• ৪ আষাঢ় ১৪৩৩, রবিবার ২১ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IC

রাজ্য

রাজ্যে এক ধাক্কায় অনেকটা কমেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, তবে বেড়েছে মৃত্যু

গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে এক ধাক্কায় অনেকটা কমেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। টানা তিন দিন রাজ্যে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছিল। গতকাল, শুক্রবার কিছুটা কমেছিল। শনিবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৯,০৬৪ জন। শুক্রবার সেই সংখ্য়া ছিল ২২,৬৪৫। গতকালের তুলনায় কমেছে সাড়ে তিন হাজারের বেশি। বেশ কয়েকদিন ধরে ২০ হাজারের গন্ডি কিছুতেই কমছিল না। এদিন কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে রাজ্য় স্বাস্থ্য় দফতর। তবে মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে অনেকটা বেড়ে গিয়েছে। ফের এদিনও পজিটিভিটি রেট কমেছে। এদিন পজিটিভিটি রেট ২৯.৫২ শতাংশ। গতকাল পজিটিভিট রেট ছিল ৩১.১৫ শতাংশ।তবে গত কয়েকদিনের তুলনায় এদিন মৃতের সংখ্যা বেড়েছে অনেকটাই। করোনা আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘন্টায় বাংলায় মৃত্যু হয়েছে ৩৯ জনের। গতকাল সংখ্যাটা ছিল ২৮। রাজ্য়ে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০,০৫২। পাশাপাশি এদিন সুস্থ হয়েছে ৯,১৩২ জন।কয়েক দিন আগে করোনা আবহে রাজ্যে ভোট বন্ধ হওয়া নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপিও একাধিকবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে পুরভোট বন্ধ করার জন্য আবেদন জানিয়েছিল। হাইকোর্টের নির্দেশের প্রেক্ষিতের রাজ্য সরকারের সম্মতিতে পুরভোট তিন সপ্তাহ পিছিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশিন। এই ভোট পিছিয়ে দেওয়ায় সাধুবাদ জানিয়েছে রাজ্যের চিকিৎসকরা।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ৪,৮৩১উত্তর ২৪ পরগনা ৩,৪৯৬দক্ষিণ ২৪ পরগনা ১,২৮২হাওড়া ১,০০৩পশ্চিম বর্ধমান ৮৫৭পূর্ব বর্ধমান ৭৬৩হুগলি ১,০৭২বীরভূম ৮০০নদিয়া ৭৩৯মালদা ৭৫৩মুর্শিদাবাদ ৪৪৬পশ্চিম মেদিনীপুর ৪৫৮পূর্ব মেদিনীপুর ২১৫পুরুলিয়া ১৯৮দার্জিলিং ৪৭৬বাঁকুড়া ৩৬৯জলপাইগুড়ি ৩১৯উত্তর দিনাজপুর ২৭৪দক্ষিণ দিনাজপুর ২৪৫ঝাড়গ্রাম ১৯০কোচবিহার ১৩৭আলিপুরদুয়ার ৯৮কালিম্পং ৪৩

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
দেশ

নেতাজির জন্মদিবস থেকেই সাধারণতন্ত্রদিবস পালন শুরুর সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

এবার ২৩ জানুয়ারি থেকেই সাধারণতন্ত্র দিবস পালন শুরু হবে, ঘোষণা কেন্দ্রের। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মবার্ষিকীকে মর্যাদা দিতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। গত বছর নেতাজির জন্মবার্ষিকীকে পরাক্রম দিবস হিসেবে পালন করার কথা ঘোষণা করেছিল মোদি সরকার। এবার থেকে প্রতি বছর সাধারণতন্ত্র দিবস উদযাপনের অনুষ্ঠান শুরু হবে ২৩ জানুয়ারি থেকে।সাধারণত ২৬ জানুয়ারি সাধারণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে ২৪ জানুয়ারি থেকেই যাবতীয় উদযাপন শুরু করে কেন্দ্র। এবার তা একদিন এগিয়ে দেওয়া হবে। সূত্রের খবর, নতুন করে ভারতের ইতিহাস ও সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলিকে বিশেষ ভাবে স্মরণ ও উদযাপন করার লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।অন্য বেশ কয়েকটি দিবসকেও বছরভর বিশেষ গুরুত্ব সহকারে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। সেগুলির মধ্যে রয়েছে ১৪ অগস্ট দেশভাগের ভয়াবহতা স্মরণ দিবস। ৩১ অক্টোবর জাতীয় ঐক্য দিবস যা পালন করা হয় সর্দার প্যাটেলের জন্মদিনে। ১৫ নভেম্বর জনজাতি গৌরব দিবস যা পালন করা হয় বিরসা মুন্ডার জন্মদিনে। ২৬ নভেম্বর সংবিধান দিবস। ২৬ ডিসেম্বর বীর বাল দিবস(এই দিনে গুরু গোবিন্দ সিংয়ের চার ছেলেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়)। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি দিবস ইতিমধ্যেই পালিত হয়ে আসছে।নেতাজির স্মৃতি বিজড়িত দেশের নানা স্থানকে আলাদা করে প্রোমোট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। গত বছর অক্টোবরে কেন্দ্রের পর্যটক মন্ত্রক আজাদ হিন্দ সরকার গঠনের বার্ষিকীতে কিউরেটেড ট্যুরের পরিকল্পনার কথা জানায়।সাধারণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে দেশজুড়েই নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। রাজধানীতে চলে কুচকাওয়াজ। এবার ২৩ জানুয়ারি নেতাজির জন্মজয়ন্তী থেকেই সেসব চালু হয়ে যাবে।

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

টেস্ট ক্রিকেটেও শেষ বিরাট অধ্যায়, নেতৃত্ব ছাড়লেন কোহলি

ভারতীয় ক্রিকেট দলের হয়ে আর কোনও ধরণের ফরম্যাটে নেতৃত্বে দেখা যাবে না বিরাট কোহলিকে। লাল বলের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকেও এবার সরে দাঁড়ালেন তিনি। টুইট করে তিনি টেস্ট ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেছেন। এবার ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে টেস্ট ক্রিকেটের জন্য নতুন নেতা বেছে নিতে হবে।গতবছর টি২০ বিশ্বকাপের আগে টি২০ ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেছিলেন বিরাট কোহলি। তাঁর এই সিদ্ধান্তে চমকে গিয়েছিল গোটা ক্রিকেট বিশ্ব। গত বছর ডিসেম্বরে কোহলিকে একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেন নির্বাচকরা। এই নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। টি২০ ক্রিকেটের নেতৃত্ব ছাড়া নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলিকে মিথ্যেবাদী প্রতিপন্ন করতে চেয়েছিলেন কোহলি। তিনি বলেছিলেন, তাঁর নেতৃত্ব ছাড়ার বিষয়ে বোর্ড প্রেসিডেন্ট সব জানতেন। কিন্তু সৌরভ গাঙ্গুলি পরে বিবৃতি দেন, কোহলির নেতৃত্ব ছাড়ার বিষয়ে তিনি একেবারেই অন্ধকারে ছিলেন। এই নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়।🇮🇳 pic.twitter.com/huBL6zZ7fZ Virat Kohli (@imVkohli) January 15, 2022বোর্ড সচিব জয় শাহ থেকে শুরু করে নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান চেতন শর্মা পর্যন্ত সৌরভের পক্ষে দাঁড়িয়ে বিবৃতি দেন। কোহলি টি২০ ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোয় নির্বাচকরা চাননি সাদা বলের ক্রিকেটে দুজন নেতা রাখতে। তাই একদিনের নেতৃত্ব থেকে কোহলিকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ভারতীয় ক্রিকেটে ক্রমশ কোনঠাসা হয়ে পড়েন কিং কোহলি। তাছাড়া রাহুল দ্রাবিড়কে কোচ করে কোহলিকে অন্য বার্তাও দিতে চেয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। টেস্ট ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে কোহলির সরে দাঁড়ানোটা যে শুধু সময়ের অপেক্ষা, সেটা পরিস্কার হয়ে গিয়েছিল। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে সিরিজ হারার পরপরই টেস্ট ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেন কোহলি।টুইটারে নেতৃত্ব ছাড়ার কথা ঘোষণা করে কোহলি লিখেছেন, কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও উদ্যমের সাথে দলকে সঠিকভাবে চালনা করার চেষ্টা করেছি। সততা বজায় রেখেই নিজের কর্তব্য পালন করেছি। সব কিছুরই পরিসমাপ্তি থাকে। আমার ক্ষেত্রেও ছিল। আমার এই যাত্রাপথে নিশ্চিতভাবেই ওঠানামা ছিল। কিন্তু প্রয়াসে কোনও কমতি ছিল না। সবসময় লক্ষ্য থাকে ১২০ শতাংশ দেওয়া। সবসময় স্বচ্ছতা বজায় রেখে চলেছি। সততার প্রশ্নে কখনও আপোষ করিনি।গত ৭ বছর ধরে তাঁর ওপর আস্থা রাখায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন কোহলি। টুইটারে তিনি লিখেছেন, দীর্ঘদিন দেশকে নেতৃত্বের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। সতীর্থ, সাপোর্ট স্টাফদের জন্যই আমার এই সফর স্মরণীয় ও সুন্দর হয়েছে। দেশের টেস্ট ক্রিকেট যে জায়গায় পৌঁছেছে তার জন্য প্রাক্তন কোচ রবি শাস্ত্রী ও অন্যান্য সাপোর্ট স্টাফদের বড় ভুমিকা রয়েছে। অধিনায়ক হিসেবে আমার প্রতি আস্থা রাখার জন্য মহেন্দ্র সিং ধোনিকে ধন্যবাদ।

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
রাজ্য

বিয়ে ও মেলায় কিছু ছাড় দিয়ে রাজ্যে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত জারি বিধিনিষেধ

করোনা সংক্রমণের বাড়বাড়ন্তের জেরে গত ২ জানুয়ারি মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী রাজ্যে নতুন করে করোনা বিধিনিষেধ জারি করেন।বাড়তি কিছু ছাড়-সহ রাজ্যে কোভিড জনিত বিধি-নিষেধের মেয়াদ আরো ১৫ দিন বাড়ানো হলো।আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বিধিনিষেধ জারি থাকবে বলে নবান্নের তরফে জানানো হয়েছে। তবে এ বার বিয়ে ও মেলা আয়োজনের ক্ষেত্রে কিছু ছাড় দেওয়া হয়েছে।রাজ্য সরকারের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে,বিয়েবাড়ি বা বিয়ে সংক্রান্ত অনুষ্ঠানে একই সময় সর্বোচ্চ ২০০ জন কিংবা অনুষ্ঠান স্থলের মোট আসন সংখ্যার অর্ধেক, এর মধ্যে যেটা কম, সেই সংখ্যক মানুষ উপস্থিত থাকতে পারবেন। খোলা আকাশের তলায় মেলা করা যাবে। কিন্তু সে ক্ষেত্রে কঠোরভাবে করোনা সংক্রান্ত বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে।তবে এই পর্বেও সমস্ত স্কুল, কলেজ বন্ধ থাকছে। জিম, সুইমিং পুল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।অর্ধেক হাজিরা নিয়ে চলবে সরকারি অফিস। তবে আগের দেওয়া ছাড় বজায় রেখে ৫০ শতাংশ ক্রেতা নিয়ে সেলুন খোলা থাকবে। ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে রাত দশটা পর্যন্ত লোকাল ট্রেন চলাচল করবে। নৈশ বিধিনিষেধের সময়সীমাও একই থাকছে।

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
রাজ্য

পিছিয়েই গেল রাজ্যের চার পুরনিগমের ভোট! পুনরায় দিনক্ষণ ঘোষণা কমিশনের

অবশেষে পিছিয়ে গেল চার পুরনিগমের ভোটের দিন। শনিবারই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, আদালতকে সম্মান জানিয়েই তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ২২ জানুয়ারি ভোট হওয়ার কথা ছিল। তা পিছিয়ে ১২ ফেব্রুয়ারি করা হল। শনিবার এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে কমিশন। তবে ২৭ ফেব্রুয়ারি ১০৮টি পুরসভার যে বকেয়া ভোট তা হবে বলেই এখনও অবধি সিদ্ধান্ত রয়েছে। কারণ, এ নিয়ে এখনও রাজ্য নির্বাচন কমিশন এখনও কিছু বলেনি।আরও পড়ুনঃ চার পুরভোট পিছলে আপত্তি নেই, কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানাল নবান্নকোভিড কাঁটায় তিন সপ্তাহ পুরনিগমের ভোট পিছিয়ে দিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট হবে। তবে এই ভোটে নতুন করে মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে না বলেই জানিয়েছে কমিশন। আদালতের নির্দেশে, রাজনৈতিক দলের মতামত শুনে রাজ্যের সঙ্গে কথা বলে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে বক্তব্য, কলকাতা হাইকোর্টের রায়কে সম্মান জানিয়েই তারা এই সিদ্ধান্ত নিল। ভোটের দিন পিছিয়ে গেলেও নতুন করে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার যেমন কোনও বিষয় নেই, একইভাবে কমিশন জানিয়েছে, এই সময় অবধি প্রচার চালাতে পারবে রাজনৈতিক দলগুলি। অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারির ৭২ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত ভোটের প্রচার চালানোয় কোনও বাধা নেই।আরও পড়ুনঃ ফের কলকাতায় বাড়ল মাইক্রো কনটেনমেন্টের সংখ্যানবান্নের তরফে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানানো হয় যে, কমিশন ভোট পিছিয়ে দিলে কোনও আপত্তি নেই সরকারের। শনিবার নবান্নের চিঠি পাওয়ার পরে ভোট পিছনোয় শিলমোহর দিল নির্বাচন কমিশন।

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
কলকাতা

চার পুরভোট পিছলে আপত্তি নেই, কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানাল নবান্ন

পুরভোট পিছিয়ে দিতে সায় রাজ্যের। নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে এমনটাই জানিয়েছে নবান্ন। আদালতের নির্দেশের পরই রাজ্যের অবস্থান জানতে চেয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তারপরই শনিবার চিঠি দেয় নবান্ন। চিঠিতে রাজ্য জানিয়েছে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রাজ্য। তবে ভোট পিছিয়ে দিলে আপত্তি নেই। শনিবার দুপুরেই কমিশন বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ভোট পিছনোর ঘোষণা করবে বলে সূত্রের খবর।আরও পড়ুনঃ কুঁড়ে ঘরের খুদে শিল্পীর মায়াবী গানের সুরের জাদুতে মুগ্ধ সংগীতপ্রেমীরাআগামি ২২ জানুয়ারি ভোট হওয়ার কথা ছিল বিধাননগর, শিলিগুড়ি, আসানসোল এবং চন্দনগর পুরসভার। কোভিড পরিস্থিতিতে এই পুরভোট নিয়ে আপত্তি তুলে অনেকেই আদালতে যান। এই পরিপ্রেক্ষিতেই শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে ভোটের তারিখ পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানায়। কোভিড আবহে জনস্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে ভোট পিছিয়ে দেওয়ার পরামর্শ দেয়। তবেআরও পড়ুনঃ অ্যাকাউন্ট প্রাইভেট রেখে ইন্সটাগ্রামে ফিরলেন রাজ কুন্দ্রাশুক্রবারই হাইকোর্টের রায় নিয়ে রাজ্যের অবস্থান জানতে চেয়ে চিঠি দেয় কমিশন। তারই উত্তরে শনিবার রাজ্য ভোট পিছনোর পক্ষে সায় দেয়। চিঠিতে তারা জানায়, করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় তৎপর রয়েছে রাজ্য। এখন কমিশন যদি কিছু দিনের জন্য ভোট পিছিয়ে দেয়, তাতে তাদের আপত্তি নেই। যদিও এর আগে আদালতে একাধিক বার ভোট পিছনোর বিরোধিতা করেছে নবান্ন। শনিবার নবান্নের চিঠি পাওয়ার পর, বিকেলের মধ্যেই ভোট পিছিয়ে দেওয়ার ঘোষণা করতে পারে কমিশন। সূত্রের খবর, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট চাইছে নবান্ন।

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
কলকাতা

ফের কলকাতায় বাড়ল মাইক্রো কনটেনমেন্টের সংখ্যা

করোনা সংক্রমণ বাড়তেই ফের চিন্তার ভাঁজ। কলকাতায় ক্রমেই বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এই পরিস্থিতিতে ফের কলকাতায় বাড়ল মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যা। এ বার, ২৯ থেকে একধাক্কায় ৪৪ টি মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন নতুন করে ঘোষণা করল কলকাতা পুরসভা। প্রায় সপ্তাহখানেক আগেই কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যা কমানো হয়েছিল। ফের বাড়িয়ে দেওয়া হল মাইক্রোকনটেনমেন্ট জোন।সূত্রের খবর, নবান্নের চিন্তা কোনও বস্তি এলাকা নয়। বরং, নবান্নের চিন্তার কারণ বড় বড় আবাসনগুলি। কারণ সেখানে অনেক ক্ষেত্রেই গিয়ে দেখা গিয়েছে, স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না আবাসিকরা।নতুন মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোনের তালিকায় রয়েছে একাধিক বরো। ৪ নম্বর বরোয় ৪ টি, ৭ নম্বর বরোতে ৪ টি, ৯ নম্বর বরোতে ২ টি, ১০ নম্বর বরোতে ১০ টি, ১২ নম্বর বরোয় ১১ টি, ১৪ নম্বর বরোয় ৩ টি, ১৬ নম্বর বরোতে ৫ টি, ৮ নম্বর বরোতে ১ টি এবং ৩ নম্বর বরোতে ৪ টি স্থান মাইক্রো কনটেনমেন্ট জ়োন বলে চিহ্নিত হয়েছে। সেই তালিকার মধ্যে রয়েছে, একাধিক বহুতল আবাসনও।স্বাস্থ্য অধিকর্তারা বলছেন, আবাসনগুলিতেই সবচেয়ে বেশি করোনা সংক্রমণ হচ্ছে। এই মুহূর্তে আবাসনগুলিই উৎকন্ঠার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রশাসনের। এরই মধ্যে নবান্নে একটি রিপোর্ট জমা পড়েছে। আবাসনগুলিতে সংক্রমণ কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। নিউটাউনের আবাসনগুলির ক্ষেত্রে ফোরাম ও কমিটিগুলিকে নিয়ে একটি বৈঠক করার কথা ভাবা হচ্ছে। করোনার স্বাস্থ্যবিধি যাতে তাঁরা মেনে চলেন, সে ব্যাপারে সতর্ক করা হবে তাঁদের।

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল (Horoscope 15th January 2022): মেষের সৎকাজে ব্যয়, ধনুর উৎকণ্ঠা বৃদ্ধি

মেষ/ARIES: সৎকাজে ব্যয় করতে পারেন।বৃষ/TAURUS: সঞ্চয়বৃদ্ধি করতে পারেন।মিথুন/GEMINI: বিরোধিতা করতে পারেন।কর্কট/CANCER: মর্যাদালাভ করতে পারেন।সিংহ/LEO: সমস্যায় জড়িয়ে পড়তে পারেন।কন্যা/VIRGO: বাড়িতে চুরির সম্ভাবনা রয়েছে।তুলা/ LIBRA: বাসনা পূরণ হতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: চাকরির সুযোগ আসতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: উৎকণ্ঠা বৃদ্ধি পেতে পারে।মকর/CAPRICORN: অর্শাদিপীড়া হতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: শ্রীবৃদ্ধি পেতে পারে।মীন/ PISCES: মন চঞ্চল হতে পারে।

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

চমক হেডের, বিপর্যয় কাটাল অস্ট্রেলিয়া

সিডনি টেস্টে দুই ইনিংসে সেঞ্চুরি করে চমক দিয়েছিলেন উসমান খোয়াজা। পুরস্কার স্বরূপ ব্যাটিং অর্ডারে তাঁকে তুলে নিয়ে এসেছিল টিম ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু ডেভিড ওয়ার্নারের সঙ্গে দীর্ঘদিন পর ওপেন করতে নেমে ব্যর্থ উসমান খোয়াজা। তা সত্ত্বেও অ্যাশেজের পঞ্চম টেস্ট জমিয়ে দিলেন ট্রেভিস হেড। তাঁর দুরন্ত সেঞ্চুরির সুবাদে বৃষ্টিবিঘ্নিত প্রথম দিনে মান বাঁচাল অস্ট্রেলিয়া। দিনের শেষে অসিরা তুলেছে ৬ উইকেটে ২৪১।আরও পড়ুনঃ ইতিহাস তৈরি করতে ব্যর্থ কোহলিরা, ভারত নেমে গেল পাঁচেইতিমধ্যেই ব্রিসবেন, অ্যাডিলেড ও মেলবোর্ন টেস্ট জিতে অ্যাশেজ দখল করেছে অস্ট্রেলিয়া। সিডনি টেস্ট ড্র হওয়ায় ইংল্যান্ডের হোয়াইট ওয়াশের সম্ভাবনা শেষ। হোবার্টে জিতে সিরিজ ৪০ করতে মরিয়া অস্ট্রেলিয়া। শুক্রবার টসে জিতে অস্ট্রেলিয়াকে ব্যাট করতে পাঠায় ইংল্যান্ড। অস্ট্রেলিয়ার দুই ওপেনার রান পাননি। ডেভিড ওয়ার্নার ০ ও উসমান খোয়াজা ৬ রানে আউট হন। স্টিভ স্মিথও ফেরেন ০ রানেই। ৯.৫ ওভারে ১২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চরম বিপর্যয়ে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। মার্নাস লাবুশানে ও ট্রেভিস হেড চতুর্থ উইকেটে ৭১ রান যোগ করেন। ৫৩ বলে ৪৪ রান করে স্টুয়ার্ট ব্রডের বলে আউট হন লাবুশানে।আরও পড়ুনঃ নাইট রাইডার্সে ভারতীয় দলের প্রাক্তন বোলিং কোচএরপর অস্ট্রেলিয়াকে টেনে নিয়ে যান ট্রেভিস হেড ও ক্যামেরন গ্রিন। জুটিতে ওঠে ১২১। হেড ১০১ রান করে আউট হন। ক্যামেরন গ্রিন করেন ৭৪। চা বিরতির কিছুক্ষণ পর বৃষ্টি নামে। তারপর আর খেলা শুরু হয়নি। অ্যালেক্স ক্যারি ১০ ও মিচেল স্টার্ক ০ রানে অপরাজিত রয়েছেন।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে সামান্য কমলো করোনা সংক্রমণ, বেড়েছে মৃত্যু

রাজ্যে টানা তিন দিন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার পর গত ২৪ ঘন্টায় সামান্য কমেছে। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী এদিন করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা ছিল ২২,৬৪৫। গতকাল এই সংখ্য়া ছিল ২৩,৪৬৭। তবে কিছুতেই ২০ হাজারের গন্ডি কমছে না। এদিন পজিটিভিটি রেটও সামান্য় কমেছে। গতকাল পজিটিভিট রেট ছিল ৩২.১৩, এদিন ৩১,১৫ শতাংশ। তবে এদিন ফের বেড়েছে মৃতের সংখ্যা। গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ২৮ জনের। গতকাল সংখ্যাটা ছিল ২৬। রাজ্য়ে মোট করোনায় মৃত্য়ু হয়েছে ২০,০১৩ জনের।করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে বাংলা তোলপাড়। সংক্রমণের সংখ্য়া সেভাবে কমছে না, পাশাপাশি পজিটিভিটি রেটও প্রায় এক তৃতীয়াংশ। স্বভাবতই চিন্তা থেকেই যাচ্ছে। এদিকে গঙ্গাসাগর মেলায় মানুষের থিকথিকে ভিড়। এরপর পরিস্থিতি কী দাঁড়াবে তা নিয়ে আশঙ্কায় রয়ছে চিকিতসক মহল। এদিকে রাজ্যের চার পুরসভার ভোট বন্ধ মামলার সিদ্ধান্তও ঝুলে গিয়েছে। দোকান-পাট, রাস্তায় এখনও বহু মানুষের মুখে মাস্ক নেই। নতুবা থুতনিতে মাস্ক ঝুলছে। মোদ্দা কথা আগামিতে করোনা সংক্রমণের হাল কী দাঁড়াবে এসব ভেবেই আতঙ্ক তাড়া করছে। এদিন সুস্থ হয়েছেন ৮,৬৮৭ জন। গতকাল সংখ্য়াটা ছিল ৮,১৩৯। কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্যাও অল্প বেড়েছে।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ৬,৮৬৭উত্তর ২৪ পরগনা ৪,০১৮দক্ষিণ ২৪ পরগনা ১,৫৩৩হাওড়া ১,২২৩পশ্চিম বর্ধমান ৯৩৭পূর্ব বর্ধমান ৭৬৭হুগলি ১,৩৯৪বীরভূম ৯৮৪নদিয়া ৮১৬মালদা ৬৪৮মুর্শিদাবাদ ৩৯০পশ্চিম মেদিনীপুর ৪৭৯পূর্ব মেদিনীপুর ২৪৬পুরুলিয়া ২২৬দার্জিলিং ৫৯৬বাঁকুড়া ৩৬৫জলপাইগুড়ি ২১৬উত্তর দিনাজপুর ২২১দক্ষিণ দিনাজপুর ২০২ঝাড়গ্রাম ২০১কোচবিহার ১২৪আলিপুরদুয়ার ১১২কালিম্পং ৮০

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

এবার বায়োপিকে কপিল শর্মা

বলিউডে বর্তমানে টেলিভিশনে কমেডি বলতে যে নামটা আসে সেটা হল কপিল শর্মার দ্য কপিল শর্মা শো। যে শো বেশ কয়েকবছর ধরে দর্শকদের অন্যতম প্রিয় শো হিসাবে পরিচিত।তারকাদের নিয়ে এসে তাদের মজার মজার প্রশ্ন করা সেটে থাকা এবং টিভির পর্দায় চোখ রাখা সব দর্শকদেরই মুগ্ধ করে।এবার তাঁর জীবনের অজানা গল্প নিয়ে ছবি বানাতে চলেছেন ফুকরে ছবির পরিচালক মৃগদীপ সিংহ লাম্বা। প্রযোজনায় মহাবীর জৈন। লাইকা প্রো়ডাকশন ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় কৌতুকশিল্পীর জীবনকাহিনি ফানকার ছবির মাধ্যমে বড়পর্দায় নিয়ে আসছে। তবে মূল চরিত্রে কে অভিনয় করবেন সেটা জানা যায়নি।BIOPIC ON KAPIL SHARMA: FUKREY DIRECTOR TO DIRECT... A biopic on #KapilSharma has been announced... Titled #Funkaar... #MrighdeepSinghLamba - director of #Fukrey franchise - will direct... Produced by #MahaveerJain [#LycaProductions]... #Subaskaran presents. #KapilSharmaBiopic pic.twitter.com/7LxhfKt4r6 taran adarsh (@taran_adarsh) January 14, 2022প্রযোজক জানিয়েছেন, গোটা দেশের মানুষকে অবিরাম হাসির খোরাক জুগিয়ে দেন কপিল। আমাদের প্রত্যেকের জীবনেই ভালবাসা, আনন্দ, হাসির প্রয়োজন। যে মানুষ সেই দায়িত্ব নিয়েছেন, তাঁর জীবনের গল্প বড় পর্দায় নিয়ে আসতে চেয়েছি আমরা। এই ছবির পাশাপাশি মুক্তি পাচ্ছে কপিল শর্মা: আই অ্যাম নট ডান ইয়েট। কপিলের স্ট্যান্ড আপ হিসেবে তৈরি হয়েছে এই বিশেষ পর্ব। আগামী ২৮ তারিখ মুক্তি পাবে নেটফ্লিক্সে।এই বিশেষ পর্বের কথা ঘোষণা করে একটি বিবৃতিতে নেটফ্লিক্স জানিয়েছে, অমৃতসরের গলি থেকে মুম্বইয়ের সেট পর্যন্ত কপিল শর্মা আমাদের বিনোদনের রসদ জুগিয়ে যাচ্ছেন। এখনও চলছে তাঁর এই সফর। আপনাদের আরও হাসাতে আসছেন কপিল শর্মা।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ইতিহাস তৈরি করতে ব্যর্থ কোহলিরা, ভারত নেমে গেল পাঁচে

পটভূমি তৈরি হয়েও ইতিহাস সৃষ্টি হল না। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে সিরিজ জয় অধরাই থেকে গেল ভারতের কাছে। কেপ টাউনে তৃতীয় টেস্টে ৭ উইকেটে দুরন্ত জয় ছিনিয়ে নিল দক্ষিণ আফ্রিকা। সেঞ্চুরিয়নে প্রথম টেস্ট হেরে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন জোহানেসবার্গে। আর কেপ টাউনে এসে সিরিজ জয়। ২০১৮ সালের পুনরাবৃত্তি ৪ বছর পরেও।আরও পড়ুনঃ এবার পাড়ায় সমাধান-এর প্রতিশ্রুতি তৃণমূলেরতৃতীয় দিন ঋষভ পন্থের দুরন্ত সেঞ্চুরি আশা জাগিয়েছিল ভারতীয় শিবিরে। কিন্তু দিনের শেষ বেলায় এলগার, পিটারসেনদের ব্যাটিংয়ে অ্যাডভান্টেজ পজিশনে চলে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। বিশেষজ্ঞরা পর্যন্ত মনে করছিলেন কেপ টাউনে চতুর্থ ইনিংসে ২১২ রান তাড়া করা যথেষ্ট কঠিন হবে। পরিসংখ্যানও সেই ইঙ্গিত দিচ্ছিল। বিশেষজ্ঞদের ভবিষ্যতবানীকে বুড়ো আঙুল দেখালেন প্রোটিয়া ব্যাটাররা। এর আগে ওয়ান্ডারার্সে যত টেস্ট হয়েছে, ২০০ রান তাড়া করে মাত্র তিনটি টেস্টে জয় এসেছে। ৬টি ড্র। আর ১৪ বার পরাজয় স্বীকার করতে হয়েছে রান তাড়া করা দলকে।আরও পড়ুনঃ কোভিড পরীক্ষা নিয়ে নয়া নির্দেশিকা জারি রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরেরজয়ের জন্য ২১২ রান তাড়া করতে নেমে তৃতীয় দিনের শেষে দক্ষিণ আফ্রিকার রান ছিল ১০১/২। শেষ দিনে জয়ের জন্য দরকার ছিল ১১১ রান। চতুর্থ দিন শুরু থেকেই দুরন্ত ছন্দে ব্যাট করতে থাকেন কিগান পিটারসেন ও ভ্যান ডার ডুসেন। তৃতীয় উইকেটের জুটিতে ৫৪ রান তুলে ভারতকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেন দুজনে। ৫৯ রানের মাথায় বুমরার বলে স্লিপে পিটারসেনের ক্যাচ ফেলেন চেতেশ্বর পুজারা। শেষ পর্যন্ত ৮২ রান করে শার্দূল ঠাকুরের বল ব্যাটের কানায় লাগিয়ে বোল্ড হন পিটারসেন। দক্ষিণ আফ্রিকার রান তখন ১৫৫। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির সময় প্রোটিয়াদের রান ছিল ১৭১/৩। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির কিছুক্ষণ পরই ৬৩.৩ ওভারে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা (২১২/৩)। ৯৫ বলে ৪১ রান করে অপরাজিত থাকেন ভ্যান ডার ডুসেন। তেম্বা বাভুমা ৫৮ বলে ৩২ রান করে অপরাজিত থাকেন। ভারতের হয়ে বুমরা, সামি ও শার্দূল ১টি করে উইকেট নেন।আরও পড়ুনঃ কুঁড়ে ঘরের খুদে শিল্পীর মায়াবী গানের সুরের জাদুতে মুগ্ধ সংগীতপ্রেমীরাভারতের এই পরাজয়ের ফলে ফিরে এল ২০০৭ সালের স্মৃতি। সেই বছর রাহুল দ্রাবিড়ের নেতৃত্বে ভারত সিরিজে এগিয়ে গিয়েও ২১ ব্যবধানে সিরিজ হেরেছিল। কেপ টাউন টেস্টে ভারতকে ৪ দিনে হারিয়ে আইসিসির বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে পয়েন্ট তালিকায় ৪ নম্বরে উঠে এল দক্ষিণ আফ্রিকা। ভারত নেমে গেল পাঁচ নম্বরে।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
রাজ্য

এবার ‘পাড়ায় সমাধান’-এর প্রতিশ্রুতি তৃণমূলের

আসন্ন পুরনির্বাচনে ইস্তাহারের বদলে উন্নয়নের রূপরেখা প্রকাশ করল তৃণমূল। যার মূল লক্ষ্যই হল সরকারি পরিষেবাকে আরও নাগরিকমুখী করা। শুক্রবার বিধানগর, শিলিগুড়ি ও চন্দননগর এই তিন জায়গার ইস্তাহার একই সময় প্রকাশে করেছে তৃণমূল। শিলিগুড়িতে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল নেতা গৌতম দেব। অন্যদিকে চন্দননগরে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল রায়, বিধাননগরে দলের ইস্তাহার প্রকাশে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ সৌগত রায় এবং দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু, বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ।কলকাতার মতো নাগরিক সমস্যার দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে তিন পুরসভাতেই চালু করা হবে পাড়ায় সমাধান নামে বিশেষ অ্যাপ। এই অ্যাপের মাধ্যমে রাস্তা থেকে জলনিকাশি যে কোনও সমস্যার ছবি ও তথ্য জিওট্যাগ-সহ আপলোড করা যাবে। ইস্তাহারে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে ১৪ দিনের মধ্যে সমস্যার সমাধান করা হবে।জল নিকাশি ও অন্যান্য পরিষেবায় জোর দেওয়ার পাশাপাশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এলাকার পযর্টন ক্ষেত্রের উন্নয়নেও। এ দিন বিধাননগরে সংবাদিক বৈঠকে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, দলের কেউ যদি ভোট বানচালের চেষ্টা করে তবে তার বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
রাজ্য

কুঁড়ে ঘরের খুদে শিল্পীর মায়াবী গানের সুরের জাদুতে মুগ্ধ সংগীতপ্রেমীরা

চারপাশে সবুজে ভরা ক্ষেত। তারাই মাঝে কোনওরকমে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে ভাঙা ফুটো একচিলতে কুঁড়ে ঘর। প্রতিদিন সকাল সন্ধ্যে সেই কুঁড়ে ঘর থেকে ভেসে আসে শিশু পুত্র অভিষেক সানার মায়াবী কন্ঠে ভরা লোক গানের সুর। নিথুর প্রেম ভিখারি করেছে মোরে। মা হারানো অভিষেকের গাওয়া এই গানের সুর মূর্ছনাতেই মোহিত পূর্ব বর্ধমানের বড়শুলের আট থেকে আশি সকলে। মায়াবী কন্ঠে ভরা গানের জাদুতেই একরত্তি ছেলে অভিষেক গ্রামের সকলের মনের মনিকোঠায় স্থান করে নিয়েছে। বড়শুলের সকল বাসিন্দাই মনেপ্রাণে চান দিন দরিদ্র পরিবারের ছেলে অভিষেক বড় হয়ে নামজাদা বাউল কিংবা লোকগানের শিল্পী হোক। অভিষেকও সেই স্বপ্নকে আঁকড়েই নিজেদের কুঁড়ে ঘরে নিত্যদিন রেওয়াজ চালিয়ে যাচ্ছে।আরও পড়ুনঃ পুরভোট বন্ধ নিয়ে সরাসরি রায় নয় হাইকোর্টের, নির্বাচন পিছানোর সিদ্ধান্ত বর্তাল কমিশনের ওপরবর্ধমান সদর ২ ব্লকের বড়শুল ২ পঞ্চায়েতের প্রত্যন্ত গ্রাম বালিমাঠ। এই গ্রামের চারপাশে থাকা চাষের জমির মাঝেই রয়েছে ছিটেবেড়া আর খড়ের চালার তৈরি অভিষেকদের কুঁড়ে ঘরটি। নিজভূমি নিজগৃহ প্রকল্পে পাওয়া জায়গায় গড়ে তোলা ভাঙা ফুটো সেই ঘরেই ৯ বছর বয়সী অভিষেক ও তাঁর ছোট ভাই সহ বাবা, বৃদ্ধা ঠাকুমা ও পিসি বসবাস করেন। জায়গা মিললেও এখনও পাকা বাড়ি তাঁদের মেলেনি। অভিষেকের যখন ৪ বছর বয়স তখন তাঁকে ও তাঁর ছোটভাই কৌস্তভ কে বাড়িতে ফেলে রেখে গায়েব হয়েযান মা ভারতীদেবী। অভিষেকের বাবা তারকচন্দ্র সানা বালি খাদানে শ্রমিকের কাজ করে যৎসামান্য যা রোজগার করেন তা দিয়েই তাঁদের দিন গুজরান হয়। অভিষেক বড়শুল নিম্নবুনিয়াদি বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র। তাঁর ভাই কৌস্তভ একই বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণীর পড়ুয়া। বাড়িতে বিদ্যুতের বাতির আলোয় পড়াশুনা করার সৌভাগ্যও এখনও তাঁদের হয়নি। সন্ধ্যা নামলেই লম্ফ অথবা হারিকেনের আলোই ভরসা অভিষেকদের। তবে কষ্টের সংসারে অভিষেকই গানের সুরে সবার মন ভুলিয়ে রেখেছে।তারকচন্দ্র সানা জানিয়েছেন, তিনি গান-বাজনা ভালোবাসেন। বাউল ও লোকগান শোনার টানে আগে তিনি বীরভূমে জয়দেবের মেলায় যেতেন। তখন ছোট্ট অভিষেককেও সঙ্গে নিয়ে যেতেন। জয়দেব মেলায় হাজির হওয়া বাউল ও লোকগানের শিল্পীদের গাওয়া গান শুনে অভিষেকেরও গান গাওয়ার প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। প্রথমদিকে সে বাড়িতেই গুনগুন সুরে গান গাইতো। তা দেখে অভিষেককে একটা হারমোনিয়াম কিনে দেয় ওর মামারা। হারমোনিয়াম পাওয়ার পর প্রথম প্রথম অভিষেক নিজেই হারমোনিয়াম বাজিয়ে গান করতো। বছর দুই হল বড়শুল নিবাসী মঙ্গল কালিন্দী কোনও পারিশ্রমিক না নিয়ে গান শেখাচ্ছেন অভিষেককে। মঙ্গলবাবু নিজেই গান লিখে গানের সুর দেন। সেই গানই এখন গেয়ে অভিষেক বড়শুলবাসীর মন জয় করে নিয়েছে। পাশাপাশি অভিষেক তাঁর নিজের ছোট ভাই কৌস্তবকেও একটু একটু করে গানের তালিম দিচ্ছে।আরও পড়ুনঃ যন্ত্রের যুগেও গ্রাম বাংলায় পৌষ পার্বণের পিঠে-পুলি তৈরিতে আজও অনবদ্য ঢেঁকিখুদে শিল্পী অভিষেক জানিয়েছে, বাবার হাত ধরে সে জয়দেবের মেলায় যেত। সেখানে বাউল ও লোকগানের শিল্পীদের গাওয়া গান শুনেই সে গান গাওয়ার ব্যপারে অনুপ্রাণিত হয়। অভিষেক এও জানায়, বাউল ও লোকগান শেখার প্রতিই তাঁর টান বেশী। বড় হয়ে স্বনামধন্য বাউল গানের শিল্পী হতে চায় বলে অভিষেক। মঙ্গল কালিন্দী বলেন, তাঁর ছাত্র অভিষেকের প্রতিভা রয়েছে। গান গেয়ে এত ছোট বয়সে ও যে ভাবে সবার মন জয় করে নিয়েছে সেটাই সবথেকে গৌরবের বলে মঙ্গলবাবু দাবি করেছেন। এলাকার বাসিন্দা নয়ন মণ্ডল বলেন, মায়াবী কন্ঠে ছোট্ট অভিষেকের গাওয়া গান তাঁদের মুগ্ধ করে।আরও পড়ুনঃ বেসরকারি বাসপরিবহণ শিল্পে তীব্র সংকট, সরকারি সাহায্য জরুরিঅভিষেকের গাওয়া গানের সুর মর্ছনাতেই এখন মোহিত বড়শুলবাসী। দূর দূরান্তের সংগীত প্রেমীরাও অভিষেকের কন্ঠে গান শুনতে এখন তাদের কুঁড়ে ঘরে হাজির হচ্ছে। বর্ধমান ২ ব্লকের বিডিও সুবর্ণা মজুমদার ও ছোট্ট অভিষেকের গাওয়া গান শুনে মুগ্ধ। জানা গিয়েছে, তিনি অভিষেক ও তাঁর পরিবারকে সহায়তা প্রদানের ব্যাপারে উদ্যোগী হয়েছেন। অভিষেকের প্রতিভার কথা শুনে যারপরনায় মুগ্ধ বিশিষ্ঠ বাউল গান শিল্পী তথা অমৃত বাউল লোকগান প্রসার সমিতির রাজ্য সম্পাদক মণিমোহন দাস। তিনি জানিয়েছেন, অভিষেকের বাবা চাইলে তিনি সহ তাঁদের সংগঠনের অন্য শিল্পীরাও বিনা পারিশ্রমিকে অভিষেককে গান শেখাতে রাজি রয়েছেন। তবে অভিষেকের বাড়ি গিয়ে হয়তো গান শেখানো সম্ভব হবে না।অমৃত বাউল লোকগান প্রসার সমিতির আখড়ায় এসে অভিষেককে গান শিখতে হবে। অভিষেককে দিয়ে বড় মঞ্চে গান গাওয়ানোর ব্যাপারেও প্রয়োজনে উদ্যোগ নেবেন বলে মনিমোহন দাস জানিয়েছেন।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
রাজ্য

পুরভোট বন্ধ নিয়ে সরাসরি রায় নয় হাইকোর্টের, নির্বাচন পিছানোর সিদ্ধান্ত বর্তাল কমিশনের ওপর

টানা তিন দিন করোনা সংক্রমণ বেড়েছে রাজ্যে। অ্যাক্টিভ করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এরইমধ্যে ব্যক্তিগত মন্তব্যে ভোট এখন বন্ধ রাখা উচিত বলেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি পুরনির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার দাবি করে আসছে। আদালতে ভোট পিছিয়ে দেওয়া নিয়ে মামলা চলছে। সেই মামলায় এদিন কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে করোনা আবহে পুরভোট ৪-৬ সপ্তাহ পিছিয়ে দেওয়া যায় কিনা সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে নির্দেশ দিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত আগামি ৪৮ ঘন্টার মধ্যে জানাতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।আরও পড়ুনঃ বেসরকারি বাসপরিবহণ শিল্পে তীব্র সংকট, সরকারি সাহায্য জরুরিবাংলায় গড়ে ২০ হাজারের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। তৃতীয় ঢেউ নাজেহাল পরিস্থিতি রাজ্যের। ২২ জানুয়ারি বিধাননগর, আসানসোল, চন্দননগর ও শিলিগুড়িতে পুরভোট চার কেন্দ্রেই করোনা বিধি মেনে প্রচারের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। প্রচারে করোনা বিধি না মানা নিয়ে প্রতিদিনই নানা অভিযোগ উঠছে প্রার্থীদের বিরুদ্ধে। এক্ষেত্রে ডান-বাম কোনও প্রার্থী বাদ যাচ্ছে না। পুলিশ অতি তৎপর বলেও বিরোধীরা অভিযোগ তুলছে। এই পরিস্থিতিতে পুরভোট পিছিয়ে দেওয়া যায় কিনা তা জানাতে কমিশনকে নির্দেশ দিল হাইকোর্টয়।আরও পড়ুনঃ কুয়াশার মধ্যেই চলছে উদ্ধারকাজ, ময়নাগুড়ি পৌঁছলেন রেলমন্ত্রী, জন বার্লাআদালতের বক্তব্য, করোনা আবহে পুরভোট কি ৪-৬ সপ্তাহ পিছিয়ে যায় কি? ভোট পিছনোর ক্ষমতা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের। এই সিদ্ধান্ত কমিশনকে নিতে হবে। সিদ্ধান্ত জানাতে আদালত ৪৮ ঘন্টা সময় দিয়েছে কমিশনকে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, নির্বাচন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় দুটি বিষয় চিন্তা করতে হবে কমিশনকে। এই অবস্থায় ভোট হলে কি মানুষের স্বার্থ রক্ষিত হবে? তাছাড়া আদৌ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনা করা এই পরিস্থিতিতে সম্ভব? রাজনৈতিক দল থেকে বিভিন্ন মহল পুরভোট পিছনোর দাবি জানিয়ে আসছে। সরাসরি ভোট বন্ধ করার রায় না দিলেও এবার হাইকোর্ট তাতে সায় দিল। শুধু সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব বর্তেছে নির্বাচন কমিশনের ওপর।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
কলকাতা

মেট্রোয় মরণঝাঁপ, ব্যাহত পরিষেবা

সাতসকালেই মরণঝাঁপ মেট্রোয়। এদিন সকালে এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশনে এক ব্যক্তি রেললাইনে ঝাঁপ দেন। এরপরই বন্ধ করে দেওয়া হয় মেট্রো চলাচল। ইতিমধ্যেই মেডিক্যাল টিম এসে পৌঁছেছে। তারা দেহটি উদ্ধার করার কাজ চালাচ্ছেন। সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ ধীরে ধীরে সচল হতে শুরু করে মেট্রো চলাচল।মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকাল ৭টা ৪৫ মিনিট নাগাদ এক ব্যক্তি আচমকাই মেট্রো লাইনে ঝাঁপ দেন। দূর থেকে মেট্রো আসতে দেখেই তিনি ঝাঁপ দেন বলে জানা গিয়েছে। মনে করা হচ্ছে, বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। মৃত ব্যক্তির পরিচয় এখনও জানা না গেলেও, তাঁর বয়স আনুমানিক ৪০-৪৫ বছর বলে মনে করা হচ্ছে। ওই ব্যক্তির কাছে একটি ব্যাগ থাকলেও, তা খুঁজে কোনও পরিচয় জানা যায়নি। পুলিশি তদন্তের পরই মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষের তরফে এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল (Horoscope 14th January 2022): কর্কটের মানসিক শান্তি, ধনুর আগুনে বিপদ

মেষ/ARIES: বঞ্চনায় হতাশা আসতে পারে।বৃষ/TAURUS: গবেষণায় বিঘ্ন ঘটতে পারে।মিথুন/GEMINI: প্রতারিত হতে পারেন।কর্কট/CANCER: মানসিক শান্তি পেতে পারেন।সিংহ/LEO: প্রলোভনে ক্ষতি হতে পারে।কন্যা/VIRGO: দ্বি-মুখী আয় হতে পারে।তুলা/ LIBRA: আশাতীত লাভ হতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: মনোমালিন্য হতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: আগুন থেকে বিপদ হতে পারে।মকর/CAPRICORN: আঘাত পেতে পারেন।কুম্ভ/AQUARIUS: ব্যবসায় সাফল্য আসতে পারে।মীন/ PISCES: নৈতিক জয় হতে পারে।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে ফের বাড়ল করোনা সংক্রমণ, বৃদ্ধি পেল পজিটিভিটি রেটও

রাজ্যে বেড়ে চলেছে করোনা সংক্রমণের হার। টানা তিন দিন বাড়ল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। সংক্রমিতের সংখ্যা পেরিয়ে গেল ২৩ হাজার। বাড়ল পজিটিভিটি রেট, এদিন মৃত্যুর সংখ্যাও বেড়েছে। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২৩,৪৬৭। এদিন পজিটিভিটি রেট বেড়ে হয়েছে ৩২.১৩। গতকাল এই রেট ছিল ৩০.৮৬ শতাংশ। গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ২৬ জনের। গতকাল এই সংখ্যা ছিল ২২।পিজিটিভি রেট বৃদ্ধি চিন্তায় রাখলো বাংলাকে। মঙ্গলবার পজিটিভিটি রেট ছিল ৩২.৩৫ শতাংশ। গতকাল এই হার কিছুটা কমেছিল। এদিন তা বেড়ে যাওয়ায় ফের রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। একদিনে সুস্থ হয়েছেন ৮,১৩৯জন। কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্যাও কিছুটা কমেছে। বেড়েছে অন্য কয়েকটি জেলায়। এদিন পর্যন্ত মোট হোম আইসোলেশনে আছেন ১,২৭,৭৮৯জন। হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৩৫২৫। ২৩৯ জন আছেন সেফ হোমে।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ৬,৭৬৮উত্তর ২৪ পরগনা ৪,৭২৮হাওড়া ১,২৮৯পশ্চিম বর্ধমান ১,২৬১হুগলি ১,৩৩৫দক্ষিণ ২৪ পরগনা ১,৩৪৯বীরভূম ৮৯৫পূর্ব বর্ধমান ৮৬১নদিয়া ৭০৮মালদা ৫৪৮মুর্শিদাবাদ ৫৭৬পশ্চিম মেদিনীপুর ৫৯০পুরুলিয়া ২৭২দার্জিলিং ৪৬২বাঁকুড়া ৪৪২জলপাইগুড়ি ২৪৮উত্তর দিনাজপুর ২৩৬পূর্ব মেদিনীপুর ৩০০ঝাড়গ্রাম ১১৫দক্ষিণ দিনাজপুর ২৬৭কোচবিহার ১২৮আলিপুরদুয়ার ৭৬কালিম্পং ১৩

জানুয়ারি ১৩, ২০২২
দেশ

ময়নাগুড়িতে দুর্ঘটনার জেরে বাতিল বেশ কিছু ট্রেন, জেনে নিন সেই সব ট্রেনের তালিকা

ময়নাগুড়িতে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনার জেরে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু ট্রেন বাতিল হওয়ার পাশাপাশি প্রচুর ট্রেনের রুট বদল হয়েছে। একনজরে দেখে নেওয়া যাক বাতিল ও রুট বদল ট্রেনের তালিকা।বাতিল করা হয়েছে১. 13147 শিয়ালদহ-বামন হাট উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেস। বামন হাট অবধি যাওয়ার কথা থাকলেও এই ট্রেন নিউ জলপাইগুড়ি অবধি যাবে২. 13148 বামন হাট-শিয়ালদহ উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেস। এই ট্রেন বামন হাটের পরিবর্তে নিউ জলপাইগুড়ি রেলওয়ে স্টেশন থেকে ছাড়বে।রুট বদল করা হয়েছে১. 12346 গুয়াহাটি-হাওড়া সরাইঘাট এক্সপ্রেস নিউ কোচবিহার- মাথাভাঙ্গা- রানীনগর- জলপাইগুড়ি হয়ে চলবে।২. 13171 শিয়ালদহ আগরতলা কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস নিউ জলপাইগুড়ি- শিলিগুড়ি জংশন- নিউ মাল জংশন- আলিপুরদুয়ার জংশন- শামুকতলা হয়ে চলবে।৩. 12507 ত্রিবান্দ্রাম সেন্ট্রাল শিলচর এক্সপ্রেস রানীনগর- জলপাইগুড়ি- মাথাভাঙা- নিউ কোচবিহার হয়ে চলবে।৪. 12505 কামাখ্যা- আনন্দ বিহার স্পেশ্যাল ট্রেন নিউ কোচবিহার- মাথাভাঙা- রানীনগর জংশন হয়ে চলবে।৫. 15632 গুয়াহাটি- বার্মার স্পেশ্যাল ট্রেন নিউ কোচবিহার- মাথাভাঙা- রানীনগর জংশন হয়ে চলবে।৬. 20502 তেজস রাজধানী এক্সপ্রেস নিউ জলপাইগুড়ি- শিলিগুড়ি- নিউ মাল জংশন- আলিপুরদুয়ার জংশন হয়ে চলবে।৭. 15910 অবদ অসম এক্সপ্রেস নিউ জলপাইগুড়ি- শিলিগুড়ি জংশন- নিউ মাল জংশন- আলিপুরদুয়ার জংশন হয়ে চলবে।৮. 22450 নয়াদিল্লি- গুয়াহাটি এক্সপ্রেস ঘুর পথে চলবে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মান বাঁচালেন ঋষভ, উত্তেজক পরিসমাপ্তির দিকে তৃতীয় টেস্ট

দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে কেপ টাউনে কি আদৌও ইতিহাস তৈরি করতে পারবে ভারত? তবে দুই দেশের তৃতীয় টেস্ট যে উত্তেজক পরিসমাপ্তির দিকে এগোচ্ছে, সেকথা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়। জয়ের জন্য ২১২ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় দিনের শেষে দক্ষিণ আফ্রিকা তুলেছে ১০১/২। জয়ের জন্য প্রয়োজন আরও ১১১ রান। আর ইতিহাস তৈরি করতে গেলে ভারতকে তুলতে হবে ৮ উইকেট। পেন্ডুলামের মতো দুলছে ম্যাচের ভাগ্য। তৃতীয় টেস্টে ভারতকে লড়াইয়ে ফেরানোর কৃতিত্ব দাবি করতেই পারেন ঋষভ পন্থ। জোহানেসবার্গে তাঁর আউট হওয়ার ধরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। অনেক সমালোচনা হজম করতে হয়েছিল ঋষভকে। এদিন দায়িত্বশীল ব্যাটিং। ১৩৯ বলে অপরাজিত ১০০ রানের ইনিংস খেলে দলকে লড়াইয়ের প্ল্যাটফর্ম এনে দেন ভারতের এই উইকেটকিপারব্যাটার। দ্বিতীয় ইনিংসে ভারতের সংগ্রহ ১৯৮। তার মধ্যে ঋষভের একারই ১০০। বাকি ৯ ব্যাটার মিলে তোলেন ৭০। শ্রীযুক্ত অতিরিক্তর দৌলতে আসে ২৮। তিনিই ভারতীয় ইনিংসের তৃতীয় সর্বোচ্চ স্কোরার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোরার অধিনায়ক বিরাট কোহলি। ১৪৩ বল খেলে তিনি করেন ২৯। আগের দিনের ৫৭/২ রান হাতে নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে ভারত। দিনের দ্বিতীয় ওভারেই জানসেনের বলে ফিরে যান পুজারা (৯)। পরের ওভারেই রাবাডা তুলে নেন রাহানেকে (১)। এরপর ভারতকে টেনে নিয়ে যান বিরাট কোহলি ও ঋষভ পন্থ। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির সময় ভারতের রান ছিল ১৩০/৪। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির কিছুক্ষণ পর কোহলি (২৯) আউট হতেই ধস নামে ভারতীয় শিবিরে। একের পর এক উইকেট পড়তে থাকলেও দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান ঋষভ। টেল এন্ডারদের সঙ্গে নিয়ে তিনি সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। শেষ পর্যন্ত ১৯৮ রানে গুটিয়ে যায় ভারতের ইনিংস। মার্কো জানসেন ৩৬ রানে ৪টি, রাবাডা ৫৩ রানে ও এনগিডি ৩৩ রানে ৩ টি করে উইকেট নেন। দুই ইনিংস মিলিয়ে ভারত এগিয়ে যায় ২১১ রানে। জয়ের জন্য ২১২ রানে লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে অষ্টম ওভারেই ধাক্কা খায় দক্ষিণ আফ্রিকা। এইডেন মার্করামকে (১৬) তুলে নেন মহম্মদ সামি। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকাকে টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক ডিন এলগার ও কিগান পিটারসেন। দুজনে মিলে ৭৮ রানের পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন। এলগারকে (৩০) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন বুমরা। এলগার আউট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দিনের খেলার পরিসমাপ্তি ঘটে। কিগান পিটারসেন ৪৮ রান করে ক্রিজে রয়েছেন।

জানুয়ারি ১৩, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 63
  • 64
  • 65
  • 66
  • 67
  • 68
  • 69
  • ...
  • 139
  • 140
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে ইরানের সঙ্গে চরম অপমান! ম্যাচ খেলেই দেশছাড়া, ক্ষোভে ফুঁসছে ফুটবল দুনিয়া

বিশ্বকাপ খেলতে এসে একের পর এক সমস্যার মুখে পড়ছে ইরান ফুটবল দল। দীর্ঘ যাত্রা, পর্যাপ্ত বিশ্রামের অভাব এবং ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই দেশ ছাড়ার নির্দেশ সব মিলিয়ে চরম ক্ষোভ তৈরি হয়েছে ইরান শিবিরে। ইরান ফুটবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক হেদায়াত মোম্বেইনি এই পরিস্থিতিকে ফুটবল ইতিহাসের একটি অন্ধকার অধ্যায় বলে মন্তব্য করেছেন।বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করার পরও স্বস্তি মেলেনি মেহদি তারেমিদের। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচ শেষ হতেই দলকে আমেরিকা ছেড়ে মেক্সিকোয় ফিরে যেতে হয়েছে। জানা গিয়েছে, ইরানি ফুটবলারদের জন্য শুধুমাত্র ম্যাচের সময়সীমা অনুযায়ী ভিসা অনুমোদন করা হয়েছে। ফলে দলের সদস্যদের বারবার যাতায়াত করতে হচ্ছে, যা প্রস্তুতিতে বড় প্রভাব ফেলছে।ইরানের কোচ আমির ঘালেনোইও এই পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে ইরানের সঙ্গে অন্যায্য আচরণ করা হচ্ছে। এমন অবস্থায় ফুটবলারদের মানসিক ও শারীরিকভাবে প্রস্তুত রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে।এই ঘটনার প্রতিবাদে ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানাতে চলেছে ইরান ফুটবল ফেডারেশন। হেদায়াত মোম্বেইনি বলেন, আগে যে নিয়ম জানানো হয়েছিল, শেষ মুহূর্তে তা বদলে দেওয়া হয়েছে। এতে শুধু ইরান নয়, গোটা প্রতিযোগিতার ভাবমূর্তিই প্রশ্নের মুখে পড়ছে। তাঁর দাবি, ভবিষ্যতে বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই ঘটনাকে একটি বিতর্কিত অধ্যায় হিসেবেই মনে রাখা হবে।উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘ রাজনৈতিক উত্তেজনা চলেছে। সেই প্রভাবই বিশ্বকাপেও পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ইরানের অনেক কর্মকর্তা ভিসা পাননি। এমনকি বহু সমর্থক টিকিট থাকা সত্ত্বেও আমেরিকায় প্রবেশের অনুমতি পাননি বলে অভিযোগ।এদিকে আগামী ২২ জুন শক্তিশালী বেলজিয়ামের মুখোমুখি হবে ইরান। নকআউট পর্বে যাওয়ার আশা বাঁচিয়ে রাখতে এই ম্যাচে ভালো ফল করতেই হবে তারেমিদের। তবে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি মাঠের বাইরের প্রতিকূলতার সঙ্গেও সমান তালে লড়তে হচ্ছে ইরানকে।

জুন ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

‘আমি স্পেনের ফুটবলার!’ বারবার বলেও লাভ হল না, নিরাপত্তারক্ষীদের কাছে অপমানিত তারকা

বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে অদ্ভুত এক ঘটনার মুখে পড়লেন স্পেনের তারকা ফুটবলার বোরহা ইগলেসিয়াস। নিজের দলের হোটেলে ফিরেও প্রবেশ করতে না পেরে বেশ কিছুক্ষণ সমস্যায় পড়তে হয় তাঁকে। ঘটনাটি ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্র করার পর ফুটবলারদের একদিনের ছুটি দিয়েছিলেন স্পেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। সৌদি আরবের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে খেলোয়াড়দের মানসিকভাবে সতেজ রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।ছুটির দিনে স্ত্রী মারিয়া ভালেরোকে নিয়ে শহর ঘুরতে বেরিয়েছিলেন ইগলেসিয়াস। পরে হোটেলে ফিরতেই ঘটে বিপত্তি। হোটেলের নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁকে চিনতে পারেননি। ফলে টিম হোটেলের দরজার সামনেই আটকে দেওয়া হয় স্পেনের এই তারকা স্ট্রাইকারকে।পরিস্থিতি সামাল দিতে ইগলেসিয়াস বারবার বোঝানোর চেষ্টা করেন যে তিনি স্পেনের জাতীয় দলের ফুটবলার। কিন্তু নিরাপত্তারক্ষীরা পরিচয়পত্র এবং অনুমতির প্রমাণ চাইতে থাকেন। এমনকি তাঁকে নিজের নামও বলতে হয়। তবুও প্রথমে তাঁরা নিশ্চিত হতে পারেননি।ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজন স্প্যানিশ সমর্থক ও সাংবাদিকও নিরাপত্তারক্ষীদের বোঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতির তেমন পরিবর্তন হয়নি। পরে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন ইগলেসিয়াস। কিছুক্ষণের মধ্যেই দলের প্রতিনিধিরা এসে বিষয়টি মিটিয়ে দেন এবং তিনি হোটেলে প্রবেশ করতে সক্ষম হন।এই ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল যখন স্পেনের সামনে রয়েছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে জয় না পাওয়ায় পরের পর্বে ওঠার লড়াই আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। তাই সৌদি আরবের বিরুদ্ধে পূর্ণ তিন পয়েন্ট অর্জন করাই এখন স্পেনের প্রধান লক্ষ্য।তবে মাঠের বাইরের এই ঘটনাই এখন সবচেয়ে বেশি চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ফুটবল দলের এক তারকা ফুটবলারকে নিজের হোটেলের দরজায় দাঁড়িয়ে পরিচয় প্রমাণ করতে হওয়ায় বিস্মিত ফুটবলপ্রেমীরা।

জুন ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হারলেই মৃত্যু! বিশ্বকাপে প্রাণ বাঁচাতে মাঠে নেমেছিলেন কঙ্গোর ফুটবলাররা

পর্তুগালকে প্রথম ম্যাচে আটকে দিয়ে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বড় চমকের জন্ম দিয়েছে কঙ্গো। আফ্রিকার দেশটি দীর্ঘ ৫২ বছর পর আবার বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলছে। অনেকেই ভেবেছিলেন তারকাখচিত পর্তুগালের সামনে কঙ্গো টিকতেই পারবে না। কিন্তু মাঠে নেমে দুর্দান্ত লড়াই করে তারা সবাইকে অবাক করে দিয়েছে।তবে কঙ্গোর ফুটবল ইতিহাসে এমন একটি অধ্যায় রয়েছে, যা আজও শুনলে গা শিউরে ওঠে। সেই ঘটনা ১৯৭৪ সালের বিশ্বকাপের। তখন দেশের নাম ছিল জাইরে। প্রথমবার বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছিল দেশটি। সেই সময় দেশের শাসক ছিলেন একনায়ক মোবুতু সেসে সেকো। দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ফুটবলকে জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন তিনি।বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডের কাছে হারের পরই ফুটবলারদের বেতন বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ফুটবলাররা পরবর্তী ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু রাষ্ট্রপ্রধানের চাপে শেষ পর্যন্ত মাঠে নামতে বাধ্য হন তাঁরা। দ্বিতীয় ম্যাচে যুগোস্লাভিয়ার কাছে ৯-০ গোলে হারতে হয় দলকে।এরপর ড্রেসিংরুমে গিয়ে এক ভয়ঙ্কর হুমকি দেন মোবুতু। তিনি জানিয়ে দেন, পরের ম্যাচে যদি দল তিন গোলের বেশি ব্যবধানে হারে, তাহলে ফুটবলারদের দেশে ফিরতে দেওয়া হবে না। এই হুমকির পর ব্রাজিলের বিরুদ্ধে মাঠে নামে জাইরে।ম্যাচ চলাকালীন প্রতিটি মুহূর্তে ভয় কাজ করছিল ফুটবলারদের মধ্যে। তাঁদের কাছে ম্যাচটি শুধু ফুটবল ছিল না, ছিল বেঁচে থাকার লড়াই। শেষ পর্যন্ত ব্রাজিল ৩-০ ব্যবধানে জেতে। ফলে কোনওভাবে রক্ষা পায় দল।বহু বছর পরে দলের ডিফেন্ডার এম্পেউ ইলুঙ্গা জানান, ব্রাজিল একটি ফ্রি-কিক পাওয়ার পর তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে নিয়ম ভেঙে বল দূরে সরিয়ে দিয়েছিলেন। কারণ সেই মুহূর্তে আর একটি গোল মানেই দলের ভবিষ্যৎ অন্ধকার হয়ে যেতে পারত। এজন্য তাঁকে হলুদ কার্ড দেখতে হয়েছিল। কিন্তু তাঁর সেই সিদ্ধান্ত হয়তো বাঁচিয়ে দিয়েছিল গোটা দলকে।দেশে ফেরার পরও ফুটবলারদের জীবন সহজ হয়নি। আর্থিক সুবিধা বন্ধ হয়ে যায়। বিদেশে গিয়ে খেলার সুযোগও হারান অনেকে। ফলে বিশ্বকাপের মঞ্চে কঙ্গোর প্রথম অভিযান ফুটবলের চেয়ে বেশি হয়ে ওঠে ভয়, চাপ এবং বেঁচে থাকার লড়াইয়ের প্রতীক।আজ সেই কঙ্গোই আবার বিশ্বকাপে ফিরে পর্তুগালের মতো শক্তিশালী দলকে আটকে দিয়ে নতুন ইতিহাস লিখছে। তাই বর্তমানের সাফল্যের পিছনে লুকিয়ে থাকা এই ভয়ংকর অতীত আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে।

জুন ২০, ২০২৬
দেশ

‘৪ কোটি টাকা নিয়েছেন!’ মহুয়ার বিস্ফোরক অভিযোগে ফুঁসছেন বিদ্রোহী সাংসদরা, এবার আদালতে বড় লড়াই

তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়ার পর থেকেই বিদ্রোহী সাংসদদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে আক্রমণ শানাচ্ছেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র। এবার কুড়ি জন বিদ্রোহী সাংসদকে ঘিরে তাঁর একটি মন্তব্য নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ওই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছেন বিদ্রোহী শিবিরের নেতারা।সম্প্রতি এক সমাজমাধ্যম পোস্টে মহুয়া মৈত্র দাবি করেন, তৃণমূল ছেড়ে যাওয়া কুড়ি জন সাংসদ অগ্রিম চার কোটি টাকা করে পেয়েছেন। শুধু তাই নয়, আগামী ছত্রিশ মাস পর্যন্ত প্রতি মাসে এক কোটি টাকা করে পাওয়ার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। এই মন্তব্য সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় জোর চর্চা।এই অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ করেছেন বিদ্রোহী শিবিরের অন্যতম মুখ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই ধরনের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তাঁর দাবি, তাঁরা রাজনৈতিক ও নৈতিক অবস্থানের কারণে দল ছেড়েছেন, কোনও আর্থিক লেনদেনের জন্য নয়।কাকলির প্রশ্ন, মহুয়া মৈত্র কীভাবে নির্দিষ্ট অঙ্কের কথা বলছেন। তাঁর কাছে যদি কোনও তথ্য বা প্রমাণ থাকে, তাহলে তা প্রকাশ করা উচিত। অন্যথায় এই ধরনের মন্তব্য জনসমক্ষে করা অত্যন্ত গুরুতর বিষয় বলে মনে করছেন তিনি।বিদ্রোহী সাংসদদের দাবি, তাঁদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা শুধু রাজনৈতিক নয়, ব্যক্তিগত ভাবমূর্তির উপরও আঘাত। সেই কারণেই আইনি পদক্ষেপের পথ বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, মহুয়া মৈত্র এক সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারেও বিদ্রোহী সাংসদদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি দাবি করেন, অনেকেই নিজেদের সম্পত্তি, রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং অতীত কর্মকাণ্ড নিয়ে উদ্বিগ্ন বলেই দল ছেড়েছেন। তাঁর অভিযোগ, অর্থের প্রলোভনও এই দলবদলের অন্যতম কারণ।এই মন্তব্যের পর রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। একদিকে মহুয়ার বিস্ফোরক অভিযোগ, অন্যদিকে বিদ্রোহী সাংসদদের আইনি পাল্টা লড়াইয়ের প্রস্তুতি সব মিলিয়ে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ।এখন নজর আদালতের দিকে। বিদ্রোহী সাংসদরা সত্যিই আইনি পদক্ষেপ নিলে এই বিতর্ক আরও বড় আকার নিতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

জুন ২০, ২০২৬
দেশ

দল ভাঙনের চরমে! ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম, সাংসদ পদ হারাতে পারেন ৬ বিদ্রোহী

মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে ফের তীব্র চাঞ্চল্য। দলের নির্দেশ অমান্য করে বৈঠকে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে ৬ বিদ্রোহী সাংসদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের পথে হাঁটল উদ্ধব ঠাকরের শিব সেনা। সংশ্লিষ্ট সাংসদদের শোকজ নোটিস পাঠিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উত্তর না মিললে তাঁদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এমনকি সাংসদ পদও খারিজ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।শনিবার দলের মুখ্য সচেতক অনিল দেশাই বিদ্রোহী ৬ সাংসদের হাতে শোকজ নোটিস তুলে দেন। নোটিসে জানতে চাওয়া হয়েছে, কেন তাঁরা দলের সংসদীয় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না। জবাব না পেলে ধরে নেওয়া হবে যে তাঁরা স্বেচ্ছায় দলের সদস্যপদ ত্যাগ করেছেন। সেই ক্ষেত্রে সংবিধানের দশম তফসিল অনুযায়ী তাঁদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে।যাঁদের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ শুরু হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন নাগেশ আশিতকর, সঞ্জয় দেশমুখ, সঞ্জয় যাদব, সঞ্জয় দিনা পাটিল, ওমপ্রকাশ রাজেনিম্বলকর এবং ভাওসাহেব ওয়াকচুরে। সূত্রের খবর, সম্প্রতি তাঁরা লোকসভার স্পিকারের সঙ্গে দেখা করে দলের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন।ঘটনার সূত্রপাত গত সপ্তাহে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত দলের সংসদীয় বৈঠককে ঘিরে। সকল সাংসদকে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হলেও বৈঠকে মাত্র ৩ জন উপস্থিত ছিলেন। একসঙ্গে ৬ সাংসদের অনুপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়। অনেকেই মনে করছেন, এটি বৃহত্তর রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাসের ইঙ্গিত।দলের রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় রাউত জানিয়েছেন, বিদ্রোহী সাংসদদের অযোগ্য ঘোষণার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। তাঁর দাবি, নিয়ম ও আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ হলে সংশ্লিষ্ট সাংসদদের সদস্যপদ বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।এদিকে এই রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের একটি মন্তব্য নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তিনি বলেন, এখন আর আলাদা কোনও শিবির নেই, শিব সেনা একটাই। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে উদ্ধব ঠাকরের শিবিরের বর্তমান সংকটকেই পরোক্ষে তুলে ধরেছেন তিনি।সব মিলিয়ে মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই বিদ্রোহী সাংসদদের ভবিষ্যৎ কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ২০, ২০২৬
বিদেশ

শান্তিচুক্তির ২৪ ঘণ্টাও কাটেনি! ফের হরমুজ বন্ধের ঘোষণা, বিশ্বজুড়ে তীব্র উদ্বেগ

শান্তিচুক্তি ঘোষণার একদিনের মধ্যেই ফের আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল। হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার ঘোষণা দিল ইরান। শনিবার তেহরানের শীর্ষ যৌথ সামরিক কমান্ড জানায়, আমেরিকা ও ইজরায়েল যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গ করেছে। সেই কারণেই এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে নৌ চলাচল বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ইরানের সামরিক নেতৃত্বের দাবি, দক্ষিণ লেবাননে ইজরায়েলের সামরিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি আমেরিকার বিরুদ্ধেও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ তুলেছে তেহরান। তাদের বক্তব্য, পরিস্থিতির জেরে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করা হয়েছে এবং এটি কেবল প্রথম পদক্ষেপ। ভবিষ্যতে আরও কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড বাহিনীও পৃথক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ করা হয়েছে। এই অঞ্চলে প্রবেশকারী জাহাজ নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।শুক্রবার থেকেই আন্তর্জাতিক মহলে গুঞ্জন ছড়িয়েছিল যে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শনিবার সেই জল্পনাতেই কার্যত সিলমোহর দেয় ইরান। তবে এখানেই তৈরি হয়েছে নতুন ধোঁয়াশা। কারণ আমেরিকার দাবি, হরমুজ প্রণালী এখনও খোলা রয়েছে এবং স্বাভাবিক নৌ চলাচল অব্যাহত আছে।বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালী। এই জলপথ দিয়ে বিপুল পরিমাণ তেল ও পণ্যবাহী জাহাজ যাতায়াত করে। ফলে হরমুজকে ঘিরে যে কোনও উত্তেজনা আন্তর্জাতিক অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।ইরানের ঘোষণা এবং আমেরিকার পাল্টা দাবির ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। সত্যিই কি হরমুজে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে, নাকি এটি কূটনৈতিক চাপ তৈরির কৌশল সেই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে আন্তর্জাতিক মহলে।

জুন ২০, ২০২৬
কলকাতা

চার বছরে আকাশপথে উড়ল দেড়শো কোটি! অভিষেককে ঘিরে তৃণমূলে নতুন বিতর্ক

তৃণমূল কংগ্রেসের আর্থিক খরচ নিয়ে নতুন বিতর্ক সামনে এসেছে। নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেওয়া দলের অডিট রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, গত চার বছরে বিমান ও হেলিকপ্টার ভাড়ার জন্য প্রায় দেড়শো কোটি টাকা খরচ হয়েছে। এই বিপুল অঙ্কের খরচ ঘিরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক আলোচনা।রিপোর্ট অনুযায়ী, দুই হাজার বাইশ সালে বিমান ভাড়ার জন্য খরচ হয়েছিল পঁয়ত্রিশ কোটিরও বেশি টাকা। দুই হাজার তেইশ সালে সেই খরচ কিছুটা কমে প্রায় তেরো কোটিতে নেমে আসে। তবে দুই হাজার চব্বিশ সালের লোকসভা নির্বাচনের বছরে বিমান ও হেলিকপ্টার বাবদ খরচ বেড়ে যায় উল্লেখযোগ্যভাবে। সেই বছরে এই খাতে ব্যয় হয় ছেচল্লিশ কোটিরও বেশি টাকা।সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, দুই হাজার চব্বিশ সালের নির্বাচনী প্রচারে দলের মোট ব্যয়ের বড় অংশই নাকি বিমান ও হেলিকপ্টার ব্যবহারের জন্য খরচ হয়েছে। দুই হাজার পঁচিশ সালে কোনও বড় নির্বাচন না থাকলেও বিমান খাতে ব্যয় হয়েছে সাঁইত্রিশ কোটিরও বেশি টাকা।এই বিপুল খরচকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। দলের একাংশের মতে, যখন সংগঠনের বিভিন্ন স্তরে আর্থিক চাপের কথা শোনা যাচ্ছে, তখন এত বড় অঙ্কের বিমান ব্যয় স্বাভাবিকভাবেই আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।সাম্প্রতিক সময়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফর নিয়েও চার্টার্ড বিমান ব্যবহারের জল্পনা তৈরি হয়েছিল। সেই আবহে দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ মন্তব্য করেছিলেন, যদি দলের অর্থ খরচ করে এমন সফর হয়ে থাকে, তাহলে তা সমর্থনযোগ্য নয়। তাঁর সেই মন্তব্যও রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট আলোড়ন তৈরি করে।এদিকে দলের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং তহবিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিতর্কের মাঝেই বিমান খরচের এই পরিসংখ্যান সামনে আসায় চাপ আরও বেড়েছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অডিট রিপোর্টে উল্লেখিত এই বিপুল ব্যয় আগামী দিনে আরও বড় বিতর্কের কারণ হতে পারে। বিশেষ করে দলের সাংগঠনিক পরিস্থিতি এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে যখন নানা প্রশ্ন উঠছে, তখন বিমান ও হেলিকপ্টার খাতে এত বড় ব্যয় নিঃসন্দেহে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।এখন নজর থাকবে, এই খরচ নিয়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে কোনও বিস্তারিত ব্যাখ্যা বা প্রতিক্রিয়া সামনে আসে কি না। কারণ অডিট রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই বিষয়টি রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে।

জুন ২০, ২০২৬
রাজ্য

গরম থেকে স্বস্তি মিলতেই নতুন সতর্কতা! দক্ষিণবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির দাপট আরও বাড়বে

ভ্যাপসা গরমে দীর্ঘদিন নাজেহাল থাকার পর অবশেষে স্বস্তির বৃষ্টি পেয়েছে দক্ষিণবঙ্গ। শুক্রবার কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ঝড়-বৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে তাপমাত্রা কিছুটা কমেছে এবং আবহাওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে। তবে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনও বৃষ্টি চলবে।আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, যোগ দিবসেও কলকাতায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও এই বৃষ্টি বড় কোনও কর্মসূচিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। তবু আকাশ মেঘলা থাকবে এবং কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।এদিকে ঝাড়খণ্ড সংলগ্ন এলাকায় বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হওয়ায় পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়েছে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ প্রবল ঝড় ও বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। আবহাওয়া দফতর সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুরেও কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই জেলাগুলিতেও দমকা হাওয়া, বজ্রপাত এবং মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে এখনও বৃষ্টির দাপট অব্যাহত রয়েছে। জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির জন্য লাল সতর্কতা জারি হয়েছে। প্রবল বৃষ্টির কারণে পাহাড়ি এলাকায় ধসের আশঙ্কাও রয়েছে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।রবিবার দার্জিলিং এবং কালিম্পং জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা থাকবে। তবে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সোমবারের পর থেকে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির তীব্রতা ধীরে ধীরে কমতে পারে।এছাড়াও রবিবার উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, নদিয়া, হুগলি এবং হাওড়া জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী কয়েক দিন বাংলার বিভিন্ন জেলায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বজায় থাকবে। তাই প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বেরোনো এবং বজ্রপাতের সময় নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুন ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal