• ৬ চৈত্র ১৪৩২, শুক্রবার ২০ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IC

রাজ্য

ভোটে নামছেন তিলোত্তমার মা? বিজেপির টিকিটে প্রার্থী হওয়ার জল্পনায় চাঞ্চল্য

তিলোত্তমার মাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। শোনা যাচ্ছে, তিনি বিজেপির টিকিটে নির্বাচনে লড়তে পারেন। দলের তরফে তাঁকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল এবং তিনি তাতে সম্মতিও জানিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।কয়েক দিন আগে বিজেপি নেতা অর্জুন সিং তিলোত্তমার বাড়িতে যান। সেখানে তিনি প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে তিলোত্তমার বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলেন। সেই সাক্ষাতের পর থেকেই তিলোত্তমার মায়ের বিজেপিতে যোগ দেওয়া এবং প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। সূত্রের খবর, পানিহাটি কেন্দ্র থেকেই তাঁকে প্রার্থী করা হতে পারে।তিলোত্তমার বাবা জানিয়েছেন, বিরোধী শক্তি হিসেবে বিজেপির উপরই তাঁদের ভরসা রয়েছে। তাঁর মতে, এই দলই ক্ষমতায় এসে পরিবর্তন আনতে পারে এবং রাজ্যে নারী সুরক্ষার পরিস্থিতি আরও উন্নত করা সম্ভব।অন্যদিকে তিলোত্তমার মা জানিয়েছেন, নিজের গভীর দুঃখ ও যন্ত্রণার মধ্যেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি তাঁকে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে। তিনি নিজেই ফোন করে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা জানিয়েছেন। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, তাঁর মেয়ের ঘটনাকে কেউ যেন ভোটের স্বার্থে ব্যবহার না করে, সেই কারণেই তিনি নিজে সামনে আসতে চান।এই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী বলেন, তিলোত্তমার বিচার সবাই চান, কিন্তু নির্বাচনে দাঁড়ানো তার একমাত্র পথ নয়। তাঁর মতে, ভোটে জয় বা পরাজয়ের সঙ্গে বিচার পাওয়ার সম্পর্ক থাকা উচিত নয়।সব মিলিয়ে তিলোত্তমার মায়ের সম্ভাব্য রাজনৈতিক পদক্ষেপ রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে।

মার্চ ১৯, ২০২৬
রাজ্য

রাতারাতি বড় নির্দেশ! বাংলার ১৫ পুলিশ অফিসারকে ভিনরাজ্যে পাঠানোয় চাঞ্চল্য

আবারও গভীর রাতে এল নতুন নির্দেশ। যাঁদের কিছুদিন আগেই এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বদলি করা হয়েছিল, সেই পুলিশ অফিসারদেরই এবার পাঠানো হচ্ছে ভিনরাজ্যে। বুধবার রাতেই এই নির্দেশ জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। মোট ১৫ জন পুলিশ অফিসারকে অন্য রাজ্যে পাঠানো হচ্ছে।এবার তামিলনাড়ু ও কেরলে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। সেই কারণে আগেই এ রাজ্যের কয়েকজন অফিসারকে সেখানে পর্যবেক্ষক হিসেবে পাঠানো হয়েছিল। ভোট ঘোষণার আগে যিনি রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব ছিলেন, সেই জগদীশ প্রসাদ মিনাকেও তামিলনাড়ুতে অবজারভার হিসেবে পাঠানো হয়েছে।এবার আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ পুলিশ আধিকারিককে ওই দায়িত্ব দেওয়া হল। বিধাননগর কমিশনারেটের পুলিশ কমিশনার মুরলীধর শর্মা এবং শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার সৈয়দ ওয়াকার রাজাকেও তামিলনাড়ুতে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, ধৃতিমান সরকার এবং আমনদীপ সিংকেও পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে মোট ১৫ জন অফিসারকে তামিলনাড়ু ও কেরলে পাঠানো হয়েছে। তালিকায় রয়েছেন রাশিদ মুনির খান, সন্দীপ কারা, প্রিয়ব্রত রায়, প্রবীণ কুমার ত্রিপাঠী, মুকেশ, মুরলীধর শর্মা, ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়, ধৃতিমান সরকার, সি সুধাকর, ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, আমনদীপ সিং, আকাশ মাঘারিয়া, অলোক রাজোরিয়া এবং সৈয়দ ওয়াকার রাজা।এই অফিসারদের অনেককেই সম্প্রতি এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বদলি করা হয়েছিল। এবার তাঁদেরই আবার ভিনরাজ্যে পাঠানো হল। শুধু তাই নয়, পর্যবেক্ষক হিসেবে কাজ করার জন্য যে বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রয়োজন, সেই প্রশিক্ষণও এই ১৫ জনের অধিকাংশের নেই বলে জানা যাচ্ছে। ফলে এত তাড়াহুড়ো করে তাঁদের পাঠানো হল কেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

মার্চ ১৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় ঝাঁকুনি! একসঙ্গে ১১ জেলাশাসক বদলি, চাঞ্চল্য

ভোটের মুখে বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের একাধিক জেলার জেলাশাসক এবং জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের একযোগে বদলি করা হয়েছে। বুধবার সকালে প্রথমে কয়েকজন পুলিশ আধিকারিককে বদলি করা হয়। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ১১টি জেলার জেলাশাসক বদলের নির্দেশ জারি করে কমিশন।যে জেলাগুলিতে এই বদল করা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পূর্ব বর্ধমান, উত্তর ২৪ পরগণা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, দার্জিলিং এবং আলিপুরদুয়ার। এই সব জেলার জেলাশাসকেরা একই সঙ্গে জেলা নির্বাচনী আধিকারিক হিসেবেও কাজ করছিলেন।কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী নতুন করে বিভিন্ন জেলায় নতুন জেলাশাসক নিয়োগ করা হয়েছে। একই সঙ্গে কলকাতা পুরসভার কমিশনার এবং দক্ষিণ কলকাতার জেলা নির্বাচনী আধিকারিককেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁদের জায়গায় নতুন আধিকারিকদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর করতে হবে। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের দ্রুত কাজে যোগ দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যাঁদের সরানো হয়েছে, তাঁদের ভোট সংক্রান্ত কোনও কাজে যুক্ত না থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যতদিন না নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ হচ্ছে।এই বড় রদবদলের মধ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকও ডাকা হয়েছে। সেখানে শীর্ষ পুলিশ ও প্রশাসনিক আধিকারিকদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।ভোটের আগে হঠাৎ এত বড় প্রশাসনিক পরিবর্তনে রাজনৈতিক মহলে জোর চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের প্রভাব নির্বাচনে কতটা পড়বে, তা নিয়ে এখন জোর আলোচনা চলছে।

মার্চ ১৮, ২০২৬
রাজ্য

শুক্রবার না শনিবার? অবশেষে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা নিয়ে বড় আপডেট

ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়ে গিয়েছে এবং রাজনৈতিক দলগুলি জোরকদমে প্রচারে নেমে পড়েছে। কিন্তু রাজ্যের প্রায় ষাট লক্ষ ভোটার এখনও জানেন না, তাঁরা এবারের নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন কি না। তাঁদের নাম এখনও বিবেচনাধীন তালিকায় ঝুলে রয়েছে।নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, গত আটাশ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়। সেই তালিকায় প্রায় ষাট লক্ষ ভোটারের নাম বিবেচনাধীন অবস্থায় রাখা হয়েছে। এরপর দুই সপ্তাহের বেশি সময় কেটে গিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে বিচার বিভাগীয় আধিকারিকরা সেই সব নাম খতিয়ে দেখে নিষ্পত্তি করছেন।এখনও পর্যন্ত প্রায় একুশ লক্ষ ভোটারের নামের নিষ্পত্তি হয়েছে বলে জানিয়েছে কমিশন। কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত জানিয়েছেন, এই সপ্তাহের মধ্যেই প্রথম সম্পূরক তালিকা প্রকাশ হতে পারে। তাঁর কথায়, বিচার বিভাগীয় আধিকারিকরা খুব শীঘ্রই নিষ্পত্তি হওয়া নামগুলি কমিশনের হাতে তুলে দেবেন। বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী, শুক্রবার বা শনিবার এই তালিকা প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে।তবে বড় প্রশ্ন রয়ে গিয়েছে বাকি প্রায় উনচল্লিশ লক্ষ ভোটারকে নিয়ে। ভোটের আগে এত অল্প সময়ের মধ্যে তাঁদের নামের নিষ্পত্তি করা সম্ভব কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। কারণ রাজ্যে এবার দুই দফায় ভোট হবে তেইশ ও উনত্রিশ এপ্রিল।এছাড়াও যাঁদের নাম বাদ পড়বে, তাঁদের ট্রাইব্যুনালে যাওয়ার সুযোগ থাকবে। কিন্তু সেই প্রক্রিয়া কবে শুরু হবে এবং কবে শেষ হবে, তা নিয়েও স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি।এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, বিষয়টির দায় হাইকোর্টের উপর চাপানোর চেষ্টা হচ্ছে। বিচারব্যবস্থার উপর তাঁদের আস্থা থাকলেও কমিশন কীভাবে আদালতের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে, তা স্পষ্ট নয় বলে তিনি অভিযোগ করেন। যাঁদের নাম বাদ যাবে, তাঁরা কবে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করবেন এবং সেই প্রক্রিয়ার জন্য কত সময় দেওয়া হবে, সে বিষয়েও কোনও স্পষ্ট উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না বলেই দাবি তাঁর।এই নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তেজনা বাড়ছে। ভোটের আগে এত বড় সংখ্যক ভোটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত থাকায় উদ্বেগও বাড়ছে।

মার্চ ১৮, ২০২৬
দেশ

দুই বছরের মেয়েকে নিয়ে ২৩ তলা থেকে ঝাঁপ! গুরগাঁওয়ের ঘটনায় শিউরে উঠছে দেশবাসী

গুরগাঁওয়ে এক হৃদয়বিদারক ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, এক ব্যক্তি তাঁর দুই বছরের কন্যাকে নিয়ে বহুতলের তেইশ তলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। এই ঘটনায় দুজনেরই মৃত্যু হয়েছে।মৃত ব্যক্তির নাম রাহুল। তাঁর বয়স আটত্রিশ বছর। তিনি দিল্লির বাসিন্দা ছিলেন এবং পরিবার নিয়ে গুরগাঁওয়ের একটি আবাসনে ভাড়া থাকতেন। মঙ্গলবার সকালে একটি আবাসনের ভিতরে এই ঘটনা ঘটে।পুলিশ জানিয়েছে, রাহুল তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে একটি ছোট স্কুল চালাতেন, যেখানে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানো হতো। কিছুদিন ধরে তিনি শারীরিক অসুস্থতা এবং মানসিক চাপের মধ্যে ছিলেন এবং চিকিৎসাও চলছিল।পুলিশের এক আধিকারিক জানান, প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে মানসিক অবসাদ থেকেই তিনি এই চরম পদক্ষেপ নিয়েছেন। যদিও ঘটনার সঠিক কারণ জানতে তদন্ত চলছে।জানা গিয়েছে, তিনি যে টাওয়ারে থাকতেন, সেখান থেকে নয়, অন্য একটি টাওয়ারের তেইশ তলা থেকে ঝাঁপ দেন। ঘটনাস্থল থেকে কোনও সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি।দেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয় এবং পরে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।স্থানীয় বাসিন্দারা এই ঘটনায় স্তম্ভিত হয়ে পড়েছেন। অনেকেই উচ্চ ভবনে বসবাসকারী পরিবারগুলির মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

মার্চ ১৮, ২০২৬
বিদেশ

কাবুলে রক্তাক্ত রাত, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন রশিদ খানরা

পবিত্র রমজান মাসে কাবুলের একটি হাসপাতালে ভয়াবহ হামলার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়েছে। এই হামলায় অন্তত চারশো জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। বহু মানুষ আহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে হাসপাতালের বড় অংশ। আগুনে জ্বলতে থাকে পুরো এলাকা। এই ঘটনার পরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন আফগানিস্তানের একাধিক ক্রিকেটার।রশিদ খান, মহম্মদ নবি এবং নবীন উল হক এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন। তারা সরাসরি পাকিস্তানকে দায়ী করে সোশ্যাল মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। অনেকেই বলেছেন, এই ধরনের হামলা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। রমজানের মতো পবিত্র মাসে এমন ঘটনা আরও বেশি কষ্টদায়ক বলে উল্লেখ করেছেন তারা।নবীন উল হক এক পোস্টে লেখেন, তিনি ইজরায়েল এবং পাকিস্তানের মধ্যে কোনও পার্থক্য দেখছেন না। এই মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে। রমজান মাসে মুসলিম দেশ হয়েও এমন হামলা চালানো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।রশিদ খানও নিজের প্রতিক্রিয়ায় জানান, কাবুলের হাসপাতালে হামলার খবর শুনে তিনি অত্যন্ত মর্মাহত। তিনি এটিকে যুদ্ধাপরাধ বলে উল্লেখ করেন। তার দাবি, রাষ্ট্রসংঘ এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলির এই ঘটনার তদন্ত করা উচিত। এই কঠিন সময়ে দেশের মানুষের পাশে থাকার বার্তাও দিয়েছেন তিনি।মহম্মদ নবি তার পোস্টে লেখেন, হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য গিয়েছিল বহু শিশু ও সাধারণ মানুষ। তাদের উপর এই হামলা অত্যন্ত নিষ্ঠুর। তিনি জানান, অনেক মা তাদের সন্তানের অপেক্ষায় ছিলেন, কিন্তু সেই সন্তানরা আর বাড়ি ফিরতে পারেনি।উল্লেখ্য, এর আগেও পাকিস্তানের হামলায় আফগানিস্তানের তরুণ ক্রিকেটারদের মৃত্যু হয়েছিল। সেই সময়ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন আফগান ক্রিকেটাররা। এমনকি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একটি প্রতিযোগিতাও বয়কট করা হয়েছিল।এই নতুন হামলার পর আবারও প্রশ্ন উঠছে, পাকিস্তানের সঙ্গে ক্রীড়া সম্পর্ক আদৌ বজায় রাখা হবে কি না। পরিস্থিতি কোন দিকে এগোয়, তা এখন দেখার অপেক্ষা।

মার্চ ১৭, ২০২৬
রাজ্য

বিকেলে ভোট ঘোষণা, তার আগে রাজ্য জুড়ে পুলিশ বদলির নির্দেশ

আজ রবিবার বিকেল চারটেয় পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। তার কয়েক ঘণ্টা আগেই রাজ্য পুলিশের ভিতরে বড় রদবদল করল নবান্ন। সূত্রের খবর, মোট সাতাশ জন ইন্সপেক্টর এবং বারোটি থানার আইসি-কে বদলি করা হয়েছে।ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলায় একাধিক ইন্সপেক্টরকে নতুন জায়গায় পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি বিধাননগর, বারাকপুর এবং চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের বেশ কয়েকটি থানার আইসি-রও বদলি করা হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলাতেও কয়েক জন ইন্সপেক্টরকে অন্যত্র পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার ঠিক আগে রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, যাঁদের বদলি করা হয়েছে, তাঁদের যত দ্রুত সম্ভব নতুন দায়িত্বে যোগ দিতে হবে।উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, জলপাইগুড়ি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, বিধাননগর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং হুগলি সহ একাধিক জেলায় এই বদলি করা হয়েছে। ভোট ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগে এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই বিষয়টি নিয়ে বিরোধীরাও প্রশ্ন তুলেছে। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ দাবি করেছেন, নির্বাচন কমিশন যাতে পরে আর বদলি করতে না পারে, সেই কারণেই আগেভাগে এই বদলি করা হয়েছে। তবে তাঁর মতে, এতে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা কমে যায় না। প্রয়োজনে কমিশন এই সব আধিকারিকদের অতীত কাজ এবং ভূমিকা খতিয়ে দেখতে পারে।উল্লেখ্য, কয়েক সপ্তাহ আগেও রাজ্য পুলিশে বড় বদলি করা হয়েছিল। সে সময় চার জন আইপিএস আধিকারিককে অন্যত্র পাঠানো হয়। আলিপুরদুয়ার, বসিরহাট এবং জঙ্গিপুরের পুলিশ সুপার এবং রাজ্য গোয়েন্দা বিভাগের এক শীর্ষ আধিকারিকেরও বদলি করা হয়েছিল।সাধারণত নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়ে গেলে আদর্শ আচরণবিধি জারি হয়ে যায়। তার পর প্রশাসনে বড় কোনও বদলি করতে গেলে নির্বাচন কমিশনের অনুমতি প্রয়োজন হয়। সেই কারণেই ভোট ঘোষণার ঠিক আগে এই রদবদলকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
বিদেশ

মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র সংঘাত! ইরানের খার্গ দ্বীপে ভয়াবহ বোমাবর্ষণের দাবি ট্রাম্পের

মধ্যপ্রাচ্যে চলা সংঘাতের আবহে বড় দাবি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, ইরানের খার্গ দ্বীপে বড় ধরনের বোমাবর্ষণ চালিয়েছে আমেরিকার সেনা। তিনি এই হামলাকে মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ বোমাবর্ষণ বলে উল্লেখ করেছেন।নিজের সামাজিক মাধ্যমে একটি বার্তায় ট্রাম্প জানান, তাঁর নির্দেশে আমেরিকার কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড এই হামলা চালিয়েছে। তাঁর দাবি, ইরানের গুরুত্বপূর্ণ খার্গ দ্বীপে থাকা সমস্ত সামরিক ঘাঁটি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।তবে তিনি এটাও জানান, এখনও পর্যন্ত ওই দ্বীপের তেল শোধনাগারে হামলা করা হয়নি। কিন্তু যদি হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়, তাহলে সেখানেও হামলা করা হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।খার্গ দ্বীপ ইরানের উপকূল থেকে প্রায় তেত্রিশ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। আয়তনে খুব বড় না হলেও এই দ্বীপই ইরানের সবচেয়ে বড় তেল রপ্তানি কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এখান থেকেই ইরান বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অপরিশোধিত তেল পাঠায়। তাই এই দ্বীপে বড় আঘাত মানেই ইরানের অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা বলে মনে করা হয়।এর মধ্যেই আমেরিকার প্রশাসনের দাবি, ইরানের অন্তত পনেরো হাজার সামরিক ঘাঁটিতে আমেরিকা ও ইজরায়েল একসঙ্গে হামলা চালিয়েছে। তাদের আরও দাবি, ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব নিরাপত্তার কারণে গোপন স্থানে চলে গিয়েছে। এমনকি দেশের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতাও গুরুতর আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে খার্গ দ্বীপে হামলার খবর সামনে আসতেই মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।গত প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলা সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালী কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে তেলের সংকট তৈরি হয়েছে। ইরানের পক্ষ থেকে আগেই হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল যে হরমুজ দিয়ে কোনও তেলবাহী জাহাজকে যেতে দেওয়া হবে না।ইরানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, পশ্চিম এশিয়ার বাইরে এক লিটার তেলও যেতে দেওয়া হবে না। এর জবাবে আমেরিকার পক্ষ থেকে আগেই বলা হয়েছিল, হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার চেষ্টা করলে কঠোর সামরিক জবাব দেওয়া হবে।এই অবস্থায় খার্গ দ্বীপে হামলার দাবি সামনে আসায় সংঘাত আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা।

মার্চ ১৪, ২০২৬
দেশ

ঋতুকালীন ছুটি বাধ্যতামূলক হলে মহিলাদের চাকরি দেবে না সংস্থা! সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক মন্তব্য প্রধান বিচারপতির

ঋতুকালীন ছুটি বাধ্যতামূলক করার দাবি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে হওয়া এক মামলার শুনানিতে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। শুক্রবার এই মামলার শুনানি চলাকালীন তিনি বলেন, যদি ঋতুকালীন ছুটি আইন করে বাধ্যতামূলক করা হয়, তাহলে অনেক সংস্থা মহিলা কর্মীদের নিয়োগ করতে চাইবে না। এই কারণ দেখিয়েই আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে।শৈলেন্দ্র মণি ত্রিপাঠী নামে এক আইনজীবী সুপ্রিম কোর্টে একটি আবেদন করেছিলেন। তাঁর দাবি ছিল, ছাত্রী হোক বা কর্মরত মহিলা সবার জন্যই ঋতুকালীন ছুটি বাধ্যতামূলক করা উচিত। তিনি উদাহরণ হিসেবে কেরল সরকারের একটি সিদ্ধান্তের কথাও তুলে ধরেন। দুই হাজার তেরো সালে রাজ্যের অধীনস্থ সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীদের জন্য ঋতুকালীন ছুটির ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। কিছু বেসরকারি সংস্থাও কর্মীদের জন্য এই ধরনের ছুটি চালু করেছে বলেও তিনি আদালতে উল্লেখ করেন।আবেদনকারীর দাবি ছিল, সব রাজ্যেই যেন এই ধরনের ছুটি আইন করে বাধ্যতামূলক করা হয়। সেই উদ্দেশ্যেই শীর্ষ আদালতে এই পিটিশন দাখিল করা হয়েছিল।তবে প্রধান বিচারপতি এই আবেদন সরাসরি খারিজ করে দেন। তিনি বলেন, ঋতুকালীন ছুটি বাধ্যতামূলক করা হলে তার উল্টো প্রভাবও পড়তে পারে। তাঁর মতে, এতে অনেক মহিলার মনে হতে পারে যে তাঁরা পুরুষদের তুলনায় পিছিয়ে। একই সঙ্গে অনেক সংস্থা তখন মহিলা কর্মীদের নিয়োগ করতে অনীহা দেখাতে পারে।প্রধান বিচারপতির কথায়, ঋতুস্রাব নিয়ে সচেতনতা তৈরি করা অবশ্যই প্রয়োজন। কিন্তু যদি আইন করে এই ছুটি বাধ্যতামূলক করা হয়, তাহলে কিছু নিয়োগকারী সংস্থা মনে করতে পারে যে মহিলাদের কাজের ক্ষেত্রে আলাদা সমস্যা রয়েছে। সেই কারণ দেখিয়ে তারা মহিলা কর্মীদের নিয়োগ কমিয়ে দিতে পারে।তিনি আরও বলেন, কিছু সংস্থা ইতিমধ্যেই স্বেচ্ছায় কর্মীদের ঋতুকালীন ছুটি দেয়। কিন্তু বিষয়টি আইনের আওতায় আনা হলে তা অনেক সময় মহিলাদের কর্মজীবনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, দেশের কিছু রাজ্যে ইতিমধ্যেই এই ধরনের ছুটির ব্যবস্থা রয়েছে। কর্নাটকে গত বছর একটি আইন পাশ হয়েছে, যেখানে মহিলা কর্মীরা মাসে এক দিন সবেতন ঋতুকালীন ছুটি পাবেন। বিহারে আবার উনিশশো বিরানব্বই সাল থেকেই মাসে দুদিন ঋতুকালীন ছুটির নিয়ম চালু রয়েছে। দুই হাজার চব্বিশ সালে ওড়িশা সরকারও মহিলা কর্মীদের জন্য মাসে এক দিন ঋতুকালীন ছুটিতে সম্মতি জানিয়েছিল।

মার্চ ১৩, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত! প্রতিটি কেন্দ্রে বসছে আলাদা নজরদার, নজিরবিহীন পদক্ষেপ কমিশনের

রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করতে বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, দুই হাজার ছাব্বিশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পর্যবেক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে নজিরবিহীন পরিকল্পনা করেছে কমিশন। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে এ বার প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য আলাদা করে এক জন করে সাধারণ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করার ভাবনা চলছে।দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময় রাজ্যে মোট একশো ষাট জন সাধারণ পর্যবেক্ষক ছিলেন। সে ক্ষেত্রে এক জন আধিকারিককে একাধিক কেন্দ্রের দায়িত্ব সামলাতে হয়েছিল। কিন্তু এ বার সেই ব্যবস্থা বদলাতে পারে। প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য আলাদা পর্যবেক্ষক থাকলে নজরদারি আরও শক্ত হবে বলেই মনে করছে প্রশাসনিক মহল।শুধু সাধারণ পর্যবেক্ষকই নয়, ভোটের খরচের হিসেব দেখার জন্য ব্যয় পর্যবেক্ষকের সংখ্যাও এ বার বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রেও।গত বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে মোট সাতত্রিশ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক ছিলেন। কিন্তু এ বার সেই সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়তে পারে। সূত্রের খবর, জেলা বা মহকুমা ভিত্তিক নিয়োগের বদলে নির্দিষ্ট এলাকা বা বিধানসভা কেন্দ্র ধরে পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হতে পারে। এমনকী কিছু স্পর্শকাতর কেন্দ্রে এক জনের বেশি পুলিশ পর্যবেক্ষকও থাকতে পারেন।কমিশনের এই সূক্ষ্ম পরিকল্পনা থেকেই স্পষ্ট, ভোটের সময় কোনও রকম ঝুঁকি নিতে চাইছে না নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যেই ভোট ঘোষণা হওয়ার আগেই বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্রে রিটার্নিং অফিসার নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে একটি বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়েছে। তালিকায় ন্যূনতম পদমর্যাদা হিসেবে মহকুমা শাসক স্তরের আধিকারিকদের রাখা হয়েছে। যদিও সিনিয়র পদমর্যাদার আধিকারিকও থাকতে পারেন, কিন্তু সবচেয়ে নিচের স্তর হিসেবে মহকুমা শাসক পদই নির্ধারণ করা হয়েছে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এতদিন ডিএমডিসি পদমর্যাদার আধিকারিকরা রিটার্নিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পেতেন। কিন্তু নতুন নির্দেশিকায় সেই পদমর্যাদার কাউকে রাখা হয়নি। যাঁদের নাম রাখা হয়েছে, তাঁরা সকলেই তুলনামূলক ভাবে সিনিয়র আধিকারিক বলে জানা গেছে।

মার্চ ১৩, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধ থামাতে আমেরিকা ও ইজ়রায়েলকে তিন শর্ত! হুঁশিয়ারি ইরানের প্রেসিডেন্টের

পশ্চিম এশিয়ার উত্তপ্ত পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা কাটেনি। ইরানের সঙ্গে আমেরিকা ও ইজ়রায়েলের সংঘর্ষ থামার কোনও স্পষ্ট ইঙ্গিত এখনও নেই। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অবশ্য ইতিমধ্যেই যুদ্ধ থামার ইঙ্গিত দিয়েছেন। তাঁর দাবি, এই যুদ্ধে আমেরিকা অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে এবং কার্যত জয় নিশ্চিত হয়েছে। তাই খুব শীঘ্রই যুদ্ধ শেষ হতে পারে।কিন্তু ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, যুদ্ধ থামবে কি না তা ঠিক করবে তেহরানই। এই পরিস্থিতিতে সংঘর্ষবিরতির জন্য আমেরিকা ও ইজ়রায়েলকে তিনটি শর্ত দিয়েছে ইরান। তেহরানের দাবি, এই শর্তগুলি না মানলে কোনওভাবেই যুদ্ধবিরতি সম্ভব নয়।বুধবার রাতে নিজের সামাজিক মাধ্যমের এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করে এই তিনটি শর্তের কথা জানান ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি লেখেন, রাশিয়া ও পাকিস্তানের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে তিনি শান্তির প্রতি ইরানের অঙ্গীকার আবারও জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ইজ়রায়েল সরকার এবং আমেরিকার শুরু করা এই যুদ্ধের শেষ করার একমাত্র উপায় হল ইরানের বৈধ অধিকার নিশ্চিত করা, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ দেওয়া এবং ভবিষ্যতে আর আক্রমণ না করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া।অর্থাৎ ইরানের দাবি, তাদের ন্যায্য অধিকার কোনওভাবেই খর্ব করা যাবে না। পাশাপাশি চলতি সংঘর্ষে যে ক্ষতি হয়েছে, তার ক্ষতিপূরণও দিতে হবে।তৃতীয় শর্তটি নিয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে তেহরান। ইরানের আশঙ্কা, ভবিষ্যতে আবারও হামলা চালাতে পারে ইজ়রায়েল বা আমেরিকা। তাই ভবিষ্যতে যেন এমন পরিস্থিতি আর না তৈরি হয়, তার নিশ্চয়তা চাইছে ইরান। এই তিনটি শর্ত মানা হলে তবেই সংঘর্ষবিরতিতে রাজি হবে বলে স্পষ্ট জানিয়েছে তেহরান।অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি বলেছেন, যুদ্ধ খুব দ্রুত শেষ হতে চলেছে। তাঁর দাবি, ইরানে আক্রমণ করার মতো প্রায় কিছুই আর বাকি নেই এবং এই যুদ্ধে আমেরিকা অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে। তাই তিনি চাইলে খুব শিগগিরই যুদ্ধ থামতে পারে।তবে ইরানের এই কড়া অবস্থান নতুন করে চাপ বাড়াতে পারে বলেই মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল। ইতিমধ্যেই হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে তেলের সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি দীর্ঘদিন চললে তেলের বাজারে বড় প্রভাব পড়তে পারে।এখন প্রশ্ন উঠছে, যুদ্ধ থামাতে ইরানের এই তিন শর্ত কি মেনে নেবে আমেরিকা ও ইজ়রায়েল? নাকি সংঘাত আরও বাড়বে? মার্কিন প্রশাসনের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছে গোটা বিশ্ব।

মার্চ ১২, ২০২৬
কলকাতা

অটোর গ্যাসের দামে হঠাৎ বড় ধাক্কা, লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে ক্ষোভে ফুঁসছেন চালকরা

রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ার পর থেকেই জ্বালানির বাজারে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। এবার সেই উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে লিটার প্রতি পাঁচ টাকা বেড়ে গেল অটোয় ব্যবহৃত এলপিজির দাম। হঠাৎ এই মূল্যবৃদ্ধিতে সমস্যায় পড়েছেন শহরের অটোচালকরা।চালকদের অভিযোগ, এতদিন লিটার প্রতি গ্যাসের দাম ছিল সাতান্ন টাকা আটষট্টি পয়সা। কিন্তু হঠাৎ করেই পাঁচ টাকা বাড়িয়ে এখন সেই দাম দাঁড়িয়েছে বাষট্টি টাকা আটষট্টি পয়সা।এদিকে বুধবার ভোররাত থেকেই শহরের প্রায় সব গ্যাস পাম্পে রিফিলের জন্য দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। বেঙ্গল কেমিক্যাল পাম্প থেকে সিটি সেন্টার পর্যন্ত প্রায় একই ছবি চোখে পড়েছে। গ্যাস ভরার জন্য অনেক চালককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে।পাম্প কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, কয়েক মিনিট আগেও পুরনো দামেই গ্যাস দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ নতুন নির্দেশিকা আসায় দাম বাড়াতে হয়েছে। কেন এই মূল্যবৃদ্ধি হল, তা নিয়ে ধোঁয়াশায় রয়েছেন অনেকেই।অটোচালকদের অভিযোগ, একদিকে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে গ্যাস ভরাতে হচ্ছে, অন্যদিকে হঠাৎ দাম বেড়ে যাওয়ায় তাঁদের সমস্যা আরও বেড়েছে। অনেকেই বলছেন, গ্যাস ভরতে কমপক্ষে তিন থেকে চার ঘণ্টা সময় লাগছে। কেউ কেউ আবার জানিয়েছেন, আগের দিন দুই থেকে তিন ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও গ্যাস পাননি।এর ফলে সময়মতো রুটে পৌঁছাতে না পারায় তাঁদের রোজগারেও প্রভাব পড়ছে। অনেক চালকই বলছেন, এই পরিস্থিতিতে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে।অন্যদিকে গ্যাস সরবরাহকারী সংস্থার কর্মীরাও স্বীকার করছেন যে সরবরাহ কম হয়েছে। তাঁদের মতে, প্রতিদিন যে পরিমাণ গ্যাসের প্রয়োজন হয়, তার প্রায় অর্ধেকই এখন পাম্পে পৌঁছাচ্ছে। ফলে সংকট আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকেই।

মার্চ ১১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

পেট্রোল পাম্প উদ্বোধন থেকে বিশ্বজয়ী অধিনায়ক! পুরনো ছবি পোস্ট করে আবেগঘন বার্তা সূর্যকুমারের

জীবন কত দ্রুত বদলে যেতে পারে, তার বড় উদাহরণ সূর্যকুমার যাদবের জীবন। কয়েক বছর আগেও জাতীয় দলে তাঁর জায়গা ছিল না। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকও হয়নি। আর আজ তিনি দেশের অধিনায়ক। শুধু তাই নয়, বিশ্বজয়ী অধিনায়ক হিসেবেও নিজের নাম লিখিয়ে ফেলেছেন। কপিল দেব, মহেন্দ্র সিং ধোনি এবং রোহিত শর্মার মতো অধিনায়কদের পাশে এখন জায়গা হয়েছে সূর্যকুমারের।বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দের মধ্যেই নিজের অতীতের দিকে ফিরে তাকালেন তিনি। সামাজিক মাধ্যমে বারো বছর আগের নিজের একটি পুরনো ছবি শেয়ার করেছেন সূর্যকুমার। সেই ছবিতে দেখা যাচ্ছে, তিনি একটি পেট্রোল পাম্পের উদ্বোধনে উপস্থিত। তখন তিনি ক্রিকেটজগতে খুব একটা পরিচিত নন। আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেললেও তখনও বড় নাম হয়ে ওঠেননি। জাতীয় দলের দরজাও ছিল অনেক দূরে।সেই পুরনো ছবির ক্যাপশনে তখন তিনি লিখেছিলেন, বন্ধুরা, পেট্রোল পাম্পের উদ্বোধনে এসেছি, আজ খুব খুশি। সেই ছবিটিই আবার নতুন করে শেয়ার করেছেন সূর্যকুমার। এবার তাঁর হাতে বিশ্বকাপের ট্রফি। ছবির সঙ্গে তিনি লিখেছেন, এই মানুষটার জন্য আজ খুব খুশি।আরও একটি পোস্টে তিনি দলের কথা উল্লেখ করে লিখেছেন, এই দলটা আসলে একটা পরিবার। এটা শুধু একটা ট্রফি নয়, কোটি কোটি মানুষের স্বপ্ন। এই দলের অংশ হতে পেরে তিনি গর্বিত। দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পারাটাও তাঁর কাছে বড় সম্মানের। যারা তাঁর কঠিন সময়ে পাশে থেকেছেন, তাদের সকলকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন তিনি।নিজের ক্রিকেট জীবনে সূর্যকুমার যাদব অনেক উত্থান পতনের সাক্ষী। দুই হাজার তেইশ সালে আহমেদাবাদে অনুষ্ঠিত একদিনের বিশ্বকাপের ফাইনালে তিনি খেলেছিলেন। কিন্তু সেদিন হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছিল তাঁকে। স্বপ্নভঙ্গের সেই স্মৃতি এখনও মনে আছে তাঁর।তবে এবার সেই একই মাঠে তিনি বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দ উপভোগ করেছেন। সূর্যকুমার বলেন, একজন ক্রীড়াবিদের জীবন এমনই হয়। কখনও সাফল্য আসে, কখনও হতাশা। দুই হাজার চব্বিশ সালে টি কুড়ি বিশ্বকাপ জয়ের সময় ফাইনালে একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্যাচ নিয়েছিলেন তিনি। সেই মুহূর্ত তাঁর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।তারপর দলের নেতৃত্বের দায়িত্বও তাঁর হাতে আসে। তিনি জানতেন, দুই বছরের মধ্যে দেশের মাটিতে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে। এখনও পর্যন্ত কোনও দল নিজেদের দেশে বিশ্বকাপ জিততে পারেনি। তাই সেই লক্ষ্য নিয়েই দলকে প্রস্তুত করেছিলেন তিনি।সূর্যকুমার বলেন, দেশের মাটিতে বিশ্বকাপ খেলার অনুভূতি সব সময়ই আলাদা। দর্শকদের প্রত্যাশা থাকে অনেক বেশি। কিন্তু সেই প্রত্যাশাই খেলোয়াড়দের আরও উৎসাহ দেয়। সেই উৎসাহ নিয়েই দল বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছিল এবং ঠিক যেভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছিল, সেইভাবেই খেলেই শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন হতে পেরেছে ভারত।

মার্চ ০৯, ২০২৬
রাজ্য

ঠাকুরনগরে গোপন বৈঠক! বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে দেখা তৃণমূল বিধায়ক মুকুটমনির

চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় মতুয়া সম্প্রদায়ের একাংশের নাম বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই ঘটনায় উদ্বেগে রয়েছেন বহু মতুয়া ভোটার। তাঁদের আশঙ্কা, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তারা ভোট দিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ একাধিকবার আশ্বাস দিলেও মতুয়া সমাজের মধ্যে সেই উদ্বেগ এখনও পুরোপুরি কাটেনি।এই পরিস্থিতির মধ্যেই রবিবার সন্ধ্যায় ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়িতে নতুন রাজনৈতিক জল্পনা তৈরি হয়েছে। বনগাঁর বিজেপি সাংসদ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে দেখা করতে যান রানাঘাট দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক মুকুটমনি অধিকারী। সূত্রের খবর, দুজনের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে একান্তে আলোচনা হয়। এই সাক্ষাৎকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।বিশেষ করে সামনে যখন বিধানসভা নির্বাচন, তখন এই বৈঠককে অনেকেই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন। প্রশ্ন উঠছে, এটি কি শুধুই সৌজন্য সাক্ষাৎ, নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য কোনও রাজনৈতিক ইঙ্গিত।তবে বৈঠক শেষে মুকুটমনি অধিকারী দাবি করেন, এটি শুধুমাত্র সৌজন্য সাক্ষাৎ। তাঁর কথায়, তিন প্রজন্ম ধরে আমরা ঠাকুরবাড়িতে আসছি। এর আগেও বহুবার এসেছি। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। দলবদল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভোটের আগে নানা ধরনের জল্পনা তৈরি হয়, কিন্তু বাস্তবে তেমন কিছু নেই।অন্যদিকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরও বলেন, এই সাক্ষাৎ সম্পূর্ণ সৌজন্যমূলক। তাঁর দাবি, মুকুটমনি অধিকারী গাড়ির পুজো দিতে ঠাকুরবাড়িতে এসেছিলেন। দলবদল নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি বলেও জানান তিনি।তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই সাক্ষাৎ ভবিষ্যতে বড় কোনও রাজনৈতিক বার্তার ইঙ্গিত দিতে পারে। কারণ ভোটের আগে দলবদল বা নতুন সমীকরণ তৈরি হওয়া বঙ্গ রাজনীতিতে নতুন কিছু নয়।উল্লেখ্য, দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রানাঘাট দক্ষিণ আসন থেকে বিজেপির প্রার্থী হয়ে জয়ী হয়েছিলেন মুকুটমনি অধিকারী। পরে লোকসভা নির্বাচনের আগে তিনি দল বদলে তৃণমূলে যোগ দেন এবং রানাঘাট লোকসভা আসনে তৃণমূলের প্রার্থী হন। যদিও সেই নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন। এরপর তৃণমূলের টিকিটে রানাঘাট দক্ষিণ বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে জয়ী হন।

মার্চ ০৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

কাইফকে নিয়ে তীব্র কটাক্ষ আমিরের, টেনে আনলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালের আগে নতুন করে বিতর্ক ছড়ালেন পাকিস্তানের প্রাক্তন পেসার মহম্মদ আমির। এর আগে দুবার তিনি ভারতের বিশ্বকাপ যাত্রা নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। কিন্তু দুবারই তাঁর কথা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। এবার দলকে নয়, সরাসরি ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার মহম্মদ কাইফকে আক্রমণ করলেন তিনি। কাইফকে কটাক্ষ করতে গিয়ে টেনে আনলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নামও।রবিবার নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলবে ভারতীয় দল। তার আগেই আমিরের মন্তব্য নিয়ে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক। এর আগে তিনি দাবি করেছিলেন, ভারত সেমিফাইনালে উঠতে পারবে না। পরে আবার বলেন, ভারত ফাইনালেও যেতে পারবে না। কিন্তু সেই দুই ভবিষ্যদ্বাণীই ভুল প্রমাণিত হয়। এরপর অনেকের কাছেই সমালোচনার মুখে পড়তে হয় তাঁকে।এই প্রসঙ্গে কাইফ বলেছিলেন, আমিরকে এত গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তাঁর মতে, পাকিস্তানের ক্রিকেটও এখন অনেক পিছিয়ে রয়েছে। কাইফের এই মন্তব্যে বেজায় চটে যান আমির এবং সরাসরি তাঁকে আক্রমণ করেন।আমির বলেন, তিনি কাইফের ক্রিকেট কেরিয়ার সম্পর্কে খুব বেশি জানতেন না। পরে খোঁজ নিয়ে দেখেছেন, কাইফ নাকি আইপিএলে মাত্র উনত্রিশটি ম্যাচ খেলেছেন এবং তাঁর স্ট্রাইক রেটও খুব বেশি নয়। তাঁর দাবি, তিনি নিজে তিনশোরও বেশি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন এবং পারফরম্যান্সের জোরেই ক্রিকেট খেলেছেন। কাইফকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, শুধু ফিল্ডিংয়ের জন্যই তিনি ভারতীয় দলে সুযোগ পেয়েছিলেন। পাশাপাশি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম উল্লেখ করে বলেন, কাইফের উচিত তাঁকে ধন্যবাদ জানানো।তবে কাইফ যে ভারতীয় দলের অন্যতম সেরা ফিল্ডার ছিলেন, তা ক্রিকেট মহলে সকলেই মানেন। অনেক ভারতীয় ক্রিকেটারই স্বীকার করেছেন যে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তাঁরা জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েছিলেন।এই বিতর্কে মুখ খুলেছেন ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার নভজ্যোৎ সিং সিধুও। তিনি আমিরকে তীব্র কটাক্ষ করে বলেন, এই ধরনের মানুষদের কথা বেশি গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তাঁর মতে, শুধু ভবিষ্যদ্বাণী করে ম্যাচ জেতা যায় না। মাঠে নেমে লড়াই করেই ম্যাচ জিততে হয়। সিধুর কথায়, যারা বেশি কথা বলে তারা অনেক সময়ই বাস্তবে কিছু দেখাতে পারে না।

মার্চ ০৭, ২০২৬
কলকাতা

গ্যাসের আগুনে তপ্ত রাজনীতি! নারী দিবসে হাঁড়ি-কড়াই নিয়ে মিছিলের ডাক দিলেন মমতা

কলকাতার মেট্রো চ্যানেলে ধরনার দ্বিতীয় দিনেও কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধেও অভিযোগ তোলেন তিনি। শনিবার সকাল দশটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত এই ধরনা কর্মসূচি চলবে বলে জানানো হয়েছে।ধরনা মঞ্চ থেকে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, গতকাল গ্যাসের দাম ষাট টাকা বাড়ানো হয়েছে। তার আগে আবার তিন দিন আগে উনপঞ্চাশ টাকা দাম বাড়ানো হয়েছিল। বড় সিলিন্ডারের দাম এখন দুই হাজার একশো টাকা হয়ে গিয়েছে। আর ছোট সিলিন্ডারের দাম প্রায় এক হাজার টাকা।এখানেই থেমে থাকেননি তিনি। গ্যাস বুকিংয়ের নিয়ম নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। মমতা বলেন, বলছে একুশ দিন আগে থেকে বুক করতে হবে। যার বাড়িতে গ্যাস শেষ হয়ে যাবে সে কি একুশ দিন রান্না না করে থাকবে? এই সব কথা আগে মাথায় থাকে না? মানুষ খাবে কী?গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে বড় আন্দোলনের ডাকও দেন মুখ্যমন্ত্রী। ধরনা মঞ্চ থেকেই তিনি জানান, পরের দিন প্রতিবাদ মিছিল হবে। সেই মিছিলে হাঁড়ি, কড়াই, বাটি, ঘটি, হাতা ও খুন্তি নিয়ে রাস্তায় নামার আহ্বান জানান তিনি।মমতা বলেন, কাল মিছিল হবে। গ্যাস নেই, রান্না নেই। গ্যাস নেই, খাবার নেই। তাই হাঁড়ি, কড়াই, বাটি, ঘটি, হাতা, খুন্তি নিয়ে প্রতিবাদ মিছিল হবে আন্তর্জাতিক মহিলা দিবসে। মানবতার জন্য মা-বোনেরা রাস্তায় নামুন, প্রতিবাদ করুন। প্রয়োজনে কালো শাড়ি পরুন। হাতে এই সব জিনিস রাখবেন। পারলে গ্যাসের চুলাও নিয়ে আসবেন। ঝুড়িতে কাঁচা আনাজও আনতে পারেন।উল্লেখ্য, নতুন করে দাম বাড়ার পর কলকাতায় চোদ্দো দশমিক দুই কেজির গ্যাস সিলিন্ডার কিনতে এখন দিতে হবে নয়শো ঊনচল্লিশ টাকা। অন্যদিকে হোটেল ও রেস্তরাঁয় ব্যবহৃত উনিশ কেজির বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম দাঁড়িয়েছে এক হাজার নয়শো নব্বই টাকা।

মার্চ ০৭, ২০২৬
রাজ্য

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আতঙ্কে নদিয়ায় তেলের হাহাকার! পাম্পে লম্বা লাইন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও মিলছে না ডিজেল

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের পরিস্থিতি ঘিরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়তেই নদিয়ায় পেট্রোল পাম্পগুলিতে দেখা গেল অস্বাভাবিক ভিড়। কোথাও লম্বা লাইন, কোথাও আবার ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও মিলছে না ডিজেল। অনেকেই তিন থেকে চারটি পাম্প ঘুরেও তেল পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ।পাম্পের সামনে সারি সারি গাড়ি দাঁড়িয়ে। মানুষের ভিড় উপচে পড়ছে। অনেকে আশঙ্কা করছেন, যদি দেশে তেল সংকট তৈরি হয়, তা হলে আগে থেকেই মজুত করে রাখা ভাল। এই ভেবেই প্রয়োজনের বেশি তেল কিনতে ভিড় করছেন বহু মানুষ।একজন ক্রেতা জানান, যুদ্ধের কারণে ডিজেল পাওয়া যাবে না এমন খবর শুনেই তিনি তেল কিনতে এসেছেন। তাঁর চাষের কাজ রয়েছে। ধান চাষের জন্য ডিজেল দরকার। প্রায় চার ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তিনি ডিজেল পাননি বলে জানান।পেট্রোল পাম্পের এক কর্মী বলেন, গত দুদিনে হঠাৎ করে ডিজেলের বিক্রি অনেক বেড়ে গিয়েছে। ফলে ডিজেল শেষ হয়ে গিয়েছে। আপাতত ডিজেল দেওয়া বন্ধ রাখা হয়েছে। পেট্রোল এখনও পাওয়া যাচ্ছে, তবে তারও চাহিদা অস্বাভাবিক ভাবে বেড়েছে। আগে কোনওদিন এত বিক্রি হয়নি বলেই দাবি তাঁর।এই পরিস্থিতিতে রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ জগন্নাথ সরকার বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ চলছে ঠিকই, কিন্তু ভারতে তেলের কোনও ঘাটতি নেই। কিছু জায়গায় আতঙ্কের কারণে মানুষ অকারণে তেল মজুত করছেন। এতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে। তিনি বলেন, ভারতের কাছে পর্যাপ্ত পরিশোধিত ও অপরিশোধিত তেল রয়েছে। যুদ্ধপথ এড়িয়ে তেল আনার ব্যবস্থাও খোলা আছে। গুজবে কান না দেওয়ার আবেদন জানান তিনি।অন্যদিকে তৃণমূলের কৃষ্ণনগর জেলা যুব সভাপতি অয়ন দত্ত বলেন, পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক জানিয়েছে দেশের কাছে প্রায় পঁচিশ দিনের তেল মজুত রয়েছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে গ্যাস ও তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা থেকেই আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় সরকার পরিস্থিতি সামলাতে ব্যর্থ হয়েছে এবং সেই কারণেই এই ভিড় ও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।সব মিলিয়ে গুজব, যুদ্ধের খবর এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার জেরে নদিয়ায় তেলের চাহিদা হঠাৎ করেই বেড়ে গিয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে বারবার জানানো হচ্ছে, আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। তবু পাম্পের সামনে লম্বা লাইন এখনও কমেনি।

মার্চ ০৫, ২০২৬
দেশ

ইরান ইস্যুতে কি বদলাচ্ছে ভারতের অবস্থান? নীরবতায় বাড়ছে জল্পনা

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আবহে ইরানকে ঘিরে ভারতের অবস্থান নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির পর সৌদি আরব এবং বাহারিনের রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই সব আলোচনায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলিতে হামলার নিন্দা করলেও ইরানের নাম সরাসরি উচ্চারণ করেননি তিনি। একইসঙ্গে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং জর্ডানের রাজা আবদুল্লাহ দ্বিতীয়ের সঙ্গেও কথা বলেছেন মোদী। তবে নয়াদিল্লিতে অবস্থিত ইরানের দূতাবাসের আবেদন সত্ত্বেও আয়াতোল্লা খামেনেই হত্যার ঘটনায় এখনও সরাসরি প্রতিবাদ জানায়নি ভারত।এই নীরবতা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন কংগ্রেস নেত্রী সনিয়া গান্ধী। একটি বহুল প্রচারিত সংবাদপত্রে লেখা প্রবন্ধে তিনি বলেন, ইরানের রাষ্ট্রপ্রধানকে টার্গেট করে হত্যার ঘটনায় ভারতের নীরবতা নিরপেক্ষতার পরিচয় নয়। তাঁর সেই লেখা সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেছেন রাহুল গান্ধী। তা ঘিরেও রাজনৈতিক মহলে তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে। কূটনৈতিক মহলের একাংশের প্রশ্ন, দীর্ঘদিনের অক্ষ নিরপেক্ষ অবস্থান থেকে কি সরে আসছে ভারত?বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে দাবি, বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে বিদেশে থাকা ভারতীয়দের নিরাপত্তাই এখন সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সঙ্গে বৈঠকের পরও মোদী জানিয়েছেন, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে থাকা দেশগুলির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কটের সমাধানে আলোচনা ও কূটনীতির পথেই এগোনোর পক্ষে সওয়াল করেছেন তিনি।অন্যদিকে কংগ্রেস সাংসদ মনীষ তিওয়ারির অভিযোগ, যুদ্ধের মাধ্যমে কোনও সার্বভৌম দেশের সরকার উৎখাতকে ভারত অতীতে কখনও সমর্থন করেনি। বর্তমান পরিস্থিতিতে নয়া দিল্লি খোলাখুলি কোনও অবস্থান নেয় কি না, সেদিকে নজর রাখছে আন্তর্জাতিক মহল। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার মাঝে ভারতের কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষা এখন বড় চ্যালেঞ্জ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মার্চ ০৪, ২০২৬
বিদেশ

ঘাঁটি ব্যবহার করতে না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ ট্রাম্প, স্পেনের সঙ্গে সব বাণিজ্য বন্ধের ঘোষণা!

ইরানকে ঘিরে চলা সামরিক অভিযানের মধ্যে বড় কূটনৈতিক সংঘাতের ইঙ্গিত দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার তিনি জানান, স্পেন যদি আমেরিকার সেনাবাহিনীকে তাদের ঘাঁটি ব্যবহার করতে না দেয়, তবে স্পেনের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য বন্ধ করে দেওয়া হবে।জার্মান চ্যান্সেলরের সঙ্গে বৈঠকের সময় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেন, স্পেনের আচরণ অত্যন্ত খারাপ। তিনি অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টকে নির্দেশ দিয়েছেন, স্পেনের সঙ্গে সব লেনদেন বন্ধ করার বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে। অর্থমন্ত্রীও প্রেসিডেন্টের এই অবস্থানকে সমর্থন করেন এবং জানান, প্রয়োজন হলে বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা জারি করার ক্ষমতা প্রেসিডেন্টের রয়েছে।এই মন্তব্যের পেছনে রয়েছে সাম্প্রতিক একটি সিদ্ধান্ত। দক্ষিণ স্পেনের রোটা ও মোরোন সামরিক ঘাঁটি থেকে আমেরিকা তাদের অন্তত পনেরোটি বিমান সরিয়ে নেয়। এর মধ্যে ছিল জ্বালানি ভরার ট্যাঙ্কার বিমানও। স্পেনের সমাজতান্ত্রিক নেতৃত্ব জানিয়ে দেয়, ইরানের উপর হামলার মতো অভিযানে তাদের ঘাঁটি ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। স্পেনের বিদেশমন্ত্রী হোসে মানুয়েল আলবারেস বলেন, এই সামরিক অভিযান তাদের সঙ্গে করা চুক্তির আওতায় পড়ে না এবং তা জাতিসংঘ সনদের সঙ্গেও সঙ্গতিপূর্ণ নয়।মধ্যপ্রাচ্যে চলা সংঘাত ইতিমধ্যেই ভয়াবহ আকার নিয়েছে। ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই-সহ সামরিক ও রাজনৈতিক মহলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর পরেই ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় উপসাগরীয় একাধিক দেশে, যেখানে আমেরিকার সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। কাতার, কুয়েত ও বাহরিনে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের খবর মিলেছে। পাশাপাশি সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, সৌদি আরব ও ওমানেও হামলার ঘটনা ঘটেছে।এই দ্রুত পরিবর্তনশীল সংকটে ইতিমধ্যেই পাঁচশোর বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে অনুমান। নিহতদের মধ্যে ছয়জন মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবরও নিশ্চিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে, কারণ এই সংঘাত আরও বিস্তৃত হলে তার প্রভাব পড়তে পারে বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতির উপর।স্পেনকে ঘিরে ট্রাম্পের কঠোর অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। কূটনৈতিক টানাপোড়েন কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটাই দেখার।

মার্চ ০৪, ২০২৬
দেশ

হরমুজ বন্ধ, তেলের দামে আগুন! চাপে ভারত, বাড়বে কি পেট্রল-ডিজেলের দাম?

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এবার সরাসরি পড়তে শুরু করেছে বিশ্ববাজারে। শেয়ার বাজারে ধস নামার পর এবার তেলের দামে বড় উল্লম্ফন। হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহ কার্যত থমকে গেছে। তার জেরে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক ধাক্কায় প্রায় ছয় শতাংশ বেড়েছে।সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি আশি মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যায়। শুক্রবার এই দাম ছিল প্রায় বাহাত্তর দশমিক নয় ডলার। অর্থাৎ মাত্র দুই দিনে ব্যারেল প্রতি প্রায় দশ ডলার বৃদ্ধি। এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব ভারতের উপরও পড়ছে। কারণ দেশের প্রায় নব্বই শতাংশ অপরিশোধিত তেল আমদানি করতে হয় বিদেশ থেকে।পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, আপাতত পেট্রল ও ডিজেলের দাম বাড়ানো হচ্ছে না। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিক ভাবে আমদানি শুল্ক ও অন্যান্য কর কমিয়ে সাধারণ মানুষের উপর চাপ কমানোর কথা ভাবা হচ্ছে। তবে দীর্ঘদিন যদি হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকে, তাহলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠতে পারে।মন্ত্রকের হিসেব অনুযায়ী, ব্যারেল প্রতি দশ ডলার দাম বাড়লে ভারতের বার্ষিক আমদানি খরচ তেরো থেকে চোদ্দ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। ভারতীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ কয়েক হাজার কোটি টাকার বেশি।বর্তমানে ভারতের হাতে চুয়াত্তর দিনের তেল মজুত রয়েছে। কিন্তু হরমুজ প্রণালী দিয়ে দেশের মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ শতাংশ আসে। তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের বড় অংশও এই পথেই আসে। সারা বিশ্বের সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের প্রায় কুড়ি শতাংশ সরবরাহ হয় এই প্রণালী দিয়ে। ফলে এই পথ বন্ধ থাকায় বিশ্ব জুড়েই চাপ বাড়ছে।এখন বিকল্প উৎসের দিকে তাকিয়ে রয়েছে নয়াদিল্লি। আমেরিকা ও ভেনেজুয়েলা-সহ ল্যাটিন আমেরিকা এবং পশ্চিম আফ্রিকা থেকে তেল আমদানি বাড়ানোর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গত এক বছরে রাশিয়া থেকে তেল আমদানি কিছুটা কমিয়েছে ভারত। বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে। তার সরাসরি প্রভাব পড়বে দেশের পরিবহন খরচ, শিল্প উৎপাদন এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে। এখন নজর হরমুজ প্রণালী কবে খুলবে এবং আন্তর্জাতিক বাজার কতটা স্থিতিশীল হয় তার উপর।

মার্চ ০২, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 135
  • 136
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

বিজেপির দ্বিতীয় তালিকায় বড় চমক! কে কোথা থেকে লড়ছেন জানলে অবাক হবেন

দ্বিতীয় দফায় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বিজেপি। এর আগে প্রথম দফায় ১৪৪টি আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। এবার আরও ১১১টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে এখনও পর্যন্ত মোট ২৫৫টি আসনে প্রার্থী ঠিক করেছে দল। বাকি রয়েছে আরও ৩৯টি আসন।বুধবার প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব একাধিক বৈঠক করে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সেই বৈঠক হয়। আগে শোনা যাচ্ছিল প্রায় ৪৫টি আসনে সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে দ্বিতীয় তালিকা প্রকাশের পর দেখা গেল এখনও ৩৯টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা বাকি।এই তালিকায় একাধিক চমক রয়েছে। হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে টিকিট দেওয়া হয়েছে, তবে খড়গপুর সদর থেকে নয়। সেখানে আগে থেকেই দিলীপ ঘোষের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। ফলে জল্পনা তৈরি হয়েছিল হিরণ আদৌ টিকিট পাবেন কি না। শেষ পর্যন্ত তাঁকে শ্যামপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছে।এগরা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছে দিব্যেন্দু অধিকারীকে। মানিকতলা থেকে তাপস রায় এবং টালিগঞ্জ থেকে পাপিয়া অধিকারীকে প্রার্থী করা হয়েছে।লোকসভা নির্বাচনের পর আবারও বিধানসভা ভোটে সুযোগ পেলেন রেখা পাত্র। আগে বসিরহাট কেন্দ্র থেকে লড়লেও তিনি হেরে গিয়েছিলেন। এবার তাঁকে হিঙ্গলগঞ্জ কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করেছে বিজেপি।সব মিলিয়ে দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জমে উঠেছে।

মার্চ ১৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটে নামছেন তিলোত্তমার মা? বিজেপির টিকিটে প্রার্থী হওয়ার জল্পনায় চাঞ্চল্য

তিলোত্তমার মাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। শোনা যাচ্ছে, তিনি বিজেপির টিকিটে নির্বাচনে লড়তে পারেন। দলের তরফে তাঁকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল এবং তিনি তাতে সম্মতিও জানিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।কয়েক দিন আগে বিজেপি নেতা অর্জুন সিং তিলোত্তমার বাড়িতে যান। সেখানে তিনি প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে তিলোত্তমার বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলেন। সেই সাক্ষাতের পর থেকেই তিলোত্তমার মায়ের বিজেপিতে যোগ দেওয়া এবং প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। সূত্রের খবর, পানিহাটি কেন্দ্র থেকেই তাঁকে প্রার্থী করা হতে পারে।তিলোত্তমার বাবা জানিয়েছেন, বিরোধী শক্তি হিসেবে বিজেপির উপরই তাঁদের ভরসা রয়েছে। তাঁর মতে, এই দলই ক্ষমতায় এসে পরিবর্তন আনতে পারে এবং রাজ্যে নারী সুরক্ষার পরিস্থিতি আরও উন্নত করা সম্ভব।অন্যদিকে তিলোত্তমার মা জানিয়েছেন, নিজের গভীর দুঃখ ও যন্ত্রণার মধ্যেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি তাঁকে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে। তিনি নিজেই ফোন করে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা জানিয়েছেন। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, তাঁর মেয়ের ঘটনাকে কেউ যেন ভোটের স্বার্থে ব্যবহার না করে, সেই কারণেই তিনি নিজে সামনে আসতে চান।এই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী বলেন, তিলোত্তমার বিচার সবাই চান, কিন্তু নির্বাচনে দাঁড়ানো তার একমাত্র পথ নয়। তাঁর মতে, ভোটে জয় বা পরাজয়ের সঙ্গে বিচার পাওয়ার সম্পর্ক থাকা উচিত নয়।সব মিলিয়ে তিলোত্তমার মায়ের সম্ভাব্য রাজনৈতিক পদক্ষেপ রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে।

মার্চ ১৯, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের আঁচে কাঁপছে বাজার! এক ধাক্কায় ১৬০০ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স

আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি ক্রমশই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। ইরান এবং কাতারের গ্যাস ভাণ্ডারে হামলার ঘটনার পর বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। তার সরাসরি প্রভাব পড়েছে শেয়ার বাজারে। বৃহস্পতিবার সকালে বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গেই বড়সড় ধস নামে।সকাল প্রায় ৯টা ১৬ মিনিট নাগাদ বোম্বে শেয়ার বাজারের প্রধান সূচক সেনসেক্স ১৬০০ পয়েন্টের বেশি পড়ে যায়। প্রায় ২ শতাংশের বেশি পতন হয়ে সূচক নেমে আসে ৭৫ হাজারের কিছু উপরে। অন্যদিকে নিফটিও প্রায় ৫০০ পয়েন্ট কমে যায়। বিভিন্ন বড় সংস্থার শেয়ারের দাম ২ থেকে ৪ শতাংশ পর্যন্ত নেমে যায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পতনের প্রধান কারণ আন্তর্জাতিক অস্থিরতা। প্রথমে ইরানের সাউথ পারস গ্যাস ক্ষেত্রে হামলা হয়। পরে কাতারের রাস লাফান গ্যাস ভাণ্ডারে পাল্টা হামলার খবর সামনে আসে। এই ঘটনার ফলে বিশ্বজুড়ে গ্যাসের ঘাটতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।বাজার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তেলের দাম দ্রুত বাড়তে থাকলে ভারতের মতো তেল আমদানিকারক দেশের অর্থনীতির উপর তার খারাপ প্রভাব পড়বে। দীর্ঘ সময় ধরে তেলের দাম বেশি থাকলে দেশের বৃদ্ধি এবং সংস্থাগুলির আয় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।এদিকে আমেরিকার কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই সঙ্গে এ বছর খুব বেশি সুদের হার কমানো হবে না বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এর ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। তার প্রভাব পড়েছে বিশ্বের বিভিন্ন শেয়ার বাজারে।সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক অস্থিরতার জেরে শেয়ার বাজারে অনিশ্চয়তা বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মার্চ ১৯, ২০২৬
রাজ্য

প্রচারের শুরুতেই বিস্ফোরক মন্তব্য! ‘ডেবরায় আসার কথা ছিল না’—বলেই বিতর্কে রাজীব

নির্বাচনী প্রচারের শুরুতেই অস্বস্তিতে পড়লেন ডেবরা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। বালিচকের দলীয় কার্যালয়ে কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে প্রথম বৈঠকেই তাঁর একটি মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক ছড়িয়েছে। সেখানে তিনি বলেন, তাঁর ডেবরায় আসার কথা ছিল না।এই মন্তব্য সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। অনেকের মতে, এতে তৃণমূলের অন্দরে দীর্ঘদিনের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব আবার প্রকাশ্যে চলে এসেছে। প্রার্থীর এমন মন্তব্যে সাধারণ কর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।একটি ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে, কর্মীদের সামনে রাজীব বলছেন, দল তাঁকে এই দায়িত্ব দিয়েছে। তবে এর আগে তাঁকে অন্য একটি জায়গার কথা বলা হয়েছিল। পরে সেই সিদ্ধান্ত বদলানো হয়। তাঁর কথায়, প্রথমে ডেবরায় আসার কথা ছিল না, অন্যত্র যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল।এদিকে দলের তরফেও এই বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করা হয়নি। তৃণমূলের ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অজিত মাইতি স্বীকার করেছেন, দলের মধ্যে কিছু মতভেদ রয়েছে। তবে তিনি জানিয়েছেন, এটি বড় সমস্যা নয় এবং খুব দ্রুত সব পক্ষকে নিয়ে আলোচনা করে সমাধান করা হবে। তাঁর মতে, নির্বাচনে সবাই একসঙ্গে লড়াই করবে।উল্লেখ্য, এতদিন ডেবরার বিধায়ক ছিলেন প্রাক্তন পুলিশ আধিকারিক হুমায়ুন কবীর। এবার তাঁকে অন্য কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে। তাঁর জায়গায় রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। ২০২১ সালে তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন এবং একটি আসনে প্রার্থীও হয়েছিলেন। পরে আবার তৃণমূলে ফিরে আসেন।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপিও আক্রমণ শানিয়েছে। দলের এক নেতা দাবি করেছেন, ডেবরার মানুষ স্থানীয় প্রার্থীই চান। তাঁদের অভিযোগ, তৃণমূলের মধ্যে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে, অনেকেই প্রার্থী হতে চাইছেন না। তাই বাইরে থেকে প্রার্থী আনতে হচ্ছে।সব মিলিয়ে ভোটের শুরুতেই এই মন্তব্য ঘিরে ডেবরা কেন্দ্রের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

মার্চ ১৯, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতা বিমানবন্দরে সিনেমার মতো গ্রেফতার! কে এই বিদেশি ‘চর’ ম্যাথু?

কলকাতা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে মার্কিন নাগরিক ম্যাথু ভ্যানডাইককে। তিনি কলকাতা থেকে দুবাই যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তার আগে তিনি মায়ানমার ঘুরে এসেছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে চরবৃত্তি এবং জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগ থাকার অভিযোগ উঠেছে।গত ১২ মার্চ কলকাতা বিমানবন্দরে তাঁকে আটক করা হয়। ওই দিন রাতে তিনি দুবাই যাওয়ার জন্য বিমানে উঠেছিলেন। সেখান থেকে তাঁর পোল্যান্ড যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। বিমান ছাড়ার কিছুক্ষণ আগেই তাঁকে নাটকীয়ভাবে নামিয়ে আনা হয়।বিমানবন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে, সমস্ত নিয়ম মেনে তিনি বিমানে উঠেছিলেন এবং তাঁর লাগেজও বিমানে তুলে দেওয়া হয়েছিল। রাত প্রায় একটা নাগাদ তিনি বিমানে বসে ছিলেন। সেই সময়ই গোপন সূত্রে খবর আসে যে তিনি একজন সন্দেহভাজন বিদেশি চর।তারপরই নিরাপত্তা বাহিনী এবং অভিবাসন দফতরের আধিকারিকরা বিমানে গিয়ে তাঁকে নামিয়ে নিয়ে আসেন। বিমানবন্দরের একটি ঘরে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। পরে দিল্লি থেকে গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা এসে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।১২ মার্চ রাত থেকে ১৪ মার্চ পর্যন্ত তাঁকে কলকাতায় আটক রাখা হয়। এরপর তাঁকে গ্রেফতার করে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। তদন্তে জানা গিয়েছে, তিনি প্রথমে দিল্লিতে আসেন, তারপর কলকাতা হয়ে মিজোরাম যান এবং সেখান থেকে মায়ানমারে প্রবেশ করেন। অভিযোগ, সেখানে তিনি বিদ্রোহীদের অস্ত্র এবং ড্রোন চালানোর প্রশিক্ষণ দিতেন।এছাড়াও জানা গিয়েছে, তিনি সিরিয়ার সংঘর্ষে যুক্ত ছিলেন এবং ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার বিরুদ্ধে প্রশিক্ষণ দিতেন। গেরিলা কৌশলেও তিনি দক্ষ বলে জানা গিয়েছে। তদন্তকারী সংস্থার আশঙ্কা, এই ধরনের আধুনিক প্রযুক্তি যদি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হাতে পৌঁছয়, তাহলে উত্তর-পূর্ব ভারতের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক চক্রের যোগ থাকতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।

মার্চ ১৯, ২০২৬
রাজ্য

একাধিক কোপ, বিকৃত মুখ! তৃণমূল কর্মীর নৃশংস খুনে তোলপাড় এলাকা

প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর থেকেই উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁ এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তৃণমূল কর্মীদের বিক্ষোভের মাঝেই এবার এক তৃণমূল কর্মীর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।মৃত যুবকের নাম মশিউর কাজি, বয়স ৩৮। তিনি হাড়োয়া বিধানসভার গাংনিয়া গ্রামের বাসিন্দা বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, তাঁকে খুন করে রাস্তার ধারে ফেলে রেখে যাওয়া হয়েছে।মিনাখাঁর সোনাপুকুর শঙ্করপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ঝুঝুরগাছা গ্রামে বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথম দেহটি দেখতে পান। রাস্তার ধারে পড়ে থাকা দেহে একাধিক জায়গায় ধারাল অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় হাড়োয়া থানার পুলিশ। পরে দেহ উদ্ধার করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।ভোটের আগে এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। মৃতের পরিবারের দাবি, এটি পরিকল্পিত খুন। মৃতের ভাই জানান, সকালে খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন। তাঁর অভিযোগ, নৃশংসভাবে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে এবং এর পিছনে রাজনৈতিক শত্রুতা থাকতে পারে। তিনি দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, দেহের অবস্থা এতটাই খারাপ ছিল যে প্রথমে চেনা যায়নি। পরে অনেকক্ষণ দেখে শনাক্ত করা সম্ভব হয়। তিনি আরও বলেন, মৃত যুবক তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। আগের দিন রাতে তিনি কাজের কথা বলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন, কিন্তু আর ফেরেননি। সকালে তাঁর দেহ উদ্ধারের খবর পাওয়া যায়।এই ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং খুনের কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মার্চ ১৯, ২০২৬
রাজ্য

অভিমান ভাঙল? অসিতের বাড়িতে দেবাংশু, সামনে এল নাটকীয় মুহূর্ত

প্রার্থী না হওয়ায় নিজের অভিমান ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন তিনি। এমনকি জানিয়েছিলেন, রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াতে চান। কিন্তু সেই পরিস্থিতিতেই তাঁর বাড়িতে গিয়ে দেখা করলেন দেবাংশু। তারপর থেকেই নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর অসিত স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, তিনি আপাতত রাজনীতি থেকে বিশ্রাম নেবেন এবং প্রয়োজনে আবার আইন পেশায় ফিরবেন। অন্যদিকে দেবাংশু আগে থেকেই বলেছিলেন, অসিত তাঁর কাছে পিতৃসম। রাজনৈতিক ক্ষেত্রে মতভেদ থাকতেই পারে, কিন্তু সম্পর্ক ভাঙার নয়। তিনি আশ্বাস দিয়েছিলেন, খুব শীঘ্রই দেখা করবেন।শেষ পর্যন্ত সেই সাক্ষাৎ হল বুধবার সন্ধ্যায়। প্রিয়নগরে অসিতের বাড়িতে পৌঁছে যান দেবাংশু। গিয়ে প্রথমেই প্রণাম করেন। অসিতও তাঁকে জড়িয়ে ধরেন। তারপর দুজনের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে আলোচনা হয়।পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দুজনেই নিজেদের মতামত জানান। সেখানে সৌজন্যের একটি মুহূর্তও সামনে আসে। বড় চেয়ার ছেড়ে দেন দেবাংশু। অসিত তাঁকে বসতে বললেও তিনি তা মানেননি। শেষে অসিতের পাশেই একটি সাধারণ চেয়ারে বসেন তিনি। দেবাংশু জানান, অসিতের কাছ থেকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ নিয়েছেন এবং সেই পরামর্শ তাঁর নির্বাচনী লড়াইয়ে কাজে লাগবে। তিনি আরও বলেন, অসিত তাঁর পাশে থাকবেন বলেও জানিয়েছেন।তবে অসিতের বক্তব্যে এখনও অভিমানের সুর স্পষ্ট। তিনি বলেন, দলের কর্মীরা নিশ্চয়ই প্রার্থীকে জেতাতে কাজ করবেন এবং তিনি চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবার মুখ্যমন্ত্রী হন। কিন্তু দেবাংশুকে নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই তিনি বলেন, দেবাংশুকে আলাদা করে পরিচয় করানোর প্রয়োজন নেই। তাঁর পিছনে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব রয়েছে। নিজের প্রসঙ্গে অসিত বলেন, তিনি তৃণমূলের একজন সামান্য কর্মী।এই মন্তব্যের পরই দেবাংশু তাঁর হাত ধরে বলেন, অসিত নিজেকে যতটা ছোট ভাবছেন, তিনি ততটা ছোট নন। তাঁর মতে, দলের শীর্ষ নেতৃত্ব যেমন রয়েছেন, তেমনই চুঁচুড়ায় অসিতও তাঁদের অভিভাবক হিসেবে প্রয়োজন।এই ঘটনার পর থেকেই প্রশ্ন উঠছে, অসিতের অভিমান কি সত্যিই কেটেছে, নাকি এর মধ্যেই লুকিয়ে আছে অন্য কোনও রাজনৈতিক বার্তা।

মার্চ ১৯, ২০২৬
রাজ্য

রাতারাতি বড় নির্দেশ! বাংলার ১৫ পুলিশ অফিসারকে ভিনরাজ্যে পাঠানোয় চাঞ্চল্য

আবারও গভীর রাতে এল নতুন নির্দেশ। যাঁদের কিছুদিন আগেই এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বদলি করা হয়েছিল, সেই পুলিশ অফিসারদেরই এবার পাঠানো হচ্ছে ভিনরাজ্যে। বুধবার রাতেই এই নির্দেশ জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। মোট ১৫ জন পুলিশ অফিসারকে অন্য রাজ্যে পাঠানো হচ্ছে।এবার তামিলনাড়ু ও কেরলে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। সেই কারণে আগেই এ রাজ্যের কয়েকজন অফিসারকে সেখানে পর্যবেক্ষক হিসেবে পাঠানো হয়েছিল। ভোট ঘোষণার আগে যিনি রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব ছিলেন, সেই জগদীশ প্রসাদ মিনাকেও তামিলনাড়ুতে অবজারভার হিসেবে পাঠানো হয়েছে।এবার আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ পুলিশ আধিকারিককে ওই দায়িত্ব দেওয়া হল। বিধাননগর কমিশনারেটের পুলিশ কমিশনার মুরলীধর শর্মা এবং শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার সৈয়দ ওয়াকার রাজাকেও তামিলনাড়ুতে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, ধৃতিমান সরকার এবং আমনদীপ সিংকেও পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে মোট ১৫ জন অফিসারকে তামিলনাড়ু ও কেরলে পাঠানো হয়েছে। তালিকায় রয়েছেন রাশিদ মুনির খান, সন্দীপ কারা, প্রিয়ব্রত রায়, প্রবীণ কুমার ত্রিপাঠী, মুকেশ, মুরলীধর শর্মা, ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়, ধৃতিমান সরকার, সি সুধাকর, ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, আমনদীপ সিং, আকাশ মাঘারিয়া, অলোক রাজোরিয়া এবং সৈয়দ ওয়াকার রাজা।এই অফিসারদের অনেককেই সম্প্রতি এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বদলি করা হয়েছিল। এবার তাঁদেরই আবার ভিনরাজ্যে পাঠানো হল। শুধু তাই নয়, পর্যবেক্ষক হিসেবে কাজ করার জন্য যে বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রয়োজন, সেই প্রশিক্ষণও এই ১৫ জনের অধিকাংশের নেই বলে জানা যাচ্ছে। ফলে এত তাড়াহুড়ো করে তাঁদের পাঠানো হল কেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

মার্চ ১৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal