• ১১ আশ্বিন ১৪৩৩, বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Hindi

রাজ্য

"কেশরী: চ্যাপ্টার ২" তে ক্ষুদিরাম বসু সহ বাঙালি স্বাধীনতা সংগ্রামীদের অপমান, প্রতিবাদে গর্জে উঠল বাংলা পক্ষ

সম্প্রতি কেশরী: চ্যাপ্টার ২ নামের এক বলিউডি হিন্দি সিনেমায় ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের সশস্ত্র সংগ্রামের উজ্জ্বল ইতিহাস তথা বীর বাঙালি স্বাধীনতা সংগ্রামীদের পরিচয় ও ভূমিকা বিকৃত করে এক মনগড়া মিথ্যা ইতিহাস তুলে ধরার অভিযোগ উঠেছে। সিনেমাটিতে দেখানো হয়েছে যে ক্ষুদিরাম সিং ও বারীন্দ্র কুমার নামক দুই বিপ্লবী বৃটিশ পুলিশকর্তা কিংসফোর্ডকে বোমা মেরে হত্যার চেষ্টা করে ও তাদের বোমা তৈরীর প্রশিক্ষণ দেয় কৃপাণ সিং! যার সাথে বাস্তবের কোন মিল নেই। প্রকৃত পক্ষে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে বাঙালি বিপ্লবীদের সশস্ত্র সংগ্রামের ইতিহাসের এক যুগান্তকারী ঘটনা কিংসফোর্ড হত্যার প্রচেষ্টা ও পরবর্তীতে মানিকতলা বোমা মামলার ঘটনার কথা সম্পূর্ণ বিকৃত ভাবে এই সিনেমাটিতে দেখানো হয়েছে।সশস্ত্র সংগ্রামের লক্ষ্যে কলকাতার মানিকতলার যুগান্তর গুপ্ত সমিতিতেই অরবিন্দ ঘোষের নেতৃত্বে বোমা তৈরীর কর্মশালা গড়ে ওঠে, ইউরোপ থেকে বোমা তৈরী শিখে এসে এখানে বোমা তৈরী করে বিপ্লবীদের সরবরাহ করতেন হেমচন্দ্র কানুনগো, যিনি বলিউডের দৌলতে হয়েছেন কৃপাণ সিং। এই গুপ্ত সমিতির পক্ষেই ক্ষুদিরাম বসু ও প্রফুল্ল চাকী কিংসফোর্ডকে বোমা নিক্ষেপ করে হত্যার চেষ্টা করেন। মেদিনীপুরের বীর বাঙালি কিশোর ক্ষুদিরাম বসুর পদবী সিনেমায় হয়েছে সিং অন্যদিকে প্রফুল্ল চাকীর নামই মুছে গেছে, শোনা গেছে জনৈক বারিন্দর কুমারের নাম, যেকোন ইতিহাস সচেতন ব্যক্তিই বলতে পারবেন এই নাম আসলে মানিকতলা বোমা মামলার অন্যতম অভিযুক্ত ও পরবর্তীতে আন্দামানে দ্বীপান্তরিত বারীন্দ্র ঘোষের, যিনি সম্পর্কে অরবিন্দ ঘোষের ভাই। এই মানিকতলা বোমা মামলায় বিপ্লবীদের পক্ষে কোর্টে আইনি লড়াই করেন আরেক মহান বাঙালি স্বাধীনতা সংগ্রামী দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ। এই গৌরবজনক অধ্যায় সম্পূর্ণ ভাবে বিকৃত করা হয়েছে, যা বাঙালি জাতি তথা ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রতি চূড়ান্ত অবমাননা।এই বিকৃতির বিরুদ্ধে বাঙালির ক্ষোভের প্রকাশ দেখা যাচ্ছে সামাজিক মাধ্যমে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী থেকে সংস্কৃতি জগতের নানান ব্যক্তিত্ব এই ইতিহাস তথা মহান স্বাধীনতা সংগ্রামীদের নাম বিকৃতির বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। ভারতীয় বাঙলির জাতীয় সংগঠন বাংলা পক্ষও সরব হয়েছে, আজ তারা পথে নেমে প্রতিবাদ করল কলকাতার বাংলা একাডেমী সংলগ্ন রানুছায়া মঞ্চে। এই প্রতিবাদ সভায় বাংলা পক্ষর সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি বলেন, কেশরী ২ সিমেমার মূখ্য অভিনেতা অক্ষয় কুমার, তিনি কাদের স্বার্থে বিকৃত ইতিহাস প্রচার করে সিনেমা তৈরি করেন এটা আমাদের সকলের জানা৷ বিজেপি ও বলিউডের উদ্দেশ্য বাঙালির গৌরবজনক বীরত্বের ইতিহাস মুছে দেওয়া। সেই উদ্দেশ্যেই বারবার এই ধরনের ঘটনা দেখা যাচ্ছে। বলিউড এর আগেও অভয় ২ সিরিজে বীর শহীদ ক্ষুদিরাম বসুকে ক্রিমিনাল, জঙ্গি হিসাবে দেখিয়েছিল। বাংলা পক্ষ তখন Zee5 কে লিগ্যাল নোটিশ দিয়েছিল এবং সল্টলেকে Zee5 এর অফিসে বিক্ষোভ করেছিল। পরবর্তীতে Zee5 ক্ষমা চেয়ে সেই অংশ বাদ দিতে বাধ্য হয়। শীর্ষ পরিষদ সদস্য অরিন্দম চট্টোপাধ্যায় বলেন যতক্ষণ না পর্যন্ত কেশরী ২ সিনেমার নির্মাতারা ক্ষমা না চায়, বাংলা পক্ষর লড়াই চলবে। ক্ষমা চেয়ে এই দৃশ্য বাদ দিতে হবে। বাঙালি বিদ্বেষীদের কিভাবে ক্ষমা চাওয়াতে হয় সেটা বাংলা পক্ষ ভালো ভাবে জানে।শীর্ষ পরিষদ সদস্য সৌম্যকান্তি ঘোড়ই বলেন, ক্ষুদিরাম বসুকে অপমান মানে বাঙালিকে অপমান। প্রফুল্ল চাকীকে অপমান মানে বাঙালিকে অপমান৷ বীর বিপ্লবী বারীন ঘোষদের অপমানের বিরুদ্ধে এই লড়াই চলবে। অক্ষয় কুমারকে ক্ষমা চাইতেই হবে।এছাড়াও আজকের প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন কলকাতা জেলার সম্পাদক সৌম্য বেরা, দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা সম্পাদক কুশনাভ মন্ডল, শিল্পী পক্ষর অধিকর্তা প্রবাল চক্রবর্তী প্রমুখ। এর আগে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় এই সিনেমা নিয়ে একই ইস্যুতে এফআইআর হয়েছে। এমনকী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পর্যন্ত ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন বাঙালি বীর বিপ্লবীদের ইতিহাস বিকৃতি করার জন্য।

জুন ১৯, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

কেশরী চ্যাপ্টার টু, ইতিহাস বিকৃত করার ভয়ঙ্কর অভিযোগ

ইতিহাসের একটি পরিচিত অধ্যায় ইংরেজ শাসনের সময় বিখ্যাত স্বাধীনতা সংগ্রামী ও বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বোস ও প্রফুল্ল চাকী কুখ্যাত ইংরেজ জাজকে বধ করার চেষ্টা করেছিল। এর ভিত্তিতে ক্ষুদিরাম বোসের ফাঁসি হয়েছিল এবং প্রফুল্ল চাকীও পুলিশের হাতে যাতে ধরা না পড়ে তার জন্য নিজের প্রাণ নিজের হাতে নিয়েছিল। বিধাননগর দক্ষিণ থানাতে অভিযোগ এসেছে যে একটি সিনেমা ইদানিংকালে লাইভ স্ট্রিমিং হচ্ছে সিনেমাটির নাম হচ্ছে কেশরী চ্যাপ্টার টু। সেই সিনেমাটি জিও হটস্টারে দেখানো হচ্ছে লাইভ স্ট্রিমিং এর মাধ্যমে সেখানে একটা দৃশ্যে দেখানো হয়েছে যে ক্ষুদিরাম বোসের নামকে ক্ষুদিরাম সিং বলা হয়েছে এবং প্রফুল্ল চাকির সেখানে কোন উল্লেখ নেই।বিখ্যাত স্বাধীনতা সংগ্রামী অরবিন্দ ঘোষের ছোট ভাই বিরেন্দ্র কুমার ঘোষ তিনি ও বিপ্লবী ছিলেন উনার নামটাকে বারিন্দ্রা কুমার বলে বলা হচ্ছে। শুধুমাত্র ঐতিহাসিক তথ্যগুলোকে বিকৃত করা হয়নি, বরঞ্চ স্বাধীনতা সংগ্রামী যারা আছেন তাদের নামটাকে বিকৃত করে তাদের গরিমাটাকে কিছুটা হলেও ম্লান করার চেষ্টা হয়েছে এবং করা হয়েছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে একটা কেস করা হয়েছে। এটাও দেখানো হয়েছে খুদিরাম বোস এবং বারিন্দ্র ঘোষ ওনারা অমৃতসরের ছাত্র ছিলেন। এই পরিপ্রেক্ষিতে অভিযোগটা করা হয়েছে। আর সেই অভিযোগের ভিত্তিতে বিধান নগর দক্ষিণ থানাতে একটি কেস রুজ করা হয়েছে এবং তদন্ত শুরু হয়েছে।

জুন ১৭, ২০২৫
রাজ্য

বৃষ্টিতে বেহাল রাজ্য সড়কের হাল, ক্ষোভে ফুঁসছেন স্থানীয় মানুষজন

হালকা বৃষ্টিতেই রাজ্য সড়ক রূপ নিয়েছে যেন চাষের ক্ষেতে। ওই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছেন পথ চলতি সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে স্থানীয় বাসিন্দারা। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ১০ নম্বর রাজ্য সড়ক বরাবর বুনিয়াদপুর থেকে রায়গঞ্জ পর্যন্ত প্রায় পঞ্চাশ কিলোমিটার। তার মধ্যে কুশমন্ডি থেকে বুনিয়াদপুর পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার রাস্তার বেহাল দশা। রাস্তার মাঝে কোথাও এক হাঁটু জল, কোথাও বা বড় বড় গর্ত। এমনি দুর্ভোগের চিত্র দেখা গেল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বুনিয়াদপুর ও কুশমন্ডি ১০ নম্বর রাজ্য সড়কের সর্বত্র। বর্ষা শুরুর আগেই রাস্তার কাজ অসম্পূর্ণ থাকায় রাজ্য সড়ক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোভে সরব হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।উল্লেখ্য,এই রাস্তা উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুরকে সংযোগ স্থাপন করেছে। শিলিগুড়ি যাওয়ার একমাত্র মাধ্যম এই রাস্তা। কালদিঘির মত সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে যাওয়ার একমাত্র অবলম্বন এই রাস্তাটি।কুশমন্ডি হাসপাতাল থেকে কোনো রোগীকে কালদিঘি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হলে অ্যাম্বুলেন্স চালকদেরও পোহাতে হচ্ছে দুর্ভোগ এই রাজ্য সড়কের বেহাল অবস্থার জন্য। যদিও টালমাটাল ভাবে রাস্তার কাজ থমকে আছে, এমনটাই অভিযোগ।কোথাও বা রাস্তার পিচ উঠে যাওয়ায় প্রলেপ হিসেবে দেওয়া হয়েছে ভাঙ্গা ইটের টুকরো। অসম্পূর্ণ রাস্তার কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার দাবিতে একাধিকবার জানিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা। তাছাড়া মোটরবাইক ও চার চাকার যানবাহন ও টোটো ওই রাস্তা দিয়ে নিয়ে যেতে চরম দুর্ভোগে পড়ছেন চালকেরা।গর্তের মধ্যে আটকে যাচ্ছে বাইকের চাকা, ঠেলে ঠেলে বাইক নিয়ে যেতে রীতিমত নাজেহাল অবস্থা হচ্ছে বাইক চালকদের। এই নিয়ে এই ১০ নম্বর রাজ্য সড়ক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উজাড় করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।এই বিষয়ে এলাকার এলাকার বাসিন্দা দিবাকর রায় বলেন, রাস্তার যা বেহাল দশা তাতে যে কোন মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। সামনেই দুর্গোৎসব, এই রাজ্য সড়কের ধারেই আমাদের মন্ডপ তৈরি হয়।পূজার আগে রাস্তার অবস্থা যদি ঠিক না হয় তাহলে জনসাধারণ আরোও চরম বিপাকে পড়বে।এ বিষয়ে কুশমন্ডি ব্লকের বিডিও অমরজ্যোতি সরকার জনতার কথাকে জানান, মূলত জল নিকাশি ব্যবস্থার জন্যই রাস্তার এই বেহাল দশা। আমরা আমাদের টিমকে দিয়ে নির্দিষ্ট জায়গাগুলি পরিদর্শন করাচ্ছি, যাতে দ্রুত নিকাশি ব্যবস্থার সমাধান করা যায়।

অক্টোবর ০৪, ২০২৩
কলকাতা

বাংলা সহ নানা অহিন্দি রাজ‍্যে 'হিন্দি দিবস' এর নামে হিন্দি চাপানোর বিরুদ্ধে রাজপথে মশাল মিছিল

১৪ ই সেপ্টেম্বর দিনটি হিন্দি দিবস হিসাব পালিত হয়। পশ্চিমবঙ্গের বাঙালি ও বাংলা ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠন বাংলা পক্ষ আজকের দিনটিকে কালো দিন বলে আক্ষা দিচ্ছে৷ বাংলা পক্ষের মতে, বাংলা সহ সমস্ত অহিন্দি ভাষার দ্বিতীয় শ্রেণীর হওয়ার দিন ১৪ই সেপ্টেম্বর। বাংলা পক্ষের যুক্তিতে, ভারতীয় যুক্ত রাষ্ট্রের কেন্দ্র সরকার হিন্দি ভাষার ব্যবহার ও প্রসারকে উৎসাহিত করতে শুধু নয়, হিন্দি ভাষা চাপিয়ে দিতে আজকের দিনটিকে বেছে নিয়েছে। শুধু আজকের দিনটিই নয় এক পক্ষকাল ধরে সব কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানে হিন্দি পক্ষ পালনের নামে প্রশাসনিক থেকে শিক্ষা, সবস্তরেই হিন্দি ব্যবহার করতে উৎসাহিত বা বাধ্য করা হয়।বাংলা পক্ষ মনে করে, ভারতের মতো একটি বহুভাষিক যুক্তরাষ্ট্রে শুধুমাত্র একটি ভাষার জন্য এই উদ্যোগ সম্পূর্ণভাবেই যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো বিরোধী ও অহিন্দি জাতিগুলির মৌলিক অধিকার হরণের হীন প্রচেষ্টা। ভারতের হিন্দিভাষী অঞ্চল থেকে যে কর আদায় হয়, তার পরিমাণ অহিন্দি জাতিগুলির এলাকা থেকে আদায় হওয়া করের থেকে অনেক কম। অথচ সেই অহিন্দি জাতির করের টাকাতেই রাষ্ট্র জুড়ে হিন্দি ভাষার জন্য কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে উৎসব হচ্ছে। ভারতের সব অহিন্দি জাতির মতোই বাঙালি জাতীয়তাবাদী সংগঠন বাংলা পক্ষ এই বিমাতৃসুলভ আচরণের প্রতিবাদ করছে।বাঙালি জাতীয়তাবাদী সংগঠন বাংলা পক্ষের সেই প্রতিবাদের একটি রূপ আজ দেখা গেল কলকাতার রাজপথে মশাল মিছিলের মাধ্যমে। বৃষ্টি উপেক্ষা করে মশাল মিছিলে বাঙালির গর্জন দেখলো কলকাতার রাজপথ। বাংলা পক্ষ আজ রবীন্দ্রসদন চত্বর থেকে হাজরা মোড় পর্যন্ত এই মিছিলে অংশ নেন। মিছিলে দাবি ওঠে হিন্দি আগ্রাসন তথা হিন্দি সাম্রাজ্যবাদ ধ্বংস করার। এই মিছিলের নেতৃত্ব দেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়। উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক তথা শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, কলকাতা জেলার সম্পাদক অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়, উত্তর চব্বিশ পরগনা শহরাঞ্চলের সম্পাদক পিন্টু রায়, উত্তর চব্বিশ পরগনা শিল্পাঞ্চলের সম্পাদক মামুদ আলি মন্ডল, উত্তর চব্বিশ পরগনা গ্রামীনের সম্পাদক দেবাশীষ মজুমদার, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার সম্পাদক প্রবাল চক্রবর্তী প্রমুখ। মিছিল শেষে হাজরা মোড়ের পথসভা থেকে গর্গ চট্টোপাধ্যায়, আজকের দিনটিকে সকল অহিন্দি জাতির জন্য কালো দিন আখ্যাদিয়ে বলেন আজ থেকে প্রতিটা বছর বাংলা জুড়ে ১৪ ই সেপ্টেম্বর দিনটিকে মশাল মিছিল করে কালো দিন হিসাবে পালন করবে। আমাদের টাকায় মানে অহিন্দি জাতির টাকায় অহিন্দি জাতির উপর হিন্দি চাপিয়ে দেওয়া চলবে না। বাংলা ভাষার সমানাধিকার চাই। আমরা হিন্দি বিরোধী না। আমরা হিন্দি সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী। আমরা হিন্দি সাম্রাজ্যবাদের নখ -দাঁত উপড়ে দেব। আমরা সকল অহিন্দি জাতি একসাথে লড়াই করছি, লড়াই আরও জোরদার হবে।কৌশিক মাইতি বলেন বাংলা পক্ষ হিন্দি ভাষার বিপক্ষে নয়, কিন্তু হিন্দি চাপিয়ে দেওয়ার বিপক্ষে। বিহার, উত্তর প্রদেশে হিন্দি দিবস সাড়ম্বরে পালিত হোক, কিন্তু বাংলা, তামিলনাড়ুর মতো অহিন্দি রাজ্যে হিন্দি দিবস পালন মানে আগ্রাসন।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৩
কলকাতা

হিন্দি সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বাংলা পক্ষর মহামিছিল কলকাতায়, আত্মসমর্পণ নয়

হিন্দি সাম্রাজ্যবাদী বিজেপির দ্বারা কেন্দ্রীয় সরকারের চাকরির পরীক্ষা, শিক্ষাদান, তথ্য আদান-প্রদান ইত্যাদি সমস্ত ক্ষেত্রে ইংরেজি সরিয়ে হিন্দি বাধ্যতামূলক করা, হিন্দি না জানার কারণে ভারতীয় নাগরিককে শাস্তি দেওয়া, অহিন্দি জাতির অর্থ ও সম্পদ লুঠ করে সেই টাকায় ভারতে এবং ভারতের বাইরে রাষ্ট্রপুঞ্জে হিন্দি চাপানোর মাধ্যমে বাঙালী এবং সকল অহিন্দি জাতির বর্তমান ও ভবিষ্যত প্রজন্মকে স্থায়ীভাবে হিন্দি সাম্রাজ্যবাদের দাস বানানোর চক্রান্তের বিরুদ্ধে ভারতের বাঙালির জাতীয় সংগঠন বাংলা পক্ষ ১২ই অক্টোবর, ২০২২ বুধবার এক বিশাল মিছিল ও পথসভা করে। প্রবল বৃষ্টির মধ্যে শয়ে শয়ে বাঙালি এই মিছিলে হিন্দি সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে গর্জন তোলে। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি, শীর্ষ পরিষদ সদস্য মনন মন্ডল, ডাঃ অরিন্দম বিশ্বাস, মনোজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, সোয়েব আমিন। উপস্থিত ছিলেন কলকাতা জেলার সম্পাদক অরিন্দম চ্যাটার্জী, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার সম্পাদক প্রবাল চক্রবর্তী, উত্তর চব্বিশ শিল্পাঞ্চলের সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ, উত্তর চব্বিশ গ্রামীনের সম্পাদক দেবাশীষ মজুমদার, উত্তর চব্বিশ পরগনার শিল্পাঞ্চলের সম্পাদক পিন্টু রায় প্রমুখ।ভারতের প্রতিটি বাঙালির মৌলিক অধিকার রক্ষা করতে বাংলা পক্ষ কলকাতায় এই মহামিছিল ও পথসভার আয়োজন করল। বাংলা পক্ষর সহযোদ্ধারা ছাড়াও সমাজের বিভিন্ন স্তরের হাজার হাজার বাঙালি রবীন্দ্র সদন থেকে হাজরা মোড় পর্যন্ত এই মিছিলে মিছিল যোগ দেয়। মিছিল শেষে পথসভায় বক্তব্য রাখেন নেতৃত্ব। এই মিছিলে হিন্দি সাম্রাজ্যবাদকে ধিক্কার জানানো প্ল্যাকার্ড যেমন ছিল, তেমনই ছিল বাঙালি জাতির অভিভাবক চিত্তরঞ্জন দাশ, বাংলার প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী অশোক মিত্র, তামিল সহ সকল অহিন্দি জাতির নায়ক তথা তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আন্নাদুরাই, মহান কন্নড় জাতীয়তাবাদী কবি কুভেম্পুর অমর উক্তি সম্বলিত প্ল্যাকার্ডও। আগামী ১৬ই অক্টোবর বাংলা পক্ষ বাংলার প্রতিটি জেলায় বিক্ষোভ কর্মসূচি গ্রহণ করতে চলেছে।এই মিছিল থেকে বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন,দিল্লি যদি ভেবে থাকে যে বাঙালি হিন্দি সাম্রাজ্যবাদের সামনে মাথা ঝুঁকিয়ে দেবে, আত্মসমর্পণ করবে তাহলে তারা ভুল ভাবছে। আমরা সমস্ত ভাষার সমান অধিকার চাই। বাঙালি স্বাধীনতা সংগ্রামী শহীদরা নিজেদের পরবর্তী প্রজন্মকে হিন্দির দাস বানানোর জন্য ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে প্রাণ দেননি। বাংলার পবিত্র মাটি থেকে হিন্দি সাম্রাজ্যবাদের সমস্ত চিহ্ন মুছে দেবে বাঙালি। সকল শিরদাঁড়া সোজা অহিন্দি মানুষ এই লড়াইয়ে বাংলা পক্ষর সাথে আছে। হিন্দি সাম্রাজ্যবাদ ভারতের ঐক্য ধ্বংস করতে চায়। আমরা যে কোনও মূল্যে ভারতের ঐক্য রক্ষা করব। বিজেপি এবং দিল্লি যেন আগুন নিয়ে খেলা না করে। বাংলা পক্ষর সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি বলেন, এই বৃষ্টির মধ্যে বাঙালির জনজোয়ার বুঝিয়ে দিল, বাঙালির মাটিতে হিন্দি চাপালে ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে লড়াই হবে। বাঙালীর ওপর হিন্দি চাপানোর বিরুদ্ধে, বাঙালিকে নিজ অধিকার থেকে বঞ্চিত করার বিরুদ্ধে বাংলা পক্ষ শেষ পর্যন্ত লড়ে যাবে। সকল বাঙালীকে দল-মত ভুলে বাঙালি হিসেবে জোট বাঁধার আহ্বান জানাই। আমরা এ লড়াই জিতবো। বাঙালির রক্তে স্বাধীন ভারতে আমাদের অধিকার আমরা ছিনিয়ে নেবই।সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়, কবি জয় গোস্বামী, শিক্ষাবিদ পবিত্র সরকারের মত বাঙালি বিদ্বজ্জনেরা বাংলা পক্ষর এই প্রতিবাদ কর্মসূচিকে জোরালো সমর্থন জানিয়েছেন। জয় গোস্বামী বলেন, আমি শারীরিক অসুস্থতার জন্য এই মিছিলে উপস্থিত থাকতে না পারলেও আমি এই প্রতিবাদকে সম্পূর্ণ সমর্থন করি। পবিত্র সরকার জানান, এইভাবে হিন্দির একাধিপত্য কায়েমের চেষ্টা ভারতের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো ও মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারের বিরোধী।

অক্টোবর ১২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের 'শেরদিল' ছবির মুক্তির দিন ঘোষিত

ট্রেড অ্যানালিস্ট তরণ আদর্শ তাঁর সোশ্যাল মিডিয়ায় সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের আগামী ছবি শেরদিল-এর মুক্তির দিন পোস্ট করলেন। ছবির বেশ কয়েকটি স্টিল পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, আগামী ২৪ জুন মুক্তি পাবে শেরদিল। সত্য ঘটনা অবলম্বনে তৈরি এই ছবি পরিচালনা করছেন জাতীয় পুরস্কারজয়ী সৃজিত মুখোপাধ্যায়। এই ছবিতে দেখা যাবে পঙ্কজ ত্রিপাঠি, সায়নী গুপ্তা, নীরজ কবির মতো বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতাদের। ছবিটি প্রযোজনা করছেন ভূষণ কুমার এবং রিলায়েন্স এন্টারটেনমেন্ট।SHERDIL ON 24 JUNE 2022... #Sherdil: #ThePilibhitSaga - inspired by true events - to release on 24 June 2022... Directed by #NationalAward winner #SrijitMukherji, it stars #PankajTripathi, #NeerajKabi and #SayaniGupta... Produced by #BhushanKumar and #RelianceEntertainment. pic.twitter.com/42FpxhXC7l taran adarsh (@taran_adarsh) May 11, 2022টলিউডের সফল পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় এখন বলিউডে বেশ কিছু কাজ করছেন। যার মধ্যে শেরদিল বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। এই ছবির হাত ধরে প্রথমবার হিন্দি ছবিতে অভিনয় করছেন কলকাতা অভিনেতা সোহম গুহ পট্টদার। এই ছবিতে অভিনয়ের সুযোগ পেয়ে সৃজিত মুখোপাধ্যায়কে ধন্যবাদও জানিয়েছেন তিনি।

মে ১২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

রি-ইউনিয়নের গল্পে পরিচালক হিসাবে অভিষেক হচ্ছে সৌম্যজিতের

৯০ মিনিটের মিউজিক্যাল ড্রামা #হোমকামিং দিয়ে পরিচালক হিসাবে আত্মপ্রকাশ করছেন অভিনেতা সৌম্যজিত মজুমদার। এই ছবির চিত্রনাট্যও লিখেছেন তিনি এবং প্রযোজনার মতো গুরুদায়িত্বও তাঁর কাঁধে। ছবিটি মূলত রিইউনিয়নের গল্প বলবে। ইতিমধ্যে ট্রেলার মুক্তি পেয়েছে এবং বেশ ভালো সাড়া পেয়েছে। ছবিতে অভিনয় করছেন সায়নী গুপ্তা, তুষার পাণ্ডে, প্লবিতা বরঠাকুর, সোহম মজুমদার, হুসেইন দালাল, পূজারিণী ঘোষ সহ আরও অনেক তারকা। এই ছবির সবথেকে বড় দিক হল সোনি লিভ এর মতো ন্যাশানাল ওটিটি প্ল্যাটফর্মে প্রথমবার কোনও কলকাতার ছবি মুক্তি পাচ্ছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য গতবছর কলকাতায় সাংবাদিক সম্মেলনে পরিচালক জানিয়েছিলেন তিনি নার্ভাস নন। প্রথম ছবি করলেও তাঁর কোনও অসুবিধা মনে হয়নি। এছাড়া অভিনেত্রী প্লবিতা বরঠাকুর জানিয়েছিলেন প্রথমবার তিনি বাঙালি অভিনেতাদের সঙ্গে কাজ করলেন। তাদের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতাটা খুব ভালো।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

হিন্দি ছবিতে অভিষেক পরিচালক বাপ্পার

শহরের উপকথার পর শহর ছাড়িয়ে আরব সাগরে পারি দিলেন পরিচালক বাপ্পা এবং ধাগা প্রোডাকশনের কর্ণধার শুভঙ্কর মিত্র। বাপ্পা এবং শুভঙ্কর মিত্র হিন্দি ছবিতে ডেবিউ করতে চলেছেন, ছবির নাম গিরগিট। সম্প্রতি ধাগা প্রোডাকশনের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডল থেকে জানা গিয়েছে শুটিংয়ের কাজ শুরু হবে। পাশাপাশি পরিচালক এও জানান সমস্তরকম সরকারি বিধি নিষেধ মেনেই ছবির স্যুটিং হবে। গিরগিট ছবিটি সম্পূর্ণ সাসপেন্স থ্রিলার। ছবিতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করবেন দিব্যেন্দু ভট্টাচার্য, ইপ্সিতা চক্রবর্তী, জয় সেনগুপ্ত, কনীনিকা বন্দোপাধ্যায়, ডোনা মুন্সির মতো দক্ষ কলাকুশলীদের দেখা যাবে। মনোজ বাজপায়ী ও ইরফান খানের সহ অভিনেত্রীদের অর্থাৎ ইপ্সিতা চক্রবর্তী ও ডোনা মুন্সিকে অন্যরকম ভাবে দেখা যাবে।এছাড়াও পায়েল মুখার্জি ও প্রদীপ ভট্টাচার্যকেও অভিনয় করতে চলেছেন এই ছবিতে।পরিচালক বাপ্পা জানান, আমার প্রথম ছবি শহরের উপকথা, যা ইতিমধ্যেই তেলেঙ্গানা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল থেকে তিন তিনটি পুরস্কার ঝুলিতে এসেছে এবং গিরগিটের হাত ধরে হিন্দি ছবিতে আমার ডেবিউ। প্রযোজক শুভঙ্কর মিত্র, তাঁরও এটাই প্রথম হিন্দি ছবি। আমরা দুজনেই ভীষণ আশাবাদী।ধাগা প্রোডাকশের কর্ণধার শুভঙ্কর মিত্র বলেন, হিন্দি ছবিতে প্রযোজক হিসেবে প্রথম ডেবিউ হলেও প্রযোজক হিসেবে আগেই আত্মপ্রকাশ হয়েছে। আমি ভীষণ কনফিডেন্ট আমাদের প্রজেক্ট নিয়ে, বাপ্পাকে নিয়ে। আপনাদের জন্য বানানো এই ছবি আমি নিশ্চিত আপনাদের ভাল লাগবেই। ছবির সিনেমাটোগ্রাফার সৌরভ ব্যানার্জী এবং এডিটার অনির্বাণ মাইতি। আর্ট ডিরেক্টর ত্রিগুণা শংকর। ছবিতে মিউজিক করেছেন প্রাঞ্জল দাস এবং গান গেয়েছেন রূপঙ্কর বাগচী, ইমন চক্রবর্তী, লগ্নজিতা চক্রবর্তী, উজ্জয়িনী মুখার্জি, রিমি দেব। চলতি বছরেই রিলিজ করতে চলেছে হিন্দি ফিচার ফিল্ম গিরগিট।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

'রং দে বসন্তী'-র ১৬ বছর পার

আজ থেকে ১৬ বছর আগের ঘটনা। ২০০৬ সালের ২৬ জানুয়ারি বড়পর্দায় মুক্তি পায় রাকেশ ওমপ্রকাশ মেহরার ছবি রং দে বসন্তী। আমির খান, মাধবন, শরমন জোশী, সোহা আলি খান সহ আরও অনেক তারকা এই ছবিতে অভিনয় করেন। এই ছবির গান খুব হিট হয়েছিল। এখনও তার জনপ্রিয়তা কমেনি। ২৬ জানুয়ারি পরিচালক এই ছবির গান নিয়ে লতা মঙ্গেশকরের কথা বললেন। রাকেশের কথায়, লতাজি নিজেই জানালেন, তিনি ৯-১০ নভেম্বর নাগাদই চেন্নাইতে রহমানের স্টুডিওতে চলে আসবেন। আমরা সবাই ভেবেছিলাম, অন্য কোনও প্রয়োজনে আগে চলে আসছেন। পরে জানলাম, লতাজি শুধুমাত্র আগে মহড়া দিয়ে নিখুঁত ভাবে গানটা গাইবেন বলেই আগে চলে এসেছেন। এত বড় এক জন মানুষ, এখনও এমন করতে পারেন, আমাদের কল্পনাতেও আসেনি! অবশ্য তখনও জানি না, লতাজি এর চেয়েও বেশি অবাক করে দেবেন আমাদের! রাকেশ বলেন, সে দিন ছিল লুকাছুপির রেকর্ডিং। ঠিক সময়ে লতাজি পৌঁছে গেলেন স্টুডিওয়। তার পর টানা ৮ ঘণ্টা মাইকের সামনে। ঠায় দাঁড়িয়ে। আমরা চেয়ার রেখেছিলাম পাশে। বসেননি। ৮ ঘণ্টা ধরে ও ভাবেই পুরো গান রেকর্ডিং করেছিলেন অত বড় এক জন শিল্পী। আমরা হাঁ করে দেখেছিলাম সবটা। শিখেছিলাম ওনার থেকে। সাধে কি লতাজি কিংবদন্তী! এদিন অভিনেতা শরমন জোশী ইন্সটাগ্রামে এক পোস্ট দিয়েছেন। রং দে বসন্তী-র একটা ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছেন, এই মহাকাব্যিক চলচ্চিত্রের১৬ তম বার্ষিকীতে স্ক্রিপ্টটি পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে। এই পরিবারের একটি অংশ হতে পেরে তাই গর্বিত। কি একটা সময় ছিল আমাদের!

জানুয়ারি ২৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Manosi Sengupta : টলিউড ছাড়লেন মানসী, এবার হিন্দি সিরিয়ালের মুখ পায়েল সেন

কি করে বলবো তোমায় ধারাবাহিকে দর্শকরা তাকে ভিলেনের চরিত্রে দেখেছিলেন। তার অভিনীত পায়েল সেনের চরিত্র বেশ জনপ্রিয় হয়। সেখান থেকে উমা ধারাবাহিকে সম্পূর্ণ অন্য চরিত্র। সুশিক্ষিত, মার্জিত বৌমার চরিত্রে অন্য মানসী কে দেখেছিল দর্শকরা।তবে অভিনেত্রী মানসী সেনগুপ্তর লক্ষ্য এবার আরও বড়। উমা ধারাবাহিক ছেড়ে তিনি পাড়ি দিয়েছেন মুম্বইতে। সেখানে একটি হিন্দি ধারাবাহিকে পজিটিভ চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাবে তাকে। মানসীর জায়াগায় এখন উমা তে অভিনয় করবেন সুদীপ্তা ব্যানার্জি।হিন্দি ধারাবাহিক প্রসঙ্গে জনতার কথা কে মানসী জানালেন,শশী-সুমিতের প্রোডাকশনে জানুয়ারির ফার্স্ট উইকে শুরু হচ্ছে আমার এই হিন্দি ধারাবাহিক। খুব পজিটিভ একটা চরিত্র। একজন প্রতিবাদী মেয়ের চরিত্র। বিয়ের পর পরই সে তার হাজবেন্ডকে হারায়। তারপর তার লাইফের স্ট্রাগলটাকে দেখানো হবে। মেয়েটির চরিত্রে এরপর অনেক শেডস আসে। আসতে আসতে সেগুলো রিভিল হবে। মানসী আরো জানালেন,পুরো শুটটাই মুম্বইতে থেকে হচ্ছে। সনিতে দর্শকরা আমাকে দেখতে পাবেন।

ডিসেম্বর ২১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Sooryavanshi's: পুলিশকর্মীদের সূর্যবংশী-র স্পেশাল স্ক্রিনিং

পুলিশ বাহিনীদের নিয়ে বানানো রোহিত শেট্টির ছবি সূর্যবংশী ভারতের হলগুলোতে হাউসফুল চলছে। পুলিশ ফোর্সদের জন্য নির্মিত এই ছবিটি নিউটাউনের মিরাজ সিনেমাস-এ পুলিশ ফোর্সদের দেখানো হল। মোট ২৫০ জন পুলিশবাহিনী এই হিন্দি ছবিটি উপভোগ করলেন। তাদের এই ছবিটি দেখানোর ক্ষেত্রে সহযোগিতা করেছেন এমএলএ সুজিত বোস এবং বিধাননগর কমিশনার সুপ্রতীম সরকার।সূর্যবংশী দেখতে উপস্থিত ছিলেন বিধাননগর পুলিশের টিম মেম্বার, ট্র্যাফিক ফোর্স, র্যাপিড ফোর্স, মহিলা পুলিশ ক্যাডার সহ অন্যান্যরা। ছবি দেখে একজন সিনিয়র পুলিশ অফিসার জানালেন,আমি ছবিটি উপভোগ করেছি। আমরা রোজ যে কাজটা করি তার ওপর ভিত্তি করেই গল্পটা তৈরি হয়েছে। কোনও সন্দেহ নেই যে এই ছবিতে বিনোদনটাকে অ্যাকশনের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। আমি খুশি যে আমাদের মধ্যে থেকে কয়েকজন পুলিশকর্মী ব্যস্ততার মধ্যেও এই ছবিটা দেখার সময় বার করতে পেরেছি।মিরাজ সিনেমার ভাইস প্রেসিডেন্ট ভুবনেশ মেন্ডিরাট্টা জানালেন,নিউটাউনের মিরাজ সিনেমায় কলকাতায় প্রথম পুলিশকর্মীদের জন্য একটা স্পেশাল স্ক্রিনিং-এর আয়োজন করতে পেরে আমরা উচ্ছ্বসিত। কোভিডের সময় পুলিশ অফিসাররা তাদের বিরামহীন পরিষেবা দিয়ে চলেছেন। এই ছোট উদ্যোগটা নিয়ে আমরা তাদের সংবর্ধিত করলাম।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

SHERDIL: নতুন ছবির শুটিং শুরু করলেন সৃজিত

বেগম জান, সাবাশ মিঠু র পর তৃতীয় বলিউড ছবির কাজে হাত দিলেন পরিচালক সৃজিত মুখার্জী। বৃহস্পতিবার থেকে উত্তরবঙ্গের জঙ্গলে শুরু হল সৃজিত মুখার্জীর নতুন হিন্দি ছবি শেরদিল এর শুটিং। সেখান থেকে ক্ল্যাপস্টিকের ছবি পোস্ট করলেন পরিচালক।এই ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় রয়েছেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা পঙ্কজ ত্রিপাঠী। ফলে দর্শকদের মধ্যে আলাদা একটা উত্তেজনা কাজ করছে। সৃজিতের থেকে আরো ভালো একটি প্রোজেক্ট পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী তারা।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০১৯ এই এই ছবির কথা ঘোষণা করেন সৃজিত। ২০২০ তে করোনার জন্য সব পিছিয়ে যায়। সত্য ঘটনা অবলম্বনে এই ছবিটি। ২০১৬ সালে আসলে খবরের কাগজে নেপালের একটি ঘটনার কথা জানতে পারেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়। নেপাল সীমান্তে ৬০২ কিমি অঞ্চলজুড়ে একটি ব্র্যঘ্র প্রকল্প রয়েছে। যেখানে বাঘের সংখ্যা পঞ্চাশের বেশি। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, জঙ্গলের বাইরে বাঘের আক্রমণে কোনও এলাকাবাসীর মৃত্যু ঘটলে মৃতের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা দেওয়া হবে। আর সেই টাকা পাওয়ার আশাতেই নাকি বহু দুঃস্থ পরিবার তাঁদের বৃদ্ধ কিংবা অসহায় কোনও পরিবারের সদস্যকে জঙ্গলে ছেড়ে দিয়ে আসত খিদের জ্বালা মানবিকতার থেকেও বড় হয়ে ওঠে। সেইরকমই ঘটনা নিয়ে শেরদিল-এর গল্প সাজান সৃজিত।

নভেম্বর ১৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Sooryavanshi : মাত্র ৫ দিনেই ১০০ কোটির ক্লাবে সূর্যবংশী

করোনার মধ্যে ভারতের সিনেমা হলের অবস্থা খুব একটা ভালো নেই। সিনেমা হল খোলা থাকলেও দর্শকরা আগের মতো সেইভাবে হলমুখী হচ্ছেন না। তবে এই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে আশার আলো দেখালেন অক্ষয় কুমার। ৫ দিনেই ১০০ কোটির ক্লাবে এন্ট্রি নিল অক্ষয়-ক্যাটরিনার এই ছবি। ভারতের বিশিষ্ট ট্রেড অ্যানালিসিস্ট তরণ আদর্শ টুইটারে শেয়ার করেছেন সূর্যবংশীর এই আয়। মঙ্গলবার ভারতের হলে ১১.২২ কোটির ব্যবসা করেছে এই ছবিটি। যার ফলে পাঁচ দিন মিলিয়ে ব্যবসার পরিমাণ দাঁড়াল ১০২.৮১ কোটি। এর মধ্যে সবথেকে বেশি আয় হয়েছে মহারাষ্ট্র আর গুজরাট থেকে। আশা করা যাচ্ছে, চলতি সপ্তাহের শেষে ১২০ কোটির ব্যবসা করে ফেলবে এই ছবি।অক্ষয়কুমার অভিনীত এই ছবিটি ২০২০ সালে মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনার জন্য এক বছর পিছিয়ে মুক্তি পেল ২০২১ এ। মুক্তির দিনেই ২৬ কোটি টাকার ব্যবসা করে এই ছবিটি।

নভেম্বর ১১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Bhul Bhulaiyaa 2 : 'ভুল ভুলাইয়া ২' এর মুক্তির তারিখ ঘোষিত হল

ভুলভুলাইয়া ২।প্রযোজক ভূষণ কুমারের মেগা প্রজেক্ট। এই প্রোজেক্ট নিয়ে সিনেপ্রেমীদের মধ্যে চাপা উত্তেজনা ছিলই। যদিও লকডাউন-করোনার জেরে বারবার থমকেছিল শুটিং। লকডাউনের জট কিছুটা আলগা হতেই শুটিং ও পোস্ট প্রোডাকশনের কাজ শেষ হয়েছিল।পরিচালক অনীশ বাজমির এই ছবির মুক্তির অপেক্ষায় ছিল। অবশেষে সেই সুখবর দিলেন খ্যাতনামা ফিল্ম সমালোচক তরণ আদর্শ। ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্টে তরণ আদর্শ জানিয়েছেন আগামী বছরের ২৫ মার্চ মুক্তি পাবে বহু প্রতীক্ষিত ছবি ভুল ভুলাইয়া ২।গতবছর থেকেই এই ছবি নিয়ে জল্পনা ছিল তুঙ্গে। ভুলভুলাইয়া ২-এ চকলেট বয় কার্তিক আরিয়ানের বিপরীতে রয়েছে কিয়ারা আদবানি। এই প্রথম বার কার্তিকের সঙ্গে জুটি বাঁধছেন কবীর খ্যাত নায়িকা। রয়েছেন তাব্বুও। প্রসঙ্গত, ২০০৭-এ মুক্তিপ্রাপ্ত ভুলভুলাইয়ার মুখ্য চরিত্রে দেখা গিয়েছিল অক্ষয় কুমারকে। একজন মনস্তত্ত্ববিদের ভূমিকায় দেখা গিয়েছিল তাঁকে। সেই সময় বক্স অফিসেও ঝড় তুলেছিল এই ছবি। অক্ষয় ছাড়াও ওই ছবিতে ছিলেন বিদ্যা বালন, আমিশা পটেল এবং পরেশ রাওয়ালের মতো অভিনেতারা। এবার অবশ্য অক্ষয়ের হুলিয়ায় দেখা গেছে কার্তিক আরিয়ানকে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Mithun Chakraborty : ছোটপর্দায় মিঠুন, হিন্দি সিরিয়ালে দেখা যাবে তাঁকে

ছোটপর্দায় ফিরছেন মিঠুন চক্রবর্তী। তিনি নিজের চরিত্রেই অভিনয় করবেন এই ধারাবাহিকে। মূল চরিত্রে এক নাবালিকা (চিকু), যে মিঠুন চক্রবর্তীর মতো নাচ করে খ্যাতি অর্জন করতে চায়। কিন্তু তার মা থাকা সত্ত্বেও তারা এক সঙ্গে থাকে না। মায়ের থেকে আলাদা হয়ে গিয়েছিল ছোটবেলাতেই। তারই জীবনযুদ্ধের গল্প বলা হবে এখানে। সেই হিন্দি ধারাবাহিকের নাম চিকু কি মাম্মি দূর কি। সাম্প্রতিকতম প্রোমোতে মিঠুনের আবির্ভাব। বর্ষীয়ান অভিনেতা নিজের পারিশ্রমিক কমিয়ে দিয়েছেন এই ধারাবাহিকের জন্য।সূত্রের খবর, কেবল প্রোমোর জন্য শ্যুট করেছেন মিঠুন। এখনও জানা যায়নি, ধারাবাহিকের কতখানি অংশ জুড়ে তিনি থাকবেন। কিন্তু প্রোমোর চিত্রনাট্য পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি নিজের পারিশ্রমিক কমিয়ে দিয়েছেন। চিত্রনাট্য পড়ে তাঁর এতই ভাল লেগেছে যে এই কাজটিকে তিনি কেবল কাজ হিসেবে দেখতে রাজি নন। চিত্রনাট্য পড়তে গিয়ে নিজের জীবনযুদ্ধের কথা মনে পড়ে গিয়েছে মিঠুন চক্রবর্তীর। চিকুর চরিত্রের সঙ্গে যেন আত্মিক যোগ খুঁজে পেয়েছেন তিনি। তাঁর এই পদক্ষেপে সকলেই আপ্লুত।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Lal Singh Chaddha: 'লাল সিং চাড্ডা'-র অপেক্ষায় সবাই

আমির খান ও করিনা কপূরের লাল সিং চাড্ডা ছবির ঘোষণা হওয়ার পরেই দর্শকদের মনে আলাদা উত্তেজনা কাজ করছে। তারা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে আছে এই সিনেমার জন্য। আরও পড়ুনঃ বিপদের দিনে আফগান হিন্দু ও শিখদের পাশে ভারতবড় পর্দায় এই নিয়ে তৃতীয়বার একসঙ্গে দেখা যাবে করিনা ও আমিরকে। ফলে অনুরাগীদের উত্সাহ খানিক বেশিই। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম দেন করিনা কপূর। লাল সিং চাড্ডা ছবির অধিকাংশ শ্যুটিংই তিনি গর্ভবতী অবস্থায় করেন। ভারতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ চলাকালীনই ছবির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যের শ্যুটিং শেষ করেন কলাকুশলীরা। দিল্লি-এনসিআরে শ্যুটিং চলাকালীন টিমে যোগদান করেন বেবো।আরও পড়ুনঃ নতুন ছবির প্রস্তুতি শুরু মিমিরএক সাক্ষাত্কারে অশোকা অভিনেত্রী জানান, শ্যুটিংয়ের সময়ে তাঁর বিশেষ যত্ন করতেন আমির খান। বেবোর জন্য সমস্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থার আয়োজন করা ছিল সেটে। সাক্ষাত্কারে জব উই মেট অভিনেত্রী আরও জানান যে তিনি রোজ পটৌডি থেকে দিল্লি যেতেন শ্যুটিংয়ের জন্য। তবে বেশিরভাগ দৃশ্যের শ্যুটিং রাতে হওয়ায় বিশেষ অসুবিধাও হয়নি বলে জানান তিনি।

আগস্ট ১৮, ২০২১
দেশ

Dainik Bhaskar: কর ফাঁকির অভিযোগে 'দৈনিক ভাস্কর'-এ আয়কর হানা

ফের গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের চেষ্টা। এবার একটু অন্যরকমভাবে। কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগে দৈনিক সংবাদপত্র দৈনিক ভাস্কর-এর একাধিক অফিসে হানা দিলেন আয়কর দপ্তরের আধিকারিকরা। বৃহস্পতিবার দিল্লি, মধ্যপ্রদেশের ভোপাল, রাজস্থানের জয়পুর, গুজরাতের আমদাবাদ-সহ পত্রিকার বেশ কয়েকটি অফিসে হানা দিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিশানা করলেন তৃণমূলের রাজ্যসভা সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন। টুইট করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।The attack on journalists media houses is yet another BRUTAL attempt to stifle democracy.#DainikBhaskar bravely reported the way @narendramodi ji mishandled the entire #COVID crisis and led the country to its most horrifying days amid a raging pandemic. (1/2) Mamata Banerjee (@MamataOfficial) July 22, 2021প্রসঙ্গত, কোভিড দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময়ে দেশ জুড়ে চরম অব্যবস্থা নিয়ে লাগাতার লেখালেখি চলেছিল দৈনিক ভাস্কর-এ। বিরোধীদের দাবি, সরকারি তরফে সে সময়ে যা যা দাবি করা হয়েছিল, সেই সব দাবিকে খণ্ডন করে সত্য তুলে ধরার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিল এই সংবাদপত্র। তার জেরে সরকারের অস্বস্তি বেড়েছিল বলে দাবি তাঁদের। দৈনিক ভাস্করের অফিসে আয়কর দপ্তরের হানা দেওয়া প্রসঙ্গে টুইটারে মমতা লেখেন, দেশের সাংবাদিক এবং সংবাদমাধ্যমগুলির উপর আক্রমণ গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধেরই প্রচেষ্টা। অতিমারি পরিস্থিতির মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ব্যর্থতাই তুলে ধরেছিল দৈনিক ভাস্কর। পরে আরও একটি টুইটে তিনি লেখেন, যারা সত্য তুলে ধরছে, তাদের মুখ বন্ধ করার এই প্রচেষ্টার তীব্র নিন্দা করছি। মিডিয়ার সঙ্গে যুক্তদের বলব, আপনারা শক্ত থাকুন। আমরা একসঙ্গে থাকলে স্বৈরাচারি শক্তি কোনও দিনই জিততে পারবে না।

জুলাই ২২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Shooting : বৃষ্টির মধ্যেও শুটিং করছেন অক্ষয়

একটানা ভারী বৃষ্টিপাত। ইতিমধ্যেই মুম্বইয়ে ইতিমধ্যেই জারি হয়ে গিয়েছে রেড অ্যালার্ট। যদিও তার মধ্যেই চলছে শুটিং-এর কাজ। অভিনেতা অক্ষয়কুমার এই মুহূর্তে বচ্চন পাণ্ডের শুটিংয়ে ব্যস্ত। গত সপ্তাহান্তে প্রবল বৃষ্টি সত্ত্বেও ছবির কাজ চালিয়ে গিয়েছেন অভিনেতা।আরও পড়ুনঃ হিজবুল শ্রীলেখা মিত্র ভাল চুমু খেতে পারেন!প্রতিকূল প্রাকৃতিক পরিবেশেও বায়ো-বাবলের নিয়মবিধি অনুসরণ করে, ঠিক সময়ে সেটে পৌঁছে পেশাদারিত্বের নজির সৃষ্টি করেছেন অক্ষয়। বচ্চন পাণ্ডেতে অক্ষয়ের সঙ্গে কাজ করছেন কৃতী শ্যানন এবং জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজও। ছবির প্রথম শিডিউল রাজস্থানের জয়সলমেরে শুট করা হয়েছিল এ বছরের গোড়ার দিকে। তার পরে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের জেরে পিছিয়ে যায় সব ছবির শিডিউল। সপ্তাহখানেক আগে পর্যন্তও অক্ষয় শুটিং করেছেন আনন্দ এল রাইয়ের রক্ষা বন্ধন-এর। তার পরেই বচ্চন পাণ্ডের সেটে ফিরেছেন তিনি। পঙ্কজ ত্রিপাঠীও রয়েছেন এই ছবিতে।আরও পড়ুনঃ শ্রীময়ীর পোস্ট নিয়ে ধোঁয়াশাঅক্ষয়ের হাতে এর পরে রয়েছে ওহ মাই গড-এর সিকোয়েলের কাজ। সে ছবিতেও রয়েছেন পঙ্কজ (প্রথম ভাগে যে চরিত্রে ছিলেন পরেশ রাওয়াল)। শোনা যাচ্ছে, এই ছবির জন্য নাকি ১৫ দিন বরাদ্দ করেছেন অক্ষয়। সাধারণত মাঝারি বাজেটের ছবির জন্যও অন্তত সপ্তাহ তিনেকের ডেট খালি রাখেন অভিনেতা। তবে এই ছবিতে তাঁর অংশের শুটিং গুটিয়ে যাবে ১৫ দিনেই। অগস্টের শেষ ভাগ থেকে ওহ মাই গড টুর শুটিং শুরু করে দেবেন পঙ্কজ। অক্ষয় যোগ দেবেন পরে, কারণ মাঝে রঞ্জিত তিওয়ারি নির্দেশিত ছবি করার জন্য ব্রিটেনে পাড়ি দেবেন তিনি। প্রথম বারের মতোই ওহ মাই গড-এর সিকোয়েলেও ঈশ্বরের অবতারে ধরা দেবেন অক্ষয়।

জুলাই ২০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Mithun Chakraborty : ছেলের সঙ্গে অভিনয় করবেন মিঠুন চক্রবর্তী

বলিউডে ডেবিউ করতে চলেছেন মিঠুন চক্রবর্তীর ছেলে নমশি চক্রবর্তী। রাজকুমার সন্তোষী পরিচালিত সেই ছবি যে রোম্যান্স এবং দুর্দান্ত সব ডান্স সিকোয়েন্স ভরা থাকবে এই বিষয়েও খবর হয়েছিল। তবে এই সিনেমায় একটা বড় চমক থাকছে। আর সেটা হল মিঠুন চক্রবর্তী নিজে এই ছবিতে অভিনয় করবেন। তবে অতিথি শিল্পী হিসেবেই দেখা যাবে তাঁকে। হিমেশ রেশমিয়ার সুরে তৈরি আইটেম সং জনাব-এ-আলি-তে পা মেলাতে দেখা যাবে ডিস্কো ডান্সার-কে। সেই সিকোয়েন্সে মিঠুনের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করবেন নমশিও।আরও পড়ুনঃ আতিউলের সাইকো থ্রিলারে থাকছে চমকবাবার সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ারের সুযোগ পেয়ে এককথায় আপ্লুত ব্যাড বয়। এই প্রসঙ্গে উচ্ছ্বসিত অভিনেতা জানিয়েছেন তিনি তাঁর আইডলের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করতে চলেছেন। এটা ভাগ্য ছাড়া আর কী! বলিউডের এই নতুন ব্যাড বয়-এর কথায়,তিনটি জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন যিনি, আমার মতো নিউকামারের সঙ্গে তিনি কাজ করছেন, এর থেকে সৌভাগ্যের ব্যাপার আমার কাছে আর কী বা হতে পারে? এখানেই না থেমে তিনি আরও জানান ৩৬০টির ওপর ছবিতে কাজ করেছেন মিঠুন। ছোট থেকেই তিনি নমশির নায়ক। তাই স্বাভাবিকভাবেই নিজের প্রিয় নায়কের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করার এই সুযোগ পেয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ছেন তিনি। বক্তব্য শেষে বলিপাড়ার নতুন নায়কের সংযোজন, সারাজীবন কৃতজ্ঞ থাকব।আরও পড়ুনঃ কান্দাহারে নিহত পুলিৎজার জয়ী ভারতীয় চিত্রসাংবাদিকব্যাড বয়-এ নমশির বিপরীতে অভিনয় করছেন প্রযোজক সাজিদ কুরেশির মেয়ে আমরিন কুরেশি। পিত-পুত্রের জনাব-এ-আলি গানের দৃশ্যে থাকবেন তিনিও। স্বাভাবিকভাবেই মিঠুন আঙ্কল এর সঙ্গে নিজের প্রথম ছবিতে কাজ করার সুযোগ পেয়ে ভীষণ খুশি তিনিও। জানালেন, ছোট থেকেই মিঠুনের নাচের বিরাট ফ্যান তিনি। তাই এবার তাঁর সঙ্গেই একই গানের সুরে পা মেলাবেন ভেবে যারপরনাই উত্তেজিত তিনিও।আরও পড়ুনঃ কফি ডেটে যেতে চান শ্রীলেখা! কিন্তু কার সঙ্গে?ব্যাড বয় এর পরিচালকের আসনে রয়েছেন রাজকুমার সন্তোষী। ছবিতে নমশি, মিঠুন ছাড়াও দেখা যাবে শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়কে। করোনা পরিস্থিতি কাটলে বড়পর্দাতেই যে এই ছবি রিলিজের লক্ষ্যে তাঁরা চোখ রেখেছেন সেকথাও জানানো হয়েছে প্রযোজনা সংস্থার তরফে।

জুলাই ১৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

৬৭তম জাতীয় পুরস্কারে সেরা বাংলা ছবি 'গুমনামী', সেরা হিন্দি 'ছিঁছোরে'

ঘোষিত হল ৬৭তম জাতীয় পুরস্কার । সেরা বাংলা সিনেমা সৃজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত গুমনামী। অ্যাডাপ্টেড চিত্রনাট্যের জন্য সেরা চিত্রনাট্যকারের পুরস্কার পেলেন সৃজিত নিজে। কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় পরিচালিত জ্যেষ্ঠপুত্র ছবির জন্য সেরা আবহ সংগীতের পুরস্কার পেলেন প্রবুদ্ধ বন্দ্যোপাধ্যায়। সেরা অরিজিনাল স্ক্রিন প্লে জ্যেষ্ঠপুত্র ছবির ঝুলিতেই। বাংলা থেকে জাতীয় পুরস্কার পাওয়া দুটি ছবির মুখ্য ভূমিকাতেই রয়েছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ।সেরা হিন্দি ছবির শিরোপা পেল প্রয়াত সুশান্ত সিং রাজপুত অভিনীত ছবি ছিঁছোরে। পঙ্গা এবং মণিকর্ণিকা দ্য ক্যুইন অফ ঝাঁসি ছবির জন্য জীবনের চতুর্থ জাতীয় পুরস্কারটি পেলেন কঙ্গনা রানাউত । এর আগে ফ্যাশন, ক্যুইন এবং তনু ওয়েডস মনু রিটার্নস সিনেমার জন্য জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিলেন কঙ্গনা। যৌথভাবে সেরা অভিনেতার পুরস্কার পেলেন মনোজ বাজপেয়ী ও দক্ষিণী তারকা ধনুশ । ভোঁসলে সিনেমায় অভিনয়ের জন্য পুরস্কার পেয়েছেন মনোজ। ধনুশ পুরস্কার পেয়েছেন আসুরান সিনেমার জন্য। অক্ষয় কুমার অভিনীত কেশরি সিনেমায় তেরি মিট্টি গানটি গেয়ে সেরা গায়ক হয়েছেন বি প্রাক । অস্কারে ঠাঁই পায়নি মালয়ালম ছবি জাল্লিকাট্টু। সেরা সিনেম্যাটোগ্রাফির পুরস্কার পেয়েছে ছবিটি। সেরা সংলাপের পুরস্কার পেয়েছে দ্য তাশখন্দ ফাইলস ছবি। এই ছবির জন্যই সেরা সহ-অভিনেত্রী হয়েছেন পল্লবী যোশী । সুপার ডিলাক্স সিনেমার জন্য সেরা সহ-অভিনেতা হলেন বিজয় সেতুপতি । সেরা শিশুদের ছবি কস্তুরি। সেরা ফিচার ফিল্ম মোহনলাল, কীর্তি সুরেশ অভিনীত মালয়ালম ছবি মারাক্কর। দেশের সবচেয়ে সিনেমা ফ্রেন্ডলি রাজ্য সিকিম। সেরা অ্যানিমেটেড ছবি রাধা।

মার্চ ২২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

পুজোর পাসে ৬০ কোটির অভিযোগ! রাত ১১টা পর্যন্ত ইন্দ্রনীলের বাড়িতে ইডি, এরপর কী?

প্রাক্তন মন্ত্রী তথা গায়ক ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) কসবার বাড়িতে মঙ্গলবার দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশি চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। প্রায় সাড়ে ১৫ ঘণ্টা পর রাত ১১টা নাগাদ তদন্তকারীরা বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। এরপর বুধবার সকাল ১০টায় ইডির দপ্তরে ইন্দ্রনীল সেনকে তলব করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইন্দ্রনীল (Indranil Sen) । অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।ইডি সূত্রে অভিযোগ, কলকাতার দুর্গাপুজোর পুজো পরিক্রমা বা প্রিভিউ শো-এর নামে ইউনেস্কোর নাম ও প্রতীক ব্যবহার করে প্রবেশপত্র বিক্রি করা হয়েছিল। সেই প্রবেশপত্রের মাধ্যমে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম হয়ে থাকতে পারে বলে তদন্তকারীদের দাবি। এই ঘটনায় ইন্দ্রনীল সেন এবং তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেনের নামও উঠে এসেছে বলে ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে (Indranil Sen) ।চলতি বছরের জুন মাসে এই সংক্রান্ত অভিযোগ বউবাজার থানায় দায়ের হয়েছিল। অভিযোগকারীর বক্তব্যের ভিত্তিতে পরে আর্থিক তছরূপের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা শুরু হয়। সেই মামলার সূত্র ধরেই মঙ্গলবার ইডি কলকাতার একাধিক জায়গায় একসঙ্গে তল্লাশি চালায়।ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) কসবার বাড়ি ছাড়াও কলকাতার আরও কয়েকটি ঠিকানায় তদন্তকারীরা পৌঁছন। হিন্দুস্তান পার্ক এবং হাইল্যান্ড পার্কের ঠিকানাতেও তল্লাশি চালানো হয়। ইভেন্ট পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত কয়েক জনের বাড়িতেও অভিযান চলে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে। সিঙ্গুরে ইন্দ্রনীল সেনের বাগানবাড়িতেও তদন্তকারীরা গিয়েছিলেন বলে খবর।প্রতিটি ঠিকানায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা ছিল। একাধিক দলে ভাগ হয়ে ইডির আধিকারিকেরা এই অভিযান চালান। তদন্তকারীদের মূল লক্ষ্য ছিল অভিযোগে উঠে আসা আর্থিক লেনদেন এবং পুজোর প্রবেশপত্র বিক্রির সঙ্গে যুক্ত নথি ও তথ্য খতিয়ে দেখা।এই অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে মাস আর্ট নামে একটি সংগঠন। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২১ সালে কলকাতার দুর্গাপুজো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ার পর ওই সংগঠনটি তৈরি হয়। সংগঠনটির তরফে নিজেদের ইউনেস্কোর সঙ্গে যুক্ত বা অনুমোদিত উদ্যোগ হিসেবে প্রচার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই পরিচয় ব্যবহার করে পুজো পরিক্রমার জন্য চড়া দামে প্রবেশপত্র বিক্রি করা হত বলেও তদন্তকারীদের দাবি।ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) স্ত্রী মধুছন্দা সেন ওই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, পাস বিক্রি এবং ওই সংস্থার আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তবে এই অভিযোগগুলি এখনও তদন্তাধীন এবং আদালতে প্রমাণিত নয়।প্রাথমিক অভিযোগ অনুযায়ী, পুজোর প্রিভিউ শো বা পুজো পরিক্রমার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছিল। ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে এই পাস বিক্রির অনুমতি আদৌ ছিল কি না, সেটিও তদন্তের অন্যতম বিষয়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে পাসের মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের টাকা সংগ্রহের অভিযোগের কথা উঠে এসেছে।ইন্দ্রনীল সেন অবশ্য শুরু থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। মঙ্গলবার দীর্ঘ তল্লাশির পরও তিনি অভিযোগ মানেননি বলে জানা গিয়েছে। বরং প্রয়োজন হলে আইনি পথে যাওয়ার বার্তা দিয়েছেন তিনি।এখন বুধবার সকাল ১০টায় ইডির দপ্তরে হাজির হওয়ার পর ইন্দ্রনীল সেনকে কী কী বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে। পুজোর প্রবেশপত্র বিক্রি, সংশ্লিষ্ট সংস্থার আর্থিক লেনদেন এবং অভিযোগে উঠে আসা টাকার অঙ্কসবই তদন্তের পরবর্তী পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।ইডির মঙ্গলবারের তল্লাশিতে কী কী নথি বা তথ্য পাওয়া গেল, তা এখনও প্রকাশ্যে বিস্তারিত ভাবে জানানো হয়নি। তদন্ত এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে অভিযোগের প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর মুখে চাকরি নিয়ে বড় আশ্বাস! বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থান তুলে নিলেন ৩৭১৯ কম্পিউটার শিক্ষক

পুজোর মুখে চাকরি হারানোর আশঙ্কায় বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থান শুরু করেছিলেন রাজ্যের সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলের চুক্তিভিত্তিক কম্পিউটার শিক্ষকরা। সোমবার থেকে শুরু হওয়া সেই অবস্থান ও বিক্ষোভ মঙ্গলবার পর্যন্ত চলে। পরে শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মনের সঙ্গে দুই দফায় বৈঠকের পর আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেন শিক্ষকদের সংগঠন আইসিটি ঐক্য মঞ্চ।বৈঠকে শিক্ষকদের একাধিক দাবি বিবেচনা করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে। আপাতত যাতে চাকরিতে কোনও ছেদ না পড়ে, সেই ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে। টেন্ডারে নির্বাচিত সংস্থার অধীনেই ৩৭১৯ জন শিক্ষক কাজ চালিয়ে যাবেন বলে জানা গিয়েছে।শিক্ষকদের দাবি পূরণের জন্য শিক্ষামন্ত্রী ছমাস সময় চেয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সরকারের সঙ্গে সরাসরি চুক্তির মাধ্যমে শিক্ষকদের বেতন এবং অন্যান্য বিষয় শ্রম আইন মেনে কী ভাবে করা যায়, তা নিয়ে চেষ্টা করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।সোমবার থেকেই একাধিক দাবি নিয়ে বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থানে বসেছিলেন চুক্তিভিত্তিক কম্পিউটার শিক্ষকরা। রাতভর সেখানে বিক্ষোভ চলে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকার পর শিক্ষকদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রী। সেই বৈঠকের পরেই আপাতত আন্দোলন তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।শিক্ষক রাহুল দাসের দাবি, প্রথম থেকে পঞ্চম পর্যায়ে নিযুক্ত প্রায় পাঁচ হাজার কম্পিউটার প্রশিক্ষকের সঙ্গে সরকারের যে ভাবে সরাসরি চুক্তি রয়েছে, একই ধরনের ব্যবস্থা তাঁদের ক্ষেত্রেও করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে শিক্ষামন্ত্রীর তরফে এই বক্তব্যের বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।এই সমস্যার নেপথ্যে রয়েছে চুক্তি নিয়ে জটিলতা। ২০২২ সাল বা তার আশপাশের সময়ে বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে ৩৭১৯ জন কম্পিউটার শিক্ষককে পাঁচ বছরের চুক্তিতে নিয়োগ করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী অনেকের চুক্তির মেয়াদ আরও কিছুদিন থাকার কথা থাকলেও, হঠাৎ ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে চুক্তি শেষ করার নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে শিক্ষকদের অভিযোগ।শিক্ষকদের আরও অভিযোগ, আগের কয়েকটি পর্যায়ে নিযুক্ত কম্পিউটার প্রশিক্ষকদের দীর্ঘমেয়াদি কাজের সুযোগ দেওয়া হলেও ষষ্ঠ ও সপ্তম পর্যায়ের শিক্ষকদের ক্ষেত্রে সেই সুবিধা দেওয়া হয়নি। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে তাঁদের বেতন কমানোর অভিযোগও উঠেছে।চুক্তি শেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় শুধু শিক্ষক ও তাঁদের পরিবার নয়, স্কুল কর্তৃপক্ষও সমস্যায় পড়তে পারেন বলে শিক্ষক সংগঠনের দাবি। কারণ সরকারি বিভিন্ন ডিজিটাল শিক্ষা প্রকল্পে এই কম্পিউটার শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চ-এর সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী বলেন, কম্পিউটার শিক্ষকদের নিয়মিতকরণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তার মধ্যে কাজ করা কঠিন এবং স্কুলের কাজে এই শিক্ষকেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।আপাতত শিক্ষকদের আন্দোলন প্রত্যাহার হলেও তাঁদের মূল দাবি পূরণ কতটা দ্রুত হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে। বিশেষ করে সরাসরি সরকারি চুক্তি, বেতন কাঠামো এবং চাকরির নিশ্চয়তা নিয়ে আগামী ছমাসে কী সিদ্ধান্ত হয়, তা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
দেশ

যশোভূমিতে ফিজিওথেরাপির মহামিলন: ১০ হাজারের মঞ্চে বাংলার গর্ব, সম্মানে IAP Bengal

২,০০০ কিলোমিটারের Physio Baton যাত্রা থেকে দিল্লির বর্ণাঢ্য মহাযাত্রাআন্তর্জাতিক সম্মেলনে উজ্জ্বল বাংলার উপস্থিতিনয়াদিল্লি: ফিজিওথেরাপির জগতে এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সাক্ষী থাকল নয়াদিল্লির যশোভূমি কনভেনশন সেন্টার। ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত World Physiotherapy Asia Western Pacific (AWP) Regional Conference 2026-এ দেশ-বিদেশের ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক, গবেষক, ছাত্রছাত্রী ও পেশাজীবীদের মিলন ঘটল এক বিশাল আন্তর্জাতিক মঞ্চে। Fitness for Allএই বার্তাকে সামনে রেখে আয়োজিত সম্মেলনে ফিজিওথেরাপির ভবিষ্যৎ, আধুনিক চিকিৎসা-পদ্ধতি, গবেষণা, জনস্বাস্থ্য এবং পেশাগত বিকাশ নিয়ে হয় একাধিক আলোচনা।সম্মেলনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক ছিল ১০ হাজারেরও বেশি ফিজিওথেরাপিস্টের একসঙ্গে উপস্থিতি। এই বিপুল অংশগ্রহণকে World Record হিসেবে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়। ফলে সম্মেলনটি শুধু একটি পেশাগত অনুষ্ঠানেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং আন্তর্জাতিক ফিজিওথেরাপি জগতের একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে পরিণত হয়।বিশেষ সম্মান IAP Bengal Branch-এরএই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে পশ্চিমবঙ্গের জন্য আসে আরও একটি উল্লেখযোগ্য স্বীকৃতি। IAP Bengal Branch-কে দেশের সেরা শাখা হিসেবে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড, পেশাগত উন্নয়ন এবং ফিজিওথেরাপি সংক্রান্ত বিভিন্ন উদ্যোগের স্বীকৃতি হিসেবেই এই সম্মানকে দেখা হচ্ছে।দিল্লির আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলার প্রতিনিধিদের হাতে এই সম্মান তুলে দেওয়ার মুহূর্তটি ছিল আবেগঘন। পশ্চিমবঙ্গের ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের কাছে এটি নিঃসন্দেহে এক গর্বের মুহূর্ত হয়ে ওঠে।বর্ধমান থেকে শুরু Physio Baton-এর ঐতিহাসিক যাত্রাসম্মেলনের আগে বাংলার সঙ্গে এই আন্তর্জাতিক আয়োজনের যোগসূত্র আরও দৃঢ় করে Physio Baton বা মশাল যাত্রা। ২২ সেপ্টেম্বর বর্ধমানের ঐতিহাসিক কার্জন গেট হয়ে সেই মশাল যাত্রার সূচনা হয়।কার্জন গেটে Physio Baton-কে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন প্রায় ৭০ জন ফিজিওথেরাপিস্ট। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ডাঃ সত্যেন ভট্টাচার্য, ডাঃ শুভেন্দু দ্বিবেদী (PT), ডাঃ আদিত্য পাল ডাঃ অতনু রায়, ডাঃ অনিন্দ দে (PT), ডাঃ শুকদেব মুখার্জী (PT)-সহ আরও অনেকে। উপস্থিত ছিলেন গোলাপবাগ ফিজিওথেরাপি কলেজের অধ্যক্ষ ডাঃ এম. এস. আনোয়ার (PT)।ঐতিহাসিক বর্ধমানের মাটি থেকে শুরু হয়ে প্রায় ২,০০০ কিলোমিটার সড়কপথ পেরিয়ে Physio Baton পৌঁছে যায় দিল্লিতে। এই দীর্ঘ যাত্রাপথে বিভিন্ন জেলা ও রাজ্যের ফিজিওথেরাপিস্টদের সঙ্গে যোগাযোগ, মতবিনিময় এবং পেশাগত সম্পর্ক গড়ে তোলার উদ্যোগও নেওয়া হয়।বাংলার ঐতিহ্য ধরা পড়ল দিল্লির মহাযাত্রায়দিল্লিতে পৌঁছনোর পর Physio Baton-কে কেন্দ্র করে আয়োজিত হয় বর্ণাঢ্য মহাযাত্রা। সেখানে বাংলার প্রতিনিধিরা নিজেদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সামনে তুলে ধরেন।পুরুষ প্রতিনিধিদের অনেকেই ধুতি-পাঞ্জাবি এবং মহিলা প্রতিনিধিরা শাড়ি পরে শোভাযাত্রায় অংশ নেন। পেশাগত পরিচয়ের পাশাপাশি বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এই উপস্থাপনা আন্তর্জাতিক মঞ্চে আলাদা মাত্রা যোগ করে।বর্ধমান থেকে শুরু হওয়া মশাল যাত্রার সেই ধারাবাহিকতা শেষ পর্যন্ত পৌঁছয় World Physiotherapy-এর সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক নেতৃত্বের মঞ্চে।ডাঃ রুচি ভার্শনে (PT) (Dr. Ruchi Varshney) এবং ডাঃ সঞ্জীব ঝা (PT) (Dr. Sanjeev Jha)-এর হাত ধরে Physio Baton তুলে দেওয়া হয় World Physiotherapy-এর President-এর হাতে। মুহূর্তটি উপস্থিত প্রতিনিধিদের মধ্যে বিশেষ আবেগ ও গর্বের সৃষ্টি করে।যাত্রার নেতৃত্বে ডাঃ কৌশিক মল্লিক (PT)এই দীর্ঘ ও তাৎপর্যপূর্ণ যাত্রার পরিকল্পনা, নেতৃত্ব এবং সমন্বয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন ডাঃ কৌশিক মল্লিক (PT), Vice President, IAP West Bengal Branch।প্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের এই সড়কযাত্রা শুধুমাত্র একটি মশাল বহনের কর্মসূচি ছিল না। পথে বিভিন্ন জেলা ও রাজ্যের ফিজিওথেরাপিস্টদের সঙ্গে যোগাযোগ, তাঁদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং পেশাগত নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগও এই যাত্রার অন্যতম লক্ষ্য হয়ে ওঠে।ফলে Physio Baton-এর যাত্রা কার্যত বাংলার সঙ্গে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের মধ্যে একটি সংযোগের সেতু তৈরি করে।১৩টি হলে একসঙ্গে বৈজ্ঞানিক কর্মসূচি২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর যশোভূমি কনভেনশন সেন্টারের বিশাল পরিসরে সম্মেলনের বিভিন্ন পর্ব পরিচালিত হয় ১৩টি হলে। একই সঙ্গে চলে একাধিক বৈজ্ঞানিক ও পেশাগত অধিবেশন।পেপার ও পোস্টার প্রেজেন্টেশন, বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, প্যানেল আলোচনা, কর্মশালা, ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন কার্যক্রম এবং দেশ-বিদেশের বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্টদের অংশগ্রহণে সম্মেলন কার্যত পরিণত হয় জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের এক বিশাল প্ল্যাটফর্মে।এই আন্তর্জাতিক মঞ্চে বর্ধমানের ফিজিওথেরাপিস্ট ডাঃ সত্যেন ভট্টাচার্য (PT) ও বক্তা হিসেবে অংশ নেন। বাংলার একটি জেলা শহর থেকে উঠে এসে আন্তর্জাতিক সম্মেলনের বৈজ্ঞানিক অধিবেশনে বক্তব্য রাখার বিষয়টিও স্থানীয় পেশাজীবীদের কাছে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।শুধু চিকিৎসা ও গবেষণার ক্ষেত্রেই নয়, আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার গুরুত্ব উপলব্ধি করে কনটেন্ট ক্রিয়েটর, পডকাস্টার এবং ডিজিটাল মিডিয়ার জন্যও বিশেষ পরিসর রাখা হয় সম্মেলনে।ফিজিওথেরাপির গুরুত্ব তুলে ধরলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীসম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। তাঁর বক্তব্যে আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থায় ফিজিওথেরাপির গুরুত্বের বিষয়টি উঠে আসে।এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ভিডিও বার্তা এবং কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকেও ভিডিও বার্তা সম্মেলনে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এর ফলে ফিজিওথেরাপি যে শুধুমাত্র পুনর্বাসনমূলক চিকিৎসার একটি অংশ নয়, বরং বৃহত্তর জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গএই বার্তাটিও আন্তর্জাতিক মঞ্চে আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।বাংলার জন্য একাধিক গর্বের মুহূর্তএকদিকে ১০ হাজারেরও বেশি ফিজিওথেরাপিস্টের ঐতিহাসিক উপস্থিতি, অন্যদিকে IAP Bengal Branch-এর বিশেষ সম্মাননা। তার সঙ্গে বর্ধমানের কার্জন গেট থেকে শুরু হওয়া Physio Baton-এর প্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের যাত্রা এবং দিল্লির মহাযাত্রায় বাংলার ঐতিহ্যবাহী পোশাকে প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণসব মিলিয়ে সম্মেলনে বাংলার উপস্থিতি হয়ে ওঠে বিশেষভাবে স্মরণীয়।এই যাত্রা দেখিয়ে দিল, ফিজিওথেরাপি এখন আর শুধুমাত্র চিকিৎসাক্ষেত্রের একটি নির্দিষ্ট শাখার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। গবেষণা, জনস্বাস্থ্য, ফিটনেস, পুনর্বাসন, প্রযুক্তি এবং সামাজিক সচেতনতার বৃহত্তর পরিসরে ফিজিওথেরাপির ভূমিকা ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে।যশোভূমির আন্তর্জাতিক মঞ্চে সেই পরিবর্তনেরই প্রতিফলন দেখা গেল। আর সেই মঞ্চে বাংলার প্রতিনিধিত্ব, IAP Bengal Branch-এর স্বীকৃতি এবং বর্ধমান থেকে শুরু হওয়া Physio Baton-এর ঐতিহাসিক যাত্রা পশ্চিমবঙ্গের ফিজিওথেরাপি মহলের জন্য তৈরি করল এক স্মরণীয় অধ্যায়।বর্ধমানের কার্জন গেট থেকে দিল্লির যশোভূমিপ্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের সেই যাত্রা তাই কেবল একটি মশাল বহনের গল্প নয়; এটি বাংলার ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের ঐক্য, উদ্যোগ, পেশাগত সংযোগ এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেওয়ার এক অনন্য কাহিনি।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
কলকাতা

রোজভ্যালির আমানতকারীদের টাকা কবে ফিরবে? হাই কোর্টের নির্দেশে সামনে এল নির্দিষ্ট সময়

রোজভ্যালি চিটফান্ড মামলায় আমানতকারীদের টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়া নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করল কলকাতা হাই কোর্ট। দীর্ঘদিন ধরে টাকা ফেরানোর কাজ চললেও তার গতি যথেষ্ট নয় বলে আদালতের পর্যবেক্ষণ। এবার নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে আমানতকারীদের টাকা ফেরানোর নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। একই সঙ্গে প্রতি মাসে কাজের অগ্রগতির হিসাব আদালতে জমা দিতে হবে।বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ এবং বিচারপতি সুদীপ দেবের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, রোজভ্যালির সম্পত্তি বিক্রি করে সেই অর্থ আমানতকারীদের মধ্যে বণ্টন করাই সম্পদ নিষ্পত্তি কমিটির মূল দায়িত্ব। এর বাইরে কমিটির কোনও অতিরিক্ত আইনি ক্ষমতা নেই। আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, কমিটির তত্ত্বাবধানে থাকা সহযোগী সংস্থা তৃতীয় পক্ষের সঙ্গে হোটেল পরিচালনার যে চুক্তি করেছিল, তার অনুমোদনের ক্ষমতা কমিটির ছিল না। ফলে ওই ধরনের অনুমোদনহীন চুক্তিগুলিকে শুরু থেকেই বাতিল বলে ঘোষণা করেছে আদালত।আমানতকারীদের পক্ষের আইনজীবীর দাবি, দীর্ঘ সময় ধরে কমিটির হাতে বিপুল সম্পত্তি থাকলেও সেই তুলনায় টাকা ফেরানোর কাজ খুব ধীর গতিতে হয়েছে। আদালতে যে তথ্য তুলে ধরা হয়েছে, তাতে প্রায় ৬০০ কোটি টাকার সম্পত্তির কথা বলা হয়েছে। তার মধ্যে মাত্র ৫৫ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা আমানতকারীদের মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে বলে দাবি। গত ১১ বছরে মাত্র ১০টি সম্পত্তির নিলাম এবং ৮০টি সম্পত্তির মূল্যায়ন সম্পূর্ণ হয়েছে বলেও আদালতে জানানো হয়।অন্যদিকে, রোজভ্যালি সম্পদ নিষ্পত্তি কমিটির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের শেষ দিক থেকে আমানতকারীদের টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত একাধিক দফায় এক লক্ষেরও বেশি দাবিদারকে টাকা দেওয়া হয়েছে এবং প্রায় ৩২ লক্ষ দাবি নথিভুক্ত হয়েছিল। ফলে আগের বছরগুলিতে কাজের গতি নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তার পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে শুরু হওয়া টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়াটিও আদালতের নজরে রয়েছে।হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১৫ নভেম্বরের মধ্যে অ্যাকাউন্টে থাকা প্রায় ৫৫০ কোটি টাকা মুলতুবি থাকা দাবিগুলির ভিত্তিতে যোগ্য আমানতকারীদের মধ্যে বণ্টনের ব্যবস্থা করতে হবে। আদালতের নির্দেশে ৩২ লক্ষ ৪৩ হাজার ২২০টি মুলতুবি দাবির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর ২০২৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বাকি সম্পত্তি বিক্রি এবং সেই অর্থ আমানতকারীদের মধ্যে বণ্টনের কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।শুধু সময়সীমা বেঁধে দিয়েই থামেনি আদালত। প্রতি মাসে সম্পদ নিষ্পত্তি কমিটিকে আদালতে কাজের অগ্রগতির রিপোর্ট জমা দিতে হবে। অর্থাৎ কতগুলি সম্পত্তি বিক্রি হল, কত টাকা বণ্টন করা হল এবং কতগুলি দাবি এখনও বাকি রয়েছে, সেই সংক্রান্ত অগ্রগতির হিসাব আদালতের নজরে থাকবে।আদালত আরও জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়সীমার পরেও যদি কাজ বাকি থাকে, তা হলে অবশিষ্ট সম্পত্তি, অর্থ এবং অন্যান্য অসম্পূর্ণ বিষয় বিচারপতি এস পি তালুকদারের নেতৃত্বাধীন এক সদস্যের কমিটির হাতে তুলে দেওয়া হবে। অর্থাৎ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ না হলে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ায় নতুন ব্যবস্থা কার্যকর হতে পারে।রোজভ্যালি মামলায় জালিয়াতির অভিযোগের তদন্ত এবং সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়ায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটও যুক্ত রয়েছে। এবার বাজেয়াপ্ত না হওয়া বাকি সম্পত্তি চিহ্নিত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ইডিকে নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, তদন্তে চিহ্নিত নতুন সম্পত্তির বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।এ ছাড়া সিরিয়াস ফ্রড ইনভেস্টিগেশন অফিসকে ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ফরেনসিক অডিট শেষ করে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। এর ফলে রোজভ্যালির সম্পত্তি, আর্থিক লেনদেন এবং টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়ায় আরও নজরদারি বাড়তে চলেছে।রোজভ্যালি মামলায় দীর্ঘদিন ধরে টাকা ফেরানোর অপেক্ষায় রয়েছেন বহু আমানতকারী। আদালতের এই নির্দেশে এবার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়া শেষ করার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। আগামী কয়েক মাসে সম্পত্তি বিক্রি, দাবির যাচাই এবং টাকা বণ্টনের কাজ কতটা দ্রুত এগোয়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হাসপাতাল থেকে সরাসরি এশিয়ান গেমস! বৃষ্টির মধ্যেই সোনা জিতে ইতিহাস নীরুর

এই কাহিনী শুনলে যে কারও মন ভালো হতে বাধ্য। লক্ষ্য যদি অবিচল থাকে তাহলে যে কোনও কঠিন পরিস্থিতি আসুক না কেন, কেউ তাঁকে হারাতে পারবে না। এশিয়ান গেমসে সোনা জেতার মাত্র ১০ দিন আগেও তাঁর কেরিয়ার নিয়ে তৈরি হয়েছিল বড় অনিশ্চয়তা। হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ভারতীয় ট্র্যাপ শুটার নীরু ধান্ডা। সংক্রমণের কারণে শারীরিক অবস্থা এতটাই খারাপ হয়েছিল যে, জাপানের নাগোয়ায় এশিয়ান গেমসে আদৌ অংশ নিতে পারবেন কি না, তা নিয়েই সংশয় তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সেই অসুস্থতাকেই পিছনে ফেলে মঙ্গলবার ইতিহাস গড়লেন ২৬ বছরের এই ভারতীয় শুটার।জাপানের গ্রামীণ টয়োটার উরেনোচো শুটিং রেঞ্জে প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই ট্র্যাপ শুটিংয়ের ফাইনালে ৩০টির মধ্যে ২৮টি লক্ষ্যভেদ করেন নীরু। এর ফলে এশিয়ান গেমসের নতুন রেকর্ড গড়ে সোনা জেতেন তিনি। চিনের সুন ইউনং ২৬টি লক্ষ্যভেদ করে রুপো পান। এশিয়ান গেমসে এটিই ভারতের পঞ্চম সোনা। তবে নীরুর সাফল্যের গুরুত্ব শুধু পদকের হিসাবেই নয়। এশিয়ান গেমসের ইতিহাসে এই প্রথম কোনও ভারতীয় মহিলা ট্র্যাপ শুটিংয়ে ব্যক্তিগত সোনা জিতলেন। একইসঙ্গে ১৯৭৮ সালের পর এই ইভেন্টে কোনও ভারতীয় শুটারের ব্যক্তিগত সোনার অপেক্ষাও শেষ হল। ১৯৭৮ সালে রণধীর সিং ট্র্যাপ শুটিংয়ে সোনা জিতেছিলেন।এই সাফল্যের নেপথ্যে ছিল কঠিন এক প্রত্যাবর্তনের গল্প। নয়াদিল্লিতে জাতীয় শিবিরে প্রায় সাড়ে তিন সপ্তাহ অনুশীলন করতে পারেননি নীরু। অসুস্থতার সময় টানা পাঁচ দিন খাবারও খাননি, শুধু জল খেয়ে ছিলেন। হাসপাতালেও তিন দিন কাটাতে হয় তাঁকে। এই কঠিন সময়ে পাশে ছিলেন তাঁর কোচ অর্জুন পুরস্কারপ্রাপ্ত মনশের সিং। প্রতিদিন ফোন করে নীরুকে মানসিকভাবে চাঙ্গা রাখতেন তিনি। নীরুর কথায়, কোচ তাঁকে বলতেন কয়েক দিন অনুশীলন না করলেও কিছু যায় আসে না, তিনি প্রতিভাবান এবং তারকা হয়েই থাকবেন। প্রাক্তন সাংসদ তথা ক্রীড়ামন্ত্রী যশোধরা রাজের কাছ থেকেও সমর্থনের বার্তা পেয়েছিলেন নীরু।ভারতের ট্র্যাপ শুটিং কোচ পিটার উইলসন জানান, হাসপাতালে থাকার মাত্র ১০ দিনের মধ্যেই নীরু প্রতিযোগিতায় নেমেছেন। সাড়ে তিন সপ্তাহ অনুশীলন না করেও জাপানে মাত্র দুদিন শুটিং করে ফাইনালে সাফল্য পেয়েছেন তিনি। নীরুর শুটিংয়ে আসার গল্পও বেশ চমকপ্রদ। ২০১৮ সালের এশিয়ান গেমসে তাঁর খুড়তুতো ভাই লক্ষ্য শেওরান ট্র্যাপ শুটিংয়ে রুপো জেতার পর এই খেলায় আগ্রহী হন তিনি। পরে ভোপালের মধ্যপ্রদেশ স্টেট শুটিং অ্যাকাডেমিতে প্রশিক্ষণ শুরু করেন।গত বছর এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা এবং চলতি বছরের জুলাইয়ে ISSF বিশ্বকাপে ব্যক্তিগত ট্র্যাপ সোনা জেতার পর এবার এশিয়ান গেমসেও সাফল্য পেলেন নীরু। তার উপর মঙ্গলবার ছিল প্রবল বৃষ্টি। বৃষ্টির জল শুটারদের হাতে পড়ছিল, মনোযোগও নষ্ট হচ্ছিল। কিন্তু নিজেকে বারবার প্রক্রিয়ায় ফিরিয়ে এনে লক্ষ্যভেদ করেন নীরু। হাসপাতালের বিছানা থেকে এশিয়ান গেমসের মঞ্চ, এই অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের শেষে তাঁর হাতেই উঠল ঐতিহাসিক সোনা।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
রাজ্য

জেএমবি-যোগের সন্দেহে মঙ্গলকোটের মসজিদের ইমামকে গ্রেপ্তার এনআইএ-র, বাজেয়াপ্ত ডায়েরি ও মোবাইল

পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটে মসজিদের ইমামকে গ্রেপ্তার করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। বাংলাদেশের নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (JMB)-এর সঙ্গে যোগাযোগ রাখার সন্দেহেই পালিশ গ্রামের পূর্বপাড়ার মসজিদের ইমাম পিয়ার মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার ভোরে মঙ্গলকোট থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে মসজিদে অভিযান চালায় এনআইএ। সেখান থেকেই তাঁকে হেফাজতে নেওয়া হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পিয়ার মোহাম্মদের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর থানার কুলুট গ্রামে। গত প্রায় তিন-চার বছর ধরে তিনি মঙ্গলকোটের পালিশ গ্রামের পূর্বপাড়ার মসজিদে ইমামের দায়িত্ব পালন করছিলেন। তদন্তকারীরা তাঁর পাসপোর্ট পরীক্ষা করে জানতে পেরেছেন, একাধিকবার বাংলাদেশে গিয়েছেন তিনি।এনআইএ সূত্রে খবর, মসজিদে ইমাম থাকার জন্য যে ঘরটি পিয়ার মোহামদ ব্যবহার করতেন, সেখান থেকে একটি ডায়েরি এবং মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ওই ডায়েরিতে বাংলাদেশের কয়েকজনের ফোন নম্বর পাওয়া গিয়েছে বলেও তদন্তকারী সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এই যোগাযোগগুলির সঙ্গে জঙ্গি সংগঠনের কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।চলতি বছরের জুন মাসে পশ্চিমবঙ্গ এবং উত্তর-পূর্ব ভারতকেন্দ্রিক কথিত সন্ত্রাসবাদী ষড়যন্ত্রের মামলায় ১১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করেছিল এনআইএ। সেই মামলার তদন্তের সূত্র ধরেই পিয়ার মোহাম্মদের নাম তদন্তকারীদের নজরে আসে বলে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার তাঁকে প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে গ্রেপ্তার করা হয়।তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, তাবলিগ জামাতের কাজে বৈধভাবে প্রায় ৪০ দিন বাংলাদেশে ছিলেন পিয়ার মোহাম্মদ। তবে সেই সফরের সময়ে তিনি জেএমবির কোনও সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন কি না, কোনও বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন কি না, কিংবা বাংলাদেশের কোনও জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে তাঁর আদৌ কোনও সম্পর্ক রয়েছে কি না, এই সব বিষয় খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।পিয়ার মোহাম্মদের সঙ্গে আরও কারও যোগাযোগ ছিল কি না, তাঁর মাধ্যমে কোনও বৃহত্তর জঙ্গি নেটওয়ার্কের সন্ধান পাওয়া যায় কি না, সেই বিষয়েও তদন্ত চালাচ্ছে এনআইএ ও স্থানীয় পুলিশ।ইমামকে জঙ্গি-যোগের সন্দেহে গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই পালিশ গ্রামে চাঞ্চল্য দেখা দেয়। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, পিয়ার মোহাম্মদকে তাঁরা বরাবরই শান্ত এবং সাধারণ স্বভাবের মানুষ হিসেবেই জানতেন। ফলে তাঁর গ্রেপ্তারের খবর তাঁদের বিস্মিত করেছে।এদিকে মঙ্গলবার দুপুরে ধৃত ইমামকে নিয়ে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেয় এনআইএ। তাঁকে কলকাতার ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।পিয়ার মোহাম্মদের আইনজীবী কাজি সাহাবাব জামান জানিয়েছেন, টেলিগ্রাম অ্যাপের মাধ্যমে নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে বার্তালাপের অভিযোগে তাঁর মক্কেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে তাঁর মক্কেল নির্দোষ বলে দাবি করেছেন আইনজীবী।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
দেশ

২৭০০ থেকে ২৭ হাজার! ক্যানসারের ওষুধে দশ গুণ দাম দেখে সুপ্রিম কোর্টে তোলপাড়

ক্যানসারের মতো গুরুতর রোগের চিকিৎসায় ওষুধের খরচ নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলেছে সুপ্রিম কোর্ট। একটি ক্যানসারের ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা খুচরো বিক্রেতাকে যে দামে ওষুধ দিচ্ছে, তার তুলনায় সর্বোচ্চ খুচরো দামের ব্যবধান দশ গুণ পর্যন্ত হতে পারেএমন তথ্য শুনানিতে উঠে আসে। উদাহরণ হিসেবে আদালত জানতে পারে, ২৭০০ টাকায় খুচরো বিক্রেতার কাছে পৌঁছনো একটি ওষুধের সর্বোচ্চ খুচরো দাম ২৭ হাজার টাকা। এই বিপুল ব্যবধান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে জবাব চেয়েছে শীর্ষ আদালত।বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চ ওষুধের মূল্যনিয়ন্ত্রণ, জেনেরিক ওষুধের ব্যবহার এবং চিকিৎসা সরঞ্জামের দাম সংক্রান্ত মামলার শুনানি করছিল। সেখানেই ক্যানসারের ওষুধের দামে খুচরো বিক্রেতার জন্য নির্ধারিত দাম এবং রোগীর জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ খুচরো দামের মধ্যে এত বড় ফারাক নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। আদালত জানতে চায়, ২৭০০ টাকায় যে ওষুধ বিক্রেতার কাছে যাচ্ছে, সেটির সর্বোচ্চ খুচরো দাম কেন ২৭ হাজার টাকা হবে।আদালতের প্রশ্ন ছিল, এই অতিরিক্ত টাকার বড় অংশ কোথায় যাচ্ছে এবং এর ফলে কারা লাভবান হচ্ছে। বিচারপতিরা এমন দামের ব্যবধানকে রোগীদের উপর গুরুতর আর্থিক চাপ হিসেবে দেখেছেন। বিশেষ করে ক্যানসারের মতো রোগে চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় ওষুধের দাম বেড়ে গেলে তার সরাসরি প্রভাব পড়ে রোগী এবং পরিবারের উপর।শীর্ষ আদালত বেসরকারি হাসপাতালের ওষুধ বিক্রির ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখেছে। শুনানিতে এমন অভিযোগের প্রসঙ্গ ওঠে যে, কিছু কর্পোরেট হাসপাতাল রোগীদের নিজেদের ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনতে বাধ্য করে। বাইরে থেকে একই ওষুধ কিনে আনলে চিকিৎসা নিয়ে সমস্যার আশঙ্কাও রোগীদের সামনে থাকে বলে আদালতে বিষয়টি উঠে আসে।সরকারি স্বাস্থ্য প্রকল্পের আওতায় চিকিৎসার ক্ষেত্রেও ওষুধের বাড়তি দাম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আদালত। কারণ কোনও সরকারি প্রকল্পে চিকিৎসা বা ওষুধের খরচ বেশি হলে শেষ পর্যন্ত সেই ব্যয়ের একটা অংশ সরকারি অর্থ থেকে মেটানো হয়। ফলে এর আর্থিক প্রভাব সাধারণ মানুষের উপরও পড়তে পারে বলে আদালত পর্যবেক্ষণ করেছে।শুনানিতে ওষুধকে অত্যাবশ্যকীয় এবং অনত্যাবশ্যকীয়এই ভাগ করে আলাদা নিয়ম রাখার যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। বিচারপতিরা জানতে চান, সব ধরনের ওষুধের ক্ষেত্রেই কি নির্দিষ্ট হারে লভ্যাংশের সীমা বেঁধে দেওয়া যায় না। আদালতের তরফে ১৬ শতাংশ লভ্যাংশের সীমার কথাও আলোচনায় আসে।কেন্দ্রের পক্ষে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করে সরকারের অবস্থান আদালতকে জানানো হবে। কেন্দ্র আরও সময় চেয়েছে বলেও সাম্প্রতিক শুনানির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। মামলাটির পরবর্তী শুনানি ১২ অক্টোবর হওয়ার কথা।তবে ১৬ শতাংশ লভ্যাংশের সীমা এখনই কার্যকর কোনও নতুন নিয়ম নয়। এটি শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্টের উত্থাপিত একটি প্রস্তাব বা প্রশ্ন। কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনার পর এ বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।ক্যানসারের ওষুধের দাম নিয়ে এই শুনানি তাই রোগীদের চিকিৎসার খরচ, ওষুধের মূল্যনিয়ন্ত্রণ এবং হাসপাতালের ওষুধ বিক্রির পদ্ধতিতিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কেই সামনে এনেছে। এখন কেন্দ্রের বক্তব্য এবং পরবর্তী শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের অবস্থানের দিকে নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
দেশ

সহকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি! কাঠুয়ায় সিআইএসএফ শিবিরে ভয়াবহ ঘটনায় মৃত্যু ৪ জওয়ানের

জম্মু ও কাশ্মীরের কাঠুয়ায় সিআইএসএফের একটি শিবিরে ভয়াবহ গুলিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার ডিউটি পরিবর্তনের সময় বচসার পর এক সহকর্মী কয়েকজন জওয়ানকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছেন বলে অভিযোগ। ঘটনায় চার সিআইএসএফ জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে। অভিযুক্ত জওয়ানকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সিআইএসএফ সূত্রে খবর, বিকেলে ডিউটি পরিবর্তনের সময় হেড কনস্টেবল অবধেশ সিংয়ের সঙ্গে কয়েকজন জওয়ানের বচসা হয়। প্রথমে বিষয়টি কথা কাটাকাটির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল বলে জানা গিয়েছে। পরে সেই বচসা বড় আকার নেয়।অভিযোগ, এক পর্যায়ে অবধেশ সিং নিজের রাইফেল তুলে সহকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি চালান। গুলিতে চার জওয়ান গুরুতর আহত হন। তাঁদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চারজনেরই মৃত্যু হয়।নিহত জওয়ানদের মধ্যে রয়েছেন সহকারী কমান্ড্যান্ট অঙ্কিত কুমার পাণ্ডে, সাব-ইন্সপেক্টর লক্ষ্মণ সিং, কনস্টেবল সঞ্জীব কুমার এবং কনস্টেবল মহম্মদ রফিক।ঘটনার পর কাঠুয়া সিআইএসএফ শিবিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। কী কারণে ডিউটি পরিবর্তনের সময় বচসা শুরু হয়েছিল এবং কী পরিস্থিতিতে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। সিআইএসএফ সদর দপ্তরের তরফে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি সিআইএসএফের মহাপরিচালক গোটা পরিস্থিতি এবং তদন্তের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করছেন।অভিযুক্ত জওয়ানকে গ্রেফতার করার পর তাঁর বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হবে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ কী, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে। চার সহকর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় কাঠুয়া সিআইএসএফ শিবিরে এখন তদন্তের পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal