• ৩ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার ১৯ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Husband,

রাজ্য

কোচবিহারে নৃশংসতা! স্ত্রীর গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন, পুড়ে মৃত্যু নার্সের

কোচবিহারে এক নার্সের অস্বাভাবিক মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, স্বামীর সঙ্গে অশান্তির জেরে ওই মহিলার গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। দাউদাউ করে আগুনে পুড়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর।ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহার শহরের বকশিবাড়ি এলাকায়। মৃত মহিলার নাম ছন্দা রায়। তাঁর বয়স আনুমানিক পঁয়ত্রিশ বছর। পেশায় তিনি নার্স ছিলেন।জানা গিয়েছে, রাত প্রায় নটা থেকে সাড়ে নটার মধ্যে এই ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, সেই সময় তাঁর গায়ে আগুন লাগানো হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং তিনি দাউদাউ করে জ্বলতে থাকেন। গুরুতর অবস্থায় সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই মহিলা ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। মাঝেমধ্যে তাঁর স্বামী এসে সেখানে থাকতেন। ঘটনার সময়ও স্বামী ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন বলে অভিযোগ। অভিযুক্তের নাম রণজিৎ রায়। তিনি পেশায় একজন গাড়িচালক।ঘটনার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে কোচবিহারের ভাওয়াল মোড়ের কাছে একটি টোল গেট এলাকা থেকে তাঁকে আটক করে। খবর পেয়ে কোচবিহার কোতোয়ালি থানার পুলিশ এবং দমকল কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পরে পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।বাড়ির মালিক জানিয়েছেন, স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই অশান্তি চলছিল। সেই অশান্তি থানাতেও গড়িয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। সেই কারণেই কি এই ভয়াবহ ঘটনা ঘটল, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।ঘটনার সময়ের একটি ভয়াবহ দৃশ্যের কথাও জানিয়েছেন এক প্রতিবেশী। স্থানীয় বাসিন্দা রুমা দত্ত বলেন, তিনি তখন ঘরের ভিতরে ছিলেন। হঠাৎই বাইরে এক মহিলার তীব্র চিৎকার শুনতে পান। বাইরে বেরিয়ে দেখেন, আগুনে জ্বলতে জ্বলতে একজন দৌড়ে যাচ্ছে। কিছুক্ষণ পরে একজন নিজের জামা খুলে দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে তিনি দেখেন বারান্দায় আগুন জ্বলছে।এই ঘটনার পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। কীভাবে এবং কেন এই ভয়াবহ ঘটনা ঘটল, তা জানার জন্য তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

মার্চ ১২, ২০২৬
রাজ্য

স্ত্রীর সঙ্গে চলছিল বিবাদ, লাইভ ভিডিওর পর রহস্যমৃত্যু মালদহের যুবকের!

বিয়ের পর থেকেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি চলছিল। সেই অশান্তি ক্রমে এতটাই বেড়ে যায় যে স্ত্রী আলাদা থাকার সিদ্ধান্ত নেন এবং স্বামী-সহ শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগও দায়ের করেন। এই টানাপোড়েনের মধ্যেই শুক্রবার রাতে সামাজিক মাধ্যমে লাইভ ভিডিও করার পর রহস্যজনকভাবে মৃত পাওয়া গেল মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর থানার কালিতলা মোবারকপুর এলাকার যুবক দুর্লভ সাহাকে। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দুর্লভ একটি শোরুমে কাজ করতেন। তাঁর স্ত্রী মৌসুমী সাহার সঙ্গে বেশ কিছুদিন ধরেই বিবাদ চলছিল। কয়েক বছর আগে তাঁদের বিয়ে হলেও সংসারে শান্তি ছিল না। দম্পতির দুই কন্যা সন্তান রয়েছে। অভিযোগ, নিয়মিত বিবাদের জেরে মৌসুমী শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে চাঁচোলে ভাড়া বাড়িতে থাকতে শুরু করেন। পরে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগও করেন তিনি।পরিবারের অশান্তি আরও বাড়ছিল বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। শুক্রবার রাতে লাইভ ভিডিওর পর শনিবার সকালে দুর্লভের দেহ উদ্ধার করে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ। দেহ পাঠানো হয়েছে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং মৃত্যুর সঠিক কারণ জানার চেষ্টা চলছে।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২৫
রাজ্য

গলসি-অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্তে সিআইডির বিশেষ দল

পূর্ব বর্ধমানের গলসি থানার অন্তর্গত সন্তোষপুরে অগ্নিকান্ডের তদন্তে কলকাতা সিআইডির ফরেন্সিক ফিঙ্গার টিমের বিশেষ দল। এই দলে রয়েছেন সিআইডির ইন্সপেক্টর সৈবাল বাগচিসহ চার জন। এঁদের মধ্যে একজন ফোটগ্রাফার ও দুজন ফিঙ্গারপিন্ট এক্সপার্ট রয়েছেন। মঙ্গলবার সকালে এই টিম গলসি থানায় আসে। তারপর থানার একজন অফিসারকে সঙ্গে নিয়ে তাঁরা সন্তোষপুট গ্রামের উদ্দেশ্য রওনা দেয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুনে পুড়ে যাওয়া বাড়ি ও গাড়িগুলি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবেন।সন্তোষপুর এলাকা থেকে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ৩৯জন গ্রামবাসীকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পেশ করেছে গলসী থানার পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে পাঁচজনকে পুলিশ হেফাজত নেওয়ার আবেদন জানাচ্ছে পুলিশ। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, ৩৯ জন ধৃতের মধ্যে অনেকেই নির্দোষ। তাঁদের অবিলম্বে ছেড়ে দিতে হবে এবং অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় যাঁরা মূল অভিযুক্ত তাদের গ্রেপ্তার করার দাবি জানিয়েছে গ্রামবাসীরা।

এপ্রিল ০৫, ২০২২
রাজ্য

ভয়াবহ খুন ও তার প্রতিবাদে আগুন লাগানোর পরের দিন শুনশান সন্তোষপুর গ্রাম

থমথমে গলসির সন্তোষপুর গ্রাম। কানপাতলেই পুলিসের রুটমার্চের ভারি বুটের আওয়াজ। খুনের বদলা আগুনের পর শুনশান সন্তোষপুর গ্রাম। রাতভর পুলিশের তল্লাশিতে আগুন লাগানোর অভিযোগে পুলিশ ৩১ জনকে আটক করেছে। উল্লেখ্য পূর্ব বর্ধমানের গলসির সন্তোষপুর গ্রামে সোমবার স্ত্রীকে উত্যক্ত করার প্রতিবাদে স্বামী উৎপল ঘোষকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে কুড়ুল দিয়ে কুপিয়ে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হন তাঁর বন্ধু মনোজ ঘোষ। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের গলসি থানার রামগোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সন্তোষপুরে। পুলিশের জেরায় ধৃত মনোজ উৎপল ঘোষকে খুনের কথা স্বীকার করেছে।অন্যদিকে মঙ্গলবার সকাল থেকেই গলসি থানায় বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন মহিলারা। তাদের দাবি, পুলিশ নির্দোষ ব্যক্তিদের গ্রাম থেকে তুলে এনেছে। মৃত উৎপল ঘোষের কাকা ভরত ঘোষ দাবী করেন, প্রায় ৩ থেকে ৪ হাজার বহিরাগত লোক নিয়ে এসে বাড়িতে আগুন লাগানো হয়। তিনি বলেন, আগুন লাগানো আমরা সমর্থন করি না। আইনি পথেই আমরা চাইছি দোষী শাস্তি পাক। বাড়িতে আগুন লাগানোর সময় পুলিশ উপস্থিত ছিল বলেই অভিযোগ। পুলিশের চখের সামনেই বাড়িতে আগুন লাগানো হয়। পুলিশের ধরপাকড়ের ভয়ে এই মুহুর্তে পুরুষশূন্য সন্তোষপুর। গ্রামে চলছে র্যাফের টহল।

এপ্রিল ০৫, ২০২২
রাজ্য

বগটুইয়ের ছায়া গলসিতে, প্রতিবাদী স্বামীকে নৃশংস হত্যা, গ্রেফতার 'বন্ধু', আগুন ধরাল ক্ষিপ্ত জনতা

স্ত্রীকে উত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় স্বামীকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে কুড়ুল দিয়ে কুপিয়ে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হল বন্ধু। ধৃতের নাম মনোজ ঘোষ। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের গলসি থানার রামগোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সন্তোষপুরে। প্রতিবেশী উৎপল ঘোষ(৩৩)কে নৃশংস ভাবে খুনের অভিযোগে গলসি থানার পুলিশ সোমবার দুপুরে মনোজকে গ্রেপ্তার করে।পুলিশের দাবি, ধৃত মনোজ জেরায় উৎপল ঘোষকে খুনের কথা কবুলও করেছে।এই খুনের ঘটনায় আর কেউ মনোজের সহযোগী ছিল কিনা তাও পুলিশ খতিয়ে দেখছে। মৃতের পরিবার পুলিশের কাছে অভিযুক্ত মনোজের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। গলসির সন্তোষপুরের বাসিন্দা উৎপল ঘোষ পেশায় মৎসজীবী। গ্রামের পুকুরে তিনি মাছ চাষ করতেন।তাঁদেরই প্রতিবেশী মনোজ ঘোষ।মৃতের আত্মীয় শম্ভুনাথ পাণ্ডে জানিয়েছেন, রবিবার সন্ধ্যায় বাড়িতেই নিজের ৬ বছর বয়সী ছেলেকে পড়াচ্ছিলেন উৎপল। ওই সময়ে পরিচিত কেউ উৎপলকে ফোন করে ডাকে। সেই ফোন আসার পর উৎপল তাঁর ছোট ছেলেকে বাড়িতে স্ত্রীর কাছে রেখে বাইরে বের হয়।এরপর রাত আনুমানিক ৯ টা নাগাদ এলাকার লোকজন দেখেন গ্রামের একটি পুকুর পাড়ে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে উৎপল। আর একটা কুড়ুলের ধারালো অংশ তাঁর মাথায় গেঁথে রয়েছে। এই ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে গলসি থানার পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থলে পৌছায়। কুড়ুলটি বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি পুলিশ উৎপলকে উদ্ধার করে নিয়ে যায় পুরষা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।এই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে এলাকারই যুবক মনোজ ঘোষের সঙ্গে পুরানো শত্রুতা ছিল উৎপলের। কি কারণে শত্রুতা তৈরি হয়েছিল তা জানার জন্য পুলিশ মৃতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে। পুলিশ জানতে পেরেছে, উৎপলের স্ত্রীকে প্রায়সই উত্যক্ত করতো মনোজ। সেটা মেনে নিতে না পেরে উৎপল প্রতিবাদ করে। আর তার কারণেই উৎপলের সঙ্গে বিরোধ বাঁধে মনোজের। এমনটা জানার পরেই পুলিশ মনোজের খোঁজ চালানো শুরু করে। রাতেইএলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ মনোজকে ধরে থানায় নিয়ে যায়।এদিন সকালে পুলিশ উৎপলের মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ মর্গে পাঠিয়ে মনোজকে মারাথন জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। জেরায় মনোজ স্বীকার করে নেয়, ফোন করে উৎপলকে পুকুর পাড়ে ডেকে নিয়ে সে কুড়ুল দিয়ে কুপিয়ে তাকে খুন করেছে। জেরায় এই কথা কবুল করার পরেই গলসি থানার পুলিশ এদিন বিকালে মনোজ ঘোঘকে গ্রেপ্তার করে। উৎপলকে খুনের ঘটনার মনোজকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে এই খবর সন্তোষপুরে পৌছাতেই গ্রামে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়। তারইমধ্যে ময়নাতদন্ত শেষে বিকালে উৎপল ঘোষের মৃতদেহ গ্রামের বাড়িতে ফিরলে এলাকাবাসীর ক্ষোভের আগুনে ঘৃতাহুতি পড়ে। উত্তেজিত এলাকার লোকজন এর পরেই চড়াও হয় মনোজ ও তাঁর জ্যাঠা এবং কাকার বাড়িতে। তারা মনোজের বাড়িতে থাকা একটি বাইক ও মনোজের জ্যাঠার বাড়িতে থাকা একটি চারচাকা গাড়ি ও বাইকে আগুন ধরিয়ে দেয়। এমনকি মনোজের কাকার বাড়ির একটি ট্র্যাক্টর ও খড়ের পালুইতেও উত্তেজিত এলাকাবাসী আগুন ধরিয়ে দেয়।দমকলের একটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌছে বেশ কিছু সময়ের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। উত্তেজনা থাকায় এলাকায় বসানো হয়েছে পুলিশ পিকেট। মৃতের আত্মীয় শম্ভুনাথ পাণ্ডে জানান, উৎপলের স্ত্রীকে নানা ভাবে উত্যক্ত করতো মনোজ। স্ত্রীর কাছ থেকে সেই কথা জানার পর উৎপল তার প্রতিবাদ জানিয়ে মনোজকে শোধরানোর কথা বলে। কিন্তু শোধরানো দূরের কথা, উল্টে মনোজ উত্যক্ত করেই যেত উৎপলের স্ত্রীকে। এই ঘটনা মেনে নিতে না পেরে উৎপল কিছু দিন আগে গলসি থানায় গিয়ে মনোজের বিরুদ্ধে অভিযোগও জানিয়ে ছিল। পুলিশ মনোজকে ধমক দিয়ে শোধরানোর কথা বলে তখনকার মতো ছেড়ে দেয়।তবে থানায় অভিযোগ জানানোর চটে গিয়ে মনোজের বাড়ির লোকজন উৎপলের বাড়িতে চড়াও হয়ে উৎপলকে প্রাণে মেরে দেবার হুমকি দিয়ে যায়। শম্ভুনাথ পাণ্ডে বলেন, সেই থেকে দুই পরিবারের মধ্যে তৈরি হয় বিবাদ। তবে হুমকি মতোই মনোজ যে এত পরিকল্পনা করে নৃশংস ভাবে উৎপলকে প্রাণে মরে দেবে তা আমরা ও পাড়া প্রতিবেশীর কেউ কল্পনাও করতে পারেননি।

এপ্রিল ০৪, ২০২২
রাজ্য

নোড়া দিয়ে মাথায় আঘাত করে গৃহবধূকে খুনের চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার স্বামী ও মামাশ্বশুর

নোড়া দিয়ে মাথায় আঘত করে গৃহবধূকে খুনের চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার হল স্বামী ও মামাশ্বশুর। ধৃতদের নাম বিজয় মুদি ও শ্রীকান্ত মুদি। তাঁদের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষ থানার মাশিলা গ্রামে। খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ রবিবার রাতে বাড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে। সেখান থেকে উদ্ধার হওয়ি রক্তমাখা নোড়াটি পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে। সোমবার ধৃতদের পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। বিচারক ধৃতদের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়ে ৮ মার্চ ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন। ধৃতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন বধূর বাবার বড়ির সদস্যরা।পুলিশ জানিয়েছে, গৃহবধূ রেখা মুদির বাবার বাড়ি মাশিলা গ্রামে। তাঁর বাবা সঞ্জিৎ রুইদাস জানিয়েছেন, ভাব ভালবাসা করে তাঁর বড় মেয়ে রেখা বছর আটেক আগে যুবক বিজয়কে বিয়ে করে ।বিজয়ের আদি বাড়ি পুরুলিয়ায় হলেও সে মাশিলা গ্রামে মামার বাড়িতে থাকে। দম্পতির একটি ৬ বছরের ছেলে আছে। সন্দেহ করে বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই বিজয় তাঁর স্ত্রী রেখার উপর নির্যাতন শুরু করে। শনিবার রাতে রেখা ঘরে শুয়ে ছিলেন। অভিযোগ সেই সময় বিজয় ও মামাশ্বশুর মিলে তাঁকে মারধর করা শুরু করে। নোড়া দিয়েও রেখার মাথায় সজোরে আঘাত করা হয়। নোড়ার আঘাতে মাথা ফাটে রেখার। খবর পেয়ে বাপেরবাড়ির লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। উন্নত চিকিৎসার জন্য সেখান থেকে তাঁকে কলকাতার এসএসকেএমে স্থানান্তরিত করা হয়। ঘটনার দিনই রেখার বাবা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে মামলা রুজু করে পুলিশ রেখার স্বামী ও মামা শ্বশুর কে গ্রেফতার করে।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
রাজ্য

Husband Killed Wife : স্ত্রীকে খুন করে থানায় আত্মসমর্পণ স্বামীর

স্ত্রীকে খুন করে থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করলো স্বামী। এই ঘটনা জানাজানি হতেই মঙ্গলবার ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে পূর্ব বর্ধমানের কালনার বেগপুর পঞ্চায়েতের ধলেশ্বর গ্রামে। বধূ তারমিনা বিবি(৪৫)কে খুনের অভিযোগে পুলিশ স্বামী লালবাবু শেখকে গ্রেপ্তার করেছে। কালনা থানার পুলিশ বধূকে খুনের ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধলেশ্বর গ্রাম নিবাসী লালবাবু শেখের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী তারমিনা বিবির বনিবনা হত না। নিত্যদিন তাঁদের মধ্যে অশান্তি হত। লালবাবু তাঁর স্ত্রীকে মারধোরও করতেন বলে অভিযোগ। মঙ্গলবার অশান্তি চরমে উঠলে লালবাবু তাঁর স্ত্রীকে খুন করে বসেন। এরপরেই স্ত্রীর মৃতদেহ খাটের নিচে রেখে দিয়ে লালবাবু বাড়ি থেকে বেরিয়ে নবদ্বীপ থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। পুলিশ লালবাবুর বাড়িতে গিয়ে বধূ তারমিনা বিবির মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। দম্পতির ছেলে টোটন শেখ জানিয়েছেন, শারীরিক অসুস্থতার জন্য তাঁর মা ভালো করে চলাফেরা করতে পারতো না। তা নিয়ে তাঁর বাবা ও মায়ের মধ্যে অশান্তি লেগে থাকতো। টোটন শেখ বলেন, এদিন বেলায় তিনি কাজে বেরিয়ে যাওয়ার পর তাঁর বাবা ও মায়ের মধ্যে অশান্তি শুরু হয়। অশান্তি চালাকালীন তাঁর মাকে প্রাণে মেরে দেন বাবা। প্রতিবেশীদের কাছ থেকে খবর পেয়ে তিনি বাড়িতে ফিরে এসে মাকে মৃত অবস্থায় দেখেন। টোটন জানান, বাবার শাস্তির দাবি করে তিনি পুলিশের কছে অভিযোগ জানিয়েছেন। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(গ্রামীণ) ধ্রুব দাস জানিয়েছেন, স্ত্রীকে খুন করে এক ব্যক্তি নবদ্বীপ থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। স্ত্রীকে খুনের ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১
রাজ্য

প্রেমিকার স্বামীকে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ প্রেমিকের বিরুদ্ধে

প্রেমের সম্পর্কে পথের কাঁটা হয়ে উঠেছিল প্রেমিকার স্বামী। তাই পরিকল্পনা করে প্রেমিকার স্বামীকে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠলো প্রেমিকের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি বুধবার রাাতে ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কালনা থানার উত্তর রামেশ্বরপুর এলাকায়। মৃত ব্যক্তির নাম মুরসেদ শেখ (২৮)। তাঁর বাড়ি কালনার বেগপুর পঞ্চায়েতের পাথরডাঙা গ্রামে। মুরসেদের স্ত্রীর প্রেমিক মানিক মণ্ডল পরিকল্পনা করে মুরসেদকে কুপিয়ে খুন করার পর নিজে আক্রান্ত হওয়ার ভান করে বলে অভিযোগ করেছেন নিহতের পরিজনরা। কালনা থানার পুলিশ মুরসেদের মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। নিহত মুরসেদ শেখের দাদা জাকির আলি শেখ জানিয়েছেন, তাঁর ভ্রাতৃবধূর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল স্থানীয় মানিক মণ্ডলের। ওদের ওই প্রেমের সম্পর্কে পথে কাঁটা হয়ে উঠেছিল মুরসেদ। সেই পথের কাঁটা সরাতে মানিক পরিকল্পনা আঁটে। পরিকল্পনা মাফিক বুধবার সন্ধ্যার পরেই মানিক সহজপুর বাজারে থাকা তাঁর দোকান বন্ধ করে দেয়। এরপর মানিক তাঁর বাইকে মুরসেদকে চাপিয়ে নিয়ে উত্তর রামেশ্বরপুর এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানেই মানিক ধারালো অস্ত্র দিয়ে মুরসেদকে কোপানোর পর তাঁর মুখ কাদায় গুঁজে দেয়। তারপর নিজেকে নির্দেষ সাজাতে মানিক একই জায়গায় আক্রান্ত হওয়ার ভান করে পড়ে থাকে। রামেশ্বরপুর এলাকার লোকজন তাঁদের রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে কাছে যান। মানিক তাঁদের মিথ্যা করে বলে, দুস্কৃতীরা তাঁদের দুজনের উপরে হামলা চালিয়ে পালিয়েছে। এমনটা শুনেই এলাকার লোকজন কালনা থানায় খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে দুজনকে উদ্ধার করে কালনা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মুরসেদকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মানিক মণ্ডল এখন আক্রান্ত হবার অভিনয় করে কালনা মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জাকির আলি দাবি করেছেন। যদিও মানিক মণ্ডল এদিনও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছে। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গ্রামীন) ধ্রুব দাস বলেন, মাঠের মধ্যে পড়ে থাকা দুজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসক তাঁদের মধ্যে একজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। অন্যজন চিকিৎসাধীন রয়েছে। মৃতর পরিবার খুনের অভিযোগ দায়ের করেছে। তার ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১
রাজ্য

Relationship With Stranger: পরপুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে, সন্দেহে স্ত্রীর গলায় বঁটির কোপ মারলেন স্বামী

শিশু সন্তানদের সামনেই বঁটি দিয়ে কোপ মেরে স্ত্রীকে জখম করার অভিযোগ উঠলো স্বামীর বিরুদ্ধে। জখম বধূর নাম আল্পনা দাস। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর থানার বাঘাসন গ্রামে। চিকিৎসার জন্য বধূকে প্রথম নিয়ে যাওয়া হয় মন্তেশ্বর হাসপাতালে। পরে তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পুলিশ বধূর স্বামী উৎপল দাসকে আটক করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। বধূর উপর তাঁর স্বামীর এমন নৃশংস অত্যাচারের কথা জেনে প্রতিবাদে সরব হয়েছেন বাঘাসনের বাসিন্দারা।আরও পড়ুনঃ আউশগ্রামে জঙ্গলের রাস্তায় খুন তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধানের ছেলে, চরম উত্তেজনাপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দম্পতি আল্পনা দাস ও উৎপল দাসের নিজের বাড়ি মন্তেশ্বরের বাঘাসন গ্রামে। তাঁদের দুটি শিশু সন্তান রয়েছে। পেশায় রাজমিস্ত্রী উৎপল মাসখানেক আগে মন্তেশ্বর হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় একটি বাড়ি ভাড়া নেন। সেখানেই তাঁরা সন্তানদের নিয়ে থাকা শুরু করেন।আরও পড়ুনঃ মমতার বিরুদ্ধে প্রার্থী দিচ্ছে না কংগ্রেসমঙ্গলবার বেলা ১০ টা নাগাদ ওই ভাড়া বাড়িতেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি বাঁধে। অভিযোগ, তখনই স্বামী উৎপল দাস রান্নাঘর থেকে বঁটি বের করে এনে শিশুসন্তানদের সামনেই তাঁর স্ত্রী আল্পনার গলায় কোপ মারেন। বধূর আর্তনাদ ও শিশুদের কান্নাকাটি শুনে প্রতিবেশীরা উৎপলের ঘরে ছুটে যান। ওই ঘরের মেঝেতে আল্পনাদেবী রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে তারা আঁতকে ওঠেন। পরে স্থানীয়রা বধূকে উদ্ধার করে মন্তেশ্বর হাসপাতালে নিয়ে যান।এই ঘটনার খবর পেয়ে মন্তেশ্বর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছায়।আরও পড়ুনঃ পুজোয় ঠাকুর দেখতে পারবেন? কী জানালেন মুখ্যমন্ত্রীখোঁজ খবর নিয়ে পুলিশ অফিসাররা জানতে পারেন, আল্পনার অন্য পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে বলে সন্দেহ করতেন তাঁর স্বামী উৎপল। সেই সন্দেহের জন্য উৎপলের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী আল্পনার অশান্তি লেগেই থাকতো। মঙ্গলবার ফের অশান্তি শুরু হলে উৎপল তাঁর স্ত্রীর গলায় ধারালো বঁটির কোপ মারে। এদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত এই বিষয়ে থানায় কোন অভিযোগ জমা না পড়লেও পুলিশ উৎপলকে আটক করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২১
রাজ্য

Inciting to Suicide: বধূকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার স্বামী

স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন স্বামী। ধৃতের নাম হরলাল মুখোপাধ্যায়। পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার উত্তর শুড়া গ্রামে ধৃতের বাড়ি। স্ত্রী সুরমা হালদার (৪৪) কে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে জামালপুর থানার পুলিশ সোমবার রাতে বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। মঙ্গলবার ধৃতকে পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। সিজেএম ধৃতকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিচারবিভাগীয় হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বধূ সুরমা হালদারের বাপের বাড়ি জামালপুরের বেরুগ্রাম পঞ্চায়েতের বলরামপুর গ্রামে। ২৩ বছর আগে উত্তর শুড়া নিবাসী হরলাল মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে সুরমার বিয়ে হয়। দম্পতির এক সাবালক পুত্র ও এক কন্যা রয়েছে। মৃতার দাদা রাজকুমার হালদার সোমবার জামালপুর থানায় লিখিত অভিযোগে জানান ,তাঁর বোন সুরমার সাংসারিক জীবন কোনদিনও সুখের হয়নি। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই শ্বশুরবাড়িতে সুরমার উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু হয়। দিন দিন তা বাড়তে থাকে। অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে সুরমা তাঁর পুত্র ও কন্যাকে নিয়ে জামালপুরে ভাড়া বাড়িতে থাকা শুরু করেন। সম্প্রতি বোঝাপড়া হওয়ায় সুরমা তাঁর দুই সন্তানকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি ফিরেযায়। এর পর রবিবার রাত সাড়ে ১০ টা নাগাদ শ্বশুরবাড়ির তিনতলা ছাদে মুখে গেজলা বেরনো অবস্থায় সুরমাকে পাওয়া যায়। তাঁকে উদ্ধার করে জামালপুর ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত বলে জানান।সোমবার বধূর মৃতদেহের ময়নাতদন্ত হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। এই ঘটনা নিয়ে মৃতার দাদার দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ বধূর স্বামীকে গ্রেপ্তার করে।

আগস্ট ২৫, ২০২১
রাজ্য

Mystery Death: দ্বিতীয় পক্ষের স্বামীর বাড়িতে রহস্য মৃত্যু বধূর

দ্বিতীয় পক্ষের স্বামীর বাড়িতে রহস্যজনক মৃত্যু হল এক বধূর। মৃতার নাম লীলা আগরওয়াল(৪৪)।ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার মাহাতা গ্রামে। ভাতারের মাহাতা গ্রামে ভাড়া বাড়িতে থাকতেন লীলা আগরওয়াল ও তাঁর দ্বিতীয় পক্ষের স্বামী সুদীপ্ত মুখোপাধ্যায় । বুধবার সকালে সেই ভাড়া বাড়ি থেকেই গৃহবধূ লীলার মৃতদেহ উদ্ধার করে ভাতার থানার পুলিশ। ময়নাতদন্তের জন্য এদিনই বধূর মৃতদেহ পাঠানো হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ মর্গে। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে পুলিশ বধূ মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।আরও পড়ুনঃ এএফসি কাপে প্রথম পর্বের বাধা টপকাতে পারবেন? কী বলছেন হাবাসপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, লীলা আগরওয়ালের প্রথম পক্ষের স্বামীর বাড়ি বীরভূম জেলার বোলপুর শহরের মিশন কম্পাউণ্ড এলাকায়। তাঁর প্রথম পক্ষের স্বামী রাজু আগরওয়ালের সেখানে একটি সাইকেল মেরামতির দোকান রয়েছে। লীলার এক ছেলে ও এক মেয়ে প্রাপ্ত বয়স্ক। ছেলে আকাশ বোলপুর পুরসভার অস্থায়ী কর্মী। মেয়ে প্রীতি আগরওয়াল বিবাহিতা। প্রীতি জানিয়েছেন, তাঁর মা বর্ধমান শহরে সুদীপ্ত মুখোপাধ্যায় নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করতেন। বিবাহিত সুদীপ্তবাবু ওষুধ সাপ্লাইয়ের ব্যবসা করেন। ওই সময়েই তাঁর মা লীলাদেবীর সঙ্গে সুদীপ্ত বাবুর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তারপর দেড় বছর হল লীলাদেবী পাকাপাকিভাবে সুদীপ্তবাবুর কাছেই রয়ে যান। সুদীপ্তবাবুর এই কীর্তিকলাপ মেনে নিতে না পেরে তাঁর স্ত্রী সুদীপ্তবাবুর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন। এরপর থেকে সুদীপ্তবাবু ভাতারের মাহাতা গ্রামে বাড়ি ভাড়া করে সেখানে লীলাদেবীকে নিয়ে থাকতেন । প্রীতি আগরওয়াল বলেন, এদিন সকালে ওই ভাড়া বাড়ি থেকেই পুলিশ তাঁর মা লীলাদেবীর মৃতদেহ উদ্ধার করে।আরও পড়ুনঃ অশান্ত আফগানিস্তানের জন্য শান্তির আবেদন ক্রিকেটার রশিদ খানেরমৃতার ছেলে আকাশ আগরওয়াল দাবি করেন, আমার মায়ের গলায় দাগ রয়েছে। তা দেখে আমার মনে হচ্ছে শ্বাসরোধ করেই মাকে মারা হয়েছে। তাই মৃত্যুর তদন্ত দাবি করেছে। যদিও সুদীপ্তবাবু এদিন দাবি করেন, আমি ব্যবসার কাজে মঙ্গলবার সকালে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাই। সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে লীলাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পাই। ভাতার থানার পুলিশ অবশ্য সুদীপ্ত মুখোপাধ্যায়কে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। পুলিশ জানিয়েছে , ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসলেই মহিলার মৃত্যুর কারণ জানা যাবে । তার ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আগস্ট ১১, ২০২১
রাজ্য

Sucide: স্ত্রীকে খুন করে সেই ছুরিতে গলা কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা স্বামীর, চাঞ্চল্য মেমারিতে

পারিবারিক সমস্যা নিয়ে বাকবিতন্ডা চালার সময়ে গলায় ধারালো ছুরি চালিয়ে স্ত্রীকে খুন করার পর নিজের গলা কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা করলো স্বামী। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা নাগাদ চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মেমারি পৌরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের কাশিয়ারা সোমেষপুর এলাকায়। মৃতার নাম সেরিনা বিবি(৩৩)। তাঁর স্বামী সাদ্দাম খান ওরফে জুমানকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য গৃহবধূর মৃতদেহ এদিনই পাঠানো হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ মর্গে । মৃতার বোন রাবিয়া বিবির দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে মেমারি থানার পুলিশ বধূ নির্যাতন ও খুনের ধারায় মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এমন দাম্পত্য হিংসার ঘটনার কথা জেনে স্তম্ভিত মেমারির বাসিন্দারা।আরও পড়ুনঃ এবার দলের কর্মীদের দিয়ে পায়ে জুতো গলিয়ে বিতর্কে বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়কপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দম্পতির একটি নাবালক পুত্র ও একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।দম্পতির মধ্যে বনিবনা ছিল না। সাদ্দাম খান কর্মসূত্রে বাইরের রাজ্যে থাকতেন। বৃহস্পতিবারই সাদ্দাম মেমারির কাশিয়াড়া সোমেষপুরের বাড়িতে ফেরেন। পারিবারিক সমস্যা নিয়ে এদিন বিকাল সাড়ে ৫ টা নাগাদ সেরিনা বিবি ও তাঁর স্বামী সাদ্দাম খানের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় শুরু হয়। ওই সময়ে হঠাৎই ধারালো ছুরি দিয়ে সাদ্দাম তাঁর স্ত্রী সেরিনার গালা কেটে দেয়। এমনকি সেরিনার পেটেও ছুরি ঢুকিয়ে দেয় সাদ্দাম। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় সেরিনা বিবির। এরপর সাদ্দাম একই ছুরি দিয়ে নিজের গালা কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। সন্ধ্যায় স্থানীয়দের মাধ্যমে এই খবর পেয়ে মেমারি থানায় পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সাদ্দামকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে সে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন। এমন দম্পত্য হিংসার ঘটনা দুই নাবালক সন্তানের সামনেই ঘটেছে বলে এলকাবাসীর কথায় জানা গিয়েছে।

আগস্ট ০৬, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

কালীঘাটে হঠাৎ সিআইডি, মমতার আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে ঢুকতেই বাড়ল রহস্য

ফের কালীঘাটে দেখা গেল সিআইডির তৎপরতা। তবে এবার তদন্তকারীরা সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যাননি। পরিবর্তে তাঁরা পৌঁছন হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের একটি ফ্ল্যাটে, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক আত্মীয় বসবাস করেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।বৃহস্পতিবার দুপুরে আচমকাই ওই এলাকায় সিআইডির কয়েকজন আধিকারিককে দেখা যায়। তাঁরা সরাসরি একটি নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটে যাওয়ার আগে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কিছু তথ্য জানার চেষ্টা করেন। এরপর তাঁরা সংশ্লিষ্ট ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেন।প্রতিবেশীদের দাবি, ওই ফ্ল্যাটের দ্বিতীয় তলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক বোন থাকেন। তদন্তকারীরা সেখানেই গিয়েছিলেন। তবে কী কারণে এই সফর, কোন মামলার সূত্রে তদন্তকারীরা সেখানে পৌঁছেছেন, সে বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ব্যাখ্যা সামনে আসেনি।উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সই জাল সংক্রান্ত মামলাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে ঘিরে তদন্ত জোরদার হয়েছে। এর আগে একাধিকবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন জায়গায় তদন্তকারীরা গিয়েছেন। কালীঘাটের দলীয় কার্যালয়েও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে।যদিও সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতের তরফে সাময়িক আইনি সুরক্ষা পেয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কালীঘাটে সিআইডির নতুন পদক্ষেপ স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের দাবি, বিরোধী রাজনৈতিক অবস্থানের কারণেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সেই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী তাপস রায়ের বক্তব্য, তদন্তের সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই এবং আইন অনুযায়ী যা করার, তা-ই করা হচ্ছে।তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখনও অমীমাংসিত। ঠিক কোন মামলার সূত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে তদন্তকারীরা পৌঁছলেন, সেই উত্তর এখনও সামনে আসেনি। আর সেই কারণেই কালীঘাটের এই ঘটনাকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

দরজার বাইরে পুলিশ, ভিতরে নিষেধাজ্ঞা! মমতার বাড়িতে কী ঘটল বৃহস্পতিবার সকালে?

কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িকে ঘিরে বৃহস্পতিবারও তৈরি হল অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। লালবাজারের পক্ষ থেকে আরও কয়েকজন নিরাপত্তা আধিকারিককে পাঠানো হলেও তাঁদের বাড়ির ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। ফলে সকাল থেকেই কালীঘাটের বাড়ির সামনে শুরু হয় নতুন জল্পনা।সূত্রের খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি নতুন নিরাপত্তারক্ষী নিতে রাজি নন। তাঁর দীর্ঘদিনের পরিচিত ও বিশ্বস্ত নিরাপত্তাকর্মীদের সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে তিনি অসন্তুষ্ট বলেই জানা যাচ্ছে। সেই কারণেই নতুন করে পাঠানো নিরাপত্তাকর্মীদের গ্রহণ করা হয়নি।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কয়েকজন পুলিশ আধিকারিক বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজনকে কিছু সময়ের জন্য ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও পরে তাঁকেও বাইরে বেরিয়ে আসতে বলা হয়। জানানো হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নতুন নিরাপত্তারক্ষীদের গ্রহণ করতে চান না এবং সিদ্ধান্ত না বদলানো পর্যন্ত তাঁদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।বর্তমানে কালীঘাটের বাড়ির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন দলের কয়েকজন বিশ্বস্ত কর্মী। তাঁদের সঙ্গে সীমিত সংখ্যক পুলিশকর্মীও রয়েছেন। অন্যদিকে বাড়ির বাইরে কলকাতা পুলিশের বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত টহল চালাচ্ছেন।জানা গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কয়েকজন পুরনো নিরাপত্তারক্ষীকে তাঁদের আগের ইউনিটে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের ফেরানোর আবেদন জানান। তাঁর বক্তব্য, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত যাই হোক না কেন, দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ও আস্থার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। সূত্রের দাবি, এই বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।এদিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিবর্তন করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। দলের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এই ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার উদাহরণ বলে দাবি করেছেন।তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও কাটছাঁট করা হয়নি। তাঁর উচ্চস্তরের নিরাপত্তা বহাল রয়েছে। নিয়মিত প্রশাসনিক রদবদলের অংশ হিসেবেই নতুন নিরাপত্তাকর্মীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নতুন ব্যবস্থাকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের প্রত্যাবর্তন হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে কালীঘাটের বাড়ির সামনে তৈরি হওয়া এই পরিস্থিতি এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেসির হ্যাটট্রিক, রোনাল্ডোর ব্যর্থতা! শেষ বিশ্বকাপেই কি ভেঙে পড়ছে স্বপ্ন?

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর সামনে এখন জীবনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। দীর্ঘ কেরিয়ারে অসংখ্য ট্রফি জিতলেও এখনও বিশ্বকাপ অধরা। আর সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য এবারই সম্ভবত তাঁর শেষ সুযোগ।দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে আন্তর্জাতিক ফুটবলে রাজত্ব করছেন রোনাল্ডো। দুই হাজার তিন সালে দেশের জার্সিতে অভিষেকের পর থেকে অসংখ্য রেকর্ড গড়েছেন তিনি। কিন্তু বিশ্বকাপের মঞ্চে এখনও পর্তুগালকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি। দলের সেরা সাফল্য এখনও উনিশশো ছেষট্টি সালের তৃতীয় স্থান অর্জন।এই বিশ্বকাপে নামার আগে থেকেই রোনাল্ডোর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। বয়স এখন একচল্লিশ। অনেকের মতে, আগের মতো গতি ও ধার আর নেই তাঁর খেলায়। প্রথম ম্যাচে প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারার পর সেই সমালোচনা আরও বেড়েছে। বিশেষ করে একই দিনে লিওনেল মেসির দুরন্ত পারফরম্যান্সের পর সামাজিক মাধ্যমে রোনাল্ডোকে নিয়ে কটাক্ষও শুরু হয়েছে।পর্তুগালের প্রাক্তন ফুটবলার আন্তোনিও সিমোয়েসের মন্তব্য নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে। তাঁর দাবি, রোনাল্ডো অনেক সময় দলের চেয়ে নিজের খেলাকে বেশি গুরুত্ব দেন। যদিও এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন পর্তুগাল দলের কোচ রবার্তো মার্টিনেজ। তাঁর মতে, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের জার্সিতে রোনাল্ডোর গোলসংখ্যাই প্রমাণ করে তিনি এখনও দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।তবে পরিসংখ্যান অন্য আলোচনারও জন্ম দিয়েছে। সাম্প্রতিক কয়েকটি বড় জয়ে রোনাল্ডো মাঠে ছিলেন না। সেই কারণে অনেকেই মনে করছেন, তরুণ ফুটবলারদের নিয়ে ভবিষ্যৎ গড়ার সময় এসেছে পর্তুগালের। আবার অন্য একটি অংশের মতে, অভিজ্ঞতা, নেতৃত্ব এবং বড় ম্যাচের মানসিক শক্তির জন্য এখনও রোনাল্ডোর বিকল্প নেই।এই বিশ্বকাপ শুধু একটি টুর্নামেন্ট নয়, রোনাল্ডোর ফুটবল জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ও হতে পারে। কারণ বিশ্বকাপ জিততে পারলে তাঁর কেরিয়ার পূর্ণতা পাবে। আর যদি ব্যর্থ হন, তাহলে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকার জীবন থেকে বিশ্বকাপ ট্রফির অপূর্ণতা হয়তো কোনও দিন মুছে যাবে না।এখন প্রশ্ন একটাই, শেষ সুযোগে কি ইতিহাস গড়তে পারবেন রোনাল্ডো? নাকি বিশ্বকাপের স্বপ্ন অধরাই থেকে যাবে? সেই উত্তর খুঁজতেই তাকিয়ে রয়েছে গোটা ফুটবল বিশ্ব।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

স্পিকারের সিদ্ধান্তেই সিলমোহর! বিরোধী দলনেতা নিয়ে হাই কোর্টে বড় মোড়

বিরোধী দলনেতা পদ নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আপাতত বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই বহাল থাকবেন। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের আবেদনে এই মুহূর্তে কোনও হস্তক্ষেপ করল না আদালত।রাজ্যের পালাবদলের পর বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে ঘিরে শুরু হয় বিতর্ক। একদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রস্তাবে বালিগঞ্জের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম সামনে আসে। অন্যদিকে এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা দাবি করেন, অধিকাংশ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে। সেই দাবি এবং জমা দেওয়া নথির ভিত্তিতেই বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন।স্পিকারের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। গত কয়েক দিন ধরে মামলার শুনানিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠে আসে। স্পিকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়েও আদালত প্রশ্ন তোলে। বিচারপতি জানতে চান, কীভাবে নিশ্চিত হওয়া হয়েছিল যে কোন পক্ষের সমর্থন বেশি।শুনানির সময় স্পিকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রথমে জমা দেওয়া চিঠিতে বিধায়ক দলের বৈঠকের বিস্তারিত তথ্য ছিল না। পরে সেই সংক্রান্ত নথি চাওয়া হয়। এর মধ্যেই কয়েকজন বিধায়ক অভিযোগ করেন, তাঁদের নামে থাকা কিছু স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। এই অভিযোগ সামনে আসতেই বিষয়টি আরও জটিল হয়ে ওঠে।অন্যদিকে সন্দীপন সাহার পক্ষ থেকে স্পিকারের কাছে একটি পৃথক চিঠি জমা দেওয়া হয়। সেখানে দাবি করা হয়, সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে। সেই নথি বিবেচনা করেই স্পিকার তাঁকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন।বৃহস্পতিবার আদালত জানিয়ে দিয়েছে, বিরোধী ব্লকের নির্বাচিত নেতৃত্বের বিষয়ে এই মুহূর্তে কোনও অন্তর্বর্তী হস্তক্ষেপ করা হবে না। ফলে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়িত্ব পালন করবেন। তবে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এখনও হয়নি। আগামী আটাশে জুলাই ফের এই মামলার শুনানি হবে।উল্লেখযোগ্যভাবে, বিধানসভার বাজেট অধিবেশন শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই এই নির্দেশ এসেছে। ফলে রাজনৈতিক মহলে এই রায়কে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিরোধী শিবিরের নেতৃত্ব নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, আপাতত তাতে সাময়িক ইতি টানল কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

শেষ মুহূর্তে বড় রায়! মোদির যোগ দিবস নিয়ে হাই কোর্ট যা বলল, বদলে গেল সব হিসাব

আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে কলকাতার রেড রোডে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আর কোনও আইনি বাধা রইল না। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাই কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী রেড রোডেই যোগ দিবস পালন করা যাবে। তবে সাধারণ মানুষের স্বার্থে বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থা করতে হবে এবং অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর দ্রুত রেড রোড খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।একুশে জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই উপলক্ষে রেড রোডে বড় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের প্রস্তুতির জন্য কয়েক দিনের জন্য রেড রোডে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য সরকার। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা দায়ের করা হয়েছিল।বৃহস্পতিবার সেই মামলার শুনানিতে আদালত অন্তর্বর্তী কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি। ফলে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী রেড রোডে যোগ দিবসের অনুষ্ঠান আয়োজনের পথে আর কোনও বাধা থাকল না। তবে আদালত জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের যাতায়াতে যাতে অসুবিধা না হয়, তার জন্য পুলিশকে বিকল্প পথের ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি একুশে জুনের অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর দ্রুত রেড রোড খুলে দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।আদালত মামলাকারী পক্ষ এবং রাজ্য সরকারকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ফলে মামলার আইনি প্রক্রিয়া এখনও চলবে, তবে যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে তার কোনও প্রভাব পড়ছে না।এদিকে যোগ দিবসকে ঘিরে শহরজুড়ে প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। একুশে জুন রেড রোডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে প্রধান অনুষ্ঠান হওয়ার কথা। তার আগে বিশে জুন গঙ্গাবক্ষে বিশেষ যোগাভ্যাস কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। প্রায় পাঁচশো নৌকোয় একযোগে যোগাভ্যাসের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, মিলেনিয়াম পার্ক, বাবুঘাট, প্রিন্সেপ ঘাট এবং বেলুড়-দক্ষিণেশ্বর সংলগ্ন এলাকায় এই বিশেষ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হতে পারে। পাশাপাশি ড্রোন প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।হাই কোর্টের এই নির্দেশের পর যোগ দিবসের প্রস্তুতিতে প্রশাসনের গতি আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে কলকাতার অন্যতম বড় কর্মসূচির পথে আপাতত সমস্ত আইনি জট কেটে গেল।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

মমতার সবচেয়ে ভরসার নেতাই কি দিলেন বড় ধাক্কা? দলীয় তহবিল ঘিরে অরূপের চিঠিতে তোলপাড়

এক সময় তিনি ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সবচেয়ে বিশ্বস্ত নেতাদের অন্যতম। কিন্তু এখন সেই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক। দলীয় তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ব্যাঙ্কের কাছে চিঠি পাঠিয়ে তৃণমূলের অন্দরে নতুন জল্পনার জন্ম দিলেন তিনি।সূত্রের খবর, বারো জুন একটি চিঠি পাঠিয়ে অরূপ বিশ্বাস নিজেকে দলের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে উল্লেখ করেন। সেই চিঠিতে তিনি দাবি করেন, দলের সংসদীয় ও পরিষদীয় শিবিরে বিভাজন তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দলীয় তহবিলের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের কাছে অ্যাকাউন্ট স্থগিত রাখার আবেদন জানান তিনি।তবে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ সেই আবেদন গ্রহণ করেনি বলেই জানা যাচ্ছে। কারণ তার আগেই দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব অরূপ বিশ্বাসের হাত থেকে সরিয়ে শুভাশিস চক্রবর্তীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। পাঁচ জুন সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া মেনে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং ব্যাঙ্ককেও তা জানানো হয়েছিল।দলীয় সূত্রের দাবি, গত কয়েক মাস ধরেই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে অস্বস্তি বাড়ছিল। কালীঘাটে একাধিক বৈঠকে তাঁর সঙ্গে মতবিরোধের পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল বলে খবর। এমনকি তাঁকে ডাকা হলেও সব সময় তিনি উপস্থিত থাকতেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে।এরই মধ্যে মেসি-কাণ্ডে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ সামনে আসে। আর্থিক লেনদেন সম্পর্কিত কিছু প্রশ্নও ওঠে। দলীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে ব্যাখ্যা চাওয়া হলেও সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া যায়নি বলে সূত্রের দাবি।রাজনৈতিক মহলে আরও একটি জল্পনা ছড়িয়েছে। অরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের যোগাযোগ রয়েছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি অরূপ।সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে, যখন তাঁর কাছ থেকে কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব আগেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল, তখন কেন বারো জুন তিনি ব্যাঙ্কে এই চিঠি পাঠালেন? রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এর পিছনে অন্য কোনও কৌশল থাকতে পারে। আবার অন্য অংশের দাবি, তিনি হয়তো দলীয় তহবিলের নিরাপত্তা নিয়েই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।এদিকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বহাল রেখেছে কলকাতা হাই কোর্ট। সেই প্রেক্ষাপটে দলীয় তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়েও নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সন্দীপন সাহার বক্তব্য, অরূপ বিশ্বাস কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বে থাকাকালীন মনে করেছিলেন যে অ্যাকাউন্টে কোনও অনিয়ম হতে পারে। সেই কারণেই তিনি ব্যাঙ্ককে সতর্ক করার চেষ্টা করেছিলেন।তবে এই ঘটনার পর তৃণমূলের অন্দরের সমীকরণ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের আস্থাভাজন নেতা অরূপ বিশ্বাসের এই পদক্ষেপ শুধুই প্রশাসনিক উদ্বেগ, নাকি এর পিছনে রয়েছে বড় রাজনৈতিক বার্তা সেই প্রশ্নই এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনায়।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

অবশেষে লুকিয়ে থাকা ভাঙল! তিনবার এড়িয়ে শেষে থানায় অরূপ, সামনে এল মেসি-কাণ্ডের নতুন মোড়

অবশেষে মেসি-কাণ্ডের তদন্তে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজির হলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। এর আগে পুলিশের পাঠানো তিনটি নোটিসের পরও তিনি হাজিরা দেননি। ফলে তাঁকে ঘিরে গ্রেপ্তারের আশঙ্কা এবং রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সকাল প্রায় দশটার আগে তিনি থানায় পৌঁছন এবং তদন্তকারীদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন।মেসি সফরকে ঘিরে বিতর্কের সূত্রপাত গত ডিসেম্বর মাসে। ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির ভারত সফরের উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর দাবি, মেসির অনুষ্ঠানের জন্য প্রায় সত্তর হাজার টিকিট ছাপানো হয়েছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, তার মধ্যে প্রায় বাইশ হাজার টিকিট অরূপ বিশ্বাস নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিলেন এবং সেগুলির একটি অংশ অন্যত্র বিক্রি করা হয়েছিল।শুধু টিকিট বিতর্কই নয়, মেসির সফরের সময় নির্ধারিত নিরাপত্তা বিধি মানা হয়নি বলেও অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ এবং অরূপ বিশ্বাসকে একাধিকবার হাজিরার নোটিস পাঠানো হয়। তবে তিনি বারবার হাজিরা এড়িয়ে যান।যদিও এই মামলায় আপাতত স্বস্তি পেয়েছেন অরূপ বিশ্বাস। হাই কোর্ট জানিয়েছে, আগামী সতেরো অগস্ট পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না। তবে তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। সেই নির্দেশের পরই তাঁর এই হাজিরা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে মেসির নিজস্ব ব্যবস্থাপনা দলের একটি চিঠি ঘিরে। কলকাতার পুলিশ কমিশনারের কাছে পাঠানো ওই চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে, মেসির উপস্থিতির সময় মাঠে প্রবেশের ক্ষেত্রে কড়া বিধিনিষেধ ছিল। নিয়ম অনুযায়ী, মাঠের ভেতরে কোনও বিশেষ অতিথি বা ভিআইপির থাকার অনুমতি ছিল না। কিন্তু সেই নিয়ম ভেঙে তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী মাঠে প্রবেশ করেছিলেন বলে অভিযোগ।মেসির ব্যবস্থাপনা দলের দাবি, ছবি তোলার সময় বারবার মেসির খুব কাছে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল এবং অপ্রয়োজনীয় শারীরিক যোগাযোগের ঘটনাও ঘটে। পাশাপাশি পুরো নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছে তারা। এই সমস্ত অভিযোগের জেরেই মেসি-কাণ্ডের তদন্ত নতুন মাত্রা পেয়েছে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

জুন ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

অ্যাসিড হামলায় প্রায় অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন! বিশ্বকাপে রোনাল্ডোর পর্তুগালের বিরুদ্ধে গোল করে ইতিহাস গড়লেন কঙ্গোর নায়ক

পাঁচ বছর আগে ভয়াবহ এক অ্যাসিড হামলায় বদলে গিয়েছিল তাঁর জীবন। মুখ ঝলসে গিয়েছিল, দৃষ্টিশক্তিও প্রায় হারাতে বসেছিলেন। অনেকেই ভেবেছিলেন, তাঁর ফুটবল জীবন হয়তো সেখানেই শেষ। কিন্তু স্বপ্নকে হার মানাতে পারেনি সেই ভয়ঙ্কর আঘাত। আজ সেই ফুটবলারই বিশ্বকাপের মঞ্চে ইতিহাস গড়ে কোটি মানুষের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছেন।কঙ্গোর তারকা ইয়োয়ান উইসার জীবন যেন এক রূপকথার গল্প। বিশ্বকাপে পর্তুগালের বিরুদ্ধে তাঁর করা একটি গোল শুধু ম্যাচে সমতা ফেরায়নি, ইতিহাসও তৈরি করেছে। বিশ্বকাপে কঙ্গোর হয়ে প্রথম গোল করার কৃতিত্ব এখন তাঁর নামের পাশে।ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই কর্নার থেকে আসা বল দুরন্ত হেডে জালে জড়িয়ে দেন উইসা। সেই গোলের পর উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে গোটা কঙ্গো। দীর্ঘ বিরতির পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরে পর্তুগালের মতো শক্তিশালী দলকে আটকে দেওয়ায় আনন্দের বন্যা বইতে শুরু করে দেশজুড়ে।কিন্তু এই সাফল্যের পিছনে লুকিয়ে রয়েছে ভয়াবহ এক অধ্যায়। দুই হাজার একুশ সালের এক জুলাই নিজের বাড়িতে ভয়ঙ্কর অ্যাসিড হামলার শিকার হন উইসা। এক নারী তাঁর বাড়িতে ঢুকে আচমকা মুখে অ্যাসিড ছুড়ে দেয়। এমনকি তাঁর মেয়েকে অপহরণের চেষ্টাও করা হয়েছিল বলে অভিযোগ।গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। চিকিৎসকদের একাধিক অস্ত্রোপচার করতে হয়। চোখের গুরুতর ক্ষতি হয়েছিল। দীর্ঘ সময় চিকিৎসার মধ্যে থাকতে হয়েছিল তাঁকে। পরে আদালতে উইসা জানিয়েছিলেন, সেই মুহূর্তে তিনি শ্বাস নিতে পারছিলেন না এবং চিকিৎসকেরা জানিয়েছিলেন তাঁর চোখ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।দীর্ঘ তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ার পর অভিযুক্ত নারীকে হত্যাচেষ্টা এবং অপহরণের দায়ে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে আদালতের রায় এলেও উইসার জীবনের ক্ষত সহজে মুছে যায়নি। শারীরিক কষ্টের পাশাপাশি মানসিকভাবেও ভেঙে পড়েছিলেন তিনি।তবুও তিনি হার মানেননি। ধীরে ধীরে মাঠে ফিরেছেন, নিজেকে নতুন করে গড়েছেন। পরিবারের সমর্থন এবং সন্তানদের কথা ভেবেই তিনি আবার স্বাভাবিক জীবনে ফেরার শক্তি পেয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন।আজ সেই উইসাই বিশ্বকাপের মঞ্চে দাঁড়িয়ে নতুন ইতিহাস লিখেছেন। অ্যাসিড হামলার বিভীষিকা থেকে উঠে এসে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল আসরে গোল করা শুধু একটি ক্রীড়া সাফল্য নয়, এটি মানুষের অদম্য ইচ্ছাশক্তি এবং লড়াইয়ের এক অনন্য উদাহরণ।কঙ্গোর মানুষ আজ তাঁকে শুধু ফুটবলার হিসেবে নয়, আশা এবং সাহসের প্রতীক হিসেবেও দেখছেন। কারণ তিনি প্রমাণ করেছেন, জীবনে যত বড় ঝড়ই আসুক, স্বপ্নকে থামানো যায় না।

জুন ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal