মা দুর্গা সমস্ত দুঃখ, যন্ত্রণা দূর করবেন। মা দুর্গা সবসময় তাঁর ভক্তদের সাহস জোগান। ভয়কে দূরে সরিয়ে চলতে সাহায্য করেন। মায়ের কাছে প্রার্থনা সমস্ত অশুভ শক্তিকে সরিয়ে সকলকে ভয় মুক্ত করুন। মহাসপ্তমীর সকালে পরপর দুটি টুইট করেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। প্রথম টুইটে তিনি একথা লেখেন। আরও পড়ুনঃ একতার বার্তা দিয়ে ষষ্ঠীতে দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করলেন নরেন্দ্র মোদি পরের টুইটে তিনি সকলকে সচেতন থাকতে বলেন, সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন। করোনার সঙ্গে লড়াই করতে সমস্ত স্বাস্থ্যবিধি মানতে বলেন। সেই সঙ্গে মনে করিয়ে দেন, গত ২৪ ঘণ্টার রাজ্যের করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। টুইটে বেঁধেন মুখ্যমন্ত্রীকেও।
শক্তি বাড়িয়ে অতি গভীর নিম্নচাপ বাংলার দিকে। সব পুজো কমিটিগুলিকে সতর্ক থাকতে নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যো্পাধ্যায়। প্রসঙ্গত , শুক্রবার বিকেলে রাজ্যে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে এই নিম্নচাপের। ইতিমধ্যেই আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফ থেকে চূড়ান্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আরও পড়ুনঃ হাইকোর্টের রায় ও বৃষ্টির জের , পুজোর ষষ্ঠীতে চেনা ভিড় উধাও এই মুহূর্তে কলকাতা থেকে ৩৫০ কিমি দক্ষিণ - দক্ষি্ণ পূর্বে ও বাংলাদেশের খেপুপাড়া থেকে ৪৯০ কিমি দক্ষিণ - দক্ষিণ পশ্চি্ম দিকে অবস্থান করছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় এই নিম্নচাপ আরও শক্তি বাড়িয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তার প্রভাবে শুক্রবার কলকাতা সহ দক্ষি্ণবঙ্গে বৃষ্টি হতে পারে। তাই মুখ্যমন্ত্রী এদিন সকল পুজো কমিটিকে সতর্ক করলেন।
ষষ্ঠীর সকাল থেকে নিম্নচাপের জেরে কলকাতা সংলগ্ন বিভিন্ন জেলায় শুরু হয়ে গিয়েছে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি। পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বইতে থাকে ঝোড়ো হাওয়া। এদিন সকাল থেকেই বিভিন্ন জেলায় আকাশের মুখ ছিল ভার। এরপর শুরু হয়ে যায় বৃষ্টি।যার জেরে ব্যহত হয় জনজীবন। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, শুক্র ও শনিবার ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে কলকাতা, হাওড়া ও হুগলিতে। সর্বোচ্চ ৫০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। শনিবার পর্যন্ত ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সর্তকতা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গে। দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আরও পড়ুনঃ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বিমল গুরুংয়ের সঙ্গে অশুভ আঁতাত করছেনঃ অধীর জানা গিয়েছে , নিম্নচাপটি আরও শক্তি বাড়িয়ে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলের কাছাকাছি এসে গেছে। মধ্য বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া এই নিম্নচাপের অভিমুখ ছিল অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল। কিন্তু স্থলভাগে না ঢুকে সেটি অভিমুখ পরিবর্তন করে আরও শক্তি বাড়িয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এবার এটি ওড়িশা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূল হয়ে বাংলাদেশের দিকে এগোবে। পশ্চিমবঙ্গের উপকূলের কাছাকাছি এসে তা অতি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। এর ফলে সমুদ্র উত্তাল হবে। বইবে ঝোড়ো হাওয়া। ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।
রাজ্য এবং কলকাতা পুলিশের প্রশংসা করে বুধবার টুইট করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তিনি এদিন তাঁর টুইটে লেখেন , সাহসী পুলিশকর্মীদের কুর্নিশ। তাঁরা যেভাবে পারিবারিক দায়িত্বকে তুচ্ছ প্রমাণ করে করোনার মতো মহামারী এবং আমফানের মতো প্রবল শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের মধ্যে লড়াই চালাচ্ছে, তাঁদের নিঃস্বার্থ ত্যাগকে সম্মান জানাই। তবে টুইটের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফের নিরপেক্ষতার বার্তা দিয়েছেন রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান। প্রসঙ্গত , বিভিন্ন সময় টুইট করে রাজ্যের পুলিশ ও প্রশাসনের সমালোচনা করেছেন তিনি। এহেন রাজ্যপালেরই ফের পুলিশের প্রশংসা দেখে তাজ্জব প্রায় সকলেই।
গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে কোভিড আক্রান্ত হয়েছেন ৩,৮৬৫ জন।এখনও পর্যন্ত এটাই সর্বাধিক দৈনিক সংক্রমণ। ফলে রাজ্যে মোট সংক্রমিতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ লক্ষ ১৭ হাজার ৫৩ জন।পুজোর মুখে করোনা সংক্রমণের এই ঊর্ধ্বমুখী গ্রাফ নিঃসন্দেহে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৫৯৯২। আরও পড়ুনঃ করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ৩ হাজার ৭৭১ জন গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গিয়েছেন ৬১ জন। বর্তমানে সক্রিয় করোনা রোগী ৩৩,১২১ জন। তবে সুস্থতাও বাড়ছে। এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছে ২,৭৭ ,৯৪০ জন রোগী। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাজয়ীর সংখ্যা ৩১৮৩। রাজ্যে সুস্থতার হার ৮৭.৬৬ শতাংশ।
ইংরেজি বলতে না পারার অপরাধে আয়কর দফতর পাঁচজন কর্মীকে ছাঁটাই করেছে। এর প্রতিবাদে শুক্রবার বাঙালিদের জাতীয় সংগঠন বাংলা পক্ষের তরফ থেকে শুক্রবার কলকাতার আয়কর দফতরে ডেপুটেশন জমা দেওয়া হল। আয়কর দফতরের ভাইস চেয়ারম্যান এবং সম্পাদককে স্মারকলিপি দেওয়া হয়। ভাইস চেয়ারম্যান বাংলা পক্ষের এই দাবি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন। আরও পড়ুনঃ দুর্গাপুজোর ষষ্ঠী এবং সপ্তমীতে বৃষ্টির পূর্বাভাস আবহাওয়া দফতরের স্মারকলিপিতে তাদের দাবি, অবিলম্বে বরখাস্ত হওয়া পাঁচ কর্মীকে পুনরায় চাকরিতে বহাল করতে হবে। কারণ, যখন এই পাঁচজনকে চাকরিতে নিয়োগ করা হয়েছিল, তখন কোথাও বলা ছিল না যে চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে ইংরেজি জানা বাধ্যতামূলক। বাংলা পক্ষের প্রশ্ন, উত্তরপ্রদেশ, বিহারে তো সরকারি অফিসে সকলে হিন্দিতেই কথা বলে। সেখানে তো ইংরেজিতে কেউ কথা বলে না। আর পশ্চিমবঙ্গে সরকারি অফিসে বাংলা বললেই পাপ ? শেষ আদমসুমারী অনুযায়ী বাংলার ৮৩ শতাংশ মানুষ শুধু বাংলা বোঝেন, হিন্দি- ইংরেজি বোঝেন না। বাংলা না জানলে বরং বরখাস্ত করা উচিত। আরও পড়ুনঃ অনুদান কি শুধু দুর্গাপুজোতেই দেয় সরকার? প্রশ্ন হাইাকোর্টের এদিনের কর্মসূচিতে অনৈতিক ও বেআইনিভাবে ছাঁটাই হওয়া পাঁচজন কর্মীই উপস্থিত ছিলেন। তাদের দাবি, কাজ চালানোর মতো ইংরেজি তারা বলতে পারেন। চাকরির শর্ত ছিল না যে ইংরেজি বলতেই হবে। বাংলা পক্ষের তরফ থেকে এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন অমিত সেন , জয়দীপ দে, কৌশিক মাইতি ও সম্রাট বোস সহ আরও অনেকে।
প্রয়াত বিশিষ্ট আবৃত্তিকার বাচিক শিল্পী প্রদীপ ঘোষ। তিনি একজন আবৃত্তিকারও ছিলেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। শুক্রবার সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে যোধপুর পার্কের বাড়িতে ঘুমের মধ্যে তাঁর মৃত্যু হয়।আরও পড়ুনঃ শারীরিক অবস্থার উন্নতি অভিনেতা সৌ্মিত্র চট্টোপাধ্যায়েরপরিবার সূত্রে খবর, কোভিডে আক্রান্ত ছিলেন তিনি। যদিও শরীরে কোনও উপসর্গ ছিল না। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর মৃত্যুতে শিল্প-সংস্কৃতির জগতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ২০১৭ সালে তাঁকে কাজী সব্যসাচী পুরস্কারে সম্মানিত করে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।
করোনা আবহে শহরের পুজোর প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে রাস্তায় নেমে পড়লেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা স্বয়ং। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ লালবাজার থেকে তিনি বের হন। সঙ্গে ছিলেন স্পেশাল কমিশনার জাভেদ শামিম।প্রথমে তিনি দেশপ্রিয় পার্ক-এর পুজো পরিদর্শন করেন। কথা বলেন পুজো কমিটির উদ্যোক্তাদের সঙ্গে। এদিন সব মিলিয়ে শহরের ছটি পুজোর প্রস্তুতি দেখবেন বলে তিনি ঠিক করেছেন। দেশপ্রিয় পার্ক থেকে তিনি সোজা চলে যান সুরুচি সঙ্ঘ। এরপর নাকতলা উদয়ন সঙ্ঘ হয়ে কলেজ স্কোয়ার, মহম্মদ আলি পার্কে। আরও পড়ুনঃ ফের রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করে কড়া চিঠি ধনকড়ের করোনার সময় কলকাতা পুলিশ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, অষ্টমীর অঞ্জলি, সন্ধিপূজা ও সিঁদুর খেলার সময় মণ্ডপে একসঙ্গে ১৫ থেকে ২৫ জনের বেশি যেন না থাকেন। এবিষয়ে এদিন পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে কথা বলেন নগরপাল। শুধু তাই নয়, প্রতিমা দর্শনের সময়ও যেন ৩০ থেকে ৫০ জনের বেশি মণ্ডপ প্রাঙ্গণে না থাকেন সেদিকটাতেও নজর রাখতে বলা হয়েছে। যদিও প্রতিটি মণ্ডপেরই আশপাশে পুলিশ কর্মী মোতায়েন থাকবে।
ফের মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখে শাসকদল ও রাজ্য প্রশাসনের উপর ক্ষোভ উগরে দিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তাঁর মতে, সরাসরি প্রশাসনের সঙ্গে রাজ্যপালের বাক্যবিনিময় অনেক পরিস্থিতিই সহজ করে দেয়। কিন্তু বাংলায় তা হচ্ছে না। উলটে একজন রাজ্যপালকে শাসকদলের নেতা,মন্ত্রীরা একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের এজেন্ট বলে বারবার উল্লেখ করছেন, যা আদতে সাংবিধানিক প্রধানের পদ এবং কার্যালয়ের পক্ষে অবমাননাকর। তাঁর আরও অভিযোগ, প্রশাসনই বরং সাংবিধানিক নিয়মনীতির তোয়াক্কা করছে না। তাঁর পরামর্শ, পুলিশকে রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ হতে হবে। অন্যথায় তা গণতন্ত্রের পক্ষে ক্ষতিকারক হবে। এ প্রসঙ্গে তিনি মণীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ডে ডিজিপিকে তলব এবং বিজেপির নবান্ন অভিযানে বলবিন্দর সিংয়ের আগ্নেয়াস্ত্র কেড়ে তাঁকে গ্রেপ্তারি নিয়ে হাওড়া সিটি পুলিশের ভূমিকার উল্লেখ করেছেন। দুটি বিষয়ই তাঁর কাছে যথেষ্ট অপ্রত্যাশিত বলে মনে হয়েছে। আরও পড়ুনঃ বলবিন্দার সিংএর মুক্তির দাবিতে রাজ্যপালের দ্বারস্থ পরিবারের সদস্যরা চিঠির শেষে তিনি আশ্বাস দিয়ে জানিয়েছেন, একজন রাজ্যপালের যা কর্তব্য, তা তিনি করতে বদ্ধপরিকর। খোলামেলা আলোচনার মাধ্যমে রাজ্য প্রশাসন সেই কাজ অনেক মসৃণভাবে করার রাস্তা তৈরি করে দিতে পারে। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীর নাম করে তিনি লেখেন যে রাজ্যের গণতান্ত্রিক পরিবেশ রক্ষায় তাঁকেই এগিয়ে আসতে হবে। প্রয়োজনীয় সমস্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে আশাবাদী ধনকড়। চিঠিতে আবারও মনে করিয়ে দিয়েছেন, সংঘাতের মধ্যে দিয়ে নয়, রাজভবন-নবান্ন একজোট হয়ে কাজ করলে, তবেই সবচেয়ে সুরক্ষিত এবং শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হবে।
বলবিন্দর সিংয়ের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির যে ধারায় মামলা রুজু হয়েছে তাতে তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ডও হতে পারে। তাই তা কার্যত মানবাধিকার লঙ্ঘনের সামিল বলেই অভিযোগ করে মঙ্গলবার একটি টুইট করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। সঙ্গে একটি ভিডিও পোস্ট করেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ পুজো প্রাঙ্গণে প্রবেশ নিষেধ বেলুড় মঠের সেই ভিডিও বার্তায় ব্রিটিশ আমলের জালিওয়ানাবাগ হত্যাকাণ্ড ও তার প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাইট উপাধি প্রত্যাখানের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন তিনি। এই টুইটটি তিনি মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্য পুলিশকে ট্যাগ করেছেন।
একটা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল সংকীর্ণতা দেখিয়ে রাজ্যের শান্তি বিঘ্নিত করার চেষ্টা করছে। নাম না করে বিজেপির সমালোচনা করা হল রাজ্য প্রশাসনের তরফ থেকে। রবিবার রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের তরফ থেকে টুইটে লেখা হয় , এ রাজ্যে শিখ ভাইবোনেরা খুব শান্তিতেই বসবাস করেন। সেদিন বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র-সহ এক শিখের গ্রেপ্তারির ঘটনাকে এখন অন্যভাবে দেখা হচ্ছে। একটা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল সংকীর্ণতা দেখিয়ে রাজ্যের শান্তি বিঘ্নিত করার চেষ্টা করছে। কিন্তু রাজ্যবাসী মোটেই এসবে অভ্যস্ত নয়। তাই তাঁরা নিজেদের মতো করে শান্তি বজায় রাখবেন। শিখ ভাইবোনদের প্রতি আমাদের সরকারের সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা, সম্মান আছে। সম্প্রতি একটি অন্য ঘটনা হয়েছে । একজন ব্যক্তি মিছিলে বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র বহন করছিলেন। তাঁকে সেই অস্ত্রের সঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয় । কিন্তু এখন সেই বিষয়টিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করে স্বরাষ্ট্র দপ্তর । টুইটে লেখেন, তথ্য বিকৃত করা হচ্ছে । ঘটনায় সংকীর্ণ পক্ষপাতী সাম্প্রদায়িক রং দেওয়া হচ্ছে । আরও পড়ুন ঃ মণীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ফের সিবিআই তদন্তের দাবিতে রাজ্যপালের দ্বারস্থ বিজেপি বিজেপি-র নবান্ন অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্রর চেহারা নেয় হাওড়া ও কলকাতা । সেই মিছিল থেকেই পুলিশ পিস্তল উদ্ধার করে । গ্রেপ্তার করা হয় বলবিন্দর সিংকে । মিছিলের একদিন পর বলবিন্দর সিংয়ের গ্রেপ্তারের ভিডিয়ো ভাইরাল হয় । ভিডিয়োয় দেখা যায়, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির সময়ে বলবিন্দর সিংয়ের পাগড়ি খুলে যাচ্ছে । এই ঘটনায় রাজ্য পুলিশের তীব্র নিন্দা করে বিজেপি । পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্দিষ্ট পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানান । অভিযোগ ওঠে, শিখ সম্প্রদায়ের ভাবাবেগে আঘাত করা হয়েছে ।
রেপো রেট অপরিবর্তিত থাকছে। শুক্রবার মনিটারি পলিসি কমিটির বৈঠক শেষে এমনটাই জানিয়ে দিল রিজার্ভ ব্যাংক। রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস জানিয়েছেন, আপাতত রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখা হচ্ছে ৪ শতাংশ। রিভার্স রেপো রেট থাকছে ৩.৫ শতাংশে। তিনি আরও বলেন, করোনার সঙ্গে যুদ্ধে একেবারে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে ভারতের অর্থনীতি। প্রথম ত্রৈমাসিকে অর্থনৈতিক সংকোচন পিছনে ফেলে আসা হয়েছে। এখন বরং রুপোলী প্রলেপ দেখা যাচ্ছে। এছাড়াও নজর দেওয়া হয়েছে সংযত অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর দিকে। চতুর্থ ত্রৈমাসিকে মুদ্রাস্ফীতি অবস্থা সহজ হবে এবং জিডিপি সংকোচন থেকে বেরিয়ে আসবে বলে আশা করছেন তিনি। রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর আশাপ্রকাশ করেন, চলতি আর্থিক বছরে জিডিপি সংকোচন আশা করা হচ্ছে ৯.৫ শতাংশে থাকবে।
রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে সিবিআই তদন্তের দাবি জানাল বিজেপি। সো্মবা্র রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে আসার পর সাংবাদিক সম্মেলনে অর্জুন সিং বলেন, বিজেপি ও মণীশ শুক্লার বাবার পক্ষ থেকে সিবিআই তদন্তের দাবি করা হয়েছে। রাজ্যপাল বলেছেন, তিনি সাংবিধানিকভাবে যা করার করবেন।মমতার সরকারের পুলিশের উপর ভরসা নেই। মনোজ ভার্মার বিরুদ্ধে তিনি লিখিত অভিযোগ করেছেন বলেও জানান। এছাড়াও বিজেপির প্রতিনিধিদলে ছিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায়,কৈ্লাস বিজয়বর্গীয়। মনীশ শুক্লার বাবা রাজ্যপালকে বলেন, পুলিশ খুনের মামলা রুজু করতে চাইনি। পুলিশ বলেছিল অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা।এদিকে এদিন বিকেলে এনআরএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মণীশের ময়নাতদন্ত হয়। তার পরেই তাঁর দেহ নিয়ে এসএন ব্যানার্জি রোড ধরে রাজভবনের উদ্দেশে এগোতে শুরু করেন বিজেপি নেতারা।মৃতদেহ নিয়ে এগোতে শুরু করলে, কলকাতা পুলিশের তরফে বিজেপি নেতাদের বলা হয়, যে মরদেহ নিয়ে রাজভবনে যাওয়ার অনুমতি নেই। কিন্তু তাতে কর্ণপাত করেননি বিজেপি নেতারা। এসএন ব্যানার্জি রোড ধরে তাঁরা এগোতে থাকেন। এক সময়ে নিউ মার্কেট চত্বরে পুলিশ ব্যারিকেড করে দেয়।এরপরেই রাজভবনে সরাসরি ফোন করেন বিজেপি নেতা অর্জুন সিং। তার পরে সেই ফোনেই রাজভবনের সঙ্গে ডিসি সেন্ট্রালকে কথা বলিয়ে দেন তিনি। রাজভবনের সঙ্গে কথা বলার পরে ডিসি জানান, প্যারাডাইস সিনেমা হলের সামনে মৃতদেহ ও গাড়ি রেখে বিজেপির চার জন সদস্য রাজভবনে যাবেন। শেষমেশ মৃতদেহ নিয়ে গাড়িটি চলে যায় টিটাগড়ের দিকে।
যেদিন কংগ্রেস সরকার ক্ষমতায় আসবে, সেদিন এই কৃষি আইন বাতিল করা হবে। আমরা এই তিনটি কালা কানুনকে আস্তাকুঁড়ে ছুড়ে ফেলব। রবিবার কৃষদের খেতি বাঁচাও র্যালিতে যোগ দিয়ে একথা বললেন কংগ্রেস নেতা ও সাংসদ রাহুল গান্ধী। তিনদিন ধরে এই কর্মসূচি চলবে । পঞ্জাব থেকে শুরু হয়ে শেষ হবে দিল্লিতে । এদিনের সভায় তিনি আরও বলেন, বিজেপির অন্যতম লক্ষ্য,এমএসপি ও শস্য সংগ্রহ ব্যবস্থাকে ধংস করা। এছাড়াও এদিন সরাসরি মোদির মন্তব্যকে নিশানা করেন রাহুল। তিনি বলেন, এই আইনে যদি কৃষকরা খুশি হয়ে থাকেন, যেমনটা প্রধানমন্ত্রী দাবি করছেন, তাহলে তাঁরা কেন আন্দোলনে নেমেছেন? যদি কৃষকের স্বার্থেই এই আইন হয়ে থাকে, তাহলে কেন সংসদে আইন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হল না? এদিনের এই প্রতিবাদে উপস্থিত ছিলেন পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং। সংসদে পাশ হওয়ার পর থেকেই কৃষিবিল নিয়ে পঞ্জাবে লাগাতার আন্দোলন করছে কংগ্রেস।
কলকাতাঃ রাস্তা মেরামতের জন্য রাজ্য সরকারের তরফ থেকে নতুন একটি প্রকল্প ঘোষণা করা হল। যার নাম দেওয়া হয়েছে পথশ্রী অভিযান। এই প্রকল্পের মাধ্যমে সারা রাজ্যে ১২০০ কিমি রাস্তা মেরামত করা হবে বলে জানানো হয়েছে। সময় বেঁধে এই প্রকল্পের কাজ় করা হবে বলে জানা গিয়েছে। ২০১১ সালে রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পরে এই সরকার ৩১৬,৭৩০ কিমির রাস্তা তৈ্রি করেছে।২০২০-২১ সালের বাজেটে রাস্তা তৈ্রির জন্য বরাদ্দ হয়েছে ৫,৭৪৬.৯৯ কোটি।জনগন যাতে অংশগ্রহন করতে পারে এই প্রকল্পে , সে বিষয়ে বিশেষ ভাবে জো্র দেওয়া হয়েছে। যারা এই প্রকল্পে অংশগ্রহন করবেন, তাদের সহায়তা করবেন বিধায়করা।রাজ্যের সাধারণ মানুয রাস্তার ছবি তুলে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রিকে পাঠাতে পারবেন। প্রসঙ্গত, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় রাস্তার হাল খুবই খারাপ। সরকারের এই উদ্যো্গ সাধারণ মানুষে্র কিছুটা সুরাহা করবে বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের।
কলকাতাঃ পুজোর আগে দক্ষিণবঙ্গের আকাশে ফের দুর্যোগের ঘনঘটা। কারণ, সপ্তাহান্তে নিম্নচাপের সম্ভাবনা রয়েছে বলেই আশঙ্কা আবহাওয়াবিদদের। তার ফলে শনি এবং রবিবার ভারী বৃষ্টিতে ভিজতে পারে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলি। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর ও অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে রয়েছে একটি ঘূর্ণাবর্ত। ঘূর্ণাবর্ত সরে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও ওড়িশা উপকূলে আসবে। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় তা নিম্নচাপে পরিণত হবে। তার প্রভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গে। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে উত্তরবঙ্গ-অসমের উপরেও। তার প্রভাবে অরুণাচল, অসম, মেঘালয়, মণিপুর, মিজোরাম, ত্রিপুরা-সহ উত্তর পূর্ব ভারতের সব রাজ্যে আগামী চার-পাঁচদিন ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে জানানো হয়েছে আলিপুর আব হাওয়া দফতরের তরফ থেকে।
বর্ধমান: পশ্চিম বর্ধমান থেকে পানাগড় পর্যন্ত বেহাল দু নম্বর জাতীয় সড়কের সার্ভিস রোড। মেরামতের জন্য এবার সাংসদ এস এস আলুয়ালিয়া চিঠি পাঠালেন নিতিন গড়করিকে। বেহাল রাস্তা যাতে দ্রুত মেরামত হয় , সেই আবেদন জানালেন তার কাছে । এই বিষয় বর্ধমান সদরের বিজেপির জেলা সহ সভাপতি জানিয়েছেন, সাংসদ আলুয়ালিয়া রাস্তা মেরামতের কথা চিঠির মাধ্যমে জানিয়েছেন।তবে যে ভাবে নিত্যদিন ওভারলোডেড গাড়ি চলাচল করে তা দেখার দায়িত্ব রাজ্য সরকারের। কাঁকসা ব্লকের তৃণমূলের ব্লক সভাপতি দেবদাস বক্সী এই বিষয় জানিয়েছেন, জাতীয় সড়কে ওভারলোডেড গাড়ি গেলে ওরাই ফাইন করছে। তিনি বলেন,ডানকুনি প্রজেক্টে রাস্তার অবস্থা বেহাল নয়। সেখানে রানীগঞ্জ থেকে পানাগড় পর্যন্ত রাস্তা বেহাল হবার কারণ নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা তৈরি করা হয়েছে।
সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুরহস্যে জোরালো হয়েছে মাদক যোগ। সুশান্তের বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তী আর তাঁর ভাই সৌভিক ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন। মুম্বাইয়ে তল্লাশি চালিয়ে ৫৯ গ্রাম মারিজুয়ানা উদ্ধারের সঙ্গে সঙ্গেই নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো জানতে পেরেছে, সুশান্তের জন্য নিয়মিত ড্রাগ কিনতেন রিয়া। এর তদন্তে ট্যালেন্ট এজেন্সি এগজিকিউটিভ জয়া সাহার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট ও রিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের সূত্র ধরে বলিউড তারকাদের বিরুদ্ধে মাদক যোগের অভিযোগ পেয়েছে এনসিবি। রিয়া তদন্তকারীদের জানিয়েছেন, সুশান্তের ফার্মহাউসে সারা, শ্রদ্ধা, রকুলকেও সুশান্তের সঙ্গে পার্টিতে দেখেছেন তিনি। এ জন্য এবার সমন পৌঁছে গেল দীপিকা পাড়ুকোন, সারা আলি খান, শ্রদ্ধা কাপুর, রকুল প্রীত সিংদের কাছে। রিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদে সারা, রকুল প্রীতের নাম উঠে এসেছে। জয়া সাহার হোয়াটসঅ্যাপে দুজনের নামের আদ্যক্ষর ডি ও কে যে দীপিকা ও তাঁর বিজনেস ম্যানেজার করিশ্মা প্রকাশ সে বিষয়ে প্রমাণ রয়েছে তদন্তকারী আধিকারিকদের হাতে। শ্রদ্ধা কাপুরের নামও বেরিয়ে এসেছে জয়া সাহার মাধ্যমেই। মাদক যোগে তাঁর নাম যুক্ত করে মিডিয়া ট্রায়াল বন্ধের আর্জি জানিয়ে গত সপ্তাহে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন রকুল প্রীত। বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর তাঁর সঙ্গেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে ফ্যাশন ডিজাইনার সিমোন খামবাত্তাকে। দীপিকা ও করিশ্মাকে শুক্রবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সমন পাঠানো হয়েছে। শ্রদ্ধা ও সারাকে ডেকে পাঠানো হয়েছে শনিবার। বলিউডে মাদক যোগের তদন্তে বুধবার এনসিবি-র জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হন বলিউডের প্রযোজক মধু মান্তেনা। এদিকে, বম্বে হাইকোর্টে রিয়া-সৌভিকের জামিনের আবেদনের শুনানি বৃহস্পতিবার।
ফের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের। সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর মুখ্যমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠি মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর টুইটারে পোস্ট করে ফের রাজ্যের সমালোচনায় মুখর রাজ্যপাল। কৃষকদের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর উদ্বেগ কুমিরের কান্না বলেও কটাক্ষ। এদিন টুইটারে রাজ্যপাল লেখেন, পশ্চিমবঙ্গের ৭০ লক্ষ চাষি ৮৪০০ কোটি টাকার সুবিধা পেলেন না কেন? পিএম-কিষাণ সম্মান নিধি প্রকল্পে কেন যোগ দিলেন না? যোগ দিলে আজ প্রত্যেক চাষিভাইয়ের ব্যাঙ্কে ১২ হাজার টাকা জমা পড়ত। মুখ্যমন্ত্রী মহোদয়া আপনার কুমির কান্নায় চাষির দুঃখ ঘুচবে না!! পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া দেশের চাষিরা পিএম-কিষাণ প্রকল্পে প্রভূত সুবিধা পেয়েছেন। এখনও পর্যন্ত ৯২ হাজার কোটি টাকা চাষিদের দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের চাষিদের প্রতি এই অবিচার আপনার সংকীর্ণ রাজনীতি ও দুর্বল অর্থনীতির পরিচায়ক?? এছাড়াও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের অকর্মণ্যতার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের ঘোষিত ৩.৫ লক্ষ কোটির করোনা প্যাকেজের মধ্যে ৩০ হাজার কোটি টাকাও পায়নি পশ্চিমবঙ্গ। আশা করব, মুখ্যমন্ত্রী মহোদয়া পিএম-কিষাণের সুবিধা যাতে বাংলার চাষিরা পান সেজন্য পদক্ষেপ করবেন। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধনকে লেখা মুখ্যমন্ত্রীর দুটি চিঠি প্রকাশ করা হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি ও আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প রাজ্যে চালু না করা নিয়ে বিজেপি ও রাজ্যপালের বক্তব্য খণ্ডন করা হয়েছে চিঠি দুটিতেই। কেন্দ্রের ওই দুই প্রকল্পের প্রয়োগ পদ্ধতি নিয়ে যেমন পরামর্শ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী, তেমনই ওই দুই প্রকল্পের আগে চালু হওয়া রাজ্যের প্রকল্পগুলি কোথায় এগিয়ে তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা রয়েছে। কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, কিষান সম্মান নিধি চালুতে আপত্তি নেই রাজ্যের। তবে কেন্দ্র এই প্রকল্প চালুর অনেক আগেই বাংলায় চালু হয়েছে কৃষকবন্ধু প্রকল্প। এতে কৃষকদের সঙ্গে ভাগচাষিরাও উপকৃত হচ্ছেন। তাঁদের ৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। ১৮ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে কারও মৃত্যু হলে ২ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়। ৭৩ লক্ষ কৃষক ও ভাগচাষি এই প্রকল্পের আওতায় আছেন। শস্যবিমার পুরো প্রিমিয়াম রাজ্য সরকার দেয়, কোনও কৃষককে তা দিতে হয় না। এ ছাড়াও বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে নানা সুবিধা কৃষকদের প্রদান করা হচ্ছে। তা সত্ত্বেও পিএম কিষান নিধি প্রকল্পের সুবিধা উপভোক্তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব যদি রাজ্যের বরাদ্দ অর্থ রাজ্য সরকারকে সরাসরি দেওয়া হয়। তাহলে রাজ্যের ব্যবস্থাপনাতেই ওই প্রকল্পের সুবিধা কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। হর্ষ বর্ধনকে একই দিনে পাঠানো চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, রাজ্যে সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা প্রদান করা হয়। স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের আওতায় এসেছেন সাড়ে ৭ কোটি মানুষ। বেসরকারি হাসপাতালে জটিল অসুখের চিকিৎসায় ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিমার ব্যবস্থা রয়েছে। সারা দেশে স্বাস্থ্যসাথীর মতো আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পেও চিকিৎসার খরচের ১০০ শতাংশ সরকারের বহনের পক্ষে সওয়াল করে বিরোধীদের আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রী ভোঁতা করে দিলেন বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।
উদ্ধার হলো একটি আহত সজারু। দুর্গাপুরের কোকওভেন থানার অন্তর্গত কল্পতরু কলোণির বাসিন্দারা আহত অবস্থায় সজারুটিকে পড়ে থাকতে দেখে খবর দেন দুর্গাপুরের বন দফতরে। রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা সজারুটিকে উদ্ধার করে দুর্গাপুর বন দফতরে নিয়ে যান বিভাগীয় কর্মীরা। বন দফতরের আধিকারিক জানান, সজারুটির পায়ে ও মাথায় আঘাত রয়েছে৷ তবে খুব তাড়াতাড়ি সুস্থ করে সজারুটিকে ফের জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হবে৷