• ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩, শনিবার ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Dilip Ghosh

রাজনীতি

দিলীপ ঘোষকে প্রণাম করে বিজয়ার শুভেচ্ছা সৌমিত্র খাঁয়ের

বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের বাড়িতে গিয়ে প্রণাম করলেন দলের যুব মো্র্চার রাজ্য সভাপতি সৌমিত্র খাঁ। সেখানে উপস্থিত ছিলেন দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক ( সংগঠন) সুব্রত চট্টোপাধ্যায় , রাজ্য সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু। প্রসঙ্গত , কয়েকদিন আগে বিজেপি রাজ্য সভাপতির সঙ্গে সৌমিত্র খাঁয়ের দ্বন্ধ প্রকাশ্যে চলে এসেছিল। দলের যুব মোর্চার জেলা কমিটি ও জেলা সভাপতির পদ বাতিল করে দিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। সৌমিত্র জানিয়েছিলেন , এই সিদ্ধান্ত জানেন না। এনিয়ে ক্ষোভ জানিয়ে প্রথমে বিজেপি যুব মোর্চার সভাপতি পদে পদত্যাগের ইচ্ছাপ্রকাশ করে হুঁশিয়ারি দেন সৌ্মিত্র খাঁ। হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে আসেন তিনি। আরও পড়ুনঃ বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার , নিন্দায় সরব দিলীপ পরে কিছুক্ষণের মধ্যে ভোল বদলে ফের সৌ্মিত্র খাঁ জানিয়ে দেন , তিনি দলের কর্মীদের ছেড়ে থাকতে পারবেন না। এই কথা বলে তিনি ফের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ফিরে আসেন। জল্পনা শুরু হয় তার ফিরে আসা নিয়ে। বিজেপি সূ্ত্রে জানা যায় , দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের একাংশের চাপেই তিনি তার সিদ্ধান্ত বদলাতে বাধ্য হয়েছিলেন। তারপর তিনি অবস্থান জানিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন। এরপর তিনি এদিন দিলীপ ঘোষকে প্রণাম করে বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা জানালেন। দিলীপ ঘোষকে প্রণাম করে সৌ্মিত্র খাঁ কি ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টা করলেন। এমনই প্রশ্ন করছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহল।

অক্টোবর ২৭, ২০২০
রাজনীতি

বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার , নিন্দায় সরব দিলীপ

বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার হল পশ্চিম মেদিনীপুরের মোহনপুরে। মৃত বিজেপি কর্মীর নাম বাচ্চু বেরা। মোহনপুরের শিয়ালসাই মাঠ থেকে তার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। যদিও অভিযোগকে গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূল। তারা জানিয়েছে , এর সঙ্গে শাসকদলের কোনও যোগ নেই। জানা গিয়েছে , অষ্টমীর দিন থেকেই বেপাত্তা ছিলেন বাচ্চু। সো্মবার দুপুরে জঙ্গলে গলায় গামছার ফাঁস লাগানো অবস্থায় তার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। স্থানীয়রা ততক্ষণাৎ থানায় খবর দিলে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। আরও পড়ুনঃ পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির শাসন প্রতিষ্ঠা করতেই হবে : দিলীপ কিন্তু তার আগেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় স্থানীয় বিজেপি নেতা-কর্মীরা। পুলিশকে দেহ উদ্ধারে বাধা দেন তাঁরা। বিজেপি কর্মীরা থানার সামনে দেহ রেখে দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। দীর্ঘক্ষণ পর পুলিশের আশ্বাসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। ঘটনার নিন্দা করে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছেন, বিজেপি কর্মীদের খুনের রাজনীতি করে রোখা যাবে না। পশ্চিমবঙ্গকে মুক্ত করতে শেষ রক্ত দিয়ে লড়াই চালিয়ে যাব আমরা। প্রয়োজনে আরও নেতা-কর্মী প্রাণ বিসর্জন দেবেন।

অক্টোবর ২৭, ২০২০
রাজনীতি

‘পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির শাসন প্রতিষ্ঠা করতেই হবে’ : দিলীপ

বিজয়া দশমীতে দলের নেতা-কর্মীদের শুভেচ্ছা জানালেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে এক খোলা চিঠিতে তিনি লেখেন, মা আমাদের জন্য নিয়ে আসেন শুভশক্তি ও তাঁর আশীর্বাদ দিয়ে যান , যা আমাদের অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করার প্রেরণা যোগায়।বিজেপির রাজ্য সভাপতি হিসেবে সংঘাত ও সফলতার সুপরিচিত যাত্রাপথে বেশ কয়েকটা বছর কেটে গেল। আজ বিজয়া দশমীর পুণ্য দিনে আপনাদের উদ্দেশ্যে কিছু অব্যক্ত মনের কথা তুলে ধরা খুব প্রাসঙ্গিক মনে হল। বিগত কয়েক বছর যাবৎ আপনারাই আমার ভাই , বোন, বন্ধু , পরিবার। আমার আজও মনে আছে সেদিনের কথা, যেদিন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব আমার কাঁধে রাজ্য সভাপতির গুরু দায়িত্ব অর্পণ করেন এবং আপনারা পরম আন্তরিকতার সাথে আমাকে সসম্মানে বরণ করে নিয়েছিলেন। আপ্লুত হয়েছিলাম সেদিন, প্রতিজ্ঞা করেছিলাম সাফল্য অর্জন করে আপনাদের সম্মানিত করব। ঠিক সেদিন থেকেই আমি নিষ্ঠা, একাগ্রতা ও আনুগত্যের সাথে দায়িত্ব নির্বাহ করার প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে গিয়েছি। অতি প্রয়োজন ছাড়া একদন্ড অবসর নিইনি।আপনাদের মত আমিও আমার ব্যক্তিগত সুযোগ সুবিধার চেয়েও দলের প্রয়োজনীয়তা কে অগ্রাধিকার দেওয়ার চেষ্টা করেছি। আরও পড়ুনঃ হেরে গেলে তৃণমূলের অত্যাচার থেকে বাঁচতে অন্য রাজ্যে বাসস্থান খুঁজতে হবে , হুঁশিয়ারি অনুপমের দলীয় কর্মীদের সাথী সম্বোধন করে তিনি বলেন, একমাত্র আপনাদের ভালবাসা আর কর্তব্যনিষ্ঠার বলে বলীয়ান হয়ে, ঈশ্বরের আশীর্বাদকে সঙ্গী করে আজ আমরা আমাদের দলকে পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশের প্রধান রাজনৈতিক দলের মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করতে পেরেছি। আজ যখন আমি পেছন ফিরে দেখি স্মৃতির সরণি বেয়ে একাধিক আনন্দঘন ঘটনা স্মৃতিপটে প্রতিফলিত হয়, যা কিনা সম্পূর্ণভাবেই আপনাদের আন্তরিকতা ও একাগ্রতার ফসল বলে আমি কায়মনোবাক্যে বিশ্বাস করি। ২০১৬ সালের নির্বাচনে ১০% জনগণের আশীর্বাদপুষ্ট আমাদের দল ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে ৪০% এর উপর মানুষের আশীর্বাদে ধন্য হয়েছে, যা আপনাদের হার না মানা জেদ তথা অধ্যাবসায়ের ফলেই সম্ভবপর হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে ১৮ জন সাংসদ কে জিতিয়ে আনা, আপনাদের ত্যাগ তিতিক্ষা দায়বদ্ধতার স্বপক্ষেই এক প্রামাণ্য দলিল। ২০১৪ সালে সারা দেশের মতো পশ্চিমবঙ্গও যখন মোদী ম্যানিয়ায় আক্রান্ত ছিল তখন আমরা মাত্র ২ টি লোকসভা আসন জয় করতে সমর্থ হয়েছিলাম, যেখানে শতকরা ভোটার হার ছিল মাত্র ১৭%। 2016 সালে আমার কৰ্মলগ্ন শুরু হয় রাজ্যের তিন প্রান্তের মাত্র তিনটি বিধায়ক দিয়ে । সেখানেই আমরা থেমে থাকিনি। আমাদের বিজয়রথ ক্রমাগত শাসকের দমন-পীড়ন নীতিকে উপেক্ষা করে , পুলিশি নির্যাতন , কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা , খুন - সন্ত্রাস সত্ত্বেও এগিয়ে চলেছে।একটা সময় ছিল যখন বুথ ভিত্তিক কার্যকর্তা খুঁজে পাওয়া দুষ্কর ছিল। আজ প্রায় সব বুথেই একাধিক কর্মী সক্রিয়, কোন কোন বুথে তো কর্মী সংখ্যা শতাধিক অতিক্রান্ত। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি শাসন প্রতিষ্ঠা করতেই হবে, কারণ পশ্চিমবঙ্গের গণতন্ত্র আজ বিপন্ন , শাসকের ক্রমাগত বঞ্চনা-দূর্নীতি-অপশাসনে মানুষ অতিষ্ঠ।সোনার বাংলা গড়তে আমরা রাজ্যবাসীর কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। রাজ্য সভাপতি হিসেবে আপনাদের কাছে আবেদন যে, বাংলার স্বার্থে, বাঙালীর স্বার্থে আবারও একবার নিজেদের উজাড় করে দিয়ে আমাদের প্রমাণ করে দিতে হবে যে সদিচ্ছা থাকলে যে কোন অসাধ্য সাধন আমাদের কাছে অতি ক্ষুদ্র বিষয়। আমাদের পারদর্শিতা আমরা বারবার প্রমাণ করেছি তা সে লোকসভা ভোটই হোক অথবা পঞ্চায়েত। লক্ষ্য এবার একুশের বিধানসভা, আমাদের সকলকে একজোট হয়ে লড়াই করে জয় ছিনিয়ে আনতেই হবে। সময় এসেছে যখন আমাদের এক সূত্রে গ্রথিত হয়ে সমবেত কণ্ঠে সঙ্কল্প গ্রহণ করে বলতে হবে যে করব মোরা লড়ব মোরা সোনার বাংলা গড়ব মোরা। এদিন তিনি অস্ত্র পুজো করেন। তিনি বলেন , অধর্মের ওপর ধর্মের বিজয়, অন্যায়ের উপর ন্যায়ের বিজয়, এটাই বিজয়াদশমীর আহ্বান। শস্ত্র হচ্ছে শক্তির প্রতীক, দেশ-ধর্ম-সমাজ রক্ষার জন্য শস্ত্রের প্রয়োজন, শস্ত্রই আমাদের রক্ষা করে।

অক্টোবর ২৬, ২০২০
রাজনীতি

যুব মোর্চার পদ থেকে ইস্তফার সিদ্ধান্ত বদলের পর ফের স্বমহিমায় সৌমিত্র

যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দিতে চলেছেন সৌমিত্র খাঁ , শনিবার সকালে সংগঠনের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পোস্ট নিয়ে এমনই একটা জল্পনা ছড়িয়েছিল। হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে তিনি বেরিয়ে যাওয়ায় জল্পনা আরও বাড়তে থাকে। কিন্তু দুপুরেই আবার ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত বদল করে সৌমিত্র খাঁ সংগঠনের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ফের যুক্ত হলেন । আরও পড়ুনঃ সৌমিত্রকে অন্ধকারে রেখেই জেলা যুব মোর্চার সভাপতিদের পদ বাতিল করলেন দিলীপ এরপর সৌমিত্র খাঁ লিখেছেন, যুব মোর্চার জেলার কোনও কমিটি বদল হচ্ছে না। দিলীপ ঘোষ যে কমিটি গতকাল বাতিল করেছিলেন সেই কমিটি বহাল থাকছে। এছাড়াও লেখেন, আর আমার তোমাদেরকে ছেড়ে থাকা সম্ভব নয়। তাই ফিরে এলাম। টিএমসিকে হঠানোর জন্য সব কিছু ত্যাগ করতে রাজি আছি। জয় শ্রীরাম। জয় মা দুর্গা। বিজেপি জিন্দাবাদ। মোদি জিন্দাবাদ।

অক্টোবর ২৪, ২০২০
কলকাতা

সৌমিত্রকে অন্ধকারে রেখেই জেলা যুব মোর্চার সভাপতিদের পদ বাতিল করলেন দিলীপ

ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার সব জেলার সভাপতি পদ ও কমিটি বাতিল করা হল।পরবর্তী ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত বিজেপির জেলা সভাপতিরাই এই দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানানো হয়েছে। শুক্রবার এই ঘোষণা করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। উল্লেখ্য, বিজেপিতে নব্য ও আদিদের মধ্যে যে সমস্যা শুরু হয়েছে , তা দুর্গাপুজোর মধ্যেই সকলের সামনে চলে এল। আরও পড়ুনঃ সমস্ত অশুভ শক্তিকে সরিয়ে সকলকে ভয় মুক্ত করুন , প্রার্থনা ধনকড়ের এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে সৌমিত্র খাঁ জানান, দলের এই সিদ্ধান্ত সম্পর্কে কিছুই জানি না। আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বিষ্ণুপুের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ যুব মোর্চার দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই বিতর্ক দানা বেঁধেছিল। মিলছিল গোষ্ঠী কোন্দলের আভাস। বিজেপি রাজ্য সভাপতির এদিনের এই ঘোষণার মধ্যে দিয়ে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের তত্ত্বই ফের দলের মধ্যে ভেসে উঠল।

অক্টোবর ২৩, ২০২০
রাজ্য

হিঙ্গলগঞ্জের বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনায় তৃণমূল ও রাজ্য প্রশাসনকে তোপ দিলীপ, সায়ন্তনের

তৃণমূল নেতা ও কর্মীদের মারধরের ফলে মারা গিয়েছেন বিজেপি নেতা রবীন্দ্রনাথ মণ্ডল। এই অভিযোগ তুলে দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। অন্যদিকে, বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসুর অভিযোগ, এসএসকেএম হাসপাতাল থেকে বিজেপি কার্যকর্তারা দলীয় কর্মীর দেহ আনতে গেলে তাদের বাধা দেয় পুলিশ। অগণতান্ত্রিকভাবে মরদেহ নিয়ে চলে যায় পুলিশ। পুলিশের এই আচরণকে ধিক্কার জানিয়ে বসিরহাট জুড়ে তীব্র আন্দোলন ও পথ অবরোধের ডাক দিয়েছে বিজেপি। প্রসঙ্গত , সো্মবার গভীর রাতে এসএসকেএম হাসপাতালে মারা যায় বিজেপি কর্মী রবীন্দ্রনাথ মন্ডল (৫৩) । সে উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের হিঙ্গলগঞ্জের বাসিন্দা। এই খুনের ঘটনায় অভিযোগের তির তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল। আরও পড়ুনঃ করোনা সঙ্কট থেকে মুক্তি পেতে ১২৫ জায়গায় বৈদিক শান্তি যজ্ঞ ভারত সেবাশ্রমের জানা গেছে, বিজেপির কৃষি সুরক্ষা বিল ও আমফান দুর্নীতি নিয়ে যোগেশগঞ্জ এলাকায় একটি পথসভা হওয়ার কথা ছিল চলতি মাসের ১২ তারিখে। তবে বিশেষ কারণবশত, পুলিশি অনুমতি না পাওয়ায় ওই পথসভা বন্ধ হয়ে যায়। অভিযোগ, চলতি মাসের ১৩ তারিখে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা সকালে বিজেপির দলীয় পতাকা ছিড়ে দিতে থাকে। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের উপর তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা চড়াও হয়। তাঁদের লোহার রড, ধারালো অস্ত্র, বাঁশ দিয়ে মারধর করে । এর ফলে ৫ জন বিজেপি কর্মী মারাত্মক জখম হয়। প্রথমে আহতদের যোগেশগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করলে সেখানে তাঁদের অবস্থার অবনতি হওয়ায় বসিরহাট জেলা হাসপাতালে তাদের স্থানান্তরিত করা হয়। তার মধ্যে মঙ্গলচণ্ডী গ্রামের ২৩৪ নম্বর বুথের সহ সভাপতি বছর ৫৩-এর রবীন্দ্রনাথ মন্ডলকে মারাত্মক জখম অবস্থায় বসিরহাট জেলা হাসপাতাল থেকে কলকাতার এসএসকেএম-এ পাঠানো হয়। এরপর সোমবার রাতে কলকাতা এসএসকেএম হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। এই ঘটনার জেরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের তরফ থেকে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে। গোটা ঘটনায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা জড়িত বলে বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্বের অভিযোগ। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃমমূল। এই ঘটনায় দুষ্কৃতীদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবিতে বিজেপি কর্মীরা আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। হেমনগর কোস্টাল থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

অক্টোবর ২০, ২০২০
কলকাতা

করোনাকে হারিয়ে বাড়ি ফিরলেন দিলীপ ঘোষ

করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। মঙ্গলবার সকালেই হাসপাতাল থেকে তাঁকে ছুটি দেওয়া হয় । বিজেপি সাংসদ জানিয়েছেন, সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন তিনি। কোনওরকম সমস্যা নেই। আপাতত বাড়িতে থেকে বিশ্রাম নেবেন। তাতেই আরও সুস্থ হয়ে উঠবেন। এদিন চিকিৎসকদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিজেপি সাংসদ। তিনি আরও বলেন, আমি সেভাবে অসুস্থ হইনি। প্রথম দিকে সামান্য কাশি আর জ্বর ছিল। বাড়িতেই ছিলাম। পরে জ্বর বাড়তেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিই। হাসপাতালে ভরতি হই। রাজ্যবাসীকে সতর্ক ও সচেতন থাকার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। তার সঙ্গে ছিলেন বিজেপি নেতা রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়। আরও পড়ুনঃ বিভেদের রাজনীতি করে আসছে বিজেপিঃ ডেরেক প্রসঙ্গত , শুক্রবার রাতে বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়েন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। জ্বর-কাশি ছিল তাঁর। রাতেই তাঁকে সল্টলেকের আমরি হাসপাতালে ভরতি করা হয়। এরপরই জানা যায়, মারণ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন বিজেপি সভাপতি। শুরু হয় চিকিৎসা। ধীরে ধীরে উন্নতি হয় দিলীপ ঘোষের শারীরিক অবস্থার। এরপরই চিকিৎসকরা তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। সেই মতো মঙ্গলবার সকালে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরলেন তিনি।

অক্টোবর ২০, ২০২০
রাজ্য

দিলীপ ঘোষের আরোগ্য কামনায় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে যজ্ঞ বিজেপির

বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভরতি রয়েছেন। তার সুস্থতা কামনা করে বিজেপি কর্মীরা সোমবার রাজ্যের যজ্ঞে অংশগ্রহণ করলেন। এদিন কালীঘাটে সকাল ৮ টা ৪৫ মিনিট নাগাদ বিজেপি নেতা গৌতম চৌধুরী দিলীপ ঘোষের আরোগ্য কামনায় যজ্ঞে অংশগ্রহণ করেন। আরও পড়ুনঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলায় কৃষি আইনে বাধা দিচ্ছেন : নাড্ডা তার পাশে ছিলেন দলের নেতা রাজকমল পাঠক সহ দলীয় কর্মীরা। দলের যুব মোর্চা সভাপতি সৌমিত্র খান দক্ষিণেশ্বর কালীমন্দিরে দিলীপ ঘোষের আরোগ্য কামনা করে এক যজ্ঞে অংশ নেন। এছাড়াও বাগবাজার শিব মন্দিরে দিলীপ ঘোষের আরোগ্য কামনা করে যজ্ঞ হয়।

অক্টোবর ১৯, ২০২০
কলকাতা

জ্বর নেমেছে দিলীপ ঘোষের, কো মর্বিডিটি না থাকায় স্বস্তি

করোনায় আক্রান্ত হয়ে শুক্রবারই রাত দশটা নাগাদ সল্টলেকের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি হন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। হাসপাতাল সূত্রে খবর, শনিবার সকালে অনেক ভাল আছেন দিলীপ ঘোষ। জ্বর অনেকটাই কমেছে। শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা স্বাভাবিক রয়েছে। বিজেপি রাজ্য সভাপতির শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনক নয় বলে জানানো হয়েছে হাসপাতালের তরফ থেকে। কারণ , কোনও কোমর্বিডিটি নেই বিজেপির রাজ্য সভাপতির। আপাতত চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ বলবিন্দরকে মুক্তি না দিলে আজ নবান্নের সামনে অনশনে বসবেন স্ত্রী ও পুত্র জানা গিয়েছে, গত তিনদিন ধরেই হালকা জ্বরে ভুগছিলেন তিনি। অসুস্থ থাকায় বাতিল করেছিলেন একাধিক দলীয় কর্মসূচিও।শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকদের পরামর্শে তাঁর করোনা পরীক্ষা করানো হলে সেই রিপোর্ট পজিটিভ আসে। ১০২ ডিগ্রি জ্বর থাকায় তাঁকে শুক্রবার এইচডিইউতে ভর্তি করা হয়। তাঁর আক্রান্ত হওয়ার খবরে রীতিমতো চিন্তায় বিজেপিকর্মী সমর্থকরা।

অক্টোবর ১৭, ২০২০
রাজ্য

পুরসভার প্রশাসকের উপর হামলার ঘটনায় বিজেপির কোনও হাত নেইঃ সায়ন্তন

জলপাইগুড়ির মালবাজারে চায়ে পে চর্চা করতে গিয়েছিলাম , সেখানকার পুরসভার চেয়ারম্যান সমস্ত চায়ের দোকান বন্ধ করে দিয়েছিল। আমাদের চায়ের দোকান বন্ধ করে দেবে , ওকে ছেড়ে দেবে নাকি ? রবিবার এ ভাষাতেই মালবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান তথা এখনকার প্রশাসক স্বপন সাহার সমালোচনা করলেন বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু। এদিন তিনি সল্টলেকের খাসমহলে চায়ে পে চর্চায় দলীয় সদস্যদের সঙ্গে মিলিত হয়েছিলেন। আরও পড়ুন ঃ বর্জ্য প্লাস্টিকের গুদামে বিধ্বংসী আগুন সেখানেই স্বপন সাহার উপর হামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিজেপির কোনও হাত নেই। সাধারণ মানুষ এই ধরণের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে যা করার করবে। সায়ন্তন বসু ওখানে যাবে , আর চায়ের দোকান বন্ধ হয়ে যাবে , এটা সাধারণ মানুষ সহ্য করেনি। অন্যদিকে, এদিন মায়াপুরের ইস্কন মন্দিরের গোশালায় যান বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি সেখানকার বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখেন।

অক্টোবর ১১, ২০২০
রাজ্য

যদি গোল টুপি মাথায় থাকত তবে মারতে পারত? মন্তব্য দিলীপের

বিজেপির নবান্ন অভিযানের মিছিল থেকে আগ্নেয়াস্ত্র-সহ বলবিন্দর সিং নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, বিজেপি নেতা প্রিয়াংশু পাণ্ডের দেহরক্ষী বলবিন্দর সিং। এনিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ পুলিশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলেন, যদি গোল টুপি মাথায় থাকত তবে মারতে পারত? একজন শিখ বলে পাগড়ি খুলে দিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ ঝাড়গ্রামের রাজকিরণের কাছে ভগবান শুভেন্দু অধিকারী যারা বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত তাদের লাথি খেয়ে শান্তিমিছিল করে। আমরা আইন মানি বলেই এসব হচ্ছে। এসব অগণতান্ত্রিক এবং তোষণের রাজনীতি। বিজেপি রাজ্য সভাপতি আরও বলেন, দেহরক্ষীকে কোনও কেস দেওয়া বা গ্রেপ্তার করার আইন নেই। তাকে যেভাবে পুলিশ মেরেছে তা নিন্দনীয়।

অক্টোবর ১০, ২০২০
রাজ্য

মনীশ শুক্লা হত্যার ঘটনায় মোমবাতি মিছিল বিজেপির

বৃহস্পতিবারের নবান্ন অভিযানে পুলিশের লাঠি ও বেগুনি জল দিয়ে দলের কার্যকর্তাদের অসুস্থ করার প্রতিবাদে শুক্রবার মৌ্ন মিছিলের ঘোষণা করে বিজেপি। সেইমতো শুক্রবার বিকেল ৪ টে নাগাদ মুরলীধর সেন লেনের বিজেপির সদর অফিস থেকে গান্ধী মূর্তির পাদদেশ অবধি মৌন মিছিল করেন। এই মিছিলে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ, দলের অন্যতম নেতা সায়ন্তন বসু সহ বহু সমর্থক। পাশাপাশি এদিন ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রে্র সাংসদ অর্জুন সিংয়ের নেতৃত্বে আর একটি মৌন মিছিল বের হয়। অর্জুনের সঙ্গে ছিলেন বিধায়ক সুনীল সিং, পবন সিং সহ এলাকার নেতৃবর্গ ও সমর্থক। মনীশ শুক্লার হত্যার প্রতিবাদে মোমবাতি নিয়ে ছিল এই মিছিল। অর্জুন সিং জানান, সিআইডি নয় তাঁরা সিবিআই তদন্ত চান। এ বিষয়ে তাঁরা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দপ্তরেও অনুরোধ জানাবেন। কারণ, সিআইডি রাঘব - বোয়া্লদের ছেড়ে চুনোপুটিদের ধরছে। আরও পড়ুনঃ মণীশ শুক্লাকে হত্যার জন্য ভাড়া করা হয়েছিল ভিন রাজ্যের সুপারি কিলার অন্যদিকে, বৃহস্পতিবারের নবান্ন অভিযানে মহামারী প্রতিরোধ আইন ভঙ্গ করায় দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়, লকেট চট্টোপাধ্যায়, জয়প্রকাশ মজুমদার সহ রাজ্য বিজেপি নেতাদের নামে মামলা দায়ের হয়েছে। দিলীপ ঘোষ এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বলেন, সরকার ভয় পেয়ে তাদের নামে মামলা দায়ের করেছে।

অক্টোবর ০৯, ২০২০
রাজ্য

দিলীপ ঘোষকে কালো পতাকা দেখাল তৃণমূল

বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে কালো পতাকা দেখানো হল। রবিবার সকালে তমলুকের স্টিমারঘাটে প্রাতঃভ্রমণে বের হন তিনি। তখনই তৃণমূলের দলীয় অফিস থেকে তাকে কালো পতাকা দেখানো হয়। উত্তরপ্রদেশে ধর্ষণকাণ্ডের প্রতিবাদে এই কালো পতাকা দেখানো হয় বলে দাবি। তৃণমূলের মহিলা টিমের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, শান্ত পশ্চিমবাংলায় অশান্তি সৃষ্টি করতে চলেছে বিজেপি তাই এই প্রতিবাদ।তৃণমূলের তরফ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে জয়ধ্বনি করা হয় এবং অপর দিক থেকে বিজেপি সমর্থকেরা পালটা জয় শ্রীরাম ধ্বনি দিতে থাকে। তমলুক থানার পুলিশ ও নিরাপত্তারক্ষীদের তৎপরতায় শান্তিপূর্ণভাবে ওইখান থেকে বেরিয়ে আসেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। এরপর বিজেপির রাজ্য সভাপতি এই ঘটনার সমালোচনা করে বলেন,গোটা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বিশৃঙ্খলা চলছে । রাজ্যজুড়ে খুন, ধর্ষণ, লুট চলছে । তৃণমূলের কাছ থেকে মানুষ এর থেকে ভালো কিছু আশা করে না । আমরা প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়েছিলাম । সেখানে যদি কেউ কালো পতাকা দেখায় তাহলে ভাবতে হবে তার মাথার ঠিক নেই । সরকার নেই, দল নেই তাই মুখ্যমন্ত্রীর মাথার ঠিক নেই, তাঁর ভাইদের কী হবে? যাদের দোকান উঠে যাচ্ছে তারা চেঁচামেচি করছে । যাদের মুখ কালো হয়ে যায় তারা কালো পতাকাই দেখায়।

অক্টোবর ০৪, ২০২০
রাজনীতি

আরামবাগে তৃণমূলের বিশাল পদযাত্রা, পরিযায়ী শ্রমিক ইস্যুতে দিলীপকে পাল্টা শান্তনুর

বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ পরিযায়ী শ্রমিকদের যেভাবে অসম্মান করেছেন তার কড়া সমালোচনা করলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার ৮ সেপ্টেম্বর হুগলির আরামবাগে তৃণমূল কংগ্রেসের বিশাল পদযাত্রা ও সমাবেশ হয়। উপস্থিত ছিলেন সাংসদ অপরূপা পোদ্দার, বিধায়ক কৃষ্ণচন্দ্র সাঁতরা, তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়, পৌর প্রশাসক স্বপন নন্দী, ব্লক সভাপতি কমল কুশারী প্রমুখ। সম্প্রতি খড়দহে দিলীপ ঘোষ বলেন, পুলিশের সন্তানদের ডাক্তার- ইঞ্জিনিয়ার নয়, পরিযায়ী শ্রমিক করে ছাড়ব। এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে শান্তনু বলেন, বিজেপি ও তাদের রাজ্য সভাপতি পরিযায়ী শ্রমিকদের কী চোখে দেখেন এই মন্তব্যেই তা বোঝা যায়। আরামবাগে ২০-৩০ হাজার মানুষ আছেন যাঁরা ভিনরাজ্যে নানাবিধ কাজ করে উপার্জন করেন। লকডাউনে তাঁদের ফিরিয়ে এনেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁদের পরিবারগুলিকে বিনামূল্যে রেশনের ব্যবস্থা করেছেন, তাঁরা যাতে কাজ পান প্রশাসনকে দিয়ে তার ব্যবস্থা করেছেন। ভিনরাজ্যে থাকা শ্রমিকদের স্নেহের পরশ প্রকল্পে অর্থসাহায্য করেছেন। তিনিই প্রথম প্রধানমন্ত্রীকে ও বিভিন্ন রাজ্যকে অনুরোধ করেছিলেন পরিযায়ী শ্রমিকদের যত্ন নিতে। এ রাজ্যে থাকা অন্য রাজ্যের শ্রমিকদের জন্য তিনি এতো ভালো বন্দোবস্ত করেছিলেন যে তাঁরা কেউ ফিরে যেতে চাননি। বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলিতে পরিযায়ী শ্রমিকদের দুর্দশা সকলেই নিজের চোখে দেখেছেন। দিলীপ ঘোষ সেই শ্রমিকদের নিকৃষ্টতম মনে করে তাঁদের প্রতি অসম্মানজনক কথা বলছেন! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে মানুষ কীভাবে ভালো থাকেন সেদিকে নজর রাখেন। আর কেন্দ্রীয় সরকার মানুষের বিপদেও রাজনীতির স্বার্থ দেখে। রাজ্যের প্রাপ্য না দিয়ে সরকারকে বেকায়দায় ফেলছে। সরকারি সম্পত্তি বিক্রি করা হচ্ছে একের পর এক। ব্যাঙ্কে জনসাধারণের টাকা সুরক্ষিত নয়। এলআইসি নিয়েও আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মানুষের ঘাড়ে জিএসটির বোঝা চাপাচ্ছে। বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী ছাঁটাইয়ের খাঁড়ার নীচে রয়েছেন। আর ভোট এলেই নজর ঘোরাতে বিজেপির যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা শুরু হয়।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
রাজনীতি

পিঙ্কি প্রামাণিক যোগ দিলেন বিজেপিতে

এশিয়ান গেমসে সোনাজয়ী অ্যাথলিট পিঙ্কি প্রামাণিক যোগ দিলেন বিজেপিতে। রাজ্য বিজেপির সদর দফতরে তাঁর হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের বাজারেও ভারতের বিরাট সাফল্য! বৃদ্ধির পূর্বাভাস এক ধাক্কায় বাড়াল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার

বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের পরিস্থিতি। বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এর মধ্যেই ভারতের অর্থনীতি নিয়ে বড় সুখবর দিল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। চলতি অর্থবর্ষে দেশের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করল এই আন্তর্জাতিক সংস্থা। আগে এই হার ৬.৪ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল। অর্থাৎ, বিশ্ব অর্থনীতির একাধিক ক্ষেত্রে চাপ থাকলেও ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার।সংস্থার সাম্প্রতিক বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সংক্রান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ভারতের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ হতে পারে। এর আগে গত জুলাইয়ে ৬.৪ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। নতুন অনুমান অনুযায়ী, বৃদ্ধির সম্ভাবনা ০.৬ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে।শুধু চলতি অর্থবর্ষ নয়, আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবর্ষেও ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ থাকতে পারে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। আগে ওই অর্থবর্ষে ৬.৭ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ, আগামী দুবছরেও দেশের অর্থনীতির গতি বজায় থাকার আশা করছে সংস্থাটি।এর আগে ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্কও চলতি অর্থবর্ষে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.১ শতাংশ করেছিল। এ বার আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের রিপোর্টেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলল।ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানোর পিছনে কয়েকটি কারণের কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। সংস্থার মতে, দেশের বাজারে পণ্য ও পরিষেবার চাহিদা যথেষ্ট শক্তিশালী। সাধারণ মানুষের কেনাকাটা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের ভাল ফল অর্থনীতির বৃদ্ধিতে সাহায্য করছে। পাশাপাশি, ভারতের বড় অভ্যন্তরীণ বাজার, বিপুল জনসংখ্যা এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক সংস্কারও বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। বিশেষ করে পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।তবে বিশ্ব অর্থনীতির সামনে ঝুঁকিও রয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পাশাপাশি আমেরিকা ও ইরানের সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা বেড়েছে। এর মধ্যে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি ভারতের মতো তেল আমদানিনির্ভর দেশের জন্য বড় চিন্তার কারণ। তেলের দাম বাড়লে দেশের আমদানি খরচ বাড়তে পারে। তার প্রভাব পড়তে পারে মূল্যবৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে।আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের অনুমান, ২০২৬ সালে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের গড় দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৫.৭৪ ডলারে পৌঁছতে পারে। ২০২৫ সালের তুলনায় তা প্রায় ৪১ শতাংশ বেশি। তবে ২০২৭ সালে তেলের দাম প্রায় ৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৭.৩৯ ডলারে নেমে আসতে পারে বলে অনুমান করা হয়েছে। তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা থাকলেও দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি বজায় থাকতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।অন্য দিকে, চিন, রাশিয়া, ব্রাজিল এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের অর্থনীতি নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এই দেশগুলির সম্মিলিত আর্থিক বৃদ্ধির হার ৩.৭ শতাংশ হতে পারে। আগে এই হার ৩.৮ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল।তবে ইউরোপের কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানো হয়েছে। জার্মানির অর্থনৈতিক বৃদ্ধির অনুমান ০.৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে। ব্রিটেনের ক্ষেত্রেও বৃদ্ধির পূর্বাভাস ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে, যুদ্ধ এবং তেলের দাম বৃদ্ধির মতো ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান আগামী দিনেও আর্থিক বৃদ্ধিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

সূর্যকান্তকে নিয়ে বিস্ফোরক পোস্ট, বিজেপির আক্রমণের মুখে পিছু হটল কেরল কংগ্রেস?

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের পদত্যাগ দাবি করে কেরল কংগ্রেসের একটি পোস্ট ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে বিতর্ক শুরু হয়েছে। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়ে বিতর্কের পর এ বার প্রধান বিচারপতিকে নিশানা করে পোস্ট করার অভিযোগ উঠেছে কেরল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। বিষয়টি সামনে আসতেই কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছে বিজেপি। সমালোচনার মুখে শেষ পর্যন্ত পোস্টটি মুছে দিয়েছে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস। সূত্রের খবর, ওই পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকেও পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে বিক্ষোভ এবং রাজধানীতে জারি করা বিধিনিষেধ নিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকেরা। একটি অনুষ্ঠানের ফাঁকে তাঁদের প্রশ্নের উত্তরে প্রধান বিচারপতি জানান, বিষয়টি আইনশৃঙ্খলার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই তা তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না।প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্যের পরেই কেরল কংগ্রেসের সরকারি সমাজমাধ্যমের পাতায় একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে তাঁকে উদ্দেশ করে লেখা হয়েছিল, আইনশৃঙ্খলা যদি তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে না পড়ে, তা হলে যেন তিনি পদত্যাগ করেন। পাশাপাশি, তাঁর পরিবর্তে এই বিষয় সামলাতে পারবেন, এমন কাউকে খুঁজে নেওয়ার কথাও লেখা হয় ওই পোস্টে। বার্তাটি সামনে আসতেই কংগ্রেসের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরব হয় বিজেপি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু নিজের সমাজমাধ্যমের পাতায় ওই পোস্টের ছবি ভাগ করে নেন। তাঁর অভিযোগ, তিনি আগেই বলেছিলেন, কংগ্রেসের পরবর্তী নিশানা হবে বিচারব্যবস্থা। কংগ্রেস দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধ্বংস করতে চায় বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর আরও বক্তব্য, দেশবিরোধী শক্তিগুলি একজোট হচ্ছে। এর মোকাবিলায় দেশপ্রেমিক ভারতীয়দেরও একজোট হওয়ার আহ্বান জানান রিজিজু।বিতর্ক বাড়তে থাকায় নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি। রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি সানি জোসেফ জানান, প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রদেশ কংগ্রেসের নেতৃত্বের অজান্তে এবং তাঁদের অনুমতি বা পরামর্শ ছাড়াই ওই পোস্ট করা হয়েছিল।কী পরিস্থিতিতে ওই পোস্ট করা হয়েছিল, তা দল খতিয়ে দেখবে বলেও জানিয়েছেন সানি। তাঁর বক্তব্য, বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে কংগ্রেসের কোনও আপত্তি নেই। সমাজমাধ্যমে এমন কোনও পোস্ট করা হলে, যা দলের এই অবস্থানের সঙ্গে মেলে না, তা কেরল প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের মতামত বলে গণ্য করা যাবে না।প্রধান বিচারপতির মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই বিতর্কে এক দিকে বিজেপির আক্রমণ, অন্য দিকে কেরল কংগ্রেসের ব্যাখ্যাসব মিলিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতর বেড়েছে। বিতর্কিত পোস্ট প্রত্যাহার এবং দায়ী ব্যক্তিকে সরানোর সিদ্ধান্তের পরেও এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal