• ৪ বৈশাখ ১৪৩৩, রবিবার ১৯ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Deal

বিদেশ

ভোটের আগে বড় চুক্তি! আমেরিকার সঙ্গে ইউনুস সরকারের সমঝোতা ঘিরে জল্পনা

বাংলাদেশে সংসদীয় নির্বাচনের আগে আমেরিকার সঙ্গে একটি পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি স্বাক্ষর করল মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশি পণ্যের উপর মার্কিন শুল্কের হার কমে দাঁড়াল ১৯ শতাংশে। সামাজিক মাধ্যম এক্সে নিজেই এই চুক্তির কথা জানিয়েছেন ইউনুস।তিনি জানান, সোমবার বাংলাদেশ ও আমেরিকার মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং তার ফলে আমেরিকা তাদের শুল্কের হার আরও কমিয়ে ১৯ শতাংশে নামিয়ে এনেছে। ইউনুস আরও বলেন, ভবিষ্যতে কিছু টেক্সটাইল ও পোশাক পণ্যের ক্ষেত্রে শূন্য শুল্কের সুবিধা দেওয়ার জন্য একটি বিকল্প ব্যবস্থা তৈরির বার্তাও দিয়েছে আমেরিকা।উল্লেখ্য, বাংলাদেশ মূলত টেক্সটাইল ও পোশাক রপ্তানির উপর নির্ভরশীল। দেশটির মোট রপ্তানির প্রায় ৮০ শতাংশই এই খাত থেকে আসে। ফলে মার্কিন শুল্ক কমায় বাংলাদেশের রপ্তানি ক্ষেত্রে বড় স্বস্তি মিলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বের একাধিক দেশের বিরুদ্ধে কার্যত শুল্কযুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। সেই সময় প্রথমে বাংলাদেশি পণ্যের উপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক ধার্য করা হয়। পরে গত বছরের আগস্টে তা কমিয়ে ২০ শতাংশ করা হয়। এবার নতুন চুক্তির ফলে সেই শুল্ক আরও কমে ১৯ শতাংশে এল।প্রায় ৯ মাস ধরে দীর্ঘ আলোচনার পর এই চুক্তি হয়েছে। তবে নির্বাচন একেবারে সামনে, আর অন্তর্বর্তী সরকারও অস্থায়ীভাবে ক্ষমতায়এই পরিস্থিতিতে এমন বড় বাণিজ্য চুক্তির অর্থ কী, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
বিদেশ

পিওকে-সহ কাশ্মীর ভারতেরই! ট্রাম্প প্রশাসনের মানচিত্র ঘিরে তোলপাড়

শনিবার ভারত ও আমেরিকার মধ্যে অন্তর্বর্তী বাণিজ্যচুক্তির কাঠামো ঘোষণা হতেই হঠাৎই আলোচনার কেন্দ্রে চলে এল একটি মানচিত্র। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের তরফে প্রকাশিত ওই মানচিত্রে গোটা ভারতীয় ভূখণ্ডকে একসঙ্গে দেখানো হয়েছে। সেখানে জম্মু ও কাশ্মীরকে ভারতের অংশ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানের অবৈধ দখলে থাকা পাক অধিকৃত কাশ্মীরও মানচিত্রে ভারতের অংশ হিসেবেই রয়েছে।এতেই শেষ নয়। ওই মানচিত্রে আকসাই চিনকেও ভারতের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে। এই অঞ্চলকে চিন নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করে। যদিও ভারত বরাবরই জানিয়েছে, কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। সে ক্ষেত্রে ভারতের সার্বভৌমত্ব প্রমাণের জন্য আমেরিকার স্বীকৃতির প্রয়োজন নেই। তবুও কূটনৈতিক মহলের মতে, এই মানচিত্র আমেরিকার আগের অবস্থান থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।এর আগে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট বা বিভিন্ন মার্কিন সংস্থার প্রকাশিত মানচিত্রে পাক অধিকৃত কাশ্মীরকে আলাদা করে দেখানো হতো। তাতে পাকিস্তানের দাবির প্রতিফলন থাকত। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসনের সর্বশেষ মানচিত্রে সেই বিভাজন আর নেই। ফলে অনেকেরই মত, এতে পাকিস্তানের দাবিকে কার্যত উপেক্ষা করা হয়েছে।সময়টাও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সাম্প্রতিক সময়ে ভারত ও আমেরিকার সম্পর্কে টানাপড়েন তৈরি হয়েছিল। বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে অচলাবস্থার মধ্যে ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের উপর ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপান, যা ছিল আমেরিকার মিত্র দেশগুলির মধ্যে সর্বোচ্চ। পরে আলোচনার মাধ্যমে সেই শুল্ক কমে ১৮ শতাংশে নেমেছে, যা এশিয়ার দেশগুলির মধ্যে সবচেয়ে কম।একই সঙ্গে ট্রাম্প আবার ভারত ও পাকিস্তানকে একসঙ্গে দেখার পুরনো নীতি ফিরিয়ে আনতে চেয়েছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। কিন্তু এই মানচিত্র প্রকাশের পর সেই অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। কূটনৈতিক মহলের মতে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ওয়াশিংটন ভারতের দাবির দিকেই কিছুটা ঝুঁকছে।এই ঘটনায় প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে সোশ্যাল মিডিয়াতেও। প্রাক্তন সেনা আধিকারিক এবং প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা আমেরিকার এই পদক্ষেপের প্রশংসা করেছেন। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, এটি পাকিস্তানের জন্য বড় কূটনৈতিক ধাক্কা। উল্লেখ্য, গত কয়েক মাসে পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনির একাধিকবার আমেরিকা সফর করেছেন এবং ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকও করেছেন। কিন্তু তাতেও যে বিশেষ লাভ হয়নি, এই মানচিত্র প্রকাশের ঘটনায় তা স্পষ্ট বলে মনে করছেন অনেকে।এদিকে, আসন্ন অন্তর্বর্তী বাণিজ্যচুক্তি ভারতের রফতানিকারকদের জন্য স্বস্তি নিয়ে আসছে। ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম, তামা, ওষুধ, গাড়ি ও গাড়ির যন্ত্রাংশে ছাড় আদায় করতে পেরেছে ভারত। তবে কৃষি ও দুগ্ধজাত পণ্যে নিজেদের অবস্থানে অনড় থেকেছে নয়াদিল্লি।এই মানচিত্র কি আমেরিকার নীতিগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত, না কি সাময়িক কূটনৈতিক বার্তা তা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও একথা স্পষ্ট, এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের অবস্থান আরও জোরালো হল বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৬
দেশ

আমেরিকার পর নজর পশ্চিম এশিয়ায়! ভারতের বাণিজ্য কৌশলে বড় বদল

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি চূড়ান্ত করার পর এবার পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে নতুন বাণিজ্যচুক্তির পথে এগোচ্ছে ভারত। উপসাগরীয় সহযোগিতামূলক পর্ষদ বা গাল্ফ কোঅপারেশন কাউন্সিলের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু করল নয়াদিল্লি। এই পর্ষদে রয়েছে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কাতার, কুয়েত, ওমান এবং বাহরিন।এই ছটি দেশের সঙ্গে ভারতের আগে থেকেই বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারত ও জিসিসি-র দেশগুলির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ পৌঁছেছে প্রায় ১৭ হাজার ৯০০ কোটি মার্কিন ডলারে। এবার সেই সম্পর্ক আরও শক্ত করতে মুক্ত বাণিজ্যচুক্তি বা ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই চুক্তি চূড়ান্ত হলে জিসিসি-র ছটি দেশে শুল্ক ছাড়াই পণ্য রপ্তানি করতে পারবে ভারত। গত বৃহস্পতিবারই এই নিয়ে প্রাথমিক চুক্তিতে সই হয়েছে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। তিনি বলেন, হাজার হাজার বছর ধরে ভারতের সঙ্গে এই দেশগুলির বাণিজ্যিক যোগাযোগ রয়েছে। নতুন চুক্তি হলে সেই সম্পর্ক আরও গভীর হবে।বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, খাদ্যশস্য উৎপাদনে ভারত বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলির মধ্যে রয়েছে। অন্য দিকে, জিসিসি-র দেশগুলি তেল ও গ্যাস রপ্তানিতে এগিয়ে। ফলে এই চুক্তি কার্যকর হলে দুপক্ষই লাভবান হবে বলে মত তাঁর।এই প্রসঙ্গে প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ ও রাষ্ট্রসংঘের উপদেষ্টা জেফ্রি স্যাক্স বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চল ভারতের জন্য একটি বড় বাজার। পাশাপাশি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অর্থনীতিও দ্রুত বাড়ছে। চিনের সঙ্গেও ভারতের বাণিজ্যের সুযোগ রয়েছে। তাঁর মতে, শুধু আমেরিকার বাজারের উপর নির্ভর না করে ভারতের উচিত বিভিন্ন অঞ্চলের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও মজবুত করা।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২৬
দেশ

চিন-পাকিস্তানের থেকেও কম শুল্ক! আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যে বাজিমাত ভারতের

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার পরই যেন আমেরিকার সঙ্গে ভারতের দীর্ঘদিনের শুল্কযুদ্ধের অবসান ঘটল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে। এই বিষয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে কথাও বলেছেন বলে দাবি করেছেন। তার পরই বদলে গিয়েছে ভারতের উপর আমেরিকার শুল্ক বসানোর পুরো হিসেব।এর আগে ভারতের উপর ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত কর এবং ২৫ শতাংশ পাল্টা শুল্ক বা রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ বসানো হয়েছিল। সব মিলিয়ে শুল্কের হার পৌঁছে গিয়েছিল ৫০ শতাংশে। কিন্তু এখন জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে আলোচনার পর সেই হার সরাসরি কমিয়ে ১৮ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই নতুন শুল্কহার বর্তমানে চিন, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের তুলনায় অনেকটাই কম।এই খবর সামনে আসতেই বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে অটো শিল্প, টেক্সটাইল এবং প্রযুক্তি ক্ষেত্রের জন্য এই সিদ্ধান্তকে বড় স্বস্তি বলে মনে করা হচ্ছে। অর্থনৈতিক মহলের মতে, এর ফলে আগামী দিনে আমেরিকার সঙ্গে ভারতের বাণিজ্য আরও বাড়তে পারে।আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল, দক্ষিণ কোরিয়ার পরে উন্নয়নশীল দেশগুলির মধ্যে ভারতের উপরেই এখন সবচেয়ে কম শুল্ক বসিয়েছে আমেরিকা। শতাংশের হিসেবে যা মাত্র ১৮। অন্যদিকে থাইল্যান্ড, ফিলিপিন্স, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, মেক্সিকো, দক্ষিণ আফ্রিকা, চিন এবং ব্রাজিলের মতো দেশগুলির উপর আমেরিকার শুল্কহার ভারতের তুলনায় অনেক বেশি। এমনকি পাকিস্তানের উপরেও ১৯ শতাংশ শুল্ক বসিয়েছে আমেরিকা।সব মিলিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আমেরিকার সঙ্গে একের পর এক বাণিজ্য চুক্তি ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির জন্য বড় ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই এই চুক্তিগুলির প্রভাব দেশের বাজার ও রপ্তানি ক্ষেত্রে আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২৬
দেশ

২৫% থেকে ১৮%! ট্রাম্পের ঘোষণায় বড় স্বস্তি ভারতের, কিন্তু রাশিয়ার তেল নিয়ে রহস্য কী?

দীর্ঘদিনের টানাপোড়েন ও অনিশ্চয়তার অবসান ঘটতে চলেছে ভারত-আমেরিকার বাণিজ্য সম্পর্কে। সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানিয়ে দিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে নতুন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। চুক্তিতে এখনও আনুষ্ঠানিক সই না হলেও, শর্তাবলি প্রায় স্থির বলে ইঙ্গিত মিলেছে। এই চুক্তির ফলে ভারতের উপর আরোপিত পাল্টা শুল্ক বা রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ কমবে এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের সুযোগ আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, নতুন চুক্তি কার্যকর হলে ভারতের উপর শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশ করা হবে। এতে ভারতীয় পণ্যের রফতানিতে সুবিধা হবে বলে তাঁর দাবি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও জানিয়েছেন, শুল্ক কমার বিষয়টি ভারতের পক্ষে ইতিবাচক। ট্রাম্পের কথায়, চুক্তিতে সিলমোহর পড়লেই দ্রুত নতুন শুল্কহার কার্যকর করা হবে।তবে ট্রাম্প আরও কিছু শর্তের কথাও জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, ভারত নাকি ভবিষ্যতে রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা বন্ধ করবে এবং তার বদলে আমেরিকা ও ভেনেজুয়েলার কাছ থেকে তেল আমদানি বাড়াবে। যদিও প্রধানমন্ত্রী মোদীর তরফে এই বিষয়ে সরাসরি কোনও মন্তব্য করা হয়নি। ট্রাম্প আরও দাবি করেছেন, ভারত আমেরিকা থেকে প্রায় ৫০০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য কিনতে পারে এবং আমেরিকার পণ্যের উপর থাকা ট্যারিফ ও নন-ট্যারিফ ব্যারিয়ার অনেকটাই কমানো হবে, এমনকি শূন্যে নামানোর কথাও বলা হয়েছে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, বর্তমানে আমেরিকা বাংলাদেশের উপর ২০ শতাংশ এবং পাকিস্তানের উপর ১৯ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে। সেখানে ভারতের উপর শুল্ক ১৮ শতাংশে নামলে, এই অঞ্চলে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ভারত স্পষ্টভাবেই বাড়তি সুবিধা পাবে। অর্থনৈতিক মহলের মতে, এই চুক্তি কার্যকর হলে ভারতের রফতানি ও শিল্পক্ষেত্রে নতুন গতি আসতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২৬
বিদেশ

ইউক্রেন যুদ্ধ নয়, ভারত-ইউরোপ চুক্তিই বেশি মাথাব্যথা ট্রাম্প প্রশাসনের

শুল্কযুদ্ধ এবং মার্কিন আগ্রাসনের আবহে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের নাকের ডগায় মঙ্গলবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ভারত। এই চুক্তি যে ওয়াশিংটনের মোটেই পছন্দ হয়নি, তা এবার স্পষ্ট হয়ে গেল। ট্রাম্প প্রশাসনের এক শীর্ষ কর্তার মন্তব্যে বোঝা যাচ্ছে, ইউক্রেন যুদ্ধের থেকেও ভারতের সঙ্গে ইউরোপের এই বাণিজ্য চুক্তিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে আমেরিকা।বুধবার এই বিষয়ে মুখ খোলেন ট্রাম্প প্রশাসনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য, মার্কিন কোষাগার সচিব স্কট বেসান্ত। তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত এক বিশাল বাণিজ্য চুক্তি সই করছে। তাঁর প্রশ্ন, এর মাধ্যমে কি আমেরিকাকে চাপে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে? একই সঙ্গে তিনি বলেন, প্রত্যেক দেশেরই নিজের স্বার্থে কাজ করা উচিত।এর পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বেসান্ত। তাঁর বক্তব্য, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের ক্ষেত্রে ইউরোপ প্রথম সারিতে রয়েছে। অথচ একই সঙ্গে তারা এমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। ভারতকে টেনে এনে ইউরোপকে একহাত নেন মার্কিন কোষাগার সচিব। তিনি বলেন, ভারত রাশিয়া থেকে তেল কিনছে, আবার সেই ভারত থেকেই ইউরোপের দেশগুলি নানা পণ্য কিনছে। তাঁর দাবি, সব মিলিয়ে ইউক্রেন এবং ইউরোপের বিরুদ্ধে চলা যুদ্ধে আর্থিক ভাবে পরোক্ষ মদত দিচ্ছে ইউরোপ নিজেই।এই মন্তব্য থেকেই স্পষ্ট, ভারত-ইউরোপ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির ফলে কূটনৈতিক ভাবে অস্বস্তিতে পড়েছে আমেরিকা। একদিকে ট্রাম্পের চাপানো অতিরিক্ত শুল্কের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিতে পেরেছে ভারত। অন্যদিকে গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ওয়াশিংটনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে ইউরোপের দেশগুলিও। যদিও এই চুক্তি নিয়ে এখনও পর্যন্ত সরাসরি কোনও মন্তব্য করেননি খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে চুক্তি সইয়ের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, ভারত ও ইউরোপের মধ্যে এক ঐতিহাসিক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যাকে তিনি মাদার অফ অল ডিলস বলে উল্লেখ করেন। তাঁর বক্তব্য, এই চুক্তি ভারত ও ইউরোপের নাগরিকদের জন্য বিপুল সুযোগ তৈরি করবে। বিশ্বের দুই বৃহৎ অর্থনীতির মধ্যে অংশীদারিত্বের এক অনন্য উদাহরণ এই চুক্তি। প্রধানমন্ত্রীর দাবি, এই অংশীদারিত্ব বিশ্বের মোট জিডিপির প্রায় ২৫ শতাংশ এবং বিশ্ব বাণিজ্যের এক-তৃতীয়াংশের প্রতিনিধিত্ব করবে।এমনিতেই ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভারতের অন্যতম বড় বাণিজ্য সহযোগী। পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে ভারত ও ইউরোপের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ১৩৫ বিলিয়ন ডলার। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই নতুন চুক্তির ফলে ইউরোপের ক্ষেত্রে মার্কিন নির্ভরতা কমবে এবং ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যে আরও গতি আসবে।

জানুয়ারি ২৯, ২০২৬
রাজ্য

প্রতিরক্ষা চুক্তিতে ইজরায়েলের কাছ থেকে পেগাসাস কিনেছে ভারত দাবি নিউইয়র্ক টাইমসের

মোবাইল ফোন আড়ি পাতার স্পাই সফটওয়্যার পেগাসাস নিয়ে নতুন বিতর্কের সূত্রপাত। আমেরিকার প্রথম সারির ট্যাবলয়েড নিউইয়র্ক টাইমসের পেগাসাস সম্পর্কিত প্রতিবেদনটি আলোড়ন ফেলে দিয়েছে ভারতের রাজনৈতিক মহলে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ সমরাস্ত্র অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ছাড়াও ভারত সরকার ২০১৭-তে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইসরায়েল থেকে এক বড় অঙ্কের চুক্তিতে পেগাসাস কিনেছিল। এবং প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে সেই চুক্তিটি প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারে নিষ্পত্তি হয়েছিল।নিউইয়র্ক টাইমস শুক্রবার গুপ্তচর সস্টওয়্যার পেগাসাস নিয়ে একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সেই প্রতিবেদনে তাঁরা আরও দাবি করেছে যে, ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনও (FBI) এই স্পাইওয়্যারটি সস্টওয়্যার কিনেছে এবং সেটা নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করছে।প্রতিবেদনটিতে সবিস্তারে ব্যাখ্যা করা হয়েছে কীভাবে বিশ্বব্যাপী স্পাইওয়্যার ব্যবহার করা হয়েছে। এতে বলা হয়, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাথে চুক্তির বিনিময়ে তাঁরা পেগাসাসের লাইসেন্স পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি ও ভারত ছাড়াও অন্যান্য দেশকেও বিক্রি করেছে। এতে ২০১৭ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ইজরাইল সফরের কথা উল্লেখ করে বলা হয়েছে। সেখানে উভয় দেশ ২ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র ও গুপ্তচর সফটওয়্যার প্যাকেজ ক্রয় করার চুক্তিতে সম্মত হয়েছে। এতে পেগাসাস এবং মিসাইল সিস্টেমও রয়েছে। জুলাই ২০১৭তে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ইজরায়েলের ঐতিহাসিক সফরের কথা এখানে বিশেষ ভাবে উল্লেখ করা হয়। নরেন্দ্র মোদি-ই ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসাবে ইজরাইল সফর করেন। নিউইয়র্ক টাইমস বলেছে যে, সফরটি যখন হয়েছিল তখন ভারত একটি নির্দিষ্ট নীতি তৈরি করেছিল যা প্যালেস্তাইন বা ইজরায়েলের প্রতি প্রতিশ্রুতির কথা বলা হচ্ছিল। ইজরাইলের সাথে ভারত ঠান্ডা সম্পর্ক রেখে চলছিল।নিউইয়র্ক টাইমস তার প্রতিবেদনে আরও লিখেছে, মোদির সফর, যদিও উল্লেখযোগ্যভাবে সৌহার্দ্যপূর্ণ, তিনি এবং প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ইজরায়েলের একটি সমুদ্র সৈকতে ছিলেন। তাদের মধ্যে সম্পর্ক উষ্ণ বলে মনে হয়েছিল। কিন্তু এই উষ্ণতার পেছনে কিছু কারণ ছিল। তাদের দুই দেশ প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার মূল্যের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র এবং গুপ্তচর সরঞ্জামের একটি প্যাকেজ বিক্রি করতে সম্মত হয়েছিল। এই চুক্তির মূল ফোকাস ছিল পেগাসাস এবং একটি মিসাইল সিস্টেম।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, সফরের মাত্র কয়েক মাস পরে, জুন ২০১৯-এ তৎকালীন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ভারতে একটি সরকারি সফর করেন, ভারত প্যালেস্তানিদের মানবাধিকারের অনুমতি দেওয়ার জন্য জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাউন্সিলে ইজরায়েকে সমর্থনে করে ভোট দেয়।যদিও সরকারিভাবে এখনও পর্যন্ত ভারত সরকার স্বীকার করেনি যে তারা ইজরায়েলর থেকে পেগাসাস সফ্টওয়্যার কিনেছে বা ইজরায়েল সরকারও একইভাবে স্বীকার করেননি যে তারা এই গুপ্তচরবৃত্তির ব্যবস্থা ভারতের কাছে বিক্রি করেছে। ২০১৯ লোকসভা ভোট অতিক্রান্ত হবার পর থেকেই এই বিশেষ গুপ্তচর বৃত্তির সফ্টওয়্যার নিয়ে পার্লামেন্টে দুই কক্ষে-ই ঝড় চলেছে। পশ্চিবঙ্গের মুখমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যে এর বিরেদ্ধে কমিশনও গঠন করেন। বিশেষজ্ঞ সুত্রে জানা যায়, পেগাসাস একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক স্পাই সফটওয়্যার। এটি তৈরি করেছে ইসরায়েলি কোম্পানি এনএসও গ্রুপ (NSO)। তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (https://www.nsogroup.com/) অনুসারে, এটি শুধুমাত্র কোনও সরকারের কাছেই বিক্রি করা হয়। এটি খরচ সাধরণের ক্রয়ের উর্ধে।এর আগে কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক পেগাসাসের গুপ্তচরবৃত্তির রিপোর্ট স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। ১৮ জুলাই লোকসভায় এক প্রশ্নের উত্তরে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী বলেছিলেন যে নজরদারির ক্ষেত্রে ভারত এমন প্রোটোকল তৈরি করেছে যা অত্যন্ত শক্তিশালী এবং সময়ের সাথে সাথে এর উত্তর পাওয়া যাবে। তিনি পেগাসাস সফ্টওয়্যারের মাধ্যমে ভারতীয়দের গুপ্তচরবৃত্তির দাবি স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেন, আমি বিশেষভাবে উল্লেখ করতে চাই, যে এনএসও গ্রুপ-ও (স্পাইওয়্যার প্রস্তুতকারক) বলেছে যে পেগাসাস ব্যবহার করা দেশের তালিকাটি ঠিক নয়। তালিকায় যাদের নাম দেখা যাচ্ছে, সব দেশ-ই আমাদের গ্রাহক নয়। এনএসও জানিয়েছে তাদের বেশিরভাগ গ্রাহক-ই পশ্চিমা-দেশ। এটা স্পষ্ট যে এনএসও-ও ভারতকে পেগাসাস বিক্রির ব্যাপারটা স্পষ্টভাবে এড়িয়ে যাচ্ছে।বিজেপি বিরোধি রাজনৈতিক দলগুলি বারংবার পেগাসাসের মাধ্যমে সরকারের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ করে চলেছে। এই নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে একাধিক পিটিশন দাখিল করা হয়েছে। ২৭ অক্টোবর ২০২১ সুপ্রিম কোর্ট অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি আরভি রভেন্দ্রনের নেতৃত্বে দুই বিশেষজ্ঞ নিয়ে একটি স্বাধীন কমিটি গঠন করে, এবং তারাই এই বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছে।

জানুয়ারি ২৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Aditya Chopra : লোভনীয় প্রস্তাব ফেরালেন আদিত্য চোপড়া

চারিদিকে করোনার দাপট। সিনেমা হলে সেইভাবে দর্শক আসছেন না। তাই ওটিটি প্ল্যাটফর্মই এখন ভরসা। দর্শকরা যেমন ওটিটি কে বেছে নিয়ে, তেমনি অনেক অভিনেতা-অভিনেত্রীরা ওটিটি তে অভিনয় করেই নিজের নাম করেছেন। দর্শকমহলে আলাদা জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। ফলে এখন ওটিটির রমরমা বাজার। তবে এসবের মধ্যেও ওটিটি কে হ্যাঁ বলতে পারেননি পরিচালক ও প্রযোজক আদিত্য চোপড়া।বলি হাঙ্গামা এরকমই একটা রিপোর্ট দিয়েছে। তাদের রিপোর্ট অনুসারে এই ২ বছরের বিভিন্ন স্ট্রিমিং জায়ান্টের তরফে লোভনীয় অফার পেয়েও তা হেলায় প্রত্যাখ্যান করেছে যশরাজ ফিল্মস। শোনা যাচ্ছে অ্যামাজন প্রাইম ভিডিও-র মতো বিরাট প্ল্যাটফর্মও যশরাজের ব্যানারে চারটি ছবির প্রদর্শনের সত্ত্ব কিনতে চেয়েছিল। বিনিময়ে আদিত্য চোপড়াকে ৪০০ কোটি টাকা অফার করা হলেও তিনি সেই প্রস্তাবে রাজি হননি।আরও কিছু খবরও জানা গেছে। চারটি ছবি বিক্রি করতে রাজি হননি আদিত্য চোপড়া। এই ছবিগুলো প্রসঙ্গে জানা গেছে খুব তাড়াতাড়িই পরিচালক ছবি চারটির মুক্তির দিন ঘোষণা করবেন।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১
কলকাতা

বিজেপি হচ্ছে ঝালমুড়ির মতোঃ ফিরহাদ

ওরা হল পাইকারি দল, ওদের কোনও নীতিবোধের মানুষ নেই। প্রত্যেক দলের একটা আদর্শ থাকে। তাই যারা আদর্শহীনভাবে দল করেন, তাদের ওনারা আহ্বা্ন করছেন, আদর্শহীন লোকেরা একসাথে জোট হন। তাতে বাংলায় চিড়ে ভিজবে না। শনিবার বিজেপির উদ্দেশে এভাবেই আক্রমণ শানালেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, বাংলায় আদর্শগতভাবে মানুষ ধর্মনিরপেক্ষতা , প্রগতি ও গণতান্ত্রিক পথে থাকে। মানুষকে খুন করে মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ ও গুজরাট করতে চায় না বাঙালি। তাই দিলীপ ঘোষ যতই চেষ্টা করুক, বেশিরভাগ মানুষ ও আমাদের দলের লোকেরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদর্শে গান্ধীবাদ, সুভাষবাদ জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ করছেন। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূল সরকারের ইস্তফা দেওয়া উচিতঃ দিলীপ তিনি আরও বলেন, ওদের আদর্শগতভাবে কোনও ব্যাপার নেই। ঝালমুড়ির মতো কে এল, ঢুকিয়ে নিয়ে দল করছে। এভাবে কোনও দল হয় না। তৃণমূল দল শেষ হওয়া নিয়ে দিলীপ ঘোষের মন্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইনি স্বপ্ন দেখছেন। ওনার স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যাবে। তৃণমূল ছিল, আছে, থাকবে। তৃণমূলকে ফেলে দেওয়া যায় না। তৃণমূল কখনও বিজেপির মতো বহিরাগত দল নয়। অন্য জায়গা থেকে আসেনি। বাংলার মাটিতে আন্দোলনের ফল হচ্ছে তৃ্ণমূল। বিজেপির মতো অমিত শাহ ও মোদির দল নয়। এটা মানুষের ্দল। তাই মানুষ তৃণমূলকে রাখবে।

নভেম্বর ২৮, ২০২০
দেশ

চিনের বিরুদ্ধে একযোগে লড়াইয়ের ডাক ভারত- আমেরিকার

ভারত-চিন সীমান্ত পরিস্থিতি এখনও স্বাভাবিক হয়নি। এরই মাঝে টু প্লাস টু আলোচনায় অংশ নিতে ভারতে এসেছেন আমেরিকার সেক্রেটারি অফ স্টেট মাইক পম্পেও । আর এসেই ভারতের মাটিতে দাঁড়িয়ে চিনকে কড়া বার্তা দিয়ে তিনি বলেছেন , যে কোনওরকম তর্জন-গর্জন রুখতে অ্যামেরিকা সবসময় ভারতের পাশে রয়েছে । ভারতের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য যে কোনও পদক্ষেপে ওয়াশিংটন দিল্লিকে সবরকমভাবে সমর্থন করবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি । অন্যদিকে , মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের আগেই ভারতের সঙ্গে একাধিক প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তি করে ফেলল আমেরিকা। এই চুক্তির আওতায় ভারতকে গোয়েন্দা তথ্য দেবে আমেরিকা। পাশাপাশি দক্ষিণপূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনের দাদাগিরি খর্ব করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পাশে থাকবে ভারত। মঙ্গলবার ভারত মার্কিন টু প্লাস টু আলোচনায় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ও বিদেশমন্ত্রী কথা বলেন মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব মার্ক এস্পার ও মার্কিন বিদেশ সচিব মাইক পম্পেওর সঙ্গে। দুই মার্কিন প্রতিনিধি কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গেও। বৈঠক শেষে মার্কিন বিদেশ সচিব মাইক পম্পেও বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মনে করে গণতন্ত্রের বন্ধু নয় চিনা কমিউনিস্ট পার্টি। আইনের শাসন ও স্বচ্ছতা চিনের মধ্যে নেই। আরও পড়ুনঃ এলাহাবাদ হাইকোর্টের নজরদারিতেই হাথরাসের গণধর্ষণ ও খুনের মামলাঃ সুপ্রিম কোর্ট সাউথ ব্লকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে মঙ্গলবার বৈঠক করেন পম্পেও। আধিকারিক সূত্রে খবর, লাদাখ সীমান্তে সংঘর্ষের পরিস্থিতি নিয়ে প্রায় ৪০মিনিট ধরে বৈঠক হয়েছে তাঁদের মধ্যে । এদিন সকালে দিল্লিতে ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়াল পরিদর্শন করেন পম্পেও । ওয়ার মেমোরিয়াল ঘুরে 15 জুন চিনের সঙ্গে সংঘর্ষে ২০ জন জওয়ানের শহিদ হওয়ার বিষয়ে বলেন, সম্প্রতি গালওয়ান উপত্যকায় যে জওয়ানরা তাঁদের জীবন দিয়েছেন তাঁদের প্রতি আমরা শ্রদ্ধা জানালাম ।

অক্টোবর ২৭, ২০২০

ট্রেন্ডিং

দেশ

লোকসভায় বড় ধাক্কা, বিল পাশ না হতেই পথে বিজেপি! এবার লক্ষ্য বাংলা-তামিলনাড়ু

লোকসভায় সংবিধান সংশোধনী বিল পাশ করাতে ব্যর্থ হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। দীর্ঘ সময়ের মধ্যে এই প্রথম সংসদে এমন পরাজয়ের মুখে পড়তে হল সরকারকে। প্রয়োজনীয় সমর্থন না মেলায় বিলটি পাশ করা সম্ভব হয়নি।এই ঘটনার পরই রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। শাসকদল (BJP) এবার দেশজুড়ে প্রচারে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিরোধীদের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে তাদের মহিলা বিরোধী বলে তুলে ধরার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।এই প্রচারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে দুই রাজ্যকে, পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ু। কারণ, এই দুই রাজ্যেই সামনে নির্বাচন রয়েছে। শাসকদলের লক্ষ্য, মহিলাদের জন্য সংরক্ষণে বিরোধিতা করেছে বিরোধীরাএই বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া (BJP) ।সংসদে বিল পাশ না হওয়ার পরই শাসকদলের শীর্ষ নেতৃত্ব বৈঠকে বসে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে। এর পাশাপাশি মহিলা সাংসদদের নেতৃত্বে প্রতিবাদও শুরু হয় সংসদ চত্বরে।অন্যদিকে বিরোধী দলগুলিও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে তৎপর। তারা দাবি করছে, তারা সংরক্ষণের বিরোধী নয়, বরং আসন পুনর্বিন্যাসের কিছু বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে। তাদের মতে, মহিলাদের সংরক্ষণের পক্ষে তারা আগেও ছিল, এখনও রয়েছে (BJP) ।এই পরিস্থিতিতে দুই পক্ষের মধ্যেই রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র হচ্ছে। নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় এই ইস্যু আগামী দিনে বড় রাজনৈতিক অস্ত্র হয়ে উঠতে পারে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
কলকাতা

বুথে ‘লক্ষ্মণরেখা’! একশো মিটার ঘিরে কড়া পাহারা, ভোটে নজিরবিহীন কড়াকড়ি

অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে এবার একের পর এক নতুন পদক্ষেপ নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। প্রতিটি বুথে থাকবে সর্বক্ষণ নজরদারি এবং ব্যবহার করা হবে আধুনিক প্রযুক্তি। বুথের চারপাশে প্রায় একশো মিটার এলাকা সাদা চক দিয়ে ঘিরে একটি নির্দিষ্ট সীমানা তৈরি করা হবে। এই সীমানার ভিতরে শুধুমাত্র ভোটারদেরই প্রবেশের অনুমতি থাকবে, অন্য কেউ ঢুকতে পারবেন না।ভোটারদের পরিচয় যাচাইয়ের জন্য বুথের বাইরে আলাদা ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। বুথ লেভেল কর্মী এবং তাঁর সহকারী এই নির্দিষ্ট সীমানার বাইরে বসে নথি পরীক্ষা করবেন। বুথের বাইরে টেবিল বসিয়ে সেখানেই এই যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।ভোটার স্লিপ বিলির ক্ষেত্রেও কড়া নির্দেশ জারি হয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে সরাসরি ভোটারদের হাতে স্লিপ পৌঁছে দিতে হবে। যাঁদের হাতে স্লিপ দেওয়া সম্ভব হয়নি, তাঁদের বিস্তারিত তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে। ভোটের দিন সেই ভোটার উপস্থিত হলে কেন আগে স্লিপ নেননি, তাও জানতে চাওয়া হতে পারে। সঠিক নথি ও ছবির মিল দেখেই ভোট দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে।ভুয়ো ভোট আটকাতে অনুপস্থিত, স্থানান্তরিত বা মৃত ভোটারদের তালিকাও আবার খতিয়ে দেখা হবে। নজরদারি আরও জোরদার করতে বিশেষ পর্যবেক্ষকদের শরীরে লাগানো ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। বুথের আশেপাশে কোনও সন্দেহজনক ঘটনা নজরে এলেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সব মিলিয়ে ভোট প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও নির্ভুল করতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে। ভোটারদের আস্থা ফেরানো এবং শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করাই এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য বলে মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতেও বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভোট চলাকালীন কোন আচরণ অপরাধ হিসেবে ধরা হবে, তা নিয়ে আগাম প্রচার চালানো হবে এবং সতর্কবার্তা দেওয়া হবে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
কলকাতা

পনেরো ঘণ্টার তল্লাশি ঘিরে তুমুল বিতর্ক! কমিশনের দ্বারস্থ তৃণমূল

শুক্রবার দেবাশিস কুমারের বাড়ি ও নির্বাচনী কার্যালয়ে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালায় আয়কর দফতর। প্রায় পনেরো ঘণ্টা ধরে এই তল্লাশি চলে এবং সেই সময় তাঁর বাড়ির বাইরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস তীব্র আপত্তি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে।তৃণমূলের অভিযোগ, কোনও আইনি ভিত্তি ছাড়াই একজন জনপ্রতিনিধিকে এইভাবে হেনস্তা করা হয়েছে। আদর্শ আচরণবিধি চলাকালীন এই ধরনের পদক্ষেপ আইন বিরুদ্ধ বলেই দাবি করা হয়েছে চিঠিতে। কেন ভোটের আগে এত দীর্ঘ সময় ধরে একজন প্রার্থীকে বাড়ির মধ্যে আটকে রেখে তল্লাশি চালানো হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল।চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় নিজেদের সম্পত্তির সমস্ত তথ্য আগেই জানিয়ে দেন। সেই অবস্থায় হঠাৎ করে এই তল্লাশি কেন করা হল, তা স্পষ্ট নয়। তৃণমূলের দাবি, এই ধরনের পদক্ষেপ ভোটের আগে রাজনৈতিকভাবে প্রভাব ফেলতেই করা হচ্ছে।দলের এক নেতা বলেন, ভোটের আগে তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিদের চাপে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। আগের নির্বাচনেও এমন ঘটনা দেখা গিয়েছিল বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সংস্থার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।ভোটের আবহে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
রাজ্য

চার্জশিট দিতে দেরি, বড় ফায়দা অভিযুক্তদের! বেলডাঙ্গা কাণ্ডে ১৫ জন জামিনে মুক্ত

বেলডাঙ্গা হিংসা মামলায় বড় সিদ্ধান্ত নিল বিশেষ আদালত। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চার্জশিট জমা দিতে না পারায় ১৫ জন অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তদন্তকারী সংস্থা নব্বই দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা করতে পারেনি বলেই আদালত এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।মোট পঁয়ত্রিশ জন ধৃতের মধ্যে পনেরো জনকে জামিন দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে জামিন পেলেও তাঁদের উপর একাধিক শর্ত আরোপ করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, অভিযুক্তরা কলকাতা পুরসভা এলাকার বাইরে যেতে পারবেন না। মামলার শুনানির দিন তাঁদের আদালতে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রত্যেককে দশ হাজার টাকার বন্ডে জামিন দেওয়া হয়েছে।চলতি বছরের শুরুতে ঝাড়খণ্ডে এক পরিযায়ী শ্রমিকের খুনের অভিযোগ ঘিরে মুর্শিদাবাদে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। মৃতদেহ বাড়িতে ফিরতেই বেলডাঙ্গায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ক্ষুব্ধ মানুষ রাস্তায় নেমে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করেন। রেল ও সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। শিয়ালদহ-লালগোলা শাখার একটি অংশে দীর্ঘক্ষণ ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল।পুলিশ অবরোধ তুলতে গেলে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয় যে ঘটনাস্থলে গিয়ে আক্রান্ত হন সংবাদকর্মীরাও। সেই সময় এলাকার জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি উঠেছিল। পরে আদালতের নির্দেশে কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হয়। মামলাটি উচ্চ আদালত হয়ে সর্বোচ্চ আদালত পর্যন্ত গড়ায়। শেষে তদন্তের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে যায় এবং তারা তদন্ত শুরু করে।এই অবস্থায় চার্জশিট জমা দিতে দেরি হওয়ায় অভিযুক্তদের জামিন মেলায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ফের চাঞ্চল্য আইআইটি খড়গপুরে! ছাত্রের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার, রহস্য ঘনীভূত

আইআইটি খড়গপুরে ফের এক পড়ুয়ার অস্বাভাবিক মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃত পড়ুয়ার নাম জয়বীর সিং দোড়িয়া। একুশ বছর বয়সী এই ছাত্র মেনুফ্যাকচারিং ইঞ্জিনিয়ারিং-এর তৃতীয় বর্ষে পড়তেন। তিনি আইআইটি খড়গপুরের নেহেরু হলে থাকতেন।শনিবার সকালে নেহেরু হলের নীচ থেকে তাঁর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, হলের ছাদ থেকে ঝাঁপ দিয়েই তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন। তাঁর বাড়ি গুজরাতের আহমেদাবাদে বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনায় গোটা ক্যাম্পাসে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। গত ষোলো মাসে এই নিয়ে আটজন পড়ুয়া ও গবেষকের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘটল আইআইটি খড়গপুরে। এর মধ্যে সাতটি ঘটনাই ঘটেছে ক্যাম্পাসের ভেতরে। পাঁচজনের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছিল।সর্বশেষ গত ডিসেম্বরে এক পড়ুয়ার দেহ উদ্ধার হয়েছিল রেললাইনের ধারে। সেই ঘটনাও ঘিরে প্রশ্ন উঠেছিল।এই ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। নেহেরু হল থেকে তিনি কীভাবে অন্য একটি হলের ছাদে পৌঁছলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কখন তিনি বেরিয়েছিলেন, তা জানতে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।একাধিক অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনার পর ফের নতুন করে প্রশ্ন উঠছে নিরাপত্তা ও মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি নিয়ে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত! আকাশপথে জেলায় জেলায় সিইও, চাঞ্চল্য রাজ্যে

নির্বাচনের আগে বড় পদক্ষেপ নিল কেন্দ্রীয় সরকার। ভোটের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে এবার হেলিকপ্টারে করে জেলায় জেলায় সফর করবেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক Manoj Agarwal। এতদিন সড়কপথে সফর হলেও এবার দ্রুত এক জেলা থেকে অন্য জেলায় পৌঁছতে আকাশপথ বেছে নেওয়া হয়েছে।আগামী ২০ ও ২১ এপ্রিল তিনি মালদহ, উত্তর দিনাজপুর, কোচবিহার এবং পশ্চিম মেদিনীপুর সফর করবেন। এই জেলাগুলিতে ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোটগ্রহণ রয়েছে। তার আগে প্রস্তুতি কতটা সম্পূর্ণ, তা খতিয়ে দেখবেন তিনি। এই সফরের জন্য ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের পক্ষ থেকে হেলিকপ্টার ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।এর আগে ২০০৬ সালে তৎকালীন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক দেবাশিস সেন ভোটের আগে হেলিকপ্টারে জেলা সফর করেছিলেন। প্রায় ২০ বছর পর আবার সেই ধরনের উদ্যোগ দেখা গেল।কয়েক মাস আগেই তাঁর নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। নির্বাচনী দফতরে বিক্ষোভের ঘটনার পর গত বছরের ডিসেম্বরে তাঁর নিরাপত্তা ওয়াই প্লাস স্তরে উন্নীত করা হয়। এবার তাঁর সফরকে আরও দ্রুত এবং নিরাপদ করতে হেলিকপ্টারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।রাজ্যে এ বার দুই দফায় ভোটগ্রহণ হবে। ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার পর ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোট রয়েছে। এর আগে তিনি একাধিক জেলায় গিয়ে প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিনিধিদের সঙ্গেও কথা বলে তাঁদের অভিযোগ ও দাবি শুনেছেন।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
রাজ্য

দেশ ভাগের চক্রান্ত? ডিলিমিটেশন বিল নিয়ে বিস্ফোরক মমতা

লোকসভায় আসন পুনর্বিন্যাস বিল পেশ হতেই নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বর্তমান ৫৪৩টি আসন বাড়িয়ে প্রায় ৮৫০ করার পরিকল্পনা করেছে কেন্দ্র। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে দক্ষিণের একাধিক রাজ্য বঞ্চনার অভিযোগ তুলেছে। এবার সেই বিরোধিতায় সরব হলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ।কোচবিহারে নির্বাচনী সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই বিলের মাধ্যমে দেশকে টুকরো টুকরো করার চেষ্টা চলছে। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্র আগাম ফলাফল বুঝতে পেরে আসন সংখ্যা বাড়িয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে চাইছে। তিনি বলেন, এখন যখন লোকসভায় ৫৪১টি আসন রয়েছে, তা বাড়িয়ে ৮৫০-এর কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তাঁর আশঙ্কা, এইভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দার্জিলিং বা শিলিগুড়ির মতো জায়গার অস্তিত্বই মুছে যেতে পারে।বিজেপিকে কড়া বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয় এবং এক মুহূর্তে পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে। তিনি আরও বলেন, মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হলে তার বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত লড়াই চলবে। ইতিহাসের উদাহরণ টেনে তিনি মনে করিয়ে দেন, বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধেও একসময় প্রতিবাদ হয়েছিল এবং আজও সেই লড়াইয়ের মানসিকতা বজায় রয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, বাংলার উপর বারবার চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং অতীতে ভোটের সময় হিংসার ঘটনাও ঘটেছে। তাঁর দাবি, বাংলা বিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে মানুষই শেষ কথা বলবে। এই মন্তব্যের পর ডিলিমিটেশন বিল ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
বিদেশ

বড় স্বস্তি বিশ্বে! হরমুজ প্রণালী খুলতেই তেলের বাজারে নয়া আশার আলো

অবশেষে বিশ্বের জন্য বড় স্বস্তির খবর এল। গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার ঘোষণা করেছে Iran। আমেরিকার সঙ্গে সংঘাতের জেরে এই জলপথ দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। এবার সমস্ত বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য তা আবার খুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে তেল, গ্যাস সহ বিভিন্ন জ্বালানি পরিবহনে আর বাধা থাকছে না বলে মনে করা হচ্ছে।লেবানন ও ইজরায়েলের মধ্যে সংঘর্ষবিরতির ঘোষণার পরই এই সিদ্ধান্ত নেয় ইরান। প্রায় ৪০ দিনেরও বেশি সময় বন্ধ থাকার পর শুক্রবার ফের হরমুজ প্রণালী চালু করার কথা জানানো হয়। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বস্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে।ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাগাচি জানিয়েছেন, যতদিন এই সংঘর্ষবিরতি কার্যকর থাকবে, ততদিন হরমুজ প্রণালী খোলা রাখা হবে। তবে নির্দিষ্ট রুট মেনেই জাহাজ চলাচল করতে হবে, যা আগেই ইরানের বন্দর ও সামুদ্রিক সংস্থা ঘোষণা করেছিল।ইরানের এই ঘোষণায় ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি নিজের সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান এবং ধন্যবাদ জানান।তবে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়েছে, এমনটা বলা যাচ্ছে না। মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইরানের বন্দরে যাতায়াতের ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিষেধ এখনও বলবৎ থাকবে। তাদের দাবি, সম্পূর্ণভাবে স্থায়ী সমঝোতা না হওয়া পর্যন্ত এই নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা হবে। এর ফলে ভারতের মতো দেশ, যারা ইরান থেকে সরাসরি তেল আমদানি করে, তাদের ক্ষেত্রে কিছু জটিলতা তৈরি হতে পারে।উল্লেখ্য, ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে উত্তেজনা বাড়ার পরই এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এর ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সঙ্কট তীব্র হয়ে ওঠে এবং গ্যাসের বাজারেও চাপ বাড়ে। এখন হরমুজ প্রণালী খুলে যাওয়ায় সেই সঙ্কট অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal