• ৩ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার ১৯ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IC

বিনোদুনিয়া

কালী পুজোর নতুন মিউজিক ভিডিও

উমা বিদায়ের আবেগের মাঝেই অশুভ শক্তির বিনাশে মা কালির আবাহনে রাজ্য সহ গোটা দেশবাসী। কিন্তু মানবমনে এই দুর্গা বা কালীর ভাবাবেগ ঠিক কতটা আর তাকেই জাগ্রত করতে অর্পিতা রায় ও পরিচালক শুভ্রজিৎ দাসের পরিচালনায় সমস্ত অডিও প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেয়েছে পুজোর নতুন গান জাগো দুগ্গা মা। কিশুর মিউজিক কম্পোজিশনে ও সৌহার্দ্যর কন্ঠে কালি পুজোর আগে মুক্তি পাওয়ার পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই গান। এই মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করেছেন অর্পিতা রায়, প্রিয়া চন্দ, দিবেন্দু দাস দের মতো তরুণ প্রজন্মের শিল্পীদের। নারী ক্ষমতায়নের পাশাপাশি সাম্প্রতিক আরজিকরের ঘটনাও গান হয়ে ধরা দিয়েছে এই অডিও প্রোজেক্টটিতে। আর কিছুদিন অপেক্ষা। এরপরই প্রকাশিত হবে এই গানের ভিডিও। এই ভিডিওর দায়িত্বে রয়েছেন আরিয়ান শুভ্র ও অর্পন ঘোষ। প্রোজেক্টির পোস্টার ডিজাইন করেছেন সন্দীপন চক্রবর্তী।

নভেম্বর ০৩, ২০২৪
দেশ

পশ্চিমবঙ্গের প্রবীণ মানুষদের কাছে ক্ষমা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী! কেন এমন বললেন নরেন্দ্র মোদি?

কল্যানীর এইমসের একাধিক স্বাস্থ্য পরিষেবার সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সূচনা লগ্নেই ক্ষমা চাইলেন পশ্চিমবঙ্গের সত্তোরোর্ধ প্রবীণদের কাছে। ক্ষমা চেয়েছেন দিল্লির প্রবীণদের কাছেও। কিন্তু কেন এই ক্ষমা?নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, আমি পশ্চিমবঙ্গের ৭০ বছরের ঊর্ধ্বে সকল প্রবীণ মানুষ এবং দিল্লির ৭০ বছরের ঊর্ধ্বে সকল প্রবীণ মানুষদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। কারণ আমি আপনাদের সেবা করতে পারবো না। আমি তাদের কাছে ক্ষমা চাইছি কারণ আমি জানি তাঁরা কেমন আছেন, সেই তথ্য আমি সংগ্রহ করি, কিন্তু আপনাদের সাহায্য করতে পারবো না। এর কারণ দিল্লি এবং পশ্চিমবঙ্গের সরকার আয়ুষ্মান যোজনার সাথে যুক্ত হচ্ছে না।70 वर्ष से ऊपर के सभी बुजुर्गों को आयुष्मान योजना के दायरे में लाने की अपनी गारंटी को आज धन्वंतरि जयंती पर पूरा कर मुझे बहुत संतोष मिला है। pic.twitter.com/SkDd71zTNl Narendra Modi (@narendramodi) October 29, 2024রাজনৈতিক রেষারেষির কারণে চিকিৎসা না পাওয়ার জন্য যে তিনি ক্ষমা চাইছেন তাও স্পষ্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী। নরেন্দ্র মোদি বলেন, রাজনৈতিক স্বার্থে নিজেদের রাজ্যের অসুস্থ মানুষদের কষ্টে রাখার প্রবণতা যেকোনও মানবিক মনোভাবের বিরোধী এবং তাই আমি পশ্চিমবঙ্গের প্রবীণ মানুষদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী, দিল্লির প্রবীণ মানুষদের কাছেও ক্ষমাপ্রার্থী। দেশের মানুষদের সেবা করার ইচ্ছা আমার আছে, কিন্তু রাজনৈতিক ব্যবস্থার দেওয়াল আমাকে দিল্লি এবং পশ্চিমবঙ্গের প্রবীণ মানুষদের সেবা করতে বাধা দিচ্ছে।

অক্টোবর ৩০, ২০২৪
স্বাস্থ্য

চিকিৎসার জন্য আর বাইরে নয়,কল্যানীর এইমসে রোগী দেখানোর খুঁটিনাটি তথ্য রইল এই প্রতিবেদনে

রোগী দেখাতে আর বাংলার বাইরে ছুটতে হবে না। এখানেই গড়ে উঠেছে চিকিৎসা পরিষেবার বৃহত্তর হাসপাতাল। নদীয়ার কল্যানীতে গড়ে উঠেছে এইমস। সেই হাসপাতাল সম্পর্কে খুঁটিনাটি তথ্য এই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হল। কীভাবে চিকিৎসা পরিষেবা পাবেন, যাবেন কীভাবে সমস্তই তথ্যই থাকছে এখানে।১৭৫৪ কোটি টাকা খরচ করে ১৮০ একর জায়গার ওপর গড়ে উঠেছে কল্যানীর এইমস। এই আধুনিক হাসপাতালে রয়েছে মোট ৯৬০টা বেড। তার মধ্যে এখন চালু হচ্ছে ৪৫০টি বেডের পরিষেবা। ধীরে ধীরে সমস্ত বেডই চালু হয়ে যাবে। এখানে চিকিৎসক দেখাতে হলে প্রথমেই ১০টাকা দিয়ে একটা বই করাতে হবে। এই বইটির মেয়াদ একবছর। একবছর ফ্রিতে ডাক্তার দেখাতে পারবেন। এই হাসপাতালে বেডের ভাড়া দিনপ্রতি মাত্র ৩৫টাকা। এই টাকার বিনিময়ে রোগী এখানে খাবারও পাবে। এখানে ভর্তির সময় ১০ দিনের টাকা অর্থাৎ ৩৫০টাকা দিতে হবে। কসান মানি দিতে হবে ২৫ টাকা। মোট খরচ ৩৭৫ টাকায় ১০ দিন এখানে চিকিৎসা হবে। যাদের কেন্দ্রীয় প্রকল্প আয়ুস্মান ভারতের কার্ড রয়েছে তাঁদের এই টাকাও লাগবে না। গরিব মানুষের ক্ষেত্রে ছাড় রয়েছে। স্বাস্থ্যের সমস্ত ধরনের পরীক্ষা চালু রয়েছে। সাড়ে ৮টা থেকে শুরু হয় রেজিস্ট্রেশন। রোগী দেখা হয় ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত। সোম থেকে রবিবার পর্যন্ত খোলা থাকে আউটডোর। অনলাইনেও রেজিস্ট্রেশন করা যেতে পারে।কল্যানীতে কিভাবে যাওয়া যাবে?শিয়ালদা থেকে ট্রেন যোগে সহজেই যাওয়া যাবে কল্যানী। আবার যাঁরা মুর্শিদাবাদের দিক থেকে আসবেন তাঁরাও ট্রেনে যোগে এই স্টেশনে আসতে পারবেন। বর্ধমান, হাওড়া, হুগলি থেকে এলে নৈহাটি থেকে ট্রেন ধরবেন। নৈহাটি থেকে একেবারেই কাছে। তাছাড়া যে কোনও প্রান্ত থেকে সড়ক যোগাযোগেও যাওয়া যেতে পারে কল্যানী। জিটি রোড ধরে হুগলির পান্ডুয়ার পরেই ঈশ্বরগুপ্ত সেতু পার হলেই কল্যানী।

অক্টোবর ৩০, ২০২৪
রাজ্য

হাতির দাঁত পাচার কাণ্ডে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা! কটক্ষ বিজেপির সুকান্ত মজুমদারের

বিহারের বক্সার থেকে গ্রেফতার হয়েছেন কলকাতার ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেস নেতা অশোক ওঝা। ২০ কিলো ওজনের হাতির দাঁত পাচার সংক্রান্ত মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করেছে বিহার পুলিশ। বিজেপি এই ঘটনায় কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূলকে। বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছেন এটা বাংলার লজ্জা।সুকান্ত মজুমদার টুইটে বলেন, বাংলার লজ্জা তৃণমূল! বিহার পুলিশের গোপন অভিযানে গ্রেফতার কলকাতার ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল নেতা (ব্লক সভাপতি) অশোক ওঝা। কয়লা, বালি, গরু পাচারের পর এবার হাতির দাঁত পাচারেও যে তৃণমূলের কাটমানিখোর নেতারা সিদ্ধহস্ত, তা প্রতিবেশী রাজ্যেই প্রমাণিত হয়ে গেলো। এই লজ্জা কোথায় লুকোবেন দিদিবাংলার লজ্জা তৃণমূল! বিহার পুলিশের গোপন অভিযানে গ্রেফতার কলকাতার ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল নেতা (ব্লক সভাপতি) অশোক ওঝা। কয়লা, বালি, গরু পাচারের পর এবার হাতির দাঁত পাচারেও যে তৃণমূলের কাটমানিখোর নেতারা সিদ্ধহস্ত, তা প্রতিবেশী রাজ্যেই প্রমাণিত হয়ে গেলো। এই লজ্জা কোথায় লুকোবেন pic.twitter.com/qZDNYpox6u Dr. Sukanta Majumdar (@DrSukantaBJP) October 22, 2024

অক্টোবর ২৩, ২০২৪
দেশ

ন্যায় দেবীর চোখ এখন খোলা, দাঁড়িপাল্লা রয়েছে তবে বাঁ হাতে তরবারি নয়

চোখ থেকে খুলে গেল কাপড়ের পট্টি। ন্যায় দেবীর চোখ এখন খোলা, সজাগ। ডান হাতে দাঁড়িপাল্লা রয়েছে তবে বাঁ হাতে তরবারি নয়, রয়েছে সংবিধান। দেশের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের নির্দেশে সুপ্রিম কোর্টের গ্ৰন্থাগারে বসানো হয়েছে এই নতুন মুর্তি। এর পরেই ন্যায়ের বন্ধ চোখ খুলে যাওয়া নিয়ে শুরু হয়েছে তুমুল চর্চা। এর ই পাশাপাশি উঠছে প্রশ্ন ন্যায়ের বন্ধ চোখ তো খুলল, এবার কি শাসকের চোখ খুলবে?বিভিন্ন সুত্র বলছে, প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড় মনে করেন, আইনের চোখে সবাই সমান। কিন্তু আইনের চোখে কখনও বন্ধ থাকে না।পাশাপাশি তার মত, আইন মানে শুধু ই শাস্তি নয়। তাই প্রধান বিচারপতির ভাবনা সুত্র ধরে মুর্তির হাতে তরবারির বদলে এসেছে সংবিধান। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মামলায় যেমন এই বইটির প্রসঙ্গ এসেছে ঠিক, তেমন ই সাম্প্রতিক লোকসভা নির্বাচনে ও শাসক বিরোধীর ন্যারেটিভের একটি বড় অংশ জুড়ে ছিল দেশের সংবিধান। উপনিবেশ আমলের প্রাচীন মূর্তির উৎস ইতিহাসের ধুসর পথে। প্রধান বিচারপতি মনে করছেন, সেই পথেই থেমে না থেকে এখন সামনে এগিয়ে চলার সময়। কিন্তু আমাদের মত সাধারনের অভিজ্ঞতা হলো দেশদ্রোহ, রাষ্ট্রদ্রোহের শঙ্কা জাগিয়ে সেই ঔপনিবেশিক আমলের বাতাবরণ বজায় রাখাই পছন্দ সব রঙের শাসকের।বর্তমান সময় বলছে, শাসকের সমালোচনা করা, তুলি, কলম বা তর্জনীর দাসত্ব মানতে না চাওয়া এ সবই ভয়ঙ্কর অপরাধ। মেরুদণ্ড সমান রাখা এই শ্রেণী শাসকের চোখে লঙ্কা গুঁড়োর মতো অসহ্য। অতএব , আইনের মারপ্যাঁচ আর নিগড় কঠিন করে কারাগারে ভরো। খুব দূরে যেতে হবে না, আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে মহারাষ্ট্রের ভীমা কোরেগাঁওয়ের ঘটনা, দলিত মাহার সম্প্রদায়ের এই প্রাচীন অনুষ্ঠানে ও প্রতি স্পর্ধার ভূত দেখেছিল শাসক। তাই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া কয়েকজন অধ্যাপক , সাংবাদিক ও সমাজসেবী কে গ্ৰেফতার করা হয়। অভিযোগ, তারা নাকি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কে হত্যার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। জানিনা এই অভিযোগ তুলে আইনের রক্ষকদেরও বন্ধ দরজার ওপারে হাসি পেয়েছিল কিনা। তবে তাদের আসল অপরাধ হলো খাদ্য,বস্ত্র, ও বাসস্থানের অভাবে যে বিপুল ভারতবাসীর পেট আর পিঠ এক হয়ে গিয়েছে তাদের দিন বদলের স্বপ্ন দেখা। বিদেশি সংবাদপত্র উদ্ধৃত করে দেশের সব প্রথম সারির সংবাদ পত্রে লেখা হয়েছিল ইজরায়েলি সংস্থার তৈরি পেগাসাস প্রযুক্তি ব্যবহার করে অভিযুক্তদের মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপে আইনের চোখে অপরাধ যোগ্য তথ্যের অনুপ্রবেশ ঘটানো হয়েছিল। এই প্রযুক্তি রাষ্ট্র ছাড়া আর কোনো পক্ষকে বিক্রি করা হয় না। দীর্ঘ সময় কারাবন্দী থাকার পরে শাসক পক্ষের অভিযোগ দূর্বল ঠেকায় শীর্ষ আদালতের রায়ে একে একে শর্ত সাপেক্ষ জামিন পান অভিযুক্তরা। তবে, এই সৌভাগ্য হয়নি ঝাড়খণ্ডের অবহেলিত আদিবাসীদের পাশে দাঁড়ানো সমাজসেবী ফাদার স্ট্যান স্বামীর। দুরূহ রোগে আক্রান্ত এই বৃদ্ধ সীমাহীন লাঞ্ছনায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিহার জেলে। সামাজিক ন্যায় ও মুক্তচিন্তার এই পুজারীর দেখা হল না খোলা আকাশ আর ন্যায়ের মূর্তির খোলা চোখ। তবে দীর্ঘ সময় কারাগারে থাকার পরে খোলা আকাশের নিচে শ্বাস নেওয়ার সুযোগ হয়েছিল দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জি এন সাইবাবার। যদিও ন্যায়ের মূর্তির খোলা চোখ দেখে যাওয়া হলো না তাঁর। ভীমা কোরেগাঁও কান্ড থেকে যে শব্দ বন্ধের জন্য সেই আরবান নকশাল তকমা নিয়ে জেল বন্দি হন এই অতি বিদ্বান মানুষ টি। Wheel chair ছাড়া চলাফেরা করা সম্ভব ছিল না সাইবাবার। তাঁকে কাছ থেকে যারা দেখেছেন তাঁদের মতে অগাধ পান্ডিত্য আর তীক্ষ্ণ মননের অধিকারী মানুষ টির মন ছেয়ে ছিল দেশের প্রান্তিক ও আদিবাসী মানুষের কল্যাণ চিন্তা। আদিবাসীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও রাজনৈতিক বন্দি মুক্তির পক্ষে আর আদিবাসী দের জমিতে বহুজাতিক সংস্থার মৃগয়ার বিপক্ষে অবস্থান ছিল তাঁর। এই সবই রাষ্ট্রের চোখে দেশদ্রোহিতা। অতএব জেলেই ঠাঁই হয়েছিল সাইবাবার। আদালতের চৌকাঠ থেকে বারবার ফিরে এসেছে তাঁর জামিনের আবেদন। দীর্ঘ দিন জেলের মধ্যে সঠিক চিকিৎসার অভাব ও মানসিক নিপীড়নের কারণে অশক্ত শরীর আরও অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাই সম্প্রতি শীর্ষ আদালতের রায়ে সব অভিযোগ থেকে মুক্ত হলেও নিরুপদ্রব যাপনের দিন ফুরিয়ে এসেছিল সাইবাবার। কয়েকদিন আগে মৃত্যু হয় তাঁর। সাইবাবার মৃত্যু যে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে তা হল , এবার কি সময় হয় নি সাংবিধানিক অধিকার কোথায় কীভাবে কঠোর আইনের যথেচ্ছ ব্যবহার ক্ষুন্ন হচ্ছে তা খুঁজে দেখার? এই কাজ তো বিচার ব্যবস্থা কেই করতে হবে। বিচারের দীর্ঘসুত্রতায় বিচার না পাওয়ার তো প্রখর হয়। মুক্তি পাওয়ার কিছু দিন পর এক সাক্ষাৎকারে সাইবাবা বলেছিলেন, দান্তে থেকে সলোমন রুশদি, ইউরোপ থেকে মিশরের সভ্যতা সবখানেই নরকের বর্ননা এবং ধারণা রয়েছে, আন্ডা সেল ঠিক সেই রকম ই নরক। সাইবাবাকে সব অভিযোগ থেকে মুক্ত করে বম্বে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ বলেছিল, এক্ষেত্রে বিচার ব্যবস্থার ব্যর্থতাই ধরা পড়েছে। এমনকি ৫৭ বছরের অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ইউ এ পি এ লাগুর ক্ষেত্রে সঠিক পদ্ধতি মানা হয় নি বলেও মন্তব্য করেছে উচ্চ আদালত। এই রায়ে পৌঁছতে ১০ বছর সময় লেগেছে। ততদিন কুখ্যাত আন্ডাসেল যেখানে কুখ্যাত অপরাধী ও জঙ্গিদের রাখা হয় সেখানে থাকতে হয়েছিল শীর্ষ মস্তিষ্কের মানুষ টিকে।বর্তমানে দেশের কিছু নির্দিষ্ট গোষ্টীর খাওয়া পরা কথা বলার অধিকার কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে শাসকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ উঠেছে নাগরিক হিসেবে অর্থনৈতিক কাজ বা সাধারণ জীবনযাপনের অধিকার কেড়ে নেওয়ার। বি জে পি শাসিত কেন্দ্র ও বিভিন্ন রাজ্যের সরকারের নানা নিয়ম ও আইন লাগু করার মধ্যে ই এই অশনি সংকেত রয়েছে। তবে, অ বিজেপি শাসিত পশ্চিম বঙ্গের অবস্থাও কি স্বস্তিকর? বোধহয় নয়। বছর খানেক আগের দিল্লি দাঙ্গার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকার অভিযোগে গ্ৰেফতার করা হয় ছাত্রনেতা উমর খালিদ কে। প্রায় তিন বছর ধরে তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে চলেছে। জামিনের আবেদনের যথার্থতা বিচার করার কথা অসংখ্য বার বিচারপতিদের মুখে শোনা গিয়েছে। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা যায় উল্টো ছবি। সাইবাবার অসময় মৃত্যু এবং ন্যায়ের মূর্তির আবরণ হীন চোখ কি বিচার ব্যবস্থার এই দীর্ঘসুত্রতা দূর করে উমর খালিদদের উপযুক্ত বিচার পাওয়ার সুযোগ করে দেবে? এর উত্তর সময় বলবে। আর জি কর হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের বিচার চেয়ে প্রতিবাদে উত্তাল হয়েছে কলকাতা। প্রতিবাদ ছড়িয়েছে কলকাতা ছাড়িয়ে বিদেশের নানা প্রান্তে। এই ধর্ষণ ও খুন কলকাতাকে উন্নাও, কাঠুয়া, হাথরসের সঙ্গে এক আসনে বসিয়ে দিয়েছে। কলকাতাতেও প্রশাসনিক গাফিলতির সঙ্গে চোখে পড়ছে পুলিশ প্রশাসনের অতি সক্রিয়তা। জামায় প্রতিবাদী উচ্চারণ থাকায় কর্তব্যরত এক চিকিৎসককে গ্ৰেফতার করা হয়। প্রতিবাদী জমায়েতের ডাক দেওয়ায় পুলিশি হেনস্থার মুখে পড়তে হয় কয়েক জন তরুণীকে। শাসক বিরোধী ও আর জি করের বিচার চেয়ে শ্লোগান দেওয়ায় গ্ৰেফতার করা হয় কয়েকজন তরুণ কে। নানা ছুতো এবং নানা অছিলায় প্রতিবাদী জমায়েত আটকাতে তৎপর পুলিশ। তালিকা দীর্ঘ কিন্তু শাসকদের ছায়া এক। সংবিধান হাতে নতুন ন্যায়ের দেবী চোখ খুলেছেন এই অসময়ে! তবে কি সুসময় ফিরবে?

অক্টোবর ২১, ২০২৪
ভ্রমণ

ট্রেন যাত্রার অগ্রিম সংরক্ষণের সময়সীমা কমিয়ে হল ৬০ দিন

এতদিন ধরে ১২০ দিনে কবে রিজারভেশন হবে এই নিয়ে মানুষের মনে একটি বিভ্রান্তি বা কনফিউশন থাকত, কিন্তু ভারতীয় রেল সেই কনফিউশন দূর করে ১২০ দিনের পরিবর্তে এবার ৬০ দিনে রিজারভেশন চালু করেছে যা যাত্রীদের জন্য একটি সুসংবাদ। এমন অনেক যাত্রী রয়েছেন যারা বেশ কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে তাদের যাত্রার অনেক আগে পরিকল্পনা করতে অসুবিধা বোধ করেন। যাত্রীসুবিধায় রেলওয়ে ট্রেন যাত্রার জন্য অ্যাডভান্সড রিজার্ভেশন পিরিয়ড (এআরপি) ১২০ দিন থেকে কমিয়ে ৬০ দিন করেছে। সংশোধিত নতুন এআরপি নিম্নরূপ কার্যকর হবে:১. অ্যাডভান্সড রিজার্ভেশন পিরিয়ড (এআরপি) হবে ৬০ দিন (যাত্রার দিন বাদে) যা ০১.১১.২০২৪ থেকে কার্যকর এবং সেই অনুযায়ী বুকিং করা হবে। তবে, ১২০ দিনের এআরপি-র অধীনে ৩১.১০.২০২৪ পর্যন্ত করা সমস্ত বুকিং বৈধ থাকবে।২. ৬০ দিনের এআরপি-র বাইরে করা আগের বুকিং থাকলে তা বাতিল করা যাবে।৩. তাজ এক্সপ্রেস, গোমতী এক্সপ্রেস ইত্যাদির মতো নির্দিষ্ট দিনের সময়ের এক্সপ্রেস ট্রেনের ক্ষেত্রে কোনও পরিবর্তন হবে না যেখানে অগ্রিম সংরক্ষণের জন্য নিম্ন সময়সীমা বর্তমানে কার্যকর রয়েছে।৪. বন্ধন এক্সপ্রেস ও মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেনের মতো আন্তর্জাতিক ট্রেনে বিদেশি পর্যটকদের ৩৬৫ দিনের বুকিংয়ের সময়সীমার ক্ষেত্রে কোনও পরিবর্তন হবে না।

অক্টোবর ১৭, ২০২৪
রাজ্য

বর্ধমানে চক্ষু হাসপাতালের উদ্বধোনে নজর কাড়লো দৃষ্টিহীন ছাত্র-ছাত্রী

বর্ধমানে পার-বীরহাটার আরজি ভবনে বর্ধমান আই কেয়ার-এর উদ্যোগে বিনা মূল্যে চক্ষু পরীক্ষা শিবিরের আয়োজন করা হয়। আর পাঁচটা সংস্থার মত শুধুমাত্র চক্ষু পরীক্ষা করেই দায় সারেননি তাঁরা। যে সমস্ত মানুষেরা আজ চক্ষু পরীক্ষা করাতে এসেছিলেন তাঁদের বিনামূল্যে ঔষধ-ও প্রদান করা হয় সংস্থার পক্ষ থেকে। এছাড়াও আজ যাঁরা চক্ষূ পরীক্ষা করাতে এসেছিলেন তাঁদের মধ্যে ১০ জনের বিনা মূল্যে চক্ষূ অপারেশনের দায়িত্ব নিয়েছে বর্ধমান আই কেয়ার নার্সিং হোম।বুধবার ৩রা আগস্ট বর্ধমান আই কেয়ার নার্সিং হোম বহু মানুষ এসে তাঁদের চক্ষু পরীক্ষা করান। বুধবার যারা চক্ষু পরীক্ষা করাতে এসেছিলেন পরিবেশে ভারসাম্য রক্ষার দায়িত্ব স্মরণ করাতে প্রত্যেককে একটি করে চারাগাছ উপহার দেওয়া হয়। তাঁদের এই মহৎ উদ্যোগের উদ্বোধনেও ছিল চমক। বর্ধমান আই কেয়ার-এ আজকের অনুষ্ঠানের উদ্বোধনের জন্য কোনও নামি-দামিদের পিছনে না ছুটে আমন্ত্রন জানিয়েছিলেন বর্ধমান ব্লাইন্ড একাডেমী দৃষ্টিহীন ছাত্র-ছাত্রীদের।বর্ধমান ব্লাইন্ড একাডেমী দৃষ্টিহীন ছাত্র-ছাত্রীরা তাঁদের বিশেষ ক্ষমতায় মুগ্ধ করেন উপস্থিত সকলকে। তাঁদের নাচ, গান ও আবৃত্তিতে মুখরিত হয়ে ওঠে পরিবেশ। মহালয়ার পূণ্য লগ্নে এক দৃষ্টিহীন ছাত্রীর বাজলো তোমার আলোর বেণু সত্যি-ই যেন বেণূর সুরে সন্মোহিত করে দিলো উপস্থিত সকলকে।সংস্থার কর্নধার বিশিষ্ঠ চক্ষু বিশারদ ড. সৌরভ ঘোষ জানান, আজ তাঁরা তাঁদের নতুন চক্ষূ পরীক্ষা কেন্দ্র বর্ধমান আই কেয়ার নার্সিং হোম উদ্বোধনী দিনে বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষার আয়োজন করেছেন। এবং বর্ধমান ব্লাইন্ড একাডেমী দৃষ্টিহীন ছাত্র-ছাত্রীরা তাঁদের নুতন চক্ষু পরীক্ষা কেন্দ্রের উদ্বোধন করছেন। ভবিষ্যতেও এই ধরনের নানাবিধ উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

অক্টোবর ০৩, ২০২৪
রাজ্য

কয়েকশো মহিলাকে বেঙ্গল প্রেস ক্লাবের পুজোর উপহার প্রদান, মুখপত্র প্রকাশ ও ওয়েবসাইটের সূচনা

বেঙ্গল প্রেস ক্লাব কয়েকশো মহিলাকে পুজোর উপহার প্রদান করলো। রবিবার বিজয় তোরণের সামনে বস্ত্র উপহার কর্মসূচি পালন করে সাংবাদিকদের এই সংগঠন। অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস, বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারপার্সন কাকলি তা গুপ্ত, বিশিষ্ট সমাজসেবী অচিন্ত্য মন্ডল প্রমুখ। পুজোর মুখে এই উপহার পেয়ে খুশি মহিলারা।বিধায়ক খোকন দাস বলেন, প্রতি বছর দুর্গাপুজো উপলক্ষ্যে বেঙ্গল প্রেস ক্লাব অসহায় মহিলাদের হাতে বস্ত্র উপহার হিসাবে তুলে দেয়। সারা বছর মানুষের পাশে থাকে সাংবাদিকদের এই সংগঠন। বর্ষমান উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারপার্সন কাকলি তা গুপ্ত বস্ত্র উপহার কর্মসূচির প্রশংসা করেন। সমাজসেবী অচিন্ত্য মন্ডল বলেন, বেঙ্গল প্রেস ক্লাবের জনদরদী কর্মসূচির ভূয়সী প্রসংশা করেন। অনুষ্ঠানে বেঙ্গল প্রেস ক্লাবের মুখপত্র জনমন প্রকাশিত হয়। ক্লাবের নিজস্ব ওয়েবসাইট এদিন যাত্রা শুরু করে। সাধারন মানুষের মধ্যে এই অনুষ্ঠান ঘিরে উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৪
রাজ্য

তৃণমূলের বিধায়ককে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআইয়ের, সেদিন কি হয়েছিল শ্মশানে?

আরজি কর মেডিকেল কলেজে ধর্ষণ এবং খুনের মামলায় পানিহাটির বিধায়ক নির্মল ঘোষকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে সিবিআই। আর জি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে যখন নির্যাতিতার মৃতদেহ সোদপুরের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তখন মৃতদেহ শ্মশানে পোড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল নির্মল ঘোষ। এমনই বেশ কিছু ছবি আগেই সিবিআই এর হাতে এসে পৌঁছেছিল তখন থেকেই সিবিআইয়ের নজরে ছিল নির্মল ঘোষ। যার জন্য বারবার ঘোলা থানার আইসিকে তলব করা হয়েছিল। তিনি গড়হাজির ছিলেন। এরপরই একাধিক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সেদিনের ভিডিও ফুটেজ দেখে সিবিআই। তারপরেই তলব।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৪
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ড, ময়নাতদন্ত নিয়ে ভয়ঙ্কর হুমকি দিয়েছিল কে?

আরজি কর কাণ্ডে এবার বিস্ফোরক অভিযোগ হাসপাতালের ফরেন্সিক মেডিসিনের প্রফেসর অপূর্ব বিশ্বাসের। তাঁর অভিযোগ, ময়নাতদন্ত করার ক্ষেত্রে ভয়ঙ্কর চাপ দেওয়া হয়েছিল। ঘটনার রাতের মধ্যেই যদি ময়নাতদন্ত না হয় তাহলে রক্ত গঙ্গা বইয়ে দেওয়ারও হুমকি দেন নির্যাতিতার এলাকার কোনও এক প্রাক্তন কাউন্সিলর। তিনি হুমকি দিয়েছিলেন আজ রাতের মধ্যেই ময়না তদন্ত করতে হবে। প্রায় সাড়ে ছঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর সিবিআই দফতর থেকে বেরোনোর সময় জানালেন অপূর্ব বিশ্বাস।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৪
কলকাতা

আরজি কর কাণ্ড থেকে সতর্ক, মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি টালিগঞ্জ সিনে পাড়ার

আরজি কর হাসপাতাল যে ঘটনা ঘটেছে তার পর স্বাভাবিকভাবে আতঙ্কিত শহর তথা রাজ্যের মানুষ। কর্মক্ষেত্রে কেউ কতটা নিরাপদ তা নিয়েও অনেক প্রশ্ন উঠেছে। অনেকেরই দাবি, যে কোনও কাজের জায়গা হোক, বহু সময়ে বহু কর্মী হেনস্থার শিকার হন। আর টালিগঞ্জও এইসব অভিযোগ থেকে বাদ নেই। তাই এবার কর্মক্ষেত্রে হেনস্থার তদন্তের জন্য যাতে বিশেষ কমিটি গঠন করা হয় তার দাবিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি পাঠানো হল টলিপাড়া থেকে।মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছে ওয়েমেন ফোরাম ফর স্ক্রিন ওয়ার্কারস। তাঁদের দাবি, কাজ করতে এসে বহু অভিনেতা, ক্রু সদস্য, টেকনিশিয়ান অনেক সময়ই হেনস্থার শিকার হন। কিন্তু তাঁদের অভিযোগকে গুরুত্ব দেওয়া হয় না বেশিরভাগ সময়। তাই এসব অভিযোগের তদন্ত করতে স্বাধীন একটি কমিটি গঠন করুক সরকার। মূলত আরজি করের ঘটনার পরই এমন একটি পদক্ষেপ নেওয়া আরও জরুরি হয়ে উঠেছে বলেই মনে করছে তাঁরা।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৪
কলকাতা

চক্র রেলের যাত্রী পরিষেবার গৌরবময় ৪০ বছর

রেলওয়ে হল কলকাতায় পরিবহণের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য যোগাযোগ মাধ্যম। শহরের উত্তর ও দক্ষিণ শহরতলির জন্য লাইফলাইন। শিয়ালদহ ডিভিশনের চক্র রেল (বৃত্তাকার রেল) যাত্রী পরিচালনের প্রশংসিত ৪০ বছর পূর্ণ করেছে। এটি কলকাতা মেট্রোপলিটন রেলওয়ে ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। যার ১৭০ বছরেরও বেশি সময়ের একটি সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে। কলকাতায় সার্কুলার রেলওয়ে লাইনের ধারণাটি প্রথম ১৯ শতকের শেষের দিকে কল্পনা করা হয়েছিল। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা এবং ক্রমবর্ধমান শহুরে বিস্তৃতির সাথে, এটি পরিবর্তিত হয়েছিল। শহরের কেন্দ্রস্থলের সঙ্গে শহরতলির সংযোগ স্থাপনের জন্য আরও কিছু পরিবহন ব্যবস্থা প্রয়োজনের কথা মাথায় ছিল রেলের। এই রেলে চড়লে গঙ্গার মনোরম পরিবেশ উপলব্ধি করা যায়।সার্কুলার রেলওয়ে নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়েছিল ১৯৫০এর দশকে। কলকাতার আশেপাশের শিল্পাঞ্চলে পরিবেশন করার জন্য সার্কুলার রেলওয়ে লাইন প্রস্তুত করতে এবং শহরের প্রধান রেলওয়ে ব্যবস্থাকে কমানোর জন্য পূর্ব রেলওয়ে দ্বারা প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়েছিল। ১৯৮৪ সালে সার্কুলার রেলওয়ে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হয়। সার্কুলার রেলওয়ের সিগন্যালিং সিস্টেমটিও ধীরে ধীরে ট্রেন স্টাফ এবং টিকিট সিস্টেম থেকে রঙিন আলোর সংকেত সহ আধুনিক ইন্টারলকিং-এ বিবর্তিত হয়েছে। সার্কুলার রেলওয়ে ট্র্যাক ডাউন যুগের পুরো নেটওয়ার্কের বিদ্যুতায়নের সাথে উন্নত করা হয়েছে। এখন সার্কুলার রেলওয়ে লুপের উপর ইএমইউ লোকালগুলি নির্বিঘ্ন চলাচলের ফলে যাত্রীদের সংখ্যা যথেষ্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে ৬৫,০০০ জনেরও বেশি যাত্রী প্রতিদিন সার্কুলার রেলওয়ে যাত্রার সুবিধা পাচ্ছেন। যার মধ্যে মোট ২৭টি লোকাল ট্রেন দমদম জং., টালা, মাঝেরহাট, বালিগঞ্জ রুটে এবং ১৩টি দম দম জং., বিধাননগর রোড, স্যার গুরুদাস ব্যানার্জি হল্ট, পার্কে চলছে। সার্কাস, বালিগঞ্জ রুটটি কলকাতা শহরের কেন্দ্রীয় ব্যবসায়িক এলাকাকে ঘিরে সমগ্র সার্কুলার রেলওয়ে লুপ সম্পূর্ণ করে।গত এক দশকে সার্কুলার রেলওয়েতে যাত্রী সংখ্যা ২০০% বৃদ্ধির সাথে সার্কুলার রেলওয়ে যাত্রী সেবা ৪০টি গৌরবময় বছর পূর্ণ করেছে। পূর্ব রেলওয়ে আজ সকালে কলকাতা স্টেশন থেকে EMU স্পেশাল ট্রেনের একটি স্মারক চালানোর সাথে প্রিন্সেপ ঘাট স্টেশনে একটি স্বচ্ছ ভারত সাংস্কৃতিক উৎসব এবং ফটো প্রদর্শনীর মাধ্যমে কলকাতা সার্কুলার রেলওয়েতে যাত্রী পরিচালনের ৪০ গৌরবময় বছর স্মরণ করতে প্রস্তুত।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৪
রাজ্য

ফের নবান্নের সঙ্গে বৈঠকে জুনিয়র চিকিৎসকরা, চলছে লাগাতার কর্মবিরতি

এবার নবান্নে রাজ্যের সঙ্গে বৈঠক জুনিয়র ডাক্তারদের। আজ মুখ্য সচিবের সঙ্গে আলোচনা আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের। পাঁচ দফা মধ্যে চার ও পাঁচ নম্বর দাবির ওপর জোর দিয়েই আজকের এই বৈঠক হবে বলে জানানো হয়েছে জুনিয়র ডাক্তারদের তরফে। এদিকে রাজ্যের তরফে জুনিয়র ডাক্তারদের কাজে যোগদানের আহ্বান জানানো হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যা ৭টা বেজে ১৫ মিনিটে নবান্নে পৌঁছান জুনিয়র ডাক্তারদের ৩০ জনের প্রতিনিধিদল। থ্রেট কালচার থেকে শুরু করে হাসপাতালে ডাক্তারদের নিরাপত্তাসহ একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে আজকের এই বৈঠকে। এর আগে কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের বৈঠকে ডাক্তারদের কাজে ফেরার আহ্বান জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন মুখ্যসচিবের তরফে করা ইমেলেও দক্ষিণবঙ্গের বন্যা পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে জুনিয়র চিকিৎসকদের কাজ যোগ দিতে অনুরোধ করা হয়েছে। এদিন বৈঠকে যাওয়ার আগে এক সাংবাদিক সম্মেলন করেন জুনিয়র ডাক্তাররা। সেখানে বলা হয়েছে রাজ্য সরকার আন্দোলনের চাপে নতি স্বীকার করেছে। সরানো হয়েছে স্বাস্থ্য, পুলিশ আধিকারিকদের। অভয়ার বিচারের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টেও লড়ে চলেছি আমরা। সিবিআইও আমাদের চাপের কারণেই টালা থানার ওসি ও সন্দীপ ঘোষকে গ্রেফতার করেছে। সরকারি হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজগুলিতে স্বাস্থ্যকর্মীর সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে আমরা কাজে ফিরতে ভয় পাচ্ছি। এদিন জুনিয়র ডাক্তারদের তরফে বলা হয়, উপরোক্ত দাবি পূরণ না হলে কাজে ফিরতে পারব না তাও আমরা সরকারকে জানিয়েছি। আমরা চাইছি প্রতিটি মেডিকেল কলেজে রেস্ট রুম , বাথরুম, প্যানিক বোতাম, নারী পুলিশ কর্মী মোতায়েন করতে হবে। কলেজ ভিত্তিক টাস্ক ফোর্স গঠনের দাবিও জানানো হয়েছে। হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজগুলিতে রোগী পরিষেবাকে উন্নত করতে হবে। প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কর্মী নিয়োগ, হাসপাতালের পরিকাঠামো ঢেলে সাজাতে হবে। জনমুখী স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। প্রতিটি কলেজে থ্রেট কালচারকে বন্ধ করতে হবে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা। কমিটি গঠন করতে হবে। গণতান্ত্রিক পরিসরকে বিস্তৃত করতে হবে হাউসস্টাফ নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে। স্বচ্ছ নিয়োগের দাবিতে সওয়াল করেছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক করার পর বুধবার সকালেই মুখ্যসচিবকে ই-মেল করেন জুনিয়র ডাক্তাররা। মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে ই-মেলে তাঁরা উল্লেখ করেন, তাঁদের দাবির কয়েকটি বিষয় এখনও সমাধান হয়নি। সেই দাবি সমাধানের আশাতেই মেল করেছেন আন্দোলনকারীরা। ই-মেলে তাঁরা রাজ্য সরকারের তরফে ইতিবাচক উত্তরের আশায় রয়েছেন বলে লেখেন।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৪
রাজ্য

বীরভূমে নদীতে উল্টে গেল স্পিড বোট, কোনওমতে প্রাণরক্ষা সাংসদ, বিধায়কসহ প্রশাসনিক কর্তাদের

বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেলেন সাংসদ, বিধায়ক ও প্রশাসনের কর্তারা। দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের লাভপুরে।স্থানীয়দের তৎপরতায় তাঁদের উদ্ধার করা হয়। জেলা শাসক, জেলা পুলিশ সুপার, দুই সাংসদ, বিধায়ক সহ মোটব১৩ জন চেপেছিলেন স্পিড বোটে। প্রশ্ন উঠছে সেফটি জ্যাকেট না নিয়ে কেন স্পিড বোডে চড়লেন প্রশাসনের শীর্ষকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা।জানা গিয়েছে, তিনদিনের অতি বৃষ্টিতে বীরভূমের লাভপুরে কুয়ে নদীর বাঁধ ভেঙে যায়। ফলে নদী সংলগ্ন বলরামপুর গ্রাম সম্পূর্ণ ভেসে যায়। পাশেপাশের আরও কয়েকটি গ্রাম এখনও জলমগ্ন। ওই গ্রামগুলির সঙ্গে যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন। সেই সমস্ত গ্রামের মানুষদের পাশে দাঁড়াতে বুধবার এলাকা পরিদর্শনে যান জেলা শাসক বিধান রায়, জেলা পুলিশ সুপার রাজনারায়ণ মুখোপাধ্যায়, বোলপুরের সাংসদ অসিত মাল, রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলাম, লাভপুরের বিধায়ক অভিজিৎ সিনহাসহ সহ মোট ১৩ জন। সেফটি জ্যাকেট ছাড়াই একটি স্পিড বোর্ডে তাঁরা দুর্গত এলাকায় যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আচমকা বোর্ডটি কুয়ে নদীতে উল্টে যায়। জেলা পুলিশ সুপার ছাড়া সকলেই নদীতে পরে যান। উদ্ধারকারী দল এবং স্থানীয়দের প্রচেষ্টায় সকলকে উদ্ধার করা হয়।নদী থেকে উঠে সাংসদ অসিত মাল বলেন, হঠাৎ নদীর স্রোতে স্পিড বোর্ড উল্টে যায়। আমি সাঁতার জানতাম। কিন্তু জলের স্রোতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সাঁতার কাটতে পারছিলাম না। এরপর একটা গাছের ডাল ধরে ঝুলতে থাকি। কিছুক্ষনের মধ্যেই উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা আমাকে উদ্ধার করে। মৃত্যুর মুখ থেকে বেঁচে এলাম।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৪
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডের জের, নতুন পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা, বদলি স্বাস্থ্য দফতরেও

গতকাল জুনিয়র চিকিৎসকদের বৈঠকে বিনীত গোয়েলকে সরানেরা কথা বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই মতো সরানো হল তাঁকে। কলকাতা পুলিশের নতুন কমিশনার হচ্ছেন মনোজ ভার্মা। ১৯৯৮ ব্যাচের আইপিএস অফিসার মনোজ ভার্মাকেই বিনীত গোয়েলের জায়গায় কলকাতা পুলিশের দায়িত্বে অনলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনার ছিলেন মনোজ ভার্মা। সেই সঙ্গে নতুন ADG হলেন জ্ঞানবন্ত সিং। স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের ADG পদে যাচ্ছেন বিনীত গোয়েল।গতকালই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, বিনীত গোয়েলকে সরিয়ে কলকাতা পুলিশের দায়িত্বে নতুন কাউকে আনা হবে। সেই মতো মনোজ ভার্মাকে কলকাতা পুলিশের নতুন পুলিশ কমিশনার করা হয়েছে। ১৯৯৮ ব্যাচের আইপিএস অফিসার মনোজ ভার্মা। তিনি রাজ্য পুলিশের এডিজি (আইন-শৃঙ্খলা) পদে নিযুক্ত ছিলেন। এর আগে কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনারের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। এবার তিনি পুলিশ কমিশনার।দক্ষ পুলিশকর্তা হিসেবে বরাবরই নিজের পরিচয় দিয়েছেন মনোজ ভার্মা। উত্তরবঙ্গের পাহাড়ে উত্তাল পরিস্থিতির সময় এই মনোজ ভার্মাকেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। ২০১৯ সাল পর্যন্ত দার্জিলিংয়ের আইজি ছিলেন মনোজ ভার্মা। ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের ফি দিনের গন্ডগোল সামলানোর দায়িত্বও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই মনোজ ভার্মার কাঁধেই সঁপেছিলেন। এবার কলকাতা পুলিশের দায়িত্বে আনা হল দুঁদে এই আইপিএস অফিসারকে।অফিসারকে। বিনীত গোয়েলকে পাঠানো হয়েছে এডিজি STF পদে পাঠানো হয়েছে। এর আগেও এসটিএফে কাজ করেছেন বিনীত গোয়েল। নতুন এডিজি আইবি হলেন জ্ঞানবন্ত সিং। DC নর্থ অভিষেক গুপ্তকেও বদলি করা হয়েছে। EFR সেকেন্ড ব্যাটেলিয়নের CO পদে আনা হয়েছে তাঁকে। অভিষেক গুপ্তর জায়গায় নতুন DC নর্থ দীপক সরকার। এডিজি (আইশৃঙ্খলা) পদে আনা হল জাভেদ শামিমকে। আরজি কর কাণ্ডের জেরে জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনের চাপে বদল স্বাস্থ্য দফতরেও। পুলিশের পাশাপাশি জুনিয়ার ডাক্তারদের দাবি মেনে সরিয়ে দেওয়া হল স্বাস্থ্য অধিকর্তা ও স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তাকে। কৌস্তভ নায়েককে সরিয়ে স্বাস্থ্য অধিকর্তা পদে আবা হয়েছে স্বপন সোরেনকে। সেই সঙ্গে রাজ্যের স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তা দেবাশিস হালদারকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তা পদে থাকা দেবাশিস হালদারকে বদলি করা হচ্ছে জনস্বাস্থ্য স্পেশাল অফিসার অন ডিউটি পদে। স্বাস্থ্য অধিকর্তা পদে থাকা কৌস্তভ নায়েককে ইনস্টিটিউট অফ হেলথ অ্যান্ড ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ারে অধিকর্তা পদে পাঠানো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৪
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রী ও জুনিয়র চিকিৎসক বৈঠক: সরছেন কলকাতা পুলিশ কমিশনার, বদল হচ্ছে দুই স্বাস্থ্য শীর্ষ কর্তা

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও জুনিয়র চিকিৎসকদের বৈঠক হয়েছে দীর্ঘক্ষণ ধরে। বেশ কয়েকটি দাবি মেনে নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, ৪টের মধ্যে ৩ টে দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে। জুনিয়র চিকিৎসকদের কাজে যোগ দিতে আবেদন জানানো হয়েছে। ১১টা ৪৬ মিনিটে বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। বাইরে বেরিয়ে তাঁরা বলেন, আমাদের ৫ দফা দাবি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কিছু জিনিস নিয়ে আলোচনা হয়নি। আমরা ধরনা মঞ্চে গিয়ে বলবো। সব বিষয়ে ঐক্যমতে পৌঁছায়নি দুপক্ষ। তাঁরা জানিয়েছে, পুলিশ কমিশনারের পদত্যাগের দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ছিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ, স্বরাষ্ট্র সচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, ডিজি রাজীব কুমার সহ আরও সরকারি আধিকারিক। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কি বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?আমাদের বৈঠক চলেছে দীর্ঘক্ষণ। ৪২ জন জুনিয়র চিকিৎসক স্বাক্ষর করেছেন। ওদের বক্তব্য রাখতে দিয়েছি। অভয়ার উদ্দেশে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বৈঠক শুরু হয়। বদলের জন্য ৩ টে নাম দিয়েছিল স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের। ডিএমই ও ডিএইচএসকে সরানো হবে। চিকিৎসকদের তাঁদের প্রতি ক্ষোভ আছে। তবে তাঁদের অসম্মান করি না। আগামিকাল ৪ টের পর পুলিশ কমিশনার বদল করানো হবে। আরও কিছু পুলিশের রদবদল করা হবে। বিনীত যেখানে কাজ করতে চেয়েছে সেখানে ওকে দেওয়া হবে। ওদের ৪টে দাবির মধ্যে ৩ টে দাবি মেনে নিয়েছি। হাসপাতালের পরিকাঠামো বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দেওয়া হবে। বৈঠক পজিটিভ হয়েছে বলে আমি মনে করি। নিশ্চয় ওরাও তাই মনে করে। তাই মিনিটসে স্বাক্ষর করেছে। আমি ওদের বলেছি মানুষের স্বার্থে কাজে যোগ দাও। এদিকে ডিভিসি জল ছাড়ায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে রাজ্যর কিছু এলাকায়। আমাদের না জানিয়ে আজ সকালে ৮০-৯০ হাজার কিউসেক জল ছেড়েছে ডিভিসি।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৪
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রী ও জুনিয়র চিকিৎসকের বৈঠক শেষ, জট কি কাটলো?

আগামিকাল সুপ্রিম কোর্টে শুনানির আগে বৈঠক হল। বৈঠকে কি জট কাটলো? জানা গিয়েছে, জুনিয়র চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার করার অনুরোধ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নানা টালবাহানার পর অবশেষে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক হল আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকদের। কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে এই বৈঠক হয়। বৈঠক চলে প্রায় ২ ঘন্টা। এর আগে বৈঠকের লাইভ স্ট্রিমিং দাবি করেছিল জুনিয়র চিকিৎসকরা। সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলছে তাই লাইভ স্ট্রিমিং সম্ভব নয় বলে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন। পরে ভিডিও রেকর্ডিংয়ের দাবি ছিল আন্দোলনকারীদের। কিন্তু তাও ধোপে টেকেনি। শেষমেশ মিটিংয়ের আলোচনার মিনিট দেওয়া হবে এই শর্তে বৈঠকে বসেন জুনিয়র চিকিৎসকরা।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৪
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার টালা থানার ওসি

টালা থানার ওসি অভিজিৎ মন্ডলকে গ্রেফতার করলো সিবিআই। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রমাণ লোপাটের অভিযোগে অভিজিৎ মন্ডলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একইসঙ্গে আরজি কর প্রাক্তন প্রিন্সিপ্যাল সন্দীপ ঘোষকে এই মামলাতেও গ্রেফতার করল সিবিআই। এর আগে দুর্নীতি মামলায় সন্দীপ ঘোষকে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। তিনি এখন জেল হেফাজতে আছেন। এর আগে বেশ কয়েকবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল টালা থানার ওসিকে। মাঝে তিনি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৪
রাজ্য

কালীঘাটে এখনও বৈঠক শুরু হয়নি, ভিডিওগ্রাফিতে অনড় জুনিয়র চিকিৎসকরা

জুনিয়র চিকিৎসকদের সঙ্গে বৈঠকের জন্য অপেক্ষা করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ সরকারি উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। লাইভ স্ট্রিমিং না হলেও ভিডিওগ্রাফির দাবি করছে জুনিয়র চিকিৎসকরা। প্রশাসন ভিডিওগ্রাফি করবে, সেক্ষেত্রে জুনিয়র চিকিৎসকরা ভিডিওগ্রাফির দাবি জানিয়েছে। এই জটিলতায় বৈঠক আটকে আছে। সেখানে কাক ভেজা হয়ে অপেক্ষা করছেন চিকিৎসকরা। তাঁরা স্বচ্ছতার জন্য ভিডিওগ্রাফি চাইছেন।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৪
রাজ্য

জুনিয়র চিকিৎসকদের ধরনা মঞ্চে গিয়ে কি বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?

নিরাপত্তা সংক্রান্ত নিষেধ থাকা সত্ত্বেও আমি ছুটে এসেছি। কাল সারারাত ঝড় বৃষ্টি হয়েছে। আপনারা কষ্ট পেয়েছেন। আমিও রাতে ঘুমোতে পারিনি। আমারও কষ্ট হয়েছে। আমি নিজে ছাত্র আন্দোলন থেকে উঠে এসেছি। আমি যখন এসেছি কাজ করবই। অনেক কষ্ট পেয়েছেন আপনারা। আপনাদের দাবিগুলো নিয়ে আমি কথা বলব। আপনাদের দাবিগুলি আমি ভাবব, আমি চিন্তা করব। দোষী শাস্তি পাবেই। সিবিআইকে অনুরোধ করব যত তাড়াতাড়ি বিচার হোক। তিন মাসের মধ্যে তারা যেন ফাঁসির অর্ডার দেয়। আপনাদের প্ল্যাটফর্ম থেকেই সিবিআইকে অনুরোধ জানাব।আমাকে একটু সময় দিন। আমার উপর যদি ভরসা থাকে আমি কথা বলে সিদ্ধান্ত নেব। আমার পোস্টটা বড় কথা নয়। মানুষের পোস্টটাই বড় কথা। আপনারা এত কষ্ট করে ঝড় জলে রয়েছেন। আপনাদের পরিবারও কষ্টে রয়েছে। আপনারা কাজে যোগ দিন। আপনাদের প্রতি আমি কোনও অবিচার করব না। হাসপাতালের পরিকাঠামোগত উন্নয়নের কাজ আমরা শুরু করে দিয়েছি। সব হাসপাতালে রোগী কল্যাণ সমিতিতে অধ্যক্ষদের চেয়ারম্যান করব। সদস্য হিসেবে, জুনিয়র-সিনিয়র ডাক্তার, নার্স ও একজন পাবলিক রিপ্রেসেন্টেটিভ থাকবেন এবং পুলিশও থাকবে। আরজি কর মেডিকেল কলেজ সহ সব মেডিকেল কলেজের রোগী কল্যাণ সমিতি ভেঙে দিলাম। আপনাদের বাদবাকি যা দাবি আছে যদি সত্যি কেউ দোষী হয় তারা শাস্তি পাবে। দোষীরা আমার বন্ধু নয়। আমি চাই তিলোত্তমা বিচার পাক। এই খুনের সাথে ও দুর্নীতির সাথে কেউ জড়িত থাকলে কথা বলে ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করব। আমি আপনাদের কাছে অনুরোধ করছি নিজেদের মধ্যে কথা বলুন। কথা বলে ব্যবস্থা নেব। আমি আপনাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেব না। উত্তর প্রদেশ পুলিশ স্ট্রাইক, মিছিল বন্ধ করে দিয়েছিল। আমি এসব করব না। কোনও ডাক্তারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আমি বিরুদ্ধে। আপনারা চাইলে কাজে যোগ দিন। ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নিন। আমি যখন আপনাদের ধরনামঞ্চে আসতে পেরেছি ভরসা করলে বাদ বাকিটাও আমি আস্তে আস্তে করে দেব।দুর্নীতির একটা টেন্ডার কেসও আমার কাছে আসেনি। কোনও রোগী করলেন সমিতি কি কাজ করে সেটা আমার কাছে আসে না। আপনাদের অভিযোগ থাকলে তদন্ত করব, সাজাও দেব। ১৭ তারিখ কেসের ডেট আছে সুপ্রিম কোর্টে। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বলতে আসিনি। আমি আপনাদের দিদি হিসেবে বলতে এসেছি। আপনাদের আন্দোলনকে কুর্নিশ জানাই। আপনাদের আন্দোলনের আমিও সমব্যথী ও সমসাথী। অনুরোধ করছি আমার কথা শুনুন।যে যা খাবার দিচ্ছে সব খাবারটা খাবেন না। হ্যাঁ জাস্টিস হবে। আমি ২৬ দিন অনশন করেছিলাম। সিপিএমের সরকার একদিনের জন্যও কথা বলতে আসেনি। তা সত্ত্বেও আমি এখন এসেছি। আপনাদের আবারও আবেদন বসে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিন। আমার এটা লাস্ট চেষ্টা আপনাদের জন্য করে গেলাম। অবিচার হবে না আপনার বিচার পাবেন, এটুকু আমি বলতে পারি। আপনাদের সকলকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 19
  • 20
  • 21
  • 22
  • 23
  • 24
  • 25
  • ...
  • 139
  • 140
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

কালীঘাটে হঠাৎ সিআইডি, মমতার আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে ঢুকতেই বাড়ল রহস্য

ফের কালীঘাটে দেখা গেল সিআইডির তৎপরতা। তবে এবার তদন্তকারীরা সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যাননি। পরিবর্তে তাঁরা পৌঁছন হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের একটি ফ্ল্যাটে, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক আত্মীয় বসবাস করেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।বৃহস্পতিবার দুপুরে আচমকাই ওই এলাকায় সিআইডির কয়েকজন আধিকারিককে দেখা যায়। তাঁরা সরাসরি একটি নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটে যাওয়ার আগে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কিছু তথ্য জানার চেষ্টা করেন। এরপর তাঁরা সংশ্লিষ্ট ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেন।প্রতিবেশীদের দাবি, ওই ফ্ল্যাটের দ্বিতীয় তলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক বোন থাকেন। তদন্তকারীরা সেখানেই গিয়েছিলেন। তবে কী কারণে এই সফর, কোন মামলার সূত্রে তদন্তকারীরা সেখানে পৌঁছেছেন, সে বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ব্যাখ্যা সামনে আসেনি।উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সই জাল সংক্রান্ত মামলাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে ঘিরে তদন্ত জোরদার হয়েছে। এর আগে একাধিকবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন জায়গায় তদন্তকারীরা গিয়েছেন। কালীঘাটের দলীয় কার্যালয়েও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে।যদিও সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতের তরফে সাময়িক আইনি সুরক্ষা পেয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কালীঘাটে সিআইডির নতুন পদক্ষেপ স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের দাবি, বিরোধী রাজনৈতিক অবস্থানের কারণেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সেই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী তাপস রায়ের বক্তব্য, তদন্তের সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই এবং আইন অনুযায়ী যা করার, তা-ই করা হচ্ছে।তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখনও অমীমাংসিত। ঠিক কোন মামলার সূত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে তদন্তকারীরা পৌঁছলেন, সেই উত্তর এখনও সামনে আসেনি। আর সেই কারণেই কালীঘাটের এই ঘটনাকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

দরজার বাইরে পুলিশ, ভিতরে নিষেধাজ্ঞা! মমতার বাড়িতে কী ঘটল বৃহস্পতিবার সকালে?

কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িকে ঘিরে বৃহস্পতিবারও তৈরি হল অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। লালবাজারের পক্ষ থেকে আরও কয়েকজন নিরাপত্তা আধিকারিককে পাঠানো হলেও তাঁদের বাড়ির ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। ফলে সকাল থেকেই কালীঘাটের বাড়ির সামনে শুরু হয় নতুন জল্পনা।সূত্রের খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি নতুন নিরাপত্তারক্ষী নিতে রাজি নন। তাঁর দীর্ঘদিনের পরিচিত ও বিশ্বস্ত নিরাপত্তাকর্মীদের সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে তিনি অসন্তুষ্ট বলেই জানা যাচ্ছে। সেই কারণেই নতুন করে পাঠানো নিরাপত্তাকর্মীদের গ্রহণ করা হয়নি।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কয়েকজন পুলিশ আধিকারিক বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজনকে কিছু সময়ের জন্য ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও পরে তাঁকেও বাইরে বেরিয়ে আসতে বলা হয়। জানানো হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নতুন নিরাপত্তারক্ষীদের গ্রহণ করতে চান না এবং সিদ্ধান্ত না বদলানো পর্যন্ত তাঁদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।বর্তমানে কালীঘাটের বাড়ির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন দলের কয়েকজন বিশ্বস্ত কর্মী। তাঁদের সঙ্গে সীমিত সংখ্যক পুলিশকর্মীও রয়েছেন। অন্যদিকে বাড়ির বাইরে কলকাতা পুলিশের বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত টহল চালাচ্ছেন।জানা গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কয়েকজন পুরনো নিরাপত্তারক্ষীকে তাঁদের আগের ইউনিটে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের ফেরানোর আবেদন জানান। তাঁর বক্তব্য, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত যাই হোক না কেন, দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ও আস্থার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। সূত্রের দাবি, এই বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।এদিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিবর্তন করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। দলের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এই ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার উদাহরণ বলে দাবি করেছেন।তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও কাটছাঁট করা হয়নি। তাঁর উচ্চস্তরের নিরাপত্তা বহাল রয়েছে। নিয়মিত প্রশাসনিক রদবদলের অংশ হিসেবেই নতুন নিরাপত্তাকর্মীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নতুন ব্যবস্থাকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের প্রত্যাবর্তন হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে কালীঘাটের বাড়ির সামনে তৈরি হওয়া এই পরিস্থিতি এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেসির হ্যাটট্রিক, রোনাল্ডোর ব্যর্থতা! শেষ বিশ্বকাপেই কি ভেঙে পড়ছে স্বপ্ন?

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর সামনে এখন জীবনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। দীর্ঘ কেরিয়ারে অসংখ্য ট্রফি জিতলেও এখনও বিশ্বকাপ অধরা। আর সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য এবারই সম্ভবত তাঁর শেষ সুযোগ।দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে আন্তর্জাতিক ফুটবলে রাজত্ব করছেন রোনাল্ডো। দুই হাজার তিন সালে দেশের জার্সিতে অভিষেকের পর থেকে অসংখ্য রেকর্ড গড়েছেন তিনি। কিন্তু বিশ্বকাপের মঞ্চে এখনও পর্তুগালকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি। দলের সেরা সাফল্য এখনও উনিশশো ছেষট্টি সালের তৃতীয় স্থান অর্জন।এই বিশ্বকাপে নামার আগে থেকেই রোনাল্ডোর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। বয়স এখন একচল্লিশ। অনেকের মতে, আগের মতো গতি ও ধার আর নেই তাঁর খেলায়। প্রথম ম্যাচে প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারার পর সেই সমালোচনা আরও বেড়েছে। বিশেষ করে একই দিনে লিওনেল মেসির দুরন্ত পারফরম্যান্সের পর সামাজিক মাধ্যমে রোনাল্ডোকে নিয়ে কটাক্ষও শুরু হয়েছে।পর্তুগালের প্রাক্তন ফুটবলার আন্তোনিও সিমোয়েসের মন্তব্য নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে। তাঁর দাবি, রোনাল্ডো অনেক সময় দলের চেয়ে নিজের খেলাকে বেশি গুরুত্ব দেন। যদিও এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন পর্তুগাল দলের কোচ রবার্তো মার্টিনেজ। তাঁর মতে, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের জার্সিতে রোনাল্ডোর গোলসংখ্যাই প্রমাণ করে তিনি এখনও দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।তবে পরিসংখ্যান অন্য আলোচনারও জন্ম দিয়েছে। সাম্প্রতিক কয়েকটি বড় জয়ে রোনাল্ডো মাঠে ছিলেন না। সেই কারণে অনেকেই মনে করছেন, তরুণ ফুটবলারদের নিয়ে ভবিষ্যৎ গড়ার সময় এসেছে পর্তুগালের। আবার অন্য একটি অংশের মতে, অভিজ্ঞতা, নেতৃত্ব এবং বড় ম্যাচের মানসিক শক্তির জন্য এখনও রোনাল্ডোর বিকল্প নেই।এই বিশ্বকাপ শুধু একটি টুর্নামেন্ট নয়, রোনাল্ডোর ফুটবল জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ও হতে পারে। কারণ বিশ্বকাপ জিততে পারলে তাঁর কেরিয়ার পূর্ণতা পাবে। আর যদি ব্যর্থ হন, তাহলে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকার জীবন থেকে বিশ্বকাপ ট্রফির অপূর্ণতা হয়তো কোনও দিন মুছে যাবে না।এখন প্রশ্ন একটাই, শেষ সুযোগে কি ইতিহাস গড়তে পারবেন রোনাল্ডো? নাকি বিশ্বকাপের স্বপ্ন অধরাই থেকে যাবে? সেই উত্তর খুঁজতেই তাকিয়ে রয়েছে গোটা ফুটবল বিশ্ব।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

স্পিকারের সিদ্ধান্তেই সিলমোহর! বিরোধী দলনেতা নিয়ে হাই কোর্টে বড় মোড়

বিরোধী দলনেতা পদ নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আপাতত বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই বহাল থাকবেন। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের আবেদনে এই মুহূর্তে কোনও হস্তক্ষেপ করল না আদালত।রাজ্যের পালাবদলের পর বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে ঘিরে শুরু হয় বিতর্ক। একদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রস্তাবে বালিগঞ্জের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম সামনে আসে। অন্যদিকে এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা দাবি করেন, অধিকাংশ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে। সেই দাবি এবং জমা দেওয়া নথির ভিত্তিতেই বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন।স্পিকারের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। গত কয়েক দিন ধরে মামলার শুনানিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠে আসে। স্পিকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়েও আদালত প্রশ্ন তোলে। বিচারপতি জানতে চান, কীভাবে নিশ্চিত হওয়া হয়েছিল যে কোন পক্ষের সমর্থন বেশি।শুনানির সময় স্পিকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রথমে জমা দেওয়া চিঠিতে বিধায়ক দলের বৈঠকের বিস্তারিত তথ্য ছিল না। পরে সেই সংক্রান্ত নথি চাওয়া হয়। এর মধ্যেই কয়েকজন বিধায়ক অভিযোগ করেন, তাঁদের নামে থাকা কিছু স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। এই অভিযোগ সামনে আসতেই বিষয়টি আরও জটিল হয়ে ওঠে।অন্যদিকে সন্দীপন সাহার পক্ষ থেকে স্পিকারের কাছে একটি পৃথক চিঠি জমা দেওয়া হয়। সেখানে দাবি করা হয়, সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে। সেই নথি বিবেচনা করেই স্পিকার তাঁকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন।বৃহস্পতিবার আদালত জানিয়ে দিয়েছে, বিরোধী ব্লকের নির্বাচিত নেতৃত্বের বিষয়ে এই মুহূর্তে কোনও অন্তর্বর্তী হস্তক্ষেপ করা হবে না। ফলে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়িত্ব পালন করবেন। তবে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এখনও হয়নি। আগামী আটাশে জুলাই ফের এই মামলার শুনানি হবে।উল্লেখযোগ্যভাবে, বিধানসভার বাজেট অধিবেশন শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই এই নির্দেশ এসেছে। ফলে রাজনৈতিক মহলে এই রায়কে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিরোধী শিবিরের নেতৃত্ব নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, আপাতত তাতে সাময়িক ইতি টানল কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

শেষ মুহূর্তে বড় রায়! মোদির যোগ দিবস নিয়ে হাই কোর্ট যা বলল, বদলে গেল সব হিসাব

আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে কলকাতার রেড রোডে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আর কোনও আইনি বাধা রইল না। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাই কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী রেড রোডেই যোগ দিবস পালন করা যাবে। তবে সাধারণ মানুষের স্বার্থে বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থা করতে হবে এবং অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর দ্রুত রেড রোড খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।একুশে জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই উপলক্ষে রেড রোডে বড় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের প্রস্তুতির জন্য কয়েক দিনের জন্য রেড রোডে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য সরকার। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা দায়ের করা হয়েছিল।বৃহস্পতিবার সেই মামলার শুনানিতে আদালত অন্তর্বর্তী কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি। ফলে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী রেড রোডে যোগ দিবসের অনুষ্ঠান আয়োজনের পথে আর কোনও বাধা থাকল না। তবে আদালত জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের যাতায়াতে যাতে অসুবিধা না হয়, তার জন্য পুলিশকে বিকল্প পথের ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি একুশে জুনের অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর দ্রুত রেড রোড খুলে দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।আদালত মামলাকারী পক্ষ এবং রাজ্য সরকারকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ফলে মামলার আইনি প্রক্রিয়া এখনও চলবে, তবে যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে তার কোনও প্রভাব পড়ছে না।এদিকে যোগ দিবসকে ঘিরে শহরজুড়ে প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। একুশে জুন রেড রোডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে প্রধান অনুষ্ঠান হওয়ার কথা। তার আগে বিশে জুন গঙ্গাবক্ষে বিশেষ যোগাভ্যাস কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। প্রায় পাঁচশো নৌকোয় একযোগে যোগাভ্যাসের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, মিলেনিয়াম পার্ক, বাবুঘাট, প্রিন্সেপ ঘাট এবং বেলুড়-দক্ষিণেশ্বর সংলগ্ন এলাকায় এই বিশেষ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হতে পারে। পাশাপাশি ড্রোন প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।হাই কোর্টের এই নির্দেশের পর যোগ দিবসের প্রস্তুতিতে প্রশাসনের গতি আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে কলকাতার অন্যতম বড় কর্মসূচির পথে আপাতত সমস্ত আইনি জট কেটে গেল।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

মমতার সবচেয়ে ভরসার নেতাই কি দিলেন বড় ধাক্কা? দলীয় তহবিল ঘিরে অরূপের চিঠিতে তোলপাড়

এক সময় তিনি ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সবচেয়ে বিশ্বস্ত নেতাদের অন্যতম। কিন্তু এখন সেই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক। দলীয় তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ব্যাঙ্কের কাছে চিঠি পাঠিয়ে তৃণমূলের অন্দরে নতুন জল্পনার জন্ম দিলেন তিনি।সূত্রের খবর, বারো জুন একটি চিঠি পাঠিয়ে অরূপ বিশ্বাস নিজেকে দলের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে উল্লেখ করেন। সেই চিঠিতে তিনি দাবি করেন, দলের সংসদীয় ও পরিষদীয় শিবিরে বিভাজন তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দলীয় তহবিলের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের কাছে অ্যাকাউন্ট স্থগিত রাখার আবেদন জানান তিনি।তবে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ সেই আবেদন গ্রহণ করেনি বলেই জানা যাচ্ছে। কারণ তার আগেই দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব অরূপ বিশ্বাসের হাত থেকে সরিয়ে শুভাশিস চক্রবর্তীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। পাঁচ জুন সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া মেনে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং ব্যাঙ্ককেও তা জানানো হয়েছিল।দলীয় সূত্রের দাবি, গত কয়েক মাস ধরেই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে অস্বস্তি বাড়ছিল। কালীঘাটে একাধিক বৈঠকে তাঁর সঙ্গে মতবিরোধের পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল বলে খবর। এমনকি তাঁকে ডাকা হলেও সব সময় তিনি উপস্থিত থাকতেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে।এরই মধ্যে মেসি-কাণ্ডে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ সামনে আসে। আর্থিক লেনদেন সম্পর্কিত কিছু প্রশ্নও ওঠে। দলীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে ব্যাখ্যা চাওয়া হলেও সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া যায়নি বলে সূত্রের দাবি।রাজনৈতিক মহলে আরও একটি জল্পনা ছড়িয়েছে। অরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের যোগাযোগ রয়েছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি অরূপ।সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে, যখন তাঁর কাছ থেকে কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব আগেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল, তখন কেন বারো জুন তিনি ব্যাঙ্কে এই চিঠি পাঠালেন? রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এর পিছনে অন্য কোনও কৌশল থাকতে পারে। আবার অন্য অংশের দাবি, তিনি হয়তো দলীয় তহবিলের নিরাপত্তা নিয়েই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।এদিকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বহাল রেখেছে কলকাতা হাই কোর্ট। সেই প্রেক্ষাপটে দলীয় তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়েও নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সন্দীপন সাহার বক্তব্য, অরূপ বিশ্বাস কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বে থাকাকালীন মনে করেছিলেন যে অ্যাকাউন্টে কোনও অনিয়ম হতে পারে। সেই কারণেই তিনি ব্যাঙ্ককে সতর্ক করার চেষ্টা করেছিলেন।তবে এই ঘটনার পর তৃণমূলের অন্দরের সমীকরণ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের আস্থাভাজন নেতা অরূপ বিশ্বাসের এই পদক্ষেপ শুধুই প্রশাসনিক উদ্বেগ, নাকি এর পিছনে রয়েছে বড় রাজনৈতিক বার্তা সেই প্রশ্নই এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনায়।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

অবশেষে লুকিয়ে থাকা ভাঙল! তিনবার এড়িয়ে শেষে থানায় অরূপ, সামনে এল মেসি-কাণ্ডের নতুন মোড়

অবশেষে মেসি-কাণ্ডের তদন্তে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজির হলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। এর আগে পুলিশের পাঠানো তিনটি নোটিসের পরও তিনি হাজিরা দেননি। ফলে তাঁকে ঘিরে গ্রেপ্তারের আশঙ্কা এবং রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সকাল প্রায় দশটার আগে তিনি থানায় পৌঁছন এবং তদন্তকারীদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন।মেসি সফরকে ঘিরে বিতর্কের সূত্রপাত গত ডিসেম্বর মাসে। ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির ভারত সফরের উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর দাবি, মেসির অনুষ্ঠানের জন্য প্রায় সত্তর হাজার টিকিট ছাপানো হয়েছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, তার মধ্যে প্রায় বাইশ হাজার টিকিট অরূপ বিশ্বাস নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিলেন এবং সেগুলির একটি অংশ অন্যত্র বিক্রি করা হয়েছিল।শুধু টিকিট বিতর্কই নয়, মেসির সফরের সময় নির্ধারিত নিরাপত্তা বিধি মানা হয়নি বলেও অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ এবং অরূপ বিশ্বাসকে একাধিকবার হাজিরার নোটিস পাঠানো হয়। তবে তিনি বারবার হাজিরা এড়িয়ে যান।যদিও এই মামলায় আপাতত স্বস্তি পেয়েছেন অরূপ বিশ্বাস। হাই কোর্ট জানিয়েছে, আগামী সতেরো অগস্ট পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না। তবে তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। সেই নির্দেশের পরই তাঁর এই হাজিরা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে মেসির নিজস্ব ব্যবস্থাপনা দলের একটি চিঠি ঘিরে। কলকাতার পুলিশ কমিশনারের কাছে পাঠানো ওই চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে, মেসির উপস্থিতির সময় মাঠে প্রবেশের ক্ষেত্রে কড়া বিধিনিষেধ ছিল। নিয়ম অনুযায়ী, মাঠের ভেতরে কোনও বিশেষ অতিথি বা ভিআইপির থাকার অনুমতি ছিল না। কিন্তু সেই নিয়ম ভেঙে তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী মাঠে প্রবেশ করেছিলেন বলে অভিযোগ।মেসির ব্যবস্থাপনা দলের দাবি, ছবি তোলার সময় বারবার মেসির খুব কাছে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল এবং অপ্রয়োজনীয় শারীরিক যোগাযোগের ঘটনাও ঘটে। পাশাপাশি পুরো নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছে তারা। এই সমস্ত অভিযোগের জেরেই মেসি-কাণ্ডের তদন্ত নতুন মাত্রা পেয়েছে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

জুন ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

অ্যাসিড হামলায় প্রায় অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন! বিশ্বকাপে রোনাল্ডোর পর্তুগালের বিরুদ্ধে গোল করে ইতিহাস গড়লেন কঙ্গোর নায়ক

পাঁচ বছর আগে ভয়াবহ এক অ্যাসিড হামলায় বদলে গিয়েছিল তাঁর জীবন। মুখ ঝলসে গিয়েছিল, দৃষ্টিশক্তিও প্রায় হারাতে বসেছিলেন। অনেকেই ভেবেছিলেন, তাঁর ফুটবল জীবন হয়তো সেখানেই শেষ। কিন্তু স্বপ্নকে হার মানাতে পারেনি সেই ভয়ঙ্কর আঘাত। আজ সেই ফুটবলারই বিশ্বকাপের মঞ্চে ইতিহাস গড়ে কোটি মানুষের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছেন।কঙ্গোর তারকা ইয়োয়ান উইসার জীবন যেন এক রূপকথার গল্প। বিশ্বকাপে পর্তুগালের বিরুদ্ধে তাঁর করা একটি গোল শুধু ম্যাচে সমতা ফেরায়নি, ইতিহাসও তৈরি করেছে। বিশ্বকাপে কঙ্গোর হয়ে প্রথম গোল করার কৃতিত্ব এখন তাঁর নামের পাশে।ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই কর্নার থেকে আসা বল দুরন্ত হেডে জালে জড়িয়ে দেন উইসা। সেই গোলের পর উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে গোটা কঙ্গো। দীর্ঘ বিরতির পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরে পর্তুগালের মতো শক্তিশালী দলকে আটকে দেওয়ায় আনন্দের বন্যা বইতে শুরু করে দেশজুড়ে।কিন্তু এই সাফল্যের পিছনে লুকিয়ে রয়েছে ভয়াবহ এক অধ্যায়। দুই হাজার একুশ সালের এক জুলাই নিজের বাড়িতে ভয়ঙ্কর অ্যাসিড হামলার শিকার হন উইসা। এক নারী তাঁর বাড়িতে ঢুকে আচমকা মুখে অ্যাসিড ছুড়ে দেয়। এমনকি তাঁর মেয়েকে অপহরণের চেষ্টাও করা হয়েছিল বলে অভিযোগ।গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। চিকিৎসকদের একাধিক অস্ত্রোপচার করতে হয়। চোখের গুরুতর ক্ষতি হয়েছিল। দীর্ঘ সময় চিকিৎসার মধ্যে থাকতে হয়েছিল তাঁকে। পরে আদালতে উইসা জানিয়েছিলেন, সেই মুহূর্তে তিনি শ্বাস নিতে পারছিলেন না এবং চিকিৎসকেরা জানিয়েছিলেন তাঁর চোখ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।দীর্ঘ তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ার পর অভিযুক্ত নারীকে হত্যাচেষ্টা এবং অপহরণের দায়ে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে আদালতের রায় এলেও উইসার জীবনের ক্ষত সহজে মুছে যায়নি। শারীরিক কষ্টের পাশাপাশি মানসিকভাবেও ভেঙে পড়েছিলেন তিনি।তবুও তিনি হার মানেননি। ধীরে ধীরে মাঠে ফিরেছেন, নিজেকে নতুন করে গড়েছেন। পরিবারের সমর্থন এবং সন্তানদের কথা ভেবেই তিনি আবার স্বাভাবিক জীবনে ফেরার শক্তি পেয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন।আজ সেই উইসাই বিশ্বকাপের মঞ্চে দাঁড়িয়ে নতুন ইতিহাস লিখেছেন। অ্যাসিড হামলার বিভীষিকা থেকে উঠে এসে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল আসরে গোল করা শুধু একটি ক্রীড়া সাফল্য নয়, এটি মানুষের অদম্য ইচ্ছাশক্তি এবং লড়াইয়ের এক অনন্য উদাহরণ।কঙ্গোর মানুষ আজ তাঁকে শুধু ফুটবলার হিসেবে নয়, আশা এবং সাহসের প্রতীক হিসেবেও দেখছেন। কারণ তিনি প্রমাণ করেছেন, জীবনে যত বড় ঝড়ই আসুক, স্বপ্নকে থামানো যায় না।

জুন ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal