• ৯ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতি ২৫ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Hospital

রাজ্য

Cancer Hospital: রাজ্যে ২টি নতুন ক্যানসার হাসপাতালের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

টাটা মেমোরিয়ালের সঙ্গে যৌথ ভাবে দুটি ক্যানসার চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করতে চলেছে রাজ্য সরকার। বুধবার নবান্নে একথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখনও রাজ্যের অধিকাংশ ক্যানসার আক্রান্ত মুম্বাই যান চিকিৎসা করাতে। তাতে একদিকে যেমন টাকা-পয়সার খরচ বেড়ে যায়, অন্যদিকে সঙ্গে থাকার লোকজনের ঝক্কিও থাকে।আরও পড়ুনঃ Euro 2020: ২৫ বছর আগের যন্ত্রণা ভুলিয়ে দিলেন স্টারলিং ও হ্যারিকেনএদিন নবান্নে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এখন রাজ্যের মানুষ মুম্বাই যান ক্যানসারের চিকিৎসা করতে। এরপর এই রাজ্যেই উন্নতমানের চিকিৎসা পরিষেবা মিলবে। টাটা মেমোরিয়াল ও রাজ্য সরকার যৌথভাবে দুটো ক্যানসার চিকিৎসা কেন্দ্র করবে এখানে। তার মধ্যে একটা এসএসকেএমে অন্যটি উত্তরবঙ্গে তৈরি করা হবে। এর ফলে আর বাইরের রাজ্যে যেতে হবে না ক্যানসার আক্রান্তদের।আরও পড়ুনঃ দীপার দীপ জ্বালিয়ে রাখলেন বাসচালক কন্যা প্রণতিএদিকে এদিনে বৈঠকে ফের ভ্যাকসিন নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন মুখ্যমন্ত্রী। টিকাপ্রদানে রাজ্য দেশের মধ্যে সেরা কাজ করছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ইতিমধ্যে রাজ্যে ২.১৭ কোটি ডোজ টিকা দিয়েছি। কেন্দ্রের কাছ থেকে মোট ১.৯৯ কোটি টিকা পেয়েছি। তার মধ্যে ১.৯০ কোটি ডোজ দিয়েছি। রাজ্যে ৫৯ কোটি টাকা দিয়ে সরকারি ট্রেজারি থেকে ১৮ লক্ষ ডোজ ভ্যাকসিন কিনেছে। মমতার প্রশ্ন, অন্যরা তিন কোটি ভ্যাকসিন পেলে আমি কেন এক কোটি কম পাব? ফের টিকার দাবি জানিয়ে আজই রাজ্য চিঠি দেবে কেন্দ্রকে।

জুন ৩০, ২০২১
রাজ্য

Baby Delivered: বন্ধ রেলগেট, হাসপাতালের রাস্তাতেই সন্তান প্রসব

দীর্ঘক্ষণ ধরে বন্ধ রেলগেট। অপেক্ষা করতে করতে গাড়িতেই প্রসব (Baby delivery) করলেন বর্ধমানের প্রসূতি। তারপর তাদের নিয়ে যাওয়া হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। মা সুস্থ রয়েছে বলে খবর। সদ্যোজাত শিশুকে রাখা হয়েছে পর্যবেক্ষণে। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের বক্তব্য, প্রতিদিনই বেশিরভাগ সময় বন্ধ থাকে তালিত রেলগেট। ফলে সাধারণ মানুষ থেকে রোগী সকলেই নানা সমস্যার মুখে পড়েন। তবে রবিবার গেটে আটকে থেকে এভাবে গাড়ির ভিতরে সন্তান প্রসবের ঘটনায় ধৈর্যের বাঁধ ভাঙল সকলের। রেলগেটের উপর উড়ালপুল তৈরির দাবি তুলেছেন তাঁরা।আরও পড়ুনঃ হজম শক্তি থেকে হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে খান কালো জামজানা গিয়েছে, প্রসূতি মন্দিরা দাস বর্ধমান-১ (Burdwan) ব্লকের পিলখুড়ি গ্রামের বাসিন্দা। রবিবার সকালে মন্দিরার প্রসব যন্ত্রণা ওঠে। তাঁকে নিয়ে পরিবারের সদস্যরা তড়িঘড়ি বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা দেন। যাওয়ার পথে বর্ধমান-সিউড়ি রোডের উপর তালিত রেলগেটে গাড়ি আটকে পড়ে দীর্ঘক্ষণ। অপেক্ষা করতে করতেই ঘটে বিপত্তি। দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকার ফলে প্রসব যন্ত্রণায় ছটফট করে গাড়িতেই প্রসব করেন মন্দিরাদেবী। তারপর স্থানীয় বাসিন্দাদের তৎপরতায় তড়িঘড়ি সদ্যোজাত এবং মাকে নিয়ে গিয়ে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শিশুটিকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। মা আপাতত সুস্থ আছেন বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর।এতেই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন পরিবারের সদস্যরা। আজকের দিনেও যে এভাবে রাস্তার মাঝে প্রসব করতে হবে গৃহবধূকে, তা ভাবতেও পারেননি তাঁরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বর্ধমান থেকে বীরভূম যাওয়া জাতীয় সড়ক ২বি রাস্তাটি খুবই ব্যস্ত থাকে বরাবর। এই ব্যস্ত রাস্তার উপর তালিত রেলগেট দিনের বেশিরভাগ সময় বন্ধ থাকায় দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় যাত্রী থেকে রোগী সবাইকে। তার জেরে যে কোনও সময়ে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তাঁদের দাবি, এই রেলগেটের উপর উড়ালপুল তৈরি হলে যাতায়াতের খুব সুবিধা হবে।

জুন ২৭, ২০২১
রাজ্য

Vaccination: বর্ধমানের কোভিড ফিল্ড হাসপাতালের বিশেষ টিকাকরণ কর্মসূচি

রাজ্যে ভুয়ো ভ্যাকসিন-কাণ্ডে যখন সরগরম চারিদিক, সেই সময়ই রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের অনুমোদন নিয়েই বৃহত্তর স্বার্থে এক টিকাকরণ অভিযানের আয়োজন করেছে বর্ধমানের কোভিড ফিল্ড হাসপাতাল। লিভার ফাউন্ডেশন ও কোভিড কেয়ার নেটওয়ার্কের উদ্যোগে এই অস্থায়ী কোভিড হাসপাতালটি গড়ে তোলা হয়েছে। মূলত, সত্তরোর্ধ্ব শারীরিকভাবে অক্ষমদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিনামূল্যে এই টিকাকরণের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে জেলা নোডাল তথাগত পাল জনতার কথাকে জানান, ভ্যাকসিন অ্যাকসেস ইনিশিয়েটিভ নামক এই কর্মসূচিতে প্রথম পর্যায়ে সত্তরোর্ধ্ব ও শারীরিকভাবে দুর্বলদের জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুনঃ জার্মানিতে পথচারীদের উপর জেহাদি হামলায় হত ৩দ্বিতীয় ঢেউয়ের পর বিশেষজ্ঞরা যখন তৃতীয় ঢেউ নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভ্যাকসিন নিয়ে নেওয়ার আবেদন করছেন চিকিৎসকরা। সেই অবস্থায় দাঁড়িয়ে এখনও এমন অনেক বয়স্ক মানুষ রয়েছেন যাঁরা করোনা ভ্যাকসিন নিতে পারেননি। অথবা লম্বা লাইনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা তাঁদের পক্ষে সম্ভব নয়। তাই এইসব মানুষের কথা ভেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসক ও প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীর দ্বারাই সংশ্লিষ্ট এলাকায় গিয়ে এই টিকাকরণ কর্মসূচি চালানো হবে বলেও জানা গিয়েছে। প্রয়োজনীয় সবরকম সরকারি অনুমোদন নিয়েই এই অভিযানে নামার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তথাগত পাল। সংস্থার তরফে তথাগত পাল বলেন, এই বিরাট কর্মকান্ড চালাতে অনেক মানুষের সাহায্য অর্থের প্রয়োজন। বহু বিশিষ্ট সহৃদয় মানুষ এগিয়ে এসে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন। তাঁদের প্রত্যেককে আমাদের সংস্থার পক্ষ থেকে অসংখ্য ধন্যবাদ। সাধারণ মানুষ আমাদের এই কর্ম কান্ডে সাহায্য করলে কর্মসূচি সার্বিক ভাবে সাফল্যে পাবে।সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ইচ্ছুকরা সংশ্লিষ্ট ফোন নম্বরে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করতে পারেন।(৯৮৮৩৮৩২৫১২ / ৭০০১৯০৬৮২৭ / ৮৯৬৭০০০৪২৮)

জুন ২৬, ২০২১
রাজ্য

Black Fungus: উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল থেকে পলাতক আক্রান্ত মহিলা

উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে পলাতক মিউকরমাইকোসিস বা ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে ( Black Fungus) সংক্রমিত এক মহিলা। কোথায় পালিয়ে গেলেন ওই মহিলা, তা নিয়েই তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। তাঁর খোঁজ শুরু করেছে পুলিশ।জানা গিয়েছে, ওই মহিলা মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা। গত কয়েকদিন আগেই নানা শারীরিক উপসর্গ নিয়ে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি হন বছর পঞ্চান্নর ওই মহিলা। পরীক্ষা নিরীক্ষা করে জানা যায়, ওই মহিলার শরীরে থাবা বসিয়েছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস। সেকথা জানানো হয় তাঁকে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, শরীরে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সংক্রমণের কথা শুনে বেশ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন রোগী। কিছুক্ষণ পর নার্সরা তাঁর খোঁজ নিতে আসেন। দেখেন নির্দিষ্ট বে়ডে নেই ওই মহিলা। শুরু হয় খোঁজখবর। গোটা হাসপাতালেই পাওয়া যায়নি তাঁকে। মহিলার উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনা পুলিশকে জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের (North Bengal Medical College Hospital) ডিন সন্দীপ সেনগুপ্ত বলেন, আমাদের মেডিক্যাল কলেজ থেকে এক ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে সংক্রমিত এক মহিলা উধাও হয়ে গিয়েছেন। সে বিষয়ে ইতিমধ্যেই পুলিশকে জানানো হয়েছে। পুলিশ ওই মহিলার খোঁজ করছেন।

জুন ১৮, ২০২১
রাজ্য

Covid Hospital: রাজ্যে ২টি হাসপাতাল তৈরি করতে অর্থ বরাদ্দ পিএম কেয়ার্সের

কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরীকে দেওয়া কথা রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। বহরমপুর এবং কল্যাণীতে জোড়া কোভিড হাসপাতাল তৈরির কাজ শুরু করে দিল DRDO। ওই হাসপাতাল দুটির জন্য PM-CAERS তহবিল থেকে ৪১.৬২ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। বুধবার প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর সূত্রে এমনই খবর মিলেছে।মুর্শিদাবাদে কোভিড চিকিৎসার উপযুক্ত পরিকাঠামো নেই। এই অভিযোগ তুলে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে বহরমপুরে ৫০০ বেডের একটি অস্থায়ী কোভিড হাসপাতাল তৈরি করার অনুরোধ জানান অধীর (Adhir Ranjan Chowdhury)। চিঠি লেখার পাশাপাশি সিবিআই প্রধান নির্বাচনের বৈঠকের ফাঁকে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে এই অস্থায়ী হাসপাতালের ব্যবস্থা করতে অনুরোধ করেন বহরমপুরের সাংসদ। সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রী তাঁকে আশ্বাস দেন, দ্রুত তাঁর লোকসভা কেন্দ্রে একটি বড় অস্থায়ী কোভিড হাসপাতাল তৈরি করবে DRDO। প্রথমে ঠিক ছিল ১ হাজার বেডের একটি অস্থায়ী কোভিড হাসপাতাল বহরমপুরে তৈরি হবে। সেই অনুযায়ী জমিও চাওয়া হয়।কিন্তু পরে দেখা যায় বহরমপুরে যে জায়গা হাসপাতালের জন্য বরাদ্দ হয়েছে, তাতে মেরেকেটে আড়াইশো বেডের হাসপাতাল তৈরি হতে পারে। তারপরই কেন্দ্রের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, PM CARES-এর টাকায় বহরমপুরে একটি এবং কল্যাণীতে একটি অস্থায়ী হাসপাতাল তৈরি করা হবে। দুটি হাসপাতালই তৈরি হবে আড়াশো বেডের। বুধবারই হাসপাতালগুলি তৈরির জন্য ৪১.৬২ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, দুটি হাসপাতাল তৈরির পাশাপাশি মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে একটি অক্সিজেন প্লান্ট তৈরিরও অনুরোধ জানিয়েছিলেন অধীর। DRDO ইতিমধ্যেই সেই প্লান্ট তৈরি করে দিয়েছে।

জুন ১৬, ২০২১
রাজ্য

বেসরকারি হাসপাতালে ৩ টিকার দাম বাঁধল কেন্দ্র, দেখুন কার কত দাম

জাতির উদ্দেশে ভাষণে সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছিলেন, কোভিড টিকার দাম হিসাবে সর্বোচ্চ ১৫০ টাকা পরিষেবা কর হিসাবে নিতে পারে বেসরকারি হাসপাতালগুলো। এই ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বেসরকারি হাসপাতালগুলোর জন্য কোভিশিল্ড, কোভ্যাক্সিন এবং স্পুটনিক ভি টিকার সর্বোচ্চ দাম বেঁধে দিল কেন্দ্র।মঙ্গলবার কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, বেসরকারি হাসপাতালে কোভিশিল্ড টিকার দাম ৭৮০ টাকা, কোভ্যাক্সিন টিকার দাম ১,৪১০ টাকা এবং স্পুটনিক ভি টিকার দাম ১,১৪৫ টাকা। এই দামের মধ্যে ১৫০ টাকা পরিষেবা-সহ ও অন্যান্য কর ধরা হয়েছে বলেই জানিয়েছে কেন্দ্র। কেন্দ্রের তরফে রাজ্যগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, নির্দিষ্ট দামের থেকে বেশি টাকা যেন বেসরকারি হাসপাতালগুলো না নেয় সে দিকে নজর দিতে। কোনও হাসপাতাল বেশি টাকা নিলে তার বিরুদ্ধে মহামারি আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র।অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে বিনামূল্যে টিকাকরণের ঘোষণা করতেই টিকার সরবরাহ নিয়ে পরিসংখ্যান দিয়েছে কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে, মোট ৪৪ কোটি টিকার বরাত দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। অগস্ট মাসের মধ্যে সেই টিকা চলে আসবে কেন্দ্রের হাতে। এর মধ্যে ২৫ কোটি কোভিশিল্ড ও ১৯ কোটি কোভ্যাক্সিন রয়েছে। দেশের সামগ্রিক টিকাকরণের কাজে গতি আনতেই এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে কেন্দ্র।দেখে নিনি কোন টিকার কত দাম দিতে হবে আপনাকে:কোভিশিল্ড- ৭৮০ টাকাকোভ্যাক্সিন-১৪১০ টাকাস্কুটনিক ভি- ১১৪৫ টাকা

জুন ০৯, ২০২১
রাজ্য

ভুল চিকিৎসায় মৃত্যু, রণক্ষেত্র পাণ্ডুয়া হাসপাতাল

ভুল চিকিৎসায় রোগী মৃত্যুর অভিযোগকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল হুগলির পাণ্ডুয়া গ্রামীণ হাসপাতাল। ব্যাপক ভাঙচুরের পাশাপাশি মারধর করা হয় এক চিকিৎসককে। পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে ঘটনাস্থলে গিয়ে জখম হয়েছেন এক পুলিশ কর্মীও।খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। তাঁদের সামনেও চলে ভাঙচুর, অবরোধ। জখম হন এক পুলিশ কর্মী। দীর্ঘক্ষণ পর পুলিশের হস্তক্ষেপে আয়ত্তে আসে পরিস্থিতি। ওই হাসপাতালেই চিকিৎসা চলছে আহত চিকিৎসকের। রোগী মৃত্যু প্রসঙ্গে হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে, শেখ ইসলামের অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। প্রাথমিকভাবে একটা ওষুধ দেওয়া হয়েছিল। এরপর প্রয়োজনীয় টেস্ট করে চিকিৎসা শুরু করা হত। কিন্তু তার আগেই এহেন ঘটনা। ঘটনায় হাসপাতাল বা চিকিৎসকের কোনও গাফিলতি ছিল না। ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন পুলিশ আধিকারিকরা।ঘটনার সূত্রপাত সোমবার সকালে। হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েন হুগলির পাণ্ডুয়ার কোটালপুকুরের বাসিন্দা শেখ ইসলাম। বুকে ব্যথা শুরু হয়। তড়িঘড়ি তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় পাণ্ডুয়া গ্রামীণ হাসপাতালে। সেই সময় দায়িত্বে যে চিকিৎসক ছিলেন তিনি প্রাথমিক পর্যবেক্ষণের পর রোগীকে একটি ওষুধ দেন। এর মিনিট পাঁচেক পরেই মৃত্যু হয় অসুস্থ যুবকের। এরপরই ক্ষোভে ফেটে পড়েন রোগীর পরিবারের সদস্যরা। ভুল চিকিৎসার কারণেই মৃত্যু হয়েছে শেখ ইসলামের, এই অভিযোগ তুলে চড়াও হয় হাসপাতালে। ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। মারধর করা হয় ওই চিকিৎসককে। তুমুল উত্তেজনা তৈরি হয় হাসপাতালে। রাস্তা আটকে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে রোগীর পরিবার।

জুন ০৭, ২০২১
কলকাতা

মুকুলের স্ত্রী-কে দেখতে এবার হাসপাতালে লকেট

মুকুল রায়ের অসুস্থ স্ত্রী-কে দেখতে শুক্রবার সন্ধ্যায় হাসপাতালে যান বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, দিলীপ ঘোষ, নরেন্দ্র মোদির পর লকেট।বস্তুত, হাসপাতাল-সফর নিয়ে দিলীপ-মুকুল বাকযুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় কৃষ্ণনগর উত্তরের বিধায়কের ক্ষোভ নিরসনেই বিজেপি লকেটকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলের। তবে লকেট জানিয়েছেন, দলের নির্দেশে নয়, তিনি ব্যক্তিগতভাবেই হাসপাতালে গিয়ে মুকুলের স্ত্রী-র খোঁজ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।মুকুলের স্ত্রী কৃষ্ণা অসুস্থ বেশ কিছুদিন ধরেই। করোনা নিয়ে তিনি ওই হাসপাতালে ভর্তি হন গত ১৪ই মে। করোনাকে জয় করলেও পরে অন্যান্য সমস্যায় কৃষ্ণার শারীরিক অবস্থা গুরুতর হয়ে ওঠে। মুকুলও করোনা আক্রান্ত হন। তবে তিনি বাড়িতেই নিভৃতবাসে ছিলেন। এই পর্বে রাজ্য বিজেপি-র পক্ষ থেকে নাকি তেমন কোনও খোঁজ নেওয়া হয়নি। অন্তত প্রকাশ্যে তো নয়ই। কিন্তু পারিবারিক সম্পর্কের টান দেখিয়ে আচমকা হাসপাতালে চলে যান তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর থেকেই রাজনৈতিক চেহারা পেয়ে যায় কৃষ্ণার অসুস্থতাকে কেন্দ্র করে বিজেপি নেতাদের হাসপাতাল-সফর। অভিষেকের যাওয়ার খবর জানাজানি হওয়ার পরে পরেই বুধবার হাসপাতালে পৌঁছে যান দিলীপ। বৃহস্পতিবার সকালে মুকুলকে ফোন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।এর পরে মুকুলের মন্তব্য এবং তাতে দিলীপের পাল্টা কটাক্ষে তৈরি হয় বিতর্কের নতুন আবহ। দিলীপের হাসপাতাল যাওয়া প্রসঙ্গে মুকুল বলেন, উনি আমাকে বা অন্য কাউকে বলে তো হাসপাতালে যাননি। কাকে দেখতে গিয়েছিলেন, তা-ও জানি না! তার জবাব দিতে গিয়েই শুক্রবার দিলীপ বলেন, অসুস্থকে দেখতে হাসপাতালে যাওয়ার আগে কাউকে জানিয়ে যেতে হয় নাকি! আর আমি ওখানে অনেককে চিনি। গিয়েছি। দেখা করেছি। চলে এসেছি।সর্বভারতীয় সহ সভাপতি আর রাজ্য সভাপতির মন্তব্য-পাল্টা মন্তব্যে সামনে এসে পড়ে বিজেপি-র অন্দরের লড়াই। নতুন করে প্রকাশ্যে আসে মুকুল- দিলীপের দ্বন্দ্ব। এর পরেই লকেটের যাওয়া।

জুন ০৪, ২০২১
কলকাতা

চিকিৎসায় গাফিলতিতে রোগী মৃত্যুর অভিযোগ, চিকিৎসককে মারধর ও নার্সিংহোমে ভাঙচুর

রোগী মৃত্যুর ঘটনায় উত্তেজনা, চিকিৎসককে মারধর ও নার্সিংহোম ভাঙচুরের ঘটনা ঘটল হাওড়ায়। হাওড়ার বাঁকড়ার জাপানি গেট এলাকার একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে শ্বাসকষ্ট নিয়ে ভর্তি এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয় শুক্রবার রাতে। চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলে পরিবারের লোকজন ভাঙচুর চালায়, এমনকী এক চিকিৎসককে মারধরও করা হয়। স্থানীয় দাসনগর থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। দুপক্ষের অভিযোগই খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।গত ২৬ মে তীব্র শ্বাসকষ্ট নিয়ে ওই নার্সিংহোমে ভর্তি হন ডোমজুড়ের গয়েশপুরের বাসিন্দা আতিয়ার রহমান। শুক্রবার সন্ধ্যায় তাঁর অবস্থার অবনতি হয়ে মৃত্যু হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মৃত বৃদ্ধের এক আত্মীয়ের অভিযোগ, শ্বাসকষ্ট থাকা সত্ত্বেও করোনা পরীক্ষা না করে ওই নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ বৃদ্ধের চিকিৎসা শুরু করে। করোনায় ওই বৃদ্ধের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তোলেন তিনি। ওই নার্সিংহোমে কোভিডের চিকিৎসা হয় না। এমনকী, করোনা পরীক্ষার জন্য ওই বৃদ্ধের লালারস অন্যত্রও পাঠানো হয়নি। ফলে সঠিক চিকিৎসা না হওয়ার জন্যই রোগীর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ বৃদ্ধের পরিবারের। বৃদ্ধ মারা যাওয়ার পরই শুক্রবার রাতে বৃদ্ধের পরিবার ও প্রতিবেশীরা ওই নার্সিংহোমের উপর চড়াও হন। ভাঙচুরের পাশাপাশি নার্সিংহোমের এক চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগ ওঠে। নার্সিংহোমের সিসিটিভিতে ওদিন রাতের পুরো ঘটনা ধরা পড়ে। অপরদিকে, যে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ ও যাঁকে মারধর করার অভিযোগ সেই চিকিৎসক এম আহমেদ রোগীর পরিজনদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ জানান। পাশাপাশি, তিনি জানান, শ্বাসকষ্টের কারণে ভর্তির সময়েই নার্সিংহোমের তরফে আরটিপিসিআর বা কোভিড পরীক্ষা করাতে বলা হয়েছিল মৃতের পরিবারকে। তাঁরা তা করতে চাননি। চিকিৎসকের কথায়, শ্বাসকষ্ট নিয়ে আসা রোগীদের ওই নার্সিংহোমে সিটি স্ক্যান কিংবা আরটিপিসিআর পরীক্ষা বাইরে থেকে করাতে হয়। বাইরে থেকে পরীক্ষা করে নিয়ে আসার কথা বলা হলেও মৃতের পরিবার তা করেননি। তাই শ্বাসকষ্ট থাকায় ওই রোগীকে ভেন্টিলেটরে দেওয়া হয়েছিল। কোভিড টেস্ট করা হলে, পরীক্ষায় পজিটিভ রিপোর্ট এলে অবশ্যই ওই বৃদ্ধকে অন্যত্র স্থানান্তর করা হতো বলে জানান নার্সিংহোমের ওই চিকিৎসক। রোগীর পরিজনরা তাঁকে মারধর করেন বলেও জানান তিনি। এদিকে দুই পক্ষের অভিযোগ পেয়ে প্রকৃত ঘটনা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

মে ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

হাসপাতালে ভর্তি করোনা আক্রান্ত 'ফ্লাইং শিখ'

কিংবদন্তি অ্যাথলিট মিলখা সিংয়ের শারীরিক অবস্থার অবনতি। শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কমে গিয়েছে তাঁর। সে কারণেই সোমবার তড়িঘড়ি বাড়ি থেকে হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হল বর্ষীয়ান অ্যাথলিটকে। যদিও কিংবদন্তির ছেলে জিভ মিলখা সিং জানিয়েছেন, তাঁর বাবা আপাতত স্থিতিশীল।গত ২০ মে মিলখা সিংয়ের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর সামনে আসে। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, সম্প্রতি মিলখার বাড়ির দুই কাজের লোক করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। তারপরই বাড়ির প্রত্যেকের টেস্ট নেগেটিভ এলেও, তাঁর রিপোর্ট পজিটিভ আসে। যদিও তাতে বিন্দুমাত্র চিন্তিত হননি মিলখা। জানিয়েছিলেন, চিকিৎসকদের মতে তিনি তিন-চারদিনেই সেরে উঠবেন। বুধবার বিকেলে জগিং করে বাড়ি ফেরার পরেই শুনি আমার রিপোর্ট পজিটিভ। কিছুটা অবাকই হয়ে যাই। কারণ আমার দেহে কোনও উপসর্গ নেই। সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছি। চিন্তা করার কোনও কারণ নেই। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, খুব দ্রুত ঠিক হয়ে যাব। একথাই শোনা গিয়েছিল মিলখার গলায়। কিন্তু সোমবার হঠাৎই তাঁর রক্তে অক্সিজেন মাত্রা কমতে শুরু করে।তাঁর স্ত্রী নির্মল কৌর ও ছেলে জিভ জানান, বাড়িতে অসুস্থ বোধ করছিলেন বছর একানব্বইয়ের মিলখা। সম্ভবত ডায়রিয়া ও বমির কারণেই ডিহাইড্রেশনেও ভুগছিলেন। ফলে কোনও ঝুঁকি না নিয়েই তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। জিভ মিলখা সিং বলেন, গতকাল থেকেই দুর্বল বোঝ করছিলেন। তাই হাসপাতালে নিয়ে আসি। এখানে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে থাকতে পারবেন বাবা। তবে আপাতত সমস্ত প্যারামিটার স্বাভাবিক রয়েছে। ফ্লাইং শিখ-এর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছেন অগণিত অনুরাগী।

মে ২৫, ২০২১
কলকাতা

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন শোভন, ফিরছেন গোলপার্কের বাড়িতে

নারদা মামলায় অভিযুক্ত শোভন চট্টোপাধ্যায়কে প্রেসিডেন্সি জেল কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দিচ্ছে এসএসকেম। শনিবার উডবার্ন ওয়ার্ডের বারান্দা থেকে আদালতের নির্দেশে গৃহবন্দি শোভন অভিযোগ করেন তাঁকে আটকে রাখা হয়েছে এসএসকেএমে। তিনি সুস্থ। বাড়ি নয়ত প্রেসিডেন্সি জেলেও ফিরতে চেয়েছিলেন। কিন্তু হাসপাতালে আর এক দণ্ড থাকতে রাজি নন তিনি। এই প্রেক্ষিতে শনিবার সন্ধেবেলা এসএসকেএম কর্তৃপক্ষ শোভনকে প্রেসিডেন্সি জেল কর্তৃপক্ষের হাতে সঁপে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল। এদিন এসএসকেএম থেকে বেরিয়ে ফিরহাদ হাকিমের মতো শোভনও গৃহবন্দি থাকবেন বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে তিনি গোলপার্কের বাড়িতেই ফিরছেন তিনি। নারদ মামলা নিয়ে জল ঘোলা শুরু হতেই ফের আলোচনায় এসেছেন শোভন-বৈশাখী জুটি। এবার নারদ কাণ্ডে অভিযুক্ত প্রাক্তন মেয়রের গৃহবন্দি থাকার নির্দেশ প্রসঙ্গ কে কেন্দ্র করে ফের তাঁর পারিবারিক কূনাট্য সামনে এসেছে। এতদিন দল হিসাবে এসব পারিবারিক বিবাদ থেকে দূরত্ব রাখছিল তৃণমূল কংগ্রেস। তবে এবার ঘটনাপ্রবাহে যুক্ত হয়ে পড়েছে পড়েছে রাজনীতি। শনিবার শোভন চট্টোপাধ্যায়কে হাসপাতাল থেকে মুক্তি দেওয়া নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন তাঁর বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, আদালত গৃহবন্দি থাকার রায় দিলেও শোভনকে এসএসকেএম হাসপাতালে একপ্রকার জোর করে আটকে রাখা হচ্ছে। এটা দুই সরকারের ক্ষমতার অপব্যবহার বলে তিনি সরব হন।ব্যক্তিগত রিস্ক বন্ড দিয়ে তাঁকে বাড়ি ফেরানোর আবেদন করেছিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। নিজের আইনজীবীর মারফত একইদিনে হাসপাতাল এবং জেল কর্তৃপক্ষের কাছে মোট পাঁচটি চিঠি পাঠিয়েছেন। তাঁর বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন বাড়িতে নিয়ে গিয়ে শোভনের ঠিকঠাক চিকিৎসা করাবেন তিনি।এদিকে শনিবার বিকালে সাংবাদিকদের সামনে উপস্থিত হন শোভন। সেখানে অভিযোগ করেন, যুক্তি দেখাতে গিয়ে অপ্রাসঙ্গিক কথা বলছে এসএসকেএম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু এভাবে তাঁকে ডমিনেট করা যাবে না। তিনি জানান এসএসকেএমে না খেয়ে রয়েছেন। এখানে যদি না বলা কথা থেকে যায় তাই সাংবাদিকদের কাছে তাঁর আসা।শোভন প্রশ্ন তোলেন, কেন নারদ মামলায় মাত্র চারজনকে আটক করে রাখা হয়েছে? জানান, তাঁর আর শারীরিক অসুবিধা নেই। তাঁকে প্রেসিডেন্সি জেলেও পাঠিয়ে দেওয়া হোক, কিন্তু হাসপাতালে আর তিনি থাকতে রাজি নন।

মে ২২, ২০২১
কলকাতা

করোনা আক্রান্ত সস্ত্রীক বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য

এবার করোনা আক্রান্ত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য । মারণ ভাইরাস থাবা বসিয়েছে তাঁর স্ত্রীর শরীরেও। মীরাদেবীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও বাড়িতেই আইসোলেশনে রয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। সম্প্রতি তাঁর শরীরে করোনার একাধিক উপসর্গ দেখা দেয়। স্ত্রী মীরা ভট্টাচার্যেরও উপসর্গ ছিল। সেই কারণেই ঝুঁকি না নিয়ে করোনা পরীক্ষা করান তাঁরা। দুজনেরই রিপোর্ট আসে পজিটিভ। বুদ্ধদেববাবুর অবস্থা স্থিতিশীল। তবে মীরাদেবী অক্সিজেন স্যাচুরেশন ৮০-৮৫ মধ্যে ঘোরাফেরা করছে বলেই খবর। সেই কারণে তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসা চলছে তাঁর। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে কার্যত বিপর্যস্ত দেশবাসী। রাজ্যেও লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। ইতিমধ্যেই বহু রাজনীতিবিদের শরীরে থাবা বসিয়েছে করোনা। বহু বিশিষ্টজনের মৃত্যুও হয়েছে। পরিস্থিতিত মোকাবিলায় ঝাঁপিয়ে পড়েছে রাজ্য। একাধিক ক্ষেত্রে জারি হয়েছে নিষেধাজ্ঞা।

মে ১৯, ২০২১
কলকাতা

অসুস্থ মদন ও শোভন, ভর্তি এসএসকেএম হাসপাতালে

সোমবার সকালে গ্রেপ্তার, সন্ধেয় জামিন এবং তার কিছুক্ষণ পরে জামিনের নির্দেশের উপর কলকাতা হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ। নারদ কাণ্ডে চার বিধায়ক-মন্ত্রীর গ্রেপ্তারি নিয়ে নাটকীয় টানাপোড়েনে উত্তাল রাজনীতির অলিন্দ। তারই মাঝে সোমবার গভীর রাতে প্রেসিডেন্সি জেলেই অসুস্থ হয়ে পড়লেন কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র, প্রাক্তন তৃণমূল ও বিজেপি নেতা শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। মদন এবং শোভন বর্তমানে এসএসকেএম হাসপাতালে উডবার্ন ওয়ার্ডে ভর্তি। তবে সুব্রত মুখোপাধ্যায় হাসপাতালে ভর্তি হতে রাজি হননি।জেল হেপাজত হওয়ার পর সোমবার রাতে প্রেসিডেন্সি জেলে নিয়ে যাওয়া হয় নারদ কাণ্ডে ধৃত চার হেভিওয়েটকে। তবে ভোররাতে সেখানেই ঘটে বিপত্তি। আচমকাই শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগতে থাকেন মদন মিত্র এবং শোভন চট্টোপাধ্যায় । অসুস্থ বোধ করতে শুরু করেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়ও। ভোররাত ৩টে ৪০ মিনিট নাগাদ তাঁদের এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এসএসকেএম হাসপাতালের উডবার্ন ওয়ার্ডের ১০৩ এবং ১০৬ নম্বর কেবিনে ভরতি রয়েছেন মদন মিত্র এবং শোভন চট্টোপাধ্যায়। সদ্য করোনাজয়ী মদন মিত্রের সামান্য শ্বাসকষ্টের সমস্যা রয়েছে। তাঁকে অক্সিজেন সাপোর্টে রাখা হয়েছে।এছাড়াও একাধিক শারীরিক সমস্যা রয়েছে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের। যা নিয়ে সোমবার রাতেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন তাঁর ছেলে এবং বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। বর্তমানে শোভনের শ্বাসকষ্টের সমস্যাই রয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, আপাতত মদন মিত্র এবং শোভন চট্টোপাধ্যায় দুজনের শারীরিক অবস্থাই স্থিতিশীল। এদিকে, ভোররাতে অসুস্থ বোধ করেন মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ও । তাঁকে নিয়ে আসা হয় এসএসকেএম হাসপাতালে। যদিও তিনি হাসপাতালে ভর্তি হতে রাজি হননি। হাসপাতাল সূত্রে খবর, মঙ্গলবার সকালের দিকে অসুস্থ মদন মিত্র এবং শোভন চট্টোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হবে। প্রয়োজন বুঝলে একাধিক চিকিৎসককে নিয়ে তাঁদের চিকিৎসায় তৈরি হতে পারে মেডিক্যাল টিমও।

মে ১৮, ২০২১
কলকাতা

স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে বচসা ও মারামারি, বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালে সাময়িক বন্ধ পরিষেবা

স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে বচসার জেরে বুধবার সারাদিন বেহাল পরিষেবা অবস্থা থাকল হাওড়ার বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালের। এদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত স্বাস্থ্য কর্মীরা কাজ না করায় নানা পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হন রোগীরা। অনেক রোগীর পরিবারের সদস্যরাই অভিযোগ তোলেন, স্বাস্থ্যকর্মীরা কাজ বন্ধ করে দিনভর বচসা ও মারামারি করায় অনেকে খাবার জলটুকুও পাননি। পাশাপাশি হাসপাতাল চত্বরজুড়ে এক অস্বাস্থ্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। স্বাস্থ্য কর্মীরা কাজ না করায় যত্রতত্র পড়ে থাকে পিপিই কিট। চুক্তিভিত্তিক এক স্বাস্থ্য কর্মীকে হাসপাতালের এক সুপারভাইজার মদ্যপ অবস্থায় মারধর করেছেন, এই অভিযোগেই কাজ বন্ধ করে দেন স্বাস্থ্য কর্মীদের একাংশ। এমনকী, বুধবার দুপুরে এই কোভিড হাসপাতালের ভিতরেই স্বাস্থ্যকর্মীদের দুই পক্ষের মধ্যে বচসা থেকে হাতাহাতি বেধে যায়। যার জেরে বন্ধ হয়ে যায় রোগীদের পরিষেবা দেওয়ার কাজ। ঘটনার সূত্রপাত হয় মঙ্গলবার রাতে। হিল্লোল বন্দোপাধ্যায় নামে চুক্তিভিত্তিক এক স্বাস্থ্য কর্মীর অভিযোগ, তাঁদের এক কর্মীকে হাসপাতালের এক সুপারভাইজার ওদিন রাতে মদ্যপ অবস্থায় মারধর করে। তাই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তাঁরা। আর সে কারণেই নিরাপত্তার দাবিতে তাঁরা কাজ বন্ধ করে দেন। এদিন বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালের প্রায় ৩৭ জন চতুর্থ শ্রেণির চুক্তিভিত্তিক সরকারি স্বাস্থ্যকর্মী কাজ বন্ধ করে দেন। অপরদিকে, যাঁর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ ওঠে সেই চুক্তিভিত্তিক সুপারভাইজার লাল্টু বিশ্বাস অবশ্য অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেন। এই পরিস্থিতিতে বুধবার অনেক রোগীর পরিজনরাই তাঁদের রোগীদের ওই হাসপাতাল থেকে স্থানান্তরিত করার চেষ্টা করেন। পরিষেবা না পাওয়ার জন্য এদিন হাসপাতালে রীতিমতো বিক্ষোভ দেখান রোগীর আত্মীয়রা।৩০০ শয্যার বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালে স্বাস্থ্যকর্মীদের কাজ বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনায় সমস্যায় পড়েন বহু রোগী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এদিন বিকেলেই স্বাস্থ্য কর্মীদের নিয়ে বৈঠকে বসেন বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালের ডেপুটি সুপার। সন্ধ্যা পর্যন্ত স্বাস্থ্য কর্মীদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হয় বলে জানান জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের এক পদস্থ আধিকারিক।

মে ১২, ২০২১
কলকাতা

স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে বচসা ও মারামারি, বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালে সাময়িক বন্ধ পরিষেবা

স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে বচসার জেরে বুধবার সারাদিন বেহাল পরিষেবা অবস্থা থাকল হাওড়ার বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালের। এদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত স্বাস্থ্য কর্মীরা কাজ না করায় নানা পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হন রোগীরা। অনেক রোগীর পরিবারের সদস্যরাই অভিযোগ তোলেন, স্বাস্থ্যকর্মীরা কাজ বন্ধ করে দিনভর বচসা ও মারামারি করায় অনেকে খাবার জলটুকুও পাননি। পাশাপাশি হাসপাতাল চত্বরজুড়ে এক অস্বাস্থ্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। স্বাস্থ্য কর্মীরা কাজ না করায় যত্রতত্র পড়ে থাকে পিপিই কিট। চুক্তিভিত্তিক এক স্বাস্থ্য কর্মীকে হাসপাতালের এক সুপারভাইজার মদ্যপ অবস্থায় মারধর করেছেন, এই অভিযোগেই কাজ বন্ধ করে দেন স্বাস্থ্য কর্মীদের একাংশ। এমনকী, বুধবার দুপুরে এই কোভিড হাসপাতালের ভিতরেই স্বাস্থ্যকর্মীদের দুই পক্ষের মধ্যে বচসা থেকে হাতাহাতি বেধে যায়। যার জেরে বন্ধ হয়ে যায় রোগীদের পরিষেবা দেওয়ার কাজ। ঘটনার সূত্রপাত হয় মঙ্গলবার রাতে। হিল্লোল বন্দোপাধ্যায় নামে চুক্তিভিত্তিক এক স্বাস্থ্য কর্মীর অভিযোগ, তাঁদের এক কর্মীকে হাসপাতালের এক সুপারভাইজার ওদিন রাতে মদ্যপ অবস্থায় মারধর করে। তাই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তাঁরা। আর সে কারণেই নিরাপত্তার দাবিতে তাঁরা কাজ বন্ধ করে দেন। এদিন বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালের প্রায় ৩৭ জন চতুর্থ শ্রেণির চুক্তিভিত্তিক সরকারি স্বাস্থ্যকর্মী কাজ বন্ধ করে দেন। অপরদিকে, যাঁর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ ওঠে সেই চুক্তিভিত্তিক সুপারভাইজার লাল্টু বিশ্বাস অবশ্য অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেন। এই পরিস্থিতিতে বুধবার অনেক রোগীর পরিজনরাই তাঁদের রোগীদের ওই হাসপাতাল থেকে স্থানান্তরিত করার চেষ্টা করেন। পরিষেবা না পাওয়ার জন্য এদিন হাসপাতালে রীতিমতো বিক্ষোভ দেখান রোগীর আত্মীয়রা।৩০০ শয্যার বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালে স্বাস্থ্যকর্মীদের কাজ বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনায় সমস্যায় পড়েন বহু রোগী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এদিন বিকেলেই স্বাস্থ্য কর্মীদের নিয়ে বৈঠকে বসেন বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালের ডেপুটি সুপার। সন্ধ্যা পর্যন্ত স্বাস্থ্য কর্মীদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হয় বলে জানান জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের এক পদস্থ আধিকারিক।

মে ১২, ২০২১
কলকাতা

কোভিডে মৃতের দেহ পড়ে থাকল ৪৮ ঘণ্টা, স্বাস্থ্য দপ্তরের উদ্যোগে সৎকারের ব্যবস্থা

রেল ও রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের টানাপোড়েনে কোভিডে মৃতের দেহ প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পড়ে রইল। সোমবার জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের উদ্যোগে অবশেষে দেহটির সৎকারের ব্যবস্থা করা হয়। শনিবার লিলুয়ার রেলের হাসপাতালে বেলা ৩টে নাগাদ মৃত্যু হয় বেলুড়ের ৮/১/এ, বিভূতিভূষণ লেনের বাসিন্দা কার্তিকচন্দ্র বাইনের(৬৬)। পরিবারসূত্রে জানা গিয়েছে, গত প্রায় ১২দিন আগে শ্বাসকষ্ট নিয়ে বেলুড়ের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি হন তিনি। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে শনিবার সকালে তাঁকে লিলুয়ার রেলের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে ভর্তি করার কয়েক ঘণ্টা পরে থাকার পর বেলা প্রায় ৩টে নাগাদ পরিজনদের জানানো হয় রোগীর মৃত্যুর খবর।দেহটি ওইভাবেই পড়ে থাকার অভিযোগ ওঠে। এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কিছু বলতে চায়নি। বিষয়টি স্বাস্থ্য দপ্তরের উপরেই চাপানো হয়। এই চাপানউতোরের জেরে মৃতার কন্যা বাবার দেহ সৎকারের আশায় বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করতে থাকেন। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতাল থেকে প্রাইভেট অ্যাম্বুল্যান্সের নম্বর দেওয়া হয়। কিন্তু তারা প্রচুর টাকা দাবি করে। এই ঘটনা প্রসঙ্গে মৃতের মেয়ে কমলিকা বাইন জানান, তাঁর বাবার ফুসফুস নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। প্রথমে তাঁকে স্থানীয় একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। পরে সেখান থেকে লিলুয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে নিয়ে আসা কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তিনি মারা যান। হাসপাতাল থেকে তাদের বলা হয় সম্পূর্ণ নিজের দায়িত্বে মৃতদেহ তারা নিয়ে যাবেন অথবা মৃতদেহ সৎকারের ব্যবস্থা করবে হাসপাতাল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের যুক্তি, রবিবার ছুটির জন্য পুরনিগম গাড়ি পাঠাতে পারেনি। সোমবারও তারা আসতে পারবে না। এতদিন মৃতদেহ হাসপাতালে রাখা সম্ভব নয় বলে প্রাইভেট অ্যাম্বুল্যান্সে মৃতদেহ নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়।

মে ১০, ২০২১
কলকাতা

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালের নার্সদের

বৃহস্পতিবার দুপুরে হাওড়ার বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালে বিক্ষোভ দেখালেন নার্সিং কর্মীরা। পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে চরম অব্যাবস্থার অভিযোগ। পর্যাপ্ত সাফাই কর্মী ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মীর অভাবে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ। ঘণ্টার পর ঘণ্টা রোগীর মলমূত্র-সহ বিছানা পরিষ্কার না হওয়ার অভিযোগ রোগীদের। এদিন দুপুরে ডিউটি শেষ করে হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন নার্সরা। মূলত পরিকাঠামোর অভাবেই এই কোভিড হাসপাতালে সাফাই সংক্রান্ত সমস্যার কারণেই বিক্ষোভ দেখালেন নার্সরা। তাঁদের অভিযোগ, ড্রপিং এরিয়া, যেখানে ডিউটি শেষে নার্সরা তাঁদের পার্সোনাল প্রোটেকশন ইকুইপমেন্ট কিট বা পিপিই কিট ছেড়ে রাখেন সেই এলাকা প্রত্যেক শিফটের পরে পরিষ্কার করার কথা থাকলেও তা করা হয় না। ফলে থেকে যায় সংক্রমণের আশঙ্কা। এছাড়াও হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডের বাথরুমের জল ওয়ার্ডের ভিতরে ঢুকে পড়ছে। এগুলি পরিষ্কার হচ্ছে না। তার উপর হাসপাতালের রোগীদের জন্য নেই পর্যাপ্ত খাবার জল। এমনকী, কোনও রোগীর মৃত্যু হলে সেই দেহ পড়ে থাকছে শয্যায়। পাশে থাকা অন্য রোগীরা যার ফলে তীব্র সমস্যায় পড়ছেন বলে অভিযোগ। নার্সদের আরও অভিযোগ, হাসপাতালে পর্যাপ্ত পরিকাঠামো না-থাকাতেই এই নরকীয় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তাঁদের দাবি, হাসপাতালে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মীর পাশাপাশি চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীও থাকা প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমানে এই কর্মচারী পর্যাপ্ত না থাকায় তৈরি হয়েছে সমস্যা। তাঁরা জানান, ২০০ জন রোগী পিছু ১২ ঘণ্টায় মাত্র এক জন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী থাকছে। ফলে অপরিষ্কার হয়ে পড়ে থাকছে কোভিড ওয়ার্ড। হাসপাতালের এক নার্সের অভিযোগ, রোগীরা শয্যা থেকে পড়ে গেলে তাঁদের বেডে তোলার মতো লোক থাকছে না। অক্সিজেন দেওয়ার লোক নেই। চূড়ান্ত এক অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালে তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ। এছাড়াও রোগীর পরিবারে তাদের পেশেন্ট সংক্রান্ত খোঁজ খবর নেওয়ার জন্যে একটি ফোন নম্বর দেওয়া হলেও সেই ফোন নম্বরে ফোন এলে রোগীর সেবা করতে গিয়ে পরিজনদের প্রশ্নের জবাব দেওয়ার মত সুযোগ পাচ্ছেন না নার্সরা। ফলে রোগীর পরিজনরাও তাঁদের রোগীর খবর না পেয়ে অসহায় বোধ করছেন এবং অভিযোগও করছেন। হাসপাতালে চতুর্থ শ্রেণির কর্মী বা পর্যাপ্ত স্বাস্থ্য কর্মী না থাকায় সমম্বয়ের অভাবে চিকিৎসা পরিষেবা দিতেও সমস্যা হচ্ছে বলে এদিন দাবিপত্রে জানান বিক্ষোভরত নার্সরা। এদিকে এই প্রসঙ্গে হাওড়া জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের এক পদস্থ আধিকারিক জানান, স্বাস্থ্য আধিকারিকদের একটি দলকে বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে সমস্যা থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। এই কোভিড হাসপাতাল নিয়ে বারে বারেই নানান অভিযোগ তুলেছেন রোগীর পরিজনরা। এবারে পরিকাঠামোগত সমস্যা তুলে ধরে বিক্ষোভে সামিল হলেন নার্সরা। পরে কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে বিক্ষোভ উঠে যায়।

মে ০৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

করোনা আক্রান্ত দীপিকা পাড়ুকোন, সংক্রমিত গোটা পরিবারও

বলিউডে আরও ভয়াবহ করোনা চিত্র। এবার মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন। মঙ্গলবার সকালেই খবর মিলেছিল, দীপিকার বাবা, প্রাক্তন ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় প্রকাশ পাড়ুকোন কোভিড আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। সন্ধেবেলাই দীপিকার করোনা সংক্রমণের দুঃসংবাদ এল। জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে বেঙ্গালুরুর বাড়িতে থাকা দীপিকার শরীরেও মারণ করোনা ভাইরাস হানা দিয়েছে। মৃদু উপসর্গ নিয়ে আপাতত তিনি বাড়িতেই আইসোলেশনে রয়েছেন বলে খবর। সূত্রের খবর, সপ্তাহখানেক আগে দীপিকার বাবা প্রকাশ, মা উজ্জ্বলা এবং ছোট বোন অনিশার করোনা উপসর্গ দেখা গিয়েছিল। সকলের করোনা পরীক্ষার ফল পজিটিভ হয়। তাঁরা সকলেই হোম আইসোলেশনে ছিলেন। প্রকাশ পাড়ুকোনের জ্বর না কমায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে এবার দীপিকার করোনা সংক্রমিত হওয়ার খবরে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। জানা গিয়েছে, গত মাসে মুম্বই থেকে বেঙ্গালুরু গিয়েছিলেন দীপিকা। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্বামী অভিনেতা রণবীর কাপুরও। দীপিকা নিজের পরিবারের সঙ্গে কয়েকদিন থাকতে চেয়েছিলেন। তবে তা খুব একটা আনন্দদায়ক হল না। পরিবারের সকলেই পড়লেন করোনার কবলে। এই মুহূর্তে দীপিকার হাতে বলিউডের বেশ কিছু কাজ রয়েছে। কিন্তু তিনি আচমকা করোনা আক্রান্ত হওয়ায় সেসব কাজই অনেকটা পিছিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা। যদিও খবর, এখনও পর্যন্ত দীপিকার তেমন গুরুতর অসুস্থতা নেই। তাই বাড়িতেই রয়েছেন তিনি। প্রিয় নায়িকার এই অবস্থার কথা জানতে পেরে মুষড়ে পড়েছেন অনুরাগীরা। সকলেই তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। তবে এই মুহূর্তে রণবীর কেমন আছেন, তা নিয়ে কিছু জানা যায়নি।

মে ০৪, ২০২১
দেশ

গুজরাতের কোভিড হাসপাতালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃত অন্তত ১৮

কোভিড হাসপাতালে আগুন লেগে জীবন্ত দগ্ধ অন্তত ১৮ জন। ঘটনাস্থল গুজরাতের ভারুচ এলাকা। শুক্রবার মধ্যরাতে প্যাটেল ওয়েলফেয়ার হাসপাতালের একতলায় আগুন ধরে যায়। তবে কীভাবে আগুন লাগল, তা নিয়ে এখনও ধন্দ রয়েছে।ভারুচের প্যাটেল ওয়েলফেয়ার হাসপাতালের একতলায় কোভিড ওয়ার্ড। স্থানীয় সূত্রে খবর, আইসিইউতে অন্তত ২৪ জন করোনা আক্রান্ত চিকিৎসাধীন ছিলেন। আগুন লাগার পরই কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। হাসপাতাল সূত্রে খবর, আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে পুড়ে এবং ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে ১২ জনের মৃত্যু হয়। সকালে সাড়ে ৬টা পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮। তাঁদের মধ্যে ২ জন নার্স রয়েছেন। বাকি ছজনের মৃত্যুর কারণ এখনও জানা যায়নি।স্থানীয় সূত্রে খবর, আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গেই স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধারকার্যে হাত লাগান। তাঁরাই স্ট্রেচারে করে অন্তত ৫০ জন রোগীকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেন। আগুন নেভাতে আপ্রাণ চেষ্টা করেন দমকলবাহিনী ও পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খেতে হয় তাঁদের। দমকলের প্রাথমিক অনুমান, শর্ট সার্কিটের জেরেই হাসপাতালে আগুন লেগেছে। তবে অন্য কোনও কারণ আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বারবার কোভিড হাসপাতালে আগুন লাগা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।গতকাল রাতে ভারুচের পুলিশ সুপার রাজেন্দ্র সিং জানিয়েছিলেন, রাত পর্যন্ত ১২ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। তবে প্রকৃত তথ্য সকালে জানা যাবে। মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন তিনি। তাঁর আশঙ্কাই সত্যি হয়। হাসপাতালের এক ট্রাস্টি জুবের প্যাটেল জানিয়েছেন, অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত ১৪ জন রোগী ও ২ জন নার্সের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ ও দমকলবাহিনীর সাহায্যে বাকি রোগীদের অন্যত্র স্থানান্তর করা সম্ভব হয়েছে।

মে ০১, ২০২১
রাজ্য

ভ্যাকসিন না-থাকায় পূর্ব বর্ধমানের হাসপাতালে বন্ধ টিকাকরণ

গোটা দেশের পাশাপাশি এই রাজ্যেও উর্ধ্বমুখী কোভিড আক্রান্তের গ্রাফ।প্রতিদিন মৃতের সংখ্যাও বেড়ে চলেছে ব্যাপক হারে।এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় কেন্দ্রের তরফে কোভিড টিকাকরণ অভিযানের ব্যপ্তি ঘটানোর কথাও বলা হয়।কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতিটা যে সম্পূর্ণ উল্টো তা শুক্রবার পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে পৌঁছেই পরিষ্কার হয়ে গেল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে হাসপাতাল চত্বরে ফ্লেক্স ঝুলিয়ে দিয়ে দাবি করা হয়েছে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। টিকা নেওয়ার বিষয়ে জানতে এদিন সকাল থেকে যেসব বয়স্ক মানুষজন হাসপাতালে আসেন তাঁরা এই ফ্লেক্স দেখার পরেই কার্যত নিরাশ হয়ে বাড়ি ফিরে যান।মারণ ভাইরাস কোভিড ১৯ এর ভ্যাকসিনের সরবরাহই নেই জেনে জামালপুরে বাসিন্দাদের উদ্বেগ বহুলাংশে বেড়ে গিয়েছে ।ভোট উৎসবের মাঝেই রাজ্যের অন্যান জেলার পাশাশাশি পূর্ব বর্ধমান জেলাতেও ব্যাপক হারে বেড়ে চলে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা । স্বাস্থ্য দপ্তরের রিপোর্ট বলছে, গত ১৫ এপ্রিল জেলায় ২০২ জনের কোভিড সংক্রমণ ধরা পড়ে। ওই দিন পর্যন্ত জেলায় মোট কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৩২৪৪ জন , মৃতের সংখ্যা ছিল ১৮০ জন । তার পর থেকে মাত্র ১৪ দিনের মধ্যে অর্থাৎ বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত জেলায় কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮৩০৩ জন । অর্থাৎ ১৪ দিনে জেলায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫০৫৯ জন। আর ১৪ দিনে মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের।স্বাস্থ্য দপ্তরের রিপোর্ট অনুয়ায়ী কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির হার তুলনামূলক ভাবে অনেকটাই বেশী শহর বর্ধমানে । তার মধ্যে জামালপুর ব্লকেও প্রতিদিন কোভিড আক্রান্তের হদিশ মিলে চলেছে। কয়েকদিন আগেই কোভিড আক্রান্ত হয়ে জামালপুর হাটতলা এলাকা নিবাসী এক ডেকরেটার ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয় ।এই মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই জামালপুরের বাসিন্দা মহলে আতঙ্ক আরও তীব্র হয় । আতঙ্কের কারণে জামালপুর ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্র সংলগ্ন একটি পাড়ার এক বৃদ্ধা গত বুধবার মারা যাওয়ার পরেও তাঁর দেহ সৎকারে প্রতিবেশীরা কেউ এগিয়ে যেতে চান না । ওই বৃদ্ধা কোভিড আক্রান্ত ছিলেন, না ছিলেন না তাও কারুর জানা নেই। তবুও জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মেহেমুদ খান এলাকার চার জনের হাতে দুষ্প্রাপ্য কিট তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন । তার পর তারা ওই কিট পরিহিত হয়ে বৃদ্ধার মৃতদেহ সৎকারের জন্য জামালপুর শ্মশানে নিয়ে যান ।এইসব ঘটনা প্রত্যক্ষ করে জামালপুরের বাসিন্দারা কোভিড টিকা নেওয়ার জন্য উদগ্রিব হয়ে ওঠেন । টিকা পাওয়ার জন্য বিগত কয়েকদিন যাবৎ বহু বাসিন্দা রাত থেকেই জামালপুর ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে লাইনে দাঁড়িয়ে পড়ছিলেন । টিকা দেওয়াও চলছিল স্বাভাবিক নিয়ম মেনে । কিন্তু কোভিড ভ্যাকসিনের সরবরাহ না থাকায় শুক্রবার টিকাকরণ একেবারে থমকে থাকে। এই বিষয়ে জামালপুর ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক চিকিৎসক ঋত্বিক ঘোষ বলেন ,কোভিড ভ্যাকসিন শেষ হয়ে যাওয়ার পর এদিন পর্যন্ত আর ভ্যাকসিন হাসপাতালে পৌঁছয়নি । কোভিড ১৯ ভ্যাকসিনের সরবরাহ যে নেই তা জনসমক্ষে তুলে ধরার জন্যেই ফ্লেক্সে লিখে হাসপাতাল চত্বরে ঝোলাতে হয়েছে । ঋত্বিক বাবু আরও জানান ,গত ২৫ জানুয়ারি থেকে জামালপুর হাসপাতালে কোভিডের টিকা দেওয়া শুরু হয় । প্রথম দিকে টিকা নেওয়ার প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ খুব কম ছিল । মার্চের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউ আসার পর থেকে টিকা নেওয়ার ব্যাপারে অতি আগ্রহী হয়ে ওঠেন জামালপুরের বাসিন্দারা । সংক্রমণের হার ফের বাড়তে শুরু করায় গত তিন সপ্তাহ যাবৎ কোভিডের টিকা নেওয়ার জন্য হাসপাতাল চত্ত্বরে মানুষের ভিড় উপচে পড়ছে। ভ্যাকসিন এলে ফের টিকা দেওয়া শুরু হবে বলে ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক জানিয়েছেন। জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক চিকিৎসক প্রণব রায় জানিয়েছেন, জেলায় ভ্যাকসিন অপ্রতুল থাকাতেই এই সমস্যা তৈরি হয়েছে। ভ্যাকসিন ঘাটতির জন্য এদিন জামালপুর ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্র ছাড়া জেলার আর কোনও হাসপাতালে এদিন টিকাকরণ বন্ধ ছিল কিনা সেই বিষয়ে জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক কিছু জানাতে পারেননি । এমনকী, ভ্যকসিন সরবরাহ কবে স্বাভাবিক হবে সেই বিষয়েও সিএমওএইচ এদিন কিছু বলতে পারেননি।

এপ্রিল ৩০, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

বিমের সঙ্গে ঝুলছে রক্তমাংস! তারাতলা বিপর্যয়ের ভয়াবহ ছবি কাঁপিয়ে দিল শহর

তারাতলার নির্মীয়মাণ গুদাম ধসের ঘটনায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনও শেষ হয়নি উদ্ধার অভিযান। ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও বহু শ্রমিক আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেই কারণেই সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে সেনা, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, দমকল ও পুলিশ।উদ্ধারকারীদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে বিশাল লোহার বিম। ধসের পর সেগুলি দুমড়ে-মুচড়ে একের উপর এক চাপা পড়ে রয়েছে। ফলে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে ভিতরে পৌঁছতে যথেষ্ট সময় লাগছে। বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে ভার্টিকাল ড্রিলিং করে বিম কেটে ধাপে ধাপে এগোচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা।এখনও পর্যন্ত একাধিক আহত শ্রমিককে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানা যাচ্ছে। ঘটনাস্থলে একাধিক ভারী ক্রেন মোতায়েন করা হয়েছে। উদ্ধারকাজে ব্যবহার করা হচ্ছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিও। ড্রোনের সাহায্যে ধ্বংসস্তূপের ভিতরে আটকে থাকা মানুষের অবস্থান খোঁজার চেষ্টা চলছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক হাজার বর্গফুট এলাকা জুড়ে গুদামটি তৈরি হচ্ছিল। দুর্ঘটনার পর নির্মাণের মান এবং ব্যবহৃত সামগ্রীর গুণমান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করেই দ্রুত কাজ শেষ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। সেই কারণেই এই ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটেছে বলে দাবি তাঁদের।ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, উদ্ধার অভিযান সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত সমস্ত সম্ভাব্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ধ্বংসস্তূপের নীচে কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত করতেই আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা।

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

তারাতলা ধসের পর বড় ঝাঁকুনি! রাজ্যজুড়ে নির্মীয়মাণ ইমারতে কাজ বন্ধের নির্দেশ, সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

তারাতলার ভয়াবহ নির্মাণ বিপর্যয়ের পর বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। আপাতত নির্মীয়মাণ বাণিজ্যিক ইমারতের কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী একত্রিশে জুলাই পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট নির্মাণ প্রকল্পগুলির স্বাস্থ্যপরীক্ষা ও নকশা যাচাই করা হবে। সবুজ সংকেত মিললেই আবার শুরু হবে কাজ।বুধবার তারাতলার দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, সংশ্লিষ্ট দফতরগুলিকে নিয়ে একটি বিশেষ পরিদর্শন দল গঠন করা হবে। এই দল নির্মীয়মাণ ইমারতের নকশা, নির্মাণের মান এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখবে। কোথাও ত্রুটি ধরা পড়লে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তারাতলার নির্মীয়মাণ গুদাম ও হিমঘর ধসে পড়ার ঘটনায় ইতিমধ্যেই একাধিক প্রাণহানির খবর সামনে এসেছে। বহু শ্রমিক ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে পড়েন। খবর পাওয়ার পরই উদ্ধারকাজে নামে পুলিশ, দমকল, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এবং সেনাবাহিনী। আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে থাকা মানুষদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, ধসে পড়া নির্মাণের নকশায় ত্রুটি ছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে ইঙ্গিত মিলেছে। সেই কারণেই রাজ্যের বিভিন্ন নির্মীয়মাণ বাণিজ্যিক প্রকল্পের নকশা এবং কাঠামোগত নিরাপত্তা নতুন করে পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সরকারি হিসাব অনুযায়ী, দুর্ঘটনায় কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে এবং একাধিক আহতকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের দ্রুত চিকিৎসার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে এবং পরিস্থিতির উপর প্রশাসন কড়া নজর রাখছে।তারাতলার এই মর্মান্তিক ঘটনার পর নির্মাণ নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তদন্তের রিপোর্ট প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে, এই বিপর্যয়ের নেপথ্যে প্রকৃত কারণ কী।

জুন ২৪, ২০২৬
দেশ

চলন্ত লোকালে রক্তাক্ত মৃত্যু! দরজা বন্ধ করা নিয়ে ঝগড়া, যাত্রীর বুকে পরপর কোপ

চলন্ত লোকাল ট্রেনে ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্য ছড়াল মুম্বইয়ে। দরজা বন্ধ করা নিয়ে দুই যাত্রীর মধ্যে শুরু হওয়া বচসা শেষ পর্যন্ত রক্তাক্ত খুনে পরিণত হল। ট্রেনের মধ্যেই ছুরির আঘাতে মৃত্যু হল বাইশ বছরের যুবক মায়াঙ্ক রমেশ লোহারের।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে চার্চগেট থেকে নাল্লাসোপারা অভিমুখী দ্রুতগতির লোকাল ট্রেনে ওঠেন মায়াঙ্ক। আন্ধেরি স্টেশন থেকে ট্রেনে চড়ার পরই আর এক যাত্রীর সঙ্গে তাঁর তর্কাতর্কি শুরু হয়। প্রবল বৃষ্টির মধ্যে ট্রেনের দরজা বন্ধ রাখা হবে কি না, তা নিয়েই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে।প্রথমে বচসা হলেও পরে তা হাতাহাতির পর্যায়ে পৌঁছে যায়। অভিযোগ, আচমকাই ধারালো অস্ত্র বের করে মায়াঙ্কের উপর একের পর এক আঘাত করতে শুরু করে অভিযুক্ত। ট্রেনের কামরায় বহু যাত্রী উপস্থিত থাকলেও পরিস্থিতি এত দ্রুত বদলে যায় যে কেউ তাঁকে রক্ষা করতে পারেননি।ট্রেন বোরিভেলি স্টেশনে পৌঁছতেই অভিযুক্ত পালিয়ে যায়। পরে যাত্রীরা কামরার ভিতরে রক্তাক্ত অবস্থায় মায়াঙ্ককে দেখতে পান। রেল পুলিশ ও চিকিৎসাকর্মীরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করলেও ততক্ষণে তাঁর মৃত্যু হয়ে গিয়েছিল। পরে দেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়।ঘটনার পর আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে যাত্রীদের মধ্যে। চলন্ত ট্রেনে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। তদন্তে নেমে পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান এবং অন্যান্য তথ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখতে শুরু করে।অবশেষে বুধবার বিকেলে অভিযুক্ত রোশান সুবর্ণকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে পশ্চিম রেলও জানিয়েছে, যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।চলন্ত ট্রেনের মধ্যে এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড ফের একবার যাত্রী নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়ে দিল। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, ভিড়ভাট্টার লোকালে যদি এমন ঘটনা ঘটে, তবে নিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত?

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

সকালেই বাঁকতে শুরু করেছিল বিম! তবু কেন চলল ঢালাই? তারাতলা কাণ্ডে বড় প্রশ্ন

কলকাতার তারাতলায় নির্মীয়মাণ একটি বহুতল কাঠামো ভেঙে পড়ার ঘটনায় শোক এবং আতঙ্ক ছড়িয়েছে। দুর্ঘটনায় একাধিক প্রাণহানির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ চালাচ্ছে উদ্ধারকারী দল, পুলিশ এবং অন্যান্য সংস্থা।দুর্ঘটনার পর থেকেই নির্মাণকাজের মান এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, যে কাঠামোটি তৈরি করা হচ্ছিল, সেখানে শুরু থেকেই বিভিন্ন ত্রুটি ছিল। নির্মাণস্থলে ব্যবহৃত সামগ্রীর মান এবং কাজের পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।স্থানীয় সূত্রে দাবি, দুর্ঘটনার আগে থেকেই কয়েকটি লোহার বিমে অস্বাভাবিক চাপের লক্ষণ দেখা যাচ্ছিল। তবু কাজ বন্ধ না করে নির্মাণ প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের দাবি, বিপদের ইঙ্গিত থাকা সত্ত্বেও প্রয়োজনীয় সতর্কতা নেওয়া হয়নি।উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা ধ্বংসস্তূপের পরিস্থিতি দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তাঁদের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে দেখা গিয়েছে, ভারী কংক্রিটের চাপ বহন করতে গিয়ে কাঠামোর বিভিন্ন অংশ দুর্বল হয়ে পড়েছিল। এর ফলেই গোটা নির্মাণ অংশ ভেঙে পড়ে থাকতে পারে বলে অনুমান।ঘটনার পর প্রশাসনের তরফে তদন্ত শুরু হয়েছে। নির্মাণকাজে কোনও গাফিলতি বা নিয়মভঙ্গ হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট নির্মাণ প্রকল্পের কাজ আপাতত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এই দুর্ঘটনার পর নির্মাণ নিরাপত্তা, অনুমোদন প্রক্রিয়া এবং কাজের মান নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তদন্তের রিপোর্ট প্রকাশের পরই প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

চিৎকার, ধুলো আর ধ্বংসস্তূপ! তারাতলায় ভয়াবহ দুর্ঘটনায় কন্ট্রোলরুম খুলল নবান্ন

তারাতলায় নির্মীয়মাণ একটি গোডাউনের ছাদ ধসে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজ জোরকদমে চলছে। ইতিমধ্যেই কয়েকজন শ্রমিককে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে এখনও বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই প্রশাসন দ্রুত তৎপর হয়। নবান্নের পক্ষ থেকে নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। তিনি জানান, দমকল, পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী উদ্ধারকাজে নেমেছে। প্রয়োজনে আরও বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। প্রাথমিক লক্ষ্য হল আটকে থাকা মানুষদের যত দ্রুত সম্ভব নিরাপদে উদ্ধার করা।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিবহণ দফতরের জন্য একটি গোডাউন নির্মাণের কাজ চলছিল। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, দুর্ঘটনার কিছুক্ষণ আগেই কয়েকটি লোহার বিম নড়ে যায় এবং আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপরও কাজ বন্ধ না করে কাঠামো মেরামতের চেষ্টা চলছিল। সেই সময় আচমকাই গোটা ছাদ ও লোহার কাঠামো ভেঙে পড়ে।ঘটনার সময় বহু শ্রমিক ভিতরে কাজ করছিলেন। সেখানে একটি অস্থায়ী অফিসও ছিল বলে জানা গিয়েছে। ফলে ধস নামার সঙ্গে সঙ্গেই অনেকে ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়েন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে।বর্তমানে ক্রেন, গ্যাস কাটার এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতির সাহায্যে লোহার বিম কেটে উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও উদ্ধারকর্মীদের সহায়তা করছেন। ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ চললেও এখনও বহু মানুষের খোঁজ মেলেনি বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।ঘটনার খবর পেয়ে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, নির্মাণকাজে কোনও গাফিলতি ছিল কি না এবং নিরাপত্তা বিধি মানা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে তদন্তের দাবি উঠেছে। তারাতলার এই দুর্ঘটনা ঘিরে গোটা এলাকায় উদ্বেগ ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

মুহূর্তে মাটিতে মিশে গেল বিশাল শেড! তারাতলায় ধ্বংসস্তূপের নীচে কতজন, উঠছে ভয়াবহ প্রশ্ন

তারাতলায় নির্মীয়মাণ একটি কারখানার গোডাউন ভেঙে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটল। ঘটনায় বহু শ্রমিক আহত হয়েছেন বলে খবর। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধসের সময় ভিতরে প্রায় চল্লিশ থেকে পঁয়তাল্লিশ জন উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত পৌঁছে যায় দমকল বাহিনী। উদ্ধারকাজে হাত লাগান স্থানীয় বাসিন্দারাও। আহতদের ধ্বংসস্তূপ থেকে বের করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কারও হাত গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কারও মাথায় আঘাত লেগেছে। কয়েকজনের অবস্থা উদ্বেগজনক বলে জানা গিয়েছে।স্থানীয়দের দাবি, ওই এলাকায় একটি বড় গোডাউন তৈরির কাজ চলছিল। নির্মাণের সময় একবার কাঠামোর একটি অংশ ভেঙে পড়েছিল। পরে সেটি মেরামত করে ফের কাজ শুরু করা হয়। সেই সময় শ্রমিকরা ভিতরে থেকে কাজ করছিলেন। আচমকাই গোটা টিনের শেড ও লোহার কাঠামো হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে।এক প্রত্যক্ষদর্শীর কথায়, দুর্ঘটনার সময় বহু মানুষ ভিতরে ছিলেন। শ্রমিকদের পাশাপাশি সেখানে একটি অস্থায়ী অফিস থেকেও কাজ পরিচালনা করা হচ্ছিল। ফলে ধস নামার সঙ্গে সঙ্গেই অনেকেই আটকে পড়েন। বিশাল এলাকা জুড়ে তৈরি হওয়া কাঠামো মুহূর্তের মধ্যে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।বর্তমানে ক্রেনের সাহায্যে লোহার বিম সরিয়ে উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও মানুষ আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে উদ্ধার অভিযান। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে। কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল এবং নির্মাণকাজে কোনও গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা শুরু হয়েছে।

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে বিস্ফোরক অভিযোগ! মমতার ভাইকে ঘিরে যা দাবি করলেন এক প্রবীণ মহিলা

রাজ্যের নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর জনসাধারণের অভিযোগ শোনার কর্মসূচিতে উঠে এল এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের বাসিন্দা রঞ্জনা হাজরা দাবি করেছেন, তাঁর পৈতৃক সম্পত্তির একাধিক অংশ দীর্ঘদিন ধরে দখল করে রাখা হয়েছে। এই অভিযোগ তিনি সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেছেন।রঞ্জনা হাজরা জানান, হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে তাঁদের পরিবারের কিছু পৈতৃক সম্পত্তি রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, বহু বছর ধরে সেই সম্পত্তিগুলি দখলের চেষ্টা চলেছে এবং কয়েকটি জায়গা দখলও হয়ে গিয়েছে। তিনি দাবি করেন, একটি জায়গা দখল করে সেখানে প্রথমে ব্যবসা এবং পরে বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে। আরও কয়েকটি সম্পত্তি নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে বলে অভিযোগ তাঁর।অভিযোগকারিণীর দাবি, তিনি বারবার প্রতিবাদ করেছেন। কিন্তু তাতে সমস্যার সমাধান হয়নি। উল্টে বিভিন্ন সময় তাঁকে হেনস্তা ও চাপের মুখে পড়তে হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে অতীতে পুলিশের কাছেও গিয়েছিলেন। তবে তাঁর দাবি, কোনও কার্যকর পদক্ষেপ হয়নি।সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবারে গিয়ে তিনি সমস্ত অভিযোগ লিখিতভাবে জমা দেন। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর রঞ্জনা হাজরা জানান, তাঁর অভিযোগ খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকায় প্রতিনিধি পাঠানো হবে বলেও তাঁকে জানানো হয়েছে।এই ঘটনার পর আবারও হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের সম্পত্তি বিতর্ক নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও অভিযোগগুলির সত্যতা এখনও সরকারি ভাবে প্রমাণিত হয়নি। এখন প্রশাসন এই বিষয়ে কী পদক্ষেপ করে, সেদিকেই নজর রয়েছে।

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

গ্রেফতারের আশঙ্কায় হাইকোর্টে ছুটলেন মানস ভুঁইঞা! হঠাৎ কী এমন ঘটল?

রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চার কেন্দ্রে মানস ভুঁইঞা। চাকরি দেওয়ার নামে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ সামনে আসতেই এবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী। সম্ভাব্য গ্রেফতারের আশঙ্কা থেকেই তিনি আদালতের কাছে রক্ষাকবচ চেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।অভিযোগ, এক মহিলাকে সেচ দফতরের বাংলোয় চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। এর বিনিময়ে কয়েক লক্ষ টাকা নেওয়া হয় বলেও দাবি অভিযোগকারীর। পরে ওই মহিলা কিছুদিন কাজও করেন। এমনকি বেতনও পান। কিন্তু হঠাৎ করেই তাঁকে আর কাজে যোগ দিতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।এই ঘটনার পর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তের খবর সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়।এই পরিস্থিতিতেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন মানস ভুঁইঞা। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে তাঁর পক্ষ থেকে আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। গ্রেফতারের আশঙ্কা থেকেই আগাম আইনি সুরক্ষা চাওয়া হয়েছে বলে আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে।সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক তৃণমূল নেতা, জনপ্রতিনিধি এবং প্রাক্তন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। সেই আবহে মানস ভুঁইঞার আদালতের দ্বারস্থ হওয়া নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা বাড়িয়েছে। এখন আদালত এই আবেদনের বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহল ও প্রশাসনিক সূত্রের।

জুন ২৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal