হটাৎ গোলাপ ফুল হাতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ছদ্মবেশে আন্দোলনকারীদের সমর্থনে পাশে এসে পৌঁছলেন বিকাশ ভবনের সামনে। চাকরিহারা শিক্ষক শিক্ষিকাদের আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে তাদের পাশে দাঁড়ালেন আই এন টি ইউ সি সেবা দল। এদিন তারা মিছিল করে এসে বিকাশ ভবন এর সামনে চাকরিহারা শিক্ষক শিক্ষিকাদের আন্দোলন মঞ্চের সামনে এসে জমায়েত করে। আই এন টি ইউ সি সেবা দলের এক কর্মী রবীন্দ্রনাথের ছদ্মবেশে গোলাপ ফুল হাতে নিয়ে দাঁড়ায় পুলিশ আধিকারিকদের সামনে। পুলিশ আধিকারিকদের ফুল দিতে গেলে তারা নিতে অস্বীকার করে।
নানারকম দোলের রং মেখে সারা মুখে এক কিম্ভুতকিমাকার দশা। স্নানের সময় বার বার সাবান দিয়ে ধুয়েও কোনও ভাবে যাচ্ছেই না, বেশী ত্বক ঘসার জন্য ত্বকে জ্বালা, অফিস যেতে সমস্যা। না! রং তোলা মোটেই খুব কঠিন বিষয় নয়। আমাদের হাতের কাছেই থাকা কয়েকটা উপাদান দিয়ে অতি সহজেই ত্বকের রং তুলে ফেলা যায়। কিন্তু এগুলির অনেকই আবার ত্বকের জন্য ততটা নিরাপদ নয়। তা হলে? দেখে নেওয়া যাক, রং তোলার কিছু সহজ প্রক্রিয়া, যারা ক্ষতি তো করবেই না, বরং এগুলিতে উপকার হবে ত্বকের।পাতিলেবুঃ একটু হালকা রং তোলার জন্য পাতিলেবুর বিকল্প নেই। লেবু, মধু, জলপাই তেল আর হলুদ আছে এমন ফেস প্যাক ব্যবহার করে রং তুললে ত্বকের স্বাভাবিক ঔজ্জ্বল্য ফিরে আসে। ত্বকের নমনীয়তাও বাড়ে। এছাড়া পাতিলেবুর রস তুলো দিয়ে ত্বকে বুলিয়ে নিয়ে ৩-৪ মিনিট রেখে জলে ধুয়ে নিয়ে রঙের প্রলেপ অনেকটা হালকা হয়।ডিমঃ রং খেলার নাম করে মাথায় ডিম ফাটানোর রেওয়াজ আজকের নয়। অনেকেরই দাবি, এতে চুলের উপকার হয়। কথাটা খুব একটা ভুলও নয়। চুলের এবং মাথার ত্বকের রং তুলতে ডিমের হলুদ অংশ খুবই পারদর্শী। ডিমের হলুদ অংশ রং লাগা জায়গাগুলিতে মাখিয়ে রেখে, পরে তা হালকা শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে তুলে ফেললেই হল। রং পরিষ্কার।বিয়ারঃ পানীয় হিসেবে দোলের দিনে এটি অনেকেরই পছন্দ। কিন্তু শুধুমাত্র পানীয় হিসেবে নয়, এটিকে রং তোলার ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা যেতে পারে। চুলের রং আর মুখের রং তুলতে বিয়ার ব্যবহার করা যেতেই পারে। এতে চুলের এবং ত্বকের উভয়েরই উপকার হয়। শুধু বিয়ার দিয়ে রং সাফ করার আগে, এক বোতল এই পানীয়ের সঙ্গে এক চামচ পাতি লেবুর রস মিশিয়ে নিতে পারলে ভাল হয়।হোলির বা দোলের রং সহজে তুলতে অলিভ অয়েল অতি উপকারী উপাদান। যারা আলিভ অয়েল যগার করতে পারবেন না তারা অলিভের পরিবর্তে নারকেল তেল ও ব্যবহার করতে পারেন। রং খেলার আগে তেল মেখে নিলে রং সহজে উঠে যায় এবং ত্বকের ক্ষতিও হয় না।এখানে রং খেলার পর সেটি তোলার জন্য অলিভ অয়েল ব্যবহারের কিছু উপায় দেওয়া হলোঃরং খেলার আগেরং খেলার আগে ভালো করে অলিভ অয়েল বা নারকেল তেল হাতে, পায়ে, এবং মুখে লাগিয়ে নিন। রং খেলার পরঃরং খেলার পর সাবান বা ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধোয়ার আগে, অলিভ অয়েল দিয়ে ভালো করে ম্যাসাজ করুন। ত্বকের জন্য প্যাকঃরং তোলার জন্য দই, বেসন, হলুদ গুঁড়ো, অলিভ অয়েল এবং লেবুর রস মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে লাগাতে পারেন।চুলের জন্যঃচুলের রং তুলতে ডিমের সাদা অংশ বা নারকেলের দুধ ব্যবহার করতে পারেন।ত্বকের যত্নঃরং তোলার পর ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করতে ভুলবেন না।বিঃদ্রঃ ত্বকে এই উপাদানের কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকলে এই ধরনের উপকরণ ব্যবহারের করবেন না।
সল্টলেকের EZCC তে পালিত হল বঙ্গনারী শক্তি। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির মহিলা মোর্চার রাজ্য সভা নেত্রী ফাল্গুনী পাত্র। নারী নিজেই একজন শক্তি। আমরা পিছনে তাকালে দেখতে পাই বিভিন্ন নারীদের কথা যারা সমাজ পরিবর্তন করেছে। পশ্চিমবঙ্গে নারীরা শক্তি হলেও সেই শক্তিকে ভেঙে দেয়া হচ্ছে। তাদের সম্মানকে ভুলন্ঠিত করা হচ্ছে। সেই জন্য আমরা সেলফ ডিপেন্স এর উপর জোর দিচ্ছে। যে সমাজ নারীদেরকে ভুলোনিত করার চেষ্টা করছে তাদের আমরা আইডেন্টিফাই করছি। আমরা আগামী দিনে আরো বৃহত্তর আন্দোলনের দিকে পা বাড়াবো। নারীদের যেভাবে সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে তার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অনেক রকমের আইনি ব্যবস্থা নিয়েছে
নার্সিং স্টাফের আইবুড়ো ভাত খাওয়া নিয়ে তোলপাড় রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। আইবুড়ো ভাত খাওয়ার ছবি রীতিমতো সামাজিক সাধ্যমে ভাইরাল। আবার এই অনুষ্ঠান হয়েছে হাসপাতালের পুরুষ বিভাগে। কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, হাসপাতালে এইরকম অনুষ্ঠানের আয়োজন করা ঠিক হয়নি। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার দুপুরে নার্সিং স্টাফরা রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুরুষ বিভাগে সহকর্মীর আইবুড়ো ভাতের আয়োজন করে। টেবিলের মধ্যে ফুল দিয়ে সাজানো হয়েছিল পঞ্চব্যঞ্জন রান্না। চলে ভুঁড়িভোজ। সেই ছবি সমাজ মাধ্যমে আপলোড করতেই মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়।প্রশ্ন হচ্ছে, রোগী পরিষেবা দেওয়ার পরিবর্তে নার্সের পোশাক পরে এই ধরনের অনুষ্ঠান করা যায়? যেখানে হাসপাতালে রোগীদের পরিষেবা দেওয়ার কথা সেখানে কাজ বন্ধ রেখে আইবুড়ো ভাত! কোন নার্স এনিয়ে মুখ খোলেননি। তবে হাসপাতালে ভারপ্রাপ্ত সুপার ঈশ্বর চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এই ধরনের কোনও অনুষ্ঠান হাসপাতাল চত্বরে করা যায় না। বিষয়টা জেনে তদন্ত করে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি তদন্ত করে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন হাসপাতালের জয়েন্ট নার্সিং সুপারিন্টেনডেন্ট মুনমুন মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। আপনাদের কাছেই শুনলাম। তদন্ত করে দেখা হবে।
পেট্রাপোল বন্দরে দুই দেশের যৌথ উদ্যোগে উদযাপিত হচ্ছে না ভাষা দিবস। চেনা পেট্রাপলে এবার একুশে ফেব্রুয়ারিতে অচেনা ছবি। প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারি ভাষা দিবসে দুই বাংলার মানুষ জিরো পয়েন্টে একত্রিত হয়, মেলবন্ধন ঘটে দুই বাংলার। বাংলাদেশে ইউনূস ক্ষমতায় আসার পর দুই বাংলার সেই আবেগে ছেদ পড়লো। পরশী দেশে অস্থির পরিস্থিতির জেরে জিরো পয়েন্টে এবার সেই ভাষা দিবসের অনুষ্ঠান হল না। ফলে মন খারাপ ভাষা প্রেমীদের।স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে খবর, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ভাষা দিবস উদযাপনী অনুষ্ঠান নিয়ে তেমন উৎসাহ দেখায়নি। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এই নিয়ে কোন বার্তা বা যোগাযোগও করেনি তাদের সাথে। বাংলাদেশের সদিচ্ছার অভাব থাকায় এবার পেট্রাপোলে দুই বাংলার মিলন হলো না। বনগাঁ পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ প্রসেনজিত ঘোষ বলেছেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আমাদের সাথে ভাষা দিবসের অনুষ্ঠান নিয়ে যোগাযোগ করেনি। আমরা যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাদের দিক থেকে কোনো সাড়া মেলেনি। তাদের সদিচ্ছার অভাবেই দুই বাংলার মিলন হলো না। আঘাত ভাষা প্রেমী মানুষের ভাবাবেগে।বিগত বছরগুলিতে উত্তর ২৪ পরগনার পেট্রাপোল সীমান্তে নো-ম্যান্সল্যান্ডে ভারত বাংলাদেশ যৌথ ভাবে ভাষা দিবস উৎযাপন করে এসেছে। এই দিনে সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া মলিন হয়ে যেত। থাকত না সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর কড়া দৃষ্টি। সীমান্তে এসে মিলত হত দুই বাংলার অগণিত ভাষা প্রেমী মানুষ। কিন্তু এবার দেখা গেল না সেই মিলনের ছবি। একুশের দিনে কার্যত ফাঁকা পড়েই রইল জিরো পয়েন্ট। বাংলাদেশের বেনাপোলেও দেখা মিলল না বাংলাদেশিদের। অল্প কিছু সংখ্যক মানুষ যারা পেট্রাপোল সীমান্ত এসেছিলেন তারাও ভারাক্রান্ত মনে ফিরলেন সীমান্ত থেকে। তবে সাধারণ মানুষের আবেগের কথা মাথায় রেখে প্রতিবছরের মতো এ বছরও ভারতীয় ভূখণ্ডে ছয়ঘড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এবং বনগাঁ পঞ্চায়েত সমিতির যৌথ উদ্যোগে ভাষা দিবস উদযাপনের আয়োজন করা হয়। পেট্রাপোলে নির্মিত অস্থায়ী শহীদ বেদীতে পুস্পার্ঘ নিবেদনের মধ্য দিয়ে শহীদদের শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
মুম্বাইয়ের বাড়িতে অনুপ্রবেশকারীর ছুরিকাঘাতে জখম হয়েছেন বলিউডের শীর্ষ অভিনেতা সাইফ আলি খান। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি।ঘটনাটি ঘটে রাত ২টার দিকে বান্দ্রার সাইফ আলি খানের ১১ তলার ফ্ল্যাটে এক অঞ্জাত পরিচয় ব্যাক্তি ঢুকে পড়ে। অভিনেতা অনুপ্রবেশকারীকে ধরতে চেষ্টা করলেও অনুপ্রবেশকারী তাকে ছুরিকাঘাত করে।গত রাতে এক অজ্ঞাত ব্যক্তি অভিনেতা সাইফ আলি খানের বাড়িতে প্রবেশ করে এবং তার পরিচারিকার সাথে তর্ক করে। অভিনেতা যখন হস্তক্ষেপ করে লোকটিকে শান্ত করার চেষ্টা করেন, তখন সে সাইফ আলি খানের উপর হামলা করে তাকে আহত করে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে, মুম্বাই পুলিশ জানিয়েছে।প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে, মুম্বইয়ের বান্দ্রায় বাড়ি সইফের। এই বাড়িতেই থাকেন অভিনেতার স্ত্রী তথা বলিউডের ডাকসাইটে অভিনেত্রী করিনা কপূর। সুত্রের খবর, দুষ্কৃতী যখন সেই বাড়িতে প্রবেশ করে সেই সময় অভিনেতা এবং তাঁর পরিবারের সদস্যেরা গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলেন।জানা গেছে বান্দ্রা থানার পুলিশ সইফ আলি খানের ওপর এই হামলার ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। বিভিন্ন সুত্র ধরে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করার চেষ্টা চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, সইফ আলি খান আপাতত লীলাবতী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সইফ-কে ছুরি দিয়ে-ই কোপানো হয়েছে না কি হামলাকারীদের সাথে ধস্তাধস্তির জন্য তিনি আহত হয়েছেন, এব্যাপারে স্পষ্ট কোনও প্রমান মেলেনি। তাঁরা বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছে। বান্দ্রা থানার পাশাপাশি এই ঘটনার তদন্ত শুরু করছে মুম্বই পুলিসের ক্রাইম ব্রাঞ্চ।বিস্তারিত আসছে......
বিধাননগর গোয়েন্দা বিভাগের এসিপি সম্পীতি চক্রবর্তীর নাম করে ফেসবুকে ভুয়ো একাউন্ট খুলে একাধিক ব্যক্তিকে মেসেঞ্জারে এসএমএস পাঠিয়ে টাকা চেয়ে প্রতারণার অভিযোগে এক ছাত্রকে হাওড়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ৯ নভেম্বর বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়। তাতে বলা হয়, গোয়েন্দা শাখার উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকের নামে একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলে তাঁর ছবি ব্যবহার করে একাধিক ব্যক্তির থেকে মেসেঞ্জারে টাকা চাওয়া হচ্ছে। এরপরই বিধান নগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ তদন্তে নামে তার পরবর্তী ক্ষেত্রে হাওড়া এলাকা থেকে ওই ছাত্রকে গ্রেফতার করা হয়। হাবড়ার বাসিন্দা এই ছাত্রকে আজ আদালতে পেশ করে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছে বিধান নগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ।
প্রয়াত অভিনেতা দেবরাজ রায়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। মঞ্চ, পর্দা হয়ে দূরদর্শনে সংবাদপাঠ--- সমস্ত ক্ষেত্রেই পৃথক মাত্রা যোগ করেছিলেন তিনি। তাঁর স্ত্রী অনুরাধা রায়ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী। জানা গিয়েছে, তিনি কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন। এই টলি অভিনেতার মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা লিখেছেন, বাংলা ছবির জগতে বিশেষ নাম দেবরাজ রায়। অনেক খ্যাতনামা পরিচালকের ছবিতে অভিনয় করে প্রশংসিত। ওঁকে অনেকদিন ধরে চিনি। অত্যন্ত সজ্জন ব্যক্তি। ওঁর পরিবারের প্রত্যেককে আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি। আজ সাংস্কৃতিক জগত ম্লান হয়ে গেল।অভিনেতার জন্ম ১৯৫২ সালের ৯ ডিসেম্বর। ১৯৭০-এ সত্যজিৎ রায়ের প্রতিদ্বন্দী ছবি দিয়ে অভিনয় জীবনের শুরু। পরের বছর, ১৯৭১ সালে তিনি মৃণাল সেনের কলকাতা ৭১-এ অভিনয় করেন।তপন সিংহ, তরুণ মজুমদার, বিভূতি লাহা-সহ সেই সময়ের খ্যাতনামী পরিচালকদের সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি। তপনবাবুর রাজা ছবিতে তাঁর অভিনয় সকলের মনে রেখাপাত করেছিল।Saddened by the demise of actor Debraj Roy. An actor who made our eminent directors proud, he was also a popular news reader on Doordarshan. I knew him well as a good man from Bhawanipore and feeling very sad by this loss.My condolences to his family members and friends. Our Mamata Banerjee (@MamataOfficial) October 17, 2024পর্দার পাশাপাশি মঞ্চেও তিনি অভিনয় করেছেন। দূরদর্শনের সংবাদপাঠক হিসেবেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত জনপ্রিয়। ১৯৭৬ সালে তিনি বিয়ে করেন অনুরাধা রায়কে। অনুরাধাও জনপ্রিয় অভিনেত্রী। প্রশংঙ্গত, শারীরিক অসুস্থতার কারণে দীর্ঘদিন বিনোদন থেকে দূরে ছিলেন দেবরাজ। আগামীকাল তাঁর বিধাননগরের বাসভবন থেকে মরদেহ শেষকৃত্যের জন্য রওনা হবে।
দাদা সাহেব ফালকে পুরস্কার পাচ্ছেন মিঠুন চক্রবর্তী। সিনেমাটিক কেরিয়ার অনবদ্য তাই এই পুরস্কার জুটেছে গৌরাঙ্গর। এর আগে তিনি তিন তিনটে জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন। পেয়েছিলেন পদ্ম ভূষণ পুরস্কার। এর আগেও একাধিক কৃতী বাঙালি দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। রইল সেই তালিকা:বীরেন্দ্রনাথ সরকারঃ চলচ্চিত্র প্রযোজক এবং পরিচালক হিসেবে জনপ্রিয় ছিলেন বীরেন্দ্রনাথ সরকার। ১৯৭০ সালে তিনি দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার পান। কলকাতার হেয়ার স্কুলের অধ্যক্ষ পেয়ারী চরণ সরকারের প্রপৌত্র। তিনি লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে পড়াশোনা করেন। তারপরই ভারতে ফিরে সিনেমা নির্মাণে মনোযোগ দেন। পুনর্জন্ম, জিন্দা লাশ, কপালকুণ্ডলা, পল্লীসমাজ, মাসতুতো ভাই, সীতা আরও অনেক ছবির জন্য বিখ্যাত। পঙ্কজ মল্লিকঃ মহিষাসুরমর্দিনী অনুষ্ঠানের কম্পোজার পঙ্কজ মল্লিক ১৯৭২ সালে পেয়েছিলেন দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার। বহু ছবিতে তিনি সুরকার হিসেবে কাজ করেছেন। তবে দেবী দুর্গার আহ্বানে তাঁর যে সুর বাঙালির মনে রয়ে গিয়েছে, সেটি ভোলার নয়।ধীরেন্দ্রনাথ গাঙ্গুলিঃ পরিচালক ধীরেন্দ্রনাথ গাঙ্গুলি ১৯৭৫ সালে পেয়েছিলেন এই পুরস্কার। হিন্দি এবং বাংলা ছবিতে তাঁর অসামান্য অবদানের জন্য তাঁকে ভূষিত করা হয় দাদা সাহেব ফালকে সম্মানে। তাঁর পরিচালিত ছবির মধ্যে, বিলেত ফেরত, চরিত্রহীন, রাজিয়া বেগম, ইন্দ্রজিৎ, বিমাতা, চিন্তামনি আরও উল্লেখযোগ্য।কানন দেবীঃ বাংলা চলচ্চিত্রের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র কানন দেবী। তাঁর সৌন্দর্যের সঙ্গে সঙ্গে অভিনয় দক্ষতা ছিল অতুলনীয়। ১৯৭৬ সালে তিনি দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার পেয়েছিলেন। মুক্তি, বিদ্যাপতি, জওয়াব, শেষ উত্তর, মেজদিদি, রাজলক্ষী ও শ্রীকান্ত, ঋষির প্রেম ছবির জন্য বিখ্যাত।নীতিন বসু এবং রাইচাঁদ বড়ালঃ নীতিন বসু এই পুরস্কার পান ১৯৭৭ সালে। বাঙালি এই পরিচালক এবং সিনেমাটোগ্রাফার দিদার, ধুপ ছায়ো, ওয়ারিস, ভাগ্যচক্র, চণ্ডীদাস ছবির জন্য বিখ্যাত। অন্যদিকে ঠিক তাঁর পরের বছর ১৯৭৮ সালে এই পুরস্কার পান রাইচাঁদ বড়াল। তিনি মিউজিক কম্পোজার।সত্যজিৎ রায়ঃ বাংলা ছবিকে আন্তর্জাতিক স্তরে নিয়ে গিয়েছেন সত্যজিৎ রায়। তিনি১৯৮৪ সালে এই পুরস্কার পান। পথের পাঁচালী ছবির মাধ্যমে তিনি ভারতীয় সিনেমার অন্যন্য রূপ তুলে ধরেন। তারপর, শাখা প্রশাখা, কাঞ্চনজঙ্ঘা, জলসাঘর, গুপি গাইন বাঘা বাইন, সোনার কেল্লা, নায়ক, চিড়িয়াখানা, আরও অনেক ছবি। অস্কারও পেয়েছেন এই কালজয়ী পরিচালক।মৃণাল সেনঃ বাংলা ছবির আরেক পরিচালক, আন্তর্জাতিক স্তরে বেশ জনপ্রিয়। মৃণাল সেন এই পুরস্কার পান, ২০০৩ সালে। ভুবন সোম, আকালের সন্ধানে, চালচিত্র, মৃগয়া, একদিন প্রতিদিন, কলকাতা ৭১ ছাড়াও নানা ছবির পরিচালক তিনি। মান্না দেঃ মান্না দে, যার সুরেলা কন্ঠে ভেসেছে বাংলা তথা গোটা ভারতবর্ষ, তাঁকে ২০০৭ সালে দেওয়া হয়েছিল এই পুরস্কার। একের পর এক গান তো বটেই, তাঁর সঙ্গে দুটি ছবির জন্য জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিলেন মান্না দে।তপন সিনহাঃ খ্যাতনামা পরিচালক তপন সিনহা ২০০৮ সালে পেয়েছিলেন এই পুরস্কার। কাবুলিওয়ালা থেকে শুরু করে ঝিন্দের বন্দী, আপনজন, বাঞ্ছারামের বাগান, অতিথির মত ছবি তিনি উপহার দিয়েছেন। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ঃ বাংলা ছবির ফেলুদা, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে দেওয়া হয়েছিল দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার। তিনি ২০১১ সালে এই পুরস্কার পান। ভারতীয় সিনেমায় তাঁর অসামান্য অবদানের জন্য, এমনকি সত্যজিৎ রায়ের চরিত্রকে পর্দায় ফুটিয়ে তোলার যে পারদর্শিতা তিনি দেখিয়েছেন, তা অকল্পনীয়।এবার ওই তালিকায় আরেক নাম যোগ হলঃ মিঠুন চক্রবর্তী। তাঁর ভক্ত মহল আনন্দে উল্লাসিত।
রেলওয়ে হল কলকাতায় পরিবহণের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য যোগাযোগ মাধ্যম। শহরের উত্তর ও দক্ষিণ শহরতলির জন্য লাইফলাইন। শিয়ালদহ ডিভিশনের চক্র রেল (বৃত্তাকার রেল) যাত্রী পরিচালনের প্রশংসিত ৪০ বছর পূর্ণ করেছে। এটি কলকাতা মেট্রোপলিটন রেলওয়ে ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। যার ১৭০ বছরেরও বেশি সময়ের একটি সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে। কলকাতায় সার্কুলার রেলওয়ে লাইনের ধারণাটি প্রথম ১৯ শতকের শেষের দিকে কল্পনা করা হয়েছিল। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা এবং ক্রমবর্ধমান শহুরে বিস্তৃতির সাথে, এটি পরিবর্তিত হয়েছিল। শহরের কেন্দ্রস্থলের সঙ্গে শহরতলির সংযোগ স্থাপনের জন্য আরও কিছু পরিবহন ব্যবস্থা প্রয়োজনের কথা মাথায় ছিল রেলের। এই রেলে চড়লে গঙ্গার মনোরম পরিবেশ উপলব্ধি করা যায়।সার্কুলার রেলওয়ে নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়েছিল ১৯৫০এর দশকে। কলকাতার আশেপাশের শিল্পাঞ্চলে পরিবেশন করার জন্য সার্কুলার রেলওয়ে লাইন প্রস্তুত করতে এবং শহরের প্রধান রেলওয়ে ব্যবস্থাকে কমানোর জন্য পূর্ব রেলওয়ে দ্বারা প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়েছিল। ১৯৮৪ সালে সার্কুলার রেলওয়ে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হয়। সার্কুলার রেলওয়ের সিগন্যালিং সিস্টেমটিও ধীরে ধীরে ট্রেন স্টাফ এবং টিকিট সিস্টেম থেকে রঙিন আলোর সংকেত সহ আধুনিক ইন্টারলকিং-এ বিবর্তিত হয়েছে। সার্কুলার রেলওয়ে ট্র্যাক ডাউন যুগের পুরো নেটওয়ার্কের বিদ্যুতায়নের সাথে উন্নত করা হয়েছে। এখন সার্কুলার রেলওয়ে লুপের উপর ইএমইউ লোকালগুলি নির্বিঘ্ন চলাচলের ফলে যাত্রীদের সংখ্যা যথেষ্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে ৬৫,০০০ জনেরও বেশি যাত্রী প্রতিদিন সার্কুলার রেলওয়ে যাত্রার সুবিধা পাচ্ছেন। যার মধ্যে মোট ২৭টি লোকাল ট্রেন দমদম জং., টালা, মাঝেরহাট, বালিগঞ্জ রুটে এবং ১৩টি দম দম জং., বিধাননগর রোড, স্যার গুরুদাস ব্যানার্জি হল্ট, পার্কে চলছে। সার্কাস, বালিগঞ্জ রুটটি কলকাতা শহরের কেন্দ্রীয় ব্যবসায়িক এলাকাকে ঘিরে সমগ্র সার্কুলার রেলওয়ে লুপ সম্পূর্ণ করে।গত এক দশকে সার্কুলার রেলওয়েতে যাত্রী সংখ্যা ২০০% বৃদ্ধির সাথে সার্কুলার রেলওয়ে যাত্রী সেবা ৪০টি গৌরবময় বছর পূর্ণ করেছে। পূর্ব রেলওয়ে আজ সকালে কলকাতা স্টেশন থেকে EMU স্পেশাল ট্রেনের একটি স্মারক চালানোর সাথে প্রিন্সেপ ঘাট স্টেশনে একটি স্বচ্ছ ভারত সাংস্কৃতিক উৎসব এবং ফটো প্রদর্শনীর মাধ্যমে কলকাতা সার্কুলার রেলওয়েতে যাত্রী পরিচালনের ৪০ গৌরবময় বছর স্মরণ করতে প্রস্তুত।
রোগীর প্রেসক্রিপশনে বিচার চেয়ে, অপরাধীদের বিনাশ চেয়ে আরজি কর নিয়ে নয়া লড়াই শুরু করেছেন বীরভূমের এক চিকিৎসক। আরজি করের বিচার চাই, অরপরাধ চক্রের বিনাশ চাই। এমন লেখা রাবার স্ট্যাম্প বানিয়ে নিয়েছেন ওই চিকিৎসক। এমন ভাবে অন্যরাও লড়াই ছড়িয়ে দিক, বলেন চিকিৎসক দেবব্রত দাস। আরজি কর হাসপাতালের ছাত্র ছিলেন দেবব্রত দাস। চেনে হাসপাতালের সব তল্লাট। আরজি করের প্রাক্তনী প্রতিটি রোগীর প্রেসক্রিপশনে স্ট্যাম্প ব্যবহার করছেন।বীরভূমের রামপুরহাট গভঃ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রাক্তন কনসালট্যান্ট ল্যাপরোস্কোপিক সার্জেন দেবব্রত দাস। বর্তমানে তিনি হাসপাতাল সংলগ্ন ওষুধের দোকানে প্রাইভেট প্র্যাক্টিস করেন। আরজি কর কাণ্ডের পর দেবব্রতবাবু জুনিয়ার- সিনিয়র চিকিৎসকদের আন্দোলনে পা মিলিয়েছিলেন। একাধিক আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন। এবার নিজের চেম্বার থেকেই আন্দোলনকে নানা দিকে ছড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তাই লালকালির স্ট্যাম্পে আরজি করের বিচার চাই, অরপরাধ চক্রের বিনাশ চাই লেখা প্রতিবাদ ছড়িয়ে দিচ্ছেন রোগী ও তাদের পরিবারের মধ্যে। শুধু বাংলাতে নয়, ইংরেজিতেও লেখা রয়েছে উই ওয়ান্ট জাস্টিস।দেবব্রত দাস বলেন, আমি আরজি করের প্রাক্তন ছাত্র। ওই কলেজের প্রতিটি গলি আমি চিনি, জানি। সেখানে এই ঘটনা আমাকে ভীষণভাবে নাড়া দিয়েছে। আমি কল্পনাও করতে পারছি না যে স্বাধীন ভারতে পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে আমার প্রাক্তন কলেজে এমন নৃশংস ঘটনা ঘটতে পারে। সেই জন্য চিকিৎসক সমাজ সহ বিভিন্ন পেশার মানুষ রাস্তায় নেমেছে। বার বার বলা হচ্ছে ঘটনার প্রমান মুছে ফেলা হয়েছে। এর জন্য দায়ী করা হয়েছে রাজ্য সরকারকে। তাই সাধারণ মানুষের মতো আমি চিকিৎসক হিসাবে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যেতে আমার প্রেসক্রিপশনকে ব্যবহার করেছি। সেই প্রেসক্রিপশন প্রতিটি মানুষের পাশাপাশি ওষুধের দোকানেও পৌঁছে যাচ্ছে। এছাড়া আমাদের সারা ভারতে যে সংগঠন রয়েছে সেখানেও আমার প্রেসক্রিপশন পাঠিয়ে দিয়ে প্রতিবাদের ভাষা পৌঁছে দিয়েছি। পশ্চিমবঙ্গের বাইরে প্রতিবাদের ভাষা পৌঁছে দিতে ইংরেজিতেও লেখা রয়েছে।
রাখীবন্ধন উৎসব পালন করল বেঙ্গল প্রেস ক্লাব। সোমবার বর্ধমানের বিজয় তোরণের সামনে এই অনুষ্ঠান হয়। এদিন কার্জনগেট চত্বরে বেঙ্গল প্রেস ক্লাবের পক্ষে রাখী পড়ানো হয় বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাসকে। পাশাপাশি পথচলতি জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল সাধারণ মানুষের হাতে রাখী পড়িয়ে মিষ্টিমুখ করানো হয়। এই উৎসবে বর্ধমান শহরে ব্যাপক সাড়া পড়ে। বুধবার সকাল ৮টা থেকেই উৎসবের শুরু হয়ে যায়। বেঙ্গল প্রেস ক্লাবের সভাপতি বিজয়প্রকাশ দাস ও সাধারণ সম্পাদক সৌগত সাঁই বলেন, রাখীবন্ধন সামাজিক বন্ধনের অঙ্গীকার। এই উৎসব জাতপাত, ধর্ম বর্ণ, প্রাদেশিকতা সব কিছুর উর্দ্ধে। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রাখীবন্ধন উৎসবকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন। মানুষে মানুষে ভেদাভেদ নয়। চাই ঐক্য। এই অনুষ্ঠানে বেঙ্গল প্রেস ক্লাবের পরিবারের সদস্যরাও অংশ নেন।
রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যে প্রয়াত। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। ২০০১ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত টানা ১১ বছর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন বুদ্ধদেব। বৃহস্পতিবার সকালে বুদ্ধদেবের মৃত্যুর খবর জানান তাঁর সন্তান সুচেতন ভট্টাচার্য। জানা গিয়েছে, সকালেও বুদ্ধদেববাবু প্রাতঃরাশ করেছিলেন। তার পরেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। সকাল ৮টা ২০ মিনিটে পাম অ্যাভিনিউয়ের বাড়িতেই তিনি প্রয়াত হন। এখন তাঁর মরদেহ তাঁর পাম অ্যাভিনিউয়েত বাসস্থানেই থাকবে। তাঁর শেষ ইচ্ছানুযায়ী চক্ষুদানের ব্যবস্থা হয়েছে।দুপুর ১২:৩০ টার সময়ে পিস ওয়ার্ল্ডে তাঁর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে। আগামীকাল সকাল ১০:৩০ থেকে ৩১, আলিমুদ্দিন স্ট্রিট, সিপিআই(এম) রাজ্য দপ্তর মুজফফর আহমদ ভবনে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের জন্য শায়িত থাকবে তাঁর মরদেহ। এরপর সেখান থেকেই বিকেল ৪টে নাগাদ কমঃ বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের মরদেহ নিয়ে শোক মিছিল করে।নীলরতন সরকার মেডিকেল কলেজে মরণোত্তর দেহদান করা হবে।দীর্ঘ বছর ধরেই গুরুতর শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা (সিওপিডি)-তে ভুগছিলেন বুদ্ধদেব। অসুস্থতার কারণে বিগত কয়েক বছর কার্যত গৃহবন্দিই ছিলেন পাম অ্যাভিনউর ছোট্ট ফ্ল্যাটে। আগেও একাধিকবার হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয় তাঁকে। ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রবল শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন বুদ্ধদেব। সেই সময়েও কয়েক দিন ভেন্টিলেশনে রাখতে হয় তাঁকে। সেখান থেকে বিপন্মুক্ত হয়ে বাড়ি ফেরেন। গত বছর ৯ অগাস্ট হাসপাতাল থেকে বিপন্মুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছিলেন বুদ্ধদেব। ২০২১-এ কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের ভাইপো ছিলেন বুদ্ধদেববাবু।
ক্ষণিকের আলাপ হয়েছিল। এক আলাপেই আপন করতে সময় নেননি তিনি। তবে গতকালের খবরে মনটা ভারাক্রান্ত হয়ে গিয়েছিল। বিশিষ্ট সাংবাদিক দেবাশিস আইচ আর নেই। তবে তাঁর সঙ্গে আলাপ হয়েছিল বাচ্চুদা নামেই। এক আলাপেই তাঁর ব্যক্তিত্ব আমাকে টেনেছিল। সেদিন সঙ্গে ছিলেন আরেক বিশিষ্ট সাংবাদিক রজত রায়। এই দুজনের কথাবার্তা শুনে একেবারে মাটির মানুষ মনে হয়েছিল। দেবাশিস আইচের বয়স হয়েছিল ৬২ বছর। ভর্তি ছিলেন নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। শুক্রবার বিকেলে শেষ নিঃশ্বাস ত্য়াগ করেন। কলকাতার মানুষ হলেও মফস্বলের সঙ্গে ছিল তাঁর নাড়ির টান। এমনকী উত্তরবঙ্গের ডুয়ার্সের জঙ্গলভূমি থেকে চা বাগানের শ্রমিকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখতেন তিনি। সেখানে ছুটে যেতেন মাঝে মাঝেই। সাধারণ খেটে-খাওয়া মানুষের কথা বলতেন। জীবন-যাপনও ছিল একেবারে সাধারণ। খাসখবর থেকে আকাশবাংলা, সকালবেলা, কলকাতা টিভি বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে কাজ করেছেন। অসমের গৌহাটিতে একটি বাংলা সংবাদপত্রের সহসম্পাদক হিসাবে কাজ করেছেন। শেষের দিকে যুক্ত ছিলেন গ্রাউন্ড জিরো, ভিডিও ভলান্টিয়ার্সের সঙ্গেও। দেবাশিস আইচের লেখা কবিতার বইও বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। যাই হোক ৭ অগাষ্ট ২০২২-এর দুপুরে বাচ্চুদার বক্তব্য শুনেছিলাম রাজ কলেজের সভাঘরে। সেদিন ইন্ডিয়ান জার্নালিস্ট অ্যাসেসিয়েশন, বর্ধমান শাখার উদ্যোগ সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছিল। রজত রায়, দেবাশিস আইচ ও নির্ণয় ভট্টাচার্য, তিনজনই ভালো বক্তব্য রেখেছিলেন। এই ধরনের সেমিনারে অভিজ্ঞরা বক্তব্য় রাখলে অনেক অজানা বিষয় জানাও যায়। যাই হোক সেদিন সেমিনার শেষ হওয়ার পর বাচ্চুদার সঙ্গে আলাপ হল। এক আলাপেই কত আপন করে নিয়েছিলেন। মনে হয়েছিল কতবছর ধরে যেন আমাদের পরিচয়। স্বল্প সময়েই অনেক কথা হয়েছে। ভালো থাকবেন বাচ্চু দা।
সাইবার প্রতারণার শিকার খোদ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। পুরী বেড়াতে যাওয়ার জন্যে অনলাইনে হোটেল বুক করে প্রতারণার শিকার বিচারপতি সোমশুভ্র ঘোষাল। ঘটনার তদন্ত শুরু করে রাজস্থান ও আরামবাগ থেকে মূল অভিযুক্ত সহ দুজনকে গ্রেফতার করে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, গত ২০২২-এর ৮ অক্টোবর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সোমশুভ্র ঘোষাল বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ করেন, তিনি তাঁর পরিবার নিয়ে পুরীতে ঘুরতে যাওয়ার জন্যে অনলাইন মাধ্যমে একটি ৫ তারা হোটেল বুকিং করার চেষ্টা করেন। সেই সময় তাঁকে সেই হোটেলের বুকিং প্রসিডিউরের জন্যে একজন ফোন করে। সেখানে তাঁকে হোটেলে বুকিং করার জন্যে টাকা জমা করতে বলা হয় এবং একটি একাউন্ট ডিটেলস দেওয়া হয়। তিনি সেই একাউন্টে ৯২ হাজার টাকা ট্রান্সফার করেন। তবে কিছুদিন পরে ওই হোটেলে খোঁজ নিলে জানতে পারেন তাঁর নামে ওই হোটেলে কোনও বুকিং হয়নি। প্রতারণার শিকার হয়েছেন বুঝতে পেরে পুলিশের দ্বারস্থ হন তিনি। ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিশ জানতে পারে, ওই হোটেলের ভুয়ো ওয়েবসাইট তৈরি করে এই প্রতারণা চক্র চালানো হচ্ছিল। এরপরই টাকা কোন অ্য়াকাউন্টে জমা পড়েছে সেই সূত্র ধরে রাজস্থানের ভরতপুর এলাকায় হানা দেয় পুলিশ। সেখান থেকেই এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত প্রেম চাঁদকে গ্রেফতার করে পুলিশ।ট্রানজিট রিমান্ডে কলকাতা নিয়ে আসা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরামবাগ থেকে আরও এক প্রতারক স্বর্ণদীপ রায়কে গ্রেফতার করা হয়।
এসএসসি নিয়ে ঐতিহাসিক রায় দিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। ২০১৬ সালে নিয়োগ হওয়া প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিল করল আদালত। পুরো প্যানেল রাতিল করেছে আদালত। পাশাপাশি সিবিআইকে তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। এই রায়ের পর তমলুকের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ দাবি করেছেন। আন্দোলনকারীরা এই রায়ের পর আশার আলো দেখছেন। প্রায় সাড়ে ৩ মাসের শুনানি শেষে সোমবার এসএসসি মামলার রায় ঘোষণা হল। ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের চাকরি বাতিল করল কলকাতা হাইকোর্ট। মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর কোনও চাকরি বৈধ হওয়া উচিত নয়। এসএসসি মামলায় ঐতিহাসিক রায় দিল কলকাতা হাইকোর্টের। ২০১৬ সালের পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়াটিই বাতিল করেছে দিল উচ্চ আদালত। SSC-র সমস্ত নিয়োগ বাতিল করল হাইকোর্ট। মেয়াদ উত্তীর্ণ প্যানেলে চাকরি প্রাপকদের আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে ১২ শতাংশ সুদ সমেত বেতন ফেরতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এদিন বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে।এরই পাশাপাশি ফের নতুন করে গোটা নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে এসএসসিকে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। SSC গ্রুপ-সি, গ্রুপ-ডি, নবম-দ্বাদশ পর্যন্ত ২০১৬ সালে হওয়া সব নিয়োগ অবৈধ বলে স্পষ্ট জানাল হাইকোর্ট। ২০১৬ সালের সেই গোটা নিয়োগ প্রক্রিয়াই এদিন বাতিল করেছে উচ্চ আদালত।নবম-দশম, একাদশ-দ্বাদশ নিয়োগের পাশাপাশি এসএসসি গ্রুপ সি ও গ্রুপ-ডি নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে মামলা হয়েছিল। সেই সব মামলার শুনানি শেষের পর আজই রায় ঘোষণা আদালতের। এরই পাশাপাশি CBI এই গোটা নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত চালিয়ে যাবে বলে জানিয়েছে হাইকোর্ট। প্রয়োজনে এই দুর্নীতিতে অভিযুক্ত যে কাউকে হেফাজতে নিয়েই তদন্তকারীরা জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবেন বলেও জানিয়েছেন বিচারপতিরা। এসএসসি-কে সমস্ত OMR শিটের কপি তাদের ওয়েবসাইটে আপলোড করতে নির্দেশ দিয়েছে উচ্চ আদালত। ওই ওএমআর শিট পর্যবেক্ষণ করে নতুন করে প্যানেল প্রকাশ করতে হবে।
নিঃশর্তে চাকরি থেকে ইস্তফা দিলেন কোচবিহারের শীতলকুচিতে ভোটকেন্দ্রে গুলিকাণ্ডে সাসপেন্ড হওয়া পুলিশ সুপার তথা আইপিএস অফিসার দেবাশিস ধর। ২০২১ বিধানসভা ভোটের সময়ে কোচবিহারের শীতলখুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে চার গ্রামবাসীর মৃত্যু হয়েছিল। সেই সময়ে কোচবিহারের পুলিশ সুপার ছিলেন তিনি। বিধানসভার ভোট মিটে যেতেই দেবাশিসের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছিল রাজ্য গোয়েন্দা দফতর তথা সিআইডি। লোকসভা নির্বাচনের আগে তাঁর ইস্তফা যথেষ্ট তাৎপর্য পূর্ণ।বিজেপিতে যোগদানের সম্ভাবনা। দক্ষিণবঙ্গের কোন একটি লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হতে পারেন প্রাক্তন পুলিশ কর্তা দেবাশীষ ধর। এরআগে উত্তরবঙ্গের আইজি প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগের পর প্রার্থী হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের মালদা উত্তর লোকসভা কেন্দ্র থেকে। স্বভাবতই জল্পনা তুঙ্গে।
রাত ৮-৩০ টার পর থেকে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুক, ইনস্টা হটাৎ করে নিজে থেকেই লগআউট হয়ে যাচ্ছে। এহেন আচরণে প্রথম দিকে অনেকেই ভাবছিলেন তাঁদের পাসওয়ার্ডের কোনও সমস্যা হয়েছে, বা ভুল হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এই নিয়ে বেশ বিপাকে এই দুই সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারীরা। জানা যায়, এ সমস্যা শুধুমাত্র বাংলা বা ভারতেই নয়, বিশ্ব জুড়ে স্তব্ধ এই পরিষেবা। অনেকেই তাঁদের এক্স হ্যন্ডেলে বা হোয়াটসঅ্যাপে পোস্ট করে জানাচ্ছেন। বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেও জানা যায়নি সমস্যার মূল কারণ। এই নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনও বিবৃতি দেয়নি মূল সংস্থা মেটা।ফেসবুক ইনস্টা-র ব্যবহারকারীরা জানাচ্ছেন, হঠাৎ করেই এই দুই পরিষেবা নিজে নিজেই অ্যাকাউন্ট থেকে লগ আউট হয়ে যাচ্ছে। কোনওভাবেই আর লগ ইন করা যাচ্ছে না। ব্যবহারকারীরা কেউই তাঁদের কোনও পোস্ট, গ্যালারী, কমেন্ট কিছুই দেখতে পাচ্ছেন না।বিশিষ্ট সাইবার বিশেষজ্ঞ বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিটার বিভাগের অধ্যাপক ডঃ শিবকালি গুপ্ত জনতার কথা কে বলেন, মেটা কর্তৃপক্ষ এখনও বিবৃতি দিয়ে এই দুর্বিপাক সম্বন্ধে কোনও কিছু জানায়নি। তিনি বলেন, এমনও হতে পারে কোনও বড়সড় সাইবার অ্যাটাক হয়েছে বা হতে পারে সেই আন্দাজ করে সমস্ত ব্যবহারকারীদের লগ আউট করে দিয়েছেন মেটা কর্তৃপক্ষ তাঁদের ডাটা সুরক্ষিত রাখার জন্য। আথবা কোনও রূটিন মেনটেনেন্সও হতে পারে।ডঃ শিবকালি গুপ্ত আরও জানান, যদি রূটিন মেনটেনেন্স হয় সে ক্ষেত্রে মেটা-র মত সংস্থা অগ্রীম নোটিফিকেশন করে রাখত। তাঁর ধারণা এটা কোনও ধরনের সাইবার অ্যাটাক। এখন অপেক্ষা করা ছাড়া কোনও উপায় নেই।
রবিবারের ডিওয়াইএফআইয়ের ব্রিগেড সমাবেশ নিয়ে বামেদের কটাক্ষ করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পৈলানের বিষ্ণুপুরের যুব সঙ্ঘের মাঠে অভষেক বলেন, আজ রবিবার দুপুরে অনেক দল সভা করছে। আমাদের সঙ্গে সেই সব দলের ফারাক আছে। সবাই তাঁদের সভায় যান ভাষণ শুনতে। আর, আমাদের সভায় আসেন স্বপ্নকে বাস্তবায়িত হওয়া দেখার জন্য। আমি আগে ভোট, পরে কাজের কথা বলি না। আমি আগে কাজ করি। পরে ভোটের কথা বলি। এটাই আমাদের সঙ্গে অন্য দলের ফারাক। বাম-বিজেপিকে একযোগে আক্রমণ করে অভিষেক বলেন, কেউ বলছেন ইনসাফ। কেউ বলছেন ন্যায়। কেউ বলছেন সবকা বিকাশ। আর আমরা যেটা করেছি, সেটা হল আসল ইনসাফ। সেটাই হল আসল ন্যায়। আজ ডায়মন্ড হারবারে যা হচ্ছে, সেটাই হল সবকা সাথ, সবকা বিকাশ।তাঁর এই সবকা সাথ, সবকা বিকাশ সম্পর্কেও মুখ খুলেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। এদিন তিনি নিজের লোকসভা কেন্দ্র ডায়মন্ড হারবারে অনেক কাঠখড় পুড়িয়েও যাঁরা বার্ধক্য ভাতা পাননি, নিজের লোকসভা কেন্দ্রের এমন প্রবীণদের দলীয় ভাবে বার্ধক্য ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা চালু করলেন। এই প্রবীণরা প্রতিমাসে ১ হাজার টাকা করে পাবেন। এটা সরকারি বার্ধক্য ভাতা নয়। এই প্রসঙ্গে অভিষেক বলেন, এটা করতে আমার মাত্র দুমাস সময় লেগেছে। ১ জানুয়ারি আমাদের দলের প্রতিষ্ঠা দিবস। তাই আরও সাত দিন সময় নিয়ে ৭৬ হাজার ১২০ জনকে বার্ধক্যভাতা দেওয়া হল। আগেই রেজিষ্ট্রেশন করা হয়েছিল। তারপর ফিজিক্যাল ভেরিফিকেশন করা হয়েছে। ডেটা চেক করা হয়েছে। তারপর বাড়ি বাড়ি ভেরিফিকেশন করে ৭৬ হাজার ১২০ জনকে ভাতা দেওয়া হল। ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা দেওয়া হচ্ছে। আমাদের ১৬,৩৮০ স্বেচ্ছাসেবক রয়েছেন। তাঁরা জনপ্রতি ৪-৫ জনের দায়িত্ব নিয়ে কাজগুলো করেছেন। এভাবেই আমরা ৭৬ হাজার ১২০ জনের মুখে হাসি ফোটালাম।তৃণমূলের নবীন-প্রবীণ দ্বন্দ্ব নিয়েও এদিন মুখ খোলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এদিন বলেন, তৃণমূলের মধ্যে কোথাও দ্বন্দ্বের জায়গা নেই। দল আমাকে যে দায়িত্বই দিয়েছে, আমি তা পালন করেছি। ২০২১ সালে দলকে নেতৃত্ব দিতে বলেছিল, সেই সময় দিয়েছি। ২০২৪ সালে আমাকে প্রার্থী করা হলে, দায়িত্ব দেওয়া হলেও আমি তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করব। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অত্যন্ত সুসংহত ভাবেই দল চালাচ্ছেন। আমি সব শক্তি দিয়ে তাঁর পাশে দাঁড়াব। আমি শুধু বলেছি যে, বয়স হলে কর্মক্ষমতা কমে। আমি ৩৬ বছর বয়স বলেই আড়াই মাস নবজোয়ার কর্মসূচির সময় রাস্তায় থাকতে পেরেছিলাম। আমার ৭০ বছর বয়স হলে সেই ক্ষমতা কমে যাবে। এই কথা নিয়ে এত বাজার গরম করার কী আছে? তৃণমূল কংগ্রেস একসঙ্গেই লড়বে। আমার প্রায়োরিটি হয়ত ডায়মন্ড হারবার। কিন্তু, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছবি আর জোড়া ফুলের ঝান্ডা নিয়ে দল যেখানে আমাকে যেতে বলবে, যে বুথে ঢুকতে বলবে, আমি যাব।
বড়দিন লেকটাউন পরিণত হয় মিনি পার্কস্ট্রিটে। রীতিমতো টেক্কা দিচ্ছে পার্ক স্ট্রিটকে। রাজ্যের দমকল মন্ত্রী সুজিত বসুর তত্ত্বাবধানে শ্রীভূমি স্পোটিং ক্লাবের ব্যবস্থাপনায় লেকটাউন পরিণত হল মিনি পার্কস্ট্রিটে। বছরের শেষ কটা দিন আনন্দ উৎসবে মেতে ওঠে শহরবাসী। পার্কস্ট্রিটে অ্যালেন পার্কে ভিড় জমান লক্ষ লক্ষ মানুষ। সেই ভিড় এবার লেকটাউন শ্রীভূমিতে।গত কয়েক বছর ধরে লেকটাউনে শুরু হয়েছে পৌষ পার্বন উৎসব। সেই উৎসব রবিবার সন্ধ্যায় উন্মোচন হল সুজিত বসুর হাত ধরে। এদিন এক বর্ণাঢ্য শোভা যাত্রার মাধ্যমে উৎসবের সূচনা করেন মন্ত্রী। শোভাযাত্রায় সান্তা ক্লজ থেকে শুরু করে বাঙালিদের পিঠেপুলি সবই সামিল। এক কথায় বড়দিনের প্রাক্কালে আলোয় সেজে উঠেছে শ্রীভূমি।