• ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩, রবিবার ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

East Bengal

খেলার দুনিয়া

আবার ঘর ভাঙছে ইস্টবেঙ্গলে, গত মরশুমের সেরা ফুটবলার যাচ্ছেন কেরালা ব্লাস্টার্সে

আবার ঘর ভাঙতে চলেছে ইস্টবেঙ্গলের। সামনের মরশুমে লালহলুদ জার্সিতে আর দেখা যাবে না আন্তোনীয় পেরেসোভিচকে। ক্রোয়েশিয়ার এই তারকার সঙ্গে কেরালা ব্লাস্টার্সের কথা অনেকদূর এগিয়েছে। যদিও চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে এখনও সই করেননি লুকা মদ্রিচইভান রাকিটিচের দেশের এই ফুটবলার।গত মরশুমে আইএসএলে লালহলু্দ জার্সিতে যে কজন ফুটবলার নজরকাড়া পারফরমেন্স করেছিলেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন আন্তোনীয় পেরেসোভিচ। যদিও আইএলএলের মাঝপথে রেফারিকে ধাক্কা দিয়ে ৫ ম্যাচ নির্বাসনের কবলে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। ফেডারেশনের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি তাঁকে শাস্তি দিয়েছিল। শাস্তির কমানোর জন্য আবেদন করেও লাভ হয়নি। ইস্টবেঙ্গল আইএসএলে শেষ স্থান পেলেও পেরেসোভিচের খেলা ভাল লেগেছিল কেরালা ব্লাস্টার্স কর্তাদের। তাঁরা ক্রোয়েশিয়ার এই ফুটবলারকে পাওয়ার ব্যাপারে আগ্রহ দেখান। পেরেসোভিচের এজেন্টের সঙ্গে এক প্রস্থ কথা হয়েছে কেরালা ব্লাস্টার্সের কর্তাদের।গত মরশুমে পেরেসোভিচ লালহলুদ জার্সি গায়ে ১৪টি ম্যাচ খেলেছিলেন। গোল করেছিলেন ৪টি, একটি অ্যাসিস্ট করেছিলেন তিনি। কেরালা ব্লাস্টার্স ছাড়াও পেরেসোভিচকে পাওয়ার জন্য ভারতের আরও কয়েকটি ক্লাব আগ্রহ দেখিয়েছে। তবে কেরালা ব্লাস্টার্সের পাল্লা ভারি। ক্রোয়েশিয়ার জাতীয় দলের জার্সিতে দুটি ম্যাচ খেলেছেন পেরেসোভিচ। নিজের দেশের ক্লাবেরও প্রস্তাব রয়েছে তাংর কাছে।অন্য দিকে, বিশাল কাইথকে নিশ্চিত করে ফেলল এটিকে মোহনবাগান। কাইথকে দীর্ঘ মেয়াদি চুক্তির অফার করা হয়েছে এবং মোটা অঙ্কেই এটিকে মোহনবাগানে আসছেন তিনি। চেন্নাইয়িন এফসির সঙ্গে তাঁর চুক্তি শেষ হওয়ায় ফ্রি এজেন্ট ছিলেন কাইথ। তাঁকে পাওয়ার জন্য ইস্টবেঙ্গল আগে আগ্রহ প্রকাশ করেছিল এবং লাল-হলুদের রিক্রুটারদের সঙ্গে অনেক দূর কথা এগিয়ে ছিল এরই মাঝে ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমে পড়ে এটিকে মোহনবাগান। অপর দিকে, পাঞ্জাবের ডিফেন্ডর গুরমুখসিং-এর সঙ্গে দুই বছরের চুক্তি করল চেন্নাইয়িন এফসি। আই লিগের দল রাজস্থান ইউনাইটেড থেকে গুরমুখ এলেন দুই বারের আই লিগ চ্যাম্পিয়ন চেন্নাইয়নে। যদিও গুরমুখের সঙ্গে যোগ রয়েছে ইস্টবেঙ্গলের। লাল-হলুদের অ্যাকাডেমি থেকে এই ফুটবলার উঠে এসেছেন। মিনার্ভা অ্যাকাডেমি এফসিতেও ছিলেন এই পাঞ্জাব তনয়। রাজস্থান ইউনাইটেডের হয়ে মোট ২২ ম্যাচ খেলেছেন এই তরুণ ডিফেন্ডার।

জুন ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌দলবদলের বাজারে আবার ধাক্কা, ঘর ভাঙল ইস্টবেঙ্গলের

ইমামির সঙ্গে এখনও চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি। সামনের মরশুমে আইএসএলে দল কেমন হবে, তা নিয়েও ফুটবলারদের মধ্যে রয়েছে তীব্র অনিশ্চয়তা। এর মধ্যেই আবার ঘর ভাঙল ইস্টবেঙ্গলের। লালহলুদের দুই বাঙালী ফুটবলারকে তুলে নিল চেন্নাইন এফসি। আবার পুরনো ক্লাবে ফিরে গেলেন মহম্মদ রফিক। পাশাপাশি মাঝমাঠের উদীয়মান সৌরভ দাসকেও তুলে নিয়েছে চেন্নাইন এফসি।এবছর দল বদলে বাঙালী ফুটবলারদের দিকেই বেশি নজর দিয়েছে চেন্নাইন এফসি। আগেই চুক্তি চূড়ান্ত করেছিল বাংলার সন্তোষ ট্রফি দলের অধিনায়র মনোতোষ চাকলাদারের সঙ্গে। এছাড়াও বেশ কয়েকজন বাঙালী ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। এবার সৌরভ দাস ও মহম্মদ রফিকের সঙ্গেও চুক্তি চূড়ান্ত করল।গত মরশুমের শেষ থেকেই সৌরভ দাসের ওপর নজর ছিল চেন্নাইন এফসি কর্তাদের। এই বাঙালী মিডফিল্ডারকে আগেই প্রস্তাব দিয়েছিলেন চেন্নাইন কর্তারা। কিন্তু লালহলুদের সঙ্গে ৩১ মে পর্যন্ত চুক্তি থাকায় চেন্নাইনের চুক্তিপত্রে সই করেননি। মহম্মদ রফিকেরও একই অবস্থা। যদিও এই দুই ফুটবলার লালহলুদ কর্তাদের দিকেও তাকিয়ে ছিলেন। কিন্তু ইস্টবেঙ্গল কর্তারা জানিয়েছিলেন, কলকাতা লিগে ভাল খেললে তবেই আইএসএলের জন্য চুক্তি করা হবে। কোনও ঝুঁকি নেননি সৌরভরা।ইস্টবেঙ্গল ছাড়াও এটিকে মোহনবাগান, মুম্বই সিটি এফসির হয়ে আইএসএলে খেলেছেন সৌরভ দাস। টাটা ফুটবল অ্যাকাডেমি থেকে উঠে আসা এই মিডফিল্ডারের পেশাদার ফুটবল কেরিয়ার শুরু হয় ২০১৬ সালে মোহনবাগানের জার্সিতে। মোহনবাগানের হয়ে ১৬টি ম্যাচে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন সৌরভ। ২০১৭ এএফসি কাপের ম্যাচে মোহনবাগানের হয়েও খেলেন তিনি। ২০১৯২০ মরশুমে তিনি যোগ দেন মুম্বই সিটি এফসিতে। দুই মরসুমে মুম্বইয়ের দলটির হয়ে মোট আটটি ম্যাচে মাঠে নামেন তিনি। গত মরসুমে আইএসএলে লালহলুদের জার্সি গায়ে ১৮টি ম্যাচ খেলেন সৌরভ। চেন্নাইন এফসিতে সই করার পর সৌরভ বলেছেন, চেন্নাইন এফসি পরিবারে যুক্ত হতে পেরে আমি খুশি। এই ক্লাব দুবার আইএসএল জিতেছে। সমর্থকদের সামনে খেলার জন্য এবং ক্লাবের হয়ে ট্রফি জয়ের জন্য মুখিয়ে রয়েছে। আমার ওপর ভরসা রাখার জন্য ম্যানেজমেন্টের প্রত্যেক সদস্যকে আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই।

জুন ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর দেশের কোচকে দায়িত্ব দেওয়ার ভাবনা ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের

ইমামির সঙ্গে প্রাথমিক কথাবার্তা হওয়ার পর জোরকদমে দল গঠনের কাজে হাত দিয়েছেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। শুধু ভাল দল গঠন করলেই তো হবে না, চাই ভাল কোচ। এই ব্যাপারেও চমক দিতে চলেছে লালহলুদ। ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর দেশের প্রাক্তন ফুটবলারকে আইএসএলে কোচের হট সিটে বসাতে পারেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। জর্জ কোস্তার নাম নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে লালহলুদের অন্দরমহলে।কলকাতা লিগের জন্য ইতিমধ্যেই বাংলার সন্তোষ ট্রফির কোচ রঞ্জন ভট্টাচার্যর সঙ্গে পাকা কথা বলে রেখেছেন লালহলুদ কর্তারা। বড় অঘটন না ঘটলে তিনিই কলকাতা লিগে ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্ব সামলাবেন। আইএসএলের জন্য ডুরান্ডের আগে নতুন কোচ নিয়োগ করা হবে। যাতে তিনি ডুরান্ড কাপে দল গুছিয়ে নিতে পারেন। লাল হলুদ কর্তারা চান জর্জ কোস্তাকে দায়িত্ব দিতে। কারণ, আইএসএলে তাঁর কোচিং করানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে। এর আগে তিনি মুম্বই সিটি এফসির কোচিংয়ের দায়িত্ব সামলেছেন।ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর দেশের এই কোচ নিজের ফুটবল কেরিয়ারের সিংহভাগ কাটিয়েছেন পোর্তোতে। পোর্তোর জার্সিতে ২৫১ ম্যাচে ১৬ গোল করেন তিনি। ১৯৯২ থেকে ২০০২এর মধ্যে পর্তুগালের হয়ে খেলেছেন ৫০টি ম্যাচ এবং করেছেন ২টি গোল। পোর্তোর হয়ে জিতেছেন প্রিমিয়ার লিগা, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। ১৯৯১ সালে পর্তুগালের হয়ে জেতেন অনূর্ধ্ব২০ বিশ্বকাপ ফুটবল কেরিয়ারের মতোই কোস্তার কোচিং কেরিয়ার বর্ণময়। তিনি কোচিং করিয়েছেন ব্রাগা, গ্যাবনের মতো দলে।ম্যানেজার হিসেবে পর্তুগালের ক্লাব এস সি ওলহানেনসেকে দ্বিতীয় ডিভিশন লিগ চ্যাম্পিয়ন করে তুলে নিয়ে প্রথম ডিভিশনে। ক্লুজের হয়ে জেতেন রোমানিয়া লিগা ১। তবে, ভারতের তাঁর কোচিং পারফরমেন্ট তেমন আহামরি নয়। মুম্বই সিটি এফসির হয়ে ৩৯ ম্যাচে ১৭টি ম্যাচ জিতেছেন এবং ১৪টি হেরেছেন। ড্র করেছেন ৮টি ম্যাচে।এদিকে, মঙ্গলবার লালহলুদে বসছে কর্মসমিতির বৈঠক। সেই বৈঠকে ঠিক হবে ইমামির সঙ্গে কোন পথে চুক্তি করা হবে, কত শতাংশ শেয়ার দেওয়া হবে। তারপরই ইমামির সঙ্গে বৈঠকে বসবেন লালহলুদ কর্তারা। চূড়ান্ত চুক্তি হওয়ার আগে অবশ্য দলগঠনের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা। কলকাতা লিগের জন্য ইস্টবেঙ্গল প্রাকচুক্তিতে সই করিয়েছে বাংলার সন্তোষ ট্রফি দলের স্ট্রাইকার শুভম ভৌমিককে।

জুন ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দল গঠনের দায়িত্ব ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের হাতে কেন ছেড়ে দিল ইমামি?

দল বদলের বাজারে ইস্টবেঙ্গল যাতে পিছিয়ে না পড়ে তার জন্য ক্লাব কর্তাদের দল গঠনের ব্যাপারে পুরো স্বাধীনতা দিল ইমামি। বুধবার ইমামির কর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলেন ইস্টবেঙ্গলের কর্তারা। বৃহস্পতিবার আবার এক দফা আলোচনা হয় দুই পক্ষের মধ্যে। সেই বৈঠকেই দল গঠনের দায়িত্ব ক্লাব কর্তাদের হাতে ছেড়ে দিয়েছে ইমামি।এদিনের বৈঠকে লালহলুদ কর্তারা কোন কোন ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তি করেছেন তা বিস্তারিত ভাবে জানিয়েছেন ইমামির কর্তাদের। আগামী মরশুমের দল গঠনের বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। ইমামির সঙ্গে এখনও চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি। তাই কোনও টেকনিক্যাল টিমও গঠন করা যায়নি। তাই দুই পক্ষের কর্তারা আলোচনা করেই আপাতত দল গঠনের কাজে এগোবেন। নতুন কোম্পানিতে কত শতাংশ শেয়ার কাদের কাছে থাকবে, তা নিয়ে বিস্তারিত কোনও আলোচনায় হয়নি। তবে শোনা যাচ্ছে পুরো স্পোর্টিং রাইটসের পরিবর্তে শুধু ফুটবল রাইটস ইমামির হাতে তুলে দিতে পারে ইস্টবেঙ্গল। সামনের সপ্তাহে কার্যকরী কমিটির বৈঠকে বসবেন লাল হলুদ কর্তারা। সেই বৈঠকে শেয়ারের ব্যাপারে আলোচনা হবে। তারপর ইমামি কর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসবে ইস্টবেঙ্গল। লালহলুদ কর্তারা চাইছেন চুক্তির বিষয় চূড়ান্ত করে নতুন কোম্পানি তৈরি করতে। মনতোষ হাতছাড়া হলেও ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের জন্য খুশির খবর। লাল হলুদের সঙ্গে অনেক দূর কথা এগিয়েছে অনূর্ধ্ব-১৭ ফিফা বিশ্বকাপে ভারতের জার্সিতে খেলা জিতেন্দ্র সিং-এর। গত আইএসএলে জামশেদপুরের হয়ে লিগ শিল্ড জয়ী জিতেন্দ্র সিং-এর কাছে ইস্টবেঙ্গল ছাড়াও অফার রয়েছে অন্যান্য ক্লাবের। একাধিক আইএসএল-এর ক্লাব তাঁকে পেতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। পুরোটাই এজেন্টের সঙ্গে খাতিয়ে দেখছেন জিতু। ইস্টবেঙ্গল মনমতো প্রস্তাব দিলে বেশি ক্লাবের চুক্তি পত্রে সই করতে বেশি সময় নেবেন না তিনি। এদিকে, আশুতোষ মেহতাকে কলকাতা লিগের জন্য অধিনায়ক ঘোষণা করতে পারে এটিকে মোহনবাগান। সহ অধিনায়ক বাছা হতে পারে অভিজ্ঞ কোনও বাঙালি ফুটবলারকে।

জুন ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ইস্টবেঙ্গলের প্রস্তাব ফিরিয়ে কেন চেন্নাইন এফসি–তে সই করলেন মনোতোষ?‌

দলবদলের বাজারে বড় ধাক্কা খেল ইস্টবেঙ্গল। লালহলুদের প্রস্তাব ফিরিয়ে চেন্নাইন এফসির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হলেন মনোতোষ চাকলাদার। বাংলার এই প্রতিশ্রুতিবান ডিফেন্ডারকে হারালেও সার্থক গোলুইকে তুলে নিয়েছে লালহলুদ।কলকাতা লিগে ভাল খেলার সুবাদে প্রথম থেকেই মনোতোষের ওপর নজর ছিল লালহলুদ কর্তাদের। সন্তোষ ট্রফিতেও বাংলার হয়ে নজরকাড়া ফুটবল উপহার দেন এই উদীয়মান ডিফেন্ডার। তখন থেকেই বিভিন্ন ক্লাবের নজর ছিল মনোতোষের ওপর। ইস্টবেঙ্গলের পাশাপাশি চেন্নাইন এফসিও প্রস্তাব দিয়েছিল মনোতোষকে। শেষ পর্যন্ত চেন্নাইনের প্রস্তাব মনে ধরায় তিনি আইএসএলের এই ক্লাবের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হলেন।কেন চেন্নাইনের প্রস্তাব গ্রহন করলেন মনোতোষ? আসলে লালহলুদ কর্তাদের ওপর ভরসা করতে পারেননি তিনি। ইস্টবেঙ্গল কর্তারা মনোতোষকে বলেছিলেন, কলকাতা লিগে ভাল খেললে আইএসএলের দলে নেওয়া হবে। লালহলুদের এই প্রস্তাবে মনোতোষ রাজি হননি। আইএসএলে খেলার নিশ্চয়তা পাওয়ার জন্যই তিনি চেন্নাইনের প্রস্তাব গ্রহন করেন। তাঁর সঙ্গে ৩ বছরের চুক্তি করেছে চেন্নাইন এফসি।বরাবারই তিনি আইএসএলের ক্লাবে খেলতে চেয়েছিলেন। সেই স্বপ্নপূরণ করার জন্যই ইস্টবেঙ্গলে সই করেননি। চেন্নাইনে সই করে খুশি মনোতোষ। তিনি বলেন, ইস্টবেঙ্গলের প্রস্তাবও ছিল। কিন্তু কলকাতা লিগে ভাল খেললে তবেই আইএসএলের জন্য চুক্তি করত। আমি তাতে রাজি হইনি। আইএসএল দলে খেলার স্বপ্ন ছিল। চেন্নাইনে সেই সুযোগ পাব। অনেকদিনের স্বপ্ন ছিল আইএসএলে খেলার। সেই স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে। আপাতত লক্ষ্য প্রথম একাদশে জায়গা করে নেওয়া। চেন্নাইনে বিদেশি কোচ রয়েছে। ভাল ভাল বিদেশি ফুটবলার রয়েছে। অনেক কিছু শিখতে পারব।এদিকে, মনোতোষকে হারিয়ে ডিফেন্স পোক্ত করার জন্য সার্থক গোলুইকে তুলে নিল ইস্টবেঙ্গল। তিনি লালহলুদের চুক্তিপত্রে সই করে দিয়েছেন। গত বছর বেঙ্গালুরু এফসির জার্সি গায়ে খেলেছিলেন সার্থক। তার আগে ইস্টবেঙ্গলে একটা মরশুম কাটিয়েছিলেন। ২৪ বছর বয়সী এই ডিফেন্ডার স্টপার ছাড়াও সাইড ব্যাকে খেলতে পারেন। বাংলার সন্তোষ ট্রফি দলের আর এক সদস্য সজল বাগকে তুলে নিয়েছে ওড়িশা এফসি। তাঁর দিকেও নজর ছিল ইস্টবেঙ্গলের।

জুন ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুর্দান্ত চমক, গোল্ডেন গ্লাভসজয়ী গোলকিপারকে তুলে নিল ইস্টবেঙ্গল

গত মরশুমে গোলকিপার নিয়ে বেশ সমস্যায় পড়তে হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলকে। তাই সামনের মরশুমে যাতে আর সমস্যায় পড়তে না হয় তারজন্য ভাল গোলকিপারের খোঁজে ছিলেন লালহলুদ কর্তারা। সাফল্যও পেয়ে গেলেন। আই লিগের সেরা গোলকিপার ভাস্কর রায়কে তুলে নিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। ইতিমধ্যেই এই তরুণ গোলকিপারের সঙ্গে প্রাকচুক্তিও সেরে ফেলেছেন লালহলুদ কর্তারা।এই বছর আই লিগে রাজস্থান এফসির হয়ে তিন কাঠির নিচে দুরন্ত পারফরমেন্স করেছেন ভাস্কর রায়। রাজস্থান এফসি আই লিগে সাফল্য না পেলেও তাঁর খেলা নজরে পড়েছিল বিভিন্ন ক্লাবের কর্তাদের। এবারের আই লিগে তিনি গোল্ডেন গ্লাভস জিতেছেন। আইএসএল ছাড়াও আই লিগের বেশ কয়েকটা ক্লাবের প্রস্তাবও ছিল ভাস্কর রায়ের কাছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত লালহলুদকেই বেছে নিয়েছেন ভাস্কর। কারণ ছোট থেকেই স্বপ্ন দেখতেন ইস্টবেঙ্গলের জার্সি গায়ে খেলার। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়িত করাই ছিল ভাস্কর রায়ের লক্ষ্য। তাড়াছা ইস্টবেঙ্গলে খেলার সুবিধাও বেশি পাবেন বলে তাঁর মনে হয়েছে।মঙ্গলবারই এই বাঙালী গোলকিপারের সঙ্গে চুক্তি শেষ হয়েছে রাজস্থান এফসির। ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে প্রাকচুক্তি করলেও অন্য ক্লাবে সই করারও পথ খোলা রয়েছে ভাস্করের সামনে। লালহলুদের থেকে তিনি যদি অন্য ক্লাব থেকে ভাল প্রস্তাব পান তাহলে প্রাকচুক্তি ভেঙে বেরিয়ে যেতে পারেন। শুধু ভাস্কর রায় নন, বেশ কয়েকজন ফুটবলারের সঙ্গে এইরকম চুক্তি করে রেখেছে ইস্টবেঙ্গল। শুধু আইএসএলে জন্য নয়, কলকাতা লিগ, আইএফএ শিল্ড এবং ডুরান্ড কাপেও ক্লাবের জার্সিতে খেলতে দেখা যাবে ভাস্কর রায়কে।এদিকে ইস্টবেঙ্গলের স্টপার হীরা মণ্ডলকে বড় রকমের প্রস্তাব দিয়েছে ওড়িশা এফসি। ওড়িশা ছাড়াও আইএসএলের একাধিক ক্লাবের প্রস্তাব রয়েছে হীরার কাছে। দেখা যাক তিনি শেষ পর্যন্ত কোন দলের প্রস্তাব গ্রহন করেন। এদিকে সন্তোষ ট্রফিতে নজরকাড়া বাংলার মিডফিল্ডার সজল বাগকে তুলে নিল চেন্নাইন এফসি। তাঁর সঙ্গে তিন বছরের চুক্তি করেছে চেন্নাইন। অর্থাৎ ২০২৫ পর্যন্ত তাঁকে চেন্নাইনের জার্সি গায়ে খেলতে দেখা যাবে। ইস্টবেঙ্গলেরও নজর ছিল সজলের দিকে।

মে ৩১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ইস্টবেঙ্গলের বিতর্কিত কোচ এবার বেঙ্গালুরু ইউনাইটেডের দায়িত্বে

বরাবরই তিনি চ্যালেঞ্জ নিতে ভালবাসেন। আরও একবার চ্যালেঞ্জ নিলেন খালিদ জামিল। আইলিগ ও আইএসএলে সাফল্যের সঙ্গে কোচিং করানোর পর এবার আই লিগের দ্বিতীয় ডিভিশনেও কোচিং করাতে চলেছেন খালিদ। এবার তাঁকে দেখা যাবে দ্বিতীয় ডিভিশন আই লিগের হাইপ্রোফাইল দল বেঙ্গালুরু ইউাইটেডের দায়িত্বে।২০১৬১৭ মরশুমে আইজল এফসিকে আইলিগ চ্যাম্পিয়ন করিয়ে খবরের শিরোনামে আসেন খালিদ। প্রথমে সহকারী কোচ হিসেবে নর্থইস্ট ইউনাইটেডে যোগ দিলেও পরবর্তীতে দলটির প্রধান কোচের দায়িত্ব গ্রহণ করেন খালিদ। গত মরশুমে আইএসএলে নর্থইস্ট ইউনাইটেডে পূর্ণসময়ের কোচ হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন খালিদ। তাঁর কোচিংয়ে সাফল্য না পেলেও খুব একটা খারাপ খেলেনি নর্থইস্ট ইউনাইটেড। প্রথম ভারতীয় কোচ হিসেবে তিনি তাঁর দল নর্থইস্ট ইউনাইটেডকে আইএসএলের প্লেঅফে নিয়ে গিয়েছিলেন। তার অধীনে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছিল জন আব্রাহামের দল।যদিও তাঁর সঙ্গে নতুন করে চুক্তি করেনি আইএসএলের এই দল। বেঙ্গালুরু ইউনাইটেডের দায়িত্ব নিয়ে খালিদ খুশি। তিনি বলেন, বেঙ্গালুরু ইউনাইটেডে যোগ দিতে পেরে আমি খুশি। মুখিয়ে রয়েছি ক্লাবকে আরও শক্তিশালী করে ওদের ট্রফি ক্যাবিনেট ভরিয়ে তুলতে। বেঙ্গালুরু ইউনাইটেডের দলে তারুণ্য ও অভিজ্ঞতার মিশ্রন রয়েছে। আমি মুখিয়ে রয়েছি তাদের সাথে কাজ করে আমার সমস্ত শিক্ষা শেয়ার করার জন্য। আমি আত্মবিশ্বাসী যে আমরা এক সাথে কাজ করতে পারব এবং ক্লাবকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারব।সূত্রের খবর, দুই বছরের চুক্তিতে খালিদকে সই করিয়েছে বেঙ্গালুরু ইউনাইটেড। আই লিগ জয়ী কোচের সার্ভিস নিশ্চিত করার পর বেঙ্গালুরু ইউনাইটেডের মালিক গৌরব মাচান্দা বলেছেন, ভারতীয় ফুটবলের অন্যতম সেরা কোচ খালিদ। দীর্ঘ নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা আছে। টেকনিক্যাল স্কিলো দারুণ। কোচিং অভিজ্ঞতা অনেক। আমরা নিশ্চিত ওর তত্ত্বাবধানে ক্লাব আরও বড় উচ্চতায় পৌঁছবে।আইজলের মতো এক অখ্যাত দলকে ভারতীয় ফুটবলের চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন খালিদ জামিল। তাঁর হাতে পড়ে ইতিহাস তৈরি করে আই লিগ চ্যাম্পিয়ন হয় আইজল এফসি। আইজলকে চ্যাম্পিয়ন করার পর তিনি দেশের ফুটবলের দুই স্তম্ভ ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগানের কোচের দায়িত্ব সফল ভাবে পালন করেছেন। ইস্টবেঙ্গলে কোচিং করানোর সময় তিনি বিতর্কের মুখেও পড়েছিলেন।

মে ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের চুক্তি বিশ বাঁও জলে

শ্রী সিমেন্ট সরে যাওয়ার পর আইএসএলে খেলার জন্য দীর্ঘদিন ধরেই লগ্নিকারী সংস্থার খোঁজে ছিল ইস্টবেঙ্গল। বেশ কয়েকটা সংস্থার সঙ্গে কথা বললেও কেউ এগিয়ে আসেনি। অবশেষে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির উদ্যোগে ইমামি গ্রুপ স্পনসর করতে রাজি হয়েছে। তার আগে সৌরভ গাঙ্গুলি কথা বলেছিলেন ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে। কিন্তু লালহলুদের সঙ্গে জোট বাঁধার কোনও ইচ্ছেই নাকি নেই ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের।বেশ কিছুদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে পারে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড। কয়েকদিন আগে সৌরভ গাঙ্গুলি নিজের মুখেই জানিয়েছিলেন, ম্যান ইউয়ের সঙ্গে কথাবার্তা চলছে। দিন দশবারোর মধ্যে ছবিটা পরিস্কার হয়ে যাবে। ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের গাঁটছড়া বাঁধার পুরো বিষয়টা সৌরভই দেখছিলেন। তিনিই ছিলেন মধ্যস্থতাকারীর দায়িত্বে।সৌরভ গাঙ্গুলি চুক্তির ব্যাপারে বলেছিলেন, ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। আরও বেশ কয়েকটা স্পনসরের সঙ্গেও কথা হয়েছে। ১০১২ দিনের মধ্যেই বিষয়টা চূড়ান্ত হয়ে যাবে। আগে বিষয়টা চূড়ান্ত হোক, তারপর পরিস্কারভাবে জানাতে পারব। আর ম্যাঞ্চেস্টার যদি আসে, তাহলে মালিক হিসেবেই আসবে, স্পনসর হিসেবে নয়।আরও পড়ুনঃ কীর্তি-র কীর্তি তে বন্যাবিধ্বস্ত দুর্গতদের মুখেও হাসি, এ এক অন্য আমলার কাহিনিযদিও ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে চুক্তির ব্যাপারে এখনও কোনও কিছু এগোয়নি। ইংল্যান্ডের বিখ্যাত সংবাদপত্র দ্য সানএ ইস্টবেঙ্গল ও ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের চুক্তি নিয়ে একটা প্রতিবেদন বেরিয়েছিল। এই বিষয়ের সত্যতা জানার জন্য ম্যান ইউকে একটি মেল পাঠানো হয়েছিল নিউজ নাইন সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে। নিউজ নাইনকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই খবরের কোনও ভিত্তি নেই। আইএসএলের কোনও ক্লাবের জন্য বিড করার পরিকল্পনা এই মুহূর্তে নেই। বর্তমান যা পরিস্থিতি, অদূর ভবিষ্যতেও ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার কোনও সম্ভাবনা নেই ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের।মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে বিনিয়োগকারী সমস্যা কাটিয়ে উঠেছে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। ইনভেস্টার পাওয়ার আগে থেকেই দল গোছানোর কাজ শুরু করেছিল লালহলুদ। ইমামি নয়া বিনিয়োগকারী হিসেবে ঘোষণা হওয়ার পর সেই কাজে আরও গতি এসেছে। নতুন উদ্যোমে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন লালহলুদ কর্তারা।

মে ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

লালহলুদের আবার মুশকিল আসান মুখ্যমন্ত্রী, মমতা ব্যানার্জির উদ্যোগেই ইস্টবেঙ্গলে ইমামি

আইএসএলে ইস্টবেঙ্গলের খেলা নিয়ে যখন ঘোর অনিশ্চয়তা চলছিল, এগিয়ে এসেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। শ্রী সিমেন্টকে ইনভেস্টর হিসেবে এনে দিয়েছিলেন। শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর আবার লালহলুদের মুশকিল আসান হয়ে দাঁড়ালেন সেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীই। তাঁর উদ্যোগেই লগ্নিকারী সংস্থা হিসেবে ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে যুক্ত হল ইমামি গ্রুপ। আজ নবান্নে মমতা ব্যানার্জি সাংবাদিক সম্মেলনে ঘোষণা করেন, ইমামি গ্রুপের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেই ইস্টবেঙ্গল এবার আইএসএলে খেলবে। এদিন ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের পাশাপাশি নবান্নে হাজির ছিলেন ইমামির প্রতিনিধিরাও।বেশ কয়েকমাস ধরেই বিভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের গাটঁছাড়া বাঁধার জল্পনা চলছিল। কিন্তু চূড়ান্ত কিছু হচ্ছিল না। শোনা যাচ্ছিল বাংলাদেশের বসুন্ধরা গ্রুপ লালহলুদে লগ্নি করতে পারে। তাঁদের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বেশ কয়েক দফা কথা হয় লালহলুদ কর্তাদের। ইস্টবেঙ্গলের প্রতিনিধিরাও বাংলাদেশে গিয়েছিলেন। কথাবার্তা অনেকদূর এগিয়ে গিয়ে পুরো বিষয়টা জটে আটকে যায়। এরপর শোনা যাচ্ছিল ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার কথা। তার আগেই ইমামি গ্রুপের সঙ্গে চূক্তি চূড়ান্ত হল। বুধবার নবান্নে ইস্টবেঙ্গল এবং ইমামি গ্রুপের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। তিনি ইমামি গ্রুপকে ইস্টবেঙ্গলে বিনিয়োগ করার প্রস্তাব দেন। মুখ্যমন্ত্রীর কথাতেই ইস্টবেঙ্গলে বিনিয়োগ করতে রাজি হয়ে যায় ইমামি গ্রুপ। বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বলেন, আজ দুই পক্ষের কর্তারা আমার এখানে চা খেতে এসেছিল। সেখানেই বিনিয়োগের ব্যাপারে দুই পক্ষের কর্তাদের সঙ্গে কথা হয়। দুপক্ষই রাজি হয়েছে। ইমামি বিনিয়োগ করায় ইস্টবেঙ্গলের আইএসএলে খেলার যে সমস্যা হচ্ছিল, সেই সমস্যা মিটে যাবে। ইমামি গ্রুপকে ক্লাবে স্বাগত জানিয়েছেন ইস্টবেঙ্গল কর্তা দেবব্রত সরকার। আবার ক্লাবের পাশে দাঁড়ানোর জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। দেবব্রত সরকার বলেন, মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করব না। শুধু ইনভেস্টর এনে দেওয়ায়ই নয়, যেভাবে ক্লাবের সব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তিনি যুক্ত থাকেন, সেটা বাংলার আর কোনও মুখমন্ত্রী আগে ভাবেননি। আমি ইমামি গ্রুপকেও ধন্যবাদ জানাব। আশা করব আগামী দিনে আমাদের ক্লাব ইমামির সাহায্যে সাফল্য পাবে। শোনা যাচ্ছে শুধু আইএসএলের জন্যই ইমামি ইস্টবেঙ্গলকে স্পনসর করবে। অন্য স্পনসরের অধীনে কলকাতা লিগ আর আইএফএ শিল্ড খেলবে ইস্টবেঙ্গল।

মে ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

নতুন চমক ইস্টবেঙ্গলের?‌ লালহলুদে আসতে পারেন ‘‌এ’‌ লিগে খেলা বিদেশি

স্পনসর এখনও চূড়ান্ত না হলেও সামনের মরশুমের জন্য ধীরে ধীরে দল গুছিয়ে নিচ্ছে ইস্টবেঙ্গল। গত দুবছর ধারাবাহিকভাবে ভাল খেলা ওয়াহেংবাম আঙ্গুসানা লুয়াংয়ের সঙ্গে চুক্তি নবীকরণ করল লালহলুদ। মনিপুরের এই মিডফিল্ডারের সঙ্গে আরও দুবছরের চুক্তি করল ইস্টবেঙ্গল। তাঁকে প্রাক চুক্তিপত্রে সই করিয়েছেন লালহলুদ কর্তারা।ট্রাই এফসি থেকে যোগ দেওয়ার পর গত দুমরশুম ধরে লালহলুদ জার্সিতে খেলছেন আঙ্গুসানা লুয়াং। প্রথম মরসুমে রবি ফাওলারের কোচিংয়ে এবং এই মরশুমে প্রথমে মানোলো দিয়াজ, পরবর্তীতে মারিও রিভেরার কোচিংয়ে নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরেছিলেন আঙ্গুসানা। তাই তাঁর সঙ্গে চুক্তি বাড়াল ইস্টবেঙ্গল।সাগোসবান্দ এফসির হয়ে ফুটবলজীবন শুরু করেন আঙ্গুসানা। এরপর তিনি আই লিগের দল ট্রাউ এফসিতে সই করেন। সেই সময় ট্রাউ এফসি আই লিগের দ্বিতীয় ডিভিশনে খেলত। দ্বিতীয় ডিভিশন আই লিগে ট্রাউয়ের হয়ে ১২টি ম্যাচ খেলেন। দুরন্ত ফুটবল উপহার দিয়ে দলকে আই লিগের মূলপর্বেও তোলেন। আই লিগের মূলপর্বে ট্রাউয়ের হয়ে ১৭টি ম্যাচ খেলেছিলেন আঙ্গুসানা। আই লিগে ভাল খেলার সুবাদে লালহলুদ কর্তারা তাঁকে সই করান। ইস্টবেঙ্গলের জার্সিতে এখনও পর্যন্ত ২৮টি ম্যাচ খেলেছেন আঙ্গুসানা লুয়াং। এই বছর আই লিগে যে কটা ম্যাচে সুযোগ পেয়েছিলেন, নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরেছিলেন।এদিকে, আরও এক বিদেশি ফুটবলারের লালহলুদে আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার এ লিগে খেলা দিমিত্রি পেত্রতোসকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই মাঝমাঠের এই জীবনপঞ্জী লালহলুদ কর্তাদের হাতে এসে পৌঁছেছে। বর্তমানে তিনি অস্ট্রেলিয়ার এ লিগে ওয়েস্টার্ন সিডনি ওয়ান্ডারার্সের হয়ে খেলছেন। সৌদি আরবের প্রফেশনাল লিগের দল আল ওহেদাতেও খেলেছেন তিনি। সেখান থেকেই লোনে তিনি ওয়েস্টার্ন সিডনি ওয়ান্ডারার্সে যোগ দিয়েছেন।২৯ বছর বয়সী এই ফুটবলার বহু ক্লাবে খেলেছেন।২০১৩ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত ব্রিসবেন রোরে। তারপর যোগ দেন উলসান হুন্ডাইয়ে। ২০১৭ থেকে ২০২০ পর্যন্ত খেলেন নিউক্যাসেল জেটসে। অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন বয়স ভিত্তিক জাতীয় দলে খেলেছেন। অনূর্ধ্ব ১৭, ২০, ২৩ দলের হয়ে কিছু ম্যাচ খেলেছেন। সিনিয়র দলেও সুযোগ পেয়েছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় দলের হয়ে তিনটি ম্যাচও খেলেছেন। এখন দেখার তাঁকে শেষ পর্যন্ত পছন্দ হয় কিনা লালহলুদ কর্তাদের।

মে ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌মনোতোষ চূড়ান্ত, দুই বিশ্বকাপারকে দলে নিতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল

আইএসএলের স্পনসর কবে আসবে, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চিয়তা রয়েছে। সহযোগী স্পনসর নিয়ে কলকাতা লিগ, শিল্ড, ডুরান্ড কাপ খেলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইস্টবেঙ্গল। সেই লক্ষ্যে সামনের মরশুমের জন্য দল গঠনে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন লালহলুদ কর্তারা। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজন ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তি করেছে ইস্টবেঙ্গল। এবার বাংলা দলের সন্তোষ ট্রফির অধিনায়ক মনোতোষ চাকলাদারের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত করল লালহলুদ শিবির। সন্তোষ ট্রফিতে রীতিমতো নজরকাড়া ফুটবল খেলেছিলেন মনোতোষ চাকলাদার। রক্ষণে বাংলাকে দারুণ নির্ভরতা দিয়েছিলেন। তাঁর খেলা দেখে লালহলুদ কর্তাদের ছাড়াও ভাল লেগেছিল চেন্নাইন এফসির কর্তাদের। ইস্টবেঙ্গলের পাশাপাশি চেন্নাইন এফসিরও প্রস্তাব ছিল মনোতোষের কাছে। শেষ পর্যন্ত ইস্টবেঙ্গলকেই বেছে নিলেন বাংলার এই উদীয়মান ডিফেন্ডার। কেন লালহলুদকে বেছে নিলেন, সেই প্রসঙ্গে মনোতোষ চাকলাদার বলেন, প্রথম কথা ইস্টবেঙ্গল কলকাতার দল। ইস্টবেঙ্গলের মতো ক্লাবে খেলার সুযোগ পাওয়াটা আমার কাছে গর্বের। আর চেন্নাইনে সবসময় খেলার সুযোগ পাব কিনা, তার কোনও নিশ্চয়তা নেই।অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে ভারতীয় দলের হয়ে খেলা দুই ফুটবলারারে সঙ্গে কথা বলেছেন লালহলুদ কর্তারা। মহম্মদ রকিপ ও জিতেন্দ্র সিংকে দলে নিতে আগ্রহী ইস্টবেঙ্গল। রকিপ মণিপুরের ফুটবলার। মূলত খেলেন রক্ষণভাগে। তাঁকে দুই বছরের চুক্তিতে দলে নিতে চাইছেন লাল হলুদ কর্তারা। ইতিমধ্যে ইন্ডিয়ান সুপার লিগে বেশ কিছু ম্যাচ খেলেছেন বছর একুশের এই ডিফেন্ডার। অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে খেলা জিতেন্দ্র সিংয়ের সঙ্গে কথা বলেছেন লালহলুদ কর্তারা। কথাবার্তা অনেকদূর এগিয়েছে। জিতেন্দ্র ডিফেন্সের পাশাপাশি মাঝমাঠে খেলতে পারেন। মূলত ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার ভূমিকায় তাঁকে নেওয়ার কথা ভাবছে ইস্টবেঙ্গল। একদিকে দল গোছালেও ভাঙতেও পারে। ইস্টবেঙ্গল ছেড়ে চলে যেতে পারেন ডিফেন্ডার আদিল খান। তাঁকে দলে নিতে আগ্রহী চেন্নাইয়িন এফসি। ৩৩ বছর বয়সী এই ফুটবলার ভারতের একাধিক ক্লাবে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। গতবছর ইন্ডিয়ান সুপার লিগে লালহলুদ রক্ষণকে যথেষ্ট নির্ভরতা দিয়েছিলেন। দলের খারাপ পারফরমেন্সের মাঝেও আদিলের খেলা লাল হলুদ সমর্থকদের ভাল লেগেছিল। একসময় সবুজমেরুণ জার্সি গায়েও খেলেছিলেন আদিল। পুনে সিটি এফসির হয়েও আইএসএলে খেলেছিলেন।

মে ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ঘর ভাঙছে এটিকে মোহনবাগানের, লালহলুদের পথে রয় কৃষ্ণা?‌

এবছর আইএসএলের সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল এটিকে মোহনবাগানকে। ফাইনালে উঠতে না পারলেও গোটা প্রতিযোগিতাতেই নজরকাড়া ফুটবল খেলেছিলেন সবুজমেরুণের ফুটবলাররা। এটিকে মোহনবাগানের ফুটবলারদের সামনের মরশুমে পাওয়ার জন্য অন্য ক্লাবগুলি যে ঝাঁপাবে, আইএসএল শেষ হওয়ার পরপরই বোঝা গিয়েছিল। সেটাই ঘটতে চলেছে। এটিকে মোহনবাগানের বেশ কয়েকজন ফুটবলারের কাছে ইতিমধ্যেই অন্য ক্লাবের প্রস্তাব এসে গিয়েছে। দল ছাড়ার পথে ফিজির তারকা রয় কৃষ্ণাও।কদিন আগেই ইস্টবেঙ্গলের মাঝমাঠের ফুটবলার নামতেকে তুলে নিয়েছে এটিকে মোহনবাগান। এবার সবুজমেরুণের ঘর ভাঙার পথে লালহলুদ কর্তারা। স্পনসরের ব্যাপারে এখনও চূড়ান্ত কিছু না হলেও সামনের মরশুমে দল গঠনের ব্যাপারে দারুণভাবে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। ইতিমধ্যেই এটিকে মোহনবাগানের প্রীতম কোটাল ও রয় কৃষ্ণাকে বড় অঙ্কের প্রস্তাব দিয়েছেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে সামনের মরশুমে সবুজমেরুণের এই দুই ফুটবলারকে ইস্টবেঙ্গলে দেখা যেতে পারে।এটিকে মোহনবাগানে গত মরশুমে নিয়মিত খেলার সুযোগ পাননি প্রবীর দাস। তিনি আর সবুজমেরুণে থাকতে চাইছেন না। গত মরশুমেই তিনি এটিকে মোহনবাগান ছাড়তে চেয়েছিলেন। কিন্তু সবুজমেরুণ কর্তারা চুক্তির শর্ত দেখিয়ে তাঁকে ছাড়েননি। প্রবীর দাসের সঙ্গে সামনের মরশুমেরও চুক্তি রয়েছে এটিকে মোহনবাগানের। এই মুহূর্তে তাঁকে দলে পেতে আগ্রহী কেরালা ব্লাস্টার্স বেঙ্গালুরু এফসির মতো ক্লাবগুলি। কেরালা ব্লাস্টার্সের থেকে বেঙ্গালুরুর প্রস্তাব অনেকবেশি আকর্ষণীয়। তাদের প্রস্তাব বেশ মনে ধরেছে প্রবীর দাসের। তিনি এটিকে মোহনবাগান ছাড়তে চান। সবুজমেরুণ কর্তাদের কাছে রিলিজের জন্য আবেদনও করেছেন। এখন দেখার এটিকে মোহনবাগান প্রবীরকে রিলিজ দেয় কিনা। গত মরশুমে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করা লিস্টন কোলাসো, অস্ট্রেলিয়ার তারকা ডেভিড উইলিয়ামসের দিকেও নজর রয়েছে বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজির।

মে ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌সন্তোষ ট্রফির প্রথম ম্যাচে বাংলার জয়ে আশার আলো ইস্টবেঙ্গলে

সামনের মরশুমের জন্য আশা বুক বাঁধতেই পারেন লালহলুদ সমর্থকরা। নতুন স্পনসর হয়তো কয়েকদিনের মধ্যেই চূড়ান্ত হয়ে যাবে। ফুটবলার বাছাইয়ের কাজও চলছে। নতুন মরশুমের জন্য ইস্টবেঙ্গল রিক্রূটাররা যে খুব একটা খারাপ দল গড়ছেন না, সন্তোষ ট্রফির প্রথম ম্যাচেই প্রমাণ পাওয়া গেল। সন্তোষ ট্রফির প্রথম ম্যাচেই শক্তিশালী পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে জয় দিয়ে শুরু করল বাংলা। বাংলার জয়ের নায়ক শুভম ভৌমিক। তাঁর করা একমাত্র গোলেই জিতল বাংলা।লালহলুদ সমর্থকরা প্রশ্ন করতেই পারেন, বাংলার জয়ের সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের সম্পর্ক কী? আছে। সামনের মরশুমে লালহলুদ জার্সি গায়ে চাপাতে চলেছেন শুভম ভৌমিক। তাঁর সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের কথাবার্তা চূড়ান্ত। শুভমের গোলে লালহলুদ সমর্থকরা খুশি হতেই পারেন। সামনের মরশুমের দল গঠনের জন্য সন্তোষ ট্রফিকেই বেছে নিয়েছেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। এই প্রতিযোগিতা থেকেই ফুটবলার তুলে নিতে চান। শনিবার কেরলের মালাপ্পুরমের কোটাপাডি ফুটবল স্টেডয়ামে প্রতিযোগিতার অন্যতম শক্তিশালী প্রতিপক্ষ পাঞ্জাবের মুখোমুখি হয়েছিল বাংলা। প্রথম ম্যাচ জিতে কোয়ার্টার ফাইনাল গ্রুপ লিগে রীতিমতো ভাল জায়গায় থাকল রঞ্জন ভট্টাচার্যর দল। প্রথম থেকেই ম্যাচের রাশ ছিল বাংলার হাতে। দুই প্রান্ত দিয়ে আক্রমণ তুলে নিয়ে এসে বারবার পাঞ্জাব রক্ষণে হানা দিচ্ছিলেন শুভম ভৌমিকরা। একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও প্রথমার্ধে গোল পায়নি বাংলা। ম্যাচের একমাত্র গোলটি আসে দ্বিতীয়ার্ধের ১৭ মিনিটে। ডানদিক থেকে বসের মধ্যে জয় বাজের সেন্টার ভেসে আসে। বল বক্সে পড়ার মুখে ডানপায়ের ভলিতে জালে পাঠান শুভম ভৌমিক। ম্যাচের বাকি সময়ে পাঞ্জাব মরিয়া হলেও বাংলার রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় গোল করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করতে পারেনি। এদিন বাংলার রক্ষণকে দারুণ নেতৃত্ব দেন অধিনায়ক মনোতোষ চাকলাদার। বল দখলের লড়াইয়ে হেড করতে উঠলে পাঞ্জাবের এক ফুটবলারের সঙ্গে সংঘর্ষে তাঁর মাথা ফেটে যায়। দুটি সেলাইও করতে হয়েছে। দলের খেলায় খুশি বাংলা দলের কোচ রঞ্জন ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, দীর্ঘ বাস জার্নি করে এসে মাঝে মাত্র একদিন বিশ্রাম পেয়েছে ফুটবলার। তারপর মাঠে নেমে নতুন পরিবেশে এই গরমের মধ্যেও দারুণ ফুটবল উপহার দিয়েছে। পাঞ্জাবকতে হারিয়ে সন্তুষ্ট থাকলে চলবে না। পরের ম্যাচ কেরালার বিরুদ্ধে। যথেষ্ট লড়াই করতে হবে।

এপ্রিল ১৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আদৌও সামনের মরশুমে আইএসএলে খেলতে পারবে ‘‌শ্রী–হীন’‌ ইস্টবেঙ্গল?‌

মঙ্গলবারই চিঠি দিয়ে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবকে চিঠি দিয়ে ক্রীড়া সত্ত্ব ফিরিয়ে দেওয়ার কথা জানিয়েছে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্ট। ফলে নতুন করে দল গঠনে আর কোনও বাধা নেই লালহলুদ কর্তাদের। এবার থেকে তাঁরা নিজেদের উছন্দমতো দল গড়তে পারবেন। নিজেদের ইচ্ছেমতো প্রতিযোগিতায় খেলতে পারবেন। ইস্টবেঙ্গল শ্রীহীন হওয়ায় একটা প্রশ্ন ময়দানে ঘুরপাক খাচ্ছে। সামনের মরশুমে আদৌও কি আইএসএলে খেলতে পারবে লালহলুদ? আশাবাদী ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। নতুন লগ্নিকারী সংস্থা খুঁজে সামনের মরশুমে আইএসএলে খেলতে বদ্ধপরিকর তাঁরা। শ্রী সিমেন্টের কাছ থেকে স্পোর্টিং সত্ত্ব ফেরত পাওয়ার পর বুধবার ক্লাব তাঁবুতে সাংবাদিক সম্মেলন ডেকেছিলেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। সাংবাদিক সম্মেলনে ভবিষ্যত পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। ইতিমধ্যেই তাঁরা যে বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে কথা বলছেন, সেকথাও জানান। সামনের মরশুমে আইএসএলে খেলার ব্যাপারে ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার বলেন, আশা করছি ইস্টবেঙ্গল সামনের মরশুমে আইএসএল খেলবে। আমরা সবরকম চেষ্টা চালাচ্ছি। বাংলাদেশের বসুন্ধরা গ্রুপের সঙ্গে আমাদের কথাবার্তা অনেকটাই এগিয়েছে। আশা করছি কিছুদিনের মধ্যেই ব্যাপারটা পরিস্কার হয়ে যাবে। বসুন্ধরা গ্রুপের সঙ্গে আলোচনা করতে ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষ কর্তারা দু-দুবার বাংলাদেশে গিয়েছিলেন। প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। দুই পক্ষই আইনি বিষয়গুলি দেখাশোনা করছে। বসুন্ধরা গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সায়েম সোহবান এই মুহূর্তে দেশের বাইরে রয়েছেন। তাঁর ২০ এপ্রিল দেশে ফেরার কথা। তারপরই দুই পক্ষের চুক্তির বিষয়টা চূড়ান্ত হবে। যদিও শোনা যাচ্ছে বসুন্ধরা গ্রুপ শ্রী সিমেন্টের মতো মূল স্পনসর হবে না। তারা সহযোগী স্পনসর হিসেবে থাকতে চায়। আরও বেশ কয়েকটা সংস্থার সঙ্গে কথা বলেছেন লালহলুদ কর্তারা। চলতি মাসের মধ্যেই স্পনসরের বিষয়টা চূড়ান্ত হয়ে যাবে। এদিকে, গতবছরের দলের ১১ জন ফুটবলারের বেতন বকেয়া রয়েছে। সেই বকেয়া বেতন শ্রী সিমেন্ট মেটাবে কিনা, এখনও নিশ্চিত নয়। এদিন কার্যকরী কমিটির সভায় ঠিক হয়েছে, শ্রী সিমেন্টকে বকেয়া বেতন মিটিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে চিঠি দেওয়া হবে। কর্তাদের আশা শ্রী সিমেন্ট ফুটবলারদের বকেয়া বেতন মিলিয়ে দেবেন। ক্লাবের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার বলেন, ইস্টবেঙ্গলে বিনিয়োগ করার জন্য শ্রী সিমেন্টকে ধন্যবাদ। আশা করছি ফুটবলারদের যে বেতন বাকি আছে, তাও মিটিয়ে দেবে। এই নিয়ে চিঠি দেওয়া হচ্ছে। এদিকে, ক্রীড়া সত্ত্ব ফিরে পেয়ে এখন থেকেই দলগঠনে নামতে চলেছেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। তাঁদের লক্ষ্য সন্তোষ ট্রফি থেকে ফুটবলার বাছাই করা। সেই লক্ষ্যে ক্লাবের দুই ফুটবলারকে কেরালা পাঠানো হচ্ছে। এবছর দল গঠনে প্রাক্তন ফুটবলারদের মতামতকে প্রাধান্য দিতে চান লালহলুদ কর্তারা।

এপ্রিল ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

শ্রী-হীন ইস্টবেঙ্গল, স্পোর্টিং রাইটস ফিরে পেল

অবশেষে শ্রী সিমেন্টের কাছ থেকে স্পোর্টিং রাইটস ফিরে পেল ইস্টবেঙ্গল। মঙ্গলবারই সরকারিভাবে ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের হাতে ফিরিয়ে দিলেন শ্রী সিমেন্টের কর্তারা। একই সঙ্গে চূড়ান্ত বিচ্ছেদ হয়ে গেল দুই পক্ষের মধ্যে। যদিও লালহলুদের পক্ষ থেকে সরকারিভাবে এখনও কিছু জানানো হয়নি। বুধবার বিকেলে সাংবাদিক সম্মেলন করে সরকারিভাবে ক্লাবের পক্ষ থেকে এই ব্যাপারে বিস্তারিত জানানো হবে। কোয়েস সরে যাওয়ার পর ২ বছর আগে ইস্টবেঙ্গলের লগ্নিকারী সংস্থা হয়ে এসেছিল শ্রী সিমেন্ট। তাদের হাতে ফুটবল দলে সত্ব ছেড়ে দেন। এই নিয়ে একটা খসড়া চুক্তি হয়েছিল দুই পক্ষের মধ্যে। কিন্তু চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি। এরপর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়। শ্রী সিমেন্ট ক্লাবের নানা বিষয়ে শর্ত আরোপ করেছিল। এর মধ্যে ক্লাব তাঁবুতে সদস্যসমর্থকদের প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞাও ছিল। চুক্তিকে এমন কয়েকটা শর্ত ছিল, যাতে ক্লাবের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ক্ষমতা খর্ব করা হয়। এই নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিবাদ শুরু হয়। ইস্টবেঙ্গল কর্তারা চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করতে রাজি হননি।এই অবস্থায় গত মরশুমের শুরুতে শ্রী সিমেন্টের কর্তারা জানিয়ে দেন, চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা দল গঠন করবেন না। অনেক টালবাহনার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপে শেষ মুহূর্তে দল গঠন করতে রাজি হয়। শেষ মুহূর্তে দল গঠন করে আইএসএলে খেলতে নামে। পরে জানিয়ে দেয়, এই মরশুমে তারা আর ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে নতুন করে লগ্নি করবে না। এবং স্পোর্টিং রাইটসও ফিরিয়ে দেবে। সেইমতো মঙ্গলবার চূড়ান্ত বিচ্ছেদ হয়ে গেল। শ্রী সিমেন্ট যে আর থাকবে না, লালহলুদ কর্তারাও জানতেন। তাই তাঁরা নতুন লগ্নিকারী সংস্থার খোঁজে নেমেছেন। ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের বসুন্ধরা গ্রুপের সঙ্গে অনেকদূর কথাবার্তা এগিয়েছে ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের। লালহলুদের শীর্ষ কর্তারাও দুদুবার বাংলাদেশ ঘুরে এসেছেন। এই মাসে আরও একবার যাওয়ার কথা। শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়ে যাওয়ায় এখন আর নতুন লগ্নিকারী সংস্থার সঙ্গে চুক্তি করতে সমস্যা নেই। হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন লালহলুদ সদস্যসমর্থকরা।

এপ্রিল ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ইস্টবেঙ্গলের পর কলকাতার আরও একটা দল ওপার বাংলার সঙ্গে যুক্ত হতে চলেছে

এপার বাংলার ফুটবলের সঙ্গে মিশে যাচ্ছে ওপার বাংলা। মাসখানেক ধরেই ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে বসুন্ধরা কিংসের গাঁটছড়া বাঁধার খবর শোনা যাচ্ছে। লালহলুদে লগ্নি করার ব্যাপারে আগ্রহী হয়েছে বাংলাদেশের বসুন্ধরা গ্রুপ। যারা বাংলাদেশে তিনতিনটি ক্লাবকে স্পনসর করছে। এবার এপার বাংলার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে এগিয়ে আসছে ওপার বাংলার ঐতিহ্যশালী ক্লাব ঢাকা মহমেডান। শুক্রবার দুই ক্লাবের কর্তাদের সঙ্গে এই ব্যাপারে প্রাথমিক কথা হয়েছে। কলকাতার মহমেডান স্পোর্টিং কর্তাদের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে কলকাতায় এসেছেন ঢাকা মহমেডান ক্লাবের ডিরেক্টর ও ফুটবল সচিব আবু হাসান চৌধুরি প্রিন্স। শুক্রবার বিকেলে তিনি মহমেডান ক্লাব তাঁবুতে আসেন। এবার বাংলার মহমেডানের কর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন। দুই ক্লাবের কর্তাদের মধ্যে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা হয়। আপাতত ঠিক হয়েছে দুই ক্লাবের মধ্যে যুব ফুটবলার বিনিময় হবে। মহমেডান স্পোর্টিং যদি আইএসএলে খেলে, তাহলে সবদিক দিয়ে সাহায্য করবে ওপার বাংলার ঢাকা মহমেডান। এমনকি, ভবিষ্যতে স্পনসর হিসেবে যুক্ত হওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। দুই পক্ষের বৈঠকের পর ঢাকা মহমেডানের ফুটবল সচিব তথা ক্লাব ডিরেক্টর আবু হাসান চৌধুরি প্রিন্স বলেন, মাঝে আমাদের ক্লাবের অবস্থাও ভাল ছিল না। সম্প্রতি আমরা ঘুরে দাঁড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছি। এপার বাংলার মহমেডানও ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। আজ দুই পক্ষের মধ্যে কথা হয়েছে। আমরা একসঙ্গে পথ চলতে চাই। আপাতত যুব ফুটবলার বিনিময়ের ওপর জোর দিচ্ছি। মহমেডান মাঠ সংস্কার হচ্ছে। সংস্কারের পর যেদিন উদ্বোধন হবে, সেদিন ঢাকা মহমেডানের প্রাক্তন ফুটবলার ও এপার বাংলার মহমেডানের প্রাক্তন ফুটবলারদের মধ্যে একটা ম্যাচ আয়োজন হবে। আর মহমেডান যদি আইএসএলে খেলে তাহলে, সর্বোতভাবে সাহায্য করব। দুই ক্লাবের গাঁটছড়া বাঁধার ব্যাপারে এপার বাংলার মহমেডানের সচিব দানিশ ইকবাল বলেন, দীর্ঘদিন দুই ক্লাবের মধ্যে কোনও যোগাযোগ ছিল না। আমরা সম্পর্ক স্থাপনের দিকে এগোচ্ছি। একসঙ্গে পথ চলার কথা ভাবছি। অদূর ভবিষ্যতে যুব ফুটবলার বিনিময় হবে। তারপর ধাপে ধাপে এগোব।

এপ্রিল ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌বসুন্ধরা গ্রুপের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্তের পথে?‌ ইস্টবেঙ্গলে আশার আলো

সামনের মরশুমে ইস্টবেঙ্গলের স্পনসর হিসেবে কি দেখা যাবে বাংলাদেশের বসুন্ধরা গ্রুপকে? সে রকমই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। মাস খানেক আগে লালহলুদ কর্তাদের আমন্ত্রণে ভারতে এসেছিলেন বসুন্ধরা গ্রুপের শীর্ষ কর্তা। বসুন্ধরা গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সায়েম শওভন আনভিকে কলকাতায় ডেকে এনে ক্লাব তাঁবুতে জমকালো সংবর্ধনা দিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। ক্লাবের আজীবন সদস্যপদও তুলে দেওয়া হয়। তখন থেকেই একটা বিষয় পরিস্কার হয়ে গিয়েছিল যে, বসুন্ধরা গ্রুপকে স্পনসর হিসেবে পেতে চান তাঁরা। কলকাতাতেই স্পনসরশিপের ব্যাপারে প্রাথমিক কথাবার্তা হয়েছিল দুই পক্ষের। দ্রুত চুক্তি সারতে আগ্রহী ছিল দুপক্ষই। তাই লালহলুদ কর্তাদের ঢাকায় আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্র লিমিটেডের কর্তারা। সেই আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে লালহলুদের দুই শীর্ষ কর্তা বাংলাদেশ যান। বসুন্ধরা গ্রুপে সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলেন ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষ কর্তা দেবব্রত সরকার ও রূপক সাহা। আলোচনা অনেকটাই এগিয়েছিল। কলকাতায় ফিরে এসে চুক্তির পথ মসৃণ করতে আইনি প্রক্রিয়াও শুরু করেছিলেন লালহলুদ কর্তারা। এরপর আবার জরুরি ভিত্তিতে লালহলুদ কর্তাদের আলোচনার আমন্ত্রণ জানান বসুন্ধরা গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সায়েম শওভন আনভি। বৃহস্পতিবারই আইনজীবী নিয়ে বাংলাদেশ পৌঁছে গেছেন এক শীর্ষ কর্তা। বসুন্ধরা গ্রুপের কর্তাদের সঙ্গে লালহলুদের সেই শীর্ষ কর্তার একপ্রস্থ বৈঠক হয়েছে। শুক্রবার আবার আলোচনায় বসবেন বসুন্ধরা গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সায়েম শওভন আনভির সঙ্গে। চুক্তির জন্য বাংলাদেশের যে যে আইনি প্রক্রিয়া সারতে হবে, সেই বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। কোন পদ্ধতিতে বসুন্ধরা গ্রুপ লালহলুদে অর্থ লগ্নি করবে, তা চূড়ান্ত হবে।হঠাৎ কেন ইস্টবেঙ্গলের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠল বসুন্ধরা গ্রুপ? ইস্টবেঙ্গলের বর্তমান স্পনসর শ্রী সিমেন্ট সামনের মরশুমে যে আর থাকবে না, এটা দিনের আলোর মতো পরিস্কার। এই অবস্থায় নতুন লগ্নিকারী সংস্থার খোঁজে ছিলেন লালহলুদ কর্তারা। তাঁরা যোগাযোগ করেন বসুন্ধরা গ্রুপের কর্তাদের সঙ্গে। বসুন্ধরাও এমন একটা ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার অপেক্ষায়, যাদের এশিয়ান লেভেলে পরিচিতি আছে। বসুন্ধরা গ্রুপ চায় ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নিজেদের পরিচিতি আরও বাড়াতে। বাংলাদেশে তিনটি বড় ক্লাবকে স্পনসর করছে বসুন্ধরা গ্রুপ। এবার বিদেশের মাটিতে পা রাখতে চায়।

মার্চ ৩১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

খেলতে খেলতেই মৃত্যু, লালহলুদ জার্সি আর গায়ে তোলা হল না দেবজ্যোতির

ছোট থেকেই স্বপ্ন দেখতেন কলকাতা ময়দানে খেলার। সে সুযোগ এসে যাওয়ার পর স্বপ্নের পরিধি আরও বেড়ে যায়। লালহলুদ জার্সি গায়ে খেলার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিলেন। স্বপ্ন পূরণের শেষ ধাপে পৌঁছেও আর লালহলুদ জার্সি গায়ে তোলা হল না উদীয়মান ফুটবলার দেবজ্যোতি ঘোষের। মাঠে খেলতে খেলতেই অকালে প্রাণ হারালেন ২৫ বছর বয়সী এই তরুণ ফুটবলার। এই মরশুমে কলকাতা ফুটবল লিগে রেলওয়ে এফসির জার্সি গায়ে চমক দেখিয়েছিলেন দেবজ্যোতি। দুরন্ত ফুটবল উপহার দিয়ে দলকে কলকাতা লিগের ফাইনালে তুলেছিলেন। কিন্তু দলকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি। তা সত্ত্বেও তাঁর খেলা মনে ধরেছিল মহমেডান থেকে শুরু করে ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের। সামনের মরশুমের জন্য লালহলুদ কর্তারা তাঁকে সই করানোর ব্যাপারে মনস্থির করেছিলেন। দেবজ্যোতির সঙ্গে কথাবার্তাও চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল লালহলুদ কর্তাদের। কিন্তু আর লালহলুদ জার্সি গায়ে তোলা হল না দেবজ্যোতির। নদীয়ার কৃষ্ণনগরের চৌরাস্তায় বাড়ি দেবজ্যোতির। পরিবারের একমাত্র সন্তান। ফুটবল খেলে যে টাকা রোজগার করতেন, তাতেই সংসার চলত। শনিবার ধুবুলিয়ায় বেলপুকুর পোলতা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন পরিচালিত ৮ দলীয় নক আউট ফুটবল প্রতিযোগিতায় স্বরূপগঞ্জ সেবক সমিতি ও কৃষ্ণনগর সেন্ট্রাল ক্লাবের মধ্যে সেমিফাইনাল ম্যাচ চলছিল। ম্যাচের ৫৫ মিনিটে বিপক্ষ গোলকিপারের একটা শট দেবজ্যোতির বুকে লাগে। মাঠেই পড়ে যান তিনি। বমি করতে থাকেন। মাঠে নাকি কোনও অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা ছিল না। একটা গাড়িতে করে তাঁকে ধুবুলিয়া গ্রামীন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকায় কৃষ্ণনগর শক্তিনগর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। শক্তিনগর হাসপাতালে পৌঁছনোর পর চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তাঁর মৃত্যুতে ফুটবলমহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মার্চ ১৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌আইএসএলে ব্যর্থ হলেও লালহলুদ ফুটবলারদের দারুণ কদর, রফিক যাচ্ছেন চেন্নাইনে

এবারের আইএসএলে লিগ টেবিলে লাস্ট বয় হলেও দলবদলের বাজারে এসসি ইস্টবেঙ্গলের ফুটবলারদের কদর যে যথেষ্ট রয়েছে, ইতিমধ্যেই তার প্রমাণ পাওয়া গেছে। হীরা মণ্ডল, সৌরভ দাসসহ বেশ কয়েকজন ফুটবলার ইতিমধ্যেই অন্য ক্লাবের প্রস্তাব পেয়ে গেছেন। লালবলুদের আরও এক ফুটবলারের কাছে এসে গেল অন্য ক্লাবের প্রস্তাব। মহম্মদ রফিককে ২ বছরের জন্য প্রস্তাব দিল চেন্নাইন এফসি। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে খুব শীঘ্রই চেন্নাইন এফসির চুক্তিপত্রে সই করবেন মহম্মদ রফিক। সামনের মরশুমে ইস্টবেঙ্গলের কী অবস্থা হবে, তা জানেন না কোনও ফুটবলারই। স্পনসর নিয়ে এখনও টালবাহনা চলছে। শ্রী সিমেন্ট কর্তারা আইএসএলের শেষলগ্নে এসে বলেছিলেন, চলতি মরশুম শেষেই লালহলুদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করবেন। কিছুদিন আগেই আবার শ্রী সিমেন্টের কর্ণধার হরিমোহন বাঙ্গুর বলেছিলেন, তাঁরা ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে থাকতে চান। তবে লালহলুদ কর্তারা আর শ্রী সিমেন্টকে লগ্নিকারী হিসেবে চান না। নতুন স্পনসরের খোঁজে তাঁরা রয়েছেন। ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের বসুন্ধরা গ্রুপের সঙ্গে অনেকদুর এগিয়েছে। তবে কোনও কিছুই এখনও নিশ্চিত নয়। এই অবস্থায় ফুটবলাররা আর অপেক্ষা করতে চাইছেন না। তাঁরা অন্য ক্লাবের দিকে পা বাড়াচ্ছেন। বেশ কয়েকজন লালহলুদ ফুটবলার ইতিমধ্যেই অন্য ক্লাবের সঙ্গে প্রাথমিক চুক্তি সেরে ফেলেছেন। এবার সেদিকেই এগোচ্ছেন মহম্মদ রফিক। চেন্নাইন এফসির প্রস্তাব পছন্দ হয়েছে রফিকের। ৩১ মে পর্যন্ত যেহেতু লালহলুদের সঙ্গে চুক্তি রয়েছে, তাই এখনই চেন্নাইন এফসির চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করতে পারছেন না মহম্মদ রপিক। ২ বছরের জন্য তিনি চেন্নাইনে যাচ্ছেন। লালহলুদে অধিকাংশ ম্যাচে মাঝমাঠে খেললেও যথেষ্ট ইউটিলিটি ফুটবলার রফিক। মাঝমাঠ ছাড়াই উইং, রক্ষণাত্মক মিডফিল্ডার, ফরোয়ার্ডেও খেলতে পারেন। অ্যাটলেটিকো দি কলকাতার হয়ে প্রথম আইএসএলে ফরোয়ার্ডেই খেলেছিলেন। তাঁর গোলেই ২০১৪ সালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল অ্যাটলেটিকো দি কলকাতা। ওই বছর তিনি ইস্টবেঙ্গল থেকে লোনে অ্যাটলেটিকো দি কলকাতায় যোগ দিয়েছিলেন।

মার্চ ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌কেন লালহলুদ ছেড়ে অন্য ক্লাবের পথে হীরা, সৌরভরা?‌

চলতি আইএসএলে চূড়ান্ত ব্যর্থ এসসি ইস্টবেঙ্গল। লিগ টেবিলে একেবারে সবার শেষে। ২০ ম্যাচে মাত্র ১টা জয়। এহেন দলের কোনও ফুটবলারের দিকে অন্যদলগুলি ফিরে তাকাবে, কল্পনার অতীত। ব্যতিক্রমও আছে। লালহলুদের বেশ কয়েকজন ফুটবলারের দিকে হাত বাড়িয়েছে অন্য ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। ইতিমধ্যেই এসসি ইস্টবেঙ্গলের মিডফিল্ডার সৌরভ দাসের সঙ্গে চুক্তি সেরে ফেলেছে চেন্নাইন এফসি। হীরা মণ্ডল, নামতেসহ একাধিক ফুটবলারের কাছে প্রস্তাব আছে বেশ কয়েকটা ফ্রাঞ্চাইজির। গত মরশুমেও লালহলুদ জার্সি গায়ে খেলেছিলেন সৌরভ দাস। ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে মুম্বই সিটি এফসি থেকে লোনে এসসি ইস্টবেঙ্গলে যোগ দেন। রবি ফাউলার তাঁকে নিয়মিত খেলাতেন। কিন্তু চলতি মরশুমে চোটের জন্য অধিকাংশ সময়েই মাঠের বাইরে কাটাতে হয়েছিল সৌরভকে। কয়েকটা ম্যাচে খেললেও নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি। মারিও রিভেরা দায়িত্ব নেওয়ার পর সৌরভকে সেভাবে নামানোর সাহস দেখাতে পারেননি। তা সত্ত্বেও সামনের মরশুমের জন্য নতুন দল পেয়ে গেলেন এসসি ইস্টবেঙ্গলের এই মিডফিল্ডার। ২০২৪ সাল পর্যন্ত সৌরভের সঙ্গে চুক্তি করেছে চেন্নাইন এফসি। আইএসএলের দুটি মরশুম মিলিয়ে লালহলুদ জার্সি গায়ে ১৮টি ম্যাচ খেলেছেন সৌরভ। টাটা ফুটবল অ্যাকাদেমি থেকে উঠে এসেছেন সৌরভ দাস। ২০১৬ সালে যোগ দেন মোহনবাগানে। টানা তিন মরশুম সবুজমেরুণ জার্সিতে কাটান এই তরুণ মিডফিল্ডার। আই লিগে মোহনবাগানের হয়ে খেলেন ১৬টি ম্যাচ। আই লিগে তাঁর দুরন্ত পারফরমেন্স নজর কাড়ে মুম্বই সিটি এফসি কর্তাদের। সৌরভ দাসের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী চুক্তি করে মুম্বই। গত মরশুমে জানুয়ারিতে দলবদলের দ্বিতীয় উইন্ডোতে লোনে লালহলুদে যোগ দেন। কেন ইস্টবেঙ্গল ছেড়ে অন্য দলের দিকে পা বাড়াচ্ছেন ফুটবলাররা? আসলে নিরাপত্তার অভাব। ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছেন শ্রী সিমেন্ট কর্তারা। স্পোর্টিং রাইটসও ফিরিয়ে দিচ্ছে। সামনের মরশুমের স্পনসর নিয়ে এখনও কিছু চূড়ান্ত করতে পারেননি লালহলুদ কর্তারা। বেশ কয়েকটা স্পনসরের সঙ্গে কথা চলছে। তবে বাংলাদেশের বসুন্ধরা গ্রুপ লালহলুদে লগ্নি করতে আগ্রহী। তা সত্ত্বেও ভরসা পাচ্ছেন না ফুটবলাররা। তাই অন্য ক্লাব খুঁজে নিচ্ছেন হীরা মণ্ডল, নামতে, মহেশ সিং, সৌরভ দাসের মতো ফুটবলাররা।

মার্চ ০৯, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
উৎসব

দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের উন্মাদনা! ফুটবলের টানে মাঠে ফিরুক কচিকাঁচারা, অভিনব থিম পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির

পূর্ব বর্ধমান: দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এ বার ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও বিশ্বজয়ী স্পেনের উল্লাস, কোথাও ভারতীয় ফুটবলের ছবি, আবার কোথাও লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে পুজোর মণ্ডপেই যেন তৈরি হচ্ছে এক টুকরো বিশ্বকাপের আসর। বাঙালির চিরন্তন ফুটবলপ্রেমকে উদ্যাপন এবং নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের পর্দা থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।পুজোর থিম মানেই এখন শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ সচেতনতা কিংবা নানা অভিনব ভাবনার মেলবন্ধন। সেই ধারাতেই এ বার ফুটবলকে সঙ্গী করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। ক্লাবের ২৯তম বর্ষের পুজোয় তাদের থিম ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড। অর্থাৎ, ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবল যে গোটা বিশ্বকে একই সুতোয় বেঁধে রাখতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে।মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকেই দর্শকদের নজর কাড়ার আয়োজন। সামনে রাখা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের সরকারি বল ট্রিয়োন্ডা। বলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আবহ। মণ্ডপের এক দিকে রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবি, অন্য দিকে স্থান পেয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের গৌরবের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। তাঁদের ফুটবলজীবনের স্মৃতি ও জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ। পাশাপাশি থাকছে আরও কয়েক জন তারকা ফুটবলারের প্রতিকৃতি। বিশ্বকাপের নানা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মাঠের উত্তেজনা, গোলের উল্লাস এবং সমর্থকদের আবেগে ভরা সেই সব মুহূর্তে।মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেও থাকছে চমক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ৭০টি উল্লেখযোগ্য মুহূর্তের ছবি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সেখানে। ভারতীয় ফুটবলের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ জায়গা। দেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। ফলে এই মণ্ডপ শুধু পুজো দেখার জায়গা নয়, ফুটবলের ইতিহাস ও স্মৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনাকেও বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। মণ্ডপের এক পাশে গ্যালারির আদলে তৈরি অংশে থাকবে ফাইনালের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। দুর্গাপ্রতিমার পাশেও স্থান পাচ্ছে ফাইনালের স্মরণীয় দৃশ্য এবং ফুটবল তারকাদের ছবি। মণ্ডপের একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পতাকা। আলোর কারুকার্যে সেই সব পতাকার রং ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপের একটি দৃশ্যমান আবহ তৈরি করাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।এখানেই শেষ নয়। মণ্ডপে থাকবে একটি বড় পর্দা, যেখানে দেখানো হবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের হাইলাইটস। ফলে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে দেখতে পারবেন মাঠের সেরা মুহূর্তগুলি। গোল, সেভ, দুরন্ত পাস কিংবা ট্রফি জয়ের উল্লাসবিশ্বকাপের নানা স্মৃতি মণ্ডপের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।তবে এই আয়োজনের পিছনে শুধুই দর্শকদের আকর্ষণ করার ভাবনা নেই। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, ছোটদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের মাঠমুখী করে তোলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে খেলাধুলার আনন্দ, দলগত প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ফুটবলকে মাধ্যম করেছে ক্লাব।ফুটবল এমন একটি খেলা, যেখানে জয়ের আনন্দের পাশাপাশি থাকে পরাজয় মেনে নেওয়া, সতীর্থের পাশে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা। ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড থিমের মাধ্যমে সেই সামাজিক ও মানবিক বার্তাও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি।দুর্গাপুজোর উৎসবের সঙ্গে ফুটবলের আবেগকে মিলিয়ে এই উদ্যোগ কতটা দর্শকপ্রিয় হয়, তা অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মণ্ডপের সাজসজ্জা থেকে বিশ্বকাপের স্মৃতি, আন্তর্জাতিক তারকা থেকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসসব কিছুকে এক ছাতার তলায় এনে পুজোর আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করেছে ক্লাব। উদ্যোক্তাদের আশা, মণ্ডপে এসে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠার পাশাপাশি ছোটদের মনে জাগবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের টানেই হয়তো এক দিন তারা মোবাইল সরিয়ে রেখে আবার ছুটবে গ্রামের মাঠে, পায়ে বল নিয়ে।দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের আবহ, আর সেই আবহ থেকেই মাঠে ফেরার ডাকপূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির এ বারের পুজোর ভাবনায় ফুটবল তাই শুধু খেলা নয়, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলারও এক বার্তা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal