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর দাবি, বাড়িতে ঢুকে দলের মহিলা কর্মীদের মারধর করা হয়। তাঁদের সঙ্গে অশালীন আচরণ এবং শ্লীলতাহানির অভিযোগও সামনে এসেছে।এর পর যাদবপুরের একাধিক এলাকায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় নিয়েও উত্তেজনা ছড়ায়। আনন্দপল্লি, বিজয়গড়, বাঘাযতীন ডি ব্লক-সহ কয়েকটি জায়গায় দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর করে পরে তালা লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। হামলাকারীরা পুরভোটের আগে পর্যন্ত ওই কার্যালয় ব্যবহার করা যাবে না বলে হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ।সীমা ঘোষের অভিযোগ, তাঁকেও এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। পুরভোট না হওয়া পর্যন্ত এলাকায় থাকা যাবে না এবং বিজেপি বা রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কোনও কথা বলা যাবে না বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে তাঁর দাবি।ঘটনার পর যাদবপুরের বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুধু তৃণমূলের কার্যালয় বা মলয় মজুমদারের বাড়িই নয়, এলাকার একাধিক রাজনৈতিক কার্যালয়েও হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। ফলে শনিবার সন্ধ্যার ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক সংঘাতের আশঙ্কা আরও বেড়েছে।অন্য দিকে, মলয় মজুমদারের অভিযোগ সরাসরি খারিজ করেছে বিজেপি। দলের তরফে দাবি করা হয়েছে, এই হামলার সঙ্গে বিজেপির কেউ যুক্ত নয়। স্থানীয় মানুষের ক্ষোভ বা জনরোষের জেরেই এই ধরনের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে পালটা দাবি করেছে বিজেপি।ফলে যাদবপুরের ঘটনায় এখন মূল প্রশ্ন, হামলার পিছনে কারা ছিল এবং কেন একসঙ্গে একাধিক রাজনৈতিক নেতা ও দলীয় কার্যালয়কে নিশানা করা হল। মলয় মজুমদারের দায়ের করা অভিযোগ এবং অন্যান্য পক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতে ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
নিবন্ধ

তুমি আছো নীরবে - ভয়ঙ্কর রোমাঞ্চকর গল্প -(অন্তিম পর্ব)

দ্বিতীয় পর্বের পরঃসৌভিক, কিছু দরকার? স্নেহা, না সেরকম কিছু না, তোমার আর সায়নীর মধ্যে সব ঠিক আছে? সৌভিক, কেন বলোতো? স্নেহা, শেষ দুদিন দেখলাম সায়নী তোমায় খুব বাজে ভাবে এড়িয়ে চলছে। সৌভিক এবার নড়েচড়ে বসলো, স্নেহাও লক্ষ্য করেছে মানে এটা সৌভিকের মনের ভুল মোটেও নয় আর সায়নীর কি হয়েছে সেটা স্নেহার থেকে ভালো কেও বলতেও পারবেনা সুতরাং যখন সুযোগ নিজে হেঁটে এসেছে তখন সেটা কাজে লাগানোই বুদ্ধিমানের কাজ।সৌভিক, হ্যাঁ, সেটা ওই করছে, কিন্তু কেন করছে তার কোনো সদুত্তর আমার কাছে নেই, তোমার কাছে যদিও থাকে তবে তুমি বলতে পারো, আমি চেষ্টা করে দেখবো যদিও কিছু করতে পারি তো। স্নেহা, কি হয়েছে সেটা আমিও ঠিক জানিনা তবে তোমায় এটুকু বলতে পারি ওর মাথায় কিছু একটা চলছে আর আমাদের সাথে কিছু অদ্ভুত ঘটনাও ঘটছে, তোমার সাহায্য লাগবে। সৌভিক, কিরকম সাহায্য লাগবে? আর কি ঘটছে সেটা বললে ভালো হতো। স্নেহা, সব জানার দরকার নেই, শুধু তুমি আজ রাতের তৈরী থেকো। আমি যাকে সন্দেহ করছি সেই যদিও এসবের পিছনে থেকে থাকে তবে তাকে আজকেই আমরা হাতেনাতে ধরবো। এই বলে স্নেহা সৌভিকের কেবিন থেকে বাইরে বেরোয়, আজকেও রাহুল হন্তদন্ত হয়ে কোথায় যেন একটা বেরিয়ে গেলো।তখন সন্ধ্যে হয়ে এসেছে, সৌভিকের ভাড়া করে দেওয়া ট্যাক্সিটা এসে থামলো সায়নীদের এপার্টমেন্টটার সামনে।ট্যাক্সির ডানদিকের দরজাটা খুলে প্রথমে স্নেহা নামলো, তারপর সায়নী নামতে গেলো,কিন্তু সায়নী দেখলো আশেপাশের পরিবেশটা কেমন যেন আরো অন্ধকার হয়ে এসেছে। ড্রাইভার সায়নীকে বললো, ম্যাম আপনি ঈশানের সাথে এরকম কেন করলেন? সায়নী ভয় পেলো ড্রাইভারের এই আকস্মিক প্রশ্নের সামনে, সায়নী দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে এপার্টমেন্টর দিকে পা বাড়ালো কোনোদিকে না তাকিয়ে, কিন্তু আজ ঈশান যেন ওর পিছু ছাড়ছেনা, সায়নী যেখানে যেখানে যাচ্ছে সেখানে সেখানে আশেপাশের লোকজন ওর দিকে তাকিয়ে ওকে একই প্রশ্ন করছে, তুমি এটা ঈশানের সাথে কেন করলে? প্রথমে সিকিউরিটি গার্ড, তারপর পাশের ফ্ল্যাটের বৃদ্ধা, মাঠে খেলতে থাকা বাচ্চারা, আর বহুদূরে দাঁড়িয়ে ঈশান ওই একই হাসি নিয়ে ওর দিকে তাকিয়ে রয়েছে, ওর চোখে মুখে রক্ত লেগে, কি বীভৎস লাগছে ওকে। সায়নী এবার আর হাঁটলো না, ওই সোজাসুজি দৌড় দিলো, একের পর এক সিঁড়ি বেয়ে ওই উপরে উঠে দরজা ধাক্কাতে শুরু করলো কিন্তু ওর কাছে চাবি ছিলোনা, পাশে স্নেহাও নেই, ওই কোথায় গেলো?সিঁড়ি দিয়ে কেও একজন উপরে উঠে আসছে, পায়ের শব্দ শোনা যাচ্ছে, ধীরে ধীরে শরীরটাও স্পষ্ট হচ্ছে। একি এটা যে ঈশান, ওর দিকেই এগিয়ে আসছে, সায়নী আরো জোরে দরজা ধাক্কাতে শুরু করলো, ভয়ে আর্তনাদ করে উঠলো কিন্তু এই দুনিয়ায় যেন কেও নেই ওর আর্তনাদ শোনার মতো, কেও যেন নেই ওকে বাঁচানোর মতো। ঈশান হাঁটতে পারছেনা, ওর পা দুটো ভাঙ্গা আর একটা হাত নেই এখন দৃশ্যমান। সে এসে সায়নীর সামনে দাঁড়ালো আর মুখের ওই সরল হাসিটা এখন আর সরল লাগছেনা বরং ভয়ানক পৈশাচিক লাগছে। ঘরঘরে গলায় ঈশান বললো, সায়নী, কেমন আছো? শুনলাম তুমি নাকি প্রথম হয়েছো? সায়নী কাঁদতে কাঁদতে বললো, সরি ঈশান, আমি ভুল করেছি, প্লিজ আমায় ক্ষমা করো প্লিজ। ঈশান এবার আরো বিকৃত হাসি হাসলো, সরি? মনে আছে সেইদিনের কথা? ঠিক কিভাবে তুমি আমায় কিছু না করেও আমার মৃত্যুর কারণ হয়েছিল? কিভাবে একটা মধ্যবিত্ত বাড়ির বড়ো ছেলেকে তুমি শেষ করে দিয়েছিলে? তোমার বাবার তো অঢেল সম্পত্তি ছিল তোমার কি সত্যিই কিছু ক্ষতি হতো সায়নী? হতোনা, কিন্তু আমার হয়েছে, আমার পর আমার ভাইকে দেখার কেও ছিলোনা, মা অসুস্থ এখনো অপেক্ষা করে আমার ফেরার। তোমায় আমি ছাড়বোনা সায়নী, এভাবেই তুমিও শেষ হবে আর তোমার ওই অহংকারী বাবার কোল শূন্য হবে তবেই আমার প্রতিশোধ পূরণ হবে। সায়নী আরো জোরে চিৎকার করে উঠলো, তারপর বুঝলো ওকে জড়িয়ে ধরে রয়েছে স্নেহা, ওকে শান্ত করার চেষ্টা করছে আর সামনে দাঁড়িয়ে রাহুল।সায়নী যখন ওদের দেখলো তখন আরো কান্নায় ভেঙে পড়লো, রাহুল ও আমায় শেষ করে দেবে বলেছে প্লিজ বাঁচা আমায়। সায়নী রাহুলের পায়ে পরে কাকুতি মিনতি করতে শুরু করে দিলো।সায়নীর এই অবস্থা দেখে রাহুল ওকে ধরে উঠিয়ে দাঁড় করিয়ে বললো, ঘরে চল আমি আছি, আমি ওকে বুঝিয়ে বলবো ও এলে, তুই চিন্তা করিসনা। স্নেহা দরজা খুললো তারপর ওরা দুজনে সায়নীকে নিয়ে গিয়ে ঘরে শোয়ালো। কিছুক্ষণ দুজনেই সায়নীর পাশে বসে ওকে ঘুম পাড়ানোর চেষ্টা করলো, সায়নী ঘুমাতে রাহুল ডাইনিংএ এসে বসলো আর সামনের চেয়ারটা টেনে নিয়ে বসলো স্নেহা।রাহুল, আমার মনে হয় এবার আমার যাওয়া উচিত, সৃজা অপেক্ষা করছে হয়তো । স্নেহা, না রাহুলদা, তোমায় তো এখানে থাকতেই হবে।রাহুল স্নেহার দিকে একবার তাকায়, চোখে প্রশ্ন দৃশ্যমান।স্নেহা, থাকতে হবে তার কারণ এতক্ষন আমি ভাবছিলাম এই গল্প ঈশান আর সায়নীর প্রেমের কিন্তু ভুল ছিলাম, আসলে এই গল্পের মুখ্য চরিত্র তো তুমি, ওরাতো ব্যাস দুটো পার্শ্ব চরিত্র। তাই নয় কি?স্তম্ভিত রাহুল স্নেহার দিকে তাকিয়ে বললো, কি বলতে চাও তুমি? স্নেহা কোনো কথার উত্তর না দিয়ে নিজের ফোনটা বের করে একটা ছবি দেখিয়েছো রাহুলকে প্রশ্ন করে, এটাই তোমার ঈশান তাই না? রাহুল এবার আরো অবাক হয়,স্নেহা রাহুলকে বলে, কি রাহুলদা তুমি কি ভেবেছিলে, খেলা খেলতে শুধুই তুমি পারো? আমি পারিনা? আমি আগেই সৌভিককে পাঠিয়েছিলাম তোমার পিছনে। সন্দেহ আমার হয়েছিল তারও দুদিন আগে যখন আমি নিজে তোমায় ওই পাগলাগারদে ঢুকতে দেখেছিলাম, তখন সন্দেহ পুরো তৈরী হয়নি কিন্তু পরে হয়েছে, পরে হয়েছে এটা ভেবে যে যেদিন থেকে তুমি এসেছো তারপর থেকেই কেন ঈশানের আত্মা ওকে তাড়া করছে? আত্মার প্রতিশোধের ব্যাপার হলে তো সে অনেক আগেই আসতে পারতো। এই কেনর উত্তর খুঁজতে গিয়ে আমার মনে পড়লো তুমি ঠিক কিভাবে নিজের লাঞ্চবক্স বারবার সায়নীকে দিয়ে যেতে খাওয়ার জন্য। কেও সন্দেহ করতোনা কিন্তু আমি করেছি, কি ওষুধ মেশাতে ওতে?রাহুল স্নেহাকে বোঝানোর চেষ্টা করে যে সে যা ভাবছে তা সত্যি নয় কিন্তু স্নেহা যেন বোঝার ইচ্ছাতেই নেই।স্নেহা বলে চলে, চুপ করো রাহুলদা, আমার কাছে সব প্রমান আছে, আর ঈশান তো কোনোদিনও মরেই নি, ওই আছে ওই পাগলাগারদে যাকে তুমি রোজ দেখতে যাও, যাকে তোমার স্ত্রী সৃজাও দেখতে যায়, এসব তোমাদের প্ল্যান। আমি বিগত দুদিনে বারবার ওই জায়গায় গেছি, তোমাদের দেখেছি। একটা জীবিত মানুষের কিভাবে ভুত হয়ে কাওকে ভয় দেখায়? কেন করছো মেয়েটার সাথে এরকম? রাহুল এবার টেবিল চাপড়ে বলে, হ্যাঁ আমাদের প্ল্যান আর যা করেছি বেশ করেছি, আর সায়নীকে যতদিন না ওই বেডের পাশে এনে ফেলতে পারছি ততদিন আমি থামবোনা। ওর মতো ডাইনির সুস্থ শরীরে বেঁচে থাকার অধিকার নেই।স্নেহা, মুখ সামলে রাহুলদা, কে ডাইনি? তোমার বন্ধুকে না করেছিল বলে ডাইনি হয়ে গেলো? বাহ্ রে বাহ্ এইতো পুরুষতান্ত্রিক সমাজের আদর্শ পুরুষ। বলি ঘেন্না হয়না নিজের উপর?রাহুলের চোখে মুখে বিরক্তির ছাপ স্পষ্ট, সাথে যখন এই ঘৃণা শব্দটা সে শুনলো যেন তার কান লাল হয়ে ধোঁয়া বেরোবে, সে বললো , ঠিক আছে তুমি যখন এতদূর বললে তবে পুরোটা শোনো আর তারপর যদি তোমার মনে হয় আমি দোষী তবে পুলিশ ডেকো আমি নিজে ধরা দেবো। এই বলে রাহুল নিজের ফোনে 101 ডায়েল করে স্নেহার হাতে দিয়ে বলে, যদি মনে হয় আমি ভুল আমার কথা শোনার পরেও তবেই ফোন করো। স্নেহা, ঠিক আছে বলো, সব অপরাধীকেই শেষবারের নিজের স্বপক্ষে যুক্তি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত।রাহুল বলতে শুরু করে - ফার্স্ট ইয়ারে যখন ঈশান আসে তখন ও খুবই সহজ সরল একটা ছেলে ছিল তবে প্রতিবাদে কোনোদিনও পিছু হাটতো না। ওর ওই গুন ওকে ইউনিয়নের অনেকের কাছেই পছন্দের পাত্র করে তুলেছিল। তো এই ঈশান ছিল পড়াশোনায় দুর্দান্ত, ওর বাবা ছিলোনা। মা আর ভাইয়ের দায়িত্ব ওর উপরেই ছিল আর সেই জন্য দিনরাত খেতে পড়াশোনা করতো। প্রথম সেমেস্টারের রেজাল্ট যখন আসে তখন ওই প্রথম হয় আর অবাক করা বিষয়ে সায়নী যে কিনা বিক্রমের সাথে সবসময় ঘুরতো সে বন্ধুত্বের হাত বাড়ায় ঈশানের দিকে। মাঝে মাঝেই নিজের চারচাকায় নিয়ে ওকে ঘুরতে যেত, বড়ো বড়ো রেস্টুরেন্টে দুজনকে একসাথে দেখতে পেতাম। আমি অতটা ভাবিনি বিষয়টা নিয়ে, ক্রমে বছর ঘুরলো দুজনে এই সম্পর্ককে বন্ধুত্ব বললেও কেও বিশ্বাস করতোনা আর উল্টোদিকে বিক্রমও ব্যাপারটা মেনে নিতে পারতোনা যে সায়নী ঈশানের সাথে সবসময় থাকে।মাঝে মাঝে বুঝতে পারতাম ঈশান সায়নীকে শুধু বন্ধু আর ভাবেনা।রাহুল একটু থামে ওর গলা ধরে এসেছে, টেবিলের উপরে রাখা জলের বোতল থেকে খানিকটা জল খায় তারপর বলে, তখন লাস্ট সেমিস্টার, পরীক্ষা শুরুর আগেরদিন ঈশানকে নিয়ে সায়নী কোথায় একটা গেলো। বেশ কিছুক্ষন পর যখন ঈশান ফিরলো ওই খুব খুশি ছিল, ও নিজের মাকে পর্যন্ত ফোন করে সায়নীর ব্যাপারে বললো আর আমায় বললো সায়নী নাকি বলেছে সায়নী ওকে বিয়ে করতে চায়। ব্যাপারটায় আমি খুবই খুশি হয়েছিলাম, যাক শেষ পর্যন্ত সব ভালো হচ্ছে।কিন্তু বুঝিনি এটা সবে শুরু, পরেরদিন থেকে সায়নী কেমন যেন বদলে গেলো, ঈশানকে পাত্তা দিতোনা, কথা বলার সুযোগটুকু দিতোনা আর রাতে বাড়ি ফিরে ঈশান মেসেজ করার চেষ্টা করলে সেখানেও ওকে পেতোনা।এভাবে দুটো পরীক্ষা শেষ হলো, পরীক্ষার শেষে ঈশান আমায় ওর হোয়াটস্যাপ দেখিয়ে বললো একটাও মেসেজ সায়নীর কাছে নাকি ডেলিভার হচ্ছেনা। আমি দেখলাম আর বুঝলাম সায়নী ওকে ব্লক করেছে, এটা জানতে পেরে ওই বেচারা আর থাকতে পারেনি তখনই ক্লাসের মাঝে গিয়ে সায়নীকে প্রশ্ন করে যে ওই এমন কেন করলো। সায়নীর ব্যবহার আরো খারাপ ছিল, ও সেসময় হাসে আর ঈশানকে বলে যে ঈশান কখনো নিজের ক্লাস নিয়ে ভেবেছে? কোথায় ঈশানের কুঁড়েঘর আর কোথায় সায়নীর বাবার রাজপ্রাসাদ, ঈশানের কোনো যোগ্যতা নেই সায়নীর পাশে। তারপর বিক্রমের হাত ধরে সায়নী ঈশানের সামনে দিয়ে বেরিয়ে যায়।ঈশান ভেঙে পরে, ওর মধ্যে আর ক্ষমতা ছিলোনা পড়াশোনা করার। পরের একটা পরীক্ষাও সে দিতে আসতে পারেনি, ঘরে বসে থাকতো চুপচাপ। যেদিন রেজাল্ট এলো সেদিন ও শুধু দেখেছিলো কিভাবে সায়নী ওর জায়গাটা ছিনিয়ে নিয়েছে, কিভাবে একটা নোংরামি ওকে এতটা পিছনে ঠেলে দিয়েছে যে ওর একটা বছর নস্ট হয়ে গেছে। ঈশানের চোখ দিয়ে যে জলের ফোটা সেদিন পড়েছিল সেটাই সায়নীর ধ্বংসের কারণ আজ। ঈশান তারপর আর কোনোদিনও সুস্থ হতে পারেনি, ওই নিজের উপর ভরসা রাখতে পারেনি, সব ভুলে গেছে শুধু সায়নীর নামটা মনে আছে আজও। সায়নীর সাথে ওর কোনো পুরোনো বন্ধুর যোগাযোগ নেই কেন জানো? ঠিক এই কারণে, কারণ কেওই এটা মেনে নিতে পারেনি যেটা সায়নী ঈশানের সাথে খেলেছে। এরপরও তুমি বলবে সায়নী ঠিক আর আমি ভুল?স্নেহা এতদূর শুনে বললো, মিথ্যা সব মিথ্যা রাহুলদা, সায়নীকে আমি চিনি ওই এরকম মেয়ে মোটেও না। পিছনে কখন সৌভিক এসে দাঁড়িয়েছে রাহুল বুঝতে পারেনি, সেও বলে উঠলো, রাহুলদা সব শেষ, তুমি ধরা পরে গেছো এবার কোর্টে তোমার সাথে দেখা হবে। সৌভিক স্নেহার থেকে ফোনটা নিয়ে ফোন করতেই যাচ্ছিলো পুলিশে এমন সময় সায়নীর গলার স্বর শোনা গেলো। সায়নী ঘরের বাইরে বেরিয়ে এসে দাঁড়িয়েছে আর সৌভিকের দিকে তাকিয়ে হাসছে উন্মাদের মতো।স্নেহা গিয়ে সায়নীকে শান্ত করার চেষ্টা করলো কিন্তু কোনো লাভ হলোনা, সায়নী হেসেই চললো তারপর ওই হাসির মাঝেই বললো, ঈশান তুমি মরেও আমার পিছন ছাড়লে না? ঠিকই বলেছিলাম সেদিন, তুমি আসলে কুকুরেরও অধম, তোমার সাথে প্রেম করবো আমি? ছিঃ, ঘেন্না হয় তোমার মতো ছেলেগুলোকে। কোনো ক্লাস নেই এদিকে নাকি বড়োলোক বাড়ির মেয়েকে বিয়ে করবে। বেশ করেছি, তুমি এই কোম্পানিতে চাকরি করার যোগ্য নও ঈশান, ওটার যোগ্য শুধু আমি, ওই গোল্ড মেডেলের যোগ্য শুধুই আমি। বোকা ছেলে, তোমার মতো ছেলেগুলোকে হারিয়ে এগিয়ে যাওয়া সবচেয়ে সোজা।এই জানো এখনো আবার একটা ছেলে আমার ফাঁদে পা দিয়েছে, ওটাকেও শেষ করবো ঠিক তোমার মতো। আমায় অনেক উঁচুতে যেতে হবে ঈশান, যেখানে পৌঁছাতে তোমার দুজন্ম আরো লাগবে। নিজেকে দেখো, না আছে একটা হাত, না ঠিক করে হাঁটতে পারছো, মরে ভুত হয়েও সেই আমার পিছনে ঘুরে বেড়াচ্ছ, হোয়াট আ লুসার। সৌভিককেও তোমার মতোই শিখিয়ে পরিয়ে দিও যাতে ভুত হয়ে ভয় দেখিয়ে বেড়াতে পারে।সায়নী এই বলে উন্মাদের মতোই হেসে চলেছে, ওর হাসি আজ বাঁধ মানছেনা।দুদিন পর শহরের এক নামি পাগলাগারদে: সায়নী নিজের বেডে বসে পাশের ছেলেটাকে বলে, এই ছেলে তোমার নাম কি?ছেলেটার মুখে একটা সরল হাসি ফুটে ওঠে, সে বলে, আমি ঈশান।সায়নী, তুমি ঈশান? জানো ঈশান বলে একটা ভুত আমায় খুব জ্বালায়, ওকে একটু বকে দেবে গো?ঈশান বলে, ভুত? সে কি মানুষের থেকেও বেশি ভয়ানক?বাইরে দাঁড়িয়ে একটা সিগারেট ধরালো সৌভিক, সামনে স্নেহা আর রাহুল এককাপ চা নিয়ে দাঁড়িয়ে।সৌভিকই প্রথম মৌনতা ভেঙে বললো, সরি দাদা, আর একটু হলে আমিও এই পাগলাগারদেই হয়তো থাকতাম। খারাপ লাগছে ঈশানকে দেখে, ওর পরিবার....রাহুল, চিন্তা করোনা, ওর ভাইয়ের দায়িত্ব আমার আর সৃজার। ওর ভাই এখন লাস্ট ইয়ারে পড়াশোনা করছে, ওই ছেলেটাও ঈশানের মতোই পড়াশোনায়, ঠিক একটা কিছু করেই নেবে।স্নেহা, দাদা একটা প্রশ্ন রয়েই গেলো। রাহুল, কি প্রশ্ন? স্নেহা, সায়নীকে তুমি পাগল করলে কিভাবে? রাহুল একটু হাসলো তারপর বললো, amphitamin, ওকে দিনের পর দিন এটারই ডোস দিয়েছি আর শেষদিন যখন ও পাগলের মতো হাসছিলো তখন ওকে যে বোতলের জলটা তুমি দিয়েছিলে ওটাতে শেষ ডোস ছিল, আমি জল খাওয়ার সময়ে মিশিয়ে দিয়েছিলাম, তোমার অলক্ষ্যে। ব্যাস, আমি জানতাম আমি যদি আজ পুলিশের কাছে ধরা পরেও যাই তবুও তোমরা সায়নীকে বাঁচাতে পারবেনা। ভাগ্য সহায় ছিল যে সায়নী নিজের অপরাধ স্বীকার করে নেওয়ায় তোমরা আর আমায় জেলে পাঠাওনি, বদলে ওকে পাগল হতে দেখেছো আর ভয়ে ওর থেকে দূরে সরে গেছো । স্নেহা, জেলে তো ওরই যাওয়া উচিত, যে একটা পরিবারকে শেষ করে দিলো নিজের স্বার্থে। রাহুল, পরজন্মে দুজন যেন সুস্থ মানুষের মতো বাঁচতে পারে এই প্রার্থনাই করি ঈশ্বরের কাছে। ওরা নিজেদের চা শেষ করে নিজেদের গোঁন্ত্যব পথে পা বাড়ালো। তখন সূর্য ডুবে গেছে, বাইরেটা অন্ধকার গ্রাসঃ করেছে আর ভিতরে?তখনও সায়নী নিজের খেয়ালে ঈশানের সাথে বকবক করে চলেছে, যেন দুজন দুজনকে ছেড়ে এক মুহূর্ত থাকতে পারবেনা। ওদের মধ্যে কি সত্যিই কোনোদিনও ভালোবাসা তৈরী হয়নি? বোঝা মুশকিল। কারণ দৃশ্যত উন্মাদদের থেকে অনেক বেশি উন্মাদ হয় সুস্থ স্বাভাবিক মানুষেরা।সমাপ্তসায়ন্তন গোস্বামী

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal