• ২১ বৈশাখ ১৪৩৩, বুধবার ০৬ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Heat

রাজ্য

উত্তরে ঝড়-বৃষ্টি, দক্ষিণে ৪২ ডিগ্রির দাপট! বাংলার আবহাওয়ায় চরম উলটপুরাণ

বাংলার আবহাওয়ায় আবারও চরম বৈপরীত্যের ছবি। একদিকে উত্তরবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টি ও হলুদ সতর্কতা, অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে তাপমাত্রা দ্রুত বাড়ছে এবং ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছোঁয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আজ থেকেই দক্ষিণবঙ্গে গরমের তীব্রতা বাড়তে শুরু করবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।আবহাওয়াবিদদের মতে, একটি পূর্ব-পশ্চিম অক্ষরেখা উত্তর প্রদেশ থেকে মণিপুর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এই কারণে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকছে বাংলায়। এর প্রভাবেই উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।উত্তরবঙ্গে আজ ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি সহ উপরের দিকের পাঁচটি জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি হতে পারে। সঙ্গে ঘণ্টায় প্রায় ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়াও বইতে পারে। মঙ্গল ও বুধবার বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমলেও বৃহস্পতিবার আবার সব জেলাতেই বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে। তবে উত্তরবঙ্গের তাপমাত্রায় খুব বড় পরিবর্তন হবে না। মালদহ ও দক্ষিণ দিনাজপুরে কিছু এলাকায় মঙ্গলবার থেকে গরম ও অস্বস্তি বাড়তে পারে।অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে একেবারে উল্টো ছবি। এখানে তাপমাত্রা দ্রুত বাড়ছে এবং পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে তীব্র গরমের সতর্কতা জারি হয়েছে। কলকাতা ও আশপাশের এলাকাতেও ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল হতে হবে মানুষকে। যদিও আজ কয়েকটি জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, তাতে গরমের খুব একটা স্বস্তি মিলবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।আগামী তিন দিনে দক্ষিণবঙ্গে তাপমাত্রা দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। কলকাতায় তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি পর্যন্ত উঠতে পারে এবং পশ্চিমের জেলাগুলিতে তা ৪০ ডিগ্রি বা তার বেশি হতে পারে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম জেলায় গরম ও অস্বস্তি সবচেয়ে বেশি থাকবে। মঙ্গল ও বুধবার গরম চরমে উঠবে বলে পূর্বাভাস।আজ বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। অন্য জেলাগুলিতেও বিচ্ছিন্নভাবে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে মঙ্গল ও বুধবার বৃষ্টি কমে যাবে এবং বৃহস্পতিবার থেকে আবার বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে।কলকাতায় আজ আকাশ মোটামুটি পরিষ্কার থাকবে এবং রোদের তেজ বাড়বে। ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা খুবই কম। বরং তাপমাত্রা বাড়বে এবং গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া বজায় থাকবে। আগামী কয়েক দিন শহরে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ২৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩.৮ ডিগ্রি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় অস্বস্তি আরও বাড়তে পারে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

ফের দাপট দেখাবে গরম! দক্ষিণবঙ্গে তাপমাত্রা বাড়বে ৭ ডিগ্রি, সামনে ভয়াবহ দাবদাহ

মনোরম আবহাওয়ার দিন শেষ হতে চলেছে। ধীরে ধীরে ফের বাড়ছে গরমের দাপট। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী সাত দিনে বৃষ্টির সম্ভাবনা খুবই কম। উল্টে রোদের তেজ বাড়বে এবং তাপমাত্রা দ্রুত ঊর্ধ্বমুখী হবে।দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৫ থেকে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে। বিশেষ করে ১৩ থেকে ১৬ এপ্রিলের মধ্যে বেশ কিছু জেলায় চরম দাবদাহের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলায় সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত গরম অনেকটাই বাড়বে। সঙ্গে বাড়বে অস্বস্তিও। যদিও সোমবার দু-এক জায়গায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, তবে তা গরম কমাতে খুব একটা সাহায্য করবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হতে পারে।উত্তরবঙ্গে অবশ্য আবহাওয়ার কিছুটা ভিন্ন চিত্র দেখা যাবে। শনিবার ও রবিবার দার্জিলিং, কালিম্পং এবং জলপাইগুড়ির মতো পাহাড়ি এলাকায় হালকা বৃষ্টি এবং বজ্রবিদ্যুতের সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে বইতে পারে দমকা হাওয়া। তবে আগামী সপ্তাহ থেকে সেখানেও বৃষ্টির পরিমাণ কমে যাবে এবং তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করবে। উত্তরবঙ্গের সমতলের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ৩ থেকে ৫ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে।কলকাতাতেও গরমের প্রভাব স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। সকাল থেকে আকাশ পরিষ্কার থাকলেও বেলার দিকে আর্দ্রতার কারণে অস্বস্তি বাড়ছে। রবিবারের মধ্যে শহরের তাপমাত্রা ৫ থেকে ৭ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস। গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, তবে আগামী কয়েক দিনে শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে অস্বস্তি আরও বাড়বে। বুধবার পর্যন্ত এই অস্বস্তিকর পরিস্থিতি বজায় থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১১, ২০২৬
রাজ্য

চৈত্রেই আগুন ঝরছে! চল্লিশ পেরোল তাপমাত্রা, বৈশাখে কী হবে ভেবে আতঙ্কে বঙ্গবাসী

এপ্রিলের শুরুতেই তীব্র গরমে নাজেহাল রাজ্যবাসী। সকাল থেকেই চড়া রোদ, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে তাপমাত্রা। ইতিমধ্যেই অনেক জায়গায় পারদ ৪০ ডিগ্রি ছুঁয়ে ফেলেছে। চৈত্র মাসেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় বৈশাখে কী হবে তা নিয়ে চিন্তায় সাধারণ মানুষ।আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যের একাধিক জেলায় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির গণ্ডি পেরিয়েছে। পানাগড়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পৌঁছেছে ৪০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। বাঁকুড়াতেও তাপমাত্রা ছিল প্রায় ৪০ ডিগ্রি। দমদমে তাপমাত্রা ছিল ৩৮ ডিগ্রির কাছাকাছি এবং কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল প্রায় ৩৬ ডিগ্রি।শনিবারও দিনভর গরম ও আর্দ্র আবহাওয়া বজায় থাকবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। কলকাতার আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। বিকেল বা সন্ধ্যার দিকে আবহাওয়ার কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে। আজ শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৩৭ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ২৮ ডিগ্রির আশপাশে থাকতে পারে।আজ কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে শুষ্ক আবহাওয়া থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারেও হালকা বৃষ্টি এবং কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।তবে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে শীঘ্রই আবহাওয়ার পরিবর্তনের আশা করা হচ্ছে। শনিবার থেকেই পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ঝড়-বৃষ্টির জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই বৃষ্টির জেরে তাপমাত্রা তিন থেকে চার ডিগ্রি পর্যন্ত কমতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
রাজ্য

বাংলাদেশী নাগরিক পরিচয়ে চিকিৎসার জন্য ২১ লক্ষ টাকা প্রতারণা, গ্রেফতার দুই

অভিনব কায়দায় ২১ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগে দুই প্রতারককে গ্রেফতার করলো বনগাঁ সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ। বাংলাদেশী নাগরিক পরিচয় দিয়ে কয়েকজন পরিচিতের নাম বলে চিকিৎসার জন্য টাকা ধার নিয়ে প্রতারণা করার অভিযোগে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, গত বছর নভেম্বর মাসের ২ তারিখে পেট্রাপোল থানার পুরাতন বনগাঁ এলাকার বাসিন্দা অমিত হালদার বনগাঁ সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ জানিয়ে বলেন, অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তি বাংলাদেশী নাগরিক পরিচয় দিয়ে তার কয়েকজন পরিচিতের সুপারিশ নিয়ে তাকে চিকিৎসার জন্য টাকা ধার দিতে বলেন। ঐ ব্যক্তি ফোন মারফত বলেন, তিনি ভারতে চিকিৎসা করাতে আসবেন তার জন্য টাকা প্রয়োজন এবং তাকে ধার দিতে অনুরোধ করেন, আশ্বাস দেন টাকা ফেরত দিয়ে দেবেন। অমিত বাবু তার কথায় তাকে ২১ লক্ষ টাকা ধার দেন এবং পরবর্তীতে প্রতারিত হয়েছেন বুঝতে পেরে বনগাঁ সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অমিত বাবুর অভিযোগ পেয়ে ঘটনার তদন্তে নেমে দুই প্রতারককে গ্রেফতার করে বনগাঁ সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত দুই প্রতারক প্রানতোষ বনিককে শিলিগুড়ি থেকে এবং বিকাশ তামাংকে দার্জিলিং এর মিরিক থেকে গতকাল গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের বুধবার ৬ দিনের জন্য নিজেদের হেফাজতে চেয়ে বনগাঁ মহকুমা আদালতে পেশ করেছে বনগাঁ সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ। ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নিয়ে পুলিশ জানতে চায় এই প্রতারনার পিছনে আর কারা কারা জড়িত এবং এই প্রতারনার জাল কতদূর ছড়িয়েছে।

জুন ২৬, ২০২৫
রাজ্য

ঝলসে যাওয়া আগুনে জ্বালাপোড়া দহন থেকে মুক্তি! ঝড়-বৃষ্টি কোন কোন জেলায়?

তাহলে কি জ্বালাপোড়া গরম থেকে মুক্তি পেতে চলেছে বাংলা। বৈশাখের শেষেই স্বস্তির খবর দিয়েছে হাওয়া অফিস। আগামী ৬-৮ দিন তাপমাত্রা কমতে পারে ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পাশাপাশি রয়েছে বৃষ্টির পূর্বাভাস।আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সোমবার থেকে তাপপ্রবাহের সম্ভাবনা কম। রাজ্য জুড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। এতদিন শুষ্ক পশ্চিমা এবং উত্তর-পশ্চিমা বাতাস ঢুকছিল বাংলায়। এখন হাওয়া বদল হচ্ছে। বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকছে। কাছাকাছি ঘূর্ণাবর্ত বা নিম্নচাপ অক্ষরেখা তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। সে কারণেই বৃষ্টির উপযোগী পরিস্থিতি তৈরি করেছে।দক্ষিণের বেশ কিছু জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, নদিয়া এবং দুই ২৪ পরগনায় বৃষ্টি হতে পারে। সোমবার এবং মঙ্গলবার দক্ষিণের সর্বত্র বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা। সঙ্গে দোসর হবে দমকা ঝোড়ো হাওয়া। কোথাও কোথাও কালবৈশাখীর সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী বুধ-বৃহস্পতিবারও বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণ বঙ্গের একাধিক জেলায়। তবে বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা সোম-মঙ্গলবার।দক্ষিণবঙ্গের ৬টি জেলায় কালবৈশাখীর সতর্কতা জারি হয়েছে। দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, বর্ধমান, নদিয়া, মুর্শিদাবাদে জারি কালবৈশাখী ঝড়ের সতর্কতা। সপ্তাহের প্রথম দিন সোমবার কয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ভারী বৃষ্টি হতে পারে বীরভূম ও মুর্শিদাবাদ জেলায়। দক্ষিণবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতেও আগামিকাল ঝড়-বৃষ্টির দাপট থাকবে।উপকূলের জেলাগুলিতে বাড়তি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সমুদ্র উত্তাল হতে শুরু করবে আগামী মঙ্গলবার থেকেই। মৎস্যজীবীদের তার আগেই ফিরে আসতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আপাতত আগামী বুধবার পর্যন্ত এই দুর্যোগ চলবে বলে জানা গিয়েছে। ঝড়-বৃষ্টির হাত ধরেই অসহ্য গরম থেকে বেশ কিছুটা মুক্তির স্বাদ মিলবে।

মে ০৫, ২০২৪
রাজ্য

তীব্র দহনে ছাড়খাড় বাংলা, বর্ষা কবে প্রবেশ করবে বঙ্গে? জানুন আপডেট

তীব্র দাবদহে ঝলসে যাচ্ছে বাংলা। সকাল হতেই রোদের জ্বলন, বেলা বাড়তেই গরমও বাড়ছে পাল্লা দিয়ে। তাপমাত্রার পারদ ৪০ ডিগ্রি এখন যেন স্বাভাবিকের কোটায়। দক্ষিণবঙ্গ ও জঙ্গলমহল পুড়ে ছাড়খাড়। এখন বঙ্গবাসীর মনে একটাই প্রশ্ন বৃষ্টি কবে আসছে? চাতক পাখীর মতো অবস্থা সারা বাংলার। তবে বর্ষা নিয়ে কোনও আশারবানী শোনাতে পারছে না হাওয়া অফিস। বরং আলিপুর হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী তাপপ্রবাহ চলতে থাকবে। কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত হলেও বর্ষার কোনও সম্ভাবনাই এখন নেই। বর্ষা আসতে এবার দেরি হবে। সাধারণত বঙ্গে বর্ষা প্রবেশ করে ৮-১০ জুন নাগাদ। উল্টে রাজ্যের বেশ কিছু জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয় দফতর। আলিপুর হাওয়া অফিসের আধিকারিক সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কেরলে বর্ষা প্রবেশের ইতিমধ্যে ৬দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত তা লাক্ষাদ্বীপের কাছেই আটকে আছে। এদিকে দক্ষিণ-পূর্ব আরব সাগরে ঘুর্ণাবর্ত নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এই নিম্নচাপ আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘন্টায় গভীর থেকে অতি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। শেষ পর্যন্ত এর হাত ধরেই কেরলে বর্ষা প্রবেশ করতে পারে। ভারতের মূল ভূখণ্ড কেরলের পর দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু একেবারে দক্ষিণ ভারত থেকে উত্তর-পূর্ব ভারতে চলে আসে। উত্তর পূর্ব ভারতের রাজ্য অসম, মেঘালয় হয়ে তা উত্তরবঙ্গে প্রবেশ করে বর্ষা। সাধারণত জলপাইগুড়িতে ৭ জুন বর্ষা প্রবেশের স্বাভাবিক দিন। এখন রাজ্যে যে তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি চলছে তাতে এবার বর্ষা বেশ কয়েক দিন পরে ঢুকবে বলে অনুমান আবহাওয়াবিদদের। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অনুকূল পরিস্থিতি না থাকার কারণেই দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা ঢুকবে দেরিতে।

জুন ০৬, ২০২৩
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে সোমবার থেকে ছুটির ঘোষণা সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে

মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিতে ছুটির বিজ্ঞপ্তি জারি করল রাজ্য সরকার। আগামী কাল সোমবার থেকে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় এক সপ্তাহ ছুটি থাকবে অতিরিক্ত গরমের জন্য। মুখ্যমন্ত্রীর অনুরোধে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিও ছুটির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। সরকারি নির্দেশ মেনে বর্ধমান মডেল স্কুলও ছুটি ঘোষণার বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।গত কয়েক দিন ধরেই টানা রোদে-গরমে পুড়ে ছারখার বাংলা। তীব্র দাবদাহের পরিস্থিতি বিবেচনা করে রবিবার সকালেই রাজ্যের সব সরকারি স্কুলে কাল থেকেই ছুটি ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগামী সপ্তাহেই রাজ্যের সরকারি-বেসরকারি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়কে ছুটি দিতে বলেছেন। সপ্তাহের শুরু সোমবার থেকে শনিবার পর্যন্ত সরকারি স্কুল-কলেজ সহ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটির ঘোষণার কথা জানিয়ে দেন তিনি। বেসরকারি স্কুল-কলেজগুলিকেও ছুটি দিতে অনুরোধ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ের পাহাড়ী এলাকা এই ছুটির আওতা থেকে বাদ যাবে। রাজ্যে একাধিক জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি রয়েছে। যা আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত থাকার সম্ভাবনা আছে। তীব্র গরমে ছাত্র-ছাত্রীরা অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে বলে মনে করছে রাজ্য। তাই আগাম গরমের ছুটির ঘোষণা।

এপ্রিল ১৬, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

ধূমকেতু পাপেট থিয়েটারের সপ্তম জাতীয় পুতুল নাটকের উৎসব

ধুমকেতু পাপেট থিয়েটারের পরিচালনায় ও কেন্দ্রীয় সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রকের সহযোগিতায় সপ্তম জাতীয় পুতুল নাটক উৎসব সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হলো দুদিন ধরে উত্তর কলকাতার বাগবাজার রিডিং লাইব্রেরীতে। সংস্থার পরিচালক দিলীপ মন্ডল জানান এবার উৎসবের থিম জনসেবায় পুতুলের ব্যবহার, শিক্ষা স্বাস্থ্য ও সমাজ সচেতনতা। আমরা গত সেপ্টেম্বর মাস থেকে কলকাতার নানান স্কুল ও সংস্থায় আমরা পাপেট কর্মশালা ও সেমিনার করে চলেছি। আসাম ও নাগাল্যান্ডে ওয়াকসপ সেমিনার করার পরেও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্কুলে এবং বিভিন্ন সংস্থায় পাপেটের কর্মশালা ও সেমিনারের করেছি। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্কুলে পরিবেশ পরিচ্ছন্ন ও স্বচ্ছতা, স্বচ্ছ ভারত নিয়ে পুতুল নাটক করা হয়। এবারের উৎসবের সমাপ্তি অনুষ্ঠান হয় বাগবাজার রিডিং লাইব্রেরীতে দুদিনে ধরে। প্রদীপ জ্বালিয়ে এই উৎসবের শুভ সূচনা করেন বিশিষ্ট সমাজসেবী সমিত সাহা ও নাট্য নির্দেশক সুরজিৎ সিনহা। তাদের উত্তরীয় ও স্বারক দিয়ে সংবর্ধনা জানান ধূমকেতু পাপেট এর কর্ণধার দিলীপ মন্ডল। প্রেক্ষাগৃহে প্রথম দিনের অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিলো ধুমকেতু পাপেট থিয়েটারের স্বাধীনতা বিপ্লবীদের শ্রদ্ধাঞ্জলি।বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ছেলেমেয়েদের নিয়ে জগায়ের স্বপ্ন রাংতাল থিয়েটারের মানব পুতুল এবং সংবেদনের ঠোঙার পাপেট মঞ্চস্থ হয়। দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠান শুরু বেলা দুটো থেকে। এদিন ছিলো শিল্পাঞ্জলির র তারের পুতুল নাচ আর কথা বলা পুতুল, ধুমকেতু পাপের থিয়েটারের কথা বলা পুতুল, অরুণ কুমার ঘোষের পুতুল নাচ, আশা নিকেতনের জগায়ের স্বপ্ন দ্বিতীয় পর্ব আর স্বনির্ভর দলের পাপেটে পড়া পড়া খেলা। এই ছিলো উৎসবের দ্বিতীয় ও শেষ দিনের ধূমকেতু পাপেট আয়োজিত জাতীয় পুতুল উৎসবের মূল আকর্ষণ। সব মিলিয়ে সমগ্র অনুষ্ঠানটি এক কথায় অনবদ্য হয়ে ওঠে। সামগ্রিক অনুষ্ঠান এর ভাবনা, পরিকল্পনা ও পরিচালনায় ছিলেন ধূমকেতু পাপেট এর কর্ণধার দিলীপ মন্ডল।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৩
রাজ্য

বর্ধমানে কাজ দেওয়ার নামে মহিলাদের সাথে প্রতারনা

প্রতারণার শিকার কয়েকশো মহিলা। একটি সংস্থায় কাজ দেওয়ার নামে তাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয় বলে অভিযোগ। প্রতারিত মহিলারা শুক্রবার বিডিওর দারস্থ হয়। পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের বড়বেলুন, নাসিকগ্রাম, খেরুর সহ একাধিক গ্রামের মহিলাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয় বলে অভিযোগ। মহিলাদের দাবি মুরারীপুর এলাকার এক মহিলা একটি সংস্থায় তাদেরকে কাজে নিয়োগ করেছিল। তাদের সঙ্গে চুক্তি হয় মাসে দুহাজার টাকা করে সংস্থায় জমা করতে হবে। তাদের বেতন মাসে ১২০০ টাকা। অন্যান্য মহিলাদের সংস্থায় যুক্ত করালে তার বিনিময়ে আরো টাকা পাবেন তারা।দুতিন মাস কাজ করার পর তারা কোনও টাকা না পেয়ে বুঝতে পারেন তারা প্রতারিত হয়েছেন। এরপর বিভিন্ন গ্রামের মহিলারা একত্রিত হয়ে ভাতার ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকের কাছে দ্বারস্থ হন লিখিত অভিযোগ জানান। টাকা ফেরতের দাবি জানান মহিলারা। ভাতারের বিডিও অরুণ কুমার বিশ্বাস বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।

ডিসেম্বর ০২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

রবীন্দ্রনগর নাট্যায়ুধ-এর নতুন প্রযোজনা ‘মাস্টারদা: ১৯৩০’

স্বাধীনতার ৭৫ তম বর্ষে স্বাধীনতা সংগ্রামী মাস্টারদা সূর্য সেনের প্রতি নিবেদিত এক শ্রদ্ধাঞ্জলি হিসাবে দমদমের ঐতিহ্যবাহী নাট্যদল রবীন্দ্রনগর নাট্যায়ুধ মঞ্চস্থ করল তাঁদের নতুন প্রযোজনা মাস্টারদা: ১৯৩০। নাটকটি লিখেছেন ও নির্দেশনা দিয়েছেন ড. দানী কর্মকার। কলকাতার মুক্তাঙ্গন মঞ্চে মঞ্চস্থ হল নাটকটি। মাস্টারদার জীবন ও দর্শনমগ্ন এক সমষ্টিজীবন এই নাট্য। এই নাটক এক বেদনাদায়ক এবং একই সাথে বিস্মৃত ইতিহাসের গৌরবময় পাঠে পরিণত হয়েছে। ডকু থিয়েটারের আঙ্গিকে মঞ্চের নির্ধারিত পরিসরেই উঠে এসেছে ঐতিহাসিক সেই সময়। অবিভক্ত বাংলার অজস্র বিপ্লবীদের স্বাধীনতার লড়াইয়ে অবিস্মরণীয় আত্মবলিদানের এক রক্তাক্ত দলিল যেন এই নাটক। এ যেন সংলাপের মাধ্যমে এক অখন্ড জীবন-কথা। নাট্যকার সংলাপ, আবহে, অভিনয়ের মাধ্যমে মঞ্চের পরিসরে ত্রিশের সেই ঐতিহাসিক যুগ রচনা করেছেন আশ্চর্য দক্ষতায়। ঐতিহাসিক হলেও এই নাটক সমকালীন চিরন্তন মহাকাব্য হয়ে উঠেছে। ত্রিশের দশকে ব্রিটিশ পরাধীনতার সেঁকল ছিঁড়তে বাংলার যে সমস্ত বিপ্লবী তরুণ তরুণী সংগ্রাম করেছেন তাঁদের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মাস্টারদা। গান্ধীজীর অহিংস আন্দোলনের বিপরীতে চট্টগ্রামে সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন মাস্টারদা। আইরিশ রিপাবলিকান আর্মির বিপ্লবের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে নিজের দলের নাম রেখেছিলেন ইন্ডিয়ান রিপাবলিকান আর্মি, চট্টগ্রাম শাখা। সেইসব স্বাধীনতা সংগ্রামীদের নাম ও অবদানের পাশাপাশি এই নাটকে উল্লেখিত হয়েছে তৎকালীন ঐতিহাসিক ঘটনা ও মুহূর্ত। এ যেন অগ্নিযুগের বিপ্লবনাট্য।অতিমারি কাটিয়ে মাস্টারদার জীবন ও সাধনার সমস্ত তথ্য সাল-তারিখসহ ১ ঘণ্টা ২৫ মিনিটের এই নাটকটি সত্যি অনবদ্য। মাস্টারদার চরিত্রে কাজল শম্ভুর চরিত্রায়ন প্রশংসার দাবি রাখে। এছাড়া কল্পনা দত্ত ও প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার চরিত্রে যথাক্রমে ঝুমা ঘোষ ও বর্ণালী কর্মকার নাটকে প্রাণ সঞ্চার করেছেন।নাটকের অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন অমিত সরকার, রাজদীপ সাহা, বিনায়ক কর্মকার, লোকনাথ দাস, ঈশান কর্মকারসহ এক ঝাঁক তরুণ-তরুণী। নাটকের আবহ ও মঞ্চ পরিকল্পনায় ছিলেন ড. দানী কর্মকার। নাটকের বিশাল প্রেক্ষাপট, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও আবেগময় মুহূর্ত সৃষ্টিতে আবহ বিরাট ভূমিকা রেখেছে। মঞ্চে বিশাল রক্তাক্ত ক্যানভাস নাটকের বিষয়ভিত্তিক পরিবেশ সৃষ্টিতে সহায়তা করেছে। আলো আঁধার ও যুদ্ধের ভয়াবহতা বোঝাতে সক্ষম হয়েছেন আলোক পরিকল্পক গোবিন্দ কর্মকার। এছাড়া রূপসজ্জায় ছিলেন সৌগত মিত্র, পোশাক ভাবনায় সীমা কর্মকার এবং কোরিওগ্রাফি করেছেন বর্ণালী কর্মকার।

জুন ২৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কাঁচড়াপাড়া ফিনিকের নাটক " বন্ধনহীন গ্রন্থি "

কাঁচরাপাড়া কাজী নজরুল ইসলাম মঞ্চে কাঁচরাপাড়া ফিনিক প্রযোজিত নাটক বন্ধনহীন গ্রন্থি মঞ্চস্থ হলো। এক পৌঢ় দম্পতির নিঃসঙ্গ বেদনা নাটকের বিষয়বস্তু। দুই পুত্র বিদেশে ব্যাস্ত থাকার কারণে দীর্ঘ কয়েক বৎসর পুত্র, পুত্রবধু ও নাতি-নাতনীদের মুখদর্শনেবঞ্চিত দম্পতির অতীতচারণে উঠে আসে। নিজেদের স্বার্থপরতার কথা, পুত্রদের উচ্চশিক্ষা বিদেশে না হলে সমাজে সম্মান না থাকার কথা, আত্মীয় পরিজনদের সঙ্গে স্বেচ্ছায় দূরত্ব তৈরি করা ইত্যাদি। এরই মধ্যে ধূমকেতুর মতো উদয় হয় পৌড়ের ভাগ্নে এবং ছোটবোন। বিনাপয়সায় চক্ষু অস্ত্রপচার শিবিরে মাকে ডাক্তার দেখানোর জন্য সুদূর বর্ধমানের এক গ্রাম থেকে সটান চলে আসে সুধাময়ের বাড়িতে এক/দুদিনের জন্য থাকতে। প্রথমে বিরক্তি হলেও পরে ভাগ্নে কার্তিক এবং বোন মিনতির সাহচর্যে এবং কার্তিকের মা-বাবার প্রতি দায়িত্ব পালনের প্রতি কর্তব্যকর্মে মুগ্ধ হয়ে ওঠে।পরিশেষে উপলব্ধি করে যে একা একা বাঁচা যায় না। নিঃসঙ্গতা কাটাতে হলে পরস্পর পরস্পরের হাত ধরে আনন্দের সঙ্গে বাঁচতে হবে। তাই প্রতিবেশী দীবাকর বাবুর কথা মত একটি সংস্থার সাথে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে নাটকের সমাপ্তি।নীল কৌশিকের মঞ্চ অন্যমাত্রা এনে দেয়। বাপ্পা সেনের আলো - দুঃখ, বেদনা, আনন্দ ও স্মৃতি রোমন্থনে দারুন ভাবে কাজ করেছে। সুজয় সেনগুপ্তর আবহ, দৃশ্যায়ন তৈরিতে সহায়তা করেছে। অভিনয়ে কনক মুখার্জি ও অমিতা সেন অনবদ্য। তপন মণ্ডল ও সুতপা দাস যথাযথ , তবে কার্তিক চরিত্রে গৌতম ঘোষের অনবদ্য অভিনয় অনেকদিন মনে থাকবে।এককথায় উপভোগ্য একটি প্রযোজনা। এই নাটকের পরিচালক কাবেরী মুখার্জি নাট্যকার অতনু মজুমদারের নাটকের বক্তব্যকে সহজ এবং সুন্দর ভাবে দর্শকের কাছে উপস্থাপিত করেছেন।

জুন ০৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ইউটিউবে দর্শকদের নাটক দেখাতে বিশেষ ভাবনা

নাটক দেখবো। কিন্তু তাও আবার ইউটিউবে? সেরকমই ভাবনা নিয়ে এসেছে ইউপিক্স কলকাতা। করোনা পরিস্থিতিতে ইউটিউবের জনপ্রিয়তা বেড়ে যাওয়ায় সেই ইউটিউব কে কাজে লাগিয়ে নাটকের ভাবনা নিয়েছে এই সংস্থা। তাদের এই ইউটিউব চ্যানেলের শুভ উদ্বোধন হয়ে গেল যাদবপুরের ইন্দুমতি সভাগৃহ তে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বদেশ গাঙ্গুলি, প্রান্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়, রিমি গাঙ্গুলি, অভিজিৎ সেন, রিপণ দাস সহ অন্যান্যরা। বাংলাদেশে ইউটিউবের মাধ্যমে নাটককে তুলা ধরার বিষয়টা বেশ জনপ্রিয় হয়েছে। তাদের আদলেই নাটককে ইউটিউবের মাধ্যমে দর্শকদের কাছে তুলে ধরার ভাবনা নিয়েছে ইউপিক্স কলকাতা। ইউপিক্স কলকাতা-র প্রতিষ্ঠাতা সানি মন্ডল জানিয়েছেন নবাগত চলচ্চিত্র পরিচালকরা যাতে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে তার জন্য এগিয়ে এসেছে ইউপিক্স কলকাতা। এদিন এই সংস্থার পক্ষ থেকে হ্যাপি বার্থডে, টোটাল সোশ্যাল, এবং দ্য ট্রিপ এই তিনটি ছোট নাটকের পোস্টার উন্মোচন করা হয়। চ্যানেলটি ৫ জুন ইউটিউবে লঞ্চ হবে। সেদিন হ্যাপি বার্থডে নাটকটি দেখতে পাবেন দর্শকরা।

মে ২৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সালকিয়া সব্যসাচী থিয়েটার দলের নাট্য সেমিনার

বর্তমানে বিভিন্ন থিয়েটার দল থিয়েটার সেমিনারের আয়োজন করছে। থিয়েটার সেমিনারের মূল লক্ষ্য থিয়েটার সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া। সেরকমই সালকিয়া সব্যসাচী বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের জন্য সন্ধ্যাবেলায় থিয়েটার সেমিনারের আয়োজন করে। সালকিয়া শিল্পাশ্রম স্কুলে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়। সাতটি স্কুলের ৭৫ জন ছাত্রছাত্রী এই সেমিনারে অংশগ্রহণ করে। বিশিষ্ট অভিনেতা, পরিচালক ও বেতার শিল্পী মুরারী মুখোপাধ্যায়ের অসামান্য দক্ষতায় প্রায় দু-ঘন্টা ধরে বিশ্লেষণ করেন থিয়েটার নিয়ে আলোচনা করেন এর মধ্যে ছিল থিয়েটার কি? থিয়েটারের প্রয়োজনীয়তা কেন? মুরারী মুখোপাধ্যায় জানান বিদ্যালয় থেকেই শুরু হওয়া দরকার থিয়েটার শিক্ষা।এছাড়াও অভিজিৎ চ্যাটার্জী ও এই বিষয়ে আলোচনা করে। ছাত্রছাত্রীরা মুগ্ধ হয়ে এই থিয়েটার আলোচনা শুনে আপ্লুত হন। ছাত্রছাত্রীরাও প্রশ্নোত্তর পর্বেও যোগদান করে। শেষে তারা বলে এই প্রথম এমন একটি অনুষ্ঠানে তারা অংশ নিল যেখানে তারা শিখলো যে পুঁথিগত বিদ্যা ও অর্থনৈতিক সচ্ছলতাই জীবনে সব নয়। এই থিয়েটার সেমিনার নিয়ে তারা জানল চরিত্র গঠন, মনের বিকাশ ও জ্ঞানের ভান্ডার একমাত্র থিয়েটারই বৃদ্ধি করতে পারে।

মে ১২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

নাটক নিয়ে বিশেষ ভাবনা, অ্যাপের মাধ্যমে জানা যাবে নাটকের বিভিন্ন বিষয়

নাটকের জন্য একটি বিশেষ প্ল্যাটফর্ম টাইমস অফ থিয়েটার-এর আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ হল কলকাতা প্রেস ক্লাবে। গুগল প্লে স্টোরে এই অ্যাপটি পাওয়া যাচ্ছে। এই প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন বিল্পব দাশগুপ্ত, শমীক বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌমিত্র বসু, জগন্নাথ বসু, উর্মিমালা বসু, অংশুমান ভৌমিক, মুরারি রায়চৌধুরী, প্রদীপ মিত্র, সঞ্চয়িতা ভট্টাচার্যর মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।টাইমস অফ থিয়েটার প্রকাশ অনুষ্ঠানে জানানো হয়, নাটক নিয়ে কাজ করতে করতেই আমাদের মনে হয়েছিল যে নাটকের জন্য এমন কিছু করা দরকার যা নাটককে আমাদের হাতের মুঠোয় এনে দেবে। রোজকার জীবনে নাটক যেন বন্ধুর মতো থাকে। তাই টিওটি রেডিও অ্যাপ তৈরি হল। টিওটি রেডিও অ্যাপে সারাদিন নাটক, নাটক নিয়ে আলোচনা, নাটকের গল্প, নাটকের গান, নাটকের কুইজ, ছোটদের নাটক সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যাবে। টিওটি রেডিও অ্যাপের কোনো সাবস্ক্রিপশন ফি নেই। বিশ্বের যেকোনও প্রান্ত থেকে এই অ্যাপের মাধ্যমে যুক্ত থাকা যাবে।

মে ১০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মিনার্ভা থিয়েটারে 'দেবীগর্জন' গর্জে উঠল

বিজন ভট্টাচার্যর কাছে নাটক শুধু একটা পারফরম্যান্স ছিল না। শিল্প বলতে তাঁর কাছে ছিল সমাজ বদলের হাতিয়ার। থিয়েটারকে বুঝতেন গণের নাটক। যা কেবল সাধারণ মানুষের ভাল-মন্দ-দ্বিধা-দ্বন্দ্বের কথা বলবে না। নাটকের মধ্য দিয়ে মানুষও হয়ে উঠবেন সেই গল্পের এক একজন অংশ। দেবীগর্জন- বিজন ভট্টাচার্যের লেখা একটি অন্যতম নাটক। বীরভূমের সাঁওতাল কৃষকদের আন্দোলন অর্থাৎ দেবীগর্জন নাটক, উৎসর্গ করা হয়েছে কৃষক আন্দোলনের শহীদদের উদ্দেশ্যে, উনিশ বিশ শতক জুড়ে নীল- তেভাগা সহ সমস্ত কৃষক যারা আন্দোলনে শহীদ হয়েছেন। এছাড়া দেবীগর্জন নাটকে দুটি প্রসঙ্গ উল্লেখ করতে হয়। বিজন ভট্টাচার্য জানান যে আদিবাসী সাঁওতালরা তাদের আরাধ্য হিসাবে কালী কে আরাধনা করেন, সেই মাতৃ শক্তির আবির্ভাবের কথা খেয়াল রেখেই নাটকে দেবীগর্জন নাম এবং প্রসঙ্গ এসেছে। কৃষক আন্দোলন নাটকে প্রেক্ষাপট হলেও দুটি প্রসঙ্গ নাটকে প্রধান- ধর্মগোলা ও পঞ্চায়েত ব্যবস্থা। নির্যাতিত নিপীড়িত সাঁওতাল আদিবাসী কৃষকদের জোতদারদের বিরুদ্ধে সংগ্রামের চিত্র প্রকাশ পেয়েছে এই দেবীগর্জন নাটকের মধ্য দিয়ে। জমিদার প্রথার বিলোপ হলেও মধ্যস্বত্বভোগী প্রভঞ্জন সামন্ততান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গিতে পঞ্চায়েতি প্রথাকে পিছনে রেখে কৃষকদের জমি নিজের দখলে করে নেন। এদিকে কৃষি ঋণ ও সুদ জোগাতে হত দরিদ্র আদিবাসী কৃষকরা সর্বস্বান্ত হয়। অবশেষে এই ব্যবস্থার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় তারা, নিজেদের অধিকার ছিনিয়ে নেয়। তিন অঙ্কের এগারোটি গর্ভাঙ্কে দেবীগর্জন হয়ে উঠেছে স্বার্থক গণনাট্য। এখানে আমি রাজা আমারই নীতি ইটাই রাজনীতি প্রভঞ্জনের এই কথায় যেমন সমকালীন জোতদারের মুখোশ খুলে যায়, ধর্মগোলার মজুত ধানের বিতরণের দাবিতে চাষিদের সঙ্গে জোতদারের বিরোধ বাধে, তখন মংলার চেতনায় প্রশ্ন জাগে- কে রাজা, কার রাইজ্য ? এটাই গণনাট্যের মূল। নাটকের শেষে মংলার নেতৃত্বে জোটবদ্ধ ভুঁই চাষির দল পঞ্চায়েতি শাসন চালুর দাবি জানায়। সেই দাবির গর্জনই আসলে দেবীগর্জন। কলকাতার মিনার্ভা থিয়েটারে নাট্যিক কোলকাতার এই দেবীগর্জন নাটকটি মঞ্চস্থ হল। নাটকটিতে সকলের পারফরম্যান্স দর্শকদের মন ছুঁয়ে গেছে। প্রতাপ কুমার মণ্ডল নাট্যিক কোলকাতা দলের কর্ণধার ও নির্দেশক। তিনি জানিয়েছেন, বিজন ভট্টাচার্য মহশয়ের নাট্য চিন্তা ভাবনা ও দর্শন এর জায়গা থেকে আমরা গত ছয় মাস ধরে এই নাটকের মহড়া দিচ্ছি, চেষ্টা করছি লেখকের মূল ভাবনা কে তুলে ধরার; প্রথম অভিনয়ের মঞ্চায়নের ভুলভ্রান্তি সব শুধরে আমরা শিঘ্রই মঞ্চে ফিরছি; এবং দেবীগর্জন নাটক বাংলা থিয়েটারে যে যথেষ্ট প্রভাব ফেলবে, সেটা আমাদের বিশ্বাস। এই নাটকে সৃজিতা বান্টি ভদ্র নাটকের মূল কেন্দ্রে রত্না চরিত্রে অভিনয় করেছেন। বাংলা থিয়েটারের প্রথম সারির অভিনেত্রী একজন সৃজিতা। তাঁর প্রথম নির্দেশনা দেবীগর্জন নাটকটি, তিনি যে মুন্সিয়ানার সঙ্গে অত্যন্ত নিপুণ ভাবে এই নাটকের নির্দেশনা দিয়েছেন, তা যথেষ্ট প্রশংসার দাবী রাখে। এই নাটকে সৃজিতাঁর অভিনয় সত্যিই প্রশংসার দাবী রাখে।এই নাটকে তিনি যুব সাউতাল মংলা চরিত্রে অভিনয় করেছেন কাজল শম্ভু। শম্পা দে এই নাটকে গীরি চরিত্রে যথেষ্ট প্রভাবশালী অভিনয় দেখিয়েছেন। শঙ্খ বরণ দাস ত্রিভুবনের চরিত্রে তিনি অসম্ভব দক্ষতার সঙ্গে চরিত্রের রূপ দিয়েছেন। সন্তু সাধু খাঁ নাটকের মূল নেগেটিভ চরিত্র প্রভঞ্জন যার জন্যই এই দেবীগর্জন, তিনি সকল সহশিল্পীদের সঙ্গে নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করে গেছেন।

মে ০৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

"কৃষ্ণপক্ষ" সিঁথি অনুরণন- এর নাটক সকলের বিশেষভাবে ভালো লাগবে

উত্তর কলকাতার মিনারভা থিয়েটার হলে সিঁথি অনুরণন এর নবতম প্রযোজনায় মঞ্চস্থ হলো কল্লোল চক্রবর্তী র লেখা পূর্ণাঙ্গ নাটক কৃষ্ণপক্ষ ।এই নাটকের মূল বিষয় হলো, একটি আবহ যা অনাদিকাল ধরে চলে আসা রিরংসা, লোভ, মোহ, মাৎসর্যকে ধারণ করে বসে আছে। অনভিপ্রেত হিসেবে সে কিছু মৃত্যু বহন করছে। কিন্তু মৃত্যু যেহেতু একটি নির্ণয় বা পরিণাম হয়ে থাকতে পারে না, সেই কারণে এই নাটকের অন্তিম পর্যায়ে চন্দ্রোদয় এর কথা বলে জীবনে ফিরে আসা হচ্ছে। যে দমবন্ধ পরিবেশের মধ্যে দর্শককুল সতত তাদের মস্তিষ্কের সঞ্চালনে বাধা পেয়ে অসার হয়ে যাচ্ছিল, তা থেকে শেষমেশ মুক্তি পায়। এই নাটকের কুশীলবরা নিষ্ঠুরতাকে সঙ্গী করে এবং তাদের জীবনের পরাজয়, অবসাদ, বিষন্নতা এই সবের মধ্য দিয়ে মৃত্যুর দ্যোতক হয়ে ওঠে।মিনার্ভা থিয়েটার হলে নবীন পরিচালক ও অভিনেতা দেবাঞ্জন চ্যাটার্জীর পরিচালনায় সমস্ত কুশীলবরা তাঁদের সেরা অভিনয় দিয়ে নাটকটিকে একটি উচ্চ মাত্রায় পৌঁছে দিয়েছেন। নাটকের আবহ তৈরি করেছেন সুশান্ত চক্রবর্তী। ভুজঙ্গের চরিত্রে চঞ্চল বন্দ্যোপাধ্যায়, মালতী- ডাঃসংঘমিত্রা সাহা,বেজি - তুষারকান্তি বাগচি, মঞ্জু - পাপিয়া রায়, ধ্রুব - দেবাঞ্জন, অশোক-অর্ণব মজুমদার,নবা- সুদীপ শিকদার, প্রধান- ডাঃ সোমনাথ সাহা, পুলিশ-আশিস কুমার চন্দ্র ও মহিলা কনস্টেবল এর চরিত্রে দীপিকা ঘোষ মুন্সিয়ানার সাক্ষর রেখেছেন। আলো, ধ্বনি, সাজসজ্জা, শব্দ প্রক্ষেপণ যথাযথ। সবমিলিয়ে কৃষ্ণপক্ষ নাটকটি সকল দর্শকদের নজর কারে।

মে ০৫, ২০২২
রাজ্য

সারা দেশেই এপ্রিলের গরম রেকর্ড ছাড়িয়েছে, আজও বৃষ্টি বঙ্গে

এবার মাত্রাতিরিক্ত গরমে সারা দেশজুড়ে রেকর্ড করল। এপ্রিলে তাপপ্রবাহ চলেছে দেশের নানা প্রান্তে। জনজীবনে গরমের প্রভাব পড়েছে। এরাজ্যে তো গরম-আতঙ্কে স্কুলে ছুটি ঘোষণা করে দেওয়া হল। যদিও এপ্রিল পার হতেই বাংলায় স্বস্তি এনেছে ঝড়-বৃষ্টি। এদিকে ইন্ডিয়া মেটিওরোলজিক্যাল ডিপার্টমেন্ট (আইএমডি)-এর তথ্য অনুযায়ী ১২২ বছরের মধ্যে তৃতীয় উষ্ণতম মাসের তকমা পেয়েছে এপ্রিল। ১২২ বছরের মধ্যে উষ্ণতম মাস হিসাবে প্রথমে মার্চ-কে চিহ্নিত করেছিল আইএমডি। সেই রেকর্ডকে ছাপিয়ে গিয়েছে এপ্রিল।এপ্রিলের গরম সাধারণ মানুষকে একেবারে নাজেহাল করে দিয়েছিল। মাত্রাতিরিক্ত তাপমাত্রা, তাপপ্রবাহে এগিয়ে গিয়েছে এপ্রিল মাস। বেশ কয়েকটি রাজ্যে তাপমাত্রা ছিল ৪৫ ডিগ্রির ওপর। রাজস্থান, পূর্ব উত্তরপ্রদেশ, পশ্চিম মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্রের বিদর্ভে তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি ছাড়িয়ে গিয়েছিল, জানিয়েছে হাওয়া অফিস। এই তাপমাত্রা ১৯০১ সালের পর এই নিয়ে তৃতীয়বার উপলব্ধি করা গিয়েছে।চলতি বছরের এপ্রিলে সারা দেশে রেকর্ড করা মাসিক গড় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই তাপমাত্রা ছিল স্বাভাবিকের থেকে অনেকটাই বেশি। অতীতের রেকর্ড অনুযায়ী ২০১০ সালে এপ্রিলে মাসিক গড় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ২০১৬ সালে ৩৫.৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দেখা গিয়েছে অনেক ক্ষেত্রে গত মাসে রাতেও তাপমাত্রা কমেনি। আইএমডি ডানিয়েছে, অবশেষে তাপপ্রবাহের আর তেমন কোনও সম্ভাবনা নেই।ইতিমধ্যে বাংলায় কালবৈশাখীর দেখা মিলেছে। তাপমাত্রা অনেকটা নেমে গিয়েছে। আলিপুর হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে ঝড়-বৃ্ষ্টি চলবে। উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টি চলছে। শনিবার থেকে বৃষ্টিপাতের পরিমান কমতে পারে। মোটের ওপর প্রখর দাবদাহ থেকে মুক্তি পেয়েছে বাংলা। স্বস্তি পেয়েছে সাধারণ মানুষ।

মে ০৪, ২০২২
বিবিধ

তীব্র দাবদাহে জলের ট্যাঙ্কেই ডুব হনুমানের দলের, রইল ভিডিও

তীব্র দাবদাহে ওদেরও কষ্ট হয়। ওদের ঘর নেই। শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের বিষয়ও নেই। পাখাও চলে না। রোদে-গরমে, গাছের ছায়ায়, গাছের ডালে ডালেই জীবন কেটে যায়। তাছাড়া এবাড়ি ওবাড়ির ছাদ তো আছেই। কখনও এক গাছের আম, আরেক গাছের জাম খেয়েই জীবনটা কেটে যায়।সম্প্রতি একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে যেখানে দেখা যাচ্ছে হনুমানের দল ছাদের ডাকনা খোলা দুটি জলের ট্যাঙ্কে স্নানে মেতে উঠেছে। গোটা চারেক হনুমান একবার জলের ট্যাঙ্কের ভিতর ঢুকছে আর ডুব দিয়ে ওপরে উঠে আসছে। একেবারে আনন্দে আত্মহারা হনুমানের দল। অনবরত স্নান করে যাচ্ছে গরমের হাত থেকে বাঁচতে। এত সহজে শরীর ঠান্ডা করার উপায় পেয়ে কেউ কি ছেড়ে দেয়? সেই দৃশ্য ক্যামেরাবন্দী করেছেন কেউ। সোশাল মিডিয়ায় তা রীতিমতো ভাইরাল হয়ে গিয়েছে।বাড়ির মালিক জানতেও পারছে না তাঁদের ছাদের ওপরে জলের ট্যাঙ্কে এমন আজব কান্ড ঘটছে। সেই জলেই হয় তো নিত্যদিনের কাজ সারছেন বাড়ির লোকজন! খোলা ট্যাঙ্কে দহণের জ্বালা মেটাচ্ছে হনুমানের দল। জলের ট্যাঙ্ক ঢেকে না রাখলে হনুমানে স্নানজলই পান করতে হতে পারে! সতর্ক হওয়া দরকার।

এপ্রিল ২৮, ২০২২
রাজ্য

জেলায় জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা, বৃষ্টি হতে পারে পাহাড়ে

গরমের তীব্র দহনে নাজেহাল অবস্থা রাজ্যবাসীর। কলকাতায় তাপমাত্রা সামান্য কমলেও অস্বস্তি কাটেনি বিন্দুমাত্র। এদিকে রাজ্যের আট জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। এরইমধ্যে গরম এড়াতে ঠান্ডার আমেজ নিতে অনেকেই ছুটছেন দার্জিলিং। ভিড় বেড়েছে সেখানে। আজ, বুধবার পাহাড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনাও আছে।সোমবারের তুলনায় মঙ্গলবার কলকাতার তাপমাত্রা একটু কম ছিল। ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্য়দিকে রাজ্যের আট জেলায় তাপপ্রবাহের কারণে বেলা গড়াতেই রাস্তা জনশূণ্য হয়ে যাচ্ছে। জরুরি কাজ না থাকলে কেউ বাইরে বেরাচ্ছেন না। দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলায় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির ওপর। বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া, বীরভূম, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, দক্ষিণ দিনাজপুর ও মালদায় তাপপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে। আগামিকাল, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এমনই আবহাওয়া থাকবে বলে হাওয়া অফিস জানিয়েছে। শনি ও রবিবার বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণবঙ্গে। সোমবার বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে কলকাতায়।কলকাতায় তাপপ্রবাহের আবহ রয়েছে। এদিকে আজ, বুধবার থেকে সাউথপয়েন্টে অনলাইন ক্লাস শুরু হবে। চলবে টানা তিন দিন, শুক্রবার পর্যন্ত। রাজ্য শিক্ষাদফতরও জেলাগুলিতে সকালে স্কুল খোলার পরামর্শ দিয়েছে। বেশ কয়েকটি জেলায় সকালে স্কুল চালু করে দিয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানিয়েছে, পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে করোনার কারণে দীর্ঘ দিন স্কুল বন্ধ ছিল। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে। তাই একটু দেখে নেওয়া হচ্ছে। তেমন হলে গরমের ছুটি এগিয়ে আনা হবে।

এপ্রিল ২৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সাড়ম্বরে উদযাপিত হলো কাঁচরাপাড়া ফিনিকের সপ্তম বর্ষ নাট্যোৎসব ২০২২

কাঁচরাপাড়া ফিনিক নাট্য সংস্থা আয়োজিত প্রয়াত সৌমিত্র মুখার্জী স্মরণে সপ্তম বর্ষ মিলন নাট্য উৎসব বিপুল দর্শক সমাগমে স্থানীয় কাজী নজরুল ইসলাম মঞ্চে অনুষ্ঠিত হলো। সংস্থার সভাপতি যমুনা কান্ত চক্রবর্তী উদ্বোধনী ভাষণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন। প্রতিদিন ফিনিকের সদস্য- সদস্যা দের সমবেত সংগীত এর মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠান আরম্ভ হয় । প্রথম দিন গ্রুপ থিয়েটার পত্রিকার সম্পাদক দেবাশিস বন্দোপাধ্যায় প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করেন। এবং পরবর্তী দিনগুলিতে বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্ব শান্তনু মজুমদার, সঞ্জয় সেনগুপ্ত, দুলাল চক্রবর্তী, ডঃ অপূর্ব দে, এবং প্রদীপ্ত ভট্টাচার্যকে উত্তরীয়, পুষ্পস্তবক ও স্মারক দিয়ে সম্মান জানানো হয়।তিন দিনে মোট সাতটি নাটক যথাক্রমে - গোবরডাঙ্গা রূপান্তরের যুদ্ধ, ডানলপ চোখের রাহুগ্রাস, আঁতপুর জাগৃতির অথ ভগবতী কথা , রানিকুঠি জীয়নকাঠির আশ্চর্য বসন্ত , বীরনগর মালঞ্চ নাট্যগোষ্ঠীর আমরা মানুষ, এবং- বরানগরের অন্ধ গলির রাজা, ও চন্দননগর রঙ্গ পিঠের পাসপোর্ট মঞ্চায়িত হয়। প্রত্যেকটি নাটক দর্শকদের প্রশংসা ধন্য হয়।শেষদিনে ফিনিক - এর সভাপতি উৎসবের সমাপ্তি ঘোষণা করেন। সব মিলিয়ে শেষ হলো কাঁচরাপাড়া ফিনিকের এই তিনদিনের নাট্য উৎসব।

এপ্রিল ০৬, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

হার নয়, নতুন লড়াই! “আমি এখন মুক্ত পাখি”—দেশ জয়ের ইঙ্গিত দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

ভোটের আগে তিনি বলেছিলেন, বাংলা জিতে দিল্লির দিকে এগোবেন। কিন্তু ফল তাঁর বিপক্ষে গেলেও লক্ষ্য থেকে সরে আসছেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরাজয়ের পর প্রথম সাংবাদিক বৈঠকেই তিনি নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা স্পষ্ট করে দিলেন। তাঁর সাফ কথা, আমি এখন মুক্ত পাখি। কোনও পদে নেই। সাধারণ কর্মীর মতো ইন্ডিয়া জোটকে শক্তিশালী করব।ফল ঘোষণার আগেই বিরোধী শিবিরের একাধিক নেতার সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। তিনি জানান, সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, হেমন্ত সোরেন এবং তেজস্বী যাদব-এর সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। অখিলেশ যাদব আসতে চাইলেও তিনি পরের দিনের জন্য সময় দিতে বলেন।মমতার দাবি, ইন্ডিয়া জোটের নেতারা তাঁর পাশে আছেন। তিনি বলেন, আমি ছোট কর্মীর মতো কাজ করব। ইন্ডিয়া জোটকে আরও শক্তিশালী করব। এই জোট খুব শক্তিশালী হবে।ভোট প্রক্রিয়া নিয়েও গুরুতর অভিযোগ করেছেন তিনি। তাঁর দাবি, বাংলাতেও গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি নির্বাচন ব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, ভোট গণনার প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে বাইরে থেকে।এই বিষয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী-ও তৃণমূলের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, বাংলা এবং অসমে ভোটে অনিয়ম হয়েছে এবং এটি বৃহত্তর চক্রান্তের অংশ। এমনকি কংগ্রেসের কিছু নেতাকে সতর্কও করেছেন তিনি, যাতে এই পরিস্থিতি নিয়ে ভুল বার্তা না যায়।এতে রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। কংগ্রেস ও তৃণমূল কি আরও কাছাকাছি আসতে চলেছে? ভবিষ্যতে কি কোনও বড় জোট গড়ে উঠতে পারে? এই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেননি মমতা। তিনি শুধু বলেন, এই ধরনের কৌশল নিয়ে এখনই কিছু বলব না।পরাজয়ের পরেও তাঁর এই অবস্থান স্পষ্ট করে দিচ্ছে, আগামী দিনে জাতীয় রাজনীতিতে আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে চান তিনি।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

চাঞ্চল্যকর বিস্ফোরণ! “রাজভবনে কেন যাব?”—ইস্তফা নয়, চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee), তিনি রাজভবনে যাবেন না। তাঁর সাফ কথা, আমি কেন রাজভবনে যাব? যদি শপথ নিতে যেতাম, তাহলে যেতাম। ওরা দখল করেছে ভেবে আমি পদত্যাগ করতে যাবএটা ভুল। আমরা ভোট হারিনি, তাই ইস্তফা দেওয়ার প্রশ্নই নেই।কংগ্রেসের সঙ্গে ভবিষ্যতে কোনও জোট হবে কি না, এই প্রশ্নে তিনি কৌশলী উত্তর দেন। জানান, এই বিষয়ে এখনই কিছু বলবেন না।ভোটের ফল ঘোষণার পর একাধিক গুরুতর অভিযোগও তুলেছেন মমতা। তিনি দাবি করেন, বিভিন্ন জায়গায় তাঁর দলের কর্মীদের উপর হামলা হয়েছে। বেলেঘাটায় খুনের ঘটনা, মহিলাদের ধর্ষণের হুমকিএমন অভিযোগও করেন তিনি। তাঁর কথায়, এতে বিশ্বের কাছে ভুল বার্তা যাচ্ছে যে নির্বাচন গণতান্ত্রিক ভাবে হয়নি।তিনি আরও বলেন, মা-মাটি-মানুষকে ধন্যবাদ। ওঁরা ভোট দিয়েছিলেন, কিন্তু আমরা সেই ভোট রক্ষা করতে পারিনি। একই সঙ্গে প্রশ্ন তোলেন, দেশে কি একটাই দল থাকবে?কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকাও তীব্রভাবে আক্রমণ করেন তিনি। অভিযোগ করেন, তারা গুণ্ডার মতো আচরণ করেছে। তাঁর দাবি, এভাবে অত্যাচার চলতে থাকলে খুব তাড়াতাড়ি সত্য সামনে চলে আসবে।মমতা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, তাঁর দলের উপর যদি অত্যাচার করা হয়, তবে তার জবাব মিলবে। তিনি অভিযোগ করেন, জোর করে ভোট দখল করা হয়েছে। এই পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে তিনি দশ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। সেই কমিটি বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে ঘটনার সত্যতা যাচাই করবে।তিনি আরও দাবি করেন, ভোট গণনার সময় তাঁর এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেওয়া হয়েছে। এমনকি তাঁকেও শারীরিকভাবে হেনস্থা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর কথায়, আমাকে ধাক্কা মেরে বের করে দেওয়া হয়েছে। একজন মহিলা হিসেবে যে ব্যবহার করা হয়েছে, তা অত্যন্ত অপমানজনক।মমতা অভিযোগ করেন, সংবাদমাধ্যমের একাংশ আগেই দেখাতে শুরু করেছিল যে তিনি পিছিয়ে রয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা জিতলে বলেছিলাম বদল চাই, বদলা নয়। কিন্তু এখন তিন দিন ধরে অত্যাচার চলছে।তাঁর অভিযোগ, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তফশিলি জাতি ও উপজাতিদের উপরও হামলা হয়েছে। ভাঙর থেকে বারাসত, কলকাতা থেকে জঙ্গলমহলসব জায়গাতেই অশান্তির অভিযোগ তোলেন তিনি।নিজের অবস্থান নিয়ে মমতা বলেন, আমি এখন পদে নেই, আমি স্বাধীন। আমি কখনও বেতন নিইনি, সারা জীবন মানুষের জন্য কাজ করেছি।তিনি আরও দাবি করেন, এমন নির্বাচন তিনি আগে কখনও দেখেননি। সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, উদ্ধব ঠাকরে, হেমন্ত সোরেন-সহ বিরোধী জোটের নেতাদের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে বলে জানান।সবচেয়ে বড় অভিযোগ হিসাবে তিনি বলেন, প্রায় একশো আসন জোর করে কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, লড়াই হয়েছে শুধু একটি দলের বিরুদ্ধে নয়, নির্বাচন ব্যবস্থার বিরুদ্ধেও। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।ভোটের ফলের পর রাজ্যের রাজনৈতিক ছবি আমূল বদলে গিয়েছে। একাধিক মন্ত্রী পরাজিত হয়েছেন, কিছু এলাকায় দল টিকে থাকলেও কয়েকটি জেলায় একেবারে শূন্য হয়ে গিয়েছে তৃণমূল। তবে এই পরিস্থিতিতেও পরাজয় মানতে নারাজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

ফল ঘোষণার পরই চমক! রাজভবনে যাচ্ছেন না মমতা, বললেন “আমরা হারিনি”

সোমবার ভোটের ফল স্পষ্ট হতেই বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দাবি উঠতে থাকে যে এবার রাজ্যের ক্ষমতা গিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টির হাতে। জল্পনা ছিল, বিকেলের মধ্যেই লোকভবনে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু রাত গড়ালেও তিনি সেখানে যাননি।মঙ্গলবার কালীঘাটে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দেন, তিনি পরাজয় মানছেন না। তাঁর কথায়, আমরা হারিনি। তাই লোকভবনে যাওয়ার প্রশ্ন নেই। আমাদের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করা হয়েছে। যদি শপথ নিতে হত, তাহলে যেতাম।২০১১ সালে যেমন ৩৪ বছরের বামশাসনের অবসান ঘটিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন মমতা, তখন ফলাফল স্পষ্ট হতেই তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য রাজ্যপালের কাছে ইস্তফা দিয়েছিলেন। অনেকেই ভেবেছিলেন, ২০২৬ সালেও একই ছবি দেখা যাবে। কিন্তু সেই প্রত্যাশা ভেঙে দিয়ে এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন অবস্থান নিলেন মমতা।নিয়ম অনুযায়ী রাজ্যপাল আর এন রবি তাঁকে ইস্তফা দিতে বলতে পারেন। তবে মমতা জানিয়েছেন, সেই নির্দেশ এলেও তিনি ইস্তফা দেবেন না। অর্থাৎ ফলাফলকে তিনি কোনওভাবেই মেনে নিতে রাজি নন।এই অবস্থানে তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছে বিজেপি। দলের মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, এই আচরণ ভারতের সংবিধানের পরিপন্থী।এদিন সাংবাদিক বৈঠকে ভোটের ফল নিয়ে আরও বিস্ফোরক অভিযোগ করেন মমতা। তিনি বলেন, সকাল থেকেই সংবাদমাধ্যমে বিজেপির জয়ের খবর দেখানো হচ্ছিল। কয়েক রাউন্ড গণনার পর থেকেই তাঁদের কর্মীদের উপর হামলা শুরু হয় বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, কর্মীদের মারধর করা হয়েছে, মহিলাদেরও রেহাই দেওয়া হয়নি, এমনকি গুরুত্বপূর্ণ নথিও কেড়ে নেওয়া হয়েছে।মমতা আরও বলেন, তাঁকেও অপমানের মুখে পড়তে হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, তাঁকে ধাক্কা মেরে বের করে দেওয়া হয় এবং শারীরিকভাবে হেনস্থা করা হয়। তাঁর কথায়, একজন মহিলা এবং একজন মানুষ হিসেবে যে অপমান করা হয়েছে, তাতে বোঝা যায় কর্মীদের সঙ্গে কী করা হয়েছে।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

নবান্নে নজিরবিহীন দৃশ্য! কর্মীদের মুখে ‘জয় শ্রীরাম’—গেরুয়া আবিরে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ল প্রশাসন

বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির জয়ের পর নবান্নে দেখা গেল এক বিরল ছবি। ফল প্রকাশের পরই নবান্নের ভিতরে সরকারি কর্মচারীদের একাংশের মুখে শোনা গেল জয় শ্রীরাম স্লোগান। বিভিন্ন তলা থেকে কর্মীদের বাইরে বেরিয়ে এসে স্লোগান দিতে দেখা যায়। গেরুয়া আবিরে একে অপরকে শুভেচ্ছা জানানোর ছবিও সামনে আসে।চোখে পড়ার মতো বিষয়, মহিলা ও পুরুষউভয় কর্মীদেরই এই উচ্ছ্বাসে অংশ নিতে দেখা যায়। নবান্নের বিভিন্ন তলায় একই ছবি ধরা পড়ে। কর্মীদের দাবি, এতদিন তারা ভয়ের মধ্যে কাজ করতেন, এখন সেই ভয় কাটিয়ে উঠেছেন। তাঁদের কথায়, এখন আমরা মুক্ত।অন্যদিকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তেও জয় উদ্যাপনে মেতে উঠেছেন ভারতীয় জনতা পার্টির কর্মী ও সমর্থকরা। বিশেষ করে বিধাননগরের গণনাকেন্দ্রের বাইরে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গিয়েছে।এই নির্বাচনে প্রায় ১৫ বছর পর বাংলায় বড় রাজনৈতিক পালাবদল ঘটেছে। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে ভারতীয় জনতা পার্টি। ফলাফল অনুযায়ী, তারা ২০৭টি আসনে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৮০টি আসন।উত্তর থেকে দক্ষিণরাজ্যের প্রায় সর্বত্রই গেরুয়া শিবিরের সাফল্য চোখে পড়েছে। তৃণমূলের একাধিক শক্ত ঘাঁটিতেও এবার জয় ছিনিয়ে নিয়েছে তারা।নবান্নের আশপাশেও গেরুয়া পতাকা উড়তে দেখা গিয়েছে। ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকেই পরিবর্তনের আবহ স্পষ্ট হয়েছে রাজ্যের প্রশাসনিক কেন্দ্রেও।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বড় ঘোষণা! বাংলায় সরকার গঠনের আগে বড় দায়িত্বে অমিত শাহ—মুখ্যমন্ত্রী কে হচ্ছেন?

বাংলার ভোটে বহু প্রতীক্ষিত জয়ের পর এখন সরকার গঠনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। গেরুয়া ঝড়ে কার্যত বিপর্যস্ত হয়েছে তৃণমূল শিবির। এই পরিস্থিতির মধ্যেই দলের কেন্দ্রীয় সংসদীয় বোর্ড পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের জন্য কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে। এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অমিত শাহ-কে।দল সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলায় পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়া তিনি তদারকি করবেন। তাঁর সঙ্গে সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি-কে। এই দুই নেতার উপরই এখন বড় দায়িত্ব, কারণ তাঁদের তত্ত্বাবধানেই ঠিক হবে বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন।মুখ্যমন্ত্রী পদের দাবিদার নিয়ে ইতিমধ্যেই জল্পনা শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রের শীর্ষ নেতৃত্বের এই পদক্ষেপ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এখন সকলের নজর, শেষ পর্যন্ত কাকে বেছে নেয় পদ্ম শিবিরের নেতৃত্ব।অন্যদিকে অসমেও একইভাবে পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে দল। সেখানে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক করা হয়েছে জেপি নাড্ডা-কে। সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী নবাব সিং সাইনি। দল ইতিমধ্যেই বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে।উল্লেখ্য, বুথ ফেরত সমীক্ষার ইঙ্গিতকেই সত্যি করে বাংলায় বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। দুইশোর বেশি আসন পেয়েছে তারা। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস শতকের গণ্ডিও পার করতে পারেনি।ফলাফল অনুযায়ী, বিজেপি পেয়েছে ২০৭টি আসন, তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৮০টি আসন। কংগ্রেস পেয়েছে ২টি আসন। হুমায়ুনের আম জনতা উন্নয়ন পার্টিও পেয়েছে ২টি আসন। এছাড়া সিপিএম এবং আইএসএফ পেয়েছে ১টি করে আসন।তবে এই ফলাফল নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল। তাদের অভিযোগ, ভোট প্রক্রিয়ায় একাধিক অনিয়ম হয়েছে এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। যদিও রেকর্ড সংখ্যক ভোটদানের সাক্ষী থেকেছে গোটা রাজ্য, যা দেশের নজর কেড়েছে।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত! মমতার বাড়ির সামনে থেকে সরল কড়া নিরাপত্তা, কী ঘটছে ভিতরে?

এখনও ইস্তফা দেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে তাঁর নামের পাশে প্রাক্তন শব্দটি যুক্ত হওয়া এখন সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে দুই শতাধিক আসন পেয়ে জয়ী হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি। এমনকি তাঁর নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরেও প্রায় পনেরো হাজার ভোটে পরাজিত হয়েছেন তিনি (Mamata Banerjee)।এই পরিস্থিতিতে তাঁর পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। এরই মধ্যে সামনে এল আরও এক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ছবি। তাঁর বাড়ির সামনে থেকে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেকটাই সরিয়ে নেওয়া হয়েছে (Mamata Banerjee)।দীর্ঘদিন ধরেই কলকাতার হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের বাড়িতেই থাকেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এই বাড়িতেই তাঁর রাজনৈতিক জীবনের দীর্ঘ পথচলা। সময়ের সঙ্গে বাড়ির আশপাশের পরিবেশ বদলালেও তাঁর বাড়ির গঠন খুব একটা বদলায়নি। তবে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর ওই এলাকার নিরাপত্তা অনেকটাই বাড়ানো হয়েছিল।বিশেষ করে ২০১৬ সালের পর তাঁর বাড়ির সামনে শক্ত নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়। বাড়ির সামনে রাস্তা প্রায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। বাইরের কেউ ওই এলাকায় ঢুকতে গেলে গার্ডরেল পেরোতে হত এবং কারণ জানাতে হত। এমনকি স্থানীয় বাসিন্দাদেরও নিজেদের পরিচয় জানিয়ে ঢুকতে হত (Mamata Banerjee)।এখন সেই গার্ডরেল সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষের যাতায়াতে আর আগের মতো বাধা থাকছে না। তবে গলির মুখে পুলিশি নজরদারি এখনও বজায় রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।উল্লেখ্য, অতীতে একাধিকবার তাঁর বাড়ির নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কয়েকবার সন্দেহভাজন ব্যক্তির ঢুকে পড়ার ঘটনাও সামনে এসেছে। এমনকি অস্ত্র নিয়ে ঢোকার অভিযোগও উঠেছিল। বিভিন্ন সময়ে এই ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার করা হয়েছে।কয়েক মাস আগেও অভিযোগ উঠেছিল, কিছু অচেনা ব্যক্তি তাঁর বাড়ির আশপাশে সিসিটিভি ক্যামেরার মুখ ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। এই ঘটনাগুলি সামনে আসার পরই নিরাপত্তা আরও কড়া করা হয়েছিল।তবে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির পর সেই নিরাপত্তা বলয়ে শিথিলতা আসায় নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

হার মানলেন না মমতা! পরাজয়ের পরেই বড় ঘোষণা, কালই সাংবাদিক বৈঠক

বিধানসভা নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। হেরে গিয়েছেন দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই পরিস্থিতিতে আগামীকাল মঙ্গলবার কালীঘাটের বাসভবনে সাংবাদিক বৈঠক ডেকেছেন তিনি। বিকেল চারটেয় এই বৈঠক হবে বলে জানা গিয়েছে। সেখানে উপস্থিত থাকবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও।প্রায় পনেরো বছর রাজ্যে ক্ষমতায় থাকার পর এই প্রথমবার বড় পরাজয়ের মুখে পড়ল তৃণমূল। অন্যদিকে বিজেপি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে। ভবানীপুর কেন্দ্রে প্রায় পনেরো হাজারের বেশি ভোটে হেরে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু এই কেন্দ্রই নয়, রাজ্যের একাধিক জায়গায় তৃণমূল পরাজিত হয়েছে। মুর্শিদাবাদ, কলকাতা এবং পূর্ব বর্ধমানের মতো এলাকাতেও বিজেপি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে।এর মধ্যেই সোমবার বিকেলে গণনাকেন্দ্রে গিয়ে উত্তেজনার মুখে পড়েন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শাখাওয়াত মেমোরিয়াল গণনাকেন্দ্রে দলের এজেন্টকে বের করে দেওয়ার খবর পেয়ে তিনি হঠাৎই সেখানে পৌঁছে যান। কয়েক ঘণ্টা পর বেরিয়ে এসে তিনি গুরুতর অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, তাঁকে মারধর করা হয়েছে এবং জোর করে হারানো হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রায় একশোটি আসনে ভোট লুঠ হয়েছে।এই ঘটনার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। মমতার এই অভিযোগকে সমর্থন করেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তিনি সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, নির্বাচন কমিশনের সহায়তায় ভোটে কারচুপি হয়েছে এবং বহু আসন ছিনতাই করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আগামীকালের সাংবাদিক বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

মে ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মমতার দুর্গেই ভাঙল ঘাঁটি! ভবানীপুরে বিশাল ব্যবধানে শুভেন্দুর জয়

দীর্ঘদিন ধরে ভবানীপুরে লড়াই করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এবারের নির্বাচনে সেই কেন্দ্রেই বড় ধাক্কা খেলেন তিনি। কুড়ি রাউন্ড গণনা শেষে প্রায় ১৫ হাজার ১১৪ ভোটে তাঁকে পরাজিত করলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। এর ফলে নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুর থেকেও জয়ী হলেন শুভেন্দু।ভবানীপুরে ভোটগণনা ঘিরে দিনভর উত্তেজনা ছিল। গণনার মাঝপথে নিজেই কেন্দ্রে পৌঁছে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, ভোট গণনায় কারচুপি হচ্ছে। যদিও সেই অভিযোগের মধ্যেই গণনা চলতে থাকে। রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ স্পষ্ট হয়ে যায় ফলাফল। দেখা যায়, ২০ রাউন্ড শেষে শুভেন্দু অধিকারী পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৪৬৩ ভোট, আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পেয়েছেন ৫৮ হাজার ৩৪৯ ভোট।নির্বাচনের আগেই শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছিলেন, তিনি ধীরে ধীরে ব্যবধান বাড়িয়ে শেষ পর্যন্ত জিতবেন। তাঁর সেই পূর্বাভাসই যেন মিলল বাস্তবে। শুরুতে কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও পরের রাউন্ডগুলোতে ব্যবধান কমিয়ে শেষে এগিয়ে যান তিনি এবং জয় নিশ্চিত করেন।জয়ী হওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারী প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে ধন্যবাদ জানান। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, তাঁকে জোর করে হারানো হয়েছে এবং ভোট লুঠ করা হয়েছে। তিনি জানান, এই লড়াই এখানেই শেষ নয়, তিনি আবার ফিরে আসবেন।শুধু ভবানীপুর নয়, নন্দীগ্রামেও জয় পেয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় তৃণমূলের অবস্থানও এই নির্বাচনে দুর্বল হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের মত।

মে ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal