• ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার ১৬ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Dead Body

দেশ

আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনা: শিশুদের শনাক্ত করতে বড় সমস্যা, এখনও হস্তান্তর ১৫৯ দেহ

সুরাটের নানাবাওয়া পরিবার ৩৬ বছর বয়সী আকিল এবং ৩১ বছর বয়সী স্ত্রী হান্না ভোরাজির নামাজ-এ-জানাজা (জানাজা) সম্পন্ন হয়। বুধবার ভোরে ফোন করে জানায় যে বোয়িং ড্রিমলাইনার দুর্ঘটনায় তাদের সাথে মারা যাওয়া তাদের মেয়ে সারার মৃতদেহ শনাক্ত করা হয়েছে। আত্মীয়স্বজনরা চার বছর বয়সী মেয়ের দেহাবশেষ দাবি করতে আহমেদাবাদে ছুটে যান। যাতে তাকে তার বাবা-মায়ের পাশে দাফন করা যায়।আহমেদাবাদ-লন্ডন AI-171 বিমান দুর্ঘটনার প্রায় এক সপ্তাহ পর, সারার সন্ধানে দেখা যাচ্ছে যে পুড়ে যাওয়া দেহাবশেষের মধ্যে নাবালকদের শনাক্ত করা কতটা কঠিন। বুধবার পর্যন্ত, ডিএনএ ম্যাচিং এবং শনাক্তকরণের পরে ১৫৯টি মৃতদেহ আত্মীয়দের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সারা ছাড়াও, এই মৃতদেহগুলির মধ্যে কেবল একজন নাবালিকা ছিল ফাতিমা শেঠওয়ালা, যার বয়স ১৮ মাস।বিমান সংস্থার তালিকা অনুসারে, AI-171-এ ১২ বছরের কম বয়সী ১৩টি শিশু ছিল, যার মধ্যে তিনজন এখনও ২ বছর পূর্ণ করেনি। আরও বেশ কয়েকজনের বয়স ১১ থেকে ১৮ বছরের মধ্যে।এই ধরনের দুর্যোগে অপ্রাপ্তবয়স্কদের শনাক্ত করার জন্য ডিএনএ প্রযুক্তি ব্যবহারে অসুবিধা ব্যাখ্যা করে গুজরাটের সরকারি ডেন্টাল কলেজের ফরেনসিক দন্ত বিশেষজ্ঞ ডঃ জয়শঙ্কর পিল্লাই বলেন, শিশুদের শরীরের ভর কম থাকে এবং তাই টিস্যুর ক্ষতি হয় এবং লম্বা হাড় তাপের সংস্পর্শে আসে। তবে দাঁত বেশি শক্তিশালী হওয়ায় তাপ সহ্য করতে পারে।তবে অপ্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে এটিও জটিল। শিশুদের যে কোনও দাঁত থেকে ডিএনএ বের করা যেতে পারে, কিন্তু আগুন লাগার সময় সামনের দাঁত ব্যবহার করা যায় না কারণ তাপ তাদের নষ্ট করে দেয়। তাই আমরা মোলার থেকে ডিএনএ নিই। ছয় বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে, আমরা স্থায়ী মোলার পেতে পারি না... তাদের বেশিরভাগই দুধের দাঁত থাকে, এবং কখনও কখনও সেগুলিও নষ্ট হয়ে যায়। কারণ খিলানটি খুব ছোট। তাই আমরা চোয়ালে একটি ছেদ তৈরি করি এবং ভিতরে স্থায়ী মোলার তৈরি করার চেষ্টা করি, পিল্লাই বলেন, যার বিভাগের সাথে ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগ দাঁতের ডিএনএ বের করতে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের দাঁতের চার্ট তৈরি করতে সাহায্য করার জন্য যোগাযোগ করেছিল।একজন ফরেনসিক কর্মকর্তা বলেছেন যে দুর্ঘটনার পরে যে আগুন লেগেছিল তা খুব অল্প সময়ের মধ্যে ১৬০০ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি তাপমাত্রায় পৌঁছেছিল। সুতরাং, কিছু ব্যক্তির জন্য কেবলমাত্র আংশিক ডিএনএ প্রোফাইল পাওয়া যায়, যাদের আমরা সন্দেহ করি যে তারা নাবালক, কর্মকর্তা বলেন, আরও বলেন যে আত্মীয়দের সাথে নিঃসন্দেহে নির্ভুলতার সাথে মেলানো কঠিন।আকিলের বাবা আবদুল্লাহ স্মরণ করিয়ে দেন যে তিনজন ৬ জুন, ঈদুল আযহার একদিন আগে, এক আকস্মিক পরিদর্শনে এসেছিলেন। এটা একটা ছোট ভ্রমণ ছিল। আমরা জানতাম না যে এটাই তাদের শেষ হবে, কাঁদতে কাঁদতে আবদুল্লাহ বলেন, যিনি বিমানে পরিবারকে নামিয়ে দিতে আহমেদাবাদ গিয়েছিলেন।ভদোদরায়, আসিফ শেঠওয়ালা তার নাতনি ফাতিমার জন্য শোক প্রকাশ করেছেন। যার দেহাবশেষ বুধবার শনাক্ত করা হয়েছে, যখন তার মা সাদিকার মৃতদেহ এখনও পাওয়া যায়নি। আসিফ বলেন, ফাতিমা তার লন্ডন-ভিত্তিক ছেলের একমাত্র সন্তান। সাদিকা এবং ফাতিমা আমার ছোট ছেলের বিয়েতে বেড়াতে এসেছিলেন। তারা প্রায় ২০ দিন ধরে এখানে ছিলেন এবং তাদের ফেরার টিকিট অনেক আগেই বুক করা হয়েছিল।ডিএনএ সরবরাহ করার পাশাপাশি, দাঁতের দেহাবশেষ একজন ব্যক্তির আনুমানিক বয়স নির্ধারণেও সাহায্য করে। যা শনাক্তকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সূত্র প্রদান করে। আহমেদাবাদ দুর্ঘটনায় এটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় প্রাপ্তবয়স্কদের জন্যও, বিস্ফোরণ এবং আগুনের ফলে উদ্ধার করা বেশিরভাগ ডিএনএ নষ্ট হয়ে গিয়েছিল।ডঃ পিল্লাই বলেন, ফরেনসিক ওডন্টোলজি বিভাগ এক থেকে ছয় বছর বয়সী বেশ কয়েকজন প্রাপ্তবয়স্ক যাত্রীর দাঁতের ডিএনএ সংগ্রহ করেছে অথবা ডেন্টাল চার্টিং করেছে এবং অন্তত কিছু ভুক্তভোগীর বয়স মূল্যায়ন করেছে। এরপর এই বয়সের যাত্রীদের জন্য ফ্লাইট ম্যানিফেস্টের সাথে তুলনা করা হয়েছে। কিছু শিশুর ক্ষেত্রে, আমরা দ্বিতীয় মোলার বিকশিত হতে দেখেছি, যা স্পষ্ট করে দিয়েছিল যে তারা তিন থেকে ছয় বছর বয়সী। এটি অনুসন্ধানকে সংকুচিত করতে সাহায্য করেছে। তারপর তাদের ডিএনএ নমুনা তাদের আত্মীয়দের সাথে মেলানো যেতে পারে।যারা খবরের জন্য অপেক্ষা করছেন তাদের মধ্যে রয়েছে ভদোদরার ভাহোরা পরিবার। তারা দুর্ঘটনায় তিন সদস্যকে হারিয়েছে। সোমবার ইয়াসমিনের মৃতদেহ হস্তান্তর করা হলেও, পারভেজ এবং তার ৪ বছর বয়সী মেয়ে জুভেরিয়ার দেহাবশেষ এখনও পাওয়া যায়নি। প্রাক্তন আইপিএস অফিসার এবং ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ, ডঃ কেশব কুমার বলেছেন, পরিবারগুলির আশা হারানো উচিত নয়। বিমান দুর্ঘটনাটি প্রায় বোমা বিস্ফোরণের মতো ছিল। যেখানে ৫৪,০০০ লিটার বিমান জ্বালানি এক ঘন্টারও বেশি সময় ধরে জ্বলছিল। উৎপন্ন তাপের পরিমাণ শরীরের জন্য ক্ষতিকর। আমরা ভাগ্যবান হব যদি ভালো নমুনা পাওয়া যায়। কিন্তু যদি একটি দাঁতও পাওয়া যায়, তাহলে ডিএনএ পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। ফরেনসিক পরীক্ষা খড়ের গাদায় সূঁচ পাওয়ার মতো। কিন্তু একজন তদন্তকারী হিসেবে, আমি বলতে পারি যে ম্যাচ পাওয়ার সম্ভাবনা ১০০%। ডিএনএ হাজার হাজার বছর টিকে থাকতে পারে এবং প্রয়োজনে ধ্বংসাবশেষে ডিএনএর আরও চিহ্ন থাকবে। গুজরাট পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন যে তারা দুর্ঘটনাস্থল থেকে একাধিক নমুনা সংগ্রহ নিশ্চিত করেছেন।

জুন ১৯, ২০২৫
কলকাতা

হাড়হিম ঘটনা কলকাতার কুমোরটুলি ঘাটে! ট্রলি ব্যাগে মৃতদেহ, পাকড়াও দুই মহিলা

একের পর এক হাড়হিম ঘটনা। মঙ্গলবার এমনই এক ঘটনার সাক্ষী থাকলো কলকাতার কুমোরটুলি। দুই মহিলা একটি ট্রলিব্যাগে মুণ্ডহীন দেহ নিয়ে গঙ্গায় ফেলার চেষ্টা করেন। সেই সময় স্থানীয়দের সন্দেহ হয়, তাঁরা হাতেনাতে পাকড়াও করেন ট্রলি ব্যাগ সমেত দুই মহিলাকে। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। স্থানীয়রা পুলিশের খবর দেয়, দুই মহিলাকে আটক করে পুলিশ। ধৃতরা প্রথমে দাবি করেছিল দেহটি কুকুরের। যদিও এলাকাবাসীদের অভিযোগ, ট্রলিব্যাগে যে দেহ পাওয়া গিয়েছে সেটি একজন মহিলার। কিন্তু প্রশ্ন ওঠে ওই ব্যাগে কার দেহ ছিল? ব্যাগ খুলতেই আঁতকে ওঠেন পুলিশ ও স্থানীয়রা। ঘটনার তদন্ত শুরু করতেই এবার খুন হওয়া মহিলার পরিচয় জানতে পারে পুলিশ। মৃতের নাম সুমিতা ঘোষ। অন্যদিকে যে দুই মহিলাকে আটক করা হয়েছে তাদের নাম ফাল্গুনী ঘোষ এবং আরতি ঘোষ। মৃত সুমিতা ঘোষ অভিযুক্ত ফাল্গুনী ঘোষের সম্প্রকে পিসি শাশুড়ি। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সকাল ৭টা নাগাদ ট্যাক্সি করে গঙ্গার ঘাটে আসেন মাস্ক পরা দুই মহিলা। ভারী ব্যাগ টেনে ঘাটে আনতে দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। মহিলারা দাবি করেন, ব্যাগে পোষ্য কুকুরের মৃতদেহ রয়েছে। খবর যায় উত্তর বন্দর থানায়। পুলিশ এসে ট্রলিব্যাগ খুলতেই ভিতরে মেলে পচাগলা রক্তাক্ত দেহ।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পেরেছে, ফাল্গুনি-সুমিতাদের বাড়ি মধ্যমগ্রামে। গতকাল রাতে মা-মেয়ের সঙ্গে পিসি শাশুড়ির বিবাদ হয়। তার জেরে ভারী কিছু দিয়ে পিসি শাশুড়ির মাথায় আঘাতের জেরেই মৃত্যু বলে মনে করা হচ্ছে। জেরায় মা-মেয়ে জানিয়েছেন, ট্রলিব্যাগে দেহ পুরে তাঁরা মধ্যমগ্রাম স্টেশন থেকে ট্রেনে ওঠেন। এরপর কুমোরটুলি ঘাটে এনে ব্যাগ সমেত দেহ গঙ্গায় ফেলার ছক ছিল। তবে স্থানীয়দের দাবি, ওই মহিলাদের কাছে মিলেছে শিয়ালদা-হাসনাবাদ শাখার কাজিপাড়া স্টেশনের টিকিট। বারাসাতের কাছে কাজিপাড়া থেকেই কি এসেছিলেন মহিলারা?

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৫
রাজ্য

স্বর্গ রথ চালিয়ে পূজা মণ্ডল সমাজকে তাক লাগিয়ে দিচ্ছেন

সত্যি সাহসিকতার পরিচয় দিলেন বাঁকুড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী। ভয় না পেয়ে নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন গুরুদায়িত্ব, পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি গাড়িচালক হিসেবেও কাজ করছেন। তবে যে সে গাড়ি নয়। বাঁকুড়ার বড়জোড়া ব্লাড ডোনেশন সোসাইটির একটি শবদেহ বহনকারী গাড়ি চালাচ্ছেন পূজা মণ্ডল।মানুষের অন্তিম যাত্রার সহায়ক হলেও স্বর্গের রথ বা শববাহী গাড়িকে অবহেলার চোখেই দেখে সমাজ। বাঁকুড়াতেও রয়েছে নেতিবাচক উদাহরণ। সম্প্রতি বড়জোড়ার শব বহন করা গাড়িকে পেট্রোল দিতে চাননি পেট্রোল পাম্পের কর্মীরা। টুকটাক কাজ যেমন, টায়ার সারানো কিংবা সার্ভিসিং করাতে গেলেও অনেক সময় এই গাড়িগুলির চালকদের বেগ পেতে হয়। সাধারণ মানুষের একাংশের চোখে এই গাড়িগুলি অপবিত্র এবং অস্পৃশ্য।তা সত্ত্বেও হাসিমুখে এই কাজ করে চলেছেন ছাত্রী পূজা। কিন্তু কেন? জানা যায়, নেপথ্যে রয়েছে চমকপ্রদ একটি গল্প। ২০১৪ সালে গাড়িটি কেনা হয় সংগঠনের তরফে। তখন থেকে গাড়িটি চালাতে যথেষ্ট সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছিল চালককে। পেট্রোল পাম্পে তেল নিতে গিয়েও হয়েছে ঝামেলা। এছাড়াও সিট কভার লাগিয়ে দিতেও চাননি কোনও ব্যবসায়ী। বড়জোড়া ট্যাক্সি স্ট্যান্ডেই থাকত এই স্বর্গের রথ, কিন্তু কোনও ড্রাইভারই চালাতে চাইতেন না গাড়িটিকে। এর পর পূজা মণ্ডল বড়জোড়া ব্লাড ডোনার সোসাইটির সঙ্গে যুক্ত হন এবং ২০১৮ সালে প্রথম রক্তদান করেন তিনি। তার পর ২০২১ সালে দুর্গাপুরে স্নাতক স্তরে পড়াশোনা করতে করতেই শবদেহ বহনকারী এই গাড়ির দায়িত্ব নেন পূজা। মূলত মানুষকে সচেতন করার জন্যই এমন সিদ্ধান্ত পূজার। তাঁর দাবি, আর পাঁচটা যানবাহনের মতই এটিও একটি স্বাভাবিক যান, কোনও অপবিত্র বস্তু নয়। এই চিন্তা থেকেই গাড়িটি চালানো শুরু করেন পূজা। এর পর ধীরে ধীরে চড়াই উতরাই পার করে, মানুষের মনের পরিবর্তন দেখেছেন তিনি। আগের মত আর গাড়িটি নিয়ে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় না।সমাজসেবা নিয়ে বাঁকুড়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর স্তরে পড়াশোনা করছেন পূজা। পাশাপাশি চালিয়ে যাচ্ছেন সচেতনতার প্রচার এবং সমাজ কল্যাণমূলক কাজ। বর্তমানে পূজার নাম অনেকেই জানেন। তাঁকে উদাহরণ হিসাবে মনে রাখেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাসিস্টেন্ট প্রফেসর থেকে শুরু করে ভাইস চ্যান্সেলর কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার পর্যন্ত সকলেই এক ডাকে চেনেন পূজাকে। বড়জোড়ার বাড়িতে তাঁর বাবা-মাও তাঁকে নিয়ে গর্বিত। পূজার মা টুম্পা মণ্ডল বলেন,আমার তো বেশ ভালই লাগে। প্রথম যখন আমার মেয়ে ঠিক করে যে গাড়িটা চালাবে, তখন খুব ভয় লাগত। এত বড় গাড়ি কি ও আদৌ চালাতে পারবে? তার পর ধীরে ধীরে সবকিছু ঠিক হয়ে যায়। এখন আমি খুব খুশি।বাঁকুড়ার বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে শুরু করে বড়জোড়ার রাস্তাঘাটে শবদেহ বহনকারী গাড়ি চালিয়ে যান পূজা। গাড়ি চালানো থেকে শুরু করে শবদেহর স্ট্রেচার টেনে বাইরে আনা পর্যন্ত একা হাতেই সামলান সব কিছু। এতে ক্লান্তি নেই, দায়িত্ব নিতে পারায় জীবনের প্রতি কৃতজ্ঞতাই প্রকাশ করেন পূজা।

জুলাই ১১, ২০২৪
কলকাতা

সাত সকালে নিউটাউনে লাল সুটকেসে কি? বিরাট চাঞ্চল্য

নিউটাউনের পার্শ্ববর্তী এলাকা ধর্মতলা পাচুরিয়ার ছোট খালে একটি লাল রঙের সুটকেশ প্রথমে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। পুলিশে খবর দেওয়া হলে টেকনো সিটি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে, শুটকেসের তালা খুলতেই দেখে এক ব্যক্তির মৃতদেহ। অনুমান করা হচ্ছে ৫০ থেকে ৫২ বছর বয়স ওই মৃত ব্যক্তির। সেই মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তদন্ত নেমেছে পুলিশ উদ্ধার হওয়া মৃত ব্যক্তির নাম পরিচয় জানার পাশাপাশি, কিভাবে তার মৃত্যু হল তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান তাকে খুন করে কেউ বা কারা এখানে ফেলে রেখে গেছে। তবে সামনেই লোকসভায় নির্বাচন তার আগে সুটকেস বন্দী এই মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়।

মার্চ ২৩, ২০২৪
রাজ্য

ষাটোর্ধ এক অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার! এক সন্দেহভাজন গ্রেফতার

ষাটোর্ধ এক অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ালো বর্ধমান শহরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পুরানো ওভারব্রীজ সংলগ্ন ছোটলাইন এলাকায়। পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিকেল কলেজের পুলিশ মর্গে পাঠায়। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করেছে বর্ধমান থানার পুলিশ।শুক্রবার রাতে পুরনো ওভারব্রীজ সংলগ্ন ছোটলাইন এলাকায় এক ষাটোর্ধ বৃদ্ধার দেহ পরে আছে বলে স্থানীয়রা থানায় খবর দেয়। পুলিশ গিয়ে দেহ উদ্ধার করে।স্থানীয়দের অভিযোগ, বৃদ্ধাকে এক ব্যক্তিকে ধর্ষণ করার চেষ্টা করতে দেখে স্থানীয়রা বাধা দেয়। সেই সময় ওই ব্যক্তি পালিয়ে গেলেও স্থানীয়রা দেখেন বৃদ্ধা মারা গেছেন।এরপরেই তারা পুলিশকে খবর দেয়।

নভেম্বর ১২, ২০২২
রাজ্য

রবিনসন স্ট্রিট কাণ্ডের ছায়া মেমারিতে, দিদির পচাগলা মৃতদেহের সঙ্গে পাঁচ দিন কাটালেন বোন

ঠিক যেন কলকাতার রবিনসন স্ট্রিট কাণ্ডেরই পুনরাবৃত্তি। সেই রকমই ঘটনা ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মেমারিতে। ঘরের মধ্যে মৃত দিদি সুপ্তিকণা কোলের পচাগলা দেহের সাথেই শুয়ে-বসে পাঁচটা দিন কাটায়ে দিলেন বোন মুক্তিকণা কোলে। সেই ঘর থেকে বৃহস্পতিবার সকালে মাত্রাছাড়া দুর্গন্ধ ছড়ালে এলাকার লোকজন বিষয়টি মেমারি থানায় জানায়। দুপুরে মেমারি থানার পুলিশ শহরের কৃষ্ণ বাজার এলাকায় থাকা মুক্তিকণা কোলেদের বাড়ি থেকে পচা গলা মৃতদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য এদিনই মৃতদেহটি পাঠানো হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে। কী কারণে মহিলার মৃত্যু হল তার তদন্ত পুলিশ শুরু করেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর ৫৩ বয়সী সুপ্তিকণা কোলের সঙ্গেই একই বাড়িতে থাকতেন তাঁর ছোট বোন মুক্তিকণা। এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, মুক্তিকণারা চার বোন ও এক ভাই। কয়েক বছর আগে মেমারি শহরে একটি পথ দুর্ঘটনায় তাঁদের ভাই অসিত কোলে মারা যান। সুপ্তিকণা ও মুক্তিকণা এই দুই বোনই অবিবাহিত ছিলেন। তাঁরা এক সঙ্গে একটি ঘরেই থাকতেন। মেমারি শহর নিবাসী মৃতার আত্মীয় প্রদীপ বসু বলেন, ওরা ওঁদের বাবার ভুল সিদ্ধান্তের জন্যেই সমাজজীবন থেকে নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছিল। মানসিকভাবেও ওরা বিধ্বস্ত ছিল। খাওয়া-দাওয়াও ঠিকমতো করতো না। দুই বোনের মনের ভিতরেও অনেক ক্ষোভ জমা হয়েছিল। প্রদীপ বাবু দাবি করেন, সম্ভবত অপুষ্টির জন্যেই সুপ্তিকণার মৃত্যু হয়েছে। তারপর দিদির মৃতদেহ কিভাবে সৎকার করবেন তার কিছু বুঝে উঠতে না পেরেই মুক্তিকণা দেহ আগলে পড়েছিল বলেই তাঁরা মনে করছেন। এলাকার বাসিন্দারা বলেন, এই ঘটনা তাঁদের ২০১৫ সালের জুন মাসে কলকাতার রবিনসন স্ট্রিটের ঘটনাকেই মনে করিয়ে দিয়েছে। মেমারি পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর চিরঞ্জীব ঘোষ বলেন, ঘরের দরজায় তালা দিয়ে এ দিন সাতসকালে মুক্তিকণা বাইরে বেরিয়ে পড়ে। ওনাদের বাড়ির ভিতর থেকে প্রচণ্ড দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল। এলাকার লোকজন আমাকে জানায়। বিষয়টি তিনি পুলিশকে জানান দুপুরে মুক্তিকণা বাড়ি ফিরলে পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে। মুক্তিকণা কোলে এদিন বলেন, আমার দিদি মারা গিয়েছে তা আমি বুঝতে পেরেছিলাম। কিন্তু কী করবো সেটাই বুঝতে পারছিলাম না। তাই দিদির দেহের পাশেই শুয়ে-বসে কাটিয়েছি । এলাকার বাসিন্দারা জানান, মুক্তিকণাদের দোতলা বাড়ির প্রতিটি ঘরের জানলা ৩৬৫টি দিনই বন্ধ থাকত। কারও সঙ্গে ওনারা মেলামেশা করতেন না। মাঝে মধ্যে কখনও কখনও জল নিতে নীচে নামতেন। বাড়ির বিদ্যুতের সংযোগও কেটে দিয়েছিলেন। বছরের পর বছর ধরে মোমবাতির আলো জ্বেলেই দুই বোন থাকতেন। ওনাদের বাবা তাঁর প্রচুর সম্পত্তি সম্পত্তি টাকা পয়সা মেমারিরই একটি আশ্রমে দান করে দেয়েছেন। ছেলে মেয়ের ভবিষ্যৎ কি হবে তা তিনি ভাবেননি। এলাকার সবাই চাইছেন, চিকিৎসার মাধ্যমে মুক্তিকণাকে সুস্থ করে তোলার জন্যে সরকার বা প্রশাসন কিছু একটা করুক।

মার্চ ১০, ২০২২
কলকাতা

BJP: মমতার দুয়ারে লাশ নিয়ে বিজেপি, ধুন্ধুমার কালীঘাট চত্বর

ভবানীপুরে দলীয় প্রার্থীর মৃতদেহ নিয়ে মিছিল করতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়লেন রাজ্যের বিজেপি নেতারা। পুলিশের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগের অভিযোগ তুলে রাস্তার উপরেই শুরু হয় অবস্থান-বিক্ষোভ। এদিকে, বিজেপি নেতার মৃত্যুতদন্তে ইতিমধ্যেই তৎপর হয়েছে সিবিআই। দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী মানস সাহা বুধবার মারা যান। ভোট পরবর্তী সংঘর্ষের ঘটনায় তিনি আহত হয়েছিলেন বলে অভিযোগ। চিকিৎসার জন্য ভর্তি ছিলেন ঠাকুরপুকুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। মঙ্গলবার সেখানেই মারা যান তিনি। মানসের দেহ নিয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মিছিল করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়ির উদ্দেশে যাওয়ার চেষ্টা করেন বিজেপি-র নয়া রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, সাংসদ অর্জুন সিং, ভবানীপুর উপনির্বাচনে দলীয় প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালরা।আরও পড়ুনঃ অত্যাচার, নির্যাতন না হলে বিজেপি ৩০টা আসনও পেত না, দাবি মমতারকালীঘাটে বিক্ষোভ করতে করতে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির দিকে এগিয়ে যান বিজেপি নেতারা। এসপ্ল্যানেড ছাড়িয়ে ভবানীপুর হয়ে তাঁরা মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে মৃত বিজেপি নেতার দেহ নিয়ে উপস্থিত হন সুকান্ত মজুমদাররা। প্রবল বিক্ষোভে থমকে যায় রাস্তা। প্রবল যানজট শুরু হয়। ঘটনাস্থলে ছুটে আসে পুলিশ। সেখানে ফের একপ্রস্থ ঝামেলা শুরু হয় পুলিশের সঙ্গে। পুলিশ সেই মিছিল আটকালে শুরু হয় অশান্তি। এর পর মুখ্যমন্ত্রী বাড়ির অদূরে মানসের দেহ রাস্তায় রেখে বিক্ষোভ শুরু করেন সুকান্তেরা। প্রসঙ্গত, বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি হওয়ার পর বুধবার ভবানীপুরে উপনির্বাচনের প্রচারে গিয়েই পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়েছিলেন সুকান্ত। বৃহস্পতিবারও একই ঘটনা ঘটল।বেশ কিছুক্ষণ ধরে ঝামেলা চলার পর মৃতদেহ সরায় পুলিশ, এরপর মৃত বিজেপি নেতার দাহকার্যের জন্য ক্যাওড়াতলা রওনা দেন নেতারা।উল্লেখ্য, বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনার দিন আক্রান্ত হয়েছিলেন মগরাহাটের বিজেপি প্রার্থী মানস সাহা। তারপর থেকেই শুরু হয় শারীরিক অসুস্থতা। তার পর এদিন সকালে হাসপাতালে প্রাণ হারান বিজেপির মগরাহাট পশ্চিম কেন্দ্রের প্রার্থী মানস সাহা। বিজেপি নেতার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ফের একবার রাজ্যের বিরুদ্ধে ভোট পরবর্তী হিংসায় উস্কানি দেওয়ার অভিযোগে সরব হন সুকান্ত মজুমদাররা।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১
রাজ্য

Unknown Body: যাত্রী প্রতীক্ষালয়ে অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার, ব্যাপক চাঞ্চল্য বর্ধমানে

যাত্রী প্রতীক্ষালয় থেকে উদ্ধার হল অজ্ঞাত পরিচিয় এক মহিলার মৃতদেহ। এই মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে শনিবার ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় পূর্ব বর্ধমানের দেওয়ানদিঘী থানার খেতিয়া এলাকায়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে খেতিয়া গ্রামের বাসযাত্রী প্রতীক্ষালয়ে পড়েছিল মহিলার মৃতদেহটি। স্থানীয়রা দেহটি দেখতে পেয়ে দেওয়ানদিঘী থানায় খবর দেয়। এলাকাবাসীর দাবি মহিলার দেহের নিম্নাঙ্গ রক্তাক্ত ছিল।এছাড়াও মহিলার দেহের একাধিক জায়গায় কালসিটে দাগও রয়েছে। এইসব দেখে এলাকাবাসী মনে করছেন অন্য কোথাও মহিলাকে ধর্ষনের পর খুন করে দুস্কৃতিরা রাতের অন্ধকারে খেতিয়া এলাকার যাত্রী প্রতীক্ষালয়ে দেহ ফেলে দিয়ে পালিয়েছে। মৃতদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য এদিনই বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।পুলিশের দাবি, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলেই মহিলার মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। তদন্তে নেমে পুলিশ মহিলার পরিচয় উদ্ধারের চেষ্ট চালাচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১
রাজ্য

Burn Dead Body: আধপোড়া-নগ্ন মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার বর্ধমানে, তদন্তে পুলিশ

অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার নগ্ন, আধপোড়া মৃতদেহকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল বর্ধমানের কাঞ্চননগরে। বর্ধমান পৌরসভার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাঞ্চননগরের মালিপাড়া কদমতলা এলাকায় মাঠের মধ্যে এই মহিলার মৃতদেহ পরে থাকতে দেখা যায়। বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় মানুষজনের নজরে আসে এই মৃতদেহ। স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে বর্ধমান থানার পুলিশ।আরও পড়ুনঃ দীপার দীপ জ্বালিয়ে রাখলেন বাসচালক কন্যা প্রণতিদামোদরের পাশে মাঠের ধারে পড়েছিল দেহটি। মৃতদেহ মহিলার অনুমান করা গেলেও এমনভাবে পুড়েছে যে শনাক্ত করাই মুশকিল। পুলিশের অনুমান, প্রমান লোপাটের জন্য এমন কাজ করা হতে পারে। এলাকাবাসীদের অনুমান বাইরে থেকে খুন করে নিয়ে এসে এখানে মৃতদেহ ফেলে পালিয়েছে দুস্কৃতিরা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।আরও পড়ুনঃ নির্যাতিতাদের অভিযোগ নথিভুক্ত করল জাতীয় মহিলা কমিশন স্থানীয় বাসিন্দা দেবাশিস ঘোষ বলেন, খবর পেলাম এখানে এক মহিলার মৃতদেহ পড়ে রয়েছে। দেহের ৭৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছে। এসে দেখলাম গলায় একটা ফাঁস রয়েছে। নগ্ন দেহ। স্থানীয় বলে মনে হচ্ছে না। এখানে এমন ঘটনা কখনও ঘটেনি। এই মাঠে রাতে ছেলেমেয়েরা আড্ডা দেয়। সম্ভবত এখানে দেহটি ফেলে দিয়ে গিয়েছে। কারণ, এখানে কেউ কোনও চিৎচার চেঁচামেচি বা আওয়াজ পায়নি।

জুলাই ০১, ২০২১
স্বাস্থ্য

পেঁপের বীজের আশ্চর্য গুণ, মুক্তি পাবেন অনেক রোগ থেকে

শরীরের জন্য ফলের থেকে বেশি উপকারী আর কোনও খাবার হতে পারে কী! শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন অসুখের মোকাবিলা করতেও সাহায্য করে বিভিন্ন ফল। এর মধ্যে পেঁপের কথা না বললেই নয়! কাঁচা অবস্থায় সবজি হিসাবে আর পাকা অবস্থায় ফল হিসাবে পেঁপে আমাদের নানা উপকারে লাগে। জন্ডিস থেকে ডেঙ্গি এমনকী, ক্যানসারের মতো মারণ রোগের ক্ষেত্রেও পেঁপে অত্যন্ত উপকারী!হজমের সমস্যার সমাধানে পেঁপে অত্যন্ত কার্যকরী। ত্বকের জন্যেও পেঁপে কতটা উপকারী তা আমরা অনেকেই জানি। ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা দূর করতে পেঁপে অত্যন্ত কার্যকরী। ভিটামিন সি আর ভিটামিন ই সমৃদ্ধ পেঁপে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে খুবই কার্যকরী। শুধু পেঁপেই নয়, পেঁপের বীজও খুবই উপকারী আর পুষ্টিগুণে ভরপুর! তাই পেঁপের বীজ ফেলে দেওয়ার আগে একবার দেখে নিন তার অজানা আশ্চর্য সব গুণ...১) শরীরের মধ্যে প্রোটিন ফাইবারকে ভেঙে বিপাক প্রক্রিয়াকে স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে পেঁপের বীজ।২) ডেঙ্গি প্রতিরোধে পেঁপের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য! ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হলেই শরীরের প্লেটলেটের সংখ্যা কমতে শুরু করে। এই সময় নিয়মিত পেঁপে বীজ এবং পেঁপে পাতা খেতে পারলে প্লেটলেট কাউন্ট ফের স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে।৩) যকৃত বা লিভারের সমস্যায় পেঁপের বীজ খেতে পারলে দ্রুত উপকার পাওয়া যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, সামান্য জল আর দইয়ের সঙ্গে পেঁপে বীজ মিশিয়ে নিয়মিত খেতে পারলে যকৃতের স্বাস্থ্য ভাল থাকে।৪) ঋতুস্রাবের সময় অসহ্য যন্ত্রণার সম্পূর্ণ উপশমের জন্য পেঁপের বীজ অত্যন্ত কার্যকরী! পিরিয়ড বা ঋতুস্রাব চলাকালীন পেঁপে বীজের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খান ১ চামচ করে খেতে পারলে ব্যথা অনেক কম বোধ হবে।৬) পেঁপে বীজে রয়েছে প্রোটিওলাইটিক নামের উৎসেচক যা আমাদের শরীরে বাসা বাধা নানা ক্ষতিকর জীবাণুকে মেরে ফেলে। এছাড়া শরীরে প্রোটিনের বিপাকে সাহায্য করে।

মে ১৪, ২০২১
দেশ

উত্তরপ্রদেশে এবার নদীর ধারে মিলল বালি চাপা দেওয়া লাশের সারি

গঙ্গা-যমুনা দিয়ে বয়ে চলেছে সার সার লাশ। কোথাও আবার নদীর ধারে জমা হচ্ছে মৃতদেহ। এবার নদীর ধারে বালিতে পুঁতে মৃতদেহ ফেলার খবর মিলল উত্তরপ্রদেশ থেকে। ঘটনাস্থল উন্নাও।স্থানীয় সূত্রে খবর, রাজধানী লখনউ থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে যমুনা নদীর পাড়ে মিলেছে প্রচুর দেহ। যেগুলি বালিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে। তবে এগুলি কোভিড আক্রান্তদের দেহ কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, উন্নাওয়ের অন্তত দুটি এলাকা থেকে উদ্ধার হয়েছে বালি চাপা দেওয়া লাশের সারি। একসঙ্গে বহু লাশ এভাবে সমাধিস্থ করা হয়েছে। যা দেখে অনেকে মনে করছেন, হাসপাতালগুলি কোভিড মৃত্যু লুকোতে গণকবরের রাস্তা বেছে নিয়েছে। মৃতদের পরিবার পরিজনকে না জানিয়েই দেহ এভাবে লোপাট করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করছেন অনেকে।এই ঘটনায় উন্নাওয়ের জেলাশাসক রবীন্দ্র কুমার জানিয়েছেন, অনেকে দেহ দাহ করেন না। তাঁরা নদীর ধারে দেহ সমাধিস্থ করে চলে যান। এটা সেরকমই কোনও ঘটনা কিনা খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে। খবর পাওয়া মাত্র আধিকারিকদের ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছি। তাঁরা স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে আসল সত্য উদঘাটনের চেষ্টা করছেন। কোভিড রোগীদের দেহ কি এভাবে চাপা দিয়ে ফেলে রাখা হচ্ছে? সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের জবাবে জেলাশাসক জানান, এগুলি কোভিড রোগীদের দেহ, এমন কোনও প্রমাণ এখনও মেলেনি। তবে সরকারি আধিকারিকরা যাই বলুন না কেন, উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় এভাবে সার সার দেহ উদ্ধার হওয়ায় ব্যাপক চাপে যোগী সরকার।উল্লেখ্য, দিন কয়েক ধরেই বিহার, উত্তরপ্রদেশের পর এবার মধ্যপ্রদেশের নদীতে ভাসতে দেখা গেল মৃতদেহ। পান্না জেলার রুঞ্জ নদীর তীরে ভেসে ওঠে দুটি মৃতদেহ। কোভিড পরিস্থিতিতে যা ফের আতঙ্ক সৃষ্টি করল। যদিও প্রশাসনের দাবি, মৃতদের সঙ্গে করোনা ভাইরাসের কোনও সম্পর্ক নেই। দুজনেরই মৃত্যুর কারণ ভিন্ন।

মে ১৩, ২০২১
রাজ্য

বৃদ্ধ দম্পতির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার

এক বৃদ্ধ দম্পতির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে বৃহস্পতিবার। ঘটনাটি ঘটেছে,আসানসোল উত্তর বিধান সভার অন্তর্গত কাল্লা গিরমিট অঞ্চলের ইসিএলের আবাসনে। স্থানীয় সূত্রে খবর, পেশায় প্রাক্তন ইসিএল কর্মী অনাদি সিংহ (৭৫ )ও তার স্ত্রী নীলিমা সিংহ (৬৫) দীর্ঘদিন ধরেই ওই অঞ্চলে বসবাস করতেন ৷ পুলিশ সূত্রে খবর, মানসিক অবসাদের কারণেই এই আত্মহত্যার ঘটনা। বয়েস জনিত কারণে দীর্ঘদিন ধরেই রোগভোগের মধ্যে ছিলেন এই দম্পতি ৷ কোনো কিছুর প্রয়োজন হলে পাড়া প্রতিবেশীদের ওপরেই তাদের নির্ভর করতে হত ৷ তবে পারিপার্শ্বিক কোনো বিবাদে তারা ছিলেন না ৷ বৃহস্পতিবার সকালে অনেক দেরি পর্যন্ত আবাসনের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ থাকায় প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয় ৷ তারা আসানসোল উত্তর থানায় খবর দেয় ৷ পুলিশ পৌঁছে আবাসনের ভিতর থেকে বৃদ্ধ দম্পতির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে ৷

অক্টোবর ০১, ২০২০

ট্রেন্ডিং

দেশ

নিট কেলেঙ্কারির ভয়ংকর ফাঁস! “৫০০-৬০০ নম্বর নিশ্চিত”, হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে বিস্ফোরক তথ্য

নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস কাণ্ডে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য সামনে আসছে। তদন্তে উঠে এসেছে, মূল অভিযুক্ত শুভম খয়েরনার পরীক্ষার্থীদের ৫০০ থেকে ৬০০ নম্বর পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিত। তার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট থেকেই ফাঁস হয়েছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য।নিট ২০২৬ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের তদন্তভার এখন সিবিআইয়ের হাতে। ইতিমধ্যেই জাতীয় পরীক্ষাকর্তা সংস্থা পরীক্ষা বাতিল করেছে। নতুন করে পরীক্ষা নেওয়ার দিনও ঘোষণা করা হয়েছে।তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, নাসিক থেকে গ্রেফতার হওয়া শুভম খয়েরনার গত এপ্রিল মাসেই তার সাপ্লায়ার যশ যাদবকে জানিয়েছিল যে প্রশ্নপত্রের কপি জোগাড় হয়ে গিয়েছে। সূত্রের খবর, ২৯ এপ্রিল ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র নিয়ে চূড়ান্ত চুক্তি হয়। তারপর থেকেই শুরু হয় পরীক্ষার্থীদের টার্গেট করে প্রলোভন দেখানো।অভিযুক্তরা পড়ুয়াদের বোঝাত, ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র নিলে তারা নিশ্চিতভাবে বেশি নম্বর পাবে এবং দেশের নামী মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবে। তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপে নিয়মিত যোগাযোগ চলত মূল অভিযুক্তদের মধ্যে। সেখানে পরীক্ষার্থীদের ৭২০ নম্বরের পরীক্ষায় ৫০০ থেকে ৬০০ নম্বর পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হত।সিবিআই ইতিমধ্যেই শুভমের মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করেছে। চ্যাটের তথ্যও সংগ্রহ করা হয়েছে। তার কাছ থেকে ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রের কপিও উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।তদন্তে উঠে এসেছে, মহারাষ্ট্র থেকে শুরু করে হরিয়ানার গুরুগ্রাম, রাজস্থানের জয়পুর ও শিকর-সহ দেশের বিভিন্ন বড় কোচিং কেন্দ্রে এই প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। শুধু তাই নয়, জম্মু-কাশ্মীর, বিহার এবং কেরলেও ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র পৌঁছে গিয়েছিল বলে দাবি তদন্তকারীদের।শুভম খয়েরনার বয়স ৩০ বছর। নাসিকের ইন্দিরানগরের বাসিন্দা সে। আয়ুর্বেদিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের ছাত্র হলেও কখনও ডাক্তারি পাশ করতে পারেনি। তদন্তে জানা গিয়েছে, ১০ লক্ষ টাকা দিয়ে নিটের প্রশ্নপত্র কিনে পরে তা ১৫ লক্ষ টাকায় বিক্রি করে দেয় সে।এই ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কারণ, লক্ষ লক্ষ পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে কীভাবে বড় চক্র কাজ করছিল, তা এখন স্পষ্ট হয়ে উঠছে তদন্তে।

মে ১৫, ২০২৬
কলকাতা

আরজি কর কাণ্ডে বড় অ্যাকশন! একসঙ্গে সাসপেন্ড তিন আইপিএস অফিসার

ক্ষমতায় এসেই আরজি কর কাণ্ডে বড় পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। নির্যাতিতা চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ওঠা অভিযোগের ভিত্তিতে তিন জন আইপিএস অফিসারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁদের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে শুরু হয়েছে তদন্তও।যাঁদের সাসপেন্ড করা হয়েছে, তাঁরা হলেন কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল, কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় এবং অভিষেক গুপ্ত। রাজ্য সরকারের অভিযোগ, আরজি কর কাণ্ডের সময় পুলিশের তরফে যথাযথ পদক্ষেপ করা হয়নি। এফআইআর করতে দেরি এবং তদন্তে গাফিলতির অভিযোগও উঠেছে তাঁদের বিরুদ্ধে।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, সেই সময় পুলিশের আধিকারিক এবং অফিসারদের ভূমিকা ঠিক কী ছিল, তা বিস্তারিতভাবে তদন্ত করে দেখা হবে। তবে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, মূল মামলার তদন্ত যেহেতু সিবিআই করছে, তাই সেই তদন্তে রাজ্য সরকার কোনও হস্তক্ষেপ করবে না।আরজি কর কাণ্ড সামনে আসার পর নির্যাতিতার পরিবারকে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগও উঠেছিল বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, দুই পুলিশ অফিসার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে চাপ তৈরি করার চেষ্টা করেছিলেন। সেই অভিযোগও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।আরজি কর কাণ্ডের সময় কলকাতা পুলিশের কমিশনার পদে ছিলেন বিনীত গোয়েল। ডিসি সেন্ট্রাল হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তুলেছেন, কেন ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় পুলিশের মুখপাত্রের মতো আচরণ করেছিলেন এবং সেই সময় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে এত প্রশ্ন কেন উঠেছিল।এই ঘটনায় নতুন করে রাজনৈতিক মহলেও তীব্র চর্চা শুরু হয়েছে। কারণ, আরজি কর কাণ্ড নিয়ে শুরু থেকেই রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। এবার সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ করল নতুন সরকার।

মে ১৫, ২০২৬
কলকাতা

শাহজাহানদের জেল নেটওয়ার্কে বড় ধাক্কা! মোবাইল উদ্ধার, সাসপেন্ড দুই শীর্ষ আধিকারিক

প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে বন্দিদের হাতে মোবাইল ফোন ব্যবহারের অভিযোগ ঘিরে বড় পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, জেলের ভিতর থেকেই অপরাধচক্র চালানোর অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে একাধিক মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারের সুপার এবং চিফ কন্ট্রোলারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি পুরো ঘটনার তদন্তভার দেওয়া হয়েছে সিআইডিকে।শুক্রবার বিধানসভা থেকে নবান্নে গিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই তিনি জানান, প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে মোবাইল ব্যবহারের অভিযোগ তাঁর কাছে পৌঁছেছিল। এরপর রাজ্য পুলিশের ডিজিকে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলা হয়। তদন্তে অভিযোগ সত্যি প্রমাণিত হয়েছে বলে জানান শুভেন্দু।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, কলকাতা পুলিশের দক্ষিণ বিভাগের ডিসির উপস্থিতিতে এবং কারা দফতরের ডিজির নেতৃত্বে যৌথ অভিযানে একাধিক মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। শুভেন্দুর অভিযোগ, শুধু প্রেসিডেন্সি নয়, রাজ্যের বিভিন্ন সংশোধনাগার থেকেই অপরাধচক্র চালানো হচ্ছিল। তাঁর কথায়, গোটা রাজ্যের অপরাধীরা জেলের ভিতর থেকেই নেটওয়ার্ক চালিয়ে যাচ্ছে।এই ঘটনায় পূর্বতন সরকারের বিরুদ্ধে পরোক্ষ আক্রমণও শানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, এই কাজ একদিনের নয়। বছরের পর বছর ধরে নিচ থেকে উপর পর্যন্ত দুর্নীতির আঁতাত তৈরি হয়েছে। সেই চক্র ভাঙতে সময় লাগবে।শুভেন্দু আরও জানান, দমদম থেকে বহরমপুর পর্যন্ত একাধিক সংশোধনাগারে একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে বন্দিদের আলাদা সেলে রাখা থেকে শুরু করে কড়া নজরদারির ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। একইসঙ্গে শাহজাহানের নাম উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, জেলে বসে যারা অপরাধচক্র চালাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এই ঘটনায় প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারের সুপার এন কুজুর এবং চিফ কন্ট্রোলার দীপ্ত ঘরাইকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। সরকারি আধিকারিকদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়ে শুভেন্দু বলেন, দায়িত্বে গাফিলতি হলে শুধু অপরাধীদের বিরুদ্ধে নয়, যারা তাদের সাহায্য করছে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।কোন কোন বন্দির কাছে মোবাইল ছিল, কার নামে সিম ব্যবহার করা হচ্ছিল এবং কীভাবে সেই ফোন জেলের ভিতরে পৌঁছল, তা জানতে সিআইডি তদন্ত শুরু হয়েছে।

মে ১৫, ২০২৬
কলকাতা

আরজি কর কান্ডে বড় পদক্ষেপ! তিন আইপিএস সাসপেন্ড, ফের খুলছে তদন্তের ফাইল; মমতার ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হবে

আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের বহুল আলোচিত চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনকাণ্ডে নতুন করে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। শুক্রবার নবান্ন থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করলেন, ঘটনার সময় দায়িত্বে থাকা তিন আইপিএস অফিসারবিনীত গোয়েল, ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় এবং অভিষেক গুপ্ত-কে সাময়িক বরখাস্ত করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তও শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি-র ভূমিকা নিয়েও খতিয়ে দেখার ইঙ্গিত দিয়েছেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী।নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু বলেন, রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতরের দায়িত্ব নেওয়ার পরই তিনি মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিবের কাছে লিখিত রিপোর্ট তলব করেছিলেন। আরজি করের ঘটনার সময় পুলিশ প্রশাসন কীভাবে পরিস্থিতি সামলেছিল, কোথায় কোথায় গাফিলতি হয়েছে এবং কোন স্তরে তদন্ত প্রক্রিয়ায় ব্যত্যয় ঘটেছে, তার পূর্ণাঙ্গ তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছিল। সেই রিপোর্ট খতিয়ে দেখার পরই এই প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, প্রাথমিক তদন্তেই উঠে এসেছে একাধিক গুরুতর ত্রুটির অভিযোগ। বিশেষ করে ঘটনার পর যথাসময়ে এফআইআর দায়ের, প্রমাণ সংগ্রহ এবং তদন্তের প্রাথমিক ধাপগুলি সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়নি বলে অভিযোগ। পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু তথ্যের উল্লেখ করে শুভেন্দু দাবি করেন, নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে সরকারি স্তরে আর্থিক সমঝোতার চেষ্টা হয়েছিল বলেও অভিযোগ উঠেছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।২০২৪ সালের অগস্টে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড সামনে আসতেই সারা রাজ্যে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়। চিকিৎসক সমাজের লাগাতার আন্দোলন, প্রতিবাদ মিছিল এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে জনরোষের মুখে তৎকালীন কলকাতা পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের পদত্যাগের দাবিও জোরালো হয়। পরবর্তীতে তাঁকে কলকাতা পুলিশের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে এসটিএফ-এর এডিজি ও আইজিপি পদে বদলি করা হয়েছিল।একই সময়ে কলকাতা পুলিশের ডিসি (নর্থ) পদে ছিলেন অভিষেক গুপ্ত। তদন্তে গাফিলতির অভিযোগ ওঠার পর তাকেও সরিয়ে দেওয়া হয়। ডিসি (সেন্ট্রাল) পদে থাকা ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়ও আরজি কর-পরবর্তী অস্থির পরিস্থিতিতে কলকাতা পুলিশের মুখপাত্র হিসেবে বারবার সংবাদমাধ্যমের সামনে এসেছিলেন। তাঁর ভূমিকাও এখন তদন্তের আওতায় আসছে।শুভেন্দু স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই তদন্ত শুধু প্রশাসনিক দায়বদ্ধতা নির্ধারণেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; প্রয়োজন হলে তৎকালীন রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হবে। তাঁর এই ঘোষণার পর রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে। বিরোধীরা একে ন্যায়বিচারের পথে বড় পদক্ষেপ বলে দাবি করলেও, শাসকদলের একাংশ এটিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলেই কটাক্ষ করেছে।আরজি কর কাণ্ডে নতুন করে তদন্তের দরজা খোলায় ফের সামনে আসছে সেই ভয়াবহ রাতের বহু অমীমাংসিত প্রশ্ন। এবার প্রশাসনিক পদক্ষেপ কতদূর গড়ায়, সেদিকেই তাকিয়ে গোটা রাজ্য।

মে ১৫, ২০২৬
কলকাতা

ঘরছাড়াদের ফেরাতে বড় ঘোষণা শুভেন্দুর! তবে মানতে হবে কড়া শর্ত

ছাব্বিশের নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই তৃণমূলের তরফে দাবি করা হচ্ছিল, বিভিন্ন জেলায় তাঁদের বহু নেতা-কর্মী আক্রান্ত এবং ঘরছাড়া। শুক্রবার বিধানসভা অধিবেশনেও সেই অভিযোগ তুললেন বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। আর সেই অভিযোগের পরই বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।বিধানসভায় এদিন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অষ্টাদশ বিধানসভার স্পিকার নির্বাচিত হন শাসকদলের প্রার্থী রথীন্দ্রনাথ বোস। বিরোধীরা কোনও প্রার্থী না দেওয়ায় তাঁদের ধন্যবাদ জানান মুখ্যমন্ত্রী। এরপর বক্তব্য রাখতে উঠে ভোট পরবর্তী হিংসার প্রসঙ্গ তোলেন বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, বিজেপির অত্যাচারে বহু তৃণমূল কর্মী-সমর্থক ঘরছাড়া হয়ে রয়েছেন।এই অভিযোগের জবাব দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তাঁর জানা মতে বর্তমানে কেউ ঘরছাড়া নন। তবে যদি এমন ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে বিরোধী দলনেতাকে নামের তালিকা জমা দিতে বলেন তিনি। শুভেন্দুর বক্তব্য, আপনারা তালিকা দিন, কারা ঘরছাড়া হয়েছেন জানিয়ে দিন।তবে এখানেই একটি স্পষ্ট শর্ত বেঁধে দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, তালিকায় থাকা কেউ যদি একুশের ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনায় অভিযুক্ত হন এবং তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর থাকে, তাহলে তাঁকে ঘরে ফেরানো হবে না। বরং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিন্তু যদি কেউ নির্দোষ হয় এবং সত্যিই ঘরছাড়া থাকেন, তাহলে স্থানীয় বিধায়ক ও পুলিশ সুপার তাঁকে সসম্মানে ঘরে ফিরিয়ে দেবেন বলে আশ্বাস দেন শুভেন্দু।বিধানসভায় এই আলোচনা শেষ হওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রীর ঘরে গিয়ে দেখা করেন ডায়মন্ড হারবারের বিধায়ক পান্নালাল হালদার। সূত্রের খবর, তিনি শুভেন্দুকে বলেন যে বাইরে পরিস্থিতি এখনও অশান্ত। তখন মুখ্যমন্ত্রী জানান, পরের দিন পুলিশের সঙ্গে তাঁর বৈঠক রয়েছে এবং সেখানে পান্নালালকেও থাকতে বলেন তিনি।শোনা যাচ্ছে, সেই বৈঠকে যোগ দেওয়ার জন্য লিখিত আমন্ত্রণপত্র চান পান্নালাল। পুরো ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। কারণ, বিধানসভায় আগেই শুভেন্দু জানিয়েছিলেন, বিরোধীদেরও সমানভাবে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হবে। আর এবার পুলিশের বৈঠকে বিরোধী বিধায়ককে ডাক দিয়ে তিনি যেন সেই বার্তাই আরও স্পষ্ট করে দিলেন।

মে ১৫, ২০২৬
কলকাতা

আর গোপন কিছু নয়! বিধানসভার সব কার্যকলাপ লাইভ দেখানোর ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

বিধানসভার প্রথম দিন থেকেই বড় পরিবর্তনের বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিধায়করা কে কতটা কাজ করছেন, কে নিয়মিত বিধানসভায় উপস্থিত থাকছেন, তা যাতে সাধারণ মানুষ সরাসরি জানতে পারেন, সেই লক্ষ্যে বিধানসভার কার্যকলাপ লাইভ সম্প্রচারের ঘোষণা করলেন তিনি। তাঁর কথায়, জনগণের নজরদারি আরও শক্তিশালী করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হবে।বিধানসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু বলেন, অতীতের অম্ল-মধুর অভিজ্ঞতা তিনি আর টেনে আনতে চান না। পুরনো ত্রুটি-বিচ্যুতি ভুলে গিয়ে বহুদলীয় গণতন্ত্রের নিয়ম মেনেই বিধানসভা চালানোর উপর জোর দেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, বিধানসভাকে আরও দায়িত্বশীল ও স্বচ্ছ করে তোলাই এখন প্রধান লক্ষ্য।তিনি জানান, বিধায়কদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে। প্রশ্নোত্তর পর্বে সক্রিয় অংশগ্রহণও জরুরি বলে মন্তব্য করেন তিনি। শুভেন্দুর বক্তব্য, সাধারণ মানুষ অনেক সময় বুঝতেই পারেন না তাঁদের নির্বাচিত প্রতিনিধি কী কাজ করছেন। তাই বিল, বাজেট, জিরো আওয়ার-সহ বিধানসভার সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ কার্যকলাপ সরাসরি সম্প্রচার করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।বিধানসভায় বিশৃঙ্খলা ও অশালীন আচরণের বিরুদ্ধেও কড়া বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, কোনও বিধায়ককে শারীরিকভাবে নিগ্রহ করা উচিত নয়। বিধানসভা মারামারির জায়গা নয়, বরং গণতান্ত্রিক আলোচনা ও মতবিনিময়ের মঞ্চ।শুভেন্দু আরও জানান, বিধানসভায় সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে। এখনও ভোটাভুটির ক্ষেত্রে কাগজে লিখে মত জানাতে হয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। ভবিষ্যতে ডিলিমিটেশন হলে বিধানসভার আসন সংখ্যা বাড়তে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই কারণেই নতুন বিধানসভা ভবন তৈরির উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।বিরোধীদের উদ্দেশেও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, বিরোধীদের আরও বেশি করে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হবে। প্রয়োজন হলে বিরোধী বিধায়করা সরাসরি মন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন। পাশাপাশি কোনও মন্ত্রী এলাকায় গেলে স্থানীয় বিধায়ককে আগাম জানানো হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।শেষে বিরোধীদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আগে চিঠি পাঠালেও উত্তর পাওয়া যেত না। কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলাবে। বিরোধীরা চিঠি দিলে তিনি নিজে তার উত্তর দেবেন বলেও জানান শুভেন্দু।

মে ১৫, ২০২৬
কলকাতা

নাম না করেই অভিষেককে নিশানা তাপস রায়ের! “বিজেপি নয়, ওর ব্যবস্থা করবে জনগণ আর তৃণমূল”

নতুন সরকার গঠনের পর ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল বিধানসভা। স্পিকার নির্বাচনের দিন তৃণমূলকে একের পর এক আক্রমণ শানালেন মানিকতলার বিজেপি বিধায়ক তাপস রায়। নাম না করেই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন তিনি। তাপসের বক্তব্য, বিজেপি তাঁর কিছু করবে না। তাঁর ব্যবস্থা করবে জনগণ এবং তৃণমূলই।শুক্রবার বিধানসভায় স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হন বিজেপির রথীন্দ্র বসু। এরপর বিভিন্ন দলের বিধায়করা বক্তব্য রাখেন। সেই সময় বক্তব্য রাখতে উঠে তাপস রায় শুরু থেকেই তৃণমূলকে আক্রমণ করতে থাকেন। তৃণমূল বিধায়কদের দিকে তাকিয়ে তিনি বলেন, অনেক তো করেছেন। এবার দেখতে খারাপ লাগছে নাকি?এরপরই তিনি দাবি করেন, এবারের নির্বাচন শুধু সরকার গঠনের ভোট ছিল না, এটা ছিল ধর্মযুদ্ধ। সেই ধর্মযুদ্ধে যারা জিতে এসেছেন, তাঁদের অভিনন্দন জানান তিনি।নবনির্বাচিত স্পিকার রথীন্দ্র বসুর উদ্দেশে তাপস বলেন, বিধানসভায় কোনও দেশবিরোধী বা রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান যেন না ওঠে, তার জন্য প্রয়োজন হলে আইন আনতে হবে। তাঁর এই মন্তব্যে টেবিল চাপড়ে সমর্থন জানাতে দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে।এরপরই নাম না করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন তাপস রায়। তিনি বলেন, একজন সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ব্লক অঞ্চল থেকে বিজেপি প্রার্থীদের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। যদিও বাংলার দলের আবার সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক! এই মন্তব্যে তৃণমূল বিধায়করা প্রতিবাদ শুরু করলে তাপস বলেন, সব বলা যায়। বলতে দিতে হবে।তাপস আরও বলেন, সে বলেছিল হাড়গোড় ভেঙে দেওয়া হবে। আমি বলছি, এবার সে বাইরে বেরোক। বিজেপি কিছু করবে না। তার ব্যবস্থা জনগণ আর তৃণমূলই করবে।ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ নিয়েও তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। তাপসের দাবি, তৃণমূল ফের ক্ষমতায় এলে বিজেপির বহু কর্মী খুন হতেন। তিনি বলেন, আজ যদি ওরা ক্ষমতায় ফিরত, তাহলে দেড়শোর বেশি বিজেপি কর্মীর লাশ গুনতে হত। বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হত। লক্ষ লক্ষ বিজেপি সমর্থক ঘরছাড়া থাকতেন।একসময় তৃণমূলেরই নেতা ছিলেন তাপস রায়। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের টিকিটে বরাহনগর থেকে জিতেছিলেন তিনি। পরে লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপিতে যোগ দেন। নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে তাপস বলেন, আমি যদি ভোট পরবর্তী হিংসায় জড়িত থাকি, তাহলে আমাকে জেলে পাঠান।শেষে জয় শ্রীরাম এবং ভারত মাতার জয় ধ্বনি দিয়ে বক্তব্য শেষ করেন বিজেপি বিধায়ক।

মে ১৫, ২০২৬
কলকাতা

পদ হারিয়েই বিস্ফোরক পোস্ট কাকলির! তৃণমূলে কি বাড়ছে বিদ্রোহ?

লোকসভায় মুখ্য সচেতকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে। আর তারপর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে নতুন করে শুরু হয়েছে জল্পনা। কারণ পদ হারানোর পর সমাজমাধ্যমে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করেছেন কাকলি। সেই পোস্ট ঘিরেই এখন রাজনৈতিক মহলে তুমুল চর্চা শুরু হয়েছে।পালাবদলের পর থেকেই তৃণমূলের একাংশ নেতার মধ্যে অসন্তোষ প্রকাশ্যে এসেছে। কেউ সংবাদমাধ্যমের সামনে, কেউ আবার সমাজমাধ্যমে দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। অনেকেই দলের খারাপ ফলের জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আইপ্যাককে দায়ী করেছেন। সেই আবহেই কাকলির পোস্ট নতুন করে জল্পনা বাড়িয়েছে।গত বছরের অগস্ট মাসে আচমকাই লোকসভায় দলের মুখ্য সচেতকের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই দায়িত্ব দেন কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে। কিন্তু মাত্র নমাসের মধ্যেই ফের সেই পদে ফিরিয়ে আনা হল কল্যাণকে। আর তারপর থেকেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, কেন হঠাৎ এই সিদ্ধান্ত?পদ থেকে সরানোর পর সমাজমাধ্যমে কাকলি লেখেন, ৭৬ থেকে পরিচয়, ৮৪ থেকে পথচলা শুরু। ৪ দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম। এই পোস্ট থেকেই স্পষ্ট, সিদ্ধান্তে তিনি যে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ, তা আর আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখে না।এর আগেও কাকলির ছেলে বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার একাধিক পোস্ট করে দলের অন্দরে চাঞ্চল্য ফেলেছিলেন। সমাজমাধ্যমে তৃণমূল নেতৃত্বের কড়া সমালোচনা করেছিলেন তিনি। একইসঙ্গে সিপিএম নেতৃত্ব এবং মহম্মদ সেলিমের প্রশংসাও করেছিলেন।আরও একটি পোস্টে বৈদ্যনাথ লিখেছিলেন, আমার মাকে প্রশ্ন করার প্রয়োজন নেই। প্রশ্ন করুন সব্যসাচী দত্ত কোথায়? রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই পোস্টের পর থেকেই কাকলির অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়ে।এখন ছেলের পর মা-ও প্রকাশ্যে ক্ষোভ দেখানোয় তৃণমূলের অন্দরে নতুন করে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। যদিও কাকলির পোস্ট নিয়ে এখনও পর্যন্ত দলের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

মে ১৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal